উইকিউক্তি bnwikiquote https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8_%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE MediaWiki 1.46.0-wmf.24 first-letter মিডিয়া বিশেষ আলাপ ব্যবহারকারী ব্যবহারকারী আলাপ উইকিউক্তি উইকিউক্তি আলোচনা চিত্র চিত্র আলোচনা মিডিয়াউইকি মিডিয়াউইকি আলোচনা টেমপ্লেট টেমপ্লেট আলোচনা সাহায্য সাহায্য আলোচনা বিষয়শ্রেণী বিষয়শ্রেণী আলোচনা TimedText TimedText talk মডিউল মডিউল আলাপ Event Event talk ব্যবহারকারী আলাপ:MdsShakil 3 4 78716 77951 2026-04-20T01:25:41Z Sumanta3023 4175 /* ফ্রান্সিস্কো ভারেলা */ নতুন অনুচ্ছেদ 78716 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == সুপ্রিয়, MdsShakil, [[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! [[ব্যবহারকারী:MdaNoman|MdaNoman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdaNoman|আলাপ]]) ১১:২৮, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == [[ওবায়দুল কাদের]] নিবন্ধটি সম্পর্কে == [[File:Usermsg.svg|25px|alt=|link=]] সুপ্রিয় MdsShakil, আমি [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ মারুফ|মোহাম্মদ মারুফ]]। উইকিউক্তিতে [[বিশেষ:অবদান/MdsShakil|আপনার অবদানের]] জন্য ধন্যবাদ। আপনি ১ এপ্রিল, ২০২২ তারিখে অর্থাৎ এই বার্তা প্রদানের '''<span style="color:red">২৩৮ দিন পূর্বে </span>''' '''ওবায়দুল কাদের''' নিবন্ধটি তৈরি করেছেন। যদিও উইকিউক্তিতে যে কেউই সম্পাদনা করতে পারে, কিন্তু উইকিউক্তিতে গঠনমূলক সম্পাদনার করার জন্য একটি নীতিমালা রয়েছে। <!--আমাদের [[উইকিপিডিয়া:স্বাগতম, নবাগত|স্বাগত পাতায়]] এই নীতিমালার বিস্তারিত ব্যখ্যা রয়েছে।--> নীতিমালা অনুসারে, আপনার তৈরি করা [[ওবায়দুল কাদের|নিবন্ধটিতে]] একটি সমস্যা পরিলক্ষিত হয়েছে। সমস্যাটি হলো: # নিবন্ধটিতে কোন [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|উৎস বা তথ্যসূত্র]] [[উইকিউক্তি:উৎসনির্দেশ|উদ্ধৃত]] নেই '''আপনি যা করতে পারেন:''' #[[উইকিউক্তি:নির্ভরযোগ্য উৎস|নির্ভরযোগ্য উৎস]] থেকে [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|তথ্যসূত্র প্রদান করে]] এই নিবন্ধটির মানোন্নয়ন করুন। তা নাহলে নিবন্ধটি অপসারণ করা হতে পারে এ সম্পর্কে আপনার মতামত বা পরামর্শ জানাতে [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ মারুফ|আমার আলাপ]] পাতায় বার্তা দিতে পারেন। উইকিউক্তিতে আপনার যাত্রা শুভ হোক। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ মারুফ|মোহাম্মদ মারুফ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ মারুফ|আলাপ]]) ১৫:৪১, ২৫ নভেম্বর ২০২২ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে == সুপ্রিয় MdsShakil, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>। ;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে? :প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না। ; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে? : যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)। আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্‌স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি == সুপ্রিয় MdsShakil, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]): * যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন। * যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৪, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যালোচনার আবেদন == [[কিম ইল-সাং]] পাতাটিতে চিহ্নিত ভূল গুলো সংশোধন করা হয়েছে। এখন গ্রহণ করতে পারবে। [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১২:৪৭, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] এই পাতাটিতে আমি সেরকম কোন ত্রুটি দেখতে পেলাম না আপনি যদি একটু কোন প্যারাগ্রাফে ত্রুটি আছে বলে দেন তাহলে সংশোধন করতে সুবিধা হয়। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৩:৫৩, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] উক্তিগুলোতে সমস্যা আছে, এগুলো আরও সুবোধ্য ভাষায় লিখতে হবে। যেমন একটি উক্তিতে আপনি লিখেছেন, "{{সবুজ|সমসাময়িক সংস্কৃতিতে 'সামগ্রিক' দৃষ্টিভঙ্গিকে এক ধরণের সর্বরোগহর ওষুধ হিসেবে প্রচার করার একটি শক্তিশালী ধারা রয়েছে সংক্ষেপণবাদ বা রিডাকশনিজম বলতে নিচের স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়, আর সামগ্রিকতা বলতে উচ্চতর স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়। যেকোনো সন্তোষজনক বর্ণনায় এই দুটি একে অপরের সাথে জড়িত: এবং প্রতিটি আমাদের জ্ঞানীয় পছন্দের ক্ষেত্রে কিছুটা ক্ষতির পাশাপাশি কিছু লাভও নিয়ে আসে অংশগুলোর পারস্পরিক সংযোগ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা হয় না এবং পরিবেশ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা থাকা সম্ভব নয়।}}" এই বাক্যটিকে এভাবে লেখা যেতো, ''{{লাল|বর্তমান সংস্কৃতিতে ‘সামগ্রিক’ দৃষ্টিভঙ্গিকে সব সমস্যার সমাধান হিসেবে দেখার একটি প্রবণতা রয়েছে। সাধারণত ‘হ্রাসবাদ’ বা ক্ষুদ্র বিশ্লেষণ বলতে আমরা কোনো বিষয়ের ছোট বা গভীর অংশ নিয়ে কাজ করা বুঝি, আর ‘সামগ্রিকতা’ বলতে বুঝি বড় বা ওপরের স্তরে নজর দেওয়া। কিন্তু যেকোনো সঠিক বর্ণনায় এই দুই পদ্ধতিই একে অপরের সাথে জড়িয়ে থাকে। আমাদের বোঝার সুবিধার্থে আমরা একেক সময় একেকটা বেছে নেই, তবে দুটোরই যেমন কিছু ভালো দিক আছে, তেমনি কিছু সীমাবদ্ধতাও আছে। মূলত উভয়ের ভেতরের অংশগুলোর যোগসূত্র ছাড়া যেমন কোনো পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা গড়ে ওঠে না, তেমনি চারপাশের পরিবেশ ছাড়াও কোনো ব্যবস্থা সম্পূর্ণ হতে পারে না।}}'' আপনি এভাবে ভাবানুবাদ করেন, আক্ষরিক বা যান্ত্রিক অনুবাদ করলে তো হবে না। ইংরেজি বাক্যগুলো পড়ে বুঝে সেগুলো বাংলা ভাষায় সহজে বুঝিয়ে লিখুন, যাতে আপনি নিজে একবার পড়লেই বুঝতে পারেন। ইংরেজি বড় বাক্যগুলো প্রয়োজনে ভেঙ্গে লিখবেন। এভাবে পুরো নিবন্ধ সংশোধন করুন। [[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdsShakil#top|আলাপ]]) ১৫:৩২, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আল খোয়ারিজমি]] == @[[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]],<br>[[আল খোয়ারিজমি]] পাতাটি পর্যালোচক @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] কর্তৃক 'not accepted' হিসেবে চিহ্নিতের পর প্রায় ৮৪ ঘন্টা হয়ে গেছে। কিন্তু যথাযথ কারন বা সংশোধনের ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়নি। তাই পাতাটি পর্যালোচনা করে গ্রহণ করার জন্য সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি।<br>ধন্যবাদান্তে,<br>'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৩:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] দুঃখিত। এটা আমার একটা মিস্টেক ছিল। কিন্তু আমাকে না জানিয়ে অন্য কারও কাছে অভিযোগ জানানোর কারণ কী? [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ২৩:৩৬, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]]আমি আপনার আলাপ পাতায় ৩ বার মেন্শন করেছি। যাইহোক, এটিঅভিযোগ হিসেবে নেওয়ার কারণ নেই। আপনার প্রত্যুত্তর না পেয়ে এখানে পর্যালোচনা করার আহ্বান জানিয়েছিলাম। ::ধন্যবাদ। ::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০২:১৫, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] == @[[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:২৫, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) tc9fe4u409154vfmczmz361p473aivy আবদুল কাদের সিদ্দিকী 0 184 78773 37790 2026-04-20T03:28:24Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] যোগ 78773 wikitext text/x-wiki {{উৎসহীন|নিবন্ধ}} [[চিত্র:Abdul Kader Siddique cropped).jpg|thumb|২০১৭ সালে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী]] [[W:আবদুল কাদের সিদ্দিকী|বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম]] (জন্ম:১৪ জুন, ১৯৪৭) ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি বাঘা সিদ্দিকী নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সমরনায়ক, যিনি ভারতীয় বাহিনীর সাহায্য ব্যতিরেকেই ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের প্রথমার্ধে ঢাকা আক্রমণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিলেন। তার পূর্ণ নাম আব্দুল কাদের সিদ্দিকী। তাকে বঙ্গবীর নামেও ডাকা হয়। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বাহিনী কাদেরিয়া বাহিনী তার নেতৃত্বে গঠিত ও পরিচালিত হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তার নামে সখিপুরে "কাদেরনগর" গ্রামের নামকরণ করা হয়েছে। == উক্তি == * নিয়াজী হাত বাড়িয়ে দিলেও আমার দিক থেকে কোনো সাড়া ছিল না। মুহূর্তে আমার কপাল ও হাতে বিন্দু বিন্দু ঘাম ফুটে উঠল। আমার মনে হচ্ছিল, লাখ লাখ বাঙালির হত্যাকারী পাপীষ্ঠের সঙ্গে হাত মেলাব কোন প্রয়োজনে? * এ মাসে (বিজয়ের মাস) আমি কোনো কথা বলব না। বিজয়ের মাস যাক, তার পর এসো। * এমন অসভ্য সরকার আমি জীবনে কখনো দেখিনি। * আমাদের দেশে খালি [[নারী]] নারী আর নারী। এই দেশে আল্লাহর রহমত বর্ষণ হতে পারে না। আল্লাতালা নারী সৃষ্টি করার পর থেকে আল্লাতালার নিজের উপর থেকেই নিজের রহমত উঠে গেছে। কাজেই রহমতের বর্ষণ পেতে হলে এ থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Abdul Kader Siddique}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] eajxvnenb86djo3v311c4ddu2gk1kwh আবদুল হামিদ খান ভাসানী 0 185 78774 72114 2026-04-20T03:29:31Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] যোগ 78774 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Maulana Bhasani in Havana, Cuba.jpg|thumb|আসাম আমার, পশ্চিমবঙ্গ আমার ত্রিপুরাও আমার। এগুলো ভারতের কবল থেকে ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মানচিত্র পূর্ণতা পাবে না। ~ মাওলানা ভাসানী]] '''মাওলানা''' {{bw|আবদুল হামিদ খান ভাসানী}} (১২ ডিসেম্বর ১৮৮০ – ১৭ নভেম্বর ১৯৭৬; যিনি '''মওলানা ভাসানী''' নামেই সমধিক পরিচিত) ছিলেন বিংশ শতাব্দীর একজন বাঙালি রাজনীতিবিদ ও গণআন্দোলনের নায়ক, যিনি জীবদ্দশায় ১৯৪৭-এ সৃষ্ট [[W:bn:পাকিস্তান|পাকিস্তান]] ও ১৯৭১-এ প্রতিষ্ঠিত [[W:bn:বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি বাংলাদেশের মানুষের কাছে “'''মজলুম জননেতা'''” হিসেবে খ্যাত। ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দের নির্বাচনে [[W:bn:যুক্তফ্রন্ট|যুক্তফ্রন্ট]] গঠনকারী প্রধান নেতাদের মধ্যে তিনি অন্যতম। স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায়ও তিনি বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। রাজনৈতিক জীবনের বেশিরভাগ সময়ই তিনি বামধারার রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন বলে তাকে "'''লাল মওলানা'''" নামেও অভিহিত করা হয়। তিনি [[W:bn:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ|আওয়ামী লীগের]] অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম সভাপতি। == উক্তি == * [[আসাম]] আমার, [[পশ্চিমবঙ্গ]] আমার [[ত্রিপুরা|ত্রিপুরাও]] আমার। এগুলো ভারতের কবল থেকে ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] স্বাধীনতা ও [[মানচিত্র]] পূর্ণতা পাবে না। ** ১৯৭২ সালের ২৫ শে ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত, সাপ্তাহিক হক কথা পত্রিকায় মাওলানা ভাসানী এটি ঘোষণা দিয়েছিলেন।[https://www.dailynayadiganta.com/sub-editorial/527394/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%9A%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%82-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%80] * এভাবেই যদি [[পূর্ববঙ্গ|পূর্ব বাংলার]] জনগণের ওপর শাসন-শোষণ চলতে থাকে, তবে আগামী ১০ বছরের মধ্যে পূর্ব বাংলার মানুষ পশ্চিম [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] প্রতি আসসালামু আলাইকুম জানাবে। তোমাদের পথ তোমরা দেখো, আমাদের পথ আমরা দেখব। ** ১৯৫৭ সালের [[w:bn:কাগমারী সম্মেলন|কাগমারী সম্মেলনে]] মওলানা ভাসানী * যেসব মুসলমান হিন্দুদের বিধর্মী মনে করে, তাদের ক্ষতি করতে চায়, আমি তাদের বলি তোমরা কারা? খুব বেশি হইলে চার-পাঁচ পুরুষ আগে তোমরা কারা ছিলা? তোমাদের বাপ-দাদার বাপ-দাদারা ছিলেন হয় হিন্দু নয় নমঃশূদ্র। এ দেশের হিন্দু আর মুসলমানের একই রক্ত। কতজন আরব ইরান-আফগানিস্তান হইতে আসিয়াছে? পাঁচ পুরুষ আগে যারা ছিলো তোমাদের পূর্বপুরুষ আজ তাদের গায়ে হাত তুলতে তোমাদের বুক কাঁপে না? তোমরা কি মানুষ না পশু? ** সাম্প্রদায়িকতাবাদীদের বিরুধীতা করে মাওলানা ভাসানী এটি বলেছিলেন।[https://bangla.bdnews24.com/kidz/article1857308.bdnews] * ধর্মের সঙ্গে ভাষার কোন সম্পর্ক নাই। [[ধর্ম]] এক জিনিস আর [[ভাষা]] আর একটি জিনিস। একটির সঙ্গে অন্যটিকে যারা মেশায় তারা অসৎ ও মতলববাজ। উর্দুর সঙ্গে ইসলামের সম্পর্ক কী? আরব দেশের মানুষ [[উর্দু]]তে কথা বলে নাকি? ইরানের মানুষ কি উর্দু জানে? উর্দু কি দুনিয়ার সব মুসলমানের ভাষা? বাংলাকে যারা পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা চায় তারা পাকিস্তানের দুশমন নয়। যারা চায় না তারাই পাকিস্তানের দুশমন। পাকিস্তানের যদি ক্ষতি হয় তাহলে বাংলা-বিরোধীদের দ্বারাই হবে। ** পশ্চিম পাকিস্তানের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মাওলানা ভাসানী এটি বলেন।[https://bangla.bdnews24.com/amp/story/kidz%2Farticle1857308.bdnews] * যারা ইসলামের নামে, [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্রনাথের]] উপর আক্রমণ চালাচ্ছেন, তারা আসলে ইসলামের সত্য ও সুন্দরের নীতিতে বিশ্বাসী নন। ** ১৯৬৭ সালের জুন মাসের দৈনিক পাকিস্তানে প্রকাশিত মাওলানা ভাসানীর বিবৃতি।[https://bangla.bdnews24.com/arts/24689] * [[পূর্ববঙ্গ|পূর্ব বাংলা]] থেকে হিন্দুরা চলে গেলে বাঙালি কালচার নষ্ট হয়ে যাবে।[https://bangla.bdnews24.com/kidz/article1857308.bdnews] * ২১-দফার পূর্ণ রূপায়ণের জন্য আমাদের নিরবচ্ছিন্ন আন্দোলন চালাইয়া যাইতে হইবে। ইহা সারা পাকিস্থানের সামাজিক ও আর্থিক পরাধীনতার হাত হইতে মুক্তির মহান সনদ, ইহা যেন আমরা কখনও বিস্মৃত না হই। ** কাগমারী সম্মেলন সংক্রান্ত প্রচারপত্র, ৩রা ফেব্রুয়ারী ১৯৫৭, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র- প্রথম খন্ড, সম্পাদনা- হাসান হাফিজুর রহমান, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৯৩ * [[পূর্ব বাংলা|পূর্ব বাংলার]] মুক্তি সংগ্রাম পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার হতে পারে না। অবিভক্ত ভারতের ১০ কোটি মুসলমান যে ঐতিহাসিক [[লাহোর প্রস্তাব|লাহোর প্রস্তাবের]] প্রতি সমর্থন জানিয়েছিল, পশ্চিম পাকিস্তান তাকে অবজ্ঞা করেছে। পাকিস্তান আন্দোলনের এই মৌলিক প্রস্তাবটিকে অবজ্ঞা করে বিগত ২৩ বছর ধরে তারা পূর্ব বাংলাকে তাদের কলোনি করে রেখেছে। এই চূড়ান্ত সংগ্রাম বীর [[বাঙালি জাতি|বাঙালি জাতির]] স্বাধীনতার সংগ্রাম। শোষণ থেকে মুক্তি ও হৃত স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের লড়াই। ** ১৯৭১ সালের ২২ এপ্রিল এক বিবৃতিতে। [https://bangla.thedailystar.net/node/218625] == ভাসানী সম্পর্কে উক্তি == * বল্লমের মতো ঝলসে ওঠে তার হাত বারবার<br /> অতিদ্রুত স্ফীত হয়, স্ফীত হয়, মৌলানার সফেদ পাঞ্জাবি,<br /> যেন তিনি ধবধবে একটি পাঞ্জাবি দিয়ে সব<br /> বিক্ষিপ্ত বে-আব্রু লাশ কী ব্যাকুল ঢেকে দিতে চান। ** ''সফেদ পাঞ্জাবি'', দুঃসময়ে মুখোমুখি (১৯৭৩), [[শামসুর রাহমান]] ({{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=শ্রেষ্ঠ কবিতা |সম্পাদক=চন্দন চৌধুরী |প্রকাশক=কথাপ্রকাশ |আইএসবিএন=9847012002957 |আইএসবিএন-ত্রুটি-উপেক্ষা-করুন=হ্যাঁ |পৃষ্ঠা=২৯}}) * মওলানার টুপিওয়ালা উঁচু মাথাটি যেন<br /> এক হারিয়ে যাওয়া পর্বতের স্মৃতি ** {{বই উদ্ধৃতি |অধ্যায়=মওলানা ভাসানীর স্মৃতি |শিরোনাম=কবিতাসংগ্রহ |লেখক=আল মাহমুদ |লেখক-সংযোগ=আল মাহমুদ |প্রকাশক=অক্ষর প্রকাশনী |আইএসবিএন=9789849016045 |পৃষ্ঠা=১১৭}} * মওলানা ভাসানীর মতো নেতা টাঙ্গাইলে আছেন এটা সারা বাংলাদেশের গর্ব। বাংলাদেশের ইতিহাস তিনি সৃষ্টি করেছেন। '''মওলানা ভাসানী না থাকলে এই বাংলাদেশের জন্ম হতো না। '''তিনি ছিলেন মজলুম জননেতা। ** বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা [[ফরিদা আখতার]]। [https://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/1b394bbfa0bd ভাসানী না থাকলে বাংলাদেশের জন্ম হত না: ফরিদা আখতার] | বিডি নিউজ ২৩। ০৭ অক্টোবর ২০২৪। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Abdul Hamid Khan Bhashani}} [[বিষয়শ্রেণী:রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৮০-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৭৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:একুশে পদক বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রতিষ্ঠাতা]] 2fudvxkjhdi1jvjbfzfdbfid52l3rcl 78775 78774 2026-04-20T03:29:50Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:রাজনীতিবিদ]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ]] যোগ 78775 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Maulana Bhasani in Havana, Cuba.jpg|thumb|আসাম আমার, পশ্চিমবঙ্গ আমার ত্রিপুরাও আমার। এগুলো ভারতের কবল থেকে ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মানচিত্র পূর্ণতা পাবে না। ~ মাওলানা ভাসানী]] '''মাওলানা''' {{bw|আবদুল হামিদ খান ভাসানী}} (১২ ডিসেম্বর ১৮৮০ – ১৭ নভেম্বর ১৯৭৬; যিনি '''মওলানা ভাসানী''' নামেই সমধিক পরিচিত) ছিলেন বিংশ শতাব্দীর একজন বাঙালি রাজনীতিবিদ ও গণআন্দোলনের নায়ক, যিনি জীবদ্দশায় ১৯৪৭-এ সৃষ্ট [[W:bn:পাকিস্তান|পাকিস্তান]] ও ১৯৭১-এ প্রতিষ্ঠিত [[W:bn:বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি বাংলাদেশের মানুষের কাছে “'''মজলুম জননেতা'''” হিসেবে খ্যাত। ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দের নির্বাচনে [[W:bn:যুক্তফ্রন্ট|যুক্তফ্রন্ট]] গঠনকারী প্রধান নেতাদের মধ্যে তিনি অন্যতম। স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায়ও তিনি বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। রাজনৈতিক জীবনের বেশিরভাগ সময়ই তিনি বামধারার রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন বলে তাকে "'''লাল মওলানা'''" নামেও অভিহিত করা হয়। তিনি [[W:bn:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ|আওয়ামী লীগের]] অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম সভাপতি। == উক্তি == * [[আসাম]] আমার, [[পশ্চিমবঙ্গ]] আমার [[ত্রিপুরা|ত্রিপুরাও]] আমার। এগুলো ভারতের কবল থেকে ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] স্বাধীনতা ও [[মানচিত্র]] পূর্ণতা পাবে না। ** ১৯৭২ সালের ২৫ শে ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত, সাপ্তাহিক হক কথা পত্রিকায় মাওলানা ভাসানী এটি ঘোষণা দিয়েছিলেন।[https://www.dailynayadiganta.com/sub-editorial/527394/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%9A%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%AC%E0%A6%82-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%80] * এভাবেই যদি [[পূর্ববঙ্গ|পূর্ব বাংলার]] জনগণের ওপর শাসন-শোষণ চলতে থাকে, তবে আগামী ১০ বছরের মধ্যে পূর্ব বাংলার মানুষ পশ্চিম [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] প্রতি আসসালামু আলাইকুম জানাবে। তোমাদের পথ তোমরা দেখো, আমাদের পথ আমরা দেখব। ** ১৯৫৭ সালের [[w:bn:কাগমারী সম্মেলন|কাগমারী সম্মেলনে]] মওলানা ভাসানী * যেসব মুসলমান হিন্দুদের বিধর্মী মনে করে, তাদের ক্ষতি করতে চায়, আমি তাদের বলি তোমরা কারা? খুব বেশি হইলে চার-পাঁচ পুরুষ আগে তোমরা কারা ছিলা? তোমাদের বাপ-দাদার বাপ-দাদারা ছিলেন হয় হিন্দু নয় নমঃশূদ্র। এ দেশের হিন্দু আর মুসলমানের একই রক্ত। কতজন আরব ইরান-আফগানিস্তান হইতে আসিয়াছে? পাঁচ পুরুষ আগে যারা ছিলো তোমাদের পূর্বপুরুষ আজ তাদের গায়ে হাত তুলতে তোমাদের বুক কাঁপে না? তোমরা কি মানুষ না পশু? ** সাম্প্রদায়িকতাবাদীদের বিরুধীতা করে মাওলানা ভাসানী এটি বলেছিলেন।[https://bangla.bdnews24.com/kidz/article1857308.bdnews] * ধর্মের সঙ্গে ভাষার কোন সম্পর্ক নাই। [[ধর্ম]] এক জিনিস আর [[ভাষা]] আর একটি জিনিস। একটির সঙ্গে অন্যটিকে যারা মেশায় তারা অসৎ ও মতলববাজ। উর্দুর সঙ্গে ইসলামের সম্পর্ক কী? আরব দেশের মানুষ [[উর্দু]]তে কথা বলে নাকি? ইরানের মানুষ কি উর্দু জানে? উর্দু কি দুনিয়ার সব মুসলমানের ভাষা? বাংলাকে যারা পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা চায় তারা পাকিস্তানের দুশমন নয়। যারা চায় না তারাই পাকিস্তানের দুশমন। পাকিস্তানের যদি ক্ষতি হয় তাহলে বাংলা-বিরোধীদের দ্বারাই হবে। ** পশ্চিম পাকিস্তানের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মাওলানা ভাসানী এটি বলেন।[https://bangla.bdnews24.com/amp/story/kidz%2Farticle1857308.bdnews] * যারা ইসলামের নামে, [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্রনাথের]] উপর আক্রমণ চালাচ্ছেন, তারা আসলে ইসলামের সত্য ও সুন্দরের নীতিতে বিশ্বাসী নন। ** ১৯৬৭ সালের জুন মাসের দৈনিক পাকিস্তানে প্রকাশিত মাওলানা ভাসানীর বিবৃতি।[https://bangla.bdnews24.com/arts/24689] * [[পূর্ববঙ্গ|পূর্ব বাংলা]] থেকে হিন্দুরা চলে গেলে বাঙালি কালচার নষ্ট হয়ে যাবে।[https://bangla.bdnews24.com/kidz/article1857308.bdnews] * ২১-দফার পূর্ণ রূপায়ণের জন্য আমাদের নিরবচ্ছিন্ন আন্দোলন চালাইয়া যাইতে হইবে। ইহা সারা পাকিস্থানের সামাজিক ও আর্থিক পরাধীনতার হাত হইতে মুক্তির মহান সনদ, ইহা যেন আমরা কখনও বিস্মৃত না হই। ** কাগমারী সম্মেলন সংক্রান্ত প্রচারপত্র, ৩রা ফেব্রুয়ারী ১৯৫৭, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র- প্রথম খন্ড, সম্পাদনা- হাসান হাফিজুর রহমান, প্রকাশক- হাক্কানী পাবলিশার্স, ঢাকা, প্রকাশসাল- ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৪১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৯৩ * [[পূর্ব বাংলা|পূর্ব বাংলার]] মুক্তি সংগ্রাম পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার হতে পারে না। অবিভক্ত ভারতের ১০ কোটি মুসলমান যে ঐতিহাসিক [[লাহোর প্রস্তাব|লাহোর প্রস্তাবের]] প্রতি সমর্থন জানিয়েছিল, পশ্চিম পাকিস্তান তাকে অবজ্ঞা করেছে। পাকিস্তান আন্দোলনের এই মৌলিক প্রস্তাবটিকে অবজ্ঞা করে বিগত ২৩ বছর ধরে তারা পূর্ব বাংলাকে তাদের কলোনি করে রেখেছে। এই চূড়ান্ত সংগ্রাম বীর [[বাঙালি জাতি|বাঙালি জাতির]] স্বাধীনতার সংগ্রাম। শোষণ থেকে মুক্তি ও হৃত স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের লড়াই। ** ১৯৭১ সালের ২২ এপ্রিল এক বিবৃতিতে। [https://bangla.thedailystar.net/node/218625] == ভাসানী সম্পর্কে উক্তি == * বল্লমের মতো ঝলসে ওঠে তার হাত বারবার<br /> অতিদ্রুত স্ফীত হয়, স্ফীত হয়, মৌলানার সফেদ পাঞ্জাবি,<br /> যেন তিনি ধবধবে একটি পাঞ্জাবি দিয়ে সব<br /> বিক্ষিপ্ত বে-আব্রু লাশ কী ব্যাকুল ঢেকে দিতে চান। ** ''সফেদ পাঞ্জাবি'', দুঃসময়ে মুখোমুখি (১৯৭৩), [[শামসুর রাহমান]] ({{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=শ্রেষ্ঠ কবিতা |সম্পাদক=চন্দন চৌধুরী |প্রকাশক=কথাপ্রকাশ |আইএসবিএন=9847012002957 |আইএসবিএন-ত্রুটি-উপেক্ষা-করুন=হ্যাঁ |পৃষ্ঠা=২৯}}) * মওলানার টুপিওয়ালা উঁচু মাথাটি যেন<br /> এক হারিয়ে যাওয়া পর্বতের স্মৃতি ** {{বই উদ্ধৃতি |অধ্যায়=মওলানা ভাসানীর স্মৃতি |শিরোনাম=কবিতাসংগ্রহ |লেখক=আল মাহমুদ |লেখক-সংযোগ=আল মাহমুদ |প্রকাশক=অক্ষর প্রকাশনী |আইএসবিএন=9789849016045 |পৃষ্ঠা=১১৭}} * মওলানা ভাসানীর মতো নেতা টাঙ্গাইলে আছেন এটা সারা বাংলাদেশের গর্ব। বাংলাদেশের ইতিহাস তিনি সৃষ্টি করেছেন। '''মওলানা ভাসানী না থাকলে এই বাংলাদেশের জন্ম হতো না। '''তিনি ছিলেন মজলুম জননেতা। ** বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা [[ফরিদা আখতার]]। [https://bangla.bdnews24.com/samagrabangladesh/1b394bbfa0bd ভাসানী না থাকলে বাংলাদেশের জন্ম হত না: ফরিদা আখতার] | বিডি নিউজ ২৩। ০৭ অক্টোবর ২০২৪। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Abdul Hamid Khan Bhashani}} [[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৮০-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৭৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:একুশে পদক বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রতিষ্ঠাতা]] j1f0372ww29udeklhevtg1c2y0wxu1f ওবায়দুল কাদের 0 269 78748 77720 2026-04-20T03:02:11Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] যোগ 78748 wikitext text/x-wiki '''[[:w:ওবায়দুল কাদের|ওবায়দুল কাদের]]''' (জন্ম: ১ জানুয়ারি ১৯৫২) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী। নোয়াখালী-৫ আসন থেকে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সপ্তম, নবম, দশম এবং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় লাভ করেন। শেখ হাসিনার প্রথম মন্ত্রিসভায় তিনি যুব, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। ২০১১ সালের ডিসেম্বর থেকে তিনি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৬ সালের ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২০তম সম্মেলনে তিনি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ২০১৯ সালের ২১তম সম্মেলনেও তিনি পূণ:নির্বাচিত হন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি [[দৈনিক বাংলার বাণী]] পত্রিকার সহকারী সম্পাদক ছিলেন। == উক্তি == * ‘...পালাব না। কোথায় পালাব?...আমরা পালাব না, প্রয়োজনে ফখরুল সাহেবের বাসায় গিয়ে উঠব। কী জায়গা দেবেন? না হলে ঠাকুরগাঁওয়ে বাড়ি আছে না, ওই বাড়িতে গিয়ে উঠব।’ ** [https://www.prothomalo.com/bangladesh/mrdgqksr3g] * পুলিশের কনস্টেবলের চাকরির ভাগাভাগিতে টাকার বিনিময়ে অংশ নেওয়া নেতা আওয়ামী লীগে প্রয়োজন নেই। প্রাইমারি স্কুলের নৈশপ্রহরীর চাকরির জন্য টাকা নেওয়া নেতা শেখ হাসিনার দরকার নেই।{{fact}} * মন্ত্রীদের দুইটি সমস্যা এক লেখাপড়া কম ও আরেকটি টাকা খায়।{{fact}} * পাকিস্তান আমাদের পেছনে লেগে রয়েছে। রোহিঙ্গাদের নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। রোহিঙ্গাদের মধ্যেও উগ্রবাদী শক্তি আছে বলে আমি মনে করি। তাই পাকিস্তান রোহিঙ্গাদের মদদ দিয়ে যাচ্ছে।{{fact}} * বিএনপির তা‌দের দলের ভিত‌রে জগাখিচুড়ি অবস্থা বিরাজ করছে।{{fact}} * চাটুকার-মশাই দেখলেই আমি ভয় পাই, চাটুকার-মশাই জঙ্গিদের চেয়েও ভয়ংকর।{{fact}} * চার লেন করার একটা যন্ত্রণা আছে, জন্মযন্ত্রণা। আমাদের এটা মেনে নেওয়া উচিত।{{fact}} * আমরা এমন কোনো রাষ্ট্রপতি করিনি যার নাম ইয়াজউদ্দিন, কার্যক্রমে ইয়েস উদ্দিন।{{fact}} * মাসুদ তুমি ভালো হয়ে যাও। ** ১৮ জানুয়ারি ২০১৭ রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের কার্যালয় পরিদর্শনকালে প্রতিষ্ঠানটির উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমানের বিষয়ে এ কথা বলেন।[https://www.banglanews24.com/national/news/bd/548306.details জাগো নিউজ] * কাগজে লিখো নাম, ছিঁড়ে যাবে।<br>ব্যানারে লিখো নাম, মুছে যাবে।<br>পাথরে লিখো নাম, খোয়ো যাবে।<br>হৃদয়ে লিখো নাম, রয়ে যাবে। ** পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য [https://m.youtube.com/watch?si=-06R52WOKKPcqzfx&v=QBlkbfvahIY&feature=youtu.be ভিডিও] * আজ বসন্ত। আজ ভালোবাসার দিন।{{fact}} * নেতায় নেতায় স্টেজ ভাঙে, আমি বেচারা আহত হই। মঞ্চে কত নেতা! বুড়া নেতা, আধুলি নেতা, সিকি নেতা, পাতিনেতা। মঞ্চে এত নেতার তো কোনো দরকার নেই। **২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত ‘শান্তি সমাবেশের মঞ্চে অনেক নেতার উপস্থিতি দেখে তিনি বলেন [https://www.prothomalo.com/politics/r479wnq0io প্রথম আলো] * মাসুদের সঙ্গে দেখা হলেই প্রায় আমি বলি, ‘মাসুদ তুমি ভালো হয়ে যাও’, কিন্তু সে এখনও পুরোপুরি ভালো হয়নি। মাসুদ দীর্ঘদিন বিআরটিএতে আছে। ব্যবহার ভালো, মধুর মতো। কিন্তু যা করার একটু ভেতরে ভেতরে করে। ** মিরপুরে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কার্যালয় পরিদর্শনকালে প্রতিষ্ঠানটির উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমানকে উদ্দেশ্য করে। ১৮ জানুয়ারী ২০১৭ তারিখে বাংলানিউজ২৪ এ [https://www.banglanews24.com/national/news/bd/548306.details উদ্ধৃত]। * অন্তরে জ্বালা। পদ্মা সেতু হয়ে গেল, মেট্রোরেল হয়ে গেল। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে গেল। একদিনে একশ সেতুর উদ্বোধন। জ্বালারে জ্বালা অন্তরে জ্বালা। ** [[বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল]]কে উদ্দেশ্য করে, যেমনটা বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কমে ১৩ অক্টোবর ২০২৩ তারিখে [https://banglanews24.com/politics/news/bd/1205011.details তত্ত্বাবধায়ক সরকার মরে ভূত হয়ে গেছে] শিরোনামে উদ্ধৃত হয়েছে। * তবে আমি বলবো এই যে নেতাদের মঞ্চে উঠা, এত নেতা আমাদের দরকার নাই। আমাদের আরও কর্মী দরকার। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে স্মার্ট কর্মী দরকার। এত নেতা আমাদের দরকার নাই। যেকোনো মঞ্চে গেলে সামনের লোকের থেকে মঞ্চে লোক বেশি। কেন? এত নেতা কেন? নেতা উৎপাদনের এত বড় কারখানা আমাদের দরকার নাই। কর্মী উৎপাদনের কারখানা দরকার, সেটাই হোক ছাত্রলীগ। ** [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/politics/news-437196 মঞ্চ ভেঙে পড়ে যাওয়ার পর যা বললেন ওবায়দুল কাদের] শিরোনামে ৬ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখে দ্য ডেইলি স্টার বাংলায় উদ্ধৃত। * কোটাবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে কতিপয় নেতারা যে সব বক্তব্য রেখেছে, তার জবাব দেয়ার জন্য- আত্মস্বীকৃত রাজাকার, যারা নিজেদের ঔদ্ধত্যপূর্ণ মানসিকতার প্রকাশ ঘটিয়েছে; তার জবাব দেওয়ার জন্য ছাত্রলীগই যথেষ্ট। ছাত্রদের বিষয় ক্যাম্পাসের মধ্যেই সীমিত থাকবে। আমরা দেখি, রাজনৈতিকভাবে কারা প্রকাশ্যে আসে, তখন দেখা যাবে। আমরাও মোকাবেলা করতে প্রস্তুত। ** ১৫ জুলাই ২০২৪, [[২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] প্রসঙ্গে == ওবায়েদুল কাদের সম্পর্কে উক্তি == * আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা ও মন্ত্রী, বিশেষ করে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রতিদিন প্রেস ব্রিফিংয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে মনগড়া বক্তব্য দেয়াকেই নিজেদের একমাত্র রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে গ্রহণ করেছেন। কারণে- অকারণে প্রতিদিন বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার জনগণের কাছে ওবায়দুল কাদেরকে একটি হাস্যকর চরিত্রে পরিণত করেছে। ** [[রুহুল কবীর রিজভী]], ৪ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে জাগো নিউজ ২৪ এ [https://www.jagonews24.com/politics/news/633856 হাস্যকর চরিত্রে পরিণত হয়েছেন ওবায়দুল কাদের] শিরোনামে উদ্ধৃত। * ওবায়দুল কাদের না পালিয়ে আমার ঠাকুরগাঁওয়ের বাড়িতে আসতে চেয়েছিলেন। এখন তিনি কোথায় পালিয়ে আছেন। এখন ঠাকুরগাঁওয়ে আছি, আমি আপনাকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। ** [[মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর]] ১৩ আগস্ট ২০২৪ সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিএনপি আয়োজিত ঐক্য ও সম্প্রীতি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।[https://www.jugantor.com/politics/837874/%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%A4%E0%A7%8B-%E0%A6%8F%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%A8-%E0%A6%AB%E0%A6%96%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|ওবায়দুল কাদের}} [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫২-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] pipj4egb1vu1eaafn2733ewy6bc85mo ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন 3 740 78851 77392 2026-04-20T08:37:28Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 /* এ. সি. ব্র্যাডলি */ উত্তর 78851 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == সুপ্রিয়, মোহাম্মদ জনি হোসেন, [[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! —[[ব্যবহারকারী:MdaNoman|MdaNoman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdaNoman|আলাপ]]) ১১:৫১, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == [[ইব্রাহিম (নবী)]] ভুক্তি প্রসঙ্গে == সুধী, আপনি উপরে উল্লিখিত ভুক্তি তৈরি করেছেন। কিন্তু এখানে কোনো উক্তি নেই! যা উইকিউক্তির নীতিমালা অনুসারে অপসারণ যোগ্য! দয়া করে উক্তি সংযোজন করুন না হলে অপসারণ ট্যাগ যুক্ত করা হবে! ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৭:৫৮, ১৯ জানুয়ারি ২০২৩ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে == সুপ্রিয় মোহাম্মদ জনি হোসেন, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>। ;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে? :প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না। ; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে? : যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)। আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্‌স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি == সুপ্রিয় মোহাম্মদ জনি হোসেন, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]): * যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন। * যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৩, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় মোহাম্মদ জনি হোসেন, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == নতুন ভুক্তি == গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর নামে একটা পাতা তৈরি করুন উইকিউক্তিতে। গুগলে সার্চ করলেই উনার সব সংলাপ পেয়ে যাবেন। উল্লেখ্য, বাংলা উইকিপিডিয়ায়ও উনার নামে নিবন্ধ আছে। [[ব্যবহারকারী:Ahmed Reza Khan|Ahmed Reza Khan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Ahmed Reza Khan|আলাপ]]) ১৬:২৯, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ (ইউটিসি) :ওকে আচ্ছা [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন#top|আলাপ]]) ১৭:৫২, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ (ইউটিসি) == চিত্রে বিবরণ সংক্রান্ত == আসসালামু আলাইকুম জনি ভাই, আপনি উইকিউক্তিতে কাজ করছেন দেখে ভালো লাগছে। শুভেচ্ছা রইল। একটা ছোট টিপ্পনী, চিত্রের বিবরণ উইকিপিডিয়ার মত না করে উক্তিসহ দিলে ভালো হয়। [[ইসমাইল ইবনে মুসা মেঙ্ক]] পাতার মত। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৮:১৬, ২৪ মার্চ ২০২৫ (ইউটিসি) :ওকে আচ্ছা [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন#top|আলাপ]]) ১৮:১৮, ২৪ মার্চ ২০২৫ (ইউটিসি) == সুদ == পরামর্শ:ভূমিকা অংশটি আরও বড় করলে ভালো হয়। আরবী আয়াত গুলো দিয়ে দিতে পারেন। বাকি সব ঠিক আছে। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১৬:৫১, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :Ok [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন#top|আলাপ]]) ১৭:১০, ১৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == কিছু ভূল হয়েছে == [[জর্জ মার্শাল]] এর শর্ট ডেসক্রিপশনটি ইংরেজিতে দেখাচ্ছে কেন! [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১২:৪৮, ২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :ঠিক করতেছি [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন#top|আলাপ]]) ১৩:৩০, ২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা আত-তিরমিজি]] ভুক্তিটি গৃহীত হয়নি == প্রিয়, আপনার জমাদানকৃত মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা আত-তিরমিজি ভুক্তিটি গৃহীত হয়নি। কারণ: '''ভুক্তিতে অবশ্যই ব্যক্তির নিজের বা তার সম্পর্কিত অন্যদের উক্তি থাকা উচিত। অন্যের উক্তি যদি সে উদ্ধৃত করে, সেগুলি নয়।''' সঙ্গত কারণে আমরা পর্যালোচনার সময় বৃদ্ধি করতে পারছিনা। সেজন্য ভুক্তিটি প্রত্যাখ্যান অবস্থাতেই থাকবে। পরবর্তী সময়ের জন্য শুভকামনা!― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৬:৩৫, ৯ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == এ. সি. ব্র্যাডলি == @[[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] নিবন্ধে সূত্রগুলো বাংলাতে করুন এবং অন্যান্য ইংরেজি শব্দগুলোও বাংলা করুন। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১২:০৫, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :বাংলা করা হয়েছে [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন#top|আলাপ]]) ১২:৩৯, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ভাই [[এ. সি. ব্র্যাডলি]] নিবন্ধটি আবার চেক করা অনুরোধ রইল [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন#top|আলাপ]]) ০৮:৩৭, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == চোং নানশান == [[চোং নানশান]] পাতায় কিছু ফিনিশিং দিতে হবে। কিছু টার্ম ও শব্দ ইংরেজি রয়ে গেছে। আর উক্তির জন্য উদ্ধৃত সূত্রের শিরোনাম বাংলা করার প্রয়োজন নেই। এটা সূত্রের আসল শিরোনাম রেখে দেওয়া যায় বা সেটা বাংলা অক্ষরে ইংরেজি উচ্চারণে লেখা যায়। এগুলো ঠিক করে আমাকে জানান। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৩:০৪, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == আমি হ্যাকিং সিকতে চাই == আমি হ্যাকিং সিকতে চাই [[ব্যবহারকারী:Yonysing11|Yonysing11]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yonysing11|আলাপ]]) ১৩:৫৯, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == আন্তঃউইকি সংযোগ == @[[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] উক্তি প্রতিযোগিতা উপলক্ষে তৈরি নিবন্ধগুলোতে অনুগ্রহ করে আন্তঃউইকি সংযোগ করুন। অন্যথায় নিবন্ধগুলো পর্যালোচনার জন্য বিবেচিত হবে না। [[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:ARI|আলাপ]]) ১৫:২৩, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:ARI|ARI]] আচ্ছা আমি সেগুলো আন্তঃউইকি সংযোগ নাই সেগুলো করে দিতেছি [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন#top|আলাপ]]) ১৮:৪১, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 95r2mnnlyghwu1pbpqvca5vxr4xdiin ব্যবহারকারী আলাপ:MS Sakib 3 765 78892 78482 2026-04-20T11:31:20Z Anaf Ibn Shahibul 4193 /* হুগো দ্য ভ্রিস পর্যালোচনা প্রসঙ্গে */ উত্তর 78892 wikitext text/x-wiki == আন্তঃভাষা সংযোগ == টেমপ্লেট/মডিউল তৈরি করলে সেগুলোতে উইকিউপাত্ত সংযোগ দিয়ে দিয়ো। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ২১:৩৪, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == ঠিক করেছি! == [[সাওম]] এবং [[আগুন]] নিবন্ধ ঠিক করেছি। [[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rifat008|আলাপ]]) ১২:৪৫, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Rifat008|Rifat008]] গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৫:০৯, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == আবুবকর সিদ্দিক == [[আবুবকর সিদ্দিক]] উক্তি আরো যুক্ত করা হয়ছে এখম সম্ভব ১৫০ শব্দ হবে। যদি আবার একটু দেখতেন। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:২৮, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]], গৃহীত হয়েছে। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৫:০৯, ১ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == ১৫০ শব্দের অধিক করেছি == ' শকুনি ' পেজে উক্তি আরো যোগ করা হয়েছে এবং ১৫০ চেয়ে বেশি শব্দ হয়েছে। প্লিজ চেক করে পয়েন্ট এড করে দিয়েন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১০:৩০, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] "শকুনি সম্পর্কে উক্তি"টা <s>লার</s>কার উক্তি? উৎস প্রয়োজন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ২১:১৯, ৫ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::আপনি কি বুঝাতে চেয়েছেন উক্ত সেকশানে লেখাটা কার বা কথা থেকে উল্লেখ করেছি? ::এমন হলে এটা আমি লিখেছি। নাকি উক্ত অংশ টি বাদ দিয়ে দিব? [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১১:৫০, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] কারো সম্পর্কে নিজের উক্তি যোগ করা যাবে না। বিখ্যাত ব্যক্তিদের উক্তি যোগ করতে হবে। এটা বাদ দিন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১১:৫২, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::::ও জানতাম না ।বাদ দিয়েছি। চেক করেন।।ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Devshekhar97|আলাপ]]) ১৩:১৪, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Devshekhar97|Devshekhar97]] ১৫০ শব্দ হয়নি। তাছাড়া উক্তির চেয়ে ভূমিকার আকার বেশি। আরও কয়েকটা উক্তি যোগ করুন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৪:৫৩, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে == সুপ্রিয় MS Sakib, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>। ;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে? :প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না। ; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে? : যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)। আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্‌স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == জুলুম == [[জুলুম]] ভুক্তি আরও ৩ উক্তি যুক্ত করা হয়ছে, [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:১৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) == MS Sakib ভাইয়া আপনার কথা মতো কবিতা টেমপ্লেট যোগ করেছি == MS Sakib ভাইয়া আপনার কথা মতো খান আতাউর রহমান পৃষ্ঠায় কবিতা টেমপ্লেট যোগ করেছি। অনুগ্রহ করে একবার দেখে নেবেন। ধন্যবাদ! [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ১৩:৪৯, ৩০ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] হ্যাঁ, ঠিকমতোই করেছেন। সংশোধনের জন্যে ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৬:২৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) ::আপনাকেও ধন্যবাদ😁 [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ০৬:০৪, ১ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == পাতা তৈরি প্রসংঙ্গে == অনিতা আগ্নেহোত্রী পাতায় তো যোগ করা উক্তি ঠিক ছিলো। তবে কেনো আমাকে পয়েন্ট দেওয়া হলো না? [[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অজয় অধিকারী|আলাপ]]) ০৬:৪২, ৪ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] আপনি কেবল একটি উক্তি যোগ করেছেন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪|প্রতিযোগিতার নিয়ম]] অনুসারে কমপক্ষে তিনটি উক্তি এবং কমপক্ষে ১৫০ শব্দ থাকতে হবে প্রতিটি ভুক্তিতে। তাই গৃহীত হয়নি। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৪:৪৯, ৪ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:অজয় অধিকারী|অজয় অধিকারী]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অজয় অধিকারী|আলাপ]]) ০৯:৪০, ৫ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == ৩-৪ টি উক্তি একই উৎস থেকে হওয়ায় আমি বারবার একই উৎস দিই নাই == সুধী, আশা করি ভালো আছেন। রফিকুল ইসলাম (অধ্যাপক) পাতায় সংশোধনী আনা বলার জন্য ধন্যবাদ। আপনি যা উল্লেখ করেছিলেন "যেসব উক্তির উৎস নেই, সেগুলো যোগ করুন।" আমি মূলত ৩-৪ টি উক্তি একই উৎস থেকে হওয়ায় আমি বারবার একই উৎস দিই নাই। তাই একই উৎস থেকে পর পর উক্তিগুলো দেওয়ার পর আমি প্রত্যেকটা শেষের উক্তিতে উৎস যোগ করেছিলাম। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:HridoyKundu|আলাপ]]) ০৩:৫৭, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) :bhai compition er rerult kobe diben [[ব্যবহারকারী:Md Rafiqul Islam Siyam334|Md Rafiqul Islam Siyam334]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Rafiqul Islam Siyam334|আলাপ]]) ০৯:৩৭, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:HridoyKundu|HridoyKundu]] ধন্যবাদ। বুঝতে পেরেছি। ::@[[ব্যবহারকারী:Md Rafiqul Islam Siyam334|Md Rafiqul Islam Siyam334]]: [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান|এই পাতায়]] শব্দগণনার কাজ শুরু হয়েছে। শব্দগণনা শেষ হলেই ফলাফল পেয়ে যাবেন। ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#FBB117;color:#7E2217">MS Sakib&nbsp;</b>]][[User talk:MS Sakib|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১০:৫৮, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় MS Sakib, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == নারীবাণী ২০২৪ পদক == {| style="background-color: #fee5e5; border: 2px solid #754796;" |rowspan="2" style="vertical-align: middle; padding: 5px;" | [[File:Shesaid project Barnstar.png|100px|link=]] |style="font-size: x-large; padding: 3px 3px 0 3px; height: 1.5em; color:#642882;" | '''#নারীবাণী পদক |- |style="vertical-align: middle; padding: 3px;" | '''সুপ্রিয় MS Sakib!,<br>''' '''[[উইকিউক্তি:নারীবাণী|<nowiki>#</nowiki>নারীবাণী ২০২৪]]''' প্রকল্পে অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ! এই প্রকল্পে আপনি ৩টি নতুন ভুক্তি তৈরি করেছেন। প্রকল্পে অংশ নিয়ে নতুন ভুক্তি তৈরির জন্য আপনাকে এই পদক প্রদান করা হয়েছে। আশা করি, আপনার আগামীর যাত্রা শুভ হোক, আরো সাফল্যমণ্ডিত হোক।'''</br></br>শুভেচ্ছান্তে, </br> নারীবাণী আয়োজকবৃন্দ''' |} == উক্তি জমা দিয়েছি দেখেন == ভাই আমি উক্তি পেজ জমা দিয়েছি , আমার পরে যারা জমা দিয়েছে সেগুলো এপ্রুভ হচ্ছে কিন্তু আমারটা এখনো পেন্ডিং পরে আছে। একটু দেখবেন প্লিজ। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ০৫:৫৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :অপেক্ষা করুন, আপনার ভুক্তি পর্যালোচনা করা হবে। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৬:৫৬, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে ভাই, ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৪:৩৭, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] আরেকটা ব্যাপার সেটা হলো ফলাফল ৭ই মের পরে দিবে আর প্রতিযোগিতা ৭ই মে পর্যন্ত থাকবে। তাই তাড়াহুড়ার কিছুই নাই। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ১৪:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::আপনি কি পর্যালোচনা কমিটিতে আছেন? ::::আপনি নিজেও তো মনে হয় উক্তি জমা দিচ্ছেন। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৬:৩৫, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]], শেষ প্রশ্নটা কি মোবাশশিরকে করেছেন? ওনি পর্যালোচক দলে নেই, প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করেছে। :::::দ্বিতীয়ত, ওনার উত্তরটা সঠিক। সব নিবন্ধই পর্যালোচনা করা হবে; অনেক সময় আছে, তাই তাড়াহুড়োর কিছু নেই। আপনি বেশি বেশি মানসম্মত পাতা তৈরি করে প্রতিযোগিতা চালিয়ে যান। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২১:৪০, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::জ্বী মোবাশশিরকে করেছিলাম। ::::::ঠিক আছে ধন্যবাদ ভাই, অপেক্ষায় রইলাম। পর্যালোচনা করলে কাজের আগ্রহ বাড়ে, এই জন্য আপনাকে নক দিয়েছিলাম আর কি। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ০৭:১৮, ১৬ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :2000 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-22362-67|&#126;2026-22362-67]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-22362-67|আলাপ]]) ২২:২৩, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ২ টা নিবন্ধ একই == [[নিউজিল্যান্ড]] ও [[নেদারল্যান্ডস]] একই নিবন্ধ হয়ে গেলো মনে হয় একটু দেখা অনুরোধ। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ১৪:৫৩, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী: Malihamoni| Malihamoni]], আপনি [[নেদারল্যান্ডস]] নিবন্ধে [[নিউজিল্যান্ড]]-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উক্তি লিখেছেন। অনুগ্রহপূর্বক [[নেদারল্যান্ডস]] পাতাটি পুরোপুরি খালি করে এখানে [[:en:Netherlands]] থেকে লেখা অনুবাদ করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩৭, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যবেক্ষণের আবেদন == প্রিয় প্রশাসক, চিহ্নিত করা সমস্যাগুলো সংশোধন করা হয়েছে । *[[শিমন পেরেজ]] *[[শার্লমাইন]] *[[সিঙ্গাপুর]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:২৪, ৭ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] শিমন পেরেজে সব লিংক যোগ করা হয়নি! একবার পুনঃপর্যালোচনার পর ত্রুটি থাকলে গ্রহণ করার সুযোগ নেই। তবুও আপনাকে এগুলো সব বাকি সব দ্রুত সংশোধনের সুযোগ দিচ্ছি। আপনার বিভিন্ন পাতায় অপরিশোধিত AI অনুবাদ, লিংক ঘাটতি সহ নানান ত্রুটি আছে। সবগুলো দ্রুত ঠিক করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩০, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সিঙ্গাপুরেও লিংক যুক্ত কতা হয়নি। উক্তিগুলো যাচাইযোগ্য নয়। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৩২, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == লিন্ডন বি. জনসন == [[লিন্ডন বি. জনসন]] পাতাটিতে যেসব সংখ্যা রয়েছে তার অনেকগুলো ইংরেজিতে রয়েছে, বাংলা করা প্রয়োজন। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৩:০৬, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tahmid|Tahmid]] অনেক ধন্যবাদ। ঠিক করা হয়েছে। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৫:৪৮, ৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == অপসারণ কেনো? যুক্তি প্রয়োজন == ভাই, আপনি [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] পাতাটিতে অপসারণের ট্যাগ লাগিয়েছেন। কিন্তু কারণ দেখতে পাচ্ছিনা। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:৫৩, ১২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]]: ও হ্যাঁ। [[ব্যবহারকারী আলাপ:Dr. Mosaddek Khondoker]] অর্থাৎ, প্রণেতাই বলেছিল অপসারণ করতে। তার ভাষ্যমতে সে এই পাতায় কোনো সংশোধনই করতে পারেনি। [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন]] পাতাটিকেও সে ডিলেট করে দিতে বলেছে। এগুলোতে সে যান্ত্রিকতা সংশোধনের সময় বা সুযোগ পায়নি। বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২০:৪৪, ১২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আমার মনে হয়, আন্তঃউইকি সংযোগ দিয়ে রাখা যেতে পারে; ভবিষ্যতে যদি কেউ সম্পাদনা করতে চায়; করতে পারবে। এগুলি তো ইংরেজি থেকেই অনুবাদ করা হয়েছে। প্রতিযোগিতার বিষয় তো ভিন্ন। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:০১, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] রাখা যেতে পারে। তবে [[ফ্রেডরিক ডগলাস]] পুরোপুরি অপরিশোধিত পাতা। এটা অপসারণ করলেই ভালো হবে আমার মতে। বিশেষত প্রণেতাই যখন রাখতে চাচ্ছে না। db-author বিবেচনা করতে পারেন। :::@[[ব্যবহারকারী:Dr. Mosaddek Khondoker|Dr. Mosaddek Khondoker]]। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৬:০১, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যালোচনার আবেদন == [[মারিয়া রেসা]] এবং [[শিমন পেরেজ]] পাতা গুলোতে চিহ্নিত ভূল গুলো সংশোধন করা হয়েছে। এবার গ্রহণ করতে পারেন। [[আপনার মেসেজ ছিল "তথ্যসূত্রগুলোতে লিংক যোগ করা হয়নি। দ্রুত ইংরেজি পাতা থেকে লিংকগুলো কপি করে বসিয়ে আমাকে জানান। তারপর গ্রহণ করে নিব।"]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১১:২৯, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] দুঃখিত। যান্ত্রিক হওয়ায় একটাও গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৭:৫৩, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে। আচ্ছা [[জন হার্ভে কেলোগ]] এই পাতাটিতে এত বড় অনুবাদ কিভাবে করেছে এবং কি কি উপায়ে আমি অনুবাদ করতে পারি। [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৭:৫৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনঃপর্যালোচনা == [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain]] -এর [[সুইডেন]] এবং [[ব্যবহারকারী: MD Sahib]] -এর [[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] গৃহীত হয়েছে। ফলাফলে যোগ করে দিবেন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS|আলাপ]]) ১৭:৩৭, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা সম্পর্কে == ছাকিব ভাই, শুভেচ্ছা নিবেন। আশা করি ভালো আছেন। আপনি দেখলাম, উক্তি প্রতিযোগিতা নিয়ে কাজ করছেন। দেখে ভালো লাগলো। ব্যস্ততার কারণে আমি এবারও আপনার সাথ দিতে পারছিনা সেজন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি একটা বিশেষ দিকে নজর দেয়ার জন্য অনুরোধ করবো, যেটা আপনি ইতোমধ্যে নীতিমালায় যুক্ত করেছেন। কিন্তু গত বছরের প্রতিযোগিতায় অনেক বেশি হ্যালুসিনিটেড সূত্র দিয়ে পাতা তৈরি করা হয়েছিল ও গৃহীত হয়েছিল, যেগুলি আমি সময়ে সময়ে অপসারণ করছি ও করে যাচ্ছি। এমনকি, কিছুদিন আগে এর চেয়েও মারাত্মক বিষয় নজরে এসেছে, একজন অবদানকারীর সবগুলি অবদানই এআইয়ের ছিল, যেটা আলোচনাসভায় একজন ভিন্নভাষী দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আমি ১০টার মতো পাতা অপসারণ করি। বিষয়টা কীভাবে সুরাহা করা যায়, সেটার দিকে বিশেষ নজর দেয়ার অনুরোধ থাকবে। (এআইকে পুরোপুরি বাদ দেয়া যায় কিনা যে, এআই যুক্ত হলে পাতা অপসারিত হবে; বা এই ধরনের। কারণ, এআই অনেক বেশি হ্যালুসিনিটেড তথ্য যুক্ত করে। এমনকি আমি কয়েক দিন আগেও জেমিনাইয়ের লেটেস্ট প্রো সংস্করণ দিয়ে চেষ্টা করে দেখেছি। প্রথমে ঠিক থাকলেও হঠাৎ মিথ্যা তথ্য দেয়া শুরু করে, সেটাও খুবই পাণ্ডিত্যের সাথে। বিষয়টা নিয়ে কী করবো, আমি সময় করে ভাবতে পারিনি, কিন্তু আজকে আপনার কাজ দেখে মনে এলো। সেজন্য উল্লেখ করলাম।) আপনাকে আবারও ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ২২:০৩, ২২ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] অসংখ্য ধন্যবাদ। প্রতিযোগিতায় আপনাকে পেলে ভালো লাগতো, তবে ব্যক্তিগত ব্যস্ততার বিষয়টি বুঝতে পেরেছি। :আমি আপাতত আগের প্রতিযোগিতার পাতাগুলো কপি-পেস্ট করেছি। তবে সেগুলো ধাপে ধাপে সংশোধন ও হালনাগাদ করা হবে। গতবারের অভিজ্ঞতা থেকে আপনার উদ্‌বেগ আমারও নজর এড়ায়নি। এআই ব্যবহারের নীতিমালা আরও কিছুটা কঠোর করার পরিকল্পনা আছে। তবে সহ-প্রকল্পে অনুবাদ সরঞ্জাম না থাকায় অনুবাদের ক্ষেত্রে এআই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার সময় হয়তো এখনও আসেনি। :প্রাথমিকভাবে আমি যা ভাবছি: :* সম্পূর্ণ এআই-জেনারেটেড উক্তি সরাসরি বাতিল করা হবে, সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে না। :* অনুবাদের ক্ষেত্রে যদি এআই-জনিত সাধারণ ভুল (যেমন ইংরেজি উইকিলিংক, -এর/-এ/-তে ত্রুটি ইত্যাদি) পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রেও সরাসরি বাতিল করা হবে :* তবে যদি পাতার কাঠামো ঠিকঠাক থাকে এবং কেবল যান্ত্রিকতা বা ছোটখাটো সমস্যা থাকে, তাহলে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে। :শাস্তিমূলক দিক: :* ৩টি সম্পূর্ণ এআই-জেনারেটেড পাতা হলে প্রতিযোগী সরাসরি অযোগ্য :* ৫টি ত্রুটিপূর্ণ/অপরিশোধিত এআই অনুবাদ হলে প্রতিযোগিকে একটি সতর্কতা সাপেক্ষে অযোগ্য ঘোষণা :* কাঠামো সঠিক, কিন্তু এআই-নির্ভর যান্ত্রিকতা থাকলে ৩ থেকে ৫টা সতর্কতার পর অযোগ্য ঘোষণা। :এটি আপাতত একটি খসড়া পরিকল্পনা। এ বিষয়ে আপনার কোনো পরামর্শ থাকলে জানানোর অনুরোধ রইল। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১১:৫৫, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ধন্যবাদ! আপনার চিন্তা ঠিক আছে, পুরোপুরি বাদ দেয়া সম্ভব না। আসলে আমিও এটাই ভাবছিলাম, কিন্তু কী করা যায়, সেটা নিয়ে বেশি সময় দেয়া হয়নি। আপনার এই চিন্তায় আমার সমর্থন থাকবে। আবারও ধন্যবাদ ভাই। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৪:০৮, ২৩ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) == Khokon == [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-20837-51|&#126;2026-20837-51]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-20837-51|আলাপ]]) ১৩:২৩, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী নিম্নোক্ত নিবন্ধসমূহ সংশোধন করা হয়েছে, * [[প্রণব মুখোপাধ্যায়]] * [[উভকামিতা]] * [[সমকামী যৌন চর্চা]] [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ০৪:৫৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পুনঃ পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] [[ডেনিস রিচি]] পাতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনার জন্য অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৫:০১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == হুগো দ্য ভ্রিস পর্যালোচনা প্রসঙ্গে == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬ এর নীতিমালা অনুসারে অন্তত ৩টি উক্তি থাকতে হবে। আপনি টুলফোর্জেও [[হুগো দ্য ভ্রিস]] এজন্যই গ্রহণ করেননি। তবে এখানে তো তাঁর সম্পর্কে ১টি উক্তি আছে। মোট ৩টি উক্তিই তো হয়। আর ইংরেজি উইকিউক্তিতেও এই মোট ৩টিই ছিল। তাই অনুগ্রহ করে এটিকে গ্রহণ করে নিন অথবা দ্বিমত/অসুবিধা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৬:৫৪, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] আপনি কি এটি পুনঃপর্যালোচনা করেছেন? করে একটু জানালে ভালো হয়। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ১১:৩১, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) jvvml9osklhmu0x69fti3xotl7pc6ng ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin 3 768 78644 78409 2026-04-19T17:19:10Z Mehedi Abedin 50 /* মুম্বই */ উত্তর 78644 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == সুপ্রিয়, Mehediabedin, [[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! —[[ব্যবহারকারী:MdaNoman|MdaNoman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdaNoman|আলাপ]]) ১১:৫৯, ১১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == কারাগার পাতা সম্পর্কে == মেহেদী ভাই, আপনার কাজ সুন্দর ছিল। নিচে চরিত্র নামে অনুচ্ছেদ যুক্ত করে দিয়েছি। কে কে অভিনয় করেছে যুক্ত করে দিয়েন। আর আরও কয়েকটা উক্তি যোগ কইরেন ও পাশাপাশি কপিরাইটের বিষয়টাও মাথায় রাইখেন। আমি এটাকে উল্লেখযোগ্য পাতায় যুক্ত করার চিন্তা করছি। ‍~ {{পতাকা আইকন চিত্র|BarbarosSancagi.svg}} [[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] <sup>([[ব্যবহারকারী আলাপ:খাত্তাব হাসান|বার্তা]] - [[বিশেষ:অবদান/খাত্তাব হাসান|অবদান]])</sup> ১৫:৪৪, ২৬ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) {{উত্তর|খাত্তাব হাসান}} চরিত্র অনুচ্ছেদ রাখার কি আসলেই প্রয়োজন আছে? আমি ইংরেজি উইকিউক্তির টেলিভিশন নাটকের কিছু পাতায় চরিত্র অনুচ্ছেদ দেখতে পাইনি। আবার কিছু পাতায় দেখেছি। [[ব্যবহারকারী:Mehediabedin|Mehediabedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehediabedin|আলাপ]]) ২২:৩৬, ২৬ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) :ভাই আমি উত্তর কোরিয়া পাতাটি কাজ করতেছিলাম। এরই মাঝে কোনো একজন সেই পাতাটি হালকা কাজ করেই জমা দিয়েছেন। এখন আমি কাজ শেষ করে আর জমা দিতে পারতেছি না। আমি ৬/৭ ঘন্টার উপর সময় দিয়ে পাতাটি ঠিক করতেছিলাম, এখন অন্য কেউ সেটা জমা দিয়ে দিবে, এটা কি করে হয় । প্লিজ একটা সমাধান করে দিন। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৯:৩০, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == ধন্যবাদ == ভাই, [[উইকিউক্তি:আজকের উক্তি/ফেব্রুয়ারি ২০২৩]] পাতায় উক্তি যোগ করার জন্য ধন্যবাদ! ≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ১৫:৫৮, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ (ইউটিসি) == আপনার জন্য একটি পদক! == {| style="background-color: var(--background-color-success-subtle, #fdffe7); border: 1px solid var(--border-color-success, #fceb92); color: var(--color-base, #202122);" |rowspan="2" style="vertical-align: middle; padding: 5px;" | [[চিত্র:Copyeditor Barnstar Hires.png|100px]] |style="font-size: x-large; padding: 3px 3px 0 3px; height: 1.5em;" | '''অনুলিপি সম্পাদকের পদক''' |- |style="vertical-align: middle; padding: 3px;" | উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫ উপলক্ষে বানানো ভুক্তিগুলো পর্যালোচনার পাশাপাশি সম্পাদনা করে ভুক্তির মান-উন্নয়ন করায় আপনার জন্য এই উপহার! এভাবেই এগিয়ে যান বহুদূর, উইকিউক্তির সাথে। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৮:২৫, ১৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) |} :Congratulations vai [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১৯:২৮, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে == [[জন ডিকিনসন]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম। [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১৭, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৩:৫৮, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:৫৯, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == [[পাকিস্তান গণপরিষদ নির্বাচন, ১৯৫৫]] == শুধু অনুবাদ রাখুন, ইংরেজি সাথে রাখার প্রয়োজন নেই। সংশোধন করে জানান [[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdsShakil|আলাপ]]) ১৪:১২, ২৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] সংশোধন করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৫:০৯, ২৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::গ্রহণ করা হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:MdsShakil|MdsShakil]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MdsShakil|আলাপ]]) ১৫:৪৬, ২৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == উইকি রমজান উক্তি প্রতিযোগিতা প্রসঙ্গে == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]Abedin ভাই, https://checkmate.toolforge.org/dashboard?key=4m81yh748gpX3wCxG31yrEirS7WQWO উইকি রমজান উক্তি প্রতিযোগিতায় প্রত্যাখানকৃত নিবন্ধসমূহের সমস্যা সম্পর্কে জানালে নিবন্ধের মান উন্নয়ন সহজ হত।তাই,নিবন্ধসমূহ প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারন জানানোর অনুরোধ রইল। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ১৫:৪৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] স্কোপের বাইরে। অনেক নিবন্ধ ইসলাম সম্পর্কিত নয়। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ২১:৪২, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]<nowiki/>ভাই, আপনি উইকিপিডিয়া রমজান ভালবাসে এর নিবন্ধ তালিকা দেখলে দেখবেন যে,ইসলামিক ব্যাক্তিত্ব সম্পর্কিত বেশ বড় একটি তালিকা আছে।আমার অনেক ভুক্তিই '''উল্লেখযোগ্য''' ইসলামিক ব্যাক্তিত্ব নিয়ে লিখিত।আর, উইকিপিডিয়া রমজান ভালবাসে এডিটাথনের গৃহীত অনেক নিবন্ধই তো তাহলে বাতিল হয়ে যাবে।@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই আপনাকে আলোচনায় যোগদানের অনুরোধ জানাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ০৪:৩৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] কোন মুসলিম দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধান ইসলামি ব্যক্তিত্ব সেটা জানতাম না। এমনও নয় যে তারা ইসলামপন্থী দলের সদস্য। বলা হয়েছে যে নিবন্ধ ইসলাম সম্পর্কিত হতে হবে। ইসলামি পণ্ডিত বা গবেষকদের পাতা আমি প্রত্যাখ্যান করিনি। তবে আয়োজক থেকে ব্যাপারটা স্পষ্ট করা হলে আমি পুনর্বিবেচনা করবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ০৪:৩৯, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ও @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, সাধারণ প্রদেশ বা এলাকাগুলি তো স্কোপের মধ্যে পড়েনা। তবে ইসলামের ঐতিহ্যের সাথে সম্পৃক্ত এলাকা, যেমন- মক্কা, মদিনা, বিভিন্ন জিহাদের সাথে সম্পৃক্ত দুর্গ ইত্যাদি গ্রহণ করা যেতে পারে। আরও দেখুন: [[:m:Wiki_Loves_Ramadan_2025/List_of_Articles/Landmarks/1|১]] ও [[:m:Wiki Loves Ramadan 2025/List of Articles/Landmarks/2|২]]। আর ব্যক্তিত্বের ব্যাপারে [[M:Wiki Loves Ramadan 2025/List of Articles/Figures/2|বৈশ্বিক তালিকার পরিসর বৃহৎ]], সেই হিসেবে অনেকগুলি নেয়া যায়। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৫:১৪, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] তাহলে আমি গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিলাম। @[[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] আপনি পাতাগুলোকে উইকিউপাত্তের সাথে একটু কষ্ট করে যোগ করে দিন। আমার পর্যালোচনায় সুবিধা হবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ০৮:৩৪, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই ও@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] ভাই আপনাদের ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:হাম্মাদ|হাম্মাদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:হাম্মাদ|আলাপ]]) ১২:৩৭, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == পুনরায় পর্যালোচনার অনুরোধ == [[কোস্টা রিকা]] "যে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছিলেন সেগুলো সংশোধন করা হয়েছে।" [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৮:২০, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উইকিউক্তি ফলাফল == উইকিউক্তি ২৫ এর ফলাফল কি প্রকাশিত হয়েছে? [[ব্যবহারকারী:Yasser Raihan|Yasser Raihan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yasser Raihan|আলাপ]]) ০২:০৯, ৯ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Yasser Raihan|Yasser Raihan]] এখনো হয়নি। সময় লাগবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ০৮:৫৫, ৯ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধ পর্যালোচনা শেষে গৃহীত হয়েছে। বিস্তারিত ফলাফল [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|এখানে দেখুন]]। আপনাকে ডিজিটাল সনদ পাঠাতে কিছু তথ্য প্রয়োজন। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSfa6lC5bYLAwTSpiacX75DM3-MsRqv9RmIPPNBtar6q3JGOSA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৬:৫৬, ১৮ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67749-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == আপনাকে স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষক-এ যুক্ত করা হয়েছে == [[File:Wikiquote Autopatrolled.png|50px|right]] সুধী! আপনার নিরলস অবদানের জন্য ও আপনার বিশ্বস্ততাকে সামনে রেখে আপনাকে [[বিশেষ:দলগত অধিকারের তালিকা#autopatrolled|স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষক]] ব্যবহারকারী দলে যুক্ত করা হয়েছে। এই সুবিধা আপনাকে কোনো বিশেষ সুবিধা প্রদান করবেনা, তবে আপনার সম্পাদনাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরীক্ষিত হিসেবে চিহ্নিত করবে। হ্যাপি কোয়োটিং! ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ১৯:৫২, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ (ইউটিসি) == অম্লান দত্ত ও অখিলচন্দ্র দত্ত == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি এই দুইটি নিবন্ধকেই সংশোধন করেছি। এখন আর কোন ভুল না থাকলে অনুগ্রহ করে এগুলোকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৫:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] আপনি কি বুঝতে পেরেছেন আমি আপনার নিবন্ধের কোন সমস্যাগুলো নিয়ে বলেছি? কারণ পড়ে দেখলাম যে আমি যে বিষয় তুলে ধরেছিলাম সেটার ব্যাপারে আপনি কার্যত তেমন কিছু করেননি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৮:৪১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] নমস্কার আমি প্রথমে একবার দেখলাম আপনি [[এডমন্ড হ্যালি]] এই পাতাটি গ্রহণ করেননি, মন্তব্যে লিখেছিলেন যে অল্প কিছু সমস্যা আছে তার কিছুক্ষণ পর দেখলাম গ্রহণ করেছেন যদি সে রকম কোনো সমস্যা থেকে থাকে, আমাকে জানান আমি সংশোধন করে নেব। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৪:৫৬, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] অল্প সমস্যা ছিল। পরে দেখলাম ওগুলো খুবই অল্প যে সরাসরি গ্রহণ করা যায় তাই গ্রহণ করেছি। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৪:৫৮, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:০০, ৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বিন্যাস সংশোধন [[অম্লান দত্ত]] == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] [[অম্লান দত্ত]] নিবন্ধের বিন্যাস সংশোধিত হয়েছে। অনুগ্রহ করে এবার এটিকে গ্রহণ করে নিন। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৮:৫৫, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Anaf Ibn Shahibul|Anaf Ibn Shahibul]] পরে কিছু সমস্যার ব্যাপারে আপনার একাউন্টে উল্লেখ করেছিলাম। সেগুলো ঠিক করে নিন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৪:১৯, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা গ্রহণের অনুরোধ == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]<br> [[ফজলে রাব্বী]] পাতাটিতে বইয়ের পৃষ্ঠা সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে এবং বিন্যাসে যথাসাধ্য সংশোধন করা হয়েছে। পাতাটি গ্রহণ করার জন্য সবিনয় অনুরোধ রইলো।<br>ধন্যবাদান্তে,<br>''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১০:২৯, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)'' :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] গৃহীত হয়েছে। আপনার আলাপ পাতা দ্রষ্টব্য। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৪:১৮, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল]] == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এই পাতাটির উক্তি টা একবার দেখুন প্রথমে স্পেনীয় ভাষায় আছে তারপর বাংলা ভাষায় আছে। তাহলে কি দুটো ভাষায় রাখবো নাকি শুধু বাংলা ভাষাটা রাখবো [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ১৫:১৮, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] এটা আমি আপনাকে কিছুদিনের মধ্যে জানাবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৭:৩৯, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] কিছুদিন না, এখনই জানাচ্ছি। দুটোই রেখে দিন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৭:৪১, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আল খোয়ারিজমি]] == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] পাতাটি পর্যালোচনা করার অনুরোধ রইলো। (পাতাটির সংশোধনের প্রয়োজন হলে সংশোধনী ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করে দিলে সহজ হবে) '''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৭:৫৭, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''' :@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] চিন্তার কোনো কারণ নেই। আমি বা অন্য কোন পর্যালোচক উপযুক্ত সময়ে পর্যালোচনা করে দিবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৫:১৯, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]জী ভাই, তবে আমি [[অ্যানিমেশন]] পাতাটি তৈরী করেছি কিন্তু আন্তঃভাষা সংযোগ করতে পারছিনা। জমা দিয়ে রাখবো?[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৬:০৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] জমা দিয়ে দিন। পর্যালোচক সংযোগ করতে বললে তখন করা যাবে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৭:১৭, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] আমি করে দিছি আর @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]ভাই আমার করা নিবন্ধ [[চোং নানশান]] আবার চেক করা অনুরোধ রইল [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ০০:৩৬, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ::::অসংখ্য ধন্যবাদ... ::::[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০২:৫৩, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[যশবন্ত সিং]] == শিরোনাম ত্রুটি সংশোধন করা হয়েছে। গ্রহণ করার অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৫:১৪, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৫:১৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[মুম্বই]] == @[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]], আমি পাতা তৈরির সময় [একবারেই] সবকিছু ঠিক আছে কিনা চেক করে প্রকাশ করে থাকি। তারপরও কোনো ত্রুটি থাকতে পারে, তবে সেটি উল্লেখ করলে বুঝতে সুবিধা হতো। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৭:৪১, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] কিছু উদাহরণ দিতে পারি: :* পারসিরা – প্রাক্তন জরথুষ্ট্রীয় যারা পারস্যে নির্যাতিত হয়েছিল... :*... করার জন্য দেবী [[দেবী]]কে তৈরি করেন :[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]], উদাহরণ দিয়ে দেখানোর জন্য ধন্যবাদ। আমি সম্পূর্ণ নিবন্ধটি পুনর্লিখন করেছি এবং পর্যালোচনার অনুরোধ করছি। [[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tuhin|আলাপ]]) ১৮:৪৭, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Tuhin|Tuhin]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin#top|আলাপ]]) ১৭:১৯, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 1cs450hcxt85ri1cg4i6a05qpzudk6v ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS 3 2704 78683 78499 2026-04-20T00:02:05Z Sumanta3023 4175 /* আলফ্রেড নোবেল */ নতুন অনুচ্ছেদ 78683 wikitext text/x-wiki {{স্বাগত}}≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৮:০৭, ৩১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে == সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>। ;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে? :প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না। ; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে? : যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)। আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্‌স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি == সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]): * যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন। * যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৪, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ==উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে == [[উইলিয়াম ম্যাকিনলি]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১১, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সংশোধন করায় ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। আপনার জমাদানকৃত বাকি পাতাগুলোতেও এরকম সংশোধন করার পরামর্শ রইল। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে তাহলে আমি পুনরায় পর্যালোচনা করছি [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫২, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == সাহায্য প্রয়োজন == আমি যখন আর্টিকেল গুলো বাংলা অনুবাদ করার পরে পাবলিশ করার পরে আমি এটি উইকি ডাটার সাথে কানেক্ট করতে চাচ্ছি যেন একটি ইংরেজি অনুবাদটাও যে কেউ দেখতে পারে। কিন্তু আমাকে এটা দেখাচ্ছে এগুলো সেমি প্রটেক্টেড পেজ । [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] যেগুলো লিংক করতে পারবেন না, যেকোনো পর্যালোচকের আলাপ পাতায় সেগুলোর তালিকা দিবেন। তারা লিংক করে দিবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::[[অং সান সু চি]] এটি লিংক করে দিন। ::এবং আমি কিভাবে এই রাইট পেতে পারি! [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৫, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন]] == সুধী, উইকিমিডিয়ার অন্যান্য প্রকল্পগুলোর মতো উইকিউক্তিতে কপিরাইট আইন মান্য করা হয়। তবে উইকিউক্তিতে হুবুহু উক্তি কপি করে ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেমন শিথিলতা রয়েছে তেমন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন উইকিউক্তিতে "একই সূত্র থেকে খুব বেশি উক্তি পাতায় দেওয়া যায়না"। মোটামুটি সীমা বজায় রাখতে হয় যাতে কপিরাইট সমস্যায় পড়তে না হয়। [https://copyvios.toolforge.org/?lang=bn&project=wikiquote&title=মোহাম্মদ+নাজিম+উদ্দিন&oldid=&action=search&use_engine=0&use_links=1&turnitin=0&nocache=1 এটা দেখুন], এই রেজাল্ট অনুযায়ী তিনটি সূত্র থেকে ৪০% এর অধিক লেখা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়েছে। তাই উক্তির সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন৷ সবগুলো সূত্র থেকেই যে একদম ৩০% হতে হবে তা নয়, তবে উক্তির সংখ্যা মোটামুটি কমিয়ে এনে কপিরাইট সমস্যার সমাধান করে নিতে হবে। তারপর আমাকে জানালে আমি পাতাটি গ্রহণ করে নিবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:১৯, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অগ্রগতি কতদূর? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৩:৫৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এখন অনেক লেখা বাদ দিয়েছি। এবার দেখুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:১৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না। উক্তি তো হুবুহু হবে। এখানে কপিরাইট লঙ্ঘন হচ্ছে এমন জটিলতা কেন? ইংরেজি থেকে অনেক পাতা অনুবাদ করতে গিয়ে বিশাল বিশাল উক্তি হুবুহু কপি পেয়েছি। এক উক্তিতেই ৫-৬০০ শব্দ, এমন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] যেটা এখনও ৪৫% দেখাচ্ছে, ওটায় একই বাক্য বারবার এসেছে। তাই বেশি পার্সেন্টেজ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] নন-ফ্রি লাইসেন্স নীতি অনুযায়ী আমরা উইকিপিডিয়ায় যেকোন লেখা বা উক্তি হুবুহু তুলে ধরতে পারবো, কিন্তু সেটা সীমা রেখে। অর্থাৎ একটি সূত্রের লেখার বড় অংশ তুলে ধরা যাবেনা। উইকিপিডিয়ায় এটা মান্য করা হয় কপিরাইট আইন মেনে চলার জন্য। সেজন্য আপনি দেখবেন যে অনেক সময় একটি উইকিপিডিয়া নিবন্ধে বেশি উক্তি থাকেনা। উইকিউক্তি একই নীতিতে চলে। যদিও উইকিউক্তির একটি পাতায় উক্তিগুলোকে হুবুহু তুলে ধরতে হবে, কিন্তু সেটা নন-ফ্রি নীতিকে এড়িয়ে উদ্ধৃত করা যাবেনা অর্থাৎ কপিরাইট আইন বজায় রেখেই করতে হবে। তাই আমাদের এখানেও এটা মেনে চলতে হয়। মূল সমস্যা হচ্ছে, সবাই এই ব্যাপারটা জানেনা। মূল কথা হচ্ছে, উক্তি হুবুহু উদ্ধৃত করায় কোন সমস্যা নেই। এখানে সমস্যা হচ্ছে উক্তি উদ্ধৃত করার সময় প্রতিটি সূত্র থেকে কত শতাংশ লেখা কপি করা হয়েছে, যা পরিস্থিতিভেদে সর্বোচ্চ হয়তো ৪০-৪৫% ব্যবহার করা যেতে পারে (সবক্ষেত্রে নয়)। তবে সর্বোচ্চ ৩০% ব্যবহার করাই নিরাপদ। তবে, ব্যতিক্রম হতে পারে অনূদিত উক্তির ক্ষেত্রে। কেননা পড়ার উপযোগী করে উক্তি অনুবাদ করতে গিয়ে অনেক সময় উক্তিগুলোর মূল কাঠামো ও অনূদিত প্রতিশব্দ পালটে যেতে পারে আর তখন কপিরাইট সমস্যার প্রশ্ন আসবেনা। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:৫৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ওকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি বুঝতে পেরেছ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১২:৫৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]: জি, এবার বুঝতে পেরেছি। ঠিক করা হয়েছে। আবার পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি।। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৫৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::::::আমি এখনো ব্যাপারটি বুঝলাম না। আমি ইংরেজিতে থাকা উক্তিগুলো এবং প্রতিটি উক্তির তথ্যসূত্র সম্পূর্ণ অনুবাদ করি । :::::::এখানে সূত্র বলতে কি বুঝাচ্ছে ওই তথ্যসূত্র টাই [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৯, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] হ্যাঁ, সেটাই সূত্র মানেই তথ্যসূত্র [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৭:৫৩, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::::: [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৮:০৭, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি == পাতাটির অনুবাদ বেশ রুক্ষ। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে নিবন্ধটি সংশোধন করুন। ১৫:৫০, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) : {{ping|Yahya}} পর্যালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ। আমি ২ দিন সময় চাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) == রো বনাম ওয়েড == পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫২, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই, সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪২, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::দুঃখিত। গ্রহণ করা যাচ্ছে না। অনুবাদ এখনও যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৪১, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি]] পাতা সম্পর্কে == এভাবে উপপাতায় নেয়ার কারণ? এমনকি আপনি [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি/২]] নামেও পাতা তৈরি করেছেন। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৭:৫৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] একটা পাতায় পুরো লেখা জায়গা হয় না। বাইট লিমিট দেখিয়েছিল। আমি "সম্পর্কে উক্তি"কে একটাই উপপাতায় রাখতে চেয়েছিলাম। সেটাও সম্ভব হয়নি। তাই দুটো পাতা করতে হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:২৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::যান্ত্রিক ও ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ হওয়ায় পাতাটি উক্তি প্রতিযোগিতায় গৃহীত হয়নি। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৪:০৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == সংশোধনের পর জানাতে বলা হয়েছে == [[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] পাতাটিতে একই তথ্যসূত্র বেশ কয়েকটি উক্তিতে ছিল। তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন গ্রহণ করতে পারবেন [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:১৫, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == বাবুলমিয়া == মাধবদী পৌরসভা জেলা নরসিংদী ০১৭১২ ৬২০ ৯৯২ আমার এই ওষুধটা লাগবে [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-20015-50|&#126;2026-20015-50]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-20015-50|আলাপ]]) ১৮:৪৩, ৩১ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) 01924087544 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-20544-24|&#126;2026-20544-24]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-20544-24|আলাপ]]) ০৬:৩৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] আমি [[আলফ্রেড নোবেল]] পাতাটি সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা গ্রহণ সম্বন্ধে == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[আল খোয়ারিজমি]] - পাতাটি গৃহীত হয়নি। কিন্তু এর ''সুনির্দিষ্ট'' এবং যথার্থ কারন উল্লেখ প্রয়োজন। উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। ধন্যবাদান্তে, ''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)-Mahmud'' ::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] '[[আল খোয়ারিজমি]]' পাতাটির সংশোধনের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। :'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১১:১০, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' == জেরার দ্যব্রু == নিবন্ধটি আমি সংশোধন করেছি এবং যান্ত্রিকতা দূর করেছি। অনুগ্রহ করে এখন পুনরায় পর্যালোচনা করুন। ''([[জেরার দ্যব্রু]])'' — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২১, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে সবার আগে এটিকে পর্যালোচনা করুন। এটি অত্যন্ত ছোট পাতা। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:৫৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] এটিতে কি কোন অসুবিধা বিদ্যমান? আপনি এখনও গ্রহণ করেননি। সমস্যা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৫২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আলেক্সান্দ্র্‌ সলজেনিৎসিন]] == সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৫:৩৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আলফ্রেড নোবেল]] == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:০২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) h9sk68o7v548ckw7mj8543in9eg8ncp 78695 78683 2026-04-20T00:48:58Z Sumanta3023 4175 /* এর্নস্ট মাখ */ নতুন অনুচ্ছেদ 78695 wikitext text/x-wiki {{স্বাগত}}≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৮:০৭, ৩১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে == সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>। ;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে? :প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না। ; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে? : যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)। আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্‌স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি == সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]): * যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন। * যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৪, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ==উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে == [[উইলিয়াম ম্যাকিনলি]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১১, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সংশোধন করায় ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। আপনার জমাদানকৃত বাকি পাতাগুলোতেও এরকম সংশোধন করার পরামর্শ রইল। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে তাহলে আমি পুনরায় পর্যালোচনা করছি [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫২, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == সাহায্য প্রয়োজন == আমি যখন আর্টিকেল গুলো বাংলা অনুবাদ করার পরে পাবলিশ করার পরে আমি এটি উইকি ডাটার সাথে কানেক্ট করতে চাচ্ছি যেন একটি ইংরেজি অনুবাদটাও যে কেউ দেখতে পারে। কিন্তু আমাকে এটা দেখাচ্ছে এগুলো সেমি প্রটেক্টেড পেজ । [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] যেগুলো লিংক করতে পারবেন না, যেকোনো পর্যালোচকের আলাপ পাতায় সেগুলোর তালিকা দিবেন। তারা লিংক করে দিবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::[[অং সান সু চি]] এটি লিংক করে দিন। ::এবং আমি কিভাবে এই রাইট পেতে পারি! [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৫, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন]] == সুধী, উইকিমিডিয়ার অন্যান্য প্রকল্পগুলোর মতো উইকিউক্তিতে কপিরাইট আইন মান্য করা হয়। তবে উইকিউক্তিতে হুবুহু উক্তি কপি করে ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেমন শিথিলতা রয়েছে তেমন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন উইকিউক্তিতে "একই সূত্র থেকে খুব বেশি উক্তি পাতায় দেওয়া যায়না"। মোটামুটি সীমা বজায় রাখতে হয় যাতে কপিরাইট সমস্যায় পড়তে না হয়। [https://copyvios.toolforge.org/?lang=bn&project=wikiquote&title=মোহাম্মদ+নাজিম+উদ্দিন&oldid=&action=search&use_engine=0&use_links=1&turnitin=0&nocache=1 এটা দেখুন], এই রেজাল্ট অনুযায়ী তিনটি সূত্র থেকে ৪০% এর অধিক লেখা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়েছে। তাই উক্তির সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন৷ সবগুলো সূত্র থেকেই যে একদম ৩০% হতে হবে তা নয়, তবে উক্তির সংখ্যা মোটামুটি কমিয়ে এনে কপিরাইট সমস্যার সমাধান করে নিতে হবে। তারপর আমাকে জানালে আমি পাতাটি গ্রহণ করে নিবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:১৯, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অগ্রগতি কতদূর? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৩:৫৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এখন অনেক লেখা বাদ দিয়েছি। এবার দেখুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:১৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না। উক্তি তো হুবুহু হবে। এখানে কপিরাইট লঙ্ঘন হচ্ছে এমন জটিলতা কেন? ইংরেজি থেকে অনেক পাতা অনুবাদ করতে গিয়ে বিশাল বিশাল উক্তি হুবুহু কপি পেয়েছি। এক উক্তিতেই ৫-৬০০ শব্দ, এমন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] যেটা এখনও ৪৫% দেখাচ্ছে, ওটায় একই বাক্য বারবার এসেছে। তাই বেশি পার্সেন্টেজ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] নন-ফ্রি লাইসেন্স নীতি অনুযায়ী আমরা উইকিপিডিয়ায় যেকোন লেখা বা উক্তি হুবুহু তুলে ধরতে পারবো, কিন্তু সেটা সীমা রেখে। অর্থাৎ একটি সূত্রের লেখার বড় অংশ তুলে ধরা যাবেনা। উইকিপিডিয়ায় এটা মান্য করা হয় কপিরাইট আইন মেনে চলার জন্য। সেজন্য আপনি দেখবেন যে অনেক সময় একটি উইকিপিডিয়া নিবন্ধে বেশি উক্তি থাকেনা। উইকিউক্তি একই নীতিতে চলে। যদিও উইকিউক্তির একটি পাতায় উক্তিগুলোকে হুবুহু তুলে ধরতে হবে, কিন্তু সেটা নন-ফ্রি নীতিকে এড়িয়ে উদ্ধৃত করা যাবেনা অর্থাৎ কপিরাইট আইন বজায় রেখেই করতে হবে। তাই আমাদের এখানেও এটা মেনে চলতে হয়। মূল সমস্যা হচ্ছে, সবাই এই ব্যাপারটা জানেনা। মূল কথা হচ্ছে, উক্তি হুবুহু উদ্ধৃত করায় কোন সমস্যা নেই। এখানে সমস্যা হচ্ছে উক্তি উদ্ধৃত করার সময় প্রতিটি সূত্র থেকে কত শতাংশ লেখা কপি করা হয়েছে, যা পরিস্থিতিভেদে সর্বোচ্চ হয়তো ৪০-৪৫% ব্যবহার করা যেতে পারে (সবক্ষেত্রে নয়)। তবে সর্বোচ্চ ৩০% ব্যবহার করাই নিরাপদ। তবে, ব্যতিক্রম হতে পারে অনূদিত উক্তির ক্ষেত্রে। কেননা পড়ার উপযোগী করে উক্তি অনুবাদ করতে গিয়ে অনেক সময় উক্তিগুলোর মূল কাঠামো ও অনূদিত প্রতিশব্দ পালটে যেতে পারে আর তখন কপিরাইট সমস্যার প্রশ্ন আসবেনা। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:৫৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ওকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি বুঝতে পেরেছ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১২:৫৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]: জি, এবার বুঝতে পেরেছি। ঠিক করা হয়েছে। আবার পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি।। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৫৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::::::আমি এখনো ব্যাপারটি বুঝলাম না। আমি ইংরেজিতে থাকা উক্তিগুলো এবং প্রতিটি উক্তির তথ্যসূত্র সম্পূর্ণ অনুবাদ করি । :::::::এখানে সূত্র বলতে কি বুঝাচ্ছে ওই তথ্যসূত্র টাই [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৯, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] হ্যাঁ, সেটাই সূত্র মানেই তথ্যসূত্র [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৭:৫৩, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::::: [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৮:০৭, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি == পাতাটির অনুবাদ বেশ রুক্ষ। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে নিবন্ধটি সংশোধন করুন। ১৫:৫০, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) : {{ping|Yahya}} পর্যালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ। আমি ২ দিন সময় চাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) == রো বনাম ওয়েড == পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫২, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই, সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪২, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::দুঃখিত। গ্রহণ করা যাচ্ছে না। অনুবাদ এখনও যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৪১, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি]] পাতা সম্পর্কে == এভাবে উপপাতায় নেয়ার কারণ? এমনকি আপনি [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি/২]] নামেও পাতা তৈরি করেছেন। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৭:৫৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] একটা পাতায় পুরো লেখা জায়গা হয় না। বাইট লিমিট দেখিয়েছিল। আমি "সম্পর্কে উক্তি"কে একটাই উপপাতায় রাখতে চেয়েছিলাম। সেটাও সম্ভব হয়নি। তাই দুটো পাতা করতে হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:২৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::যান্ত্রিক ও ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ হওয়ায় পাতাটি উক্তি প্রতিযোগিতায় গৃহীত হয়নি। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৪:০৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == সংশোধনের পর জানাতে বলা হয়েছে == [[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] পাতাটিতে একই তথ্যসূত্র বেশ কয়েকটি উক্তিতে ছিল। তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন গ্রহণ করতে পারবেন [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:১৫, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == বাবুলমিয়া == মাধবদী পৌরসভা জেলা নরসিংদী ০১৭১২ ৬২০ ৯৯২ আমার এই ওষুধটা লাগবে [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-20015-50|&#126;2026-20015-50]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-20015-50|আলাপ]]) ১৮:৪৩, ৩১ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) 01924087544 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-20544-24|&#126;2026-20544-24]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-20544-24|আলাপ]]) ০৬:৩৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] আমি [[আলফ্রেড নোবেল]] পাতাটি সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা গ্রহণ সম্বন্ধে == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[আল খোয়ারিজমি]] - পাতাটি গৃহীত হয়নি। কিন্তু এর ''সুনির্দিষ্ট'' এবং যথার্থ কারন উল্লেখ প্রয়োজন। উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। ধন্যবাদান্তে, ''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)-Mahmud'' ::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] '[[আল খোয়ারিজমি]]' পাতাটির সংশোধনের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। :'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১১:১০, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' == জেরার দ্যব্রু == নিবন্ধটি আমি সংশোধন করেছি এবং যান্ত্রিকতা দূর করেছি। অনুগ্রহ করে এখন পুনরায় পর্যালোচনা করুন। ''([[জেরার দ্যব্রু]])'' — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২১, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে সবার আগে এটিকে পর্যালোচনা করুন। এটি অত্যন্ত ছোট পাতা। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:৫৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] এটিতে কি কোন অসুবিধা বিদ্যমান? আপনি এখনও গ্রহণ করেননি। সমস্যা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৫২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আলেক্সান্দ্র্‌ সলজেনিৎসিন]] == সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৫:৩৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আলফ্রেড নোবেল]] == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:০২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[এর্নস্ট মাখ]] == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) kewaglqzs1qrqe5wx6qdcc0e9wlrxxs 78704 78695 2026-04-20T01:08:17Z Sumanta3023 4175 /* অরবিন্দ আদিগা */ নতুন অনুচ্ছেদ 78704 wikitext text/x-wiki {{স্বাগত}}≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৮:০৭, ৩১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে == সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>। ;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে? :প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না। ; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে? : যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)। আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্‌স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি == সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]): * যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন। * যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৪, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ==উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে == [[উইলিয়াম ম্যাকিনলি]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১১, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সংশোধন করায় ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। আপনার জমাদানকৃত বাকি পাতাগুলোতেও এরকম সংশোধন করার পরামর্শ রইল। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে তাহলে আমি পুনরায় পর্যালোচনা করছি [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫২, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == সাহায্য প্রয়োজন == আমি যখন আর্টিকেল গুলো বাংলা অনুবাদ করার পরে পাবলিশ করার পরে আমি এটি উইকি ডাটার সাথে কানেক্ট করতে চাচ্ছি যেন একটি ইংরেজি অনুবাদটাও যে কেউ দেখতে পারে। কিন্তু আমাকে এটা দেখাচ্ছে এগুলো সেমি প্রটেক্টেড পেজ । [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] যেগুলো লিংক করতে পারবেন না, যেকোনো পর্যালোচকের আলাপ পাতায় সেগুলোর তালিকা দিবেন। তারা লিংক করে দিবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::[[অং সান সু চি]] এটি লিংক করে দিন। ::এবং আমি কিভাবে এই রাইট পেতে পারি! [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৫, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন]] == সুধী, উইকিমিডিয়ার অন্যান্য প্রকল্পগুলোর মতো উইকিউক্তিতে কপিরাইট আইন মান্য করা হয়। তবে উইকিউক্তিতে হুবুহু উক্তি কপি করে ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেমন শিথিলতা রয়েছে তেমন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন উইকিউক্তিতে "একই সূত্র থেকে খুব বেশি উক্তি পাতায় দেওয়া যায়না"। মোটামুটি সীমা বজায় রাখতে হয় যাতে কপিরাইট সমস্যায় পড়তে না হয়। [https://copyvios.toolforge.org/?lang=bn&project=wikiquote&title=মোহাম্মদ+নাজিম+উদ্দিন&oldid=&action=search&use_engine=0&use_links=1&turnitin=0&nocache=1 এটা দেখুন], এই রেজাল্ট অনুযায়ী তিনটি সূত্র থেকে ৪০% এর অধিক লেখা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়েছে। তাই উক্তির সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন৷ সবগুলো সূত্র থেকেই যে একদম ৩০% হতে হবে তা নয়, তবে উক্তির সংখ্যা মোটামুটি কমিয়ে এনে কপিরাইট সমস্যার সমাধান করে নিতে হবে। তারপর আমাকে জানালে আমি পাতাটি গ্রহণ করে নিবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:১৯, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অগ্রগতি কতদূর? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৩:৫৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এখন অনেক লেখা বাদ দিয়েছি। এবার দেখুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:১৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না। উক্তি তো হুবুহু হবে। এখানে কপিরাইট লঙ্ঘন হচ্ছে এমন জটিলতা কেন? ইংরেজি থেকে অনেক পাতা অনুবাদ করতে গিয়ে বিশাল বিশাল উক্তি হুবুহু কপি পেয়েছি। এক উক্তিতেই ৫-৬০০ শব্দ, এমন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] যেটা এখনও ৪৫% দেখাচ্ছে, ওটায় একই বাক্য বারবার এসেছে। তাই বেশি পার্সেন্টেজ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] নন-ফ্রি লাইসেন্স নীতি অনুযায়ী আমরা উইকিপিডিয়ায় যেকোন লেখা বা উক্তি হুবুহু তুলে ধরতে পারবো, কিন্তু সেটা সীমা রেখে। অর্থাৎ একটি সূত্রের লেখার বড় অংশ তুলে ধরা যাবেনা। উইকিপিডিয়ায় এটা মান্য করা হয় কপিরাইট আইন মেনে চলার জন্য। সেজন্য আপনি দেখবেন যে অনেক সময় একটি উইকিপিডিয়া নিবন্ধে বেশি উক্তি থাকেনা। উইকিউক্তি একই নীতিতে চলে। যদিও উইকিউক্তির একটি পাতায় উক্তিগুলোকে হুবুহু তুলে ধরতে হবে, কিন্তু সেটা নন-ফ্রি নীতিকে এড়িয়ে উদ্ধৃত করা যাবেনা অর্থাৎ কপিরাইট আইন বজায় রেখেই করতে হবে। তাই আমাদের এখানেও এটা মেনে চলতে হয়। মূল সমস্যা হচ্ছে, সবাই এই ব্যাপারটা জানেনা। মূল কথা হচ্ছে, উক্তি হুবুহু উদ্ধৃত করায় কোন সমস্যা নেই। এখানে সমস্যা হচ্ছে উক্তি উদ্ধৃত করার সময় প্রতিটি সূত্র থেকে কত শতাংশ লেখা কপি করা হয়েছে, যা পরিস্থিতিভেদে সর্বোচ্চ হয়তো ৪০-৪৫% ব্যবহার করা যেতে পারে (সবক্ষেত্রে নয়)। তবে সর্বোচ্চ ৩০% ব্যবহার করাই নিরাপদ। তবে, ব্যতিক্রম হতে পারে অনূদিত উক্তির ক্ষেত্রে। কেননা পড়ার উপযোগী করে উক্তি অনুবাদ করতে গিয়ে অনেক সময় উক্তিগুলোর মূল কাঠামো ও অনূদিত প্রতিশব্দ পালটে যেতে পারে আর তখন কপিরাইট সমস্যার প্রশ্ন আসবেনা। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:৫৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ওকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি বুঝতে পেরেছ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১২:৫৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]: জি, এবার বুঝতে পেরেছি। ঠিক করা হয়েছে। আবার পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি।। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৫৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::::::আমি এখনো ব্যাপারটি বুঝলাম না। আমি ইংরেজিতে থাকা উক্তিগুলো এবং প্রতিটি উক্তির তথ্যসূত্র সম্পূর্ণ অনুবাদ করি । :::::::এখানে সূত্র বলতে কি বুঝাচ্ছে ওই তথ্যসূত্র টাই [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৯, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] হ্যাঁ, সেটাই সূত্র মানেই তথ্যসূত্র [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৭:৫৩, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::::: [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৮:০৭, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি == পাতাটির অনুবাদ বেশ রুক্ষ। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে নিবন্ধটি সংশোধন করুন। ১৫:৫০, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) : {{ping|Yahya}} পর্যালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ। আমি ২ দিন সময় চাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) == রো বনাম ওয়েড == পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫২, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই, সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪২, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::দুঃখিত। গ্রহণ করা যাচ্ছে না। অনুবাদ এখনও যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৪১, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি]] পাতা সম্পর্কে == এভাবে উপপাতায় নেয়ার কারণ? এমনকি আপনি [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি/২]] নামেও পাতা তৈরি করেছেন। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৭:৫৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] একটা পাতায় পুরো লেখা জায়গা হয় না। বাইট লিমিট দেখিয়েছিল। আমি "সম্পর্কে উক্তি"কে একটাই উপপাতায় রাখতে চেয়েছিলাম। সেটাও সম্ভব হয়নি। তাই দুটো পাতা করতে হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:২৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::যান্ত্রিক ও ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ হওয়ায় পাতাটি উক্তি প্রতিযোগিতায় গৃহীত হয়নি। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৪:০৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == সংশোধনের পর জানাতে বলা হয়েছে == [[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] পাতাটিতে একই তথ্যসূত্র বেশ কয়েকটি উক্তিতে ছিল। তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন গ্রহণ করতে পারবেন [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:১৫, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == বাবুলমিয়া == মাধবদী পৌরসভা জেলা নরসিংদী ০১৭১২ ৬২০ ৯৯২ আমার এই ওষুধটা লাগবে [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-20015-50|&#126;2026-20015-50]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-20015-50|আলাপ]]) ১৮:৪৩, ৩১ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) 01924087544 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-20544-24|&#126;2026-20544-24]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-20544-24|আলাপ]]) ০৬:৩৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] আমি [[আলফ্রেড নোবেল]] পাতাটি সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা গ্রহণ সম্বন্ধে == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[আল খোয়ারিজমি]] - পাতাটি গৃহীত হয়নি। কিন্তু এর ''সুনির্দিষ্ট'' এবং যথার্থ কারন উল্লেখ প্রয়োজন। উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। ধন্যবাদান্তে, ''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)-Mahmud'' ::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] '[[আল খোয়ারিজমি]]' পাতাটির সংশোধনের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। :'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১১:১০, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' == জেরার দ্যব্রু == নিবন্ধটি আমি সংশোধন করেছি এবং যান্ত্রিকতা দূর করেছি। অনুগ্রহ করে এখন পুনরায় পর্যালোচনা করুন। ''([[জেরার দ্যব্রু]])'' — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২১, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে সবার আগে এটিকে পর্যালোচনা করুন। এটি অত্যন্ত ছোট পাতা। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:৫৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] এটিতে কি কোন অসুবিধা বিদ্যমান? আপনি এখনও গ্রহণ করেননি। সমস্যা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৫২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আলেক্সান্দ্র্‌ সলজেনিৎসিন]] == সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৫:৩৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আলফ্রেড নোবেল]] == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:০২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[এর্নস্ট মাখ]] == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[অরবিন্দ আদিগা]] == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করুন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:০৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) pi2mjwtxvjjhwx87ku3oi5lf0p5yq0q 78706 78704 2026-04-20T01:12:39Z Sumanta3023 4175 /* সি. এ. আর. হোর */ নতুন অনুচ্ছেদ 78706 wikitext text/x-wiki {{স্বাগত}}≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৮:০৭, ৩১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে == সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>। ;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে? :প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না। ; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে? : যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)। আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্‌স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি == সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]): * যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন। * যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৪, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ==উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে == [[উইলিয়াম ম্যাকিনলি]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১১, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সংশোধন করায় ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। আপনার জমাদানকৃত বাকি পাতাগুলোতেও এরকম সংশোধন করার পরামর্শ রইল। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে তাহলে আমি পুনরায় পর্যালোচনা করছি [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫২, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == সাহায্য প্রয়োজন == আমি যখন আর্টিকেল গুলো বাংলা অনুবাদ করার পরে পাবলিশ করার পরে আমি এটি উইকি ডাটার সাথে কানেক্ট করতে চাচ্ছি যেন একটি ইংরেজি অনুবাদটাও যে কেউ দেখতে পারে। কিন্তু আমাকে এটা দেখাচ্ছে এগুলো সেমি প্রটেক্টেড পেজ । [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] যেগুলো লিংক করতে পারবেন না, যেকোনো পর্যালোচকের আলাপ পাতায় সেগুলোর তালিকা দিবেন। তারা লিংক করে দিবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::[[অং সান সু চি]] এটি লিংক করে দিন। ::এবং আমি কিভাবে এই রাইট পেতে পারি! [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৫, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন]] == সুধী, উইকিমিডিয়ার অন্যান্য প্রকল্পগুলোর মতো উইকিউক্তিতে কপিরাইট আইন মান্য করা হয়। তবে উইকিউক্তিতে হুবুহু উক্তি কপি করে ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেমন শিথিলতা রয়েছে তেমন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন উইকিউক্তিতে "একই সূত্র থেকে খুব বেশি উক্তি পাতায় দেওয়া যায়না"। মোটামুটি সীমা বজায় রাখতে হয় যাতে কপিরাইট সমস্যায় পড়তে না হয়। [https://copyvios.toolforge.org/?lang=bn&project=wikiquote&title=মোহাম্মদ+নাজিম+উদ্দিন&oldid=&action=search&use_engine=0&use_links=1&turnitin=0&nocache=1 এটা দেখুন], এই রেজাল্ট অনুযায়ী তিনটি সূত্র থেকে ৪০% এর অধিক লেখা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়েছে। তাই উক্তির সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন৷ সবগুলো সূত্র থেকেই যে একদম ৩০% হতে হবে তা নয়, তবে উক্তির সংখ্যা মোটামুটি কমিয়ে এনে কপিরাইট সমস্যার সমাধান করে নিতে হবে। তারপর আমাকে জানালে আমি পাতাটি গ্রহণ করে নিবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:১৯, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অগ্রগতি কতদূর? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৩:৫৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এখন অনেক লেখা বাদ দিয়েছি। এবার দেখুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:১৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না। উক্তি তো হুবুহু হবে। এখানে কপিরাইট লঙ্ঘন হচ্ছে এমন জটিলতা কেন? ইংরেজি থেকে অনেক পাতা অনুবাদ করতে গিয়ে বিশাল বিশাল উক্তি হুবুহু কপি পেয়েছি। এক উক্তিতেই ৫-৬০০ শব্দ, এমন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] যেটা এখনও ৪৫% দেখাচ্ছে, ওটায় একই বাক্য বারবার এসেছে। তাই বেশি পার্সেন্টেজ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] নন-ফ্রি লাইসেন্স নীতি অনুযায়ী আমরা উইকিপিডিয়ায় যেকোন লেখা বা উক্তি হুবুহু তুলে ধরতে পারবো, কিন্তু সেটা সীমা রেখে। অর্থাৎ একটি সূত্রের লেখার বড় অংশ তুলে ধরা যাবেনা। উইকিপিডিয়ায় এটা মান্য করা হয় কপিরাইট আইন মেনে চলার জন্য। সেজন্য আপনি দেখবেন যে অনেক সময় একটি উইকিপিডিয়া নিবন্ধে বেশি উক্তি থাকেনা। উইকিউক্তি একই নীতিতে চলে। যদিও উইকিউক্তির একটি পাতায় উক্তিগুলোকে হুবুহু তুলে ধরতে হবে, কিন্তু সেটা নন-ফ্রি নীতিকে এড়িয়ে উদ্ধৃত করা যাবেনা অর্থাৎ কপিরাইট আইন বজায় রেখেই করতে হবে। তাই আমাদের এখানেও এটা মেনে চলতে হয়। মূল সমস্যা হচ্ছে, সবাই এই ব্যাপারটা জানেনা। মূল কথা হচ্ছে, উক্তি হুবুহু উদ্ধৃত করায় কোন সমস্যা নেই। এখানে সমস্যা হচ্ছে উক্তি উদ্ধৃত করার সময় প্রতিটি সূত্র থেকে কত শতাংশ লেখা কপি করা হয়েছে, যা পরিস্থিতিভেদে সর্বোচ্চ হয়তো ৪০-৪৫% ব্যবহার করা যেতে পারে (সবক্ষেত্রে নয়)। তবে সর্বোচ্চ ৩০% ব্যবহার করাই নিরাপদ। তবে, ব্যতিক্রম হতে পারে অনূদিত উক্তির ক্ষেত্রে। কেননা পড়ার উপযোগী করে উক্তি অনুবাদ করতে গিয়ে অনেক সময় উক্তিগুলোর মূল কাঠামো ও অনূদিত প্রতিশব্দ পালটে যেতে পারে আর তখন কপিরাইট সমস্যার প্রশ্ন আসবেনা। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:৫৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ওকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি বুঝতে পেরেছ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১২:৫৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]: জি, এবার বুঝতে পেরেছি। ঠিক করা হয়েছে। আবার পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি।। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৫৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::::::আমি এখনো ব্যাপারটি বুঝলাম না। আমি ইংরেজিতে থাকা উক্তিগুলো এবং প্রতিটি উক্তির তথ্যসূত্র সম্পূর্ণ অনুবাদ করি । :::::::এখানে সূত্র বলতে কি বুঝাচ্ছে ওই তথ্যসূত্র টাই [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৯, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] হ্যাঁ, সেটাই সূত্র মানেই তথ্যসূত্র [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৭:৫৩, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::::: [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৮:০৭, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি == পাতাটির অনুবাদ বেশ রুক্ষ। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে নিবন্ধটি সংশোধন করুন। ১৫:৫০, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) : {{ping|Yahya}} পর্যালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ। আমি ২ দিন সময় চাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) == রো বনাম ওয়েড == পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫২, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই, সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪২, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::দুঃখিত। গ্রহণ করা যাচ্ছে না। অনুবাদ এখনও যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৪১, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি]] পাতা সম্পর্কে == এভাবে উপপাতায় নেয়ার কারণ? এমনকি আপনি [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি/২]] নামেও পাতা তৈরি করেছেন। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৭:৫৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] একটা পাতায় পুরো লেখা জায়গা হয় না। বাইট লিমিট দেখিয়েছিল। আমি "সম্পর্কে উক্তি"কে একটাই উপপাতায় রাখতে চেয়েছিলাম। সেটাও সম্ভব হয়নি। তাই দুটো পাতা করতে হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:২৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::যান্ত্রিক ও ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ হওয়ায় পাতাটি উক্তি প্রতিযোগিতায় গৃহীত হয়নি। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৪:০৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == সংশোধনের পর জানাতে বলা হয়েছে == [[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] পাতাটিতে একই তথ্যসূত্র বেশ কয়েকটি উক্তিতে ছিল। তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন গ্রহণ করতে পারবেন [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:১৫, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == বাবুলমিয়া == মাধবদী পৌরসভা জেলা নরসিংদী ০১৭১২ ৬২০ ৯৯২ আমার এই ওষুধটা লাগবে [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-20015-50|&#126;2026-20015-50]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-20015-50|আলাপ]]) ১৮:৪৩, ৩১ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) 01924087544 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-20544-24|&#126;2026-20544-24]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-20544-24|আলাপ]]) ০৬:৩৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] আমি [[আলফ্রেড নোবেল]] পাতাটি সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা গ্রহণ সম্বন্ধে == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[আল খোয়ারিজমি]] - পাতাটি গৃহীত হয়নি। কিন্তু এর ''সুনির্দিষ্ট'' এবং যথার্থ কারন উল্লেখ প্রয়োজন। উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। ধন্যবাদান্তে, ''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)-Mahmud'' ::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] '[[আল খোয়ারিজমি]]' পাতাটির সংশোধনের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। :'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১১:১০, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' == জেরার দ্যব্রু == নিবন্ধটি আমি সংশোধন করেছি এবং যান্ত্রিকতা দূর করেছি। অনুগ্রহ করে এখন পুনরায় পর্যালোচনা করুন। ''([[জেরার দ্যব্রু]])'' — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২১, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে সবার আগে এটিকে পর্যালোচনা করুন। এটি অত্যন্ত ছোট পাতা। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:৫৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] এটিতে কি কোন অসুবিধা বিদ্যমান? আপনি এখনও গ্রহণ করেননি। সমস্যা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৫২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আলেক্সান্দ্র্‌ সলজেনিৎসিন]] == সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৫:৩৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আলফ্রেড নোবেল]] == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:০২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[এর্নস্ট মাখ]] == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[অরবিন্দ আদিগা]] == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করুন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:০৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[সি. এ. আর. হোর]] == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) p3sjo0kl1d73vuw4eiq3ylyz9rpupme 78707 78706 2026-04-20T01:14:50Z Sumanta3023 4175 /* ডায়ান ফসি */ নতুন অনুচ্ছেদ 78707 wikitext text/x-wiki {{স্বাগত}}≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৮:০৭, ৩১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে == সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>। ;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে? :প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না। ; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে? : যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)। আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্‌স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি == সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]): * যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন। * যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৪, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ==উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে == [[উইলিয়াম ম্যাকিনলি]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১১, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সংশোধন করায় ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। আপনার জমাদানকৃত বাকি পাতাগুলোতেও এরকম সংশোধন করার পরামর্শ রইল। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে তাহলে আমি পুনরায় পর্যালোচনা করছি [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫২, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == সাহায্য প্রয়োজন == আমি যখন আর্টিকেল গুলো বাংলা অনুবাদ করার পরে পাবলিশ করার পরে আমি এটি উইকি ডাটার সাথে কানেক্ট করতে চাচ্ছি যেন একটি ইংরেজি অনুবাদটাও যে কেউ দেখতে পারে। কিন্তু আমাকে এটা দেখাচ্ছে এগুলো সেমি প্রটেক্টেড পেজ । [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] যেগুলো লিংক করতে পারবেন না, যেকোনো পর্যালোচকের আলাপ পাতায় সেগুলোর তালিকা দিবেন। তারা লিংক করে দিবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::[[অং সান সু চি]] এটি লিংক করে দিন। ::এবং আমি কিভাবে এই রাইট পেতে পারি! [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৫, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন]] == সুধী, উইকিমিডিয়ার অন্যান্য প্রকল্পগুলোর মতো উইকিউক্তিতে কপিরাইট আইন মান্য করা হয়। তবে উইকিউক্তিতে হুবুহু উক্তি কপি করে ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেমন শিথিলতা রয়েছে তেমন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন উইকিউক্তিতে "একই সূত্র থেকে খুব বেশি উক্তি পাতায় দেওয়া যায়না"। মোটামুটি সীমা বজায় রাখতে হয় যাতে কপিরাইট সমস্যায় পড়তে না হয়। [https://copyvios.toolforge.org/?lang=bn&project=wikiquote&title=মোহাম্মদ+নাজিম+উদ্দিন&oldid=&action=search&use_engine=0&use_links=1&turnitin=0&nocache=1 এটা দেখুন], এই রেজাল্ট অনুযায়ী তিনটি সূত্র থেকে ৪০% এর অধিক লেখা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়েছে। তাই উক্তির সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন৷ সবগুলো সূত্র থেকেই যে একদম ৩০% হতে হবে তা নয়, তবে উক্তির সংখ্যা মোটামুটি কমিয়ে এনে কপিরাইট সমস্যার সমাধান করে নিতে হবে। তারপর আমাকে জানালে আমি পাতাটি গ্রহণ করে নিবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:১৯, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অগ্রগতি কতদূর? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৩:৫৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এখন অনেক লেখা বাদ দিয়েছি। এবার দেখুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:১৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না। উক্তি তো হুবুহু হবে। এখানে কপিরাইট লঙ্ঘন হচ্ছে এমন জটিলতা কেন? ইংরেজি থেকে অনেক পাতা অনুবাদ করতে গিয়ে বিশাল বিশাল উক্তি হুবুহু কপি পেয়েছি। এক উক্তিতেই ৫-৬০০ শব্দ, এমন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] যেটা এখনও ৪৫% দেখাচ্ছে, ওটায় একই বাক্য বারবার এসেছে। তাই বেশি পার্সেন্টেজ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] নন-ফ্রি লাইসেন্স নীতি অনুযায়ী আমরা উইকিপিডিয়ায় যেকোন লেখা বা উক্তি হুবুহু তুলে ধরতে পারবো, কিন্তু সেটা সীমা রেখে। অর্থাৎ একটি সূত্রের লেখার বড় অংশ তুলে ধরা যাবেনা। উইকিপিডিয়ায় এটা মান্য করা হয় কপিরাইট আইন মেনে চলার জন্য। সেজন্য আপনি দেখবেন যে অনেক সময় একটি উইকিপিডিয়া নিবন্ধে বেশি উক্তি থাকেনা। উইকিউক্তি একই নীতিতে চলে। যদিও উইকিউক্তির একটি পাতায় উক্তিগুলোকে হুবুহু তুলে ধরতে হবে, কিন্তু সেটা নন-ফ্রি নীতিকে এড়িয়ে উদ্ধৃত করা যাবেনা অর্থাৎ কপিরাইট আইন বজায় রেখেই করতে হবে। তাই আমাদের এখানেও এটা মেনে চলতে হয়। মূল সমস্যা হচ্ছে, সবাই এই ব্যাপারটা জানেনা। মূল কথা হচ্ছে, উক্তি হুবুহু উদ্ধৃত করায় কোন সমস্যা নেই। এখানে সমস্যা হচ্ছে উক্তি উদ্ধৃত করার সময় প্রতিটি সূত্র থেকে কত শতাংশ লেখা কপি করা হয়েছে, যা পরিস্থিতিভেদে সর্বোচ্চ হয়তো ৪০-৪৫% ব্যবহার করা যেতে পারে (সবক্ষেত্রে নয়)। তবে সর্বোচ্চ ৩০% ব্যবহার করাই নিরাপদ। তবে, ব্যতিক্রম হতে পারে অনূদিত উক্তির ক্ষেত্রে। কেননা পড়ার উপযোগী করে উক্তি অনুবাদ করতে গিয়ে অনেক সময় উক্তিগুলোর মূল কাঠামো ও অনূদিত প্রতিশব্দ পালটে যেতে পারে আর তখন কপিরাইট সমস্যার প্রশ্ন আসবেনা। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:৫৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ওকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি বুঝতে পেরেছ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১২:৫৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]: জি, এবার বুঝতে পেরেছি। ঠিক করা হয়েছে। আবার পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি।। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৫৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::::::আমি এখনো ব্যাপারটি বুঝলাম না। আমি ইংরেজিতে থাকা উক্তিগুলো এবং প্রতিটি উক্তির তথ্যসূত্র সম্পূর্ণ অনুবাদ করি । :::::::এখানে সূত্র বলতে কি বুঝাচ্ছে ওই তথ্যসূত্র টাই [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৯, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] হ্যাঁ, সেটাই সূত্র মানেই তথ্যসূত্র [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৭:৫৩, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::::: [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৮:০৭, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি == পাতাটির অনুবাদ বেশ রুক্ষ। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে নিবন্ধটি সংশোধন করুন। ১৫:৫০, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) : {{ping|Yahya}} পর্যালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ। আমি ২ দিন সময় চাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) == রো বনাম ওয়েড == পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫২, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই, সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪২, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::দুঃখিত। গ্রহণ করা যাচ্ছে না। অনুবাদ এখনও যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৪১, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি]] পাতা সম্পর্কে == এভাবে উপপাতায় নেয়ার কারণ? এমনকি আপনি [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি/২]] নামেও পাতা তৈরি করেছেন। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৭:৫৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] একটা পাতায় পুরো লেখা জায়গা হয় না। বাইট লিমিট দেখিয়েছিল। আমি "সম্পর্কে উক্তি"কে একটাই উপপাতায় রাখতে চেয়েছিলাম। সেটাও সম্ভব হয়নি। তাই দুটো পাতা করতে হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:২৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::যান্ত্রিক ও ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ হওয়ায় পাতাটি উক্তি প্রতিযোগিতায় গৃহীত হয়নি। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৪:০৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == সংশোধনের পর জানাতে বলা হয়েছে == [[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] পাতাটিতে একই তথ্যসূত্র বেশ কয়েকটি উক্তিতে ছিল। তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন গ্রহণ করতে পারবেন [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:১৫, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == বাবুলমিয়া == মাধবদী পৌরসভা জেলা নরসিংদী ০১৭১২ ৬২০ ৯৯২ আমার এই ওষুধটা লাগবে [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-20015-50|&#126;2026-20015-50]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-20015-50|আলাপ]]) ১৮:৪৩, ৩১ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) 01924087544 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-20544-24|&#126;2026-20544-24]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-20544-24|আলাপ]]) ০৬:৩৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] আমি [[আলফ্রেড নোবেল]] পাতাটি সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা গ্রহণ সম্বন্ধে == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[আল খোয়ারিজমি]] - পাতাটি গৃহীত হয়নি। কিন্তু এর ''সুনির্দিষ্ট'' এবং যথার্থ কারন উল্লেখ প্রয়োজন। উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। ধন্যবাদান্তে, ''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)-Mahmud'' ::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] '[[আল খোয়ারিজমি]]' পাতাটির সংশোধনের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। :'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১১:১০, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' == জেরার দ্যব্রু == নিবন্ধটি আমি সংশোধন করেছি এবং যান্ত্রিকতা দূর করেছি। অনুগ্রহ করে এখন পুনরায় পর্যালোচনা করুন। ''([[জেরার দ্যব্রু]])'' — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২১, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে সবার আগে এটিকে পর্যালোচনা করুন। এটি অত্যন্ত ছোট পাতা। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:৫৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] এটিতে কি কোন অসুবিধা বিদ্যমান? আপনি এখনও গ্রহণ করেননি। সমস্যা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৫২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আলেক্সান্দ্র্‌ সলজেনিৎসিন]] == সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৫:৩৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আলফ্রেড নোবেল]] == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:০২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[এর্নস্ট মাখ]] == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[অরবিন্দ আদিগা]] == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করুন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:০৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[সি. এ. আর. হোর]] == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[ডায়ান ফসি]] == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) b0h2c7v1r8chgh56whdm85gpy9alcll 78710 78707 2026-04-20T01:20:27Z Sumanta3023 4175 /* অরেল স্টেইন */ নতুন অনুচ্ছেদ 78710 wikitext text/x-wiki {{স্বাগত}}≈ <b style="border:1.5px solid #736AFF;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:Md.Farhan Mahmud|<b style="background-color:green;color:white">ফারহান&nbsp;</b>]][[User talk:Md.Farhan Mahmud|&nbsp;«আলাপ»]]</b> ০৮:০৭, ৩১ অক্টোবর ২০২২ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে == সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ও ৩০ এপ্রিল শেষ দিন পর্যন্ত অংশ নেওয়া অব্যাহত রাখুন। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে প্রতিযোগিতার নিয়মে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে: প্রতিযোগিতায় এখন থেকে '''নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে না''' অর্থাৎ <u>নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ছাড়া অন্য উল্লেখযোগ্য যেকোনও কিছু নিয়ে উক্তির পাতা তৈরি করা যাবে</u>। ;কেন নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র বাদ দেওয়া হয়েছে? :প্রতিযোগিতা শুরুর পর অনেকেই নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র নিয়ে উক্তির পাতা বানিয়েছেন। তবে লক্ষ্য করা গেছে যে, অনেকে শব্দ সংখ্যা বাড়াতে পুরো নাটক, উপন্যাস তুলে দিচ্ছেন। যা কোন ক্রমে কাম্য নয়। এটি অন্য প্রতিযোগীদের প্রতিও সুবিচার করা হয় না। ; আমি যে নাটক, গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র জমা দিয়েছি তার কী হবে? : যারা এই ঘোষণার পূর্বে অর্থাৎ ৬ এপ্রিল বা তার আগে এই জাতীয় উক্তির পাতা জমা দিয়েছেন সেগুলি গৃহীত হবে (অবশ্যই সংশোধনপূর্বক)। আরেকটি বিষয়ের প্রতি আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। এটাও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেকে উক্তির উৎস দিচ্ছেন না। দয়া করে উক্তির উৎস দিতে ভুলবেন না। দয়া করে উদাহরণ হিসেবে [[চঞ্চল চৌধুরী]], [[নোম চম্‌স্কি]] পাতায় কীভাবে উক্তি ও উক্তির উৎস দেওয়া হয়েছে তা দেখুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৯:৪৭, ৬ এপ্রিল ২০২৪ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:%E0%A6%86%E0%A6%AB%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE&oldid=31634-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি == সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ([https://fountain.toolforge.org/editathons/qc2024 এখানে দেখুন]): * যদি আপনার জমা দেওয়া কোনও নিবন্ধ গৃহীত না হয়, তবে আপনি আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে নিবন্ধের সমস্যাগুলি ঠিক করে পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ জানাতে পারেন। * যদি আপনি কোনও গৃহীত নিবন্ধ সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করতে চান, কোনও অসঙ্গতি আমাদের দৃষ্টিতে আনতে চান, দয়া করে আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণার পর, ফলাফলে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা হবে না। সুতরাং যা করার আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে করুন। আপনার কোনও জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে উল্লেখ করে জিজ্ঞাসা করুন। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ২১:৫৪, ৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় NusJaS, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/পরিসংখ্যান#ফলাফল|শীর্ষ ২০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLScZptwVHdLgFGVAjzk79Ew7MjAcCUyL1PigcfsNwxBn5VeC6w/viewform?usp=sf_link এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। [[ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান|আফতাবুজ্জামান]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:আফতাবুজ্জামান|আলাপ]]) ১৪:২৭, ১৮ মে ২০২৪ (ইউটিসি) ==উইকিউক্তি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে == [[উইলিয়াম ম্যাকিনলি]] পাতাটি পুনরায় সম্পাদন করা হয়েছে এখন গ্রহণ করতে পারেন আপনাকে মেনশন করলাম। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৫:১১, ২৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] সংশোধন করায় ধন্যবাদ। গৃহীত হয়েছে। আপনার জমাদানকৃত বাকি পাতাগুলোতেও এরকম সংশোধন করার পরামর্শ রইল। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৪৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ঠিক আছে তাহলে আমি পুনরায় পর্যালোচনা করছি [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫২, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == সাহায্য প্রয়োজন == আমি যখন আর্টিকেল গুলো বাংলা অনুবাদ করার পরে পাবলিশ করার পরে আমি এটি উইকি ডাটার সাথে কানেক্ট করতে চাচ্ছি যেন একটি ইংরেজি অনুবাদটাও যে কেউ দেখতে পারে। কিন্তু আমাকে এটা দেখাচ্ছে এগুলো সেমি প্রটেক্টেড পেজ । [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৫:৫৭, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] যেগুলো লিংক করতে পারবেন না, যেকোনো পর্যালোচকের আলাপ পাতায় সেগুলোর তালিকা দিবেন। তারা লিংক করে দিবে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৯:৫৫, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::[[অং সান সু চি]] এটি লিংক করে দিন। ::এবং আমি কিভাবে এই রাইট পেতে পারি! [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৫, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন]] == সুধী, উইকিমিডিয়ার অন্যান্য প্রকল্পগুলোর মতো উইকিউক্তিতে কপিরাইট আইন মান্য করা হয়। তবে উইকিউক্তিতে হুবুহু উক্তি কপি করে ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেমন শিথিলতা রয়েছে তেমন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন উইকিউক্তিতে "একই সূত্র থেকে খুব বেশি উক্তি পাতায় দেওয়া যায়না"। মোটামুটি সীমা বজায় রাখতে হয় যাতে কপিরাইট সমস্যায় পড়তে না হয়। [https://copyvios.toolforge.org/?lang=bn&project=wikiquote&title=মোহাম্মদ+নাজিম+উদ্দিন&oldid=&action=search&use_engine=0&use_links=1&turnitin=0&nocache=1 এটা দেখুন], এই রেজাল্ট অনুযায়ী তিনটি সূত্র থেকে ৪০% এর অধিক লেখা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়েছে। তাই উক্তির সংখ্যা কমিয়ে আনা প্রয়োজন৷ সবগুলো সূত্র থেকেই যে একদম ৩০% হতে হবে তা নয়, তবে উক্তির সংখ্যা মোটামুটি কমিয়ে এনে কপিরাইট সমস্যার সমাধান করে নিতে হবে। তারপর আমাকে জানালে আমি পাতাটি গ্রহণ করে নিবো। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:১৯, ২৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অগ্রগতি কতদূর? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ০৩:৫৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] এখন অনেক লেখা বাদ দিয়েছি। এবার দেখুন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:১৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভাই, আমি একটা জিনিস বুঝতে পারছি না। উক্তি তো হুবুহু হবে। এখানে কপিরাইট লঙ্ঘন হচ্ছে এমন জটিলতা কেন? ইংরেজি থেকে অনেক পাতা অনুবাদ করতে গিয়ে বিশাল বিশাল উক্তি হুবুহু কপি পেয়েছি। এক উক্তিতেই ৫-৬০০ শব্দ, এমন। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৬, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] যেটা এখনও ৪৫% দেখাচ্ছে, ওটায় একই বাক্য বারবার এসেছে। তাই বেশি পার্সেন্টেজ। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৩৮, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] নন-ফ্রি লাইসেন্স নীতি অনুযায়ী আমরা উইকিপিডিয়ায় যেকোন লেখা বা উক্তি হুবুহু তুলে ধরতে পারবো, কিন্তু সেটা সীমা রেখে। অর্থাৎ একটি সূত্রের লেখার বড় অংশ তুলে ধরা যাবেনা। উইকিপিডিয়ায় এটা মান্য করা হয় কপিরাইট আইন মেনে চলার জন্য। সেজন্য আপনি দেখবেন যে অনেক সময় একটি উইকিপিডিয়া নিবন্ধে বেশি উক্তি থাকেনা। উইকিউক্তি একই নীতিতে চলে। যদিও উইকিউক্তির একটি পাতায় উক্তিগুলোকে হুবুহু তুলে ধরতে হবে, কিন্তু সেটা নন-ফ্রি নীতিকে এড়িয়ে উদ্ধৃত করা যাবেনা অর্থাৎ কপিরাইট আইন বজায় রেখেই করতে হবে। তাই আমাদের এখানেও এটা মেনে চলতে হয়। মূল সমস্যা হচ্ছে, সবাই এই ব্যাপারটা জানেনা। মূল কথা হচ্ছে, উক্তি হুবুহু উদ্ধৃত করায় কোন সমস্যা নেই। এখানে সমস্যা হচ্ছে উক্তি উদ্ধৃত করার সময় প্রতিটি সূত্র থেকে কত শতাংশ লেখা কপি করা হয়েছে, যা পরিস্থিতিভেদে সর্বোচ্চ হয়তো ৪০-৪৫% ব্যবহার করা যেতে পারে (সবক্ষেত্রে নয়)। তবে সর্বোচ্চ ৩০% ব্যবহার করাই নিরাপদ। তবে, ব্যতিক্রম হতে পারে অনূদিত উক্তির ক্ষেত্রে। কেননা পড়ার উপযোগী করে উক্তি অনুবাদ করতে গিয়ে অনেক সময় উক্তিগুলোর মূল কাঠামো ও অনূদিত প্রতিশব্দ পালটে যেতে পারে আর তখন কপিরাইট সমস্যার প্রশ্ন আসবেনা। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১২:৫৪, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ওকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আশা করি বুঝতে পেরেছ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১২:৫৫, ৩০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]]: জি, এবার বুঝতে পেরেছি। ঠিক করা হয়েছে। আবার পর্যালোচনা করার অনুরোধ করছি।। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১২:৫৩, ১ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :::::::আমি এখনো ব্যাপারটি বুঝলাম না। আমি ইংরেজিতে থাকা উক্তিগুলো এবং প্রতিটি উক্তির তথ্যসূত্র সম্পূর্ণ অনুবাদ করি । :::::::এখানে সূত্র বলতে কি বুঝাচ্ছে ওই তথ্যসূত্র টাই [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৬:৫৯, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] হ্যাঁ, সেটাই সূত্র মানেই তথ্যসূত্র [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৭:৫৩, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::::: [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ০৮:০৭, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি == পাতাটির অনুবাদ বেশ রুক্ষ। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে নিবন্ধটি সংশোধন করুন। ১৫:৫০, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি)[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) : {{ping|Yahya}} পর্যালোচনা করার জন্য ধন্যবাদ। আমি ২ দিন সময় চাচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) == রো বনাম ওয়েড == পাতাটির অনুবাদ রুক্ষ ও যান্ত্রিক। অনুগ্রহ করে অপসারণ এড়াতে পাতাটি সংশোধন করুন।[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১৭:৫২, ১৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ভাই, সংশোধন করেছি। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৫:৪২, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::দুঃখিত। গ্রহণ করা যাচ্ছে না। অনুবাদ এখনও যান্ত্রিক। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১০:৪১, ১৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি]] পাতা সম্পর্কে == এভাবে উপপাতায় নেয়ার কারণ? এমনকি আপনি [[রো বনাম ওয়েড/সম্পর্কে উক্তি/২]] নামেও পাতা তৈরি করেছেন। ― <span style="color:white; background-color:red;">&nbsp;☪&nbsp;</span> <small>[[User:খাত্তাব হাসান|কাপুদান পাশা]] ([[User talk:খাত্তাব হাসান|✉]])</small> ০৭:৫৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান|খাত্তাব হাসান]] একটা পাতায় পুরো লেখা জায়গা হয় না। বাইট লিমিট দেখিয়েছিল। আমি "সম্পর্কে উক্তি"কে একটাই উপপাতায় রাখতে চেয়েছিলাম। সেটাও সম্ভব হয়নি। তাই দুটো পাতা করতে হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:NusJaS#top|আলাপ]]) ১৩:২৪, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::যান্ত্রিক ও ত্রুটিপূর্ণ অনুবাদ হওয়ায় পাতাটি উক্তি প্রতিযোগিতায় গৃহীত হয়নি। –– [[ব্যবহারকারী:Tahmid|তাহমিদ]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tahmid|আলাপ]]) ১৪:০৮, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == সংশোধনের পর জানাতে বলা হয়েছে == [[প্রবীণ তোগাড়িয়া]] পাতাটিতে একই তথ্যসূত্র বেশ কয়েকটি উক্তিতে ছিল। তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন গ্রহণ করতে পারবেন [[ব্যবহারকারী:MD Sahib|MD Sahib]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD Sahib|আলাপ]]) ১৩:১৫, ১৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫: ফরম পূরণ করুন == সুপ্রিয় {{BASEPAGENAME}}, শুভেচ্ছা নিন। [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫]]-এ অংশ নেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার জমা দেওয়া এক বা একাধিক নিবন্ধের পর্যালোচনা শেষ হয়েছে ও শব্দযোগের ভিত্তিতে আপনি [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/ফলাফল|শীর্ষ ১০ জনের মধ্যে স্থান লাভ]] করেছেন। আপনাকে পুরস্কার পাঠাতে আমাদের কিছু তথ্য দরকার। দয়া করে '''[https://docs.google.com/forms/d/e/1FAIpQLSeDWCveBqp7ID0VVW0ipXM-WXeCqE7u-xHQCU_d7FRYo-9vAA/viewform?usp=dialog এই ফরমটি পূরণ করুন]'''। ধন্যবাদ। - ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০৮:৩১, ১৬ মে ২০২৫ (ইউটিসি) <!-- https://bn.wikiquote.org/w/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:MS_Sakib/%E0%A6%97%E0%A6%A3_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE&oldid=67623-এর তালিকা ব্যবহার করে বার্তাটি ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান@bnwikiquote পাঠিয়েছেন --> == বাবুলমিয়া == মাধবদী পৌরসভা জেলা নরসিংদী ০১৭১২ ৬২০ ৯৯২ আমার এই ওষুধটা লাগবে [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-20015-50|&#126;2026-20015-50]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-20015-50|আলাপ]]) ১৮:৪৩, ৩১ মার্চ ২০২৬ (ইউটিসি) 01924087544 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-20544-24|&#126;2026-20544-24]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-20544-24|আলাপ]]) ০৬:৩৭, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পর্যালোচনা == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] আমি [[আলফ্রেড নোবেল]] পাতাটি সংশোধন করেছি, অনুগ্রহ করে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। ধন্যবাদ [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০৩:৪৯, ১০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == পাতা গ্রহণ সম্বন্ধে == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] [[আল খোয়ারিজমি]] - পাতাটি গৃহীত হয়নি। কিন্তু এর ''সুনির্দিষ্ট'' এবং যথার্থ কারন উল্লেখ প্রয়োজন। উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। ধন্যবাদান্তে, ''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ০০:২৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)-Mahmud'' ::@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] '[[আল খোয়ারিজমি]]' পাতাটির সংশোধনের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। :'''''[[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১১:১০, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি)''''' == জেরার দ্যব্রু == নিবন্ধটি আমি সংশোধন করেছি এবং যান্ত্রিকতা দূর করেছি। অনুগ্রহ করে এখন পুনরায় পর্যালোচনা করুন। ''([[জেরার দ্যব্রু]])'' — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:২১, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] অনুগ্রহ করে সবার আগে এটিকে পর্যালোচনা করুন। এটি অত্যন্ত ছোট পাতা। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৪:৫৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] এটিতে কি কোন অসুবিধা বিদ্যমান? আপনি এখনও গ্রহণ করেননি। সমস্যা থাকলে জানান। ধন্যবাদ। — 👋 '''[[User:Anaf Ibn Shahibul|<span style="color:#1B5E20">Anaf</span> <span style="color:#388E3C">Ibn</span> <span style="color:#66BB6A">Shahibul</span>]]''' <sup>([[User talk:Anaf Ibn Shahibul|📨/📥]])</sup> [[বাংলাদেশ|🇧🇩]] [[উইকিপিডিয়া|🌐]] ০৭:৫২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আলেক্সান্দ্র্‌ সলজেনিৎসিন]] == সংশোধন করেছি, পুনঃপর্যালোচনার অনুরোধ রইলো। [[ব্যবহারকারী:Tanbiruzzaman|Tanbiruzzaman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tanbiruzzaman|আলাপ]]) ০৫:৩৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[আলফ্রেড নোবেল]] == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] পতাটি সংশোধন করা হয়েছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:০২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[এর্নস্ট মাখ]] == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০০:৪৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[অরবিন্দ আদিগা]] == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করুন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:০৮, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[সি. এ. আর. হোর]] == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১২, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[ডায়ান ফসি]] == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছে পুনরায় পর্যালোচনা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:১৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[অরেল স্টেইন]] == @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] সংশোধন করেছি পুনরায় পর্যালোচনা করবেন [[ব্যবহারকারী:Sumanta3023|Sumanta3023]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Sumanta3023|আলাপ]]) ০১:২০, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 2r7dvsom7z8sttleffrb7hlcu816huw এ কে আব্দুল মোমেন 0 4534 78767 48200 2026-04-20T03:23:43Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] যোগ 78767 wikitext text/x-wiki '''[[:w:এ কে আব্দুল মোমেন|এ কে আব্দুল মোমেন]]''' একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ, অর্থনীতিবিদ এবং কূটনীতিবিদ। তিনি সিলেট-১ আসনের '''[[:w:সংসদ সদস্য|সংসদ সদস্য]]''' ও '''[[:w:বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী|বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী]]'''। তিনি আগস্ট ২০০৯ থেকে অক্টোবর ২০১৫ পর্যন্ত [[জাতিসংঘ|জাতিসংঘে]] নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ==উক্তি== * "উভয় দেশের সম্পর্ক খুবই ভাল। অনেকটা স্বামী–‌স্ত্রীর সম্পর্কের মতো। টুকটাক মতানৈক্য থাকলেও মিটে যায়।" ** ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯-এ [[ভারত]] সফর প্রসঙ্গে [[বাংলাদেশ]] ও ভারতের সম্পর্ক নিয়ে, উদ্ধৃত: [https://aajkaal.in/news/international/teesta-water--about-assam-not-worried-bangladesh-qqlf আজকাল] * "বৈশ্বিক মন্দায় অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মানুষ ভালো আছে। আমরা সুখে আছি, বেহেশতে আছি। বাংলাদেশ [[শ্রীলঙ্কা]] হয়ে যাবে, একটি পক্ষ এমন প্যানিক ছড়িয়ে আতঙ্ক সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। এটার কোনো ভিত্তি নেই।" ** ১২ আগস্ট ২০২২-এ সাংবাদিকদের কাছে দেওয়া বক্তব্যে, উদ্ধৃত: [https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/kk4dzw165h প্রথম আলো] * "আপনারা সবাই আমারে খায়া ফেললেন।" ** ১৪ আগস্ট ২০২২-এ সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে, উদ্ধৃত: [https://www.dailynayadiganta.com/politics/683887/%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80 নয়া দিগন্ত] * "আমি ভারতে গিয়ে বলেছি, শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে হবে। তাকে টিকিয়ে রাখার জন্য যা যা করা দরকার, আমি ভারতবর্ষের সরকারকে সেটা করতে অনুরোধ করেছি।" ** ২০২২-এ [[w:কৃষ্ণজন্মাষ্টমী|কৃষ্ণজন্মাষ্টমীর]] একটি অনুষ্ঠানে, উদ্ধৃত: [https://www.voabangla.com/a/6708330.html ভয়েস অফ আমেরিকা] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] dzcp6wleuyoanjhzjloeooveygy5gqe 78768 78767 2026-04-20T03:23:54Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:পররাষ্ট্রমন্ত্রী]] যোগ 78768 wikitext text/x-wiki '''[[:w:এ কে আব্দুল মোমেন|এ কে আব্দুল মোমেন]]''' একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ, অর্থনীতিবিদ এবং কূটনীতিবিদ। তিনি সিলেট-১ আসনের '''[[:w:সংসদ সদস্য|সংসদ সদস্য]]''' ও '''[[:w:বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী|বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী]]'''। তিনি আগস্ট ২০০৯ থেকে অক্টোবর ২০১৫ পর্যন্ত [[জাতিসংঘ|জাতিসংঘে]] নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ==উক্তি== * "উভয় দেশের সম্পর্ক খুবই ভাল। অনেকটা স্বামী–‌স্ত্রীর সম্পর্কের মতো। টুকটাক মতানৈক্য থাকলেও মিটে যায়।" ** ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯-এ [[ভারত]] সফর প্রসঙ্গে [[বাংলাদেশ]] ও ভারতের সম্পর্ক নিয়ে, উদ্ধৃত: [https://aajkaal.in/news/international/teesta-water--about-assam-not-worried-bangladesh-qqlf আজকাল] * "বৈশ্বিক মন্দায় অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মানুষ ভালো আছে। আমরা সুখে আছি, বেহেশতে আছি। বাংলাদেশ [[শ্রীলঙ্কা]] হয়ে যাবে, একটি পক্ষ এমন প্যানিক ছড়িয়ে আতঙ্ক সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। এটার কোনো ভিত্তি নেই।" ** ১২ আগস্ট ২০২২-এ সাংবাদিকদের কাছে দেওয়া বক্তব্যে, উদ্ধৃত: [https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/kk4dzw165h প্রথম আলো] * "আপনারা সবাই আমারে খায়া ফেললেন।" ** ১৪ আগস্ট ২০২২-এ সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে, উদ্ধৃত: [https://www.dailynayadiganta.com/politics/683887/%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80 নয়া দিগন্ত] * "আমি ভারতে গিয়ে বলেছি, শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে হবে। তাকে টিকিয়ে রাখার জন্য যা যা করা দরকার, আমি ভারতবর্ষের সরকারকে সেটা করতে অনুরোধ করেছি।" ** ২০২২-এ [[w:কৃষ্ণজন্মাষ্টমী|কৃষ্ণজন্মাষ্টমীর]] একটি অনুষ্ঠানে, উদ্ধৃত: [https://www.voabangla.com/a/6708330.html ভয়েস অফ আমেরিকা] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:পররাষ্ট্রমন্ত্রী]] kq2q6pkj0ck99wwkulyurjyli9udpqd আবুল মাল আব্দুল মুহিত 0 4882 78764 48582 2026-04-20T03:22:38Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] যোগ 78764 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Abul Maal Abdul Muhith.jpg|thumb|আবুল মাল আবদুল মুহিত]] '''[[:w:আবুল মাল আব্দুল মুহিত|আবুল মাল আব্দুল মুহিত]]''' (২৫ জানুয়ারি ১৯৩৪ — ৩০ এপ্রিল ২০২২) ছিলেন একজন খ্যাতনামা বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ, লেখক এবং ভাষাসৈনিক। তিনি ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত [[বাংলাদেশ]] সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ==উক্তি== * ইইউ রাষ্ট্রদূত স্মৃতিসৌধে গেলেন না, '''দিস ইজ বেয়াদবি, এক্কেবারে বেয়াদবি'''। ** ১৯ ডিসেম্বর ২০১৩। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E2%80%98%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%B8-%E0%A6%87%E0%A6%9C-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E2%80%99 প্রথম আলো] * শেয়ার মার্কেটে কোন ইনভেস্টর নাই, সব জুয়াড়ি। * আমরা বছরে ৪০ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেই। এর মধ্যে '''তিন বা চার হাজার কোটি নিয়ে ঝামেলা হয়েছে। এটা কোনো বড় অংকের অর্থ নয়।''' এ নিয়ে হৈ চৈ করারও কিছু নেই। ** [https://www.banglanews24.com/economics-business/news/bd/136629.details ৪০০০ কোটি টাকার জালিয়াতি বড় কোনো ঘটনা নয়: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম]। ৪ সেপ্টেম্বর ২০১২। * দুর্নীতিতে আমরা সবাই নিমজ্জিত। আমরা সবাই যদি দুর্নীতিতে না থাকতাম, তাহলে এটা চলতে পারত না। ** [https://www.youtube.com/watch?v=ETYDhuvkY6A যমুনা টিভি।] *অর্ধেক টেলিভিশন মরে যাবে। That is desirable for the country. (সাংবাদিকদের প্রতিক্রিয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে) মারা যাবে, হ্যাঁ! দুনিয়ার কোন খানে এতগুলো টেলিভিশন স্টেশন আছে? কোন দেশে? ** [https://www.youtube.com/watch?v=ETYDhuvkY6A যমুনা টিভি।] *Rubbish, my only comment on this proposal is rubbish. ** [https://www.youtube.com/watch?v=ETYDhuvkY6A যমুনা টিভি।] * একদিন বাজারে না গেলেই সব ঠিক হয়ে যাবে * গ্যাসটা এত মূল্যবান সম্পদ যে এটা দিয়ে ভাত-তরকারি রান্নার কোনো মানে হয় না। ** [https://old.dailyinqilab.com/article/32906/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A4 রান্নায় গ্যাসের ব্যবহার চলবে না -মুহিত।] ইনকিলাব। ১৪ আগস্ট ২০১৬। * ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের কিছু কিছু ক্ষেত্রে যে লুটপাট হয়েছে, সেটা শুধু পুকুর চুরি নয়, সাগর চুরি। ==আবুল মাল আবদুল মুহিত নিয়ে উক্তি== ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স}} [[বিষয়শ্রেণী:রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২২-এ মৃত্যু]] qm8rxlha94rt293epwlh33z9wh1aptw 78765 78764 2026-04-20T03:22:50Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:রাজনীতিবিদ]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:অর্থমন্ত্রী]] যোগ 78765 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Abul Maal Abdul Muhith.jpg|thumb|আবুল মাল আবদুল মুহিত]] '''[[:w:আবুল মাল আব্দুল মুহিত|আবুল মাল আব্দুল মুহিত]]''' (২৫ জানুয়ারি ১৯৩৪ — ৩০ এপ্রিল ২০২২) ছিলেন একজন খ্যাতনামা বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ, লেখক এবং ভাষাসৈনিক। তিনি ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত [[বাংলাদেশ]] সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ==উক্তি== * ইইউ রাষ্ট্রদূত স্মৃতিসৌধে গেলেন না, '''দিস ইজ বেয়াদবি, এক্কেবারে বেয়াদবি'''। ** ১৯ ডিসেম্বর ২০১৩। [https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E2%80%98%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%B8-%E0%A6%87%E0%A6%9C-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E2%80%99 প্রথম আলো] * শেয়ার মার্কেটে কোন ইনভেস্টর নাই, সব জুয়াড়ি। * আমরা বছরে ৪০ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেই। এর মধ্যে '''তিন বা চার হাজার কোটি নিয়ে ঝামেলা হয়েছে। এটা কোনো বড় অংকের অর্থ নয়।''' এ নিয়ে হৈ চৈ করারও কিছু নেই। ** [https://www.banglanews24.com/economics-business/news/bd/136629.details ৪০০০ কোটি টাকার জালিয়াতি বড় কোনো ঘটনা নয়: বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম]। ৪ সেপ্টেম্বর ২০১২। * দুর্নীতিতে আমরা সবাই নিমজ্জিত। আমরা সবাই যদি দুর্নীতিতে না থাকতাম, তাহলে এটা চলতে পারত না। ** [https://www.youtube.com/watch?v=ETYDhuvkY6A যমুনা টিভি।] *অর্ধেক টেলিভিশন মরে যাবে। That is desirable for the country. (সাংবাদিকদের প্রতিক্রিয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে) মারা যাবে, হ্যাঁ! দুনিয়ার কোন খানে এতগুলো টেলিভিশন স্টেশন আছে? কোন দেশে? ** [https://www.youtube.com/watch?v=ETYDhuvkY6A যমুনা টিভি।] *Rubbish, my only comment on this proposal is rubbish. ** [https://www.youtube.com/watch?v=ETYDhuvkY6A যমুনা টিভি।] * একদিন বাজারে না গেলেই সব ঠিক হয়ে যাবে * গ্যাসটা এত মূল্যবান সম্পদ যে এটা দিয়ে ভাত-তরকারি রান্নার কোনো মানে হয় না। ** [https://old.dailyinqilab.com/article/32906/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A4 রান্নায় গ্যাসের ব্যবহার চলবে না -মুহিত।] ইনকিলাব। ১৪ আগস্ট ২০১৬। * ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের কিছু কিছু ক্ষেত্রে যে লুটপাট হয়েছে, সেটা শুধু পুকুর চুরি নয়, সাগর চুরি। ==আবুল মাল আবদুল মুহিত নিয়ে উক্তি== ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স}} [[বিষয়শ্রেণী:অর্থমন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২২-এ মৃত্যু]] nxud579fc98vrz97pdraby1au14eezi দীপু মনি 0 5068 78751 58995 2026-04-20T03:03:12Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] যোগ 78751 wikitext text/x-wiki [[File:Bangladeshi Foreign Minister Moni.jpg|thumb|পশ্চিমা প্রভুদের তল্পিবাহকেরা আর কেউ নয়, এরা নব্য মীরজাফর। এদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। ~ দীপু মনি]] '''[[:w:দীপু মনি|দীপু মনি]]''' একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী এবং সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বাংলাদেশের প্রথম [[নারী]] পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রথম নারী শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে পরিচিতি পান। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক। ২০০৮ সাল থেকে তিনি চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ==উক্তি== * বইয়ে যা নেই তা দিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। ** [https://www.kalerkantho.com/print-edition/news/2023/01/30/1239831 প্রথম আলো]৩১ জানুয়ারি, ২০২৩ * ড. ইউনূসের বিষয়ে হিলারি ক্লিনটন কী ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিলেন, সে বিষয়ে তাদের সিনেট কমিটি তদন্ত করছে। পশ্চিমা বিশ্ব কিছু কিছু দেশে তাদের ডমিনেশন প্রতিষ্ঠার জন্য লোক খুঁজে বেড়ায়। আমাদের দেশে কিছু মানুষ বসে থাকে, তারা সেই তল্পিবাহক হবেন এবং দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দেবেন। পশ্চিমা প্রভুদের তল্পিবাহকেরা আর কেউ নয়, এরা নব্য মীরজাফর। এদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। ** [https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A6%E0%A7%87-%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A7%82%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%AA%E0%A7%81-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%BF সংসদে ইউনূসের সমালোচনায় দীপু মনি] প্রথম আলো, ৭ জুন ২০১৭ * সকল ধর্মই শান্তির শিক্ষা দেয়। সবাই যেন সকল ধর্মের মূলকথাগুলো পালন করে। আর এর অনুভবটা নিজেদের মধ্যে রাখে। আমাদেরকে ধর্মের মূলবাণী সকলের মাঝে পৌঁছে দিতে হবে। ** চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতামূলক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন [https://www.rtvonline.com/country/224801/%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A7%80-%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A7%97%E0%A6%81%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87--%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%C2%A0 আরটিভি নিউজ] ২৫ মে ২০২৩ ==দীপু মনি নিয়ে উক্তি== ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী}} [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৫-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] a5583e21gaxq0f0vamiog3ebjnzmprv মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর 0 5076 78771 72499 2026-04-20T03:26:16Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]] অপসারণ 78771 wikitext text/x-wiki '''[[:w:মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর|মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর]]''' (জন্ম ২৬ জানুয়ারি ১৯৪৮) একজন বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঠাকুরগাঁও-১ থেকে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে প্রথমে কৃষি মন্ত্রণালয় ও পরবর্তীতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। == উক্তি == * কিছুদিন আগে... গহীন জঙ্গলের কথা বলে একটা পাড়া থেকে নিরীহ মানুষদের জঙ্গি বলে তুলে নিয়ে এলো। কারণ, তারা দেখাতে চায় যে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ আছে, জঙ্গি আছে। ** ২২ আগস্ট ২০২৩, কাজী জাফর আহমেদের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সভায়। [https://www.ittefaq.com.bd/656651 ইত্তেফাকে উদ্ধৃত]। * আমরা বেহেশতে আছি’ উক্তি জনগণের সঙ্গে তামাশা ** ১৩ আগস্ট ২০২২ শনিবার দুপুরে বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্যালয়ে আয়োজিত [https://www.dailyjanakantha.com/politics/news/661536 সংবাদ সম্মেলনে] তিনি এ মন্তব্য করেন। * [[ওবায়দুল কাদের]] না পালিয়ে আমার ঠাকুরগাঁওয়ের বাড়িতে আসতে চেয়েছিলেন। এখন তিনি কোথায় পালিয়ে আছেন। এখন ঠাকুরগাঁওয়ে আছি, আমি আপনাকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। ** ১৩ আগস্ট ২০২৪ সালে ঠাকুরগাঁও জেলার রুহিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ৫ আগস্টে [[শেখ হাসিনা]]র পদত্যাগের পর [[ওবায়দুল কাদের|ওবায়দুল কাদেরের]] আত্মগোপনের প্রতিক্রিয়ায়, সূত্র: [https://samakal.com/whole-country/article/250712/ওবায়দুল-কাদেরকে-মির্জা-ফখরুলের-আমন্ত্রণ ওবায়দুল কাদেরকে বাড়িতে আমন্ত্রণ জানালেন মির্জা ফখরুল, সমকাল, ১৪ আগস্ট ২০২৪] * [[মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকা]] ও [[চীন|চীনের]] দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে বহু জটিলতা আছে, তবু তারা একে অপরের সঙ্গে কাজ করছে। [[ভারত]]-[[বাংলাদেশ]] সম্পর্কেও আমাদের একটি ইস্যুতে আটকে থাকা উচিত নয়।...সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ও রয়েছে। এসব নিয়ে আমাদের কথা বলতে হবে। ভারতের সঙ্গে আমরা [[যুদ্ধ]] করতে পারি না। আমাদের কথা বলতে হবে। যারা ভারতের সঙ্গে যুদ্ধের কথা বলে, তারা উন্মাদের মত কথা বলে। ** ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে। [https://bangla.bdnews24.com/politics/7d1380573fcb] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ]] 4vm9xza2a5yawcbrxor2swlgfs2zhyg আবুল মনসুর আহমদ 0 5585 78761 68924 2026-04-20T03:21:15Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের সাংবাদিক]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংবাদিক]] যোগ 78761 wikitext text/x-wiki '''[[:w:আবুল মনসুর আহমদ|আবুল মনসুর আহমদ]]''' (৩রা সেপ্টেম্বর ১৮৯৮-১৮ই মার্চ ১৯৭৯) ছিলেন একজন বাংলাদেশি সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ ও সাংবাদিক। তিনি ছিলেন একাধারে রাজনীতিবিদ, আইনজ্ঞ ও সাংবাদিক এবং বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্রূপাত্মক রচয়িতা। ১৯৪৬-এ অবিভক্ত বাংলার কলকাতা থেকে প্রকাশিত ইত্তেহাদ-এর সম্পাদক এবং তৎকালীন কৃষক ও নবযুগ পত্রিকায়ও কাজ করেন তিনি। 'আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর (১৯৬৯) ও আত্মকথা (১৯৭৩) তার বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক রচনা। ==উক্তি== *[[চিত্তরঞ্জন দাশ|চিত্তরঞ্জন দাশের]] যখন মৃত্যু হলো তখনই বাংলার রাজনীতি শেষ হয়ে গেল। বাংলার রাজনীতি তখন ভারতীয় রাজনীতির অংশ হয়ে গেল। এই ইতিহাস আমাদের লক্ষ্য করতে হবে যে, বাংলার রাজনীতিকে আমরা [[বাঙালি জাতি|বাঙালিরা]] যদি স্বতন্ত্রভাবে রাখতে পারতাম, যদি সর্বভারতীয় কংগ্রেস বা সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের হাতে ছেড়ে না দিতাম তাহলে এ অঞ্চলের ইতিহাস অন্যরকম হতো। **"আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর" বইয়ে আবুল মনসুর আহমদ এটি উল্লেখ করেন। [https://bangla.thedailystar.net/%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF/%E0%A6%AC%E0%A6%87/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF/%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%A6-%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A7%8B-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-267756 আবুল মনসুর আহমদ: ‘ইতিহাসে নিজের মতো করে অবদান রেখে গেছেন’] ২অক্টোবর ২০২১ *ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ব্যাপারে আমরা যেভাবে সমস্যার সমাধান করি, কূটনৈতিক ক্ষেত্রে সেই পন্থা অবলম্বন করলে তা অনেকাংশেই সহজ হয়ে যায়। **আবুল মনসুর আহমদ।[https://www.alokitobangladesh.com/print-edition/alokito-samoyki/136207/%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%82%E0%A6%9F%E0%A6%A8%E0%A7%88%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A7%8B%E0%A6%81%E0%A6%9C%E0%A7%87] * "পূর্ব পাকিস্তানের সাহিত্য পূর্ব পাকিস্তানিদের ভাষায়ই রচিত হবে। এই ভাষা সংস্কৃত ব্যাকরণ কিংবা তথাকথিত বাংলা ব্যাকরণের প্রতি কোনো শ্রদ্ধা দেখাবে না।" ** ১৯৪৪ সালে আবুল মনসুর আহমদ এই মন্তব্য করেন তামাদ্দুনী আজাদি বা সাংস্কৃতিক স্বরাজ সম্পর্কে, যা পাকিস্তান আন্দোলনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি বলেন, এটি 'দুটি প্রজাতি, দুটি জাতি এবং দুটি ব্যক্তির পার্থক্য, যা পরিচিতি গঠনে মুখ্য ভূমিকা রাখে'। ** সূত্র: ‘দ্য জয় বাংলা ডিসেপশন’—কৌশিক গাঙ্গোপাধ্যায় ও দেবব্রত। উক্তি উদ্ধৃত [https://www.indica.today/reviews/the-joy-bangla-deception-by-kausik-gangopadhyay-and-devavrata/ বই পর্যালোচনা: ‘দ্য জয় বাংলা ডিসেপশন’] থেকে। ==আবুল মনসুর আহমদ সম্পর্কে উক্তি== *তিনি "আয়না" ও "ফুড কনফারেন্স" এর মতো যে ব্যঙ্গ রচনা লিখেছেন, সেই রকম লেখা পরে বাঙালি মুসলমানের কাছে আর পাইনি। **সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী [https://bangla.thedailystar.net/%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF/%E0%A6%AC%E0%A6%87/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF/%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%A6-%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A7%8B-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-267756] *তার প্রত্যেক লেখার মধ্যেই একটা অর্ন্তদৃষ্টি আছে, তিনি পরিবর্তনের পক্ষে লিখেছেন। **সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী।[https://bangla.thedailystar.net/%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF/%E0%A6%AC%E0%A6%87/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF/%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%A6-%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A7%8B-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-267756] *বাঙলা ভাষায় ব্যঙ্গ-সাহিত্য খুব উন্নত হয়নি; তার করুণ, ব্যঙ্গ-সৃষ্টিতে অসাধারণ প্রতিভার প্রয়োজন। এ যেন সেতারের কান মলে সুর বের করা-সুরও বেরুবে, তারও ছিঁড়বে না। আমি একবার এক ওস্তাদকে লাঠি দিয়ে সরোদ বাজাতে দেখেছিলাম। সেদিন সেই ওস্তাদের হাত সাফাই দেখে তাজ্জব হয়েছিলুম। আর আজ বন্ধু আবুল মনসুরে হাত সাফাই দেখে বিস্মিত হলুম। ভাষার কান মলে রস সৃষ্টির ক্ষমতা আবুল মনসুরের অসাধারণ। এ যেন পাকা ওস্তাদী হাত। **[[কাজী নজরুল ইসলাম]]। [https://bangla.thedailystar.net/node/97471] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি আইনজীবী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৭৯-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি সাহিত্যিক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী পুরুষ লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] 8hdhu56x67hlymg8eptc1t0vpfhzgiy 78762 78761 2026-04-20T03:21:34Z Tuhin 172 78762 wikitext text/x-wiki '''[[:w:আবুল মনসুর আহমদ|আবুল মনসুর আহমদ]]''' (৩রা সেপ্টেম্বর ১৮৯৮-১৮ই মার্চ ১৯৭৯) ছিলেন একজন বাংলাদেশি সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ ও সাংবাদিক। তিনি ছিলেন একাধারে রাজনীতিবিদ, আইনজ্ঞ ও সাংবাদিক এবং বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্রূপাত্মক রচয়িতা। ১৯৪৬-এ অবিভক্ত বাংলার কলকাতা থেকে প্রকাশিত ইত্তেহাদ-এর সম্পাদক এবং তৎকালীন কৃষক ও নবযুগ পত্রিকায়ও কাজ করেন তিনি। 'আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর (১৯৬৯) ও আত্মকথা (১৯৭৩) তার বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক রচনা। ==উক্তি== *[[চিত্তরঞ্জন দাশ|চিত্তরঞ্জন দাশের]] যখন মৃত্যু হলো তখনই বাংলার রাজনীতি শেষ হয়ে গেল। বাংলার রাজনীতি তখন ভারতীয় রাজনীতির অংশ হয়ে গেল। এই ইতিহাস আমাদের লক্ষ্য করতে হবে যে, বাংলার রাজনীতিকে আমরা [[বাঙালি জাতি|বাঙালিরা]] যদি স্বতন্ত্রভাবে রাখতে পারতাম, যদি সর্বভারতীয় কংগ্রেস বা সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের হাতে ছেড়ে না দিতাম তাহলে এ অঞ্চলের ইতিহাস অন্যরকম হতো। **"আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর" বইয়ে আবুল মনসুর আহমদ এটি উল্লেখ করেন। [https://bangla.thedailystar.net/%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF/%E0%A6%AC%E0%A6%87/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF/%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%A6-%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A7%8B-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-267756 আবুল মনসুর আহমদ: ‘ইতিহাসে নিজের মতো করে অবদান রেখে গেছেন’] ২অক্টোবর ২০২১ *ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ব্যাপারে আমরা যেভাবে সমস্যার সমাধান করি, কূটনৈতিক ক্ষেত্রে সেই পন্থা অবলম্বন করলে তা অনেকাংশেই সহজ হয়ে যায়। **আবুল মনসুর আহমদ।[https://www.alokitobangladesh.com/print-edition/alokito-samoyki/136207/%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%82%E0%A6%9F%E0%A6%A8%E0%A7%88%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A7%8B%E0%A6%81%E0%A6%9C%E0%A7%87] * "পূর্ব পাকিস্তানের সাহিত্য পূর্ব পাকিস্তানিদের ভাষায়ই রচিত হবে। এই ভাষা সংস্কৃত ব্যাকরণ কিংবা তথাকথিত বাংলা ব্যাকরণের প্রতি কোনো শ্রদ্ধা দেখাবে না।" ** ১৯৪৪ সালে আবুল মনসুর আহমদ এই মন্তব্য করেন তামাদ্দুনী আজাদি বা সাংস্কৃতিক স্বরাজ সম্পর্কে, যা পাকিস্তান আন্দোলনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি বলেন, এটি 'দুটি প্রজাতি, দুটি জাতি এবং দুটি ব্যক্তির পার্থক্য, যা পরিচিতি গঠনে মুখ্য ভূমিকা রাখে'। ** সূত্র: ‘দ্য জয় বাংলা ডিসেপশন’—কৌশিক গাঙ্গোপাধ্যায় ও দেবব্রত। উক্তি উদ্ধৃত [https://www.indica.today/reviews/the-joy-bangla-deception-by-kausik-gangopadhyay-and-devavrata/ বই পর্যালোচনা: ‘দ্য জয় বাংলা ডিসেপশন’] থেকে। ==আবুল মনসুর আহমদ সম্পর্কে উক্তি== *তিনি "আয়না" ও "ফুড কনফারেন্স" এর মতো যে ব্যঙ্গ রচনা লিখেছেন, সেই রকম লেখা পরে বাঙালি মুসলমানের কাছে আর পাইনি। **সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী [https://bangla.thedailystar.net/%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF/%E0%A6%AC%E0%A6%87/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF/%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%A6-%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A7%8B-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-267756] *তার প্রত্যেক লেখার মধ্যেই একটা অর্ন্তদৃষ্টি আছে, তিনি পরিবর্তনের পক্ষে লিখেছেন। **সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী।[https://bangla.thedailystar.net/%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF/%E0%A6%AC%E0%A6%87/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF/%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%A6-%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A7%8B-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-267756] *বাঙলা ভাষায় ব্যঙ্গ-সাহিত্য খুব উন্নত হয়নি; তার করুণ, ব্যঙ্গ-সৃষ্টিতে অসাধারণ প্রতিভার প্রয়োজন। এ যেন সেতারের কান মলে সুর বের করা-সুরও বেরুবে, তারও ছিঁড়বে না। আমি একবার এক ওস্তাদকে লাঠি দিয়ে সরোদ বাজাতে দেখেছিলাম। সেদিন সেই ওস্তাদের হাত সাফাই দেখে তাজ্জব হয়েছিলুম। আর আজ বন্ধু আবুল মনসুরে হাত সাফাই দেখে বিস্মিত হলুম। ভাষার কান মলে রস সৃষ্টির ক্ষমতা আবুল মনসুরের অসাধারণ। এ যেন পাকা ওস্তাদী হাত। **[[কাজী নজরুল ইসলাম]]। [https://bangla.thedailystar.net/node/97471] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি আইনজীবী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৯৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৭৯-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি সাহিত্যিক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী পুরুষ লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] 05kkaup98p11nphaejds21fo65wj7hx আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান 0 6538 78766 58998 2026-04-20T03:23:24Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] যোগ 78766 wikitext text/x-wiki '''[[:w:আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান|আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান]]''' (২৬ জুন ১৯২৩ - ৩ নভেম্বর ১৯৭৫) [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশের]] প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নেতা। তিনি ১৯৭১ সালে [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ]] চলাকালে গঠিত অস্থায়ী সরকারের স্বরাষ্ট্র, কৃষি এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ছিলেন। একজন নির্লোভ, সৎ ও দেশপ্রেমিক নেতা হিসেবে তার পরিচিতি ছিল। ==উক্তি== * দেশের ভবিষ্যত সেনাবাহিনীর ভিত্তি হবে আপনারা। যারা স্বাধীনতা যুদ্ধে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করবে, যারা নিজেদের সেরা যোদ্ধা হিসেবে প্রমাণ করবে, তারাই আমাদের ভবিষ্যত সেনাবাহিনীকে নেতৃত্ব দেবে। ** [https://www.thedailystar.net/news/bangladesh/news/freedom-fighters-will-lead-our-future-army-kamaruzzaman-2122291 ফ্রিডম ফাইটার উইল লিড আওয়ার ফিউচার আর্মি: কামারুজ্জামান], শামসুদ্দোজা সাজেন, ২১ জুলাই ২০২১, ডেইলি স্টার * অত্যাধুনিক সুসজ্জিত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সাথে এই যুদ্ধের বিজয়ী পরিণতি নিয়ে আপনাদের কারো যদি কোনো সন্দেহ থাকে, তবে আমি আপনাদের বলছি, এই যুদ্ধে সাড়ে সাত কোটি বাঙালি আপনাদের সঙ্গে আছে। ** ৩ জুলাই ১৯৭১ সুনামগঞ্জের টেকেরহাটের যুব মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্প পরিদর্শনকালে; [https://www.thedailystar.net/news/bangladesh/news/freedom-fighters-will-lead-our-future-army-kamaruzzaman-2122291 কামারুজ্জামান'স স্পিচ অ্যাট টেকেরহাট], ডেইলি স্টার * আমাদের সংগ্রাম ইসলামের বিরোধী নয়। ইসলামের মূল্য ও শিক্ষা সংরক্ষণ করা হবে। অন্যান্য ধর্মের মূল্যবোধ ও শিক্ষাকেও রক্ষা করা হবে। আমরা একটি শোষণমুক্ত রাষ্ট্রের কল্পনা করি। আমাদের লক্ষ্য একটি সমতাভিত্তিক ও শ্রেণীহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। যে সমাজে জাতি-বর্ণ-ধর্ম নির্বিশেষে মানুষ-মানুষের মধ্যে কোনো বাধা থাকবে না। ** এ এইচ এম কামারুজ্জামানের সাক্ষাৎকার, ২০ মে ১৯৭১ [https://www.thedailystar.net/backpage/news/our-struggle-not-opposed-islam-2095305 আওয়ার স্ট্রাগল ইজ নট অপোজড টু ইসলাম], শামসুদ্দোজা সাজেন, ২০ মে ২০২১, ডেইলি স্টার * যারা বাংলাদেশকে তাদের মাতৃভূমি হিসেবে গ্রহণ করে এবং মুক্তিযুদ্ধের সাথে জড়িত তারা আমাদের ভাই। যারা কুইসলিং এর ভূমিকা পালন করছে, তাদের ধর্ম যাই হোক না কেন, তারা আমাদের শত্রু এবং বাংলাদেশের শত্রু। জনগণের আদালতে বিচার হয়েছে। ** স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ এম কামারুজ্জামান (হিন্দুস্তান টাইমসকে দেয়া সাক্ষাৎকার) [https://www.academia.edu/17098814/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%B8_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%BE_%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6_%E0%A6%A7_%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%AA%E0%A6%A4_%E0%A6%B0_%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%96%E0%A6%A3_%E0%A6%A1 বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র- তৃতীয় খণ্ড] *মুক্তিযুদ্ধ এখন কেবল মুক্তিফৌজ ও দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। মুক্তিযুদ্ধ এখন জনযুদ্ধে পরিণত হয়েছে। দেশবাসী হানাদারদের বিতাড়িত করে স্বদেশ ভূমিকে মুক্ত করতে বদ্ধপরিকর। ** ১২ আগস্ট ১৯৭১ মুজিবনগর থেকে পাঠানো এক বার্তায় প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ এম কামরুজ্জামান এই বার্তা দেন, উদ্ধৃতঃ [https://bangla.thedailystar.net/%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF/%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%90%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF/%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8/%E0%A7%A7%E0%A7%A8-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A7%A7%E0%A7%AF%E0%A7%AD%E0%A7%A7-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A3%E0%A6%A4-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%8F-%E0%A6%8F%E0%A6%87%E0%A6%9A-%E0%A6%8F%E0%A6%AE-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8 ডেইলি স্টার বাংলা] *বাংলাদেশ হবে শোষণহীন সমাজ ব্যবস্থা **মুক্তাঞ্চলের ভাষণে, কালিগঞ্জ, খুলনা ৫ ডিসেম্বর ১৯৭১ উৎস [https://songramernotebook.com/archives/483883 বিপ্লবী বাংলাদেশ] *স্বাধীনতার জন্য এই রক্তদান বৃথা যাবেনা,আজকের এই ত্যাগ তিতিক্ষা বাঙ্গালীকে বিশ্বের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে জাগরূক করে রাখবে। ** উত্তরাঞ্চলে মুক্তিফোজ ক্যাম্প পরিদর্শনকালে, ১ জুলাই ১৯৭১ উৎসঃ [https://songramernotebook.com/archives/496569 স্বদেশ ] *শরণার্থীরা জমি ও সম্পত্তি যদি কেহ দখল করে থাকে তা হলে সে জমি ও সম্মত্তি তাকে অবশ্যই ফিরিয়ে দিতে বাধ্য করা হবে । বাংলাদেশ থেকে যে সব ছিন্নমূল মানুষ ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন তাদের সকলকেই বাংলা দেশে ফিরিয়ে নেয়া হবে। ** শরণার্থী শিবির পরিদর্শন কালে, ১৯ ডিসেম্বর ১৯৭১ [https://songramernotebook.com/archives/483960 বিপ্লবী বাংলাদেশ ফাইল] *বাংলাদেশের মুক্তি আন্দোলন পৃথিবীর মুক্তি আন্দোলনের অংশ,আমরা দেশকে পুজিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সমাজতান্ত্রিক ভিত্তিতে গড়ে তুলব। **২৪ ডিসেম্বর ১৯৭১, কলকাতা [https://songramernotebook.com/archives/496606 আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১ -১ম খন্ড, মুনতাসির মামুন] *দখলদার বাহিনী দেশব্যাপী যে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে তাতে আজ সামগ্রিক অর্থনীতি ভেঙে গেছে। তাঁতির হাতে সুতো নেই, কৃষকের লাঙল নেই, ছাত্রের বই নেই, ব্যবসায়ীদের দোকান-পাট নেই। আর শিল্পপতিদের কারখানা কলকজা অপহৃত বা বিধ্বস্ত। এ পরিপ্রেক্ষিতে সুসমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে এ সমস্যার সর্বাধিক সমাধান অত্যাবশ্যক। শুধু রিলিফ দিয়ে চিরদিন চলতে পারে না। তিনি বলেন যে, সরকার সেই চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জনের জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। **৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২ সাংবাদিক সম্মেলনে, উৎসঃ [https://print.sangbad.net.bd/2020-01-31/opinion/open-discussion/70358 সংবাদ] *দুর্দান্ত প্রচেষ্টার পরেও পাকিস্তান মিলিটারির গুপ্তসভা বাংলাদেশে তাদের অধিনস্ত এলাকাগুলোর ন্যায়সভা পুনস্থাপনে ব্যর্থ হয় এবং তারা কখনও একাজে সক্ষম হবে না। **বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ কামারুজ্জামানের এর সাক্ষাৎকার বিবরণী, ২০ মে ১৯৭১, উৎসঃ [https://songramernotebook.com/archives/39561 হিন্দুস্তান টাইমস ] *যারা বাংলাদেশকে ভালবাসেন না, তাদের স্থান আওয়ামী লীগে নেই । আওয়ামী লীগের দলীয় প্রধান (বঙ্গবন্ধু)ভাবী প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও মর্যাদাপূর্ণ । ** ১৮ জানুয়ারি ১৯৭১ [https://songramernotebook.com/archives/31262 রাজশাহীতে দেয়া ভাষণ] *ইয়াহিয়া বিশ্বের দৃষ্টিকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য ভারতকে যুদ্ধে জড়াতে চায়। আমাদের মহান বন্ধু ভারত অব্যাহতভাবে সহনশীলতার,গণতন্ত্রের প্রতি মর্যাদার এবং গণতান্ত্রিক নীতি ও মূল্যবোধের জন্য সংগ্রামরত মানুষের প্রতি সমর্থন জানানোর কর্মনীতি অনুসরণ করে আসছে। ** কালান্তর পত্রিকায় দেয়া সাক্ষাৎকার ২৪ অক্টোবর ১৯৭১, উদ্ধৃতঃ [https://songramernotebook.com/archives/130516 সংগ্রামের নোটবুক] *অখণ্ড পাকিস্তান এখন মৃত এবং ইতিহাসের আস্তাকুড়ে ঠাই নিয়েছে। বাংলাদেশে ইয়াহিয়া খান সবচেয়ে ঘৃণিত ব্যক্তি ।স্ব আরোপিত এক নায়ক ইয়াহিয়ার বাংলাদেশ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহনের কোন অধিকার নাই। ইয়াহিয়া নয়,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারই বাংলাদেশের জনগণের একমাত্র বৈধ প্রতিনিধি। আমরাই বৈধ রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ । বাংলাদেশের জনগণ আমাদের ছাড়া কোনো বিদেশী সরকারের চাপিয়ে দেয়া শাসনতন্ত্র মেনে নেবে না। আমরা দেশ শত্রুমুক্ত করার জন্য মুক্তিসংগ্রাম করেছি এবং আমাদের মুক্তিবাহিনী শত্রুকে দেশ থেকে বিতারিত করতে সক্ষম হয়েছে। জনগণ আওয়ামী লীগের পেছনে রয়েছে । মুক্তঞ্চল বাংলাদেশ সরকারের কেবল পূর্ণ নিয়ন্ত্রণেই নেই, সেখানে বেসামরিক প্রশাসন স্বাভাবিক কাজকর্ম পরিচালনা করছে। **২৯ জুন ১৯৭১,বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ এম কামারুজ্জামান উৎসঃ [https://songramernotebook.com/archives/64613 প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের প্রতি বিবৃতি] ==তার সম্পর্কে উক্তি== * উত্তরের নক্ষত্র **কামারুজ্জামান সম্পর্কে বঙ্গবন্ধুর উক্তি উদ্ধৃতঃ[https://www.kalerkantho.com/print-edition/sub-editorial/2023/06/26/1293398 কালের কণ্ঠ] *মন্ত্রিত্ব ত্যাগ করে জনগণের সেবার জন্য আওয়ামী লীগের সভাপতির পদ গ্রহণের জন্য যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন, তা সবারই অনুসরণযোগ্য। **বঙ্গবন্ধুর চিঠি-সদ্য পদত্যাগকারী বাণিজ্যমন্ত্রী এ এইচ এম কামারুজ্জামানের কাছে লিখিত এক পত্রে বলেছেন (উৎসঃ বঙ্গবন্ধুর চিঠি, দৈনিক জনপদ, ২০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪, পৃ. ১) উদ্ধৃতঃ [https://www.dainikbangla.com.bd/opinion/34107/1699078143 দৈনিক বাংলা] *এ এইচ এম কামারুজ্জামানের উপস্থিত বক্তৃতা দেয়ার ছিল অসাধারন, তিনি কোন লিখিত স্ক্রিপ্ট ছাড়াই কথা বলতে পারতেন। **''মাই ট্রাভেলস উইথ কামারুজ্জামান'' (খন্ড ২), ব্যক্তিগত সচিব (১৯৭২-১৯৭৫), উদ্ধৃতঃ [https://www.observerbd.com/news.php?id=316705 ডেইলি অবজারভার] *আমাদের বাবার মরদেহ দেখতে দেওয়া হয়নি। মায়ের কাছে শুনেছি বাবার রক্তমাখা দেহের ওপর চাদর চাপানো ছিল। মুখটা দেখে মনে হয়নি কী নিদারুণ কষ্টে তার জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দেওয়া হয়েছে। **এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, মেয়র, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন, উদ্ধৃতঃ [https://www.banglanews24.com/opinion/news/bd/749998.details বাংলানিউজ২৪] *তিনি নিয়মিত গান,কবিতা লিখতেন,খুবই রসিক মানুষ ছিলেন। **স্ত্রী জাহানারা জামানের সাক্ষাৎকার, উৎসঃ [https://www.youtube.com/watch?v=Sd9DzF9FAzo উত্তরের মানুষ ধ্রুবতারা] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯২৬-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৭৫-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:রাজশাহী জেলার রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি মুসলিম]] nm948m6z8126psk5rfs7h7jyxdb1m12 মাহবুবউল আলম হানিফ 0 7053 78769 58996 2026-04-20T03:24:40Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] যোগ 78769 wikitext text/x-wiki '''[[:w:মাহবুবউল আলম হানিফ|মাহবুবউল আলম হানিফ]]''' (জ. ২ জানুয়ারি ১৯৫৯) বাংলাদেশের কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য। তিনি ২০১৪ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। == উক্তি == * আজকে সেই ২৫ মার্চ, যে ২৫ মার্চ এই গণহত্যা শুরু হয়েছিল; সেই দিবসকে বাঙালি গণহত্যা দিবস হিসেবে মনে করে। এই গণহত্যায় ৩০ লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল, অথচ সেই গণহত্যা এখনো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করে নাই। আমরা যদি বিশ্বের দিকে তাকিয়ে দেখি, বিশ্বে যেসব গণহত্যা হয়েছিল—১৯১৫ সালে আরমারিয়া হত্যাকাণ্ড হয়েছিল, সে সময় রোমান সাম্রাজ্যের হাতে প্রায় ১৮ লাখ মানুষ প্রাণ দিয়েছিল। এরপর আমরা দেখেছি, গণহত্যা হয়েছে নাজি বাহিনীর হাতে। নাৎসি বাহিনী প্রায় এক কোটি ১০ লাখ মানুষকে হত্যা করেছিল, যেটার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আছে। অথচ একাত্তর সালে আমাদের ৩০ লাখ বাঙালি প্রাণ হারিয়েছিল সেটার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নাই। এটা আমাদের জাতির জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এর কারণ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যার মধ্য দিয়ে যে সরকার ক্ষমতায় এসেছিল, সেই খুনি জিয়াউর রহমান; পাকিস্তানের প্রেতাত্মা, তারা ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আমাদের স্বাধীনতার, মুক্তিযুদ্ধে, গণহত্যার সব ইতিহাস তারা মুছে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। 'তাদের মিথ্যা প্রচারণায় আজকে আমরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গণহত্যার দাবি সোচ্চারভাবে তুলতে পারি নাই। এখনো যখন এই পাকিস্তানের প্রেতাত্মা, জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়ার দল বিএনপি যখন বলে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষের প্রাণহানি হয় নাই, বড়জোর হয়তো এক-দুই লাখ মানুষ প্রাণ হারাতে পারে। এই ধরনের মিথ্যাচার করে আমাদের ইতিহাস বিকৃত করার কারণে কিন্তু আমরা আন্তর্জাতিকভাবে এই গণহত্যার স্বীকৃতি আমরা আনতে পারি নাই। আমরা স্বীকৃতি পাই নাই। ** গণহত্যার স্বীকৃতি না পাওয়া নিয়ে [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/politics/news-570196 ডেইলি স্টার] *গত কয়েকদিন আগে বা কিছুদিন ধরে আপানারা দেখছেন দুইজন শিশু খৎনা করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছে। কয়েকদিন আগে আরেকটি শিশু এ অবস্থায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে মৃত্যুর ঝুঁকিতে ছিল। আমরা লক্ষ্য করছি, যেসব শিশুর খাতনার বিষয় আছে তাদের পরিবার শঙ্কিত। চিকিৎসকদের কোনো গাফিলতির কারণে দুটি শিশু প্রাণ হারাল, যেটা নিয়ে অনেকেই শঙ্কিত। এ অবস্থাটা কেন হয়েছে, এটায় জাতি অবাক হলেও আমি কিন্তু খুব একটা বিস্মিত হইনি। চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সর্বোচ্চ সেবা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, যে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের একমাত্র মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ কর্ণধারকে নিয়ে যখন বিভিন্ন গণমাধ্যমে লেখালেখি হয়, তার অনৈতিকতা, স্বজনপ্রীতি নিয়ে, নিয়োগ বাণিজ্য নিয়ে নানা ধরনের লেখালেখি হয় তখন কিন্তু চিকিৎসার ওপর মানুষের আস্থাটা আস্তে আস্তে কমে যায় বা সেই চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা হারিয়ে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। **জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে [https://www.dhakapost.com/national/261898 ঢাকা পোস্ট] *স্বাধীনতা যুদ্ধশেষে আমরা যখন বিজয় লাভ করি, তখন জাতির পিতা পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি ছিলেন। বিজয় লাভ করলেও তার পূর্ণতা ছিল না। ১৯৭২ সালের এ দিনে দেশে ফিরে তিনি বলেছিলেন, আমাদের এখন যে যাত্রা শুরু হবে, তা হবে নিরাশা থেকে আশার পথের অভিযাত্রা। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল, ২০৪১ সালের মধ্যেই তা উন্নত দেশে পরিণত হবে। **সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে আওয়ামী লীগ কর্তৃক আয়োজিত জনসভায় [https://www.dhakapost.com/politics/251842 ঢাকা পোস্ট] *২০১৪ সালের নির্বাচনের পর থেকে এ দেশে বহুবার আরব বসন্তের গল্প শোনানো হয়েছে। আরব বসন্তের স্বপ্ন আরবেই দেখতে হবে। বাংলাদেশে এ স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে না। **কুষ্টিয়ায় নির্বাচনী প্রচারণায় যাওয়ার আগে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে [https://www.somoynews.tv/news/2023-12-19/GPAGXIMt] *পরিকল্পিতভাবে ‘মিথ্যা’ সংবাদ প্রচার করে এই দৈনিক পত্রিকাটি এর আগেও তার দলের বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্র’ করেছে।নিউজটা যে মিথ্যা খবর ছিল, সেটা তারা বুঝতে পেরে সরিয়ে ফেলেছেন। নিউজটি সরিয়ে তারাই প্রমাণ করেছে নিউজটা ষড়যন্ত্রমূলক ছিল। তার কোনো সত্যতা ছিল না। নিউজ সরালেও সারাদেশ প্রচার হয়ে গেছে। বিএনপি থেকে অনেকে এই নিউজকে কোট করতেছেন। এই মিথ্যা খবরের দায়ভার প্রথম আলোকেই গ্রহণ করতে হবে। **স্বাধীনতা দিবসে প্রকাশিত প্রথম আলোর প্রতিবেদন নিয়ে [https://bangla.bdnews24.com/politics/xoakztbrda বিডিনিউজ] *কার স্বার্থে এবং কোন যুক্তিতে একটি স্বাধীন দেশকে অপমানিত করলেন তা বোধগম্য নয়। ভিসানীতির অন্তরালে যদি কোনও ষড়যন্ত্রের আভাস পাওয়া যায়, তবে বাংলার মানুষ সেই ষড়যন্ত্র বরদাশত করবে না। ** মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাদা ভিসানীতি নিয়ে [https://www.banglatribune.com/country/chitagong/817756/একটি-স্বাধীন-রাষ্ট্রের-জন্য-আলাদা-ভিসানীতি বাংলা ট্রিবিউন] *আওয়ামী লীগ ১৪ দলীয় জোটেই নির্বাচন করবে। ১৪ দলের বাইরে অন্যকোনো দলের সঙ্গে আসন ভাগাভাগির কোনো সুযোগ নেই। ** কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে শহর ও সদর কমিটির বর্ধিতসভায় যোগ দিয়ে [https://www.somoynews.tv/news/2023-12-09/6vwB9PzI] *শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের শতভাগ ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে- এখন লোডশেডিং কি সেটি এ প্রজন্মের মানুষ জানেনা।সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ছিল সেদিন। ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিং। চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকতো। তাও আবার শতকরা বিশভাগ মানুষের কাছে পৌঁছাইতে পারেনি। দেশে এখন ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা অর্জন করেছে। ** লোডশেডিং নিয়ে [https://www.somoynews.tv/news/2022-03-15/লোডশেডিং-কি-এ-প্রজন্মের-মানুষ-জানেনা-হানিফ সময় টিভি] *পদ্মা সেতুকে শুধু সেতু হিসেবে দেখলে হবে না, এটি বাঙালির মর্যাদার সেতু। শেখ হাসিনার শত ত্যাগের মাধ্যমে মর্যাদার এই সেতু নির্মাণ হয়েছে। **পদ্মা সেতু নিয়ে [https://www.somoynews.tv/news/2022-06-25/পদ্মা-প্রধানমন্ত্রীর-শত-ত্যাগের-সেতু-হানিফ সময় টিভি] *শেখ রাসেল জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র এটা যেমন সত্য, পুরো পৃথিবীর মধ্যে মানবাধিকার লঙ্ঘনের এবং নিষ্ঠুর, পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের নির্মম শিকারের প্রতীক হিসেবেও পরিচিত। ** শেখ রাসেল হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে [https://www.dhakapost.com/politics/148781 ঢাকা পোস্ট] *স্বাধীনতা, বাংলাদেশ ও পদ্মা সেতু যারা চায়নি, তারা এই সেতুকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের অশুভ খেলা শুরু করেছে। প্রশ্ন জাগে পদ্মা সেতুর নাট-বল্টু খুলে নেওয়ার পেছনে তাদের ইন্ধন রয়েছে কি-না। **[https://www.dhakapost.com/politics/125626 ঢাকা পোস্ট] * ‘লালন বলে জাতের কী রূপ দেখলাম না এই নজরে..’ তার এই গানের মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে মানুষ জাতপাতের ঊর্ধ্বে। লালনের বাণীগুলো সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আজকের সমাজ ধর্মে বিভক্ত। আমরা এক সৃষ্টিকর্তার তৈরি। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানে কোনো বিভেদ থাকবে না। লালন সেটাই প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। সমাজকে পরিবর্তন করতে হলে লালনের বাণী সবাইকে ধারণ করতে হবে। ** লালন নিয়ে [https://www.dhakapost.com/country/230683 ঢাকা পোস্ট] *একটা বাড়ি যদি আগুনে পুড়ে যায় তাহলে তার সবকিছু শেষ হয়ে যায়। কিছু বাকি থাকে না শুধু একখণ্ড পোড়ামাটির ভূখণ্ড ছাড়া। বাংলাদেশকেও ওইরকম পোড়ামাটির ভূখণ্ড বানিয়ে দিয়েছিল পাকিস্তানিরা। তারা যখন বুঝতে পেরেছিল, তাদের পরাজয় সুনিশ্চিত তখন তারা প্ল্যান করলো দেশ যদি স্বাধীনও হয় কখনও যেন মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে। সেই অবস্থা থেকে বঙ্গবন্ধু শূন্যহাতে মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে দেশের আমূল পরিবর্তন করে তাক লাগিয়ে দেয় গোটা বিশ্বকে। ** বঙ্গবন্ধুর শাসনামল নিয়ে [https://www.banglatribune.com/country/khulna/বঙ্গবন্ধু-শূন্য-হাতে-যুদ্ধবিধ্বস্ত-পোড়ামাটির বাংলা ট্রিবিউন] *বিএনপির দুই কান কাটা। এরা লজ্জা-শরমহীন। দুর্নীতিতে জড়িতরা কেউ বিএনপি করতে পারবে না- এটা তাদের গঠনতন্ত্রে নেই। তারা সেটা তাদের গঠনতন্ত্র থেকে উঠিয়ে দিয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে দেশ ধ্বংস করা ছাড়া কিছু করেনি। **[https://www.banglatribune.com/country/chitagong/762975/বিএনপির-দুই-কান-কাটা-লজ্জা-শরমহীন-হানিফ বাংলা ট্রিবিউন] *বছর দশেক আগে আমি বলেছিলাম, বাংলাদেশের শিক্ষার অধঃপতনের জন্য ছাত্র রাজনীতি যতটা না দায়ী, শিক্ষক রাজনীতি তারচেয়ে বেশি দায়ী। অনেকে এই বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। অনেকে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন। বাংলাদেশের ইতিহাস বলতে গেলে বঙ্গবন্ধুর কথা চলে আসে। যেই বঙ্গবন্ধুর মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা লাভ করেছি, সেই স্বাধীনতার ইতিহাস কি বিকৃত হয়নি? সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা শামিল হয়নি? আমাদের স্বাধীনতা কি কোনও গোলটেবিল বৈঠকে হয়েছিল? দীর্ঘ এক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হয়েছিল। জাতির পিতার নেতৃত্বে ৪৭-এর দেশভাগের পর ধাপে ধাপে একাত্তরের বিজয় এসেছিল। ইতিহাস বিকৃত করেছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা! কীসের লোভে! কেন? যে শিক্ষক নিজের সৃষ্টির ইতিহাস বিকৃত করে, তারা দ্বারা আদর্শ মানুষ গড়ে উঠবে, এমনটা আশা করা মোটেও উচিত নয়। **ইতিহাস বিকৃতি নিয়ে [https://www.banglatribune.com/others/758935/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8 বাংলা ট্রিবিউন] *পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলো মুসলিম দেশগুলোকে দুর্বল করে ফেলতেই নানামুখী নিষেধাজ্ঞা দিয়ে কোণঠাসা করতে চায়। আজকে যে পশ্চিমা দেশগুলো বাংলাদেশের গণতন্ত্র নিয়ে কথা বলে, তারা বঙ্গবন্ধুর হত্যা, মানুষ খুন, আগুন-সন্ত্রাসের সময় গণতন্ত্র দেখে না। ২০০৪ সালে বিএনপির শাসনামলে অপারেশন ক্লিনহার্টের নামে ৬৫ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। বাংলা ভাইসহ সন্ত্রাসী ও জঙ্গি সৃষ্টি হয়েছিল তাদের সময়। সে সময় মানবাধিকার কোথায় ছিল? **[https://www.somoynews.tv/news/2023-05-22/8u26yLNW সময় টিভি] *অতীতের নির্বাচনের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই। ২০২৯ সালের পর বিএনপিকে ক্ষমতায় আসার কথা ভাবতে হবে। দুর্নীতিবাজ তারেক রহমান যতদিন দলটির নেতৃত্বে থাকবে ততদিন বাংলাদেশের মানুষ বিএনপিকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আনবে না। ** [https://www.somoynews.tv/news/2022-10-23/%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A8%E0%A7%AF-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87 সময় টিভি] *আমরা করোনা সংকট মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছি। তাই আমাদের অর্থনীতি নিয়ে দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিতিশীলতার কারণে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার একটু অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে। যা দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করছি আমরা। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকার অনেক পদক্ষেপ নিচ্ছে। আশা করি আমরা দেশের বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে নিয়ে আসতে পারব। **বৈদেশিক মুদ্রার সংকট ইস্যুতে [https://www.banglatribune.com/politics/awami-league/743772/%E0%A6%85%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%9B%E0%A7%81-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AB বাংলা ট্রিবিউন] *বাংলাদেশের অবকাঠামো ও অর্থনীতি শ্রীলঙ্কার মতো নয়। তাই, বাংলাদেশ কখনও শ্রীলঙ্কা হবে না। আর, বিএনপির মন থেকে শ্রীলঙ্কার স্বপ্ন মুছে যেতেও বেশি সময় লাগবে না।দেশের উন্নয়ন যাদের অপছন্দ, উন্নয়ন দেখলে যাদের গাত্রদাহ হয়, তারা বাংলাদেশের অবস্থা শ্রীলঙ্কার মতো হবে বলে বেড়াচ্ছেন। **[https://www.banglatribune.com/politics/awami-league/753187/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A8-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B2%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%9F বাংলা ট্রিবিউন] *কি চান আপনারা? কার পক্ষে, কোন খেলায় নেমেছেন? আপনাদের বক্তব্যগুলো মনে হয় সন্ত্রাসী, নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পক্ষে নির্লজ্জ দালালি ছাড়া আর কিছু নয়। জাতি আপনাদের এসব বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে। **বিরোধী দলের মতপ্রকাশে আওয়ামী লীগ সরকার অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করছে মানবাধিকার সংস্থার অভিযোগের জবাবে [https://www.dhakapost.com/politics/213386 ঢাকাপোস্ট] *ছাত্রলীগ বাংলাদেশের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী একটা সংগঠন হিসেবে ছিল। এই ছাত্রলীগের অনেক গৌরবউজ্জল অতীত আছে। স্বাধীনতার যুদ্ধের সময় এই ছাত্রলীগের একটা উজ্জ্বল একটা অবস্থান ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিককালে, ছাত্রলীগের কিছু কিছু কর্মকাণ্ড যেটা ছাত্রলীগকেই শুধু বিতর্কিত করছে না, এটা মুল সংগঠন আওয়ামী লীগকেও অনেক বিব্রতকর অবস্থায় ফেলছে। এটি নিয়ে অবশ্যই আমাদের বিব্রত হতে হয়। ** আবরার হত্যাকান্ডের পর [https://www.bbc.com/bengali/news-49969377 বিবিসি বাংলা] *১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকাকালে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ করেছিলেন। কিন্তু সেই ৭ মার্চের ভাষণ আজ জাতিসংঘের ঐতিহাসিক স্বীকৃতি পেয়েছে। **[https://m.dailyinqilab.com/article/361669/%E0%A7%AD-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9A-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%A4%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A7%9F-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%B7%E0%A7%9C%E0%A6%AF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%3F-%E0%A6%9A%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%AE-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AB ইনকিলাব] *বিএনপির আল্টিমেটামে কোনো নতুন কিছু নয়। ২০১২ সাল থেকে এই আল্টিমেটাম দলটি দিয়ে আসছে। **[https://bangladeshmoments.com/politics/114764/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%9B%E0%A7%81-%E0%A6%A8%E0%A7%9F-%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A7%E0%A7%A8-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AB বাংলাদেশ মোমেন্টস] *যারা জিয়াকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দাবি করে তাদের লজ্জা করা উচিত। তাদের কাছে আমার প্রশ্ন, কিসের ভিত্তিতে তাকে মুক্তিযোদ্ধা বলা হয়। তিনি গোলাম আযমকে দেশে ফিরিয়ে এনেছেন। যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়ে দিয়েছেন। খালেদা জিয়া রাজাকারদের মন্ত্রী বানিয়েছেন। গোলাম আযমকে নাগরিকত্ব দিয়েছেন। জিয়া আসলে মুক্তিযুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য অংশ নেননি। তিনি পাকিস্তানের এজেন্ট হিসেবে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন এবং তথ্য পাচার করতেন। যার প্রমাণ আছে। ** [https://www.dailynayadiganta.com/politics/396072/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%9B%E0%A7%81-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1-%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%A4-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AB নয়াদিগন্ত] *স্বপ্ন দেখছেন যে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেবেন সরকারকে। এটা কি কচু পাতার পানি? যে টলমল করে, ধাক্কা দিলেই পড়ে যাবে! এটা আওয়ামী লীগ সরকার। আওয়ামী লীগ এ দেশের সবচেয়ে প্রাচীন রাজনৈতিক দল। এ দলের শেকড় বাংলাদেশের মাটির অনেক গভীরে। যার সঙ্গে জনসম্পৃক্ততা নেই সে দল টেকে না। যেটা বিএনপি। **[https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/politics/news-409996 ডেইলি স্টার] *বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ছিলেন স্বাধীনতা ঘোষণার চতুর্থ পাঠক। তবুও বিএনপি নেতারা তাকে ‘ঘোষক’ বলেন। **[https://www.somoynews.tv/news/2023-08-24/1Y7UADGS সময় টিভি] *বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র নতুন নয়। ১/১১ এর সময় শেখ হাসিনাকে মাইনাস করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল, পদ্মা সেতু নিয়েও অনেক ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল, যা এই পত্রিকায় ফলাও করে সে সময় ছাপানো হয়েছে। ২৬ মার্চের ঘটনাও আগের মতোই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আরেকটি ষড়যন্ত্র। এ সরকারের সময় সবচেয়ে বেশি সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে সাংবাদিকদের। সংবাদমাধ্যমের ব্যাপক বিস্তৃতি করা হয়েছে। সাংবাদিকরা নিয়মিত যেভাবে খুশি লিখছে, সরকারের সমালোচনা করছে, তাতে কারও সমস্যা হচ্ছে না। কিন্তু আমাদের যেখানে মূল জায়গা সেই স্বাধীনতার উপর যদি আঘাত আসে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সরকারের দায়িত্ব, জনগণও সেটাই প্রত্যাশা করে। ** সংবাদমাধ্যম নিয়ে [https://www.banglatribune.com/country/khulna/792327/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%93-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0 বাংলা ট্রিবিউন] *বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে স্বাধীনতা অর্জন হয়েছে। আর দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি এসেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে শত প্রতিকূলতা পেরিয়ে তিনি দেশকে অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আওয়ামী লীগের হাত ধরেই দেশের সব অর্জন। **[https://www.banglatribune.com/country/chitagong/732477/%E0%A6%86.%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4-%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%85%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AB বাংলা ট্রিবিউন] *২০১৪ সালে নির্বাচনের পরেও যারা বয়কট করেছিল বিএনপি জামাত তারা আন্তর্জাতিক কোনো স্বীকৃতি পাবে না বলে প্রচার করেছিল। কিন্তু সরকার ১০ বছর ক্ষমতা পার করে তৃতীয় দফায় ২০২৩ সালে নির্বাচন করতে যাচ্ছে। এসব মিথ্যাচার কথাবার্তা বলে জনগণের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে কোন লাভ হবে না। ** দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে [https://www.news24bd.tv/details/157199 নিউজ২৪বিডি] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৯-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] nb1h3kz7h4q2ogu9bxczt9iusxick2r 78770 78769 2026-04-20T03:25:04Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] যোগ 78770 wikitext text/x-wiki '''[[:w:মাহবুবউল আলম হানিফ|মাহবুবউল আলম হানিফ]]''' (জ. ২ জানুয়ারি ১৯৫৯) বাংলাদেশের কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য। তিনি ২০১৪ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। == উক্তি == * আজকে সেই ২৫ মার্চ, যে ২৫ মার্চ এই গণহত্যা শুরু হয়েছিল; সেই দিবসকে বাঙালি গণহত্যা দিবস হিসেবে মনে করে। এই গণহত্যায় ৩০ লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল, অথচ সেই গণহত্যা এখনো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করে নাই। আমরা যদি বিশ্বের দিকে তাকিয়ে দেখি, বিশ্বে যেসব গণহত্যা হয়েছিল—১৯১৫ সালে আরমারিয়া হত্যাকাণ্ড হয়েছিল, সে সময় রোমান সাম্রাজ্যের হাতে প্রায় ১৮ লাখ মানুষ প্রাণ দিয়েছিল। এরপর আমরা দেখেছি, গণহত্যা হয়েছে নাজি বাহিনীর হাতে। নাৎসি বাহিনী প্রায় এক কোটি ১০ লাখ মানুষকে হত্যা করেছিল, যেটার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আছে। অথচ একাত্তর সালে আমাদের ৩০ লাখ বাঙালি প্রাণ হারিয়েছিল সেটার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি নাই। এটা আমাদের জাতির জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এর কারণ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে হত্যার মধ্য দিয়ে যে সরকার ক্ষমতায় এসেছিল, সেই খুনি জিয়াউর রহমান; পাকিস্তানের প্রেতাত্মা, তারা ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আমাদের স্বাধীনতার, মুক্তিযুদ্ধে, গণহত্যার সব ইতিহাস তারা মুছে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। 'তাদের মিথ্যা প্রচারণায় আজকে আমরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গণহত্যার দাবি সোচ্চারভাবে তুলতে পারি নাই। এখনো যখন এই পাকিস্তানের প্রেতাত্মা, জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়ার দল বিএনপি যখন বলে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষের প্রাণহানি হয় নাই, বড়জোর হয়তো এক-দুই লাখ মানুষ প্রাণ হারাতে পারে। এই ধরনের মিথ্যাচার করে আমাদের ইতিহাস বিকৃত করার কারণে কিন্তু আমরা আন্তর্জাতিকভাবে এই গণহত্যার স্বীকৃতি আমরা আনতে পারি নাই। আমরা স্বীকৃতি পাই নাই। ** গণহত্যার স্বীকৃতি না পাওয়া নিয়ে [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/politics/news-570196 ডেইলি স্টার] *গত কয়েকদিন আগে বা কিছুদিন ধরে আপানারা দেখছেন দুইজন শিশু খৎনা করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছে। কয়েকদিন আগে আরেকটি শিশু এ অবস্থায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে মৃত্যুর ঝুঁকিতে ছিল। আমরা লক্ষ্য করছি, যেসব শিশুর খাতনার বিষয় আছে তাদের পরিবার শঙ্কিত। চিকিৎসকদের কোনো গাফিলতির কারণে দুটি শিশু প্রাণ হারাল, যেটা নিয়ে অনেকেই শঙ্কিত। এ অবস্থাটা কেন হয়েছে, এটায় জাতি অবাক হলেও আমি কিন্তু খুব একটা বিস্মিত হইনি। চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সর্বোচ্চ সেবা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, যে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের একমাত্র মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ কর্ণধারকে নিয়ে যখন বিভিন্ন গণমাধ্যমে লেখালেখি হয়, তার অনৈতিকতা, স্বজনপ্রীতি নিয়ে, নিয়োগ বাণিজ্য নিয়ে নানা ধরনের লেখালেখি হয় তখন কিন্তু চিকিৎসার ওপর মানুষের আস্থাটা আস্তে আস্তে কমে যায় বা সেই চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা হারিয়ে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। **জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে [https://www.dhakapost.com/national/261898 ঢাকা পোস্ট] *স্বাধীনতা যুদ্ধশেষে আমরা যখন বিজয় লাভ করি, তখন জাতির পিতা পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি ছিলেন। বিজয় লাভ করলেও তার পূর্ণতা ছিল না। ১৯৭২ সালের এ দিনে দেশে ফিরে তিনি বলেছিলেন, আমাদের এখন যে যাত্রা শুরু হবে, তা হবে নিরাশা থেকে আশার পথের অভিযাত্রা। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল, ২০৪১ সালের মধ্যেই তা উন্নত দেশে পরিণত হবে। **সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে আওয়ামী লীগ কর্তৃক আয়োজিত জনসভায় [https://www.dhakapost.com/politics/251842 ঢাকা পোস্ট] *২০১৪ সালের নির্বাচনের পর থেকে এ দেশে বহুবার আরব বসন্তের গল্প শোনানো হয়েছে। আরব বসন্তের স্বপ্ন আরবেই দেখতে হবে। বাংলাদেশে এ স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে না। **কুষ্টিয়ায় নির্বাচনী প্রচারণায় যাওয়ার আগে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে [https://www.somoynews.tv/news/2023-12-19/GPAGXIMt] *পরিকল্পিতভাবে ‘মিথ্যা’ সংবাদ প্রচার করে এই দৈনিক পত্রিকাটি এর আগেও তার দলের বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্র’ করেছে।নিউজটা যে মিথ্যা খবর ছিল, সেটা তারা বুঝতে পেরে সরিয়ে ফেলেছেন। নিউজটি সরিয়ে তারাই প্রমাণ করেছে নিউজটা ষড়যন্ত্রমূলক ছিল। তার কোনো সত্যতা ছিল না। নিউজ সরালেও সারাদেশ প্রচার হয়ে গেছে। বিএনপি থেকে অনেকে এই নিউজকে কোট করতেছেন। এই মিথ্যা খবরের দায়ভার প্রথম আলোকেই গ্রহণ করতে হবে। **স্বাধীনতা দিবসে প্রকাশিত প্রথম আলোর প্রতিবেদন নিয়ে [https://bangla.bdnews24.com/politics/xoakztbrda বিডিনিউজ] *কার স্বার্থে এবং কোন যুক্তিতে একটি স্বাধীন দেশকে অপমানিত করলেন তা বোধগম্য নয়। ভিসানীতির অন্তরালে যদি কোনও ষড়যন্ত্রের আভাস পাওয়া যায়, তবে বাংলার মানুষ সেই ষড়যন্ত্র বরদাশত করবে না। ** মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাদা ভিসানীতি নিয়ে [https://www.banglatribune.com/country/chitagong/817756/একটি-স্বাধীন-রাষ্ট্রের-জন্য-আলাদা-ভিসানীতি বাংলা ট্রিবিউন] *আওয়ামী লীগ ১৪ দলীয় জোটেই নির্বাচন করবে। ১৪ দলের বাইরে অন্যকোনো দলের সঙ্গে আসন ভাগাভাগির কোনো সুযোগ নেই। ** কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে শহর ও সদর কমিটির বর্ধিতসভায় যোগ দিয়ে [https://www.somoynews.tv/news/2023-12-09/6vwB9PzI] *শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের শতভাগ ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে- এখন লোডশেডিং কি সেটি এ প্রজন্মের মানুষ জানেনা।সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ছিল সেদিন। ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিং। চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকতো। তাও আবার শতকরা বিশভাগ মানুষের কাছে পৌঁছাইতে পারেনি। দেশে এখন ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা অর্জন করেছে। ** লোডশেডিং নিয়ে [https://www.somoynews.tv/news/2022-03-15/লোডশেডিং-কি-এ-প্রজন্মের-মানুষ-জানেনা-হানিফ সময় টিভি] *পদ্মা সেতুকে শুধু সেতু হিসেবে দেখলে হবে না, এটি বাঙালির মর্যাদার সেতু। শেখ হাসিনার শত ত্যাগের মাধ্যমে মর্যাদার এই সেতু নির্মাণ হয়েছে। **পদ্মা সেতু নিয়ে [https://www.somoynews.tv/news/2022-06-25/পদ্মা-প্রধানমন্ত্রীর-শত-ত্যাগের-সেতু-হানিফ সময় টিভি] *শেখ রাসেল জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র এটা যেমন সত্য, পুরো পৃথিবীর মধ্যে মানবাধিকার লঙ্ঘনের এবং নিষ্ঠুর, পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের নির্মম শিকারের প্রতীক হিসেবেও পরিচিত। ** শেখ রাসেল হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে [https://www.dhakapost.com/politics/148781 ঢাকা পোস্ট] *স্বাধীনতা, বাংলাদেশ ও পদ্মা সেতু যারা চায়নি, তারা এই সেতুকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের অশুভ খেলা শুরু করেছে। প্রশ্ন জাগে পদ্মা সেতুর নাট-বল্টু খুলে নেওয়ার পেছনে তাদের ইন্ধন রয়েছে কি-না। **[https://www.dhakapost.com/politics/125626 ঢাকা পোস্ট] * ‘লালন বলে জাতের কী রূপ দেখলাম না এই নজরে..’ তার এই গানের মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে মানুষ জাতপাতের ঊর্ধ্বে। লালনের বাণীগুলো সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আজকের সমাজ ধর্মে বিভক্ত। আমরা এক সৃষ্টিকর্তার তৈরি। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানে কোনো বিভেদ থাকবে না। লালন সেটাই প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। সমাজকে পরিবর্তন করতে হলে লালনের বাণী সবাইকে ধারণ করতে হবে। ** লালন নিয়ে [https://www.dhakapost.com/country/230683 ঢাকা পোস্ট] *একটা বাড়ি যদি আগুনে পুড়ে যায় তাহলে তার সবকিছু শেষ হয়ে যায়। কিছু বাকি থাকে না শুধু একখণ্ড পোড়ামাটির ভূখণ্ড ছাড়া। বাংলাদেশকেও ওইরকম পোড়ামাটির ভূখণ্ড বানিয়ে দিয়েছিল পাকিস্তানিরা। তারা যখন বুঝতে পেরেছিল, তাদের পরাজয় সুনিশ্চিত তখন তারা প্ল্যান করলো দেশ যদি স্বাধীনও হয় কখনও যেন মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে। সেই অবস্থা থেকে বঙ্গবন্ধু শূন্যহাতে মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে দেশের আমূল পরিবর্তন করে তাক লাগিয়ে দেয় গোটা বিশ্বকে। ** বঙ্গবন্ধুর শাসনামল নিয়ে [https://www.banglatribune.com/country/khulna/বঙ্গবন্ধু-শূন্য-হাতে-যুদ্ধবিধ্বস্ত-পোড়ামাটির বাংলা ট্রিবিউন] *বিএনপির দুই কান কাটা। এরা লজ্জা-শরমহীন। দুর্নীতিতে জড়িতরা কেউ বিএনপি করতে পারবে না- এটা তাদের গঠনতন্ত্রে নেই। তারা সেটা তাদের গঠনতন্ত্র থেকে উঠিয়ে দিয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে দেশ ধ্বংস করা ছাড়া কিছু করেনি। **[https://www.banglatribune.com/country/chitagong/762975/বিএনপির-দুই-কান-কাটা-লজ্জা-শরমহীন-হানিফ বাংলা ট্রিবিউন] *বছর দশেক আগে আমি বলেছিলাম, বাংলাদেশের শিক্ষার অধঃপতনের জন্য ছাত্র রাজনীতি যতটা না দায়ী, শিক্ষক রাজনীতি তারচেয়ে বেশি দায়ী। অনেকে এই বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। অনেকে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন। বাংলাদেশের ইতিহাস বলতে গেলে বঙ্গবন্ধুর কথা চলে আসে। যেই বঙ্গবন্ধুর মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা লাভ করেছি, সেই স্বাধীনতার ইতিহাস কি বিকৃত হয়নি? সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা শামিল হয়নি? আমাদের স্বাধীনতা কি কোনও গোলটেবিল বৈঠকে হয়েছিল? দীর্ঘ এক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হয়েছিল। জাতির পিতার নেতৃত্বে ৪৭-এর দেশভাগের পর ধাপে ধাপে একাত্তরের বিজয় এসেছিল। ইতিহাস বিকৃত করেছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা! কীসের লোভে! কেন? যে শিক্ষক নিজের সৃষ্টির ইতিহাস বিকৃত করে, তারা দ্বারা আদর্শ মানুষ গড়ে উঠবে, এমনটা আশা করা মোটেও উচিত নয়। **ইতিহাস বিকৃতি নিয়ে [https://www.banglatribune.com/others/758935/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8 বাংলা ট্রিবিউন] *পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলো মুসলিম দেশগুলোকে দুর্বল করে ফেলতেই নানামুখী নিষেধাজ্ঞা দিয়ে কোণঠাসা করতে চায়। আজকে যে পশ্চিমা দেশগুলো বাংলাদেশের গণতন্ত্র নিয়ে কথা বলে, তারা বঙ্গবন্ধুর হত্যা, মানুষ খুন, আগুন-সন্ত্রাসের সময় গণতন্ত্র দেখে না। ২০০৪ সালে বিএনপির শাসনামলে অপারেশন ক্লিনহার্টের নামে ৬৫ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। বাংলা ভাইসহ সন্ত্রাসী ও জঙ্গি সৃষ্টি হয়েছিল তাদের সময়। সে সময় মানবাধিকার কোথায় ছিল? **[https://www.somoynews.tv/news/2023-05-22/8u26yLNW সময় টিভি] *অতীতের নির্বাচনের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই। ২০২৯ সালের পর বিএনপিকে ক্ষমতায় আসার কথা ভাবতে হবে। দুর্নীতিবাজ তারেক রহমান যতদিন দলটির নেতৃত্বে থাকবে ততদিন বাংলাদেশের মানুষ বিএনপিকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আনবে না। ** [https://www.somoynews.tv/news/2022-10-23/%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A8%E0%A7%AF-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87 সময় টিভি] *আমরা করোনা সংকট মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছি। তাই আমাদের অর্থনীতি নিয়ে দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিতিশীলতার কারণে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার একটু অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে। যা দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করছি আমরা। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকার অনেক পদক্ষেপ নিচ্ছে। আশা করি আমরা দেশের বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে নিয়ে আসতে পারব। **বৈদেশিক মুদ্রার সংকট ইস্যুতে [https://www.banglatribune.com/politics/awami-league/743772/%E0%A6%85%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%9B%E0%A7%81-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AB বাংলা ট্রিবিউন] *বাংলাদেশের অবকাঠামো ও অর্থনীতি শ্রীলঙ্কার মতো নয়। তাই, বাংলাদেশ কখনও শ্রীলঙ্কা হবে না। আর, বিএনপির মন থেকে শ্রীলঙ্কার স্বপ্ন মুছে যেতেও বেশি সময় লাগবে না।দেশের উন্নয়ন যাদের অপছন্দ, উন্নয়ন দেখলে যাদের গাত্রদাহ হয়, তারা বাংলাদেশের অবস্থা শ্রীলঙ্কার মতো হবে বলে বেড়াচ্ছেন। **[https://www.banglatribune.com/politics/awami-league/753187/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A8-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B2%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%9F বাংলা ট্রিবিউন] *কি চান আপনারা? কার পক্ষে, কোন খেলায় নেমেছেন? আপনাদের বক্তব্যগুলো মনে হয় সন্ত্রাসী, নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পক্ষে নির্লজ্জ দালালি ছাড়া আর কিছু নয়। জাতি আপনাদের এসব বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে। **বিরোধী দলের মতপ্রকাশে আওয়ামী লীগ সরকার অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করছে মানবাধিকার সংস্থার অভিযোগের জবাবে [https://www.dhakapost.com/politics/213386 ঢাকাপোস্ট] *ছাত্রলীগ বাংলাদেশের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী একটা সংগঠন হিসেবে ছিল। এই ছাত্রলীগের অনেক গৌরবউজ্জল অতীত আছে। স্বাধীনতার যুদ্ধের সময় এই ছাত্রলীগের একটা উজ্জ্বল একটা অবস্থান ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিককালে, ছাত্রলীগের কিছু কিছু কর্মকাণ্ড যেটা ছাত্রলীগকেই শুধু বিতর্কিত করছে না, এটা মুল সংগঠন আওয়ামী লীগকেও অনেক বিব্রতকর অবস্থায় ফেলছে। এটি নিয়ে অবশ্যই আমাদের বিব্রত হতে হয়। ** আবরার হত্যাকান্ডের পর [https://www.bbc.com/bengali/news-49969377 বিবিসি বাংলা] *১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকাকালে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ করেছিলেন। কিন্তু সেই ৭ মার্চের ভাষণ আজ জাতিসংঘের ঐতিহাসিক স্বীকৃতি পেয়েছে। **[https://m.dailyinqilab.com/article/361669/%E0%A7%AD-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9A-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%A4%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A7%8B%E0%A6%A6%E0%A7%9F-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%B7%E0%A7%9C%E0%A6%AF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%3F-%E0%A6%9A%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%AE-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AB ইনকিলাব] *বিএনপির আল্টিমেটামে কোনো নতুন কিছু নয়। ২০১২ সাল থেকে এই আল্টিমেটাম দলটি দিয়ে আসছে। **[https://bangladeshmoments.com/politics/114764/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%9B%E0%A7%81-%E0%A6%A8%E0%A7%9F-%E0%A7%A8%E0%A7%A6%E0%A7%A7%E0%A7%A8-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AB বাংলাদেশ মোমেন্টস] *যারা জিয়াকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দাবি করে তাদের লজ্জা করা উচিত। তাদের কাছে আমার প্রশ্ন, কিসের ভিত্তিতে তাকে মুক্তিযোদ্ধা বলা হয়। তিনি গোলাম আযমকে দেশে ফিরিয়ে এনেছেন। যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়ে দিয়েছেন। খালেদা জিয়া রাজাকারদের মন্ত্রী বানিয়েছেন। গোলাম আযমকে নাগরিকত্ব দিয়েছেন। জিয়া আসলে মুক্তিযুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য অংশ নেননি। তিনি পাকিস্তানের এজেন্ট হিসেবে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন এবং তথ্য পাচার করতেন। যার প্রমাণ আছে। ** [https://www.dailynayadiganta.com/politics/396072/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%9B%E0%A7%81-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1-%E0%A6%AC%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%A4-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AB নয়াদিগন্ত] *স্বপ্ন দেখছেন যে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেবেন সরকারকে। এটা কি কচু পাতার পানি? যে টলমল করে, ধাক্কা দিলেই পড়ে যাবে! এটা আওয়ামী লীগ সরকার। আওয়ামী লীগ এ দেশের সবচেয়ে প্রাচীন রাজনৈতিক দল। এ দলের শেকড় বাংলাদেশের মাটির অনেক গভীরে। যার সঙ্গে জনসম্পৃক্ততা নেই সে দল টেকে না। যেটা বিএনপি। **[https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/politics/news-409996 ডেইলি স্টার] *বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ছিলেন স্বাধীনতা ঘোষণার চতুর্থ পাঠক। তবুও বিএনপি নেতারা তাকে ‘ঘোষক’ বলেন। **[https://www.somoynews.tv/news/2023-08-24/1Y7UADGS সময় টিভি] *বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র নতুন নয়। ১/১১ এর সময় শেখ হাসিনাকে মাইনাস করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল, পদ্মা সেতু নিয়েও অনেক ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল, যা এই পত্রিকায় ফলাও করে সে সময় ছাপানো হয়েছে। ২৬ মার্চের ঘটনাও আগের মতোই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আরেকটি ষড়যন্ত্র। এ সরকারের সময় সবচেয়ে বেশি সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে সাংবাদিকদের। সংবাদমাধ্যমের ব্যাপক বিস্তৃতি করা হয়েছে। সাংবাদিকরা নিয়মিত যেভাবে খুশি লিখছে, সরকারের সমালোচনা করছে, তাতে কারও সমস্যা হচ্ছে না। কিন্তু আমাদের যেখানে মূল জায়গা সেই স্বাধীনতার উপর যদি আঘাত আসে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সরকারের দায়িত্ব, জনগণও সেটাই প্রত্যাশা করে। ** সংবাদমাধ্যম নিয়ে [https://www.banglatribune.com/country/khulna/792327/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%93-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0 বাংলা ট্রিবিউন] *বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে স্বাধীনতা অর্জন হয়েছে। আর দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি এসেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে শত প্রতিকূলতা পেরিয়ে তিনি দেশকে অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আওয়ামী লীগের হাত ধরেই দেশের সব অর্জন। **[https://www.banglatribune.com/country/chitagong/732477/%E0%A6%86.%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4-%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%85%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AB বাংলা ট্রিবিউন] *২০১৪ সালে নির্বাচনের পরেও যারা বয়কট করেছিল বিএনপি জামাত তারা আন্তর্জাতিক কোনো স্বীকৃতি পাবে না বলে প্রচার করেছিল। কিন্তু সরকার ১০ বছর ক্ষমতা পার করে তৃতীয় দফায় ২০২৩ সালে নির্বাচন করতে যাচ্ছে। এসব মিথ্যাচার কথাবার্তা বলে জনগণের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে কোন লাভ হবে না। ** দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে [https://www.news24bd.tv/details/157199 নিউজ২৪বিডি] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৯-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] 1e3e57i6bqo3v480wbbtnyydzzv63b3 সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন 0 7197 78756 59001 2026-04-20T03:06:18Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] যোগ 78756 wikitext text/x-wiki '''[[:w:সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন|সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন]]''' (জন্ম: ৩ সেপ্টেম্বর ১৯৭৯, যিনি '''ব্যারিস্টার সুমন''' নামে বেশি পরিচিত) [[বাংলাদেশী]] [[আইনজীবী]] ও [[রাজনীতিবিদ]]। তিনি হবিগঞ্জ-৪ আসনের [[সংসদ সদস্য]]। তিনি [[যুবলীগ|যুবলীগের]] কেন্দ্রীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। ==উক্তি== * আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বানানোর জন্য একটা বলিষ্ট ভূমিকা রাখতে। ** [https://www.jugantor.com/politics/771761/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%A8 দেশের অবস্থা বারোটা থেকে তেরোটা বাইজ্যা গেছে: ব্যারিস্টার সুমন] যুগান্তর, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ * খেলা হচ্ছে বন্ধু-বন্ধুতে, আওয়ামী লীগ-আওয়ামী লীগে না। বিএনপি যদি ভোটে আসতো, তাহলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতাম না। আমি নৌকার বিরুদ্ধে না। আমি নৌকার মাঝির বিরুদ্ধে। আমি শেখ হাসিনার অনুমোদিত স্বতন্ত্র প্রার্থী। ** [https://www.somoynews.tv/news/2023-12-26/P9tMZ2zx আমি নৌকার মাঝির বিরুদ্ধে, নৌকার নয়: ব্যারিস্টার সুমন] সময় টিভি, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩ * আমি যত দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলি। বাংলাদেশে আর কেউ বলে না। ** [https://samakal.com/technology/article/186431/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%AF%E0%A6%A4-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A5%A4-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%89-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%A8 আমি যত দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলি। বাংলাদেশে আর কেউ বলে না : ব্যারিস্টার সুমন] যুগান্তর, ৩০ জুলাই ২০২৩ * মেসির জায়গাটা অনেক বড়। সে সারা দুনিয়া বদলেছে। সে হয়তো আমার থেকে অনেক মেধাবী কিন্তু আমার কথা হলো, সে যদি পৃথিবী বদলাতে পারে, আমি কী আমার এলাকাটা বদলাতে পারব না? ** "আপনার একটা ভাইরাল উক্তি আছে, ‘৫ ফুট ৮ ইঞ্চির মেসি যদি পৃথিবী জয় করতে পারে, তাহলে আমি ৫ ফুট ৯ ইঞ্চির সুমন কেনো ইতিহাস বদলাতে পারব না’ কীভাবে ইতিহাস বদলাতে চান? " এই প্রশ্নের উত্তরে [https://www.jugantor.com/country-news/759927/%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%8F%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%AC-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%A8 যুগান্তর সাক্ষাৎকারে] বলেন। * আমাদের দেশের ফুটবল আইসিইউতে চলে গেছে। **রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দিতে এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচের সময় [https://www.ajkerpatrika.com/331597/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A6%AC%E0%A6%B2-%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%87%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%87 আজকের পত্রিকার সাক্ষাৎকারে] বলেন। ২১ এপ্রিল ২০২৪ ==সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন নিয়ে উক্তি == * বর্তমানে ব্যারিস্টার সুমনের সঙ্গে কাজ করছি। কাজ করতে গিয়ে দেখেছি তার মধ্যে অনেক গুণ রয়েছে। সব থেকে বড় গুণ হচ্ছে- তার (ব্যারিস্টার সুমন) টাকার প্রতি বিন্দু পরিমাণ লোভ নেই। ক্লাইন্টদের থেকে এক হাতে টাকা নেন, আরেক হাতে সব টাকা দরিদ্র অসহায় শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করতেও দেখেছি। এক কথায় বলা যায়, তিনি (ব্যারিস্টার সুমন) চমৎকার মানুষ। **[[জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া]] গণমাধ্যমের সঙ্গে এক [https://www.jugantor.com/entertainment/802297/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%96-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2 সাক্ষাৎকার] বলে, যুগান্তর, ০৬ মে ২০২৪ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৭৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের আইনজীবী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] sxg7kcfeikcs94zwhz434pajbj683lr নাহিদ ইসলাম 0 8460 78752 72395 2026-04-20T03:04:05Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় নাগরিক পার্টির রাজনীতিবিদ]] যোগ 78752 wikitext text/x-wiki '''[[:w:নাহিদ ইসলাম|নাহিদ ইসলাম]]''' হলেন একজন [[বাংলাদেশী]] [[সক্রিয়তাবাদ|আন্দোলনকর্মী]] ও [[২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন|কোটা সংস্কার আন্দোলনের]] অন্যতম সমন্বয়ক। তিনি [[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন|বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের]] [[অসহযোগ আন্দোলন (২০২৪)|অসহযোগ কর্মসূচিতে]] তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী [[শেখ হাসিনা|শেখ হাসিনার]] পদত্যাগের এক দফা দাবি ঘোষণা করেন ও সফল হোন। তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন। ==উক্তি == * ভারত আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র’, আমার ছোট্ট জীবনে শোনা সেরা মিথ্যা কথা এটা। [https://dailyinqilab.com/motropolis/news/680333] * ভারত আমাদের শত্রু এই কথাটা যে-ই প্রজন্ম বুঝতে পারবে তাঁরাই জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান![https://dailyinqilab.com/motropolis/news/680333] * ‘৪ জুলাইয়ের মধ্যে আইনিভাবে আমাদের দাবির চূড়ান্ত সুরাহা করতে হবে।’ ** ৪ জুলাই পর্যন্ত সব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সমাবেশে [https://www.prothomalo.com/bangladesh/nhfwjae5rh] * কথায় কথায় ইন্টারনেট বন্ধ করা চলবে না। ইন্টারনেট রাইটস মানবাধিকার। এটা লঙ্ঘন করা যাবে না।’ ** ১১ আগস্ট ২০২৪ রবিবার প্রথম দিন সচিবালয়ে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে, যেমনটা [https://www.banglatribune.com/business/news/857649/%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A6 বাংলা ট্রিবিউনে] উদ্ধৃত হয়েছে। * [[সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড|সাগর রুনি হত্যাকাণ্ড]] খুবই বেদনাদায়ক, খুবই নির্মম এবং এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে কী পরিমাণ প্রহসন করা হয়েছে। বার বার তার প্রতিবেদনগুলা পেছানো হয়েছে। এই সাগর রুনি হত্যাকাণ্ডসহ এই ধরনের যে হত্যাকাণ্ডগুলো হয়েছে, সাংবাদিকদের ওপর নিপীড়ন হয়েছে এই বিষয়গুলোর তদন্ত করতে হবে এবং সরকারের জায়গা থেকে যে ভূমিকা বা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে যে ভূমিকা তা আমরা অবশ্যই পালন করব।' ** ১৮ আগস্ট ২০২৪, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে দপ্তর প্রধানের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে, যেমনটা [https://bangla.thedailystar.net/news/bangladesh/news-606536 দ্য ডেইলি স্টারে] উদ্ধৃত হয়েছে। *[[শেখ হাসিনা]] বলেছেন গণভবনের দরজা খোলা আছে। আমরা সাধুবাদ জানাই, তিনি আগে বুঝতে পেরেছেন গণভবনের দরজা খোলা রাখতে হবে। কারণ তার যাওয়ার সময় হয়েছে। আপনি দরজা খুলে অপেক্ষা করুন, আমরা আপনাকে উৎখাত করার জন্য আসব। **যেমনটা [https://www.deshrupantor.com/amp/526404/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%9F%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BE দেশ রুপান্তরে] উদ্ধৃত হয়েছে। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক]] [[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় নাগরিক পার্টির রাজনীতিবিদ]] rid0j0f41wsftkt107c1n6qomfhgnla সারজিস আলম 0 8476 78755 52767 2026-04-20T03:05:19Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় নাগরিক পার্টির রাজনীতিবিদ]] যোগ 78755 wikitext text/x-wiki [[File:Sarjis Alam-1.jpg|thumb|সারজিস আলম ২০২৪]] '''[[:w:সারজিস আলম|সারজিস আলম]]''' হলেন একজন [[বাংলাদেশী|বাংলাদেশি]] আন্দোলনকর্মী ও [[২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন|কোটা সংস্কার আন্দোলনের]] অন্যতম সমন্বয়ক ও নেতা। তিনি [[বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন|বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের]] সমন্বয়ক। ==উক্তি== * একদিকে গুলি আর লাশ; অন্যদিকে সংলাপ! আমার ভাইয়ের রক্তের উপর দিয়ে কিভাবে সংলাপ হতে পারে?' ** ফেসবুকে পোস্ট বলেন[https://www.tbsnews.net/bangla/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6/news-details-236566] * এই মুহূর্ত (৫ আগস্ট) থেকে দেশ ও দেশের মানুষের সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সবার। কারণ এসব আমাদের। এসব আমাদের প্রাণের বাংলাদেশের। ** সোমবার ৫ আগস্ট ২০২৪ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম [[ফেসবুক|ফেসবুকে]] দেওয়া এক [https://www.ittefaq.com.bd/695490/%E2%80%98%E0%A6%8F-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0%E2%80%99%C2%A0 পোস্টে] তিনি এ কথা বলেন। * দেখা না দিলে বন্ধু কথা কইও না !’ ** ফেসবুক ভেরিফাইড পোস্ট [https://dailyinqilab.com/motropolis/news/702262 এই ফেসবুক] বলেছেন। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক]] [[বিষয়শ্রেণী:বিএএফ শাহীন কলেজ ঢাকার প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় নাগরিক পার্টির রাজনীতিবিদ]] cjqwat1a443n34vsrbzojjm5s5is1hv লুৎফুজ্জামান বাবর 0 8483 78772 71461 2026-04-20T03:26:55Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ]] যোগ 78772 wikitext text/x-wiki '''[[:w:লুৎফুজ্জামান বাবর|লুৎফুজ্জামান বাবর]]''' ('''জন্ম:''' ১০ অক্টোবর ১৯৫৮) একজন [[বাংলাদেশী|বাংলাদেশি]] রাজনীতিবিদ। তিনি [[নেত্রকোণা-৪]] আসনের [[সংসদ সদস্য]] ও [[বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী|স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী]] ছিলেন। ==উক্তি== * উই আর লুকিং ফর ‘শত্রুস’[https://www.prothomalo.com/opinion/column/%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E2%80%98%E0%A6%89%E0%A6%87-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%82-%E0%A6%AB%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%9C%E2%80%99] * গত ১৭ই ডিসেম্বর, ২০২৫ (বুধবার) তারিখে - কিছু তরুণ দেশপ্রেমের আবেগে ও ভূ-রাজনীতি ও কূটনৈতিক শিষ্টাচার সম্পর্কে সীমিত ধারণা থেকে আমার নাম ব্যবহার করে অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মসূচিতে জড়িয়েছেন—এটি দুঃখজনক। দেশপ্রেম প্রশংসনীয়, তবে তা যেন রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন না করে। বর্তমান সংবেদনশীল জাতীয় পরিস্থিতিতে সবাইকে শান্ত, সংযত ও দায়িত্বশীল থাকার আহ্বান জানাচ্ছি, যাতে দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও আসন্ন নির্বাচন প্রক্রিয়া কোনো ঝুঁকিতে না পড়ে। ** ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর ফেইসবুক [https://archive.ph/2025.12.19-174013/https://www.facebook.com/story.php?story_fbid=pfbid0o5wuKRoAAFPLevTubfn8qiwbuaC5EkghZuRE3Wycz2USQGNx56SJFzyEx5VpFBggl&id=61572817093578&mibextid=Nif5oz&_rdr পোস্টে]। * ‘আল্লাহ সবকিছু জানেন। আমি এর সঙ্গে জড়িত ছিলাম না।’ ** ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় রায়ের পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বলেছেন[https://www.jugantor.com/national/99524/%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B9-%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%9C%E0%A7%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%B0]১০ অক্টোবর ২০১৮ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ]] ba4qvwylww5pkzas6qhym4twl7kjlmr তারেক রহমান 0 8518 78749 72544 2026-04-20T03:02:31Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ]] যোগ 78749 wikitext text/x-wiki '''[[:w:তারেক রহমান|তারেক রহমান]]''' (জন্ম: ২০ নভেম্বর, ১৯৬৮ ঢাকা, বাংলাদেশ) হচ্ছেন একজন বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ। বর্তমানে তিনি [[বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী]] হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সাধারণত '''''তারেক জিয়া''''' নামে পরিচিত; যার শেষাংশটি এসেছে তাঁর পিতা বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি [[জিয়াউর রহমান|জিয়াউর রহমানের]] নাম থেকে। [[চিত্র:Tarique Rahman in november 2021.jpg|থাম্ব|২০২১ সালে তারেক জিয়া]] ==উক্তি== * আই হ্যাভ এ প্ল্যান। (আমার একটা পরিকল্পনা আছে।) ** ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://www.bssnews.net/bangla/news-flash/267013] * কীভাবে বাংলাদেশের পরিধি আমি বাড়াব, সীমানাকে আমি বাড়াব। দিস ইজ আ প্রায়োরিটি টু মি। ** এন টিভিতে ২০০৬ সালে জহিরুল আলমের সাথে এক সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান এটি বলেছিলেন। * বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিক সব ক্ষেত্রে সমান অধিকার ভোগ করবে—এটাই বিএনপির নীতি, এটাই বিএনপির রাজনীতি। আমাদের দল বিএনপি বিশ্বাস করে, দল–মত–ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। ** [[তারেক রহমান]]। ২০২৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমী উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক শুভেচ্ছা অনুষ্ঠানে দেওয় বক্তব্যে। [https://www.prothomalo.com/politics/05yr8egyma] * রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তনে সংস্কার অনিবার্য। ** ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে [https://www.kalerkantho.com/online/Politics/2024/12/16/1458120] * জবাবদিহির সরকার ও কার্যকর সংসদ জনগণের ক্ষমতা রক্ষা করতে পারে। ** ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে [https://www.prothomalo.com/politics/78ckt9auk] ==সম্পর্কিত উক্তি== * শরীফ [[ওসমান হাদি]]র উপর যে গুলিবর্ষণ করা হয়েছিলো, সেটাও কিন্তু তারেক রহমানের যে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সেটাকে সামনে রেখে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার একটা পায়তারা ছিল। ** আবিদুল ইসলাম খান, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://m.facebook.com/stories/122101010798642512/UzpfSVNDOjcxNDMwMzcxMTc1NDc4MA==/][https://rtvonline.com/politics/360735] * ওসমান হাদি কে এজেন্সি হত্যা করাইছে দুটি কারণে, ১. তারেক রহমান (TR 10) % সাহেবের আসার জন্য। ভারতের সামনে তারেক ভিন্ন কোন অপশন ই নেই। ২. #বিএনপি গুম খুনে জড়িত সেনা কর্মকর্তাদের বিচার না করার ঘোষণা দিয়েছে। এজেন্সি ক্রিমিনাল সেনা অফিসারদের বাচানোর জন্যই একজন দুর্নীতিবাজ ও সন্ত্রাসী কে ক্ষমতায় আনতে চায়। উল্লেখ্য বিএনপি মেগা প্রজেক্ট না করার ঘোষণা দিয়েছে শুধু তিস্তা প্রকল্প না করার জন্য। উল্লেখ্য হাদীর উপর গুলির দিনই তারেকের আসার ঘোষণা হয়। যাতে সে দেশে আসার আগেই প্রধানমন্ত্রীর মত নিরাপত্তা পায়। এছাড়া খালেদা জিয়া অনেক আগেই মারা যায় বর্তমানে হিমাগারে আছে। অন্যথায় কেন খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কোন ছবি/ ভিড়িও আসেনা। ** বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার ফেসবুক পোস্ট, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=1317012293786422&id=100064329923819] * অভিনন্দন! ইঞ্জিনিয়ার তারেক রহমান। জাতীয় ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ১৩তম ব্যাচে সাফল্যের জন্য শুভেচ্ছা। ** জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলের প্রতিক্রিয়ায়, [https://www.khaborerkagoj.com/politics/905753 ফেসবুক পোস্টে] এমন মন্তব্য করেন [[নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী]], ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ==আরও দেখুন== * [[ওসমান হাদি]] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৫-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ]] 4df3cxpaeeygyjf3jv32r4v2rz6sfr4 78750 78749 2026-04-20T03:02:46Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী]] যোগ 78750 wikitext text/x-wiki '''[[:w:তারেক রহমান|তারেক রহমান]]''' (জন্ম: ২০ নভেম্বর, ১৯৬৮ ঢাকা, বাংলাদেশ) হচ্ছেন একজন বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ। বর্তমানে তিনি [[বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী]] হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সাধারণত '''''তারেক জিয়া''''' নামে পরিচিত; যার শেষাংশটি এসেছে তাঁর পিতা বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি [[জিয়াউর রহমান|জিয়াউর রহমানের]] নাম থেকে। [[চিত্র:Tarique Rahman in november 2021.jpg|থাম্ব|২০২১ সালে তারেক জিয়া]] ==উক্তি== * আই হ্যাভ এ প্ল্যান। (আমার একটা পরিকল্পনা আছে।) ** ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://www.bssnews.net/bangla/news-flash/267013] * কীভাবে বাংলাদেশের পরিধি আমি বাড়াব, সীমানাকে আমি বাড়াব। দিস ইজ আ প্রায়োরিটি টু মি। ** এন টিভিতে ২০০৬ সালে জহিরুল আলমের সাথে এক সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান এটি বলেছিলেন। * বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিক সব ক্ষেত্রে সমান অধিকার ভোগ করবে—এটাই বিএনপির নীতি, এটাই বিএনপির রাজনীতি। আমাদের দল বিএনপি বিশ্বাস করে, দল–মত–ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। ** [[তারেক রহমান]]। ২০২৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমী উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক শুভেচ্ছা অনুষ্ঠানে দেওয় বক্তব্যে। [https://www.prothomalo.com/politics/05yr8egyma] * রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তনে সংস্কার অনিবার্য। ** ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে [https://www.kalerkantho.com/online/Politics/2024/12/16/1458120] * জবাবদিহির সরকার ও কার্যকর সংসদ জনগণের ক্ষমতা রক্ষা করতে পারে। ** ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে [https://www.prothomalo.com/politics/78ckt9auk] ==সম্পর্কিত উক্তি== * শরীফ [[ওসমান হাদি]]র উপর যে গুলিবর্ষণ করা হয়েছিলো, সেটাও কিন্তু তারেক রহমানের যে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সেটাকে সামনে রেখে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার একটা পায়তারা ছিল। ** আবিদুল ইসলাম খান, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://m.facebook.com/stories/122101010798642512/UzpfSVNDOjcxNDMwMzcxMTc1NDc4MA==/][https://rtvonline.com/politics/360735] * ওসমান হাদি কে এজেন্সি হত্যা করাইছে দুটি কারণে, ১. তারেক রহমান (TR 10) % সাহেবের আসার জন্য। ভারতের সামনে তারেক ভিন্ন কোন অপশন ই নেই। ২. #বিএনপি গুম খুনে জড়িত সেনা কর্মকর্তাদের বিচার না করার ঘোষণা দিয়েছে। এজেন্সি ক্রিমিনাল সেনা অফিসারদের বাচানোর জন্যই একজন দুর্নীতিবাজ ও সন্ত্রাসী কে ক্ষমতায় আনতে চায়। উল্লেখ্য বিএনপি মেগা প্রজেক্ট না করার ঘোষণা দিয়েছে শুধু তিস্তা প্রকল্প না করার জন্য। উল্লেখ্য হাদীর উপর গুলির দিনই তারেকের আসার ঘোষণা হয়। যাতে সে দেশে আসার আগেই প্রধানমন্ত্রীর মত নিরাপত্তা পায়। এছাড়া খালেদা জিয়া অনেক আগেই মারা যায় বর্তমানে হিমাগারে আছে। অন্যথায় কেন খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কোন ছবি/ ভিড়িও আসেনা। ** বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার ফেসবুক পোস্ট, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ [https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=1317012293786422&id=100064329923819] * অভিনন্দন! ইঞ্জিনিয়ার তারেক রহমান। জাতীয় ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ১৩তম ব্যাচে সাফল্যের জন্য শুভেচ্ছা। ** জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলের প্রতিক্রিয়ায়, [https://www.khaborerkagoj.com/politics/905753 ফেসবুক পোস্টে] এমন মন্তব্য করেন [[নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী]], ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ==আরও দেখুন== * [[ওসমান হাদি]] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৫-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী]] hsm1ts3dhl6yyfake4nscrl7qjo11x2 উইকিউক্তি আলোচনা:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫ 5 8872 78564 73506 2026-04-19T12:08:12Z ~2026-23962-35 5401 /* জমা দেওয়া যাচ্ছে না */ উত্তর 78564 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=5}} {{আলাপ পাতা}} == জমা দান প্রক্রিয়া == সম্প্রতি উইকিউক্তি প্রতিযোগিতা আরম্ভ হয়েছে। নবাগত হিসেবে সম্পাদনা জমাদানের প্রক্রিয়াটি জানতে পারি? [[ব্যবহারকারী:Yasser Raihan|Yasser Raihan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yasser Raihan|আলাপ]]) ০৬:৪৩, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Yasser Raihan|Yasser Raihan]] প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করায় আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। পাতা তৈরির কাজ সম্পন্ন হলে [https://checkmate.toolforge.org/editathon?key=QdqT7nTZm919a9yyf5zPsCO12dWzJO এই লিংকে] গিয়ে জমা দিন। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::চেকমেট কাজ করছে না! তাই জমাও দেয়া যাচ্ছে না। কি করণীয়? [[ব্যবহারকারী:অর্পিতা মজুমদার|অর্পিতা মজুমদার]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অর্পিতা মজুমদার|আলাপ]]) ১৭:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:অর্পিতা মজুমদার|অর্পিতা মজুমদার]] আপনি কি এর আগেও কোন আর্টিকেল জমা দিয়েছেন? :::যাহোক, একটু অপেক্ষা করুন। তারপর জমা দিন। [[ব্যবহারকারী:Yasser Raihan|Yasser Raihan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yasser Raihan|আলাপ]]) ১৭:৫৩, ১৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::আমি এই প্রথম জমা দিচ্ছি। আমি জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াটি বুঝতে পারছি না [[ব্যবহারকারী:অর্পিতা মজুমদার|অর্পিতা মজুমদার]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অর্পিতা মজুমদার|আলাপ]]) ১৯:২৩, ১৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:অর্পিতা মজুমদার|অর্পিতা মজুমদার]], যদি সমস্যা এখনও হয়ে থাকে তাহলে WhatsApp (0131 যে8145439) এ নক দিন। [[ব্যবহারকারী:Yasser Raihan|Yasser Raihan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yasser Raihan|আলাপ]]) ০৭:৫১, ১৫ এপ্র০২৫ (ইউটিসি দেখবেন) == পুনঃ সমস্যা == "অজিতকুমার গুহ" নামক অনুচ্ছেদে (পূর্বেই তৈরিকৃত) উক্তি সংযোজন করেছি। অতঃপর লিংকে গিয়ে "অজিতকুমার গুহ" শিরোনামে জমা দিতে গিয়ে Error সমস্যা দেখা দিচ্ছে। অনুগ্রহপূর্বক সঠিক পদ্ধতিটি একটু খোলাসা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Yasser Raihan|Yasser Raihan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yasser Raihan|আলাপ]]) ০৭:২৪, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :উইকিউক্তি তে [[অজিতকুমার গুহ]] নামে কোনো পাতা নেই। আপনি উইকিপিডিয়ায় অজিতকুমার গুহের নিবন্ধে উক্তি গুলো যোগ করেছেন, সেটা করলে হবে না। আপনি লাল লিংকটায় ক্লিক করে নতুন পাতা তৈরি করে সেখানে উক্তি যোগ করুন [[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|আলাপ]]) ০৭:৫৭, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == নিবন্ধের শিরোনাম == আয়োজকগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, Gopal Krishna Gokhale → গোপাল কৃষ্ণ গোখলে উইকিপিডিয়াতে নিবন্ধের শিরোনাম আছে ''[[:bn:w:গোপালকৃষ্ণ গোখলে|গোপালকৃষ্ণ গোখলে]]''। উইকিপিডিয়াতে আলাপ পাতায় স্থানান্তরের অনুরোধ করেছি। এখন উইকিপিডিয়াতে স্থানান্তরের অপেক্ষা করবো নাকি এখানে নিবন্ধ তৈরি করে ফেলবো? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku|আলাপ]]) ১২:১৯, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] আপনার উল্লেখিত লিংকে আমি কিছু পেলাম না! সঠিক লিংক দেন! [[ব্যবহারকারী:DeloarAkram|DeloarAkram]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DeloarAkram|আলাপ]]) ১০:৫৭, ১০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:DeloarAkram|DeloarAkram]] ::লিংকে গোপালকৃষ্ণ গোখলে উইকিপিডিয়া নিবন্ধ ছিল। উইকিপিডিয়াতে শিরোনাম আছে <code>গোপালকৃষ্ণ গোখলে</code>। স্থানান্তর করে করতে হবে <code>গোপাল কৃষ্ণ গোখলে</code>। স্থানান্তর করার চেষ্টা করলাম কিন্তু হলো না ! [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku|আলাপ]]) ১১:১২, ১০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::আমি কি করে দিবো? [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ১১:১৪, ১০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] হ্যা করে দেন! [[ব্যবহারকারী:DeloarAkram|DeloarAkram]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DeloarAkram|আলাপ]]) ১১:২২, ১০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] {{done}} [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০২:০৭, ১২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]]{{আপনাকে ধন্যবাদ}} [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku|আলাপ]]) ০২:১৭, ১২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == জমা দেওয়া যাচ্ছে না == চেকমেট কাজ করছে না! তাই জমাও দেয়া যাচ্ছে না। কি করণীয়? [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ১২:০৮, ১৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] আপনি কি পুনরায় চেষ্টা করেছেন? [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::এখন কাজ করছে। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৬:৩১, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :আমি ২০০ টাকা ডিপোজিট করেছি সেটা এখনই আমার একাউন্টে আসেনি প্লিজ দয়া করে একটু দেখুন [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-23962-35|&#126;2026-23962-35]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-23962-35|আলাপ]]) ১২:০৮, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == জমা দেওয়া যাচ্ছে না == চেকমেট কাজ করছে না! তাই জমাও দেয়া যাচ্ছে না। কি করণীয়? [[ব্যবহারকারী:অর্পিতা মজুমদার|অর্পিতা মজুমদার]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অর্পিতা মজুমদার|আলাপ]]) ১৬:৪৬, ১৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:অর্পিতা মজুমদার|অর্পিতা মজুমদার]] আপনি কি পুনরায় চেষ্টা করেছেন? [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ০৬:২৩, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::আমি এই প্রথম জমা দিচ্ছি। আমি জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াটি বুঝতে পারছি না [[ব্যবহারকারী:অর্পিতা মজুমদার|অর্পিতা মজুমদার]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অর্পিতা মজুমদার|আলাপ]]) ০৭:২৪, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:অর্পিতা মজুমদার|অর্পিতা মজুমদার]], আপনার জমাদানকৃত [[সুশ্রুত]] পাতাটি ইতোমধ্যে {{গৃহীত হয়েছে}}। আপনি আরও পাতা তৈরি করে শীর্ষস্থান অর্জনের জন্য প্রতিযোগিতা করুন! ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৫৮, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == জমা দেওয়া যাচ্ছে না == চেকমেট এ লগইন করা যাচ্ছে না। [[ব্যবহারকারী:Mashkawat.ahsan|Mashkawat.ahsan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mashkawat.ahsan|আলাপ]]) ১০:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mashkawat.ahsan|Mashkawat.ahsan]] আপনার সম্ভবত Webservice unavailable ত্রুটি আসছে। সমস্যার কথা ডেভেলপারকে জানানো হয়েছে। সাময়িক সমাধান হিসেবে এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন- Webservice unavailable আসলে পাতাটি রিলোড দিন, তাহলে কিছু হিজিবিজি লেখা আসবে। এবার ব্যাকে গেলে দেখবেন লগইন হয়ে গিয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১২:৪০, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ধন্যবাদ, লগইন করতে পেরেছি। [[ব্যবহারকারী:Mashkawat.ahsan|Mashkawat.ahsan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mashkawat.ahsan|আলাপ]]) ১২:২১, ১৬ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == জমাদান এবং সহজ ব্যাবহার == সকলেই কি Google Chrome ব্যাবহার করেই জমা দিচ্ছেন? অন্য কোনও সফটওয়্যার কি আছে এই কাজের জন্য? আর জমা দেয়ার পর কি এপ্রিভ হওয়ার কোনও ব্যাপার আছে? আর পুরো প্রক্রিয়াটার ইউটিউব ভিডিও করলে সবচেয়ে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Md Habibur R Rahman|Md Habibur R Rahman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Habibur R Rahman|আলাপ]]) ১৯:২৫, ১৬ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Md Habibur R Rahman|Md Habibur R Rahman]] আপনি যেকোনো ব্রাউজার থেকেই পাতা জমা দিতে পারবেন। পাতার উপরে থাকা জমাদান-লিংকে ক্লিক করে চেকমেইট টুলে লগইন করে জমা দিতে পারবেন। লক্ষ্য করেছি, আপনি পাতা তৈরি না করে অন্যের তৈরি পাতা জমা দিয়েছেন। এমনটা না করে তালিকা থেকে কিংবা ইংরেজি উইকিউক্তি থেকে পছন্দসই পাতা তৈরির অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৫৬, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ধন্যবাদ ভাই। আমি একদম নতুন একটি পাতা যোগ করেছি। [[জো রোগান]]। ইকটু রিভিউ দিবেন কেমন হলো৷ অনুগ্রহ করে জানাবেন এটা কি গৃহীত হওয়ার মতো কি না। [[ব্যবহারকারী:Md Habibur R Rahman|Md Habibur R Rahman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Habibur R Rahman|আলাপ]]) ১৫:১০, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == পর্যালোচনার আপিল == [[আলফ্রেড, লর্ড টেনিসন]],[[ওয়াল্ট হুইটম্যান]], [[আন্তন চেখভ]] এবং আরো অনেক পাতা গ্ৃহীত হয়েছে! <small>এই তিনটা ভুক্তিই @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ভাই পর্যালোচনা করেছেন </small> কিন্তু * নিবন্ধগুলোর উদ্ধ্ৃতিগুলোতে অনেক ইংরেজি লিখা *উক্তিগুলোতেও প্রচুর যান্ত্রিকতা বিদ্যমান এমন কয়েকটি পাতাঃ #[[এইচ.জি. ওয়েলস]] #[[পার্সি বিশি শেলি]] #[[স্টিভেন কিং]] # [[রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন]] আমি আর কিছুই বলতে চাই না। সামান্য ১-২ টি <s>ক্রুটির</s> ত্রুটির কারণে ভুক্তি অগৃহীত করে দিচ্ছেন যারা তারাই আবার ইংরেজি ভুক্তি গ্ৃহীত করছেন। আমি আপনাদেরকে শুধু বলব দয়া করে ভুক্তিগুলো দেখুন। এমন ২০-৩০টা উদাহরণ আমার কাছে আছে । [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ১৪:৪৩, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] তথ্যসূত্র ইংরেজি থাকতেই পারে [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] তথ্যসূত্রের শিরোনাম "ইংরেজি" রাখাই দস্তুর। বরং যারা তথ্যসূত্রের শিরোনামও বাংলায় অনুবাদ করেছে, তাদের তা ইংরেজি করতে বলা হবে কিনা, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। ভালো অপশন হচ্ছে মূল ইংরেজি রাখার পাশাপশি বাংলা অনুবাদ করা অথবা সরাসরি লিপ্যান্তর। এক্ষেত্রে তাই ভুল কিছু হয়নি। তাছাড়া উক্তির ক্ষেত্রে যান্ত্রিকতা বিষয়টি subjective; কিছুক্ষেত্রে উক্তির কাঠামো অক্ষুণ্ণ রাকতে আপাতদৃষ্ঠিতে যান্ত্রিক বাক্যও গ্রহণযোগ্য হতে পারে। ::এটা হয়েছে বলে ওটা কেন হয়নি, কিংবা ওটা না হওয়া সত্ত্বেও এটা কেন হয়েছে, এধরণের তুলনা উইকিতে খুব বেশি প্রাসঙ্গিক নয়। প্রতিটা পাতার case এখানে unique, এবং ঐ নির্দিষ্ট পাতার বিষয়েই সুনির্দিষ্ট আলোচনা হবে। ::প্রতিযোগিতা চলাকালীন ভুক্তি "অগৃহীত" করলে কী হয়, কী করতে হবে, তা [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/পর্যালোচনা নীতিমালা|পর্যালোচনা নীতিমালা]] পাতায় সুস্পষ্টভাবে বলা আছে এবং টেলিগ্রামে আপনাকে স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারপরেও একই বিষয় নিয়ে বারবার জিজ্ঞাসা করা অবান্তর এবং আয়োজক-পর্যালোচকদের "মূল্যবান" সময় নষ্ট করা বৈ কিছু নয়। ::সবশেষে [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/পর্যালোচনা নীতিমালা|পর্যালোচনা নীতিমালা]] পাতা থেকে বলছি: '''আপিল পর্যালোচনার ক্ষেত্রে জুরি ও আয়োজক সদস্যদের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।''' ::আর হ্যাঁ, একজন উইকিপিডিয়ানের কাছ থেকে আরও ভালো বানান-সচেতনতা প্রত্যাশিত। বিশেষত {{লাল|ক্রুটি}} শব্দটি দেখে আমি যারপরনাই হতাশ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৩৯, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) <small>{{collapse top|title=অপ্রয়োজনীয় আলোচনা}} :::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] বানানের ভুল আমার ইচ্ছায় হয় না এটা আমার ল্যাপটপের সমস্যা। আচ্ছা আমি কি আপিলের ফলাফল কি জানতে পারি? [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৩:৩৯, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] কী ফলাফল চান? আপনার প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০৭:২৭, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::সেগুলো কি পুনরায় পর্যালোচনা করা হবে? নাকি হবে না। এটা জানতে চাই। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৮:৩৮, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] কোনগুলো যেগুলো উল্লেখ করেছেন? [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০৮:৪১, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::::জ্বি। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৮:৪৫, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] এই বিষয়ে বলা হয়েছে নিবন্ধগুলোতে সমস্যা নেই। সূত্রের শিরোনাম ইংরেজি রাখাই বা যে ভাষায় আছে সেই ভাষায় রাখি উত্তম নাহলে অনুবাদ করে উক্ত ভাষা এবং অনুবাদকৃত দুইটি রাখাই ভালো। ::::::::কিছু অনুবাদ কিছুটা যান্ত্রিক হলেও গ্রহণ করার কারণ '''কিছুক্ষেত্রে উক্তির কাঠামো অক্ষুণ্ণ রাকতে <s>আপাতদৃষ্ঠিতে</s> আপাতদৃষ্টিতে যান্ত্রিক বাক্যও গ্রহণযোগ্য হতে পারে।''' ::::::::আশাকরি উত্তর পেয়েছেন [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০৮:৫০, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::::::শেষ পর্যন্ত আপনিও বানানে ভুল করলেন। এটা {{লাল|রাকতে}} নয় রাখতে হবে। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৮:৫২, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::::::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] আমি এটা shakib ভাইয়েরটা কপি করসি। বানান বিতর্ক বাদ দেন [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০৯:০৭, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::::::::কেন? বানান বিতর্ক তো আমি শুরুই করি নাই। শুরু করেছেন @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|সাকিব]] ভাই। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৯:০৮, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::::::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] তাহলে করতে থাকুন আপনার ব্যক্তিগত ইচ্ছা। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০৯:০৯, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::::::::অবশ্যই করতে থাকব, সাধারণত আমি কারো ভুল ধরি না। কিন্তু কেউ যদি আমার ভুল ধরে আমি তার ভুলগুলো ধরিয়ে দিতে শুরু করি। যা এই জীবদ্দশায় শেষ হবে না। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৯:১২, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::আর হ্যাঁ, আমিও বাংলা উইকিপিডিয়ার একজন প্রশাসকের থেকে ভুল বানান কোন ভাবেই কাম্য নয় বিশেষত {{লাল|আপাতদৃষ্ঠিতে}} বানানটি দেখে আমার হতাশা আরো বেড়ে গিয়েছে। @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ভাই আপনার মতো প্রশাসকের কাছে এটাতো কোনভাবেই কাম্য নয়। {{আপনাকে ধন্যবাদ}} [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৩:৪৯, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] আপনার অনেক শব্দ দেখি বিশেষ করে ঋ কার অদ্ভুত দেখায়। যেমন:গ্ৃহীত, হওয়ার কথা গৃহীত [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০৭:৫৯, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::আচ্ছা @[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]], আমি তো স্বীকার করছি যে এটা আমার ল্যাপটপের সমস্যা। আমার না। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৮:৩৭, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] আপনি কী ব্যবহার করেন বাংলা টাইপিং এ? [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০৮:৩৯, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::::যদিও আমি অভ্র ব্যবহার করি তবুও আমার এই সমস্যা হচ্ছে। আপাতত এটা কিবোর্ডের সমস্যা হচ্ছে বলে প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া গেছে। তবে বিস্তারিত তদন্তের পর সঠিক তথ্য জানা যাবে। <small> উইকিসংবাদে লিখতে লিখতে এই অবস্থা হয়েছে। শুধু সংবাদ লিখতে ইচ্ছা করে। </small> [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৮:৪৫, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) {{collapse bottom}}</small> * আপিল পর্যালোচনা {{করা হয়েছে|সমাপ্ত}}। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:৩৭, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == স্বরচিত উক্তি == নিজ থেকে কি উক্তি তৈরি করে দেওয়া যাবে? [[বিশেষ:অবদান/103.73.107.187|103.73.107.187]] ১৭:০১, ২৬ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :না। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ১০:২২, ২৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == অংশগ্রহণ == আমি কিভা্বে অংশ নিতে পারি? কোথায় শেয়ার করতে হবে উক্তি [[বিশেষ:অবদান/37.111.193.218|37.111.193.218]] ১২:০৬, ২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == Rasel == ''বাঁকা'' [[বিশেষ:অবদান/42.0.7.249|42.0.7.249]] ০২:২৯, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :ডতঢ [[বিশেষ:অবদান/103.138.202.109|103.138.202.109]] ১৩:০৬, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == প্রশ্ন == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ভাই, এই প্রতিযোগিতায় কি বই নিয়ে কাজ করা যাবে? [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ১৫:৪৩, ৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] না। কবিতা-উপন্যাস উল্লেখ করা থাকলেও স্পষ্টভাবে "বই" উল্লেখ ছিল না। এখন উল্লেখ করে দিয়েছি। অন্য বিষয়ে পাতা তৈরি করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০০:২০, ৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == Checkmate এ ডাটা ভূল দেখাচ্ছে কেন? == সবার ডাটা ভূল দেখাচ্ছে কেন? কারোও সব এপ্রুভ হয়েছে, আবার কারো একটাও এপ্রুভ হয়নি এমন দেখাচ্ছে কেন? @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] @[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] চেকমেট এর সমস্যা ঠিক করেন দ্রুত। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১১:০৩, ৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] অপেক্ষা করুন, সব ঠিক হয়ে যাবে। আর হ্যাঁ, আমিও এখানে আপনার মতো প্রতিযোগী তাই আমাকে মেনশন না করে আয়োজক অর্থাৎ @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ভাইকে ট্যাগ করুন। ধন্যবাদ। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ১১:০৫, ৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] সার্ভার সমস্যার কারণে কিছু data মুছে গিয়েছে। ফলে অধিকাংশ পর্যালোচনাই মুছে গিয়েছে। তাই নতুন করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আপনার তৈরি পাতাগুলোও পর্যালোচনা করা হচ্ছে/হবে। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২৩:০২, ৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == sahanur Miya == 498.99 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-20586-09|&#126;2026-20586-09]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-20586-09|আলাপ]]) ১৯:৫৫, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) tgypdn0zzbhlc9t6lu4ooqa240thsis 78565 78564 2026-04-19T12:09:28Z ~2026-23962-35 5401 /* জমা দেওয়া যাচ্ছে না 2 */ উত্তর 78565 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=5}} {{আলাপ পাতা}} == জমা দান প্রক্রিয়া == সম্প্রতি উইকিউক্তি প্রতিযোগিতা আরম্ভ হয়েছে। নবাগত হিসেবে সম্পাদনা জমাদানের প্রক্রিয়াটি জানতে পারি? [[ব্যবহারকারী:Yasser Raihan|Yasser Raihan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yasser Raihan|আলাপ]]) ০৬:৪৩, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Yasser Raihan|Yasser Raihan]] প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করায় আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। পাতা তৈরির কাজ সম্পন্ন হলে [https://checkmate.toolforge.org/editathon?key=QdqT7nTZm919a9yyf5zPsCO12dWzJO এই লিংকে] গিয়ে জমা দিন। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ০৭:০৭, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::চেকমেট কাজ করছে না! তাই জমাও দেয়া যাচ্ছে না। কি করণীয়? [[ব্যবহারকারী:অর্পিতা মজুমদার|অর্পিতা মজুমদার]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অর্পিতা মজুমদার|আলাপ]]) ১৭:১৯, ১৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:অর্পিতা মজুমদার|অর্পিতা মজুমদার]] আপনি কি এর আগেও কোন আর্টিকেল জমা দিয়েছেন? :::যাহোক, একটু অপেক্ষা করুন। তারপর জমা দিন। [[ব্যবহারকারী:Yasser Raihan|Yasser Raihan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yasser Raihan|আলাপ]]) ১৭:৫৩, ১৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::আমি এই প্রথম জমা দিচ্ছি। আমি জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াটি বুঝতে পারছি না [[ব্যবহারকারী:অর্পিতা মজুমদার|অর্পিতা মজুমদার]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অর্পিতা মজুমদার|আলাপ]]) ১৯:২৩, ১৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:অর্পিতা মজুমদার|অর্পিতা মজুমদার]], যদি সমস্যা এখনও হয়ে থাকে তাহলে WhatsApp (0131 যে8145439) এ নক দিন। [[ব্যবহারকারী:Yasser Raihan|Yasser Raihan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yasser Raihan|আলাপ]]) ০৭:৫১, ১৫ এপ্র০২৫ (ইউটিসি দেখবেন) == পুনঃ সমস্যা == "অজিতকুমার গুহ" নামক অনুচ্ছেদে (পূর্বেই তৈরিকৃত) উক্তি সংযোজন করেছি। অতঃপর লিংকে গিয়ে "অজিতকুমার গুহ" শিরোনামে জমা দিতে গিয়ে Error সমস্যা দেখা দিচ্ছে। অনুগ্রহপূর্বক সঠিক পদ্ধতিটি একটু খোলাসা করবেন। [[ব্যবহারকারী:Yasser Raihan|Yasser Raihan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yasser Raihan|আলাপ]]) ০৭:২৪, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :উইকিউক্তি তে [[অজিতকুমার গুহ]] নামে কোনো পাতা নেই। আপনি উইকিপিডিয়ায় অজিতকুমার গুহের নিবন্ধে উক্তি গুলো যোগ করেছেন, সেটা করলে হবে না। আপনি লাল লিংকটায় ক্লিক করে নতুন পাতা তৈরি করে সেখানে উক্তি যোগ করুন [[ব্যবহারকারী:Nil Nandy|Nil Nandy]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Nil Nandy|আলাপ]]) ০৭:৫৭, ৭ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == নিবন্ধের শিরোনাম == আয়োজকগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, Gopal Krishna Gokhale → গোপাল কৃষ্ণ গোখলে উইকিপিডিয়াতে নিবন্ধের শিরোনাম আছে ''[[:bn:w:গোপালকৃষ্ণ গোখলে|গোপালকৃষ্ণ গোখলে]]''। উইকিপিডিয়াতে আলাপ পাতায় স্থানান্তরের অনুরোধ করেছি। এখন উইকিপিডিয়াতে স্থানান্তরের অপেক্ষা করবো নাকি এখানে নিবন্ধ তৈরি করে ফেলবো? [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku|আলাপ]]) ১২:১৯, ৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] আপনার উল্লেখিত লিংকে আমি কিছু পেলাম না! সঠিক লিংক দেন! [[ব্যবহারকারী:DeloarAkram|DeloarAkram]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DeloarAkram|আলাপ]]) ১০:৫৭, ১০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:DeloarAkram|DeloarAkram]] ::লিংকে গোপালকৃষ্ণ গোখলে উইকিপিডিয়া নিবন্ধ ছিল। উইকিপিডিয়াতে শিরোনাম আছে <code>গোপালকৃষ্ণ গোখলে</code>। স্থানান্তর করে করতে হবে <code>গোপাল কৃষ্ণ গোখলে</code>। স্থানান্তর করার চেষ্টা করলাম কিন্তু হলো না ! [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku|আলাপ]]) ১১:১২, ১০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::আমি কি করে দিবো? [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ১১:১৪, ১০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] হ্যা করে দেন! [[ব্যবহারকারী:DeloarAkram|DeloarAkram]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:DeloarAkram|আলাপ]]) ১১:২২, ১০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] {{done}} [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০২:০৭, ১২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]]{{আপনাকে ধন্যবাদ}} [[ব্যবহারকারী:Arijit Kisku|Arijit Kisku]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Arijit Kisku|আলাপ]]) ০২:১৭, ১২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == জমা দেওয়া যাচ্ছে না == চেকমেট কাজ করছে না! তাই জমাও দেয়া যাচ্ছে না। কি করণীয়? [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ১২:০৮, ১৩ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] আপনি কি পুনরায় চেষ্টা করেছেন? [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ০৬:২৪, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::এখন কাজ করছে। [[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Mobashir Hossain|আলাপ]]) ০৬:৩১, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :আমি ২০০ টাকা ডিপোজিট করেছি সেটা এখনই আমার একাউন্টে আসেনি প্লিজ দয়া করে একটু দেখুন [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-23962-35|&#126;2026-23962-35]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-23962-35|আলাপ]]) ১২:০৮, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == জমা দেওয়া যাচ্ছে না == চেকমেট কাজ করছে না! তাই জমাও দেয়া যাচ্ছে না। কি করণীয়? [[ব্যবহারকারী:অর্পিতা মজুমদার|অর্পিতা মজুমদার]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অর্পিতা মজুমদার|আলাপ]]) ১৬:৪৬, ১৪ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:অর্পিতা মজুমদার|অর্পিতা মজুমদার]] আপনি কি পুনরায় চেষ্টা করেছেন? [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ০৬:২৩, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::আমি এই প্রথম জমা দিচ্ছি। আমি জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াটি বুঝতে পারছি না [[ব্যবহারকারী:অর্পিতা মজুমদার|অর্পিতা মজুমদার]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:অর্পিতা মজুমদার|আলাপ]]) ০৭:২৪, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:অর্পিতা মজুমদার|অর্পিতা মজুমদার]], আপনার জমাদানকৃত [[সুশ্রুত]] পাতাটি ইতোমধ্যে {{গৃহীত হয়েছে}}। আপনি আরও পাতা তৈরি করে শীর্ষস্থান অর্জনের জন্য প্রতিযোগিতা করুন! ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৫৮, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::আমি ডিপোজিট করেছি ২০০ টাকা সেটা এখনই অ্যাকাউন্টে আসেনি প্লিজ দয়া করে একটু দেখুন এগুলোটিভ নাকি [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-23962-35|&#126;2026-23962-35]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-23962-35|আলাপ]]) ১২:০৯, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == জমা দেওয়া যাচ্ছে না == চেকমেট এ লগইন করা যাচ্ছে না। [[ব্যবহারকারী:Mashkawat.ahsan|Mashkawat.ahsan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mashkawat.ahsan|আলাপ]]) ১০:৩৯, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mashkawat.ahsan|Mashkawat.ahsan]] আপনার সম্ভবত Webservice unavailable ত্রুটি আসছে। সমস্যার কথা ডেভেলপারকে জানানো হয়েছে। সাময়িক সমাধান হিসেবে এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন- Webservice unavailable আসলে পাতাটি রিলোড দিন, তাহলে কিছু হিজিবিজি লেখা আসবে। এবার ব্যাকে গেলে দেখবেন লগইন হয়ে গিয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Yahya|Yahya]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Yahya|আলাপ]]) ১২:৪০, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ধন্যবাদ, লগইন করতে পেরেছি। [[ব্যবহারকারী:Mashkawat.ahsan|Mashkawat.ahsan]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mashkawat.ahsan|আলাপ]]) ১২:২১, ১৬ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == জমাদান এবং সহজ ব্যাবহার == সকলেই কি Google Chrome ব্যাবহার করেই জমা দিচ্ছেন? অন্য কোনও সফটওয়্যার কি আছে এই কাজের জন্য? আর জমা দেয়ার পর কি এপ্রিভ হওয়ার কোনও ব্যাপার আছে? আর পুরো প্রক্রিয়াটার ইউটিউব ভিডিও করলে সবচেয়ে ভালো হয়। [[ব্যবহারকারী:Md Habibur R Rahman|Md Habibur R Rahman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Habibur R Rahman|আলাপ]]) ১৯:২৫, ১৬ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Md Habibur R Rahman|Md Habibur R Rahman]] আপনি যেকোনো ব্রাউজার থেকেই পাতা জমা দিতে পারবেন। পাতার উপরে থাকা জমাদান-লিংকে ক্লিক করে চেকমেইট টুলে লগইন করে জমা দিতে পারবেন। লক্ষ্য করেছি, আপনি পাতা তৈরি না করে অন্যের তৈরি পাতা জমা দিয়েছেন। এমনটা না করে তালিকা থেকে কিংবা ইংরেজি উইকিউক্তি থেকে পছন্দসই পাতা তৈরির অনুরোধ করছি। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৫৬, ২০ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::ধন্যবাদ ভাই। আমি একদম নতুন একটি পাতা যোগ করেছি। [[জো রোগান]]। ইকটু রিভিউ দিবেন কেমন হলো৷ অনুগ্রহ করে জানাবেন এটা কি গৃহীত হওয়ার মতো কি না। [[ব্যবহারকারী:Md Habibur R Rahman|Md Habibur R Rahman]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Habibur R Rahman|আলাপ]]) ১৫:১০, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == পর্যালোচনার আপিল == [[আলফ্রেড, লর্ড টেনিসন]],[[ওয়াল্ট হুইটম্যান]], [[আন্তন চেখভ]] এবং আরো অনেক পাতা গ্ৃহীত হয়েছে! <small>এই তিনটা ভুক্তিই @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ভাই পর্যালোচনা করেছেন </small> কিন্তু * নিবন্ধগুলোর উদ্ধ্ৃতিগুলোতে অনেক ইংরেজি লিখা *উক্তিগুলোতেও প্রচুর যান্ত্রিকতা বিদ্যমান এমন কয়েকটি পাতাঃ #[[এইচ.জি. ওয়েলস]] #[[পার্সি বিশি শেলি]] #[[স্টিভেন কিং]] # [[রাল্ফ ওয়াল্ডো এমারসন]] আমি আর কিছুই বলতে চাই না। সামান্য ১-২ টি <s>ক্রুটির</s> ত্রুটির কারণে ভুক্তি অগৃহীত করে দিচ্ছেন যারা তারাই আবার ইংরেজি ভুক্তি গ্ৃহীত করছেন। আমি আপনাদেরকে শুধু বলব দয়া করে ভুক্তিগুলো দেখুন। এমন ২০-৩০টা উদাহরণ আমার কাছে আছে । [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ১৪:৪৩, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] তথ্যসূত্র ইংরেজি থাকতেই পারে [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ১৭:৪৩, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] তথ্যসূত্রের শিরোনাম "ইংরেজি" রাখাই দস্তুর। বরং যারা তথ্যসূত্রের শিরোনামও বাংলায় অনুবাদ করেছে, তাদের তা ইংরেজি করতে বলা হবে কিনা, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। ভালো অপশন হচ্ছে মূল ইংরেজি রাখার পাশাপশি বাংলা অনুবাদ করা অথবা সরাসরি লিপ্যান্তর। এক্ষেত্রে তাই ভুল কিছু হয়নি। তাছাড়া উক্তির ক্ষেত্রে যান্ত্রিকতা বিষয়টি subjective; কিছুক্ষেত্রে উক্তির কাঠামো অক্ষুণ্ণ রাকতে আপাতদৃষ্ঠিতে যান্ত্রিক বাক্যও গ্রহণযোগ্য হতে পারে। ::এটা হয়েছে বলে ওটা কেন হয়নি, কিংবা ওটা না হওয়া সত্ত্বেও এটা কেন হয়েছে, এধরণের তুলনা উইকিতে খুব বেশি প্রাসঙ্গিক নয়। প্রতিটা পাতার case এখানে unique, এবং ঐ নির্দিষ্ট পাতার বিষয়েই সুনির্দিষ্ট আলোচনা হবে। ::প্রতিযোগিতা চলাকালীন ভুক্তি "অগৃহীত" করলে কী হয়, কী করতে হবে, তা [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/পর্যালোচনা নীতিমালা|পর্যালোচনা নীতিমালা]] পাতায় সুস্পষ্টভাবে বলা আছে এবং টেলিগ্রামে আপনাকে স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারপরেও একই বিষয় নিয়ে বারবার জিজ্ঞাসা করা অবান্তর এবং আয়োজক-পর্যালোচকদের "মূল্যবান" সময় নষ্ট করা বৈ কিছু নয়। ::সবশেষে [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৫/পর্যালোচনা নীতিমালা|পর্যালোচনা নীতিমালা]] পাতা থেকে বলছি: '''আপিল পর্যালোচনার ক্ষেত্রে জুরি ও আয়োজক সদস্যদের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।''' ::আর হ্যাঁ, একজন উইকিপিডিয়ানের কাছ থেকে আরও ভালো বানান-সচেতনতা প্রত্যাশিত। বিশেষত {{লাল|ক্রুটি}} শব্দটি দেখে আমি যারপরনাই হতাশ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১৯:৩৯, ২১ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) <small>{{collapse top|title=অপ্রয়োজনীয় আলোচনা}} :::@[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] বানানের ভুল আমার ইচ্ছায় হয় না এটা আমার ল্যাপটপের সমস্যা। আচ্ছা আমি কি আপিলের ফলাফল কি জানতে পারি? [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৩:৩৯, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] কী ফলাফল চান? আপনার প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০৭:২৭, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::সেগুলো কি পুনরায় পর্যালোচনা করা হবে? নাকি হবে না। এটা জানতে চাই। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৮:৩৮, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] কোনগুলো যেগুলো উল্লেখ করেছেন? [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০৮:৪১, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::::জ্বি। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৮:৪৫, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] এই বিষয়ে বলা হয়েছে নিবন্ধগুলোতে সমস্যা নেই। সূত্রের শিরোনাম ইংরেজি রাখাই বা যে ভাষায় আছে সেই ভাষায় রাখি উত্তম নাহলে অনুবাদ করে উক্ত ভাষা এবং অনুবাদকৃত দুইটি রাখাই ভালো। ::::::::কিছু অনুবাদ কিছুটা যান্ত্রিক হলেও গ্রহণ করার কারণ '''কিছুক্ষেত্রে উক্তির কাঠামো অক্ষুণ্ণ রাকতে <s>আপাতদৃষ্ঠিতে</s> আপাতদৃষ্টিতে যান্ত্রিক বাক্যও গ্রহণযোগ্য হতে পারে।''' ::::::::আশাকরি উত্তর পেয়েছেন [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০৮:৫০, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::::::শেষ পর্যন্ত আপনিও বানানে ভুল করলেন। এটা {{লাল|রাকতে}} নয় রাখতে হবে। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৮:৫২, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::::::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] আমি এটা shakib ভাইয়েরটা কপি করসি। বানান বিতর্ক বাদ দেন [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০৯:০৭, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::::::::কেন? বানান বিতর্ক তো আমি শুরুই করি নাই। শুরু করেছেন @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|সাকিব]] ভাই। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৯:০৮, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::::::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] তাহলে করতে থাকুন আপনার ব্যক্তিগত ইচ্ছা। [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০৯:০৯, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::::::::অবশ্যই করতে থাকব, সাধারণত আমি কারো ভুল ধরি না। কিন্তু কেউ যদি আমার ভুল ধরে আমি তার ভুলগুলো ধরিয়ে দিতে শুরু করি। যা এই জীবদ্দশায় শেষ হবে না। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৯:১২, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::আর হ্যাঁ, আমিও বাংলা উইকিপিডিয়ার একজন প্রশাসকের থেকে ভুল বানান কোন ভাবেই কাম্য নয় বিশেষত {{লাল|আপাতদৃষ্ঠিতে}} বানানটি দেখে আমার হতাশা আরো বেড়ে গিয়েছে। @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ভাই আপনার মতো প্রশাসকের কাছে এটাতো কোনভাবেই কাম্য নয়। {{আপনাকে ধন্যবাদ}} [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৩:৪৯, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] আপনার অনেক শব্দ দেখি বিশেষ করে ঋ কার অদ্ভুত দেখায়। যেমন:গ্ৃহীত, হওয়ার কথা গৃহীত [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০৭:৫৯, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::আচ্ছা @[[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]], আমি তো স্বীকার করছি যে এটা আমার ল্যাপটপের সমস্যা। আমার না। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৮:৩৭, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) ::::::@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] আপনি কী ব্যবহার করেন বাংলা টাইপিং এ? [[ব্যবহারকারী:R1F4T|R1F4T]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:R1F4T|আলাপ]]) ০৮:৩৯, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :::::::যদিও আমি অভ্র ব্যবহার করি তবুও আমার এই সমস্যা হচ্ছে। আপাতত এটা কিবোর্ডের সমস্যা হচ্ছে বলে প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া গেছে। তবে বিস্তারিত তদন্তের পর সঠিক তথ্য জানা যাবে। <small> উইকিসংবাদে লিখতে লিখতে এই অবস্থা হয়েছে। শুধু সংবাদ লিখতে ইচ্ছা করে। </small> [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ০৮:৪৫, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) {{collapse bottom}}</small> * আপিল পর্যালোচনা {{করা হয়েছে|সমাপ্ত}}। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ১০:৩৭, ২২ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == স্বরচিত উক্তি == নিজ থেকে কি উক্তি তৈরি করে দেওয়া যাবে? [[বিশেষ:অবদান/103.73.107.187|103.73.107.187]] ১৭:০১, ২৬ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) :না। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ১০:২২, ২৮ এপ্রিল ২০২৫ (ইউটিসি) == অংশগ্রহণ == আমি কিভা্বে অংশ নিতে পারি? কোথায় শেয়ার করতে হবে উক্তি [[বিশেষ:অবদান/37.111.193.218|37.111.193.218]] ১২:০৬, ২ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == Rasel == ''বাঁকা'' [[বিশেষ:অবদান/42.0.7.249|42.0.7.249]] ০২:২৯, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :ডতঢ [[বিশেষ:অবদান/103.138.202.109|103.138.202.109]] ১৩:০৬, ৩ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == প্রশ্ন == @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ভাই, এই প্রতিযোগিতায় কি বই নিয়ে কাজ করা যাবে? [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ১৫:৪৩, ৪ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] না। কবিতা-উপন্যাস উল্লেখ করা থাকলেও স্পষ্টভাবে "বই" উল্লেখ ছিল না। এখন উল্লেখ করে দিয়েছি। অন্য বিষয়ে পাতা তৈরি করুন। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ০০:২০, ৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == Checkmate এ ডাটা ভূল দেখাচ্ছে কেন? == সবার ডাটা ভূল দেখাচ্ছে কেন? কারোও সব এপ্রুভ হয়েছে, আবার কারো একটাও এপ্রুভ হয়নি এমন দেখাচ্ছে কেন? @[[ব্যবহারকারী:NusJaS|NusJaS]] @[[ব্যবহারকারী:Md Mobashir Hossain|Md Mobashir Hossain]] চেকমেট এর সমস্যা ঠিক করেন দ্রুত। [[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md Shuvo Sheikh|আলাপ]]) ১১:০৩, ৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] অপেক্ষা করুন, সব ঠিক হয়ে যাবে। আর হ্যাঁ, আমিও এখানে আপনার মতো প্রতিযোগী তাই আমাকে মেনশন না করে আয়োজক অর্থাৎ @[[ব্যবহারকারী:MS Sakib|MS Sakib]] ভাইকে ট্যাগ করুন। ধন্যবাদ। [[User:Md Mobashir Hossain|মোবাশশির]] <small>[[User Talk:Md Mobashir Hossain|বার্তা দিন]]</small> ১১:০৫, ৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Md Shuvo Sheikh|Md Shuvo Sheikh]] সার্ভার সমস্যার কারণে কিছু data মুছে গিয়েছে। ফলে অধিকাংশ পর্যালোচনাই মুছে গিয়েছে। তাই নতুন করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আপনার তৈরি পাতাগুলোও পর্যালোচনা করা হচ্ছে/হবে। ধন্যবাদ। ≈ <b style="border:2px solid#103;font-family:georgia;font-variant:small-caps">[[User:MS_Sakib|<b style="background-color:#1E816F;color:#fff">&nbsp;MS Sakib&nbsp;</b>]] [[User talk:MS Sakib|📩]] <b>·</b>[[বিশেষ:অবদান/MS Sakib|📝]]</b> ২৩:০২, ৫ মে ২০২৫ (ইউটিসি) == sahanur Miya == 498.99 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-20586-09|&#126;2026-20586-09]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-20586-09|আলাপ]]) ১৯:৫৫, ৩ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 9lf2ujjiv8jc7fx8qs48a4v6go27dzd উইকিউক্তি:রসোক্তি/৩ 4 9186 78863 51593 2026-04-20T09:05:13Z JIBON 2570 78863 wikitext text/x-wiki {{রস|উক্তি=জার্মান ভাষাতেই প্রবাদ আছে, 'ওষুধ খেলে সর্দি সারে সাত দিনে, না খেলে এক সপ্তায়।'|উৎস=বেঁচে থাকো সর্দি-কাশি, [[চাচা কাহিনী]]।|বক্তা=[[সৈয়দ মুজতবা আলী]]}} 9qi0kdk9qeuf5v2mpcfncatljzg7seh যীশু 0 11204 78712 63852 2026-04-20T01:21:30Z EmausBot 94 [[যিশু]] পাতায় করা দ্বিপুনর্নির্দেশনা ঠিক করেছে 78712 wikitext text/x-wiki #পুনর্নির্দেশ [[যিশু]] {{একটি পুনর্নির্দেশ}} o34dpnv9f90htcmpgxd66kibonfiegg বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ 14 11654 78744 70039 2026-04-20T02:59:40Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল]] অপসারণ 78744 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:দল অনুযায়ী বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী]] g6vxro32h8rsv8kb1d8nagqpuoc6kpa 78745 78744 2026-04-20T03:00:00Z Tuhin 172 [[Special:Contributions/Tuhin|Tuhin]] ([[User talk:Tuhin|আলাপ]])-এর সম্পাদিত [[Special:Diff/78744|78744]] নম্বর সংশোধনটি বাতিল করা হয়েছে 78745 wikitext text/x-wiki [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল]] [[বিষয়শ্রেণী:দল অনুযায়ী বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী]] 9vxc38vxy6kxi8r1cxx0hkpijp1m1l5 উইকিউক্তি আলোচনা:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬ 5 11851 78563 78562 2026-04-19T12:04:35Z ~2026-23962-35 5401 /* আমি ২০০ টাকা এই নাম্বারে ডিপোজিট করেছি সেটা আসেনি প্লিজ দয়া করে একটু দেখুন */ নতুন অনুচ্ছেদ 78563 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=500x}} {{আলাপ পাতা}} == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == 01867569843 500 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24047-82|&#126;2026-24047-82]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24047-82|আলাপ]]) ১১:৪৭, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :01867569843 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24047-82|&#126;2026-24047-82]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24047-82|আলাপ]]) ১১:৫২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == আমি ২০০ টাকা এই নাম্বারে ডিপোজিট করেছি সেটা আসেনি প্লিজ দয়া করে একটু দেখুন == আমি ২০০ টাকা ডিপোজিট করেছি সেটা এখনো আসেনি প্লিজ দয়া করে একটু দেখুন [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-23962-35|&#126;2026-23962-35]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-23962-35|আলাপ]]) ১২:০৪, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) chtkbfjp77r1ca3bqxangl5bjayst5i 78589 78563 2026-04-19T12:48:48Z JIBON 2570 [[Special:Contributions/~2026-23962-35|~2026-23962-35]] ([[User talk:~2026-23962-35|আলাপ]])-এর সম্পাদিত [[Special:Diff/78563|78563]] নম্বর সংশোধনটি বাতিল করা হয়েছে 78589 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=500x}} {{আলাপ পাতা}} == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == 01867569843 500 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24047-82|&#126;2026-24047-82]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24047-82|আলাপ]]) ১১:৪৭, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :01867569843 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24047-82|&#126;2026-24047-82]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24047-82|আলাপ]]) ১১:৫২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) i4gg5c1d8r4orn37i2hn7nvsvsxs1o7 78590 78589 2026-04-19T12:49:40Z JIBON 2570 পাতা পরিষ্কার করা হলো 78590 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=500x}} {{আলাপ পাতা}} == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) k6rapj9taas4h70587s0bmfeumnqm6u 78594 78590 2026-04-19T12:57:47Z ~2026-24073-34 5404 /* সাকিবুল হাসান */ নতুন অনুচ্ছেদ 78594 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=500x}} {{আলাপ পাতা}} == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == সাকিবুল হাসান == র [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24073-34|&#126;2026-24073-34]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24073-34|আলাপ]]) ১২:৫৭, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) qgl33kdhm81nvda6azvdfyr6wu6hmau 78613 78594 2026-04-19T14:47:34Z MdsShakil 6 [[Special:Contributions/~2026-24073-34|~2026-24073-34]] ([[User talk:~2026-24073-34|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:JIBON|JIBON]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 78590 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=500x}} {{আলাপ পাতা}} == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) k6rapj9taas4h70587s0bmfeumnqm6u 78795 78613 2026-04-20T05:09:54Z ~2026-24122-79 5430 /* স্বামীর */ নতুন অনুচ্ছেদ 78795 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=500x}} {{আলাপ পাতা}} == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == স্বামীর == রঙ ঘতমচশর্তে [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24122-79|&#126;2026-24122-79]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24122-79|আলাপ]]) ০৫:০৯, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) otktbm8txe5p5y4q37vcsmso57pkv5b 78824 78795 2026-04-20T06:49:39Z ~2026-24276-03 5434 /* MD.NURNABI */ নতুন অনুচ্ছেদ 78824 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=500x}} {{আলাপ পাতা}} == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == স্বামীর == রঙ ঘতমচশর্তে [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24122-79|&#126;2026-24122-79]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24122-79|আলাপ]]) ০৫:০৯, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == MD.NURNABI == 01862628589 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24276-03|&#126;2026-24276-03]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24276-03|আলাপ]]) ০৬:৪৯, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) psis5aj5i10ha9jtenbg4knw8jh2oqt 78825 78824 2026-04-20T06:54:17Z ~2026-24276-03 5434 /* MD.NURNABI */ উত্তর 78825 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=500x}} {{আলাপ পাতা}} == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == স্বামীর == রঙ ঘতমচশর্তে [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24122-79|&#126;2026-24122-79]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24122-79|আলাপ]]) ০৫:০৯, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == MD.NURNABI == 01862628589 [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24276-03|&#126;2026-24276-03]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24276-03|আলাপ]]) ০৬:৪৯, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :[[01862628589]] [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-24276-03|&#126;2026-24276-03]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-24276-03|আলাপ]]) ০৬:৫৪, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) nnz73y1o89cpwr0y7qmmq04dqq9v9id 78867 78825 2026-04-20T09:35:23Z ARI 356 পরিষ্কার 78867 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=500x}} {{আলাপ পাতা}} == "Misattributed" শিরোনাম == "Misattributed" শিরোনামের অংশগুলোও কি অনুবাদ করতে হবে? উদাহরণস্বরূপ: [[:en:Ibrahim Traoré]], এইখানে "Misattributed" শিরোনামের একটা সেকশন আছে, অর্থাৎ সেখানের উক্তিগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে কি এই সেকশনও অনুবাদ করবো? নাকি উপেক্ষা করবো?? ধন্যবাদ ~ [[ব্যবহারকারী:Raihanur|Raihanur]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Raihanur|আলাপ]]) ২১:২১, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :এইখানে উক্তিগুলো মিথ্যাও হতে পারে। সঠিক প্রমাণ নেই এখনো। আপনি আপনার নজরতালিকায় ঐ পাতাটি রেখে দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে অনুবাদ করে দিতে পারেন যদি সত্যতা যাচাই হয়। [[ব্যবহারকারী:JIBON|মানিক]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:JIBON|আলাপ]]) ১৫:৫২, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) k6rapj9taas4h70587s0bmfeumnqm6u উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী 4 11853 78631 78523 2026-04-19T15:49:45Z Jemynokrek 5308 78631 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}} <inputbox> type = comment default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী preload = টেমপ্লেট:আমি editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা nosummary=true hidden = yes buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন minor = true break = no </inputbox> {{div col}} <!-- ------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। --------------------------------------------------- সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}} ---> <!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না --> <!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন ১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই। ২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে। ৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন --> <!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন --> * {{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}} * {{ব্যবহারকারী|NusJaS}} * {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}} * {{ব্যবহারকারী|ARI}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}} * {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}} * {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}} * {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}} * {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}} * {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}} * {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}} * {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}} * {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}} * {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}} * {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}} * {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}} * {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}} * {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}} * {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}} * {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}} * {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}} * {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}} * {{ব্যবহারকারী|NotNahid}} * {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}} * {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}} * {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}} * {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}} * {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}} * {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}} * {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}} * {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}} * {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}} * {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}} * {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}} * {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}} * {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}} * {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}} * {{ব্যবহারকারী|Raihanur}} * {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}} * {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}} * {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}} * {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}} * {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}} * {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}} * {{ব্যবহারকারী|Borhan}} * {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}} * {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}} * {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}} * {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}} * {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}} * {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}} * {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}} * {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}} * {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}} * {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}} * {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}} * {{ব্যবহারকারী|JIBON}} * {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}} * {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}} * {{ব্যবহারকারী|Mksh46}} * {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}} * {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}} * {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}} * {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}} * {{ব্যবহারকারী|Manik19}} * {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}} * {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}} * {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}} * {{ব্যবহারকারী|Talha toha}} * {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}} * {{ব্যবহারকারী|Wizene}} * {{ব্যবহারকারী|Shovu55}} * {{ব্যবহারকারী|Afiya07}} * {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Rayan Alam Rifat}} * {{ব্যবহারকারী|Ahnaf Mosaddek}} * {{ব্যবহারকারী|Mdhabib}} * {{ব্যবহারকারী|Md Emon090}} * {{ব্যবহারকারী|BEnjOhiR}} * {{ব্যবহারকারী|Md shakhhawat Hossain}} * {{ব্যবহারকারী|Sheikh Mohammad Alimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|Rumman Chowdhury 20}} * {{ব্যবহারকারী|Vugon kumar}} * {{ব্যবহারকারী|ExceptionistSagar}} * {{ব্যবহারকারী|দীপক মণ্ডল}} * {{ব্যবহারকারী|Shourav chandra saha}} * {{ব্যবহারকারী|চৌধুরী প্রবীর}} * {{ব্যবহারকারী|Akifa Shazzad Prova}} * {{ব্যবহারকারী|MD Jubayer 2012}} * {{ব্যবহারকারী|Outsourcingbsl}} * {{ব্যবহারকারী|নুর সাঈদ|নুর সাঈদ}} * {{ব্যবহারকারী|মাধুর্য বর্মন}} * {{ব্যবহারকারী|Pabel khan (Sergio)}} * {{ব্যবহারকারী|রাকিবুল হাসান রাসেল}} * {{ব্যবহারকারী|Prottasha Sparrow}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Shakowat}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Usarker}} * {{ব্যবহারকারী|M231991d}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Rasel Mehedi}} * {{ব্যবহারকারী|ENGR MD. LITON SIKDER}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃরাজুমিয়া}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Kausar Al Qadri}} * {{ব্যবহারকারী|SSSinha14}} * {{ব্যবহারকারী|Nafiz khane}} * {{ব্যবহারকারী|Md Mahin Faysal}} * {{ব্যবহারকারী|TechnoBloxy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Abdullah Al Nibir}} * {{ব্যবহারকারী|আরিফ শাহ}} * {{ব্যবহারকারী|মো সজীব সরকার}} * {{ব্যবহারকারী|Minhaz Shakil}} * {{ব্যবহারকারী|রিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|Premkumar samanta}} * {{ব্যবহারকারী|রাইয়ান মাহফুজ}} * {{ব্যবহারকারী|তাসনিম সাজিদ নিবিড়}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|S.M Hasibul Hasan}} * {{ব্যবহারকারী|MdMarufHossen71}} * {{ব্যবহারকারী|Ashrafulalambd1}} * {{ব্যবহারকারী|Siyan BD}} * {{ব্যবহারকারী|Trisha Mazumder}} * {{ব্যবহারকারী|Hridoy The Heart}} * {{ব্যবহারকারী|Sunil Baran Mishra}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} ap27lxw635jr7rv0xn1tzwlzfv67lwe 78669 78631 2026-04-19T22:13:34Z Md. Muqtadir Fuad 2944 78669 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}} <inputbox> type = comment default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী preload = টেমপ্লেট:আমি editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা nosummary=true hidden = yes buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন minor = true break = no </inputbox> {{div col}} <!-- ------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। --------------------------------------------------- সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}} ---> <!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না --> <!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন ১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই। ২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে। ৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন --> <!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন --> * {{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}} * {{ব্যবহারকারী|NusJaS}} * {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}} * {{ব্যবহারকারী|ARI}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}} * {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}} * {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}} * {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}} * {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}} * {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}} * {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}} * {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}} * {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}} * {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}} * {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}} * {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}} * {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}} * {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}} * {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}} * {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}} * {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}} * {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}} * {{ব্যবহারকারী|NotNahid}} * {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}} * {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}} * {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}} * {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}} * {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}} * {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}} * {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}} * {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}} * {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}} * {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}} * {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}} * {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}} * {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}} * {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}} * {{ব্যবহারকারী|Raihanur}} * {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}} * {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}} * {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}} * {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}} * {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}} * {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}} * {{ব্যবহারকারী|Borhan}} * {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}} * {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}} * {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}} * {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}} * {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}} * {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}} * {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}} * {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}} * {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}} * {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}} * {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}} * {{ব্যবহারকারী|JIBON}} * {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}} * {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}} * {{ব্যবহারকারী|Mksh46}} * {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}} * {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}} * {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}} * {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}} * {{ব্যবহারকারী|Manik19}} * {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}} * {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}} * {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}} * {{ব্যবহারকারী|Talha toha}} * {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}} * {{ব্যবহারকারী|Wizene}} * {{ব্যবহারকারী|Shovu55}} * {{ব্যবহারকারী|Afiya07}} * {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Rayan Alam Rifat}} * {{ব্যবহারকারী|Ahnaf Mosaddek}} * {{ব্যবহারকারী|Mdhabib}} * {{ব্যবহারকারী|Md Emon090}} * {{ব্যবহারকারী|BEnjOhiR}} * {{ব্যবহারকারী|Md shakhhawat Hossain}} * {{ব্যবহারকারী|Sheikh Mohammad Alimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|Rumman Chowdhury 20}} * {{ব্যবহারকারী|Vugon kumar}} * {{ব্যবহারকারী|ExceptionistSagar}} * {{ব্যবহারকারী|দীপক মণ্ডল}} * {{ব্যবহারকারী|Shourav chandra saha}} * {{ব্যবহারকারী|চৌধুরী প্রবীর}} * {{ব্যবহারকারী|Akifa Shazzad Prova}} * {{ব্যবহারকারী|MD Jubayer 2012}} * {{ব্যবহারকারী|Outsourcingbsl}} * {{ব্যবহারকারী|নুর সাঈদ|নুর সাঈদ}} * {{ব্যবহারকারী|মাধুর্য বর্মন}} * {{ব্যবহারকারী|Pabel khan (Sergio)}} * {{ব্যবহারকারী|রাকিবুল হাসান রাসেল}} * {{ব্যবহারকারী|Prottasha Sparrow}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Shakowat}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Usarker}} * {{ব্যবহারকারী|M231991d}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Rasel Mehedi}} * {{ব্যবহারকারী|ENGR MD. LITON SIKDER}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃরাজুমিয়া}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Kausar Al Qadri}} * {{ব্যবহারকারী|SSSinha14}} * {{ব্যবহারকারী|Nafiz khane}} * {{ব্যবহারকারী|Md Mahin Faysal}} * {{ব্যবহারকারী|TechnoBloxy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Abdullah Al Nibir}} * {{ব্যবহারকারী|আরিফ শাহ}} * {{ব্যবহারকারী|মো সজীব সরকার}} * {{ব্যবহারকারী|Minhaz Shakil}} * {{ব্যবহারকারী|রিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|Premkumar samanta}} * {{ব্যবহারকারী|রাইয়ান মাহফুজ}} * {{ব্যবহারকারী|তাসনিম সাজিদ নিবিড়}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|S.M Hasibul Hasan}} * {{ব্যবহারকারী|MdMarufHossen71}} * {{ব্যবহারকারী|Ashrafulalambd1}} * {{ব্যবহারকারী|Siyan BD}} * {{ব্যবহারকারী|Trisha Mazumder}} * {{ব্যবহারকারী|Hridoy The Heart}} * {{ব্যবহারকারী|Sunil Baran Mishra}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Muqtadir Fuad}} k4sg4ou0nz0fjugog3r3rqa38gied8y 78681 78669 2026-04-19T23:56:04Z Riponsathi 5419 78681 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}} <inputbox> type = comment default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী preload = টেমপ্লেট:আমি editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা nosummary=true hidden = yes buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন minor = true break = no </inputbox> {{div col}} <!-- ------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। --------------------------------------------------- সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}} ---> <!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না --> <!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন ১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই। ২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে। ৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন --> <!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন --> * {{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}} * {{ব্যবহারকারী|NusJaS}} * {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}} * {{ব্যবহারকারী|ARI}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}} * {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}} * {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}} * {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}} * {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}} * {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}} * {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}} * {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}} * {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}} * {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}} * {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}} * {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}} * {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}} * {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}} * {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}} * {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}} * {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}} * {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}} * {{ব্যবহারকারী|NotNahid}} * {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}} * {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}} * {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}} * {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}} * {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}} * {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}} * {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}} * {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}} * {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}} * {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}} * {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}} * {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}} * {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}} * {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}} * {{ব্যবহারকারী|Raihanur}} * {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}} * {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}} * {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}} * {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}} * {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}} * {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}} * {{ব্যবহারকারী|Borhan}} * {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}} * {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}} * {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}} * {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}} * {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}} * {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}} * {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}} * {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}} * {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}} * {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}} * {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}} * {{ব্যবহারকারী|JIBON}} * {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}} * {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}} * {{ব্যবহারকারী|Mksh46}} * {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}} * {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}} * {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}} * {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}} * {{ব্যবহারকারী|Manik19}} * {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}} * {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}} * {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}} * {{ব্যবহারকারী|Talha toha}} * {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}} * {{ব্যবহারকারী|Wizene}} * {{ব্যবহারকারী|Shovu55}} * {{ব্যবহারকারী|Afiya07}} * {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Rayan Alam Rifat}} * {{ব্যবহারকারী|Ahnaf Mosaddek}} * {{ব্যবহারকারী|Mdhabib}} * {{ব্যবহারকারী|Md Emon090}} * {{ব্যবহারকারী|BEnjOhiR}} * {{ব্যবহারকারী|Md shakhhawat Hossain}} * {{ব্যবহারকারী|Sheikh Mohammad Alimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|Rumman Chowdhury 20}} * {{ব্যবহারকারী|Vugon kumar}} * {{ব্যবহারকারী|ExceptionistSagar}} * {{ব্যবহারকারী|দীপক মণ্ডল}} * {{ব্যবহারকারী|Shourav chandra saha}} * {{ব্যবহারকারী|চৌধুরী প্রবীর}} * {{ব্যবহারকারী|Akifa Shazzad Prova}} * {{ব্যবহারকারী|MD Jubayer 2012}} * {{ব্যবহারকারী|Outsourcingbsl}} * {{ব্যবহারকারী|নুর সাঈদ|নুর সাঈদ}} * {{ব্যবহারকারী|মাধুর্য বর্মন}} * {{ব্যবহারকারী|Pabel khan (Sergio)}} * {{ব্যবহারকারী|রাকিবুল হাসান রাসেল}} * {{ব্যবহারকারী|Prottasha Sparrow}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Shakowat}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Usarker}} * {{ব্যবহারকারী|M231991d}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Rasel Mehedi}} * {{ব্যবহারকারী|ENGR MD. LITON SIKDER}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃরাজুমিয়া}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Kausar Al Qadri}} * {{ব্যবহারকারী|SSSinha14}} * {{ব্যবহারকারী|Nafiz khane}} * {{ব্যবহারকারী|Md Mahin Faysal}} * {{ব্যবহারকারী|TechnoBloxy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Abdullah Al Nibir}} * {{ব্যবহারকারী|আরিফ শাহ}} * {{ব্যবহারকারী|মো সজীব সরকার}} * {{ব্যবহারকারী|Minhaz Shakil}} * {{ব্যবহারকারী|রিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|Premkumar samanta}} * {{ব্যবহারকারী|রাইয়ান মাহফুজ}} * {{ব্যবহারকারী|তাসনিম সাজিদ নিবিড়}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|S.M Hasibul Hasan}} * {{ব্যবহারকারী|MdMarufHossen71}} * {{ব্যবহারকারী|Ashrafulalambd1}} * {{ব্যবহারকারী|Siyan BD}} * {{ব্যবহারকারী|Trisha Mazumder}} * {{ব্যবহারকারী|Hridoy The Heart}} * {{ব্যবহারকারী|Sunil Baran Mishra}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Muqtadir Fuad}} * {{ব্যবহারকারী|Riponsathi}} 7ut374zzhwzng4zvg9wj9vc4zlwp9bk 78682 78681 2026-04-19T23:58:03Z Riponsathi 5419 [[Special:Contributions/Riponsathi|Riponsathi]] ([[User talk:Riponsathi|আলাপ]])-এর সম্পাদিত [[Special:Diff/78681|78681]] নম্বর সংশোধনটি বাতিল করা হয়েছে 78682 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}} <inputbox> type = comment default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী preload = টেমপ্লেট:আমি editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা nosummary=true hidden = yes buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন minor = true break = no </inputbox> {{div col}} <!-- ------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। --------------------------------------------------- সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}} ---> <!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না --> <!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন ১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই। ২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে। ৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন --> <!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন --> * {{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}} * {{ব্যবহারকারী|NusJaS}} * {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}} * {{ব্যবহারকারী|ARI}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}} * {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}} * {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}} * {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}} * {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}} * {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}} * {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}} * {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}} * {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}} * {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}} * {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}} * {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}} * {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}} * {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}} * {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}} * {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}} * {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}} * {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}} * {{ব্যবহারকারী|NotNahid}} * {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}} * {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}} * {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}} * {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}} * {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}} * {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}} * {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}} * {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}} * {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}} * {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}} * {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}} * {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}} * {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}} * {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}} * {{ব্যবহারকারী|Raihanur}} * {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}} * {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}} * {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}} * {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}} * {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}} * {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}} * {{ব্যবহারকারী|Borhan}} * {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}} * {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}} * {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}} * {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}} * {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}} * {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}} * {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}} * {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}} * {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}} * {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}} * {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}} * {{ব্যবহারকারী|JIBON}} * {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}} * {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}} * {{ব্যবহারকারী|Mksh46}} * {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}} * {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}} * {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}} * {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}} * {{ব্যবহারকারী|Manik19}} * {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}} * {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}} * {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}} * {{ব্যবহারকারী|Talha toha}} * {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}} * {{ব্যবহারকারী|Wizene}} * {{ব্যবহারকারী|Shovu55}} * {{ব্যবহারকারী|Afiya07}} * {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Rayan Alam Rifat}} * {{ব্যবহারকারী|Ahnaf Mosaddek}} * {{ব্যবহারকারী|Mdhabib}} * {{ব্যবহারকারী|Md Emon090}} * {{ব্যবহারকারী|BEnjOhiR}} * {{ব্যবহারকারী|Md shakhhawat Hossain}} * {{ব্যবহারকারী|Sheikh Mohammad Alimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|Rumman Chowdhury 20}} * {{ব্যবহারকারী|Vugon kumar}} * {{ব্যবহারকারী|ExceptionistSagar}} * {{ব্যবহারকারী|দীপক মণ্ডল}} * {{ব্যবহারকারী|Shourav chandra saha}} * {{ব্যবহারকারী|চৌধুরী প্রবীর}} * {{ব্যবহারকারী|Akifa Shazzad Prova}} * {{ব্যবহারকারী|MD Jubayer 2012}} * {{ব্যবহারকারী|Outsourcingbsl}} * {{ব্যবহারকারী|নুর সাঈদ|নুর সাঈদ}} * {{ব্যবহারকারী|মাধুর্য বর্মন}} * {{ব্যবহারকারী|Pabel khan (Sergio)}} * {{ব্যবহারকারী|রাকিবুল হাসান রাসেল}} * {{ব্যবহারকারী|Prottasha Sparrow}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Shakowat}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Usarker}} * {{ব্যবহারকারী|M231991d}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Rasel Mehedi}} * {{ব্যবহারকারী|ENGR MD. LITON SIKDER}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃরাজুমিয়া}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Kausar Al Qadri}} * {{ব্যবহারকারী|SSSinha14}} * {{ব্যবহারকারী|Nafiz khane}} * {{ব্যবহারকারী|Md Mahin Faysal}} * {{ব্যবহারকারী|TechnoBloxy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Abdullah Al Nibir}} * {{ব্যবহারকারী|আরিফ শাহ}} * {{ব্যবহারকারী|মো সজীব সরকার}} * {{ব্যবহারকারী|Minhaz Shakil}} * {{ব্যবহারকারী|রিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|Premkumar samanta}} * {{ব্যবহারকারী|রাইয়ান মাহফুজ}} * {{ব্যবহারকারী|তাসনিম সাজিদ নিবিড়}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|S.M Hasibul Hasan}} * {{ব্যবহারকারী|MdMarufHossen71}} * {{ব্যবহারকারী|Ashrafulalambd1}} * {{ব্যবহারকারী|Siyan BD}} * {{ব্যবহারকারী|Trisha Mazumder}} * {{ব্যবহারকারী|Hridoy The Heart}} * {{ব্যবহারকারী|Sunil Baran Mishra}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Muqtadir Fuad}} k4sg4ou0nz0fjugog3r3rqa38gied8y 78835 78682 2026-04-20T07:35:38Z Ak mahmudul sharif 5435 78835 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}} <inputbox> type = comment default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী preload = টেমপ্লেট:আমি editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা nosummary=true hidden = yes buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন minor = true break = no </inputbox> {{div col}} <!-- ------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। --------------------------------------------------- সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}} ---> <!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না --> <!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন ১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই। ২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে। ৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন --> <!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন --> * {{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}} * {{ব্যবহারকারী|NusJaS}} * {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}} * {{ব্যবহারকারী|ARI}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}} * {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}} * {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}} * {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}} * {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}} * {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}} * {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}} * {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}} * {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}} * {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}} * {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}} * {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}} * {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}} * {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}} * {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}} * {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}} * {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}} * {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}} * {{ব্যবহারকারী|NotNahid}} * {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}} * {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}} * {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}} * {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}} * {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}} * {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}} * {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}} * {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}} * {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}} * {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}} * {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}} * {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}} * {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}} * {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}} * {{ব্যবহারকারী|Raihanur}} * {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}} * {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}} * {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}} * {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}} * {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}} * {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}} * {{ব্যবহারকারী|Borhan}} * {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}} * {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}} * {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}} * {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}} * {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}} * {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}} * {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}} * {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}} * {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}} * {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}} * {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}} * {{ব্যবহারকারী|JIBON}} * {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}} * {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}} * {{ব্যবহারকারী|Mksh46}} * {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}} * {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}} * {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}} * {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}} * {{ব্যবহারকারী|Manik19}} * {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}} * {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}} * {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}} * {{ব্যবহারকারী|Talha toha}} * {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}} * {{ব্যবহারকারী|Wizene}} * {{ব্যবহারকারী|Shovu55}} * {{ব্যবহারকারী|Afiya07}} * {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Rayan Alam Rifat}} * {{ব্যবহারকারী|Ahnaf Mosaddek}} * {{ব্যবহারকারী|Mdhabib}} * {{ব্যবহারকারী|Md Emon090}} * {{ব্যবহারকারী|BEnjOhiR}} * {{ব্যবহারকারী|Md shakhhawat Hossain}} * {{ব্যবহারকারী|Sheikh Mohammad Alimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|Rumman Chowdhury 20}} * {{ব্যবহারকারী|Vugon kumar}} * {{ব্যবহারকারী|ExceptionistSagar}} * {{ব্যবহারকারী|দীপক মণ্ডল}} * {{ব্যবহারকারী|Shourav chandra saha}} * {{ব্যবহারকারী|চৌধুরী প্রবীর}} * {{ব্যবহারকারী|Akifa Shazzad Prova}} * {{ব্যবহারকারী|MD Jubayer 2012}} * {{ব্যবহারকারী|Outsourcingbsl}} * {{ব্যবহারকারী|নুর সাঈদ|নুর সাঈদ}} * {{ব্যবহারকারী|মাধুর্য বর্মন}} * {{ব্যবহারকারী|Pabel khan (Sergio)}} * {{ব্যবহারকারী|রাকিবুল হাসান রাসেল}} * {{ব্যবহারকারী|Prottasha Sparrow}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Shakowat}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Usarker}} * {{ব্যবহারকারী|M231991d}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Rasel Mehedi}} * {{ব্যবহারকারী|ENGR MD. LITON SIKDER}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃরাজুমিয়া}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Kausar Al Qadri}} * {{ব্যবহারকারী|SSSinha14}} * {{ব্যবহারকারী|Nafiz khane}} * {{ব্যবহারকারী|Md Mahin Faysal}} * {{ব্যবহারকারী|TechnoBloxy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Abdullah Al Nibir}} * {{ব্যবহারকারী|আরিফ শাহ}} * {{ব্যবহারকারী|মো সজীব সরকার}} * {{ব্যবহারকারী|Minhaz Shakil}} * {{ব্যবহারকারী|রিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|Premkumar samanta}} * {{ব্যবহারকারী|রাইয়ান মাহফুজ}} * {{ব্যবহারকারী|তাসনিম সাজিদ নিবিড়}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|S.M Hasibul Hasan}} * {{ব্যবহারকারী|MdMarufHossen71}} * {{ব্যবহারকারী|Ashrafulalambd1}} * {{ব্যবহারকারী|Siyan BD}} * {{ব্যবহারকারী|Trisha Mazumder}} * {{ব্যবহারকারী|Hridoy The Heart}} * {{ব্যবহারকারী|Sunil Baran Mishra}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Muqtadir Fuad}} * {{ব্যবহারকারী|Ak mahmudul sharif}} dka4yisw4d1p322l5niprscdc85vyin 78852 78835 2026-04-20T08:37:50Z Ridoy Khan Rid 4565 78852 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}} <inputbox> type = comment default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী preload = টেমপ্লেট:আমি editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা nosummary=true hidden = yes buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন minor = true break = no </inputbox> {{div col}} <!-- ------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। --------------------------------------------------- সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}} ---> <!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না --> <!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন ১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই। ২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে। ৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন --> <!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন --> * {{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}} * {{ব্যবহারকারী|NusJaS}} * {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}} * {{ব্যবহারকারী|ARI}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}} * {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}} * {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}} * {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}} * {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}} * {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}} * {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}} * {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}} * {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}} * {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}} * {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}} * {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}} * {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}} * {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}} * {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}} * {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}} * {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}} * {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}} * {{ব্যবহারকারী|NotNahid}} * {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}} * {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}} * {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}} * {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}} * {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}} * {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}} * {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}} * {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}} * {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}} * {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}} * {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}} * {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}} * {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}} * {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}} * {{ব্যবহারকারী|Raihanur}} * {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}} * {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}} * {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}} * {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}} * {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}} * {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}} * {{ব্যবহারকারী|Borhan}} * {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}} * {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}} * {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}} * {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}} * {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}} * {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}} * {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}} * {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}} * {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}} * {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}} * {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}} * {{ব্যবহারকারী|JIBON}} * {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}} * {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}} * {{ব্যবহারকারী|Mksh46}} * {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}} * {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}} * {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}} * {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}} * {{ব্যবহারকারী|Manik19}} * {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}} * {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}} * {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}} * {{ব্যবহারকারী|Talha toha}} * {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}} * {{ব্যবহারকারী|Wizene}} * {{ব্যবহারকারী|Shovu55}} * {{ব্যবহারকারী|Afiya07}} * {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Rayan Alam Rifat}} * {{ব্যবহারকারী|Ahnaf Mosaddek}} * {{ব্যবহারকারী|Mdhabib}} * {{ব্যবহারকারী|Md Emon090}} * {{ব্যবহারকারী|BEnjOhiR}} * {{ব্যবহারকারী|Md shakhhawat Hossain}} * {{ব্যবহারকারী|Sheikh Mohammad Alimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|Rumman Chowdhury 20}} * {{ব্যবহারকারী|Vugon kumar}} * {{ব্যবহারকারী|ExceptionistSagar}} * {{ব্যবহারকারী|দীপক মণ্ডল}} * {{ব্যবহারকারী|Shourav chandra saha}} * {{ব্যবহারকারী|চৌধুরী প্রবীর}} * {{ব্যবহারকারী|Akifa Shazzad Prova}} * {{ব্যবহারকারী|MD Jubayer 2012}} * {{ব্যবহারকারী|Outsourcingbsl}} * {{ব্যবহারকারী|নুর সাঈদ|নুর সাঈদ}} * {{ব্যবহারকারী|মাধুর্য বর্মন}} * {{ব্যবহারকারী|Pabel khan (Sergio)}} * {{ব্যবহারকারী|রাকিবুল হাসান রাসেল}} * {{ব্যবহারকারী|Prottasha Sparrow}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Shakowat}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Usarker}} * {{ব্যবহারকারী|M231991d}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Rasel Mehedi}} * {{ব্যবহারকারী|ENGR MD. LITON SIKDER}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃরাজুমিয়া}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Kausar Al Qadri}} * {{ব্যবহারকারী|SSSinha14}} * {{ব্যবহারকারী|Nafiz khane}} * {{ব্যবহারকারী|Md Mahin Faysal}} * {{ব্যবহারকারী|TechnoBloxy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Abdullah Al Nibir}} * {{ব্যবহারকারী|আরিফ শাহ}} * {{ব্যবহারকারী|মো সজীব সরকার}} * {{ব্যবহারকারী|Minhaz Shakil}} * {{ব্যবহারকারী|রিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|Premkumar samanta}} * {{ব্যবহারকারী|রাইয়ান মাহফুজ}} * {{ব্যবহারকারী|তাসনিম সাজিদ নিবিড়}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|S.M Hasibul Hasan}} * {{ব্যবহারকারী|MdMarufHossen71}} * {{ব্যবহারকারী|Ashrafulalambd1}} * {{ব্যবহারকারী|Siyan BD}} * {{ব্যবহারকারী|Trisha Mazumder}} * {{ব্যবহারকারী|Hridoy The Heart}} * {{ব্যবহারকারী|Sunil Baran Mishra}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Muqtadir Fuad}} * {{ব্যবহারকারী|Ak mahmudul sharif}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} 1q5i7099dyb6dhbpwpxuoecithcpl3y 78864 78852 2026-04-20T09:30:55Z Jemynokrek 5308 78864 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}} <inputbox> type = comment default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী preload = টেমপ্লেট:আমি editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা nosummary=true hidden = yes buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন minor = true break = no </inputbox> {{div col}} <!-- ------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। --------------------------------------------------- সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}} ---> <!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না --> <!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন ১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই। ২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে। ৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন --> <!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন --> * {{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}} * {{ব্যবহারকারী|NusJaS}} * {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}} * {{ব্যবহারকারী|ARI}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}} * {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}} * {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}} * {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}} * {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}} * {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}} * {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}} * {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}} * {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}} * {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}} * {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}} * {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}} * {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}} * {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}} * {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}} * {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}} * {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}} * {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}} * {{ব্যবহারকারী|NotNahid}} * {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}} * {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}} * {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}} * {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}} * {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}} * {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}} * {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}} * {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}} * {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}} * {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}} * {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}} * {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}} * {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}} * {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}} * {{ব্যবহারকারী|Raihanur}} * {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}} * {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}} * {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}} * {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}} * {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}} * {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}} * {{ব্যবহারকারী|Borhan}} * {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}} * {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}} * {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}} * {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}} * {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}} * {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}} * {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}} * {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}} * {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}} * {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}} * {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}} * {{ব্যবহারকারী|JIBON}} * {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}} * {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}} * {{ব্যবহারকারী|Mksh46}} * {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}} * {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}} * {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}} * {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}} * {{ব্যবহারকারী|Manik19}} * {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}} * {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}} * {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}} * {{ব্যবহারকারী|Talha toha}} * {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}} * {{ব্যবহারকারী|Wizene}} * {{ব্যবহারকারী|Shovu55}} * {{ব্যবহারকারী|Afiya07}} * {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Rayan Alam Rifat}} * {{ব্যবহারকারী|Ahnaf Mosaddek}} * {{ব্যবহারকারী|Mdhabib}} * {{ব্যবহারকারী|Md Emon090}} * {{ব্যবহারকারী|BEnjOhiR}} * {{ব্যবহারকারী|Md shakhhawat Hossain}} * {{ব্যবহারকারী|Sheikh Mohammad Alimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|Rumman Chowdhury 20}} * {{ব্যবহারকারী|Vugon kumar}} * {{ব্যবহারকারী|ExceptionistSagar}} * {{ব্যবহারকারী|দীপক মণ্ডল}} * {{ব্যবহারকারী|Shourav chandra saha}} * {{ব্যবহারকারী|চৌধুরী প্রবীর}} * {{ব্যবহারকারী|Akifa Shazzad Prova}} * {{ব্যবহারকারী|MD Jubayer 2012}} * {{ব্যবহারকারী|Outsourcingbsl}} * {{ব্যবহারকারী|নুর সাঈদ|নুর সাঈদ}} * {{ব্যবহারকারী|মাধুর্য বর্মন}} * {{ব্যবহারকারী|Pabel khan (Sergio)}} * {{ব্যবহারকারী|রাকিবুল হাসান রাসেল}} * {{ব্যবহারকারী|Prottasha Sparrow}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Shakowat}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Usarker}} * {{ব্যবহারকারী|M231991d}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Rasel Mehedi}} * {{ব্যবহারকারী|ENGR MD. LITON SIKDER}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃরাজুমিয়া}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Kausar Al Qadri}} * {{ব্যবহারকারী|SSSinha14}} * {{ব্যবহারকারী|Nafiz khane}} * {{ব্যবহারকারী|Md Mahin Faysal}} * {{ব্যবহারকারী|TechnoBloxy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Abdullah Al Nibir}} * {{ব্যবহারকারী|আরিফ শাহ}} * {{ব্যবহারকারী|মো সজীব সরকার}} * {{ব্যবহারকারী|Minhaz Shakil}} * {{ব্যবহারকারী|রিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|Premkumar samanta}} * {{ব্যবহারকারী|রাইয়ান মাহফুজ}} * {{ব্যবহারকারী|তাসনিম সাজিদ নিবিড়}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|S.M Hasibul Hasan}} * {{ব্যবহারকারী|MdMarufHossen71}} * {{ব্যবহারকারী|Ashrafulalambd1}} * {{ব্যবহারকারী|Siyan BD}} * {{ব্যবহারকারী|Trisha Mazumder}} * {{ব্যবহারকারী|Hridoy The Heart}} * {{ব্যবহারকারী|Sunil Baran Mishra}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Muqtadir Fuad}} * {{ব্যবহারকারী|Ak mahmudul sharif}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} 5v51lxu9vp8igp51qshu7rudiw7ashy 78866 78864 2026-04-20T09:35:12Z Jemynokrek 5308 78866 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}} <inputbox> type = comment default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী preload = টেমপ্লেট:আমি editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা nosummary=true hidden = yes buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন minor = true break = no </inputbox> {{div col}} <!-- ------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। --------------------------------------------------- সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}} ---> <!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না --> <!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন ১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই। ২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে। ৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন --> <!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন --> * {{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}} * {{ব্যবহারকারী|NusJaS}} * {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}} * {{ব্যবহারকারী|ARI}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}} * {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}} * {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}} * {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}} * {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}} * {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}} * {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}} * {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}} * {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}} * {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}} * {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}} * {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}} * {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}} * {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}} * {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}} * {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}} * {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}} * {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}} * {{ব্যবহারকারী|NotNahid}} * {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}} * {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}} * {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}} * {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}} * {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}} * {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}} * {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}} * {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}} * {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}} * {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}} * {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}} * {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}} * {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}} * {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}} * {{ব্যবহারকারী|Raihanur}} * {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}} * {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}} * {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}} * {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}} * {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}} * {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}} * {{ব্যবহারকারী|Borhan}} * {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}} * {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}} * {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}} * {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}} * {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}} * {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}} * {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}} * {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}} * {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}} * {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}} * {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}} * {{ব্যবহারকারী|JIBON}} * {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}} * {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}} * {{ব্যবহারকারী|Mksh46}} * {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}} * {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}} * {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}} * {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}} * {{ব্যবহারকারী|Manik19}} * {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}} * {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}} * {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}} * {{ব্যবহারকারী|Talha toha}} * {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}} * {{ব্যবহারকারী|Wizene}} * {{ব্যবহারকারী|Shovu55}} * {{ব্যবহারকারী|Afiya07}} * {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Rayan Alam Rifat}} * {{ব্যবহারকারী|Ahnaf Mosaddek}} * {{ব্যবহারকারী|Mdhabib}} * {{ব্যবহারকারী|Md Emon090}} * {{ব্যবহারকারী|BEnjOhiR}} * {{ব্যবহারকারী|Md shakhhawat Hossain}} * {{ব্যবহারকারী|Sheikh Mohammad Alimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|Rumman Chowdhury 20}} * {{ব্যবহারকারী|Vugon kumar}} * {{ব্যবহারকারী|ExceptionistSagar}} * {{ব্যবহারকারী|দীপক মণ্ডল}} * {{ব্যবহারকারী|Shourav chandra saha}} * {{ব্যবহারকারী|চৌধুরী প্রবীর}} * {{ব্যবহারকারী|Akifa Shazzad Prova}} * {{ব্যবহারকারী|MD Jubayer 2012}} * {{ব্যবহারকারী|Outsourcingbsl}} * {{ব্যবহারকারী|নুর সাঈদ|নুর সাঈদ}} * {{ব্যবহারকারী|মাধুর্য বর্মন}} * {{ব্যবহারকারী|Pabel khan (Sergio)}} * {{ব্যবহারকারী|রাকিবুল হাসান রাসেল}} * {{ব্যবহারকারী|Prottasha Sparrow}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Shakowat}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Usarker}} * {{ব্যবহারকারী|M231991d}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Rasel Mehedi}} * {{ব্যবহারকারী|ENGR MD. LITON SIKDER}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃরাজুমিয়া}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Kausar Al Qadri}} * {{ব্যবহারকারী|SSSinha14}} * {{ব্যবহারকারী|Nafiz khane}} * {{ব্যবহারকারী|Md Mahin Faysal}} * {{ব্যবহারকারী|TechnoBloxy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Abdullah Al Nibir}} * {{ব্যবহারকারী|আরিফ শাহ}} * {{ব্যবহারকারী|মো সজীব সরকার}} * {{ব্যবহারকারী|Minhaz Shakil}} * {{ব্যবহারকারী|রিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|Premkumar samanta}} * {{ব্যবহারকারী|রাইয়ান মাহফুজ}} * {{ব্যবহারকারী|তাসনিম সাজিদ নিবিড়}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|S.M Hasibul Hasan}} * {{ব্যবহারকারী|MdMarufHossen71}} * {{ব্যবহারকারী|Ashrafulalambd1}} * {{ব্যবহারকারী|Siyan BD}} * {{ব্যবহারকারী|Trisha Mazumder}} * {{ব্যবহারকারী|Hridoy The Heart}} * {{ব্যবহারকারী|Sunil Baran Mishra}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Muqtadir Fuad}} * {{ব্যবহারকারী|Ak mahmudul sharif}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} 2yxy3rybl4pato2axu2r688hvd91fvl 78876 78866 2026-04-20T10:16:29Z Ridoy Khan Rid 4565 78876 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}} <inputbox> type = comment default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী preload = টেমপ্লেট:আমি editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা nosummary=true hidden = yes buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন minor = true break = no </inputbox> {{div col}} <!-- ------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। --------------------------------------------------- সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}} ---> <!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না --> <!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন ১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই। ২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে। ৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন --> <!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন --> * {{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}} * {{ব্যবহারকারী|NusJaS}} * {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}} * {{ব্যবহারকারী|ARI}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}} * {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}} * {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}} * {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}} * {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}} * {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}} * {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}} * {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}} * {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}} * {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}} * {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}} * {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}} * {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}} * {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}} * {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}} * {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}} * {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}} * {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}} * {{ব্যবহারকারী|NotNahid}} * {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}} * {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}} * {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}} * {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}} * {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}} * {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}} * {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}} * {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}} * {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}} * {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}} * {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}} * {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}} * {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}} * {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}} * {{ব্যবহারকারী|Raihanur}} * {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}} * {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}} * {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}} * {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}} * {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}} * {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}} * {{ব্যবহারকারী|Borhan}} * {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}} * {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}} * {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}} * {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}} * {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}} * {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}} * {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}} * {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}} * {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}} * {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}} * {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}} * {{ব্যবহারকারী|JIBON}} * {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}} * {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}} * {{ব্যবহারকারী|Mksh46}} * {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}} * {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}} * {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}} * {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}} * {{ব্যবহারকারী|Manik19}} * {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}} * {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}} * {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}} * {{ব্যবহারকারী|Talha toha}} * {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}} * {{ব্যবহারকারী|Wizene}} * {{ব্যবহারকারী|Shovu55}} * {{ব্যবহারকারী|Afiya07}} * {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Rayan Alam Rifat}} * {{ব্যবহারকারী|Ahnaf Mosaddek}} * {{ব্যবহারকারী|Mdhabib}} * {{ব্যবহারকারী|Md Emon090}} * {{ব্যবহারকারী|BEnjOhiR}} * {{ব্যবহারকারী|Md shakhhawat Hossain}} * {{ব্যবহারকারী|Sheikh Mohammad Alimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|Rumman Chowdhury 20}} * {{ব্যবহারকারী|Vugon kumar}} * {{ব্যবহারকারী|ExceptionistSagar}} * {{ব্যবহারকারী|দীপক মণ্ডল}} * {{ব্যবহারকারী|Shourav chandra saha}} * {{ব্যবহারকারী|চৌধুরী প্রবীর}} * {{ব্যবহারকারী|Akifa Shazzad Prova}} * {{ব্যবহারকারী|MD Jubayer 2012}} * {{ব্যবহারকারী|Outsourcingbsl}} * {{ব্যবহারকারী|নুর সাঈদ|নুর সাঈদ}} * {{ব্যবহারকারী|মাধুর্য বর্মন}} * {{ব্যবহারকারী|Pabel khan (Sergio)}} * {{ব্যবহারকারী|রাকিবুল হাসান রাসেল}} * {{ব্যবহারকারী|Prottasha Sparrow}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Shakowat}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Usarker}} * {{ব্যবহারকারী|M231991d}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Rasel Mehedi}} * {{ব্যবহারকারী|ENGR MD. LITON SIKDER}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃরাজুমিয়া}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Kausar Al Qadri}} * {{ব্যবহারকারী|SSSinha14}} * {{ব্যবহারকারী|Nafiz khane}} * {{ব্যবহারকারী|Md Mahin Faysal}} * {{ব্যবহারকারী|TechnoBloxy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Abdullah Al Nibir}} * {{ব্যবহারকারী|আরিফ শাহ}} * {{ব্যবহারকারী|মো সজীব সরকার}} * {{ব্যবহারকারী|Minhaz Shakil}} * {{ব্যবহারকারী|রিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|Premkumar samanta}} * {{ব্যবহারকারী|রাইয়ান মাহফুজ}} * {{ব্যবহারকারী|তাসনিম সাজিদ নিবিড়}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|S.M Hasibul Hasan}} * {{ব্যবহারকারী|MdMarufHossen71}} * {{ব্যবহারকারী|Ashrafulalambd1}} * {{ব্যবহারকারী|Siyan BD}} * {{ব্যবহারকারী|Trisha Mazumder}} * {{ব্যবহারকারী|Hridoy The Heart}} * {{ব্যবহারকারী|Sunil Baran Mishra}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Muqtadir Fuad}} * {{ব্যবহারকারী|Ak mahmudul sharif}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{Neme: Ridoy khan rid|{{Designation: Senior News Video Editor | Ridoy Khan Rid | Journalists}}}}{{subst:^| এখানে কিছু ধরার দরকার নেই। File:Ridoy Khan Rid|10px|বুড়ো আঙুল|alt=journalist, Ridoy Khan Rid, senior news video editor|senior news video editor Senior News Video Editor | Ridoy Khan Rid | Journalists @ridoykhanrid.online @journalist @ridoykhan @rid @videoeditor a4ud7ytdesvif6k24v599jphavmmdmf 78894 78876 2026-04-20T11:40:25Z Rashed kha 5444 78894 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=6}} <inputbox> type = comment default = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী page = উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/অংশগ্রহণকারী preload = টেমপ্লেট:আমি editintro = টেমপ্লেট:সম্মিলন/অংশগ্রহণ/সম্পাদনা-ভূমিকা nosummary=true hidden = yes buttonlabel =নাম যোগ করতে এখানে ক্লিক করুন minor = true break = no </inputbox> {{div col}} <!-- ------------------------------- এই লাইনের উপর সম্পাদনা করবেন না। --------------------------------------------------- সবার নিচে আপনার ব্যবহারকারী নাম অন্যদের মত করে যুক্ত করুন। উদাহরণ: # {{ব্যবহারকারী|আপনার ব্যবহারকারী নাম}} ---> <!-- দয়া করে * কে # দিয়ে পরিবর্তন করবেন না --> <!-- আপনার নাম যোগ করার আগে নিচের কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেন ১. এখানে আপনার নাম যোগ করার জন্য # {{ব্যবহারকারী|{{subst:সংশোধনের_ব্যবহারকারী}}}}{{subst:^| এসব কিছু করার দরকার নেই। ২. আপনাকে এখানে কিছু লিখতে হবে না ;) কেবল নিচে যান ও "পরিবর্তন প্রকাশ করুন" ক্লিক করুন। আপনার নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হবে। ৩. নাম যোগের পর অন্তত একটি নিবন্ধ অনুবাদ করতে ভুলবেন না। অন্যথায় আপনি পুরস্কার পাবার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন --> <!-- এই অংশের পর থেকে আপনার নাম লিখুন --> * {{ব্যবহারকারী|Dhanaranjan Barman}} * {{ব্যবহারকারী|NusJaS}} * {{ব্যবহারকারী|MS Sakib}} * {{ব্যবহারকারী|ARI}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar Kabir Pavel}} * {{ব্যবহারকারী|Hmm123india}} * {{ব্যবহারকারী|Tausheef Hassan}} * {{ব্যবহারকারী|ফারদিন}} * {{ব্যবহারকারী|Sumanta3023}} * {{ব্যবহারকারী|MdsShakil}} * {{ব্যবহারকারী|Salil Kumar Mukherjee}} * {{ব্যবহারকারী|Mojibrsm}} * {{ব্যবহারকারী|Md Ataul Haque Shaheen}} * {{ব্যবহারকারী|MD AZAHAR ALl}} * {{ব্যবহারকারী|Md Sadek Ahmed (Abdullah)}} * {{ব্যবহারকারী|Anaf Ibn Shahibul}} * {{ব্যবহারকারী|S M Mominul I A J}} * {{ব্যবহারকারী|Amirhusenjihed}} * {{ব্যবহারকারী|মুসাঈদ আনসারী ফাহিম}} * {{ব্যবহারকারী|Firuz Ahmmed}} * {{ব্যবহারকারী|Tanvir 360}} * {{ব্যবহারকারী|MahdiRiyadX}} * {{ব্যবহারকারী|NotNahid}} * {{ব্যবহারকারী|Sohini Biswas 2004}} * {{ব্যবহারকারী|মো: মুশফিকুর রহমান}} * {{ব্যবহারকারী|মোছা:লাভলি বেগম}} * {{ব্যবহারকারী|Nil Nandy}} * {{ব্যবহারকারী|MM Tarif}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammed Iftakhar Alam}} * {{ব্যবহারকারী|MD Sahib}} * {{ব্যবহারকারী|Diponbd24}} * {{ব্যবহারকারী|Shahriar AhmedSayem}} * {{ব্যবহারকারী|Arhanahmedanondo}} * {{ব্যবহারকারী|Sujon shill}} * {{ব্যবহারকারী|Oindrojalik Watch}} * {{ব্যবহারকারী|MazeduHaque}} * {{ব্যবহারকারী|Supriti2026}} * {{ব্যবহারকারী|Aminu Islam441}} * {{ব্যবহারকারী|Tanbiruzzaman}} * {{ব্যবহারকারী|Raihanur}} * {{ব্যবহারকারী|Ruposhi88.has}} * {{ব্যবহারকারী|MD SAJJAT CHOWDHORY}} * {{ব্যবহারকারী|Rayhan Ahmed Arafat}} * {{ব্যবহারকারী|Aminul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মো.খাইরুল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|RushanSheikhRussu34}} * {{ব্যবহারকারী|নিয়াজ ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|MdTajkar Uddin}} * {{ব্যবহারকারী|Mst.Maria Parvin}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM ROHAN}} * {{ব্যবহারকারী|Borhan}} * {{ব্যবহারকারী|Tamaliya Das Gupta}} * {{ব্যবহারকারী|Akash Ahmed Jhon}} * {{ব্যবহারকারী|Md.sarif reza}} * {{ব্যবহারকারী|MD.AL-AMIN MONDAL}} * {{ব্যবহারকারী|Asad.fr}} * {{ব্যবহারকারী|MD RADWAN ISLAM}} * {{ব্যবহারকারী|ASM Shamimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃ তানভীর বানান}} * {{ব্যবহারকারী|মোহাম্মদ জনি হোসেন}} * {{ব্যবহারকারী|Red1Ferdous}} * {{ব্যবহারকারী|AKM Mahinur Rahman}} * {{ব্যবহারকারী|Writer Debraj Saha}} * {{ব্যবহারকারী|Kaustav Chowdhury}} * {{ব্যবহারকারী|JIBON}} * {{ব্যবহারকারী|SHEIKH}} * {{ব্যবহারকারী|Md Samiun}} * {{ব্যবহারকারী|Mksh46}} * {{ব্যবহারকারী|Kiran khaskil}} * {{ব্যবহারকারী|কামরুল ইসলাম মজুমদার}} * {{ব্যবহারকারী|Nazma Bugam}} * {{ব্যবহারকারী|Mili Ahmed}} * {{ব্যবহারকারী|Manik19}} * {{ব্যবহারকারী|Kamrul bin Jamal}} * {{ব্যবহারকারী|MD sumon k}} * {{ব্যবহারকারী|Nayeem Hossain55}} * {{ব্যবহারকারী|Talha toha}} * {{ব্যবহারকারী|Shri Avishek Roy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Yasin Omor}} * {{ব্যবহারকারী|Wizene}} * {{ব্যবহারকারী|Shovu55}} * {{ব্যবহারকারী|Afiya07}} * {{ব্যবহারকারী|সানজার আল ইসলাম}} * {{ব্যবহারকারী|Bayejid-wiki}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Rayan Alam Rifat}} * {{ব্যবহারকারী|Ahnaf Mosaddek}} * {{ব্যবহারকারী|Mdhabib}} * {{ব্যবহারকারী|Md Emon090}} * {{ব্যবহারকারী|BEnjOhiR}} * {{ব্যবহারকারী|Md shakhhawat Hossain}} * {{ব্যবহারকারী|Sheikh Mohammad Alimul Islam}} * {{ব্যবহারকারী|Rumman Chowdhury 20}} * {{ব্যবহারকারী|Vugon kumar}} * {{ব্যবহারকারী|ExceptionistSagar}} * {{ব্যবহারকারী|দীপক মণ্ডল}} * {{ব্যবহারকারী|Shourav chandra saha}} * {{ব্যবহারকারী|চৌধুরী প্রবীর}} * {{ব্যবহারকারী|Akifa Shazzad Prova}} * {{ব্যবহারকারী|MD Jubayer 2012}} * {{ব্যবহারকারী|Outsourcingbsl}} * {{ব্যবহারকারী|নুর সাঈদ|নুর সাঈদ}} * {{ব্যবহারকারী|মাধুর্য বর্মন}} * {{ব্যবহারকারী|Pabel khan (Sergio)}} * {{ব্যবহারকারী|রাকিবুল হাসান রাসেল}} * {{ব্যবহারকারী|Prottasha Sparrow}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Shakowat}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Usarker}} * {{ব্যবহারকারী|M231991d}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Rasel Mehedi}} * {{ব্যবহারকারী|ENGR MD. LITON SIKDER}} * {{ব্যবহারকারী|মোঃরাজুমিয়া}} * {{ব্যবহারকারী|Mohammad Kausar Al Qadri}} * {{ব্যবহারকারী|SSSinha14}} * {{ব্যবহারকারী|Nafiz khane}} * {{ব্যবহারকারী|Md Mahin Faysal}} * {{ব্যবহারকারী|TechnoBloxy}} * {{ব্যবহারকারী|Md Abdullah Al Nibir}} * {{ব্যবহারকারী|আরিফ শাহ}} * {{ব্যবহারকারী|মো সজীব সরকার}} * {{ব্যবহারকারী|Minhaz Shakil}} * {{ব্যবহারকারী|রিয়ান}} * {{ব্যবহারকারী|Premkumar samanta}} * {{ব্যবহারকারী|রাইয়ান মাহফুজ}} * {{ব্যবহারকারী|তাসনিম সাজিদ নিবিড়}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|S.M Hasibul Hasan}} * {{ব্যবহারকারী|MdMarufHossen71}} * {{ব্যবহারকারী|Ashrafulalambd1}} * {{ব্যবহারকারী|Siyan BD}} * {{ব্যবহারকারী|Trisha Mazumder}} * {{ব্যবহারকারী|Hridoy The Heart}} * {{ব্যবহারকারী|Sunil Baran Mishra}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Md. Muqtadir Fuad}} * {{ব্যবহারকারী|Ak mahmudul sharif}} * {{ব্যবহারকারী|Ridoy Khan Rid}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{ব্যবহারকারী|Jemynokrek}} * {{Neme: Ridoy khan rid|{{Designation: Senior News Video Editor | Ridoy Khan Rid | Journalists}}}}{{subst:^| এখানে কিছু ধরার দরকার নেই। File:Ridoy Khan Rid|10px|বুড়ো আঙুল|alt=journalist, Ridoy Khan Rid, senior news video editor|senior news video editor Senior News Video Editor | Ridoy Khan Rid | Journalists @ridoykhanrid.online @journalist @ridoykhan @rid @videoeditor * {{ব্যবহারকারী|Rashed kha}} eh08h2c65jbpz53a64z6c3p0m2sc407 উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/নিবন্ধ তালিকা 4 11855 78677 76573 2026-04-19T22:41:15Z Md. Muqtadir Fuad 2944 /* অবাঙালি ব্যক্তি */ 78677 wikitext text/x-wiki {{উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/পরিভ্রমণ|সক্রিয়=3}} <big>এই প্রতিযোগিতায় বিষয়বস্তু নির্ধারিত নয়, '''আপনি আপনার পছন্দমতো যেকোন উল্লেখযোগ্য বিষয়ে ভুক্তি বা পৃষ্ঠা তৈরি করতে পারেন (গান, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ব্যতীত)''' <u >এমনকি তা নিচের তালিকায় না থাকলেও</u>। আপনি যদি অনিশ্চিত থাকেন যে কোনটি নিয়ে কাজ করবেন, তবে নিচের লাল সংযোগে থাকা নিবন্ধগুলি তৈরি করতে পারেন। যে পাতাটি নিয়ে কাজ করছেন, সেটির পাশে <code><nowiki>~~~~</nowiki></code> যোগ করে আপনার নাম লিখুন।</big> মনে রাখবেন, * ব্যক্তি যদি বাঙালি হয়, তবে তার উক্তি হুবহু তুলে দিন (উদা: [[আসাদুজ্জামান নূর]] দেখুন)। ব্যক্তি যদি বিদেশি হয়, তবে উক্তি অনুবাদ করে যোগ করুন (উদা: [[নোম চম্‌স্কি]] দেখুন)। কোনো বস্তুর ক্ষেত্রে বাঙালিদের উক্তি প্রাধান্য পাবে, তবে ভিন্ন ভাষা থেকেও উক্তি অনুবাদ করেও যোগ করা যাবে (উদা: [[চাঁদ]], [[সূর্য]] দেখুন)। * '''নতুনরা''', দয়া করে [[উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৪/কীভাবে|কীভাবে উক্তি যোগ করব?]] টিউটোরিয়ালটি একবার দেখে নিন। :এটি উইকিউক্তিতে ভুক্তি না থাকা বাঙালি ব্যক্তিদের তালিকা। তবে আপনি চাইলে [https://en.wikiquote.org ইংরেজি উইকিউক্তি] থেকে বাংলায় উক্তি অনুবাদ করতে পারেন। :*ইংরেজি উইকিউক্তি থেকে অনুবাদের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নিবন্ধ অনুবাদ করা বাধ্যতামূলক। *'''উল্লেখ্য:''' <span style="color:red;">নিবন্ধ তৈরির আগে নিবন্ধটি ইতোমধ্যে বাংলা উইকিউক্তিতে বিদ্যমান কিনা যাচাই করা নিবন্ধ প্রণেতার (যিনি নিবন্ধ তৈরি করবেন) দায়িত্ব। তালিকার বাইরের নাম প্রতিস্থাপন নিবন্ধ তালিকায় থাকা নামটির পরিবর্তে ভিন্ন নামে নিবন্ধ তৈরি করলে অবশ্যই নতুন নামটি তালিকায় প্রতিস্থাপন করে দিবেন, অন্যথায় ভিন্ন ব্যবহারকারী নিবন্ধটি পুনরায় তৈরি করতে পারেন।</span > == বাংলা উক্তি == বাঙালি ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সংবাদপত্র, সাময়িকী কিংবা ছাপা বইয়ে প্রকাশিত উক্তি বা সাক্ষাৎকার থেকে উক্তি সংগ্রহ করে তা হুবুহু তথ্যসূত্র সহ যোগ করবেন। === বাঙালি ব্যক্তি === {{Div col|colwidth=20em|rules=yes}} * {{বাউ|অংশুমান কর}} * {{বাউ|অকিঞ্চন}} * {{বাউ|অক্ষয়কুমার কয়াল}} * {{বাউ|অক্ষয়কুমার বসু মজুমদার}} * {{বাউ|অক্ষয়কুমার লধ}} * {{বাউ|অক্ষয়চন্দ্র চৌধুরী}} * {{বাউ|অক্ষয়ানন্দ বসু}} * {{বাউ|অখিল নিয়োগী}} * {{বাউ|অখিল পাল}} * {{বাউ|অখিলচন্দ্র দত্ত}} * {{বাউ|অখিলবন্ধু ঘোষ}}[[ব্যবহারকারী:Tamaliya Das Gupta|Tamaliya Das Gupta]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Tamaliya Das Gupta|আলাপ]]) ১৬:০৯, ৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) * {{বাউ|অগ্রদূত}} * {{বাউ|অঘোরনাথ গুপ্ত}} * {{বাউ|অঘোরনাথ চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|অঙ্গনা পি. চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|অচলা মল্লিক}} * {{বাউ|অজয় ঘটক}} * {{বাউ|অজয় দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|অজয় বসু}} * {{বাউ|অজয় হোম}} * {{বাউ|অজিত দত্ত}} * {{বাউ|অজিত রায় (সাহিত্যিক)}} * {{বাউ|অজিতকৃষ্ণ বসু}} * {{বাউ|অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|অঞ্জলি ইলা মেনন}} * {{বাউ|অঞ্জলি মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|অটলবিহারী ঘোষ}} * {{বাউ|অতীন্দ্রনাথ বসু ঠাকুর}} * {{বাউ|অতুল বসু}} * {{বাউ|অতুলচন্দ্র ঘোষ}} * {{বাউ|অতুলচন্দ্র ঘোষ (লেখক)}} * {{বাউ|অদিতি লাহিড়ি}} * {{বাউ|অদিতি সেন দে}} * {{বাউ|অধরলাল সেন}} * {{বাউ|অনম বিশ্বাস}} * {{বাউ|অনল চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|অনাথনাথ বসু}} * {{বাউ|অনাদিনাথ দাঁ}} * {{বাউ|অনাদিশ পাল}} * {{বাউ|অনিতা মেহতা}} * {{বাউ|অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|অনিন্দ্য সিনহা}} * {{বাউ|অনিমেষ আইচ}} * {{বাউ|অনিমেষ চক্রবর্তী}} * {{বাউ|অনিমেষ রায় (জীববিজ্ঞানী)}} * {{বাউ|অনির্বাণ ঘোষ}} * {{বাউ|অনির্বাণ বসু}} * {{বাউ|অনিল করঞ্জাই}} * {{বাউ|অনিল কুমার গায়েন}} * {{বাউ|অনিল কুমার ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|অনিল কুমার মণ্ডল}} * {{বাউ|অনিল কুমার সেন}} * {{বাউ|অনিল বিশ্বাস (সুরকার)}} * {{বাউ|অনিল ভৌমিক}} * {{বাউ|অনিল মুখার্জি}} * {{বাউ|অনিলকুমার দাস}} * {{বাউ|অনিলেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}} * {{বাউ|অনুত্তমা ব্যানার্জি}} * {{বাউ|অনুদ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|অনুপম ঘটক}} * {{বাউ|অনুপম দত্ত}} * {{বাউ|অনুপম রায়}} * {{বাউ|অনুপম সেন}} * {{বাউ|অনুপম হায়াৎ}} * {{বাউ|অনুপমা চোপড়া}} * {{বাউ|অনুরাধা ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|অনুশ্রী রায়}} * {{বাউ|অনুষ্কা শংকর}} * {{বাউ|অন্নদা মুন্সী}} * {{বাউ|অন্নদাচরণ খাস্তগীর}} * {{বাউ|অন্নদাপ্রসাদ চক্রবর্তী}} * {{বাউ|অন্নপূর্ণা গোস্বামী}} * {{বাউ|অপরেশ বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|অপরেশ লাহিড়ী}} * {{বাউ|অপরেশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|অপর্ণা সেন}} * {{বাউ|অপূর্ব জাহাঙ্গীর}} * {{বাউ|অবনী সেন}} * {{বাউ|অবনীনাথ রায়}} * {{বাউ|অবনীভূষণ চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|অবন্তী সিঁথি}} * {{বাউ|অবন্তীকুমার সান্যাল}} * {{বাউ|অবলা বসু}} * {{বাউ|অবশেষ দাস}} * {{বাউ|অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ}} * {{বাউ|অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়}} * {{বাউ|অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় (সুরকার)}} * {{বাউ|অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় (ভূবিজ্ঞানী)}} * {{বাউ|অভিজিৎ সেন}} * {{বাউ|অভিনয় চন্দ্র সাহা}} * {{বাউ|অভীক ঘোষ}} * {{বাউ|অমর পাল}} * {{বাউ|অমরপ্রসাদ চক্রবর্তী}} * {{বাউ|অমরেশ রায় চৌধুরী}} * {{বাউ|অমরেশ্বর ঠাকুর}} * {{বাউ|অমল কুমার রায়চৌধুরী}} * {{বাউ|অমল চক্রবর্তী}} * {{বাউ|অমল বোস}} * {{বাউ|অমল হোম}} * {{বাউ|অমলা শংকর}} * {{বাউ|অমলেন্দু চক্রবর্তী}} * {{বাউ|অমলেন্দু চন্দ্র}} * {{বাউ|অমলেন্দু দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|অমলেন্দু দাশগুপ্ত (সাংবাদিক)}} * {{বাউ|অমলেন্দু দে}} * {{বাউ|অমলেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|অমলেন্দু বসু}} * {{বাউ|অমলেন্দু বিশ্বাস}} * {{বাউ|অমলেন্দু মিত্র}} * {{বাউ|অমলেশ ত্রিপাঠী}} * {{বাউ|অমিত চৌধুরী}} * {{বাউ|অমিত মিত্র}} * {{বাউ|অমিতা ঠাকুর}} * {{বাউ|অমিতা দত্ত}} * {{বাউ|অমিতা বসু}} * {{বাউ|অমিতা মালিক}} * {{বাউ|অমিতা সেন (আশ্রমকন্যা)}} * {{বাউ|অমিতাভ দত্ত}} * {{বাউ|অমিতাভ ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|অমিতাভ মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|অমিতাভ রায় চৌধুরী}} * {{বাউ|অমিতাভ রেজা চৌধুরী}} * {{বাউ|অমিয় বাগচী}} * {{বাউ|অমিয়কুমার দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|অমিয়কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|অমিয়া দত্ত}} * {{বাউ|অমূল্যকুমার দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|অমূল্যচরণ বিদ্যাভূষণ}} * {{বাউ|অমূল্যধন মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|অমূল‍্যচরণ উকিল}} * {{বাউ|অম্বরীশ ঘোষ}} * {{বাউ|অম্বিকাচরণ মজুমদার}} * {{বাউ|অম্লান দত্ত}} * {{বাউ|অরিন্দম চক্রবর্তী}} * {{বাউ|অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|অরুণ কুমার বসাক}} * {{বাউ|অরুণ কুমার শর্মা}} * {{বাউ|অরুণ মিত্র}} * {{বাউ|অরুণ মুখার্জি}} * {{বাউ|অরুণ সোম}} * {{বাউ|অরুণকুমার বসু}} * {{বাউ|অরুণচন্দ্র দত্ত}} * {{বাউ|অরুণাচল বসু}} * {{বাউ|অরুণাভ সরকার}} * {{বাউ|অরুণেন্দু দাস}} * {{বাউ|অরুণোদয় মণ্ডল}} * {{বাউ|অরুন্ধতী দেবী}} * {{বাউ|অরূপ চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|অরূপ চন্দ্র}} * {{বাউ|অর্ক মুখার্জি}} * {{বাউ|অর্চনা ভট্টাচার্য্য}} * {{বাউ|অর্চনা শর্মা (বিজ্ঞানী)}} * {{বাউ|অর্জুন (গোয়েন্দা চরিত্র)}} * {{বাউ|অর্ণব রাই চৌধুরী}} * {{বাউ|অলক রায়}} * {{বাউ|অলকা উকিল}} * {{বাউ|অলকা দাশ}} * {{বাউ|অলকা সরাবগী}} * {{বাউ|অলিউর রহমান}} * {{বাউ|অলোক কৃষ্ণ গুপ্ত}} * {{বাউ|অলোক রায়}} * {{বাউ|অলোকরঞ্জন দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|অশেষ প্রসাদ মিত্র}} * {{বাউ|অশোক কুমার বড়ুয়া}} * {{বাউ|অশোক কুমার ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|অশোক কুমার সরকার}} * {{বাউ|অশোক কুমার সেন}} * {{বাউ|অশোক গুপ্ত (লেখক)}} * {{বাউ|অশোক চট্টোপাধ্যায় (লেখক)}} * {{বাউ|অশোক চৌধুরী}} * {{বাউ|অশোক নাথ মিত্র}} * {{বাউ|অশোক বড়ুয়া}} * {{বাউ|অশোক বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|অশোক মিত্র}} * {{বাউ|অশোক রুদ্র}} * {{বাউ|অশোক সেন}} * {{বাউ|অশোককুমার হালদার}} * {{বাউ|অশোকা গুপ্ত (বিপ্লবী)}} * {{বাউ|অশ্বিনীকুমার দত্ত}} * {{বাউ|অসীম দাসগুপ্ত}} * {{বাউ|অসীমকান্তি দত্তরায়}} * {{বাউ|অসীমা চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|অহিভূষণ মালিক}} * {{বাউ|আ ক ম সারোয়ার জাহান বাদশা}} * {{বাউ|আ জা ম তকীয়ুল্লাহ}} * {{বাউ|আ ফ ম আহসানউদ্দিন চৌধুরী}} * {{বাউ|আ ফ ম ইউসুফ হায়দার}} * {{বাউ|আ ফ ম খালিদ হোসেন}} * {{বাউ|আ. ন. ম. বজলুর রশীদ}} * {{বাউ|আ. ন. ম. বশির উল্লাহ}} * {{বাউ|আ. ফ. ম. রুহুল হক}} * {{বাউ|আইভি রহমান}} * {{বাউ|আইয়ুব আলী}} * {{বাউ|আইরিন খান}} * {{বাউ|আওকাত হোসেন}} * {{বাউ|আওলাদ হোসেন}} * {{বাউ|আওলাদ হোসেন চাকলাদার}} * {{বাউ|আককাছ আলী সরকার}} * {{বাউ|আকতার মিয়া}} * {{বাউ|আকবর আলি খান}} * {{বাউ|আকবর উদ্দীন}} * {{বাউ|আকবর হোসেন (সাংবাদিক)}} * {{বাউ|আকবর হোসেন (সাহিত্যিক)}} * {{বাউ|আকরাম হোসেন চৌধুরী (বিচারক)}} * {{বাউ|আকরামুজ্জামান খান}} * {{বাউ|আকরামুল কাদের}} * {{বাউ|আখতার ইমাম}} * {{বাউ|আখতার উদ্দিন আহমদ}} * {{বাউ|আখতার সাদমানী}} * {{বাউ|আখতার হুসেন}} * {{বাউ|আখতারুজ্জামান}} * {{বাউ|আখলাকুল হোসাইন আহমেদ}} * {{বাউ|আগা আহমদ আলী}} * {{বাউ|আছিম শাহ}} * {{বাউ|আজম আলী}} * {{বাউ|আজহারুল হক}} * {{বাউ|আজাদ রহমান}} * {{বাউ|আজাহার উদ্দিন আহমদ}} * {{বাউ|আজিজউদ্দিন আহমদ}} * {{বাউ|আজিজুর রহমান (গীতিকার)}} * {{বাউ|আজিজুর রহমান (চলচ্চিত্র পরিচালক)}} * {{বাউ|আজিজুর রহমান আক্কাস}} * {{বাউ|আজিজুর রহমান আজিজ}} * {{বাউ|আজিজুর রহমান মল্লিক}} * {{বাউ|আজিজুল ইসলাম}} * {{বাউ|আজিজুল হক (শায়খুল হাদিস)}} * {{বাউ|আজিজুল হক (শিক্ষাবিদ)}} * {{বাউ|আজিজুল হাকিম (অভিনেতা)}} * {{বাউ|আজিজুল হাকিম (কবি)}} * {{বাউ|আজিম}} * {{বাউ|আজিম উদ্দিন মুনশী}} * {{বাউ|আজীজুল হক}} * {{বাউ|আজীমুদ্দীন হানাফী}} * {{বাউ|আঞ্জুমান আরা বেগম}} * {{বাউ|আতহার আলী}} * {{বাউ|আতাউর রহমান}} * {{বাউ|আতাউর রহমান (কবি)}} * {{বাউ|আতাউর রহমান খান}} * {{বাউ|আতাউর রহমান খান কায়সার}} * {{বাউ|আতাউর রহমান খান খাদিম}} * {{বাউ|আতাউল করিম}} * {{বাউ|আতাউল হাকিম}} * {{বাউ|আতাউস সামাদ}} * {{বাউ|আতিউর রহমান}} * {{বাউ|আতিকুজ্জামান খান}} * {{বাউ|আতিকুর রহমান (চিকিৎসক)}} * {{বাউ|আতিকুল হক চৌধুরী}} * {{বাউ|আতিয়া ইসলাম এ্যানি}} * {{বাউ|আতোয়ার রহমান}} * {{বাউ|আতোয়ার রহমান তালুকদার}} * {{বাউ|আদনান আল রাজীব}} * {{বাউ|আদিনাথ লাহিড়ী}} * {{বাউ|আদিলুর রহমান খান}} * {{বাউ|আনজীর লিটন}} * {{বাউ|আনন জামান}} * {{বাউ|আনন্দচন্দ্র নন্দী}} * {{বাউ|আনন্দদেব মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|আনন্দমোহন চক্রবর্তী}} * {{বাউ|আনন্দমোহন বসু}} * {{বাউ|আনন্দশঙ্কর}} * {{বাউ|আনসার আলী}} * {{বাউ|আনিক খান}} * {{বাউ|আনিলা নাজ চৌধুরী}} * {{বাউ|আনিস চৌধুরী}} * {{বাউ|আনিস সিদ্দিকী}} * {{বাউ|আনিসুজ্জামান (দর্শনশাস্ত্রজ্ঞ)}} * {{বাউ|আনিসুজ্জামান চৌধুরী}} * {{বাউ|আনিসুর রহমান (অর্থনীতিবিদ)}} * {{বাউ|আনিসুল ইসলাম মাহমুদ}} * {{বাউ|আনিসুল হক}} * {{বাউ|আনিসুল হক চৌধুরী}} * {{বাউ|আনু মুহাম্মদ}} * {{বাউ|আনুশেহ্‌ আনাদিল}} * {{বাউ|আনোয়ার উদ্দিন খান}} * {{বাউ|আনোয়ার উল আলম}} * {{বাউ|আনোয়ার উল হক}} * {{বাউ|আনোয়ার পারভেজ}} * {{বাউ|আনোয়ার পাশা (লেখক)}} * {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (অণুজীববিজ্ঞানী)}} * {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (অধ্যাপক)}} * {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (অভিনেতা)}} * {{বাউ|আনোয়ার হোসেন (আলোকচিত্রী)}} * {{বাউ|আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী}} * {{বাউ|আনোয়ারা বাহার চৌধুরী}} * {{বাউ|আনোয়ারা বেগম (শিক্ষাবিদ)}} * {{বাউ|আনোয়ারুল কবির}} * {{বাউ|আনোয়ারুল করিম চৌধুরী}} * {{বাউ|আনোয়ারুল কাদের}} * {{বাউ|আনোয়ারুল হক}} * {{বাউ|আনোয়ারুল হক (বিচারক)}} * {{বাউ|আনোয়ারুল হক শরীফ}} * {{বাউ|আন্ডারগ্রাউন্ড পিস লাভারস}} * {{বাউ|আন্দালিব রহমান পার্থ}} * {{বাউ|আপেল মাহমুদ}} * {{বাউ|আফজাল এইচ খান}} * {{বাউ|আফজাল চৌধুরী}} * {{বাউ|আফটারম্যাথ}} * {{বাউ|আফতাব আহমাদ রহমানী}} * {{বাউ|আফতাব আহমেদ (আলোকচিত্রী)}} * {{বাউ|আফতাব উদ্দিন ভূঁইয়া}} * {{বাউ|আফতাবউদ্দিন খাঁ}} * {{বাউ|আফতাবুজ্জামান}} * {{বাউ|আফরোজা পারভীন}} * {{বাউ|আফসান চৌধুরী}} * {{বাউ|আফসার আমেদ}} * {{বাউ|আফসার আহমদ সিদ্দিকী}} * {{বাউ|আফসার উদ্দিন আহমদ}} * {{বাউ|আফসার উদ্দীন আহমেদ (অ্যাডভোকেট)}} * {{বাউ|আবদার রশীদ}} * {{বাউ|আবদুর রউফ (বিচারপতি)}} * {{বাউ|আবদুর রউফ চৌধুরী}} * {{বাউ|আবদুর রব (বিচারক)}} * {{বাউ|আবদুর রব (শিক্ষাবিদ)}} * {{বাউ|আবদুর রব সেরনিয়াবাত}} * {{বাউ|আবদুর রশীদ খান}} * {{বাউ|আবদুর রসুল}} * {{বাউ|আবদুর রহমান খাঁ}} * {{বাউ|আবদুর রহমান চৌধুরী (বিচারক)}} * {{বাউ|আবদুর রহমান বয়াতী}} * {{বাউ|আবদুর রহমান বিশ্বাস}} * {{বাউ|আবদুর রহিম (বিচারক)}} * {{বাউ|আবদুর রাজ্জাক (চিত্রশিল্পী)}} * {{বাউ|আবদুল আওয়াল মিয়া}} * {{বাউ|আবদুল আজিজ (লেখক)}} * {{বাউ|আবদুল আজিজ খন্দকার}} * {{বাউ|আবদুল আহাদ (বুদ্ধিজীবী)}} * {{বাউ|আবদুল আহাদ (সংগীত পরিচালক)}} * {{বাউ|আবদুল ওয়াহহাব পীরজী}} * {{বাউ|আবদুল ওয়াহাব}} * {{বাউ|আবদুল করিম শাহ}} * {{বাউ|আবদুল কাদির}} * {{বাউ|আবদুল খালেক (পীর)}} * {{বাউ|আবদুল গনি হাজারী}} * {{বাউ|আবদুল গফুর (ভাষা সৈনিক)}} * {{বাউ|আবদুল জব্বার (জ্যোতির্বিজ্ঞানী)}} * {{বাউ|আবদুল জব্বার (ভাষা শহীদ)}} * {{বাউ|আবদুল জব্বার (সাহিত্যিক)}} * {{বাউ|আবদুল জব্বার খান}} * {{বাউ|আবদুল জলিল (অধ্যাপক)}} * {{বাউ|আবদুল মজিদ মল্লিক}} * {{বাউ|আবদুল মতিন}} * {{বাউ|আবদুল মতিন (জেনারেল)}} * {{বাউ|আবদুল মতিন (লেখক)}} * {{বাউ|আবদুল মমিন চৌধুরী}} * {{বাউ|আবদুল মমিন তালুকদার}} * {{বাউ|আবদুল মাজেদ খান}} * {{বাউ|আবদুল মান্নান হাওলাদার}} * {{বাউ|আবদুল মালেক (সচিব)}} * {{বাউ|আবদুল হক ফরিদী}} * {{বাউ|আবদুল হাই চৌধুরী}} * {{বাউ|আবদুল হাই মাশরেকী}} * {{বাউ|আবদুল হাই শিকদার}} * {{বাউ|আবদুল হাকিম খান বাহাদুর}} * {{বাউ|আবদুল হাফিজ (সাহিত্যিক)}} * {{বাউ|আবদুল হামিদ (ধারাভাষ্যকার)}} * {{বাউ|আবদুল হামিদ (শিক্ষাবিদ)}} * {{বাউ|আবদুল হামিদ খান ইউসফজয়ী}} * {{বাউ|আবদুল হামিদ তালুকদার}} * {{বাউ|আবদুল হালিম বয়াতি}} * {{বাউ|আবদুল্লাহ আল মামুন}} * {{বাউ|আবদুল্লাহ আল-মামুন সোহ্‌রাওয়ার্দী}} * {{বাউ|আবদুল্লাহ-আল-মাহমুদ}} * {{বাউ|আবদুল্লাহ-আল-নুমান}} * {{বাউ|আবদুস সাত্তার (অধ্যাপক)}} * {{বাউ|আবদুস সাত্তার ভূঞা}} * {{বাউ|আবদুস সালাম (পদার্থবিজ্ঞানী)}} * {{বাউ|আবদুস সালাম (ভাষা শহীদ)}} * {{বাউ|আবদুস সালাম (সাংবাদিক)}} * {{বাউ|আবদুস সালাম মামুন}} * {{বাউ|আবদুস সোবহান সিকদার}} * {{বাউ|আবিদ আজাদ}} * {{বাউ|আবিদ আনোয়ার}} * {{বাউ|আবিদা ইসলাম}} * {{বাউ|আবিদুর রেজা খান}} * {{বাউ|আবু আসাদ মোহাম্মদ ওবায়দুল গনি}} * {{বাউ|আবু আহমদ আব্দুল হাফিজ}} * {{বাউ|আবু আহমদ ফজলুল করিম}} * {{বাউ|আবু আহমেদ}} * {{বাউ|আবু আহমেদ জহিরুল আমিন খান}} * {{বাউ|আবু ইউসুফ (অধ্যাপক)}} * {{বাউ|আবু কায়সার}} * {{বাউ|আবু জাফর}} * {{বাউ|আবু জাফর (গীতিকার)}} * {{বাউ|আবু জাফর শামসুদ্দীন}} * {{বাউ|আবু জাহির}} * {{বাউ|আবু তাহের (চিত্রশিল্পী)}} * {{বাউ|আবু তাহের নদভী}} * {{বাউ|আবু তাহের মজুমদার}} * {{বাউ|আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান}} * {{বাউ|আবু নঈম শেখ}} * {{বাউ|আবু নসর ওহীদ}} * {{বাউ|আবু বকর সিদ্দিকী}} * {{বাউ|আবু বকর সিদ্দিকী (বিচারক)}} * {{বাউ|আবু বারেক মোহাম্মদ নুরুল আলম}} * {{বাউ|আবু মহামেদ হবিবুল্লাহ}} * {{বাউ|আবু মো. দেলোয়ার হোসেন}} * {{বাউ|আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন}} * {{বাউ|আবু যোহা নূর আহমদ}} * {{বাউ|আবু রুশদ}} * {{বাউ|আবু রেজা ফজলুল হক বাবলু}} * {{বাউ|আবু শারাফ হিজবুল কাদের সাদেক}} * {{বাউ|আবু শাহেদ ইমন}} * {{বাউ|আবু শাহ্‌রিয়ার}} * {{বাউ|আবু সয়ীদ আইয়ুব}} * {{বাউ|আবু সাইয়ীদ}} * {{বাউ|আবু সাঈদ চৌধুরী}} * {{বাউ|আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম}} * {{বাউ|আবু সালেহ}} * {{বাউ|আবু সালেহ মোহাম্মদ নাজমুল হক}} * {{বাউ|আবু সালেহ মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান}} * {{বাউ|আবু সালেহ মোহাম্মদ সাঈদ}} * {{বাউ|আবু হায়াত মাহমুদ}} * {{বাউ|আবু হাসান ভূঁইয়া}} * {{বাউ|আবু হাসান শাহরিয়ার}} * {{বাউ|আবু হেনা মোস্তফা কামাল}} * {{বাউ|আবু হোসেন সিদ্দিক}} * {{বাউ|আবুল আহসান}} * {{বাউ|আবুল আহসান চৌধুরী}} * {{বাউ|আবুল ওমরাহ মুহম্মদ ফখরুদ্দিন}} * {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (অধ্যাপক)}} * {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (আইনজীবী)}} * {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (চিকিৎসক)}} * {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (বুদ্ধিজীবী)}} * {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ (রসায়নবিদ)}} * {{বাউ|আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী}} * {{বাউ|আবুল কালাম ফায়জুল হক}} * {{বাউ|আবুল কালাম মনজুর মোরশেদ}} * {{বাউ|আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া}} * {{বাউ|আবুল কালাম শামসুদ্দিন (সরকারি কর্মকর্তা)}} * {{বাউ|আবুল কাশেম সন্দ্বীপ}} * {{বাউ|আবুল কাসেম (ভাষা সৈনিক)}} * {{বাউ|আবুল কাসেম (সাহিত্যরত্ন)}} * {{বাউ|আবুল কাসেম খান}} * {{বাউ|আবুল কাসেম ফজলুল হক}} * {{বাউ|আবুল খায়ের}} * {{বাউ|আবুল খায়ের (রসায়নবিদ)}} * {{বাউ|আবুল খায়ের মুসলেহউদ্দিন}} * {{বাউ|আবুল ফতেহ}} * {{বাউ|আবুল ফাতাহ মুহাম্মদ ইয়াহইয়া}} * {{বাউ|আবুল বরকত}} * {{বাউ|আবুল বারকাত}} * {{বাউ|আবুল বাশার (অধ্যাপক)}} * {{বাউ|আবুল বাশার (লেখক)}} * {{বাউ|আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম}} * {{বাউ|আবুল বাসার (শিক্ষাবিদ)}} * {{বাউ|আবুল বাসার আকন্দ}} * {{বাউ|আবুল মকসুদ হারুন অর রশীদ}} * {{বাউ|আবুল মাল আবদুল মুহিত}} * {{বাউ|আবুল মোমেন}} * {{বাউ|আবুল হাশেম (অধ্যাপক)}} * {{বাউ|আবুল হাশেম খান (সাহিত্যিক)}} * {{বাউ|আবুল হাশেম সরকার}} * {{বাউ|আবুল হাসনাত (মেয়র)}} * {{বাউ|আবুল হাসান (কবি)}} * {{বাউ|আবুল হাসান মাহমুদ আলী}} * {{বাউ|আবুল হুসসাম}} * {{বাউ|আবুল হুসেন}} * {{বাউ|আবুল হোসেন (কবি)}} * {{বাউ|আবুল হোসেন (পদার্থবিদ)}} * {{বাউ|আবেদ চৌধুরী}} * {{বাউ|আবেদ হোসেন খান}} * {{বাউ|আব্দুর রইছ}} * {{বাউ|আব্দুর রউফ চৌধুরী}} * {{বাউ|আব্দুর রব চৌধুরী}} * {{বাউ|আব্দুর রহমান (বুদ্ধিজীবী)}} * {{বাউ|আব্দুর রহমান (মুফতি)}} * {{বাউ|আব্দুর রহমান আনওয়ারী}} * {{বাউ|আব্দুর রহমান সরকার}} * {{বাউ|আব্দুর রহমানেল মাছউদ}} * {{বাউ|আব্দুর রহিম (সংসদ সদস্য)}} * {{বাউ|আব্দুল আউয়াল খান}} * {{বাউ|আব্দুল আজিজ (চলচ্চিত্র নির্মাতা)}} * {{বাউ|আব্দুল আলীম (সঙ্গীতশিল্পী)}} * {{বাউ|আব্দুল ওয়াহহাব মিঞা}} * {{বাউ|আব্দুল ওয়াহাব তালুকদার}} * {{বাউ|আব্দুল ওহাব খান (বিচারপতি)}} * {{বাউ|আব্দুল করিম আব্বাসী}} * {{বাউ|আব্দুল জব্বার}} * {{বাউ|আব্দুল জলিল}} * {{বাউ|আব্দুল বায়েস}} * {{বাউ|আব্দুল মতিন চৌধুরী (পদার্থবিদ)}} * {{বাউ|আব্দুল মতিন পাটোয়ারি}} * {{বাউ|আব্দুল মান্নান আকন্দ}} * {{বাউ|আব্দুল মান্নান চৌধুরী (শিক্ষাবিদ)}} * {{বাউ|আব্দুল মান্নান শিকদার}} * {{বাউ|আব্দুল মালেক উকিল}} * {{বাউ|আব্দুল মুত্তাকিম চৌধুরী}} * {{বাউ|আব্দুল মুমিত চৌধুরী}} * {{বাউ|আব্দুল মোতালেব মালিক}} * {{বাউ|আব্দুল লতিফ}} * {{বাউ|আব্দুল লতিফ বাচ্চু}} * {{বাউ|আব্দুল লতিফ মিয়া}} * {{বাউ|আব্দুল হাকিম সরকার}} * {{বাউ|আব্দুল হামিদ (আইনজীবী)}} * {{বাউ|আব্দুল হামিদ রায়হান}} * {{বাউ|আব্দুল হালিম বুখারী}} * {{বাউ|আব্দুল হাসিব}} * {{বাউ|আব্দুল্লাহ আল মামুন (বিজ্ঞানী)}} * {{বাউ|আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ}} * {{বাউ|আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ}} * {{বাউ|আব্দুস শাকুর (চিত্রশিল্পী)}} * {{বাউ|আব্দুস সাত্তার (চিত্রশিল্পী)}} * {{বাউ|আব্দুস সাত্তার খান}} * {{বাউ|আব্দুস সাত্তার মোহন্ত}} * {{বাউ|আব্দুস সামাদ আজাদ}} * {{বাউ|আব্দুস সালাম চাটগামী}} * {{বাউ|আব্দুস সেলিম}} * {{বাউ|আব্বাসউদ্দীন আহমদ}} * {{বাউ|আভরাল সাহির}} * {{বাউ|আভা আলম}} * {{বাউ|আভাস}} * {{বাউ|আভাসকুমার চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|আমজাদ হোসেন}} * {{বাউ|আমজাদ হোসেন (আইনজীবী)}} * {{বাউ|আমান রেজা}} * {{বাউ|আমানুল হক}} * {{বাউ|আমানুল হক (নৃত্যশিল্পী)}} * {{বাউ|আমানুল্লাহ কবির}} * {{বাউ|আমিন আহমদ}} * {{বাউ|আমিন উদ্দিন মৃধা}} * {{বাউ|আমিন সোহরাওয়ার্দী}} * {{বাউ|আমিনা আহমেদ কর}} * {{বাউ|আমিনুর রশীদ চৌধুরী}} * {{বাউ|আমিনুর রহমান}} * {{বাউ|আমিনুর রহমান শামসুদ দোহা}} * {{বাউ|আমিনুর রহমান সুলতান}} * {{বাউ|আমিনুল ইসলাম (চিত্রশিল্পী)}} * {{বাউ|আমিনুল ইসলাম (মৃত্তিকা বিজ্ঞানী)}} * {{বাউ|আমিনুল ইসলাম বাদশা}} * {{বাউ|আমিনুল ইসলাম ভুঁইয়া}} * {{বাউ|আমিনুল করিম}} * {{বাউ|আমিনুল হক (অভিনেতা)}} * {{বাউ|আমিনুল হক (অ্যাটর্নি জেনারেল)}} * {{বাউ|আমির হামজা (আলোকচিত্রশিল্পী)}} * {{বাউ|আমির হামজা (কবি)}} * {{বাউ|আমির হোসেন (বিচারপতি)}} * {{বাউ|আমির হোসেন আমু}} * {{বাউ|আমির হোসেন খান}} * {{বাউ|আমিরুল আলম মিলন}} * {{বাউ|আমিরুল ইসলাম (গীতিকার)}} * {{বাউ|আমিরুল হক চৌধুরী}} * {{বাউ|আমীন আহম্মেদ চৌধুরী}} * {{বাউ|আমীর-উল ইসলাম}} * {{বাউ|আমীরুল ইসলাম}} * {{বাউ|আয়নুন নাহার সিদ্দিকা}} * {{বাউ|আয়মান সাদিক}} * {{বাউ|আয়েত আলী খাঁ}} * {{বাউ|আয়েশা বেদোরা চৌধুরী}} * {{বাউ|আযীযুর রহমান কায়েদ}} * {{বাউ|আর আই এম আমিনুর রশিদ}} * {{বাউ|আর. এ. গনি}} * {{বাউ|আর. কে. বি. এম. রিজমী}} * {{বাউ|আরতি দত্ত}} * {{বাউ|আরমা দত্ত}} * {{বাউ|আরমিন মুসা}} * {{বাউ|আরশাদ-উজ জামান}} * {{বাউ|আরেফিন রুমি}} * {{বাউ|আর্ক}} * {{বাউ|আর্থার উইলসন}} * {{বাউ|আর্থার লেভেলিন বাশাম}} * {{বাউ|আল-কামাল আবদুল ওহাব}} * {{বাউ|আল-নকীব চৌধুরী}} * {{বাউ|আলতাফ মাহমুদ}} * {{বাউ|আলতাফ হোসেইন}} * {{বাউ|আলতাফ হোসেন (অধ্যাপক)}} * {{বাউ|আলতাফ হোসেন (কবি)}} * {{বাউ|আলতামাস আহমেদ}} * {{বাউ|আলপনা বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|আলফ্রেড উডলি ক্রফট}} * {{বাউ|আলভী আহমেদ}} * {{বাউ|আলম আরা জুঁই}} * {{বাউ|আলম খান}} * {{বাউ|আলম খোরশেদ}} * {{বাউ|আলমগীর (অভিনেতা)}} * {{বাউ|আলমগীর কুমকুম}} * {{বাউ|আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন}} * {{বাউ|আলাউদ্দিন আলী}} * {{বাউ|আলাউদ্দিন আহম্মদ}} * {{বাউ|আলাউদ্দিন খাঁ}} * {{বাউ|আলী আকবর খাঁ}} * {{বাউ|আলী আকবর রুপু}} * {{বাউ|আলী আকরাম শুভ}} * {{বাউ|আলী আজগর}} * {{বাউ|আলী আশরাফ (অধ্যাপক)}} * {{বাউ|আলী আহমদ}} * {{বাউ|আলী ইমাম}} * {{বাউ|আলী কায়সার হাসান মোর্শেদ}} * {{বাউ|আলী মনসুর}} * {{বাউ|আলী রীয়াজ}} * {{বাউ|আলী হোসেন (সঙ্গীতজ্ঞ)}} * {{বাউ|আলেকজান্ডার পেডলার}} * {{বাউ|আশফাকুল ইসলাম}} * {{বাউ|আশরফি খানম}} * {{বাউ|আশরাফ আলী খান চৌধুরী}} * {{বাউ|আশরাফ শিশির}} * {{বাউ|আশরাফ সিদ্দিকী}} * {{বাউ|আশরাফ-উজ-জামান খান}} * {{বাউ|আশরাফুদ্দীন আহমদ}} * {{বাউ|আশরাফুল আলম (শিক্ষাবিদ)}} * {{বাউ|আশা মেহরিন আমিন}} * {{বাউ|আশালতা সিংহ}} * {{বাউ|আশালতা সেন}} * {{বাউ|আশিক চৌধুরী}} * {{বাউ|আশিকুজ্জামান (জেনারেল)}} * {{বাউ|আশিকুর রহমান}} * {{বাউ|আশীষ রঞ্জন দাস}} * {{বাউ|আশুতোষ চৌধুরী}} * {{বাউ|আশুতোষ চৌধুরী (আইনজীবি)}} * {{বাউ|আশুতোষ সুজন}} * {{বাউ|আশুতোষ সেন}} * {{বাউ|আশ্চর্যময়ী}} * {{বাউ|আসকার ইবনে শাইখ}} * {{বাউ|আসফার হোসেন মোল্লা}} * {{বাউ|আসমত আলী শিকদার}} * {{বাউ|আসলাম সানী}} * {{বাউ|আসহাব উদ্দীন}} * {{বাউ|আসহাব উদ্দীন আহমদ}} * {{বাউ|আসহাব-উল-হক}} * {{বাউ|আসাদ আলম সিয়াম}} * {{বাউ|আসাদ চৌধুরী}} * {{বাউ|আসাদ বিন হাফিজ}} * {{বাউ|আসাদ মান্নান}} * {{বাউ|আসাদুজ্জামান খান}} * {{বাউ|আসিফ ইকবাল (গীতিকার)}} * {{বাউ|আহমদ আবদুল কাদের}} * {{বাউ|আহমদ আলী এনায়েতপুরী}} * {{বাউ|আহমদ জামান চৌধুরী}} * {{বাউ|আহমদ রফিক}} * {{বাউ|আহমদ শামসুল ইসলাম}} * {{বাউ|আহমাদ মোস্তফা কামাল}} * {{বাউ|আহমেদ আলী}} * {{বাউ|আহমেদ ইকবাল হায়দার}} * {{বাউ|আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল}} * {{বাউ|আহমেদ শফি}} * {{বাউ|আহমেদ সোহেল}} * {{বাউ|আহমেদুর রশিদ চৌধুরী}} * {{বাউ|আহম্মদ আলী}} * {{বাউ|আহসান এইচ মনসুর}} * {{বাউ|আহসান হাবীব (কার্টুনিস্ট)}} * {{বাউ|ইউজিন লাঁফৌ}} * {{বাউ|ইউনুস আলী সরকার}} * {{বাউ|ইউয়ান ৎসে লি}} * {{বাউ|ইউসুফ আবদুল্লাহ সুমন}} * {{বাউ|ইউসুফ আলী খান}} * {{বাউ|ইউসুফ আলী মোল্লা}} * {{বাউ|ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন}} * {{বাউ|ইকতিয়ার চৌধুরী}} * {{বাউ|ইকবাল আসিফ জুয়েল}} * {{বাউ|ইকবাল আহমেদ (সঙ্গীতশিল্পী)}} * {{বাউ|ইকবাল কাদির}} * {{বাউ|ইকবাল খন্দকার}} * {{বাউ|ইকবাল মাহমুদ}} * {{বাউ|ইকবাল সোবহান চৌধুরী}} * {{বাউ|ইকবাল হোসেন খান}} * {{বাউ|ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ}} * {{বাউ|ইতরাত হোসেন জুবেরী}} * {{বাউ|ইনামুল হক}} * {{বাউ|ইন্ডালো}} * {{বাউ|ইন্দিরা চক্রবর্তী}} * {{বাউ|ইন্দিরা দেবী}} * {{বাউ|ইন্দিরা নাথ}} * {{বাউ|ইন্দিরা ব্যানার্জি}} * {{বাউ|ইন্দিরাদেবী রায়চৌধুরী}} * {{বাউ|ইন্দু মিঠা}} * {{বাউ|ইন্দুভূষণ রক্ষিত}} * {{বাউ|ইন্দ্রকুমার রায়চৌধুরী}} * {{বাউ|ইন্দ্রজিৎ প্রসাদ}} * {{বাউ|ইন্দ্রজিৎ হাজরা}} * {{বাউ|ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|ইন্দ্রনাথ রুদ্র}} * {{বাউ|ইন্দ্রমোহন রাজবংশী}} * {{বাউ|ইন্দ্রাণী বসু}} * {{বাউ|ইপ্সিতা রায় চক্রবর্তী}} * {{বাউ|ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী}} * {{বাউ|ইফতেখার চৌধুরী}} * {{বাউ|ইফতেখারুজ্জামান}} * {{বাউ|ইফফাত আরা}} * {{বাউ|ইফফাত আরা দেওয়ান}} * {{বাউ|ইবনে ইমাম}} * {{বাউ|ইবনে মিজান}} * {{বাউ|ইবরাহীম আলী তশনা}} * {{বাউ|ইবরাহীম খাঁ}} * {{বাউ|ইব্রাহিম আহমেদ কমল}} * {{বাউ|ইব্রাহীম খলিল (নাট্যকার)}} * {{বাউ|ইমতিয়াজ মাহমুদ}} * {{বাউ|ইমতিয়াজ হোসেন (প্রকৌশলী)}} * {{বাউ|ইমতিয়ার শামীম}} * {{বাউ|ইমদাদ হোসেন}} * {{বাউ|ইমন চৌধুরী}} * {{বাউ|ইমন সাহা}} * {{বাউ|ইমরান এইচ সরকার}} * {{বাউ|ইমরান মাহমুদুল}} * {{বাউ|ইমরান সিদ্দিক}} * {{বাউ|ইমাউল হক}} * {{বাউ|ইমাম হোসেন চৌধুরী}} * {{বাউ|ইয়াকুব আলী শরীফ}} * {{বাউ|ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ}} * {{বাউ|ইয়াসমিন মোর্শেদ}} * {{বাউ|ইয়েন ইয়েন}} * {{বাউ|ইলা মজুমদার}} * {{বাউ|ইসমাইল খান}} * {{বাউ|ইসমাইল ফারুক চৌধুরী}} * {{বাউ|ইসমাইল মোহাম্মাদ}} * {{বাউ|ইসমাইল হোসেন তালুকদার}} * {{বাউ|ইসমাত জাহান}} * {{বাউ|ইসরাইল খান}} * {{বাউ|ইসহাক কাজল}} * {{বাউ|ইসহাক খান}} * {{বাউ|ইসহাক ফরিদী}} * {{বাউ|ইস্পাহানী-আরিফ জাহান}} * {{বাউ|ঈশা মহম্মদ}} * {{বাউ|ঈশানচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|ঈশানচন্দ্র বসু}} * {{বাউ|উকিল মুন্সী}} * {{বাউ|উজ্জ্বল (অভিনেতা)}} * {{বাউ|উজ্জ্বল মৌলিক}} * {{বাউ|উত্তম আকাশ}} * {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}} * {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী}} * {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|উপেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|উবায়দুর রহমান খান নদভী}} * {{বাউ|উবায়দুল কবীর চৌধুরী}} * {{বাউ|উমা মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|উমাপতিধর}} * {{বাউ|উমেশচন্দ্র দত্ত}} * {{বাউ|উমেশচন্দ্র বটব্যাল}} * {{বাউ|উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|উৎপলকুমার বসু}} * {{বাউ|উৎপলেন্দু চক্রবর্তী}} * {{বাউ|ঊষা গাঙ্গুলি}} * {{বাউ|ঊষা রঞ্জন ঘটক}} * {{বাউ|ঊষা সেন}} * {{বাউ|ঋজুদা}} * {{বাউ|ঋতুরাজ ভৌমিক}} * {{বাউ|ঋতেন্দ্রনাথ ঠাকুর}} * {{বাউ|ঋষি চন্দ}} * {{বাউ|ঋষিবর মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|এ আই এম মোস্তফা রেজা নূর}} * {{বাউ|এ এইচ এম এনায়েত হোসেন}} * {{বাউ|এ এইচ এম জেহাদুল করিম}} * {{বাউ|এ এইচ এম তৌহিদুল আনোয়ার চৌধুরী}} * {{বাউ|এ এইচ দিলদার আহমদ}} * {{বাউ|এ এইচ মোফাজ্জল করিম}} * {{বাউ|এ এন এম গোলাম মোস্তফা}} * {{বাউ|এ এফ এম আবদুল আলীম চৌধুরী}} * {{বাউ|এ এফ এম নাজমুল হুদা}} * {{বাউ|এ এফ এম মফিজুল ইসলাম}} * {{বাউ|এ এম এ এম জোনায়েদ সিদ্দিকী}} * {{বাউ|এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী}} * {{বাউ|এ কে আজাদ খান}} * {{বাউ|এ কে এম ইউসুফ}} * {{বাউ|এ কে এম ইয়াকুব আলী}} * {{বাউ|এ কে এম কামারুজ্জামান}} * {{বাউ|এ কে এম জহিরুল হক}} * {{বাউ|এ কে এম জহিরুল হক (বিচারক)}} * {{বাউ|এ কে এম জাকির হোসেন}} * {{বাউ|এ কে এম নুরুল ইসলাম}} * {{বাউ|এ কে এম নূরুল ইসলাম}} * {{বাউ|এ কে এম নূরুল হক}} * {{বাউ|এ কে এম শহীদুল করিম}} * {{বাউ|এ কে এম শামসুল হক}} * {{বাউ|এ কে এম সাঈদুল হক চৌধুরী}} * {{বাউ|এ কে এম সাদেক}} * {{বাউ|এ কে এম সিদ্দিক}} * {{বাউ|এ কে এম হাফিজউদ্দিন}} * {{বাউ|এ কে নাজমুল করিম}} * {{বাউ|এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া}} * {{বাউ|এ কে বদরুল হক}} * {{বাউ|এ জে এম নূরুদ্দীন চৌধুরী}} * {{বাউ|এ জে মিন্টু}} * {{বাউ|এ জেড এম জাহিদ হোসেন}} * {{বাউ|এ জেড এম মোস্তাক হোসেন}} * {{বাউ|এ টি এম আলমগীর}} * {{বাউ|এ টি এম জহুরুল হক}} * {{বাউ|এ বি এম আবদুর রহিম}} * {{বাউ|এ বি এম আব্দুল্লাহ}} * {{বাউ|এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম}} * {{বাউ|এ বি এম মূসা}} * {{বাউ|এ বি এম রাশেদুল হাসান}} * {{বাউ|এ বি এম শওকত আলী}} * {{বাউ|এ, জে, মোহাম্মদ আলী}} * {{বাউ|এ. এইচ. এম. মনিরুজ্জামান}} * {{বাউ|এ. এইচ. এস. আতাউল করিম}} * {{বাউ|এ. এইচ. জি. মহিউদ্দিন}} * {{বাউ|এ. এন. এম মমতাজ উদ্দিন চৌধুরী}} * {{বাউ|এ. এন. এম. নূরুজ্জামান}} * {{বাউ|এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ্‌}} * {{বাউ|এ. এফ. ইমাম আলি}} * {{বাউ|এ. এফ. এম. আওরঙ্গজেব}} * {{বাউ|এ. এফ. এম. আবদুল মঈন}} * {{বাউ|এ. এফ. এম. আব্দুর রহমান}} * {{বাউ|এ. এফ. এম. এন্তাজ আলী}} * {{বাউ|এ. এফ. সালাহ্উদ্দীন আহমদ}} * {{বাউ|এ. এফ. হাসান আরিফ}} * {{বাউ|এ. এম. আমিনুল হক}} * {{বাউ|এ. এস. এম. আব্দুল মোবিন}} * {{বাউ|এ. কিউ. এম. বজলুল করিম}} * {{বাউ|এ. কিউ. এম. মাহবুব}} * {{বাউ|এ. কে. এম. আসাদুজ্জামান}} * {{বাউ|এ. কে. এম. আহসান আলী}} * {{বাউ|এ. কে. এম. সিরাজুল ইসলাম খান}} * {{বাউ|এ. কে. নাজিরউদ্দীন আহমেদ}} * {{বাউ|এ. টি. এম. আফজাল}} * {{বাউ|এ. টি. এম. শামসুদ্দিন}} * {{বাউ|এ. বি. এম. খায়রুল হক}} * {{বাউ|এ. বি.এম. আলতাফ হোসেন}} * {{বাউ|এ.এইচ.এম. শামসুর রহমান}} * {{বাউ|এ.ওয়াই.বি আই সিদ্দিকী}} * {{বাউ|এ.কে.এম. রবিউল হাসান}} * {{বাউ|এ.টি.এম. ফজলে কবির}} * {{বাউ|এআরএম ইনামুল হক}} * {{বাউ|এআরএম লুৎফুল কবীর}} * {{বাউ|এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে}} * {{বাউ|এইচ এম জহিরুল হক}} * {{বাউ|এএসএম মতিউর রহমান}} * {{বাউ|একরামউদ্দিন আহমেদ}} * {{বাউ|একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী}} * {{বাউ|একেএম আবদুর রউফ}} * {{বাউ|একেএম আমিনুল হক চৌধুরী}} * {{বাউ|একেএম আসাদুল হক}} * {{বাউ|একেএম বজলুল করিম}} * {{বাউ|একেএম শহীদুল হক}} * {{বাউ|একেনবাবু}} * {{বাউ|এখলাসউদ্দিন আহমদ}} * {{বাউ|এজাজ ইউসুফী}} * {{বাউ|এজাজুল ইসলাম}} * {{বাউ|এঞ্জেলা গোমেজ}} * {{বাউ|এণাক্ষী চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|এনামুর রহমান}} * {{বাউ|এনামুল করিম নির্ঝর}} * {{বাউ|এনামুল বাশার}} * {{বাউ|এনামুল হক (পুলিশ কর্মকর্তা)}} * {{বাউ|এনামুল হক (প্রত্নতাত্ত্বিক)}} * {{বাউ|এনামুল হক (বিজ্ঞানী)}} * {{বাউ|এনামুল হক মোস্তফা শহীদ}} * {{বাউ|এনায়েত করিম}} * {{বাউ|এনায়েত হোসেন খান}} * {{বাউ|এনায়েতউল্লাহ খান}} * {{বাউ|এনায়েতুল্লাহ্‌ খান}} * {{বাউ|এনিগমা (মার্ভেল কমিক্স)}} * {{বাউ|এন্ড্রু বিরাজ}} * {{বাউ|এফ আই মানিক}} * {{বাউ|এফ এ সুমন}} * {{বাউ|এফআরএম নাজমুল আহসান}} * {{বাউ|এবাদুর রহমান}} * {{বাউ|এবিএম নুরুল ইসলাম}} * {{বাউ|এব্রাহাম মজুমদার}} * {{বাউ|এম অহিদুজ্জামান}} * {{বাউ|এম আনোয়ার হোসেন}} * {{বাউ|এম আবদুর রহমান}} * {{বাউ|এম আবদুল কাদির ভূঁইয়া}} * {{বাউ|এম আবদুস সোবহান (অধ্যাপক)}} * {{বাউ|এম আর আখতার মুকুল}} * {{বাউ|এম আর কবির}} * {{বাউ|এম আলাউদ্দিন}} * {{বাউ|এম আল্লামা সিদ্দিকি}} * {{বাউ|এম ইউসুফ আলী}} * {{বাউ|এম ইকবাল আর্সলান}} * {{বাউ|এম ইদ্রিস}} * {{বাউ|এম ইন্নাস আলী}} * {{বাউ|এম এ ওয়াজেদ মিয়া}} * {{বাউ|এম এ ওয়াদুদ}} * {{বাউ|এম এ খালেক}} * {{বাউ|এম এ জাহের (ভূতাত্ত্বিক)}} * {{বাউ|এম এ মাজিদ}} * {{বাউ|এম এ মান্নান (অধ্যাপক)}} * {{বাউ|এম এ মান্নান (স্নায়ুবিদ)}} * {{বাউ|এম এ মালেক (সাংবাদিক)}} * {{বাউ|এম এ মোবিন}} * {{বাউ|এম এ সাত্তার মণ্ডল}} * {{বাউ|এম এ হক (কবি)}} * {{বাউ|এম এ হাদী}} * {{বাউ|এম এ হামিদ}} * {{বাউ|এম এ হাসান}} * {{বাউ|এম এনায়েতুর রহিম}} * {{বাউ|এম এম রহমত উল্লাহ}} * {{বাউ|এম এম রেজাউল করিম}} * {{বাউ|এম এস স্বামীনাথন}} * {{বাউ|এম ওসমান গনি তালুকদার}} * {{বাউ|এম কিউ কে তালুকদার}} * {{বাউ|এম কোরবান আলী}} * {{বাউ|এম খায়রুল হোসেন}} * {{বাউ|এম ফাতেমা খানম}} * {{বাউ|এম ফিরোজ আহমেদ}} * {{বাউ|এম বি মানিক}} * {{বাউ|এম মহবুবউজ্জামান}} * {{বাউ|এম মোখলেসুর রহমান চৌধুরী}} * {{বাউ|এম মোজাম্মেল হক}} * {{বাউ|এম রফিকুল ইসলাম}} * {{বাউ|এম শমশের আলী}} * {{বাউ|এম শহিদুল ইসলাম}} * {{বাউ|এম শামসুল ইসলাম}} * {{বাউ|এম সাইদুজ্জামান}} * {{বাউ|এম সাইদুর রহমান খান}} * {{বাউ|এম সি চক্রবর্তী}} * {{বাউ|এম হামিদ}} * {{বাউ|এম. আজিজুর রহমান}} * {{বাউ|এম. আমিনুল ইসলাম}} * {{বাউ|এম. এ. আজিজ (নির্বাচন কমিশনার)}} * {{বাউ|এম. এইচ. খন্দকার}} * {{বাউ|এম. এম. রুহুল আমিন}} * {{বাউ|এম. খায়রুল আলম খান}} * {{বাউ|এম. গোলাম শাহি আলম}} * {{বাউ|এম. জাহিদ হাসান}} * {{বাউ|এম. নুরুল্লাহ}} * {{বাউ|এম. মোয়াজ্জম হোসেন}} * {{বাউ|এম. শামসুর রহমান}} * {{বাউ|এম. সাখাওয়াত হোসেন}} * {{বাউ|এম. হুমায়ুন কবির}} * {{বাউ|এম. হোসেন আলী}} * {{বাউ|এমদাদুল হক আজাদ}} * {{বাউ|এমদাদুল হক চৌধুরী}} * {{বাউ|এমরান আহমদ চৌধুরী}} * {{বাউ|এমাজউদ্দিন আহমদ}} * {{বাউ|এল. কে. সিদ্দিকী}} * {{বাউ|এলিটা করিম}} * {{বাউ|এস আই এম নূরুন্নবী খান}} * {{বাউ|এস আই টুটুল}} * {{বাউ|এস এ হক অলিক}} * {{বাউ|এস এম আব্রাহাম লিংকন}} * {{বাউ|এস এম আমজাদ হোসেন}} * {{বাউ|এস এম আহমেদ হুমায়ুন}} * {{বাউ|এস এম এমদাদুল হক}} * {{বাউ|এস এম কুদ্দুস জামান}} * {{বাউ|এস এম মহসীন}} * {{বাউ|এস এম মাসুদ হোসেন দোলন}} * {{বাউ|এস এম মাহফুজুর রহমান}} * {{বাউ|এস এম সোলায়মান}} * {{বাউ|এস ডি রুবেল}} * {{বাউ|এস. এ. বারী}} * {{বাউ|এস. এ. মালেক}} * {{বাউ|এস. এম. আল হোসাইনী}} * {{বাউ|এস. এম. এ. রাশীদুল হাসান}} * {{বাউ|এস. এম. মজিবুর রহমান}} * {{বাউ|এস. এম. মনিরুজ্জামান}} * {{বাউ|এস. এম. সিরিল}} * {{বাউ|এস. এম. হারুন-অর-রশীদ}} * {{বাউ|এস.এম আবুল কালাম}} * {{বাউ|এস.এম. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু}} * {{বাউ|এসকে. তাহসিন আলী}} * {{বাউ|এহতেশাম}} * {{বাউ|ওবায়দুল হাসান}} * {{বাউ|ওবায়দুল্লাহ আল ওবায়দী সোহরাওয়ার্দী}} * {{বাউ|ওবায়দুল্লাহ হামযাহ}} * {{বাউ|ওমর আলী}} * {{বাউ|ওমর ইশরাক}} * {{বাউ|ওমর ফারুক ইউসুফ}} * {{বাউ|ওয়াকিল আহমদ}} * {{বাউ|ওয়াকিল আহাদ}} * {{বাউ|ওয়াজেদ আলী সুমন}} * {{বাউ|ওয়াসফিয়া নাজরীন}} * {{বাউ|ওয়াসি আহমেদ}} * {{বাউ|ওয়াহিদ ইবনে রেজা}} * {{বাউ|ওয়াহিদউদ্দিন আহমেদ}} * {{বাউ|ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ}} * {{বাউ|ওয়াহিদা আক্তার}} * {{বাউ|ওয়াহিদুল হক}} * {{বাউ|ওসমান গণি}} * {{বাউ|ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরী}} * {{বাউ|ওস্তাদ বাবর আলী খান}} * {{বাউ|ওহিদুর রহমান}} * {{বাউ|ওহিদুল আলম}} * {{বাউ|ওহীদুল আলম}} * {{বাউ|কঙ্কনা সেন শর্মা}} * {{বাউ|কঙ্কর শুভ্র দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|কছিম উদ্দিন}} * {{বাউ|কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|কনক কান্তি বড়ুয়া}} * {{বাউ|কনকচাঁপা}} * {{বাউ|কফিল আহমেদ}} * {{বাউ|কফিলউদ্দিন মাহমুদ}} * {{বাউ|কবরী}} * {{বাউ|কবিচন্দ্র রামকৃষ্ণ রায়}} * {{বাউ|কবিতা খানম}} * {{বাউ|কবিতা সিংহ}} * {{বাউ|কবির বকুল}} * {{বাউ|কবির হোসেন}} * {{বাউ|কবীন্দ্র পরমেশ্বর}} * {{বাউ|কবীর সুমন}} * {{বাউ|কমল দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|কমলকুমার মজুমদার}} * {{বাউ|কমলা সাংকৃত্যায়ন}} * {{বাউ|কমলাদেবী চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|করিমুন্নেসা খানম চৌধুরানী}} * {{বাউ|করুণা সাহা}} * {{বাউ|করুণাময় গোস্বামী}} * {{বাউ|কর্নেল নীলাদ্রি সরকার}} * {{বাউ|কলাবতী (কাল্পনিক চরিত্র)}} * {{বাউ|কলিম শরাফী}} * {{বাউ|কল্কেকাশি}} * {{বাউ|কল্পতরু সেনগুপ্ত}} * {{বাউ|কল্পনা আখতার}} * {{বাউ|কল্পনা চাকমা}} * {{বাউ|কল্যাণ মিত্র}} * {{বাউ|কল্যাণ মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|কল্যাণী ঘোষ}} * {{বাউ|কসিমউদ্দিন আহমদ}} * {{বাউ|কসিরউদ্দিন তালুকদার}} * {{বাউ|কাইজার চৌধুরী}} * {{বাউ|কাইয়ুম চৌধুরী}} * {{বাউ|কাওসার আহমেদ চৌধুরী}} * {{বাউ|কাওসার চৌধুরী}} * {{বাউ|কাকাবাবু}} * {{বাউ|কাজল আরেফিন অমি}} * {{বাউ|কাজল বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|কাজি হাসমত আলী}} * {{বাউ|কাজী আকরম হোসেন}} * {{বাউ|কাজী আজহার আলী}} * {{বাউ|কাজী আজিজুল মাওলা}} * {{বাউ|কাজী আনোয়ার হোসেন}} * {{বাউ|কাজী আনোয়ার হোসেন (চিত্রশিল্পী)}} * {{বাউ|কাজী আনোয়ারা মনসুর}} * {{বাউ|কাজী আফসারউদ্দীন আহমদ}} * {{বাউ|কাজী আবদুল আলীম}} * {{বাউ|কাজী আবদুল ফাত্তাহ}} * {{বাউ|কাজী আবুল কাসেম (কার্টুনিস্ট)}} * {{বাউ|কাজী আবুল মনসুর}} * {{বাউ|কাজী ইবাদত হোসেন}} * {{বাউ|কাজী ইমদাদুল হক}} * {{বাউ|কাজী এবাদুল হক}} * {{বাউ|কাজী এম বদরুদ্দোজা}} * {{বাউ|কাজী ওয়ালিউল ইসলাম}} * {{বাউ|কাজী কাদের নেওয়াজ}} * {{বাউ|কাজী কামরুজ্জামান}} * {{বাউ|কাজী কৃষ্ণকলি ইসলাম}} * {{বাউ|কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ}} * {{বাউ|কাজী গোলাম দস্তগীর}} * {{বাউ|কাজী গোলাম মাহবুব}} * {{বাউ|কাজী গোলাম মুস্​তাফা}} * {{বাউ|কাজী গোলাম রসূল}} * {{বাউ|কাজী জহির}} * {{বাউ|কাজী জহিরুল হক}} * {{বাউ|কাজী জিনাত হক}} * {{বাউ|কাজী তরিকুল ইসলাম}} * {{বাউ|কাজী দীন মুহাম্মদ (সাহিত্যিক)}} * {{বাউ|কাজী মাসুম আখতার}} * {{বাউ|কাজী মুতাসিম বিল্লাহ}} * {{বাউ|কাজী মুহম্মদ মনজুরে মওলা}} * {{বাউ|কাজী মোঃ ইজারুল হক আকন্দ}} * {{বাউ|কাজী মোরশেদ}} * {{বাউ|কাজী রওশন আক্তার}} * {{বাউ|কাজী রেজা-উল হক}} * {{বাউ|কাজী রোজী}} * {{বাউ|কাজী শহীদুন নবী}} * {{বাউ|কাজী শুভ}} * {{বাউ|কাজী সব্যসাচী}} * {{বাউ|কাজী সাইফুদ্দীন}} * {{বাউ|কাজী সাজ্জাদ হোসেন}} * {{বাউ|কাজী হায়াৎ}} * {{বাউ|কাজী হাসান হাবিব}} * {{বাউ|কাজেম আলী}} * {{বাউ|কাত্যায়নী দাস ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|কাদম্বরী দেবী}} * {{বাউ|কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায়}} * {{বাউ|কাদেরী কিবরিয়া}} * {{বাউ|কানকাটা রমজান}} * {{বাউ|কানাই লাল দে}} * {{বাউ|কানাইলাল শীল}}* {{বাউ|কানাহরি দত্ত}} * {{বাউ|কানু রায়}} * {{বাউ|কাবেরী গায়েন}} * {{বাউ|কামরুদ্দীন আহমদ}} * {{বাউ|কামরুন নাহার}} * {{বাউ|কামরুন নাহার (সরকারি কর্মকর্তা)}} * {{বাউ|কামরুন নাহার বেগম}} * {{বাউ|কামরুন নেছা নীলু}} * {{বাউ|কামরুল আলম খান}} * {{বাউ|কামরুল আহসান}} * {{বাউ|কামরুল আহসান (প্রকৌশলী)}} * {{বাউ|কামরুল ইসলাম (চিকিৎসক)}} * {{বাউ|কামরুল ইসলাম সিদ্দিক}} * {{বাউ|কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী}} * {{বাউ|কামরুল হাসান}} * {{বাউ|কামরুল হাসান খান}} * {{বাউ|কামরুল হাসান ভূঁইয়া}} * {{বাউ|কামাক্ষীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|কামার আহমাদ সাইমন}} * {{বাউ|কামাল আহমেদ}} * {{বাউ|কামাল উদ্দিন}} * {{বাউ|কামাল উদ্দিন আহমেদ}} * {{বাউ|কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী}} * {{বাউ|কামাল লোহানী}} * {{বাউ|কামাল হোসেন}} * {{বাউ|কামালউদ্দিন হোসেন}} * {{বাউ|কামালুদ্দীন জাফরী}} * {{বাউ|কামিনী কুমার দত্ত}} * {{বাউ|কামিনীকুমার ঘোষ}} * {{বাউ|কায়সার হামিদুল হক}} * {{বাউ|কায়সুল হক}} * {{বাউ|কায়েস উদ্দিন}} * {{বাউ|কার্তিকচন্দ্র দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|কালিকারঞ্জন কানুনগো}} * {{বাউ|কালিচন্দ্র রায় চৌধুরী}} * {{বাউ|কালিদাস কর্মকার}} * {{বাউ|কালিদাস নাগ}} * {{বাউ|কালিদাস ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|কালীকান্ত চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|কালীকৃষ্ণ মিত্র}} * {{বাউ|কালীনাথ দত্ত}} * {{বাউ|কালীনাথ রায়}} * {{বাউ|কালীপদ পাঠক}} * {{বাউ|কালীপদ বসু}} * {{বাউ|কালীপদ বিশ্বাস}} * {{বাউ|কালীপদ সেন}} * {{বাউ|কালীপ্রসন্ন কাব্যবিশারদ}} * {{বাউ|কালীপ্রসন্ন সিংহ}} * {{বাউ|কালীমোহন ঘোষ}} * {{বাউ|কাশীরাম দাস}} * {{বাউ|কাশেফা হোসেন}} * {{বাউ|কাসেম বিন আবুবাকার}} * {{বাউ|কিউ এ বি এম রহমান}} * {{বাউ|কিউ.এ.এম.এ রহিম}} * {{বাউ|কিকিরা}} * {{বাউ|কিরণ সেন}} * {{বাউ|কিরণচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|কিরণশঙ্কর সেনগুপ্ত}} * {{বাউ|কিরীটী রায়}} * {{বাউ|কিশোর কুমার}} * {{বাউ|কিশোরীচাঁদ মিত্র}} * {{বাউ|কিশোরীমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|কুঞ্জলাল নাগ}} * {{বাউ|কুটি মনসুর}} * {{বাউ|কুণাল বসু}} * {{বাউ|কুদরত-ই-জাহান}} * {{বাউ|কুদ্দুস বয়াতি}} * {{বাউ|কুমকুম মুন্সী}} * {{বাউ|কুমার বিশ্বজিৎ}} * {{বাউ|কুমার রায়}} * {{বাউ|কুমারপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|কুমারেশ ঘোষ}} * {{বাউ|কুমুদনাথ চৌধুরী}} * {{বাউ|কুমুদশঙ্কর রায়}} * {{বাউ|কুমুদিনী হাজং}} * {{বাউ|কৃষ্ণ কুণ্ডু}} * {{বাউ|কৃষ্ণ ধর}} * {{বাউ|কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|কৃষ্ণকালী মণ্ডল}} * {{বাউ|কৃষ্ণকুমার মিত্র}} * {{বাউ|কৃষ্ণচন্দ্র ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|কৃষ্ণদয়াল বসু}} * {{বাউ|কৃষ্ণদাস কবিরাজ}} * {{বাউ|কৃষ্ণদাস পাল}} * {{বাউ|কৃষ্ণধন ঘোষ}} * {{বাউ|কৃষ্ণনাথ রায়}} * {{বাউ|কৃষ্ণভাবিনী দাস}} * {{বাউ|কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|কৃষ্ণরাম দাস}} * {{বাউ|কৃষ্ণরাম ভট্টাচাৰ্য}} * {{বাউ|কৃষ্ণা}} * {{বাউ|কৃষ্ণা দেবনাথ}} * {{বাউ|কৃষ্ণা বসু}} * {{বাউ|কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ}} * {{বাউ|কে এম আলী আজম}} * {{বাউ|কে এম আসাদ}} * {{বাউ|কে এম চক্রবর্তী}} * {{বাউ|কে এম মোহসীন}} * {{বাউ|কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা}} * {{বাউ|কে এম সোবহান}} * {{বাউ|কে জি মুস্তফা}} * {{বাউ|কে. এম. ইমরুল কায়েশ}} * {{বাউ|কে. এম. কামরুল কাদের}} * {{বাউ|কে. এম. জাহিদ সারওয়ার}} * {{বাউ|কে. এম. শিহাব উদ্দিন}} * {{বাউ|কে. এম. হাফিজুল আলম}} * {{বাউ|কে. এম. হাসান}} * {{বাউ|কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ}} * {{বাউ|কেতকী কুশারী ডাইসন}} * {{বাউ|কেতায়ুন আরদেশির দিনশ}} * {{বাউ|কেদার ও বদ্রী}} * {{বাউ|কেদারনাথ চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|কেদারনাথ দাস}} * {{বাউ|কেদারনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|কেদারনাথ মজুমদার}} * {{বাউ|কেদারেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|কেরামত মওলা}} * {{বাউ|কেশব চন্দ্র নাগ}} * {{বাউ|কৈলাসচন্দ্র বসু}} * {{বাউ|কৈলাসচন্দ্র বিদ্যাভূষণ}} * {{বাউ|কোনাল}} * {{বাউ|কোরেশী মাগন ঠাকুর}} * {{বাউ|কৌশিক বসু}} * {{বাউ|ক্যাথরিন মাসুদ}} * {{বাউ|ক্রসউইন্ডস}} * {{বাউ|ক্রিপটিক ফেইট}} * {{বাউ|ক্লডিয়াস জেমস এরস্কাইন}} * {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্র চন্দ্র বৈশ্য}} * {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রনাথ ঠাকুর}} * {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রনাথ মজুমদার}} * {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রনারায়ণ ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|ক্ষিতীন্দ্রমোহন নাহা}} * {{বাউ|ক্ষিরোদচন্দ্র চৌধুরী}} * {{বাউ|ক্ষীরোদপ্রসাদ বিদ্যাবিনোদ}} * {{বাউ|ক্ষুদিরাম দাস}} * {{বাউ|ক্ষেত্র গুপ্ত}} * {{বাউ|ক্ষেত্রেশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|খগেন্দ্র চন্দ্র দাশ}} * {{বাউ|খগেন্দ্রনাথ মিত্র}} * {{বাউ|খন্দকার আবদুল হাফিজ}} * {{বাউ|খন্দকার আবদুল হামিদ}} * {{বাউ|খন্দকার আবু বকর (অ্যাটর্নি জেনারেল)}} * {{বাউ|খন্দকার নুরুল আলম}} * {{বাউ|খন্দকার মাহবুব উদ্দিন আহমদ}} * {{বাউ|খন্দকার মাহবুব হোসেন}} * {{বাউ|খন্দকার মুসা খালেদ}} * {{বাউ|খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান}} * {{বাউ|খন্দকার মোহাম্মদ আশরাফুল মুনিম}} * {{বাউ|খন্দকার শামস্ উদ্দিন আহাম্মাদ}} * {{বাউ|খন্দকার সিদ্দিক-ই-রাব্বানী}} * {{বাউ|খন্দকার সুমন}} * {{বাউ|খলিল উল্লাহ খান}} * {{বাউ|খলিলুর রহমান (অর্থনীতিবিদ)}} * {{বাউ|খলিলুর রহমান (কূটনীতিক)}} * {{বাউ|খলিলুর রহমান বাবর}} * {{বাউ|খাঁন মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ্ আল মেহেদী}} * {{বাউ|খাজা ওয়াসিউদ্দিন}} * {{বাউ|খাজা মোহাম্মদ কায়সার}} * {{বাউ|খাতুন সাপনারা}} * {{বাউ|খাদেম হোসেন খান}} * {{বাউ|খাদেমুল ইসলাম চৌধুরী}} * {{বাউ|খান আসিফুর রহমান আগুন}} * {{বাউ|খান বাহাদুর আবদুল করিম}} * {{বাউ|খান বাহাদুর জিয়াউল হক}} * {{বাউ|খান বাহাদুর হেমায়েত উদ্দিন আহম্মদ}} * {{বাউ|খান মুহাম্মদ মঈনুদ্দীন}} * {{বাউ|খান মোহাম্মদ ফারাবী}} * {{বাউ|খান মোহাম্মদ সালেক}} * {{বাউ|খান শামসুর রহমান}} * {{বাউ|খান সারওয়ার মুরশিদ}} * {{বাউ|খান-এ-সবুর}} * {{বাউ|খায়রুজ্জামান}} * {{বাউ|খায়রুল আনাম শাকিল}} * {{বাউ|খায়রুল আলম সবুজ}} * {{বাউ|খালিকুজ্জামান ইলিয়াস}} * {{বাউ|খালিদ মাহমুদ মিঠু}} * {{বাউ|খালিদ হাসান মিলু}} * {{বাউ|খালিদ হোসেন}} * {{বাউ|খালেক নওয়াজ খান}} * {{বাউ|খালেক বিন জয়েন উদ্দীন}} * {{বাউ|খালেকদাদ চৌধুরী}} * {{বাউ|খালেদ খান}} * {{বাউ|খালেদা আদিব চৌধুরী}} * {{বাউ|খালেদা একরাম}} * {{বাউ|খালেদা মনযূর-এ-খুদা}} * {{বাউ|খিজির আহমেদ চৌধুরী}} * {{বাউ|খিজির হায়াত}} * {{বাউ|খিজির হায়াত খান}} * {{বাউ|খুজিস্তা আখতার বানু}} * {{বাউ|খুররম খান পন্নী}} * {{বাউ|খুরশিদ আলম}} * {{বাউ|খুরশিদ খান}} * {{বাউ|খুশি কবীর}} * {{বাউ|খোদা বক্স}} * {{বাউ|খোদেজা আজম}} * {{বাউ|খোদেজা খাতুন}} * {{বাউ|খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ}} * {{বাউ|খোন্দকার দিলীরুজ্জামান}} * {{বাউ|খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন}} * {{বাউ|খোন্দকার নাসিরউদ্দিন}} * {{বাউ|খোন্দকার মনোয়ার হোসেন}} * {{বাউ|খোশনূর আলমগীর}} * {{বাউ|খ্যান্ত বালা রায়}} * {{বাউ|গওহর জামিল}} * {{বাউ|গগনচন্দ্র বিশ্বাস}} * {{বাউ|গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|গঙ্গাধর সেন রায়}} * {{বাউ|গঙ্গাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|গজেন্দ্রকুমার মিত্র}} * {{বাউ|গণেন্দ্রনাথ ঠাকুর}} * {{বাউ|গণেশ পাইন}} * {{বাউ|গণেশ হালুই}} * {{বাউ|গন্ডালু}} * {{বাউ|গমির উদ্দিন প্রধান}} * {{বাউ|গাজী আতাউর রহমান}} * {{বাউ|গাজী আবদুল হাকিম}} * {{বাউ|গাজী আব্দুল হক}} * {{বাউ|গাজী এমএইচ তামিম}} * {{বাউ|গাজী নাফিস আহমেদ}} * {{বাউ|গাজী মাজহারুল আনোয়ার}} * {{বাউ|গাজী রাকায়েত}} * {{বাউ|গাজী শামছুর রহমান}} * {{বাউ|গাজীউল হক}} * {{বাউ|গাজীউল হাসান খান}} * {{বাউ|গান্ধী আশ্রম}} * {{বাউ|গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট}} * {{বাউ|গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক}} * {{বাউ|গার্গী গুপ্ত}} * {{বাউ|গিয়াস উদ্দিন সেলিম}} * {{বাউ|গিয়াস কামাল চৌধুরী}} * {{বাউ|গিয়াসউদ্দিন আহমেদ}} * {{বাউ|গিয়াসউদ্দীন মিয়া}} * {{বাউ|গিয়াসুদ্দিন দালাল}} * {{বাউ|গিরিজাপতি ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|গিরিবালা দেবী}} * {{বাউ|গিরিশ চন্দ্র সেন}} * {{বাউ|গিরিশচন্দ্র ঘোষ (সাংবাদিক)}} * {{বাউ|গিরিশচন্দ্র বিদ্যারত্ন}} * {{বাউ|গিরীন্দ্রশেখর বসু}} * {{বাউ|গিরীশ চন্দ্র রায়}} * {{বাউ|গীতা মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|গুণময় মান্না}} * {{বাউ|গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|গুরুনাথ সেনগুপ্ত}} * {{বাউ|গুরুপ্রসাদ সেন}} * {{বাউ|গুরুসদয় দত্ত}} * {{বাউ|গুল মোহাম্মদ খাঁ}} * {{বাউ|গোকুলচন্দ্র নাগ}} * {{বাউ|গোগোল}} * {{বাউ|গোপাল ঘোষ}} * {{বাউ|গোপাল চন্দ্র লাহিড়ী}} * {{বাউ|গোপাল হালদার}} * {{বাউ|গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|গোপালচন্দ্র সেন}} * {{বাউ|গোপালদাস চৌধুরী}} * {{বাউ|গোপালদাস মজুমদার}} * {{বাউ|গোপালের মা}} * {{বাউ|গোপেন্দ্রকৃষ্ণ বসু}} * {{বাউ|গোবর্ধন আচার্য}} * {{বাউ|গোবর্ধন আশ}} * {{বাউ|গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর}} * {{বাউ|গোবিন্দচন্দ্র দাস}} * {{বাউ|গোবিন্দচন্দ্র রায়}} * {{বাউ|গোবিন্দদাস}} * {{বাউ|গোয়েন্দা কৌশিক}} * {{বাউ|গোয়েন্দা গার্গী}} * {{বাউ|গোয়েন্দা বরদাচরণ}} * {{বাউ|গোলাপ মা}} * {{বাউ|গোলাম আবু জাকারিয়া}} * {{বাউ|গোলাম আরিফ টিপু}} * {{বাউ|গোলাম আলী চৌধুরী}} * {{বাউ|গোলাম কবীর}} * {{বাউ|গোলাম কাসেম}} * {{বাউ|গোলাম কিবরিয়া ভূঁইয়া}} * {{বাউ|গোলাম কুদ্দুস}} * {{বাউ|গোলাম জিলানী চৌধুরী}} * {{বাউ|গোলাম মওলা}} * {{বাউ|গোলাম মর্তুজা মজুমদার}} * {{বাউ|গোলাম মাওলা (অধ্যাপক)}} * {{বাউ|গোলাম মুরশিদ}} * {{বাউ|গোলাম মুসাব্বির রাকিব}} * {{বাউ|গোলাম মুস্তাফা (অভিনেতা)}} * {{বাউ|গোলাম মুস্তাফা (আলোকচিত্র শিল্পী)}} * {{বাউ|গোলাম মোস্তফা}} * {{বাউ|গোলাম মোস্তফা (শহীদ বুদ্ধিজীবী)}} * {{বাউ|গোলাম মোস্তফা খান (নৃত্যশিল্পী)}} * {{বাউ|গোলাম রহমান (শিশুসাহিত্যিক)}} * {{বাউ|গোলাম রাব্বানী বিপ্লব}} * {{বাউ|গোলাম সাকলায়েন}} * {{বাউ|গোলাম সামদানী কোরায়শী}} * {{বাউ|গোলাম সামদানী ফকির}} * {{বাউ|গোলাম সারওয়ার}} * {{বাউ|গোলাম সারওয়ার (কূটনীতিবিদ)}} * {{বাউ|গোলাম হাসনায়েন}} * {{বাউ|গৌতম চক্রবর্তী}} * {{বাউ|গৌতম চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|গৌতম বসু}} * {{বাউ|গৌতম বুদ্ধ দাশ}} * {{বাউ|গৌতম ভদ্র}} * {{বাউ|গৌর গোপাল সাহা}} * {{বাউ|গৌরগোবিন্দ রায়}} * {{বাউ|গৌরচন্দ্র বালা}} * {{বাউ|গৌরদাস বসাক}} * {{বাউ|গৌরমোহন আঢ্য}} * {{বাউ|গৌরী আইয়ুব}} * {{বাউ|গৌরী ধর্মপাল}} * {{বাউ|গৌরী ভঞ্জ}} * {{বাউ|গৌরী মা}} * {{বাউ|গৌরী সেন}} * {{বাউ|গৌরীশঙ্কর ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার}} * {{বাউ|ঘনরাম চক্রবর্তী}} * {{বাউ|ঘনাদা}} * {{বাউ|চক্রপাণি দত্ত}} * {{বাউ|চঞ্চল কর্মকার}} * {{বাউ|চঞ্চল কুমার মজুমদার}} * {{বাউ|চণ্ডী লাহিড়ী}} * {{বাউ|চণ্ডীচরণ মুনশী}} * {{বাউ|চণ্ডীচরণ সেন}} * {{বাউ|চণ্ডীদাস মাল}} * {{বাউ|চন্দক সেনগুপ্ত}} * {{বাউ|চন্দন কুমার ভট্টাচার্য্য}} * {{বাউ|চন্দন বিশ্বাস}} * {{বাউ|চন্দ্র কালিন্দী রায় হেনরিকসন}} * {{বাউ|চন্দ্র শেখর দে}} * {{বাউ|চন্দ্রকুমার দে}} * {{বাউ|চন্দ্রনাথ বসু}} * {{বাউ|চন্দ্রমুখী বসু}} * {{বাউ|চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন}} * {{বাউ|চন্দ্রশেখর মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|চন্দ্রিল ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|চপলাকান্ত ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|চয়নিকা চৌধুরী}} * {{বাউ|চামেলী বসু}} * {{বাউ|চারুচন্দ্র চক্রবর্তী}} * {{বাউ|চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|চারুচন্দ্র বিশ্বাস}} * {{বাউ|চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|চারুচন্দ্র সান্যাল}} * {{বাউ|চারুলতা মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|চারুশিতা চক্রবর্তী}} * {{বাউ|চাষী আলম}} * {{বাউ|চাষী নজরুল ইসলাম}} * {{বাউ|চিণ্ময় শংকর দে}} * {{বাউ|চিত্তরঞ্জন দেব}} * {{বাউ|চিত্তরঞ্জন মাইতি}} * {{বাউ|চিত্তরঞ্জন সাহা}} * {{বাউ|চিত্রনিভা চৌধুরী}} * {{বাউ|চিত্রা দত্ত}} * {{বাউ|চিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় দিবাকরূণী}} * {{বাউ|চিত্রা মণ্ডল}} * {{বাউ|চিদানন্দ দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|চিন্তামণি কর}} * {{বাউ|চিন্তামণি নাগেশ রামচন্দ্র রাও}} * {{বাউ|চিন্ময় গুহ}} * {{বাউ|চিরকুট}} * {{বাউ|চুণীলাল বসু}} * {{বাউ|চুনি কোটাল}} * {{বাউ|চৌধুরী আবদুল হাই}} * {{বাউ|চৌধুরী এ.টি.এম মাসুদ}} * {{বাউ|চৌধুরী গোলাম আকবর}} * {{বাউ|চৌধুরী মাহমুদ হাসান}} * {{বাউ|চৌধুরী মোফিজুর রহমান}} * {{বাউ|ছটকু আহমেদ}} * {{বাউ|ছদরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী}} * {{বাউ|ছন্দা গায়েন}} * {{বাউ|ছবি বিশ্বাস}} * {{বাউ|ছরওয়ার জান মিয়া}} * {{বাউ|ছিদ্দিক আহমদ}} * {{বাউ|জকি আহাদ}} * {{বাউ|জগদীশ গুপ্ত}} * {{বাউ|জগদীশ ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|জগন্নাথ গঙ্গোপাধ্যায়}} * {{বাউ|জগন্নাথ তর্কপঞ্চানন}} * {{বাউ|জগন্নাথ মজুমদার}} * {{বাউ|জগন্মোহিনী দেবী}} * {{বাউ|জগুমামা}} * {{বাউ|জন এলিয়ট ড্রিঙ্কওয়াটার বিটন}} * {{বাউ|জন গোমেজ}} * {{বাউ|জন প্যাক্সটন নরম্যান}} * {{বাউ|জনাব আলী উকিল}} * {{বাউ|জমির উদ্দিন সরকার}} * {{বাউ|জয় ভট্টাচার্য (চিকিৎসক-বিজ্ঞানী)}} * {{বাউ|জয় সরকার}} * {{বাউ|জয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|জয়গোপাল তর্কালঙ্কার}} * {{বাউ|জয়তী বসু}} * {{বাউ|জয়দীপ চক্রবর্তী}} * {{বাউ|জয়দেব}} * {{বাউ|জয়দেব মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|জয়নুল আবেদীন জায়েদী}} * {{বাউ|জয়ন্ত (গোয়েন্দা)}} * {{বাউ|জয়ন্ত দে}} * {{বাউ|জয়ন্ত বন্দ্যোপাধ্যায় (বিজ্ঞানী)}} * {{বাউ|জয়ন্তানুজ বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|জয়শ্রী চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|জয়শ্রী বর্মণ}} * {{বাউ|জয়া পতি}} * {{বাউ|জর্জ র‍্যাঙ্কিন (বিচারক)}} * {{বাউ|জর্জ হ্যারি ল্যাংলি}} * {{বাউ|জলধর সেন}} * {{বাউ|জলের গান}} * {{বাউ|জসিম উদ্দিন আহমদ}} * {{বাউ|জসিম সালাম}} * {{বাউ|জসিমুদ্দিন আহমদ}} * {{বাউ|জসীম উদ্দিন আহমদ}} * {{বাউ|জহিরুদ্দিন (কূটনীতিক)}} * {{বাউ|জহিরুল আলম সিদ্দিকী}} * {{বাউ|জহুর হোসেন চৌধুরী}} * {{বাউ|জহুরুল করিম}} * {{বাউ|জহুরুল হক (অনুবাদক)}} * {{বাউ|জাইমা রহমান}} * {{বাউ|জাওয়াদুল হক}} * {{বাউ|জাওয়েদ করিম}} * {{বাউ|জাকিয়া সুলতানা}} * {{বাউ|জাকির খান}} * {{বাউ|জাকির তালুকদার}} * {{বাউ|জাকির হোসেন রাজু}} * {{বাউ|জানকীনাথ বসু}} * {{বাউ|জান্নাতুল ফেরদৌস (অধ্যাপক)}} * {{বাউ|জান্নাতুল ফেরদৌস (বিজ্ঞানী)}} * {{বাউ|জান্নাতুল ফেরদৌস আইভি}} * {{বাউ|জাফর আলম (সাহিত্যিক)}} * {{বাউ|জাফর আহমেদ}} * {{বাউ|জাফর ইকবাল (অভিনেতা)}} * {{বাউ|জাফর ওয়াজেদ}} * {{বাউ|জাফর মুহাম্মদ লুৎফর}} * {{বাউ|জামালউদ্দিন হোসেন}} * {{বাউ|জামালউদ্দীন আহমদ}} * {{বাউ|জামিল চৌধুরী}} * {{বাউ|জামিলুর রেজা চৌধুরী}} * {{বাউ|জায়েদ বখত}} * {{বাউ|জারিন তাসনিম নাওমি}} * {{বাউ|জালাল উদ্দিন খাঁ}} * {{বাউ|জালালুদ্দিন আবদুর রহিম}} * {{বাউ|জাহাঙ্গীর আলম (অধ্যাপক)}} * {{বাউ|জাহাঙ্গীর আলম (রসায়নবিদ)}} * {{বাউ|জাহাঙ্গীর আলম খান}} * {{বাউ|জাহাঙ্গীর কবির (কর্মকর্তা)}} * {{বাউ|জাহাঙ্গীর কবির নানক}} * {{বাউ|জাহাঙ্গীর হোসেন (বিচারপতি)}} * {{বাউ|জাহানারা আরজু}} * {{বাউ|জাহানারা আহমেদ}} * {{বাউ|জাহানারা ভূঁইয়া}} * {{বাউ|জাহিদ আকবর}} * {{বাউ|জাহিদ সোহ্‌রাওয়ার্দী}} * {{বাউ|জাহিদ হোসেন}} * {{বাউ|জাহিদুর রহিম অঞ্জন}} * {{বাউ|জাহিদুল হক}} * {{বাউ|জাহেদুর রহিম}} * {{বাউ|জাহ্নবা দেবী}} * {{বাউ|জাহ্নবী চৌধুরানী}} * {{বাউ|জি এ মান্নান}} * {{বাউ|জি এম বি আকাশ}} * {{বাউ|জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমান}} * {{বাউ|জিংগা শিল্পগোষ্ঠী}} * {{বাউ|জিকরুল হক}} * {{বাউ|জিতেন ঘোষ}} * {{বাউ|জিতেন্দ্রনাথ কুশারী}} * {{বাউ|জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|জিতেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|জিতেন্দ্রমোহন সেন}} * {{বাউ|জিনবোধি ভিক্ষু}} * {{বাউ|জিনাত আরা}} * {{বাউ|জিনাত বরকতুল্লাহ}} * {{বাউ|জিনাতুন নেসা তাহমিদা বেগম}} * {{বাউ|জিয়াউর রহমান খান}} * {{বাউ|জিয়াউর রহমান জিয়া}} * {{বাউ|জিয়াউল হক (সমাজসেবক)}} * {{বাউ|জিয়াউল হক পলাশ}} * {{বাউ|জিয়াউল হক মৃধা}} * {{বাউ|জিল্লুর রহমান}} * {{বাউ|জিল্লুর রহমান (চলচ্চিত্র পরিচালক)}} * {{বাউ|জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী}} * {{বাউ|জিৎ গাঙ্গুলী}} * {{বাউ|জীব গোস্বামী}} * {{বাউ|জীবন রতন ধর}} * {{বাউ|জীবন রহমান}} * {{বাউ|জীবনানন্দ দাশ}} * {{বাউ|জুনাব আলী}} * {{বাউ|জুনায়েদ আহমেদ}} * {{বাউ|জুবায়ের রহমান চৌধুরী}} * {{বাউ|জুবায়ের সালেহীন}} * {{বাউ|জুবেদ আলী}} * {{বাউ|জুয়েনা আজিজ}} * {{বাউ|জুলফিকার মতিন}} * {{বাউ|জুলফিকার রাসেল}} * {{বাউ|জুলফিকুর রহমান}} * {{বাউ|জুলহাস উদ্দিন}} * {{বাউ|জুলহাস উদ্দিন আহমেদ}} * {{বাউ|জুলেখা হক}} * {{বাউ|জে. বি. এম. হাসান}} * {{বাউ|জেএন দেব চৌধুরী}} * {{বাউ|জেড আই খান পান্না}} * {{বাউ|জেড এইচ মিন্টু}} * {{বাউ|জেড এম পারভেজ সাজ্জাদ}} * {{বাউ|জেব-উন-নেসা জামাল}} * {{বাউ|জেবা ইসলাম সিরাজ}} * {{বাউ|জেবুন্নেসা রহমান}} * {{বাউ|জেমস (সঙ্গীতজ্ঞ)}} * {{বাউ|জেমস উইলিয়াম কলভিল}} * {{বাউ|জেলিনা-বার্লো রহমান}} * {{বাউ|জেহাদ খান}} * {{বাউ|জোছন দস্তিদার}} * {{বাউ|জোবাইদা রহমান}} * {{বাউ|জোবেদা খানম}} * {{বাউ|জোহরা বেগম কাজী}} * {{বাউ|জ্ঞানচন্দ্র ঘোষ}} * {{বাউ|জ্ঞানদাস}} * {{বাউ|জ্ঞানশ্রী মহাথের}} * {{বাউ|জ্ঞানেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|জ্ঞানেন্দ্রনাথ রায়}} * {{বাউ|জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাস}} * {{বাউ|জ্যোতিঃপাল মহাথের}} * {{বাউ|জ্যোতিভূষণ চাকী}} * {{বাউ|জ্যোতিভূষণ ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী}} * {{বাউ|জ্যোতিরিন্দ্রনাথ মৈত্র}} * {{বাউ|জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা}} * {{বাউ|জ্যোতির্ময় দত্ত}} * {{বাউ|জ্যোতির্ময়ী গাঙ্গুলী}} * {{বাউ|জ্যোতির্ময়ী দেবী}} * {{বাউ|জ্যোতিষচন্দ্র রায়}} * {{বাউ|জ্যোৎস্না বিশ্বাস}} * {{বাউ|জ্যোৎস্নাকান্ত বসু}} * {{বাউ|ঝড়েশ্বর চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|ঝর্ণা দাশ পুরকায়স্থ}} * {{বাউ|ঝর্ণা ধারা চৌধুরী}} * {{বাউ|ঝর্না রহমান}} * {{বাউ|ঝুম্পা লাহিড়ী}} * {{বাউ|টমাস হোবার্ট এলিস}} * {{বাউ|টি আলী}} * {{বাউ|টি এইচ খান}} * {{বাউ|টি. এস. শিবজ্ঞানম}} * {{বাউ|টিনা সানি}} * {{বাউ|টিপু আজিজ}} * {{বাউ|টেনিদা}} * {{বাউ|ডালিয়া নওশিন}} * {{বাউ|ডালেম চন্দ্র বর্মণ}} * {{বাউ|ডিজে রাহাত}} * {{বাউ|ডিফারেন্ট টাচ}} * {{বাউ|ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়}} * {{বাউ|তনিষ্ক বাগচী}} * {{বাউ|তন্ময় বোস}} * {{বাউ|তপংকর চক্রবর্তী}} * {{বাউ|তপতী গুহ-ঠাকুরতা}} * {{বাউ|তপন চক্রবর্তী}} * {{বাউ|তপন বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|তপন বাগচী}} * {{বাউ|তপন রায়চৌধুরী}} * {{বাউ|তপনকুমার লাহিড়ী}} * {{বাউ|তপু}} * {{বাউ|তপোবিজয় ঘোষ}} * {{বাউ|তবারক হুসাইন}} * {{বাউ|তমাল লতা আদিত্য}} * {{বাউ|তমিজ উদ্দিন রিজভী}} * {{বাউ|তরু দত্ত}} * {{বাউ|তরুণ রায় (ধনঞ্জয় বৈরাগী)}} * {{বাউ|তসলিমুদ্দীন আহমদ}} * {{বাউ|তাকসিম আহমেদ খান}} * {{বাউ|তাজিন আহমেদ}} * {{বাউ|তাজুল মোহম্মদ}} * {{বাউ|তাতার (চরিত্র)}} * {{বাউ|তানজিমা হাশেম}} * {{বাউ|তানজির তুহিন}} * {{বাউ|তানভীর ইভান}} * {{বাউ|তানভীর তারেক}} * {{বাউ|তানভীর হাসান}} * {{বাউ|তানিম নূর}} * {{বাউ|তানিম রহমান অংশু}} * {{বাউ|তানিয়া আমির}} * {{বাউ|তানিয়া আহমেদ}} * {{বাউ|তাপস কুমার মাঝি}} * {{বাউ|তাপস দাস}} * {{বাউ|তাপস মজুমদার}} * {{বাউ|তাপস সেন}} * {{বাউ|তাফাজ্জাল ইসলাম}} * {{বাউ|তারকনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}} * {{বাউ|তারকমোহন দাস}} * {{বাউ|তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|তারানাথ তর্কবাচস্পতি}} * {{বাউ|তারানাথ তান্ত্রিক}} * {{বাউ|তারাপদ চক্রবর্তী}} * {{বাউ|তারাপদ ভৌমিক}} * {{বাউ|তারাপদ মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|তারাপদ লাহিড়ী}} * {{বাউ|তারাপদ সাঁতরা}} * {{বাউ|তারামন বিবি}} * {{বাউ|তারিক আহমদ করিম}} * {{বাউ|তারিক আহসান}} * {{বাউ|তারিক উল হাকিম}} * {{বাউ|তারিক ফাতেমি}} * {{বাউ|তারিক সুজাত}} * {{বাউ|তারিণীখুড়ো}} * {{বাউ|তারেক মো. আরিফুল ইসলাম}} * {{বাউ|তালিম হোসেন}} * {{বাউ|তালুকদার মনিরুজ্জামান}} * {{বাউ|তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস}} * {{বাউ|তাসলিমা আখতার}} * {{বাউ|তাহমিমা আনাম}} * {{বাউ|তাহরুন নেসা আবদুল্লাহ}} * {{বাউ|তাহসান রহমান খান}} * {{বাউ|তাহেরন নেসা}} * {{বাউ|তাহেরা কবির}} * {{বাউ|তিব্বতিবাবা}} * {{বাউ|তিলোত্তমা মজুমদার}} * {{বাউ|তিশমা}} * {{বাউ|তিস্তা বাগচী}} * {{বাউ|তুলিকা বসু}} * {{বাউ|তুষার কান্তি চক্রবর্তী}} * {{বাউ|তুষারকান্তি ঘোষ}} * {{বাউ|তুহিন দাস (লেখক)}} * {{বাউ|তুহিনকান্তি ঘোষ}} * {{বাউ|তেজস হালদার যশ}} * {{বাউ|তৈয়বা বেগম লিপি}} * {{বাউ|তৈয়বা মজুমদার}} * {{বাউ|তোজাম্মেল টনি হক}} * {{বাউ|তোজাম্মেল হক বকুল}} * {{বাউ|তোফাজ্জল হোসেন}} * {{বাউ|তোফায়েল আহমদ}} * {{বাউ|তোফায়েল করিম হায়দার}} * {{বাউ|তোয়াব খান}} * {{বাউ|তৌকীর আহমেদ}} * {{বাউ|তৌফিক ইসলাম শাতিল}} * {{বাউ|তৌফিক নওয়াজ}} * {{বাউ|তৌসিফ}} * {{বাউ|ত্রিদিব মিত্র}} * {{বাউ|ত্রিদিবকুমার চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার}} * {{বাউ|দবির উদ্দিন আহমেদ}} * {{বাউ|দময়ন্তী (গোয়েন্দা)}} * {{বাউ|দলছুট}} * {{বাউ|দস্যু বনহুর}} * {{বাউ|দস্যু মোহন}} * {{বাউ|দাউদ হায়দার}} * {{বাউ|দামোদর মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|দারাশিকো}} * {{বাউ|দিদার ইসলাম}} * {{বাউ|দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর}} * {{বাউ|দিব্যেন্দু নন্দী}} * {{বাউ|দিব্যেন্দু পালিত}} * {{বাউ|দিলওয়ার}} * {{বাউ|দিলরুবা আহমেদ}} * {{বাউ|দিলরুবা জেড আরা}} * {{বাউ|দিলশাদ নাহার কনা}} * {{বাউ|দিলারা বেগম জলি}} * {{বাউ|দিলারা হাশেম}} * {{বাউ|দিলীপ বাগচী}} * {{বাউ|দিলীপ বিশ্বাস}} * {{বাউ|দিলীপ মজুমদার}} * {{বাউ|দিলীপ মহলানবিশ}} * {{বাউ|দিলীপকুমার বিশ্বাস}} * {{বাউ|দিলীপকুমার রায়}} * {{বাউ|দীন মোহাম্মদ নূরুল হক}} * {{বাউ|দীন শরৎ}} * {{বাউ|দীননাথ সেন}} * {{বাউ|দীনেন্দ্রকুমার রায়}} * {{বাউ|দীনেশ গঙ্গোপাধ্যায়}} * {{বাউ|দীনেশ দাস}} * {{বাউ|দীনেশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|দীনেশচন্দ্র ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|দীনেশরঞ্জন দাশ}} * {{বাউ|দীপ নারায়ণ সিনহা}} * {{বাউ|দীপংকর দীপন}} * {{বাউ|দীপক চৌধুরী}} * {{বাউ|দীপক চ্যাটার্জী (গোয়েন্দা)}} * {{বাউ|দীপক মজুমদার}} * {{বাউ|দীপক রায়}} * {{বাউ|দীপঙ্কর চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|দীপঙ্কর দাস শর্মা}} * {{বাউ|দীপঙ্কর হোম}} * {{বাউ|দীপন ঘোষ}} * {{বাউ|দীপান্বিতা রায়}} * {{বাউ|দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|দীপেশ চক্রবর্তী}} * {{বাউ|দীপ্তেন্দ্রকুমার সান্যাল}} * {{বাউ|দুঃখহরণ চক্রবর্তী}} * {{বাউ|দুর্গাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|দুর্গাচরণ রক্ষিত}} * {{বাউ|দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|দুর্গাদাস সাহা}} * {{বাউ|দুর্গামোহন দাশ}} * {{বাউ|দুর্বিন শাহ}} * {{বাউ|দুলাল তর্কবাগীশ}} * {{বাউ|দুলেন্দ্র ভৌমিক}} * {{বাউ|দেওয়ান আব্দুর রব চৌধুরী}} * {{বাউ|দেওয়ান আব্দুল কাদির}} * {{বাউ|দেওয়ান আব্দুল বাছিত চৌধুরী}} * {{বাউ|দেওয়ান নজরুল}} * {{বাউ|দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন}} * {{বাউ|দেওয়ান লালন আহমেদ}} * {{বাউ|দেবজ্যোতি মিশ্র}} * {{বাউ|দেবদাস}} * {{বাউ|দেবদাস চক্রবর্তী}} * {{বাউ|দেবপ্রসাদ ঘোষ}} * {{বাউ|দেবপ্রসাদ সর্বাধিকারী}} * {{বাউ|দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|দেবপ্রিয়া রায়}} * {{বাউ|দেবব্রত গোস্বামী}} * {{বাউ|দেবল দেববর্মা}} * {{বাউ|দেবলা মিত্র}} * {{বাউ|দেবশঙ্কর রায়}} * {{বাউ|দেবাশীষ ঘোষ}} * {{বাউ|দেবাশীষ বিশ্বাস}} * {{বাউ|দেবাশীষ রায়}} * {{বাউ|দেবাশীষ রায় চৌধুরী}} * {{বাউ|দেবী রায়}} * {{বাউ|দেবীপদ ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় (মার্কসবাদী)}} * {{বাউ|দেবীপ্রসাদ দুয়ারী}} * {{বাউ|দেবু ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|দেবেন্দ্র মোহন বসু}} * {{বাউ|দেবেন্দ্রনাথ সেন}} * {{বাউ|দেবেশ ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|দেবেশ রায়}} * {{বাউ|দেলওয়ার হোসেন}} * {{বাউ|দোনাগাজী চৌধুরী}} * {{বাউ|দোম আন্তোনিও}} * {{বাউ|দৌলত উজির বাহরাম খান}} * {{বাউ|দৌলতুননেসা খাতুন}} * {{বাউ|দ্বারকানাথ অধিকারী}} * {{বাউ|দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায়}} * {{বাউ|দ্বারকানাথ ঠাকুর}} * {{বাউ|দ্বারকানাথ বিদ্যাভূষণ}} * {{বাউ|দ্বারকানাথ মিত্র}} * {{বাউ|দ্বারকানাথ রায়}} * {{বাউ|দ্বিজ কানাই}} [[ব্যবহারকারী:Vugon kumar|Vugon kumar]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Vugon kumar|আলাপ]]) ২১:৫৭, ১২ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) * {{বাউ|দ্বিজ বংশীদাস}} * {{বাউ|দ্বিজ মাধব}} * {{বাউ|দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর}} * {{বাউ|দ্বিজেন্দ্রনাথ মৈত্র}} * {{বাউ|দ্রাবিড় সৈকত}} * {{বাউ|ধন গোপাল মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|ধনঞ্জয় সাহা}} * {{বাউ|ধীর আলী মিয়া}} * {{বাউ|ধীরাজ কুমার নাথ}} * {{বাউ|ধীরাজ ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|ধীরেন বল}} * {{বাউ|ধীরেন বসু}} * {{বাউ|ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু}} * {{বাউ|ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ দেববর্মন}} * {{বাউ|ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় (চিকিৎসক)}} * {{বাউ|ধীরেন্দ্রনাথ চৌধুরী}} * {{বাউ|ধীরেন্দ্রনাথ বেরা}} * {{বাউ|ধীরেন্দ্রলাল ধর}} * {{বাউ|ধূর্জটিপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|ধৃতিকান্ত লাহিড়ী চৌধুরী}} * {{বাউ|ধোয়ী}} * {{বাউ|নঈম চৌধুরী}} * {{বাউ|নঈম নিজাম}} * {{বাউ|নওয়াজেশ আহমদ}} * {{বাউ|নওয়াজেস আহমদ}} * {{বাউ|নওয়াব আলী}} * {{বাউ|নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী}} * {{বাউ|নওশের আলী খান ইউস্ফজী}} * {{বাউ|নকীব খান}} * {{বাউ|নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ}} * {{বাউ|নকুল কুমার বিশ্বাস}} * {{বাউ|নকুলেশ্বর দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|নগেন্দ্রচন্দ্র শ্যাম}} * {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ ঘোষ}} * {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ বসু}} * {{বাউ|নগেন্দ্রনাথ সোম}} * {{বাউ|নচিকেতা ঘোষ}} * {{বাউ|নচিকেতা চক্রবর্তী}} * {{বাউ|নজরুল ইসলাম (রসায়নবিদ)}} * {{বাউ|নজরুল ইসলাম খান}} * {{বাউ|নজরুল ইসলাম চৌধুরী (বিচারক)}} * {{বাউ|নজরুল ইসলাম বাবু}} * {{বাউ|ননী ভৌমিক}} * {{বাউ|ননীগোপাল চক্রবর্তী}} * {{বাউ|ননীগোপাল মজুমদার}} * {{বাউ|নন্টে ফন্টে}} * {{বাউ|নন্দলাল বসু}} * {{বাউ|নন্দিনী মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|নব কুমার ভদ্র}} * {{বাউ|নবকুমার বসু}} * {{বাউ|নবগোপাল মিত্র}} * {{বাউ|নবাব আবদুল লতীফ}} * {{বাউ|নবীন চন্দ্র পাল}} * {{বাউ|নবীনচন্দ্র সেন}} * {{বাউ|নবেন্দু ঘোষ}} * {{বাউ|নয়ীম গহর}} * {{বাউ|নরসিংহ দত্ত}} * {{বাউ|নরেন্দ্র দেব}} * {{বাউ|নরেন্দ্রনাথ দত্ত (শিল্পপতি)}} * {{বাউ|নরেন্দ্রনাথ মিত্র}} * {{বাউ|নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত}} * {{বাউ|নরোত্তম দাস}} * {{বাউ|নলিনচন্দ্র দত্ত}} * {{বাউ|নলিনাক্ষ সান্যাল}} * {{বাউ|নলিনী দাশ (লেখিকা)}} * {{বাউ|নলিনী বেরা}} * {{বাউ|নলিনীকান্ত ভট্টশালী}} * {{বাউ|নলিনীকান্ত সরকার}} * {{বাউ|নলিনীকিশোর গুহ}} * {{বাউ|নলিনীরঞ্জন সেনগুপ্ত}} * {{বাউ|নাইমা হায়দার}} * {{বাউ|নাঈম মোহাইমিন}} * {{বাউ|নাঈমুল ইসলাম খান}} * {{বাউ|নাজনীন হাসান চুমকি}} * {{বাউ|নাজমুন আরা সুলতানা}} * {{বাউ|নাজমুন নেসা পিয়ারি}} * {{বাউ|নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি}} * {{বাউ|নাজমুল আলম}} * {{বাউ|নাজমুল করিম চৌধুরী}} * {{বাউ|নাজমুল কাওনাইন}} * {{বাউ|নাজমুল হক বাপ্পী}} * {{বাউ|নাজমুল হুদা বাচ্চু}} * {{বাউ|নাজমুল হুদা মিন্টু}} * {{বাউ|নাজিব তারেক}} * {{বাউ|নাজিবুর রহমান মোমেন}} * {{বাউ|নাজিম উদ দৌলা}} * {{বাউ|নাজিম উদ্দিন মোস্তান}} * {{বাউ|নাজিয়া আন্দালিব প্রিমা}} * {{বাউ|নাদিয়া শারমীন}} * {{বাউ|নাদিরা মজুমদার}} * {{বাউ|নাদের চৌধুরী}} * {{বাউ|নাদেরা বেগম}} * {{বাউ|নাফিস বিন যাফর}} * {{বাউ|নাবিলা ইদ্রিস}} * {{বাউ|নাভিদ মাহবুব}} * {{বাউ|নাভেদ পারভেজ}} * {{বাউ|নায়না দেবী (সঙ্গীতশিল্পী)}} * {{বাউ|নায়লা কবীর}} * {{বাউ|নায়েব উদ্দিন আহমেদ}} * {{বাউ|নারগিস আক্তার}} * {{বাউ|নারায়ণ ঘোষ মিতা}} * {{বাউ|নারায়ণ দেবনাথ}} * {{বাউ|নারায়ণ রায়}} * {{বাউ|নারায়ণ সান্যাল}} * {{বাউ|নাশিদ কামাল}} * {{বাউ|নাসরিন আক্তার}} * {{বাউ|নাসরীন জাহান}} * {{বাউ|নাসরীন পারভীন হক}} * {{বাউ|নাসিম বিশ্বাস}} * {{বাউ|নাসিমা আক্তার}} * {{বাউ|নাসিমা আনিস}} * {{বাউ|নাসিমা খান মন্টি}} * {{বাউ|নাসিমা ফেরদৌসী (কূটনৈতিক)}} * {{বাউ|নাসিমা হায়দার}} * {{বাউ|নাসির আলী মামুন}} * {{বাউ|নাসির উদ্দিন বিশ্বাস}} * {{বাউ|নাহিদ রশীদ (সচিব)}} * {{বাউ|নাহিদা সোবহান}} * {{বাউ|নিকুঞ্জ সেন}} * {{বাউ|নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|নিখিল রঞ্জন সেন}} * {{বাউ|নিখিল সরকার}} * {{বাউ|নিখিল সেন}} * {{বাউ|নিখিলজ্যোতি ঘোষ}} * {{বাউ|নিজাম উদ্দিন}} * {{বাউ|নিজাম উদ্দিন আহমেদ}} * {{বাউ|নিজাম উদ্দীন আহমেদ}} * {{বাউ|নিজামউদ্দিন আহমেদ (স্থপতি)}} * {{বাউ|নিজামুদ্দীন আউলিয়া লিপু}} * {{বাউ|নিতাই চন্দ্র সূত্রধর}} * {{বাউ|নিতাই রায় চৌধুরী}} * {{বাউ|নিতুন কুন্ডু}} * {{বাউ|নিত্যপ্রিয় ঘোষ}} * {{বাউ|নিত্যানন্দ সাহা (ভারতীয় অধ্যাপক)}} * {{বাউ|নিপুন রায় চৌধুরী}} * {{বাউ|নিবিড় মণ্ডল}} * {{বাউ|নিবেদিতা সেন}} * {{বাউ|নিমচন্দ্র ভৌমিক}} * {{বাউ|নিমাই ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|নিমাইসাধন বসু}} * {{বাউ|নিয়াজ জামান}} * {{বাউ|নিয়ামুল মুক্তা}} * {{বাউ|নিরঞ্জন ধর}} * {{বাউ|নিরঞ্জন প্রধান}} * {{বাউ|নিরঞ্জন মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|নিরঞ্জনপ্রসাদ চক্রবর্তী}} * {{বাউ|নিরুপমা দেবী}} * {{বাউ|নিরুপমা দেবী (সেন)}} * {{বাউ|নির্মল কুমার গাঙ্গুলী}} * {{বাউ|নির্মলকুমার বসু}} * {{বাউ|নির্মলকুমার রায়চৌধুরী}} * {{বাউ|নির্মলকুমার সিদ্ধান্ত}} * {{বাউ|নির্মলচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|নির্মলচন্দ্র চন্দ্র}} * {{বাউ|নির্মলচন্দ্র লাহিড়ী}} * {{বাউ|নির্মলা জোশী}} * {{বাউ|নির্মলেন্দু চৌধুরী}} * {{বাউ|নির্মাল্য আচার্য}} * {{বাউ|নিলয়ন চ্যাটার্জী}} * {{বাউ|নিশিতা নির্মল মাহাত্রে}} * {{বাউ|নিশীথরঞ্জন রায়}} * {{বাউ|নীতা সেন}} * {{বাউ|নীতিশ সেনগুপ্ত}} * {{বাউ|নীতীন বসু}} * {{বাউ|নীতীশচন্দ্র লাহিড়ী}} * {{বাউ|নীনা হামিদ}} * {{বাউ|নীরদ বরণ বড়ুয়া}} * {{বাউ|নীরদ মজুমদার}} * {{বাউ|নীল দত্ত}} * {{বাউ|নীল মানুষ}} * {{বাউ|নীলমণি ন্যায়ালঙ্কার}} * {{বাউ|নীলরতন ধর}} * {{বাউ|নীলরতন সরকার}} * {{বাউ|নীলাঞ্জনা রায়}} * {{বাউ|নীলাম্বর মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|নীলিমা সেন}} * {{বাউ|নীলুফার ইয়াসমিন}} * {{বাউ|নীহাররঞ্জন গুপ্ত}} * {{বাউ|নীহাররঞ্জন রায়}} * {{বাউ|নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন}} * {{বাউ|নুরুন নবী}} * {{বাউ|নুরুননাহার ফয়জননেসা}} * {{বাউ|নুরুন্নাহার ফাতেমা বেগম}} * {{বাউ|নুরুন্নেছা খাতুন বিদ্যাবিনোদিনী}} * {{বাউ|নুরুল আজিম}} * {{বাউ|নুরুল আমিন}} * {{বাউ|নুরুল আলম আতিক}} * {{বাউ|নুরুল আলম চৌধুরী}} * {{বাউ|নুরুল ইসলাম}} * {{বাউ|নুরুল ইসলাম (অর্থনীতিবিদ)}} * {{বাউ|নুরুল ইসলাম (রসায়নবিদ)}} * {{বাউ|নুরুল ইসলাম খান}} * {{বাউ|নুরুল ইসলাম জিহাদী}} * {{বাউ|নুরুল ইসলাম নুরুল}} * {{বাউ|নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী}} * {{বাউ|নুরুল মোমেন}} * {{বাউ|নুরুল মোস্তফা}} * {{বাউ|নুহাশ হুমায়ূন}} * {{বাউ|নূতন চন্দ্র সিংহ}} * {{বাউ|নূর আহমদ}} * {{বাউ|নূর ইমরান মিঠু}} * {{বাউ|নূর মোহাম্মদ (আইজিপি)}} * {{বাউ|নূর মোহাম্মদ (শিক্ষানুরাগী)}} * {{বাউ|নূর হুসাইন}} * {{বাউ|নূর হুসাইন কাসেমী}} * {{বাউ|নূরজাহান বেগম মুক্তা}} * {{বাউ|নূরজাহান বোস}} * {{বাউ|নূরজাহান মুর্শিদ}} * {{বাউ|নূরুল আনোয়ার (শিক্ষাবিদ)}} * {{বাউ|নূরুল আলম}} * {{বাউ|নূরুল ইসলাম ওলীপুরী}} * {{বাউ|নূরুল ইসলাম কাব্যবিনোদ}} * {{বাউ|নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন}} * {{বাউ|নূহ-উল-আলম লেনিন}} * {{বাউ|নৃপেন ভৌমিক}} * {{বাউ|নৃপেন্দ্র নাথ সরকার}} * {{বাউ|নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী}} * {{বাউ|নেছারউদ্দীন আহমদ}} * {{বাউ|নেপাল মজুমদার}} * {{বাউ|নেয়ামত ইমাম}} * {{বাউ|নেয়ামাল বাসির}} * {{বাউ|নেলী সেনগুপ্তা}} * {{বাউ|নৈরঞ্জনা ঘোষ}} * {{বাউ|নোরা জোন্স}} * {{বাউ|পঞ্চানন ঘোষাল}} * {{বাউ|পঞ্চানন নিয়োগী}} * {{বাউ|পঞ্চানন মণ্ডল}} * {{বাউ|পঞ্চানন মিত্র}} * {{বাউ|পটলা}} * {{বাউ|পণ্ডিত জ্ঞানেন্দ্রপ্রসাদ গোস্বামী}} * {{বাউ|পদার্থবিদ্যার পালিত অধ্যাপক}} * {{বাউ|পদ্মনাথ ভট্টাচার্য বিদ্যাবিনোদ}} * {{বাউ|পবন দাস বাউল}} * {{বাউ|পবিত্র গঙ্গোপাধ্যায়}} * {{বাউ|পবিত্র মোহন দে}} * {{বাউ|পবিত্র সরকার}} * {{বাউ|পবিত্রকুমার সেন}} * {{বাউ|পরমনাথ ভাদুড়ী}} * {{বাউ|পরমেশ্বরন থাঙ্কাপ্পান নায়ার}} * {{বাউ|পরাশর বর্মা}} * {{বাউ|পরিমল গোস্বামী}} * {{বাউ|পরেশ ধর}} * {{বাউ|পরেশ মাইতি}} * {{বাউ|পরেশনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|পলান সরকার}} * {{বাউ|পলাশ মাহবুব}} * {{বাউ|পলাশ সরকার}} * {{বাউ|পলি রায়}} * {{বাউ|পশুপতি ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|পাঁচকড়ি দে}} * {{বাউ|পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|পাগলা কানাই}} * {{বাউ|পাগলা দাশু}} * {{বাউ|পাঞ্জু শাহ}} * {{বাউ|পাণ্ডব গোয়েন্দা}} * {{বাউ|পানু পাল}} * {{বাউ|পান্থ কানাই}} * {{বাউ|পান্না কায়সার}} * {{বাউ|পান্নালাল ঘোষ}} * {{বাউ|পান্নালাল বসু}} * {{বাউ|পাপড়ি বসু}} * {{বাউ|পাপিয়া সারোয়ার}} * {{বাউ|পাভেল রহমান}} * {{বাউ|পারভীন হাসান}} * {{বাউ|পারভেজ রব}} * {{বাউ|পারভেজ হোসেন}} * {{বাউ|পারুল ঘোষ}} * {{বাউ|পার্থ ঘোষ}} * {{বাউ|পার্থ চট্টোপাধ্যায় (নৃতত্ত্ববিদ)}} * {{বাউ|পার্থ বড়ুয়া}} * {{বাউ|পার্থ সারথি মুখার্জি}} * {{বাউ|পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়}} * {{বাউ|পার্বতীকুমার সরকার}} * {{বাউ|পি কে বাসু}} * {{বাউ|পিনডিদা}} * {{বাউ|পিনাকী চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|পিনাকী ঠাকুর}} * {{বাউ|পিনাকী মজুমদার}} * {{বাউ|পিপলু খান}} * {{বাউ|পিয়ারীমোহন দাস}} * {{বাউ|পিয়ারীলাল রায়}} * {{বাউ|পিয়ারু সর্দার}} * {{বাউ|পিয়ের ফালোঁ}} * {{বাউ|পিলু মমতাজ}} * {{বাউ|পুণ্যলতা চক্রবর্তী}} * {{বাউ|পুরুষোত্তম চক্রবর্তী}} * {{বাউ|পুলক বিশ্বাস}} * {{বাউ|পুলক সেনগুপ্ত}} * {{বাউ|পুলিনবিহারী সরকার}} * {{বাউ|পুলিনবিহারী সরকার (জৈব রসায়ন বিজ্ঞানী)}} * {{বাউ|পুলিনবিহারী সেন}} * {{বাউ|পূরবী দত্ত}} * {{বাউ|পূরবী বসু}} * {{বাউ|পূর্ণিমা সিনহা}} * {{বাউ|পূর্ণেন্দুবিকাশ সরকার}} * {{বাউ|পৃথ্বীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|পেন বাংলাদেশ}} * {{বাউ|পেপার রাইম}} * {{বাউ|পেয়ার আহমেদ}} * {{বাউ|প্যারীচরণ সরকার}} * {{বাউ|প্যারীমোহন মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|প্যারীমোহন সেনগুপ্ত}} * {{বাউ|প্রকাশ শ্রীবাস্তব}} * {{বাউ|প্রচেত গুপ্ত}} * {{বাউ|প্রজ্ঞাসুন্দরী দেবী}} * {{বাউ|প্রণব কুমার বড়ুয়া}} * {{বাউ|প্রণব ভট্ট}} * {{বাউ|প্রণব মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|প্রণব রায় (গীতিকার)}} * {{বাউ|প্রণবেন্দু দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|প্রণবেশ সেন}} * {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র চন্দ্র}} * {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র মজুমদার}} * {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র মজুমদার (চিকিৎসক)}} * {{বাউ|প্রতাপচন্দ্র রায়}} * {{বাউ|প্রতিভা বসু}} * {{বাউ|প্রতিভা মুৎসুদ্দি}} * {{বাউ|প্রতিমা ঠাকুর}} * {{বাউ|প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত}} * {{বাউ|প্রদানেন্দু বিকাশ চাকমা}} * {{বাউ|প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|প্রদীপ ভট্টাচার্য (অভিনেতা)}} * {{বাউ|প্রদোষ আইচ}} * {{বাউ|প্রদ্যুত ঘোষ}} * {{বাউ|প্রফুল্ল কুমার মন্ডল}} * {{বাউ|প্রফুল্ল রায়}} * {{বাউ|প্রফুল্লকুমার সরকার}} * {{বাউ|প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষ}} * {{বাউ|প্রফুল্লচন্দ্র লাহিড়ী}} * {{বাউ|প্রবাল দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|প্রবাল রশিদ}} * {{বাউ|প্রবাসজীবন চৌধুরী}} * {{বাউ|প্রবীর মজুমদার}} * {{বাউ|প্রবীর রায়}} * {{বাউ|প্রবোধ দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|প্রবোধকুমার সান্যাল}} * {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র গুহ}} * {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র বাগচী}} * {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র সেন}} * {{বাউ|প্রবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত}} * {{বাউ|প্রব্রাজিকা ভক্তিপ্রাণা}} * {{বাউ|প্রব্রাজিকা ভারতীপ্রাণা}} * {{বাউ|প্রব্রাজিকা শ্রদ্ধাপ্রাণা}} * {{বাউ|প্রভা চ্যাটার্জি}} * {{বাউ|প্রভাত কুমার মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া}} * {{বাউ|প্রভাতরঞ্জন সরকার}} * {{বাউ|প্রভাবতী দেবী সরস্বতী}} * {{বাউ|প্রমথ ভৌমিক}} * {{বাউ|প্রমথনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|প্রমথনাথ বসু}} * {{বাউ|প্রমথনাথ বিশী}} * {{বাউ|প্রমথনাথ মিত্র}} * {{বাউ|প্রমথলাল সেন}} * {{বাউ|প্রমদাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|প্রমদাচরণ সেন}} * {{বাউ|প্রমোদ চন্দ্র দত্ত}} * {{বাউ|প্রমোদকুমার চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|প্রমোদরঞ্জন সেনগুপ্ত}} * {{বাউ|প্রশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় (চিকিৎসক)}} * {{বাউ|প্রশান্তকুমার পাল}} * {{বাউ|প্রশান্তকুমার মারিক}} * {{বাউ|প্রশান্তচন্দ্র মহলানবীশ}} * {{বাউ|প্রশান্তবিহারী মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|প্রসন্নকুমার রায়}} * {{বাউ|প্রসন্নকুমার সর্বাধিকারী}} * {{বাউ|প্রসন্নচন্দ্র তর্করত্ন}} * {{বাউ|প্রসন্নচন্দ্র ন্যায়রত্ন}} * {{বাউ|প্রাণ রঞ্জন সেনগুপ্ত}} * {{বাউ|প্রাণকুমার সেন}} * {{বাউ|প্রাণকৃষ্ণ পাল}} * {{বাউ|প্রিয় ব্রত পাল}} * {{বাউ|প্রিয়দারঞ্জন রায়}} * {{বাউ|প্রিয়রঞ্জন সেন}} * {{বাউ|প্রীতিকণা গোস্বামী}} * {{বাউ|প্রেমাঙ্কুর আতর্থী}} * {{বাউ|প্রোফেসর শঙ্কু}} * {{বাউ|প্লাবন কোরেশী}} * {{বাউ|ফকরুল আলম}} * {{বাউ|ফকির গরীবুল্লাহ}} * {{বাউ|ফকির শাহাবুদ্দীন}} * {{বাউ|ফখরুজ্জামান চৌধুরী}} * {{বাউ|ফখরুদ্দিন আহমেদ (সচিব)}} * {{বাউ|ফখরুদ্দীন মোহাম্মদ সিদ্দিকী}} * {{বাউ|ফখরুল ইসলাম}} * {{বাউ|ফখরুল হাসান বৈরাগী}} * {{বাউ|ফজল শাহাবুদ্দীন}} * {{বাউ|ফজল-এ-খোদা}} * {{বাউ|ফজলুর রহমান খান}} * {{বাউ|ফজলুর রহমান খান (শিক্ষাবিদ)}} * {{বাউ|ফজলুর রহমান খান ফারুক}} * {{বাউ|ফজলুল বারী (সরকারি চাকরিজীবী)}} * {{বাউ|ফজলুল হক (চলচ্চিত্র পরিচালক)}} * {{বাউ|ফজলুল হক (সঙ্গীতজ্ঞ)}} * {{বাউ|ফজলুল হক সেলবর্ষী}} * {{বাউ|ফজলুল হালিম চৌধুরী}} * {{বাউ|ফজলে কবির}} * {{বাউ|ফজলে কাদেরী মোহাম্মদ আবদুল মুনিম}} * {{বাউ|ফজলে বারী মালিক}} * {{বাউ|ফজলে রাব্বী}} [[ব্যবহারকারী:Oindrojalik Watch|Oindrojalik Watch]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Oindrojalik Watch|আলাপ]]) ১৬:০৪, ৪ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) * {{বাউ|ফজলে রাব্বী মিয়া}} * {{বাউ|ফজলে হাসান আবেদ}} * {{বাউ|ফজলে হাসান শিশির}} * {{বাউ|ফজলে হুসাইন}} * {{বাউ|ফজলে হোসেন বাদশা}} * {{বাউ|ফজিলতুন্নেসা}} * {{বাউ|ফজিলাতুন্নেসা বাপ্পী}} * {{বাউ|ফণিভূষণ চক্রবর্তী}} * {{বাউ|ফণী বড়ুয়া}} * {{বাউ|ফণী মজুমদার}} * {{বাউ|ফণীন্দ্রচন্দ্র দত্ত}} * {{বাউ|ফতেহ লোহানী}} * {{বাউ|ফয়জুল মহিউদ্দিন}} * {{বাউ|ফয়জুল লতিফ চৌধুরী}} * {{বাউ|ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজী}} * {{বাউ|ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব}} * {{বাউ|ফয়েজ আহমেদ}} * {{বাউ|ফয়েজ আহমেদ (বিচারক)}} * {{বাউ|ফয়েজ আহম্মদ}} * {{বাউ|ফরহাদ হোসেন (অধ্যাপক)}} * {{বাউ|ফরিদ আহমদ দুলাল}} * {{বাউ|ফরিদ আহমেদ (বিচারক)}} * {{বাউ|ফরিদ আহমেদ (সঙ্গীতজ্ঞ)}} * {{বাউ|ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী}} * {{বাউ|ফরিদা ইয়াসমিন (সাংবাদিক)}} * {{বাউ|ফরিদা জামান}} * {{বাউ|ফরিদা রহমান}} * {{বাউ|ফরিদা হোসেন}} * {{বাউ|ফরিদুল হুদা}} * {{বাউ|ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ}} * {{বাউ|ফসিউর রহমান}} * {{বাউ|ফসিউল আলম}} * {{বাউ|ফাইয়াজ হোসেন খান}} * {{বাউ|ফাখরুল আরেফিন খান}} * {{বাউ|ফাতিমা ইয়াসমিন}} * {{বাউ|ফাতেমা তুজ জোহরা}} * {{বাউ|ফাতেমা নজীব}} * {{বাউ|ফাদার রবের আঁতোয়ান}} * {{বাউ|ফায়েজ উদ্দিন আহমেদ}} * {{বাউ|ফারজানা ইসলাম}} * {{বাউ|ফারজানা ফারুক}} * {{বাউ|ফারজানা রুপা}} * {{বাউ|ফারজানা শারমিন পুতুল}} * {{বাউ|ফারহিনা আহমেদ}} * {{বাউ|ফারাহ গজনবী}} * {{বাউ|ফারাহ মাহবুব}} * {{বাউ|ফারুক আহমেদ (বিচারক)}} * {{বাউ|ফারুক আহমেদ উল্লা খান}} * {{বাউ|ফারুক আহমেদ চৌধুরী}} * {{বাউ|ফারুক উজ জামান চৌধুরী}} * {{বাউ|ফারুক ওয়াসিফ}} * {{বাউ|ফারুক মঈনউদ্দীন}} * {{বাউ|ফারুক মাহমুদ}} * {{বাউ|ফারুক সোবহান}} * {{বাউ|ফালগুনী রায়}} * {{বাউ|ফাহমিদা কাদের}} * {{বাউ|ফাহমিদা খাতুন (অর্থনীতিবিদ)}} * {{বাউ|ফিদা এম. কামাল}} * {{বাউ|ফিরদৌস আজীম}} * {{বাউ|ফিরদৌসী কাদরী}} * {{বাউ|ফিরোজ মাহমুদ}} * {{বাউ|ফিরোজা বেগম}} * {{বাউ|ফুয়াদ আল মুকতাদির}} * {{বাউ|ফুয়াদ নাসের বাবু}} * {{বাউ|ফুল মোহাম্মদ}} * {{বাউ|ফুলঝুরি খান}} * {{বাউ|ফুলরেণু গুহ}} * {{বাউ|ফেরদৌস আরা}} * {{বাউ|ফেরদৌস আরা বেগম}} * {{বাউ|ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী}} * {{বাউ|ফেরদৌসী মজুমদার}} * {{বাউ|ফেলুদা}} * {{বাউ|ফৌজিয়া ইয়াসমিন}} * {{বাউ|ফ্যাতাড়ু}} * {{বাউ|ফ্রান্সিস (ভাইকিং)}} * {{বাউ|ফ্লসি কোহেন}} * {{বাউ|ফ্লোরা জাইবুন মাজিদ}} * {{বাউ|বঙ্কিমচন্দ্র রায়}} * {{বাউ|বঙ্কিমচন্দ্র সেন}} * {{বাউ|বজলার রহমান}} * {{বাউ|বটুক নন্দী}} * {{বাউ|বদরুদ্দীন আহমদ সিদ্দিকী}} * {{বাউ|বদরুন নেছা}} * {{বাউ|বদরুল আনাম সৌদ}} * {{বাউ|বদরুল আলম (ভাষা সৈনিক)}} * {{বাউ|বদরুল হায়দার চৌধুরী}} * {{বাউ|বদিউর রহমান (সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব)}} * {{বাউ|বদিউল আলম খোকন}} * {{বাউ|বদিউল আলম মজুমদার}} * {{বাউ|বনবিহারী মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|বনানী ঘোষ}} * {{বাউ|বরদা}} * {{বাউ|বরদাচরণ গুপ্ত}} * {{বাউ|বরদানন্দ চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|বরুণ মজুমদার}} * {{বাউ|বরুণ সেনগুপ্ত}} * {{বাউ|বরেণ চক্রবর্তী}} * {{বাউ|বরেন গঙ্গোপাধ্যায়}} * {{বাউ|বর্ণিতা বাগচী}} * {{বাউ|বলরাম হাড়ি}} * {{বাউ|বলেন্দ্রনাথ ঠাকুর}} * {{বাউ|বশির আহমেদ}} * {{বাউ|বশীর আল-হেলাল}} * {{বাউ|বশীর হোসেন}} * {{বাউ|বশীশ্বর সেন}} * {{বাউ|বসন্ত কুমার চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ}} * {{বাউ|বাঁটুল দি গ্রেট}} * {{বাউ|বাকের ভাই}} * {{বাউ|বাঘা যতীন}} * {{বাউ|বাচি কারকারিয়া}} * {{বাউ|বাণী বসু}} * {{বাউ|বাণীকুমার}} * {{বাউ|বাণেশ্বর বিদ্যালঙ্কার}} * {{বাউ|বাদল খন্দকার}} * {{বাউ|বাদল রশীদ}} * {{বাউ|বাদল রহমান}} * {{বাউ|বাপ্পা মজুমদার}} * {{বাউ|বাপ্পী লাহিড়ী}} * {{বাউ|বাবর আলী (পর্বতারোহী)}} * {{বাউ|বাবু তারক চন্দ্র চৌধুরী}} * {{বাউ|বামাচরণ ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|বামাপদ বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|বারবারা ক্রেগ}} * {{বাউ|বারী সিদ্দিকী}} * {{বাউ|বারীণ মজুমদার}} * {{বাউ|বার্নেস পিকক}} * {{বাউ|বালাম}} * {{বাউ|বাশার মাহমুদ (কবি)}} * {{বাউ|বাসন্তী দুলাল নাগচৌধুরী}} * {{বাউ|বাসব}} * {{বাউ|বাসুদেব চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|বাসুদেব দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|বাসুদেব দাস বাউল}} * {{বাউ|বাসুদেব দাসশর্মা}} * {{বাউ|বাসুদেব বর্মন}} * {{বাউ|বাহাদুর হোসেন খান}} * {{বাউ|বি কে দাস}} * {{বাউ|বিকাশ চক্রবর্তী}} * {{বাউ|বিকাশ ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|বিকাশচন্দ্র সিংহ}} * {{বাউ|বিকিরণ প্রসাদ বড়ুয়া}} * {{বাউ|বিক্রম ঘোষ}} * {{বাউ|বিজন কুমার মুখার্জী}} * {{বাউ|বিজন কুমার শীল}} * {{বাউ|বিজন ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|বিজন সরকার}} * {{বাউ|বিজনবিহারী ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|বিজয় কুমার বসু}} * {{বাউ|বিজয় প্রসাদ}} * {{বাউ|বিজয় সরকার}} * {{বাউ|বিজয়কুমার ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|বিজয়চন্দ্র মজুমদার}} * {{বাউ|বিজয়লাল চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|বিজয়া মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|বিজরী বরকতুল্লাহ}} * {{বাউ|বিদিত লাল দাস}} * {{বাউ|বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন}} * {{বাউ|বিদ্যুৎ চক্রবর্তী}} * {{বাউ|বিদ্যুৎ বরণ চৌধুরী}} * {{বাউ|বিদ্যেন্দু মোহন দেব}} * {{বাউ|বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার}} * {{বাউ|বিধায়ক ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|বিধুভূষণ বসু}} * {{বাউ|বিধুশেখর শাস্ত্রী}} * {{বাউ|বিনয় বাঁশী জলদাস}} * {{বাউ|বিনয় মজুমদার}} * {{বাউ|বিনয় মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|বিনয়কুমার সরকার}} * {{বাউ|বিনয়েন্দ্রনাথ সেন}} * {{বাউ|বিনীতা রায়}} * {{বাউ|বিনোদ ঘোষাল}} * {{বাউ|বিপিন বিহারী ভট্টাচার্য্য}} * {{বাউ|বিপুল ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|বিপ্রদাস পিপলাই}} * {{বাউ|বিপ্লব (সঙ্গীতজ্ঞ)}} * {{বাউ|বিপ্লব দাসগুপ্ত}} * {{বাউ|বিবুধেন্দ্র সরকার}} * {{বাউ|বিবেকানন্দ মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|বিভা চৌধুরী}} * {{বাউ|বিভাস রায়চৌধুরী}} * {{বাউ|বিভূতিভূষণ দত্ত}} * {{বাউ|বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|বিভূতিভূষণ সেন}} * {{বাউ|বিমল কর}} * {{বাউ|বিমল গুহ}} * {{বাউ|বিমল মিত্র (লেখক)}} * {{বাউ|বিমল মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|বিমল-কুমার}} * {{বাউ|বিমলকৃষ্ণ মতিলাল}} * {{বাউ|বিমলচন্দ্র ঘোষ}} * {{বাউ|বিমলচন্দ্র সিংহ}} * {{বাউ|বিমলাচরণ লাহা}} * {{বাউ|বিমলানন্দ নাগ}} * {{বাউ|বিমলেন্দু বিকাশ রায় চৌধুরী}} * {{বাউ|বিমলেন্দু মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|বিমান বাগচী}} * {{বাউ|বিমানবিহারী মজুমদার}} * {{বাউ|বিরজাশঙ্কর গুহ}} * {{বাউ|বিরাজ মোহন দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|বিরূপাক্ষ পাল}} * {{বাউ|বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন}} * {{বাউ|বিলকিস নাসির উদ্দিন}} * {{বাউ|বিলায়েত খাঁ}} * {{বাউ|বিশুদ্ধানন্দ মহাথের}} * {{বাউ|বিশ্ব রঞ্জন নাগ}} * {{বাউ|বিশ্বজিৎ ঘোষ}} * {{বাউ|বিশ্বজিৎ চৌধুরী}} * {{বাউ|বিশ্বজিৎ দেবনাথ}} * {{বাউ|বিশ্বনাথ চক্রবর্তী}} * {{বাউ|বিশ্বময় বিশ্বাস}} * {{বাউ|বিশ্বরঞ্জন সেন}} * {{বাউ|বিশ্বরূপ মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|বিশ্বেশ্বর পাল}} * {{বাউ|বিষ্ণু বসু}} * {{বাউ|বিষ্ণুকান্ত শাস্ত্রী}} * {{বাউ|বিষ্ণুপদ মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|বিষ্ণুপ্রসাদ রাভা}} * {{বাউ|বিহারিলাল সরকার}} * {{বাউ|বিহারীলাল চক্রবর্তী}} * {{বাউ|বিহারীলাল চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|বীণা মজুমদার}} * {{বাউ|বীরেন শিকদার}} * {{বাউ|বীরেন সোম}} * {{বাউ|বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|বীরেন্দ্র বিজয় বিশ্বাস}} * {{বাউ|বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র}} * {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়}} * {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ দত্তগুপ্ত}} * {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস}} * {{বাউ|বীরেন্দ্রনাথ শাসমল}} * {{বাউ|বীরেশচন্দ্র গুহ}} * {{বাউ|বীরেশ্বর সরকার}} * {{বাউ|বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|বুধাদিত্য মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|বুনো রামনাথ}} * {{বাউ|বুলবন ওসমান}} * {{বাউ|বুলবুল আহমেদ}} * {{বাউ|বুলবুল চৌধুরী}} * {{বাউ|বৃন্দা কারাত}} * {{বাউ|বৃন্দাবন দাস}} * {{বাউ|বৃন্দাবন দাস ঠাকুর}} * {{বাউ|বেগজাদী মাহমুদা নাসির}} * {{বাউ|বেগম আকতার কামাল}} * {{বাউ|বেগম বদরুন্নেসা আহমদ}} * {{বাউ|বেণীমাধব বড়ুয়া}} * {{বাউ|বেদারউদ্দিন আহমদ}} * {{বাউ|বেবী ইসলাম}} * {{বাউ|বেবী হালদার}} * {{বাউ|বেরী সর্বাধিকারী}} * {{বাউ|বেলা মিত্র}} * {{বাউ|বেলায়েত হুসাইন}} * {{বাউ|বেলায়েত হোসেন বীরভূমী}} * {{বাউ|বেলাল আহমেদ}} * {{বাউ|বেলাল খান}} * {{বাউ|বেলাল চৌধুরী}} * {{বাউ|বেলাল মোহাম্মদ}} * {{বাউ|বেলাল হোসেন (বিজ্ঞানী)}} * {{বাউ|বৈকুণ্ঠনাথ সেন}} * {{বাউ|বোরহান উদ্দিন (বিচারক)}} * {{বাউ|বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর}} * {{বাউ|বোরিয়া মজুমদার}} * {{বাউ|ব্যোমকেশ চক্রবর্তী}} * {{বাউ|ব্যোমকেশ বক্সী}} * {{বাউ|ব্রজ বিহারী বড়ুয়া}} * {{বাউ|ব্রজগোপাল মান্না}} * {{বাউ|ব্রজদা}} * {{বাউ|ব্রজমোহন দত্ত}} * {{বাউ|ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী}} * {{বাউ|ব্রজেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী}} * {{বাউ|ব্রজেন্দ্রকুমার দে}} * {{বাউ|ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|ব্রজেন্দ্রনাথ শীল}} * {{বাউ|ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায়}} * {{বাউ|ব্রাত্য বসু}} * {{বাউ|ব্ল্যাক}} * {{বাউ|ভক্তি প্রজ্ঞান কেশব গোস্বামী}} * {{বাউ|ভক্তি রক্ষক শ্রীধর দেব গোস্বামী}} * {{বাউ|ভক্তিবিনোদ ঠাকুর}} * {{বাউ|ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী}} * {{বাউ|ভগীরথ মিশ্র}} * {{বাউ|ভবতোষ দত্ত}} * {{বাউ|ভবানী প্রসাদ সিনহা}} * {{বাউ|ভবানী মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|ভবানীচরণ লাহা}} * {{বাউ|ভাদুড়ী মশাই}} * {{বাউ|ভারতচন্দ্র রায়}} * {{বাউ|ভারতী মুখার্জী}} * {{বাউ|ভাস্করানন্দ রায়চৌধুরী}} * {{বাউ|ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|ভি. এন. খারে}} * {{বাউ|ভিকি জাহেদ}} * {{বাউ|ভীষ্মদেব চক্রবর্তী}} * {{বাউ|ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|ভুবনচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|ভূঁইয়া ইকবাল}} * {{বাউ|ভূপতিমোহন সেন}} * {{বাউ|ভূপেন্দ্রনাথ বসু}} * {{বাউ|ভূমেন্দ্র গুহ}} * {{বাউ|ভোলানাথ চন্দ্র}} * {{বাউ|ভোলানাথ রায় কাব্যশাস্ত্রী}} * {{বাউ|ম. তামিম}} * {{বাউ|মইন উদ্দীন আহমদ}} * {{বাউ|মইনুল হোসেন}} * {{বাউ|মইনুল হোসেন চৌধুরী}} * {{বাউ|মঈদুল হাসান}} * {{বাউ|মঈন উদ্দিন খান}} * {{বাউ|মঈনউদ্দিন মিয়াজী}} * {{বাউ|মঈনুল আহসান সাবের}} * {{বাউ|মঈনুল ইসলাম খান}} * {{বাউ|মঈনুল ইসলাম চৌধুরী}} * {{বাউ|মঈনুস সুলতান}} * {{বাউ|মওদুদ আহমদ}} * {{বাউ|মকবুল হোসেন চৌধুরী}} * {{বাউ|মকবুলা মনজুর}} * {{বাউ|মকসুদ জামিল মিন্টু}} * {{বাউ|মঙ্গল চাঁদ}} * {{বাউ|মঙ্গলাচরণ চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|মজিদ-উল-হক}} * {{বাউ|মজিবর রহমান (ভাষা সৈনিক)}} * {{বাউ|মজিবর রহমান দেবদাস}} * {{বাউ|মঞ্জু গোয়েল}} * {{বাউ|মঞ্জু রায়}} * {{বাউ|মঞ্জু সরকার}} * {{বাউ|মঞ্জুর হোসেন}} * {{বাউ|মঞ্জুরুল ইমাম}} * {{বাউ|মঞ্জুলা আনোয়ার}} * {{বাউ|মঞ্জুলা চেল্লুর}} * {{বাউ|মণিকুন্তলা সেন}} * {{বাউ|মণিভূষণ ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|মণিরত্ন মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়}} * {{বাউ|মণিলাল ভৌমিক}} * {{বাউ|মণিশংকর মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|মণীন্দ্র গুপ্ত}} * {{বাউ|মণীন্দ্র চন্দ্র নন্দী}} * {{বাউ|মণীন্দ্র নারায়ণ মজুমদার}} * {{বাউ|মণীন্দ্র রায়}} * {{বাউ|মণীন্দ্রলাল বসু}} * {{বাউ|মণীশ ঘটক}} * {{বাউ|মতি নন্দী}} * {{বাউ|মতিউর রহমান পানু}} * {{বাউ|মতিউর রহমান মল্লিক}} * {{বাউ|মতিউল ইসলাম}} * {{বাউ|মতিউল হক খান}} * {{বাউ|মতিন রহমান}} * {{বাউ|মতিলাল ঘোষ}} * {{বাউ|মতিলাল রায়}} * {{বাউ|মতিলাল রায় (যাত্রাপালাকার)}} * {{বাউ|মতিলাল শীল}} * {{বাউ|মথুরামোহন চক্রবর্তী}} * {{বাউ|মধু বসু}} * {{বাউ|মধুমতি মিত্র}} * {{বাউ|মধুশ্রী মুখার্জী}} * {{বাউ|মধুসূদন গুপ্ত}} * {{বাউ|মধুসূদন দে}} * {{বাউ|মধুসূদন মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|মধুসূদন সরস্বতী}} * {{বাউ|মনজুর আলম বেগ}} * {{বাউ|মনজুর আহমেদ চৌধুরী (কূটনীতিক)}} * {{বাউ|মনজুর রশীদ খান}} * {{বাউ|মনতাজুর রহমান আকবর}} * {{বাউ|মনতোষ রায়}} * {{বাউ|মনমোহন ঘোষ}} * {{বাউ|মনমোহন দত্ত}} * {{বাউ|মনসুর উল করিম}} * {{বাউ|মনসুর বয়াতি}} * {{বাউ|মনসুরুল আলম খান}} * {{বাউ|মনিকা আলী}} * {{বাউ|মনিকা জাহান বোস}} * {{বাউ|মনিকা দাস (শিক্ষাবিদ)}} * {{বাউ|মনিরউদ্দীন ইউসুফ}} * {{বাউ|মনিরুজ্জামান (গবেষক)}} * {{বাউ|মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী}} * {{বাউ|মনিরুজ্জামান মনির}} * {{বাউ|মনিরুল ইসলাম (চিত্রশিল্পী)}} * {{বাউ|মনিরুল ইসলাম টিপু}} * {{বাউ|মনীন্দ্রভূষণ গুপ্ত}} * {{বাউ|মনু মুন্সী}} * {{বাউ|মনোজ দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|মনোজ প্রামাণিক}} * {{বাউ|মনোজ বসু}} * {{বাউ|মনোজ মাঝি}} * {{বাউ|মনোজ মিত্র}} * {{বাউ|মনোমোহন ঘোষ}} * {{বাউ|মনোয়ারা ইসলাম}} * {{বাউ|মনোরঞ্জন ঘোষাল}} * {{বাউ|মনোরঞ্জন ধর}} * {{বাউ|মনোরঞ্জন ব্যাপারী}} * {{বাউ|মনোরঞ্জন ভক্ত}} * {{বাউ|মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য (নাট্যকার)}} * {{বাউ|মনোরঞ্জন সিকদার}} * {{বাউ|মনোসরণি}} * {{বাউ|মন্দাক্রান্তা সেন}} * {{বাউ|মন্মথ রায়}} * {{বাউ|মন্মথনাথ ঘোষ}} * {{বাউ|মন্মথনাথ মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|মফিজ উদ্দিন আহমেদ}} * {{বাউ|মফিজউদ্দীন আহমদ}} * {{বাউ|মফিদুল হক}} * {{বাউ|মবিনউদ্দিন আহমদ}} * {{বাউ|মবিনুল হক}} * {{বাউ|মমতা বালা ঠাকুর}} * {{বাউ|মমতাজ উদ্দিন}} * {{বাউ|মমতাজ বেগম}} * {{বাউ|মমতাজ সঙ্ঘমিতা}} * {{বাউ|মমতাজুর রহমান তরফদার}} * {{বাউ|মযহারুল ইসলাম}} * {{বাউ|ময়ুখ চৌধুরী (কবি)}} * {{বাউ|ময়ূখ চৌধুরী (শিল্পী)}} * {{বাউ|মর্ত্তুজা আলী}} * {{বাউ|মলয় ঘোষ দস্তিদার}} * {{বাউ|মলয় ভৌমিক}} * {{বাউ|মলয় রায়চৌধুরী}} * {{বাউ|মল্লিকা সেনগুপ্ত}} * {{বাউ|মসিহউদ্দিন শাকের}} * {{বাউ|মহম্মদ আব্দুল জব্বার}} * {{বাউ|মহম্মদ হান্‌নান}} * {{বাউ|মহম্মদ হামিদ আনসারি}} * {{বাউ|মহসিন শস্ত্রপাণি}} * {{বাউ|মহাদেব দত্ত}} * {{বাউ|মহান মহারাজ}} * {{বাউ|মহানামব্রত ব্রহ্মচারী}} * {{বাউ|মহারানি চক্রবর্তী}} * {{বাউ|মহি উদ্দিন শামীম}} * {{বাউ|মহিউদ্দিন আহমেদ (প্রকাশক)}} * {{বাউ|মহিউদ্দীন আহমেদ}} * {{বাউ|মহিউদ্দীন ফারুক}} * {{বাউ|মহিমারঞ্জন রায়চৌধুরী}} * {{বাউ|মহীউদ্দিন}} * {{বাউ|মহুয়া মুখোপাধ্যায় (লেখক)}} * {{বাউ|মহেন্দ্র গুপ্ত}} * {{বাউ|মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত}} * {{বাউ|মহেন্দ্রনাথ দত্ত}} * {{বাউ|মহেন্দ্রনাথ রায় (রসায়নবিদ)}} * {{বাউ|মহেশচন্দ্র ন্যায়রত্ন}} * {{বাউ|মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|মাইনুর রেজা চৌধুরী}} * {{বাউ|মাইমুল আহসান খান}} * {{বাউ|মাকসুদুল আলম}} * {{বাউ|মাকিদ হায়দার}} * {{বাউ|মাখছুদুল আহসান}} * {{বাউ|মাখনলাল রায়চৌধুরী}} * {{বাউ|মাখনলাল সেন}} * {{বাউ|মাধবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|মানবেন্দ্র পাল}} * {{বাউ|মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|মানস চক্রবর্তী}} * {{বাউ|মানিক চন্দ্র সাহা}} * {{বাউ|মানিক দত্ত}} * {{বাউ|মানিক সরকার (শিল্পী)}} * {{বাউ|মানিকলাল শীল}} * {{বাউ|মান্নান হীরা}} * {{বাউ|মাফরুহা চৌধুরী}} * {{বাউ|মামনুন রহমান}} * {{বাউ|মামাবাবু}} * {{বাউ|মামুন নদীয়া}} * {{বাউ|মামুন হুসাইন}} * {{বাউ|মারজি-উল হক}} * {{বাউ|মারুফুল ইসলাম}} * {{বাউ|মালা সেন}} * {{বাউ|মালাধর বসু}} * {{বাউ|মালিকা আল্ রাজী}} * {{বাউ|মালিহা খাতুন}} * {{বাউ|মালেক আফসারী}} * {{বাউ|মালেকা বেগম}} * {{বাউ|মাশির হোসেন}} * {{বাউ|মাশুক হোসেন আহমেদ}} * {{বাউ|মাসাতোশি কোশিবা}} * {{বাউ|মাসুদ আখন্দ}} * {{বাউ|মাসুদ আলি খান}} * {{বাউ|মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী}} * {{বাউ|মাসুদ করিম}} * {{বাউ|মাসুদ পথিক}} * {{বাউ|মাসুদ বিন মোমেন}} * {{বাউ|মাসুদ মান্নান}} * {{বাউ|মাসুদ রানা}} * {{বাউ|মাসুদ সেজান}} * {{বাউ|মাসুদা খাতুন}} * {{বাউ|মাসুম আজিজ}} * {{বাউ|মাসুম রেজা}} * {{বাউ|মাসুম শাহরিয়ার}} * {{বাউ|মাহফুজ উল্লাহ}} * {{বাউ|মাহফুজা আখতার (সচিব)}} * {{বাউ|মাহফুজা খানম}} * {{বাউ|মাহফুজুর রহমান (নির্বাচন কমিশনার)}} * {{বাউ|মাহফুজুর রহমান (সাহিত্যিক)}} * {{বাউ|মাহফুজুল হক}} * {{বাউ|মাহফুজুল হাসান ভূঁইয়া}} * {{বাউ|মাহবুব আলম}} * {{বাউ|মাহবুব উজ জামান (কূটনীতিক)}} * {{বাউ|মাহবুব উদ্দিন খোকন}} * {{বাউ|মাহবুব জামাল জাহেদী}} * {{বাউ|মাহবুব তালুকদার}} * {{বাউ|মাহবুব সাদিক}} * {{বাউ|মাহবুব-উল আলম}} * {{বাউ|মাহবুবা রহমান}} * {{বাউ|মাহবুবুর রহমান লিটন}} * {{বাউ|মাহবুবুল আলম (সাংবাদিক)}} * {{বাউ|মাহবুবুল আলম মজুমদার}} * {{বাউ|মাহবুবুল এ খালিদ}} * {{বাউ|মাহবুবুল হক}} * {{বাউ|মাহবুবে আলম}} * {{বাউ|মাহমুদ শাহ কোরেশী}} * {{বাউ|মাহমুদ হাসান}} * {{বাউ|মাহমুদ হোসেন (অধ্যাপক)}} * {{বাউ|মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকা}} * {{বাউ|মাহমুদা হক চৌধুরী}} * {{বাউ|মাহমুদুর রহমান}} * {{বাউ|মাহমুদুর রহমান চৌধুরী}} * {{বাউ|মাহমুদুর রহমান বেণু}} * {{বাউ|মাহমুদুল আমিন চৌধুরী}} * {{বাউ|মাহমুদুল ইসলাম}} * {{বাউ|মাহমুদুল হক}} * {{বাউ|মাহমুদুল হক (চিত্রশিল্পী)}} * {{বাউ|মাহমুদুল হক (বিচারক)}} * {{বাউ|মাহমুদুল হাসান}} * {{বাউ|মিজান রহমান}} * {{বাউ|মিজানুর রহমান (বাংলাদেশী কূটনীতিক)}} * {{বাউ|মিজানুর রহমান ভূঁইয়া}} * {{বাউ|মিজানুর রহমান সাঈদ}} * {{বাউ|মিঠু আলুর}} * {{বাউ|মিতা হক}} * {{বাউ|মিতিন মাসি}} * {{বাউ|মিনার মনসুর}} * {{বাউ|মিনার রহমান}} * {{বাউ|মিনাল রোহিত}} * {{বাউ|মিন্নাত আলী}} * {{বাউ|মিফতা উদ্দিন চৌধুরী রুমী}} * {{বাউ|মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী}} * {{বাউ|মিফতাহুর রহমান}} * {{বাউ|মিফতাহ্ জামান}} * {{বাউ|মিরজা আবদুল হাই}} * {{বাউ|মির্জা আব্দুল জলিল}} * {{বাউ|মির্জা আলী ইস্পাহানি}} * {{বাউ|মির্জা গোলাম হাফিজ}} * {{বাউ|মির্জা তোফাজ্জল হোসেন মুকুল}} * {{বাউ|মির্জা মাজহারুল ইসলাম}} * {{বাউ|মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম}} * {{বাউ|মির্জা হুসেন হায়দার}} * {{বাউ|মির্জা হোসাইন হায়দার}} * {{বাউ|মিলন কান্তি দে}} * {{বাউ|মিল্টন খন্দকার}} * {{বাউ|মিশুক মুনীর}} * {{বাউ|মিসির আলি}} * {{বাউ|মিহির কুমার বসু}} * {{বাউ|মিহির চৌধুরী}} * {{বাউ|মিহির রঞ্জন হালদার}} * {{বাউ|মিহির সেন}} * {{বাউ|মিহির সেনগুপ্ত}} * {{বাউ|মীজানূর রহমান শেলী}} * {{বাউ|মীনাক্ষী ব্যানার্জি}} * {{বাউ|মীনু হক}} * {{বাউ|মীর আব্দুল কাইয়ুম}} * {{বাউ|মীর আহমদ বিন কাসেম}} * {{বাউ|মীর কাশেম খান}} * {{বাউ|মীর মকসুদুস সালেহীন}} * {{বাউ|মীর মাসুম আলী}} * {{বাউ|মীর শওকত আলী}} * {{বাউ|মীর হাসমত আলী}} * {{বাউ|মীর হাসেম আলী}} * {{বাউ|মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা}} * {{বাউ|মীরা দত্ত গুপ্ত}} * {{বাউ|মীরা মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|মীর্জা মুহাম্মদ ইউসুফ আলি}} * {{বাউ|মুঃ মিজানুর রহমান}} * {{বাউ|মুঈনুদ্দীন আহমদ খান}} * {{বাউ|মুকসুমুল হাকিম}} * {{বাউ|মুকুল চৌধুরী}} * {{বাউ|মুকুল দে}} * {{বাউ|মুখতার আলম শিকদার}} * {{বাউ|মুছলিম মিয়া}} * {{বাউ|মুজিব পরদেশী}} * {{বাউ|মুজিবর রহমান (আইনজীবী)}} * {{বাউ|মুজিবুর রহমান (চিকিৎসা বিজ্ঞানী)}} * {{বাউ|মুজিবুল হক (অফিসার)}} * {{বাউ|মুজীবুর রহমান খাঁ}} * {{বাউ|মুনশী ওয়াদুদ}} * {{বাউ|মুনসুর আলী}} * {{বাউ|মুনাজ আহমেদ নূর}} * {{বাউ|মুনির উজ জামান}} * {{বাউ|মুনেম ওয়াসিফ}} * {{বাউ|মুন্সী রইসউদ্দিন}} * {{বাউ|মুন্সী সিদ্দীক আহমদ}} * {{বাউ|মুফলেহ আর. ওসমানী}} * {{বাউ|মুবিনা আসাফ}} * {{বাউ|মুমতাজুদ্দীন আহমদ}} * {{বাউ|মুরলীধর বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|মুরলীধর বসু}} * {{বাউ|মুরাদ পারভেজ}} * {{বাউ|মুরারি গুপ্ত}} * {{বাউ|মুশতাক আহমেদ (লেখক)}} * {{বাউ|মুশতারী শফী}} * {{বাউ|মুশফিকুল ফজল আনসারী}} * {{বাউ|মুশাররাফ করিম}} * {{বাউ|মুসলেহউদ্দিন আহমেদ}} * {{বাউ|মুসা আল হাফিজ}} * {{বাউ|মুস্তফা মনোয়ার}} * {{বাউ|মুস্তফা লুৎফুল্লাহ}} * {{বাউ|মুস্তাফা খালিদ পলাশ}} * {{বাউ|মুস্তাফা জামান আব্বাসী}} * {{বাউ|মুস্তাফা নূরউল ইসলাম}} * {{বাউ|মুস্তাফিজ শফি}} * {{বাউ|মুস্তাফিজুর রহমান (কূটনীতিক)}} * {{বাউ|মুস্তাফিজুর রহমান (গীতিকার)}} * {{বাউ|মুহম্মদ আবদুল হাই}} * {{বাউ|মুহম্মদ ইউসুফ সিদ্দিক}} * {{বাউ|মুহম্মদ ওয়ায়েছ}} * {{বাউ|মুহম্মদ কবির}} * {{বাউ|মুহম্মদ কুদরাত-এ-খুদা}} * {{বাউ|মুহম্মদ নূরুল ইসলাম}} * {{বাউ|মুহম্মদ মতিউর রহমান}} * {{বাউ|মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন}} * {{বাউ|মুহম্মদ শামসউল হক}} * {{বাউ|মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া (গবেষক)}} * {{বাউ|মুহম্মদ সিরাজুল ইসলাম}} * {{বাউ|মুহাম্মদ আখতার}} * {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুর রশিদ সিদ্দিকী}} * {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল বারী}} * {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল মুহিত}} * {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল্লাহ}} * {{বাউ|মুহাম্মদ আবদুল্লাহিল বাকী}} * {{বাউ|মুহাম্মদ আব্দুর রহিম (ইতিহাসবিদ)}} * {{বাউ|মুহাম্মদ আব্দুল হাফিজ}} * {{বাউ|মুহাম্মদ আরশাদ}} * {{বাউ|মুহাম্মদ আসফ-উদ-দৌলা}} * {{বাউ|মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ}} * {{বাউ|মুহাম্মদ ইউনুস (অধ্যাপক)}} * {{বাউ|মুহাম্মদ ইউনুস (পণ্ডিত)}} * {{বাউ|মুহাম্মদ ইব্রাহিম (পদার্থবিজ্ঞানী)}} * {{বাউ|মুহাম্মদ ইমরান (কূটনীতিক)}} * {{বাউ|মুহাম্মদ ইসমাইল}} * {{বাউ|মুহাম্মদ ইসহাক (ইতিহাসবিদ)}} * {{বাউ|মুহাম্মদ একরামুল হক}} * {{বাউ|মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার}} * {{বাউ|মুহাম্মদ জমির}} * {{বাউ|মুহাম্মদ জুলকার নাইন}} * {{বাউ|মুহাম্মদ নওশাদ জমির}} * {{বাউ|মুহাম্মদ নুরুল হক}} * {{বাউ|মুহাম্মদ নুরুল হুদা}} * {{বাউ|মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান}} * {{বাউ|মুহাম্মদ ফাজলী ইলাহী}} * {{বাউ|মুহাম্মদ ফারুক (কূটনীতিবিদ)}} * {{বাউ|মুহাম্মদ মাছুদ}} * {{বাউ|মুহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম}} * {{বাউ|মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলাম}} * {{বাউ|মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক}} * {{বাউ|মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ}} * {{বাউ|মুহাম্মদ সামাদ}} * {{বাউ|মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান (মুক্তিযোদ্ধা)}} * {{বাউ|মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী}} * {{বাউ|মুহাম্মাদ আবদুল মালেক}} * {{বাউ|মুহাম্মাদ আব্দুল হামিদ}} * {{বাউ|মুহাম্মাদ ইকবাল হোছাইন}} * {{বাউ|মুহাম্মাদ ইনাম-উল হক}} * {{বাউ|মুহাম্মাদ মুস্তাফিজুর রহমান}} * {{বাউ|মুহাম্মাদ লুৎফর রহমান}} * {{বাউ|মুহাম্মাদ শহীদ সারওয়ার}} * {{বাউ|মৃণাল দত্ত চৌধুরী}} * {{বাউ|মৃণাল মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|মৃণালিনী সেন}} * {{বাউ|মৃত্যুঞ্জয় প্রসাদ গুহ}} * {{বাউ|মৃত্যুঞ্জয় বরাট সেনগুপ্ত}} * {{বাউ|মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার}} * {{বাউ|মৃদুল দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|মৃদুলা গার্গ}} * {{বাউ|মেজকর্তা}} * {{বাউ|মেজবাউর রহমান সুমন}} * {{বাউ|মেনহাজ হুদা}} * {{বাউ|মেরিনা তাবাসসুম}} * {{বাউ|মেসবাহউদ্দিন আহমদ}} * {{বাউ|মেসবাহউদ্দিন আহমেদ (পদার্থবিদ)}} * {{বাউ|মেসবাহুল হক}} * {{বাউ|মেহরীন মাহমুদ}} * {{বাউ|মেহেদী হক রনি}} * {{বাউ|মেহের আফরোজ শাওন}} * {{বাউ|মেহেরবানু খানম}} * {{বাউ|মেহেরুন নেসা}} * {{বাউ|মৈত্রী ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|মৈত্রেয়ী দেবী}} * {{বাউ|মো. আবদুল মজিদ}} * {{বাউ|মো. আবু আহমেদ জমাদার}} * {{বাউ|মো. আবু জাফর সিদ্দিকী}} * {{বাউ|মো. আবু তারিক}} * {{বাউ|মো. আব্দুল মজিদ}} * {{বাউ|মো. আমিনুল ইসলাম (বিচারক)}} * {{বাউ|মো. ইকবাল কবির}} * {{বাউ|মো. ইমদাদুল হক}} * {{বাউ|মো. এমদাদুল হক}} * {{বাউ|মো. কামরুল হোসেন মোল্লা}} * {{বাউ|মো. খসরুজ্জামান}} * {{বাউ|মো. খায়রুল আলম}} * {{বাউ|মো. খুরশেদ আলম}} * {{বাউ|মো. জয়নুল আবেদীন}} * {{বাউ|মো. জহুরুল হক}} * {{বাউ|মো. জাকির হোসেন}} * {{বাউ|মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার}} * {{বাউ|মো. নুরুল ইসলাম (সাহিত্যিক)}} * {{বাউ|মো. বজলুর রহমান}} * {{বাউ|মো. বদরুজ্জামান}} * {{বাউ|মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী}} * {{বাউ|মো. মজিবুর রহমান মিয়া}} * {{বাউ|মো. মনসুর আলম}} * {{বাউ|মো. মাহমুদ হাসান তালুকদার}} * {{বাউ|মো. মোস্তাফিজুর রহমান}} * {{বাউ|মো. যাবিদ হোসেন}} * {{বাউ|মো. রইস উদ্দিন}} * {{বাউ|মো. রইস হাসান সরোয়ার}} * {{বাউ|মো. রিয়াজ উদ্দিন খান}} * {{বাউ|মো. রুহুল আমিন (চিকিৎসক)}} * {{বাউ|মো. রুহুল কুদ্দুস}} * {{বাউ|মো. রেজাউল হক}} * {{বাউ|মো. রেজাউল হাসান}} * {{বাউ|মো. শামসুল হুদা}} * {{বাউ|মো. শাহিনুর ইসলাম}} * {{বাউ|মো. সাইদুল হক}} * {{বাউ|মো. সেলিম (বিচারক)}} * {{বাউ|মো. হযরত আলী (অধ্যাপক)}} * {{বাউ|মো. হামিদুল হক (বিচারক)}} * {{বাউ|মো. হাসান আমিন}} * {{বাউ|মো: গোলাম রহমান}} * {{বাউ|মো: জাহাঙ্গীর আল মুস্তাহিদুর রহমান}} * {{বাউ|মোঃ আখতারুজ্জামান}} * {{বাউ|মোঃ আতাউর রহমান খান}} * {{বাউ|মোঃ আতাবুল্লাহ}} * {{বাউ|মোঃ আতোয়ার রহমান}} * {{বাউ|মোঃ আব্দুল মান্নান (বিচারক)}} * {{বাউ|মোঃ আব্দুল মুক্তাদির}} * {{বাউ|মোঃ আলী রেজা}} * {{বাউ|মোঃ আশরাফুল কামাল}} * {{বাউ|মোঃ আসাদুজ্জামান}} * {{বাউ|মোঃ ইসমাইল হোসেন}} * {{বাউ|মোঃ কামরুজ্জামান}} * {{বাউ|মোঃ খোরশেদ আলম}} * {{বাউ|মোঃ জসিম উদ্দিন (কূটনীতিক)}} * {{বাউ|মোঃ জাকির হোসেন (বিচারক)}} * {{বাউ|মোঃ টোকন}} * {{বাউ|মোঃ তোফাজ্জল ইসলাম}} * {{বাউ|মোঃ নূরুল ইসলাম}} * {{বাউ|মোঃ বশির-উল্লাহ}} * {{বাউ|মোঃ মইদুল ইসলাম}} * {{বাউ|মোঃ মাহবুবুর রহমান (প্রকৌশলী)}} * {{বাউ|মোঃ মুস্তফা চৌধুরী}} * {{বাউ|মোঃ শামীম আহসান}} * {{বাউ|মোঃ সাইদুর রহমান (অধ্যাপক)}} * {{বাউ|মোঃ সাদত আলী}} * {{বাউ|মোঃ সোহরাওয়ারদী}} * {{বাউ|মোঃ হাবিবুল গনি}} * {{বাউ|মোকাররম হোসেন খোন্দকার}} * {{বাউ|মোক্ষদায়িনী মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|মোজাফফর আহমদ}} * {{বাউ|মোজাফফর হোসেন (অধ্যাপক)}} * {{বাউ|মোজাম্মেল হোসেন (বিচারপতি)}} * {{বাউ|মোজাম্মেল হোসেন মিন্টু}} * {{বাউ|মোতাহার হোসেন তালুকদার}} * {{বাউ|মোনাজাতউদ্দিন}} * {{বাউ|মোনায়েম সরকার}} * {{বাউ|মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী}} * {{বাউ|মোবারক আহমদ খান}} * {{বাউ|মোবারক হোসেন খান}} * {{বাউ|মোবাশ্বের আলী}} * {{বাউ|মোবিনুল আজিম}} * {{বাউ|মোমতাজ আলী খান}} * {{বাউ|মোরশেদ খান}} * {{বাউ|মোরশেদ শফিউল হাসান}} * {{বাউ|মোরশেদুল ইসলাম}} * {{বাউ|মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী}} * {{বাউ|মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী}} * {{বাউ|মোল্লা জালাল উদ্দীন আহমেদ}} * {{বাউ|মোশতাক আহমেদ}} * {{বাউ|মোশতাক খান}} * {{বাউ|মোশারেফ উদ্দিন আহমদ}} * {{বাউ|মোসলেম উদ্দিন}} * {{বাউ|মোসলেম উদ্দিন খান}} * {{বাউ|মোসাদ্দেক আলী ফালু}} * {{বাউ|মোস্তফা আনোয়ার (পরিচালক)}} * {{বাউ|মোস্তফা আলম}} * {{বাউ|মোস্তফা আলী}} * {{বাউ|মোস্তফা এম এ মতিন}} * {{বাউ|মোস্তফা কামাল (বিচারপতি)}} * {{বাউ|মোস্তফা জামান ইসলাম}} * {{বাউ|মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন}} * {{বাউ|মোস্তফা মন্ওয়ার}} * {{বাউ|মোস্তফা মেহমুদ}} * {{বাউ|মোস্তাফিজুর রহমান মানিক}} * {{বাউ|মোস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী}} * {{বাউ|মোহন রায়হান}} * {{বাউ|মোহনলাল গঙ্গোপাধ্যায়}} * {{বাউ|মোহম্মদ সামির হোসেন}} * {{বাউ|মোহাম্মদ আকরম খাঁ}} * {{বাউ|মোহাম্মদ আছাদুজ্জামান}} * {{বাউ|মোহাম্মদ আজম}} * {{বাউ|মোহাম্মদ আজিজ (চিকিৎসক)}} * {{বাউ|মোহাম্মদ আবদুর রশিদ (বিচারক)}} * {{বাউ|মোহাম্মদ আবদুর রহিম}} * {{বাউ|মোহাম্মদ আবদুল খালেক}} * {{বাউ|মোহাম্মদ আবু নাসের}} * {{বাউ|মোহাম্মদ আবু হেনা}} * {{বাউ|মোহাম্মদ আবুল কাসেম চৌধুরী}} * {{বাউ|মোহাম্মদ আবুল হাশেম}} * {{বাউ|মোহাম্মদ আব্দুল হাই}} * {{বাউ|মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ মিয়া}} * {{বাউ|মোহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী}} * {{বাউ|মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম}} * {{বাউ|মোহাম্মদ আলম (আলোকচিত্র সাংবাদিক)}} * {{বাউ|মোহাম্মদ আলী (বিচারক)}} * {{বাউ|মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (নরসিংদীর শিক্ষাবিদ)}} * {{বাউ|মোহাম্মদ ইউনুস (শিক্ষাবিদ)}} * {{বাউ|মোহাম্মদ ইব্রাহিম (চিকিৎসক)}} * {{বাউ|মোহাম্মদ ইব্রাহিম (বিচারপতি)}} * {{বাউ|মোহাম্মদ ইমান আলী}} * {{বাউ|মোহাম্মদ উল্লাহ (বিচারক)}} * {{বাউ|মোহাম্মদ এনামউল্যা}} * {{বাউ|মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী}} * {{বাউ|মোহাম্মদ ওমর এজাজ রহমান}} * {{বাউ|মোহাম্মদ কায়কোবাদ}} * {{বাউ|মোহাম্মদ কিবরিয়া}} * {{বাউ|মোহাম্মদ খালেদ}} * {{বাউ|মোহাম্মদ গোলাম রাব্বানী}} * {{বাউ|মোহাম্মদ ছায়েদুল হক}} * {{বাউ|মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন}} * {{বাউ|মোহাম্মদ জাকারিয়া}} * {{বাউ|মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম}} * {{বাউ|মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন}} * {{বাউ|মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন}} * {{বাউ|মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম}} * {{বাউ|মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন}} * {{বাউ|মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন}} * {{বাউ|মোহাম্মদ নইমুদ্দীন}} * {{বাউ|মোহাম্মদ নজিবর রহমান}} * {{বাউ|মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন (লেখক)}} * {{বাউ|মোহাম্মদ নাসির আলী}} * {{বাউ|মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন}} * {{বাউ|মোহাম্মদ নিজামুল হক}} * {{বাউ|মোহাম্মদ নুরুল করিম}} * {{বাউ|মোহাম্মদ নূরুজ্জামান (বিচারপতি)}} * {{বাউ|মোহাম্মদ নোমান (শিক্ষাবিদ)}} * {{বাউ|মোহাম্মদ পনির হোসেন}} * {{বাউ|মোহাম্মদ ফজলী হোসেন}} * {{বাউ|মোহাম্মদ ফজলুল করীম}} * {{বাউ|মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন}} * {{বাউ|মোহাম্মদ ফেরদাউস খান}} * {{বাউ|মোহাম্মদ ফৈয়াজ খান}} * {{বাউ|মোহাম্মদ বজলুর রহমান}} * {{বাউ|মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ}} * {{বাউ|মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী}} * {{বাউ|মোহাম্মদ মতিউর রহমান (লেখক)}} * {{বাউ|মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান}} * {{বাউ|মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মিঞা}} * {{বাউ|মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম (কূটনীতিক)}} * {{বাউ|মোহাম্মদ মফজলুর রহমান}} * {{বাউ|মোহাম্মদ মমতাজ উদ্দিন আহমেদ}} * {{বাউ|মোহাম্মদ ময়েজউদ্দিন}} * {{বাউ|মোহাম্মদ মহিউদ্দিন}} * {{বাউ|মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ}} * {{বাউ|মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান}} * {{বাউ|মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান (চিকিৎসক)}} * {{বাউ|মোহাম্মদ মিজারুল কায়েস}} * {{বাউ|মোহাম্মদ মুর্তজা}} * {{বাউ|মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক (প্রকৌশলী)}} * {{বাউ|মোহাম্মদ মোদাব্বের}} * {{বাউ|মোহাম্মদ মোবারক আলী}} * {{বাউ|মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান (কর্মকর্তা)}} * {{বাউ|মোহাম্মদ মোহর আলী (ইতিহাসবিদ)}} * {{বাউ|মোহাম্মদ মোহসীন}} * {{বাউ|মোহাম্মদ রফি খান}} * {{বাউ|মোহাম্মদ রফিক (কবি)}} * {{বাউ|মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান}} * {{বাউ|মোহাম্মদ রফিকুল আলম}} * {{বাউ|মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম}} * {{বাউ|মোহাম্মদ রহমতুল্লাহ}} * {{বাউ|মোহাম্মদ রেজওয়ান খান}} * {{বাউ|মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরী}} * {{বাউ|মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন}} * {{বাউ|মোহাম্মদ শরীফ হোসেন}} * {{বাউ|মোহাম্মদ শামশাদ আলী}} * {{বাউ|মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা}} * {{বাউ|মোহাম্মদ শাহ আলম}} * {{বাউ|মোহাম্মদ শাহ আলম (আইনজ্ঞ)}} * {{বাউ|মোহাম্মদ শাহজাহান (শিক্ষাবিদ)}} * {{বাউ|মোহাম্মদ শাহিনুল আলম}} * {{বাউ|মোহাম্মদ শিশির মনির}} * {{বাউ|মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন}} * {{বাউ|মোহাম্মদ সাদত আলী}} * {{বাউ|মোহাম্মদ সাদিক}} * {{বাউ|মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ}} * {{বাউ|মোহাম্মদ সালার খান}} * {{বাউ|মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন কাসিমপুরী}} * {{বাউ|মোহাম্মদ সিরাজুল আকবর}} * {{বাউ|মোহাম্মদ সুফিউর রহমান}} * {{বাউ|মোহাম্মদ সোলায়মান}} * {{বাউ|মোহাম্মদ হারুন-উর-রশিদ}} * {{বাউ|মোহাম্মদ হোসেন জেমী}} * {{বাউ|মোহাম্মদ হোসেন মণ্ডল}} * {{বাউ|মোহাম্মদউল্লাহ}} * {{বাউ|মোহাম্মাদ রকিবুল হাসান}} * {{বাউ|মোহিত উল আলম}} * {{বাউ|মোহিত কামাল}} * {{বাউ|মোহিত চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|মোহিত সেন}} * {{বাউ|মোহিনী চৌধুরী}} * {{বাউ|মোহিনী মোহন চক্রবর্তী}} * {{বাউ|মৌমিতা তাশরিন নদী}} * {{বাউ|মৌমিতা দত্ত}} * {{বাউ|মৌলভী আবদুল করিম}} * {{বাউ|মৌসুমী ভৌমিক}} * {{বাউ|যতীন সরকার}} * {{বাউ|যতীন্দ্রকুমার সেন}} * {{বাউ|যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত}} * {{বাউ|যতীন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|যতীন্দ্রমোহন সিংহ}} * {{বাউ|যদুনাথ মজুমদার}} * {{বাউ|যদুনাথ সরকার}} * {{বাউ|যদুনাথ সিংহ}} * {{বাউ|যমুনা সেন}} * {{বাউ|যশোধরা বাগচি}} * {{বাউ|যশোধরা রায় চৌধুরী}} * {{বাউ|যাত্রামোহন সেনগুপ্ত}} * {{বাউ|যাদব চন্দ্র চক্রবর্তী}} * {{বাউ|যাদুমনি হাজং}} * {{বাউ|যামিনী ভূষণ রায়}} * {{বাউ|যামিনী রায়}} * {{বাউ|যামিনীপ্রকাশ গঙ্গোপাধ্যায়}} * {{বাউ|যুধাজিৎ দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|যোগীন মা}} * {{বাউ|যোগীন্দ্রনাথ বসু}} * {{বাউ|যোগেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ}} * {{বাউ|যোগেশচন্দ্র ঘোষ}} * {{বাউ|যোগেশচন্দ্র চৌধুরী (আইনজীবী)}} * {{বাউ|যোগেশচন্দ্র বাগল}} * {{বাউ|যোগেশচন্দ্র রায় বিদ্যানিধি}} * {{বাউ|যোবায়দা হান্নান}} * {{বাউ|রওনক জাহান}} * {{বাউ|রওশন আরা}} * {{বাউ|রওশন আরা বাচ্চু}} * {{বাউ|রওশন আরা মুস্তাফিজ}} * {{বাউ|রওশন আলী}} * {{বাউ|রওশন ইজদানী}} * {{বাউ|রওশন জামিল}} * {{বাউ|রকিব হাসান}} * {{বাউ|রকিবুল আলম রকিব}} * {{বাউ|রকীব আহমদ}} * {{বাউ|রঘুনন্দন ভট্টাচার্য্য}} * {{বাউ|রঘুনাথ ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|রঙ্গলাল মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|রঙ্গলাল সেন}} * {{বাউ|রঙ্গু সৌরিয়া}} * {{বাউ|রজতকান্ত রায়}} * {{বাউ|রজতশুভ্র মজুমদার}} * {{বাউ|রজনীকান্ত গুহ}} * {{বাউ|রজনীকান্ত প্রামাণিক}} * {{বাউ|রজনীনাথ রায়}} * {{বাউ|রঞ্জন ঘোষাল}} * {{বাউ|রঞ্জন মল্লিক}} * {{বাউ|রণজিত গুহ}} * {{বাউ|রণজিৎ চক্রবর্তী}} * {{বাউ|রণজিৎ দাশ}} * {{বাউ|রণদা প্রসাদ সাহা}} * {{বাউ|রণেন কুশারী}} * {{বাউ|রণেশ মৈত্র}} * {{বাউ|রতন ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|রতন সিদ্দিকী}} * {{বাউ|রতনচন্দ্র কর}} * {{বাউ|রতনতনু ঘোষ}} * {{বাউ|রতনলাল ব্রহ্মচারী}} * {{বাউ|রত্নেশ্বর মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|রথীন কিস্কু}} * {{বাউ|রথীন মিত্র}} * {{বাউ|রথীন মৈত্র}} * {{বাউ|রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর}} * {{বাউ|রথীন্দ্রনাথ বোস}} * {{বাউ|রফিক আহামদ}} * {{বাউ|রফিক উদ্দিন আহমেদ (আইনজীবী)}} * {{বাউ|রফিক উদ্দিন আহমেদ (বিজ্ঞানী)}} * {{বাউ|রফিক উদ্দিন সরকার}} * {{বাউ|রফিক-উল হক}} * {{বাউ|রফিকউদ্দিন আহমদ}} * {{বাউ|রফিকউল্লাহ্ খান}} * {{বাউ|রফিকুর রশীদ}} * {{বাউ|রফিকুল ইসলাম (বিজ্ঞানী)}} * {{বাউ|রফিকুল ইসলাম মিয়া}} * {{বাউ|রফিকুল ইসলাম সেখ}} * {{বাউ|রফিকুল বারী চৌধুরী}} * {{বাউ|রফিকুল হক}} * {{বাউ|রফিকুল হক (কৃষি প্রকৌশলী)}} * {{বাউ|রবার্ট সুইনহো}} * {{বাউ|রবি বসু}} * {{বাউ|রবিউল আলম (নাট্যকার)}} * {{বাউ|রবিউল আলম রবি}} * {{বাউ|রবিউল ইসলাম জীবন}} * {{বাউ|রবিউল হুসাইন}} * {{বাউ|রবিন ঘোষ}} * {{বাউ|রবিনা খান}} * {{বাউ|রবিশংকর বল}} * {{বাউ|রবিশঙ্কর}} * {{বাউ|রবীন চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|রবীন্দ্র গুহ}} * {{বাউ|রবীন্দ্রকুমার দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ চৌধুরী}} * {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ দত্ত}} * {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ মজুমদার}} * {{বাউ|রবীন্দ্রনাথ মৈত্র}} * {{বাউ|রমা চৌধুরী}} * {{বাউ|রমাতোষ সরকার}} * {{বাউ|রমাপদ চৌধুরী}} * {{বাউ|রমারঞ্জন মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|রমিজউদ্দীন আহমদ}} * {{বাউ|রমেন্দ্র কুমার পোদ্দার}} * {{বাউ|রমেন্দ্রকুমার আচার্য চৌধুরী}} * {{বাউ|রমেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী}} * {{বাউ|রমেশ চন্দ্র মিত্র}} * {{বাউ|রমেশচন্দ্র সেন}} * {{বাউ|রশিদ চৌধুরী}} * {{বাউ|রশীদ করীম}} * {{বাউ|রশীদ তালুকদার}} * {{বাউ|রশীদ হায়দার}} * {{বাউ|রসময় দত্ত}} * {{বাউ|রসময় মিত্র}} * {{বাউ|রসময় সুর}} * {{বাউ|রসিককৃষ্ণ মল্লিক}} * {{বাউ|রসিকলাল চক্রবর্তী}} * {{বাউ|রহমত আলী}} * {{বাউ|রহমতউল্লাহ আল মাহমুদ সেলিম}} * {{বাউ|রহিমুন্নিসা}} * {{বাউ|রহীম শাহ}} * {{বাউ|রাইচরণ দাস}} * {{বাউ|রাইচাঁদ বড়াল}} * {{বাউ|রাইসুল ইসলাম আসাদ}} * {{বাউ|রাখাল চন্দ্র দাস}} * {{বাউ|রাখাল চিত্রকর}} * {{বাউ|রাখালদাস মজুমদার}} * {{বাউ|রাগিনী সোনকার}} * {{বাউ|রাগীব রউফ চৌধুরী}} * {{বাউ|রাঘব চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|রাঘব বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|রাজকুমার চক্রবর্তী}} * {{বাউ|রাজকুমার সর্বাধিকারী}} * {{বাউ|রাজকুমারী বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|রাজকুমারী রায়চৌধুরী}} * {{বাউ|রাজকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|রাজকৃষ্ণ রায়}} * {{বাউ|রাজচন্দ্র বসু}} * {{বাউ|রাজদীপ দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|রাজনারায়ণ বসু}} * {{বাউ|রাজলক্ষ্মী দেবী ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|রাজিক আল জলিল}} * {{বাউ|রাজিয়া খান}} * {{বাউ|রাজিয়া মজিদ}} * {{বাউ|রাজিয়া মাহবুব}} * {{বাউ|রাজিয়া সুলতানা (আইনজীবী)}} * {{বাউ|রাজেন তরফদার}} * {{বাউ|রাজেন্দ্রচন্দ্র দত্ত}} * {{বাউ|রাজেন্দ্রচন্দ্র হাজরা}} * {{বাউ|রাজেন্দ্রনাথ সেন}} * {{বাউ|রাজেন্দ্রলাল মিত্র}} * {{বাউ|রাজেশ রোশন}} * {{বাউ|রাজেশ্বরী চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|রাণী দিনমনি চৌধুরাণী}} * {{বাউ|রাণী রাসমণি}} * {{বাউ|রাধা বিনোদ পাল}} * {{বাউ|রাধাকান্ত দেব}} * {{বাউ|রাধাকান্ত নন্দী}} * {{বাউ|রাধাকুমুদ মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|রাধাগোবিন্দ কর}} * {{বাউ|রাধাগোবিন্দ চন্দ্র}} * {{বাউ|রাধাগোবিন্দ নাথ}} * {{বাউ|রাধাগোবিন্দ বসাক}} * {{বাউ|রাধানাথ শিকদার}} * {{বাউ|রাধাপদ রায়}} * {{বাউ|রাধাপ্রসাদ গুপ্ত}} * {{বাউ|রাধাবতী দেবী}} * {{বাউ|রাধারমণ দত্ত}} * {{বাউ|রাধারমণ মিত্র}} * {{বাউ|রাধারাণী দেবী}} * {{বাউ|রাধিকা মোহন মৈত্র}} * {{বাউ|রাধিকা রায়}} * {{বাউ|রানী চন্দ}} * {{বাউ|রাপ্পা রায়}} * {{বাউ|রাফায়েল অ্যারন বেলিলিওস}} * {{বাউ|রাফিদা আহমেদ বন্যা}} * {{বাউ|রাবাব ফাতেমা}} * {{বাউ|রাবেয়া খাতুন}} * {{বাউ|রাবেয়া ভূঁইয়া}} * {{বাউ|রাম নারায়ণ চক্রবর্তী}} * {{বাউ|রাম বসু}} * {{বাউ|রামকমল ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|রামকমল সেন}} * {{বাউ|রামকানাই দাশ}} * {{বাউ|রামকুমার চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|রামকৃষ্ণ ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|রামগতি ন্যায়রত্ন}} * {{বাউ|রামগোপাল ঘোষ}} * {{বাউ|রামচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|রামচন্দ্র দত্ত}} * {{বাউ|রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ}} * {{বাউ|রামতনু লাহিড়ী}} * {{বাউ|রামতারণ সান্যাল}} * {{বাউ|রামদাস সেন}} * {{বাউ|রামনারায়ণ তর্করত্ন}} * {{বাউ|রামনিধি গুপ্ত}} * {{বাউ|রামপ্রাণ গুপ্ত}} * {{বাউ|রামব্রহ্ম সান্যাল}} * {{বাউ|রামরঞ্জন ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|রামরাম বসু}} * {{বাউ|রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|রামেন্দু মজুমদার}} * {{বাউ|রায়হান মুজিব}} * {{বাউ|রায়হানুল আবেদীন}} * {{বাউ|রায়েফ আল হাসান রাফা}} * {{বাউ|রাশিদ আসকারী}} * {{বাউ|রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর}} * {{বাউ|রাশেদ খান মেনন}} * {{বাউ|রাশেদ রউফ}} * {{বাউ|রাসবিহারী ঘোষ}} * {{বাউ|রাসসুন্দরী দেবী}} * {{বাউ|রাহাত খান}} * {{বাউ|রাহিজা খানম ঝুনু}} * {{বাউ|রাহুল দেব বর্মণ}} * {{বাউ|রাহুল পুরকায়স্থ}} * {{বাউ|রিংকি ভট্টাচার্য্য}} * {{বাউ|রিজিয়া রহমান}} * {{বাউ|রিতা আর. কলওয়েল}} * {{বাউ|রিনা আক্তার (সক্রিয়কর্মী)}} * {{বাউ|রিনাত ফৌজিয়া}} * {{বাউ|রিপন নাথ}} * {{বাউ|রিফাত হাসান (লেখক)}} * {{বাউ|রিমা সুলতানা রিমু}} * {{বাউ|রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (সাংবাদিক)}} * {{বাউ|রিয়াজ রহমান}} * {{বাউ|রিয়াজ হামিদুল্লাহ}} * {{বাউ|রিয়াজুল রিজু}} * {{বাউ|রীণা বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|রুচিরা গুপ্ত}} * {{বাউ|রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত}} * {{বাউ|রুদ্রাণী (গোয়েন্দা)}} * {{বাউ|রুনা খান (উদ্যোক্তা)}} * {{বাউ|রুনু বিশ্বাস}} * {{বাউ|রুবাইয়াত হোসেন}} * {{বাউ|রুবানা হক}} * {{বাউ|রুবী রহমান}} * {{বাউ|রুবেল}} * {{বাউ|রুমা পাল}} * {{বাউ|রুমানা আলী}} * {{বাউ|রুমানা রশীদ ঈশিতা}} * {{বাউ|রুমিন ফারহানা}} * {{বাউ|রুম্মান রশীদ খান}} * {{বাউ|রুশেমা বেগম}} * {{বাউ|রুহি জুবেরী}} * {{বাউ|রুহুল আমিন (বিচারপতি)}} * {{বাউ|রুহুল আলম সিদ্দিকী}} * {{বাউ|রুহুল ইসলাম}} * {{বাউ|রুহুল কুদ্দুস কাজল}} * {{বাউ|রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু}} * {{বাউ|রূপ গোস্বামী}} * {{বাউ|রূপচাঁদ অধিকারী}} * {{বাউ|রূপমঞ্জরী ঘোষ}} * {{বাউ|রূপরাম চক্রবর্তী}} * {{বাউ|রূপা চক্রবর্তী}} * {{বাউ|রেজা আলী}} * {{বাউ|রেজা লতিফ}} * {{বাউ|রেজাউদ্দিন স্টালিন}} * {{বাউ|রেজাউল করিম (সাংবাদিক)}} * {{বাউ|রেজাউল হক সরকার}} * {{বাউ|রেজিনা গুহ}} * {{বাউ|রেণু চক্রবর্তী}} * {{বাউ|রেণুকা রায়}} * {{বাউ|রেদওয়ান রনি}} * {{বাউ|রেবতীভূষণ ঘোষ}} * {{বাউ|রেবা সোম}} * {{বাউ|রেয়াজুদ্দীন মাশহাদী আহমদ}} * {{বাউ|রেহমান সোবহান}} * {{বাউ|রোকেয়া সুলতানা (চিত্রশিল্পী)}} * {{বাউ|রোজিনা ইসলাম}} * {{বাউ|রোজী আফসারী}} * {{বাউ|রোমেনা আফাজ}} * {{বাউ|লক্ষীছাড়া}} * {{বাউ|লক্ষ্মীকান্ত মৈত্র}} * {{বাউ|লজ্জাবতী বসু}} * {{বাউ|লতিকা সরকার}} * {{বাউ|লতিকা সেন}} * {{বাউ|লতিফুর খান}} * {{বাউ|লতিফুর রহমান (বিচারপতি)}} * {{বাউ|লতিফুল ইসলাম শিবলী}} * {{বাউ|ললিত মোহন নাথ}} * {{বাউ|ললিতা রায়}} * {{বাউ|লাকী আখান্দ}} * {{বাউ|লায়লা নূর}} * {{বাউ|লায়লা সামাদ}} * {{বাউ|লালমোহন গাঙ্গুলি}} * {{বাউ|লিয়াকত আলী চৌধুরী}} * {{বাউ|লিয়াকত আলী লাকী}} * {{বাউ|লিলি চক্রবর্তী (কবি)}} * {{বাউ|লিসা গাজী}} * {{বাউ|লীমা ধর}} * {{বাউ|লীলা রায়}} * {{বাউ|লীলাবতী ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|লীলাবতী মিত্র}} * {{বাউ|লুইস জনসন}} * {{বাউ|লুসি রহমান}} * {{বাউ|লুৎফর রহমান (মুসলিম পণ্ডিত)}} * {{বাউ|লুৎফর রহমান রিটন}} * {{বাউ|লুৎফর রহমান সরকার}} * {{বাউ|লুৎফর হাসান}} * {{বাউ|লুৎফুন্নাহার হেলেন}} * {{বাউ|লুৎফুল হায়দার চৌধুরী}} * {{বাউ|লুৎফে সিদ্দিকী}} * {{বাউ|লেনিন গনি}} * {{বাউ|লেবুমামা}} * {{বাউ|লেমিস}} * {{বাউ|লোকনাথ ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|লোকমান হোসেন ফকির}} * {{বাউ|লোকেন্দ্রনাথ পালিত}} * {{বাউ|লোপামুদ্রা মিত্র}} * {{বাউ|শংকর রায় চৌধুরী (চরিত্র)}} * {{বাউ|শওকত আরা বেগম}} * {{বাউ|শওকত আলী (অধ্যাপক)}} * {{বাউ|শওকত আলী ইমন}} * {{বাউ|শওকত আলী খান}} * {{বাউ|শওকত জামিল}} * {{বাউ|শওকত মাহমুদ}} * {{বাউ|শক্তি বর্মণ}} * {{বাউ|শক্তি মণ্ডল}} * {{বাউ|শক্তিপদ রাজগুরু}} * {{বাউ|শক্তিসাধন মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|শঙ্কর ঘোষ}} * {{বাউ|শঙ্কর ঘোষ (পণ্ডিত)}} * {{বাউ|শঙ্কর চ্যাটার্জী}} * {{বাউ|শঙ্কর প্রসাদ মিত্র}} * {{বাউ|শঙ্কর রায়}} * {{বাউ|শঙ্কর সেনগুপ্ত}} * {{বাউ|শঙ্করীপ্রসাদ বসু}} * {{বাউ|শঙ্কু মহারাজ}} * {{বাউ|শঙ্খ দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|শচীন দাশ}} * {{বাউ|শচীন ভৌমিক}} * {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ অধিকারী}} * {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ বসু}} * {{বাউ|শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত}} * {{বাউ|শফি ইউ আহমেদ}} * {{বাউ|শফিউর রহমান}} * {{বাউ|শফিক আহমেদ}} * {{বাউ|শফিক তুহিন}} * {{বাউ|শবনম পারভীন}} * {{বাউ|শবনম মুশতারী}} * {{বাউ|শবনম রামস্বামী}} * {{বাউ|শবর দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|শমসের মবিন চৌধুরী}} * {{বাউ|শমিতা দাশ দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|শম্পা দাস}} * {{বাউ|শম্ভু ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|শম্ভুনাথ দে}} * {{বাউ|শম্ভুনাথ পণ্ডিত}} * {{বাউ|শম্ভুনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|শরচ্চন্দ্র পণ্ডিত}} * {{বাউ|শরণ}} * {{বাউ|শরাফত আলী}} * {{বাউ|শরিফ এনামুল কবির}} * {{বাউ|শরিফা খাতুন}} * {{বাউ|শরিফা খান}} * {{বাউ|শরীফ উদ্দিন চাকলাদার}} * {{বাউ|শরীফ খান}} * {{বাউ|শরীফ মুহাম্মদ আজিজুল হক}} * {{বাউ|শর্বরী জোহরা আহমেদ}} * {{বাউ|শর্বরী রায়চৌধুরী}} * {{বাউ|শর্মিলা বসু}} * {{বাউ|শর্মিলা বিশ্বাস}} * {{বাউ|শর্মিলা ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|শর্মিলা সরকার}} * {{বাউ|শরৎকুমার মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|শরৎকুমারী চৌধুরাণী}} * {{বাউ|শরৎচন্দ্র মিত্র}} * {{বাউ|শরৎচন্দ্র রায়}} * {{বাউ|শরৎসুন্দরী দেবী}} * {{বাউ|শশধর দত্ত}} * {{বাউ|শশাঙ্ক চন্দ্র ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|শশাঙ্ক শেখর সরকার}} * {{বাউ|শশিভূষণ দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|শশিশেখর বসু}} * {{বাউ|শহিদুল আমিন}} * {{বাউ|শহিদুল আলম}} * {{বাউ|শহিদুল ইসলাম (বিচারক)}} * {{বাউ|শহিদুল হক খান}} * {{বাউ|শহীদ আখন্দ}} * {{বাউ|শহীদ উল্লাহ তালুকদার}} * {{বাউ|শহীদ সাবের}} * {{বাউ|শহীদুল ইসলাম (গণিতবিদ)}} * {{বাউ|শহীদুল ইসলাম (প্রকৌশলী)}} * {{বাউ|শহীদুল ইসলাম খোকন}} * {{বাউ|শহীদুল হক}} * {{বাউ|শহীদুল্লাহ খান}} * {{বাউ|শাওন আকন্দ}} * {{বাউ|শাকিলা জাফর}} * {{বাউ|শাকুর মজিদ}} * {{বাউ|শাজিয়া ওমর}} * {{বাউ|শানারেই দেবী শানু}} * {{বাউ|শানু লাহিড়ী}} * {{বাউ|শান্তনু কায়সার}} * {{বাউ|শান্তনু ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|শান্তনু মৈত্র}} * {{বাউ|শান্তা দেবী (নাগ)}} * {{বাউ|শান্তিদেব ঘোষ}} * {{বাউ|শান্তিময় চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|শান্তিরঞ্জন ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|শান্তিসুধা ঘোষ}} * {{বাউ|শাপলা সালিক}} * {{বাউ|শাফিয়া খাতুন}} * {{বাউ|শামছুল আলম}} * {{বাউ|শামশুদ্দিন আহমদ চৌধুরী}} * {{বাউ|শামসুদ্দিন আহমদ (চিকিৎসক)}} * {{বাউ|শামসুদ্দিন আহমেদ}} * {{বাউ|শামসুদ্দিন আহমেদ (প্রকৌশলী)}} * {{বাউ|শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক}} * {{বাউ|শামসুদ্দিন টগর}} * {{বাউ|শামসুদ্দিন হীরা}} * {{বাউ|শামসুদ্‌দীন আবুল কালাম}} * {{বাউ|শামসুন নাহার মাহমুদ}} * {{বাউ|শামসুল আলম (অর্থনীতিবিদ)}} * {{বাউ|শামসুল ইসলাম আলমাজী}} * {{বাউ|শামসুল হক (অধ্যাপক)}} * {{বাউ|শামসুল হুদা}} * {{বাউ|শামসুল হুদা চৌধুরী}} * {{বাউ|শামীম আকতার}} * {{বাউ|শামীম আজাদ}} * {{বাউ|শামীম আরা নিপা}} * {{বাউ|শামীম আহমেদ রনি}} * {{বাউ|শামীম আহসান}} * {{বাউ|শামীম শিকদার}} * {{বাউ|শামীম হায়দার}} * {{বাউ|শামীম হাসনাইন}} * {{বাউ|শামীমা করিম চৌধুরী}} * {{বাউ|শায়ান চৌধুরী অর্ণব}} * {{বাউ|শায়েস্তা সোহরাওয়ার্দী ইকরামউল্লাহ}} * {{বাউ|শারফুদ্দিন আহমেদ}} * {{বাউ|শারমিন আলি}} * {{বাউ|শার্মিন আক্তার}} * {{বাউ|শাহ আজিজুর রহমান}} * {{বাউ|শাহ আবদুল ওয়াহহাব}} * {{বাউ|শাহ আবদুল হান্নান}} * {{বাউ|শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান}} * {{বাউ|শাহ আবুল হাসনাৎ মোহাম্মদ ইসমাইল}} * {{বাউ|শাহ আব্দুল হামিদ}} * {{বাউ|শাহ আলম কিরণ}} * {{বাউ|শাহ আলমগীর}} * {{বাউ|শাহ আহমদ শফী}} * {{বাউ|শাহ এ এম এস কিবরিয়া}} * {{বাউ|শাহ খাজা শরফুদ্দীন}} * {{বাউ|শাহ জাহাঙ্গীর কবীর}} * {{বাউ|শাহ বারিদ খান}} * {{বাউ|শাহ মাহাতাব আহমদ}} * {{বাউ|শাহ মুহম্মদ সগীর}} * {{বাউ|শাহ মো. ওয়ারেস আলী মামুন}} * {{বাউ|শাহ মোঃ উললাহ}} * {{বাউ|শাহ মোঃ হাসানুজ্জামান}} * {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ ফারুক}} * {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ ফারুক (অধ্যাপক)}} * {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস}} * {{বাউ|শাহ মোহাম্মদ হাছানুজ্জামান}} * {{বাউ|শাহজাদা আবদুল মালেক খান}} * {{বাউ|শাহজাহান আহমেদ বিকাশ}} * {{বাউ|শাহজাহান কিবরিয়া}} * {{বাউ|শাহজাহান খান (অধ্যাপক)}} * {{বাউ|শাহজাহান চৌধুরী (চলচ্চিত্র পরিচালক)}} * {{বাউ|শাহদীন মালিক}} * {{বাউ|শাহনাজ আরেফিন}} * {{বাউ|শাহনাজ রহমতুল্লাহ}} * {{বাউ|শাহনাজ হুদা}} * {{বাউ|শাহনেওয়াজ কাকলী}} * {{বাউ|শাহরিয়ার আলম}} * {{বাউ|শাহরিয়ার নাজিম জয়}} * {{বাউ|শাহলা খাতুন}} * {{বাউ|শাহাদাত চৌধুরী}} * {{বাউ|শাহাদাত হোসেন খান}} * {{বাউ|শাহাদাৎ হোসেন (লেখক)}} * {{বাউ|শাহাদাৎ হোসেন লিটন}} * {{বাউ|শাহাবুদ্দিন আহমেদ}} * {{বাউ|শাহাবুদ্দিন আহমেদ (চিত্রশিল্পী)}} * {{বাউ|শাহাবুদ্দিন আহমেদ (রাষ্ট্রদূত)}} * {{বাউ|শাহাবুদ্দীন নাগরী}} * {{বাউ|শাহীন আখতার}} * {{বাউ|শাহীন দিল-রিয়াজ}} * {{বাউ|শাহীন সামাদ}} * {{বাউ|শাহীন-সুমন}} * {{বাউ|শাহীনুর পাশা চৌধুরী}} * {{বাউ|শাহেদ আলী}} * {{বাউ|শাহেদ আলী পাটোয়ারী}} * {{বাউ|শাহেদ চৌধুরী}} * {{বাউ|শাহেদ নূরউদ্দিন}} * {{বাউ|শাহ্ আলিমুজ্জামান}} * {{বাউ|শিতালং শাহ}} * {{বাউ|শিপ্রা গুহ মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|শিব নারায়ণ দাস}} * {{বাউ|শিবকালী ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|শিবচন্দ্র বিদ্যার্ণব}} * {{বাউ|শিবদাস বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|শিবনারায়ণ রায়}} * {{বাউ|শিবপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|শিবব্রত বর্মন}} * {{বাউ|শিবলি সাদিক}} * {{বাউ|শিবাজী চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|শিমুল মুস্তাফা}} * {{বাউ|শিমূল ইউসুফ}} * {{বাউ|শিরীণ আখতার}} * {{বাউ|শিশির কুমার ঘোষ}} * {{বাউ|শিশির কুমার দাশ}} * {{বাউ|শিশির কুমার মিত্র}} * {{বাউ|শিশির ভট্টাচার্য্য}} * {{বাউ|শিশির ভট্টাচার্য্য (ভাষাবিজ্ঞানী)}} * {{বাউ|শিশিরকুমার বসু}} * {{বাউ|শিশিরকুমার ভাদুড়ী}} * {{বাউ|শিহাব শাহীন}} * {{বাউ|শিহাব সরকার}} * {{বাউ|শীলভদ্র}} * {{বাউ|শুক্লা বোস}} * {{বাউ|শুদ্ধানন্দ ব্রহ্মচারী}} * {{বাউ|শুদ্ধানন্দ মহাথের}} * {{বাউ|শুভ (সঙ্গীতজ্ঞ)}} * {{বাউ|শুভ গুহঠাকুরতা}} * {{বাউ|শুভ রায়}} * {{বাউ|শুভঙ্কর (গণিতবিদ)}} * {{বাউ|শুভাগত চৌধুরী}} * {{বাউ|শুভাশিস সিনহা}} * {{বাউ|শুভ্র (চরিত্র)}} * {{বাউ|শুভ্র দেব}} * {{বাউ|শুভ্রা ঘোষ}} * {{বাউ|শেখ আবদুল আউয়াল}} * {{বাউ|শেখ আবদুল আজিজ}} * {{বাউ|শেখ আবদুল মান্নান}} * {{বাউ|শেখ আবদুস সালাম}} * {{বাউ|শেখ আবুল কাশেম মিঠুন}} * {{বাউ|শেখ আব্দুর রহিম}} * {{বাউ|শেখ আব্দুস সালাম}} * {{বাউ|শেখ খলিলুর রহমান হামিদি}} * {{বাউ|শেখ গোলাম মাকসুদ হিলালী}} * {{বাউ|শেখ তৈয়বুর রহমান}} * {{বাউ|শেখ দীন মুহাম্মদ}} * {{বাউ|শেখ নিয়ামত আলী}} * {{বাউ|শেখ ফয়জুল্লাহ}} * {{বাউ|শেখ বখতিয়ার উদ্দিন}} * {{বাউ|শেখ ভানু}} * {{বাউ|শেখ মকবুল ইসলাম}} * {{বাউ|শেখ মনিরুল আলম টিপু}} * {{বাউ|শেখ মাকসুদ আলী}} * {{বাউ|শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ}} * {{বাউ|শেখ মো. জাকির হোসেন}} * {{বাউ|শেখ মোঃ নূরুল হক}} * {{বাউ|শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ}} * {{বাউ|শেখ রাজ্জাক আলী}} * {{বাউ|শেখ রেজোয়ান আলী}} * {{বাউ|শেখ লুতফর রহমান}} * {{বাউ|শেখ শহীদুল ইসলাম}} * {{বাউ|শেখ হাফিজুর রহমান}} * {{বাউ|শেখ হাসান আরিফ}} * {{বাউ|শেখর চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|শেখর বসু}} * {{বাউ|শেফালী ঘোষ}} * {{বাউ|শেলী সেনগুপ্তা}} * {{বাউ|শৈল চক্রবর্তী}} * {{বাউ|শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|শৈলজারঞ্জন মজুমদার}} * {{বাউ|শৈলবালা ঘোষজায়া}} * {{বাউ|শৈলেন ঘোষ}} * {{বাউ|শৈলেন রায়}} * {{বাউ|শৈলেন্দ্র সরকার}} * {{বাউ|শৈলেশ দে}} * {{বাউ|শোভনা শর্মা}} * {{বাউ|শোভনাসুন্দরী মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|শোভা রানী ত্রিপুরা}} * {{বাউ|শোহিদ আলী}} * {{বাউ|শৌভিক দে সরকার}} * {{বাউ|শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর}} * {{বাউ|শ্যামমোহিনী দেবী}} * {{বাউ|শ্যামল কুমার সেন}} * {{বাউ|শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়}} * {{বাউ|শ্যামল গুপ্ত}} * {{বাউ|শ্যামল দত্ত রায়}} * {{বাউ|শ্যামল বসাক}} * {{বাউ|শ্যামল মিত্র}} * {{বাউ|শ্যামলকৃষ্ণ ঘোষ}} * {{বাউ|শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী}} * {{বাউ|শ্যামসুন্দর চক্রবর্তী}} * {{বাউ|শ্যামসুন্দর বৈষ্ণব}} * {{বাউ|শ্যামাচরণ শ্রীমানী}} * {{বাউ|শ্যামাদাস চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|শ্যামাদাস মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (পরিসংখ্যানবিদ)}} * {{বাউ|শ্রাবন্তী নারমীন আলী}} * {{বাউ|শ্রী জহির}} * {{বাউ|শ্রী পারাবত}} * {{বাউ|শ্রী প্রীতম}} * {{বাউ|শ্রীকর নন্দী}} * {{বাউ|শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|শ্রীজাত}} * {{বাউ|শ্রীজীব ন্যায়তীর্থ}} * {{বাউ|শ্রীধর আচার্য}} * {{বাউ|শ্রীধর ভেঙ্কটেশ কেতকর}} * {{বাউ|শ্রীমতি রাসাসুন্দরী}} * {{বাউ|শ্রীশচন্দ্র নন্দী}} * {{বাউ|শ্রীশচন্দ্র বিদ্যারত্ন}} * {{বাউ|শ্রীশচন্দ্র মজুমদার}} * {{বাউ|শ্রেয়সী চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|শ্রেষ্ঠ নাট্যকারের জন্য মেরিল-প্রথম আলো সমালোচক পুরস্কার}} * {{বাউ|শ্ৰীকৃষ্ণ সার্বভৌম}} * {{বাউ|ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|সংগ্রাম কুমার দোলই}} * {{বাউ|সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|সঙ্ঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|সজনীকান্ত দাস}} * {{বাউ|সজীব দাস}} * {{বাউ|সঞ্চিতা ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|সঞ্জয় (সঙ্গীতজ্ঞ)}} * {{বাউ|সঞ্জয় কুমার অধিকারী}} * {{বাউ|সঞ্জয় গুহঠাকুরতা}} * {{বাউ|সতীকান্ত গুহ}} * {{বাউ|সতীনাথ ভাদুড়ী}} * {{বাউ|সতীশচন্দ্র আচার্য বিদ্যাভূষণ}} * {{বাউ|সতীশচন্দ্র দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|সতীশচন্দ্র পাকড়াশী}} * {{বাউ|সতীশচন্দ্র মিত্র}} * {{বাউ|সতীশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|সত্য চৌধুরী}} * {{বাউ|সত্য সাহা}} * {{বাউ|সত্যপ্রিয় ঘোষ}} * {{বাউ|সত্যপ্রিয় মহাথের}} * {{বাউ|সত্যবতী (ব্যোমকেশ বক্সীর স্ত্রী)}} * {{বাউ|সত্যব্রত সামশ্রমী}} * {{বাউ|সত্যরঞ্জন বকসি}} * {{বাউ|সত্যানন্দ গিরি}} * {{বাউ|সত্যানন্দ দাশ}} * {{বাউ|সত্যেন সেন}} * {{বাউ|সত্যেন্দ্র চন্দ্র মিত্র}} * {{বাউ|সত্যেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|সত্যেন্দ্রনাথ মৈত্র}} * {{বাউ|সত্যেন্দ্রনাথ সেন}} * {{বাউ|সনাতন গোস্বামী}} * {{বাউ|সন্তোষ গুপ্ত}} * {{বাউ|সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|সন্তোষ ঢালী}} * {{বাউ|সন্তোষ রানা}} * {{বাউ|সন্তোষকুমার ঘোষ}} * {{বাউ|সন্তোষকুমারী দেবী}} * {{বাউ|সন্দীপ ঘোষ}} * {{বাউ|সন্দীপ দত্ত}} * {{বাউ|সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|সন্ধ্যাকর নন্দী}} * {{বাউ|সন্মথ দত্ত}} * {{বাউ|সন্মাত্রানন্দ}} * {{বাউ|সন্‌জীদা খাতুন}} * {{বাউ|সনৎ কর}} * {{বাউ|সনৎ কুমার সাহা}} * {{বাউ|সপ্তর্ষি ব্যানার্জি}} * {{বাউ|সফিউদ্দিন আহমদ}} * {{বাউ|সফিউদ্দীন আহমেদ}} * {{বাউ|সবিতা রায়চৌধুরী}} * {{বাউ|সবিতাব্রত দত্ত}} * {{বাউ|সব্যসাচী মুখোপাধ্যায় (বিচারপতি)}} * {{বাউ|সমর দাস}} * {{বাউ|সমর বাগচী}} * {{বাউ|সমর মজুমদার}} * {{বাউ|সমর সেন}} * {{বাউ|সমরজিৎ রায় চৌধুরী}} * {{বাউ|সমরেন্দ্র কুমার মিত্র}} * {{বাউ|সমরেন্দ্র চন্দ্র দেব}} * {{বাউ|সমরেন্দ্র নাথ পাণ্ডে}} * {{বাউ|সমরেন্দ্র মল্লিক}} * {{বাউ|সমরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস}} * {{বাউ|সমরেন্দ্রনাথ রায়}} * {{বাউ|সমরেন্দ্রনাথ সেন}} * {{বাউ|সমরেশ বসু}} * {{বাউ|সমাপ্তি চ্যাটার্জি}} * {{বাউ|সমীর কুমার সাহা}} * {{বাউ|সমীর রায়চৌধুরী}} * {{বাউ|সমুদ্র গুপ্ত (কবি)}} * {{বাউ|সরকার প্রতিক}} * {{বাউ|সরদার জয়েনউদ্দীন}} * {{বাউ|সরদার ফজলুল করিম}} * {{বাউ|সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর}} * {{বাউ|সরদার মোশারফ হোসেন}} * {{বাউ|সরদার মোহাম্মদ আবদুল হামিদ}} * {{বাউ|সরযূবালা দেবী}} * {{বাউ|সরযূবালা সেন}} * {{বাউ|সরলা বসু}} * {{বাউ|সরলা বিড়লা}} * {{বাউ|সরলা রায়}} * {{বাউ|সরসীবালা বসু}} * {{বাউ|সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী}} * {{বাউ|সরোজ গুপ্ত}} * {{বাউ|সরোজ ঘোষ}} * {{বাউ|সরোজ দত্ত}} * {{বাউ|সরোজ নলিনী দত্ত}} * {{বাউ|সরোজ বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|সরোজকুমার রায়চৌধুরী}} * {{বাউ|সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ}} * {{বাউ|সলিল চৌধুরী}} * {{বাউ|সলিল সেন}} * {{বাউ|সহিদুল করিম}} * {{বাউ|সহিফা বানু}} * {{বাউ|সাইদা খানম}} * {{বাউ|সাইদুল আনাম টুটুল}} * {{বাউ|সাইদুল হাসান (সাংবাদিক)}} * {{বাউ|সাইদুস সালেহীন খালেদ সুমন}} * {{বাউ|সাইফ হাফিজুর রহমান}} * {{বাউ|সাইফউদ-দীন চৌধুরী}} * {{বাউ|সাইফুজ্জামান শিখর}} * {{বাউ|সাইফুদ্দিন শাহ্}} * {{বাউ|সাইফুর রহমান}} * {{বাউ|সাইফুল আজম কাশেম}} * {{বাউ|সাইফুল ইসলাম (চিত্রশিল্পী)}} * {{বাউ|সাইফুল ইসলাম মান্নু}} * {{বাউ|সাইফুল হক}} * {{বাউ|সাইম রানা}} * {{বাউ|সাইমন জাকারিয়া}} * {{বাউ|সাইয়িদ আতীকুল্লাহ}} * {{বাউ|সাঈদ আহমদ}} * {{বাউ|সাঈদ উদ্দীন আহমেদ}} * {{বাউ|সাঈদ হায়দার}} * {{বাউ|সাঈদ-উর-রহমান}} * {{বাউ|সাঈদা মুনা তাসনিম}} * {{বাউ|সাকিব ফাহাদ}} * {{বাউ|সাগর জাহান}} * {{বাউ|সাগরময় ঘোষ}} * {{বাউ|সাগরলাল দত্ত}} * {{বাউ|সাজিদুর রহমান}} * {{বাউ|সাজেদুল করিম}} * {{বাউ|সাজ্জাদুল হাসান (আমলা)}} * {{বাউ|সাদাত আবুল মাসুদ}} * {{বাউ|সাদাত হোসাইন}} * {{বাউ|সাদি মহম্মদ}} * {{বাউ|সাদিক হোসেন}} * {{বাউ|সাদিয়া ফাইজুন্নেসা}} * {{বাউ|সাদির উদ্দিন আহমেদ}} * {{বাউ|সাদেক খান (সাংবাদিক)}} * {{বাউ|সাধনা আহমেদ}} * {{বাউ|সানাউল হক}} * {{বাউ|সানাউল হক খান}} * {{বাউ|সানাউল্লাহ নূরী}} * {{বাউ|সানি সানোয়ার}} * {{বাউ|সানিয়া সুলতানা লিজা}} * {{বাউ|সানী জুবায়ের}} * {{বাউ|সাফি উদ্দিন সাফি}} * {{বাউ|সাবরিনা পড়শী}} * {{বাউ|সাবিত্রী রায়}} * {{বাউ|সাব্বির নাসির}} * {{বাউ|সামন্ত লাল সেন}} * {{বাউ|সামসুল হক (কবি)}} * {{বাউ|সামিনা চৌধুরী}} * {{বাউ|সামিয়া জামান}} * {{বাউ|সাযযাদ কাদির}} * {{বাউ|সায়মা ওয়াজেদ পুতুল}} * {{বাউ|সায়েদুর রহমান}} * {{বাউ|সায়েবা আখতার}} * {{বাউ|সারদাচরণ মিত্র}} * {{বাউ|সারদারঞ্জন রায়}} * {{বাউ|সারা বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|সারা যাকের}} * {{বাউ|সারা হোসেন}} * {{বাউ|সালমা ইসলাম}} * {{বাউ|সালমা মাসুদ চৌধুরী}} * {{বাউ|সালমা সুলতানা}} * {{বাউ|সালমা সোবহান}} * {{বাউ|সালাউদ্দিন সরদার}} * {{বাউ|সালাহ উদ্দিন ইউসুফ}} * {{বাউ|সালাহ উদ্দিন নানুপুরী}} * {{বাউ|সালাহউদ্দিন (চলচ্চিত্র পরিচালক)}} * {{বাউ|সালাহউদ্দিন আহমেদ (অ্যাটর্নি জেনারেল)}} * {{বাউ|সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী}} * {{বাউ|সালাহউদ্দিন লাভলু}} * {{বাউ|সালিমুল হক}} * {{বাউ|সালেহ উদ্দিন}} * {{বাউ|সালেহ উদ্দীন আহমদ জহুরী}} * {{বাউ|সালেহ হাসান নকীব}} * {{বাউ|সালেহউদ্দিন আহমেদ}} * {{বাউ|সাহানাজ সুলতানা}} * {{বাউ|সাহিদা বেগম}} * {{বাউ|সি এম শফি সামি}} * {{বাউ|সি. বি. জামান}} * {{বাউ|সিকদার আমিনুল হক}} * {{বাউ|সিকদার মাহমুদুর রাজী}} * {{বাউ|সিগমা হুদা}} * {{বাউ|সিতারা বেগম}} * {{বাউ|সিদ্দিক আহমেদ চৌধুরী}} * {{বাউ|সিদ্দিকা কবীর}} * {{বাউ|সিদ্দিকুর রহমান মিয়া}} * {{বাউ|সিদ্ধার্থ ঘোষ}} * {{বাউ|সিদ্ধার্থ মুখার্জী}} * {{বাউ|সিদ্ধেশ্বর মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|সিয়াম আহমেদ}} * {{বাউ|সিরাজ উদদীন আহমেদ}} * {{বাউ|সিরাজ উদ্দিন মিয়া}} * {{বাউ|সিরাজ সাঁই}} * {{বাউ|সিরাজ হায়দার}} * {{বাউ|সিরাজুদ্দীন হোসেন}} * {{বাউ|সিরাজুর রহমান}} * {{বাউ|সিরাজুল ইসলাম}} * {{বাউ|সিরাজুল ইসলাম (আইনজীবী)}} * {{বাউ|সিরাজুল ইসলাম (কবি)}} * {{বাউ|সিরাজুল করিম চৌধুরী}} * {{বাউ|সিরাজুল হক (বাচ্চু মিয়া)}} * {{বাউ|সিরাজুল হক (শিক্ষাবিদ)}} * {{বাউ|সিরাজুল হক খান}} * {{বাউ|সিরিল সিকদার}} * {{বাউ|সীতা দেবী}} * {{বাউ|সীতানাথ তত্ত্বভূষণ}} * {{বাউ|সীতানাথ সিদ্ধান্তবাগীশ}} * {{বাউ|সুকন্যা দত্ত}} * {{বাউ|সুকান্ত চৌধুরী}} * {{বাউ|সুকুমারী ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|সুখময় চক্রবর্তী}} * {{বাউ|সুখরঞ্জন সমাদ্দার}} * {{বাউ|সুগত বসু}} * {{বাউ|সুগত মারজিত}} * {{বাউ|সুচরিত চৌধুরী}} * {{বাউ|সুচারু দেবী}} * {{বাউ|সুচিত্রা মিত্র}} * {{বাউ|সুজন দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|সুজন বড়ুয়া}} * {{বাউ|সুজয় পল}} * {{বাউ|সুজাত খান (প্রকৌশলী)}} * {{বাউ|সুজেয় শ্যাম}} * {{বাউ|সুতপা চক্রবর্তী}} * {{বাউ|সুতপা বসু}} * {{বাউ|সুদর্শন ঘোষ দস্তিদার}} * {{বাউ|সুদীপ্ত-হেরম্যান}} * {{বাউ|সুদীপ্তা সেনগুপ্ত}} * {{বাউ|সুদেষ্ণা রায়}} * {{বাউ|সুদেষ্ণা সিনহা}} * {{বাউ|সুধাংশু দত্ত মজুমদার}} * {{বাউ|সুধাংশু শেখর হালদার}} * {{বাউ|সুধাংশুকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|সুধাংশুবালা হাজরা}} * {{বাউ|সুধীন দত্ত}} * {{বাউ|সুধীন দাশ}} * {{বাউ|সুধীন দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|সুধীন্দ্রনাথ রাহা}} * {{বাউ|সুধীর চক্রবর্তী}} * {{বাউ|সুধীরকুমার চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|সুধীরচন্দ্র কর}} * {{বাউ|সুধীরঞ্জন প্রধান}} * {{বাউ|সুধীরনাথ সান্যাল}} * {{বাউ|সুধীরলাল চক্রবর্তী}} * {{বাউ|সুনন্দ সান্যাল}} * {{বাউ|সুনন্দা শিকদার}} * {{বাউ|সুনয়নী দেবী}} * {{বাউ|সুনীতি দেবী}} * {{বাউ|সুনীতিকুমার পাঠক}} * {{বাউ|সুনীল দাশ (লেখক)}} * {{বাউ|সুনেত্রা গুপ্ত}} * {{বাউ|সুন্দরীমোহন দাস}} * {{বাউ|সুপ্রিয়া চৌধুরী (শিক্ষাবিদ)}} * {{বাউ|সুফি (কার্টুনিস্ট)}} * {{বাউ|সুফি মিজানুর রহমান}} * {{বাউ|সুফি মোতাহার হোসেন}} * {{বাউ|সুফিয়া খাতুন}} * {{বাউ|সুফী জুলফিকার হায়দার}} * {{বাউ|সুবল দাস}} * {{বাউ|সুবিমল বসাক}} * {{বাউ|সুবিমল মিশ্র}} * {{বাউ|সুবোধ ঘোষ}} * {{বাউ|সুবোধ মিত্র}} * {{বাউ|সুবোধ সরকার}} * {{বাউ|সুবোধকুমার চক্রবর্তী}} * {{বাউ|সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত}} * {{বাউ|সুব্রত রায় (বিজ্ঞানী)}} * {{বাউ|সুব্রত রায়চৌধুরী}} * {{বাউ|সুভাষ চন্দ্র শীল}} * {{বাউ|সুভাষ চৌধুরী}} * {{বাউ|সুভাষ দত্ত}} * {{বাউ|সুভাষ ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|সুভাষ মুখোপাধ্যায় (কবি)}} * {{বাউ|সুভাষ সিংহ রায়}} * {{বাউ|সুভো ঠাকুর}} * {{বাউ|সুমথনাথ ঘোষ}} * {{বাউ|সুমন কল্যাণপুর}} * {{বাউ|সুমন চট্টোপাধ্যায় (সাংবাদিক ও লেখক)}} * {{বাউ|সুমন মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|সুমনা রায়}} * {{বাউ|সুমনা সিনহা}} * {{বাউ|সুমিত রায়}} * {{বাউ|সুমিত সরকার}} * {{বাউ|সুমিত সাহা}} * {{বাউ|সুরজিৎচন্দ্র লাহিড়ী}} * {{বাউ|সুরজিৎচন্দ্র সিনহা}} * {{বাউ|সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত}} * {{বাউ|সুরবালা ঘোষ}} * {{বাউ|সুরমা জাহিদ}} * {{বাউ|সুরমা মিত্র দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|সুরেন্দ্র কুমার সিনহা}} * {{বাউ|সুরেন্দ্র নারায়ণ দাশ}} * {{বাউ|সুরেন্দ্রকুমার দে}} * {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ ঘোষ}} * {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ ঠাকুর}} * {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ মজুমদার}} * {{বাউ|সুরেন্দ্রনাথ মিত্র}} * {{বাউ|সুরেন্দ্রমোহন ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|সুরেশ বিশ্বাস}} * {{বাউ|সুরেশ রঞ্জন বসাক}} * {{বাউ|সুরেশচন্দ্র চক্রবর্তী}} * {{বাউ|সুরেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|সুলতান আহমেদ চৌধুরী}} * {{বাউ|সুলতান উদ্দিন ভূঞা}} * {{বাউ|সুলতান হোসেন খান}} * {{বাউ|সুলতানা আফরোজ}} * {{বাউ|সুলতানা ইয়াসমিন লায়লা}} * {{বাউ|সুলতানা কামাল}} * {{বাউ|সুলতানা নুরুন নাহার}} * {{বাউ|সুলতানা ফিরদৌসী}} * {{বাউ|সুলতানা সারওয়াত আরা জামান}} * {{বাউ|সুলতানুল কবির চৌধুরী}} * {{বাউ|সুশান্ত মজুমদার}} * {{বাউ|সুশীল কুমার দে}} * {{বাউ|সুশীল জানা}} * {{বাউ|সুশীল রঞ্জন চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|সুশীলকুমার ঘোষ}} * {{বাউ|সুশীলকুমার মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|সুশীলা অনিতা ব্যানার্জী}} * {{বাউ|সুশোভন বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|সুশোভন সরকার}} * {{বাউ|সুষমা দাস}} * {{বাউ|সুস্মিতা আনিস}} * {{বাউ|সুস্মিতা বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|সুস্মিতা বসু}} * {{বাউ|সুস্মিতা বসু মজুমদার}} * {{বাউ|সুহরাব হোসেন}} * {{বাউ|সুহাস চন্দ্র দত্ত রায়}} * {{বাউ|সুহাসিনী দাস}} * {{বাউ|সূর্যকুমার সর্বাধিকারী}} * {{বাউ|সেকুল ইসলাম}} * {{বাউ|সেজান মাহমুদ}} * {{বাউ|সেজুল হোসেন}} * {{বাউ|সেলিনা আখতার}} * {{বাউ|সেলিনা পারভীন}} * {{বাউ|সেলিনা বানু}} * {{বাউ|সেলিনা বাহার জামান}} * {{বাউ|সেলিনা হায়াৎ আইভী}} * {{বাউ|সেলিম আলতাফ জর্জ}} * {{বাউ|সেলিম মাহমুদ}} * {{বাউ|সৈয়দ অহিদুজ্জামান ডায়মন্ড}} * {{বাউ|সৈয়দ আকরম হোসেন}} * {{বাউ|সৈয়দ আক্তার হোসেন}} * {{বাউ|সৈয়দ আজিজুল হক}} * {{বাউ|সৈয়দ আতিকুল হক}} * {{বাউ|সৈয়দ আনোয়ার হোসেন}} * {{বাউ|সৈয়দ আনোয়ারুল করিম}} * {{বাউ|সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ}} * {{বাউ|সৈয়দ আবদুস সামাদ (অর্থনীতিবিদ)}} * {{বাউ|সৈয়দ আবদুস সুলতান}} * {{বাউ|সৈয়দ আবদুস সোবহান}} * {{বাউ|সৈয়দ আবু কাওসার মো. দবিরুশ্বান}} * {{বাউ|সৈয়দ আবুল মকসুদ}} * {{বাউ|সৈয়দ আবুল মনসুর হাবিবুল্লাহ}} * {{বাউ|সৈয়দ আবুল মাসুদ}} * {{বাউ|সৈয়দ আব্দুন নূর হোছেনী চিশতি}} * {{বাউ|সৈয়দ আব্দুল মজিদ}} * {{বাউ|সৈয়দ আব্দুল হাদী}} * {{বাউ|সৈয়দ আমিরুল ইসলাম}} * {{বাউ|সৈয়দ আমীর আলী}} * {{বাউ|সৈয়দ আলতাফ হোসেন}} * {{বাউ|সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ}} * {{বাউ|সৈয়দ এ কে এম এমদাদুল বারী}} * {{বাউ|সৈয়দ এ. বি. মাহমুদ হোসেন}} * {{বাউ|সৈয়দ এ.বি মাহমুদুল হক}} * {{বাউ|সৈয়দ এমদাদ আলী}} * {{বাউ|সৈয়দ গিয়াসউদ্দিন আহমেদ}} * {{বাউ|সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া}} * {{বাউ|সৈয়দ জাহাঙ্গীর}} * {{বাউ|সৈয়দ জাহেদ মনসুর}} * {{বাউ|সৈয়দ জে. আর. মোদাচ্ছির হোসেন}} * {{বাউ|সৈয়দ তারেক হোসেন}} * {{বাউ|সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী}} * {{বাউ|সৈয়দ নওশের আলী}} * {{বাউ|সৈয়দ নজমুল হক (বুদ্ধিজীবী)}} * {{বাউ|সৈয়দ নাজমুদ্দীন হাশেম}} * {{বাউ|সৈয়দ নাজমুল হক}} * {{বাউ|সৈয়দ নূরুদ্দিন}} * {{বাউ|সৈয়দ নূরুদ্দীন}} * {{বাউ|সৈয়দ পীর বাদশাহ}} * {{বাউ|সৈয়দ ফজলুল করিম}} * {{বাউ|সৈয়দ ফয়জুল করিম}} * {{বাউ|সৈয়দ ফাহিম মুনাইম}} * {{বাউ|সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম}} * {{বাউ|সৈয়দ মাইনুল হোসেন}} * {{বাউ|সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ}} * {{বাউ|সৈয়দ মাহমুদ হোসেন}} * {{বাউ|সৈয়দ মুর্তাজা আলী}} * {{বাউ|সৈয়দ মুহাম্মদ আবদুল ফায়েজ}} * {{বাউ|সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম}} * {{বাউ|সৈয়দ মুহাম্মদ ইসহাক}} * {{বাউ|সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী}} * {{বাউ|সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন}} * {{বাউ|সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল}} * {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান নিজামী শাহ}} * {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম}} * {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেন}} * {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ তৈফুর}} * {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন}} * {{বাউ|সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ}} * {{বাউ|সৈয়দ রায়হান উদ্দিন}} * {{বাউ|সৈয়দ রেজাউল করিম}} * {{বাউ|সৈয়দ রেফাত আহমেদ}} * {{বাউ|সৈয়দ শাহ ইসরাইল}} * {{বাউ|সৈয়দ শাহনুর}} * {{বাউ|সৈয়দ শাহিদুর রহমান}} * {{বাউ|সৈয়দ সফিউল্লাহ}} * {{বাউ|সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন}} * {{বাউ|সৈয়দ সুলতান}} * {{বাউ|সৈয়দ হাবিবুল হক}} * {{বাউ|সৈয়দ হাসান আহমদ}} * {{বাউ|সৈয়দ হুমায়ুন আখতার}} * {{বাউ|সৈয়দ হেদায়েতউল্লাহ}} * {{বাউ|সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু}} * {{বাউ|সৈয়দা ইসাবেলা}} * {{বাউ|সৈয়দা মরিয়ম গুলশান হোসেন}} * {{বাউ|সৈয়দা মোতাহেরা বানু}} * {{বাউ|সৈয়দা রুবিনা আক্তার}} * {{বাউ|সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|সোনালী বসু}} * {{বাউ|সোনিয়া নিশাত আমিন}} * {{বাউ|সোমদত্তা সিনহা}} * {{বাউ|সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|সোমনাথ লাহিড়ী}} * {{বাউ|সোমলতা আচার্য্য চৌধুরী}} * {{বাউ|সোমশুক্লা}} * {{বাউ|সোমা চৌধুরী}} * {{বাউ|সোমেন চন্দ}} * {{বাউ|সোমেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|সোমেন্দ্রনাথ বসু}} * {{বাউ|সোমেশচন্দ্র বসু}} * {{বাউ|সোমেশ্বর অলি}} * {{বাউ|সোমেশ্বরপ্রসাদ চৌধুরী}} * {{বাউ|সোল্‌স}} * {{বাউ|সোহরাব আলী সানা}} * {{বাউ|সোহানুর রহমান সোহান}} * {{বাউ|সোহিনী আলম}} * {{বাউ|সোহিনী রায়}} * {{বাউ|সোহেল রানা (অভিনেতা)}} * {{বাউ|সৌগত রায়}} * {{বাউ|সৌদামিনী দেবী}} * {{বাউ|সৌমিত্র শেখর দে}} * {{বাউ|সৌমেন্দ্র সরকার}} * {{বাউ|সৌম্যদীপ মুর্শিদাবাদী}} * {{বাউ|সৌরভ পাল}} * {{বাউ|সৌরীন্দ্র মিত্র}} * {{বাউ|সৌরীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|স্টেলা ক্রামরিশ}} * {{বাউ|স্থবির দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|স্নেহময় দত্ত}} * {{বাউ|স্নেহাংশুকান্ত আচার্য}} * {{বাউ|স্নেহাসিক্তা স্বর্ণকার}} * {{বাউ|স্বদেশ রায়}} * {{বাউ|স্বপন কুমার পতি}} * {{বাউ|স্বপন গুপ্ত}} * {{বাউ|স্বপন দাশগুপ্ত}} * {{বাউ|স্বপনকুমার চক্রবর্তী}} * {{বাউ|স্বপ্নময় চক্রবর্তী}} * {{বাউ|স্বপ্নীল সজীব}} * {{বাউ|স্বরব্যাঞ্জো}} * {{বাউ|স্বরোচিষ সরকার}} * {{বাউ|স্বাধীন কুমার মন্ডল}} * {{বাউ|স্বামী অসক্তানন্দ}} * {{বাউ|স্বামী গম্ভীরানন্দ}} * {{বাউ|স্বামী নিগমানন্দ}} * {{বাউ|স্বামী নিরঞ্জনানন্দ}} * {{বাউ|স্বামী প্রণবানন্দ}} * {{বাউ|স্বামী প্রভবানন্দ}} * {{বাউ|স্বামী বিরজানন্দ}} * {{বাউ|স্বামী বোধানন্দ}} * {{বাউ|স্বামী মাধবানন্দ}} * {{বাউ|স্বামী লোকেশ্বরানন্দ}} * {{বাউ|স্বামী শিবানন্দ}} * {{বাউ|স্বামী সত্যানন্দ পুরী}} * {{বাউ|স্বামী সমর্পণানন্দ}} * {{বাউ|স্বামী সারদানন্দ}} * {{বাউ|স্বামী স্বরূপানন্দ}} * {{বাউ|স্মরণজিৎ চক্রবর্তী}} * {{বাউ|স্যাভি গুপ্ত}} * {{বাউ|স্যামসন এইচ চৌধুরী}} * {{বাউ|হংসনারায়ণ ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|হবিবুর রহমান}} * {{বাউ|হবীবুল্লাহ বাহার চৌধুরী}} * {{বাউ|হযরত আলী (কৃষিতত্ত্ববিদ)}} * {{বাউ|হরচন্দ্র ঘোষ (নাট্যকার)}} * {{বাউ|হরপ্রসাদ শাস্ত্রী}} * {{বাউ|হরলাল রায়}} * {{বাউ|হরি কেশব সেন}} * {{বাউ|হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|হরিদাস পাল}} * {{বাউ|হরিদাস ভট্টাচার্য}} * {{বাউ|হরিদাস সিদ্ধান্তবাগীশ}} * {{বাউ|হরিদেব}} * {{বাউ|হরিনাথ দে}} * {{বাউ|হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|হরিপদ কাপালী}} * {{বাউ|হরিপদ দত্ত}} * {{বাউ|হরিশ চন্দ্র মিত্র}} * {{বাউ|হরিশংকর জলদাস}} * {{বাউ|হরিশংকর দাশ‌}} * {{বাউ|হরিশঙ্কর বাসুদেবন}} * {{বাউ|হরিশ্চন্দ্র মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|হরিসাধন চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|হরিহর শেঠ}} * {{বাউ|হরীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|হরেকৃষ্ণ কোঙার}} * {{বাউ|হরেন ঘটক}} * {{বাউ|হরেন ঘোষ}} * {{বাউ|হরেন্দ্র কুমার মুখার্জি}} * {{বাউ|হরেন্দ্রনাথ মজুমদার}} * {{বাউ|হর্ষ দত্ত}} * {{বাউ|হর্ষবর্ধন-গোবর্ধন (চরিত্র)}} * {{বাউ|হলধর পটল}} * {{বাউ|হাকিম হাবিবুর রহমান}} * {{বাউ|হাছন রাজা (হাসন রাজা)}} * {{বাউ|হাজী মুহাম্মদ নছীম}} * {{বাউ|হাজেরা মাহতাব}} * {{বাউ|হাতেম আলী মিয়া}} * {{বাউ|হানিফ পাঠান}} * {{বাউ|হানিফউদ্দিন মিয়া}} * {{বাউ|হাফিজা খাতুন}} * {{বাউ|হাবিব ওয়াহিদ}} * {{বাউ|হাবিবুর রহমান (তোতা মিয়া)}} * {{বাউ|হাবিবুর রহমান আকন}} * {{বাউ|হাবিবুর রহমান খান}} * {{বাউ|হাবিবুর রহমান মিলন}} * {{বাউ|হাবিবুল ইসলাম ভূঁইয়া}} * {{বাউ|হাবীবুর রহমান (কবি)}} * {{বাউ|হাবীবুল্লাহ সিরাজী}} * {{বাউ|হামিদা বেগম}} * {{বাউ|হামিদা হোসেন}} * {{বাউ|হামিদুজ্জামান খান}} * {{বাউ|হামিদুজ্জামান সরকার}} * {{বাউ|হামিদুর রহমান (চিত্রশিল্পী)}} * {{বাউ|হামিদুল হক খন্দকার}} * {{বাউ|হামিদুল হক চৌধুরী}} * {{বাউ|হামিন আহমেদ}} * {{বাউ|হামিরুদ্দিন মিদ্যা}} * {{বাউ|হামুদুর রহমান}} * {{বাউ|হামেদুর রহমান}} * {{বাউ|হায়দার আকবর খান রনো}} * {{বাউ|হায়দার হোসেন}} * {{বাউ|হায়াৎ সাইফ}} * {{বাউ|হারুন আল রশিদ}} * {{বাউ|হারুন হাবীব}} * {{বাউ|হারুনর রশিদ}} * {{বাউ|হালিমা খাতুন}} * {{বাউ|হাশেম খান}} * {{বাউ|হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদ}} * {{বাউ|হাসনা বেগম}} * {{বাউ|হাসমত}} * {{বাউ|হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী}} * {{বাউ|হাসান মতিউর রহমান}} * {{বাউ|হাসান মশহুদ চৌধুরী}} * {{বাউ|হাসান মাসুদ}} * {{বাউ|হাসান মাহমুদ খন্দকার}} * {{বাউ|হাসান শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী}} * {{বাউ|হাসান সাইফুদ্দিন চন্দন}} * {{বাউ|হাসান সিরাজ সুজা}} * {{বাউ|হাসান সোহরাওয়ার্দী}} * {{বাউ|হাসান হাফিজ}} * {{বাউ|হাসানউজ্জামান খান}} * {{বাউ|হাসিনা খান}} * {{বাউ|হাসিনা মমতাজ (কণ্ঠশিল্পী)}} * {{বাউ|হাসিনা মুর্শেদ}} * {{বাউ|হাসিবুন নাহার}} * {{বাউ|হাসিবুর রেজা কল্লোল}} * {{বাউ|হাসিবুল ইসলাম মিজান}} * {{বাউ|হাসিরাশি দেবী}} * {{বাউ|হিতেশরঞ্জন সান্যাল}} * {{বাউ|হিমাংশু দত্ত}} * {{বাউ|হিমানি বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|হিমানীশ গোস্বামী}} * {{বাউ|হিমু আকরাম}} * {{বাউ|হিমেল আশরাফ}} * {{বাউ|হিরণ্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|হিরন্ময় সেন গুপ্ত}} * {{বাউ|হীরালাল চক্রবর্তী}} * {{বাউ|হীরালাল চৌধুরী}} * {{বাউ|হীরেন্দ্রনাথ দত্ত}} * {{বাউ|হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|হুকাকাশি}} * {{বাউ|হুমায়ুন কবির}} * {{বাউ|হুমায়ুন কবির (কবি)}} * {{বাউ|হুমায়ুন কবীর বালু}} * {{বাউ|হুমায়ূন কবীর ঢালী}} * {{বাউ|হুমায়ূন কবীর সাধু}} * {{বাউ|হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী}} * {{বাউ|হুসনা আহমেদ}} * {{বাউ|হুসনা বানু খানম}} * {{বাউ|হৃদয় খান}} * {{বাউ|হেনা দাস}} * {{বাউ|হেমচন্দ্র বসু}} * {{বাউ|হেমচন্দ্র বাগচী}} * {{বাউ|হেমচন্দ্র রায়চৌধুরী}} * {{বাউ|হেমন্ত মুখোপাধ্যায়}} * {{বাউ|হেমন্তকুমার চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|হেমন্তকুমার সরকার}} * {{বাউ|হেমাঙ্গ বিশ্বাস}} * {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়}} * {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ ঠাকুর}} * {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়}} * {{বাউ|হেমেন্দ্রনাথ মজুমদার}} * {{বাউ|হেরম্বচন্দ্র মৈত্র}} * {{বাউ|হেলেনা খান}} * {{বাউ|হৈমন্তী রক্ষিত}} * {{বাউ|হৈমন্তী শুক্লা}} * {{বাউ|হোসনে আরা (কবি)}} * {{বাউ|হোসনে আরা বেগম (সমাজকর্মী)}} * {{বাউ|হোসনে আরা শাহেদ}} * {{বাউ|হোসেন উদ্দিন শেখর}} * {{বাউ|হোসেন জিল্লুর রহমান}} * {{বাউ|হোসেনউদ্দীন হোসেন}} * {{বাউ|হ্যানা সেন}} {{Div col end}} == অনুবাদ == এটি একটি সহায়ক তালিকা মাত্র। ভূক্তি তৈরির জন্য [https://en.wikiquote.org ইংরেজি উইকিউক্তি] থেকে ন্যূনতম ৩টি ভুক্তি এবং ১৫০ শব্দ সংবলিত পাতা বাংলায় অনুবাদ করতে পারেন। === অবাঙালি ব্যক্তি === {{Div col|colwidth=20em|rules=yes}} * {{eq|A. C. Benson|এ. সি. বেনসন}} * {{eq|A. C. Bradley|এ. সি. ব্র্যাডলি}} * {{eq|A. J. P. Taylor|এ. জে. পি. টেলর}} * {{eq|Abdulrazak Gurnah|আবদুলরাজাক গুরনাহ}} * {{eq|Abdus Salam|আবদুস সালাম}} * {{eq|Abhijit Naskar|অভিজিৎ নস্কর}} * {{eq|Abiy Ahmed|আবি আহমেদ}} * {{eq|Abraham Pais|আব্রাহাম পাইস}} * {{eq|Adam Riess|অ্যাডাম রিস}} * {{eq|Ahmed Zewail|আহমেদ জেওয়াইল}} * {{eq|Al Gore|আল গোর}} * {{eq|Al-Biruni|আল-বিরুনি}} * {{eq|Al-Farabi|আল-ফারাবি}} * {{eq|Al-Jahiz|আল-জাহিয}} * {{eq|Alain Aspect|আলাঁ আস্পে}} * {{eq|Alain de Botton|আলাঁ দ্য বতোঁ}} * {{eq|Alan Guth|অ্যালান গুথ}} * {{eq|Alan Kay|অ্যালান কে}} * {{eq|Alan Perlis|অ্যালান পারলিস}} * {{eq|Albert Hofmann|আলবার্ট হফমান}} * {{eq|Albert I of Belgium|প্রথম আলবার্ট (বেলজিয়াম)}} * {{eq|Albert Schweitzer|আলবার্ট সোয়াইৎজার}} * {{eq|Albertus Magnus|আলবার্টাস ম্যাগনাস}} * {{eq|Aldo Leopold|অ্যাল্ডো লিওপোল্ড}} * {{eq|Aleksandr Solzhenitsyn|আলেকসান্দ্র্‌ সলজেনিৎসিন}} * {{eq|Alex Haley|অ্যালেক্স হেইলি}} * {{eq|Alexander Fleming|আলেকজান্ডার ফ্লেমিং}} * {{eq|Alexander Grothendieck|আলেকজান্ডার গ্রোথেনডিক}} * {{eq|Alexander von Humboldt|আলেকজান্ডার ফন হুমবোল্ট}} * {{eq|Alfred Aho|আলফ্রেড আহো}} * {{eq|Alfred Kinsey|আলফ্রেড কিনসে}} * {{eq|Alfred Marshall|আলফ্রেড মার্শাল}} * {{eq|Alfred Nobel|আলফ্রেড নোবেল}} * {{eq|Alfred North Whitehead|আলফ্রেড নর্থ হোয়াইটহেড}} * {{eq|Alfred Russel Wallace|আলফ্রেড রাসেল ওয়ালেস}} * {{eq|Alice Munro|অ্যালিস মানরো}} * {{eq|Amina J. Mohammed|আমিনা জে. মোহাম্মদ}} * {{eq|Amit Goswami|অমিত গোস্বামী}} * {{eq|Amos Tversky|আমোস তভারস্কি}} * {{eq|Anaxagoras|আনাক্সাগোরাস}} * {{eq|Anaximander|অ্যানাক্সিম্যান্ডার}} * {{eq|Andreas Vesalius|আন্দ্রিয়াস ভেসালিয়াস}} * {{eq|Andrei Sakharov|আন্দ্রেই সাখারভ}} * {{eq|Andrew Wiles|অ্যান্ড্রু ওয়াইলস}} * {{eq|André Gide|অঁদ্রে জিদ}} * {{eq|André-Marie Ampère|অঁদ্রে-মারি অম্পেয়্যার}} * {{eq|Angela Merkel|আঙ্গেলা ম্যার্কেল}} * {{eq|Anita Brookner|অনিতা ব্রুকনার}} * {{eq|Anita Desai|অনিতা দেসাই}} * {{eq|Anne Applebaum|অ্যান অ্যাপলবাউম}} * {{eq|Annie Ernaux|আনি এরনো}} * {{eq|Antoine Lavoisier|অঁতোয়ান লাভোয়াজিয়ে}} * {{eq|Aravind Adiga|অরবিন্দ আদিগা}} * {{eq|Arthur Balfour|আর্থার বেলফোর}} * {{eq|Arthur Eddington|আর্থার এডিংটন}} * {{eq|Arthur Kornberg|আর্থার কর্নবার্গ}} * {{eq|Arthur Leonard Schawlow|আর্থার লিওনার্ড শলো}} * {{eq|Ash Carter|অ্যাশ কার্টার}} * {{eq|Atle Selberg|আটলে সেলবার্গ}} * {{eq|Audrey Hepburn|অড্রে হেপবার্ন}} * {{eq|August Kekulé|ফ্রিডরিখ আউগুস্ট কেকুলে}} * {{eq|Augustin Louis Cauchy|ওগ্যুস্তাঁ লুই কোশি}} * {{eq|Augustin-Jean Fresnel|ওগ্যুস্তাঁ-জঁ ফ্রেনেল}} * {{eq|Aurel Stein|অরেল স্টেইন}} * {{eq|Ban Ki-moon|বান কি-মুন}} * {{eq|Baruch Samuel Blumberg|বারুক স্যামুয়েল ব্লুমবার্গ}} * {{eq|Beatrix Potter|বিয়াট্রিক্স পটার}} * {{eq|Ben Okri|বেন ওক্রি}} * {{eq|Bernardine Evaristo|বার্নার্ডিন এভারিস্তো}} * {{eq|Blaise Pascal|ব্লেজ পাসকাল}} * {{eq|Bob Dylan|বব ডিলান}} * {{eq|Boris Pasternak|বরিস পাস্তেরনাক}} * {{eq|Boutros Boutros-Ghali|বুত্রোস বুত্রোস-ঘালি}} * {{eq|Brian Cox (physicist)|ব্রায়ান কক্স (পদার্থবিজ্ঞানী)}} * {{eq|Brian Greene|ব্রায়ান গ্রিন}} * {{eq|Brian Schmidt|ব্রায়ান পি. শ্মিট}} * {{eq|Brook Taylor|ব্রুক টেলর}} * {{eq|Brussels|ব্রাসেলস}} * {{eq|C. A. R. Hoare|সি. এ. আর. হোর}} * {{eq|C. N. Ramachandra Rao|সি. এন. রামচন্দ্র রাও}} * {{eq|C. V. Raman|চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন}} * {{eq|Carl Bernstein|কার্ল বার্নস্টিন}} * {{eq|Carl Linnaeus|কার্ল লিনিয়াস}} * {{eq|Carlo Rubbia|কার্লো রুবিয়া}} * {{eq|Carolyn Bertozzi|ক্যারোলিন বার্তোজি}} * {{eq|Caryl Phillips|ক্যারিল ফিলিপস}} * {{eq|Chaim Weizmann|হাইম ভাইৎসমান}} * {{eq|Charles Fefferman|চার্লস ফেফারম্যান}} * {{eq|Charles Hard Townes|চার্লস হার্ড টাউনস}} * {{eq|Charles Lyell|চার্লস লিয়েল}} * {{eq|Charles Sanders Peirce|চার্লস স্যান্ডার্স পার্স}} * {{eq|Charles Scott Sherrington|চার্লস স্কট শেরিংটন}} * {{eq|Cheikh Anta Diop|শেখ আন্তা দিওপ}} * {{eq|Chinua Achebe|চিনুয়া আচেবে}} * {{eq|Christiaan Barnard|ক্রিস্টিয়ান বার্নার্ড}} * {{eq|Christiaan Huygens|ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস}} * {{eq|Christopher Wren|ক্রিস্টোফার রেন}} * {{eq|Claude Lévi-Strauss|ক্লোদ লেভি-স্ত্রোস}} * {{eq|Claudia Sheinbaum|ক্লাউদিয়া শেইনবাউম}} * {{eq|Colson Whitehead|কলসন হোয়াইটহেড}} * {{eq|Craig Venter|ক্রেইগ ভেন্টর}} * {{eq|Czesław Miłosz|চেসোয়াফ মিওশ}} * {{eq|Cédric Villani|সেড্রিক ভিলানি}} * {{eq|Dag Hammarskjöld|দ্যাগ হ্যামারশোল্ড}} * {{eq|Damon Galgut|ড্যামন গ্যালগুট}} * {{eq|Daniel Kahneman|ড্যানিয়েল কানেমান}} * {{eq|Dave Barry|ডেভ ব্যারি}} * {{eq|David Bohm|ডেভিড বম}} * {{eq|David Brewster|ডেভিড ব্রুস্টার}} * {{eq|David Chalmers|ডেভিড চালমারস}} * {{eq|David Gross|ডেভিড জোনাথন গ্রোস}} * {{eq|David Grossman|ডেভিড গ্রসম্যান}} * {{eq|David Hilbert|ডাভিড হিলবের্ট}} * {{eq|David Mamet|ডেভিড ম্যামেট}} * {{eq|David McCullough|ডেভিড ম্যাককালাফ}} * {{eq|David Suzuki|ডেভিড সুজুকি}} * {{eq|Dennis Ritchie|ডেনিস রিচি}} * {{eq|Desmond Morris|ডেসমন্ড মরিস}} * {{eq|Desmond Tutu|ডেসমন্ড টুটু}} * {{eq|Dian Fossey|ডায়ান ফসি}} * {{eq|Dmitri Mendeleev|দিমিত্রি মেন্ডেলিভ}} * {{eq|Dmitry Muratov|দিমিত্রি মুরাতভ}} * {{eq|Donald Knuth|ডোনাল্ড কানুথ}} * {{eq|Donald Tusk|ডোনাল্ড টাস্ক}} * {{eq|Donna Strickland|ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড}} * {{eq|Doris Lessing|ডরিস লেসিং}} * {{eq|Dorothy Hodgkin|ডরোথি হজকিন}} * {{eq|Douglas Engelbart|ডগলাস এঙ্গেলবার্ট}} * {{eq|E. O. Wilson|ই. ও. উইলসন}} * {{eq|Edith Wharton|ইডিথ হোয়ার্টন}} * {{eq|Edmond Halley|এডমন্ড হ্যালি}} * {{eq|Edsger W. Dijkstra|এডসগার ডাইকস্ট্রা}} * {{eq|Edward Teller|এডওয়ার্ড টেলার}} * {{eq|Edward Witten|এডওয়ার্ড উইটেন}} * {{eq|Elias James Corey|ইলিয়াস জেমস কোরি}} * {{eq|Elie Wiesel|এলি উইজেল}} * {{eq|Elinor Ostrom|এলিনর অস্ট্রম}} * {{eq|Elizabeth Bishop|এলিজাবেথ বিশপ}} * {{eq|Ellen Johnson Sirleaf|এলেন জনসন সারলিফ}} * {{eq|Emanuel Swedenborg|এমানুয়েল সোয়েডেনবার্গ}} * {{eq|Emmy Noether|এমি নোয়েদার}} * {{eq|Empedocles|এম্পেদোক্লেস}} * {{eq|Enrico Fermi|এনরিকো ফের্মি}} * {{eq|Epicurus|এপিকুরোস}} * {{eq|Eric Hobsbawm|এরিক হবসবাউম}} * {{eq|Eric Kandel|এরিক ক্যান্ডেল}} * {{eq|Ernest Hemingway|আর্নেস্ট হেমিংওয়ে}} * {{eq|Ernest Rutherford|আর্নেস্ট রাদারফোর্ড}} * {{eq|Ernst Haeckel|এর্নস্ট হেকেল}} * {{eq|Ernst Mach|এর্নস্ট মাখ}} * {{eq|Ernst Mayr|এর্নস্ট মায়ার}} * {{eq|Eugene O'Neill|ইউজিন ও'নিল}} * {{eq|Eugene Wigner|ইউজিন পল উইগনার}} * {{eq|European Parliament|ইউরোপীয় পার্লামেন্ট}} * {{eq|European Union|ইউরোপীয় ইউনিয়ন}} * {{eq|Evangelista Torricelli|ইভাঞ্জেলিস্টা টরিসেলি}} * {{eq|F. W. de Klerk|এফ. ডব্লিউ. ডি ক্লার্ক}} * {{eq|Fabiola Gianotti|ফাবিওলা জানোত্তি}} * {{eq|Fakhr al-Din al-Razi|ফখরুদ্দীন আল-রাযী}} * {{eq|Federico Faggin|ফেদেরিকো ফাগিন}} * {{eq|Felix Bloch|ফেলিক্স ব্লখ}} * {{eq|Flinders Petrie|ফ্লিন্ডার্স পেট্রি}} * {{eq|Francis Collins|ফ্রান্সিস কলিন্স}} * {{eq|Francis Crick|ফ্রান্সিস ক্রিক}} * {{eq|Francis Galton|ফ্রান্সিস গ্যাল্টন}} * {{eq|Francisco Varela|ফ্রান্সিস্কো ভারেলা}} * {{eq|Frank Macfarlane Burnet|ফ্র্যাঙ্ক ম্যাকফারলেন বার্নেট}} * {{eq|Frank Wilczek|ফ্র্যাঙ্ক উইলচেক}} * {{eq|François Arago|ফ্রঁসোয়া আরাগন}} * {{eq|François Englert|ফ্রঁসোয়া অংল্যার}} * {{eq|François Mauriac|ফ্রঁসোয়া মরিয়াক}} * {{eq|François Mitterrand|ফ্রঁসোয়া মিতেরঁ}} * {{eq|Fred Brooks|ফ্রেড ব্রুকস}} * {{eq|Frederick Jackson Turner|ফ্রেডরিক জ্যাকসন টার্নার}} * {{eq|Frederick Soddy|ফ্রেডরিক সডি}} * {{eq|Fridtjof Nansen|ফ্রিডতিয়ফ নানসেন}} * {{eq|Friedrich Hayek|ফ্রিডরিখ ফন হায়েক}} * {{eq|Fritjof Capra|ফ্রিটজফ কাপরা}} * {{eq|G. H. Hardy|জি. এইচ. হার্ডি}} * {{eq|Gabriela Mistral|গাব্রিয়েলা মিস্ত্রাল}} * {{eq|Gao Xingjian|কাও শিংচিয়েন}} * {{eq|Gary Becker|গ্যারি বেকার}} * {{eq|Geert Wilders|খের্ট ভিল্ডার্স}} * {{eq|Geoffrey Hinton|জিওফ্রে হিন্টন}} * {{eq|George Boole|জর্জ বুল}} * {{eq|George Curzon, 1st Marquess Curzon of Kedleston|জর্জ ন্যাথানিয়েল কার্জন}} * {{eq|George Gamow|জর্জ গ্যামো}} * {{eq|George Smoot|জর্জ স্মুট}} * {{eq|George Steiner|জর্জ স্টাইনার}} * {{eq|George Stigler|জর্জ স্টিগলার}} * {{eq|George Washington Carver|জর্জ ওয়াশিংটন কার্ভার}} * {{eq|Georges Cuvier|জর্জ ক্যুভিয়ে}} * {{eq|Georges-Louis Leclerc, Comte de Buffon|জর্জ-লুই ল্যক্লের, কোঁত দ্য বুফোঁ}} * {{eq|Gerald Durrell|জেরাল্ড ডারেল}} * {{eq|Gerhard Schröder|গেরহার্ড শ্রোডার}} * {{eq|Gertrude B. Elion|গারট্রুড বি. এলিয়ন}} * {{eq|Giorgio Parisi|জর্জিও পারিসি}} * {{eq|Giorgos Seferis|ইয়োর্গোস সেফেরিস}} * {{eq|Giosuè Carducci|জোযুয়ে কার্দুচ্চি}} * {{eq|Glenn T. Seaborg|গ্লেন থিওডোর সিবর্গ}} * {{eq|Goodluck Jonathan|গুডলাক জোনাথন}} * {{eq|Gordon Moore|গর্ডন মুর}} * {{eq|Gottfried Leibniz|গটফ্রিড ভিলহেল্ম লাইবনিৎস}} * {{eq|Gregor Mendel|গ্রেগর মেন্ডেল}} * {{eq|Grigori Perelman|গ্রিগরি পেরেলমান}} * {{eq|Gro Harlem Brundtland|গ্রো হারলেম ব্রুন্ডটল্যান্ড}} * {{eq|Gustav Kirchhoff|গুস্টাফ কির্খফ}} * {{eq|Gustav Stresemann|গুস্টাভ ষ্ট্রেজেমান}} * {{eq|Gérard Debreu|জেরার দ্যব্রু}} * {{eq|Göran Persson|গোরান পারসন}} * {{eq|H. H. Asquith|এইচ. এইচ. অ্যাসকুইথ}} * {{eq|Halldór Laxness|হালডোর ল্যাক্সনেস}} * {{eq|Han Kang|হান কাং}} * {{eq|Hans Bethe|হ্যান্স বেটে}} * {{eq|Hans Blix|হ্যান্স ব্লিক্স}} * {{eq|Harish-Chandra|হরিশ-চন্দ্র}} * {{eq|Harold Macmillan|হ্যারল্ড ম্যাকমিলান}} * {{eq|Harold Pinter|হ্যারল্ড পিন্টার}} * {{eq|Harper Lee|হার্পার লি}} * {{eq|Harry Markowitz|হ্যারি মার্কোউইটজ}} * {{eq|Heinrich Böll|হাইনরিখ বোল}} * {{eq|Heinrich Hertz|হাইনরিখ হের্ত্‌স}} * {{eq|Heinrich Rohrer|হাইনরিখ রোরার}} * {{eq|Helen Clark|হেলেন ক্লার্ক}} * {{eq|Helmut Kohl|হেলমুট কোল}} * {{eq|Hendrik Lorentz|হেন্ড্রিক আন্টোন লোরেন্‌ৎস}} * {{eq|Henri Bergson|অঁরি বের্গসন}} * {{eq|Henri Poincaré|অঁরি পোয়াঁকারে}} * {{eq|Henry Cavendish|হেনরি ক্যাভেন্ডিশ}} * {{eq|Henry Dunant|অঁরি দ্যুনঁ}} * {{eq|Henryk Sienkiewicz|হেনরিক শিয়েনকিয়েভিচ}} * {{eq|Heraclitus|হেরাক্লিটাস}} * {{eq|Herbert A. Simon|হার্বার্ট এ. সাইমন}} * {{eq|Herbert Kroemer|হার্বার্ট ক্রোয়েমার}} * {{eq|Herbert Spencer|হার্বার্ট স্পেন্সার}} * {{eq|Hermann Hesse|হেরমান হেস}} * {{eq|Hermann Weyl|হেরমান ভাইল}} * {{eq|Hermann von Helmholtz|হারমান ফন হেল্মহোল্‌ৎস}} * {{eq|Herta Müller|হের্টা ম্যুলার}} * {{eq|Hideki Yukawa|হিদেকি ইউকাওয়া}} * {{eq|Hirohito|হিরোহিতো}} * {{eq|Howard H. Aiken|হাওয়ার্ড আইকেন}} * {{eq|Hugh Everett|হিউ এভারেট}} * {{eq|Hugo De Vries|হুগো দ্য ভ্রিস}} * {{eq|Humphry Davy|হামফ্রি ডেভি}} * {{eq|Ian Kershaw|ইয়ান কার্শ}} * {{eq|Ian McEwan|ইয়ান ম্যাকইউয়ান}} * {{eq|Ian Wilmut|ইয়ান উইলমুট}} * {{eq|Igor Kurchatov|ইগর কুরচাতভ}} * {{eq|Imre Kertész|ইমরে কার্তেজ}} * {{eq|Ingrid Daubechies|ইনগ্রিড ডোবিচি}} * {{eq|Irina Bokova|ইরিনা বোকোভা}} * {{eq|Iris Murdoch|আইরিস মারডক}} * {{eq|Irving Langmuir|আরভিং ল্যাংমুয়ির}} * {{eq|Isaac Bashevis Singer|আইজ্যাক বাশেভিস সিঙ্গার}} * {{eq|Isidor Isaac Rabi|ইসিদোর আইজ্যাক রাবি}} * {{eq|Ivan Pavlov|ইভান পাভলভ}} * {{eq|Ivo Andrić|ইভো আন্দ্রিক}} * {{eq|J. B. S. Haldane|জে. বি. এস. হ্যালডেন}} * {{eq|J. J. Thomson|জে. জে. থমসন}} * {{eq|J. M. Coetzee|জে. এম. কোয়েটজি}} * {{eq|Jack Steinberger|জ্যাক স্টেইনবার্গার}} * {{eq|Jacobus Henricus van 't Hoff|ইয়াকোবুস হেনরিকুস ফান্ট হফ}} * {{eq|Jacques Chirac|জাক শিরাক}} * {{eq|Jacques-Yves Cousteau|জাক-ইভ কুস্তো}} * {{eq|James Callaghan|জেমস ক্যালাহান}} * {{eq|James Chadwick|জেমস চ্যাডউইক}} * {{eq|James Cook|জেমস কুক}} * {{eq|James Mirrlees|জেমস মিরলিস}} * {{eq|James Prescott Joule|জেমস প্রেসকট জুল}} * {{eq|James Prinsep|জেমস প্রিন্সেপ}} * {{eq|James Tobin|জেমস টোবিন}} * {{eq|James Van Allen|জেমস ভ্যান অ্যালেন}} * {{eq|James Watt|জেমস ওয়াট}} * {{eq|Jane Addams|জেন অ্যাডামস}} * {{eq|Jane Goodall|জেন গুডাল}} * {{eq|Jared Diamond|জ্যারেড ডায়মন্ড}} * {{eq|Jayant Narlikar|জয়ন্ত বিষ্ণু নারলিকর}} * {{eq|Jean le Rond d'Alembert|জঁ ল্য রোঁ দালঁবের}} * {{eq|Jean-Baptiste Lamarck|জঁ-বাতিস্ত লামার্ক}} * {{eq|Jean-Marie Le Pen|জঁ-মারি ল্য পেন}} * {{eq|Jean-Pierre Serre|জঁ-পিয়ের সের}} * {{eq|Jerome Isaac Friedman|জেরোম আইজ্যাক ফ্রিডম্যান}} * {{eq|Jhumpa Lahiri|ঝুম্পা লাহিড়ী}} * {{eq|Jocelyn Bell Burnell|জসিলিন বেল বার্নেল}} * {{eq|John Archibald Wheeler|জন আর্চিবল্ড হুইলার}} * {{eq|John Backus|জন ব্যাকাস}} * {{eq|John Banville|জন ব্যানভিল}} * {{eq|John Bardeen|জন বারডিন}} * {{eq|John C. Mather|জন সি. মাদার}} * {{eq|John Desmond Bernal|জে. ডি. বার্নাল}} * {{eq|John Forbes Nash, Jr.|জন ফোর্বস ন্যাশ}} * {{eq|John Galsworthy|জন গলসওয়ার্দি}} * {{eq|John Gurdon|জন গার্ডন}} * {{eq|John Hicks|জন হিক্স}} * {{eq|John Hopfield|জন হোপফিল্ড}} * {{eq|John James Audubon|জন জেমস অডুবন}} * {{eq|John Major|জন মেজর}} * {{eq|John Maynard Keynes|জন মেইনার্ড কেইনস}} * {{eq|John Maynard Smith|জন মেইনার্ড স্মিথ}} * {{eq|John McCarthy (computer scientist)|জন ম্যাককার্থি (কম্পিউটার বিজ্ঞানী)}} * {{eq|John Muir|জন মুয়ির}} * {{eq|John Napier|জন নেপিয়ার}} * {{eq|John Polanyi|জন চার্লস পোলানি}} * {{eq|John Ray|জন রে}} * {{eq|John Stewart Bell|জন স্টুয়ার্ট বেল}} * {{eq|John Tyndall|জন টিন্ডাল}} * {{eq|John von Neumann|জন ফন নিউম্যান}} * {{eq|Jon Fosse|ইয়োন ফসে}} * {{eq|Jonas Salk|জোনাস সল্ক}} * {{eq|Josef Mengele|ইয়োসেফ মেংগেলে}} * {{eq|Joseph Fourier|জোসেফ ফুরিয়ে}} * {{eq|Joseph Priestley|জোসেফ প্রিস্টলি}} * {{eq|Joseph Stiglitz|জোসেফ স্টিগলিটজ}} * {{eq|Joseph von Fraunhofer|ইয়োসেফ ফন ফ্রাউনহোফার}} * {{eq|Joshua Lederberg|জশুয়া লেডারবার্গ}} * {{eq|Josiah Willard Gibbs|জোসিয়াহ উইলার্ড গিবস}} * {{eq|José María Aznar|হোসে মারিয়া আজনার}} * {{eq|José Saramago|হোসে সারামাগো}} * {{eq|Juan Maldacena|হুয়ান মালদাসেনা}} * {{eq|Juan Ramón Jiménez|হুয়ান রামোন হিমেনেজ}} * {{eq|Judea Pearl|জুডেয়া পার্ল}} * {{eq|Julian Schwinger|জুলিয়ান শুইঙার}} * {{eq|Julio Cortázar|হুলিও কোর্তাজার}} * {{eq|Julius Robert von Mayer|জুলিয়াস রবার্ট ফন মেয়ার}} * {{eq|Junot Díaz|জুনো দিয়াজ}} * {{eq|Justus von Liebig|ইয়োস্টুস ফন লিবিগ}} * {{eq|Jöns Jacob Berzelius|ইয়োন্স ইয়াকব বের্সেলিয়ুস}} * {{eq|Kaja Kallas|কায়া কাল্লাস}} * {{eq|Kamila Shamsie|কামিলা শামসি}} * {{eq|Karen Uhlenbeck|কারেন উলেনবেক}} * {{eq|Karl Barry Sharpless|কার্ল ব্যারি শার্পলেস}} * {{eq|Kary Mullis|ক্যারি মুলিস}} * {{eq|Katalin Karikó|কাতালিন কারিকো}} * {{eq|Kazuo Ishiguro|কাজুও ইশিগুরো}} * {{eq|Kaṇāda|কণাদ্}} * {{eq|Ken Thompson|কেন টম্পসন}} * {{eq|Kendrick Lamar|কেন্ড্রিক লামার}} * {{eq|Kenneth Arrow|কেনেথ অ্যারো}} * {{eq|Kenzaburō Ōe|কেন্‌জাবুরো ওহয়ে}} * {{eq|Kiran Desai|কিরণ দেশাই}} * {{eq|Kiran Mazumdar-Shaw|কিরণ মজুমদার-শ}} * {{eq|Knut Hamsun|ক্যনুট হামসুন}} * {{eq|Koichi Tanaka|কোইচি তানাকা}} * {{eq|Korean War|কোরীয় যুদ্ধ}} * {{eq|Lars Peter Hansen|লারস পিটার হ্যান্সেন}} * {{eq|Laurent Schwartz|লোরঁ শোয়ার্তজ}} * {{eq|Leon Cooper|লিয়ন কুপার}} * {{eq|Leon M. Lederman|লিয়ন ম্যাক্স লেডারম্যান}} * {{eq|Leonard Susskind|লিওনার্ড সাসকিন্ড}} * {{eq|Leonhard Euler|লিওনার্ড ইউলার}} * {{eq|Leonid Kantorovich|লিওনিদ ক্যান্টোরোভিচ}} * {{eq|Leopold II of Belgium|দ্বিতীয় লেওপোল্ড (বেলজিয়াম)}} * {{eq|Leopold III of Belgium|তৃতীয় লেওপোল্ড (বেলজিয়াম)}} * {{eq|Leslie Lamport|লেসলি ল্যামপোর্ট}} * {{eq|Lev Landau|ল্যেভ লান্দাউ}} * {{eq|Leymah Gbowee|লেমাহ গবোউই}} * {{eq|Leó Szilárd|লিও জিলার্দ}} * {{eq|Linus Pauling|লিনাস পাউলিং}} * {{eq|Lionel Robbins|লিওনেল রবিন্স}} * {{eq|Lisa Randall|লিসা রান্ডাল}} * {{eq|Louis Agassiz|লুই আগাসিজ}} * {{eq|Louis de Broglie|লুই দ্য ব্রোয়ি}} * {{eq|Louise Glück|লুইজ গ্লিক}} * {{eq|Ludwig Boltzmann|লুডভিগ বোলৎসমান}} * {{eq|Ludwik Fleck|লুডউইক ফ্লেক}} * {{eq|Luigi Pirandello|লুইজি পিরানদেল্লো}} * {{eq|Lynn Margulis|লিন মার্গুলিস}} * {{eq|Léon Foucault|লেয়োঁ ফুকো}} * {{eq|M. S. Swaminathan|এম. এস. স্বামীনাথন}} * {{eq|Malala Yousafzai|মালালা ইউসুফজাই}} * {{eq|Margaret Atwood|মার্গারেট অ্যাটউড}} * {{eq|Margaret Chan|মার্গারেট চ্যান}} * {{eq|Marguerite Yourcenar|মার্গ্যুরিত ইয়ুর্সনার}} * {{eq|Marie Stopes|মেরি স্টোপস}} * {{eq|Marine Le Pen|মারিন ল্য পেন}} * {{eq|Mario Vargas Llosa|মারিও বার্গাস ইয়োসা}} * {{eq|Mark Oliphant|মার্ক ওলিফ্যান্ট}} * {{eq|Martin Amis|মার্টিন এমিস}} * {{eq|Martin Lewis Perl|মার্টিন লুইস পার্ল}} * {{eq|Martin Rees|মার্টিন রিস}} * {{eq|Martin Ryle|মার্টিন রাইল}} * {{eq|Martinus J. G. Veltman|মার্টিনুস ভেল্টম্যান}} ~ [[ব্যবহারকারী:Md. Muqtadir Fuad|Md. Muqtadir Fuad]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Md. Muqtadir Fuad|আলাপ]]) ২২:৪১, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) * {{eq|Martti Ahtisaari|মার্টি আহতিসারি}} * {{eq|Marvin Minsky|মার্ভিন মিনস্কি}} * {{eq|Mary Beard (classicist)|মেরি বিয়ার্ড (ক্ল্যাসিসিস্ট)}} * {{eq|Mary Robinson|মেরি রবিনসন}} * {{eq|Max Born|মাক্স বর্ন}} * {{eq|Max Delbrück|মাক্স ডেলব্রুক}} * {{eq|Max Perutz|ম্যাক্স ফার্দিনান্দ পেরুতজ}} * {{eq|Max von Laue|মাক্স ফন লাউয়ে}} * {{eq|Menachem Begin|মেনাখেম বেগিন}} * {{eq|Merton Miller|মার্টন মিলার}} * {{eq|Michael Atiyah|মাইকেল আতিয়াহ}} * {{eq|Michael Faraday|মাইকেল ফ্যারাডে}} * {{eq|Michael Gove|মাইকেল গোভ}} * {{eq|Michio Kaku|মিচিও কাকু}} * {{eq|Mikhail Sholokhov|মিখাইল শলোখভ}} * {{eq|Mo Yan|মো ইয়ান}} * {{eq|Mohammad Javad Zarif|মোহাম্মদ জাওয়াদ জারিফ}} * {{eq|Murray Gell-Mann|মারে গেল-মান}} * {{eq|Nadine Gordimer|নাডিন গর্ডিমার}} * {{eq|Naguib Mahfouz|নাগিব মাহফুজ}} * {{eq|Narges Mohammadi|নার্গেস মোহাম্মদী}} * {{eq|Nevill Francis Mott|নেভিল ফ্রান্সিস মট}} * {{eq|Nicolas Léonard Sadi Carnot|সাদি কার্নো}} * {{eq|Nicolas Steno|নিকোলাস স্টেনো}} * {{eq|Nigel Farage|নাইজেল ফারাজ}} * {{eq|Niklaus Wirth|নিকলাউস ভির্ট}} * {{eq|Norman Borlaug|নরম্যান বোরল্যাগ}} * {{eq|Norman Mailer|নরম্যান মেইলার}} * {{eq|Octavio Paz|অক্তাবিও পাজ}} * {{eq|Olga Tokarczuk|ওলগা তোকারচুক}} * {{eq|Oliver Heaviside|অলিভার হেভিসাইড}} * {{eq|Oliver Sacks|অলিভার স্যাক্স}} * {{eq|Orhan Pamuk|ওরহান পামুক}} * {{eq|Oswald Avery|অসওয়াল্ড এভারি}} * {{eq|Otto Stern|অটো ষ্টের্ন}} * {{eq|Paris Agreement|প্যারিস চুক্তি}} * {{eq|Patrick White|প্যাট্রিক হোয়াইট}} * {{eq|Paul Dirac|পল ডিরাক}} * {{eq|Paul Ehrenfest|পাউল এরেনফেস্ট}} * {{eq|Paul R. Ehrlich|পল আর. এহর্লিচ}} * {{eq|Paul Samuelson|পল স্যামুয়েলসন}} * {{eq|Pearl S. Buck|পার্ল এস. বাক}} * {{eq|Peter Agre|পিটার আগ্রি}} * {{eq|Peter Higgs|পিটার হিগস}} * {{eq|Peter Kropotkin|পেত্র ক্রাপোতকিন}} * {{eq|Peter Medawar|পিটার মিডাওয়ার}} * {{eq|Philip Roth|ফিলিপ রথ}} * {{eq|Philip Warren Anderson|ফিলিপ ওয়ারেন অ্যান্ডারসন}} * {{eq|Philippe of Belgium|ফিলিপ (বেলজিয়াম)}} * {{eq|Pierre Curie|পিয়ের ক্যুরি}} * {{eq|Pierre Deligne|পিয়ের দ্যলিইন}} * {{eq|Pierre-Gilles de Gennes|পিয়ের-জিল দ্য জেন}} * {{eq|Pierre-Simon Laplace|পিয়ের সিমোঁ লাপ্লাস}} * {{eq|Pliny the Elder|প্লিনি দ্য এল্ডার}} * {{eq|Prasanta Chandra Mahalanobis|প্রশান্ত চন্দ্র মহলানবিশ}} * {{eq|Primo Levi|প্রিমো লেভি}} * {{eq|Qian Xuesen|ছিয়েন শ্যুয়েসন}} * {{eq|Quakers|কোয়েকার}} * {{eq|Rachel Carson|র‍্যাচেল কারসন}} * {{eq|Ragnar Frisch|রাগ্নার ফ্রিশ}} * {{eq|Rajendra K. Pachauri|রাজেন্দ্র কুমার পাচৌরী}} * {{eq|Ralph Bunche|রালফ বান্‌চ}} * {{eq|Ramsay MacDonald|রামসে ম্যাকডোনাল্ড}} * {{eq|Reinhard Selten|রেইনহার্ড সেল্টেন}} * {{eq|Richard Hamming|রিচার্ড হ্যামিং}} * {{eq|Richard Leakey|রিচার্ড লিকি}} * {{eq|Richard Smalley|রিচার্ড স্মলি}} * {{eq|Rigoberta Menchú|রিগোবার্তা মেঞ্চু}} * {{eq|Ringo Starr|রিঙ্গো স্টার}} * {{eq|Robert Andrews Millikan|রবার্ট অ্যান্ড্রুজ মিলিকান}} * {{eq|Robert Boyle|রবার্ট বয়েল}} * {{eq|Robert Clive|রবার্ট ক্লাইভ}} * {{eq|Robert Fogel|রবার্ট ফোগেল}} * {{eq|Robert Hooke|রবার্ট হুক}} * {{eq|Robert J. Shiller|রবার্ট জে. শিলার}} * {{eq|Robert Lucas Jr.|রবার্ট লুকাস, জুনিয়র}} * {{eq|Robert Mundell|রবার্ট মান্ডেল}} * {{eq|Robert Penn Warren|রবার্ট পেন ওয়ারেন}} * {{eq|Roger Ebert|রজার ইবার্ট}} * {{eq|Roger Wolcott Sperry|রজার স্পেরি}} * {{eq|Romain Rolland|রোম্যাঁ রোলাঁ}} * {{eq|Ronald Fisher|রোনাল্ড ফিশার}} * {{eq|Rosalyn Sussman Yalow|রোজালিন সাসম্যান ইয়ালো}} * {{eq|Rudolf Clausius|রুডলফ ক্লাউজিউস}} * {{eq|Rudolf Virchow|রুডলফ ফিরখো}} * {{eq|Sally Ride|স্যালি রাইড}} * {{eq|Sam Harris|স্যাম হ্যারিস}} * {{eq|Samuel Beckett|স্যামুয়েল বেকেট}} * {{eq|Samuel Pepys|স্যামুয়েল পেপিস}} * {{eq|Santiago Ramón y Cajal|সান্তিয়াগো রামোন ই কাহাল}} * {{eq|Saul Bellow|সল বেলো}} * {{eq|Saul Perlmutter|সল পার্লমাটার}} * {{eq|Selman Waksman|সেলম্যান ওয়াক্সম্যান}} * {{eq|Sergei Korolev|সের্গেই কোরোলিয়ভ}} * {{eq|Seymour Hersh|সেমুর হার্শ}} * {{eq|Shashi Tharoor|শশী থারুর}} * {{eq|Sheldon Lee Glashow|শেলডন লি গ্ল্যাশো}} * {{eq|Shiing-Shen Chern|শিং-শেন চের্ন}} * {{eq|Shirin Ebadi|শিরিন এবাদি}} * {{eq|Shmuel Yosef Agnon|শ্মুয়েল ইউসেফ অ্যাগনন}} * {{eq|Simon Kuznets|সাইমন কুজ্‌নেত্‌স}} * {{eq|Simon Stevin|সিমন স্টেভিন}} * {{eq|Siméon Denis Poisson|সিমেওঁ দ্যনি পোয়াসোঁ}} * {{eq|Sinclair Lewis|সিনক্লেয়ার লুইস}} * {{eq|Stafford Cripps|স্টাফোর্ড ক্রিপস}} * {{eq|Stamford Raffles|স্ট্যামফোর্ড র‍্যাফেল্‌স}} * {{eq|Stanislaw Ulam|স্তানিসলফ উলাম}} * {{eq|Stanley Baldwin|স্ট্যানলি বল্ডউইন}} * {{eq|Stephen Jay Gould|স্টিভেন জে গুল্ড}} * {{eq|Stephen Wolfram|স্টিফেন ওলফ্রাম}} * {{eq|Steve Irwin|স্টিভ আরউইন}} * {{eq|Steven Chu|স্টিভেন চু}} * {{eq|Steven Weinberg|স্টিভেন ওয়াইনবার্গ}} * {{eq|Subrahmanyan Chandrasekhar|সুব্রহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর}} * {{eq|Susan Faludi|সুসান ফালুদি}} * {{eq|Svetlana Alexievich|সভেতলানা আলেক্সিয়েভিচ}} * {{eq|Tawakkol Karman|তাওয়াক্কোল কারমান}} * {{eq|Tedros Adhanom|তেদ্রোস আধানম}} * {{eq|Temple Grandin|টেম্পল গ্র্যান্ডিন}} * {{eq|Tennessee Williams|টেনেসি উইলিয়ামস}} * {{eq|Tenzin Gyatso, 14th Dalai Lama|চতুর্দশ দালাই লামা}} * {{eq|Terence Tao|টেরেন্স টাও}} * {{eq|Theodore Roethke|থিওডোর রেথকে}} * {{eq|Theodosius Dobzhansky|থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কি}} * {{eq|Theophrastus|থিওফ্রাস্টাস}} * {{eq|Theory of relativity|আপেক্ষিকতার তত্ত্ব}} * {{eq|Thomas Harriot|থমাস হ্যারিয়ট}} * {{eq|Thomas Henry Huxley|টমাস হেনরি হাক্সলি}} * {{eq|Thomas Kuhn|থমাস কুন}} * {{eq|Thomas Mann|টমাস মান}} * {{eq|Thomas Robert Malthus|থমাস রবার্ট ম্যালথাস}} * {{eq|Thomas Schelling|টমাস শেলিংস}} * {{eq|Thomas Young (scientist)|থমাস ইয়ং}} * {{eq|Tim Berners-Lee|টিম বার্নার্স-লি}} * {{eq|Tjalling Koopmans|টিয়ালিং কোপম্যান্স}} * {{eq|Tomas Tranströmer|টোমাস ট্রান্সট্রোমার}} * {{eq|Toni Morrison|টনি মরিসন}} * {{eq|Tony Benn|টনি বেন}} * {{eq|Traian Băsescu|ত্রাইয়ান বাসাস্কু}} * {{eq|Trygve Haavelmo|ট্রিগভে হাভেলমো}} * {{eq|U Thant|উ থান্ট}} * {{eq|V. S. Naipaul|ভি. এস. নাইপল}} * {{eq|Val Logsdon Fitch|ভ্যাল লজডন ফিচ}} * {{eq|Valéry Giscard d'Estaing|ভালেরি জিস্কার দেস্তাঁ}} * {{eq|Victor Frederick Weisskopf|ভিক্টর উইসকফ}} * {{eq|Viet Thanh Nguyen|ভিয়েত থান নগুয়েন}} * {{eq|Vikram Sarabhai|বিক্রম সারাভাই}} * {{eq|Vilayanur S. Ramachandran|ভি. এস. রামচন্দ্রন}} * {{eq|Vitaly Ginzburg|ভিতালি গিঞ্জবার্গ}} * {{eq|Vladimir Arnold|ভ্লাদিমির আর্নল্ড}} * {{eq|Vladimir Markovnikov|ভ্লাদিমির মার্কভনিকভ}} * {{eq|Václav Havel|ভাকলাভ হাভেল}} * {{eq|W. H. Auden|ডব্লিউ. এইচ. অডেন}} * {{eq|Wassily Leontief|ওয়াসিলি লিওনটিয়েফ}} * {{eq|Wernher von Braun|ভের্নহার ফন ব্রাউন}} * {{eq|Wilhelm Wundt|ভিলহেল্ম ভুন্ট}} * {{eq|Will Durant|উইল ডুরান্ট}} * {{eq|Willa Cather|উইলা ক্যাথার}} * {{eq|Willard van Orman Quine|উইলার্ড ফন অরম্যান কোয়াইন}} * {{eq|Willem de Sitter|ভিলেম ডে সিটার}} * {{eq|William Bateson|উইলিয়াম বেটসন}} * {{eq|William Butler Yeats|উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস}} * {{eq|William Carey (missionary)|উইলিয়াম কেরি}} * {{eq|William Carlos Williams|উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস}} * {{eq|William Crookes|উইলিয়াম ক্রুকস}} * {{eq|William Dalrymple (historian)|উইলিয়াম ডালরিম্পল}} * {{eq|William Daniel Phillips|উইলিয়াম ড্যানিয়েল ফিলিপস}} * {{eq|William Empson|উইলিয়াম এম্পসন}} * {{eq|William F. Sharpe|উইলিয়াম শার্প}} * {{eq|William Golding|উইলিয়াম গোল্ডিং}} * {{eq|William Herschel|উইলিয়াম হার্শেল}} * {{eq|William Jones (philologist)|উইলিয়াম জোন্স (ভাষাতাত্ত্বিক)}} * {{eq|William Rowan Hamilton|উইলিয়াম রোয়ান হ্যামিল্টন}} * {{eq|William Shockley|উইলিয়াম শকলি}} * {{eq|William Stanley Jevons|উইলিয়াম স্ট্যানলি জেভন্স}} * {{eq|William Thomson|উইলিয়াম থমসন}} * {{eq|William Vickrey|উইলিয়াম ভিক্রি}} * {{eq|Winnie Byanyima|উইনি বিয়ানিমা}} * {{eq|Wole Soyinka|ওলে সোয়িংকা}} * {{eq|Wolfgang Pauli|ভোলফগাং পাউলি}} * {{eq|Yang Chen-Ning|চেন নিং ইয়াং}} * {{eq|Yann LeCun|ইয়ান ল্যকান}} * {{eq|Yann Martel|ইয়ান মার্টেল}} * {{eq|Yasunari Kawabata|ইয়াসুনারি কাওয়াবাতা}} * {{eq|Yoichiro Nambu|ইয়োইচিরো নাম্বু}} * {{eq|Zadie Smith|জেডি স্মিথ}} * {{eq|Zhong Nanshan|চোং নানশান}} * {{eq|Zhuangzi|চুয়াং জি}} {{Div col end}} === অন্যান্য === {{Div col|colwidth=20em|rules=yes}} * {{eq|International law|আন্তর্জাতিক আইন}} *{{eq|Crimes against humanity|মানবতাবিরোধী অপরাধ}} *{{eq|Quran on Afterlife|পরকাল সম্পর্কে কুরআন}} {{Div col end}} [[বিষয়শ্রেণী:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬]] fhda6lhzq8knmamlzeylaxm98jvjnzt উইকিউক্তি:উক্তি প্রতিযোগিতা ২০২৬/ফলাফল 4 11865 78581 78460 2026-04-19T12:40:10Z Borhan 964 [[Special:Contributions/~2026-24068-97|~2026-24068-97]] ([[User talk:~2026-24068-97|আলাপ]])-এর সম্পাদিত সংস্করণ হতে [[User:Borhan|Borhan]]-এর সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণে ফেরত যাওয়া হয়েছে 75365 wikitext text/x-wiki ''প্রতিযোগিতা সমাপ্ত হওয়ার পর ফলাফল ঘোষণা করা যাবে।'' 6nqnd78grg8mwjkcl4hhr0rmzsn7v6z অম্লান দত্ত 0 11893 78612 76371 2026-04-19T14:44:33Z Kandarpajit Kallol 1154 /* উক্তি */ 78612 wikitext text/x-wiki '''[[w:bn:অম্লান দত্ত|অম্লান দত্ত]]''' (১৯২৪ – ২০১০) ছিলেন একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙালি অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদ। তিনি উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। == উক্তি == * যে-জ্ঞান মানুষকে কিছুমাত্র পরিবর্তিত করে না সেটা তার অন্তরের বস্তু হয়ে ওঠেনি। জ্ঞানকে সদর্থে মনের অংশ করে তোলাই মননের যথার্থ কাজ। **{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=অম্লান দত্ত এক অমলিন স্মৃতি|ইউআরএল=https://www.kaliokalam.com/%E0%A6%85%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%85%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%83/#:~:text=%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%B8%E0%A7%A8%20%E3%83%BB%20%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%A8%E0%A6%98%E0%A7%87%E0%A6%81%E0%A6%B7%E0%A6%BE%20%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%20%E3%83%BB%20%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%B0%20%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE,%E0%A6%9C%E0%A6%AE%E0%A6%BF%20%E0%A6%A4%E0%A7%88%E0%A6%B0%E0%A6%BF%20%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A5%A4%20%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A5%A4%20%E0%A6%8F%E0%A6%81%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%87%20%E0%A6%A4%E0%A6%96%E0%A6%A8%E0%A7%8B|সংগ্রহের-তারিখ=২০২৬-০৪-১২|ওয়েবসাইট=কালি ও কলম}} * গণতন্ত্র কেবল একটি শাসনব্যবস্থা নয়, জীবনধারা **{{বই উদ্ধৃতি|লেখক=অম্লান দত্ত|শিরোনাম=For Democracy|প্রকাশক=The Minerva Associates|স্থান=কলকাতা|বছর=১৯৭০|সংস্করণ=৩য়|পাতা=৯}} * প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের পাশাপাশি সমাজবিজ্ঞানের উন্নতিও সম্ভব হয়েছে মুষ্টিমেয় কিছু অসাধারণ প্রতিভাবান মানুষের প্রচেষ্টায়... **{{বই উদ্ধৃতি |লেখক=অম্লান দত্ত |শিরোনাম=For Democracy |প্রকাশক=The Minerva Associates |স্থান=কলকাতা |বছর=১৯৭০ |সংস্করণ=৩য় |পাতা=৫}} * যুক্তি কখনও শ্রেণী ও সংঘবদ্ধ স্বার্থের সহায়ক, আবার কখনও সে এই সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করার পরামর্শদাতা। মানবতাবাদের দিকে প্রসারিত এই যে যাত্রা, যুক্তি তাতে পথপ্রদর্শক। **{{ওয়েব উদ্ধৃতি|শিরোনাম=প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত|ইউআরএল=https://www.ebanglalibrary.com/books/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9-%E0%A6%85%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A6%A4/|সংগ্রহের-তারিখ=২০২৬-০৪-১২|ওয়েবসাইট=বাংলা লাইব্রেরি}} == বহিঃসংযোগ == *[https://www.kaliokalam.com/%E0%A6%85%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%85%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%83/#:~:text=%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%B8%E0%A7%A8%20%E3%83%BB%20%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%A8%E0%A6%98%E0%A7%87%E0%A6%81%E0%A6%B7%E0%A6%BE%20%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%20%E3%83%BB%20%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%B0%20%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE,%E0%A6%9C%E0%A6%AE%E0%A6%BF%20%E0%A6%A4%E0%A7%88%E0%A6%B0%E0%A6%BF%20%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A5%A4%20%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A5%A4%20%E0%A6%8F%E0%A6%81%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%87%20%E0%A6%A4%E0%A6%96%E0%A6%A8%E0%A7%8B অম্লান দত্ত এক অমলিন স্মৃতি] * [https://www.ebanglalibrary.com/books/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B9-%E0%A6%85%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A6%A4/ প্রবন্ধ সংগ্রহ – অম্লান দত্ত] {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১০-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯২৪-এ জন্ম]] 3liikt5htvnqkzgf02ht386nb7e0dv2 ছাতা 0 11943 78624 78558 2026-04-19T15:18:16Z Salil Kumar Mukherjee 39 ট্যাগ বাতিল 78624 wikitext text/x-wiki '''[[:w:ছাতা|ছাতা]]''', '''ছত্র''', '''ছত্রী''', বা '''ছাতি''' হলো বৃষ্টি বা সূর্যের আলো থেকে রক্ষা করার জন্য তৈরি একটি আচ্ছাদন। প্রাচীনকাল থেকেই ছাতা ব্যবহার হয়ে আসছে। পরে রংবেরঙের ছাতা কখনো ফ্যাশন, কখনো মর্যাদার প্রতীক হিসাবেও বহুভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাংলা সাহিত্যে ছাতা শব্দটি রূপক হিসাবেও নানা ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়েছে। == উক্তি == * ছাতা বলে, ‘ধিক ধিক, মাথা মহাশয়,<br>এ অন্যায় অবিচার আমারে না সয়।<br>তুমি যাবে হাটে বাটে দিব্য অকাতরে,<br>রৌদ্র বৃষ্টি যত কিছু সব আমা-’পরে।<br>তুমি যদি ছাতা হতে কী করিতে, দাদা।’<br>মাথা কয়, ‘বুঝিতাম মাথার মর্যাদা।<br>বুঝিতাম, তার গুণে পরিপূর্ণ ধরা,<br>মোর একমাত্র গুণ তারে রক্ষা করা।’ ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], যথাকর্তব্য, কণিকা- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮ * হাতিরা তাকে মাথায় করে নদীতে নিয়ে যেত, শুঁড়ে করে জল ছিটিয়ে গা ধুইয়ে দিত, তারপর তাকে সেই সাপের পিঠে বসিয়ে দিত—এই তার রাজসিংহাসন। দুদিকে দুই হাতি পদ্মফুলের চামর ঢোলাত, অজগর ফণা মেলে মাথায় ছাতা ধরত। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], রাজপুরে, শকুন্তলা- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫০-৫২ * ‘নই ঘোড়া, নই হাতি, নই সাপ বিচ্ছু,<br/>মৌমাছি প্রজাপতি নই আমি কিচ্ছু।<br/>মাছ ব্যাঙ গাছপাতা জলমাটি ঢেউ নই,<br/>নই জুতা নই ছাতা, আমি তবে কেউ নই!’ ** [[সুকুমার রায়]], কিম্ভূত, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ * লোকে বলে যে, যখন সাপ নানককে ছাতা ধরিয়াছিল তখন রাজা তাহা দেখিয়াছিলেন, এই জন্যই নানকের উপর তাহার এত ভক্তি হইয়াছিল। কিন্তু সে সাপের ছাতা-ধরা সমস্তই গুজব; আসল কথা, নানকের সমস্ত বৃত্তান্ত শুনিয়া রাজা বুঝিতে পারিয়াছিলেন যে নানক একজন মস্তলোক। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], কাজের লােক কে, ইতিহাস - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশসাল- ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৮৫ *তাদের আড্ডা ছিল, গ্রাম ছাড়িয়ে, মাঠ ছাড়িয়ে, বনের ধারে, ব্যাঙ-ছাতার ছায়ার তলায়। ছেলেবেলায় যখন তাদের দাঁত ওঠে নি, তখন থেকে তারা দেখে আসছে, সেই আদ্যিকালের ব্যাঙের ছাতা। সে যে কোথাকার কোন্‌ ব্যাঙের ছাতা, সে খবর কেউ জানে না, কিন্তু সবাই বলে, “ব্যাঙের ছাতা”। **[[সুকুমার রায়]], নানা গল্প, ছাতার মালিক, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী (প্রথম খণ্ড), সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৭৭ * সোদপুর স্টেশনে যখন গাড়ি থামল দেখি, একটি সাহেবি-কাপড়-পরা বাঙালি নিজে মাথায় দিব্যি ছাতা দিয়ে তার স্ত্রীকে গাড়ি থেকে নাবালে। স্ত্রীর কোলে একটি শিশু ছেলে; গায়ের মোটা চাদরটা দিয়ে সেই ছেলেটিকে কোনোমতে ঢেকে খোলা স্টেশনের এক ধারে দাঁড়িয়ে সে বেচারি শীতে ও লজ্জায় জড়সড় হয়ে ভিজতে লাগল— তার স্বামী জিনিসপত্র নিয়ে ছাতা মাথায় দিয়ে হাঁকডাক বাধিয়ে দিলে। আমার এক মুহূর্তে মনে পড়ে গেল, সমস্ত বাংলাদেশে কি রৌদ্রে কি বৃষ্টিতে কি ভদ্র কি অভদ্র কোনো স্ত্রীলোকের মাথায় ছাতা নেই। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], গোরা, গোরা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৩ * আলিপনার মাঝখানে বাসন্তী ছাতা মাথায় দিয়া একখানি চৌকিতে বসিল। ছাতাখানা সে আস্তে আস্তে ঘুরাইতে লাগিল এবং তার মা ছাতার উপর খই আর নাড়ু ঢালিয়া দিতে লাগিল; হরির লুটের মত ছেলেরা কাড়াকাড়ি করিয়া সে-নাড়ু ধরিতে লাগিল। সবচেয়ে বেশি ধরিল কিশোর আর সুবল। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], প্রবাস খণ্ড, তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৯ * বাইরের দিকে তাকিয়ে বললুম, বৃষ্টি পড়ছে দেখছি। ও বললে, তাতে হয়েছে কী। আমার ছাতা নেই, কিন্তু তোমার সঙ্গে এক ছাতাতেই যেতে পারব। আর কেউ হলে জোর করেই বলত, সে হবে না। কিন্তু, আমার উপায় নেই। তা, ভালোমানুষ হলেও বিপদে পড়লে আমার মাথাতেও বুদ্ধি জোগায়। আমি বললুম, অত অসুবিধা করবার দরকার কী। তার চেয়ে বরঞ্চ ছাতাটা তুমি নিয়ে যাও, যখনি সুযোগ হবে ফিরিয়ে দিলেই হবে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ভালোমানুষ, গল্পসল্প - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৮৫ বঙ্গাব্দ)পৃষ্ঠা ৯২ * আহাম্মক রামপদটা একেবারে সব মাটি করিয়া দিল। সে বোকারাম ছাতা হাতে হাঁ করিয়া তামাশা দেখিতেছিল। এমন সময় পাঠশালার একটা ছোকরা এক থাবড়া মারিয়া তাহার ছাতাটা কাড়িয়া লইল। আমরা ততক্ষণে গোরাচাঁদকে প্রায় চিৎপাত করিয়া আনিয়াছি, এমন সময় হঠাৎ আমাদের ঘাড়ে পিঠে ডাইনে বাঁয়ে ধপাধপ ছাতার বৃষ্টি শুরু হইল। আমরা মুহুর্তের মধ্যে একেবারে ছত্রভঙ্গ হইয়া পড়িলাম, আর সেই ফাঁকে গোব্‌রাও একলাফে গা ঝাড়া দিয়া উঠিল। ** [[সুকুমার রায়]], পালোয়ান, ইস্কুলের গল্প, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১১৭ * আমি আন্তরিক প্রীত হইলাম এবং ক্রমাগত হাটখোলার দিকে যাইতে লাগিলাম। কোচমান উপর হইতে বলিল, “বাবু, বড় দুর্য্যোগ-আপনাদের ছাতাটা এক বার দিন। ঝড় উঠিয়াছে, এখনই বৃষ্টি আসিবে।” উভয়েরই নিকট ছাতা ছিল—আমি আমার ছাতাটা কোচমানকে দিলাম এবং সঙ্গে সঙ্গে একবার আকাশের দিকে দৃষ্টিপাত করিলাম। দেখিলাম, একখানি ভয়ানক কৃষ্ণবর্ণ মেঘ সমস্ত আকাশ ছাইয়া ফেলিয়াছে। **[[প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়]], তৃতীয় পরিচ্ছেদ, জোড়া পাপী - প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়, প্রকাশক- দারোগার দপ্তর কার্য্যালয়, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮ * বড়ো-বড়ো বেলুন যখন আকাশে ওঠে তখন অনেক সময় তার গায়ে গোটানো ছাতার মতো একটা প্রকাণ্ড জিনিস ঝোলানো থাকে সেটাকে বলে প্যারাসুট। হঠাৎ বিপদে পড়লে, বা চট করে নামবার দরকার হলে বেলুনবাজ তার কোমরে প্যারাসুটের দড়ি জড়িয়ে বেলুন থেকে লাফ দিয়ে পড়বে। অমনি ছাতাটা খুলে গিয়ে প্রকাণ্ড গোল হয়ে ফুলে উঠবে, আর তাতেই পড়বার চোট সামলিয়ে যাবে। কিন্তু এরোপ্লেন থেকে সেরকম ছাতা ঝুলানো সম্ভব নয়। তাতে চলবার বাধা হয় আর ছাতার দড়িদড় কোথাও কলকব্‌জায় অটকে গেলে সেও এক সাংঘাতিক বিপদ। ** [[সুকুমার রায়]], আকাশের বিপদ, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৫৭ * আর সে তিলমাত্র দেরি করল না। বললে, প্ল্যানটা শোনাচ্ছে ভালো।<br>ছাতাটা বগলে করে চট্‌পট্‌ সরে পড়ল। ভয় ছিল, ফাউণ্টেন-পেনের খোঁজ উঠে পড়ে। ছাতা ফেরাবার সুযোগ কোনোদিনই হবে না। হায় রে, আমার পনেরো টাকা দামের সিল্কের ছাতাটা! ছাতা ফিরবে না, ফাউণ্টেন-পেনও ফিরবে না, কিন্তু সব চেয়ে আরামের কথা হচ্ছে— সেও ফিরবে না। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ভালোমানুষ, গল্পসল্প - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৮৫ বঙ্গাব্দ)পৃষ্ঠা ৯২-৯৩ * গাঁয়ের রাস্তা ধরে একটি প্রবীণ গোছের ভদ্রলোক চলেছেন; হাতে ছোট্ট একটি চামড়ার ব্যাগ, পরণে থানের ধুতি, গায়ে ফর্সা পাঞ্জাবী, কাঁধের উপর মট্‌কার চাদর একখানা ভাঁজ করে ফেলা, পায়ে সাধারণ দিশি জুতো, মাথায় একটা অল্প দামের ছাতা। ভদ্রলোক ছাতাটি মাথায় দিয়ে ডান হাতে ছাতার বাঁটটি ধরে বাঁ হাতে ব্যাগ ঝুলিয়ে যাচ্ছেন। দেখ‍্লেই মানুষটির উপর শ্রদ্ধা জন্মায়, দিব্যি সুন্দর, শান্ত, সৌম্য চেহারা, বয়স আন্দাজ ষাট বাষট্টি। ** [[হেমলতা দেবী]], দুনিয়ার দেনা, দুনিয়ার দেনা - হেমলতা দেবী, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২০ খ্রিস্টাব্দ (১৩২৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১২৪ * যত সব দুষ্টু ছেলে রাত্রে যারা ঘমোতে চায় না, মায়ের মুখে ব্যাঙের ছাতার গান শুনে শুনে তাদেরও চোখ বাজে আসে।—<br>গাল ফোলা কোলাব্যাঙ পাল তোলা রাঙা ছাতা<br>মেঠোব্যাঙ, গেছোব্যাঙ, ছেঁড়া ছাতা, ভাঙা ছাতা।<br>সবুজ রঙ জবড়জঙ জরির ছাতা সোনা ব্যাঙ<br>টোক্কা-আঁটা ফোক্‌লা ছাতা কোঁকড়া মাথা কোনা ব্যাঙ॥ **[[সুকুমার রায়]], নানা গল্প, ছাতার মালিক, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী (প্রথম খণ্ড), সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৭৭ * সৌন্দর্য্যের চর্চ্চা ও সুবিধার চর্চ্চা এর মধ্যে কোন্‌টাকে প্রাধান্য দিতে হবে তর্কটা যদি এই হয় তবে ছাতা মাথায় দিয়ে ঘোড়ায় চড়ার দৃষ্টান্তটা সে তর্কের মধ্যে ঠিক পড়ে না। কেননা ঘোড়ায় চড়ে ছাতা মাথায় দিলে সেটা যে অসুন্দর হতেই হবে তা নয়, ওদিকে তাতে ঘোড়া চালাবার অসুবিধাও ঘটতে পারে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ছিন্নপত্র-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশস্থান- শিলাইদহ, প্রকাশসাল- ১৯১২ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২২০ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Umbrellas}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] 10kdzkslr9vmnp6y9ecu7b9ipgv2l8x ঢেউ 0 11954 78598 73368 2026-04-19T13:31:06Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 78598 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:ঢেউ|ঢেউ]]''' বা '''তরঙ্গ''' হলো জল বা অন্য কোনো মাধ্যমে সৃষ্ট কম্পনরত আন্দোলন, যা শক্তি স্থানান্তর করে। এটি সাধারণত বাতাস এবং জলের কণার মধ্যকার ঘর্ষণের ফলে তৈরি হয়, যেখানে শক্তিশালী বাতাসে ঢেউয়ের আকার বড় হয়। সাগরে ঢেউ তৈরির প্রধান কারণ হলো সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া বাতাস। সমুদ্রের বুকে সৃষ্ট উঁচু-নিচু ঢেউ বা তরঙ্গ বৈজ্ঞানিকভাবে জলরাশির একটি পর্যায়বৃত্তিক আন্দোলন। ঢেউকে হিল্লোল, ঊর্মি বা লহরীও বলা হয়। জল তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, আলো তরঙ্গ প্রভৃতি নানা ধরনের তরঙ্গ বা ঢেউ হতে পারে। == উক্তি == * উঠিছে ঢেউ, পড়ে ঢেউ, গণিবে কেবা কত।<br>ভাসিছে শত গ্রহ তারা, ডুবিছে শত শত।<br>ঢেউয়ের পরে খেলা করে আলোকে আঁধারেতে,<br>জলের কোলে লুকোচুরি জীবনে মরণেতে।<br>শতেক কোটি গ্রহ তারা যে স্রোতে তৃণপ্রায়,<br>সে স্রোতমাঝে অবহেলে ঢালিয়া দিব কায়। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], স্রোত, কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, প্রয়াগরাজ, প্রকাশসাল- ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩২২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৩ * তরঙ্গ বিষয়ক অধ্যয়ন বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের প্রায় প্রতিটি শাখার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বস্তুত, দৈনন্দিন জীবনেও তরঙ্গের গুরুত্ব রয়েছে। শব্দতরঙ্গের সাহায্যে আমরা শুনতে পাই এবং তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের সাহায্যে আমরা দেখতে পাই। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=ডি. এস. ড্রামহেলার|শিরোনাম=অরৈখিক তরল ও কঠিন পদার্থে তরঙ্গ সঞ্চালনের ভূমিকা|ইউআরএল=http://books.google.com/books?id=HE9w5i7wjBcC&pg=PA1|তারিখ=১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮|প্রকাশক=কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস|আইএসবিএন=978-0-521-58746-4|পাতা=১|ভাষা=ইংরাজি}} * তিতাস একটি নদীর নাম। তার কূলজোড়া জল, বুকভরা ঢেউ, প্রাণভরা উচ্ছ্বাস। স্বপ্নের ছন্দে সে বহিয়া যায়। ভোরের হাওয়ায় তার তন্দ্রা ভাঙ্গে, দিনের সূর্য তাকে তাতায়; রাতে চাঁদ ও তারারা তাকে নিয়া ঘুম পাড়াইতে বসে, কিন্তু পারে না। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * সমুদ্রে চলিতে চলিতে প্রতি বৎসরই কত জাহাজ ডুবিয়া মরে। কেহ মরে ঝড় তুফানে, কেহ মরে ঢেউয়ের ঝাপটায়, কেহ মরে পাহাড়ের গুঁতায়, আর কেহ মরে অন্য জাহাজের ধাক্কা লাগিয়া—যুদ্ধের কথা নাহয় ছাড়িয়াই দিলাম। এইরকম কত উপায়ে জাহাজ মরিতেছে তাহার ঠিকানাই নাই। ** [[সুকুমার রায়]], জাহাজ ডুবি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৬-২০৭ * হয়তো বা [[হাঁস]] হবো – কিশোরীর – ঘুঙুর রহিবে লাল পায়<br/>সারাদিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধভরা জলে ভেসে ভেসে।<br/>আবার আসিব আমি বাংলার [[নদী]] মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে <br/> জলঙ্গীর ঢেউ এ ভেজা বাংলারি সবুজ করুণ ডাঙ্গায়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * আবছায়া চারিদিক, ঝাপসা নিঝুম,<br>পউষের ভোরবেলা—ভেঙে গেল ঘুম।<br>উষার দুয়ারে এক তুষারের ঢেউ<br>কখন পড়েছে ভেঙে, জানে না তা কেউ। **[[সুনির্মল বসু]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সুনির্মল_বসুর_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/শীতের_সকাল শীতের সকাল]) * ‘নই ঘোড়া, নই হাতি, নই সাপ বিচ্ছু,<br/>মৌমাছি প্রজাপতি নই আমি কিচ্ছু।<br/>মাছ ব্যাঙ গাছপাতা জলমাটি ঢেউ নই,<br/>নই জুতা নই ছাতা, আমি তবে কেউ নই!’ ** [[সুকুমার রায়]], কিম্ভূত, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ * হে পর্বত, যত নদী করি নিরীক্ষণ,<br>তোমাতেই করে তারা জনম গ্রহণ।<br>ছোট বড় ঢেউ সব তাদের উপরে<br>কল কল শব্দ করি সবে ক্রীড়া করে,<br>নদী বেঁকে চুরে যায় দেশে দেশে,<br>সাগরেতে পড়ে গিয়া সকলের শেষে। ** নদী - [[সুকুমার রায়]], সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া|তরঙ্গ}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Waves}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞান]] m8ptppdxfq5s4u3ko9p7dht304yf0v3 78601 78598 2026-04-19T13:42:32Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 78601 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:ঢেউ|ঢেউ]]''' বা '''তরঙ্গ''' হলো জল বা অন্য কোনো মাধ্যমে সৃষ্ট কম্পনরত আন্দোলন, যা শক্তি স্থানান্তর করে। এটি সাধারণত বাতাস এবং জলের কণার মধ্যকার ঘর্ষণের ফলে তৈরি হয়, যেখানে শক্তিশালী বাতাসে ঢেউয়ের আকার বড় হয়। সাগরে ঢেউ তৈরির প্রধান কারণ হলো সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া বাতাস। সমুদ্রের বুকে সৃষ্ট উঁচু-নিচু ঢেউ বা তরঙ্গ বৈজ্ঞানিকভাবে জলরাশির একটি পর্যায়বৃত্তিক আন্দোলন। ঢেউকে হিল্লোল, ঊর্মি বা লহরীও বলা হয়। জল তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, আলো তরঙ্গ প্রভৃতি নানা ধরনের তরঙ্গ বা ঢেউ হতে পারে। == উক্তি == * উঠিছে ঢেউ, পড়ে ঢেউ, গণিবে কেবা কত।<br>ভাসিছে শত গ্রহ তারা, ডুবিছে শত শত।<br>ঢেউয়ের পরে খেলা করে আলোকে আঁধারেতে,<br>জলের কোলে লুকোচুরি জীবনে মরণেতে।<br>শতেক কোটি গ্রহ তারা যে স্রোতে তৃণপ্রায়,<br>সে স্রোতমাঝে অবহেলে ঢালিয়া দিব কায়। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], স্রোত, কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, প্রয়াগরাজ, প্রকাশসাল- ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩২২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৩ * তরঙ্গ বিষয়ক অধ্যয়ন বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের প্রায় প্রতিটি শাখার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বস্তুত, দৈনন্দিন জীবনেও তরঙ্গের গুরুত্ব রয়েছে। শব্দতরঙ্গের সাহায্যে আমরা শুনতে পাই এবং তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের সাহায্যে আমরা দেখতে পাই। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=ডি. এস. ড্রামহেলার|শিরোনাম=অরৈখিক তরল ও কঠিন পদার্থে তরঙ্গ সঞ্চালনের ভূমিকা|ইউআরএল=http://books.google.com/books?id=HE9w5i7wjBcC&pg=PA1|তারিখ=১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮|প্রকাশক=কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস|আইএসবিএন=978-0-521-58746-4|পাতা=১|ভাষা=ইংরাজি}} * তিতাস একটি নদীর নাম। তার কূলজোড়া জল, বুকভরা ঢেউ, প্রাণভরা উচ্ছ্বাস। স্বপ্নের ছন্দে সে বহিয়া যায়। ভোরের হাওয়ায় তার তন্দ্রা ভাঙ্গে, দিনের সূর্য তাকে তাতায়; রাতে চাঁদ ও তারারা তাকে নিয়া ঘুম পাড়াইতে বসে, কিন্তু পারে না। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * বলা যেতে পারে, ভর ব্যবধানই হলো সেই কারণ যার জন্য আমরা চিরায়ত অরৈখিক ইয়াং-মিলস তরঙ্গ দেখতে পাই না। এগুলো কেবল অগম্য পরিস্থিতিতেই ভালো আনুমানিক ধারণা দেয়। আমি আমার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় এই আশায় কাটিয়েছি যে, চতুর্মাত্রিক গেজ তত্ত্বে ভর ব্যবধানকে পরিমাণগতভাবে বোঝার মতো সত্যিই যদি ভালো একটি উপায় থাকত। আমি আশা করি, এই সমস্যার একদিন সমাধান হবে। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=এডওয়ার্ড উইটেন|শিরোনাম=গেজ তত্ত্বের সমস্যা|ইউআরএল=https://arxiv.org/pdf/0812.4512.pdf|তারিখ=২০০৮ |ভাষা=ইংরাজি}} * সমুদ্রে চলিতে চলিতে প্রতি বৎসরই কত জাহাজ ডুবিয়া মরে। কেহ মরে ঝড় তুফানে, কেহ মরে ঢেউয়ের ঝাপটায়, কেহ মরে পাহাড়ের গুঁতায়, আর কেহ মরে অন্য জাহাজের ধাক্কা লাগিয়া—যুদ্ধের কথা নাহয় ছাড়িয়াই দিলাম। এইরকম কত উপায়ে জাহাজ মরিতেছে তাহার ঠিকানাই নাই। ** [[সুকুমার রায়]], জাহাজ ডুবি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৬-২০৭ * হয়তো বা [[হাঁস]] হবো – কিশোরীর – ঘুঙুর রহিবে লাল পায়<br/>সারাদিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধভরা জলে ভেসে ভেসে।<br/>আবার আসিব আমি বাংলার [[নদী]] মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে <br/> জলঙ্গীর ঢেউ এ ভেজা বাংলারি সবুজ করুণ ডাঙ্গায়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * আবছায়া চারিদিক, ঝাপসা নিঝুম,<br>পউষের ভোরবেলা—ভেঙে গেল ঘুম।<br>উষার দুয়ারে এক তুষারের ঢেউ<br>কখন পড়েছে ভেঙে, জানে না তা কেউ। **[[সুনির্মল বসু]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সুনির্মল_বসুর_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/শীতের_সকাল শীতের সকাল]) * ‘নই ঘোড়া, নই হাতি, নই সাপ বিচ্ছু,<br/>মৌমাছি প্রজাপতি নই আমি কিচ্ছু।<br/>মাছ ব্যাঙ গাছপাতা জলমাটি ঢেউ নই,<br/>নই জুতা নই ছাতা, আমি তবে কেউ নই!’ ** [[সুকুমার রায়]], কিম্ভূত, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ * হে পর্বত, যত নদী করি নিরীক্ষণ,<br>তোমাতেই করে তারা জনম গ্রহণ।<br>ছোট বড় ঢেউ সব তাদের উপরে<br>কল কল শব্দ করি সবে ক্রীড়া করে,<br>নদী বেঁকে চুরে যায় দেশে দেশে,<br>সাগরেতে পড়ে গিয়া সকলের শেষে। ** নদী - [[সুকুমার রায়]], সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া|তরঙ্গ}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Waves}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞান]] k649p85vt28r9is2fhs4qqbrr2ssekc 78602 78601 2026-04-19T13:54:23Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 78602 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:ঢেউ|ঢেউ]]''' বা '''তরঙ্গ''' হলো জল বা অন্য কোনো মাধ্যমে সৃষ্ট কম্পনরত আন্দোলন, যা শক্তি স্থানান্তর করে। এটি সাধারণত বাতাস এবং জলের কণার মধ্যকার ঘর্ষণের ফলে তৈরি হয়, যেখানে শক্তিশালী বাতাসে ঢেউয়ের আকার বড় হয়। সাগরে ঢেউ তৈরির প্রধান কারণ হলো সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া বাতাস। সমুদ্রের বুকে সৃষ্ট উঁচু-নিচু ঢেউ বা তরঙ্গ বৈজ্ঞানিকভাবে জলরাশির একটি পর্যায়বৃত্তিক আন্দোলন। ঢেউকে হিল্লোল, ঊর্মি বা লহরীও বলা হয়। জল তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, আলো তরঙ্গ প্রভৃতি নানা ধরনের তরঙ্গ বা ঢেউ হতে পারে। == উক্তি == * উঠিছে ঢেউ, পড়ে ঢেউ, গণিবে কেবা কত।<br>ভাসিছে শত গ্রহ তারা, ডুবিছে শত শত।<br>ঢেউয়ের পরে খেলা করে আলোকে আঁধারেতে,<br>জলের কোলে লুকোচুরি জীবনে মরণেতে।<br>শতেক কোটি গ্রহ তারা যে স্রোতে তৃণপ্রায়,<br>সে স্রোতমাঝে অবহেলে ঢালিয়া দিব কায়। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], স্রোত, কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, প্রয়াগরাজ, প্রকাশসাল- ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩২২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৩ * তরঙ্গ বিষয়ক অধ্যয়ন বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের প্রায় প্রতিটি শাখার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বস্তুত, দৈনন্দিন জীবনেও তরঙ্গের গুরুত্ব রয়েছে। শব্দতরঙ্গের সাহায্যে আমরা শুনতে পাই এবং তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের সাহায্যে আমরা দেখতে পাই। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=ডি. এস. ড্রামহেলার|শিরোনাম=অরৈখিক তরল ও কঠিন পদার্থে তরঙ্গ সঞ্চালনের ভূমিকা|ইউআরএল=http://books.google.com/books?id=HE9w5i7wjBcC&pg=PA1|তারিখ=১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮|প্রকাশক=কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস|আইএসবিএন=978-0-521-58746-4|পাতা=১|ভাষা=ইংরাজি}} * তিতাস একটি নদীর নাম। তার কূলজোড়া জল, বুকভরা ঢেউ, প্রাণভরা উচ্ছ্বাস। স্বপ্নের ছন্দে সে বহিয়া যায়। ভোরের হাওয়ায় তার তন্দ্রা ভাঙ্গে, দিনের সূর্য তাকে তাতায়; রাতে চাঁদ ও তারারা তাকে নিয়া ঘুম পাড়াইতে বসে, কিন্তু পারে না। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * বলা যেতে পারে, ভর ব্যবধানই হলো সেই কারণ যার জন্য আমরা চিরায়ত অরৈখিক ইয়াং-মিলস তরঙ্গ দেখতে পাই না। এগুলো কেবল অগম্য পরিস্থিতিতেই ভালো আনুমানিক ধারণা দেয়। আমি আমার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় এই আশায় কাটিয়েছি যে, চতুর্মাত্রিক গেজ তত্ত্বে ভর ব্যবধানকে পরিমাণগতভাবে বোঝার মতো সত্যিই যদি ভালো একটি উপায় থাকত। আমি আশা করি, এই সমস্যার একদিন সমাধান হবে। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=এডওয়ার্ড উইটেন|শিরোনাম=গেজ তত্ত্বের সমস্যা|ইউআরএল=https://arxiv.org/pdf/0812.4512.pdf|তারিখ=২০০৮ |ভাষা=ইংরাজি}} * সমুদ্রে চলিতে চলিতে প্রতি বৎসরই কত জাহাজ ডুবিয়া মরে। কেহ মরে ঝড় তুফানে, কেহ মরে ঢেউয়ের ঝাপটায়, কেহ মরে পাহাড়ের গুঁতায়, আর কেহ মরে অন্য জাহাজের ধাক্কা লাগিয়া—যুদ্ধের কথা নাহয় ছাড়িয়াই দিলাম। এইরকম কত উপায়ে জাহাজ মরিতেছে তাহার ঠিকানাই নাই। ** [[সুকুমার রায়]], জাহাজ ডুবি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৬-২০৭ * এসো ঢেউ বড়ো ঢেউ মেজো ঢেউ কুনো ঢেউ এসো<br>ঘুমন্ত তীরের দিকে<br>ছুটে এসো, নুলিয়ার শাদা টুপি খুলে নাও আজ<br>আর ম্রিয়মাণ মানুষের মুখে গুঁজে দাও<br>কুচো-চিংড়ি, ঝিনুকের ছানা-পোনা— ** [[তপোধীর ভট্টাচার্য]], সাগর স্নান, কবিতাসংগ্রহ- তপোধীর ভট্টাচার্য, প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- এবং মুশায়েরা, কলকাতা, প্রকাশসাল-২০০৪ খ্রিস্টাব্দ (১৪১১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ * হয়তো বা [[হাঁস]] হবো – কিশোরীর – ঘুঙুর রহিবে লাল পায়<br/>সারাদিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধভরা জলে ভেসে ভেসে।<br/>আবার আসিব আমি বাংলার [[নদী]] মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে <br/> জলঙ্গীর ঢেউ এ ভেজা বাংলারি সবুজ করুণ ডাঙ্গায়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * আবছায়া চারিদিক, ঝাপসা নিঝুম,<br>পউষের ভোরবেলা—ভেঙে গেল ঘুম।<br>উষার দুয়ারে এক তুষারের ঢেউ<br>কখন পড়েছে ভেঙে, জানে না তা কেউ। **[[সুনির্মল বসু]] ([https://bn.wikisource.org/wiki/সুনির্মল_বসুর_শ্রেষ্ঠ_কবিতা/শীতের_সকাল শীতের সকাল]) * ‘নই ঘোড়া, নই হাতি, নই সাপ বিচ্ছু,<br/>মৌমাছি প্রজাপতি নই আমি কিচ্ছু।<br/>মাছ ব্যাঙ গাছপাতা জলমাটি ঢেউ নই,<br/>নই জুতা নই ছাতা, আমি তবে কেউ নই!’ ** [[সুকুমার রায়]], কিম্ভূত, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ * হে পর্বত, যত নদী করি নিরীক্ষণ,<br>তোমাতেই করে তারা জনম গ্রহণ।<br>ছোট বড় ঢেউ সব তাদের উপরে<br>কল কল শব্দ করি সবে ক্রীড়া করে,<br>নদী বেঁকে চুরে যায় দেশে দেশে,<br>সাগরেতে পড়ে গিয়া সকলের শেষে। ** নদী - [[সুকুমার রায়]], সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া|তরঙ্গ}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Waves}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞান]] jnewpslnd0trgyqpez2jc49sgpipu1l 78603 78602 2026-04-19T14:05:15Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 78603 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:ঢেউ|ঢেউ]]''' বা '''তরঙ্গ''' হলো জল বা অন্য কোনো মাধ্যমে সৃষ্ট কম্পনরত আন্দোলন, যা শক্তি স্থানান্তর করে। এটি সাধারণত বাতাস এবং জলের কণার মধ্যকার ঘর্ষণের ফলে তৈরি হয়, যেখানে শক্তিশালী বাতাসে ঢেউয়ের আকার বড় হয়। সাগরে ঢেউ তৈরির প্রধান কারণ হলো সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া বাতাস। সমুদ্রের বুকে সৃষ্ট উঁচু-নিচু ঢেউ বা তরঙ্গ বৈজ্ঞানিকভাবে জলরাশির একটি পর্যায়বৃত্তিক আন্দোলন। ঢেউকে হিল্লোল, ঊর্মি বা লহরীও বলা হয়। জল তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, আলো তরঙ্গ প্রভৃতি নানা ধরনের তরঙ্গ বা ঢেউ হতে পারে। == উক্তি == * উঠিছে ঢেউ, পড়ে ঢেউ, গণিবে কেবা কত।<br>ভাসিছে শত গ্রহ তারা, ডুবিছে শত শত।<br>ঢেউয়ের পরে খেলা করে আলোকে আঁধারেতে,<br>জলের কোলে লুকোচুরি জীবনে মরণেতে।<br>শতেক কোটি গ্রহ তারা যে স্রোতে তৃণপ্রায়,<br>সে স্রোতমাঝে অবহেলে ঢালিয়া দিব কায়। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], স্রোত, কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, প্রয়াগরাজ, প্রকাশসাল- ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩২২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৩ * তরঙ্গ বিষয়ক অধ্যয়ন বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের প্রায় প্রতিটি শাখার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বস্তুত, দৈনন্দিন জীবনেও তরঙ্গের গুরুত্ব রয়েছে। শব্দতরঙ্গের সাহায্যে আমরা শুনতে পাই এবং তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের সাহায্যে আমরা দেখতে পাই। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=ডি. এস. ড্রামহেলার|শিরোনাম=অরৈখিক তরল ও কঠিন পদার্থে তরঙ্গ সঞ্চালনের ভূমিকা|ইউআরএল=http://books.google.com/books?id=HE9w5i7wjBcC&pg=PA1|তারিখ=১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮|প্রকাশক=কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস|আইএসবিএন=978-0-521-58746-4|পাতা=১|ভাষা=ইংরাজি}} * তিতাস একটি নদীর নাম। তার কূলজোড়া জল, বুকভরা ঢেউ, প্রাণভরা উচ্ছ্বাস। স্বপ্নের ছন্দে সে বহিয়া যায়। ভোরের হাওয়ায় তার তন্দ্রা ভাঙ্গে, দিনের সূর্য তাকে তাতায়; রাতে চাঁদ ও তারারা তাকে নিয়া ঘুম পাড়াইতে বসে, কিন্তু পারে না। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * বলা যেতে পারে, ভর ব্যবধানই হলো সেই কারণ যার জন্য আমরা চিরায়ত অরৈখিক ইয়াং-মিলস তরঙ্গ দেখতে পাই না। এগুলো কেবল অগম্য পরিস্থিতিতেই ভালো আনুমানিক ধারণা দেয়। আমি আমার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় এই আশায় কাটিয়েছি যে, চতুর্মাত্রিক গেজ তত্ত্বে ভর ব্যবধানকে পরিমাণগতভাবে বোঝার মতো সত্যিই যদি ভালো একটি উপায় থাকত। আমি আশা করি, এই সমস্যার একদিন সমাধান হবে। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=এডওয়ার্ড উইটেন|শিরোনাম=গেজ তত্ত্বের সমস্যা|ইউআরএল=https://arxiv.org/pdf/0812.4512.pdf|তারিখ=২০০৮ |ভাষা=ইংরাজি}} * সমুদ্রে চলিতে চলিতে প্রতি বৎসরই কত জাহাজ ডুবিয়া মরে। কেহ মরে ঝড় তুফানে, কেহ মরে ঢেউয়ের ঝাপটায়, কেহ মরে পাহাড়ের গুঁতায়, আর কেহ মরে অন্য জাহাজের ধাক্কা লাগিয়া—যুদ্ধের কথা নাহয় ছাড়িয়াই দিলাম। এইরকম কত উপায়ে জাহাজ মরিতেছে তাহার ঠিকানাই নাই। ** [[সুকুমার রায়]], জাহাজ ডুবি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৬-২০৭ * এসো ঢেউ বড়ো ঢেউ মেজো ঢেউ কুনো ঢেউ এসো<br>ঘুমন্ত তীরের দিকে<br>ছুটে এসো, নুলিয়ার শাদা টুপি খুলে নাও আজ<br>আর ম্রিয়মাণ মানুষের মুখে গুঁজে দাও<br>কুচো-চিংড়ি, ঝিনুকের ছানা-পোনা— ** [[তপোধীর ভট্টাচার্য]], সাগর স্নান, কবিতাসংগ্রহ- তপোধীর ভট্টাচার্য, প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- এবং মুশায়েরা, কলকাতা, প্রকাশসাল-২০০৪ খ্রিস্টাব্দ (১৪১১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ * হয়তো বা [[হাঁস]] হবো – কিশোরীর – ঘুঙুর রহিবে লাল পায়<br/>সারাদিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধভরা জলে ভেসে ভেসে।<br/>আবার আসিব আমি বাংলার [[নদী]] মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে <br/> জলঙ্গীর ঢেউ এ ভেজা বাংলারি সবুজ করুণ ডাঙ্গায়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * তুমি যখন কথা বল তখন তোমার গলার আওয়াজ চারিদিকে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। যতদূর পর্যন্ত সে আওয়াজ যায় ততদূর পর্যন্ত বাতাসে নানারকম ঢেউ খেতিয়ে যায়। মোটা গলার বড়ো-বড়ো ঢেউ সরু গলার ছোটো-ছোটো ঢেউ। চেঁচিয়ে বললে বাতাসে জোরে জোরে ঢেউয়ের ধাক্কা লাগে, আস্তে বললে সে ঢেউ বাতাস ঠেলে বেশি দূর এগোতেই পারে না। কিন্তু যেমন করেই কথা বল আর যত জোরেই বল, খানিক দূর পর্যন্ত গিয়ে সে ঢেউ আপনি মিলিয়ে যাবে। তার পরে আর তোমার আওয়াজ পৌঁছবে না। ** [[সুকুমার রায়]], আকাশবাণীর কল, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮৫ * আবছায়া চারিদিক, ঝাপসা নিঝুম,<br>পউষের ভোরবেলা—ভেঙে গেল ঘুম।<br>উষার দুয়ারে এক তুষারের ঢেউ<br>কখন পড়েছে ভেঙে, জানে না তা কেউ। ** শীতের সকাল - [[সুনির্মল বসু]], সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭১ * ‘নই ঘোড়া, নই হাতি, নই সাপ বিচ্ছু,<br/>মৌমাছি প্রজাপতি নই আমি কিচ্ছু।<br/>মাছ ব্যাঙ গাছপাতা জলমাটি ঢেউ নই,<br/>নই জুতা নই ছাতা, আমি তবে কেউ নই!’ ** [[সুকুমার রায়]], কিম্ভূত, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ * হে পর্বত, যত নদী করি নিরীক্ষণ,<br>তোমাতেই করে তারা জনম গ্রহণ।<br>ছোট বড় ঢেউ সব তাদের উপরে<br>কল কল শব্দ করি সবে ক্রীড়া করে,<br>নদী বেঁকে চুরে যায় দেশে দেশে,<br>সাগরেতে পড়ে গিয়া সকলের শেষে। ** নদী - [[সুকুমার রায়]], সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া|তরঙ্গ}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Waves}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞান]] m70ip7weeu97n5tm3swwhh59wbb27e8 78615 78603 2026-04-19T14:59:52Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 78615 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:ঢেউ|ঢেউ]]''' বা '''তরঙ্গ''' হলো জল বা অন্য কোনো মাধ্যমে সৃষ্ট কম্পনরত আন্দোলন, যা শক্তি স্থানান্তর করে। এটি সাধারণত বাতাস এবং জলের কণার মধ্যকার ঘর্ষণের ফলে তৈরি হয়, যেখানে শক্তিশালী বাতাসে ঢেউয়ের আকার বড় হয়। সাগরে ঢেউ তৈরির প্রধান কারণ হলো সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া বাতাস। সমুদ্রের বুকে সৃষ্ট উঁচু-নিচু ঢেউ বা তরঙ্গ বৈজ্ঞানিকভাবে জলরাশির একটি পর্যায়বৃত্তিক আন্দোলন। ঢেউকে হিল্লোল, ঊর্মি বা লহরীও বলা হয়। জল তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, আলো তরঙ্গ প্রভৃতি নানা ধরনের তরঙ্গ বা ঢেউ হতে পারে। == উক্তি == * উঠিছে ঢেউ, পড়ে ঢেউ, গণিবে কেবা কত।<br>ভাসিছে শত গ্রহ তারা, ডুবিছে শত শত।<br>ঢেউয়ের পরে খেলা করে আলোকে আঁধারেতে,<br>জলের কোলে লুকোচুরি জীবনে মরণেতে।<br>শতেক কোটি গ্রহ তারা যে স্রোতে তৃণপ্রায়,<br>সে স্রোতমাঝে অবহেলে ঢালিয়া দিব কায়। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], স্রোত, কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, প্রয়াগরাজ, প্রকাশসাল- ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩২২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৩ * তরঙ্গ বিষয়ক অধ্যয়ন বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের প্রায় প্রতিটি শাখার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বস্তুত, দৈনন্দিন জীবনেও তরঙ্গের গুরুত্ব রয়েছে। শব্দতরঙ্গের সাহায্যে আমরা শুনতে পাই এবং তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের সাহায্যে আমরা দেখতে পাই। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=ডি. এস. ড্রামহেলার|শিরোনাম=অরৈখিক তরল ও কঠিন পদার্থে তরঙ্গ সঞ্চালনের ভূমিকা|ইউআরএল=http://books.google.com/books?id=HE9w5i7wjBcC&pg=PA1|তারিখ=১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮|প্রকাশক=কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস|আইএসবিএন=978-0-521-58746-4|পাতা=১|ভাষা=ইংরাজি}} * তিতাস একটি নদীর নাম। তার কূলজোড়া জল, বুকভরা ঢেউ, প্রাণভরা উচ্ছ্বাস। স্বপ্নের ছন্দে সে বহিয়া যায়। ভোরের হাওয়ায় তার তন্দ্রা ভাঙ্গে, দিনের সূর্য তাকে তাতায়; রাতে চাঁদ ও তারারা তাকে নিয়া ঘুম পাড়াইতে বসে, কিন্তু পারে না। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * বলা যেতে পারে, ভর ব্যবধানই হলো সেই কারণ যার জন্য আমরা চিরায়ত অরৈখিক ইয়াং-মিলস তরঙ্গ দেখতে পাই না। এগুলো কেবল অগম্য পরিস্থিতিতেই ভালো আনুমানিক ধারণা দেয়। আমি আমার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় এই আশায় কাটিয়েছি যে, চতুর্মাত্রিক গেজ তত্ত্বে ভর ব্যবধানকে পরিমাণগতভাবে বোঝার মতো সত্যিই যদি ভালো একটি উপায় থাকত। আমি আশা করি, এই সমস্যার একদিন সমাধান হবে। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=এডওয়ার্ড উইটেন|শিরোনাম=গেজ তত্ত্বের সমস্যা|ইউআরএল=https://arxiv.org/pdf/0812.4512.pdf|তারিখ=২০০৮ |ভাষা=ইংরাজি}} * সমুদ্রে চলিতে চলিতে প্রতি বৎসরই কত জাহাজ ডুবিয়া মরে। কেহ মরে ঝড় তুফানে, কেহ মরে ঢেউয়ের ঝাপটায়, কেহ মরে পাহাড়ের গুঁতায়, আর কেহ মরে অন্য জাহাজের ধাক্কা লাগিয়া—যুদ্ধের কথা নাহয় ছাড়িয়াই দিলাম। এইরকম কত উপায়ে জাহাজ মরিতেছে তাহার ঠিকানাই নাই। ** [[সুকুমার রায়]], জাহাজ ডুবি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৬-২০৭ * এসো ঢেউ বড়ো ঢেউ মেজো ঢেউ কুনো ঢেউ এসো<br>ঘুমন্ত তীরের দিকে<br>ছুটে এসো, নুলিয়ার শাদা টুপি খুলে নাও আজ<br>আর ম্রিয়মাণ মানুষের মুখে গুঁজে দাও<br>কুচো-চিংড়ি, ঝিনুকের ছানা-পোনা— ** [[তপোধীর ভট্টাচার্য]], সাগর স্নান, কবিতাসংগ্রহ- তপোধীর ভট্টাচার্য, প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- এবং মুশায়েরা, কলকাতা, প্রকাশসাল-২০০৪ খ্রিস্টাব্দ (১৪১১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ * হয়তো বা [[হাঁস]] হবো – কিশোরীর – ঘুঙুর রহিবে লাল পায়<br/>সারাদিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধভরা জলে ভেসে ভেসে।<br/>আবার আসিব আমি বাংলার [[নদী]] মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে <br/> জলঙ্গীর ঢেউ এ ভেজা বাংলারি সবুজ করুণ ডাঙ্গায়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * তুমি যখন কথা বল তখন তোমার গলার আওয়াজ চারিদিকে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। যতদূর পর্যন্ত সে আওয়াজ যায় ততদূর পর্যন্ত বাতাসে নানারকম ঢেউ খেতিয়ে যায়। মোটা গলার বড়ো-বড়ো ঢেউ সরু গলার ছোটো-ছোটো ঢেউ। চেঁচিয়ে বললে বাতাসে জোরে জোরে ঢেউয়ের ধাক্কা লাগে, আস্তে বললে সে ঢেউ বাতাস ঠেলে বেশি দূর এগোতেই পারে না। কিন্তু যেমন করেই কথা বল আর যত জোরেই বল, খানিক দূর পর্যন্ত গিয়ে সে ঢেউ আপনি মিলিয়ে যাবে। তার পরে আর তোমার আওয়াজ পৌঁছবে না। ** [[সুকুমার রায়]], আকাশবাণীর কল, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮৫ * আবছায়া চারিদিক, ঝাপসা নিঝুম,<br>পউষের ভোরবেলা—ভেঙে গেল ঘুম।<br>উষার দুয়ারে এক তুষারের ঢেউ<br>কখন পড়েছে ভেঙে, জানে না তা কেউ। ** শীতের সকাল - [[সুনির্মল বসু]], সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭১ * ‘নই ঘোড়া, নই হাতি, নই সাপ বিচ্ছু,<br/>মৌমাছি প্রজাপতি নই আমি কিচ্ছু।<br/>মাছ ব্যাঙ গাছপাতা জলমাটি ঢেউ নই,<br/>নই জুতা নই ছাতা, আমি তবে কেউ নই!’ ** [[সুকুমার রায়]], কিম্ভূত, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ * ঢেউয়ের গায়ে ঢেউগুলো সব গড়ায় ফুলে ফুলে,<br>পুবের চরে কাশের মাথা উঠছে দুলে দুলে।<br>ঈশান কোণে উড়তি বালি আকাশখানা ছেয়ে<br>হু হু করে আসছে ছুটে ধেয়ে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ঝড়, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ১৩ * হে পর্বত, যত নদী করি নিরীক্ষণ,<br>তোমাতেই করে তারা জনম গ্রহণ।<br>ছোট বড় ঢেউ সব তাদের উপরে<br>কল কল শব্দ করি সবে ক্রীড়া করে,<br>নদী বেঁকে চুরে যায় দেশে দেশে,<br>সাগরেতে পড়ে গিয়া সকলের শেষে। ** নদী - [[সুকুমার রায়]], সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া|তরঙ্গ}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Waves}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞান]] nxsyh2etci7d92vwve7337xmh5xo6uz 78628 78615 2026-04-19T15:37:58Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 78628 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:ঢেউ|ঢেউ]]''' বা '''তরঙ্গ''' হলো জল বা অন্য কোনো মাধ্যমে সৃষ্ট কম্পনরত আন্দোলন, যা শক্তি স্থানান্তর করে। এটি সাধারণত বাতাস এবং জলের কণার মধ্যকার ঘর্ষণের ফলে তৈরি হয়, যেখানে শক্তিশালী বাতাসে ঢেউয়ের আকার বড় হয়। সাগরে ঢেউ তৈরির প্রধান কারণ হলো সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া বাতাস। সমুদ্রের বুকে সৃষ্ট উঁচু-নিচু ঢেউ বা তরঙ্গ বৈজ্ঞানিকভাবে জলরাশির একটি পর্যায়বৃত্তিক আন্দোলন। ঢেউকে হিল্লোল, ঊর্মি বা লহরীও বলা হয়। জল তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, আলো তরঙ্গ প্রভৃতি নানা ধরনের তরঙ্গ বা ঢেউ হতে পারে। == উক্তি == * উঠিছে ঢেউ, পড়ে ঢেউ, গণিবে কেবা কত।<br>ভাসিছে শত গ্রহ তারা, ডুবিছে শত শত।<br>ঢেউয়ের পরে খেলা করে আলোকে আঁধারেতে,<br>জলের কোলে লুকোচুরি জীবনে মরণেতে।<br>শতেক কোটি গ্রহ তারা যে স্রোতে তৃণপ্রায়,<br>সে স্রোতমাঝে অবহেলে ঢালিয়া দিব কায়। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], স্রোত, কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, প্রয়াগরাজ, প্রকাশসাল- ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩২২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৩ * তরঙ্গ বিষয়ক অধ্যয়ন বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের প্রায় প্রতিটি শাখার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বস্তুত, দৈনন্দিন জীবনেও তরঙ্গের গুরুত্ব রয়েছে। শব্দতরঙ্গের সাহায্যে আমরা শুনতে পাই এবং তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের সাহায্যে আমরা দেখতে পাই। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=ডি. এস. ড্রামহেলার|শিরোনাম=অরৈখিক তরল ও কঠিন পদার্থে তরঙ্গ সঞ্চালনের ভূমিকা|ইউআরএল=http://books.google.com/books?id=HE9w5i7wjBcC&pg=PA1|তারিখ=১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮|প্রকাশক=কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস|আইএসবিএন=978-0-521-58746-4|পাতা=১|ভাষা=ইংরাজি}} * তিতাস একটি নদীর নাম। তার কূলজোড়া জল, বুকভরা ঢেউ, প্রাণভরা উচ্ছ্বাস। স্বপ্নের ছন্দে সে বহিয়া যায়। ভোরের হাওয়ায় তার তন্দ্রা ভাঙ্গে, দিনের সূর্য তাকে তাতায়; রাতে চাঁদ ও তারারা তাকে নিয়া ঘুম পাড়াইতে বসে, কিন্তু পারে না। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * বলা যেতে পারে, ভর ব্যবধানই হলো সেই কারণ যার জন্য আমরা চিরায়ত অরৈখিক ইয়াং-মিলস তরঙ্গ দেখতে পাই না। এগুলো কেবল অগম্য পরিস্থিতিতেই ভালো আনুমানিক ধারণা দেয়। আমি আমার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় এই আশায় কাটিয়েছি যে, চতুর্মাত্রিক গেজ তত্ত্বে ভর ব্যবধানকে পরিমাণগতভাবে বোঝার মতো সত্যিই যদি ভালো একটি উপায় থাকত। আমি আশা করি, এই সমস্যার একদিন সমাধান হবে। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=এডওয়ার্ড উইটেন|শিরোনাম=গেজ তত্ত্বের সমস্যা|ইউআরএল=https://arxiv.org/pdf/0812.4512.pdf|তারিখ=২০০৮ |ভাষা=ইংরাজি}} * সমুদ্রে চলিতে চলিতে প্রতি বৎসরই কত জাহাজ ডুবিয়া মরে। কেহ মরে ঝড় তুফানে, কেহ মরে ঢেউয়ের ঝাপটায়, কেহ মরে পাহাড়ের গুঁতায়, আর কেহ মরে অন্য জাহাজের ধাক্কা লাগিয়া—যুদ্ধের কথা নাহয় ছাড়িয়াই দিলাম। এইরকম কত উপায়ে জাহাজ মরিতেছে তাহার ঠিকানাই নাই। ** [[সুকুমার রায়]], জাহাজ ডুবি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৬-২০৭ * যাঁহারা বাঙ্গালার নদীবর্গে নৌকারোহণ করিতে ভীত, সাগরোর্ম্মির পরিমাণ সম্বন্ধে তাঁহাদের কিরূপ অনুমান, তাহা বলিতে পারি না। উপকথায় “তালগাছ প্রমাণ ঢেউ” শুনা যায়—কিন্তু কেহ তাহা বিশ্বাস করে না। সমুদ্রে তদপেক্ষা উচ্চতর ঢেউ উঠিয়া থাকে। ফিণ্ডে সাহেব লিখেন, ১৮৪৩ অব্দে কর্ম্বালেয় নিকট ৩০০ ফিট অর্থাৎ ২০০ হাত উচ্চ ঢেউ উঠিয়াছিল। ১৮২০ সালে নরওয়ে প্রদেশের নিকট ৪০০ ফিট পরিমিত ঢেউ উঠিয়াছিল। সমুদ্রের ঢেউ অনেক দূর চলে। উত্তমাশা অন্তরীপে উদ্ভূত মগ্ন তরঙ্গ তিন সহস্র মাইল দূরস্থ উপদ্বীপে প্রহৃত হইয়া থাকে। ** [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], সমুদ্র-তরঙ্গ, বিজ্ঞানরহস্য- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দ (১২৯১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২ * হয়তো বা [[হাঁস]] হবো – কিশোরীর – ঘুঙুর রহিবে লাল পায়<br/>সারাদিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধভরা জলে ভেসে ভেসে।<br/>আবার আসিব আমি বাংলার [[নদী]] মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে <br/> জলঙ্গীর ঢেউ এ ভেজা বাংলারি সবুজ করুণ ডাঙ্গায়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * তুমি যখন কথা বল তখন তোমার গলার আওয়াজ চারিদিকে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। যতদূর পর্যন্ত সে আওয়াজ যায় ততদূর পর্যন্ত বাতাসে নানারকম ঢেউ খেতিয়ে যায়। মোটা গলার বড়ো-বড়ো ঢেউ সরু গলার ছোটো-ছোটো ঢেউ। চেঁচিয়ে বললে বাতাসে জোরে জোরে ঢেউয়ের ধাক্কা লাগে, আস্তে বললে সে ঢেউ বাতাস ঠেলে বেশি দূর এগোতেই পারে না। কিন্তু যেমন করেই কথা বল আর যত জোরেই বল, খানিক দূর পর্যন্ত গিয়ে সে ঢেউ আপনি মিলিয়ে যাবে। তার পরে আর তোমার আওয়াজ পৌঁছবে না। ** [[সুকুমার রায়]], আকাশবাণীর কল, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮৫ * আবছায়া চারিদিক, ঝাপসা নিঝুম,<br>পউষের ভোরবেলা—ভেঙে গেল ঘুম।<br>উষার দুয়ারে এক তুষারের ঢেউ<br>কখন পড়েছে ভেঙে, জানে না তা কেউ। ** [[সুনির্মল বসু]], শীতের সকাল, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭১ * ‘নই ঘোড়া, নই হাতি, নই সাপ বিচ্ছু,<br/>মৌমাছি প্রজাপতি নই আমি কিচ্ছু।<br/>মাছ ব্যাঙ গাছপাতা জলমাটি ঢেউ নই,<br/>নই জুতা নই ছাতা, আমি তবে কেউ নই!’ ** [[সুকুমার রায়]], কিম্ভূত, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ * ঢেউয়ের গায়ে ঢেউগুলো সব গড়ায় ফুলে ফুলে,<br>পুবের চরে কাশের মাথা উঠছে দুলে দুলে।<br>ঈশান কোণে উড়তি বালি আকাশখানা ছেয়ে<br>হু হু করে আসছে ছুটে ধেয়ে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ঝড়, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, পৃষ্ঠা ১৩ * হে পর্বত, যত নদী করি নিরীক্ষণ,<br>তোমাতেই করে তারা জনম গ্রহণ।<br>ছোট বড় ঢেউ সব তাদের উপরে<br>কল কল শব্দ করি সবে ক্রীড়া করে,<br>নদী বেঁকে চুরে যায় দেশে দেশে,<br>সাগরেতে পড়ে গিয়া সকলের শেষে। ** [[সুকুমার রায়]], নদী, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * এসো ঢেউ বড়ো ঢেউ মেজো ঢেউ কুনো ঢেউ এসো<br>ঘুমন্ত তীরের দিকে<br>ছুটে এসো, নুলিয়ার শাদা টুপি খুলে নাও আজ<br>আর ম্রিয়মাণ মানুষের মুখে গুঁজে দাও<br>কুচো-চিংড়ি, ঝিনুকের ছানা-পোনা— ** [[তপোধীর ভট্টাচার্য]], সাগর স্নান, কবিতাসংগ্রহ- তপোধীর ভট্টাচার্য, প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- এবং মুশায়েরা, কলকাতা, প্রকাশসাল-২০০৪ খ্রিস্টাব্দ (১৪১১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া|তরঙ্গ}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Waves}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞান]] 471c37snvd4067g45zmh7pljpsh2hzr 78630 78628 2026-04-19T15:49:05Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 78630 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:ঢেউ|ঢেউ]]''' বা '''তরঙ্গ''' হলো জল বা অন্য কোনো মাধ্যমে সৃষ্ট কম্পনরত আন্দোলন, যা শক্তি স্থানান্তর করে। এটি সাধারণত বাতাস এবং জলের কণার মধ্যকার ঘর্ষণের ফলে তৈরি হয়, যেখানে শক্তিশালী বাতাসে ঢেউয়ের আকার বড় হয়। সাগরে ঢেউ তৈরির প্রধান কারণ হলো সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া বাতাস। সমুদ্রের বুকে সৃষ্ট উঁচু-নিচু ঢেউ বা তরঙ্গ বৈজ্ঞানিকভাবে জলরাশির একটি পর্যায়বৃত্তিক আন্দোলন। ঢেউকে হিল্লোল, ঊর্মি বা লহরীও বলা হয়। জল তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, আলো তরঙ্গ প্রভৃতি নানা ধরনের তরঙ্গ বা ঢেউ হতে পারে। == উক্তি == * উঠিছে ঢেউ, পড়ে ঢেউ, গণিবে কেবা কত।<br>ভাসিছে শত গ্রহ তারা, ডুবিছে শত শত।<br>ঢেউয়ের পরে খেলা করে আলোকে আঁধারেতে,<br>জলের কোলে লুকোচুরি জীবনে মরণেতে।<br>শতেক কোটি গ্রহ তারা যে স্রোতে তৃণপ্রায়,<br>সে স্রোতমাঝে অবহেলে ঢালিয়া দিব কায়। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], স্রোত, কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, প্রয়াগরাজ, প্রকাশসাল- ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩২২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৩ * তরঙ্গ বিষয়ক অধ্যয়ন বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের প্রায় প্রতিটি শাখার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বস্তুত, দৈনন্দিন জীবনেও তরঙ্গের গুরুত্ব রয়েছে। শব্দতরঙ্গের সাহায্যে আমরা শুনতে পাই এবং তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের সাহায্যে আমরা দেখতে পাই। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=ডি. এস. ড্রামহেলার|শিরোনাম=অরৈখিক তরল ও কঠিন পদার্থে তরঙ্গ সঞ্চালনের ভূমিকা|ইউআরএল=http://books.google.com/books?id=HE9w5i7wjBcC&pg=PA1|তারিখ=১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮|প্রকাশক=কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস|আইএসবিএন=978-0-521-58746-4|পাতা=১|ভাষা=ইংরাজি}} * তিতাস একটি নদীর নাম। তার কূলজোড়া জল, বুকভরা ঢেউ, প্রাণভরা উচ্ছ্বাস। স্বপ্নের ছন্দে সে বহিয়া যায়। ভোরের হাওয়ায় তার তন্দ্রা ভাঙ্গে, দিনের সূর্য তাকে তাতায়; রাতে চাঁদ ও তারারা তাকে নিয়া ঘুম পাড়াইতে বসে, কিন্তু পারে না। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * বলা যেতে পারে, ভর ব্যবধানই হলো সেই কারণ যার জন্য আমরা চিরায়ত অরৈখিক ইয়াং-মিলস তরঙ্গ দেখতে পাই না। এগুলো কেবল অগম্য পরিস্থিতিতেই ভালো আনুমানিক ধারণা দেয়। আমি আমার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় এই আশায় কাটিয়েছি যে, চতুর্মাত্রিক গেজ তত্ত্বে ভর ব্যবধানকে পরিমাণগতভাবে বোঝার মতো সত্যিই যদি ভালো একটি উপায় থাকত। আমি আশা করি, এই সমস্যার একদিন সমাধান হবে। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=এডওয়ার্ড উইটেন|শিরোনাম=গেজ তত্ত্বের সমস্যা|ইউআরএল=https://arxiv.org/pdf/0812.4512.pdf|তারিখ=২০০৮ |ভাষা=ইংরাজি}} * সমুদ্রে চলিতে চলিতে প্রতি বৎসরই কত জাহাজ ডুবিয়া মরে। কেহ মরে ঝড় তুফানে, কেহ মরে ঢেউয়ের ঝাপটায়, কেহ মরে পাহাড়ের গুঁতায়, আর কেহ মরে অন্য জাহাজের ধাক্কা লাগিয়া—যুদ্ধের কথা নাহয় ছাড়িয়াই দিলাম। এইরকম কত উপায়ে জাহাজ মরিতেছে তাহার ঠিকানাই নাই। ** [[সুকুমার রায়]], জাহাজ ডুবি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৬-২০৭ * যাঁহারা বাঙ্গালার নদীবর্গে নৌকারোহণ করিতে ভীত, সাগরোর্ম্মির পরিমাণ সম্বন্ধে তাঁহাদের কিরূপ অনুমান, তাহা বলিতে পারি না। উপকথায় “তালগাছ প্রমাণ ঢেউ” শুনা যায়—কিন্তু কেহ তাহা বিশ্বাস করে না। সমুদ্রে তদপেক্ষা উচ্চতর ঢেউ উঠিয়া থাকে। ফিণ্ডে সাহেব লিখেন, ১৮৪৩ অব্দে কর্ম্বালেয় নিকট ৩০০ ফিট অর্থাৎ ২০০ হাত উচ্চ ঢেউ উঠিয়াছিল। ১৮২০ সালে নরওয়ে প্রদেশের নিকট ৪০০ ফিট পরিমিত ঢেউ উঠিয়াছিল। সমুদ্রের ঢেউ অনেক দূর চলে। উত্তমাশা অন্তরীপে উদ্ভূত মগ্ন তরঙ্গ তিন সহস্র মাইল দূরস্থ উপদ্বীপে প্রহৃত হইয়া থাকে। ** [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], সমুদ্র-তরঙ্গ, বিজ্ঞানরহস্য- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দ (১২৯১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২ * হয়তো বা [[হাঁস]] হবো – কিশোরীর – ঘুঙুর রহিবে লাল পায়<br/>সারাদিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধভরা জলে ভেসে ভেসে।<br/>আবার আসিব আমি বাংলার [[নদী]] মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে <br/> জলঙ্গীর ঢেউ এ ভেজা বাংলারি সবুজ করুণ ডাঙ্গায়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * তুমি যখন কথা বল তখন তোমার গলার আওয়াজ চারিদিকে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। যতদূর পর্যন্ত সে আওয়াজ যায় ততদূর পর্যন্ত বাতাসে নানারকম ঢেউ খেতিয়ে যায়। মোটা গলার বড়ো-বড়ো ঢেউ সরু গলার ছোটো-ছোটো ঢেউ। চেঁচিয়ে বললে বাতাসে জোরে জোরে ঢেউয়ের ধাক্কা লাগে, আস্তে বললে সে ঢেউ বাতাস ঠেলে বেশি দূর এগোতেই পারে না। কিন্তু যেমন করেই কথা বল আর যত জোরেই বল, খানিক দূর পর্যন্ত গিয়ে সে ঢেউ আপনি মিলিয়ে যাবে। তার পরে আর তোমার আওয়াজ পৌঁছবে না। ** [[সুকুমার রায়]], আকাশবাণীর কল, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮৫ * আবছায়া চারিদিক, ঝাপসা নিঝুম,<br>পউষের ভোরবেলা—ভেঙে গেল ঘুম।<br>উষার দুয়ারে এক তুষারের ঢেউ<br>কখন পড়েছে ভেঙে, জানে না তা কেউ। ** [[সুনির্মল বসু]], শীতের সকাল, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭১ * ‘নই ঘোড়া, নই হাতি, নই সাপ বিচ্ছু,<br/>মৌমাছি প্রজাপতি নই আমি কিচ্ছু।<br/>মাছ ব্যাঙ গাছপাতা জলমাটি ঢেউ নই,<br/>নই জুতা নই ছাতা, আমি তবে কেউ নই!’ ** [[সুকুমার রায়]], কিম্ভূত, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ * বাতাসে আমাদের নৌকাখানি কিনারার দিকে চলিল, এমন সময়, হঠাৎ এক বিশাল ঢেউ আসিয়া সেই নৌকা উণ্টাইয়া দিল,—আর আমরা সমুদ্রের লোণা জলে হাবু ডুবু খাইতে লাগিলাম। একটা ঢেউ আসিয়া খুব জোরে আমাকে কিনারার দিকে ঠেলিয়া লইয়া, এক পাথরের চিবির উপর আছড়াইয়া ফেলিল। আমি পাথর আঁকড়াইয়া ধরিয়া ঢিবির উপর পড়িয়া রহিলাম। ** ড্যানিয়েল ডিফো, রবিন্সন্‌ ক্রুসো- ড্যানিয়েল ডিফো, অনুবাদক- অজ্ঞাত, প্রকাশক- সিটী বুক সোসাইটী, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * ঢেউয়ের গায়ে ঢেউগুলো সব গড়ায় ফুলে ফুলে,<br>পুবের চরে কাশের মাথা উঠছে দুলে দুলে।<br>ঈশান কোণে উড়তি বালি আকাশখানা ছেয়ে<br>হু হু করে আসছে ছুটে ধেয়ে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ঝড়, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * হে পর্বত, যত নদী করি নিরীক্ষণ,<br>তোমাতেই করে তারা জনম গ্রহণ।<br>ছোট বড় ঢেউ সব তাদের উপরে<br>কল কল শব্দ করি সবে ক্রীড়া করে,<br>নদী বেঁকে চুরে যায় দেশে দেশে,<br>সাগরেতে পড়ে গিয়া সকলের শেষে। ** [[সুকুমার রায়]], নদী, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * এসো ঢেউ বড়ো ঢেউ মেজো ঢেউ কুনো ঢেউ এসো<br>ঘুমন্ত তীরের দিকে<br>ছুটে এসো, নুলিয়ার শাদা টুপি খুলে নাও আজ<br>আর ম্রিয়মাণ মানুষের মুখে গুঁজে দাও<br>কুচো-চিংড়ি, ঝিনুকের ছানা-পোনা— ** [[তপোধীর ভট্টাচার্য]], সাগর স্নান, কবিতাসংগ্রহ- তপোধীর ভট্টাচার্য, প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- এবং মুশায়েরা, কলকাতা, প্রকাশসাল-২০০৪ খ্রিস্টাব্দ (১৪১১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া|তরঙ্গ}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Waves}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞান]] cvc40nlkdgxsj3r4nnvc190i5p5u9bl 78633 78630 2026-04-19T15:56:35Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 78633 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:ঢেউ|ঢেউ]]''' বা '''তরঙ্গ''' হলো জল বা অন্য কোনো মাধ্যমে সৃষ্ট কম্পনরত আন্দোলন, যা শক্তি স্থানান্তর করে। এটি সাধারণত বাতাস এবং জলের কণার মধ্যকার ঘর্ষণের ফলে তৈরি হয়, যেখানে শক্তিশালী বাতাসে ঢেউয়ের আকার বড় হয়। সাগরে ঢেউ তৈরির প্রধান কারণ হলো সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া বাতাস। সমুদ্রের বুকে সৃষ্ট উঁচু-নিচু ঢেউ বা তরঙ্গ বৈজ্ঞানিকভাবে জলরাশির একটি পর্যায়বৃত্তিক আন্দোলন। ঢেউকে হিল্লোল, ঊর্মি বা লহরীও বলা হয়। জল তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, আলো তরঙ্গ প্রভৃতি নানা ধরনের তরঙ্গ বা ঢেউ হতে পারে। == উক্তি == * উঠিছে ঢেউ, পড়ে ঢেউ, গণিবে কেবা কত।<br>ভাসিছে শত গ্রহ তারা, ডুবিছে শত শত।<br>ঢেউয়ের পরে খেলা করে আলোকে আঁধারেতে,<br>জলের কোলে লুকোচুরি জীবনে মরণেতে।<br>শতেক কোটি গ্রহ তারা যে স্রোতে তৃণপ্রায়,<br>সে স্রোতমাঝে অবহেলে ঢালিয়া দিব কায়। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], স্রোত, কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, প্রয়াগরাজ, প্রকাশসাল- ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩২২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৩ * তরঙ্গ বিষয়ক অধ্যয়ন বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের প্রায় প্রতিটি শাখার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বস্তুত, দৈনন্দিন জীবনেও তরঙ্গের গুরুত্ব রয়েছে। শব্দতরঙ্গের সাহায্যে আমরা শুনতে পাই এবং তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের সাহায্যে আমরা দেখতে পাই। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=ডি. এস. ড্রামহেলার|শিরোনাম=অরৈখিক তরল ও কঠিন পদার্থে তরঙ্গ সঞ্চালনের ভূমিকা|ইউআরএল=http://books.google.com/books?id=HE9w5i7wjBcC&pg=PA1|তারিখ=১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮|প্রকাশক=কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস|আইএসবিএন=978-0-521-58746-4|পাতা=১|ভাষা=ইংরাজি}} * তিতাস একটি নদীর নাম। তার কূলজোড়া জল, বুকভরা ঢেউ, প্রাণভরা উচ্ছ্বাস। স্বপ্নের ছন্দে সে বহিয়া যায়। ভোরের হাওয়ায় তার তন্দ্রা ভাঙ্গে, দিনের সূর্য তাকে তাতায়; রাতে চাঁদ ও তারারা তাকে নিয়া ঘুম পাড়াইতে বসে, কিন্তু পারে না। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * বলা যেতে পারে, ভর ব্যবধানই হলো সেই কারণ যার জন্য আমরা চিরায়ত অরৈখিক ইয়াং-মিলস তরঙ্গ দেখতে পাই না। এগুলো কেবল অগম্য পরিস্থিতিতেই ভালো আনুমানিক ধারণা দেয়। আমি আমার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় এই আশায় কাটিয়েছি যে, চতুর্মাত্রিক গেজ তত্ত্বে ভর ব্যবধানকে পরিমাণগতভাবে বোঝার মতো সত্যিই যদি ভালো একটি উপায় থাকত। আমি আশা করি, এই সমস্যার একদিন সমাধান হবে। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=এডওয়ার্ড উইটেন|শিরোনাম=গেজ তত্ত্বের সমস্যা|ইউআরএল=https://arxiv.org/pdf/0812.4512.pdf|তারিখ=২০০৮ |ভাষা=ইংরাজি}} * সমুদ্রে চলিতে চলিতে প্রতি বৎসরই কত জাহাজ ডুবিয়া মরে। কেহ মরে ঝড় তুফানে, কেহ মরে ঢেউয়ের ঝাপটায়, কেহ মরে পাহাড়ের গুঁতায়, আর কেহ মরে অন্য জাহাজের ধাক্কা লাগিয়া—যুদ্ধের কথা নাহয় ছাড়িয়াই দিলাম। এইরকম কত উপায়ে জাহাজ মরিতেছে তাহার ঠিকানাই নাই। ** [[সুকুমার রায়]], জাহাজ ডুবি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৬-২০৭ * যাঁহারা বাঙ্গালার নদীবর্গে নৌকারোহণ করিতে ভীত, সাগরোর্ম্মির পরিমাণ সম্বন্ধে তাঁহাদের কিরূপ অনুমান, তাহা বলিতে পারি না। উপকথায় “তালগাছ প্রমাণ ঢেউ” শুনা যায়—কিন্তু কেহ তাহা বিশ্বাস করে না। সমুদ্রে তদপেক্ষা উচ্চতর ঢেউ উঠিয়া থাকে। ফিণ্ডে সাহেব লিখেন, ১৮৪৩ অব্দে কর্ম্বালেয় নিকট ৩০০ ফিট অর্থাৎ ২০০ হাত উচ্চ ঢেউ উঠিয়াছিল। ১৮২০ সালে নরওয়ে প্রদেশের নিকট ৪০০ ফিট পরিমিত ঢেউ উঠিয়াছিল। সমুদ্রের ঢেউ অনেক দূর চলে। উত্তমাশা অন্তরীপে উদ্ভূত মগ্ন তরঙ্গ তিন সহস্র মাইল দূরস্থ উপদ্বীপে প্রহৃত হইয়া থাকে। ** [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], সমুদ্র-তরঙ্গ, বিজ্ঞানরহস্য- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দ (১২৯১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২ * হয়তো বা [[হাঁস]] হবো – কিশোরীর – ঘুঙুর রহিবে লাল পায়<br/>সারাদিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধভরা জলে ভেসে ভেসে।<br/>আবার আসিব আমি বাংলার [[নদী]] মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে <br/> জলঙ্গীর ঢেউ এ ভেজা বাংলারি সবুজ করুণ ডাঙ্গায়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * আলোর ঢেউয়ের কথাই বুঝে নেওয়া যাক। এই ঢেউ একটিমাত্র ঢেউয়ের ধারা নয়। এর সঙ্গে অনেক ঢেউ দল বেঁধেছে। কতকগুলি চোখে পড়ে, অনেকগুলি পড়ে না। এইখানে ব’লে রাখা ভালো, যে-আলো চোখে পড়ে না, চলতি ভাষায় তাকে আলো বলে না। কিন্তু দৃশ্যই হোক অদৃশ্যই হোক, একটা কোনো শক্তির এই ধরনের ঢেউ-খেলিয়ে চলাই যখন উভয়েরই স্বভাব, তখন বিশ্বতত্ত্বের বইয়ে ওদের পৃথক নাম অসংগত। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পরমাণুলোক, বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০ * তুমি যখন কথা বল তখন তোমার গলার আওয়াজ চারিদিকে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। যতদূর পর্যন্ত সে আওয়াজ যায় ততদূর পর্যন্ত বাতাসে নানারকম ঢেউ খেতিয়ে যায়। মোটা গলার বড়ো-বড়ো ঢেউ সরু গলার ছোটো-ছোটো ঢেউ। চেঁচিয়ে বললে বাতাসে জোরে জোরে ঢেউয়ের ধাক্কা লাগে, আস্তে বললে সে ঢেউ বাতাস ঠেলে বেশি দূর এগোতেই পারে না। কিন্তু যেমন করেই কথা বল আর যত জোরেই বল, খানিক দূর পর্যন্ত গিয়ে সে ঢেউ আপনি মিলিয়ে যাবে। তার পরে আর তোমার আওয়াজ পৌঁছবে না। ** [[সুকুমার রায়]], আকাশবাণীর কল, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮৫ * আবছায়া চারিদিক, ঝাপসা নিঝুম,<br>পউষের ভোরবেলা—ভেঙে গেল ঘুম।<br>উষার দুয়ারে এক তুষারের ঢেউ<br>কখন পড়েছে ভেঙে, জানে না তা কেউ। ** [[সুনির্মল বসু]], শীতের সকাল, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭১ * ‘নই ঘোড়া, নই হাতি, নই সাপ বিচ্ছু,<br/>মৌমাছি প্রজাপতি নই আমি কিচ্ছু।<br/>মাছ ব্যাঙ গাছপাতা জলমাটি ঢেউ নই,<br/>নই জুতা নই ছাতা, আমি তবে কেউ নই!’ ** [[সুকুমার রায়]], কিম্ভূত, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ * বাতাসে আমাদের নৌকাখানি কিনারার দিকে চলিল, এমন সময়, হঠাৎ এক বিশাল ঢেউ আসিয়া সেই নৌকা উণ্টাইয়া দিল,—আর আমরা সমুদ্রের লোণা জলে হাবু ডুবু খাইতে লাগিলাম। একটা ঢেউ আসিয়া খুব জোরে আমাকে কিনারার দিকে ঠেলিয়া লইয়া, এক পাথরের চিবির উপর আছড়াইয়া ফেলিল। আমি পাথর আঁকড়াইয়া ধরিয়া ঢিবির উপর পড়িয়া রহিলাম। ** ড্যানিয়েল ডিফো, রবিন্সন্‌ ক্রুসো- ড্যানিয়েল ডিফো, অনুবাদক- অজ্ঞাত, প্রকাশক- সিটী বুক সোসাইটী, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * ঢেউয়ের গায়ে ঢেউগুলো সব গড়ায় ফুলে ফুলে,<br>পুবের চরে কাশের মাথা উঠছে দুলে দুলে।<br>ঈশান কোণে উড়তি বালি আকাশখানা ছেয়ে<br>হু হু করে আসছে ছুটে ধেয়ে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ঝড়, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * হে পর্বত, যত নদী করি নিরীক্ষণ,<br>তোমাতেই করে তারা জনম গ্রহণ।<br>ছোট বড় ঢেউ সব তাদের উপরে<br>কল কল শব্দ করি সবে ক্রীড়া করে,<br>নদী বেঁকে চুরে যায় দেশে দেশে,<br>সাগরেতে পড়ে গিয়া সকলের শেষে। ** [[সুকুমার রায়]], নদী, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * এসো ঢেউ বড়ো ঢেউ মেজো ঢেউ কুনো ঢেউ এসো<br>ঘুমন্ত তীরের দিকে<br>ছুটে এসো, নুলিয়ার শাদা টুপি খুলে নাও আজ<br>আর ম্রিয়মাণ মানুষের মুখে গুঁজে দাও<br>কুচো-চিংড়ি, ঝিনুকের ছানা-পোনা— ** [[তপোধীর ভট্টাচার্য]], সাগর স্নান, কবিতাসংগ্রহ- তপোধীর ভট্টাচার্য, প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- এবং মুশায়েরা, কলকাতা, প্রকাশসাল-২০০৪ খ্রিস্টাব্দ (১৪১১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া|তরঙ্গ}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Waves}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞান]] refbbqu1lh3wq4x2zba1pvl8mkyzaag 78634 78633 2026-04-19T15:59:16Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 78634 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:ঢেউ|ঢেউ]]''' বা '''তরঙ্গ''' হলো জল বা অন্য কোনো মাধ্যমে সৃষ্ট কম্পনরত আন্দোলন, যা শক্তি স্থানান্তর করে। এটি সাধারণত বাতাস এবং জলের কণার মধ্যকার ঘর্ষণের ফলে তৈরি হয়, যেখানে শক্তিশালী বাতাসে ঢেউয়ের আকার বড় হয়। সাগরে ঢেউ তৈরির প্রধান কারণ হলো সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া বাতাস। সমুদ্রের বুকে সৃষ্ট উঁচু-নিচু ঢেউ বা তরঙ্গ বৈজ্ঞানিকভাবে জলরাশির একটি পর্যায়বৃত্তিক আন্দোলন। ঢেউকে হিল্লোল, ঊর্মি বা লহরীও বলা হয়। জল তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, আলো তরঙ্গ প্রভৃতি নানা ধরনের তরঙ্গ বা ঢেউ হতে পারে। == উক্তি == * উঠিছে ঢেউ, পড়ে ঢেউ, গণিবে কেবা কত।<br>ভাসিছে শত গ্রহ তারা, ডুবিছে শত শত।<br>ঢেউয়ের পরে খেলা করে আলোকে আঁধারেতে,<br>জলের কোলে লুকোচুরি জীবনে মরণেতে।<br>শতেক কোটি গ্রহ তারা যে স্রোতে তৃণপ্রায়,<br>সে স্রোতমাঝে অবহেলে ঢালিয়া দিব কায়। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], স্রোত, কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, প্রয়াগরাজ, প্রকাশসাল- ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩২২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৩ * তরঙ্গ বিষয়ক অধ্যয়ন বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের প্রায় প্রতিটি শাখার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বস্তুত, দৈনন্দিন জীবনেও তরঙ্গের গুরুত্ব রয়েছে। শব্দতরঙ্গের সাহায্যে আমরা শুনতে পাই এবং তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের সাহায্যে আমরা দেখতে পাই। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=ডি. এস. ড্রামহেলার|শিরোনাম=অরৈখিক তরল ও কঠিন পদার্থে তরঙ্গ সঞ্চালনের ভূমিকা|ইউআরএল=http://books.google.com/books?id=HE9w5i7wjBcC&pg=PA1|তারিখ=১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮|প্রকাশক=কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস|আইএসবিএন=978-0-521-58746-4|পাতা=১|ভাষা=ইংরাজি}} * তিতাস একটি নদীর নাম। তার কূলজোড়া জল, বুকভরা ঢেউ, প্রাণভরা উচ্ছ্বাস। স্বপ্নের ছন্দে সে বহিয়া যায়। ভোরের হাওয়ায় তার তন্দ্রা ভাঙ্গে, দিনের সূর্য তাকে তাতায়; রাতে চাঁদ ও তারারা তাকে নিয়া ঘুম পাড়াইতে বসে, কিন্তু পারে না। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * বলা যেতে পারে, ভর ব্যবধানই হলো সেই কারণ যার জন্য আমরা চিরায়ত অরৈখিক ইয়াং-মিলস তরঙ্গ দেখতে পাই না। এগুলো কেবল অগম্য পরিস্থিতিতেই ভালো আনুমানিক ধারণা দেয়। আমি আমার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় এই আশায় কাটিয়েছি যে, চতুর্মাত্রিক গেজ তত্ত্বে ভর ব্যবধানকে পরিমাণগতভাবে বোঝার মতো সত্যিই যদি ভালো একটি উপায় থাকত। আমি আশা করি, এই সমস্যার একদিন সমাধান হবে। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=এডওয়ার্ড উইটেন|শিরোনাম=গেজ তত্ত্বের সমস্যা|ইউআরএল=https://arxiv.org/pdf/0812.4512.pdf|তারিখ=২০০৮ |ভাষা=ইংরাজি}} * সমুদ্রে চলিতে চলিতে প্রতি বৎসরই কত জাহাজ ডুবিয়া মরে। কেহ মরে ঝড় তুফানে, কেহ মরে ঢেউয়ের ঝাপটায়, কেহ মরে পাহাড়ের গুঁতায়, আর কেহ মরে অন্য জাহাজের ধাক্কা লাগিয়া—যুদ্ধের কথা নাহয় ছাড়িয়াই দিলাম। এইরকম কত উপায়ে জাহাজ মরিতেছে তাহার ঠিকানাই নাই। ** [[সুকুমার রায়]], জাহাজ ডুবি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৬-২০৭ * যাঁহারা বাঙ্গালার নদীবর্গে নৌকারোহণ করিতে ভীত, সাগরোর্ম্মির পরিমাণ সম্বন্ধে তাঁহাদের কিরূপ অনুমান, তাহা বলিতে পারি না। উপকথায় “তালগাছ প্রমাণ ঢেউ” শুনা যায়—কিন্তু কেহ তাহা বিশ্বাস করে না। সমুদ্রে তদপেক্ষা উচ্চতর ঢেউ উঠিয়া থাকে। ফিণ্ডে সাহেব লিখেন, ১৮৪৩ অব্দে কর্ম্বালেয় নিকট ৩০০ ফিট অর্থাৎ ২০০ হাত উচ্চ ঢেউ উঠিয়াছিল। ১৮২০ সালে নরওয়ে প্রদেশের নিকট ৪০০ ফিট পরিমিত ঢেউ উঠিয়াছিল। সমুদ্রের ঢেউ অনেক দূর চলে। উত্তমাশা অন্তরীপে উদ্ভূত মগ্ন তরঙ্গ তিন সহস্র মাইল দূরস্থ উপদ্বীপে প্রহৃত হইয়া থাকে। ** [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], সমুদ্র-তরঙ্গ, বিজ্ঞানরহস্য- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দ (১২৯১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২ * হয়তো বা [[হাঁস]] হবো – কিশোরীর – ঘুঙুর রহিবে লাল পায়<br/>সারাদিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধভরা জলে ভেসে ভেসে।<br/>আবার আসিব আমি বাংলার [[নদী]] মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে <br/> জলঙ্গীর ঢেউ এ ভেজা বাংলারি সবুজ করুণ ডাঙ্গায়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * আলোর ঢেউয়ের কথাই বুঝে নেওয়া যাক। এই ঢেউ একটিমাত্র ঢেউয়ের ধারা নয়। এর সঙ্গে অনেক ঢেউ দল বেঁধেছে। কতকগুলি চোখে পড়ে, অনেকগুলি পড়ে না। এইখানে ব’লে রাখা ভালো, যে-আলো চোখে পড়ে না, চলতি ভাষায় তাকে আলো বলে না। কিন্তু দৃশ্যই হোক অদৃশ্যই হোক, একটা কোনো শক্তির এই ধরনের ঢেউ-খেলিয়ে চলাই যখন উভয়েরই স্বভাব, তখন বিশ্বতত্ত্বের বইয়ে ওদের পৃথক নাম অসংগত। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পরমাণুলোক, বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০ * তুমি যখন কথা বল তখন তোমার গলার আওয়াজ চারিদিকে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। যতদূর পর্যন্ত সে আওয়াজ যায় ততদূর পর্যন্ত বাতাসে নানারকম ঢেউ খেতিয়ে যায়। মোটা গলার বড়ো-বড়ো ঢেউ সরু গলার ছোটো-ছোটো ঢেউ। চেঁচিয়ে বললে বাতাসে জোরে জোরে ঢেউয়ের ধাক্কা লাগে, আস্তে বললে সে ঢেউ বাতাস ঠেলে বেশি দূর এগোতেই পারে না। কিন্তু যেমন করেই কথা বল আর যত জোরেই বল, খানিক দূর পর্যন্ত গিয়ে সে ঢেউ আপনি মিলিয়ে যাবে। তার পরে আর তোমার আওয়াজ পৌঁছবে না। ** [[সুকুমার রায়]], আকাশবাণীর কল, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮৫ * আবছায়া চারিদিক, ঝাপসা নিঝুম,<br>পউষের ভোরবেলা—ভেঙে গেল ঘুম।<br>উষার দুয়ারে এক তুষারের ঢেউ<br>কখন পড়েছে ভেঙে, জানে না তা কেউ। ** [[সুনির্মল বসু]], শীতের সকাল, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭১ * আলোর ঢেউয়ের আপন দলের আরো একটি ঢেউ আছে, সেটা চোখে দেখিনে, স্পর্শে বুঝি। সেটা তাপের ঢেউ। সৃষ্টির কাজে তার খুবই প্রতাপ। এমনিতরো আলোর ঢেউজাতীয় নানা পদার্থের কোনোটা দেখা যায়, কোনোটা স্পর্শে বোঝা যায়, কোনোটাকে স্পষ্ট আলোরূপে জানি আবার সঙ্গে সঙ্গেই তাপরূপেও বুঝি, কোনোটাকে দেখাও যায় না, স্পর্শেও পাওয়া যায় না। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পরমাণুলোক, বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০ * ‘নই ঘোড়া, নই হাতি, নই সাপ বিচ্ছু,<br/>মৌমাছি প্রজাপতি নই আমি কিচ্ছু।<br/>মাছ ব্যাঙ গাছপাতা জলমাটি ঢেউ নই,<br/>নই জুতা নই ছাতা, আমি তবে কেউ নই!’ ** [[সুকুমার রায়]], কিম্ভূত, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ * বাতাসে আমাদের নৌকাখানি কিনারার দিকে চলিল, এমন সময়, হঠাৎ এক বিশাল ঢেউ আসিয়া সেই নৌকা উণ্টাইয়া দিল,—আর আমরা সমুদ্রের লোণা জলে হাবু ডুবু খাইতে লাগিলাম। একটা ঢেউ আসিয়া খুব জোরে আমাকে কিনারার দিকে ঠেলিয়া লইয়া, এক পাথরের চিবির উপর আছড়াইয়া ফেলিল। আমি পাথর আঁকড়াইয়া ধরিয়া ঢিবির উপর পড়িয়া রহিলাম। ** ড্যানিয়েল ডিফো, রবিন্সন্‌ ক্রুসো- ড্যানিয়েল ডিফো, অনুবাদক- অজ্ঞাত, প্রকাশক- সিটী বুক সোসাইটী, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * ঢেউয়ের গায়ে ঢেউগুলো সব গড়ায় ফুলে ফুলে,<br>পুবের চরে কাশের মাথা উঠছে দুলে দুলে।<br>ঈশান কোণে উড়তি বালি আকাশখানা ছেয়ে<br>হু হু করে আসছে ছুটে ধেয়ে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ঝড়, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * হে পর্বত, যত নদী করি নিরীক্ষণ,<br>তোমাতেই করে তারা জনম গ্রহণ।<br>ছোট বড় ঢেউ সব তাদের উপরে<br>কল কল শব্দ করি সবে ক্রীড়া করে,<br>নদী বেঁকে চুরে যায় দেশে দেশে,<br>সাগরেতে পড়ে গিয়া সকলের শেষে। ** [[সুকুমার রায়]], নদী, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * এসো ঢেউ বড়ো ঢেউ মেজো ঢেউ কুনো ঢেউ এসো<br>ঘুমন্ত তীরের দিকে<br>ছুটে এসো, নুলিয়ার শাদা টুপি খুলে নাও আজ<br>আর ম্রিয়মাণ মানুষের মুখে গুঁজে দাও<br>কুচো-চিংড়ি, ঝিনুকের ছানা-পোনা— ** [[তপোধীর ভট্টাচার্য]], সাগর স্নান, কবিতাসংগ্রহ- তপোধীর ভট্টাচার্য, প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- এবং মুশায়েরা, কলকাতা, প্রকাশসাল-২০০৪ খ্রিস্টাব্দ (১৪১১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া|তরঙ্গ}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Waves}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞান]] eth4q4yt4uogtk3n8w182026wsvfxu3 78635 78634 2026-04-19T16:07:39Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 78635 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:ঢেউ|ঢেউ]]''' বা '''তরঙ্গ''' হলো জল বা অন্য কোনো মাধ্যমে সৃষ্ট কম্পনরত আন্দোলন, যা শক্তি স্থানান্তর করে। এটি সাধারণত বাতাস এবং জলের কণার মধ্যকার ঘর্ষণের ফলে তৈরি হয়, যেখানে শক্তিশালী বাতাসে ঢেউয়ের আকার বড় হয়। সাগরে ঢেউ তৈরির প্রধান কারণ হলো সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া বাতাস। সমুদ্রের বুকে সৃষ্ট উঁচু-নিচু ঢেউ বা তরঙ্গ বৈজ্ঞানিকভাবে জলরাশির একটি পর্যায়বৃত্তিক আন্দোলন। ঢেউকে হিল্লোল, ঊর্মি বা লহরীও বলা হয়। জল তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, আলো তরঙ্গ প্রভৃতি নানা ধরনের তরঙ্গ বা ঢেউ হতে পারে। == উক্তি == * উঠিছে ঢেউ, পড়ে ঢেউ, গণিবে কেবা কত।<br>ভাসিছে শত গ্রহ তারা, ডুবিছে শত শত।<br>ঢেউয়ের পরে খেলা করে আলোকে আঁধারেতে,<br>জলের কোলে লুকোচুরি জীবনে মরণেতে।<br>শতেক কোটি গ্রহ তারা যে স্রোতে তৃণপ্রায়,<br>সে স্রোতমাঝে অবহেলে ঢালিয়া দিব কায়। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], স্রোত, কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, প্রয়াগরাজ, প্রকাশসাল- ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩২২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৩ * তরঙ্গ বিষয়ক অধ্যয়ন বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের প্রায় প্রতিটি শাখার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বস্তুত, দৈনন্দিন জীবনেও তরঙ্গের গুরুত্ব রয়েছে। শব্দতরঙ্গের সাহায্যে আমরা শুনতে পাই এবং তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের সাহায্যে আমরা দেখতে পাই। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=ডি. এস. ড্রামহেলার|শিরোনাম=অরৈখিক তরল ও কঠিন পদার্থে তরঙ্গ সঞ্চালনের ভূমিকা|ইউআরএল=http://books.google.com/books?id=HE9w5i7wjBcC&pg=PA1|তারিখ=১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮|প্রকাশক=কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস|আইএসবিএন=978-0-521-58746-4|পাতা=১|ভাষা=ইংরাজি}} * তিতাস একটি নদীর নাম। তার কূলজোড়া জল, বুকভরা ঢেউ, প্রাণভরা উচ্ছ্বাস। স্বপ্নের ছন্দে সে বহিয়া যায়। ভোরের হাওয়ায় তার তন্দ্রা ভাঙ্গে, দিনের সূর্য তাকে তাতায়; রাতে চাঁদ ও তারারা তাকে নিয়া ঘুম পাড়াইতে বসে, কিন্তু পারে না। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * বলা যেতে পারে, ভর ব্যবধানই হলো সেই কারণ যার জন্য আমরা চিরায়ত অরৈখিক ইয়াং-মিলস তরঙ্গ দেখতে পাই না। এগুলো কেবল অগম্য পরিস্থিতিতেই ভালো আনুমানিক ধারণা দেয়। আমি আমার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় এই আশায় কাটিয়েছি যে, চতুর্মাত্রিক গেজ তত্ত্বে ভর ব্যবধানকে পরিমাণগতভাবে বোঝার মতো সত্যিই যদি ভালো একটি উপায় থাকত। আমি আশা করি, এই সমস্যার একদিন সমাধান হবে। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=এডওয়ার্ড উইটেন|শিরোনাম=গেজ তত্ত্বের সমস্যা|ইউআরএল=https://arxiv.org/pdf/0812.4512.pdf|তারিখ=২০০৮ |ভাষা=ইংরাজি}} * সমুদ্রে চলিতে চলিতে প্রতি বৎসরই কত জাহাজ ডুবিয়া মরে। কেহ মরে ঝড় তুফানে, কেহ মরে ঢেউয়ের ঝাপটায়, কেহ মরে পাহাড়ের গুঁতায়, আর কেহ মরে অন্য জাহাজের ধাক্কা লাগিয়া—যুদ্ধের কথা নাহয় ছাড়িয়াই দিলাম। এইরকম কত উপায়ে জাহাজ মরিতেছে তাহার ঠিকানাই নাই। ** [[সুকুমার রায়]], জাহাজ ডুবি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৬-২০৭ * যাঁহারা বাঙ্গালার নদীবর্গে নৌকারোহণ করিতে ভীত, সাগরোর্ম্মির পরিমাণ সম্বন্ধে তাঁহাদের কিরূপ অনুমান, তাহা বলিতে পারি না। উপকথায় “তালগাছ প্রমাণ ঢেউ” শুনা যায়—কিন্তু কেহ তাহা বিশ্বাস করে না। সমুদ্রে তদপেক্ষা উচ্চতর ঢেউ উঠিয়া থাকে। ফিণ্ডে সাহেব লিখেন, ১৮৪৩ অব্দে কর্ম্বালেয় নিকট ৩০০ ফিট অর্থাৎ ২০০ হাত উচ্চ ঢেউ উঠিয়াছিল। ১৮২০ সালে নরওয়ে প্রদেশের নিকট ৪০০ ফিট পরিমিত ঢেউ উঠিয়াছিল। সমুদ্রের ঢেউ অনেক দূর চলে। উত্তমাশা অন্তরীপে উদ্ভূত মগ্ন তরঙ্গ তিন সহস্র মাইল দূরস্থ উপদ্বীপে প্রহৃত হইয়া থাকে। ** [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], সমুদ্র-তরঙ্গ, বিজ্ঞানরহস্য- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দ (১২৯১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২ * হয়তো বা [[হাঁস]] হবো – কিশোরীর – ঘুঙুর রহিবে লাল পায়<br/>সারাদিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধভরা জলে ভেসে ভেসে।<br/>আবার আসিব আমি বাংলার [[নদী]] মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে <br/> জলঙ্গীর ঢেউ এ ভেজা বাংলারি সবুজ করুণ ডাঙ্গায়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * আলোর ঢেউয়ের কথাই বুঝে নেওয়া যাক। এই ঢেউ একটিমাত্র ঢেউয়ের ধারা নয়। এর সঙ্গে অনেক ঢেউ দল বেঁধেছে। কতকগুলি চোখে পড়ে, অনেকগুলি পড়ে না। এইখানে ব’লে রাখা ভালো, যে-আলো চোখে পড়ে না, চলতি ভাষায় তাকে আলো বলে না। কিন্তু দৃশ্যই হোক অদৃশ্যই হোক, একটা কোনো শক্তির এই ধরনের ঢেউ-খেলিয়ে চলাই যখন উভয়েরই স্বভাব, তখন বিশ্বতত্ত্বের বইয়ে ওদের পৃথক নাম অসংগত। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পরমাণুলোক, বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০ * তুমি যখন কথা বল তখন তোমার গলার আওয়াজ চারিদিকে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। যতদূর পর্যন্ত সে আওয়াজ যায় ততদূর পর্যন্ত বাতাসে নানারকম ঢেউ খেতিয়ে যায়। মোটা গলার বড়ো-বড়ো ঢেউ সরু গলার ছোটো-ছোটো ঢেউ। চেঁচিয়ে বললে বাতাসে জোরে জোরে ঢেউয়ের ধাক্কা লাগে, আস্তে বললে সে ঢেউ বাতাস ঠেলে বেশি দূর এগোতেই পারে না। কিন্তু যেমন করেই কথা বল আর যত জোরেই বল, খানিক দূর পর্যন্ত গিয়ে সে ঢেউ আপনি মিলিয়ে যাবে। তার পরে আর তোমার আওয়াজ পৌঁছবে না। ** [[সুকুমার রায়]], আকাশবাণীর কল, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮৫ * আবছায়া চারিদিক, ঝাপসা নিঝুম,<br>পউষের ভোরবেলা—ভেঙে গেল ঘুম।<br>উষার দুয়ারে এক তুষারের ঢেউ<br>কখন পড়েছে ভেঙে, জানে না তা কেউ। ** [[সুনির্মল বসু]], শীতের সকাল, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭১ * আলোর ঢেউয়ের আপন দলের আরো একটি ঢেউ আছে, সেটা চোখে দেখিনে, স্পর্শে বুঝি। সেটা তাপের ঢেউ। সৃষ্টির কাজে তার খুবই প্রতাপ। এমনিতরো আলোর ঢেউজাতীয় নানা পদার্থের কোনোটা দেখা যায়, কোনোটা স্পর্শে বোঝা যায়, কোনোটাকে স্পষ্ট আলোরূপে জানি আবার সঙ্গে সঙ্গেই তাপরূপেও বুঝি, কোনোটাকে দেখাও যায় না, স্পর্শেও পাওয়া যায় না। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পরমাণুলোক, বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০ * ‘নই ঘোড়া, নই হাতি, নই সাপ বিচ্ছু,<br/>মৌমাছি প্রজাপতি নই আমি কিচ্ছু।<br/>মাছ ব্যাঙ গাছপাতা জলমাটি ঢেউ নই,<br/>নই জুতা নই ছাতা, আমি তবে কেউ নই!’ ** [[সুকুমার রায়]], কিম্ভূত, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ * বাতাসে আমাদের নৌকাখানি কিনারার দিকে চলিল, এমন সময়, হঠাৎ এক বিশাল ঢেউ আসিয়া সেই নৌকা উণ্টাইয়া দিল,—আর আমরা সমুদ্রের লোণা জলে হাবু ডুবু খাইতে লাগিলাম। একটা ঢেউ আসিয়া খুব জোরে আমাকে কিনারার দিকে ঠেলিয়া লইয়া, এক পাথরের চিবির উপর আছড়াইয়া ফেলিল। আমি পাথর আঁকড়াইয়া ধরিয়া ঢিবির উপর পড়িয়া রহিলাম। ** ড্যানিয়েল ডিফো, রবিন্সন্‌ ক্রুসো- ড্যানিয়েল ডিফো, অনুবাদক- অজ্ঞাত, প্রকাশক- সিটী বুক সোসাইটী, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * ঢেউয়ের গায়ে ঢেউগুলো সব গড়ায় ফুলে ফুলে,<br>পুবের চরে কাশের মাথা উঠছে দুলে দুলে।<br>ঈশান কোণে উড়তি বালি আকাশখানা ছেয়ে<br>হু হু করে আসছে ছুটে ধেয়ে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ঝড়, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * সাঁতার-জলে গা ভাসিয়ে, নদীর জলে ঢেউ নাচিয়ে শকুন্তলা গা ধুলে। রঙ্গভরে অঙ্গের শাড়ি জলের উপর বিছিয়ে দিলে; জলের মতো চিকণ আঁচল জলের সঙ্গে মিশে গেল, ঢেউয়ের সঙ্গে গড়িয়ে গেল। সেই সময়ে দুর্বাসার শাপে রাজার সেই আংটি শকুন্তলার চিকণ আঁচলের এক কোণ থেকে অগাধ জলে পড়ে গেল, শকুন্তলা জানতেও পারলে না। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শকুন্তলা - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিতীয় সংস্করণ, আদি ব্রাহ্মসমাজ সংস্করণ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০২ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৫ * হে পর্বত, যত নদী করি নিরীক্ষণ,<br>তোমাতেই করে তারা জনম গ্রহণ।<br>ছোট বড় ঢেউ সব তাদের উপরে<br>কল কল শব্দ করি সবে ক্রীড়া করে,<br>নদী বেঁকে চুরে যায় দেশে দেশে,<br>সাগরেতে পড়ে গিয়া সকলের শেষে। ** [[সুকুমার রায়]], নদী, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * এসো ঢেউ বড়ো ঢেউ মেজো ঢেউ কুনো ঢেউ এসো<br>ঘুমন্ত তীরের দিকে<br>ছুটে এসো, নুলিয়ার শাদা টুপি খুলে নাও আজ<br>আর ম্রিয়মাণ মানুষের মুখে গুঁজে দাও<br>কুচো-চিংড়ি, ঝিনুকের ছানা-পোনা— ** [[তপোধীর ভট্টাচার্য]], সাগর স্নান, কবিতাসংগ্রহ- তপোধীর ভট্টাচার্য, প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- এবং মুশায়েরা, কলকাতা, প্রকাশসাল-২০০৪ খ্রিস্টাব্দ (১৪১১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া|তরঙ্গ}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Waves}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞান]] jruaeg9o51r0biymiv7za35ugw8tfox 78646 78635 2026-04-19T17:42:17Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 78646 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:ঢেউ|ঢেউ]]''' বা '''তরঙ্গ''' হলো জল বা অন্য কোনো মাধ্যমে সৃষ্ট কম্পনরত আন্দোলন, যা শক্তি স্থানান্তর করে। এটি সাধারণত বাতাস এবং জলের কণার মধ্যকার ঘর্ষণের ফলে তৈরি হয়, যেখানে শক্তিশালী বাতাসে ঢেউয়ের আকার বড় হয়। সাগরে ঢেউ তৈরির প্রধান কারণ হলো সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া বাতাস। সমুদ্রের বুকে সৃষ্ট উঁচু-নিচু ঢেউ বা তরঙ্গ বৈজ্ঞানিকভাবে জলরাশির একটি পর্যায়বৃত্তিক আন্দোলন। ঢেউকে হিল্লোল, ঊর্মি বা লহরীও বলা হয়। জল তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, আলো তরঙ্গ প্রভৃতি নানা ধরনের তরঙ্গ বা ঢেউ হতে পারে। == উক্তি == * উঠিছে ঢেউ, পড়ে ঢেউ, গণিবে কেবা কত।<br>ভাসিছে শত গ্রহ তারা, ডুবিছে শত শত।<br>ঢেউয়ের পরে খেলা করে আলোকে আঁধারেতে,<br>জলের কোলে লুকোচুরি জীবনে মরণেতে।<br>শতেক কোটি গ্রহ তারা যে স্রোতে তৃণপ্রায়,<br>সে স্রোতমাঝে অবহেলে ঢালিয়া দিব কায়। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], স্রোত, কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, প্রয়াগরাজ, প্রকাশসাল- ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩২২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৩ * তরঙ্গ বিষয়ক অধ্যয়ন বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের প্রায় প্রতিটি শাখার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বস্তুত, দৈনন্দিন জীবনেও তরঙ্গের গুরুত্ব রয়েছে। শব্দতরঙ্গের সাহায্যে আমরা শুনতে পাই এবং তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের সাহায্যে আমরা দেখতে পাই। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=ডি. এস. ড্রামহেলার|শিরোনাম=অরৈখিক তরল ও কঠিন পদার্থে তরঙ্গ সঞ্চালনের ভূমিকা|ইউআরএল=http://books.google.com/books?id=HE9w5i7wjBcC&pg=PA1|তারিখ=১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮|প্রকাশক=কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস|আইএসবিএন=978-0-521-58746-4|পাতা=১|ভাষা=ইংরাজি}} * তিতাস একটি নদীর নাম। তার কূলজোড়া জল, বুকভরা ঢেউ, প্রাণভরা উচ্ছ্বাস। স্বপ্নের ছন্দে সে বহিয়া যায়। ভোরের হাওয়ায় তার তন্দ্রা ভাঙ্গে, দিনের সূর্য তাকে তাতায়; রাতে চাঁদ ও তারারা তাকে নিয়া ঘুম পাড়াইতে বসে, কিন্তু পারে না। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * বলা যেতে পারে, ভর ব্যবধানই হলো সেই কারণ যার জন্য আমরা চিরায়ত অরৈখিক ইয়াং-মিলস তরঙ্গ দেখতে পাই না। এগুলো কেবল অগম্য পরিস্থিতিতেই ভালো আনুমানিক ধারণা দেয়। আমি আমার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় এই আশায় কাটিয়েছি যে, চতুর্মাত্রিক গেজ তত্ত্বে ভর ব্যবধানকে পরিমাণগতভাবে বোঝার মতো সত্যিই যদি ভালো একটি উপায় থাকত। আমি আশা করি, এই সমস্যার একদিন সমাধান হবে। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=এডওয়ার্ড উইটেন|শিরোনাম=গেজ তত্ত্বের সমস্যা|ইউআরএল=https://arxiv.org/pdf/0812.4512.pdf|তারিখ=২০০৮ |ভাষা=ইংরাজি}} * সমুদ্রে চলিতে চলিতে প্রতি বৎসরই কত জাহাজ ডুবিয়া মরে। কেহ মরে ঝড় তুফানে, কেহ মরে ঢেউয়ের ঝাপটায়, কেহ মরে পাহাড়ের গুঁতায়, আর কেহ মরে অন্য জাহাজের ধাক্কা লাগিয়া—যুদ্ধের কথা নাহয় ছাড়িয়াই দিলাম। এইরকম কত উপায়ে জাহাজ মরিতেছে তাহার ঠিকানাই নাই। ** [[সুকুমার রায়]], জাহাজ ডুবি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৬-২০৭ * যাঁহারা বাঙ্গালার নদীবর্গে নৌকারোহণ করিতে ভীত, সাগরোর্ম্মির পরিমাণ সম্বন্ধে তাঁহাদের কিরূপ অনুমান, তাহা বলিতে পারি না। উপকথায় “তালগাছ প্রমাণ ঢেউ” শুনা যায়—কিন্তু কেহ তাহা বিশ্বাস করে না। সমুদ্রে তদপেক্ষা উচ্চতর ঢেউ উঠিয়া থাকে। ফিণ্ডে সাহেব লিখেন, ১৮৪৩ অব্দে কর্ম্বালেয় নিকট ৩০০ ফিট অর্থাৎ ২০০ হাত উচ্চ ঢেউ উঠিয়াছিল। ১৮২০ সালে নরওয়ে প্রদেশের নিকট ৪০০ ফিট পরিমিত ঢেউ উঠিয়াছিল। সমুদ্রের ঢেউ অনেক দূর চলে। উত্তমাশা অন্তরীপে উদ্ভূত মগ্ন তরঙ্গ তিন সহস্র মাইল দূরস্থ উপদ্বীপে প্রহৃত হইয়া থাকে। ** [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], সমুদ্র-তরঙ্গ, বিজ্ঞানরহস্য- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দ (১২৯১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২ * হয়তো বা [[হাঁস]] হবো – কিশোরীর – ঘুঙুর রহিবে লাল পায়<br/>সারাদিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধভরা জলে ভেসে ভেসে।<br/>আবার আসিব আমি বাংলার [[নদী]] মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে <br/> জলঙ্গীর ঢেউ এ ভেজা বাংলারি সবুজ করুণ ডাঙ্গায়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * আলোর ঢেউয়ের কথাই বুঝে নেওয়া যাক। এই ঢেউ একটিমাত্র ঢেউয়ের ধারা নয়। এর সঙ্গে অনেক ঢেউ দল বেঁধেছে। কতকগুলি চোখে পড়ে, অনেকগুলি পড়ে না। এইখানে ব’লে রাখা ভালো, যে-আলো চোখে পড়ে না, চলতি ভাষায় তাকে আলো বলে না। কিন্তু দৃশ্যই হোক অদৃশ্যই হোক, একটা কোনো শক্তির এই ধরনের ঢেউ-খেলিয়ে চলাই যখন উভয়েরই স্বভাব, তখন বিশ্বতত্ত্বের বইয়ে ওদের পৃথক নাম অসংগত। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পরমাণুলোক, বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০ * তুমি যখন কথা বল তখন তোমার গলার আওয়াজ চারিদিকে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। যতদূর পর্যন্ত সে আওয়াজ যায় ততদূর পর্যন্ত বাতাসে নানারকম ঢেউ খেতিয়ে যায়। মোটা গলার বড়ো-বড়ো ঢেউ সরু গলার ছোটো-ছোটো ঢেউ। চেঁচিয়ে বললে বাতাসে জোরে জোরে ঢেউয়ের ধাক্কা লাগে, আস্তে বললে সে ঢেউ বাতাস ঠেলে বেশি দূর এগোতেই পারে না। কিন্তু যেমন করেই কথা বল আর যত জোরেই বল, খানিক দূর পর্যন্ত গিয়ে সে ঢেউ আপনি মিলিয়ে যাবে। তার পরে আর তোমার আওয়াজ পৌঁছবে না। ** [[সুকুমার রায়]], আকাশবাণীর কল, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮৫ * আবছায়া চারিদিক, ঝাপসা নিঝুম,<br>পউষের ভোরবেলা—ভেঙে গেল ঘুম।<br>উষার দুয়ারে এক তুষারের ঢেউ<br>কখন পড়েছে ভেঙে, জানে না তা কেউ। ** [[সুনির্মল বসু]], শীতের সকাল, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭১ * আলোর ঢেউয়ের আপন দলের আরো একটি ঢেউ আছে, সেটা চোখে দেখিনে, স্পর্শে বুঝি। সেটা তাপের ঢেউ। সৃষ্টির কাজে তার খুবই প্রতাপ। এমনিতরো আলোর ঢেউজাতীয় নানা পদার্থের কোনোটা দেখা যায়, কোনোটা স্পর্শে বোঝা যায়, কোনোটাকে স্পষ্ট আলোরূপে জানি আবার সঙ্গে সঙ্গেই তাপরূপেও বুঝি, কোনোটাকে দেখাও যায় না, স্পর্শেও পাওয়া যায় না। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পরমাণুলোক, বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০ * ‘নই ঘোড়া, নই হাতি, নই সাপ বিচ্ছু,<br/>মৌমাছি প্রজাপতি নই আমি কিচ্ছু।<br/>মাছ ব্যাঙ গাছপাতা জলমাটি ঢেউ নই,<br/>নই জুতা নই ছাতা, আমি তবে কেউ নই!’ ** [[সুকুমার রায়]], কিম্ভূত, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ * বাতাসে আমাদের নৌকাখানি কিনারার দিকে চলিল, এমন সময়, হঠাৎ এক বিশাল ঢেউ আসিয়া সেই নৌকা উণ্টাইয়া দিল,—আর আমরা সমুদ্রের লোণা জলে হাবু ডুবু খাইতে লাগিলাম। একটা ঢেউ আসিয়া খুব জোরে আমাকে কিনারার দিকে ঠেলিয়া লইয়া, এক পাথরের চিবির উপর আছড়াইয়া ফেলিল। আমি পাথর আঁকড়াইয়া ধরিয়া ঢিবির উপর পড়িয়া রহিলাম। ** ড্যানিয়েল ডিফো, রবিন্সন্‌ ক্রুসো- ড্যানিয়েল ডিফো, অনুবাদক- অজ্ঞাত, প্রকাশক- সিটী বুক সোসাইটী, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * ঢেউয়ের গায়ে ঢেউগুলো সব গড়ায় ফুলে ফুলে,<br>পুবের চরে কাশের মাথা উঠছে দুলে দুলে।<br>ঈশান কোণে উড়তি বালি আকাশখানা ছেয়ে<br>হু হু করে আসছে ছুটে ধেয়ে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ঝড়, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * সাঁতার-জলে গা ভাসিয়ে, নদীর জলে ঢেউ নাচিয়ে শকুন্তলা গা ধুলে। রঙ্গভরে অঙ্গের শাড়ি জলের উপর বিছিয়ে দিলে; জলের মতো চিকণ আঁচল জলের সঙ্গে মিশে গেল, ঢেউয়ের সঙ্গে গড়িয়ে গেল। সেই সময়ে দুর্বাসার শাপে রাজার সেই আংটি শকুন্তলার চিকণ আঁচলের এক কোণ থেকে অগাধ জলে পড়ে গেল, শকুন্তলা জানতেও পারলে না। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শকুন্তলা - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিতীয় সংস্করণ, আদি ব্রাহ্মসমাজ সংস্করণ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০২ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৫ * হে পর্বত, যত নদী করি নিরীক্ষণ,<br>তোমাতেই করে তারা জনম গ্রহণ।<br>ছোট বড় ঢেউ সব তাদের উপরে<br>কল কল শব্দ করি সবে ক্রীড়া করে,<br>নদী বেঁকে চুরে যায় দেশে দেশে,<br>সাগরেতে পড়ে গিয়া সকলের শেষে। ** [[সুকুমার রায়]], নদী, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * যখন আমাদের চোখে দেখার সঙ্গে বিশ্বের আলোকের যোগ হয়, যখন আমাদের কানে-শোনার সঙ্গে বিশ্বের গানের মিলন ঘটে, যখন আমাদের স্পর্শস্নায়ুর তন্তুতে তন্তুতে বিশ্বের কত-হাজার-রকম আঘাতের ঢেউ আমাদের চেতনার উপরে ঢেউ খেলিয়ে উঠতে থাকে, তখনি আমাদের জাগা— আমাদের শক্তির সঙ্গে যখন বিশ্বের শক্তির যোগ দুই দিক থেকেই সম্পূর্ণ হয়ে ওঠে তখনি জাগা। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জাগরণ, শান্তিনিকেতন (দ্বিতীয় খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক-বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল-১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫১ * এসো ঢেউ বড়ো ঢেউ মেজো ঢেউ কুনো ঢেউ এসো<br>ঘুমন্ত তীরের দিকে<br>ছুটে এসো, নুলিয়ার শাদা টুপি খুলে নাও আজ<br>আর ম্রিয়মাণ মানুষের মুখে গুঁজে দাও<br>কুচো-চিংড়ি, ঝিনুকের ছানা-পোনা— ** [[তপোধীর ভট্টাচার্য]], সাগর স্নান, কবিতাসংগ্রহ- তপোধীর ভট্টাচার্য, প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- এবং মুশায়েরা, কলকাতা, প্রকাশসাল-২০০৪ খ্রিস্টাব্দ (১৪১১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া|তরঙ্গ}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Waves}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞান]] h51d2v0hzmnkdfebab5f16z1eo0631t 78648 78646 2026-04-19T17:49:24Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 78648 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:ঢেউ|ঢেউ]]''' বা '''তরঙ্গ''' হলো জল বা অন্য কোনো মাধ্যমে সৃষ্ট কম্পনরত আন্দোলন, যা শক্তি স্থানান্তর করে। এটি সাধারণত বাতাস এবং জলের কণার মধ্যকার ঘর্ষণের ফলে তৈরি হয়, যেখানে শক্তিশালী বাতাসে ঢেউয়ের আকার বড় হয়। সাগরে ঢেউ তৈরির প্রধান কারণ হলো সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া বাতাস। সমুদ্রের বুকে সৃষ্ট উঁচু-নিচু ঢেউ বা তরঙ্গ বৈজ্ঞানিকভাবে জলরাশির একটি পর্যায়বৃত্তিক আন্দোলন। ঢেউকে হিল্লোল, ঊর্মি বা লহরীও বলা হয়। জল তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, আলো তরঙ্গ প্রভৃতি নানা ধরনের তরঙ্গ বা ঢেউ হতে পারে। == উক্তি == * উঠিছে ঢেউ, পড়ে ঢেউ, গণিবে কেবা কত।<br>ভাসিছে শত গ্রহ তারা, ডুবিছে শত শত।<br>ঢেউয়ের পরে খেলা করে আলোকে আঁধারেতে,<br>জলের কোলে লুকোচুরি জীবনে মরণেতে।<br>শতেক কোটি গ্রহ তারা যে স্রোতে তৃণপ্রায়,<br>সে স্রোতমাঝে অবহেলে ঢালিয়া দিব কায়। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], স্রোত, কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, প্রয়াগরাজ, প্রকাশসাল- ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩২২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৩ * তরঙ্গ বিষয়ক অধ্যয়ন বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের প্রায় প্রতিটি শাখার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বস্তুত, দৈনন্দিন জীবনেও তরঙ্গের গুরুত্ব রয়েছে। শব্দতরঙ্গের সাহায্যে আমরা শুনতে পাই এবং তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের সাহায্যে আমরা দেখতে পাই। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=ডি. এস. ড্রামহেলার|শিরোনাম=অরৈখিক তরল ও কঠিন পদার্থে তরঙ্গ সঞ্চালনের ভূমিকা|ইউআরএল=http://books.google.com/books?id=HE9w5i7wjBcC&pg=PA1|তারিখ=১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮|প্রকাশক=কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস|আইএসবিএন=978-0-521-58746-4|পাতা=১|ভাষা=ইংরাজি}} * তিতাস একটি নদীর নাম। তার কূলজোড়া জল, বুকভরা ঢেউ, প্রাণভরা উচ্ছ্বাস। স্বপ্নের ছন্দে সে বহিয়া যায়। ভোরের হাওয়ায় তার তন্দ্রা ভাঙ্গে, দিনের সূর্য তাকে তাতায়; রাতে চাঁদ ও তারারা তাকে নিয়া ঘুম পাড়াইতে বসে, কিন্তু পারে না। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * বলা যেতে পারে, ভর ব্যবধানই হলো সেই কারণ যার জন্য আমরা চিরায়ত অরৈখিক ইয়াং-মিলস তরঙ্গ দেখতে পাই না। এগুলো কেবল অগম্য পরিস্থিতিতেই ভালো আনুমানিক ধারণা দেয়। আমি আমার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় এই আশায় কাটিয়েছি যে, চতুর্মাত্রিক গেজ তত্ত্বে ভর ব্যবধানকে পরিমাণগতভাবে বোঝার মতো সত্যিই যদি ভালো একটি উপায় থাকত। আমি আশা করি, এই সমস্যার একদিন সমাধান হবে। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=এডওয়ার্ড উইটেন|শিরোনাম=গেজ তত্ত্বের সমস্যা|ইউআরএল=https://arxiv.org/pdf/0812.4512.pdf|তারিখ=২০০৮ |ভাষা=ইংরাজি}} * সমুদ্রে চলিতে চলিতে প্রতি বৎসরই কত জাহাজ ডুবিয়া মরে। কেহ মরে ঝড় তুফানে, কেহ মরে ঢেউয়ের ঝাপটায়, কেহ মরে পাহাড়ের গুঁতায়, আর কেহ মরে অন্য জাহাজের ধাক্কা লাগিয়া—যুদ্ধের কথা নাহয় ছাড়িয়াই দিলাম। এইরকম কত উপায়ে জাহাজ মরিতেছে তাহার ঠিকানাই নাই। ** [[সুকুমার রায়]], জাহাজ ডুবি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৬-২০৭ * যাঁহারা বাঙ্গালার নদীবর্গে নৌকারোহণ করিতে ভীত, সাগরোর্ম্মির পরিমাণ সম্বন্ধে তাঁহাদের কিরূপ অনুমান, তাহা বলিতে পারি না। উপকথায় “তালগাছ প্রমাণ ঢেউ” শুনা যায়—কিন্তু কেহ তাহা বিশ্বাস করে না। সমুদ্রে তদপেক্ষা উচ্চতর ঢেউ উঠিয়া থাকে। ফিণ্ডে সাহেব লিখেন, ১৮৪৩ অব্দে কর্ম্বালেয় নিকট ৩০০ ফিট অর্থাৎ ২০০ হাত উচ্চ ঢেউ উঠিয়াছিল। ১৮২০ সালে নরওয়ে প্রদেশের নিকট ৪০০ ফিট পরিমিত ঢেউ উঠিয়াছিল। সমুদ্রের ঢেউ অনেক দূর চলে। উত্তমাশা অন্তরীপে উদ্ভূত মগ্ন তরঙ্গ তিন সহস্র মাইল দূরস্থ উপদ্বীপে প্রহৃত হইয়া থাকে। ** [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], সমুদ্র-তরঙ্গ, বিজ্ঞানরহস্য- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দ (১২৯১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২ * হয়তো বা [[হাঁস]] হবো – কিশোরীর – ঘুঙুর রহিবে লাল পায়<br/>সারাদিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধভরা জলে ভেসে ভেসে।<br/>আবার আসিব আমি বাংলার [[নদী]] মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে <br/> জলঙ্গীর ঢেউ এ ভেজা বাংলারি সবুজ করুণ ডাঙ্গায়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * আলোর ঢেউয়ের কথাই বুঝে নেওয়া যাক। এই ঢেউ একটিমাত্র ঢেউয়ের ধারা নয়। এর সঙ্গে অনেক ঢেউ দল বেঁধেছে। কতকগুলি চোখে পড়ে, অনেকগুলি পড়ে না। এইখানে ব’লে রাখা ভালো, যে-আলো চোখে পড়ে না, চলতি ভাষায় তাকে আলো বলে না। কিন্তু দৃশ্যই হোক অদৃশ্যই হোক, একটা কোনো শক্তির এই ধরনের ঢেউ-খেলিয়ে চলাই যখন উভয়েরই স্বভাব, তখন বিশ্বতত্ত্বের বইয়ে ওদের পৃথক নাম অসংগত। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পরমাণুলোক, বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০ * সুবলার বউয়ের নিকট এ সমস্তই স্বপ্ন বলিয়া মনে হইল। এমন কি যে অনন্তবালা সামনে দাঁড়াইয়া আছে, সেও যেন একটা স্বপ্ন মাত্র। একমাত্র সত্য চরের ধানগাছগুলি। কি অজস্র ধান ফলিয়াছে। দক্ষিণের ঐ অনেক দূরের শিবনগর গাঁ হইতে আগে ঢেউ উঠিত। সে ঢেউ থামিত আসিয়া এই মালোপাড়ার মাটিতে ঠেকিয়া। এখন সেই সুদূর হইতে সেই ঢেউই যেন রূপান্তরিত হইয়া ধানগাছের মাথাগুলির উপর দিয়া বহিয়া আসে। সেই দিকে চাহিয়া সুবলার বউ ধীরে ধীরে চোখ মুদিল। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৩৭-৪৩৮ * তুমি যখন কথা বল তখন তোমার গলার আওয়াজ চারিদিকে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। যতদূর পর্যন্ত সে আওয়াজ যায় ততদূর পর্যন্ত বাতাসে নানারকম ঢেউ খেতিয়ে যায়। মোটা গলার বড়ো-বড়ো ঢেউ সরু গলার ছোটো-ছোটো ঢেউ। চেঁচিয়ে বললে বাতাসে জোরে জোরে ঢেউয়ের ধাক্কা লাগে, আস্তে বললে সে ঢেউ বাতাস ঠেলে বেশি দূর এগোতেই পারে না। কিন্তু যেমন করেই কথা বল আর যত জোরেই বল, খানিক দূর পর্যন্ত গিয়ে সে ঢেউ আপনি মিলিয়ে যাবে। তার পরে আর তোমার আওয়াজ পৌঁছবে না। ** [[সুকুমার রায়]], আকাশবাণীর কল, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮৫ * আবছায়া চারিদিক, ঝাপসা নিঝুম,<br>পউষের ভোরবেলা—ভেঙে গেল ঘুম।<br>উষার দুয়ারে এক তুষারের ঢেউ<br>কখন পড়েছে ভেঙে, জানে না তা কেউ। ** [[সুনির্মল বসু]], শীতের সকাল, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭১ * আলোর ঢেউয়ের আপন দলের আরো একটি ঢেউ আছে, সেটা চোখে দেখিনে, স্পর্শে বুঝি। সেটা তাপের ঢেউ। সৃষ্টির কাজে তার খুবই প্রতাপ। এমনিতরো আলোর ঢেউজাতীয় নানা পদার্থের কোনোটা দেখা যায়, কোনোটা স্পর্শে বোঝা যায়, কোনোটাকে স্পষ্ট আলোরূপে জানি আবার সঙ্গে সঙ্গেই তাপরূপেও বুঝি, কোনোটাকে দেখাও যায় না, স্পর্শেও পাওয়া যায় না। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পরমাণুলোক, বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০ * ‘নই ঘোড়া, নই হাতি, নই সাপ বিচ্ছু,<br/>মৌমাছি প্রজাপতি নই আমি কিচ্ছু।<br/>মাছ ব্যাঙ গাছপাতা জলমাটি ঢেউ নই,<br/>নই জুতা নই ছাতা, আমি তবে কেউ নই!’ ** [[সুকুমার রায়]], কিম্ভূত, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ * বাতাসে আমাদের নৌকাখানি কিনারার দিকে চলিল, এমন সময়, হঠাৎ এক বিশাল ঢেউ আসিয়া সেই নৌকা উণ্টাইয়া দিল,—আর আমরা সমুদ্রের লোণা জলে হাবু ডুবু খাইতে লাগিলাম। একটা ঢেউ আসিয়া খুব জোরে আমাকে কিনারার দিকে ঠেলিয়া লইয়া, এক পাথরের চিবির উপর আছড়াইয়া ফেলিল। আমি পাথর আঁকড়াইয়া ধরিয়া ঢিবির উপর পড়িয়া রহিলাম। ** ড্যানিয়েল ডিফো, রবিন্সন্‌ ক্রুসো- ড্যানিয়েল ডিফো, অনুবাদক- অজ্ঞাত, প্রকাশক- সিটী বুক সোসাইটী, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * ঢেউয়ের গায়ে ঢেউগুলো সব গড়ায় ফুলে ফুলে,<br>পুবের চরে কাশের মাথা উঠছে দুলে দুলে।<br>ঈশান কোণে উড়তি বালি আকাশখানা ছেয়ে<br>হু হু করে আসছে ছুটে ধেয়ে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ঝড়, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * সাঁতার-জলে গা ভাসিয়ে, নদীর জলে ঢেউ নাচিয়ে শকুন্তলা গা ধুলে। রঙ্গভরে অঙ্গের শাড়ি জলের উপর বিছিয়ে দিলে; জলের মতো চিকণ আঁচল জলের সঙ্গে মিশে গেল, ঢেউয়ের সঙ্গে গড়িয়ে গেল। সেই সময়ে দুর্বাসার শাপে রাজার সেই আংটি শকুন্তলার চিকণ আঁচলের এক কোণ থেকে অগাধ জলে পড়ে গেল, শকুন্তলা জানতেও পারলে না। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শকুন্তলা - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিতীয় সংস্করণ, আদি ব্রাহ্মসমাজ সংস্করণ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০২ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৫ * হে পর্বত, যত নদী করি নিরীক্ষণ,<br>তোমাতেই করে তারা জনম গ্রহণ।<br>ছোট বড় ঢেউ সব তাদের উপরে<br>কল কল শব্দ করি সবে ক্রীড়া করে,<br>নদী বেঁকে চুরে যায় দেশে দেশে,<br>সাগরেতে পড়ে গিয়া সকলের শেষে। ** [[সুকুমার রায়]], নদী, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * যখন আমাদের চোখে দেখার সঙ্গে বিশ্বের আলোকের যোগ হয়, যখন আমাদের কানে-শোনার সঙ্গে বিশ্বের গানের মিলন ঘটে, যখন আমাদের স্পর্শস্নায়ুর তন্তুতে তন্তুতে বিশ্বের কত-হাজার-রকম আঘাতের ঢেউ আমাদের চেতনার উপরে ঢেউ খেলিয়ে উঠতে থাকে, তখনি আমাদের জাগা— আমাদের শক্তির সঙ্গে যখন বিশ্বের শক্তির যোগ দুই দিক থেকেই সম্পূর্ণ হয়ে ওঠে তখনি জাগা। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জাগরণ, শান্তিনিকেতন (দ্বিতীয় খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক-বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল-১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫১ * এসো ঢেউ বড়ো ঢেউ মেজো ঢেউ কুনো ঢেউ এসো<br>ঘুমন্ত তীরের দিকে<br>ছুটে এসো, নুলিয়ার শাদা টুপি খুলে নাও আজ<br>আর ম্রিয়মাণ মানুষের মুখে গুঁজে দাও<br>কুচো-চিংড়ি, ঝিনুকের ছানা-পোনা— ** [[তপোধীর ভট্টাচার্য]], সাগর স্নান, কবিতাসংগ্রহ- তপোধীর ভট্টাচার্য, প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- এবং মুশায়েরা, কলকাতা, প্রকাশসাল-২০০৪ খ্রিস্টাব্দ (১৪১১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া|তরঙ্গ}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Waves}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞান]] r4vm0xnflz4uublc0c9cn9w33gteujj 78653 78648 2026-04-19T18:01:33Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 78653 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:ঢেউ|ঢেউ]]''' বা '''তরঙ্গ''' হলো জল বা অন্য কোনো মাধ্যমে সৃষ্ট কম্পনরত আন্দোলন, যা শক্তি স্থানান্তর করে। এটি সাধারণত বাতাস এবং জলের কণার মধ্যকার ঘর্ষণের ফলে তৈরি হয়, যেখানে শক্তিশালী বাতাসে ঢেউয়ের আকার বড় হয়। সাগরে ঢেউ তৈরির প্রধান কারণ হলো সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া বাতাস। সমুদ্রের বুকে সৃষ্ট উঁচু-নিচু ঢেউ বা তরঙ্গ বৈজ্ঞানিকভাবে জলরাশির একটি পর্যায়বৃত্তিক আন্দোলন। ঢেউকে হিল্লোল, ঊর্মি বা লহরীও বলা হয়। জল তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, আলো তরঙ্গ প্রভৃতি নানা ধরনের তরঙ্গ বা ঢেউ হতে পারে। == উক্তি == * উঠিছে ঢেউ, পড়ে ঢেউ, গণিবে কেবা কত।<br>ভাসিছে শত গ্রহ তারা, ডুবিছে শত শত।<br>ঢেউয়ের পরে খেলা করে আলোকে আঁধারেতে,<br>জলের কোলে লুকোচুরি জীবনে মরণেতে।<br>শতেক কোটি গ্রহ তারা যে স্রোতে তৃণপ্রায়,<br>সে স্রোতমাঝে অবহেলে ঢালিয়া দিব কায়। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], স্রোত, কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, প্রয়াগরাজ, প্রকাশসাল- ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩২২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৩ * তরঙ্গ বিষয়ক অধ্যয়ন বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের প্রায় প্রতিটি শাখার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বস্তুত, দৈনন্দিন জীবনেও তরঙ্গের গুরুত্ব রয়েছে। শব্দতরঙ্গের সাহায্যে আমরা শুনতে পাই এবং তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের সাহায্যে আমরা দেখতে পাই। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=ডি. এস. ড্রামহেলার|শিরোনাম=অরৈখিক তরল ও কঠিন পদার্থে তরঙ্গ সঞ্চালনের ভূমিকা|ইউআরএল=http://books.google.com/books?id=HE9w5i7wjBcC&pg=PA1|তারিখ=১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮|প্রকাশক=কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস|আইএসবিএন=978-0-521-58746-4|পাতা=১|ভাষা=ইংরাজি}} * তিতাস একটি নদীর নাম। তার কূলজোড়া জল, বুকভরা ঢেউ, প্রাণভরা উচ্ছ্বাস। স্বপ্নের ছন্দে সে বহিয়া যায়। ভোরের হাওয়ায় তার তন্দ্রা ভাঙ্গে, দিনের সূর্য তাকে তাতায়; রাতে চাঁদ ও তারারা তাকে নিয়া ঘুম পাড়াইতে বসে, কিন্তু পারে না। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * বলা যেতে পারে, ভর ব্যবধানই হলো সেই কারণ যার জন্য আমরা চিরায়ত অরৈখিক ইয়াং-মিলস তরঙ্গ দেখতে পাই না। এগুলো কেবল অগম্য পরিস্থিতিতেই ভালো আনুমানিক ধারণা দেয়। আমি আমার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় এই আশায় কাটিয়েছি যে, চতুর্মাত্রিক গেজ তত্ত্বে ভর ব্যবধানকে পরিমাণগতভাবে বোঝার মতো সত্যিই যদি ভালো একটি উপায় থাকত। আমি আশা করি, এই সমস্যার একদিন সমাধান হবে। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=এডওয়ার্ড উইটেন|শিরোনাম=গেজ তত্ত্বের সমস্যা|ইউআরএল=https://arxiv.org/pdf/0812.4512.pdf|তারিখ=২০০৮ |ভাষা=ইংরাজি}} * সমুদ্রে চলিতে চলিতে প্রতি বৎসরই কত জাহাজ ডুবিয়া মরে। কেহ মরে ঝড় তুফানে, কেহ মরে ঢেউয়ের ঝাপটায়, কেহ মরে পাহাড়ের গুঁতায়, আর কেহ মরে অন্য জাহাজের ধাক্কা লাগিয়া—যুদ্ধের কথা নাহয় ছাড়িয়াই দিলাম। এইরকম কত উপায়ে জাহাজ মরিতেছে তাহার ঠিকানাই নাই। ** [[সুকুমার রায়]], জাহাজ ডুবি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৬-২০৭ * যাঁহারা বাঙ্গালার নদীবর্গে নৌকারোহণ করিতে ভীত, সাগরোর্ম্মির পরিমাণ সম্বন্ধে তাঁহাদের কিরূপ অনুমান, তাহা বলিতে পারি না। উপকথায় “তালগাছ প্রমাণ ঢেউ” শুনা যায়—কিন্তু কেহ তাহা বিশ্বাস করে না। সমুদ্রে তদপেক্ষা উচ্চতর ঢেউ উঠিয়া থাকে। ফিণ্ডে সাহেব লিখেন, ১৮৪৩ অব্দে কর্ম্বালেয় নিকট ৩০০ ফিট অর্থাৎ ২০০ হাত উচ্চ ঢেউ উঠিয়াছিল। ১৮২০ সালে নরওয়ে প্রদেশের নিকট ৪০০ ফিট পরিমিত ঢেউ উঠিয়াছিল। সমুদ্রের ঢেউ অনেক দূর চলে। উত্তমাশা অন্তরীপে উদ্ভূত মগ্ন তরঙ্গ তিন সহস্র মাইল দূরস্থ উপদ্বীপে প্রহৃত হইয়া থাকে। ** [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], সমুদ্র-তরঙ্গ, বিজ্ঞানরহস্য- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দ (১২৯১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২ * হয়তো বা [[হাঁস]] হবো – কিশোরীর – ঘুঙুর রহিবে লাল পায়<br/>সারাদিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধভরা জলে ভেসে ভেসে।<br/>আবার আসিব আমি বাংলার [[নদী]] মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে <br/> জলঙ্গীর ঢেউ এ ভেজা বাংলারি সবুজ করুণ ডাঙ্গায়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * আলোর ঢেউয়ের কথাই বুঝে নেওয়া যাক। এই ঢেউ একটিমাত্র ঢেউয়ের ধারা নয়। এর সঙ্গে অনেক ঢেউ দল বেঁধেছে। কতকগুলি চোখে পড়ে, অনেকগুলি পড়ে না। এইখানে ব’লে রাখা ভালো, যে-আলো চোখে পড়ে না, চলতি ভাষায় তাকে আলো বলে না। কিন্তু দৃশ্যই হোক অদৃশ্যই হোক, একটা কোনো শক্তির এই ধরনের ঢেউ-খেলিয়ে চলাই যখন উভয়েরই স্বভাব, তখন বিশ্বতত্ত্বের বইয়ে ওদের পৃথক নাম অসংগত। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পরমাণুলোক, বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০ * সুবলার বউয়ের নিকট এ সমস্তই স্বপ্ন বলিয়া মনে হইল। এমন কি যে অনন্তবালা সামনে দাঁড়াইয়া আছে, সেও যেন একটা স্বপ্ন মাত্র। একমাত্র সত্য চরের ধানগাছগুলি। কি অজস্র ধান ফলিয়াছে। দক্ষিণের ঐ অনেক দূরের শিবনগর গাঁ হইতে আগে ঢেউ উঠিত। সে ঢেউ থামিত আসিয়া এই মালোপাড়ার মাটিতে ঠেকিয়া। এখন সেই সুদূর হইতে সেই ঢেউই যেন রূপান্তরিত হইয়া ধানগাছের মাথাগুলির উপর দিয়া বহিয়া আসে। সেই দিকে চাহিয়া সুবলার বউ ধীরে ধীরে চোখ মুদিল। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৩৭-৪৩৮ * তুমি যখন কথা বল তখন তোমার গলার আওয়াজ চারিদিকে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। যতদূর পর্যন্ত সে আওয়াজ যায় ততদূর পর্যন্ত বাতাসে নানারকম ঢেউ খেতিয়ে যায়। মোটা গলার বড়ো-বড়ো ঢেউ সরু গলার ছোটো-ছোটো ঢেউ। চেঁচিয়ে বললে বাতাসে জোরে জোরে ঢেউয়ের ধাক্কা লাগে, আস্তে বললে সে ঢেউ বাতাস ঠেলে বেশি দূর এগোতেই পারে না। কিন্তু যেমন করেই কথা বল আর যত জোরেই বল, খানিক দূর পর্যন্ত গিয়ে সে ঢেউ আপনি মিলিয়ে যাবে। তার পরে আর তোমার আওয়াজ পৌঁছবে না। ** [[সুকুমার রায়]], আকাশবাণীর কল, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮৫ * আবছায়া চারিদিক, ঝাপসা নিঝুম,<br>পউষের ভোরবেলা—ভেঙে গেল ঘুম।<br>উষার দুয়ারে এক তুষারের ঢেউ<br>কখন পড়েছে ভেঙে, জানে না তা কেউ। ** [[সুনির্মল বসু]], শীতের সকাল, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭১ * আলোর ঢেউয়ের আপন দলের আরো একটি ঢেউ আছে, সেটা চোখে দেখিনে, স্পর্শে বুঝি। সেটা তাপের ঢেউ। সৃষ্টির কাজে তার খুবই প্রতাপ। এমনিতরো আলোর ঢেউজাতীয় নানা পদার্থের কোনোটা দেখা যায়, কোনোটা স্পর্শে বোঝা যায়, কোনোটাকে স্পষ্ট আলোরূপে জানি আবার সঙ্গে সঙ্গেই তাপরূপেও বুঝি, কোনোটাকে দেখাও যায় না, স্পর্শেও পাওয়া যায় না। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পরমাণুলোক, বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০ * ‘নই ঘোড়া, নই হাতি, নই সাপ বিচ্ছু,<br/>মৌমাছি প্রজাপতি নই আমি কিচ্ছু।<br/>মাছ ব্যাঙ গাছপাতা জলমাটি ঢেউ নই,<br/>নই জুতা নই ছাতা, আমি তবে কেউ নই!’ ** [[সুকুমার রায়]], কিম্ভূত, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ * বাতাসে আমাদের নৌকাখানি কিনারার দিকে চলিল, এমন সময়, হঠাৎ এক বিশাল ঢেউ আসিয়া সেই নৌকা উণ্টাইয়া দিল,—আর আমরা সমুদ্রের লোণা জলে হাবু ডুবু খাইতে লাগিলাম। একটা ঢেউ আসিয়া খুব জোরে আমাকে কিনারার দিকে ঠেলিয়া লইয়া, এক পাথরের চিবির উপর আছড়াইয়া ফেলিল। আমি পাথর আঁকড়াইয়া ধরিয়া ঢিবির উপর পড়িয়া রহিলাম। ** ড্যানিয়েল ডিফো, রবিন্সন্‌ ক্রুসো- ড্যানিয়েল ডিফো, অনুবাদক- অজ্ঞাত, প্রকাশক- সিটী বুক সোসাইটী, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * ছোট ছোট পাহাড়গুলি প্রায়ই বনে আবৃত; এই জন্য দূর হইতে গাঢ় নীলবর্ণ দেখায়। যখন চারি দিকের ক্ষেত্রসকল শ্যামল শস্যরাশিতে পরিপূর্ণ থাকে, তখন এই সকল পাহাড় দেখিয়া দূর হইতে মনে হয়, ইহারা কাহার ঢেউ?—নীল আকাশের ঢেউ, না সেই শ্যামল শস্যরাশির ঢেউ? ** যতীন্দ্রমোহন সিংহ, নীলকণ্ঠপুর, উড়িষ্যার চিত্র, প্রথম খণ্ড, উড়িষ্যার চিত্র - যতীন্দ্রমোহন সিংহ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১১ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * ঢেউয়ের গায়ে ঢেউগুলো সব গড়ায় ফুলে ফুলে,<br>পুবের চরে কাশের মাথা উঠছে দুলে দুলে।<br>ঈশান কোণে উড়তি বালি আকাশখানা ছেয়ে<br>হু হু করে আসছে ছুটে ধেয়ে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ঝড়, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * সাঁতার-জলে গা ভাসিয়ে, নদীর জলে ঢেউ নাচিয়ে শকুন্তলা গা ধুলে। রঙ্গভরে অঙ্গের শাড়ি জলের উপর বিছিয়ে দিলে; জলের মতো চিকণ আঁচল জলের সঙ্গে মিশে গেল, ঢেউয়ের সঙ্গে গড়িয়ে গেল। সেই সময়ে দুর্বাসার শাপে রাজার সেই আংটি শকুন্তলার চিকণ আঁচলের এক কোণ থেকে অগাধ জলে পড়ে গেল, শকুন্তলা জানতেও পারলে না। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শকুন্তলা - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিতীয় সংস্করণ, আদি ব্রাহ্মসমাজ সংস্করণ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০২ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৫ * হে পর্বত, যত নদী করি নিরীক্ষণ,<br>তোমাতেই করে তারা জনম গ্রহণ।<br>ছোট বড় ঢেউ সব তাদের উপরে<br>কল কল শব্দ করি সবে ক্রীড়া করে,<br>নদী বেঁকে চুরে যায় দেশে দেশে,<br>সাগরেতে পড়ে গিয়া সকলের শেষে। ** [[সুকুমার রায়]], নদী, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * যখন আমাদের চোখে দেখার সঙ্গে বিশ্বের আলোকের যোগ হয়, যখন আমাদের কানে-শোনার সঙ্গে বিশ্বের গানের মিলন ঘটে, যখন আমাদের স্পর্শস্নায়ুর তন্তুতে তন্তুতে বিশ্বের কত-হাজার-রকম আঘাতের ঢেউ আমাদের চেতনার উপরে ঢেউ খেলিয়ে উঠতে থাকে, তখনি আমাদের জাগা— আমাদের শক্তির সঙ্গে যখন বিশ্বের শক্তির যোগ দুই দিক থেকেই সম্পূর্ণ হয়ে ওঠে তখনি জাগা। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জাগরণ, শান্তিনিকেতন (দ্বিতীয় খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক-বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল-১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫১ * এসো ঢেউ বড়ো ঢেউ মেজো ঢেউ কুনো ঢেউ এসো<br>ঘুমন্ত তীরের দিকে<br>ছুটে এসো, নুলিয়ার শাদা টুপি খুলে নাও আজ<br>আর ম্রিয়মাণ মানুষের মুখে গুঁজে দাও<br>কুচো-চিংড়ি, ঝিনুকের ছানা-পোনা— ** [[তপোধীর ভট্টাচার্য]], সাগর স্নান, কবিতাসংগ্রহ- তপোধীর ভট্টাচার্য, প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- এবং মুশায়েরা, কলকাতা, প্রকাশসাল-২০০৪ খ্রিস্টাব্দ (১৪১১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া|তরঙ্গ}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Waves}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞান]] b5052dyyfvzu3146gxym51sad620snd 78654 78653 2026-04-19T18:06:06Z Salil Kumar Mukherjee 39 উদ্ধৃতি সংশোধন 78654 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:ঢেউ|ঢেউ]]''' বা '''তরঙ্গ''' হলো জল বা অন্য কোনো মাধ্যমে সৃষ্ট কম্পনরত আন্দোলন, যা শক্তি স্থানান্তর করে। এটি সাধারণত বাতাস এবং জলের কণার মধ্যকার ঘর্ষণের ফলে তৈরি হয়, যেখানে শক্তিশালী বাতাসে ঢেউয়ের আকার বড় হয়। সাগরে ঢেউ তৈরির প্রধান কারণ হলো সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া বাতাস। সমুদ্রের বুকে সৃষ্ট উঁচু-নিচু ঢেউ বা তরঙ্গ বৈজ্ঞানিকভাবে জলরাশির একটি পর্যায়বৃত্তিক আন্দোলন। ঢেউকে হিল্লোল, ঊর্মি বা লহরীও বলা হয়। জল তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, আলো তরঙ্গ প্রভৃতি নানা ধরনের তরঙ্গ বা ঢেউ হতে পারে। == উক্তি == * উঠিছে ঢেউ, পড়ে ঢেউ, গণিবে কেবা কত।<br>ভাসিছে শত গ্রহ তারা, ডুবিছে শত শত।<br>ঢেউয়ের পরে খেলা করে আলোকে আঁধারেতে,<br>জলের কোলে লুকোচুরি জীবনে মরণেতে।<br>শতেক কোটি গ্রহ তারা যে স্রোতে তৃণপ্রায়,<br>সে স্রোতমাঝে অবহেলে ঢালিয়া দিব কায়। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], স্রোত, কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, প্রয়াগরাজ, প্রকাশসাল- ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩২২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৩ * তরঙ্গ বিষয়ক অধ্যয়ন বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের প্রায় প্রতিটি শাখার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বস্তুত, দৈনন্দিন জীবনেও তরঙ্গের গুরুত্ব রয়েছে। শব্দতরঙ্গের সাহায্যে আমরা শুনতে পাই এবং তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের সাহায্যে আমরা দেখতে পাই। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=ডি. এস. ড্রামহেলার|শিরোনাম=অরৈখিক তরল ও কঠিন পদার্থে তরঙ্গ সঞ্চালনের ভূমিকা|ইউআরএল=http://books.google.com/books?id=HE9w5i7wjBcC&pg=PA1|তারিখ=১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮|প্রকাশক=কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস|আইএসবিএন=978-0-521-58746-4|পাতা=১|ভাষা=en}} * তিতাস একটি নদীর নাম। তার কূলজোড়া জল, বুকভরা ঢেউ, প্রাণভরা উচ্ছ্বাস। স্বপ্নের ছন্দে সে বহিয়া যায়। ভোরের হাওয়ায় তার তন্দ্রা ভাঙ্গে, দিনের সূর্য তাকে তাতায়; রাতে চাঁদ ও তারারা তাকে নিয়া ঘুম পাড়াইতে বসে, কিন্তু পারে না। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * বলা যেতে পারে, ভর ব্যবধানই হলো সেই কারণ যার জন্য আমরা চিরায়ত অরৈখিক ইয়াং-মিলস তরঙ্গ দেখতে পাই না। এগুলো কেবল অগম্য পরিস্থিতিতেই ভালো আনুমানিক ধারণা দেয়। আমি আমার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় এই আশায় কাটিয়েছি যে, চতুর্মাত্রিক গেজ তত্ত্বে ভর ব্যবধানকে পরিমাণগতভাবে বোঝার মতো সত্যিই যদি ভালো একটি উপায় থাকত। আমি আশা করি, এই সমস্যার একদিন সমাধান হবে। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=এডওয়ার্ড উইটেন|শিরোনাম=গেজ তত্ত্বের সমস্যা|ইউআরএল=https://arxiv.org/pdf/0812.4512|তারিখ=২০০৮ |ভাষা=en}} * সমুদ্রে চলিতে চলিতে প্রতি বৎসরই কত জাহাজ ডুবিয়া মরে। কেহ মরে ঝড় তুফানে, কেহ মরে ঢেউয়ের ঝাপটায়, কেহ মরে পাহাড়ের গুঁতায়, আর কেহ মরে অন্য জাহাজের ধাক্কা লাগিয়া—যুদ্ধের কথা নাহয় ছাড়িয়াই দিলাম। এইরকম কত উপায়ে জাহাজ মরিতেছে তাহার ঠিকানাই নাই। ** [[সুকুমার রায়]], জাহাজ ডুবি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৬-২০৭ * যাঁহারা বাঙ্গালার নদীবর্গে নৌকারোহণ করিতে ভীত, সাগরোর্ম্মির পরিমাণ সম্বন্ধে তাঁহাদের কিরূপ অনুমান, তাহা বলিতে পারি না। উপকথায় “তালগাছ প্রমাণ ঢেউ” শুনা যায়—কিন্তু কেহ তাহা বিশ্বাস করে না। সমুদ্রে তদপেক্ষা উচ্চতর ঢেউ উঠিয়া থাকে। ফিণ্ডে সাহেব লিখেন, ১৮৪৩ অব্দে কর্ম্বালেয় নিকট ৩০০ ফিট অর্থাৎ ২০০ হাত উচ্চ ঢেউ উঠিয়াছিল। ১৮২০ সালে নরওয়ে প্রদেশের নিকট ৪০০ ফিট পরিমিত ঢেউ উঠিয়াছিল। সমুদ্রের ঢেউ অনেক দূর চলে। উত্তমাশা অন্তরীপে উদ্ভূত মগ্ন তরঙ্গ তিন সহস্র মাইল দূরস্থ উপদ্বীপে প্রহৃত হইয়া থাকে। ** [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], সমুদ্র-তরঙ্গ, বিজ্ঞানরহস্য- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দ (১২৯১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২ * হয়তো বা [[হাঁস]] হবো – কিশোরীর – ঘুঙুর রহিবে লাল পায়<br/>সারাদিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধভরা জলে ভেসে ভেসে।<br/>আবার আসিব আমি বাংলার [[নদী]] মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে <br/> জলঙ্গীর ঢেউ এ ভেজা বাংলারি সবুজ করুণ ডাঙ্গায়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * আলোর ঢেউয়ের কথাই বুঝে নেওয়া যাক। এই ঢেউ একটিমাত্র ঢেউয়ের ধারা নয়। এর সঙ্গে অনেক ঢেউ দল বেঁধেছে। কতকগুলি চোখে পড়ে, অনেকগুলি পড়ে না। এইখানে ব’লে রাখা ভালো, যে-আলো চোখে পড়ে না, চলতি ভাষায় তাকে আলো বলে না। কিন্তু দৃশ্যই হোক অদৃশ্যই হোক, একটা কোনো শক্তির এই ধরনের ঢেউ-খেলিয়ে চলাই যখন উভয়েরই স্বভাব, তখন বিশ্বতত্ত্বের বইয়ে ওদের পৃথক নাম অসংগত। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পরমাণুলোক, বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০ * সুবলার বউয়ের নিকট এ সমস্তই স্বপ্ন বলিয়া মনে হইল। এমন কি যে অনন্তবালা সামনে দাঁড়াইয়া আছে, সেও যেন একটা স্বপ্ন মাত্র। একমাত্র সত্য চরের ধানগাছগুলি। কি অজস্র ধান ফলিয়াছে। দক্ষিণের ঐ অনেক দূরের শিবনগর গাঁ হইতে আগে ঢেউ উঠিত। সে ঢেউ থামিত আসিয়া এই মালোপাড়ার মাটিতে ঠেকিয়া। এখন সেই সুদূর হইতে সেই ঢেউই যেন রূপান্তরিত হইয়া ধানগাছের মাথাগুলির উপর দিয়া বহিয়া আসে। সেই দিকে চাহিয়া সুবলার বউ ধীরে ধীরে চোখ মুদিল। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৩৭-৪৩৮ * তুমি যখন কথা বল তখন তোমার গলার আওয়াজ চারিদিকে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। যতদূর পর্যন্ত সে আওয়াজ যায় ততদূর পর্যন্ত বাতাসে নানারকম ঢেউ খেতিয়ে যায়। মোটা গলার বড়ো-বড়ো ঢেউ সরু গলার ছোটো-ছোটো ঢেউ। চেঁচিয়ে বললে বাতাসে জোরে জোরে ঢেউয়ের ধাক্কা লাগে, আস্তে বললে সে ঢেউ বাতাস ঠেলে বেশি দূর এগোতেই পারে না। কিন্তু যেমন করেই কথা বল আর যত জোরেই বল, খানিক দূর পর্যন্ত গিয়ে সে ঢেউ আপনি মিলিয়ে যাবে। তার পরে আর তোমার আওয়াজ পৌঁছবে না। ** [[সুকুমার রায়]], আকাশবাণীর কল, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮৫ * আবছায়া চারিদিক, ঝাপসা নিঝুম,<br>পউষের ভোরবেলা—ভেঙে গেল ঘুম।<br>উষার দুয়ারে এক তুষারের ঢেউ<br>কখন পড়েছে ভেঙে, জানে না তা কেউ। ** [[সুনির্মল বসু]], শীতের সকাল, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭১ * আলোর ঢেউয়ের আপন দলের আরো একটি ঢেউ আছে, সেটা চোখে দেখিনে, স্পর্শে বুঝি। সেটা তাপের ঢেউ। সৃষ্টির কাজে তার খুবই প্রতাপ। এমনিতরো আলোর ঢেউজাতীয় নানা পদার্থের কোনোটা দেখা যায়, কোনোটা স্পর্শে বোঝা যায়, কোনোটাকে স্পষ্ট আলোরূপে জানি আবার সঙ্গে সঙ্গেই তাপরূপেও বুঝি, কোনোটাকে দেখাও যায় না, স্পর্শেও পাওয়া যায় না। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পরমাণুলোক, বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০ * ‘নই ঘোড়া, নই হাতি, নই সাপ বিচ্ছু,<br/>মৌমাছি প্রজাপতি নই আমি কিচ্ছু।<br/>মাছ ব্যাঙ গাছপাতা জলমাটি ঢেউ নই,<br/>নই জুতা নই ছাতা, আমি তবে কেউ নই!’ ** [[সুকুমার রায়]], কিম্ভূত, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ * বাতাসে আমাদের নৌকাখানি কিনারার দিকে চলিল, এমন সময়, হঠাৎ এক বিশাল ঢেউ আসিয়া সেই নৌকা উণ্টাইয়া দিল,—আর আমরা সমুদ্রের লোণা জলে হাবু ডুবু খাইতে লাগিলাম। একটা ঢেউ আসিয়া খুব জোরে আমাকে কিনারার দিকে ঠেলিয়া লইয়া, এক পাথরের চিবির উপর আছড়াইয়া ফেলিল। আমি পাথর আঁকড়াইয়া ধরিয়া ঢিবির উপর পড়িয়া রহিলাম। ** ড্যানিয়েল ডিফো, রবিন্সন্‌ ক্রুসো- ড্যানিয়েল ডিফো, অনুবাদক- অজ্ঞাত, প্রকাশক- সিটী বুক সোসাইটী, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * ছোট ছোট পাহাড়গুলি প্রায়ই বনে আবৃত; এই জন্য দূর হইতে গাঢ় নীলবর্ণ দেখায়। যখন চারি দিকের ক্ষেত্রসকল শ্যামল শস্যরাশিতে পরিপূর্ণ থাকে, তখন এই সকল পাহাড় দেখিয়া দূর হইতে মনে হয়, ইহারা কাহার ঢেউ?—নীল আকাশের ঢেউ, না সেই শ্যামল শস্যরাশির ঢেউ? ** যতীন্দ্রমোহন সিংহ, নীলকণ্ঠপুর, উড়িষ্যার চিত্র, প্রথম খণ্ড, উড়িষ্যার চিত্র - যতীন্দ্রমোহন সিংহ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১১ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * ঢেউয়ের গায়ে ঢেউগুলো সব গড়ায় ফুলে ফুলে,<br>পুবের চরে কাশের মাথা উঠছে দুলে দুলে।<br>ঈশান কোণে উড়তি বালি আকাশখানা ছেয়ে<br>হু হু করে আসছে ছুটে ধেয়ে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ঝড়, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * সাঁতার-জলে গা ভাসিয়ে, নদীর জলে ঢেউ নাচিয়ে শকুন্তলা গা ধুলে। রঙ্গভরে অঙ্গের শাড়ি জলের উপর বিছিয়ে দিলে; জলের মতো চিকণ আঁচল জলের সঙ্গে মিশে গেল, ঢেউয়ের সঙ্গে গড়িয়ে গেল। সেই সময়ে দুর্বাসার শাপে রাজার সেই আংটি শকুন্তলার চিকণ আঁচলের এক কোণ থেকে অগাধ জলে পড়ে গেল, শকুন্তলা জানতেও পারলে না। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শকুন্তলা - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিতীয় সংস্করণ, আদি ব্রাহ্মসমাজ সংস্করণ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০২ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৫ * হে পর্বত, যত নদী করি নিরীক্ষণ,<br>তোমাতেই করে তারা জনম গ্রহণ।<br>ছোট বড় ঢেউ সব তাদের উপরে<br>কল কল শব্দ করি সবে ক্রীড়া করে,<br>নদী বেঁকে চুরে যায় দেশে দেশে,<br>সাগরেতে পড়ে গিয়া সকলের শেষে। ** [[সুকুমার রায়]], নদী, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * যখন আমাদের চোখে দেখার সঙ্গে বিশ্বের আলোকের যোগ হয়, যখন আমাদের কানে-শোনার সঙ্গে বিশ্বের গানের মিলন ঘটে, যখন আমাদের স্পর্শস্নায়ুর তন্তুতে তন্তুতে বিশ্বের কত-হাজার-রকম আঘাতের ঢেউ আমাদের চেতনার উপরে ঢেউ খেলিয়ে উঠতে থাকে, তখনি আমাদের জাগা— আমাদের শক্তির সঙ্গে যখন বিশ্বের শক্তির যোগ দুই দিক থেকেই সম্পূর্ণ হয়ে ওঠে তখনি জাগা। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জাগরণ, শান্তিনিকেতন (দ্বিতীয় খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক-বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল-১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫১ * এসো ঢেউ বড়ো ঢেউ মেজো ঢেউ কুনো ঢেউ এসো<br>ঘুমন্ত তীরের দিকে<br>ছুটে এসো, নুলিয়ার শাদা টুপি খুলে নাও আজ<br>আর ম্রিয়মাণ মানুষের মুখে গুঁজে দাও<br>কুচো-চিংড়ি, ঝিনুকের ছানা-পোনা— ** [[তপোধীর ভট্টাচার্য]], সাগর স্নান, কবিতাসংগ্রহ- তপোধীর ভট্টাচার্য, প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- এবং মুশায়েরা, কলকাতা, প্রকাশসাল-২০০৪ খ্রিস্টাব্দ (১৪১১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া|তরঙ্গ}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Waves}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞান]] 21zl0es2pbfeokuz8r8vdcbk45sx8zt 78655 78654 2026-04-19T18:13:36Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 78655 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:ঢেউ|ঢেউ]]''' বা '''তরঙ্গ''' হলো জল বা অন্য কোনো মাধ্যমে সৃষ্ট কম্পনরত আন্দোলন, যা শক্তি স্থানান্তর করে। এটি সাধারণত বাতাস এবং জলের কণার মধ্যকার ঘর্ষণের ফলে তৈরি হয়, যেখানে শক্তিশালী বাতাসে ঢেউয়ের আকার বড় হয়। সাগরে ঢেউ তৈরির প্রধান কারণ হলো সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া বাতাস। সমুদ্রের বুকে সৃষ্ট উঁচু-নিচু ঢেউ বা তরঙ্গ বৈজ্ঞানিকভাবে জলরাশির একটি পর্যায়বৃত্তিক আন্দোলন। ঢেউকে হিল্লোল, ঊর্মি বা লহরীও বলা হয়। জল তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, আলো তরঙ্গ প্রভৃতি নানা ধরনের তরঙ্গ বা ঢেউ হতে পারে। == উক্তি == * উঠিছে ঢেউ, পড়ে ঢেউ, গণিবে কেবা কত।<br>ভাসিছে শত গ্রহ তারা, ডুবিছে শত শত।<br>ঢেউয়ের পরে খেলা করে আলোকে আঁধারেতে,<br>জলের কোলে লুকোচুরি জীবনে মরণেতে।<br>শতেক কোটি গ্রহ তারা যে স্রোতে তৃণপ্রায়,<br>সে স্রোতমাঝে অবহেলে ঢালিয়া দিব কায়। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], স্রোত, কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, প্রয়াগরাজ, প্রকাশসাল- ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩২২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৩ * তরঙ্গ বিষয়ক অধ্যয়ন বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের প্রায় প্রতিটি শাখার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বস্তুত, দৈনন্দিন জীবনেও তরঙ্গের গুরুত্ব রয়েছে। শব্দতরঙ্গের সাহায্যে আমরা শুনতে পাই এবং তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের সাহায্যে আমরা দেখতে পাই। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=ডি. এস. ড্রামহেলার|শিরোনাম=অরৈখিক তরল ও কঠিন পদার্থে তরঙ্গ সঞ্চালনের ভূমিকা|ইউআরএল=http://books.google.com/books?id=HE9w5i7wjBcC&pg=PA1|তারিখ=১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮|প্রকাশক=কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস|আইএসবিএন=978-0-521-58746-4|পাতা=১|ভাষা=en}} * তিতাস একটি নদীর নাম। তার কূলজোড়া জল, বুকভরা ঢেউ, প্রাণভরা উচ্ছ্বাস। স্বপ্নের ছন্দে সে বহিয়া যায়। ভোরের হাওয়ায় তার তন্দ্রা ভাঙ্গে, দিনের সূর্য তাকে তাতায়; রাতে চাঁদ ও তারারা তাকে নিয়া ঘুম পাড়াইতে বসে, কিন্তু পারে না। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * বলা যেতে পারে, ভর ব্যবধানই হলো সেই কারণ যার জন্য আমরা চিরায়ত অরৈখিক ইয়াং-মিলস তরঙ্গ দেখতে পাই না। এগুলো কেবল অগম্য পরিস্থিতিতেই ভালো আনুমানিক ধারণা দেয়। আমি আমার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় এই আশায় কাটিয়েছি যে, চতুর্মাত্রিক গেজ তত্ত্বে ভর ব্যবধানকে পরিমাণগতভাবে বোঝার মতো সত্যিই যদি ভালো একটি উপায় থাকত। আমি আশা করি, এই সমস্যার একদিন সমাধান হবে। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=এডওয়ার্ড উইটেন|শিরোনাম=গেজ তত্ত্বের সমস্যা|ইউআরএল=https://arxiv.org/pdf/0812.4512|তারিখ=২০০৮ |ভাষা=en}} * সমুদ্রে চলিতে চলিতে প্রতি বৎসরই কত জাহাজ ডুবিয়া মরে। কেহ মরে ঝড় তুফানে, কেহ মরে ঢেউয়ের ঝাপটায়, কেহ মরে পাহাড়ের গুঁতায়, আর কেহ মরে অন্য জাহাজের ধাক্কা লাগিয়া—যুদ্ধের কথা নাহয় ছাড়িয়াই দিলাম। এইরকম কত উপায়ে জাহাজ মরিতেছে তাহার ঠিকানাই নাই। ** [[সুকুমার রায়]], জাহাজ ডুবি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৬-২০৭ * যাঁহারা বাঙ্গালার নদীবর্গে নৌকারোহণ করিতে ভীত, সাগরোর্ম্মির পরিমাণ সম্বন্ধে তাঁহাদের কিরূপ অনুমান, তাহা বলিতে পারি না। উপকথায় “তালগাছ প্রমাণ ঢেউ” শুনা যায়—কিন্তু কেহ তাহা বিশ্বাস করে না। সমুদ্রে তদপেক্ষা উচ্চতর ঢেউ উঠিয়া থাকে। ফিণ্ডে সাহেব লিখেন, ১৮৪৩ অব্দে কর্ম্বালেয় নিকট ৩০০ ফিট অর্থাৎ ২০০ হাত উচ্চ ঢেউ উঠিয়াছিল। ১৮২০ সালে নরওয়ে প্রদেশের নিকট ৪০০ ফিট পরিমিত ঢেউ উঠিয়াছিল। সমুদ্রের ঢেউ অনেক দূর চলে। উত্তমাশা অন্তরীপে উদ্ভূত মগ্ন তরঙ্গ তিন সহস্র মাইল দূরস্থ উপদ্বীপে প্রহৃত হইয়া থাকে। ** [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], সমুদ্র-তরঙ্গ, বিজ্ঞানরহস্য- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দ (১২৯১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২ * হয়তো বা [[হাঁস]] হবো – কিশোরীর – ঘুঙুর রহিবে লাল পায়<br/>সারাদিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধভরা জলে ভেসে ভেসে।<br/>আবার আসিব আমি বাংলার [[নদী]] মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে <br/> জলঙ্গীর ঢেউ এ ভেজা বাংলারি সবুজ করুণ ডাঙ্গায়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * আলোর ঢেউয়ের কথাই বুঝে নেওয়া যাক। এই ঢেউ একটিমাত্র ঢেউয়ের ধারা নয়। এর সঙ্গে অনেক ঢেউ দল বেঁধেছে। কতকগুলি চোখে পড়ে, অনেকগুলি পড়ে না। এইখানে ব’লে রাখা ভালো, যে-আলো চোখে পড়ে না, চলতি ভাষায় তাকে আলো বলে না। কিন্তু দৃশ্যই হোক অদৃশ্যই হোক, একটা কোনো শক্তির এই ধরনের ঢেউ-খেলিয়ে চলাই যখন উভয়েরই স্বভাব, তখন বিশ্বতত্ত্বের বইয়ে ওদের পৃথক নাম অসংগত। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পরমাণুলোক, বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০ * সুবলার বউয়ের নিকট এ সমস্তই স্বপ্ন বলিয়া মনে হইল। এমন কি যে অনন্তবালা সামনে দাঁড়াইয়া আছে, সেও যেন একটা স্বপ্ন মাত্র। একমাত্র সত্য চরের ধানগাছগুলি। কি অজস্র ধান ফলিয়াছে। দক্ষিণের ঐ অনেক দূরের শিবনগর গাঁ হইতে আগে ঢেউ উঠিত। সে ঢেউ থামিত আসিয়া এই মালোপাড়ার মাটিতে ঠেকিয়া। এখন সেই সুদূর হইতে সেই ঢেউই যেন রূপান্তরিত হইয়া ধানগাছের মাথাগুলির উপর দিয়া বহিয়া আসে। সেই দিকে চাহিয়া সুবলার বউ ধীরে ধীরে চোখ মুদিল। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৩৭-৪৩৮ * তুমি যখন কথা বল তখন তোমার গলার আওয়াজ চারিদিকে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। যতদূর পর্যন্ত সে আওয়াজ যায় ততদূর পর্যন্ত বাতাসে নানারকম ঢেউ খেতিয়ে যায়। মোটা গলার বড়ো-বড়ো ঢেউ সরু গলার ছোটো-ছোটো ঢেউ। চেঁচিয়ে বললে বাতাসে জোরে জোরে ঢেউয়ের ধাক্কা লাগে, আস্তে বললে সে ঢেউ বাতাস ঠেলে বেশি দূর এগোতেই পারে না। কিন্তু যেমন করেই কথা বল আর যত জোরেই বল, খানিক দূর পর্যন্ত গিয়ে সে ঢেউ আপনি মিলিয়ে যাবে। তার পরে আর তোমার আওয়াজ পৌঁছবে না। ** [[সুকুমার রায়]], আকাশবাণীর কল, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮৫ * আবছায়া চারিদিক, ঝাপসা নিঝুম,<br>পউষের ভোরবেলা—ভেঙে গেল ঘুম।<br>উষার দুয়ারে এক তুষারের ঢেউ<br>কখন পড়েছে ভেঙে, জানে না তা কেউ। ** [[সুনির্মল বসু]], শীতের সকাল, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭১ * আলোর ঢেউয়ের আপন দলের আরো একটি ঢেউ আছে, সেটা চোখে দেখিনে, স্পর্শে বুঝি। সেটা তাপের ঢেউ। সৃষ্টির কাজে তার খুবই প্রতাপ। এমনিতরো আলোর ঢেউজাতীয় নানা পদার্থের কোনোটা দেখা যায়, কোনোটা স্পর্শে বোঝা যায়, কোনোটাকে স্পষ্ট আলোরূপে জানি আবার সঙ্গে সঙ্গেই তাপরূপেও বুঝি, কোনোটাকে দেখাও যায় না, স্পর্শেও পাওয়া যায় না। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পরমাণুলোক, বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০ * ‘নই ঘোড়া, নই হাতি, নই সাপ বিচ্ছু,<br/>মৌমাছি প্রজাপতি নই আমি কিচ্ছু।<br/>মাছ ব্যাঙ গাছপাতা জলমাটি ঢেউ নই,<br/>নই জুতা নই ছাতা, আমি তবে কেউ নই!’ ** [[সুকুমার রায়]], কিম্ভূত, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ * বাতাসে আমাদের নৌকাখানি কিনারার দিকে চলিল, এমন সময়, হঠাৎ এক বিশাল ঢেউ আসিয়া সেই নৌকা উণ্টাইয়া দিল,—আর আমরা সমুদ্রের লোণা জলে হাবু ডুবু খাইতে লাগিলাম। একটা ঢেউ আসিয়া খুব জোরে আমাকে কিনারার দিকে ঠেলিয়া লইয়া, এক পাথরের চিবির উপর আছড়াইয়া ফেলিল। আমি পাথর আঁকড়াইয়া ধরিয়া ঢিবির উপর পড়িয়া রহিলাম। ** ড্যানিয়েল ডিফো, রবিন্সন্‌ ক্রুসো- ড্যানিয়েল ডিফো, অনুবাদক- অজ্ঞাত, প্রকাশক- সিটী বুক সোসাইটী, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * ছোট ছোট পাহাড়গুলি প্রায়ই বনে আবৃত; এই জন্য দূর হইতে গাঢ় নীলবর্ণ দেখায়। যখন চারি দিকের ক্ষেত্রসকল শ্যামল শস্যরাশিতে পরিপূর্ণ থাকে, তখন এই সকল পাহাড় দেখিয়া দূর হইতে মনে হয়, ইহারা কাহার ঢেউ?—নীল আকাশের ঢেউ, না সেই শ্যামল শস্যরাশির ঢেউ? ** যতীন্দ্রমোহন সিংহ, নীলকণ্ঠপুর, উড়িষ্যার চিত্র, প্রথম খণ্ড, উড়িষ্যার চিত্র - যতীন্দ্রমোহন সিংহ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১১ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * ঢেউয়ের গায়ে ঢেউগুলো সব গড়ায় ফুলে ফুলে,<br>পুবের চরে কাশের মাথা উঠছে দুলে দুলে।<br>ঈশান কোণে উড়তি বালি আকাশখানা ছেয়ে<br>হু হু করে আসছে ছুটে ধেয়ে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ঝড়, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * সাঁতার-জলে গা ভাসিয়ে, নদীর জলে ঢেউ নাচিয়ে শকুন্তলা গা ধুলে। রঙ্গভরে অঙ্গের শাড়ি জলের উপর বিছিয়ে দিলে; জলের মতো চিকণ আঁচল জলের সঙ্গে মিশে গেল, ঢেউয়ের সঙ্গে গড়িয়ে গেল। সেই সময়ে দুর্বাসার শাপে রাজার সেই আংটি শকুন্তলার চিকণ আঁচলের এক কোণ থেকে অগাধ জলে পড়ে গেল, শকুন্তলা জানতেও পারলে না। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শকুন্তলা - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিতীয় সংস্করণ, আদি ব্রাহ্মসমাজ সংস্করণ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০২ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৫ * হে পর্বত, যত নদী করি নিরীক্ষণ,<br>তোমাতেই করে তারা জনম গ্রহণ।<br>ছোট বড় ঢেউ সব তাদের উপরে<br>কল কল শব্দ করি সবে ক্রীড়া করে,<br>নদী বেঁকে চুরে যায় দেশে দেশে,<br>সাগরেতে পড়ে গিয়া সকলের শেষে। ** [[সুকুমার রায়]], নদী, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * যখন আমাদের চোখে দেখার সঙ্গে বিশ্বের আলোকের যোগ হয়, যখন আমাদের কানে-শোনার সঙ্গে বিশ্বের গানের মিলন ঘটে, যখন আমাদের স্পর্শস্নায়ুর তন্তুতে তন্তুতে বিশ্বের কত-হাজার-রকম আঘাতের ঢেউ আমাদের চেতনার উপরে ঢেউ খেলিয়ে উঠতে থাকে, তখনি আমাদের জাগা— আমাদের শক্তির সঙ্গে যখন বিশ্বের শক্তির যোগ দুই দিক থেকেই সম্পূর্ণ হয়ে ওঠে তখনি জাগা। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জাগরণ, শান্তিনিকেতন (দ্বিতীয় খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক-বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল-১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫১ * হিশিদা বেঁচে থাকলে খুব বড় আর্টস্ট হত। একটি ছবি এঁকেছিল—দূরে সমুদ্রে আকাশে মিলে গেছে, সামনে বালুর চর, ছবিতে একটি মাত্র ঢেউ এঁকেছে যেন এসে আছড়ে পড়ছে পারে। সে যে কি সুন্দর কি বলব। পান্নার মত ঢেউয়ের রঙটি, তার গর্জন যেন কানে এসে বাজত স্পষ্ট। বড় লোভ হয়েছিল সেই ছবিটিতে। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জোড়াসাঁকোর ধারে, জোড়াসাঁকোর ধারে- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০৫ * এসো ঢেউ বড়ো ঢেউ মেজো ঢেউ কুনো ঢেউ এসো<br>ঘুমন্ত তীরের দিকে<br>ছুটে এসো, নুলিয়ার শাদা টুপি খুলে নাও আজ<br>আর ম্রিয়মাণ মানুষের মুখে গুঁজে দাও<br>কুচো-চিংড়ি, ঝিনুকের ছানা-পোনা— ** [[তপোধীর ভট্টাচার্য]], সাগর স্নান, কবিতাসংগ্রহ- তপোধীর ভট্টাচার্য, প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- এবং মুশায়েরা, কলকাতা, প্রকাশসাল-২০০৪ খ্রিস্টাব্দ (১৪১১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া|তরঙ্গ}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Waves}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞান]] c8ipy5l6pknos8n1pmtu65lwcz674rx 78656 78655 2026-04-19T18:18:57Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 78656 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:ঢেউ|ঢেউ]]''' বা '''তরঙ্গ''' হলো জল বা অন্য কোনো মাধ্যমে সৃষ্ট কম্পনরত আন্দোলন, যা শক্তি স্থানান্তর করে। এটি সাধারণত বাতাস এবং জলের কণার মধ্যকার ঘর্ষণের ফলে তৈরি হয়, যেখানে শক্তিশালী বাতাসে ঢেউয়ের আকার বড় হয়। সাগরে ঢেউ তৈরির প্রধান কারণ হলো সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া বাতাস। সমুদ্রের বুকে সৃষ্ট উঁচু-নিচু ঢেউ বা তরঙ্গ বৈজ্ঞানিকভাবে জলরাশির একটি পর্যায়বৃত্তিক আন্দোলন। ঢেউকে হিল্লোল, ঊর্মি বা লহরীও বলা হয়। জল তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, আলো তরঙ্গ প্রভৃতি নানা ধরনের তরঙ্গ বা ঢেউ হতে পারে। == উক্তি == * উঠিছে ঢেউ, পড়ে ঢেউ, গণিবে কেবা কত।<br>ভাসিছে শত গ্রহ তারা, ডুবিছে শত শত।<br>ঢেউয়ের পরে খেলা করে আলোকে আঁধারেতে,<br>জলের কোলে লুকোচুরি জীবনে মরণেতে।<br>শতেক কোটি গ্রহ তারা যে স্রোতে তৃণপ্রায়,<br>সে স্রোতমাঝে অবহেলে ঢালিয়া দিব কায়। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], স্রোত, কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, প্রয়াগরাজ, প্রকাশসাল- ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩২২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৩ * তরঙ্গ বিষয়ক অধ্যয়ন বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের প্রায় প্রতিটি শাখার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বস্তুত, দৈনন্দিন জীবনেও তরঙ্গের গুরুত্ব রয়েছে। শব্দতরঙ্গের সাহায্যে আমরা শুনতে পাই এবং তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের সাহায্যে আমরা দেখতে পাই। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=ডি. এস. ড্রামহেলার|শিরোনাম=অরৈখিক তরল ও কঠিন পদার্থে তরঙ্গ সঞ্চালনের ভূমিকা|ইউআরএল=http://books.google.com/books?id=HE9w5i7wjBcC&pg=PA1|তারিখ=১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮|প্রকাশক=কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস|আইএসবিএন=978-0-521-58746-4|পাতা=১|ভাষা=en}} * তিতাস একটি নদীর নাম। তার কূলজোড়া জল, বুকভরা ঢেউ, প্রাণভরা উচ্ছ্বাস। স্বপ্নের ছন্দে সে বহিয়া যায়। ভোরের হাওয়ায় তার তন্দ্রা ভাঙ্গে, দিনের সূর্য তাকে তাতায়; রাতে চাঁদ ও তারারা তাকে নিয়া ঘুম পাড়াইতে বসে, কিন্তু পারে না। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * বলা যেতে পারে, ভর ব্যবধানই হলো সেই কারণ যার জন্য আমরা চিরায়ত অরৈখিক ইয়াং-মিলস তরঙ্গ দেখতে পাই না। এগুলো কেবল অগম্য পরিস্থিতিতেই ভালো আনুমানিক ধারণা দেয়। আমি আমার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় এই আশায় কাটিয়েছি যে, চতুর্মাত্রিক গেজ তত্ত্বে ভর ব্যবধানকে পরিমাণগতভাবে বোঝার মতো সত্যিই যদি ভালো একটি উপায় থাকত। আমি আশা করি, এই সমস্যার একদিন সমাধান হবে। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=এডওয়ার্ড উইটেন|শিরোনাম=গেজ তত্ত্বের সমস্যা|ইউআরএল=https://arxiv.org/pdf/0812.4512|তারিখ=২০০৮ |ভাষা=en}} * সমুদ্রে চলিতে চলিতে প্রতি বৎসরই কত জাহাজ ডুবিয়া মরে। কেহ মরে ঝড় তুফানে, কেহ মরে ঢেউয়ের ঝাপটায়, কেহ মরে পাহাড়ের গুঁতায়, আর কেহ মরে অন্য জাহাজের ধাক্কা লাগিয়া—যুদ্ধের কথা নাহয় ছাড়িয়াই দিলাম। এইরকম কত উপায়ে জাহাজ মরিতেছে তাহার ঠিকানাই নাই। ** [[সুকুমার রায়]], জাহাজ ডুবি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৬-২০৭ * যাঁহারা বাঙ্গালার নদীবর্গে নৌকারোহণ করিতে ভীত, সাগরোর্ম্মির পরিমাণ সম্বন্ধে তাঁহাদের কিরূপ অনুমান, তাহা বলিতে পারি না। উপকথায় “তালগাছ প্রমাণ ঢেউ” শুনা যায়—কিন্তু কেহ তাহা বিশ্বাস করে না। সমুদ্রে তদপেক্ষা উচ্চতর ঢেউ উঠিয়া থাকে। ফিণ্ডে সাহেব লিখেন, ১৮৪৩ অব্দে কর্ম্বালেয় নিকট ৩০০ ফিট অর্থাৎ ২০০ হাত উচ্চ ঢেউ উঠিয়াছিল। ১৮২০ সালে নরওয়ে প্রদেশের নিকট ৪০০ ফিট পরিমিত ঢেউ উঠিয়াছিল। সমুদ্রের ঢেউ অনেক দূর চলে। উত্তমাশা অন্তরীপে উদ্ভূত মগ্ন তরঙ্গ তিন সহস্র মাইল দূরস্থ উপদ্বীপে প্রহৃত হইয়া থাকে। ** [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], সমুদ্র-তরঙ্গ, বিজ্ঞানরহস্য- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দ (১২৯১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২ * হয়তো বা [[হাঁস]] হবো – কিশোরীর – ঘুঙুর রহিবে লাল পায়<br/>সারাদিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধভরা জলে ভেসে ভেসে।<br/>আবার আসিব আমি বাংলার [[নদী]] মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে <br/> জলঙ্গীর ঢেউ এ ভেজা বাংলারি সবুজ করুণ ডাঙ্গায়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * আলোর ঢেউয়ের কথাই বুঝে নেওয়া যাক। এই ঢেউ একটিমাত্র ঢেউয়ের ধারা নয়। এর সঙ্গে অনেক ঢেউ দল বেঁধেছে। কতকগুলি চোখে পড়ে, অনেকগুলি পড়ে না। এইখানে ব’লে রাখা ভালো, যে-আলো চোখে পড়ে না, চলতি ভাষায় তাকে আলো বলে না। কিন্তু দৃশ্যই হোক অদৃশ্যই হোক, একটা কোনো শক্তির এই ধরনের ঢেউ-খেলিয়ে চলাই যখন উভয়েরই স্বভাব, তখন বিশ্বতত্ত্বের বইয়ে ওদের পৃথক নাম অসংগত। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পরমাণুলোক, বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০ * সুবলার বউয়ের নিকট এ সমস্তই স্বপ্ন বলিয়া মনে হইল। এমন কি যে অনন্তবালা সামনে দাঁড়াইয়া আছে, সেও যেন একটা স্বপ্ন মাত্র। একমাত্র সত্য চরের ধানগাছগুলি। কি অজস্র ধান ফলিয়াছে। দক্ষিণের ঐ অনেক দূরের শিবনগর গাঁ হইতে আগে ঢেউ উঠিত। সে ঢেউ থামিত আসিয়া এই মালোপাড়ার মাটিতে ঠেকিয়া। এখন সেই সুদূর হইতে সেই ঢেউই যেন রূপান্তরিত হইয়া ধানগাছের মাথাগুলির উপর দিয়া বহিয়া আসে। সেই দিকে চাহিয়া সুবলার বউ ধীরে ধীরে চোখ মুদিল। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৩৭-৪৩৮ * তুমি যখন কথা বল তখন তোমার গলার আওয়াজ চারিদিকে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। যতদূর পর্যন্ত সে আওয়াজ যায় ততদূর পর্যন্ত বাতাসে নানারকম ঢেউ খেতিয়ে যায়। মোটা গলার বড়ো-বড়ো ঢেউ সরু গলার ছোটো-ছোটো ঢেউ। চেঁচিয়ে বললে বাতাসে জোরে জোরে ঢেউয়ের ধাক্কা লাগে, আস্তে বললে সে ঢেউ বাতাস ঠেলে বেশি দূর এগোতেই পারে না। কিন্তু যেমন করেই কথা বল আর যত জোরেই বল, খানিক দূর পর্যন্ত গিয়ে সে ঢেউ আপনি মিলিয়ে যাবে। তার পরে আর তোমার আওয়াজ পৌঁছবে না। ** [[সুকুমার রায়]], আকাশবাণীর কল, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮৫ * আবছায়া চারিদিক, ঝাপসা নিঝুম,<br>পউষের ভোরবেলা—ভেঙে গেল ঘুম।<br>উষার দুয়ারে এক তুষারের ঢেউ<br>কখন পড়েছে ভেঙে, জানে না তা কেউ। ** [[সুনির্মল বসু]], শীতের সকাল, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭১ * আলোর ঢেউয়ের আপন দলের আরো একটি ঢেউ আছে, সেটা চোখে দেখিনে, স্পর্শে বুঝি। সেটা তাপের ঢেউ। সৃষ্টির কাজে তার খুবই প্রতাপ। এমনিতরো আলোর ঢেউজাতীয় নানা পদার্থের কোনোটা দেখা যায়, কোনোটা স্পর্শে বোঝা যায়, কোনোটাকে স্পষ্ট আলোরূপে জানি আবার সঙ্গে সঙ্গেই তাপরূপেও বুঝি, কোনোটাকে দেখাও যায় না, স্পর্শেও পাওয়া যায় না। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পরমাণুলোক, বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০ * ‘নই ঘোড়া, নই হাতি, নই সাপ বিচ্ছু,<br/>মৌমাছি প্রজাপতি নই আমি কিচ্ছু।<br/>মাছ ব্যাঙ গাছপাতা জলমাটি ঢেউ নই,<br/>নই জুতা নই ছাতা, আমি তবে কেউ নই!’ ** [[সুকুমার রায়]], কিম্ভূত, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ * বাতাসে আমাদের নৌকাখানি কিনারার দিকে চলিল, এমন সময়, হঠাৎ এক বিশাল ঢেউ আসিয়া সেই নৌকা উণ্টাইয়া দিল,—আর আমরা সমুদ্রের লোণা জলে হাবু ডুবু খাইতে লাগিলাম। একটা ঢেউ আসিয়া খুব জোরে আমাকে কিনারার দিকে ঠেলিয়া লইয়া, এক পাথরের চিবির উপর আছড়াইয়া ফেলিল। আমি পাথর আঁকড়াইয়া ধরিয়া ঢিবির উপর পড়িয়া রহিলাম। ** ড্যানিয়েল ডিফো, রবিন্সন্‌ ক্রুসো- ড্যানিয়েল ডিফো, অনুবাদক- অজ্ঞাত, প্রকাশক- সিটী বুক সোসাইটী, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * ছোট ছোট পাহাড়গুলি প্রায়ই বনে আবৃত; এই জন্য দূর হইতে গাঢ় নীলবর্ণ দেখায়। যখন চারি দিকের ক্ষেত্রসকল শ্যামল শস্যরাশিতে পরিপূর্ণ থাকে, তখন এই সকল পাহাড় দেখিয়া দূর হইতে মনে হয়, ইহারা কাহার ঢেউ?—নীল আকাশের ঢেউ, না সেই শ্যামল শস্যরাশির ঢেউ? ** যতীন্দ্রমোহন সিংহ, নীলকণ্ঠপুর, উড়িষ্যার চিত্র, প্রথম খণ্ড, উড়িষ্যার চিত্র - যতীন্দ্রমোহন সিংহ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১১ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * ঢেউয়ের গায়ে ঢেউগুলো সব গড়ায় ফুলে ফুলে,<br>পুবের চরে কাশের মাথা উঠছে দুলে দুলে।<br>ঈশান কোণে উড়তি বালি আকাশখানা ছেয়ে<br>হু হু করে আসছে ছুটে ধেয়ে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ঝড়, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * সাঁতার-জলে গা ভাসিয়ে, নদীর জলে ঢেউ নাচিয়ে শকুন্তলা গা ধুলে। রঙ্গভরে অঙ্গের শাড়ি জলের উপর বিছিয়ে দিলে; জলের মতো চিকণ আঁচল জলের সঙ্গে মিশে গেল, ঢেউয়ের সঙ্গে গড়িয়ে গেল। সেই সময়ে দুর্বাসার শাপে রাজার সেই আংটি শকুন্তলার চিকণ আঁচলের এক কোণ থেকে অগাধ জলে পড়ে গেল, শকুন্তলা জানতেও পারলে না। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শকুন্তলা - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিতীয় সংস্করণ, আদি ব্রাহ্মসমাজ সংস্করণ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০২ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৫ * হে পর্বত, যত নদী করি নিরীক্ষণ,<br>তোমাতেই করে তারা জনম গ্রহণ।<br>ছোট বড় ঢেউ সব তাদের উপরে<br>কল কল শব্দ করি সবে ক্রীড়া করে,<br>নদী বেঁকে চুরে যায় দেশে দেশে,<br>সাগরেতে পড়ে গিয়া সকলের শেষে। ** [[সুকুমার রায়]], নদী, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * যখন আমাদের চোখে দেখার সঙ্গে বিশ্বের আলোকের যোগ হয়, যখন আমাদের কানে-শোনার সঙ্গে বিশ্বের গানের মিলন ঘটে, যখন আমাদের স্পর্শস্নায়ুর তন্তুতে তন্তুতে বিশ্বের কত-হাজার-রকম আঘাতের ঢেউ আমাদের চেতনার উপরে ঢেউ খেলিয়ে উঠতে থাকে, তখনি আমাদের জাগা— আমাদের শক্তির সঙ্গে যখন বিশ্বের শক্তির যোগ দুই দিক থেকেই সম্পূর্ণ হয়ে ওঠে তখনি জাগা। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জাগরণ, শান্তিনিকেতন (দ্বিতীয় খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক-বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল-১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫১ * হিশিদা বেঁচে থাকলে খুব বড় আর্টস্ট হত। একটি ছবি এঁকেছিল—দূরে সমুদ্রে আকাশে মিলে গেছে, সামনে বালুর চর, ছবিতে একটি মাত্র ঢেউ এঁকেছে যেন এসে আছড়ে পড়ছে পারে। সে যে কি সুন্দর কি বলব। পান্নার মত ঢেউয়ের রঙটি, তার গর্জন যেন কানে এসে বাজত স্পষ্ট। বড় লোভ হয়েছিল সেই ছবিটিতে। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জোড়াসাঁকোর ধারে, জোড়াসাঁকোর ধারে- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০৫ * সব পলিমাটি জলের তলে থিতাইয়া রহিয়াছে, উপরে ভাসিয়া রহিয়াছে নির্মল জল। তিতাসের জল তাই সাদাও নয়, গৈরিকও নয়, একেবারে নির্মল; আর নির্মল বলিয়াই কালো। সেই কালো জলের উপর দিয়া ঢেউয়ের পর ঢেউ আসিয়া এখানে আছাড় খাইতেছে। ঢেউয়ে ঢেউয়ে জল কেবল আগাইয়া আসিতেছে। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], রামধনু, তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৭০ * এসো ঢেউ বড়ো ঢেউ মেজো ঢেউ কুনো ঢেউ এসো<br>ঘুমন্ত তীরের দিকে<br>ছুটে এসো, নুলিয়ার শাদা টুপি খুলে নাও আজ<br>আর ম্রিয়মাণ মানুষের মুখে গুঁজে দাও<br>কুচো-চিংড়ি, ঝিনুকের ছানা-পোনা— ** [[তপোধীর ভট্টাচার্য]], সাগর স্নান, কবিতাসংগ্রহ- তপোধীর ভট্টাচার্য, প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- এবং মুশায়েরা, কলকাতা, প্রকাশসাল-২০০৪ খ্রিস্টাব্দ (১৪১১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া|তরঙ্গ}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Waves}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞান]] msecucf17k9fcowyh7h7dkn4318x0ep 78657 78656 2026-04-19T18:19:53Z Salil Kumar Mukherjee 39 ট্যাগ বাতিল 78657 wikitext text/x-wiki '''[[:w:ঢেউ|ঢেউ]]''' বা '''তরঙ্গ''' হলো জল বা অন্য কোনো মাধ্যমে সৃষ্ট কম্পনরত আন্দোলন, যা শক্তি স্থানান্তর করে। এটি সাধারণত বাতাস এবং জলের কণার মধ্যকার ঘর্ষণের ফলে তৈরি হয়, যেখানে শক্তিশালী বাতাসে ঢেউয়ের আকার বড় হয়। সাগরে ঢেউ তৈরির প্রধান কারণ হলো সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া বাতাস। সমুদ্রের বুকে সৃষ্ট উঁচু-নিচু ঢেউ বা তরঙ্গ বৈজ্ঞানিকভাবে জলরাশির একটি পর্যায়বৃত্তিক আন্দোলন। ঢেউকে হিল্লোল, ঊর্মি বা লহরীও বলা হয়। জল তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, আলো তরঙ্গ প্রভৃতি নানা ধরনের তরঙ্গ বা ঢেউ হতে পারে। == উক্তি == * উঠিছে ঢেউ, পড়ে ঢেউ, গণিবে কেবা কত।<br>ভাসিছে শত গ্রহ তারা, ডুবিছে শত শত।<br>ঢেউয়ের পরে খেলা করে আলোকে আঁধারেতে,<br>জলের কোলে লুকোচুরি জীবনে মরণেতে।<br>শতেক কোটি গ্রহ তারা যে স্রোতে তৃণপ্রায়,<br>সে স্রোতমাঝে অবহেলে ঢালিয়া দিব কায়। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], স্রোত, কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, প্রয়াগরাজ, প্রকাশসাল- ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩২২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৩ * তরঙ্গ বিষয়ক অধ্যয়ন বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের প্রায় প্রতিটি শাখার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বস্তুত, দৈনন্দিন জীবনেও তরঙ্গের গুরুত্ব রয়েছে। শব্দতরঙ্গের সাহায্যে আমরা শুনতে পাই এবং তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের সাহায্যে আমরা দেখতে পাই। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=ডি. এস. ড্রামহেলার|শিরোনাম=অরৈখিক তরল ও কঠিন পদার্থে তরঙ্গ সঞ্চালনের ভূমিকা|ইউআরএল=http://books.google.com/books?id=HE9w5i7wjBcC&pg=PA1|তারিখ=১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮|প্রকাশক=কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস|আইএসবিএন=978-0-521-58746-4|পাতা=১|ভাষা=en}} * তিতাস একটি নদীর নাম। তার কূলজোড়া জল, বুকভরা ঢেউ, প্রাণভরা উচ্ছ্বাস। স্বপ্নের ছন্দে সে বহিয়া যায়। ভোরের হাওয়ায় তার তন্দ্রা ভাঙ্গে, দিনের সূর্য তাকে তাতায়; রাতে চাঁদ ও তারারা তাকে নিয়া ঘুম পাড়াইতে বসে, কিন্তু পারে না। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * বলা যেতে পারে, ভর ব্যবধানই হলো সেই কারণ যার জন্য আমরা চিরায়ত অরৈখিক ইয়াং-মিলস তরঙ্গ দেখতে পাই না। এগুলো কেবল অগম্য পরিস্থিতিতেই ভালো আনুমানিক ধারণা দেয়। আমি আমার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় এই আশায় কাটিয়েছি যে, চতুর্মাত্রিক গেজ তত্ত্বে ভর ব্যবধানকে পরিমাণগতভাবে বোঝার মতো সত্যিই যদি ভালো একটি উপায় থাকত। আমি আশা করি, এই সমস্যার একদিন সমাধান হবে। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=এডওয়ার্ড উইটেন|শিরোনাম=গেজ তত্ত্বের সমস্যা|ইউআরএল=https://arxiv.org/pdf/0812.4512|তারিখ=২০০৮ |ভাষা=en}} * সমুদ্রে চলিতে চলিতে প্রতি বৎসরই কত জাহাজ ডুবিয়া মরে। কেহ মরে ঝড় তুফানে, কেহ মরে ঢেউয়ের ঝাপটায়, কেহ মরে পাহাড়ের গুঁতায়, আর কেহ মরে অন্য জাহাজের ধাক্কা লাগিয়া—যুদ্ধের কথা নাহয় ছাড়িয়াই দিলাম। এইরকম কত উপায়ে জাহাজ মরিতেছে তাহার ঠিকানাই নাই। ** [[সুকুমার রায়]], জাহাজ ডুবি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৬-২০৭ * যাঁহারা বাঙ্গালার নদীবর্গে নৌকারোহণ করিতে ভীত, সাগরোর্ম্মির পরিমাণ সম্বন্ধে তাঁহাদের কিরূপ অনুমান, তাহা বলিতে পারি না। উপকথায় “তালগাছ প্রমাণ ঢেউ” শুনা যায়—কিন্তু কেহ তাহা বিশ্বাস করে না। সমুদ্রে তদপেক্ষা উচ্চতর ঢেউ উঠিয়া থাকে। ফিণ্ডে সাহেব লিখেন, ১৮৪৩ অব্দে কর্ম্বালেয় নিকট ৩০০ ফিট অর্থাৎ ২০০ হাত উচ্চ ঢেউ উঠিয়াছিল। ১৮২০ সালে নরওয়ে প্রদেশের নিকট ৪০০ ফিট পরিমিত ঢেউ উঠিয়াছিল। সমুদ্রের ঢেউ অনেক দূর চলে। উত্তমাশা অন্তরীপে উদ্ভূত মগ্ন তরঙ্গ তিন সহস্র মাইল দূরস্থ উপদ্বীপে প্রহৃত হইয়া থাকে। ** [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], সমুদ্র-তরঙ্গ, বিজ্ঞানরহস্য- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দ (১২৯১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২ * হয়তো বা [[হাঁস]] হবো – কিশোরীর – ঘুঙুর রহিবে লাল পায়<br/>সারাদিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধভরা জলে ভেসে ভেসে।<br/>আবার আসিব আমি বাংলার [[নদী]] মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে <br/> জলঙ্গীর ঢেউ এ ভেজা বাংলারি সবুজ করুণ ডাঙ্গায়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * আলোর ঢেউয়ের কথাই বুঝে নেওয়া যাক। এই ঢেউ একটিমাত্র ঢেউয়ের ধারা নয়। এর সঙ্গে অনেক ঢেউ দল বেঁধেছে। কতকগুলি চোখে পড়ে, অনেকগুলি পড়ে না। এইখানে ব’লে রাখা ভালো, যে-আলো চোখে পড়ে না, চলতি ভাষায় তাকে আলো বলে না। কিন্তু দৃশ্যই হোক অদৃশ্যই হোক, একটা কোনো শক্তির এই ধরনের ঢেউ-খেলিয়ে চলাই যখন উভয়েরই স্বভাব, তখন বিশ্বতত্ত্বের বইয়ে ওদের পৃথক নাম অসংগত। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পরমাণুলোক, বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০ * সুবলার বউয়ের নিকট এ সমস্তই স্বপ্ন বলিয়া মনে হইল। এমন কি যে অনন্তবালা সামনে দাঁড়াইয়া আছে, সেও যেন একটা স্বপ্ন মাত্র। একমাত্র সত্য চরের ধানগাছগুলি। কি অজস্র ধান ফলিয়াছে। দক্ষিণের ঐ অনেক দূরের শিবনগর গাঁ হইতে আগে ঢেউ উঠিত। সে ঢেউ থামিত আসিয়া এই মালোপাড়ার মাটিতে ঠেকিয়া। এখন সেই সুদূর হইতে সেই ঢেউই যেন রূপান্তরিত হইয়া ধানগাছের মাথাগুলির উপর দিয়া বহিয়া আসে। সেই দিকে চাহিয়া সুবলার বউ ধীরে ধীরে চোখ মুদিল। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৩৭-৪৩৮ * তুমি যখন কথা বল তখন তোমার গলার আওয়াজ চারিদিকে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। যতদূর পর্যন্ত সে আওয়াজ যায় ততদূর পর্যন্ত বাতাসে নানারকম ঢেউ খেতিয়ে যায়। মোটা গলার বড়ো-বড়ো ঢেউ সরু গলার ছোটো-ছোটো ঢেউ। চেঁচিয়ে বললে বাতাসে জোরে জোরে ঢেউয়ের ধাক্কা লাগে, আস্তে বললে সে ঢেউ বাতাস ঠেলে বেশি দূর এগোতেই পারে না। কিন্তু যেমন করেই কথা বল আর যত জোরেই বল, খানিক দূর পর্যন্ত গিয়ে সে ঢেউ আপনি মিলিয়ে যাবে। তার পরে আর তোমার আওয়াজ পৌঁছবে না। ** [[সুকুমার রায়]], আকাশবাণীর কল, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮৫ * আবছায়া চারিদিক, ঝাপসা নিঝুম,<br>পউষের ভোরবেলা—ভেঙে গেল ঘুম।<br>উষার দুয়ারে এক তুষারের ঢেউ<br>কখন পড়েছে ভেঙে, জানে না তা কেউ। ** [[সুনির্মল বসু]], শীতের সকাল, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭১ * আলোর ঢেউয়ের আপন দলের আরো একটি ঢেউ আছে, সেটা চোখে দেখিনে, স্পর্শে বুঝি। সেটা তাপের ঢেউ। সৃষ্টির কাজে তার খুবই প্রতাপ। এমনিতরো আলোর ঢেউজাতীয় নানা পদার্থের কোনোটা দেখা যায়, কোনোটা স্পর্শে বোঝা যায়, কোনোটাকে স্পষ্ট আলোরূপে জানি আবার সঙ্গে সঙ্গেই তাপরূপেও বুঝি, কোনোটাকে দেখাও যায় না, স্পর্শেও পাওয়া যায় না। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পরমাণুলোক, বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০ * ‘নই ঘোড়া, নই হাতি, নই সাপ বিচ্ছু,<br/>মৌমাছি প্রজাপতি নই আমি কিচ্ছু।<br/>মাছ ব্যাঙ গাছপাতা জলমাটি ঢেউ নই,<br/>নই জুতা নই ছাতা, আমি তবে কেউ নই!’ ** [[সুকুমার রায়]], কিম্ভূত, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ * বাতাসে আমাদের নৌকাখানি কিনারার দিকে চলিল, এমন সময়, হঠাৎ এক বিশাল ঢেউ আসিয়া সেই নৌকা উণ্টাইয়া দিল,—আর আমরা সমুদ্রের লোণা জলে হাবু ডুবু খাইতে লাগিলাম। একটা ঢেউ আসিয়া খুব জোরে আমাকে কিনারার দিকে ঠেলিয়া লইয়া, এক পাথরের চিবির উপর আছড়াইয়া ফেলিল। আমি পাথর আঁকড়াইয়া ধরিয়া ঢিবির উপর পড়িয়া রহিলাম। ** ড্যানিয়েল ডিফো, রবিন্সন্‌ ক্রুসো- ড্যানিয়েল ডিফো, অনুবাদক- অজ্ঞাত, প্রকাশক- সিটী বুক সোসাইটী, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * ছোট ছোট পাহাড়গুলি প্রায়ই বনে আবৃত; এই জন্য দূর হইতে গাঢ় নীলবর্ণ দেখায়। যখন চারি দিকের ক্ষেত্রসকল শ্যামল শস্যরাশিতে পরিপূর্ণ থাকে, তখন এই সকল পাহাড় দেখিয়া দূর হইতে মনে হয়, ইহারা কাহার ঢেউ?—নীল আকাশের ঢেউ, না সেই শ্যামল শস্যরাশির ঢেউ? ** যতীন্দ্রমোহন সিংহ, নীলকণ্ঠপুর, উড়িষ্যার চিত্র, প্রথম খণ্ড, উড়িষ্যার চিত্র - যতীন্দ্রমোহন সিংহ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১১ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * ঢেউয়ের গায়ে ঢেউগুলো সব গড়ায় ফুলে ফুলে,<br>পুবের চরে কাশের মাথা উঠছে দুলে দুলে।<br>ঈশান কোণে উড়তি বালি আকাশখানা ছেয়ে<br>হু হু করে আসছে ছুটে ধেয়ে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ঝড়, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * সাঁতার-জলে গা ভাসিয়ে, নদীর জলে ঢেউ নাচিয়ে শকুন্তলা গা ধুলে। রঙ্গভরে অঙ্গের শাড়ি জলের উপর বিছিয়ে দিলে; জলের মতো চিকণ আঁচল জলের সঙ্গে মিশে গেল, ঢেউয়ের সঙ্গে গড়িয়ে গেল। সেই সময়ে দুর্বাসার শাপে রাজার সেই আংটি শকুন্তলার চিকণ আঁচলের এক কোণ থেকে অগাধ জলে পড়ে গেল, শকুন্তলা জানতেও পারলে না। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শকুন্তলা - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিতীয় সংস্করণ, আদি ব্রাহ্মসমাজ সংস্করণ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০২ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৫ * হে পর্বত, যত নদী করি নিরীক্ষণ,<br>তোমাতেই করে তারা জনম গ্রহণ।<br>ছোট বড় ঢেউ সব তাদের উপরে<br>কল কল শব্দ করি সবে ক্রীড়া করে,<br>নদী বেঁকে চুরে যায় দেশে দেশে,<br>সাগরেতে পড়ে গিয়া সকলের শেষে। ** [[সুকুমার রায়]], নদী, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * যখন আমাদের চোখে দেখার সঙ্গে বিশ্বের আলোকের যোগ হয়, যখন আমাদের কানে-শোনার সঙ্গে বিশ্বের গানের মিলন ঘটে, যখন আমাদের স্পর্শস্নায়ুর তন্তুতে তন্তুতে বিশ্বের কত-হাজার-রকম আঘাতের ঢেউ আমাদের চেতনার উপরে ঢেউ খেলিয়ে উঠতে থাকে, তখনি আমাদের জাগা— আমাদের শক্তির সঙ্গে যখন বিশ্বের শক্তির যোগ দুই দিক থেকেই সম্পূর্ণ হয়ে ওঠে তখনি জাগা। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জাগরণ, শান্তিনিকেতন (দ্বিতীয় খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক-বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল-১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫১ * হিশিদা বেঁচে থাকলে খুব বড় আর্টস্ট হত। একটি ছবি এঁকেছিল—দূরে সমুদ্রে আকাশে মিলে গেছে, সামনে বালুর চর, ছবিতে একটি মাত্র ঢেউ এঁকেছে যেন এসে আছড়ে পড়ছে পারে। সে যে কি সুন্দর কি বলব। পান্নার মত ঢেউয়ের রঙটি, তার গর্জন যেন কানে এসে বাজত স্পষ্ট। বড় লোভ হয়েছিল সেই ছবিটিতে। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জোড়াসাঁকোর ধারে, জোড়াসাঁকোর ধারে- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০৫ * সব পলিমাটি জলের তলে থিতাইয়া রহিয়াছে, উপরে ভাসিয়া রহিয়াছে নির্মল জল। তিতাসের জল তাই সাদাও নয়, গৈরিকও নয়, একেবারে নির্মল; আর নির্মল বলিয়াই কালো। সেই কালো জলের উপর দিয়া ঢেউয়ের পর ঢেউ আসিয়া এখানে আছাড় খাইতেছে। ঢেউয়ে ঢেউয়ে জল কেবল আগাইয়া আসিতেছে। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], রামধনু, তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৭০ * এসো ঢেউ বড়ো ঢেউ মেজো ঢেউ কুনো ঢেউ এসো<br>ঘুমন্ত তীরের দিকে<br>ছুটে এসো, নুলিয়ার শাদা টুপি খুলে নাও আজ<br>আর ম্রিয়মাণ মানুষের মুখে গুঁজে দাও<br>কুচো-চিংড়ি, ঝিনুকের ছানা-পোনা— ** [[তপোধীর ভট্টাচার্য]], সাগর স্নান, কবিতাসংগ্রহ- তপোধীর ভট্টাচার্য, প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- এবং মুশায়েরা, কলকাতা, প্রকাশসাল-২০০৪ খ্রিস্টাব্দ (১৪১১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া|তরঙ্গ}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Waves}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞান]] j0p5kjq3v0ngkzw2j7uz3h5c3ql0va8 78661 78657 2026-04-19T18:30:21Z Salil Kumar Mukherjee 39 সংযোজন 78661 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Waves... - panoramio.jpg|thumb|300px|ঢেউয়ের পরে খেলা করে আলোকে আঁধারেতে,<br>জলের কোলে লুকোচুরি জীবনে মরণেতে।<br>—[[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]]]] '''[[:w:ঢেউ|ঢেউ]]''' বা '''তরঙ্গ''' হলো জল বা অন্য কোনো মাধ্যমে সৃষ্ট কম্পনরত আন্দোলন, যা শক্তি স্থানান্তর করে। এটি সাধারণত বাতাস এবং জলের কণার মধ্যকার ঘর্ষণের ফলে তৈরি হয়, যেখানে শক্তিশালী বাতাসে ঢেউয়ের আকার বড় হয়। সাগরে ঢেউ তৈরির প্রধান কারণ হলো সমুদ্রের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া বাতাস। সমুদ্রের বুকে সৃষ্ট উঁচু-নিচু ঢেউ বা তরঙ্গ বৈজ্ঞানিকভাবে জলরাশির একটি পর্যায়বৃত্তিক আন্দোলন। ঢেউকে হিল্লোল, ঊর্মি বা লহরীও বলা হয়। জল তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, আলো তরঙ্গ প্রভৃতি নানা ধরনের তরঙ্গ বা ঢেউ হতে পারে। == উক্তি == * উঠিছে ঢেউ, পড়ে ঢেউ, গণিবে কেবা কত।<br>ভাসিছে শত গ্রহ তারা, ডুবিছে শত শত।<br>ঢেউয়ের পরে খেলা করে আলোকে আঁধারেতে,<br>জলের কোলে লুকোচুরি জীবনে মরণেতে।<br>শতেক কোটি গ্রহ তারা যে স্রোতে তৃণপ্রায়,<br>সে স্রোতমাঝে অবহেলে ঢালিয়া দিব কায়। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], স্রোত, কাব্যগ্রন্থ (প্রথম খণ্ড)- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- ইণ্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড, প্রয়াগরাজ, প্রকাশসাল- ১৯১৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩২২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৬৩ * তরঙ্গ বিষয়ক অধ্যয়ন বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের প্রায় প্রতিটি শাখার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বস্তুত, দৈনন্দিন জীবনেও তরঙ্গের গুরুত্ব রয়েছে। শব্দতরঙ্গের সাহায্যে আমরা শুনতে পাই এবং তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের সাহায্যে আমরা দেখতে পাই। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=ডি. এস. ড্রামহেলার|শিরোনাম=অরৈখিক তরল ও কঠিন পদার্থে তরঙ্গ সঞ্চালনের ভূমিকা|ইউআরএল=http://books.google.com/books?id=HE9w5i7wjBcC&pg=PA1|তারিখ=১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮|প্রকাশক=কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস|আইএসবিএন=978-0-521-58746-4|পাতা=১|ভাষা=en}} * তিতাস একটি নদীর নাম। তার কূলজোড়া জল, বুকভরা ঢেউ, প্রাণভরা উচ্ছ্বাস। স্বপ্নের ছন্দে সে বহিয়া যায়। ভোরের হাওয়ায় তার তন্দ্রা ভাঙ্গে, দিনের সূর্য তাকে তাতায়; রাতে চাঁদ ও তারারা তাকে নিয়া ঘুম পাড়াইতে বসে, কিন্তু পারে না। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * বলা যেতে পারে, ভর ব্যবধানই হলো সেই কারণ যার জন্য আমরা চিরায়ত অরৈখিক ইয়াং-মিলস তরঙ্গ দেখতে পাই না। এগুলো কেবল অগম্য পরিস্থিতিতেই ভালো আনুমানিক ধারণা দেয়। আমি আমার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় এই আশায় কাটিয়েছি যে, চতুর্মাত্রিক গেজ তত্ত্বে ভর ব্যবধানকে পরিমাণগতভাবে বোঝার মতো সত্যিই যদি ভালো একটি উপায় থাকত। আমি আশা করি, এই সমস্যার একদিন সমাধান হবে। ** {{বই উদ্ধৃতি|লেখক=এডওয়ার্ড উইটেন|শিরোনাম=গেজ তত্ত্বের সমস্যা|ইউআরএল=https://arxiv.org/pdf/0812.4512|তারিখ=২০০৮ |ভাষা=en}} * সমুদ্রে চলিতে চলিতে প্রতি বৎসরই কত জাহাজ ডুবিয়া মরে। কেহ মরে ঝড় তুফানে, কেহ মরে ঢেউয়ের ঝাপটায়, কেহ মরে পাহাড়ের গুঁতায়, আর কেহ মরে অন্য জাহাজের ধাক্কা লাগিয়া—যুদ্ধের কথা নাহয় ছাড়িয়াই দিলাম। এইরকম কত উপায়ে জাহাজ মরিতেছে তাহার ঠিকানাই নাই। ** [[সুকুমার রায়]], জাহাজ ডুবি, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২০৬-২০৭ * যাঁহারা বাঙ্গালার নদীবর্গে নৌকারোহণ করিতে ভীত, সাগরোর্ম্মির পরিমাণ সম্বন্ধে তাঁহাদের কিরূপ অনুমান, তাহা বলিতে পারি না। উপকথায় “তালগাছ প্রমাণ ঢেউ” শুনা যায়—কিন্তু কেহ তাহা বিশ্বাস করে না। সমুদ্রে তদপেক্ষা উচ্চতর ঢেউ উঠিয়া থাকে। ফিণ্ডে সাহেব লিখেন, ১৮৪৩ অব্দে কর্ম্বালেয় নিকট ৩০০ ফিট অর্থাৎ ২০০ হাত উচ্চ ঢেউ উঠিয়াছিল। ১৮২০ সালে নরওয়ে প্রদেশের নিকট ৪০০ ফিট পরিমিত ঢেউ উঠিয়াছিল। সমুদ্রের ঢেউ অনেক দূর চলে। উত্তমাশা অন্তরীপে উদ্ভূত মগ্ন তরঙ্গ তিন সহস্র মাইল দূরস্থ উপদ্বীপে প্রহৃত হইয়া থাকে। ** [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]], সমুদ্র-তরঙ্গ, বিজ্ঞানরহস্য- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশসাল- ১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দ (১২৯১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭২ * হয়তো বা [[হাঁস]] হবো – কিশোরীর – ঘুঙুর রহিবে লাল পায়<br/>সারাদিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধভরা জলে ভেসে ভেসে।<br/>আবার আসিব আমি বাংলার [[নদী]] মাঠ ক্ষেত ভালোবেসে <br/> জলঙ্গীর ঢেউ এ ভেজা বাংলারি সবুজ করুণ ডাঙ্গায়। ** [[জীবনানন্দ দাশ]], রূপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ, প্রকাশক- সিগনেট প্রেস, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৪ * আলোর ঢেউয়ের কথাই বুঝে নেওয়া যাক। এই ঢেউ একটিমাত্র ঢেউয়ের ধারা নয়। এর সঙ্গে অনেক ঢেউ দল বেঁধেছে। কতকগুলি চোখে পড়ে, অনেকগুলি পড়ে না। এইখানে ব’লে রাখা ভালো, যে-আলো চোখে পড়ে না, চলতি ভাষায় তাকে আলো বলে না। কিন্তু দৃশ্যই হোক অদৃশ্যই হোক, একটা কোনো শক্তির এই ধরনের ঢেউ-খেলিয়ে চলাই যখন উভয়েরই স্বভাব, তখন বিশ্বতত্ত্বের বইয়ে ওদের পৃথক নাম অসংগত। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পরমাণুলোক, বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯-১০ * সুবলার বউয়ের নিকট এ সমস্তই স্বপ্ন বলিয়া মনে হইল। এমন কি যে অনন্তবালা সামনে দাঁড়াইয়া আছে, সেও যেন একটা স্বপ্ন মাত্র। একমাত্র সত্য চরের ধানগাছগুলি। কি অজস্র ধান ফলিয়াছে। দক্ষিণের ঐ অনেক দূরের শিবনগর গাঁ হইতে আগে ঢেউ উঠিত। সে ঢেউ থামিত আসিয়া এই মালোপাড়ার মাটিতে ঠেকিয়া। এখন সেই সুদূর হইতে সেই ঢেউই যেন রূপান্তরিত হইয়া ধানগাছের মাথাগুলির উপর দিয়া বহিয়া আসে। সেই দিকে চাহিয়া সুবলার বউ ধীরে ধীরে চোখ মুদিল। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৪৩৭-৪৩৮ * তুমি যখন কথা বল তখন তোমার গলার আওয়াজ চারিদিকে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। যতদূর পর্যন্ত সে আওয়াজ যায় ততদূর পর্যন্ত বাতাসে নানারকম ঢেউ খেতিয়ে যায়। মোটা গলার বড়ো-বড়ো ঢেউ সরু গলার ছোটো-ছোটো ঢেউ। চেঁচিয়ে বললে বাতাসে জোরে জোরে ঢেউয়ের ধাক্কা লাগে, আস্তে বললে সে ঢেউ বাতাস ঠেলে বেশি দূর এগোতেই পারে না। কিন্তু যেমন করেই কথা বল আর যত জোরেই বল, খানিক দূর পর্যন্ত গিয়ে সে ঢেউ আপনি মিলিয়ে যাবে। তার পরে আর তোমার আওয়াজ পৌঁছবে না। ** [[সুকুমার রায়]], আকাশবাণীর কল, সুকুমার রায় সমগ্র রচনাবলী, দ্বিতীয় খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী ও কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৮৫ * আবছায়া চারিদিক, ঝাপসা নিঝুম,<br>পউষের ভোরবেলা—ভেঙে গেল ঘুম।<br>উষার দুয়ারে এক তুষারের ঢেউ<br>কখন পড়েছে ভেঙে, জানে না তা কেউ। ** [[সুনির্মল বসু]], শীতের সকাল, সুনির্মল বসুর শ্রেষ্ঠ কবিতা- সুনির্মল বসু, প্রকাশক- মিত্র ও ঘোষ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৪ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭১ * আলোর ঢেউয়ের আপন দলের আরো একটি ঢেউ আছে, সেটা চোখে দেখিনে, স্পর্শে বুঝি। সেটা তাপের ঢেউ। সৃষ্টির কাজে তার খুবই প্রতাপ। এমনিতরো আলোর ঢেউজাতীয় নানা পদার্থের কোনোটা দেখা যায়, কোনোটা স্পর্শে বোঝা যায়, কোনোটাকে স্পষ্ট আলোরূপে জানি আবার সঙ্গে সঙ্গেই তাপরূপেও বুঝি, কোনোটাকে দেখাও যায় না, স্পর্শেও পাওয়া যায় না। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], পরমাণুলোক, বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০ * ‘নই ঘোড়া, নই হাতি, নই সাপ বিচ্ছু,<br/>মৌমাছি প্রজাপতি নই আমি কিচ্ছু।<br/>মাছ ব্যাঙ গাছপাতা জলমাটি ঢেউ নই,<br/>নই জুতা নই ছাতা, আমি তবে কেউ নই!’ ** [[সুকুমার রায়]], কিম্ভূত, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ * বাতাসে আমাদের নৌকাখানি কিনারার দিকে চলিল, এমন সময়, হঠাৎ এক বিশাল ঢেউ আসিয়া সেই নৌকা উণ্টাইয়া দিল,—আর আমরা সমুদ্রের লোণা জলে হাবু ডুবু খাইতে লাগিলাম। একটা ঢেউ আসিয়া খুব জোরে আমাকে কিনারার দিকে ঠেলিয়া লইয়া, এক পাথরের চিবির উপর আছড়াইয়া ফেলিল। আমি পাথর আঁকড়াইয়া ধরিয়া ঢিবির উপর পড়িয়া রহিলাম। ** ড্যানিয়েল ডিফো, রবিন্সন্‌ ক্রুসো- ড্যানিয়েল ডিফো, অনুবাদক- অজ্ঞাত, প্রকাশক- সিটী বুক সোসাইটী, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দ (১৩২০ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * ছোট ছোট পাহাড়গুলি প্রায়ই বনে আবৃত; এই জন্য দূর হইতে গাঢ় নীলবর্ণ দেখায়। যখন চারি দিকের ক্ষেত্রসকল শ্যামল শস্যরাশিতে পরিপূর্ণ থাকে, তখন এই সকল পাহাড় দেখিয়া দূর হইতে মনে হয়, ইহারা কাহার ঢেউ?—নীল আকাশের ঢেউ, না সেই শ্যামল শস্যরাশির ঢেউ? ** যতীন্দ্রমোহন সিংহ, নীলকণ্ঠপুর, উড়িষ্যার চিত্র, প্রথম খণ্ড, উড়িষ্যার চিত্র - যতীন্দ্রমোহন সিংহ, প্রকাশস্থান- কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১১ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১ * ঢেউয়ের গায়ে ঢেউগুলো সব গড়ায় ফুলে ফুলে,<br>পুবের চরে কাশের মাথা উঠছে দুলে দুলে।<br>ঈশান কোণে উড়তি বালি আকাশখানা ছেয়ে<br>হু হু করে আসছে ছুটে ধেয়ে। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], ঝড়, ছড়ার ছবি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৩ * সাঁতার-জলে গা ভাসিয়ে, নদীর জলে ঢেউ নাচিয়ে শকুন্তলা গা ধুলে। রঙ্গভরে অঙ্গের শাড়ি জলের উপর বিছিয়ে দিলে; জলের মতো চিকণ আঁচল জলের সঙ্গে মিশে গেল, ঢেউয়ের সঙ্গে গড়িয়ে গেল। সেই সময়ে দুর্বাসার শাপে রাজার সেই আংটি শকুন্তলার চিকণ আঁচলের এক কোণ থেকে অগাধ জলে পড়ে গেল, শকুন্তলা জানতেও পারলে না। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], শকুন্তলা - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিতীয় সংস্করণ, আদি ব্রাহ্মসমাজ সংস্করণ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০২ খ্রিস্টাব্দ (১৩০৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৫ * হে পর্বত, যত নদী করি নিরীক্ষণ,<br>তোমাতেই করে তারা জনম গ্রহণ।<br>ছোট বড় ঢেউ সব তাদের উপরে<br>কল কল শব্দ করি সবে ক্রীড়া করে,<br>নদী বেঁকে চুরে যায় দেশে দেশে,<br>সাগরেতে পড়ে গিয়া সকলের শেষে। ** [[সুকুমার রায়]], নদী, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৯ * যখন আমাদের চোখে দেখার সঙ্গে বিশ্বের আলোকের যোগ হয়, যখন আমাদের কানে-শোনার সঙ্গে বিশ্বের গানের মিলন ঘটে, যখন আমাদের স্পর্শস্নায়ুর তন্তুতে তন্তুতে বিশ্বের কত-হাজার-রকম আঘাতের ঢেউ আমাদের চেতনার উপরে ঢেউ খেলিয়ে উঠতে থাকে, তখনি আমাদের জাগা— আমাদের শক্তির সঙ্গে যখন বিশ্বের শক্তির যোগ দুই দিক থেকেই সম্পূর্ণ হয়ে ওঠে তখনি জাগা। ** [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জাগরণ, শান্তিনিকেতন (দ্বিতীয় খণ্ড)-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক-বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল-১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৬ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫১ * হিশিদা বেঁচে থাকলে খুব বড় আর্টস্ট হত। একটি ছবি এঁকেছিল—দূরে সমুদ্রে আকাশে মিলে গেছে, সামনে বালুর চর, ছবিতে একটি মাত্র ঢেউ এঁকেছে যেন এসে আছড়ে পড়ছে পারে। সে যে কি সুন্দর কি বলব। পান্নার মত ঢেউয়ের রঙটি, তার গর্জন যেন কানে এসে বাজত স্পষ্ট। বড় লোভ হয়েছিল সেই ছবিটিতে। ** [[অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], জোড়াসাঁকোর ধারে, জোড়াসাঁকোর ধারে- অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১০৫ * সব পলিমাটি জলের তলে থিতাইয়া রহিয়াছে, উপরে ভাসিয়া রহিয়াছে নির্মল জল। তিতাসের জল তাই সাদাও নয়, গৈরিকও নয়, একেবারে নির্মল; আর নির্মল বলিয়াই কালো। সেই কালো জলের উপর দিয়া ঢেউয়ের পর ঢেউ আসিয়া এখানে আছাড় খাইতেছে। ঢেউয়ে ঢেউয়ে জল কেবল আগাইয়া আসিতেছে। ** [[অদ্বৈত মল্লবর্মণ]], রামধনু, তিতাস একটি নদীর নাম- অদ্বৈত মল্লবর্মণ, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশক- পুথিঘর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫৮ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৫ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২৭০ * এসো ঢেউ বড়ো ঢেউ মেজো ঢেউ কুনো ঢেউ এসো<br>ঘুমন্ত তীরের দিকে<br>ছুটে এসো, নুলিয়ার শাদা টুপি খুলে নাও আজ<br>আর ম্রিয়মাণ মানুষের মুখে গুঁজে দাও<br>কুচো-চিংড়ি, ঝিনুকের ছানা-পোনা— ** [[তপোধীর ভট্টাচার্য]], সাগর স্নান, কবিতাসংগ্রহ- তপোধীর ভট্টাচার্য, প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক- এবং মুশায়েরা, কলকাতা, প্রকাশসাল-২০০৪ খ্রিস্টাব্দ (১৪১১ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৬ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া|তরঙ্গ}} {{উইকিঅভিধান}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|Waves}} [[বিষয়শ্রেণী:বিষয়বস্তু]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞান]] emvfukr3ajgeikwo8r5h3smgjzn6bo3 ব্যবহারকারী আলাপ:MD RADWAN ISLAM 3 12098 78725 75866 2026-04-20T02:05:58Z ~2026-23981-28 5425 /* Rubelpramanik */ নতুন অনুচ্ছেদ 78725 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় MD RADWAN ISLAM,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ১৬:১৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[:বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] পাতার [[উইকিউক্তি:দ্রুত অপসারণ নীতিমালা|দ্রুত অপসারণ]] প্রস্তাবনা == [[চিত্র:Ambox warning pn.svg|48px|left|alt=|link=]] আপনি ৭ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে '''বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি''' নিবন্ধটি তৈরি করেছেন। নিবন্ধটি উইকিউক্তির দ্রুত অপসারণের বিচারধারা অনুসারে দ্রুত অপসারণ যোগ্য। কারণ: <center>'''পাতাটিতে কোনো উক্তি নেই'''</center> আপনি যদি মনে করেন যে এই কারণে পাতাটি অপসারণ করা উচিত নয়, তবে এই অপসারণে আপত্তি জানাতে [[:বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি|নিবন্ধটিতে গিয়ে]] '''অপসারণে আপত্তি জানান''' লেখার উপর ক্লিক করুন ও সেখানে কারণ ব্যাখ্যা করুন কেন নিবন্ধটি অপসারণ করা উচিত নয়। মনে রাখবেন, কোন নিবন্ধে অপসারণ ট্যাগ করা হলে এবং যদি নিবন্ধটি অপসারণের বিচারাধারার সাথে মিলে যায় তবে কোনও দেরি না করে নিবন্ধটি অপসারণ করা হয়। অনুগ্রহপূর্বক আপনার নিজের তৈরি করা নিবন্ধ থেকে এই বিজ্ঞপ্তিটি সরিয়ে ফেলবেন না, তবে আমরা আপনাকে নিবন্ধটি সম্প্রসারণ করতে উৎসাহিত করছি। আরও মনে রাখবেন যে, নিবন্ধের বিষয় অবশ্যই [[উইকিউক্তি:উল্লেখযোগ্যতা|উল্লেখযোগ্য]] হতে হবে এবং [[উইকিউক্তি:নির্ভরযোগ্য উৎস|নির্ভরযোগ্য উৎস]] থেকে তথ্যসূত্রগুলো [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|যাচাইযোগ্য]] হওয়া উচিত। যদি ইতিমধ্যে নিবন্ধটি অপসারিত হয়ে থাকে এবং আপনি ভবিষ্যতে এটির উন্নতি করতে এর বিষয়বস্তু ফেরত পেতে চান, তবে দয়া করে যে প্রশাসক এটি অপসারণ করেছেন তার সাথে যোগাযোগ করুন বা [[উইকিউক্তি:প্রশাসকদের আলোচনাসভা|প্রশাসকদের আলোচনাসভায়]] আবেদন করুন। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ০৩:৩৭, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :আমি দুঃখিত আমি এটা এখনই ঠিক করছি [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM|MD RADWAN ISLAM]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD RADWAN ISLAM#top|আলাপ]]) ০৩:৪৬, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == Fysahl == Fysahl [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-22341-15|&#126;2026-22341-15]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-22341-15|আলাপ]]) ১৯:৩৬, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == 01895289261 == Fysahl [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-22341-15|&#126;2026-22341-15]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-22341-15|আলাপ]]) ১৯:৩৬, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == Rubelpramanik == @ [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-23981-28|&#126;2026-23981-28]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-23981-28|আলাপ]]) ০২:০৫, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) oyx31emiok520021tcxaus013quiu0y 78727 78725 2026-04-20T02:17:04Z ~2026-23981-28 5425 /* 01826844733 */ নতুন অনুচ্ছেদ 78727 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় MD RADWAN ISLAM,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ১৬:১৩, ৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == [[:বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি]] পাতার [[উইকিউক্তি:দ্রুত অপসারণ নীতিমালা|দ্রুত অপসারণ]] প্রস্তাবনা == [[চিত্র:Ambox warning pn.svg|48px|left|alt=|link=]] আপনি ৭ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে '''বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি''' নিবন্ধটি তৈরি করেছেন। নিবন্ধটি উইকিউক্তির দ্রুত অপসারণের বিচারধারা অনুসারে দ্রুত অপসারণ যোগ্য। কারণ: <center>'''পাতাটিতে কোনো উক্তি নেই'''</center> আপনি যদি মনে করেন যে এই কারণে পাতাটি অপসারণ করা উচিত নয়, তবে এই অপসারণে আপত্তি জানাতে [[:বাংলাদেশের কৃষি প্রযুক্তি|নিবন্ধটিতে গিয়ে]] '''অপসারণে আপত্তি জানান''' লেখার উপর ক্লিক করুন ও সেখানে কারণ ব্যাখ্যা করুন কেন নিবন্ধটি অপসারণ করা উচিত নয়। মনে রাখবেন, কোন নিবন্ধে অপসারণ ট্যাগ করা হলে এবং যদি নিবন্ধটি অপসারণের বিচারাধারার সাথে মিলে যায় তবে কোনও দেরি না করে নিবন্ধটি অপসারণ করা হয়। অনুগ্রহপূর্বক আপনার নিজের তৈরি করা নিবন্ধ থেকে এই বিজ্ঞপ্তিটি সরিয়ে ফেলবেন না, তবে আমরা আপনাকে নিবন্ধটি সম্প্রসারণ করতে উৎসাহিত করছি। আরও মনে রাখবেন যে, নিবন্ধের বিষয় অবশ্যই [[উইকিউক্তি:উল্লেখযোগ্যতা|উল্লেখযোগ্য]] হতে হবে এবং [[উইকিউক্তি:নির্ভরযোগ্য উৎস|নির্ভরযোগ্য উৎস]] থেকে তথ্যসূত্রগুলো [[উইকিউক্তি:যাচাইযোগ্যতা|যাচাইযোগ্য]] হওয়া উচিত। যদি ইতিমধ্যে নিবন্ধটি অপসারিত হয়ে থাকে এবং আপনি ভবিষ্যতে এটির উন্নতি করতে এর বিষয়বস্তু ফেরত পেতে চান, তবে দয়া করে যে প্রশাসক এটি অপসারণ করেছেন তার সাথে যোগাযোগ করুন বা [[উইকিউক্তি:প্রশাসকদের আলোচনাসভা|প্রশাসকদের আলোচনাসভায়]] আবেদন করুন। [[ব্যবহারকারী:মোহাম্মদ জনি হোসেন|মোহাম্মদ জনি হোসেন]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:মোহাম্মদ জনি হোসেন|আলাপ]]) ০৩:৩৭, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :আমি দুঃখিত আমি এটা এখনই ঠিক করছি [[ব্যবহারকারী:MD RADWAN ISLAM|MD RADWAN ISLAM]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:MD RADWAN ISLAM#top|আলাপ]]) ০৩:৪৬, ৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == Fysahl == Fysahl [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-22341-15|&#126;2026-22341-15]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-22341-15|আলাপ]]) ১৯:৩৬, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == 01895289261 == Fysahl [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-22341-15|&#126;2026-22341-15]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-22341-15|আলাপ]]) ১৯:৩৬, ১১ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == Rubelpramanik == @ [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-23981-28|&#126;2026-23981-28]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-23981-28|আলাপ]]) ০২:০৫, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == 01826844733 == Rubel [[বিশেষ:অবদান/&#126;2026-23981-28|&#126;2026-23981-28]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:&#126;2026-23981-28|আলাপ]]) ০২:১৭, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 4sykudxop0mkqbxufnstzri513l3w8i শি চিনফিং 0 12170 78675 76762 2026-04-19T22:37:29Z Raihanur 4347 /* ২০১০-এর দশক */ 78675 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''{{w|শি চিনফিং}}''' (জন্ম ১৫ জুন ১৯৫৩) একজন চীনা রাজনীতিবিদ, যিনি বর্তমানে {{w|চীনা কমিউনিস্ট পার্টি|চীনা কমিউনিস্ট পার্টির}} {{w|চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক|সাধারণ সম্পাদক}}, [[ চীন|গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের]] {{w|চীনের রাষ্ট্রপতি|রাষ্ট্রপতি}} এবং {{w|কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের চেয়ারম্যান (চীন)|কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের চেয়ারম্যান}} হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার পর জন্মগ্রহণকারী চীনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রথম সাধারণ সম্পাদক হলেন শি। ==উক্তি== ===২০০০-এর দশক=== * দীর্ঘমেয়াদী ও নিরলস কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে চীন সফলভাবে [[মানবাধিকার]] উন্নয়নের এমন একটি পথে যাত্রা শুরু করেছে যা যুগোপযোগী এবং দেশটির নিজস্ব জাতীয় পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। * মানবাধিকারের ক্ষেত্রে ত্রুটিহীন ও আদর্শ বলে কোনো রাজ্য নেই এবং দেশগুলোর পৃষ্ঠপোষকতামূলক বক্তৃতার প্রয়োজন নেই। *আমাদের এমন ‘প্রভু’র প্রয়োজন নেই যারা অন্য দেশগুলোকে নির্দেশ দেয়। মানবাধিকারকে রাজনীতিকরণ করে হাতিয়ারে পরিণত করা, {{w|আদর্শিক দ্বিচারিতা}} অবলম্বন করা এবং মানবাধিকারের অজুহাতে অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা তো দূরের কথা। **[https://www.thehindu.com/news/international/chinese-leader-xi-jinpingdefends-record-to-un-human-rights-chief/article65460537.ece "Xi Jinping Defends China's Human Rights Record Amid Accusations Over Uyghur Camps"] ===২০১০-এর দশক=== * সমগ্র মানবজাতির প্রতি চীনের সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান হলো পৃথিবীর ১৩০ কোটি মানুষকে [[ক্ষুধা|ক্ষুধার]] হাত থেকে রক্ষা করা। ** মেক্সিকো সফরকালে তাঁর বিবৃতি (১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৯), [https://web.archive.org/web/20101022112926/https://www.ibtimes.com/articles/73173/20101019/china-xi-presidency.htm China's Xi named to oversee military, a step closer to presidency] * কিছু ভরপেট উদাস বিদেশী রয়েছেন, যাদের আমাদের দিকে আঙুল তোলা ছাড়া তাদের আর কোনো কাজ নেই… '''প্রথমত, চীন [[বিপ্লব]] রপ্তানি করে না; দ্বিতীয়ত, চীন ক্ষুধা ও [[দারিদ্র্য|দারিদ্রতা]] রপ্তানি করে না; তৃতীয়ত, চীন এসে আপনাদের মাথাব্যথার কারণ হয় না, এর চেয়ে বেশি আর কী বলার আছে?''' ** মেক্সিকো সফরকালে তাঁর বিবৃতি (১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৯), [https://web.archive.org/web/20101022112926/https://www.ibtimes.com/articles/73173/20101019/china-xi-presidency.htm China's Xi named to oversee military, a step closer to presidency] * দুর্নীতির ফলে দলের পতন এবং রাষ্ট্রের অবক্ষয় ঘটতে পারে। ** [https://edition.cnn.com/2013/01/06/world/asia/florcruz-china-corruption Opinion: Corruption as China’s top priority] * [[তাইওয়ান|তাইওয়ানের]] স্বদেশীদের স্বার্থ রক্ষা করা এবং তাদের কল্যাণ প্রসারিত করাই হলো চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির নতুন নেতাদের পক্ষ থেকে আমাদের মূল ভূখণ্ডের উপর বারবার উচ্চারিত অঙ্গীকার এবং দৃঢ় প্রতিশ্রুতি। ** [https://www.reuters.com/article/2013/02/25/us-china-taiwan-idUSBRE91O0CC20130225/ China's Xi to tread peaceful, patient path on Taiwan] * অবশ্যই, আমরা এ বিষয়েও গভীরভাবে সচেতন যে, {{w|lang=en|Cross-strait relations|ক্রস-স্ট্রেট সম্পর্কের}} ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক সমস্যাগুলো এখনও রয়ে গেছে এবং ভবিষ্যতেও এমন কিছু বিষয় আসবে, যেগুলো সমাধানের জন্য সময়, ধৈর্য ও যৌথ প্রচেষ্টার প্রয়োজন হবে। ** [https://www.taipeitimes.com/News/front/archives/2013/02/26/2003555737 China’s Xi pledges peaceful ties with Taiwan in meeting] * কেন সামরিক বাহিনীর উপর দলের নেতৃত্বের পক্ষে আমাদের অটল থাকতে হবে? কারণ {{w|সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন}} থেকে আমরা এটাই শিখেছি। [[সোভিয়েত ইউনিয়ন]], যেখানে সামরিক বাহিনীকে অরাজনৈতিক, দল থেকে বিচ্ছিন্ন এবং জাতীয়করণ করা হয়েছিল, সেখানে দলটিকেও নিরস্ত্রীকরণ করা হয়েছিল। যখন দেশটি সংকটময় মুহূর্তে এসে দাঁড়াল, তখন একটি বড় দল চোখের পলকে উধাও হয়ে গেল। আনুপাতিকভাবে, {{w|সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টি|সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির}} সদস্য সংখ্যা আমাদের (চীনা কমিউনিস্ট পার্টির) চেয়ে বেশি ছিল, কিন্তু রুখে দাঁড়িয়ে প্রতিরোধ করার মতো সাহস কারও ছিল না। ** [https://bbc.co.uk/news/world-asia-china-21790384 China's new President Xi Jinping: A man with a dream] * দুর্নীতিবিরোধী প্রচেষ্টাকে আরও এগিয়ে নিতে হলে দলের দীর্ঘমেয়াদী দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্জিত সফল অভিজ্ঞতাসমূহের ওপর জোর দিতে হবে। আমাদেরকে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের কার্যকর নীতি এবং নিজস্ব মূল্যবান ঐতিহ্য থেকে সক্রিয়ভাবে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। ** [https://web.archive.org/web/20160304194439/http://english.cntv.cn/20130420/104746.shtml President Xi: Anti-corruption efforts need to draw on heritage] * সুখ এমনি এমনি আসে না এবং স্বপ্নও নিজে থেকে পূরণ হয় না। আমাদের বাস্তববাদী হতে হবে এবং কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। আমাদের এই ধারণাটি ধারণ করা উচিত যে, কঠোর পরিশ্রমই হলো সবচেয়ে সম্মানজনক, মহৎ, শ্রেষ্ঠ এবং সুন্দরতম গুণ। ** [https://web.archive.org/web/20180913094407/http://english.cntv.cn/20130501/102444.shtml Xi Jinping meets model workers] * অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে চলে আসা এই বিষয়টি [{{w|ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি সংঘাত}}] [[ফিলিস্তিনি]] জনগণের জন্য গভীর দুর্ভোগ বয়ে এনেছে এবং [[মধ্যপ্রাচ্য]] অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে রয়ে গেছে। ** [https://edition.cnn.com/2013/05/07/world/asia/china-israel-talks/index.html China rebukes Israel ahead of Netanyahu visit] * আমি মনে করি, উভয় পক্ষেরই [চীন ও যুক্তরাষ্ট্র] {{w|মহা শক্তি|মহা শক্তিগুলোর}} মধ্যে এক নতুন ধরনের সম্পর্ক গড়ে তুলতে কঠোর পরিশ্রম করা উচিত। দুই দেশের ও বিশ্বের মানুষের কল্যাণে উভয় পক্ষেরই পারস্পরিক লাভজনক ফলাফলের জন্য একে অপরের সহায়তা করা উচিত। ** [http://english.cntv.cn/program/newsupdate/20130608/104235.shtml Xi, Obama vow to step up cooperation] * আমাদের ভবিষ্যতের দিকে তাকানো করা উচিত। চীনের মূল ভূখণ্ড ও তাইওয়ানের মধ্যকার রাজনৈতিক মতপার্থক্যগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধান করা উচিত এবং এই সমস্যাগুলোকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বয়ে যেতে দেওয়া যাবে না। ** [https://www.chinadaily.com.cn/china/2013xiapec/2013-10/06/content_17011186.htm Xi calls for peaceful development of cross-Straits ties] * সাইবার জগৎ আইনের শাসনের বাহিরের কোনো স্থান নয়। ** [https://www.mfa.gov.cn/eng/xw/zyjh/202405/t20240530_11341037.html Remarks by H.E. Xi Jinping President of the People's Republic of China At the Opening Ceremony of the Second World Internet Conference] * দলের সংবাদ ও জনমত প্রচারমাধ্যমের সকল কাজে অবশ্যই দলের ইচ্ছাকে প্রতিফলিত করতে হবে, দলের মতামতকে প্রতিবিম্বিত করতে হবে, দলের কর্তৃত্ব রক্ষা করতে হবে, দলের ঐক্য রক্ষা করতে হবে এবং দলের প্রতি ভালোবাসা, দলের সুরক্ষা ও দলের জন্য কাজ করতে হবে; এবং আদর্শ, রাজনীতি ও কর্মকাণ্ডে দলের সাথে উচ্চ স্তরের সামঞ্জস্য বজায় রাখতে হবে। ** [https://www.washingtonpost.com/news/worldviews/wp/2016/03/16/government-linked-website-published-then-pulled-call-for-president-xis-resignation/ Chinese website publishes, then pulls, explosive letter calling for President Xi’s resignation] * এশিয়ার বিষয়াদি পরিচালনা করা, এশিয়ার সমস্যা সমাধান করা এবং এশিয়ার নিরাপত্তা সমুন্নত রাখা এশিয়ার জনগণেরই দায়িত্ব। বর্ধিত সহযোগিতার মাধ্যমে এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জনের সামর্থ্য ও প্রজ্ঞা এশিয়ার জনগণের রয়েছে। ** [https://www.weforum.org/stories/2014/12/what-is-chinas-asia-policy/ What is China’s Asia policy?] * সোভিয়েত ইউনিয়ন ও সোভিয়েত কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাসকে, [[ভ্লাদিমির লেনিন|লেনিন]] ও [[জোসেফ স্তালিন|স্তালিনকে]], এবং অন্য সবকিছুকে অগ্রাহ্য করা হলো ঐতিহাসিক শূন্যতাবাদের চর্চা, যা আমাদের চিন্তাভাবনাকে বিভ্রান্ত করে এবং সর্বস্তরে দলের সংগঠনকে দুর্বল করে দেয়। ** [https://www.washingtonpost.com/news/global-opinions/wp/2017/10/16/xi-jinpings-quest-to-revive-stalins-communist-ideology/?utm_term=.a350d0a610c0 Xi Jinping’s quest to revive Stalin’s communist ideology] * সোভিয়েত ইউনিয়ন কেন ভেঙে গেল? সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টি কেন ক্ষমতাচ্যুত হলো? এর একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল এই যে, মতাদর্শগত সংগ্রাম ছিল অত্যন্ত তীব্র, যা সোভিয়েত ইউনিয়নের ইতিহাসকে, সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাসকে, লেনিনকে, স্তালিনকে সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করে ঐতিহাসিক শূন্যবাদ এবং বিভ্রান্তিকর চিন্তাভাবনার জন্ম দিয়েছিল। সকল স্তরের দলীয় সংগঠনগুলো তাদের কার্যকারিতা হারিয়েছিল, সামরিক বাহিনী আর দলের নেতৃত্বে ছিল না। পরিশেষে, সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টি, একটি মহান দল, ছত্রভঙ্গ হয়ে গেল, সোভিয়েত ইউনিয়ন, একটি মহান সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র, ভেঙে পড়ল। এটি একটি সতর্কতামূলক কাহিনী! ** [https://www.journalofdemocracy.org/articles/30-years-after-tiananmen-memory-in-the-era-of-xi-jinping/ 30 Years After Tiananmen: Memory in the Era of Xi Jinping] * প্রথমত, সকল কাজে দলের নেতৃত্ব মেনে চলতে হবে এবং দলের নেতৃত্বকে নিরন্তর শক্তিশালী ও উন্নত করতে হবে। ** [https://www.nytimes.com/2018/12/18/world/asia/xi-china-speech-takeaways.html 4 Takeaways from Xi Jinping’s Speech Defending Communist Party Control] * চীনা জনগণকে কী করা উচিত আর কী করা উচিত নয়, তা নির্দেশ দেওয়ার মতো অবস্থানে কেউ নেই। ** [https://www.nytimes.com/2018/12/18/world/asia/xi-china-speech-takeaways.html 4 Takeaways from Xi Jinping’s Speech Defending Communist Party Control] * অন্য যেকোনো বিদেশি সহকর্মীর চেয়ে প্রেসিডেন্ট [[ভ্লাদিমির পুতিন|পুতিনের]] সঙ্গে আমার অধিক ঘনিষ্ঠ আলাপচারিতা হয়েছে। তিনি আমার সেরা বন্ধু। আমাদের এই গভীর বন্ধুত্বকে আমি অত্যন্ত মূল্যবান মনে করি। ** [https://www.businessinsider.com/china-xi-jinping-russia-vladimir-putin-best-friends-photos-2019-6 18 photos that show the blossoming bromance between China's Xi Jinping and Russia's Vladimir Putin] * চীনের সাফল্য প্রমাণ করে যে [[সমাজতন্ত্র]] মারা যায়নি। বরং তা বিকশিত হচ্ছে। একবার ভেবে দেখুন: যদি চীনে সমাজতন্ত্র ব্যর্থ হতো, যদি সোভিয়েত ইউনিয়নের দলের মতো আমাদের কমিউনিস্ট পার্টিও ভেঙে পড়ত, তাহলে বিশ্বব্যাপী সমাজতন্ত্র এক দীর্ঘ অন্ধকার যুগে প্রবেশ করত। আর [[সাম্যবাদ]], যেমনটা [[কার্ল মার্ক্স]] একবার বলেছিলেন, এক বিভীষিকাময় প্রেতাত্মা হয়ে অতল গহ্বরে ঘুরপাক খেত। ** [https://www.scmp.com/news/china/politics/article/3236454/xi-jinping-highlights-importance-innovation-path-chinese-style-modernisation?campaign=3236454&module=perpetual_scroll_1_AI&pgtype=article Xi Jinping highlights importance of innovation on path to ‘Chinese-style modernisation’] * আমাদের কমরেডদের হাতে যে পদ্ধতিগুলো আছে তা অত্যন্ত আদিম; তাদের বড় দা-এর ফলা, কুড়ালের ফলা এবং ধারালো ইস্পাতের অস্ত্রের সামনে এই অস্ত্রগুলোর কোনোটিই টিকতে পারবে না। আমাদেরও তাদের মতোই কঠোর হতে হবে এবং বিন্দুমাত্র দয়া দেখানো যাবে না। ** [https://www.nytimes.com/interactive/2019/11/16/world/asia/china-xinjiang-documents.html ‘Absolutely No Mercy’: Leaked Files Expose How China Organized Mass Detentions of Muslims] * পুঁজিবাদী পথ চেষ্টা করা হয়েছিল এবং তা ব্যর্থ বলে প্রমাণিত হয়েছিল। সংস্কারবাদ, উদারনীতিবাদ, সামাজিক ডারউইনবাদ, নৈরাজ্যবাদ, প্রয়োগবাদ, জনতুষ্টিবাদ, শ্রমিক সংঘবাদ—এগুলো সবই মঞ্চে নিজেদের মুহূর্ত পেয়েছিল। চীনের ভবিষ্যতের সমস্যা সমাধানে এগুলোর কোনোটিই সফল হয়নি। মার্কসবাদ-লেনিনবাদ এবং মাও সে-তুং চিন্তাধারাই চীনা জনগণকে সেই দীর্ঘ রাতের অন্ধকার থেকে পথ দেখিয়ে একটি নতুন চীন প্রতিষ্ঠা করেছিল; চীনা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন সমাজতন্ত্রের মাধ্যমেই চীন এত দ্রুত উন্নতি লাভ করেছে। ** [https://archive.is/e6EU1 Xi Jinping in Translation: China’s Guiding Ideology] * ইতিহাস এবং আমাদের বর্তমান বাস্তবতা উভয়ই বলে যে, একমাত্র সমাজতন্ত্রই চীনকে বাঁচাতে পারে—এবং একমাত্র চীনা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন সমাজতন্ত্রই চীনের উন্নতি সাধন করতে পারে। এটাই ইতিহাসের উপসংহার, [এবং] আমাদের জনগণের পছন্দ। ** [https://archive.is/e6EU1 Xi Jinping in Translation: China’s Guiding Ideology] * এগুলোর মধ্যে রয়েছে: চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নিরঙ্কুশ নেতৃত্ব, জাতীয় পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে নীতি নির্ধারণ, অর্থনৈতিক নির্মাণকে কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা, ‘চারটি মূলনীতি’ এবং সংস্কার ও উন্মুক্তকরণ কর্মসূচিতে অবিচল থাকা, উৎপাদনশীল সামাজিক শক্তির মুক্তি ও বিকাশ, একটি সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি, সমাজতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক রাজনীতি, একটি উন্নত সমাজতান্ত্রিক সংস্কৃতি, একটি সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজতান্ত্রিক সমাজ এবং একটি পরিবেশবান্ধব সমাজতান্ত্রিক সভ্যতা নির্মাণ। এর অন্তর্ভুক্ত হলো জনগণের সার্বিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করা, ক্রমান্বয়ে সকল মানুষের যৌথ সমৃদ্ধি অর্জন করা এবং একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ, শক্তিশালী, গণতান্ত্রিক, সভ্য ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন করা—যার মধ্যে রয়েছে জাতীয় গণ কংগ্রেসের মৌলিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা, কমিউনিস্ট পার্টি পরিচালিত বহুদলীয় সহযোগিতা ও রাজনৈতিক পরামর্শ ব্যবস্থা, আঞ্চলিক জাতিগত স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা, তৃণমূল স্তরের স্ব-শাসন ব্যবস্থা, চীনা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন আইন ব্যবস্থা এবং এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে সরকারি মালিকানাধীন উদ্যোগগুলোই প্রধান অংশ এবং যা বিভিন্ন ধরনের ব্যক্তিগত মালিকানার পাশাপাশি বিকশিত হয়। এই বৈশিষ্ট্যগুলোই আমাদের নতুন ঐতিহাসিক পরিস্থিতিতে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের মৌলিক নীতিগুলোকে অঙ্গীভূত করে তোলে। ** [https://archive.is/e6EU1 Xi Jinping in Translation: China’s Guiding Ideology] * আমাদেরকে {{w|স্নায়ুযুদ্ধ|স্নায়ুযুদ্ধের}} মানসিকতা পরিহার করে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং উভয়ের জন্য লাভজনক সমাধানের সন্ধান করতে হবে। সংরক্ষণবাদ ও একপাক্ষিকতা কাউকেই রক্ষা করতে পারে না। এর চেয়েও খারাপ হলো আধিপত্য ও জবরদস্তির চর্চা, যা ইতিহাসের স্রোতের বিপরীতে চলে। এমন এক শূন্য-ফলাফল দৃষ্টিভঙ্গি, যা অন্যের ক্ষতি করে নিজের লাভ বাড়ায়, তা কোনো কাজে আসবে না। মানবজাতির জন্য এগিয়ে যাওয়ার সঠিক পথ হলো শান্তিপূর্ণ উন্নয়ন এবং উভয়ের জন্য লাভজনক সহযোগিতা। ** [https://abcnews.com/Business/wireStory/chinas-xi-rejects-cold-war-mentality-pushes-cooperation-82304736 China's Xi rejects 'Cold War mentality,' pushes cooperation] * মানব ইতিহাসের পর্যালোচনা আমাদের শিক্ষা দেয় যে, পরিস্থিতি যত কঠিন হয়, আত্মবিশ্বাসী থাকার প্রয়োজনীয়তাও তত বৃদ্ধি পায়। সমস্যাকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, কারণ একের পর এক সমস্যাই মানব সমাজের অগ্রগতিকে চালিত করেছে। কোনো বাধাই ইতিহাসের চাকা থামাতে পারেনি। বহুবিধ প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়ে আমাদের আত্মবিশ্বাস হারানো, দ্বিধা করা বা পিছু হটা উচিত নয়। বরং, আমাদের আত্মবিশ্বাসকে দৃঢ় করতে হবে এবং সমস্ত প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে এগিয়ে যেতে হবে। * কুয়াশা ভেদ করে এক উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ বরণ করার সবচেয়ে বড় শক্তি আসে সহযোগিতা থেকে এবং এর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সংহতি। * বৈশ্বিক শাসনের প্রতিকূলতাসমূহ মোকাবিলা করতে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সারা বিশ্বের দেশগুলো একই জাহাজের যাত্রীদের মতো, যাদের গন্তব্য একই। জাহাজটিকে ঝড়ের মধ্য দিয়ে পথ চলতে এবং এক উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যেতে হলে সকল যাত্রীকে একজোট হতে হবে। কাউকে জাহাজ থেকে ফেলে দেওয়ার চিন্তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই যুগে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এতটাই বিকশিত হয়েছে যে এটি একটি পরিশীলিত এবং সমন্বিত ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে। * উষ্ণ ও শীতল যুদ্ধ, প্রতিকূলতা ও দুঃখকষ্টের মধ্য দিয়ে যাওয়ার ফলে এশিয়ার মানুষ শান্তির মূল্যকে গভীরভাবে উপলব্ধি করে এবং বোঝে যে উন্নয়নের সুফল সহজে আসে না। বিগত দশকগুলোতে এশিয়া সার্বিক স্থিতিশীলতা ও টেকসই দ্রুত প্রবৃদ্ধি উপভোগ করেছে, যা ‘এশীয় অলৌকিক ঘটনা’কে সম্ভব করে তুলেছে। এশিয়ার উন্নতি হলে সমগ্র বিশ্ব উপকৃত হয়। অতএব, আমাদের এশিয়ার উন্নয়ন ও শক্তিশালীকরণ অব্যাহত রাখতে হবে, এশিয়ার সহনশীলতা, প্রজ্ঞা ও শক্তি প্রদর্শন করতে হবে এবং এশিয়াকে বিশ্ব শান্তির নোঙর, বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নতুন পথপ্রদর্শক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। * চীন তার নতুন উন্নয়ন দর্শনকে পূর্ণরূপে প্রয়োগ করবে, একটি নতুন উন্নয়ন প্রতিমান প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে এবং উন্নত মানের উন্নয়নের জন্য প্রচেষ্টা দ্বিগুণ করবে। বিশ্ব যেভাবেই পরিবর্তিত হোক না কেন, সংস্কার ও উন্মুক্তকরণের প্রতি চীনের বিশ্বাস এবং অঙ্গীকার অটুট থাকবে। * যতদিন আমরা একজোট হয়ে কাজ করব এবং প্রচেষ্টায় কখনো শৈথিল্য আনব না, ততদিন আমরা পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতার মাধ্যমে এক শক্তিশালী সমন্বয় গড়ে তুলব, পথের নানা প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করব এবং মানবজাতির জন্য এক উজ্জ্বলতর ও উন্নততর ভবিষ্যৎ বয়ে আনব। ** [https://news.cgtn.com/news/2022-04-21/Full-text-Xi-Jinping-s-speech-at-2022-Boao-Forum-for-Asia-19ppiaI90Eo/index.html Full text: Xi Jinping's speech at 2022 Boao Forum for Asia] * রাজনৈতিক আস্থা। {{w|সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা|এসসিও}} সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে স্থায়ী বন্ধুত্ব ও শান্তি প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দ্বারা পরিচালিত হয়ে, আমরা একে অপরের মৌলিক স্বার্থ ও উন্নয়নের পথ বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তকে সম্মান করি এবং শান্তি, স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও পুনরুজ্জীবন অর্জনে পরস্পরকে সমর্থন করি। * পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতা। আমরা পরস্পরের স্বার্থকে সম্মান করি, পারস্পরিক সুবিধার জন্য আলোচনা ও সহযোগিতার নীতিতে অবিচল থাকি, নিজ নিজ উন্নয়ন কৌশলের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করি এবং অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতার পথে এগিয়ে চলি। * দেশগুলোর মাঝে সমতা। আমরা [দেশগুলোর] আকার নির্বিশেষে সকল দেশের মধ্যে সমতা, ঐকমত্য-ভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের নীতিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সবলের দ্বারা দুর্বলের উপর অথবা বড়র দ্বারা ছোটর উপর অত্যাচারের প্রথাকে প্রত্যাখ্যান করি। * উন্মুক্ততা ও অন্তর্ভুক্তি। আমরা বিভিন্ন দেশ, জাতি ও সংস্কৃতির মধ্যে সম্প্রীতিপূর্ণ সহাবস্থান ও পারস্পরিক শিক্ষা, সভ্যতার মধ্যে সংলাপ এবং মতপার্থক্য দূরে রেখে অভিন্ন ভিত্তি খোঁজার পক্ষে। আমরা এমন অন্যান্য দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সাথে অংশীদারিত্ব স্থাপন করতে এবং পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতা গড়ে তুলতে প্রস্তুত, যারা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির সাথে একমত। * সমতা ও ন্যায়বিচার। আমরা {{w|জাতিসংঘ সনদ|জাতিসংঘ সনদের}} উদ্দেশ্য ও নীতিসমূহের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ; আমরা প্রধান আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিষয়গুলোকে তাদের স্বপক্ষে বিচার করি এবং অন্যান্য দেশের বৈধ অধিকার ও স্বার্থের বিনিময়ে নিজ এজেন্ডা বাস্তবায়নের বিরোধিতা করি। * প্রাকৃতিক জগতের মতোই মানব সমাজের বিকাশেও সুখ-দুঃখের দিন আসে। আমাদের আজকের বিশ্ব এক শতাব্দীতে অভূতপূর্ব দ্রুত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং এটি অনিশ্চয়তা ও রূপান্তরের এক নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। * আমাদের উচিত উচ্চ-পর্যায়ের বিনিময় ও কৌশলগত যোগাযোগ জোরদার করা, পারস্পরিক বোঝাপড়া ও রাজনৈতিক আস্থা গভীর করা এবং নিরাপত্তা ও উন্নয়ন স্বার্থ রক্ষার প্রচেষ্টায় পরস্পরকে সমর্থন করা। বহিরাগত শক্তির ‘রঙিন বিপ্লব’ উস্কে দেওয়ার প্রচেষ্টা থেকে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, যেকোনো অজুহাতে অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের যৌথভাবে বিরোধিতা করতে হবে এবং নিজেদের ভবিষ্যৎকে দৃঢ়ভাবে নিজেদের হাতে ধরে রাখতে হবে। * এই অঞ্চলের সকল দেশের মানুষের জন্য উন্নততর জীবন নিশ্চিত করাই আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য। * আদান-প্রদান বিভিন্ন সভ্যতার মধ্যে সমন্বয় সাধন করে, যা ফলস্বরূপ সভ্যতাগুলোকে অগ্রসর হতে সক্ষম করে। * ক্ষুদ্র একটি গোষ্ঠী গঠনের মোহ বিশ্বকে কেবল বিভেদ ও সংঘাতের দিকেই ঠেলে দিতে পারে। আমাদের উচিত জাতিসংঘ-কেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক আইনের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা রক্ষায় অবিচল থাকা, মানবতার অভিন্ন মূল্যবোধের চর্চা করা এবং স্বার্থহীন ফলাফল ও জোট-রাজনীতি বর্জন করা। * শক্তিশালী স্থিতিস্থাপকতা, বিপুল সম্ভাবনা, নীতি সমন্বয়ের পর্যাপ্ত সুযোগ এবং দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব দ্বারা বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত {{w|চীনের অর্থনীতি|চীনের অর্থনীতির}} ভিত্তি মজবুত থাকবে। এটি বিশ্ব অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ও পুনরুদ্ধারে ব্যাপকভাবে গতি আনবে এবং অন্যান্য দেশের জন্য আরও কেনাবেচার সুযোগ তৈরি করবে। * আমরা চীনা জাতির পুনরুজ্জীবন অর্জনের জন্য চীনের আধুনিকীকরণের পথ অনুসরণ করে যাব এবং মানবজাতির জন্য একটি অভিন্ন ভবিষ্যৎ সমাজ গঠনে কাজ করে যাব। এর মাধ্যমে আমরা চীনের উন্নয়নের নতুন অগ্রগতির দ্বারা বিশ্বের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করব এবং বিশ্ব শান্তি ও উন্নয়ন এবং মানব অগ্রগতিতে আমাদের দূরদৃষ্টি ও শক্তি দিয়ে অবদান রাখব। * যাত্রা যতই দীর্ঘ হোক না কেন, আমরা যদি সঠিক পথে অবিচল থাকি, তবে অবশ্যই আমাদের গন্তব্যে পৌঁছাব। ** [https://www.fmprc.gov.cn/eng/zxxx_662805/202209/t20220916_10767110.html Ride on the Trend of the Times and Enhance Solidarity and Cooperation to Embrace a Better Future] ===২০২০-এর দশক=== * বর্তমান বিশ্বে বিশৃঙ্খলার সবচেয়ে বড় উৎস হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র [...] আমাদের দেশের উন্নয়ন ও নিরাপত্তার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই সবচেয়ে বড় হুমকি। * [এখনও অনেক দিক রয়েছে যেখানে] পশ্চিম শক্তিশালী এবং পূর্ব দুর্বল। * আসন্ন ঝুঁকি ও পরীক্ষাগুলো অতীতের চেয়ে কোনো অংশে কম হবে না [...] আমাদের দল এখন পর্যন্ত সংগ্রামের উপরেই নির্ভর করে এসেছে, এবং ভবিষ্যতে জয়ের জন্যও সংগ্রামের ওপরই নির্ভর করতে হবে। * এই মহান প্রবণতাটি স্পষ্টভাবে উপলব্ধি করুন যে প্রাচ্যের উত্থান ঘটছে এবং পাশ্চাত্যের পতন হচ্ছে। * চীনের শৃঙ্খলা এবং পশ্চিমা বিশ্বের বিশৃঙ্খলার মধ্যে একটি সুস্পষ্ট বৈসাদৃশ্য রয়েছে। ** [https://www.nytimes.com/2021/03/03/world/asia/xi-china-congress.html ‘The East Is Rising’: Xi Maps Out China’s Post-Covid Ascent] * আমরা চীনারা এমন এক জাতি যারা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে এবং বলপ্রয়োগের হুমকিতে ভীত হয় না। একটি জাতি হিসেবে আমাদের প্রবল গর্ব ও আত্মবিশ্বাস রয়েছে। আমরা কখনো অন্য কোনো দেশের জনগণকে ধমক দিইনি, নিপীড়ন করিনি বা পরাধীন করিনি, এবং কখনো করবও না। একইভাবে, আমরাও কোনো বিদেশি শক্তিকে আমাদের ধমক দিতে, নিপীড়ন করতে বা পরাধীন করতে দেব না। যে কেউ এমন করার চেষ্টা করবে, সে ১৪০ কোটিরও বেশি চীনা জনগণের দ্বারা নির্মিত ইস্পাতের এক বিশাল প্রাচীরের মুখোমুখি হবে। ** [https://thehill.com/policy/international/china/561061-xi-says-china-wont-be-bullied-at-communist-party-100-year/ Xi says China won’t be ‘bullied’ at Communist Party 100th anniversary celebration] * দেশগুলোর মধ্যকার মতপার্থক্য ও সমস্যাসমূহ এড়ানো প্রায় অসম্ভব, সেগুলোকে সমতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমে সমাধান করা প্রয়োজন। একটি দেশের সাফল্য মানেই অন্য দেশের ব্যর্থতা নয়, এবং সকল দেশের যৌথ উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য এই বিশ্ব যথেষ্ট বড়। আমাদের সংঘাত ও বর্জনের পরিবর্তে সংলাপ ও অন্তর্ভুক্তিকে অনুসরণ করতে হবে। আমাদের পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ন্যায্যতা, ন্যায়বিচার এবং উভয় পক্ষের জন্য লাভজনক সহযোগিতার উপর ভিত্তি করে এক নতুন ধরনের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে এবং আমাদের স্বার্থের অভিন্নতা প্রসারিত করতে ও সম্ভাব্য সর্বোচ্চ সমন্বয় সাধনে যথাসাধ্য চেষ্টা করতে হবে। * চীনের জনগণ সর্বদা শান্তি, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির স্বপ্নকে প্রচার করেছে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য সচেষ্ট থেকেছে। চীন কখনো অন্যকে আক্রমণ বা জবরদস্তি করেনি এবং করবেও না, কিংবা আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করবে না। চীন সর্বদা বিশ্বশান্তির নির্মাতা, বৈশ্বিক উন্নয়নে অবদানকারী, আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলার রক্ষক এবং জনকল্যাণমূলক সেবার যোগানদাতা। চীন তার নতুন উন্নয়নের মাধ্যমে বিশ্বে নতুন সুযোগ নিয়ে আসতে থাকবে। * বিশ্ব আবারও এক ঐতিহাসিক চৌরাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, মানবজাতির শান্তি, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা অপ্রতিরোধ্য। আসুন আমরা আত্মবিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করি এবং যৌথভাবে বৈশ্বিক হুমকি ও প্রতিবন্ধকতাসমূহ মোকাবেলা করি, এবং মানবজাতির জন্য একটি অভিন্ন ভবিষ্যৎ ও সকলের জন্য একটি উন্নততর বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করি। ** [https://www.news.cn/english/2021-09/22/c_1310201230.htm Full text of Xi's statement at the General Debate of the 76th Session of the United Nations General Assembly] * জনগণের উদ্বেগের প্রতি আমি সর্বদা যত্নশীল, এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্যই আমি সর্বদা চেষ্টা করি। নিজে গ্রামে কাজ করার সুবাদে দারিদ্রতা কাকে বলে তা আমি ভালোভাবেই জানি। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে চীনা জনগণের নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলে, যারা একসময় দারিদ্রতার মধ্যে বাস করত, তাদের এখন আর খাদ্য বা বস্ত্র, কিংবা শিক্ষা, আবাসন ও স্বাস্থ্য বীমার সুযোগ নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হয় না। * হংকং ও ম্যাকাও-এর সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা মাতৃভূমির কাছে সর্বদাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একমাত্র ঐক্য ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমরা দীর্ঘমেয়াদে {{w|lang=en|One country, two systems|এক দেশ, দুই ব্যবস্থার}} সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে পারি। আমাদের মাতৃভূমির পূর্ণাঙ্গ পুনর্মিলন তাইওয়ান প্রণালীর উভয় পারের জনগণের একটি অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা। আমি আন্তরিকভাবে আশা করি যে, চীনা জাতির সকল সন্তান আমাদের দেশের জন্য একটি উজ্জ্বলতর ভবিষ্যৎ গড়তে একজোট হবেন। ** [https://www.fmprc.gov.cn/mfa_eng/wjdt_665385/zyjh_665391/202112/t20211231_10478096.html 2022 New Year address by President Xi Jinping] ==বহিঃসংযোগ== {{Wikipedia}} * [http://www.xinhuanet.com/english/2017-10/25/c_136705528.htm শি চিনফিং -- চীনা কমিউনিস্ট পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক] * [http://www.chinadaily.com.cn/china/Xi-Jinping.html চীন / শি চিনফিং] চায়নাডেইলিতে {{কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ}} {{DEFAULTSORT:শি, চিনফিং}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:চীনের দার্শনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:চীনের অ-কল্পকাহিনী লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:জাতীয়তাবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:চীনের রাষ্ট্রপ্রধান]] ryjv1q04gdcf71lc49g2jr72dnpsfb0 78678 78675 2026-04-19T22:43:18Z Raihanur 4347 /* ২০২০-এর দশক */ 78678 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''{{w|শি চিনফিং}}''' (জন্ম ১৫ জুন ১৯৫৩) একজন চীনা রাজনীতিবিদ, যিনি বর্তমানে {{w|চীনা কমিউনিস্ট পার্টি|চীনা কমিউনিস্ট পার্টির}} {{w|চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক|সাধারণ সম্পাদক}}, [[ চীন|গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের]] {{w|চীনের রাষ্ট্রপতি|রাষ্ট্রপতি}} এবং {{w|কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের চেয়ারম্যান (চীন)|কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের চেয়ারম্যান}} হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার পর জন্মগ্রহণকারী চীনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রথম সাধারণ সম্পাদক হলেন শি। ==উক্তি== ===২০০০-এর দশক=== * দীর্ঘমেয়াদী ও নিরলস কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে চীন সফলভাবে [[মানবাধিকার]] উন্নয়নের এমন একটি পথে যাত্রা শুরু করেছে যা যুগোপযোগী এবং দেশটির নিজস্ব জাতীয় পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। * মানবাধিকারের ক্ষেত্রে ত্রুটিহীন ও আদর্শ বলে কোনো রাজ্য নেই এবং দেশগুলোর পৃষ্ঠপোষকতামূলক বক্তৃতার প্রয়োজন নেই। *আমাদের এমন ‘প্রভু’র প্রয়োজন নেই যারা অন্য দেশগুলোকে নির্দেশ দেয়। মানবাধিকারকে রাজনীতিকরণ করে হাতিয়ারে পরিণত করা, {{w|আদর্শিক দ্বিচারিতা}} অবলম্বন করা এবং মানবাধিকারের অজুহাতে অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা তো দূরের কথা। **[https://www.thehindu.com/news/international/chinese-leader-xi-jinpingdefends-record-to-un-human-rights-chief/article65460537.ece "Xi Jinping Defends China's Human Rights Record Amid Accusations Over Uyghur Camps"] ===২০১০-এর দশক=== * সমগ্র মানবজাতির প্রতি চীনের সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান হলো পৃথিবীর ১৩০ কোটি মানুষকে [[ক্ষুধা|ক্ষুধার]] হাত থেকে রক্ষা করা। ** মেক্সিকো সফরকালে তাঁর বিবৃতি (১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৯), [https://web.archive.org/web/20101022112926/https://www.ibtimes.com/articles/73173/20101019/china-xi-presidency.htm China's Xi named to oversee military, a step closer to presidency] * কিছু ভরপেট উদাস বিদেশী রয়েছেন, যাদের আমাদের দিকে আঙুল তোলা ছাড়া তাদের আর কোনো কাজ নেই… '''প্রথমত, চীন [[বিপ্লব]] রপ্তানি করে না; দ্বিতীয়ত, চীন ক্ষুধা ও [[দারিদ্র্য|দারিদ্রতা]] রপ্তানি করে না; তৃতীয়ত, চীন এসে আপনাদের মাথাব্যথার কারণ হয় না, এর চেয়ে বেশি আর কী বলার আছে?''' ** মেক্সিকো সফরকালে তাঁর বিবৃতি (১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৯), [https://web.archive.org/web/20101022112926/https://www.ibtimes.com/articles/73173/20101019/china-xi-presidency.htm China's Xi named to oversee military, a step closer to presidency] * দুর্নীতির ফলে দলের পতন এবং রাষ্ট্রের অবক্ষয় ঘটতে পারে। ** [https://edition.cnn.com/2013/01/06/world/asia/florcruz-china-corruption Opinion: Corruption as China’s top priority] * [[তাইওয়ান|তাইওয়ানের]] স্বদেশীদের স্বার্থ রক্ষা করা এবং তাদের কল্যাণ প্রসারিত করাই হলো চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির নতুন নেতাদের পক্ষ থেকে আমাদের মূল ভূখণ্ডের উপর বারবার উচ্চারিত অঙ্গীকার এবং দৃঢ় প্রতিশ্রুতি। ** [https://www.reuters.com/article/2013/02/25/us-china-taiwan-idUSBRE91O0CC20130225/ China's Xi to tread peaceful, patient path on Taiwan] * অবশ্যই, আমরা এ বিষয়েও গভীরভাবে সচেতন যে, {{w|lang=en|Cross-strait relations|ক্রস-স্ট্রেট সম্পর্কের}} ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক সমস্যাগুলো এখনও রয়ে গেছে এবং ভবিষ্যতেও এমন কিছু বিষয় আসবে, যেগুলো সমাধানের জন্য সময়, ধৈর্য ও যৌথ প্রচেষ্টার প্রয়োজন হবে। ** [https://www.taipeitimes.com/News/front/archives/2013/02/26/2003555737 China’s Xi pledges peaceful ties with Taiwan in meeting] * কেন সামরিক বাহিনীর উপর দলের নেতৃত্বের পক্ষে আমাদের অটল থাকতে হবে? কারণ {{w|সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন}} থেকে আমরা এটাই শিখেছি। [[সোভিয়েত ইউনিয়ন]], যেখানে সামরিক বাহিনীকে অরাজনৈতিক, দল থেকে বিচ্ছিন্ন এবং জাতীয়করণ করা হয়েছিল, সেখানে দলটিকেও নিরস্ত্রীকরণ করা হয়েছিল। যখন দেশটি সংকটময় মুহূর্তে এসে দাঁড়াল, তখন একটি বড় দল চোখের পলকে উধাও হয়ে গেল। আনুপাতিকভাবে, {{w|সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টি|সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির}} সদস্য সংখ্যা আমাদের (চীনা কমিউনিস্ট পার্টির) চেয়ে বেশি ছিল, কিন্তু রুখে দাঁড়িয়ে প্রতিরোধ করার মতো সাহস কারও ছিল না। ** [https://bbc.co.uk/news/world-asia-china-21790384 China's new President Xi Jinping: A man with a dream] * দুর্নীতিবিরোধী প্রচেষ্টাকে আরও এগিয়ে নিতে হলে দলের দীর্ঘমেয়াদী দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্জিত সফল অভিজ্ঞতাসমূহের ওপর জোর দিতে হবে। আমাদেরকে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের কার্যকর নীতি এবং নিজস্ব মূল্যবান ঐতিহ্য থেকে সক্রিয়ভাবে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। ** [https://web.archive.org/web/20160304194439/http://english.cntv.cn/20130420/104746.shtml President Xi: Anti-corruption efforts need to draw on heritage] * সুখ এমনি এমনি আসে না এবং স্বপ্নও নিজে থেকে পূরণ হয় না। আমাদের বাস্তববাদী হতে হবে এবং কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। আমাদের এই ধারণাটি ধারণ করা উচিত যে, কঠোর পরিশ্রমই হলো সবচেয়ে সম্মানজনক, মহৎ, শ্রেষ্ঠ এবং সুন্দরতম গুণ। ** [https://web.archive.org/web/20180913094407/http://english.cntv.cn/20130501/102444.shtml Xi Jinping meets model workers] * অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে চলে আসা এই বিষয়টি [{{w|ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি সংঘাত}}] [[ফিলিস্তিনি]] জনগণের জন্য গভীর দুর্ভোগ বয়ে এনেছে এবং [[মধ্যপ্রাচ্য]] অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে রয়ে গেছে। ** [https://edition.cnn.com/2013/05/07/world/asia/china-israel-talks/index.html China rebukes Israel ahead of Netanyahu visit] * আমি মনে করি, উভয় পক্ষেরই [চীন ও যুক্তরাষ্ট্র] {{w|মহা শক্তি|মহা শক্তিগুলোর}} মধ্যে এক নতুন ধরনের সম্পর্ক গড়ে তুলতে কঠোর পরিশ্রম করা উচিত। দুই দেশের ও বিশ্বের মানুষের কল্যাণে উভয় পক্ষেরই পারস্পরিক লাভজনক ফলাফলের জন্য একে অপরের সহায়তা করা উচিত। ** [http://english.cntv.cn/program/newsupdate/20130608/104235.shtml Xi, Obama vow to step up cooperation] * আমাদের ভবিষ্যতের দিকে তাকানো করা উচিত। চীনের মূল ভূখণ্ড ও তাইওয়ানের মধ্যকার রাজনৈতিক মতপার্থক্যগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধান করা উচিত এবং এই সমস্যাগুলোকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বয়ে যেতে দেওয়া যাবে না। ** [https://www.chinadaily.com.cn/china/2013xiapec/2013-10/06/content_17011186.htm Xi calls for peaceful development of cross-Straits ties] * সাইবার জগৎ আইনের শাসনের বাহিরের কোনো স্থান নয়। ** [https://www.mfa.gov.cn/eng/xw/zyjh/202405/t20240530_11341037.html Remarks by H.E. Xi Jinping President of the People's Republic of China At the Opening Ceremony of the Second World Internet Conference] * দলের সংবাদ ও জনমত প্রচারমাধ্যমের সকল কাজে অবশ্যই দলের ইচ্ছাকে প্রতিফলিত করতে হবে, দলের মতামতকে প্রতিবিম্বিত করতে হবে, দলের কর্তৃত্ব রক্ষা করতে হবে, দলের ঐক্য রক্ষা করতে হবে এবং দলের প্রতি ভালোবাসা, দলের সুরক্ষা ও দলের জন্য কাজ করতে হবে; এবং আদর্শ, রাজনীতি ও কর্মকাণ্ডে দলের সাথে উচ্চ স্তরের সামঞ্জস্য বজায় রাখতে হবে। ** [https://www.washingtonpost.com/news/worldviews/wp/2016/03/16/government-linked-website-published-then-pulled-call-for-president-xis-resignation/ Chinese website publishes, then pulls, explosive letter calling for President Xi’s resignation] * এশিয়ার বিষয়াদি পরিচালনা করা, এশিয়ার সমস্যা সমাধান করা এবং এশিয়ার নিরাপত্তা সমুন্নত রাখা এশিয়ার জনগণেরই দায়িত্ব। বর্ধিত সহযোগিতার মাধ্যমে এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জনের সামর্থ্য ও প্রজ্ঞা এশিয়ার জনগণের রয়েছে। ** [https://www.weforum.org/stories/2014/12/what-is-chinas-asia-policy/ What is China’s Asia policy?] * সোভিয়েত ইউনিয়ন ও সোভিয়েত কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাসকে, [[ভ্লাদিমির লেনিন|লেনিন]] ও [[জোসেফ স্তালিন|স্তালিনকে]], এবং অন্য সবকিছুকে অগ্রাহ্য করা হলো ঐতিহাসিক শূন্যতাবাদের চর্চা, যা আমাদের চিন্তাভাবনাকে বিভ্রান্ত করে এবং সর্বস্তরে দলের সংগঠনকে দুর্বল করে দেয়। ** [https://www.washingtonpost.com/news/global-opinions/wp/2017/10/16/xi-jinpings-quest-to-revive-stalins-communist-ideology/?utm_term=.a350d0a610c0 Xi Jinping’s quest to revive Stalin’s communist ideology] * সোভিয়েত ইউনিয়ন কেন ভেঙে গেল? সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টি কেন ক্ষমতাচ্যুত হলো? এর একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল এই যে, মতাদর্শগত সংগ্রাম ছিল অত্যন্ত তীব্র, যা সোভিয়েত ইউনিয়নের ইতিহাসকে, সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাসকে, লেনিনকে, স্তালিনকে সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করে ঐতিহাসিক শূন্যবাদ এবং বিভ্রান্তিকর চিন্তাভাবনার জন্ম দিয়েছিল। সকল স্তরের দলীয় সংগঠনগুলো তাদের কার্যকারিতা হারিয়েছিল, সামরিক বাহিনী আর দলের নেতৃত্বে ছিল না। পরিশেষে, সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টি, একটি মহান দল, ছত্রভঙ্গ হয়ে গেল, সোভিয়েত ইউনিয়ন, একটি মহান সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র, ভেঙে পড়ল। এটি একটি সতর্কতামূলক কাহিনী! ** [https://www.journalofdemocracy.org/articles/30-years-after-tiananmen-memory-in-the-era-of-xi-jinping/ 30 Years After Tiananmen: Memory in the Era of Xi Jinping] * প্রথমত, সকল কাজে দলের নেতৃত্ব মেনে চলতে হবে এবং দলের নেতৃত্বকে নিরন্তর শক্তিশালী ও উন্নত করতে হবে। ** [https://www.nytimes.com/2018/12/18/world/asia/xi-china-speech-takeaways.html 4 Takeaways from Xi Jinping’s Speech Defending Communist Party Control] * চীনা জনগণকে কী করা উচিত আর কী করা উচিত নয়, তা নির্দেশ দেওয়ার মতো অবস্থানে কেউ নেই। ** [https://www.nytimes.com/2018/12/18/world/asia/xi-china-speech-takeaways.html 4 Takeaways from Xi Jinping’s Speech Defending Communist Party Control] * অন্য যেকোনো বিদেশি সহকর্মীর চেয়ে প্রেসিডেন্ট [[ভ্লাদিমির পুতিন|পুতিনের]] সঙ্গে আমার অধিক ঘনিষ্ঠ আলাপচারিতা হয়েছে। তিনি আমার সেরা বন্ধু। আমাদের এই গভীর বন্ধুত্বকে আমি অত্যন্ত মূল্যবান মনে করি। ** [https://www.businessinsider.com/china-xi-jinping-russia-vladimir-putin-best-friends-photos-2019-6 18 photos that show the blossoming bromance between China's Xi Jinping and Russia's Vladimir Putin] * চীনের সাফল্য প্রমাণ করে যে [[সমাজতন্ত্র]] মারা যায়নি। বরং তা বিকশিত হচ্ছে। একবার ভেবে দেখুন: যদি চীনে সমাজতন্ত্র ব্যর্থ হতো, যদি সোভিয়েত ইউনিয়নের দলের মতো আমাদের কমিউনিস্ট পার্টিও ভেঙে পড়ত, তাহলে বিশ্বব্যাপী সমাজতন্ত্র এক দীর্ঘ অন্ধকার যুগে প্রবেশ করত। আর [[সাম্যবাদ]], যেমনটা [[কার্ল মার্ক্স]] একবার বলেছিলেন, এক বিভীষিকাময় প্রেতাত্মা হয়ে অতল গহ্বরে ঘুরপাক খেত। ** [https://www.scmp.com/news/china/politics/article/3236454/xi-jinping-highlights-importance-innovation-path-chinese-style-modernisation?campaign=3236454&module=perpetual_scroll_1_AI&pgtype=article Xi Jinping highlights importance of innovation on path to ‘Chinese-style modernisation’] * আমাদের কমরেডদের হাতে যে পদ্ধতিগুলো আছে তা অত্যন্ত আদিম; তাদের বড় দা-এর ফলা, কুড়ালের ফলা এবং ধারালো ইস্পাতের অস্ত্রের সামনে এই অস্ত্রগুলোর কোনোটিই টিকতে পারবে না। আমাদেরও তাদের মতোই কঠোর হতে হবে এবং বিন্দুমাত্র দয়া দেখানো যাবে না। ** [https://www.nytimes.com/interactive/2019/11/16/world/asia/china-xinjiang-documents.html ‘Absolutely No Mercy’: Leaked Files Expose How China Organized Mass Detentions of Muslims] * পুঁজিবাদী পথ চেষ্টা করা হয়েছিল এবং তা ব্যর্থ বলে প্রমাণিত হয়েছিল। সংস্কারবাদ, উদারনীতিবাদ, সামাজিক ডারউইনবাদ, নৈরাজ্যবাদ, প্রয়োগবাদ, জনতুষ্টিবাদ, শ্রমিক সংঘবাদ—এগুলো সবই মঞ্চে নিজেদের মুহূর্ত পেয়েছিল। চীনের ভবিষ্যতের সমস্যা সমাধানে এগুলোর কোনোটিই সফল হয়নি। মার্কসবাদ-লেনিনবাদ এবং মাও সে-তুং চিন্তাধারাই চীনা জনগণকে সেই দীর্ঘ রাতের অন্ধকার থেকে পথ দেখিয়ে একটি নতুন চীন প্রতিষ্ঠা করেছিল; চীনা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন সমাজতন্ত্রের মাধ্যমেই চীন এত দ্রুত উন্নতি লাভ করেছে। ** [https://archive.is/e6EU1 Xi Jinping in Translation: China’s Guiding Ideology] * ইতিহাস এবং আমাদের বর্তমান বাস্তবতা উভয়ই বলে যে, একমাত্র সমাজতন্ত্রই চীনকে বাঁচাতে পারে—এবং একমাত্র চীনা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন সমাজতন্ত্রই চীনের উন্নতি সাধন করতে পারে। এটাই ইতিহাসের উপসংহার, [এবং] আমাদের জনগণের পছন্দ। ** [https://archive.is/e6EU1 Xi Jinping in Translation: China’s Guiding Ideology] * এগুলোর মধ্যে রয়েছে: চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নিরঙ্কুশ নেতৃত্ব, জাতীয় পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে নীতি নির্ধারণ, অর্থনৈতিক নির্মাণকে কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা, ‘চারটি মূলনীতি’ এবং সংস্কার ও উন্মুক্তকরণ কর্মসূচিতে অবিচল থাকা, উৎপাদনশীল সামাজিক শক্তির মুক্তি ও বিকাশ, একটি সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি, সমাজতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক রাজনীতি, একটি উন্নত সমাজতান্ত্রিক সংস্কৃতি, একটি সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজতান্ত্রিক সমাজ এবং একটি পরিবেশবান্ধব সমাজতান্ত্রিক সভ্যতা নির্মাণ। এর অন্তর্ভুক্ত হলো জনগণের সার্বিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করা, ক্রমান্বয়ে সকল মানুষের যৌথ সমৃদ্ধি অর্জন করা এবং একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ, শক্তিশালী, গণতান্ত্রিক, সভ্য ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন করা—যার মধ্যে রয়েছে জাতীয় গণ কংগ্রেসের মৌলিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা, কমিউনিস্ট পার্টি পরিচালিত বহুদলীয় সহযোগিতা ও রাজনৈতিক পরামর্শ ব্যবস্থা, আঞ্চলিক জাতিগত স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা, তৃণমূল স্তরের স্ব-শাসন ব্যবস্থা, চীনা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন আইন ব্যবস্থা এবং এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে সরকারি মালিকানাধীন উদ্যোগগুলোই প্রধান অংশ এবং যা বিভিন্ন ধরনের ব্যক্তিগত মালিকানার পাশাপাশি বিকশিত হয়। এই বৈশিষ্ট্যগুলোই আমাদের নতুন ঐতিহাসিক পরিস্থিতিতে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের মৌলিক নীতিগুলোকে অঙ্গীভূত করে তোলে। ** [https://archive.is/e6EU1 Xi Jinping in Translation: China’s Guiding Ideology] * আমাদেরকে {{w|স্নায়ুযুদ্ধ|স্নায়ুযুদ্ধের}} মানসিকতা পরিহার করে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং উভয়ের জন্য লাভজনক সমাধানের সন্ধান করতে হবে। সংরক্ষণবাদ ও একপাক্ষিকতা কাউকেই রক্ষা করতে পারে না। এর চেয়েও খারাপ হলো আধিপত্য ও জবরদস্তির চর্চা, যা ইতিহাসের স্রোতের বিপরীতে চলে। এমন এক শূন্য-ফলাফল দৃষ্টিভঙ্গি, যা অন্যের ক্ষতি করে নিজের লাভ বাড়ায়, তা কোনো কাজে আসবে না। মানবজাতির জন্য এগিয়ে যাওয়ার সঠিক পথ হলো শান্তিপূর্ণ উন্নয়ন এবং উভয়ের জন্য লাভজনক সহযোগিতা। ** [https://abcnews.com/Business/wireStory/chinas-xi-rejects-cold-war-mentality-pushes-cooperation-82304736 China's Xi rejects 'Cold War mentality,' pushes cooperation] * মানব ইতিহাসের পর্যালোচনা আমাদের শিক্ষা দেয় যে, পরিস্থিতি যত কঠিন হয়, আত্মবিশ্বাসী থাকার প্রয়োজনীয়তাও তত বৃদ্ধি পায়। সমস্যাকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, কারণ একের পর এক সমস্যাই মানব সমাজের অগ্রগতিকে চালিত করেছে। কোনো বাধাই ইতিহাসের চাকা থামাতে পারেনি। বহুবিধ প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়ে আমাদের আত্মবিশ্বাস হারানো, দ্বিধা করা বা পিছু হটা উচিত নয়। বরং, আমাদের আত্মবিশ্বাসকে দৃঢ় করতে হবে এবং সমস্ত প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে এগিয়ে যেতে হবে। * কুয়াশা ভেদ করে এক উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ বরণ করার সবচেয়ে বড় শক্তি আসে সহযোগিতা থেকে এবং এর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সংহতি। * বৈশ্বিক শাসনের প্রতিকূলতাসমূহ মোকাবিলা করতে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সারা বিশ্বের দেশগুলো একই জাহাজের যাত্রীদের মতো, যাদের গন্তব্য একই। জাহাজটিকে ঝড়ের মধ্য দিয়ে পথ চলতে এবং এক উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যেতে হলে সকল যাত্রীকে একজোট হতে হবে। কাউকে জাহাজ থেকে ফেলে দেওয়ার চিন্তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই যুগে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এতটাই বিকশিত হয়েছে যে এটি একটি পরিশীলিত এবং সমন্বিত ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে। * উষ্ণ ও শীতল যুদ্ধ, প্রতিকূলতা ও দুঃখকষ্টের মধ্য দিয়ে যাওয়ার ফলে এশিয়ার মানুষ শান্তির মূল্যকে গভীরভাবে উপলব্ধি করে এবং বোঝে যে উন্নয়নের সুফল সহজে আসে না। বিগত দশকগুলোতে এশিয়া সার্বিক স্থিতিশীলতা ও টেকসই দ্রুত প্রবৃদ্ধি উপভোগ করেছে, যা ‘এশীয় অলৌকিক ঘটনা’কে সম্ভব করে তুলেছে। এশিয়ার উন্নতি হলে সমগ্র বিশ্ব উপকৃত হয়। অতএব, আমাদের এশিয়ার উন্নয়ন ও শক্তিশালীকরণ অব্যাহত রাখতে হবে, এশিয়ার সহনশীলতা, প্রজ্ঞা ও শক্তি প্রদর্শন করতে হবে এবং এশিয়াকে বিশ্ব শান্তির নোঙর, বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নতুন পথপ্রদর্শক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। * চীন তার নতুন উন্নয়ন দর্শনকে পূর্ণরূপে প্রয়োগ করবে, একটি নতুন উন্নয়ন প্রতিমান প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে এবং উন্নত মানের উন্নয়নের জন্য প্রচেষ্টা দ্বিগুণ করবে। বিশ্ব যেভাবেই পরিবর্তিত হোক না কেন, সংস্কার ও উন্মুক্তকরণের প্রতি চীনের বিশ্বাস এবং অঙ্গীকার অটুট থাকবে। * যতদিন আমরা একজোট হয়ে কাজ করব এবং প্রচেষ্টায় কখনো শৈথিল্য আনব না, ততদিন আমরা পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতার মাধ্যমে এক শক্তিশালী সমন্বয় গড়ে তুলব, পথের নানা প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করব এবং মানবজাতির জন্য এক উজ্জ্বলতর ও উন্নততর ভবিষ্যৎ বয়ে আনব। ** [https://news.cgtn.com/news/2022-04-21/Full-text-Xi-Jinping-s-speech-at-2022-Boao-Forum-for-Asia-19ppiaI90Eo/index.html Full text: Xi Jinping's speech at 2022 Boao Forum for Asia] * রাজনৈতিক আস্থা। {{w|সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা|এসসিও}} সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে স্থায়ী বন্ধুত্ব ও শান্তি প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দ্বারা পরিচালিত হয়ে, আমরা একে অপরের মৌলিক স্বার্থ ও উন্নয়নের পথ বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তকে সম্মান করি এবং শান্তি, স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও পুনরুজ্জীবন অর্জনে পরস্পরকে সমর্থন করি। * পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতা। আমরা পরস্পরের স্বার্থকে সম্মান করি, পারস্পরিক সুবিধার জন্য আলোচনা ও সহযোগিতার নীতিতে অবিচল থাকি, নিজ নিজ উন্নয়ন কৌশলের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করি এবং অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতার পথে এগিয়ে চলি। * দেশগুলোর মাঝে সমতা। আমরা [দেশগুলোর] আকার নির্বিশেষে সকল দেশের মধ্যে সমতা, ঐকমত্য-ভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের নীতিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সবলের দ্বারা দুর্বলের উপর অথবা বড়র দ্বারা ছোটর উপর অত্যাচারের প্রথাকে প্রত্যাখ্যান করি। * উন্মুক্ততা ও অন্তর্ভুক্তি। আমরা বিভিন্ন দেশ, জাতি ও সংস্কৃতির মধ্যে সম্প্রীতিপূর্ণ সহাবস্থান ও পারস্পরিক শিক্ষা, সভ্যতার মধ্যে সংলাপ এবং মতপার্থক্য দূরে রেখে অভিন্ন ভিত্তি খোঁজার পক্ষে। আমরা এমন অন্যান্য দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সাথে অংশীদারিত্ব স্থাপন করতে এবং পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতা গড়ে তুলতে প্রস্তুত, যারা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির সাথে একমত। * সমতা ও ন্যায়বিচার। আমরা {{w|জাতিসংঘ সনদ|জাতিসংঘ সনদের}} উদ্দেশ্য ও নীতিসমূহের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ; আমরা প্রধান আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিষয়গুলোকে তাদের স্বপক্ষে বিচার করি এবং অন্যান্য দেশের বৈধ অধিকার ও স্বার্থের বিনিময়ে নিজ এজেন্ডা বাস্তবায়নের বিরোধিতা করি। * প্রাকৃতিক জগতের মতোই মানব সমাজের বিকাশেও সুখ-দুঃখের দিন আসে। আমাদের আজকের বিশ্ব এক শতাব্দীতে অভূতপূর্ব দ্রুত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং এটি অনিশ্চয়তা ও রূপান্তরের এক নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। * আমাদের উচিত উচ্চ-পর্যায়ের বিনিময় ও কৌশলগত যোগাযোগ জোরদার করা, পারস্পরিক বোঝাপড়া ও রাজনৈতিক আস্থা গভীর করা এবং নিরাপত্তা ও উন্নয়ন স্বার্থ রক্ষার প্রচেষ্টায় পরস্পরকে সমর্থন করা। বহিরাগত শক্তির ‘রঙিন বিপ্লব’ উস্কে দেওয়ার প্রচেষ্টা থেকে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, যেকোনো অজুহাতে অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের যৌথভাবে বিরোধিতা করতে হবে এবং নিজেদের ভবিষ্যৎকে দৃঢ়ভাবে নিজেদের হাতে ধরে রাখতে হবে। * এই অঞ্চলের সকল দেশের মানুষের জন্য উন্নততর জীবন নিশ্চিত করাই আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য। * আদান-প্রদান বিভিন্ন সভ্যতার মধ্যে সমন্বয় সাধন করে, যা ফলস্বরূপ সভ্যতাগুলোকে অগ্রসর হতে সক্ষম করে। * ক্ষুদ্র একটি গোষ্ঠী গঠনের মোহ বিশ্বকে কেবল বিভেদ ও সংঘাতের দিকেই ঠেলে দিতে পারে। আমাদের উচিত জাতিসংঘ-কেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক আইনের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা রক্ষায় অবিচল থাকা, মানবতার অভিন্ন মূল্যবোধের চর্চা করা এবং স্বার্থহীন ফলাফল ও জোট-রাজনীতি বর্জন করা। * শক্তিশালী স্থিতিস্থাপকতা, বিপুল সম্ভাবনা, নীতি সমন্বয়ের পর্যাপ্ত সুযোগ এবং দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব দ্বারা বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত {{w|চীনের অর্থনীতি|চীনের অর্থনীতির}} ভিত্তি মজবুত থাকবে। এটি বিশ্ব অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ও পুনরুদ্ধারে ব্যাপকভাবে গতি আনবে এবং অন্যান্য দেশের জন্য আরও কেনাবেচার সুযোগ তৈরি করবে। * আমরা চীনা জাতির পুনরুজ্জীবন অর্জনের জন্য চীনের আধুনিকীকরণের পথ অনুসরণ করে যাব এবং মানবজাতির জন্য একটি অভিন্ন ভবিষ্যৎ সমাজ গঠনে কাজ করে যাব। এর মাধ্যমে আমরা চীনের উন্নয়নের নতুন অগ্রগতির দ্বারা বিশ্বের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করব এবং বিশ্ব শান্তি ও উন্নয়ন এবং মানব অগ্রগতিতে আমাদের দূরদৃষ্টি ও শক্তি দিয়ে অবদান রাখব। * যাত্রা যতই দীর্ঘ হোক না কেন, আমরা যদি সঠিক পথে অবিচল থাকি, তবে অবশ্যই আমাদের গন্তব্যে পৌঁছাব। ** [https://www.fmprc.gov.cn/eng/zxxx_662805/202209/t20220916_10767110.html Ride on the Trend of the Times and Enhance Solidarity and Cooperation to Embrace a Better Future] ===২০২০-এর দশক=== * বর্তমান বিশ্বে বিশৃঙ্খলার সবচেয়ে বড় উৎস হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র [...] আমাদের দেশের উন্নয়ন ও নিরাপত্তার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই সবচেয়ে বড় হুমকি। * [এখনও অনেক দিক রয়েছে যেখানে] পশ্চিম শক্তিশালী এবং পূর্ব দুর্বল। * আসন্ন ঝুঁকি ও পরীক্ষাগুলো অতীতের চেয়ে কোনো অংশে কম হবে না [...] আমাদের দল এখন পর্যন্ত সংগ্রামের উপরেই নির্ভর করে এসেছে, এবং ভবিষ্যতে জয়ের জন্যও সংগ্রামের ওপরই নির্ভর করতে হবে। * এই মহান প্রবণতাটি স্পষ্টভাবে উপলব্ধি করুন যে প্রাচ্যের উত্থান ঘটছে এবং পাশ্চাত্যের পতন হচ্ছে। * চীনের শৃঙ্খলা এবং পশ্চিমা বিশ্বের বিশৃঙ্খলার মধ্যে একটি সুস্পষ্ট বৈসাদৃশ্য রয়েছে। ** [https://www.nytimes.com/2021/03/03/world/asia/xi-china-congress.html ‘The East Is Rising’: Xi Maps Out China’s Post-Covid Ascent] * আমরা চীনারা এমন এক জাতি যারা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে এবং বলপ্রয়োগের হুমকিতে ভীত হয় না। একটি জাতি হিসেবে আমাদের প্রবল গর্ব ও আত্মবিশ্বাস রয়েছে। আমরা কখনো অন্য কোনো দেশের জনগণকে ধমক দিইনি, নিপীড়ন করিনি বা পরাধীন করিনি, এবং কখনো করবও না। একইভাবে, আমরাও কোনো বিদেশি শক্তিকে আমাদের ধমক দিতে, নিপীড়ন করতে বা পরাধীন করতে দেব না। যে কেউ এমন করার চেষ্টা করবে, সে ১৪০ কোটিরও বেশি চীনা জনগণের দ্বারা নির্মিত ইস্পাতের এক বিশাল প্রাচীরের মুখোমুখি হবে। ** [https://thehill.com/policy/international/china/561061-xi-says-china-wont-be-bullied-at-communist-party-100-year/ Xi says China won’t be ‘bullied’ at Communist Party 100th anniversary celebration] * দেশগুলোর মধ্যকার মতপার্থক্য ও সমস্যাসমূহ এড়ানো প্রায় অসম্ভব, সেগুলোকে সমতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমে সমাধান করা প্রয়োজন। একটি দেশের সাফল্য মানেই অন্য দেশের ব্যর্থতা নয়, এবং সকল দেশের যৌথ উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য এই বিশ্ব যথেষ্ট বড়। আমাদের সংঘাত ও বর্জনের পরিবর্তে সংলাপ ও অন্তর্ভুক্তিকে অনুসরণ করতে হবে। আমাদের পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ন্যায্যতা, ন্যায়বিচার এবং উভয় পক্ষের জন্য লাভজনক সহযোগিতার উপর ভিত্তি করে এক নতুন ধরনের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে এবং আমাদের স্বার্থের অভিন্নতা প্রসারিত করতে ও সম্ভাব্য সর্বোচ্চ সমন্বয় সাধনে যথাসাধ্য চেষ্টা করতে হবে। * চীনের জনগণ সর্বদা শান্তি, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির স্বপ্নকে প্রচার করেছে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য সচেষ্ট থেকেছে। চীন কখনো অন্যকে আক্রমণ বা জবরদস্তি করেনি এবং করবেও না, কিংবা আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করবে না। চীন সর্বদা বিশ্বশান্তির নির্মাতা, বৈশ্বিক উন্নয়নে অবদানকারী, আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলার রক্ষক এবং জনকল্যাণমূলক সেবার যোগানদাতা। চীন তার নতুন উন্নয়নের মাধ্যমে বিশ্বে নতুন সুযোগ নিয়ে আসতে থাকবে। * বিশ্ব আবারও এক ঐতিহাসিক চৌরাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, মানবজাতির শান্তি, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা অপ্রতিরোধ্য। আসুন আমরা আত্মবিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করি এবং যৌথভাবে বৈশ্বিক হুমকি ও প্রতিবন্ধকতাসমূহ মোকাবেলা করি, এবং মানবজাতির জন্য একটি অভিন্ন ভবিষ্যৎ ও সকলের জন্য একটি উন্নততর বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করি। ** [https://www.news.cn/english/2021-09/22/c_1310201230.htm Full text of Xi's statement at the General Debate of the 76th Session of the United Nations General Assembly] * জনগণের উদ্বেগের প্রতি আমি সর্বদা যত্নশীল, এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্যই আমি সর্বদা চেষ্টা করি। নিজে গ্রামে কাজ করার সুবাদে দারিদ্রতা কাকে বলে তা আমি ভালোভাবেই জানি। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে চীনা জনগণের নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলে, যারা একসময় দারিদ্রতার মধ্যে বাস করত, তাদের এখন আর খাদ্য বা বস্ত্র, কিংবা শিক্ষা, আবাসন ও স্বাস্থ্য বীমার সুযোগ নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হয় না। * হংকং ও ম্যাকাও-এর সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা মাতৃভূমির কাছে সর্বদাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একমাত্র ঐক্য ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমরা দীর্ঘমেয়াদে {{w|lang=en|One country, two systems|এক দেশ, দুই ব্যবস্থার}} সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে পারি। আমাদের মাতৃভূমির পূর্ণাঙ্গ পুনর্মিলন তাইওয়ান প্রণালীর উভয় পারের জনগণের একটি অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা। আমি আন্তরিকভাবে আশা করি যে, চীনা জাতির সকল সন্তান আমাদের দেশের জন্য একটি উজ্জ্বলতর ভবিষ্যৎ গড়তে একজোট হবেন। ** [https://www.fmprc.gov.cn/mfa_eng/wjdt_665385/zyjh_665391/202112/t20211231_10478096.html 2022 New Year address by President Xi Jinping] * উন্নয়ন যে পর্যায়েই পৌঁছাক না কেন, চীন কখনোই {{w|একাধিপত্য}} বা সম্প্রসারণের পথে হাঁটবে না এবং অন্যদের উপর নিজের ইচ্ছাকে চাপিয়ে দেবে না। চীন প্রভাব বলয় চায় না এবং কারও সঙ্গে শীতল যুদ্ধ বা উষ্ণ যুদ্ধে লিপ্ত হবে না। … চীন সংলাপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে, সংঘাতের বিরোধিতা করবে এবং জোটের পরিবর্তে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলবে। আমরা উন্মুক্তকরণের একটি পারস্পরিক লাভজনক কৌশল অনুসরণ করে যাবো। আমরা যে আধুনিকীকরণ করছি তা কেবল চীনের জন্য নয়; আমরা শান্তিপূর্ণ উন্নয়ন, পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতা ও অভিন্ন সমৃদ্ধির বৈশিষ্ট্যযুক্ত বৈশ্বিক আধুনিকীকরণকে এগিয়ে নিতে এবং মানবজাতির জন্য একটি অভিন্ন ভবিষ্যৎ সমাজ গড়তে সকল দেশের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। … বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট যেভাবেই পরিবর্তিত হোক না কেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ঐতিহাসিক ধারা বদলাবে না। ** [https://www.chinadaily.com.cn/a/202311/16/WS6555a832a31090682a5ee887.html China not to fight cold war or hot war with anyone: Xi] * আজ মানবজাতিকে আবারও শান্তি ও যুদ্ধ, সংলাপ ও সংঘাত, পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতা ও শূন্য-ফলাফল খেলার মধ্যে একটিকে বেছে নিতে হবে। চীনের জনগণ ইতিহাস এবং মানব সভ্যতার অগ্রগতির সঠিক পক্ষে দৃঢ়ভাবে অবস্থান করছে। আমরা শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের পথে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকব এবং মানবজাতির জন্য একটি অভিন্ন ভবিষ্যৎ এবং সমাজ গঠনে বিশ্বের সকল মানুষের সাথে হাত মেলাব। ** [https://news.cgtn.com/news/2025-09-04/Full-text-of-President-Xi-s-speech-at-V-Day-commemorative-meeting-1GoGtFYsbJK/p.html Full text of President Xi's speech at the commemoration to mark the 80th anniversary of the victory of the Chinese People's War of Resistance Against Japanese Aggression and the World Anti-Fascist War] ==বহিঃসংযোগ== {{Wikipedia}} * [http://www.xinhuanet.com/english/2017-10/25/c_136705528.htm শি চিনফিং -- চীনা কমিউনিস্ট পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক] * [http://www.chinadaily.com.cn/china/Xi-Jinping.html চীন / শি চিনফিং] চায়নাডেইলিতে {{কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ}} {{DEFAULTSORT:শি, চিনফিং}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:চীনের দার্শনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:চীনের অ-কল্পকাহিনী লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:জাতীয়তাবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:চীনের রাষ্ট্রপ্রধান]] mg1se9ebdxw12nbo9vl7gszn8o6x71t 78679 78678 2026-04-19T22:44:24Z Raihanur 4347 /* ২০১০-এর দশক */ 78679 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''{{w|শি চিনফিং}}''' (জন্ম ১৫ জুন ১৯৫৩) একজন চীনা রাজনীতিবিদ, যিনি বর্তমানে {{w|চীনা কমিউনিস্ট পার্টি|চীনা কমিউনিস্ট পার্টির}} {{w|চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক|সাধারণ সম্পাদক}}, [[ চীন|গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের]] {{w|চীনের রাষ্ট্রপতি|রাষ্ট্রপতি}} এবং {{w|কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের চেয়ারম্যান (চীন)|কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের চেয়ারম্যান}} হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার পর জন্মগ্রহণকারী চীনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রথম সাধারণ সম্পাদক হলেন শি। ==উক্তি== ===২০০০-এর দশক=== * দীর্ঘমেয়াদী ও নিরলস কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে চীন সফলভাবে [[মানবাধিকার]] উন্নয়নের এমন একটি পথে যাত্রা শুরু করেছে যা যুগোপযোগী এবং দেশটির নিজস্ব জাতীয় পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। * মানবাধিকারের ক্ষেত্রে ত্রুটিহীন ও আদর্শ বলে কোনো রাজ্য নেই এবং দেশগুলোর পৃষ্ঠপোষকতামূলক বক্তৃতার প্রয়োজন নেই। *আমাদের এমন ‘প্রভু’র প্রয়োজন নেই যারা অন্য দেশগুলোকে নির্দেশ দেয়। মানবাধিকারকে রাজনীতিকরণ করে হাতিয়ারে পরিণত করা, {{w|আদর্শিক দ্বিচারিতা}} অবলম্বন করা এবং মানবাধিকারের অজুহাতে অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা তো দূরের কথা। **[https://www.thehindu.com/news/international/chinese-leader-xi-jinpingdefends-record-to-un-human-rights-chief/article65460537.ece "Xi Jinping Defends China's Human Rights Record Amid Accusations Over Uyghur Camps"] ===২০১০-এর দশক=== * সমগ্র মানবজাতির প্রতি চীনের সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান হলো পৃথিবীর ১৩০ কোটি মানুষকে [[ক্ষুধা|ক্ষুধার]] হাত থেকে রক্ষা করা। ** মেক্সিকো সফরকালে তাঁর বিবৃতি (১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৯), [https://web.archive.org/web/20101022112926/https://www.ibtimes.com/articles/73173/20101019/china-xi-presidency.htm China's Xi named to oversee military, a step closer to presidency] * কিছু ভরপেট উদাস বিদেশী রয়েছেন, যাদের আমাদের দিকে আঙুল তোলা ছাড়া তাদের আর কোনো কাজ নেই… '''প্রথমত, চীন [[বিপ্লব]] রপ্তানি করে না; দ্বিতীয়ত, চীন ক্ষুধা ও [[দারিদ্র্য|দারিদ্রতা]] রপ্তানি করে না; তৃতীয়ত, চীন এসে আপনাদের মাথাব্যথার কারণ হয় না, এর চেয়ে বেশি আর কী বলার আছে?''' ** মেক্সিকো সফরকালে তাঁর বিবৃতি (১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৯), [https://web.archive.org/web/20101022112926/https://www.ibtimes.com/articles/73173/20101019/china-xi-presidency.htm China's Xi named to oversee military, a step closer to presidency] * দুর্নীতির ফলে দলের পতন এবং রাষ্ট্রের অবক্ষয় ঘটতে পারে। ** [https://edition.cnn.com/2013/01/06/world/asia/florcruz-china-corruption Opinion: Corruption as China’s top priority] * [[তাইওয়ান|তাইওয়ানের]] স্বদেশীদের স্বার্থ রক্ষা করা এবং তাদের কল্যাণ প্রসারিত করাই হলো চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির নতুন নেতাদের পক্ষ থেকে আমাদের মূল ভূখণ্ডের উপর বারবার উচ্চারিত অঙ্গীকার এবং দৃঢ় প্রতিশ্রুতি। ** [https://www.reuters.com/article/2013/02/25/us-china-taiwan-idUSBRE91O0CC20130225/ China's Xi to tread peaceful, patient path on Taiwan] * অবশ্যই, আমরা এ বিষয়েও গভীরভাবে সচেতন যে, {{w|lang=en|Cross-strait relations|ক্রস-স্ট্রেট সম্পর্কের}} ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক সমস্যাগুলো এখনও রয়ে গেছে এবং ভবিষ্যতেও এমন কিছু বিষয় আসবে, যেগুলো সমাধানের জন্য সময়, ধৈর্য ও যৌথ প্রচেষ্টার প্রয়োজন হবে। ** [https://www.taipeitimes.com/News/front/archives/2013/02/26/2003555737 China’s Xi pledges peaceful ties with Taiwan in meeting] * কেন সামরিক বাহিনীর উপর দলের নেতৃত্বের পক্ষে আমাদের অটল থাকতে হবে? কারণ {{w|সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন}} থেকে আমরা এটাই শিখেছি। [[সোভিয়েত ইউনিয়ন]], যেখানে সামরিক বাহিনীকে অরাজনৈতিক, দল থেকে বিচ্ছিন্ন এবং জাতীয়করণ করা হয়েছিল, সেখানে দলটিকেও নিরস্ত্রীকরণ করা হয়েছিল। যখন দেশটি সংকটময় মুহূর্তে এসে দাঁড়াল, তখন একটি বড় দল চোখের পলকে উধাও হয়ে গেল। আনুপাতিকভাবে, {{w|সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টি|সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির}} সদস্য সংখ্যা আমাদের (চীনা কমিউনিস্ট পার্টির) চেয়ে বেশি ছিল, কিন্তু রুখে দাঁড়িয়ে প্রতিরোধ করার মতো সাহস কারও ছিল না। ** [https://bbc.co.uk/news/world-asia-china-21790384 China's new President Xi Jinping: A man with a dream] * দুর্নীতিবিরোধী প্রচেষ্টাকে আরও এগিয়ে নিতে হলে দলের দীর্ঘমেয়াদী দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্জিত সফল অভিজ্ঞতাসমূহের ওপর জোর দিতে হবে। আমাদেরকে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের কার্যকর নীতি এবং নিজস্ব মূল্যবান ঐতিহ্য থেকে সক্রিয়ভাবে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। ** [https://web.archive.org/web/20160304194439/http://english.cntv.cn/20130420/104746.shtml President Xi: Anti-corruption efforts need to draw on heritage] * সুখ এমনি এমনি আসে না এবং স্বপ্নও নিজে থেকে পূরণ হয় না। আমাদের বাস্তববাদী হতে হবে এবং কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। আমাদের এই ধারণাটি ধারণ করা উচিত যে, কঠোর পরিশ্রমই হলো সবচেয়ে সম্মানজনক, মহৎ, শ্রেষ্ঠ এবং সুন্দরতম গুণ। ** [https://web.archive.org/web/20180913094407/http://english.cntv.cn/20130501/102444.shtml Xi Jinping meets model workers] * অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে চলে আসা এই বিষয়টি [{{w|ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি সংঘাত}}] [[ফিলিস্তিনি]] জনগণের জন্য গভীর দুর্ভোগ বয়ে এনেছে এবং [[মধ্যপ্রাচ্য]] অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে রয়ে গেছে। ** [https://edition.cnn.com/2013/05/07/world/asia/china-israel-talks/index.html China rebukes Israel ahead of Netanyahu visit] * আমি মনে করি, উভয় পক্ষেরই [চীন ও যুক্তরাষ্ট্র] {{w|মহা শক্তি|মহা শক্তিগুলোর}} মধ্যে এক নতুন ধরনের সম্পর্ক গড়ে তুলতে কঠোর পরিশ্রম করা উচিত। দুই দেশের ও বিশ্বের মানুষের কল্যাণে উভয় পক্ষেরই পারস্পরিক লাভজনক ফলাফলের জন্য একে অপরের সহায়তা করা উচিত। ** [http://english.cntv.cn/program/newsupdate/20130608/104235.shtml Xi, Obama vow to step up cooperation] * আমাদের ভবিষ্যতের দিকে তাকানো করা উচিত। চীনের মূল ভূখণ্ড ও তাইওয়ানের মধ্যকার রাজনৈতিক মতপার্থক্যগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধান করা উচিত এবং এই সমস্যাগুলোকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বয়ে যেতে দেওয়া যাবে না। ** [https://www.chinadaily.com.cn/china/2013xiapec/2013-10/06/content_17011186.htm Xi calls for peaceful development of cross-Straits ties] * সাইবার জগৎ আইনের শাসনের বাহিরের কোনো স্থান নয়। ** [https://www.mfa.gov.cn/eng/xw/zyjh/202405/t20240530_11341037.html Remarks by H.E. Xi Jinping President of the People's Republic of China At the Opening Ceremony of the Second World Internet Conference] * দলের সংবাদ ও জনমত প্রচারমাধ্যমের সকল কাজে অবশ্যই দলের ইচ্ছাকে প্রতিফলিত করতে হবে, দলের মতামতকে প্রতিবিম্বিত করতে হবে, দলের কর্তৃত্ব রক্ষা করতে হবে, দলের ঐক্য রক্ষা করতে হবে এবং দলের প্রতি ভালোবাসা, দলের সুরক্ষা ও দলের জন্য কাজ করতে হবে; এবং আদর্শ, রাজনীতি ও কর্মকাণ্ডে দলের সাথে উচ্চ স্তরের সামঞ্জস্য বজায় রাখতে হবে। ** [https://www.washingtonpost.com/news/worldviews/wp/2016/03/16/government-linked-website-published-then-pulled-call-for-president-xis-resignation/ Chinese website publishes, then pulls, explosive letter calling for President Xi’s resignation] * এশিয়ার বিষয়াদি পরিচালনা করা, এশিয়ার সমস্যা সমাধান করা এবং এশিয়ার নিরাপত্তা সমুন্নত রাখা এশিয়ার জনগণেরই দায়িত্ব। বর্ধিত সহযোগিতার মাধ্যমে এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জনের সামর্থ্য ও প্রজ্ঞা এশিয়ার জনগণের রয়েছে। ** [https://www.weforum.org/stories/2014/12/what-is-chinas-asia-policy/ What is China’s Asia policy?] * সোভিয়েত ইউনিয়ন ও সোভিয়েত কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাসকে, [[ভ্লাদিমির লেনিন|লেনিন]] ও [[জোসেফ স্তালিন|স্তালিনকে]], এবং অন্য সবকিছুকে অগ্রাহ্য করা হলো ঐতিহাসিক শূন্যতাবাদের চর্চা, যা আমাদের চিন্তাভাবনাকে বিভ্রান্ত করে এবং সর্বস্তরে দলের সংগঠনকে দুর্বল করে দেয়। ** [https://www.washingtonpost.com/news/global-opinions/wp/2017/10/16/xi-jinpings-quest-to-revive-stalins-communist-ideology/?utm_term=.a350d0a610c0 Xi Jinping’s quest to revive Stalin’s communist ideology] * সোভিয়েত ইউনিয়ন কেন ভেঙে গেল? সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টি কেন ক্ষমতাচ্যুত হলো? এর একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল এই যে, মতাদর্শগত সংগ্রাম ছিল অত্যন্ত তীব্র, যা সোভিয়েত ইউনিয়নের ইতিহাসকে, সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাসকে, লেনিনকে, স্তালিনকে সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করে ঐতিহাসিক শূন্যবাদ এবং বিভ্রান্তিকর চিন্তাভাবনার জন্ম দিয়েছিল। সকল স্তরের দলীয় সংগঠনগুলো তাদের কার্যকারিতা হারিয়েছিল, সামরিক বাহিনী আর দলের নেতৃত্বে ছিল না। পরিশেষে, সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টি, একটি মহান দল, ছত্রভঙ্গ হয়ে গেল, সোভিয়েত ইউনিয়ন, একটি মহান সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র, ভেঙে পড়ল। এটি একটি সতর্কতামূলক কাহিনী! ** [https://www.journalofdemocracy.org/articles/30-years-after-tiananmen-memory-in-the-era-of-xi-jinping/ 30 Years After Tiananmen: Memory in the Era of Xi Jinping] * প্রথমত, সকল কাজে দলের নেতৃত্ব মেনে চলতে হবে এবং দলের নেতৃত্বকে নিরন্তর শক্তিশালী ও উন্নত করতে হবে। ** [https://www.nytimes.com/2018/12/18/world/asia/xi-china-speech-takeaways.html 4 Takeaways from Xi Jinping’s Speech Defending Communist Party Control] * চীনা জনগণকে কী করা উচিত আর কী করা উচিত নয়, তা নির্দেশ দেওয়ার মতো অবস্থানে কেউ নেই। ** [https://www.nytimes.com/2018/12/18/world/asia/xi-china-speech-takeaways.html 4 Takeaways from Xi Jinping’s Speech Defending Communist Party Control] * অন্য যেকোনো বিদেশি সহকর্মীর চেয়ে প্রেসিডেন্ট [[ভ্লাদিমির পুতিন|পুতিনের]] সঙ্গে আমার অধিক ঘনিষ্ঠ আলাপচারিতা হয়েছে। তিনি আমার সেরা বন্ধু। আমাদের এই গভীর বন্ধুত্বকে আমি অত্যন্ত মূল্যবান মনে করি। ** [https://www.businessinsider.com/china-xi-jinping-russia-vladimir-putin-best-friends-photos-2019-6 18 photos that show the blossoming bromance between China's Xi Jinping and Russia's Vladimir Putin] * চীনের সাফল্য প্রমাণ করে যে [[সমাজতন্ত্র]] মারা যায়নি। বরং তা বিকশিত হচ্ছে। একবার ভেবে দেখুন: যদি চীনে সমাজতন্ত্র ব্যর্থ হতো, যদি সোভিয়েত ইউনিয়নের দলের মতো আমাদের কমিউনিস্ট পার্টিও ভেঙে পড়ত, তাহলে বিশ্বব্যাপী সমাজতন্ত্র এক দীর্ঘ অন্ধকার যুগে প্রবেশ করত। আর [[সাম্যবাদ]], যেমনটা [[কার্ল মার্ক্স]] একবার বলেছিলেন, এক বিভীষিকাময় প্রেতাত্মা হয়ে অতল গহ্বরে ঘুরপাক খেত। ** [https://www.scmp.com/news/china/politics/article/3236454/xi-jinping-highlights-importance-innovation-path-chinese-style-modernisation?campaign=3236454&module=perpetual_scroll_1_AI&pgtype=article Xi Jinping highlights importance of innovation on path to ‘Chinese-style modernisation’] * আমাদের কমরেডদের হাতে যে পদ্ধতিগুলো আছে তা অত্যন্ত আদিম; তাদের বড় দা-এর ফলা, কুড়ালের ফলা এবং ধারালো ইস্পাতের অস্ত্রের সামনে এই অস্ত্রগুলোর কোনোটিই টিকতে পারবে না। আমাদেরও তাদের মতোই কঠোর হতে হবে এবং বিন্দুমাত্র দয়া দেখানো যাবে না। ** [https://www.nytimes.com/interactive/2019/11/16/world/asia/china-xinjiang-documents.html ‘Absolutely No Mercy’: Leaked Files Expose How China Organized Mass Detentions of Muslims] * পুঁজিবাদী পথ চেষ্টা করা হয়েছিল এবং তা ব্যর্থ বলে প্রমাণিত হয়েছিল। সংস্কারবাদ, উদারনীতিবাদ, সামাজিক ডারউইনবাদ, নৈরাজ্যবাদ, প্রয়োগবাদ, জনতুষ্টিবাদ, শ্রমিক সংঘবাদ—এগুলো সবই মঞ্চে নিজেদের মুহূর্ত পেয়েছিল। চীনের ভবিষ্যতের সমস্যা সমাধানে এগুলোর কোনোটিই সফল হয়নি। মার্কসবাদ-লেনিনবাদ এবং মাও সে-তুং চিন্তাধারাই চীনা জনগণকে সেই দীর্ঘ রাতের অন্ধকার থেকে পথ দেখিয়ে একটি নতুন চীন প্রতিষ্ঠা করেছিল; চীনা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন সমাজতন্ত্রের মাধ্যমেই চীন এত দ্রুত উন্নতি লাভ করেছে। ** [https://archive.is/e6EU1 Xi Jinping in Translation: China’s Guiding Ideology] * ইতিহাস এবং আমাদের বর্তমান বাস্তবতা উভয়ই বলে যে, একমাত্র সমাজতন্ত্রই চীনকে বাঁচাতে পারে—এবং একমাত্র চীনা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন সমাজতন্ত্রই চীনের উন্নতি সাধন করতে পারে। এটাই ইতিহাসের উপসংহার, [এবং] আমাদের জনগণের পছন্দ। ** [https://archive.is/e6EU1 Xi Jinping in Translation: China’s Guiding Ideology] * এগুলোর মধ্যে রয়েছে: চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নিরঙ্কুশ নেতৃত্ব, জাতীয় পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে নীতি নির্ধারণ, অর্থনৈতিক নির্মাণকে কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা, ‘চারটি মূলনীতি’ এবং সংস্কার ও উন্মুক্তকরণ কর্মসূচিতে অবিচল থাকা, উৎপাদনশীল সামাজিক শক্তির মুক্তি ও বিকাশ, একটি সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি, সমাজতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক রাজনীতি, একটি উন্নত সমাজতান্ত্রিক সংস্কৃতি, একটি সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজতান্ত্রিক সমাজ এবং একটি পরিবেশবান্ধব সমাজতান্ত্রিক সভ্যতা নির্মাণ। এর অন্তর্ভুক্ত হলো জনগণের সার্বিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করা, ক্রমান্বয়ে সকল মানুষের যৌথ সমৃদ্ধি অর্জন করা এবং একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ, শক্তিশালী, গণতান্ত্রিক, সভ্য ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন করা—যার মধ্যে রয়েছে জাতীয় গণ কংগ্রেসের মৌলিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা, কমিউনিস্ট পার্টি পরিচালিত বহুদলীয় সহযোগিতা ও রাজনৈতিক পরামর্শ ব্যবস্থা, আঞ্চলিক জাতিগত স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা, তৃণমূল স্তরের স্ব-শাসন ব্যবস্থা, চীনা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন আইন ব্যবস্থা এবং এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে সরকারি মালিকানাধীন উদ্যোগগুলোই প্রধান অংশ এবং যা বিভিন্ন ধরনের ব্যক্তিগত মালিকানার পাশাপাশি বিকশিত হয়। এই বৈশিষ্ট্যগুলোই আমাদের নতুন ঐতিহাসিক পরিস্থিতিতে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের মৌলিক নীতিগুলোকে অঙ্গীভূত করে তোলে। ** [https://archive.is/e6EU1 Xi Jinping in Translation: China’s Guiding Ideology] ===২০২০-এর দশক=== * বর্তমান বিশ্বে বিশৃঙ্খলার সবচেয়ে বড় উৎস হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র [...] আমাদের দেশের উন্নয়ন ও নিরাপত্তার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই সবচেয়ে বড় হুমকি। * [এখনও অনেক দিক রয়েছে যেখানে] পশ্চিম শক্তিশালী এবং পূর্ব দুর্বল। * আসন্ন ঝুঁকি ও পরীক্ষাগুলো অতীতের চেয়ে কোনো অংশে কম হবে না [...] আমাদের দল এখন পর্যন্ত সংগ্রামের উপরেই নির্ভর করে এসেছে, এবং ভবিষ্যতে জয়ের জন্যও সংগ্রামের ওপরই নির্ভর করতে হবে। * এই মহান প্রবণতাটি স্পষ্টভাবে উপলব্ধি করুন যে প্রাচ্যের উত্থান ঘটছে এবং পাশ্চাত্যের পতন হচ্ছে। * চীনের শৃঙ্খলা এবং পশ্চিমা বিশ্বের বিশৃঙ্খলার মধ্যে একটি সুস্পষ্ট বৈসাদৃশ্য রয়েছে। ** [https://www.nytimes.com/2021/03/03/world/asia/xi-china-congress.html ‘The East Is Rising’: Xi Maps Out China’s Post-Covid Ascent] * আমরা চীনারা এমন এক জাতি যারা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে এবং বলপ্রয়োগের হুমকিতে ভীত হয় না। একটি জাতি হিসেবে আমাদের প্রবল গর্ব ও আত্মবিশ্বাস রয়েছে। আমরা কখনো অন্য কোনো দেশের জনগণকে ধমক দিইনি, নিপীড়ন করিনি বা পরাধীন করিনি, এবং কখনো করবও না। একইভাবে, আমরাও কোনো বিদেশি শক্তিকে আমাদের ধমক দিতে, নিপীড়ন করতে বা পরাধীন করতে দেব না। যে কেউ এমন করার চেষ্টা করবে, সে ১৪০ কোটিরও বেশি চীনা জনগণের দ্বারা নির্মিত ইস্পাতের এক বিশাল প্রাচীরের মুখোমুখি হবে। ** [https://thehill.com/policy/international/china/561061-xi-says-china-wont-be-bullied-at-communist-party-100-year/ Xi says China won’t be ‘bullied’ at Communist Party 100th anniversary celebration] * দেশগুলোর মধ্যকার মতপার্থক্য ও সমস্যাসমূহ এড়ানো প্রায় অসম্ভব, সেগুলোকে সমতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমে সমাধান করা প্রয়োজন। একটি দেশের সাফল্য মানেই অন্য দেশের ব্যর্থতা নয়, এবং সকল দেশের যৌথ উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য এই বিশ্ব যথেষ্ট বড়। আমাদের সংঘাত ও বর্জনের পরিবর্তে সংলাপ ও অন্তর্ভুক্তিকে অনুসরণ করতে হবে। আমাদের পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ন্যায্যতা, ন্যায়বিচার এবং উভয় পক্ষের জন্য লাভজনক সহযোগিতার উপর ভিত্তি করে এক নতুন ধরনের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে এবং আমাদের স্বার্থের অভিন্নতা প্রসারিত করতে ও সম্ভাব্য সর্বোচ্চ সমন্বয় সাধনে যথাসাধ্য চেষ্টা করতে হবে। * চীনের জনগণ সর্বদা শান্তি, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির স্বপ্নকে প্রচার করেছে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য সচেষ্ট থেকেছে। চীন কখনো অন্যকে আক্রমণ বা জবরদস্তি করেনি এবং করবেও না, কিংবা আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করবে না। চীন সর্বদা বিশ্বশান্তির নির্মাতা, বৈশ্বিক উন্নয়নে অবদানকারী, আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলার রক্ষক এবং জনকল্যাণমূলক সেবার যোগানদাতা। চীন তার নতুন উন্নয়নের মাধ্যমে বিশ্বে নতুন সুযোগ নিয়ে আসতে থাকবে। * বিশ্ব আবারও এক ঐতিহাসিক চৌরাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, মানবজাতির শান্তি, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা অপ্রতিরোধ্য। আসুন আমরা আত্মবিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করি এবং যৌথভাবে বৈশ্বিক হুমকি ও প্রতিবন্ধকতাসমূহ মোকাবেলা করি, এবং মানবজাতির জন্য একটি অভিন্ন ভবিষ্যৎ ও সকলের জন্য একটি উন্নততর বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করি। ** [https://www.news.cn/english/2021-09/22/c_1310201230.htm Full text of Xi's statement at the General Debate of the 76th Session of the United Nations General Assembly] * জনগণের উদ্বেগের প্রতি আমি সর্বদা যত্নশীল, এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্যই আমি সর্বদা চেষ্টা করি। নিজে গ্রামে কাজ করার সুবাদে দারিদ্রতা কাকে বলে তা আমি ভালোভাবেই জানি। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে চীনা জনগণের নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলে, যারা একসময় দারিদ্রতার মধ্যে বাস করত, তাদের এখন আর খাদ্য বা বস্ত্র, কিংবা শিক্ষা, আবাসন ও স্বাস্থ্য বীমার সুযোগ নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হয় না। * হংকং ও ম্যাকাও-এর সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা মাতৃভূমির কাছে সর্বদাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একমাত্র ঐক্য ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমরা দীর্ঘমেয়াদে {{w|lang=en|One country, two systems|এক দেশ, দুই ব্যবস্থার}} সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে পারি। আমাদের মাতৃভূমির পূর্ণাঙ্গ পুনর্মিলন তাইওয়ান প্রণালীর উভয় পারের জনগণের একটি অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা। আমি আন্তরিকভাবে আশা করি যে, চীনা জাতির সকল সন্তান আমাদের দেশের জন্য একটি উজ্জ্বলতর ভবিষ্যৎ গড়তে একজোট হবেন। ** [https://www.fmprc.gov.cn/mfa_eng/wjdt_665385/zyjh_665391/202112/t20211231_10478096.html 2022 New Year address by President Xi Jinping] * উন্নয়ন যে পর্যায়েই পৌঁছাক না কেন, চীন কখনোই {{w|একাধিপত্য}} বা সম্প্রসারণের পথে হাঁটবে না এবং অন্যদের উপর নিজের ইচ্ছাকে চাপিয়ে দেবে না। চীন প্রভাব বলয় চায় না এবং কারও সঙ্গে শীতল যুদ্ধ বা উষ্ণ যুদ্ধে লিপ্ত হবে না। … চীন সংলাপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে, সংঘাতের বিরোধিতা করবে এবং জোটের পরিবর্তে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলবে। আমরা উন্মুক্তকরণের একটি পারস্পরিক লাভজনক কৌশল অনুসরণ করে যাবো। আমরা যে আধুনিকীকরণ করছি তা কেবল চীনের জন্য নয়; আমরা শান্তিপূর্ণ উন্নয়ন, পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতা ও অভিন্ন সমৃদ্ধির বৈশিষ্ট্যযুক্ত বৈশ্বিক আধুনিকীকরণকে এগিয়ে নিতে এবং মানবজাতির জন্য একটি অভিন্ন ভবিষ্যৎ সমাজ গড়তে সকল দেশের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। … বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট যেভাবেই পরিবর্তিত হোক না কেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ঐতিহাসিক ধারা বদলাবে না। ** [https://www.chinadaily.com.cn/a/202311/16/WS6555a832a31090682a5ee887.html China not to fight cold war or hot war with anyone: Xi] * আজ মানবজাতিকে আবারও শান্তি ও যুদ্ধ, সংলাপ ও সংঘাত, পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতা ও শূন্য-ফলাফল খেলার মধ্যে একটিকে বেছে নিতে হবে। চীনের জনগণ ইতিহাস এবং মানব সভ্যতার অগ্রগতির সঠিক পক্ষে দৃঢ়ভাবে অবস্থান করছে। আমরা শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের পথে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকব এবং মানবজাতির জন্য একটি অভিন্ন ভবিষ্যৎ এবং সমাজ গঠনে বিশ্বের সকল মানুষের সাথে হাত মেলাব। ** [https://news.cgtn.com/news/2025-09-04/Full-text-of-President-Xi-s-speech-at-V-Day-commemorative-meeting-1GoGtFYsbJK/p.html Full text of President Xi's speech at the commemoration to mark the 80th anniversary of the victory of the Chinese People's War of Resistance Against Japanese Aggression and the World Anti-Fascist War] ==বহিঃসংযোগ== {{Wikipedia}} * [http://www.xinhuanet.com/english/2017-10/25/c_136705528.htm শি চিনফিং -- চীনা কমিউনিস্ট পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক] * [http://www.chinadaily.com.cn/china/Xi-Jinping.html চীন / শি চিনফিং] চায়নাডেইলিতে {{কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ}} {{DEFAULTSORT:শি, চিনফিং}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:চীনের দার্শনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:চীনের অ-কল্পকাহিনী লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:জাতীয়তাবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:চীনের রাষ্ট্রপ্রধান]] 5fhw1ipmptchm0ek0psev4g3schnacy 78680 78679 2026-04-19T22:45:30Z Raihanur 4347 /* ২০২০-এর দশক */ 78680 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''{{w|শি চিনফিং}}''' (জন্ম ১৫ জুন ১৯৫৩) একজন চীনা রাজনীতিবিদ, যিনি বর্তমানে {{w|চীনা কমিউনিস্ট পার্টি|চীনা কমিউনিস্ট পার্টির}} {{w|চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক|সাধারণ সম্পাদক}}, [[ চীন|গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের]] {{w|চীনের রাষ্ট্রপতি|রাষ্ট্রপতি}} এবং {{w|কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের চেয়ারম্যান (চীন)|কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের চেয়ারম্যান}} হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার পর জন্মগ্রহণকারী চীনের কমিউনিস্ট পার্টির প্রথম সাধারণ সম্পাদক হলেন শি। ==উক্তি== ===২০০০-এর দশক=== * দীর্ঘমেয়াদী ও নিরলস কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে চীন সফলভাবে [[মানবাধিকার]] উন্নয়নের এমন একটি পথে যাত্রা শুরু করেছে যা যুগোপযোগী এবং দেশটির নিজস্ব জাতীয় পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। * মানবাধিকারের ক্ষেত্রে ত্রুটিহীন ও আদর্শ বলে কোনো রাজ্য নেই এবং দেশগুলোর পৃষ্ঠপোষকতামূলক বক্তৃতার প্রয়োজন নেই। *আমাদের এমন ‘প্রভু’র প্রয়োজন নেই যারা অন্য দেশগুলোকে নির্দেশ দেয়। মানবাধিকারকে রাজনীতিকরণ করে হাতিয়ারে পরিণত করা, {{w|আদর্শিক দ্বিচারিতা}} অবলম্বন করা এবং মানবাধিকারের অজুহাতে অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা তো দূরের কথা। **[https://www.thehindu.com/news/international/chinese-leader-xi-jinpingdefends-record-to-un-human-rights-chief/article65460537.ece "Xi Jinping Defends China's Human Rights Record Amid Accusations Over Uyghur Camps"] ===২০১০-এর দশক=== * সমগ্র মানবজাতির প্রতি চীনের সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান হলো পৃথিবীর ১৩০ কোটি মানুষকে [[ক্ষুধা|ক্ষুধার]] হাত থেকে রক্ষা করা। ** মেক্সিকো সফরকালে তাঁর বিবৃতি (১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৯), [https://web.archive.org/web/20101022112926/https://www.ibtimes.com/articles/73173/20101019/china-xi-presidency.htm China's Xi named to oversee military, a step closer to presidency] * কিছু ভরপেট উদাস বিদেশী রয়েছেন, যাদের আমাদের দিকে আঙুল তোলা ছাড়া তাদের আর কোনো কাজ নেই… '''প্রথমত, চীন [[বিপ্লব]] রপ্তানি করে না; দ্বিতীয়ত, চীন ক্ষুধা ও [[দারিদ্র্য|দারিদ্রতা]] রপ্তানি করে না; তৃতীয়ত, চীন এসে আপনাদের মাথাব্যথার কারণ হয় না, এর চেয়ে বেশি আর কী বলার আছে?''' ** মেক্সিকো সফরকালে তাঁর বিবৃতি (১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৯), [https://web.archive.org/web/20101022112926/https://www.ibtimes.com/articles/73173/20101019/china-xi-presidency.htm China's Xi named to oversee military, a step closer to presidency] * দুর্নীতির ফলে দলের পতন এবং রাষ্ট্রের অবক্ষয় ঘটতে পারে। ** [https://edition.cnn.com/2013/01/06/world/asia/florcruz-china-corruption Opinion: Corruption as China’s top priority] * [[তাইওয়ান|তাইওয়ানের]] স্বদেশীদের স্বার্থ রক্ষা করা এবং তাদের কল্যাণ প্রসারিত করাই হলো চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির নতুন নেতাদের পক্ষ থেকে আমাদের মূল ভূখণ্ডের উপর বারবার উচ্চারিত অঙ্গীকার এবং দৃঢ় প্রতিশ্রুতি। ** [https://www.reuters.com/article/2013/02/25/us-china-taiwan-idUSBRE91O0CC20130225/ China's Xi to tread peaceful, patient path on Taiwan] * অবশ্যই, আমরা এ বিষয়েও গভীরভাবে সচেতন যে, {{w|lang=en|Cross-strait relations|ক্রস-স্ট্রেট সম্পর্কের}} ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক সমস্যাগুলো এখনও রয়ে গেছে এবং ভবিষ্যতেও এমন কিছু বিষয় আসবে, যেগুলো সমাধানের জন্য সময়, ধৈর্য ও যৌথ প্রচেষ্টার প্রয়োজন হবে। ** [https://www.taipeitimes.com/News/front/archives/2013/02/26/2003555737 China’s Xi pledges peaceful ties with Taiwan in meeting] * কেন সামরিক বাহিনীর উপর দলের নেতৃত্বের পক্ষে আমাদের অটল থাকতে হবে? কারণ {{w|সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন}} থেকে আমরা এটাই শিখেছি। [[সোভিয়েত ইউনিয়ন]], যেখানে সামরিক বাহিনীকে অরাজনৈতিক, দল থেকে বিচ্ছিন্ন এবং জাতীয়করণ করা হয়েছিল, সেখানে দলটিকেও নিরস্ত্রীকরণ করা হয়েছিল। যখন দেশটি সংকটময় মুহূর্তে এসে দাঁড়াল, তখন একটি বড় দল চোখের পলকে উধাও হয়ে গেল। আনুপাতিকভাবে, {{w|সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টি|সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির}} সদস্য সংখ্যা আমাদের (চীনা কমিউনিস্ট পার্টির) চেয়ে বেশি ছিল, কিন্তু রুখে দাঁড়িয়ে প্রতিরোধ করার মতো সাহস কারও ছিল না। ** [https://bbc.co.uk/news/world-asia-china-21790384 China's new President Xi Jinping: A man with a dream] * দুর্নীতিবিরোধী প্রচেষ্টাকে আরও এগিয়ে নিতে হলে দলের দীর্ঘমেয়াদী দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্জিত সফল অভিজ্ঞতাসমূহের ওপর জোর দিতে হবে। আমাদেরকে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের কার্যকর নীতি এবং নিজস্ব মূল্যবান ঐতিহ্য থেকে সক্রিয়ভাবে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। ** [https://web.archive.org/web/20160304194439/http://english.cntv.cn/20130420/104746.shtml President Xi: Anti-corruption efforts need to draw on heritage] * সুখ এমনি এমনি আসে না এবং স্বপ্নও নিজে থেকে পূরণ হয় না। আমাদের বাস্তববাদী হতে হবে এবং কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। আমাদের এই ধারণাটি ধারণ করা উচিত যে, কঠোর পরিশ্রমই হলো সবচেয়ে সম্মানজনক, মহৎ, শ্রেষ্ঠ এবং সুন্দরতম গুণ। ** [https://web.archive.org/web/20180913094407/http://english.cntv.cn/20130501/102444.shtml Xi Jinping meets model workers] * অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে চলে আসা এই বিষয়টি [{{w|ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি সংঘাত}}] [[ফিলিস্তিনি]] জনগণের জন্য গভীর দুর্ভোগ বয়ে এনেছে এবং [[মধ্যপ্রাচ্য]] অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে রয়ে গেছে। ** [https://edition.cnn.com/2013/05/07/world/asia/china-israel-talks/index.html China rebukes Israel ahead of Netanyahu visit] * আমি মনে করি, উভয় পক্ষেরই [চীন ও যুক্তরাষ্ট্র] {{w|মহা শক্তি|মহা শক্তিগুলোর}} মধ্যে এক নতুন ধরনের সম্পর্ক গড়ে তুলতে কঠোর পরিশ্রম করা উচিত। দুই দেশের ও বিশ্বের মানুষের কল্যাণে উভয় পক্ষেরই পারস্পরিক লাভজনক ফলাফলের জন্য একে অপরের সহায়তা করা উচিত। ** [http://english.cntv.cn/program/newsupdate/20130608/104235.shtml Xi, Obama vow to step up cooperation] * আমাদের ভবিষ্যতের দিকে তাকানো করা উচিত। চীনের মূল ভূখণ্ড ও তাইওয়ানের মধ্যকার রাজনৈতিক মতপার্থক্যগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধান করা উচিত এবং এই সমস্যাগুলোকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বয়ে যেতে দেওয়া যাবে না। ** [https://www.chinadaily.com.cn/china/2013xiapec/2013-10/06/content_17011186.htm Xi calls for peaceful development of cross-Straits ties] * সাইবার জগৎ আইনের শাসনের বাহিরের কোনো স্থান নয়। ** [https://www.mfa.gov.cn/eng/xw/zyjh/202405/t20240530_11341037.html Remarks by H.E. Xi Jinping President of the People's Republic of China At the Opening Ceremony of the Second World Internet Conference] * দলের সংবাদ ও জনমত প্রচারমাধ্যমের সকল কাজে অবশ্যই দলের ইচ্ছাকে প্রতিফলিত করতে হবে, দলের মতামতকে প্রতিবিম্বিত করতে হবে, দলের কর্তৃত্ব রক্ষা করতে হবে, দলের ঐক্য রক্ষা করতে হবে এবং দলের প্রতি ভালোবাসা, দলের সুরক্ষা ও দলের জন্য কাজ করতে হবে; এবং আদর্শ, রাজনীতি ও কর্মকাণ্ডে দলের সাথে উচ্চ স্তরের সামঞ্জস্য বজায় রাখতে হবে। ** [https://www.washingtonpost.com/news/worldviews/wp/2016/03/16/government-linked-website-published-then-pulled-call-for-president-xis-resignation/ Chinese website publishes, then pulls, explosive letter calling for President Xi’s resignation] * এশিয়ার বিষয়াদি পরিচালনা করা, এশিয়ার সমস্যা সমাধান করা এবং এশিয়ার নিরাপত্তা সমুন্নত রাখা এশিয়ার জনগণেরই দায়িত্ব। বর্ধিত সহযোগিতার মাধ্যমে এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জনের সামর্থ্য ও প্রজ্ঞা এশিয়ার জনগণের রয়েছে। ** [https://www.weforum.org/stories/2014/12/what-is-chinas-asia-policy/ What is China’s Asia policy?] * সোভিয়েত ইউনিয়ন ও সোভিয়েত কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাসকে, [[ভ্লাদিমির লেনিন|লেনিন]] ও [[জোসেফ স্তালিন|স্তালিনকে]], এবং অন্য সবকিছুকে অগ্রাহ্য করা হলো ঐতিহাসিক শূন্যতাবাদের চর্চা, যা আমাদের চিন্তাভাবনাকে বিভ্রান্ত করে এবং সর্বস্তরে দলের সংগঠনকে দুর্বল করে দেয়। ** [https://www.washingtonpost.com/news/global-opinions/wp/2017/10/16/xi-jinpings-quest-to-revive-stalins-communist-ideology/?utm_term=.a350d0a610c0 Xi Jinping’s quest to revive Stalin’s communist ideology] * সোভিয়েত ইউনিয়ন কেন ভেঙে গেল? সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টি কেন ক্ষমতাচ্যুত হলো? এর একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল এই যে, মতাদর্শগত সংগ্রাম ছিল অত্যন্ত তীব্র, যা সোভিয়েত ইউনিয়নের ইতিহাসকে, সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাসকে, লেনিনকে, স্তালিনকে সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করে ঐতিহাসিক শূন্যবাদ এবং বিভ্রান্তিকর চিন্তাভাবনার জন্ম দিয়েছিল। সকল স্তরের দলীয় সংগঠনগুলো তাদের কার্যকারিতা হারিয়েছিল, সামরিক বাহিনী আর দলের নেতৃত্বে ছিল না। পরিশেষে, সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টি, একটি মহান দল, ছত্রভঙ্গ হয়ে গেল, সোভিয়েত ইউনিয়ন, একটি মহান সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র, ভেঙে পড়ল। এটি একটি সতর্কতামূলক কাহিনী! ** [https://www.journalofdemocracy.org/articles/30-years-after-tiananmen-memory-in-the-era-of-xi-jinping/ 30 Years After Tiananmen: Memory in the Era of Xi Jinping] * প্রথমত, সকল কাজে দলের নেতৃত্ব মেনে চলতে হবে এবং দলের নেতৃত্বকে নিরন্তর শক্তিশালী ও উন্নত করতে হবে। ** [https://www.nytimes.com/2018/12/18/world/asia/xi-china-speech-takeaways.html 4 Takeaways from Xi Jinping’s Speech Defending Communist Party Control] * চীনা জনগণকে কী করা উচিত আর কী করা উচিত নয়, তা নির্দেশ দেওয়ার মতো অবস্থানে কেউ নেই। ** [https://www.nytimes.com/2018/12/18/world/asia/xi-china-speech-takeaways.html 4 Takeaways from Xi Jinping’s Speech Defending Communist Party Control] * অন্য যেকোনো বিদেশি সহকর্মীর চেয়ে প্রেসিডেন্ট [[ভ্লাদিমির পুতিন|পুতিনের]] সঙ্গে আমার অধিক ঘনিষ্ঠ আলাপচারিতা হয়েছে। তিনি আমার সেরা বন্ধু। আমাদের এই গভীর বন্ধুত্বকে আমি অত্যন্ত মূল্যবান মনে করি। ** [https://www.businessinsider.com/china-xi-jinping-russia-vladimir-putin-best-friends-photos-2019-6 18 photos that show the blossoming bromance between China's Xi Jinping and Russia's Vladimir Putin] * চীনের সাফল্য প্রমাণ করে যে [[সমাজতন্ত্র]] মারা যায়নি। বরং তা বিকশিত হচ্ছে। একবার ভেবে দেখুন: যদি চীনে সমাজতন্ত্র ব্যর্থ হতো, যদি সোভিয়েত ইউনিয়নের দলের মতো আমাদের কমিউনিস্ট পার্টিও ভেঙে পড়ত, তাহলে বিশ্বব্যাপী সমাজতন্ত্র এক দীর্ঘ অন্ধকার যুগে প্রবেশ করত। আর [[সাম্যবাদ]], যেমনটা [[কার্ল মার্ক্স]] একবার বলেছিলেন, এক বিভীষিকাময় প্রেতাত্মা হয়ে অতল গহ্বরে ঘুরপাক খেত। ** [https://www.scmp.com/news/china/politics/article/3236454/xi-jinping-highlights-importance-innovation-path-chinese-style-modernisation?campaign=3236454&module=perpetual_scroll_1_AI&pgtype=article Xi Jinping highlights importance of innovation on path to ‘Chinese-style modernisation’] * আমাদের কমরেডদের হাতে যে পদ্ধতিগুলো আছে তা অত্যন্ত আদিম; তাদের বড় দা-এর ফলা, কুড়ালের ফলা এবং ধারালো ইস্পাতের অস্ত্রের সামনে এই অস্ত্রগুলোর কোনোটিই টিকতে পারবে না। আমাদেরও তাদের মতোই কঠোর হতে হবে এবং বিন্দুমাত্র দয়া দেখানো যাবে না। ** [https://www.nytimes.com/interactive/2019/11/16/world/asia/china-xinjiang-documents.html ‘Absolutely No Mercy’: Leaked Files Expose How China Organized Mass Detentions of Muslims] * পুঁজিবাদী পথ চেষ্টা করা হয়েছিল এবং তা ব্যর্থ বলে প্রমাণিত হয়েছিল। সংস্কারবাদ, উদারনীতিবাদ, সামাজিক ডারউইনবাদ, নৈরাজ্যবাদ, প্রয়োগবাদ, জনতুষ্টিবাদ, শ্রমিক সংঘবাদ—এগুলো সবই মঞ্চে নিজেদের মুহূর্ত পেয়েছিল। চীনের ভবিষ্যতের সমস্যা সমাধানে এগুলোর কোনোটিই সফল হয়নি। মার্কসবাদ-লেনিনবাদ এবং মাও সে-তুং চিন্তাধারাই চীনা জনগণকে সেই দীর্ঘ রাতের অন্ধকার থেকে পথ দেখিয়ে একটি নতুন চীন প্রতিষ্ঠা করেছিল; চীনা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন সমাজতন্ত্রের মাধ্যমেই চীন এত দ্রুত উন্নতি লাভ করেছে। ** [https://archive.is/e6EU1 Xi Jinping in Translation: China’s Guiding Ideology] * ইতিহাস এবং আমাদের বর্তমান বাস্তবতা উভয়ই বলে যে, একমাত্র সমাজতন্ত্রই চীনকে বাঁচাতে পারে—এবং একমাত্র চীনা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন সমাজতন্ত্রই চীনের উন্নতি সাধন করতে পারে। এটাই ইতিহাসের উপসংহার, [এবং] আমাদের জনগণের পছন্দ। ** [https://archive.is/e6EU1 Xi Jinping in Translation: China’s Guiding Ideology] * এগুলোর মধ্যে রয়েছে: চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নিরঙ্কুশ নেতৃত্ব, জাতীয় পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে নীতি নির্ধারণ, অর্থনৈতিক নির্মাণকে কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা, ‘চারটি মূলনীতি’ এবং সংস্কার ও উন্মুক্তকরণ কর্মসূচিতে অবিচল থাকা, উৎপাদনশীল সামাজিক শক্তির মুক্তি ও বিকাশ, একটি সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি, সমাজতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক রাজনীতি, একটি উন্নত সমাজতান্ত্রিক সংস্কৃতি, একটি সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজতান্ত্রিক সমাজ এবং একটি পরিবেশবান্ধব সমাজতান্ত্রিক সভ্যতা নির্মাণ। এর অন্তর্ভুক্ত হলো জনগণের সার্বিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করা, ক্রমান্বয়ে সকল মানুষের যৌথ সমৃদ্ধি অর্জন করা এবং একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ, শক্তিশালী, গণতান্ত্রিক, সভ্য ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন করা—যার মধ্যে রয়েছে জাতীয় গণ কংগ্রেসের মৌলিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা, কমিউনিস্ট পার্টি পরিচালিত বহুদলীয় সহযোগিতা ও রাজনৈতিক পরামর্শ ব্যবস্থা, আঞ্চলিক জাতিগত স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা, তৃণমূল স্তরের স্ব-শাসন ব্যবস্থা, চীনা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন আইন ব্যবস্থা এবং এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে সরকারি মালিকানাধীন উদ্যোগগুলোই প্রধান অংশ এবং যা বিভিন্ন ধরনের ব্যক্তিগত মালিকানার পাশাপাশি বিকশিত হয়। এই বৈশিষ্ট্যগুলোই আমাদের নতুন ঐতিহাসিক পরিস্থিতিতে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের মৌলিক নীতিগুলোকে অঙ্গীভূত করে তোলে। ** [https://archive.is/e6EU1 Xi Jinping in Translation: China’s Guiding Ideology] ===২০২০-এর দশক=== * বর্তমান বিশ্বে বিশৃঙ্খলার সবচেয়ে বড় উৎস হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র [...] আমাদের দেশের উন্নয়ন ও নিরাপত্তার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই সবচেয়ে বড় হুমকি। * [এখনও অনেক দিক রয়েছে যেখানে] পশ্চিম শক্তিশালী এবং পূর্ব দুর্বল। * আসন্ন ঝুঁকি ও পরীক্ষাগুলো অতীতের চেয়ে কোনো অংশে কম হবে না [...] আমাদের দল এখন পর্যন্ত সংগ্রামের উপরেই নির্ভর করে এসেছে, এবং ভবিষ্যতে জয়ের জন্যও সংগ্রামের ওপরই নির্ভর করতে হবে। * এই মহান প্রবণতাটি স্পষ্টভাবে উপলব্ধি করুন যে প্রাচ্যের উত্থান ঘটছে এবং পাশ্চাত্যের পতন হচ্ছে। * চীনের শৃঙ্খলা এবং পশ্চিমা বিশ্বের বিশৃঙ্খলার মধ্যে একটি সুস্পষ্ট বৈসাদৃশ্য রয়েছে। ** [https://www.nytimes.com/2021/03/03/world/asia/xi-china-congress.html ‘The East Is Rising’: Xi Maps Out China’s Post-Covid Ascent] * আমরা চীনারা এমন এক জাতি যারা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে এবং বলপ্রয়োগের হুমকিতে ভীত হয় না। একটি জাতি হিসেবে আমাদের প্রবল গর্ব ও আত্মবিশ্বাস রয়েছে। আমরা কখনো অন্য কোনো দেশের জনগণকে ধমক দিইনি, নিপীড়ন করিনি বা পরাধীন করিনি, এবং কখনো করবও না। একইভাবে, আমরাও কোনো বিদেশি শক্তিকে আমাদের ধমক দিতে, নিপীড়ন করতে বা পরাধীন করতে দেব না। যে কেউ এমন করার চেষ্টা করবে, সে ১৪০ কোটিরও বেশি চীনা জনগণের দ্বারা নির্মিত ইস্পাতের এক বিশাল প্রাচীরের মুখোমুখি হবে। ** [https://thehill.com/policy/international/china/561061-xi-says-china-wont-be-bullied-at-communist-party-100-year/ Xi says China won’t be ‘bullied’ at Communist Party 100th anniversary celebration] * দেশগুলোর মধ্যকার মতপার্থক্য ও সমস্যাসমূহ এড়ানো প্রায় অসম্ভব, সেগুলোকে সমতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমে সমাধান করা প্রয়োজন। একটি দেশের সাফল্য মানেই অন্য দেশের ব্যর্থতা নয়, এবং সকল দেশের যৌথ উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য এই বিশ্ব যথেষ্ট বড়। আমাদের সংঘাত ও বর্জনের পরিবর্তে সংলাপ ও অন্তর্ভুক্তিকে অনুসরণ করতে হবে। আমাদের পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ন্যায্যতা, ন্যায়বিচার এবং উভয় পক্ষের জন্য লাভজনক সহযোগিতার উপর ভিত্তি করে এক নতুন ধরনের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে এবং আমাদের স্বার্থের অভিন্নতা প্রসারিত করতে ও সম্ভাব্য সর্বোচ্চ সমন্বয় সাধনে যথাসাধ্য চেষ্টা করতে হবে। * চীনের জনগণ সর্বদা শান্তি, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির স্বপ্নকে প্রচার করেছে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য সচেষ্ট থেকেছে। চীন কখনো অন্যকে আক্রমণ বা জবরদস্তি করেনি এবং করবেও না, কিংবা আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করবে না। চীন সর্বদা বিশ্বশান্তির নির্মাতা, বৈশ্বিক উন্নয়নে অবদানকারী, আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলার রক্ষক এবং জনকল্যাণমূলক সেবার যোগানদাতা। চীন তার নতুন উন্নয়নের মাধ্যমে বিশ্বে নতুন সুযোগ নিয়ে আসতে থাকবে। * বিশ্ব আবারও এক ঐতিহাসিক চৌরাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, মানবজাতির শান্তি, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা অপ্রতিরোধ্য। আসুন আমরা আত্মবিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করি এবং যৌথভাবে বৈশ্বিক হুমকি ও প্রতিবন্ধকতাসমূহ মোকাবেলা করি, এবং মানবজাতির জন্য একটি অভিন্ন ভবিষ্যৎ ও সকলের জন্য একটি উন্নততর বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করি। ** [https://www.news.cn/english/2021-09/22/c_1310201230.htm Full text of Xi's statement at the General Debate of the 76th Session of the United Nations General Assembly] * জনগণের উদ্বেগের প্রতি আমি সর্বদা যত্নশীল, এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্যই আমি সর্বদা চেষ্টা করি। নিজে গ্রামে কাজ করার সুবাদে দারিদ্রতা কাকে বলে তা আমি ভালোভাবেই জানি। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে চীনা জনগণের নিরন্তর প্রচেষ্টার ফলে, যারা একসময় দারিদ্রতার মধ্যে বাস করত, তাদের এখন আর খাদ্য বা বস্ত্র, কিংবা শিক্ষা, আবাসন ও স্বাস্থ্য বীমার সুযোগ নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হয় না। * হংকং ও ম্যাকাও-এর সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা মাতৃভূমির কাছে সর্বদাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একমাত্র ঐক্য ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমরা দীর্ঘমেয়াদে {{w|lang=en|One country, two systems|এক দেশ, দুই ব্যবস্থার}} সুষ্ঠু বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে পারি। আমাদের মাতৃভূমির পূর্ণাঙ্গ পুনর্মিলন তাইওয়ান প্রণালীর উভয় পারের জনগণের একটি অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা। আমি আন্তরিকভাবে আশা করি যে, চীনা জাতির সকল সন্তান আমাদের দেশের জন্য একটি উজ্জ্বলতর ভবিষ্যৎ গড়তে একজোট হবেন। ** [https://www.fmprc.gov.cn/mfa_eng/wjdt_665385/zyjh_665391/202112/t20211231_10478096.html 2022 New Year address by President Xi Jinping] * আমাদেরকে {{w|স্নায়ুযুদ্ধ|স্নায়ুযুদ্ধের}} মানসিকতা পরিহার করে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং উভয়ের জন্য লাভজনক সমাধানের সন্ধান করতে হবে। সংরক্ষণবাদ ও একপাক্ষিকতা কাউকেই রক্ষা করতে পারে না। এর চেয়েও খারাপ হলো আধিপত্য ও জবরদস্তির চর্চা, যা ইতিহাসের স্রোতের বিপরীতে চলে। এমন এক শূন্য-ফলাফল দৃষ্টিভঙ্গি, যা অন্যের ক্ষতি করে নিজের লাভ বাড়ায়, তা কোনো কাজে আসবে না। মানবজাতির জন্য এগিয়ে যাওয়ার সঠিক পথ হলো শান্তিপূর্ণ উন্নয়ন এবং উভয়ের জন্য লাভজনক সহযোগিতা। ** [https://abcnews.com/Business/wireStory/chinas-xi-rejects-cold-war-mentality-pushes-cooperation-82304736 China's Xi rejects 'Cold War mentality,' pushes cooperation] * মানব ইতিহাসের পর্যালোচনা আমাদের শিক্ষা দেয় যে, পরিস্থিতি যত কঠিন হয়, আত্মবিশ্বাসী থাকার প্রয়োজনীয়তাও তত বৃদ্ধি পায়। সমস্যাকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, কারণ একের পর এক সমস্যাই মানব সমাজের অগ্রগতিকে চালিত করেছে। কোনো বাধাই ইতিহাসের চাকা থামাতে পারেনি। বহুবিধ প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়ে আমাদের আত্মবিশ্বাস হারানো, দ্বিধা করা বা পিছু হটা উচিত নয়। বরং, আমাদের আত্মবিশ্বাসকে দৃঢ় করতে হবে এবং সমস্ত প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে এগিয়ে যেতে হবে। * কুয়াশা ভেদ করে এক উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ বরণ করার সবচেয়ে বড় শক্তি আসে সহযোগিতা থেকে এবং এর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সংহতি। * বৈশ্বিক শাসনের প্রতিকূলতাসমূহ মোকাবিলা করতে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সারা বিশ্বের দেশগুলো একই জাহাজের যাত্রীদের মতো, যাদের গন্তব্য একই। জাহাজটিকে ঝড়ের মধ্য দিয়ে পথ চলতে এবং এক উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যেতে হলে সকল যাত্রীকে একজোট হতে হবে। কাউকে জাহাজ থেকে ফেলে দেওয়ার চিন্তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই যুগে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এতটাই বিকশিত হয়েছে যে এটি একটি পরিশীলিত এবং সমন্বিত ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে। * উষ্ণ ও শীতল যুদ্ধ, প্রতিকূলতা ও দুঃখকষ্টের মধ্য দিয়ে যাওয়ার ফলে এশিয়ার মানুষ শান্তির মূল্যকে গভীরভাবে উপলব্ধি করে এবং বোঝে যে উন্নয়নের সুফল সহজে আসে না। বিগত দশকগুলোতে এশিয়া সার্বিক স্থিতিশীলতা ও টেকসই দ্রুত প্রবৃদ্ধি উপভোগ করেছে, যা ‘এশীয় অলৌকিক ঘটনা’কে সম্ভব করে তুলেছে। এশিয়ার উন্নতি হলে সমগ্র বিশ্ব উপকৃত হয়। অতএব, আমাদের এশিয়ার উন্নয়ন ও শক্তিশালীকরণ অব্যাহত রাখতে হবে, এশিয়ার সহনশীলতা, প্রজ্ঞা ও শক্তি প্রদর্শন করতে হবে এবং এশিয়াকে বিশ্ব শান্তির নোঙর, বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নতুন পথপ্রদর্শক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। * চীন তার নতুন উন্নয়ন দর্শনকে পূর্ণরূপে প্রয়োগ করবে, একটি নতুন উন্নয়ন প্রতিমান প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে এবং উন্নত মানের উন্নয়নের জন্য প্রচেষ্টা দ্বিগুণ করবে। বিশ্ব যেভাবেই পরিবর্তিত হোক না কেন, সংস্কার ও উন্মুক্তকরণের প্রতি চীনের বিশ্বাস এবং অঙ্গীকার অটুট থাকবে। * যতদিন আমরা একজোট হয়ে কাজ করব এবং প্রচেষ্টায় কখনো শৈথিল্য আনব না, ততদিন আমরা পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতার মাধ্যমে এক শক্তিশালী সমন্বয় গড়ে তুলব, পথের নানা প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করব এবং মানবজাতির জন্য এক উজ্জ্বলতর ও উন্নততর ভবিষ্যৎ বয়ে আনব। ** [https://news.cgtn.com/news/2022-04-21/Full-text-Xi-Jinping-s-speech-at-2022-Boao-Forum-for-Asia-19ppiaI90Eo/index.html Full text: Xi Jinping's speech at 2022 Boao Forum for Asia] * রাজনৈতিক আস্থা। {{w|সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা|এসসিও}} সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে স্থায়ী বন্ধুত্ব ও শান্তি প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দ্বারা পরিচালিত হয়ে, আমরা একে অপরের মৌলিক স্বার্থ ও উন্নয়নের পথ বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তকে সম্মান করি এবং শান্তি, স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও পুনরুজ্জীবন অর্জনে পরস্পরকে সমর্থন করি। * পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতা। আমরা পরস্পরের স্বার্থকে সম্মান করি, পারস্পরিক সুবিধার জন্য আলোচনা ও সহযোগিতার নীতিতে অবিচল থাকি, নিজ নিজ উন্নয়ন কৌশলের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করি এবং অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতার পথে এগিয়ে চলি। * দেশগুলোর মাঝে সমতা। আমরা [দেশগুলোর] আকার নির্বিশেষে সকল দেশের মধ্যে সমতা, ঐকমত্য-ভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের নীতিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সবলের দ্বারা দুর্বলের উপর অথবা বড়র দ্বারা ছোটর উপর অত্যাচারের প্রথাকে প্রত্যাখ্যান করি। * উন্মুক্ততা ও অন্তর্ভুক্তি। আমরা বিভিন্ন দেশ, জাতি ও সংস্কৃতির মধ্যে সম্প্রীতিপূর্ণ সহাবস্থান ও পারস্পরিক শিক্ষা, সভ্যতার মধ্যে সংলাপ এবং মতপার্থক্য দূরে রেখে অভিন্ন ভিত্তি খোঁজার পক্ষে। আমরা এমন অন্যান্য দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সাথে অংশীদারিত্ব স্থাপন করতে এবং পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতা গড়ে তুলতে প্রস্তুত, যারা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির সাথে একমত। * সমতা ও ন্যায়বিচার। আমরা {{w|জাতিসংঘ সনদ|জাতিসংঘ সনদের}} উদ্দেশ্য ও নীতিসমূহের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ; আমরা প্রধান আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিষয়গুলোকে তাদের স্বপক্ষে বিচার করি এবং অন্যান্য দেশের বৈধ অধিকার ও স্বার্থের বিনিময়ে নিজ এজেন্ডা বাস্তবায়নের বিরোধিতা করি। * প্রাকৃতিক জগতের মতোই মানব সমাজের বিকাশেও সুখ-দুঃখের দিন আসে। আমাদের আজকের বিশ্ব এক শতাব্দীতে অভূতপূর্ব দ্রুত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং এটি অনিশ্চয়তা ও রূপান্তরের এক নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। * আমাদের উচিত উচ্চ-পর্যায়ের বিনিময় ও কৌশলগত যোগাযোগ জোরদার করা, পারস্পরিক বোঝাপড়া ও রাজনৈতিক আস্থা গভীর করা এবং নিরাপত্তা ও উন্নয়ন স্বার্থ রক্ষার প্রচেষ্টায় পরস্পরকে সমর্থন করা। বহিরাগত শক্তির ‘রঙিন বিপ্লব’ উস্কে দেওয়ার প্রচেষ্টা থেকে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, যেকোনো অজুহাতে অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের যৌথভাবে বিরোধিতা করতে হবে এবং নিজেদের ভবিষ্যৎকে দৃঢ়ভাবে নিজেদের হাতে ধরে রাখতে হবে। * এই অঞ্চলের সকল দেশের মানুষের জন্য উন্নততর জীবন নিশ্চিত করাই আমাদের অভিন্ন লক্ষ্য। * আদান-প্রদান বিভিন্ন সভ্যতার মধ্যে সমন্বয় সাধন করে, যা ফলস্বরূপ সভ্যতাগুলোকে অগ্রসর হতে সক্ষম করে। * ক্ষুদ্র একটি গোষ্ঠী গঠনের মোহ বিশ্বকে কেবল বিভেদ ও সংঘাতের দিকেই ঠেলে দিতে পারে। আমাদের উচিত জাতিসংঘ-কেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক আইনের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা রক্ষায় অবিচল থাকা, মানবতার অভিন্ন মূল্যবোধের চর্চা করা এবং স্বার্থহীন ফলাফল ও জোট-রাজনীতি বর্জন করা। * শক্তিশালী স্থিতিস্থাপকতা, বিপুল সম্ভাবনা, নীতি সমন্বয়ের পর্যাপ্ত সুযোগ এবং দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব দ্বারা বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত {{w|চীনের অর্থনীতি|চীনের অর্থনীতির}} ভিত্তি মজবুত থাকবে। এটি বিশ্ব অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ও পুনরুদ্ধারে ব্যাপকভাবে গতি আনবে এবং অন্যান্য দেশের জন্য আরও কেনাবেচার সুযোগ তৈরি করবে। * আমরা চীনা জাতির পুনরুজ্জীবন অর্জনের জন্য চীনের আধুনিকীকরণের পথ অনুসরণ করে যাব এবং মানবজাতির জন্য একটি অভিন্ন ভবিষ্যৎ সমাজ গঠনে কাজ করে যাব। এর মাধ্যমে আমরা চীনের উন্নয়নের নতুন অগ্রগতির দ্বারা বিশ্বের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করব এবং বিশ্ব শান্তি ও উন্নয়ন এবং মানব অগ্রগতিতে আমাদের দূরদৃষ্টি ও শক্তি দিয়ে অবদান রাখব। * যাত্রা যতই দীর্ঘ হোক না কেন, আমরা যদি সঠিক পথে অবিচল থাকি, তবে অবশ্যই আমাদের গন্তব্যে পৌঁছাব। ** [https://www.fmprc.gov.cn/eng/zxxx_662805/202209/t20220916_10767110.html Ride on the Trend of the Times and Enhance Solidarity and Cooperation to Embrace a Better Future] * উন্নয়ন যে পর্যায়েই পৌঁছাক না কেন, চীন কখনোই {{w|একাধিপত্য}} বা সম্প্রসারণের পথে হাঁটবে না এবং অন্যদের উপর নিজের ইচ্ছাকে চাপিয়ে দেবে না। চীন প্রভাব বলয় চায় না এবং কারও সঙ্গে শীতল যুদ্ধ বা উষ্ণ যুদ্ধে লিপ্ত হবে না। … চীন সংলাপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে, সংঘাতের বিরোধিতা করবে এবং জোটের পরিবর্তে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলবে। আমরা উন্মুক্তকরণের একটি পারস্পরিক লাভজনক কৌশল অনুসরণ করে যাবো। আমরা যে আধুনিকীকরণ করছি তা কেবল চীনের জন্য নয়; আমরা শান্তিপূর্ণ উন্নয়ন, পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতা ও অভিন্ন সমৃদ্ধির বৈশিষ্ট্যযুক্ত বৈশ্বিক আধুনিকীকরণকে এগিয়ে নিতে এবং মানবজাতির জন্য একটি অভিন্ন ভবিষ্যৎ সমাজ গড়তে সকল দেশের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। … বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট যেভাবেই পরিবর্তিত হোক না কেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ঐতিহাসিক ধারা বদলাবে না। ** [https://www.chinadaily.com.cn/a/202311/16/WS6555a832a31090682a5ee887.html China not to fight cold war or hot war with anyone: Xi] * আজ মানবজাতিকে আবারও শান্তি ও যুদ্ধ, সংলাপ ও সংঘাত, পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতা ও শূন্য-ফলাফল খেলার মধ্যে একটিকে বেছে নিতে হবে। চীনের জনগণ ইতিহাস এবং মানব সভ্যতার অগ্রগতির সঠিক পক্ষে দৃঢ়ভাবে অবস্থান করছে। আমরা শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের পথে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকব এবং মানবজাতির জন্য একটি অভিন্ন ভবিষ্যৎ এবং সমাজ গঠনে বিশ্বের সকল মানুষের সাথে হাত মেলাব। ** [https://news.cgtn.com/news/2025-09-04/Full-text-of-President-Xi-s-speech-at-V-Day-commemorative-meeting-1GoGtFYsbJK/p.html Full text of President Xi's speech at the commemoration to mark the 80th anniversary of the victory of the Chinese People's War of Resistance Against Japanese Aggression and the World Anti-Fascist War] ==বহিঃসংযোগ== {{Wikipedia}} * [http://www.xinhuanet.com/english/2017-10/25/c_136705528.htm শি চিনফিং -- চীনা কমিউনিস্ট পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক] * [http://www.chinadaily.com.cn/china/Xi-Jinping.html চীন / শি চিনফিং] চায়নাডেইলিতে {{কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ}} {{DEFAULTSORT:শি, চিনফিং}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:চীনের দার্শনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:চীনের অ-কল্পকাহিনী লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:জাতীয়তাবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:চীনের রাষ্ট্রপ্রধান]] c7ryuoumibnu9023ioes7jbqluhhxf8 ব্যবহারকারী:খাত্তাব হাসান/bnwq-tools-test.js 2 12214 78571 78536 2026-04-19T12:27:41Z খাত্তাব হাসান 7 বিশেষ:পার্থক্য টেস্ট 78571 javascript text/javascript // <nowiki> /** * ToolBox: A global maintenance user script for MediaWiki installations. * Features: Tagging, CSD, XfD, Protection, Welcome, Warnings, Admin actions, etc. * Architecture: Central Core + Local Override + Bilingual UI (bn/en) + Custom i18n * Version: 3.0 (Global Edition with extendable i18n) */ (function ($, mw) { 'use strict'; // Prevent multiple executions if (window.ToolBoxLoaded) return; window.ToolBoxLoaded = true; // Load Local Configuration from standalone wiki (if available) var localConfig = window.ToolBoxConfig || {}; // Determine UI Language: Override > Saved > User Preference var userLang = mw.config.get('wgUserLanguage'); var savedLang = null; try { savedLang = window.localStorage.getItem('toolbox-ui-lang'); } catch (e) {} var uiLang = localConfig.uiLanguage || savedLang || userLang; // ========================================== // INTERNATIONALIZATION (i18n) DICTIONARY // ========================================== var baseI18n = { 'bn': { 'checking_page': 'পাতা পরীক্ষা করা হচ্ছে...', 'warning': 'সতর্কতা', 'csd_exists': 'এই পাতায় ইতোমধ্যে অপসারণ ট্যাগ যুক্ত করা রয়েছে। অনুগ্রহ করে আরেকবার অপসারণ ট্যাগ দেয়ার পূর্বে পুনর্বিবেচনা করুন। ধন্যবাদ!', 'xfd_exists': 'এই পাতায় ইতোমধ্যে অপসারণ প্রস্তাবনার ট্যাগ যুক্ত করা রয়েছে। অনুগ্রহ করে আরেকবার অপসারণ প্রস্তাবনা শুরু করার পূর্বে পুনর্বিবেচনা করুন। ধন্যবাদ!', 'prot_exists': 'এই পাতায় ইতোমধ্যে সুরক্ষা প্রস্তাবনার ট্যাগ যুক্ত করা রয়েছে। অনুগ্রহ করে আরেকবার সুরক্ষা প্রস্তাবনা শুরু করার পূর্বে পুনর্বিবেচনা করুন। ধন্যবাদ!', 'prot_level': 'সুরক্ষা স্তর:', 'prot_semi': 'শুধুমাত্র স্বয়ংনিশ্চিতকৃত ব্যবহারকারীদের জন্য (অর্ধ সুরক্ষা)', 'prot_full': 'শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত (পূর্ণ সুরক্ষা)', 'expiry': 'মেয়াদ:', 'auto_tmpl': 'স্বয়ংক্রিয় (টেমপ্লেট থেকে)', '1_hour': '১ ঘণ্টা', '1_day': '১ দিন', '1_week': '১ সপ্তাহ', '2_weeks': '২ সপ্তাহ', '1_month': '১ মাস', '3_months': '৩ মাস', '6_months': '৬ মাস', '1_year': '১ বছর', 'infinite': 'অসীম', 'other_time': 'অন্য সময়', 'other_time_placeholder': 'অন্য সময় লিখুন (যেমন: 2 days)', 'docs': 'টুলবক্স নথি', 'bug_report': 'বাগ প্রতিবেদন বা মতামত', 'go_back': 'পিছনে যান', 'cancel': 'বাতিল', 'close': 'বন্ধ করুন', 'confirm': 'নিশ্চিত করুন', 'please_wait': 'অপেক্ষা করুন...', 'csd_nomination': 'দ্রুত অপসারণ প্রস্তাবনা', 'csd_reason': 'দ্রুত অপসারণের কারণ:', 'custom_rationale': 'নিজস্ব বিচারধারা লিখুন: ', 'custom_reason_placeholder': 'আপনার নিজস্ব কারণ লিখুন...', 'csd_warning': '<strong>সতর্কতা:</strong> যদি দাবীটি বিতর্কিত বা সাম্ভাব্য বিতর্ক সৃষ্টির আশংকা হয়, তাহলে এটিকে দ্রুত অপসারণের বদলে অপসারণ প্রস্তাবনাতে (XfD) নেওয়া উচিত।', 'edit_summary': 'সম্পাদনা সারাংশ:', 'def_sum_csd': 'দ্রুত অপসারণের জন্য ট্যাগ করা হলো', 'alert_reason': 'দয়া করে কারণ লিখুন!', 'success_csd': 'দ্রুত অপসারণ ট্যাগ সফলভাবে যুক্ত হয়েছে এবং ব্যবহারকারীকে বার্তা পাঠানো হয়েছে!', 'error': 'ত্রুটি হয়েছে: ', 'add_tags_title': 'ট্যাগ যুক্ত করুন', 'select_tags': 'যুক্ত করার জন্য ট্যাগ নির্বাচন করুন:', 'target_page': 'লক্ষ্য পাতার নাম (একত্রীকরণের জন্য):', 'target_page_placeholder': 'যে পাতায় একত্রিত করতে চান...', 'def_sum_tags': 'ট্যাগ যুক্ত করা হলো', 'alert_target': 'লক্ষ্য পাতার নাম উল্লেখ করতে হবে!', 'alert_tag': 'দয়া করে একটি ট্যাগ নির্বাচন করুন!', 'success_tags': 'ট্যাগ সফলভাবে যুক্ত হয়েছে!', 'xfd_nomination': 'অপসারণ প্রস্তাবনা', 'xfd_reason': 'অপসারণের কারণ:', 'xfd_placeholder': 'কেন এই পাতাটি অপসারণ করা উচিত তার বিস্তারিত বিবরণ দিন...', 'def_sum_xfd': '[[$1]]-এর অপসারণ প্রস্তাবনা যুক্ত করা হলো', 'alert_xfd_reason': 'দয়া করে অপসারণের কারণ উল্লেখ করুন!', 'success_xfd': 'অপসারণ প্রস্তাবনা সফলভাবে যুক্ত হয়েছে এবং ব্যবহারকারীকে বার্তা পাঠানো হয়েছে!', 'prot_nomination': 'সুরক্ষার প্রস্তাবনা', 'def_sum_prot': '[[$1]]-এর সুরক্ষার প্রস্তাবনা যুক্ত করা হলো', 'prot_reason_opt': 'সুরক্ষার কারণ (ঐচ্ছিক):', 'prot_placeholder': 'কারণ লিখুন (যেমন: ধ্বংসপ্রবণতা)...', 'alert_custom_expiry': 'দয়া করে কাস্টম মেয়াদ উল্লেখ করুন!', 'success_prot': 'সুরক্ষার প্রস্তাবনা সফলভাবে যুক্ত হয়েছে!', 'welcome_user_title': 'স্বাগত জানান: $1', 'select_welcome': 'স্বাগতম বার্তা নির্বাচন করুন:', 'preview': 'প্রিভিউ:', 'loading': 'লোড হচ্ছে...', 'preview_failed': 'প্রিভিউ লোড করা যায়নি।', 'def_sum_welcome': 'স্বাগতম!', 'success_welcome': 'স্বাগতম বার্তা সফলভাবে যুক্ত হয়েছে!', 'warn_user_title': 'সতর্ক করুন: $1', 'warn_type': 'সতর্কতার ধরন:', 'edit_message': 'বার্তা সম্পাদনা:', 'def_sum_warn': 'সতর্ক করা হলো: $1', 'success_warn': 'সতর্কবার্তা সফলভাবে যুক্ত হয়েছে!', 'admin_tasks': 'প্রশাসকের কাজ', 'select_task': 'কাজ নির্বাচন করুন:', 'task_cat_csd': 'দ্রুত অপসারণের তালিকা (বিষয়শ্রেণী থেকে)', 'task_cat_prot': 'প্রস্তাবিত পাতা সুরক্ষা (বিষয়শ্রেণী থেকে)', 'task_manual_del': 'গুচ্ছ অপসারণ (নিজ থেকে)', 'task_manual_prot': 'গুচ্ছ সুরক্ষা (নিজ থেকে)', 'page_list': 'পাতার তালিকা (প্রতি লাইনে একটি):', 'page_list_placeholder': 'পাতা ১\nপাতা ২...', 'page_links': 'পাতাগুলোর সংযোগ:', 'cat_empty': 'এই বিষয়শ্রেণীতে কোনো পাতা নেই।', 'reason_summary': 'কারণ / সম্পাদনা সারাংশ:', 'alert_no_pages': 'কোনো পাতা দেওয়া বা নির্বাচন করা হয়নি!', 'admin_start': 'প্রশাসকের কাজ শুরু হচ্ছে ($1 টি পাতা)...', 'admin_success': '$1 টি পাতায় কাজ সম্পন্ন হয়েছে।', 'vote_btn': 'ভোট দিন', 'decision_btn': 'সিদ্ধান্ত', 'admin_csd_btn': 'প্রশাসক: দ্রুত অপসারণ করুন', 'admin_del_reason_sel': 'অপসারণের কারণ (তালিকা থেকে):', 'admin_del_reason_txt': 'অথবা নিজস্ব কারণ লিখুন:', 'admin_del_reason_opt': '-- একটি কারণ নির্বাচন করুন (ঐচ্ছিক) --', 'admin_del_talk': 'সাথে আলাপ পাতাও অপসারণ করুন (যদি থাকে)', 'success_deleted': 'পাতা সফলভাবে অপসারিত হয়েছে!', 'protect_page': 'পাতা সুরক্ষা করুন', 'prot_reason_req': 'সুরক্ষার কারণ:', 'success_protected': 'পাতা সফলভাবে সুরক্ষিত হয়েছে!', 'vote_title': 'ভোট দিন: $1', 'vote_instruction': 'মতামত প্রদান করুন:', 'support': 'সমর্থন', 'oppose': 'বিরোধিতা', 'comment': 'মন্তব্য', 'reason_comment': 'কারণ/মন্তব্য:', 'success_vote': 'মতামত সফলভাবে যুক্ত হয়েছে!', 'decision_title': 'সিদ্ধান্ত গ্রহণ: $1', 'decision_instruction': 'চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত:', 'deleted': 'অপসারিত', 'kept': 'অপসারিত নয়', 'comment_opt': 'মন্তব্য (ঐচ্ছিক):', 'success_decision': 'সিদ্ধান্ত সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে!', 'menu_tags': 'ট্যাগ যুক্ত করুন', 'menu_del': 'পাতা অপসারণ', 'menu_prot': 'পাতা সুরক্ষা', 'menu_csd': 'দ্রুত অপসারণ', 'menu_welcome': 'স্বাগত জানান', 'menu_warn': 'সতর্ক করুন', 'no_tasks': 'এই পাতায় করার মতো কোনো স্বয়ংক্রিয় কাজ নেই।', 'toolbox_title': 'রক্ষণাবেক্ষণ টুলবক্স', 'config_loading': 'কনফিগারেশন ফাইল লোড হচ্ছে... অনুগ্রহ করে কয়েক সেকেন্ড পর আবার চেষ্টা করুন।', 'toolbox': 'টুলবক্স', 'toolbox_tooltip': 'টুলবক্স মেনু খুলুন [alt-x]', 'notice_prot_done': '[[$1]]-এর সুরক্ষার আবেদন সম্পন্ন করা হলো', 'admin_prot_req': '[[$1]] পাতাটি সুরক্ষার আবেদন', 'temp_removed_prot': 'পাতা সুরক্ষিত হওয়ায় সুরক্ষা প্রস্তাবনার টেমপ্লেট সরানো হলো', 'temp_removed_close': 'অপসারণ প্রস্তাবনা সমাপ্ত হওয়ায় টেমপ্লেট সরানো হলো', 'deleted_diff': '[[বিশেষ:পার্থক্য/$1]] অনুযায়ী অপসারিত হয়েছে', 'mass_del': 'গুচ্ছ অপসারণ', 'mass_prot': 'গুচ্ছ সুরক্ষা (ধ্বংসপ্রবণতা রোধ)', 'prot_accepted': 'সুরক্ষার আবেদন গৃহীত', 'cat_csd_reason': 'দ্রুত অপসারণের বিচারধারা অনুযায়ী', 'prot_def_reason': 'পাতা সুরক্ষা করা হলো', 'vote_def_summary': 'মতামত প্রদান', 'decision_def_summary': '[[$1]]-এর আলোচনা সমাপ্ত করা হলো', 'notify_xfd_summary': 'বিজ্ঞপ্তি: [[$1]] এর অপসারণ প্রস্তাবনা', 'notify_csd_summary': 'বিজ্ঞপ্তি: [[$1]] এর দ্রুত অপসারণ প্রস্তাবনা', 'using_toolbox': 'ব্যবহার করে', 'restore_this_version': 'এই সংস্করণে ফেরত যান', 'restore_title': 'সংস্করণ ফেরত: $1', 'restore_prompt': 'আপনি কি এই পুরনো সংস্করণে (আইডি: $1) ফেরত যেতে চান?', 'restore_reason': 'কারণ লিখুন (ঐচ্ছিক):', 'def_sum_restore': '$1-এর করা $2 নং সংস্করণে ফেরত', 'success_restore': 'পাতাটি সফলভাবে পূর্বের সংস্করণে ফেরত নেওয়া হয়েছে!' }, 'en': { 'checking_page': 'Checking page...', 'warning': 'Warning', 'csd_exists': 'This page is already tagged for speedy deletion. Please reconsider before adding another tag. Thank you!', 'xfd_exists': 'This page is already nominated for deletion. Please reconsider before nominating again. Thank you!', 'prot_exists': 'This page is already nominated for protection. Please reconsider before nominating again. Thank you!', 'prot_level': 'Protection level:', 'prot_semi': 'Autoconfirmed users only (Semi-protection)', 'prot_full': 'Administrators only (Full protection)', 'expiry': 'Expiry:', 'auto_tmpl': 'Automatic (from template)', '1_hour': '1 hour', '1_day': '1 day', '1_week': '1 week', '2_weeks': '2 weeks', '1_month': '1 month', '3_months': '3 months', '6_months': '6 months', '1_year': '1 year', 'infinite': 'Infinite', 'other_time': 'Other time', 'other_time_placeholder': 'Enter other time (e.g., 2 days)', 'docs': 'ToolBox Documentation', 'bug_report': 'Bug report or feedback', 'go_back': 'Go back', 'cancel': 'Cancel', 'close': 'Close', 'confirm': 'Confirm', 'please_wait': 'Please wait...', 'csd_nomination': 'Speedy Deletion Nomination', 'csd_reason': 'Reason for speedy deletion:', 'custom_rationale': 'Enter custom rationale: ', 'custom_reason_placeholder': 'Enter your custom reason...', 'csd_warning': '<strong>Warning:</strong> If the claim is controversial or likely to cause a dispute, it should be sent to Deletion Discussions (XfD) instead.', 'edit_summary': 'Edit summary:', 'def_sum_csd': 'Tagged for speedy deletion', 'alert_reason': 'Please enter a reason!', 'success_csd': 'Speedy deletion tag added successfully and user notified!', 'error': 'An error occurred: ', 'add_tags_title': 'Add tags', 'select_tags': 'Select tags to add:', 'target_page': 'Target page name (for merging):', 'target_page_placeholder': 'Page you want to merge into...', 'def_sum_tags': 'Tags added', 'alert_target': 'Target page name must be specified!', 'alert_tag': 'Please select a tag!', 'success_tags': 'Tags added successfully!', 'xfd_nomination': 'Deletion Nomination', 'xfd_reason': 'Reason for deletion:', 'xfd_placeholder': 'Provide a detailed explanation of why this page should be deleted...', 'def_sum_xfd': 'Nominated [[$1]] for deletion', 'alert_xfd_reason': 'Please specify a reason for deletion!', 'success_xfd': 'Deletion nomination added successfully and user notified!', 'prot_nomination': 'Protection Nomination', 'def_sum_prot': 'Nominated [[$1]] for protection', 'prot_reason_opt': 'Reason for protection (optional):', 'prot_placeholder': 'Enter reason (e.g., Vandalism)...', 'alert_custom_expiry': 'Please specify a custom expiry!', 'success_prot': 'Protection nomination added successfully!', 'welcome_user_title': 'Welcome user: $1', 'select_welcome': 'Select welcome message:', 'preview': 'Preview:', 'loading': 'Loading...', 'preview_failed': 'Failed to load preview.', 'def_sum_welcome': 'Welcome!', 'success_welcome': 'Welcome message added successfully!', 'warn_user_title': 'Warn user: $1', 'warn_type': 'Warning type:', 'edit_message': 'Edit message:', 'def_sum_warn': 'Warned: $1', 'success_warn': 'Warning message added successfully!', 'admin_tasks': 'Admin tasks', 'select_task': 'Select task:', 'task_cat_csd': 'Speedy deletion candidates (from category)', 'task_cat_prot': 'Protection candidates (from category)', 'task_manual_del': 'Mass deletion (manual)', 'task_manual_prot': 'Mass protection (manual)', 'page_list': 'List of pages (one per line):', 'page_list_placeholder': 'Page 1\nPage 2...', 'page_links': 'Page links:', 'cat_empty': 'There are no pages in this category.', 'reason_summary': 'Reason / Edit summary:', 'alert_no_pages': 'No pages provided or selected!', 'admin_start': 'Starting admin task ($1 pages)...', 'admin_success': 'Task completed on $1 pages.', 'vote_btn': 'Vote', 'decision_btn': 'Decision', 'admin_csd_btn': 'Admin: Speedy Delete', 'admin_del_reason_sel': 'Reason for deletion (from list):', 'admin_del_reason_txt': 'Or enter custom reason:', 'admin_del_reason_opt': '-- Select a reason (optional) --', 'admin_del_talk': 'Also delete talk page (if exists)', 'success_deleted': 'Page deleted successfully!', 'protect_page': 'Protect page', 'prot_reason_req': 'Reason for protection:', 'success_protected': 'Page protected successfully!', 'vote_title': 'Vote: $1', 'vote_instruction': 'Provide your opinion:', 'support': 'Support', 'oppose': 'Oppose', 'comment': 'Comment', 'reason_comment': 'Reason/Comment:', 'success_vote': 'Opinion added successfully!', 'decision_title': 'Decision: $1', 'decision_instruction': 'Final decision:', 'deleted': 'Deleted', 'kept': 'Kept', 'comment_opt': 'Comment (optional):', 'success_decision': 'Decision applied successfully!', 'menu_tags': 'Add tags', 'menu_del': 'Delete page', 'menu_prot': 'Protect page', 'menu_csd': 'Speedy deletion', 'menu_welcome': 'Welcome user', 'menu_warn': 'Warn user', 'no_tasks': 'There are no automated tasks to perform on this page.', 'toolbox_title': 'Maintenance ToolBox', 'config_loading': 'Configuration file is loading... Please try again in a few seconds.', 'toolbox': 'ToolBox', 'toolbox_tooltip': 'Open ToolBox menu [alt-x]', 'notice_prot_done': 'Protection request completed for [[$1]]', 'admin_prot_req': 'Protection request for [[$1]]', 'temp_removed_prot': 'Removed protection proposal template as page is protected', 'temp_removed_close': 'Removed template as deletion discussion is closed', 'deleted_diff': 'Deleted as per [[Special:Diff/$1]]', 'mass_del': 'Mass deletion', 'mass_prot': 'Mass protection (Anti-vandalism)', 'prot_accepted': 'Protection request accepted', 'cat_csd_reason': 'As per speedy deletion criteria', 'prot_def_reason': 'Page protected', 'vote_def_summary': 'Provided opinion', 'decision_def_summary': 'Discussion closed for [[$1]]', 'notify_xfd_summary': 'Notification: Deletion nomination for [[$1]]', 'notify_csd_summary': 'Notification: Speedy deletion nomination for [[$1]]', 'using_toolbox': 'used', 'restore_this_version': 'Restore this version', 'restore_title': 'Restore revision: $1', 'restore_prompt': 'Do you want to restore to this old revision (ID: $1)?', 'restore_reason': 'Enter reason (optional):', 'def_sum_restore': 'Restored revision $2 by $1', 'success_restore': 'Page successfully restored to the older version!' } }; // Merge custom languages from local configuration var i18n = $.extend(true, {}, baseI18n, localConfig.i18n || {}); function msg(key, param) { var text = (i18n[uiLang] && i18n[uiLang][key]) || (i18n['en'] && i18n['en'][key]) || (i18n['bn'] && i18n['bn'][key]) || key; if (param !== undefined) { text = text.replace(/\$1/g, param); } return text; } // ========================================== // CONFIGURATION VARIABLES (With Defaults) // ========================================== var BOARD_PAGE = localConfig.boardPage || 'Project:অপসারণের_প্রস্তাবনা'; var ADMIN_BOARD_PAGE = localConfig.adminBoardPage || 'Project:প্রশাসকদের_আলোচনাসভা'; var DELETE_TEMPLATE = localConfig.deleteTemplate || '{{অপ্রচ}}'; var CSD_TEMPLATE = localConfig.csdTemplate || 'অপ'; var PROT_TEMPLATE = localConfig.protectTemplate || 'সুপ্রপা'; var ADMIN_PROT_TEMPLATE = localConfig.adminProtectTemplate || 'সুপ্র'; var VOTE_SUPPORT_TMPL = localConfig.voteSupportTemplate || '{{সমর্থন}}'; var VOTE_OPPOSE_TMPL = localConfig.voteOpposeTemplate || '{{বিরোধিতা}}'; var DONE_TMPL = localConfig.doneTemplate || '{{করা হয়েছে}}'; var XFD_NOTICE = localConfig.xfdNotice || "'''আলোচনাটি {{subst:#time:j F Y H:i|+1 week}} (ইউটিসি) এর আগে বন্ধ হওয়া উচিত নয়।'''"; var XFD_SEC_SUPPORT = localConfig.xfdSecSupport || '=== সমর্থন ==='; var XFD_SEC_OPPOSE = localConfig.xfdSecOppose || '=== বিরোধিতা ==='; var XFD_SEC_COMMENT = localConfig.xfdSecComment || '=== অন্যান্য মন্তব্য ==='; var ATOPR_TMPL = localConfig.atoprTemplate || '{{atopr|status=|result=$1 ~~~~}}'; var ABOT_TMPL = localConfig.abotTemplate || '{{abot}}'; var DOC_URL_PAGE = localConfig.docUrlPage || 'উইকিউক্তি:টুলবক্স'; var TALK_URL_PAGE = localConfig.talkUrlPage || 'উইকিউক্তি আলোচনা:টুলবক্স'; var GLOBAL_FONT = localConfig.fontFamily || "'TiroBangla', sans-serif"; var MSG_FILE_URL = localConfig.msgFileUrl || '//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:খাত্তাব_হাসান/bnwq-tools-msg.js&action=raw&ctype=text/javascript'; // Dynamic core templates without brackets for Regex usage var coreDelTemp = DELETE_TEMPLATE.replace(/[{}]/g, ''); // Load configuration/messages file dynamically if (typeof window.ToolBoxMessages === 'undefined') { mw.loader.load(MSG_FILE_URL); } // Get current page info var currentPage = mw.config.get('wgPageName'); var cleanPageName = currentPage.replace(/_/g, ' '); var isBoardPage = (currentPage === BOARD_PAGE); var userGroups = mw.config.get('wgUserGroups') || []; var isAdmin = userGroups.indexOf('sysop') !== -1; var ns = mw.config.get('wgNamespaceNumber'); // Context logic for User space var isUserSpace = (ns === 2 || ns === 3); var targetUser = isUserSpace ? mw.config.get('wgTitle').split('/')[0] : null; var userTalkPage = targetUser ? 'User talk:' + targetUser : null; // Helper: Append Summary Suffix function withSummarySuffix(summaryStr) { var defaultSuffix = localConfig.summarySuffix || ' ([[' + DOC_URL_PAGE + '|' + msg('toolbox') + ']] ' + msg('using_toolbox') + ')'; var suffix = (window.ToolBoxMessages && window.ToolBoxMessages.summarySuffix) ? window.ToolBoxMessages.summarySuffix : defaultSuffix; if (summaryStr.indexOf(suffix) === -1) { return summaryStr + suffix; } return summaryStr; } // Wrapper to reopen main menu from inner dialogs function reopenMainMenu() { if (typeof ToolsMenu !== 'undefined') { new ToolsMenu().open(); } } // Pre-check for existing tags to prevent conflicts function preCheckAndRun(type, callback) { var $loader = $('<div>').text(msg('checking_page')).css({ position: 'fixed', top: '20px', left: '50%', transform: 'translateX(-50%)', background: '#000', color: '#fff', padding: '10px 20px', borderRadius: '5px', zIndex: 10000, fontFamily: GLOBAL_FONT, boxShadow: '0 2px 10px rgba(0,0,0,0.5)' }).appendTo('body'); var api = new mw.Api(); api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: currentPage }).then(function(data) { $loader.remove(); var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; if (pageId === '-1') { callback(); return; } var wikitext = data.query.pages[pageId].revisions[0]['*'] || ''; // Dynamic Regex based on configurations var csdRegexStr = localConfig.csdRegex || '\\{\\{(?:' + CSD_TEMPLATE + '|delete)(?:\\||\\})'; var xfdRegexStr = localConfig.xfdRegex || '\\{\\{(?:' + coreDelTemp + '|XFD)(?:\\||\\})'; var protRegexStr = localConfig.protRegex || '\\{\\{' + PROT_TEMPLATE + '(?:\\||\\})'; var hasCSD = new RegExp(csdRegexStr, 'i').test(wikitext); var hasXFD = new RegExp(xfdRegexStr, 'i').test(wikitext); var hasProt = new RegExp(protRegexStr, 'i').test(wikitext); var alertMsg = null; if (type === 'csd' && hasCSD) { alertMsg = msg('csd_exists'); } else if (type === 'xfd' && hasXFD) { alertMsg = msg('xfd_exists'); } else if (type === 'prot' && hasProt) { alertMsg = msg('prot_exists'); } if (alertMsg) { showModal(msg('warning'), '<div style="color:#d33; font-weight:bold; background:#fee7e6; padding:15px; border:1px solid #d33; border-radius:4px; line-height: 1.5;">' + alertMsg + '</div>', function($content, $submitBtn) { if ($submitBtn) $submitBtn.hide(); // Hide "Proceed" button to prevent conflicts }, function($content, close, enableBtn) { close(); }, reopenMainMenu); } else { callback(); } }).catch(function() { $loader.remove(); callback(); }); } // Protection Dropdowns HTML Helper function getProtDropdownsHtml(includeAuto) { var autoOption = includeAuto ? '<option value="auto" selected>' + msg('auto_tmpl') + '</option>' : ''; return '<label style="font-weight:bold;">' + msg('prot_level') + '</label><br>' + '<select id="prot-level" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; margin-bottom:12px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + '<option value="autoconfirmed">' + msg('prot_semi') + '</option>' + '<option value="sysop">' + msg('prot_full') + '</option>' + '</select><br>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('expiry') + '</label><br>' + '<select id="prot-expiry" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; margin-bottom:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + autoOption + '<option value="1 hour">' + msg('1_hour') + '</option>' + '<option value="1 day">' + msg('1_day') + '</option>' + '<option value="1 week">' + msg('1_week') + '</option>' + '<option value="2 weeks">' + msg('2_weeks') + '</option>' + '<option value="1 month">' + msg('1_month') + '</option>' + '<option value="3 months">' + msg('3_months') + '</option>' + '<option value="6 months">' + msg('6_months') + '</option>' + '<option value="1 year">' + msg('1_year') + '</option>' + '<option value="infinite"' + (!includeAuto ? ' selected' : '') + '>' + msg('infinite') + '</option>' + '<option value="othertime">' + msg('other_time') + '</option>' + '</select>' + '<input type="text" id="prot-other-time" placeholder="' + msg('other_time_placeholder') + '" style="display:none; width:100%; padding:5px; margin-top:4px; margin-bottom:12px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; } function bindProtDropdownEvents($content) { $content.find('#prot-expiry').on('change', function() { if ($(this).val() === 'othertime') { $content.find('#prot-other-time').show(); } else { $content.find('#prot-other-time').hide(); } }); } // ========================================================== // 1. HELPER: Custom Modal Dialog (Draggable & Resizable) // ========================================================== function showModal(title, htmlContent, onReady, onSubmit, onBack) { var $overlay = $('<div>').css({ position: 'fixed', top: 0, left: 0, width: '100%', height: '100%', backgroundColor: 'rgba(0,0,0,0.6)', zIndex: 9999, display: 'flex', alignItems: 'center', justifyContent: 'center', fontFamily: GLOBAL_FONT }).appendTo('body'); var $modal = $('<div>').css({ backgroundColor: '#fff', padding: '25px', borderRadius: '8px', width: '450px', minWidth: '300px', maxWidth: '90%', maxHeight: '90vh', overflowY: 'auto', boxShadow: '0 4px 15px rgba(0,0,0,0.3)', fontFamily: GLOBAL_FONT, resize: 'both' // Makes modal resizable }).appendTo($overlay); var $headerContainer = $('<div>').css({ display: 'flex', justifyContent: 'space-between', alignItems: 'center', borderBottom: '1px solid #ccc', paddingBottom: '10px', cursor: 'move', userSelect: 'none' }).appendTo($modal); var $header = $('<h3>').text(title).css({ margin: 0, fontFamily: GLOBAL_FONT }).appendTo($headerContainer); var $iconsDiv = $('<div>').css({ display: 'flex', gap: '10px', alignItems: 'center' }).appendTo($headerContainer); var $langSelect = $('<select>').css({ 'padding': '2px 4px', 'border-radius': '4px', 'border': '1px solid #ccc', 'font-family': GLOBAL_FONT, 'font-size': '12px', 'cursor': 'pointer', 'background-color': '#fff' }); var availableLangs = Object.keys(i18n); var langNames = { 'bn': 'বাংলা', 'en': 'English' }; availableLangs.forEach(function(lang) { var name = langNames[lang] || lang; $langSelect.append($('<option>').val(lang).text(name)); }); $langSelect.val(uiLang); $langSelect.on('change', function(e) { e.stopPropagation(); uiLang = $(this).val(); try { window.localStorage.setItem('toolbox-ui-lang', uiLang); } catch(err) {} closeModal(); reopenMainMenu(); }); $iconsDiv.append($langSelect); var docUrl = mw.util.getUrl(DOC_URL_PAGE); var talkUrl = mw.util.getUrl(TALK_URL_PAGE); var docIconSvg = '<svg viewBox="0 0 24 24" width="18" height="18" fill="currentColor"><path d="M12 2C6.48 2 2 6.48 2 12s4.48 10 10 10 10-4.48 10-10S17.52 2 12 2zm1 15h-2v-6h2v6zm0-8h-2V7h2v2z"/></svg>'; var bugIconSvg = '<svg viewBox="0 0 24 24" width="18" height="18" fill="currentColor"><path d="M20 8h-2.81c-.45-.78-1.07-1.45-1.82-1.96L17 4.41 15.59 3l-2.17 2.17C12.96 5.06 12.49 5 12 5c-.49 0-.96.06-1.41.17L8.41 3 7 4.41l1.62 1.63C7.88 6.55 7.26 7.22 6.81 8H4v2h2.09c-.05.33-.09.66-.09 1v1H4v2h2v1c0 .34.04.67.09 1H4v2h2.81c1.04 1.79 2.97 3 5.19 3s4.15-1.21 5.19-3H20v-2h-2.09c.05-.33.09-.66.09-1v-1h2v-2h-2v-1c0-.34-.04-.67-.09-1H20V8zm-6 8h-4v-2h4v2zm0-4h-4v-2h4v2z"/></svg>'; $('<a>').attr({ href: docUrl, target: '_blank', title: msg('docs') }) .html(docIconSvg).css({ color: '#54595d', display: 'flex', alignItems: 'center' }) .appendTo($iconsDiv); $('<a>').attr({ href: talkUrl, target: '_blank', title: msg('bug_report') }) .html(bugIconSvg).css({ color: '#54595d', display: 'flex', alignItems: 'center' }) .appendTo($iconsDiv); var $content = $('<div>').html(htmlContent).css({ marginTop: '15px' }).appendTo($modal); var $footer = $('<div>').css({ marginTop: '25px', display: 'flex', justifyContent: 'flex-end', gap: '8px' }).appendTo($modal); // --- Dragging Logic --- var isDragging = false; var startX, startY, initialX, initialY; $headerContainer.on('mousedown', function(e) { if ($(e.target).closest('button, input, textarea, select, a').length > 0) return; isDragging = true; startX = e.clientX; startY = e.clientY; var rect = $modal[0].getBoundingClientRect(); $modal.css({ position: 'absolute', left: rect.left + 'px', top: rect.top + 'px', margin: 0, transform: 'none' }); initialX = rect.left; initialY = rect.top; e.preventDefault(); }); $(document).on('mousemove.toolboxDraggable', function(e) { if (isDragging) { var dx = e.clientX - startX; var dy = e.clientY - startY; $modal.css({ left: (initialX + dx) + 'px', top: (initialY + dy) + 'px' }); } }); $(document).on('mouseup.toolboxDraggable', function() { isDragging = false; }); // --- End Dragging Logic --- var closeModal = function () { $(document).off('mousemove.toolboxDraggable mouseup.toolboxDraggable'); // Cleanup events $overlay.remove(); }; if (onBack) { var $backBtn = $('<button>').text(msg('go_back')).addClass('mw-ui-button').css({ 'margin-right': 'auto', fontFamily: GLOBAL_FONT }).appendTo($footer); $backBtn.on('click', function () { closeModal(); onBack(); }); } var $cancelBtn = $('<button>').text(onSubmit ? msg('cancel') : msg('close')).addClass('mw-ui-button mw-ui-quiet').css('fontFamily', GLOBAL_FONT).appendTo($footer); $cancelBtn.on('click', closeModal); if (onSubmit) { var $submitBtn = $('<button>').text(msg('confirm')).addClass('mw-ui-button mw-ui-progressive').css('fontFamily', GLOBAL_FONT).appendTo($footer); if (onReady) onReady($content, $submitBtn, closeModal); $submitBtn.on('click', function () { if ($submitBtn.prop('disabled')) return; $submitBtn.prop('disabled', true).text(msg('please_wait')); onSubmit($content, closeModal, function () { $submitBtn.prop('disabled', false).text(msg('confirm')); }); }); } else { if (onReady) onReady($content, null, closeModal); } } // ========================================================== // 2. HELPER: API Functions // ========================================================== async function notifyCreator(pageTitle, type, csdReason) { var api = new mw.Api(); try { var data = await api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', titles: pageTitle, rvprop: 'user', rvdir: 'newer', rvlimit: 1, formatversion: 2 }); var user = data.query.pages[0] && data.query.pages[0].revisions ? data.query.pages[0].revisions[0].user : null; if (!user || user.includes(':')) return; var talkPage = 'User talk:' + user; var summaryMsg = ''; var noticeContent = ''; if (type === 'xfd') { noticeContent = window.ToolBoxMessages.notifyMessages.xfd.replace(/\$PAGE_NAME/g, cleanPageName); summaryMsg = msg('notify_xfd_summary', cleanPageName); } else if (type === 'csd') { noticeContent = window.ToolBoxMessages.notifyMessages.csd.replace(/\$PAGE_NAME/g, cleanPageName).replace(/\$CSD_REASON/g, csdReason); summaryMsg = msg('notify_csd_summary', cleanPageName); } await api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: talkPage, appendtext: noticeContent, summary: withSummarySuffix(summaryMsg) }); } catch (e) { console.error("Creator notification failed:", e); } } async function deleteTalkPage(pageName, summary) { try { var titleObj = new mw.Title(pageName); if (titleObj && !titleObj.isTalkPage()) { var talkPage = titleObj.getTalkPage().getPrefixedText(); var api = new mw.Api(); await api.postWithToken('csrf', { action: 'delete', title: talkPage, reason: summary }); } } catch (e) { // Silently ignore if talk page doesn't exist } } async function updateNoticeboardForProtection(pageName) { var api = new mw.Api(); try { var data = await api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: ADMIN_BOARD_PAGE }); var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; if (pageId === '-1') return; var wikitext = data.query.pages[pageId].revisions[0]['*']; var escapedName = pageName.replace(/[.*+?^${}()|[\]\\]/g, '\\$&'); var sectionRegex = new RegExp('==\\s*\\[\\[' + escapedName + '\\]\\] (?:পাতাটি সুরক্ষার আবেদন|Protection request).*?==[\\s\\S]*?(?=\\n==[^=]|$)', 'gi'); var match; var lastMatchText = null; var lastMatchIndex = -1; while ((match = sectionRegex.exec(wikitext)) !== null) { lastMatchText = match[0]; lastMatchIndex = match.index; } if (lastMatchIndex !== -1) { var before = wikitext.substring(0, lastMatchIndex); var after = wikitext.substring(lastMatchIndex + lastMatchText.length); var newWikitext = before + lastMatchText.replace(/\s+$/, '') + '\n::- ' + DONE_TMPL + ' ~~~~\n\n' + after.replace(/^\s*/, ''); await api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: ADMIN_BOARD_PAGE, text: newWikitext, summary: withSummarySuffix(msg('notice_prot_done', pageName)) }); } } catch (e) { console.error('Noticeboard update failed:', e); } } async function fetchProtectionDetails(pageName) { var api = new mw.Api(); try { var data = await api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: pageName }); var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; if (pageId === '-1') return null; var wikitext = data.query.pages[pageId].revisions[0]['*']; var protRegex = new RegExp('\\{\\{' + PROT_TEMPLATE + '(?:\\|([^}\\|]+))?(?:\\|([^}]+))?\\}\\}', 'i'); var match = wikitext.match(protRegex); if (match) { return { expiry: match[1] ? match[1].trim() : null, reason: match[2] ? match[2].trim() : null }; } return null; } catch (e) { return null; } } async function fetchCSDReason(pageName) { var api = new mw.Api(); try { var data = await api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: pageName }); var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; if (pageId === '-1') return null; var wikitext = data.query.pages[pageId].revisions[0]['*']; var csdRegex = new RegExp('\\{\\{(?:' + CSD_TEMPLATE + '|delete)\\|([^}]+)\\}\\}', 'i'); var match = wikitext.match(csdRegex); return match ? match[1].trim() : null; } catch (e) { return null; } } async function removeProtectionTemplate(pageName) { var api = new mw.Api(); try { var data = await api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: pageName }); var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; if (pageId === '-1') return; var wikitext = data.query.pages[pageId].revisions[0]['*']; var protRegex = new RegExp('\\{\\{' + PROT_TEMPLATE + '(?:\\|[^}]+)?\\}\\}\\n?', 'gi'); var newWikitext = wikitext.replace(protRegex, ''); if (newWikitext !== wikitext) { await api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: pageName, text: newWikitext, summary: withSummarySuffix(msg('temp_removed_prot')) }); } } catch (e) { console.error('Template removal failed:', e); } } // ========================================================== // 3. ACTIONS LOGIC // ========================================================== // CSD function openCSDDialog() { var defaultSummary = msg('def_sum_csd'); var csdCriteriaLists = window.ToolBoxMessages.csdCriteriaLists; var optionsHtml = ''; for (var group in csdCriteriaLists) { optionsHtml += '<optgroup label="' + group + '">'; csdCriteriaLists[group].forEach(function(reason) { optionsHtml += '<option value="' + reason + '">' + reason + '</option>'; }); optionsHtml += '</optgroup>'; } var formHtml = '<label style="font-weight:bold;">' + msg('csd_reason') + '</label><br>' + '<select id="csd-reason" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + optionsHtml + '</select><br><br>' + '<div id="csd-custom-box" style="display:none;">' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('custom_rationale') + '</label><br>' + '<input type="text" id="csd-custom-reason" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';" placeholder="' + msg('custom_reason_placeholder') + '"><br><br></div>' + '<div id="csd-warning-box" style="display:none; color:#d33; font-size:0.9em; margin-bottom:15px; padding:8px; background-color:#fee7e6; border:1px solid #d33; border-radius:2px;">' + msg('csd_warning') + '</div>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br>' + '<input type="text" id="edit-summary" value="' + defaultSummary + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('csd_nomination'), formHtml, function($content) { $content.find('#csd-reason').on('change', function() { var selected = $(this).val(); $content.find('#csd-custom-box, #csd-warning-box').hide(); if (selected === 'নিজস্ব বিচারধারা' || selected === 'Custom rationale') { $content.find('#csd-custom-box').show(); } else if (selected === 'অনুল্লেখ্য বিষয়বস্তু' || selected === 'Insignificant content') { $content.find('#csd-warning-box').show(); } }); }, function($content, close, enableBtn) { var selectedReason = $content.find('#csd-reason').val(); var finalReason = selectedReason; if (selectedReason === 'নিজস্ব বিচারধারা' || selected === 'Custom rationale') { finalReason = $content.find('#csd-custom-reason').val().trim(); if (!finalReason) { alert(msg('alert_reason')); enableBtn(); return; } } var summaryText = $content.find('#edit-summary').val().trim() || defaultSummary; var csdTemplateFull = '{{' + CSD_TEMPLATE + '|' + finalReason + '}}\n'; var api = new mw.Api(); api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: currentPage, prependtext: csdTemplateFull, summary: withSummarySuffix(summaryText) }).then(function() { return notifyCreator(currentPage, 'csd', finalReason); }).then(function() { mw.notify(msg('success_csd')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1500); }).catch(function(err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } // Add Tags Dialog function openAddTagsDialog() { var tagsConfig = window.ToolBoxMessages.tagsConfig || []; var optionsHtml = ''; tagsConfig.forEach(function(tag, index) { optionsHtml += '<label style="display:block; margin-bottom:8px;"><input type="radio" name="tag-select" value="' + index + '"> ' + tag.label + '</label>'; }); var formHtml = '<div style="margin-bottom:15px; font-weight:bold;">' + msg('select_tags') + '</div>' + '<div style="margin-bottom:15px;">' + optionsHtml + '</div>' + '<div id="tag-target-box" style="display:none; margin-bottom:15px;">' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('target_page') + '</label><br>' + '<input type="text" id="tag-target-page" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';" placeholder="' + msg('target_page_placeholder') + '">' + '</div>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br>' + '<input type="text" id="edit-summary" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('add_tags_title'), formHtml, function($content, $submitBtn) { if ($submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', true); $content.find('input[name="tag-select"]').on('change', function() { var selectedIdx = $(this).val(); var tag = tagsConfig[selectedIdx]; $content.find('#edit-summary').val(tag.summary); if (tag.requiresTarget) { $content.find('#tag-target-box').show(); if ($submitBtn) { $submitBtn.prop('disabled', $content.find('#tag-target-page').val().trim() === ''); } } else { $content.find('#tag-target-box').hide(); if ($submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', false); } }); $content.find('#tag-target-page').on('input', function() { var selectedIdx = $content.find('input[name="tag-select"]:checked').val(); if (selectedIdx && tagsConfig[selectedIdx].requiresTarget) { if ($submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', $(this).val().trim() === ''); } }); }, function($content, close, enableBtn) { var selectedIdx = $content.find('input[name="tag-select"]:checked').val(); if (!selectedIdx) { alert(msg('alert_tag')); enableBtn(); return; } var tag = tagsConfig[selectedIdx]; var templateToPrepend = tag.tmpl; var summaryText = $content.find('#edit-summary').val().trim() || msg('def_sum_tags'); if (tag.requiresTarget) { var targetPage = $content.find('#tag-target-page').val().trim(); if (!targetPage) { alert(msg('alert_target')); enableBtn(); return; } templateToPrepend = templateToPrepend.replace('$1', targetPage); } var api = new mw.Api(); api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: currentPage, prependtext: templateToPrepend, summary: withSummarySuffix(summaryText) }).then(function() { mw.notify(msg('success_tags')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1200); }).catch(function(err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } // XfD function openNominationDialog() { var defaultSummary = msg('def_sum_xfd', cleanPageName); var formHtml = '<label style="font-weight:bold;">' + msg('xfd_reason') + '</label><br>' + '<textarea id="nom-reason" placeholder="' + msg('xfd_placeholder') + '" style="width:100%; height:100px; margin-top:8px; padding:5px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';"></textarea>' + '<br><label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br>' + '<input type="text" id="edit-summary" value="' + defaultSummary + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('xfd_nomination'), formHtml, function () {}, function ($content, close, enableBtn) { var reason = $content.find('#nom-reason').val().trim(); if (!reason) { alert(msg('alert_xfd_reason')); enableBtn(); return; } var summaryText = $content.find('#edit-summary').val().trim() || defaultSummary; var api = new mw.Api(); api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: currentPage, prependtext: DELETE_TEMPLATE + '\n', summary: withSummarySuffix(summaryText) }).then(function () { var boardText = '== [[' + cleanPageName + ']] ==\n'; boardText += XFD_NOTICE + '\n'; boardText += reason + ' ― ~~~~\n'; boardText += XFD_SEC_SUPPORT + '\n' + XFD_SEC_OPPOSE + '\n' + XFD_SEC_COMMENT + '\n'; return api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: BOARD_PAGE, appendtext: '\n' + boardText, summary: withSummarySuffix(summaryText) }); }).then(function () { return notifyCreator(currentPage, 'xfd', null); }).then(function () { mw.notify(msg('success_xfd')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1500); }).catch(function (err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } // Protection Nomination function openProtectionNominationDialog() { var defaultSummary = msg('def_sum_prot', cleanPageName); var formHtml = getProtDropdownsHtml(false) + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('prot_reason_opt') + '</label><br>' + '<input type="text" id="prot-reason" placeholder="' + msg('prot_placeholder') + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; margin-bottom:12px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br>' + '<input type="text" id="edit-summary" value="' + defaultSummary + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('prot_nomination'), formHtml, function ($content) { bindProtDropdownEvents($content); }, function ($content, close, enableBtn) { var isSemi = $content.find('#prot-level').val() === 'autoconfirmed'; var protType = isSemi ? 'অর্ধ' : 'পূর্ণ'; var userReason = $content.find('#prot-reason').val().trim(); var expiryVal = $content.find('#prot-expiry').val(); var durationText = expiryVal === 'othertime' ? $content.find('#prot-other-time').val().trim() : $content.find('#prot-expiry option:selected').text(); var templateExpiry = expiryVal === 'othertime' ? durationText : expiryVal; if (expiryVal === 'othertime' && !durationText) { alert(msg('alert_custom_expiry')); enableBtn(); return; } var summaryText = $content.find('#edit-summary').val().trim() || defaultSummary; var templateStr = '{{' + PROT_TEMPLATE + '|' + templateExpiry + (userReason ? '|' + userReason : '') + '}}\n'; var api = new mw.Api(); api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: currentPage, prependtext: templateStr, summary: withSummarySuffix(summaryText) }).then(function () { var appendText = '\n{{subst:' + ADMIN_PROT_TEMPLATE + '|' + cleanPageName + '|' + userReason + '|' + durationText + '|' + protType + '}}'; return api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: ADMIN_BOARD_PAGE, appendtext: appendText, summary: withSummarySuffix(msg('admin_prot_req', cleanPageName)) }); }).then(function () { mw.notify(msg('success_prot')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1500); }).catch(function (err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } // Welcome User function openWelcomeDialog() { var options = window.ToolBoxMessages.welcomeTemplates || []; var optionsHtml = ''; options.forEach(function(opt) { optionsHtml += '<option value="' + opt + '">' + opt + '</option>'; }); var formHtml = '<label style="font-weight:bold;">' + msg('select_welcome') + '</label><br>' + '<select id="welcome-tmpl" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + optionsHtml + '</select><br><br>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('preview') + '</label><br>' + '<div id="welcome-preview" style="width:100%; height:200px; overflow-y:auto; padding:8px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; border:1px solid #ccc; background:#f9f9f9; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';"><em>' + msg('loading') + '</em></div>'; showModal(msg('welcome_user_title', targetUser), formHtml, function($content) { var api = new mw.Api(); var $previewBox = $content.find('#welcome-preview'); function updatePreview() { var tmpl = $content.find('#welcome-tmpl').val(); $previewBox.html('<em>' + msg('loading') + '</em>'); api.post({ action: 'parse', text: '{{' + tmpl + '}}', contentmodel: 'wikitext', title: userTalkPage || 'User talk:Example', disablelimitreport: 1, disableeditsection: 1, format: 'json' }).then(function(data) { if (data && data.parse && data.parse.text) { $previewBox.html(data.parse.text['*']); } else { $previewBox.html('<em style="color:red;">' + msg('preview_failed') + '</em>'); } }).catch(function() { $previewBox.html('<em style="color:red;">' + msg('preview_failed') + '</em>'); }); } $content.find('#welcome-tmpl').on('change', updatePreview); updatePreview(); // Load preview initially }, function($content, close, enableBtn) { var tmpl = $content.find('#welcome-tmpl').val(); var textToAppend = '\n\n{{subst:' + tmpl + '}}'; var api = new mw.Api(); api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: userTalkPage, appendtext: textToAppend, summary: withSummarySuffix(msg('def_sum_welcome')) }).then(function() { mw.notify(msg('success_welcome')); close(); if (currentPage === userTalkPage) { setTimeout(function () { location.reload(); }, 1200); } else { setTimeout(function () { window.location.href = mw.util.getUrl(userTalkPage); }, 1200); } }).catch(function(err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } // Warn User function openWarnDialog() { var warningsConfig = window.ToolBoxMessages.warningsConfig || {}; var optionsHtml = ''; for (var key in warningsConfig) { optionsHtml += '<option value="' + key + '">' + warningsConfig[key].label + '</option>'; } var firstKey = Object.keys(warningsConfig)[0]; var formHtml = '<label style="font-weight:bold;">' + msg('warn_type') + '</label><br>' + '<select id="warn-type" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + optionsHtml + '</select><br><br>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_message') + '</label><br>' + '<textarea id="warn-preview" style="width:100%; height:120px; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">\n\n' + (warningsConfig[firstKey] ? warningsConfig[firstKey].text : '') + '</textarea><br><br>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br>' + '<input type="text" id="warn-summary" value="' + msg('def_sum_warn', (warningsConfig[firstKey] ? warningsConfig[firstKey].label : '')) + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('warn_user_title', targetUser), formHtml, function($content) { $content.find('#warn-type').on('change', function() { var selected = $(this).val(); $content.find('#warn-preview').val('\n\n' + warningsConfig[selected].text); $content.find('#warn-summary').val(msg('def_sum_warn', warningsConfig[selected].label)); }); }, function($content, close, enableBtn) { var textToAppend = $content.find('#warn-preview').val(); var summaryText = $content.find('#warn-summary').val().trim() || msg('def_sum_warn', 'User'); var api = new mw.Api(); api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: userTalkPage, appendtext: textToAppend, summary: withSummarySuffix(summaryText) }).then(function() { mw.notify(msg('success_warn')); close(); if (currentPage === userTalkPage) { setTimeout(function () { location.reload(); }, 1200); } else { setTimeout(function () { window.location.href = mw.util.getUrl(userTalkPage); }, 1200); } }).catch(function(err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } // Admin Tasks function openAdminDialog() { var formHtml = '<div style="margin-bottom: 10px;">' + '<label style="font-weight: bold; display: block; margin-bottom: 5px;">' + msg('select_task') + '</label>' + '<div style="margin-bottom: 15px;">' + '<label style="display:block; margin-bottom:4px;"><input type="radio" name="admin-action" value="cat_csd" checked> ' + msg('task_cat_csd') + '</label>' + '<label style="display:block; margin-bottom:4px;"><input type="radio" name="admin-action" value="cat_protect"> ' + msg('task_cat_prot') + '</label>' + '<label style="display:block; margin-bottom:4px;"><input type="radio" name="admin-action" value="manual_delete"> ' + msg('task_manual_del') + '</label>' + '<label style="display:block; margin-bottom:4px;"><input type="radio" name="admin-action" value="manual_protect"> ' + msg('task_manual_prot') + '</label>' + '</div>' + '<div id="admin-manual-inputs" style="display:none;">' + '<label style="font-weight: bold; display: block; margin-bottom: 5px;">' + msg('page_list') + '</label>' + '<textarea id="admin-pages" style="width: 100%; height: 120px; padding: 8px; margin-bottom: 5px; box-sizing: border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';" placeholder="' + msg('page_list_placeholder') + '"></textarea>' + '<div id="admin-pages-preview" style="margin-bottom: 10px; font-size: 0.9em; background: #f8f9fa; padding: 5px; border: 1px dashed #ccc; border-radius: 3px; display:none;"></div>' + '</div>' + '<div id="admin-cat-inputs" style="max-height: 200px; overflow-y: auto; border: 1px solid #ccc; padding: 8px; margin-bottom: 15px; background: #f8f9fa;">' + '<em>' + msg('loading') + '</em>' + '</div>' + '<div id="admin-protect-options" style="display:none; padding:10px; background:#f0f8ff; border:1px solid #c8d8f8; border-radius:4px; margin-bottom:15px;">' + getProtDropdownsHtml(true) + '</div>' + '<label style="font-weight: bold; display: block; margin-bottom: 5px;">' + msg('reason_summary') + '</label>' + '<input type="text" id="admin-reason" style="width: 100%; padding: 8px; box-sizing: border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + '</div>'; showModal(msg('admin_tasks'), formHtml, function($content, $submitBtn) { var api = new mw.Api(); bindProtDropdownEvents($content); function updateManualLinksPreview() { var action = $content.find('input[name="admin-action"]:checked').val(); var isProtect = (action === 'manual_protect'); var pages = $content.find('#admin-pages').val().split('\n').map(function(p) { return p.trim(); }).filter(function(p) { return p !== ''; }); var $previewBox = $content.find('#admin-pages-preview'); if (pages.length === 0) { $previewBox.hide().empty(); return; } var html = '<strong>' + msg('page_links') + '</strong><ul style="margin: 5px 0 0 20px; padding: 0;">'; pages.forEach(function(p) { var url = isProtect ? mw.util.getUrl(p, { action: 'history' }) : mw.util.getUrl(p); html += '<li><a href="' + url + '" target="_blank" style="text-decoration:none; color:#0645ad; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + p + '</a></li>'; }); html += '</ul>'; $previewBox.html(html).show(); } $content.find('#admin-pages').on('input', updateManualLinksPreview); function loadCategory(catName) { var isProtect = catName.indexOf('সুরক্ষা') !== -1 || catName.indexOf('protect') !== -1; var $catBox = $content.find('#admin-cat-inputs').html('<em>' + msg('loading') + '</em>'); api.get({ action: 'query', list: 'categorymembers', cmtitle: catName, cmlimit: 'max' }).then(function(data) { var pages = data.query.categorymembers; if (pages.length === 0) { $catBox.html('<em>' + msg('cat_empty') + '</em>'); return; } var html = ''; pages.forEach(function(p) { var url = isProtect ? mw.util.getUrl(p.title, { action: 'history' }) : mw.util.getUrl(p.title); html += '<label style="display:block; margin-bottom:4px;"><input type="checkbox" class="admin-cat-cb" value="' + p.title + '" checked> <a href="' + url + '" target="_blank" style="text-decoration:none; color:#0645ad; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + p.title + '</a></label>'; }); $catBox.html(html); $content.find('.admin-cat-cb').first().trigger('change'); // Trigger logic for checked state }); } var csdCatDefault = localConfig.csdCategory || 'বিষয়শ্রেণী:দ্রুত অপসারণের যোগ্য'; loadCategory(window.ToolBoxMessages.csdCategoryName || csdCatDefault); $content.find('input[name="admin-action"]').on('change', function() { var action = $(this).val(); if (action === 'manual_delete' || action === 'manual_protect') { $content.find('#admin-manual-inputs').show(); $content.find('#admin-cat-inputs').hide(); updateManualLinksPreview(); // Refresh links when action changes } else { $content.find('#admin-manual-inputs').hide(); $content.find('#admin-cat-inputs').show(); var catName = action === 'cat_csd' ? (window.ToolBoxMessages.csdCategoryName || csdCatDefault) : (window.ToolBoxMessages.protCategoryName || (localConfig.protCategory || 'বিষয়শ্রেণী:সুরক্ষার প্রস্তাবসহ পাতা')); loadCategory(catName); } if (action === 'manual_protect' || action === 'cat_protect') { $content.find('#admin-protect-options').show(); } else { $content.find('#admin-protect-options').hide(); } }); // Auto-fill inputs if exactly 1 page is checked in category $content.find('#admin-cat-inputs').on('change', '.admin-cat-cb', async function() { var action = $content.find('input[name="admin-action"]:checked').val(); var $checked = $content.find('.admin-cat-cb:checked'); if ($checked.length === 1) { var page = $checked.val(); if (action === 'cat_protect') { var details = await fetchProtectionDetails(page); if (details) { $content.find('#admin-reason').val(details.reason ? details.reason : ''); if (details.expiry) { var $expiryOpt = $content.find('#prot-expiry option[value="' + details.expiry + '"]'); if ($expiryOpt.length) { $content.find('#prot-expiry').val(details.expiry).trigger('change'); } else { $content.find('#prot-expiry').val('othertime').trigger('change'); $content.find('#prot-other-time').val(details.expiry); } } } } else if (action === 'cat_csd') { var csdReason = await fetchCSDReason(page); $content.find('#admin-reason').val(csdReason ? csdReason : ''); } } else { $content.find('#admin-reason').val(''); if (action === 'cat_protect') { $content.find('#prot-expiry').val('auto').trigger('change'); $content.find('#prot-other-time').val(''); } } }); }, async function($content, close, enableBtn) { var action = $content.find('input[name="admin-action"]:checked').val(); var pages = []; if (action === 'manual_delete' || action === 'manual_protect') { pages = $content.find('#admin-pages').val().split('\n').map(function(p) { return p.trim(); }).filter(function(p) { return p !== ''; }); } else { $content.find('.admin-cat-cb:checked').each(function() { pages.push($(this).val()); }); } var reason = $content.find('#admin-reason').val().trim(); if (pages.length === 0) { alert(msg('alert_no_pages')); enableBtn(); return; } // Protection variables logic var selLevel = $content.find('#prot-level').val(); var protLevelReq = 'edit=' + selLevel + '|move=' + selLevel; var expiryVal = $content.find('#prot-expiry').val(); var protExpiryReq = expiryVal === 'othertime' ? $content.find('#prot-other-time').val().trim() : expiryVal; if ((action === 'manual_protect' || action === 'cat_protect') && expiryVal === 'othertime' && !protExpiryReq) { alert(msg('alert_custom_expiry')); enableBtn(); return; } mw.notify(msg('admin_start', pages.length), { autoHide: false }); var api = new mw.Api(); var successCount = 0; for (var i = 0; i < pages.length; i++) { var page = pages[i]; try { if (action === 'manual_delete' || action === 'cat_csd') { var delReason = reason || (action === 'cat_csd' ? msg('cat_csd_reason') : msg('mass_del')); await api.postWithToken('csrf', { action: 'delete', title: page, reason: withSummarySuffix(delReason) }); await deleteTalkPage(page, withSummarySuffix(delReason)); } else if (action === 'manual_protect' || action === 'cat_protect') { var protReason = msg('mass_prot'); var pageExpiry = protExpiryReq; var details = null; if (action === 'cat_protect') { protReason = msg('prot_accepted'); details = await fetchProtectionDetails(page); // Apply automatic expiry if selected if (protExpiryReq === 'auto') { pageExpiry = (details && details.expiry) ? details.expiry : 'infinite'; } // If reason box is empty, use reason from template if (!reason && details && details.reason) { protReason = details.reason; } } else if (protExpiryReq === 'auto') { pageExpiry = 'infinite'; } if (reason !== '') { protReason = reason; } await api.postWithToken('csrf', { action: 'protect', title: page, protections: protLevelReq, expiry: pageExpiry, reason: withSummarySuffix(protReason) }); if (action === 'cat_protect') { await removeProtectionTemplate(page); await updateNoticeboardForProtection(page); } } successCount++; } catch (e) { console.error('Failed on ' + page, e); } } mw.notify(msg('admin_success', successCount)); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1500); }, reopenMainMenu); } // ========================================================== // 4. BOARD ACTIONS (Voting & Closing) // ========================================================== mw.hook('wikipage.content').add(function ($content) { if (isBoardPage) { $content.find('.mw-editsection').each(function () { var $editSection = $(this); if ($editSection.find('.del-script-btns').length > 0) return; var $editLink = $editSection.find('a[href*="section="]').first(); if ($editLink.length === 0) return; var $heading = $editSection.closest('h2, .mw-heading2'); if ($heading.length === 0) return; var $headline = $heading.find('.mw-headline'); var $clone = $headline.length > 0 ? $headline.clone() : $heading.clone(); $clone.find('[class*="editsection"], [class*="discussiontools"], [class*="mw-headline-number"]').remove(); var targetPageName = $clone.text().trim(); targetPageName = targetPageName.replace(/^\[\s*(?:অনুসরণ কর(?:ুন|বেন না)|Subscribe|Unsubscribe|Follow|Unfollow)?\s*\]\s*/gi, '') .replace(/\s*\[\s*(?:অনুসরণ কর(?:ুন|বেন না)|Subscribe|Unsubscribe|Follow|Unfollow)?\s*\]\s*$/gi, '') .replace(/^\[\s*\]\s*/, '') .replace(/\s*\[\s*\]$/, '') .trim(); if (!targetPageName) return; var editHref = $editLink.attr('href') || ''; var sectionMatch = editHref.match(/[&?]section=([^&]+)/); if (!sectionMatch) return; var sectionId = sectionMatch[1]; if ($heading.next('.del-script-btns').length > 0) return; var $btnWrapper = $('<div>').addClass('del-script-btns').css({ 'display': 'flex', 'gap': '8px', 'margin-top': '8px', 'margin-bottom': '12px' }); $heading.after($btnWrapper); var $voteBtn = $('<button>').text(msg('vote_btn')).addClass('mw-ui-button').css({ 'font-size': '12px', 'padding': '2px 8px', fontFamily: GLOBAL_FONT }); $voteBtn.on('click', function () { openVoteDialog(sectionId, targetPageName); }); $btnWrapper.append($voteBtn); if (isAdmin) { var $closeBtn = $('<button>').text(msg('decision_btn')).addClass('mw-ui-button mw-ui-destructive').css({ 'font-size': '12px', 'padding': '2px 8px', fontFamily: GLOBAL_FONT }); $closeBtn.on('click', function () { openDecisionDialog(sectionId, targetPageName); }); $btnWrapper.append($closeBtn); } }); } else if (isAdmin && ns >= 0) { // Admin CSD Button var pageCategories = mw.config.get('wgCategories') || []; var targetCategoryName = window.ToolBoxMessages.csdCategoryName || (localConfig.csdCategory || 'দ্রুত অপসারণের যোগ্য'); targetCategoryName = targetCategoryName.replace(/^(বিষয়শ্রেণী|Category):/i, ''); var isCSDCandidate = pageCategories.indexOf(targetCategoryName) !== -1; if (isCSDCandidate && $content.find('.toolbox-csd-admin-btn').length === 0) { var $csdBox = $content.find('.ambox-speedy, .mbox-speedy, .ambox-delete'); if ($csdBox.length === 0) { $csdBox = $content.find('.ambox, .mbox, table[class*="mbox"], div[class*="mbox"]').filter(function() { return $(this).text().indexOf('দ্রুত অপসারণ') !== -1 || $(this).text().indexOf('Speedy') !== -1; }); } var $btnWrapper = $('<div>').css({ 'margin-top': '10px', 'padding': '10px', 'background-color': '#fee7e6', 'border': '1px solid #d33', 'display': 'inline-block', 'border-radius': '2px' }); var $deleteBtn = $('<button>') .text(msg('admin_csd_btn')) .addClass('mw-ui-button mw-ui-destructive toolbox-csd-admin-btn') .css({ 'font-weight': 'bold', 'cursor': 'pointer', fontFamily: GLOBAL_FONT }); $deleteBtn.on('click', openAdminDirectDeleteDialog); $btnWrapper.append($deleteBtn); if ($csdBox.length > 0) { var $mboxText = $csdBox.find('.mbox-text'); if ($mboxText.length > 0) { $mboxText.append($btnWrapper); } else { $csdBox.append($btnWrapper); } } else { var $parserOutput = $content.find('.mw-parser-output'); if ($parserOutput.length > 0) { $parserOutput.prepend($btnWrapper); } else { $content.prepend($btnWrapper); } } } } }); function openAdminDirectDeleteDialog() { var csdCriteriaLists = window.ToolBoxMessages.csdCriteriaLists || {}; var api = new mw.Api(); mw.notify(msg('checking_page'), { autoHide: true }); api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: currentPage }).then(function(data) { var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; var wikitext = pageId !== '-1' ? (data.query.pages[pageId].revisions[0]['*'] || '') : ''; var csdRegex = new RegExp('\\{\\{(?:' + CSD_TEMPLATE + '|delete)\\|([^}]+)\\}\\}', 'i'); var match = wikitext.match(csdRegex); var extractedReason = match ? match[1].trim() : ''; var optionsHtml = '<option value="">' + msg('admin_del_reason_opt') + '</option>'; for (var group in csdCriteriaLists) { optionsHtml += '<optgroup label="' + group + '">'; csdCriteriaLists[group].forEach(function(reason) { optionsHtml += '<option value="' + reason + '">' + reason + '</option>'; }); optionsHtml += '</optgroup>'; } var formHtml = '<label style="font-weight:bold;">' + msg('admin_del_reason_sel') + '</label><br>' + '<select id="admin-del-reason-sel" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + optionsHtml + '</select><br><br>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('admin_del_reason_txt') + '</label><br>' + '<input type="text" id="admin-del-reason-txt" value="' + extractedReason + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';"><br><br>' + '<label style="display:block;"><input type="checkbox" id="admin-del-talk" checked> ' + msg('admin_del_talk') + '</label>'; showModal(msg('menu_del'), formHtml, function($content) { $content.find('#admin-del-reason-sel').on('change', function() { var val = $(this).val(); if (val) { $content.find('#admin-del-reason-txt').val(val); } }); }, function($content, close, enableBtn) { var finalReason = $content.find('#admin-del-reason-txt').val().trim() || msg('cat_csd_reason'); var delTalk = $content.find('#admin-del-talk').is(':checked'); api.postWithToken('csrf', { action: 'delete', title: currentPage, reason: withSummarySuffix(finalReason) }).then(function() { if (delTalk) { return deleteTalkPage(currentPage, withSummarySuffix(finalReason)); } return $.Deferred().resolve(); }).then(function() { mw.notify(msg('success_deleted')); close(); setTimeout(function() { location.reload(); }, 1200); }).catch(function(err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); }).catch(function(err) { alert(msg('error') + err); }); } function openAdminDirectProtectDialog() { var formHtml = getProtDropdownsHtml(false) + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('prot_reason_req') + '</label><br>' + '<input type="text" id="prot-reason" placeholder="' + msg('prot_placeholder') + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; margin-bottom:12px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('protect_page'), formHtml, function ($content) { bindProtDropdownEvents($content); }, function ($content, close, enableBtn) { var selLevel = $content.find('#prot-level').val(); var protLevelReq = 'edit=' + selLevel + '|move=' + selLevel; var userReason = $content.find('#prot-reason').val().trim() || msg('prot_def_reason'); var expiryVal = $content.find('#prot-expiry').val(); var protExpiryReq = expiryVal === 'othertime' ? $content.find('#prot-other-time').val().trim() : expiryVal; if (expiryVal === 'othertime' && !protExpiryReq) { alert(msg('alert_custom_expiry')); enableBtn(); return; } var api = new mw.Api(); api.postWithToken('csrf', { action: 'protect', title: currentPage, protections: protLevelReq, expiry: protExpiryReq, reason: withSummarySuffix(userReason) }).then(function () { return removeProtectionTemplate(currentPage); }).then(function () { mw.notify(msg('success_protected')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1500); }).catch(function (err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } function openVoteDialog(sectionId, targetPageName) { var defaultSummary = msg('vote_def_summary'); var formHtml = '<div style="margin-bottom:15px; font-weight:bold;">' + msg('vote_instruction') + '</div>' + '<div style="margin-bottom:15px;">' + '<label style="margin-right:15px; cursor:pointer;"><input type="radio" name="vtype" value="support"> ' + msg('support') + '</label>' + '<label style="margin-right:15px; cursor:pointer;"><input type="radio" name="vtype" value="oppose"> ' + msg('oppose') + '</label>' + '<label style="cursor:pointer;"><input type="radio" name="vtype" value="none"> ' + msg('comment') + '</label>' + '</div>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('reason_comment') + '</label><br>' + '<input type="text" id="vote-comment" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + '<br><br><label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br>' + '<input type="text" id="edit-summary" value="' + defaultSummary + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('vote_title', targetPageName), formHtml, function ($content, $submitBtn) { if ($submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', true).css('opacity', '0.5'); var validateForm = function () { var vtype = $content.find('input[name="vtype"]:checked').val(); var comment = $content.find('#vote-comment').val().trim(); var isValid = false; if (vtype === 'support' || vtype === 'oppose') isValid = true; if (comment !== '') isValid = true; if (isValid && $submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', false).css('opacity', '1'); else if ($submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', true).css('opacity', '0.5'); }; $content.find('input').on('change keyup input', validateForm); }, function ($content, close, enableBtn) { var vtype = $content.find('input[name="vtype"]:checked').val() || 'none'; var comment = $content.find('#vote-comment').val().trim(); var summaryText = $content.find('#edit-summary').val().trim() || defaultSummary; var api = new mw.Api(); api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', rvsection: sectionId, titles: BOARD_PAGE }).then(function (data) { var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; var wikitext = data.query.pages[pageId].revisions[0]['*']; var voteStr = '* '; if (vtype === 'support') voteStr += VOTE_SUPPORT_TMPL + ' '; if (vtype === 'oppose') voteStr += VOTE_OPPOSE_TMPL + ' '; if (comment) voteStr += (vtype !== 'none' ? '- ' : '') + comment + ' '; else if (vtype !== 'none') voteStr += '- '; voteStr += ' ~~~~\n'; var newText = wikitext; var supportRegex = new RegExp('(' + XFD_SEC_SUPPORT.replace(/[-[\]{}()*+?.,\\^$|#\s]/g, '\\$&') + '[ \\t]*\\r?\\n)', 'i'); var opposeRegex = new RegExp('(' + XFD_SEC_OPPOSE.replace(/[-[\]{}()*+?.,\\^$|#\s]/g, '\\$&') + '[ \\t]*\\r?\\n)', 'i'); var commentRegex = new RegExp('(' + XFD_SEC_COMMENT.replace(/[-[\]{}()*+?.,\\^$|#\s]/g, '\\$&') + '[ \\t]*\\r?\\n)', 'i'); if (vtype === 'support' && supportRegex.test(newText)) newText = newText.replace(supportRegex, '$1' + voteStr); else if (vtype === 'oppose' && opposeRegex.test(newText)) newText = newText.replace(opposeRegex, '$1' + voteStr); else { if (commentRegex.test(newText)) newText = newText.replace(commentRegex, '$1' + voteStr); else newText += '\n' + voteStr; } return api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: BOARD_PAGE, section: sectionId, text: newText, summary: withSummarySuffix(summaryText) }); }).then(function () { mw.notify(msg('success_vote')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1200); }).catch(function (err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }); } function openDecisionDialog(sectionId, targetPageName) { var defaultSummary = msg('decision_def_summary', targetPageName); var formHtml = '<div style="margin-bottom:15px; font-weight:bold;">' + msg('decision_instruction') + '</div>' + '<div style="margin-bottom:15px;">' + '<label style="margin-right:15px; cursor:pointer;"><input type="radio" name="ctype" value="deleted" required> ' + msg('deleted') + '</label>' + '<label style="cursor:pointer;"><input type="radio" name="ctype" value="kept"> ' + msg('kept') + '</label>' + '</div>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('comment_opt') + '</label><br>' + '<input type="text" id="close-comment" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + '<br><br><label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br>' + '<input type="text" id="edit-summary" value="' + defaultSummary + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('decision_title', targetPageName), formHtml, function ($content, $submitBtn) { if ($submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', true).css('opacity', '0.5'); $content.find('input[name="ctype"]').on('change', function () { if ($content.find('input[name="ctype"]:checked').val() && $submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', false).css('opacity', '1'); }); }, function ($content, close, enableBtn) { var ctype = $content.find('input[name="ctype"]:checked').val(); var comment = $content.find('#close-comment').val().trim(); var summaryText = $content.find('#edit-summary').val().trim() || defaultSummary; var api = new mw.Api(); var newRevId = null; api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', rvsection: sectionId, titles: BOARD_PAGE }).then(function (data) { var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; var wikitext = data.query.pages[pageId].revisions[0]['*']; var resultText = (ctype === 'deleted') ? msg('deleted') + '।' : msg('kept') + '।'; if (comment) resultText += ' ' + comment; var headerRegex = /^(==[^=]+==[ \t]*\r?\n)/; var newText = wikitext.replace(headerRegex, '$1' + ATOPR_TMPL.replace('$1', resultText) + '\n'); newText += '\n' + ABOT_TMPL; return api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: BOARD_PAGE, section: sectionId, text: newText, summary: withSummarySuffix(summaryText) }); }).then(function (editData) { newRevId = editData.edit.newrevid; if (ctype === 'deleted') { return api.postWithToken('csrf', { action: 'delete', title: targetPageName, reason: withSummarySuffix(msg('deleted_diff', newRevId)) }); } else { return api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: targetPageName }).then(function (targetData) { var targetPageId = Object.keys(targetData.query.pages)[0]; if (targetPageId === '-1') return $.Deferred().resolve(); var targetWikitext = targetData.query.pages[targetPageId].revisions[0]['*']; var coreDelTemp = DELETE_TEMPLATE.replace(/[{}]/g, ''); var delTemplateRegex = new RegExp('\\{\\{' + coreDelTemp + '\\}\\}\\n?', 'gi'); var updatedTargetText = targetWikitext.replace(delTemplateRegex, ''); return api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: targetPageName, text: updatedTargetText, summary: withSummarySuffix(msg('temp_removed_close')) }); }); } }).then(function () { mw.notify(msg('success_decision')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1200); }).catch(function (err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }); } // Restore Revision function openRestoreDialog(targetRevId) { var api = new mw.Api(); mw.notify(msg('checking_page'), { autoHide: true }); api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', revids: targetRevId, rvprop: 'user|content' }).then(function(data) { var pages = data.query.pages; var pageId = Object.keys(pages)[0]; if (pageId === '-1' || !pages[pageId].revisions) { alert(msg('error') + 'Revision not found.'); return; } var rev = pages[pageId].revisions[0]; var revUser = rev.user; var revContent = rev['*']; var defSummary = msg('def_sum_restore', revUser, targetRevId); var formHtml = '<div style="margin-bottom:15px; font-weight:bold; color:#0050d2;">' + msg('restore_prompt', targetRevId) + '</div>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('restore_reason') + '</label><br>' + '<input type="text" id="restore-reason" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('restore_title', targetRevId), formHtml, function($content) { setTimeout(function() { $content.find('#restore-reason').focus(); }, 100); }, function($content, close, enableBtn) { var customReason = $content.find('#restore-reason').val().trim(); var finalSummary = defSummary; if (customReason !== '') { finalSummary += ': ' + customReason; } api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: currentPage, text: revContent, summary: withSummarySuffix(finalSummary) }).then(function() { mw.notify(msg('success_restore')); close(); setTimeout(function () { window.location.href = mw.util.getUrl(currentPage); }, 1200); }).catch(function(err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); }).catch(function(err) { alert(msg('error') + err); }); } // ========================================================== // 5. MAIN MENU INTEGRATION // ========================================================== class ToolsMenu { open() { if (typeof window.ToolBoxMessages === 'undefined') { mw.notify(msg('config_loading'), { type: 'warn' }); return; } var html = '<div style="display:flex; flex-direction:column; gap:10px; padding: 10px 0;">'; if (ns >= 0 && !isBoardPage) { html += '<button class="mw-ui-button mw-ui-progressive" id="btn-main-tags" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('menu_tags') + '</button>'; if (isAdmin) { html += '<button class="mw-ui-button mw-ui-destructive" id="btn-main-admin-del" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('menu_del') + '</button>'; html += '<button class="mw-ui-button" id="btn-main-xfd" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('xfd_nomination') + '</button>'; html += '<button class="mw-ui-button" id="btn-main-admin-prot" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('menu_prot') + '</button>'; } else { html += '<button class="mw-ui-button mw-ui-destructive" id="btn-main-csd" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('menu_csd') + '</button>'; html += '<button class="mw-ui-button" id="btn-main-xfd" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('xfd_nomination') + '</button>'; html += '<button class="mw-ui-button" id="btn-main-prot" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('prot_nomination') + '</button>'; } } if (isUserSpace) { html += '<button class="mw-ui-button mw-ui-progressive" id="btn-main-welcome" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('menu_welcome') + '</button>'; html += '<button class="mw-ui-button mw-ui-destructive" id="btn-main-warn" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('menu_warn') + '</button>'; } if (isAdmin) { html += '<button class="mw-ui-button mw-ui-progressive" id="btn-main-admin" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('admin_tasks') + '</button>'; } html += '</div>'; if (html.indexOf('<button') === -1) { mw.notify(msg('no_tasks')); return; } showModal(msg('toolbox_title'), html, function($content, $submitBtn, close) { $content.find('#btn-main-tags').on('click', function() { close(); openAddTagsDialog(); }); if (isAdmin) { $content.find('#btn-main-admin-del').on('click', function() { close(); openAdminDirectDeleteDialog(); }); $content.find('#btn-main-admin-prot').on('click', function() { close(); openAdminDirectProtectDialog(); }); } else { $content.find('#btn-main-csd').on('click', function() { close(); preCheckAndRun('csd', openCSDDialog); }); $content.find('#btn-main-prot').on('click', function() { close(); preCheckAndRun('prot', openProtectionNominationDialog); }); } $content.find('#btn-main-xfd').on('click', function() { close(); preCheckAndRun('xfd', openNominationDialog); }); $content.find('#btn-main-welcome').on('click', function() { close(); openWelcomeDialog(); }); $content.find('#btn-main-warn').on('click', function() { close(); openWarnDialog(); }); $content.find('#btn-main-admin').on('click', function() { close(); openAdminDialog(); }); }, null, null); } } // ========================================================== // 6. INITIALIZE MENU LINKS // ========================================================== mw.loader.using(['mediawiki.util', 'mediawiki.api', 'mediawiki.Title']).then(function () { var svgIcon = '<svg xmlns="http://www.w3.org/2000/svg" width="20" height="20" viewBox="0 0 24 24" style="fill:currentColor; flex-shrink:0;"><path d="M21.71 3.29a1 1 0 0 0-1.42 0l-1.58 1.58-4.25-4.24-2 2 2.83 2.83-11 11a2 2 0 0 0 0 2.82l1.42 1.42a2 2 0 0 0 2.82 0l11-11 2.83 2.83 2-2-4.24-4.25 1.58-1.58a1 1 0 0 0 0-1.42z"/></svg>'; function openMenu(e) { e.preventDefault(); new ToolsMenu().open(); } function createToolboxBtn(idClass, extraClasses, customLabel, customIcon) { var label = customLabel || msg('toolbox'); var icon = customIcon !== undefined ? customIcon : svgIcon; var $btn = $('<a>', { href: '#', class: 'cdx-button cdx-button--fake-button cdx-button--fake-button--enabled cdx-button--weight-quiet ' + (extraClasses || ''), id: idClass, title: customLabel ? label : msg('toolbox_tooltip'), accesskey: customLabel ? null : 'x', css: { 'display': 'flex', 'align-items': 'center', 'gap': '6px', 'font-weight': 'bold' } }).html((icon ? icon : '') + '<span style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + label + '</span>'); if (!customLabel) { $btn.on('click', openMenu); } return $btn; } var $stickyHeaderIcons = $('.vector-sticky-header-icons'); if ($stickyHeaderIcons.length) { var $btn1 = createToolboxBtn('toolbox-btn-sticky', 'cdx-button--icon-only').css('margin-right', '4px'); $stickyHeaderIcons.prepend($btn1); } var $legacyHeader = $('.page-heading'); var $mainHeader = $('.mw-body-header'); if ($legacyHeader.length && !$mainHeader.length) { var $btn2 = createToolboxBtn('toolbox-btn-legacy').css({ 'display': 'inline-flex', 'margin-top': '8px' }); $('#firstHeading').after($btn2); } var portletId = $('#p-views').length ? 'p-views' : ($('#p-cactions').length ? 'p-cactions' : null); if (portletId) { var tabLink = mw.util.addPortletLink(portletId, '#', msg('toolbox'), 'ca-toolbox-tools', msg('toolbox_tooltip'), 'x', '#ca-view'); if (tabLink) { var $tabLink = $(tabLink); if (portletId === 'p-views') { var $a = $tabLink.find('a'); $a.html(svgIcon + '<span style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('toolbox') + '</span>').css({ 'display': 'flex', 'align-items': 'center', 'gap': '4px' }); } $tabLink.on('click', openMenu); } } // Restore Feature Detection var revId = mw.config.get('wgRevisionId'); var curRevId = mw.config.get('wgCurRevisionId'); var action = mw.config.get('wgAction'); var isDiff = mw.util.getParamValue('diff') !== null; var isOldRev = (revId > 0 && revId !== curRevId) || isDiff; if (isOldRev && action === 'view' && ns >= 0) { var restoreIcon = '<svg xmlns="http://www.w3.org/2000/svg" width="18" height="18" viewBox="0 0 24 24" style="fill:currentColor; flex-shrink:0;"><path d="M13 3a9 9 0 0 0-9 9H1l3.89 3.89.07.14L9 12H6c0-3.87 3.13-7 7-7s7 3.13 7 7-3.13 7-7 7c-1.93 0-3.68-.79-4.94-2.06l-1.42 1.42A8.954 8.954 0 0 0 13 21a9 9 0 0 0 0-18zm-1 5v5l4.25 2.52.75-1.23-3.5-2.07V8h-1.5z"/></svg>'; var $restoreBtn = createToolboxBtn('toolbox-btn-restore', 'mw-ui-button mw-ui-progressive', msg('restore_this_version'), restoreIcon).css({ 'display': 'inline-flex', 'margin-top': '8px', 'margin-bottom': '8px', 'padding': '4px 8px', 'border-radius': '2px', 'color': '#fff' }); $restoreBtn.on('click', function(e) { e.preventDefault(); openRestoreDialog(revId); }); if (isDiff) { $('.diff-ntitle').prepend($('<div>').css('text-align', 'right').append($restoreBtn)); } else { $('#mw-revision-info').append($('<div>').css('margin-top', '5px').append($restoreBtn)); } } }); })(jQuery, mediaWiki); // </nowiki> hyjoh40jiavmonkovp17qkibgthvglk 78572 78571 2026-04-19T12:28:31Z খাত্তাব হাসান 7 78572 javascript text/javascript // <nowiki> /** * ToolBox: A global maintenance user script for MediaWiki installations. * Features: Tagging, CSD, XfD, Protection, Welcome, Warnings, Admin actions, etc. * Architecture: Central Core + Local Override + Bilingual UI (bn/en) + Custom i18n * Version: 3.0 (Global Edition with extendable i18n) */ (function ($, mw) { 'use strict'; // Prevent multiple executions if (window.ToolBoxLoaded) return; window.ToolBoxLoaded = true; // Load Local Configuration from standalone wiki (if available) var localConfig = window.ToolBoxConfig || {}; // Determine UI Language: Override > Saved > User Preference var userLang = mw.config.get('wgUserLanguage'); var savedLang = null; try { savedLang = window.localStorage.getItem('toolbox-ui-lang'); } catch (e) {} var uiLang = localConfig.uiLanguage || savedLang || userLang; // ========================================== // INTERNATIONALIZATION (i18n) DICTIONARY // ========================================== var baseI18n = { 'bn': { 'checking_page': 'পাতা পরীক্ষা করা হচ্ছে...', 'warning': 'সতর্কতা', 'csd_exists': 'এই পাতায় ইতোমধ্যে অপসারণ ট্যাগ যুক্ত করা রয়েছে। অনুগ্রহ করে আরেকবার অপসারণ ট্যাগ দেয়ার পূর্বে পুনর্বিবেচনা করুন। ধন্যবাদ!', 'xfd_exists': 'এই পাতায় ইতোমধ্যে অপসারণ প্রস্তাবনার ট্যাগ যুক্ত করা রয়েছে। অনুগ্রহ করে আরেকবার অপসারণ প্রস্তাবনা শুরু করার পূর্বে পুনর্বিবেচনা করুন। ধন্যবাদ!', 'prot_exists': 'এই পাতায় ইতোমধ্যে সুরক্ষা প্রস্তাবনার ট্যাগ যুক্ত করা রয়েছে। অনুগ্রহ করে আরেকবার সুরক্ষা প্রস্তাবনা শুরু করার পূর্বে পুনর্বিবেচনা করুন। ধন্যবাদ!', 'prot_level': 'সুরক্ষা স্তর:', 'prot_semi': 'শুধুমাত্র স্বয়ংনিশ্চিতকৃত ব্যবহারকারীদের জন্য (অর্ধ সুরক্ষা)', 'prot_full': 'শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত (পূর্ণ সুরক্ষা)', 'expiry': 'মেয়াদ:', 'auto_tmpl': 'স্বয়ংক্রিয় (টেমপ্লেট থেকে)', '1_hour': '১ ঘণ্টা', '1_day': '১ দিন', '1_week': '১ সপ্তাহ', '2_weeks': '২ সপ্তাহ', '1_month': '১ মাস', '3_months': '৩ মাস', '6_months': '৬ মাস', '1_year': '১ বছর', 'infinite': 'অসীম', 'other_time': 'অন্য সময়', 'other_time_placeholder': 'অন্য সময় লিখুন (যেমন: 2 days)', 'docs': 'টুলবক্স নথি', 'bug_report': 'বাগ প্রতিবেদন বা মতামত', 'go_back': 'পিছনে যান', 'cancel': 'বাতিল', 'close': 'বন্ধ করুন', 'confirm': 'নিশ্চিত করুন', 'please_wait': 'অপেক্ষা করুন...', 'csd_nomination': 'দ্রুত অপসারণ প্রস্তাবনা', 'csd_reason': 'দ্রুত অপসারণের কারণ:', 'custom_rationale': 'নিজস্ব বিচারধারা লিখুন: ', 'custom_reason_placeholder': 'আপনার নিজস্ব কারণ লিখুন...', 'csd_warning': '<strong>সতর্কতা:</strong> যদি দাবীটি বিতর্কিত বা সাম্ভাব্য বিতর্ক সৃষ্টির আশংকা হয়, তাহলে এটিকে দ্রুত অপসারণের বদলে অপসারণ প্রস্তাবনাতে (XfD) নেওয়া উচিত।', 'edit_summary': 'সম্পাদনা সারাংশ:', 'def_sum_csd': 'দ্রুত অপসারণের জন্য ট্যাগ করা হলো', 'alert_reason': 'দয়া করে কারণ লিখুন!', 'success_csd': 'দ্রুত অপসারণ ট্যাগ সফলভাবে যুক্ত হয়েছে এবং ব্যবহারকারীকে বার্তা পাঠানো হয়েছে!', 'error': 'ত্রুটি হয়েছে: ', 'add_tags_title': 'ট্যাগ যুক্ত করুন', 'select_tags': 'যুক্ত করার জন্য ট্যাগ নির্বাচন করুন:', 'target_page': 'লক্ষ্য পাতার নাম (একত্রীকরণের জন্য):', 'target_page_placeholder': 'যে পাতায় একত্রিত করতে চান...', 'def_sum_tags': 'ট্যাগ যুক্ত করা হলো', 'alert_target': 'লক্ষ্য পাতার নাম উল্লেখ করতে হবে!', 'alert_tag': 'দয়া করে একটি ট্যাগ নির্বাচন করুন!', 'success_tags': 'ট্যাগ সফলভাবে যুক্ত হয়েছে!', 'xfd_nomination': 'অপসারণ প্রস্তাবনা', 'xfd_reason': 'অপসারণের কারণ:', 'xfd_placeholder': 'কেন এই পাতাটি অপসারণ করা উচিত তার বিস্তারিত বিবরণ দিন...', 'def_sum_xfd': '[[$1]]-এর অপসারণ প্রস্তাবনা যুক্ত করা হলো', 'alert_xfd_reason': 'দয়া করে অপসারণের কারণ উল্লেখ করুন!', 'success_xfd': 'অপসারণ প্রস্তাবনা সফলভাবে যুক্ত হয়েছে এবং ব্যবহারকারীকে বার্তা পাঠানো হয়েছে!', 'prot_nomination': 'সুরক্ষার প্রস্তাবনা', 'def_sum_prot': '[[$1]]-এর সুরক্ষার প্রস্তাবনা যুক্ত করা হলো', 'prot_reason_opt': 'সুরক্ষার কারণ (ঐচ্ছিক):', 'prot_placeholder': 'কারণ লিখুন (যেমন: ধ্বংসপ্রবণতা)...', 'alert_custom_expiry': 'দয়া করে কাস্টম মেয়াদ উল্লেখ করুন!', 'success_prot': 'সুরক্ষার প্রস্তাবনা সফলভাবে যুক্ত হয়েছে!', 'welcome_user_title': 'স্বাগত জানান: $1', 'select_welcome': 'স্বাগতম বার্তা নির্বাচন করুন:', 'preview': 'প্রিভিউ:', 'loading': 'লোড হচ্ছে...', 'preview_failed': 'প্রিভিউ লোড করা যায়নি।', 'def_sum_welcome': 'স্বাগতম!', 'success_welcome': 'স্বাগতম বার্তা সফলভাবে যুক্ত হয়েছে!', 'warn_user_title': 'সতর্ক করুন: $1', 'warn_type': 'সতর্কতার ধরন:', 'edit_message': 'বার্তা সম্পাদনা:', 'def_sum_warn': 'সতর্ক করা হলো: $1', 'success_warn': 'সতর্কবার্তা সফলভাবে যুক্ত হয়েছে!', 'admin_tasks': 'প্রশাসকের কাজ', 'select_task': 'কাজ নির্বাচন করুন:', 'task_cat_csd': 'দ্রুত অপসারণের তালিকা (বিষয়শ্রেণী থেকে)', 'task_cat_prot': 'প্রস্তাবিত পাতা সুরক্ষা (বিষয়শ্রেণী থেকে)', 'task_manual_del': 'গুচ্ছ অপসারণ (নিজ থেকে)', 'task_manual_prot': 'গুচ্ছ সুরক্ষা (নিজ থেকে)', 'page_list': 'পাতার তালিকা (প্রতি লাইনে একটি):', 'page_list_placeholder': 'পাতা ১\nপাতা ২...', 'page_links': 'পাতাগুলোর সংযোগ:', 'cat_empty': 'এই বিষয়শ্রেণীতে কোনো পাতা নেই।', 'reason_summary': 'কারণ / সম্পাদনা সারাংশ:', 'alert_no_pages': 'কোনো পাতা দেওয়া বা নির্বাচন করা হয়নি!', 'admin_start': 'প্রশাসকের কাজ শুরু হচ্ছে ($1 টি পাতা)...', 'admin_success': '$1 টি পাতায় কাজ সম্পন্ন হয়েছে।', 'vote_btn': 'ভোট দিন', 'decision_btn': 'সিদ্ধান্ত', 'admin_csd_btn': 'প্রশাসক: দ্রুত অপসারণ করুন', 'admin_del_reason_sel': 'অপসারণের কারণ (তালিকা থেকে):', 'admin_del_reason_txt': 'অথবা নিজস্ব কারণ লিখুন:', 'admin_del_reason_opt': '-- একটি কারণ নির্বাচন করুন (ঐচ্ছিক) --', 'admin_del_talk': 'সাথে আলাপ পাতাও অপসারণ করুন (যদি থাকে)', 'success_deleted': 'পাতা সফলভাবে অপসারিত হয়েছে!', 'protect_page': 'পাতা সুরক্ষা করুন', 'prot_reason_req': 'সুরক্ষার কারণ:', 'success_protected': 'পাতা সফলভাবে সুরক্ষিত হয়েছে!', 'vote_title': 'ভোট দিন: $1', 'vote_instruction': 'মতামত প্রদান করুন:', 'support': 'সমর্থন', 'oppose': 'বিরোধিতা', 'comment': 'মন্তব্য', 'reason_comment': 'কারণ/মন্তব্য:', 'success_vote': 'মতামত সফলভাবে যুক্ত হয়েছে!', 'decision_title': 'সিদ্ধান্ত গ্রহণ: $1', 'decision_instruction': 'চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত:', 'deleted': 'অপসারিত', 'kept': 'অপসারিত নয়', 'comment_opt': 'মন্তব্য (ঐচ্ছিক):', 'success_decision': 'সিদ্ধান্ত সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে!', 'menu_tags': 'ট্যাগ যুক্ত করুন', 'menu_del': 'পাতা অপসারণ', 'menu_prot': 'পাতা সুরক্ষা', 'menu_csd': 'দ্রুত অপসারণ', 'menu_welcome': 'স্বাগত জানান', 'menu_warn': 'সতর্ক করুন', 'no_tasks': 'এই পাতায় করার মতো কোনো স্বয়ংক্রিয় কাজ নেই।', 'toolbox_title': 'রক্ষণাবেক্ষণ টুলবক্স', 'config_loading': 'কনফিগারেশন ফাইল লোড হচ্ছে... অনুগ্রহ করে কয়েক সেকেন্ড পর আবার চেষ্টা করুন।', 'toolbox': 'টুলবক্স', 'toolbox_tooltip': 'টুলবক্স মেনু খুলুন [alt-x]', 'notice_prot_done': '[[$1]]-এর সুরক্ষার আবেদন সম্পন্ন করা হলো', 'admin_prot_req': '[[$1]] পাতাটি সুরক্ষার আবেদন', 'temp_removed_prot': 'পাতা সুরক্ষিত হওয়ায় সুরক্ষা প্রস্তাবনার টেমপ্লেট সরানো হলো', 'temp_removed_close': 'অপসারণ প্রস্তাবনা সমাপ্ত হওয়ায় টেমপ্লেট সরানো হলো', 'deleted_diff': '[[বিশেষ:পার্থক্য/$1]] অনুযায়ী অপসারিত হয়েছে', 'mass_del': 'গুচ্ছ অপসারণ', 'mass_prot': 'গুচ্ছ সুরক্ষা (ধ্বংসপ্রবণতা রোধ)', 'prot_accepted': 'সুরক্ষার আবেদন গৃহীত', 'cat_csd_reason': 'দ্রুত অপসারণের বিচারধারা অনুযায়ী', 'prot_def_reason': 'পাতা সুরক্ষা করা হলো', 'vote_def_summary': 'মতামত প্রদান', 'decision_def_summary': '[[$1]]-এর আলোচনা সমাপ্ত করা হলো', 'notify_xfd_summary': 'বিজ্ঞপ্তি: [[$1]] এর অপসারণ প্রস্তাবনা', 'notify_csd_summary': 'বিজ্ঞপ্তি: [[$1]] এর দ্রুত অপসারণ প্রস্তাবনা', 'using_toolbox': 'ব্যবহার করে', 'restore_this_version': 'এই সংস্করণে ফেরত যান', 'restore_title': 'সংস্করণ ফেরত: $1', 'restore_prompt': 'আপনি কি এই পুরনো সংস্করণে (আইডি: $1) ফেরত যেতে চান?', 'restore_reason': 'কারণ লিখুন (ঐচ্ছিক):', 'def_sum_restore': '$1-এর করা $2 নং সংস্করণে ফেরত', 'success_restore': 'পাতাটি সফলভাবে পূর্বের সংস্করণে ফেরত নেওয়া হয়েছে!' }, 'en': { 'checking_page': 'Checking page...', 'warning': 'Warning', 'csd_exists': 'This page is already tagged for speedy deletion. Please reconsider before adding another tag. Thank you!', 'xfd_exists': 'This page is already nominated for deletion. Please reconsider before nominating again. Thank you!', 'prot_exists': 'This page is already nominated for protection. Please reconsider before nominating again. Thank you!', 'prot_level': 'Protection level:', 'prot_semi': 'Autoconfirmed users only (Semi-protection)', 'prot_full': 'Administrators only (Full protection)', 'expiry': 'Expiry:', 'auto_tmpl': 'Automatic (from template)', '1_hour': '1 hour', '1_day': '1 day', '1_week': '1 week', '2_weeks': '2 weeks', '1_month': '1 month', '3_months': '3 months', '6_months': '6 months', '1_year': '1 year', 'infinite': 'Infinite', 'other_time': 'Other time', 'other_time_placeholder': 'Enter other time (e.g., 2 days)', 'docs': 'ToolBox Documentation', 'bug_report': 'Bug report or feedback', 'go_back': 'Go back', 'cancel': 'Cancel', 'close': 'Close', 'confirm': 'Confirm', 'please_wait': 'Please wait...', 'csd_nomination': 'Speedy Deletion Nomination', 'csd_reason': 'Reason for speedy deletion:', 'custom_rationale': 'Enter custom rationale: ', 'custom_reason_placeholder': 'Enter your custom reason...', 'csd_warning': '<strong>Warning:</strong> If the claim is controversial or likely to cause a dispute, it should be sent to Deletion Discussions (XfD) instead.', 'edit_summary': 'Edit summary:', 'def_sum_csd': 'Tagged for speedy deletion', 'alert_reason': 'Please enter a reason!', 'success_csd': 'Speedy deletion tag added successfully and user notified!', 'error': 'An error occurred: ', 'add_tags_title': 'Add tags', 'select_tags': 'Select tags to add:', 'target_page': 'Target page name (for merging):', 'target_page_placeholder': 'Page you want to merge into...', 'def_sum_tags': 'Tags added', 'alert_target': 'Target page name must be specified!', 'alert_tag': 'Please select a tag!', 'success_tags': 'Tags added successfully!', 'xfd_nomination': 'Deletion Nomination', 'xfd_reason': 'Reason for deletion:', 'xfd_placeholder': 'Provide a detailed explanation of why this page should be deleted...', 'def_sum_xfd': 'Nominated [[$1]] for deletion', 'alert_xfd_reason': 'Please specify a reason for deletion!', 'success_xfd': 'Deletion nomination added successfully and user notified!', 'prot_nomination': 'Protection Nomination', 'def_sum_prot': 'Nominated [[$1]] for protection', 'prot_reason_opt': 'Reason for protection (optional):', 'prot_placeholder': 'Enter reason (e.g., Vandalism)...', 'alert_custom_expiry': 'Please specify a custom expiry!', 'success_prot': 'Protection nomination added successfully!', 'welcome_user_title': 'Welcome user: $1', 'select_welcome': 'Select welcome message:', 'preview': 'Preview:', 'loading': 'Loading...', 'preview_failed': 'Failed to load preview.', 'def_sum_welcome': 'Welcome!', 'success_welcome': 'Welcome message added successfully!', 'warn_user_title': 'Warn user: $1', 'warn_type': 'Warning type:', 'edit_message': 'Edit message:', 'def_sum_warn': 'Warned: $1', 'success_warn': 'Warning message added successfully!', 'admin_tasks': 'Admin tasks', 'select_task': 'Select task:', 'task_cat_csd': 'Speedy deletion candidates (from category)', 'task_cat_prot': 'Protection candidates (from category)', 'task_manual_del': 'Mass deletion (manual)', 'task_manual_prot': 'Mass protection (manual)', 'page_list': 'List of pages (one per line):', 'page_list_placeholder': 'Page 1\nPage 2...', 'page_links': 'Page links:', 'cat_empty': 'There are no pages in this category.', 'reason_summary': 'Reason / Edit summary:', 'alert_no_pages': 'No pages provided or selected!', 'admin_start': 'Starting admin task ($1 pages)...', 'admin_success': 'Task completed on $1 pages.', 'vote_btn': 'Vote', 'decision_btn': 'Decision', 'admin_csd_btn': 'Admin: Speedy Delete', 'admin_del_reason_sel': 'Reason for deletion (from list):', 'admin_del_reason_txt': 'Or enter custom reason:', 'admin_del_reason_opt': '-- Select a reason (optional) --', 'admin_del_talk': 'Also delete talk page (if exists)', 'success_deleted': 'Page deleted successfully!', 'protect_page': 'Protect page', 'prot_reason_req': 'Reason for protection:', 'success_protected': 'Page protected successfully!', 'vote_title': 'Vote: $1', 'vote_instruction': 'Provide your opinion:', 'support': 'Support', 'oppose': 'Oppose', 'comment': 'Comment', 'reason_comment': 'Reason/Comment:', 'success_vote': 'Opinion added successfully!', 'decision_title': 'Decision: $1', 'decision_instruction': 'Final decision:', 'deleted': 'Deleted', 'kept': 'Kept', 'comment_opt': 'Comment (optional):', 'success_decision': 'Decision applied successfully!', 'menu_tags': 'Add tags', 'menu_del': 'Delete page', 'menu_prot': 'Protect page', 'menu_csd': 'Speedy deletion', 'menu_welcome': 'Welcome user', 'menu_warn': 'Warn user', 'no_tasks': 'There are no automated tasks to perform on this page.', 'toolbox_title': 'Maintenance ToolBox', 'config_loading': 'Configuration file is loading... Please try again in a few seconds.', 'toolbox': 'ToolBox', 'toolbox_tooltip': 'Open ToolBox menu [alt-x]', 'notice_prot_done': 'Protection request completed for [[$1]]', 'admin_prot_req': 'Protection request for [[$1]]', 'temp_removed_prot': 'Removed protection proposal template as page is protected', 'temp_removed_close': 'Removed template as deletion discussion is closed', 'deleted_diff': 'Deleted as per [[Special:Diff/$1]]', 'mass_del': 'Mass deletion', 'mass_prot': 'Mass protection (Anti-vandalism)', 'prot_accepted': 'Protection request accepted', 'cat_csd_reason': 'As per speedy deletion criteria', 'prot_def_reason': 'Page protected', 'vote_def_summary': 'Provided opinion', 'decision_def_summary': 'Discussion closed for [[$1]]', 'notify_xfd_summary': 'Notification: Deletion nomination for [[$1]]', 'notify_csd_summary': 'Notification: Speedy deletion nomination for [[$1]]', 'using_toolbox': 'used', 'restore_this_version': 'Restore this version', 'restore_title': 'Restore revision: $1', 'restore_prompt': 'Do you want to restore to this old revision (ID: $1)?', 'restore_reason': 'Enter reason (optional):', 'def_sum_restore': 'Restored revision $2 by $1', 'success_restore': 'Page successfully restored to the older version!' } }; // Merge custom languages from local configuration var i18n = $.extend(true, {}, baseI18n, localConfig.i18n || {}); function msg(key, param) { var text = (i18n[uiLang] && i18n[uiLang][key]) || (i18n['en'] && i18n['en'][key]) || (i18n['bn'] && i18n['bn'][key]) || key; if (param !== undefined) { text = text.replace(/\$1/g, param); } return text; } // ========================================== // CONFIGURATION VARIABLES (With Defaults) // ========================================== var BOARD_PAGE = localConfig.boardPage || 'Project:অপসারণের_প্রস্তাবনা'; var ADMIN_BOARD_PAGE = localConfig.adminBoardPage || 'Project:প্রশাসকদের_আলোচনাসভা'; var DELETE_TEMPLATE = localConfig.deleteTemplate || '{{অপ্রচ}}'; var CSD_TEMPLATE = localConfig.csdTemplate || 'অপ'; var PROT_TEMPLATE = localConfig.protectTemplate || 'সুপ্রপা'; var ADMIN_PROT_TEMPLATE = localConfig.adminProtectTemplate || 'সুপ্র'; var VOTE_SUPPORT_TMPL = localConfig.voteSupportTemplate || '{{সমর্থন}}'; var VOTE_OPPOSE_TMPL = localConfig.voteOpposeTemplate || '{{বিরোধিতা}}'; var DONE_TMPL = localConfig.doneTemplate || '{{করা হয়েছে}}'; var XFD_NOTICE = localConfig.xfdNotice || "'''আলোচনাটি {{subst:#time:j F Y H:i|+1 week}} (ইউটিসি) এর আগে বন্ধ হওয়া উচিত নয়।'''"; var XFD_SEC_SUPPORT = localConfig.xfdSecSupport || '=== সমর্থন ==='; var XFD_SEC_OPPOSE = localConfig.xfdSecOppose || '=== বিরোধিতা ==='; var XFD_SEC_COMMENT = localConfig.xfdSecComment || '=== অন্যান্য মন্তব্য ==='; var ATOPR_TMPL = localConfig.atoprTemplate || '{{atopr|status=|result=$1 ~~~~}}'; var ABOT_TMPL = localConfig.abotTemplate || '{{abot}}'; var DOC_URL_PAGE = localConfig.docUrlPage || 'উইকিউক্তি:টুলবক্স'; var TALK_URL_PAGE = localConfig.talkUrlPage || 'উইকিউক্তি আলোচনা:টুলবক্স'; var GLOBAL_FONT = localConfig.fontFamily || "'TiroBangla', sans-serif"; var MSG_FILE_URL = localConfig.msgFileUrl || '//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:খাত্তাব_হাসান/bnwq-tools-msg-test.js&action=raw&ctype=text/javascript'; // Dynamic core templates without brackets for Regex usage var coreDelTemp = DELETE_TEMPLATE.replace(/[{}]/g, ''); // Load configuration/messages file dynamically if (typeof window.ToolBoxMessages === 'undefined') { mw.loader.load(MSG_FILE_URL); } // Get current page info var currentPage = mw.config.get('wgPageName'); var cleanPageName = currentPage.replace(/_/g, ' '); var isBoardPage = (currentPage === BOARD_PAGE); var userGroups = mw.config.get('wgUserGroups') || []; var isAdmin = userGroups.indexOf('sysop') !== -1; var ns = mw.config.get('wgNamespaceNumber'); // Context logic for User space var isUserSpace = (ns === 2 || ns === 3); var targetUser = isUserSpace ? mw.config.get('wgTitle').split('/')[0] : null; var userTalkPage = targetUser ? 'User talk:' + targetUser : null; // Helper: Append Summary Suffix function withSummarySuffix(summaryStr) { var defaultSuffix = localConfig.summarySuffix || ' ([[' + DOC_URL_PAGE + '|' + msg('toolbox') + ']] ' + msg('using_toolbox') + ')'; var suffix = (window.ToolBoxMessages && window.ToolBoxMessages.summarySuffix) ? window.ToolBoxMessages.summarySuffix : defaultSuffix; if (summaryStr.indexOf(suffix) === -1) { return summaryStr + suffix; } return summaryStr; } // Wrapper to reopen main menu from inner dialogs function reopenMainMenu() { if (typeof ToolsMenu !== 'undefined') { new ToolsMenu().open(); } } // Pre-check for existing tags to prevent conflicts function preCheckAndRun(type, callback) { var $loader = $('<div>').text(msg('checking_page')).css({ position: 'fixed', top: '20px', left: '50%', transform: 'translateX(-50%)', background: '#000', color: '#fff', padding: '10px 20px', borderRadius: '5px', zIndex: 10000, fontFamily: GLOBAL_FONT, boxShadow: '0 2px 10px rgba(0,0,0,0.5)' }).appendTo('body'); var api = new mw.Api(); api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: currentPage }).then(function(data) { $loader.remove(); var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; if (pageId === '-1') { callback(); return; } var wikitext = data.query.pages[pageId].revisions[0]['*'] || ''; // Dynamic Regex based on configurations var csdRegexStr = localConfig.csdRegex || '\\{\\{(?:' + CSD_TEMPLATE + '|delete)(?:\\||\\})'; var xfdRegexStr = localConfig.xfdRegex || '\\{\\{(?:' + coreDelTemp + '|XFD)(?:\\||\\})'; var protRegexStr = localConfig.protRegex || '\\{\\{' + PROT_TEMPLATE + '(?:\\||\\})'; var hasCSD = new RegExp(csdRegexStr, 'i').test(wikitext); var hasXFD = new RegExp(xfdRegexStr, 'i').test(wikitext); var hasProt = new RegExp(protRegexStr, 'i').test(wikitext); var alertMsg = null; if (type === 'csd' && hasCSD) { alertMsg = msg('csd_exists'); } else if (type === 'xfd' && hasXFD) { alertMsg = msg('xfd_exists'); } else if (type === 'prot' && hasProt) { alertMsg = msg('prot_exists'); } if (alertMsg) { showModal(msg('warning'), '<div style="color:#d33; font-weight:bold; background:#fee7e6; padding:15px; border:1px solid #d33; border-radius:4px; line-height: 1.5;">' + alertMsg + '</div>', function($content, $submitBtn) { if ($submitBtn) $submitBtn.hide(); // Hide "Proceed" button to prevent conflicts }, function($content, close, enableBtn) { close(); }, reopenMainMenu); } else { callback(); } }).catch(function() { $loader.remove(); callback(); }); } // Protection Dropdowns HTML Helper function getProtDropdownsHtml(includeAuto) { var autoOption = includeAuto ? '<option value="auto" selected>' + msg('auto_tmpl') + '</option>' : ''; return '<label style="font-weight:bold;">' + msg('prot_level') + '</label><br>' + '<select id="prot-level" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; margin-bottom:12px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + '<option value="autoconfirmed">' + msg('prot_semi') + '</option>' + '<option value="sysop">' + msg('prot_full') + '</option>' + '</select><br>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('expiry') + '</label><br>' + '<select id="prot-expiry" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; margin-bottom:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + autoOption + '<option value="1 hour">' + msg('1_hour') + '</option>' + '<option value="1 day">' + msg('1_day') + '</option>' + '<option value="1 week">' + msg('1_week') + '</option>' + '<option value="2 weeks">' + msg('2_weeks') + '</option>' + '<option value="1 month">' + msg('1_month') + '</option>' + '<option value="3 months">' + msg('3_months') + '</option>' + '<option value="6 months">' + msg('6_months') + '</option>' + '<option value="1 year">' + msg('1_year') + '</option>' + '<option value="infinite"' + (!includeAuto ? ' selected' : '') + '>' + msg('infinite') + '</option>' + '<option value="othertime">' + msg('other_time') + '</option>' + '</select>' + '<input type="text" id="prot-other-time" placeholder="' + msg('other_time_placeholder') + '" style="display:none; width:100%; padding:5px; margin-top:4px; margin-bottom:12px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; } function bindProtDropdownEvents($content) { $content.find('#prot-expiry').on('change', function() { if ($(this).val() === 'othertime') { $content.find('#prot-other-time').show(); } else { $content.find('#prot-other-time').hide(); } }); } // ========================================================== // 1. HELPER: Custom Modal Dialog (Draggable & Resizable) // ========================================================== function showModal(title, htmlContent, onReady, onSubmit, onBack) { var $overlay = $('<div>').css({ position: 'fixed', top: 0, left: 0, width: '100%', height: '100%', backgroundColor: 'rgba(0,0,0,0.6)', zIndex: 9999, display: 'flex', alignItems: 'center', justifyContent: 'center', fontFamily: GLOBAL_FONT }).appendTo('body'); var $modal = $('<div>').css({ backgroundColor: '#fff', padding: '25px', borderRadius: '8px', width: '450px', minWidth: '300px', maxWidth: '90%', maxHeight: '90vh', overflowY: 'auto', boxShadow: '0 4px 15px rgba(0,0,0,0.3)', fontFamily: GLOBAL_FONT, resize: 'both' // Makes modal resizable }).appendTo($overlay); var $headerContainer = $('<div>').css({ display: 'flex', justifyContent: 'space-between', alignItems: 'center', borderBottom: '1px solid #ccc', paddingBottom: '10px', cursor: 'move', userSelect: 'none' }).appendTo($modal); var $header = $('<h3>').text(title).css({ margin: 0, fontFamily: GLOBAL_FONT }).appendTo($headerContainer); var $iconsDiv = $('<div>').css({ display: 'flex', gap: '10px', alignItems: 'center' }).appendTo($headerContainer); var $langSelect = $('<select>').css({ 'padding': '2px 4px', 'border-radius': '4px', 'border': '1px solid #ccc', 'font-family': GLOBAL_FONT, 'font-size': '12px', 'cursor': 'pointer', 'background-color': '#fff' }); var availableLangs = Object.keys(i18n); var langNames = { 'bn': 'বাংলা', 'en': 'English' }; availableLangs.forEach(function(lang) { var name = langNames[lang] || lang; $langSelect.append($('<option>').val(lang).text(name)); }); $langSelect.val(uiLang); $langSelect.on('change', function(e) { e.stopPropagation(); uiLang = $(this).val(); try { window.localStorage.setItem('toolbox-ui-lang', uiLang); } catch(err) {} closeModal(); reopenMainMenu(); }); $iconsDiv.append($langSelect); var docUrl = mw.util.getUrl(DOC_URL_PAGE); var talkUrl = mw.util.getUrl(TALK_URL_PAGE); var docIconSvg = '<svg viewBox="0 0 24 24" width="18" height="18" fill="currentColor"><path d="M12 2C6.48 2 2 6.48 2 12s4.48 10 10 10 10-4.48 10-10S17.52 2 12 2zm1 15h-2v-6h2v6zm0-8h-2V7h2v2z"/></svg>'; var bugIconSvg = '<svg viewBox="0 0 24 24" width="18" height="18" fill="currentColor"><path d="M20 8h-2.81c-.45-.78-1.07-1.45-1.82-1.96L17 4.41 15.59 3l-2.17 2.17C12.96 5.06 12.49 5 12 5c-.49 0-.96.06-1.41.17L8.41 3 7 4.41l1.62 1.63C7.88 6.55 7.26 7.22 6.81 8H4v2h2.09c-.05.33-.09.66-.09 1v1H4v2h2v1c0 .34.04.67.09 1H4v2h2.81c1.04 1.79 2.97 3 5.19 3s4.15-1.21 5.19-3H20v-2h-2.09c.05-.33.09-.66.09-1v-1h2v-2h-2v-1c0-.34-.04-.67-.09-1H20V8zm-6 8h-4v-2h4v2zm0-4h-4v-2h4v2z"/></svg>'; $('<a>').attr({ href: docUrl, target: '_blank', title: msg('docs') }) .html(docIconSvg).css({ color: '#54595d', display: 'flex', alignItems: 'center' }) .appendTo($iconsDiv); $('<a>').attr({ href: talkUrl, target: '_blank', title: msg('bug_report') }) .html(bugIconSvg).css({ color: '#54595d', display: 'flex', alignItems: 'center' }) .appendTo($iconsDiv); var $content = $('<div>').html(htmlContent).css({ marginTop: '15px' }).appendTo($modal); var $footer = $('<div>').css({ marginTop: '25px', display: 'flex', justifyContent: 'flex-end', gap: '8px' }).appendTo($modal); // --- Dragging Logic --- var isDragging = false; var startX, startY, initialX, initialY; $headerContainer.on('mousedown', function(e) { if ($(e.target).closest('button, input, textarea, select, a').length > 0) return; isDragging = true; startX = e.clientX; startY = e.clientY; var rect = $modal[0].getBoundingClientRect(); $modal.css({ position: 'absolute', left: rect.left + 'px', top: rect.top + 'px', margin: 0, transform: 'none' }); initialX = rect.left; initialY = rect.top; e.preventDefault(); }); $(document).on('mousemove.toolboxDraggable', function(e) { if (isDragging) { var dx = e.clientX - startX; var dy = e.clientY - startY; $modal.css({ left: (initialX + dx) + 'px', top: (initialY + dy) + 'px' }); } }); $(document).on('mouseup.toolboxDraggable', function() { isDragging = false; }); // --- End Dragging Logic --- var closeModal = function () { $(document).off('mousemove.toolboxDraggable mouseup.toolboxDraggable'); // Cleanup events $overlay.remove(); }; if (onBack) { var $backBtn = $('<button>').text(msg('go_back')).addClass('mw-ui-button').css({ 'margin-right': 'auto', fontFamily: GLOBAL_FONT }).appendTo($footer); $backBtn.on('click', function () { closeModal(); onBack(); }); } var $cancelBtn = $('<button>').text(onSubmit ? msg('cancel') : msg('close')).addClass('mw-ui-button mw-ui-quiet').css('fontFamily', GLOBAL_FONT).appendTo($footer); $cancelBtn.on('click', closeModal); if (onSubmit) { var $submitBtn = $('<button>').text(msg('confirm')).addClass('mw-ui-button mw-ui-progressive').css('fontFamily', GLOBAL_FONT).appendTo($footer); if (onReady) onReady($content, $submitBtn, closeModal); $submitBtn.on('click', function () { if ($submitBtn.prop('disabled')) return; $submitBtn.prop('disabled', true).text(msg('please_wait')); onSubmit($content, closeModal, function () { $submitBtn.prop('disabled', false).text(msg('confirm')); }); }); } else { if (onReady) onReady($content, null, closeModal); } } // ========================================================== // 2. HELPER: API Functions // ========================================================== async function notifyCreator(pageTitle, type, csdReason) { var api = new mw.Api(); try { var data = await api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', titles: pageTitle, rvprop: 'user', rvdir: 'newer', rvlimit: 1, formatversion: 2 }); var user = data.query.pages[0] && data.query.pages[0].revisions ? data.query.pages[0].revisions[0].user : null; if (!user || user.includes(':')) return; var talkPage = 'User talk:' + user; var summaryMsg = ''; var noticeContent = ''; if (type === 'xfd') { noticeContent = window.ToolBoxMessages.notifyMessages.xfd.replace(/\$PAGE_NAME/g, cleanPageName); summaryMsg = msg('notify_xfd_summary', cleanPageName); } else if (type === 'csd') { noticeContent = window.ToolBoxMessages.notifyMessages.csd.replace(/\$PAGE_NAME/g, cleanPageName).replace(/\$CSD_REASON/g, csdReason); summaryMsg = msg('notify_csd_summary', cleanPageName); } await api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: talkPage, appendtext: noticeContent, summary: withSummarySuffix(summaryMsg) }); } catch (e) { console.error("Creator notification failed:", e); } } async function deleteTalkPage(pageName, summary) { try { var titleObj = new mw.Title(pageName); if (titleObj && !titleObj.isTalkPage()) { var talkPage = titleObj.getTalkPage().getPrefixedText(); var api = new mw.Api(); await api.postWithToken('csrf', { action: 'delete', title: talkPage, reason: summary }); } } catch (e) { // Silently ignore if talk page doesn't exist } } async function updateNoticeboardForProtection(pageName) { var api = new mw.Api(); try { var data = await api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: ADMIN_BOARD_PAGE }); var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; if (pageId === '-1') return; var wikitext = data.query.pages[pageId].revisions[0]['*']; var escapedName = pageName.replace(/[.*+?^${}()|[\]\\]/g, '\\$&'); var sectionRegex = new RegExp('==\\s*\\[\\[' + escapedName + '\\]\\] (?:পাতাটি সুরক্ষার আবেদন|Protection request).*?==[\\s\\S]*?(?=\\n==[^=]|$)', 'gi'); var match; var lastMatchText = null; var lastMatchIndex = -1; while ((match = sectionRegex.exec(wikitext)) !== null) { lastMatchText = match[0]; lastMatchIndex = match.index; } if (lastMatchIndex !== -1) { var before = wikitext.substring(0, lastMatchIndex); var after = wikitext.substring(lastMatchIndex + lastMatchText.length); var newWikitext = before + lastMatchText.replace(/\s+$/, '') + '\n::- ' + DONE_TMPL + ' ~~~~\n\n' + after.replace(/^\s*/, ''); await api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: ADMIN_BOARD_PAGE, text: newWikitext, summary: withSummarySuffix(msg('notice_prot_done', pageName)) }); } } catch (e) { console.error('Noticeboard update failed:', e); } } async function fetchProtectionDetails(pageName) { var api = new mw.Api(); try { var data = await api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: pageName }); var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; if (pageId === '-1') return null; var wikitext = data.query.pages[pageId].revisions[0]['*']; var protRegex = new RegExp('\\{\\{' + PROT_TEMPLATE + '(?:\\|([^}\\|]+))?(?:\\|([^}]+))?\\}\\}', 'i'); var match = wikitext.match(protRegex); if (match) { return { expiry: match[1] ? match[1].trim() : null, reason: match[2] ? match[2].trim() : null }; } return null; } catch (e) { return null; } } async function fetchCSDReason(pageName) { var api = new mw.Api(); try { var data = await api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: pageName }); var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; if (pageId === '-1') return null; var wikitext = data.query.pages[pageId].revisions[0]['*']; var csdRegex = new RegExp('\\{\\{(?:' + CSD_TEMPLATE + '|delete)\\|([^}]+)\\}\\}', 'i'); var match = wikitext.match(csdRegex); return match ? match[1].trim() : null; } catch (e) { return null; } } async function removeProtectionTemplate(pageName) { var api = new mw.Api(); try { var data = await api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: pageName }); var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; if (pageId === '-1') return; var wikitext = data.query.pages[pageId].revisions[0]['*']; var protRegex = new RegExp('\\{\\{' + PROT_TEMPLATE + '(?:\\|[^}]+)?\\}\\}\\n?', 'gi'); var newWikitext = wikitext.replace(protRegex, ''); if (newWikitext !== wikitext) { await api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: pageName, text: newWikitext, summary: withSummarySuffix(msg('temp_removed_prot')) }); } } catch (e) { console.error('Template removal failed:', e); } } // ========================================================== // 3. ACTIONS LOGIC // ========================================================== // CSD function openCSDDialog() { var defaultSummary = msg('def_sum_csd'); var csdCriteriaLists = window.ToolBoxMessages.csdCriteriaLists; var optionsHtml = ''; for (var group in csdCriteriaLists) { optionsHtml += '<optgroup label="' + group + '">'; csdCriteriaLists[group].forEach(function(reason) { optionsHtml += '<option value="' + reason + '">' + reason + '</option>'; }); optionsHtml += '</optgroup>'; } var formHtml = '<label style="font-weight:bold;">' + msg('csd_reason') + '</label><br>' + '<select id="csd-reason" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + optionsHtml + '</select><br><br>' + '<div id="csd-custom-box" style="display:none;">' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('custom_rationale') + '</label><br>' + '<input type="text" id="csd-custom-reason" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';" placeholder="' + msg('custom_reason_placeholder') + '"><br><br></div>' + '<div id="csd-warning-box" style="display:none; color:#d33; font-size:0.9em; margin-bottom:15px; padding:8px; background-color:#fee7e6; border:1px solid #d33; border-radius:2px;">' + msg('csd_warning') + '</div>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br>' + '<input type="text" id="edit-summary" value="' + defaultSummary + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('csd_nomination'), formHtml, function($content) { $content.find('#csd-reason').on('change', function() { var selected = $(this).val(); $content.find('#csd-custom-box, #csd-warning-box').hide(); if (selected === 'নিজস্ব বিচারধারা' || selected === 'Custom rationale') { $content.find('#csd-custom-box').show(); } else if (selected === 'অনুল্লেখ্য বিষয়বস্তু' || selected === 'Insignificant content') { $content.find('#csd-warning-box').show(); } }); }, function($content, close, enableBtn) { var selectedReason = $content.find('#csd-reason').val(); var finalReason = selectedReason; if (selectedReason === 'নিজস্ব বিচারধারা' || selected === 'Custom rationale') { finalReason = $content.find('#csd-custom-reason').val().trim(); if (!finalReason) { alert(msg('alert_reason')); enableBtn(); return; } } var summaryText = $content.find('#edit-summary').val().trim() || defaultSummary; var csdTemplateFull = '{{' + CSD_TEMPLATE + '|' + finalReason + '}}\n'; var api = new mw.Api(); api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: currentPage, prependtext: csdTemplateFull, summary: withSummarySuffix(summaryText) }).then(function() { return notifyCreator(currentPage, 'csd', finalReason); }).then(function() { mw.notify(msg('success_csd')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1500); }).catch(function(err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } // Add Tags Dialog function openAddTagsDialog() { var tagsConfig = window.ToolBoxMessages.tagsConfig || []; var optionsHtml = ''; tagsConfig.forEach(function(tag, index) { optionsHtml += '<label style="display:block; margin-bottom:8px;"><input type="radio" name="tag-select" value="' + index + '"> ' + tag.label + '</label>'; }); var formHtml = '<div style="margin-bottom:15px; font-weight:bold;">' + msg('select_tags') + '</div>' + '<div style="margin-bottom:15px;">' + optionsHtml + '</div>' + '<div id="tag-target-box" style="display:none; margin-bottom:15px;">' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('target_page') + '</label><br>' + '<input type="text" id="tag-target-page" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';" placeholder="' + msg('target_page_placeholder') + '">' + '</div>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br>' + '<input type="text" id="edit-summary" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('add_tags_title'), formHtml, function($content, $submitBtn) { if ($submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', true); $content.find('input[name="tag-select"]').on('change', function() { var selectedIdx = $(this).val(); var tag = tagsConfig[selectedIdx]; $content.find('#edit-summary').val(tag.summary); if (tag.requiresTarget) { $content.find('#tag-target-box').show(); if ($submitBtn) { $submitBtn.prop('disabled', $content.find('#tag-target-page').val().trim() === ''); } } else { $content.find('#tag-target-box').hide(); if ($submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', false); } }); $content.find('#tag-target-page').on('input', function() { var selectedIdx = $content.find('input[name="tag-select"]:checked').val(); if (selectedIdx && tagsConfig[selectedIdx].requiresTarget) { if ($submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', $(this).val().trim() === ''); } }); }, function($content, close, enableBtn) { var selectedIdx = $content.find('input[name="tag-select"]:checked').val(); if (!selectedIdx) { alert(msg('alert_tag')); enableBtn(); return; } var tag = tagsConfig[selectedIdx]; var templateToPrepend = tag.tmpl; var summaryText = $content.find('#edit-summary').val().trim() || msg('def_sum_tags'); if (tag.requiresTarget) { var targetPage = $content.find('#tag-target-page').val().trim(); if (!targetPage) { alert(msg('alert_target')); enableBtn(); return; } templateToPrepend = templateToPrepend.replace('$1', targetPage); } var api = new mw.Api(); api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: currentPage, prependtext: templateToPrepend, summary: withSummarySuffix(summaryText) }).then(function() { mw.notify(msg('success_tags')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1200); }).catch(function(err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } // XfD function openNominationDialog() { var defaultSummary = msg('def_sum_xfd', cleanPageName); var formHtml = '<label style="font-weight:bold;">' + msg('xfd_reason') + '</label><br>' + '<textarea id="nom-reason" placeholder="' + msg('xfd_placeholder') + '" style="width:100%; height:100px; margin-top:8px; padding:5px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';"></textarea>' + '<br><label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br>' + '<input type="text" id="edit-summary" value="' + defaultSummary + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('xfd_nomination'), formHtml, function () {}, function ($content, close, enableBtn) { var reason = $content.find('#nom-reason').val().trim(); if (!reason) { alert(msg('alert_xfd_reason')); enableBtn(); return; } var summaryText = $content.find('#edit-summary').val().trim() || defaultSummary; var api = new mw.Api(); api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: currentPage, prependtext: DELETE_TEMPLATE + '\n', summary: withSummarySuffix(summaryText) }).then(function () { var boardText = '== [[' + cleanPageName + ']] ==\n'; boardText += XFD_NOTICE + '\n'; boardText += reason + ' ― ~~~~\n'; boardText += XFD_SEC_SUPPORT + '\n' + XFD_SEC_OPPOSE + '\n' + XFD_SEC_COMMENT + '\n'; return api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: BOARD_PAGE, appendtext: '\n' + boardText, summary: withSummarySuffix(summaryText) }); }).then(function () { return notifyCreator(currentPage, 'xfd', null); }).then(function () { mw.notify(msg('success_xfd')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1500); }).catch(function (err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } // Protection Nomination function openProtectionNominationDialog() { var defaultSummary = msg('def_sum_prot', cleanPageName); var formHtml = getProtDropdownsHtml(false) + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('prot_reason_opt') + '</label><br>' + '<input type="text" id="prot-reason" placeholder="' + msg('prot_placeholder') + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; margin-bottom:12px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br>' + '<input type="text" id="edit-summary" value="' + defaultSummary + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('prot_nomination'), formHtml, function ($content) { bindProtDropdownEvents($content); }, function ($content, close, enableBtn) { var isSemi = $content.find('#prot-level').val() === 'autoconfirmed'; var protType = isSemi ? 'অর্ধ' : 'পূর্ণ'; var userReason = $content.find('#prot-reason').val().trim(); var expiryVal = $content.find('#prot-expiry').val(); var durationText = expiryVal === 'othertime' ? $content.find('#prot-other-time').val().trim() : $content.find('#prot-expiry option:selected').text(); var templateExpiry = expiryVal === 'othertime' ? durationText : expiryVal; if (expiryVal === 'othertime' && !durationText) { alert(msg('alert_custom_expiry')); enableBtn(); return; } var summaryText = $content.find('#edit-summary').val().trim() || defaultSummary; var templateStr = '{{' + PROT_TEMPLATE + '|' + templateExpiry + (userReason ? '|' + userReason : '') + '}}\n'; var api = new mw.Api(); api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: currentPage, prependtext: templateStr, summary: withSummarySuffix(summaryText) }).then(function () { var appendText = '\n{{subst:' + ADMIN_PROT_TEMPLATE + '|' + cleanPageName + '|' + userReason + '|' + durationText + '|' + protType + '}}'; return api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: ADMIN_BOARD_PAGE, appendtext: appendText, summary: withSummarySuffix(msg('admin_prot_req', cleanPageName)) }); }).then(function () { mw.notify(msg('success_prot')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1500); }).catch(function (err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } // Welcome User function openWelcomeDialog() { var options = window.ToolBoxMessages.welcomeTemplates || []; var optionsHtml = ''; options.forEach(function(opt) { optionsHtml += '<option value="' + opt + '">' + opt + '</option>'; }); var formHtml = '<label style="font-weight:bold;">' + msg('select_welcome') + '</label><br>' + '<select id="welcome-tmpl" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + optionsHtml + '</select><br><br>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('preview') + '</label><br>' + '<div id="welcome-preview" style="width:100%; height:200px; overflow-y:auto; padding:8px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; border:1px solid #ccc; background:#f9f9f9; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';"><em>' + msg('loading') + '</em></div>'; showModal(msg('welcome_user_title', targetUser), formHtml, function($content) { var api = new mw.Api(); var $previewBox = $content.find('#welcome-preview'); function updatePreview() { var tmpl = $content.find('#welcome-tmpl').val(); $previewBox.html('<em>' + msg('loading') + '</em>'); api.post({ action: 'parse', text: '{{' + tmpl + '}}', contentmodel: 'wikitext', title: userTalkPage || 'User talk:Example', disablelimitreport: 1, disableeditsection: 1, format: 'json' }).then(function(data) { if (data && data.parse && data.parse.text) { $previewBox.html(data.parse.text['*']); } else { $previewBox.html('<em style="color:red;">' + msg('preview_failed') + '</em>'); } }).catch(function() { $previewBox.html('<em style="color:red;">' + msg('preview_failed') + '</em>'); }); } $content.find('#welcome-tmpl').on('change', updatePreview); updatePreview(); // Load preview initially }, function($content, close, enableBtn) { var tmpl = $content.find('#welcome-tmpl').val(); var textToAppend = '\n\n{{subst:' + tmpl + '}}'; var api = new mw.Api(); api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: userTalkPage, appendtext: textToAppend, summary: withSummarySuffix(msg('def_sum_welcome')) }).then(function() { mw.notify(msg('success_welcome')); close(); if (currentPage === userTalkPage) { setTimeout(function () { location.reload(); }, 1200); } else { setTimeout(function () { window.location.href = mw.util.getUrl(userTalkPage); }, 1200); } }).catch(function(err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } // Warn User function openWarnDialog() { var warningsConfig = window.ToolBoxMessages.warningsConfig || {}; var optionsHtml = ''; for (var key in warningsConfig) { optionsHtml += '<option value="' + key + '">' + warningsConfig[key].label + '</option>'; } var firstKey = Object.keys(warningsConfig)[0]; var formHtml = '<label style="font-weight:bold;">' + msg('warn_type') + '</label><br>' + '<select id="warn-type" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + optionsHtml + '</select><br><br>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_message') + '</label><br>' + '<textarea id="warn-preview" style="width:100%; height:120px; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">\n\n' + (warningsConfig[firstKey] ? warningsConfig[firstKey].text : '') + '</textarea><br><br>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br>' + '<input type="text" id="warn-summary" value="' + msg('def_sum_warn', (warningsConfig[firstKey] ? warningsConfig[firstKey].label : '')) + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('warn_user_title', targetUser), formHtml, function($content) { $content.find('#warn-type').on('change', function() { var selected = $(this).val(); $content.find('#warn-preview').val('\n\n' + warningsConfig[selected].text); $content.find('#warn-summary').val(msg('def_sum_warn', warningsConfig[selected].label)); }); }, function($content, close, enableBtn) { var textToAppend = $content.find('#warn-preview').val(); var summaryText = $content.find('#warn-summary').val().trim() || msg('def_sum_warn', 'User'); var api = new mw.Api(); api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: userTalkPage, appendtext: textToAppend, summary: withSummarySuffix(summaryText) }).then(function() { mw.notify(msg('success_warn')); close(); if (currentPage === userTalkPage) { setTimeout(function () { location.reload(); }, 1200); } else { setTimeout(function () { window.location.href = mw.util.getUrl(userTalkPage); }, 1200); } }).catch(function(err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } // Admin Tasks function openAdminDialog() { var formHtml = '<div style="margin-bottom: 10px;">' + '<label style="font-weight: bold; display: block; margin-bottom: 5px;">' + msg('select_task') + '</label>' + '<div style="margin-bottom: 15px;">' + '<label style="display:block; margin-bottom:4px;"><input type="radio" name="admin-action" value="cat_csd" checked> ' + msg('task_cat_csd') + '</label>' + '<label style="display:block; margin-bottom:4px;"><input type="radio" name="admin-action" value="cat_protect"> ' + msg('task_cat_prot') + '</label>' + '<label style="display:block; margin-bottom:4px;"><input type="radio" name="admin-action" value="manual_delete"> ' + msg('task_manual_del') + '</label>' + '<label style="display:block; margin-bottom:4px;"><input type="radio" name="admin-action" value="manual_protect"> ' + msg('task_manual_prot') + '</label>' + '</div>' + '<div id="admin-manual-inputs" style="display:none;">' + '<label style="font-weight: bold; display: block; margin-bottom: 5px;">' + msg('page_list') + '</label>' + '<textarea id="admin-pages" style="width: 100%; height: 120px; padding: 8px; margin-bottom: 5px; box-sizing: border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';" placeholder="' + msg('page_list_placeholder') + '"></textarea>' + '<div id="admin-pages-preview" style="margin-bottom: 10px; font-size: 0.9em; background: #f8f9fa; padding: 5px; border: 1px dashed #ccc; border-radius: 3px; display:none;"></div>' + '</div>' + '<div id="admin-cat-inputs" style="max-height: 200px; overflow-y: auto; border: 1px solid #ccc; padding: 8px; margin-bottom: 15px; background: #f8f9fa;">' + '<em>' + msg('loading') + '</em>' + '</div>' + '<div id="admin-protect-options" style="display:none; padding:10px; background:#f0f8ff; border:1px solid #c8d8f8; border-radius:4px; margin-bottom:15px;">' + getProtDropdownsHtml(true) + '</div>' + '<label style="font-weight: bold; display: block; margin-bottom: 5px;">' + msg('reason_summary') + '</label>' + '<input type="text" id="admin-reason" style="width: 100%; padding: 8px; box-sizing: border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + '</div>'; showModal(msg('admin_tasks'), formHtml, function($content, $submitBtn) { var api = new mw.Api(); bindProtDropdownEvents($content); function updateManualLinksPreview() { var action = $content.find('input[name="admin-action"]:checked').val(); var isProtect = (action === 'manual_protect'); var pages = $content.find('#admin-pages').val().split('\n').map(function(p) { return p.trim(); }).filter(function(p) { return p !== ''; }); var $previewBox = $content.find('#admin-pages-preview'); if (pages.length === 0) { $previewBox.hide().empty(); return; } var html = '<strong>' + msg('page_links') + '</strong><ul style="margin: 5px 0 0 20px; padding: 0;">'; pages.forEach(function(p) { var url = isProtect ? mw.util.getUrl(p, { action: 'history' }) : mw.util.getUrl(p); html += '<li><a href="' + url + '" target="_blank" style="text-decoration:none; color:#0645ad; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + p + '</a></li>'; }); html += '</ul>'; $previewBox.html(html).show(); } $content.find('#admin-pages').on('input', updateManualLinksPreview); function loadCategory(catName) { var isProtect = catName.indexOf('সুরক্ষা') !== -1 || catName.indexOf('protect') !== -1; var $catBox = $content.find('#admin-cat-inputs').html('<em>' + msg('loading') + '</em>'); api.get({ action: 'query', list: 'categorymembers', cmtitle: catName, cmlimit: 'max' }).then(function(data) { var pages = data.query.categorymembers; if (pages.length === 0) { $catBox.html('<em>' + msg('cat_empty') + '</em>'); return; } var html = ''; pages.forEach(function(p) { var url = isProtect ? mw.util.getUrl(p.title, { action: 'history' }) : mw.util.getUrl(p.title); html += '<label style="display:block; margin-bottom:4px;"><input type="checkbox" class="admin-cat-cb" value="' + p.title + '" checked> <a href="' + url + '" target="_blank" style="text-decoration:none; color:#0645ad; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + p.title + '</a></label>'; }); $catBox.html(html); $content.find('.admin-cat-cb').first().trigger('change'); // Trigger logic for checked state }); } var csdCatDefault = localConfig.csdCategory || 'বিষয়শ্রেণী:দ্রুত অপসারণের যোগ্য'; loadCategory(window.ToolBoxMessages.csdCategoryName || csdCatDefault); $content.find('input[name="admin-action"]').on('change', function() { var action = $(this).val(); if (action === 'manual_delete' || action === 'manual_protect') { $content.find('#admin-manual-inputs').show(); $content.find('#admin-cat-inputs').hide(); updateManualLinksPreview(); // Refresh links when action changes } else { $content.find('#admin-manual-inputs').hide(); $content.find('#admin-cat-inputs').show(); var catName = action === 'cat_csd' ? (window.ToolBoxMessages.csdCategoryName || csdCatDefault) : (window.ToolBoxMessages.protCategoryName || (localConfig.protCategory || 'বিষয়শ্রেণী:সুরক্ষার প্রস্তাবসহ পাতা')); loadCategory(catName); } if (action === 'manual_protect' || action === 'cat_protect') { $content.find('#admin-protect-options').show(); } else { $content.find('#admin-protect-options').hide(); } }); // Auto-fill inputs if exactly 1 page is checked in category $content.find('#admin-cat-inputs').on('change', '.admin-cat-cb', async function() { var action = $content.find('input[name="admin-action"]:checked').val(); var $checked = $content.find('.admin-cat-cb:checked'); if ($checked.length === 1) { var page = $checked.val(); if (action === 'cat_protect') { var details = await fetchProtectionDetails(page); if (details) { $content.find('#admin-reason').val(details.reason ? details.reason : ''); if (details.expiry) { var $expiryOpt = $content.find('#prot-expiry option[value="' + details.expiry + '"]'); if ($expiryOpt.length) { $content.find('#prot-expiry').val(details.expiry).trigger('change'); } else { $content.find('#prot-expiry').val('othertime').trigger('change'); $content.find('#prot-other-time').val(details.expiry); } } } } else if (action === 'cat_csd') { var csdReason = await fetchCSDReason(page); $content.find('#admin-reason').val(csdReason ? csdReason : ''); } } else { $content.find('#admin-reason').val(''); if (action === 'cat_protect') { $content.find('#prot-expiry').val('auto').trigger('change'); $content.find('#prot-other-time').val(''); } } }); }, async function($content, close, enableBtn) { var action = $content.find('input[name="admin-action"]:checked').val(); var pages = []; if (action === 'manual_delete' || action === 'manual_protect') { pages = $content.find('#admin-pages').val().split('\n').map(function(p) { return p.trim(); }).filter(function(p) { return p !== ''; }); } else { $content.find('.admin-cat-cb:checked').each(function() { pages.push($(this).val()); }); } var reason = $content.find('#admin-reason').val().trim(); if (pages.length === 0) { alert(msg('alert_no_pages')); enableBtn(); return; } // Protection variables logic var selLevel = $content.find('#prot-level').val(); var protLevelReq = 'edit=' + selLevel + '|move=' + selLevel; var expiryVal = $content.find('#prot-expiry').val(); var protExpiryReq = expiryVal === 'othertime' ? $content.find('#prot-other-time').val().trim() : expiryVal; if ((action === 'manual_protect' || action === 'cat_protect') && expiryVal === 'othertime' && !protExpiryReq) { alert(msg('alert_custom_expiry')); enableBtn(); return; } mw.notify(msg('admin_start', pages.length), { autoHide: false }); var api = new mw.Api(); var successCount = 0; for (var i = 0; i < pages.length; i++) { var page = pages[i]; try { if (action === 'manual_delete' || action === 'cat_csd') { var delReason = reason || (action === 'cat_csd' ? msg('cat_csd_reason') : msg('mass_del')); await api.postWithToken('csrf', { action: 'delete', title: page, reason: withSummarySuffix(delReason) }); await deleteTalkPage(page, withSummarySuffix(delReason)); } else if (action === 'manual_protect' || action === 'cat_protect') { var protReason = msg('mass_prot'); var pageExpiry = protExpiryReq; var details = null; if (action === 'cat_protect') { protReason = msg('prot_accepted'); details = await fetchProtectionDetails(page); // Apply automatic expiry if selected if (protExpiryReq === 'auto') { pageExpiry = (details && details.expiry) ? details.expiry : 'infinite'; } // If reason box is empty, use reason from template if (!reason && details && details.reason) { protReason = details.reason; } } else if (protExpiryReq === 'auto') { pageExpiry = 'infinite'; } if (reason !== '') { protReason = reason; } await api.postWithToken('csrf', { action: 'protect', title: page, protections: protLevelReq, expiry: pageExpiry, reason: withSummarySuffix(protReason) }); if (action === 'cat_protect') { await removeProtectionTemplate(page); await updateNoticeboardForProtection(page); } } successCount++; } catch (e) { console.error('Failed on ' + page, e); } } mw.notify(msg('admin_success', successCount)); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1500); }, reopenMainMenu); } // ========================================================== // 4. BOARD ACTIONS (Voting & Closing) // ========================================================== mw.hook('wikipage.content').add(function ($content) { if (isBoardPage) { $content.find('.mw-editsection').each(function () { var $editSection = $(this); if ($editSection.find('.del-script-btns').length > 0) return; var $editLink = $editSection.find('a[href*="section="]').first(); if ($editLink.length === 0) return; var $heading = $editSection.closest('h2, .mw-heading2'); if ($heading.length === 0) return; var $headline = $heading.find('.mw-headline'); var $clone = $headline.length > 0 ? $headline.clone() : $heading.clone(); $clone.find('[class*="editsection"], [class*="discussiontools"], [class*="mw-headline-number"]').remove(); var targetPageName = $clone.text().trim(); targetPageName = targetPageName.replace(/^\[\s*(?:অনুসরণ কর(?:ুন|বেন না)|Subscribe|Unsubscribe|Follow|Unfollow)?\s*\]\s*/gi, '') .replace(/\s*\[\s*(?:অনুসরণ কর(?:ুন|বেন না)|Subscribe|Unsubscribe|Follow|Unfollow)?\s*\]\s*$/gi, '') .replace(/^\[\s*\]\s*/, '') .replace(/\s*\[\s*\]$/, '') .trim(); if (!targetPageName) return; var editHref = $editLink.attr('href') || ''; var sectionMatch = editHref.match(/[&?]section=([^&]+)/); if (!sectionMatch) return; var sectionId = sectionMatch[1]; if ($heading.next('.del-script-btns').length > 0) return; var $btnWrapper = $('<div>').addClass('del-script-btns').css({ 'display': 'flex', 'gap': '8px', 'margin-top': '8px', 'margin-bottom': '12px' }); $heading.after($btnWrapper); var $voteBtn = $('<button>').text(msg('vote_btn')).addClass('mw-ui-button').css({ 'font-size': '12px', 'padding': '2px 8px', fontFamily: GLOBAL_FONT }); $voteBtn.on('click', function () { openVoteDialog(sectionId, targetPageName); }); $btnWrapper.append($voteBtn); if (isAdmin) { var $closeBtn = $('<button>').text(msg('decision_btn')).addClass('mw-ui-button mw-ui-destructive').css({ 'font-size': '12px', 'padding': '2px 8px', fontFamily: GLOBAL_FONT }); $closeBtn.on('click', function () { openDecisionDialog(sectionId, targetPageName); }); $btnWrapper.append($closeBtn); } }); } else if (isAdmin && ns >= 0) { // Admin CSD Button var pageCategories = mw.config.get('wgCategories') || []; var targetCategoryName = window.ToolBoxMessages.csdCategoryName || (localConfig.csdCategory || 'দ্রুত অপসারণের যোগ্য'); targetCategoryName = targetCategoryName.replace(/^(বিষয়শ্রেণী|Category):/i, ''); var isCSDCandidate = pageCategories.indexOf(targetCategoryName) !== -1; if (isCSDCandidate && $content.find('.toolbox-csd-admin-btn').length === 0) { var $csdBox = $content.find('.ambox-speedy, .mbox-speedy, .ambox-delete'); if ($csdBox.length === 0) { $csdBox = $content.find('.ambox, .mbox, table[class*="mbox"], div[class*="mbox"]').filter(function() { return $(this).text().indexOf('দ্রুত অপসারণ') !== -1 || $(this).text().indexOf('Speedy') !== -1; }); } var $btnWrapper = $('<div>').css({ 'margin-top': '10px', 'padding': '10px', 'background-color': '#fee7e6', 'border': '1px solid #d33', 'display': 'inline-block', 'border-radius': '2px' }); var $deleteBtn = $('<button>') .text(msg('admin_csd_btn')) .addClass('mw-ui-button mw-ui-destructive toolbox-csd-admin-btn') .css({ 'font-weight': 'bold', 'cursor': 'pointer', fontFamily: GLOBAL_FONT }); $deleteBtn.on('click', openAdminDirectDeleteDialog); $btnWrapper.append($deleteBtn); if ($csdBox.length > 0) { var $mboxText = $csdBox.find('.mbox-text'); if ($mboxText.length > 0) { $mboxText.append($btnWrapper); } else { $csdBox.append($btnWrapper); } } else { var $parserOutput = $content.find('.mw-parser-output'); if ($parserOutput.length > 0) { $parserOutput.prepend($btnWrapper); } else { $content.prepend($btnWrapper); } } } } }); function openAdminDirectDeleteDialog() { var csdCriteriaLists = window.ToolBoxMessages.csdCriteriaLists || {}; var api = new mw.Api(); mw.notify(msg('checking_page'), { autoHide: true }); api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: currentPage }).then(function(data) { var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; var wikitext = pageId !== '-1' ? (data.query.pages[pageId].revisions[0]['*'] || '') : ''; var csdRegex = new RegExp('\\{\\{(?:' + CSD_TEMPLATE + '|delete)\\|([^}]+)\\}\\}', 'i'); var match = wikitext.match(csdRegex); var extractedReason = match ? match[1].trim() : ''; var optionsHtml = '<option value="">' + msg('admin_del_reason_opt') + '</option>'; for (var group in csdCriteriaLists) { optionsHtml += '<optgroup label="' + group + '">'; csdCriteriaLists[group].forEach(function(reason) { optionsHtml += '<option value="' + reason + '">' + reason + '</option>'; }); optionsHtml += '</optgroup>'; } var formHtml = '<label style="font-weight:bold;">' + msg('admin_del_reason_sel') + '</label><br>' + '<select id="admin-del-reason-sel" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + optionsHtml + '</select><br><br>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('admin_del_reason_txt') + '</label><br>' + '<input type="text" id="admin-del-reason-txt" value="' + extractedReason + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';"><br><br>' + '<label style="display:block;"><input type="checkbox" id="admin-del-talk" checked> ' + msg('admin_del_talk') + '</label>'; showModal(msg('menu_del'), formHtml, function($content) { $content.find('#admin-del-reason-sel').on('change', function() { var val = $(this).val(); if (val) { $content.find('#admin-del-reason-txt').val(val); } }); }, function($content, close, enableBtn) { var finalReason = $content.find('#admin-del-reason-txt').val().trim() || msg('cat_csd_reason'); var delTalk = $content.find('#admin-del-talk').is(':checked'); api.postWithToken('csrf', { action: 'delete', title: currentPage, reason: withSummarySuffix(finalReason) }).then(function() { if (delTalk) { return deleteTalkPage(currentPage, withSummarySuffix(finalReason)); } return $.Deferred().resolve(); }).then(function() { mw.notify(msg('success_deleted')); close(); setTimeout(function() { location.reload(); }, 1200); }).catch(function(err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); }).catch(function(err) { alert(msg('error') + err); }); } function openAdminDirectProtectDialog() { var formHtml = getProtDropdownsHtml(false) + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('prot_reason_req') + '</label><br>' + '<input type="text" id="prot-reason" placeholder="' + msg('prot_placeholder') + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; margin-bottom:12px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('protect_page'), formHtml, function ($content) { bindProtDropdownEvents($content); }, function ($content, close, enableBtn) { var selLevel = $content.find('#prot-level').val(); var protLevelReq = 'edit=' + selLevel + '|move=' + selLevel; var userReason = $content.find('#prot-reason').val().trim() || msg('prot_def_reason'); var expiryVal = $content.find('#prot-expiry').val(); var protExpiryReq = expiryVal === 'othertime' ? $content.find('#prot-other-time').val().trim() : expiryVal; if (expiryVal === 'othertime' && !protExpiryReq) { alert(msg('alert_custom_expiry')); enableBtn(); return; } var api = new mw.Api(); api.postWithToken('csrf', { action: 'protect', title: currentPage, protections: protLevelReq, expiry: protExpiryReq, reason: withSummarySuffix(userReason) }).then(function () { return removeProtectionTemplate(currentPage); }).then(function () { mw.notify(msg('success_protected')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1500); }).catch(function (err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } function openVoteDialog(sectionId, targetPageName) { var defaultSummary = msg('vote_def_summary'); var formHtml = '<div style="margin-bottom:15px; font-weight:bold;">' + msg('vote_instruction') + '</div>' + '<div style="margin-bottom:15px;">' + '<label style="margin-right:15px; cursor:pointer;"><input type="radio" name="vtype" value="support"> ' + msg('support') + '</label>' + '<label style="margin-right:15px; cursor:pointer;"><input type="radio" name="vtype" value="oppose"> ' + msg('oppose') + '</label>' + '<label style="cursor:pointer;"><input type="radio" name="vtype" value="none"> ' + msg('comment') + '</label>' + '</div>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('reason_comment') + '</label><br>' + '<input type="text" id="vote-comment" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + '<br><br><label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br>' + '<input type="text" id="edit-summary" value="' + defaultSummary + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('vote_title', targetPageName), formHtml, function ($content, $submitBtn) { if ($submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', true).css('opacity', '0.5'); var validateForm = function () { var vtype = $content.find('input[name="vtype"]:checked').val(); var comment = $content.find('#vote-comment').val().trim(); var isValid = false; if (vtype === 'support' || vtype === 'oppose') isValid = true; if (comment !== '') isValid = true; if (isValid && $submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', false).css('opacity', '1'); else if ($submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', true).css('opacity', '0.5'); }; $content.find('input').on('change keyup input', validateForm); }, function ($content, close, enableBtn) { var vtype = $content.find('input[name="vtype"]:checked').val() || 'none'; var comment = $content.find('#vote-comment').val().trim(); var summaryText = $content.find('#edit-summary').val().trim() || defaultSummary; var api = new mw.Api(); api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', rvsection: sectionId, titles: BOARD_PAGE }).then(function (data) { var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; var wikitext = data.query.pages[pageId].revisions[0]['*']; var voteStr = '* '; if (vtype === 'support') voteStr += VOTE_SUPPORT_TMPL + ' '; if (vtype === 'oppose') voteStr += VOTE_OPPOSE_TMPL + ' '; if (comment) voteStr += (vtype !== 'none' ? '- ' : '') + comment + ' '; else if (vtype !== 'none') voteStr += '- '; voteStr += ' ~~~~\n'; var newText = wikitext; var supportRegex = new RegExp('(' + XFD_SEC_SUPPORT.replace(/[-[\]{}()*+?.,\\^$|#\s]/g, '\\$&') + '[ \\t]*\\r?\\n)', 'i'); var opposeRegex = new RegExp('(' + XFD_SEC_OPPOSE.replace(/[-[\]{}()*+?.,\\^$|#\s]/g, '\\$&') + '[ \\t]*\\r?\\n)', 'i'); var commentRegex = new RegExp('(' + XFD_SEC_COMMENT.replace(/[-[\]{}()*+?.,\\^$|#\s]/g, '\\$&') + '[ \\t]*\\r?\\n)', 'i'); if (vtype === 'support' && supportRegex.test(newText)) newText = newText.replace(supportRegex, '$1' + voteStr); else if (vtype === 'oppose' && opposeRegex.test(newText)) newText = newText.replace(opposeRegex, '$1' + voteStr); else { if (commentRegex.test(newText)) newText = newText.replace(commentRegex, '$1' + voteStr); else newText += '\n' + voteStr; } return api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: BOARD_PAGE, section: sectionId, text: newText, summary: withSummarySuffix(summaryText) }); }).then(function () { mw.notify(msg('success_vote')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1200); }).catch(function (err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }); } function openDecisionDialog(sectionId, targetPageName) { var defaultSummary = msg('decision_def_summary', targetPageName); var formHtml = '<div style="margin-bottom:15px; font-weight:bold;">' + msg('decision_instruction') + '</div>' + '<div style="margin-bottom:15px;">' + '<label style="margin-right:15px; cursor:pointer;"><input type="radio" name="ctype" value="deleted" required> ' + msg('deleted') + '</label>' + '<label style="cursor:pointer;"><input type="radio" name="ctype" value="kept"> ' + msg('kept') + '</label>' + '</div>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('comment_opt') + '</label><br>' + '<input type="text" id="close-comment" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + '<br><br><label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br>' + '<input type="text" id="edit-summary" value="' + defaultSummary + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('decision_title', targetPageName), formHtml, function ($content, $submitBtn) { if ($submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', true).css('opacity', '0.5'); $content.find('input[name="ctype"]').on('change', function () { if ($content.find('input[name="ctype"]:checked').val() && $submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', false).css('opacity', '1'); }); }, function ($content, close, enableBtn) { var ctype = $content.find('input[name="ctype"]:checked').val(); var comment = $content.find('#close-comment').val().trim(); var summaryText = $content.find('#edit-summary').val().trim() || defaultSummary; var api = new mw.Api(); var newRevId = null; api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', rvsection: sectionId, titles: BOARD_PAGE }).then(function (data) { var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; var wikitext = data.query.pages[pageId].revisions[0]['*']; var resultText = (ctype === 'deleted') ? msg('deleted') + '।' : msg('kept') + '।'; if (comment) resultText += ' ' + comment; var headerRegex = /^(==[^=]+==[ \t]*\r?\n)/; var newText = wikitext.replace(headerRegex, '$1' + ATOPR_TMPL.replace('$1', resultText) + '\n'); newText += '\n' + ABOT_TMPL; return api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: BOARD_PAGE, section: sectionId, text: newText, summary: withSummarySuffix(summaryText) }); }).then(function (editData) { newRevId = editData.edit.newrevid; if (ctype === 'deleted') { return api.postWithToken('csrf', { action: 'delete', title: targetPageName, reason: withSummarySuffix(msg('deleted_diff', newRevId)) }); } else { return api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: targetPageName }).then(function (targetData) { var targetPageId = Object.keys(targetData.query.pages)[0]; if (targetPageId === '-1') return $.Deferred().resolve(); var targetWikitext = targetData.query.pages[targetPageId].revisions[0]['*']; var coreDelTemp = DELETE_TEMPLATE.replace(/[{}]/g, ''); var delTemplateRegex = new RegExp('\\{\\{' + coreDelTemp + '\\}\\}\\n?', 'gi'); var updatedTargetText = targetWikitext.replace(delTemplateRegex, ''); return api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: targetPageName, text: updatedTargetText, summary: withSummarySuffix(msg('temp_removed_close')) }); }); } }).then(function () { mw.notify(msg('success_decision')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1200); }).catch(function (err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }); } // Restore Revision function openRestoreDialog(targetRevId) { var api = new mw.Api(); mw.notify(msg('checking_page'), { autoHide: true }); api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', revids: targetRevId, rvprop: 'user|content' }).then(function(data) { var pages = data.query.pages; var pageId = Object.keys(pages)[0]; if (pageId === '-1' || !pages[pageId].revisions) { alert(msg('error') + 'Revision not found.'); return; } var rev = pages[pageId].revisions[0]; var revUser = rev.user; var revContent = rev['*']; var defSummary = msg('def_sum_restore', revUser, targetRevId); var formHtml = '<div style="margin-bottom:15px; font-weight:bold; color:#0050d2;">' + msg('restore_prompt', targetRevId) + '</div>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('restore_reason') + '</label><br>' + '<input type="text" id="restore-reason" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('restore_title', targetRevId), formHtml, function($content) { setTimeout(function() { $content.find('#restore-reason').focus(); }, 100); }, function($content, close, enableBtn) { var customReason = $content.find('#restore-reason').val().trim(); var finalSummary = defSummary; if (customReason !== '') { finalSummary += ': ' + customReason; } api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: currentPage, text: revContent, summary: withSummarySuffix(finalSummary) }).then(function() { mw.notify(msg('success_restore')); close(); setTimeout(function () { window.location.href = mw.util.getUrl(currentPage); }, 1200); }).catch(function(err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); }).catch(function(err) { alert(msg('error') + err); }); } // ========================================================== // 5. MAIN MENU INTEGRATION // ========================================================== class ToolsMenu { open() { if (typeof window.ToolBoxMessages === 'undefined') { mw.notify(msg('config_loading'), { type: 'warn' }); return; } var html = '<div style="display:flex; flex-direction:column; gap:10px; padding: 10px 0;">'; if (ns >= 0 && !isBoardPage) { html += '<button class="mw-ui-button mw-ui-progressive" id="btn-main-tags" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('menu_tags') + '</button>'; if (isAdmin) { html += '<button class="mw-ui-button mw-ui-destructive" id="btn-main-admin-del" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('menu_del') + '</button>'; html += '<button class="mw-ui-button" id="btn-main-xfd" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('xfd_nomination') + '</button>'; html += '<button class="mw-ui-button" id="btn-main-admin-prot" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('menu_prot') + '</button>'; } else { html += '<button class="mw-ui-button mw-ui-destructive" id="btn-main-csd" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('menu_csd') + '</button>'; html += '<button class="mw-ui-button" id="btn-main-xfd" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('xfd_nomination') + '</button>'; html += '<button class="mw-ui-button" id="btn-main-prot" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('prot_nomination') + '</button>'; } } if (isUserSpace) { html += '<button class="mw-ui-button mw-ui-progressive" id="btn-main-welcome" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('menu_welcome') + '</button>'; html += '<button class="mw-ui-button mw-ui-destructive" id="btn-main-warn" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('menu_warn') + '</button>'; } if (isAdmin) { html += '<button class="mw-ui-button mw-ui-progressive" id="btn-main-admin" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('admin_tasks') + '</button>'; } html += '</div>'; if (html.indexOf('<button') === -1) { mw.notify(msg('no_tasks')); return; } showModal(msg('toolbox_title'), html, function($content, $submitBtn, close) { $content.find('#btn-main-tags').on('click', function() { close(); openAddTagsDialog(); }); if (isAdmin) { $content.find('#btn-main-admin-del').on('click', function() { close(); openAdminDirectDeleteDialog(); }); $content.find('#btn-main-admin-prot').on('click', function() { close(); openAdminDirectProtectDialog(); }); } else { $content.find('#btn-main-csd').on('click', function() { close(); preCheckAndRun('csd', openCSDDialog); }); $content.find('#btn-main-prot').on('click', function() { close(); preCheckAndRun('prot', openProtectionNominationDialog); }); } $content.find('#btn-main-xfd').on('click', function() { close(); preCheckAndRun('xfd', openNominationDialog); }); $content.find('#btn-main-welcome').on('click', function() { close(); openWelcomeDialog(); }); $content.find('#btn-main-warn').on('click', function() { close(); openWarnDialog(); }); $content.find('#btn-main-admin').on('click', function() { close(); openAdminDialog(); }); }, null, null); } } // ========================================================== // 6. INITIALIZE MENU LINKS // ========================================================== mw.loader.using(['mediawiki.util', 'mediawiki.api', 'mediawiki.Title']).then(function () { var svgIcon = '<svg xmlns="http://www.w3.org/2000/svg" width="20" height="20" viewBox="0 0 24 24" style="fill:currentColor; flex-shrink:0;"><path d="M21.71 3.29a1 1 0 0 0-1.42 0l-1.58 1.58-4.25-4.24-2 2 2.83 2.83-11 11a2 2 0 0 0 0 2.82l1.42 1.42a2 2 0 0 0 2.82 0l11-11 2.83 2.83 2-2-4.24-4.25 1.58-1.58a1 1 0 0 0 0-1.42z"/></svg>'; function openMenu(e) { e.preventDefault(); new ToolsMenu().open(); } function createToolboxBtn(idClass, extraClasses, customLabel, customIcon) { var label = customLabel || msg('toolbox'); var icon = customIcon !== undefined ? customIcon : svgIcon; var $btn = $('<a>', { href: '#', class: 'cdx-button cdx-button--fake-button cdx-button--fake-button--enabled cdx-button--weight-quiet ' + (extraClasses || ''), id: idClass, title: customLabel ? label : msg('toolbox_tooltip'), accesskey: customLabel ? null : 'x', css: { 'display': 'flex', 'align-items': 'center', 'gap': '6px', 'font-weight': 'bold' } }).html((icon ? icon : '') + '<span style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + label + '</span>'); if (!customLabel) { $btn.on('click', openMenu); } return $btn; } var $stickyHeaderIcons = $('.vector-sticky-header-icons'); if ($stickyHeaderIcons.length) { var $btn1 = createToolboxBtn('toolbox-btn-sticky', 'cdx-button--icon-only').css('margin-right', '4px'); $stickyHeaderIcons.prepend($btn1); } var $legacyHeader = $('.page-heading'); var $mainHeader = $('.mw-body-header'); if ($legacyHeader.length && !$mainHeader.length) { var $btn2 = createToolboxBtn('toolbox-btn-legacy').css({ 'display': 'inline-flex', 'margin-top': '8px' }); $('#firstHeading').after($btn2); } var portletId = $('#p-views').length ? 'p-views' : ($('#p-cactions').length ? 'p-cactions' : null); if (portletId) { var tabLink = mw.util.addPortletLink(portletId, '#', msg('toolbox'), 'ca-toolbox-tools', msg('toolbox_tooltip'), 'x', '#ca-view'); if (tabLink) { var $tabLink = $(tabLink); if (portletId === 'p-views') { var $a = $tabLink.find('a'); $a.html(svgIcon + '<span style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('toolbox') + '</span>').css({ 'display': 'flex', 'align-items': 'center', 'gap': '4px' }); } $tabLink.on('click', openMenu); } } // Restore Feature Detection var revId = mw.config.get('wgRevisionId'); var curRevId = mw.config.get('wgCurRevisionId'); var action = mw.config.get('wgAction'); var isDiff = mw.util.getParamValue('diff') !== null; var isOldRev = (revId > 0 && revId !== curRevId) || isDiff; if (isOldRev && action === 'view' && ns >= 0) { var restoreIcon = '<svg xmlns="http://www.w3.org/2000/svg" width="18" height="18" viewBox="0 0 24 24" style="fill:currentColor; flex-shrink:0;"><path d="M13 3a9 9 0 0 0-9 9H1l3.89 3.89.07.14L9 12H6c0-3.87 3.13-7 7-7s7 3.13 7 7-3.13 7-7 7c-1.93 0-3.68-.79-4.94-2.06l-1.42 1.42A8.954 8.954 0 0 0 13 21a9 9 0 0 0 0-18zm-1 5v5l4.25 2.52.75-1.23-3.5-2.07V8h-1.5z"/></svg>'; var $restoreBtn = createToolboxBtn('toolbox-btn-restore', 'mw-ui-button mw-ui-progressive', msg('restore_this_version'), restoreIcon).css({ 'display': 'inline-flex', 'margin-top': '8px', 'margin-bottom': '8px', 'padding': '4px 8px', 'border-radius': '2px', 'color': '#fff' }); $restoreBtn.on('click', function(e) { e.preventDefault(); openRestoreDialog(revId); }); if (isDiff) { $('.diff-ntitle').prepend($('<div>').css('text-align', 'right').append($restoreBtn)); } else { $('#mw-revision-info').append($('<div>').css('margin-top', '5px').append($restoreBtn)); } } }); })(jQuery, mediaWiki); // </nowiki> l4n724a2440jn21huku7j5sktunrfoa 78579 78572 2026-04-19T12:37:43Z খাত্তাব হাসান 7 সংশোধন 78579 javascript text/javascript // <nowiki> /** * ToolBox: A global maintenance user script for MediaWiki installations. * Features: Tagging, CSD, XfD, Protection, Welcome, Warnings, Admin actions, etc. * Architecture: Central Core + Local Override + Bilingual UI (bn/en) + Custom i18n * Version: 3.0 (Global Edition with extendable i18n) */ (function ($, mw) { 'use strict'; // Prevent multiple executions if (window.ToolBoxLoaded) return; window.ToolBoxLoaded = true; // Load Local Configuration from standalone wiki (if available) var localConfig = window.ToolBoxConfig || {}; // Determine UI Language: Override > Saved > User Preference var userLang = mw.config.get('wgUserLanguage'); var savedLang = null; try { savedLang = window.localStorage.getItem('toolbox-ui-lang'); } catch (e) {} var uiLang = localConfig.uiLanguage || savedLang || userLang; // ========================================== // INTERNATIONALIZATION (i18n) DICTIONARY // ========================================== var baseI18n = { 'bn': { 'checking_page': 'পাতা পরীক্ষা করা হচ্ছে...', 'warning': 'সতর্কতা', 'csd_exists': 'এই পাতায় ইতোমধ্যে অপসারণ ট্যাগ যুক্ত করা রয়েছে। অনুগ্রহ করে আরেকবার অপসারণ ট্যাগ দেয়ার পূর্বে পুনর্বিবেচনা করুন। ধন্যবাদ!', 'xfd_exists': 'এই পাতায় ইতোমধ্যে অপসারণ প্রস্তাবনার ট্যাগ যুক্ত করা রয়েছে। অনুগ্রহ করে আরেকবার অপসারণ প্রস্তাবনা শুরু করার পূর্বে পুনর্বিবেচনা করুন। ধন্যবাদ!', 'prot_exists': 'এই পাতায় ইতোমধ্যে সুরক্ষা প্রস্তাবনার ট্যাগ যুক্ত করা রয়েছে। অনুগ্রহ করে আরেকবার সুরক্ষা প্রস্তাবনা শুরু করার পূর্বে পুনর্বিবেচনা করুন। ধন্যবাদ!', 'prot_level': 'সুরক্ষা স্তর:', 'prot_semi': 'শুধুমাত্র স্বয়ংনিশ্চিতকৃত ব্যবহারকারীদের জন্য (অর্ধ সুরক্ষা)', 'prot_full': 'শুধুমাত্র প্রশাসকদের জন্য অনুমোদিত (পূর্ণ সুরক্ষা)', 'expiry': 'মেয়াদ:', 'auto_tmpl': 'স্বয়ংক্রিয় (টেমপ্লেট থেকে)', '1_hour': '১ ঘণ্টা', '1_day': '১ দিন', '1_week': '১ সপ্তাহ', '2_weeks': '২ সপ্তাহ', '1_month': '১ মাস', '3_months': '৩ মাস', '6_months': '৬ মাস', '1_year': '১ বছর', 'infinite': 'অসীম', 'other_time': 'অন্য সময়', 'other_time_placeholder': 'অন্য সময় লিখুন (যেমন: 2 days)', 'docs': 'টুলবক্স নথি', 'bug_report': 'বাগ প্রতিবেদন বা মতামত', 'go_back': 'পিছনে যান', 'cancel': 'বাতিল', 'close': 'বন্ধ করুন', 'confirm': 'নিশ্চিত করুন', 'please_wait': 'অপেক্ষা করুন...', 'csd_nomination': 'দ্রুত অপসারণ প্রস্তাবনা', 'csd_reason': 'দ্রুত অপসারণের কারণ:', 'custom_rationale': 'নিজস্ব বিচারধারা লিখুন: ', 'custom_reason_placeholder': 'আপনার নিজস্ব কারণ লিখুন...', 'csd_warning': '<strong>সতর্কতা:</strong> যদি দাবীটি বিতর্কিত বা সাম্ভাব্য বিতর্ক সৃষ্টির আশংকা হয়, তাহলে এটিকে দ্রুত অপসারণের বদলে অপসারণ প্রস্তাবনাতে (XfD) নেওয়া উচিত।', 'edit_summary': 'সম্পাদনা সারাংশ:', 'def_sum_csd': 'দ্রুত অপসারণের জন্য ট্যাগ করা হলো', 'alert_reason': 'দয়া করে কারণ লিখুন!', 'success_csd': 'দ্রুত অপসারণ ট্যাগ সফলভাবে যুক্ত হয়েছে এবং ব্যবহারকারীকে বার্তা পাঠানো হয়েছে!', 'error': 'ত্রুটি হয়েছে: ', 'add_tags_title': 'ট্যাগ যুক্ত করুন', 'select_tags': 'যুক্ত করার জন্য ট্যাগ নির্বাচন করুন:', 'target_page': 'লক্ষ্য পাতার নাম (একত্রীকরণের জন্য):', 'target_page_placeholder': 'যে পাতায় একত্রিত করতে চান...', 'def_sum_tags': 'ট্যাগ যুক্ত করা হলো', 'alert_target': 'লক্ষ্য পাতার নাম উল্লেখ করতে হবে!', 'alert_tag': 'দয়া করে একটি ট্যাগ নির্বাচন করুন!', 'success_tags': 'ট্যাগ সফলভাবে যুক্ত হয়েছে!', 'xfd_nomination': 'অপসারণ প্রস্তাবনা', 'xfd_reason': 'অপসারণের কারণ:', 'xfd_placeholder': 'কেন এই পাতাটি অপসারণ করা উচিত তার বিস্তারিত বিবরণ দিন...', 'def_sum_xfd': '[[$1]]-এর অপসারণ প্রস্তাবনা যুক্ত করা হলো', 'alert_xfd_reason': 'দয়া করে অপসারণের কারণ উল্লেখ করুন!', 'success_xfd': 'অপসারণ প্রস্তাবনা সফলভাবে যুক্ত হয়েছে এবং ব্যবহারকারীকে বার্তা পাঠানো হয়েছে!', 'prot_nomination': 'সুরক্ষার প্রস্তাবনা', 'def_sum_prot': '[[$1]]-এর সুরক্ষার প্রস্তাবনা যুক্ত করা হলো', 'prot_reason_opt': 'সুরক্ষার কারণ (ঐচ্ছিক):', 'prot_placeholder': 'কারণ লিখুন (যেমন: ধ্বংসপ্রবণতা)...', 'alert_custom_expiry': 'দয়া করে কাস্টম মেয়াদ উল্লেখ করুন!', 'success_prot': 'সুরক্ষার প্রস্তাবনা সফলভাবে যুক্ত হয়েছে!', 'welcome_user_title': 'স্বাগত জানান: $1', 'select_welcome': 'স্বাগতম বার্তা নির্বাচন করুন:', 'preview': 'প্রিভিউ:', 'loading': 'লোড হচ্ছে...', 'preview_failed': 'প্রিভিউ লোড করা যায়নি।', 'def_sum_welcome': 'স্বাগতম!', 'success_welcome': 'স্বাগতম বার্তা সফলভাবে যুক্ত হয়েছে!', 'warn_user_title': 'সতর্ক করুন: $1', 'warn_type': 'সতর্কতার ধরন:', 'edit_message': 'বার্তা সম্পাদনা:', 'def_sum_warn': 'সতর্ক করা হলো: $1', 'success_warn': 'সতর্কবার্তা সফলভাবে যুক্ত হয়েছে!', 'admin_tasks': 'প্রশাসকের কাজ', 'select_task': 'কাজ নির্বাচন করুন:', 'task_cat_csd': 'দ্রুত অপসারণের তালিকা (বিষয়শ্রেণী থেকে)', 'task_cat_prot': 'প্রস্তাবিত পাতা সুরক্ষা (বিষয়শ্রেণী থেকে)', 'task_manual_del': 'গুচ্ছ অপসারণ (নিজ থেকে)', 'task_manual_prot': 'গুচ্ছ সুরক্ষা (নিজ থেকে)', 'page_list': 'পাতার তালিকা (প্রতি লাইনে একটি):', 'page_list_placeholder': 'পাতা ১\nপাতা ২...', 'page_links': 'পাতাগুলোর সংযোগ:', 'cat_empty': 'এই বিষয়শ্রেণীতে কোনো পাতা নেই।', 'reason_summary': 'কারণ / সম্পাদনা সারাংশ:', 'alert_no_pages': 'কোনো পাতা দেওয়া বা নির্বাচন করা হয়নি!', 'admin_start': 'প্রশাসকের কাজ শুরু হচ্ছে ($1 টি পাতা)...', 'admin_success': '$1 টি পাতায় কাজ সম্পন্ন হয়েছে।', 'vote_btn': 'ভোট দিন', 'decision_btn': 'সিদ্ধান্ত', 'admin_csd_btn': 'প্রশাসক: দ্রুত অপসারণ করুন', 'admin_del_reason_sel': 'অপসারণের কারণ (তালিকা থেকে):', 'admin_del_reason_txt': 'অথবা নিজস্ব কারণ লিখুন:', 'admin_del_reason_opt': '-- একটি কারণ নির্বাচন করুন (ঐচ্ছিক) --', 'admin_del_talk': 'সাথে আলাপ পাতাও অপসারণ করুন (যদি থাকে)', 'success_deleted': 'পাতা সফলভাবে অপসারিত হয়েছে!', 'protect_page': 'পাতা সুরক্ষা করুন', 'prot_reason_req': 'সুরক্ষার কারণ:', 'success_protected': 'পাতা সফলভাবে সুরক্ষিত হয়েছে!', 'vote_title': 'ভোট দিন: $1', 'vote_instruction': 'মতামত প্রদান করুন:', 'support': 'সমর্থন', 'oppose': 'বিরোধিতা', 'comment': 'মন্তব্য', 'reason_comment': 'কারণ/মন্তব্য:', 'success_vote': 'মতামত সফলভাবে যুক্ত হয়েছে!', 'decision_title': 'সিদ্ধান্ত গ্রহণ: $1', 'decision_instruction': 'চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত:', 'deleted': 'অপসারিত', 'kept': 'অপসারিত নয়', 'comment_opt': 'মন্তব্য (ঐচ্ছিক):', 'success_decision': 'সিদ্ধান্ত সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে!', 'menu_tags': 'ট্যাগ যুক্ত করুন', 'menu_del': 'পাতা অপসারণ', 'menu_prot': 'পাতা সুরক্ষা', 'menu_csd': 'দ্রুত অপসারণ', 'menu_welcome': 'স্বাগত জানান', 'menu_warn': 'সতর্ক করুন', 'no_tasks': 'এই পাতায় করার মতো কোনো স্বয়ংক্রিয় কাজ নেই।', 'toolbox_title': 'রক্ষণাবেক্ষণ টুলবক্স', 'config_loading': 'কনফিগারেশন ফাইল লোড হচ্ছে... অনুগ্রহ করে কয়েক সেকেন্ড পর আবার চেষ্টা করুন।', 'toolbox': 'টুলবক্স', 'toolbox_tooltip': 'টুলবক্স মেনু খুলুন [alt-x]', 'notice_prot_done': '[[$1]]-এর সুরক্ষার আবেদন সম্পন্ন করা হলো', 'admin_prot_req': '[[$1]] পাতাটি সুরক্ষার আবেদন', 'temp_removed_prot': 'পাতা সুরক্ষিত হওয়ায় সুরক্ষা প্রস্তাবনার টেমপ্লেট সরানো হলো', 'temp_removed_close': 'অপসারণ প্রস্তাবনা সমাপ্ত হওয়ায় টেমপ্লেট সরানো হলো', 'deleted_diff': '[[বিশেষ:পার্থক্য/$1]] অনুযায়ী অপসারিত হয়েছে', 'mass_del': 'গুচ্ছ অপসারণ', 'mass_prot': 'গুচ্ছ সুরক্ষা (ধ্বংসপ্রবণতা রোধ)', 'prot_accepted': 'সুরক্ষার আবেদন গৃহীত', 'cat_csd_reason': 'দ্রুত অপসারণের বিচারধারা অনুযায়ী', 'prot_def_reason': 'পাতা সুরক্ষা করা হলো', 'vote_def_summary': 'মতামত প্রদান', 'decision_def_summary': '[[$1]]-এর আলোচনা সমাপ্ত করা হলো', 'notify_xfd_summary': 'বিজ্ঞপ্তি: [[$1]] এর অপসারণ প্রস্তাবনা', 'notify_csd_summary': 'বিজ্ঞপ্তি: [[$1]] এর দ্রুত অপসারণ প্রস্তাবনা', 'using_toolbox': 'ব্যবহার করে', 'restore_this_version': 'এই সংস্করণে ফেরত যান', 'restore_title': 'সংস্করণ ফেরত: $1', 'restore_prompt': 'আপনি কি এই পুরনো সংস্করণে (আইডি: $1) ফেরত যেতে চান?', 'restore_reason': 'কারণ লিখুন (ঐচ্ছিক):', 'def_sum_restore': '$1-এর করা $2 নং সংস্করণে ফেরত', 'success_restore': 'পাতাটি সফলভাবে পূর্বের সংস্করণে ফেরত নেওয়া হয়েছে!' }, 'en': { 'checking_page': 'Checking page...', 'warning': 'Warning', 'csd_exists': 'This page is already tagged for speedy deletion. Please reconsider before adding another tag. Thank you!', 'xfd_exists': 'This page is already nominated for deletion. Please reconsider before nominating again. Thank you!', 'prot_exists': 'This page is already nominated for protection. Please reconsider before nominating again. Thank you!', 'prot_level': 'Protection level:', 'prot_semi': 'Autoconfirmed users only (Semi-protection)', 'prot_full': 'Administrators only (Full protection)', 'expiry': 'Expiry:', 'auto_tmpl': 'Automatic (from template)', '1_hour': '1 hour', '1_day': '1 day', '1_week': '1 week', '2_weeks': '2 weeks', '1_month': '1 month', '3_months': '3 months', '6_months': '6 months', '1_year': '1 year', 'infinite': 'Infinite', 'other_time': 'Other time', 'other_time_placeholder': 'Enter other time (e.g., 2 days)', 'docs': 'ToolBox Documentation', 'bug_report': 'Bug report or feedback', 'go_back': 'Go back', 'cancel': 'Cancel', 'close': 'Close', 'confirm': 'Confirm', 'please_wait': 'Please wait...', 'csd_nomination': 'Speedy Deletion Nomination', 'csd_reason': 'Reason for speedy deletion:', 'custom_rationale': 'Enter custom rationale: ', 'custom_reason_placeholder': 'Enter your custom reason...', 'csd_warning': '<strong>Warning:</strong> If the claim is controversial or likely to cause a dispute, it should be sent to Deletion Discussions (XfD) instead.', 'edit_summary': 'Edit summary:', 'def_sum_csd': 'Tagged for speedy deletion', 'alert_reason': 'Please enter a reason!', 'success_csd': 'Speedy deletion tag added successfully and user notified!', 'error': 'An error occurred: ', 'add_tags_title': 'Add tags', 'select_tags': 'Select tags to add:', 'target_page': 'Target page name (for merging):', 'target_page_placeholder': 'Page you want to merge into...', 'def_sum_tags': 'Tags added', 'alert_target': 'Target page name must be specified!', 'alert_tag': 'Please select a tag!', 'success_tags': 'Tags added successfully!', 'xfd_nomination': 'Deletion Nomination', 'xfd_reason': 'Reason for deletion:', 'xfd_placeholder': 'Provide a detailed explanation of why this page should be deleted...', 'def_sum_xfd': 'Nominated [[$1]] for deletion', 'alert_xfd_reason': 'Please specify a reason for deletion!', 'success_xfd': 'Deletion nomination added successfully and user notified!', 'prot_nomination': 'Protection Nomination', 'def_sum_prot': 'Nominated [[$1]] for protection', 'prot_reason_opt': 'Reason for protection (optional):', 'prot_placeholder': 'Enter reason (e.g., Vandalism)...', 'alert_custom_expiry': 'Please specify a custom expiry!', 'success_prot': 'Protection nomination added successfully!', 'welcome_user_title': 'Welcome user: $1', 'select_welcome': 'Select welcome message:', 'preview': 'Preview:', 'loading': 'Loading...', 'preview_failed': 'Failed to load preview.', 'def_sum_welcome': 'Welcome!', 'success_welcome': 'Welcome message added successfully!', 'warn_user_title': 'Warn user: $1', 'warn_type': 'Warning type:', 'edit_message': 'Edit message:', 'def_sum_warn': 'Warned: $1', 'success_warn': 'Warning message added successfully!', 'admin_tasks': 'Admin tasks', 'select_task': 'Select task:', 'task_cat_csd': 'Speedy deletion candidates (from category)', 'task_cat_prot': 'Protection candidates (from category)', 'task_manual_del': 'Mass deletion (manual)', 'task_manual_prot': 'Mass protection (manual)', 'page_list': 'List of pages (one per line):', 'page_list_placeholder': 'Page 1\nPage 2...', 'page_links': 'Page links:', 'cat_empty': 'There are no pages in this category.', 'reason_summary': 'Reason / Edit summary:', 'alert_no_pages': 'No pages provided or selected!', 'admin_start': 'Starting admin task ($1 pages)...', 'admin_success': 'Task completed on $1 pages.', 'vote_btn': 'Vote', 'decision_btn': 'Decision', 'admin_csd_btn': 'Admin: Speedy Delete', 'admin_del_reason_sel': 'Reason for deletion (from list):', 'admin_del_reason_txt': 'Or enter custom reason:', 'admin_del_reason_opt': '-- Select a reason (optional) --', 'admin_del_talk': 'Also delete talk page (if exists)', 'success_deleted': 'Page deleted successfully!', 'protect_page': 'Protect page', 'prot_reason_req': 'Reason for protection:', 'success_protected': 'Page protected successfully!', 'vote_title': 'Vote: $1', 'vote_instruction': 'Provide your opinion:', 'support': 'Support', 'oppose': 'Oppose', 'comment': 'Comment', 'reason_comment': 'Reason/Comment:', 'success_vote': 'Opinion added successfully!', 'decision_title': 'Decision: $1', 'decision_instruction': 'Final decision:', 'deleted': 'Deleted', 'kept': 'Kept', 'comment_opt': 'Comment (optional):', 'success_decision': 'Decision applied successfully!', 'menu_tags': 'Add tags', 'menu_del': 'Delete page', 'menu_prot': 'Protect page', 'menu_csd': 'Speedy deletion', 'menu_welcome': 'Welcome user', 'menu_warn': 'Warn user', 'no_tasks': 'There are no automated tasks to perform on this page.', 'toolbox_title': 'Maintenance ToolBox', 'config_loading': 'Configuration file is loading... Please try again in a few seconds.', 'toolbox': 'ToolBox', 'toolbox_tooltip': 'Open ToolBox menu [alt-x]', 'notice_prot_done': 'Protection request completed for [[$1]]', 'admin_prot_req': 'Protection request for [[$1]]', 'temp_removed_prot': 'Removed protection proposal template as page is protected', 'temp_removed_close': 'Removed template as deletion discussion is closed', 'deleted_diff': 'Deleted as per [[Special:Diff/$1]]', 'mass_del': 'Mass deletion', 'mass_prot': 'Mass protection (Anti-vandalism)', 'prot_accepted': 'Protection request accepted', 'cat_csd_reason': 'As per speedy deletion criteria', 'prot_def_reason': 'Page protected', 'vote_def_summary': 'Provided opinion', 'decision_def_summary': 'Discussion closed for [[$1]]', 'notify_xfd_summary': 'Notification: Deletion nomination for [[$1]]', 'notify_csd_summary': 'Notification: Speedy deletion nomination for [[$1]]', 'using_toolbox': 'used', 'restore_this_version': 'Restore this version', 'restore_title': 'Restore revision: $1', 'restore_prompt': 'Do you want to restore to this old revision (ID: $1)?', 'restore_reason': 'Enter reason (optional):', 'def_sum_restore': 'Restored revision $2 by $1', 'success_restore': 'Page successfully restored to the older version!' } }; // Merge custom languages from local configuration var i18n = $.extend(true, {}, baseI18n, localConfig.i18n || {}); function msg(key, param) { var text = (i18n[uiLang] && i18n[uiLang][key]) || (i18n['en'] && i18n['en'][key]) || (i18n['bn'] && i18n['bn'][key]) || key; if (param !== undefined) { text = text.replace(/\$1/g, param); } return text; } // ========================================== // CONFIGURATION VARIABLES (With Defaults) // ========================================== var BOARD_PAGE = localConfig.boardPage || 'Project:অপসারণের_প্রস্তাবনা'; var ADMIN_BOARD_PAGE = localConfig.adminBoardPage || 'Project:প্রশাসকদের_আলোচনাসভা'; var DELETE_TEMPLATE = localConfig.deleteTemplate || '{{অপ্রচ}}'; var CSD_TEMPLATE = localConfig.csdTemplate || 'অপ'; var PROT_TEMPLATE = localConfig.protectTemplate || 'সুপ্রপা'; var ADMIN_PROT_TEMPLATE = localConfig.adminProtectTemplate || 'সুপ্র'; var VOTE_SUPPORT_TMPL = localConfig.voteSupportTemplate || '{{সমর্থন}}'; var VOTE_OPPOSE_TMPL = localConfig.voteOpposeTemplate || '{{বিরোধিতা}}'; var DONE_TMPL = localConfig.doneTemplate || '{{করা হয়েছে}}'; var XFD_NOTICE = localConfig.xfdNotice || "'''আলোচনাটি {{subst:#time:j F Y H:i|+1 week}} (ইউটিসি) এর আগে বন্ধ হওয়া উচিত নয়।'''"; var XFD_SEC_SUPPORT = localConfig.xfdSecSupport || '=== সমর্থন ==='; var XFD_SEC_OPPOSE = localConfig.xfdSecOppose || '=== বিরোধিতা ==='; var XFD_SEC_COMMENT = localConfig.xfdSecComment || '=== অন্যান্য মন্তব্য ==='; var ATOPR_TMPL = localConfig.atoprTemplate || '{{atopr|status=|result=$1 ~~~~}}'; var ABOT_TMPL = localConfig.abotTemplate || '{{abot}}'; var DOC_URL_PAGE = localConfig.docUrlPage || 'উইকিউক্তি:টুলবক্স'; var TALK_URL_PAGE = localConfig.talkUrlPage || 'উইকিউক্তি আলোচনা:টুলবক্স'; var GLOBAL_FONT = localConfig.fontFamily || "'TiroBangla', sans-serif"; var MSG_FILE_URL = localConfig.msgFileUrl || '//bn.wikiquote.org/w/index.php?title=ব্যবহারকারী:খাত্তাব_হাসান/bnwq-tools-msg-test.js&action=raw&ctype=text/javascript'; // Dynamic core templates without brackets for Regex usage var coreDelTemp = DELETE_TEMPLATE.replace(/[{}]/g, ''); // Load configuration/messages file dynamically if (typeof window.ToolBoxMessages === 'undefined') { mw.loader.load(MSG_FILE_URL); } // Get current page info var currentPage = mw.config.get('wgPageName'); var cleanPageName = currentPage.replace(/_/g, ' '); var isBoardPage = (currentPage === BOARD_PAGE); var userGroups = mw.config.get('wgUserGroups') || []; var isAdmin = userGroups.indexOf('sysop') !== -1; var ns = mw.config.get('wgNamespaceNumber'); // Context logic for User space var isUserSpace = (ns === 2 || ns === 3); var targetUser = isUserSpace ? mw.config.get('wgTitle').split('/')[0] : null; var userTalkPage = targetUser ? 'User talk:' + targetUser : null; // Helper: Append Summary Suffix function withSummarySuffix(summaryStr) { var defaultSuffix = localConfig.summarySuffix || ' ([[' + DOC_URL_PAGE + '|' + msg('toolbox') + ']] ' + msg('using_toolbox') + ')'; var suffix = (window.ToolBoxMessages && window.ToolBoxMessages.summarySuffix) ? window.ToolBoxMessages.summarySuffix : defaultSuffix; if (summaryStr.indexOf(suffix) === -1) { return summaryStr + suffix; } return summaryStr; } // Wrapper to reopen main menu from inner dialogs function reopenMainMenu() { if (typeof ToolsMenu !== 'undefined') { new ToolsMenu().open(); } } // Pre-check for existing tags to prevent conflicts function preCheckAndRun(type, callback) { var $loader = $('<div>').text(msg('checking_page')).css({ position: 'fixed', top: '20px', left: '50%', transform: 'translateX(-50%)', background: '#000', color: '#fff', padding: '10px 20px', borderRadius: '5px', zIndex: 10000, fontFamily: GLOBAL_FONT, boxShadow: '0 2px 10px rgba(0,0,0,0.5)' }).appendTo('body'); var api = new mw.Api(); api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: currentPage }).then(function(data) { $loader.remove(); var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; if (pageId === '-1') { callback(); return; } var wikitext = data.query.pages[pageId].revisions[0]['*'] || ''; // Dynamic Regex based on configurations var csdRegexStr = localConfig.csdRegex || '\\{\\{(?:' + CSD_TEMPLATE + '|delete)(?:\\||\\})'; var xfdRegexStr = localConfig.xfdRegex || '\\{\\{(?:' + coreDelTemp + '|XFD)(?:\\||\\})'; var protRegexStr = localConfig.protRegex || '\\{\\{' + PROT_TEMPLATE + '(?:\\||\\})'; var hasCSD = new RegExp(csdRegexStr, 'i').test(wikitext); var hasXFD = new RegExp(xfdRegexStr, 'i').test(wikitext); var hasProt = new RegExp(protRegexStr, 'i').test(wikitext); var alertMsg = null; if (type === 'csd' && hasCSD) { alertMsg = msg('csd_exists'); } else if (type === 'xfd' && hasXFD) { alertMsg = msg('xfd_exists'); } else if (type === 'prot' && hasProt) { alertMsg = msg('prot_exists'); } if (alertMsg) { showModal(msg('warning'), '<div style="color:#d33; font-weight:bold; background:#fee7e6; padding:15px; border:1px solid #d33; border-radius:4px; line-height: 1.5;">' + alertMsg + '</div>', function($content, $submitBtn) { if ($submitBtn) $submitBtn.hide(); // Hide "Proceed" button to prevent conflicts }, function($content, close, enableBtn) { close(); }, reopenMainMenu); } else { callback(); } }).catch(function() { $loader.remove(); callback(); }); } // Protection Dropdowns HTML Helper function getProtDropdownsHtml(includeAuto) { var autoOption = includeAuto ? '<option value="auto" selected>' + msg('auto_tmpl') + '</option>' : ''; return '<label style="font-weight:bold;">' + msg('prot_level') + '</label><br>' + '<select id="prot-level" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; margin-bottom:12px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + '<option value="autoconfirmed">' + msg('prot_semi') + '</option>' + '<option value="sysop">' + msg('prot_full') + '</option>' + '</select><br>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('expiry') + '</label><br>' + '<select id="prot-expiry" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; margin-bottom:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + autoOption + '<option value="1 hour">' + msg('1_hour') + '</option>' + '<option value="1 day">' + msg('1_day') + '</option>' + '<option value="1 week">' + msg('1_week') + '</option>' + '<option value="2 weeks">' + msg('2_weeks') + '</option>' + '<option value="1 month">' + msg('1_month') + '</option>' + '<option value="3 months">' + msg('3_months') + '</option>' + '<option value="6 months">' + msg('6_months') + '</option>' + '<option value="1 year">' + msg('1_year') + '</option>' + '<option value="infinite"' + (!includeAuto ? ' selected' : '') + '>' + msg('infinite') + '</option>' + '<option value="othertime">' + msg('other_time') + '</option>' + '</select>' + '<input type="text" id="prot-other-time" placeholder="' + msg('other_time_placeholder') + '" style="display:none; width:100%; padding:5px; margin-top:4px; margin-bottom:12px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; } function bindProtDropdownEvents($content) { $content.find('#prot-expiry').on('change', function() { if ($(this).val() === 'othertime') { $content.find('#prot-other-time').show(); } else { $content.find('#prot-other-time').hide(); } }); } // ========================================================== // 1. HELPER: Custom Modal Dialog (Draggable & Resizable) // ========================================================== function showModal(title, htmlContent, onReady, onSubmit, onBack) { var $overlay = $('<div>').css({ position: 'fixed', top: 0, left: 0, width: '100%', height: '100%', backgroundColor: 'rgba(0,0,0,0.6)', zIndex: 9999, display: 'flex', alignItems: 'center', justifyContent: 'center', fontFamily: GLOBAL_FONT }).appendTo('body'); var $modal = $('<div>').css({ backgroundColor: '#fff', padding: '25px', borderRadius: '8px', width: '450px', minWidth: '300px', maxWidth: '90%', maxHeight: '90vh', overflowY: 'auto', boxShadow: '0 4px 15px rgba(0,0,0,0.3)', fontFamily: GLOBAL_FONT, resize: 'both' // Makes modal resizable }).appendTo($overlay); var $headerContainer = $('<div>').css({ display: 'flex', justifyContent: 'space-between', alignItems: 'center', borderBottom: '1px solid #ccc', paddingBottom: '10px', cursor: 'move', userSelect: 'none' }).appendTo($modal); var $header = $('<h3>').text(title).css({ margin: 0, fontFamily: GLOBAL_FONT }).appendTo($headerContainer); var $iconsDiv = $('<div>').css({ display: 'flex', gap: '10px', alignItems: 'center' }).appendTo($headerContainer); var $langSelect = $('<select>').css({ 'padding': '2px 4px', 'border-radius': '4px', 'border': '1px solid #ccc', 'font-family': GLOBAL_FONT, 'font-size': '12px', 'cursor': 'pointer', 'background-color': '#fff' }); var availableLangs = Object.keys(i18n); var langNames = { 'bn': 'বাংলা', 'en': 'English' }; availableLangs.forEach(function(lang) { var name = langNames[lang] || lang; $langSelect.append($('<option>').val(lang).text(name)); }); $langSelect.val(uiLang); $langSelect.on('change', function(e) { e.stopPropagation(); uiLang = $(this).val(); try { window.localStorage.setItem('toolbox-ui-lang', uiLang); } catch(err) {} closeModal(); reopenMainMenu(); }); $iconsDiv.append($langSelect); var docUrl = mw.util.getUrl(DOC_URL_PAGE); var talkUrl = mw.util.getUrl(TALK_URL_PAGE); var docIconSvg = '<svg viewBox="0 0 24 24" width="18" height="18" fill="currentColor"><path d="M12 2C6.48 2 2 6.48 2 12s4.48 10 10 10 10-4.48 10-10S17.52 2 12 2zm1 15h-2v-6h2v6zm0-8h-2V7h2v2z"/></svg>'; var bugIconSvg = '<svg viewBox="0 0 24 24" width="18" height="18" fill="currentColor"><path d="M20 8h-2.81c-.45-.78-1.07-1.45-1.82-1.96L17 4.41 15.59 3l-2.17 2.17C12.96 5.06 12.49 5 12 5c-.49 0-.96.06-1.41.17L8.41 3 7 4.41l1.62 1.63C7.88 6.55 7.26 7.22 6.81 8H4v2h2.09c-.05.33-.09.66-.09 1v1H4v2h2v1c0 .34.04.67.09 1H4v2h2.81c1.04 1.79 2.97 3 5.19 3s4.15-1.21 5.19-3H20v-2h-2.09c.05-.33.09-.66.09-1v-1h2v-2h-2v-1c0-.34-.04-.67-.09-1H20V8zm-6 8h-4v-2h4v2zm0-4h-4v-2h4v2z"/></svg>'; $('<a>').attr({ href: docUrl, target: '_blank', title: msg('docs') }) .html(docIconSvg).css({ color: '#54595d', display: 'flex', alignItems: 'center' }) .appendTo($iconsDiv); $('<a>').attr({ href: talkUrl, target: '_blank', title: msg('bug_report') }) .html(bugIconSvg).css({ color: '#54595d', display: 'flex', alignItems: 'center' }) .appendTo($iconsDiv); var $content = $('<div>').html(htmlContent).css({ marginTop: '15px' }).appendTo($modal); var $footer = $('<div>').css({ marginTop: '25px', display: 'flex', justifyContent: 'flex-end', gap: '8px' }).appendTo($modal); // --- Dragging Logic --- var isDragging = false; var startX, startY, initialX, initialY; $headerContainer.on('mousedown', function(e) { if ($(e.target).closest('button, input, textarea, select, a').length > 0) return; isDragging = true; startX = e.clientX; startY = e.clientY; var rect = $modal[0].getBoundingClientRect(); $modal.css({ position: 'absolute', left: rect.left + 'px', top: rect.top + 'px', margin: 0, transform: 'none' }); initialX = rect.left; initialY = rect.top; e.preventDefault(); }); $(document).on('mousemove.toolboxDraggable', function(e) { if (isDragging) { var dx = e.clientX - startX; var dy = e.clientY - startY; $modal.css({ left: (initialX + dx) + 'px', top: (initialY + dy) + 'px' }); } }); $(document).on('mouseup.toolboxDraggable', function() { isDragging = false; }); // --- End Dragging Logic --- var closeModal = function () { $(document).off('mousemove.toolboxDraggable mouseup.toolboxDraggable'); // Cleanup events $overlay.remove(); }; if (onBack) { var $backBtn = $('<button>').text(msg('go_back')).addClass('mw-ui-button').css({ 'margin-right': 'auto', fontFamily: GLOBAL_FONT }).appendTo($footer); $backBtn.on('click', function () { closeModal(); onBack(); }); } var $cancelBtn = $('<button>').text(onSubmit ? msg('cancel') : msg('close')).addClass('mw-ui-button mw-ui-quiet').css('fontFamily', GLOBAL_FONT).appendTo($footer); $cancelBtn.on('click', closeModal); if (onSubmit) { var $submitBtn = $('<button>').text(msg('confirm')).addClass('mw-ui-button mw-ui-progressive').css('fontFamily', GLOBAL_FONT).appendTo($footer); if (onReady) onReady($content, $submitBtn, closeModal); $submitBtn.on('click', function () { if ($submitBtn.prop('disabled')) return; $submitBtn.prop('disabled', true).text(msg('please_wait')); onSubmit($content, closeModal, function () { $submitBtn.prop('disabled', false).text(msg('confirm')); }); }); } else { if (onReady) onReady($content, null, closeModal); } } // ========================================================== // 2. HELPER: API Functions // ========================================================== async function notifyCreator(pageTitle, type, csdReason) { var api = new mw.Api(); try { var data = await api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', titles: pageTitle, rvprop: 'user', rvdir: 'newer', rvlimit: 1, formatversion: 2 }); var user = data.query.pages[0] && data.query.pages[0].revisions ? data.query.pages[0].revisions[0].user : null; if (!user || user.includes(':')) return; var talkPage = 'User talk:' + user; var summaryMsg = ''; var noticeContent = ''; if (type === 'xfd') { noticeContent = window.ToolBoxMessages.notifyMessages.xfd.replace(/\$PAGE_NAME/g, cleanPageName); summaryMsg = msg('notify_xfd_summary', cleanPageName); } else if (type === 'csd') { noticeContent = window.ToolBoxMessages.notifyMessages.csd.replace(/\$PAGE_NAME/g, cleanPageName).replace(/\$CSD_REASON/g, csdReason); summaryMsg = msg('notify_csd_summary', cleanPageName); } await api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: talkPage, appendtext: noticeContent, summary: withSummarySuffix(summaryMsg) }); } catch (e) { console.error("Creator notification failed:", e); } } async function deleteTalkPage(pageName, summary) { try { var titleObj = new mw.Title(pageName); if (titleObj && !titleObj.isTalkPage()) { var talkPage = titleObj.getTalkPage().getPrefixedText(); var api = new mw.Api(); await api.postWithToken('csrf', { action: 'delete', title: talkPage, reason: summary }); } } catch (e) { // Silently ignore if talk page doesn't exist } } async function updateNoticeboardForProtection(pageName) { var api = new mw.Api(); try { var data = await api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: ADMIN_BOARD_PAGE }); var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; if (pageId === '-1') return; var wikitext = data.query.pages[pageId].revisions[0]['*']; var escapedName = pageName.replace(/[.*+?^${}()|[\]\\]/g, '\\$&'); var sectionRegex = new RegExp('==\\s*\\[\\[' + escapedName + '\\]\\] (?:পাতাটি সুরক্ষার আবেদন|Protection request).*?==[\\s\\S]*?(?=\\n==[^=]|$)', 'gi'); var match; var lastMatchText = null; var lastMatchIndex = -1; while ((match = sectionRegex.exec(wikitext)) !== null) { lastMatchText = match[0]; lastMatchIndex = match.index; } if (lastMatchIndex !== -1) { var before = wikitext.substring(0, lastMatchIndex); var after = wikitext.substring(lastMatchIndex + lastMatchText.length); var newWikitext = before + lastMatchText.replace(/\s+$/, '') + '\n::- ' + DONE_TMPL + ' ~~~~\n\n' + after.replace(/^\s*/, ''); await api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: ADMIN_BOARD_PAGE, text: newWikitext, summary: withSummarySuffix(msg('notice_prot_done', pageName)) }); } } catch (e) { console.error('Noticeboard update failed:', e); } } async function fetchProtectionDetails(pageName) { var api = new mw.Api(); try { var data = await api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: pageName }); var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; if (pageId === '-1') return null; var wikitext = data.query.pages[pageId].revisions[0]['*']; var protRegex = new RegExp('\\{\\{' + PROT_TEMPLATE + '(?:\\|([^}\\|]+))?(?:\\|([^}]+))?\\}\\}', 'i'); var match = wikitext.match(protRegex); if (match) { return { expiry: match[1] ? match[1].trim() : null, reason: match[2] ? match[2].trim() : null }; } return null; } catch (e) { return null; } } async function fetchCSDReason(pageName) { var api = new mw.Api(); try { var data = await api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: pageName }); var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; if (pageId === '-1') return null; var wikitext = data.query.pages[pageId].revisions[0]['*']; var csdRegex = new RegExp('\\{\\{(?:' + CSD_TEMPLATE + '|delete)\\|([^}]+)\\}\\}', 'i'); var match = wikitext.match(csdRegex); return match ? match[1].trim() : null; } catch (e) { return null; } } async function removeProtectionTemplate(pageName) { var api = new mw.Api(); try { var data = await api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: pageName }); var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; if (pageId === '-1') return; var wikitext = data.query.pages[pageId].revisions[0]['*']; var protRegex = new RegExp('\\{\\{' + PROT_TEMPLATE + '(?:\\|[^}]+)?\\}\\}\\n?', 'gi'); var newWikitext = wikitext.replace(protRegex, ''); if (newWikitext !== wikitext) { await api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: pageName, text: newWikitext, summary: withSummarySuffix(msg('temp_removed_prot')) }); } } catch (e) { console.error('Template removal failed:', e); } } // ========================================================== // 3. ACTIONS LOGIC // ========================================================== // CSD function openCSDDialog() { var defaultSummary = msg('def_sum_csd'); var csdCriteriaLists = window.ToolBoxMessages.csdCriteriaLists; var optionsHtml = ''; for (var group in csdCriteriaLists) { optionsHtml += '<optgroup label="' + group + '">'; csdCriteriaLists[group].forEach(function(reason) { optionsHtml += '<option value="' + reason + '">' + reason + '</option>'; }); optionsHtml += '</optgroup>'; } var formHtml = '<label style="font-weight:bold;">' + msg('csd_reason') + '</label><br>' + '<select id="csd-reason" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + optionsHtml + '</select><br><br>' + '<div id="csd-custom-box" style="display:none;">' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('custom_rationale') + '</label><br>' + '<input type="text" id="csd-custom-reason" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';" placeholder="' + msg('custom_reason_placeholder') + '"><br><br></div>' + '<div id="csd-warning-box" style="display:none; color:#d33; font-size:0.9em; margin-bottom:15px; padding:8px; background-color:#fee7e6; border:1px solid #d33; border-radius:2px;">' + msg('csd_warning') + '</div>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br>' + '<input type="text" id="edit-summary" value="' + defaultSummary + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('csd_nomination'), formHtml, function($content) { $content.find('#csd-reason').on('change', function() { var selected = $(this).val(); $content.find('#csd-custom-box, #csd-warning-box').hide(); if (selected === 'নিজস্ব বিচারধারা' || selected === 'Custom rationale') { $content.find('#csd-custom-box').show(); } else if (selected === 'অনুল্লেখ্য বিষয়বস্তু' || selected === 'Insignificant content') { $content.find('#csd-warning-box').show(); } }); }, function($content, close, enableBtn) { var selectedReason = $content.find('#csd-reason').val(); var finalReason = selectedReason; if (selectedReason === 'নিজস্ব বিচারধারা' || selected === 'Custom rationale') { finalReason = $content.find('#csd-custom-reason').val().trim(); if (!finalReason) { alert(msg('alert_reason')); enableBtn(); return; } } var summaryText = $content.find('#edit-summary').val().trim() || defaultSummary; var csdTemplateFull = '{{' + CSD_TEMPLATE + '|' + finalReason + '}}\n'; var api = new mw.Api(); api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: currentPage, prependtext: csdTemplateFull, summary: withSummarySuffix(summaryText) }).then(function() { return notifyCreator(currentPage, 'csd', finalReason); }).then(function() { mw.notify(msg('success_csd')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1500); }).catch(function(err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } // Add Tags Dialog function openAddTagsDialog() { var tagsConfig = window.ToolBoxMessages.tagsConfig || []; var optionsHtml = ''; tagsConfig.forEach(function(tag, index) { optionsHtml += '<label style="display:block; margin-bottom:8px;"><input type="radio" name="tag-select" value="' + index + '"> ' + tag.label + '</label>'; }); var formHtml = '<div style="margin-bottom:15px; font-weight:bold;">' + msg('select_tags') + '</div>' + '<div style="margin-bottom:15px;">' + optionsHtml + '</div>' + '<div id="tag-target-box" style="display:none; margin-bottom:15px;">' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('target_page') + '</label><br>' + '<input type="text" id="tag-target-page" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';" placeholder="' + msg('target_page_placeholder') + '">' + '</div>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br>' + '<input type="text" id="edit-summary" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('add_tags_title'), formHtml, function($content, $submitBtn) { if ($submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', true); $content.find('input[name="tag-select"]').on('change', function() { var selectedIdx = $(this).val(); var tag = tagsConfig[selectedIdx]; $content.find('#edit-summary').val(tag.summary); if (tag.requiresTarget) { $content.find('#tag-target-box').show(); if ($submitBtn) { $submitBtn.prop('disabled', $content.find('#tag-target-page').val().trim() === ''); } } else { $content.find('#tag-target-box').hide(); if ($submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', false); } }); $content.find('#tag-target-page').on('input', function() { var selectedIdx = $content.find('input[name="tag-select"]:checked').val(); if (selectedIdx && tagsConfig[selectedIdx].requiresTarget) { if ($submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', $(this).val().trim() === ''); } }); }, function($content, close, enableBtn) { var selectedIdx = $content.find('input[name="tag-select"]:checked').val(); if (!selectedIdx) { alert(msg('alert_tag')); enableBtn(); return; } var tag = tagsConfig[selectedIdx]; var templateToPrepend = tag.tmpl; var summaryText = $content.find('#edit-summary').val().trim() || msg('def_sum_tags'); if (tag.requiresTarget) { var targetPage = $content.find('#tag-target-page').val().trim(); if (!targetPage) { alert(msg('alert_target')); enableBtn(); return; } templateToPrepend = templateToPrepend.replace('$1', targetPage); } var api = new mw.Api(); api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: currentPage, prependtext: templateToPrepend, summary: withSummarySuffix(summaryText) }).then(function() { mw.notify(msg('success_tags')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1200); }).catch(function(err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } // XfD function openNominationDialog() { var defaultSummary = msg('def_sum_xfd', cleanPageName); var formHtml = '<label style="font-weight:bold;">' + msg('xfd_reason') + '</label><br>' + '<textarea id="nom-reason" placeholder="' + msg('xfd_placeholder') + '" style="width:100%; height:100px; margin-top:8px; padding:5px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';"></textarea>' + '<br><label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br>' + '<input type="text" id="edit-summary" value="' + defaultSummary + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('xfd_nomination'), formHtml, function () {}, function ($content, close, enableBtn) { var reason = $content.find('#nom-reason').val().trim(); if (!reason) { alert(msg('alert_xfd_reason')); enableBtn(); return; } var summaryText = $content.find('#edit-summary').val().trim() || defaultSummary; var api = new mw.Api(); api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: currentPage, prependtext: DELETE_TEMPLATE + '\n', summary: withSummarySuffix(summaryText) }).then(function () { var boardText = '== [[' + cleanPageName + ']] ==\n'; boardText += XFD_NOTICE + '\n'; boardText += reason + ' ― ~~~~\n'; boardText += XFD_SEC_SUPPORT + '\n' + XFD_SEC_OPPOSE + '\n' + XFD_SEC_COMMENT + '\n'; return api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: BOARD_PAGE, appendtext: '\n' + boardText, summary: withSummarySuffix(summaryText) }); }).then(function () { return notifyCreator(currentPage, 'xfd', null); }).then(function () { mw.notify(msg('success_xfd')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1500); }).catch(function (err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } // Protection Nomination function openProtectionNominationDialog() { var defaultSummary = msg('def_sum_prot', cleanPageName); var formHtml = getProtDropdownsHtml(false) + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('prot_reason_opt') + '</label><br>' + '<input type="text" id="prot-reason" placeholder="' + msg('prot_placeholder') + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; margin-bottom:12px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br>' + '<input type="text" id="edit-summary" value="' + defaultSummary + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('prot_nomination'), formHtml, function ($content) { bindProtDropdownEvents($content); }, function ($content, close, enableBtn) { var isSemi = $content.find('#prot-level').val() === 'autoconfirmed'; var protType = isSemi ? 'অর্ধ' : 'পূর্ণ'; var userReason = $content.find('#prot-reason').val().trim(); var expiryVal = $content.find('#prot-expiry').val(); var durationText = expiryVal === 'othertime' ? $content.find('#prot-other-time').val().trim() : $content.find('#prot-expiry option:selected').text(); var templateExpiry = expiryVal === 'othertime' ? durationText : expiryVal; if (expiryVal === 'othertime' && !durationText) { alert(msg('alert_custom_expiry')); enableBtn(); return; } var summaryText = $content.find('#edit-summary').val().trim() || defaultSummary; var templateStr = '{{' + PROT_TEMPLATE + '|' + templateExpiry + (userReason ? '|' + userReason : '') + '}}\n'; var api = new mw.Api(); api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: currentPage, prependtext: templateStr, summary: withSummarySuffix(summaryText) }).then(function () { var appendText = '\n{{subst:' + ADMIN_PROT_TEMPLATE + '|' + cleanPageName + '|' + userReason + '|' + durationText + '|' + protType + '}}'; return api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: ADMIN_BOARD_PAGE, appendtext: appendText, summary: withSummarySuffix(msg('admin_prot_req', cleanPageName)) }); }).then(function () { mw.notify(msg('success_prot')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1500); }).catch(function (err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } // Welcome User function openWelcomeDialog() { var options = window.ToolBoxMessages.welcomeTemplates || []; var optionsHtml = ''; options.forEach(function(opt) { optionsHtml += '<option value="' + opt + '">' + opt + '</option>'; }); var formHtml = '<label style="font-weight:bold;">' + msg('select_welcome') + '</label><br>' + '<select id="welcome-tmpl" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + optionsHtml + '</select><br><br>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('preview') + '</label><br>' + '<div id="welcome-preview" style="width:100%; height:200px; overflow-y:auto; padding:8px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; border:1px solid #ccc; background:#f9f9f9; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';"><em>' + msg('loading') + '</em></div>'; showModal(msg('welcome_user_title', targetUser), formHtml, function($content) { var api = new mw.Api(); var $previewBox = $content.find('#welcome-preview'); function updatePreview() { var tmpl = $content.find('#welcome-tmpl').val(); $previewBox.html('<em>' + msg('loading') + '</em>'); api.post({ action: 'parse', text: '{{' + tmpl + '}}', contentmodel: 'wikitext', title: userTalkPage || 'User talk:Example', disablelimitreport: 1, disableeditsection: 1, format: 'json' }).then(function(data) { if (data && data.parse && data.parse.text) { $previewBox.html(data.parse.text['*']); } else { $previewBox.html('<em style="color:red;">' + msg('preview_failed') + '</em>'); } }).catch(function() { $previewBox.html('<em style="color:red;">' + msg('preview_failed') + '</em>'); }); } $content.find('#welcome-tmpl').on('change', updatePreview); updatePreview(); // Load preview initially }, function($content, close, enableBtn) { var tmpl = $content.find('#welcome-tmpl').val(); var textToAppend = '\n\n{{subst:' + tmpl + '}}'; var api = new mw.Api(); api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: userTalkPage, appendtext: textToAppend, summary: withSummarySuffix(msg('def_sum_welcome')) }).then(function() { mw.notify(msg('success_welcome')); close(); if (currentPage === userTalkPage) { setTimeout(function () { location.reload(); }, 1200); } else { setTimeout(function () { window.location.href = mw.util.getUrl(userTalkPage); }, 1200); } }).catch(function(err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } // Warn User function openWarnDialog() { var warningsConfig = window.ToolBoxMessages.warningsConfig || {}; var optionsHtml = ''; for (var key in warningsConfig) { optionsHtml += '<option value="' + key + '">' + warningsConfig[key].label + '</option>'; } var firstKey = Object.keys(warningsConfig)[0]; var formHtml = '<label style="font-weight:bold;">' + msg('warn_type') + '</label><br>' + '<select id="warn-type" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + optionsHtml + '</select><br><br>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_message') + '</label><br>' + '<textarea id="warn-preview" style="width:100%; height:120px; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">\n\n' + (warningsConfig[firstKey] ? warningsConfig[firstKey].text : '') + '</textarea><br><br>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br>' + '<input type="text" id="warn-summary" value="' + msg('def_sum_warn', (warningsConfig[firstKey] ? warningsConfig[firstKey].label : '')) + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('warn_user_title', targetUser), formHtml, function($content) { $content.find('#warn-type').on('change', function() { var selected = $(this).val(); $content.find('#warn-preview').val('\n\n' + warningsConfig[selected].text); $content.find('#warn-summary').val(msg('def_sum_warn', warningsConfig[selected].label)); }); }, function($content, close, enableBtn) { var textToAppend = $content.find('#warn-preview').val(); var summaryText = $content.find('#warn-summary').val().trim() || msg('def_sum_warn', 'User'); var api = new mw.Api(); api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: userTalkPage, appendtext: textToAppend, summary: withSummarySuffix(summaryText) }).then(function() { mw.notify(msg('success_warn')); close(); if (currentPage === userTalkPage) { setTimeout(function () { location.reload(); }, 1200); } else { setTimeout(function () { window.location.href = mw.util.getUrl(userTalkPage); }, 1200); } }).catch(function(err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } // Admin Tasks function openAdminDialog() { var formHtml = '<div style="margin-bottom: 10px;">' + '<label style="font-weight: bold; display: block; margin-bottom: 5px;">' + msg('select_task') + '</label>' + '<div style="margin-bottom: 15px;">' + '<label style="display:block; margin-bottom:4px;"><input type="radio" name="admin-action" value="cat_csd" checked> ' + msg('task_cat_csd') + '</label>' + '<label style="display:block; margin-bottom:4px;"><input type="radio" name="admin-action" value="cat_protect"> ' + msg('task_cat_prot') + '</label>' + '<label style="display:block; margin-bottom:4px;"><input type="radio" name="admin-action" value="manual_delete"> ' + msg('task_manual_del') + '</label>' + '<label style="display:block; margin-bottom:4px;"><input type="radio" name="admin-action" value="manual_protect"> ' + msg('task_manual_prot') + '</label>' + '</div>' + '<div id="admin-manual-inputs" style="display:none;">' + '<label style="font-weight: bold; display: block; margin-bottom: 5px;">' + msg('page_list') + '</label>' + '<textarea id="admin-pages" style="width: 100%; height: 120px; padding: 8px; margin-bottom: 5px; box-sizing: border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';" placeholder="' + msg('page_list_placeholder') + '"></textarea>' + '<div id="admin-pages-preview" style="margin-bottom: 10px; font-size: 0.9em; background: #f8f9fa; padding: 5px; border: 1px dashed #ccc; border-radius: 3px; display:none;"></div>' + '</div>' + '<div id="admin-cat-inputs" style="max-height: 200px; overflow-y: auto; border: 1px solid #ccc; padding: 8px; margin-bottom: 15px; background: #f8f9fa;">' + '<em>' + msg('loading') + '</em>' + '</div>' + '<div id="admin-protect-options" style="display:none; padding:10px; background:#f0f8ff; border:1px solid #c8d8f8; border-radius:4px; margin-bottom:15px;">' + getProtDropdownsHtml(true) + '</div>' + '<label style="font-weight: bold; display: block; margin-bottom: 5px;">' + msg('reason_summary') + '</label>' + '<input type="text" id="admin-reason" style="width: 100%; padding: 8px; box-sizing: border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + '</div>'; showModal(msg('admin_tasks'), formHtml, function($content, $submitBtn) { var api = new mw.Api(); bindProtDropdownEvents($content); function updateManualLinksPreview() { var action = $content.find('input[name="admin-action"]:checked').val(); var isProtect = (action === 'manual_protect'); var pages = $content.find('#admin-pages').val().split('\n').map(function(p) { return p.trim(); }).filter(function(p) { return p !== ''; }); var $previewBox = $content.find('#admin-pages-preview'); if (pages.length === 0) { $previewBox.hide().empty(); return; } var html = '<strong>' + msg('page_links') + '</strong><ul style="margin: 5px 0 0 20px; padding: 0;">'; pages.forEach(function(p) { var url = isProtect ? mw.util.getUrl(p, { action: 'history' }) : mw.util.getUrl(p); html += '<li><a href="' + url + '" target="_blank" style="text-decoration:none; color:#0645ad; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + p + '</a></li>'; }); html += '</ul>'; $previewBox.html(html).show(); } $content.find('#admin-pages').on('input', updateManualLinksPreview); function loadCategory(catName) { var isProtect = catName.indexOf('সুরক্ষা') !== -1 || catName.indexOf('protect') !== -1; var $catBox = $content.find('#admin-cat-inputs').html('<em>' + msg('loading') + '</em>'); api.get({ action: 'query', list: 'categorymembers', cmtitle: catName, cmlimit: 'max' }).then(function(data) { var pages = data.query.categorymembers; if (pages.length === 0) { $catBox.html('<em>' + msg('cat_empty') + '</em>'); return; } var html = ''; pages.forEach(function(p) { var url = isProtect ? mw.util.getUrl(p.title, { action: 'history' }) : mw.util.getUrl(p.title); html += '<label style="display:block; margin-bottom:4px;"><input type="checkbox" class="admin-cat-cb" value="' + p.title + '" checked> <a href="' + url + '" target="_blank" style="text-decoration:none; color:#0645ad; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + p.title + '</a></label>'; }); $catBox.html(html); $content.find('.admin-cat-cb').first().trigger('change'); // Trigger logic for checked state }); } var csdCatDefault = localConfig.csdCategory || 'বিষয়শ্রেণী:দ্রুত অপসারণের যোগ্য'; loadCategory(window.ToolBoxMessages.csdCategoryName || csdCatDefault); $content.find('input[name="admin-action"]').on('change', function() { var action = $(this).val(); if (action === 'manual_delete' || action === 'manual_protect') { $content.find('#admin-manual-inputs').show(); $content.find('#admin-cat-inputs').hide(); updateManualLinksPreview(); // Refresh links when action changes } else { $content.find('#admin-manual-inputs').hide(); $content.find('#admin-cat-inputs').show(); var catName = action === 'cat_csd' ? (window.ToolBoxMessages.csdCategoryName || csdCatDefault) : (window.ToolBoxMessages.protCategoryName || (localConfig.protCategory || 'বিষয়শ্রেণী:সুরক্ষার প্রস্তাবসহ পাতা')); loadCategory(catName); } if (action === 'manual_protect' || action === 'cat_protect') { $content.find('#admin-protect-options').show(); } else { $content.find('#admin-protect-options').hide(); } }); // Auto-fill inputs if exactly 1 page is checked in category $content.find('#admin-cat-inputs').on('change', '.admin-cat-cb', async function() { var action = $content.find('input[name="admin-action"]:checked').val(); var $checked = $content.find('.admin-cat-cb:checked'); if ($checked.length === 1) { var page = $checked.val(); if (action === 'cat_protect') { var details = await fetchProtectionDetails(page); if (details) { $content.find('#admin-reason').val(details.reason ? details.reason : ''); if (details.expiry) { var $expiryOpt = $content.find('#prot-expiry option[value="' + details.expiry + '"]'); if ($expiryOpt.length) { $content.find('#prot-expiry').val(details.expiry).trigger('change'); } else { $content.find('#prot-expiry').val('othertime').trigger('change'); $content.find('#prot-other-time').val(details.expiry); } } } } else if (action === 'cat_csd') { var csdReason = await fetchCSDReason(page); $content.find('#admin-reason').val(csdReason ? csdReason : ''); } } else { $content.find('#admin-reason').val(''); if (action === 'cat_protect') { $content.find('#prot-expiry').val('auto').trigger('change'); $content.find('#prot-other-time').val(''); } } }); }, async function($content, close, enableBtn) { var action = $content.find('input[name="admin-action"]:checked').val(); var pages = []; if (action === 'manual_delete' || action === 'manual_protect') { pages = $content.find('#admin-pages').val().split('\n').map(function(p) { return p.trim(); }).filter(function(p) { return p !== ''; }); } else { $content.find('.admin-cat-cb:checked').each(function() { pages.push($(this).val()); }); } var reason = $content.find('#admin-reason').val().trim(); if (pages.length === 0) { alert(msg('alert_no_pages')); enableBtn(); return; } // Protection variables logic var selLevel = $content.find('#prot-level').val(); var protLevelReq = 'edit=' + selLevel + '|move=' + selLevel; var expiryVal = $content.find('#prot-expiry').val(); var protExpiryReq = expiryVal === 'othertime' ? $content.find('#prot-other-time').val().trim() : expiryVal; if ((action === 'manual_protect' || action === 'cat_protect') && expiryVal === 'othertime' && !protExpiryReq) { alert(msg('alert_custom_expiry')); enableBtn(); return; } mw.notify(msg('admin_start', pages.length), { autoHide: false }); var api = new mw.Api(); var successCount = 0; for (var i = 0; i < pages.length; i++) { var page = pages[i]; try { if (action === 'manual_delete' || action === 'cat_csd') { var delReason = reason || (action === 'cat_csd' ? msg('cat_csd_reason') : msg('mass_del')); await api.postWithToken('csrf', { action: 'delete', title: page, reason: withSummarySuffix(delReason) }); await deleteTalkPage(page, withSummarySuffix(delReason)); } else if (action === 'manual_protect' || action === 'cat_protect') { var protReason = msg('mass_prot'); var pageExpiry = protExpiryReq; var details = null; if (action === 'cat_protect') { protReason = msg('prot_accepted'); details = await fetchProtectionDetails(page); // Apply automatic expiry if selected if (protExpiryReq === 'auto') { pageExpiry = (details && details.expiry) ? details.expiry : 'infinite'; } // If reason box is empty, use reason from template if (!reason && details && details.reason) { protReason = details.reason; } } else if (protExpiryReq === 'auto') { pageExpiry = 'infinite'; } if (reason !== '') { protReason = reason; } await api.postWithToken('csrf', { action: 'protect', title: page, protections: protLevelReq, expiry: pageExpiry, reason: withSummarySuffix(protReason) }); if (action === 'cat_protect') { await removeProtectionTemplate(page); await updateNoticeboardForProtection(page); } } successCount++; } catch (e) { console.error('Failed on ' + page, e); } } mw.notify(msg('admin_success', successCount)); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1500); }, reopenMainMenu); } // ========================================================== // 4. BOARD ACTIONS (Voting & Closing) // ========================================================== mw.hook('wikipage.content').add(function ($content) { if (isBoardPage) { $content.find('.mw-editsection').each(function () { var $editSection = $(this); if ($editSection.find('.del-script-btns').length > 0) return; var $editLink = $editSection.find('a[href*="section="]').first(); if ($editLink.length === 0) return; var $heading = $editSection.closest('h2, .mw-heading2'); if ($heading.length === 0) return; var $headline = $heading.find('.mw-headline'); var $clone = $headline.length > 0 ? $headline.clone() : $heading.clone(); $clone.find('[class*="editsection"], [class*="discussiontools"], [class*="mw-headline-number"]').remove(); var targetPageName = $clone.text().trim(); targetPageName = targetPageName.replace(/^\[\s*(?:অনুসরণ কর(?:ুন|বেন না)|Subscribe|Unsubscribe|Follow|Unfollow)?\s*\]\s*/gi, '') .replace(/\s*\[\s*(?:অনুসরণ কর(?:ুন|বেন না)|Subscribe|Unsubscribe|Follow|Unfollow)?\s*\]\s*$/gi, '') .replace(/^\[\s*\]\s*/, '') .replace(/\s*\[\s*\]$/, '') .trim(); if (!targetPageName) return; var editHref = $editLink.attr('href') || ''; var sectionMatch = editHref.match(/[&?]section=([^&]+)/); if (!sectionMatch) return; var sectionId = sectionMatch[1]; if ($heading.next('.del-script-btns').length > 0) return; var $btnWrapper = $('<div>').addClass('del-script-btns').css({ 'display': 'flex', 'gap': '8px', 'margin-top': '8px', 'margin-bottom': '12px' }); $heading.after($btnWrapper); var $voteBtn = $('<button>').text(msg('vote_btn')).addClass('mw-ui-button').css({ 'font-size': '12px', 'padding': '2px 8px', fontFamily: GLOBAL_FONT }); $voteBtn.on('click', function () { openVoteDialog(sectionId, targetPageName); }); $btnWrapper.append($voteBtn); if (isAdmin) { var $closeBtn = $('<button>').text(msg('decision_btn')).addClass('mw-ui-button mw-ui-destructive').css({ 'font-size': '12px', 'padding': '2px 8px', fontFamily: GLOBAL_FONT }); $closeBtn.on('click', function () { openDecisionDialog(sectionId, targetPageName); }); $btnWrapper.append($closeBtn); } }); } else if (isAdmin && ns >= 0) { // Admin CSD Button var pageCategories = mw.config.get('wgCategories') || []; var targetCategoryName = window.ToolBoxMessages.csdCategoryName || (localConfig.csdCategory || 'দ্রুত অপসারণের যোগ্য'); targetCategoryName = targetCategoryName.replace(/^(বিষয়শ্রেণী|Category):/i, ''); var isCSDCandidate = pageCategories.indexOf(targetCategoryName) !== -1; if (isCSDCandidate && $content.find('.toolbox-csd-admin-btn').length === 0) { var $csdBox = $content.find('.ambox-speedy, .mbox-speedy, .ambox-delete'); if ($csdBox.length === 0) { $csdBox = $content.find('.ambox, .mbox, table[class*="mbox"], div[class*="mbox"]').filter(function() { return $(this).text().indexOf('দ্রুত অপসারণ') !== -1 || $(this).text().indexOf('Speedy') !== -1; }); } var $btnWrapper = $('<div>').css({ 'margin-top': '10px', 'padding': '10px', 'background-color': '#fee7e6', 'border': '1px solid #d33', 'display': 'inline-block', 'border-radius': '2px' }); var $deleteBtn = $('<button>') .text(msg('admin_csd_btn')) .addClass('mw-ui-button mw-ui-destructive toolbox-csd-admin-btn') .css({ 'font-weight': 'bold', 'cursor': 'pointer', fontFamily: GLOBAL_FONT }); $deleteBtn.on('click', openAdminDirectDeleteDialog); $btnWrapper.append($deleteBtn); if ($csdBox.length > 0) { var $mboxText = $csdBox.find('.mbox-text'); if ($mboxText.length > 0) { $mboxText.append($btnWrapper); } else { $csdBox.append($btnWrapper); } } else { var $parserOutput = $content.find('.mw-parser-output'); if ($parserOutput.length > 0) { $parserOutput.prepend($btnWrapper); } else { $content.prepend($btnWrapper); } } } } }); function openAdminDirectDeleteDialog() { var csdCriteriaLists = window.ToolBoxMessages.csdCriteriaLists || {}; var api = new mw.Api(); mw.notify(msg('checking_page'), { autoHide: true }); api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: currentPage }).then(function(data) { var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; var wikitext = pageId !== '-1' ? (data.query.pages[pageId].revisions[0]['*'] || '') : ''; var csdRegex = new RegExp('\\{\\{(?:' + CSD_TEMPLATE + '|delete)\\|([^}]+)\\}\\}', 'i'); var match = wikitext.match(csdRegex); var extractedReason = match ? match[1].trim() : ''; var optionsHtml = '<option value="">' + msg('admin_del_reason_opt') + '</option>'; for (var group in csdCriteriaLists) { optionsHtml += '<optgroup label="' + group + '">'; csdCriteriaLists[group].forEach(function(reason) { optionsHtml += '<option value="' + reason + '">' + reason + '</option>'; }); optionsHtml += '</optgroup>'; } var formHtml = '<label style="font-weight:bold;">' + msg('admin_del_reason_sel') + '</label><br>' + '<select id="admin-del-reason-sel" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + optionsHtml + '</select><br><br>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('admin_del_reason_txt') + '</label><br>' + '<input type="text" id="admin-del-reason-txt" value="' + extractedReason + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';"><br><br>' + '<label style="display:block;"><input type="checkbox" id="admin-del-talk" checked> ' + msg('admin_del_talk') + '</label>'; showModal(msg('menu_del'), formHtml, function($content) { $content.find('#admin-del-reason-sel').on('change', function() { var val = $(this).val(); if (val) { $content.find('#admin-del-reason-txt').val(val); } }); }, function($content, close, enableBtn) { var finalReason = $content.find('#admin-del-reason-txt').val().trim() || msg('cat_csd_reason'); var delTalk = $content.find('#admin-del-talk').is(':checked'); api.postWithToken('csrf', { action: 'delete', title: currentPage, reason: withSummarySuffix(finalReason) }).then(function() { if (delTalk) { return deleteTalkPage(currentPage, withSummarySuffix(finalReason)); } return $.Deferred().resolve(); }).then(function() { mw.notify(msg('success_deleted')); close(); setTimeout(function() { location.reload(); }, 1200); }).catch(function(err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); }).catch(function(err) { alert(msg('error') + err); }); } function openAdminDirectProtectDialog() { var formHtml = getProtDropdownsHtml(false) + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('prot_reason_req') + '</label><br>' + '<input type="text" id="prot-reason" placeholder="' + msg('prot_placeholder') + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; margin-bottom:12px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('protect_page'), formHtml, function ($content) { bindProtDropdownEvents($content); }, function ($content, close, enableBtn) { var selLevel = $content.find('#prot-level').val(); var protLevelReq = 'edit=' + selLevel + '|move=' + selLevel; var userReason = $content.find('#prot-reason').val().trim() || msg('prot_def_reason'); var expiryVal = $content.find('#prot-expiry').val(); var protExpiryReq = expiryVal === 'othertime' ? $content.find('#prot-other-time').val().trim() : expiryVal; if (expiryVal === 'othertime' && !protExpiryReq) { alert(msg('alert_custom_expiry')); enableBtn(); return; } var api = new mw.Api(); api.postWithToken('csrf', { action: 'protect', title: currentPage, protections: protLevelReq, expiry: protExpiryReq, reason: withSummarySuffix(userReason) }).then(function () { return removeProtectionTemplate(currentPage); }).then(function () { mw.notify(msg('success_protected')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1500); }).catch(function (err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); } function openVoteDialog(sectionId, targetPageName) { var defaultSummary = msg('vote_def_summary'); var formHtml = '<div style="margin-bottom:15px; font-weight:bold;">' + msg('vote_instruction') + '</div>' + '<div style="margin-bottom:15px;">' + '<label style="margin-right:15px; cursor:pointer;"><input type="radio" name="vtype" value="support"> ' + msg('support') + '</label>' + '<label style="margin-right:15px; cursor:pointer;"><input type="radio" name="vtype" value="oppose"> ' + msg('oppose') + '</label>' + '<label style="cursor:pointer;"><input type="radio" name="vtype" value="none"> ' + msg('comment') + '</label>' + '</div>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('reason_comment') + '</label><br>' + '<input type="text" id="vote-comment" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + '<br><br><label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br>' + '<input type="text" id="edit-summary" value="' + defaultSummary + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('vote_title', targetPageName), formHtml, function ($content, $submitBtn) { if ($submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', true).css('opacity', '0.5'); var validateForm = function () { var vtype = $content.find('input[name="vtype"]:checked').val(); var comment = $content.find('#vote-comment').val().trim(); var isValid = false; if (vtype === 'support' || vtype === 'oppose') isValid = true; if (comment !== '') isValid = true; if (isValid && $submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', false).css('opacity', '1'); else if ($submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', true).css('opacity', '0.5'); }; $content.find('input').on('change keyup input', validateForm); }, function ($content, close, enableBtn) { var vtype = $content.find('input[name="vtype"]:checked').val() || 'none'; var comment = $content.find('#vote-comment').val().trim(); var summaryText = $content.find('#edit-summary').val().trim() || defaultSummary; var api = new mw.Api(); api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', rvsection: sectionId, titles: BOARD_PAGE }).then(function (data) { var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; var wikitext = data.query.pages[pageId].revisions[0]['*']; var voteStr = '* '; if (vtype === 'support') voteStr += VOTE_SUPPORT_TMPL + ' '; if (vtype === 'oppose') voteStr += VOTE_OPPOSE_TMPL + ' '; if (comment) voteStr += (vtype !== 'none' ? '- ' : '') + comment + ' '; else if (vtype !== 'none') voteStr += '- '; voteStr += ' ~~~~\n'; var newText = wikitext; var supportRegex = new RegExp('(' + XFD_SEC_SUPPORT.replace(/[-[\]{}()*+?.,\\^$|#\s]/g, '\\$&') + '[ \\t]*\\r?\\n)', 'i'); var opposeRegex = new RegExp('(' + XFD_SEC_OPPOSE.replace(/[-[\]{}()*+?.,\\^$|#\s]/g, '\\$&') + '[ \\t]*\\r?\\n)', 'i'); var commentRegex = new RegExp('(' + XFD_SEC_COMMENT.replace(/[-[\]{}()*+?.,\\^$|#\s]/g, '\\$&') + '[ \\t]*\\r?\\n)', 'i'); if (vtype === 'support' && supportRegex.test(newText)) newText = newText.replace(supportRegex, '$1' + voteStr); else if (vtype === 'oppose' && opposeRegex.test(newText)) newText = newText.replace(opposeRegex, '$1' + voteStr); else { if (commentRegex.test(newText)) newText = newText.replace(commentRegex, '$1' + voteStr); else newText += '\n' + voteStr; } return api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: BOARD_PAGE, section: sectionId, text: newText, summary: withSummarySuffix(summaryText) }); }).then(function () { mw.notify(msg('success_vote')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1200); }).catch(function (err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }); } function openDecisionDialog(sectionId, targetPageName) { var defaultSummary = msg('decision_def_summary', targetPageName); var formHtml = '<div style="margin-bottom:15px; font-weight:bold;">' + msg('decision_instruction') + '</div>' + '<div style="margin-bottom:15px;">' + '<label style="margin-right:15px; cursor:pointer;"><input type="radio" name="ctype" value="deleted" required> ' + msg('deleted') + '</label>' + '<label style="cursor:pointer;"><input type="radio" name="ctype" value="kept"> ' + msg('kept') + '</label>' + '</div>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('comment_opt') + '</label><br>' + '<input type="text" id="close-comment" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + '<br><br><label style="font-weight:bold;">' + msg('edit_summary') + '</label><br>' + '<input type="text" id="edit-summary" value="' + defaultSummary + '" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('decision_title', targetPageName), formHtml, function ($content, $submitBtn) { if ($submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', true).css('opacity', '0.5'); $content.find('input[name="ctype"]').on('change', function () { if ($content.find('input[name="ctype"]:checked').val() && $submitBtn) $submitBtn.prop('disabled', false).css('opacity', '1'); }); }, function ($content, close, enableBtn) { var ctype = $content.find('input[name="ctype"]:checked').val(); var comment = $content.find('#close-comment').val().trim(); var summaryText = $content.find('#edit-summary').val().trim() || defaultSummary; var api = new mw.Api(); var newRevId = null; api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', rvsection: sectionId, titles: BOARD_PAGE }).then(function (data) { var pageId = Object.keys(data.query.pages)[0]; var wikitext = data.query.pages[pageId].revisions[0]['*']; var resultText = (ctype === 'deleted') ? msg('deleted') + '।' : msg('kept') + '।'; if (comment) resultText += ' ' + comment; var headerRegex = /^(==[^=]+==[ \t]*\r?\n)/; var newText = wikitext.replace(headerRegex, '$1' + ATOPR_TMPL.replace('$1', resultText) + '\n'); newText += '\n' + ABOT_TMPL; return api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: BOARD_PAGE, section: sectionId, text: newText, summary: withSummarySuffix(summaryText) }); }).then(function (editData) { newRevId = editData.edit.newrevid; if (ctype === 'deleted') { return api.postWithToken('csrf', { action: 'delete', title: targetPageName, reason: withSummarySuffix(msg('deleted_diff', newRevId)) }); } else { return api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', rvprop: 'content', titles: targetPageName }).then(function (targetData) { var targetPageId = Object.keys(targetData.query.pages)[0]; if (targetPageId === '-1') return $.Deferred().resolve(); var targetWikitext = targetData.query.pages[targetPageId].revisions[0]['*']; var coreDelTemp = DELETE_TEMPLATE.replace(/[{}]/g, ''); var delTemplateRegex = new RegExp('\\{\\{' + coreDelTemp + '\\}\\}\\n?', 'gi'); var updatedTargetText = targetWikitext.replace(delTemplateRegex, ''); return api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: targetPageName, text: updatedTargetText, summary: withSummarySuffix(msg('temp_removed_close')) }); }); } }).then(function () { mw.notify(msg('success_decision')); close(); setTimeout(function () { location.reload(); }, 1200); }).catch(function (err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }); } // Restore Revision function openRestoreDialog(targetRevId) { var api = new mw.Api(); mw.notify(msg('checking_page'), { autoHide: true }); api.get({ action: 'query', prop: 'revisions', revids: targetRevId, rvprop: 'user|content' }).then(function(data) { var pages = data.query.pages; var pageId = Object.keys(pages)[0]; if (pageId === '-1' || !pages[pageId].revisions) { alert(msg('error') + 'Revision not found.'); return; } var rev = pages[pageId].revisions[0]; var revUser = rev.user; var revContent = rev['*']; var defSummary = msg('def_sum_restore', revUser, targetRevId); var formHtml = '<div style="margin-bottom:15px; font-weight:bold; color:#0050d2;">' + msg('restore_prompt', targetRevId) + '</div>' + '<label style="font-weight:bold;">' + msg('restore_reason') + '</label><br>' + '<input type="text" id="restore-reason" style="width:100%; padding:5px; margin-top:8px; box-sizing:border-box; font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">'; showModal(msg('restore_title', targetRevId), formHtml, function($content) { setTimeout(function() { $content.find('#restore-reason').focus(); }, 100); }, function($content, close, enableBtn) { var customReason = $content.find('#restore-reason').val().trim(); var finalSummary = defSummary; if (customReason !== '') { finalSummary += ': ' + customReason; } api.postWithToken('csrf', { action: 'edit', title: currentPage, text: revContent, summary: withSummarySuffix(finalSummary) }).then(function() { mw.notify(msg('success_restore')); close(); setTimeout(function () { window.location.href = mw.util.getUrl(currentPage); }, 1200); }).catch(function(err) { alert(msg('error') + err); enableBtn(); }); }, reopenMainMenu); }).catch(function(err) { alert(msg('error') + err); }); } // ========================================================== // 5. MAIN MENU INTEGRATION // ========================================================== class ToolsMenu { open() { if (typeof window.ToolBoxMessages === 'undefined') { mw.notify(msg('config_loading'), { type: 'warn' }); return; } var html = '<div style="display:flex; flex-direction:column; gap:10px; padding: 10px 0;">'; if (ns >= 0 && !isBoardPage) { html += '<button class="mw-ui-button mw-ui-progressive" id="btn-main-tags" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('menu_tags') + '</button>'; if (isAdmin) { html += '<button class="mw-ui-button mw-ui-destructive" id="btn-main-admin-del" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('menu_del') + '</button>'; html += '<button class="mw-ui-button" id="btn-main-xfd" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('xfd_nomination') + '</button>'; html += '<button class="mw-ui-button" id="btn-main-admin-prot" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('menu_prot') + '</button>'; } else { html += '<button class="mw-ui-button mw-ui-destructive" id="btn-main-csd" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('menu_csd') + '</button>'; html += '<button class="mw-ui-button" id="btn-main-xfd" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('xfd_nomination') + '</button>'; html += '<button class="mw-ui-button" id="btn-main-prot" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('prot_nomination') + '</button>'; } } if (isUserSpace) { html += '<button class="mw-ui-button mw-ui-progressive" id="btn-main-welcome" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('menu_welcome') + '</button>'; html += '<button class="mw-ui-button mw-ui-destructive" id="btn-main-warn" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('menu_warn') + '</button>'; } if (isAdmin) { html += '<button class="mw-ui-button mw-ui-progressive" id="btn-main-admin" style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('admin_tasks') + '</button>'; } html += '</div>'; if (html.indexOf('<button') === -1) { mw.notify(msg('no_tasks')); return; } showModal(msg('toolbox_title'), html, function($content, $submitBtn, close) { $content.find('#btn-main-tags').on('click', function() { close(); openAddTagsDialog(); }); if (isAdmin) { $content.find('#btn-main-admin-del').on('click', function() { close(); openAdminDirectDeleteDialog(); }); $content.find('#btn-main-admin-prot').on('click', function() { close(); openAdminDirectProtectDialog(); }); } else { $content.find('#btn-main-csd').on('click', function() { close(); preCheckAndRun('csd', openCSDDialog); }); $content.find('#btn-main-prot').on('click', function() { close(); preCheckAndRun('prot', openProtectionNominationDialog); }); } $content.find('#btn-main-xfd').on('click', function() { close(); preCheckAndRun('xfd', openNominationDialog); }); $content.find('#btn-main-welcome').on('click', function() { close(); openWelcomeDialog(); }); $content.find('#btn-main-warn').on('click', function() { close(); openWarnDialog(); }); $content.find('#btn-main-admin').on('click', function() { close(); openAdminDialog(); }); }, null, null); } } // ========================================================== // 6. INITIALIZE MENU LINKS // ========================================================== mw.loader.using(['mediawiki.util', 'mediawiki.api', 'mediawiki.Title']).then(function () { var svgIcon = '<svg xmlns="http://www.w3.org/2000/svg" width="20" height="20" viewBox="0 0 24 24" style="fill:currentColor; flex-shrink:0;"><path d="M21.71 3.29a1 1 0 0 0-1.42 0l-1.58 1.58-4.25-4.24-2 2 2.83 2.83-11 11a2 2 0 0 0 0 2.82l1.42 1.42a2 2 0 0 0 2.82 0l11-11 2.83 2.83 2-2-4.24-4.25 1.58-1.58a1 1 0 0 0 0-1.42z"/></svg>'; function openMenu(e) { e.preventDefault(); new ToolsMenu().open(); } function createToolboxBtn(idClass, extraClasses, customLabel, customIcon) { var label = customLabel || msg('toolbox'); var icon = customIcon !== undefined ? customIcon : svgIcon; var $btn = $('<a>', { href: '#', class: 'cdx-button cdx-button--fake-button cdx-button--fake-button--enabled cdx-button--weight-quiet ' + (extraClasses || ''), id: idClass, title: customLabel ? label : msg('toolbox_tooltip'), accesskey: customLabel ? null : 'x', css: { 'display': 'flex', 'align-items': 'center', 'gap': '6px', 'font-weight': 'bold' } }).html((icon ? icon : '') + '<span style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + label + '</span>'); if (!customLabel) { $btn.on('click', openMenu); } return $btn; } var $stickyHeaderIcons = $('.vector-sticky-header-icons'); if ($stickyHeaderIcons.length) { var $btn1 = createToolboxBtn('toolbox-btn-sticky', 'cdx-button--icon-only').css('margin-right', '4px'); $stickyHeaderIcons.prepend($btn1); } var $legacyHeader = $('.page-heading'); var $mainHeader = $('.mw-body-header'); if ($legacyHeader.length && !$mainHeader.length) { var $btn2 = createToolboxBtn('toolbox-btn-legacy').css({ 'display': 'inline-flex', 'margin-top': '8px' }); $('#firstHeading').after($btn2); } var portletId = $('#p-views').length ? 'p-views' : ($('#p-cactions').length ? 'p-cactions' : null); if (portletId) { var tabLink = mw.util.addPortletLink(portletId, '#', msg('toolbox'), 'ca-toolbox-tools', msg('toolbox_tooltip'), 'x', '#ca-view'); if (tabLink) { var $tabLink = $(tabLink); if (portletId === 'p-views') { var $a = $tabLink.find('a'); $a.html(svgIcon + '<span style="font-family:' + GLOBAL_FONT + ';">' + msg('toolbox') + '</span>').css({ 'display': 'flex', 'align-items': 'center', 'gap': '4px' }); } $tabLink.on('click', openMenu); } } // Restore Feature Detection var revId = mw.config.get('wgRevisionId'); var curRevId = mw.config.get('wgCurRevisionId'); var action = mw.config.get('wgAction'); var isDiff = mw.util.getParamValue('diff') !== null; var isOldRev = (revId > 0 && revId !== curRevId) || isDiff; if (isOldRev && action === 'view' && ns >= 0) { var restoreIcon = '<svg xmlns="http://www.w3.org/2000/svg" width="18" height="18" viewBox="0 0 24 24" style="fill:currentColor; flex-shrink:0;"><path d="M13 3a9 9 0 0 0-9 9H1l3.89 3.89.07.14L9 12H6c0-3.87 3.13-7 7-7s7 3.13 7 7-3.13 7-7 7c-1.93 0-3.68-.79-4.94-2.06l-1.42 1.42A8.954 8.954 0 0 0 13 21a9 9 0 0 0 0-18zm-1 5v5l4.25 2.52.75-1.23-3.5-2.07V8h-1.5z"/></svg>'; var $restoreBtn = createToolboxBtn('toolbox-btn-restore', 'mw-ui-button', msg('restore_this_version'), restoreIcon).css({ 'display': 'inline-flex', 'margin-top': '8px', 'margin-bottom': '8px', 'padding': '4px 8px', 'border-radius': '2px', 'background-color': '#ffffff', 'color': '#000000', 'border': '1px solid #000000', 'transition': 'all 0.2s ease' }); $restoreBtn.hover( function() { $(this).css({ 'background-color': '#000000', 'color': '#ffffff' }); }, function() { $(this).css({ 'background-color': '#ffffff', 'color': '#000000' }); } ); $restoreBtn.on('click', function(e) { e.preventDefault(); openRestoreDialog(revId); }); if (isDiff) { $('.diff-ntitle').prepend($('<div>').css('text-align', 'right').append($restoreBtn)); } else { $('#mw-revision-info').append($('<div>').css('margin-top', '5px').append($restoreBtn)); } } }); })(jQuery, mediaWiki); // </nowiki> pgz67kapwhyn1r64qx1wqd1oapov6m5 ফ্রান্সিস্কো ভারেলা 0 12312 78713 76691 2026-04-20T01:24:02Z Sumanta3023 4175 78713 wikitext text/x-wiki [[File:Francisco Varela.jpg|250px|right|thumbnail|১৯৯৪ সালে ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] '''[[w:ফ্রান্সিস্কো ভারেলা|ফ্রান্সিস্কো জাভিয়ের ভারেলা গার্সিয়া]]''' ([[৭ সেপ্টেম্বর]], [[১৯৪৬]] – [[২৮ মে]], [[২০০১]]) ছিলেন একজন চিলীয় জীববিজ্ঞানী এবং [[দার্শনিক]]। তিনি তাঁর শিক্ষক [[উম্বের্তো মাতুরানা|উম্বের্তো মাতুরানার]] সাথে যৌথভাবে জীববিজ্ঞানে [[w:অটোপয়েসিস|অটোপয়েসিস]] ধারণাটি প্রবর্তনের জন্য সর্বাধিক পরিচিত। == উক্তি == * যদি সবাই একমত হতো যে তাদের বর্তমান বাস্তবতা একটি বাস্তবতা মাত্র, এবং আমরা মূলত যা ভাগ করে নিই তা হলো একটি বাস্তবতা তৈরি করার সক্ষমতা, তবে সম্ভবত আমরা একটি 'মেটা অ্যাগ্রিমেন্ট' বা উচ্চতর চুক্তিতে পৌঁছাতে পারতাম। এটি এমন একটি বাস্তবতা গণনার পথ দেখাত যা প্রতিটি গোষ্ঠীর নিজস্ব কর্মপদ্ধতি চাপিয়ে দেওয়ার বদলে গ্রহের প্রত্যেকের বেঁচে থাকা এবং মর্যাদা নিশ্চিত করত। ** ভারেলা (১৯৭৫); অ্যান ওয়াল্ডম্যান সম্পাদিত ''দ্য কোইভোল্যুশন কোয়ার্টারলি'' এ। সংখ্যা ৮-১২, পৃষ্ঠা ৩১। * সমসাময়িক সংস্কৃতিতে '[[সামগ্রিকতা|সামগ্রিক]]' দৃষ্টিভঙ্গিকে এক ধরণের সর্বরোগহর ওষুধ হিসেবে প্রচার করার একটি শক্তিশালী ধারা রয়েছে সংক্ষেপণবাদ বা রিডাকশনিজম বলতে নিচের স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়, আর সামগ্রিকতা বলতে উচ্চতর স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়। যেকোনো সন্তোষজনক বর্ণনায় এই দুটি একে অপরের সাথে জড়িত: এবং প্রতিটি আমাদের জ্ঞানীয় পছন্দের ক্ষেত্রে কিছুটা ক্ষতির পাশাপাশি কিছু লাভও নিয়ে আসে অংশগুলোর পারস্পরিক সংযোগ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা হয় না এবং পরিবেশ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা থাকা সম্ভব নয়। ** ভারেলা (১৯৭৭) "অন বিয়িং অটোনমাস: দ্য লেসনস অফ ন্যাচারাল হিস্ট্রি ফর সিস্টেমস থিওরি"। [[জর্জ ক্লির]] সম্পাদিত ''অ্যাপ্লাইড সিস্টেমস রিসার্চ'' এ। নিউ ইয়র্ক: প্লেনাম প্রেস। পৃষ্ঠা ৭৭-৮৫; ডি. রুড্রফ (২০০৩) "[http://www.scielo.cl/pdf/bres/v36n1/art05.pdf ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি: ফ্রান্সিস্কো ভারেলা'স এক্সপ্লোরেশন অফ দ্য বায়োফিজিক্স অফ বিয়িং]" এ উদ্ধৃত। ইন: ''বায়োল রেস'' ৩৬: ২৭-৬৫। * একটি বৈচিত্র্যময় সম্প্রদায় হলো একটি স্থিতিস্থাপক সম্প্রদায়, যা পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম। তবে বৈচিত্র্য কেবল তখনই কৌশলগত সুবিধা প্রদান করে যখন সেখানে একটি সত্যিকারের প্রাণবন্ত সম্প্রদায় থাকে, যা সম্পর্কের এক নিবিড় জালের মাধ্যমে টিকে থাকে। যদি সম্প্রদায়টি বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠী এবং ব্যক্তিতে বিভক্ত হয়ে পড়ে, তবে বৈচিত্র্য সহজেই কুসংস্কার এবং ঘর্ষণের উৎস হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু সম্প্রদায়টি যদি তার সমস্ত সদস্যের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা সম্পর্কে সচেতন থাকে, তবে বৈচিত্র্য সমস্ত সম্পর্ককে সমৃদ্ধ করবে এবং এর ফলে সামগ্রিকভাবে সম্প্রদায় ও প্রতিটি স্বতন্ত্র সদস্য সমৃদ্ধ হবে। এমন একটি সম্প্রদায়ে তথ্য এবং ধারণাগুলো পুরো নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অবাধে প্রবাহিত হয় এবং ব্যাখ্যার ভিন্নতা ও শেখার শৈলীর বৈচিত্র্য এমনকি ভুলের বৈচিত্র্যও পুরো সম্প্রদায়কে সমৃদ্ধ করবে। ** মাতুরানা এবং ভারেলা (১৯৮৭) ''দ্য ট্রি অফ নলেজ''; [[ফ্রিটজফ ক্যাপ্রা]] (১৯৯৬) ''দ্য ওয়েব অফ লাইফ'' এ উদ্ধৃত। পৃষ্ঠা ৩৩০। * আমি একজন জীববিজ্ঞানী যে জ্ঞানীয় ঘটনার জৈবিক শিকড় নিয়ে আগ্রহী। ** ভারেলা (১৯৯০); ডি. রুড্রফ (২০০৩) "[http://www.scielo.cl/pdf/bres/v36n1/art05.pdf ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি: ফ্রান্সিস্কো ভারেলা'স এক্সপ্লোরেশন অফ দ্য বায়োফিজিক্স অফ বিয়িং]" এ উদ্ধৃত। ইন: ''বায়োল রেস'' ৩৬: ২৭-৬৫। * আমি আশা করি আমি পাঠককে এই কথাটি বিবেচনা করতে প্রলুব্ধ করতে পেরেছি যে, আমাদের সামনে মানবিক অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞানীয় বিজ্ঞানের মধ্যে অনুরণিত পথ খোঁজার একটি অন্তহীন সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এর মূল্য হিসেবে প্রথম ব্যক্তির বর্ণনাকে (ফার্স্ট পারসন অ্যাকাউন্টস) ঘটনার একটি বৈধ ক্ষেত্র হিসেবে গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করতে হবে। আর তারও বাইরে, প্রপঞ্চতাত্ত্বিক বা ফেনোমেনোলজিক্যাল পরীক্ষার একটি টেকসই ঐতিহ্য গড়ে তুলতে হবে যা আজ আমাদের পাশ্চাত্য বিজ্ঞান এবং বৃহত্তর সংস্কৃতিতে প্রায় অস্তিত্বহীন। ** ভারেলা (১৯৯৬) "নিউরোফেনোমেনোলজি : এ মেথডোলজিক্যাল রেমেডি ফর দ্য হার্ড প্রবলেম"; ''জার্নাল অফ কনশাসনেস স্টাডিজ'', জে. শেয়ার (সম্পাদিত), জুন ১৯৯৬। [http://www.enolagaia.com/Varela.html ফ্রান্সিস্কো জে. ভারেলা ১৯৪৬ - ২০০১], enolagaia.com এ উদ্ধৃত। * গত ১৫ বছরে একটি বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গির উত্থান ঘটেছে, যা হলো মূর্ত বা সক্রিয় সংজ্ঞান (এমবডিড অর এনাক্টিভ কগনিশন)। এই নতুন ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়েছে কারণ কম্পিউটেশনালিস্ট মতবাদ বিশ্বের অতি সাধারণ বিষয়গুলোর ব্যাখ্যা দিতেও ব্যর্থ হয়েছে: যেমন হাঁটা, প্রাকৃতিক পরিবেশে কোনো বস্তুকে অনুধাবন করা কিংবা কল্পনা। ধীরে ধীরে পাশা উল্টে গিয়ে এখন বিবেচনা করা হচ্ছে যে, মনের ভিত্তি হলো দেহ এবং তার সম্মিলিত কাজ; অর্থাৎ সেন্সরি মোটর সার্কিটগুলো জীবকে একটি নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে টিকে থাকার উপযোগী হিসেবে গড়ে তোলে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে মস্তিষ্ককে একটি গতিশীল প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা হয় (সিনট্যাকটিক প্রক্রিয়া হিসেবে নয়), যার রয়েছে রিয়েল টাইম ভেরিয়েবল এবং সমৃদ্ধ স্ব-সংগঠিত হওয়ার সক্ষমতা (প্রতিনিধিত্বমূলক কোনো যন্ত্র হিসেবে নয়)। তাই এই অর্থে মন কেবল মাথার ভেতরে নেই, যেহেতু এর শিকড় পুরো শরীরে এবং সেই বর্ধিত পরিবেশে ছড়িয়ে আছে যেখানে জীবটি অবস্থান করে। ** ভারেলা (১৯৯৮) "[http://www.expo-cosmos.or.jp/letter/letter12e.html দ্য কসমস লেটার]", এক্সপো'৯০ ফাউন্ডেশন, জাপান। * একটি ঐক্যবদ্ধ জ্ঞানীয় মুহূর্তের উদ্ভব নির্ভর করে মস্তিষ্কের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা কার্যকারীভাবে বিশেষায়িত অংশগুলোর সমন্বয়ের ওপর। এখানে আমরা লার্জ-স্কেল ইন্টিগ্রেশন বা বৃহৎ আকারের একীকরণের প্রক্রিয়াগুলো পর্যালোচনা করছি, যা মস্তিষ্কের কার্যকলাপের ছড়িয়ে থাকা শারীরবৃত্তীয় এবং কার্যকারী সংস্থাকে ভারসাম্য প্রদান করে যাতে সুসংগত আচরণ এবং সংজ্ঞানের উদ্ভব ঘটে। যদিও লার্জ-স্কেল ইন্টিগ্রেশনের সাথে জড়িত প্রক্রিয়াগুলো এখনও অনেকটা অজানা, তবুও আমরা যুক্তি দিচ্ছি যে সবচেয়ে সম্ভাব্য উপায় হলো একাধিক ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড জুড়ে সিনক্রোনি বা সমকালিকতার মাধ্যমে তৈরি হওয়া গতিশীল যোগসূত্র। ** ফ্রান্সিস্কো ভারেলা, জিন-ফিলিপ লাচাক্স, ইউজেনিও রদ্রিগেজ এবং জ্যাক মার্তিনেরি (২০০১) "দ্য ব্রেইনওয়েব: ফেজ সিনক্রোনাইজেশন অ্যান্ড লার্জ-স্কেল ইন্টিগ্রেশন"; ''নেচার রিভিউস ভলিউম ২ (এপ্রিল ২০০১)''। পৃষ্ঠা ২২৯। ([http://www.saminverso.com/brg/archive/varela%202001%20Brainweb-Phase%20synchronization%20and%20large%20scale%20integration.pdf অনলাইন]) * এটি আসলে আমাদের উদ্দেশ্যবাদ বা টেলিলজির অভিজ্ঞতার মাধ্যমে আমাদের একটি সত্তা হিসেবে টিকে থাকার আকাঙ্ক্ষা, বস্তুর ওপর উদ্দেশ্য আরোপ করা নয় যার ফলে উদ্দেশ্যবাদ একটি বুদ্ধিবৃত্তিক নীতির চেয়ে বরং একটি বাস্তব নীতিতে পরিণত হয় বিজ্ঞানী হওয়ার আগে আমরা প্রথমত জীবন্ত প্রাণী, আর সেই হিসেবে আমাদের মধ্যে সহজাত উদ্দেশ্যবাদের প্রমাণ রয়েছে। এবং অন্যান্য প্রাণীদের তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম পর্যবেক্ষণ করার সময় রাসায়নিক বিকর্ষণকারী পদার্থ থেকে সক্রিয়ভাবে দূরে সরে যাওয়া সাধারণ ব্যাকটেরিয়া থেকে শুরু করে আমরা আমাদের নিজস্ব প্রমাণের মাধ্যমে উদ্দেশ্যবাদকে জীবজগতের চালিকাশক্তি হিসেবে বুঝতে পারি। জীবন সম্পর্কিত তত্ত্বগুলো কেবল জীবনেরই সেই ভঙ্গুর এবং সংশ্লিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি থেকে অনুধাবন করা সম্ভব। ** [[আন্দ্রেয়াস ওয়েবার (লেখক)|আন্দ্রেয়াস ওয়েবার]] এবং ফ্রান্সিস্কো ভারেলা ২০০২। "লাইফ আফটার কান্ট: ন্যাচারাল পারপাসেস অ্যান্ড দ্য অটোপয়েটিক ফাউন্ডেশনস অফ ইন্ডিভিজুয়ালিটি"। ''ফেনোমেনোলজি অ্যান্ড দ্য কগনিটিভ সায়েন্সেস'' ২, ৯৭–১২৫। পৃষ্ঠা ১১০; [[ইভান থম্পসন]], "লাইফ অ্যান্ড মাইন্ড: ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি। এ ট্রিবিউট টু ফ্রান্সিস্কো ভারেলা।" এ উদ্ধৃত। ''ফেনোমেনোলজি অ্যান্ড দ্য কগনিটিভ সায়েন্সেস'' ৩.৪ (২০০৪): ৩৮১-৩৯৮। === ''অটোপয়েসিস অ্যান্ড কগনিশন: দ্য রিয়ালাইজেশন অফ দ্য লিভিং'' (১৯৮০) === :[[উম্বের্তো মাতুরানা|এইচ.আর. মাতুরানা]], এফ.জে. ভারেলা (১৯৮০) ''অটোপয়েসিস অ্যান্ড কগনিশন: দ্য রিয়ালাইজেশন অফ দ্য লিভিং'' * অটোপয়েটিক সংগঠন বলতে মাতুরানা এবং ভারেলা সেই প্রক্রিয়াগুলোকে বুঝিয়েছেন, যা উপাদান উৎপাদনের একটি নেটওয়ার্কের নির্দিষ্ট রূপের সাথে এমনভাবে জড়িত যা সেই নেটওয়ার্কটিকে উপলব্ধি করার মাধ্যমে একে একটি একক বা সত্তা হিসেবে গঠন করে। ** পৃষ্ঠা ৮০; লি ও. থায়ার এবং জর্জ এ. বার্নেট (১৯৯৭) ''অর্গানাইজেশন-কমিউনিকেশন: এমার্জিং পারসপেক্টিভস, ভলিউম ৫'' এ উদ্ধৃত। পৃষ্ঠা ১৯৩। * যে সম্পর্কগুলো একটি সিস্টেমকে একক বা সত্তা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে এবং মিথস্ক্রিয়া ও রূপান্তরের গতিশীলতা নির্ধারণ করে যার মধ্য দিয়ে সেই সত্তাটি অতিবাহিত হতে পারে তাই ওই যন্ত্রের সংগঠন তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ১৩৭ === ''দ্য এমবডিড মাইন্ড'' (১৯৯১) === :ফ্রান্সিস্কো জে. ভারেলা, ইভান থম্পসন এবং এলিনর রোশ (১৯৯১) ''দ্য এমবডিড মাইন্ড: কগনিটিভ সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যান এক্সপেরিয়েন্স'', এমআইটি প্রেস * বৌদ্ধ শিক্ষকরা প্রায়ই যেমনটি উল্লেখ করেন, জ্ঞান [[প্রজ্ঞা (বৌদ্ধধর্ম)|প্রজ্ঞা]] অর্থে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান নয়। অভিজ্ঞতার বাইরে বা অভিজ্ঞতা থেকে আলাদা এমন কোনো বিমূর্ত 'জ্ঞাতা' নেই। ** পৃষ্ঠা ২৬; '[http://evenhigherlearning.wordpress.com/2009/05/08/in-7-quotes-or-less-the-embodied-mind-by-francisco-j-varela-evan-thompson-and-eleanor-rosch/ ইন ৭ কোটস অর লেস]'এ আংশিক উদ্ধৃত, evenhigherlearning.wordpress.com, ৮ জুন, ২০০৯। * জ্ঞানীয় বিজ্ঞানের (কগনিটিভ সায়েন্স) [[সাইবারনেটিক্স]] পর্যায়টি তার দীর্ঘমেয়াদী (প্রায়ই নেপথ্য) প্রভাবের পাশাপাশি আশ্চর্যজনকভাবে সুনির্দিষ্ট কিছু ফলাফল তৈরি করেছে: ** স্নায়ুতন্ত্রের কাজ বোঝার জন্য গাণিতিক যুক্তির ব্যবহার; ** তথ্য প্রক্রিয়াকরণ যন্ত্রের (ডিজিটাল কম্পিউটার হিসেবে) উদ্ভাবন, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভিত্তি স্থাপন করেছে; ** সিস্টেম থিওরির মতো একটি মেটা ডিসিপ্লিন বা উচ্চতর শাস্ত্রের প্রতিষ্ঠা, যা বিজ্ঞানের অনেক শাখায় ছাপ ফেলেছে, যেমন প্রকৌশল (সিস্টেম অ্যানালাইসিস, কন্ট্রোল থিওরি), জীববিজ্ঞান (রেগুলেটরি ফিজিওলজি, ইকোলজি), সামাজিক বিজ্ঞান (ফ্যামিলি থেরাপি, স্ট্রাকচারাল অ্যানথ্রোপলজি, ম্যানেজমেন্ট, আরবান স্টাডিজ) এবং অর্থনীতি ([[গেম থিওরি]]); ** সংকেত এবং যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর একটি পরিসংখ্যানগত তত্ত্ব হিসেবে [[তথ্য তত্ত্ব|তথ্য তত্ত্বের]] (ইনফরমেশন থিওরি) বিকাশ; ** স্ব-সংগঠিত সিস্টেমের প্রথম উদাহরণসমূহ। <br>এই তালিকাটি বেশ চিত্তাকর্ষক: আমরা এই ধারণা এবং সরঞ্জামগুলোর অনেকগুলোকে আমাদের জীবনের একীভূত অংশ হিসেবে বিবেচনা করি। ** পৃষ্ঠা ৩৮ * আমাদের সমস্ত দুঃখ এই আত্মমগ্নতার সাথে যুক্ত। সমস্ত লাভ ক্ষতি, আনন্দ ও বেদনা তৈরি হয় কারণ আমরা আমাদের এই অস্পষ্ট অহংবোধের সাথে নিজেদের এতটাই নিবিড়ভাবে জড়িয়ে ফেলি। আমরা এই "আমি" র সাথে মানসিকভাবে এতটাই জড়িত এবং আসক্ত যে আমরা একে ধ্রুব সত্য বলে ধরে নিই। ** পৃষ্ঠা ৬৩ * অনেকে এটি মেনে নেবেন যে আমাদের আসলে জগত সম্পর্কে কোনো জ্ঞান নেই; আমাদের কাছে কেবল জগতের আমাদের তৈরি রূপান্তর বা ‘রিপ্রেজেন্টেশন’ সম্পর্কে জ্ঞান আছে। তবুও আমাদের গঠনগত কারণেই আমরা এই রিপ্রেজেন্টেশনগুলোকেই জগত হিসেবে গণ্য করতে বাধ্য হই, কারণ আমাদের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা এমন মনে হয় যেন এটি একটি প্রদত্ত এবং তাৎক্ষণিক জগত। ** পৃষ্ঠা ১৪২ * অন্যের প্রতি সমব্যথী হওয়ার সম্ভাবনা প্রতিটি মানুষের মধ্যেই বিদ্যমান, তবে এটি সাধারণত অহংবোধের সাথে মিশে থাকে এবং এর ফলে এটি নিজের স্বীকৃতি এবং আত্ম মূল্যায়নের লালসা মেটানোর প্রয়োজনের সাথে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। যখন কেউ অভ্যাসগত ছকে আটকে থাকে না যখন কেউ কর্মফল বা কারণ ফলাফলের অধীন হয়ে ইচ্ছাকৃত কাজ করে না তখন যে স্বতঃস্ফূর্ত করুণা বা মমত্ববোধের উদয় হয়, তা প্রাপকের কাছ থেকে কোনো প্রতিদান পাওয়ার আশা ছাড়াই ঘটে। এই প্রতিদানের উদ্বেগ বা অন্যের প্রতিক্রিয়াই আমাদের কাজের মধ্যে উত্তেজনা এবং বাধার সৃষ্টি করে। যখন কোনো কাজ 'লেনদেনের মানসিকতা' ছাড়া করা হয়, তখন সেখানে প্রশান্তি থাকে। একেই বলা হয় পরম (বা তুরীয়) উদারতা। ** পৃষ্ঠা ২৪৯ === ''দ্য ইমারজেন্ট সেলফ'' (১৯৯৫) === ** ভারেলা (১৯৯৫) "দ্য ইমারজেন্ট সেলফ"; জন ব্রকম্যান সম্পাদিত ''দ্য থার্ড কালচার: বিয়ন্ড দ্য সায়েন্টিফিক রেভল্যুশন'' এ। অধ্যায় ১২ ([http://www.edge.org/documents/archive/edge86.html অনলাইন]) * আমার মনে হয় সারা জীবন আমার মনে কেবল একটিই প্রশ্ন ছিল। কেন এই উদ্ভূত সত্তা বা ভার্চুয়াল পরিচয়গুলো মন/দেহ স্তর, কোষ স্তর কিংবা ট্রান্স-অর্গানিজম স্তরে জগত তৈরি করতে সব জায়গায় আবির্ভূত হয়? এই ঘটনাটি এতটাই সৃজনশীল যে এটি সম্পূর্ণ নতুন ক্ষেত্র জীবন, মন এবং সমাজ তৈরি করা বন্ধ করে না। তবুও এই উদ্ভূত সত্তাগুলো এমন কিছু অস্থির এবং নিরাধার প্রক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে তৈরি যে, যা আমাদের সামনে দৃশ্যমান তার দৃঢ়তা এবং এর ভিত্তিহীনতার মধ্যে আমরা একটি আপাত বৈপরীত্য দেখতে পাই। আমার কাছে এটিই একটি প্রধান এবং চিরন্তন প্রশ্ন। * আমি সম্ভবত তিনটি ভিন্ন ধরণের কাজের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত, যা অনেকের কাছে আলাদা মনে হলেও আমার কাছে একটি অভিন্ন থিম হিসেবে কাজ করে। এগুলো হলো: কোষীয় সংগঠনের জন্য অটোপয়েসিস (স্ব-উৎপাদন) ধারণার প্রবর্তনে আমার অবদান, স্নায়ুতন্ত্র ও সংজ্ঞানের সক্রিয় বা এনাক্টিভ দৃষ্টিভঙ্গি এবং ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পর্কে বর্তমান ধারণাগুলোর সংশোধন। * আমি বৌদ্ধ অনুশীলন এবং বৈজ্ঞানিক কাজের মধ্যে দীর্ঘদিনের আগ্রহের ওপর ভিত্তি করে গবেষণালব্ধ একটি সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী। * [[বৌদ্ধধর্ম]] একটি অনুশীলন, কোনো বিশ্বাস নয়। প্রতিটি বৌদ্ধই কোনো না কোনোভাবে সাধারণ যাজকতুল্য একজন বিজ্ঞানী যেভাবে তাঁর কাজে লিপ্ত থাকেন, কিংবা একজন লেখকের মন যেভাবে সারাক্ষণ নেপথ্যে থেকে লেখায় মগ্ন থাকে, তাঁরাও সেভাবেই এতে নিবিষ্ট থাকেন। === ভারেলা সম্পর্কে === * ফ্রান্সিস্কো ভারেলা আশ্চর্যজনকভাবে উদ্ভাবনী, স্বাধীনচেতা এবং সৃজনশীল। তিনি এবং উম্বের্তো মাতুরানা যা বলেছেন তার মধ্যে গভীরতা রয়েছে। আবার উল্টোদিকে, একজন কঠোর আণবিক জীববিজ্ঞানীর (মলিকুলার বায়োলজিস্ট) দৃষ্টিকোণ থেকে এগুলো কেবলই অবাস্তব ও ভিত্তিহীন বিষয়। এই কারণেই তাঁর কাজের প্রতি মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। আমার ভেতরের সেই অংশটি যা যুক্তিনির্ভর এবং সমালোচনামূলক, তা হয়তো প্রশ্ন তোলে; কিন্তু আমার অন্য অংশটি ইমিউন নেটওয়ার্কের স্ব-প্রতিনিধিত্ব নিয়ে করা তাঁর সাম্প্রতিক কাজগুলো গ্রহণ করেছে। আমি এগুলো খুব পছন্দ করি। ** [[স্টুয়ার্ট কফম্যান]]; জন ব্রকম্যান সম্পাদিত (১৯৯৫) ''দ্য থার্ড কালচার: বিয়ন্ড দ্য সায়েন্টিফিক রেভল্যুশন'' এ। পৃষ্ঠা ২০৯ ([http://www.edge.org/documents/ThirdCulture/t-Ch.12.html অনলাইন])। * ফ্রান্সিস্কো ছিলেন একজন পরীক্ষামূলক এবং তাত্ত্বিক জীববিজ্ঞানী, যিনি তাঁর ভাষায় "উদ্ভূত সত্তা" (ইমারজেন্ট সেলভস) বা "ভার্চুয়াল পরিচয়" (ভার্চুয়াল আইডেন্টিটিস) নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। বাস্তবতার প্রতি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি ছিল অন্তর্নিহিত; যা প্রকৌশল বা তথ্য বিজ্ঞানের রূপকের বদলে স্ব-সংগঠন এবং বৌদ্ধধর্ম-অনুপ্রাণিত জ্ঞানতত্ত্ব থেকে উদ্ভূত রূপকের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল। ** জন ব্রকম্যান (২০০১) "[http://www.edge.org/documents/archive/edge86.html এজ: দ্য ইমারজেন্ট সেলফ]", edge.org, ৫ জুন ২০০১। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} * [http://www.edge.org/3rd_culture/varela/varela_index.html জন ব্রকম্যান] ফ্রান্সিস্কো ভারেলা: ইন মেমোরিয়াম {{DEFAULTSORT:Varela, Francisco}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৬ এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০০১ এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:চিলীয় জীববিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:চিলীয় দার্শনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:সাইবারনেটিশিয়ান]] [[বিষয়শ্রেণী:সান্তিয়াগো দে চিলির ব্যক্তি]] teavjpp5lwujg009plmtdpkoq2oywal 78714 78713 2026-04-20T01:24:44Z Sumanta3023 4175 78714 wikitext text/x-wiki [[File:Francisco Varela.jpg|250px|right|thumbnail|১৯৯৪ সালে ফ্রান্সিস্কো ভারেলা]] '''[[w:ফ্রান্সিস্কো ভারেলা|ফ্রান্সিস্কো জাভিয়ের ভারেলা গার্সিয়া]]''' (৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৬ – ২৮ মে, ২০০১) ছিলেন একজন চিলীয় জীববিজ্ঞানী এবং [[দার্শনিক]]। তিনি তাঁর শিক্ষক [[উম্বের্তো মাতুরানা|উম্বের্তো মাতুরানার]] সাথে যৌথভাবে জীববিজ্ঞানে [[w:অটোপয়েসিস|অটোপয়েসিস]] ধারণাটি প্রবর্তনের জন্য সর্বাধিক পরিচিত। == উক্তি == * যদি সবাই একমত হতো যে তাদের বর্তমান বাস্তবতা একটি বাস্তবতা মাত্র, এবং আমরা মূলত যা ভাগ করে নিই তা হলো একটি বাস্তবতা তৈরি করার সক্ষমতা, তবে সম্ভবত আমরা একটি 'মেটা অ্যাগ্রিমেন্ট' বা উচ্চতর চুক্তিতে পৌঁছাতে পারতাম। এটি এমন একটি বাস্তবতা গণনার পথ দেখাত যা প্রতিটি গোষ্ঠীর নিজস্ব কর্মপদ্ধতি চাপিয়ে দেওয়ার বদলে গ্রহের প্রত্যেকের বেঁচে থাকা এবং মর্যাদা নিশ্চিত করত। ** ভারেলা (১৯৭৫); অ্যান ওয়াল্ডম্যান সম্পাদিত ''দ্য কোইভোল্যুশন কোয়ার্টারলি'' এ। সংখ্যা ৮-১২, পৃষ্ঠা ৩১। * সমসাময়িক সংস্কৃতিতে '[[সামগ্রিকতা|সামগ্রিক]]' দৃষ্টিভঙ্গিকে এক ধরণের সর্বরোগহর ওষুধ হিসেবে প্রচার করার একটি শক্তিশালী ধারা রয়েছে সংক্ষেপণবাদ বা রিডাকশনিজম বলতে নিচের স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়, আর সামগ্রিকতা বলতে উচ্চতর স্তরের দিকে মনোযোগ দেওয়া বোঝায়। যেকোনো সন্তোষজনক বর্ণনায় এই দুটি একে অপরের সাথে জড়িত: এবং প্রতিটি আমাদের জ্ঞানীয় পছন্দের ক্ষেত্রে কিছুটা ক্ষতির পাশাপাশি কিছু লাভও নিয়ে আসে অংশগুলোর পারস্পরিক সংযোগ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা হয় না এবং পরিবেশ ছাড়া কোনো সামগ্রিক ব্যবস্থা থাকা সম্ভব নয়। ** ভারেলা (১৯৭৭) "অন বিয়িং অটোনমাস: দ্য লেসনস অফ ন্যাচারাল হিস্ট্রি ফর সিস্টেমস থিওরি"। [[জর্জ ক্লির]] সম্পাদিত ''অ্যাপ্লাইড সিস্টেমস রিসার্চ'' এ। নিউ ইয়র্ক: প্লেনাম প্রেস। পৃষ্ঠা ৭৭-৮৫; ডি. রুড্রফ (২০০৩) "[http://www.scielo.cl/pdf/bres/v36n1/art05.pdf ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি: ফ্রান্সিস্কো ভারেলা'স এক্সপ্লোরেশন অফ দ্য বায়োফিজিক্স অফ বিয়িং]" এ উদ্ধৃত। ইন: ''বায়োল রেস'' ৩৬: ২৭-৬৫। * একটি বৈচিত্র্যময় সম্প্রদায় হলো একটি স্থিতিস্থাপক সম্প্রদায়, যা পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম। তবে বৈচিত্র্য কেবল তখনই কৌশলগত সুবিধা প্রদান করে যখন সেখানে একটি সত্যিকারের প্রাণবন্ত সম্প্রদায় থাকে, যা সম্পর্কের এক নিবিড় জালের মাধ্যমে টিকে থাকে। যদি সম্প্রদায়টি বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠী এবং ব্যক্তিতে বিভক্ত হয়ে পড়ে, তবে বৈচিত্র্য সহজেই কুসংস্কার এবং ঘর্ষণের উৎস হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু সম্প্রদায়টি যদি তার সমস্ত সদস্যের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা সম্পর্কে সচেতন থাকে, তবে বৈচিত্র্য সমস্ত সম্পর্ককে সমৃদ্ধ করবে এবং এর ফলে সামগ্রিকভাবে সম্প্রদায় ও প্রতিটি স্বতন্ত্র সদস্য সমৃদ্ধ হবে। এমন একটি সম্প্রদায়ে তথ্য এবং ধারণাগুলো পুরো নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অবাধে প্রবাহিত হয় এবং ব্যাখ্যার ভিন্নতা ও শেখার শৈলীর বৈচিত্র্য এমনকি ভুলের বৈচিত্র্যও পুরো সম্প্রদায়কে সমৃদ্ধ করবে। ** মাতুরানা এবং ভারেলা (১৯৮৭) ''দ্য ট্রি অফ নলেজ''; [[ফ্রিটজফ ক্যাপ্রা]] (১৯৯৬) ''দ্য ওয়েব অফ লাইফ'' এ উদ্ধৃত। পৃষ্ঠা ৩৩০। * আমি একজন জীববিজ্ঞানী যে জ্ঞানীয় ঘটনার জৈবিক শিকড় নিয়ে আগ্রহী। ** ভারেলা (১৯৯০); ডি. রুড্রফ (২০০৩) "[http://www.scielo.cl/pdf/bres/v36n1/art05.pdf ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি: ফ্রান্সিস্কো ভারেলা'স এক্সপ্লোরেশন অফ দ্য বায়োফিজিক্স অফ বিয়িং]" এ উদ্ধৃত। ইন: ''বায়োল রেস'' ৩৬: ২৭-৬৫। * আমি আশা করি আমি পাঠককে এই কথাটি বিবেচনা করতে প্রলুব্ধ করতে পেরেছি যে, আমাদের সামনে মানবিক অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞানীয় বিজ্ঞানের মধ্যে অনুরণিত পথ খোঁজার একটি অন্তহীন সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এর মূল্য হিসেবে প্রথম ব্যক্তির বর্ণনাকে (ফার্স্ট পারসন অ্যাকাউন্টস) ঘটনার একটি বৈধ ক্ষেত্র হিসেবে গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করতে হবে। আর তারও বাইরে, প্রপঞ্চতাত্ত্বিক বা ফেনোমেনোলজিক্যাল পরীক্ষার একটি টেকসই ঐতিহ্য গড়ে তুলতে হবে যা আজ আমাদের পাশ্চাত্য বিজ্ঞান এবং বৃহত্তর সংস্কৃতিতে প্রায় অস্তিত্বহীন। ** ভারেলা (১৯৯৬) "নিউরোফেনোমেনোলজি : এ মেথডোলজিক্যাল রেমেডি ফর দ্য হার্ড প্রবলেম"; ''জার্নাল অফ কনশাসনেস স্টাডিজ'', জে. শেয়ার (সম্পাদিত), জুন ১৯৯৬। [http://www.enolagaia.com/Varela.html ফ্রান্সিস্কো জে. ভারেলা ১৯৪৬ - ২০০১], enolagaia.com এ উদ্ধৃত। * গত ১৫ বছরে একটি বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গির উত্থান ঘটেছে, যা হলো মূর্ত বা সক্রিয় সংজ্ঞান (এমবডিড অর এনাক্টিভ কগনিশন)। এই নতুন ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়েছে কারণ কম্পিউটেশনালিস্ট মতবাদ বিশ্বের অতি সাধারণ বিষয়গুলোর ব্যাখ্যা দিতেও ব্যর্থ হয়েছে: যেমন হাঁটা, প্রাকৃতিক পরিবেশে কোনো বস্তুকে অনুধাবন করা কিংবা কল্পনা। ধীরে ধীরে পাশা উল্টে গিয়ে এখন বিবেচনা করা হচ্ছে যে, মনের ভিত্তি হলো দেহ এবং তার সম্মিলিত কাজ; অর্থাৎ সেন্সরি মোটর সার্কিটগুলো জীবকে একটি নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে টিকে থাকার উপযোগী হিসেবে গড়ে তোলে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে মস্তিষ্ককে একটি গতিশীল প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা হয় (সিনট্যাকটিক প্রক্রিয়া হিসেবে নয়), যার রয়েছে রিয়েল টাইম ভেরিয়েবল এবং সমৃদ্ধ স্ব-সংগঠিত হওয়ার সক্ষমতা (প্রতিনিধিত্বমূলক কোনো যন্ত্র হিসেবে নয়)। তাই এই অর্থে মন কেবল মাথার ভেতরে নেই, যেহেতু এর শিকড় পুরো শরীরে এবং সেই বর্ধিত পরিবেশে ছড়িয়ে আছে যেখানে জীবটি অবস্থান করে। ** ভারেলা (১৯৯৮) "[http://www.expo-cosmos.or.jp/letter/letter12e.html দ্য কসমস লেটার]", এক্সপো'৯০ ফাউন্ডেশন, জাপান। * একটি ঐক্যবদ্ধ জ্ঞানীয় মুহূর্তের উদ্ভব নির্ভর করে মস্তিষ্কের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা কার্যকারীভাবে বিশেষায়িত অংশগুলোর সমন্বয়ের ওপর। এখানে আমরা লার্জ-স্কেল ইন্টিগ্রেশন বা বৃহৎ আকারের একীকরণের প্রক্রিয়াগুলো পর্যালোচনা করছি, যা মস্তিষ্কের কার্যকলাপের ছড়িয়ে থাকা শারীরবৃত্তীয় এবং কার্যকারী সংস্থাকে ভারসাম্য প্রদান করে যাতে সুসংগত আচরণ এবং সংজ্ঞানের উদ্ভব ঘটে। যদিও লার্জ-স্কেল ইন্টিগ্রেশনের সাথে জড়িত প্রক্রিয়াগুলো এখনও অনেকটা অজানা, তবুও আমরা যুক্তি দিচ্ছি যে সবচেয়ে সম্ভাব্য উপায় হলো একাধিক ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড জুড়ে সিনক্রোনি বা সমকালিকতার মাধ্যমে তৈরি হওয়া গতিশীল যোগসূত্র। ** ফ্রান্সিস্কো ভারেলা, জিন-ফিলিপ লাচাক্স, ইউজেনিও রদ্রিগেজ এবং জ্যাক মার্তিনেরি (২০০১) "দ্য ব্রেইনওয়েব: ফেজ সিনক্রোনাইজেশন অ্যান্ড লার্জ-স্কেল ইন্টিগ্রেশন"; ''নেচার রিভিউস ভলিউম ২ (এপ্রিল ২০০১)''। পৃষ্ঠা ২২৯। ([http://www.saminverso.com/brg/archive/varela%202001%20Brainweb-Phase%20synchronization%20and%20large%20scale%20integration.pdf অনলাইন]) * এটি আসলে আমাদের উদ্দেশ্যবাদ বা টেলিলজির অভিজ্ঞতার মাধ্যমে আমাদের একটি সত্তা হিসেবে টিকে থাকার আকাঙ্ক্ষা, বস্তুর ওপর উদ্দেশ্য আরোপ করা নয় যার ফলে উদ্দেশ্যবাদ একটি বুদ্ধিবৃত্তিক নীতির চেয়ে বরং একটি বাস্তব নীতিতে পরিণত হয় বিজ্ঞানী হওয়ার আগে আমরা প্রথমত জীবন্ত প্রাণী, আর সেই হিসেবে আমাদের মধ্যে সহজাত উদ্দেশ্যবাদের প্রমাণ রয়েছে। এবং অন্যান্য প্রাণীদের তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম পর্যবেক্ষণ করার সময় রাসায়নিক বিকর্ষণকারী পদার্থ থেকে সক্রিয়ভাবে দূরে সরে যাওয়া সাধারণ ব্যাকটেরিয়া থেকে শুরু করে আমরা আমাদের নিজস্ব প্রমাণের মাধ্যমে উদ্দেশ্যবাদকে জীবজগতের চালিকাশক্তি হিসেবে বুঝতে পারি। জীবন সম্পর্কিত তত্ত্বগুলো কেবল জীবনেরই সেই ভঙ্গুর এবং সংশ্লিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি থেকে অনুধাবন করা সম্ভব। ** [[আন্দ্রেয়াস ওয়েবার (লেখক)|আন্দ্রেয়াস ওয়েবার]] এবং ফ্রান্সিস্কো ভারেলা ২০০২। "লাইফ আফটার কান্ট: ন্যাচারাল পারপাসেস অ্যান্ড দ্য অটোপয়েটিক ফাউন্ডেশনস অফ ইন্ডিভিজুয়ালিটি"। ''ফেনোমেনোলজি অ্যান্ড দ্য কগনিটিভ সায়েন্সেস'' ২, ৯৭–১২৫। পৃষ্ঠা ১১০; [[ইভান থম্পসন]], "লাইফ অ্যান্ড মাইন্ড: ফ্রম অটোপয়েসিস টু নিউরোফেনোমেনোলজি। এ ট্রিবিউট টু ফ্রান্সিস্কো ভারেলা।" এ উদ্ধৃত। ''ফেনোমেনোলজি অ্যান্ড দ্য কগনিটিভ সায়েন্সেস'' ৩.৪ (২০০৪): ৩৮১-৩৯৮। === ''অটোপয়েসিস অ্যান্ড কগনিশন: দ্য রিয়ালাইজেশন অফ দ্য লিভিং'' (১৯৮০) === :[[উম্বের্তো মাতুরানা|এইচ.আর. মাতুরানা]], এফ.জে. ভারেলা (১৯৮০) ''অটোপয়েসিস অ্যান্ড কগনিশন: দ্য রিয়ালাইজেশন অফ দ্য লিভিং'' * অটোপয়েটিক সংগঠন বলতে মাতুরানা এবং ভারেলা সেই প্রক্রিয়াগুলোকে বুঝিয়েছেন, যা উপাদান উৎপাদনের একটি নেটওয়ার্কের নির্দিষ্ট রূপের সাথে এমনভাবে জড়িত যা সেই নেটওয়ার্কটিকে উপলব্ধি করার মাধ্যমে একে একটি একক বা সত্তা হিসেবে গঠন করে। ** পৃষ্ঠা ৮০; লি ও. থায়ার এবং জর্জ এ. বার্নেট (১৯৯৭) ''অর্গানাইজেশন-কমিউনিকেশন: এমার্জিং পারসপেক্টিভস, ভলিউম ৫'' এ উদ্ধৃত। পৃষ্ঠা ১৯৩। * যে সম্পর্কগুলো একটি সিস্টেমকে একক বা সত্তা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে এবং মিথস্ক্রিয়া ও রূপান্তরের গতিশীলতা নির্ধারণ করে যার মধ্য দিয়ে সেই সত্তাটি অতিবাহিত হতে পারে তাই ওই যন্ত্রের সংগঠন তৈরি করে। ** পৃষ্ঠা ১৩৭ === ''দ্য এমবডিড মাইন্ড'' (১৯৯১) === :ফ্রান্সিস্কো জে. ভারেলা, ইভান থম্পসন এবং এলিনর রোশ (১৯৯১) ''দ্য এমবডিড মাইন্ড: কগনিটিভ সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যান এক্সপেরিয়েন্স'', এমআইটি প্রেস * বৌদ্ধ শিক্ষকরা প্রায়ই যেমনটি উল্লেখ করেন, জ্ঞান [[প্রজ্ঞা (বৌদ্ধধর্ম)|প্রজ্ঞা]] অর্থে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান নয়। অভিজ্ঞতার বাইরে বা অভিজ্ঞতা থেকে আলাদা এমন কোনো বিমূর্ত 'জ্ঞাতা' নেই। ** পৃষ্ঠা ২৬; '[http://evenhigherlearning.wordpress.com/2009/05/08/in-7-quotes-or-less-the-embodied-mind-by-francisco-j-varela-evan-thompson-and-eleanor-rosch/ ইন ৭ কোটস অর লেস]'এ আংশিক উদ্ধৃত, evenhigherlearning.wordpress.com, ৮ জুন, ২০০৯। * জ্ঞানীয় বিজ্ঞানের (কগনিটিভ সায়েন্স) [[সাইবারনেটিক্স]] পর্যায়টি তার দীর্ঘমেয়াদী (প্রায়ই নেপথ্য) প্রভাবের পাশাপাশি আশ্চর্যজনকভাবে সুনির্দিষ্ট কিছু ফলাফল তৈরি করেছে: ** স্নায়ুতন্ত্রের কাজ বোঝার জন্য গাণিতিক যুক্তির ব্যবহার; ** তথ্য প্রক্রিয়াকরণ যন্ত্রের (ডিজিটাল কম্পিউটার হিসেবে) উদ্ভাবন, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভিত্তি স্থাপন করেছে; ** সিস্টেম থিওরির মতো একটি মেটা ডিসিপ্লিন বা উচ্চতর শাস্ত্রের প্রতিষ্ঠা, যা বিজ্ঞানের অনেক শাখায় ছাপ ফেলেছে, যেমন প্রকৌশল (সিস্টেম অ্যানালাইসিস, কন্ট্রোল থিওরি), জীববিজ্ঞান (রেগুলেটরি ফিজিওলজি, ইকোলজি), সামাজিক বিজ্ঞান (ফ্যামিলি থেরাপি, স্ট্রাকচারাল অ্যানথ্রোপলজি, ম্যানেজমেন্ট, আরবান স্টাডিজ) এবং অর্থনীতি ([[গেম থিওরি]]); ** সংকেত এবং যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর একটি পরিসংখ্যানগত তত্ত্ব হিসেবে [[তথ্য তত্ত্ব|তথ্য তত্ত্বের]] (ইনফরমেশন থিওরি) বিকাশ; ** স্ব-সংগঠিত সিস্টেমের প্রথম উদাহরণসমূহ। <br>এই তালিকাটি বেশ চিত্তাকর্ষক: আমরা এই ধারণা এবং সরঞ্জামগুলোর অনেকগুলোকে আমাদের জীবনের একীভূত অংশ হিসেবে বিবেচনা করি। ** পৃষ্ঠা ৩৮ * আমাদের সমস্ত দুঃখ এই আত্মমগ্নতার সাথে যুক্ত। সমস্ত লাভ ক্ষতি, আনন্দ ও বেদনা তৈরি হয় কারণ আমরা আমাদের এই অস্পষ্ট অহংবোধের সাথে নিজেদের এতটাই নিবিড়ভাবে জড়িয়ে ফেলি। আমরা এই "আমি" র সাথে মানসিকভাবে এতটাই জড়িত এবং আসক্ত যে আমরা একে ধ্রুব সত্য বলে ধরে নিই। ** পৃষ্ঠা ৬৩ * অনেকে এটি মেনে নেবেন যে আমাদের আসলে জগত সম্পর্কে কোনো জ্ঞান নেই; আমাদের কাছে কেবল জগতের আমাদের তৈরি রূপান্তর বা ‘রিপ্রেজেন্টেশন’ সম্পর্কে জ্ঞান আছে। তবুও আমাদের গঠনগত কারণেই আমরা এই রিপ্রেজেন্টেশনগুলোকেই জগত হিসেবে গণ্য করতে বাধ্য হই, কারণ আমাদের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা এমন মনে হয় যেন এটি একটি প্রদত্ত এবং তাৎক্ষণিক জগত। ** পৃষ্ঠা ১৪২ * অন্যের প্রতি সমব্যথী হওয়ার সম্ভাবনা প্রতিটি মানুষের মধ্যেই বিদ্যমান, তবে এটি সাধারণত অহংবোধের সাথে মিশে থাকে এবং এর ফলে এটি নিজের স্বীকৃতি এবং আত্ম মূল্যায়নের লালসা মেটানোর প্রয়োজনের সাথে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। যখন কেউ অভ্যাসগত ছকে আটকে থাকে না যখন কেউ কর্মফল বা কারণ ফলাফলের অধীন হয়ে ইচ্ছাকৃত কাজ করে না তখন যে স্বতঃস্ফূর্ত করুণা বা মমত্ববোধের উদয় হয়, তা প্রাপকের কাছ থেকে কোনো প্রতিদান পাওয়ার আশা ছাড়াই ঘটে। এই প্রতিদানের উদ্বেগ বা অন্যের প্রতিক্রিয়াই আমাদের কাজের মধ্যে উত্তেজনা এবং বাধার সৃষ্টি করে। যখন কোনো কাজ 'লেনদেনের মানসিকতা' ছাড়া করা হয়, তখন সেখানে প্রশান্তি থাকে। একেই বলা হয় পরম (বা তুরীয়) উদারতা। ** পৃষ্ঠা ২৪৯ === ''দ্য ইমারজেন্ট সেলফ'' (১৯৯৫) === ** ভারেলা (১৯৯৫) "দ্য ইমারজেন্ট সেলফ"; জন ব্রকম্যান সম্পাদিত ''দ্য থার্ড কালচার: বিয়ন্ড দ্য সায়েন্টিফিক রেভল্যুশন'' এ। অধ্যায় ১২ ([http://www.edge.org/documents/archive/edge86.html অনলাইন]) * আমার মনে হয় সারা জীবন আমার মনে কেবল একটিই প্রশ্ন ছিল। কেন এই উদ্ভূত সত্তা বা ভার্চুয়াল পরিচয়গুলো মন/দেহ স্তর, কোষ স্তর কিংবা ট্রান্স-অর্গানিজম স্তরে জগত তৈরি করতে সব জায়গায় আবির্ভূত হয়? এই ঘটনাটি এতটাই সৃজনশীল যে এটি সম্পূর্ণ নতুন ক্ষেত্র জীবন, মন এবং সমাজ তৈরি করা বন্ধ করে না। তবুও এই উদ্ভূত সত্তাগুলো এমন কিছু অস্থির এবং নিরাধার প্রক্রিয়ার ওপর ভিত্তি করে তৈরি যে, যা আমাদের সামনে দৃশ্যমান তার দৃঢ়তা এবং এর ভিত্তিহীনতার মধ্যে আমরা একটি আপাত বৈপরীত্য দেখতে পাই। আমার কাছে এটিই একটি প্রধান এবং চিরন্তন প্রশ্ন। * আমি সম্ভবত তিনটি ভিন্ন ধরণের কাজের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত, যা অনেকের কাছে আলাদা মনে হলেও আমার কাছে একটি অভিন্ন থিম হিসেবে কাজ করে। এগুলো হলো: কোষীয় সংগঠনের জন্য অটোপয়েসিস (স্ব-উৎপাদন) ধারণার প্রবর্তনে আমার অবদান, স্নায়ুতন্ত্র ও সংজ্ঞানের সক্রিয় বা এনাক্টিভ দৃষ্টিভঙ্গি এবং ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পর্কে বর্তমান ধারণাগুলোর সংশোধন। * আমি বৌদ্ধ অনুশীলন এবং বৈজ্ঞানিক কাজের মধ্যে দীর্ঘদিনের আগ্রহের ওপর ভিত্তি করে গবেষণালব্ধ একটি সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী। * [[বৌদ্ধধর্ম]] একটি অনুশীলন, কোনো বিশ্বাস নয়। প্রতিটি বৌদ্ধই কোনো না কোনোভাবে সাধারণ যাজকতুল্য একজন বিজ্ঞানী যেভাবে তাঁর কাজে লিপ্ত থাকেন, কিংবা একজন লেখকের মন যেভাবে সারাক্ষণ নেপথ্যে থেকে লেখায় মগ্ন থাকে, তাঁরাও সেভাবেই এতে নিবিষ্ট থাকেন। === ভারেলা সম্পর্কে === * ফ্রান্সিস্কো ভারেলা আশ্চর্যজনকভাবে উদ্ভাবনী, স্বাধীনচেতা এবং সৃজনশীল। তিনি এবং উম্বের্তো মাতুরানা যা বলেছেন তার মধ্যে গভীরতা রয়েছে। আবার উল্টোদিকে, একজন কঠোর আণবিক জীববিজ্ঞানীর (মলিকুলার বায়োলজিস্ট) দৃষ্টিকোণ থেকে এগুলো কেবলই অবাস্তব ও ভিত্তিহীন বিষয়। এই কারণেই তাঁর কাজের প্রতি মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। আমার ভেতরের সেই অংশটি যা যুক্তিনির্ভর এবং সমালোচনামূলক, তা হয়তো প্রশ্ন তোলে; কিন্তু আমার অন্য অংশটি ইমিউন নেটওয়ার্কের স্ব-প্রতিনিধিত্ব নিয়ে করা তাঁর সাম্প্রতিক কাজগুলো গ্রহণ করেছে। আমি এগুলো খুব পছন্দ করি। ** [[স্টুয়ার্ট কফম্যান]]; জন ব্রকম্যান সম্পাদিত (১৯৯৫) ''দ্য থার্ড কালচার: বিয়ন্ড দ্য সায়েন্টিফিক রেভল্যুশন'' এ। পৃষ্ঠা ২০৯ ([http://www.edge.org/documents/ThirdCulture/t-Ch.12.html অনলাইন])। * ফ্রান্সিস্কো ছিলেন একজন পরীক্ষামূলক এবং তাত্ত্বিক জীববিজ্ঞানী, যিনি তাঁর ভাষায় "উদ্ভূত সত্তা" (ইমারজেন্ট সেলভস) বা "ভার্চুয়াল পরিচয়" (ভার্চুয়াল আইডেন্টিটিস) নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। বাস্তবতার প্রতি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি ছিল অন্তর্নিহিত; যা প্রকৌশল বা তথ্য বিজ্ঞানের রূপকের বদলে স্ব-সংগঠন এবং বৌদ্ধধর্ম-অনুপ্রাণিত জ্ঞানতত্ত্ব থেকে উদ্ভূত রূপকের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল। ** জন ব্রকম্যান (২০০১) "[http://www.edge.org/documents/archive/edge86.html এজ: দ্য ইমারজেন্ট সেলফ]", edge.org, ৫ জুন ২০০১। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} * [http://www.edge.org/3rd_culture/varela/varela_index.html জন ব্রকম্যান] ফ্রান্সিস্কো ভারেলা: ইন মেমোরিয়াম {{DEFAULTSORT:Varela, Francisco}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৬ এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০০১ এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:চিলীয় জীববিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:চিলীয় দার্শনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:সাইবারনেটিশিয়ান]] [[বিষয়শ্রেণী:সান্তিয়াগো দে চিলির ব্যক্তি]] cbjiddnbwtfbkj8hhrf7ekfjo0xpuhz অরেল স্টেইন 0 12355 78709 75903 2026-04-20T01:19:56Z Sumanta3023 4175 78709 wikitext text/x-wiki [[File:Aurel Stein 1909.jpg|thumb|১৯০৯ সালে অরেল স্টেইন]] '''[[w:অরেল স্টাইন|স্যার মার্ক অরেল স্টেইন]]''', কেসিআইই, এফআরএএস, এফবিএ (হাঙ্গেরীয়: মার্ক অরেল স্টাইন; ২৬ নভেম্বর ১৮৬২ – ২৬ অক্টোবর ১৯৪৩) ছিলেন একজন হাঙ্গেরীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক, যিনি মূলত মধ্য এশিয়ায় তাঁর অন্বেষণ এবং প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারের জন্য পরিচিত। এছাড়াও তিনি ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একজন অধ্যাপক ছিলেন। == উক্তি == * বিজয়েশ্বরের তীর্থ বর্ণনা করতে গিয়ে স্টেইন এই বিবরণ দিয়েছেন: নির্দেশিত অবস্থানে এককালে যে প্রাচীন শহরটি ছিল, তার উত্তরসূরি হিসেবে দৃশ্যত বিজয়েশ্বরের আবির্ভাব ঘটে, যা বর্তমানে বিজব্রোর নামে পরিচিত। চক্রধরের দুই মাইলেরও কম দূরত্বে অবস্থিত এই স্থানটি তার নামটি পেয়েছে শিব বিজয়েশ্বরের (বিজয়শ, বিজয়শন) প্রাচীন মন্দির থেকে। এই দেবতা আজও বিজব্রোরে পূজিত হন। এই স্থানটি স্পষ্টতই প্রাচীনকাল থেকেই কাশ্মীরের অন্যতম বিখ্যাত তীর্থস্থান। রাজতরঙ্গিণী এবং কাশ্মীরের অনেক প্রাচীন গ্রন্থে এর উল্লেখ রয়েছে শিব বিজয়েশ্বরের প্রাচীন লিঙ্গটি সিকান্দার বুতশিকান ধ্বংস করেছিলেন বলে মনে হয়। ** অরেল স্টেইন; মোহাম্মদ, এ. কে. এবং পণ্ডিত, কে. এন. (২০০৯) অনূদিত ''এ মুসলিম মিশনারি ইন মিডিয়াভ্যাল কাশ্মীর: বিয়িং দ্য ইংলিশ ট্রান্সলেশন অফ তোহফাতুল-আহবাব'', নয়াদিল্লি: ভয়েস অফ ইন্ডিয়া, পৃষ্ঠা ২৭২ ইত্যাদি থেকে উদ্ধৃত। (জুনারাজ, বিওডি সংস্করণ, ৭৬২ এবং ১২৭ দ্রষ্টব্য) রাজতরঙ্গিণী, খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৪৬৩। * ‘এখানে তালিকাভুক্ত প্রথম চারটি নদীর পরিচয় নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। সেগুলো বর্তমান গঙ্গা, যমুনা, সরস্বতী ও শতদ্রুর অনুরূপ। প্রথম চারটি নদী যে ক্রমে উল্লেখ করা হয়েছে, তা পূর্ব থেকে পশ্চিমে তাদের ভৌগোলিক অবস্থানের সাথে হুবহু মিলে যায়।’ ** অরেল স্টেইন, ‘অন সাম রিভার নেমস ইন দ্য ঋগ্বেদ’, জার্নাল অফ দ্য রয়্যাল এশিয়াটিক সোসাইটি, ১৯১৭, পৃষ্ঠা ৯১-৯৯। মিশেল দানিনো (২০১০) রচিত ‘দ্য লস্ট রিভার: অন দ্য ট্রেইল অফ দ্য সরস্বতী’, পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়াতে উদ্ধৃত। * ভারতে ফেরার পর ঘাগর বা হাকরা নদীর শুকনো গতিপথ বরাবর প্রাচীন বসতির যে কোনো অবশিষ্টাংশ জরিপ করা আকর্ষণীয় মনে হয়েছিল; এই নদীটি পাঞ্জাবের একেবারে পূর্ব প্রান্ত থেকে বিকানের ও বাহাওয়ালপুর রাজ্যের মধ্য দিয়ে সিন্ধু পর্যন্ত বিস্তৃত। ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই সুনির্দিষ্ট নদীখাতটিই হলো পবিত্র সরস্বতীর প্রবাহপথ, যা একসময় তার প্রাচুর্যময় জলরাশি নিয়ে সমুদ্র পর্যন্ত প্রবাহিত হতো এবং প্রাচীনকাল থেকেই মরুভূমির বালিতে ‘হারিয়ে’ গেছে ঘাগর ‘এখনও সরস্বতী (সরস্বতীর হিন্দি রূপ) নামে পরিচিত [যা] থানেসারের কাছে হিন্দু তীর্থস্থান কুরুক্ষেত্রের পবিত্র স্থানগুলো অতিক্রম করে’ ‘বিকানের অঞ্চলের মধ্যে এর শুকনো নদীখাতের প্রস্থ [অর্থাৎ হনুমানগড়ের ভাটিতে]; ১৬০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্ব জুড়ে এটি কোথাও ৩.২ কিলোমিটারের কম নয় এবং স্থানে স্থানে ৬.৪ কিলোমিটার বা তার বেশি এই বিপুল সংখ্যক প্রাচীন প্রত্নস্থলগুলো একই স্থানে টিকে থাকা হাতেগোনা কয়েকটি ছোট গ্রামের তুলনায় এক চমৎকার বৈপরীত্য তৈরি করে।’ ** অরেল স্টেইন, ‘এ সার্ভে অফ অ্যানশিয়েন্ট সাইটস অ্যালং দ্য “লস্ট” সরস্বতী রিভার’। মিশেল দানিনো (২০১০) রচিত ‘দ্য লস্ট রিভার: অন দ্য ট্রেইল অফ দ্য সরস্বতী’, পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়াতে উদ্ধৃত। * ঋগ্বেদের অন্তত তিনটি অনুচ্ছেদে যেখানে সরস্বতীর উল্লেখ আছে, সেখানে বর্তমান সরস্বতী এবং ঘাগর নদীর অনুরূপ একটি নদীকে বোঝানো হয়েছে। এর জন্য আমাদের কাছে বিখ্যাত স্তোত্র 'নদীস্তুতি' তে চূড়ান্ত প্রমাণ রয়েছে যা বৈদিক গ্রন্থগুলোর মধ্যে দুর্ভাগ্যবশত বেশ ব্যতিক্রমীভাবে এবং নির্ভুলতার সাথে সরস্বতীকে পূর্বে যমুনা এবং পশ্চিমে শতদ্রুর মাঝখানে সঠিকভাবে তালিকাভুক্ত করেছে 'এর তীরে অবস্থিত প্রাচীন প্রত্নস্থলগুলো' 'প্রাথমিক ভারতীয় ইতিহাসের শিক্ষার্থীর জন্য সহায়ক হবে, যা নির্ভরযোগ্য নথির অভাব এবং প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণের অপর্যাপ্ততার কারণে এখনও অনেকটা অস্পষ্ট রয়ে গেছে।' ** অরেল স্টেইন, ‘এ সার্ভে অফ অ্যানশিয়েন্ট সাইটস অ্যালং দ্য “লস্ট” সরস্বতী রিভার’। মিশেল দানিনো (২০১০) রচিত ‘দ্য লস্ট রিভার: অন দ্য ট্রেইল অফ দ্য সরস্বতী’, পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়াতে উদ্ধৃত। * একটি 'জনপ্রিয় ঐতিহ্য যা এমন একটি স্থানকে স্বীকৃতি দেয় যেখানে একটি ফেরি পরিষেবা নদীর ওপারে মথুলা পর্যন্ত যাতায়াত করত বলে মনে করা হয়, যার দূরত্ব ৫ কিলোমিটারের বেশি' অবশ্যই দুই তীরের মাঝখানে এক ফোঁটা জল ছাড়াই! তিনি আরও বলেন, 'সম্ভবত আরও বেশি চমকপ্রদ হলো পত্তন মুনাারা নামটি, যার অর্থ “ফেরির মিনার”; বাহাওয়ালপুর অঞ্চলের একটি প্রাচীন প্রত্নস্থল এই নামটি বহন করছে যা একইভাবে হাকরা পার হওয়ার একটি ফেরিঘাটকে চিহ্নিত করে বলে বিশ্বাস করা হয়, যে নদীর খাত এখানে আরও বেশি প্রশস্ত।' ** অরেল স্টেইন, ‘অ্যান আর্কিওলজিক্যাল ট্যুর অ্যালং দ্য ঘাগর হাকরা রিভার’। মিশেল দানিনো (২০১০) রচিত ‘দ্য লস্ট রিভার: অন দ্য ট্রেইল অফ দ্য সরস্বতী’, পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়াতে উদ্ধৃত। * ‘চোলিস্তানের বালিয়াড়িগুলোর মধ্যবর্তী সমতল ভূমি যা স্পষ্টভাবে শতদ্রু নদীর একটি প্রাচীন আঁকাবাঁকা গতিপথকে প্রতিনিধিত্ব করে, যা একসময় ওয়ালার এবং বিঞ্জোরের মাঝে হাকরা নদীর সাথে মিলিত হতো’। ** অরেল স্টেইন; মিশেল দানিনো (২০১০) রচিত ‘দ্য লস্ট রিভার: অন দ্য ট্রেইল অফ দ্য সরস্বতী’, পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়াতে উদ্ধৃত। * ‘এখানে তালিকাভুক্ত প্রথম চারটি নদীর পরিচয় নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। সেগুলো বর্তমান গঙ্গা, যমুনা, সরস্বতী ও শতদ্রুর অনুরূপ। প্রথম চারটি নদী যে ক্রমে উল্লেখ করা হয়েছে, তা পূর্ব থেকে পশ্চিমে তাদের ভৌগোলিক অবস্থানের সাথে হুবহু মিলে যায়।’ ** অরেল স্টেইন, ‘অন সাম রিভার নেমস ইন দ্য ঋগ্বেদ’, জার্নাল অফ দ্য রয়্যাল এশিয়াটিক সোসাইটি, ১৯১৭, পৃষ্ঠা ৯১-৯৯। মিশেল দানিনো (২০১০) রচিত ‘দ্য লস্ট রিভার: অন দ্য ট্রেইল অফ দ্য সরস্বতী’, পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়াতে উদ্ধৃত। * ভারতে ফেরার পর ঘাগর বা হাকরা নদীর শুকনো গতিপথ বরাবর প্রাচীন বসতির যে কোনো অবশিষ্টাংশ জরিপ করা আকর্ষণীয় মনে হয়েছিল; এই নদীটি পাঞ্জাবের একেবারে পূর্ব প্রান্ত থেকে বিকানের ও বাহাওয়ালপুর রাজ্যের মধ্য দিয়ে সিন্ধু পর্যন্ত বিস্তৃত। ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই সুনির্দিষ্ট নদীখাতটিই হলো পবিত্র সরস্বতীর প্রবাহপথ, যা একসময় তার প্রাচুর্যময় জলরাশি নিয়ে সমুদ্র পর্যন্ত প্রবাহিত হতো এবং প্রাচীনকাল থেকেই মরুভূমির বালিতে ‘হারিয়ে’ গেছে ঘাগর ‘এখনও সরস্বতী (সরস্বতীর হিন্দি রূপ) নামে পরিচিত যা থানেসারের কাছে হিন্দু তীর্থস্থান কুরুক্ষেত্রের পবিত্র স্থানগুলো অতিক্রম করে বিকানের অঞ্চলের মধ্যে এর শুকনো নদীখাতের প্রস্থ [অর্থাৎ হনুমানগড়ের ভাটিতে]; ১৬০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্ব জুড়ে এটি কোথাও ৩.২ কিলোমিটারের কম নয় এবং স্থানে স্থানে ৬.৪ কিলোমিটার বা তার বেশি এই বিপুল সংখ্যক প্রাচীন প্রত্নস্থলগুলো একই স্থানে টিকে থাকা হাতেগোনা কয়েকটি ছোট গ্রামের তুলনায় এক চমৎকার বৈপরীত্য তৈরি করে।’ ** অরেল স্টেইন, ‘এ সার্ভে অফ অ্যানশিয়েন্ট সাইটস অ্যালং দ্য “লস্ট” সরস্বতী রিভার’। মিশেল দানিনো (২০১০) রচিত ‘দ্য লস্ট রিভার: অন দ্য ট্রেইল অফ দ্য সরস্বতী’, পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়াতে উদ্ধৃত। * ঋগ্বেদের অন্তত তিনটি অনুচ্ছেদে যেখানে সরস্বতীর উল্লেখ আছে, সেখানে বর্তমান সরস্বতী এবং ঘাগর নদীর অনুরূপ একটি নদীকে বোঝানো হয়েছে। এর জন্য আমাদের কাছে বিখ্যাত স্তোত্র 'নদীস্তুতি' তে চূড়ান্ত প্রমাণ রয়েছে যা বৈদিক গ্রন্থগুলোর মধ্যে দুর্ভাগ্যবশত বেশ ব্যতিক্রমীভাবে এবং নির্ভুলতার সাথে সরস্বতীকে পূর্বে যমুনা এবং পশ্চিমে শতদ্রুর মাঝখানে সঠিকভাবে তালিকাভুক্ত করেছে 'এর তীরে অবস্থিত প্রাচীন প্রত্নস্থলগুলো' 'প্রাথমিক ভারতীয় ইতিহাসের শিক্ষার্থীর জন্য সহায়ক হবে, যা নির্ভরযোগ্য নথির অভাব এবং প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণের অপর্যাপ্ততার কারণে এখনও অনেকটা অস্পষ্ট রয়ে গেছে।' ** অরেল স্টেইন, ‘এ সার্ভে অফ অ্যানশিয়েন্ট সাইটস অ্যালং দ্য “লস্ট” সরস্বতী রিভার’। মিশেল দানিনো (২০১০) রচিত ‘দ্য লস্ট রিভার: অন দ্য ট্রেইল অফ দ্য সরস্বতী’, পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়াতে উদ্ধৃত। * একটি 'জনপ্রিয় ঐতিহ্য যা এমন একটি স্থানকে স্বীকৃতি দেয় যেখানে একটি ফেরি পরিষেবা নদীর ওপারে মথুলা পর্যন্ত যাতায়াত করত বলে মনে করা হয়, যার দূরত্ব ৫ কিলোমিটারেরও বেশি' অবশ্যই দুই তীরের মাঝখানে এক ফোঁটা জল ছাড়াই! তিনি আরও বলেন, 'সম্ভবত আরও বেশি চমকপ্রদ হলো পত্তন মুনারা নামটি, যার অর্থ "ফেরির মিনার"; বাহাওয়ালপুর অঞ্চলের একটি প্রাচীন প্রত্নস্থল এই নামটি বহন করছে যা একইভাবে হাকরা পার হওয়ার একটি ফেরিঘাটকে চিহ্নিত করে বলে বিশ্বাস করা হয়, যে নদীর খাত এখানে আরও বেশি প্রশস্ত।' ** অরেল স্টেইন, 'অ্যান আর্কিওলজিক্যাল ট্যুর অ্যালং দ্য ঘাগর-হাকরা রিভার'। মিশেল দানিনো (২০১০) রচিত 'দ্য লস্ট রিভার: অন দ্য ট্রেইল অফ দ্য সরস্বতী', পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়াতে উদ্ধৃত। ===কলহনের রাজতরঙ্গিণী=== * পাহাড়ের দক্ষিণ প্রান্তের পাদদেশের কাছেই একটি শিলা রয়েছে যা প্রাচীনকাল থেকে গণেশের মূর্ত প্রতীক হিসেবে পূজিত হয়ে আসছে ধর্মপ্রাণ রাজার প্রতি শ্রদ্ধাবশত দেবতা তখন পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে মুখ ফিরিয়েছিলেন বলে বলা হয়, যাতে তিনি নতুন শহরটি দর্শন করতে পারেন। প্রকৃতপক্ষে, আমরা যদি জোনরাজের কথা বিশ্বাস করি, তবে শিলা মূর্তিটি আরও একবার তার অবস্থান পরিবর্তন করেছে। এই ইতিহাস লেখক বর্ণনা করেন যে, সিকান্দার বুতশিকাস্তের মূর্তিপূজা বিরোধী ধ্বংসলীলার প্রতি বিতৃষ্ণা থেকে ভীমস্বামী শেষ পর্যন্ত শহরের দিকে পিঠ ফিরিয়ে নিয়েছেন।[https://archive.org/details/RajataranginiVol2/page/n449/mode/2up?q=bhimasvamin] ** কলহনের রাজতরঙ্গিণী খণ্ড ২, অরেল স্টেইন। [https://archive.org/stream/RajataranginiVol2/1900%20Kalhana%27s%20Rajatarangini%20Vol%202%20translated%20by%20Stein%20s_djvu.txt] * ষোলো ফুট পর্যন্ত লম্বা এবং সমানভাবে চিত্তাকর্ষক প্রস্থ ও পুরুত্বের পাথরগুলো মুসলমান জিয়ারত, হাম্মাম ইত্যাদির নির্মাতাদের জন্য খুব একটা সুবিধাজনক উপকরণ ছিল না, যারা অন্যথায় শ্রীনগরের প্রাচীন কাঠামোর অবশিষ্টাংশ মুছে ফেলতে অনেক কিছুই করেছে। ** কলহনের রাজতরঙ্গিণী খণ্ড ২, অরেল স্টেইন। [https://archive.org/stream/RajataranginiVol2/1900%20Kalhana%27s%20Rajatarangini%20Vol%202%20translated%20by%20Stein%20s_djvu.txt] * মার্তণ্ড নামটি আজও মার্তন্ড বা মাতান রূপে এই ধ্বংসাবশেষের সাথে জড়িয়ে আছে, যদিও সেগুলো অনেক আগেই ধর্মীয় আগ্রহের বিষয়বস্তু হওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। রাজা কলস তাঁর মৃত্যুর প্রাক্কালে এই মহান মন্দিরে আশ্রয় নিয়েছিলেন এবং পবিত্র মূর্তির পাদদেশে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন (১০৮৯ খ্রিস্টাব্দ)। তাঁর পুত্র হর্ষ দেশের অন্যান্য ধনী মন্দিরগুলোতে যে নির্মম বাজেয়াপ্তকরণ চালিয়েছিলেন, সেই সময়েও তিনি এই মন্দিরটিকে সম্মান প্রদর্শন করেছিলেন। পরবর্তীকালে, কলহনের সময়ে মন্দিরের সুউচ্চ দেয়াল এবং স্তম্ভশোভিত বৃহৎ চতুর্ভুজাকার প্রাঙ্গণটি দুর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। পবিত্র মূর্তির ধ্বংসের দায়ভার সিকান্দার বুতশিকাস্তের ওপর আরোপ করা হয়। ** কলহনের রাজতরঙ্গিণী খণ্ড ২, অরেল স্টেইন। [https://archive.org/stream/RajataranginiVol2/1900%20Kalhana%27s%20Rajatarangini%20Vol%202%20translated%20by%20Stein%20s_djvu.txt] ==সম্পর্কিত== * স্টেইন মূলত একজন ভূগোলবিদ এবং অভিযাত্রী ছিলেন; দুর্গম ভূখণ্ডের মধ্য দিয়ে বিপজ্জনক সব যাত্রা সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে তাঁর অদম্য সাহস এবং অভিযানের মানসিকতা প্রশংসার দাবি রাখে। তিনি বিশাল ভারতীয় মরুভূমি এবং উত্তর ও দক্ষিণ বেলুচিস্তান ও ইরানের একটি বড় অংশ জুড়ে ইন্দইরানীয় সীমান্ত অঞ্চলের সমগ্র বিস্তৃতিতে প্রচুর সংখ্যক তাম্রাশ্মীয় (ক্যালকোলিথিক) এবং সংশ্লিষ্ট প্রত্নস্থল আবিষ্কার করেছিলেন। তিনি ছিলেন একজন পথিকৃৎ এবং পথপ্রদর্শক; ভারতের প্রাগৈতিহাসিক প্রত্নতত্ত্বে তিনি ঠিক তাই ছিলেন, যা ভারতের ঐতিহাসিক প্রত্নতত্ত্বে ছিলেন আলেকজান্ডার কানিংহাম। ** ২৫ দেব, কৃষ্ণ; ‘কন্ট্রিবিউশনস অফ অরেল স্টেইন অ্যান্ড এন.জি. মজুমদার টু রিসার্চ ইনটু দ্য হরপ্পান সিভিলাইজেশন উইথ স্পেশাল রেফারেন্স টু দেয়ার মেথডোলজি’, জি.এল. পোসেল সম্পাদিত ‘হরপ্পান সিভিলাইজেশন: এ কনটেম্পোরারি পারসপেক্টিভ’, অক্সফোর্ড অ্যান্ড আইবিএইচ এবং আমেরিকান ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ান স্টাডিজ, দিল্লি, ১৯৮২, পৃষ্ঠা ৩৯২। মিশেল দানিনো (২০১০) রচিত ‘দ্য লস্ট রিভার: অন দ্য ট্রেইল অফ দ্য সরস্বতী’, পেঙ্গুইন বুকস ইন্ডিয়াতে উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:Stein, Marc Aurel}} [[বিষয়শ্রেণী:১৮৬২-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৩-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:হাঙ্গেরীয় শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের প্রত্নতাত্ত্বিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ইংল্যান্ডে হাঙ্গেরীয় অভিবাসী]] [[বিষয়শ্রেণী:আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল সোসাইটির সদস্য]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের অভিযাত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:লুথারীয়]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রিটিশ একাডেমির ফেলো]] 2qq4dfijv59epbggxhvflgomq8mxue5 যিশু খ্রিস্ট 0 12372 78711 76006 2026-04-20T01:21:20Z EmausBot 94 [[যিশু]] পাতায় করা দ্বিপুনর্নির্দেশনা ঠিক করেছে 78711 wikitext text/x-wiki #পুনর্নির্দেশ [[যিশু]] rpenlynp1zsl88k21wx2zcsoszwv9s3 আরেফিন রুমি 0 12401 78610 78448 2026-04-19T14:39:28Z Tahmid 14 অপ্রাসঙ্গিক 78610 wikitext text/x-wiki [[File:Arfin Rumey.jpg|থাম্ব]] [[w:আরেফিন রুমি|আরফিন রুমি]] একজন [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশী]] গায়ক, সুরকার এবং সংঙ্গীত পরিচালক। তার ৩০ টিরও বেশি অ্যালবাম, একক এবং মিশ্র কাজ মুক্তি পেয়েছে। তিনি বাংলাদেশে জনপ্রিয় শিল্পীদের মধ্যে একজন। ২০১১ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত তার অনেকগুলো জনপ্রিয় বাংলা গান প্রকাশিত হয়েছে। ==উক্তি== * ইউটিউবের জনপ্রিয়তা না, জনপ্রিয়তা মানেই মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা। ইউটিউব একটা মাধ্যম কেবল। এটার মাধ্যমেই মানুষ এখন গান শুনছে। কথা হচ্ছে, গানগুলোতে যে ভিউ হচ্ছে, সেটা নিশ্চয়ই মানুষরাই দেখছেন। সুতরাং এটাকে গ্রহণ না করার কারণ নেই। ** "ইউটিউবের জনপ্রিয়তাকে অনেকেই গ্রহণ করতে রাজি নন। কেন?" এই প্রশ্নের উত্তরে [https://www.bd-journal.com/entertainment/13389/www.nagad.com.bd এই সাক্ষাৎকারে] বলেছেন। বাংলাদেশ জার্নাল,১৬ নভেম্বর ২০১৭ * মনের কথা শুনুন। নিজেই নিজেকে শাসন করুন। যারা গান করতে চায় তারা অবশ্যই গানকে ভালোবাসতে হবে। গান শিখে আসতে হবে। সঙ্গীতাঙ্গনে তাড়াহুড়া বলে কিছু নেই। বাংলা গানকে ভালোবাসুন। ** "ভক্ত-শ্রোতাদের জন্য আপনার বক্তব্য কী?" এই প্রশ্নের উত্তরে [https://www.jugantor.com/tp-tara-jilmil/92453link এই সাক্ষাৎকারে] বলেছেন। যুগান্তর, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ * গানের কথা বলতে গেলে আমি ইমোশনাল হয়ে যাই। ** সংবাদ সম্মেলনে [https://m.youtube.com/watch?v=GfYIvBhtt-o এই ভিডিও] বলেছেন। যমুনা টেলিভিশন, ৭ অক্টোবর ২০২৫ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] bswj18t8jvyj0m23m9ab1f7brcx1nqk 78740 78610 2026-04-20T02:58:23Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:সঙ্গীতশিল্পী]] যোগ 78740 wikitext text/x-wiki [[File:Arfin Rumey.jpg|থাম্ব]] [[w:আরেফিন রুমি|আরফিন রুমি]] একজন [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশী]] গায়ক, সুরকার এবং সংঙ্গীত পরিচালক। তার ৩০ টিরও বেশি অ্যালবাম, একক এবং মিশ্র কাজ মুক্তি পেয়েছে। তিনি বাংলাদেশে জনপ্রিয় শিল্পীদের মধ্যে একজন। ২০১১ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত তার অনেকগুলো জনপ্রিয় বাংলা গান প্রকাশিত হয়েছে। ==উক্তি== * ইউটিউবের জনপ্রিয়তা না, জনপ্রিয়তা মানেই মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা। ইউটিউব একটা মাধ্যম কেবল। এটার মাধ্যমেই মানুষ এখন গান শুনছে। কথা হচ্ছে, গানগুলোতে যে ভিউ হচ্ছে, সেটা নিশ্চয়ই মানুষরাই দেখছেন। সুতরাং এটাকে গ্রহণ না করার কারণ নেই। ** "ইউটিউবের জনপ্রিয়তাকে অনেকেই গ্রহণ করতে রাজি নন। কেন?" এই প্রশ্নের উত্তরে [https://www.bd-journal.com/entertainment/13389/www.nagad.com.bd এই সাক্ষাৎকারে] বলেছেন। বাংলাদেশ জার্নাল,১৬ নভেম্বর ২০১৭ * মনের কথা শুনুন। নিজেই নিজেকে শাসন করুন। যারা গান করতে চায় তারা অবশ্যই গানকে ভালোবাসতে হবে। গান শিখে আসতে হবে। সঙ্গীতাঙ্গনে তাড়াহুড়া বলে কিছু নেই। বাংলা গানকে ভালোবাসুন। ** "ভক্ত-শ্রোতাদের জন্য আপনার বক্তব্য কী?" এই প্রশ্নের উত্তরে [https://www.jugantor.com/tp-tara-jilmil/92453link এই সাক্ষাৎকারে] বলেছেন। যুগান্তর, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ * গানের কথা বলতে গেলে আমি ইমোশনাল হয়ে যাই। ** সংবাদ সম্মেলনে [https://m.youtube.com/watch?v=GfYIvBhtt-o এই ভিডিও] বলেছেন। যমুনা টেলিভিশন, ৭ অক্টোবর ২০২৫ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:সঙ্গীতশিল্পী]] c78a7t6bkidg6spgm1ppm89t5o1ol1r হাবিব ওয়াহিদ 0 12477 78776 76837 2026-04-20T03:32:10Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:সঙ্গীতশিল্পী]] যোগ 78776 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Habib Wahid in 2022.jpg|থাম্ব]] [[w:হাবিব ওয়াহিদ|হাবিব ওয়াহিদ]] (যিনি '''হাবিব''' নামেই শ্রোতাদের কাছে বেশি পরিচিত) (জন্ম: ১৫ অক্টোবর ১৯৭৯) একজন [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশী]] জনপ্রিয় সুরকার, সঙ্গীতশিল্পী এবং সংগীত পরিচালক। তিনি বাংলা লোকগীতির ফিউশনের সাথে টেকনো এবং শহুরে বিটের সমন্বয়ের জন্যে সমধিক পরিচিত। স্বল্প পরিচিত লোকগীতিকে আরো ভাল সুর দিয়ে, রিমিক্স করে সাধারণ শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয় গ্রহণযোগ্য করে তুলছেন তিনি। তিনি মূলত [[হাসন রাজা]], [[শাহ আবদুল করিম]], আমির উদ্দীন প্রমুখ মরমী সঙ্গীত শিল্পীদের গানকে কিছুটা পরিবর্তনের মাধ্যমে জনপ্রিয় করে তুলেছেন। এ কারণে অনেকের কাছেই তিনি যেমন সমালোচিত হয়েছেন, ঠিক তেমনি তরুণ প্রজন্মের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে খ্যাত হয়েছেন। হাবিব ওয়াহিদ বিভিন্ন শিল্পীর সাথে অনেক জনপ্রিয় গান গেয়েছেন। জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ন্যান্সি কে সাথে নিয়েই উপহার দিয়েছেন বেশির ভাগ গান। হাবিব ওয়াহিদ সদ্য সুপারস্টার [[দেব (অভিনেতা)|দেব]] অভিনীত ভারতীয় বাংলা সিনেমা ''বিন্দাস'' চলচ্চিত্রে ''তোমাকে ছেড়ে আমি'' শিরোনামে গান গেয়েছেন। তার সহশিল্পী ছিলেন তুলসী কুমার। == উক্তি== * ভালোবাসায় পৃথিবী জয় করা হয়, তাই আমাকে দিয়ে যা কিছু হয়েছে, তার মূলশক্তি শ্রোতার ভালোবাসা। নিরলস কাজে ডুবে থাকা আর মনের অতল ডুব দিয়েই সুর তুলে আনার চেষ্টা করেছি সব সময়। ** (হাবিব; সমকাল; ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫);[https://samakal.com/entertainment/article/315112/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%9B%E0%A7%81-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%82%E0%A6%B2-%E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BE:-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AC আমাকে দিয়ে যা কিছু হয়েছে, তার মূল শক্তি শ্রোতার ভালোবাসা: হাবিব] * মনের দুয়ার খুলে দিলাম নাসার আবিষ্কার দেখার পর থেকে আমার মন বলছে, মঙ্গল গ্রহ একসময় পৃথিবীর মতো ছিল। ** প্রথম আলো, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫, হাবিব ওয়াহিদের ফেসবুক পেজ [https://www.prothomalo.com/lifestyle/fb-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B8-2?utm_source=chatgpt.com ফেসবুক নির্বাচিত স্ট্যাটাস] * মনের দুয়ার খুলে দিলাম, হৃদয় ঘরে আসো। ** ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫, সংগীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদের ফেসবুক পেজ থেকে সংগৃহীত [https://www.prothomalo.com/lifestyle/fb-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B8-2?utm_source=chatgpt.com ফেসবুক নির্বাচিত স্ট্যাটাস] ==হাবিব ওয়াহিদ সম্পর্কে উক্তি== * হাবিব যদি নিজেকে লিজেন্ড ভাবে, সেটা হবে তার ভুল ভাবনা। ** [[w:ফেরদৌস ওয়াহিদ|ফেরদৌস ওয়াহিদ]] সম্প্রতি [https://www.somoynews.tv/news/2026-04-13/N1sJSQ2W এই সাক্ষাৎকারে] হাবিবকে নিয়ে কথা বলেছেন। সময় টিভি, == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৭৯-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:সঙ্গীতশিল্পী]] c06j3k37s16jkoj53ib8cwn50977qhs ব্যবহারকারী আলাপ:Rasel Mehedi 3 12506 78643 78350 2026-04-19T17:16:50Z Mehedi Abedin 50 /* ফেলুদা */ উত্তর 78643 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Rasel Mehedi,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ০৬:১৩, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == প্রোফেসর শঙ্কু == প্রতিযোগিতা উপলক্ষ্যে [[প্রোফেসর শঙ্কু]] পাতাটি জমা দেওয়ার জন্য অভিনন্দন। উইকিউক্তির নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত উক্তির জন্য উদ্ধৃত সূত্র সুনির্দিষ্ট হওয়া চাই। যেহেতু আপনি এই পাতাটি জমা দিয়েছেন, তাই আমি ধারণা করছি যে আপনি প্রফেসর শঙ্কুর একজন ভক্ত। আপনি বইয়ের নাম সূত্র হিসেবে দিলেও পৃষ্ঠা সংখ্যা দেননি। অনুগ্রহ করে পৃষ্ঠার সংখ্যা দিতে পারবেন? রিপ্লাইয়ের জন্য আমাকে মেনশন করে উত্তর দিবেন, নয়তো আমার কাছে নোটিফিকেশন যাবেনা। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:৫২, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] অসুবিধার জন্য দুঃখিত। কিছু সমস্যা ছিল লেখায় আমি ঠিক করে দিয়েছি। কোন বইয়ের কোন গল্পের কত পৃষ্ঠায় আছে তা উল্লেখ করে দিয়েছি, এখন উক্তির সূত্র খুঁজে পেতে সুবিধা হবে আশাকরি। [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rasel Mehedi#top|আলাপ]]) ১৭:১৯, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:২৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বারী সিদ্দিকী == আপনি কি [[বারী সিদ্দিকী]] তৈরি করতে এআই ব্যবহার করেছেন? পাতার জন্য উদ্ধৃত অধিকাংশ সূত্রের কোনো অস্তিত্ব নেই। একটি সূত্র দ্য ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের, কিন্তু সেটা একটি সড়ক দুর্ঘটনার খবর নিয়ে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:৫৬, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি অত্যন্ত দুঃখিত, লিংক কপি পেস্ট করার সময় হয়তো কোন ভুল হয়েছে। আমি কোন ব্যবহার করিনি শুধু বিভিন্ন পত্রিকা ও সাক্ষাৎকার গুলো অনলাইনে চেক করেছি। সঠিক লিংকটি কমেন্টে দিলাম। এছাড়া অন্য লিংকগুলা চেক করে দেখছি ঐগুলা ঠিক আছে কিনা। যদি কোন কিছু আরো জানতে চান অনুগ্রহ করে আমাকে মেসেজ দিবেন। ধন্যবাদ। :The Financial Express link: https://thefinancialexpress.com.bd/national/pm-mourns-death-of-bari-siddiqui-1511506891 [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rasel Mehedi#top|আলাপ]]) ১৫:৩২, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আশা করি এখন সব লিংক ঠিক পাবেন। যদি লিংকে গিয়ে উক্তি খুঁজতে চান তাহলে উক্তি কপি-পেস্ট করলে পেয়ে যাবেন। [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rasel Mehedi#top|আলাপ]]) ১৫:৪৪, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:২৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ফেলুদা == [[ফেলুদা]] পাতার ভূমিকাংশ বেশ বড়। কিন্তু উক্তিগুলো মিলিয়ে ১২৬ শব্দের বেশি হবেনা। আপনি কি যাতে ফাউন্টেনে জমা দেওয়া যায় সেজন্য শব্দ সংখ্যা বাড়াতে এটা করেছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:৫৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভূমিকার শব্দ সংখ্যা আপনারা গণনা করেন কিনা সেটা আমার জানা ছিল না। আমি শুধু ভূমিকা দেওয়া লাগে এই জন্য দিয়েছি। যদি প্রয়োজন হয় আমি আরো উক্তি যুক্ত করতে পারবো। এখন কি করতে হবে জানালে উপকৃত হব। [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rasel Mehedi#top|আলাপ]]) ১৮:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] ভূমিকাংশ মোটামুটি ছোট করে আরো কিছু উক্তি যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:০৯, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ধন্যবাদ আপনার পরামর্শের জন্য। আমি আরও কিছু উক্তি যোগ করে দিচ্ছি এবং সেই সাথে ভূমিকাও ছোট করে দিচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rasel Mehedi#top|আলাপ]]) ১৮:১৬, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি আরও উক্তি যোগ করেছি এবং ভূমিকা ছোট করেছি। অনুগ্রহ করে ঠিক আছে কিনা দেখুন। [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rasel Mehedi#top|আলাপ]]) ১৯:০৫, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:১৬, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 8f3ep6afj6t9zugv88dmlruejkwrr18 78645 78643 2026-04-19T17:32:42Z Mehedi Abedin 50 /* সতর্কতা প্রয়োজন */ নতুন অনুচ্ছেদ 78645 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Rasel Mehedi,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ০৬:১৩, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == প্রোফেসর শঙ্কু == প্রতিযোগিতা উপলক্ষ্যে [[প্রোফেসর শঙ্কু]] পাতাটি জমা দেওয়ার জন্য অভিনন্দন। উইকিউক্তির নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত উক্তির জন্য উদ্ধৃত সূত্র সুনির্দিষ্ট হওয়া চাই। যেহেতু আপনি এই পাতাটি জমা দিয়েছেন, তাই আমি ধারণা করছি যে আপনি প্রফেসর শঙ্কুর একজন ভক্ত। আপনি বইয়ের নাম সূত্র হিসেবে দিলেও পৃষ্ঠা সংখ্যা দেননি। অনুগ্রহ করে পৃষ্ঠার সংখ্যা দিতে পারবেন? রিপ্লাইয়ের জন্য আমাকে মেনশন করে উত্তর দিবেন, নয়তো আমার কাছে নোটিফিকেশন যাবেনা। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:৫২, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] অসুবিধার জন্য দুঃখিত। কিছু সমস্যা ছিল লেখায় আমি ঠিক করে দিয়েছি। কোন বইয়ের কোন গল্পের কত পৃষ্ঠায় আছে তা উল্লেখ করে দিয়েছি, এখন উক্তির সূত্র খুঁজে পেতে সুবিধা হবে আশাকরি। [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rasel Mehedi#top|আলাপ]]) ১৭:১৯, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:২৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বারী সিদ্দিকী == আপনি কি [[বারী সিদ্দিকী]] তৈরি করতে এআই ব্যবহার করেছেন? পাতার জন্য উদ্ধৃত অধিকাংশ সূত্রের কোনো অস্তিত্ব নেই। একটি সূত্র দ্য ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের, কিন্তু সেটা একটি সড়ক দুর্ঘটনার খবর নিয়ে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:৫৬, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি অত্যন্ত দুঃখিত, লিংক কপি পেস্ট করার সময় হয়তো কোন ভুল হয়েছে। আমি কোন ব্যবহার করিনি শুধু বিভিন্ন পত্রিকা ও সাক্ষাৎকার গুলো অনলাইনে চেক করেছি। সঠিক লিংকটি কমেন্টে দিলাম। এছাড়া অন্য লিংকগুলা চেক করে দেখছি ঐগুলা ঠিক আছে কিনা। যদি কোন কিছু আরো জানতে চান অনুগ্রহ করে আমাকে মেসেজ দিবেন। ধন্যবাদ। :The Financial Express link: https://thefinancialexpress.com.bd/national/pm-mourns-death-of-bari-siddiqui-1511506891 [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rasel Mehedi#top|আলাপ]]) ১৫:৩২, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আশা করি এখন সব লিংক ঠিক পাবেন। যদি লিংকে গিয়ে উক্তি খুঁজতে চান তাহলে উক্তি কপি-পেস্ট করলে পেয়ে যাবেন। [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rasel Mehedi#top|আলাপ]]) ১৫:৪৪, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:২৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ফেলুদা == [[ফেলুদা]] পাতার ভূমিকাংশ বেশ বড়। কিন্তু উক্তিগুলো মিলিয়ে ১২৬ শব্দের বেশি হবেনা। আপনি কি যাতে ফাউন্টেনে জমা দেওয়া যায় সেজন্য শব্দ সংখ্যা বাড়াতে এটা করেছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:৫৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভূমিকার শব্দ সংখ্যা আপনারা গণনা করেন কিনা সেটা আমার জানা ছিল না। আমি শুধু ভূমিকা দেওয়া লাগে এই জন্য দিয়েছি। যদি প্রয়োজন হয় আমি আরো উক্তি যুক্ত করতে পারবো। এখন কি করতে হবে জানালে উপকৃত হব। [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rasel Mehedi#top|আলাপ]]) ১৮:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] ভূমিকাংশ মোটামুটি ছোট করে আরো কিছু উক্তি যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:০৯, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ধন্যবাদ আপনার পরামর্শের জন্য। আমি আরও কিছু উক্তি যোগ করে দিচ্ছি এবং সেই সাথে ভূমিকাও ছোট করে দিচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rasel Mehedi#top|আলাপ]]) ১৮:১৬, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি আরও উক্তি যোগ করেছি এবং ভূমিকা ছোট করেছি। অনুগ্রহ করে ঠিক আছে কিনা দেখুন। [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rasel Mehedi#top|আলাপ]]) ১৯:০৫, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:১৬, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == সতর্কতা প্রয়োজন == সুধী, উইকিউক্তিতে একটি নিবন্ধ বিভিন্ন নামে আগে থেকেই তৈরি করা থাকতে পারে। তাই পাতা তৈরির আগে চেক করে নেওয়া প্রয়োজন। আপনি [[আনিসুল হক]] তৈরি করার আগে এটি [[আনিসুল হক (সাহ্যিতিক)]] নামে ছিল। তাই গ্রহণ করতে পারলাম না। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:৩২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) sodn41oxehs5wv100k5wcyecz2dza1s 78647 78645 2026-04-19T17:48:47Z Rasel Mehedi 5177 /* সতর্কতা প্রয়োজন */ উত্তর 78647 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Rasel Mehedi,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ০৬:১৩, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == প্রোফেসর শঙ্কু == প্রতিযোগিতা উপলক্ষ্যে [[প্রোফেসর শঙ্কু]] পাতাটি জমা দেওয়ার জন্য অভিনন্দন। উইকিউক্তির নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত উক্তির জন্য উদ্ধৃত সূত্র সুনির্দিষ্ট হওয়া চাই। যেহেতু আপনি এই পাতাটি জমা দিয়েছেন, তাই আমি ধারণা করছি যে আপনি প্রফেসর শঙ্কুর একজন ভক্ত। আপনি বইয়ের নাম সূত্র হিসেবে দিলেও পৃষ্ঠা সংখ্যা দেননি। অনুগ্রহ করে পৃষ্ঠার সংখ্যা দিতে পারবেন? রিপ্লাইয়ের জন্য আমাকে মেনশন করে উত্তর দিবেন, নয়তো আমার কাছে নোটিফিকেশন যাবেনা। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:৫২, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] অসুবিধার জন্য দুঃখিত। কিছু সমস্যা ছিল লেখায় আমি ঠিক করে দিয়েছি। কোন বইয়ের কোন গল্পের কত পৃষ্ঠায় আছে তা উল্লেখ করে দিয়েছি, এখন উক্তির সূত্র খুঁজে পেতে সুবিধা হবে আশাকরি। [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rasel Mehedi#top|আলাপ]]) ১৭:১৯, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:২৮, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == বারী সিদ্দিকী == আপনি কি [[বারী সিদ্দিকী]] তৈরি করতে এআই ব্যবহার করেছেন? পাতার জন্য উদ্ধৃত অধিকাংশ সূত্রের কোনো অস্তিত্ব নেই। একটি সূত্র দ্য ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের, কিন্তু সেটা একটি সড়ক দুর্ঘটনার খবর নিয়ে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৪:৫৬, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি অত্যন্ত দুঃখিত, লিংক কপি পেস্ট করার সময় হয়তো কোন ভুল হয়েছে। আমি কোন ব্যবহার করিনি শুধু বিভিন্ন পত্রিকা ও সাক্ষাৎকার গুলো অনলাইনে চেক করেছি। সঠিক লিংকটি কমেন্টে দিলাম। এছাড়া অন্য লিংকগুলা চেক করে দেখছি ঐগুলা ঠিক আছে কিনা। যদি কোন কিছু আরো জানতে চান অনুগ্রহ করে আমাকে মেসেজ দিবেন। ধন্যবাদ। :The Financial Express link: https://thefinancialexpress.com.bd/national/pm-mourns-death-of-bari-siddiqui-1511506891 [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rasel Mehedi#top|আলাপ]]) ১৫:৩২, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আশা করি এখন সব লিংক ঠিক পাবেন। যদি লিংকে গিয়ে উক্তি খুঁজতে চান তাহলে উক্তি কপি-পেস্ট করলে পেয়ে যাবেন। [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rasel Mehedi#top|আলাপ]]) ১৫:৪৪, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৫:২৭, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == ফেলুদা == [[ফেলুদা]] পাতার ভূমিকাংশ বেশ বড়। কিন্তু উক্তিগুলো মিলিয়ে ১২৬ শব্দের বেশি হবেনা। আপনি কি যাতে ফাউন্টেনে জমা দেওয়া যায় সেজন্য শব্দ সংখ্যা বাড়াতে এটা করেছেন? [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:৫৩, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ভূমিকার শব্দ সংখ্যা আপনারা গণনা করেন কিনা সেটা আমার জানা ছিল না। আমি শুধু ভূমিকা দেওয়া লাগে এই জন্য দিয়েছি। যদি প্রয়োজন হয় আমি আরো উক্তি যুক্ত করতে পারবো। এখন কি করতে হবে জানালে উপকৃত হব। [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rasel Mehedi#top|আলাপ]]) ১৮:০৮, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::@[[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] ভূমিকাংশ মোটামুটি ছোট করে আরো কিছু উক্তি যোগ করুন। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৮:০৯, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ধন্যবাদ আপনার পরামর্শের জন্য। আমি আরও কিছু উক্তি যোগ করে দিচ্ছি এবং সেই সাথে ভূমিকাও ছোট করে দিচ্ছি। [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rasel Mehedi#top|আলাপ]]) ১৮:১৬, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) ::::@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি আরও উক্তি যোগ করেছি এবং ভূমিকা ছোট করেছি। অনুগ্রহ করে ঠিক আছে কিনা দেখুন। [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rasel Mehedi#top|আলাপ]]) ১৯:০৫, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :::::@[[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] গৃহীত হয়েছে। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:১৬, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) == সতর্কতা প্রয়োজন == সুধী, উইকিউক্তিতে একটি নিবন্ধ বিভিন্ন নামে আগে থেকেই তৈরি করা থাকতে পারে। তাই পাতা তৈরির আগে চেক করে নেওয়া প্রয়োজন। আপনি [[আনিসুল হক]] তৈরি করার আগে এটি [[আনিসুল হক (সাহ্যিতিক)]] নামে ছিল। তাই গ্রহণ করতে পারলাম না। [[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Mehedi Abedin|আলাপ]]) ১৭:৩২, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) :@[[ব্যবহারকারী:Mehedi Abedin|Mehedi Abedin]] আমি আপনাদের দেওয়া তালিকা থেকে উক্তি পাতা তৈরি করেছি। যেহেতু আপনাদের দেওয়া তালিকায় নাম আছে সেক্ষেত্রে ধরেই নিয়েছিলাম যে এখানে উক্তি পাতা বানানো যাবে। [[ব্যবহারকারী:Rasel Mehedi|Rasel Mehedi]] ([[ব্যবহারকারী আলাপ:Rasel Mehedi#top|আলাপ]]) ১৭:৪৮, ১৯ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 4m8u28oh60okt3szq4hdzpeyavfeb75 আবদুল হান্নান মাসউদ 0 12535 78760 77480 2026-04-20T03:20:18Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় নাগরিক পার্টির রাজনীতিবিদ]] যোগ 78760 wikitext text/x-wiki [[File:আবদুল হান্নান মাসউদ ২০২৫ (cropped).jpg|thumb|আবদুল হান্নান মাসউদ]] '''{{w|আবদুল হান্নান মাসউদ}}''' (জন্ম: ১ জানুয়ারি, ২০০০) একজন বাংলাদেশী ছাত্রনেতা এবং {{w|বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন}}ের সাবেক সমন্বয়ক, যে আন্দোলনটি [[২০২৪-এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন]] ও {{w|অসহযোগ আন্দোলন (২০২৪)|২০২৪ সালের অসহযোগ আন্দোলন}} উভয়টিতেই নেতৃত্ব দিয়েছিল। তিনি {{w|জাতীয় নাগরিক পার্টি}}র সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক। বাংলাদেশের {{w|ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০২৬|ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে}} তিনি {{w|নোয়াখালী-৬}} ({{w|হাতিয়া উপজেলা|হাতিয়া}}) আসন থেকে নির্বাচিত হন এবং মাত্র ২৬ বছর বয়সে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ সংসদ সদস্য হন। == উক্তি == * আমি {{w|জাতীয় সংসদ|এই সংসদের}} সর্বকনিষ্ঠ {{w|বাংলাদেশের সংসদ সদস্য|এমপি}}। বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ এমপি। আপনারা যে {{w|জেনারেশন জি|জেন-জি}}র কথা বলেন সেই জেন-জির প্রতিনিধি হয়ে আমি সংসদে কথা বলতে আসছি। আপনি যদি বলেন যে জেন-জিরা কি চায়— আমি বলছি, '''জেন-জিরা {{w|বাংলাদেশের সংবিধান|বাহাত্তরের সংবিধান}} আর চায় না'''। ** {{w|জাতীয় সংসদ}}ে হান্নান মাসউদের বক্তব্য, ''রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনাকালে'' (২৯ মার্চ ২০২৬) * '''আমরা রক্ত ঝরিয়েছি বলেই আজ আপনারা প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছেন'''। বিশ্বাসঘাতকতার মূল্য আপনাদের আবারও দিতে হবে। ** {{w|জাতীয় সংসদ}}ে হান্নান মাসউদের বক্তব্য, ''রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনাকালে'' (২৯ মার্চ ২০২৬) * সেদিন খুব আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েছিলাম। হেঁটে হেঁটে সংসদ ভবন, গণভবনে আসি। কিন্তু সংসদ ভবনে ঢুকিনি। আমার চিন্তা ছিল, যদি কখনো ঢুকি সংসদ সদস্য হয়েই এখানে যাবো। তখন চারদিকে এত এত শুভাকাঙ্ক্ষী.. একেকজন একেক দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। আমাদেরকে আমাদের মত করে সিদ্ধান্ত নিতে দেওয়া হয় নাই।... '''তখন আমাদের মত করে সিদ্ধান্ত নিতে পারতাম তাহলে এই অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ অন্যরকম হত।''' ** ''বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা''র সাথে সাক্ষাৎকার, {{cite web| ইউআরএল=https://www.bssnews.net/bangla/july-uprising/212498 |শিরোনাম= যদি আমরা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারতাম তাহলে জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশ হতো একেবারে ভিন্ন দেশ : হান্নান মাসুদ | তারিখ=২ জুলাই ২০২৫}} * আমাদের {{w|ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান|আন্দোলন}} সংগ্রামের ইতিহাস কেবল জুন থেকে শুরু হয়নি। আমার রাজনীতির শুরুটা ২০২২ সাল থেকে। তখন হল ছেড়ে দিয়ে {{w|বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ|ছাত্র অধিকার পরিষদ}}ের রাজনীতিতে যোগ দেই। উদ্দেশ্য ছিল জাতীয়ভাবে যে {{w|একনায়কতন্ত্র}} প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, ক্যাম্পাসগুলোতে শিক্ষার্থীদের ওপর যে অত্যাচার চলছিল সেগুলোর প্রতিবাদ করা। আমার চিন্তা ছিল, অন্যায়ের প্রতিবাদ কাউকে না কাউকে করতে হবে। একটি অংশকে অবশ্যই জেগে উঠতে হবে অন্যায়ের প্রতিবাদ করার জন্য। যারা সত্য তুলে ধরবে তারা সংখ্যায় যত কমই হোক এক সময় মানুষ এসে তাদের পাশে দাঁড়াবে। এমন চিন্তা থেকে আমার রাজনীতিতে আসা। ** ''বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা''র সাথে সাক্ষাৎকার, {{cite web| ইউআরএল=https://www.bssnews.net/bangla/july-uprising/212498 |শিরোনাম= যদি আমরা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারতাম তাহলে জুলাই পরবর্তী বাংলাদেশ হতো একেবারে ভিন্ন দেশ : হান্নান মাসুদ | তারিখ=২ জুলাই ২০২৫}} * বাংলাদেশে যারা {{w|ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান|অভ্যুত্থান}} করেছে তারাই [[বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল|সরকারি দল]] আবার তারাই {{w|১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য|বিরোধীদল}}। নেপালে অভ্যুত্থানকারীরা {{w|রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি|সরকার গঠন করেছে}} আর বিরোধী দল অভ্যুত্থানের পরাজিতরা। এই জায়গায় বাংলাদেশ সফল। বাংলাদেশে আমরা বিএনপি-জামায়াতকে নিয়েই অভ্যুত্থান করেছি। একা একা তো করিনি। ** মতবিনিময় সভায় দেয়া বক্তব্য, {{cite web|ইউআরএল=https://www.kalbela.com/country-news/282195 |শিরোনাম= বিএনপি-জামায়াতকে নিয়েই অভ্যুত্থান করেছি : হান্নান মাসউদ | তারিখ= ১৩ এপ্রিল ২০২৬}} == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী}} [[বিষয়শ্রেণী:২০০০-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী মুসলিম]] [[বিষয়শ্রেণী:বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক]] [[বিষয়শ্রেণী:ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:জাতীয় নাগরিক পার্টির রাজনীতিবিদ]] c0t77jznngf5li3mn37olv509kl55gr আ ন ম এহসানুল হক মিলন 0 12539 78693 77390 2026-04-20T00:47:13Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 /* উক্তি */উক্তি 78693 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:A N M Ehsanul Haque Milon, Education Minister, speech for Shaheed Dibosh and International Mother Language Day, International Mother Language Institute, Dhaka, 2026-02-21 (cropped).jpg|থাম্ব|]] [[W:আ ন ম এহসানুল হক মিলন|আবু নছর মুহাম্মদ এহসানুল হক মিলন]] (জন্ম: ২৬ মার্চ ১৯৫৭) একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ, লেখক এবং শিক্ষাবিদ। তিনি বর্তমানে ২০২৬ সাল থেকে তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি [[বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল|বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি)]] কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক। ইতিপূর্বে তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় মন্ত্রিসভায় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং নকল বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে দেশব্যাপী ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। ==উক্তি== * নকল আর হবে না, ঠিকমতো লেখাপড়া করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও পরিশ্রমের বিকল্প নেই। ** ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় নির্বাচন-পরবর্তী [https://www.channel24bd.tv/politics/article/313281/%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A6%B2-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%A0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A7%8B-%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87:-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%95-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%A8 শুভেচ্ছা বিনিময়কালে] বলেছেন। * একটি জাতির অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি হলো শিক্ষা। শিক্ষার পরিবেশ যদি নকল, অনিয়ম ও অসততার মাধ্যমে কলুষিত হয়, তাহলে সেই জাতি কখনও টেকসই উন্নয়ন অর্জন করতে পারে না। ** ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় নির্বাচন-পরবর্তী [https://www.channel24bd.tv/politics/article/313281/%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A6%B2-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%A0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A7%8B-%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87:-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%95-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%A8 শুভেচ্ছা বিনিময়কালে] বলেছেন। * নকলের ডেট অব বার্থ (জন্মতারিখ) ১৯৭২ সাল। সেই নকল ২০০১ সালে এসে সমূলে উৎপাটন করা হলো। ৭২ থেকে ২০০১ সাল এই নকলের সহযোগিতা কারা করেছিল? নিশ্চয়ই শিক্ষকেরা। আবার ২০০১ সালে যখন আমি নকলের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করলাম। তখন নকল সমূলে উৎপাটন করেছিল শিক্ষকেরাই। একটা বিষয় প্রমাণিত; যদি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং সরকার বলে আমরা নকল চাই না, আমরা শিক্ষা খাতে গুনগত পরিবর্তন চাই, তাহলে নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব। আমাদের হ্যান্ড ও টুলস হচ্ছেন শিক্ষকেরা। ** ০৪ এপ্রিল ২০২৬ কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে [https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/bx41owz8ug এক মতবিনিময় সভায়] বলেছেন। * শিক্ষা খাতে শুধু ‘হাই জাম্প’ দিলেই হবে না, দিতে হবে ‘পোল ভল্ট জাম্প ** ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম দিন সচিবালয় [https://www.prothomalo.com/bangladesh/qzx36zw63kএই সাংবাদিকদের প্রশ্নের] কবাবে বলেছেন। * আমিও অনলাইন ক্লাস চাই না, কিন্তু পৃথিবী চায়। আমাদেরও সেই পথে এগোতে হবে ** এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে সিলেট বিভাগের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে [https://www.ittefaq.com.bd/784400/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%93-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%81-%E0%A6%AA%E0%A7%83%E0%A6%A5%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A7%80-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A7%9F এই মতবিনিময় শেষে] বলেছেন। ১৫ এপ্রিল ২০২৬,ইত্তেফাক। * সামনে পরীক্ষা। তাতে তুমিও ফেল, ছয়মাস পর আমিও ফেল। কারো বাঁচার উপায় নেই। ** রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে আয়োজিত [https://www.jugantor.com/government/1087838 এক অনুষ্ঠানে] বলেছেন।১১ এপ্রিল ২০২৬ * নকলের চল্লিশা-দাফন-কাফন সব করেছিলাম, এটা আবার পুনর্জন্ম নেবে ধারণায় ছিল না। ** ১২ এপ্রিল ২০২৬ ঢাকায় অঞ্চলের আওতাধীন কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে [https://www.ittefaq.com.bd/784039/%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%8F%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87 এই মতবিনিময়কালে] বলেছেন। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] lreil0hqukltnou066l2ruhyvjuv15u 78743 78693 2026-04-20T02:59:30Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ]] যোগ 78743 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:A N M Ehsanul Haque Milon, Education Minister, speech for Shaheed Dibosh and International Mother Language Day, International Mother Language Institute, Dhaka, 2026-02-21 (cropped).jpg|থাম্ব|]] [[W:আ ন ম এহসানুল হক মিলন|আবু নছর মুহাম্মদ এহসানুল হক মিলন]] (জন্ম: ২৬ মার্চ ১৯৫৭) একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ, লেখক এবং শিক্ষাবিদ। তিনি বর্তমানে ২০২৬ সাল থেকে তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি [[বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল|বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি)]] কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক। ইতিপূর্বে তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় মন্ত্রিসভায় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং নকল বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে দেশব্যাপী ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। ==উক্তি== * নকল আর হবে না, ঠিকমতো লেখাপড়া করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মেধা ও পরিশ্রমের বিকল্প নেই। ** ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় নির্বাচন-পরবর্তী [https://www.channel24bd.tv/politics/article/313281/%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A6%B2-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%A0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A7%8B-%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87:-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%95-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%A8 শুভেচ্ছা বিনিময়কালে] বলেছেন। * একটি জাতির অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি হলো শিক্ষা। শিক্ষার পরিবেশ যদি নকল, অনিয়ম ও অসততার মাধ্যমে কলুষিত হয়, তাহলে সেই জাতি কখনও টেকসই উন্নয়ন অর্জন করতে পারে না। ** ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় নির্বাচন-পরবর্তী [https://www.channel24bd.tv/politics/article/313281/%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A6%B2-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%A0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A7%8B-%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%AC%E0%A7%87:-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%95-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%A8 শুভেচ্ছা বিনিময়কালে] বলেছেন। * নকলের ডেট অব বার্থ (জন্মতারিখ) ১৯৭২ সাল। সেই নকল ২০০১ সালে এসে সমূলে উৎপাটন করা হলো। ৭২ থেকে ২০০১ সাল এই নকলের সহযোগিতা কারা করেছিল? নিশ্চয়ই শিক্ষকেরা। আবার ২০০১ সালে যখন আমি নকলের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করলাম। তখন নকল সমূলে উৎপাটন করেছিল শিক্ষকেরাই। একটা বিষয় প্রমাণিত; যদি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং সরকার বলে আমরা নকল চাই না, আমরা শিক্ষা খাতে গুনগত পরিবর্তন চাই, তাহলে নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব। আমাদের হ্যান্ড ও টুলস হচ্ছেন শিক্ষকেরা। ** ০৪ এপ্রিল ২০২৬ কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে [https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/bx41owz8ug এক মতবিনিময় সভায়] বলেছেন। * শিক্ষা খাতে শুধু ‘হাই জাম্প’ দিলেই হবে না, দিতে হবে ‘পোল ভল্ট জাম্প ** ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম দিন সচিবালয় [https://www.prothomalo.com/bangladesh/qzx36zw63kএই সাংবাদিকদের প্রশ্নের] কবাবে বলেছেন। * আমিও অনলাইন ক্লাস চাই না, কিন্তু পৃথিবী চায়। আমাদেরও সেই পথে এগোতে হবে ** এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে সিলেট বিভাগের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে [https://www.ittefaq.com.bd/784400/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%93-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%81-%E0%A6%AA%E0%A7%83%E0%A6%A5%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A7%80-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A7%9F এই মতবিনিময় শেষে] বলেছেন। ১৫ এপ্রিল ২০২৬,ইত্তেফাক। * সামনে পরীক্ষা। তাতে তুমিও ফেল, ছয়মাস পর আমিও ফেল। কারো বাঁচার উপায় নেই। ** রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে আয়োজিত [https://www.jugantor.com/government/1087838 এক অনুষ্ঠানে] বলেছেন।১১ এপ্রিল ২০২৬ * নকলের চল্লিশা-দাফন-কাফন সব করেছিলাম, এটা আবার পুনর্জন্ম নেবে ধারণায় ছিল না। ** ১২ এপ্রিল ২০২৬ ঢাকায় অঞ্চলের আওতাধীন কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে [https://www.ittefaq.com.bd/784039/%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%8F%E0%A6%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87 এই মতবিনিময়কালে] বলেছেন। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ]] 8p7lxv633laxcbr2ukkdg4cufsa5hwn পারমাণবিক অস্ত্র 0 12553 78799 77094 2026-04-20T05:18:46Z Oindrojalik Watch 4169 78799 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[চিত্র:Bulava SLBM launched by Yuri Dolgoruky submarine.jpg|thumb|পারমাণবিক অস্ত্র: এমন এক মাধ্যম যা অতি সভ্য জাতিগুলো সেইসব বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য জমিয়ে রাখে, যা মীমাংসা না করলে ঝামেলার কারণ হতে পারত। দুর্ভাগ্যবশত, অনেক প্রাক্তন অসভ্য জাতিও এখন সভ্য হয়ে উঠছে। </br> —'''''লিওনার্ড রসিটার''''']] '''[[:w:পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক অস্ত্র]]''' হলো এমন এক বিস্ফোরক যন্ত্র যা পারমাণবিক বিক্রিয়া (নিউক্লিয়ার ফিশন বা ফিশন ও ফিউশনের সংমিশ্রণ) থেকে ধ্বংসাত্মক শক্তি উৎপাদন করে। উভয় বিক্রিয়াই অতি সামান্য পরিমাণ পদার্থ থেকে বিশাল পরিমাণে শক্তি নির্গত করে। == উক্তি == === পূর্বাভাস === * মানুষ বিজ্ঞানের ওপর চড়ে বসেছে এবং বিজ্ঞান এখন তাকে নিয়ে উধাও হয়ে গেছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে আরও কয়েক শতাব্দী যাওয়ার আগেই বিজ্ঞান মানুষের মালিকে পরিণত হবে। মানুষ যেসব ইঞ্জিন আবিষ্কার করবে, তা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা তার থাকবে না। কোনো একদিন বিজ্ঞান হয়তো পুরো মানবজাতির অস্তিত্বকে নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে নেবে এবং মানুষ পৃথিবী উড়িয়ে দিয়ে নিজেরা আত্মহত্যা করবে। ** '''''[[:w:হেনরি অ্যাডামস|হেনরি অ্যাডামস]]''''', চার্লস ফ্রান্সিস অ্যাডামস জুনিয়রকে লেখা চিঠি (লন্ডন, ১১ এপ্রিল, ১৮৬২) * একবার নিক্ষেপ করার পর, সেই বোমাটির শক্তি নিঃশেষ না হওয়া পর্যন্ত সেটি ছিল সম্পূর্ণ অগম্য এবং অনিয়ন্ত্রিত; এর ওপর দিয়ে ফেটে যাওয়া গহ্বর থেকে জ্বলন্ত বাষ্প, শিলা আর কাদার টুকরো সবদিকে ছড়িয়ে পড়ছিল। এটিই ছিল সামরিক বিজ্ঞানের সেই মুকুটহীন বিজয়—চূড়ান্ত বিস্ফোরক—যা যুদ্ধে এক 'নির্ণায়ক ছোঁয়া' দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল...। ** '''''[[:w:এইচ. জি. ওয়েলস|এইচ. জি. ওয়েলস]]''''', [[w:The World Set Free|''দ্য ওয়ার্ল্ড সেট ফ্রি'']] (১৯১৪), অধ্যায় ২, অনুচ্ছেদ ৪ hpukwn1ts3ml3uwgy4fepkhtw7z7sf9 78865 78799 2026-04-20T09:34:34Z Oindrojalik Watch 4169 78865 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[চিত্র:Bulava SLBM launched by Yuri Dolgoruky submarine.jpg|thumb|পারমাণবিক অস্ত্র: এমন এক মাধ্যম যা অতি সভ্য জাতিগুলো সেইসব বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য জমিয়ে রাখে, যা মীমাংসা না করলে ঝামেলার কারণ হতে পারত। দুর্ভাগ্যবশত, অনেক প্রাক্তন অসভ্য জাতিও এখন সভ্য হয়ে উঠছে। </br> —'''''লিওনার্ড রসিটার''''']] '''[[:w:পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক অস্ত্র]]''' হলো এমন এক বিস্ফোরক যন্ত্র যা পারমাণবিক বিক্রিয়া (নিউক্লিয়ার ফিশন বা ফিশন ও ফিউশনের সংমিশ্রণ) থেকে ধ্বংসাত্মক শক্তি উৎপাদন করে। উভয় বিক্রিয়াই অতি সামান্য পরিমাণ পদার্থ থেকে বিশাল পরিমাণে শক্তি নির্গত করে। == উক্তি == === পূর্বাভাস === * মানুষ বিজ্ঞানের ওপর চড়ে বসেছে এবং বিজ্ঞান এখন তাকে নিয়ে উধাও হয়ে গেছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে আরও কয়েক শতাব্দী যাওয়ার আগেই বিজ্ঞান মানুষের মালিকে পরিণত হবে। মানুষ যেসব ইঞ্জিন আবিষ্কার করবে, তা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা তার থাকবে না। কোনো একদিন বিজ্ঞান হয়তো পুরো মানবজাতির অস্তিত্বকে নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে নেবে এবং মানুষ পৃথিবী উড়িয়ে দিয়ে নিজেরা আত্মহত্যা করবে। ** '''''[[:w:হেনরি অ্যাডামস|হেনরি অ্যাডামস]]''''', চার্লস ফ্রান্সিস অ্যাডামস জুনিয়রকে লেখা চিঠি (লন্ডন, ১১ এপ্রিল, ১৮৬২) * একবার নিক্ষেপ করার পর, সেই বোমাটির শক্তি নিঃশেষ না হওয়া পর্যন্ত সেটি ছিল সম্পূর্ণ অগম্য এবং অনিয়ন্ত্রিত; এর ওপর দিয়ে ফেটে যাওয়া গহ্বর থেকে জ্বলন্ত বাষ্প, শিলা আর কাদার টুকরো সবদিকে ছড়িয়ে পড়ছিল। এটিই ছিল সামরিক বিজ্ঞানের সেই মুকুটহীন বিজয়—চূড়ান্ত বিস্ফোরক—যা যুদ্ধে এক 'নির্ণায়ক ছোঁয়া' দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল...। ** '''''[[:w:এইচ. জি. ওয়েলস|এইচ. জি. ওয়েলস]]''''', [[w:The World Set Free|''দ্য ওয়ার্ল্ড সেট ফ্রি'']] (১৯১৪), অধ্যায় ২, অনুচ্ছেদ ৪ * এমন কি কোনো শক্তিশালী বিস্ফোরক শক্তি ব্যবহারের গূঢ় পদ্ধতি থাকা কি সম্ভব নয় যা এযাবৎকালের আবিষ্কৃত যেকোনো কিছুর চেয়ে অতুলনীয়ভাবে তীব্র এবং ধ্বংসাত্মক হবে? একটি সাধারণ কমলালেবুর চেয়ে বড় নয় এমন একটি ক্ষুদ্র বোমা কি এমন কোনো গুপ্ত ক্ষমতার অধিকারী হতে পারে না যা মুহূর্তের মধ্যে একটি আস্ত দালান—না কি হাজার টন কর্ডাইটের শক্তিকে একীভূত করে এক নিমেষেই একটি জনপদকে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে পারে? বর্তমান সময়ের বিস্ফোরকগুলোকেও কি বেতার তরঙ্গ বা অন্য কোনো অদৃশ্য রশ্মির মাধ্যমে চালকহীন বিমানে করে শত্রুর শহর, অস্ত্রাগার, সামরিক ক্যাম্প কিংবা ডকইয়ার্ডে এক অবিরাম মিছিলের মতো বর্ষণ করা সম্ভব নয়? ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', "শ্যাল উই অল কমিট সুইসাইড?", ''পল মল'' (সেপ্টেম্বর ১৯২৪)। ''থটস অ্যান্ড অ্যাডভেঞ্চারস'' (১৯৩২), পৃষ্ঠা ২৫০। === ১৯৩০-এর দশক === * এনরিকো ফের্মি এবং লিও সিলার্ডের সাম্প্রতিক কিছু গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা, যা পাণ্ডুলিপি আকারে আমার হস্তগত হয়েছে, আমাকে এই দৃঢ় বিশ্বাস জোগাচ্ছে যে নিকট ভবিষ্যতে ইউরেনিয়াম নামক উপাদানটি শক্তির এক অভিনব এবং অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ উৎসে পরিণত হতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতির কিছু জটিল দিক অত্যন্ত সজাগ নজরদারি এবং প্রয়োজনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতি দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি রাখে... এই নতুন বৈজ্ঞানিক ঘটনাটি অত্যন্ত শক্তিশালী বোমা তৈরির পথেও আলোকপাত করতে পারে এবং এটি অত্যন্ত বাস্তবসম্মত—যদিও কিছুটা অনিশ্চিত—যে এভাবে এক নতুন ধরণের অতি-শক্তিশালী বোমা তৈরি করা সম্ভব। এই ধরণের একটিমাত্র শক্তিশালী বোমা, যা কোনো নৌযান বা নৌকায় করে নিয়ে গিয়ে কোনো সামুদ্রিক বন্দরে বিস্ফোরণ ঘটানো হলে, তা মুহূর্তেই পুরো বন্দর এবং তার পার্শ্ববর্তী বিস্তীর্ণ অঞ্চলকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। তবে, এই ধরণের বোমা আকাশপথে বা বিমানে পরিবহনের জন্য ওজনে অত্যন্ত ভারী বলে প্রমাণিত হতে পারে। ** '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''', প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের কাছে লেখা চিঠি (২ আগস্ট ১৯৩৯, যা ১১ অক্টোবর ১৯৩৯-এ প্রদান করা হয়); ''আইনস্টাইন অন পিস'', সম্পাদনা: অটো নাথান এবং হেইঞ্জ নর্ডেন (১৯৬০, ১৯৮১-তে পুনর্মুদ্রিত), পৃষ্ঠা ২৯৪–৯৫। === ১৯৪০-এর দশক === [[File:TrinityDetonation1945GIF.gif|thumb|এখন আমি যমে (মৃত্যু) পরিণত হয়েছি, যে এই চরাচর বা বিশ্বকে ধ্বংস করে দেয়।]] [[File:Hiroshima aftermath.jpg|thumb|হে ঈশ্বর, আমরা একি করলাম?<br>—[[:w:রברת এ. লুইস|রবার্ট এ. লুইস]]]] * আমরা মনে মনে অনুভব করছিলাম যে এই মুহূর্তের পর পৃথিবী আর আগের মতো চিরচেনা থাকবে না। সেখানে উপস্থিত কতিপয় মানুষ উচ্চস্বরে হাসল, কতিপয় মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়ল, তবে অধিকাংশ মানুষই ছিল এক গভীর ও নিস্তব্ধ স্তব্ধতায় আচ্ছন্ন। আমার মানসপটে প্রাচীন হিন্দু ধর্মগ্রন্থ ''[[ভগবদ্গীতা]]''-র সেই অমোঘ লাইনটি বারবার ভেসে আসছিল। সেখানে ভগবান বিষ্ণু যখন রাজকুমার অর্জুনকে কর্তব্য পালনে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করছিলেন এবং তাকে নিজের মহিমা প্রদর্শনের জন্য বহুভুজ ও বিশ্বরূপ ধারণ করে বলেছিলেন— "এখন আমি যমে (মৃত্যু) পরিণত হয়েছি, যে এই চরাচর বা বিশ্বকে ধ্বংস করে দেয়।" আমার ধারণা, কোনো না কোনোভাবে আমাদের সবার মনে তখন ঠিক এই চিন্তাটিই ঘুরপাক খাচ্ছিল। ** '''''[[:w:জে. রবার্ট ওপেনহেইমার|জে. রবার্ট ওপেনহেইমার]]''''', প্রথম পারমাণবিক ডিভাইসের প্রলয়ংকরী বিস্ফোরণ মুহূর্তের স্মৃতিচারণ। ''[https://www.youtube.com/watch?v=-JWxIVVeV98 দ্য ডিসিশন টু ড্রপ দ্য বোম্ব''] (১৯৬৫ এনবিসি নিউজ প্রোগ্রাম)। * এখন আমরা সবাই একেকজন নরকের কীট বা জঘন্য সন্তানে (Sons-of-bitches) পরিণত হলাম। ** '''''কেনেথ বেইনব্রিজ''''', আলামোগোর্ডোতে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বোমা পরীক্ষার প্রলয়ংকরী বিস্ফোরণের পরপরই রবার্ট ওপেনহেইমারকে উদ্দেশ্য করে করা তাৎক্ষণিক মন্তব্য, ল্যান্সিং ল্যামন্ট-এর ''ডে অফ ট্রিনিটি'' (১৯৬৬), পৃষ্ঠা ২৪২। * হে করুণাময় ঈশ্বর, আমাদের হাতের মাধ্যমে আজ একি প্রলয়ংকরী ঘটনা ঘটে গেল? আমরা একি করলাম? ** '''''[[:w:রবার্ট এ. লুইস|রবার্ট এ. লুইস]]''''', হিরোশিমায় বোমা নিক্ষেপকারী ''এনোলা গে'' (Enola Gay)-র কো-পাইলট ও বিমান কমান্ডার (৬ আগস্ট ১৯৪৫)। * পারমাণবিক বোমার এই ভয়াবহ ব্যবহার এবং এর নিষ্ঠুরতা দিয়ে যেভাবে নির্বিচারে নিরপরাধ নারী ও শিশুদের হত্যা করা হয়েছে, তা আমার অন্তর ও আত্মাকে এক চরম বিদ্রোহের মুখে ঠেলে দিয়েছে; আমি মর্মাহত। ** '''''[[:w:হার্বার্ট হুভার|হার্বার্ট হুভার]]''''', কর্নেল জন ক্যালান ও’লাফলিনকে (আর্মি অ্যান্ড নেভি জার্নাল-এর প্রকাশক) লেখা চিঠি (৮ আগস্ট ১৯৪৫), গার আলপেরোভিৎজ-এর ''দ্য ডিসিশন টু ইউজ দ্য অ্যাটমিক বোম্ব'' (১৯৬৬), পৃষ্ঠা ৪৫৯। "ও’লাফলিন করেসপন্ডেন্স ফাইল, বক্স ১৭১, পোস্ট-প্রেসিডেন্সিয়াল পেপারস, হার্বার্ট হুভার প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরি"। * আমেরিকান, ইংরেজ এবং ফরাসি সংবাদপত্রগুলো আজ পারমাণবিক বোমার ধ্বংসক্ষমতা নিয়ে অত্যন্ত মার্জিত ও তাত্ত্বিক গবেষণামূলক প্রবন্ধ উগরে দিচ্ছে। আমরা এই পুরো বিষয়টিকে একটিমাত্র তীক্ষ্ণ বাক্যে সারসংক্ষেপ করতে পারি: বর্তমানের এই যান্ত্রিক সভ্যতা সম্ভবত সবেমাত্র আদিম বর্বরতার চূড়ান্ত ও নিষ্ঠুরতম পর্যায়টি সফলভাবে অর্জন করতে পেরেছে। ** '''''[[:w:আলবেয়ার কামু|আলবেয়ার কামু]]''''', ''কমব্যাট'' (৮ আগস্ট ১৯৪৫)। নিকোলাস হামফ্রে ও রবার্ট জে লিফটনের ''ইন আ ডার্ক টাইম'' (১৯৮৪), পৃষ্ঠা ২৭। * আজ 'পারমাণবিক বোমা' নিয়ে আসা সংবাদগুলো এতটাই ভয়াবহ যে যেকোনো মানুষ এটি শুনে স্তম্ভিত হয়ে যেতে বাধ্য। যুদ্ধের প্রয়োজনে এই ধরণের ধ্বংসাত্মক কাজে নিজেদের সম্মতি দেওয়া এই উন্মাদ পদার্থবিদদের চরম নির্বুদ্ধিতারই নামান্তর—তারা কি তবে শান্ত মস্তিস্কে এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের বিনাশের নীল নকশা তৈরি করছে? মানুষের নৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক মান যখন ক্রমাগত নিম্নমুখী, তখন তাদের হাতে এমন বিধ্বংসী বিস্ফোরক তুলে দেওয়া আর কোনো কারাগারের সকল কয়েদিদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দিয়ে "এটি শান্তি নিশ্চিত করবে" বলে আশা করা একই কথা। তবে যদি সংবাদপত্রের এই লেখাগুলো অতিরঞ্জিত না হয়, তবে আমি মনে করি এর থেকে একটি ভালো দিক বেরিয়ে আসতে পারে: সম্ভবত এবার জাপান নতি স্বীকার করবে। শেষ পর্যন্ত আমরা সবাই ঈশ্বরের হাতেই নিরাপদ। কিন্তু মনে রাখা প্রয়োজন—ঈশ্বর কখনোই 'বাবেল টাওয়ার' নির্মাণকারীদের (অহংকারী স্রষ্টা) সুনজরে দেখেন না। ** '''''[[:w:জে. আর. আর. টলকিন|জে. আর. আর. টলকিন]]''''', তার পুত্র [[:w:ক্রিস্টোফার টলকিন|ক্রিস্টোফারকে]] লেখা একটি চিঠি থেকে (৯ আগস্ট ১৯৪৫); ''[[:w:দ্য লেটারস অফ জে. আর. আর. টলকিন|দ্য লেটারস অফ জে. আর. আর. টলকিন]]'' (১৯৮১)। * কেউ কি কল্পনা করতে পারে যে এই 'পারমাণবিক বোমা' কখনো কোনো "মহৎ উদ্দেশ্যে" ব্যবহৃত হতে পারে? এই ধরণের ভয়াবহ মাধ্যম কি তাৎক্ষণিকভাবে যেকোনো মহৎ উদ্দেশ্যকে কলুষিত করে দেয় না? এই বোমা মূলত আমাদের তৈরি করা সমাজেরই এক স্বাভাবিক ও অনিবার্য ফসল। এটি আমেরিকান জীবনধারার ঠিক ততটাই সাবলীল, স্বাভাবিক এবং স্বতঃস্ফূর্ত বহিঃপ্রকাশ—যতটা তাদের ইলেকট্রিক রেফ্রিজারেটর, ব্যানানা স্প্লিট কিংবা অটোমোবাইল গাড়িগুলো। ** '''''ডোয়াইট ম্যাকডোনাল্ড''''', ''পলিটিক্স'' ম্যাগাজিন (আগস্ট ১৯৪৫)। * এই পারমাণবিক বোমা হলো এক ভয়ংকর ক্রোধের রূপ ধরে ঈশ্বরের 'দ্বিতীয় আগমন' বা 'সেকেন্ড কামিং'। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', [[:w:ট্রিনিটি টেস্ট|ট্রিনিটি টেস্টের]] খবর শুনে করা মন্তব্য; ''দ্য আটলান্টিক'' (মার্চ ১৯৫৭), পৃষ্ঠা (অপ্রকাশিত/সংগৃহীত)। * পারমাণবিক শক্তির এই উন্মোচন আসলে নতুন কোনো সমস্যার সৃষ্টি করেনি। এটি কেবল একটি বিদ্যমান দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানের আবশ্যকতাকে আরও বেশি জরুরি ও অনিবার্য করে তুলেছে। ** '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''', রেমন্ড সুইং-এর কাছে দেওয়া বক্তব্য (১ অক্টোবর ১৯৪৫-এর পূর্বে); ''আইনস্টাইন অন পলিটিক্স'' (২০০৭), পৃষ্ঠা ৩৭৩। * আজ এই পারমাণবিক বোমা আমাদের চেনা জগতের স্বরূপকে আমূল বদলে দিয়েছে এবং ফলস্বরূপ মানবজাতি নিজেকে এক নতুন পরিবেশে আবিষ্কার করেছে, যেখানে টিকে থাকতে হলে তাকে অবশ্যই তার চিন্তাচেতনার পরিবর্তন ঘটিয়ে নতুন পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। ** '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''', "অনলি দেন শ্যাল উই ফাইন্ড কারেজ", ''নিউ ইয়র্ক টাইমস ম্যাগাজিন'' (২৩ জুন ১৯৪৬)। * নির্বিচারে অগণিত পুরুষ, নারী ও শিশুকে পাইকারি হারে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে পারমাণবিক বোমার এই ব্যবহারকে আমি বিজ্ঞানের ইতিহাসের সবচেয়ে পৈশাচিক ও দানবীয় প্রয়োগ হিসেবে গণ্য করি। ** '''''[[:w:মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা গান্ধী]]''''', ''[[:w:হরিজন (ম্যাগাজিন)|হরিজন]]'' ম্যাগাজিন (২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬); ইতি আব্রাহাম-এর ''দ্য মেকিং অফ দ্য ইন্ডিয়ান অ্যাটমিক বোম্ব'' (১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৩০। * যে সকল বিজ্ঞানীরা পারমাণবিক বোমা তৈরির কাজে নিয়োজিত ছিলেন, তাদের অভিজ্ঞতা এই ইঙ্গিতই দেয় যে—এই ধরণের যেকোনো গবেষণার শেষে একজন বিজ্ঞানী এমন একদল মানুষের হাতে অসীম ক্ষমতা তুলে দেন, যাদের ওপর তিনি বিন্দুমাত্র বিশ্বাস রাখতেও কুণ্ঠাবোধ করেন। ** '''''নরবার্ট উইনার''''', নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপণাস্ত্র সংক্রান্ত তথ্যের অনুরোধের প্রেক্ষিতে উত্তর; ''দ্য আটলান্টিক মান্থলি'' (ডিসেম্বর ১৯৪৬)। * আমি যতটুকু বুঝতে পারছি, এই পারমাণবিক বোমা মানবজাতির সেই সূক্ষ্ম ও পবিত্র অনুভূতিগুলোকে চিরতরে অসাড় করে দিয়েছে যা যুগ যুগ ধরে এই সভ্যতাকে টিকিয়ে রেখেছিল। ** '''''[[:w:মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা গান্ধী]]''''' (১৯৪৬); উইলিয়াম বোরম্যান-এর ''গান্ধী অ্যান্ড নন-ভায়োলেন্স'' (১৯৮৬), পৃষ্ঠা ১৭০। * এক প্রকার স্থূল অর্থে—যাকে কোনো কুরুচিপূর্ণ রসিকতা বা অতিরঞ্জিত বর্ণনা দিয়ে মুছে ফেলা সম্ভব নয়—এই আধুনিক পদার্থবিদরা যেন আজ 'পাপের' দেখা পেয়েছেন; এবং এটি এমন এক গভীর জ্ঞান যা তারা আর কখনোই ভুলে যেতে পারবেন না। ** '''''[[:w:জে. রবার্ট ওপেনহেইমার|জে. রবার্ট ওপেনহেইমার]]''''', [[:w:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি|ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে]] প্রদত্ত বক্তৃতা (২৫ নভেম্বর ১৯৪৭); ''দ্য ওপেন মাইন্ড'' (১৯৫৫), অধ্যায় ৫। 3c32meiws0qx2ckoypjj6n1hpl2dr67 78868 78865 2026-04-20T09:48:17Z Oindrojalik Watch 4169 78868 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[চিত্র:Bulava SLBM launched by Yuri Dolgoruky submarine.jpg|thumb|পারমাণবিক অস্ত্র: এমন এক মাধ্যম যা অতি সভ্য জাতিগুলো সেইসব বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য জমিয়ে রাখে, যা মীমাংসা না করলে ঝামেলার কারণ হতে পারত। দুর্ভাগ্যবশত, অনেক প্রাক্তন অসভ্য জাতিও এখন সভ্য হয়ে উঠছে। </br> —'''''লিওনার্ড রসিটার''''']] '''[[:w:পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক অস্ত্র]]''' হলো এমন এক বিস্ফোরক যন্ত্র যা পারমাণবিক বিক্রিয়া (নিউক্লিয়ার ফিশন বা ফিশন ও ফিউশনের সংমিশ্রণ) থেকে ধ্বংসাত্মক শক্তি উৎপাদন করে। উভয় বিক্রিয়াই অতি সামান্য পরিমাণ পদার্থ থেকে বিশাল পরিমাণে শক্তি নির্গত করে। == উক্তি == === পূর্বাভাস === * মানুষ বিজ্ঞানের ওপর চড়ে বসেছে এবং বিজ্ঞান এখন তাকে নিয়ে উধাও হয়ে গেছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে আরও কয়েক শতাব্দী যাওয়ার আগেই বিজ্ঞান মানুষের মালিকে পরিণত হবে। মানুষ যেসব ইঞ্জিন আবিষ্কার করবে, তা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা তার থাকবে না। কোনো একদিন বিজ্ঞান হয়তো পুরো মানবজাতির অস্তিত্বকে নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে নেবে এবং মানুষ পৃথিবী উড়িয়ে দিয়ে নিজেরা আত্মহত্যা করবে। ** '''''[[:w:হেনরি অ্যাডামস|হেনরি অ্যাডামস]]''''', চার্লস ফ্রান্সিস অ্যাডামস জুনিয়রকে লেখা চিঠি (লন্ডন, ১১ এপ্রিল, ১৮৬২) * একবার নিক্ষেপ করার পর, সেই বোমাটির শক্তি নিঃশেষ না হওয়া পর্যন্ত সেটি ছিল সম্পূর্ণ অগম্য এবং অনিয়ন্ত্রিত; এর ওপর দিয়ে ফেটে যাওয়া গহ্বর থেকে জ্বলন্ত বাষ্প, শিলা আর কাদার টুকরো সবদিকে ছড়িয়ে পড়ছিল। এটিই ছিল সামরিক বিজ্ঞানের সেই মুকুটহীন বিজয়—চূড়ান্ত বিস্ফোরক—যা যুদ্ধে এক 'নির্ণায়ক ছোঁয়া' দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল...। ** '''''[[:w:এইচ. জি. ওয়েলস|এইচ. জি. ওয়েলস]]''''', [[w:The World Set Free|''দ্য ওয়ার্ল্ড সেট ফ্রি'']] (১৯১৪), অধ্যায় ২, অনুচ্ছেদ ৪ * এমন কি কোনো শক্তিশালী বিস্ফোরক শক্তি ব্যবহারের গূঢ় পদ্ধতি থাকা কি সম্ভব নয় যা এযাবৎকালের আবিষ্কৃত যেকোনো কিছুর চেয়ে অতুলনীয়ভাবে তীব্র এবং ধ্বংসাত্মক হবে? একটি সাধারণ কমলালেবুর চেয়ে বড় নয় এমন একটি ক্ষুদ্র বোমা কি এমন কোনো গুপ্ত ক্ষমতার অধিকারী হতে পারে না যা মুহূর্তের মধ্যে একটি আস্ত দালান—না কি হাজার টন কর্ডাইটের শক্তিকে একীভূত করে এক নিমেষেই একটি জনপদকে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে পারে? বর্তমান সময়ের বিস্ফোরকগুলোকেও কি বেতার তরঙ্গ বা অন্য কোনো অদৃশ্য রশ্মির মাধ্যমে চালকহীন বিমানে করে শত্রুর শহর, অস্ত্রাগার, সামরিক ক্যাম্প কিংবা ডকইয়ার্ডে এক অবিরাম মিছিলের মতো বর্ষণ করা সম্ভব নয়? ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', "শ্যাল উই অল কমিট সুইসাইড?", ''পল মল'' (সেপ্টেম্বর ১৯২৪)। ''থটস অ্যান্ড অ্যাডভেঞ্চারস'' (১৯৩২), পৃষ্ঠা ২৫০। === ১৯৩০-এর দশক === * এনরিকো ফের্মি এবং লিও সিলার্ডের সাম্প্রতিক কিছু গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা, যা পাণ্ডুলিপি আকারে আমার হস্তগত হয়েছে, আমাকে এই দৃঢ় বিশ্বাস জোগাচ্ছে যে নিকট ভবিষ্যতে ইউরেনিয়াম নামক উপাদানটি শক্তির এক অভিনব এবং অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ উৎসে পরিণত হতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতির কিছু জটিল দিক অত্যন্ত সজাগ নজরদারি এবং প্রয়োজনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতি দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি রাখে... এই নতুন বৈজ্ঞানিক ঘটনাটি অত্যন্ত শক্তিশালী বোমা তৈরির পথেও আলোকপাত করতে পারে এবং এটি অত্যন্ত বাস্তবসম্মত—যদিও কিছুটা অনিশ্চিত—যে এভাবে এক নতুন ধরণের অতি-শক্তিশালী বোমা তৈরি করা সম্ভব। এই ধরণের একটিমাত্র শক্তিশালী বোমা, যা কোনো নৌযান বা নৌকায় করে নিয়ে গিয়ে কোনো সামুদ্রিক বন্দরে বিস্ফোরণ ঘটানো হলে, তা মুহূর্তেই পুরো বন্দর এবং তার পার্শ্ববর্তী বিস্তীর্ণ অঞ্চলকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। তবে, এই ধরণের বোমা আকাশপথে বা বিমানে পরিবহনের জন্য ওজনে অত্যন্ত ভারী বলে প্রমাণিত হতে পারে। ** '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''', প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের কাছে লেখা চিঠি (২ আগস্ট ১৯৩৯, যা ১১ অক্টোবর ১৯৩৯-এ প্রদান করা হয়); ''আইনস্টাইন অন পিস'', সম্পাদনা: অটো নাথান এবং হেইঞ্জ নর্ডেন (১৯৬০, ১৯৮১-তে পুনর্মুদ্রিত), পৃষ্ঠা ২৯৪–৯৫। === ১৯৪০-এর দশক === [[File:TrinityDetonation1945GIF.gif|thumb|এখন আমি যমে (মৃত্যু) পরিণত হয়েছি, যে এই চরাচর বা বিশ্বকে ধ্বংস করে দেয়।]] [[File:Hiroshima aftermath.jpg|thumb|হে ঈশ্বর, আমরা একি করলাম?<br>—[[:w:রברת এ. লুইস|রবার্ট এ. লুইস]]]] * আমরা মনে মনে অনুভব করছিলাম যে এই মুহূর্তের পর পৃথিবী আর আগের মতো চিরচেনা থাকবে না। সেখানে উপস্থিত কতিপয় মানুষ উচ্চস্বরে হাসল, কতিপয় মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়ল, তবে অধিকাংশ মানুষই ছিল এক গভীর ও নিস্তব্ধ স্তব্ধতায় আচ্ছন্ন। আমার মানসপটে প্রাচীন হিন্দু ধর্মগ্রন্থ ''[[ভগবদ্গীতা]]''-র সেই অমোঘ লাইনটি বারবার ভেসে আসছিল। সেখানে ভগবান বিষ্ণু যখন রাজকুমার অর্জুনকে কর্তব্য পালনে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করছিলেন এবং তাকে নিজের মহিমা প্রদর্শনের জন্য বহুভুজ ও বিশ্বরূপ ধারণ করে বলেছিলেন— "এখন আমি যমে (মৃত্যু) পরিণত হয়েছি, যে এই চরাচর বা বিশ্বকে ধ্বংস করে দেয়।" আমার ধারণা, কোনো না কোনোভাবে আমাদের সবার মনে তখন ঠিক এই চিন্তাটিই ঘুরপাক খাচ্ছিল। ** '''''[[:w:জে. রবার্ট ওপেনহেইমার|জে. রবার্ট ওপেনহেইমার]]''''', প্রথম পারমাণবিক ডিভাইসের প্রলয়ংকরী বিস্ফোরণ মুহূর্তের স্মৃতিচারণ। ''[https://www.youtube.com/watch?v=-JWxIVVeV98 দ্য ডিসিশন টু ড্রপ দ্য বোম্ব''] (১৯৬৫ এনবিসি নিউজ প্রোগ্রাম)। * এখন আমরা সবাই একেকজন নরকের কীট বা জঘন্য সন্তানে (Sons-of-bitches) পরিণত হলাম। ** '''''কেনেথ বেইনব্রিজ''''', আলামোগোর্ডোতে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বোমা পরীক্ষার প্রলয়ংকরী বিস্ফোরণের পরপরই রবার্ট ওপেনহেইমারকে উদ্দেশ্য করে করা তাৎক্ষণিক মন্তব্য, ল্যান্সিং ল্যামন্ট-এর ''ডে অফ ট্রিনিটি'' (১৯৬৬), পৃষ্ঠা ২৪২। * হে করুণাময় ঈশ্বর, আমাদের হাতের মাধ্যমে আজ একি প্রলয়ংকরী ঘটনা ঘটে গেল? আমরা একি করলাম? ** '''''[[:w:রবার্ট এ. লুইস|রবার্ট এ. লুইস]]''''', হিরোশিমায় বোমা নিক্ষেপকারী ''এনোলা গে'' (Enola Gay)-র কো-পাইলট ও বিমান কমান্ডার (৬ আগস্ট ১৯৪৫)। * পারমাণবিক বোমার এই ভয়াবহ ব্যবহার এবং এর নিষ্ঠুরতা দিয়ে যেভাবে নির্বিচারে নিরপরাধ নারী ও শিশুদের হত্যা করা হয়েছে, তা আমার অন্তর ও আত্মাকে এক চরম বিদ্রোহের মুখে ঠেলে দিয়েছে; আমি মর্মাহত। ** '''''[[:w:হার্বার্ট হুভার|হার্বার্ট হুভার]]''''', কর্নেল জন ক্যালান ও’লাফলিনকে (আর্মি অ্যান্ড নেভি জার্নাল-এর প্রকাশক) লেখা চিঠি (৮ আগস্ট ১৯৪৫), গার আলপেরোভিৎজ-এর ''দ্য ডিসিশন টু ইউজ দ্য অ্যাটমিক বোম্ব'' (১৯৬৬), পৃষ্ঠা ৪৫৯। "ও’লাফলিন করেসপন্ডেন্স ফাইল, বক্স ১৭১, পোস্ট-প্রেসিডেন্সিয়াল পেপারস, হার্বার্ট হুভার প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরি"। * আমেরিকান, ইংরেজ এবং ফরাসি সংবাদপত্রগুলো আজ পারমাণবিক বোমার ধ্বংসক্ষমতা নিয়ে অত্যন্ত মার্জিত ও তাত্ত্বিক গবেষণামূলক প্রবন্ধ উগরে দিচ্ছে। আমরা এই পুরো বিষয়টিকে একটিমাত্র তীক্ষ্ণ বাক্যে সারসংক্ষেপ করতে পারি: বর্তমানের এই যান্ত্রিক সভ্যতা সম্ভবত সবেমাত্র আদিম বর্বরতার চূড়ান্ত ও নিষ্ঠুরতম পর্যায়টি সফলভাবে অর্জন করতে পেরেছে। ** '''''[[:w:আলবেয়ার কামু|আলবেয়ার কামু]]''''', ''কমব্যাট'' (৮ আগস্ট ১৯৪৫)। নিকোলাস হামফ্রে ও রবার্ট জে লিফটনের ''ইন আ ডার্ক টাইম'' (১৯৮৪), পৃষ্ঠা ২৭। * আজ 'পারমাণবিক বোমা' নিয়ে আসা সংবাদগুলো এতটাই ভয়াবহ যে যেকোনো মানুষ এটি শুনে স্তম্ভিত হয়ে যেতে বাধ্য। যুদ্ধের প্রয়োজনে এই ধরণের ধ্বংসাত্মক কাজে নিজেদের সম্মতি দেওয়া এই উন্মাদ পদার্থবিদদের চরম নির্বুদ্ধিতারই নামান্তর—তারা কি তবে শান্ত মস্তিস্কে এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের বিনাশের নীল নকশা তৈরি করছে? মানুষের নৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক মান যখন ক্রমাগত নিম্নমুখী, তখন তাদের হাতে এমন বিধ্বংসী বিস্ফোরক তুলে দেওয়া আর কোনো কারাগারের সকল কয়েদিদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দিয়ে "এটি শান্তি নিশ্চিত করবে" বলে আশা করা একই কথা। তবে যদি সংবাদপত্রের এই লেখাগুলো অতিরঞ্জিত না হয়, তবে আমি মনে করি এর থেকে একটি ভালো দিক বেরিয়ে আসতে পারে: সম্ভবত এবার জাপান নতি স্বীকার করবে। শেষ পর্যন্ত আমরা সবাই ঈশ্বরের হাতেই নিরাপদ। কিন্তু মনে রাখা প্রয়োজন—ঈশ্বর কখনোই 'বাবেল টাওয়ার' নির্মাণকারীদের (অহংকারী স্রষ্টা) সুনজরে দেখেন না। ** '''''[[:w:জে. আর. আর. টলকিন|জে. আর. আর. টলকিন]]''''', তার পুত্র [[:w:ক্রিস্টোফার টলকিন|ক্রিস্টোফারকে]] লেখা একটি চিঠি থেকে (৯ আগস্ট ১৯৪৫); ''[[:w:দ্য লেটারস অফ জে. আর. আর. টলকিন|দ্য লেটারস অফ জে. আর. আর. টলকিন]]'' (১৯৮১)। * কেউ কি কল্পনা করতে পারে যে এই 'পারমাণবিক বোমা' কখনো কোনো "মহৎ উদ্দেশ্যে" ব্যবহৃত হতে পারে? এই ধরণের ভয়াবহ মাধ্যম কি তাৎক্ষণিকভাবে যেকোনো মহৎ উদ্দেশ্যকে কলুষিত করে দেয় না? এই বোমা মূলত আমাদের তৈরি করা সমাজেরই এক স্বাভাবিক ও অনিবার্য ফসল। এটি আমেরিকান জীবনধারার ঠিক ততটাই সাবলীল, স্বাভাবিক এবং স্বতঃস্ফূর্ত বহিঃপ্রকাশ—যতটা তাদের ইলেকট্রিক রেফ্রিজারেটর, ব্যানানা স্প্লিট কিংবা অটোমোবাইল গাড়িগুলো। ** '''''ডোয়াইট ম্যাকডোনাল্ড''''', ''পলিটিক্স'' ম্যাগাজিন (আগস্ট ১৯৪৫)। * এই পারমাণবিক বোমা হলো এক ভয়ংকর ক্রোধের রূপ ধরে ঈশ্বরের 'দ্বিতীয় আগমন' বা 'সেকেন্ড কামিং'। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', [[:w:ট্রিনিটি টেস্ট|ট্রিনিটি টেস্টের]] খবর শুনে করা মন্তব্য; ''দ্য আটলান্টিক'' (মার্চ ১৯৫৭), পৃষ্ঠা (অপ্রকাশিত/সংগৃহীত)। * পারমাণবিক শক্তির এই উন্মোচন আসলে নতুন কোনো সমস্যার সৃষ্টি করেনি। এটি কেবল একটি বিদ্যমান দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানের আবশ্যকতাকে আরও বেশি জরুরি ও অনিবার্য করে তুলেছে। ** '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''', রেমন্ড সুইং-এর কাছে দেওয়া বক্তব্য (১ অক্টোবর ১৯৪৫-এর পূর্বে); ''আইনস্টাইন অন পলিটিক্স'' (২০০৭), পৃষ্ঠা ৩৭৩। * আজ এই পারমাণবিক বোমা আমাদের চেনা জগতের স্বরূপকে আমূল বদলে দিয়েছে এবং ফলস্বরূপ মানবজাতি নিজেকে এক নতুন পরিবেশে আবিষ্কার করেছে, যেখানে টিকে থাকতে হলে তাকে অবশ্যই তার চিন্তাচেতনার পরিবর্তন ঘটিয়ে নতুন পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। ** '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''', "অনলি দেন শ্যাল উই ফাইন্ড কারেজ", ''নিউ ইয়র্ক টাইমস ম্যাগাজিন'' (২৩ জুন ১৯৪৬)। * নির্বিচারে অগণিত পুরুষ, নারী ও শিশুকে পাইকারি হারে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে পারমাণবিক বোমার এই ব্যবহারকে আমি বিজ্ঞানের ইতিহাসের সবচেয়ে পৈশাচিক ও দানবীয় প্রয়োগ হিসেবে গণ্য করি। ** '''''[[:w:মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা গান্ধী]]''''', ''[[:w:হরিজন (ম্যাগাজিন)|হরিজন]]'' ম্যাগাজিন (২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬); ইতি আব্রাহাম-এর ''দ্য মেকিং অফ দ্য ইন্ডিয়ান অ্যাটমিক বোম্ব'' (১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৩০। * যে সকল বিজ্ঞানীরা পারমাণবিক বোমা তৈরির কাজে নিয়োজিত ছিলেন, তাদের অভিজ্ঞতা এই ইঙ্গিতই দেয় যে—এই ধরণের যেকোনো গবেষণার শেষে একজন বিজ্ঞানী এমন একদল মানুষের হাতে অসীম ক্ষমতা তুলে দেন, যাদের ওপর তিনি বিন্দুমাত্র বিশ্বাস রাখতেও কুণ্ঠাবোধ করেন। ** '''''নরবার্ট উইনার''''', নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপণাস্ত্র সংক্রান্ত তথ্যের অনুরোধের প্রেক্ষিতে উত্তর; ''দ্য আটলান্টিক মান্থলি'' (ডিসেম্বর ১৯৪৬)। * আমি যতটুকু বুঝতে পারছি, এই পারমাণবিক বোমা মানবজাতির সেই সূক্ষ্ম ও পবিত্র অনুভূতিগুলোকে চিরতরে অসাড় করে দিয়েছে যা যুগ যুগ ধরে এই সভ্যতাকে টিকিয়ে রেখেছিল। ** '''''[[:w:মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা গান্ধী]]''''' (১৯৪৬); উইলিয়াম বোরম্যান-এর ''গান্ধী অ্যান্ড নন-ভায়োলেন্স'' (১৯৮৬), পৃষ্ঠা ১৭০। * এক প্রকার স্থূল অর্থে—যাকে কোনো কুরুচিপূর্ণ রসিকতা বা অতিরঞ্জিত বর্ণনা দিয়ে মুছে ফেলা সম্ভব নয়—এই আধুনিক পদার্থবিদরা যেন আজ 'পাপের' দেখা পেয়েছেন; এবং এটি এমন এক গভীর জ্ঞান যা তারা আর কখনোই ভুলে যেতে পারবেন না। ** '''''[[:w:জে. রবার্ট ওপেনহেইমার|জে. রবার্ট ওপেনহেইমার]]''''', [[:w:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি|ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে]] প্রদত্ত বক্তৃতা (২৫ নভেম্বর ১৯৪৭); ''দ্য ওপেন মাইন্ড'' (১৯৫৫), অধ্যায় ৫। === ১৯৫০-এর দশক === * বাষ্পীয় ইঞ্জিনের আবিষ্কারের পর বিজ্ঞানের এই যে জয়যাত্রা, তাতে মানবজাতি আদৌ লাভবান হয়েছে কি না তা নিয়ে যথেষ্ট তর্কের অবকাশ রয়েছে। বিদ্যুৎ হয়তো অগণিত মানুষের জন্য অসীম সুযোগ-সুবিধার দ্বার উন্মোচন করেছে, কিন্তু এর বিনিময়ে তাদের অনেক চড়া মূল্য দিতে হতে পারে। ব্যক্তিগতভাবে আমার চিন্তাচেতনা সেই অন্তর্দহন ইঞ্জিনের (Internal combustion engine) পূর্বেই থমকে যায়—যা এই বিশ্বকে অনেক ছোট ও সংকুচিত করে ফেলেছে। তথাকথিত বর্বর যুগের পূর্বপুরুষদের তুলনায় বর্তমানের এই আধুনিক মানুষের প্রকৃতি খুব একটা উন্নত নয়; এমতাবস্থায় তাদের হাতে পারমাণবিক বোমার মতো ভয়ানক শক্তির উৎস তুলে দেওয়ার পরিণাম নিয়ে আমাদের শঙ্কিত হওয়া উচিত। বিজ্ঞানের এই কৃত্রিম যান্ত্রিকতার চেয়ে আমার কাছে ঘোড়াই অনেক বেশি শ্রেয়। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', [[:w:রয়্যাল কলেজ অফ সার্জনস|রয়্যাল কলেজ অফ সার্জনস]]-এ প্রদত্ত ভাষণ (১০ জুলাই ১৯৫১)। ''স্টেমলিং দ্য টাইড'' (১৯৫৩), পৃষ্ঠা ৯১। * সবকিছুর ঊর্ধ্বে একটি বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে—যতক্ষণ না আপনি নিশ্চিত এবং শতভাগ নিশ্চিত হচ্ছেন যে শান্তি রক্ষার বিকল্প কোনো মাধ্যম আপনার আয়ত্তে রয়েছে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পারমাণবিক অস্ত্র নিজের হাতছাড়া করবেন না। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', মার্কিন কংগ্রেসে দেওয়া শেষ ভাষণ (১৭ জানুয়ারি ১৯৫২); ''দ্য ওয়ার দ্যাট মাস্ট নেভার বি ফাউট: ডিলেমাস অফ নিউক্লিয়ার ডিটারেন্স'' (২০১৫)। * আজ আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় বিপদ ভৌত বিজ্ঞানের তৈরি করা সেই পারমাণবিক বোমাটি নয়, যা বিমানে করে বয়ে নিয়ে হাজার হাজার মানুষের মাথার ওপর ফেলে দেওয়া যায়—যদিও সেটিও যথেষ্ট বিপজ্জনক। বরং বর্তমান সভ্যতার জন্য আসল হুমকি হলো সেই পারমাণবিক বোমা যা প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে এবং আত্মায় সুপ্ত অবস্থায় রয়েছে; যা যেকোনো মুহূর্তে জঘন্যতম ঘৃণা এবং ক্ষতিকর স্বার্থপরতার বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম। আমাদের আজকের প্রকৃত ভয়ের কারণ হওয়া উচিত মানুষের মনের ভেতরে থাকা এই বিধ্বংসী প্রবৃত্তি। আমাদের সমস্যার মূল ভিত্তি লুকিয়ে আছে মানুষের হৃদয়ের গহীনে ও তার আত্মার কলুষতায়। ** '''''[[:w:মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র|মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]]''''', "রিডিসকভারিং লস্ট ভ্যালুস", ডেট্রয়েটের [[:w:সেকেন্ড ব্যাপটিস্ট চার্চ (ডেট্রয়েট, মিশিগান)|সেকেন্ড ব্যাপটিস্ট চার্চ]]-এ প্রদত্ত খুতবা (২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪)। * এডেন উদ্যানের সেই দেবদূতের তলোয়ার থেকে নির্গত অগ্নিশিখা আজ যেন রূপান্তরিত হয়ে পারমাণবিক বোমায় পরিণত হয়েছে; ঈশ্বরের বজ্র আজ ভোঁতা হয়ে গেছে, আর তাই মানুষের তৈরি সেই বজ্র আজ এক ধ্বংসাত্মক 'ইস্পাত নক্ষত্র' রূপে আবির্ভূত হয়েছে। ** '''''শন ও’কেসি''''', ''সানসেট অ্যান্ড ইভনিং স্টার'' (১৯৫৪)। * সোজা কথায় বলতে গেলে; ব্রিটেন যেহেতু বিশ্বকে জানিয়ে দিয়েছে যে তার কাছে হাইড্রোজেন বোমা (H-Bomb) রয়েছে, তাই তার উচিত যত দ্রুত সম্ভব ঘোষণা করা যে তারা এই মরণাস্ত্রের ব্যবহার চিরতরে ত্যাগ করেছে এবং তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে পারমাণবিক যুদ্ধ প্রত্যাখ্যান করার প্রস্তাব দিচ্ছে। এটি কোনো নিছক শান্তিবাদ নয়। আমি এই দ্বীপরাষ্ট্রের তাৎক্ষণিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিত্যাগ করার পরামর্শ দিচ্ছি না। বরং যা পরিত্যাগ করা উচিত তা হলো 'প্রতিশোধের হুমকির মাধ্যমে ভয় দেখানো' বা ডিটারেন্স-এর ধারণা। এর মধ্যে প্রকৃত কোনো নিরাপত্তা নেই, কোনো শ্লীলতা নেই, নেই কোনো বিশ্বাস, আশা কিংবা মানবিক করুণার লেশমাত্র। ** '''''[[:w:জে. বি. প্রিস্টলি|জে. বি. প্রিস্টলি]]''''', "ব্রিটেন অ্যান্ড দ্য নিউক্লিয়ার বোম্বস", ''দ্য নিউ স্টেটসম্যান'' (২ নভেম্বর ১৯৫৭)। * আমি সম্প্রতি আমেরিকান পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানী ডব্লিউ. ডেভিডসনের একটি মন্তব্য পড়ার সুযোগ পেয়েছি; তিনি উল্লেখ করেছেন যে, মাত্র একটি হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণ থেকে নির্গত শক্তির পরিমাণ মানবজাতির সমগ্র ইতিহাসের সকল যুদ্ধে সকল দেশের দ্বারা ঘটানো সমস্ত বিস্ফোরণের সম্মিলিত শক্তির চেয়েও বহুগুণ বেশি। এবং দৃশ্যত, তার এই পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত সঠিক ও নিদারুণ বাস্তব। ** '''''[[:w:নিকিতা ক্রুশ্চেভ|নিকিতা ক্রুশ্চেভ]]''''', নিউ ইয়র্ক সিটিতে জাতিসংঘে প্রদত্ত ভাষণ (১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৫৯); ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৫৯), পৃষ্ঠা ৮। উদ্ধৃত পদার্থবিজ্ঞানী মূলত আর্গন ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির সহযোগী পদার্থবিজ্ঞানী উইলিয়াম ডেভিডন ছিলেন বলে পরবর্তীকালে নিশ্চিত হওয়া গেছে। === ১৯৬০-এর দশক === [[File:Confusion of Tongues (89393754).jpg|thumb|আমরা বিজ্ঞানের ঈশ্বরের সামনে নতজানু হয়েছি কেবল এটি আবিষ্কার করার জন্য যে—সে আমাদের উপহার দিয়েছে পারমাণবিক বোমা; যা এমন ভয় ও উদ্বেগ তৈরি করেছে যা বিজ্ঞান কখনো প্রশমিত করতে পারবে না। ~ মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]] * আজ এই গ্রহের প্রতিটি বাসিন্দাকে সেই দিনটির কথা গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে যখন এই পৃথিবী হয়তো আর বসবাসের যোগ্য থাকবে না। প্রতিটি পুরুষ, নারী ও শিশু আজ পারমাণবিক ধ্বংসের এক 'ড্যামোক্লিসের তলোয়ারের' নিচে বসবাস করছে, যা অত্যন্ত সরু ও ক্ষীণ সুতোর ওপর ঝুলে আছে; দুর্ঘটনাবশত, ভুল হিসাব-নিকাশে কিংবা কোনো এক উন্মাদনার বশবর্তী হয়ে যেকোনো মুহূর্তে সেই সুতো ছিঁড়ে যেতে পারে। যুদ্ধের এই মরণাস্ত্রগুলো আমাদের নির্মূল করার আগেই আমাদের উচিত হবে এগুলোকে সমূলে নির্মূল করা। ** '''''[[:w:জন এফ. কেনেডি|জন এফ. কেনেডি]]''''', জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রদত্ত ভাষণ (২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬১)। [https://www.jfklibrary.org/archives/other-resources/john-f-kennedy-speeches/united-nations-19610925] * আমি আশা করি তোমার ছুটি খুব ভালো কেটেছে এবং সেই পুরোনো পারমাণবিক বোমা নিয়ে তুমি খুব একটা দুশ্চিন্তা করছ না। আমার মন বলছে এটি কখনোই ফেলা হবে না—যদি না কোনো দুর্ঘটনা ঘটে। এটি শুনতে হয়তো উদ্ধত মনে হতে পারে, তবে আমি সত্যিই বিশ্বাস করি যে মানুষ জাতি এতটাই নির্বোধ যে এই দুর্ঘটনাটি যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে। ** '''''জিন রিস''''', ১৯৬১ সালের একটি চিঠি; ফ্রান্সিস উইন্ডহাম এবং ডায়ানা মেলি সম্পাদিত ''দ্য লেটারস অফ জিন রিস'' (১৯৮৪)-এ সংগৃহীত। * আমরা অন্ধভাবে বিজ্ঞানের অসীম ক্ষমতার কাছে মাথা নত করেছি কেবল এটি দেখার জন্য যে—বিজ্ঞান আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে পারমাণবিক বোমার মতো ধ্বংসাত্মক মরণাস্ত্র; যা মানবমনে এমন এক গভীর ভীতি ও চরম উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে যা উপশম করার সাধ্য খোদ বিজ্ঞানেরও নেই। ** '''''[[:w:মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র|মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]]''''', ''স্ট্রেংথ টু লাভ'' (১৯৬৩)। * প্রতিটি জাতির কাছে একটি করে পারমাণবিক বোমা থাকা উচিত—ঠিক যেমন ফ্যাশন সচেতন প্রতিটি নারীর কাছে একটি দামি মিঙ্ক কোট থাকা প্রয়োজন—এমন চিন্তাটি অত্যন্ত জঘন্য ও শোচনীয়। ** '''''[[:w:ক্লেমেন্ট এটলি|ক্লেমেন্ট এটলি]]''''', এস. বিয়ার-এর ''মডার্ন ব্রিটিশ পলিটিক্স'' এবং স্টুয়ার্ট থম্পসন-এর ''দ্য ডিকশনারি অফ লেবার কোটেশনস'' (২০১৩)-এ উল্লিখিত। === ১৯৭০-এর দশক === * বিজ্ঞান যখন কেবল 'কীভাবে' কাজ করে তার বর্ণনা না দিয়ে বরং 'কেন' কাজ করে সেই প্রশ্নটি করতে শেখে, তখনই এটি নিছক প্রযুক্তির গণ্ডি ছাড়িয়ে প্রকৃত জ্ঞানে রূপান্তরিত হয়। যখন এটি 'কেন' প্রশ্নটি তোলে, তখন এটি 'আপেক্ষিকতা তত্ত্ব' আবিষ্কার করে। আর যখন এটি কেবল 'কীভাবে' সেটি দেখায়, তখন এটি পারমাণবিক বোমা উদ্ভাবন করে এবং এরপর নিজের চোখের ওপর হাত রেখে আক্ষেপ করে বলে— "হে ঈশ্বর, আমি একি করলাম?" ** '''''[[:w:উরসুলা লে গুইন|উরসুলা লে গুইন]]''''', "দ্য স্টালিন ইন দ্য সোল", ''দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অফ দ্য নাইট'' (১৯৭৬)। === ১৯৮০-এর দশক === * পারমাণবিক অস্ত্র: এমন এক বিশেষ মাধ্যম যা কেবল অতি-সভ্য জাতিগুলোর ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত, যাতে তারা সেইসব বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে যেগুলো অমীমাংসিত থাকলে ভবিষ্যতে বড় রকমের ঝামেলার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারত। তবে দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, ইদানীং অতীতে অসভ্য হিসেবে পরিচিত অনেক জাতিই বড় বেশি 'সভ্য' হয়ে উঠছে। ** '''''[[:w:লিওনার্ড রসিটার|লিওনার্ড রসিটার]]''''', ''দ্য ডেভিল'স বেডসাইড বুক'' (১৯৮০)। * পারমাণবিক বোমা হলো এক বিস্ময়কর উপহার, যা একজন পরম করুণাময় ও প্রজ্ঞাবান ঈশ্বর আমাদের এই দেশকে দান করেছেন। ** '''''ফিলিস শ্লাফলি''''', রোজমেরি চকের "উইমেন অ্যান্ড দ্য ন্যাশনাল সিকিউরিটি ডিবেট"-এ উদ্ধৃত; ''বুলেটিন অফ দ্য অ্যাটমিক সায়েন্টিস্টস'' (আগস্ট/সেপ্টেম্বর ১৯৮২), পৃষ্ঠা ৪৬। * ওপেনহেইমারের তৈরি এই মরণঘাতী খেলনা থেকে আমি আমার ছোট্ট ছেলেটিকে কীভাবে রক্ষা করব? ** '''''[[:w:স্টিং (সংগীতশিল্পী)|স্টিং]]''''', [[w:রাশিয়ানস (গান)|"রাশিয়ানস"]], ''দ্য ড্রিম অফ দ্য ব্লু টার্টলস'' (১৯৮৫)। * এমন একমাত্র উসকানি কী হতে পারে যা পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহারের পথ প্রশস্ত করতে পারে? উত্তর হলো—পারমাণবিক অস্ত্র। পারমাণবিক অস্ত্রের প্রধান লক্ষ্যবস্তু কী? সেটিও হলো—পারমাণবিক অস্ত্র। পারমাণবিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে একমাত্র প্রতিষ্ঠিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কী? তাও হলো—পারমাণবিক অস্ত্র। আমরা কীভাবে পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার রোধ করি? অন্যকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুমকি দেওয়ার মাধ্যমে। আর আমরা কেন এই পারমাণবিক অস্ত্র থেকে মুক্তি পেতে পারছি না? কারণ সেই—পারমাণবিক অস্ত্র। এই যে এক অনড় ও জটিল অচলাবস্থা, তা আসলে এই মারণাস্ত্রগুলোর নিজস্ব চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যেরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। ** '''''[[:w:মার্টিন এমিস|মার্টিন এমিস]]''''', ''আইনস্টাইন'স মনস্টারস'' (১৯৮৭), "ইন্ট্রোডাকশন: থিঙ্কিবিলিটি"। * এই যে এক উন্মাদ অস্ত্র প্রতিযোগিতা, এটি মূলত পারমাণবিক অস্ত্রের সাথে আমাদের নিজেদের টিকে থাকার এক তীব্র লড়াই। ** '''''[[:w:মার্টিন এমিস|মার্টিন এমিস]]''''', ''আইনস্টাইন'স মনস্টারস'' (১৯৮৭), "ইন্ট্রোডাকশন: থিঙ্কিবিলিটি"। * পারমাণবিক অস্ত্রগুলো আদৌ একটি কার্যকর প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করেছে কি না, কিংবা এগুলো আজ কার্যকর আছে কি না অথবা ভবিষ্যতে থাকবে কি না—তা আমরা স্পষ্টভাবে জানি না। পারমাণবিক নীতিগুলো বছরের পর বছর ধরে এমন সব তথ্য এড়িয়ে বা সে সম্পর্কে অজ্ঞ থেকে তৈরি করা হয়েছে, যা মূলত এই নীতির অস্তিত্বের যৌক্তিকতাকে প্রমাণ করার জন্য সবচেয়ে জরুরি ছিল। ** '''''রবার্ট এল. হোমস''''', ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', "হোয়াট উই ডোন্ট নো অ্যাবাউট নিউক্লিয়ার পলিসি" (১৭ জানুয়ারি ১৯৮৮), পৃষ্ঠা ২৬। === ১৯৯০-এর দশক === * আমরা বিজ্ঞানীরা বড্ড চতুর—প্রয়োজনের চেয়েও অনেক বেশি চতুর—এতেও কি আপনারা সন্তুষ্ট নন? একটিমাত্র বোমায় চার বর্গমাইল এলাকা ছাই হয়ে যাওয়া কি যথেষ্ট নয়? মানুষ এখনো ভাবছে। শুধু আমাদের একবার বলুন, আপনারা এই মরণাস্ত্রটি আর কত বড় বা শক্তিশালী হিসেবে দেখতে চান! ** '''''[[:w:রিচার্ড ফাইনম্যান|রিচার্ড পি. ফাইনম্যান]]''''', জেমস গ্লিক-এর ''জিনিয়াস: দ্য লাইফ অ্যান্ড সায়েন্স অফ রিচার্ড ফাইনম্যান'' (১৯৯২), পৃষ্ঠা ২০৪। [[File:Nagasakibomb.jpg|thumb|জেডওজি (ZOG) থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার দিয়ে ইসরায়েলকে ধ্বংস করো। ~ ফিলিপ ল্যামি]] * যখন শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী সারভাইভালিস্টরা জেডওজি-র (জায়নবাদী দখলদার সরকার, যা ওয়াশিংটন শাসন করে) বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ শুরু করবে... এবং জেডওজি-র থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সেই পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার ব্যবহার করে ইসরায়েলকে চিরতরে ধ্বংস করে দেবে। ** ফিলিপ ল্যামি, ''মিলেনিয়াম রেজ: সারভাইভালিস্টস, হোয়াইট সুপ্রিমেসিস্টস, অ্যান্ড দ্য ডুমসডে প্রফেসি'' (১৯৯৬)। === ২০০০-এর দশক === [[File:Nuclear reactor in dimona (israel).jpg|thumb|আরব এবং মুসলিমরা কীভাবে তথাকথিত ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে পারে যখন তার কাছে পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার রয়েছে? এটি অসম্ভব, যদি না তারা নিজেরাও নিজস্ব পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার রাখার অধিকার ভোগ করে।<br>~ মুয়াম্মার গাদ্দাফি]] * যেকোনো সামরিক কমান্ডার, যিনি নিজের বা অন্যের কাছে সৎ, তিনি অবশ্যই স্বীকার করবেন যে সামরিক শক্তির প্রয়োগে তিনি অতীতে ভুল করেছেন। ভুলবশত বা বিচারের ত্রুটির কারণে তিনি অপ্রয়োজনীয়ভাবে মানুষ হত্যা করেছেন—তা হতে পারে তার নিজের সৈন্য কিংবা প্রতিপক্ষের। সংখ্যাটি একশ, হাজার, দশ হাজার এমনকি এক লাখও হতে পারে। কিন্তু... তিনি কখনো আস্ত কোনো জাতিকে ধ্বংস করে দেননি। প্রচলিত প্রজ্ঞা বলে, 'একই ভুল দুবার করো না, নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নাও'। এবং আমরা সবাই তাই করি। হয়তো আমরা একই ভুল তিনবার করি, তবে আশা করি চার বা পাঁচবার নয়। কিন্তু পারমাণবিক অস্ত্রের ক্ষেত্রে 'শিক্ষা নেওয়ার কোনো সুযোগ' বা সময় থাকবে না। আপনি একটিমাত্র ভুল করবেন এবং তার পরিণামে আপনি পুরো একটি জাতিকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেবেন। ** '''''[[:w:রবার্ট ম্যাকনামারা|রবার্ট ম্যাকনামারা]]''''', ''[[:w:দ্য ফগ অফ ওয়ার|দ্য ফগ অফ ওয়ার]]'' (২০০৩) তথ্যচিত্রে। * আজ ৭,৫০০টি কৌশলগত আক্রমণাত্মক পারমাণবিক ওয়ারহেড থাকা কি সঠিক ও সংগত, যার মধ্যে ২,৫০০টি মাত্র ১৫ মিনিটের সতর্কবার্তায় (Alert) উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে—যা কেবল একজন মানুষের একক সিদ্ধান্তে কার্যকর হতে পারে? ** '''''[[:w:রবার্ট ম্যাকনামারা|রবার্ট ম্যাকনামারা]]''''', ''[[:w:দ্য ফগ অফ ওয়ার|দ্য ফগ অফ ওয়ার]]'' (২০০৩)। * সেখানে রয়েছে [[:w:ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি|ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি]] এবং ইসরায়েলের কাছে থাকা ব্যাপক ধ্বংসক্ষমতাসম্পন্ন অস্ত্রভাণ্ডার; অথচ কেউ এই বিষয়টি উত্থাপন করে না, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক। আরব এবং মুসলিমরা কীভাবে তথাকথিত ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে পারে যখন তারা বিশাল পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক? এটি অসম্ভব, যদি না তারা নিজেরাও নিজস্ব পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার রাখার অধিকার ভোগ করে। এছাড়া সেখানে [[:w:১৯৪৮ ফিলিস্তিনি বহিষ্কার|উদ্বাস্তু সমস্যা]] রয়েছে; প্রায় ৪০ লক্ষ ফিলিস্তিনি রয়েছে যাদের সসম্মানে ফিরে আসা উচিত—মূলত এটিই হলো সমস্ত সমস্যার মূল ভিত্তি। ** '''''[[:w:মুয়াম্মার গাদ্দাফি|মুয়াম্মার গাদ্দাফি]]''''', [https://www.youtube.com/watch?v=ODzOdV7BFuk টক টু আল-জাজিরা] (২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৯), আল-জাজিরা। === ২০১০-এর দশক === * পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশগুলো শাসনের অধিকার কেবল সেইসব মায়েদের দেওয়া উচিত—যারা এখনো তাদের সন্তানদের হৃদয়ে আগ্লে রেখে লালন-পালন করছেন। ** '''''[[:w:সুতোমু ইয়ামাগুচি|সুতোমু ইয়ামাগুচি]]''''', যিনি হিরোশিমার পারমাণবিক বিস্ফোরণের সময় সেখানে ছিলেন এবং বেঁচে ফেরেন; এরপর নাগাসাকিতে চলে যাওয়ার পর সেখানেও দ্বিতীয় পারমাণবিক বিস্ফোরণ থেকে অবিশ্বাস্যভাবে বেঁচে যান এবং ২০১০ সাল পর্যন্ত দীর্ঘজীবী হন। সূত্র: [[:w:স্টিভেন পিঙ্কার|স্টিভেন পিঙ্কার]], ''[[:w:দ্য বেটার অ্যাঞ্জেলস অফ আওয়ার নেচার|দ্য বেটার অ্যাঞ্জেলস অফ আওয়ার নেচার: হোয়াই ভায়োলেন্স হ্যাজ ডিক্লাইন্ড]]'' (নিউ ইয়র্ক: ভাইকিং, ২০১১), পৃষ্ঠা ৬৮৪। * রাষ্ট্রপতি এবং জেনারেলরা হয়তো পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানের জটিল সমীকরণগুলো পুরোপুরি বুঝতে পারেন না, কিন্তু পারমাণবিক বোমা বাস্তবে ঠিক কী করতে সক্ষম—সে সম্পর্কে তাদের অত্যন্ত স্বচ্ছ ও গভীর ধারণা রয়েছে। ** '''''[[:w:ইউভাল নোয়াহ হারারি|ইউভাল নোয়াহ হারারি]]''''', ''স্যাপিয়েন্স: আ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ হিউম্যানকাইন্ড'' (২০১১), অধ্যায় ১৪: "দ্য ডিসকভারি অফ ইগনোরেন্স"। === ২০২০-এর দশক === * আমরা পরীক্ষা (পারমাণবিক পরীক্ষা) চালাব কারণ এখন অন্য দেশগুলোও পরীক্ষা চালাচ্ছে এবং নিশ্চিতভাবেই [[:w:উত্তর কোরিয়া|উত্তর কোরিয়া]] পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে... পাকিস্তানও পরীক্ষা চালাচ্ছে... তারা আপনাকে এসব কথা জানাবে না... তারা মাটির অনেক গভীরে এসব পরীক্ষা করে থাকে। মানুষজন আসলে সঠিকভাবে জানে না সেই পরীক্ষার সময় সেখানে ঠিক কী ঘটছে... তারা কেবল সামান্য একটু কম্পন অনুভব করতে পারে। ** '''''[[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]''''', ২০২৫; [https://archive.ph/8qn0e পাকিস্তান টেস্টিং নিউক্লিয়ার ওয়েপনস: ম্যাসিভ রেভেলেশন বাই ডোনাল্ড ট্রাম্প]-এ বর্ণিত। == আরও দেখুন == * [[পারমাণবিক যুদ্ধ|পারমাণবিক যুদ্ধ]] - উইকিউক্তি * [[:w:যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন|যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন]] * [[:w:হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমাবর্ষণ|হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমাবর্ষণ]] * [[:w:সামরিক শাসন|সামরিক শাসন]] * [[:w:ন্যাটো|ন্যাটো]] * [[:w:পারমাণবিক যুদ্ধ|পারমাণবিক যুদ্ধ]] - উইকিপিডিয়া == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[বিষয়শ্রেণী:গণবিধ্বংসী অস্ত্র]] [[বিষয়শ্রেণী:পারমাণবিক]] [[বিষয়শ্রেণী:পারমাণবিক অস্ত্র]] 310qcehy2ex029fkspfkygg00sidfnb 78869 78868 2026-04-20T09:49:38Z Oindrojalik Watch 4169 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধ]] যোগ 78869 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[চিত্র:Bulava SLBM launched by Yuri Dolgoruky submarine.jpg|thumb|পারমাণবিক অস্ত্র: এমন এক মাধ্যম যা অতি সভ্য জাতিগুলো সেইসব বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য জমিয়ে রাখে, যা মীমাংসা না করলে ঝামেলার কারণ হতে পারত। দুর্ভাগ্যবশত, অনেক প্রাক্তন অসভ্য জাতিও এখন সভ্য হয়ে উঠছে। </br> —'''''লিওনার্ড রসিটার''''']] '''[[:w:পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক অস্ত্র]]''' হলো এমন এক বিস্ফোরক যন্ত্র যা পারমাণবিক বিক্রিয়া (নিউক্লিয়ার ফিশন বা ফিশন ও ফিউশনের সংমিশ্রণ) থেকে ধ্বংসাত্মক শক্তি উৎপাদন করে। উভয় বিক্রিয়াই অতি সামান্য পরিমাণ পদার্থ থেকে বিশাল পরিমাণে শক্তি নির্গত করে। == উক্তি == === পূর্বাভাস === * মানুষ বিজ্ঞানের ওপর চড়ে বসেছে এবং বিজ্ঞান এখন তাকে নিয়ে উধাও হয়ে গেছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে আরও কয়েক শতাব্দী যাওয়ার আগেই বিজ্ঞান মানুষের মালিকে পরিণত হবে। মানুষ যেসব ইঞ্জিন আবিষ্কার করবে, তা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা তার থাকবে না। কোনো একদিন বিজ্ঞান হয়তো পুরো মানবজাতির অস্তিত্বকে নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে নেবে এবং মানুষ পৃথিবী উড়িয়ে দিয়ে নিজেরা আত্মহত্যা করবে। ** '''''[[:w:হেনরি অ্যাডামস|হেনরি অ্যাডামস]]''''', চার্লস ফ্রান্সিস অ্যাডামস জুনিয়রকে লেখা চিঠি (লন্ডন, ১১ এপ্রিল, ১৮৬২) * একবার নিক্ষেপ করার পর, সেই বোমাটির শক্তি নিঃশেষ না হওয়া পর্যন্ত সেটি ছিল সম্পূর্ণ অগম্য এবং অনিয়ন্ত্রিত; এর ওপর দিয়ে ফেটে যাওয়া গহ্বর থেকে জ্বলন্ত বাষ্প, শিলা আর কাদার টুকরো সবদিকে ছড়িয়ে পড়ছিল। এটিই ছিল সামরিক বিজ্ঞানের সেই মুকুটহীন বিজয়—চূড়ান্ত বিস্ফোরক—যা যুদ্ধে এক 'নির্ণায়ক ছোঁয়া' দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল...। ** '''''[[:w:এইচ. জি. ওয়েলস|এইচ. জি. ওয়েলস]]''''', [[w:The World Set Free|''দ্য ওয়ার্ল্ড সেট ফ্রি'']] (১৯১৪), অধ্যায় ২, অনুচ্ছেদ ৪ * এমন কি কোনো শক্তিশালী বিস্ফোরক শক্তি ব্যবহারের গূঢ় পদ্ধতি থাকা কি সম্ভব নয় যা এযাবৎকালের আবিষ্কৃত যেকোনো কিছুর চেয়ে অতুলনীয়ভাবে তীব্র এবং ধ্বংসাত্মক হবে? একটি সাধারণ কমলালেবুর চেয়ে বড় নয় এমন একটি ক্ষুদ্র বোমা কি এমন কোনো গুপ্ত ক্ষমতার অধিকারী হতে পারে না যা মুহূর্তের মধ্যে একটি আস্ত দালান—না কি হাজার টন কর্ডাইটের শক্তিকে একীভূত করে এক নিমেষেই একটি জনপদকে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে পারে? বর্তমান সময়ের বিস্ফোরকগুলোকেও কি বেতার তরঙ্গ বা অন্য কোনো অদৃশ্য রশ্মির মাধ্যমে চালকহীন বিমানে করে শত্রুর শহর, অস্ত্রাগার, সামরিক ক্যাম্প কিংবা ডকইয়ার্ডে এক অবিরাম মিছিলের মতো বর্ষণ করা সম্ভব নয়? ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', "শ্যাল উই অল কমিট সুইসাইড?", ''পল মল'' (সেপ্টেম্বর ১৯২৪)। ''থটস অ্যান্ড অ্যাডভেঞ্চারস'' (১৯৩২), পৃষ্ঠা ২৫০। === ১৯৩০-এর দশক === * এনরিকো ফের্মি এবং লিও সিলার্ডের সাম্প্রতিক কিছু গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা, যা পাণ্ডুলিপি আকারে আমার হস্তগত হয়েছে, আমাকে এই দৃঢ় বিশ্বাস জোগাচ্ছে যে নিকট ভবিষ্যতে ইউরেনিয়াম নামক উপাদানটি শক্তির এক অভিনব এবং অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ উৎসে পরিণত হতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতির কিছু জটিল দিক অত্যন্ত সজাগ নজরদারি এবং প্রয়োজনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতি দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি রাখে... এই নতুন বৈজ্ঞানিক ঘটনাটি অত্যন্ত শক্তিশালী বোমা তৈরির পথেও আলোকপাত করতে পারে এবং এটি অত্যন্ত বাস্তবসম্মত—যদিও কিছুটা অনিশ্চিত—যে এভাবে এক নতুন ধরণের অতি-শক্তিশালী বোমা তৈরি করা সম্ভব। এই ধরণের একটিমাত্র শক্তিশালী বোমা, যা কোনো নৌযান বা নৌকায় করে নিয়ে গিয়ে কোনো সামুদ্রিক বন্দরে বিস্ফোরণ ঘটানো হলে, তা মুহূর্তেই পুরো বন্দর এবং তার পার্শ্ববর্তী বিস্তীর্ণ অঞ্চলকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। তবে, এই ধরণের বোমা আকাশপথে বা বিমানে পরিবহনের জন্য ওজনে অত্যন্ত ভারী বলে প্রমাণিত হতে পারে। ** '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''', প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের কাছে লেখা চিঠি (২ আগস্ট ১৯৩৯, যা ১১ অক্টোবর ১৯৩৯-এ প্রদান করা হয়); ''আইনস্টাইন অন পিস'', সম্পাদনা: অটো নাথান এবং হেইঞ্জ নর্ডেন (১৯৬০, ১৯৮১-তে পুনর্মুদ্রিত), পৃষ্ঠা ২৯৪–৯৫। === ১৯৪০-এর দশক === [[File:TrinityDetonation1945GIF.gif|thumb|এখন আমি যমে (মৃত্যু) পরিণত হয়েছি, যে এই চরাচর বা বিশ্বকে ধ্বংস করে দেয়।]] [[File:Hiroshima aftermath.jpg|thumb|হে ঈশ্বর, আমরা একি করলাম?<br>—[[:w:রברת এ. লুইস|রবার্ট এ. লুইস]]]] * আমরা মনে মনে অনুভব করছিলাম যে এই মুহূর্তের পর পৃথিবী আর আগের মতো চিরচেনা থাকবে না। সেখানে উপস্থিত কতিপয় মানুষ উচ্চস্বরে হাসল, কতিপয় মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়ল, তবে অধিকাংশ মানুষই ছিল এক গভীর ও নিস্তব্ধ স্তব্ধতায় আচ্ছন্ন। আমার মানসপটে প্রাচীন হিন্দু ধর্মগ্রন্থ ''[[ভগবদ্গীতা]]''-র সেই অমোঘ লাইনটি বারবার ভেসে আসছিল। সেখানে ভগবান বিষ্ণু যখন রাজকুমার অর্জুনকে কর্তব্য পালনে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করছিলেন এবং তাকে নিজের মহিমা প্রদর্শনের জন্য বহুভুজ ও বিশ্বরূপ ধারণ করে বলেছিলেন— "এখন আমি যমে (মৃত্যু) পরিণত হয়েছি, যে এই চরাচর বা বিশ্বকে ধ্বংস করে দেয়।" আমার ধারণা, কোনো না কোনোভাবে আমাদের সবার মনে তখন ঠিক এই চিন্তাটিই ঘুরপাক খাচ্ছিল। ** '''''[[:w:জে. রবার্ট ওপেনহেইমার|জে. রবার্ট ওপেনহেইমার]]''''', প্রথম পারমাণবিক ডিভাইসের প্রলয়ংকরী বিস্ফোরণ মুহূর্তের স্মৃতিচারণ। ''[https://www.youtube.com/watch?v=-JWxIVVeV98 দ্য ডিসিশন টু ড্রপ দ্য বোম্ব''] (১৯৬৫ এনবিসি নিউজ প্রোগ্রাম)। * এখন আমরা সবাই একেকজন নরকের কীট বা জঘন্য সন্তানে (Sons-of-bitches) পরিণত হলাম। ** '''''কেনেথ বেইনব্রিজ''''', আলামোগোর্ডোতে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বোমা পরীক্ষার প্রলয়ংকরী বিস্ফোরণের পরপরই রবার্ট ওপেনহেইমারকে উদ্দেশ্য করে করা তাৎক্ষণিক মন্তব্য, ল্যান্সিং ল্যামন্ট-এর ''ডে অফ ট্রিনিটি'' (১৯৬৬), পৃষ্ঠা ২৪২। * হে করুণাময় ঈশ্বর, আমাদের হাতের মাধ্যমে আজ একি প্রলয়ংকরী ঘটনা ঘটে গেল? আমরা একি করলাম? ** '''''[[:w:রবার্ট এ. লুইস|রবার্ট এ. লুইস]]''''', হিরোশিমায় বোমা নিক্ষেপকারী ''এনোলা গে'' (Enola Gay)-র কো-পাইলট ও বিমান কমান্ডার (৬ আগস্ট ১৯৪৫)। * পারমাণবিক বোমার এই ভয়াবহ ব্যবহার এবং এর নিষ্ঠুরতা দিয়ে যেভাবে নির্বিচারে নিরপরাধ নারী ও শিশুদের হত্যা করা হয়েছে, তা আমার অন্তর ও আত্মাকে এক চরম বিদ্রোহের মুখে ঠেলে দিয়েছে; আমি মর্মাহত। ** '''''[[:w:হার্বার্ট হুভার|হার্বার্ট হুভার]]''''', কর্নেল জন ক্যালান ও’লাফলিনকে (আর্মি অ্যান্ড নেভি জার্নাল-এর প্রকাশক) লেখা চিঠি (৮ আগস্ট ১৯৪৫), গার আলপেরোভিৎজ-এর ''দ্য ডিসিশন টু ইউজ দ্য অ্যাটমিক বোম্ব'' (১৯৬৬), পৃষ্ঠা ৪৫৯। "ও’লাফলিন করেসপন্ডেন্স ফাইল, বক্স ১৭১, পোস্ট-প্রেসিডেন্সিয়াল পেপারস, হার্বার্ট হুভার প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরি"। * আমেরিকান, ইংরেজ এবং ফরাসি সংবাদপত্রগুলো আজ পারমাণবিক বোমার ধ্বংসক্ষমতা নিয়ে অত্যন্ত মার্জিত ও তাত্ত্বিক গবেষণামূলক প্রবন্ধ উগরে দিচ্ছে। আমরা এই পুরো বিষয়টিকে একটিমাত্র তীক্ষ্ণ বাক্যে সারসংক্ষেপ করতে পারি: বর্তমানের এই যান্ত্রিক সভ্যতা সম্ভবত সবেমাত্র আদিম বর্বরতার চূড়ান্ত ও নিষ্ঠুরতম পর্যায়টি সফলভাবে অর্জন করতে পেরেছে। ** '''''[[:w:আলবেয়ার কামু|আলবেয়ার কামু]]''''', ''কমব্যাট'' (৮ আগস্ট ১৯৪৫)। নিকোলাস হামফ্রে ও রবার্ট জে লিফটনের ''ইন আ ডার্ক টাইম'' (১৯৮৪), পৃষ্ঠা ২৭। * আজ 'পারমাণবিক বোমা' নিয়ে আসা সংবাদগুলো এতটাই ভয়াবহ যে যেকোনো মানুষ এটি শুনে স্তম্ভিত হয়ে যেতে বাধ্য। যুদ্ধের প্রয়োজনে এই ধরণের ধ্বংসাত্মক কাজে নিজেদের সম্মতি দেওয়া এই উন্মাদ পদার্থবিদদের চরম নির্বুদ্ধিতারই নামান্তর—তারা কি তবে শান্ত মস্তিস্কে এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের বিনাশের নীল নকশা তৈরি করছে? মানুষের নৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক মান যখন ক্রমাগত নিম্নমুখী, তখন তাদের হাতে এমন বিধ্বংসী বিস্ফোরক তুলে দেওয়া আর কোনো কারাগারের সকল কয়েদিদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দিয়ে "এটি শান্তি নিশ্চিত করবে" বলে আশা করা একই কথা। তবে যদি সংবাদপত্রের এই লেখাগুলো অতিরঞ্জিত না হয়, তবে আমি মনে করি এর থেকে একটি ভালো দিক বেরিয়ে আসতে পারে: সম্ভবত এবার জাপান নতি স্বীকার করবে। শেষ পর্যন্ত আমরা সবাই ঈশ্বরের হাতেই নিরাপদ। কিন্তু মনে রাখা প্রয়োজন—ঈশ্বর কখনোই 'বাবেল টাওয়ার' নির্মাণকারীদের (অহংকারী স্রষ্টা) সুনজরে দেখেন না। ** '''''[[:w:জে. আর. আর. টলকিন|জে. আর. আর. টলকিন]]''''', তার পুত্র [[:w:ক্রিস্টোফার টলকিন|ক্রিস্টোফারকে]] লেখা একটি চিঠি থেকে (৯ আগস্ট ১৯৪৫); ''[[:w:দ্য লেটারস অফ জে. আর. আর. টলকিন|দ্য লেটারস অফ জে. আর. আর. টলকিন]]'' (১৯৮১)। * কেউ কি কল্পনা করতে পারে যে এই 'পারমাণবিক বোমা' কখনো কোনো "মহৎ উদ্দেশ্যে" ব্যবহৃত হতে পারে? এই ধরণের ভয়াবহ মাধ্যম কি তাৎক্ষণিকভাবে যেকোনো মহৎ উদ্দেশ্যকে কলুষিত করে দেয় না? এই বোমা মূলত আমাদের তৈরি করা সমাজেরই এক স্বাভাবিক ও অনিবার্য ফসল। এটি আমেরিকান জীবনধারার ঠিক ততটাই সাবলীল, স্বাভাবিক এবং স্বতঃস্ফূর্ত বহিঃপ্রকাশ—যতটা তাদের ইলেকট্রিক রেফ্রিজারেটর, ব্যানানা স্প্লিট কিংবা অটোমোবাইল গাড়িগুলো। ** '''''ডোয়াইট ম্যাকডোনাল্ড''''', ''পলিটিক্স'' ম্যাগাজিন (আগস্ট ১৯৪৫)। * এই পারমাণবিক বোমা হলো এক ভয়ংকর ক্রোধের রূপ ধরে ঈশ্বরের 'দ্বিতীয় আগমন' বা 'সেকেন্ড কামিং'। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', [[:w:ট্রিনিটি টেস্ট|ট্রিনিটি টেস্টের]] খবর শুনে করা মন্তব্য; ''দ্য আটলান্টিক'' (মার্চ ১৯৫৭), পৃষ্ঠা (অপ্রকাশিত/সংগৃহীত)। * পারমাণবিক শক্তির এই উন্মোচন আসলে নতুন কোনো সমস্যার সৃষ্টি করেনি। এটি কেবল একটি বিদ্যমান দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানের আবশ্যকতাকে আরও বেশি জরুরি ও অনিবার্য করে তুলেছে। ** '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''', রেমন্ড সুইং-এর কাছে দেওয়া বক্তব্য (১ অক্টোবর ১৯৪৫-এর পূর্বে); ''আইনস্টাইন অন পলিটিক্স'' (২০০৭), পৃষ্ঠা ৩৭৩। * আজ এই পারমাণবিক বোমা আমাদের চেনা জগতের স্বরূপকে আমূল বদলে দিয়েছে এবং ফলস্বরূপ মানবজাতি নিজেকে এক নতুন পরিবেশে আবিষ্কার করেছে, যেখানে টিকে থাকতে হলে তাকে অবশ্যই তার চিন্তাচেতনার পরিবর্তন ঘটিয়ে নতুন পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। ** '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''', "অনলি দেন শ্যাল উই ফাইন্ড কারেজ", ''নিউ ইয়র্ক টাইমস ম্যাগাজিন'' (২৩ জুন ১৯৪৬)। * নির্বিচারে অগণিত পুরুষ, নারী ও শিশুকে পাইকারি হারে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে পারমাণবিক বোমার এই ব্যবহারকে আমি বিজ্ঞানের ইতিহাসের সবচেয়ে পৈশাচিক ও দানবীয় প্রয়োগ হিসেবে গণ্য করি। ** '''''[[:w:মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা গান্ধী]]''''', ''[[:w:হরিজন (ম্যাগাজিন)|হরিজন]]'' ম্যাগাজিন (২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬); ইতি আব্রাহাম-এর ''দ্য মেকিং অফ দ্য ইন্ডিয়ান অ্যাটমিক বোম্ব'' (১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৩০। * যে সকল বিজ্ঞানীরা পারমাণবিক বোমা তৈরির কাজে নিয়োজিত ছিলেন, তাদের অভিজ্ঞতা এই ইঙ্গিতই দেয় যে—এই ধরণের যেকোনো গবেষণার শেষে একজন বিজ্ঞানী এমন একদল মানুষের হাতে অসীম ক্ষমতা তুলে দেন, যাদের ওপর তিনি বিন্দুমাত্র বিশ্বাস রাখতেও কুণ্ঠাবোধ করেন। ** '''''নরবার্ট উইনার''''', নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপণাস্ত্র সংক্রান্ত তথ্যের অনুরোধের প্রেক্ষিতে উত্তর; ''দ্য আটলান্টিক মান্থলি'' (ডিসেম্বর ১৯৪৬)। * আমি যতটুকু বুঝতে পারছি, এই পারমাণবিক বোমা মানবজাতির সেই সূক্ষ্ম ও পবিত্র অনুভূতিগুলোকে চিরতরে অসাড় করে দিয়েছে যা যুগ যুগ ধরে এই সভ্যতাকে টিকিয়ে রেখেছিল। ** '''''[[:w:মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা গান্ধী]]''''' (১৯৪৬); উইলিয়াম বোরম্যান-এর ''গান্ধী অ্যান্ড নন-ভায়োলেন্স'' (১৯৮৬), পৃষ্ঠা ১৭০। * এক প্রকার স্থূল অর্থে—যাকে কোনো কুরুচিপূর্ণ রসিকতা বা অতিরঞ্জিত বর্ণনা দিয়ে মুছে ফেলা সম্ভব নয়—এই আধুনিক পদার্থবিদরা যেন আজ 'পাপের' দেখা পেয়েছেন; এবং এটি এমন এক গভীর জ্ঞান যা তারা আর কখনোই ভুলে যেতে পারবেন না। ** '''''[[:w:জে. রবার্ট ওপেনহেইমার|জে. রবার্ট ওপেনহেইমার]]''''', [[:w:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি|ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে]] প্রদত্ত বক্তৃতা (২৫ নভেম্বর ১৯৪৭); ''দ্য ওপেন মাইন্ড'' (১৯৫৫), অধ্যায় ৫। === ১৯৫০-এর দশক === * বাষ্পীয় ইঞ্জিনের আবিষ্কারের পর বিজ্ঞানের এই যে জয়যাত্রা, তাতে মানবজাতি আদৌ লাভবান হয়েছে কি না তা নিয়ে যথেষ্ট তর্কের অবকাশ রয়েছে। বিদ্যুৎ হয়তো অগণিত মানুষের জন্য অসীম সুযোগ-সুবিধার দ্বার উন্মোচন করেছে, কিন্তু এর বিনিময়ে তাদের অনেক চড়া মূল্য দিতে হতে পারে। ব্যক্তিগতভাবে আমার চিন্তাচেতনা সেই অন্তর্দহন ইঞ্জিনের (Internal combustion engine) পূর্বেই থমকে যায়—যা এই বিশ্বকে অনেক ছোট ও সংকুচিত করে ফেলেছে। তথাকথিত বর্বর যুগের পূর্বপুরুষদের তুলনায় বর্তমানের এই আধুনিক মানুষের প্রকৃতি খুব একটা উন্নত নয়; এমতাবস্থায় তাদের হাতে পারমাণবিক বোমার মতো ভয়ানক শক্তির উৎস তুলে দেওয়ার পরিণাম নিয়ে আমাদের শঙ্কিত হওয়া উচিত। বিজ্ঞানের এই কৃত্রিম যান্ত্রিকতার চেয়ে আমার কাছে ঘোড়াই অনেক বেশি শ্রেয়। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', [[:w:রয়্যাল কলেজ অফ সার্জনস|রয়্যাল কলেজ অফ সার্জনস]]-এ প্রদত্ত ভাষণ (১০ জুলাই ১৯৫১)। ''স্টেমলিং দ্য টাইড'' (১৯৫৩), পৃষ্ঠা ৯১। * সবকিছুর ঊর্ধ্বে একটি বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে—যতক্ষণ না আপনি নিশ্চিত এবং শতভাগ নিশ্চিত হচ্ছেন যে শান্তি রক্ষার বিকল্প কোনো মাধ্যম আপনার আয়ত্তে রয়েছে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পারমাণবিক অস্ত্র নিজের হাতছাড়া করবেন না। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', মার্কিন কংগ্রেসে দেওয়া শেষ ভাষণ (১৭ জানুয়ারি ১৯৫২); ''দ্য ওয়ার দ্যাট মাস্ট নেভার বি ফাউট: ডিলেমাস অফ নিউক্লিয়ার ডিটারেন্স'' (২০১৫)। * আজ আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় বিপদ ভৌত বিজ্ঞানের তৈরি করা সেই পারমাণবিক বোমাটি নয়, যা বিমানে করে বয়ে নিয়ে হাজার হাজার মানুষের মাথার ওপর ফেলে দেওয়া যায়—যদিও সেটিও যথেষ্ট বিপজ্জনক। বরং বর্তমান সভ্যতার জন্য আসল হুমকি হলো সেই পারমাণবিক বোমা যা প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে এবং আত্মায় সুপ্ত অবস্থায় রয়েছে; যা যেকোনো মুহূর্তে জঘন্যতম ঘৃণা এবং ক্ষতিকর স্বার্থপরতার বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম। আমাদের আজকের প্রকৃত ভয়ের কারণ হওয়া উচিত মানুষের মনের ভেতরে থাকা এই বিধ্বংসী প্রবৃত্তি। আমাদের সমস্যার মূল ভিত্তি লুকিয়ে আছে মানুষের হৃদয়ের গহীনে ও তার আত্মার কলুষতায়। ** '''''[[:w:মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র|মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]]''''', "রিডিসকভারিং লস্ট ভ্যালুস", ডেট্রয়েটের [[:w:সেকেন্ড ব্যাপটিস্ট চার্চ (ডেট্রয়েট, মিশিগান)|সেকেন্ড ব্যাপটিস্ট চার্চ]]-এ প্রদত্ত খুতবা (২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪)। * এডেন উদ্যানের সেই দেবদূতের তলোয়ার থেকে নির্গত অগ্নিশিখা আজ যেন রূপান্তরিত হয়ে পারমাণবিক বোমায় পরিণত হয়েছে; ঈশ্বরের বজ্র আজ ভোঁতা হয়ে গেছে, আর তাই মানুষের তৈরি সেই বজ্র আজ এক ধ্বংসাত্মক 'ইস্পাত নক্ষত্র' রূপে আবির্ভূত হয়েছে। ** '''''শন ও’কেসি''''', ''সানসেট অ্যান্ড ইভনিং স্টার'' (১৯৫৪)। * সোজা কথায় বলতে গেলে; ব্রিটেন যেহেতু বিশ্বকে জানিয়ে দিয়েছে যে তার কাছে হাইড্রোজেন বোমা (H-Bomb) রয়েছে, তাই তার উচিত যত দ্রুত সম্ভব ঘোষণা করা যে তারা এই মরণাস্ত্রের ব্যবহার চিরতরে ত্যাগ করেছে এবং তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে পারমাণবিক যুদ্ধ প্রত্যাখ্যান করার প্রস্তাব দিচ্ছে। এটি কোনো নিছক শান্তিবাদ নয়। আমি এই দ্বীপরাষ্ট্রের তাৎক্ষণিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিত্যাগ করার পরামর্শ দিচ্ছি না। বরং যা পরিত্যাগ করা উচিত তা হলো 'প্রতিশোধের হুমকির মাধ্যমে ভয় দেখানো' বা ডিটারেন্স-এর ধারণা। এর মধ্যে প্রকৃত কোনো নিরাপত্তা নেই, কোনো শ্লীলতা নেই, নেই কোনো বিশ্বাস, আশা কিংবা মানবিক করুণার লেশমাত্র। ** '''''[[:w:জে. বি. প্রিস্টলি|জে. বি. প্রিস্টলি]]''''', "ব্রিটেন অ্যান্ড দ্য নিউক্লিয়ার বোম্বস", ''দ্য নিউ স্টেটসম্যান'' (২ নভেম্বর ১৯৫৭)। * আমি সম্প্রতি আমেরিকান পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানী ডব্লিউ. ডেভিডসনের একটি মন্তব্য পড়ার সুযোগ পেয়েছি; তিনি উল্লেখ করেছেন যে, মাত্র একটি হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণ থেকে নির্গত শক্তির পরিমাণ মানবজাতির সমগ্র ইতিহাসের সকল যুদ্ধে সকল দেশের দ্বারা ঘটানো সমস্ত বিস্ফোরণের সম্মিলিত শক্তির চেয়েও বহুগুণ বেশি। এবং দৃশ্যত, তার এই পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত সঠিক ও নিদারুণ বাস্তব। ** '''''[[:w:নিকিতা ক্রুশ্চেভ|নিকিতা ক্রুশ্চেভ]]''''', নিউ ইয়র্ক সিটিতে জাতিসংঘে প্রদত্ত ভাষণ (১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৫৯); ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৫৯), পৃষ্ঠা ৮। উদ্ধৃত পদার্থবিজ্ঞানী মূলত আর্গন ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির সহযোগী পদার্থবিজ্ঞানী উইলিয়াম ডেভিডন ছিলেন বলে পরবর্তীকালে নিশ্চিত হওয়া গেছে। === ১৯৬০-এর দশক === [[File:Confusion of Tongues (89393754).jpg|thumb|আমরা বিজ্ঞানের ঈশ্বরের সামনে নতজানু হয়েছি কেবল এটি আবিষ্কার করার জন্য যে—সে আমাদের উপহার দিয়েছে পারমাণবিক বোমা; যা এমন ভয় ও উদ্বেগ তৈরি করেছে যা বিজ্ঞান কখনো প্রশমিত করতে পারবে না। ~ মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]] * আজ এই গ্রহের প্রতিটি বাসিন্দাকে সেই দিনটির কথা গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে যখন এই পৃথিবী হয়তো আর বসবাসের যোগ্য থাকবে না। প্রতিটি পুরুষ, নারী ও শিশু আজ পারমাণবিক ধ্বংসের এক 'ড্যামোক্লিসের তলোয়ারের' নিচে বসবাস করছে, যা অত্যন্ত সরু ও ক্ষীণ সুতোর ওপর ঝুলে আছে; দুর্ঘটনাবশত, ভুল হিসাব-নিকাশে কিংবা কোনো এক উন্মাদনার বশবর্তী হয়ে যেকোনো মুহূর্তে সেই সুতো ছিঁড়ে যেতে পারে। যুদ্ধের এই মরণাস্ত্রগুলো আমাদের নির্মূল করার আগেই আমাদের উচিত হবে এগুলোকে সমূলে নির্মূল করা। ** '''''[[:w:জন এফ. কেনেডি|জন এফ. কেনেডি]]''''', জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রদত্ত ভাষণ (২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬১)। [https://www.jfklibrary.org/archives/other-resources/john-f-kennedy-speeches/united-nations-19610925] * আমি আশা করি তোমার ছুটি খুব ভালো কেটেছে এবং সেই পুরোনো পারমাণবিক বোমা নিয়ে তুমি খুব একটা দুশ্চিন্তা করছ না। আমার মন বলছে এটি কখনোই ফেলা হবে না—যদি না কোনো দুর্ঘটনা ঘটে। এটি শুনতে হয়তো উদ্ধত মনে হতে পারে, তবে আমি সত্যিই বিশ্বাস করি যে মানুষ জাতি এতটাই নির্বোধ যে এই দুর্ঘটনাটি যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে। ** '''''জিন রিস''''', ১৯৬১ সালের একটি চিঠি; ফ্রান্সিস উইন্ডহাম এবং ডায়ানা মেলি সম্পাদিত ''দ্য লেটারস অফ জিন রিস'' (১৯৮৪)-এ সংগৃহীত। * আমরা অন্ধভাবে বিজ্ঞানের অসীম ক্ষমতার কাছে মাথা নত করেছি কেবল এটি দেখার জন্য যে—বিজ্ঞান আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে পারমাণবিক বোমার মতো ধ্বংসাত্মক মরণাস্ত্র; যা মানবমনে এমন এক গভীর ভীতি ও চরম উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে যা উপশম করার সাধ্য খোদ বিজ্ঞানেরও নেই। ** '''''[[:w:মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র|মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]]''''', ''স্ট্রেংথ টু লাভ'' (১৯৬৩)। * প্রতিটি জাতির কাছে একটি করে পারমাণবিক বোমা থাকা উচিত—ঠিক যেমন ফ্যাশন সচেতন প্রতিটি নারীর কাছে একটি দামি মিঙ্ক কোট থাকা প্রয়োজন—এমন চিন্তাটি অত্যন্ত জঘন্য ও শোচনীয়। ** '''''[[:w:ক্লেমেন্ট এটলি|ক্লেমেন্ট এটলি]]''''', এস. বিয়ার-এর ''মডার্ন ব্রিটিশ পলিটিক্স'' এবং স্টুয়ার্ট থম্পসন-এর ''দ্য ডিকশনারি অফ লেবার কোটেশনস'' (২০১৩)-এ উল্লিখিত। === ১৯৭০-এর দশক === * বিজ্ঞান যখন কেবল 'কীভাবে' কাজ করে তার বর্ণনা না দিয়ে বরং 'কেন' কাজ করে সেই প্রশ্নটি করতে শেখে, তখনই এটি নিছক প্রযুক্তির গণ্ডি ছাড়িয়ে প্রকৃত জ্ঞানে রূপান্তরিত হয়। যখন এটি 'কেন' প্রশ্নটি তোলে, তখন এটি 'আপেক্ষিকতা তত্ত্ব' আবিষ্কার করে। আর যখন এটি কেবল 'কীভাবে' সেটি দেখায়, তখন এটি পারমাণবিক বোমা উদ্ভাবন করে এবং এরপর নিজের চোখের ওপর হাত রেখে আক্ষেপ করে বলে— "হে ঈশ্বর, আমি একি করলাম?" ** '''''[[:w:উরসুলা লে গুইন|উরসুলা লে গুইন]]''''', "দ্য স্টালিন ইন দ্য সোল", ''দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অফ দ্য নাইট'' (১৯৭৬)। === ১৯৮০-এর দশক === * পারমাণবিক অস্ত্র: এমন এক বিশেষ মাধ্যম যা কেবল অতি-সভ্য জাতিগুলোর ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত, যাতে তারা সেইসব বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে যেগুলো অমীমাংসিত থাকলে ভবিষ্যতে বড় রকমের ঝামেলার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারত। তবে দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, ইদানীং অতীতে অসভ্য হিসেবে পরিচিত অনেক জাতিই বড় বেশি 'সভ্য' হয়ে উঠছে। ** '''''[[:w:লিওনার্ড রসিটার|লিওনার্ড রসিটার]]''''', ''দ্য ডেভিল'স বেডসাইড বুক'' (১৯৮০)। * পারমাণবিক বোমা হলো এক বিস্ময়কর উপহার, যা একজন পরম করুণাময় ও প্রজ্ঞাবান ঈশ্বর আমাদের এই দেশকে দান করেছেন। ** '''''ফিলিস শ্লাফলি''''', রোজমেরি চকের "উইমেন অ্যান্ড দ্য ন্যাশনাল সিকিউরিটি ডিবেট"-এ উদ্ধৃত; ''বুলেটিন অফ দ্য অ্যাটমিক সায়েন্টিস্টস'' (আগস্ট/সেপ্টেম্বর ১৯৮২), পৃষ্ঠা ৪৬। * ওপেনহেইমারের তৈরি এই মরণঘাতী খেলনা থেকে আমি আমার ছোট্ট ছেলেটিকে কীভাবে রক্ষা করব? ** '''''[[:w:স্টিং (সংগীতশিল্পী)|স্টিং]]''''', [[w:রাশিয়ানস (গান)|"রাশিয়ানস"]], ''দ্য ড্রিম অফ দ্য ব্লু টার্টলস'' (১৯৮৫)। * এমন একমাত্র উসকানি কী হতে পারে যা পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহারের পথ প্রশস্ত করতে পারে? উত্তর হলো—পারমাণবিক অস্ত্র। পারমাণবিক অস্ত্রের প্রধান লক্ষ্যবস্তু কী? সেটিও হলো—পারমাণবিক অস্ত্র। পারমাণবিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে একমাত্র প্রতিষ্ঠিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কী? তাও হলো—পারমাণবিক অস্ত্র। আমরা কীভাবে পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার রোধ করি? অন্যকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুমকি দেওয়ার মাধ্যমে। আর আমরা কেন এই পারমাণবিক অস্ত্র থেকে মুক্তি পেতে পারছি না? কারণ সেই—পারমাণবিক অস্ত্র। এই যে এক অনড় ও জটিল অচলাবস্থা, তা আসলে এই মারণাস্ত্রগুলোর নিজস্ব চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যেরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। ** '''''[[:w:মার্টিন এমিস|মার্টিন এমিস]]''''', ''আইনস্টাইন'স মনস্টারস'' (১৯৮৭), "ইন্ট্রোডাকশন: থিঙ্কিবিলিটি"। * এই যে এক উন্মাদ অস্ত্র প্রতিযোগিতা, এটি মূলত পারমাণবিক অস্ত্রের সাথে আমাদের নিজেদের টিকে থাকার এক তীব্র লড়াই। ** '''''[[:w:মার্টিন এমিস|মার্টিন এমিস]]''''', ''আইনস্টাইন'স মনস্টারস'' (১৯৮৭), "ইন্ট্রোডাকশন: থিঙ্কিবিলিটি"। * পারমাণবিক অস্ত্রগুলো আদৌ একটি কার্যকর প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করেছে কি না, কিংবা এগুলো আজ কার্যকর আছে কি না অথবা ভবিষ্যতে থাকবে কি না—তা আমরা স্পষ্টভাবে জানি না। পারমাণবিক নীতিগুলো বছরের পর বছর ধরে এমন সব তথ্য এড়িয়ে বা সে সম্পর্কে অজ্ঞ থেকে তৈরি করা হয়েছে, যা মূলত এই নীতির অস্তিত্বের যৌক্তিকতাকে প্রমাণ করার জন্য সবচেয়ে জরুরি ছিল। ** '''''রবার্ট এল. হোমস''''', ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', "হোয়াট উই ডোন্ট নো অ্যাবাউট নিউক্লিয়ার পলিসি" (১৭ জানুয়ারি ১৯৮৮), পৃষ্ঠা ২৬। === ১৯৯০-এর দশক === * আমরা বিজ্ঞানীরা বড্ড চতুর—প্রয়োজনের চেয়েও অনেক বেশি চতুর—এতেও কি আপনারা সন্তুষ্ট নন? একটিমাত্র বোমায় চার বর্গমাইল এলাকা ছাই হয়ে যাওয়া কি যথেষ্ট নয়? মানুষ এখনো ভাবছে। শুধু আমাদের একবার বলুন, আপনারা এই মরণাস্ত্রটি আর কত বড় বা শক্তিশালী হিসেবে দেখতে চান! ** '''''[[:w:রিচার্ড ফাইনম্যান|রিচার্ড পি. ফাইনম্যান]]''''', জেমস গ্লিক-এর ''জিনিয়াস: দ্য লাইফ অ্যান্ড সায়েন্স অফ রিচার্ড ফাইনম্যান'' (১৯৯২), পৃষ্ঠা ২০৪। [[File:Nagasakibomb.jpg|thumb|জেডওজি (ZOG) থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার দিয়ে ইসরায়েলকে ধ্বংস করো। ~ ফিলিপ ল্যামি]] * যখন শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী সারভাইভালিস্টরা জেডওজি-র (জায়নবাদী দখলদার সরকার, যা ওয়াশিংটন শাসন করে) বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ শুরু করবে... এবং জেডওজি-র থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সেই পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার ব্যবহার করে ইসরায়েলকে চিরতরে ধ্বংস করে দেবে। ** ফিলিপ ল্যামি, ''মিলেনিয়াম রেজ: সারভাইভালিস্টস, হোয়াইট সুপ্রিমেসিস্টস, অ্যান্ড দ্য ডুমসডে প্রফেসি'' (১৯৯৬)। === ২০০০-এর দশক === [[File:Nuclear reactor in dimona (israel).jpg|thumb|আরব এবং মুসলিমরা কীভাবে তথাকথিত ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে পারে যখন তার কাছে পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার রয়েছে? এটি অসম্ভব, যদি না তারা নিজেরাও নিজস্ব পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার রাখার অধিকার ভোগ করে।<br>~ মুয়াম্মার গাদ্দাফি]] * যেকোনো সামরিক কমান্ডার, যিনি নিজের বা অন্যের কাছে সৎ, তিনি অবশ্যই স্বীকার করবেন যে সামরিক শক্তির প্রয়োগে তিনি অতীতে ভুল করেছেন। ভুলবশত বা বিচারের ত্রুটির কারণে তিনি অপ্রয়োজনীয়ভাবে মানুষ হত্যা করেছেন—তা হতে পারে তার নিজের সৈন্য কিংবা প্রতিপক্ষের। সংখ্যাটি একশ, হাজার, দশ হাজার এমনকি এক লাখও হতে পারে। কিন্তু... তিনি কখনো আস্ত কোনো জাতিকে ধ্বংস করে দেননি। প্রচলিত প্রজ্ঞা বলে, 'একই ভুল দুবার করো না, নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নাও'। এবং আমরা সবাই তাই করি। হয়তো আমরা একই ভুল তিনবার করি, তবে আশা করি চার বা পাঁচবার নয়। কিন্তু পারমাণবিক অস্ত্রের ক্ষেত্রে 'শিক্ষা নেওয়ার কোনো সুযোগ' বা সময় থাকবে না। আপনি একটিমাত্র ভুল করবেন এবং তার পরিণামে আপনি পুরো একটি জাতিকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেবেন। ** '''''[[:w:রবার্ট ম্যাকনামারা|রবার্ট ম্যাকনামারা]]''''', ''[[:w:দ্য ফগ অফ ওয়ার|দ্য ফগ অফ ওয়ার]]'' (২০০৩) তথ্যচিত্রে। * আজ ৭,৫০০টি কৌশলগত আক্রমণাত্মক পারমাণবিক ওয়ারহেড থাকা কি সঠিক ও সংগত, যার মধ্যে ২,৫০০টি মাত্র ১৫ মিনিটের সতর্কবার্তায় (Alert) উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে—যা কেবল একজন মানুষের একক সিদ্ধান্তে কার্যকর হতে পারে? ** '''''[[:w:রবার্ট ম্যাকনামারা|রবার্ট ম্যাকনামারা]]''''', ''[[:w:দ্য ফগ অফ ওয়ার|দ্য ফগ অফ ওয়ার]]'' (২০০৩)। * সেখানে রয়েছে [[:w:ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি|ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি]] এবং ইসরায়েলের কাছে থাকা ব্যাপক ধ্বংসক্ষমতাসম্পন্ন অস্ত্রভাণ্ডার; অথচ কেউ এই বিষয়টি উত্থাপন করে না, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক। আরব এবং মুসলিমরা কীভাবে তথাকথিত ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে পারে যখন তারা বিশাল পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক? এটি অসম্ভব, যদি না তারা নিজেরাও নিজস্ব পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার রাখার অধিকার ভোগ করে। এছাড়া সেখানে [[:w:১৯৪৮ ফিলিস্তিনি বহিষ্কার|উদ্বাস্তু সমস্যা]] রয়েছে; প্রায় ৪০ লক্ষ ফিলিস্তিনি রয়েছে যাদের সসম্মানে ফিরে আসা উচিত—মূলত এটিই হলো সমস্ত সমস্যার মূল ভিত্তি। ** '''''[[:w:মুয়াম্মার গাদ্দাফি|মুয়াম্মার গাদ্দাফি]]''''', [https://www.youtube.com/watch?v=ODzOdV7BFuk টক টু আল-জাজিরা] (২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৯), আল-জাজিরা। === ২০১০-এর দশক === * পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশগুলো শাসনের অধিকার কেবল সেইসব মায়েদের দেওয়া উচিত—যারা এখনো তাদের সন্তানদের হৃদয়ে আগ্লে রেখে লালন-পালন করছেন। ** '''''[[:w:সুতোমু ইয়ামাগুচি|সুতোমু ইয়ামাগুচি]]''''', যিনি হিরোশিমার পারমাণবিক বিস্ফোরণের সময় সেখানে ছিলেন এবং বেঁচে ফেরেন; এরপর নাগাসাকিতে চলে যাওয়ার পর সেখানেও দ্বিতীয় পারমাণবিক বিস্ফোরণ থেকে অবিশ্বাস্যভাবে বেঁচে যান এবং ২০১০ সাল পর্যন্ত দীর্ঘজীবী হন। সূত্র: [[:w:স্টিভেন পিঙ্কার|স্টিভেন পিঙ্কার]], ''[[:w:দ্য বেটার অ্যাঞ্জেলস অফ আওয়ার নেচার|দ্য বেটার অ্যাঞ্জেলস অফ আওয়ার নেচার: হোয়াই ভায়োলেন্স হ্যাজ ডিক্লাইন্ড]]'' (নিউ ইয়র্ক: ভাইকিং, ২০১১), পৃষ্ঠা ৬৮৪। * রাষ্ট্রপতি এবং জেনারেলরা হয়তো পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানের জটিল সমীকরণগুলো পুরোপুরি বুঝতে পারেন না, কিন্তু পারমাণবিক বোমা বাস্তবে ঠিক কী করতে সক্ষম—সে সম্পর্কে তাদের অত্যন্ত স্বচ্ছ ও গভীর ধারণা রয়েছে। ** '''''[[:w:ইউভাল নোয়াহ হারারি|ইউভাল নোয়াহ হারারি]]''''', ''স্যাপিয়েন্স: আ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ হিউম্যানকাইন্ড'' (২০১১), অধ্যায় ১৪: "দ্য ডিসকভারি অফ ইগনোরেন্স"। === ২০২০-এর দশক === * আমরা পরীক্ষা (পারমাণবিক পরীক্ষা) চালাব কারণ এখন অন্য দেশগুলোও পরীক্ষা চালাচ্ছে এবং নিশ্চিতভাবেই [[:w:উত্তর কোরিয়া|উত্তর কোরিয়া]] পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে... পাকিস্তানও পরীক্ষা চালাচ্ছে... তারা আপনাকে এসব কথা জানাবে না... তারা মাটির অনেক গভীরে এসব পরীক্ষা করে থাকে। মানুষজন আসলে সঠিকভাবে জানে না সেই পরীক্ষার সময় সেখানে ঠিক কী ঘটছে... তারা কেবল সামান্য একটু কম্পন অনুভব করতে পারে। ** '''''[[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]''''', ২০২৫; [https://archive.ph/8qn0e পাকিস্তান টেস্টিং নিউক্লিয়ার ওয়েপনস: ম্যাসিভ রেভেলেশন বাই ডোনাল্ড ট্রাম্প]-এ বর্ণিত। == আরও দেখুন == * [[পারমাণবিক যুদ্ধ|পারমাণবিক যুদ্ধ]] - উইকিউক্তি * [[:w:যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন|যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন]] * [[:w:হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমাবর্ষণ|হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমাবর্ষণ]] * [[:w:সামরিক শাসন|সামরিক শাসন]] * [[:w:ন্যাটো|ন্যাটো]] * [[:w:পারমাণবিক যুদ্ধ|পারমাণবিক যুদ্ধ]] - উইকিপিডিয়া == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[বিষয়শ্রেণী:গণবিধ্বংসী অস্ত্র]] [[বিষয়শ্রেণী:পারমাণবিক]] [[বিষয়শ্রেণী:পারমাণবিক অস্ত্র]] [[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধ]] jyozcs56qg45n4s37aj4kemtf0n4qhb 78871 78869 2026-04-20T09:50:37Z Oindrojalik Watch 4169 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:পারমাণবিক]] অপসারণ 78871 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[চিত্র:Bulava SLBM launched by Yuri Dolgoruky submarine.jpg|thumb|পারমাণবিক অস্ত্র: এমন এক মাধ্যম যা অতি সভ্য জাতিগুলো সেইসব বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য জমিয়ে রাখে, যা মীমাংসা না করলে ঝামেলার কারণ হতে পারত। দুর্ভাগ্যবশত, অনেক প্রাক্তন অসভ্য জাতিও এখন সভ্য হয়ে উঠছে। </br> —'''''লিওনার্ড রসিটার''''']] '''[[:w:পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক অস্ত্র]]''' হলো এমন এক বিস্ফোরক যন্ত্র যা পারমাণবিক বিক্রিয়া (নিউক্লিয়ার ফিশন বা ফিশন ও ফিউশনের সংমিশ্রণ) থেকে ধ্বংসাত্মক শক্তি উৎপাদন করে। উভয় বিক্রিয়াই অতি সামান্য পরিমাণ পদার্থ থেকে বিশাল পরিমাণে শক্তি নির্গত করে। == উক্তি == === পূর্বাভাস === * মানুষ বিজ্ঞানের ওপর চড়ে বসেছে এবং বিজ্ঞান এখন তাকে নিয়ে উধাও হয়ে গেছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে আরও কয়েক শতাব্দী যাওয়ার আগেই বিজ্ঞান মানুষের মালিকে পরিণত হবে। মানুষ যেসব ইঞ্জিন আবিষ্কার করবে, তা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা তার থাকবে না। কোনো একদিন বিজ্ঞান হয়তো পুরো মানবজাতির অস্তিত্বকে নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে নেবে এবং মানুষ পৃথিবী উড়িয়ে দিয়ে নিজেরা আত্মহত্যা করবে। ** '''''[[:w:হেনরি অ্যাডামস|হেনরি অ্যাডামস]]''''', চার্লস ফ্রান্সিস অ্যাডামস জুনিয়রকে লেখা চিঠি (লন্ডন, ১১ এপ্রিল, ১৮৬২) * একবার নিক্ষেপ করার পর, সেই বোমাটির শক্তি নিঃশেষ না হওয়া পর্যন্ত সেটি ছিল সম্পূর্ণ অগম্য এবং অনিয়ন্ত্রিত; এর ওপর দিয়ে ফেটে যাওয়া গহ্বর থেকে জ্বলন্ত বাষ্প, শিলা আর কাদার টুকরো সবদিকে ছড়িয়ে পড়ছিল। এটিই ছিল সামরিক বিজ্ঞানের সেই মুকুটহীন বিজয়—চূড়ান্ত বিস্ফোরক—যা যুদ্ধে এক 'নির্ণায়ক ছোঁয়া' দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল...। ** '''''[[:w:এইচ. জি. ওয়েলস|এইচ. জি. ওয়েলস]]''''', [[w:The World Set Free|''দ্য ওয়ার্ল্ড সেট ফ্রি'']] (১৯১৪), অধ্যায় ২, অনুচ্ছেদ ৪ * এমন কি কোনো শক্তিশালী বিস্ফোরক শক্তি ব্যবহারের গূঢ় পদ্ধতি থাকা কি সম্ভব নয় যা এযাবৎকালের আবিষ্কৃত যেকোনো কিছুর চেয়ে অতুলনীয়ভাবে তীব্র এবং ধ্বংসাত্মক হবে? একটি সাধারণ কমলালেবুর চেয়ে বড় নয় এমন একটি ক্ষুদ্র বোমা কি এমন কোনো গুপ্ত ক্ষমতার অধিকারী হতে পারে না যা মুহূর্তের মধ্যে একটি আস্ত দালান—না কি হাজার টন কর্ডাইটের শক্তিকে একীভূত করে এক নিমেষেই একটি জনপদকে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে পারে? বর্তমান সময়ের বিস্ফোরকগুলোকেও কি বেতার তরঙ্গ বা অন্য কোনো অদৃশ্য রশ্মির মাধ্যমে চালকহীন বিমানে করে শত্রুর শহর, অস্ত্রাগার, সামরিক ক্যাম্প কিংবা ডকইয়ার্ডে এক অবিরাম মিছিলের মতো বর্ষণ করা সম্ভব নয়? ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', "শ্যাল উই অল কমিট সুইসাইড?", ''পল মল'' (সেপ্টেম্বর ১৯২৪)। ''থটস অ্যান্ড অ্যাডভেঞ্চারস'' (১৯৩২), পৃষ্ঠা ২৫০। === ১৯৩০-এর দশক === * এনরিকো ফের্মি এবং লিও সিলার্ডের সাম্প্রতিক কিছু গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা, যা পাণ্ডুলিপি আকারে আমার হস্তগত হয়েছে, আমাকে এই দৃঢ় বিশ্বাস জোগাচ্ছে যে নিকট ভবিষ্যতে ইউরেনিয়াম নামক উপাদানটি শক্তির এক অভিনব এবং অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ উৎসে পরিণত হতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতির কিছু জটিল দিক অত্যন্ত সজাগ নজরদারি এবং প্রয়োজনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতি দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি রাখে... এই নতুন বৈজ্ঞানিক ঘটনাটি অত্যন্ত শক্তিশালী বোমা তৈরির পথেও আলোকপাত করতে পারে এবং এটি অত্যন্ত বাস্তবসম্মত—যদিও কিছুটা অনিশ্চিত—যে এভাবে এক নতুন ধরণের অতি-শক্তিশালী বোমা তৈরি করা সম্ভব। এই ধরণের একটিমাত্র শক্তিশালী বোমা, যা কোনো নৌযান বা নৌকায় করে নিয়ে গিয়ে কোনো সামুদ্রিক বন্দরে বিস্ফোরণ ঘটানো হলে, তা মুহূর্তেই পুরো বন্দর এবং তার পার্শ্ববর্তী বিস্তীর্ণ অঞ্চলকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। তবে, এই ধরণের বোমা আকাশপথে বা বিমানে পরিবহনের জন্য ওজনে অত্যন্ত ভারী বলে প্রমাণিত হতে পারে। ** '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''', প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের কাছে লেখা চিঠি (২ আগস্ট ১৯৩৯, যা ১১ অক্টোবর ১৯৩৯-এ প্রদান করা হয়); ''আইনস্টাইন অন পিস'', সম্পাদনা: অটো নাথান এবং হেইঞ্জ নর্ডেন (১৯৬০, ১৯৮১-তে পুনর্মুদ্রিত), পৃষ্ঠা ২৯৪–৯৫। === ১৯৪০-এর দশক === [[File:TrinityDetonation1945GIF.gif|thumb|এখন আমি যমে (মৃত্যু) পরিণত হয়েছি, যে এই চরাচর বা বিশ্বকে ধ্বংস করে দেয়।]] [[File:Hiroshima aftermath.jpg|thumb|হে ঈশ্বর, আমরা একি করলাম?<br>—[[:w:রברת এ. লুইস|রবার্ট এ. লুইস]]]] * আমরা মনে মনে অনুভব করছিলাম যে এই মুহূর্তের পর পৃথিবী আর আগের মতো চিরচেনা থাকবে না। সেখানে উপস্থিত কতিপয় মানুষ উচ্চস্বরে হাসল, কতিপয় মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়ল, তবে অধিকাংশ মানুষই ছিল এক গভীর ও নিস্তব্ধ স্তব্ধতায় আচ্ছন্ন। আমার মানসপটে প্রাচীন হিন্দু ধর্মগ্রন্থ ''[[ভগবদ্গীতা]]''-র সেই অমোঘ লাইনটি বারবার ভেসে আসছিল। সেখানে ভগবান বিষ্ণু যখন রাজকুমার অর্জুনকে কর্তব্য পালনে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করছিলেন এবং তাকে নিজের মহিমা প্রদর্শনের জন্য বহুভুজ ও বিশ্বরূপ ধারণ করে বলেছিলেন— "এখন আমি যমে (মৃত্যু) পরিণত হয়েছি, যে এই চরাচর বা বিশ্বকে ধ্বংস করে দেয়।" আমার ধারণা, কোনো না কোনোভাবে আমাদের সবার মনে তখন ঠিক এই চিন্তাটিই ঘুরপাক খাচ্ছিল। ** '''''[[:w:জে. রবার্ট ওপেনহেইমার|জে. রবার্ট ওপেনহেইমার]]''''', প্রথম পারমাণবিক ডিভাইসের প্রলয়ংকরী বিস্ফোরণ মুহূর্তের স্মৃতিচারণ। ''[https://www.youtube.com/watch?v=-JWxIVVeV98 দ্য ডিসিশন টু ড্রপ দ্য বোম্ব''] (১৯৬৫ এনবিসি নিউজ প্রোগ্রাম)। * এখন আমরা সবাই একেকজন নরকের কীট বা জঘন্য সন্তানে (Sons-of-bitches) পরিণত হলাম। ** '''''কেনেথ বেইনব্রিজ''''', আলামোগোর্ডোতে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বোমা পরীক্ষার প্রলয়ংকরী বিস্ফোরণের পরপরই রবার্ট ওপেনহেইমারকে উদ্দেশ্য করে করা তাৎক্ষণিক মন্তব্য, ল্যান্সিং ল্যামন্ট-এর ''ডে অফ ট্রিনিটি'' (১৯৬৬), পৃষ্ঠা ২৪২। * হে করুণাময় ঈশ্বর, আমাদের হাতের মাধ্যমে আজ একি প্রলয়ংকরী ঘটনা ঘটে গেল? আমরা একি করলাম? ** '''''[[:w:রবার্ট এ. লুইস|রবার্ট এ. লুইস]]''''', হিরোশিমায় বোমা নিক্ষেপকারী ''এনোলা গে'' (Enola Gay)-র কো-পাইলট ও বিমান কমান্ডার (৬ আগস্ট ১৯৪৫)। * পারমাণবিক বোমার এই ভয়াবহ ব্যবহার এবং এর নিষ্ঠুরতা দিয়ে যেভাবে নির্বিচারে নিরপরাধ নারী ও শিশুদের হত্যা করা হয়েছে, তা আমার অন্তর ও আত্মাকে এক চরম বিদ্রোহের মুখে ঠেলে দিয়েছে; আমি মর্মাহত। ** '''''[[:w:হার্বার্ট হুভার|হার্বার্ট হুভার]]''''', কর্নেল জন ক্যালান ও’লাফলিনকে (আর্মি অ্যান্ড নেভি জার্নাল-এর প্রকাশক) লেখা চিঠি (৮ আগস্ট ১৯৪৫), গার আলপেরোভিৎজ-এর ''দ্য ডিসিশন টু ইউজ দ্য অ্যাটমিক বোম্ব'' (১৯৬৬), পৃষ্ঠা ৪৫৯। "ও’লাফলিন করেসপন্ডেন্স ফাইল, বক্স ১৭১, পোস্ট-প্রেসিডেন্সিয়াল পেপারস, হার্বার্ট হুভার প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরি"। * আমেরিকান, ইংরেজ এবং ফরাসি সংবাদপত্রগুলো আজ পারমাণবিক বোমার ধ্বংসক্ষমতা নিয়ে অত্যন্ত মার্জিত ও তাত্ত্বিক গবেষণামূলক প্রবন্ধ উগরে দিচ্ছে। আমরা এই পুরো বিষয়টিকে একটিমাত্র তীক্ষ্ণ বাক্যে সারসংক্ষেপ করতে পারি: বর্তমানের এই যান্ত্রিক সভ্যতা সম্ভবত সবেমাত্র আদিম বর্বরতার চূড়ান্ত ও নিষ্ঠুরতম পর্যায়টি সফলভাবে অর্জন করতে পেরেছে। ** '''''[[:w:আলবেয়ার কামু|আলবেয়ার কামু]]''''', ''কমব্যাট'' (৮ আগস্ট ১৯৪৫)। নিকোলাস হামফ্রে ও রবার্ট জে লিফটনের ''ইন আ ডার্ক টাইম'' (১৯৮৪), পৃষ্ঠা ২৭। * আজ 'পারমাণবিক বোমা' নিয়ে আসা সংবাদগুলো এতটাই ভয়াবহ যে যেকোনো মানুষ এটি শুনে স্তম্ভিত হয়ে যেতে বাধ্য। যুদ্ধের প্রয়োজনে এই ধরণের ধ্বংসাত্মক কাজে নিজেদের সম্মতি দেওয়া এই উন্মাদ পদার্থবিদদের চরম নির্বুদ্ধিতারই নামান্তর—তারা কি তবে শান্ত মস্তিস্কে এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের বিনাশের নীল নকশা তৈরি করছে? মানুষের নৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক মান যখন ক্রমাগত নিম্নমুখী, তখন তাদের হাতে এমন বিধ্বংসী বিস্ফোরক তুলে দেওয়া আর কোনো কারাগারের সকল কয়েদিদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দিয়ে "এটি শান্তি নিশ্চিত করবে" বলে আশা করা একই কথা। তবে যদি সংবাদপত্রের এই লেখাগুলো অতিরঞ্জিত না হয়, তবে আমি মনে করি এর থেকে একটি ভালো দিক বেরিয়ে আসতে পারে: সম্ভবত এবার জাপান নতি স্বীকার করবে। শেষ পর্যন্ত আমরা সবাই ঈশ্বরের হাতেই নিরাপদ। কিন্তু মনে রাখা প্রয়োজন—ঈশ্বর কখনোই 'বাবেল টাওয়ার' নির্মাণকারীদের (অহংকারী স্রষ্টা) সুনজরে দেখেন না। ** '''''[[:w:জে. আর. আর. টলকিন|জে. আর. আর. টলকিন]]''''', তার পুত্র [[:w:ক্রিস্টোফার টলকিন|ক্রিস্টোফারকে]] লেখা একটি চিঠি থেকে (৯ আগস্ট ১৯৪৫); ''[[:w:দ্য লেটারস অফ জে. আর. আর. টলকিন|দ্য লেটারস অফ জে. আর. আর. টলকিন]]'' (১৯৮১)। * কেউ কি কল্পনা করতে পারে যে এই 'পারমাণবিক বোমা' কখনো কোনো "মহৎ উদ্দেশ্যে" ব্যবহৃত হতে পারে? এই ধরণের ভয়াবহ মাধ্যম কি তাৎক্ষণিকভাবে যেকোনো মহৎ উদ্দেশ্যকে কলুষিত করে দেয় না? এই বোমা মূলত আমাদের তৈরি করা সমাজেরই এক স্বাভাবিক ও অনিবার্য ফসল। এটি আমেরিকান জীবনধারার ঠিক ততটাই সাবলীল, স্বাভাবিক এবং স্বতঃস্ফূর্ত বহিঃপ্রকাশ—যতটা তাদের ইলেকট্রিক রেফ্রিজারেটর, ব্যানানা স্প্লিট কিংবা অটোমোবাইল গাড়িগুলো। ** '''''ডোয়াইট ম্যাকডোনাল্ড''''', ''পলিটিক্স'' ম্যাগাজিন (আগস্ট ১৯৪৫)। * এই পারমাণবিক বোমা হলো এক ভয়ংকর ক্রোধের রূপ ধরে ঈশ্বরের 'দ্বিতীয় আগমন' বা 'সেকেন্ড কামিং'। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', [[:w:ট্রিনিটি টেস্ট|ট্রিনিটি টেস্টের]] খবর শুনে করা মন্তব্য; ''দ্য আটলান্টিক'' (মার্চ ১৯৫৭), পৃষ্ঠা (অপ্রকাশিত/সংগৃহীত)। * পারমাণবিক শক্তির এই উন্মোচন আসলে নতুন কোনো সমস্যার সৃষ্টি করেনি। এটি কেবল একটি বিদ্যমান দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানের আবশ্যকতাকে আরও বেশি জরুরি ও অনিবার্য করে তুলেছে। ** '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''', রেমন্ড সুইং-এর কাছে দেওয়া বক্তব্য (১ অক্টোবর ১৯৪৫-এর পূর্বে); ''আইনস্টাইন অন পলিটিক্স'' (২০০৭), পৃষ্ঠা ৩৭৩। * আজ এই পারমাণবিক বোমা আমাদের চেনা জগতের স্বরূপকে আমূল বদলে দিয়েছে এবং ফলস্বরূপ মানবজাতি নিজেকে এক নতুন পরিবেশে আবিষ্কার করেছে, যেখানে টিকে থাকতে হলে তাকে অবশ্যই তার চিন্তাচেতনার পরিবর্তন ঘটিয়ে নতুন পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। ** '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''', "অনলি দেন শ্যাল উই ফাইন্ড কারেজ", ''নিউ ইয়র্ক টাইমস ম্যাগাজিন'' (২৩ জুন ১৯৪৬)। * নির্বিচারে অগণিত পুরুষ, নারী ও শিশুকে পাইকারি হারে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে পারমাণবিক বোমার এই ব্যবহারকে আমি বিজ্ঞানের ইতিহাসের সবচেয়ে পৈশাচিক ও দানবীয় প্রয়োগ হিসেবে গণ্য করি। ** '''''[[:w:মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা গান্ধী]]''''', ''[[:w:হরিজন (ম্যাগাজিন)|হরিজন]]'' ম্যাগাজিন (২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬); ইতি আব্রাহাম-এর ''দ্য মেকিং অফ দ্য ইন্ডিয়ান অ্যাটমিক বোম্ব'' (১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৩০। * যে সকল বিজ্ঞানীরা পারমাণবিক বোমা তৈরির কাজে নিয়োজিত ছিলেন, তাদের অভিজ্ঞতা এই ইঙ্গিতই দেয় যে—এই ধরণের যেকোনো গবেষণার শেষে একজন বিজ্ঞানী এমন একদল মানুষের হাতে অসীম ক্ষমতা তুলে দেন, যাদের ওপর তিনি বিন্দুমাত্র বিশ্বাস রাখতেও কুণ্ঠাবোধ করেন। ** '''''নরবার্ট উইনার''''', নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপণাস্ত্র সংক্রান্ত তথ্যের অনুরোধের প্রেক্ষিতে উত্তর; ''দ্য আটলান্টিক মান্থলি'' (ডিসেম্বর ১৯৪৬)। * আমি যতটুকু বুঝতে পারছি, এই পারমাণবিক বোমা মানবজাতির সেই সূক্ষ্ম ও পবিত্র অনুভূতিগুলোকে চিরতরে অসাড় করে দিয়েছে যা যুগ যুগ ধরে এই সভ্যতাকে টিকিয়ে রেখেছিল। ** '''''[[:w:মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা গান্ধী]]''''' (১৯৪৬); উইলিয়াম বোরম্যান-এর ''গান্ধী অ্যান্ড নন-ভায়োলেন্স'' (১৯৮৬), পৃষ্ঠা ১৭০। * এক প্রকার স্থূল অর্থে—যাকে কোনো কুরুচিপূর্ণ রসিকতা বা অতিরঞ্জিত বর্ণনা দিয়ে মুছে ফেলা সম্ভব নয়—এই আধুনিক পদার্থবিদরা যেন আজ 'পাপের' দেখা পেয়েছেন; এবং এটি এমন এক গভীর জ্ঞান যা তারা আর কখনোই ভুলে যেতে পারবেন না। ** '''''[[:w:জে. রবার্ট ওপেনহেইমার|জে. রবার্ট ওপেনহেইমার]]''''', [[:w:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি|ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে]] প্রদত্ত বক্তৃতা (২৫ নভেম্বর ১৯৪৭); ''দ্য ওপেন মাইন্ড'' (১৯৫৫), অধ্যায় ৫। === ১৯৫০-এর দশক === * বাষ্পীয় ইঞ্জিনের আবিষ্কারের পর বিজ্ঞানের এই যে জয়যাত্রা, তাতে মানবজাতি আদৌ লাভবান হয়েছে কি না তা নিয়ে যথেষ্ট তর্কের অবকাশ রয়েছে। বিদ্যুৎ হয়তো অগণিত মানুষের জন্য অসীম সুযোগ-সুবিধার দ্বার উন্মোচন করেছে, কিন্তু এর বিনিময়ে তাদের অনেক চড়া মূল্য দিতে হতে পারে। ব্যক্তিগতভাবে আমার চিন্তাচেতনা সেই অন্তর্দহন ইঞ্জিনের (Internal combustion engine) পূর্বেই থমকে যায়—যা এই বিশ্বকে অনেক ছোট ও সংকুচিত করে ফেলেছে। তথাকথিত বর্বর যুগের পূর্বপুরুষদের তুলনায় বর্তমানের এই আধুনিক মানুষের প্রকৃতি খুব একটা উন্নত নয়; এমতাবস্থায় তাদের হাতে পারমাণবিক বোমার মতো ভয়ানক শক্তির উৎস তুলে দেওয়ার পরিণাম নিয়ে আমাদের শঙ্কিত হওয়া উচিত। বিজ্ঞানের এই কৃত্রিম যান্ত্রিকতার চেয়ে আমার কাছে ঘোড়াই অনেক বেশি শ্রেয়। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', [[:w:রয়্যাল কলেজ অফ সার্জনস|রয়্যাল কলেজ অফ সার্জনস]]-এ প্রদত্ত ভাষণ (১০ জুলাই ১৯৫১)। ''স্টেমলিং দ্য টাইড'' (১৯৫৩), পৃষ্ঠা ৯১। * সবকিছুর ঊর্ধ্বে একটি বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে—যতক্ষণ না আপনি নিশ্চিত এবং শতভাগ নিশ্চিত হচ্ছেন যে শান্তি রক্ষার বিকল্প কোনো মাধ্যম আপনার আয়ত্তে রয়েছে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পারমাণবিক অস্ত্র নিজের হাতছাড়া করবেন না। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', মার্কিন কংগ্রেসে দেওয়া শেষ ভাষণ (১৭ জানুয়ারি ১৯৫২); ''দ্য ওয়ার দ্যাট মাস্ট নেভার বি ফাউট: ডিলেমাস অফ নিউক্লিয়ার ডিটারেন্স'' (২০১৫)। * আজ আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় বিপদ ভৌত বিজ্ঞানের তৈরি করা সেই পারমাণবিক বোমাটি নয়, যা বিমানে করে বয়ে নিয়ে হাজার হাজার মানুষের মাথার ওপর ফেলে দেওয়া যায়—যদিও সেটিও যথেষ্ট বিপজ্জনক। বরং বর্তমান সভ্যতার জন্য আসল হুমকি হলো সেই পারমাণবিক বোমা যা প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে এবং আত্মায় সুপ্ত অবস্থায় রয়েছে; যা যেকোনো মুহূর্তে জঘন্যতম ঘৃণা এবং ক্ষতিকর স্বার্থপরতার বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম। আমাদের আজকের প্রকৃত ভয়ের কারণ হওয়া উচিত মানুষের মনের ভেতরে থাকা এই বিধ্বংসী প্রবৃত্তি। আমাদের সমস্যার মূল ভিত্তি লুকিয়ে আছে মানুষের হৃদয়ের গহীনে ও তার আত্মার কলুষতায়। ** '''''[[:w:মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র|মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]]''''', "রিডিসকভারিং লস্ট ভ্যালুস", ডেট্রয়েটের [[:w:সেকেন্ড ব্যাপটিস্ট চার্চ (ডেট্রয়েট, মিশিগান)|সেকেন্ড ব্যাপটিস্ট চার্চ]]-এ প্রদত্ত খুতবা (২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪)। * এডেন উদ্যানের সেই দেবদূতের তলোয়ার থেকে নির্গত অগ্নিশিখা আজ যেন রূপান্তরিত হয়ে পারমাণবিক বোমায় পরিণত হয়েছে; ঈশ্বরের বজ্র আজ ভোঁতা হয়ে গেছে, আর তাই মানুষের তৈরি সেই বজ্র আজ এক ধ্বংসাত্মক 'ইস্পাত নক্ষত্র' রূপে আবির্ভূত হয়েছে। ** '''''শন ও’কেসি''''', ''সানসেট অ্যান্ড ইভনিং স্টার'' (১৯৫৪)। * সোজা কথায় বলতে গেলে; ব্রিটেন যেহেতু বিশ্বকে জানিয়ে দিয়েছে যে তার কাছে হাইড্রোজেন বোমা (H-Bomb) রয়েছে, তাই তার উচিত যত দ্রুত সম্ভব ঘোষণা করা যে তারা এই মরণাস্ত্রের ব্যবহার চিরতরে ত্যাগ করেছে এবং তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে পারমাণবিক যুদ্ধ প্রত্যাখ্যান করার প্রস্তাব দিচ্ছে। এটি কোনো নিছক শান্তিবাদ নয়। আমি এই দ্বীপরাষ্ট্রের তাৎক্ষণিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিত্যাগ করার পরামর্শ দিচ্ছি না। বরং যা পরিত্যাগ করা উচিত তা হলো 'প্রতিশোধের হুমকির মাধ্যমে ভয় দেখানো' বা ডিটারেন্স-এর ধারণা। এর মধ্যে প্রকৃত কোনো নিরাপত্তা নেই, কোনো শ্লীলতা নেই, নেই কোনো বিশ্বাস, আশা কিংবা মানবিক করুণার লেশমাত্র। ** '''''[[:w:জে. বি. প্রিস্টলি|জে. বি. প্রিস্টলি]]''''', "ব্রিটেন অ্যান্ড দ্য নিউক্লিয়ার বোম্বস", ''দ্য নিউ স্টেটসম্যান'' (২ নভেম্বর ১৯৫৭)। * আমি সম্প্রতি আমেরিকান পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানী ডব্লিউ. ডেভিডসনের একটি মন্তব্য পড়ার সুযোগ পেয়েছি; তিনি উল্লেখ করেছেন যে, মাত্র একটি হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণ থেকে নির্গত শক্তির পরিমাণ মানবজাতির সমগ্র ইতিহাসের সকল যুদ্ধে সকল দেশের দ্বারা ঘটানো সমস্ত বিস্ফোরণের সম্মিলিত শক্তির চেয়েও বহুগুণ বেশি। এবং দৃশ্যত, তার এই পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত সঠিক ও নিদারুণ বাস্তব। ** '''''[[:w:নিকিতা ক্রুশ্চেভ|নিকিতা ক্রুশ্চেভ]]''''', নিউ ইয়র্ক সিটিতে জাতিসংঘে প্রদত্ত ভাষণ (১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৫৯); ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৫৯), পৃষ্ঠা ৮। উদ্ধৃত পদার্থবিজ্ঞানী মূলত আর্গন ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির সহযোগী পদার্থবিজ্ঞানী উইলিয়াম ডেভিডন ছিলেন বলে পরবর্তীকালে নিশ্চিত হওয়া গেছে। === ১৯৬০-এর দশক === [[File:Confusion of Tongues (89393754).jpg|thumb|আমরা বিজ্ঞানের ঈশ্বরের সামনে নতজানু হয়েছি কেবল এটি আবিষ্কার করার জন্য যে—সে আমাদের উপহার দিয়েছে পারমাণবিক বোমা; যা এমন ভয় ও উদ্বেগ তৈরি করেছে যা বিজ্ঞান কখনো প্রশমিত করতে পারবে না। ~ মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]] * আজ এই গ্রহের প্রতিটি বাসিন্দাকে সেই দিনটির কথা গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে যখন এই পৃথিবী হয়তো আর বসবাসের যোগ্য থাকবে না। প্রতিটি পুরুষ, নারী ও শিশু আজ পারমাণবিক ধ্বংসের এক 'ড্যামোক্লিসের তলোয়ারের' নিচে বসবাস করছে, যা অত্যন্ত সরু ও ক্ষীণ সুতোর ওপর ঝুলে আছে; দুর্ঘটনাবশত, ভুল হিসাব-নিকাশে কিংবা কোনো এক উন্মাদনার বশবর্তী হয়ে যেকোনো মুহূর্তে সেই সুতো ছিঁড়ে যেতে পারে। যুদ্ধের এই মরণাস্ত্রগুলো আমাদের নির্মূল করার আগেই আমাদের উচিত হবে এগুলোকে সমূলে নির্মূল করা। ** '''''[[:w:জন এফ. কেনেডি|জন এফ. কেনেডি]]''''', জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রদত্ত ভাষণ (২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬১)। [https://www.jfklibrary.org/archives/other-resources/john-f-kennedy-speeches/united-nations-19610925] * আমি আশা করি তোমার ছুটি খুব ভালো কেটেছে এবং সেই পুরোনো পারমাণবিক বোমা নিয়ে তুমি খুব একটা দুশ্চিন্তা করছ না। আমার মন বলছে এটি কখনোই ফেলা হবে না—যদি না কোনো দুর্ঘটনা ঘটে। এটি শুনতে হয়তো উদ্ধত মনে হতে পারে, তবে আমি সত্যিই বিশ্বাস করি যে মানুষ জাতি এতটাই নির্বোধ যে এই দুর্ঘটনাটি যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে। ** '''''জিন রিস''''', ১৯৬১ সালের একটি চিঠি; ফ্রান্সিস উইন্ডহাম এবং ডায়ানা মেলি সম্পাদিত ''দ্য লেটারস অফ জিন রিস'' (১৯৮৪)-এ সংগৃহীত। * আমরা অন্ধভাবে বিজ্ঞানের অসীম ক্ষমতার কাছে মাথা নত করেছি কেবল এটি দেখার জন্য যে—বিজ্ঞান আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে পারমাণবিক বোমার মতো ধ্বংসাত্মক মরণাস্ত্র; যা মানবমনে এমন এক গভীর ভীতি ও চরম উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে যা উপশম করার সাধ্য খোদ বিজ্ঞানেরও নেই। ** '''''[[:w:মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র|মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]]''''', ''স্ট্রেংথ টু লাভ'' (১৯৬৩)। * প্রতিটি জাতির কাছে একটি করে পারমাণবিক বোমা থাকা উচিত—ঠিক যেমন ফ্যাশন সচেতন প্রতিটি নারীর কাছে একটি দামি মিঙ্ক কোট থাকা প্রয়োজন—এমন চিন্তাটি অত্যন্ত জঘন্য ও শোচনীয়। ** '''''[[:w:ক্লেমেন্ট এটলি|ক্লেমেন্ট এটলি]]''''', এস. বিয়ার-এর ''মডার্ন ব্রিটিশ পলিটিক্স'' এবং স্টুয়ার্ট থম্পসন-এর ''দ্য ডিকশনারি অফ লেবার কোটেশনস'' (২০১৩)-এ উল্লিখিত। === ১৯৭০-এর দশক === * বিজ্ঞান যখন কেবল 'কীভাবে' কাজ করে তার বর্ণনা না দিয়ে বরং 'কেন' কাজ করে সেই প্রশ্নটি করতে শেখে, তখনই এটি নিছক প্রযুক্তির গণ্ডি ছাড়িয়ে প্রকৃত জ্ঞানে রূপান্তরিত হয়। যখন এটি 'কেন' প্রশ্নটি তোলে, তখন এটি 'আপেক্ষিকতা তত্ত্ব' আবিষ্কার করে। আর যখন এটি কেবল 'কীভাবে' সেটি দেখায়, তখন এটি পারমাণবিক বোমা উদ্ভাবন করে এবং এরপর নিজের চোখের ওপর হাত রেখে আক্ষেপ করে বলে— "হে ঈশ্বর, আমি একি করলাম?" ** '''''[[:w:উরসুলা লে গুইন|উরসুলা লে গুইন]]''''', "দ্য স্টালিন ইন দ্য সোল", ''দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অফ দ্য নাইট'' (১৯৭৬)। === ১৯৮০-এর দশক === * পারমাণবিক অস্ত্র: এমন এক বিশেষ মাধ্যম যা কেবল অতি-সভ্য জাতিগুলোর ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত, যাতে তারা সেইসব বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে যেগুলো অমীমাংসিত থাকলে ভবিষ্যতে বড় রকমের ঝামেলার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারত। তবে দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, ইদানীং অতীতে অসভ্য হিসেবে পরিচিত অনেক জাতিই বড় বেশি 'সভ্য' হয়ে উঠছে। ** '''''[[:w:লিওনার্ড রসিটার|লিওনার্ড রসিটার]]''''', ''দ্য ডেভিল'স বেডসাইড বুক'' (১৯৮০)। * পারমাণবিক বোমা হলো এক বিস্ময়কর উপহার, যা একজন পরম করুণাময় ও প্রজ্ঞাবান ঈশ্বর আমাদের এই দেশকে দান করেছেন। ** '''''ফিলিস শ্লাফলি''''', রোজমেরি চকের "উইমেন অ্যান্ড দ্য ন্যাশনাল সিকিউরিটি ডিবেট"-এ উদ্ধৃত; ''বুলেটিন অফ দ্য অ্যাটমিক সায়েন্টিস্টস'' (আগস্ট/সেপ্টেম্বর ১৯৮২), পৃষ্ঠা ৪৬। * ওপেনহেইমারের তৈরি এই মরণঘাতী খেলনা থেকে আমি আমার ছোট্ট ছেলেটিকে কীভাবে রক্ষা করব? ** '''''[[:w:স্টিং (সংগীতশিল্পী)|স্টিং]]''''', [[w:রাশিয়ানস (গান)|"রাশিয়ানস"]], ''দ্য ড্রিম অফ দ্য ব্লু টার্টলস'' (১৯৮৫)। * এমন একমাত্র উসকানি কী হতে পারে যা পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহারের পথ প্রশস্ত করতে পারে? উত্তর হলো—পারমাণবিক অস্ত্র। পারমাণবিক অস্ত্রের প্রধান লক্ষ্যবস্তু কী? সেটিও হলো—পারমাণবিক অস্ত্র। পারমাণবিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে একমাত্র প্রতিষ্ঠিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কী? তাও হলো—পারমাণবিক অস্ত্র। আমরা কীভাবে পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার রোধ করি? অন্যকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুমকি দেওয়ার মাধ্যমে। আর আমরা কেন এই পারমাণবিক অস্ত্র থেকে মুক্তি পেতে পারছি না? কারণ সেই—পারমাণবিক অস্ত্র। এই যে এক অনড় ও জটিল অচলাবস্থা, তা আসলে এই মারণাস্ত্রগুলোর নিজস্ব চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যেরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। ** '''''[[:w:মার্টিন এমিস|মার্টিন এমিস]]''''', ''আইনস্টাইন'স মনস্টারস'' (১৯৮৭), "ইন্ট্রোডাকশন: থিঙ্কিবিলিটি"। * এই যে এক উন্মাদ অস্ত্র প্রতিযোগিতা, এটি মূলত পারমাণবিক অস্ত্রের সাথে আমাদের নিজেদের টিকে থাকার এক তীব্র লড়াই। ** '''''[[:w:মার্টিন এমিস|মার্টিন এমিস]]''''', ''আইনস্টাইন'স মনস্টারস'' (১৯৮৭), "ইন্ট্রোডাকশন: থিঙ্কিবিলিটি"। * পারমাণবিক অস্ত্রগুলো আদৌ একটি কার্যকর প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করেছে কি না, কিংবা এগুলো আজ কার্যকর আছে কি না অথবা ভবিষ্যতে থাকবে কি না—তা আমরা স্পষ্টভাবে জানি না। পারমাণবিক নীতিগুলো বছরের পর বছর ধরে এমন সব তথ্য এড়িয়ে বা সে সম্পর্কে অজ্ঞ থেকে তৈরি করা হয়েছে, যা মূলত এই নীতির অস্তিত্বের যৌক্তিকতাকে প্রমাণ করার জন্য সবচেয়ে জরুরি ছিল। ** '''''রবার্ট এল. হোমস''''', ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', "হোয়াট উই ডোন্ট নো অ্যাবাউট নিউক্লিয়ার পলিসি" (১৭ জানুয়ারি ১৯৮৮), পৃষ্ঠা ২৬। === ১৯৯০-এর দশক === * আমরা বিজ্ঞানীরা বড্ড চতুর—প্রয়োজনের চেয়েও অনেক বেশি চতুর—এতেও কি আপনারা সন্তুষ্ট নন? একটিমাত্র বোমায় চার বর্গমাইল এলাকা ছাই হয়ে যাওয়া কি যথেষ্ট নয়? মানুষ এখনো ভাবছে। শুধু আমাদের একবার বলুন, আপনারা এই মরণাস্ত্রটি আর কত বড় বা শক্তিশালী হিসেবে দেখতে চান! ** '''''[[:w:রিচার্ড ফাইনম্যান|রিচার্ড পি. ফাইনম্যান]]''''', জেমস গ্লিক-এর ''জিনিয়াস: দ্য লাইফ অ্যান্ড সায়েন্স অফ রিচার্ড ফাইনম্যান'' (১৯৯২), পৃষ্ঠা ২০৪। [[File:Nagasakibomb.jpg|thumb|জেডওজি (ZOG) থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার দিয়ে ইসরায়েলকে ধ্বংস করো। ~ ফিলিপ ল্যামি]] * যখন শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী সারভাইভালিস্টরা জেডওজি-র (জায়নবাদী দখলদার সরকার, যা ওয়াশিংটন শাসন করে) বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ শুরু করবে... এবং জেডওজি-র থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সেই পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার ব্যবহার করে ইসরায়েলকে চিরতরে ধ্বংস করে দেবে। ** ফিলিপ ল্যামি, ''মিলেনিয়াম রেজ: সারভাইভালিস্টস, হোয়াইট সুপ্রিমেসিস্টস, অ্যান্ড দ্য ডুমসডে প্রফেসি'' (১৯৯৬)। === ২০০০-এর দশক === [[File:Nuclear reactor in dimona (israel).jpg|thumb|আরব এবং মুসলিমরা কীভাবে তথাকথিত ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে পারে যখন তার কাছে পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার রয়েছে? এটি অসম্ভব, যদি না তারা নিজেরাও নিজস্ব পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার রাখার অধিকার ভোগ করে।<br>~ মুয়াম্মার গাদ্দাফি]] * যেকোনো সামরিক কমান্ডার, যিনি নিজের বা অন্যের কাছে সৎ, তিনি অবশ্যই স্বীকার করবেন যে সামরিক শক্তির প্রয়োগে তিনি অতীতে ভুল করেছেন। ভুলবশত বা বিচারের ত্রুটির কারণে তিনি অপ্রয়োজনীয়ভাবে মানুষ হত্যা করেছেন—তা হতে পারে তার নিজের সৈন্য কিংবা প্রতিপক্ষের। সংখ্যাটি একশ, হাজার, দশ হাজার এমনকি এক লাখও হতে পারে। কিন্তু... তিনি কখনো আস্ত কোনো জাতিকে ধ্বংস করে দেননি। প্রচলিত প্রজ্ঞা বলে, 'একই ভুল দুবার করো না, নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নাও'। এবং আমরা সবাই তাই করি। হয়তো আমরা একই ভুল তিনবার করি, তবে আশা করি চার বা পাঁচবার নয়। কিন্তু পারমাণবিক অস্ত্রের ক্ষেত্রে 'শিক্ষা নেওয়ার কোনো সুযোগ' বা সময় থাকবে না। আপনি একটিমাত্র ভুল করবেন এবং তার পরিণামে আপনি পুরো একটি জাতিকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেবেন। ** '''''[[:w:রবার্ট ম্যাকনামারা|রবার্ট ম্যাকনামারা]]''''', ''[[:w:দ্য ফগ অফ ওয়ার|দ্য ফগ অফ ওয়ার]]'' (২০০৩) তথ্যচিত্রে। * আজ ৭,৫০০টি কৌশলগত আক্রমণাত্মক পারমাণবিক ওয়ারহেড থাকা কি সঠিক ও সংগত, যার মধ্যে ২,৫০০টি মাত্র ১৫ মিনিটের সতর্কবার্তায় (Alert) উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে—যা কেবল একজন মানুষের একক সিদ্ধান্তে কার্যকর হতে পারে? ** '''''[[:w:রবার্ট ম্যাকনামারা|রবার্ট ম্যাকনামারা]]''''', ''[[:w:দ্য ফগ অফ ওয়ার|দ্য ফগ অফ ওয়ার]]'' (২০০৩)। * সেখানে রয়েছে [[:w:ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি|ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি]] এবং ইসরায়েলের কাছে থাকা ব্যাপক ধ্বংসক্ষমতাসম্পন্ন অস্ত্রভাণ্ডার; অথচ কেউ এই বিষয়টি উত্থাপন করে না, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক। আরব এবং মুসলিমরা কীভাবে তথাকথিত ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে পারে যখন তারা বিশাল পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক? এটি অসম্ভব, যদি না তারা নিজেরাও নিজস্ব পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার রাখার অধিকার ভোগ করে। এছাড়া সেখানে [[:w:১৯৪৮ ফিলিস্তিনি বহিষ্কার|উদ্বাস্তু সমস্যা]] রয়েছে; প্রায় ৪০ লক্ষ ফিলিস্তিনি রয়েছে যাদের সসম্মানে ফিরে আসা উচিত—মূলত এটিই হলো সমস্ত সমস্যার মূল ভিত্তি। ** '''''[[:w:মুয়াম্মার গাদ্দাফি|মুয়াম্মার গাদ্দাফি]]''''', [https://www.youtube.com/watch?v=ODzOdV7BFuk টক টু আল-জাজিরা] (২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৯), আল-জাজিরা। === ২০১০-এর দশক === * পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশগুলো শাসনের অধিকার কেবল সেইসব মায়েদের দেওয়া উচিত—যারা এখনো তাদের সন্তানদের হৃদয়ে আগ্লে রেখে লালন-পালন করছেন। ** '''''[[:w:সুতোমু ইয়ামাগুচি|সুতোমু ইয়ামাগুচি]]''''', যিনি হিরোশিমার পারমাণবিক বিস্ফোরণের সময় সেখানে ছিলেন এবং বেঁচে ফেরেন; এরপর নাগাসাকিতে চলে যাওয়ার পর সেখানেও দ্বিতীয় পারমাণবিক বিস্ফোরণ থেকে অবিশ্বাস্যভাবে বেঁচে যান এবং ২০১০ সাল পর্যন্ত দীর্ঘজীবী হন। সূত্র: [[:w:স্টিভেন পিঙ্কার|স্টিভেন পিঙ্কার]], ''[[:w:দ্য বেটার অ্যাঞ্জেলস অফ আওয়ার নেচার|দ্য বেটার অ্যাঞ্জেলস অফ আওয়ার নেচার: হোয়াই ভায়োলেন্স হ্যাজ ডিক্লাইন্ড]]'' (নিউ ইয়র্ক: ভাইকিং, ২০১১), পৃষ্ঠা ৬৮৪। * রাষ্ট্রপতি এবং জেনারেলরা হয়তো পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানের জটিল সমীকরণগুলো পুরোপুরি বুঝতে পারেন না, কিন্তু পারমাণবিক বোমা বাস্তবে ঠিক কী করতে সক্ষম—সে সম্পর্কে তাদের অত্যন্ত স্বচ্ছ ও গভীর ধারণা রয়েছে। ** '''''[[:w:ইউভাল নোয়াহ হারারি|ইউভাল নোয়াহ হারারি]]''''', ''স্যাপিয়েন্স: আ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ হিউম্যানকাইন্ড'' (২০১১), অধ্যায় ১৪: "দ্য ডিসকভারি অফ ইগনোরেন্স"। === ২০২০-এর দশক === * আমরা পরীক্ষা (পারমাণবিক পরীক্ষা) চালাব কারণ এখন অন্য দেশগুলোও পরীক্ষা চালাচ্ছে এবং নিশ্চিতভাবেই [[:w:উত্তর কোরিয়া|উত্তর কোরিয়া]] পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে... পাকিস্তানও পরীক্ষা চালাচ্ছে... তারা আপনাকে এসব কথা জানাবে না... তারা মাটির অনেক গভীরে এসব পরীক্ষা করে থাকে। মানুষজন আসলে সঠিকভাবে জানে না সেই পরীক্ষার সময় সেখানে ঠিক কী ঘটছে... তারা কেবল সামান্য একটু কম্পন অনুভব করতে পারে। ** '''''[[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]''''', ২০২৫; [https://archive.ph/8qn0e পাকিস্তান টেস্টিং নিউক্লিয়ার ওয়েপনস: ম্যাসিভ রেভেলেশন বাই ডোনাল্ড ট্রাম্প]-এ বর্ণিত। == আরও দেখুন == * [[পারমাণবিক যুদ্ধ|পারমাণবিক যুদ্ধ]] - উইকিউক্তি * [[:w:যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন|যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন]] * [[:w:হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমাবর্ষণ|হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমাবর্ষণ]] * [[:w:সামরিক শাসন|সামরিক শাসন]] * [[:w:ন্যাটো|ন্যাটো]] * [[:w:পারমাণবিক যুদ্ধ|পারমাণবিক যুদ্ধ]] - উইকিপিডিয়া == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[বিষয়শ্রেণী:গণবিধ্বংসী অস্ত্র]] [[বিষয়শ্রেণী:পারমাণবিক অস্ত্র]] [[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধ]] p0crif2ep3orxam9sdx8mo6c2wdsf15 78880 78871 2026-04-20T10:28:51Z Oindrojalik Watch 4169 78880 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[চিত্র:Bulava SLBM launched by Yuri Dolgoruky submarine.jpg|thumb|পারমাণবিক অস্ত্র: এমন এক মাধ্যম যা অতি সভ্য জাতিগুলো সেইসব বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য জমিয়ে রাখে, যা মীমাংসা না করলে ঝামেলার কারণ হতে পারত। দুর্ভাগ্যবশত, অনেক প্রাক্তন অসভ্য জাতিও এখন সভ্য হয়ে উঠছে। </br> —'''''লিওনার্ড রসিটার''''']] '''[[:w:পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক অস্ত্র]]''' হলো এমন এক বিস্ফোরক যন্ত্র যা পারমাণবিক বিক্রিয়া (নিউক্লিয়ার ফিশন, ফিশন এবং ফিউশনের সংমিশ্রণ) থেকে ধ্বংসাত্মক শক্তি উৎপাদন করে। উভয় বিক্রিয়াই অতি সামান্য পরিমাণ পদার্থ থেকে বিশাল পরিমাণে শক্তি নির্গত করে। == উক্তি == === পূর্বাভাস === * মানুষ বিজ্ঞানের ওপর চড়ে বসেছে এবং বিজ্ঞান এখন তাকে নিয়ে উধাও হয়ে গেছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে আরও কয়েক শতাব্দী যাওয়ার আগেই বিজ্ঞান মানুষের মালিকে পরিণত হবে। মানুষ যেসব ইঞ্জিন আবিষ্কার করবে, তা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা তার থাকবে না। কোনো একদিন বিজ্ঞান হয়তো পুরো মানবজাতির অস্তিত্বকে নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে নেবে এবং মানুষ পৃথিবী উড়িয়ে দিয়ে নিজেরাই আত্মহত্যা করে ফেলবে! ** '''''[[:w:হেনরি অ্যাডামস|হেনরি অ্যাডামস]]''''', চার্লস ফ্রান্সিস অ্যাডামস জুনিয়রকে লেখা চিঠি (লন্ডন, ১১ এপ্রিল, ১৮৬২) * একবার নিক্ষেপ করার পর, সেই বোমাটির শক্তি নিঃশেষ না হওয়া পর্যন্ত সেটি ছিল সম্পূর্ণ অদম্য শক্তি এবং অনিয়ন্ত্রিত দাবানল! এর ওপর দিয়ে ফেটে চৌচির হয়ে যাওয়া গহ্বর থেকে জ্বলন্ত লাভা-বাষ্প, শিলা আর মাটির টুকরো চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছিল। এটিই ছিল সামরিক বিজ্ঞানের সেই মুকুটহীন বিজয়! এটিই চূড়ান্ত বিস্ফোরক—যা যুদ্ধে এক নির্ণায়ক ছোঁয়া দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল...। ** '''''[[:w:এইচ. জি. ওয়েলস|এইচ. জি. ওয়েলস]]''''', [[w:The World Set Free|''দ্য ওয়ার্ল্ড সেট ফ্রি'']] (১৯১৪), অধ্যায় ২, অনুচ্ছেদ ৪ * এমন কি কোনো শক্তিশালী বিস্ফোরক শক্তি ব্যবহারের গূঢ় পদ্ধতি থাকা কি সম্ভব নয় যা এযাবৎকালের আবিষ্কৃত যেকোনো কিছুর চেয়ে অতুলনীয়ভাবে তীব্র এবং ধ্বংসাত্মক হবে? একটি সাধারণ কমলালেবুর চেয়ে বড় নয় এমন একটি ক্ষুদ্র বোমা কি এমন কোনো গুপ্ত ক্ষমতার অধিকারী হতে পারে না যা মুহূর্তের মধ্যে একটি আস্ত দালান, না কি হাজার টন কর্ডাইটের শক্তিকে একীভূত করে এক নিমেষেই একটি জনপদকে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে পারে? বর্তমান সময়ের বিস্ফোরকগুলোকেও কি বেতার তরঙ্গ বা অন্য কোনো অদৃশ্য রশ্মির মাধ্যমে চালকহীন বিমানে করে শত্রুর শহর, অস্ত্রাগার, সামরিক ক্যাম্প কিংবা ডকইয়ার্ডে এক অবিরাম মিছিলের মতো বর্ষণ করা সম্ভব নয়? ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', "শ্যাল উই অল কমিট সুইসাইড?", ''পল মল'' (সেপ্টেম্বর ১৯২৪)। ''থটস অ্যান্ড অ্যাডভেঞ্চারস'' (১৯৩২), পৃষ্ঠা ২৫০। === ১৯৩০-এর দশক === * এনরিকো ফের্মি এবং লিও সিলার্ডের সাম্প্রতিক কিছু গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা, যা পাণ্ডুলিপি আকারে আমার হস্তগত হয়েছে, আমাকে এই দৃঢ় বিশ্বাস জোগাচ্ছে যে নিকট ভবিষ্যতে ইউরেনিয়াম নামক উপাদানটি শক্তির এক অভিনব এবং অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ উৎসে পরিণত হতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতির কিছু জটিল দিক অত্যন্ত সজাগ নজরদারি এবং প্রয়োজনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতি দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি রাখে। এই নতুন বৈজ্ঞানিক ঘটনাটি অত্যন্ত শক্তিশালী বোমা তৈরির পথেও আলোকপাত করতে পারে এবং এটি অত্যন্ত বাস্তবসম্মত। যদিও কিছুটা অনিশ্চিত যে এভাবে এক নতুন ধরণের অতি-শক্তিশালী বোমা তৈরি করা সম্ভব। এই ধরণের একটিমাত্র শক্তিশালী বোমা, যা কোনো নৌযান বা নৌকায় করে নিয়ে গিয়ে কোনো সামুদ্রিক বন্দরে বিস্ফোরণ ঘটানো হলে, তা মুহূর্তেই পুরো বন্দর এবং তার পার্শ্ববর্তী বিস্তীর্ণ অঞ্চলকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। তবে, এই ধরণের বোমা আকাশপথে বা বিমানে পরিবহনের জন্য ওজনে অত্যন্ত ভারী বলে প্রমাণিত হতে পারে। ** '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''', প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের কাছে লেখা চিঠি (২ আগস্ট ১৯৩৯, যা ১১ অক্টোবর ১৯৩৯-এ প্রদান করা হয়)। ''আইনস্টাইন অন পিস'', সম্পাদনা: অটো নাথান এবং হেইঞ্জ নর্ডেন (১৯৬০, ১৯৮১-তে পুনর্মুদ্রিত), পৃষ্ঠা ২৯৪–৯৫। === ১৯৪০-এর দশক === [[File:TrinityDetonation1945GIF.gif|thumb|এখন আমি এক ভয়ানক যম এবং মৃত্যুতে পরিণত হয়েছি, যে এই গোটা বিশ্বকে ধ্বংস করে দিতে পারে!]] [[File:Hiroshima aftermath.jpg|thumb|হে ঈশ্বর, আমরা একি করলাম!<br>—[[:w:রברת এ. লুইস|রবার্ট এ. লুইস]]]] * আমরা মনে মনে অনুভব করছিলাম যে এই মুহূর্তের পর পৃথিবী আর আগের মতো চিরচেনা থাকবে না। সেখানে উপস্থিত কতিপয় মানুষ উচ্চস্বরে হাসল, কতিপয় মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়ল। তবে অধিকাংশ মানুষই ছিল এক গভীর ও নিস্তব্ধ স্তব্ধতায় আচ্ছন্ন। আমার মানসপটে প্রাচীন হিন্দু ধর্মগ্রন্থ ''[[ভগবদ্গীতা]]''-র সেই অমোঘ লাইনটি বারবার ভেসে আসছিল। সেখানে ভগবান বিষ্ণু যখন রাজকুমার অর্জুনকে কর্তব্য পালনে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করছিলেন এবং তাকে নিজের মহিমা প্রদর্শনের জন্য বহুভুজ ও বিশ্বরূপ ধারণ করে বলেছিলেন, "এখন আমি এক ভয়ানক যম এবং মৃত্যুতে পরিণত হয়েছি, যে এই গোটা বিশ্বকে ধ্বংস করে দিতে পারে!" আমার ধারণা, কোনো না কোনোভাবে আমাদের সবার মনে তখন ঠিক এই চিন্তাটিই ঘুরপাক খাচ্ছিল। ** '''''[[:w:জে. রবার্ট ওপেনহেইমার|জে. রবার্ট ওপেনহেইমার]]''''', প্রথম পারমাণবিক ডিভাইসের প্রলয়ংকরী বিস্ফোরণ মুহূর্তের স্মৃতিচারণ। ''[https://www.youtube.com/watch?v=-JWxIVVeV98 দ্য ডিসিশন টু ড্রপ দ্য বোম্ব''] (১৯৬৫ এনবিসি নিউজ প্রোগ্রাম)। * এখন আমরা সবাই একেকজন নরক কীট বা এক জঘন্য পাপী সন্তানে পরিণত হলাম। ** '''''কেনেথ বেইনব্রিজ''''', আলামোগোর্ডোতে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বোমা পরীক্ষার প্রলয়ংকরী বিস্ফোরণের পরপরই রবার্ট ওপেনহেইমারকে উদ্দেশ্য করে করা তাৎক্ষণিক মন্তব্য, ল্যান্সিং ল্যামন্টের ''ডে অফ ট্রিনিটি'' (১৯৬৬), পৃষ্ঠা ২৪২। * হে করুণাময় ঈশ্বর, আমাদের হাতের মাধ্যমে আজ একি প্রলয়ংকরী ঘটনা ঘটে গেল? আমরা একি করলাম! ** '''''[[:w:রবার্ট এ. লুইস|রবার্ট এ. লুইস]]''''', হিরোশিমায় বোমা নিক্ষেপকারী ''এনোলা গের'' কো-পাইলট ও বিমান কমান্ডার (৬ আগস্ট ১৯৪৫)। * পারমাণবিক বোমার এই ভয়াবহ ব্যবহার এবং এর নিষ্ঠুরতা দিয়ে যেভাবে নির্বিচারে নিরপরাধ নারী ও শিশুদের হত্যা করা হয়েছে, তা আমার অন্তর ও আত্মাকে এক চরম বিদ্রোহের মুখে ঠেলে দিয়েছে। আজ আমি খুব মর্মাহত। ** '''''[[:w:হার্বার্ট হুভার|হার্বার্ট হুভার]]''''', কর্নেল জন ক্যালান ও’লাফলিনকে (আর্মি অ্যান্ড নেভি জার্নালের প্রকাশক) লেখা চিঠি (৮ আগস্ট ১৯৪৫), গার আলপেরোভিৎজের ''দ্য ডিসিশন টু ইউজ দ্য অ্যাটমিক বোম্ব'' (১৯৬৬), পৃষ্ঠা ৪৫৯। "ও’লাফলিন করেসপন্ডেন্স ফাইল, বক্স ১৭১, পোস্ট-প্রেসিডেন্সিয়াল পেপারস, হার্বার্ট হুভার প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরি"। * আমেরিকান, ইংরেজ এবং ফরাসি সংবাদপত্রগুলো আজ পারমাণবিক বোমার ধ্বংসক্ষমতা নিয়ে অত্যন্ত মার্জিত ও তাত্ত্বিক গবেষণামূলক প্রবন্ধ উগরে দিচ্ছে। আমরা এই পুরো বিষয়টিকে একটিমাত্র তীক্ষ্ণ বাক্যে সারসংক্ষেপ করতে পারি। বর্তমানের এই যান্ত্রিক সভ্যতা সম্ভবত সবেমাত্র আদিম বর্বরতার চূড়ান্ত ও নিষ্ঠুরতম পর্যায়টি সফলভাবে অর্জন করতে পেরেছে। ** '''''[[:w:আলবেয়ার কামু|আলবেয়ার কামু]]''''', ''কমব্যাট'' (৮ আগস্ট ১৯৪৫)। নিকোলাস হামফ্রে ও রবার্ট জে লিফটনের ''ইন আ ডার্ক টাইম'' (১৯৮৪), পৃষ্ঠা ২৭। * আজ 'পারমাণবিক বোমা' নিয়ে আসা সংবাদগুলো এতটাই ভয়াবহ যে যেকোনো মানুষ এটি শুনে স্তম্ভিত হয়ে যেতে বাধ্য। যুদ্ধের প্রয়োজনে এই ধরণের ধ্বংসাত্মক কাজে নিজেদের সম্মতি দেওয়া এই উন্মাদ পদার্থবিদদের চরম নির্বুদ্ধিতারই নামান্তর। তারা কি তবে শান্ত মস্তিস্কে এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের বিনাশের নীল নকশা তৈরি করেনি? মানুষের নৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক মান যখন ক্রমাগত নিম্নমুখী হচ্ছে, তখন তাদের হাতে এমন এক বিধ্বংসী বিস্ফোরক তুলে দেওয়া আর কোনো কারাগারের সকল কয়েদিদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দিয়ে "ইহা শান্তি পয়গাম করিবে" বলে আশা করা একই কথা। তবে যদি সংবাদপত্রের এই লেখাগুলো অতিরঞ্জিত না হয়, তবে আমি মনে করি এর থেকে একটি ভালো দিক বেরিয়ে আসতে পারে। সম্ভবত এবার [[জাপান]] নতি স্বীকার করবে। শেষ পর্যন্ত আমরা সবাই ঈশ্বরের হাতেই নিরাপদ। কিন্তু মনে রাখা প্রয়োজন, "ঈশ্বর কখনোই 'বাবেল টাওয়ার' নির্মাণকারীদের (অহংকারী স্রষ্টাদের) সুনজরে দেখেন না।" ** '''''[[:w:জে. আর. আর. টলকিন|জে. আর. আর. টলকিন]]''''', তার পুত্র [[:w:ক্রিস্টোফার টলকিন|ক্রিস্টোফারকে]] লেখা একটি চিঠি থেকে (৯ আগস্ট ১৯৪৫); ''[[:w:দ্য লেটারস অফ জে. আর. আর. টলকিন|দ্য লেটারস অফ জে. আর. আর. টলকিন]]'' (১৯৮১)। * কেউ কি কল্পনা করতে পারে যে এই 'পারমাণবিক বোমা' কখনো কোনো "মহৎ উদ্দেশ্যে" ব্যবহৃত হতে পারে? এই ধরণের ভয়াবহ মাধ্যম কি তাৎক্ষণিকভাবে যেকোনো মহৎ উদ্দেশ্যকে কলুষিত করে দেয় না? এই বোমা মূলত আমাদের তৈরি করা সমাজেরই এক স্বাভাবিক ও অনিবার্য ফসল। এটি আমেরিকান জীবনধারার ঠিক ততটাই সাবলীল, স্বাভাবিক এবং স্বতঃস্ফূর্ত বহিঃপ্রকাশ, যতটা তাদের ইলেকট্রিক রেফ্রিজারেটর, ব্যানানা স্প্লিট কিংবা অটোমোবাইল গাড়িগুলো। ** '''''ডোয়াইট ম্যাকডোনাল্ড''''', ''পলিটিক্স'' ম্যাগাজিন (আগস্ট ১৯৪৫)। * এই পারমাণবিক বোমা হলো এক ভয়ংকর ক্রোধের রূপ ধরে ঈশ্বরের 'দ্বিতীয় আগমন' বা 'সেকেন্ড কামিং'! ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', [[:w:ট্রিনিটি টেস্ট|ট্রিনিটি টেস্টের]] খবর শুনে করা মন্তব্য; ''দ্য আটলান্টিক'' (মার্চ ১৯৫৭), পৃষ্ঠা (অপ্রকাশিত/সংগৃহীত)। * পারমাণবিক শক্তির এই উন্মোচন আসলে নতুন কোনো সমস্যার সৃষ্টি করেনি। এটি কেবল একটি বিদ্যমান দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানের আবশ্যকতাকে আরও বেশি জরুরি ও অনিবার্য করে তুলেছে। ** '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''', রেমন্ড সুইং এর কাছে দেওয়া বক্তব্য (১ অক্টোবর ১৯৪৫-এর পূর্বে); ''আইনস্টাইন অন পলিটিক্স'' (২০০৭), পৃষ্ঠা ৩৭৩। * আজ এই পারমাণবিক বোমা আমাদের চেনা জগতের স্বরূপকে আমূল বদলে দিয়েছে এবং ফলস্বরূপ মানবজাতি নিজেকে এক নতুন পরিবেশে আবিষ্কার করেছে, যেখানে টিকে থাকতে হলে তাকে অবশ্যই তার চিন্তাচেতনার পরিবর্তন ঘটিয়ে নতুন পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। ** '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''', "অনলি দেন শ্যাল উই ফাইন্ড কারেজ", ''নিউ ইয়র্ক টাইমস ম্যাগাজিন'' (২৩ জুন ১৯৪৬)। * নির্বিচারে অগণিত পুরুষ, নারী ও শিশুকে পাইকারি হারে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে পারমাণবিক বোমার এই ব্যবহারকে আমি বিজ্ঞানের ইতিহাসের সবচেয়ে পৈশাচিক ও দানবীয় প্রয়োগ হিসেবেই গণ্য করি। ** '''''[[:w:মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা গান্ধী]]''''', ''[[:w:হরিজন (ম্যাগাজিন)|হরিজন]]'' ম্যাগাজিন (২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬); ইতি আব্রাহামের ''দ্য মেকিং অফ দ্য ইন্ডিয়ান অ্যাটমিক বোম্ব'' (১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৩০। * যে সকল বিজ্ঞানীরা পারমাণবিক বোমা তৈরির কাজে নিয়োজিত ছিলেন, তাদের অভিজ্ঞতা এই ইঙ্গিতই দেয় যে—এই ধরণের যেকোনো গবেষণার শেষে একজন বিজ্ঞানী এমন একদল মানুষের হাতে অসীম ক্ষমতা তুলে দেন, যাদের ওপর তিনি বিন্দুমাত্র বিশ্বাস রাখতেও কুণ্ঠাবোধ করেন। ** '''''নরবার্ট উইনার''''', নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপণাস্ত্র সংক্রান্ত তথ্যের অনুরোধের প্রেক্ষিতে উত্তর। ''দ্য আটলান্টিক মান্থলি'' (ডিসেম্বর ১৯৪৬)। * আমি যতটুকু বুঝতে পারছি, এই পারমাণবিক বোমা মানবজাতির সেই সূক্ষ্ম ও পবিত্র অনুভূতিগুলোকে চিরতরে অসাড় করে দিয়েছে যা যুগ যুগ ধরে এই সভ্যতাকে টিকিয়ে রেখেছিল। ** '''''[[:w:মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা গান্ধী]]''''' (১৯৪৬); উইলিয়াম বোরম্যানের ''গান্ধী অ্যান্ড নন-ভায়োলেন্স'' (১৯৮৬), পৃষ্ঠা ১৭০। * এক প্রকার স্থূল অর্থে যাকে কোনো কুরুচিপূর্ণ রসিকতা বা অতিরঞ্জিত বর্ণনা দিয়ে মুছে ফেলা সম্ভব নয়। এই আধুনিক পদার্থবিদরা যেন আজ পাপের দেখা পেয়েছেন এবং এটি এমন এক গভীর জ্ঞান যা তারা আর কখনোই ভুলে যেতে পারবেন না। ** '''''[[:w:জে. রবার্ট ওপেনহেইমার|জে. রবার্ট ওপেনহেইমার]]''''', [[:w:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি|ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে]] প্রদত্ত বক্তৃতা (২৫ নভেম্বর ১৯৪৭); ''দ্য ওপেন মাইন্ড'' (১৯৫৫), অধ্যায় ৫। === ১৯৫০-এর দশক === * বাষ্পীয় ইঞ্জিনের আবিষ্কারের পর বিজ্ঞানের এই যে জয়যাত্রা, তাতে মানবজাতি আদৌ লাভবান হয়েছে কি না তা নিয়ে যথেষ্ট তর্কের অবকাশ রয়েছে। বিদ্যুৎ হয়তো অগণিত মানুষের জন্য অসীম সুযোগ-সুবিধার দ্বার উন্মোচন করেছে, কিন্তু এর বিনিময়ে তাদের অনেক চড়া মূল্য দিতে হতে পারে। ব্যক্তিগতভাবে আমার চিন্তাচেতনা সেই অন্তর্দহন ইঞ্জিন বা '''Internal combustion engine''' এর পূর্বেই থমকে যায়। যা এই বিশ্বকে অনেক ছোট ও সংকুচিত করে ফেলেছে। তথাকথিত বর্বর যুগের পূর্বপুরুষদের তুলনায় বর্তমানের এই আধুনিক মানুষের প্রকৃতি খুব একটা উন্নত নয়। এমতাবস্থায় তাদের হাতে পারমাণবিক বোমার মতো ভয়ানক শক্তির উৎস তুলে দেওয়ার পরিণাম নিয়ে আমাদের শঙ্কিত হওয়া উচিত। বিজ্ঞানের এই কৃত্রিম যান্ত্রিকতার চেয়ে আমার কাছে ঘোড়াই অনেক বেশি শ্রেয়। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', [[:w:রয়্যাল কলেজ অফ সার্জনস|রয়্যাল কলেজ অফ সার্জনস]], প্রদত্ত ভাষণ (১০ জুলাই ১৯৫১)। ''স্টেমলিং দ্য টাইড'' (১৯৫৩), পৃষ্ঠা ৯১। * সবকিছুর ঊর্ধ্বে একটি বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে, যতক্ষণ না আপনি নিশ্চিত এবং শতভাগ নিশ্চিত হচ্ছেন যে শান্তি রক্ষার বিকল্প কোনো মাধ্যম আপনার আয়ত্তে রয়েছে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পারমাণবিক অস্ত্র নিজের হাতছাড়া করবেন না। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', মার্কিন কংগ্রেসে দেওয়া শেষ ভাষণ (১৭ জানুয়ারি ১৯৫২); ''দ্য ওয়ার দ্যাট মাস্ট নেভার বি ফাউট: ডিলেমাস অফ নিউক্লিয়ার ডিটারেন্স'' (২০১৫)। * আজ আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় বিপদ ভৌত বিজ্ঞানের তৈরি করা সেই পারমাণবিক বোমাটি নয়, যা বিমানে করে বয়ে নিয়ে হাজার হাজার মানুষের মাথার ওপর ফেলে দেওয়া যায়! যদিও সেটিও যথেষ্ট বিপজ্জনক। বরং বর্তমান সভ্যতার জন্য আসল হুমকি হলো সেই পারমাণবিক বোমা যা প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে এবং আত্মায় সুপ্ত অবস্থায় রয়েছে। যা যেকোনো মুহূর্তে জঘন্যতম ঘৃণা এবং ক্ষতিকর স্বার্থপরতার বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম। আমাদের আজকের প্রকৃত ভয়ের কারণ হওয়া উচিত মানুষের মনের ভেতরে থাকা এই বিধ্বংসী প্রবৃত্তি। আমাদের সমস্যার মূল ভিত্তি লুকিয়ে আছে মানুষের হৃদয়ের গহীনে ও তার আত্মার কলুষতায়। ** '''''[[:w:মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র|মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]]''''', "রিডিসকভারিং লস্ট ভ্যালুস", ডেট্রয়েটের [[:w:সেকেন্ড ব্যাপটিস্ট চার্চ (ডেট্রয়েট, মিশিগান)|সেকেন্ড ব্যাপটিস্ট চার্চ]]-এ প্রদত্ত খুতবা (২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪)। * এডেন উদ্যানের সেই দেবদূতের তলোয়ার থেকে নির্গত অগ্নিশিখা আজ যেন রূপান্তরিত হয়ে পারমাণবিক বোমায় পরিণত হয়েছে। ঈশ্বরের বজ্র আজ ভোঁতা হয়ে গেছে, আর তাই মানুষের তৈরি সেই বজ্র আজ এক ধ্বংসাত্মক 'ইস্পাত নক্ষত্র' রূপে আবির্ভূত হয়েছে। ** '''''শন ও’কেসি''''', ''সানসেট অ্যান্ড ইভনিং স্টার'' (১৯৫৪)। * সোজা কথায় বলতে গেলে, [[যুক্তরাজ্য|ব্রিটেন]] যেহেতু বিশ্বকে জানিয়ে দিয়েছে যে তার কাছে হাইড্রোজেন বোমা রয়েছে, তাই তার উচিত যত দ্রুত সম্ভব ঘোষণা করা যে তারা এই মরণাস্ত্রের ব্যবহার চিরতরে ত্যাগ করেছে এবং তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে পারমাণবিক যুদ্ধ প্রত্যাখ্যান করার প্রস্তাব দিচ্ছে। এটি কোনো নিছক শান্তিবাদ নয়। আমি এই দ্বীপরাষ্ট্রের তাৎক্ষণিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিত্যাগ করার পরামর্শ দিচ্ছি না। বরং যা পরিত্যাগ করা উচিত তা হলো 'প্রতিশোধের হুমকির মাধ্যমে ভয় দেখানো' বা ডিটারেন্সের ধারণা। এর মধ্যে প্রকৃত কোনো নিরাপত্তা নেই, কোনো অশ্লীলতা নেই, নেই কোনো অন্ধ বিশ্বাস, আশা কিংবা মানবিক করুণার লেশমাত্র। ** '''''[[:w:জে. বি. প্রিস্টলি|জে. বি. প্রিস্টলি]]''''', "ব্রিটেন অ্যান্ড দ্য নিউক্লিয়ার বোম্বস", ''দ্য নিউ স্টেটসম্যান'' (২ নভেম্বর ১৯৫৭)। * আমি সম্প্রতি আমেরিকান পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানী ডব্লিউ. ডেভিডসনের একটি মন্তব্য পড়ার সুযোগ পেয়েছি। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, মাত্র একটি হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণ থেকে নির্গত শক্তির পরিমাণ মানবজাতির সমগ্র ইতিহাসের সকল যুদ্ধে সকল দেশের দ্বারা ঘটানো সমস্ত বিস্ফোরণের সম্মিলিত শক্তির চেয়েও বহুগুণ বেশি এবং দৃশ্যত, তার এই পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত সঠিক ও নিদারুণ বাস্তব। ** '''''[[:w:নিকিতা ক্রুশ্চেভ|নিকিতা ক্রুশ্চেভ]]''''', নিউ ইয়র্ক সিটিতে জাতিসংঘে প্রদত্ত ভাষণ (১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৫৯); ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৫৯), পৃষ্ঠা ৮। উদ্ধৃত পদার্থবিজ্ঞানী মূলত আর্গন ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির সহযোগী পদার্থবিজ্ঞানী উইলিয়াম ডেভিডন ছিলেন বলে পরবর্তীকালে নিশ্চিত হওয়া গেছে। === ১৯৬০-এর দশক === [[File:Confusion of Tongues (89393754).jpg|thumb|আমরা বিজ্ঞানের ঈশ্বরের সামনে নতজানু হয়েছি কেবল এটি আবিষ্কার করার জন্য যে—সে আমাদের উপহার দিয়েছে পারমাণবিক বোমা; যা এমন ভয় ও উদ্বেগ তৈরি করেছে যা বিজ্ঞান কখনো প্রশমিত করতে পারবে না। ~ মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]] * আজ এই গ্রহের প্রতিটি বাসিন্দাকে সেই দিনটির কথা গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে যখন এই পৃথিবী হয়তো আর বসবাসের যোগ্য থাকবে না। প্রতিটি পুরুষ, নারী ও শিশু আজ পারমাণবিক ধ্বংসের এক 'ড্যামোক্লিসের তলোয়ারের' নিচে বসবাস করছে, যা অত্যন্ত সরু ও ক্ষীণ সুতোর ওপর ঝুলে আছে। দুর্ঘটনাবশত, ভুল হিসাব-নিকাশে কিংবা কোনো এক উন্মাদনার বশবর্তী হয়ে যেকোনো মুহূর্তে সেই সুতো ছিঁড়ে যেতে পারে। যুদ্ধের এই মরণাস্ত্রগুলো আমাদের নির্মূল করার আগেই আমাদের উচিত হবে এগুলোকে সমূলে নির্মূল করা। ** '''''[[:w:জন এফ. কেনেডি|জন এফ. কেনেডি]]''''', জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রদত্ত ভাষণ (২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬১)। [https://www.jfklibrary.org/archives/other-resources/john-f-kennedy-speeches/united-nations-19610925] * আমি আশা করি তোমার ছুটি খুব ভালো কেটেছে এবং সেই পুরোনো পারমাণবিক বোমা নিয়ে তুমি খুব একটা দুশ্চিন্তা করছ না। আমার মন বলছে এটি কখনোই ফেলা হবে না। যদি না কোনো দুর্ঘটনা ঘটে। এটি শুনতে হয়তো উদ্ধত মনে হতে পারে, তবে আমি সত্যিই বিশ্বাস করি যে মানুষ জাতি এতটাই নির্বোধ যে এই দুর্ঘটনাটি যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে। ** '''''জিন রিস''''', ১৯৬১ সালের একটি চিঠি; ফ্রান্সিস উইন্ডহাম এবং ডায়ানা মেলি সম্পাদিত ''দ্য লেটারস অফ জিন রিস'' (১৯৮৪)-এ সংগৃহীত। * আমরা অন্ধভাবে বিজ্ঞানের অসীম ক্ষমতার কাছে মাথা নত করেছি কেবল এটি দেখার জন্য যে, বিজ্ঞান আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে পারমাণবিক বোমার মতো ধ্বংসাত্মক মরণাস্ত্র। যা মানবমনে এমন এক গভীর ভীতি ও চরম উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে যা উপশম করার সাধ্য খোদ বিজ্ঞানেরও নেই। ** '''''[[:w:মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র|মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]]''''', ''স্ট্রেংথ টু লাভ'' (১৯৬৩)। * প্রতিটি জাতির কাছে একটি করে পারমাণবিক বোমা থাকা উচিত! ঠিক যেমন ফ্যাশন সচেতন প্রতিটি নারীর কাছে একটি দামি মিঙ্ক কোট থাকা প্রয়োজন। এমন চিন্তাটি অত্যন্ত জঘন্য ও শোচনীয়। ** '''''[[:w:ক্লেমেন্ট এটলি|ক্লেমেন্ট এটলি]]''''', এস. বিয়ারের ''মডার্ন ব্রিটিশ পলিটিক্স'' এবং স্টুয়ার্ট থম্পসনের ''দ্য ডিকশনারি অফ লেবার কোটেশনসে'' (২০১৩) উল্লিখিত। === ১৯৭০-এর দশক === * বিজ্ঞান যখন কেবল 'কীভাবে' কাজ করে তার বর্ণনা না দিয়ে বরং 'কেন' কাজ করে সেই প্রশ্নটি করতে শেখে, তখনই এটি নিছক প্রযুক্তির গণ্ডি ছাড়িয়ে প্রকৃত জ্ঞানে রূপান্তরিত হয়। যখন এটি 'কেন' প্রশ্নটি তোলে, তখন এটি '[[w:আপেক্ষিকতা_তত্ত্ব|আপেক্ষিকতা তত্ত্ব]]' আবিষ্কার করে। আর যখন এটি কেবল 'কীভাবে' সেটি দেখায়, তখন এটি পারমাণবিক বোমা উদ্ভাবন করে এবং এরপর নিজের চোখের ওপর হাত রেখে আক্ষেপ করে বলে—, "হে ঈশ্বর, আমি একি করলাম?" ** '''''[[:w:উরসুলা লে গুইন|উরসুলা লে গুইন]]''''', "দ্য স্টালিন ইন দ্য সোল", ''দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অফ দ্য নাইট'' (১৯৭৬)। === ১৯৮০-এর দশক === * পারমাণবিক অস্ত্র - এমন এক বিশেষ মাধ্যম যা কেবল অতি-সভ্য জাতিগুলোর ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত। যাতে তারা সেইসব বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে যেগুলো অমীমাংসিত থাকলে ভবিষ্যতে বড় রকমের ঝামেলার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারত। তবে দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, ইদানীং অতীতে অসভ্য হিসেবে পরিচিত অনেক জাতিই বড় বেশি 'সভ্য' হয়ে উঠছে। ** '''''[[:w:লিওনার্ড রসিটার|লিওনার্ড রসিটার]]''''', ''দ্য ডেভিল'স বেডসাইড বুক'' (১৯৮০)। * পারমাণবিক বোমা হলো এক বিস্ময়কর উপহার, যা একজন পরম করুণাময় ও প্রজ্ঞাবান ঈশ্বর আমাদের এই দেশকে দান করেছেন। ** '''''ফিলিস শ্লাফলি''''', রোজমেরি চকের "উইমেন অ্যান্ড দ্য ন্যাশনাল সিকিউরিটি ডিবেট" এ উদ্ধৃত; ''বুলেটিন অফ দ্য অ্যাটমিক সায়েন্টিস্টস'' (আগস্ট/সেপ্টেম্বর ১৯৮২), পৃষ্ঠা ৪৬। * [[w:জে._রবার্ট_অপেনহাইমার|ওপেন হেইমারের]] তৈরি এই মরণঘাতী খেলনা থেকে আমি আমার ছোট্ট ছেলেটিকে কীভাবে রক্ষা করব? ** '''''[[:w:স্টিং (সংগীতশিল্পী)|স্টিং]]''''', [[w:রাশিয়ানস (গান)|"রাশিয়ানস"]], ''দ্য ড্রিম অফ দ্য ব্লু টার্টলস'' (১৯৮৫)। * এমন একমাত্র উসকানি কী হতে পারে যা পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহারের পথ প্রশস্ত করতে পারে? উত্তর হলো 'পারমাণবিক অস্ত্র'। পারমাণবিক অস্ত্রের প্রধান লক্ষ্যবস্তু কী? সেটিও হলো পারমাণবিক অস্ত্র। পারমাণবিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে একমাত্র প্রতিষ্ঠিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কী? তাও হলো পারমাণবিক অস্ত্র! আমরা কীভাবে পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার রোধ করি? অন্যকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুমকি দেওয়ার মাধ্যমে। আর আমরা কেন এই পারমাণবিক অস্ত্র থেকে মুক্তি পেতে পারছি না? কারণ হলো সেই একই পারমাণবিক বোমা! এই যে এক অনড় ও জটিল অচলাবস্থা, তা আসলে এই মারণাস্ত্রগুলোর নিজস্ব চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যেরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। ** '''''[[:w:মার্টিন এমিস|মার্টিন এমিস]]''''', ''আইনস্টাইন'স মনস্টারস'' (১৯৮৭), "ইন্ট্রোডাকশন: থিঙ্কিবিলিটি"। * এই যে এক উন্মাদ অস্ত্র প্রতিযোগিতা, এটি মূলত পারমাণবিক অস্ত্রের সাথে আমাদের নিজেদের টিকে থাকার এক তীব্র লড়াই। ** '''''[[:w:মার্টিন এমিস|মার্টিন এমিস]]''''', ''আইনস্টাইন'স মনস্টারস'' (১৯৮৭), "ইন্ট্রোডাকশন: থিঙ্কিবিলিটি"। * পারমাণবিক অস্ত্রগুলো আদৌ একটি কার্যকর প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করেছে কি না, কিংবা এগুলো আজ কার্যকর আছে কি না অথবা ভবিষ্যতে থাকবে কি না, তা আমরা স্পষ্টভাবে জানি না। পারমাণবিক নীতিগুলো বছরের পর বছর ধরে এমন সব তথ্য এড়িয়ে বা সে সম্পর্কে অজ্ঞ থেকে তৈরি করা হয়েছে, যা মূলত এই নীতির অস্তিত্বের যৌক্তিকতাকে প্রমাণ করার জন্য সবচেয়ে জরুরি ছিল। ** '''''রবার্ট এল. হোমস''''', ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', "হোয়াট উই ডোন্ট নো অ্যাবাউট নিউক্লিয়ার পলিসি" (১৭ জানুয়ারি ১৯৮৮), পৃষ্ঠা ২৬। === ১৯৯০-এর দশক === * আমরা বিজ্ঞানীরা বড্ড চতুর! প্রয়োজনের চেয়েও অনেক বেশি চতুর, এতেও কি আপনারা সন্তুষ্ট নন? একটিমাত্র বোমায় চার বর্গমাইল এলাকা ছাই হয়ে যাওয়া কি যথেষ্ট নয়? মানুষ এখনো ভাবছে। শুধু আমাদের একবার বলুন, আপনারা এই মরণাস্ত্রটি আর কত বড় বা শক্তিশালী হিসেবে দেখতে চান! ** '''''[[:w:রিচার্ড ফাইনম্যান|রিচার্ড পি. ফাইনম্যান]]''''', জেমস গ্লিক-এর ''জিনিয়াস: দ্য লাইফ অ্যান্ড সায়েন্স অফ রিচার্ড ফাইনম্যান'' (১৯৯২), পৃষ্ঠা ২০৪। [[File:Nagasakibomb.jpg|thumb|জেডওজি / '''ZOG''' থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার দিয়ে ইসরায়েলকে ধ্বংস করো। ~ ফিলিপ ল্যামি]] * যখন শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী সারভাইভালিস্টরা জেডওজির ([[w:জায়নবাদ|জায়নবাদী]] দখলদার সরকার, যা [[w:ওয়াশিংটন,_ডি.সি.|ওয়াশিংটন]] শাসন করে) বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ শুরু করবে... এবং জেডওজির থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সেই পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার ব্যবহার করে ইসরায়েলকে চিরতরে ধ্বংস করে দেবে। ** ফিলিপ ল্যামি, ''মিলেনিয়াম রেজ: সারভাইভালিস্টস, হোয়াইট সুপ্রিমেসিস্টস, অ্যান্ড দ্য ডুমসডে প্রফেসি'' (১৯৯৬)। === ২০০০-এর দশক === [[File:Nuclear reactor in dimona (israel).jpg|thumb|আরব এবং মুসলিমরা কীভাবে তথাকথিত ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে পারে যখন তার কাছে পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার রয়েছে? এটি অসম্ভব, যদি না তারা নিজেরাও নিজস্ব পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার রাখার অধিকার ভোগ করে।<br>~ মুয়াম্মার গাদ্দাফি]] * যেকোনো সামরিক কমান্ডার, যিনি নিজের বা অন্যের কাছে সৎ। তিনি অবশ্যই স্বীকার করবেন যে সামরিক শক্তির প্রয়োগে তিনি অতীতে ভুল করেছেন। ভুলবশত বা বিচারের ত্রুটির কারণে তিনি অপ্রয়োজনীয়ভাবে মানুষ হত্যা করেছেন। তা হতে পারে তার নিজের সৈন্য কিংবা প্রতিপক্ষের। সংখ্যাটি একশ, হাজার, দশ হাজার এমনকি এক লাখও হতে পারে। কিন্তু তিনি কখনো আস্ত কোনো জাতিকে ধ্বংস করে দেননি। প্রচলিত প্রজ্ঞা বলে, 'একই ভুল দুবার করো না, নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নাও'। এবং আমরা সবাই তাই করি। হয়তো আমরা একই ভুল তিনবার করি, তবে আশা করি চার বা পাঁচবার নয়। কিন্তু পারমাণবিক অস্ত্রের ক্ষেত্রে 'শিক্ষা নেওয়ার কোনো সুযোগ' বা সময় থাকবে না। আপনি একটিমাত্র ভুল করবেন এবং তার পরিণামে আপনি পুরো একটি জাতিকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেবেন। ** '''''[[:w:রবার্ট ম্যাকনামারা|রবার্ট ম্যাকনামারা]]''''', ''[[:w:দ্য ফগ অফ ওয়ার|দ্য ফগ অফ ওয়ার]]'' (২০০৩) তথ্যচিত্রে। * আজ ৭,৫০০টি কৌশলগত আক্রমণাত্মক পারমাণবিক ওয়ারহেড থাকা কি সঠিক ও সংগত। যার মধ্যে ২,৫০০টি মাত্র ১৫ মিনিটের সতর্কবার্তায় উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে! যা কেবল একজন মানুষের একক সিদ্ধান্তে কার্যকর হতে পারে? ** '''''[[:w:রবার্ট ম্যাকনামারা|রবার্ট ম্যাকনামারা]]''''', ''[[:w:দ্য ফগ অফ ওয়ার|দ্য ফগ অফ ওয়ার]]'' (২০০৩)। * সেখানে রয়েছে [[:w:ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি|ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি]] এবং ইসরায়েলের কাছে থাকা ব্যাপক ধ্বংসক্ষমতাসম্পন্ন অস্ত্রভাণ্ডার; অথচ কেউ এই বিষয়টি উত্থাপন করে না, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক। আরব এবং মুসলিমরা কীভাবে তথাকথিত ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে পারে যখন তারা বিশাল পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক? এটি অসম্ভব, যদি না তারা নিজেরাও নিজস্ব পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার রাখার অধিকার ভোগ করে। এছাড়া সেখানে [[:w:১৯৪৮ ফিলিস্তিনি বহিষ্কার|উদ্বাস্তু সমস্যা]] রয়েছে। প্রায় ৪০ লক্ষ [[ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিনি]] রয়েছে যাদের সসম্মানে ফিরে আসা উচিত। মূলত এটিই হলো সমস্ত সমস্যার মূল ভিত্তি। ** '''''[[:w:মুয়াম্মার গাদ্দাফি|মুয়াম্মার গাদ্দাফি]]''''', [https://www.youtube.com/watch?v=ODzOdV7BFuk টক টু আল-জাজিরা] (২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৯), আল-জাজিরা। === ২০১০-এর দশক === * পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশগুলো শাসনের অধিকার কেবল সেইসব মায়েদের দেওয়া উচিত—যারা এখনো তাদের সন্তানদের হৃদয়ে আগ্লে রেখে লালন-পালন করছেন। ** '''''[[:w:সুতোমু ইয়ামাগুচি|সুতোমু ইয়ামাগুচি]]''''', যিনি হিরোশিমার পারমাণবিক বিস্ফোরণের সময় সেখানে ছিলেন এবং বেঁচে ফেরেন। এরপর নাগাসাকিতে চলে যাওয়ার পর সেখানেও দ্বিতীয় পারমাণবিক বিস্ফোরণ থেকে অবিশ্বাস্যভাবে বেঁচে যান! এরপর ২০১০ সাল পর্যন্ত দীর্ঘজীবী হন। সূত্র: [[:w:স্টিভেন পিঙ্কার|স্টিভেন পিঙ্কার]], ''[[:w:দ্য বেটার অ্যাঞ্জেলস অফ আওয়ার নেচার|দ্য বেটার অ্যাঞ্জেলস অফ আওয়ার নেচার: হোয়াই ভায়োলেন্স হ্যাজ ডিক্লাইন্ড]]'' (নিউ ইয়র্ক: ভাইকিং, ২০১১), পৃষ্ঠা ৬৮৪। * রাষ্ট্রপতি এবং জেনারেলরা হয়তো পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানের জটিল সমীকরণগুলো পুরোপুরি বুঝতে পারেন না, কিন্তু পারমাণবিক বোমা বাস্তবে ঠিক কী করতে সক্ষম, সে সম্পর্কে তাদের অত্যন্ত স্বচ্ছ ও গভীর ধারণা রয়েছে। ** '''''[[:w:ইউভাল নোয়াহ হারারি|ইউভাল নোয়াহ হারারি]]''''', ''স্যাপিয়েন্স: আ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ হিউম্যানকাইন্ড'' (২০১১), অধ্যায় ১৪: "দ্য ডিসকভারি অফ ইগনোরেন্স"। === ২০২০-এর দশক === * আমরা পরীক্ষা (পারমাণবিক পরীক্ষা) চালাব কারণ এখন অন্য দেশগুলোও পরীক্ষা চালাচ্ছে এবং নিশ্চিতভাবেই [[:w:উত্তর কোরিয়া|উত্তর কোরিয়া]] পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে... পাকিস্তানও পরীক্ষা চালাচ্ছে। তারা আপনাকে এসব কথা জানাবে না। তারা প্রধানত মাটির অনেক গভীরে এসব পরীক্ষা করে থাকে। মানুষজন আসলে সঠিকভাবে জানে না সেই পরীক্ষার সময় সেখানে ঠিক কী ঘটছে... তারা কেবল সামান্য একটু কম্পন অনুভব করতে পারে। ** '''''[[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]''''', ২০২৫; [https://archive.ph/8qn0e পাকিস্তান টেস্টিং নিউক্লিয়ার ওয়েপনস: ম্যাসিভ রেভেলেশন বাই ডোনাল্ড ট্রাম্প]। == আরও দেখুন == * [[পারমাণবিক যুদ্ধ|পারমাণবিক যুদ্ধ]] - উইকিউক্তি * [[:w:যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন|যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন]] * [[:w:হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমাবর্ষণ|হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমাবর্ষণ]] * [[:w:সামরিক শাসন|সামরিক শাসন]] * [[:w:ন্যাটো|ন্যাটো]] * [[:w:পারমাণবিক যুদ্ধ|পারমাণবিক যুদ্ধ]] - উইকিপিডিয়া == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[বিষয়শ্রেণী:গণবিধ্বংসী অস্ত্র]] [[বিষয়শ্রেণী:পারমাণবিক অস্ত্র]] [[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধ]] 6dhrrxllsdh1l8j2awj6558f99vgv2v 78881 78880 2026-04-20T10:33:36Z Oindrojalik Watch 4169 78881 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Bulava SLBM launched by Yuri Dolgoruky submarine.jpg|thumb|পারমাণবিক অস্ত্র: এমন এক মাধ্যম যা অতি সভ্য জাতিগুলো সেইসব বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য জমিয়ে রাখে, যা মীমাংসা না করলে ঝামেলার কারণ হতে পারত। দুর্ভাগ্যবশত, অনেক প্রাক্তন অসভ্য জাতিও এখন সভ্য হয়ে উঠছে।</br>—'''''লিওনার্ড রসিটার''''']] '''[[:w:পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক অস্ত্র]]''' হলো এমন এক বিস্ফোরক যন্ত্র যা পারমাণবিক বিক্রিয়া (নিউক্লিয়ার ফিশন, ফিশন এবং ফিউশনের সংমিশ্রণ) থেকে ধ্বংসাত্মক শক্তি উৎপাদন করে। উভয় বিক্রিয়াই অতি সামান্য পরিমাণ পদার্থ থেকে বিশাল পরিমাণে শক্তি নির্গত করে। == উক্তি == === পূর্বাভাস === * মানুষ বিজ্ঞানের ওপর চড়ে বসেছে এবং বিজ্ঞান এখন তাকে নিয়ে উধাও হয়ে গেছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে আরও কয়েক শতাব্দী যাওয়ার আগেই বিজ্ঞান মানুষের মালিকে পরিণত হবে। মানুষ যেসব ইঞ্জিন আবিষ্কার করবে, তা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা তার থাকবে না। কোনো একদিন বিজ্ঞান হয়তো পুরো মানবজাতির অস্তিত্বকে নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে নেবে এবং মানুষ পৃথিবী উড়িয়ে দিয়ে নিজেরাই আত্মহত্যা করে ফেলবে! ** '''''[[:w:হেনরি অ্যাডামস|হেনরি অ্যাডামস]]''''', চার্লস ফ্রান্সিস অ্যাডামস জুনিয়রকে লেখা চিঠি (লন্ডন, ১১ এপ্রিল, ১৮৬২) * একবার নিক্ষেপ করার পর, সেই বোমাটির শক্তি নিঃশেষ না হওয়া পর্যন্ত সেটি ছিল সম্পূর্ণ অদম্য শক্তি এবং অনিয়ন্ত্রিত দাবানল! এর ওপর দিয়ে ফেটে চৌচির হয়ে যাওয়া গহ্বর থেকে জ্বলন্ত লাভা-বাষ্প, শিলা আর মাটির টুকরো চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছিল। এটিই ছিল সামরিক বিজ্ঞানের সেই মুকুটহীন বিজয়! এটিই চূড়ান্ত বিস্ফোরক—যা যুদ্ধে এক নির্ণায়ক ছোঁয়া দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল...। ** '''''[[:w:এইচ. জি. ওয়েলস|এইচ. জি. ওয়েলস]]''''', [[w:The World Set Free|''দ্য ওয়ার্ল্ড সেট ফ্রি'']] (১৯১৪), অধ্যায় ২, অনুচ্ছেদ ৪ * এমন কি কোনো শক্তিশালী বিস্ফোরক শক্তি ব্যবহারের গূঢ় পদ্ধতি থাকা কি সম্ভব নয় যা এযাবৎকালের আবিষ্কৃত যেকোনো কিছুর চেয়ে অতুলনীয়ভাবে তীব্র এবং ধ্বংসাত্মক হবে? একটি সাধারণ কমলালেবুর চেয়ে বড় নয় এমন একটি ক্ষুদ্র বোমা কি এমন কোনো গুপ্ত ক্ষমতার অধিকারী হতে পারে না যা মুহূর্তের মধ্যে একটি আস্ত দালান, না কি হাজার টন কর্ডাইটের শক্তিকে একীভূত করে এক নিমেষেই একটি জনপদকে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে পারে? বর্তমান সময়ের বিস্ফোরকগুলোকেও কি বেতার তরঙ্গ বা অন্য কোনো অদৃশ্য রশ্মির মাধ্যমে চালকহীন বিমানে করে শত্রুর শহর, অস্ত্রাগার, সামরিক ক্যাম্প কিংবা ডকইয়ার্ডে এক অবিরাম মিছিলের মতো বর্ষণ করা সম্ভব নয়? ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', "শ্যাল উই অল কমিট সুইসাইড?", ''পল মল'' (সেপ্টেম্বর ১৯২৪)। ''থটস অ্যান্ড অ্যাডভেঞ্চারস'' (১৯৩২), পৃষ্ঠা ২৫০। === ১৯৩০-এর দশক === * এনরিকো ফের্মি এবং লিও সিলার্ডের সাম্প্রতিক কিছু গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা, যা পাণ্ডুলিপি আকারে আমার হস্তগত হয়েছে, আমাকে এই দৃঢ় বিশ্বাস জোগাচ্ছে যে নিকট ভবিষ্যতে ইউরেনিয়াম নামক উপাদানটি শক্তির এক অভিনব এবং অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ উৎসে পরিণত হতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতির কিছু জটিল দিক অত্যন্ত সজাগ নজরদারি এবং প্রয়োজনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতি দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি রাখে। এই নতুন বৈজ্ঞানিক ঘটনাটি অত্যন্ত শক্তিশালী বোমা তৈরির পথেও আলোকপাত করতে পারে এবং এটি অত্যন্ত বাস্তবসম্মত। যদিও কিছুটা অনিশ্চিত যে এভাবে এক নতুন ধরণের অতি-শক্তিশালী বোমা তৈরি করা সম্ভব। এই ধরণের একটিমাত্র শক্তিশালী বোমা, যা কোনো নৌযান বা নৌকায় করে নিয়ে গিয়ে কোনো সামুদ্রিক বন্দরে বিস্ফোরণ ঘটানো হলে, তা মুহূর্তেই পুরো বন্দর এবং তার পার্শ্ববর্তী বিস্তীর্ণ অঞ্চলকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। তবে, এই ধরণের বোমা আকাশপথে বা বিমানে পরিবহনের জন্য ওজনে অত্যন্ত ভারী বলে প্রমাণিত হতে পারে। ** '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''', প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের কাছে লেখা চিঠি (২ আগস্ট ১৯৩৯, যা ১১ অক্টোবর ১৯৩৯-এ প্রদান করা হয়)। ''আইনস্টাইন অন পিস'', সম্পাদনা: অটো নাথান এবং হেইঞ্জ নর্ডেন (১৯৬০, ১৯৮১-তে পুনর্মুদ্রিত), পৃষ্ঠা ২৯৪–৯৫। === ১৯৪০-এর দশক === [[File:TrinityDetonation1945GIF.gif|thumb|এখন আমি এক ভয়ানক যম এবং মৃত্যুতে পরিণত হয়েছি, যে এই গোটা বিশ্বকে ধ্বংস করে দিতে পারে!]] [[File:Hiroshima aftermath.jpg|thumb|হে ঈশ্বর, আমরা একি করলাম!<br>—[[:w:রברת এ. লুইস|রবার্ট এ. লুইস]]]] * আমরা মনে মনে অনুভব করছিলাম যে এই মুহূর্তের পর পৃথিবী আর আগের মতো চিরচেনা থাকবে না। সেখানে উপস্থিত কতিপয় মানুষ উচ্চস্বরে হাসল, কতিপয় মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়ল। তবে অধিকাংশ মানুষই ছিল এক গভীর ও নিস্তব্ধ স্তব্ধতায় আচ্ছন্ন। আমার মানসপটে প্রাচীন হিন্দু ধর্মগ্রন্থ ''[[ভগবদ্গীতা]]''-র সেই অমোঘ লাইনটি বারবার ভেসে আসছিল। সেখানে ভগবান বিষ্ণু যখন রাজকুমার অর্জুনকে কর্তব্য পালনে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করছিলেন এবং তাকে নিজের মহিমা প্রদর্শনের জন্য বহুভুজ ও বিশ্বরূপ ধারণ করে বলেছিলেন, "এখন আমি এক ভয়ানক যম এবং মৃত্যুতে পরিণত হয়েছি, যে এই গোটা বিশ্বকে ধ্বংস করে দিতে পারে!" আমার ধারণা, কোনো না কোনোভাবে আমাদের সবার মনে তখন ঠিক এই চিন্তাটিই ঘুরপাক খাচ্ছিল। ** '''''[[:w:জে. রবার্ট ওপেনহেইমার|জে. রবার্ট ওপেনহেইমার]]''''', প্রথম পারমাণবিক ডিভাইসের প্রলয়ংকরী বিস্ফোরণ মুহূর্তের স্মৃতিচারণ। ''[https://www.youtube.com/watch?v=-JWxIVVeV98 দ্য ডিসিশন টু ড্রপ দ্য বোম্ব''] (১৯৬৫ এনবিসি নিউজ প্রোগ্রাম)। * এখন আমরা সবাই একেকজন নরক কীট বা এক জঘন্য পাপী সন্তানে পরিণত হলাম। ** '''''কেনেথ বেইনব্রিজ''''', আলামোগোর্ডোতে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বোমা পরীক্ষার প্রলয়ংকরী বিস্ফোরণের পরপরই রবার্ট ওপেনহেইমারকে উদ্দেশ্য করে করা তাৎক্ষণিক মন্তব্য, ল্যান্সিং ল্যামন্টের ''ডে অফ ট্রিনিটি'' (১৯৬৬), পৃষ্ঠা ২৪২। * হে করুণাময় ঈশ্বর, আমাদের হাতের মাধ্যমে আজ একি প্রলয়ংকরী ঘটনা ঘটে গেল? আমরা একি করলাম! ** '''''[[:w:রবার্ট এ. লুইস|রবার্ট এ. লুইস]]''''', হিরোশিমায় বোমা নিক্ষেপকারী ''এনোলা গের'' কো-পাইলট ও বিমান কমান্ডার (৬ আগস্ট ১৯৪৫)। * পারমাণবিক বোমার এই ভয়াবহ ব্যবহার এবং এর নিষ্ঠুরতা দিয়ে যেভাবে নির্বিচারে নিরপরাধ নারী ও শিশুদের হত্যা করা হয়েছে, তা আমার অন্তর ও আত্মাকে এক চরম বিদ্রোহের মুখে ঠেলে দিয়েছে। আজ আমি খুব মর্মাহত। ** '''''[[:w:হার্বার্ট হুভার|হার্বার্ট হুভার]]''''', কর্নেল জন ক্যালান ও’লাফলিনকে (আর্মি অ্যান্ড নেভি জার্নালের প্রকাশক) লেখা চিঠি (৮ আগস্ট ১৯৪৫), গার আলপেরোভিৎজের ''দ্য ডিসিশন টু ইউজ দ্য অ্যাটমিক বোম্ব'' (১৯৬৬), পৃষ্ঠা ৪৫৯। "ও’লাফলিন করেসপন্ডেন্স ফাইল, বক্স ১৭১, পোস্ট-প্রেসিডেন্সিয়াল পেপারস, হার্বার্ট হুভার প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরি"। * আমেরিকান, ইংরেজ এবং ফরাসি সংবাদপত্রগুলো আজ পারমাণবিক বোমার ধ্বংসক্ষমতা নিয়ে অত্যন্ত মার্জিত ও তাত্ত্বিক গবেষণামূলক প্রবন্ধ উগরে দিচ্ছে। আমরা এই পুরো বিষয়টিকে একটিমাত্র তীক্ষ্ণ বাক্যে সারসংক্ষেপ করতে পারি। বর্তমানের এই যান্ত্রিক সভ্যতা সম্ভবত সবেমাত্র আদিম বর্বরতার চূড়ান্ত ও নিষ্ঠুরতম পর্যায়টি সফলভাবে অর্জন করতে পেরেছে। ** '''''[[:w:আলবেয়ার কামু|আলবেয়ার কামু]]''''', ''কমব্যাট'' (৮ আগস্ট ১৯৪৫)। নিকোলাস হামফ্রে ও রবার্ট জে লিফটনের ''ইন আ ডার্ক টাইম'' (১৯৮৪), পৃষ্ঠা ২৭। * আজ 'পারমাণবিক বোমা' নিয়ে আসা সংবাদগুলো এতটাই ভয়াবহ যে যেকোনো মানুষ এটি শুনে স্তম্ভিত হয়ে যেতে বাধ্য। যুদ্ধের প্রয়োজনে এই ধরণের ধ্বংসাত্মক কাজে নিজেদের সম্মতি দেওয়া এই উন্মাদ পদার্থবিদদের চরম নির্বুদ্ধিতারই নামান্তর। তারা কি তবে শান্ত মস্তিস্কে এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের বিনাশের নীল নকশা তৈরি করেনি? মানুষের নৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক মান যখন ক্রমাগত নিম্নমুখী হচ্ছে, তখন তাদের হাতে এমন এক বিধ্বংসী বিস্ফোরক তুলে দেওয়া আর কোনো কারাগারের সকল কয়েদিদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দিয়ে "ইহা শান্তি পয়গাম করিবে" বলে আশা করা একই কথা। তবে যদি সংবাদপত্রের এই লেখাগুলো অতিরঞ্জিত না হয়, তবে আমি মনে করি এর থেকে একটি ভালো দিক বেরিয়ে আসতে পারে। সম্ভবত এবার [[জাপান]] নতি স্বীকার করবে। শেষ পর্যন্ত আমরা সবাই ঈশ্বরের হাতেই নিরাপদ। কিন্তু মনে রাখা প্রয়োজন, "ঈশ্বর কখনোই 'বাবেল টাওয়ার' নির্মাণকারীদের (অহংকারী স্রষ্টাদের) সুনজরে দেখেন না।" ** '''''[[:w:জে. আর. আর. টলকিন|জে. আর. আর. টলকিন]]''''', তার পুত্র [[:w:ক্রিস্টোফার টলকিন|ক্রিস্টোফারকে]] লেখা একটি চিঠি থেকে (৯ আগস্ট ১৯৪৫); ''[[:w:দ্য লেটারস অফ জে. আর. আর. টলকিন|দ্য লেটারস অফ জে. আর. আর. টলকিন]]'' (১৯৮১)। * কেউ কি কল্পনা করতে পারে যে এই 'পারমাণবিক বোমা' কখনো কোনো "মহৎ উদ্দেশ্যে" ব্যবহৃত হতে পারে? এই ধরণের ভয়াবহ মাধ্যম কি তাৎক্ষণিকভাবে যেকোনো মহৎ উদ্দেশ্যকে কলুষিত করে দেয় না? এই বোমা মূলত আমাদের তৈরি করা সমাজেরই এক স্বাভাবিক ও অনিবার্য ফসল। এটি আমেরিকান জীবনধারার ঠিক ততটাই সাবলীল, স্বাভাবিক এবং স্বতঃস্ফূর্ত বহিঃপ্রকাশ, যতটা তাদের ইলেকট্রিক রেফ্রিজারেটর, ব্যানানা স্প্লিট কিংবা অটোমোবাইল গাড়িগুলো। ** '''''ডোয়াইট ম্যাকডোনাল্ড''''', ''পলিটিক্স'' ম্যাগাজিন (আগস্ট ১৯৪৫)। * এই পারমাণবিক বোমা হলো এক ভয়ংকর ক্রোধের রূপ ধরে ঈশ্বরের 'দ্বিতীয় আগমন' বা 'সেকেন্ড কামিং'! ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', [[:w:ট্রিনিটি টেস্ট|ট্রিনিটি টেস্টের]] খবর শুনে করা মন্তব্য; ''দ্য আটলান্টিক'' (মার্চ ১৯৫৭), পৃষ্ঠা (অপ্রকাশিত/সংগৃহীত)। * পারমাণবিক শক্তির এই উন্মোচন আসলে নতুন কোনো সমস্যার সৃষ্টি করেনি। এটি কেবল একটি বিদ্যমান দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানের আবশ্যকতাকে আরও বেশি জরুরি ও অনিবার্য করে তুলেছে। ** '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''', রেমন্ড সুইং এর কাছে দেওয়া বক্তব্য (১ অক্টোবর ১৯৪৫-এর পূর্বে); ''আইনস্টাইন অন পলিটিক্স'' (২০০৭), পৃষ্ঠা ৩৭৩। * আজ এই পারমাণবিক বোমা আমাদের চেনা জগতের স্বরূপকে আমূল বদলে দিয়েছে এবং ফলস্বরূপ মানবজাতি নিজেকে এক নতুন পরিবেশে আবিষ্কার করেছে, যেখানে টিকে থাকতে হলে তাকে অবশ্যই তার চিন্তাচেতনার পরিবর্তন ঘটিয়ে নতুন পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। ** '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''', "অনলি দেন শ্যাল উই ফাইন্ড কারেজ", ''নিউ ইয়র্ক টাইমস ম্যাগাজিন'' (২৩ জুন ১৯৪৬)। * নির্বিচারে অগণিত পুরুষ, নারী ও শিশুকে পাইকারি হারে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে পারমাণবিক বোমার এই ব্যবহারকে আমি বিজ্ঞানের ইতিহাসের সবচেয়ে পৈশাচিক ও দানবীয় প্রয়োগ হিসেবেই গণ্য করি। ** '''''[[:w:মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা গান্ধী]]''''', ''[[:w:হরিজন (ম্যাগাজিন)|হরিজন]]'' ম্যাগাজিন (২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬); ইতি আব্রাহামের ''দ্য মেকিং অফ দ্য ইন্ডিয়ান অ্যাটমিক বোম্ব'' (১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৩০। * যে সকল বিজ্ঞানীরা পারমাণবিক বোমা তৈরির কাজে নিয়োজিত ছিলেন, তাদের অভিজ্ঞতা এই ইঙ্গিতই দেয় যে—এই ধরণের যেকোনো গবেষণার শেষে একজন বিজ্ঞানী এমন একদল মানুষের হাতে অসীম ক্ষমতা তুলে দেন, যাদের ওপর তিনি বিন্দুমাত্র বিশ্বাস রাখতেও কুণ্ঠাবোধ করেন। ** '''''নরবার্ট উইনার''''', নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপণাস্ত্র সংক্রান্ত তথ্যের অনুরোধের প্রেক্ষিতে উত্তর। ''দ্য আটলান্টিক মান্থলি'' (ডিসেম্বর ১৯৪৬)। * আমি যতটুকু বুঝতে পারছি, এই পারমাণবিক বোমা মানবজাতির সেই সূক্ষ্ম ও পবিত্র অনুভূতিগুলোকে চিরতরে অসাড় করে দিয়েছে যা যুগ যুগ ধরে এই সভ্যতাকে টিকিয়ে রেখেছিল। ** '''''[[:w:মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা গান্ধী]]''''' (১৯৪৬); উইলিয়াম বোরম্যানের ''গান্ধী অ্যান্ড নন-ভায়োলেন্স'' (১৯৮৬), পৃষ্ঠা ১৭০। * এক প্রকার স্থূল অর্থে যাকে কোনো কুরুচিপূর্ণ রসিকতা বা অতিরঞ্জিত বর্ণনা দিয়ে মুছে ফেলা সম্ভব নয়। এই আধুনিক পদার্থবিদরা যেন আজ পাপের দেখা পেয়েছেন এবং এটি এমন এক গভীর জ্ঞান যা তারা আর কখনোই ভুলে যেতে পারবেন না। ** '''''[[:w:জে. রবার্ট ওপেনহেইমার|জে. রবার্ট ওপেনহেইমার]]''''', [[:w:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি|ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে]] প্রদত্ত বক্তৃতা (২৫ নভেম্বর ১৯৪৭); ''দ্য ওপেন মাইন্ড'' (১৯৫৫), অধ্যায় ৫। === ১৯৫০-এর দশক === * বাষ্পীয় ইঞ্জিনের আবিষ্কারের পর বিজ্ঞানের এই যে জয়যাত্রা, তাতে মানবজাতি আদৌ লাভবান হয়েছে কি না তা নিয়ে যথেষ্ট তর্কের অবকাশ রয়েছে। বিদ্যুৎ হয়তো অগণিত মানুষের জন্য অসীম সুযোগ-সুবিধার দ্বার উন্মোচন করেছে, কিন্তু এর বিনিময়ে তাদের অনেক চড়া মূল্য দিতে হতে পারে। ব্যক্তিগতভাবে আমার চিন্তাচেতনা সেই অন্তর্দহন ইঞ্জিন বা '''Internal combustion engine''' এর পূর্বেই থমকে যায়। যা এই বিশ্বকে অনেক ছোট ও সংকুচিত করে ফেলেছে। তথাকথিত বর্বর যুগের পূর্বপুরুষদের তুলনায় বর্তমানের এই আধুনিক মানুষের প্রকৃতি খুব একটা উন্নত নয়। এমতাবস্থায় তাদের হাতে পারমাণবিক বোমার মতো ভয়ানক শক্তির উৎস তুলে দেওয়ার পরিণাম নিয়ে আমাদের শঙ্কিত হওয়া উচিত। বিজ্ঞানের এই কৃত্রিম যান্ত্রিকতার চেয়ে আমার কাছে ঘোড়াই অনেক বেশি শ্রেয়। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', [[:w:রয়্যাল কলেজ অফ সার্জনস|রয়্যাল কলেজ অফ সার্জনস]], প্রদত্ত ভাষণ (১০ জুলাই ১৯৫১)। ''স্টেমলিং দ্য টাইড'' (১৯৫৩), পৃষ্ঠা ৯১। * সবকিছুর ঊর্ধ্বে একটি বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে, যতক্ষণ না আপনি নিশ্চিত এবং শতভাগ নিশ্চিত হচ্ছেন যে শান্তি রক্ষার বিকল্প কোনো মাধ্যম আপনার আয়ত্তে রয়েছে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পারমাণবিক অস্ত্র নিজের হাতছাড়া করবেন না। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', মার্কিন কংগ্রেসে দেওয়া শেষ ভাষণ (১৭ জানুয়ারি ১৯৫২); ''দ্য ওয়ার দ্যাট মাস্ট নেভার বি ফাউট: ডিলেমাস অফ নিউক্লিয়ার ডিটারেন্স'' (২০১৫)। * আজ আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় বিপদ ভৌত বিজ্ঞানের তৈরি করা সেই পারমাণবিক বোমাটি নয়, যা বিমানে করে বয়ে নিয়ে হাজার হাজার মানুষের মাথার ওপর ফেলে দেওয়া যায়! যদিও সেটিও যথেষ্ট বিপজ্জনক। বরং বর্তমান সভ্যতার জন্য আসল হুমকি হলো সেই পারমাণবিক বোমা যা প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে এবং আত্মায় সুপ্ত অবস্থায় রয়েছে। যা যেকোনো মুহূর্তে জঘন্যতম ঘৃণা এবং ক্ষতিকর স্বার্থপরতার বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম। আমাদের আজকের প্রকৃত ভয়ের কারণ হওয়া উচিত মানুষের মনের ভেতরে থাকা এই বিধ্বংসী প্রবৃত্তি। আমাদের সমস্যার মূল ভিত্তি লুকিয়ে আছে মানুষের হৃদয়ের গহীনে ও তার আত্মার কলুষতায়। ** '''''[[:w:মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র|মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]]''''', "রিডিসকভারিং লস্ট ভ্যালুস", ডেট্রয়েটের [[:w:সেকেন্ড ব্যাপটিস্ট চার্চ (ডেট্রয়েট, মিশিগান)|সেকেন্ড ব্যাপটিস্ট চার্চ]]-এ প্রদত্ত খুতবা (২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪)। * এডেন উদ্যানের সেই দেবদূতের তলোয়ার থেকে নির্গত অগ্নিশিখা আজ যেন রূপান্তরিত হয়ে পারমাণবিক বোমায় পরিণত হয়েছে। ঈশ্বরের বজ্র আজ ভোঁতা হয়ে গেছে, আর তাই মানুষের তৈরি সেই বজ্র আজ এক ধ্বংসাত্মক 'ইস্পাত নক্ষত্র' রূপে আবির্ভূত হয়েছে। ** '''''শন ও’কেসি''''', ''সানসেট অ্যান্ড ইভনিং স্টার'' (১৯৫৪)। * সোজা কথায় বলতে গেলে, [[যুক্তরাজ্য|ব্রিটেন]] যেহেতু বিশ্বকে জানিয়ে দিয়েছে যে তার কাছে হাইড্রোজেন বোমা রয়েছে, তাই তার উচিত যত দ্রুত সম্ভব ঘোষণা করা যে তারা এই মরণাস্ত্রের ব্যবহার চিরতরে ত্যাগ করেছে এবং তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে পারমাণবিক যুদ্ধ প্রত্যাখ্যান করার প্রস্তাব দিচ্ছে। এটি কোনো নিছক শান্তিবাদ নয়। আমি এই দ্বীপরাষ্ট্রের তাৎক্ষণিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিত্যাগ করার পরামর্শ দিচ্ছি না। বরং যা পরিত্যাগ করা উচিত তা হলো 'প্রতিশোধের হুমকির মাধ্যমে ভয় দেখানো' বা ডিটারেন্সের ধারণা। এর মধ্যে প্রকৃত কোনো নিরাপত্তা নেই, কোনো অশ্লীলতা নেই, নেই কোনো অন্ধ বিশ্বাস, আশা কিংবা মানবিক করুণার লেশমাত্র। ** '''''[[:w:জে. বি. প্রিস্টলি|জে. বি. প্রিস্টলি]]''''', "ব্রিটেন অ্যান্ড দ্য নিউক্লিয়ার বোম্বস", ''দ্য নিউ স্টেটসম্যান'' (২ নভেম্বর ১৯৫৭)। * আমি সম্প্রতি আমেরিকান পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানী ডব্লিউ. ডেভিডসনের একটি মন্তব্য পড়ার সুযোগ পেয়েছি। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, মাত্র একটি হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণ থেকে নির্গত শক্তির পরিমাণ মানবজাতির সমগ্র ইতিহাসের সকল যুদ্ধে সকল দেশের দ্বারা ঘটানো সমস্ত বিস্ফোরণের সম্মিলিত শক্তির চেয়েও বহুগুণ বেশি এবং দৃশ্যত, তার এই পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত সঠিক ও নিদারুণ বাস্তব। ** '''''[[:w:নিকিতা ক্রুশ্চেভ|নিকিতা ক্রুশ্চেভ]]''''', নিউ ইয়র্ক সিটিতে জাতিসংঘে প্রদত্ত ভাষণ (১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৫৯); ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৫৯), পৃষ্ঠা ৮। উদ্ধৃত পদার্থবিজ্ঞানী মূলত আর্গন ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির সহযোগী পদার্থবিজ্ঞানী উইলিয়াম ডেভিডন ছিলেন বলে পরবর্তীকালে নিশ্চিত হওয়া গেছে। === ১৯৬০-এর দশক === [[File:Confusion of Tongues (89393754).jpg|thumb|আমরা বিজ্ঞানের ঈশ্বরের সামনে নতজানু হয়েছি কেবল এটি আবিষ্কার করার জন্য যে—সে আমাদের উপহার দিয়েছে পারমাণবিক বোমা; যা এমন ভয় ও উদ্বেগ তৈরি করেছে যা বিজ্ঞান কখনো প্রশমিত করতে পারবে না। ~ মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]] * আজ এই গ্রহের প্রতিটি বাসিন্দাকে সেই দিনটির কথা গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে যখন এই পৃথিবী হয়তো আর বসবাসের যোগ্য থাকবে না। প্রতিটি পুরুষ, নারী ও শিশু আজ পারমাণবিক ধ্বংসের এক 'ড্যামোক্লিসের তলোয়ারের' নিচে বসবাস করছে, যা অত্যন্ত সরু ও ক্ষীণ সুতোর ওপর ঝুলে আছে। দুর্ঘটনাবশত, ভুল হিসাব-নিকাশে কিংবা কোনো এক উন্মাদনার বশবর্তী হয়ে যেকোনো মুহূর্তে সেই সুতো ছিঁড়ে যেতে পারে। যুদ্ধের এই মরণাস্ত্রগুলো আমাদের নির্মূল করার আগেই আমাদের উচিত হবে এগুলোকে সমূলে নির্মূল করা। ** '''''[[:w:জন এফ. কেনেডি|জন এফ. কেনেডি]]''''', জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রদত্ত ভাষণ (২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬১)। [https://www.jfklibrary.org/archives/other-resources/john-f-kennedy-speeches/united-nations-19610925] * আমি আশা করি তোমার ছুটি খুব ভালো কেটেছে এবং সেই পুরোনো পারমাণবিক বোমা নিয়ে তুমি খুব একটা দুশ্চিন্তা করছ না। আমার মন বলছে এটি কখনোই ফেলা হবে না। যদি না কোনো দুর্ঘটনা ঘটে। এটি শুনতে হয়তো উদ্ধত মনে হতে পারে, তবে আমি সত্যিই বিশ্বাস করি যে মানুষ জাতি এতটাই নির্বোধ যে এই দুর্ঘটনাটি যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে। ** '''''জিন রিস''''', ১৯৬১ সালের একটি চিঠি; ফ্রান্সিস উইন্ডহাম এবং ডায়ানা মেলি সম্পাদিত ''দ্য লেটারস অফ জিন রিস'' (১৯৮৪)-এ সংগৃহীত। * আমরা অন্ধভাবে বিজ্ঞানের অসীম ক্ষমতার কাছে মাথা নত করেছি কেবল এটি দেখার জন্য যে, বিজ্ঞান আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে পারমাণবিক বোমার মতো ধ্বংসাত্মক মরণাস্ত্র। যা মানবমনে এমন এক গভীর ভীতি ও চরম উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে যা উপশম করার সাধ্য খোদ বিজ্ঞানেরও নেই। ** '''''[[:w:মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র|মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]]''''', ''স্ট্রেংথ টু লাভ'' (১৯৬৩)। * প্রতিটি জাতির কাছে একটি করে পারমাণবিক বোমা থাকা উচিত! ঠিক যেমন ফ্যাশন সচেতন প্রতিটি নারীর কাছে একটি দামি মিঙ্ক কোট থাকা প্রয়োজন। এমন চিন্তাটি অত্যন্ত জঘন্য ও শোচনীয়। ** '''''[[:w:ক্লেমেন্ট এটলি|ক্লেমেন্ট এটলি]]''''', এস. বিয়ারের ''মডার্ন ব্রিটিশ পলিটিক্স'' এবং স্টুয়ার্ট থম্পসনের ''দ্য ডিকশনারি অফ লেবার কোটেশনসে'' (২০১৩) উল্লিখিত। === ১৯৭০-এর দশক === * বিজ্ঞান যখন কেবল 'কীভাবে' কাজ করে তার বর্ণনা না দিয়ে বরং 'কেন' কাজ করে সেই প্রশ্নটি করতে শেখে, তখনই এটি নিছক প্রযুক্তির গণ্ডি ছাড়িয়ে প্রকৃত জ্ঞানে রূপান্তরিত হয়। যখন এটি 'কেন' প্রশ্নটি তোলে, তখন এটি '[[w:আপেক্ষিকতা_তত্ত্ব|আপেক্ষিকতা তত্ত্ব]]' আবিষ্কার করে। আর যখন এটি কেবল 'কীভাবে' সেটি দেখায়, তখন এটি পারমাণবিক বোমা উদ্ভাবন করে এবং এরপর নিজের চোখের ওপর হাত রেখে আক্ষেপ করে বলে—, "হে ঈশ্বর, আমি একি করলাম?" ** '''''[[:w:উরসুলা লে গুইন|উরসুলা লে গুইন]]''''', "দ্য স্টালিন ইন দ্য সোল", ''দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অফ দ্য নাইট'' (১৯৭৬)। === ১৯৮০-এর দশক === * পারমাণবিক অস্ত্র - এমন এক বিশেষ মাধ্যম যা কেবল অতি-সভ্য জাতিগুলোর ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত। যাতে তারা সেইসব বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে যেগুলো অমীমাংসিত থাকলে ভবিষ্যতে বড় রকমের ঝামেলার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারত। তবে দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, ইদানীং অতীতে অসভ্য হিসেবে পরিচিত অনেক জাতিই বড় বেশি 'সভ্য' হয়ে উঠছে। ** '''''[[:w:লিওনার্ড রসিটার|লিওনার্ড রসিটার]]''''', ''দ্য ডেভিল'স বেডসাইড বুক'' (১৯৮০)। * পারমাণবিক বোমা হলো এক বিস্ময়কর উপহার, যা একজন পরম করুণাময় ও প্রজ্ঞাবান ঈশ্বর আমাদের এই দেশকে দান করেছেন। ** '''''ফিলিস শ্লাফলি''''', রোজমেরি চকের "উইমেন অ্যান্ড দ্য ন্যাশনাল সিকিউরিটি ডিবেট" এ উদ্ধৃত; ''বুলেটিন অফ দ্য অ্যাটমিক সায়েন্টিস্টস'' (আগস্ট/সেপ্টেম্বর ১৯৮২), পৃষ্ঠা ৪৬। * [[w:জে._রবার্ট_অপেনহাইমার|ওপেন হেইমারের]] তৈরি এই মরণঘাতী খেলনা থেকে আমি আমার ছোট্ট ছেলেটিকে কীভাবে রক্ষা করব? ** '''''[[:w:স্টিং (সংগীতশিল্পী)|স্টিং]]''''', [[w:রাশিয়ানস (গান)|"রাশিয়ানস"]], ''দ্য ড্রিম অফ দ্য ব্লু টার্টলস'' (১৯৮৫)। * এমন একমাত্র উসকানি কী হতে পারে যা পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহারের পথ প্রশস্ত করতে পারে? উত্তর হলো 'পারমাণবিক অস্ত্র'। পারমাণবিক অস্ত্রের প্রধান লক্ষ্যবস্তু কী? সেটিও হলো পারমাণবিক অস্ত্র। পারমাণবিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে একমাত্র প্রতিষ্ঠিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কী? তাও হলো পারমাণবিক অস্ত্র! আমরা কীভাবে পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার রোধ করি? অন্যকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুমকি দেওয়ার মাধ্যমে। আর আমরা কেন এই পারমাণবিক অস্ত্র থেকে মুক্তি পেতে পারছি না? কারণ হলো সেই একই পারমাণবিক বোমা! এই যে এক অনড় ও জটিল অচলাবস্থা, তা আসলে এই মারণাস্ত্রগুলোর নিজস্ব চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যেরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। ** '''''[[:w:মার্টিন এমিস|মার্টিন এমিস]]''''', ''আইনস্টাইন'স মনস্টারস'' (১৯৮৭), "ইন্ট্রোডাকশন: থিঙ্কিবিলিটি"। * এই যে এক উন্মাদ অস্ত্র প্রতিযোগিতা, এটি মূলত পারমাণবিক অস্ত্রের সাথে আমাদের নিজেদের টিকে থাকার এক তীব্র লড়াই। ** '''''[[:w:মার্টিন এমিস|মার্টিন এমিস]]''''', ''আইনস্টাইন'স মনস্টারস'' (১৯৮৭), "ইন্ট্রোডাকশন: থিঙ্কিবিলিটি"। * পারমাণবিক অস্ত্রগুলো আদৌ একটি কার্যকর প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করেছে কি না, কিংবা এগুলো আজ কার্যকর আছে কি না অথবা ভবিষ্যতে থাকবে কি না, তা আমরা স্পষ্টভাবে জানি না। পারমাণবিক নীতিগুলো বছরের পর বছর ধরে এমন সব তথ্য এড়িয়ে বা সে সম্পর্কে অজ্ঞ থেকে তৈরি করা হয়েছে, যা মূলত এই নীতির অস্তিত্বের যৌক্তিকতাকে প্রমাণ করার জন্য সবচেয়ে জরুরি ছিল। ** '''''রবার্ট এল. হোমস''''', ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', "হোয়াট উই ডোন্ট নো অ্যাবাউট নিউক্লিয়ার পলিসি" (১৭ জানুয়ারি ১৯৮৮), পৃষ্ঠা ২৬। === ১৯৯০-এর দশক === * আমরা বিজ্ঞানীরা বড্ড চতুর! প্রয়োজনের চেয়েও অনেক বেশি চতুর, এতেও কি আপনারা সন্তুষ্ট নন? একটিমাত্র বোমায় চার বর্গমাইল এলাকা ছাই হয়ে যাওয়া কি যথেষ্ট নয়? মানুষ এখনো ভাবছে। শুধু আমাদের একবার বলুন, আপনারা এই মরণাস্ত্রটি আর কত বড় বা শক্তিশালী হিসেবে দেখতে চান! ** '''''[[:w:রিচার্ড ফাইনম্যান|রিচার্ড পি. ফাইনম্যান]]''''', জেমস গ্লিক-এর ''জিনিয়াস: দ্য লাইফ অ্যান্ড সায়েন্স অফ রিচার্ড ফাইনম্যান'' (১৯৯২), পৃষ্ঠা ২০৪। [[File:Nagasakibomb.jpg|thumb|জেডওজি / '''ZOG''' থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার দিয়ে ইসরায়েলকে ধ্বংস করো। ~ ফিলিপ ল্যামি]] * যখন শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী সারভাইভালিস্টরা জেডওজির ([[w:জায়নবাদ|জায়নবাদী]] দখলদার সরকার, যা [[w:ওয়াশিংটন,_ডি.সি.|ওয়াশিংটন]] শাসন করে) বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ শুরু করবে... এবং জেডওজির থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সেই পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার ব্যবহার করে ইসরায়েলকে চিরতরে ধ্বংস করে দেবে। ** ফিলিপ ল্যামি, ''মিলেনিয়াম রেজ: সারভাইভালিস্টস, হোয়াইট সুপ্রিমেসিস্টস, অ্যান্ড দ্য ডুমসডে প্রফেসি'' (১৯৯৬)। === ২০০০-এর দশক === [[File:Nuclear reactor in dimona (israel).jpg|thumb|আরব এবং মুসলিমরা কীভাবে তথাকথিত ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে পারে যখন তার কাছে পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার রয়েছে? এটি অসম্ভব, যদি না তারা নিজেরাও নিজস্ব পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার রাখার অধিকার ভোগ করে।<br>~ মুয়াম্মার গাদ্দাফি]] * যেকোনো সামরিক কমান্ডার, যিনি নিজের বা অন্যের কাছে সৎ। তিনি অবশ্যই স্বীকার করবেন যে সামরিক শক্তির প্রয়োগে তিনি অতীতে ভুল করেছেন। ভুলবশত বা বিচারের ত্রুটির কারণে তিনি অপ্রয়োজনীয়ভাবে মানুষ হত্যা করেছেন। তা হতে পারে তার নিজের সৈন্য কিংবা প্রতিপক্ষের। সংখ্যাটি একশ, হাজার, দশ হাজার এমনকি এক লাখও হতে পারে। কিন্তু তিনি কখনো আস্ত কোনো জাতিকে ধ্বংস করে দেননি। প্রচলিত প্রজ্ঞা বলে, 'একই ভুল দুবার করো না, নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নাও'। এবং আমরা সবাই তাই করি। হয়তো আমরা একই ভুল তিনবার করি, তবে আশা করি চার বা পাঁচবার নয়। কিন্তু পারমাণবিক অস্ত্রের ক্ষেত্রে 'শিক্ষা নেওয়ার কোনো সুযোগ' বা সময় থাকবে না। আপনি একটিমাত্র ভুল করবেন এবং তার পরিণামে আপনি পুরো একটি জাতিকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেবেন। ** '''''[[:w:রবার্ট ম্যাকনামারা|রবার্ট ম্যাকনামারা]]''''', ''[[:w:দ্য ফগ অফ ওয়ার|দ্য ফগ অফ ওয়ার]]'' (২০০৩) তথ্যচিত্রে। * আজ ৭,৫০০টি কৌশলগত আক্রমণাত্মক পারমাণবিক ওয়ারহেড থাকা কি সঠিক ও সংগত। যার মধ্যে ২,৫০০টি মাত্র ১৫ মিনিটের সতর্কবার্তায় উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে! যা কেবল একজন মানুষের একক সিদ্ধান্তে কার্যকর হতে পারে? ** '''''[[:w:রবার্ট ম্যাকনামারা|রবার্ট ম্যাকনামারা]]''''', ''[[:w:দ্য ফগ অফ ওয়ার|দ্য ফগ অফ ওয়ার]]'' (২০০৩)। * সেখানে রয়েছে [[:w:ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি|ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি]] এবং ইসরায়েলের কাছে থাকা ব্যাপক ধ্বংসক্ষমতাসম্পন্ন অস্ত্রভাণ্ডার; অথচ কেউ এই বিষয়টি উত্থাপন করে না, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক। আরব এবং মুসলিমরা কীভাবে তথাকথিত ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে পারে যখন তারা বিশাল পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক? এটি অসম্ভব, যদি না তারা নিজেরাও নিজস্ব পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার রাখার অধিকার ভোগ করে। এছাড়া সেখানে [[:w:১৯৪৮ ফিলিস্তিনি বহিষ্কার|উদ্বাস্তু সমস্যা]] রয়েছে। প্রায় ৪০ লক্ষ [[ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিনি]] রয়েছে যাদের সসম্মানে ফিরে আসা উচিত। মূলত এটিই হলো সমস্ত সমস্যার মূল ভিত্তি। ** '''''[[:w:মুয়াম্মার গাদ্দাফি|মুয়াম্মার গাদ্দাফি]]''''', [https://www.youtube.com/watch?v=ODzOdV7BFuk টক টু আল-জাজিরা] (২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৯), আল-জাজিরা। === ২০১০-এর দশক === * পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশগুলো শাসনের অধিকার কেবল সেইসব মায়েদের দেওয়া উচিত—যারা এখনো তাদের সন্তানদের হৃদয়ে আগ্লে রেখে লালন-পালন করছেন। ** '''''[[:w:সুতোমু ইয়ামাগুচি|সুতোমু ইয়ামাগুচি]]''''', যিনি হিরোশিমার পারমাণবিক বিস্ফোরণের সময় সেখানে ছিলেন এবং বেঁচে ফেরেন। এরপর নাগাসাকিতে চলে যাওয়ার পর সেখানেও দ্বিতীয় পারমাণবিক বিস্ফোরণ থেকে অবিশ্বাস্যভাবে বেঁচে যান! এরপর ২০১০ সাল পর্যন্ত দীর্ঘজীবী হন। সূত্র: [[:w:স্টিভেন পিঙ্কার|স্টিভেন পিঙ্কার]], ''[[:w:দ্য বেটার অ্যাঞ্জেলস অফ আওয়ার নেচার|দ্য বেটার অ্যাঞ্জেলস অফ আওয়ার নেচার: হোয়াই ভায়োলেন্স হ্যাজ ডিক্লাইন্ড]]'' (নিউ ইয়র্ক: ভাইকিং, ২০১১), পৃষ্ঠা ৬৮৪। * রাষ্ট্রপতি এবং জেনারেলরা হয়তো পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানের জটিল সমীকরণগুলো পুরোপুরি বুঝতে পারেন না, কিন্তু পারমাণবিক বোমা বাস্তবে ঠিক কী করতে সক্ষম, সে সম্পর্কে তাদের অত্যন্ত স্বচ্ছ ও গভীর ধারণা রয়েছে। ** '''''[[:w:ইউভাল নোয়াহ হারারি|ইউভাল নোয়াহ হারারি]]''''', ''স্যাপিয়েন্স: আ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ হিউম্যানকাইন্ড'' (২০১১), অধ্যায় ১৪: "দ্য ডিসকভারি অফ ইগনোরেন্স"। === ২০২০-এর দশক === * আমরা পরীক্ষা (পারমাণবিক পরীক্ষা) চালাব কারণ এখন অন্য দেশগুলোও পরীক্ষা চালাচ্ছে এবং নিশ্চিতভাবেই [[:w:উত্তর কোরিয়া|উত্তর কোরিয়া]] পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে... পাকিস্তানও পরীক্ষা চালাচ্ছে। তারা আপনাকে এসব কথা জানাবে না। তারা প্রধানত মাটির অনেক গভীরে এসব পরীক্ষা করে থাকে। মানুষজন আসলে সঠিকভাবে জানে না সেই পরীক্ষার সময় সেখানে ঠিক কী ঘটছে... তারা কেবল সামান্য একটু কম্পন অনুভব করতে পারে। ** '''''[[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]''''', ২০২৫; [https://archive.ph/8qn0e পাকিস্তান টেস্টিং নিউক্লিয়ার ওয়েপনস: ম্যাসিভ রেভেলেশন বাই ডোনাল্ড ট্রাম্প]। == আরও দেখুন == * [[পারমাণবিক যুদ্ধ|পারমাণবিক যুদ্ধ]] - উইকিউক্তি * [[:w:যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন|যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন]] * [[:w:হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমাবর্ষণ|হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমাবর্ষণ]] * [[:w:সামরিক শাসন|সামরিক শাসন]] * [[:w:ন্যাটো|ন্যাটো]] * [[:w:পারমাণবিক যুদ্ধ|পারমাণবিক যুদ্ধ]] - উইকিপিডিয়া == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[বিষয়শ্রেণী:গণবিধ্বংসী অস্ত্র]] [[বিষয়শ্রেণী:পারমাণবিক অস্ত্র]] [[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধ]] t3rcy8rpllypvcrwkdzbzdnspkopwvr 78882 78881 2026-04-20T10:35:47Z Oindrojalik Watch 4169 78882 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Bulava SLBM launched by Yuri Dolgoruky submarine.jpg|thumb|পারমাণবিক অস্ত্র: এমন এক মাধ্যম যা অতি সভ্য জাতিগুলো সেইসব বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য জমিয়ে রাখে, যা মীমাংসা না করলে ঝামেলার কারণ হতে পারত। দুর্ভাগ্যবশত, অনেক প্রাক্তন অসভ্য জাতিও এখন সভ্য হয়ে উঠছে।</br>—'''''লিওনার্ড রসিটার''''']] '''[[:w:পারমাণবিক অস্ত্র|পারমাণবিক অস্ত্র]]''' হলো এমন এক বিস্ফোরক যন্ত্র যা [[w:পারমাণবিক_বিক্রিয়া|পারমাণবিক বিক্রিয়া]] (নিউক্লিয়ার ফিশন, ফিশন এবং ফিউশনের সংমিশ্রণ) থেকে ধ্বংসাত্মক শক্তি উৎপাদন করে। উভয় বিক্রিয়াই অতি সামান্য পরিমাণ পদার্থ থেকে বিশাল পরিমাণে শক্তি নির্গত করে। == উক্তি == === পূর্বাভাস === * মানুষ বিজ্ঞানের ওপর চড়ে বসেছে এবং বিজ্ঞান এখন তাকে নিয়ে উধাও হয়ে গেছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে আরও কয়েক শতাব্দী যাওয়ার আগেই বিজ্ঞান মানুষের মালিকে পরিণত হবে। মানুষ যেসব ইঞ্জিন আবিষ্কার করবে, তা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা তার থাকবে না। কোনো একদিন বিজ্ঞান হয়তো পুরো মানবজাতির অস্তিত্বকে নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে নেবে এবং মানুষ পৃথিবী উড়িয়ে দিয়ে নিজেরাই আত্মহত্যা করে ফেলবে! ** '''''[[:w:হেনরি অ্যাডামস|হেনরি অ্যাডামস]]''''', চার্লস ফ্রান্সিস অ্যাডামস জুনিয়রকে লেখা চিঠি (লন্ডন, ১১ এপ্রিল, ১৮৬২) * একবার নিক্ষেপ করার পর, সেই বোমাটির শক্তি নিঃশেষ না হওয়া পর্যন্ত সেটি ছিল সম্পূর্ণ অদম্য শক্তি এবং অনিয়ন্ত্রিত দাবানল! এর ওপর দিয়ে ফেটে চৌচির হয়ে যাওয়া গহ্বর থেকে জ্বলন্ত লাভা-বাষ্প, শিলা আর মাটির টুকরো চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছিল। এটিই ছিল সামরিক বিজ্ঞানের সেই মুকুটহীন বিজয়! এটিই চূড়ান্ত বিস্ফোরক—যা যুদ্ধে এক নির্ণায়ক ছোঁয়া দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল...। ** '''''[[:w:এইচ. জি. ওয়েলস|এইচ. জি. ওয়েলস]]''''', [[w:The World Set Free|''দ্য ওয়ার্ল্ড সেট ফ্রি'']] (১৯১৪), অধ্যায় ২, অনুচ্ছেদ ৪ * এমন কি কোনো শক্তিশালী বিস্ফোরক শক্তি ব্যবহারের গূঢ় পদ্ধতি থাকা কি সম্ভব নয় যা এযাবৎকালের আবিষ্কৃত যেকোনো কিছুর চেয়ে অতুলনীয়ভাবে তীব্র এবং ধ্বংসাত্মক হবে? একটি সাধারণ কমলালেবুর চেয়ে বড় নয় এমন একটি ক্ষুদ্র বোমা কি এমন কোনো গুপ্ত ক্ষমতার অধিকারী হতে পারে না যা মুহূর্তের মধ্যে একটি আস্ত দালান, না কি হাজার টন কর্ডাইটের শক্তিকে একীভূত করে এক নিমেষেই একটি জনপদকে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে পারে? বর্তমান সময়ের বিস্ফোরকগুলোকেও কি বেতার তরঙ্গ বা অন্য কোনো অদৃশ্য রশ্মির মাধ্যমে চালকহীন বিমানে করে শত্রুর শহর, অস্ত্রাগার, সামরিক ক্যাম্প কিংবা ডকইয়ার্ডে এক অবিরাম মিছিলের মতো বর্ষণ করা সম্ভব নয়? ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', "শ্যাল উই অল কমিট সুইসাইড?", ''পল মল'' (সেপ্টেম্বর ১৯২৪)। ''থটস অ্যান্ড অ্যাডভেঞ্চারস'' (১৯৩২), পৃষ্ঠা ২৫০। === ১৯৩০-এর দশক === * এনরিকো ফের্মি এবং লিও সিলার্ডের সাম্প্রতিক কিছু গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা, যা পাণ্ডুলিপি আকারে আমার হস্তগত হয়েছে, আমাকে এই দৃঢ় বিশ্বাস জোগাচ্ছে যে নিকট ভবিষ্যতে ইউরেনিয়াম নামক উপাদানটি শক্তির এক অভিনব এবং অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ উৎসে পরিণত হতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতির কিছু জটিল দিক অত্যন্ত সজাগ নজরদারি এবং প্রয়োজনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতি দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি রাখে। এই নতুন বৈজ্ঞানিক ঘটনাটি অত্যন্ত শক্তিশালী বোমা তৈরির পথেও আলোকপাত করতে পারে এবং এটি অত্যন্ত বাস্তবসম্মত। যদিও কিছুটা অনিশ্চিত যে এভাবে এক নতুন ধরণের অতি-শক্তিশালী বোমা তৈরি করা সম্ভব। এই ধরণের একটিমাত্র শক্তিশালী বোমা, যা কোনো নৌযান বা নৌকায় করে নিয়ে গিয়ে কোনো সামুদ্রিক বন্দরে বিস্ফোরণ ঘটানো হলে, তা মুহূর্তেই পুরো বন্দর এবং তার পার্শ্ববর্তী বিস্তীর্ণ অঞ্চলকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। তবে, এই ধরণের বোমা আকাশপথে বা বিমানে পরিবহনের জন্য ওজনে অত্যন্ত ভারী বলে প্রমাণিত হতে পারে। ** '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''', প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের কাছে লেখা চিঠি (২ আগস্ট ১৯৩৯, যা ১১ অক্টোবর ১৯৩৯-এ প্রদান করা হয়)। ''আইনস্টাইন অন পিস'', সম্পাদনা: অটো নাথান এবং হেইঞ্জ নর্ডেন (১৯৬০, ১৯৮১-তে পুনর্মুদ্রিত), পৃষ্ঠা ২৯৪–৯৫। === ১৯৪০-এর দশক === [[File:TrinityDetonation1945GIF.gif|thumb|এখন আমি এক ভয়ানক যম এবং মৃত্যুতে পরিণত হয়েছি, যে এই গোটা বিশ্বকে ধ্বংস করে দিতে পারে!]] [[File:Hiroshima aftermath.jpg|thumb|হে ঈশ্বর, আমরা একি করলাম!<br>—[[:w:রברת এ. লুইস|রবার্ট এ. লুইস]]]] * আমরা মনে মনে অনুভব করছিলাম যে এই মুহূর্তের পর পৃথিবী আর আগের মতো চিরচেনা থাকবে না। সেখানে উপস্থিত কতিপয় মানুষ উচ্চস্বরে হাসল, কতিপয় মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়ল। তবে অধিকাংশ মানুষই ছিল এক গভীর ও নিস্তব্ধ স্তব্ধতায় আচ্ছন্ন। আমার মানসপটে প্রাচীন হিন্দু ধর্মগ্রন্থ ''[[ভগবদ্গীতা]]''-র সেই অমোঘ লাইনটি বারবার ভেসে আসছিল। সেখানে ভগবান বিষ্ণু যখন রাজকুমার অর্জুনকে কর্তব্য পালনে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করছিলেন এবং তাকে নিজের মহিমা প্রদর্শনের জন্য বহুভুজ ও বিশ্বরূপ ধারণ করে বলেছিলেন, "এখন আমি এক ভয়ানক যম এবং মৃত্যুতে পরিণত হয়েছি, যে এই গোটা বিশ্বকে ধ্বংস করে দিতে পারে!" আমার ধারণা, কোনো না কোনোভাবে আমাদের সবার মনে তখন ঠিক এই চিন্তাটিই ঘুরপাক খাচ্ছিল। ** '''''[[:w:জে. রবার্ট ওপেনহেইমার|জে. রবার্ট ওপেনহেইমার]]''''', প্রথম পারমাণবিক ডিভাইসের প্রলয়ংকরী বিস্ফোরণ মুহূর্তের স্মৃতিচারণ। ''[https://www.youtube.com/watch?v=-JWxIVVeV98 দ্য ডিসিশন টু ড্রপ দ্য বোম্ব''] (১৯৬৫ এনবিসি নিউজ প্রোগ্রাম)। * এখন আমরা সবাই একেকজন নরক কীট বা এক জঘন্য পাপী সন্তানে পরিণত হলাম। ** '''''কেনেথ বেইনব্রিজ''''', আলামোগোর্ডোতে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বোমা পরীক্ষার প্রলয়ংকরী বিস্ফোরণের পরপরই রবার্ট ওপেনহেইমারকে উদ্দেশ্য করে করা তাৎক্ষণিক মন্তব্য, ল্যান্সিং ল্যামন্টের ''ডে অফ ট্রিনিটি'' (১৯৬৬), পৃষ্ঠা ২৪২। * হে করুণাময় ঈশ্বর, আমাদের হাতের মাধ্যমে আজ একি প্রলয়ংকরী ঘটনা ঘটে গেল? আমরা একি করলাম! ** '''''[[:w:রবার্ট এ. লুইস|রবার্ট এ. লুইস]]''''', হিরোশিমায় বোমা নিক্ষেপকারী ''এনোলা গের'' কো-পাইলট ও বিমান কমান্ডার (৬ আগস্ট ১৯৪৫)। * পারমাণবিক বোমার এই ভয়াবহ ব্যবহার এবং এর নিষ্ঠুরতা দিয়ে যেভাবে নির্বিচারে নিরপরাধ নারী ও শিশুদের হত্যা করা হয়েছে, তা আমার অন্তর ও আত্মাকে এক চরম বিদ্রোহের মুখে ঠেলে দিয়েছে। আজ আমি খুব মর্মাহত। ** '''''[[:w:হার্বার্ট হুভার|হার্বার্ট হুভার]]''''', কর্নেল জন ক্যালান ও’লাফলিনকে (আর্মি অ্যান্ড নেভি জার্নালের প্রকাশক) লেখা চিঠি (৮ আগস্ট ১৯৪৫), গার আলপেরোভিৎজের ''দ্য ডিসিশন টু ইউজ দ্য অ্যাটমিক বোম্ব'' (১৯৬৬), পৃষ্ঠা ৪৫৯। "ও’লাফলিন করেসপন্ডেন্স ফাইল, বক্স ১৭১, পোস্ট-প্রেসিডেন্সিয়াল পেপারস, হার্বার্ট হুভার প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরি"। * আমেরিকান, ইংরেজ এবং ফরাসি সংবাদপত্রগুলো আজ পারমাণবিক বোমার ধ্বংসক্ষমতা নিয়ে অত্যন্ত মার্জিত ও তাত্ত্বিক গবেষণামূলক প্রবন্ধ উগরে দিচ্ছে। আমরা এই পুরো বিষয়টিকে একটিমাত্র তীক্ষ্ণ বাক্যে সারসংক্ষেপ করতে পারি। বর্তমানের এই যান্ত্রিক সভ্যতা সম্ভবত সবেমাত্র আদিম বর্বরতার চূড়ান্ত ও নিষ্ঠুরতম পর্যায়টি সফলভাবে অর্জন করতে পেরেছে। ** '''''[[:w:আলবেয়ার কামু|আলবেয়ার কামু]]''''', ''কমব্যাট'' (৮ আগস্ট ১৯৪৫)। নিকোলাস হামফ্রে ও রবার্ট জে লিফটনের ''ইন আ ডার্ক টাইম'' (১৯৮৪), পৃষ্ঠা ২৭। * আজ 'পারমাণবিক বোমা' নিয়ে আসা সংবাদগুলো এতটাই ভয়াবহ যে যেকোনো মানুষ এটি শুনে স্তম্ভিত হয়ে যেতে বাধ্য। যুদ্ধের প্রয়োজনে এই ধরণের ধ্বংসাত্মক কাজে নিজেদের সম্মতি দেওয়া এই উন্মাদ পদার্থবিদদের চরম নির্বুদ্ধিতারই নামান্তর। তারা কি তবে শান্ত মস্তিস্কে এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের বিনাশের নীল নকশা তৈরি করেনি? মানুষের নৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক মান যখন ক্রমাগত নিম্নমুখী হচ্ছে, তখন তাদের হাতে এমন এক বিধ্বংসী বিস্ফোরক তুলে দেওয়া আর কোনো কারাগারের সকল কয়েদিদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দিয়ে "ইহা শান্তি পয়গাম করিবে" বলে আশা করা একই কথা। তবে যদি সংবাদপত্রের এই লেখাগুলো অতিরঞ্জিত না হয়, তবে আমি মনে করি এর থেকে একটি ভালো দিক বেরিয়ে আসতে পারে। সম্ভবত এবার [[জাপান]] নতি স্বীকার করবে। শেষ পর্যন্ত আমরা সবাই ঈশ্বরের হাতেই নিরাপদ। কিন্তু মনে রাখা প্রয়োজন, "ঈশ্বর কখনোই 'বাবেল টাওয়ার' নির্মাণকারীদের (অহংকারী স্রষ্টাদের) সুনজরে দেখেন না।" ** '''''[[:w:জে. আর. আর. টলকিন|জে. আর. আর. টলকিন]]''''', তার পুত্র [[:w:ক্রিস্টোফার টলকিন|ক্রিস্টোফারকে]] লেখা একটি চিঠি থেকে (৯ আগস্ট ১৯৪৫); ''[[:w:দ্য লেটারস অফ জে. আর. আর. টলকিন|দ্য লেটারস অফ জে. আর. আর. টলকিন]]'' (১৯৮১)। * কেউ কি কল্পনা করতে পারে যে এই 'পারমাণবিক বোমা' কখনো কোনো "মহৎ উদ্দেশ্যে" ব্যবহৃত হতে পারে? এই ধরণের ভয়াবহ মাধ্যম কি তাৎক্ষণিকভাবে যেকোনো মহৎ উদ্দেশ্যকে কলুষিত করে দেয় না? এই বোমা মূলত আমাদের তৈরি করা সমাজেরই এক স্বাভাবিক ও অনিবার্য ফসল। এটি আমেরিকান জীবনধারার ঠিক ততটাই সাবলীল, স্বাভাবিক এবং স্বতঃস্ফূর্ত বহিঃপ্রকাশ, যতটা তাদের ইলেকট্রিক রেফ্রিজারেটর, ব্যানানা স্প্লিট কিংবা অটোমোবাইল গাড়িগুলো। ** '''''ডোয়াইট ম্যাকডোনাল্ড''''', ''পলিটিক্স'' ম্যাগাজিন (আগস্ট ১৯৪৫)। * এই পারমাণবিক বোমা হলো এক ভয়ংকর ক্রোধের রূপ ধরে ঈশ্বরের 'দ্বিতীয় আগমন' বা 'সেকেন্ড কামিং'! ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', [[:w:ট্রিনিটি টেস্ট|ট্রিনিটি টেস্টের]] খবর শুনে করা মন্তব্য; ''দ্য আটলান্টিক'' (মার্চ ১৯৫৭), পৃষ্ঠা (অপ্রকাশিত/সংগৃহীত)। * পারমাণবিক শক্তির এই উন্মোচন আসলে নতুন কোনো সমস্যার সৃষ্টি করেনি। এটি কেবল একটি বিদ্যমান দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানের আবশ্যকতাকে আরও বেশি জরুরি ও অনিবার্য করে তুলেছে। ** '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''', রেমন্ড সুইং এর কাছে দেওয়া বক্তব্য (১ অক্টোবর ১৯৪৫-এর পূর্বে); ''আইনস্টাইন অন পলিটিক্স'' (২০০৭), পৃষ্ঠা ৩৭৩। * আজ এই পারমাণবিক বোমা আমাদের চেনা জগতের স্বরূপকে আমূল বদলে দিয়েছে এবং ফলস্বরূপ মানবজাতি নিজেকে এক নতুন পরিবেশে আবিষ্কার করেছে, যেখানে টিকে থাকতে হলে তাকে অবশ্যই তার চিন্তাচেতনার পরিবর্তন ঘটিয়ে নতুন পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে হবে। ** '''''[[:w:আলবার্ট আইনস্টাইন|আলবার্ট আইনস্টাইন]]''''', "অনলি দেন শ্যাল উই ফাইন্ড কারেজ", ''নিউ ইয়র্ক টাইমস ম্যাগাজিন'' (২৩ জুন ১৯৪৬)। * নির্বিচারে অগণিত পুরুষ, নারী ও শিশুকে পাইকারি হারে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে পারমাণবিক বোমার এই ব্যবহারকে আমি বিজ্ঞানের ইতিহাসের সবচেয়ে পৈশাচিক ও দানবীয় প্রয়োগ হিসেবেই গণ্য করি। ** '''''[[:w:মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা গান্ধী]]''''', ''[[:w:হরিজন (ম্যাগাজিন)|হরিজন]]'' ম্যাগাজিন (২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬); ইতি আব্রাহামের ''দ্য মেকিং অফ দ্য ইন্ডিয়ান অ্যাটমিক বোম্ব'' (১৯৯৮), পৃষ্ঠা ৩০। * যে সকল বিজ্ঞানীরা পারমাণবিক বোমা তৈরির কাজে নিয়োজিত ছিলেন, তাদের অভিজ্ঞতা এই ইঙ্গিতই দেয় যে—এই ধরণের যেকোনো গবেষণার শেষে একজন বিজ্ঞানী এমন একদল মানুষের হাতে অসীম ক্ষমতা তুলে দেন, যাদের ওপর তিনি বিন্দুমাত্র বিশ্বাস রাখতেও কুণ্ঠাবোধ করেন। ** '''''নরবার্ট উইনার''''', নিয়ন্ত্রিত ক্ষেপণাস্ত্র সংক্রান্ত তথ্যের অনুরোধের প্রেক্ষিতে উত্তর। ''দ্য আটলান্টিক মান্থলি'' (ডিসেম্বর ১৯৪৬)। * আমি যতটুকু বুঝতে পারছি, এই পারমাণবিক বোমা মানবজাতির সেই সূক্ষ্ম ও পবিত্র অনুভূতিগুলোকে চিরতরে অসাড় করে দিয়েছে যা যুগ যুগ ধরে এই সভ্যতাকে টিকিয়ে রেখেছিল। ** '''''[[:w:মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা গান্ধী]]''''' (১৯৪৬); উইলিয়াম বোরম্যানের ''গান্ধী অ্যান্ড নন-ভায়োলেন্স'' (১৯৮৬), পৃষ্ঠা ১৭০। * এক প্রকার স্থূল অর্থে যাকে কোনো কুরুচিপূর্ণ রসিকতা বা অতিরঞ্জিত বর্ণনা দিয়ে মুছে ফেলা সম্ভব নয়। এই আধুনিক পদার্থবিদরা যেন আজ পাপের দেখা পেয়েছেন এবং এটি এমন এক গভীর জ্ঞান যা তারা আর কখনোই ভুলে যেতে পারবেন না। ** '''''[[:w:জে. রবার্ট ওপেনহেইমার|জে. রবার্ট ওপেনহেইমার]]''''', [[:w:ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি|ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে]] প্রদত্ত বক্তৃতা (২৫ নভেম্বর ১৯৪৭); ''দ্য ওপেন মাইন্ড'' (১৯৫৫), অধ্যায় ৫। === ১৯৫০-এর দশক === * বাষ্পীয় ইঞ্জিনের আবিষ্কারের পর বিজ্ঞানের এই যে জয়যাত্রা, তাতে মানবজাতি আদৌ লাভবান হয়েছে কি না তা নিয়ে যথেষ্ট তর্কের অবকাশ রয়েছে। বিদ্যুৎ হয়তো অগণিত মানুষের জন্য অসীম সুযোগ-সুবিধার দ্বার উন্মোচন করেছে, কিন্তু এর বিনিময়ে তাদের অনেক চড়া মূল্য দিতে হতে পারে। ব্যক্তিগতভাবে আমার চিন্তাচেতনা সেই অন্তর্দহন ইঞ্জিন বা '''Internal combustion engine''' এর পূর্বেই থমকে যায়। যা এই বিশ্বকে অনেক ছোট ও সংকুচিত করে ফেলেছে। তথাকথিত বর্বর যুগের পূর্বপুরুষদের তুলনায় বর্তমানের এই আধুনিক মানুষের প্রকৃতি খুব একটা উন্নত নয়। এমতাবস্থায় তাদের হাতে পারমাণবিক বোমার মতো ভয়ানক শক্তির উৎস তুলে দেওয়ার পরিণাম নিয়ে আমাদের শঙ্কিত হওয়া উচিত। বিজ্ঞানের এই কৃত্রিম যান্ত্রিকতার চেয়ে আমার কাছে ঘোড়াই অনেক বেশি শ্রেয়। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', [[:w:রয়্যাল কলেজ অফ সার্জনস|রয়্যাল কলেজ অফ সার্জনস]], প্রদত্ত ভাষণ (১০ জুলাই ১৯৫১)। ''স্টেমলিং দ্য টাইড'' (১৯৫৩), পৃষ্ঠা ৯১। * সবকিছুর ঊর্ধ্বে একটি বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে, যতক্ষণ না আপনি নিশ্চিত এবং শতভাগ নিশ্চিত হচ্ছেন যে শান্তি রক্ষার বিকল্প কোনো মাধ্যম আপনার আয়ত্তে রয়েছে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই পারমাণবিক অস্ত্র নিজের হাতছাড়া করবেন না। ** '''''[[:w:উইনস্টন চার্চিল|উইনস্টন চার্চিল]]''''', মার্কিন কংগ্রেসে দেওয়া শেষ ভাষণ (১৭ জানুয়ারি ১৯৫২); ''দ্য ওয়ার দ্যাট মাস্ট নেভার বি ফাউট: ডিলেমাস অফ নিউক্লিয়ার ডিটারেন্স'' (২০১৫)। * আজ আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় বিপদ ভৌত বিজ্ঞানের তৈরি করা সেই পারমাণবিক বোমাটি নয়, যা বিমানে করে বয়ে নিয়ে হাজার হাজার মানুষের মাথার ওপর ফেলে দেওয়া যায়! যদিও সেটিও যথেষ্ট বিপজ্জনক। বরং বর্তমান সভ্যতার জন্য আসল হুমকি হলো সেই পারমাণবিক বোমা যা প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে এবং আত্মায় সুপ্ত অবস্থায় রয়েছে। যা যেকোনো মুহূর্তে জঘন্যতম ঘৃণা এবং ক্ষতিকর স্বার্থপরতার বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম। আমাদের আজকের প্রকৃত ভয়ের কারণ হওয়া উচিত মানুষের মনের ভেতরে থাকা এই বিধ্বংসী প্রবৃত্তি। আমাদের সমস্যার মূল ভিত্তি লুকিয়ে আছে মানুষের হৃদয়ের গহীনে ও তার আত্মার কলুষতায়। ** '''''[[:w:মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র|মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]]''''', "রিডিসকভারিং লস্ট ভ্যালুস", ডেট্রয়েটের [[:w:সেকেন্ড ব্যাপটিস্ট চার্চ (ডেট্রয়েট, মিশিগান)|সেকেন্ড ব্যাপটিস্ট চার্চ]]-এ প্রদত্ত খুতবা (২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪)। * এডেন উদ্যানের সেই দেবদূতের তলোয়ার থেকে নির্গত অগ্নিশিখা আজ যেন রূপান্তরিত হয়ে পারমাণবিক বোমায় পরিণত হয়েছে। ঈশ্বরের বজ্র আজ ভোঁতা হয়ে গেছে, আর তাই মানুষের তৈরি সেই বজ্র আজ এক ধ্বংসাত্মক 'ইস্পাত নক্ষত্র' রূপে আবির্ভূত হয়েছে। ** '''''শন ও’কেসি''''', ''সানসেট অ্যান্ড ইভনিং স্টার'' (১৯৫৪)। * সোজা কথায় বলতে গেলে, [[যুক্তরাজ্য|ব্রিটেন]] যেহেতু বিশ্বকে জানিয়ে দিয়েছে যে তার কাছে হাইড্রোজেন বোমা রয়েছে, তাই তার উচিত যত দ্রুত সম্ভব ঘোষণা করা যে তারা এই মরণাস্ত্রের ব্যবহার চিরতরে ত্যাগ করেছে এবং তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে পারমাণবিক যুদ্ধ প্রত্যাখ্যান করার প্রস্তাব দিচ্ছে। এটি কোনো নিছক শান্তিবাদ নয়। আমি এই দ্বীপরাষ্ট্রের তাৎক্ষণিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিত্যাগ করার পরামর্শ দিচ্ছি না। বরং যা পরিত্যাগ করা উচিত তা হলো 'প্রতিশোধের হুমকির মাধ্যমে ভয় দেখানো' বা ডিটারেন্সের ধারণা। এর মধ্যে প্রকৃত কোনো নিরাপত্তা নেই, কোনো অশ্লীলতা নেই, নেই কোনো অন্ধ বিশ্বাস, আশা কিংবা মানবিক করুণার লেশমাত্র। ** '''''[[:w:জে. বি. প্রিস্টলি|জে. বি. প্রিস্টলি]]''''', "ব্রিটেন অ্যান্ড দ্য নিউক্লিয়ার বোম্বস", ''দ্য নিউ স্টেটসম্যান'' (২ নভেম্বর ১৯৫৭)। * আমি সম্প্রতি আমেরিকান পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানী ডব্লিউ. ডেভিডসনের একটি মন্তব্য পড়ার সুযোগ পেয়েছি। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, মাত্র একটি হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণ থেকে নির্গত শক্তির পরিমাণ মানবজাতির সমগ্র ইতিহাসের সকল যুদ্ধে সকল দেশের দ্বারা ঘটানো সমস্ত বিস্ফোরণের সম্মিলিত শক্তির চেয়েও বহুগুণ বেশি এবং দৃশ্যত, তার এই পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত সঠিক ও নিদারুণ বাস্তব। ** '''''[[:w:নিকিতা ক্রুশ্চেভ|নিকিতা ক্রুশ্চেভ]]''''', নিউ ইয়র্ক সিটিতে জাতিসংঘে প্রদত্ত ভাষণ (১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৫৯); ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৫৯), পৃষ্ঠা ৮। উদ্ধৃত পদার্থবিজ্ঞানী মূলত আর্গন ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির সহযোগী পদার্থবিজ্ঞানী উইলিয়াম ডেভিডন ছিলেন বলে পরবর্তীকালে নিশ্চিত হওয়া গেছে। === ১৯৬০-এর দশক === [[File:Confusion of Tongues (89393754).jpg|thumb|আমরা বিজ্ঞানের ঈশ্বরের সামনে নতজানু হয়েছি কেবল এটি আবিষ্কার করার জন্য যে—সে আমাদের উপহার দিয়েছে পারমাণবিক বোমা; যা এমন ভয় ও উদ্বেগ তৈরি করেছে যা বিজ্ঞান কখনো প্রশমিত করতে পারবে না। ~ মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]] * আজ এই গ্রহের প্রতিটি বাসিন্দাকে সেই দিনটির কথা গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে যখন এই পৃথিবী হয়তো আর বসবাসের যোগ্য থাকবে না। প্রতিটি পুরুষ, নারী ও শিশু আজ পারমাণবিক ধ্বংসের এক 'ড্যামোক্লিসের তলোয়ারের' নিচে বসবাস করছে, যা অত্যন্ত সরু ও ক্ষীণ সুতোর ওপর ঝুলে আছে। দুর্ঘটনাবশত, ভুল হিসাব-নিকাশে কিংবা কোনো এক উন্মাদনার বশবর্তী হয়ে যেকোনো মুহূর্তে সেই সুতো ছিঁড়ে যেতে পারে। যুদ্ধের এই মরণাস্ত্রগুলো আমাদের নির্মূল করার আগেই আমাদের উচিত হবে এগুলোকে সমূলে নির্মূল করা। ** '''''[[:w:জন এফ. কেনেডি|জন এফ. কেনেডি]]''''', জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রদত্ত ভাষণ (২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬১)। [https://www.jfklibrary.org/archives/other-resources/john-f-kennedy-speeches/united-nations-19610925] * আমি আশা করি তোমার ছুটি খুব ভালো কেটেছে এবং সেই পুরোনো পারমাণবিক বোমা নিয়ে তুমি খুব একটা দুশ্চিন্তা করছ না। আমার মন বলছে এটি কখনোই ফেলা হবে না। যদি না কোনো দুর্ঘটনা ঘটে। এটি শুনতে হয়তো উদ্ধত মনে হতে পারে, তবে আমি সত্যিই বিশ্বাস করি যে মানুষ জাতি এতটাই নির্বোধ যে এই দুর্ঘটনাটি যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে। ** '''''জিন রিস''''', ১৯৬১ সালের একটি চিঠি; ফ্রান্সিস উইন্ডহাম এবং ডায়ানা মেলি সম্পাদিত ''দ্য লেটারস অফ জিন রিস'' (১৯৮৪)-এ সংগৃহীত। * আমরা অন্ধভাবে বিজ্ঞানের অসীম ক্ষমতার কাছে মাথা নত করেছি কেবল এটি দেখার জন্য যে, বিজ্ঞান আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে পারমাণবিক বোমার মতো ধ্বংসাত্মক মরণাস্ত্র। যা মানবমনে এমন এক গভীর ভীতি ও চরম উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে যা উপশম করার সাধ্য খোদ বিজ্ঞানেরও নেই। ** '''''[[:w:মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র|মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র]]''''', ''স্ট্রেংথ টু লাভ'' (১৯৬৩)। * প্রতিটি জাতির কাছে একটি করে পারমাণবিক বোমা থাকা উচিত! ঠিক যেমন ফ্যাশন সচেতন প্রতিটি নারীর কাছে একটি দামি মিঙ্ক কোট থাকা প্রয়োজন। এমন চিন্তাটি অত্যন্ত জঘন্য ও শোচনীয়। ** '''''[[:w:ক্লেমেন্ট এটলি|ক্লেমেন্ট এটলি]]''''', এস. বিয়ারের ''মডার্ন ব্রিটিশ পলিটিক্স'' এবং স্টুয়ার্ট থম্পসনের ''দ্য ডিকশনারি অফ লেবার কোটেশনসে'' (২০১৩) উল্লিখিত। === ১৯৭০-এর দশক === * বিজ্ঞান যখন কেবল 'কীভাবে' কাজ করে তার বর্ণনা না দিয়ে বরং 'কেন' কাজ করে সেই প্রশ্নটি করতে শেখে, তখনই এটি নিছক প্রযুক্তির গণ্ডি ছাড়িয়ে প্রকৃত জ্ঞানে রূপান্তরিত হয়। যখন এটি 'কেন' প্রশ্নটি তোলে, তখন এটি '[[w:আপেক্ষিকতা_তত্ত্ব|আপেক্ষিকতা তত্ত্ব]]' আবিষ্কার করে। আর যখন এটি কেবল 'কীভাবে' সেটি দেখায়, তখন এটি পারমাণবিক বোমা উদ্ভাবন করে এবং এরপর নিজের চোখের ওপর হাত রেখে আক্ষেপ করে বলে—, "হে ঈশ্বর, আমি একি করলাম?" ** '''''[[:w:উরসুলা লে গুইন|উরসুলা লে গুইন]]''''', "দ্য স্টালিন ইন দ্য সোল", ''দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ অফ দ্য নাইট'' (১৯৭৬)। === ১৯৮০-এর দশক === * পারমাণবিক অস্ত্র - এমন এক বিশেষ মাধ্যম যা কেবল অতি-সভ্য জাতিগুলোর ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত। যাতে তারা সেইসব বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে যেগুলো অমীমাংসিত থাকলে ভবিষ্যতে বড় রকমের ঝামেলার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারত। তবে দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, ইদানীং অতীতে অসভ্য হিসেবে পরিচিত অনেক জাতিই বড় বেশি 'সভ্য' হয়ে উঠছে। ** '''''[[:w:লিওনার্ড রসিটার|লিওনার্ড রসিটার]]''''', ''দ্য ডেভিল'স বেডসাইড বুক'' (১৯৮০)। * পারমাণবিক বোমা হলো এক বিস্ময়কর উপহার, যা একজন পরম করুণাময় ও প্রজ্ঞাবান ঈশ্বর আমাদের এই দেশকে দান করেছেন। ** '''''ফিলিস শ্লাফলি''''', রোজমেরি চকের "উইমেন অ্যান্ড দ্য ন্যাশনাল সিকিউরিটি ডিবেট" এ উদ্ধৃত; ''বুলেটিন অফ দ্য অ্যাটমিক সায়েন্টিস্টস'' (আগস্ট/সেপ্টেম্বর ১৯৮২), পৃষ্ঠা ৪৬। * [[w:জে._রবার্ট_অপেনহাইমার|ওপেন হেইমারের]] তৈরি এই মরণঘাতী খেলনা থেকে আমি আমার ছোট্ট ছেলেটিকে কীভাবে রক্ষা করব? ** '''''[[:w:স্টিং (সংগীতশিল্পী)|স্টিং]]''''', [[w:রাশিয়ানস (গান)|"রাশিয়ানস"]], ''দ্য ড্রিম অফ দ্য ব্লু টার্টলস'' (১৯৮৫)। * এমন একমাত্র উসকানি কী হতে পারে যা পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহারের পথ প্রশস্ত করতে পারে? উত্তর হলো 'পারমাণবিক অস্ত্র'। পারমাণবিক অস্ত্রের প্রধান লক্ষ্যবস্তু কী? সেটিও হলো পারমাণবিক অস্ত্র। পারমাণবিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে একমাত্র প্রতিষ্ঠিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কী? তাও হলো পারমাণবিক অস্ত্র! আমরা কীভাবে পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার রোধ করি? অন্যকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের হুমকি দেওয়ার মাধ্যমে। আর আমরা কেন এই পারমাণবিক অস্ত্র থেকে মুক্তি পেতে পারছি না? কারণ হলো সেই একই পারমাণবিক বোমা! এই যে এক অনড় ও জটিল অচলাবস্থা, তা আসলে এই মারণাস্ত্রগুলোর নিজস্ব চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যেরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। ** '''''[[:w:মার্টিন এমিস|মার্টিন এমিস]]''''', ''আইনস্টাইন'স মনস্টারস'' (১৯৮৭), "ইন্ট্রোডাকশন: থিঙ্কিবিলিটি"। * এই যে এক উন্মাদ অস্ত্র প্রতিযোগিতা, এটি মূলত পারমাণবিক অস্ত্রের সাথে আমাদের নিজেদের টিকে থাকার এক তীব্র লড়াই। ** '''''[[:w:মার্টিন এমিস|মার্টিন এমিস]]''''', ''আইনস্টাইন'স মনস্টারস'' (১৯৮৭), "ইন্ট্রোডাকশন: থিঙ্কিবিলিটি"। * পারমাণবিক অস্ত্রগুলো আদৌ একটি কার্যকর প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করেছে কি না, কিংবা এগুলো আজ কার্যকর আছে কি না অথবা ভবিষ্যতে থাকবে কি না, তা আমরা স্পষ্টভাবে জানি না। পারমাণবিক নীতিগুলো বছরের পর বছর ধরে এমন সব তথ্য এড়িয়ে বা সে সম্পর্কে অজ্ঞ থেকে তৈরি করা হয়েছে, যা মূলত এই নীতির অস্তিত্বের যৌক্তিকতাকে প্রমাণ করার জন্য সবচেয়ে জরুরি ছিল। ** '''''রবার্ট এল. হোমস''''', ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'', "হোয়াট উই ডোন্ট নো অ্যাবাউট নিউক্লিয়ার পলিসি" (১৭ জানুয়ারি ১৯৮৮), পৃষ্ঠা ২৬। === ১৯৯০-এর দশক === * আমরা বিজ্ঞানীরা বড্ড চতুর! প্রয়োজনের চেয়েও অনেক বেশি চতুর, এতেও কি আপনারা সন্তুষ্ট নন? একটিমাত্র বোমায় চার বর্গমাইল এলাকা ছাই হয়ে যাওয়া কি যথেষ্ট নয়? মানুষ এখনো ভাবছে। শুধু আমাদের একবার বলুন, আপনারা এই মরণাস্ত্রটি আর কত বড় বা শক্তিশালী হিসেবে দেখতে চান! ** '''''[[:w:রিচার্ড ফাইনম্যান|রিচার্ড পি. ফাইনম্যান]]''''', জেমস গ্লিক-এর ''জিনিয়াস: দ্য লাইফ অ্যান্ড সায়েন্স অফ রিচার্ড ফাইনম্যান'' (১৯৯২), পৃষ্ঠা ২০৪। [[File:Nagasakibomb.jpg|thumb|জেডওজি / '''ZOG''' থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার দিয়ে ইসরায়েলকে ধ্বংস করো। ~ ফিলিপ ল্যামি]] * যখন শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী সারভাইভালিস্টরা জেডওজির ([[w:জায়নবাদ|জায়নবাদী]] দখলদার সরকার, যা [[w:ওয়াশিংটন,_ডি.সি.|ওয়াশিংটন]] শাসন করে) বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ শুরু করবে... এবং জেডওজির থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সেই পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার ব্যবহার করে ইসরায়েলকে চিরতরে ধ্বংস করে দেবে। ** ফিলিপ ল্যামি, ''মিলেনিয়াম রেজ: সারভাইভালিস্টস, হোয়াইট সুপ্রিমেসিস্টস, অ্যান্ড দ্য ডুমসডে প্রফেসি'' (১৯৯৬)। === ২০০০-এর দশক === [[File:Nuclear reactor in dimona (israel).jpg|thumb|আরব এবং মুসলিমরা কীভাবে তথাকথিত ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে পারে যখন তার কাছে পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার রয়েছে? এটি অসম্ভব, যদি না তারা নিজেরাও নিজস্ব পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার রাখার অধিকার ভোগ করে।<br>~ মুয়াম্মার গাদ্দাফি]] * যেকোনো সামরিক কমান্ডার, যিনি নিজের বা অন্যের কাছে সৎ। তিনি অবশ্যই স্বীকার করবেন যে সামরিক শক্তির প্রয়োগে তিনি অতীতে ভুল করেছেন। ভুলবশত বা বিচারের ত্রুটির কারণে তিনি অপ্রয়োজনীয়ভাবে মানুষ হত্যা করেছেন। তা হতে পারে তার নিজের সৈন্য কিংবা প্রতিপক্ষের। সংখ্যাটি একশ, হাজার, দশ হাজার এমনকি এক লাখও হতে পারে। কিন্তু তিনি কখনো আস্ত কোনো জাতিকে ধ্বংস করে দেননি। প্রচলিত প্রজ্ঞা বলে, 'একই ভুল দুবার করো না, নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নাও'। এবং আমরা সবাই তাই করি। হয়তো আমরা একই ভুল তিনবার করি, তবে আশা করি চার বা পাঁচবার নয়। কিন্তু পারমাণবিক অস্ত্রের ক্ষেত্রে 'শিক্ষা নেওয়ার কোনো সুযোগ' বা সময় থাকবে না। আপনি একটিমাত্র ভুল করবেন এবং তার পরিণামে আপনি পুরো একটি জাতিকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেবেন। ** '''''[[:w:রবার্ট ম্যাকনামারা|রবার্ট ম্যাকনামারা]]''''', ''[[:w:দ্য ফগ অফ ওয়ার|দ্য ফগ অফ ওয়ার]]'' (২০০৩) তথ্যচিত্রে। * আজ ৭,৫০০টি কৌশলগত আক্রমণাত্মক পারমাণবিক ওয়ারহেড থাকা কি সঠিক ও সংগত। যার মধ্যে ২,৫০০টি মাত্র ১৫ মিনিটের সতর্কবার্তায় উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে! যা কেবল একজন মানুষের একক সিদ্ধান্তে কার্যকর হতে পারে? ** '''''[[:w:রবার্ট ম্যাকনামারা|রবার্ট ম্যাকনামারা]]''''', ''[[:w:দ্য ফগ অফ ওয়ার|দ্য ফগ অফ ওয়ার]]'' (২০০৩)। * সেখানে রয়েছে [[:w:ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি|ডিমোনা পারমাণবিক চুল্লি]] এবং ইসরায়েলের কাছে থাকা ব্যাপক ধ্বংসক্ষমতাসম্পন্ন অস্ত্রভাণ্ডার; অথচ কেউ এই বিষয়টি উত্থাপন করে না, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক। আরব এবং মুসলিমরা কীভাবে তথাকথিত ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে পারে যখন তারা বিশাল পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক? এটি অসম্ভব, যদি না তারা নিজেরাও নিজস্ব পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার রাখার অধিকার ভোগ করে। এছাড়া সেখানে [[:w:১৯৪৮ ফিলিস্তিনি বহিষ্কার|উদ্বাস্তু সমস্যা]] রয়েছে। প্রায় ৪০ লক্ষ [[ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিনি]] রয়েছে যাদের সসম্মানে ফিরে আসা উচিত। মূলত এটিই হলো সমস্ত সমস্যার মূল ভিত্তি। ** '''''[[:w:মুয়াম্মার গাদ্দাফি|মুয়াম্মার গাদ্দাফি]]''''', [https://www.youtube.com/watch?v=ODzOdV7BFuk টক টু আল-জাজিরা] (২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৯), আল-জাজিরা। === ২০১০-এর দশক === * পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশগুলো শাসনের অধিকার কেবল সেইসব মায়েদের দেওয়া উচিত—যারা এখনো তাদের সন্তানদের হৃদয়ে আগ্লে রেখে লালন-পালন করছেন। ** '''''[[:w:সুতোমু ইয়ামাগুচি|সুতোমু ইয়ামাগুচি]]''''', যিনি হিরোশিমার পারমাণবিক বিস্ফোরণের সময় সেখানে ছিলেন এবং বেঁচে ফেরেন। এরপর নাগাসাকিতে চলে যাওয়ার পর সেখানেও দ্বিতীয় পারমাণবিক বিস্ফোরণ থেকে অবিশ্বাস্যভাবে বেঁচে যান! এরপর ২০১০ সাল পর্যন্ত দীর্ঘজীবী হন। সূত্র: [[:w:স্টিভেন পিঙ্কার|স্টিভেন পিঙ্কার]], ''[[:w:দ্য বেটার অ্যাঞ্জেলস অফ আওয়ার নেচার|দ্য বেটার অ্যাঞ্জেলস অফ আওয়ার নেচার: হোয়াই ভায়োলেন্স হ্যাজ ডিক্লাইন্ড]]'' (নিউ ইয়র্ক: ভাইকিং, ২০১১), পৃষ্ঠা ৬৮৪। * রাষ্ট্রপতি এবং জেনারেলরা হয়তো পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানের জটিল সমীকরণগুলো পুরোপুরি বুঝতে পারেন না, কিন্তু পারমাণবিক বোমা বাস্তবে ঠিক কী করতে সক্ষম, সে সম্পর্কে তাদের অত্যন্ত স্বচ্ছ ও গভীর ধারণা রয়েছে। ** '''''[[:w:ইউভাল নোয়াহ হারারি|ইউভাল নোয়াহ হারারি]]''''', ''স্যাপিয়েন্স: আ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ হিউম্যানকাইন্ড'' (২০১১), অধ্যায় ১৪: "দ্য ডিসকভারি অফ ইগনোরেন্স"। === ২০২০-এর দশক === * আমরা পরীক্ষা (পারমাণবিক পরীক্ষা) চালাব কারণ এখন অন্য দেশগুলোও পরীক্ষা চালাচ্ছে এবং নিশ্চিতভাবেই [[:w:উত্তর কোরিয়া|উত্তর কোরিয়া]] পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে... পাকিস্তানও পরীক্ষা চালাচ্ছে। তারা আপনাকে এসব কথা জানাবে না। তারা প্রধানত মাটির অনেক গভীরে এসব পরীক্ষা করে থাকে। মানুষজন আসলে সঠিকভাবে জানে না সেই পরীক্ষার সময় সেখানে ঠিক কী ঘটছে... তারা কেবল সামান্য একটু কম্পন অনুভব করতে পারে। ** '''''[[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]''''', ২০২৫; [https://archive.ph/8qn0e পাকিস্তান টেস্টিং নিউক্লিয়ার ওয়েপনস: ম্যাসিভ রেভেলেশন বাই ডোনাল্ড ট্রাম্প]। == আরও দেখুন == * [[পারমাণবিক যুদ্ধ|পারমাণবিক যুদ্ধ]] - উইকিউক্তি * [[:w:যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন|যুদ্ধবিরোধী আন্দোলন]] * [[:w:হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমাবর্ষণ|হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমাবর্ষণ]] * [[:w:সামরিক শাসন|সামরিক শাসন]] * [[:w:ন্যাটো|ন্যাটো]] * [[:w:পারমাণবিক যুদ্ধ|পারমাণবিক যুদ্ধ]] - উইকিপিডিয়া == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[বিষয়শ্রেণী:গণবিধ্বংসী অস্ত্র]] [[বিষয়শ্রেণী:পারমাণবিক অস্ত্র]] [[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধ]] ise43k9um1n54wqdd5fdxz0dmi8b69r ববি হাজ্জাজ 0 12564 78747 78400 2026-04-20T03:01:34Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]] যোগ 78747 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Bobby Hajjaj meeting Directorate of Madrasah Education officials, Bailey Road, Dhaka (cropped).jpg|thumb|]] [[w:ববি হাজ্জাজ|ববি হাজ্জাজ]] (জন্ম ৭ এপ্রিল ১৯৭৪) একজন [[বাংলাদেশী]] রাজনীতিবিদ এবং বর্তমান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী। হাজ্জাজ হলেন রাজনৈতিক দল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএম প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনে [[বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল]] এর মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেছেন। ==উক্তি== * মতিউর রহমান রেন্টুর বই পড়লেই বোঝা যাবে স্বৈরাচার-পলাতক [[শেখ হাসিনা]]র মানসিক অবস্থা কেমন ছিল। সে একজন সাইকোপ্যাথ কিলার। তার দলের কর্মীরা মারা গেল কিনা সেটা নিয়ে তার মাথাব্যথা নেই। ** শহিদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর মালিবাগে অবস্থিত এনডিএম ঢাকা মহানগর কার্যালয়ে ‘রুখে দাও আওয়ামী ফ্যাসিবাদ’ শীর্ষক [https://www.jugantor.com/politics-others/876887 এক আলোচনা সভায়] বলেছেন। যুগান্তর,১০ নভেম্বর ২০২৪, * জাতীয় পার্টি গণহত্যার আসামি ** জাতীয় পার্টির সমাবেশ ঘোষণার প্রতিবাদে ঢাকার মালিবাগ মোড়ে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএম আয়োজিত ‘অবস্থান’ [https://www.banglatribune.com/politics/other-politics/871010/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%9C এই কর্মসূচিতে] বলেছেন। * দেশ এখন সংকটের সম্মুখীন হয়েছে। এই নির্বাচনে অনেকগুলো শক্তি নেই, শুধু দুটো শক্তি আছে। একটা হলো, উদারপন্থি গণতান্ত্রিক শক্তি, যেটার নেতৃত্বে আছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আর আরেকটা হলো উগ্রপন্থি ডানপন্থি শক্তি, যার নেতৃত্বে আছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম। এই উগ্রপন্থি শক্তির নেতৃত্ব ইতোমধ্যে পরিষ্কার করেছে, আপনারা যদি তাদেরকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন আগামীতে আপনাদের ভোটের অধিকার নাও থাকতে পারে। ** ঢাকার মোহাম্মদপুরের জাকির হোসেন সড়কে [https://www.dhakapost.com/politics/427850 এই মতবিনিময় সভায়] বলেছেন।১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ * আগামীতে কোনো হুটহাট সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। সবকিছু আলোচনা ও পরামর্শের (কনসালটেশন) মাধ্যমে করা হবে। ৫৪ বছরে চেঞ্জ হয়নি। একরাতে হুটহাট কিছু করলে খারাপই হবে। ** ২০ জুলাই ২০২৬ মোহাম্মদপুর রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ সংলগ্ন আওরঙ্গজেব রোডের নানক চত্বর এর নাম পরিবর্তন করে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ শহীদ ফারহান ফাইয়াজ স্বরণী নামকরণ [https://www.jagonews24.com/m/education/news/1095534 এই অনুষ্ঠানে] বলেছেন। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৭৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]] h10iz0pfzemgb9jhfcw9qhvap034234 আন্দালিব রহমান পার্থ 0 12615 78746 77547 2026-04-20T03:00:57Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]] যোগ 78746 wikitext text/x-wiki [[File:Andaleeve Rahman Partho.png|থাম্ব|]] [[w:আন্দালিব রহমান পার্থ|আন্দালিব রহমান পার্থ]] (জন্ম: ২০ এপ্রিল ১৯৭৪) হলেন একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান, ভোলা-১ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য এবং ঢাকায় অবস্থিত ব্রিটিশ স্কুল অব ল এর অধ্যক্ষ। ==উক্তি== * ভোটের জন্য আল্লাহকে নারাজ করো না, পরে আল্লাহকেও পাবা না আর ভোটও কাজে আসবে না। ** নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক [https://www.ittefaq.com.bd/754900/%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%93-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BE ফেসবুক পোস্টে] বলেছেন। ইত্তেফাক,০৩ অক্টোবর ২০২৫ * নির্বাচন দিলেই সব সমস্যার সমাধান হবে না এবং সবকিছু শেষও হবে না। কিন্তু নির্বাচনই জনগণকে ক্ষমতায়িত করার একমাত্র পথ। নির্বাচনই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সংস্কার। আর বাকি সব সংস্কার, সেটা সময়ের ব্যাপার। ** ৩ জুন ২০২৫ গণ অধিকার পরিষদের আয়োজনে ‘গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্র সংস্কার ও নির্বাচনের রোডম্যাপ [https://www.ittefaq.com.bd/735053/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A6%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%9C-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AC এই শীর্ষক আলোচনা সভায়] বলেছেন। * শুনেন, আপনারা ছয় বলে ১২ রান করেছেন। কিন্তু, এর আগের ৩০০ রান আমরা সবাই মিলে করেছি। সুতরাং আপনারা এমন কথা বলবেন না যাতে দেশবাসী বিভ্রান্ত হয়, যেন জুলাইয়ে আমাদের কোনও কন্ট্রিবিউশনই নাই। যেদিন আবু সাঈদ শহীদ হয়েছিল, সেদিন চট্টগ্রামের ওয়াসিম আকরামও কিন্তু শহীদ হয়েছে। অবদান কারও কম নয়। ** ৩১ মার্চ ২০২৬, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মুলতবি প্রস্তাবের (বিধি-৬২) ওপর সাধারণ [https://www.banglatribune.com/others/939913/%E2%80%98%E0%A6%9B%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A7%A7%E0%A7%A8-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%81-%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A7%A9%E0%A7%A6%E0%A7%A6-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A6%BE এই আলোচনায় অংশ নিয়ে] বলেছেন। * যারা সারাজীবন ইসলামের নামে রাজনীতি করেছে, লাস্টে তারা শরীয়াহ আইন চাই না বলেছেন। ** ৩১ মার্চ ২০২৬ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ‘বিধি-৬২’তে আনা প্রস্তাবের ওপর [https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/uuv71jal9z এই আলোচনার] বলেছেন। * সংবিধান ছুড়ে ফেলব কেন? এই সংবিধানে এত গাত্রদাহ কেন? সংবিধান কি মনে করিয়ে দেয় এটা একাত্তরের পরাজয়ের দলিল?’ **৩১ মার্চ ২০২৬ জাতীয় সংসদে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ শীর্ষক বিষয়ে নির্ধারিত [https://www.kalbela.com/national/278121 এই আলোচনায় অংশ নিয়ে ] বলেছেন। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৭৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের রাজনীতিবিদ]] po0kn5ado7n9qjb6a9ou3x0shub278u মহত্ত্ব 0 12624 78621 78288 2026-04-19T15:08:01Z Oindrojalik Watch 4169 78621 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:James Anthony Froude by Sir George Reid.jpg|thumb|right|যা মানবিক গুণাবলি এবং মহত্ত্বকে সংজ্ঞায়িত করে, তা নিশ্চিতভাবেই মানুষের কেবল নিজ স্বার্থ চরিতার্থ করার প্রজ্ঞা নয়; বরং এটি হলো আত্মবিস্মৃতি; এটি হলো আত্মত্যাগ; এটি হলো ব্যক্তিগত সুখ, ভোগ-বিলাস কিংবা নিকট বা দূরবর্তী ব্যক্তিগত লাভের প্রতি অনীহা—কারণ অন্য কোনো আচরণের পথই অধিকতর ন্যায়সঙ্গত। ~ '''''[[:w:জেমস অ্যান্থনি ফ্রুড|জেমস অ্যান্থনি ফ্রুড]]''''']] [[File:Raffael 069.jpg|thumb|আমার মতে তারাই সবচেয়ে উত্তম জীবন অতিবাহিত করেন, যারা নিজেকে যথাসম্ভব ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সচেষ্ট থাকেন। আর তাদের জীবনই সবচেয়ে আনন্দময় যারা সচেতন যে তাঁরা ক্রমশ গুণাবলিতে বিকশিত হচ্ছেন। ~ '''''[[:w:জেনোফন|জেনোফন]]''''']] [[File:Pico2.jpg|thumb|ইচ্ছাশক্তির আকাঙ্ক্ষা কোনো সাধারণ ভালোয় তৃপ্ত হয় না, যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা বিশ্বাস করি যে এর বাইরেও আরও শ্রেষ্ঠ কিছু রয়েছে। তাই, ইচ্ছাশক্তি কেবল সেই পরম মঙ্গলের দ্বারাই সন্তুষ্ট হয় যার ঊর্ধ্বে আর কোনো কল্যাণ নেই। সেই পরম কল্যাণ অসীম ঈশ্বর ছাড়া আর কী-ই বা হতে পারে? ~ '''''[[:w:মার্সিলিও ফিচিনো|মার্সিলিও ফিচিনো]]''''']] [[File:1908РепинТолстой.JPG|thumb|গুণাবলি বা মঙ্গলের অন্বেষণে আমি ছিলাম একা, একদম একা। প্রতিবারই যখন আমি আমার অন্তরের গভীরতম আকুতি—অর্থাৎ নৈতিকভাবে ভালো হওয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করার চেষ্টা করেছি—তখনই আমাকে ঘৃণা ও অবজ্ঞার সম্মুখীন হতে হয়েছে; অথচ যেইমাত্র আমি নীচ লালসার কাছে নতি স্বীকার করেছি, তখনই আমাকে প্রশংসা ও উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। ~ '''''[[:w:লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়]]''''']] [[File:Chapel of our Lady of the Rosary of Santi Giovanni e Paolo (Venice) - Isaiah by Vittoria.jpg|thumb|সৎ কাজ করতে শেখো; ন্যায়ের অন্বেষণ করো, নির্মমদের তিরস্কার করো, অনাথদের রক্ষা করো, বিধবাদের পক্ষে দাঁড়াও। ~ '''''[[:w:যিশাইয়|যিশাইয়]]''''' ১:১৭]]'''[[:w:মহত্ত্ব|মহত্ত্ব]]''' বা '''[[:w:মঙ্গল|মঙ্গল]]''' বলতে এমন কিছু গুণাবলিকে বোঝায় যা কাঙ্ক্ষিত, সুস্থ বা যথাযথ; যা মূলত অনাকাঙ্ক্ষিত মন্দ, ক্ষতিকর কিংবা [[:w:পাপ|অশুভ]] গুণের বিপরীত। [[:w:ধর্ম|ধর্ম]], [[:w:নীতিশাস্ত্র|নীতিশাস্ত্র]], [[:w:দর্শন|দর্শন]] এবং [[:w:মনোবিজ্ঞান|মনোবিজ্ঞানে]] "[[:w:ভালো ও মন্দ|ভালো ও মন্দ]]" একটি অত্যন্ত সাধারণ [[:w:দ্বিবিভাজন|দ্বিবিভাজন]]। __NOTOC__ {{TOCalpha|''[[#Hoyt's New Cyclopedia Of Practical Quotations|হয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]'' · ''[[#Dictionary of Burning Words of Brilliant Writers (1895)|ডিকশনারি অফ বার্নিং ওয়ার্ডস অফ ব্রিলিয়ান্ট রাইটার্স]]''}} == A == * সেই [[:w:অসীম|অসীম]], যা থেকে আমাদের কর্মোদ্দীপনা জন্মায়, তা কেবল সর্বোচ্চ মহত্ত্বই নয়, বরং মহত্ত্বের চেয়েও উচ্চতর কিছু। ** '''''[[:w:ফেলিক্স অ্যাডলার|ফেলিক্স অ্যাডলার]]''''', ''লাইফ অ্যান্ড ডেসটিনি'' (১৯১৩), বিভাগ ২: ধর্ম। * পৃথিবী কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে তা আমরা জানি কি জানি না, তাতে কিছু যায় আসে না—সৎ কাজ সবসময়ই সৎ। ** '''''[[:w:ফেলিক্স অ্যাডলার|ফেলিক্স অ্যাডলার]]''''', ''লাইফ অ্যান্ড ডেসটিনি'' (১৯১৩), বিভাগ ৯: নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি। * আমাদের অনুভব করা প্রয়োজন যে কোনো চেষ্টাই কখনো বৃথা যায় না; মঙ্গলের দিকে প্রতিটি সৎ পদক্ষেপই সার্থক এবং এই মহাবিশ্ব এক পরম লক্ষ্যের দিকে ধাবিত হচ্ছে। আর এই বিশ্বাস অর্জনের কেবল একটিই পথ আছে। মঙ্গল বা শুভ-এর প্রকৃতি অনুধাবন করা সম্ভব নয় যদি আপনি এর থেকে দূরে দাঁড়িয়ে কেবল জল্পনা-কল্পনা করেন। মহত্ত্বকে যাপন করুন, তবেই আপনি এতে বিশ্বাস করতে পারবেন। জগতের কল্যাণমুখী ধারায় নিজেকে সঁপে দিন, তবেই আপনি এর স্রোতের শক্তি এবং অভিমুখ অনুভব করতে পারবেন। [...] সৎ জীবন যাপনের নিরন্তর প্রচেষ্টার মাধ্যমেই আমরা আমাদের নৈতিক সুস্থতা বজায় রাখি। বাইরে থেকে নয়, বরং ভেতর থেকেই সেই ঐশ্বরিক ধারা প্রবাহিত হয় যা আত্মাকে পুনরুজ্জীবিত করে। ** '''''[[:w:ফেলিক্স অ্যাডলার|ফেলিক্স অ্যাডলার]]''''', ''লাইফ অ্যান্ড ডেসটিনি'' (১৯১৩)। * আমি দেবদূতদের বিশ্বাস করি, বিশ্বাস করি যা কিছু দেখি তার মধ্যেই ভালো কিছু আছে। ** '''''বেনি অ্যান্ডারসন''''' এবং '''''[[:w:বিয়র্ন উলভেয়াস|বিয়র্ন উলভেয়াস]]''''', "[[:w:আই হ্যাভ এ ড্রিম (গান)|আই হ্যাভ এ ড্রিম]]", [[:w:আব্বা (ব্যান্ড)|আব্বা]]-র অ্যালবাম ''[[:w:ভুলে-ভু|ভুলে-ভু]]'' (১৯৭৯)। * মানুষের [[:wikt:ergon|কাজ]] যদি আত্মার এমন এক [[:wikt:energeia|সক্রিয়তা]] হয় যা কোনো [[:w:লোগোস|যৌক্তিক নীতি]] অনুসরণ করে, ... এবং আমরা যদি মানুষের কাজকে এক বিশেষ ধরণের জীবন হিসেবে সংজ্ঞায়িত করি যা যৌক্তিক নীতিসম্পন্ন আত্মার ক্রিয়াকলাপের সমষ্টি; এবং একজন ভালো মানুষের কাজ যদি হয় সেই কাজগুলোরই সৎ ও মহৎ সম্পাদন; এবং যদি কোনো কাজ তখনই সুসম্পন্ন হয় যখন তা যথাযথ উৎকর্ষের সাথে সম্পাদিত হয়: যদি বিষয়টি এমনই হয়, তবে মানুষের জন্য পরম কল্যাণ হলো গুণের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আত্মার সক্রিয়তা, আর যদি গুণ একাধিক হয়, তবে শ্রেষ্ঠ ও পূর্ণাঙ্গ গুণের সাথে সংগতিপূর্ণ সক্রিয়তাই কাম্য। ** '''''[[:w:অ্যারিস্টটল|অ্যারিস্টটল]]''''', ''নিকোমেকিয়ান এথিক্স'', বই ১, অধ্যায় ৭। == B == * মানুষ কখনোই ভালো ছিল না, তারা ভালো নয় এবং তারা কখনোই ভালো হবে না। ** '''''[[:w:কার্ল বার্থ|কার্ল বার্থ]]''''', ''টাইম'' (১২ এপ্রিল ১৯৫৪)। * ভালো (বিশেষণ): হে মহোদয়া, বর্তমান লেখকের যোগ্যতার বিষয়ে সচেতন হওয়া। হে মহাশয়, তাঁকে একা থাকতে দেওয়ার সুবিধার বিষয়ে সজাগ থাকা। ** '''''[[:w:অ্যামব্রোস বিয়ার্স|অ্যামব্রোস বিয়ার্স]]''''', ''দ্য সিনিক'স ওয়ার্ড বুক'' (১৯০৬); ''দ্য ডেভিল'স ডিকশনারি'' (১৯১১) নামে পুনর্প্রকাশিত। * যে অন্যের মঙ্গল করতে চায়, তাকে তা করতে হবে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খুঁটিনাটি বিষয়ের মাধ্যমে; সাধারণ বা সামগ্রিক মঙ্গলের বুলি হলো বদমাশ, ভণ্ড এবং চাটুকারদের অজুহাত: কারণ শিল্প ও বিজ্ঞান কেবল সূক্ষ্মভাবে সুসংগঠিত খুঁটিনাটি বিষয়ের মাধ্যমেই টিকে থাকতে পারে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম ব্ল্যাক|উইলিয়াম ব্ল্যাক]]''''', ''[[:w:জেরুজালেম দ্য ইমানেশন অফ দ্য জায়ান্ট অ্যালবিয়ন|জেরুজালেম দ্য ইমানেশন অফ দ্য জায়ান্ট অ্যালবিয়ন]]'' (১৮০৩-১৮২০)। * মহত্ত্ব ততক্ষণই সুন্দর যতক্ষণ তা সঠিক পরিমাপ, সামগ্রিক ভারসাম্য এবং গুণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম দ্বারা প্রতিষ্ঠিত মধ্যপন্থা বা 'ছন্দ' দ্বারা পরিচালিত হয়। ** '''''রেমো বোদেই''''', ''লে ফর্মে ডেল বেলো'' (২০১৭)। * ভালো কিছু করার ক্ষমতা আমাদের সবারই আছে; এবং আমাদের যতটুকু [[:w:ক্ষমতা|ক্ষমতা]] আছে—তা যতই সামান্য হোক না কেন—যদি আমরা তার সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করি, তবে আমরা আমাদের ভূমিকা পালন করেছি; আর আমরা হয়তো সেই সব ব্যক্তিদের মতোই পূর্ণতার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারব যাদের প্রভাব রাজ্যজুড়ে বিস্তৃত এবং যাদের সৎ কাজ হাজার হাজার মানুষের কাছে প্রশংসিত। ** '''''[[:w:জেন বাউডলার|জেন বাউডলার]]''''', ''অন ক্রিশ্চিয়ান পারফেকশন''। * আমাদের বাড়িটি কত বড় ছিল তা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না; গুরুত্বপূর্ণ ছিল এতে ভালোবাসা ছিল কি না। আমাদের পাড়াটি ধনী না অন্য কিছু ছিল তাতে কিছু যায় আসত না; গুরুত্বপূর্ণ ছিল প্রতিবেশীরা একে অপরের সাথে কথা বলত কি না, একে অপরের খেয়াল রাখত কি না। যে মহানুভবতা আমাকে মানুষের ওপর এবং এই পৃথিবীর মৌলিক মহত্ত্বের ওপর বিশ্বাস রাখতে শিখিয়েছিল, তা ডলারে পরিমাপ করা সম্ভব ছিল না; বরং তার মূল্য পরিশোধ করা হতো আলিঙ্গন, আইসক্রিম কোণ এবং বাড়ির কাজে সাহায্যের মাধ্যমে। ** '''''[[:w:পিটার বাফেট|পিটার বাফেট]]''''', {{cite book|url=https://books.google.com/books?id=a1537l253csC&pg=PA12|title = লাইফ ইজ হোয়াট ইউ মেক ইট|isbn = 9780307464729|year = 2011}} == C == * আমরা কি এমন কোনো সম্মোহিত অবস্থায় পড়েছি যা আমাদের নিকৃষ্ট বা ক্ষতিকর বিষয়গুলোকে অনিবার্য হিসেবে মেনে নিতে বাধ্য করছে? যেন আমরা সেই ভালো বা মঙ্গলের দাবি জানানোর ইচ্ছা কিংবা দূরদৃষ্টি—উভয়ই হারিয়ে ফেলেছি? ** '''''[[:w:র‍্যাচেল কারসন|র‍্যাচেল কারসন]]''''' সাইলেন্ট স্প্রিং (১৯৬২) * মহত্ত্ব সব সময়ই একটি সম্পদ। একজন মানুষ যিনি সৎ, বন্ধুসুলভ এবং পরোপকারী, তিনি হয়তো কখনোই বিখ্যাত হবেন না, কিন্তু যারা তাঁকে চেনেন তাঁরা সবাই তাঁকে শ্রদ্ধা করবেন এবং পছন্দ করবেন। তিনি সাফল্যের জন্য একটি মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেছেন এবং তিনি একটি সার্থকময় জীবন অতিবাহিত করবেন। ** '''''হারবার্ট এন. ক্যাসন''''' ইন: ''ফোর্বস'' (১৯৪৮). পৃ. ৪২. * কেউ কি ভালো জিনিসের আকাঙ্ক্ষা খুব বেশি করতে পারে? ** '''''[[:w:মিগুয়েল ডি সেরভান্তেস|মিগুয়েল ডি সেরভান্তেস]]''''', ''ডন কিহোতে'' (১৬০৫-১৫), পার্ট I, বুক I, চ্যাপ্টার VI.// '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''অ্যাজ ইউ লাইক ইট'', অ্যাক্ট IV, সিন ১, লাইন ১২৩. * যে ব্যক্তি পরম কল্যাণকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করে যা তাকে গুণ বা পুণ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়, এবং যা ন্যায়ের মানদণ্ড দিয়ে নয় বরং নিজের সুবিধার মাপকাঠিতে পরিমাপ করে—আমি বলি, সে যদি নিজের দর্শনে অটল থাকে এবং মাঝেমধ্যে তার সহজাত মহত্ত্বের কাছে পরাজিত না হয়, তবে সে বন্ধুত্ব, ন্যায়বিচার কিংবা উদারতা—কোনোটিরই চর্চা করতে পারবে না। ** '''''[[:w:সিসেরো|সিসেরো]]''''', ''ডি অফিসিস'' * অধিকাংশ মানুষই মন্দ; তারা শক্তিশালী হলে [[:w:দুর্বল|দুর্বলদের]] কাছ থেকে কেড়ে নেয়। ভালো মানুষরা সবাই দুর্বল; তারা ভালো কারণ তারা মন্দ হওয়ার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। ** '''''কমোরো''''', উত্তর উগান্ডার একজন প্রধান, অভিযাত্রী '''''[[:w:স্যামুয়েল বেকার|স্যামুয়েল বেকার]]'''''-এর সাথে আলাপকালে ১৮৬৪ সালে। [http://www.gutenberg.org/dirs/etext02/ithoa10.txt ''ইন দ্য হার্ট অফ আফ্রিকা''.] চ্যাপ্টার, XVI. * কত সাধারণ আনন্দ থেকে আমি নিজেকে বঞ্চিত করেছি, কারণ আমি ভেবেছিলাম সেটাই বোধহয় মহত্ত্ব। আমি কতটা বোকা ছিলাম যে এটি একেবারে অন্য কিছু—তা উপলব্ধি করতে আমার পৃথিবীর শেষ দিন পর্যন্ত সময় লেগে গেল। ** '''''[[:w:কেটি কয়েল|কেটি কয়েল]]''''', ''ভিভিয়ান অ্যাপল নিডস এ মিরাকল'' (২০১৪), <small> {{ISBN|978-0-544-39042-3}}, </small> পৃ. ১৮০ * যারা সব সময় ভালো করতে ঘুরে বেড়ায়, তাদের মতো এতো বেশি ক্ষতি আর কেউ করে না। ** '''''ম্যান্ডেল ক্রাইটন''''', [[:w:লুইস ক্রাইটন|লুইস ক্রাইটন]] কর্তৃক উদ্ধৃত, ''লাইফ অ্যান্ড লেটারস অফ ম্যান্ডেল ক্রাইটন'', [http://books.google.com/books?id=XFrIeWud0_wC&q=%22no+people+do+so+much+harm+as+those+who+go+about+doing+good%22&pg=PA501#v=onepage ভলিউম. ২]. (১৯০৫) * আজ আমাকে এমনকি আমার [[:w:এ কে-৪৭|এ.কে.]]-ও ব্যবহার করতে হয়নি আমাকে বলতেই হচ্ছে যে দিনটি একটি ভালো দিন ছিল। ** '''''[[:w:আইস কিউব|আইস কিউব]]''''', ''[[:w:ইট ওয়াজ এ গুড ডে|ইট ওয়াজ এ গুড ডে]]'', ''[[:w:দ্য প্রেডেটর (১৯৯২ অ্যালবাম)|দ্য প্রেডেটর]]'' অ্যালবাম থেকে, (ফেব্রুয়ারি ২৩, ১৯৯২). == D == * নিশ্চয়ই মহত্ত্ব এবং [[:w:করুণা|করুণা]] আমার [[:w:জীবন|জীবনের]] প্রতিটি দিন আমাকে অনুসরণ করবে: এবং আমি চিরকাল প্রভুর গৃহে বসবাস করব। ** '''''[[:w:দাউদ (আ.)|দাউদ]]''''', [[:w:সামসংহিতা|সামসংহিতা]] ২৩:৬. == E == * কেবল সেই সামান্য সংখ্যক মানুষই মহত্ত্বে বিশ্বাস করেন যারা নিজেরা এটি চর্চা করেন। ** '''''মারি ফন এবনার-এশেনবাখ''''', ''অ্যাফোরিজমস'', ডি. স্ক্রেস এবং ডব্লিউ. মিডারের অনুবাদ. (রিভারসাইড, ক্যালিফোর্নিয়া: ১৯৯৪), পৃ. ২৯. * যাকে প্রকৃত মানুষ হতে হবে, তাকে অবশ্যই প্রচলিত প্রথার অবাধ্য হতে হবে ... মহত্ত্ব নামের দ্বারা সে যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, বরং তাকে অন্বেষণ করতে হবে তা আদেও মহত্ত্ব কি না। ** '''''[[:w:র‍্যালফ ওয়াল্ডো এমারসন|র‍্যালফ ওয়াল্ডো এমারসন]]''''', “সেলফ-রিলায়েন্স,” ''এসেস: ফার্স্ট সিরিজ'' (১৮৮৩), পৃ. ৫১-৫২. == F == * মানুষের ইচ্ছাশক্তির আকাঙ্ক্ষা কোনো সাধারণ পার্থিব মঙ্গল বা ভালোয় তৃপ্ত হয় না, যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা মনে করি যে এর বাইরেও আরও শ্রেষ্ঠ কিছু পাওয়ার সম্ভাবনা অবশিষ্ট রয়েছে। তাই, মানুষের এই ইচ্ছাশক্তি কেবল সেই একটি পরম মঙ্গলের দ্বারাই পরিপূর্ণতা লাভ করে, যার ঊর্ধ্বে আর কোনো উচ্চতর কল্যাণ থাকা সম্ভব নয়। এই পরম মঙ্গল আসলে সেই অসীম ও সীমাহীন ঈশ্বর ছাড়া আর কী-ই বা হতে পারে? ** '''''মারসিলিও ফিচিনো''''', ''ফাইভ কোয়েশ্চেনস কনসার্নিং দ্য মাইন্ড'' (১৪৯৫), জে. এল. বারোজ কর্তৃক অনূদিত, ''দ্য রেনেসাঁ ফিলোসফি অফ ম্যান'' (১৯৪৮) গ্রন্থে, পৃ. ২০১ * যা মূলত একজন উচ্চস্তরের মানুষকে নিম্নস্তরের মানুষ থেকে বিশেষভাবে পৃথক করে দেয়; যা মানবিক মহত্ত্ব এবং মানুষের আভিজাত্যকে সংজ্ঞায়িত করে—তা নিশ্চিতভাবেই কেবল সেই প্রজ্ঞা বা জ্ঞানের মাত্রা নয় যার মাধ্যমে মানুষ নিজের ব্যক্তিগত লাভের অন্বেষণ করে; বরং এটি হলো আত্মবিস্মৃতি; এটি হলো নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগ; এটি হলো ব্যক্তিগত সুখ, ইন্দ্রিয়বিলাস কিংবা বর্তমান বা ভবিষ্যতের ব্যক্তিগত লাভের প্রতি চরম অনীহা—কারণ অন্য কোনো আচরণের পথই নৈতিকভাবে অধিকতর ন্যায়সঙ্গত ও সঠিক। ** '''''[[:w:জেমস অ্যান্থনি ফ্রুড|জেমস অ্যান্থনি ফ্রুড]]''''', ''শর্ট স্টাডিজ অন গ্রেট সাবজেক্টস'' (১৯০৭), পৃ. ১৯ == G == * কেবল মধ্যম সারির লোকেরাই সর্বদা তাদের সম্ভাব্য শ্রেষ্ঠ রূপটি বজায় রাখতে পারে। ** জিন জিরাডক্স, [[:w:ভিক্টোরিয়া প্রিন্সিপাল|ভিক্টোরিয়া প্রিন্সিপাল]]-এর ''দ্য বিউটি প্রিন্সিপাল'' (১৯৮৪) গ্রন্থে উদ্ধৃত, পৃ. ১১৭ * আমি এই [[:w:পৃথিবী|পৃথিবী]] দিয়ে কেবল একবারই যাওয়ার প্রত্যাশা করি। অতএব, আমি যদি কোনো মহৎ কাজ করতে পারি কিংবা কোনো সহজীবীর প্রতি কোনো [[:w:দয়া|দয়া]] বা সহানুভূতি প্রদর্শন করতে পারি, তবে তা এখনই করতে দেওয়া হোক। আমি যেন তা স্থগিত না করি কিংবা অবহেলায় এড়িয়ে না যাই, কারণ আমি এই পথ দিয়ে পুনরায় আর কখনো ফিরে আসব না। ** '''''স্টিফেন গ্রেললেট'''''-এর প্রতি আরোপিত; এই উক্তির বিভিন্ন পাঠ অন্তত ১৮৬৯ সাল থেকে কোয়েকার (Quaker) প্রবচন হিসেবে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়ে আসছে এবং অন্তত ১৮৯৩ সাল থেকে গ্রেললেটের নাম এর সাথে যুক্ত হয়েছে। ডব্লিউ. গার্নি বেনহ্যাম তাঁর ''বেনহ্যাম'স বুক অফ কোটেশনস, প্রভার্বস, অ্যান্ড হাউসহোল্ড ওয়ার্ডস'' (১৯০৭) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, যদিও এটি মাঝেমধ্যে অন্যদের প্রতিও আরোপিত হয়, তবে "স্টিফেন গ্রেললেটের লেখক হওয়ার সপক্ষে কিছু প্রমাণ রয়েছে, যদিও তাঁর কোনো মুদ্রিত গ্রন্থে এই অংশটি পাওয়া যায় না।" এটি অন্তত ১৮৫৯ সালের দিকে একটি [[:w:অজ্ঞাত|অজ্ঞাতনামা]] [[:w:প্রবাদ|প্রবাদ]] হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল বলে মনে করা হয়, যখন এটি 'হাউসহোল্ড ওয়ার্ডস: এ উইকলি জার্নাল'-এ আবির্ভূত হয়। == I == * সৎ কাজ করতে শেখো; ন্যায়ের অন্বেষণ করো, যারা নির্মম তাদের তিরস্কার করো, অনাথদের অধিকার রক্ষা করো এবং বিধবাদের পক্ষে লড়াই করো। ** '''''[[:w:যিশাইয়|যিশাইয়]]''''' ১:১৭ == K == * এটি বেশ স্বাভাবিক যে আধুনিক নাটকে মন্দ বা অশুভ শক্তিকে সর্বদা উজ্জ্বলতম প্রতিভা বা মেধার মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়; আর যা ভালো কিংবা সৎ, তাকে তুলে ধরা হয় অতি সাধারণ একজন মুদি দোকানের কর্মচারীর মাধ্যমে। দর্শকরা একে একটি স্বাভাবিক ব্যাপার হিসেবেই গ্রহণ করেন এবং নাটক থেকে তারা আগে থেকেই যা জানতেন সেটিই নতুন করে শেখেন যে—নিজেদের একজন মুদি কর্মচারীর কাতারে নিয়ে যাওয়াটা আসলে তাঁদের মর্যাদার অনেক নিচে। ** সোরেন কিয়ের্কেগার্ড, ''আইদার/অর'', পার্ট II, সোয়েনসন ১৯৪৪, ১৯৭১ পৃ. ২৩২ * আমরা নিজেদের ভালো-মন্দের বিচারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করি, যদিও আমাদের মহত্ত্বের মানদণ্ডগুলো প্রায়ই আমাদের সংকীর্ণ স্বার্থ এবং আমাদের ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার দ্বারা পরিচালিত হয়। ** '''''রবিন ওয়াল কিমারার''''', {{cite book |title=[[:w:ব্রেডিং সুইটগ্রাস|ব্রেডিং সুইটগ্রাস]]: ইনডিজেনাস উইজডম, সায়েন্টিফিক নলেজ অ্যান্ড দ্য টিচিংস অফ প্ল্যান্টস |date=১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ |publisher=মিল্কউইড এডিশনস |isbn=978-1-57131-871-8 |page=৯২}} == L == * আমি এ যাবৎকাল পর্যন্ত যত প্রকার আনন্দের কথা জানি, তার মধ্যে শ্রেষ্ঠতম হলো—গোপনে কোনো মহৎ কাজ বা ভালো কাজ করা এবং ঘটনাক্রমে সেটি অন্য কারো কাছে জানাজানি হয়ে যাওয়া। ** '''''[[:w:চার্লস ল্যাম্ব|চার্লস ল্যাম্ব]]''''', ''[[:w:অ্যাথেনিয়াম (সাময়িকী)|দ্য অ্যাথেনিয়াম]]'' ম্যাগাজিনের (৪ জানুয়ারি ১৮৩৪) "টেবিল টক"-এ [http://books.google.com/books?id=LIxUAAAAcAAJ&q=%22greatest+pleasure+I+know+is+to+do+a+good+action+by+stealth+and+to+have+it+found+out+by+accident%22&pg=PA14#v=onepage উদ্ধৃত]। * মহত্ত্ব বা ধার্মিকতা মানুষকে যতটা নিশ্চিতভাবে সুখী করে তোলে, সুখ মানুষকে তার চেয়ে কোনো অংশে কম নিশ্চিতভাবে মহৎ বা ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে না। ** '''''[[:w:ওয়াল্টার সেভেজ ল্যান্ডর|ওয়াল্টার সেভেজ ল্যান্ডর]]''''', ''ইমাজিনারি কনভারসেশনস'', 'লর্ড ব্রুক অ্যান্ড স্যার ফিলিপ সিডনি' (১৮২৪-১৮২৯) * মন্দ বা খারাপ মানুষেরা হয়তো মাঝেমধ্যে ভালো কাজ ‘করতে’ পারে—কিন্তু কেবলমাত্র যারা প্রকৃতপক্ষে ভালো, তারাই সত্যিকার অর্থে ভালো হয়ে ‘উঠতে’ পারে। ** '''''[[:w:ইয়োহান কাসপার লাভাটার|ইয়োহান কাসপার লাভাটার]]''''', অ্যাফোরিজম ৩৬২, হেনরি ফুসেলি কর্তৃক অনূদিত ''অ্যাফোরিজমস অন ম্যান''-এ (লন্ডন: জে. জনসন, ১৭৮৮) * বিশ্বের সমস্ত স্বৈরশাসনের মধ্যে, সেই [[:w:স্বৈরাচার|স্বৈরাচারী শাসন]] যা আন্তরিকভাবে তার ভুক্তভোগীদের মঙ্গলের দোহাই দিয়ে পরিচালিত হয়, সেটিই হয়তো সবচেয়ে বেশি নিপীড়নমূলক হতে পারে। সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী নৈতিক মোড়লদের অধীনে থাকার চেয়ে দস্যু-সামন্তদের অধীনে বসবাস করা অনেক বেশি শ্রেয়। কারণ দস্যু-সামন্তদের নিষ্ঠুরতা হয়তো কোনো কোনো সময় শান্ত থাকে, কিংবা তাদের লালসা কোনো এক পর্যায়ে গিয়ে হয়তো চরিতার্থ হতে পারে; কিন্তু যারা আমাদের নিজেদের ভালোর কথা বলে আমাদের যন্ত্রণা দেয়, তারা বিরামহীনভাবে আমাদের ওপর নির্যাতন চালিয়ে যাবে—কারণ তারা তাদের নিজেদের বিবেকের অনুমোদন নিয়েই সেটি করে। এমন হতে পারে যে তাদের স্বর্গে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি, কিন্তু একই সাথে তাদের এই কর্মকাণ্ডের ফলে তারা [[:w:পৃথিবী|পৃথিবীটাকে]] [[:w:নরক|নরকে]] পরিণত করার প্রবল সম্ভাবনাও রাখে। এই তথাকথিত দয়া বা মহানুভবতা আসলে অসহ্য অপমানের মতো হুল ফোটায়। একজনের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে "সুস্থ" করে তোলা এবং এমন সব অবস্থা থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া যাকে হয়তো সে নিজে রোগ বলেই গণ্য করে না—তার মানে হলো সেই ব্যক্তিকে এমন এক স্তরে নামিয়ে দেওয়া যেখানে যারা এখনও [[:w:যুক্তি|যৌক্তিক জ্ঞান]] সম্পন্ন হওয়ার বয়সে পৌঁছায়নি কিংবা যারা কোনোদিনই পৌঁছাতে পারবে না, তাদের রাখা হয়; অর্থাৎ শিশু, নির্বোধ কিংবা গৃহপালিত পশুর কাতারে তাকে অন্তর্ভুক্ত করা। ** '''''[[:w:সি. এস. লিউইস|সি. এস. লিউইস]]''''', "গড ইন দ্য ডক" (১৯৪৮)-এ। * কিছু [[:w:মানুষ|মানুষ]] এমনভাবে কথা বলে যেন পরম মহত্ত্বের মুখোমুখি হওয়াটা হবে একটি দারুণ আনন্দদায়ক বা [[:w:মজা|মজার]] ব্যাপার। তাঁদের এই বিষয়ে পুনরায় গভীরভাবে ভাবা দরকার। তাঁরা আসলে এখনও [[:w:ধর্ম|ধর্ম]] নিয়ে কেবল ছেলেখেলাই করছেন। মহত্ত্ব হয় পরম নিরাপত্তার আশ্রয়, নয়তো চরম এক [[:w:বিপদ|বিপদ]]—আর এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনি এর প্রতি ঠিক কীভাবে সাড়া দিচ্ছেন বা প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন তার ওপর। ** '''''[[:w:সি. এস. লিউইস|সি. এস. লিউইস]]''''', ''[[:w:মেয়ার খ্রিস্টানিটি|মেয়ার খ্রিস্টানিটি]]'' (১৯৫২)। == M == * তাঁর এই সিদ্ধান্তহীনতা মূলত মানুষের একটি মৌলিক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল—তিনি একজন ভালো মানুষ বা সৎ মানুষ হতে চেয়েছিলেন, কিন্তু আসলে 'ভালো' বলতে ঠিক কী বোঝায়? ** ডব্লিউ. ম্যাকফারলেন, ''২২০—অ্যাডভান্সড ফিল্ড এক্সপ্লোরেশন,'' [https://en.wikipedia.org/wiki/Galaxy_Science_Fiction গ্যালাক্সি সায়েন্স ফিকশন]-এ, মার্চ ১৯৭২, পৃ. ৫৯ * লজ্জিত ও কুণ্ঠিত হয়ে সেই [[:w:শয়তান|শয়তান]] থমকে দাঁড়াল, এবং সে অনুভব করল যে মহত্ত্ব কতটা বিস্ময়কর ও গম্ভীর হতে পারে; সে দেখল [[:w:পুণ্য|পুণ্য]] তার স্বরূপে কতটাই না লাবণ্যময়ী। —সে দেখল, এবং নিজের চিরস্থায়ী [[:w:ক্ষতি|ক্ষতির]] গ্লানিতে দগ্ধ হতে লাগল। ** '''''[[:w:জন মিলটন|জন মিলটন]]''''', ''[[:w:প্যারাডাইস লস্ট|প্যারাডাইস লস্ট]]'', বুক IV, লাইন ৮৪৬-৮৪৮ (১৬৬৭, ১৬৭৪)। * যার কাছে মহত্ত্বের কোনো বিজ্ঞান বা প্রকৃত জ্ঞান নেই, তার জন্য অন্য সব ধরণের জ্ঞানই মূলত ক্ষতিকর বা অনিষ্টকর। ** '''''[[:w:মিশেল দ্য মঁতেন|মঁতেন]]''''', ''এসেস'', এম. স্ক্রিচ কর্তৃক অনূদিত (১৯৯১), বুক I, অধ্যায় ২৫, “অন স্কুলমাস্টারস লার্নিং,” পৃ. ১৫৯ == P == * [[:wikt:pneuma|পবিত্র আত্মার]] ফল হলো [[:w:আগাপে|প্রেম]], [[:wikt:chara|আনন্দ]], [[:wikt:eirene|শান্তি]], ধৈর্য, দয়া, [[:wikt:agathosune|মহত্ত্ব]], বিশ্বস্ততা, নম্রতা এবং [[:w:এঙ্ক্রাটিয়া|আত্মসংযম]]। ** '''''[[:w:তারসাসের পৌল|তারসাসের পৌল]]''''', [[:w:গালাতীয়দের প্রতি পত্র|গালাতীয়]] ৫:২২-২৩ [[:w:ইংলিশ স্ট্যান্ডার্ড ভার্সন|ESV]] * আমরা অন্য মানুষের প্রতি এতটাই কম গুরুত্ব দেই বা ভ্রুক্ষেপ করি যে, এমনকি [[:w:খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্মও]] আমাদের কেবল [[:w:ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] প্রতি ভালোবাসার খাতিরেই ভালো কাজ বা সৎ কাজ করার জন্য তাগিদ দেয়। ** '''''[[:w:সিজার পাভেসে|সিজার পাভেসে]]''''', ''দিস বিজনেস অফ লিভিং'', ৮ জুলাই ১৯৩৮ * যে ব্যক্তি কেবল মহত্ত্বের খাতিরেই ভালো কাজ বা সৎ কাজ করেন, তিনি কোনো প্রকার [[:w:প্রশংসা|প্রশংসা]] কিংবা [[:w:পুরস্কার|পুরস্কারের]] প্রত্যাশা করেন না; যদিও শেষ পর্যন্ত এই উভয়ই তাঁর জন্য অবধারিত বা নিশ্চিত হয়ে দাঁড়ায়। ** '''''[[:w:উইলিয়াম পেন|উইলিয়াম পেন]]''''', ''সাম ফ্রুটস অফ সলিটিউড ইন রিফ্লেকশনস অ্যান্ড ম্যাক্সিমস'' (১৬৮২) নং. ৪৪১. * এটি মোটেও বিস্ময়ের কোনো বিষয় নয় যে, ভালো মানুষদের বিশাল কোনো জনসমাবেশ বা ভিড়ের মধ্যে দলবদ্ধভাবে দেখা যায় না। প্রথমত, কারণ প্রকৃত মহত্ত্বের উদাহরণ বা নিদর্শনগুলো অত্যন্ত বিরল; দ্বিতীয়ত, কারণ তাঁরা বিচারবুদ্ধিহীন সাধারণ মানুষের বিশাল ভিড় এড়িয়ে চলেন এবং প্রকৃতির প্রদর্শিত সত্যগুলো নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করার জন্য নিজেদের অবসর বা নির্জনতায় নিয়োজিত রাখেন। ** '''''[[:w:ফিলো|ফিলো]]''''', ''এভরি গুড ম্যান ইজ ফ্রি'', ৬৩ * অ্যান্টিওকাস তাঁর নিজের লেখা এবং বলা সমস্ত কথা বিস্মৃত হয়ে টলেমির বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, যা দেখে মনে হয় সিমোনিডেসের সেই উক্তিটি অত্যন্ত সত্য: "মহৎ হওয়া কঠিন।" প্রকৃতপক্ষে সম্মানজনকভাবে কাজ করার মানসিকতা রাখা এবং একটি নির্দিষ্ট পর্যায় পর্যন্ত তার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া সহজ হতে পারে; কিন্তু সব সময় সঙ্গতি বজায় রাখা এবং প্রতিটি পরিস্থিতিতে নিজের সংকল্পে অবিচল থাকা—যেখানে ন্যায়বিচার ও সম্মান ছাড়া অন্য কোনো কিছুকেই অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হবে না—তা সত্যিই অত্যন্ত কঠিন ও দুরূহ কাজ। ** '''''[[:w:পলিবিউস|পলিবিউস]]''''', ''হিস্টোরিস'', বুক ২৯ চ্যাপ্টার ২৬ * গোপনে কোনো ভালো কাজ বা পুণ্য কর্ম করো, এবং সেই কর্মটি যখন [[:w:খ্যাতি|খ্যাতি]] অর্জন করবে, তখন তা দেখে লজ্জায় আরক্তিম বা কুণ্ঠিত হয়ে পড়ো। ** '''''[[:w:অ্যালজান্ডার পোপ|অ্যালজান্ডার পোপ]]''''', ''এপিলোগ টু দ্য স্যাটায়ারস'' ডায়ালগ I লাইন ১৩৬. * মহত্ত্বের ভাষা বা রূপ যত বেশি চতুরতার সাথে ধারণ করা হয়, তার অন্তরালে লুকিয়ে থাকা নৈতিক অধঃপতন বা কলুষতা ততটাই ভয়াবহ ও চরম হয়ে থাকে। ** '''''পাব্লিয়াস সাইরাস''''', ''দ্য মোরাল সেইংস অফ পাব্লিয়াস সাইরাস'' (১৮৫৬), # ১১৪ == Q == [[File:Flickr - The U.S. Army - Operation Good Heart.jpg|thumb|সৎ কাজ করো; নিশ্চয়ই, [[:w:আল্লাহ|আল্লাহ]] সেই সব [[:w:মানুষ|মানুষদের]] [[:w:ভালোবাসা|ভালোবাসেন]] যারা ভালো কাজ বা সৎ [[:w:কর্ম|কর্ম]] সম্পাদন করে। ~ [[:w:কুরআন|কুরআন]]]] * আর তোমরা [[:w:আল্লাহ|আল্লাহর]] পথে [[:w:দান|ব্যয়]] করো এবং (ব্যয় করা থেকে বিরত থেকে) নিজেদের [[:w:হাত|হাত]] দিয়ে নিজেদেরকে [[:w:ধ্বংস|ধ্বংসের]] মুখে ঠেলে দিও না। আর '''তোমরা সৎ কাজ করো; নিশ্চয়ই, আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন।''' ** অন্যান্য অনুবাদ: ''তোমরা সৎকর্মকারী হও; আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন''। ''সৎ কাজ করো (অন্যের প্রতি); নিশ্চয়ই আল্লাহ সৎকর্ম সম্পাদনকারীদের ভালোবাসেন''। ** [[:w:কুরআন|কুরআন]], [[:w:আল-ইমরান|২]]:১৯৫ * নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁদের সাথেই আছেন যারা [[:w:তাকওয়া|তাঁকে ভয় করে]] এবং যারা সৎ কাজ বা মহৎ কর্ম সম্পাদন করে। ** [[:w:কুরআন|কুরআন]] ১৬:১২৮ * যখন অপরাহ্নে তাঁর সামনে দ্রুতগামী ও [[:w:অভিজাত|অভিজাত]] ঘোড়াগুলো প্রদর্শন করা হলো, তখন [[:w:সুলাইমান (আ.)|সুলাইমান]] বললেন: '''"আমি আমার [[:w:প্রতিপালক|প্রতিপালকের]] [[:w:স্মরণ|স্মরণ]] অপেক্ষা ভালো [[:w:বস্তু|জিনিসগুলোর]] ভালোবাসাকেই অগ্রাধিকার দিয়েছি, যতক্ষণ না (সূর্য) পর্দার আড়ালে বা দিগন্তে ঢলে পড়ল।"''' ** [[:w:কুরআন|কুরআন]], ৩৮:৩১ - ৩৮:৩২ * তবে এটি কেবল তাদেরকেই দান করা হয় যারা [[:w:ধৈর্য|ধৈর্য]] ধারণ করে, এবং এটি তাকেই প্রদান করা হয় যে (মঙ্গলের) এক [[:w:বিশাল|বিশাল]] অংশের অধিকারী। ** [[:w:কুরআন|কুরআন]] ৪১:৩৫ * ভালো বা মহৎ কাজের [[:w:পুরস্কার|পুরস্কার]] কি ভালো ছাড়া অন্য কিছু হতে পারে? ** [[:w:কুরআন|কুরআন]] ৫৫:৬০ == S == [[File:Licius Anneus Seneque (BM 1879,1213.294).jpg|thumb|right|যা সম্মানজনক ও ন্যায়নিষ্ঠ কেবল সেটিই হলো প্রকৃত মঙ্গল; অন্য সব ধরণের ভালো বা মঙ্গল আসলে সংমিশ্রিত এবং হীন। ~ '''''[[:w:লুসিয়াস আনিউস সেনেকা|কনিষ্ঠ সেনেকা]]''''' ]] * এই পরম কল্যাণের প্রকৃতি অনুধাবন করার জন্য অনেক বেশি শব্দ কিংবা কোনো ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দীর্ঘ আলোচনার প্রয়োজন নেই; এটিকে যেন তর্জনী দিয়ে নির্দেশ করা যায় এবং একে অনেকগুলো অংশে বিভক্ত করে ছড়িয়ে ফেলার কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ একে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভেঙে ফেলার মধ্যে কী-ই বা স্বার্থকতা আছে, যখন আপনি বলতে পারেন: পরম কল্যাণ হলো তা-ই যা সম্মানজনক ও ন্যায়নিষ্ঠ? এছাড়া (এবং আপনি এতে আরও বেশি বিস্মিত হতে পারেন), '''যা সম্মানজনক তা-ই হলো একমাত্র মঙ্গল; অন্য সকল প্রকার ভালো বা মঙ্গল আসলে সংমিশ্রিত এবং হীন। আপনি যদি একবার নিজেকে এই সত্যে আশ্বস্ত করতে পারেন এবং যদি গুণ বা পুণ্যকে একনিষ্ঠভাবে ভালোবাসতে পারেন (কারণ কেবল ভালোবাসা বা পছন্দ করাই যথেষ্ট নয়), তবে সেই গুণের সংস্পর্শে আসা যেকোনো কিছুই আপনার জন্য আশীর্বাদ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে, অন্যেরা তাকে যেভাবেই বিচার করুক না কেন। নির্যাতনও আপনার কাছে মঙ্গলময় হয়ে উঠবে যদি যন্ত্রণার মধ্যে শুয়েও আপনি আপনার অত্যাচারীর চেয়ে মানসিকভাবে অধিকতর শান্ত থাকতে পারেন; অসুস্থতাও মঙ্গলে রূপ নেবে যদি আপনি আপনার ভাগ্যকে অভিশাপ না দেন এবং ব্যাধির কাছে নতি স্বীকার না করেন—সংক্ষেপে, অন্যেরা যে বিষয়গুলোকে অশুভ বা মন্দ বলে মনে করে, সেগুলি সবই নিয়ন্ত্রণযোগ্য হবে এবং শেষ পর্যন্ত মঙ্গলে পর্যবসিত হবে, যদি আপনি সেগুলির ঊর্ধ্বে আরোহণ করতে সফল হন।''' ** '''''[[:w:লুসিয়াস আনিউস সেনেকা|কনিষ্ঠ সেনেকা]]''''', এপিস্টল LXXI. ইন: সেনেকা, এপিস্টলস, ভলিউম II: এপিস্টলস ৬৬-৯২. রিচার্ড এম. গামারে কর্তৃক অনূদিত. লোয়েব ক্লাসিক্যাল লাইব্রেরি, পৃষ্ঠা ৭৪-৭৫. [https://archive.is/DkFt7 আর্কাইভ] [https://www.loebclassics.com/view/seneca_younger-epistles/1917/pb_LCL076.75.xml?mainRsKey=Q5LLPk মূল] থেকে অক্টোবর ২৩, ২০২৪-এ। * প্রতিকূলতার ব্যবহার বা উপযোগিতা বড়ই মধুর, যা অনেকটা কুৎসিত ও বিষাক্ত ব্যাঙের মতো হওয়া সত্ত্বেও, তার মস্তকে একটি মূল্যবান রত্ন ধারণ করে; আর আমাদের এই জীবন, যা জনকোলাহল থেকে মুক্ত ও নির্জন, তা বৃক্ষের মাঝে খুঁজে পায় ভাষা, প্রবহমান ঝর্ণাধারায় পায় গ্রন্থ, পাথরের বুকে পায় নীতিগোপদেশ, আর ভালো কিছু খুঁজে পায় প্রতিটি বস্তুর মাঝে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:অ্যাজ ইউ লাইক ইট|অ্যাজ ইউ লাইক ইট]]'', অ্যাক্ট II, সিন. i (১৫৯৯ বা ১৬০০) * ঐ ছোট্ট মোমবাতিটি কত দূরে তার আলোকচ্ছটা ছড়ায়! এই কলুষিত পৃথিবীতে একটি সৎ কাজ এভাবেই উজ্জ্বল হয়ে জ্বলে ওঠে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস|দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস]]'', অ্যাক্ট V, সিন. i (১৫৯৬ এবং ১৫৯৮) * সকল মানুষ [[:w:স্বাধীনতা|স্বাধীনভাবে]] জন্মগ্রহণ করেছে—এই ঘোষণা দেওয়া একেবারেই নিরর্থক যদি আপনি এটি অস্বীকার করেন যে তারা জন্মগতভাবে ভালো বা মহৎ। একজন মানুষের মহত্ত্বের নিশ্চয়তা দিন, তবে তার [[:w:লিবার্টি|ব্যক্তিগত স্বাধীনতা]] নিজেই নিজের পথ দেখে নেবে। কিন্তু আপনি যদি কারও স্বাধীনতাকে এই শর্তে মঞ্জুর করেন যে তার [[:w:নৈতিক|নৈতিক]] [[:w:চরিত্র|চরিত্রটি]] অবশ্যই আপনার অনুমোদিত হতে হবে, তবে তা আনুষ্ঠানিকভাবে সব ধরণের স্বাধীনতাকেই বিলুপ্ত করে দেয়; কারণ তখন প্রতিটি মানুষের মুক্তি এমন এক নৈতিক অভিযোগের করুণার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, যা যেকোনো মূর্খ ব্যক্তিই এমন কারো বিরুদ্ধে সাজিয়ে তুলতে পারে যে প্রচলিত প্রথা লঙ্ঘন করে—সে ব্যক্তি একজন নবী হোন কিংবা কোনো ধূর্ত লোকই হোন না কেন। ** '''''[[:w:জর্জ বার্নার্ড শ|জর্জ বার্নার্ড শ]]''''', ''মেজর বারবারা'' (১৯০৫), প্রস্তাবনা (Preface) * [[:w:মানুষ|মানুষ]] কেবল যে মন্দ কিংবা কেবল যে [[:w:আভিজাত্য|আভিজাত্যময়]] বা মহৎ—এমনটি নয়। তারা অনেকটা শেফের তৈরি সালাদের মতো, যেখানে ভালো এবং মন্দ জিনিসগুলো কুচি কুচি করে কেটে বিভ্রান্তি এবং দ্বন্দ্বের এক মিশ্রণে (ভিনেগ্রেট) একত্র করা হয়েছে। ** '''''[[:w:লেমোনি স্নিকেট|লেমোনি স্নিকেট]]''''', ''এ সিরিজ অফ আনফরচুনেট ইভেন্টস''। * কোনো কিছুই একজন সৎ বা ভালো মানুষের কোনো ক্ষতি করতে পারে না, তা সে [[:w:জীবন|জীবিত]] অবস্থাতেই হোক কিংবা মৃত্যুর পরবর্তী সময়েই হোক। ** '''''[[:w:সক্রেটিস|সক্রেটিস]]''''', ''[[:w:দ্য অ্যাপোলজি (প্লেটো)|দ্য অ্যাপোলজি]]'', ৪১ (৩৯৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) * কারণ যে ব্যক্তি একজন ভালো মানুষ, সে তার [[:w:খ্রিস্টান|খ্রিস্টান]] হওয়ার পথের তিন-চতুর্থাংশ পথ অতিক্রম করে ফেলেছে—সে যেখানেই বসবাস করুক না কেন, কিংবা যে নামেই তাকে ডাকা হোক না কেন। ** '''''রবার্ট সাউথ''''', 'হোয়াই ক্রাইস্ট'স ডকট্রিন ওয়াজ রিজেক্টেড' নামক ধর্মোপদেশ বা সারমন। == T == * আপনার মতো অনেকেরই ভালো হওয়াটা ততোটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, যতটা গুরুত্বপূর্ণ হলো কোথাও না কোথাও এক পরম মহত্ত্ব বা চরম সত্যের অস্তিত্ব থাকা; কারণ সেই সামান্য মহত্ত্বই সমগ্র পিণ্ডটিকে বা পুরো সমাজকে রূপান্তরিত করতে পারে। ** '''''[[:w:হেনরি ডেভিড থরো|হেনরি ডেভিড থরো]]''''', ''সিভিল ডিসওবিডিয়েন্স'', ১.১০ * মহত্ত্বের আসল কষ্টিপাথর বা মাপকাঠি হলো নিজের চেয়ে কোনো অনুজ বা নিম্নস্তরের ব্যক্তির কাছেও নিজের পরাজয়কে অকপটে স্বীকার করে নেওয়া। ** '''''[[:w:তিরুবল্লুবর|তিরুবল্লুবর]]''''', ''তিরুক্কুরাল'': ৭৮৬. * একজন মানুষ হয়তো প্রতিটি সদগুণ বা মহত্ত্বকে বিনাশ করেও রক্ষা পেতে পারে, কিন্তু যে ব্যক্তি নিজের ভেতরকার [[:w:কৃতজ্ঞতা|কৃতজ্ঞতা]] বোধকে বিসর্জন দেয় বা হত্যা করে, তার জন্য নিস্তার পাওয়ার কোনো পথ খোলা থাকে না। ** '''''[[:w:তিরুবল্লুবর|তিরুবল্লুবর]]''''', ''তিরুক্কুরাল'': ১১০. * মহত্ত্বের পিছনে যদি কোনো নির্দিষ্ট কারণ থাকে, তবে তাকে প্রকৃত মহত্ত্ব বলা যায় না; আবার এর যদি কোনো বিশেষ ফলাফল কিংবা পুরস্কারের আশা থাকে, তবে সেটিও প্রকৃত মহত্ত্ব নয়। সুতরাং, মহত্ত্ব হলো কার্যকরণ সম্পর্কের (cause and effect) সেই চিরন্তন শৃঙ্খলের বাইরে অবস্থানকারী এক বিশেষ সত্তা। ** '''''[[:w:লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়]]''''', ''আন্না কারেনিনা''-তে লেভিন, সি. গারনেট কর্তৃক অনূদিত (নিউ ইয়র্ক: ২০০৩), পার্ট ৮, চ্যাপ্টার ১২, পৃ. ৭৩৫ * প্রতিটি মানুষের জীবনে কেবল একটিই উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য থাকা উচিত: আর তা হলো মহত্ত্বের মাঝে নিজের পূর্ণতাকে খুঁজে পাওয়া। অতএব, কেবল সেই জ্ঞানেরই বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে যা মানুষকে এই পূর্ণতার পথে পরিচালিত করে। ** '''''[[:w:লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়]]''''', ''এ ক্যালেন্ডার অফ উইজডম'', পি. সেকিরিন কর্তৃক অনূদিত (১৯৯৭), মে ৩ * ভালো হওয়া এবং একটি সৎ জীবন যাপন করার প্রকৃত অর্থ হলো অন্যদের কাছ থেকে যতটুকু গ্রহণ করা হয়, তার চেয়ে ঢের বেশি তাদের ফিরিয়ে দেওয়া বা দান করা। ** '''''[[:w:লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়]]''''', ''দ্য ফার্স্ট স্টেপ'' (১৮৯২), অধ্যায়. VII * আমি আমার সমগ্র আত্মা দিয়ে একজন ভালো মানুষ হতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আমি তখন ছিলাম অল্পবয়স্ক; আমার মধ্যে ছিল আবেগ এবং মহত্ত্বের এই সন্ধানে আমি ছিলাম একেবারে একা, সম্পূর্ণ নিঃসঙ্গ। প্রতিবার যখনই আমি আমার মনের গহীনের একান্ত আকাঙ্ক্ষা—অর্থাৎ নৈতিকভাবে উন্নত হওয়ার ইচ্ছা—প্রকাশ করার চেষ্টা করতাম, তখনই আমাকে ঘৃণা ও অবজ্ঞার শিকার হতে হতো; কিন্তু যখনই আমি নীচ ও কলুষিত লালসার কাছে নিজেকে সঁপে দিতাম, অমনি আমাকে প্রশংসা ও উৎসাহ দেওয়া হতো। উচ্চাকাঙ্ক্ষা, ক্ষমতার লোভ, স্বার্থপরতা, লম্পটতা, অহঙ্কার, ক্রোধ এবং প্রতিশোধ নেওয়ার স্পৃহা—এগুলো সবই তখন অত্যন্ত সম্মানিত গুণাবলী হিসেবে বিবেচিত হতো। আমি যখনই এই সমস্ত প্রবৃত্তি বা লালসার কাছে নতি স্বীকার করতাম, তখনই আমি আমার বড়দের মতো হয়ে উঠতাম এবং আমি অনুভব করতাম যে তারা আমার ওপর অত্যন্ত সন্তুষ্ট হয়েছেন। ** '''''[[:w:লিও তলস্তয়|লিও তলস্তয়]]''''', ''[[:w:এ কনফেশন|এ কনফেশন]]'' (১৮৮২), জেন কেন্টিশ কর্তৃক অনূদিত (পেঙ্গুইন: ১৯৮৭), পৃ. ২২ * ডোনাল্ডের চিন্তাধারায়, এমনকি কোনো অনিবার্য বা আসন্ন হুমকিকে স্বীকার করে নেওয়াটাও দুর্বলতার লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হবে। নিজের ওপর দায়ভার গ্রহণ করা মানেই হলো নিজেকে সমালোচনার মুখে উন্মুক্ত করে দেওয়া। একজন বীর হওয়া—কিংবা প্রকৃতপক্ষে একজন ভালো মানুষ হওয়া—তাঁর পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব নয়। ** মেরি এল. ট্রাম্প, ''টু মাচ অ্যান্ড নেভার এনাফ: হাউ মাই ফ্যামিলি ক্রিয়েটেড দ্য ওয়ার্ল্ড'স মোস্ট ডেঞ্জারাস ম্যান'' (২০২০), পৃ. ২১০ == W == * হোরেস স্মিথ যেমনটি মন্তব্য করেছেন, সুশ্রী বা ভালো দেখা যাওয়ার প্রকৃত অর্থ ভালো হওয়া ছাড়া আর কী-ই বা হতে পারে? তাই ভালো হোন, নারীসুলভ হোন, নম্র হোন—নিজেদের সহানুভূতি প্রদর্শনে উদার হোন, আপনার চারপাশের সকলের মঙ্গলের বিষয়ে সজাগ বা সচেতন থাকুন; আর আমার কথা মেনে দেখুন, আপনার প্রশংসায় কোনো দয়ালু শব্দের অভাব হবে না। ** '''''[[:w:জন গ্রিনলিফ হুইটিয়ার|জন গ্রিনলিফ হুইটিয়ার]]''''', ''দ্য বিউটিফুল'' == X == * উদরপূর্তি কিংবা অতিরিক্ত ঘুম ও অসংযম থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য, অন্য কোনো এবং আরও মহত্তর আনন্দ উপভোগ করার চেয়ে কার্যকর আর কী হতে পারে বলে আপনি মনে করেন? যা কেবল বর্তমান উপভোগের জন্যই আনন্দদায়ক নয়, বরং দীর্ঘস্থায়ী উপকারের আশা জাগিয়ে তোলে বলেও মনোরম। ... আপনি কি মনে করেন যে এই সমস্ত চিন্তাভাবনার মধ্য থেকে এমন আনন্দদায়ক আর কিছু বেরিয়ে আসতে পারে যেমনটি এই চিন্তাটি দেয়: ‘আমি মহত্ত্বের দিকে ধাবিত হচ্ছি এবং আমি আরও ভালো বন্ধু গড়ে তুলছি’? আর আমি বলতে পারি, এটাই হলো আমার ধ্রুব বা নিরন্তর চিন্তা। ** '''''[[:w:জেনোফন|জেনোফন]]''''', [[:w:সক্রেটিস|সক্রেটিস]] ''[[:w:মেমোরেবিলিয়া (জেনোফন)|মেমোরেবিলিয়া]]''-তে, ১.৬.১ * আমার মতে, তাঁরাই সবচেয়ে ভালোভাবে জীবন যাপন করেন যারা নিজেদের যথাসম্ভব ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যান; এবং তাঁদের জীবনই সবচেয়ে আনন্দদায়ক যারা এটি অনুভব করতে পারেন যে তাঁরা মহত্ত্বের দিকে এগিয়ে চলেছেন। ** '''''[[:w:জেনোফন|জেনোফন]]''''', [[:w:সক্রেটিস|সক্রেটিস]] ''[[:w:মেমোরেবিলিয়া (জেনোফন)|মেমোরেবিলিয়া]]''-তে, ৪.৮.৬ * মানুষের প্রকৃতি মূলত মন্দ বা অশুভ; এর মধ্যে যে মহত্ত্ব বা মঙ্গলের দেখা মেলে তা মূলত সচেতন কর্মতৎপরতা থেকে উদ্ভূত। প্রকৃতপক্ষে, মানুষ জন্মগতভাবেই লাভের প্রতি এক ধরণের আসক্তি নিয়ে জন্মায়। এই আসক্তির কাছে নতি স্বীকার করলে তা বিবাদ ও কলহের দিকে পরিচালিত করে এবং জন্মগতভাবে প্রাপ্ত পরিমিতিবোধ ও বিনয় বা নমনীয়তা হারিয়ে যায়। মানুষ জন্মগতভাবে হিংসা ও ঘৃণার অনুভূতি নিয়ে জন্মায় এবং এগুলোর প্রশ্রয় দিলে মানুষ দস্যুবৃত্তি ও চুরির দিকে ধাবিত হয়, ফলে তার জন্মগত আনুগত্য ও সৎ বিশ্বাসের চেতনা বিলুপ্ত হয়ে যায়। মানুষ কান ও চোখের লালসা এবং সুন্দর দৃশ্য ও শব্দের প্রতি এক ধরণের মোহ নিয়ে জন্মায়; আর এগুলোর বশবর্তী হলে সে লম্পটতা ও বিশৃঙ্খলার দিকে পরিচালিত হয়, যার ফলে তার জন্মগত আচার-অনুষ্ঠান, ন্যায়পরায়ণতা, পরিশীলন এবং আদর্শের চেতনা বিলুপ্ত হয়। অতএব, মানুষের সহজাত প্রকৃতি এবং আবেগগুলোর অনুসরণ ও প্রশ্রয় দেওয়া অনিবার্যভাবে বিবাদ ও কলহের দিকে নিয়ে যাবে, যা তাকে তার প্রকৃত কর্তব্য থেকে বিচ্যুত করবে, আদর্শকে বিশৃঙ্খলায় পরিণত করবে এবং তাকে পুনরায় সহিংসতার পথে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। তাই বিনয় ও নমনীয়তা অর্জন করার জন্য এবং পরিশীলন ও রীতিনীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে সুশৃঙ্খল অবস্থায় ফিরে আসার আগে অবশ্যই একজন শিক্ষকের আদর্শের মাধ্যমে নিজেকে রূপান্তরিত হতে হবে এবং আচার-অনুষ্ঠান ও ন্যায়পরায়ণতার পথ দ্বারা পরিচালিত হতে হবে। ** '''''[[:w:শুন জি|শুন জি]]''''', “হিউম্যান নেচার ইজ ইভিল,” ''সোর্সেস অফ চাইনিজ ট্র্যাডিশন'' (১৯৯৯), ভলিউম. ১, পৃ. ১৭৯-১৮০ == ''হয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস'' == :<small>''[[Wikisource:Hoyt's New Cyclopedia Of Practical Quotations (1922)|হয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনসে]]'' রিপোর্ট করা উদ্ধৃতিসমূহ, পৃ. ৩২৬-২৯।</small> * অন্য কেউ যা-ই বলুক বা করুক না কেন, আমাকে অবশ্যই সৎ এবং মহৎ ব্যক্তিত্বের অধিকারী হতে হবে। ** '''''[[:w:মার্কাস অরেলিয়াস|অরেলিয়াস আন্তোনিনাস]]''''', ''মেডিটেশনস'', চ্যাপ্টার VII. * ''মহৎ-কর্ম,<br>যদি দেখিতে পাই, মননে সপনে তাহাতেই ভাসিতে চাই...<br>[[:w:আইন|আইন-কানুনে]] ঈমান আনিয়া থাকি তো ভবের-ই ভেলায়—<br>অনিবার্য ঘটিকা ঘটে যায়, তবু তাতে যেন থাকে—মঙ্গল যাহাই।'' ** '''''[[:w:এডউইন আর্নল্ড|এডউইন আর্নল্ড]]''''', ''দ্য লাইট অফ এশিয়া'' (১৮৭৯), বুক VI, লাইন ২৭৩, ''বাংলায় কাব্যিক রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''। * প্রকৃতপক্ষে এমন কোনো আইন, সম্প্রদায় কিংবা [[:w:মতামত|মতামত]] কখনোই কোনো কালে ছিল না, যা মহত্ত্বকে ততটা মহিমান্বিত করেছে যতটা না খ্রিস্টধর্ম করেছে। ** '''''[[:w:ফ্রান্সিস বেকন|ফ্রান্সিস বেকন]]''''', ''এসেস'', ''অফ গুডনেস অ্যান্ড গুডনেস অফ নেচার।'' * ''সেই সমস্ত কারণ, যাদের সহায়তার বড্ড অনটন,<br>সে সমস্ত অন্যায়, যাদের বিরুদ্ধে গণ-পিটুনি প্রয়োজন!<br>সেই সুদূর [[:w:ভবিষ্যৎ|মহাকালের]] তরে,<br>যেন জয় আনতে পারি মঙ্গলের-ই ভোরে।'' ** '''''জর্জ লিনিয়াস ব্যাংকস''''', ''হোয়াট আই লিভ ফর'', ''বাংলায় কাব্যিক রুপান্তরঃ'' '''মাহমুদ'''। * সে যে মঙ্গলকে অবজ্ঞা করেছিল তা এক লাঞ্ছিত প্রেতাত্মার মতো অনিচ্ছাসত্ত্বেও দূরে সরে গেল, আর ফিরে না আসার তরে; অথবা যদি ফিরে আসেও, তবে তা হবে দেবদূতদের দর্শনের মতো—ক্ষণস্থায়ী এবং দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে। ** '''''রবার্ট ব্লেয়ার''''', ''দ্য গ্রেভ'', পার্ট II, লাইন ৫৮৬. * কেউ হয়তো সন্দেহ করবে না যে, কোনো না কোনোভাবে সেই চিরন্তন মঙ্গল জল আর কাদার সংমিশ্রণ থেকেই জন্ম নেবে; আর নিশ্চিতভাবেই, শ্রদ্ধাশীল দৃষ্টিকে অবশ্যই দেখতে হবে তরলতার বা প্রবাহের মাঝে লুকিয়ে থাকা এক বিশেষ উদ্দেশ্য। ** '''''[[:w:রুপার্ট ব্রুক|রুপার্ট ব্রুক]]''''', ''হেভেন''। * কোনো ভালো বই, কিংবা যেকোনো ধরণের ভালো জিনিসই হোক না কেন, তা প্রথমেই তার শ্রেষ্ঠ রূপটি বা আসল সৌন্দর্য প্রকাশ করে না। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', ''এসেস'', "[[:w:নোভালিস|নোভালিস]]"। * ''Ergo hoc proprium est animi bene constituti, et lætari bonis rebus, et dolere contrariis.'' ** এটি একটি সুশিক্ষিত ও সুসংগঠিত মনের প্রমাণ যে, সে যা কিছু ভালো বা মঙ্গলময় তাতে আনন্দিত হয় এবং যা এর বিপরীত বা মন্দ তাতে ব্যথিত হয়। ** '''''[[:w:সিসেরো|সিসেরো]]''''', ''ডি আমিসিটিয়া'', XIII. * ''Homines ad deos nulla re propius accedunt, quam salutem hominibus dando.'' ** মানুষ অন্য কোনোভাবেই দেবতাদের এতোটা কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে না, যতটা পারে মানুষের মঙ্গল বা উপকার করার মাধ্যমে। ** '''''[[:w:সিসেরো|সিসেরো]]''''', ''ওরাটিও প্রো কুইন্টো লিগারিও'', XII. * ''Cui bono?'' ** এর ভালোটা কী? বা এতে কার সুবিধা হবে? ** '''''[[:w:সিসেরো|সিসেরো]]''''', ''ওরাটিও প্রো সেক্সটিও রোসিও আমেরিনো'', XXX. লুসিয়াস ক্যাসিয়াস থেকে উদ্ধৃত—সেকেন্ড ফিলিপিক। ("Qui bono fueret.") দেখুন ''লাইফ অফ সিসেরো'', II. ২৯২. নোট। * যাতে সেই বিচ্ছুরিত মঙ্গল আরও অধিকতর প্রাচুর্যের সাথে বৃদ্ধি পেতে পারে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম কাউপার|উইলিয়াম কাউপার]]''''', ''কনভারসেশন'' (১৭৮২), লাইন ৪৪১। * মঙ্গল করা, নিঃস্বার্থভাবে ভালো করা—এটি আমাদের পেশা বা ব্যবসার ধরণ নয়। ** '''''[[:w:উইলিয়াম কাউপার|উইলিয়াম কাউপার]]''''', ''দ্য টাস্ক'' (১৭৮৫), বুক I. দ্য সোফা, লাইন ৬৭৩। * এখন, এক বিশেষ সময়ে, এক মনোরম মেজাজে বা ঘোরে, তিনি ভালো কাজ করার বিলাসিতা বা পরম তৃপ্তিটি পরখ করে দেখলেন। ** '''''[[:w:জর্জ ক্র্যাব|জর্জ ক্র্যাব]]''''', ''টেলস অফ দ্য হল'' (১৮১৯), বুক III. * যে সুবীজ বপন করে সে নিশ্চিতভাবেই ফসল কাটবে; বছরটি যতই পুরনো হয়, ততই তা সমৃদ্ধিতে ভরে ওঠে, আর জীবনের শেষ মুহূর্তের বালুকণাগুলোই হলো তার শ্রেষ্ঠ সোনার কণা! ** '''''জুলিয়া সি. আর. ডর''''', ''টু দ্য "বুকে ক্লাব"''। * এই বসবাসযোগ্য পৃথিবীর দিকে তাকাও, কত অল্প সংখ্যক মানুষই বা নিজেদের প্রকৃত মঙ্গল সম্পর্কে জানে, কিংবা জানলেও তা পাওয়ার জন্য অন্বেষণ করে। ** '''''[[:w:জন ড্রাইডেন|জন ড্রাইডেন]]''''', ''জুভেনাল'', স্যাটায়ার X। * আপনি যদি প্রকৃতপক্ষে মহৎ বা ভালো হতে চান, তবে প্রথমে এই বিশ্বাসটি অন্তরে পোষণ করুন যে আপনি মন্দ বা খারাপ। ** '''''[[:w:এপিকটেটাস|এপিকটেটাস]]''''', ''ফ্র্যাগমেন্টস''। লং-এর অনুবাদ। * কারণ তাঁদের সমস্ত বিলাসিতা বা পরম সুখ ছিল কেবল অন্যের মঙ্গল সাধন করার মধ্যে। ** '''''স্যামুয়েল গার্থ''''', ''ক্লেরেমন্ট'', লাইন ১৪৯। * ''Ein guter Mensch, in seinem dunkeln Drange,<br>Ist sich des rechten Weges wohl bewusst.'' ** একজন ভালো মানুষ, তাঁর অস্পষ্ট বা গূঢ় আকাঙ্ক্ষার মধ্য দিয়েও সর্বদা সেই একটিমাত্র সঠিক ও ধ্রুব পথের সহজাত প্রবৃত্তি বা বোধ ধরে রাখেন। ** '''''[[:w:ইয়োহান ভলফগাং ফন গ্যোটে|ইয়োহান ভলফগাং ফন গ্যোটে]]''''', ''[[:w:ফাউস্ট|ফাউস্ট]]'', প্রোলগ ইম হিমেল * এবং ভালো কাজ করার সেই রাজকীয় বিলাসিতা বা মানসিক তৃপ্তিটি অনুভব করতে শিখুন। ** '''''[[:w:অলিভার গোল্ডস্মিথ|অলিভার গোল্ডস্মিথ]]''''', ''দ্য ট্রাভেলার'' (১৭৬৪), লাইন ২২। * অবিরত পদক্ষেপে এমন এক ক্ষণস্থায়ী মঙ্গলের অন্বেষণে ধাবিত হচ্ছি, যা কেবল দৃষ্টির সম্মুখে এসে আমাকে উপহাস করে চলে যায়; যা পৃথিবী ও আকাশের সংযোগকারী দিগন্ত রেখার মতো— দূর থেকে প্রলুব্ধ করে ঠিকই, কিন্তু আমি যত তার অনুসরণ করি, সে তত দূরে মিলিয়ে যায়। ** '''''[[:w:অলিভার গোল্ডস্মিথ|অলিভার গোল্ডস্মিথ]]''''', ''দ্য ট্রাভেলার'' (১৭৬৪), লাইন ২৫। * মহত্ত্ব যদি তাকে পরিচালিত করে আমার কাছে নিয়ে না আসে, তবে হয়তো ক্লান্তিবোধই তাকে ক্লান্ত করে একসময় আমার বুকের মাঝে ছুড়ে ফেলে দেবে। ** '''''[[:w:জর্জ হার্বার্ট|জর্জ হার্বার্ট]]''''', ''দ্য পুলি'', স্ট্যাঞ্জা ৪। * ''Vir bonus est quis?<br>Qui consulta patrum, qui leges juraque servat.'' ** একজন ভালো মানুষ আসলে কে? তিনি-ই, যিনি পিতৃপুরুষদের আদেশ বা ডিক্রিগুলো মেনে চলেন এবং মানবীয় ও ঐশ্বরিক—উভয় প্রকার আইনই পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পালন করেন। ** '''''[[:w:হোরাস|হোরাস]]''''', ''এপিস্টলস'', I. ১৬. ৪০। * ঈশ্বর, যাঁর করুণার ধারা বা আশীর্বাদ প্রবল বন্যার মতো সেই সকলের প্রতি বর্ষিত হয় যারা তাঁর অন্বেষণ করে; তিনি কেবল আপনার কাছে ভালো বা মহৎ হওয়ার প্রত্যাশা করেন এবং তাতেই তিনি সন্তুষ্ট হন। ** '''''[[:w:ভিক্টর হুগো|ভিক্টর হুগো]]''''', ''গড হুজ গিফটস ইন গ্রেসিয়াস ফ্লাড''। * তিনি এতোটাই দয়ালু ও ভালো মানুষ ছিলেন যে, তিনি একটি কদাকার কোলাব্যাঙের গায়েও গোলাপ-জল ছিটিয়ে দিতেন। ** '''''ডগলাস জেরল্ড''''', ''জেরল্ড'স উইট'', ''এ চ্যারিটেবল ম্যান''। * নাসরত থেকে কি ভালো কোনো কিছুর উদ্ভব হওয়া সম্ভব? ** যোহন. I. ৪৬। * যা কিছু সুন্দর ও ন্যায্য, তা মঙ্গলের কতটা কাছাকাছি! ** '''''[[:w:বেন জনসন|বেন জনসন]]''''', ''লাভ ফ্রীড ফ্রম ইগনোরেন্স অ্যান্ড ফলি''। * ''Rari quippe boni: numero vix sunt totidem quot<br>Thebarum portæ, vel divitis ostia Nili.'' ** ভালো বা মহৎ মানুষেরা, হায়! সংখ্যায় কতই না নগণ্য: তাঁদের সংখ্যা থিবসের প্রবেশদ্বার কিংবা সমৃদ্ধ নীল নদের মোহনাগুলোর চেয়ে কোনোভাবেই বেশি হবে না। *** '''''[[:w:জুভেনাল|জুভেনাল]]''''', ''স্যাটায়ারস'' (দ্বিতীয় শতাব্দীর শুরুর দিকে), XIII. ২৬. * ভালো হও, হে প্রিয় বালিকা, আর যারা চায় তাদের চতুর হতে দাও; সারাদিন কেবল স্বপ্ন না দেখে বরং মহৎ ও পুণ্য কাজ করো; আর এভাবেই জীবন, মৃত্যু এবং সেই অনন্ত মহাকালকে একটি মহান ও সুমধুর সংগীতে রূপান্তরিত করো। ** '''''[[:w:চার্লস কিংসলে|চার্লস কিংসলে]]''''', ''ফেয়ারওয়েল। টু সি. ই. জি.'' * ভালো হও, হে প্রিয় বালিকা, আর যারা পারে তাদের চতুর হতে দাও; সারাদিন কেবল স্বপ্ন না দেখে বরং সুন্দর ও মনোরম কাজগুলো সম্পাদন করো; আর এভাবেই জীবন, মৃত্যু এবং সেই অনন্ত মহাকালকে একটি মহান ও সুমধুর সংগীতে পরিণত করো। ** '''''[[:w:চার্লস কিংসলে|চার্লস কিংসলে]]''''', ''ফেয়ারওয়েল''। ১৮৮৯ সালের সংস্করণে। এছাড়াও তাঁর স্ত্রীর সম্পাদিত 'লাইফ'-এর ভলিউম I, পৃ. ৪৮৭-এ পাওয়া যায়, যেখানে লাইনটি হলো: "অ্যান্ড সো মেক লাইফ, ডেথ, অ্যান্ড দ্যাট ভাস্ট ফর এভার"। * ''Weiss<br>Dass alle Länder gute Menschen tragen.'' ** এটি জেনে রেখো যে, প্রতিটি দেশই ভালো এবং সৎ মানুষ জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। *** '''''[[:w:গটহোল্ড এফ্রাইম লেসিং|গটহোল্ড এফ্রাইম লেসিং]]''''', ''নাথান ডার ওয়েইজ'', II. * ''Segnius homines bona quam mala sentiunt.'' ** মানুষের ভালো বা মঙ্গলের তুলনায় মন্দ বা অশুভ বিষয়গুলো অনুভব করার তীব্রতা অনেক বেশি সজাগ ও প্রখর থাকে। *** '''''[[:w:লিভি|লিভি]]''''', ''অ্যানালস'', XXX. ২১. * যে মাটি বা ভূখণ্ডের ওপর ভিত্তি করে তাঁর মতো মহান মানুষেরা গড়ে ওঠেন, সেই মাটিতে জন্মগ্রহণ করা ভাগ্যের ব্যাপার, সেখানে জীবন যাপন করা আনন্দের এবং সেই মাটির তরে মৃত্যুবরণ করা ও তারই কোলে সমাধিস্থ হওয়া অত্যন্ত গৌরবের। ** '''''[[:w:জেমস রাসেল লোয়েল|জেমস রাসেল লোয়েল]]''''', ''অ্যামং মাই বুকস''। সেকেন্ড সিরিজ। গারফিল্ড। * ''Si veris magna paratur<br>Fama bonis, et si successu nuda remoto<br>Inspicitur virtus, quicquid laudamus in ullo<br>Majorum, fortuna fuit.'' ** যদি প্রকৃতপক্ষে সৎ ও মহৎ ব্যক্তিদের জন্য মহান খ্যাতি অপেক্ষা করে থাকে; আর যদি চুড়ান্ত সাফল্যের প্রশ্নটি সরিয়ে রেখে কেবল শ্রেষ্ঠত্ব বা গুণকেই এককভাবে বিচার করা হয়, তবে তাঁর ভাগ্য আমাদের পূর্বপুরুষদের ইতিহাসে খুঁজে পাওয়া যেকোনো গৌরবের মতোই গর্বিত ও মহিমান্বিত ছিল। *** '''''[[:w:লুকান (কবি)|মার্কাস আনিউস লুকানাস]]''''', ''ফারসালিয়া'', IX. ৫৯৩. * সকল প্রকার মঙ্গল বা কল্যাণের শিখর এবং মুকুটমণি, আর জীবনের শেষ ধ্রুবতারা হলো—ভ্রাতৃত্ববোধ। ** '''''[[:w:এডউইন মার্কহ্যাম|এডউইন মার্কহ্যাম]]''''', ''ব্রাদারহুড''। * একমাত্র যাঁরা প্রকৃতপক্ষে ভালো মানুষ, তাঁরাই কেবল ভালো কিছু দান করতে পারেন; আর যা ভালো নয়, তা কোনো সুশৃঙ্খল ও প্রজ্ঞাবান রুচির কাছে কখনোই সুস্বাদু বা আকর্ষণীয় হতে পারে না। ** '''''[[:w:জন মিলটন|জন মিলটন]]''''', ''[[:w:কোমাস (জন মিলটন)|কোমাস]]'' (১৬৩৭), লাইন ৭০২. * যেহেতু মহত্ত্ব বা মঙ্গলকে যতটা বেশি সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, এটি ততটাই অধিকতর প্রাচুর্যের সাথে বৃদ্ধি পেতে থাকে। ** '''''[[:w:জন মিলটন|জন মিলটন]]''''', ''[[:w:প্যারাডাইস লস্ট|প্যারাডাইস লস্ট]]'' (১৬৬৭; ১৬৭৪), বুক V, লাইন ৭১. * এক গ্লাস পানীয় ভালো, আর একটি সঙ্গী বা কিশোরীও ভালো, আর প্রচণ্ড শীতে ধূমপানের জন্য একটি পাইপও বেশ চমৎকার; এই পৃথিবীটা সুন্দর, আর মানুষগুলোও বেশ ভালো, এবং আমরা সবাই মিলে একত্রে এক একজন অসাধারণ সঙ্গী। ** '''''জন ও'কিফ''''', ''স্প্রিগস অফ লরেল'', অ্যাক্ট II, সিন ১. * আমি মঙ্গলকে চিনি এবং ভালোবাসি, তবুও হায়! সেই নিকৃষ্ট বা মন্দেরই অনুসরণ করি। ** '''''[[:w:পেত্রার্ক|পেত্রার্ক]]''''', ''টু লরা ইন লাইফ'', কানজোন XXI. * ''Itidemque ut sæpe jam in multis locis,<br>Plus insciens quis fecit quam prodens boni.'' ** আর এভাবেই অনেক ক্ষেত্রেই এটি ঘটে থাকে; আমাদের অজ্ঞাতসারে বা অজান্তেই যতটা মঙ্গল সাধিত হয়, তা আমাদের পরিকল্পিত মঙ্গলের চেয়ে অনেক বেশি। *** '''''[[:w:প্লাউতাস|প্লাউতাস]]''''', ''ক্যাপটিভি প্রোলগ'', XLIV. * ''Bono ingenio me esse ornatam, quam auro multo mavolo.<br>Aurum fortuna invenitur, natura ingenium donum.<br>Bonam ego, quam beatam me esse nimio dici mavolo.'' ** আমি স্বর্ণ বা ধন-সম্পদের চেয়ে একটি সুন্দর ও মহৎ স্বভাব বা চরিত্রকেই অনেক বেশি পছন্দ করি; কারণ স্বর্ণ হলো ভাগ্যের দান, কিন্তু স্বভাবের এই মহত্ত্ব হলো প্রকৃতির এক অমূল্য উপহার। আমি নিজেকে সৌভাগ্যবানের চেয়ে বরং একজন ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত করতে অনেক বেশি পছন্দ করি। *** '''''[[:w:প্লাউতাস|প্লাউতাস]]''''', ''ফেনুলাস'', I. ২. ৯০. * প্রতিটি ভালো বা মঙ্গলময় জিনিসই মূলত অত্যন্ত নম্র ও সংগতিপূর্ণ হয়ে থাকে, যা এক সুশৃঙ্খল ধারায় অগ্রসর হয় এবং যা সঠিক বা ন্যায়সঙ্গত তার সীমা কখনোই অতিক্রম করে না। ** '''''[[:w:পর্ফিরি (দার্শনিক)|পর্ফিরি]]''''', ''[https://books.google.it/books?id=B5ojAwAAQBAJ&pg=PA0 অন অ্যাবস্টিনেন্স ফ্রম কিলিং অ্যানিম্যালস]'', গিলিয়ান ক্লার্ক কর্তৃক অনূদিত (ব্লুমসবারি, ২০১৪), II. ৩৯. ৪. * ''Gute Menschen können sich leichter in schlimme hineindenken als diese injene.'' ** একজন ভালো মানুষ যতটা সহজে একজন মন্দ মানুষের প্রকৃত রূপ বা উদ্দেশ্য চিনে ফেলতে পারেন, একজন মন্দ মানুষ কখনোই একজন ভালো মানুষের স্বরূপ ততটা সহজে অনুধাবন করতে পারে না। *** '''''[[:w:জঁ পল রিখটার|জঁ পল রিখটার]]''''', ''হেসপেরাস'', IV. * তুমি হয়তো ম্যাজ কিংবা সিস-এর জন্য অনেক ভালো, অথবা হয়তো কেট-এর জন্যও বেশ চমৎকার; কিন্তু তাতে আমার জন্য কী-ই বা ভালো বা লাভ আছে, যতক্ষণ পর্যন্ত না তুমি আসলে আমার জন্য ভালো বা যোগ্য হয়ে ওঠো? ** '''''[[:w:ক্রিস্টিনা রসেটি|ক্রিস্টিনা রসেটি]]''''', ''জেসি ক্যামেরন'', স্ট্যাঞ্জা ৩. * ''Esse quam videri bonus malebat.'' ** তিনি কেবল ভালো বা সৎ সাজার চেয়ে প্রকৃতপক্ষে একজন ভালো মানুষ হওয়াকেই অনেক বেশি পছন্দ করতেন। *** '''''[[:w:সালুস্ত|সালুস্ত]]''''', ''ক্যাটলিনা'', LIV. * যা কিছু সুন্দর তা-ই আসলে ভালো বা মঙ্গলময়, আর যিনি প্রকৃতপক্ষে ভালো, তিনি অচিরেই সৌন্দর্যেরও অধিকারী হয়ে উঠবেন। ** '''''[[:w:সাফো|সাফো]]''''', ''ফ্র্যাগমেন্ট'', ১০১. * ''Bonitas non est pessimis esse meliorem.'' ** কেবল নিকৃষ্টতম ব্যক্তিদের চেয়ে সামান্য ভালো হওয়াটাই প্রকৃত মহত্ত্ব বা মঙ্গলের পরিচায়ক নয়। *** '''''[[:w:লুসিয়াস আনিউস সেনেকা|কনিষ্ঠ সেনেকা]]''''', ''এপিস্টোলি অ্যাড লুসিলিয়াম''। * এই ক্লান্ত ও শ্রান্ত পৃথিবীতে একটি সৎ কাজ এভাবেই উজ্জ্বল আলোকচ্ছটা ছড়ায়। ** উইলি ওয়াঙ্কা, চরিত্রে অভিনয়ে [[w:জিন ওয়াইল্ডার|জিন ওয়াইল্ডার]], [[w:উইলি ওয়াঙ্কা অ্যান্ড দ্য চকলেট ফ্যাক্টরি|উইলি ওয়াঙ্কা অ্যান্ড দ্য চকলেট ফ্যাক্টরি (চলচ্চিত্র)]] (১৯৭১), চিত্রনাট্য লিখেছেন রোয়াল্ড ডাল এবং ডেভিড সেল্টজার। * ভালোবাসার সেই জ্বলন্ত শিখার একদম গভীরেও বাস করে এক ধরণের সলতে বা পোড়া অংশ যা তাকে ধীরে ধীরে স্তিমিত করে দেয়; আর কোনো কিছুই চিরকাল একই ধরণের মহত্ত্ব বা মঙ্গলে স্থির থাকে না; কারণ মহত্ত্ব যখন আতিশয্যে বা প্রাচুর্যে উপচে পড়ে (প্লুরিসি), তখন সে নিজের সেই আতিশয্যের ভারেই বিলীন হয়ে যায়। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:হ্যামলেট|হ্যামলেট]]'' (১৬০০-০২), অ্যাক্ট IV, সিন ৭, লাইন ১১৫. * আপনার সেই মহানুভবতা ও মহত্ত্ব, যা কি না পবিত্র করুণা থেকে উদ্ভূত, শেষ পর্যন্ত একটি কুঠারের মাধ্যমে তাকে মুক্তি বা পাপমুক্ত করেছে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:হেনরি অষ্টম (নাটক)|হেনরি অষ্টম]]'' ([[w:হেনরি অষ্টম (নাটক)#তারিখ|আনু. ১৬১৩]]), অ্যাক্ট III, সিন ২, লাইন ২৬৩. * আমি এই পার্থিব জগতে বাস করি; যেখানে কারো ক্ষতি করা বা অনিষ্ট করাটা প্রায়শই প্রশংসনীয় হিসেবে বিবেচিত হয়, আর ভালো কাজ করাকে কখনও কখনও গণ্য করা হয় এক ধরণের বিপজ্জনক মূর্খতা হিসেবে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:ম্যাকবেথ|ম্যাকবেথ]]'' (১৬০৫), অ্যাক্ট IV, সিন ২, লাইন ৭৫. * তাঁকে একজন ভালো মানুষ বলার মাধ্যমে আমি যা বোঝাতে চেয়েছি তা হলো—যাতে আপনি এটি বুঝতে পারেন যে তিনি তাঁর কাজ বা অবস্থানের জন্য যথেষ্ট যোগ্য ও সমর্থ। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', ''[[:w:দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস|দ্য মার্চেন্ট অফ ভেনিস]]'' (১৫৯০-এর দশকের শেষের দিকে), অ্যাক্ট I, সিন ৩, লাইন ১৪. * প্রভু যীশু খ্রিস্টের সন্তুষ্টির খাতিরে, যতটুকু সম্ভব সকল প্রকার ভালো কাজ করো, যতজন মানুষের প্রতি সম্ভব তা সম্পাদন করো, সম্ভাব্য সকল উপায়ে তা করার চেষ্টা করো, এবং যতক্ষণ পর্যন্ত তোমার সামর্থ্য থাকে ততক্ষণ তা চালিয়ে যাও। ** ইংল্যান্ডের শ্রুসবারির একটি সমাধিলিপির খোদাই করা লেখা। এটি জনাব মুডির অত্যন্ত প্রিয় ছিল। * কারণ আপনি ছাড়া আর কে-ই বা আছেন? যিনি কেবল নিজে একজন ভালো মানুষ বা ভদ্রলোক হওয়ার দাবিই করেন না—কারণ অনেকেই এমন আছেন যারা ভালো, কিন্তু অন্যকে ভালো বা মহৎ করে তোলার ক্ষমতা তাঁদের নেই। অথচ আপনি কেবল নিজেই মহৎ নন, বরং অন্যদের মাঝেও মহত্ত্ব বা মঙ্গলের এক বিশেষ কারণ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। ** প্রোটাগোরাসকে '''''সক্রেটিস'''''। দেখুন [[:w:প্লেটো|প্লেটো]]। জোয়েট-এর অনুবাদ। * শনিবার রাতটি কতটা মনোরম ও তৃপ্তিদায়ক হয়, যখন আমি সারা সপ্তাহ জুড়ে একজন ভালো মানুষ হওয়ার চেষ্টা করি, মুখ দিয়ে কোনো একটি খারাপ বা মন্দ শব্দও উচ্চারণ করি না, এবং সাধ্যমতো প্রত্যেকের প্রতি কৃতজ্ঞ ও বাধ্য থাকার চেষ্টা করি। ** '''''ন্যান্সি ডেনিস স্প্রোট''''', ''হাউ প্লেজেন্ট ইজ স্যাটারডে নাইট''। * কেবল একজন ব্যক্তিকেই আমাকে সংশোধন করে ভালো বানাতে হবে: সেটি হলো আমি নিজে। কিন্তু আমার প্রতিবেশীর প্রতি আমার কর্তব্য সম্পর্কে আরও অনেক বেশি স্পষ্টভাবে বলা যায় যে—আমার কাজ হলো তাকে সুখী করে তোলা, যদি আমি তা করতে সমর্থ হই। ** '''''[[:w:রবার্ট লুইস স্টিভেনসন|রবার্ট লুইস স্টিভেনসন]]''''', ''ক্রিসমাস সারমন''। * তাঁর কনিষ্ঠ আঙুলে যতটুকু মহত্ত্ব বা সদগুণ রয়েছে, ওই লোকটির পুরো শরীরেও ততটুকু নেই। ** '''''[[:w:জোনাথন সুইফট|জোনাথন সুইফট]]''''', ''পোলাইট কনভারসেশন'' (আনু. ১৭৩৮), ডায়ালগ II. * ওহ, তবুও আমরা বিশ্বাস করি যে কোনো না কোনোভাবে মঙ্গলই হবে মন্দের চূড়ান্ত লক্ষ্য বা পরিণতি; প্রকৃতির তীব্র যন্ত্রণা, ইচ্ছাকৃত পাপ, সন্দেহের ত্রুটি এবং বংশগত কলঙ্ক—সবকিছুরই শেষ হবে মঙ্গলে। ** '''''[[:w:আলফ্রেড টেনিসন|আলফ্রেড টেনিসন]]''''', ''[[:w:ইন মেমোরিয়াম এ.এইচ.এইচ.|ইন মেমোরিয়াম এ.এইচ.এইচ.]]'' (১৮৪৯), LIV. ১. * মহৎ হওয়া মানেই হলো প্রকৃতপক্ষে ভালো বা সৎ হওয়া। ** '''''[[:w:আলফ্রেড টেনিসন|আলফ্রেড টেনিসন]]''''', ''লেডি ক্ল্যারা ভিয়েরা ডি ভিয়েরা''। একই কথা পাওয়া যায় [[:w:জুভেনাল|জুভেনাল]]-এর ''স্যাটায়ারস'', VIII. ২৪-এ। * মানুষের প্রকৃতপক্ষে যা সে দেখায়, তার চেয়েও আরও বেশি ভালো হওয়া উচিত। ** স্যার '''''অব্রে ডি ভিয়েরা''''', ''এ সং অফ ফেইথ''। * ''Le plus grand ennemi du bon, c'est le mieux.'' ** অধিকতর ভালো বা অতি-উত্তম হলো মঙ্গলের সবচেয়ে বড় শত্রু। ** ফরাসি প্রবাদ, [[:w:গর্গ ভিলহেল্ম ফ্রিডরিখ হেগেল|গর্গ ভিলহেল্ম ফ্রিডরিখ হেগেল]]-এর ''এলিমেন্টস অফ দ্য ফিলোসফি অফ রাইট'' (১৮২০), §২১৬-এ উদ্ধৃত। ** ভিন্ন পাঠসমূহ: *** ''Dans ses écrits un sage Italien <br /> Dit que le mieux est l'ennemi du bien.'' **** তাঁর লেখায় একজন প্রজ্ঞাবান ইতালীয় বলেছেন যে, অতি-উত্তম হলো মঙ্গলের বা ভালোর পরম শত্রু। **** '''''[[:w:ভলতেয়ার|ভলতেয়ার]]''''', ''লা বেগুয়েল'' (দ্য প্রুড) (১৭৭২) *** নিখুঁত হওয়া বা পারফেকশন হলো মঙ্গলের শত্রু। **** ভলতেয়ারের উক্তির আধুনিক ভাবানুবাদ। == ''ডিকশনারি অফ বার্নিং ওয়ার্ডস অফ ব্রিলিয়ান্ট রাইটার্স'' (১৮৯৫) == <small>[[Wikisource:Josiah Hotchkiss Gilbert|জোসায়া হোচকিস গিলবার্ট]], ''[https://openlibrary.org/books/OL23387290M/Dictionary_of_burning_words_of_brilliant_writers ডিকশনারি অফ বার্নিং ওয়ার্ডস অফ ব্রিলিয়ান্ট রাইটার্স]'' (১৮৯৫)-এ রিপোর্ট করা উদ্ধৃতিসমূহ।</small> * কোনো একটি মহৎ উদ্দেশ্যের জন্য বেঁচে থাকুন! ভালো কাজ সম্পাদন করুন এবং নিজের পেছনে পুণ্যের এমন এক স্মৃতিস্তম্ভ রেখে যান যা মহাকালের প্রবল ঝড়ও কখনো ধ্বংস করতে পারবে না। প্রতি বছর আপনি যত হাজার হাজার মানুষের সংস্পর্শে আসছেন, তাঁদের হৃদয়ে দয়া, ভালোবাসা এবং করুণার অক্ষরে নিজের নামটি লিখে দিন; তবেই আপনি কখনো বিস্মৃতির অতল গহ্বরে হারিয়ে যাবেন না। আপনার নাম এবং আপনার কীর্তিসমূহ মানুষের হৃদয়ে ঠিক তেমনই স্পষ্টভাবে ভাস্বর হয়ে থাকবে, যেমনটি সন্ধ্যার ললাটে নক্ষত্ররাজি শোভা পায়। সৎ কর্মসমূহ আকাশের ধ্রুবতারার মতোই চিরকাল উজ্জ্বল আলোকচ্ছটা ছড়াবে। ** '''''[[:w:টমাস চালমার্স|টমাস চালমার্স]]''''', পৃ. ২৪৩। * মহত্ত্ব বা শ্রেষ্ঠত্ব আমরা বাহ্যিকভাবে যে কাজগুলো করি তার মধ্যে নিহিত নয়, বরং আমাদের অন্তরের প্রকৃত সত্তার মাঝে নিহিত। 'হয়ে ওঠা' বা আমাদের প্রকৃত পরিচয়টিই হলো সবচেয়ে বড় বিষয়। ** '''''এডউইন হাবেল চ্যাপিন''''', পৃ. ২৮৬। * কত মানুষই না ভালো হতে চাইত, যদি কোনো প্রকার কষ্ট বা পরিশ্রম ছাড়াই অনায়াসে ভালো হওয়া যেত! তারা মহত্ত্বকে ততটা গভীরভাবে ভালোবাসে না যাতে তার জন্য ক্ষুধা ও তৃষ্ণা অনুভব করতে পারে, কিংবা যা কিছু তাদের আছে তার বিনিময়ে সেই মহত্ত্বকে ক্রয় করতে পারে; তারা স্বর্গরাজ্যের দ্বারে করাঘাত করতে চায় না; বরং তারা দূর থেকে পুণ্য ও ন্যায়পরায়ণতার সেই আকাশচুম্বী কাল্পনিক দুর্গের দিকে পরম তৃপ্তির সাথে তাকিয়ে থাকে এবং মনে মনে ভাবে যে সেখানে বসবাস করাটা বেশ চমৎকার হতো। ** '''''[[:w:জর্জ ম্যাকডোনাল্ড|জর্জ ম্যাকডোনাল্ড]]''''', পৃ. ২৮৬। * কেবল মহান হৃদয়ের অধিকারীরাই অনুধাবন করতে পারেন যে, প্রকৃতপক্ষে ভালো বা মহৎ হওয়ার মাঝে কতটা গৌরব ও মহিমা নিহিত রয়েছে। ** '''''[[:w:জুল মিশলে|জুল মিশলে]]''''', পৃ. ২৮৬। * ভালো হও আমার সন্তান, আর যারা চায় তাদের চতুর হতে দাও; সারাদিন কেবল স্বপ্ন না দেখে বরং মহৎ ও পুণ্য কাজগুলো বাস্তবে রূপ দাও; আর এভাবেই জীবন, মৃত্যু এবং সেই সুদূরপ্রসারী অনন্তকালকে একটি বিশাল ও সুমধুর সংগীতে রূপান্তরিত করো। ** '''''[[:w:চার্লস কিংসলে|চার্লস কিংসলে]]''''', পৃ. ২৮৬। * কেবল নামমাত্র ভালো বা সৎ হয়ো না; বরং কোনো একটি মহৎ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য ভালো হও। ** '''''[[:w:হেনরি ডেভিড থরো|হেনরি ডেভিড থরো]]''''', পৃ. ২৮৬। * কোনো ভালো বা মঙ্গলময় বিষয়ই কখনো হারিয়ে যায় না। কোনো কিছুই মরে যায় না, এমনকি জীবনও নয়—যা কেবল একটি রূপ ত্যাগ করে অন্য একটি রূপ ধারণ করার জন্য। কোনো ভালো কাজ কিংবা কোনো মহৎ আদর্শ কখনো মুছে যায় না। এটি আমাদের মানবজাতির মাঝে চিরকাল বেঁচে থাকে। যখন দেহের কাঠামোটি মাটিতে মিশে যায় এবং অদৃশ্য হয়ে যায়, তখন মানুষের কর্ম এক অক্ষয় ছাপ রেখে যায় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চিন্তা ও সংকল্পকে নতুন ছাঁচে গড়ে তোলে। ** '''''[[:w:স্যামুয়েল স্মাইলস|স্যামুয়েল স্মাইলস]]''''', পৃ. ২৮৬। * চিরকাল এবং অনন্তকালের জন্য, হে প্রিয়তম, হ্যাঁ— মহত্ত্ব এবং ভালোবাসা হলো অবিনশ্বর ও চিরঞ্জীব; কেবল পৃথিবীর দুঃখ-কষ্ট আর দুশ্চিন্তাগুলোই প্রথম থেকেই ডানা মেলে উড়ে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়েছে। আমরা আমাদের পথ চষে বেড়াই এই "বর্তমান"-এর লাঙলের ফলায়; কিন্তু চাষাবাদ আর ফলনের পর সেই শস্যের আঁটি আমাদের অপেক্ষায় থাকে; শিকড়ের জন্য মাটি ঠিকই, কিন্তু পাতার জন্য প্রয়োজন রৌদ্রালোক— আর ঈশ্বর চিরকাল অবিরাম নজর রাখেন আমাদের ওপর। ** '''''মেরি মেপস ডজ''''', পৃ. ২৮৭। * মানুষ এমন কিছুই কখনো উদ্ভাবন করতে পারবে না যা তাকে সেই সর্বজনীন প্রয়োজনীয়তা থেকে মুক্তি দেবে—যা হলো ঈশ্বরের মতো ভালো হওয়া, ঈশ্বরের মতো ন্যায়পরায়ণ হওয়া এবং ঈশ্বরের মতোই পবিত্র ও বিশুদ্ধ হওয়া। ** '''''[[:w:চার্লস কিংসলে|চার্লস কিংসলে]]''''', পৃ. ২৮৭। * যে ব্যক্তি মহত্ত্ব বা মঙ্গলের ওপর বিশ্বাস রাখে, তার অন্তরেই সকল বিশ্বাসের মূল নির্যাস বা সারবস্তু নিহিত রয়েছে। তিনিই সেই মানুষ যার রয়েছে "আনন্দময় এক অতীত এবং এক আত্মবিশ্বাসী ও উজ্জ্বল আগামীর প্রতিশ্রুতি।" ** '''''[[:w:জেমস ফ্রিম্যান ক্লার্ক|জেমস ফ্রিম্যান ক্লার্ক]]''''', পৃ. ২৮৭। * আমরা আমাদের শৈশবের সেই ভোরের স্নিগ্ধ কিরণকে পুনরায় প্রজ্বলিত করতে পারি না; আমরা আমাদের যৌবনের সেই মধ্যাহ্নবেলার দীপ্ত গৌরবকেও ফিরিয়ে আনতে পারি না; আমরা আমাদের পরিপক্ক বয়সের সেই পূর্ণতা বা শ্রেষ্ঠ দিনটিকেও পুনরায় লাভ করতে পারি না; কিংবা আমরা বার্ধক্যের সায়াহ্নবেলার অস্তগামী রশ্মিকে ছায়াবৃত দিগন্তের বুকে স্থির করে রাখতে পারি না; কিন্তু আমরা সেই মহত্ত্বকে সযত্নে লালন করতে পারি—যা শৈশবের মাধুর্য, যৌবনের উল্লাস, প্রৌঢ়ত্বের শক্তি, বার্ধক্যের সম্মান এবং সাধু-সন্তদের পরম আনন্দ। ** '''''হেনরি জাইলস''''', পৃ. ২৮৭। == আরও দেখুন == {{col-begin}} {{col-2}} * [[:w:শ্রেষ্ঠত্ব|শ্রেষ্ঠত্ব বা উৎকর্ষতা]] * [[:w:ভালো ও মন্দ|ভালো এবং মন্দ]] * [[:w:মহত্ত্ব|মহত্ত্ব বা বিশালতা]] * [[:w:নৈতিকতা|নৈতিকতা]] * [[:w:যোগ্যতা|যোগ্যতা বা গুণাবলি]] * [[:w:আভিজাত্য|আভিজাত্য বা মহদাশয়তা]] {{col-2}} * [[:w:পুণ্য|পুণ্য বা সদগুণ]] * [[:w:মূল্য|মূল্য বা যথাযোগ্য মর্যাদা]] * [[:Category:Virtues|বিষয়শ্রেণী:সদগুণসমূহ]] {{col-end}} == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia|মহত্ত্ব}} {{wiktionary|মহত্ত্ব (উইকিশনারি)}} [[Category:সদগুণসমূহ]] [[Category:নীতিবিদ্যা]] [[বিষয়শ্রেণী:নৈতিকতা]] aqx1xgqlw0yo2z0b6p71hcbezig88k8 সাংবাদিকতা 0 12652 78622 78257 2026-04-19T15:08:43Z Oindrojalik Watch 4169 78622 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:2 Fillettes vendant des journaux, Wilmington (Delaware), mai 1910.jpg|thumb|আমেরিকায় রাষ্ট্রপতি চার বছরের জন্য রাজত্ব করেন, আর সাংবাদিকতা শাসন করে অনন্তকাল ধরে।<br>~'''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''']] '''[[w:সাংবাদিকতা|সাংবাদিকতা]]''' হলো সংবাদ সংগ্রহ, লিখন এবং সংবাদ পরিবেশনের একটি বিশেষ শাখা; বিস্তৃত অর্থে এটি সংবাদ নিবন্ধ সম্পাদনা ও উপস্থাপনার প্রক্রিয়াকেও অন্তর্ভুক্ত করে। সাংবাদিকতা বিভিন্ন মাধ্যমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তবে এটি কেবল সংবাদপত্র, সাময়িকী, রেডিও এবং টেলিভিশনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সংবাদ প্রচারের দৌড়ে সবার আগে থাকার প্রবল চাপ থাকা সত্ত্বেও, প্রতিটি সংবাদ সংস্থা নিজস্ব নির্ভুলতা, গুণমান এবং শৈলীর মানদণ্ড মেনে চলে। যেখানে সাধারণত প্রকাশের পূর্বে প্রতিবেদনগুলো [[:w:সম্পাদনা|সম্পাদনা]] ও [[:w:প্রুফরিডিং|প্রুফরিডিং]] করা হয়। অনেক সংবাদ সংস্থা সরকারি কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ রাখার গৌরবময় ঐতিহ্য দাবি করে, যদিও সংবাদ মাধ্যম সমালোচকরা খোদ সংবাদপত্রের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ''জার্নালিজম'' বা সাংবাদিকতা শব্দটি ফরাসি ''জার্নাল'' থেকে নেওয়া হয়েছে, যা কালক্রমে ল্যাটিন ''ডিউর্নাল'' বা দৈনিক শব্দ থেকে উদ্ভূত। প্রাচীন রোমের প্রধান জনচত্বর ফোরামে প্রতিদিন 'অ্যাক্টা ডিউর্না' নামক একটি হস্তলিখিত বুলেটিন টাঙিয়ে দেওয়া হতো, যা ছিল বিশ্বের প্রথম সংবাদপত্র। [[File:Amy Goodman — Keynote, National Conference for Media Reform 2013 (8626124929).jpg|thumb|যেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করে, সেখানে ছুটে যাওয়াই একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব: যারা বিস্মৃত, পরিত্যক্ত এবং ক্ষমতাশালীদের দ্বারা নিগৃহীত, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা।<br>~'''''[[:w:অ্যামি গুডম্যান|অ্যামি গুডম্যান]]''''']] __NOTOC__ {{TOCalpha|''[[#হোয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস|হোয়েট'স নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]'' · [[#আরোপিত|আরোপিত]]}} == A == [[File:Julian Assange in Ecuadorian Embassy cropped.jpg|thumb|আমরা আমাদের পেছনে এমন এক অনন্য ক্ষেত্র তৈরি করছি যা সাংবাদিকতার সেই বিশেষ রূপটিকে বিকশিত হতে দেয়, যা সাংবাদিকতা চিরকাল নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। আমরা সেই ক্ষেত্রটি সৃষ্টি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর মুখোশ সাহসের সাথে উন্মোচন করার ফলে আসা যাবতীয় সমালোচনা ও আক্রমণকে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করছি।<br>~'''''[[:w:জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]]''''' ]] [[File:Great men and famous women - a series of pen and pencil sketches of the lives of more than 200 of the most prominent personages in history Volume 7 (1894) (14760162546).jpg|thumb|সাংবাদিকতা সত্যিই মহৎ। প্রতিটি দক্ষ ও সামর্থ্যবান সম্পাদক কি বিশ্বের একেকজন প্রকৃত শাসক নন, যেহেতু তিনি বিশ্ববাসীকে নিজের যুক্তি ও চিন্তায় প্ররোচিত ও প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখেন?<br>~'''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''' ]] *একটি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংবাদপত্রের অবাধ স্বাধীনতা অপরিহার্য ও মৌলিক একটি শর্ত: অতএব, এই কমনওয়েলথ বা জনসমষ্টির মধ্যে কোনোভাবেই সংবাদপত্রের সেই স্বাধীনতাকে খর্ব বা সংকুচিত করা উচিত নয়। **'''''[[:w:ম্যাসাচুসেটস সংবিধান|ম্যাসাচুসেটস সংবিধান]]''''' (১৭৮০) {{cite book|author='''''[[:w:জন অ্যাডামস|জন অ্যাডামস]]''''', '''''[[:w:স্যামুয়েল অ্যাডামস|স্যামুয়েল অ্যাডামস]]''''', '''''[[:w:জেমস বাউডোইন|জেমস বাউডোইন]]'''''|title=[[:w:ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ এর সংবিধান|ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ এর সংবিধান]]|publisher=[[:w:ম্যাসাচুসেটস|ম্যাসাচুসেটস কমনওয়েলথ]]|year=1780|pages= অনুচ্ছেদ XVI}}[http://en.wikisource.org/wiki/Constitution_of_the_Commonwealth_of_Massachusetts_%281780%29 মূল পাঠ্য] * বেনামে তথ্য ফাঁস করা একটি প্রাচীন শিল্পকলা এবং অনেক ওয়েবসাইটই এমন সব উৎস থেকে প্রাপ্ত নথিপত্র প্রকাশ করে থাকে যাদের তারা শনাক্ত করতে পারে না। উইকিলিকস যা করেছে তা হলো এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে পেশাদার রূপ দেওয়া। তারা তথ্য ফাঁস গ্রহণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং তা জনসমক্ষে প্রকাশের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ও মানসম্মত কার্যপ্রণালী তৈরি করেছে। ** '''''স্টিফেন আফটারগুড''''', ফেডারেশন অফ আমেরিকান সায়েন্টিস্টস (FAS) প্রজেক্ট অন গভর্নমেন্ট সিক্রেসি — প্রতিবেদনে উল্লিখিত {{cite news|first=পল |last=মার্কস |author= |url= |title=উচ্চপদে আসীন ব্যক্তিদের অপ্রস্তুত করার একটি অব্যর্থ উপায়: হুইসেল-ব্লোয়ার বা তথ্য ফাঁসকারীরা কোনো চিহ্ন না রেখেই সব বলে দিতে পারেন, সেইসব ওয়েবসাইটকে ধন্যবাদ যা তাদের পরিচয় গোপন রাখে |work= নিউ সায়েন্টিস্ট|publisher=রিড বিজনেস ইনফরমেশন |pages= |page=২৮, খণ্ড ১৯৮; ইস্যু ২৬৫৫ |date=মে ১০, ২০০৮ |accessdate= }} * একজন সাংবাদিক হিসেবে আমার কর্মজীবন আমার সাহিত্যিক সৃজনশীলতার ক্ষেত্রে এক মৌলিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। সাংবাদিকতাই আমাকে শব্দকে চিনতে এবং ভালোবাসতে শিখিয়েছে—যা আমার পেশার প্রধান হাতিয়ার এবং আমার শিল্পের মূল উপাদান। সাংবাদিকতা আমাকে সত্যের সন্ধান করতে এবং নৈর্ব্যক্তিক বা বস্তুনিষ্ঠ হতে শিখিয়েছে; শিখিয়েছে কীভাবে পাঠকের মনোযোগ কেড়ে নিতে হয় এবং তাকে এমনভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে ধরে রাখতে হয় যেন সে কোনোভাবেই ফস্কে না যায়। এটি আমাকে বিভিন্ন ধারণাকে সংশ্লেষণ করতে এবং ঘটনাপ্রবাহের বর্ণনায় সুনির্দিষ্ট হতে শিখিয়েছে। আর সর্বোপরি, এটি আমার ভেতর থেকে সাদা পাতার প্রতি যাবতীয় ভয়কে চিরতরে দূর করে দিয়েছে। ** ১৯৯৪ সালের একটি সাক্ষাৎকার যা ''কনভারসেশনস উইথ '''''[[:w:ইসাবেল আলেন্দে|ইসাবেল আলেন্দে]]''''' '' (১৯৯৯)-এ অন্তর্ভুক্ত, স্পেনীয় ভাষা থেকে কোলা ফ্রাঞ্জেন কর্তৃক অনূদিত। * প্রথম সংশোধনীর প্রতিষ্ঠিত আইন অনুযায়ী, সংবাদ প্রকাশে পূর্ব-নিষেধাজ্ঞা বা সেন্সরশিপ যদি আদৌ সাংবিধানিক হয়ও, তবে তা কেবল চরম ও অতি-অস্বাভাবিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটেই অনুমোদিত হতে পারে। বর্তমান মামলার ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, আদালতের এমন সব নির্দেশ রয়েছে যা কার্যকরভাবে একটি ওয়েবসাইটকে বন্ধ করে দিয়েছে—যে সাইটটি বিশ্বজুড়ে সরকার ও কর্পোরেশনগুলোর দুর্নীতির মুখোশ উন্মোচনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছিল—এবং এই নির্দেশটি যে কেউ পাঠ করলে তাকে সেই নথিগুলো প্রকাশ করা, এমনকি সেগুলোর লিঙ্ক দেওয়া থেকেও বিরত থাকতে বাধ্য করছে। ** '''''ডেভিড আরডিয়া''''', হার্ভার্ড ল স্কুল-এর বার্কম্যান সেন্টার ফর ইন্টারনেট অ্যান্ড সোসাইটি-র সিটিজেন মিডিয়া ল প্রজেক্ট (CMLP) এর পরিচালক, '''''[[:w:ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস মামলা|ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস]]''''' প্রসঙ্গে মন্তব্যকালে — প্রতিবেদনে উল্লিখিত {{cite news|title=ইন্টারনেটে বাকস্বাধীনতা রক্ষা: একটি সাইবার-ল ক্লিনিকে শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক আইনি বিষয়গুলো মোকাবিলায় সহায়তা করছে |work=হার্ভার্ড ল বুলেটিন |publisher= [[:w:হার্ভার্ড ল স্কুল|হার্ভার্ড ল স্কুল]]|page= |date=Fall 2008 |url=http://www.law.harvard.edu/news/bulletin/2008/fall/feature_2-side1.php|accessdate=2009-03-04}} * আমরা আমাদের পেছনে এমন এক অনন্য ক্ষেত্র তৈরি করছি যা সাংবাদিকতার সেই বিশেষ রূপটিকে বিকশিত হতে দেয়, যা সাংবাদিকতা চিরকাল নিজের জন্য প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। আমরা সেই ক্ষেত্রটি সৃষ্টি করছি কারণ আমরা শক্তিশালী গোষ্ঠীগুলোর শক্তিমত্তা ও দুর্নীতির মুখোশ সাহসের সাথে উন্মোচন করার ফলে ধেয়ে আসা যাবতীয় সমালোচনা ও প্রবল বিরুদ্ধাচরণকে স্বেচ্ছায় গ্রহণ করছি। ** '''''[[:w:জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ|জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ]]''''' এর উদ্ধৃতি: [https://www.theguardian.com/media/2010/aug/01/julian-assange-wikileaks-afghanistan জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, অনলাইন যুগের সেই সন্ন্যাসী যিনি বৌদ্ধিক লড়াইয়ের মাধ্যমেই বিকশিত হন, ক্যারল ক্যাডওয়ালাডার, ''দ্য গার্ডিয়ান''], (১ আগস্ট ২০১০) == B == * অভিজ্ঞতা এটিই প্রমাণ করেছে যে, সাধারণ প্রত্যাশার সম্পূর্ণ বিপরীতে গিয়ে সংবাদপত্র হলো জনমতকে সঠিক পথে পরিচালিত করার—উত্তেজনাপূর্ণ আন্দোলনকে শান্ত করার—এবং সেইসব মিথ্যা ও কৃত্রিম গুজবকে বিলীন করে দেওয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম, যার দ্বারা রাষ্ট্রের শত্রুরা তাদের অশুভ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করতে পারে। এই জনসমক্ষে প্রচারিত সংবাদপত্রগুলোর মাধ্যমে যেমন নির্দেশনা সরকার থেকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে, তেমনি তা মানুষের কাছ থেকে সরকারের কাছেও উন্নীত হতে পারে: সংবাদপত্রকে যত বেশি স্বাধীনতা প্রদান করা হবে, জনমতের গতিপথ সম্পর্কে তত বেশি নির্ভুলভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে—এবং তা তত বেশি সুনিশ্চিতভাবে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে। **'''''[[:w:জেরেমি বেন্থাম|জেরেমি বেন্থাম]]''''', ''প্রিন্সিপালস অফ পেনাল ল''; তৃতীয় অংশ, "অপরাধ প্রতিরোধের পরোক্ষ পদ্ধতিসমূহ"; অধ্যায় XIX, "নির্দেশনা প্রদানের ক্ষমতা থেকে আহরিত ব্যবহার"। [https://books.google.com/books?id=GGpVAAAAcAAJ&newbks=1&newbks_redir=0&dq=%22jeremy%20bentham%22%20%22newspapers%20are%20one%20of%20the%20best%20means%20of%20directing%20opinion%22&pg=RA1-PA568#v=onepage&q=%22jeremy%20bentham%22%20%22newspapers%20are%20one%20of%20the%20best%20means%20of%20directing%20opinion%22&f=false গুগল বুকস] * আপনি যদি সমগ্র আমেরিকা ঘুরে দেখেন, তবে দেখবেন ছোট ছোট সংবাদপত্রগুলো তাদের নিজ নিজ সম্প্রদায়ে সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে সত্যিই চমৎকার কাজ করছে। আধুনিক নিউ ইয়র্ক টাইমস, আধুনিক ওয়াশিংটন পোস্ট কিংবা আধুনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল অধিকাংশ বিচারেই ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির সময়ের চেয়ে এখন অনেক উন্নত মানের সংবাদপত্র। কিন্তু আপনি যদি এই ক্ষেত্রের বাকি অংশগুলোর দিকে তাকান... তবে দেখবেন যে সত্যের সর্বোত্তম লভ্য সংস্করণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা প্রকৃত সংবাদ ক্রমশ একটি দুষ্প্রাপ্য পণ্যে পরিণত হচ্ছে এবং আমাদের সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকৃত অংশ হিসেবে এর উপস্থিতি দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। **'''''[[:w:কার্ল বার্নস্টাইন|কার্ল বার্নস্টাইন]]''''', সাক্ষাৎকারে {{cite news | last =স্টাফ | title =সাক্ষাৎকার: কার্ল বার্নস্টাইন | work =[[:w:ফ্রন্টলাইন (মার্কিন টিভি সিরিজ)|ফ্রন্টলাইন]] | publisher =[[:w:ডব্লিউজিবিএইচ|ডব্লিউজিবিএইচ]] এডুকেশনাল ফাউন্ডেশন | date =১০ জুলাই ২০০৬ | url =http://www-c.pbs.org/wgbh/pages/frontline/newswar/interviews/bernstein.html | accessdate =২০০৯-০২-২০ }} * প্রতিবেদক, বিশেষ্য: একজন লেখক যিনি সত্যের পথে অনুমানের ওপর ভিত্তি করে অগ্রসর হন এবং শব্দের প্রবল জলোচ্ছ্বাসে সেই সত্যকেই বিলীন করে দেন। ** '''''[[:w:অ্যামব্রোস বিয়ার্স|অ্যামব্রোস বিয়ার্স]]''''', ''দ্য ডেভিল'স ডিকশনারি'' (১৯১১)। * প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা পূর্বপুরুষগণ মুক্ত সংবাদমাধ্যমকে সেই সুরক্ষা প্রদান করেছিলেন যা আমাদের গণতন্ত্রে এর অপরিহার্য ভূমিকা পালনের জন্য একান্ত প্রয়োজন। সংবাদপত্রের কাজ ছিল শাসিতদের সেবা করা, শাসকদের নয়। সংবাদপত্রের ওপর সেন্সরশিপ বা বিধি-নিষেধ আরোপের সরকারি ক্ষমতা বিলুপ্ত করা হয়েছিল যাতে সংবাদপত্র চিরকাল সরকারকে কঠোর সমালোচনা করার স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে। সংবাদমাধ্যমকে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল যাতে এটি সরকারের গোপন রহস্যগুলো উন্মোচন করতে পারে এবং জনগণকে তথ্য দিয়ে সচেতন করতে পারে। কেবল একটি স্বাধীন এবং নিয়ন্ত্রণহীন সংবাদমাধ্যমই কার্যকরভাবে সরকারের প্রতারণা ও জালিয়াতির মুখোশ খুলে দিতে পারে। ** '''''[[:w:হিউগো ব্ল্যাক|হিউগো এল. ব্ল্যাক]]''''', নিউ ইয়র্ক টাইমস বনাম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মামলা, পৃ. ৭১৭ * দীর্ঘকাল ধরে এটি ধরে নেওয়া হয়েছিল যে, সাংবাদিকরা যেসব ঘটনা কভার করেন বা প্রতিবেদন তৈরি করেন, তা তাদের ওপর কোনো স্থায়ী প্রভাব ফেলে না। ট্রমাটিক বা মানসিকভাবে আঘাতমূলক ঘটনাগুলোর মুখোমুখি হওয়াকে তাদের চাকরির বিবরণের অংশ এবং এই পেশার একটি সাধারণ ঝুঁকি হিসেবে দেখা হতো—ঠিক যেমন একজন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বা অগ্নিনির্বাপক কর্মীর ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। অনেকে মনে করতেন যে, যারা মৃত্যু এবং ধ্বংসের খবর সংগ্রহ করেন তারা অস্বাভাবিকভাবে কঠোর মনের মানুষ এবং তারা যে মানুষের দুঃখ-দুর্দশা প্রত্যক্ষ করেন, তার প্রতিধ্বনিমূলক প্রভাব থেকে তারা কোনোভাবে মুক্ত। কিছুদিন আগ পর্যন্তও সাংবাদিকরা মনে করতেন যে, যদি তারা জনসমক্ষে স্বীকার করেন যে সংবাদ সংগ্রহের অভিজ্ঞতা দীর্ঘমেয়াদে তাদের প্রভাবিত করতে পারে, তবে তাদের দুর্বল ভাবা হবে এবং সহকর্মীদের তুলনায় কম যোগ্য বলে মনে করা হবে। ** '''''এলিসা ই. বোল্টন''''', [https://www.ptsd.va.gov/public/community/journalists-ptsd.asp “সাংবাদিকদের দ্বারা সম্মুখীন হওয়া বেদনাদায়ক ঘটনাসমূহ“], '''''ন্যাশনাল সেন্টার ফর পিটিএসডি''''', '''''ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ ভেটেরান্স অ্যাফেয়ার্স'''''। * সেখানে পোস্ট করা মাত্র কয়েকটি নথির প্রতিক্রিয়ায় পুরো সাইটটিতে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেওয়া জনগণের জানার অধিকারকে সম্পূর্ণভাবে অবজ্ঞা করার শামিল। ** '''''অ্যান ব্রিক''''', [[:w:আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন|আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন]]-এর অ্যাটর্নি, '''''[[:w:ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস মামলা|ব্যাংক জুলিয়াস বায়ের বনাম উইকিলিকস]]''''' মামলায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আগে দেওয়া বিবৃতি — প্রতিবেদনে উল্লিখিত: [http://en.wikinews.org/wiki/Rights_groups:_Forcing_Wikileaks.org_offline_raises_%27serious_First_Amendment_concerns%27 "অধিকার গোষ্ঠীসমূহ: উইকিলিকস ডট অর্গকে অফলাইনে যেতে বাধ্য করা 'প্রথম সংশোধনীর গুরুতর উদ্বেগ' তৈরি করে"], '''''[[:n:প্রধান পাতা|উইকিসংবাদ]]''''', (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৮)। * কখনোই ভুলে যাবেন না যে, আপনি যদি আপনার প্রথম বাক্যটি দিয়েই সংবাদপত্রের পাঠকের চোখের মণি বরাবর আঘাত করতে না পারেন (অর্থাৎ তার তীক্ষ্ণ মনোযোগ আকর্ষণ করতে না পারেন), তবে দ্বিতীয় বাক্যটি আর লেখার কোনো প্রয়োজনই নেই। ** '''''[[:w:আর্থার ব্রিসবেন|আর্থার ব্রিসবেন]]''''' (আনু. ১৯০০), উদ্ধৃত হয়েছে: অলিভার কার্লসন রচিত '''''ব্রিসবেন: এ ক্যান্ডিড বায়োগ্রাফি''''' (১৯৩৭), অধ্যায় ৫। * এমন এক সময় ছিল যখন হর্স ওয়াটসনদের মতো পেশার মানুষরা সাধারণত নেশামুক্ত অবস্থায় কখনও ঘুমাতে যেতেন না এবং তাদের লিভার বা যকৃৎ ক্ষয় হয়েই তারা মৃত্যুবরণ করতেন। সেই অক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন দুঃসাহসী যোদ্ধাদের সীমান্ত অঞ্চলের স্যালুনগুলোতে নিজেদের বোকা বানাতে দেখাটা নিশ্চয়ই মজার ছিল—যেখানে তারা প্রতিদ্বন্দ্বী সাংবাদিক ও তাদের সমর্থকদের সাথে চাবুকপেটা এবং গোলাগুলিতে মেতে উঠতেন। কিন্তু কে থামত এটা ভাবতে যে, শব্দ এবং প্রকাশনার ক্ষমতা হাতে থাকা বলতে আসলে কী বোঝায়? এটা বুঝতে পারা যে—একটি পুরো শহর বা অঞ্চল বিচার করবে, নিন্দা জানাবে, কাজ করবে, দণ্ড মওকুফ করবে কিংবা গুণগান গাইবে শুধুমাত্র আপনার গতরাতের তড়িঘড়ি করে লেখা কোনো কিছুর ওপর ভিত্তি করে? কারণ আপনি টাইপসেটে কিছু একটা সাজিয়েছিলেন, আর তা করতে গিয়ে আপনার আঙুলের ডগায় লেগে যাওয়া ধাতব বিষগুলো অদম্যভাবে আপনার রক্তপ্রবাহে যাত্রা শুরু করেছিল? ক্ষমতার মোহে আপনি আপনার যকৃৎ আর বৃক্ককে এক স্পঞ্জি ও খিটখিটে পিন্ডে পরিণত করেছিলেন; আপনি আপনার মস্তিষ্কের কোষগুলোকে ভারী ধাতব আয়নের বিষে কলুষিত করেছিলেন যতক্ষণ না তা দিকভ্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গির এক ভুতুড়ে বাড়িতে পরিণত হয়। অ্যালকোহল সাময়িকভাবে সেই প্রভাব কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করত। তাই আপনি একজন মদ্যপ হয়ে উঠেছিলেন, এবং দিনপ্রতি কিস্তিতে নিজের মানসিক সুস্থতা কিনে নিতেন, আর নিজেকে সবার হাসির পাত্রে পরিণত করতেন। শেষ পর্যন্ত এটি মজার কিংবা বিয়োগান্তক কোনোটিই ছিল না—এটি ছিল জীবনের এক রূঢ় বাস্তবতা যা মাঝারি মানের মানুষের ওপর ধীরগতিতে কাজ করত; কারণ সেই মাঝারিরা নিজেদের সত্ত্বাকে থামিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে যেতে পারত, রাতের কাজটি তাদের নিজের সন্তুষ্টি অনুযায়ী হোক বা না হোক। ** '''''[[:w:অ্যালজিস বাড্রিস|অ্যালজিস বাড্রিস]]''''', '''''[[:w:মাইকেলমাস (উপন্যাস)|মাইকেলমাস]]''''' (১৯৭৭), ISBN 0-425-03812-2, অধ্যায় ৩ (পৃ. ৩৬-৩৭)। * সাংবাদিকতা হয়তো খুব বেশি দুঃসাহস দেখানোর সাহস পায় না। এটি মৃদু হাস্যরসাত্মক এবং বিদ্রূপাত্মক হতে পারে, খুব হালকাভাবে এতে ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যের ছোঁয়া থাকতে পারে, কিন্তু খুব গভীরে খনন করে এটি পাঠকদের বিমুখ করতে পারে না। ভাষার প্রতি এর দৃষ্টিভঙ্গির ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে সত্য: প্রচলিত রীতিগুলো নিয়ে এখানে কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না। ** '''''[[:w:অ্যান্থনি বার্জেস|অ্যান্থনি বার্জেস]]''''', '''''এ মাউথফুল অফ এয়ার: ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস, এস্পেশালি ইংলিশ''''' (১৯৯২)। * এক হতে চাওয়া বিদ্রূপকারী, এক ভাড়াটে ভাঁড়,<br>নিচ কোনো উপহাসের মাসিক এক লেখক,<br>নীচদের মধ্যে নীচতম হয়ে গতর খাটতে দণ্ডিত,<br>আর সাময়িকীর জন্য মিথ্যার চাকচিক্য সাজানোতেই যার আনন্দ। ** '''''[[:w:লর্ড বায়রন|লর্ড বায়রন]]''''', '''''ইংলিশ বার্ডস অ্যান্ড স্কচ রিভিউয়ার্স''''' (১৮০৯), লাইন ৯৭৫। == C == * মূলধারার সংবাদ মাধ্যমগুলো যখন ক্রমশ আত্মতুষ্ট হয়ে পড়ছে, এমনকি যুদ্ধপন্থী নীতিগুলোর সমর্থক হয়ে উঠছে, তখন এটি আরও বেশি অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে যে—যুদ্ধবিরোধী কণ্ঠস্বর এবং বিশেষ করে যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকরা যেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেই নজির স্থাপনের প্রচেষ্টাকে প্রতিরোধ করেন, যা যুদ্ধাপরাধ প্রকাশের কাজটিকে একটি দণ্ডণীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করতে চায়। ** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)। * মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির অপূরণীয় ক্ষতির বিষয়ে যারা উদাসীন বা সরাসরি সমর্থনমূলক অবস্থান গ্রহণ করে, সেইসব প্রকাশনার সম্পূর্ণ বিপরীতে অবস্থান করছে উইকিলিকস এবং এর প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। "যদি মিথ্যা দিয়ে যুদ্ধ শুরু করা যায়, তবে সত্য দিয়ে তা থামানোও সম্ভব"—তার এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করে, অ্যাসাঞ্জ একবিংশ শতাব্দীর মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য নিখুঁত নির্ভুলতার সাথে প্রকাশ করেছেন। ** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)। * মূলধারার সংবাদমাধ্যমের হাজারো সমস্যা থাকা সত্ত্বেও, একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সাংবাদিকতা আজও যুদ্ধ প্রতিরোধ করার এবং ক্ষেত্রবিশেষে চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধ করার অন্যতম প্রধান ও কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে টিকে রয়েছে। এমনকি যারা সংবাদমাধ্যমের ওপর চরম আস্থাহীন, তাদেরও উচিত সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর আসা যাবতীয় আক্রমণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া। কারণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতার এই সুনিশ্চিত গ্যারান্টিই যুদ্ধবিরোধী প্রতিবেদনগুলোকে মূলধারার আলোচনায় নিয়ে আসে এবং সাধারণ মানুষের প্রথাগত চিন্তাধারাকে পরিবর্তন করে তাদের সরকারকে আরও গভীরভাবে বুঝতে শেখায়। ** '''''স্যাম কার্লিনার''''', [https://www.commondreams.org/views/2021/10/22/fate-anti-war-journalism-lies-upcoming-assange-hearings "যুদ্ধবিরোধী সাংবাদিকতার ভাগ্য আসন্ন অ্যাসাঞ্জ শুনানির ওপর নির্ভর করছে"], '''''কমন ড্রিমস''''', (২২ অক্টোবর ২০২১)। * দক্ষ ও দূরদর্শী সম্পাদকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি 'চতুর্থ স্তম্ভ' বা ফোর্থ এস্টেটের অভ্যুদয় ঘটছে। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''দ্য ফ্রেঞ্চ রেভোলিউশন, এ হিস্ট্রি''''' (১৮৩৭), প্রথম অংশ, ষষ্ঠ বই, অধ্যায় ৫। * সাংবাদিকতা সত্যিই এক মহৎ ও বিশাল শক্তি। প্রতিটি দক্ষ ও কুশলী সম্পাদক কি এই বিশ্বের একেকজন প্রকৃত শাসক নন? কারণ তিনি তাঁর ক্ষুরধার লেখনী ও অকাট্য যুক্তির মাধ্যমে সমগ্র বিশ্ববাসীকে নিজ মতে প্ররোচিত করার ক্ষমতা রাখেন। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''দ্য ফ্রেঞ্চ রেভোলিউশন, এ হিস্ট্রি''''' (১৮৩৭), দ্বিতীয় অংশ, প্রথম বই, অধ্যায় ৪। * বার্ক বলেছিলেন যে পার্লামেন্টে তিনটি প্রধান স্তম্ভ বা এস্টেট রয়েছে; কিন্তু তিনি ঐ যে সংবাদদাতাদের গ্যালারির দিকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, সেখানে একটি 'চতুর্থ স্তম্ভ' উপবিষ্ট আছে যা আগের তিনটি স্তম্ভের তুলনায় অনেক বেশি প্রভাবশালী ও গুরুত্বপূর্ণ। এটি কোনো আলঙ্কারিক শব্দ বা নিছক চাতুর্যপূর্ণ উক্তি নয়; বরং এটি একটি আক্ষরিক সত্য—যা বর্তমান এই অস্থির সময়ে আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও অমোঘ। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''অন হিরোস, হিরো-ওয়ারশিপ, অ্যান্ড দ্য হিরোইক ইন হিস্ট্রি: সিক্স লেকচারস: রিপোর্টেড''''', উইলি অ্যান্ড হ্যালস্টেড, (১৮৫৯), পৃ. ১৪৭, বক্তৃতা ৫: "দ্য হিরো অ্যাজ ম্যান অফ লেটারস"। * সাংবাদিকদের দেখলে মনে হতে পারে যে তারা প্রায় আক্ষরিক অর্থেই আধুনিক বিশ্বের এক একজন পুরোহিত... তবে পুরোহিততন্ত্রের নৈতিক অবক্ষয় ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটেছিল যখন এটি জ্ঞান বিতরণের জন্য গঠিত একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠী থেকে জ্ঞান গোপন রাখার জন্য গঠিত একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠীতে রূপান্তরিত হয়েছিল। সাংবাদিকতার অধঃপতনের ক্ষেত্রেও ঠিক একই ধরনের এক বিশাল বিপদ ও আশঙ্কা লুকিয়ে রয়েছে। সাংবাদিকতা নিজেই নিজের মধ্যে এমন এক ভয়াবহ দানবীয় রূপ এবং বিভ্রম সৃষ্টি করার সম্ভাবনা ধারণ করে, যা মানবজাতির জন্য অতীতে কখনও আসা যেকোনো অভিশাপের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে। এই ভয়ংকর রূপান্তরটি ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটবে যখন সাংবাদিকরা অনুধাবন করতে শুরু করবে যে তারা সমাজের এক বিশেষ অভিজাত শ্রেণীতে পরিণত হতে সক্ষম। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "দ্য নিউ প্রিস্টস" (১৯০১)। [https://books.google.com/books?id=v6-RGg0qKpsC&pg=PA551&dq=%22Journalism+possesses+in+itself+the+potentiality+of+becoming+one+of+the+most+frightful+monstrosities%22&hl=en&newbks=1&newbks_redir=0&sa=X&ved=2ahUKEwikocyvmKf7AhWbj4kEHWQlDCAQuwV6BAgOEAY#v=onepage&q=%22Journalism%20possesses%20in%20itself%20the%20potentiality%20of%20becoming%20one%20of%20the%20most%20frightful%20monstrosities%22&f=false] * সাংবাদিকতা বর্তমানে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে ঠিকই, তবে এই জনপ্রিয়তার মূল ভিত্তিটি আসলে এক ধরনের কাল্পনিক আখ্যান বা ফিকশন। আমাদের যাপিত জীবন হলো এক স্বতন্ত্র জগত, আর সংবাদপত্রের পাতায় প্রতিফলিত জীবন হলো সম্পূর্ণ ভিন্ন ও কৃত্রিম এক জগত। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "অন দ্য ক্রিপ্টিক অ্যান্ড দ্য এলিপ্টিক", '''''অল থিংস কনসিডারড''''' (১৯০৮)। * আমি জানি যে সাংবাদিকতা মূলত এমন সব মানুষকে 'লর্ড জোন্স মৃত' বলে সংবাদ দেওয়ার নামান্তর, যারা লর্ড জোন্স যে আদৌ জীবিত ছিলেন সেই খবরটিই কখনও জানতেন না। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', "দ্য পার্পল উইগ", '''''দ্য উইজডম অফ ফাদার ব্রাউন''''' (১৯১৪)। * আমাদের আধুনিক অস্তিত্বের প্রতিচ্ছবি হিসেবে সাংবাদিকতার একটি বড় ও প্রধান দুর্বলতা হলো এই যে, একে এমন এক চিত্রকল্প হতে হয় যা পুরোপুরি কিছু ব্যতিক্রমী ঘটনার সমষ্টি। আমরা চটকদার পোস্টারে ঘোষণা করি যে কোনো এক ব্যক্তি ভারা থেকে নিচে পড়ে গিয়েছেন; কিন্তু আমরা কখনও রঙিন পোস্টারে এই ঘোষণা দিই না যে কোনো এক ব্যক্তি ভারা থেকে নিচে পড়ে যাননি। অথচ বাস্তবিকভাবে পরবর্তী তথ্যটিই অনেক বেশি রোমাঞ্চকর ও উদ্দীপক; কারণ এটি নির্দেশ করে যে মানুষ নামক রহস্য আর আতঙ্কের সেই সচল মিনারটি এখনও এই পৃথিবীতে সদর্পে বিচরণ করছে। মানুষটি যে ভারা থেকে পড়ে যায়নি, সেটিই আসলে প্রকৃত অর্থে বেশি চাঞ্চল্যকর এবং এটি নিয়মিত ঘটে যাওয়া হাজারো সাধারণ ঘটনার চেয়েও অনেক বেশি বাস্তব। কিন্তু সাংবাদিকতার কাছে এমন প্রত্যাশা করা অযৌক্তিক যে তারা এই চিরন্তন ও ধ্রুব অলৌকিক ঘটনাগুলোর ওপর জোর দেবে। ব্যস্ত সম্পাদকদের কাছ থেকে এমনটা আশা করা যায় না যে তারা তাদের পোস্টারে লিখবেন, "মিস্টার উইলকিনসন এখনও নিরাপদ আছেন" কিংবা "ওয়ার্দিং-এর মিস্টার জোন্স এখনও মারা যাননি।" তারা মানবজাতির সামগ্রিক সুখ বা সাধারণ স্বাভাবিকতাকে সংবাদ হিসেবে প্রচার করতে পারেন না। তারা এমন সব কাঁটাচামচের বর্ণনা দিতে পারেন না যা চুরি হয়নি, কিংবা এমন সব দাম্পত্যের কথা লিখতে পারেন না যা বিচারবুদ্ধি খাটিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়নি। ফলস্বরূপ, জীবনের যে পূর্ণাঙ্গ চিত্র তারা তুলে ধরেন তা অপরিহার্যভাবেই বিভ্রান্তিকর ও ত্রুটিপূর্ণ হয়ে ওঠে; কারণ তারা কেবল যা অস্বাভাবিক ও ব্যতিক্রমী, তা-ই উপস্থাপন করতে সক্ষম। তারা যত বড় গণতান্ত্রিকই হোন না কেন, দিনশেষে তারা কেবলমাত্র সংখ্যালঘু এবং বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলো নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। ** '''''[[:w:জি. কে. চেস্টারটন|জি. কে. চেস্টারটন]]''''', '''''দ্য বল অ্যান্ড দ্য ক্রস''''' (১৯০৯), [http://www.classicreader.com/book/2241/4/ চতুর্থ অধ্যায়: ভোরের আলোচনা] (দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ)। * উইকিলিকস যদি কোনো ছাপাখানা থেকে প্রকাশিত সাধারণ সাময়িকী হতো, তবে এর ওপর এমন নিষেধাজ্ঞা আরোপের কথা চিন্তাও করা যেত না। ... এই মামলাটিকে যা আলাদা করে তুলেছে তা হলো, অভিযোগ অনুযায়ী তথাকথিত অগ্রহণযোগ্য বিষয়বস্তুগুলো কাগজের পরিবর্তে ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু যারা কোনো কিছু প্রকাশ করতে চায়—এবং যারা তা পড়তে চায়—তাদের সুরক্ষা প্রদানকারী মূলনীতিগুলো বিসর্জন দেওয়ার জন্য এটি অত্যন্ত দুর্বল ও ভিত্তিহীন একটি অজুহাত। মাধ্যম যা-ই হোক না কেন, সেন্সরশিপ বা কণ্ঠরোধ সবসময়ই সেন্সরশিপ হিসেবেই গণ্য হয়। ** '''''সম্পাদকীয়''''', "ইলেকট্রনিক সেন্সরশিপ", '''''[[:w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]]''''', শিকাগো ট্রিবিউন কোম্পানি, (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৮), পৃ. ১৪। * '''সাংবাদিকদের পরম পবিত্র দায়িত্ব হলো সত্য প্রকাশ করা। সাংবাদিকতা মানে হলো আপনাকে প্রকৃত ঘটনার মূলে ফিরে যেতে হবে, নথিপত্রগুলো গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে হবে, নথিবদ্ধ তথ্যের আসল রূপটি উন্মোচন করতে হবে এবং ঠিক সেভাবেই তা সবার সামনে তুলে ধরতে হবে।''' ** '''''[[:w:নোম চমস্কি|নোম চমস্কি]]''''', সাক্ষাৎকারে: জয় ওয়াং, "বক্তৃতা: নোম চমস্কি", '''''বুলপেন: এনওয়াইইউ জার্নালিজম''''', [[:w:নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি|নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি]], (ডিসেম্বর ২০০৪)। * রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা রক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য হলো সরকারকে তার নিজস্ব স্বার্থসিদ্ধি এবং প্রায়শই ভিত্তিহীন ও মিথ্যায় ঘেরা সত্যের একটি সংস্করণ প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করা; আর এটি করা হয় জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া 'তথ্য' বা 'উপাত্ত'গুলোকে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বাছাই করার মাধ্যমে। তারা তাদের প্রকৃত জানা তথ্যের যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রকাশ কিংবা বিকল্প কোনো তথ্যসূত্রের উপস্থিতিতে চরমভাবে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। সংবাদসূচির ওপর তাদের এই একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের হুমকিকে সম্ভব হলে দমন করা হয়; আর যেখানে দমন করা সম্ভব হয় না, সেখানে দায়ীদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়।<br>ইয়েমেন যুদ্ধ—যাতে অন্তত ৭০,০০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে—সেই যুদ্ধ সম্পর্কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করে দেওয়াই হলো প্রধান কারণ যার জন্য মার্কিন সরকার জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ এবং জিক্রি—উভয়কেই চরমভাবে হেনস্তা ও নিপীড়ন করছে। ** '''''প্যাট্রিক ককবার্ন''''', [https://www.counterpunch.org/2019/06/04/why-the-us-is-persecuting-assange/ "কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে নিপীড়ন করছে?"], '''''কাউন্টারপাঞ্চ''''', (৪ জুন ২০১৯)। * এক দশক আগে আমি যখন কাবুলে অবস্থান করছিলাম, ঠিক তখনই উইকিলিকস আফগানিস্তান, ইরাক এবং ইয়েমেনের সংঘাত সংক্রান্ত মার্কিন সরকারের নথিপত্রের এক বিশাল ভাণ্ডার উন্মোচন করেছিল। সেই প্রকাশের দিনটিতে আমি একজন মার্কিন কর্মকর্তার সাথে দেখা করার জন্য ফোনে কথা বলছিলাম... তিনি এই বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত উৎসুক ছিলেন এবং আমার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে ফাইলগুলোর গোপনীয়তার মাত্রা বা ক্লাসিফিকেশন সম্পর্কে আসলে কী জানা গেছে। আমি যখন তাঁকে বিস্তারিত জানালাম, তিনি বেশ স্বস্তির সুরে বললেন: “তাহলে তো দেখছি এর মধ্যে প্রকৃত অর্থে গোপন রাখার মতো তেমন কিছুই নেই।” ** '''''প্যাট্রিক ককবার্ন''''', [https://www.counterpunch.org/2019/06/04/why-the-us-is-persecuting-assange/ "কেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অ্যাসাঞ্জকে নিপীড়ন করছে?"], '''''কাউন্টারপাঞ্চ''''', (৪ জুন ২০১৯)। * আমরা এই শুনানিতে উপস্থিত সবাইকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাচ্ছি। ১৯৮৯ সালের 'টেক্সাস বনাম জনসন' মামলায় সুপ্রিম কোর্ট আমাদের গণতন্ত্রের অন্যতম মৌলিক একটি আদর্শ তুলে ধরেছিল। সেটি হলো—প্রথম সংশোধনীর পেছনে যদি কোনো সুদৃঢ় ও অপরিবর্তনীয় ভিত্তি থেকে থাকে, তবে তা হলো এই যে: সরকার কোনো নির্দিষ্ট ধারণার বহিঃপ্রকাশকে কেবল এই অজুহাতে নিষিদ্ধ করতে পারে না যে সমাজ সেই ধারণাটিকে আপত্তিকর বা অপ্রীতিকর বলে মনে করছে। এই অমোঘ কথাগুলো ছিল বিচারপতি উইলিয়াম ব্রেনান জুনিয়রের। ** '''''কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ার্স''''', [https://www.govinfo.gov/content/pkg/CHRG-111hhrg63081/html/CHRG-111hhrg63081.htm "মার্কিন কংগ্রেস হাউস হিয়ারিং: এসপিওনাজ অ্যাক্ট এবং উইকিলিকস কর্তৃক উত্থাপিত আইনি ও সাংবিধানিক সমস্যাসমূহ"], বিচার বিভাগীয় কমিটি, প্রতিনিধি সভা, (১৬ ডিসেম্বর ২০১০)। [https://www.c-span.org/video/?297115-1/wikileaksthe-espionage-act-constitution সি-স্প্যান রেকর্ডিং] * ...এই বিতর্ক সম্পর্কে যার যা-ই মত থাকুক না কেন, এটি অত্যন্ত স্পষ্ট যে উইকিলিকস-এর বিরুদ্ধে বিচারিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে তা বাকস্বাধীনতা, সাংবাদিকের প্রকৃত পরিচয় এবং নাগরিকরা তাদের নিজস্ব সরকারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আসলে কতটুকু জানার অধিকার রাখে—তা নিয়ে অত্যন্ত মৌলিক ও সুদূরপ্রসারী প্রশ্নের জন্ম দেবে। প্রকৃতপক্ষে, যদিও এ বিষয়ে একটি সাধারণ ঐকমত্য রয়েছে যে মাঝে মাঝে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা বজায় রাখা অপরিহার্য, তবুও বর্তমান সময়ের আসল সমস্যাটি গোপনীয়তার অভাব নয়, বরং অতিমাত্রায় গোপনীয়তা রক্ষা করার প্রবণতা। ** '''''কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ার্স''''', [https://www.govinfo.gov/content/pkg/CHRG-111hhrg63081/html/CHRG-111hhrg63081.htm "মার্কিন কংগ্রেস হাউস হিয়ারিং: এসপিওনাজ অ্যাক্ট এবং উইকিলিকস কর্তৃক উত্থাপিত আইনি ও সাংবিধানিক সমস্যাসমূহ"], বিচার বিভাগীয় কমিটি, প্রতিনিধি সভা, (১৬ ডিসেম্বর ২০১০)। [https://www.c-span.org/video/?297115-1/wikileaksthe-espionage-act-constitution সি-স্প্যান রেকর্ডিং] * গণমাধ্যম এমন এক ধরনের বিশ্বাসযোগ্যতা বহন করে যা তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পাওয়ার যোগ্য নয়। আপনারা সবাই কোনো না কোনোভাবে জীবনের এই অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন। [...]<br>সংক্ষেপে বলতে গেলে, '''গেল-ম্যান অ্যামনেসিয়া এফেক্ট''' বা বিস্মৃতি প্রভাবটি হলো এইরকম: আপনি সংবাদপত্রের এমন একটি নিবন্ধ পড়তে শুরু করলেন যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার আগে থেকেই খুব ভালো জানাশোনা আছে। [...] আপনি নিবন্ধটি পড়লেন এবং বুঝতে পারলেন যে ওই সাংবাদিকের সংশ্লিষ্ট তথ্য বা বিষয়টি সম্পর্কে বিন্দুমাত্র কোনো ধারণা নেই। [...] আপনি অত্যন্ত বিরক্তি বা কৌতুকের সাথে সেই প্রতিবেদনের অসংখ্য ভুলগুলো লক্ষ্য করলেন, কিন্তু এরপরই পাতার উল্টো পাশে গিয়ে জাতীয় বা আন্তর্জাতিক বিষয়ক সংবাদগুলো এমনভাবে পড়তে শুরু করলেন যেন সংবাদপত্রের বাকি অংশগুলো ফিলিস্তিন বা অন্য কোনো জটিল বিষয়ে অনেক বেশি নির্ভুল—যদিও মাত্র কয়েক মুহূর্ত আগেই আপনি একগাদা আজেবাজে ও ভুল তথ্য পড়েছেন। '''আপনি পাতা উল্টান, আর যা আপনি জানেন তা মুহূর্তেই ভুলে যান।''' ** '''''মাইকেল ক্রিকটন''''', [https://web.archive.org/web/20190808123852/http://larvatus.com/michael-crichton-why-speculate/ "কেন অনুমান করবেন?"], (লা জোলা, ক্যালিফোর্নিয়ার ইন্টারন্যাশনাল লিডারশিপ ফোরামে দেওয়া ভাষণ, ২৬ এপ্রিল ২০০২)। মূল উৎস থেকে ৮ আগস্ট ২০১৯ তারিখে আর্কাইভ করা। সংগৃহীত: ৩ মে ২০২২। == D == [[File:Betty Friedan 1960.jpg|thumb|আজকের দিনের গম্ভীর ও মননশীল অ-কল্পকাহিনী লেখকরা সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; কারণ সামাজিক বিজ্ঞানের সুদৃঢ় ভিত্তি এবং একজন প্রতিবেদকের সাংবাদিকতা দক্ষতার সমন্বয়ে তাঁরা কেবল সংবাদ পরিবেশনের গণ্ডি পেরিয়ে আমাদের উদীয়মান সমাজের অগ্রযাত্রার একেবারে সম্মুখভাগে অবস্থান করেন।<br>~'''''[[:w:বেটি ফ্রিডান|বেটি ফ্রিডান]]''''' ]] * আমি সত্যি বুঝতে অক্ষম যে সাংবাদিকতাকে কেন এত জঘন্য, এত বেশি বিদ্রূপাত্মক এবং অন্যের ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপকারী হতে হয়। ** '''''পাল ড্যানিয়েলস''''', উদ্ধৃত হয়েছে: '''''[[:w:দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট|দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট]]''''', (১৭ মার্চ ২০১৬)। * এই সংবাদপত্র আমাদের জন্য সব কিছুই করে থাকে। এটি পুলিশ বাহিনীকে পরিচালনা করে এবং ব্যাংকগুলো চালায়, সামরিক বাহিনীকে আদেশ দেয়, আইনসভা নিয়ন্ত্রণ করে, নবজাতকদের দীক্ষা দেয়, নির্বোধদের বিবাহ সম্পন্ন করে, '''আর্তদের সান্ত্বনা দেয় ও শান্তিতে থাকাদের অস্বস্তিতে ফেলে''', মৃতদের সমাহিত করে এবং পরবর্তীতে তাদের কঠোর সমালোচনা করে দহন করে। এমন কোনো বিষয় নেই যা তারা স্পর্শ করে না—তা পবিত্র রুটির আধ্যাত্মিক রূপান্তর ব্যাখ্যা করা থেকে শুরু করে সাধারণ বিস্কুট তৈরির প্রণালী পর্যন্ত যা-ই হোক না কেন। ** '''''ফিনলে পিটার ডান''''', "নিউজপেপার পাবলিসিটি", '''''অবজারভেশনস বাই মিস্টার ডুলি''''' (১৯০২)। == E == * সাংবাদিকতা হলো সুসংগঠিত পরচর্চা। ** '''''[[:w:এডওয়ার্ড এগলেস্টন|এডওয়ার্ড এগলেস্টন]]''''' == F == * “সে কি তোমাকে বিশ্বাস করেছিল?”<br>“সে একজন অত্যন্ত দক্ষ ও ঝানু সাংবাদিক—কাজেই অবশ্যই বিশ্বাস করেনি।” ** '''''জ্যাসপার ফোর্ড''''', '''''ওয়ান অফ আওয়ার থার্সডেস ইজ মিসিং''''' (২০১১), ISBN 978-0-670-02252-6, পৃ. ২০৫। * আমার মনে হয়, শেষ পর্যন্ত আমরা সাংবাদিকরা অন্তত সেই চেষ্টাটুকু করি—বা করা উচিত—যেন আমরা ইতিহাসের প্রথম নিরপেক্ষ সাক্ষী হতে পারি। যদি আমাদের অস্তিত্বের পেছনে কোনো সার্থকতা থেকে থাকে, তবে তা অবশ্যই ইতিহাসের ঘটনাপ্রবাহ যেভাবে ঘটে ঠিক সেভাবেই উপস্থাপন করার ক্ষমতার মধ্যে নিহিত; যেন ভবিষ্যতে কেউ কখনও এমনটা বলতে না পারে: 'আমরা জানতাম না—আমাদের কেউ বলেনি।' ** '''''রবার্ট ফিস্ক''''', '''''দ্য গ্রেট ওয়ার ফর সিভিলাইজেশন: দ্য কনকুয়েস্ট অফ দ্য মিডল ইস্ট''''', ফোর্থ এস্টেট, (২০০৫), পৃ. ২৫, ISBN 0007203837। * আজকের দিনের গম্ভীর ও মননশীল অ-কল্পকাহিনী লেখকরা সমাজের জন্য অপরিহার্য; কারণ সামাজিক বিজ্ঞানের সুদৃঢ় তাত্ত্বিক ভিত্তি এবং একজন প্রতিবেদকের তীক্ষ্ণ সাংবাদিকতা দক্ষতার অনবদ্য সমন্বয়ে তাঁরা কেবল সাধারণ সংবাদ পরিবেশনের গণ্ডি অতিক্রম করেন এবং আমাদের উদীয়মান ও পরিবর্তনশীল সমাজের অগ্রযাত্রার একেবারে সম্মুখভাগে অবস্থান নেন। ** '''''[[:w:বেটি ফ্রিডান|বেটি ফ্রিডান]]''''' (মে ১৯৭৮), ''৩০তম বার্ষিকী জার্নাল'', '''''আমেরিকান সোসাইটি অফ জার্নালিস্ট অ্যান্ড অথরস'''''; উদ্ধৃত হয়েছে: '''''দ্য কমপ্লিট গাইড টু রাইটিং নন-ফিকশন''''' (১৯৮৩), গ্লেন ইভান্স সম্পাদিত, রাইটার্স ডাইজেস্ট বুকস, সিনসিনাটি, ওহাইও, পৃ. ৫, ISBN 0-89879-117-0। == G == * যখন সাংবাদিকতার বিকৃত ভাষা বা 'জার্নালিজ' তার চরম শিখরে পৌঁছেছিল, ঠিক তখনই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল—হয়তো এটি একটি কাকতালীয় ঘটনা মাত্র। ** '''''[[:w:জন গলসওয়ার্দি|জন গলসওয়ার্দি]]''''' (জুলাই ১৯২৪), ''অন এক্সপ্রেশন'', ইংলিশ অ্যাসোসিয়েশনের রাষ্ট্রপতির ভাষণ, পৃ. ১২; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৬, ISBN 0226122018। * সাংবাদিকতা কোনো প্রথাগত পেশা নয়... এর অন্তরে এটি কেবল একটি সৃজনশীল শিল্প বা কারুশিল্প। আর এর অর্থ হলো, যে কেউ যার বিচারবুদ্ধি আছে, যে বুদ্ধিমান, চিন্তাশীল এবং কৌতূহলী—তিনিই এই শিল্পের চর্চা করতে পারেন। ** '''''সু গার্ডনার''''', [https://en.wikinews.org/wiki/Interview_with_Sue_Gardner_of_the_Wikimedia_Foundation "উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের সু গার্ডনারের সাথে সাক্ষাৎকার"], '''''উইকিসংবাদ''''', ২৪ অক্টোবর ২০০৭। * তৃণমূল পর্যায়ের সাংবাদিকতা হলো নাগরিক-সৃষ্ট সংবাদমাধ্যমের সেই বিস্তৃত পরিস্থিতির একটি অংশ, যা আসলে একটি বিশ্বব্যাপী আলাপচারিতা এবং এটি প্রতিনিয়ত শক্তিতে, জটিলতায় ও প্রভাবে সমৃদ্ধ হচ্ছে। মানুষ যখন নিজেকে প্রকাশ করার সুযোগ পায়, তারা অবশ্যই তা করে। যখন তারা শক্তিশালী অথচ সুলভ সরঞ্জাম হাতে পায়, তখন তারা অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এই নতুন সংবাদমাধ্যমের জগতের সাথে নিজেদের মানিয়ে নেয়। আর যখন তারা সম্ভাব্য এক বিশ্বব্যাপী শ্রোতামণ্ডলীর কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হয়, তখন তারা আক্ষরিক অর্থেই পুরো পৃথিবীকে বদলে দিতে পারে। ** '''''ড্যান গিলমোর''''', '''''উই দ্য মিডিয়া: গ্রাসরুটস জার্নালিজম বাই দ্য পিপল ফর দ্য পিপল''''' (২০০৬), ও'রেলি মিডিয়া, পৃ. xv, ISBN 0596102275। * যদিও সাংবাদিকদের উচিত উইকিলিকসকে কিছুটা সংশয়ের দৃষ্টিতে দেখা, কিন্তু একে কোনোভাবেই উপেক্ষা করার উপায় নেই। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার এই সাহসী নতুন বিশ্বে আপনাদের স্বাগতম। ** '''''শন গনসালভস''''', [http://www.alternet.org/mediaculture/90641/will_wikileaks_revolutionize_journalism/?page=2 "উইকিলিকস কি সাংবাদিকতায় বিপ্লব ঘটাবে?"], '''''অল্টারনেট''''', (৭ জুলাই ২০০৮)। * যেখানে নিস্তব্ধতা বিরাজ করে, সেখানে ছুটে যাওয়াই একজন সাংবাদিকের পরম দায়িত্ব: যারা বিস্মৃত, পরিত্যক্ত এবং ক্ষমতাশালীদের দ্বারা নিগৃহীত হয়েছে, তাদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা। আমাদের এমন এক 'ট্রিকল-আপ' বা তৃণমূল থেকে উঠে আসা গণমাধ্যম গড়ে তুলতে হবে যা এই দেশ এবং এর মানুষের প্রকৃত চরিত্রকে প্রতিফলিত করবে। ** '''''[[:w:অ্যামি গুডম্যান|অ্যামি গুডম্যান]]''''', ডেভিড গুডম্যানের সাথে যৌথভাবে রচিত '''''দ্য এক্সেপশন টু দ্য রুলার্স''''' (২০০৪)। * সাংবাদিকদের কাজ হলো ক্ষমতার ওপর নজরদারি করা এবং ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করা, জনপ্রিয়তার প্রতিযোগিতায় জয়ী হওয়া নয়। ** '''''[[:w:অ্যামি গুডম্যান|অ্যামি গুডম্যান]]''''', ভূমিকা, '''''ডেমোক্রেসি নাও!: টুয়েন্টি ইয়ার্স কভারিং দ্য মুভমেন্টস চেঞ্জিং আমেরিকা''''' (২০১৬)। * মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ধর্ম হলো সামরিক সব কিছুর উপাসনা করা। আর সাংবাদিকরা হলেন সেই ধর্মের প্রধান পুরোহিত। ** '''''[[:w:গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড|গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড]]''''' (১৯৬৭), ডেমোক্রেসি নাও!-এর সাথে সাক্ষাৎকার (১৪ নভেম্বর ২০১২): [http://www.democracynow.org/2012/11/14/glenn_greenwald_while_petraeus_had_affair "গ্লেন গ্রিনওয়াল্ড: যখন পেট্রাউস জীবনীকারের সাথে প্রণয়ে লিপ্ত ছিলেন, কর্পোরেট মিডিয়া তখন পেট্রাউসের প্রেমে মগ্ন ছিল।"] সংগৃহীত: ১৫ নভেম্বর ২০১২। * গাজায় সংবাদমাধ্যমের কার্যালয়গুলো ধ্বংস করা এবং সাংবাদিকদের হত্যা করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলোতেও সাংবাদিকদের আক্রমণ বা হেনস্তার ভয় ছাড়াই তাদের অপরিহার্য কাজ চালিয়ে যেতে সক্ষম হতে হবে। তাঁদের অবশ্যই সুরক্ষা দিতে হবে এবং সম্মান করতে হবে... এমনকি যুদ্ধেরও সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম আছে। সর্বোপরি, সাধারণ নাগরিকদের অবশ্যই রক্ষা করতে হবে... বাছবিচারহীন হামলা এবং বেসামরিক ব্যক্তি ও তাদের সম্পদের ওপর আক্রমণ করা যুদ্ধ আইনের চরম লঙ্ঘন। ** '''''[[:w:আন্তোনিও গুতেরেস|আন্তোনিও গুতেরেস]]''''', [https://www.un.org/sg/en/content/sg/statement/2021-05-20/secretary-general%E2%80%99s-remarks-the-general-assembly-meeting-the-situation-the-middle-east-and-palestine-delivered "মধ্যপ্রাচ্য ও ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ পরিষদের সভায় মহাসচিবের বক্তব্য"], জাতিসংঘ মহাসচিব, বিবৃতি (২০ মে ২০২১)। == H == [[File:Thomas Jefferson 1904 Issue, 2c.jpg|thumb|যদি আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় যে আমাদের কি সংবাদপত্রহীন কোনো সরকার থাকা উচিত, নাকি সরকারহীন সংবাদপত্র থাকা উচিত—তবে আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না।<br>~'''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''' ]] * সম্পাদক: সংবাদপত্রের দ্বারা নিযুক্ত এমন একজন ব্যক্তি, যাঁর কাজ হলো সারবস্তু থেকে অসার অংশকে আলাদা করা এবং এটি নিশ্চিত করা যে সেই অসার অংশগুলোই যেন সংবাদপত্রে ছাপা হয়। ** '''''এলবার্ট হাববার্ড''''' (১৯১৪), ''দ্য রয়ক্রফট ডিকশনারি অফ এপিগ্রামস''; উদ্ধৃত হয়েছে: ফ্রেড আর. শাপিরো সম্পাদিত '''''দ্য ইয়েল বুক অফ কোটেশনস''''', ইয়েল ইউনিভার্সিটি প্রেস, নিউ হ্যাভেন, কানেকটিকাট, পৃ. ৩৭৪, ISBN 0300107986। == I == * ...মার্কিন সমাজবিজ্ঞানী জর্জ ইয়ান্সি তাঁর ২০১৫ সালের গ্রন্থ "হোস্টাইল এনভায়রনমেন্ট"-এ খ্রিস্টধর্ম এবং সাধারণভাবে রক্ষণশীল ধর্মের বিরুদ্ধে মার্কিন গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্বের ওপর আলোকপাত করেছেন এবং এর মূল কারণ হিসেবে খুঁজে পেয়েছেন যে, '''মূলধারার মার্কিন সাংবাদিকতা হলো একটি স্ব-স্থায়ীকৃত আভিজাত্য বা বর্ণপ্রথা।''' আপনি যদি একজন ইভানজেলিকাল খ্রিস্টান হন কিংবা প্রচলিত উদারপন্থী ও ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শের সাথে—বিশেষ করে নৈতিক বিষয়গুলোতে—একমত না হন, তবে কোনো মূলধারার সংবাদমাধ্যমে নিয়োগ পাওয়ার জন্য প্রথম সাক্ষাৎকারেই আপনাকে প্রত্যাখ্যান করে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হবে। ** '''''মাসিমো ইনত্রোভিনে''''', [https://bitterwinter.org/the-anti-religious-anti-cult-and-anti-tai-ji-men-bias-in-the-media/ "গণমাধ্যমে ধর্ম-বিরোধী, গোষ্ঠী-বিরোধী এবং তাই জি মেন-বিরোধী পক্ষপাতিত্ব"], '''''বিটার উইন্টার''''', (মে ২০২৪)। * সাংবাদিকতা মানে দর্শক বা পাঠকদের জটিলতা থেকে দূরে সরিয়ে রাখা নয়; বরং এটি হলো জটিল বিষয়গুলোকে নিখুঁতভাবে উপস্থাপন করা এবং সেই জটিলতার মধ্য দিয়ে পথ চলার জন্য দর্শকদের বিচারবুদ্ধির ওপর আস্থা রাখা। একটি তথ্যচিত্র যা সমস্ত ভিন্নমত পোষণকারী কণ্ঠস্বরকে বর্জন করে, তাকে কোনোভাবেই প্রকৃত অনুসন্ধান বলা চলে না। ** '''''মাসিমো ইনত্রোভিনে''''', [https://bitterwinter.org/france-hate-speech-against-scientology-now-funded-by-taxpayers/ "ফ্রান্স: সায়েন্টোলজির বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য এখন করদাতাদের অর্থে অর্থায়িত হচ্ছে"], '''''বিটার উইন্টার''''', (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)। == J == * একজন ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা এবং সম্পত্তির অধিকার, সেইসাথে বাকস্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, উপাসনা ও সমাবেশের অধিকার এবং অন্যান্য মৌলিক অধিকারগুলো ভোটের ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না; এগুলো কোনো নির্বাচনের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে না। ** '''''[[:w:রবার্ট এইচ. জ্যাকসন|রবার্ট এইচ. জ্যাকসন]]''''', '''''[[:w:ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট বোর্ড অফ এডুকেশন বনাম বারনেট মামলা|ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া স্টেট বোর্ড অফ এডুকেশন বনাম বারনেট]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, (১৯৪৩), ৩১৯ ইউ.এস. ৬২৪, ৬৩৮। * আমাদের সরকারের ভিত্তি যেহেতু জনমত, তাই আমাদের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত সেই অধিকারকে সমুন্নত রাখা; আর যদি আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয় যে আমাদের কি সংবাদপত্রহীন কোনো সরকার থাকা উচিত, নাকি সরকারহীন সংবাদপত্র থাকা উচিত—তবে আমি দ্বিতীয়টি বেছে নিতে এক মুহূর্তও দ্বিধা করব না। তবে আমার এই বক্তব্যের অর্থ এই যে, প্রতিটি মানুষের কাছে সেই সংবাদপত্র পৌঁছাতে হবে এবং তাদের তা পাঠ করার সক্ষমতা থাকতে হবে। ** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', কর্নেল এডওয়ার্ড ক্যারিংটনকে লেখা চিঠি (১৬ জানুয়ারি ১৭৮৭), লিপসকম্ব ও বার্গ সংস্করণ ৬:৫৭। * সংবাদপত্রকে কীভাবে পরিচালনা করলে তা সবচেয়ে বেশি জনকল্যাণকর হবে—এ বিষয়ে আমার মত জানতে চাইলে আমি বলব, "একে কেবল ধ্রুব সত্য ঘটনা এবং নির্ভুল নীতিমালার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার মাধ্যমে।" তবুও আমার ভয় হয় যে এমন সংবাদপত্রের গ্রাহক সংখ্যা হবে খুবই নগণ্য। এটি একটি বিষাদময় সত্য যে, সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করা হলে দেশ যতটা না এর সুফল থেকে বঞ্চিত হয়, তার চেয়েও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় যখন সংবাদপত্র নির্লজ্জভাবে মিথ্যার কাছে নিজেকে সঁপে দেয়। সংবাদপত্রে যা দেখা যায় তার কোনো কিছুই এখন আর বিশ্বাস করা যায় না। এমনকি পরম সত্যও যখন এই কলুষিত মাধ্যমের ভেতর দিয়ে প্রকাশিত হয়, তখন তাও সন্দেহজনক হয়ে ওঠে। ভুল তথ্যের এই রাজত্ব আসলে কতটা বিস্তৃত তা কেবল তারাই জানেন যারা তাদের ব্যক্তিগত জ্ঞান দিয়ে দিনের পর দিন এই মিথ্যাগুলোর মুখোশ উন্মোচন করতে পারেন। ... আমি আরও যোগ করব যে, যে ব্যক্তি কখনোই সংবাদপত্র দেখেন না তিনি সেই ব্যক্তির চেয়ে বেশি অবগত ও শিক্ষিত যিনি নিয়মিত সংবাদপত্র পড়েন; কারণ যিনি কিছুই জানেন না তিনি সেই ব্যক্তির তুলনায় সত্যের অনেক বেশি কাছাকাছি থাকেন যার মন মিথ্যা আর ভ্রান্তিতে পরিপূর্ণ। যে ব্যক্তি কিছুই পড়ে না সে অন্তত মহান সত্যগুলো শিখতে পারবে, যেখানে সংবাদপত্রের বিস্তারিত তথ্যগুলোর সবই মিথ্যে। ** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', [[:w:জন নরভেল|জন নরভেল]]-কে লেখা চিঠি (১১ জুন ১৮০৭)। [https://www.loc.gov/resource/mtj1.038_0592_0594/?sp=2&st=text মূল উৎস এবং প্রতিলিপি] * আমাদের সংবাদপত্রগুলো বর্তমানে যে পঙ্কিল ও জঘন্য অবস্থায় পতিত হয়েছে, এবং যারা এই সংবাদপত্রের জন্য লেখেন—তাদের সেই বিদ্বেষপরায়ণতা, অসভ্যতা ও মিথ্যাচারের মানসিকতার জন্য আমি আপনার মতোই গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করছি। আমরা ঠিক কতটা অতল গহ্বরে তলিয়ে গেছি তার প্রমাণ হিসেবে আমি আপনাকে নিউ ইংল্যান্ডের একজন বিচারকের সাম্প্রতিক একটি লেখা পাঠাচ্ছি। এই সব আবর্জনা জনরুচিকে দ্রুত কলুষিত করছে এবং সুস্থ চিন্তার প্রতি মানুষের আগ্রহ কমিয়ে দিচ্ছে। তথ্যের বাহন হিসেবে এবং আমাদের কর্মকর্তাদের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখার যন্ত্র হিসেবে সংবাদপত্রগুলো এখন সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়েছে; কারণ তারা বিশ্বাসযোগ্যতার সমস্ত দাবি হারিয়ে ফেলেছে। আমি আপনার সাথে একমত যে, দলীয় মানসিকতার চরম সহিংসতা এবং বিদ্বেষই এই পরিস্থিতির জন্য বহুলাংশে দায়ী... ** '''''[[:w:টমাস জেফারসন|টমাস জেফারসন]]''''', [https://founders.archives.gov/documents/Jefferson/03-07-02-0052 ওয়াল্টার জোন্সকে লেখা চিঠি] (২ জানুয়ারি ১৮১৪)। * তারা এ নিয়ে মিথ্যে বলেছিল! শত্রু যখন সমুদ্রের পানি ফুটিয়ে ফেলল, ষষ্ঠ নৌবহরকে জ্বালিয়ে ছারখার করে দিল এবং উপকূলরেখার পঞ্চাশ মাইলের মধ্যে থাকা প্রতিটি পুরুষ, নারী ও শিশুকে পুড়িয়ে মারল—তখন আপনি অন্তত কিছু সংবাদ প্রতিবেদন আশা করতেই পারতেন। কিন্তু তারা কী রিপোর্ট করল? ফ্লোরিডা কিসের সামান্য ভূমিক্ষয়! ওহে নারী, তারা তো পুরো সমুদ্র ফুটিয়ে ফেলেছিল! ** '''''আর্থার এম. জলি''''', ''আফটার ইটস অল ওভার'' নাটকে, অরিজিনাল ওয়ার্কস প্রেস, (২০০৯)। * বাইরের মানুষ যা বুঝতে পারেন না তা হলো—একটি সংবাদপত্র আসলে একটি 'সুফলে'র (Soufflé) মতো, যা দ্রুত খাওয়ার জন্য খুব তড়িঘড়ি করে প্রস্তুত করা হয়। আর ঠিক এই কারণেই যখনই আপনি এমন কোনো ঘটনার সংবাদপত্র প্রতিবেদন পড়েন যা সম্পর্কে আপনার ব্যক্তিগত জ্ঞান রয়েছে, তখনই সেটি আপনার কাছে প্রায় সবসময়ই অপর্যাপ্ত বা ভুল বলে মনে হয়। সাংবাদিকরাও অন্য সবার মতো এই ত্রুটির বিষয়ে সচেতন; কিন্তু বিষয়টি স্রেফ এই যে, যদি তথ্যকে যত বেশি সম্ভব পাঠকের কাছে পৌঁছাতে হয়, তবে নিখুঁত হওয়ার চেয়ে বরং কিছুটা কম গুণমানকেই প্রায়শ মেনে নিতে হয়। ** '''''ডেভিড ই. এইচ. জোন্স''''', '''''নিউ সায়েন্টিস্ট''''', খণ্ড ২৬, (১৯৬৫)। == K == * তারা ছিল পেশাদার ক্ষোভ-বিশারদ যারা কেবল একটি জিনিসই জানত: কীভাবে পরিচয়বাদী রাজনীতি বা আইডেন্টিটি পলিটিক্স দিয়ে পশ্চিমা বিশ্বকে পিটিয়ে হত্যা করতে হয়। আর এখন, গত কয়েক বছরের মধ্যে দেখা সবচেয়ে উদ্দীপক বিদ্রূপের সাথে আমরা অন্তত নিরাপদে এটা বলতে পারি যে— তাদের সময় ফুরিয়ে এসেছে, "#টাইমসআপ"। ** '''''রহিম কাসাম''''', "না, আমি সেই সাংবাদিকদের জন্য দুঃখিত নই যারা চাকরি হারিয়েছে — আমি বরং দারুণ রোমাঞ্চিত", '''''ডেইলি কলার''''', (২৮ জানুয়ারি ২০১৯)। * আমার এবং আমাদের সবার সমস্যা হলো—আমি মনে করি সংবাদ ব্যবসার সাথে জড়িত অধিকাংশ মানুষই আমার এই মতের সাথে একমত হবেন—যে আমরা (এবং এখানে আমি কেবল 'দ্য টাইমস'-এর কথা বলছি না) নাম প্রকাশ না করার আড়ালে অত্যন্ত নীরস উদ্ধৃতি অথবা মাঝে মাঝে অলস পরচর্চা ও কটাক্ষ প্রকাশ করতে বড্ড বেশি উন্মুখ থাকি। আমার কাছে মনে হয়, এটি তথ্যসূত্রের সুরক্ষা বা সোর্স প্রোটেকশনের মূল্যকে সস্তা করে দেয়। ** '''''বিল কেলার''''', '''''[[:w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]'''''-এর নির্বাহী সম্পাদক, বেনামী তথ্যসূত্র প্রসঙ্গে (১৩ মে ২০০৫), '''''অন দ্য মিডিয়া'''''-তে। == L == * সংবাদপত্র সবসময়ই মানুষের মনে প্রবল কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, কেউ কোনোদিন সংবাদপত্র পাঠ শেষ করার পর একরাশ হতাশা বা অতৃপ্তি ছাড়া তা হাত থেকে নামিয়ে রাখতে পারে না। ** '''''[[:w:চার্লস ল্যাম্ব|চার্লস ল্যাম্ব]]''''' (১৮৩৩), "অন বুকস অ্যান্ড রিডিং", ''দ্য লাস্ট এসেস অফ এলিয়া''; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৬, ISBN 0226122018। * চাঞ্চল্যকর বা হলুদ সাংবাদিকতার চিরন্তন সাতটি প্রধান অনুষঙ্গ হলো: লোমহর্ষক অপরাধের বিবরণ, ব্যক্তিগত জীবনের কেলেঙ্কারি, ভিত্তিহীন কাল্পনিক বিজ্ঞান, মানসিক উন্মাদনা, সংখ্যাতত্ত্বের মতো নানাবিধ অন্ধবিশ্বাসের চর্চা, অলৌকিক দানব বা দানবীয় কর্মকাণ্ড এবং প্রভাবশালী ধনকুবেরদের জীবনকথা। ** '''''ফ্রিটজ লেইবার''''', ''এ রাইট অফ স্প্রিং'' (১৯৭৭); টেরি কার সম্পাদিত '''''ইউনিভার্স ৭''''', পৃ. ২৬। * জেনারেল ডগলাস ম্যাকার্থারের প্রসঙ্গে বলতে গেলে, আমি আসলে এমন কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বা স্পষ্ট কোনো মতামত দেওয়ার মতো অবস্থানে নিজেকে খুঁজে পাই না, যাঁকে আমি কেবল সংবাদপত্রের মাধ্যমেই চিনি। আপনি লক্ষ্য করে দেখবেন, সংবাদমাধ্যমগুলো যখনই এমন কোনো ব্যক্তি বা বিষয় নিয়ে আলোচনা করে যা সম্পর্কে আমার ব্যক্তিগত ধারণা বা জ্ঞান রয়েছে, তখনই আমি দেখি যে তাদের পরিবেশিত তথ্যগুলো সবসময়ই মিথ্যাচার আর ভুল বোঝাবুঝির এক বিশাল স্তূপ ছাড়া আর কিছুই নয়; আর এই অভিজ্ঞতা থেকেই আমি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হই যে, যেসব ক্ষেত্র সম্পর্কে আমার বিন্দুমাত্র কোনো জ্ঞান নেই, সেখানেও তারা এর চেয়ে ভালো কিছু হওয়ার সম্ভাবনা রাখে না। ** '''''[[:w:সি. এস. লিউইস|সি. এস. লিউইস]]''''', মিসেস মেরি ভ্যান ডিউসেনকে লেখা চিঠি (৩০ এপ্রিল ১৯৫১), ''সংগৃহীত সি. এস. লিউইস পত্রাবলি, খণ্ড ৩: "নার্নিয়া, কেমব্রিজ, অ্যান্ড জয়", ১৯৫০-১৯৬৩'', পৃ. ১১৪। == M == [[File:Janet Malcolm 3.18.13a (headshot).jpg|thumb|আমাদের বর্তমান সমাজে একজন সাংবাদিককে ঠিক একজন পরোপকারীর সমান্তরালে স্থান দেওয়া হয়, কারণ তাঁর হাতে বিলি করার মতো অত্যন্ত মূল্যবান কিছু একটি থাকে (তাঁর এই বিনিময়ের মুদ্রাটি হলো 'পাবলিসিটি' বা প্রচার নামক এক অদ্ভুত মাদকতাময় বস্তু), এবং ফলস্বরূপ তাঁকে এমন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় যা একজন মানুষ হিসেবে তাঁর প্রকৃত যোগ্যতার তুলনায় একেবারেই ভারসাম্যহীন।<br>~'''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''' ]] * বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর ওয়েবসাইটগুলো সাধারণত সাংবাদিকতার ছদ্মবেশে এক ধরনের অপপ্রচার বা 'জার্নালগান্ডা'র জয়গান গায়; কারণ সেখানে সবকিছুই পরিবেশন করা হয় সেই নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নিজস্ব স্বার্থের ফিল্টার বা ছাঁকনির ভেতর দিয়ে। এটি এক অদ্ভুত ও অবাস্তব জগত, তবে এর গুরুত্বও অপরিসীম; কারণ কট্টরপন্থীরা তাদের পূর্বনির্ধারিত চিন্তাধারাকে আরও শক্তিশালী করতে এখানেই ভিড় জমায়। আপনার অবস্থান যা-ই হোক না কেন, নিজেকে চূড়ান্তভাবে সঠিক মনে করার ক্ষেত্রে এই জার্নালগান্ডার চেয়ে কার্যকর আর কিছুই হতে পারে না। প্রকৃত সাংবাদিকতাকে সবসময় চিনে নেওয়া যায় তার কাজের ধরন দেখে—এটি প্রায়শই সাধারণ মানুষকে এই জগত সম্পর্কে চরম অস্বস্তি ও বিচলিত অবস্থার মধ্যে ফেলে দেয়। ** '''''চার্লস এম. ম্যাডিগান''''' (২৫ অক্টোবর ২০০৫), [http://web.archive.org/web/20130625005510/http://www.chicagotribune.com/news/opinion/chi-0510250027oct25,0,3811209.column?page=2&coll=chi-ed_opinion_columnists-utl "আজকের 'সাংবাদিকতা'র সমস্যা"], '''''[[:w:শিকাগো ট্রিবিউন|শিকাগো ট্রিবিউন]]'''''। * এমন প্রতিটি সাংবাদিক—যিনি পরিস্থিতির গভীরতা বোঝার মতো যথেষ্ট বুদ্ধিমান এবং নিজের অহংবোধে অন্ধ হয়ে যাননি—তিনি খুব ভালো করেই জানেন যে, তিনি যা করছেন তা নৈতিকভাবে সম্পূর্ণ অমার্জনীয়। তিনি মূলত এক প্রকারের প্রতারক বা 'কনফিডেন্স ম্যান', যিনি মানুষের অহংকার, অজ্ঞতা কিংবা একাকীত্বকে পুঁজি করে তাদের ওপর শিকারি পাখির মতো ঝাঁপিয়ে পড়েন; তিনি প্রথমে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করেন এবং এরপর বিন্দুমাত্র অনুশোচনা ছাড়াই সেই বিশ্বাসের চরম অমর্যাদা করেন। ঠিক যেমন একজন অতি-বিশ্বাসী বিধবা একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আবিষ্কার করেন যে সেই মনোমুগ্ধকর যুবকটি তাঁর সারা জীবনের সমস্ত সঞ্চয় নিয়ে চম্পট দিয়েছে; তেমনি কোনো একটি অ-কাল্পনিক রচনার বিষয়বস্তু হওয়া ব্যক্তিটিও—যখন সেই নিবন্ধ বা বইটি প্রকাশিত হয়—তখনই তাঁর জীবনের সেই রূঢ় ও কঠিন শিক্ষাটি লাভ করেন। সাংবাদিকরা তাঁদের এই বিশ্বাসঘাতকতাকে নিজ নিজ স্বভাব অনুযায়ী বিভিন্নভাবে যুক্তিযুক্ত করার চেষ্টা করেন। তাঁদের মধ্যে যারা অধিকতর আড়ম্বরপূর্ণ, তারা বাকস্বাধীনতা এবং "জনগণের জানার অধিকার" নিয়ে লম্বা চওড়া কথা বলেন; যারা অপেক্ষাকৃত কম মেধাবী, তারা একে 'শিল্প' বলে আখ্যা দেন; আর যারা বিনয়ী হওয়ার ভান করেন, তারা স্রেফ জীবনধারণের তাগিদে এই পেশা বেছে নেওয়ার কথা বলে মৃদু গুঞ্জন তোলেন। ** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''[[:w:দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার|দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার]]''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ৩ (বইটির উদ্বোধনী অনুচ্ছেদ)। * আমাদের বর্তমান সমাজে একজন সাংবাদিককে ঠিক একজন পরোপকারীর সমান্তরালে স্থান দেওয়া হয়, কারণ তাঁর হাতে বিলি করার মতো অত্যন্ত মূল্যবান কিছু একটি থাকে (তাঁর এই বিনিময়ের মুদ্রাটি হলো 'পাবলিসিটি' বা প্রচার নামক এক অদ্ভুত মাদকতাময় বস্তু), এবং ফলস্বরূপ তাঁকে এমন এক ধরনের শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শন করা হয় যা একজন মানুষ হিসেবে তাঁর প্রকৃত যোগ্যতার তুলনায় একেবারেই ভারসাম্যহীন। এই দেশে এমন মানুষের সংখ্যা খুবই নগণ্য যারা নিজেদের সম্পর্কে কোথাও লেখা হচ্ছে কিংবা কোনো রেডিও বা টেলিভিশন প্রোগ্রামে তাঁদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে—এমন সম্ভাবনা দেখে প্রবলভাবে উচ্ছ্বসিত হন না। ** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ৫৮। * আমি এখন এমনটা ভাবতে শুরু করেছি যে... সাংবাদিকতামূলক রচনায় "আমি" নামক চরিত্রটি সাংবাদিকের সৃষ্ট অন্যান্য সমস্ত চরিত্র থেকে সম্পূর্ণ আলাদা; কারণ এটি সেই নিয়মের একটি ব্যতিক্রম যেখানে বলা হয় যে কোনো কিছুই আবিষ্কার বা উদ্ভাবন করা যাবে না। সাংবাদিকতার এই "আমি" চরিত্রটি প্রায় পুরোপুরি একটি মনগড়া উদ্ভাবন। আত্মজীবনীতে ব্যবহৃত "আমি" যেখানে লেখকের সরাসরি প্রতিনিধিত্ব করার কথা, সেখানে সাংবাদিকতার এই "আমি" লেখকের সাথে খুব সামান্য বা ক্ষীণভাবেই যুক্ত—ঠিক যেভাবে সুপারম্যানের সাথে ক্লার্ক কেন্টের সংযোগ থাকে। সাংবাদিকতার এই "আমি" হলো এক অতি-নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী, যার ওপর আখ্যানের গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যুক্তি উপস্থাপন এবং সুর নির্ধারণের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়; এটি গ্রিক ট্র্যাজেডির কোরাসের মতো একটি বিশেষ প্রয়োজনে সৃষ্ট সৃষ্টি। সে হলো একটি প্রতীকি চরিত্র, যে জীবনের এক নিরাসক্ত ও আবেগহীন পর্যবেক্ষক হিসেবে নিজেকে মূর্ত করে তোলে। তা সত্ত্বেও, পাঠকরা যারা সহজেই এই ধারণাটি মেনে নেন যে ফিকশন বা কল্পকাহিনীর বর্ণনাকারী এবং সেই বইয়ের লেখক এক ব্যক্তি নন, তারাই আবার সাংবাদিকতার এই উদ্ভাবিত "আমি"-র ধারণাটিকে জেদের সাথে প্রতিরোধ করেন; এমনকি সাংবাদিকদের মধ্যেও এমন অনেকে আছেন যারা নিজেদের টেক্সটের সেই 'সুপারম্যান' রূপ থেকে নিজেদের বাস্তব সত্ত্বাকে আলাদা করতে গিয়ে হিমশিম খান। ** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ১৫৯–১৬০। * সাংবাদিকতার নৈতিক অস্পষ্টতা বা দ্বিধা এর লিখিত বয়ানের মধ্যে নয়, বরং সেই সম্পর্কের গভীরে নিহিত থাকে যেখান থেকে এই বয়ানগুলো জন্ম নেয়—আর এই সম্পর্কগুলো অনিবার্যভাবেই এবং কোনোভাবেই এড়ানো যায় না এমনভাবে একপেশে বা অসম প্রকৃতির হয়ে থাকে। সাংবাদিকতামূলক রচনার 'ভালো' চরিত্রগুলো ঠিক তেমনিভাবেই অন্য একজন মানুষের ওপর লেখকের সেই অশুভ ও প্রচণ্ড ক্ষমতার ফসল, যেভাবে 'মন্দ' চরিত্রগুলো সৃষ্টি হয়। [...] সাংবাদিকতার বিষয়বস্তু হওয়া ব্যক্তিটি হয়তো সাংবাদিককে নিজের স্বার্থে ব্যবহার বা ম্যানিপুলেট করার চেষ্টা করতে পারেন—এবং জাগতিক জ্ঞানসম্পন্ন কোনো ব্যক্তিই কমবেশি এই প্রবণতার ঊর্ধ্বে নন—কিন্তু এই বিষয়টি কোনোভাবেই ব্যক্তিস্বাধীনতার চেতনার বিরুদ্ধে সাংবাদিকের নিজের করা পাপগুলোকে মোচন বা খণ্ডন করতে পারে না। [...] সাংবাদিকরা এই নৈতিক অচলাবস্থার সাথে লড়াই করার জন্য অগণিত বৈচিত্র্যময় পথ অবলম্বন করেন [...]। তাদের মধ্যে যারা সবচেয়ে প্রজ্ঞাবান, তারা ভালো করেই জানেন যে তারা সর্বোচ্চ যা করতে পারেন তা-ও আসলে যথেষ্ট নয়। আর যারা খুব একটা বুদ্ধিমান নন, তারা তাদের চিরচেনা অভ্যাসবশত এটা বিশ্বাস করতেই পছন্দ করেন যে আসলে কোনো সমস্যাই নেই এবং তারা এর একটি সমাধানও করে ফেলেছেন। ** '''''[[:w:জ্যানেট ম্যালকম|জ্যানেট ম্যালকম]]''''', '''''[[:w:দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার|দ্য জার্নালিস্ট অ্যান্ড দ্য মার্ডারার]]''''' (১৯৯০), নিউ ইয়র্ক: নফ, পৃ. ১৬২-১৬৩। (শেষ বাক্যটি বইটির অন্তিম বাক্য)। * উন্নত ও মানসম্মত সাংবাদিকতার জন্য তথ্যফাঁসকারী বা 'হুইসেলব্লোয়ার'রা অপরিহার্য। তাঁরা সাংবাদিকদের সেই সব গোপনীয়তার দেয়াল ভেদ করতে সাহায্য করেন যা সরকারি কর্মকর্তা এবং জনসংযোগ কর্মকর্তারা অত্যন্ত সযত্নে গড়ে তোলেন। এই হুইসেলব্লোয়াররাই সরকার, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, সামরিক বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভেতরে লুকিয়ে থাকা নানা অনিয়ম ও অন্যায় কর্মকাণ্ডগুলো সবার সামনে উন্মোচন করেন। এই সাহসী মানুষদের তাঁদের এই বীরত্বপূর্ণ কাজের জন্য পুরস্কৃত করা উচিত ছিল; কিন্তু তার পরিবর্তে, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, তাঁদের প্রায়ই বিচারিক হয়রানি কিংবা কারাবাসের মুখোমুখি হতে হয়। ** '''''ইউয়েন ম্যাকআসকিল''''', [https://www.democracynow.org/2021/10/25/belmarsh_tribunal "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করুন: স্নোডেন, ভারুফাকিস, করবিন এবং তারিক আলী প্রত্যর্পণ শুনানির আগে কথা বলছেন"], '''''ডেমোক্রেসি নাও!''''', (২৫ অক্টোবর ২০২১)। * যদি জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে অভিযুক্ত করে বিচার করা হয়, তবে 'দ্য গার্ডিয়ান', 'নিউ ইয়র্ক টাইমস', 'ডার স্পিগেল', 'এল পাইস', 'লা রিপাবলিকা' এবং এই তথ্যগুলো প্রচারের সাথে জড়িত অন্যান্য সমস্ত সংবাদ সংস্থার সম্পাদক ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও মামলা করার সমান ও যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত কারণ রয়েছে। ** '''''ইউয়েন ম্যাকআসকিল''''', [https://www.democracynow.org/2021/10/25/belmarsh_tribunal "জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে মুক্ত করুন: স্নোডেন, ভারুফাকিস, করবিন এবং তারিক আলী প্রত্যর্পণ শুনানির আগে কথা বলছেন"], '''''ডেমোক্রেসি নাও!''''', (২৫ অক্টোবর ২০২১)। * মাইকেল শুডসন তাঁর “ডিসকভারিং দ্য নিউজ” (১৯৭৮) গ্রন্থে যেমনটি উল্লেখ করেছেন—ভালো সাংবাদিকতা মানেই যে তা “বস্তুনিষ্ঠ” (অর্থাৎ দলীয় প্রভাবমুক্ত এবং ব্যক্তিগত মতামতের ঊর্ধ্বে) হতে হবে, এই ধারণাটি মূলত বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে প্রথম আবির্ভূত হয়েছিল। শুডসন মনে করতেন যে, ধ্রুব এবং নির্ভরযোগ্য সত্যের ধারণাটির প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান সংশয়বাদ থেকেই এই বস্তুনিষ্ঠতার ধারণার জন্ম হয়েছে। তাঁর ভাষায়, বস্তুনিষ্ঠতার এই মানদণ্ডটি “তথ্যের ওপর বিশ্বাসের কোনো চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ছিল না; বরং এটি ছিল এমন এক জগতের জন্য পরিকল্পিত পদ্ধতির সুদৃঢ় দাবি, যেখানে এমনকি তথ্যকেও আর বিশ্বাস করা যাচ্ছিল না। ... সাংবাদিকরা বস্তুনিষ্ঠতায় বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন ঠিক ততটুকুই যতটুকু তাঁদের প্রয়োজন ছিল—কারণ তাঁরা চেয়েছিলেন, তাঁদের দরকার ছিল এবং সাধারণ মানবিক আকাঙ্ক্ষা থেকেই তাঁরা তাঁদের নিজেদের গভীর সন্দেহ ও অস্থিরচিত্ততা থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ খুঁজছিলেন।” অন্যভাবে বলতে গেলে, বস্তুনিষ্ঠতা বিষয়টি শুরু থেকেই একটি সমস্যাসঙ্কুল ধারণা ছিল... লিপম্যানের যুক্তি ছিল এই যে, সাংবাদিকতা আসলে কোনো সুনির্দিষ্ট পেশা নয়। এই পেশায় যুক্ত হওয়ার জন্য আপনার কোনো লাইসেন্স বা প্রাতিষ্ঠানিক একাডেমিক সনদের প্রয়োজন হয় না। সব ধরণের মানুষই নিজেদের সাংবাদিক বলে দাবি করেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, তাঁরা সবাই কি জনগণকে নির্ভরযোগ্য এবং স্বার্থহীন সংবাদ পণ্য সরবরাহ করতে সক্ষম? ** '''''[[:w:লুই মেনান্দ|লুই মেনান্দ]]''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)। * ১৯৪৫ থেকে ১৯৭৫ সালের মধ্যবর্তী সময়ে মার্কিন ক্যাবিনেটে মাত্র একজন নারী এবং একজন কৃষ্ণকায় ব্যক্তি ছিলেন; যাঁদের প্রত্যেকেই মাত্র দুই বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সংবাদমাধ্যমের দিকে তাকালে দেখা যায় যে পরিস্থিতি ছিল আরও ভয়াবহ। নারী ও কৃষ্ণকায় সাংবাদিকদের পরিকল্পিতভাবে মূলধারা থেকে বাদ দেওয়া হতো। নির্দিষ্ট কিছু সংবাদ সম্মেলনে তাঁদের প্রবেশাধিকার ছিল না এবং সম্পাদকরা নারীদের কখনোই সরকারি বিষয়গুলো কভার করার দায়িত্ব দিতেন না। ঘোর বর্ণবাদ এবং লিঙ্গবৈষম্য এত দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে টিকে ছিল যে আজ তা প্রায় অবিশ্বাস্য বলে মনে হয়। <br> ওয়াশিংটনের সাংবাদিকদের জন্য প্রধান দুটি সামাজিক সংগঠন ছিল গ্রিডাইরন ক্লাব (১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত) এবং ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব (১৯০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত)। ১৮৯৬ সালে গ্রিডাইরন ক্লাব সদস্যদের স্ত্রীদের একটি নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, কিন্তু নারী ভোটাধিকার আন্দোলনকে উপহাস করে পরিবেশিত একটি নাটক সেখানে মোটেও ভালো সাড়া ফেলেনি; যার ফলে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত নারীদের সেখানে আর প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। বিংশ শতাব্দীর পঞ্চাশের দশক পর্যন্তও গ্রিডাইরন ক্লাবের নৈশভোজগুলোতে বিনোদনের জন্য সদস্যরা মুখে কালো রঙ মেখে 'ব্ল্যাকফেস' সেজে অভিনয় করতেন। ম্যাকগারের বর্ণনা অনুযায়ী, ক্লাবটির সিগনেচার টিউন ছিল “দ্য ওয়াটারমেলন সং”, যা একটি বিশেষ আঞ্চলিক উপভাষায় গাওয়া হতো। <br> ১৯৫৫ সালের আগে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে কোনো কৃষ্ণকায় সদস্য ছিলেন না; এবং সেই একই বছরেই প্রথমবারের মতো নারীদের এমন মধ্যাহ্নভোজে উপস্থিত থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল যেখানে কর্মকর্তারা সদস্যদের ব্রিফিং দিতেন। তবে নারীদের বসতে হতো ব্যালকনিতে এবং তাঁদের কোনো প্রশ্ন করার অনুমতি ছিল না। ১৯৭১ সালের আগে ন্যাশনাল প্রেস ক্লাব কোনো নারী সদস্য গ্রহণ করেনি। <br> 'দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট' ১৯৫১ সালে তাদের প্রথম কৃষ্ণকায় সাংবাদিক নিয়োগ দেয়। তাঁর জন্য আলাদা শৌচাগার বরাদ্দ করা হয়েছিল এবং মাত্র দুই বছর পরেই তিনি সেই পত্রিকা ত্যাগ করেন। (ম্যাকগার বলেন যে ওয়াশিংটন পোস্ট ১৯৭২ সালের আগে আর কোনো কৃষ্ণকায় সাংবাদিক নিয়োগ দেয়নি, তবে তথ্যটি ভুল: পত্রিকাটি ১৯৬১ সালে ডরোথি বাটলার গিলিয়াম এবং ১৯৬৮ সালে জ্যাক হোয়াইটকে নিয়োগ দিয়েছিল।) নাগরিক অধিকার আন্দোলনের অনেক গভীর সময় পর্যন্তও নিউ ইয়র্ক টাইমসে কৃষ্ণকায় সাংবাদিকদের সংখ্যা ছিল অতি সামান্য। এই পত্রিকার মতো অন্যান্য সাধারণ-আগ্রহের ম্যাগাজিনগুলোর রেকর্ডও এর চেয়ে ভালো কিছু ছিল না। ** '''''[[:w:লুই মেনান্দ|লুই মেনান্দ]]''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)। * সংবাদপত্রের শক্তি—তা যতটুকু বা যে পর্যায়েরই হোক না কেন—তা মূলত অনেকটা প্রাতিষ্ঠানিক পণ্ডিত, বৈজ্ঞানিক গবেষক এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের শক্তির মতো। এটি কোনো পেশিবল বা শারীরিক শক্তির ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে নেই; বরং এটি টিকে আছে মানুষের অগাধ বিশ্বাসের ওপর—এই বিশ্বাস যে, এরা হলো এমন একদল মানুষ যারা ভয় কিংবা পক্ষপাতিত্বের ঊর্ধ্বে থেকে কেবল সত্য অন্বেষণের জন্য নিজেদের উৎসর্গ করেছেন। যখনই তাঁরা এই মহান দায়িত্ব পালন থেকে বিচ্যুত হবেন, তখন সমাজ তাঁদের সেই একইভাবে দেখতে শুরু করবে যেভাবে বর্তমানে অন্যদের দেখা হয়—অর্থাৎ এমন একদল লোক যারা কেবল ব্যক্তিগত লাভ বা সামাজিক মর্যাদার লোভে তথ্যকে নিজ স্বার্থে ঘুরিয়ে পরিবেশন করে। ** '''''[[:w:লুই মেনান্দ|লুই মেনান্দ]]''''', [https://www.newyorker.com/magazine/2023/02/06/when-americans-lost-faith-in-the-news “যখন আমেরিকানরা সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা হারিয়েছিল”], '''''দ্য নিউ ইয়র্কার''''', (৩০ জানুয়ারি ২০২৩)। * যেহেতু আদর্শগত সত্য বলে পৃথিবীতে আসলে কিছুর অস্তিত্ব নেই, তাই স্বাভাবিকভাবেই এটা প্রতীয়মান হয় যে—একজন প্রতিবেদক যখনই নিজেকে উদারপন্থী বা রক্ষণশীল, কিংবা ডেমোক্রেটিক, কমিউনিস্ট বা রিপাবলিকান প্রতিবেদক হিসেবে উপস্থাপন করেন, তখন তিনি আসলে আর মোটেও কোনো প্রতিবেদক থাকেন না। ** '''''[[:w:এইচ. এল. মেনকেন|এইচ. এল. মেনকেন]]''''' (১৯৩৭), উদ্ধৃত হয়েছে: অ্যালেস্টার কুক রচিত '''''মেমোরিস অফ দ্য গ্রেট অ্যান্ড গুড''''' (১৯৯৯), পৃ. ২২৪। * সংবাদপত্রগুলো এখন জেসি-র পিছু নিতে শুরু করেছে। শুরুতে তারা তাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছিল এবং সব ঘটনার দায়ভার অন্য যে কারো বা অন্য কিছুর ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত, একজন অত্যন্ত রূপসী অথচ দৃশ্যত কোনো যৌনজীবন নেই এমন একজন নারীকে নিয়ে কাজ করা তাদের জন্য বেশ বিব্রতকর হয়ে দাঁড়িয়েছিল; কারণ তাকে কলঙ্কিত করার জন্য আসলে ঠিক কী ধরনের অপবাদ ব্যবহার করা উচিত, তা তারা খুঁজে পাচ্ছিল না। ** '''''[[:w:নাওমি মিচিসন|নাওমি মিচিসন]]''''', “মেরি অ্যান্ড জো”; হ্যারি হ্যারিসন সম্পাদিত '''''নোভা ১''''', পৃ. ১৬৩। * সাংবাদিকরা যখন কোনো ভুল করেন, তখন তাঁদের মানহানির মামলার মুখে পড়তে হয়; কিন্তু ঐতিহাসিকরা যখন কোনো ভুল করেন, তখন তাঁরা সেই ভুল শুধরে নিয়ে বইটির একটি পরিমার্জিত সংস্করণ প্রকাশের সুযোগ পান। ** '''''বিল ময়ার্স''''', "দ্য বিগ স্টোরি", টেক্সাস স্টেট হিস্টোরিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনে প্রদত্ত ভাষণ, (৭ মার্চ ১৯৯৭), '''''ময়ার্স অন ডেমোক্রেসি''''' (২০০৮), পৃ. ১৩১। * বাকস্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা—যা প্রথম সংশোধনীর মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষিত করা হয়েছে—তা মূলত সেইসব মৌলিক ব্যক্তিগত অধিকার ও স্বাধীনতার অন্তর্ভুক্ত যা চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে যেকোনো অঙ্গরাজ্যের হস্তক্ষেপ থেকে সকল নাগরিকের জন্য সুনিশ্চিত করা হয়েছে। এই অধিকারগুলোকে সুরক্ষিত রাখার মূল উদ্দেশ্য হলো যেন মানুষ তাদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় বিষয়গুলো নিয়ে স্বাধীনভাবে চিন্তা ও কথা বলতে পারে এবং শিক্ষা ও আলোচনার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেন মিথ্যার মুখোশ উন্মোচিত হয়—যা একটি মুক্ত ও স্বাধীন সরকারের জন্য একান্ত অপরিহার্য। যারা আমাদের স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলেন, তাঁদের এই অটল বিশ্বাস ছিল যে—রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সত্য আবিষ্কার এবং তা প্রচার করার জন্য স্বাধীন ও নির্ভীক যুক্তিপ্রদান এবং ধারণার আদান-প্রদান এক অজেয় শক্তি হিসেবে কাজ করবে। ** '''''[[:w:ফ্রাঙ্ক মারফি|ফ্রাঙ্ক মারফি]]''''', '''''[[:w:থর্নহিল বনাম আলাবামা মামলা|থর্নহিল বনাম আলাবামা]]''''', মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট, (১৯৪০), ৩১০ ইউ.এস. ৮৮, ৯৫। == O == * সেই স্থূলকায় রুশ গোয়েন্দাটি একে একে সমস্ত বিদেশী উদ্বাস্তুদের এক কোণায় নিয়ে যাচ্ছিলেন এবং অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য ভঙ্গিতে ব্যাখ্যা করছিলেন যে, এই পুরো ঘটনাটি আসলে ছিল একটি নৈরাজ্যবাদী চক্রান্ত। আমি বেশ আগ্রহ নিয়ে তাঁকে পর্যবেক্ষণ করছিলাম, কারণ সেটিই ছিল আমার জীবনে প্রথম দেখা এমন কোনো ব্যক্তি যাঁর পেশা হলো অনর্গল মিথ্যা বলা—অবশ্য যদি কেউ এই তালিকায় সাংবাদিকদের গণনা না করেন। ** '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]''''', '''''হোমেজ টু ক্যাটালোনিয়া''''' (১৯৩৮)। * জীবনের শুরুর দিকেই আমি লক্ষ্য করেছিলাম যে সংবাদপত্রে কোনো ঘটনাই আসলে সঠিকভাবে উপস্থাপিত হয় না; কিন্তু স্পেনে আমি প্রথমবারের মতো এমন কিছু সংবাদ প্রতিবেদন দেখলাম যার সাথে বাস্তব তথ্যের বিন্দুমাত্র কোনো সম্পর্ক নেই, এমনকি একটি সাধারণ মিথ্যার মধ্যে যেটুকু সত্যের রেশ থাকে সেটুকুও সেখানে অনুপস্থিত ছিল। আমি দেখেছি এমন সব বিশাল যুদ্ধের খবর ছাপা হয়েছে যেখানে আসলে কোনো লড়াই-ই হয়নি, আবার যেখানে শত শত মানুষ প্রাণ হারিয়েছে সেখানে বজায় রাখা হয়েছে কবরের নিস্তব্ধতা। আমি দেখেছি যেসব সৈন্য সাহসিকতার সাথে লড়াই করেছে তাদের কাপুরুষ ও বিশ্বাসঘাতক হিসেবে নিন্দা জানানো হচ্ছে, আর যারা কোনোদিন যুদ্ধের ময়দানে একটি গুলিও ছোঁড়েনি তাদের কাল্পনিক বিজয়ের নায়ক হিসেবে জয়ধ্বনি দেওয়া হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, আমি দেখলাম লন্ডনের সংবাদপত্রগুলো এই মিথ্যাগুলোই প্রচার করছে এবং উৎসাহী বুদ্ধিজীবীরা এমন সব ঘটনার ওপর আবেগপ্রবণ ইমারত গড়ে তুলছেন যা আদতে কখনও ঘটেইনি। আমি আসলে ইতিহাসকে এমনভাবে রচিত হতে দেখলাম যা কী ঘটেছে তার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং বিভিন্ন 'দলীয় আদর্শ' অনুযায়ী কী ঘটা উচিত ছিল—তার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ** '''''[[:w:জর্জ অরওয়েল|জর্জ অরওয়েল]]''''', '''''লুকিং ব্যাক অন দ্য স্প্যানিশ ওয়ার''''' (১৯৪৩)। * অনেক সাংবাদিকই আজকের দ্রুত পরিবর্তনশীল ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে এতটাই আচ্ছন্ন থাকেন যে, তাঁদের মধ্যে ইতিহাসের গভীর উপলব্ধি বা ঐতিহাসিক চেতনার এক ধরনের চরম ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়। ** '''''ফিন্টান ও'টুল''''', '''''দি আইরিশ টাইমস''''' (২০২৩)। * অন্ধ স্তুতি বা ফ্যানডম এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা কখনোই একে অপরের পরিপূরক হতে পারে না; বরং এই দুটি বিষয় একত্রে থাকলে তা অত্যন্ত বিপজ্জনক ও অসম এক সহাবস্থানের জন্ম দেয়। ** '''''ফিন্টান ও'টুল''''', '''''দি আইরিশ টাইমস''''' (২০২৩)। == P == * বর্তমানের এই বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে যেখানে প্রতিটি মানুষই একেকজন প্রকাশক হয়ে উঠেছেন, সেখানে আশ্চর্যের বিষয় হলো কেউ আসলে প্রকৃত সম্পাদকের ভূমিকা পালন করছেন না; আর ঠিক এই জায়গাতেই আজকের দিনে আমরা এক ভয়াবহ সংকটের সম্মুখীন হচ্ছি। ** '''''স্কট পেলি''''', কুইনিপিয়াক ইউনিভার্সিটিতে প্রদত্ত ভাষণ (১০ মে ২০১৩)। [http://www.youtube.com/watch?v=1AyCD_lcl1Q ইউটিউব ভিডিও: সিবিএস নিউজ অ্যাঙ্কর স্কট পেলি: 'আমরা বারবার বড় বড় খবরগুলো ভুলভাবে পরিবেশন করছি']। * সাংবাদিকদের জন্য নিজেদের কেবল সাধারণ বার্তাবাহক হিসেবে গণ্য করাই যথেষ্ট নয়; বরং তাঁদের পরিবেশিত বার্তার আড়ালে লুকিয়ে থাকা গোপন উদ্দেশ্য বা 'হিডেন এজেন্ডা' এবং সেই বার্তাকে ঘিরে থাকা প্রচলিত মিথ বা ভ্রান্ত ধারণাগুলো গভীরভাবে উপলব্ধি করা একান্ত প্রয়োজন। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', 'হিডেন এজেন্ডাস', ১৯৯৮। * গোপন ক্ষমতা সেই সাংবাদিকদের মনেপ্রাণে ঘৃণা করে যারা নিজেদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন: যারা গোপনীয়তার পর্দা সরিয়ে দেন, বাহ্যিক চাকচিক্যের আড়ালে উঁকি দেন এবং অশুভ সত্যের ওপর রাখা পাথর তুলে ধরেন। উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের কাছ থেকে আসা নিন্দা বা তিরস্কারই হলো এই নির্ভীক সাংবাদিকদের জন্য সম্মানের শ্রেষ্ঠ স্মারক। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', '''''টেল মি নো লাইজ: ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড''''', থান্ডার্স মাউথ প্রেস, (২০০৫), পৃ. xv, ISBN 1560257865। * আমরা যারা সাংবাদিক... আমাদের সেইসব ব্যক্তিদের অবজ্ঞা ও প্রতিরোধ করার মতো যথেষ্ট সাহসী হতে হবে, যারা অন্যের দেশে তাদের সাম্প্রতিকতম রক্তক্ষয়ী দুঃসাহসিক অভিযানগুলো বৈধ করার জন্য আমাদের সহযোগিতা কামনা করে। এর অর্থ হলো সরকারি ভাষ্যকে সবসময় চ্যালেঞ্জ করা—সেই ভাষ্যটি আপাতদৃষ্টিতে যতই দেশপ্রেমমূলক মনে হোক না কেন, অথবা সেটি যতই মোহনীয় ও বিভ্রান্তিকর হোক না কেন। কারণ প্রোপাগান্ডা বা অপপ্রচার পুরোপুরি আমাদের গণমাধ্যমের ওপর নির্ভর করে যেন তাদের প্রতারণার লক্ষ্যবস্তু কোনো দূরদেশের মানুষ নয়, বরং আপনার নিজের ঘরের মানুষ হয়। অন্তহীন সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধের এই যুগে অগণিত পুরুষ, নারী ও শিশুর জীবন আজ পরম সত্যের ওপর নির্ভর করছে; যদি সেই সত্য প্রকাশ না পায়, তবে তাদের ঝরানো রক্তের দায়ভার আমাদের ওপরই বর্তাবে। যাদের কাজ হলো ইতিহাসের নথিপত্রকে নির্ভুল রাখা, তাদের উচিত ক্ষমতার কণ্ঠস্বর না হয়ে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', '''''দ্য ওয়ার ইউ ডোন্ট সি''''', আইটিভি১ (যুক্তরাজ্য), (১৪ ডিসেম্বর ২০১০)। * উইকিলিকস কেন সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃত? কারণ এর মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যগুলো আমাদের কাছে একশ শতাংশ নিখুঁতভাবে এই সত্যটি তুলে ধরেছে যে—এই বিশ্বের একটি বড় অংশ আসলে কীভাবে এবং কেন বিভক্ত এবং ঠিক কীভাবে তা পরিচালিত হচ্ছে। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', [https://frontline.thehindu.com/cover-story/article25661115.ece "নতুন শীতল যুদ্ধ এবং আসন্ন হুমকি"], '''''ফ্রন্টলাইন, ভারত''''', (২১ ডিসেম্বর ২০১৮)। * একজন সাংবাদিক সত্য প্রচারের মাধ্যমে অথবা তিনি যতটুকু সত্যের সন্ধান পান তা প্রকাশের মাধ্যমে মানুষের প্রভূত কল্যাণ সাধন করতে পারেন; তবে শর্ত হলো তাঁকে কোনো সরকার বা কোনো বিশেষ ক্ষমতার প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে হবে। এটিই হলো প্রকৃত সাংবাদিকতা। এর বাইরে যা কিছু আছে তার সবই আপাতদৃষ্টিতে সত্য মনে হলেও আসলে তা প্রতারণামূলক এবং মিথ্যা। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', উদ্ধৃত হয়েছে: [https://www.thedailystar.net/opinion/interviews/news/real-journalists-act-agents-people-not-power-1687921 "প্রকৃত সাংবাদিকরা জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন, ক্ষমতার নয়"], '''''ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ)''''', (১৬ জানুয়ারি ২০১৯)। * কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ ছাড়া সরাসরি "পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থা"-র দোহাই দিয়ে উদ্ধৃতি প্রদান করা কখনোই সাংবাদিকতা হতে পারে না; এটি প্রায় সবসময়ই একটি সুপরিকল্পিত অপপ্রচার বা প্রোপাগান্ডা। একজন প্রতিবেদক হিসেবে আমি এই শিক্ষাটি লাভ করেছি। বিবিসি এবং অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের এই নিরন্তর 'কোল্ড ওয়ার' বা স্নায়ুযুদ্ধের দামামা আমাদের ধীরে ধীরে একটি বিশ্বযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ** '''''[[:w:জন পিলজার|জন পিলজার]]''''', [https://twitter.com/johnpilger/status/1285869017412956160 টুইটার], (২২ জুলাই ২০২০)। == R == [[File:Helen Thomas - USNWR.jpg|thumb|আমি আশা করি যে ভবিষ্যতের সাংবাদিকরা এই পেশার প্রকৃত নীতিমালাগুলো কঠোরভাবে মেনে চলবেন এবং এটি উপলব্ধি করবেন যে দেশে ও বিদেশে গণতন্ত্র এবং মুক্ত চিন্তার আদান-প্রদানকে সজীব রাখার ক্ষেত্রে তাঁরা এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য ভূমিকা পালন করছেন।<br>~'''''[[:w:হেলেন থমাস|হেলেন থমাস]]''''' ]] * সংবাদ বোধ বা 'নিউজ সেন্স' হলো মূলত কোনটি গুরুত্বপূর্ণ, কোনটি অত্যাবশ্যক এবং কোনটির মাঝে প্রাণ ও রঙের স্পন্দন রয়েছে—অর্থাৎ মানুষ কোন বিষয়ে আগ্রহী, তা বোঝার এক অনন্য ক্ষমতা। এটিই হলো প্রকৃত সাংবাদিকতা। ** '''''বার্টন রাস্কো''''', উদ্ধৃত হয়েছে: ট্রায়ন এডওয়ার্ডস, সি. এন. ক্যাট্রেভাস এবং জনাথন এডওয়ার্ডস সম্পাদিত '''''ইউজফুল কোটেশনস: আ সাইক্লোপিডিয়া অফ কোটেশনস''''' (১৯৩৩)। * বিতর্ক? আপনি যদি এই নামের যোগ্য কোনো প্রতিবেদক হতে চান, তবে আপনি কখনোই বিতর্ককে পুরোপুরি এড়িয়ে চলতে পারবেন না। আপনি একজন দক্ষ প্রতিবেদক হতে পারবেন না যদি না আপনি নিয়মিতভাবে কোনো না কোনো তর্কের সাথে জড়িয়ে পড়েন। আর আমি মনে করি না যে বিতর্ককে বারবার এড়িয়ে চলে আপনি একজন মহান প্রতিবেদক হতে পারবেন; কারণ একজন ভালো সাংবাদিকের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো সহজ সত্যগুলোর পাশাপাশি কঠিন ও রূঢ় সত্যগুলোকেও সাহসের সাথে তুলে ধরা। আর এই কঠিন সত্যগুলোই আপনাকে বিতর্কের দিকে ঠেলে দেবে, এমনকি এই কঠিন সত্যের অনুসন্ধান করতে গিয়ে আপনাকে হয়তো চড়া মূল্যও দিতে হতে পারে। দয়া করে আমার এই কথাগুলোকে কোনো অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ করবেন না; আমি কেবল এটিই বোঝাতে চাইছি যে আপনি যদি একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান সাংবাদিক হন, তবে এই ঝুঁকিগুলো আপনার কাজেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। আপনি যদি এমনভাবে সাংবাদিকতা শুরু করেন অথবা জীবনের এমন এক পর্যায়ে পৌঁছান যেখানে আপনি নিজেই নিজেকে বলেন, "শুনুন, আমি এমন কোনো কিছু স্পর্শ করব না যা থেকে বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে," তবে আপনার উচিত হবে অনতিবিলম্বে এই পেশা ছেড়ে দেওয়া। ** '''''ড্যান রাদার''''', সাক্ষাৎকার: [http://www.achievement.org/autodoc/page/rat0int-1 "ড্যান রাদার ইন্টারভিউ: ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট, অন দ্য ফ্রন্টলাইনস অফ ব্রেকিং নিউজ"], '''''একাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (৫ মে ২০০১)। * উন্নতমানের সাংবাদিকতা সেই হাজারো 'নিষিদ্ধ বিষয়ের' রাজ্যে প্রশ্ন উত্থাপন করে, এমনকি যদি তার ফলাফল অত্যন্ত অদ্ভুত এবং বিচলিত করার মতো হওয়ার ঝুঁকিও থাকে। ... বর্তমান সময়ে সাংবাদিকরা কোনো গোয়েন্দা নন, আবার আধ্যাত্মিক ধর্মপ্রচারকও নন। তাঁরা কেবল তাঁদের অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলেই তা যথেষ্ট। তবে সাংবাদিকতা পেশার সবসময়ই একটি অনুসন্ধানী দিকের পাশাপাশি একটি নৈতিক দিকও বিদ্যমান থাকে। সাংবাদিকরা গোয়েন্দা নন ঠিকই, কিন্তু তাঁদের কাজের মধ্য দিয়ে তাঁরা অনুসন্ধানের একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড বজায় রাখতে পারেন; তাঁরা গোয়েন্দা নন, কিন্তু তাঁরা এমন সব তথ্য সরবরাহ করতে পারেন যা গোয়েন্দারাও কোনো না কোনোভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হন। সাংবাদিকরা আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শকও নন, কিন্তু পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে তাঁরা এমন কিছু উপলক্ষ এবং সূত্র উপহার দিতে পারেন যা পাঠকদের আত্মিক খোরাক জোগাতেও কিছুটা সাহায্য করে। আসুন আমরা সবাই অত্যন্ত বিজ্ঞতার সাথে উপদেশমূলক সাংবাদিকতা থেকে দূরে থাকি; তবে ভালো সাংবাদিকরা অন্তত নিজের এবং তাঁদের পাঠকদের আত্মাকে বিষাক্ত করা থেকে বিরত থাকতে পারেন। ** '''''মার্কো রেসপিন্তি''''', [https://bitterwinter.org/a-universal-declaration-on-combating-and-preventing-forced-organ-harvesting/ "চীনের মানব ফসল এবং অবৈধ অঙ্গ বাণিজ্য: প্রকাশ করো নতুবা ধ্বংস হও?"], '''''বিটার উইন্টার'''''। * একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সাংবাদিকতা শেখানো কতটা ভয়ানক ও অদ্ভুত বিষয়! আমি ভেবেছিলাম এটি কেবল অক্সফোর্ডেই করা হয়। নিচ ও নোংরা জনমানুষের প্রতি এই অতি-সম্মান প্রদর্শন আসলে আমাদের সভ্যতাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। ** '''''[[:w:বার্ট্রান্ড রাসেল|বার্ট্রান্ড রাসেল]]''''', লুসি মার্টিন ডনেলিকে লেখা একটি চিঠিতে (৬ জুলাই ১৯০২)। == S == * তবে আমি এমনভাবে এর প্রতিবেদন পেশ করব—<br>যেখানে সিনেটররা তাঁদের হাসির সাথে চোখের জলের মিশ্রণ ঘটাবেন। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:কোরিওলেনাস|কোরিওলেনাস]]''''' (আনু. ১৬০৭-০৮), প্রথম অংক, নবম দৃশ্য, লাইন ২। * যারা অতৃপ্ত বা সত্য সম্পর্কে অবগত নয়,<br>তাদের কাছে আমাকে এবং আমার উদ্দেশ্যকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করো। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:হ্যামলেট|হ্যামলেট]]''''' (১৬০০-০২), পঞ্চম অংক, দ্বিতীয় দৃশ্য, লাইন ৩৫০। * আমার কাছে আর কোনো প্রতিবেদন নিয়ে এসো না। ** '''''[[:w:উইলিয়াম শেক্সপিয়র|উইলিয়াম শেক্সপিয়র]]''''', '''''[[:w:ম্যাকবেথ|ম্যাকবেথ]]''''' (১৬০৫), পঞ্চম অংক, তৃতীয় দৃশ্য, লাইন ১। * আমার মনে হয় না যে পরিস্থিতি এর আগে কখনো বর্তমানের মতো এত বেশি ভয়াবহ ছিল। কারণ এখন দেখে মনে হচ্ছে যে প্রতিটি সাংবাদিকই আসলে কোনো না কোনো হুমকির মুখে রয়েছেন। ** '''''নাজিব শরিফি''''', আফগান সাংবাদিক নিরাপত্তা কমিটির প্রধান, '''''ডিডব্লিউ''''' (DW)-এর সাথে একটি সাক্ষাৎকারে; [https://www.dw.com/en/2020-dozens-of-journalists-killed-in-targeted-attacks/a-56078207 "২০২০: লক্ষ্যবস্তু করে চালানো হামলায় কয়েক ডজন সাংবাদিক নিহত"] শীর্ষক প্রতিবেদনে প্রকাশিত। * আমি আজও বিশ্বাস করি যে, আপনার লক্ষ্য যদি হয় এই পৃথিবীকে বদলে দেওয়া, তবে সাংবাদিকতা হলো তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি তাৎক্ষণিক এবং কার্যকর একটি স্বল্পমেয়াদী অস্ত্র। ** '''''[[:w:টম স্টপার্ড|টম স্টপার্ড]]''''', '''''টম স্টপার্ড ইন কনভারসেশন''''' (১৯৯৪), পল ডেলানি সম্পাদিত, ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান প্রেস, পৃ. ১৯৬। * আমি কোনো সংবাদের বা গল্পের অংশ হয়ে উঠতে চাই না। আমি বরং একজন নামহীন, শান্ত ও নিভৃতচারী দর্শক হয়ে থাকতে চাই—যে আসলে পৃথিবীতে কী ঘটছে তা বোঝার চেষ্টা করে (যা মোটেও সহজ কোনো কাজ নয়) এবং পরবর্তীতে অন্য মানুষের কাছে সেই সত্যটি বর্ণনা করে। ঘটনার কেন্দ্রে কোনো গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হয়ে থাকাটা আমার একদমই পছন্দ নয়। ** '''''[[:w:জন সিম্পসন|জন সিম্পসন]]''''', সাক্ষাৎকার: '''''বিবিসি নরফোক''''', (১২ অক্টোবর ২০০৭)। [[File:William Thomas Stead.jpg|thumb|সংবাদমাধ্যম একই সাথে জনগণের চোখ, কান এবং জিহ্বা স্বরূপ। এটি যদি গণতন্ত্রের কণ্ঠস্বর নাও হয়, তবুও এটি গণতন্ত্রের এক দৃশ্যমান ভাষা। এটি আসলে পুরো বিশ্বের একটি জীবন্ত শব্দলেখচিত্র বা ফোনোগ্রাফ।<br>~'''''[[:w:উইলিয়াম থমাস স্টিড|উইলিয়াম থমাস স্টিড]]''''' ]] * সংবাদমাধ্যম একই সাথে জনগণের চোখ, কান এবং জিহ্বা স্বরূপ। এটি যদি গণতন্ত্রের প্রকৃত কণ্ঠস্বর নাও হয়ে থাকে, তবুও এটি গণতন্ত্রের এক অনন্য ও দৃশ্যমান ভাষা। সহজ কথায়, এটি পুরো বিশ্বের একটি জীবন্ত শব্দলেখচিত্র বা ফোনোগ্রাফ। ** '''''[[:w:উইলিয়াম থমাস স্টিড|উইলিয়াম থমাস স্টিড]]''''' (মে ১৮৮৬), "গভর্নমেন্ট বাই জার্নালিজম", ''কন্টেম্পোরারি রিভিউ''। * সাংবাদিকতা (সংজ্ঞা): জীবনকে একগুচ্ছ গতানুগতিক ক্লিশে বা ধরাবাঁধা চেনা ছাঁচের ধারাবাহিকতা হিসেবে উপস্থাপন করার একটি শিল্প কিংবা বিজ্ঞান। ** '''''রিচার্ড সামারবেল''''', '''''অ্যাবনরমালি হ্যাপি''''' (১৯৮৫), নিউ স্টার বুকস, পৃ. ৩০, ISBN 091957341X। == T == * সংবাদপত্র পড়ার নেশা থেকে পুরোপুরি মুক্তি পেতে চাইলে, একটি বছর ব্যয় করুন গত সপ্তাহের পুরোনো সংবাদপত্রগুলো পড়ার পেছনে। ** '''''[[:w:নাসিম নিকোলাস তালেব|নাসিম এন. তালেব]]''''', '''''দ্য বেড অফ প্রোক্রাস্টাস: ফিলোসফিক্যাল অ্যান্ড প্র্যাকটিক্যাল অ্যাফোরিজমস''''' (২০১০), পৃ. ২১। * আমি সবসময়ই উন্নতমানের ও শৈল্পিক লিখনশৈলীর মানদণ্ড বজায় রাখার চেষ্টা করেছি। এই সাংবাদিকতা পেশার ভেতরেও শিল্প লুকিয়ে আছে; এমনকি এখানে অত্যন্ত মহান শিল্প সৃষ্টি হওয়ার প্রবল সম্ভাবনাও বিদ্যমান। ** '''''[[:w:গে টালিস|গে টালিস]]''''' (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৬); রিপোর্ট করেছেন রেবেকা ক্যাথকার্ট: '''''বুলপেন: এনওয়াইইউ জার্নালিজম''''', নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি। * একজন সংবাদ প্রতিবেদকের প্রকৃত শিল্প চাতুর্য হলো কোনো শিকারকে কীভাবে আশ্বস্ত করে শান্ত করতে হয় তা আয়ত্ত করা; কারণ সমস্ত দক্ষ প্রতিবেদকই আসলে তাঁদের প্রাথমিক সত্তায় একেকজন অত্যন্ত ধুরন্ধর প্রতারক বা 'কনফিডেন্স ট্রিকস্টার'। ** '''''ডেরেক টাঙ্গি''''', ব্রিটিশ লেখক, '''''দ্য ওয়ে টু মাইনাক''''' (১৯৬৮), সপ্তম অধ্যায়। * আমি মোটেও বিশ্বাস করি না যে সাংবাদিকতা একটি মৃতপ্রায় শিল্প। বরং আমি মনে করি, এটি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ; এবং বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকরা আমাদের কর্মপদ্ধতির সাথে নিজেদের মানিয়ে নিচ্ছেন—যার মূল লক্ষ্য হলো সরকারি কর্মকর্তাদের জনগণের কাছে দায়বদ্ধ করা। সাংবাদিকের ভূমিকা অপরিহার্য, এবং সংবাদকর্মীরা মাঝে মাঝে জনরোষের শিকার বা নিন্দিত হলেও, তাঁরা যখন নিষ্ঠার সাথে সত্য অন্বেষণ করেন এবং ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনেন, তখন তাঁরা আজও অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদায় ভূষিত হন। আমার প্রত্যাশা এই যে, ভবিষ্যতের সাংবাদিকরা এই পেশার প্রকৃত মূলনীতিগুলো মেনে চলবেন এবং এটি উপলব্ধি করবেন যে—দেশে ও বিদেশে গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখতে এবং মুক্ত চিন্তার আদান-প্রদানকে সচল রাখতে তাঁরা এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অনবদ্য ভূমিকা পালন করছেন। ** '''''হেলেন থমাস''''', '''''ওয়াচডগস অফ ডেমোক্রেসি?''''' (২০০৬), সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, ভূমিকা অংশ, ISBN 0743267818। * বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা নিয়ে এই হলো আমার বক্তব্য। আমার কোনো নামলিপির নিচে বা আমার চেনা অন্য কারোর লেখার মাঝেও এটি খুঁজে পাওয়ার বৃথা চেষ্টা করে লাভ নেই। খেলার স্কোরকার্ড, ঘোড়দৌড়ের ফলাফল কিংবা শেয়ার বাজারের তালিকার মতো গুটিকতক ব্যতিক্রম ছাড়া এই পৃথিবীতে 'বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা' বলে আসলে কিছুর অস্তিত্ব নেই। এই শব্দগুচ্ছটি নিজেই নিজের অর্থের মধ্যে এক উদ্ধত ও হাস্যকর বৈপরীত্য ছাড়া আর কিছুই নয়। ** '''''[[:w:হান্টার এস. থম্পসন|হান্টার এস. থম্পসন]]''''', '''''ফিয়ার অ্যান্ড লোদিং: অন দ্য ক্যাম্পেইন ট্রেইল '৭২''''' (২২ এপ্রিল ১৯৮৫), পৃ. ৪৮, ISBN 0446313645। * "সংবাদপত্র যদি কেবল এইটুকুই দেওয়ার ক্ষমতা রাখে, তবে তা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার কী? অ্যাগনিউ ঠিকই বলেছিলেন। সংবাদমাধ্যম হলো একদল নিষ্ঠুর ও বিকৃত মানুষের আস্তানা। সাংবাদিকতা কোনো পেশা বা সাধারণ ব্যবসা নয়। এটি হলো ব্যর্থ আর অযোগ্যদের ভিড় জমানোর এক সস্তা আশ্রয়স্থল—জীবনের পেছনের দরজার দিকে যাওয়ার এক মিথ্যে প্রবেশপথ; এটি বিল্ডিং ইন্সপেক্টর কর্তৃক পরিত্যক্ত এক নোংরা ও দুর্গন্ধযুক্ত গর্ত, যা কেবল কোনো মদ্যপ ব্যক্তির ফুটপাত থেকে গুটিয়ে শুয়ে থাকার জন্য কিংবা চিড়িয়াখানার খাঁচায় বন্দি কোনো শিম্পাঞ্জির মতো কুরুচিপূর্ণ আচরণের উপযুক্ত স্থান হিসেবে যথেষ্ট গভীর।" ** '''''[[:w:হান্টার এস. থম্পসন|হান্টার এস. থম্পসন]]''''', '''''ফিয়ার অ্যান্ড লোদিং ইন লাস ভেগাস''''' (১৯৭১), পৃ. ২০০। == U == * প্রত্যেকেরই স্বাধীনভাবে নিজস্ব মত পোষণ এবং তা প্রকাশের অধিকার রয়েছে; এই অধিকারের মধ্যে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বীয় মতামতে অটল থাকা এবং যেকোনো সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে এবং ভৌগোলিক সীমানা নির্বিশেষে তথ্য ও ধারণা অনুসন্ধান করা, গ্রহণ করা এবং তা প্রচার করার স্বাধীনতা অন্তর্ভুক্ত। ** '''''[[:w:জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ|জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ]]''''', '''''[[:w:মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা|মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা]]''''', জাতিসংঘ, প্যালে ডি শাইলট, প্যারিস (১০ ডিসেম্বর ১৯৪৮), ধারা ১৯। [http://www.un.org/Overview/rights.html মূল পাঠ্য] == V == [[File:Superman-facebook.svg|thumb|সাংবাদিকতা হলো সেই একমাত্র সত্তা যা আমাদের সুরক্ষা প্রদান করে। ঐতিহাসিকভাবেই এমন কিছু আপসহীন ও প্রতিবাদী সাংবাদিক ছিলেন যারা পরিণতির পরোয়া না করে সত্যের পথে লড়াই করতেন। কিন্তু সেই ধারা এখন 'অ্যাডভোকেসি জার্নালিস্ট' বা ওকালতি সাংবাদিকতায় রূপ নিয়েছে, যাদের নির্দিষ্ট বামপন্থী কিংবা ডানপন্থী রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব রয়েছে। এর কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই। একজন সাংবাদিকের একমাত্র উপাসনার বিষয় হওয়া উচিত ধ্রুব সত্য।<br>~'''''অ্যান্ড্রু ভাকস''''' ]] * সাংবাদিকতা হলো সেই একমাত্র মাধ্যম যা আমাদের ঢাল হয়ে রক্ষা করে। অতীতে এমন অনেক আপসহীন ও লড়াকু সাংবাদিকের ইতিহাস ছিল যারা পরিণতির পরোয়া না করেই সত্য প্রকাশে অবিচল থাকতেন। কিন্তু সেই জায়গাটি এখন দখল করে নিয়েছে 'ওকালতি সাংবাদিকতা', যেখানে সংবাদকর্মীরা বাম কিংবা ডানপন্থী রাজনৈতিক আদর্শের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট। এটি মোটেও যুক্তিযুক্ত নয়। একজন সাংবাদিকের উপাসনার যোগ্য একমাত্র ঈশ্বর হওয়া উচিত পরম সত্য। ** '''''অ্যান্ড্রু ভাকস''''', ডুয়েন সোয়ারসিনস্কির নেওয়া সাক্ষাৎকার, ''ফিলডেলফিয়া সিটি পেপার'', (৭ জুলাই ২০০৫)। == W == [[File:Oscar Wilde by Napoleon Sarony. Three-quarter-length photograph, seated.jpg|thumb|সাধারণ মানুষের মাঝে সবকিছু জানার এক অতৃপ্ত কৌতূহল কাজ করে, কেবল সেই বিষয়গুলো ছাড়া যা আসলে জানার যোগ্য। সাংবাদিকতা এই দুর্বলতা সম্পর্কে সচেতন এবং ব্যবসায়িক মানসিকতার অধিকারী হওয়ার ফলে তারা ঠিক সেই চাহিদাগুলোই মিটিয়ে থাকে।<br>~'''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''' ]] * আমার লক্ষ্য ছিল ''৬০ মিনিটস''-এর জন্য কাজ করা এবং বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে যাওয়ার সক্ষমতা অর্জন করা, যেকোনো বিষয়ের ওপর প্রতিবেদন তৈরি করা এবং প্রচারের জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া। সহজ কথায়, সাংবাদিকতায় এর সমতুল্য কোনো দ্বিতীয় কাজ আর নেই। শুরুতে এটি ছিল কেবল একটি স্বপ্ন। এখন ৮৪ বছর বয়সে এসেও আমি এমন সব মানুষের সাথে কাজ করছি যারা আমার অর্ধেক বয়সের বা তারও কম; আর এর মূল কারণ হলো সংবাদের প্রতি এক অমোঘ আকর্ষণ। যদি কোথাও কোনো ভালো সংবাদ বা গল্পের সুযোগ থাকে, তবে সেখানে উপস্থিত না হওয়ার কোনো কারণ আমি দেখি না। ** '''''[[:w:মাইক ওয়ালেস|মাইক ওয়ালেস]]''''', সাক্ষাৎকার: '''''অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (৮ জুন ২০০২)। * সংবাদ হলো এমন কিছু যা সেই ব্যক্তিটি পড়তে চায় যে আসলে কোনো কিছু নিয়েই খুব একটা মাথা ঘামায় না। আর এটি ততক্ষণই সংবাদ হিসেবে টিকে থাকে যতক্ষণ না সে এটি পড়ছে। একবার পড়া হয়ে গেলে এটি স্রেফ একটি মৃত বিষয়ে পরিণত হয়। ** '''''ইভলিন ওয়াহ''''' (১৯৩৮), ''স্কুপ'', প্রথম খণ্ড, ৫ম অধ্যায়; উদ্ধৃতিটি পুনরুৎপাদন করা হয়েছে: ডেভিড ক্রিস্টাল ও হিলারি ক্রিস্টাল রচিত '''''ওয়ার্ডস অন ওয়ার্ডস: কোটেশনস অ্যাবাউট ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস''''' (২০০০), ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস, পৃ. ২৭৭, ISBN 0226122018। * এটি একটি ধ্রুব সত্য যে, কোনো অভিযোগের বিপরীতে দেওয়া খণ্ডন বা প্রতিবাদ কখনোই মূল অভিযোগের গতির সাথে পাল্লা দিয়ে উঠতে পারে না। যেসব সৎ সাংবাদিক ভুলবশত কোনো মিথ্যা তথ্য ছাপিয়ে ফেলেন, তাঁরা খুব ভালো করেই জানেন যে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে প্রকাশিত কোনো প্রতিবাদলিপি বা সংশোধনীও (Retraction) মূল প্রতিবেদনের মাধ্যমে হওয়া ক্ষতির ক্ষত কখনোই পুরোপুরি মুছে ফেলতে পারে না। ** '''''টম উইকার''''', [http://www.nytimes.com/1989/06/09/opinion/in-the-nation-lesson-of-lattimore.html "ইন দ্য নেশন; লেসন অফ ল্যাটিমোর"], '''''[[:w:দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস]]''''', (৯ জুন ১৯৮৯)। * সেটি ছিল এক মারাত্মক ও অভিশপ্ত দিন যখন সাধারণ মানুষ প্রথম আবিষ্কার করল যে—কলম আসলে ফুটপাতের ইটের চেয়েও শক্তিশালী এবং একে অনায়াসেই ইটের টুকরোর মতো আক্রমণাত্মক করে তোলা সম্ভব। এই সত্য জানার পরপরই তারা একজন সাংবাদিকের খোঁজ করল, তাকে খুঁজে বের করল, তাকে নিজেদের প্রয়োজনে গড়ে তুলল এবং শেষ পর্যন্ত তাকে নিজেদের এক পরিশ্রমী ও উচ্চ বেতনের ভৃত্যে পরিণত করল। এটি উভয় পক্ষের জন্যই অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়। যুদ্ধের ব্যারিকেডের পেছনে হয়তো মহত্ত্ব আর বীরত্বের অনেক কিছু থাকতে পারে; কিন্তু সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় বা প্রধান নিবন্ধগুলোর পেছনে কুসংস্কার, মূর্খতা, ভণ্ডামি আর নিরর্থক প্রলাপ ছাড়া আর কী-ই বা আছে? আর যখন এই চারটি বিষয় একত্রিত হয়, তখন তারা এক ভয়াবহ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং এক নতুন ও একনায়কতান্ত্রিক কর্তৃত্বের সৃষ্টি করে। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * প্রাচীনকালে মানুষের ওপর নির্যাতন করার জন্য 'র‍্যাক' (The Rack) নামক যন্ত্র ছিল, আর এখন তাদের হাতে আছে সংবাদমাধ্যম বা প্রেস। এটি নিশ্চিতভাবেই একটি উন্নতি বলা যায়। কিন্তু তা সত্ত্বেও এটি অত্যন্ত মন্দ, ভুল এবং নৈতিকভাবে অবক্ষয় সৃষ্টিকারী। কেউ একজন—তিনি কি বার্ক ছিলেন?—সাংবাদিকতাকে 'চতুর্থ স্তম্ভ' বা ফোর্থ এস্টেট বলে অভিহিত করেছিলেন। সেই সময়ে সেটি নিঃসন্দেহে সত্য ছিল। কিন্তু বর্তমান মুহূর্তে এটিই আসলে একমাত্র স্তম্ভে পরিণত হয়েছে; কারণ এটি অন্য বাকি তিনটি স্তম্ভকেই গ্রাস করে ফেলেছে। লর্ডস টেম্পোরাল বা উচ্চকক্ষ এখন নিশ্চুপ, লর্ডস স্পিরিচুয়াল বা ধর্মীয় প্রতিনিধিদের বলার মতো কিছুই নেই এবং হাউজ অফ কমন্স বা নিম্নকক্ষের বলার মতো কিছু না থাকলেও তারা অনবরত কথা বলে যাচ্ছে। আমরা এখন পুরোপুরি সাংবাদিকতার আধিপত্য দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছি। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট মাত্র চার বছরের জন্য রাজত্ব করেন, কিন্তু সাংবাদিকতা সেখানে শাসন চালায় অনন্তকাল ধরে। সৌভাগ্যবশত, আমেরিকায় সাংবাদিকতা তার ক্ষমতাকে সবচেয়ে জঘন্য এবং পাশবিক চরম সীমায় নিয়ে গেছে। যার স্বাভাবিক পরিণতি হিসেবে এটি মানুষের মাঝে এক বিদ্রোহের চেতনা সৃষ্টি করতে শুরু করেছে; মানুষ এখন তাদের স্বভাব অনুযায়ী এই সাংবাদিকতা দেখে হয় বিনোদিত হয়, না হয় চরম বিরক্ত হয়। কিন্তু এটি আগের মতো আর সেই প্রকৃত প্রভাবশালী শক্তিতে টিকে নেই; মানুষ একে এখন আর খুব একটা গুরুত্ব দেয় না। অন্যদিকে ইংল্যান্ডে, সুপরিচিত গুটিকতক উদাহরণ ছাড়া সাংবাদিকতাকে যেহেতু এমন পাশবিক চরম সীমায় নিয়ে যাওয়া হয়নি, তাই এটি এখনও একটি বিশাল বড় প্রভাবক এবং এক উল্লেখযোগ্য শক্তি হিসেবে টিকে আছে। মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের ওপর এটি যে ধরণের স্বৈরতান্ত্রিক শাসন কায়েম করতে চায়, তা আমার কাছে অত্যন্ত অস্বাভাবিক ও বিস্ময়কর বলে মনে হয়। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * আমরা এখানে সাংবাদিককে নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা দিয়েছি, অথচ শিল্পীর পথকে করেছি সম্পূর্ণ কণ্টকাকীর্ণ ও সীমাবদ্ধ। ইংরেজ জনমত মূলত সেই মানুষটিকে বাধাগ্রস্ত করতে, অবদমিত করতে এবং তাঁর যাত্রাপথকে বিকৃত করতে চায়—যিনি প্রকৃতপক্ষে সুন্দর কিছু সৃষ্টি করেন; অন্যদিকে এটিই আবার সাংবাদিককে বাধ্য করে কুৎসিত, জঘন্য কিংবা বাস্তবিকভাবেই চরম ঘৃণ্য বিষয়গুলো পরিবেশন করতে। আর এর ফলস্বরূপ আমরা একই সাথে বিশ্বের সবচেয়ে গম্ভীর সাংবাদিকতা এবং সবচেয়ে কুরুচিপূর্ণ সংবাদপত্রের অধিকারী হয়েছি। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * প্রকৃত সত্য এই যে, সাধারণ মানুষের মাঝে সবকিছু জানার এক প্রচণ্ড ও অতৃপ্ত কৌতূহল কাজ করে, কেবল সেই বিষয়গুলো ছাড়া যা আসলে জানার মতো কোনো যোগ্যতাই রাখে না। সাংবাদিকতা মানুষের এই চারিত্রিক দুর্বলতা সম্পর্কে পূর্ণ সচেতন এবং এক ধরণের খাঁটি ব্যবসায়িক মানসিকতার অধিকারী হওয়ার ফলে, তারা নিছক মুনাফার দায়ে মানুষের সেই কুরুচিপূর্ণ চাহিদাগুলোই পূরণ করে থাকে। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম|দ্য সোল অফ ম্যান আন্ডার সোশ্যালিজম]]''''' (১৮৯১); লন্ডন: আর্থার এল. হামফ্রেস (১৯১২ সংস্করণ)। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত। * আধুনিক সাংবাদিকতার পক্ষে বলার মতো আসলে অনেক কিছু আছে। অল্পশিক্ষিত বা মূর্খদের মতামত আমাদের সামনে উপস্থাপনের মাধ্যমে এটি আমাদের সমাজের সামগ্রিক অজ্ঞতার সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত রাখে। সমসাময়িক জীবনের দৈনন্দিন ঘটনাবলী অত্যন্ত সতর্কতার সাথে ধারাবাহিকভাবে লিপিবদ্ধ করার মাধ্যমে এটি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে, আদতে এই সব ঘটনার গুরুত্ব কতই না নগণ্য। আর সবসময় অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে এটি আমাদের বুঝতে সাহায্য করে যে—সংস্কৃতির জন্য ঠিক কোন বিষয়গুলো অপরিহার্য এবং কোনগুলো একেবারেই অকেজো। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট''''' (১৮৯১), দ্বিতীয় খণ্ড। * আর্নেস্ট: কিন্তু সাহিত্য এবং সাংবাদিকতার মধ্যে প্রকৃত পার্থক্যটি ঠিক কোথায়? গিলবার্ট: পার্থক্য শুধু এইটুকু যে—সাংবাদিকতা হলো পাঠের অযোগ্য, আর সাহিত্য কেউ সচরাচর পাঠ করে না। এর বাইরে আর কোনো তফাৎ নেই। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট|দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট]]''''' (১৮৯১), প্রথম খণ্ড; নিউ ইয়র্ক: ব্রেটানোস (১৯০৫ সংস্করণ)। লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস থেকে সংগৃহীত। * আধুনিক সাংবাদিকতার কথা যদি বলেন, তবে এর স্বপক্ষে সাফাই গাওয়া বা একে রক্ষা করা আমার কাজ নয়। এটি ডারউইনের সেই বিখ্যাত বিবর্তনবাদ তত্ত্ব—'যোগ্যতমের টিকে থাকা'—এর পরিবর্তে 'নিকৃষ্টতমের টিকে থাকা' বা সার্ভাইভাল অফ দ্য ভালগারেস্ট-এর মহান মূলনীতির মাধ্যমেই নিজের অস্তিত্বের যৌক্তিকতা প্রমাণ করে। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]''''', '''''[[:w:দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট|দ্য ক্রিটিক অ্যাজ আর্টিস্ট]]''''' (১৮৯১), প্রথম খণ্ড; নিউ ইয়র্ক: ব্রেটানোস (১৯০৫ সংস্করণ)। লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস থেকে সংগৃহীত। * আপনি ব্রিটিশ সাংবাদিককে ঘুস দিয়ে বশ করার<br />কিংবা নিজের স্বার্থে বাঁকিয়ে ফেলার আশা করতে পারেন না,<br />স্রষ্টাকে ধন্যবাদ!<br />তবে, কোনো প্রকার ঘুস ছাড়াই সেই মানুষটি যা যা করতে সক্ষম—<br />তা দেখার পর, তাঁকে ঘুস দেওয়ার আর কোনো প্রয়োজনই অবশিষ্ট থাকে না। ** '''''হাম্বার্ট উলফ''''', "ওভার দ্য ফায়ার", ''দ্য আনসেলেস্টিয়াল সিটি'' (১৯৩০)-এ। * যদি মঙ্গল গ্রহ থেকে কেউ আমেরিকায় আসে এবং সেখানে কয়েক মাস বা কয়েক বছর ঘুরে বেড়ানোর পর আপনি তাকে জিজ্ঞাসা করেন যে—সেখানে কাদের কাজ বা পেশা সবচেয়ে চমৎকার; তবে সে নিশ্চিতভাবেই সাংবাদিকদের কথা বলবে। কারণ সাংবাদিকরা মানুষের জীবনের সেই মুহূর্তগুলোতে প্রবেশ করার সুযোগ পান যখন সেই জীবনগুলো অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও রোমাঞ্চকর থাকে, আর ঠিক যখনই আকর্ষণ ফুরিয়ে যায়, তখনই তাঁরা সেখান থেকে নির্বিঘ্নে বেরিয়ে আসতে পারেন। ** '''''[[:w:বব উডওয়ার্ড|বব উডওয়ার্ড]]''''', সাক্ষাৎকার: '''''অ্যাকাডেমি অফ অ্যাচিভমেন্ট''''', (১ মে ২০০৩)। == Y == * আমি সাংবাদিকদের মনেপ্রাণে ঘৃণা করি। তাদের ভেতরটা বিদ্রূপাত্মক এবং উপহাসপূর্ণ শূন্যতা ছাড়া আর কিছুই নয়... এই পৃথিবীর পৃষ্ঠে তারা হলো সবচেয়ে অগভীর ও অন্তঃসারশূন্য একদল মানুষ। ** '''''[[:w:ডব্লিউ. বি. ইয়েটস|ডব্লিউ. বি. ইয়েটস]]''''', ক্যাথরিন টাইন্যানকে লেখা চিঠি (৩০ আগস্ট ১৮৮৮)। * একজন রাষ্ট্রনায়ক বেশ সহজ-সরল মানুষ,<br />তিনি স্রেফ মুখস্থ করা বুলি দিয়েই অনর্গল মিথ্যে বলেন;<br />কিন্তু একজন সাংবাদিক তাঁর মিথ্যেগুলো নিজেই উদ্ভাবন করেন,<br />এবং এরপর সেই মিথ্যের জোরে আপনার টুঁটি চেপে ধরেন। ** '''''[[:w:ডব্লিউ. বি. ইয়েটস|ডব্লিউ. বি. ইয়েটস]]''''', ''দ্য ওল্ড স্টোন ক্রস''-এ। * বর্তমান সময়ের সাংবাদিকতা—বড় বড় শহরগুলোর সংবাদপত্রগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্কের কথা বিবেচনা করলে—বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বেশ ভদ্রোচিত এবং মার্জিত বলে মনে হয়। কিন্তু সেই দিনগুলোতে নিউ ইয়র্কের দৈনিক পত্রিকাগুলো একে অপরের কর্মকাণ্ড এবং উদ্দেশ্যকে প্রকাশ্যে এমন ঘৃণাভরে আক্রমণ করত, যা সচরাচর পরম সৎ নাগরিকরা ঘোড়া-চোর কিংবা ডাকাতদের প্রতি প্রকাশ করে থাকেন। 'দ্য সান'-এর ডানা এবং 'দ্য ওয়ার্ল্ড'-এর পুলিৎজারের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী দ্বন্দ্ব সে সময় ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল; এমনকি 'ওয়ার্ল্ড' এবং 'হেরাল্ড' পত্রিকা দুটিও প্রায়ই একে অপরের ওপর নেকড়ের মতো ক্ষিপ্ত হয়ে গর্জন করত। ** '''''আর্ট ইয়ং: হিজ লাইফ অ্যান্ড টাইমস''''' (১৯৩৯)। ===''হয়েটস নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস''=== :<small>'''''[[s:en:Hoyt's New Cyclopedia Of Practical Quotations (1922)|হয়েটস নিউ সাইক্লোপিডিয়া অফ প্র্যাকটিক্যাল কোটেশনস]]''''' (১৯২২), পৃ. ৪০৭-০৮ থেকে প্রতিবেদনকৃত উদ্ধৃতিসমূহ।</small> * আমি তাঁদের মঙ্গলের জন্য অত্যন্ত আন্তরিকভাবে এই পরামর্শ দেব—যেন তাঁরা এই সংবাদপত্রটি নিয়মিত সংগ্রহ করার আদেশ দেন এবং একে তাঁদের প্রতিদিনের বৈকালিক আপ্যায়নের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গণ্য করেন। ** '''''[[:w:জোসেফ অ্যাডিসন|জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''স্পেকটেটর'', সংখ্যা ১০। * তারা আমাদের কাগজ তৈরির শিল্পের একটি বিশাল অংশ ভোগ করে, মুদ্রণ কাজে আমাদের কারিগরদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে এবং অগণিত দরিদ্র ও অভাবী মানুষের জন্য জীবিকা নির্বাহের পথ প্রশস্ত করে দেয়। ** '''''[[:w:জোসেফ অ্যাডিসন|জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''স্পেকটেটর'', সংখ্যা ৩৬৭। * বিজ্ঞাপন সাধারণ বা নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি মাধ্যম। প্রথমত, এটি উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। একজন মানুষ যিনি কোনোভাবেই সরকারি গেজেটে স্থান পাওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ নন, তিনি খুব সহজেই বিজ্ঞাপনের পাতায় নিজেকে ঢুকিয়ে দিতে পারেন; যার ফলে আমরা প্রায়ই দেখি একই সংবাদপত্রে একজন সাধারণ ওষুধ বিক্রেতা বা কবিরাজ একজন পূর্ণক্ষমতাপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের পাশে স্থান পেয়েছেন, কিংবা একজন সাধারণ বার্তাবাহক কোনো উচ্চপদস্থ দূতের সাথে একই সারিতে দাঁড়িয়ে আছেন। ** '''''[[:w:জোসেফ অ্যাডিসন|জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''ট্যাটলার'', সংখ্যা ২২৪। * বিজ্ঞাপন লেখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় কৌশল বা শিল্প হলো পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করার সঠিক পদ্ধতিটি খুঁজে বের করা; কারণ এই কৌশল ছাড়া একটি অত্যন্ত চমৎকার বস্তুও হয়তো অলক্ষিত থেকে যেতে পারে, কিংবা দেউলিয়া হওয়ার সংবাদের ভিড়ে কোথাও হারিয়ে যেতে পারে। ** '''''[[:w:জোসেফ অ্যাডিসন|জোসেফ অ্যাডিসন]]''''', ''ট্যাটলার'', সংখ্যা ২২৪। * জিজ্ঞেস করছেন কীভাবে জীবন ধারণ করবেন? লিখুন, লিখুন, যা খুশি তা-ই লিখুন;<br>এই পৃথিবীটা এক চমৎকার বিশ্বাসপ্রবণ জগত, তাই স্রেফ সংবাদ লিখে যান। ** '''''বিউমন্ট এবং ফ্লেচার''''', ''উইট উইদাউট মানি'', দ্বিতীয় অংক। * [বিরোধী সংবাদমাধ্যম] মূলত এমন সব অসন্তুষ্ট ও ঈর্ষাপরায়ণ ব্যক্তিদের হাতে ন্যস্ত থাকে, যারা নিজেদের কর্মজীবনে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। ** '''''[[:w:অটো ফন বিসমার্ক|অটো ফন বিসমার্ক]]''''', রুজেনের একটি প্রতিনিধি দলের নিকট রাজার উদ্দেশে (১০ নভেম্বর ১৮৬২)। * শোনো ওহে কেকের দেশ, আর স্কটল্যান্ডের ভাইরা আমার,<br>মেইডেনকার্ক থেকে জনি গ্রোটস—সব প্রান্তের মানুষেরা শোনো;<br>যদি তোমাদের পোশাকে কোনো ছিদ্র বা ব্যক্তিগত কোনো ত্রুটি থাকে,<br>তবে আমি তোমাদের সতর্ক করছি, খুব সাবধানে থেকো:<br>তোমাদের মাঝে এমন এক ছোকরা ঘুরছে যে সবকিছুর নোট নিচ্ছে,<br>এবং বিশ্বাস করো, সে নির্ঘাত তা সংবাদে ছাপিয়ে দেবে। ** '''''[[:w:রবার্ট বার্নস|রবার্ট বার্নস]]''''', ''অন ক্যাপটেন গ্রোস'স পেরেগ্রিনেশনস থ্রু স্কটল্যান্ড''। * সম্পাদক তাঁর নির্জন কক্ষে বসে আছেন, চিন্তার ভাঁজে কপাল তাঁর কুঁচকানো,<br>মন তাঁর নিমগ্ন ব্যবসার অতল তলে, আর পা জোড়া তোলা চেয়ারের হাতলে,<br>এক হাতের কনুই তাঁর চেয়ারে ঠেকানো, ডান হাতের তালুটা মাথায়,<br>ধুলোমাখা জরাজীর্ণ টেবিলে তাঁর নজর, যেখানে ছড়িয়ে আছে নথিপত্রের পাহাড়। ** '''''উইল কার্লটন''''', ''ফার্ম ব্যালাডস'', ''দ্য এডিটর'স গেস্টস''। * এডমন্ড বার্ক বলেছিলেন যে পার্লামেন্টে তিনটি স্তম্ভ বা এস্টেট রয়েছে; কিন্তু ওই দূরে প্রতিবেদকদের গ্যালারিতে এমন এক 'চতুর্থ স্তম্ভ' উপবিষ্ট আছে যা অন্য সবার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''হিরোস অ্যান্ড হিরো-ওয়ারশিপ''''', বক্তৃতা ৫। বার্ককে এই শব্দটি উদ্ভাবনের কৃতিত্ব দেওয়া হলেও তাঁর প্রকাশিত কোনো রচনায় এর উল্লেখ পাওয়া যায় না। 'রাজ্যের তিনটি স্তম্ভ' হলো ধর্মীয় প্রতিনিধি (Lords Spiritual), উচ্চকক্ষ (Lords Temporal) এবং নিম্নকক্ষ (Commons)। ডেভিড লিন্ডসে ১৫৩৫ সালে তাঁর 'অ্যান প্লেজেন্ট স্যাটায়ার অফ দ্য থ্রি এস্টেটস'-এ এর বর্ণনা দিয়েছেন। রাবেলে তাঁর 'পান্তাগ্রুয়েল'-এ (৪-৪৮) একজন সন্ন্যাসী, একজন বাজপাখি শিকারি, একজন আইনজীবী এবং একজন কৃষককে দ্বীপের 'চারটি স্তম্ভ' (Les quatre estatz de l'isle) হিসেবে বর্ণনা করেছেন। * একটি পার্লামেন্ট বা সংসদ—যা কি না সাংবাদিকদের মাধ্যমে বানকম্বের জনগণের কাছে এবং সেই দুই কোটি সত্তর লক্ষ মানুষের কাছে কথা বলে, যাঁদের অধিকাংশকেই নির্বোধ হিসেবে গণ্য করা যায়। ** '''''[[:w:টমাস কার্লাইল|টমাস কার্লাইল]]''''', '''''লেটার ডে প্যামফ্লেটস''''', সংখ্যা ৬: পার্লামেন্ট। * প্রথমে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো সঠিকভাবে সংগ্রহ করুন, আর তারপর আপনি নিজের ইচ্ছেমতো সেগুলোকে যত খুশি বিকৃত করতে পারেন। ** '''''[[:w:মার্ক টোয়েন|মার্ক টোয়েন]]''''', কিপলিংয়ের সাথে সাক্ষাৎকার; '''''ইন ফ্রম সি টু সি''''', পত্র ৩৭। * স্রেফ একটি সংবাদপত্র! যা দ্রুত পড়া হয় এবং দ্রুতই হারিয়ে যায়,<br>কে আর হিসাব রাখে সেই অমূল্য রত্নভাণ্ডারের, যা এটি বহন করে নিয়ে যায়?<br>ছিন্নভিন্ন হয়ে পায়ের তলায় পিষ্ট হওয়া সেই উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো মেধার মূল্যই বা ক’জন দেয়? ** '''''মেরি ক্লেমার''''', ''দ্য জার্নালিস্ট'', স্তবক ৯। * নিজের প্রজন্মের সেবা করাই তোমার নিয়তি—<br>জলের ওপর যেমন নাম লিখলে তা মুছে যায়, ঠিক তেমনি তোমার নামও দ্রুতই মিলিয়ে যাবে;<br>কিন্তু যে ব্যক্তি মানবতাকে ভালোবাসেন, তিনি আদিতে ও অন্তে এমন এক মহান কর্ম সম্পাদন করেন যা খ্যাতির গণ্ডির চেয়েও অনেক বড়। ** '''''মেরি ক্লেমার''''', ''দ্য জার্নালিস্ট'', অন্তিম স্তবক। * আমার মনে হয় কোথাও বলা হয়েছে যে—'দ্য টাইমস'-এর একটি মাত্র সংখ্যায় থুসিডাইডিসের সমগ্র ঐতিহাসিক রচনার চেয়েও অনেক বেশি দরকারী ও কার্যকর তথ্য নিহিত থাকে। ** '''''রিচার্ড কবডেন''''', ম্যানচেস্টার অ্যাথেনিয়ামে প্রদত্ত ভাষণ (২৭ ডিসেম্বর ১৮৫০)। দেখুন: দ্য টাইমস, ৩০ ডিসেম্বর ১৮৩০, পৃ. ৭; মর্লির 'লাইফ অফ কবডেন'-এ উদ্ধৃত, ২য় খণ্ড, পৃ. ৪২৯। * যদি মৈত্রীর চেতনা সর্বত্র জয়ী হতো, তবে এই সংবাদমাধ্যম বা প্রেস নিশ্চিতভাবেই<br>সততা, সত্য এবং ভালোবাসার এক মহান বাহন হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করত। ** '''''[[:w:উইলিয়াম কাউপার|উইলিয়াম কাউপার]]''''', ''চ্যারিটি'', লাইন ৬২৪। * কীভাবে আমি তোমার প্রশংসা করব, বা তোমার পরাক্রমকে সম্বোধন করব,<br>হে সংবাদমাধ্যম—তুমিই তো আমাদের এই পৌত্তলিক আরাধনার ঈশ্বর।<br>*    *    *    *    *<br>স্বর্গের সেই নিষিদ্ধ জ্ঞানবৃক্ষের মতোই,<br>ভালো এবং মন্দের যাবতীয় জ্ঞান তো তোমার মাধ্যমেই আমাদের কাছে আসে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম কাউপার|উইলিয়াম কাউপার]]''''', ''প্রোগ্রেস অফ এরর'', লাইন ৪৫২। * তিনি আসছেন, এক কোলাহলপূর্ণ বিশ্বের বার্তাবাহক হিসেবে—<br>কর্দমাক্ত বুট, কোমরবন্ধনীতে বাঁধা পোশাক আর জমে থাকা তুষারশুভ্র চুলের অবয়ব নিয়ে;<br>সারা বিশ্বের তাবৎ সংবাদ এক বিশাল বোঝা হয়ে তাঁর পিঠে দুলছে। ** '''''[[:w:উইলিয়াম কাউপার|উইলিয়াম কাউপার]]''''', ''দ্য টাস্ক'' (১৭৮৫), চতুর্থ খণ্ড, লাইন ৫। * যখনই কোনো মূল্যবান তথ্যের সন্ধান পাবেন, তখনই তা টুকে রাখুন। ** '''''[[:w:চার্লস ডিকেন্স|চার্লস ডিকেন্স]]''''', ''ডম্বি অ্যান্ড সান'', ১৫তম অধ্যায়। * বিবিধ বিষয়ের লেখকরাই প্রতিটি জাতির কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক হিসেবে সমাদৃত হন; কারণ তাঁরাই মূলত শিক্ষিত এবং অশিক্ষিত সমাজের মধ্যে যোগাযোগের একটি সেতুবন্ধন তৈরি করেন, যেন জনমানুষের এই দুটি বিশাল বিভাগের মাঝখানে তাঁরা এক শৈল্পিক সেতু নির্মাণ করে দেন। ** '''''আইজ্যাক ডি'ইজরায়েলি''''', ''লিটারারি ক্যারেক্টার অফ মেন অফ জিনিয়াস'', বিবিধ লেখক বিভাগ। * আমাদের রাজনৈতিক লেখকদের কেউই... রাজা, লর্ডস এবং কমন্স—এই তিনটি স্তম্ভ বা এস্টেটের বাইরে অন্য কিছুর দিকে নজর দেন না... তাঁরা অত্যন্ত সুকৌশলে সেই বিশাল ও প্রভাবশালী অংশটিকে এড়িয়ে যান যারা এই সমাজের প্রকৃত 'চতুর্থ স্তম্ভ' গঠন করে... আর সেই শক্তিটি হলো 'জনসাধারণ' বা গণমানুষের ভিড়। ** '''''[[:w:হেনরি ফিল্ডিং|হেনরি ফিল্ডিং]]''''', ''কোভেন্ট গার্ডেন জার্নাল'' (১৩ জুন ১৭৫২)। * যদি কেলেঙ্কারির অভাবের কারণে সৃষ্ট মানসিক অবসাদ<br>আমাদের প্রিয় নারীদের ব্যথিত করে—তবে তাঁদের সংবাদপত্র পড়তে দিন। ** '''''ডেভিড গ্যারিক''''', শেরিডানের 'স্কুল ফর স্ক্যান্ডাল' এর প্রস্তাবনা। * সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হলো একজন ইংরেজ নাগরিকের সমস্ত দেওয়ানি, রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় অধিকারের এক অপরাজেয় সুরক্ষাকবচ বা প্যালাডিয়াম। ** '''''[[:w:জুনিয়াস (লেখক)|জুনিয়াস]]''''', ''ডেডিকেশন টু লেটারস''। * একজন সংবাদ লেখকের সর্বোচ্চ দৌড় হলো রাজনীতির ওপর কিছু অন্তঃসারশূন্য যুক্তি প্রদান করা এবং সরকারি ব্যবস্থাপনার ওপর ভিত্তিহীন ও বৃথা অনুমান করা। ** '''''[[:w:জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার|জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার]]''''', ''দ্য ক্যারেক্টারস অর ম্যানার্স অফ দ্য প্রেজেন্ট এজ'' (১৬৮৮), প্রথম অধ্যায়। * একজন সংবাদ লেখক রাতের বেলা অত্যন্ত প্রশান্তির সাথে এমন একটি সংবাদের ওপর ভরসা করে ঘুমোতে যান যা ভোরের আলো ফোটার আগেই পচে নষ্ট হয়ে যায়; এবং ঘুম থেকে ওঠার সাথে সাথেই তিনি তা আবর্জনার মতো ছুঁড়ে ফেলে দিতে বাধ্য হন। ** '''''[[:w:জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার|জঁ দ্য লা ব্রুয়েয়ার]]''''', ''দ্য ক্যারেক্টারস অর ম্যানার্স অফ দ্য প্রেজেন্ট এজ'' (১৬৮৮), প্রথম অধ্যায়। * প্রতিটি সংবাদপত্রের সম্পাদক শয়তানের কাছে তাঁর আনুগত্যের খাজনা দিতে বাধ্য। ** '''''[[:w:জঁ দ্য লা ফোঁতেন|জঁ দ্য লা ফোঁতেন]]''''', ''লেত্রে আ সিমোঁ দ্য ত্রোয়া'' (১৬৮৬)। * সংবাদপত্র সবসময়ই কৌতূহল জাগিয়ে তোলে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, একরাশ চরম হতাশার অনুভূতি ছাড়া কেউই সংবাদপত্র পাঠ শেষ করে তা সরিয়ে রাখতে পারেন না। ** '''''[[:w:চার্লস ল্যাম্ব|চার্লস ল্যাম্ব]]''''', ''এসেস অফ এলিয়া'': 'ডিট্যাচড থটস অন বুকস অ্যান্ড রিডিং'। * দেখুন, এই বিশাল বিস্তৃত পৃথিবীটা প্রতি সপ্তাহে একটি বাদামী কাগজের মোড়কে বন্দি হয়ে আমার কাছে পাঠানো হয়। ** '''''[[:w:জেমস রাসেল লোয়েল|জেমস রাসেল লোয়েল]]''''', ''বিগলো পেপারস'', প্রথম সিরিজ, সংখ্যা ৬। * আমি এক লক্ষ বেয়োনেটের চেয়ে তিনটি সংবাদপত্রকে অনেক বেশি ভয় পাই। ** '''''[[:w:নেপোলিয়ন বোনাপার্ট|প্রথম নেপোলিয়ন]]'''''। * ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসের তুলনায় নিউ ইয়র্কের এই সস্তা এক-পেনির সংবাদপত্রগুলোই এদেশ শাসনে অনেক বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে। ** '''''[[:w:ওয়েন্ডেল ফিলিপস|ওয়েন্ডেল ফিলিপস]]'''''। * আমরা মূলত একদল মানুষ এবং প্রভাতী সংবাদপত্র দ্বারা চালিত একটি সরকারের শাসনাধীনে বসবাস করছি। ** '''''[[:w:ওয়েন্ডেল ফিলিপস|ওয়েন্ডেল ফিলিপস]]'''''। * সংবাদমাধ্যম হলো বাতাসের মতো অবারিত; এক সনদপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাচারী শক্তি। ** '''''[[:w:উইলিয়াম পিট|উইলিয়াম পিট]]''''', লর্ড গ্রেনভিলকে উদ্দেশ্য করে (প্রায় ১৭৫৭ সালে)। * একদল অভিজাত ও সচ্ছল মানুষের ভিড়, যারা অত্যন্ত অনায়াসে এবং সাবলীলভাবে লিখতে পারতেন। ** '''''[[:w:অ্যালক্সান্ডার পোপ|অ্যালক্সান্ডার পোপ]]''''', ''এপিসেলস অফ হোরেস'', দ্বিতীয় খণ্ড, প্রথম পত্র, লাইন ১০৮। * বিষয়টি যেহেতু লিখিত আকারে আছে, সেহেতু এটি ধ্রুব সত্য। ** '''''[[:w:ফ্রঁসোয়া রাবলে|ফ্রঁসোয়া রাবলে]]''''', ''পান্তাগ্রুয়েল''। * এটা কি কোনোভাবে মেনে নেওয়া সম্ভব যে কোনো শিক্ষিত ব্যক্তি এক-পেনির এই সস্তা কাগজগুলো থেকে জানার মতো প্রয়োজনীয় কিছু শিখতে পারেন? হয়তো বলা হতে পারে যে মানুষ এর মাধ্যমে পার্লামেন্টে কী বলা হচ্ছে তা জানতে পারে। কিন্তু ভালো করে ভেবে দেখুন তো, সেটি কি তাঁদের প্রকৃত শিক্ষা বা জ্ঞানার্জনে বিন্দুমাত্র কোনো অবদান রাখবে? ** '''''[[:w:রবার্ট গাসকোয়েন-সেসিল, সলসবরির তৃতীয় মার্কুইস|লর্ড সলসবরি]]''''' (রবার্ট সেসিল), ভাষণ: হাউজ অফ কমন্স, ১৮৬১; 'কাগজ শুল্ক বিলোপ' সংক্রান্ত বিতর্কে। * সংবাদপত্র! মশাই, ওগুলো হলো চরম পাপিষ্ঠ, লাগামহীন, জঘন্য এবং নারকীয় বস্তুর সমষ্টি—যদিও আমি ওগুলো কখনোই পড়ি না—না—আমি নিয়ম করে ফেলেছি যে আমি কখনোই কোনো সংবাদপত্রের দিকে চোখ তুলে তাকাব না। ** '''''[[:w:রিচার্ড ব্রিনসলে শেরিডান|রিচার্ড ব্রিনসলে শেরিডান]]''''', ''দ্য ক্রিটিক'', প্রথম অংক, প্রথম দৃশ্য। * ব্যবসায়ী ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁর কর্মচঞ্চল দিনটি শুরু হয়েছে বলে গণ্য করেন না,<br>যতক্ষণ না তাঁর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি সংবাদপত্রের পাতার ওপর দিয়ে একবার বুলিয়ে নিচ্ছেন;<br>তরুণী কন্যাটি তাঁর হাতের সেলাইয়ের কাজ দূরে সরিয়ে রাখেন,<br>এবং সহপাঠিনীর বিয়ের খবর পড়ে দীর্ঘশ্বাস ছাড়েন;<br>অন্যদিকে গম্ভীর মা তাঁর চশমাটি চোখে এঁটে নেন,<br>এবং কোনো পুরোনো বন্ধুর চলে যাওয়ার খবর পড়ে এক ফোঁটা অশ্রু বিসর্জন দেন।<br>এমনকি ধর্মপ্রচারকও তাঁর রবিবারের ধর্মীয় আলোচনার খসড়াটি সরিয়ে রাখেন—<br>শহরের কোন নতুন উন্মাদনা চারপাশ মাতিয়ে রাখছে তা জানার কৌতূহলে;<br>সে খবর আনন্দময় হোক বা বিষাদময়, জীবনের তুচ্ছতম কিংবা মহত্তম বিষয়—<br>মোরগের লড়াইয়ের ফলাফল থেকে শুরু করে রাজায় রাজায় যুদ্ধের পরিণতি। ** '''''স্প্রাগ''''', ''কিউরিওসিটি''। * এই সংবাদমাধ্যমই জনমানুষের অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখবে,<br>প্রতিপত্তির কাছে নতি স্বীকার না করে এবং লাভের মোহে কলুষিত না হয়ে;<br>এখানেই দেশপ্রেমিক সত্য তাঁর মহিমান্বিত আদর্শগুলো তুলে ধরবে,<br>যা ধর্ম, স্বাধীনতা এবং আইনের রক্ষাকবচ হিসেবে থাকবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ** '''''[[:w:জোসেফ স্টোরি|জোসেফ স্টোরি]]''''', ''সালেম রেজিস্টার''-এর মূলমন্ত্র (১৮০২ সালে গৃহীত)। উইলিয়াম ডব্লিউ স্টোরি রচিত ''লাইফ অফ জোসেফ স্টোরি'', প্রথম খণ্ড, ৬ষ্ঠ অধ্যায়ে বর্ণিত। * সম্পাদকের চেয়ারের কুশনে লুকিয়ে থাকা এক তীক্ষ্ণ কণ্টক। ** '''''[[:w:উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারায়|উইলিয়াম মেকপিস থ্যাকারায়]]''''', ''রাউন্ডঅবাউট পেপারস'': 'দ্য থর্ন ইন দ্য কুশন'। == আরোপিত বা অ্যাট্রিবিউটেড == * গণমাধ্যম নির্ভুলতা সংক্রান্ত নোলের নীতি: সংবাদপত্রে আপনি যা কিছু পড়েন তার প্রতিটি অক্ষরই ধ্রুব সত্য—কেবল সেই বিরল সংবাদটি ছাড়া যে বিষয়টি সম্পর্কে আপনার ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যক্ষ জ্ঞান রয়েছে। ** '''''আরউইন নোল''''', সম্পাদক, ''দ্য প্রোগ্রেসিভ''। * আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট মাত্র চার বছরের জন্য শাসন করেন, কিন্তু সাংবাদিকতা সেখানে রাজত্ব চালায় চিরকাল। ** '''''[[:w:অস্কার ওয়াইল্ড|অস্কার ওয়াইল্ড]]'''''; লোইস আগস্ট জেনিস রচিত ''ভয়েজ টু ইনসাইট'' (২০০৩), পৃ. ৭০-এ উদ্ধৃত। * যখন একটি কুকুর কোনো মানুষকে কামড়ায়, সেটি কোনো সংবাদ নয়; কারণ এমন ঘটনা অহরহ ঘটে থাকে। কিন্তু যদি কোনো মানুষ একটি কুকুরকে কামড়ে দেয়, তবে সেটিই হলো প্রকৃত সংবাদ। ** '''''জন বি. বোগার্ট''''', 'নিউ ইয়র্ক সান'-এর সম্পাদক; ''বার্টলেট'স ফ্যামিলিয়ার কোটেশনস''-এ আরোপিত (১৬তম সংস্করণ, ১৯৯২), পৃ. ৫৫৪। আরও দেখুন: [[:w:ম্যান বাইটস ডগ|ম্যান বাইটস ডগ]]। * ঔপন্যাসিকদের বড় বড় 'মহৎ আইডিয়া' বা তাত্ত্বিক চিন্তাভাবনা নিয়ে আমি খুব একটা মাথা ঘামাই না। উপন্যাস নিশ্চিতভাবেই চমৎকার বিষয়, তবে পড়ার ক্ষেত্রে আমি সংবাদপত্রকেই বেশি প্রাধান্য দিই। ** '''''উইল কাপি''''', স্ট্যানলি জে. কুনিটজ এবং হাওয়ার্ড হ্যাব্রাফট সম্পাদিত ''টোয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি অথরস'' (১৯৪২), নিউ ইয়র্ক: এইচ. ডব্লিউ. উইলসন কোম্পানি, পৃ. ৩৪২। * সাংবাদিকতা হলো ইতিহাসের প্রথম খসড়া। :* মূলত ভিন্ন একটি রূপে প্রথম প্রকাশিত হয়—“সংবাদ/সংবাদমাধ্যম হলো ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া”। এই আধুনিক রূপটি অন্তত ১৯৪০-এর দশক থেকে প্রচলিত এবং সম্ভবত ''ওয়াশিংটন পোস্ট''-এর সম্পাদকীয় লেখক '''''অ্যালান বার্থ''''' এটিকে জনপ্রিয় করেছিলেন। সেই সময়কার ''পোস্ট''-এর সম্পাদকীয় পাতায় এই ভাবনার প্রতিফলন একাধিকবার দেখা যায়, যার মধ্যে বার্থের প্রথম উদ্ধৃতিটি ১৯৪৩ সালের: :: সংবাদ হলো ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া মাত্র। ::* '''''অ্যালান বার্থ''''', হ্যারল্ড এল. ইক্সেস রচিত ''দ্য অটোবায়োগ্রাফি অফ আ কারমাজিয়ন''-এর পর্যালোচনা, ''নিউ রিপাবলিক'' (১৯৪৩), ভলিউম ১০৮, পৃ. ৬৭৭-এ সংগৃহীত। :* ''পোস্ট''-এ এর পরবর্তী ব্যবহারগুলো হলো: :: সংবাদপত্র হলো আসলে ইতিহাসের প্রথম খসড়া, অথবা অন্তত তারা তেমন হওয়ার ভান করে। ::* নামবিহীন "সম্পাদকের টীকা", ''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট'' (১৬ অক্টোবর ১৯৪৪)। :* বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকেও একই ধরনের ভাবধারা পরিলক্ষিত হয়, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে: [http://www.barrypopik.com/index.php/new_york_city/entry/first_draft_of_history_journalism/ “ইতিহাসের প্রথম খাসড়া” (সাংবাদিকতা)], ২৩ নভেম্বর ২০০৯, ব্যারি পপিক। :: এটি অত্যন্ত সম্ভবপর যে, ৪১৩ অব্দ পর্যন্ত 'ইতিহাসের একটি প্রাথমিক ও অমসৃণ খসড়া' হয়তো ৪০৫ অব্দের আগেই থুসিডাইডিস কর্তৃক রূপরেখা আকারে প্রস্তুত করা হয়েছিল। ::* (এখানে “সংবাদ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে এবং একটি নির্দিষ্ট পাঠ্যকে নির্দেশ করা হয়েছে) ১৯০২, '''''রিচার্ড ক্ল্যাভারহাউস জেব''''', [http://www.1902encyclopedia.com/T/THU/thucydides.html থুসিডাইডিস], এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ১০ম সংস্করণ (১৯০২)। ২০১০ সালে শেফার-এর মন্তব্যে ব্যাবেট হোগান কর্তৃক উদ্ধৃত। :: সংবাদপত্রগুলো প্রতিদিন প্রভাতে 'ইতিহাসের একটি অমসৃণ খসড়া' তৈরি করে চলেছে। পরবর্তীতে ঐতিহাসিকগণ আসবেন, পুরোনো নথিপত্রগুলো হাতে নেবেন এবং সম্পাদক ও সংবাদদাতাদের সেই অপরিশোধিত অথচ আন্তরিক ও নির্ভুল বিবরণীগুলোকে প্রকৃত ইতিহাস ও কালোজয়ী সাহিত্যে রূপান্তরিত করবেন। আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে অবশ্যই এই দৈনিক সংবাদপত্রের গুরুত্ব অনুধাবন করতে হবে। ::* (এখানে “প্রথম” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে) ৫ ডিসেম্বর ১৯০৫, দ্য স্টেট, “[http://blog.readex.com/wp-content/uploads/2010/10/TP-State-News-Draft-Dec-5-1905.pdf সংবাদের শিক্ষামূলক মূল্য]”, পৃ. ৪, কলাম ৪, কলাম্বিয়া, সাউথ ক্যারোলাইনা। টনি পেত্তিনাতো কর্তৃক ৪ অক্টোবর ২০১০ তারিখে উদ্ধৃত। 'কোট ইনভেস্টিগেটর'-এর গারসন ও'টুল এটি জিনিয়লজি-ব্যাংক ডাটাবেস থেকে সংগ্রহ করেছেন। :: একজন প্রতিবেদক হলেন সেই তরুণ যুবক, যিনি প্রতিদিন একটি জরাজীর্ণ ও শব্দজব্দ টাইপরাইটারের ওপর 'ইতিহাসের প্রথম খসড়াটি' অত্যন্ত নিপুণভাবে অঙ্কন করেন। ::* (এখানে “অমসৃণ” শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে) ৩ জুলাই ১৯১৪, লিঙ্কন (NE) ডেইলি স্টার, '''''জর্জ ফিচ'''''-এর লেখা “দ্য রিপোর্টার”, পৃ. ৬, কলাম ৪। :* এই উক্তিটি সাধারণত ভুলভাবে '''''ফিলিপ এল. গ্রাহাম'''''-এর নামে দায়ী করা হয়, যা তিনি ১৯৬৩ সালে লন্ডনে 'নিউজউইক' প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে দেওয়া একটি ভাষণে বলেছিলেন বলে মনে করা হয়: “[http://www.slate.com/id/2265540/pagenum/all এটি প্রথম কে বলেছিলেন? সাংবাদিকতা হলো 'ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া'।]”, '''''জ্যাক শেফার''''', ''স্লেট'' (৩০ আগস্ট ২০১০); ''পার্সোনাল হিস্ট্রি'' (১৯৯৭), '''''ক্যাথরিন গ্রাহাম'''''। :: সুতরাং, আসুন আমরা আমাদের সেই অনিবার্য এবং অসম্ভব কাজের পেছনে অবিরাম শ্রম দিয়ে যাই—যা হলো প্রতি সপ্তাহে 'ইতিহাসের এমন একটি প্রথম অমসৃণ খসড়া' সরবরাহ করা, যা আসলে কখনোই সম্পন্ন হবে না; কারণ এই জগতকে আমরা কখনোই পুরোপুরি অনুধাবন করতে পারব না। :* যদিও এই ভাষণটি উক্তিটিকে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় করেছিল, তবে এর আগেও গ্রাহাম নিজে এবং অন্য অনেকে (উপরে উল্লিখিত) একই ধরণের বক্তব্য প্রদান করেছিলেন: :: সংবাদমাধ্যমের এই অপরিহার্য ক্ষিপ্রতা বা তাড়াহুড়ো অনিবার্যভাবেই এক ধরণের অগভীরতাকে সঙ্গী করে আনে। পরম গভীরতা অর্জন করা না আমাদের ক্ষমতার মধ্যে আছে, আর না তা আমাদের অধিকারভুক্ত। আমরা বছরের ৩৬৫ দিন জুড়েই 'ইতিহাসের প্রথম অমসৃণ খসড়া' লিখে চলি, এবং এটি সত্যিই এক অত্যন্ত মহৎ ও বিশাল দায়িত্ব। ::* আমেরিকান সোসাইটি ফর পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন-এ প্রদত্ত ভাষণ (৮ মার্চ ১৯৫৩); “[http://www.jstor.org/stable/972460 পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড দ্য প্রেস]”-এ প্রকাশিত, ফিলিপ এল. গ্রাহাম, ''পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন রিভিউ'', ভলিউম ১৩, সংখ্যা ২ (বসন্ত, ১৯৫৩), পৃ. ৮৭-৮৮। :* এছাড়াও আরও নানা ধরণের ভুল আরোপ বা অ্যাট্রিবিউশন বিদ্যমান—'''''হেলেন থমাস''''' তাঁর স্মৃতিকথা 'ফার্স্ট রো অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস'-এ উক্তিটিকে ভুলবশত '''''বেন ব্র্যাডলি'''''-এর নামে চালিয়ে দিয়েছেন। ** '''''হেলেন থমাস''''', ''ফ্রন্ট রো অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস: মাই লাইফ অ্যান্ড টাইমস'' (২০০০), সাইমন অ্যান্ড শুস্টার, পৃ. ৩৮৩, ISBN 0684845687। == আরও দেখুন == * [[:w:বিকল্প ধারার গণমাধ্যম|বিকল্প ধারার গণমাধ্যম]] * [[:w:অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা|অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা]] * [[:w:সংবাদ|সংবাদ]] * [[:w:সংবাদপত্র|সংবাদপত্র]] * [[:w:মূলধারার গণমাধ্যম|মূলধারার গণমাধ্যম]] * [[:w:গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্ব|গণমাধ্যমের পক্ষপাতিত্ব]] == বহিঃসংযোগ == {{similarlinks}} * [https://www.fourthestate.org/journalism-quotes/ ফোর্থ এস্টেট-এ সাংবাদিকতা বিষয়ক উল্লেখযোগ্য উদ্ধৃতিসমূহ] [[বিভাগ:সাংবাদিকতা| ]] [[বিষয়শ্রেণী:সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:সাংবাদিকতা]] hoi6ct99ky2ignynfxygcb14pzq19ea ফেলুদা 0 12745 78640 78348 2026-04-19T17:01:43Z Mehedi Abedin 50 78640 wikitext text/x-wiki [[w:ফেলুদা|প্রদোষচন্দ্র মিত্র]] ওরফে '''ফেলুদা''' [[সত্যজিৎ রায়]] সৃষ্ট বাংলা সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় কাল্পনিক গোয়েন্দা চরিত্র। ১৯৬৫ সালের ডিসেম্বর মাসের সন্দেশ পত্রিকায় ফেলুদা সিরিজের প্রথম গল্প ফেলুদার গোয়েন্দাগিরির প্রথমভাগ প্রকাশিত হয়, যা পরের আরো দুইটি সংখ্যার মাধ্যমে শেষ হয়। ১৯৬৫ থেকে ১৯৯৭ পর্যন্ত এই সিরিজের মোট ৩৫টি সম্পূর্ণ ও চারটি অসম্পূর্ণ গল্প ও উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে। == উক্তি == * “ইন্ডিয়ানদের আঙুল ইরোপিয়ানদের চেয়ে অনেক বেশি ফ্লেক্সিবল। তাই হাত সাফাইয়ের খেলাগুলো আমাদের পক্ষে রপ্ত করা অনেক সহজ।” ** বাদশাহী আংটি, ফেলুদা সমগ্র ১, পৃষ্ঠা ২৩। * “একজন গোয়েন্দার পক্ষে জেনারেল নলেজ জিনিসটা ভীষণ দরকারি; কখন যে কোন জ্ঞানটা কাজে লেগে যায়, তা বলা যায় না।” ** গ্যাংটকে গন্ডগোল, ফেলুদা সমগ্র ১, পৃষ্ঠা ১১৯। * “মানুষের মনের ব্যাপারটাও জিয়োমেট্রির সাহায্যে বোঝানো যায়। সাদাসিদে মানুষের মন স্ট্রেট লাইনে চলে; প্যাঁচালো মন সাপের মতো একেবেঁকে চলে, আবার পাগলের মন যে কখন কোন দিকে চলবে তা কেউ বলতে পারে না-একেবারে জটিল জিয়োমেট্রি।” ** সোনার কেল্লা, ফেলুদা সমগ্র ১, পৃষ্ঠা ১৮২। * “একজন ক্রিমিনাল যদি আবিষ্কার করে যে আরেকজন লোকের সঙ্গে তার চেহারায় খুব মিল, তা হলে তার নিজের ক্রাইমের বোঝাটা সেই লোকের ঘাড়ে ফেলার চেষ্টাটা কি তার পক্ষে খুব অস্বাভাবিক?” ** যত কান্ড কাঠমান্ডুতে, ফেলুদা সমগ্র ২, পৃষ্ঠা ৯৩। * “হোটেলে সুইমিং পুল না থাকলে সেটা পাঁচ তারার পর্যায়ে ওঠে না; আর পাঁচের উপর রেটিং নেই।” ** হত্যাপুরী, ফেলুদা সমগ্র ২, পৃষ্ঠা ৪। == ফেলুদা সম্পর্কে উক্তি == * ‘ফেলুদাদা ও লালমোহনবাবু’ লেখাটিতে রবি ঘোষ মন্তব্য করেন ‘ফেলুদা লোকটা সত্যজিৎ রায়েরই দ্বিতীয় একটা সত্তার প্রোজেকশন, অলটার ইগো!’ ** ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬, ফেলুদাকে নিয়ে আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত একটি নিবন্ধে, [https://www.anandabazar.com/culture/book-reviews/review-of-the-book-written-on-feluda-1.540634 আনন্দবাজার পত্রিকা] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|ফেলুদা}} [[বিষয়শ্রেণী:সত্যজিৎ রায়ের রচনাবলী]] [[বিষয়শ্রেণী:কাল্পনিক বাঙালি ব্যক্তি]] djrrjkct3q9dr3mwij955pibcmwfmkn হাফিজ উদ্দিন আহমদ 0 12758 78739 78302 2026-04-20T02:57:21Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ]] যোগ 78739 wikitext text/x-wiki {{bw|হাফিজ উদ্দিন আহমদ}} (জন্ম ২৯ অক্টোবর ১৯৪৪) হলেন একজন বাংলাদেশী সামরিক ব্যক্তিত্ব, রাজনীতিবিদ, ফুটবলার, ও [[মুক্তিযোদ্ধা]]। বর্তমানে তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি তারেক রহমান সরকারের মন্ত্রী এবং খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ভোলা-৩ আসন থেকে তিনি পরপর ৬ বার সহ ৭ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ==উক্তি== * এমন কোনো লোভ ছিল না, যেটা [[শেখ হাসিনা]] আমাকে দেখাননি। আমি যদি তার কথা শুনতাম, তাহলে তারপরেই আমার অবস্থান হতো। ** ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ভোলার সার্কিট হাউসে জেলার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক [https://bdtoday.net/news/national/107361 মতবিনিময় সভায়] বলেছেন * দেশের মানুষ পিআর বোঝে না, আর সেটি চায়ও না। এ দেশের মুক্তিকামী মানুষ গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। তারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোট দিতে চায়। ** ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার খাসের হাট এলাকায় শম্ভুপুর ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত [https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/2pcwpevwhy জনসভায় ]বলেছেন, ১৬ অক্টোবর ২০২৫ * [[বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ|মুক্তিযুদ্ধই]] বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রের জন্মের মূল ভিত্তি। মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্যান্য আন্দোলন-সংগ্রামকে এক করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। ** ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সভাপতির [https://rtvonline.com/national/370351 বক্তব্যে] বলছেন,২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬,আরটিভি * [[বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী|জামায়াতে ইসলামী]] ভদ্র দল, সংসদে তারা খুবই ডিসিপ্লিন্ড, সবার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করে। ** ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক [https://www.ittefaq.com.bd/784802/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%AD%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0-%E0%A6%A6%E0%A6%B2-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A6%A6%E0%A7%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%AC-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে] বলছেন, ১৮ এপ্রিল ২০২৬,ইত্তেফাক * গণতন্ত্র ছাড়া বাংলাদেশের মুক্তি বা সমৃদ্ধি সম্ভব নয়। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জন করা সম্ভব। ** বরিশাল সার্কিট হাউসে [https://www.jugantor.com/national/1089747 সাংবাদিকদের] প্রশ্নের জবাবে বলেছেন। ১৬ এপ্রিল ২০২৬, যুগান্তর == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ]] qe4x7922wsf09mx7n465l0vwl0c79ii কবরী 0 12775 78741 78303 2026-04-20T02:58:48Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের অভিনয়শিল্পী]] যোগ 78741 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Sarah Begum Kabori Receives Lifetime Achievement Award National Film Awards Dhaka 2015-04-04 (PID-0060031) (cropped).jpg|thumb|]] '''[[w:কবরী|সারাহ বেগম কবরী]]''' ১৯ জুলাই ১৯৫০―১৭ এপ্রিল ২০২১) একজন [[বাংলাদেশী]] অভিনেত্রী, চলচ্চিত্র পরিচালক ও রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি বিংশ শতাব্দীর ষাট ও সত্তরের দশকের বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় চলচ্চিত্রের নায়িকা ছিলেন। তিনি একটি অভিনয় ও আজীবন সম্মাননাসহ দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ছয়টি বাচসাস পুরস্কার এবং মেরিল-প্রথম আলো আজীবন সম্মাননা পুরস্কার অর্জন করেছেন। ==উক্তি== * মাঝেমধ্যে আমার কী মনে হয় জানেন, অনেকেই সৎ নন। আপনার আমাকে প্রয়োজন। এর মধ্যে তো ছলচাতুরীর দরকার নেই। মানুষ যখন সততার সঙ্গে সবকিছু করে, জীবন তখন সহজ হয়ে যায়। অনেকের মধ্যে এই সততারই বড় অভাব। ** "আপনার আত্মস্মৃতি পড়ে, আপনার সঙ্গে কথা বলে মনে হলো, আপনার মধ্যে একজন ভালো বন্ধু, মমতা বা ভালোবাসা পাওয়ার আকুতি রয়ে গেছে। আপনি সেটা কেন পেলেন না? পরিবেশ বা ব্যক্তিজীবনে পরিস্থিতি অনুকূল ছিল না?" এই প্রশ্নের উত্তরে ২০১৯ সালের ৬ মে আলাপনে প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানের [https://www.prothomalo.com/entertainment/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B7-2 এই সাক্ষাৎকারে] বলেছেন। ==কবরী সম্পর্কে উক্তি == * চলচ্চিত্রে সবসময়ই জুটি একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু কবরী ছিলেন আমার কাছে আরো বিশেষ কিছু। তিনি দারুণ একজন অভিনেত্রী। তারমতো অভিনেত্রী খুব বেশি আসেনি গো ইন্ডাস্ট্রিতে। তোমরা তাকে সম্মান দিও। তার জন্য দোয়া করো। ** [[রাজ্জাক|নায়করাজ]] ৭৬তম জন্মদিনের প্রারম্ভে ২২ জানুয়ারি গুলশানে নিজের বাসভবন ‘রাজলক্ষী’তে বসে সাংবাদিকদের সঙ্গে [https://www.jagonews24.com/m/entertainment/news/198814 এই আলাপের ছলে] বলেছেন। * কবরীর দুটি দিক। প্রথমত, তিনি একজন অসাধারণ অভিনেত্রী আর দ্বিতীয়ত, অসাধারণ একজন মানুষ। অভিনেত্রী কবরী সম্পর্কে বলা আমার ধৃষ্টতার মধ্যে পড়ে। তিনি যতটা বড় মাপের অভিনয়শিল্পী, ওটার আশপাশেও আমরা নেই। তাই তাঁর অভিনয় নিয়ে কথা বলার ধৃষ্টতা দেখাব না কোনো দিনই। তবে এটা বলতে দ্বিধা নেই, মানুষ হিসেবে অসাধারণ একজন মানুষ ছিলেন। স্পষ্টভাষী মানুষ ছিলেন, স্পষ্ট কথা বলতে একপা পেছাতেন না। ** [[আলমগীর (অভিনেতা)|আলমগীর]] কবরীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে। [https://www.prothomalo.com/entertainment/dhallywood/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%AA%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%AE%E0%A6%97%E0%A7%80%E0%A6%B0 এই সাক্ষাৎকারে] বলেছেন। প্রথম আলো, ১৭ এপ্রিল ২০২২ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫০-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২১-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশের অভিনয়শিল্পী]] f09plsb95fso5t3ife5ap2rfjmylmfn সি. এ. আর. হোর 0 12792 78705 78273 2026-04-20T01:12:04Z Sumanta3023 4175 78705 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Sir Tony Hoare IMG 5125.jpg|thumb|সি. এ. আর. হোর, ২০১১।]] '''[[w:চার্লস অ্যান্টনি রিচার্ড হোর|চার্লস অ্যান্টনি রিচার্ড হোর]]''' ('''টনি হোর''' বা '''সি.এ.আর. হোর''', ১১ জানুয়ারি ১৯৩৪ – ৫ মার্চ ২০২৬) একজন ব্রিটিশ কম্পিউটার বিজ্ঞানী এবং ১৯৮০ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বিজয়ী ছিলেন। তিনি প্রোগ্রামিং ভাষার সংজ্ঞা ও নকশায় তাঁর মৌলিক অবদান এবং বিশ্বের সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত [[w:সর্টিং অ্যালগরিদম|সর্টিং অ্যালগরিদম]] [[w:কুইকসর্ট|কুইকসর্ট]] উদ্ভাবনের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত। == উক্তি == * ''[[w:অ্যালগোল ৬০|অ্যালগোল ৬০]] সম্পর্কে'' এটি এমন একটি ভাষা যা তার সময়ের তুলনায় এতটাই এগিয়ে ছিল যে, এটি কেবল তার পূর্বসূরিদের থেকেই উন্নত ছিল না, বরং তার প্রায় সমস্ত উত্তরসূরিদের চেয়েও শ্রেষ্ঠ ছিল। ** [http://i.stanford.edu/pub/cstr/reports/cs/tr/73/403/CS-TR-73-403.pdf প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ডিজাইনের ওপর কিছু ইঙ্গিত], ডিসেম্বর ১৯৭৩। * সামগ্রিকভাবে প্রোগ্রামিং ভাষাগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি জটিল হয়ে পড়েছে: অবজেক্ট ওরিয়েন্টেশন, ইনহেরিটেন্স এবং অন্যান্য বৈশিষ্ট্যগুলোকে এখনও একটি সুসংগত ও বৈজ্ঞানিকভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত শাখা অথবা সঠিকতার তত্ত্বের দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয়নি। আমার আদি স্বতঃসিদ্ধ, যা আমি একজন বিজ্ঞানী হিসেবে সারা জীবন অনুসরণ করে আসছি, তা হলো সঠিকতার মানদণ্ডকে একটি মার্জিত প্রোগ্রামিং ভাষা তৈরির মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা; এমন একটি ভাষা যা এর ব্যবহারকারীদের জন্য কোনো ফাঁদ তৈরি করবে না এবং যেখানে প্রোগ্রামের বিভিন্ন উপাদানগুলো তার স্পেসিফিকেশনের বিভিন্ন উপাদানের সাথে স্পষ্টভাবে মিলে যাবে, যাতে আপনি এটি সম্পর্কে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।কম্পাইলারসহ অন্যান্য সরঞ্জামগুলোকে একটি সঠিক প্রোগ্রাম লেখার অর্থ কী তার কোনো তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হতে হবে। ** ১৭ জুলাই ২০০২ তারিখে ইংল্যান্ডের ক্যামব্রিজে ফিলিপ এল. ফ্রানা কর্তৃক গৃহীত [http://hdl.handle.net/11299/107362 মৌখিক ইতিহাস সাক্ষাৎকার]; চার্লস ব্যাবেজ ইনস্টিটিউট, মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়। * "'''টেস্ট বা পরীক্ষার আসল মূল্য এটি নয় যে তারা কোডের ভেতরের বাগ শনাক্ত করে, বরং এটি যে তারা কোডটির নকশা ও উৎপাদনকারীদের পদ্ধতি, একাগ্রতা এবং দক্ষতার অপূর্ণতাগুলো শনাক্ত করে'''।" ** প্রমাণ ছাড়াই সফটওয়্যার কীভাবে এত নির্ভরযোগ্য হলো? লেকচার নোটস ইন কম্পিউটার সায়েন্স ভলিউম ১০৫১, ১৯৯৬, পৃষ্ঠা ১-১৭ : এফএমই '৯৬: ইন্ডাস্ট্রিয়াল বেনিফিট অ্যান্ড অ্যাডভান্সেস ইন ফরমাল মেথডস, থার্ড ইন্টারন্যাশনাল সিম্পোজিয়াম অফ ফরমাল মেথডস ইউরোপ, অক্সফোর্ড, যুক্তরাজ্য, ১৮-২২ মার্চ ১৯৯৬, কার্যবিবরণী। * "'''একটি প্রোগ্রামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এটি তার ব্যবহারকারীর উদ্দেশ্য পূরণ করে কি না।'''" ** [http://sunnyday.mit.edu/16.355/Hoare-CACM-69.pdf কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের একটি স্বতঃসিদ্ধ ভিত্তি], ভলিউম ১২, সংখ্যা ১০, কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম, অক্টোবর ১৯৬৯। === সম্রাটের পুরোনো পোশাক === ১৯৮০ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] [http://dl.acm.org/citation.cfm?id=358561 বক্তৃতা]; ''[[w:কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম|কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম]]'' '''২৪''' (২), (ফেব্রুয়ারি ১৯৮১): পৃষ্ঠা ৭৫-৮৩। * '''একটি সফটওয়্যার নকশা তৈরির দুটি উপায় আছে: একটি হলো এটিকে এত সহজ করা যে সেখানে 'স্পষ্টতই' কোনো ত্রুটি নেই; আর অন্য উপায়টি হলো এটিকে এত জটিল করা যে সেখানে কোনো 'স্পষ্ট' ত্রুটি নেই। প্রথম পদ্ধতিটি অনেক বেশি কঠিন।''' এটি প্রকৃতির জটিল প্রপঞ্চগুলোর মূলে থাকা সাধারণ ভৌত সূত্রগুলো আবিষ্কার করার মতো সমপরিমাণ দক্ষতা, নিষ্ঠা, অন্তর্দৃষ্টি এবং এমনকি অনুপ্রেরণা দাবি করে। * ''[[w:ফোরট্রান|ফোরট্রান]] সম্পর্কে'' ১১ অক্টোবর ১৯৬৩ তারিখে আমার পরামর্শ ছিল আমাদের গ্রাহকদের একটি অনুরোধ মেনে নেওয়া অর্থাৎ অ্যালগোল ৬০ এর ভেরিয়েবল নাম ঘোষণার বাধ্যতামূলক নিয়ম শিথিল করে ফোরট্রানের মতো কিছু যুক্তিসঙ্গত ডিফল্ট কনভেনশন গ্রহণ করা। ফোরট্রানে ভেরিয়েবল ঘোষণা বাধ্যতামূলক না হওয়ার কারণে শুক্র গ্রহে পাঠানো [[w:মেরিনার কর্মসূচি#মেরিনার ১ ও ২|মেরিনার মহাকাশ রকেট]] হারিয়ে যাওয়ার গল্পটি তখনও প্রকাশিত হয়নি। * ''[[w:অ্যালগোল ৬০|অ্যালগোল ৬০]] সম্পর্কে'' অ্যালগোল ৬০ এর নকশাকারীদের মেধার যথাযথ স্বীকৃতি দিতেই হবে, কারণ তাঁরা তাঁদের ভাষায় রিকার্শন অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন এবং এর ফলেই আমি আমার আবিষ্কারকে ''[[w:কুইকসর্ট|কুইকসর্ট]]'' বিশ্বের কাছে এত চমৎকারভাবে বর্ণনা করতে পেরেছি। * ''[[w:অ্যালগোল ৬০|অ্যালগোল ৬০]] সাবসেট বাস্তবায়ন সম্পর্কে'' প্রতিটি সাবস্ক্রিপ্টেড ভেরিয়েবলের প্রতিটি সাবস্ক্রিপ্ট প্রতিবার ব্যবহারের সময় রান টাইমে অ্যারের ঘোষিত উচ্চ ও নিম্ন উভয় সীমার বিপরীতে পরীক্ষা করা হতো। অনেক বছর পরে আমরা আমাদের গ্রাহকদের জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে প্রোডাকশন রানের সময় কার্যক্ষমতা বা গতি বাড়ানোর জন্য তারা এই পরীক্ষাগুলো বন্ধ করার কোনো অপশন চায় কি না। সর্বসম্মতভাবে তারা আমাদের তা না করতে অনুরোধ করেছিল তারা জানত প্রোডাকশন রানে কত ঘন ঘন সাবস্ক্রিপ্ট ত্রুটি ঘটে, যেখানে সেগুলো শনাক্ত করতে ব্যর্থ হওয়াটা বিপর্যয়কর হতে পারে। আমি ভয় এবং আতঙ্কের সাথে লক্ষ্য করছি যে ১৯৮০ সালেও ভাষা নকশাকারী এবং ব্যবহারকারীরা এই শিক্ষা গ্রহণ করেনি। '''প্রকৌশলবিদ্যার যেকোনো সম্মানজনক শাখায় এই ধরণের প্রাথমিক সতর্কতা পালনে ব্যর্থ হওয়াটা দীর্ঘকাল ধরে আইনের পরিপন্থী হিসেবে গণ্য হতো'''। * ''[[w:অ্যালগোল ডব্লিউ|অ্যালগোল ডব্লিউ]] সম্পর্কে'' এটি কেবল অ্যালগোল ৬০ এর যোগ্য উত্তরসূরিই ছিল না, এটি এমনকি [[প্যাসকেল (প্রোগ্রামিং ভাষা)|প্যাসকেলের]] একটি যোগ্য পূর্বসূরিও ছিল আমি অবাক হয়েছিলাম যখন বিশ্বের সেরা আন্তর্জাতিক প্রোগ্রামিং ভাষা বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত ওয়ার্কিং গ্রুপটি আমাদের তৈরি করা খসড়াটি সরিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং এমন একটি প্রস্তাব গ্রহণ করেছিল যার আকর্ষণ ছিল খুবই সামান্য। * ''[[w:অ্যালগোল ৬৮|অ্যালগোল ৬৮]] সম্পর্কে'' আমাদের পক্ষে করা সেরা কাজটি ছিল এর সাথে একটি 'সংখ্যালঘু প্রতিবেদন' পাঠানো, যেখানে আমাদের সুচিন্তিত মতামত ছিল যে, "জটিল সব প্রোগ্রাম নির্ভরযোগ্যভাবে তৈরির হাতিয়ার হিসেবে এই ভাষাটি একটি ব্যর্থতা ছিল।" * ''[[w:পিএল/আই|পিএল/আই]] সম্পর্কে'' প্রথমে আমি আশা করেছিলাম যে এমন একটি কারিগরিভাবে ত্রুটিপূর্ণ প্রজেক্ট ধসে পড়বে, কিন্তু শীঘ্রই আমি বুঝতে পারলাম এটি সফল হওয়ার জন্য অভিশপ্ত। যথেষ্ট সংকল্প থাকলে সফটওয়্যারের যেকোনো কিছুই বাস্তবায়ন করা, বিক্রি করা এবং এমনকি ব্যবহার করাও সম্ভব। '''একশ মিলিয়ন ডলারের প্লাবনের বিরুদ্ধে একজন সাধারণ বিজ্ঞানীর বলার কিছুই নেই। কিন্তু একটি গুণ আছে যা এইভাবে কেনা যায় না আর তা হলো নির্ভরযোগ্যতা। আর এই নির্ভরযোগ্যতার মূল্য হলো চরম সরলতার অন্বেষণ। এটি এমন এক মূল্য যা অতি ধনীরা পরিশোধ করা সবচেয়ে কঠিন বলে মনে করেন।''' * ''[[প্যাসকেল (প্রোগ্রামিং ভাষা)|প্যাসকেল]] সম্পর্কে'' প্যাসকেলের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো এতে অপ্রয়োজনীয় বৈশিষ্ট্য খুব কম এবং সাবসেট বা উপ বিভাগের প্রায় কোনো প্রয়োজন নেই। এই কারণেই ভাষাটি বিশেষায়িত এক্সটেনশনগুলোকে সমর্থন করার মতো শক্তিশালী যেমন রিয়েল টাইম কাজের জন্য কনকারেন্ট প্যাসকেল , ডিসক্রিট ইভেন্ট সিমুলেশনের জন্য প্যাসকেল প্লাস , মাইক্রোপ্রসেসর ওয়ার্ক স্টেশনের জন্য ইউসিএসডি প্যাসকেল । * ''[[অ্যাডা (প্রোগ্রামিং ভাষা)|অ্যাডা]] সম্পর্কে'' এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে থাকা কোনো প্রমাণই এই আত্মবিশ্বাস জাগাতে পারে না যে এই ভাষাটি অতীতের অন্যান্য জটিল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রজেক্টগুলোর সমস্যাগুলো এড়াতে পেরেছে। এখনও খুব বেশি দেরি হয়ে যায়নি! আমি বিশ্বাস করি যে অ্যাডা ল্যাঙ্গুয়েজটি সাবধানে ছাঁটাই করার মাধ্যমে এখনও একটি অত্যন্ত শক্তিশালী সাবসেট নির্বাচন করা সম্ভব যা বাস্তবায়নে নির্ভরযোগ্য ও দক্ষ এবং ব্যবহারে নিরাপদ ও সাশ্রয়ী হবে। * আমি আমার ব্যর্থতা থেকে যা শিখেছি তা কোনো বৈজ্ঞানিক নিবন্ধের শীতল মুদ্রণে কখনোই পুরোপুরি প্রকাশ করা সম্ভব নয়। ব্যর্থতাগুলো পরে শুনতে অনেক বেশি মজার মনে হয়; কিন্তু ঘটার সময়ে সেগুলো মোটেই মজার ছিল না। * আমি ভালো ধারণাগুলোকে চমৎকারভাবে প্রকাশ করতে সক্ষম হওয়াকেই প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ডিজাইনের সর্বোচ্চ লক্ষ্য হিসেবে গণ্য করেছি। * এক সুন্দর সকালে, যখন সম্রাট গরম এবং একঘেয়েমি অনুভব করলেন, তিনি সাবধানে কাপড়ের পাহাড়ের নিচ থেকে নিজেকে বের করে আনলেন এবং এখন অন্য একটি গল্পে শুকরপালক হিসেবে সুখে বসবাস করছেন। দর্জিকে সমস্ত পরামর্শদাতাদের প্রধান সন্ত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, কারণ তিনি বিশাল অঙ্কের ফি নেওয়া সত্ত্বেও তাঁর মক্কেলদের এই উদীয়মান উপলব্ধিতে বিশ্বাস করাতে পারেননি যে তাঁদের পোশাকে কোনো সম্রাট নেই। ==আরোপিত== * অকাল অপ্টিমাইজেশন হলো সকল মন্দের মূল। ** উদ্ধৃতিটি মূলত [[ডোনাল্ড নুথ|ডোনাল্ড নুথের]], [http://pplab.snu.ac.kr/courses/adv_pl05/papers/p261-knuth.pdf "গোটু স্টেটমেন্টসহ স্ট্রাকচারড প্রোগ্রামিং"], ''কম্পিউটিং সার্ভেস'' '''৬''':৪ (ডিসেম্বর ১৯৭৪), পৃষ্ঠা ২৬১-৩০১, §১। নুথ ১৫ বছর পর "দ্য এররস অফ টেক", ''সফটওয়্যার প্র্যাকটিস অ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স'' '''১৯''':৭ (জুলাই ১৯৮৯), পৃষ্ঠা ৬০৭-৬৮৫ এ এটিকে "হোরের নীতি" হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে, হোরের প্রতি এই আরোপটি সন্দেহজনক।[http://shreevatsa.wordpress.com/2008/05/16/premature-optimization-is-the-root-of-all-evil/] ==বহিঃসংযোগ== {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:হোর, সি. এ. আর.}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৬-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:রয়্যাল সোসাইটির ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] pi2qaw2cbwqunfwggohb4q1igtywaai কাজী হায়াৎ 0 12816 78698 78341 2026-04-20T01:02:57Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 [[উইকিউক্তি:ত্বরিতোক্তি|ত্বরিতোক্তি]] ব্যবহার করে 1টি উক্তি যোগ করা হয়েছে 78698 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:2024-05-11 Kazi Hayat (PID-0008616) (cropped).jpg|thumb|]] [[w:কাজী হায়াৎ|কাজী হায়াৎ]] (জন্ম ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৭) একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার এবং অভিনেতা। তিনি ১৯৭৪ সালে পরিচালক মমতাজ আলীর সাথে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন এবং ১৯৭৬-১৯৭৭ মৌসুমে চলচ্চিত্রকার [[আলমগীর কবির|আলমগীর কবিরের]] সাথে [[সীমানা পেরিয়ে]] ছবিতেও সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন। ১৯৭৯ সালে ''[[দি ফাদার]]'' ছবিটি পরিচালনার মধ্যে দিয়ে পূর্ণ-পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তিনি তার বেশিরভাগ ছবিতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সমসাময়িক জনদুর্ভোগের চিত্র ফুঁটিয়ে তোলেন। ==উক্তি== * ছবিটি নিয়ে যারা সমালচনা করছেন তারা স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি। তাদের সমালোচনার মূল কারণ ছবিটির নাম ‘জয় বাংলা’ এবং বিষয়বস্তু মুক্তিযুদ্ধ। ১৯৭১ সালে যে চক্রটি আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছিল ‘জয় বাংলা’ শব্দটিতে মুক্তিযুদ্ধে তাদের গাত্রদাহ হয়। আজও তারা আমাদের স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারেন না। তারাই আমার চলচ্চিত্রটি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করছেন। কারণ সিনেমাটি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত হয়েছে। আফসোসের সঙ্গে বলতে হয়, এ দেশে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্রেরও শো বন্ধ থেকেছে দর্শক ক্ষরায়। ** ঢাকা মেইলের সঙ্গে কথা বলার সময় জানিয়েছেন, ‘জয় বাংলা’ সিনেমার সমালোচকরা [https://dhakamail.com/entertainment/56929 এই উদ্দেশে] বলেছেন। * ছবিটি নির্মাণ করতে গিয়ে অনেকের সঙ্গে রাগারাগি করেছি, দুঃখ দিয়েছি। হয়তো এটাই আমার শেষ ছবি। হয়তো এখানেই সমাপ্তি। হয়তো আর কখনো ক্যামেরার পেছনে দাঁড়িয়ে অ্যাকশন-কাট বলব না। ** বীর’ পরিচালনার পর চলচ্চিত্র ছবিটি মুক্তির আগেব রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা [https://bangla.bdnews24.com/glitz/article1723571.bdnews অনুষ্ঠানে বলেছেন ==কাজী হায়াৎ সম্পর্কে উক্তি== * নির্মাতা কাজী হায়াতের কথা আমাকে অনেক অনুপ্রাণিত করেছে। আমার ছবিতে বরেণ্য নির্মাতা কাজী হায়াত্ অভিনয় করেছেন। তার অভিনয়সত্তার চেয়েও বড় পরিচালক সত্তা। সেই মানুষটি আমাদের সেটে এসে চমকে গেলেন। বললেন,‘ কীভাবে তুমি এই মরা ইন্ডাস্ট্রিকে আবার সচল করে দিলে!’ এরচেয়ে বড় উত্সাহ আর কী হতে পারে! ** "কার এপ্রিশিয়েশন আপনাকে খুব অনুপ্রেরণা দিলো?" এই প্রশ্নের উত্তরে [https://www.ittefaq.com.bd/674570/%E2%80%98%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%80-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%95-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%A4 এই সাক্ষাৎকারে] বলেছেন।১৯ জানুয়ারি ২০২৪ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] 4n4o0k26mvqye5eoncc1lz6vp19km8q 78699 78698 2026-04-20T01:04:10Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 78699 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:2024-05-11 Kazi Hayat (PID-0008616) (cropped).jpg|thumb|]] [[w:কাজী হায়াৎ|কাজী হায়াৎ]] (জন্ম ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৭) একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার এবং অভিনেতা। তিনি ১৯৭৪ সালে পরিচালক মমতাজ আলীর সাথে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন এবং ১৯৭৬-১৯৭৭ মৌসুমে চলচ্চিত্রকার [[আলমগীর কবির|আলমগীর কবিরের]] সাথে [[সীমানা পেরিয়ে]] ছবিতেও সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন। ১৯৭৯ সালে ''[[দি ফাদার]]'' ছবিটি পরিচালনার মধ্যে দিয়ে পূর্ণ-পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তিনি তার বেশিরভাগ ছবিতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সমসাময়িক জনদুর্ভোগের চিত্র ফুঁটিয়ে তোলেন। ==উক্তি== * ছবিটি নিয়ে যারা সমালচনা করছেন তারা স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি। তাদের সমালোচনার মূল কারণ ছবিটির নাম ‘জয় বাংলা’ এবং বিষয়বস্তু মুক্তিযুদ্ধ। ১৯৭১ সালে যে চক্রটি আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছিল ‘জয় বাংলা’ শব্দটিতে মুক্তিযুদ্ধে তাদের গাত্রদাহ হয়। আজও তারা আমাদের স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারেন না। তারাই আমার চলচ্চিত্রটি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করছেন। কারণ সিনেমাটি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত হয়েছে। আফসোসের সঙ্গে বলতে হয়, এ দেশে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্রেরও শো বন্ধ থেকেছে দর্শক ক্ষরায়। ** ঢাকা মেইলের সঙ্গে কথা বলার সময় জানিয়েছেন, ‘জয় বাংলা’ সিনেমার সমালোচকরা [https://dhakamail.com/entertainment/56929 এই উদ্দেশে] বলেছেন। * ছবিটি নির্মাণ করতে গিয়ে অনেকের সঙ্গে রাগারাগি করেছি, দুঃখ দিয়েছি। হয়তো এটাই আমার শেষ ছবি। হয়তো এখানেই সমাপ্তি। হয়তো আর কখনো ক্যামেরার পেছনে দাঁড়িয়ে অ্যাকশন-কাট বলব না। ** বীর’ পরিচালনার পর চলচ্চিত্র ছবিটি মুক্তির আগেব রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা [https://bangla.bdnews24.com/glitz/article1723571.bdnews অনুষ্ঠানে] বলেছেন, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ==কাজী হায়াৎ সম্পর্কে উক্তি== * নির্মাতা কাজী হায়াতের কথা আমাকে অনেক অনুপ্রাণিত করেছে। আমার ছবিতে বরেণ্য নির্মাতা কাজী হায়াত্ অভিনয় করেছেন। তার অভিনয়সত্তার চেয়েও বড় পরিচালক সত্তা। সেই মানুষটি আমাদের সেটে এসে চমকে গেলেন। বললেন,‘ কীভাবে তুমি এই মরা ইন্ডাস্ট্রিকে আবার সচল করে দিলে!’ এরচেয়ে বড় উত্সাহ আর কী হতে পারে! ** "কার এপ্রিশিয়েশন আপনাকে খুব অনুপ্রেরণা দিলো?" এই প্রশ্নের উত্তরে [https://www.ittefaq.com.bd/674570/%E2%80%98%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%80-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%95-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%A4 এই সাক্ষাৎকারে] বলেছেন।১৯ জানুয়ারি ২০২৪ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] i7osyr97g189mbrwkwe4bbmlhvjhbm5 78900 78699 2026-04-20T11:55:34Z ARI 356 78900 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:2024-05-11 Kazi Hayat (PID-0008616) (cropped).jpg|thumb|]] [[w:কাজী হায়াৎ|কাজী হায়াৎ]] (জন্ম ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৭) একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার এবং অভিনেতা। তিনি ১৯৭৪ সালে পরিচালক মমতাজ আলীর সাথে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন এবং ১৯৭৬-১৯৭৭ মৌসুমে চলচ্চিত্রকার [[আলমগীর কবির|আলমগীর কবিরের]] সাথে [[সীমানা পেরিয়ে]] ছবিতেও সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন। ১৯৭৯ সালে ''[[দি ফাদার]]'' ছবিটি পরিচালনার মধ্যে দিয়ে পূর্ণ-পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তিনি তার বেশিরভাগ ছবিতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সমসাময়িক জনদুর্ভোগের চিত্র ফুঁটিয়ে তোলেন। ==উক্তি== * ছবিটি নিয়ে যারা সমালচনা করছেন তারা স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি। তাদের সমালোচনার মূল কারণ ছবিটির নাম ‘জয় বাংলা’ এবং বিষয়বস্তু মুক্তিযুদ্ধ। ১৯৭১ সালে যে চক্রটি আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছিল ‘জয় বাংলা’ শব্দটিতে মুক্তিযুদ্ধে তাদের গাত্রদাহ হয়। আজও তারা আমাদের স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারেন না। তারাই আমার চলচ্চিত্রটি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করছেন। কারণ সিনেমাটি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত হয়েছে। আফসোসের সঙ্গে বলতে হয়, এ দেশে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্রেরও শো বন্ধ থেকেছে দর্শক ক্ষরায়। ** ঢাকা মেইলের সঙ্গে কথা বলার সময় জানিয়েছেন, ''জয় বাংলা'' সিনেমার সমালোচকরা [https://dhakamail.com/entertainment/56929 এই উদ্দেশে] বলেছেন। * ছবিটি নির্মাণ করতে গিয়ে অনেকের সঙ্গে রাগারাগি করেছি, দুঃখ দিয়েছি। হয়তো এটাই আমার শেষ ছবি। হয়তো এখানেই সমাপ্তি। হয়তো আর কখনো ক্যামেরার পেছনে দাঁড়িয়ে অ্যাকশন-কাট বলব না। ** বীর’ পরিচালনার পর চলচ্চিত্র ছবিটি মুক্তির আগেব রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা [https://bangla.bdnews24.com/glitz/article1723571.bdnews অনুষ্ঠানে] বলেছেন, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ==কাজী হায়াৎ সম্পর্কে উক্তি== * নির্মাতা কাজী হায়াতের কথা আমাকে অনেক অনুপ্রাণিত করেছে। আমার ছবিতে বরেণ্য নির্মাতা কাজী হায়াত্ অভিনয় করেছেন। তার অভিনয়সত্তার চেয়েও বড় পরিচালক সত্তা। সেই মানুষটি আমাদের সেটে এসে চমকে গেলেন। বললেন,‘ কীভাবে তুমি এই মরা ইন্ডাস্ট্রিকে আবার সচল করে দিলে!’ এরচেয়ে বড় উত্সাহ আর কী হতে পারে! ** "কার এপ্রিশিয়েশন আপনাকে খুব অনুপ্রেরণা দিলো?" এই প্রশ্নের উত্তরে [https://www.ittefaq.com.bd/674570/%E2%80%98%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%80-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%95-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%A4 এই সাক্ষাৎকারে] বলেছেন।১৯ জানুয়ারি ২০২৪ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] fsfbuaoewk0tddff5qgyhpfpxsrn2en অরুণ শৌরি 0 12835 78623 78386 2026-04-19T15:10:32Z ARI 356 অনুবাদ 78623 wikitext text/x-wiki [[File:Arun Shourie addressing the Plenary Session on "Diaspora Youth and India - Blueprint for Engagement" at the 2nd Pravasi Bharatiya Divas in 2004.jpg|thumb| আমি বেশ অবাক হয়েছিলাম এবং অরুণ শৌরিকে ভারতের গর্বাচেভ নাম দিয়েছিলাম। তিনি পচা স্লোগানের আবর্জনায় ভরা একটি ঘরে জানালাগুলো খুলে দিয়েছিলেন এবং এক ঝলক টাটকা বাতাস আসতে দিয়েছিলেন। ~ সীতারাম গোয়েল]] [[File:Animal artists at the Jardin des Plantes.jpg|thumb|তারা বর্তমান ভারত এবং বিশেষ করে [[হিন্দুধর্ম]]কে একটি চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছে—বিভিন্ন রকমের অসম প্রজাতির স্তূপ। তাদের মতে ‘[[ভারত]]’ বলে কিছু নেই, এটি কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ, কেবল [[যুক্তরাজ্য]]ের তৈরি একটি ধারণা; হিন্দুধর্ম বলে কিছু নেই, এটি কেবল আরবদের ব্যবহৃত একটি শব্দ যা তারা এখানে এসে বিভিন্ন ধরনের মানুষের দেখা পাওয়ার পর ব্যবহার করেছিল, এটি কেবল অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য সাম্প্রদায়িকদের একটি উদ্ভাবন, এটিই ছিল তাদের অবস্থান।]] [[File:Dalailama1 20121014 4639.jpg|thumb|আমাদের উচিত দালাই লামার উদাহরণটি সামনে রাখা। তিনি ধ্যানের ওপর একটি তিব্বতি গ্রন্থের ওপর বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি একটি বাক্য পড়লেন, হাসলেন এবং মন্তব্য করলেন, ‘সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বগুলো লজ্জাজনক! এগুলো ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত!’ তিনি পরামর্শ দেন যে আমাদের কাছে সবসময় একটি ঝুড়ি রাখা উচিত—যা কিছু আমাদের বর্তমান জ্ঞানের সাথে মেলে না, সেগুলো সেই ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া উচিত। ‘[[বৌদ্ধধর্ম]]কে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে,’ তিনি এটাই শেখান। সেই অনুযায়ী তিনি বৌদ্ধ গ্রন্থগুলোকে সূক্ষ্ম পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করেছেন। (...) এটি নিজের ঐতিহ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসকেই তুলে ধরে। এটিই হলো ঐতিহ্যের প্রকৃত সেবা। এতে থাকা ‘অমূল্য রত্ন’ [[ভবিষ্যৎ]]ের জন্য রক্ষা করার উপায় এটিই।]] [[File:Censorship in cinema.jpg|thumb|এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?]] [[File:Parental Advisory label.svg|thumb|এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি—যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?]] [[File:Censorship.svg|thumb|এই বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।]] [[File:Murales Rivera - Treppenhaus 9 Bücherverbrennung.jpg|thumb|আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে... তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা...<br> দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br> তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন।]] [[File:Eustache Le Sueur - The Preaching of St Paul at Ephesus - WGA12613.jpg|thumb|সবচেয়ে বড় অংশগুলো বাদ দিতে বলা হয়েছে ‘আওরঙ্গজেবের ধর্মীয় নীতি’ সংক্রান্ত অধ্যায় থেকে। তিনি হিন্দুদের সাথে প্রকৃতপক্ষে কী করেছিলেন, তাদের মন্দিরের কী করেছিলেন, তার শাসনের মূল উদ্দেশ্যইসলামের প্রভাব বিস্তার এই সংক্রান্ত প্রতিটি ইঙ্গিত বই থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে... '''সবকিছু ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।'''<br/>'''বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের জন্য বস্তুনিষ্ঠ ধামাচাপা। আর আজ যদি কেউ এই পাঠ্যবইগুলোতে সত্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে, তবে চিৎকার ওঠে, ‘ইতিহাসের সাম্প্রদায়িক পুনর্লিখন’।''']] [[File:Porträtgalerie des steiermärkischen Adels 043.jpg|thumb|একবার যখন তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিলেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিলেন, তখন তারাই ঠিক করতে শুরু করলেন কী পড়ানো হবে, কোন বইগুলো পাঠ্য হবে, কী প্রশ্ন করা হবে আর কোন উত্তরগুলো গ্রহণযোগ্য হবে। এভাবেই এই ঐতিহাসিকরা আসলে ইতিহাস কী ছিল তা নির্ধারণ করতে শুরু করলেন! ... এভাবেই তারা তথ্য গোপন করেন, কিছু তথ্য বানিয়ে বলেন, এমনকি কোনো লেখক একটি বিষয়ে কী বলেছেন তা ধামাচাপা দিয়ে অন্য বিষয়ে তার বলা কথাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রচার করেন। আর যখনই কেউ আসলে কী ঘটেছিল তা তুলে ধরার চেষ্টা করে, তখনই তারা সমস্বরে চিৎকার শুরু করেন: ইতিহাস নতুন করে লেখার ষড়যন্ত্র চলছে, তারা চিৎকার করেন; ইতিহাস বিকৃত করার চক্রান্ত হচ্ছে, তারা চিৎকার করেন। '''কিন্তু তারাই প্রথম থেকে ইতিহাস বিকৃত করে আসছেন সত্য গোপন করে এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে।''']] [[File:Censored stamp.jpg|thumb|আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?]] [[File:Soviet Communism Threatens Education - NARA - 5730072.jpg|thumb|পরিস্থিতি এখন এইরকম: ভারতের জনপরিসরে যারা গত অর্ধ শতাব্দী ধরে আধিপত্য বিস্তার করেছেন, নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং অন্যদের আতঙ্কিত করে রেখেছেন, তাদের হাতে এখন কোনো তথ্য বা যুক্তি অবশিষ্ট নেই। যে কেউ তাদের অভ্যন্তরীণ আলোচনাগুলো পর্যবেক্ষণ করলেই এর প্রমাণ পাবেন—তারা এখন ক্রমশ ছোট হয়ে আসা গণ্ডির মধ্যে কথা বলছেন এবং সেই ছোট গণ্ডিতেই পুরনো কিছু বুলি পুনরাবৃত্তি করছেন। সেখানে নতুন কোনো চিন্তাভাবনা বা নতুন কোনো তথ্য নেই। আর আমরা যেমনটা দেখেছি, এটি আগে থেকেই ধারণা করা যায়: তাত্ত্বিক বুলিগুলোর পুনরাবৃত্তি করাই তাদের জন্য কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং যথেষ্ট।]] [[File:Shri Arun Shourie, Member of Parliament presented his book titled “Falling Over Backward” to the Vice President, Shri Bhairon Singh Shekhawat, in New Delhi on June 3, 2006.jpg|thumb|এর ফলাফল প্রত্যাশিত হলেও তা অন্যায় এবং হাস্যকর: যদি রাম শরণ একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, তবে রাষ্ট্র এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় অনেক কিছু নির্ধারণ করে দিতে পারে যা তাকে করতে হবে; কিন্তু যদি মুহাম্মদ আসলাম রাস্তার ওপারে ঠিক একই রকম একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, যেখানে ঠিক একই বিষয় পড়ানো হয় এবং একই পাঠ্যবই ব্যবহার করা হয়, তবে রাষ্ট্র বা বিশ্ববিদ্যালয় কেউই এর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না!]] '''অরুণ শৌরি''' (জন্ম ২ নভেম্বর ১৯৪১) ভারতের একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক এবং রাজনীতিবিদ। == Quotes == ===1970s=== ====''Symptoms of Fascism'' (1978) ==== *What we are witnessing today in relation to the criminals of the Emergency is not the rule of law but the destruction of it. We are witnessing how the bourgeois rule of law is destroyed - members of the class itself destroy it for their personal aggrandizement and the bourgeoisie is unable to muster up the firmness needed to bring these blackguards to book. Today two features of our legal system are being laid bare for all to see. First, it cannot catch criminals if they are influential and well connected. Second, it cannot catch them for their principal crimes against the people and the State. *Then we have our seedy Leftists busy abusing each other. And finally we have the liberals - busy rearranging furniture on the deck of theTitanic, nay busy holding seminars about rearranging furniture on the deck of the Titanic. *To rely on these fellows to save us from the impending fascist avalanche is to rely on superannuated buffaloes to see us across a minefield. ===1980s=== ====''Religion in politics'' (1989) ==== * Thus silence retards reform. If large numbers were writing and talking about the communalism of these leaders, for instance, the reformers within these communities would not be as isolated, indeed as beleaguered as they are today. Worst of all not speaking the whole truth becomes a habit. Concealing one’s convictions, glossing over the evidence, deception, become almost an ingredient of public discourse. ===1990s=== *And yet I find in the majority judgement a fatal innocence... The judgement quotes the proclamations from the Rig, Yajur and Atharva Vedas - about all human beings being one, about their being the children of the same Mother-Earth, about the yearnings that all of use be friends. But it does not note that less than a mile from its building volumes upon volumes of [[w:fatwa|fatwas]] are being sold and distributed which exhort Muslims never to trust [[w:Kafir|Kafirs]], never to allow them into their confidence; which tell them that their first duty and allegiance is to their religion and not to sundry laws... It is not [[মহাত্মা গান্ধী]] who needs to be convinced that Ishwar and Allah ar one. It is not [[গুরু গোবিন্দ সিং]] who needs to be convinced that mandir and masjid, Puran and Quran are one. The ones who need to be convinced that they are one - say, the ulema, or the Shahi Iman... - have it as an article of faith that they are not one. **Arun Shourie in: India., & Dasgupta, S. (1995). The Ayodhya reference: The Supreme Court judgement and commentaries. p. 171-3 * "The forfeiture is exactly the sort of thing which has landed us where we are : where intellectual inquiry is shut out ; where our tradition are not examined and reassessed and where as a consequence there is no dialogue." **About the book banning of Ram Swarup's Understanding Islam through Hadis. quoted from Koenraad Elst. Ayodhya and after: issues before Hindu society. 1991. Ch. 12. *They rely on intimidation, It is exactly by tactics of this kind that an earlier book of Mr. Swarup - Understanding Islam Through Hadis - was put out of circulation... November 27, 1990, under the influence of the same intimidation the Delhi Administration declared that, contrary to what it had itself twice decreed, the book was not only objectionable, was deliberately and malicious so!....<br/>Our response should be three fold. First, whenever an attempt such as this from quarters such as Mr. Shahabuddin is made to stifle free speech, to kill even scholarly inquiry, we must go out of our way and immediately obtain the book....<br/>Secondly, whenever the intimidators prevail and such a book actually comes to be banned large numbers should take to reprinting it, photocopying it, to circulating it, and discussing its contents.<br/>The third thing is more necessary, and in the long run will be the complete answer to the intimidators. As long as scholars like Mr. Swarup are few, intimidators can bully weak governments into shutting them one by one. But what will they do if 1,000, scholars are to do work of the same order? This is the way to deal with intimidators. Let 1,000 scholars carry on work Mr. Swarup has pioneered. **Arun Shourie: " How should we respond?", also in: Freedom of expression – Secular Theocracy Versus Liberal Democracy (1998, edited by Sita Ram Goel) * For fifty years this bunch has been suppressing facts and inventing lies. How concerned they are about that objective of the ICHR -- to promote objective and rational research into events of our past. How does this square with the guidelines issued by their West Bengal Government in 1989…"Muslim rule should never attract any criticism. Destruction of temples by Muslim rulers and invaders should not be mentioned"? But their wholesale fabrications of the destruction of Buddhist vihars, about the non-existent "Aryan invasion" -- to question these is to be communal, chauvinist! It is this which has been the major crime of these "historians". But these are not just partisan "historians". They are nepotists of the worst kind... they are ones who have used State patronage to help each other in many, many ways... Not only are these "historians" partisan, not only are they nepotists, they are ones who have used State patronage to help each other in many, many ways… As a result, the books and pamphlets of these fellows are available in all regional languages, but the works of even Lokmanya Tilak are not available except in Marathi! **FABRICATIONS ON THE WAY TO THE FUNERAL Publication: India Connect Author: Arun Shourie Date: June 26, 1998 [http://voiceofdharma.org/indology/eminenthistorians1.html] [https://www.dharmadispatch.in/commentary/de-secularizing-indian-history-why-the-ugc-deserves-our-kudos] * All the facts ... were well known fifty years ago. With the passing of the generation that fought for Independence, with the total abandonment of looking up the record, most of all with the rise of casteist politics, they have been erased from public awareness. And that erasure has led to the predictable result: schizophrenia. To start with, those trading in Ambedkar's name and their apologists have sought to downplay the struggle for Independence: the freedom it brought is not "real", they insist. Exactly as that other group did which teamed up with the British at that crucial hour, 1942 -- the Communists. Indeed,... to justify Ambedkar's conduct his followers insist that British Rule was better... But the facts lurk in the closet. Lest they spill out and tarnish the icon they need for their politics, lest their politics be shown up for what it is -- a trade in the name of the dispossessed -- these followers of Ambedkar enforce their brand of history through verbal terrorism, and actual assault. **Arun Shourie, Worshipping False Gods, 1997, HarperCollins. ====''Indian controversies: Essays on religion in politics '' (1993) ==== :Shourie, A. (2006). Indian controversies: Essays on religion in politics. New Delhi: Rupa & Co. *The most telling illustration has been provided by the silence over the new archaeological findings. .... When the findings of the excavations which had been conducted over a decade ago became public, and these left little doubt about the fact that there had indeed been a temple at the site, archaeology itself was denounced. Papers made themselves available for tarnishing one of the most respected archaeologists in the world - the former Director General of the Archaeological Survey of India who had led those excavations. ... The lesson is plain: should such double-standards continue, Hindu opinion will become even less amenable to the minatory admonitions of our editorialists than it has already become. *Clearly, what our newsmen call 'hard-liners' have been vindicated. * As the State has been successfully bent by Sikh and Muslim communalists over the last decade, double-standards, I would say in some cases duplicity have been the hallmark of the media's treatment of events and issues. *Every single Muslim historian of medieval India lists temples which the rulers he is writing about has destroyed and the mosques he has built instead. (429) ====''Hindu temples: What happened to them (Volume I)'', 1993==== *A case in which the English version of a major book by a renowned Muslim scholar, the fourth Rector of one of the greatest centres of Islamic learning in India, listing some of the mosques, including the Babri Masjid, which were built on the sites and foundations of temples, using their stones and structures, is found to have the tell-tale passages censored out; The book is said to have become difficult to get;... Evasion, concealment, have become a national habit. And they have terrible consequences... <br/> It was a long, discursive book, I learnt, which began with descriptions of the geography, flora and fauna, languages, people and the regions of India. These were written for the Arabic speaking peoples, the book having been written in Arabic. ... A curious fact hit me in the face. Many of the persons who one would have normally expected to be knowledgeable about such publications were suddenly reluctant to recall this book. I was told, in fact, that copies of the book had been removed, for instance from the Aligarh Muslim University Library. Some even suggested that a determined effort had been made three or four years ago to get back each and every copy of this book. ....Such being the eminence of the author, such being the greatness of the work, why is it not the cynosure of the fundamentalists’’ eyes? The answer is in the chapter “Hindustan ki Masjidein”, “The Mosques of Hindustan”. ... Each reference to each of these mosques having been constructed on the sites of temples with, as in the case of the mosque at Benaras, the stones of the very temple which was demolished for that very purpose have been censored out of the English version of the book! Each one of the passages on each one of the seven mosques! No accident that. .... why would anyone have thought it necessary to remove these passages from the English version-that is the version which was more likely to be read by persons other than the faithful? Why would anyone bowdlerise the book of a major scholar in this way?... **About the removal of a book from libraries for political reasons. Arun Shourie: Hideaway Communalism (Indian Express, February 5, 1989) Quoted from Goel, Sita Ram (editor) (1993). Hindu temples: What happened to them. Volume I. *Their real significance- and I dare say that they are but the smallest, most innocuous example that one can think of on the mosque-temple business-lies in the evasion and concealment they have spurred. I have it on good authority that the passages have been known for long, and well known to those who have been stoking the Babri Masjid issue. That is the significant thing; they have known them, and their impulse has been to conceal and bury rather than to ascertain the truth....The fate of Maulana Abdul Hai’s passages-and I do, not know whether the Urdu version itself was not a conveniently sanitised version of the original Arabic volume-illustrates the cynical manner in which those who stoke the passions of religion to further their politics are going about the matter. '''Those who proceed by such cynical calculations sow havoc for all of us, for Muslims, for Hindus, for all. Those who remain silent in the face of such cynicism, such calculations help them sow the havoc. Will we shed our evasions and concealments? Will we at last learn to speak and face the whole truth?''' **About the removal of a book from libraries for political reasons. Arun Shourie: Hideaway Communalism (Indian Express, February 5, 1989) Quoted from Goel, Sita Ram (editor) (1993). Hindu temples: What happened to them. Volume I. ====''A secular agenda'', 1993==== *Upon going through the text the reader will notice how completely contrary to the facts are the cliches which are bandied about in public discourse in India, and which as a consequence so many have by now internalised.... (x) *A moment's reflection will show that India's case is not at par with the ones we have been considering. For those instances are of the most recent times - those nations were "imagined", those traditions were "invented" just a hundred or a hundred and fifty years ago. By contrast India has been seen as one and its people have had a common way of life for thousands of years. It is not just that its history is that old.... It is a continuous history. (9) *Not an enforced amnesia but an unsparing memory - that is what will build a nation. *Every sentence a lie. ... And have you ever heard the BBC refer to Nawaz Sharif as a "fundamentalist," a "fanatic"? But what would it have called Advani if he had made a statement of that kind with "Hindu" substituted for "Muslims"? ====''Missionaries in India'', 1994==== * '''I hope the reader will not just read through the examples but will also ask why it is that such material is not placed before our students. After all it is not difficult to come by, and, as the reader will agree after going through it, it has the most direct bearing on our denationalization. Yet, even though he may have considerable interest in our current problems, even though he may have been following closely the public discourse on such problems, in all probability the reader would not have come across the material. Why is this so? ''' * '''But there is an even more potent cause for the near total erasure of such material from our public discourse and our instruction. And that is the form of “secularism” which we have practised these forty-five years: a “secularism” in which double-standards have been the norm, one in which everything that may remove the dross by which our national identity has been covered has become anathema.''' * The Catholic Bishops Conference of India is the hightest body engaged in attempts to coordinate the work of different Catholic churches in India and to engage in dialogue with other religions. ... To celebrate the 50th anniversary... the CBCI convened a meeting in January 1994.... And it was an important gathering: it was only the second time in fifty years and the first time in twenty five years that such a comprehensive review was being undertaken... The organizers were so kind as to ask me to give the Hindu perception of the work of Christian missionaries in India. *And on the basis of criteria of this kind tribals were hacked off from Hindu society. One has but to read the descriptions of Animism which were relied upon to notice that they could well be describing a variety of Hindus. ;Quotes about the book *The organisers had invited Arun Shourie to give the Hindu assessment of the work of missionaries in India. Arun Shourie addressed the Archbishops, Bishops and others on 5 January 1994. ... The organisers asked Arun Shourie to write a paper based on his talk.... As the controversy snowballed... [they] invited several senior churchmen to discuss Missionaries in India on a public platform with Arun Shourie. **About the book ''Missionaries in India'' ** Shourie, Arun. Arun Shourie and his Christian Critic. (1995) *A dialogue for serving its third purpose could be held only in January 1994 when Arun Shourie, the noted journalist and scholar, was invited by the Catholic Bishops’ Conference of India (CBCI) to present a “Hindu assessment” of missionary work in India. But unfortunately for-the managers of this “dialogue”, it went out of hand and misfired. Ever since, the giant Christian establishment in India has been smarting with the hurt which Arun Shourie has caused. The uproar he has raised can be compared only with the uproar which had followed the publication of K. M. Panikkars’ Asia and Western Dominance in 1953. Missiology has been mobilizing its arsenal of apologetics and polemics in order to control the damage that has been done to Christian claims and pretensions...<br>The CBCI was celebrating the 50th anniversary of its foundation, and holding a Seminar at Ishvani Kendra, a Catholic seminary in Pune. Almost all the Catholic big-wigs in India were present when Arun Shourie gave his talk on 5 January 1994...<br>By the time the paper was fully elaborated, it had acquired the size of a book. Arun Shourie published it in early May 1994 under the title, Missionaries in India: Continuities, Changes, Dilemmas. ... Meanwhile, Arun Shourie had written several articles on the subject in his syndicated column which appears in more than a score of newspapers published in several languages all over the country. The articles evoked a lively discussion in the Maharashtra Herald of Pune. **Sita Ram Goel , History of Hindu Christian Encounters *The Christian missionary orchestra in India after independence has continued to rise from one crescendo to another with the applause of the Nehruvian establishment manned by a brood of self-alienated Hindus spawned by missionary-macaulayite education. The only rift in the lute has been K.M. Panikkar’s Asia and Western Dominance published in 1953, the Report of the Christian Missionary Activities Committee Madhya Pradesh published in 1956, Om Prakash Tyagi’s Bill on Freedom of Religion introduced in the Lok Sabha in 1978, Arun Shourie’s Missionaries in India published in 1994 and the Maharashtra Freedom of Religion Bill introduced in the Maharashtra Legislative Assembly by Mangal Prabhat Lodha, M.L.A. on 20 December 1996. **Sita Ram Goel, Vindicated by Time: The Niyogi Committee Report (1998) ====''The World of Fatwas (Or The Shariah In Action), 1995''==== *In the bookshops in the Muslim areas of our cities—for instance in the bookshops around the Jama Masjid in Delhi— the collections of fatwas fill shelves after shelves. They are put together with great care, the sort of care one associates with sacred literature. The pages are well laid out. The calligraphy is often a work of art. The volumes are beautifully bound— ever so often with gilded embossing on the covers. *'''In a word, fatwas are the shariah in action.''' *For all these reasons one would expect a host of studies on fatwas. But then one would reckon without our intellectuals. It is yet more proof of the fact that our intellectuals have seceded from our country; that there is hardly a study in either English or Urdu on the fatwas. *First, our scholars have not spared time for this vital material for the same reason on account of which they have not spared time for other things vital to our existence as a country. Most of the intellectual work in India consists in writing footnotes to work being done in the West—this has been so in the case of Marxist intellectuals even more than it is in the case of the others. And when our intellectuals are not engaged in writing these footnotes, they are busy following the fashion of the day in Western circles, busy ‘applying’, as the phrase goes, to Indian material the notion or ‘thesis’ which has become fashionable in the West. In a word, our scholarly work is derivative. So the first reason there has been no substantial study of the fatwas in India is that they have not yet caught the eye of the West. *“We should, in particular the Muslim liberal should speak the whole truth about the condition of Muslim society—for instance about the plight of women within it. And not flinch from tracing it back to its roots—the text, the laws, the ways of thinking. We should document the social practice of the Ulema [Muslim religious leaders] and of the fundamentalist politicians.…We should document what the Ulema etc. have been saying and decreeing on religious issues themselves.…We must, in particular the Muslim liberal must, take the consistently secular position on every matter—that is the only way to confront the fundamentalists, it is the surest way to bring home the alternative viewpoint to the community.…Fatwas and the rest which impinge upon the civil rights of a person are manifestly a criminal infringement of law; we should show them up as such; and join others in demanding that anyone who seeks to trample upon the rights of others by using…fatwas should be brought to book under the law. Similarly, we must expose, and work to thwart concessions by our opportunist politicians which are meant to appease, and will in the end strengthen the grip of these reactionary elements.…But it is not going to be enough to counter the Ulema, and their networks, or to show up their syllabi. As we have seen, what they proclaim, and regurgitate, and enforce is what the Koran and Hadith prescribe. Therefore, to really break the vice, liberals, and liberal Muslims in particular must examine and exhume the millenarian claims of Islam: the claims that there is only one truth, that it has been finally revealed to only one man, that it is enshrined in only one Book, that that Book is very difficult to comprehend, that the select few alone know its inner meaning, that therefore it is everyone's duty to heed them just as it is the duty of the select to make sure that everyone heeds them. In a word, the basic texts themselves have to be opened to examination.” (quoted in Bostom, A. G. (2015). Sharia versus freedom: The legacy of Islamic totalitarianism.) * The volumes of fatwas devote pages and pages to an even more exotic subject—namely, what the believer should do with an animal which has been used for intercourse. ‘What is the hukum about the animal with which a man has had sexual intercourse—what is the hukum about the animal and the man?’, asks the querist, and after due deliberation the ulema of this great ‘centre of Islamic learning’ issue a fatwa. The other matters which call forth fatwas are just as earth-shaking. <br> ‘Is a pregnant goat which has been used for intercourse halal or haram? Has one to wait for her to deliver or should she be killed and buried without waiting?’ ‘Zaid has had intercourse with a goat. What is the law in respect of her? Can we eat her flesh or drink her milk? And what is the law for him who has had the intercourse?’ ‘What is the punishment for having intercourse with a minor child or a goat?’ ‘Zaid decided to have intercourse with an animal which is halal such as a cow or a goat. He approached the animal and inserted his male member into its vagina. But there was no ejaculation. Should Zaid or other Muslims regard as halal the meat or milk of that animal? Has Zaid to do penance for this offence?’ ‘Zaid had intercourse with a cow, and then sold it. How should that money be spent? Can it be used for sadqah? And what is the punishment fo Zaid?’ ‘What is the punishment for one who has intercourse with a mare? What should be done with that mare?’ A fatwa on one and each of these matters. <br> And the answers are not always predictable, often they turn on subtle differences. It is enough for the believer who has had intercourse with an animal to do taubah, decree these men of learning, but in the usual case the animal must be killed and burnt. In the usual case, that is, its meat should not be eaten. However, to take one instance, ‘If there is no ejaculation (inside the animal) its meat and milk are halal, without question,’ rule the ulema of Dar al-Ulum, Deoband. ‘But if there is ejaculation, it is better to kill the animal and bury its flesh. No one should eat it, though it is not haram to eat it.’ [...] Finally, while others may be a bit squeamish in discussing such questions, and a little surprised at encountering them in ‘religious’ books, the ulema have no qualms about discussing such matters and laying down the law on them as much as on any other matter. They regard it as one of their functions to do so. The point is set at rest by Maulana Mufti Abdur Rahim Qadri. It transpires that a maulvi, styling himself as Hazrat Shaykh al-Islam Maulana Maulvi, published two pamphlets attacking the Hanafite jurists for holding that intercourse with an animal does not vitiate a fast, even if ejaculation takes place. He cited the great authorities of Hanafite law—Shami and the Durr-ul-Mukhtar—as having decreed this. He also chided the learned ulema for filling religious books with discussions of such topics. The writings of the maulvi were referred to Mufti Abdur Rahim Qadri for opinion. The Mufti’s elucidation takes up ten printed pages of the Fatawa-i-Rahimiyyah. On the substance of the question, the decision turns on whether the ejaculation took place upon intromission into the animal—in which case the fast is rendered void—or it took place by the man merely touching the animal’s genitals with his hands or kissing it, without using his sexual organ—in which case the fast is not vitiated. The Mufti cites authorities to nail the distinction, and he argues that the maulvi who had made the charge against the Hanafite jurists had misrepresented their rulings on the matter. * Next comes the Urdu press. It has been one of the most potent allies of, in some ways the instrument of the ulema, as we saw in reviewing the campaigns against Dr Zakir Hussain and Maulana Azad. We saw the same role and the same potency in the campaigns in 1992 against Mushirul Hasan, pro-vice-chancellor of Jamia Millia in Delhi, and Abid Reza Bedar, director of the Khuda Bakhsh Library in Patna. A shrill tone, wholesale distortions, creating echoes upon echoes of their allegations, fomenting an extreme insecurity and then presenting everything as an assault on Islam—these are its hallmarks. And they invariably end up being deployed to fortify the world view which the ulema want the community to retain. *And then there is the effect of patronage. Funds from Saudi Arabia, or Iran, or Iraq, or other ‘Islamic’ sources go to the ulema, to elements and organizations controlled by or beholden to them. The funds are almost never channelled to liberals. The Indian state is of course worse. As the ulema control the community, it is to the ulema, and to those who speak their language that the state genuflects. As the state has got weaker, the ulema have been able to press their campaigns with greater and greater ease. And in turn they have been able to fortify their hold over the community by demonstrating that it is to them that the state bends—on Shah Bano for instance; that it dare not step in their way: look at the audacity of their current campaign to set up a parallel structure of courts—the shariah courts—outside the legal system of the country. *The liberal who happens to be a Hindu is so apologetic, he has internalized sham secularism so much, he is in any case so innocent of the texts—of Islam, of Hinduism, of our laws and our Constitution—and he has internalized double standards to such an extent that he has made silence on all matters Islamic, indeed toeing the fundamentalists’ line proof of secularism. The ‘secularists’ of the English press are a ready example. They will refer to Ali Mian as ‘the moderate, universally respected Muslim leader’, without bothering to read anything he has written. They will refer to sundry muftis and maulwis as ‘Muslim divines’. They will shut their eyes tight to what organizations like the All India Muslim Personal Law Board or the All India Milli Council are doing; and will jump in to shout and scream should any agency of the state take a step to uncover their activities. Worst of all, they will, by a Pavlovian reflex, weigh in on the same side as the ulema on issues, and insist that anyone who opposes that side is ‘communal’, ‘fascist’, ‘revanchist’. The effect of such shouting is not limited to poisoning the air of discourse. Weak rulers are swayed by that air. And so public policy bends to the ulema. The latter are thus twice strengthened. *When we study the discourses of the Buddha or what Gandhiji has to say on, say, fasting, the content is all about looking within, about self-purification. But even when they deal with purely religious subjects the fatwas are all about the form to which the believer must adhere. They resemble instructions a drill sergeant gives to cadets for a parade. *While our leaders and the Supreme Court keep chanting, ‘All religions are one’; while they keep recalling the Vedic pronouncement, ‘Truth is one, only the sages call it by different names’; while they keep recalling Ashoka’s rock edict, ‘One who reveres one’s own religion and disparages that of another, due to devotion to one’s own religion and to glorify it over all others, does injure one’s own religion certainly’, the ulema proclaim the very opposite set of values, the truly Islamic values to be fair to the ulema. Thus we have Maulana Ahmad Riza Khan descend as an avalanche on persons who countenance processions in which books like the Gita and Quran are carried with equal respect; he declares that for a Muslim to even say, ‘Hindus should live by the Vedas, Muslims should live by the Quran,’ is kufr; a temple is the abode of Satans, he says, a Muslim is forbidden from going into it; to describe the Holy Quran as being like the Veda is kufr; to say that Hindus should live by the Veda is to ask people to follow kufr, and to ask people to follow kufr is kufr... *The fatwas reflect this belief in double standards. The differential attitude to conversion and apostasy illustrates this vividly. Islam regards it as a right and duty to convert persons from other religions. The ulema vehemently insist on it....Exactly the same position holds in regard to doing something or refraining from doing something out of regard for the other person’s religious sentiments.....An even more vivid instance is the stance in regard to the continuation of religious practices. It is the right and duty of a Muslim to carry on his religious rituals. ...Under no circumstances can the Islamic ruler give permission to kafirs to continue their religious rites, declares the Fatawa-i-Rizvia, and asks: shall he permit them to practise their kufr and thereby himself become a kafir?...It adds that there are several Hadis to the effect that no non-Muslim should remain in the Arab island...So, no non-Muslim shall be allowed to stay in the Arab island, but if a Bangladeshi who has entered India illegally is asked to leave, that is an assault on Islam!...Similarly, even today in no Islamic state can teachers in a school impart religious education of their faith to non-Muslim children...No restriction can be tolerated on teaching of the Quran and on religious instruction, declares Kifayatullah. ...And yet if we were to go by secularist discourse there is no religion which has abolished distinctions as Islam has, there is no religion which treats all equally as Islam does! *In the face of all this those who continue to assert, ‘Shariah has safeguarded the rights of women like no other system of law has,’ do so only because of their confidence that no one but them has read the texts of shariah. *And yet we must believe, on pain of being communal, that no system of law has guaranteed as many rights to women as shariah, that no religion is as solicitous of them as Islam. ... The argument can fool no one but the determined apologist. *That is not just the shariah as enforced by the fatwas. As our governments have not acted upon the directive of the Constitution to enact a Uniform Civil Code, that is the law of secular India enforced by our courts! * It is not the occasion but the ulema’s assessment of women per se which is of interest, for it pervades the fatwas through and through. ‘For the Quran says,’ declare the ulema of Deoband settling a matter to which we shall soon turn, ‘the husband is the master.’ .... And among these kafirs there are gradations, Maulana Ahmad Riza Khan declares: one hard kind of basic kufr is Christianity; worse than it is Magianism; worse than that is idolatry; worse than that is Wahabiyat; and worse than all these and more wicked is Deobandiyat... * And so on indefinitely. The effect of all this will be obvious: when you take a problem to them, the ulema can facilitate your way or thwart it by invoking one authority rather than the other. Simultaneously they, joined this time by the apologist, will insist that we, in particular the non-Muslims, must never cease to believe that the shariah is a clear and definite code, that it is a divinely ordained, and therefore an eternal and unchanging code! *Two features would by now be obvious: (1) far from being a clear and definite code, the shariah is ambiguous; (2) it is ambiguous on the entire spectrum of issues. Two operational consequences follow: (1) this ambiguity is one of the bases for the unrivalled power of the ulema; (2) the ulema therefore sabotage every effort to codify the shariah as zealously as they fight back every effort to replace it by a modern code common to all. *That is why Maulana Ahmad Riza Khan is only being true to the Faith when, as we saw at the beginning of the chapter, he says that the glory of Islam consists in having science bend to it, not in its bending to science. What holds for science holds a fortiori for mere historical ‘facts’—of whether there have been a hundred Caliphs or twelve. * The earth is stationary. The sun revolves around it. The stars are stationary, hung as lamps by Allah to guide travellers, and to stone the Devil. To believe anything contrary to all this is to betray The Faith. Men are the masters. Each may keep up to four wives at a time and as many concubines ‘as the right hand holds’. The wives are fields which the husband may or may not ‘irrigate’ as he will. The husband can bind them to obeying his merest whim on pain of being divorced. If he is still not satisfied, he can throw them out with one word. Upon being thrown out they are to be entitled to bare sustenance—but only for three months, and nothing at all beyond that. To see any inequity in this, to demand anything more for the women is to question the wisdom of Allah, it is to strike at Islam. To urinate while standing, to fail to do istinja in the prescribed way, to fail to believe that the saliva of a dog is napaak and his body paak—these are grave sins. To ask for the well-being of a kafir, be he ever so saintly, even upon his death, to fail to believe that a Muslim, be he ever so sinful, is better than a kafir, be the latter ever so virtuous, is kufr itself. Such is the mindset of the ulema. It pervades their rulings on all aspects of life. *Education is central to advancement—of the country, of the individual. But the ulema have fought hard and long against what most today would consider education. For them religious education must take priority over modern, technical education. Only those subjects are to be studied, only that knowledge is to be imparted which strengthens one’s faith— in practical terms, only those subjects are to be studied, only that knowledge pursued which confirms one in the belief that whatever is written in the Quran and Hadis, whatever has been put out by the ulema over the centuries is true and the acme of wisdom as well as perfection. The education of women, in particular their being awakened to new values, their being trained for new professions, their being awakened to their rights—all this is anathema; it is held to be injurious to them, in fact it is declared to be the way to disrupting society and undermining Islam. *Is an institution the Indian history course of which covers only the period from the raids of Mahmud Ghaznavi to 1947, the geography course of which focuses on the Arabian peninsula, an institution of and for India? *Predictably, in Maulana Ahmad Riza Khan’s reckoning the Shias are not Muslims at all. Their ‘mosques’ are not mosques—and remember, as Mir Baqi and his descendants, the mutwallis of the mosque were Shias, the ‘Babri masjid’ was a Shia mosque. *‘Arrey bhai, but why don’t you write on Hindu fatwas?,’—that from a prominent intellectual who carries a haloed name. There is nothing like the fatwa among Hindus—but surely even our intellectuals know that. The point of such admonitions is different. In this view of the matter, a Hindu should stay clear of writing on Islam. Rather, that if he writes about matters Islamic or Muslim, he should only pen Hosannas—’the religion of tolerance, equality...’—he should only write books ‘understanding’, that is explaining away the ‘Muslim mind’. At the least, if he just has to allude to some unfortunate drawback in it, he must attribute it to some special time and place and exculpate Islam from it! Even more important, he must make sure that he ‘balances’ his remark about that point in Islam with denunciation about something in Hinduism, anything—the caste system, dowry deaths, looking upon foreigners as malechh, at least sati if nothing else fits the bill! *So, who is offended? Who is humiliated by the fatwas being reproduced and analysed? It is the secularist. And the reason is manifest. He has no answer in the face of this evidence, in the face of the express and emphatic commands of the Quran and the Prophet, in the face of the repeated and absolutely explicit declarations contained in the fatwas. He has no evidence with which to counter these. But when what they say is brought out on the table, he cannot sustain his inverted ‘secularism’. As long as these things are confined to Urdu they do not inconvenience him in his circle. But the moment they are out in English he is pinned. And so he feigns offence! What is the answer? To go on setting out the facts. To go on analysing them. In the faith that abuse shall not bury evidence. In the faith that ideas are seeds, that they shall take root. *In Bangladesh, with the gallop towards Islamization, the rapid spread of Tablighi Jamaat, the ever-widening reach and influence of fundamentalist organizations like the Hizb-ut-Tahrir and the Hizb-ut-Tauhid, Shariah Committees sprang up in several parts of the country. Fatwas became ever more frequent. They were often issued by the local mullahs in rural areas, and ever so often the victims were women who had in fact been victims of violence, rape and the rest.... * To put the blame on Muslim journalism and leadership is in a sense to beg the question. After all, why do Muslims prize this kind of journalism, why do they follow such leaders? The answer is in the psychology which the ulema and their fatwas have drilled into them. *To even say, ‘What is shariah? Does anyone go by shariah today?’, is kufr, declares the Fatawa-i-Rizvia. Even if the words have been uttered to taunt others, they constitute a grave sin. To say, ‘We do not recognize shariah, we go by custom,’ is kufr, it declares. The ulema issue a fatwa prohibiting Muslims from joining processions of polytheists. A man says, ‘Issuing a fatwa not to join processions of polytheists, etc., is sheer lathbazi.’ The utterance is reported to the ulema. The utterance constitutes denigration of shariah, the Fatawa-i-Rizvia rules, and denigration of shariah is kufr. The man’s wife is free of his nikah. ... To question ijma (consensus) or taqlid (literal adherence) is kufr, they declare. ... Not to believe in Fiqh is kufr, they declare. He who does not accept Fiqh is Satan, they declare. *‘The parents who send their daughters to college are the enemies of their daughters, not their friends,’ the Fatawa-i-Rahimiyyah declares, citing authorities to the effect that the friend is one who prepares one for the Hereafter, though doing so may inflict worldly loss. ‘There is no doubt,’ it declares, ‘that a collegiate girl becomes extremely free, purdahless, immodest and shameless. This is the general consequence of English education and college atmosphere.’ And ‘A girl who loses modesty loses everything,’ it says, citing the Hadis, ‘Modesty and faith—they are inseparable companions; when either of them is taken away, the other too goes away.’ * The condescension, the picture which is drawn of Hindus and other non-believers, their being clubbed with animals and vermin—any text doing this in the case of Muslims would call forth howls of denunciation. From the secularists as much as from Muslims. ====''Worshipping False Gods'' (1997)==== *There is not one instance, not one single, solitary instance in which [[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর]] participated in any activity connected with the struggle to free the country. Quite the contrary- at every possible turn he opposed the campaigns of the national movement, at every setback to the movement he was among those cheering for failure. *Did India ever stand in need of reformers? Do you read the history of India? Who was [[Ramanuja]]? Who was [[Shankara]]? Who was [[গুরু নানক]]? Who was [[চৈতন্য মহাপ্রভু]]? Who was [[কবীর]]? Who was [[Dadu]]? Who were all these great preachers, one following the other, a galaxy of stars of the first magnitude? *In a word, denunciation, condemnation, calumnizing the gods and goddesses, pouring ridicule on our scriptures, sowing hatred in the followers is the course Ambedkar adopted. But it was not the only course available. Earlier one of the greatest of reformers of the last hundred and fifty years had adopted the exact opposite course, and thereby accomplished both— he had lifted the lives of millions, and at the same time he had transformed and raised our society. That reformer was from a caste which was not just untouchable but unapproachable— the reformer of course was Narayan Guru, who lived from 1854 to 1928. *He did not heckle and spit at our tradition as an outsider. He never made truck with the conquerors and subjugators of India. He attained the highest states of spiritual awareness by immersing himself in the teachings of the Upanishads. He attained those states by practising the austerities and following the methods which our great seers had uncovered. As he attained these states, his entire life became a refutation of the claims of the orthodox as to their superiority, his beatific state became a refutation of the assertions of the orthodox that the esoteric lore was closed to the lower castes. And as he had attained those states, he received universal homage. *The legacy of [[নারায়ণ গুরু]] is a society elevated, in accord, the lower castes educated and full of dignity and a feeling of self-worth. The legacy of Ambedkar is a bunch screaming at everyone, a bunch always demanding and denouncing, a bunch mired in self-pity and hatred, a society at war with itself. The legacy of Narayan Guru is a country rejuvenated. The legacy of Ambedkar is a country with a deepened sense of shame in its entire past. And thereby further disabled. ====''Freedom of expression – Secular Theocracy Versus Liberal Democracy'' (1998) ==== *"Secularists" are unnerved by the reaction [[L. K. Advani|Advani]]'s rath has evoked among Hindus. But it is not the rath which evoked it. The "victories" in having [[w:Shah Bano|Shah Bano]] reversed, in having [[সালমান রুশদি]] banned - "victories" which were loudly applauded by the "secularists"; the success in convincing political parties - which maps and lists - that Muslims would decide their fate in hundreds of constituencies; to say nothing of the "victories" of the violence in Punjab and [[কাশ্মীর]] - the reaction is the cumulative result of these distortions in our polity. ** Fomenting Reaction by Arun Shourie, also in Goel, S.R. (ed.) : Freedom of Expression - Secular Theocracy Versus Liberal Democracy [http://web.archive.org/web/20140826192129/http://www.bharatvani.org/books/foe/ch10.htm] ====''Eminent Historians: Their Technology, Their Line, Their Fraud'' (1998) ==== *In June–July 1998, progressives kicked up quite a racket. The government has packed the Indian Council of Historical Research with pro–Ram Mandir historians, they shouted. It has surreptitiously altered the aims and objectives of the Council, they shouted. As is their wont, they had sparked the commotion by giving wind to a concoction. As is their wont too, they were charging others with planning to do in some undefined future what they had themselves been actually doing for decades – that is, write history to a purpose. *The most extensive deletions are ordered in regard to the chapter on ‘Aurangzeb’s policy on religion’. Every allusion to what he actually did to the Hindus, to their temples, to the very leitmotif of his rule – to spread the sway of Islam – are directed to be excised from the book. He is to be presented as one who had an aversion – an ordinary sort of aversion, almost a secular one – to music and dancing, to the presence of prostitutes in the court, and that it is these things he banished... In a word, no forcible conversions, no massacres, no destruction of temples. Just that Hinduism had created an exploitative, casteist society. Islam was egalitarian. Hence the oppressed Hindus embraced Islam!<br/> Muslim historians of those times are in raptures at the heap of kafirs who have been dispatched to hell. Muslim historians are forever lavishing praise on the ruler for the temples he has destroyed, for the hundreds of thousands he has got to see the light of Islam. Law books like The Hedaya prescribe exactly the options to which these little textbooks alluded. '''All whitewashed away.'''<br/>'''Objective whitewash for objective history. And today if anyone seeks to restore truth to these textbooks, the shout, ‘Communal rewriting of history’.''' *The real crime of these eminences does not lie in the loss they have inflicted in terms of money. It lies in the condition to which they have reduced institutions. It lies in their dereliction – because of which projects that were important for our country have languished. It lies even more in the use to which they have put those institutions.<br/>They have used them to have a comfortable time, of course. They have used them to puff up each other’s reputations, of course. But the worst of it is that they have used their control of these institutions to pervert public discourse, and thereby derail public policy.<br/> They have made India out to have been an empty land, filled by successive invaders. '''They have made present-day India, and Hinduism even more so, out to be a zoo – an agglomeration of assorted, disparate specimens. No such thing as ‘India’, just a geographical expression, just a construct of the British; no such thing as Hinduism, just a word used by Arabs to describe the assortment they encountered, just an invention of the communalists to impose a uniformity – that has been their stance. For this they have blackened the Hindu period of our history, and, as we shall see, strained to whitewash the Islamic period.''' They have denounced ancient India’s social system as the epitomy of oppression, and made totalitarian ideologies out to be egalitarian and just.<br/>They have belittled our ancient culture and exaggerated syncretistic elements which survived and made them out to have been an entire ‘culture’, the ‘composite culture’ as they call it. Which culture isn’t? And all the while they have taken care to hide the central facts about these common elements in the life of our people: that they had survived in spite of the most strenuous efforts spread over a thousand years of Islamic rulers and the ulema to erase them, that they had survived in spite of the sustained efforts during the last one hundred and fifty years of the missionaries and British rulers to make us forget and shed these elements, that the elements had survived their efforts to instead inflame each section to see its ‘identity’ and essence in factors which, if internalized, would set it apart. Most of all, these intellectuals and the like have completely diverted public view from the activities in our own day of organizations like the Tabhligi jamaat and the Church which are exerting every nerve, and deploying uncounted resources to get their adherents to discard every practice and belief which they share with their Hindu neighbours.<br/> These intellectuals and their patrons have worked a diabolic inversion: the inclusive religion, the pluralist spiritual search of our people and land, they have projected as intolerant, narrow-minded, obscurantist; and the exclusivist, totalitarian, revelatory religions and ideologies – Islam, Christianity, Marxism-Leninism – they have made out to be the epitomes of tolerance, open-mindedness, democracy, secularism! *And another thing: if an RSS publication publishes even an interview with me, that is further proof of my being communal; but so tough are the hymen of these progressives that, even when they contribute signed articles to publications of the Communist Party, their virginity remains intact! *As we have seen, the explicit part of the circular issued by the West Bengal government in 1989 in effect was that there must be no negative reference to Islamic rule in India. Although these were the very things which contemporary Islamic writers had celebrated, there must be no reference to the destruction of the temples by Muslim rulers, to the forcible conversion of Hindus, to the numerous other disabilities which were placed on the Hindu population. Along with the circular, the passages which had to be removed were listed and substitute passages were specified. The passages which were ordered to be deleted contained, if anything, a gross understatement of the facts. On the other hand, passages which were sought to be inserted contained total falsehoods: that by paying jizyah Hindus could lead ‘normal lives’ under an Islamic ruler like Alauddin Khalji! A closer study of the textbooks which are today being used under the authority of the West Bengal government shows a much more comprehensive, a much deeper design than that of merely erasing the cruelties of Islamic rule. *The position of these ‘academics’ in Bengal has, of course, been helped by the fact that the CPI(M) has been in power there for so long. But their sway has not been confined to the teaching and ‘research’ institutions of that state. It is no surprise, therefore, to see the same ‘line’ being poured down the throats of students at the national level. And so strong is the tug of intellectual fashion, so lethal can the controlling mafia be to the career of an academic that often, even though the academic may not quite subscribe to their propositions and ‘theses’, he will end up reciting those propositions. Else his manuscript will not be accepted as a textbook by the NCERT, for instance, it will not be reviewed…. *Notice the sleight of hand. The repair of temples is allowed! Temples can be constructed in villages! Temples can be constructed ‘within the privacy of homes’! Thus ‘liberal policy’ is the norm which is departed from only in times of war! And the ones who are fought and destroyed at such times are in any case ‘the enemies of Islam’! In times of peace, which are the times that prevailed normally, the norm prevails – that is, ‘the Hindus practice their religion openly and ostentatiously!’ Each of these assertions is a blatant falsehood. But these historians, having, through their control of institutions, set the standards of intellectual correctness, the one who questions the falsehoods, even though he does so by citing the writings of the best known Islamic historians of those very times, he is the one who is in the wrong. *Once they had occupied academic bodies, once they had captured universities and thereby determined what will be taught, which books will be prescribed, what questions would be asked, what answers will be acceptable, these historians came to decide what history had actually been! As it suits their current convenience and politics to make out that Hinduism also has been intolerant, they will glide over what Ambedkar says about the catastrophic effect that Islamic invasions had on Buddhism, they will completely suppress what he said of the nature of these invasions and of Muslim rule in his Thoughts on Pakistan,3 but insist on reproducing his denunciations of ‘Brahmanism’, and his view that the Buddhist India established by the Mauryas was systematically invaded and finished by Brahmin rulers.<br/>Thus, they suppress facts, they concoct others, they suppress what an author has said on one matter even as they insist that what he has said on another be taken as gospel truth. And when anyone attempts to point out what had in fact happened, they rise in chorus: a conspiracy to rewrite history, they shout, a plot to distort history, they scream. '''But they are the ones who have been distorting it in the first place – by suppressing the truth, by planting falsehoods.''' *And look at the finesse of these historians. They maintain that such facts and narratives must be swept under the carpet in the interest of national integration: recalling them will offend Muslims, they say, doing so will sow rancour against Muslims in the minds of Hindus, they say. Simultaneously, they insist on concocting the myth of Hindus destroying Buddhist temples. Will that concoction not distance Buddhists from Hindus? Will that narrative, specially when it does not have the slightest basis in fact, not embitter Hindus? *In regard to matter after critical matter – the Aryan-Dravidian divide, the nature of Islamic invasions, the nature of Islamic rule, the character of the freedom struggle – we find this trait – suppresso veri, suggesto falsi. This is the real scandal of history writing in the last thirty years. And it has been possible for these ‘eminent historians’ to perpetrate it because they acquired control of institutions like the ICHR. To undo the falsehood, the control has to be undone. *And so on – among the highest piles of rubble in the world of the sacred temples of another religion, among the highest piles of corpses of those venerated by another religion. Yet, in the reckoning of our eminent historians a policy of ‘Broad Toleration’! A policy of toleration guided by purely secular motivations! *But here in India a simplistic recitation of the earlier phrases and categories remained enough. It is not just fidelity to the masters, therefore, which characterizes the history writing by these eminences. It is a simple-mindedness!<br/>But there is an additional factor. Whitewashing the Islamic period is not the only feature which characterizes the work of these historians. There is in addition a positive hatred for the pre-Islamic period and the traditions of the country. Over the years entries about India in Soviet encyclopedias, for instance, became more and more ductile. They began to acknowledge ever so hesitantly that the categories and periods might need to be nuanced when they were extended to countries like China and India. They began to acknowledge that at various times there had been an overlapping and coexistence of different ‘stages’. And, perhaps for diplomatic reasons alone, they became increasingly circumspect – careful to avoid denigrating our traditions.<br/>In the standard two-volume Soviet work, A History of India, for instance, we find more or less the same characterization of the different periods in Indian histories as we do in the volumes of our eminent historians. But the Soviet volumes have none of the scorn and animosity which we have encountered in the volumes of our eminent historians. *Thus, there are two points to remember. First, our friends are not just Marxists, they are also Macaulayites. Second, they are Marxists in a special sense. They are Marxists in the sense that they have thought of themselves as Marxists, in the sense that they repeatedly regurgitate a handful of Marxist phrases and assertions. But more than being Marxist historians, they have been establishment historians. Their theories and ‘theses’ have accorded not just with the ‘classics’ of Marxism-Leninism, they have accorded with the ideology of, which in terms of their theory means, the needs of Congressite rulers. *Caste is real. The working class is real. Being a Naga is real. '''But ‘India is just a geographical expression!’''' Similarly, being a Muslim of course is real – Islam must be seen and talked of as one block of granite – ... '''But Hinduism? Why, there is no such thing: it is just an aggregation, a pile of assorted beliefs and practices''' – ... '''And anyone who maintains anything to the contrary is a fascist out to insinuate a unity, indeed to impose a uniformity, where there has been none.''' That is what our progressive ideologues declaim, as we have seen. In a word, the parts alone are real. The whole is just a construct. India has never been one, these ideologues insist – disparate peoples and regions were knocked together by the Aryans, by the Mughals, by the British for purposes of empire. Anyone who wants to use that construct – India – as the benchmark for determining the sort of structure under which we should live has a secret agenda – of enforcing Hindu hegemony.<br/>This is the continuance of, in a sense the culmination of, the [[Macaulay]]-Missionary technique. The British calculated that to subjugate India and hold it, they must undermine the essence of the people: this was Hinduism, and everything which flowed from it. Hence the doggedness with which they set about to undermine the faith and regard of the people for five entities: the gods and goddesses the Hindus revered; the temples and idols in which they were enshrined; the texts they held sacred; the language in which those texts and everything sacred in that tradition was enshrined and which was even in mid-nineteenth-century the lingua franca – that is, Sanskrit; and the group whose special duty it had been over aeons to preserve that way of life – the Brahmins. The other component of the same exercise was to prop up the parts – the non-Hindus, the regional languages, the castes and groups which they calculated would be the most accessible to the missionaries and the empire – the innocent tribals, the untouchables. *The situation thus is as follows: the ones who have dominated and controlled and terrorised public discourse for half a century in India are now bereft of facts, of arguments. The evidence is available to anyone who has access to their internal ‘dialogues’ – they are talking to narrower and narrower circles; and in these ever-shrinking circles, they are just repeating the old cliches, there is not a new idea, there is not a new fact. And that is predictable, as we have seen: regurgitating those nostrums of the theory is not just necessary, it is sufficient. *‘I would like to review your book myself,’ said the editor of one of our principal newspapers about Worshipping False Gods. ‘But if I praise it, they will be after me also. I too will be called communal, high-caste and all that.’ ‘Brilliant, Arun, it was fascinating,’ said a leading commentator who had written a review that inclined to the positive. ‘But, you’ll understand, I couldn’t say all that in print. But it really is brilliant. How do you manage to put in this much work?’ The very selection of reviewers tells the same story. If there is a book by a leftist, editors will be loath to give it to a person of a different point of view: ‘They will say, I have deliberately given it to a rightist,’ the editors are liable to explain. On the other hand, if it is a book by a person they have decided is a rightist, they will be loath to give it to a reviewer who also has been branded a rightist: ‘They will denounce me for deliberately giving the book to a person who is bound to praise it,’ they will bleat. Therefore, in such cases they deliberately give the book to a person who ‘is bound to condemn it’! *Furthermore, we are instructed, when we do come across instances of temple destruction, as in the case of Aurangzeb, we have to be circumspect in inferring what has happened and why.... the early monuments – like the Quwwat-ul-Islam mosque in Delhi – had to be built in ‘great haste’, we are instructed...Proclamation of political power, alone! And what about the religion which insists that religious faith is all, that the political cannot be separated from the religious? And the name: the Quwwat-ul-Islam mosque, the Might of Islam mosque? Of course, that must be taken to be mere genuflection! And notice: ‘available materials were assembled and incorporated’, they ‘clearly came from Hindu sources’ – may be the materials were just lying about; may be the temples had crumbled on their own earlier; may be the Hindus voluntarily broke their temples and donated the materials? No? After all, there is no proof they didn’t! And so, the word ‘plundered’ is repeatedly put within quotation marks!<br/>In fact, there is more. The use of such materials – from Hindu temples – for constructing Islamic mosques is part of ‘a process of architectural definition and accommodation by local workmen essential to the further development of a South Asian architecture for Islamic use’. The primary responsibility thus becomes that of those ‘local workmen’ and their ‘accommodation’. Hence, features in the Qutb complex come to ‘demonstrate a creative response by architects and carvers to a new programme’. A mosque that has clearly used materials, including pillars, from Hindu temples, in which undeniably ‘in the fabric of the central dome, a lintel carved with Hindu deities has been turned around so that its images face into the rubble wall’ comes ‘not to fix the rule’. ‘Rather, it stands in contrast to the rapid exploration of collaborative and creative possibilities – architectural, decorative, and synthetic – found in less fortified contexts.’ Conclusions to the contrary have been ‘misevaluations’. We are making the error of ‘seeing salvaged pieces’ – what a good word that, ‘salvaged ’: the pieces were not obtained by breaking down temples; they were lying as rubble and would inevitably have disintegrated with the passage of time; instead they were ‘salvaged ’, and given the honour of becoming part of new, pious buildings – ‘seeing salvaged pieces where healthy collaborative creativity was producing new forms’. *And yet, none of this is accidental. As we have seen in the texts that we have surveyed in this book, it is all part of a line. India turns out to be a recent construct. It turns out to be neither a country nor a nation. Hinduism turns out to be an invention – surprised at the word? You won’t be a few pages hence – of the British in the late nineteenth century. Simultaneously, it has always been inherently intolerant. Pre-Islamic India was a den of iniquity, of oppression. Islamic rule liberated the oppressed. It was in this period that the Ganga-Jamuna culture, the ‘composite culture’ of India was formed, with Amir Khusro as the great exponent of it, and the Sufi savants as the founts. The sense of nationhood did not develop even in that period. It developed only in response to British rule, and because of ideas that came to us from the West. But even this – the sense of being a country, of being a nation, such as it was – remained confined to the upper crust of Indians. It is the communists who awakened the masses to awareness and spread these ideas among them.<br/>In a word, India is not real – only the parts are real. Class is real. Religion is real – not the threads in it that are common and special to our religions but the aspects of religion that divide us, and thus ensure that we are not a nation, a country, those elements are real. Caste is real. Region is real. Language is real – actually, that is wrong: the line is that languages other than Sanskrit are real; Sanskrit is dead and gone; in any case, it was not, the averments in the great scholar, Horace Wilson to the House of Commons Select Committee notwithstanding, that it was the very basis, the living basis of other languages of the country; rather, it was the preserve of the upper layer, the instrument of domination and oppression; one of the vehicles of perpetuating false consciousness among the hapless masses. *The West Bengal Board of Secondary Education had issued instructions in 1989 that ‘Muslim rule should never attract any criticism. Destruction of temples by Muslim rulers and invaders should not be mentioned.’ *Their deceitful role in Ayodhya – which in the end harmed their clients more than anyone else – was just symptomatic. For fifty years this bunch has been suppressing facts and inventing lies. How concerned they pretend to be today about that objective of the ICHR – to promote objective and rational research into events of our past! How does this concern square with the guidelines issued by their West Bengal government in 1989 which Outlook itself had quoted – ‘Muslim rule should never attract any criticism. Destruction of temples by Muslim rulers and invaders should not be mentioned?’ But incorporating their wholesale fabrications of the destruction of Buddhist viharas, about the non-existent ‘Aryan invasion’, that is mandatory – to question them is to be communal, chauvinist! The capture of institutions like the ICHR has been bad enough, but in the end it has been a device. The major crime of these ‘historians’ has been this partisanship: suppresso veri, suggesto falsi. *The press is a ready example of their efforts, and of the skills they have acquired in this field. They have taken care to steer their members and sympathizers into journalism. And within journalism, they have paid attention to even marginal niches. Consider books. A book by one of them has but to reach a paper, and suggestions of names of persons who would be specially suitable for reviewing it follow. As I mentioned, the editor who demurs, and is inclined to send the book to a person of a different hue is made to feel guilty, to feel that he is deliberately ensuring a biased, negative review. That selecting a person from their list may be ensuring a biased acclamation is talked out. The pressures of prevailing opinion are such, and editors so eager to evade avoidable trouble, that they swiftly select one of the recommended names...<br/>You have only to scan the books pages of newspapers and magazines over the past fifty years to see what a decisive effect even this simple stratagem has had. Their persons were in vital positions in the publishing houses: and so their kind of books were the ones that got published. They then reviewed, and prescribed each other’s books. On the basis of these publications and reviews they were able to get each other positions in universities and the like…. Even positions in institutions which most of us would not even suspect exist were put to intense use. How many among us would know of an agency of government which determines bulk purchases of books for government and other libraries. But they do! So that if you scan the kinds of books this organization has been ordering over the years, you will find them to be almost exclusively the shades of red and pink....<br/>So, their books are selected for publication. They review each other’s books. Reputations are thereby built. Posts are thereby garnered. A new generation of students is weaned wearing the same pair of spectacles – and that means yet another generation of persons in the media, yet another generation of civil servants, of teachers in universities…. *The example we would do well to keep in front of us is that of the Dalai Lama. He was giving a discourse on a Tibetan text about meditation. He read out a sentence, laughed and remarked, ‘Buddhist theories of creation, a disgrace! Must throw them out!’ He advises that we should keep a wastepaper basket nearby – whatever doesn’t accord with what we know now, we should cast into that basket. ‘Buddhism must face facts,’ that is what he teaches. Accordingly, he has opened Buddhist texts to minute examination. (...) That reflects confidence in one’s tradition. That is true service to the tradition. That is the way to preserve for the future ‘the pearl of great price’ in it. * But today the fashion is to ascribe the extinction of Buddhism to the persecution of Buddhists by Hindus, to the destruction of their temples by the Hindus. One point is that the Marxist historians who have been perpetrating this falsehood have not been able to produce even an iota of evidence to substantiate the concoction. In one typical instance, Romila Thapar had cited three inscriptions. The indefatigable [[Sita Ram Goel]] looked them up. Two of these turned out to have absolutely no connection with Buddhist viharas or their destruction, and the one that did deal with an object being destroyed had been held by authorities to have been a concoction; in any event, it told a story which was as different from what the historian had insinuated as day from night. *The accompanying pages contain two columns: aushuddho – impurity, or error – and shuddho. One has just to glance through the changes to see the objective the progressives are trying to achieve through their ‘objective’, ‘rational’ approach to the writing of history. *Thus, not just whitewash, hogwash too. ;About the book * The first major criticism of the ‘left-liberal’ or ‘progressive’ historians was made by Arun Shourie with special reference to the state of the ICHR in their control.” **D. K. Chakrabarti, Nationalism in the Study of Ancient Indian History (Aryan Books International, Delhi). and quoted in [https://koenraadelst.blogspot.com/2021/02/a-case-of-good-nationalism-dk.html] *“Eminent historians” is what they call one another, and what their fans call them. When they don’t have an answer to an opponent’s arguments, they pompously dismiss him as not having enough “eminence”. So when Arun Shourie wrote about some abuses in this sector, he called his book Eminent Historians. It is also a pun on an old book about prominent colonial-age personalities, Eminent Victorians. **Elst, K. [https://koenraadelst.blogspot.com/2016/05/interview-in-monthly-swarajya.html Interview, Swarajya, May 2016)] ===2000s=== ====''Harvesting our souls: Missionaries, their design, their claims'' (2000) ==== *If you had been in India in late 1998-early 1999, and the English-language "national" newspapers had been your source of information about what was going on, you would have concluded that an extensive, well coordinated pogrom was on, that maniacal Hindu groups were going round raping nuns, attacking missionaries, burning down churches. (p 7) *There indeed was a conspiracy it runs out, and a communal one at that. The whole thing was a concoction - by those whose agenda it is to paint Hindus as communalists on the rampage, and the RSS, BJP, etc., as organizations which are orchestrating a "pogrom". "Investigations, however revealed that what Sister Mary said in the FIR was not true," records Justice Wadhwa. "It was a made-up story. Investigations found that there was in fact no rape of Sister Mary... B.B. Panda, Director General of Police stated that the 'rape of the nun' case was projected and highlighted all over the world and was also projected as an attack on Christians when in fact it was not true, and the case turned out to be false." (9-10) *The contrast between the truth about the incidents and what they were made out to be should alert our newspapers and TV channels not to shoot off accounts without examining the facts. In particular, they must not go merely by the allegations of communalism-mongers.(13) *Several groups have several reasons for manufacturing calumny - from money to idelogy to the crassest kind of politics. Many of these are well-organized, some, as we shall see, have well-knit, world-wide networks. And they have honed expertise in manufacturing atrocity-stories, in broadcasting them round the globe, and in putting their manufactures to profitable use. (13) *High priority must be given to work among Hindu women, they say, "since they are the custodians of the faith"... (62) ====''Self-Deception : India's China Policies; Origins, Premises, Lessons'' (2008) ==== :Arun Shourie - Self-Deception _ India's China Policies_ Origins, Premises, Lessons-Harper Collins (2008, 2013) * The brutal—the customarily brutal—way in which the Chinese government suppressed the protests by Tibetans in Lhasa in the months preceding the 2008 Beijing Olympics once again drew attention to the enormous crime that the world has refused to see: the systematic way in which an entire people have been reduced to a minority in their own land; the cruelty with which they are being crushed; the equally systematic way in which their religion and ancient civilization are being erased. Protests by Tibetans in different cities across the world, joined as they were by large numbers of citizens of those countries, had the same effect.<br>No government anywhere in the world did what the Manmohan Singh government did in Delhi, no government reacted in as craven and as frightened a manner as our government did. The Olympic Torch was to be relayed across just about two kilometres—from Vijay Chowk to India Gate. The government stationed over twenty thousand troops, paramilitary personnel, policemen and plainclothes men in and around that short stretch. Tibetan refugees were beaten and sequestered. Government offices were closed. Roads were blocked. The Metro was shut down. Even members of Parliament were stopped from going to their homes through the square that adjoins Parliament, the Vijay Chowk.<br>Do you think that any of this was done out of love for the Olympics?<br>It was done out of fear of China. *Now, this is a favourite phrase of Panditji—‘the long-term view’—as is ‘the larger considerations’. Whenever he deploys the former, you can be sure that he is preparing the case for ceding ground. Whenever he deploys the latter, you can be sure that he is preparing the case for ceding specifically the country’s interest. *Recall, what he had told the Tibetans—that India would help diplomatically. That help now has come to mean that India will keep China in good humour even as it crushes Tibet, so that it may not crush Tibet more swiftly. *We can see the operational conclusion that flows from such reasoning. As the main advance has halted, there is nothing that we need to do. When the main advance resumes, the full picture is not clear. When it is completed, and the place is subjugated, there is nothing for us to do as, by then, the place has already been subjugated. For us to do or say anything will only enrage the occupiers, and bring even greater hardship on the poor Tibetans! *He speaks at length, that is, but scarcely touches on any of the specific matters that members had raised. *The view that he disapproves is always unbalanced; or stuck in the past; or stuck in the cold war mould; or subjective and emotional... *The Dalai Lama is in India at India’s invitation. Panditji meets him on 26 and 28 November 1956. The Dalai Lama is distraught. Panditji jots down the points of their exchange. The Dalai Lama puts the figure of Chinese troops in Tibet at 120,000, the very figure for which Panditji had come down on Apa Pant. The [[w:Subimal Dutt|foreign secretary]] inserts a paragraph in Panditji’s notings about the talks: ‘The Dalai Lama appealed to India for help. PM’s reply was that, apart from other considerations, India was not in a position to give any effective help to Tibet; nor were other countries in a position to do so. Dalai Lama should not resist land reforms.’ Instead of help, Panditji gives advice. He records the advice he gives: ‘D.L. should become the leader of the reform. Best way we can help is by maintaining friendly relations with China, otherwise China would fear our designs in Tibet.’ An excuse, and a presumptuous one—‘otherwise China would fear our designs in Tibet.’ *As the principal object of this brief book is to set out the evolution of India’s China-policy in Panditji’s own words, and to show how those assumptions and habits continue to endanger us today, I have kept annotations to the minimum. But what Panditji did and said and wrote in regard to China does deserve to be analyzed almost at the psychological and linguistic level! For his stance, his formulations, his rationalizations are rooted in habits, in mental processes. Not just his assumptions and premises persist among policy-makers, those very habits and mental processes persist. In the 1950s, they went unquestioned because of the lofty position that Panditji occupied in our lives and discourse. Today, they go equally unquestioned—though for a different reason: discourse has got so dumbed-down that no assumption or premise is examined as it should be. An illustration will bring home the consequence. Among the habits that persist, one is especially harmful as it rationalizes going-along at an almost subliminal level. This is the habit of slipping in a thought or sentence which excuses one from facing the facts. We see this in Pandit Nehru’s writings and spoken word at every turn. ... *A contributing factor certainly must have been the contempt that Mao, Chou En-lai and others felt for India and Indians. This comes through again and again in conversation after conversation of the Chinese leaders. Chou and Kissinger agree on how India is the one that is causing the troubles in East Pakistan; on what China and US should together do to halt India in the tracks; they agree about not just what is ‘the Indian tradition’—deceit, blaming others—but just as much about the Indian character—marked by ingratitude.⁴ The contempt and coordination show through even more dramatically in the conversations that Kissinger later has with the permanent representative of China at the UN, Huang Hua, during which he asks Huang Hua to assure Chou En-lai that, should China take military action against India to divert it from pursuing its assault on Pakistan, the US will hold the Soviet Union at bay. Nixon, Pompidou and Kissinger are exchanging views about the state of the world. Nixon summarizes the Chinese assessments: ‘...the attitude of the Chinese towards their neighbours can be summed up in this way. The Russians they hate and fear now. The Japanese they fear later but do not hate. For the Indians they feel contempt but they are there and backed by the U.S.S.R.’ ===2010s=== *I don't see the difference between the two. I feel they (the BJP and the Congress) are one party. They are jointly ruling. It is a dinner party. They meet at dinners. They meet socially. They decide on what has to be done about issues. <br>First, the media should write about itself. It is extremely short-sighted about the media to black out these things. The Mitrokhin Archives revealed how (the then Soviet intelligence agency) the KGB boasted that they were able to plant 400 stories in such and such Indian newspapers. The Indian media blacked it out. Then, privatetreaties of The Times of India that other people have now adopted has been completely blacked out.... When the Press Council of India was forced to appoint a committee to look into the allegations about 'paid news', the Press Council itself suppressed the report. **[https://www.rediff.com/news/report/interview-arun-shourie-on-the-real-meaning-of-the-radia-tapes1/20101201.htm Interview] 2010 ====''Falling Over Backwards'' (2012) ==== *The first derailment was caused by plucking the words ‘of their choice’ out of context, by tearing them away from the object for which Articles 29 and 30 gave minorities the right to set up and administer institutions. A normal engineering college or a college of dentistry can by no stretch be taken to be an institution that has been set up to help conserve the language, script or culture of the minority. Yet, provided the engineering or dentistry college has been set up by members of a minority, it was presumed to enjoy the protection of Articles 29 and 30, and thereby be beyond the reach of the state. *The result has been as predictable as it is iniquitous and absurd: if Ram Sharan sets up an engineering college, the state as well as the university concerned can prescribe all sorts of things it must do; if Mohammed Aslam sets up an exact clone of that engineering college across the road, teaching exactly the same subjects, using exactly the same textbooks, neither the state nor the university can regulate its functioning! *On the other hand, when sticking to the text is what will advance the judgment, they become strict constructionists. Some of the most conspicuous instances of this can be found in judgments relating to Article 30, the article that deals with the ‘right of minorities to establish and administer educational institutions’. The country had been partitioned on the cry that Muslims will never be secure in a united India. The framers were naturally keen to reassure the minorities that they would be free to preserve their religion, language and culture. Accordingly, Article 29 was enacted guaranteeing them and assuring them of this freedom. In case they wanted to set up institutions for safeguarding their language, culture, religion, Article 30 was enacted assuring them that ‘All minorities, whether based on religion or language, shall have the right to establish and administer educational institutions of their choice.’ The context made the purpose clear: minorities would have the freedom to set up such institutions as they thought would best preserve their culture, religion, language. But, given what has been the climate of discourse since the framing of the Constitution, the judges became literalists. Minorities would have the right to set up and manage ‘educational institutions of their choice’ irrespective of the purpose for which the institution was set up. Thus, engineering colleges and dental colleges set up by a family of, say, Muslims would have freedoms from state regulation and oversight that engineering and dental colleges set up by run-of-the-mill Indians would not. *Now, these are not stray phrases thrown in to light up a purple passage. They are stances, they are standpoints that indicate the direction in which that judgment will go, they are signposts which tell us where the reasoning being advanced in the text will eventually end. Such formulations have a significance beyond the particular judgment in which they figure. Succeeding benches can strike the same pose and gallop further in the same direction. *We comfort ourselves: at least, the virus of reservations has not got into judicial appointments; at least, reservations have not been extended to Muslims and Christians. Both notions are just make-believe. *As for reservations not having been extended to members of religions that repudiate caste – Islam, Christianity, Sikhism – again, that is but make-believe. The chairman of the Minorities Commission, my friend Tarlochan Singh, sends me a list of fifty-eight castes and of fourteen tribal groups, Muslim members of which have been given reservations. Even those who convert to one of these religions, continue to remain entitled to reservation. The rule in Tamil Nadu is that if the name of the father falls in the lists of Backward Castes/Most Backward Castes/Scheduled Castes/Scheduled Tribes, then, even if the person has converted to another religion, he remains entitled to reservations. In Gujarat, members of Backward Castes continue to avail of not just reservations but even of advantages under the roster system after conversion – 137 castes and sub-castes have been listed as socially and educationally backward in the state; of these, twenty-eight belong to the Muslim community. In Karnataka, ‘caste at birth’ is the norm. In UP, several Muslim castes are included in the reservation list – Lalbegi, Mazhabis, even Ansaris. The position is no different in Madhya Pradesh, in West Bengal. The Indian Express correspondent in Kolkata reports that the government of the ostentatiously secular CPI(M) strained to have reservations in government service as well as educational institutions extended to Muslims qua Muslims, and directed the state Minorities Commission to ascertain how such reservation had been decreed in Andhra Pradesh. The plan has had to be deferred for the time being, he writes, Only because the Andhra Pradesh High Court has struck down the Andhra order as unconstitutional. *Even as moves are afoot to get the Andhra judgment reversed, the government has directed the armed forces to count soldiers and officers by their religion. Nor is this move an inadvertence. It has arisen as a result of a committee that the government has appointed under a former chief justice of Delhi, Rajinder Sachar -each member of which has been carefully selected for his ‘secular’ beliefs. Each term of reference on which it is to supply information and make recommendations, as we noted at the outset, has been just as carefully selected to justify reservations and other concessions to Muslims as a religious group. *With elections looming, in January 2006, the Government of Kerala announced another ‘package’ of reservations for backward castes and for Muslims: service rules of the state shall be altered to permit direct recruitment of these sections so as to fill the 40 per cent quota that has been set aside for them; if suitable candidates are not available from these sections, the vacancies shall not be filled by merit; the state Public Service Commission shall prepare an ‘additional supplementary list’ so that the vacancies may be filled only by these sections; 20 per cent of the seats shall be reserved for these castes in graduate and postgraduate courses in government colleges; the chief minister will himself monitor the implementation of the reservation policy; there shall be a permanent commission to ensure that reservations are fully filled... *With elections upon them, the DMK and its allies announced in Tamil Nadu that, once in office, they will bring forth legislation to give reservations to Muslims and Christians. *The Jharkhand government, in turn, has announced that members of thirty-two tribes that are the most backward – literacy level among nine of them is said to be just 10 per cent – shall be directly recruited into government service; those among them who pass the graduation examination shall not have to take the qualifying examination which all others who enter government service have to take. *And beware, the progressive judges have already put out the basis for extending reservations to Muslims or Christians as Muslims and Christians. The word that the Constitution uses is ‘communities’, the word it uses is ‘classes’, Justices Jeevan Reddy, Sawant and Thommen hold in Indra Sawhney. ‘Community’ and ‘class’ are wider than ‘caste’, they say. So, entities wider than ‘caste’ can certainly be subsumed under them, they say – the only proviso being that the groups so identified be ‘backward’. Second, in spite of the teachings of Islam, Christianity and Sikhism, castes persist in these religions also, they explain in justification. As that is the reality, it would be invidious to restrict access to reservations to the backward sections of Hindus alone...3 *How far we have descended! Today progressives dress up their casteism as secularism! The benefits of reservation shall be extended to Muslims and Christians also, they proudly announce. In Andhra the decision of the government has had to be twice struck down by the courts – the government had decreed reservations for Muslims qua Muslims. Even as moves are afoot to get that judgment reversed, the Central government directed the armed forces to count soldiers and officers by their religion. Nor was the move an inadvertence. It arose as a result of a committee that the government had appointed under a former chief justice of the Delhi High Court. Each member of the committee has been carefully selected for his ‘secular’ and ‘progressive’ beliefs. Each term of reference on which the committee has been asked to supply information and make recommendations has been just as carefully selected to justify reservations and other concessions to Muslims as a religious group: *Every single item betrays the singular purpose of the whole exercise–to provide the rationale for extending reservations to Muslims. Nor is that opportunism confined to the present ruling coalition. In the run-up to the 2005 elections in Bihar, rival groups were vying with each other promising reservations for Muslims qua Muslims. *The object of the framers of the Constitution was, as ours must be, quite the opposite. It was to wipe out the cancer of caste even from Hindu society. Only with the greatest reluctance did they agree to allow reservations for the Scheduled Castes and Tribe – for they felt that doing even this much would perpetuate caste distinctions. The reservations were, therefore, to be exceptions to the general rule. ===2020s=== ====''Preparing: For Death'', 2020==== *One must reflect deeply on the nature of the adversity, and on how it may be converted into an instrument for growth. The routine Gandhiji set for himself was always so much stricter and so much more demanding than anything that a jailer would have thought of imposing on anyone. Similarly, picture Vinoba in solitary confinement in that cell, 8 feet by 9 feet in dimension: how he converts imprisonment into ashram life; how in that tiny space, in forced and complete isolation, he retains his mental discipline by meditating for two to three hours every day; how he disciplines himself physically by walking every day for eight hours inside that suffocating cell, and thereby covering ten miles—covering ten miles in a cell 8 feet by 9 feet every single day! In both cases, control remained in the hands of the prisoner, not the jailer—a very important factor in dealing with adversity. ** Arun Shourie, ''Preparing: For Death.'' Penguin Random House India Private Limited, 2020. ISBN 935305978X, 9789353059781 *The rituals—for instance, those we go through during a marriage ceremony—were devised to imbed certain values into us: the experience of centuries had led thoughtful persons to see that going through those steps, that reciting those mantras and reflecting on them would help us internalize those values, and mould our lives accordingly. But what do we do today? First, we outsource the ritual—to a pandit, say. As he goes through the motions prescribed for solemnizing a marriage, as he chants those mantras, we don’t have a clue about the meaning of the words that he is reciting, nor of the steps—‘Now pour some water on the earth, and then on . . .’ Nor do we care: ‘Panditji, puja zaraa jaldi khatam kar deejiye. Guest dinner ke liye wait kar rahen hain’—‘Panditji, please conclude the puja a bit quickly. The guests are waiting for dinner.’ ** Arun Shourie, ''Preparing: For Death.'' Penguin Random House India Private Limited, 2020. ISBN 935305978X, 9789353059781 ==Quotes about Arun Shourie== *In the end, India had to wait till 1998 for Arun Shourie’s Eminent Historians to be published. This book uncovered in detail after ghastly detail, this multi-layered assault on the national psyche that has disfigured the minds of at least three generations regarding the vital truths of their own nation. And thanks to this seminal contribution, “Eminent Historian” has fittingly become a swearword in the Indian public discourse. **S. Balakrishna, Seventy years of secularism. 2018. *Anyone who thought India had dismantled its notorious system of bureaucratic controls when it embarked on economic reform in 1991 ought to consult Arun Shourie. As cabinet minister (at various times since 1998) for privatisation, administrative reform, information technology and telecommunications, Mr Shourie's observations are close to the bone. The Hindu nationalist-led government in which Mr Shourie was the most prominent economic reformer was thrown out last May. Franz Kafka would have had difficulty dreaming up some of the examples cited in Mr Shourie's book. ... But it is what India's bureaucracy is like under normal conditions that matters and Mr Shourie does a depressingly thorough job in chronicling it. One can only hope that India's senior civil servants find the time to read this book - and have the grace to wince. **[[Edward Luce]], India's tragic comedy of civil disservice, book review in Financial Times. November 9, 2004 *Muslim leaders and Stalinist historians were raising a howl about Hindu chauvinism when it came to the notice of Arun Shourie, the Chief Editor of the Indian Express at that time, that some significant passages had been omitted from the English translation of an Urdu book written long ago by the father of Ali Mian, the famous Muslim theologian from Lucknow. He wrote an article, Hideaway Communalism, in the Indian Express of February 5, 1989 pointing out how the passages regarding destruction of Hindu temples and building of mosques on their sites at Delhi, Jaunpur, Kanauj, Etawah, Ayodhya, Varanasi and Mathura had been dropped from the English translation published by Ali Mian himself. This was a new and dramatic departure from the norm observed so far by the prestigious press. Publishing anything which said that Islam was less than sublime had been taboo for a long time. I was pleasantly surprised, and named Arun Shourie as the [[মিখাইল গর্বাচেভ]] of India. He had thrown open the windows and let in fresh breeze in a house full of the stinking garbage of stale slogans. **Goel, S.R. How I became a Hindu (1993, revised ed.) *[Arun Shourie's article 'Hideaway Communalism'] had violated a taboo placed by the mass media and the academia on any unfavourable narration of the history of Islam since the days when Mahatma Gandhi took command of the Indian National Congress and launched his first non-cooperation movement in support of the Turkish Khilafat. **Goel, S.R. Hindu Temples – What Happened to Them, Volume I (1990) Preface, 2nd edition, p. xiii. *Arun Shourie had shown great courage. But he had counted without the secularist crowd which had access to the owner of the Indian Express. He told me on the phone that there was some trouble brewing. I have never talked to him about the nature of the trouble, and do not know if my articles had anything to do with his ouster from the Indian Express next year. All I know is that he had to slow down the publication of my next two articles. **Goel, S.R. How I became a Hindu (1993, revised ed.) *Mani Shankar Aiyar totally condemns one of Arun Shourie's books, and then goes on to declare that he has decided not to read it : "Shourie gave the final touches to the manuscript of his book on Islam, a work so vicious and perverted that every English speaking Muslim I know was outraged... I decided then to show my solidarity with secularism by not reading the book." (The book he refers to, is apparently Shourie's Religion in Politics, a very sane and sober look at several Scriptures in the light of reason.) **Elst, Koenraad. Ayodhya and after: issues before Hindu society. Voice of India. 1991. *The problem of book-banning and censorship on Islam criticism is compounded by the related problem of self- censorship. Thus, when in late 1992, the famous columnist Arun Shourie wanted to publish a collection of his columns on Islamic fundamentalism, esp. the Rushdie and Ayodhya affairs (Indian Controversies), the publisher withdrew at the last moment, afraid of administrative or physical reprisals, and the printer also backed out. Earlier, Shourie had been lucky to find one paper willing to publish these columns, for most Indian newspapers strictly keep the lid on Islam criticism. Hindu society is a terrorized society. **Elst, Koenraad. Negationism in India: concealing the record of Islam. Voice of India. 1992 *Arun Shourie was sacked as Indian Express editor, apparently under government pressure, after revealing that, in October 1990, Prime Minister V.P. Singh had aborted his own compromise arrangement on Ayodhya under pressure from Imam Bukhari, prominent member of the BMAC. **Koenraad Elst. Ayodhya: the case against the temple. 2002 * Or take A Secular Agenda by Arun Shourie, PhD from Syracure NY and stunningly successful Disinvestment Minister in the AB Vajpayee Government, when India scored its highest economic growth figures. It was a very important book, and it left no stone standing of the common assumption among so-called experts that India (with its religion-based civil codes and its discriminatory laws against Hinduism) is a secular state, i.e. a state in which all citizens are equal before the law, regardless of their religion. Though the book deconstructs the bedrock on which the “experts” have built their view of modern India, they have never formulated a refutation. Instead, they just keep on repeating their own deluded assumption, as in: “The BJP threatens India’s structure as a secular state.” (Actually, the BJP does not, and India is not.) They can do so because they are secure in the knowledge that, among the audiences that matter, their camp controls the sphere of discourse. Concerning the interface between religion and modern politics, the established “academic” view is not just defective, it is an outrageous failure. **Elst, Koenraad. Hindu dharma and the culture wars. (2019). New Delhi : Rupa. *The only ray of light in this encircling gloom was Arun Shourie, the veteran journalist and the chief editor of the Indian express at that time. On February 5, 1989, he frontpaged an article, Hideaway Communalism, showing that while the Urdu version of a book by Maulana Hakim Sayid Abdul Hai of the Nadwatul-Ulama at Lucknow had admitted that seven famous mosques had been built on the sites of Hindu temples, the English translation published by the Maulana’s son, Abul Hasan Ali Nadwi (Ali Mian) had eschewed the “controversial evidence”. He also published in the Indian Express three articles written by me on the subject of Islamic iconoclasm. This was a very courageous defiance of the ban imposed by Islam and administered by Secularism, namely, that crimes committed by Islam cannot even be whispered in private, not to speak of being proclaimed in public. **Goel, S. R. (1993). Hindu temples: What happened to them. (Second Enlarged Edition) [https://web.archive.org/web/20120429114113/http://www.bharatvani.org:80/books/htemples2/] *He dismisses Arun Shourie by pigeon-holing him as ‘post-modern’. He does not know that Hinduism has its own view of Time, and that a person who serves Sanatana Dharma cannot be dated. Scholars like Arun Shourie belong neither to the past, nor to the present, nor yet to the future. They belong to a timeless span. **S.R. Goel, History of Hindu-Christian Encounters (1996) * Just then Shourie was sacked as its editor. The reason was not so much the article, but, apparently, his entire policy of including columns by Hindu communalists like Ram Swarup and Sita Ram Goel, and his own articles that debunked some of the prevalent secularism, such as Hideaway Communalism. ** Elst, Koenraad (1991). Ayodhya and after: Issues before Hindu society. *I thank particularly my friend Arun Shourie because we need people like Arun Shourie to challenge us so that we can rectify our mistakes and all together collectively move towards the creation of a new India, a new humanity. ** Fr. Augustine Kanjamala, quoted in Shourie, Arun. Arun Shourie and his Christian Critic. (1995) * It is clear that Witzel himself has a political agenda: note his resentment of the “present Indian (right wing) denouncement of the ‘eminent historians’ of Delhi” (§9) – some of these “eminent historians” actively collaborated with Witzel and Farmer in their recent media-blitz in the Indian press. The reader is invited to go carefully through Arun SHOURIE’s book “Eminent Historians” (1998), which is being referred to here, and see the kind of political scholarship to whose defense Witzel has no compunctions in rushing! **S. Talageri. Michael Witzel – An Examination of his Review of my Book (2001) *As for Shourie, Mukhia is hardly revealing a secret with his information that Shourie “does journalism for a living”. The greatest investigative journalist in India by far, he has indeed unearthed some dirty secrets of Congressite, casteist and Communist politicians. His revelations about the corrupt financial dealings between the Marxist historians and the government-sponsored academic institutions are in that same category: fearless and factual investigative journalism. Shourie has a Ph.D. degree in Economics from Syracuse University in U.S.A., which should attest to a capacity for scholarship, even if not strictly in the historical field. When he criticizes the gross distortions of history by Mukhia’s school, one could say formally that he transgresses the boundaries of his specialism, but such formalistic exclusives only hide the absence of a substantive refutation. **Elst K. Ayodhya: The Case Against the Temple, chapter 4 * When Shourie's articles first appeared, they aroused great emotions and savage attacks. He quoted from the Bible and the Quran extensively on the question of co-existence. Many were shocked.... Shourie has called his book, Religion in Politics; someday he should bring out another book, Politics in Religion....The first book discusses politics complicated by religions factors; the second would discuss religions which are essentially political... **Ram Swarup, Hinduism and monotheistic religions (2009) == External links == {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:Shourie, Arun}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতিবিদ]] [[Category:Hindu nationalists]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতান্ত্রিক বিরোধী]] [[Category:Investigative journalists]] c5hd2riqp0pesoglutbs7oyfpbz54uv 78730 78623 2026-04-20T02:26:26Z ARI 356 /* Quotes */ ; সংশোধন 78730 wikitext text/x-wiki [[File:Arun Shourie addressing the Plenary Session on "Diaspora Youth and India - Blueprint for Engagement" at the 2nd Pravasi Bharatiya Divas in 2004.jpg|thumb| আমি বেশ অবাক হয়েছিলাম এবং অরুণ শৌরিকে ভারতের গর্বাচেভ নাম দিয়েছিলাম। তিনি পচা স্লোগানের আবর্জনায় ভরা একটি ঘরে জানালাগুলো খুলে দিয়েছিলেন এবং এক ঝলক টাটকা বাতাস আসতে দিয়েছিলেন। ~ সীতারাম গোয়েল]] [[File:Animal artists at the Jardin des Plantes.jpg|thumb|তারা বর্তমান ভারত এবং বিশেষ করে [[হিন্দুধর্ম]]কে একটি চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছে—বিভিন্ন রকমের অসম প্রজাতির স্তূপ। তাদের মতে ‘[[ভারত]]’ বলে কিছু নেই, এটি কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ, কেবল [[যুক্তরাজ্য]]ের তৈরি একটি ধারণা; হিন্দুধর্ম বলে কিছু নেই, এটি কেবল আরবদের ব্যবহৃত একটি শব্দ যা তারা এখানে এসে বিভিন্ন ধরনের মানুষের দেখা পাওয়ার পর ব্যবহার করেছিল, এটি কেবল অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য সাম্প্রদায়িকদের একটি উদ্ভাবন, এটিই ছিল তাদের অবস্থান।]] [[File:Dalailama1 20121014 4639.jpg|thumb|আমাদের উচিত দালাই লামার উদাহরণটি সামনে রাখা। তিনি ধ্যানের ওপর একটি তিব্বতি গ্রন্থের ওপর বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি একটি বাক্য পড়লেন, হাসলেন এবং মন্তব্য করলেন, ‘সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বগুলো লজ্জাজনক! এগুলো ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত!’ তিনি পরামর্শ দেন যে আমাদের কাছে সবসময় একটি ঝুড়ি রাখা উচিত—যা কিছু আমাদের বর্তমান জ্ঞানের সাথে মেলে না, সেগুলো সেই ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া উচিত। ‘[[বৌদ্ধধর্ম]]কে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে,’ তিনি এটাই শেখান। সেই অনুযায়ী তিনি বৌদ্ধ গ্রন্থগুলোকে সূক্ষ্ম পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করেছেন। (...) এটি নিজের ঐতিহ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসকেই তুলে ধরে। এটিই হলো ঐতিহ্যের প্রকৃত সেবা। এতে থাকা ‘অমূল্য রত্ন’ [[ভবিষ্যৎ]]ের জন্য রক্ষা করার উপায় এটিই।]] [[File:Censorship in cinema.jpg|thumb|এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?]] [[File:Parental Advisory label.svg|thumb|এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি—যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?]] [[File:Censorship.svg|thumb|এই বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।]] [[File:Murales Rivera - Treppenhaus 9 Bücherverbrennung.jpg|thumb|আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে... তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা...<br> দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br> তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন।]] [[File:Eustache Le Sueur - The Preaching of St Paul at Ephesus - WGA12613.jpg|thumb|সবচেয়ে বড় অংশগুলো বাদ দিতে বলা হয়েছে ‘আওরঙ্গজেবের ধর্মীয় নীতি’ সংক্রান্ত অধ্যায় থেকে। তিনি হিন্দুদের সাথে প্রকৃতপক্ষে কী করেছিলেন, তাদের মন্দিরের কী করেছিলেন, তার শাসনের মূল উদ্দেশ্যইসলামের প্রভাব বিস্তার এই সংক্রান্ত প্রতিটি ইঙ্গিত বই থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে... '''সবকিছু ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।'''<br/>'''বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের জন্য বস্তুনিষ্ঠ ধামাচাপা। আর আজ যদি কেউ এই পাঠ্যবইগুলোতে সত্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে, তবে চিৎকার ওঠে, ‘ইতিহাসের সাম্প্রদায়িক পুনর্লিখন’।''']] [[File:Porträtgalerie des steiermärkischen Adels 043.jpg|thumb|একবার যখন তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিলেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিলেন, তখন তারাই ঠিক করতে শুরু করলেন কী পড়ানো হবে, কোন বইগুলো পাঠ্য হবে, কী প্রশ্ন করা হবে আর কোন উত্তরগুলো গ্রহণযোগ্য হবে। এভাবেই এই ঐতিহাসিকরা আসলে ইতিহাস কী ছিল তা নির্ধারণ করতে শুরু করলেন! ... এভাবেই তারা তথ্য গোপন করেন, কিছু তথ্য বানিয়ে বলেন, এমনকি কোনো লেখক একটি বিষয়ে কী বলেছেন তা ধামাচাপা দিয়ে অন্য বিষয়ে তার বলা কথাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রচার করেন। আর যখনই কেউ আসলে কী ঘটেছিল তা তুলে ধরার চেষ্টা করে, তখনই তারা সমস্বরে চিৎকার শুরু করেন: ইতিহাস নতুন করে লেখার ষড়যন্ত্র চলছে, তারা চিৎকার করেন; ইতিহাস বিকৃত করার চক্রান্ত হচ্ছে, তারা চিৎকার করেন। '''কিন্তু তারাই প্রথম থেকে ইতিহাস বিকৃত করে আসছেন সত্য গোপন করে এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে।''']] [[File:Censored stamp.jpg|thumb|আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?]] [[File:Soviet Communism Threatens Education - NARA - 5730072.jpg|thumb|পরিস্থিতি এখন এইরকম: ভারতের জনপরিসরে যারা গত অর্ধ শতাব্দী ধরে আধিপত্য বিস্তার করেছেন, নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং অন্যদের আতঙ্কিত করে রেখেছেন, তাদের হাতে এখন কোনো তথ্য বা যুক্তি অবশিষ্ট নেই। যে কেউ তাদের অভ্যন্তরীণ আলোচনাগুলো পর্যবেক্ষণ করলেই এর প্রমাণ পাবেন—তারা এখন ক্রমশ ছোট হয়ে আসা গণ্ডির মধ্যে কথা বলছেন এবং সেই ছোট গণ্ডিতেই পুরনো কিছু বুলি পুনরাবৃত্তি করছেন। সেখানে নতুন কোনো চিন্তাভাবনা বা নতুন কোনো তথ্য নেই। আর আমরা যেমনটা দেখেছি, এটি আগে থেকেই ধারণা করা যায়: তাত্ত্বিক বুলিগুলোর পুনরাবৃত্তি করাই তাদের জন্য কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং যথেষ্ট।]] [[File:Shri Arun Shourie, Member of Parliament presented his book titled “Falling Over Backward” to the Vice President, Shri Bhairon Singh Shekhawat, in New Delhi on June 3, 2006.jpg|thumb|এর ফলাফল প্রত্যাশিত হলেও তা অন্যায় এবং হাস্যকর: যদি রাম শরণ একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, তবে রাষ্ট্র এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় অনেক কিছু নির্ধারণ করে দিতে পারে যা তাকে করতে হবে; কিন্তু যদি মুহাম্মদ আসলাম রাস্তার ওপারে ঠিক একই রকম একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, যেখানে ঠিক একই বিষয় পড়ানো হয় এবং একই পাঠ্যবই ব্যবহার করা হয়, তবে রাষ্ট্র বা বিশ্ববিদ্যালয় কেউই এর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না!]] '''অরুণ শৌরি''' (জন্ম ২ নভেম্বর ১৯৪১) ভারতের একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক এবং রাজনীতিবিদ। == উক্তি == === ১৯৭০-এর দশক === ==== ''সিম্পটমস অফ ফ্যাসিজম'' (১৯৭৮) ==== * জরুরি অবস্থার অপরাধীদের বিষয়ে আজ আমরা যা দেখছি তা আইনের শাসন নয়, বরং তার ধ্বংস। আমরা দেখছি কীভাবে বুর্জোয়া আইনের শাসন ধ্বংস করা হচ্ছে। এই শ্রেণির লোকেরাই নিজেদের স্বার্থে এটি ধ্বংস করছে এবং বুর্জোয়া সমাজ এই অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনার মতো প্রয়োজনীয় দৃঢ়তা দেখাতে পারছে না। আজ আমাদের বিচার ব্যবস্থার দুটি বৈশিষ্ট্য সবার সামনে পরিষ্কার হয়ে গেছে। প্রথমত, অপরাধীরা যদি প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাশালীদের সাথে যুক্ত হয়, তবে এই ব্যবস্থা তাদের ধরতে পারে না। দ্বিতীয়ত, জনগণ এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে করা তাদের প্রধান অপরাধগুলোর জন্য এটি তাদের ধরতে পারে না। * এরপর আছেন আমাদের লক্ষ্যহীন বামপন্থীরা, যারা একে অপরকে গালিগালাজ করতে ব্যস্ত। আর সবশেষে আছেন উদারপন্থীরা, যারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজাতে ব্যস্ত, বরং তারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজানো নিয়ে সেমিনার করতে ব্যস্ত। * আসন্ন ফ্যাসিবাদের প্রবল আঘাত থেকে আমাদের বাঁচাতে এই লোকগুলোর ওপর ভরসা করা মানে হলো একটি মাইনফিল্ড পার হওয়ার জন্য বুড়ো মহিষের ওপর নির্ভর করা। ===1980s=== ====''Religion in politics'' (1989) ==== * Thus silence retards reform. If large numbers were writing and talking about the communalism of these leaders, for instance, the reformers within these communities would not be as isolated, indeed as beleaguered as they are today. Worst of all not speaking the whole truth becomes a habit. Concealing one’s convictions, glossing over the evidence, deception, become almost an ingredient of public discourse. ===1990s=== *And yet I find in the majority judgement a fatal innocence... The judgement quotes the proclamations from the Rig, Yajur and Atharva Vedas - about all human beings being one, about their being the children of the same Mother-Earth, about the yearnings that all of use be friends. But it does not note that less than a mile from its building volumes upon volumes of [[w:fatwa|fatwas]] are being sold and distributed which exhort Muslims never to trust [[w:Kafir|Kafirs]], never to allow them into their confidence; which tell them that their first duty and allegiance is to their religion and not to sundry laws... It is not [[মহাত্মা গান্ধী]] who needs to be convinced that Ishwar and Allah ar one. It is not [[গুরু গোবিন্দ সিং]] who needs to be convinced that mandir and masjid, Puran and Quran are one. The ones who need to be convinced that they are one - say, the ulema, or the Shahi Iman... - have it as an article of faith that they are not one. **Arun Shourie in: India., & Dasgupta, S. (1995). The Ayodhya reference: The Supreme Court judgement and commentaries. p. 171-3 * "The forfeiture is exactly the sort of thing which has landed us where we are : where intellectual inquiry is shut out ; where our tradition are not examined and reassessed and where as a consequence there is no dialogue." **About the book banning of Ram Swarup's Understanding Islam through Hadis. quoted from Koenraad Elst. Ayodhya and after: issues before Hindu society. 1991. Ch. 12. *They rely on intimidation, It is exactly by tactics of this kind that an earlier book of Mr. Swarup - Understanding Islam Through Hadis - was put out of circulation... November 27, 1990, under the influence of the same intimidation the Delhi Administration declared that, contrary to what it had itself twice decreed, the book was not only objectionable, was deliberately and malicious so!....<br/>Our response should be three fold. First, whenever an attempt such as this from quarters such as Mr. Shahabuddin is made to stifle free speech, to kill even scholarly inquiry, we must go out of our way and immediately obtain the book....<br/>Secondly, whenever the intimidators prevail and such a book actually comes to be banned large numbers should take to reprinting it, photocopying it, to circulating it, and discussing its contents.<br/>The third thing is more necessary, and in the long run will be the complete answer to the intimidators. As long as scholars like Mr. Swarup are few, intimidators can bully weak governments into shutting them one by one. But what will they do if 1,000, scholars are to do work of the same order? This is the way to deal with intimidators. Let 1,000 scholars carry on work Mr. Swarup has pioneered. **Arun Shourie: " How should we respond?", also in: Freedom of expression – Secular Theocracy Versus Liberal Democracy (1998, edited by Sita Ram Goel) * For fifty years this bunch has been suppressing facts and inventing lies. How concerned they are about that objective of the ICHR -- to promote objective and rational research into events of our past. How does this square with the guidelines issued by their West Bengal Government in 1989…"Muslim rule should never attract any criticism. Destruction of temples by Muslim rulers and invaders should not be mentioned"? But their wholesale fabrications of the destruction of Buddhist vihars, about the non-existent "Aryan invasion" -- to question these is to be communal, chauvinist! It is this which has been the major crime of these "historians". But these are not just partisan "historians". They are nepotists of the worst kind... they are ones who have used State patronage to help each other in many, many ways... Not only are these "historians" partisan, not only are they nepotists, they are ones who have used State patronage to help each other in many, many ways… As a result, the books and pamphlets of these fellows are available in all regional languages, but the works of even Lokmanya Tilak are not available except in Marathi! **FABRICATIONS ON THE WAY TO THE FUNERAL Publication: India Connect Author: Arun Shourie Date: June 26, 1998 [http://voiceofdharma.org/indology/eminenthistorians1.html] [https://www.dharmadispatch.in/commentary/de-secularizing-indian-history-why-the-ugc-deserves-our-kudos] * All the facts ... were well known fifty years ago. With the passing of the generation that fought for Independence, with the total abandonment of looking up the record, most of all with the rise of casteist politics, they have been erased from public awareness. And that erasure has led to the predictable result: schizophrenia. To start with, those trading in Ambedkar's name and their apologists have sought to downplay the struggle for Independence: the freedom it brought is not "real", they insist. Exactly as that other group did which teamed up with the British at that crucial hour, 1942 -- the Communists. Indeed,... to justify Ambedkar's conduct his followers insist that British Rule was better... But the facts lurk in the closet. Lest they spill out and tarnish the icon they need for their politics, lest their politics be shown up for what it is -- a trade in the name of the dispossessed -- these followers of Ambedkar enforce their brand of history through verbal terrorism, and actual assault. **Arun Shourie, Worshipping False Gods, 1997, HarperCollins. ====''Indian controversies: Essays on religion in politics '' (1993) ==== :Shourie, A. (2006). Indian controversies: Essays on religion in politics. New Delhi: Rupa & Co. *The most telling illustration has been provided by the silence over the new archaeological findings. .... When the findings of the excavations which had been conducted over a decade ago became public, and these left little doubt about the fact that there had indeed been a temple at the site, archaeology itself was denounced. Papers made themselves available for tarnishing one of the most respected archaeologists in the world - the former Director General of the Archaeological Survey of India who had led those excavations. ... The lesson is plain: should such double-standards continue, Hindu opinion will become even less amenable to the minatory admonitions of our editorialists than it has already become. *Clearly, what our newsmen call 'hard-liners' have been vindicated. * As the State has been successfully bent by Sikh and Muslim communalists over the last decade, double-standards, I would say in some cases duplicity have been the hallmark of the media's treatment of events and issues. *Every single Muslim historian of medieval India lists temples which the rulers he is writing about has destroyed and the mosques he has built instead. (429) ====''Hindu temples: What happened to them (Volume I)'', 1993==== *A case in which the English version of a major book by a renowned Muslim scholar, the fourth Rector of one of the greatest centres of Islamic learning in India, listing some of the mosques, including the Babri Masjid, which were built on the sites and foundations of temples, using their stones and structures, is found to have the tell-tale passages censored out; The book is said to have become difficult to get;... Evasion, concealment, have become a national habit. And they have terrible consequences... <br/> It was a long, discursive book, I learnt, which began with descriptions of the geography, flora and fauna, languages, people and the regions of India. These were written for the Arabic speaking peoples, the book having been written in Arabic. ... A curious fact hit me in the face. Many of the persons who one would have normally expected to be knowledgeable about such publications were suddenly reluctant to recall this book. I was told, in fact, that copies of the book had been removed, for instance from the Aligarh Muslim University Library. Some even suggested that a determined effort had been made three or four years ago to get back each and every copy of this book. ....Such being the eminence of the author, such being the greatness of the work, why is it not the cynosure of the fundamentalists’’ eyes? The answer is in the chapter “Hindustan ki Masjidein”, “The Mosques of Hindustan”. ... Each reference to each of these mosques having been constructed on the sites of temples with, as in the case of the mosque at Benaras, the stones of the very temple which was demolished for that very purpose have been censored out of the English version of the book! Each one of the passages on each one of the seven mosques! No accident that. .... why would anyone have thought it necessary to remove these passages from the English version-that is the version which was more likely to be read by persons other than the faithful? Why would anyone bowdlerise the book of a major scholar in this way?... **About the removal of a book from libraries for political reasons. Arun Shourie: Hideaway Communalism (Indian Express, February 5, 1989) Quoted from Goel, Sita Ram (editor) (1993). Hindu temples: What happened to them. Volume I. *Their real significance- and I dare say that they are but the smallest, most innocuous example that one can think of on the mosque-temple business-lies in the evasion and concealment they have spurred. I have it on good authority that the passages have been known for long, and well known to those who have been stoking the Babri Masjid issue. That is the significant thing; they have known them, and their impulse has been to conceal and bury rather than to ascertain the truth....The fate of Maulana Abdul Hai’s passages-and I do, not know whether the Urdu version itself was not a conveniently sanitised version of the original Arabic volume-illustrates the cynical manner in which those who stoke the passions of religion to further their politics are going about the matter. '''Those who proceed by such cynical calculations sow havoc for all of us, for Muslims, for Hindus, for all. Those who remain silent in the face of such cynicism, such calculations help them sow the havoc. Will we shed our evasions and concealments? Will we at last learn to speak and face the whole truth?''' **About the removal of a book from libraries for political reasons. Arun Shourie: Hideaway Communalism (Indian Express, February 5, 1989) Quoted from Goel, Sita Ram (editor) (1993). Hindu temples: What happened to them. Volume I. ====''A secular agenda'', 1993==== *Upon going through the text the reader will notice how completely contrary to the facts are the cliches which are bandied about in public discourse in India, and which as a consequence so many have by now internalised.... (x) *A moment's reflection will show that India's case is not at par with the ones we have been considering. For those instances are of the most recent times - those nations were "imagined", those traditions were "invented" just a hundred or a hundred and fifty years ago. By contrast India has been seen as one and its people have had a common way of life for thousands of years. It is not just that its history is that old.... It is a continuous history. (9) *Not an enforced amnesia but an unsparing memory - that is what will build a nation. *Every sentence a lie. ... And have you ever heard the BBC refer to Nawaz Sharif as a "fundamentalist," a "fanatic"? But what would it have called Advani if he had made a statement of that kind with "Hindu" substituted for "Muslims"? ====''Missionaries in India'', 1994==== * '''I hope the reader will not just read through the examples but will also ask why it is that such material is not placed before our students. After all it is not difficult to come by, and, as the reader will agree after going through it, it has the most direct bearing on our denationalization. Yet, even though he may have considerable interest in our current problems, even though he may have been following closely the public discourse on such problems, in all probability the reader would not have come across the material. Why is this so? ''' * '''But there is an even more potent cause for the near total erasure of such material from our public discourse and our instruction. And that is the form of “secularism” which we have practised these forty-five years: a “secularism” in which double-standards have been the norm, one in which everything that may remove the dross by which our national identity has been covered has become anathema.''' * The Catholic Bishops Conference of India is the hightest body engaged in attempts to coordinate the work of different Catholic churches in India and to engage in dialogue with other religions. ... To celebrate the 50th anniversary... the CBCI convened a meeting in January 1994.... And it was an important gathering: it was only the second time in fifty years and the first time in twenty five years that such a comprehensive review was being undertaken... The organizers were so kind as to ask me to give the Hindu perception of the work of Christian missionaries in India. *And on the basis of criteria of this kind tribals were hacked off from Hindu society. One has but to read the descriptions of Animism which were relied upon to notice that they could well be describing a variety of Hindus. ;Quotes about the book *The organisers had invited Arun Shourie to give the Hindu assessment of the work of missionaries in India. Arun Shourie addressed the Archbishops, Bishops and others on 5 January 1994. ... The organisers asked Arun Shourie to write a paper based on his talk.... As the controversy snowballed... [they] invited several senior churchmen to discuss Missionaries in India on a public platform with Arun Shourie. **About the book ''Missionaries in India'' ** Shourie, Arun. Arun Shourie and his Christian Critic. (1995) *A dialogue for serving its third purpose could be held only in January 1994 when Arun Shourie, the noted journalist and scholar, was invited by the Catholic Bishops’ Conference of India (CBCI) to present a “Hindu assessment” of missionary work in India. But unfortunately for-the managers of this “dialogue”, it went out of hand and misfired. Ever since, the giant Christian establishment in India has been smarting with the hurt which Arun Shourie has caused. The uproar he has raised can be compared only with the uproar which had followed the publication of K. M. Panikkars’ Asia and Western Dominance in 1953. Missiology has been mobilizing its arsenal of apologetics and polemics in order to control the damage that has been done to Christian claims and pretensions...<br>The CBCI was celebrating the 50th anniversary of its foundation, and holding a Seminar at Ishvani Kendra, a Catholic seminary in Pune. Almost all the Catholic big-wigs in India were present when Arun Shourie gave his talk on 5 January 1994...<br>By the time the paper was fully elaborated, it had acquired the size of a book. Arun Shourie published it in early May 1994 under the title, Missionaries in India: Continuities, Changes, Dilemmas. ... Meanwhile, Arun Shourie had written several articles on the subject in his syndicated column which appears in more than a score of newspapers published in several languages all over the country. The articles evoked a lively discussion in the Maharashtra Herald of Pune. **Sita Ram Goel , History of Hindu Christian Encounters *The Christian missionary orchestra in India after independence has continued to rise from one crescendo to another with the applause of the Nehruvian establishment manned by a brood of self-alienated Hindus spawned by missionary-macaulayite education. The only rift in the lute has been K.M. Panikkar’s Asia and Western Dominance published in 1953, the Report of the Christian Missionary Activities Committee Madhya Pradesh published in 1956, Om Prakash Tyagi’s Bill on Freedom of Religion introduced in the Lok Sabha in 1978, Arun Shourie’s Missionaries in India published in 1994 and the Maharashtra Freedom of Religion Bill introduced in the Maharashtra Legislative Assembly by Mangal Prabhat Lodha, M.L.A. on 20 December 1996. **Sita Ram Goel, Vindicated by Time: The Niyogi Committee Report (1998) ====''The World of Fatwas (Or The Shariah In Action), 1995''==== *In the bookshops in the Muslim areas of our cities—for instance in the bookshops around the Jama Masjid in Delhi— the collections of fatwas fill shelves after shelves. They are put together with great care, the sort of care one associates with sacred literature. The pages are well laid out. The calligraphy is often a work of art. The volumes are beautifully bound— ever so often with gilded embossing on the covers. *'''In a word, fatwas are the shariah in action.''' *For all these reasons one would expect a host of studies on fatwas. But then one would reckon without our intellectuals. It is yet more proof of the fact that our intellectuals have seceded from our country; that there is hardly a study in either English or Urdu on the fatwas. *First, our scholars have not spared time for this vital material for the same reason on account of which they have not spared time for other things vital to our existence as a country. Most of the intellectual work in India consists in writing footnotes to work being done in the West—this has been so in the case of Marxist intellectuals even more than it is in the case of the others. And when our intellectuals are not engaged in writing these footnotes, they are busy following the fashion of the day in Western circles, busy ‘applying’, as the phrase goes, to Indian material the notion or ‘thesis’ which has become fashionable in the West. In a word, our scholarly work is derivative. So the first reason there has been no substantial study of the fatwas in India is that they have not yet caught the eye of the West. *“We should, in particular the Muslim liberal should speak the whole truth about the condition of Muslim society—for instance about the plight of women within it. And not flinch from tracing it back to its roots—the text, the laws, the ways of thinking. We should document the social practice of the Ulema [Muslim religious leaders] and of the fundamentalist politicians.…We should document what the Ulema etc. have been saying and decreeing on religious issues themselves.…We must, in particular the Muslim liberal must, take the consistently secular position on every matter—that is the only way to confront the fundamentalists, it is the surest way to bring home the alternative viewpoint to the community.…Fatwas and the rest which impinge upon the civil rights of a person are manifestly a criminal infringement of law; we should show them up as such; and join others in demanding that anyone who seeks to trample upon the rights of others by using…fatwas should be brought to book under the law. Similarly, we must expose, and work to thwart concessions by our opportunist politicians which are meant to appease, and will in the end strengthen the grip of these reactionary elements.…But it is not going to be enough to counter the Ulema, and their networks, or to show up their syllabi. As we have seen, what they proclaim, and regurgitate, and enforce is what the Koran and Hadith prescribe. Therefore, to really break the vice, liberals, and liberal Muslims in particular must examine and exhume the millenarian claims of Islam: the claims that there is only one truth, that it has been finally revealed to only one man, that it is enshrined in only one Book, that that Book is very difficult to comprehend, that the select few alone know its inner meaning, that therefore it is everyone's duty to heed them just as it is the duty of the select to make sure that everyone heeds them. In a word, the basic texts themselves have to be opened to examination.” (quoted in Bostom, A. G. (2015). Sharia versus freedom: The legacy of Islamic totalitarianism.) * The volumes of fatwas devote pages and pages to an even more exotic subject—namely, what the believer should do with an animal which has been used for intercourse. ‘What is the hukum about the animal with which a man has had sexual intercourse—what is the hukum about the animal and the man?’, asks the querist, and after due deliberation the ulema of this great ‘centre of Islamic learning’ issue a fatwa. The other matters which call forth fatwas are just as earth-shaking. <br> ‘Is a pregnant goat which has been used for intercourse halal or haram? Has one to wait for her to deliver or should she be killed and buried without waiting?’ ‘Zaid has had intercourse with a goat. What is the law in respect of her? Can we eat her flesh or drink her milk? And what is the law for him who has had the intercourse?’ ‘What is the punishment for having intercourse with a minor child or a goat?’ ‘Zaid decided to have intercourse with an animal which is halal such as a cow or a goat. He approached the animal and inserted his male member into its vagina. But there was no ejaculation. Should Zaid or other Muslims regard as halal the meat or milk of that animal? Has Zaid to do penance for this offence?’ ‘Zaid had intercourse with a cow, and then sold it. How should that money be spent? Can it be used for sadqah? And what is the punishment fo Zaid?’ ‘What is the punishment for one who has intercourse with a mare? What should be done with that mare?’ A fatwa on one and each of these matters. <br> And the answers are not always predictable, often they turn on subtle differences. It is enough for the believer who has had intercourse with an animal to do taubah, decree these men of learning, but in the usual case the animal must be killed and burnt. In the usual case, that is, its meat should not be eaten. However, to take one instance, ‘If there is no ejaculation (inside the animal) its meat and milk are halal, without question,’ rule the ulema of Dar al-Ulum, Deoband. ‘But if there is ejaculation, it is better to kill the animal and bury its flesh. No one should eat it, though it is not haram to eat it.’ [...] Finally, while others may be a bit squeamish in discussing such questions, and a little surprised at encountering them in ‘religious’ books, the ulema have no qualms about discussing such matters and laying down the law on them as much as on any other matter. They regard it as one of their functions to do so. The point is set at rest by Maulana Mufti Abdur Rahim Qadri. It transpires that a maulvi, styling himself as Hazrat Shaykh al-Islam Maulana Maulvi, published two pamphlets attacking the Hanafite jurists for holding that intercourse with an animal does not vitiate a fast, even if ejaculation takes place. He cited the great authorities of Hanafite law—Shami and the Durr-ul-Mukhtar—as having decreed this. He also chided the learned ulema for filling religious books with discussions of such topics. The writings of the maulvi were referred to Mufti Abdur Rahim Qadri for opinion. The Mufti’s elucidation takes up ten printed pages of the Fatawa-i-Rahimiyyah. On the substance of the question, the decision turns on whether the ejaculation took place upon intromission into the animal—in which case the fast is rendered void—or it took place by the man merely touching the animal’s genitals with his hands or kissing it, without using his sexual organ—in which case the fast is not vitiated. The Mufti cites authorities to nail the distinction, and he argues that the maulvi who had made the charge against the Hanafite jurists had misrepresented their rulings on the matter. * Next comes the Urdu press. It has been one of the most potent allies of, in some ways the instrument of the ulema, as we saw in reviewing the campaigns against Dr Zakir Hussain and Maulana Azad. We saw the same role and the same potency in the campaigns in 1992 against Mushirul Hasan, pro-vice-chancellor of Jamia Millia in Delhi, and Abid Reza Bedar, director of the Khuda Bakhsh Library in Patna. A shrill tone, wholesale distortions, creating echoes upon echoes of their allegations, fomenting an extreme insecurity and then presenting everything as an assault on Islam—these are its hallmarks. And they invariably end up being deployed to fortify the world view which the ulema want the community to retain. *And then there is the effect of patronage. Funds from Saudi Arabia, or Iran, or Iraq, or other ‘Islamic’ sources go to the ulema, to elements and organizations controlled by or beholden to them. The funds are almost never channelled to liberals. The Indian state is of course worse. As the ulema control the community, it is to the ulema, and to those who speak their language that the state genuflects. As the state has got weaker, the ulema have been able to press their campaigns with greater and greater ease. And in turn they have been able to fortify their hold over the community by demonstrating that it is to them that the state bends—on Shah Bano for instance; that it dare not step in their way: look at the audacity of their current campaign to set up a parallel structure of courts—the shariah courts—outside the legal system of the country. *The liberal who happens to be a Hindu is so apologetic, he has internalized sham secularism so much, he is in any case so innocent of the texts—of Islam, of Hinduism, of our laws and our Constitution—and he has internalized double standards to such an extent that he has made silence on all matters Islamic, indeed toeing the fundamentalists’ line proof of secularism. The ‘secularists’ of the English press are a ready example. They will refer to Ali Mian as ‘the moderate, universally respected Muslim leader’, without bothering to read anything he has written. They will refer to sundry muftis and maulwis as ‘Muslim divines’. They will shut their eyes tight to what organizations like the All India Muslim Personal Law Board or the All India Milli Council are doing; and will jump in to shout and scream should any agency of the state take a step to uncover their activities. Worst of all, they will, by a Pavlovian reflex, weigh in on the same side as the ulema on issues, and insist that anyone who opposes that side is ‘communal’, ‘fascist’, ‘revanchist’. The effect of such shouting is not limited to poisoning the air of discourse. Weak rulers are swayed by that air. And so public policy bends to the ulema. The latter are thus twice strengthened. *When we study the discourses of the Buddha or what Gandhiji has to say on, say, fasting, the content is all about looking within, about self-purification. But even when they deal with purely religious subjects the fatwas are all about the form to which the believer must adhere. They resemble instructions a drill sergeant gives to cadets for a parade. *While our leaders and the Supreme Court keep chanting, ‘All religions are one’; while they keep recalling the Vedic pronouncement, ‘Truth is one, only the sages call it by different names’; while they keep recalling Ashoka’s rock edict, ‘One who reveres one’s own religion and disparages that of another, due to devotion to one’s own religion and to glorify it over all others, does injure one’s own religion certainly’, the ulema proclaim the very opposite set of values, the truly Islamic values to be fair to the ulema. Thus we have Maulana Ahmad Riza Khan descend as an avalanche on persons who countenance processions in which books like the Gita and Quran are carried with equal respect; he declares that for a Muslim to even say, ‘Hindus should live by the Vedas, Muslims should live by the Quran,’ is kufr; a temple is the abode of Satans, he says, a Muslim is forbidden from going into it; to describe the Holy Quran as being like the Veda is kufr; to say that Hindus should live by the Veda is to ask people to follow kufr, and to ask people to follow kufr is kufr... *The fatwas reflect this belief in double standards. The differential attitude to conversion and apostasy illustrates this vividly. Islam regards it as a right and duty to convert persons from other religions. The ulema vehemently insist on it....Exactly the same position holds in regard to doing something or refraining from doing something out of regard for the other person’s religious sentiments.....An even more vivid instance is the stance in regard to the continuation of religious practices. It is the right and duty of a Muslim to carry on his religious rituals. ...Under no circumstances can the Islamic ruler give permission to kafirs to continue their religious rites, declares the Fatawa-i-Rizvia, and asks: shall he permit them to practise their kufr and thereby himself become a kafir?...It adds that there are several Hadis to the effect that no non-Muslim should remain in the Arab island...So, no non-Muslim shall be allowed to stay in the Arab island, but if a Bangladeshi who has entered India illegally is asked to leave, that is an assault on Islam!...Similarly, even today in no Islamic state can teachers in a school impart religious education of their faith to non-Muslim children...No restriction can be tolerated on teaching of the Quran and on religious instruction, declares Kifayatullah. ...And yet if we were to go by secularist discourse there is no religion which has abolished distinctions as Islam has, there is no religion which treats all equally as Islam does! *In the face of all this those who continue to assert, ‘Shariah has safeguarded the rights of women like no other system of law has,’ do so only because of their confidence that no one but them has read the texts of shariah. *And yet we must believe, on pain of being communal, that no system of law has guaranteed as many rights to women as shariah, that no religion is as solicitous of them as Islam. ... The argument can fool no one but the determined apologist. *That is not just the shariah as enforced by the fatwas. As our governments have not acted upon the directive of the Constitution to enact a Uniform Civil Code, that is the law of secular India enforced by our courts! * It is not the occasion but the ulema’s assessment of women per se which is of interest, for it pervades the fatwas through and through. ‘For the Quran says,’ declare the ulema of Deoband settling a matter to which we shall soon turn, ‘the husband is the master.’ .... And among these kafirs there are gradations, Maulana Ahmad Riza Khan declares: one hard kind of basic kufr is Christianity; worse than it is Magianism; worse than that is idolatry; worse than that is Wahabiyat; and worse than all these and more wicked is Deobandiyat... * And so on indefinitely. The effect of all this will be obvious: when you take a problem to them, the ulema can facilitate your way or thwart it by invoking one authority rather than the other. Simultaneously they, joined this time by the apologist, will insist that we, in particular the non-Muslims, must never cease to believe that the shariah is a clear and definite code, that it is a divinely ordained, and therefore an eternal and unchanging code! *Two features would by now be obvious: (1) far from being a clear and definite code, the shariah is ambiguous; (2) it is ambiguous on the entire spectrum of issues. Two operational consequences follow: (1) this ambiguity is one of the bases for the unrivalled power of the ulema; (2) the ulema therefore sabotage every effort to codify the shariah as zealously as they fight back every effort to replace it by a modern code common to all. *That is why Maulana Ahmad Riza Khan is only being true to the Faith when, as we saw at the beginning of the chapter, he says that the glory of Islam consists in having science bend to it, not in its bending to science. What holds for science holds a fortiori for mere historical ‘facts’—of whether there have been a hundred Caliphs or twelve. * The earth is stationary. The sun revolves around it. The stars are stationary, hung as lamps by Allah to guide travellers, and to stone the Devil. To believe anything contrary to all this is to betray The Faith. Men are the masters. Each may keep up to four wives at a time and as many concubines ‘as the right hand holds’. The wives are fields which the husband may or may not ‘irrigate’ as he will. The husband can bind them to obeying his merest whim on pain of being divorced. If he is still not satisfied, he can throw them out with one word. Upon being thrown out they are to be entitled to bare sustenance—but only for three months, and nothing at all beyond that. To see any inequity in this, to demand anything more for the women is to question the wisdom of Allah, it is to strike at Islam. To urinate while standing, to fail to do istinja in the prescribed way, to fail to believe that the saliva of a dog is napaak and his body paak—these are grave sins. To ask for the well-being of a kafir, be he ever so saintly, even upon his death, to fail to believe that a Muslim, be he ever so sinful, is better than a kafir, be the latter ever so virtuous, is kufr itself. Such is the mindset of the ulema. It pervades their rulings on all aspects of life. *Education is central to advancement—of the country, of the individual. But the ulema have fought hard and long against what most today would consider education. For them religious education must take priority over modern, technical education. Only those subjects are to be studied, only that knowledge is to be imparted which strengthens one’s faith— in practical terms, only those subjects are to be studied, only that knowledge pursued which confirms one in the belief that whatever is written in the Quran and Hadis, whatever has been put out by the ulema over the centuries is true and the acme of wisdom as well as perfection. The education of women, in particular their being awakened to new values, their being trained for new professions, their being awakened to their rights—all this is anathema; it is held to be injurious to them, in fact it is declared to be the way to disrupting society and undermining Islam. *Is an institution the Indian history course of which covers only the period from the raids of Mahmud Ghaznavi to 1947, the geography course of which focuses on the Arabian peninsula, an institution of and for India? *Predictably, in Maulana Ahmad Riza Khan’s reckoning the Shias are not Muslims at all. Their ‘mosques’ are not mosques—and remember, as Mir Baqi and his descendants, the mutwallis of the mosque were Shias, the ‘Babri masjid’ was a Shia mosque. *‘Arrey bhai, but why don’t you write on Hindu fatwas?,’—that from a prominent intellectual who carries a haloed name. There is nothing like the fatwa among Hindus—but surely even our intellectuals know that. The point of such admonitions is different. In this view of the matter, a Hindu should stay clear of writing on Islam. Rather, that if he writes about matters Islamic or Muslim, he should only pen Hosannas—’the religion of tolerance, equality...’—he should only write books ‘understanding’, that is explaining away the ‘Muslim mind’. At the least, if he just has to allude to some unfortunate drawback in it, he must attribute it to some special time and place and exculpate Islam from it! Even more important, he must make sure that he ‘balances’ his remark about that point in Islam with denunciation about something in Hinduism, anything—the caste system, dowry deaths, looking upon foreigners as malechh, at least sati if nothing else fits the bill! *So, who is offended? Who is humiliated by the fatwas being reproduced and analysed? It is the secularist. And the reason is manifest. He has no answer in the face of this evidence, in the face of the express and emphatic commands of the Quran and the Prophet, in the face of the repeated and absolutely explicit declarations contained in the fatwas. He has no evidence with which to counter these. But when what they say is brought out on the table, he cannot sustain his inverted ‘secularism’. As long as these things are confined to Urdu they do not inconvenience him in his circle. But the moment they are out in English he is pinned. And so he feigns offence! What is the answer? To go on setting out the facts. To go on analysing them. In the faith that abuse shall not bury evidence. In the faith that ideas are seeds, that they shall take root. *In Bangladesh, with the gallop towards Islamization, the rapid spread of Tablighi Jamaat, the ever-widening reach and influence of fundamentalist organizations like the Hizb-ut-Tahrir and the Hizb-ut-Tauhid, Shariah Committees sprang up in several parts of the country. Fatwas became ever more frequent. They were often issued by the local mullahs in rural areas, and ever so often the victims were women who had in fact been victims of violence, rape and the rest.... * To put the blame on Muslim journalism and leadership is in a sense to beg the question. After all, why do Muslims prize this kind of journalism, why do they follow such leaders? The answer is in the psychology which the ulema and their fatwas have drilled into them. *To even say, ‘What is shariah? Does anyone go by shariah today?’, is kufr, declares the Fatawa-i-Rizvia. Even if the words have been uttered to taunt others, they constitute a grave sin. To say, ‘We do not recognize shariah, we go by custom,’ is kufr, it declares. The ulema issue a fatwa prohibiting Muslims from joining processions of polytheists. A man says, ‘Issuing a fatwa not to join processions of polytheists, etc., is sheer lathbazi.’ The utterance is reported to the ulema. The utterance constitutes denigration of shariah, the Fatawa-i-Rizvia rules, and denigration of shariah is kufr. The man’s wife is free of his nikah. ... To question ijma (consensus) or taqlid (literal adherence) is kufr, they declare. ... Not to believe in Fiqh is kufr, they declare. He who does not accept Fiqh is Satan, they declare. *‘The parents who send their daughters to college are the enemies of their daughters, not their friends,’ the Fatawa-i-Rahimiyyah declares, citing authorities to the effect that the friend is one who prepares one for the Hereafter, though doing so may inflict worldly loss. ‘There is no doubt,’ it declares, ‘that a collegiate girl becomes extremely free, purdahless, immodest and shameless. This is the general consequence of English education and college atmosphere.’ And ‘A girl who loses modesty loses everything,’ it says, citing the Hadis, ‘Modesty and faith—they are inseparable companions; when either of them is taken away, the other too goes away.’ * The condescension, the picture which is drawn of Hindus and other non-believers, their being clubbed with animals and vermin—any text doing this in the case of Muslims would call forth howls of denunciation. From the secularists as much as from Muslims. ====''Worshipping False Gods'' (1997)==== *There is not one instance, not one single, solitary instance in which [[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর]] participated in any activity connected with the struggle to free the country. Quite the contrary- at every possible turn he opposed the campaigns of the national movement, at every setback to the movement he was among those cheering for failure. *Did India ever stand in need of reformers? Do you read the history of India? Who was [[Ramanuja]]? Who was [[Shankara]]? Who was [[গুরু নানক]]? Who was [[চৈতন্য মহাপ্রভু]]? Who was [[কবীর]]? Who was [[Dadu]]? Who were all these great preachers, one following the other, a galaxy of stars of the first magnitude? *In a word, denunciation, condemnation, calumnizing the gods and goddesses, pouring ridicule on our scriptures, sowing hatred in the followers is the course Ambedkar adopted. But it was not the only course available. Earlier one of the greatest of reformers of the last hundred and fifty years had adopted the exact opposite course, and thereby accomplished both— he had lifted the lives of millions, and at the same time he had transformed and raised our society. That reformer was from a caste which was not just untouchable but unapproachable— the reformer of course was Narayan Guru, who lived from 1854 to 1928. *He did not heckle and spit at our tradition as an outsider. He never made truck with the conquerors and subjugators of India. He attained the highest states of spiritual awareness by immersing himself in the teachings of the Upanishads. He attained those states by practising the austerities and following the methods which our great seers had uncovered. As he attained these states, his entire life became a refutation of the claims of the orthodox as to their superiority, his beatific state became a refutation of the assertions of the orthodox that the esoteric lore was closed to the lower castes. And as he had attained those states, he received universal homage. *The legacy of [[নারায়ণ গুরু]] is a society elevated, in accord, the lower castes educated and full of dignity and a feeling of self-worth. The legacy of Ambedkar is a bunch screaming at everyone, a bunch always demanding and denouncing, a bunch mired in self-pity and hatred, a society at war with itself. The legacy of Narayan Guru is a country rejuvenated. The legacy of Ambedkar is a country with a deepened sense of shame in its entire past. And thereby further disabled. ====''Freedom of expression – Secular Theocracy Versus Liberal Democracy'' (1998) ==== *"Secularists" are unnerved by the reaction [[L. K. Advani|Advani]]'s rath has evoked among Hindus. But it is not the rath which evoked it. The "victories" in having [[w:Shah Bano|Shah Bano]] reversed, in having [[সালমান রুশদি]] banned - "victories" which were loudly applauded by the "secularists"; the success in convincing political parties - which maps and lists - that Muslims would decide their fate in hundreds of constituencies; to say nothing of the "victories" of the violence in Punjab and [[কাশ্মীর]] - the reaction is the cumulative result of these distortions in our polity. ** Fomenting Reaction by Arun Shourie, also in Goel, S.R. (ed.) : Freedom of Expression - Secular Theocracy Versus Liberal Democracy [http://web.archive.org/web/20140826192129/http://www.bharatvani.org/books/foe/ch10.htm] ====''Eminent Historians: Their Technology, Their Line, Their Fraud'' (1998) ==== *In June–July 1998, progressives kicked up quite a racket. The government has packed the Indian Council of Historical Research with pro–Ram Mandir historians, they shouted. It has surreptitiously altered the aims and objectives of the Council, they shouted. As is their wont, they had sparked the commotion by giving wind to a concoction. As is their wont too, they were charging others with planning to do in some undefined future what they had themselves been actually doing for decades – that is, write history to a purpose. *The most extensive deletions are ordered in regard to the chapter on ‘Aurangzeb’s policy on religion’. Every allusion to what he actually did to the Hindus, to their temples, to the very leitmotif of his rule – to spread the sway of Islam – are directed to be excised from the book. He is to be presented as one who had an aversion – an ordinary sort of aversion, almost a secular one – to music and dancing, to the presence of prostitutes in the court, and that it is these things he banished... In a word, no forcible conversions, no massacres, no destruction of temples. Just that Hinduism had created an exploitative, casteist society. Islam was egalitarian. Hence the oppressed Hindus embraced Islam!<br/> Muslim historians of those times are in raptures at the heap of kafirs who have been dispatched to hell. Muslim historians are forever lavishing praise on the ruler for the temples he has destroyed, for the hundreds of thousands he has got to see the light of Islam. Law books like The Hedaya prescribe exactly the options to which these little textbooks alluded. '''All whitewashed away.'''<br/>'''Objective whitewash for objective history. And today if anyone seeks to restore truth to these textbooks, the shout, ‘Communal rewriting of history’.''' *The real crime of these eminences does not lie in the loss they have inflicted in terms of money. It lies in the condition to which they have reduced institutions. It lies in their dereliction – because of which projects that were important for our country have languished. It lies even more in the use to which they have put those institutions.<br/>They have used them to have a comfortable time, of course. They have used them to puff up each other’s reputations, of course. But the worst of it is that they have used their control of these institutions to pervert public discourse, and thereby derail public policy.<br/> They have made India out to have been an empty land, filled by successive invaders. '''They have made present-day India, and Hinduism even more so, out to be a zoo – an agglomeration of assorted, disparate specimens. No such thing as ‘India’, just a geographical expression, just a construct of the British; no such thing as Hinduism, just a word used by Arabs to describe the assortment they encountered, just an invention of the communalists to impose a uniformity – that has been their stance. For this they have blackened the Hindu period of our history, and, as we shall see, strained to whitewash the Islamic period.''' They have denounced ancient India’s social system as the epitomy of oppression, and made totalitarian ideologies out to be egalitarian and just.<br/>They have belittled our ancient culture and exaggerated syncretistic elements which survived and made them out to have been an entire ‘culture’, the ‘composite culture’ as they call it. Which culture isn’t? And all the while they have taken care to hide the central facts about these common elements in the life of our people: that they had survived in spite of the most strenuous efforts spread over a thousand years of Islamic rulers and the ulema to erase them, that they had survived in spite of the sustained efforts during the last one hundred and fifty years of the missionaries and British rulers to make us forget and shed these elements, that the elements had survived their efforts to instead inflame each section to see its ‘identity’ and essence in factors which, if internalized, would set it apart. Most of all, these intellectuals and the like have completely diverted public view from the activities in our own day of organizations like the Tabhligi jamaat and the Church which are exerting every nerve, and deploying uncounted resources to get their adherents to discard every practice and belief which they share with their Hindu neighbours.<br/> These intellectuals and their patrons have worked a diabolic inversion: the inclusive religion, the pluralist spiritual search of our people and land, they have projected as intolerant, narrow-minded, obscurantist; and the exclusivist, totalitarian, revelatory religions and ideologies – Islam, Christianity, Marxism-Leninism – they have made out to be the epitomes of tolerance, open-mindedness, democracy, secularism! *And another thing: if an RSS publication publishes even an interview with me, that is further proof of my being communal; but so tough are the hymen of these progressives that, even when they contribute signed articles to publications of the Communist Party, their virginity remains intact! *As we have seen, the explicit part of the circular issued by the West Bengal government in 1989 in effect was that there must be no negative reference to Islamic rule in India. Although these were the very things which contemporary Islamic writers had celebrated, there must be no reference to the destruction of the temples by Muslim rulers, to the forcible conversion of Hindus, to the numerous other disabilities which were placed on the Hindu population. Along with the circular, the passages which had to be removed were listed and substitute passages were specified. The passages which were ordered to be deleted contained, if anything, a gross understatement of the facts. On the other hand, passages which were sought to be inserted contained total falsehoods: that by paying jizyah Hindus could lead ‘normal lives’ under an Islamic ruler like Alauddin Khalji! A closer study of the textbooks which are today being used under the authority of the West Bengal government shows a much more comprehensive, a much deeper design than that of merely erasing the cruelties of Islamic rule. *The position of these ‘academics’ in Bengal has, of course, been helped by the fact that the CPI(M) has been in power there for so long. But their sway has not been confined to the teaching and ‘research’ institutions of that state. It is no surprise, therefore, to see the same ‘line’ being poured down the throats of students at the national level. And so strong is the tug of intellectual fashion, so lethal can the controlling mafia be to the career of an academic that often, even though the academic may not quite subscribe to their propositions and ‘theses’, he will end up reciting those propositions. Else his manuscript will not be accepted as a textbook by the NCERT, for instance, it will not be reviewed…. *Notice the sleight of hand. The repair of temples is allowed! Temples can be constructed in villages! Temples can be constructed ‘within the privacy of homes’! Thus ‘liberal policy’ is the norm which is departed from only in times of war! And the ones who are fought and destroyed at such times are in any case ‘the enemies of Islam’! In times of peace, which are the times that prevailed normally, the norm prevails – that is, ‘the Hindus practice their religion openly and ostentatiously!’ Each of these assertions is a blatant falsehood. But these historians, having, through their control of institutions, set the standards of intellectual correctness, the one who questions the falsehoods, even though he does so by citing the writings of the best known Islamic historians of those very times, he is the one who is in the wrong. *Once they had occupied academic bodies, once they had captured universities and thereby determined what will be taught, which books will be prescribed, what questions would be asked, what answers will be acceptable, these historians came to decide what history had actually been! As it suits their current convenience and politics to make out that Hinduism also has been intolerant, they will glide over what Ambedkar says about the catastrophic effect that Islamic invasions had on Buddhism, they will completely suppress what he said of the nature of these invasions and of Muslim rule in his Thoughts on Pakistan,3 but insist on reproducing his denunciations of ‘Brahmanism’, and his view that the Buddhist India established by the Mauryas was systematically invaded and finished by Brahmin rulers.<br/>Thus, they suppress facts, they concoct others, they suppress what an author has said on one matter even as they insist that what he has said on another be taken as gospel truth. And when anyone attempts to point out what had in fact happened, they rise in chorus: a conspiracy to rewrite history, they shout, a plot to distort history, they scream. '''But they are the ones who have been distorting it in the first place – by suppressing the truth, by planting falsehoods.''' *And look at the finesse of these historians. They maintain that such facts and narratives must be swept under the carpet in the interest of national integration: recalling them will offend Muslims, they say, doing so will sow rancour against Muslims in the minds of Hindus, they say. Simultaneously, they insist on concocting the myth of Hindus destroying Buddhist temples. Will that concoction not distance Buddhists from Hindus? Will that narrative, specially when it does not have the slightest basis in fact, not embitter Hindus? *In regard to matter after critical matter – the Aryan-Dravidian divide, the nature of Islamic invasions, the nature of Islamic rule, the character of the freedom struggle – we find this trait – suppresso veri, suggesto falsi. This is the real scandal of history writing in the last thirty years. And it has been possible for these ‘eminent historians’ to perpetrate it because they acquired control of institutions like the ICHR. To undo the falsehood, the control has to be undone. *And so on – among the highest piles of rubble in the world of the sacred temples of another religion, among the highest piles of corpses of those venerated by another religion. Yet, in the reckoning of our eminent historians a policy of ‘Broad Toleration’! A policy of toleration guided by purely secular motivations! *But here in India a simplistic recitation of the earlier phrases and categories remained enough. It is not just fidelity to the masters, therefore, which characterizes the history writing by these eminences. It is a simple-mindedness!<br/>But there is an additional factor. Whitewashing the Islamic period is not the only feature which characterizes the work of these historians. There is in addition a positive hatred for the pre-Islamic period and the traditions of the country. Over the years entries about India in Soviet encyclopedias, for instance, became more and more ductile. They began to acknowledge ever so hesitantly that the categories and periods might need to be nuanced when they were extended to countries like China and India. They began to acknowledge that at various times there had been an overlapping and coexistence of different ‘stages’. And, perhaps for diplomatic reasons alone, they became increasingly circumspect – careful to avoid denigrating our traditions.<br/>In the standard two-volume Soviet work, A History of India, for instance, we find more or less the same characterization of the different periods in Indian histories as we do in the volumes of our eminent historians. But the Soviet volumes have none of the scorn and animosity which we have encountered in the volumes of our eminent historians. *Thus, there are two points to remember. First, our friends are not just Marxists, they are also Macaulayites. Second, they are Marxists in a special sense. They are Marxists in the sense that they have thought of themselves as Marxists, in the sense that they repeatedly regurgitate a handful of Marxist phrases and assertions. But more than being Marxist historians, they have been establishment historians. Their theories and ‘theses’ have accorded not just with the ‘classics’ of Marxism-Leninism, they have accorded with the ideology of, which in terms of their theory means, the needs of Congressite rulers. *Caste is real. The working class is real. Being a Naga is real. '''But ‘India is just a geographical expression!’''' Similarly, being a Muslim of course is real – Islam must be seen and talked of as one block of granite – ... '''But Hinduism? Why, there is no such thing: it is just an aggregation, a pile of assorted beliefs and practices''' – ... '''And anyone who maintains anything to the contrary is a fascist out to insinuate a unity, indeed to impose a uniformity, where there has been none.''' That is what our progressive ideologues declaim, as we have seen. In a word, the parts alone are real. The whole is just a construct. India has never been one, these ideologues insist – disparate peoples and regions were knocked together by the Aryans, by the Mughals, by the British for purposes of empire. Anyone who wants to use that construct – India – as the benchmark for determining the sort of structure under which we should live has a secret agenda – of enforcing Hindu hegemony.<br/>This is the continuance of, in a sense the culmination of, the [[Macaulay]]-Missionary technique. The British calculated that to subjugate India and hold it, they must undermine the essence of the people: this was Hinduism, and everything which flowed from it. Hence the doggedness with which they set about to undermine the faith and regard of the people for five entities: the gods and goddesses the Hindus revered; the temples and idols in which they were enshrined; the texts they held sacred; the language in which those texts and everything sacred in that tradition was enshrined and which was even in mid-nineteenth-century the lingua franca – that is, Sanskrit; and the group whose special duty it had been over aeons to preserve that way of life – the Brahmins. The other component of the same exercise was to prop up the parts – the non-Hindus, the regional languages, the castes and groups which they calculated would be the most accessible to the missionaries and the empire – the innocent tribals, the untouchables. *The situation thus is as follows: the ones who have dominated and controlled and terrorised public discourse for half a century in India are now bereft of facts, of arguments. The evidence is available to anyone who has access to their internal ‘dialogues’ – they are talking to narrower and narrower circles; and in these ever-shrinking circles, they are just repeating the old cliches, there is not a new idea, there is not a new fact. And that is predictable, as we have seen: regurgitating those nostrums of the theory is not just necessary, it is sufficient. *‘I would like to review your book myself,’ said the editor of one of our principal newspapers about Worshipping False Gods. ‘But if I praise it, they will be after me also. I too will be called communal, high-caste and all that.’ ‘Brilliant, Arun, it was fascinating,’ said a leading commentator who had written a review that inclined to the positive. ‘But, you’ll understand, I couldn’t say all that in print. But it really is brilliant. How do you manage to put in this much work?’ The very selection of reviewers tells the same story. If there is a book by a leftist, editors will be loath to give it to a person of a different point of view: ‘They will say, I have deliberately given it to a rightist,’ the editors are liable to explain. On the other hand, if it is a book by a person they have decided is a rightist, they will be loath to give it to a reviewer who also has been branded a rightist: ‘They will denounce me for deliberately giving the book to a person who is bound to praise it,’ they will bleat. Therefore, in such cases they deliberately give the book to a person who ‘is bound to condemn it’! *Furthermore, we are instructed, when we do come across instances of temple destruction, as in the case of Aurangzeb, we have to be circumspect in inferring what has happened and why.... the early monuments – like the Quwwat-ul-Islam mosque in Delhi – had to be built in ‘great haste’, we are instructed...Proclamation of political power, alone! And what about the religion which insists that religious faith is all, that the political cannot be separated from the religious? And the name: the Quwwat-ul-Islam mosque, the Might of Islam mosque? Of course, that must be taken to be mere genuflection! And notice: ‘available materials were assembled and incorporated’, they ‘clearly came from Hindu sources’ – may be the materials were just lying about; may be the temples had crumbled on their own earlier; may be the Hindus voluntarily broke their temples and donated the materials? No? After all, there is no proof they didn’t! And so, the word ‘plundered’ is repeatedly put within quotation marks!<br/>In fact, there is more. The use of such materials – from Hindu temples – for constructing Islamic mosques is part of ‘a process of architectural definition and accommodation by local workmen essential to the further development of a South Asian architecture for Islamic use’. The primary responsibility thus becomes that of those ‘local workmen’ and their ‘accommodation’. Hence, features in the Qutb complex come to ‘demonstrate a creative response by architects and carvers to a new programme’. A mosque that has clearly used materials, including pillars, from Hindu temples, in which undeniably ‘in the fabric of the central dome, a lintel carved with Hindu deities has been turned around so that its images face into the rubble wall’ comes ‘not to fix the rule’. ‘Rather, it stands in contrast to the rapid exploration of collaborative and creative possibilities – architectural, decorative, and synthetic – found in less fortified contexts.’ Conclusions to the contrary have been ‘misevaluations’. We are making the error of ‘seeing salvaged pieces’ – what a good word that, ‘salvaged ’: the pieces were not obtained by breaking down temples; they were lying as rubble and would inevitably have disintegrated with the passage of time; instead they were ‘salvaged ’, and given the honour of becoming part of new, pious buildings – ‘seeing salvaged pieces where healthy collaborative creativity was producing new forms’. *And yet, none of this is accidental. As we have seen in the texts that we have surveyed in this book, it is all part of a line. India turns out to be a recent construct. It turns out to be neither a country nor a nation. Hinduism turns out to be an invention – surprised at the word? You won’t be a few pages hence – of the British in the late nineteenth century. Simultaneously, it has always been inherently intolerant. Pre-Islamic India was a den of iniquity, of oppression. Islamic rule liberated the oppressed. It was in this period that the Ganga-Jamuna culture, the ‘composite culture’ of India was formed, with Amir Khusro as the great exponent of it, and the Sufi savants as the founts. The sense of nationhood did not develop even in that period. It developed only in response to British rule, and because of ideas that came to us from the West. But even this – the sense of being a country, of being a nation, such as it was – remained confined to the upper crust of Indians. It is the communists who awakened the masses to awareness and spread these ideas among them.<br/>In a word, India is not real – only the parts are real. Class is real. Religion is real – not the threads in it that are common and special to our religions but the aspects of religion that divide us, and thus ensure that we are not a nation, a country, those elements are real. Caste is real. Region is real. Language is real – actually, that is wrong: the line is that languages other than Sanskrit are real; Sanskrit is dead and gone; in any case, it was not, the averments in the great scholar, Horace Wilson to the House of Commons Select Committee notwithstanding, that it was the very basis, the living basis of other languages of the country; rather, it was the preserve of the upper layer, the instrument of domination and oppression; one of the vehicles of perpetuating false consciousness among the hapless masses. *The West Bengal Board of Secondary Education had issued instructions in 1989 that ‘Muslim rule should never attract any criticism. Destruction of temples by Muslim rulers and invaders should not be mentioned.’ *Their deceitful role in Ayodhya – which in the end harmed their clients more than anyone else – was just symptomatic. For fifty years this bunch has been suppressing facts and inventing lies. How concerned they pretend to be today about that objective of the ICHR – to promote objective and rational research into events of our past! How does this concern square with the guidelines issued by their West Bengal government in 1989 which Outlook itself had quoted – ‘Muslim rule should never attract any criticism. Destruction of temples by Muslim rulers and invaders should not be mentioned?’ But incorporating their wholesale fabrications of the destruction of Buddhist viharas, about the non-existent ‘Aryan invasion’, that is mandatory – to question them is to be communal, chauvinist! The capture of institutions like the ICHR has been bad enough, but in the end it has been a device. The major crime of these ‘historians’ has been this partisanship: suppresso veri, suggesto falsi. *The press is a ready example of their efforts, and of the skills they have acquired in this field. They have taken care to steer their members and sympathizers into journalism. And within journalism, they have paid attention to even marginal niches. Consider books. A book by one of them has but to reach a paper, and suggestions of names of persons who would be specially suitable for reviewing it follow. As I mentioned, the editor who demurs, and is inclined to send the book to a person of a different hue is made to feel guilty, to feel that he is deliberately ensuring a biased, negative review. That selecting a person from their list may be ensuring a biased acclamation is talked out. The pressures of prevailing opinion are such, and editors so eager to evade avoidable trouble, that they swiftly select one of the recommended names...<br/>You have only to scan the books pages of newspapers and magazines over the past fifty years to see what a decisive effect even this simple stratagem has had. Their persons were in vital positions in the publishing houses: and so their kind of books were the ones that got published. They then reviewed, and prescribed each other’s books. On the basis of these publications and reviews they were able to get each other positions in universities and the like…. Even positions in institutions which most of us would not even suspect exist were put to intense use. How many among us would know of an agency of government which determines bulk purchases of books for government and other libraries. But they do! So that if you scan the kinds of books this organization has been ordering over the years, you will find them to be almost exclusively the shades of red and pink....<br/>So, their books are selected for publication. They review each other’s books. Reputations are thereby built. Posts are thereby garnered. A new generation of students is weaned wearing the same pair of spectacles – and that means yet another generation of persons in the media, yet another generation of civil servants, of teachers in universities…. *The example we would do well to keep in front of us is that of the Dalai Lama. He was giving a discourse on a Tibetan text about meditation. He read out a sentence, laughed and remarked, ‘Buddhist theories of creation, a disgrace! Must throw them out!’ He advises that we should keep a wastepaper basket nearby – whatever doesn’t accord with what we know now, we should cast into that basket. ‘Buddhism must face facts,’ that is what he teaches. Accordingly, he has opened Buddhist texts to minute examination. (...) That reflects confidence in one’s tradition. That is true service to the tradition. That is the way to preserve for the future ‘the pearl of great price’ in it. * But today the fashion is to ascribe the extinction of Buddhism to the persecution of Buddhists by Hindus, to the destruction of their temples by the Hindus. One point is that the Marxist historians who have been perpetrating this falsehood have not been able to produce even an iota of evidence to substantiate the concoction. In one typical instance, Romila Thapar had cited three inscriptions. The indefatigable [[Sita Ram Goel]] looked them up. Two of these turned out to have absolutely no connection with Buddhist viharas or their destruction, and the one that did deal with an object being destroyed had been held by authorities to have been a concoction; in any event, it told a story which was as different from what the historian had insinuated as day from night. *The accompanying pages contain two columns: aushuddho – impurity, or error – and shuddho. One has just to glance through the changes to see the objective the progressives are trying to achieve through their ‘objective’, ‘rational’ approach to the writing of history. *Thus, not just whitewash, hogwash too. ;About the book * The first major criticism of the ‘left-liberal’ or ‘progressive’ historians was made by Arun Shourie with special reference to the state of the ICHR in their control.” **D. K. Chakrabarti, Nationalism in the Study of Ancient Indian History (Aryan Books International, Delhi). and quoted in [https://koenraadelst.blogspot.com/2021/02/a-case-of-good-nationalism-dk.html] *“Eminent historians” is what they call one another, and what their fans call them. When they don’t have an answer to an opponent’s arguments, they pompously dismiss him as not having enough “eminence”. So when Arun Shourie wrote about some abuses in this sector, he called his book Eminent Historians. It is also a pun on an old book about prominent colonial-age personalities, Eminent Victorians. **Elst, K. [https://koenraadelst.blogspot.com/2016/05/interview-in-monthly-swarajya.html Interview, Swarajya, May 2016)] ===2000s=== ====''Harvesting our souls: Missionaries, their design, their claims'' (2000) ==== *If you had been in India in late 1998-early 1999, and the English-language "national" newspapers had been your source of information about what was going on, you would have concluded that an extensive, well coordinated pogrom was on, that maniacal Hindu groups were going round raping nuns, attacking missionaries, burning down churches. (p 7) *There indeed was a conspiracy it runs out, and a communal one at that. The whole thing was a concoction - by those whose agenda it is to paint Hindus as communalists on the rampage, and the RSS, BJP, etc., as organizations which are orchestrating a "pogrom". "Investigations, however revealed that what Sister Mary said in the FIR was not true," records Justice Wadhwa. "It was a made-up story. Investigations found that there was in fact no rape of Sister Mary... B.B. Panda, Director General of Police stated that the 'rape of the nun' case was projected and highlighted all over the world and was also projected as an attack on Christians when in fact it was not true, and the case turned out to be false." (9-10) *The contrast between the truth about the incidents and what they were made out to be should alert our newspapers and TV channels not to shoot off accounts without examining the facts. In particular, they must not go merely by the allegations of communalism-mongers.(13) *Several groups have several reasons for manufacturing calumny - from money to idelogy to the crassest kind of politics. Many of these are well-organized, some, as we shall see, have well-knit, world-wide networks. And they have honed expertise in manufacturing atrocity-stories, in broadcasting them round the globe, and in putting their manufactures to profitable use. (13) *High priority must be given to work among Hindu women, they say, "since they are the custodians of the faith"... (62) ====''Self-Deception : India's China Policies; Origins, Premises, Lessons'' (2008) ==== :Arun Shourie - Self-Deception _ India's China Policies_ Origins, Premises, Lessons-Harper Collins (2008, 2013) * The brutal—the customarily brutal—way in which the Chinese government suppressed the protests by Tibetans in Lhasa in the months preceding the 2008 Beijing Olympics once again drew attention to the enormous crime that the world has refused to see: the systematic way in which an entire people have been reduced to a minority in their own land; the cruelty with which they are being crushed; the equally systematic way in which their religion and ancient civilization are being erased. Protests by Tibetans in different cities across the world, joined as they were by large numbers of citizens of those countries, had the same effect.<br>No government anywhere in the world did what the Manmohan Singh government did in Delhi, no government reacted in as craven and as frightened a manner as our government did. The Olympic Torch was to be relayed across just about two kilometres—from Vijay Chowk to India Gate. The government stationed over twenty thousand troops, paramilitary personnel, policemen and plainclothes men in and around that short stretch. Tibetan refugees were beaten and sequestered. Government offices were closed. Roads were blocked. The Metro was shut down. Even members of Parliament were stopped from going to their homes through the square that adjoins Parliament, the Vijay Chowk.<br>Do you think that any of this was done out of love for the Olympics?<br>It was done out of fear of China. *Now, this is a favourite phrase of Panditji—‘the long-term view’—as is ‘the larger considerations’. Whenever he deploys the former, you can be sure that he is preparing the case for ceding ground. Whenever he deploys the latter, you can be sure that he is preparing the case for ceding specifically the country’s interest. *Recall, what he had told the Tibetans—that India would help diplomatically. That help now has come to mean that India will keep China in good humour even as it crushes Tibet, so that it may not crush Tibet more swiftly. *We can see the operational conclusion that flows from such reasoning. As the main advance has halted, there is nothing that we need to do. When the main advance resumes, the full picture is not clear. When it is completed, and the place is subjugated, there is nothing for us to do as, by then, the place has already been subjugated. For us to do or say anything will only enrage the occupiers, and bring even greater hardship on the poor Tibetans! *He speaks at length, that is, but scarcely touches on any of the specific matters that members had raised. *The view that he disapproves is always unbalanced; or stuck in the past; or stuck in the cold war mould; or subjective and emotional... *The Dalai Lama is in India at India’s invitation. Panditji meets him on 26 and 28 November 1956. The Dalai Lama is distraught. Panditji jots down the points of their exchange. The Dalai Lama puts the figure of Chinese troops in Tibet at 120,000, the very figure for which Panditji had come down on Apa Pant. The [[w:Subimal Dutt|foreign secretary]] inserts a paragraph in Panditji’s notings about the talks: ‘The Dalai Lama appealed to India for help. PM’s reply was that, apart from other considerations, India was not in a position to give any effective help to Tibet; nor were other countries in a position to do so. Dalai Lama should not resist land reforms.’ Instead of help, Panditji gives advice. He records the advice he gives: ‘D.L. should become the leader of the reform. Best way we can help is by maintaining friendly relations with China, otherwise China would fear our designs in Tibet.’ An excuse, and a presumptuous one—‘otherwise China would fear our designs in Tibet.’ *As the principal object of this brief book is to set out the evolution of India’s China-policy in Panditji’s own words, and to show how those assumptions and habits continue to endanger us today, I have kept annotations to the minimum. But what Panditji did and said and wrote in regard to China does deserve to be analyzed almost at the psychological and linguistic level! For his stance, his formulations, his rationalizations are rooted in habits, in mental processes. Not just his assumptions and premises persist among policy-makers, those very habits and mental processes persist. In the 1950s, they went unquestioned because of the lofty position that Panditji occupied in our lives and discourse. Today, they go equally unquestioned—though for a different reason: discourse has got so dumbed-down that no assumption or premise is examined as it should be. An illustration will bring home the consequence. Among the habits that persist, one is especially harmful as it rationalizes going-along at an almost subliminal level. This is the habit of slipping in a thought or sentence which excuses one from facing the facts. We see this in Pandit Nehru’s writings and spoken word at every turn. ... *A contributing factor certainly must have been the contempt that Mao, Chou En-lai and others felt for India and Indians. This comes through again and again in conversation after conversation of the Chinese leaders. Chou and Kissinger agree on how India is the one that is causing the troubles in East Pakistan; on what China and US should together do to halt India in the tracks; they agree about not just what is ‘the Indian tradition’—deceit, blaming others—but just as much about the Indian character—marked by ingratitude.⁴ The contempt and coordination show through even more dramatically in the conversations that Kissinger later has with the permanent representative of China at the UN, Huang Hua, during which he asks Huang Hua to assure Chou En-lai that, should China take military action against India to divert it from pursuing its assault on Pakistan, the US will hold the Soviet Union at bay. Nixon, Pompidou and Kissinger are exchanging views about the state of the world. Nixon summarizes the Chinese assessments: ‘...the attitude of the Chinese towards their neighbours can be summed up in this way. The Russians they hate and fear now. The Japanese they fear later but do not hate. For the Indians they feel contempt but they are there and backed by the U.S.S.R.’ ===2010s=== *I don't see the difference between the two. I feel they (the BJP and the Congress) are one party. They are jointly ruling. It is a dinner party. They meet at dinners. They meet socially. They decide on what has to be done about issues. <br>First, the media should write about itself. It is extremely short-sighted about the media to black out these things. The Mitrokhin Archives revealed how (the then Soviet intelligence agency) the KGB boasted that they were able to plant 400 stories in such and such Indian newspapers. The Indian media blacked it out. Then, privatetreaties of The Times of India that other people have now adopted has been completely blacked out.... When the Press Council of India was forced to appoint a committee to look into the allegations about 'paid news', the Press Council itself suppressed the report. **[https://www.rediff.com/news/report/interview-arun-shourie-on-the-real-meaning-of-the-radia-tapes1/20101201.htm Interview] 2010 ====''Falling Over Backwards'' (2012) ==== *The first derailment was caused by plucking the words ‘of their choice’ out of context, by tearing them away from the object for which Articles 29 and 30 gave minorities the right to set up and administer institutions. A normal engineering college or a college of dentistry can by no stretch be taken to be an institution that has been set up to help conserve the language, script or culture of the minority. Yet, provided the engineering or dentistry college has been set up by members of a minority, it was presumed to enjoy the protection of Articles 29 and 30, and thereby be beyond the reach of the state. *The result has been as predictable as it is iniquitous and absurd: if Ram Sharan sets up an engineering college, the state as well as the university concerned can prescribe all sorts of things it must do; if Mohammed Aslam sets up an exact clone of that engineering college across the road, teaching exactly the same subjects, using exactly the same textbooks, neither the state nor the university can regulate its functioning! *On the other hand, when sticking to the text is what will advance the judgment, they become strict constructionists. Some of the most conspicuous instances of this can be found in judgments relating to Article 30, the article that deals with the ‘right of minorities to establish and administer educational institutions’. The country had been partitioned on the cry that Muslims will never be secure in a united India. The framers were naturally keen to reassure the minorities that they would be free to preserve their religion, language and culture. Accordingly, Article 29 was enacted guaranteeing them and assuring them of this freedom. In case they wanted to set up institutions for safeguarding their language, culture, religion, Article 30 was enacted assuring them that ‘All minorities, whether based on religion or language, shall have the right to establish and administer educational institutions of their choice.’ The context made the purpose clear: minorities would have the freedom to set up such institutions as they thought would best preserve their culture, religion, language. But, given what has been the climate of discourse since the framing of the Constitution, the judges became literalists. Minorities would have the right to set up and manage ‘educational institutions of their choice’ irrespective of the purpose for which the institution was set up. Thus, engineering colleges and dental colleges set up by a family of, say, Muslims would have freedoms from state regulation and oversight that engineering and dental colleges set up by run-of-the-mill Indians would not. *Now, these are not stray phrases thrown in to light up a purple passage. They are stances, they are standpoints that indicate the direction in which that judgment will go, they are signposts which tell us where the reasoning being advanced in the text will eventually end. Such formulations have a significance beyond the particular judgment in which they figure. Succeeding benches can strike the same pose and gallop further in the same direction. *We comfort ourselves: at least, the virus of reservations has not got into judicial appointments; at least, reservations have not been extended to Muslims and Christians. Both notions are just make-believe. *As for reservations not having been extended to members of religions that repudiate caste – Islam, Christianity, Sikhism – again, that is but make-believe. The chairman of the Minorities Commission, my friend Tarlochan Singh, sends me a list of fifty-eight castes and of fourteen tribal groups, Muslim members of which have been given reservations. Even those who convert to one of these religions, continue to remain entitled to reservation. The rule in Tamil Nadu is that if the name of the father falls in the lists of Backward Castes/Most Backward Castes/Scheduled Castes/Scheduled Tribes, then, even if the person has converted to another religion, he remains entitled to reservations. In Gujarat, members of Backward Castes continue to avail of not just reservations but even of advantages under the roster system after conversion – 137 castes and sub-castes have been listed as socially and educationally backward in the state; of these, twenty-eight belong to the Muslim community. In Karnataka, ‘caste at birth’ is the norm. In UP, several Muslim castes are included in the reservation list – Lalbegi, Mazhabis, even Ansaris. The position is no different in Madhya Pradesh, in West Bengal. The Indian Express correspondent in Kolkata reports that the government of the ostentatiously secular CPI(M) strained to have reservations in government service as well as educational institutions extended to Muslims qua Muslims, and directed the state Minorities Commission to ascertain how such reservation had been decreed in Andhra Pradesh. The plan has had to be deferred for the time being, he writes, Only because the Andhra Pradesh High Court has struck down the Andhra order as unconstitutional. *Even as moves are afoot to get the Andhra judgment reversed, the government has directed the armed forces to count soldiers and officers by their religion. Nor is this move an inadvertence. It has arisen as a result of a committee that the government has appointed under a former chief justice of Delhi, Rajinder Sachar -each member of which has been carefully selected for his ‘secular’ beliefs. Each term of reference on which it is to supply information and make recommendations, as we noted at the outset, has been just as carefully selected to justify reservations and other concessions to Muslims as a religious group. *With elections looming, in January 2006, the Government of Kerala announced another ‘package’ of reservations for backward castes and for Muslims: service rules of the state shall be altered to permit direct recruitment of these sections so as to fill the 40 per cent quota that has been set aside for them; if suitable candidates are not available from these sections, the vacancies shall not be filled by merit; the state Public Service Commission shall prepare an ‘additional supplementary list’ so that the vacancies may be filled only by these sections; 20 per cent of the seats shall be reserved for these castes in graduate and postgraduate courses in government colleges; the chief minister will himself monitor the implementation of the reservation policy; there shall be a permanent commission to ensure that reservations are fully filled... *With elections upon them, the DMK and its allies announced in Tamil Nadu that, once in office, they will bring forth legislation to give reservations to Muslims and Christians. *The Jharkhand government, in turn, has announced that members of thirty-two tribes that are the most backward – literacy level among nine of them is said to be just 10 per cent – shall be directly recruited into government service; those among them who pass the graduation examination shall not have to take the qualifying examination which all others who enter government service have to take. *And beware, the progressive judges have already put out the basis for extending reservations to Muslims or Christians as Muslims and Christians. The word that the Constitution uses is ‘communities’, the word it uses is ‘classes’, Justices Jeevan Reddy, Sawant and Thommen hold in Indra Sawhney. ‘Community’ and ‘class’ are wider than ‘caste’, they say. So, entities wider than ‘caste’ can certainly be subsumed under them, they say – the only proviso being that the groups so identified be ‘backward’. Second, in spite of the teachings of Islam, Christianity and Sikhism, castes persist in these religions also, they explain in justification. As that is the reality, it would be invidious to restrict access to reservations to the backward sections of Hindus alone...3 *How far we have descended! Today progressives dress up their casteism as secularism! The benefits of reservation shall be extended to Muslims and Christians also, they proudly announce. In Andhra the decision of the government has had to be twice struck down by the courts – the government had decreed reservations for Muslims qua Muslims. Even as moves are afoot to get that judgment reversed, the Central government directed the armed forces to count soldiers and officers by their religion. Nor was the move an inadvertence. It arose as a result of a committee that the government had appointed under a former chief justice of the Delhi High Court. Each member of the committee has been carefully selected for his ‘secular’ and ‘progressive’ beliefs. Each term of reference on which the committee has been asked to supply information and make recommendations has been just as carefully selected to justify reservations and other concessions to Muslims as a religious group: *Every single item betrays the singular purpose of the whole exercise–to provide the rationale for extending reservations to Muslims. Nor is that opportunism confined to the present ruling coalition. In the run-up to the 2005 elections in Bihar, rival groups were vying with each other promising reservations for Muslims qua Muslims. *The object of the framers of the Constitution was, as ours must be, quite the opposite. It was to wipe out the cancer of caste even from Hindu society. Only with the greatest reluctance did they agree to allow reservations for the Scheduled Castes and Tribe – for they felt that doing even this much would perpetuate caste distinctions. The reservations were, therefore, to be exceptions to the general rule. ===2020s=== ====''Preparing: For Death'', 2020==== *One must reflect deeply on the nature of the adversity, and on how it may be converted into an instrument for growth. The routine Gandhiji set for himself was always so much stricter and so much more demanding than anything that a jailer would have thought of imposing on anyone. Similarly, picture Vinoba in solitary confinement in that cell, 8 feet by 9 feet in dimension: how he converts imprisonment into ashram life; how in that tiny space, in forced and complete isolation, he retains his mental discipline by meditating for two to three hours every day; how he disciplines himself physically by walking every day for eight hours inside that suffocating cell, and thereby covering ten miles—covering ten miles in a cell 8 feet by 9 feet every single day! In both cases, control remained in the hands of the prisoner, not the jailer—a very important factor in dealing with adversity. ** Arun Shourie, ''Preparing: For Death.'' Penguin Random House India Private Limited, 2020. ISBN 935305978X, 9789353059781 *The rituals—for instance, those we go through during a marriage ceremony—were devised to imbed certain values into us: the experience of centuries had led thoughtful persons to see that going through those steps, that reciting those mantras and reflecting on them would help us internalize those values, and mould our lives accordingly. But what do we do today? First, we outsource the ritual—to a pandit, say. As he goes through the motions prescribed for solemnizing a marriage, as he chants those mantras, we don’t have a clue about the meaning of the words that he is reciting, nor of the steps—‘Now pour some water on the earth, and then on . . .’ Nor do we care: ‘Panditji, puja zaraa jaldi khatam kar deejiye. Guest dinner ke liye wait kar rahen hain’—‘Panditji, please conclude the puja a bit quickly. The guests are waiting for dinner.’ ** Arun Shourie, ''Preparing: For Death.'' Penguin Random House India Private Limited, 2020. ISBN 935305978X, 9789353059781 ==Quotes about Arun Shourie== *In the end, India had to wait till 1998 for Arun Shourie’s Eminent Historians to be published. This book uncovered in detail after ghastly detail, this multi-layered assault on the national psyche that has disfigured the minds of at least three generations regarding the vital truths of their own nation. And thanks to this seminal contribution, “Eminent Historian” has fittingly become a swearword in the Indian public discourse. **S. Balakrishna, Seventy years of secularism. 2018. *Anyone who thought India had dismantled its notorious system of bureaucratic controls when it embarked on economic reform in 1991 ought to consult Arun Shourie. As cabinet minister (at various times since 1998) for privatisation, administrative reform, information technology and telecommunications, Mr Shourie's observations are close to the bone. The Hindu nationalist-led government in which Mr Shourie was the most prominent economic reformer was thrown out last May. Franz Kafka would have had difficulty dreaming up some of the examples cited in Mr Shourie's book. ... But it is what India's bureaucracy is like under normal conditions that matters and Mr Shourie does a depressingly thorough job in chronicling it. One can only hope that India's senior civil servants find the time to read this book - and have the grace to wince. **[[Edward Luce]], India's tragic comedy of civil disservice, book review in Financial Times. November 9, 2004 *Muslim leaders and Stalinist historians were raising a howl about Hindu chauvinism when it came to the notice of Arun Shourie, the Chief Editor of the Indian Express at that time, that some significant passages had been omitted from the English translation of an Urdu book written long ago by the father of Ali Mian, the famous Muslim theologian from Lucknow. He wrote an article, Hideaway Communalism, in the Indian Express of February 5, 1989 pointing out how the passages regarding destruction of Hindu temples and building of mosques on their sites at Delhi, Jaunpur, Kanauj, Etawah, Ayodhya, Varanasi and Mathura had been dropped from the English translation published by Ali Mian himself. This was a new and dramatic departure from the norm observed so far by the prestigious press. Publishing anything which said that Islam was less than sublime had been taboo for a long time. I was pleasantly surprised, and named Arun Shourie as the [[মিখাইল গর্বাচেভ]] of India. He had thrown open the windows and let in fresh breeze in a house full of the stinking garbage of stale slogans. **Goel, S.R. How I became a Hindu (1993, revised ed.) *[Arun Shourie's article 'Hideaway Communalism'] had violated a taboo placed by the mass media and the academia on any unfavourable narration of the history of Islam since the days when Mahatma Gandhi took command of the Indian National Congress and launched his first non-cooperation movement in support of the Turkish Khilafat. **Goel, S.R. Hindu Temples – What Happened to Them, Volume I (1990) Preface, 2nd edition, p. xiii. *Arun Shourie had shown great courage. But he had counted without the secularist crowd which had access to the owner of the Indian Express. He told me on the phone that there was some trouble brewing. I have never talked to him about the nature of the trouble, and do not know if my articles had anything to do with his ouster from the Indian Express next year. All I know is that he had to slow down the publication of my next two articles. **Goel, S.R. How I became a Hindu (1993, revised ed.) *Mani Shankar Aiyar totally condemns one of Arun Shourie's books, and then goes on to declare that he has decided not to read it : "Shourie gave the final touches to the manuscript of his book on Islam, a work so vicious and perverted that every English speaking Muslim I know was outraged... I decided then to show my solidarity with secularism by not reading the book." (The book he refers to, is apparently Shourie's Religion in Politics, a very sane and sober look at several Scriptures in the light of reason.) **Elst, Koenraad. Ayodhya and after: issues before Hindu society. Voice of India. 1991. *The problem of book-banning and censorship on Islam criticism is compounded by the related problem of self- censorship. Thus, when in late 1992, the famous columnist Arun Shourie wanted to publish a collection of his columns on Islamic fundamentalism, esp. the Rushdie and Ayodhya affairs (Indian Controversies), the publisher withdrew at the last moment, afraid of administrative or physical reprisals, and the printer also backed out. Earlier, Shourie had been lucky to find one paper willing to publish these columns, for most Indian newspapers strictly keep the lid on Islam criticism. Hindu society is a terrorized society. **Elst, Koenraad. Negationism in India: concealing the record of Islam. Voice of India. 1992 *Arun Shourie was sacked as Indian Express editor, apparently under government pressure, after revealing that, in October 1990, Prime Minister V.P. Singh had aborted his own compromise arrangement on Ayodhya under pressure from Imam Bukhari, prominent member of the BMAC. **Koenraad Elst. Ayodhya: the case against the temple. 2002 * Or take A Secular Agenda by Arun Shourie, PhD from Syracure NY and stunningly successful Disinvestment Minister in the AB Vajpayee Government, when India scored its highest economic growth figures. It was a very important book, and it left no stone standing of the common assumption among so-called experts that India (with its religion-based civil codes and its discriminatory laws against Hinduism) is a secular state, i.e. a state in which all citizens are equal before the law, regardless of their religion. Though the book deconstructs the bedrock on which the “experts” have built their view of modern India, they have never formulated a refutation. Instead, they just keep on repeating their own deluded assumption, as in: “The BJP threatens India’s structure as a secular state.” (Actually, the BJP does not, and India is not.) They can do so because they are secure in the knowledge that, among the audiences that matter, their camp controls the sphere of discourse. Concerning the interface between religion and modern politics, the established “academic” view is not just defective, it is an outrageous failure. **Elst, Koenraad. Hindu dharma and the culture wars. (2019). New Delhi : Rupa. *The only ray of light in this encircling gloom was Arun Shourie, the veteran journalist and the chief editor of the Indian express at that time. On February 5, 1989, he frontpaged an article, Hideaway Communalism, showing that while the Urdu version of a book by Maulana Hakim Sayid Abdul Hai of the Nadwatul-Ulama at Lucknow had admitted that seven famous mosques had been built on the sites of Hindu temples, the English translation published by the Maulana’s son, Abul Hasan Ali Nadwi (Ali Mian) had eschewed the “controversial evidence”. He also published in the Indian Express three articles written by me on the subject of Islamic iconoclasm. This was a very courageous defiance of the ban imposed by Islam and administered by Secularism, namely, that crimes committed by Islam cannot even be whispered in private, not to speak of being proclaimed in public. **Goel, S. R. (1993). Hindu temples: What happened to them. (Second Enlarged Edition) [https://web.archive.org/web/20120429114113/http://www.bharatvani.org:80/books/htemples2/] *He dismisses Arun Shourie by pigeon-holing him as ‘post-modern’. He does not know that Hinduism has its own view of Time, and that a person who serves Sanatana Dharma cannot be dated. Scholars like Arun Shourie belong neither to the past, nor to the present, nor yet to the future. They belong to a timeless span. **S.R. Goel, History of Hindu-Christian Encounters (1996) * Just then Shourie was sacked as its editor. The reason was not so much the article, but, apparently, his entire policy of including columns by Hindu communalists like Ram Swarup and Sita Ram Goel, and his own articles that debunked some of the prevalent secularism, such as Hideaway Communalism. ** Elst, Koenraad (1991). Ayodhya and after: Issues before Hindu society. *I thank particularly my friend Arun Shourie because we need people like Arun Shourie to challenge us so that we can rectify our mistakes and all together collectively move towards the creation of a new India, a new humanity. ** Fr. Augustine Kanjamala, quoted in Shourie, Arun. Arun Shourie and his Christian Critic. (1995) * It is clear that Witzel himself has a political agenda: note his resentment of the “present Indian (right wing) denouncement of the ‘eminent historians’ of Delhi” (§9) – some of these “eminent historians” actively collaborated with Witzel and Farmer in their recent media-blitz in the Indian press. The reader is invited to go carefully through Arun SHOURIE’s book “Eminent Historians” (1998), which is being referred to here, and see the kind of political scholarship to whose defense Witzel has no compunctions in rushing! **S. Talageri. Michael Witzel – An Examination of his Review of my Book (2001) *As for Shourie, Mukhia is hardly revealing a secret with his information that Shourie “does journalism for a living”. The greatest investigative journalist in India by far, he has indeed unearthed some dirty secrets of Congressite, casteist and Communist politicians. His revelations about the corrupt financial dealings between the Marxist historians and the government-sponsored academic institutions are in that same category: fearless and factual investigative journalism. Shourie has a Ph.D. degree in Economics from Syracuse University in U.S.A., which should attest to a capacity for scholarship, even if not strictly in the historical field. When he criticizes the gross distortions of history by Mukhia’s school, one could say formally that he transgresses the boundaries of his specialism, but such formalistic exclusives only hide the absence of a substantive refutation. **Elst K. Ayodhya: The Case Against the Temple, chapter 4 * When Shourie's articles first appeared, they aroused great emotions and savage attacks. He quoted from the Bible and the Quran extensively on the question of co-existence. Many were shocked.... Shourie has called his book, Religion in Politics; someday he should bring out another book, Politics in Religion....The first book discusses politics complicated by religions factors; the second would discuss religions which are essentially political... **Ram Swarup, Hinduism and monotheistic religions (2009) == External links == {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:Shourie, Arun}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতিবিদ]] [[Category:Hindu nationalists]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতান্ত্রিক বিরোধী]] [[Category:Investigative journalists]] fskmu4e0onxkksbnhki9h3m9t5zmbc8 78874 78730 2026-04-20T09:52:19Z ARI 356 /* 1980s */ ; অনুবাদ 78874 wikitext text/x-wiki [[File:Arun Shourie addressing the Plenary Session on "Diaspora Youth and India - Blueprint for Engagement" at the 2nd Pravasi Bharatiya Divas in 2004.jpg|thumb| আমি বেশ অবাক হয়েছিলাম এবং অরুণ শৌরিকে ভারতের গর্বাচেভ নাম দিয়েছিলাম। তিনি পচা স্লোগানের আবর্জনায় ভরা একটি ঘরে জানালাগুলো খুলে দিয়েছিলেন এবং এক ঝলক টাটকা বাতাস আসতে দিয়েছিলেন। ~ সীতারাম গোয়েল]] [[File:Animal artists at the Jardin des Plantes.jpg|thumb|তারা বর্তমান ভারত এবং বিশেষ করে [[হিন্দুধর্ম]]কে একটি চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছে—বিভিন্ন রকমের অসম প্রজাতির স্তূপ। তাদের মতে ‘[[ভারত]]’ বলে কিছু নেই, এটি কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ, কেবল [[যুক্তরাজ্য]]ের তৈরি একটি ধারণা; হিন্দুধর্ম বলে কিছু নেই, এটি কেবল আরবদের ব্যবহৃত একটি শব্দ যা তারা এখানে এসে বিভিন্ন ধরনের মানুষের দেখা পাওয়ার পর ব্যবহার করেছিল, এটি কেবল অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য সাম্প্রদায়িকদের একটি উদ্ভাবন, এটিই ছিল তাদের অবস্থান।]] [[File:Dalailama1 20121014 4639.jpg|thumb|আমাদের উচিত দালাই লামার উদাহরণটি সামনে রাখা। তিনি ধ্যানের ওপর একটি তিব্বতি গ্রন্থের ওপর বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি একটি বাক্য পড়লেন, হাসলেন এবং মন্তব্য করলেন, ‘সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বগুলো লজ্জাজনক! এগুলো ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত!’ তিনি পরামর্শ দেন যে আমাদের কাছে সবসময় একটি ঝুড়ি রাখা উচিত—যা কিছু আমাদের বর্তমান জ্ঞানের সাথে মেলে না, সেগুলো সেই ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া উচিত। ‘[[বৌদ্ধধর্ম]]কে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে,’ তিনি এটাই শেখান। সেই অনুযায়ী তিনি বৌদ্ধ গ্রন্থগুলোকে সূক্ষ্ম পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করেছেন। (...) এটি নিজের ঐতিহ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসকেই তুলে ধরে। এটিই হলো ঐতিহ্যের প্রকৃত সেবা। এতে থাকা ‘অমূল্য রত্ন’ [[ভবিষ্যৎ]]ের জন্য রক্ষা করার উপায় এটিই।]] [[File:Censorship in cinema.jpg|thumb|এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?]] [[File:Parental Advisory label.svg|thumb|এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি—যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?]] [[File:Censorship.svg|thumb|এই বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।]] [[File:Murales Rivera - Treppenhaus 9 Bücherverbrennung.jpg|thumb|আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে... তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা...<br> দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br> তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন।]] [[File:Eustache Le Sueur - The Preaching of St Paul at Ephesus - WGA12613.jpg|thumb|সবচেয়ে বড় অংশগুলো বাদ দিতে বলা হয়েছে ‘আওরঙ্গজেবের ধর্মীয় নীতি’ সংক্রান্ত অধ্যায় থেকে। তিনি হিন্দুদের সাথে প্রকৃতপক্ষে কী করেছিলেন, তাদের মন্দিরের কী করেছিলেন, তার শাসনের মূল উদ্দেশ্যইসলামের প্রভাব বিস্তার এই সংক্রান্ত প্রতিটি ইঙ্গিত বই থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে... '''সবকিছু ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।'''<br/>'''বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের জন্য বস্তুনিষ্ঠ ধামাচাপা। আর আজ যদি কেউ এই পাঠ্যবইগুলোতে সত্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে, তবে চিৎকার ওঠে, ‘ইতিহাসের সাম্প্রদায়িক পুনর্লিখন’।''']] [[File:Porträtgalerie des steiermärkischen Adels 043.jpg|thumb|একবার যখন তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিলেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিলেন, তখন তারাই ঠিক করতে শুরু করলেন কী পড়ানো হবে, কোন বইগুলো পাঠ্য হবে, কী প্রশ্ন করা হবে আর কোন উত্তরগুলো গ্রহণযোগ্য হবে। এভাবেই এই ঐতিহাসিকরা আসলে ইতিহাস কী ছিল তা নির্ধারণ করতে শুরু করলেন! ... এভাবেই তারা তথ্য গোপন করেন, কিছু তথ্য বানিয়ে বলেন, এমনকি কোনো লেখক একটি বিষয়ে কী বলেছেন তা ধামাচাপা দিয়ে অন্য বিষয়ে তার বলা কথাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রচার করেন। আর যখনই কেউ আসলে কী ঘটেছিল তা তুলে ধরার চেষ্টা করে, তখনই তারা সমস্বরে চিৎকার শুরু করেন: ইতিহাস নতুন করে লেখার ষড়যন্ত্র চলছে, তারা চিৎকার করেন; ইতিহাস বিকৃত করার চক্রান্ত হচ্ছে, তারা চিৎকার করেন। '''কিন্তু তারাই প্রথম থেকে ইতিহাস বিকৃত করে আসছেন সত্য গোপন করে এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে।''']] [[File:Censored stamp.jpg|thumb|আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?]] [[File:Soviet Communism Threatens Education - NARA - 5730072.jpg|thumb|পরিস্থিতি এখন এইরকম: ভারতের জনপরিসরে যারা গত অর্ধ শতাব্দী ধরে আধিপত্য বিস্তার করেছেন, নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং অন্যদের আতঙ্কিত করে রেখেছেন, তাদের হাতে এখন কোনো তথ্য বা যুক্তি অবশিষ্ট নেই। যে কেউ তাদের অভ্যন্তরীণ আলোচনাগুলো পর্যবেক্ষণ করলেই এর প্রমাণ পাবেন—তারা এখন ক্রমশ ছোট হয়ে আসা গণ্ডির মধ্যে কথা বলছেন এবং সেই ছোট গণ্ডিতেই পুরনো কিছু বুলি পুনরাবৃত্তি করছেন। সেখানে নতুন কোনো চিন্তাভাবনা বা নতুন কোনো তথ্য নেই। আর আমরা যেমনটা দেখেছি, এটি আগে থেকেই ধারণা করা যায়: তাত্ত্বিক বুলিগুলোর পুনরাবৃত্তি করাই তাদের জন্য কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং যথেষ্ট।]] [[File:Shri Arun Shourie, Member of Parliament presented his book titled “Falling Over Backward” to the Vice President, Shri Bhairon Singh Shekhawat, in New Delhi on June 3, 2006.jpg|thumb|এর ফলাফল প্রত্যাশিত হলেও তা অন্যায় এবং হাস্যকর: যদি রাম শরণ একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, তবে রাষ্ট্র এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় অনেক কিছু নির্ধারণ করে দিতে পারে যা তাকে করতে হবে; কিন্তু যদি মুহাম্মদ আসলাম রাস্তার ওপারে ঠিক একই রকম একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, যেখানে ঠিক একই বিষয় পড়ানো হয় এবং একই পাঠ্যবই ব্যবহার করা হয়, তবে রাষ্ট্র বা বিশ্ববিদ্যালয় কেউই এর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না!]] '''অরুণ শৌরি''' (জন্ম ২ নভেম্বর ১৯৪১) ভারতের একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক এবং রাজনীতিবিদ। == উক্তি == === ১৯৭০-এর দশক === ==== ''সিম্পটমস অফ ফ্যাসিজম'' (১৯৭৮) ==== * জরুরি অবস্থার অপরাধীদের বিষয়ে আজ আমরা যা দেখছি তা আইনের শাসন নয়, বরং তার ধ্বংস। আমরা দেখছি কীভাবে বুর্জোয়া আইনের শাসন ধ্বংস করা হচ্ছে। এই শ্রেণির লোকেরাই নিজেদের স্বার্থে এটি ধ্বংস করছে এবং বুর্জোয়া সমাজ এই অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনার মতো প্রয়োজনীয় দৃঢ়তা দেখাতে পারছে না। আজ আমাদের বিচার ব্যবস্থার দুটি বৈশিষ্ট্য সবার সামনে পরিষ্কার হয়ে গেছে। প্রথমত, অপরাধীরা যদি প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাশালীদের সাথে যুক্ত হয়, তবে এই ব্যবস্থা তাদের ধরতে পারে না। দ্বিতীয়ত, জনগণ এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে করা তাদের প্রধান অপরাধগুলোর জন্য এটি তাদের ধরতে পারে না। * এরপর আছেন আমাদের লক্ষ্যহীন বামপন্থীরা, যারা একে অপরকে গালিগালাজ করতে ব্যস্ত। আর সবশেষে আছেন উদারপন্থীরা, যারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজাতে ব্যস্ত, বরং তারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজানো নিয়ে সেমিনার করতে ব্যস্ত। * আসন্ন ফ্যাসিবাদের প্রবল আঘাত থেকে আমাদের বাঁচাতে এই লোকগুলোর ওপর ভরসা করা মানে হলো একটি মাইনফিল্ড পার হওয়ার জন্য বুড়ো মহিষের ওপর নির্ভর করা। === ১৯৮০-র দশক === ==== ''রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স'' (১৯৮৯) ==== * এভাবে নীরবতা সংস্কারের গতি কমিয়ে দেয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি বহু সংখ্যক মানুষ এই নেতাদের সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে লেখালিখি এবং আলোচনা করতেন, তবে এই সম্প্রদায়ের ভেতরে থাকা সংস্কারকরা আজকের মতো এতটা বিচ্ছিন্ন এবং কোণঠাসা হতেন না। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, পুরো সত্য না বলাটা একটা অভ্যাসে পরিণত হয়। নিজের বিশ্বাস লুকিয়ে রাখা, তথ্যপ্রমাণ এড়িয়ে যাওয়া এবং প্রতারণা করা যেন আমাদের জনপরিসরের আলোচনার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। ===1990s=== *And yet I find in the majority judgement a fatal innocence... The judgement quotes the proclamations from the Rig, Yajur and Atharva Vedas - about all human beings being one, about their being the children of the same Mother-Earth, about the yearnings that all of use be friends. But it does not note that less than a mile from its building volumes upon volumes of [[w:fatwa|fatwas]] are being sold and distributed which exhort Muslims never to trust [[w:Kafir|Kafirs]], never to allow them into their confidence; which tell them that their first duty and allegiance is to their religion and not to sundry laws... It is not [[মহাত্মা গান্ধী]] who needs to be convinced that Ishwar and Allah ar one. It is not [[গুরু গোবিন্দ সিং]] who needs to be convinced that mandir and masjid, Puran and Quran are one. The ones who need to be convinced that they are one - say, the ulema, or the Shahi Iman... - have it as an article of faith that they are not one. **Arun Shourie in: India., & Dasgupta, S. (1995). The Ayodhya reference: The Supreme Court judgement and commentaries. p. 171-3 * "The forfeiture is exactly the sort of thing which has landed us where we are : where intellectual inquiry is shut out ; where our tradition are not examined and reassessed and where as a consequence there is no dialogue." **About the book banning of Ram Swarup's Understanding Islam through Hadis. quoted from Koenraad Elst. Ayodhya and after: issues before Hindu society. 1991. Ch. 12. *They rely on intimidation, It is exactly by tactics of this kind that an earlier book of Mr. Swarup - Understanding Islam Through Hadis - was put out of circulation... November 27, 1990, under the influence of the same intimidation the Delhi Administration declared that, contrary to what it had itself twice decreed, the book was not only objectionable, was deliberately and malicious so!....<br/>Our response should be three fold. First, whenever an attempt such as this from quarters such as Mr. Shahabuddin is made to stifle free speech, to kill even scholarly inquiry, we must go out of our way and immediately obtain the book....<br/>Secondly, whenever the intimidators prevail and such a book actually comes to be banned large numbers should take to reprinting it, photocopying it, to circulating it, and discussing its contents.<br/>The third thing is more necessary, and in the long run will be the complete answer to the intimidators. As long as scholars like Mr. Swarup are few, intimidators can bully weak governments into shutting them one by one. But what will they do if 1,000, scholars are to do work of the same order? This is the way to deal with intimidators. Let 1,000 scholars carry on work Mr. Swarup has pioneered. **Arun Shourie: " How should we respond?", also in: Freedom of expression – Secular Theocracy Versus Liberal Democracy (1998, edited by Sita Ram Goel) * For fifty years this bunch has been suppressing facts and inventing lies. How concerned they are about that objective of the ICHR -- to promote objective and rational research into events of our past. How does this square with the guidelines issued by their West Bengal Government in 1989…"Muslim rule should never attract any criticism. Destruction of temples by Muslim rulers and invaders should not be mentioned"? But their wholesale fabrications of the destruction of Buddhist vihars, about the non-existent "Aryan invasion" -- to question these is to be communal, chauvinist! It is this which has been the major crime of these "historians". But these are not just partisan "historians". They are nepotists of the worst kind... they are ones who have used State patronage to help each other in many, many ways... Not only are these "historians" partisan, not only are they nepotists, they are ones who have used State patronage to help each other in many, many ways… As a result, the books and pamphlets of these fellows are available in all regional languages, but the works of even Lokmanya Tilak are not available except in Marathi! **FABRICATIONS ON THE WAY TO THE FUNERAL Publication: India Connect Author: Arun Shourie Date: June 26, 1998 [http://voiceofdharma.org/indology/eminenthistorians1.html] [https://www.dharmadispatch.in/commentary/de-secularizing-indian-history-why-the-ugc-deserves-our-kudos] * All the facts ... were well known fifty years ago. With the passing of the generation that fought for Independence, with the total abandonment of looking up the record, most of all with the rise of casteist politics, they have been erased from public awareness. And that erasure has led to the predictable result: schizophrenia. To start with, those trading in Ambedkar's name and their apologists have sought to downplay the struggle for Independence: the freedom it brought is not "real", they insist. Exactly as that other group did which teamed up with the British at that crucial hour, 1942 -- the Communists. Indeed,... to justify Ambedkar's conduct his followers insist that British Rule was better... But the facts lurk in the closet. Lest they spill out and tarnish the icon they need for their politics, lest their politics be shown up for what it is -- a trade in the name of the dispossessed -- these followers of Ambedkar enforce their brand of history through verbal terrorism, and actual assault. **Arun Shourie, Worshipping False Gods, 1997, HarperCollins. ====''Indian controversies: Essays on religion in politics '' (1993) ==== :Shourie, A. (2006). Indian controversies: Essays on religion in politics. New Delhi: Rupa & Co. *The most telling illustration has been provided by the silence over the new archaeological findings. .... When the findings of the excavations which had been conducted over a decade ago became public, and these left little doubt about the fact that there had indeed been a temple at the site, archaeology itself was denounced. Papers made themselves available for tarnishing one of the most respected archaeologists in the world - the former Director General of the Archaeological Survey of India who had led those excavations. ... The lesson is plain: should such double-standards continue, Hindu opinion will become even less amenable to the minatory admonitions of our editorialists than it has already become. *Clearly, what our newsmen call 'hard-liners' have been vindicated. * As the State has been successfully bent by Sikh and Muslim communalists over the last decade, double-standards, I would say in some cases duplicity have been the hallmark of the media's treatment of events and issues. *Every single Muslim historian of medieval India lists temples which the rulers he is writing about has destroyed and the mosques he has built instead. (429) ====''Hindu temples: What happened to them (Volume I)'', 1993==== *A case in which the English version of a major book by a renowned Muslim scholar, the fourth Rector of one of the greatest centres of Islamic learning in India, listing some of the mosques, including the Babri Masjid, which were built on the sites and foundations of temples, using their stones and structures, is found to have the tell-tale passages censored out; The book is said to have become difficult to get;... Evasion, concealment, have become a national habit. And they have terrible consequences... <br/> It was a long, discursive book, I learnt, which began with descriptions of the geography, flora and fauna, languages, people and the regions of India. These were written for the Arabic speaking peoples, the book having been written in Arabic. ... A curious fact hit me in the face. Many of the persons who one would have normally expected to be knowledgeable about such publications were suddenly reluctant to recall this book. I was told, in fact, that copies of the book had been removed, for instance from the Aligarh Muslim University Library. Some even suggested that a determined effort had been made three or four years ago to get back each and every copy of this book. ....Such being the eminence of the author, such being the greatness of the work, why is it not the cynosure of the fundamentalists’’ eyes? The answer is in the chapter “Hindustan ki Masjidein”, “The Mosques of Hindustan”. ... Each reference to each of these mosques having been constructed on the sites of temples with, as in the case of the mosque at Benaras, the stones of the very temple which was demolished for that very purpose have been censored out of the English version of the book! Each one of the passages on each one of the seven mosques! No accident that. .... why would anyone have thought it necessary to remove these passages from the English version-that is the version which was more likely to be read by persons other than the faithful? Why would anyone bowdlerise the book of a major scholar in this way?... **About the removal of a book from libraries for political reasons. Arun Shourie: Hideaway Communalism (Indian Express, February 5, 1989) Quoted from Goel, Sita Ram (editor) (1993). Hindu temples: What happened to them. Volume I. *Their real significance- and I dare say that they are but the smallest, most innocuous example that one can think of on the mosque-temple business-lies in the evasion and concealment they have spurred. I have it on good authority that the passages have been known for long, and well known to those who have been stoking the Babri Masjid issue. That is the significant thing; they have known them, and their impulse has been to conceal and bury rather than to ascertain the truth....The fate of Maulana Abdul Hai’s passages-and I do, not know whether the Urdu version itself was not a conveniently sanitised version of the original Arabic volume-illustrates the cynical manner in which those who stoke the passions of religion to further their politics are going about the matter. '''Those who proceed by such cynical calculations sow havoc for all of us, for Muslims, for Hindus, for all. Those who remain silent in the face of such cynicism, such calculations help them sow the havoc. Will we shed our evasions and concealments? Will we at last learn to speak and face the whole truth?''' **About the removal of a book from libraries for political reasons. Arun Shourie: Hideaway Communalism (Indian Express, February 5, 1989) Quoted from Goel, Sita Ram (editor) (1993). Hindu temples: What happened to them. Volume I. ====''A secular agenda'', 1993==== *Upon going through the text the reader will notice how completely contrary to the facts are the cliches which are bandied about in public discourse in India, and which as a consequence so many have by now internalised.... (x) *A moment's reflection will show that India's case is not at par with the ones we have been considering. For those instances are of the most recent times - those nations were "imagined", those traditions were "invented" just a hundred or a hundred and fifty years ago. By contrast India has been seen as one and its people have had a common way of life for thousands of years. It is not just that its history is that old.... It is a continuous history. (9) *Not an enforced amnesia but an unsparing memory - that is what will build a nation. *Every sentence a lie. ... And have you ever heard the BBC refer to Nawaz Sharif as a "fundamentalist," a "fanatic"? But what would it have called Advani if he had made a statement of that kind with "Hindu" substituted for "Muslims"? ====''Missionaries in India'', 1994==== * '''I hope the reader will not just read through the examples but will also ask why it is that such material is not placed before our students. After all it is not difficult to come by, and, as the reader will agree after going through it, it has the most direct bearing on our denationalization. Yet, even though he may have considerable interest in our current problems, even though he may have been following closely the public discourse on such problems, in all probability the reader would not have come across the material. Why is this so? ''' * '''But there is an even more potent cause for the near total erasure of such material from our public discourse and our instruction. And that is the form of “secularism” which we have practised these forty-five years: a “secularism” in which double-standards have been the norm, one in which everything that may remove the dross by which our national identity has been covered has become anathema.''' * The Catholic Bishops Conference of India is the hightest body engaged in attempts to coordinate the work of different Catholic churches in India and to engage in dialogue with other religions. ... To celebrate the 50th anniversary... the CBCI convened a meeting in January 1994.... And it was an important gathering: it was only the second time in fifty years and the first time in twenty five years that such a comprehensive review was being undertaken... The organizers were so kind as to ask me to give the Hindu perception of the work of Christian missionaries in India. *And on the basis of criteria of this kind tribals were hacked off from Hindu society. One has but to read the descriptions of Animism which were relied upon to notice that they could well be describing a variety of Hindus. ;Quotes about the book *The organisers had invited Arun Shourie to give the Hindu assessment of the work of missionaries in India. Arun Shourie addressed the Archbishops, Bishops and others on 5 January 1994. ... The organisers asked Arun Shourie to write a paper based on his talk.... As the controversy snowballed... [they] invited several senior churchmen to discuss Missionaries in India on a public platform with Arun Shourie. **About the book ''Missionaries in India'' ** Shourie, Arun. Arun Shourie and his Christian Critic. (1995) *A dialogue for serving its third purpose could be held only in January 1994 when Arun Shourie, the noted journalist and scholar, was invited by the Catholic Bishops’ Conference of India (CBCI) to present a “Hindu assessment” of missionary work in India. But unfortunately for-the managers of this “dialogue”, it went out of hand and misfired. Ever since, the giant Christian establishment in India has been smarting with the hurt which Arun Shourie has caused. The uproar he has raised can be compared only with the uproar which had followed the publication of K. M. Panikkars’ Asia and Western Dominance in 1953. Missiology has been mobilizing its arsenal of apologetics and polemics in order to control the damage that has been done to Christian claims and pretensions...<br>The CBCI was celebrating the 50th anniversary of its foundation, and holding a Seminar at Ishvani Kendra, a Catholic seminary in Pune. Almost all the Catholic big-wigs in India were present when Arun Shourie gave his talk on 5 January 1994...<br>By the time the paper was fully elaborated, it had acquired the size of a book. Arun Shourie published it in early May 1994 under the title, Missionaries in India: Continuities, Changes, Dilemmas. ... Meanwhile, Arun Shourie had written several articles on the subject in his syndicated column which appears in more than a score of newspapers published in several languages all over the country. The articles evoked a lively discussion in the Maharashtra Herald of Pune. **Sita Ram Goel , History of Hindu Christian Encounters *The Christian missionary orchestra in India after independence has continued to rise from one crescendo to another with the applause of the Nehruvian establishment manned by a brood of self-alienated Hindus spawned by missionary-macaulayite education. The only rift in the lute has been K.M. Panikkar’s Asia and Western Dominance published in 1953, the Report of the Christian Missionary Activities Committee Madhya Pradesh published in 1956, Om Prakash Tyagi’s Bill on Freedom of Religion introduced in the Lok Sabha in 1978, Arun Shourie’s Missionaries in India published in 1994 and the Maharashtra Freedom of Religion Bill introduced in the Maharashtra Legislative Assembly by Mangal Prabhat Lodha, M.L.A. on 20 December 1996. **Sita Ram Goel, Vindicated by Time: The Niyogi Committee Report (1998) ====''The World of Fatwas (Or The Shariah In Action), 1995''==== *In the bookshops in the Muslim areas of our cities—for instance in the bookshops around the Jama Masjid in Delhi— the collections of fatwas fill shelves after shelves. They are put together with great care, the sort of care one associates with sacred literature. The pages are well laid out. The calligraphy is often a work of art. The volumes are beautifully bound— ever so often with gilded embossing on the covers. *'''In a word, fatwas are the shariah in action.''' *For all these reasons one would expect a host of studies on fatwas. But then one would reckon without our intellectuals. It is yet more proof of the fact that our intellectuals have seceded from our country; that there is hardly a study in either English or Urdu on the fatwas. *First, our scholars have not spared time for this vital material for the same reason on account of which they have not spared time for other things vital to our existence as a country. Most of the intellectual work in India consists in writing footnotes to work being done in the West—this has been so in the case of Marxist intellectuals even more than it is in the case of the others. And when our intellectuals are not engaged in writing these footnotes, they are busy following the fashion of the day in Western circles, busy ‘applying’, as the phrase goes, to Indian material the notion or ‘thesis’ which has become fashionable in the West. In a word, our scholarly work is derivative. So the first reason there has been no substantial study of the fatwas in India is that they have not yet caught the eye of the West. *“We should, in particular the Muslim liberal should speak the whole truth about the condition of Muslim society—for instance about the plight of women within it. And not flinch from tracing it back to its roots—the text, the laws, the ways of thinking. We should document the social practice of the Ulema [Muslim religious leaders] and of the fundamentalist politicians.…We should document what the Ulema etc. have been saying and decreeing on religious issues themselves.…We must, in particular the Muslim liberal must, take the consistently secular position on every matter—that is the only way to confront the fundamentalists, it is the surest way to bring home the alternative viewpoint to the community.…Fatwas and the rest which impinge upon the civil rights of a person are manifestly a criminal infringement of law; we should show them up as such; and join others in demanding that anyone who seeks to trample upon the rights of others by using…fatwas should be brought to book under the law. Similarly, we must expose, and work to thwart concessions by our opportunist politicians which are meant to appease, and will in the end strengthen the grip of these reactionary elements.…But it is not going to be enough to counter the Ulema, and their networks, or to show up their syllabi. As we have seen, what they proclaim, and regurgitate, and enforce is what the Koran and Hadith prescribe. Therefore, to really break the vice, liberals, and liberal Muslims in particular must examine and exhume the millenarian claims of Islam: the claims that there is only one truth, that it has been finally revealed to only one man, that it is enshrined in only one Book, that that Book is very difficult to comprehend, that the select few alone know its inner meaning, that therefore it is everyone's duty to heed them just as it is the duty of the select to make sure that everyone heeds them. In a word, the basic texts themselves have to be opened to examination.” (quoted in Bostom, A. G. (2015). Sharia versus freedom: The legacy of Islamic totalitarianism.) * The volumes of fatwas devote pages and pages to an even more exotic subject—namely, what the believer should do with an animal which has been used for intercourse. ‘What is the hukum about the animal with which a man has had sexual intercourse—what is the hukum about the animal and the man?’, asks the querist, and after due deliberation the ulema of this great ‘centre of Islamic learning’ issue a fatwa. The other matters which call forth fatwas are just as earth-shaking. <br> ‘Is a pregnant goat which has been used for intercourse halal or haram? Has one to wait for her to deliver or should she be killed and buried without waiting?’ ‘Zaid has had intercourse with a goat. What is the law in respect of her? Can we eat her flesh or drink her milk? And what is the law for him who has had the intercourse?’ ‘What is the punishment for having intercourse with a minor child or a goat?’ ‘Zaid decided to have intercourse with an animal which is halal such as a cow or a goat. He approached the animal and inserted his male member into its vagina. But there was no ejaculation. Should Zaid or other Muslims regard as halal the meat or milk of that animal? Has Zaid to do penance for this offence?’ ‘Zaid had intercourse with a cow, and then sold it. How should that money be spent? Can it be used for sadqah? And what is the punishment fo Zaid?’ ‘What is the punishment for one who has intercourse with a mare? What should be done with that mare?’ A fatwa on one and each of these matters. <br> And the answers are not always predictable, often they turn on subtle differences. It is enough for the believer who has had intercourse with an animal to do taubah, decree these men of learning, but in the usual case the animal must be killed and burnt. In the usual case, that is, its meat should not be eaten. However, to take one instance, ‘If there is no ejaculation (inside the animal) its meat and milk are halal, without question,’ rule the ulema of Dar al-Ulum, Deoband. ‘But if there is ejaculation, it is better to kill the animal and bury its flesh. No one should eat it, though it is not haram to eat it.’ [...] Finally, while others may be a bit squeamish in discussing such questions, and a little surprised at encountering them in ‘religious’ books, the ulema have no qualms about discussing such matters and laying down the law on them as much as on any other matter. They regard it as one of their functions to do so. The point is set at rest by Maulana Mufti Abdur Rahim Qadri. It transpires that a maulvi, styling himself as Hazrat Shaykh al-Islam Maulana Maulvi, published two pamphlets attacking the Hanafite jurists for holding that intercourse with an animal does not vitiate a fast, even if ejaculation takes place. He cited the great authorities of Hanafite law—Shami and the Durr-ul-Mukhtar—as having decreed this. He also chided the learned ulema for filling religious books with discussions of such topics. The writings of the maulvi were referred to Mufti Abdur Rahim Qadri for opinion. The Mufti’s elucidation takes up ten printed pages of the Fatawa-i-Rahimiyyah. On the substance of the question, the decision turns on whether the ejaculation took place upon intromission into the animal—in which case the fast is rendered void—or it took place by the man merely touching the animal’s genitals with his hands or kissing it, without using his sexual organ—in which case the fast is not vitiated. The Mufti cites authorities to nail the distinction, and he argues that the maulvi who had made the charge against the Hanafite jurists had misrepresented their rulings on the matter. * Next comes the Urdu press. It has been one of the most potent allies of, in some ways the instrument of the ulema, as we saw in reviewing the campaigns against Dr Zakir Hussain and Maulana Azad. We saw the same role and the same potency in the campaigns in 1992 against Mushirul Hasan, pro-vice-chancellor of Jamia Millia in Delhi, and Abid Reza Bedar, director of the Khuda Bakhsh Library in Patna. A shrill tone, wholesale distortions, creating echoes upon echoes of their allegations, fomenting an extreme insecurity and then presenting everything as an assault on Islam—these are its hallmarks. And they invariably end up being deployed to fortify the world view which the ulema want the community to retain. *And then there is the effect of patronage. Funds from Saudi Arabia, or Iran, or Iraq, or other ‘Islamic’ sources go to the ulema, to elements and organizations controlled by or beholden to them. The funds are almost never channelled to liberals. The Indian state is of course worse. As the ulema control the community, it is to the ulema, and to those who speak their language that the state genuflects. As the state has got weaker, the ulema have been able to press their campaigns with greater and greater ease. And in turn they have been able to fortify their hold over the community by demonstrating that it is to them that the state bends—on Shah Bano for instance; that it dare not step in their way: look at the audacity of their current campaign to set up a parallel structure of courts—the shariah courts—outside the legal system of the country. *The liberal who happens to be a Hindu is so apologetic, he has internalized sham secularism so much, he is in any case so innocent of the texts—of Islam, of Hinduism, of our laws and our Constitution—and he has internalized double standards to such an extent that he has made silence on all matters Islamic, indeed toeing the fundamentalists’ line proof of secularism. The ‘secularists’ of the English press are a ready example. They will refer to Ali Mian as ‘the moderate, universally respected Muslim leader’, without bothering to read anything he has written. They will refer to sundry muftis and maulwis as ‘Muslim divines’. They will shut their eyes tight to what organizations like the All India Muslim Personal Law Board or the All India Milli Council are doing; and will jump in to shout and scream should any agency of the state take a step to uncover their activities. Worst of all, they will, by a Pavlovian reflex, weigh in on the same side as the ulema on issues, and insist that anyone who opposes that side is ‘communal’, ‘fascist’, ‘revanchist’. The effect of such shouting is not limited to poisoning the air of discourse. Weak rulers are swayed by that air. And so public policy bends to the ulema. The latter are thus twice strengthened. *When we study the discourses of the Buddha or what Gandhiji has to say on, say, fasting, the content is all about looking within, about self-purification. But even when they deal with purely religious subjects the fatwas are all about the form to which the believer must adhere. They resemble instructions a drill sergeant gives to cadets for a parade. *While our leaders and the Supreme Court keep chanting, ‘All religions are one’; while they keep recalling the Vedic pronouncement, ‘Truth is one, only the sages call it by different names’; while they keep recalling Ashoka’s rock edict, ‘One who reveres one’s own religion and disparages that of another, due to devotion to one’s own religion and to glorify it over all others, does injure one’s own religion certainly’, the ulema proclaim the very opposite set of values, the truly Islamic values to be fair to the ulema. Thus we have Maulana Ahmad Riza Khan descend as an avalanche on persons who countenance processions in which books like the Gita and Quran are carried with equal respect; he declares that for a Muslim to even say, ‘Hindus should live by the Vedas, Muslims should live by the Quran,’ is kufr; a temple is the abode of Satans, he says, a Muslim is forbidden from going into it; to describe the Holy Quran as being like the Veda is kufr; to say that Hindus should live by the Veda is to ask people to follow kufr, and to ask people to follow kufr is kufr... *The fatwas reflect this belief in double standards. The differential attitude to conversion and apostasy illustrates this vividly. Islam regards it as a right and duty to convert persons from other religions. The ulema vehemently insist on it....Exactly the same position holds in regard to doing something or refraining from doing something out of regard for the other person’s religious sentiments.....An even more vivid instance is the stance in regard to the continuation of religious practices. It is the right and duty of a Muslim to carry on his religious rituals. ...Under no circumstances can the Islamic ruler give permission to kafirs to continue their religious rites, declares the Fatawa-i-Rizvia, and asks: shall he permit them to practise their kufr and thereby himself become a kafir?...It adds that there are several Hadis to the effect that no non-Muslim should remain in the Arab island...So, no non-Muslim shall be allowed to stay in the Arab island, but if a Bangladeshi who has entered India illegally is asked to leave, that is an assault on Islam!...Similarly, even today in no Islamic state can teachers in a school impart religious education of their faith to non-Muslim children...No restriction can be tolerated on teaching of the Quran and on religious instruction, declares Kifayatullah. ...And yet if we were to go by secularist discourse there is no religion which has abolished distinctions as Islam has, there is no religion which treats all equally as Islam does! *In the face of all this those who continue to assert, ‘Shariah has safeguarded the rights of women like no other system of law has,’ do so only because of their confidence that no one but them has read the texts of shariah. *And yet we must believe, on pain of being communal, that no system of law has guaranteed as many rights to women as shariah, that no religion is as solicitous of them as Islam. ... The argument can fool no one but the determined apologist. *That is not just the shariah as enforced by the fatwas. As our governments have not acted upon the directive of the Constitution to enact a Uniform Civil Code, that is the law of secular India enforced by our courts! * It is not the occasion but the ulema’s assessment of women per se which is of interest, for it pervades the fatwas through and through. ‘For the Quran says,’ declare the ulema of Deoband settling a matter to which we shall soon turn, ‘the husband is the master.’ .... And among these kafirs there are gradations, Maulana Ahmad Riza Khan declares: one hard kind of basic kufr is Christianity; worse than it is Magianism; worse than that is idolatry; worse than that is Wahabiyat; and worse than all these and more wicked is Deobandiyat... * And so on indefinitely. The effect of all this will be obvious: when you take a problem to them, the ulema can facilitate your way or thwart it by invoking one authority rather than the other. Simultaneously they, joined this time by the apologist, will insist that we, in particular the non-Muslims, must never cease to believe that the shariah is a clear and definite code, that it is a divinely ordained, and therefore an eternal and unchanging code! *Two features would by now be obvious: (1) far from being a clear and definite code, the shariah is ambiguous; (2) it is ambiguous on the entire spectrum of issues. Two operational consequences follow: (1) this ambiguity is one of the bases for the unrivalled power of the ulema; (2) the ulema therefore sabotage every effort to codify the shariah as zealously as they fight back every effort to replace it by a modern code common to all. *That is why Maulana Ahmad Riza Khan is only being true to the Faith when, as we saw at the beginning of the chapter, he says that the glory of Islam consists in having science bend to it, not in its bending to science. What holds for science holds a fortiori for mere historical ‘facts’—of whether there have been a hundred Caliphs or twelve. * The earth is stationary. The sun revolves around it. The stars are stationary, hung as lamps by Allah to guide travellers, and to stone the Devil. To believe anything contrary to all this is to betray The Faith. Men are the masters. Each may keep up to four wives at a time and as many concubines ‘as the right hand holds’. The wives are fields which the husband may or may not ‘irrigate’ as he will. The husband can bind them to obeying his merest whim on pain of being divorced. If he is still not satisfied, he can throw them out with one word. Upon being thrown out they are to be entitled to bare sustenance—but only for three months, and nothing at all beyond that. To see any inequity in this, to demand anything more for the women is to question the wisdom of Allah, it is to strike at Islam. To urinate while standing, to fail to do istinja in the prescribed way, to fail to believe that the saliva of a dog is napaak and his body paak—these are grave sins. To ask for the well-being of a kafir, be he ever so saintly, even upon his death, to fail to believe that a Muslim, be he ever so sinful, is better than a kafir, be the latter ever so virtuous, is kufr itself. Such is the mindset of the ulema. It pervades their rulings on all aspects of life. *Education is central to advancement—of the country, of the individual. But the ulema have fought hard and long against what most today would consider education. For them religious education must take priority over modern, technical education. Only those subjects are to be studied, only that knowledge is to be imparted which strengthens one’s faith— in practical terms, only those subjects are to be studied, only that knowledge pursued which confirms one in the belief that whatever is written in the Quran and Hadis, whatever has been put out by the ulema over the centuries is true and the acme of wisdom as well as perfection. The education of women, in particular their being awakened to new values, their being trained for new professions, their being awakened to their rights—all this is anathema; it is held to be injurious to them, in fact it is declared to be the way to disrupting society and undermining Islam. *Is an institution the Indian history course of which covers only the period from the raids of Mahmud Ghaznavi to 1947, the geography course of which focuses on the Arabian peninsula, an institution of and for India? *Predictably, in Maulana Ahmad Riza Khan’s reckoning the Shias are not Muslims at all. Their ‘mosques’ are not mosques—and remember, as Mir Baqi and his descendants, the mutwallis of the mosque were Shias, the ‘Babri masjid’ was a Shia mosque. *‘Arrey bhai, but why don’t you write on Hindu fatwas?,’—that from a prominent intellectual who carries a haloed name. There is nothing like the fatwa among Hindus—but surely even our intellectuals know that. The point of such admonitions is different. In this view of the matter, a Hindu should stay clear of writing on Islam. Rather, that if he writes about matters Islamic or Muslim, he should only pen Hosannas—’the religion of tolerance, equality...’—he should only write books ‘understanding’, that is explaining away the ‘Muslim mind’. At the least, if he just has to allude to some unfortunate drawback in it, he must attribute it to some special time and place and exculpate Islam from it! Even more important, he must make sure that he ‘balances’ his remark about that point in Islam with denunciation about something in Hinduism, anything—the caste system, dowry deaths, looking upon foreigners as malechh, at least sati if nothing else fits the bill! *So, who is offended? Who is humiliated by the fatwas being reproduced and analysed? It is the secularist. And the reason is manifest. He has no answer in the face of this evidence, in the face of the express and emphatic commands of the Quran and the Prophet, in the face of the repeated and absolutely explicit declarations contained in the fatwas. He has no evidence with which to counter these. But when what they say is brought out on the table, he cannot sustain his inverted ‘secularism’. As long as these things are confined to Urdu they do not inconvenience him in his circle. But the moment they are out in English he is pinned. And so he feigns offence! What is the answer? To go on setting out the facts. To go on analysing them. In the faith that abuse shall not bury evidence. In the faith that ideas are seeds, that they shall take root. *In Bangladesh, with the gallop towards Islamization, the rapid spread of Tablighi Jamaat, the ever-widening reach and influence of fundamentalist organizations like the Hizb-ut-Tahrir and the Hizb-ut-Tauhid, Shariah Committees sprang up in several parts of the country. Fatwas became ever more frequent. They were often issued by the local mullahs in rural areas, and ever so often the victims were women who had in fact been victims of violence, rape and the rest.... * To put the blame on Muslim journalism and leadership is in a sense to beg the question. After all, why do Muslims prize this kind of journalism, why do they follow such leaders? The answer is in the psychology which the ulema and their fatwas have drilled into them. *To even say, ‘What is shariah? Does anyone go by shariah today?’, is kufr, declares the Fatawa-i-Rizvia. Even if the words have been uttered to taunt others, they constitute a grave sin. To say, ‘We do not recognize shariah, we go by custom,’ is kufr, it declares. The ulema issue a fatwa prohibiting Muslims from joining processions of polytheists. A man says, ‘Issuing a fatwa not to join processions of polytheists, etc., is sheer lathbazi.’ The utterance is reported to the ulema. The utterance constitutes denigration of shariah, the Fatawa-i-Rizvia rules, and denigration of shariah is kufr. The man’s wife is free of his nikah. ... To question ijma (consensus) or taqlid (literal adherence) is kufr, they declare. ... Not to believe in Fiqh is kufr, they declare. He who does not accept Fiqh is Satan, they declare. *‘The parents who send their daughters to college are the enemies of their daughters, not their friends,’ the Fatawa-i-Rahimiyyah declares, citing authorities to the effect that the friend is one who prepares one for the Hereafter, though doing so may inflict worldly loss. ‘There is no doubt,’ it declares, ‘that a collegiate girl becomes extremely free, purdahless, immodest and shameless. This is the general consequence of English education and college atmosphere.’ And ‘A girl who loses modesty loses everything,’ it says, citing the Hadis, ‘Modesty and faith—they are inseparable companions; when either of them is taken away, the other too goes away.’ * The condescension, the picture which is drawn of Hindus and other non-believers, their being clubbed with animals and vermin—any text doing this in the case of Muslims would call forth howls of denunciation. From the secularists as much as from Muslims. ====''Worshipping False Gods'' (1997)==== *There is not one instance, not one single, solitary instance in which [[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর]] participated in any activity connected with the struggle to free the country. Quite the contrary- at every possible turn he opposed the campaigns of the national movement, at every setback to the movement he was among those cheering for failure. *Did India ever stand in need of reformers? Do you read the history of India? Who was [[Ramanuja]]? Who was [[Shankara]]? Who was [[গুরু নানক]]? Who was [[চৈতন্য মহাপ্রভু]]? Who was [[কবীর]]? Who was [[Dadu]]? Who were all these great preachers, one following the other, a galaxy of stars of the first magnitude? *In a word, denunciation, condemnation, calumnizing the gods and goddesses, pouring ridicule on our scriptures, sowing hatred in the followers is the course Ambedkar adopted. But it was not the only course available. Earlier one of the greatest of reformers of the last hundred and fifty years had adopted the exact opposite course, and thereby accomplished both— he had lifted the lives of millions, and at the same time he had transformed and raised our society. That reformer was from a caste which was not just untouchable but unapproachable— the reformer of course was Narayan Guru, who lived from 1854 to 1928. *He did not heckle and spit at our tradition as an outsider. He never made truck with the conquerors and subjugators of India. He attained the highest states of spiritual awareness by immersing himself in the teachings of the Upanishads. He attained those states by practising the austerities and following the methods which our great seers had uncovered. As he attained these states, his entire life became a refutation of the claims of the orthodox as to their superiority, his beatific state became a refutation of the assertions of the orthodox that the esoteric lore was closed to the lower castes. And as he had attained those states, he received universal homage. *The legacy of [[নারায়ণ গুরু]] is a society elevated, in accord, the lower castes educated and full of dignity and a feeling of self-worth. The legacy of Ambedkar is a bunch screaming at everyone, a bunch always demanding and denouncing, a bunch mired in self-pity and hatred, a society at war with itself. The legacy of Narayan Guru is a country rejuvenated. The legacy of Ambedkar is a country with a deepened sense of shame in its entire past. And thereby further disabled. ====''Freedom of expression – Secular Theocracy Versus Liberal Democracy'' (1998) ==== *"Secularists" are unnerved by the reaction [[L. K. Advani|Advani]]'s rath has evoked among Hindus. But it is not the rath which evoked it. The "victories" in having [[w:Shah Bano|Shah Bano]] reversed, in having [[সালমান রুশদি]] banned - "victories" which were loudly applauded by the "secularists"; the success in convincing political parties - which maps and lists - that Muslims would decide their fate in hundreds of constituencies; to say nothing of the "victories" of the violence in Punjab and [[কাশ্মীর]] - the reaction is the cumulative result of these distortions in our polity. ** Fomenting Reaction by Arun Shourie, also in Goel, S.R. (ed.) : Freedom of Expression - Secular Theocracy Versus Liberal Democracy [http://web.archive.org/web/20140826192129/http://www.bharatvani.org/books/foe/ch10.htm] ====''Eminent Historians: Their Technology, Their Line, Their Fraud'' (1998) ==== *In June–July 1998, progressives kicked up quite a racket. The government has packed the Indian Council of Historical Research with pro–Ram Mandir historians, they shouted. It has surreptitiously altered the aims and objectives of the Council, they shouted. As is their wont, they had sparked the commotion by giving wind to a concoction. As is their wont too, they were charging others with planning to do in some undefined future what they had themselves been actually doing for decades – that is, write history to a purpose. *The most extensive deletions are ordered in regard to the chapter on ‘Aurangzeb’s policy on religion’. Every allusion to what he actually did to the Hindus, to their temples, to the very leitmotif of his rule – to spread the sway of Islam – are directed to be excised from the book. He is to be presented as one who had an aversion – an ordinary sort of aversion, almost a secular one – to music and dancing, to the presence of prostitutes in the court, and that it is these things he banished... In a word, no forcible conversions, no massacres, no destruction of temples. Just that Hinduism had created an exploitative, casteist society. Islam was egalitarian. Hence the oppressed Hindus embraced Islam!<br/> Muslim historians of those times are in raptures at the heap of kafirs who have been dispatched to hell. Muslim historians are forever lavishing praise on the ruler for the temples he has destroyed, for the hundreds of thousands he has got to see the light of Islam. Law books like The Hedaya prescribe exactly the options to which these little textbooks alluded. '''All whitewashed away.'''<br/>'''Objective whitewash for objective history. And today if anyone seeks to restore truth to these textbooks, the shout, ‘Communal rewriting of history’.''' *The real crime of these eminences does not lie in the loss they have inflicted in terms of money. It lies in the condition to which they have reduced institutions. It lies in their dereliction – because of which projects that were important for our country have languished. It lies even more in the use to which they have put those institutions.<br/>They have used them to have a comfortable time, of course. They have used them to puff up each other’s reputations, of course. But the worst of it is that they have used their control of these institutions to pervert public discourse, and thereby derail public policy.<br/> They have made India out to have been an empty land, filled by successive invaders. '''They have made present-day India, and Hinduism even more so, out to be a zoo – an agglomeration of assorted, disparate specimens. No such thing as ‘India’, just a geographical expression, just a construct of the British; no such thing as Hinduism, just a word used by Arabs to describe the assortment they encountered, just an invention of the communalists to impose a uniformity – that has been their stance. For this they have blackened the Hindu period of our history, and, as we shall see, strained to whitewash the Islamic period.''' They have denounced ancient India’s social system as the epitomy of oppression, and made totalitarian ideologies out to be egalitarian and just.<br/>They have belittled our ancient culture and exaggerated syncretistic elements which survived and made them out to have been an entire ‘culture’, the ‘composite culture’ as they call it. Which culture isn’t? And all the while they have taken care to hide the central facts about these common elements in the life of our people: that they had survived in spite of the most strenuous efforts spread over a thousand years of Islamic rulers and the ulema to erase them, that they had survived in spite of the sustained efforts during the last one hundred and fifty years of the missionaries and British rulers to make us forget and shed these elements, that the elements had survived their efforts to instead inflame each section to see its ‘identity’ and essence in factors which, if internalized, would set it apart. Most of all, these intellectuals and the like have completely diverted public view from the activities in our own day of organizations like the Tabhligi jamaat and the Church which are exerting every nerve, and deploying uncounted resources to get their adherents to discard every practice and belief which they share with their Hindu neighbours.<br/> These intellectuals and their patrons have worked a diabolic inversion: the inclusive religion, the pluralist spiritual search of our people and land, they have projected as intolerant, narrow-minded, obscurantist; and the exclusivist, totalitarian, revelatory religions and ideologies – Islam, Christianity, Marxism-Leninism – they have made out to be the epitomes of tolerance, open-mindedness, democracy, secularism! *And another thing: if an RSS publication publishes even an interview with me, that is further proof of my being communal; but so tough are the hymen of these progressives that, even when they contribute signed articles to publications of the Communist Party, their virginity remains intact! *As we have seen, the explicit part of the circular issued by the West Bengal government in 1989 in effect was that there must be no negative reference to Islamic rule in India. Although these were the very things which contemporary Islamic writers had celebrated, there must be no reference to the destruction of the temples by Muslim rulers, to the forcible conversion of Hindus, to the numerous other disabilities which were placed on the Hindu population. Along with the circular, the passages which had to be removed were listed and substitute passages were specified. The passages which were ordered to be deleted contained, if anything, a gross understatement of the facts. On the other hand, passages which were sought to be inserted contained total falsehoods: that by paying jizyah Hindus could lead ‘normal lives’ under an Islamic ruler like Alauddin Khalji! A closer study of the textbooks which are today being used under the authority of the West Bengal government shows a much more comprehensive, a much deeper design than that of merely erasing the cruelties of Islamic rule. *The position of these ‘academics’ in Bengal has, of course, been helped by the fact that the CPI(M) has been in power there for so long. But their sway has not been confined to the teaching and ‘research’ institutions of that state. It is no surprise, therefore, to see the same ‘line’ being poured down the throats of students at the national level. And so strong is the tug of intellectual fashion, so lethal can the controlling mafia be to the career of an academic that often, even though the academic may not quite subscribe to their propositions and ‘theses’, he will end up reciting those propositions. Else his manuscript will not be accepted as a textbook by the NCERT, for instance, it will not be reviewed…. *Notice the sleight of hand. The repair of temples is allowed! Temples can be constructed in villages! Temples can be constructed ‘within the privacy of homes’! Thus ‘liberal policy’ is the norm which is departed from only in times of war! And the ones who are fought and destroyed at such times are in any case ‘the enemies of Islam’! In times of peace, which are the times that prevailed normally, the norm prevails – that is, ‘the Hindus practice their religion openly and ostentatiously!’ Each of these assertions is a blatant falsehood. But these historians, having, through their control of institutions, set the standards of intellectual correctness, the one who questions the falsehoods, even though he does so by citing the writings of the best known Islamic historians of those very times, he is the one who is in the wrong. *Once they had occupied academic bodies, once they had captured universities and thereby determined what will be taught, which books will be prescribed, what questions would be asked, what answers will be acceptable, these historians came to decide what history had actually been! As it suits their current convenience and politics to make out that Hinduism also has been intolerant, they will glide over what Ambedkar says about the catastrophic effect that Islamic invasions had on Buddhism, they will completely suppress what he said of the nature of these invasions and of Muslim rule in his Thoughts on Pakistan,3 but insist on reproducing his denunciations of ‘Brahmanism’, and his view that the Buddhist India established by the Mauryas was systematically invaded and finished by Brahmin rulers.<br/>Thus, they suppress facts, they concoct others, they suppress what an author has said on one matter even as they insist that what he has said on another be taken as gospel truth. And when anyone attempts to point out what had in fact happened, they rise in chorus: a conspiracy to rewrite history, they shout, a plot to distort history, they scream. '''But they are the ones who have been distorting it in the first place – by suppressing the truth, by planting falsehoods.''' *And look at the finesse of these historians. They maintain that such facts and narratives must be swept under the carpet in the interest of national integration: recalling them will offend Muslims, they say, doing so will sow rancour against Muslims in the minds of Hindus, they say. Simultaneously, they insist on concocting the myth of Hindus destroying Buddhist temples. Will that concoction not distance Buddhists from Hindus? Will that narrative, specially when it does not have the slightest basis in fact, not embitter Hindus? *In regard to matter after critical matter – the Aryan-Dravidian divide, the nature of Islamic invasions, the nature of Islamic rule, the character of the freedom struggle – we find this trait – suppresso veri, suggesto falsi. This is the real scandal of history writing in the last thirty years. And it has been possible for these ‘eminent historians’ to perpetrate it because they acquired control of institutions like the ICHR. To undo the falsehood, the control has to be undone. *And so on – among the highest piles of rubble in the world of the sacred temples of another religion, among the highest piles of corpses of those venerated by another religion. Yet, in the reckoning of our eminent historians a policy of ‘Broad Toleration’! A policy of toleration guided by purely secular motivations! *But here in India a simplistic recitation of the earlier phrases and categories remained enough. It is not just fidelity to the masters, therefore, which characterizes the history writing by these eminences. It is a simple-mindedness!<br/>But there is an additional factor. Whitewashing the Islamic period is not the only feature which characterizes the work of these historians. There is in addition a positive hatred for the pre-Islamic period and the traditions of the country. Over the years entries about India in Soviet encyclopedias, for instance, became more and more ductile. They began to acknowledge ever so hesitantly that the categories and periods might need to be nuanced when they were extended to countries like China and India. They began to acknowledge that at various times there had been an overlapping and coexistence of different ‘stages’. And, perhaps for diplomatic reasons alone, they became increasingly circumspect – careful to avoid denigrating our traditions.<br/>In the standard two-volume Soviet work, A History of India, for instance, we find more or less the same characterization of the different periods in Indian histories as we do in the volumes of our eminent historians. But the Soviet volumes have none of the scorn and animosity which we have encountered in the volumes of our eminent historians. *Thus, there are two points to remember. First, our friends are not just Marxists, they are also Macaulayites. Second, they are Marxists in a special sense. They are Marxists in the sense that they have thought of themselves as Marxists, in the sense that they repeatedly regurgitate a handful of Marxist phrases and assertions. But more than being Marxist historians, they have been establishment historians. Their theories and ‘theses’ have accorded not just with the ‘classics’ of Marxism-Leninism, they have accorded with the ideology of, which in terms of their theory means, the needs of Congressite rulers. *Caste is real. The working class is real. Being a Naga is real. '''But ‘India is just a geographical expression!’''' Similarly, being a Muslim of course is real – Islam must be seen and talked of as one block of granite – ... '''But Hinduism? Why, there is no such thing: it is just an aggregation, a pile of assorted beliefs and practices''' – ... '''And anyone who maintains anything to the contrary is a fascist out to insinuate a unity, indeed to impose a uniformity, where there has been none.''' That is what our progressive ideologues declaim, as we have seen. In a word, the parts alone are real. The whole is just a construct. India has never been one, these ideologues insist – disparate peoples and regions were knocked together by the Aryans, by the Mughals, by the British for purposes of empire. Anyone who wants to use that construct – India – as the benchmark for determining the sort of structure under which we should live has a secret agenda – of enforcing Hindu hegemony.<br/>This is the continuance of, in a sense the culmination of, the [[Macaulay]]-Missionary technique. The British calculated that to subjugate India and hold it, they must undermine the essence of the people: this was Hinduism, and everything which flowed from it. Hence the doggedness with which they set about to undermine the faith and regard of the people for five entities: the gods and goddesses the Hindus revered; the temples and idols in which they were enshrined; the texts they held sacred; the language in which those texts and everything sacred in that tradition was enshrined and which was even in mid-nineteenth-century the lingua franca – that is, Sanskrit; and the group whose special duty it had been over aeons to preserve that way of life – the Brahmins. The other component of the same exercise was to prop up the parts – the non-Hindus, the regional languages, the castes and groups which they calculated would be the most accessible to the missionaries and the empire – the innocent tribals, the untouchables. *The situation thus is as follows: the ones who have dominated and controlled and terrorised public discourse for half a century in India are now bereft of facts, of arguments. The evidence is available to anyone who has access to their internal ‘dialogues’ – they are talking to narrower and narrower circles; and in these ever-shrinking circles, they are just repeating the old cliches, there is not a new idea, there is not a new fact. And that is predictable, as we have seen: regurgitating those nostrums of the theory is not just necessary, it is sufficient. *‘I would like to review your book myself,’ said the editor of one of our principal newspapers about Worshipping False Gods. ‘But if I praise it, they will be after me also. I too will be called communal, high-caste and all that.’ ‘Brilliant, Arun, it was fascinating,’ said a leading commentator who had written a review that inclined to the positive. ‘But, you’ll understand, I couldn’t say all that in print. But it really is brilliant. How do you manage to put in this much work?’ The very selection of reviewers tells the same story. If there is a book by a leftist, editors will be loath to give it to a person of a different point of view: ‘They will say, I have deliberately given it to a rightist,’ the editors are liable to explain. On the other hand, if it is a book by a person they have decided is a rightist, they will be loath to give it to a reviewer who also has been branded a rightist: ‘They will denounce me for deliberately giving the book to a person who is bound to praise it,’ they will bleat. Therefore, in such cases they deliberately give the book to a person who ‘is bound to condemn it’! *Furthermore, we are instructed, when we do come across instances of temple destruction, as in the case of Aurangzeb, we have to be circumspect in inferring what has happened and why.... the early monuments – like the Quwwat-ul-Islam mosque in Delhi – had to be built in ‘great haste’, we are instructed...Proclamation of political power, alone! And what about the religion which insists that religious faith is all, that the political cannot be separated from the religious? And the name: the Quwwat-ul-Islam mosque, the Might of Islam mosque? Of course, that must be taken to be mere genuflection! And notice: ‘available materials were assembled and incorporated’, they ‘clearly came from Hindu sources’ – may be the materials were just lying about; may be the temples had crumbled on their own earlier; may be the Hindus voluntarily broke their temples and donated the materials? No? After all, there is no proof they didn’t! And so, the word ‘plundered’ is repeatedly put within quotation marks!<br/>In fact, there is more. The use of such materials – from Hindu temples – for constructing Islamic mosques is part of ‘a process of architectural definition and accommodation by local workmen essential to the further development of a South Asian architecture for Islamic use’. The primary responsibility thus becomes that of those ‘local workmen’ and their ‘accommodation’. Hence, features in the Qutb complex come to ‘demonstrate a creative response by architects and carvers to a new programme’. A mosque that has clearly used materials, including pillars, from Hindu temples, in which undeniably ‘in the fabric of the central dome, a lintel carved with Hindu deities has been turned around so that its images face into the rubble wall’ comes ‘not to fix the rule’. ‘Rather, it stands in contrast to the rapid exploration of collaborative and creative possibilities – architectural, decorative, and synthetic – found in less fortified contexts.’ Conclusions to the contrary have been ‘misevaluations’. We are making the error of ‘seeing salvaged pieces’ – what a good word that, ‘salvaged ’: the pieces were not obtained by breaking down temples; they were lying as rubble and would inevitably have disintegrated with the passage of time; instead they were ‘salvaged ’, and given the honour of becoming part of new, pious buildings – ‘seeing salvaged pieces where healthy collaborative creativity was producing new forms’. *And yet, none of this is accidental. As we have seen in the texts that we have surveyed in this book, it is all part of a line. India turns out to be a recent construct. It turns out to be neither a country nor a nation. Hinduism turns out to be an invention – surprised at the word? You won’t be a few pages hence – of the British in the late nineteenth century. Simultaneously, it has always been inherently intolerant. Pre-Islamic India was a den of iniquity, of oppression. Islamic rule liberated the oppressed. It was in this period that the Ganga-Jamuna culture, the ‘composite culture’ of India was formed, with Amir Khusro as the great exponent of it, and the Sufi savants as the founts. The sense of nationhood did not develop even in that period. It developed only in response to British rule, and because of ideas that came to us from the West. But even this – the sense of being a country, of being a nation, such as it was – remained confined to the upper crust of Indians. It is the communists who awakened the masses to awareness and spread these ideas among them.<br/>In a word, India is not real – only the parts are real. Class is real. Religion is real – not the threads in it that are common and special to our religions but the aspects of religion that divide us, and thus ensure that we are not a nation, a country, those elements are real. Caste is real. Region is real. Language is real – actually, that is wrong: the line is that languages other than Sanskrit are real; Sanskrit is dead and gone; in any case, it was not, the averments in the great scholar, Horace Wilson to the House of Commons Select Committee notwithstanding, that it was the very basis, the living basis of other languages of the country; rather, it was the preserve of the upper layer, the instrument of domination and oppression; one of the vehicles of perpetuating false consciousness among the hapless masses. *The West Bengal Board of Secondary Education had issued instructions in 1989 that ‘Muslim rule should never attract any criticism. Destruction of temples by Muslim rulers and invaders should not be mentioned.’ *Their deceitful role in Ayodhya – which in the end harmed their clients more than anyone else – was just symptomatic. For fifty years this bunch has been suppressing facts and inventing lies. How concerned they pretend to be today about that objective of the ICHR – to promote objective and rational research into events of our past! How does this concern square with the guidelines issued by their West Bengal government in 1989 which Outlook itself had quoted – ‘Muslim rule should never attract any criticism. Destruction of temples by Muslim rulers and invaders should not be mentioned?’ But incorporating their wholesale fabrications of the destruction of Buddhist viharas, about the non-existent ‘Aryan invasion’, that is mandatory – to question them is to be communal, chauvinist! The capture of institutions like the ICHR has been bad enough, but in the end it has been a device. The major crime of these ‘historians’ has been this partisanship: suppresso veri, suggesto falsi. *The press is a ready example of their efforts, and of the skills they have acquired in this field. They have taken care to steer their members and sympathizers into journalism. And within journalism, they have paid attention to even marginal niches. Consider books. A book by one of them has but to reach a paper, and suggestions of names of persons who would be specially suitable for reviewing it follow. As I mentioned, the editor who demurs, and is inclined to send the book to a person of a different hue is made to feel guilty, to feel that he is deliberately ensuring a biased, negative review. That selecting a person from their list may be ensuring a biased acclamation is talked out. The pressures of prevailing opinion are such, and editors so eager to evade avoidable trouble, that they swiftly select one of the recommended names...<br/>You have only to scan the books pages of newspapers and magazines over the past fifty years to see what a decisive effect even this simple stratagem has had. Their persons were in vital positions in the publishing houses: and so their kind of books were the ones that got published. They then reviewed, and prescribed each other’s books. On the basis of these publications and reviews they were able to get each other positions in universities and the like…. Even positions in institutions which most of us would not even suspect exist were put to intense use. How many among us would know of an agency of government which determines bulk purchases of books for government and other libraries. But they do! So that if you scan the kinds of books this organization has been ordering over the years, you will find them to be almost exclusively the shades of red and pink....<br/>So, their books are selected for publication. They review each other’s books. Reputations are thereby built. Posts are thereby garnered. A new generation of students is weaned wearing the same pair of spectacles – and that means yet another generation of persons in the media, yet another generation of civil servants, of teachers in universities…. *The example we would do well to keep in front of us is that of the Dalai Lama. He was giving a discourse on a Tibetan text about meditation. He read out a sentence, laughed and remarked, ‘Buddhist theories of creation, a disgrace! Must throw them out!’ He advises that we should keep a wastepaper basket nearby – whatever doesn’t accord with what we know now, we should cast into that basket. ‘Buddhism must face facts,’ that is what he teaches. Accordingly, he has opened Buddhist texts to minute examination. (...) That reflects confidence in one’s tradition. That is true service to the tradition. That is the way to preserve for the future ‘the pearl of great price’ in it. * But today the fashion is to ascribe the extinction of Buddhism to the persecution of Buddhists by Hindus, to the destruction of their temples by the Hindus. One point is that the Marxist historians who have been perpetrating this falsehood have not been able to produce even an iota of evidence to substantiate the concoction. In one typical instance, Romila Thapar had cited three inscriptions. The indefatigable [[Sita Ram Goel]] looked them up. Two of these turned out to have absolutely no connection with Buddhist viharas or their destruction, and the one that did deal with an object being destroyed had been held by authorities to have been a concoction; in any event, it told a story which was as different from what the historian had insinuated as day from night. *The accompanying pages contain two columns: aushuddho – impurity, or error – and shuddho. One has just to glance through the changes to see the objective the progressives are trying to achieve through their ‘objective’, ‘rational’ approach to the writing of history. *Thus, not just whitewash, hogwash too. ;About the book * The first major criticism of the ‘left-liberal’ or ‘progressive’ historians was made by Arun Shourie with special reference to the state of the ICHR in their control.” **D. K. Chakrabarti, Nationalism in the Study of Ancient Indian History (Aryan Books International, Delhi). and quoted in [https://koenraadelst.blogspot.com/2021/02/a-case-of-good-nationalism-dk.html] *“Eminent historians” is what they call one another, and what their fans call them. When they don’t have an answer to an opponent’s arguments, they pompously dismiss him as not having enough “eminence”. So when Arun Shourie wrote about some abuses in this sector, he called his book Eminent Historians. It is also a pun on an old book about prominent colonial-age personalities, Eminent Victorians. **Elst, K. [https://koenraadelst.blogspot.com/2016/05/interview-in-monthly-swarajya.html Interview, Swarajya, May 2016)] ===2000s=== ====''Harvesting our souls: Missionaries, their design, their claims'' (2000) ==== *If you had been in India in late 1998-early 1999, and the English-language "national" newspapers had been your source of information about what was going on, you would have concluded that an extensive, well coordinated pogrom was on, that maniacal Hindu groups were going round raping nuns, attacking missionaries, burning down churches. (p 7) *There indeed was a conspiracy it runs out, and a communal one at that. The whole thing was a concoction - by those whose agenda it is to paint Hindus as communalists on the rampage, and the RSS, BJP, etc., as organizations which are orchestrating a "pogrom". "Investigations, however revealed that what Sister Mary said in the FIR was not true," records Justice Wadhwa. "It was a made-up story. Investigations found that there was in fact no rape of Sister Mary... B.B. Panda, Director General of Police stated that the 'rape of the nun' case was projected and highlighted all over the world and was also projected as an attack on Christians when in fact it was not true, and the case turned out to be false." (9-10) *The contrast between the truth about the incidents and what they were made out to be should alert our newspapers and TV channels not to shoot off accounts without examining the facts. In particular, they must not go merely by the allegations of communalism-mongers.(13) *Several groups have several reasons for manufacturing calumny - from money to idelogy to the crassest kind of politics. Many of these are well-organized, some, as we shall see, have well-knit, world-wide networks. And they have honed expertise in manufacturing atrocity-stories, in broadcasting them round the globe, and in putting their manufactures to profitable use. (13) *High priority must be given to work among Hindu women, they say, "since they are the custodians of the faith"... (62) ====''Self-Deception : India's China Policies; Origins, Premises, Lessons'' (2008) ==== :Arun Shourie - Self-Deception _ India's China Policies_ Origins, Premises, Lessons-Harper Collins (2008, 2013) * The brutal—the customarily brutal—way in which the Chinese government suppressed the protests by Tibetans in Lhasa in the months preceding the 2008 Beijing Olympics once again drew attention to the enormous crime that the world has refused to see: the systematic way in which an entire people have been reduced to a minority in their own land; the cruelty with which they are being crushed; the equally systematic way in which their religion and ancient civilization are being erased. Protests by Tibetans in different cities across the world, joined as they were by large numbers of citizens of those countries, had the same effect.<br>No government anywhere in the world did what the Manmohan Singh government did in Delhi, no government reacted in as craven and as frightened a manner as our government did. The Olympic Torch was to be relayed across just about two kilometres—from Vijay Chowk to India Gate. The government stationed over twenty thousand troops, paramilitary personnel, policemen and plainclothes men in and around that short stretch. Tibetan refugees were beaten and sequestered. Government offices were closed. Roads were blocked. The Metro was shut down. Even members of Parliament were stopped from going to their homes through the square that adjoins Parliament, the Vijay Chowk.<br>Do you think that any of this was done out of love for the Olympics?<br>It was done out of fear of China. *Now, this is a favourite phrase of Panditji—‘the long-term view’—as is ‘the larger considerations’. Whenever he deploys the former, you can be sure that he is preparing the case for ceding ground. Whenever he deploys the latter, you can be sure that he is preparing the case for ceding specifically the country’s interest. *Recall, what he had told the Tibetans—that India would help diplomatically. That help now has come to mean that India will keep China in good humour even as it crushes Tibet, so that it may not crush Tibet more swiftly. *We can see the operational conclusion that flows from such reasoning. As the main advance has halted, there is nothing that we need to do. When the main advance resumes, the full picture is not clear. When it is completed, and the place is subjugated, there is nothing for us to do as, by then, the place has already been subjugated. For us to do or say anything will only enrage the occupiers, and bring even greater hardship on the poor Tibetans! *He speaks at length, that is, but scarcely touches on any of the specific matters that members had raised. *The view that he disapproves is always unbalanced; or stuck in the past; or stuck in the cold war mould; or subjective and emotional... *The Dalai Lama is in India at India’s invitation. Panditji meets him on 26 and 28 November 1956. The Dalai Lama is distraught. Panditji jots down the points of their exchange. The Dalai Lama puts the figure of Chinese troops in Tibet at 120,000, the very figure for which Panditji had come down on Apa Pant. The [[w:Subimal Dutt|foreign secretary]] inserts a paragraph in Panditji’s notings about the talks: ‘The Dalai Lama appealed to India for help. PM’s reply was that, apart from other considerations, India was not in a position to give any effective help to Tibet; nor were other countries in a position to do so. Dalai Lama should not resist land reforms.’ Instead of help, Panditji gives advice. He records the advice he gives: ‘D.L. should become the leader of the reform. Best way we can help is by maintaining friendly relations with China, otherwise China would fear our designs in Tibet.’ An excuse, and a presumptuous one—‘otherwise China would fear our designs in Tibet.’ *As the principal object of this brief book is to set out the evolution of India’s China-policy in Panditji’s own words, and to show how those assumptions and habits continue to endanger us today, I have kept annotations to the minimum. But what Panditji did and said and wrote in regard to China does deserve to be analyzed almost at the psychological and linguistic level! For his stance, his formulations, his rationalizations are rooted in habits, in mental processes. Not just his assumptions and premises persist among policy-makers, those very habits and mental processes persist. In the 1950s, they went unquestioned because of the lofty position that Panditji occupied in our lives and discourse. Today, they go equally unquestioned—though for a different reason: discourse has got so dumbed-down that no assumption or premise is examined as it should be. An illustration will bring home the consequence. Among the habits that persist, one is especially harmful as it rationalizes going-along at an almost subliminal level. This is the habit of slipping in a thought or sentence which excuses one from facing the facts. We see this in Pandit Nehru’s writings and spoken word at every turn. ... *A contributing factor certainly must have been the contempt that Mao, Chou En-lai and others felt for India and Indians. This comes through again and again in conversation after conversation of the Chinese leaders. Chou and Kissinger agree on how India is the one that is causing the troubles in East Pakistan; on what China and US should together do to halt India in the tracks; they agree about not just what is ‘the Indian tradition’—deceit, blaming others—but just as much about the Indian character—marked by ingratitude.⁴ The contempt and coordination show through even more dramatically in the conversations that Kissinger later has with the permanent representative of China at the UN, Huang Hua, during which he asks Huang Hua to assure Chou En-lai that, should China take military action against India to divert it from pursuing its assault on Pakistan, the US will hold the Soviet Union at bay. Nixon, Pompidou and Kissinger are exchanging views about the state of the world. Nixon summarizes the Chinese assessments: ‘...the attitude of the Chinese towards their neighbours can be summed up in this way. The Russians they hate and fear now. The Japanese they fear later but do not hate. For the Indians they feel contempt but they are there and backed by the U.S.S.R.’ ===2010s=== *I don't see the difference between the two. I feel they (the BJP and the Congress) are one party. They are jointly ruling. It is a dinner party. They meet at dinners. They meet socially. They decide on what has to be done about issues. <br>First, the media should write about itself. It is extremely short-sighted about the media to black out these things. The Mitrokhin Archives revealed how (the then Soviet intelligence agency) the KGB boasted that they were able to plant 400 stories in such and such Indian newspapers. The Indian media blacked it out. Then, privatetreaties of The Times of India that other people have now adopted has been completely blacked out.... When the Press Council of India was forced to appoint a committee to look into the allegations about 'paid news', the Press Council itself suppressed the report. **[https://www.rediff.com/news/report/interview-arun-shourie-on-the-real-meaning-of-the-radia-tapes1/20101201.htm Interview] 2010 ====''Falling Over Backwards'' (2012) ==== *The first derailment was caused by plucking the words ‘of their choice’ out of context, by tearing them away from the object for which Articles 29 and 30 gave minorities the right to set up and administer institutions. A normal engineering college or a college of dentistry can by no stretch be taken to be an institution that has been set up to help conserve the language, script or culture of the minority. Yet, provided the engineering or dentistry college has been set up by members of a minority, it was presumed to enjoy the protection of Articles 29 and 30, and thereby be beyond the reach of the state. *The result has been as predictable as it is iniquitous and absurd: if Ram Sharan sets up an engineering college, the state as well as the university concerned can prescribe all sorts of things it must do; if Mohammed Aslam sets up an exact clone of that engineering college across the road, teaching exactly the same subjects, using exactly the same textbooks, neither the state nor the university can regulate its functioning! *On the other hand, when sticking to the text is what will advance the judgment, they become strict constructionists. Some of the most conspicuous instances of this can be found in judgments relating to Article 30, the article that deals with the ‘right of minorities to establish and administer educational institutions’. The country had been partitioned on the cry that Muslims will never be secure in a united India. The framers were naturally keen to reassure the minorities that they would be free to preserve their religion, language and culture. Accordingly, Article 29 was enacted guaranteeing them and assuring them of this freedom. In case they wanted to set up institutions for safeguarding their language, culture, religion, Article 30 was enacted assuring them that ‘All minorities, whether based on religion or language, shall have the right to establish and administer educational institutions of their choice.’ The context made the purpose clear: minorities would have the freedom to set up such institutions as they thought would best preserve their culture, religion, language. But, given what has been the climate of discourse since the framing of the Constitution, the judges became literalists. Minorities would have the right to set up and manage ‘educational institutions of their choice’ irrespective of the purpose for which the institution was set up. Thus, engineering colleges and dental colleges set up by a family of, say, Muslims would have freedoms from state regulation and oversight that engineering and dental colleges set up by run-of-the-mill Indians would not. *Now, these are not stray phrases thrown in to light up a purple passage. They are stances, they are standpoints that indicate the direction in which that judgment will go, they are signposts which tell us where the reasoning being advanced in the text will eventually end. Such formulations have a significance beyond the particular judgment in which they figure. Succeeding benches can strike the same pose and gallop further in the same direction. *We comfort ourselves: at least, the virus of reservations has not got into judicial appointments; at least, reservations have not been extended to Muslims and Christians. Both notions are just make-believe. *As for reservations not having been extended to members of religions that repudiate caste – Islam, Christianity, Sikhism – again, that is but make-believe. The chairman of the Minorities Commission, my friend Tarlochan Singh, sends me a list of fifty-eight castes and of fourteen tribal groups, Muslim members of which have been given reservations. Even those who convert to one of these religions, continue to remain entitled to reservation. The rule in Tamil Nadu is that if the name of the father falls in the lists of Backward Castes/Most Backward Castes/Scheduled Castes/Scheduled Tribes, then, even if the person has converted to another religion, he remains entitled to reservations. In Gujarat, members of Backward Castes continue to avail of not just reservations but even of advantages under the roster system after conversion – 137 castes and sub-castes have been listed as socially and educationally backward in the state; of these, twenty-eight belong to the Muslim community. In Karnataka, ‘caste at birth’ is the norm. In UP, several Muslim castes are included in the reservation list – Lalbegi, Mazhabis, even Ansaris. The position is no different in Madhya Pradesh, in West Bengal. The Indian Express correspondent in Kolkata reports that the government of the ostentatiously secular CPI(M) strained to have reservations in government service as well as educational institutions extended to Muslims qua Muslims, and directed the state Minorities Commission to ascertain how such reservation had been decreed in Andhra Pradesh. The plan has had to be deferred for the time being, he writes, Only because the Andhra Pradesh High Court has struck down the Andhra order as unconstitutional. *Even as moves are afoot to get the Andhra judgment reversed, the government has directed the armed forces to count soldiers and officers by their religion. Nor is this move an inadvertence. It has arisen as a result of a committee that the government has appointed under a former chief justice of Delhi, Rajinder Sachar -each member of which has been carefully selected for his ‘secular’ beliefs. Each term of reference on which it is to supply information and make recommendations, as we noted at the outset, has been just as carefully selected to justify reservations and other concessions to Muslims as a religious group. *With elections looming, in January 2006, the Government of Kerala announced another ‘package’ of reservations for backward castes and for Muslims: service rules of the state shall be altered to permit direct recruitment of these sections so as to fill the 40 per cent quota that has been set aside for them; if suitable candidates are not available from these sections, the vacancies shall not be filled by merit; the state Public Service Commission shall prepare an ‘additional supplementary list’ so that the vacancies may be filled only by these sections; 20 per cent of the seats shall be reserved for these castes in graduate and postgraduate courses in government colleges; the chief minister will himself monitor the implementation of the reservation policy; there shall be a permanent commission to ensure that reservations are fully filled... *With elections upon them, the DMK and its allies announced in Tamil Nadu that, once in office, they will bring forth legislation to give reservations to Muslims and Christians. *The Jharkhand government, in turn, has announced that members of thirty-two tribes that are the most backward – literacy level among nine of them is said to be just 10 per cent – shall be directly recruited into government service; those among them who pass the graduation examination shall not have to take the qualifying examination which all others who enter government service have to take. *And beware, the progressive judges have already put out the basis for extending reservations to Muslims or Christians as Muslims and Christians. The word that the Constitution uses is ‘communities’, the word it uses is ‘classes’, Justices Jeevan Reddy, Sawant and Thommen hold in Indra Sawhney. ‘Community’ and ‘class’ are wider than ‘caste’, they say. So, entities wider than ‘caste’ can certainly be subsumed under them, they say – the only proviso being that the groups so identified be ‘backward’. Second, in spite of the teachings of Islam, Christianity and Sikhism, castes persist in these religions also, they explain in justification. As that is the reality, it would be invidious to restrict access to reservations to the backward sections of Hindus alone...3 *How far we have descended! Today progressives dress up their casteism as secularism! The benefits of reservation shall be extended to Muslims and Christians also, they proudly announce. In Andhra the decision of the government has had to be twice struck down by the courts – the government had decreed reservations for Muslims qua Muslims. Even as moves are afoot to get that judgment reversed, the Central government directed the armed forces to count soldiers and officers by their religion. Nor was the move an inadvertence. It arose as a result of a committee that the government had appointed under a former chief justice of the Delhi High Court. Each member of the committee has been carefully selected for his ‘secular’ and ‘progressive’ beliefs. Each term of reference on which the committee has been asked to supply information and make recommendations has been just as carefully selected to justify reservations and other concessions to Muslims as a religious group: *Every single item betrays the singular purpose of the whole exercise–to provide the rationale for extending reservations to Muslims. Nor is that opportunism confined to the present ruling coalition. In the run-up to the 2005 elections in Bihar, rival groups were vying with each other promising reservations for Muslims qua Muslims. *The object of the framers of the Constitution was, as ours must be, quite the opposite. It was to wipe out the cancer of caste even from Hindu society. Only with the greatest reluctance did they agree to allow reservations for the Scheduled Castes and Tribe – for they felt that doing even this much would perpetuate caste distinctions. The reservations were, therefore, to be exceptions to the general rule. ===2020s=== ====''Preparing: For Death'', 2020==== *One must reflect deeply on the nature of the adversity, and on how it may be converted into an instrument for growth. The routine Gandhiji set for himself was always so much stricter and so much more demanding than anything that a jailer would have thought of imposing on anyone. Similarly, picture Vinoba in solitary confinement in that cell, 8 feet by 9 feet in dimension: how he converts imprisonment into ashram life; how in that tiny space, in forced and complete isolation, he retains his mental discipline by meditating for two to three hours every day; how he disciplines himself physically by walking every day for eight hours inside that suffocating cell, and thereby covering ten miles—covering ten miles in a cell 8 feet by 9 feet every single day! In both cases, control remained in the hands of the prisoner, not the jailer—a very important factor in dealing with adversity. ** Arun Shourie, ''Preparing: For Death.'' Penguin Random House India Private Limited, 2020. ISBN 935305978X, 9789353059781 *The rituals—for instance, those we go through during a marriage ceremony—were devised to imbed certain values into us: the experience of centuries had led thoughtful persons to see that going through those steps, that reciting those mantras and reflecting on them would help us internalize those values, and mould our lives accordingly. But what do we do today? First, we outsource the ritual—to a pandit, say. As he goes through the motions prescribed for solemnizing a marriage, as he chants those mantras, we don’t have a clue about the meaning of the words that he is reciting, nor of the steps—‘Now pour some water on the earth, and then on . . .’ Nor do we care: ‘Panditji, puja zaraa jaldi khatam kar deejiye. Guest dinner ke liye wait kar rahen hain’—‘Panditji, please conclude the puja a bit quickly. The guests are waiting for dinner.’ ** Arun Shourie, ''Preparing: For Death.'' Penguin Random House India Private Limited, 2020. ISBN 935305978X, 9789353059781 ==Quotes about Arun Shourie== *In the end, India had to wait till 1998 for Arun Shourie’s Eminent Historians to be published. This book uncovered in detail after ghastly detail, this multi-layered assault on the national psyche that has disfigured the minds of at least three generations regarding the vital truths of their own nation. And thanks to this seminal contribution, “Eminent Historian” has fittingly become a swearword in the Indian public discourse. **S. Balakrishna, Seventy years of secularism. 2018. *Anyone who thought India had dismantled its notorious system of bureaucratic controls when it embarked on economic reform in 1991 ought to consult Arun Shourie. As cabinet minister (at various times since 1998) for privatisation, administrative reform, information technology and telecommunications, Mr Shourie's observations are close to the bone. The Hindu nationalist-led government in which Mr Shourie was the most prominent economic reformer was thrown out last May. Franz Kafka would have had difficulty dreaming up some of the examples cited in Mr Shourie's book. ... But it is what India's bureaucracy is like under normal conditions that matters and Mr Shourie does a depressingly thorough job in chronicling it. One can only hope that India's senior civil servants find the time to read this book - and have the grace to wince. **[[Edward Luce]], India's tragic comedy of civil disservice, book review in Financial Times. November 9, 2004 *Muslim leaders and Stalinist historians were raising a howl about Hindu chauvinism when it came to the notice of Arun Shourie, the Chief Editor of the Indian Express at that time, that some significant passages had been omitted from the English translation of an Urdu book written long ago by the father of Ali Mian, the famous Muslim theologian from Lucknow. He wrote an article, Hideaway Communalism, in the Indian Express of February 5, 1989 pointing out how the passages regarding destruction of Hindu temples and building of mosques on their sites at Delhi, Jaunpur, Kanauj, Etawah, Ayodhya, Varanasi and Mathura had been dropped from the English translation published by Ali Mian himself. This was a new and dramatic departure from the norm observed so far by the prestigious press. Publishing anything which said that Islam was less than sublime had been taboo for a long time. I was pleasantly surprised, and named Arun Shourie as the [[মিখাইল গর্বাচেভ]] of India. He had thrown open the windows and let in fresh breeze in a house full of the stinking garbage of stale slogans. **Goel, S.R. How I became a Hindu (1993, revised ed.) *[Arun Shourie's article 'Hideaway Communalism'] had violated a taboo placed by the mass media and the academia on any unfavourable narration of the history of Islam since the days when Mahatma Gandhi took command of the Indian National Congress and launched his first non-cooperation movement in support of the Turkish Khilafat. **Goel, S.R. Hindu Temples – What Happened to Them, Volume I (1990) Preface, 2nd edition, p. xiii. *Arun Shourie had shown great courage. But he had counted without the secularist crowd which had access to the owner of the Indian Express. He told me on the phone that there was some trouble brewing. I have never talked to him about the nature of the trouble, and do not know if my articles had anything to do with his ouster from the Indian Express next year. All I know is that he had to slow down the publication of my next two articles. **Goel, S.R. How I became a Hindu (1993, revised ed.) *Mani Shankar Aiyar totally condemns one of Arun Shourie's books, and then goes on to declare that he has decided not to read it : "Shourie gave the final touches to the manuscript of his book on Islam, a work so vicious and perverted that every English speaking Muslim I know was outraged... I decided then to show my solidarity with secularism by not reading the book." (The book he refers to, is apparently Shourie's Religion in Politics, a very sane and sober look at several Scriptures in the light of reason.) **Elst, Koenraad. Ayodhya and after: issues before Hindu society. Voice of India. 1991. *The problem of book-banning and censorship on Islam criticism is compounded by the related problem of self- censorship. Thus, when in late 1992, the famous columnist Arun Shourie wanted to publish a collection of his columns on Islamic fundamentalism, esp. the Rushdie and Ayodhya affairs (Indian Controversies), the publisher withdrew at the last moment, afraid of administrative or physical reprisals, and the printer also backed out. Earlier, Shourie had been lucky to find one paper willing to publish these columns, for most Indian newspapers strictly keep the lid on Islam criticism. Hindu society is a terrorized society. **Elst, Koenraad. Negationism in India: concealing the record of Islam. Voice of India. 1992 *Arun Shourie was sacked as Indian Express editor, apparently under government pressure, after revealing that, in October 1990, Prime Minister V.P. Singh had aborted his own compromise arrangement on Ayodhya under pressure from Imam Bukhari, prominent member of the BMAC. **Koenraad Elst. Ayodhya: the case against the temple. 2002 * Or take A Secular Agenda by Arun Shourie, PhD from Syracure NY and stunningly successful Disinvestment Minister in the AB Vajpayee Government, when India scored its highest economic growth figures. It was a very important book, and it left no stone standing of the common assumption among so-called experts that India (with its religion-based civil codes and its discriminatory laws against Hinduism) is a secular state, i.e. a state in which all citizens are equal before the law, regardless of their religion. Though the book deconstructs the bedrock on which the “experts” have built their view of modern India, they have never formulated a refutation. Instead, they just keep on repeating their own deluded assumption, as in: “The BJP threatens India’s structure as a secular state.” (Actually, the BJP does not, and India is not.) They can do so because they are secure in the knowledge that, among the audiences that matter, their camp controls the sphere of discourse. Concerning the interface between religion and modern politics, the established “academic” view is not just defective, it is an outrageous failure. **Elst, Koenraad. Hindu dharma and the culture wars. (2019). New Delhi : Rupa. *The only ray of light in this encircling gloom was Arun Shourie, the veteran journalist and the chief editor of the Indian express at that time. On February 5, 1989, he frontpaged an article, Hideaway Communalism, showing that while the Urdu version of a book by Maulana Hakim Sayid Abdul Hai of the Nadwatul-Ulama at Lucknow had admitted that seven famous mosques had been built on the sites of Hindu temples, the English translation published by the Maulana’s son, Abul Hasan Ali Nadwi (Ali Mian) had eschewed the “controversial evidence”. He also published in the Indian Express three articles written by me on the subject of Islamic iconoclasm. This was a very courageous defiance of the ban imposed by Islam and administered by Secularism, namely, that crimes committed by Islam cannot even be whispered in private, not to speak of being proclaimed in public. **Goel, S. R. (1993). Hindu temples: What happened to them. (Second Enlarged Edition) [https://web.archive.org/web/20120429114113/http://www.bharatvani.org:80/books/htemples2/] *He dismisses Arun Shourie by pigeon-holing him as ‘post-modern’. He does not know that Hinduism has its own view of Time, and that a person who serves Sanatana Dharma cannot be dated. Scholars like Arun Shourie belong neither to the past, nor to the present, nor yet to the future. They belong to a timeless span. **S.R. Goel, History of Hindu-Christian Encounters (1996) * Just then Shourie was sacked as its editor. The reason was not so much the article, but, apparently, his entire policy of including columns by Hindu communalists like Ram Swarup and Sita Ram Goel, and his own articles that debunked some of the prevalent secularism, such as Hideaway Communalism. ** Elst, Koenraad (1991). Ayodhya and after: Issues before Hindu society. *I thank particularly my friend Arun Shourie because we need people like Arun Shourie to challenge us so that we can rectify our mistakes and all together collectively move towards the creation of a new India, a new humanity. ** Fr. Augustine Kanjamala, quoted in Shourie, Arun. Arun Shourie and his Christian Critic. (1995) * It is clear that Witzel himself has a political agenda: note his resentment of the “present Indian (right wing) denouncement of the ‘eminent historians’ of Delhi” (§9) – some of these “eminent historians” actively collaborated with Witzel and Farmer in their recent media-blitz in the Indian press. The reader is invited to go carefully through Arun SHOURIE’s book “Eminent Historians” (1998), which is being referred to here, and see the kind of political scholarship to whose defense Witzel has no compunctions in rushing! **S. Talageri. Michael Witzel – An Examination of his Review of my Book (2001) *As for Shourie, Mukhia is hardly revealing a secret with his information that Shourie “does journalism for a living”. The greatest investigative journalist in India by far, he has indeed unearthed some dirty secrets of Congressite, casteist and Communist politicians. His revelations about the corrupt financial dealings between the Marxist historians and the government-sponsored academic institutions are in that same category: fearless and factual investigative journalism. Shourie has a Ph.D. degree in Economics from Syracuse University in U.S.A., which should attest to a capacity for scholarship, even if not strictly in the historical field. When he criticizes the gross distortions of history by Mukhia’s school, one could say formally that he transgresses the boundaries of his specialism, but such formalistic exclusives only hide the absence of a substantive refutation. **Elst K. Ayodhya: The Case Against the Temple, chapter 4 * When Shourie's articles first appeared, they aroused great emotions and savage attacks. He quoted from the Bible and the Quran extensively on the question of co-existence. Many were shocked.... Shourie has called his book, Religion in Politics; someday he should bring out another book, Politics in Religion....The first book discusses politics complicated by religions factors; the second would discuss religions which are essentially political... **Ram Swarup, Hinduism and monotheistic religions (2009) == External links == {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:Shourie, Arun}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতিবিদ]] [[Category:Hindu nationalists]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতান্ত্রিক বিরোধী]] [[Category:Investigative journalists]] 25zefngqvdhggf3yk0h0np3ofg7ztyz 78875 78874 2026-04-20T10:13:25Z ARI 356 /* 1990s */ ; অনুবাদ 78875 wikitext text/x-wiki [[File:Arun Shourie addressing the Plenary Session on "Diaspora Youth and India - Blueprint for Engagement" at the 2nd Pravasi Bharatiya Divas in 2004.jpg|thumb| আমি বেশ অবাক হয়েছিলাম এবং অরুণ শৌরিকে ভারতের গর্বাচেভ নাম দিয়েছিলাম। তিনি পচা স্লোগানের আবর্জনায় ভরা একটি ঘরে জানালাগুলো খুলে দিয়েছিলেন এবং এক ঝলক টাটকা বাতাস আসতে দিয়েছিলেন। ~ সীতারাম গোয়েল]] [[File:Animal artists at the Jardin des Plantes.jpg|thumb|তারা বর্তমান ভারত এবং বিশেষ করে [[হিন্দুধর্ম]]কে একটি চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছে—বিভিন্ন রকমের অসম প্রজাতির স্তূপ। তাদের মতে ‘[[ভারত]]’ বলে কিছু নেই, এটি কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ, কেবল [[যুক্তরাজ্য]]ের তৈরি একটি ধারণা; হিন্দুধর্ম বলে কিছু নেই, এটি কেবল আরবদের ব্যবহৃত একটি শব্দ যা তারা এখানে এসে বিভিন্ন ধরনের মানুষের দেখা পাওয়ার পর ব্যবহার করেছিল, এটি কেবল অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য সাম্প্রদায়িকদের একটি উদ্ভাবন, এটিই ছিল তাদের অবস্থান।]] [[File:Dalailama1 20121014 4639.jpg|thumb|আমাদের উচিত দালাই লামার উদাহরণটি সামনে রাখা। তিনি ধ্যানের ওপর একটি তিব্বতি গ্রন্থের ওপর বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি একটি বাক্য পড়লেন, হাসলেন এবং মন্তব্য করলেন, ‘সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বগুলো লজ্জাজনক! এগুলো ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত!’ তিনি পরামর্শ দেন যে আমাদের কাছে সবসময় একটি ঝুড়ি রাখা উচিত—যা কিছু আমাদের বর্তমান জ্ঞানের সাথে মেলে না, সেগুলো সেই ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া উচিত। ‘[[বৌদ্ধধর্ম]]কে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে,’ তিনি এটাই শেখান। সেই অনুযায়ী তিনি বৌদ্ধ গ্রন্থগুলোকে সূক্ষ্ম পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করেছেন। (...) এটি নিজের ঐতিহ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসকেই তুলে ধরে। এটিই হলো ঐতিহ্যের প্রকৃত সেবা। এতে থাকা ‘অমূল্য রত্ন’ [[ভবিষ্যৎ]]ের জন্য রক্ষা করার উপায় এটিই।]] [[File:Censorship in cinema.jpg|thumb|এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?]] [[File:Parental Advisory label.svg|thumb|এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি—যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?]] [[File:Censorship.svg|thumb|এই বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।]] [[File:Murales Rivera - Treppenhaus 9 Bücherverbrennung.jpg|thumb|আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে... তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা...<br> দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br> তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন।]] [[File:Eustache Le Sueur - The Preaching of St Paul at Ephesus - WGA12613.jpg|thumb|সবচেয়ে বড় অংশগুলো বাদ দিতে বলা হয়েছে ‘আওরঙ্গজেবের ধর্মীয় নীতি’ সংক্রান্ত অধ্যায় থেকে। তিনি হিন্দুদের সাথে প্রকৃতপক্ষে কী করেছিলেন, তাদের মন্দিরের কী করেছিলেন, তার শাসনের মূল উদ্দেশ্যইসলামের প্রভাব বিস্তার এই সংক্রান্ত প্রতিটি ইঙ্গিত বই থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে... '''সবকিছু ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।'''<br/>'''বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের জন্য বস্তুনিষ্ঠ ধামাচাপা। আর আজ যদি কেউ এই পাঠ্যবইগুলোতে সত্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে, তবে চিৎকার ওঠে, ‘ইতিহাসের সাম্প্রদায়িক পুনর্লিখন’।''']] [[File:Porträtgalerie des steiermärkischen Adels 043.jpg|thumb|একবার যখন তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিলেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিলেন, তখন তারাই ঠিক করতে শুরু করলেন কী পড়ানো হবে, কোন বইগুলো পাঠ্য হবে, কী প্রশ্ন করা হবে আর কোন উত্তরগুলো গ্রহণযোগ্য হবে। এভাবেই এই ঐতিহাসিকরা আসলে ইতিহাস কী ছিল তা নির্ধারণ করতে শুরু করলেন! ... এভাবেই তারা তথ্য গোপন করেন, কিছু তথ্য বানিয়ে বলেন, এমনকি কোনো লেখক একটি বিষয়ে কী বলেছেন তা ধামাচাপা দিয়ে অন্য বিষয়ে তার বলা কথাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রচার করেন। আর যখনই কেউ আসলে কী ঘটেছিল তা তুলে ধরার চেষ্টা করে, তখনই তারা সমস্বরে চিৎকার শুরু করেন: ইতিহাস নতুন করে লেখার ষড়যন্ত্র চলছে, তারা চিৎকার করেন; ইতিহাস বিকৃত করার চক্রান্ত হচ্ছে, তারা চিৎকার করেন। '''কিন্তু তারাই প্রথম থেকে ইতিহাস বিকৃত করে আসছেন সত্য গোপন করে এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে।''']] [[File:Censored stamp.jpg|thumb|আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?]] [[File:Soviet Communism Threatens Education - NARA - 5730072.jpg|thumb|পরিস্থিতি এখন এইরকম: ভারতের জনপরিসরে যারা গত অর্ধ শতাব্দী ধরে আধিপত্য বিস্তার করেছেন, নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং অন্যদের আতঙ্কিত করে রেখেছেন, তাদের হাতে এখন কোনো তথ্য বা যুক্তি অবশিষ্ট নেই। যে কেউ তাদের অভ্যন্তরীণ আলোচনাগুলো পর্যবেক্ষণ করলেই এর প্রমাণ পাবেন—তারা এখন ক্রমশ ছোট হয়ে আসা গণ্ডির মধ্যে কথা বলছেন এবং সেই ছোট গণ্ডিতেই পুরনো কিছু বুলি পুনরাবৃত্তি করছেন। সেখানে নতুন কোনো চিন্তাভাবনা বা নতুন কোনো তথ্য নেই। আর আমরা যেমনটা দেখেছি, এটি আগে থেকেই ধারণা করা যায়: তাত্ত্বিক বুলিগুলোর পুনরাবৃত্তি করাই তাদের জন্য কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং যথেষ্ট।]] [[File:Shri Arun Shourie, Member of Parliament presented his book titled “Falling Over Backward” to the Vice President, Shri Bhairon Singh Shekhawat, in New Delhi on June 3, 2006.jpg|thumb|এর ফলাফল প্রত্যাশিত হলেও তা অন্যায় এবং হাস্যকর: যদি রাম শরণ একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, তবে রাষ্ট্র এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় অনেক কিছু নির্ধারণ করে দিতে পারে যা তাকে করতে হবে; কিন্তু যদি মুহাম্মদ আসলাম রাস্তার ওপারে ঠিক একই রকম একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, যেখানে ঠিক একই বিষয় পড়ানো হয় এবং একই পাঠ্যবই ব্যবহার করা হয়, তবে রাষ্ট্র বা বিশ্ববিদ্যালয় কেউই এর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না!]] '''অরুণ শৌরি''' (জন্ম ২ নভেম্বর ১৯৪১) ভারতের একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক এবং রাজনীতিবিদ। == উক্তি == === ১৯৭০-এর দশক === ==== ''সিম্পটমস অফ ফ্যাসিজম'' (১৯৭৮) ==== * জরুরি অবস্থার অপরাধীদের বিষয়ে আজ আমরা যা দেখছি তা আইনের শাসন নয়, বরং তার ধ্বংস। আমরা দেখছি কীভাবে বুর্জোয়া আইনের শাসন ধ্বংস করা হচ্ছে। এই শ্রেণির লোকেরাই নিজেদের স্বার্থে এটি ধ্বংস করছে এবং বুর্জোয়া সমাজ এই অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনার মতো প্রয়োজনীয় দৃঢ়তা দেখাতে পারছে না। আজ আমাদের বিচার ব্যবস্থার দুটি বৈশিষ্ট্য সবার সামনে পরিষ্কার হয়ে গেছে। প্রথমত, অপরাধীরা যদি প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাশালীদের সাথে যুক্ত হয়, তবে এই ব্যবস্থা তাদের ধরতে পারে না। দ্বিতীয়ত, জনগণ এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে করা তাদের প্রধান অপরাধগুলোর জন্য এটি তাদের ধরতে পারে না। * এরপর আছেন আমাদের লক্ষ্যহীন বামপন্থীরা, যারা একে অপরকে গালিগালাজ করতে ব্যস্ত। আর সবশেষে আছেন উদারপন্থীরা, যারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজাতে ব্যস্ত, বরং তারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজানো নিয়ে সেমিনার করতে ব্যস্ত। * আসন্ন ফ্যাসিবাদের প্রবল আঘাত থেকে আমাদের বাঁচাতে এই লোকগুলোর ওপর ভরসা করা মানে হলো একটি মাইনফিল্ড পার হওয়ার জন্য বুড়ো মহিষের ওপর নির্ভর করা। === ১৯৮০-র দশক === ==== ''রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স'' (১৯৮৯) ==== * এভাবে নীরবতা সংস্কারের গতি কমিয়ে দেয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি বহু সংখ্যক মানুষ এই নেতাদের সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে লেখালিখি এবং আলোচনা করতেন, তবে এই সম্প্রদায়ের ভেতরে থাকা সংস্কারকরা আজকের মতো এতটা বিচ্ছিন্ন এবং কোণঠাসা হতেন না। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, পুরো সত্য না বলাটা একটা অভ্যাসে পরিণত হয়। নিজের বিশ্বাস লুকিয়ে রাখা, তথ্যপ্রমাণ এড়িয়ে যাওয়া এবং প্রতারণা করা যেন আমাদের জনপরিসরের আলোচনার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। * তবুও আমি এই সংখ্যাগরিষ্ঠ রায়ে এক মারাত্মক সারল্য খুঁজে পাই... এই রায়ে ঋগ্বেদ, যজুর্বেদ এবং অথর্ববেদ থেকে সেই ঘোষণাগুলো উদ্ধৃত করা হয়েছে, যেখানে সব মানুষ এক, সবাই একই ধরিত্রীর সন্তান এবং আমাদের সবার বন্ধু হওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সেখানে এটি উল্লেখ করা হয়নি যে, আদালতের ভবন থেকে এক মাইলেরও কম দূরত্বে ফতোয়ার অসংখ্য বই বিক্রি এবং বিতরণ করা হচ্ছে, যেখানে মুসলিমদের উৎসাহিত করা হচ্ছে যেন তারা কখনোই কাফিরদের বিশ্বাস না করে এবং তাদের ওপর ভরসা না রাখে; সেখানে তাদের বলা হচ্ছে যে, তাদের প্রথম কাজ এবং আনুগত্য হবে তাদের ধর্মের প্রতি, কোনো সাধারণ আইনের প্রতি নয়... ঈশ্বর আর আল্লাহ যে এক, এটা [[মহাত্মা গান্ধী]]কে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। মন্দির আর মসজিদ, পুরাণ আর কুরআন যে এক, এটা [[গুরু গোবিন্দ সিং]]কে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। যাদের এটা বোঝানো প্রয়োজন, যেমন উলেমা বা শাহী ইমাম—তারা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন যে এগুলো এক নয়। ** অরুণ শৌরি: ইন্ডিয়া., এবং দাশগুপ্ত, এস. (১৯৯৫)। দি অযোধ্যা রেফারেন্স: দি সুপ্রিম কোর্ট জাজমেন্ট অ্যান্ড কমেন্টারিস। পৃষ্ঠা ১৭১-৩ * "বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টিই ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।" ** রাম স্বরূপের আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইসলাম থ্রু হাদিস বইটি নিষিদ্ধ করার বিষয়ে। কোয়েনরাড এলস্টর অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি, ১৯৯১, অধ্যায় ১২। * তারা ভয় দেখানোর ওপর নির্ভর করে। ঠিক এই ধরনের কৌশলেই জনাব স্বরূপের আগের একটি বই আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইসলাম থ্রু হাদিস বাজার থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল... ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর, একই ধরনের হুমকির মুখে দিল্লি প্রশাসন ঘোষণা করে যে, আগে তারা দুইবার যা বলেছিল তার উল্টো করে বইটি কেবল আপত্তিকরই নয়, বরং এটি ইচ্ছাকৃতভাবে এবং বিদ্বেষমূলকভাবে লেখা হয়েছে!....<br/>আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই শাহাবুদ্দিনদের মতো জায়গা থেকে মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে, তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা....<br/>দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br/>তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন। ** অরুণ শৌরি: "হাউ শুড উই রেসপন্ড?", সীতারাম গোয়েল সম্পাদিত ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসি (১৯৯৮) বইতেও রয়েছে। * পঞ্চাশ বছর ধরে এই দলটি তথ্য গোপন করছে এবং মিথ্যা উদ্ভাবন করছে। আইসিএইচআর-এর সেই উদ্দেশ্য—আমাদের অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ এবং যৌক্তিক গবেষণার প্রসার ঘটানো সেটি নিয়ে তারা কতই না চিন্তিত! তাদের এই চিন্তাভাবনা কীভাবে ১৯৮৯ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া নির্দেশিকার সাথে মেলে... যেখানে বলা হয়েছিল, "মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না"? অথচ বৌদ্ধ বিহার ধ্বংস নিয়ে তাদের পাইকারি মিথ্যাচার এবং অস্তিত্বহীন "আর্য আক্রমণ" নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা মানেই হলো সাম্প্রদায়িক বা উগ্র জাতীয়তাবাদী হওয়া! এই "ঐতিহাসিকদের" প্রধান অপরাধ হলো এটিই। কিন্তু এরা কেবল একপাক্ষিক "ঐতিহাসিক" নন। তারা চরম পর্যায়ের স্বজনপ্রীতি করেন... তারা এমন লোক যারা সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে একে অপরকে অনেকভাবে সাহায্য করেছেন... এই "ঐতিহাসিকরা" কেবল পক্ষপাতদুষ্ট বা স্বজনপ্রীতিই করেন না, বরং তারা একে অপরকে সাহায্য করার জন্য রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ব্যবহার করেছেন... এর ফলে, এই লোকগুলোর বই এবং প্রচারপত্র সব আঞ্চলিক ভাষায় পাওয়া যায়, কিন্তু লোকমান্য তিলকের কাজগুলো মারাঠি ছাড়া অন্য ভাষায় পাওয়াই যায় না! ** ফেব্রিক্যাশনস অন দ্য ওয়ে টু দ্য ফিউনারেল। প্রকাশনা: ইন্ডিয়া কানেক্ট। লেখক: অরুণ শৌরি। তারিখ: ২৬ জুন, ১৯৯৮। [http://voiceofdharma.org/indology/eminenthistorians1.html] [https://www.dharmadispatch.in/commentary/de-secularizing-indian-history-why-the-ugc-deserves-our-kudos] * সব তথ্যই... পঞ্চাশ বছর আগে সবার জানা ছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধের সেই প্রজন্মের বিদায়ের সাথে সাথে এবং রেকর্ডগুলো যাচাই করার অভ্যাস পুরোপুরি ত্যাগ করার ফলে, বিশেষ করে জাতিভিত্তিক রাজনীতির উত্থানে সেগুলো জনস্মৃতি থেকে মুছে ফেলা হয়েছে। আর এই মুছে ফেলার ফলাফল যা হওয়ার ছিল তাই হয়েছে: এক ধরনের মানসিক বৈকল্য। শুরুতে যারা আম্বেদকরের নামে রাজনীতি করে এবং তাদের সমর্থকরা স্বাধীনতা সংগ্রামকে খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করেছে: তারা দাবি করে যে এই স্বাধীনতা "প্রকৃত" নয়। ঠিক সেই দলটির মতোই যারা ১৯৪২ সালের সেই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্রিটিশদের সাথে হাত মিলিয়েছিল—কমিউনিস্টরা। প্রকৃতপক্ষে... আম্বেদকরের আচরণকে সঠিক প্রমাণ করতে তার অনুসারীরা দাবি করেন যে ব্রিটিশ শাসনই ভালো ছিল... কিন্তু সত্য আলমারিতে লুকিয়ে থাকে। পাছে সত্য বেরিয়ে এসে তাদের রাজনীতির সেই আদর্শকে কলঙ্কিত করে, পাছে তাদের রাজনীতি আসল রূপে ধরা পড়ে যায়—যা মূলত বঞ্চিতদের নামে স্বার্থসিদ্ধি ছাড়া আর কিছুই নয়—আম্বেদকরের এই অনুসারীরা মৌখিক সন্ত্রাসবাদ এবং সরাসরি আক্রমণের মাধ্যমে তাদের এই বিশেষ ইতিহাসের ধারা বজায় রাখতে চায়। ** অরুণ শৌরি, *ওরশিপিং ফলস গডস*, ১৯৯৭, হার্পার কলিন্স। ==== ''ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস: এসেস অন রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স'' (১৯৯৩) ==== :শৌরি, এ. (২০০৬)। ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস: এসেস অন রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স। নয়া দিল্লি: রূপা অ্যান্ড কোং। * প্রত্নতাত্ত্বিক নতুন আবিষ্কারগুলোর ওপর যে নীরবতা পালন করা হয়েছে, তা একটি বড় উদাহরণ। .... এক দশকেরও বেশি সময় আগে করা খননকার্য থেকে পাওয়া তথ্যগুলো যখন জনসমক্ষে এল এবং সেখানে আগে সত্যিই একটি মন্দির ছিল সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ রইল না, তখন স্বয়ং প্রত্নতত্ত্বকেই নিন্দা জানানো হলো। বিশ্বের অন্যতম সম্মানিত প্রত্নতাত্ত্বিক—যিনি ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের প্রাক্তন মহাপরিচালক ছিলেন এবং সেই খননকার্যের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন—তাকে কলঙ্কিত করার কাজে পত্রিকাগুলো নেমে পড়ল। ... এর শিক্ষা খুব পরিষ্কার: যদি এমন দ্বিমুখী নীতি চলতে থাকে, তবে আমাদের সম্পাদকীয় লেখকদের ভয়ভীতিপূর্ণ সতর্কবাণী হিন্দুরা এখন যতটা শুনছে, ভবিষ্যতে তার চেয়েও কম গুরুত্ব দেবে। * পরিষ্কারভাবে বলতে গেলে, আমাদের সাংবাদিকরা যাদের 'কট্টরপন্থী' বলেন, তারাই সঠিক প্রমাণিত হয়েছেন। * গত এক দশকে শিখ এবং মুসলিম সাম্প্রদায়িকরা যেভাবে রাষ্ট্রকে সফলভাবে প্রভাবিত করেছে, তাতে সংবাদপত্রের ঘটনা এবং ইস্যুগুলোর বর্ণনায় দ্বিমুখী নীতি, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে প্রতারণা একটি বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। * মধ্যযুগীয় ভারতের প্রতিটি মুসলিম ঐতিহাসিক এমন মন্দিরের তালিকা দিয়েছেন যা তার সমকালীন শাসকরা ধ্বংস করেছিলেন এবং তার বদলে সেখানে মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। (৪২৯) ==== ''হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম (ভলিউম ১)'', ১৯৯৩ ==== * একজন বিখ্যাত মুসলিম পণ্ডিত যিনি ভারতের অন্যতম বড় ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের চতুর্থ রেক্টর ছিলেন, তার লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের ইংরেজি সংস্করণে বাবরী মসজিদসহ কিছু মসজিদের তালিকা ছিল, যা মন্দিরের জায়গায় এবং ভিতের ওপর তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে মন্দিরের পাথর ও কাঠামো ব্যবহারের উল্লেখ ছিল। দেখা গেল, সেই গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! বলা হচ্ছে বইটি এখন পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে;... এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... আমি জানলাম এটি একটি দীর্ঘ বই ছিল, যা শুরু হয়েছিল ভারতের ভূগোল, গাছপালা, পশুপাখি, ভাষা, মানুষ এবং অঞ্চলগুলোর বর্ণনা দিয়ে। বইটি আরবি ভাষায় লেখা হয়েছিল আরবিভাষী মানুষের জন্য। ... একটি অদ্ভুত তথ্য আমার সামনে এল। এই ধরনের প্রকাশনা সম্পর্কে যাদের জ্ঞান থাকার কথা, তাদের অনেকেই হঠাৎ করে এই বইটির কথা মনে করতে দ্বিধা বোধ করছিলেন। আমাকে বলা হয়েছিল যে, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের মতো জায়গাগুলো থেকে বইটির কপি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এমনকি কেউ কেউ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, তিন-চার বছর আগে এই বইটির প্রতিটি কপি ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য একটি সুসংগঠিত প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। .... লেখকের মর্যাদা এবং বইটির গুরুত্ব এত বেশি হওয়া সত্ত্বেও মৌলবাদীদের কাছে এটি কেন প্রিয় নয়? এর উত্তর লুকিয়ে আছে “হিন্দুস্তান কি মাসজিদেঁ” অর্থাৎ “হিন্দুস্তানের মসজিদসমূহ” নামক অধ্যায়টিতে। ... এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি, যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন—যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?... ** রাজনৈতিক কারণে লাইব্রেরি থেকে বই সরিয়ে ফেলার বিষয়ে। অরুণ শৌরি: হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯)। উদ্ধৃত: সীতারাম গোয়েল (সম্পাদক) (১৯৯৩)। হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম। ভলিউম ১। * সেগুলোর প্রকৃত গুরুত্ব এবং আমি বলতে পারি মসজিদ-মন্দির বিতর্কের ক্ষেত্রে এগুলো সবচেয়ে ছোট এবং সাধারণ উদাহরণ মাত্র লুকিয়ে আছে সত্য এড়িয়ে চলা এবং গোপন করার মধ্যে। আমার কাছে নির্ভরযোগ্য তথ্য আছে যে, এই অংশগুলো অনেক আগে থেকেই পরিচিত এবং যারা বাবরী মসজিদ ইস্যু নিয়ে কাজ করছেন তারা এটি ভালো করেই জানেন। এটিই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়; তারা এগুলো জানতেন এবং তাদের ইচ্ছা ছিল সত্য জানার বদলে সত্যকে গোপন করে মাটিচাপা দেওয়া.... মাওলানা আবদুল হাইয়ের অনুচ্ছেদগুলোর পরিণতি এবং আমি জানি না যে উর্দু সংস্করণটিও মূল আরবি সংস্করণের একটি সুবিধাজনক কাটছাঁট করা রূপ কি না আমাদের দেখায় যে, যারা নিজেদের রাজনীতির জন্য ধর্মের আবেগ উসকে দেয় তারা কতটা স্বার্থপরভাবে কাজ করে। '''যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য—মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?''' ** রাজনৈতিক কারণে লাইব্রেরি থেকে বই সরিয়ে ফেলার বিষয়ে। অরুণ শৌরি: হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯)। উদ্ধৃত: সীতারাম গোয়েল (সম্পাদক) (১৯৯৩)। হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম। ভলিউম ১। ==== ''আ সেকুলার এজেন্ডা'', ১৯৯৩ ==== * পাঠ্যটি পড়লে পাঠক লক্ষ্য করবেন যে ভারতের জনপরিসরের আলোচনায় যেসব বুলি ব্যবহার করা হয় এবং ফলস্বরূপ অনেকে যা বিশ্বাস করে নিয়েছেন, তা তথ্যের চেয়ে কতটা আলাদা.... (১০) * একটু চিন্তা করলেই দেখা যাবে যে ভারতের বিষয়টি আমরা যে উদাহরণগুলো আলোচনা করেছি তার মতো নয়। কারণ সেই উদাহরণগুলো একদম সাম্প্রতিক সময়ের—সেই জাতিগুলো "কল্পিত" ছিল, সেই ঐতিহ্যগুলো মাত্র ১০০ বা ১৫০ বছর আগে "উদ্ভাবিত" হয়েছিল। এর বিপরীতে ভারতকে হাজার হাজার বছর ধরে এক হিসেবে দেখা হয়েছে এবং এর মানুষের জীবনযাপনের ধরনও সাধারণ। এর ইতিহাস কেবল পুরনোই নয়.... এটি একটি ধারাবাহিক ইতিহাস। (৯) * জবরদস্তি করে ভুলে যাওয়া নয়, বরং এক আপসহীন স্মৃতিই একটি জাতি গঠন করবে। * প্রতিটি বাক্যই একটি মিথ্যা। ... আপনি কি কখনো বিবিসিকে নওয়াজ শরিফকে "মৌলবাদী" বা "ধর্মান্ধ" বলতে শুনেছেন? কিন্তু আডবাণী যদি "মুসলিমদের" জায়গায় "হিন্দু" বসিয়ে একই ধরনের বক্তব্য দিতেন, তবে তারা তাকে কী বলত? ==== ''মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া'', ১৯৯৪ ==== * '''আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?''' * '''কিন্তু আমাদের জনপরিসর এবং শিক্ষা থেকে এই ধরনের তথ্যগুলো প্রায় পুরোপুরি মুছে ফেলার একটি আরও শক্তিশালী কারণ আছে। আর সেটি হলো গত ৪৫ বছর ধরে আমরা যে ধরনের “ধর্মনিরপেক্ষতা” চর্চা করেছি: এমন এক “ধর্মনিরপেক্ষতা” যেখানে দ্বিমুখী নীতিই ছিল নিয়ম, যেখানে আমাদের জাতীয় পরিচয়কে ঢেকে রাখা আবর্জনা দূর করতে পারে এমন সবকিছুই অত্যন্ত ঘৃণ্য হয়ে উঠেছে।''' * ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অফ ইন্ডিয়া (সিবিসিআই) হলো ভারতের বিভিন্ন ক্যাথলিক গির্জার কাজ সমন্বয় করার এবং অন্য ধর্মের সাথে সংলাপ করার জন্য সর্বোচ্চ সংস্থা। ... ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করতে... সিবিসিআই ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতে একটি সভার আয়োজন করেছিল.... এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশ ছিল: এটি পঞ্চাশ বছরে মাত্র দ্বিতীয়বার এবং পঁচিশ বছরে প্রথমবার ছিল যেখানে এমন একটি ব্যাপক পর্যালোচনা করা হচ্ছিল... আয়োজকরা অত্যন্ত সদয় হয়ে আমাকে ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিদের কাজের ওপর হিন্দুদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে বলেছিলেন। * আর এই ধরনের মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করেই উপজাতিদের হিন্দু সমাজ থেকে আলাদা করা হয়েছিল। অ্যানিমিজম বা প্রকৃতিপূজার যে বর্ণনাগুলো দেওয়া হয়েছিল সেগুলো পড়লেই বোঝা যায় যে, তারা আসলে বিভিন্ন ধরনের হিন্দুদের কথাই বর্ণনা করছিল। ;'''বইটি সম্পর্কে উক্তি''' * আয়োজকরা অরুণ শৌরিকে ভারতে মিশনারিদের কাজের ওপর হিন্দুদের মূল্যায়ন তুলে ধরার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। অরুণ শৌরি ৫ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে আর্চবিশপ, বিশপ এবং অন্যদের সামনে ভাষণ দেন। ... আয়োজকরা অরুণ শৌরিকে তার বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে একটি প্রবন্ধ লিখতে অনুরোধ করেন.... বিতর্ক বাড়তে থাকায়... [তারা] অরুণ শৌরির সাথে একটি প্রকাশ্য মঞ্চে মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া নিয়ে আলোচনা করার জন্য বেশ কয়েকজন প্রবীণ গির্জা কর্মকর্তাকে আমন্ত্রণ জানান। ** মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া বইটি সম্পর্কে ** শৌরি, অরুণ। অরুণ শৌরি অ্যান্ড হিজ খ্রিস্টান ক্রিটিক। (১৯৯৫) * সংলাপের তৃতীয় উদ্দেশ্য সফল করার জন্য একটি আলোচনা কেবল ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতেই সম্ভব হয়েছিল, যখন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও পণ্ডিত অরুণ শৌরিকে ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অফ ইন্ডিয়া (সিবিসিআই) ভারতে মিশনারিদের কাজের “হিন্দু মূল্যায়ন” উপস্থাপনের জন্য আমন্ত্রণ জানায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এই “সংলাপের” আয়োজকদের জন্য বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং হিতে বিপরীত হয়। এরপর থেকেই ভারতের বিশাল খ্রিস্টান প্রতিষ্ঠান অরুণ শৌরির দেওয়া আঘাত সহ্য করছে। তিনি যে শোরগোল তুলেছিলেন তা কেবল ১৯৫৩ সালে কে. এম. পানিক্করের এশিয়া অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন ডমিন্যান্স প্রকাশের পর হওয়া শোরগোলের সাথে তুলনা করা যায়। মিশনারি বিজ্ঞান খ্রিস্টান দাবিগুলোর ক্ষতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য তাদের সব যুক্তি ও কৌশল প্রয়োগ করছে...<br>সিবিসিআই তাদের প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করছিল এবং পুনের ইশভানি কেন্দ্রে একটি সেমিনারের আয়োজন করেছিল। ৫ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে অরুণ শৌরি যখন তার বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখন ভারতের প্রায় সব বড় ক্যাথলিক নেতা সেখানে উপস্থিত ছিলেন...<br>প্রবন্ধটি বিস্তারিতভাবে লেখার পর তা একটি বইয়ের আকার নেয়। অরুণ শৌরি ১৯৯৪ সালের মে মাসের শুরুতে মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া: কন্টিনিউইটিস, চেঞ্জেস, ডিলেমাস নামে এটি প্রকাশ করেন। ... ইতিমধ্যে অরুণ শৌরি এই বিষয়ে তার নিয়মিত কলামে বেশ কিছু নিবন্ধ লিখেছিলেন যা দেশের বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশিত অনেকগুলো পত্রিকায় বের হয়। এই নিবন্ধগুলো পুনের মহারাষ্ট্র হেরাল্ডে একটি প্রাণবন্ত আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। ** সীতারাম গোয়েল, হিস্ট্রি অফ হিন্দু খ্রিস্টান এনকাউন্টারস * স্বাধীনতার পর ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিদের দাপট নেহরুবাদী প্রশাসনের সমর্থনে ক্রমাগত বেড়েই চলেছিল, যেখানে মিশনারি-ম্যাকলে ধাঁচের শিক্ষায় বেড়ে ওঠা একদল আত্মবিস্মৃত হিন্দু ছিল। এই ধারায় একমাত্র ছেদ ছিল ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত কে. এম. পানিক্করের এশিয়া অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন ডমিন্যান্স, ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত মধ্যপ্রদেশ খ্রিস্টান মিশনারি অ্যাক্টিভিটিস কমিটির রিপোর্ট, ১৯৭৮ সালে লোকসভায় ওম প্রকাশ ত্যাগীর আনা ধর্মীয় স্বাধীনতার বিল, ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত অরুণ শৌরির মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া এবং ২০ ডিসেম্বর ১৯৯৬ সালে মঙ্গল প্রভাত লোধা কর্তৃক মহারাষ্ট্র বিধানসভায় আনা মহারাষ্ট্র রিলিজিয়াস ফ্রিডম বিল। ** সীতারাম গোয়েল, ভিন্ডিকেটেড বাই টাইম: দ্য নিয়োগী কমিটি রিপোর্ট (১৯৯৮) ==== ''দ্য ওয়ার্ল্ড অফ ফতোয়াস (অর দ্য শরিয়া ইন অ্যাকশন)'', ১৯৯৫ ==== * আমাদের শহরের মুসলিম এলাকার বইয়ের দোকানগুলোতে—উদাহরণস্বরূপ দিল্লির জামে মসজিদের চারপাশের দোকানগুলোতে—ফতোয়ার সংকলনগুলো তাকের পর তাক জুড়ে থাকে। পবিত্র সাহিত্যের প্রতি মানুষ যেমন যত্নশীল হয়, এগুলোও তেমনি যত্নের সাথে সাজানো থাকে। পৃষ্ঠাগুলোর বিন্যাস খুব সুন্দর। ক্যালিগ্রাফিগুলো প্রায়ই শিল্পের পর্যায়ের। ভলিউমগুলো চমৎকারভাবে বাঁধাই করা—প্রায়ই কভারের ওপর সোনালি এমবসিং থাকে। * '''এক কথায়, ফতোয়া হলো শরিয়তের প্রয়োগ।''' * এই সব কারণে যে কেউ ফতোয়ার ওপর প্রচুর গবেষণার আশা করবে। কিন্তু তাহলে আমাদের বুদ্ধিজীবীদের কথা ভুলে যেতে হবে। এটি আরও একটি প্রমাণ যে আমাদের বুদ্ধিজীবীরা আমাদের দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন; ইংরেজি বা উর্দুতে ফতোয়ার ওপর কোনো গবেষণাই প্রায় নেই। * প্রথমত, আমাদের পণ্ডিতরা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের জন্য সময় দেননি ঠিক সেই কারণে যার জন্য তারা আমাদের দেশের অস্তিত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অন্য বিষয়গুলোতেও সময় দেননি। ভারতে বুদ্ধিবৃত্তিক কাজের বেশিরভাগই হলো পশ্চিমে যা করা হচ্ছে তার পাদটীকা লেখা—অন্যদের চেয়ে মার্ক্সবাদী বুদ্ধিজীবীদের ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি সত্যি। আর যখন আমাদের বুদ্ধিজীবীরা এই পাদটীকা লিখতে ব্যস্ত থাকেন না, তারা পশ্চিমা মহলে জনপ্রিয় ফ্যাশন অনুসরণ করতে ব্যস্ত থাকেন এবং পশ্চিমে জনপ্রিয় হওয়া কোনো ধারণা বা ‘থিসিস’ ভারতীয় তথ্যের ওপর ‘প্রয়োগ’ করতে ব্যস্ত থাকেন। এক কথায়, আমাদের পাণ্ডিত্যপূর্ণ কাজগুলো অনুকরণধর্মী। তাই ভারতে ফতোয়া নিয়ে কোনো বড় গবেষণা না হওয়ার প্রথম কারণ হলো যে এগুলো এখনো পশ্চিমের নজর কাড়েনি। * “আমাদের উচিত, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের উচিত মুসলিম সমাজের অবস্থা সম্পর্কে পুরো সত্য বলা—উদাহরণস্বরূপ সেখানকার নারীদের দুর্দশা নিয়ে। এবং এর মূল উৎস—বই, আইন এবং চিন্তাধারার মধ্যে সেটি খুঁজতে দ্বিধা না করা। আমাদের উলেমা [মুসলিম ধর্মীয় নেতা] এবং কট্টরপন্থী রাজনীতিবিদদের সামাজিক কর্মকাণ্ডের দলিল তৈরি করা উচিত।... উলেমা এবং অন্যরা ধর্মীয় ইস্যুতে যা বলছেন এবং যা ফতোয়া দিচ্ছেন তা নথিবদ্ধ করা উচিত।... আমাদের, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের প্রতিটি বিষয়ে দৃঢ়ভাবে ধর্মনিরপেক্ষ অবস্থান নিতে হবে—কট্টরপন্থীদের মোকাবিলা করার এটিই একমাত্র পথ, এটিই সম্প্রদায়ের কাছে বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি পৌঁছে দেওয়ার সবচেয়ে নিশ্চিত উপায়।... ফতোয়া এবং অন্যান্য বিষয় যা একজন ব্যক্তির নাগরিক অধিকার খর্ব করে তা স্পষ্টতই আইনের অপরাধমূলক লঙ্ঘন; আমাদের উচিত সেগুলোকে সেভাবেই তুলে ধরা; এবং অন্যদের সাথে মিলে দাবি করা যে কেউ যদি ফতোয়া ব্যবহার করে অন্যের অধিকার মাড়িয়ে দিতে চায় তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। একইভাবে, আমাদের সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদরা এই প্রতিক্রিয়াশীল উপাদানগুলোকে খুশি করার জন্য এবং শেষ পর্যন্ত তাদের হাত শক্তিশালী করার জন্য যে ছাড় দেয়, তা আমাদের উন্মোচিত করতে হবে এবং ব্যর্থ করার জন্য কাজ করতে হবে।... কিন্তু উলেমা এবং তাদের নেটওয়ার্কের মোকাবিলা করাই যথেষ্ট নয়। আমরা যেমনটা দেখেছি, তারা যা প্রচার করে এবং কার্যকর করে তা কুরআন এবং হাদিসেই বলা আছে। তাই এই জাল কাটতে হলে উদারপন্থীদের এবং বিশেষ করে উদারপন্থী মুসলিমদের ইসলামের হাজার বছরের দাবিগুলো পরীক্ষা করে দেখতে হবে: এই দাবি যে কেবল একটিই সত্য আছে, তা কেবল একজন মানুষের কাছেই প্রকাশিত হয়েছে, তা কেবল একটি বইতেই আছে, সেই বইটি বোঝা খুব কঠিন, কেবল কয়েকজন নির্বাচিত মানুষই এর অন্তর্নিহিত অর্থ জানে এবং তাই তাদের কথা মেনে চলা সবার কর্তব্য। এক কথায়, মূল পাঠ্যগুলোকেই পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।” (উদ্ধৃত: বোস্টম, এ. জি. (২০১৫)। শরিয়া ভার্সেস ফ্রিডম: দ্য লেগাসি অফ ইসলামিক টোটালিটারিয়ানিজম।) * ফতোয়ার বইগুলোতে আরও একটি অদ্ভুত বিষয়ের ওপর পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা বরাদ্দ করা হয়েছে—তা হলো, কোনো বিশ্বাসী যদি পশুর সাথে যৌনমিলন করে তবে তার কী করা উচিত। ‘যে পশুর সাথে মানুষ যৌনমিলন করেছে তার হুকুম কী—পশু এবং সেই মানুষের হুকুম কী?’, প্রশ্নকারী জানতে চান এবং যথাযথ বিবেচনার পর এই বিশাল ‘ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের’ উলেমা একটি ফতোয়া জারি করেন। ফতোয়া দাবি করা অন্য বিষয়গুলোও ঠিক একইভাবে বিস্ময়কর। <br> ‘যে গর্ভবতী ছাগলের সাথে মিলন করা হয়েছে তা কি হালাল না হারাম? সেটি বাচ্চা দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না কি বাচ্চা হওয়ার আগেই মেরে ফেলে পুঁতে ফেলতে হবে?’ ‘জায়েদ একটি ছাগলের সাথে মিলন করেছে। এর আইন কী? আমরা কি এর মাংস খেতে পারি বা দুধ পান করতে পারি? আর যে মিলন করেছে তার জন্য আইন কী?’ ‘ছোট শিশু বা ছাগলের সাথে মিলন করার শাস্তি কী?’ ‘জায়েদ একটি হালাল পশু যেমন গরু বা ছাগলের সাথে মিলন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে পশুর কাছে গেল এবং তার যৌনাঙ্গ পশুর যোনিতে প্রবেশ করাল। কিন্তু কোনো বীর্যপাত হলো না। জায়েদ বা অন্য মুসলিমদের কি সেই পশুর মাংস বা দুধ হালাল মনে করা উচিত? এই অপরাধের জন্য কি জায়েদকে কাফফারা দিতে হবে?’ ‘জায়েদ একটি গরুর সাথে মিলন করেছে এবং তারপর সেটি বিক্রি করে দিয়েছে। সেই টাকা কীভাবে খরচ করতে হবে? সেটি কি সাদকা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে? আর জায়েদের শাস্তি কী?’ ‘যে ঘোড়ীর সাথে মিলন করেছে তার শাস্তি কী? সেই ঘোড়ীটির সাথে কী করা উচিত?’ এই প্রতিটি বিষয়ে একটি করে ফতোয়া আছে। <br> আর উত্তরগুলো সবসময় একরকম হয় না, অনেক সময় সুক্ষ্ম পার্থক্যের ওপর নির্ভর করে। পশুর সাথে মিলন করা বিশ্বাসীর জন্য কেবল তওবা করাই যথেষ্ট বলে মনে করেন এই পণ্ডিতরা, তবে সাধারণত পশুটিকে মেরে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। অর্থাৎ সাধারণ ক্ষেত্রে এর মাংস খাওয়া উচিত নয়। তবে একটি উদাহরণ ধরা যাক, দেওবন্দের দারুল উলুমের উলেমা রায় দিয়েছেন যে, ‘যদি (পশুর ভেতরে) বীর্যপাত না হয়, তবে এর মাংস এবং দুধ নিঃসন্দেহে হালাল।’ ‘কিন্তু যদি বীর্যপাত হয়, তবে পশুটিকে মেরে ফেলে এর মাংস পুঁতে ফেলা ভালো। কারো এটি খাওয়া উচিত নয়, যদিও এটি খাওয়া হারাম নয়।’ [...] পরিশেষে, অন্যরা যখন এই ধরনের প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করতে কিছুটা অস্বস্তি বোধ করতে পারেন এবং ‘ধর্মীয়’ বইগুলোতে এগুলোর দেখা পেয়ে অবাক হতে পারেন, উলেমাদের এই বিষয়ে আলোচনা করতে বা আইন দিতে কোনো দ্বিধা নেই। তারা এটিকে তাদের একটি কাজ বলে মনে করেন। মাওলানা মুফতি আবদুর রহিম কাদরী বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। জানা যায় যে, হযরত শায়খুল ইসলাম মাওলানা মৌলবি নামে একজন মৌলবি দুটি প্রচারপত্র প্রকাশ করে হানাফি ফকিহদের সমালোচনা করেছিলেন কারণ তারা মনে করেন যে পশুর সাথে মিলন করলে রোজা নষ্ট হয় না, এমনকি বীর্যপাত হলেও। তিনি হানাফি আইনের বড় বড় নাম—শামী এবং দুররুল মুখতার—উদ্ধৃত করে বলেছিলেন যে তারা এটিই বলেছেন। তিনি ধর্মীয় বইগুলোতে এই ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য পণ্ডিত উলেমাদের তিরস্কারও করেছিলেন। মৌলবির এই লেখাগুলো মতামতের জন্য মুফতি আবদুর রহিম কাদরীর কাছে পাঠানো হয়েছিল। মুফতির ব্যাখ্যা ফতোয়ায়ে রহিমিয়া-র দশটি মুদ্রিত পৃষ্ঠা জুড়ে আছে। প্রশ্নের মূল উত্তরটি নির্ভর করছে পশুর ভেতরে লিঙ্গ প্রবেশের সময় বীর্যপাত হয়েছে কি না তার ওপর—যদি হয় তবে রোজা বাতিল হয়ে যাবে—নাকি কেবল হাত দিয়ে পশুর যৌনাঙ্গ স্পর্শ বা চুম্বনের ফলে বীর্যপাত হয়েছে—সে ক্ষেত্রে রোজা নষ্ট হবে না। মুফতি এই পার্থক্য বোঝাতে বিভিন্ন উদ্ধৃতি দিয়েছেন এবং দাবি করেছেন যে মৌলবি হানাফি ফকিহদের রায়ের ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন। * এরপরে আসে উর্দু সংবাদমাধ্যম। এটি উলেমাদের অন্যতম শক্তিশালী সহযোগী এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের অস্ত্র হিসেবে কাজ করেছে, যেমনটা আমরা ড. জাকির হোসেন এবং মাওলানা আজাদের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানের সময় দেখেছি। ১৯৯২ সালে দিল্লির জামিয়া মিলিয়ার প্রো-ভিসি মুশিরুল হাসান এবং পাটনার খুদা বখশ লাইব্রেরির পরিচালক আবিদ রেজা বেদারের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানেও আমরা একই ভূমিকা দেখেছি। উচ্চকণ্ঠ, ব্যাপক বিকৃতি, অভিযোগের প্রতিধ্বনি তৈরি করা, চরম নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করা এবং তারপর সবকিছুকে ইসলামের ওপর আক্রমণ হিসেবে তুলে ধরা—এগুলোই এর বৈশিষ্ট্য। আর শেষ পর্যন্ত এগুলো সেই বিশ্বদর্শনকেই শক্তিশালী করতে ব্যবহৃত হয় যা উলেমা চান যে তাদের সম্প্রদায় বজায় রাখুক। *আর এরপর আছে পৃষ্ঠপোষকতার প্রভাব। সৌদি আরব, ইরান বা ইরাক অথবা অন্য ‘ইসলামি’ উৎস থেকে আসা তহবিল উলেমাদের কাছে বা তাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সংস্থাগুলোর কাছে যায়। এই তহবিল প্রায় কখনোই উদারপন্থীদের কাছে পৌঁছায় না। ভারতের অবস্থা তো আরও খারাপ। যেহেতু উলেমা সম্প্রদায়কে নিয়ন্ত্রণ করে, তাই রাষ্ট্র উলেমা এবং তাদের ভাষায় যারা কথা বলে তাদের সামনেই নতজানু হয়। রাষ্ট্র যত দুর্বল হয়েছে, উলেমা তত সহজে তাদের প্রচারাভিযান চালিয়ে যেতে পেরেছে। আর বিনিময়ে তারা সম্প্রদায়ের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও মজবুত করতে পেরেছে এটি দেখিয়ে যে রাষ্ট্র তাদের সামনে মাথা নত করে—যেমন শাহ বানোর ক্ষেত্রে হয়েছিল; যে রাষ্ট্র তাদের পথে দাঁড়ানোর সাহস পায় না: দেশের আইনি ব্যবস্থার বাইরে সমান্তরাল আদালত—শরিয়ত আদালত তৈরি করার জন্য তাদের বর্তমান অভিযানের দুঃসাহস দেখুন। *উদারপন্থী হিন্দুরা এতটাই লজ্জিত থাকে এবং তারা এই মেকি ধর্মনিরপেক্ষতাকে এতটাই নিজের করে নিয়েছে যে, তারা ধর্মগ্রন্থগুলো—তা ইসলামের হোক, হিন্দুধর্মের হোক বা আমাদের আইন ও সংবিধানের হোক সেগুলো সম্পর্কে কিছুই জানে না। তারা দ্বিমুখী নীতিকে এতটাই মেনে নিয়েছে যে ইসলামি সব বিষয়ে চুপ থাকা এবং মৌলবাদীদের সুর মেলানোকেই তারা ধর্মনিরপেক্ষতার প্রমাণ মনে করে। ইংরেজি সংবাদমাধ্যমের ‘ধর্মনিরপেক্ষরা’ এর একটি তৈরি উদাহরণ। তারা আলী মিঞাকে ‘পরিমিতিবাদী, সর্বজনশ্রদ্ধেয় মুসলিম নেতা’ হিসেবে উল্লেখ করবে তার কোনো লেখা না পড়েই। তারা বিভিন্ন মুফতি ও মৌলবিকে ‘মুসলিম ধর্মতত্ত্ববিদ’ হিসেবে উল্লেখ করবে। অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড বা অল ইন্ডিয়া মিলি কাউন্সিল যা করছে তা থেকে তারা চোখ বন্ধ করে রাখবে; কিন্তু রাষ্ট্রের কোনো সংস্থা যদি তাদের কার্যক্রম উন্মোচিত করতে কোনো পদক্ষেপ নেয় তবে তারা চিৎকার শুরু করবে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, কোনো ইস্যুতে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে উলেমাদের পক্ষ নেবে এবং জোর দিয়ে বলবে যে এই পক্ষের বিরোধিতা করা মানেই ‘সাম্প্রদায়িক’, ‘ফ্যাসিবাদী’ বা ‘প্রতিশোধপরায়ণ’ হওয়া। এই ধরনের চিৎকারের প্রভাব কেবল আলোচনার পরিবেশ বিষিয়ে দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। দুর্বল শাসকরা সেই পরিবেশে প্রভাবিত হয়। আর এভাবেই জননীতি উলেমাদের পক্ষে চলে যায়। ফলে উলেমা আরও শক্তিশালী হয়। *আমরা যখন বুদ্ধের বাণী বা রোজা সম্পর্কে গান্ধীজির কথা পড়ি, তখন তার বিষয়বস্তু থাকে নিজের ভেতর তাকানো এবং আত্মশুদ্ধি নিয়ে। কিন্তু এমনকি যখন ফতোয়াগুলো পুরোপুরি ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কাজ করে, তখনও সেগুলো কেবল সেই নিয়মগুলো নিয়ে থাকে যা একজন বিশ্বাসীকে মেনে চলতে হয়। এগুলো কুচকাওয়াজের জন্য একজন ড্রিল সার্জেন্ট ক্যাডেটদের যে নির্দেশনা দেন তার মতো। *আমাদের নেতা এবং সুপ্রিম কোর্ট যখন অনবরত বলছেন, ‘সব ধর্ম এক’; যখন তারা বেদের বাণী স্মরণ করছেন, ‘সত্য এক, ঋষিরা একে ভিন্ন নামে ডাকেন’; যখন তারা অশোকের শিলালিপি স্মরণ করছেন, ‘যে নিজের ধর্মকে শ্রদ্ধা করে এবং অন্যের ধর্মকে তুচ্ছ করে, সেটি নিজের ধর্মের প্রতি ভক্তির কারণে এবং অন্য ধর্মের ওপর একে বড় দেখানোর জন্য হোক না কেন, সে আসলে নিজের ধর্মেরই ক্ষতি করে’, উলেমা ঠিক তার উল্টো মূল্যবোধ প্রচার করেন। উলেমাদের প্রতি সুবিচার করতে হলে বলতে হয় এগুলোই প্রকৃত ইসলামি মূল্যবোধ। যেমন মাওলানা আহমদ রেজা খান সেই সব মানুষের ওপর ক্ষিপ্ত হন যারা এমন শোভাযাত্রা সমর্থন করে যেখানে গীতা ও কুরআনকে সমান সম্মানের সাথে বহন করা হয়; তিনি ঘোষণা করেন যে একজন মুসলিমের পক্ষে এটি বলাও কুফর যে, ‘হিন্দুদের বেদ অনুযায়ী চলা উচিত এবং মুসলিমদের কুরআন অনুযায়ী চলা উচিত’; তিনি বলেন, মন্দির হলো শয়তানের আস্তানা, একজন মুসলিমের সেখানে যাওয়া নিষিদ্ধ; পবিত্র কুরআনকে বেদের মতো বলা কুফর; হিন্দুদের বেদ অনুযায়ী চলতে বলা মানে মানুষকে কুফর অনুসরণ করতে বলা, আর মানুষকে কুফর অনুসরণ করতে বলা মানেই হলো কুফর... *ফতোয়াগুলো এই দ্বিমুখী নীতিকেই প্রতিফলিত করে। ধর্মান্তর এবং ধর্মত্যাগের প্রতি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি এর একটি বড় উদাহরণ। ইসলাম অন্য ধর্মের মানুষকে ধর্মান্তরিত করাকে একটি অধিকার এবং কর্তব্য বলে মনে করে। উলেমা এর ওপর জোর দেন....অন্য ব্যক্তির ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখিয়ে কোনো কাজ করা বা না করার বিষয়েও একই অবস্থান নেওয়া হয়.....এর একটি আরও বড় উদাহরণ হলো ধর্মীয় চর্চা চালিয়ে যাওয়ার অবস্থান। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়া একজন মুসলিমের অধিকার ও কর্তব্য। ...ফতোয়ায়ে রিজভিয়া ঘোষণা করে যে, কোনো অবস্থাতেই ইসলামি শাসক কাফিরদের তাদের ধর্মীয় আচার পালনের অনুমতি দিতে পারে না এবং প্রশ্ন করে: সে কি তাদের কুফর পালন করতে দেবে এবং এর মাধ্যমে নিজে কাফির হয়ে যাবে?...এতে আরও বলা হয়েছে যে এ বিষয়ে বেশ কিছু হাদিস আছে যে কোনো অমুসলিম আরব উপদ্বীপে থাকতে পারবে না...অর্থাৎ, কোনো অমুসলিমকে আরব উপদ্বীপে থাকতে দেওয়া হবে না, কিন্তু যদি ভারত থেকে একজন অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে চলে যেতে বলা হয়, তবে সেটি হবে ইসলামের ওপর আঘাত!...একইভাবে, আজও কোনো ইসলামি রাষ্ট্রে কোনো স্কুলের শিক্ষকরা অমুসলিম শিশুদের তাদের ধর্মের শিক্ষা দিতে পারেন না...কিফায়াতুল্লাহ ঘোষণা করেন যে, কুরআন শিক্ষা এবং ধর্মীয় শিক্ষার ওপর কোনো বাধা সহ্য করা যাবে না। ...অথচ ধর্মনিরপেক্ষ আলোচনায় আমরা শুনি যে ইসলামের মতো আর কোনো ধর্ম নেই যা ভেদাভেদ দূর করেছে, ইসলামের মতো আর কেউ সবাইকে সমান মর্যাদা দেয় না! *এই সবকিছুর পরেও যারা দাবি করেন, ‘শরিয়ত নারীদের অধিকার রক্ষা করেছে যেমনটা অন্য কোনো আইন করেনি,’ তারা কেবল এই আত্মবিশ্বাস থেকেই তা বলেন যে তারা ছাড়া আর কেউ শরিয়তের মূল পাঠ্যগুলো পড়েনি। *তা সত্ত্বেও আমাদের বিশ্বাস করতে হবে যে শরিয়তের মতো অন্য কোনো আইন নারীদের এত অধিকার দেয়নি এবং ইসলামের মতো অন্য কোনো ধর্ম তাদের বিষয়ে এত যত্নশীল নয়, না হলে আমাদের সাম্প্রদায়িক তকমা সইতে হবে। এই যুক্তি কেবল একগুঁয়ে অন্ধ সমর্থকদেরই বোকা বানাতে পারে। *ফতোয়ার মাধ্যমে বলবৎ হওয়া শরিয়ত কেবল তা-ই নয়। যেহেতু আমাদের সরকারগুলো অভিন্ন দেওয়ানি বিধি প্রণয়নের সাংবিধানিক নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করেনি, তাই এটিই হলো ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের আইন যা আমাদের আদালতগুলো কার্যকর করে! * বিষয়গুলো কেবল উলেমাদের নারীদের মূল্যায়নের কারণেই আগ্রহের বিষয়, কারণ এটি ফতোয়ার সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। দেওবন্দের উলেমা একটি বিষয় সমাধান করতে গিয়ে ঘোষণা করেন যে, ‘কুরআনে বলা হয়েছে স্বামীই হলো কর্তা।’ .... আর এই কাফিরদের মধ্যেও ভাগ আছে বলে মাওলানা আহমদ রেজা খান ঘোষণা করেন: এক প্রকার কঠিন কুফর হলো খ্রিস্টধর্ম; তার চেয়েও খারাপ হলো মাজুসিয়ত (অগ্নিপূজা); তার চেয়েও খারাপ হলো মূর্তিপূজা; তার চেয়েও খারাপ হলো ওহাবি মতবাদ; এবং এই সবকিছুর চেয়েও খারাপ ও দুষ্ট হলো দেওবন্দি মতবাদ... * এবং এটি চলতেই থাকে। এর প্রভাব হবে খুব স্পষ্ট: যখন আপনি তাদের কাছে কোনো সমস্যা নিয়ে যাবেন, উলেমা এক জন বিশেষজ্ঞের বদলে অন্য জনের দোহাই দিয়ে আপনার পথ সহজ করতে পারেন অথবা বাধা দিতে পারেন। একই সাথে তারা এবং তাদের সমর্থকরা জোর দিয়ে বলবেন যে আমাদের, বিশেষ করে অমুসলিমদের কখনোই এটি বিশ্বাস করা বন্ধ করা উচিত নয় যে শরিয়ত একটি স্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট বিধি, এটি ঐশ্বরিকভাবে নির্ধারিত এবং তাই এটি একটি শাশ্বত এবং অপরিবর্তনীয় বিধি! *এখন পর্যন্ত দুটি বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা: (১) একটি পরিষ্কার এবং সুনির্দিষ্ট বিধি হওয়ার বদলে শরিয়ত আসলে অস্পষ্ট; (২) এটি প্রতিটি বিষয়েই অস্পষ্ট। এর দুটি প্রায়োগিক ফলাফল রয়েছে: (১) এই অস্পষ্টতাই হলো উলেমাদের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতার অন্যতম ভিত্তি; (২) তাই উলেমা শরিয়তকে বিধিবদ্ধ করার প্রতিটি প্রচেষ্টাকে ঠিক ততটাই প্রবলভাবে বাধা দেন যেমনটা তারা সবার জন্য একটি সাধারণ আধুনিক আইনের প্রচেষ্টাকে বাধা দেন। *মাওলানা আহমদ রেজা খান যখন বলেন যে বিজ্ঞানের সামনে ইসলামের মাথা নত করা নয় বরং ইসলামের সামনে বিজ্ঞানের মাথা নত করাই ইসলামের গৌরব, তখন তিনি আসলে তার ধর্মের প্রতিই সত্যনিষ্ঠ থাকেন। বিজ্ঞানের জন্য যা প্রযোজ্য, তা ঐতিহাসিক ‘তথ্যের’ ক্ষেত্রে আরও বেশি প্রযোজ্য যেমন শত জন খলিফা ছিলেন নাকি বারো জন। * পৃথিবী স্থির। সূর্য এর চারদিকে ঘোরে। নক্ষত্রগুলো স্থির, যা আল্লাহ প্রদীপ হিসেবে ঝুলিয়ে দিয়েছেন পর্যটকদের পথ দেখানোর জন্য এবং শয়তানকে পাথর মারার জন্য। এর বাইরে কিছু বিশ্বাস করা মানে ধর্মের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা। পুরুষরাই হলো কর্তা। প্রত্যেকে একসাথে চারজন পর্যন্ত স্ত্রী এবং যত খুশি উপপত্নী রাখতে পারে। স্ত্রীরা হলো ফসলের মাঠের মতো, স্বামী চাইলে তাতে ‘জলসেচন’ করতে পারে অথবা না-ও পারে। স্বামী তার সামান্যতম ইচ্ছা পূরণের জন্যও তাদের বাধ্য করতে পারে এবং না মানলে তালাকের ভয় দেখাতে পারে। এরপরও যদি সে সন্তুষ্ট না হয়, তবে সে তাদের এক কথায় বের করে দিতে পারে। বের করে দেওয়ার পর তারা কেবল জীবনধারণের ন্যূনতম সহায়তার অধিকারী হবে কিন্তু তা কেবল তিন মাসের জন্য, এরপর আর কিছুই নয়। এতে কোনো অন্যায় দেখা বা নারীদের জন্য আরও কিছু দাবি করা মানে আল্লাহর প্রজ্ঞাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং ইসলামের ওপর আঘাত হানা। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা, নির্ধারিত পদ্ধতিতে ইস্তিনজা করতে ব্যর্থ হওয়া, কুকুরের লালা নাপাক এবং শরীর পাক এটি বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হওয়া বড় গুনাহ। একজন কাফির যত বড় সাধুপুরুষই হোক না কেন, এমনকি তার মৃত্যুর পরও তার মঙ্গল কামনা করা, অথবা একজন মুসলিম যত বড় পাপীই হোক না কেন সে যে একজন পুণ্যবান কাফিরের চেয়েও শ্রেষ্ঠ তা বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হওয়া হলো কুফর। উলেমাদের মানসিকতা এমনই। জীবনের সব ক্ষেত্রে তাদের দেওয়া রায়ে এটি ফুটে ওঠে। *দেশের এবং ব্যক্তির অগ্রগতির জন্য শিক্ষা অপরিহার্য। কিন্তু বর্তমানে যাকে শিক্ষা বলা হয় তার বিরুদ্ধে উলেমা দীর্ঘদিন কঠোর লড়াই করেছেন। তাদের কাছে আধুনিক এবং কারিগরি শিক্ষার চেয়ে ধর্মীয় শিক্ষাই অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। কেবল সেই বিষয়গুলোই পড়া উচিত এবং কেবল সেই জ্ঞানই অর্জন করা উচিত যা একজনের বিশ্বাসকে শক্তিশালী করে সহজ কথায়, কেবল সেই বিষয়গুলোই পড়তে হবে যা এটি নিশ্চিত করে যে কুরআন ও হাদিসে যা লেখা আছে এবং উলেমা শত শত বছর ধরে যা বলে আসছেন তা-ই সত্য এবং প্রজ্ঞার ও পূর্ণতার সর্বোচ্চ শিখর। নারীদের শিক্ষা, বিশেষ করে নতুন মূল্যবোধের প্রতি তাদের সচেতন হওয়া, নতুন পেশার জন্য প্রশিক্ষণ পাওয়া এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়া—এই সবকিছুই তাদের কাছে ঘৃণ্য; এটি তাদের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করা হয়, প্রকৃতপক্ষে এটিকে সমাজকে ধ্বংস করার এবং ইসলামকে দুর্বল করার পথ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। *যে প্রতিষ্ঠানের ভারতীয় ইতিহাসের পাঠ্যক্রমে কেবল মাহমুদ গজনভির আক্রমণ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত সময়কাল অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং যার ভূগোলের পাঠ্যক্রমে কেবল আরব উপদ্বীপের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, সেটি কি ভারতের জন্য বা ভারতের কোনো প্রতিষ্ঠান? * প্রত্যাশিতভাবেই, মাওলানা আহমদ রেজা খানের মতে শিয়ারা একেবারেই মুসলিম নয়। তাদের ‘মসজিদ’ কোনো মসজিদই নয়—আর মনে রাখবেন, মীর বাকী এবং তার বংশধরেরা যেহেতু মসজিদের মুতওয়াল্লি ছিলেন, তাই ‘বাবরী মসজিদ’ ছিল একটি শিয়া মসজিদ। * ‘আরে ভাই, কিন্তু আপনি হিন্দু ফতোয়া নিয়ে লিখছেন না কেন?’—এটি এমন এক বিখ্যাত বুদ্ধিজীবীর কথা যার নামের অনেক খ্যাতি রয়েছে। হিন্দুদের মধ্যে ফতোয়া বলে কিছু নেই—তবে নিশ্চিতভাবেই আমাদের বুদ্ধিজীবীরা সেটি জানেন। এ ধরনের উপদেশের উদ্দেশ্য অন্যরকম। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, একজন হিন্দুর ইসলাম নিয়ে লেখালেখি থেকে দূরে থাকা উচিত। বরং, সে যদি ইসলামি বা মুসলিম বিষয় নিয়ে কিছু লেখেও, তবে তাকে কেবল প্রশংসাগীতি গাইতে হবে—‘সহনশীলতার ধর্ম, সাম্যের ধর্ম...’—তাকে কেবল ‘ইসলামি মানস’ সম্পর্কে ‘বোঝার’ বা ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য বই লিখতে হবে। বড়জোর, যদি তাকে ইসলামের কোনো দুর্ভাগ্যজনক ত্রুটি সম্পর্কে কিছু বলতেই হয়, তবে সেটিকে কোনো বিশেষ সময় বা স্থানের ওপর চাপিয়ে দিতে হবে এবং ইসলামকে তার থেকে মুক্তি দিতে হবে! আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, তাকে এটি নিশ্চিত করতে হবে যে সে ইসলামের সেই দিকটি নিয়ে মন্তব্যের সাথে হিন্দুধর্মের কোনো কিছুর নিন্দা করে বিষয়টিকে ‘ভারসাম্যপূর্ণ’ করবে, সেটা যা-ই হোক—জাতীয় প্রথা, পণের কারণে মৃত্যু, বিদেশিদের ম্লেচ্ছ মনে করা, এমনকি অন্য কিছু না মিললে অন্তত সতীদাহ প্রথা! * তাহলে, কারা ক্ষুব্ধ হচ্ছে? ফতোয়াগুলোর উদ্ধৃতি এবং বিশ্লেষণে কারা অপমানিত বোধ করছে? তারা হলো ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা। আর এর কারণ স্পষ্ট। এই তথ্যপ্রমাণের সামনে, কুরআন ও নবীর সরাসরি এবং জোরালো নির্দেশের সামনে এবং ফতোয়াগুলোতে থাকা বারবার এবং অত্যন্ত স্পষ্ট ঘোষণার সামনে তার কাছে কোনো উত্তর নেই। এগুলোর মোকাবিলা করার মতো কোনো প্রমাণ তার কাছে নেই। কিন্তু যখন তারা যা বলে তা সরাসরি সামনে আনা হয়, তখন সে তার এই উল্টো ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ আর বজায় রাখতে পারে না। যতক্ষণ পর্যন্ত এই বিষয়গুলো উর্দুতে সীমাবদ্ধ থাকে, ততক্ষণ তা তার চেনা মহলে কোনো অসুবিধা সৃষ্টি করে না। কিন্তু যে মুহূর্তে এগুলো ইংরেজিতে প্রকাশ পায়, তখনই সে বিপদে পড়ে যায়। আর তাই সে ক্ষোভের ভান করে! এর উত্তর কী? তথ্যগুলো অনবরত তুলে ধরা। সেগুলো বিশ্লেষণ করে যাওয়া। এই বিশ্বাসে যে গালিগালাজ দিয়ে তথ্যপ্রমাণ ধামাচাপা দেওয়া যাবে না। এই বিশ্বাসে যে চিন্তাভাবনা হলো বীজের মতো, যা একদিন শিকড় গাড়বে। * বাংলাদেশে ইসলামীকরণের দিকে দ্রুত ধাবিত হওয়া, তাবলিগ জামাতের দ্রুত বিস্তার এবং হিজবুত তাহরীর ও হিজবুত তৌহিদের মতো মৌলবাদী সংগঠনগুলোর ক্রমবর্ধমান প্রসার ও প্রভাবের সাথে সাথে দেশের বিভিন্ন স্থানে শরিয়ত কমিটি গড়ে উঠেছে। ফতোয়া দেওয়ার ঘটনা আরও নিয়মিত হয়ে পড়েছে। গ্রামীণ এলাকায় স্থানীয় মোল্লারা প্রায়ই এগুলো জারি করেন এবং প্রায়শই এর শিকার হন এমন নারীরা যারা প্রকৃতপক্ষে সহিংসতা, ধর্ষণ এবং এ জাতীয় ঘটনার শিকার হয়েছিলেন.... * মুসলিম সাংবাদিকতা আর নেতৃত্বের ওপর দোষ চাপানো এক অর্থে মূল প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া। সর্বোপরি, মুসলিমরা কেন এই ধরনের সাংবাদিকতাকে গুরুত্ব দেয়, কেন তারা এই ধরনের নেতাদের অনুসরণ করে? এর উত্তর লুকিয়ে আছে সেই মনস্তত্বের মধ্যে, যা উলেমা এবং তাদের ফতোয়াগুলো তাদের মনে গেঁথে দিয়েছে। * এমনকি এটি বলাও কুফর যে, ‘শরিয়ত কী? আজ কি কেউ শরিয়ত মেনে চলে?’, ঘোষণা করে ফতোয়ায়ে রিজভিয়া। এমনকি যদি অন্যদের বিদ্রূপ করার জন্য এই কথাগুলো বলা হয়, তবে সেগুলো গুরুতর পাপ হিসেবে গণ্য হবে। এটি ঘোষণা করে যে, ‘আমরা শরিয়ত মানি না, আমরা প্রথা অনুযায়ী চলি,’ বলাও কুফর। উলেমা একটি ফতোয়া জারি করে মুসলিমদের বহু ঈশ্বরবাদীদের শোভাযাত্রায় যোগ দিতে নিষেধ করেন। একজন লোক বলে, ‘বহু ঈশ্বরবাদীদের শোভাযাত্রায় যোগ না দেওয়ার ফতোয়া জারি করা নিছক লাঠিবাজি।’ এই কথাটি উলেমাদের জানানো হয়। ফতোয়ায়ে রিজভিয়া রায় দেয় যে, এই কথাটি শরিয়তের অবমাননা এবং শরিয়তের অবমাননা হলো কুফর। সেই ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে তার নিকাহ বা বিয়ে ভেঙে যায়। ... তারা ঘোষণা করে যে, ইজমা (ঐকমত্য) বা তকলিদ (আক্ষরিক অনুসরণ) নিয়ে প্রশ্ন তোলা কুফর। ... তারা ঘোষণা করে যে, ফিকহ-এ বিশ্বাস না করা কুফর। তারা ঘোষণা করে যে, যে ফিকহ মানে না সে হলো শয়তান। * ‘যে বাবা-মায়েরা তাদের মেয়েদের কলেজে পাঠান তারা তাদের মেয়েদের শত্রু, বন্ধু নন,’ ফতোয়ায়ে রহিমিয়া এটি ঘোষণা করে বিভিন্ন সূত্রের দোহাই দিয়ে যে, প্রকৃত বন্ধু হলো সে যে পরকালের জন্য একজনকে প্রস্তুত করে, যদিও তা করতে গিয়ে পার্থিব ক্ষতি হতে পারে। এটি ঘোষণা করে যে, ‘এতে কোনো সন্দেহ নেই যে একটি কলেজ পড়ুয়া মেয়ে অত্যন্ত স্বাধীনচেতা, পর্দাহীন, অশালীন এবং নির্লজ্জ হয়ে ওঠে। ইংরেজি শিক্ষা এবং কলেজের পরিবেশের এটিই সাধারণ পরিণতি।’ আর হাদিস উদ্ধৃত করে এটি বলে যে, ‘যে মেয়ে তার লজ্জা হারায় সে সবকিছু হারায়,’ ‘লজ্জা এবং ঈমান এরা অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী; যখন তাদের কোনো একটি চলে যায়, অন্যটিও চলে যায়।’ * অবজ্ঞা এবং হিন্দু ও অন্য অবিশ্বাসীদের যে চিত্র আঁকা হয়েছে, তাদের পশুপাখি এবং পোকামাকড়ের সাথে তুলনা করা হয়েছে—মুসলিমদের ক্ষেত্রে কোনো লেখায় এমন কিছু করা হলে তা তীব্র নিন্দার ঝড় তুলত। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের কাছ থেকে যেমন, তেমনি মুসলিমদের কাছ থেকেও। ====''Worshipping False Gods'' (1997)==== *There is not one instance, not one single, solitary instance in which [[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর]] participated in any activity connected with the struggle to free the country. Quite the contrary- at every possible turn he opposed the campaigns of the national movement, at every setback to the movement he was among those cheering for failure. *Did India ever stand in need of reformers? Do you read the history of India? Who was [[Ramanuja]]? Who was [[Shankara]]? Who was [[গুরু নানক]]? Who was [[চৈতন্য মহাপ্রভু]]? Who was [[কবীর]]? Who was [[Dadu]]? Who were all these great preachers, one following the other, a galaxy of stars of the first magnitude? *In a word, denunciation, condemnation, calumnizing the gods and goddesses, pouring ridicule on our scriptures, sowing hatred in the followers is the course Ambedkar adopted. But it was not the only course available. Earlier one of the greatest of reformers of the last hundred and fifty years had adopted the exact opposite course, and thereby accomplished both— he had lifted the lives of millions, and at the same time he had transformed and raised our society. That reformer was from a caste which was not just untouchable but unapproachable— the reformer of course was Narayan Guru, who lived from 1854 to 1928. *He did not heckle and spit at our tradition as an outsider. He never made truck with the conquerors and subjugators of India. He attained the highest states of spiritual awareness by immersing himself in the teachings of the Upanishads. He attained those states by practising the austerities and following the methods which our great seers had uncovered. As he attained these states, his entire life became a refutation of the claims of the orthodox as to their superiority, his beatific state became a refutation of the assertions of the orthodox that the esoteric lore was closed to the lower castes. And as he had attained those states, he received universal homage. *The legacy of [[নারায়ণ গুরু]] is a society elevated, in accord, the lower castes educated and full of dignity and a feeling of self-worth. The legacy of Ambedkar is a bunch screaming at everyone, a bunch always demanding and denouncing, a bunch mired in self-pity and hatred, a society at war with itself. The legacy of Narayan Guru is a country rejuvenated. The legacy of Ambedkar is a country with a deepened sense of shame in its entire past. And thereby further disabled. ====''Freedom of expression – Secular Theocracy Versus Liberal Democracy'' (1998) ==== *"Secularists" are unnerved by the reaction [[L. K. Advani|Advani]]'s rath has evoked among Hindus. But it is not the rath which evoked it. The "victories" in having [[w:Shah Bano|Shah Bano]] reversed, in having [[সালমান রুশদি]] banned - "victories" which were loudly applauded by the "secularists"; the success in convincing political parties - which maps and lists - that Muslims would decide their fate in hundreds of constituencies; to say nothing of the "victories" of the violence in Punjab and [[কাশ্মীর]] - the reaction is the cumulative result of these distortions in our polity. ** Fomenting Reaction by Arun Shourie, also in Goel, S.R. (ed.) : Freedom of Expression - Secular Theocracy Versus Liberal Democracy [http://web.archive.org/web/20140826192129/http://www.bharatvani.org/books/foe/ch10.htm] ====''Eminent Historians: Their Technology, Their Line, Their Fraud'' (1998) ==== *In June–July 1998, progressives kicked up quite a racket. The government has packed the Indian Council of Historical Research with pro–Ram Mandir historians, they shouted. It has surreptitiously altered the aims and objectives of the Council, they shouted. As is their wont, they had sparked the commotion by giving wind to a concoction. As is their wont too, they were charging others with planning to do in some undefined future what they had themselves been actually doing for decades – that is, write history to a purpose. *The most extensive deletions are ordered in regard to the chapter on ‘Aurangzeb’s policy on religion’. Every allusion to what he actually did to the Hindus, to their temples, to the very leitmotif of his rule – to spread the sway of Islam – are directed to be excised from the book. He is to be presented as one who had an aversion – an ordinary sort of aversion, almost a secular one – to music and dancing, to the presence of prostitutes in the court, and that it is these things he banished... In a word, no forcible conversions, no massacres, no destruction of temples. Just that Hinduism had created an exploitative, casteist society. Islam was egalitarian. Hence the oppressed Hindus embraced Islam!<br/> Muslim historians of those times are in raptures at the heap of kafirs who have been dispatched to hell. Muslim historians are forever lavishing praise on the ruler for the temples he has destroyed, for the hundreds of thousands he has got to see the light of Islam. Law books like The Hedaya prescribe exactly the options to which these little textbooks alluded. '''All whitewashed away.'''<br/>'''Objective whitewash for objective history. And today if anyone seeks to restore truth to these textbooks, the shout, ‘Communal rewriting of history’.''' *The real crime of these eminences does not lie in the loss they have inflicted in terms of money. It lies in the condition to which they have reduced institutions. It lies in their dereliction – because of which projects that were important for our country have languished. It lies even more in the use to which they have put those institutions.<br/>They have used them to have a comfortable time, of course. They have used them to puff up each other’s reputations, of course. But the worst of it is that they have used their control of these institutions to pervert public discourse, and thereby derail public policy.<br/> They have made India out to have been an empty land, filled by successive invaders. '''They have made present-day India, and Hinduism even more so, out to be a zoo – an agglomeration of assorted, disparate specimens. No such thing as ‘India’, just a geographical expression, just a construct of the British; no such thing as Hinduism, just a word used by Arabs to describe the assortment they encountered, just an invention of the communalists to impose a uniformity – that has been their stance. For this they have blackened the Hindu period of our history, and, as we shall see, strained to whitewash the Islamic period.''' They have denounced ancient India’s social system as the epitomy of oppression, and made totalitarian ideologies out to be egalitarian and just.<br/>They have belittled our ancient culture and exaggerated syncretistic elements which survived and made them out to have been an entire ‘culture’, the ‘composite culture’ as they call it. Which culture isn’t? And all the while they have taken care to hide the central facts about these common elements in the life of our people: that they had survived in spite of the most strenuous efforts spread over a thousand years of Islamic rulers and the ulema to erase them, that they had survived in spite of the sustained efforts during the last one hundred and fifty years of the missionaries and British rulers to make us forget and shed these elements, that the elements had survived their efforts to instead inflame each section to see its ‘identity’ and essence in factors which, if internalized, would set it apart. Most of all, these intellectuals and the like have completely diverted public view from the activities in our own day of organizations like the Tabhligi jamaat and the Church which are exerting every nerve, and deploying uncounted resources to get their adherents to discard every practice and belief which they share with their Hindu neighbours.<br/> These intellectuals and their patrons have worked a diabolic inversion: the inclusive religion, the pluralist spiritual search of our people and land, they have projected as intolerant, narrow-minded, obscurantist; and the exclusivist, totalitarian, revelatory religions and ideologies – Islam, Christianity, Marxism-Leninism – they have made out to be the epitomes of tolerance, open-mindedness, democracy, secularism! *And another thing: if an RSS publication publishes even an interview with me, that is further proof of my being communal; but so tough are the hymen of these progressives that, even when they contribute signed articles to publications of the Communist Party, their virginity remains intact! *As we have seen, the explicit part of the circular issued by the West Bengal government in 1989 in effect was that there must be no negative reference to Islamic rule in India. Although these were the very things which contemporary Islamic writers had celebrated, there must be no reference to the destruction of the temples by Muslim rulers, to the forcible conversion of Hindus, to the numerous other disabilities which were placed on the Hindu population. Along with the circular, the passages which had to be removed were listed and substitute passages were specified. The passages which were ordered to be deleted contained, if anything, a gross understatement of the facts. On the other hand, passages which were sought to be inserted contained total falsehoods: that by paying jizyah Hindus could lead ‘normal lives’ under an Islamic ruler like Alauddin Khalji! A closer study of the textbooks which are today being used under the authority of the West Bengal government shows a much more comprehensive, a much deeper design than that of merely erasing the cruelties of Islamic rule. *The position of these ‘academics’ in Bengal has, of course, been helped by the fact that the CPI(M) has been in power there for so long. But their sway has not been confined to the teaching and ‘research’ institutions of that state. It is no surprise, therefore, to see the same ‘line’ being poured down the throats of students at the national level. And so strong is the tug of intellectual fashion, so lethal can the controlling mafia be to the career of an academic that often, even though the academic may not quite subscribe to their propositions and ‘theses’, he will end up reciting those propositions. Else his manuscript will not be accepted as a textbook by the NCERT, for instance, it will not be reviewed…. *Notice the sleight of hand. The repair of temples is allowed! Temples can be constructed in villages! Temples can be constructed ‘within the privacy of homes’! Thus ‘liberal policy’ is the norm which is departed from only in times of war! And the ones who are fought and destroyed at such times are in any case ‘the enemies of Islam’! In times of peace, which are the times that prevailed normally, the norm prevails – that is, ‘the Hindus practice their religion openly and ostentatiously!’ Each of these assertions is a blatant falsehood. But these historians, having, through their control of institutions, set the standards of intellectual correctness, the one who questions the falsehoods, even though he does so by citing the writings of the best known Islamic historians of those very times, he is the one who is in the wrong. *Once they had occupied academic bodies, once they had captured universities and thereby determined what will be taught, which books will be prescribed, what questions would be asked, what answers will be acceptable, these historians came to decide what history had actually been! As it suits their current convenience and politics to make out that Hinduism also has been intolerant, they will glide over what Ambedkar says about the catastrophic effect that Islamic invasions had on Buddhism, they will completely suppress what he said of the nature of these invasions and of Muslim rule in his Thoughts on Pakistan,3 but insist on reproducing his denunciations of ‘Brahmanism’, and his view that the Buddhist India established by the Mauryas was systematically invaded and finished by Brahmin rulers.<br/>Thus, they suppress facts, they concoct others, they suppress what an author has said on one matter even as they insist that what he has said on another be taken as gospel truth. And when anyone attempts to point out what had in fact happened, they rise in chorus: a conspiracy to rewrite history, they shout, a plot to distort history, they scream. '''But they are the ones who have been distorting it in the first place – by suppressing the truth, by planting falsehoods.''' *And look at the finesse of these historians. They maintain that such facts and narratives must be swept under the carpet in the interest of national integration: recalling them will offend Muslims, they say, doing so will sow rancour against Muslims in the minds of Hindus, they say. Simultaneously, they insist on concocting the myth of Hindus destroying Buddhist temples. Will that concoction not distance Buddhists from Hindus? Will that narrative, specially when it does not have the slightest basis in fact, not embitter Hindus? *In regard to matter after critical matter – the Aryan-Dravidian divide, the nature of Islamic invasions, the nature of Islamic rule, the character of the freedom struggle – we find this trait – suppresso veri, suggesto falsi. This is the real scandal of history writing in the last thirty years. And it has been possible for these ‘eminent historians’ to perpetrate it because they acquired control of institutions like the ICHR. To undo the falsehood, the control has to be undone. *And so on – among the highest piles of rubble in the world of the sacred temples of another religion, among the highest piles of corpses of those venerated by another religion. Yet, in the reckoning of our eminent historians a policy of ‘Broad Toleration’! A policy of toleration guided by purely secular motivations! *But here in India a simplistic recitation of the earlier phrases and categories remained enough. It is not just fidelity to the masters, therefore, which characterizes the history writing by these eminences. It is a simple-mindedness!<br/>But there is an additional factor. Whitewashing the Islamic period is not the only feature which characterizes the work of these historians. There is in addition a positive hatred for the pre-Islamic period and the traditions of the country. Over the years entries about India in Soviet encyclopedias, for instance, became more and more ductile. They began to acknowledge ever so hesitantly that the categories and periods might need to be nuanced when they were extended to countries like China and India. They began to acknowledge that at various times there had been an overlapping and coexistence of different ‘stages’. And, perhaps for diplomatic reasons alone, they became increasingly circumspect – careful to avoid denigrating our traditions.<br/>In the standard two-volume Soviet work, A History of India, for instance, we find more or less the same characterization of the different periods in Indian histories as we do in the volumes of our eminent historians. But the Soviet volumes have none of the scorn and animosity which we have encountered in the volumes of our eminent historians. *Thus, there are two points to remember. First, our friends are not just Marxists, they are also Macaulayites. Second, they are Marxists in a special sense. They are Marxists in the sense that they have thought of themselves as Marxists, in the sense that they repeatedly regurgitate a handful of Marxist phrases and assertions. But more than being Marxist historians, they have been establishment historians. Their theories and ‘theses’ have accorded not just with the ‘classics’ of Marxism-Leninism, they have accorded with the ideology of, which in terms of their theory means, the needs of Congressite rulers. *Caste is real. The working class is real. Being a Naga is real. '''But ‘India is just a geographical expression!’''' Similarly, being a Muslim of course is real – Islam must be seen and talked of as one block of granite – ... '''But Hinduism? Why, there is no such thing: it is just an aggregation, a pile of assorted beliefs and practices''' – ... '''And anyone who maintains anything to the contrary is a fascist out to insinuate a unity, indeed to impose a uniformity, where there has been none.''' That is what our progressive ideologues declaim, as we have seen. In a word, the parts alone are real. The whole is just a construct. India has never been one, these ideologues insist – disparate peoples and regions were knocked together by the Aryans, by the Mughals, by the British for purposes of empire. Anyone who wants to use that construct – India – as the benchmark for determining the sort of structure under which we should live has a secret agenda – of enforcing Hindu hegemony.<br/>This is the continuance of, in a sense the culmination of, the [[Macaulay]]-Missionary technique. The British calculated that to subjugate India and hold it, they must undermine the essence of the people: this was Hinduism, and everything which flowed from it. Hence the doggedness with which they set about to undermine the faith and regard of the people for five entities: the gods and goddesses the Hindus revered; the temples and idols in which they were enshrined; the texts they held sacred; the language in which those texts and everything sacred in that tradition was enshrined and which was even in mid-nineteenth-century the lingua franca – that is, Sanskrit; and the group whose special duty it had been over aeons to preserve that way of life – the Brahmins. The other component of the same exercise was to prop up the parts – the non-Hindus, the regional languages, the castes and groups which they calculated would be the most accessible to the missionaries and the empire – the innocent tribals, the untouchables. *The situation thus is as follows: the ones who have dominated and controlled and terrorised public discourse for half a century in India are now bereft of facts, of arguments. The evidence is available to anyone who has access to their internal ‘dialogues’ – they are talking to narrower and narrower circles; and in these ever-shrinking circles, they are just repeating the old cliches, there is not a new idea, there is not a new fact. And that is predictable, as we have seen: regurgitating those nostrums of the theory is not just necessary, it is sufficient. *‘I would like to review your book myself,’ said the editor of one of our principal newspapers about Worshipping False Gods. ‘But if I praise it, they will be after me also. I too will be called communal, high-caste and all that.’ ‘Brilliant, Arun, it was fascinating,’ said a leading commentator who had written a review that inclined to the positive. ‘But, you’ll understand, I couldn’t say all that in print. But it really is brilliant. How do you manage to put in this much work?’ The very selection of reviewers tells the same story. If there is a book by a leftist, editors will be loath to give it to a person of a different point of view: ‘They will say, I have deliberately given it to a rightist,’ the editors are liable to explain. On the other hand, if it is a book by a person they have decided is a rightist, they will be loath to give it to a reviewer who also has been branded a rightist: ‘They will denounce me for deliberately giving the book to a person who is bound to praise it,’ they will bleat. Therefore, in such cases they deliberately give the book to a person who ‘is bound to condemn it’! *Furthermore, we are instructed, when we do come across instances of temple destruction, as in the case of Aurangzeb, we have to be circumspect in inferring what has happened and why.... the early monuments – like the Quwwat-ul-Islam mosque in Delhi – had to be built in ‘great haste’, we are instructed...Proclamation of political power, alone! And what about the religion which insists that religious faith is all, that the political cannot be separated from the religious? And the name: the Quwwat-ul-Islam mosque, the Might of Islam mosque? Of course, that must be taken to be mere genuflection! And notice: ‘available materials were assembled and incorporated’, they ‘clearly came from Hindu sources’ – may be the materials were just lying about; may be the temples had crumbled on their own earlier; may be the Hindus voluntarily broke their temples and donated the materials? No? After all, there is no proof they didn’t! And so, the word ‘plundered’ is repeatedly put within quotation marks!<br/>In fact, there is more. The use of such materials – from Hindu temples – for constructing Islamic mosques is part of ‘a process of architectural definition and accommodation by local workmen essential to the further development of a South Asian architecture for Islamic use’. The primary responsibility thus becomes that of those ‘local workmen’ and their ‘accommodation’. Hence, features in the Qutb complex come to ‘demonstrate a creative response by architects and carvers to a new programme’. A mosque that has clearly used materials, including pillars, from Hindu temples, in which undeniably ‘in the fabric of the central dome, a lintel carved with Hindu deities has been turned around so that its images face into the rubble wall’ comes ‘not to fix the rule’. ‘Rather, it stands in contrast to the rapid exploration of collaborative and creative possibilities – architectural, decorative, and synthetic – found in less fortified contexts.’ Conclusions to the contrary have been ‘misevaluations’. We are making the error of ‘seeing salvaged pieces’ – what a good word that, ‘salvaged ’: the pieces were not obtained by breaking down temples; they were lying as rubble and would inevitably have disintegrated with the passage of time; instead they were ‘salvaged ’, and given the honour of becoming part of new, pious buildings – ‘seeing salvaged pieces where healthy collaborative creativity was producing new forms’. *And yet, none of this is accidental. As we have seen in the texts that we have surveyed in this book, it is all part of a line. India turns out to be a recent construct. It turns out to be neither a country nor a nation. Hinduism turns out to be an invention – surprised at the word? You won’t be a few pages hence – of the British in the late nineteenth century. Simultaneously, it has always been inherently intolerant. Pre-Islamic India was a den of iniquity, of oppression. Islamic rule liberated the oppressed. It was in this period that the Ganga-Jamuna culture, the ‘composite culture’ of India was formed, with Amir Khusro as the great exponent of it, and the Sufi savants as the founts. The sense of nationhood did not develop even in that period. It developed only in response to British rule, and because of ideas that came to us from the West. But even this – the sense of being a country, of being a nation, such as it was – remained confined to the upper crust of Indians. It is the communists who awakened the masses to awareness and spread these ideas among them.<br/>In a word, India is not real – only the parts are real. Class is real. Religion is real – not the threads in it that are common and special to our religions but the aspects of religion that divide us, and thus ensure that we are not a nation, a country, those elements are real. Caste is real. Region is real. Language is real – actually, that is wrong: the line is that languages other than Sanskrit are real; Sanskrit is dead and gone; in any case, it was not, the averments in the great scholar, Horace Wilson to the House of Commons Select Committee notwithstanding, that it was the very basis, the living basis of other languages of the country; rather, it was the preserve of the upper layer, the instrument of domination and oppression; one of the vehicles of perpetuating false consciousness among the hapless masses. *The West Bengal Board of Secondary Education had issued instructions in 1989 that ‘Muslim rule should never attract any criticism. Destruction of temples by Muslim rulers and invaders should not be mentioned.’ *Their deceitful role in Ayodhya – which in the end harmed their clients more than anyone else – was just symptomatic. For fifty years this bunch has been suppressing facts and inventing lies. How concerned they pretend to be today about that objective of the ICHR – to promote objective and rational research into events of our past! How does this concern square with the guidelines issued by their West Bengal government in 1989 which Outlook itself had quoted – ‘Muslim rule should never attract any criticism. Destruction of temples by Muslim rulers and invaders should not be mentioned?’ But incorporating their wholesale fabrications of the destruction of Buddhist viharas, about the non-existent ‘Aryan invasion’, that is mandatory – to question them is to be communal, chauvinist! The capture of institutions like the ICHR has been bad enough, but in the end it has been a device. The major crime of these ‘historians’ has been this partisanship: suppresso veri, suggesto falsi. *The press is a ready example of their efforts, and of the skills they have acquired in this field. They have taken care to steer their members and sympathizers into journalism. And within journalism, they have paid attention to even marginal niches. Consider books. A book by one of them has but to reach a paper, and suggestions of names of persons who would be specially suitable for reviewing it follow. As I mentioned, the editor who demurs, and is inclined to send the book to a person of a different hue is made to feel guilty, to feel that he is deliberately ensuring a biased, negative review. That selecting a person from their list may be ensuring a biased acclamation is talked out. The pressures of prevailing opinion are such, and editors so eager to evade avoidable trouble, that they swiftly select one of the recommended names...<br/>You have only to scan the books pages of newspapers and magazines over the past fifty years to see what a decisive effect even this simple stratagem has had. Their persons were in vital positions in the publishing houses: and so their kind of books were the ones that got published. They then reviewed, and prescribed each other’s books. On the basis of these publications and reviews they were able to get each other positions in universities and the like…. Even positions in institutions which most of us would not even suspect exist were put to intense use. How many among us would know of an agency of government which determines bulk purchases of books for government and other libraries. But they do! So that if you scan the kinds of books this organization has been ordering over the years, you will find them to be almost exclusively the shades of red and pink....<br/>So, their books are selected for publication. They review each other’s books. Reputations are thereby built. Posts are thereby garnered. A new generation of students is weaned wearing the same pair of spectacles – and that means yet another generation of persons in the media, yet another generation of civil servants, of teachers in universities…. *The example we would do well to keep in front of us is that of the Dalai Lama. He was giving a discourse on a Tibetan text about meditation. He read out a sentence, laughed and remarked, ‘Buddhist theories of creation, a disgrace! Must throw them out!’ He advises that we should keep a wastepaper basket nearby – whatever doesn’t accord with what we know now, we should cast into that basket. ‘Buddhism must face facts,’ that is what he teaches. Accordingly, he has opened Buddhist texts to minute examination. (...) That reflects confidence in one’s tradition. That is true service to the tradition. That is the way to preserve for the future ‘the pearl of great price’ in it. * But today the fashion is to ascribe the extinction of Buddhism to the persecution of Buddhists by Hindus, to the destruction of their temples by the Hindus. One point is that the Marxist historians who have been perpetrating this falsehood have not been able to produce even an iota of evidence to substantiate the concoction. In one typical instance, Romila Thapar had cited three inscriptions. The indefatigable [[Sita Ram Goel]] looked them up. Two of these turned out to have absolutely no connection with Buddhist viharas or their destruction, and the one that did deal with an object being destroyed had been held by authorities to have been a concoction; in any event, it told a story which was as different from what the historian had insinuated as day from night. *The accompanying pages contain two columns: aushuddho – impurity, or error – and shuddho. One has just to glance through the changes to see the objective the progressives are trying to achieve through their ‘objective’, ‘rational’ approach to the writing of history. *Thus, not just whitewash, hogwash too. ;About the book * The first major criticism of the ‘left-liberal’ or ‘progressive’ historians was made by Arun Shourie with special reference to the state of the ICHR in their control.” **D. K. Chakrabarti, Nationalism in the Study of Ancient Indian History (Aryan Books International, Delhi). and quoted in [https://koenraadelst.blogspot.com/2021/02/a-case-of-good-nationalism-dk.html] *“Eminent historians” is what they call one another, and what their fans call them. When they don’t have an answer to an opponent’s arguments, they pompously dismiss him as not having enough “eminence”. So when Arun Shourie wrote about some abuses in this sector, he called his book Eminent Historians. It is also a pun on an old book about prominent colonial-age personalities, Eminent Victorians. **Elst, K. [https://koenraadelst.blogspot.com/2016/05/interview-in-monthly-swarajya.html Interview, Swarajya, May 2016)] ===2000s=== ====''Harvesting our souls: Missionaries, their design, their claims'' (2000) ==== *If you had been in India in late 1998-early 1999, and the English-language "national" newspapers had been your source of information about what was going on, you would have concluded that an extensive, well coordinated pogrom was on, that maniacal Hindu groups were going round raping nuns, attacking missionaries, burning down churches. (p 7) *There indeed was a conspiracy it runs out, and a communal one at that. The whole thing was a concoction - by those whose agenda it is to paint Hindus as communalists on the rampage, and the RSS, BJP, etc., as organizations which are orchestrating a "pogrom". "Investigations, however revealed that what Sister Mary said in the FIR was not true," records Justice Wadhwa. "It was a made-up story. Investigations found that there was in fact no rape of Sister Mary... B.B. Panda, Director General of Police stated that the 'rape of the nun' case was projected and highlighted all over the world and was also projected as an attack on Christians when in fact it was not true, and the case turned out to be false." (9-10) *The contrast between the truth about the incidents and what they were made out to be should alert our newspapers and TV channels not to shoot off accounts without examining the facts. In particular, they must not go merely by the allegations of communalism-mongers.(13) *Several groups have several reasons for manufacturing calumny - from money to idelogy to the crassest kind of politics. Many of these are well-organized, some, as we shall see, have well-knit, world-wide networks. And they have honed expertise in manufacturing atrocity-stories, in broadcasting them round the globe, and in putting their manufactures to profitable use. (13) *High priority must be given to work among Hindu women, they say, "since they are the custodians of the faith"... (62) ====''Self-Deception : India's China Policies; Origins, Premises, Lessons'' (2008) ==== :Arun Shourie - Self-Deception _ India's China Policies_ Origins, Premises, Lessons-Harper Collins (2008, 2013) * The brutal—the customarily brutal—way in which the Chinese government suppressed the protests by Tibetans in Lhasa in the months preceding the 2008 Beijing Olympics once again drew attention to the enormous crime that the world has refused to see: the systematic way in which an entire people have been reduced to a minority in their own land; the cruelty with which they are being crushed; the equally systematic way in which their religion and ancient civilization are being erased. Protests by Tibetans in different cities across the world, joined as they were by large numbers of citizens of those countries, had the same effect.<br>No government anywhere in the world did what the Manmohan Singh government did in Delhi, no government reacted in as craven and as frightened a manner as our government did. The Olympic Torch was to be relayed across just about two kilometres—from Vijay Chowk to India Gate. The government stationed over twenty thousand troops, paramilitary personnel, policemen and plainclothes men in and around that short stretch. Tibetan refugees were beaten and sequestered. Government offices were closed. Roads were blocked. The Metro was shut down. Even members of Parliament were stopped from going to their homes through the square that adjoins Parliament, the Vijay Chowk.<br>Do you think that any of this was done out of love for the Olympics?<br>It was done out of fear of China. *Now, this is a favourite phrase of Panditji—‘the long-term view’—as is ‘the larger considerations’. Whenever he deploys the former, you can be sure that he is preparing the case for ceding ground. Whenever he deploys the latter, you can be sure that he is preparing the case for ceding specifically the country’s interest. *Recall, what he had told the Tibetans—that India would help diplomatically. That help now has come to mean that India will keep China in good humour even as it crushes Tibet, so that it may not crush Tibet more swiftly. *We can see the operational conclusion that flows from such reasoning. As the main advance has halted, there is nothing that we need to do. When the main advance resumes, the full picture is not clear. When it is completed, and the place is subjugated, there is nothing for us to do as, by then, the place has already been subjugated. For us to do or say anything will only enrage the occupiers, and bring even greater hardship on the poor Tibetans! *He speaks at length, that is, but scarcely touches on any of the specific matters that members had raised. *The view that he disapproves is always unbalanced; or stuck in the past; or stuck in the cold war mould; or subjective and emotional... *The Dalai Lama is in India at India’s invitation. Panditji meets him on 26 and 28 November 1956. The Dalai Lama is distraught. Panditji jots down the points of their exchange. The Dalai Lama puts the figure of Chinese troops in Tibet at 120,000, the very figure for which Panditji had come down on Apa Pant. The [[w:Subimal Dutt|foreign secretary]] inserts a paragraph in Panditji’s notings about the talks: ‘The Dalai Lama appealed to India for help. PM’s reply was that, apart from other considerations, India was not in a position to give any effective help to Tibet; nor were other countries in a position to do so. Dalai Lama should not resist land reforms.’ Instead of help, Panditji gives advice. He records the advice he gives: ‘D.L. should become the leader of the reform. Best way we can help is by maintaining friendly relations with China, otherwise China would fear our designs in Tibet.’ An excuse, and a presumptuous one—‘otherwise China would fear our designs in Tibet.’ *As the principal object of this brief book is to set out the evolution of India’s China-policy in Panditji’s own words, and to show how those assumptions and habits continue to endanger us today, I have kept annotations to the minimum. But what Panditji did and said and wrote in regard to China does deserve to be analyzed almost at the psychological and linguistic level! For his stance, his formulations, his rationalizations are rooted in habits, in mental processes. Not just his assumptions and premises persist among policy-makers, those very habits and mental processes persist. In the 1950s, they went unquestioned because of the lofty position that Panditji occupied in our lives and discourse. Today, they go equally unquestioned—though for a different reason: discourse has got so dumbed-down that no assumption or premise is examined as it should be. An illustration will bring home the consequence. Among the habits that persist, one is especially harmful as it rationalizes going-along at an almost subliminal level. This is the habit of slipping in a thought or sentence which excuses one from facing the facts. We see this in Pandit Nehru’s writings and spoken word at every turn. ... *A contributing factor certainly must have been the contempt that Mao, Chou En-lai and others felt for India and Indians. This comes through again and again in conversation after conversation of the Chinese leaders. Chou and Kissinger agree on how India is the one that is causing the troubles in East Pakistan; on what China and US should together do to halt India in the tracks; they agree about not just what is ‘the Indian tradition’—deceit, blaming others—but just as much about the Indian character—marked by ingratitude.⁴ The contempt and coordination show through even more dramatically in the conversations that Kissinger later has with the permanent representative of China at the UN, Huang Hua, during which he asks Huang Hua to assure Chou En-lai that, should China take military action against India to divert it from pursuing its assault on Pakistan, the US will hold the Soviet Union at bay. Nixon, Pompidou and Kissinger are exchanging views about the state of the world. Nixon summarizes the Chinese assessments: ‘...the attitude of the Chinese towards their neighbours can be summed up in this way. The Russians they hate and fear now. The Japanese they fear later but do not hate. For the Indians they feel contempt but they are there and backed by the U.S.S.R.’ ===2010s=== *I don't see the difference between the two. I feel they (the BJP and the Congress) are one party. They are jointly ruling. It is a dinner party. They meet at dinners. They meet socially. They decide on what has to be done about issues. <br>First, the media should write about itself. It is extremely short-sighted about the media to black out these things. The Mitrokhin Archives revealed how (the then Soviet intelligence agency) the KGB boasted that they were able to plant 400 stories in such and such Indian newspapers. The Indian media blacked it out. Then, privatetreaties of The Times of India that other people have now adopted has been completely blacked out.... When the Press Council of India was forced to appoint a committee to look into the allegations about 'paid news', the Press Council itself suppressed the report. **[https://www.rediff.com/news/report/interview-arun-shourie-on-the-real-meaning-of-the-radia-tapes1/20101201.htm Interview] 2010 ====''Falling Over Backwards'' (2012) ==== *The first derailment was caused by plucking the words ‘of their choice’ out of context, by tearing them away from the object for which Articles 29 and 30 gave minorities the right to set up and administer institutions. A normal engineering college or a college of dentistry can by no stretch be taken to be an institution that has been set up to help conserve the language, script or culture of the minority. Yet, provided the engineering or dentistry college has been set up by members of a minority, it was presumed to enjoy the protection of Articles 29 and 30, and thereby be beyond the reach of the state. *The result has been as predictable as it is iniquitous and absurd: if Ram Sharan sets up an engineering college, the state as well as the university concerned can prescribe all sorts of things it must do; if Mohammed Aslam sets up an exact clone of that engineering college across the road, teaching exactly the same subjects, using exactly the same textbooks, neither the state nor the university can regulate its functioning! *On the other hand, when sticking to the text is what will advance the judgment, they become strict constructionists. Some of the most conspicuous instances of this can be found in judgments relating to Article 30, the article that deals with the ‘right of minorities to establish and administer educational institutions’. The country had been partitioned on the cry that Muslims will never be secure in a united India. The framers were naturally keen to reassure the minorities that they would be free to preserve their religion, language and culture. Accordingly, Article 29 was enacted guaranteeing them and assuring them of this freedom. In case they wanted to set up institutions for safeguarding their language, culture, religion, Article 30 was enacted assuring them that ‘All minorities, whether based on religion or language, shall have the right to establish and administer educational institutions of their choice.’ The context made the purpose clear: minorities would have the freedom to set up such institutions as they thought would best preserve their culture, religion, language. But, given what has been the climate of discourse since the framing of the Constitution, the judges became literalists. Minorities would have the right to set up and manage ‘educational institutions of their choice’ irrespective of the purpose for which the institution was set up. Thus, engineering colleges and dental colleges set up by a family of, say, Muslims would have freedoms from state regulation and oversight that engineering and dental colleges set up by run-of-the-mill Indians would not. *Now, these are not stray phrases thrown in to light up a purple passage. They are stances, they are standpoints that indicate the direction in which that judgment will go, they are signposts which tell us where the reasoning being advanced in the text will eventually end. Such formulations have a significance beyond the particular judgment in which they figure. Succeeding benches can strike the same pose and gallop further in the same direction. *We comfort ourselves: at least, the virus of reservations has not got into judicial appointments; at least, reservations have not been extended to Muslims and Christians. Both notions are just make-believe. *As for reservations not having been extended to members of religions that repudiate caste – Islam, Christianity, Sikhism – again, that is but make-believe. The chairman of the Minorities Commission, my friend Tarlochan Singh, sends me a list of fifty-eight castes and of fourteen tribal groups, Muslim members of which have been given reservations. Even those who convert to one of these religions, continue to remain entitled to reservation. The rule in Tamil Nadu is that if the name of the father falls in the lists of Backward Castes/Most Backward Castes/Scheduled Castes/Scheduled Tribes, then, even if the person has converted to another religion, he remains entitled to reservations. In Gujarat, members of Backward Castes continue to avail of not just reservations but even of advantages under the roster system after conversion – 137 castes and sub-castes have been listed as socially and educationally backward in the state; of these, twenty-eight belong to the Muslim community. In Karnataka, ‘caste at birth’ is the norm. In UP, several Muslim castes are included in the reservation list – Lalbegi, Mazhabis, even Ansaris. The position is no different in Madhya Pradesh, in West Bengal. The Indian Express correspondent in Kolkata reports that the government of the ostentatiously secular CPI(M) strained to have reservations in government service as well as educational institutions extended to Muslims qua Muslims, and directed the state Minorities Commission to ascertain how such reservation had been decreed in Andhra Pradesh. The plan has had to be deferred for the time being, he writes, Only because the Andhra Pradesh High Court has struck down the Andhra order as unconstitutional. *Even as moves are afoot to get the Andhra judgment reversed, the government has directed the armed forces to count soldiers and officers by their religion. Nor is this move an inadvertence. It has arisen as a result of a committee that the government has appointed under a former chief justice of Delhi, Rajinder Sachar -each member of which has been carefully selected for his ‘secular’ beliefs. Each term of reference on which it is to supply information and make recommendations, as we noted at the outset, has been just as carefully selected to justify reservations and other concessions to Muslims as a religious group. *With elections looming, in January 2006, the Government of Kerala announced another ‘package’ of reservations for backward castes and for Muslims: service rules of the state shall be altered to permit direct recruitment of these sections so as to fill the 40 per cent quota that has been set aside for them; if suitable candidates are not available from these sections, the vacancies shall not be filled by merit; the state Public Service Commission shall prepare an ‘additional supplementary list’ so that the vacancies may be filled only by these sections; 20 per cent of the seats shall be reserved for these castes in graduate and postgraduate courses in government colleges; the chief minister will himself monitor the implementation of the reservation policy; there shall be a permanent commission to ensure that reservations are fully filled... *With elections upon them, the DMK and its allies announced in Tamil Nadu that, once in office, they will bring forth legislation to give reservations to Muslims and Christians. *The Jharkhand government, in turn, has announced that members of thirty-two tribes that are the most backward – literacy level among nine of them is said to be just 10 per cent – shall be directly recruited into government service; those among them who pass the graduation examination shall not have to take the qualifying examination which all others who enter government service have to take. *And beware, the progressive judges have already put out the basis for extending reservations to Muslims or Christians as Muslims and Christians. The word that the Constitution uses is ‘communities’, the word it uses is ‘classes’, Justices Jeevan Reddy, Sawant and Thommen hold in Indra Sawhney. ‘Community’ and ‘class’ are wider than ‘caste’, they say. So, entities wider than ‘caste’ can certainly be subsumed under them, they say – the only proviso being that the groups so identified be ‘backward’. Second, in spite of the teachings of Islam, Christianity and Sikhism, castes persist in these religions also, they explain in justification. As that is the reality, it would be invidious to restrict access to reservations to the backward sections of Hindus alone...3 *How far we have descended! Today progressives dress up their casteism as secularism! The benefits of reservation shall be extended to Muslims and Christians also, they proudly announce. In Andhra the decision of the government has had to be twice struck down by the courts – the government had decreed reservations for Muslims qua Muslims. Even as moves are afoot to get that judgment reversed, the Central government directed the armed forces to count soldiers and officers by their religion. Nor was the move an inadvertence. It arose as a result of a committee that the government had appointed under a former chief justice of the Delhi High Court. Each member of the committee has been carefully selected for his ‘secular’ and ‘progressive’ beliefs. Each term of reference on which the committee has been asked to supply information and make recommendations has been just as carefully selected to justify reservations and other concessions to Muslims as a religious group: *Every single item betrays the singular purpose of the whole exercise–to provide the rationale for extending reservations to Muslims. Nor is that opportunism confined to the present ruling coalition. In the run-up to the 2005 elections in Bihar, rival groups were vying with each other promising reservations for Muslims qua Muslims. *The object of the framers of the Constitution was, as ours must be, quite the opposite. It was to wipe out the cancer of caste even from Hindu society. Only with the greatest reluctance did they agree to allow reservations for the Scheduled Castes and Tribe – for they felt that doing even this much would perpetuate caste distinctions. The reservations were, therefore, to be exceptions to the general rule. ===2020s=== ====''Preparing: For Death'', 2020==== *One must reflect deeply on the nature of the adversity, and on how it may be converted into an instrument for growth. The routine Gandhiji set for himself was always so much stricter and so much more demanding than anything that a jailer would have thought of imposing on anyone. Similarly, picture Vinoba in solitary confinement in that cell, 8 feet by 9 feet in dimension: how he converts imprisonment into ashram life; how in that tiny space, in forced and complete isolation, he retains his mental discipline by meditating for two to three hours every day; how he disciplines himself physically by walking every day for eight hours inside that suffocating cell, and thereby covering ten miles—covering ten miles in a cell 8 feet by 9 feet every single day! In both cases, control remained in the hands of the prisoner, not the jailer—a very important factor in dealing with adversity. ** Arun Shourie, ''Preparing: For Death.'' Penguin Random House India Private Limited, 2020. ISBN 935305978X, 9789353059781 *The rituals—for instance, those we go through during a marriage ceremony—were devised to imbed certain values into us: the experience of centuries had led thoughtful persons to see that going through those steps, that reciting those mantras and reflecting on them would help us internalize those values, and mould our lives accordingly. But what do we do today? First, we outsource the ritual—to a pandit, say. As he goes through the motions prescribed for solemnizing a marriage, as he chants those mantras, we don’t have a clue about the meaning of the words that he is reciting, nor of the steps—‘Now pour some water on the earth, and then on . . .’ Nor do we care: ‘Panditji, puja zaraa jaldi khatam kar deejiye. Guest dinner ke liye wait kar rahen hain’—‘Panditji, please conclude the puja a bit quickly. The guests are waiting for dinner.’ ** Arun Shourie, ''Preparing: For Death.'' Penguin Random House India Private Limited, 2020. ISBN 935305978X, 9789353059781 ==Quotes about Arun Shourie== *In the end, India had to wait till 1998 for Arun Shourie’s Eminent Historians to be published. This book uncovered in detail after ghastly detail, this multi-layered assault on the national psyche that has disfigured the minds of at least three generations regarding the vital truths of their own nation. And thanks to this seminal contribution, “Eminent Historian” has fittingly become a swearword in the Indian public discourse. **S. Balakrishna, Seventy years of secularism. 2018. *Anyone who thought India had dismantled its notorious system of bureaucratic controls when it embarked on economic reform in 1991 ought to consult Arun Shourie. As cabinet minister (at various times since 1998) for privatisation, administrative reform, information technology and telecommunications, Mr Shourie's observations are close to the bone. The Hindu nationalist-led government in which Mr Shourie was the most prominent economic reformer was thrown out last May. Franz Kafka would have had difficulty dreaming up some of the examples cited in Mr Shourie's book. ... But it is what India's bureaucracy is like under normal conditions that matters and Mr Shourie does a depressingly thorough job in chronicling it. One can only hope that India's senior civil servants find the time to read this book - and have the grace to wince. **[[Edward Luce]], India's tragic comedy of civil disservice, book review in Financial Times. November 9, 2004 *Muslim leaders and Stalinist historians were raising a howl about Hindu chauvinism when it came to the notice of Arun Shourie, the Chief Editor of the Indian Express at that time, that some significant passages had been omitted from the English translation of an Urdu book written long ago by the father of Ali Mian, the famous Muslim theologian from Lucknow. He wrote an article, Hideaway Communalism, in the Indian Express of February 5, 1989 pointing out how the passages regarding destruction of Hindu temples and building of mosques on their sites at Delhi, Jaunpur, Kanauj, Etawah, Ayodhya, Varanasi and Mathura had been dropped from the English translation published by Ali Mian himself. This was a new and dramatic departure from the norm observed so far by the prestigious press. Publishing anything which said that Islam was less than sublime had been taboo for a long time. I was pleasantly surprised, and named Arun Shourie as the [[মিখাইল গর্বাচেভ]] of India. He had thrown open the windows and let in fresh breeze in a house full of the stinking garbage of stale slogans. **Goel, S.R. How I became a Hindu (1993, revised ed.) *[Arun Shourie's article 'Hideaway Communalism'] had violated a taboo placed by the mass media and the academia on any unfavourable narration of the history of Islam since the days when Mahatma Gandhi took command of the Indian National Congress and launched his first non-cooperation movement in support of the Turkish Khilafat. **Goel, S.R. Hindu Temples – What Happened to Them, Volume I (1990) Preface, 2nd edition, p. xiii. *Arun Shourie had shown great courage. But he had counted without the secularist crowd which had access to the owner of the Indian Express. He told me on the phone that there was some trouble brewing. I have never talked to him about the nature of the trouble, and do not know if my articles had anything to do with his ouster from the Indian Express next year. All I know is that he had to slow down the publication of my next two articles. **Goel, S.R. How I became a Hindu (1993, revised ed.) *Mani Shankar Aiyar totally condemns one of Arun Shourie's books, and then goes on to declare that he has decided not to read it : "Shourie gave the final touches to the manuscript of his book on Islam, a work so vicious and perverted that every English speaking Muslim I know was outraged... I decided then to show my solidarity with secularism by not reading the book." (The book he refers to, is apparently Shourie's Religion in Politics, a very sane and sober look at several Scriptures in the light of reason.) **Elst, Koenraad. Ayodhya and after: issues before Hindu society. Voice of India. 1991. *The problem of book-banning and censorship on Islam criticism is compounded by the related problem of self- censorship. Thus, when in late 1992, the famous columnist Arun Shourie wanted to publish a collection of his columns on Islamic fundamentalism, esp. the Rushdie and Ayodhya affairs (Indian Controversies), the publisher withdrew at the last moment, afraid of administrative or physical reprisals, and the printer also backed out. Earlier, Shourie had been lucky to find one paper willing to publish these columns, for most Indian newspapers strictly keep the lid on Islam criticism. Hindu society is a terrorized society. **Elst, Koenraad. Negationism in India: concealing the record of Islam. Voice of India. 1992 *Arun Shourie was sacked as Indian Express editor, apparently under government pressure, after revealing that, in October 1990, Prime Minister V.P. Singh had aborted his own compromise arrangement on Ayodhya under pressure from Imam Bukhari, prominent member of the BMAC. **Koenraad Elst. Ayodhya: the case against the temple. 2002 * Or take A Secular Agenda by Arun Shourie, PhD from Syracure NY and stunningly successful Disinvestment Minister in the AB Vajpayee Government, when India scored its highest economic growth figures. It was a very important book, and it left no stone standing of the common assumption among so-called experts that India (with its religion-based civil codes and its discriminatory laws against Hinduism) is a secular state, i.e. a state in which all citizens are equal before the law, regardless of their religion. Though the book deconstructs the bedrock on which the “experts” have built their view of modern India, they have never formulated a refutation. Instead, they just keep on repeating their own deluded assumption, as in: “The BJP threatens India’s structure as a secular state.” (Actually, the BJP does not, and India is not.) They can do so because they are secure in the knowledge that, among the audiences that matter, their camp controls the sphere of discourse. Concerning the interface between religion and modern politics, the established “academic” view is not just defective, it is an outrageous failure. **Elst, Koenraad. Hindu dharma and the culture wars. (2019). New Delhi : Rupa. *The only ray of light in this encircling gloom was Arun Shourie, the veteran journalist and the chief editor of the Indian express at that time. On February 5, 1989, he frontpaged an article, Hideaway Communalism, showing that while the Urdu version of a book by Maulana Hakim Sayid Abdul Hai of the Nadwatul-Ulama at Lucknow had admitted that seven famous mosques had been built on the sites of Hindu temples, the English translation published by the Maulana’s son, Abul Hasan Ali Nadwi (Ali Mian) had eschewed the “controversial evidence”. He also published in the Indian Express three articles written by me on the subject of Islamic iconoclasm. This was a very courageous defiance of the ban imposed by Islam and administered by Secularism, namely, that crimes committed by Islam cannot even be whispered in private, not to speak of being proclaimed in public. **Goel, S. R. (1993). Hindu temples: What happened to them. (Second Enlarged Edition) [https://web.archive.org/web/20120429114113/http://www.bharatvani.org:80/books/htemples2/] *He dismisses Arun Shourie by pigeon-holing him as ‘post-modern’. He does not know that Hinduism has its own view of Time, and that a person who serves Sanatana Dharma cannot be dated. Scholars like Arun Shourie belong neither to the past, nor to the present, nor yet to the future. They belong to a timeless span. **S.R. Goel, History of Hindu-Christian Encounters (1996) * Just then Shourie was sacked as its editor. The reason was not so much the article, but, apparently, his entire policy of including columns by Hindu communalists like Ram Swarup and Sita Ram Goel, and his own articles that debunked some of the prevalent secularism, such as Hideaway Communalism. ** Elst, Koenraad (1991). Ayodhya and after: Issues before Hindu society. *I thank particularly my friend Arun Shourie because we need people like Arun Shourie to challenge us so that we can rectify our mistakes and all together collectively move towards the creation of a new India, a new humanity. ** Fr. Augustine Kanjamala, quoted in Shourie, Arun. Arun Shourie and his Christian Critic. (1995) * It is clear that Witzel himself has a political agenda: note his resentment of the “present Indian (right wing) denouncement of the ‘eminent historians’ of Delhi” (§9) – some of these “eminent historians” actively collaborated with Witzel and Farmer in their recent media-blitz in the Indian press. The reader is invited to go carefully through Arun SHOURIE’s book “Eminent Historians” (1998), which is being referred to here, and see the kind of political scholarship to whose defense Witzel has no compunctions in rushing! **S. Talageri. Michael Witzel – An Examination of his Review of my Book (2001) *As for Shourie, Mukhia is hardly revealing a secret with his information that Shourie “does journalism for a living”. The greatest investigative journalist in India by far, he has indeed unearthed some dirty secrets of Congressite, casteist and Communist politicians. His revelations about the corrupt financial dealings between the Marxist historians and the government-sponsored academic institutions are in that same category: fearless and factual investigative journalism. Shourie has a Ph.D. degree in Economics from Syracuse University in U.S.A., which should attest to a capacity for scholarship, even if not strictly in the historical field. When he criticizes the gross distortions of history by Mukhia’s school, one could say formally that he transgresses the boundaries of his specialism, but such formalistic exclusives only hide the absence of a substantive refutation. **Elst K. Ayodhya: The Case Against the Temple, chapter 4 * When Shourie's articles first appeared, they aroused great emotions and savage attacks. He quoted from the Bible and the Quran extensively on the question of co-existence. Many were shocked.... Shourie has called his book, Religion in Politics; someday he should bring out another book, Politics in Religion....The first book discusses politics complicated by religions factors; the second would discuss religions which are essentially political... **Ram Swarup, Hinduism and monotheistic religions (2009) == External links == {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:Shourie, Arun}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতিবিদ]] [[Category:Hindu nationalists]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতান্ত্রিক বিরোধী]] [[Category:Investigative journalists]] rh8xcbpvmizha1iba5wu8j0d175daom 78877 78875 2026-04-20T10:16:35Z ARI 356 /* Worshipping False Gods (1997) */ ; অনুবাদ 78877 wikitext text/x-wiki [[File:Arun Shourie addressing the Plenary Session on "Diaspora Youth and India - Blueprint for Engagement" at the 2nd Pravasi Bharatiya Divas in 2004.jpg|thumb| আমি বেশ অবাক হয়েছিলাম এবং অরুণ শৌরিকে ভারতের গর্বাচেভ নাম দিয়েছিলাম। তিনি পচা স্লোগানের আবর্জনায় ভরা একটি ঘরে জানালাগুলো খুলে দিয়েছিলেন এবং এক ঝলক টাটকা বাতাস আসতে দিয়েছিলেন। ~ সীতারাম গোয়েল]] [[File:Animal artists at the Jardin des Plantes.jpg|thumb|তারা বর্তমান ভারত এবং বিশেষ করে [[হিন্দুধর্ম]]কে একটি চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছে—বিভিন্ন রকমের অসম প্রজাতির স্তূপ। তাদের মতে ‘[[ভারত]]’ বলে কিছু নেই, এটি কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ, কেবল [[যুক্তরাজ্য]]ের তৈরি একটি ধারণা; হিন্দুধর্ম বলে কিছু নেই, এটি কেবল আরবদের ব্যবহৃত একটি শব্দ যা তারা এখানে এসে বিভিন্ন ধরনের মানুষের দেখা পাওয়ার পর ব্যবহার করেছিল, এটি কেবল অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য সাম্প্রদায়িকদের একটি উদ্ভাবন, এটিই ছিল তাদের অবস্থান।]] [[File:Dalailama1 20121014 4639.jpg|thumb|আমাদের উচিত দালাই লামার উদাহরণটি সামনে রাখা। তিনি ধ্যানের ওপর একটি তিব্বতি গ্রন্থের ওপর বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি একটি বাক্য পড়লেন, হাসলেন এবং মন্তব্য করলেন, ‘সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বগুলো লজ্জাজনক! এগুলো ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত!’ তিনি পরামর্শ দেন যে আমাদের কাছে সবসময় একটি ঝুড়ি রাখা উচিত—যা কিছু আমাদের বর্তমান জ্ঞানের সাথে মেলে না, সেগুলো সেই ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া উচিত। ‘[[বৌদ্ধধর্ম]]কে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে,’ তিনি এটাই শেখান। সেই অনুযায়ী তিনি বৌদ্ধ গ্রন্থগুলোকে সূক্ষ্ম পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করেছেন। (...) এটি নিজের ঐতিহ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসকেই তুলে ধরে। এটিই হলো ঐতিহ্যের প্রকৃত সেবা। এতে থাকা ‘অমূল্য রত্ন’ [[ভবিষ্যৎ]]ের জন্য রক্ষা করার উপায় এটিই।]] [[File:Censorship in cinema.jpg|thumb|এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?]] [[File:Parental Advisory label.svg|thumb|এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি—যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?]] [[File:Censorship.svg|thumb|এই বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।]] [[File:Murales Rivera - Treppenhaus 9 Bücherverbrennung.jpg|thumb|আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে... তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা...<br> দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br> তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন।]] [[File:Eustache Le Sueur - The Preaching of St Paul at Ephesus - WGA12613.jpg|thumb|সবচেয়ে বড় অংশগুলো বাদ দিতে বলা হয়েছে ‘আওরঙ্গজেবের ধর্মীয় নীতি’ সংক্রান্ত অধ্যায় থেকে। তিনি হিন্দুদের সাথে প্রকৃতপক্ষে কী করেছিলেন, তাদের মন্দিরের কী করেছিলেন, তার শাসনের মূল উদ্দেশ্যইসলামের প্রভাব বিস্তার এই সংক্রান্ত প্রতিটি ইঙ্গিত বই থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে... '''সবকিছু ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।'''<br/>'''বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের জন্য বস্তুনিষ্ঠ ধামাচাপা। আর আজ যদি কেউ এই পাঠ্যবইগুলোতে সত্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে, তবে চিৎকার ওঠে, ‘ইতিহাসের সাম্প্রদায়িক পুনর্লিখন’।''']] [[File:Porträtgalerie des steiermärkischen Adels 043.jpg|thumb|একবার যখন তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিলেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিলেন, তখন তারাই ঠিক করতে শুরু করলেন কী পড়ানো হবে, কোন বইগুলো পাঠ্য হবে, কী প্রশ্ন করা হবে আর কোন উত্তরগুলো গ্রহণযোগ্য হবে। এভাবেই এই ঐতিহাসিকরা আসলে ইতিহাস কী ছিল তা নির্ধারণ করতে শুরু করলেন! ... এভাবেই তারা তথ্য গোপন করেন, কিছু তথ্য বানিয়ে বলেন, এমনকি কোনো লেখক একটি বিষয়ে কী বলেছেন তা ধামাচাপা দিয়ে অন্য বিষয়ে তার বলা কথাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রচার করেন। আর যখনই কেউ আসলে কী ঘটেছিল তা তুলে ধরার চেষ্টা করে, তখনই তারা সমস্বরে চিৎকার শুরু করেন: ইতিহাস নতুন করে লেখার ষড়যন্ত্র চলছে, তারা চিৎকার করেন; ইতিহাস বিকৃত করার চক্রান্ত হচ্ছে, তারা চিৎকার করেন। '''কিন্তু তারাই প্রথম থেকে ইতিহাস বিকৃত করে আসছেন সত্য গোপন করে এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে।''']] [[File:Censored stamp.jpg|thumb|আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?]] [[File:Soviet Communism Threatens Education - NARA - 5730072.jpg|thumb|পরিস্থিতি এখন এইরকম: ভারতের জনপরিসরে যারা গত অর্ধ শতাব্দী ধরে আধিপত্য বিস্তার করেছেন, নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং অন্যদের আতঙ্কিত করে রেখেছেন, তাদের হাতে এখন কোনো তথ্য বা যুক্তি অবশিষ্ট নেই। যে কেউ তাদের অভ্যন্তরীণ আলোচনাগুলো পর্যবেক্ষণ করলেই এর প্রমাণ পাবেন—তারা এখন ক্রমশ ছোট হয়ে আসা গণ্ডির মধ্যে কথা বলছেন এবং সেই ছোট গণ্ডিতেই পুরনো কিছু বুলি পুনরাবৃত্তি করছেন। সেখানে নতুন কোনো চিন্তাভাবনা বা নতুন কোনো তথ্য নেই। আর আমরা যেমনটা দেখেছি, এটি আগে থেকেই ধারণা করা যায়: তাত্ত্বিক বুলিগুলোর পুনরাবৃত্তি করাই তাদের জন্য কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং যথেষ্ট।]] [[File:Shri Arun Shourie, Member of Parliament presented his book titled “Falling Over Backward” to the Vice President, Shri Bhairon Singh Shekhawat, in New Delhi on June 3, 2006.jpg|thumb|এর ফলাফল প্রত্যাশিত হলেও তা অন্যায় এবং হাস্যকর: যদি রাম শরণ একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, তবে রাষ্ট্র এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় অনেক কিছু নির্ধারণ করে দিতে পারে যা তাকে করতে হবে; কিন্তু যদি মুহাম্মদ আসলাম রাস্তার ওপারে ঠিক একই রকম একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, যেখানে ঠিক একই বিষয় পড়ানো হয় এবং একই পাঠ্যবই ব্যবহার করা হয়, তবে রাষ্ট্র বা বিশ্ববিদ্যালয় কেউই এর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না!]] '''অরুণ শৌরি''' (জন্ম ২ নভেম্বর ১৯৪১) ভারতের একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক এবং রাজনীতিবিদ। == উক্তি == === ১৯৭০-এর দশক === ==== ''সিম্পটমস অফ ফ্যাসিজম'' (১৯৭৮) ==== * জরুরি অবস্থার অপরাধীদের বিষয়ে আজ আমরা যা দেখছি তা আইনের শাসন নয়, বরং তার ধ্বংস। আমরা দেখছি কীভাবে বুর্জোয়া আইনের শাসন ধ্বংস করা হচ্ছে। এই শ্রেণির লোকেরাই নিজেদের স্বার্থে এটি ধ্বংস করছে এবং বুর্জোয়া সমাজ এই অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনার মতো প্রয়োজনীয় দৃঢ়তা দেখাতে পারছে না। আজ আমাদের বিচার ব্যবস্থার দুটি বৈশিষ্ট্য সবার সামনে পরিষ্কার হয়ে গেছে। প্রথমত, অপরাধীরা যদি প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাশালীদের সাথে যুক্ত হয়, তবে এই ব্যবস্থা তাদের ধরতে পারে না। দ্বিতীয়ত, জনগণ এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে করা তাদের প্রধান অপরাধগুলোর জন্য এটি তাদের ধরতে পারে না। * এরপর আছেন আমাদের লক্ষ্যহীন বামপন্থীরা, যারা একে অপরকে গালিগালাজ করতে ব্যস্ত। আর সবশেষে আছেন উদারপন্থীরা, যারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজাতে ব্যস্ত, বরং তারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজানো নিয়ে সেমিনার করতে ব্যস্ত। * আসন্ন ফ্যাসিবাদের প্রবল আঘাত থেকে আমাদের বাঁচাতে এই লোকগুলোর ওপর ভরসা করা মানে হলো একটি মাইনফিল্ড পার হওয়ার জন্য বুড়ো মহিষের ওপর নির্ভর করা। === ১৯৮০-র দশক === ==== ''রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স'' (১৯৮৯) ==== * এভাবে নীরবতা সংস্কারের গতি কমিয়ে দেয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি বহু সংখ্যক মানুষ এই নেতাদের সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে লেখালিখি এবং আলোচনা করতেন, তবে এই সম্প্রদায়ের ভেতরে থাকা সংস্কারকরা আজকের মতো এতটা বিচ্ছিন্ন এবং কোণঠাসা হতেন না। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, পুরো সত্য না বলাটা একটা অভ্যাসে পরিণত হয়। নিজের বিশ্বাস লুকিয়ে রাখা, তথ্যপ্রমাণ এড়িয়ে যাওয়া এবং প্রতারণা করা যেন আমাদের জনপরিসরের আলোচনার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। * তবুও আমি এই সংখ্যাগরিষ্ঠ রায়ে এক মারাত্মক সারল্য খুঁজে পাই... এই রায়ে ঋগ্বেদ, যজুর্বেদ এবং অথর্ববেদ থেকে সেই ঘোষণাগুলো উদ্ধৃত করা হয়েছে, যেখানে সব মানুষ এক, সবাই একই ধরিত্রীর সন্তান এবং আমাদের সবার বন্ধু হওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সেখানে এটি উল্লেখ করা হয়নি যে, আদালতের ভবন থেকে এক মাইলেরও কম দূরত্বে ফতোয়ার অসংখ্য বই বিক্রি এবং বিতরণ করা হচ্ছে, যেখানে মুসলিমদের উৎসাহিত করা হচ্ছে যেন তারা কখনোই কাফিরদের বিশ্বাস না করে এবং তাদের ওপর ভরসা না রাখে; সেখানে তাদের বলা হচ্ছে যে, তাদের প্রথম কাজ এবং আনুগত্য হবে তাদের ধর্মের প্রতি, কোনো সাধারণ আইনের প্রতি নয়... ঈশ্বর আর আল্লাহ যে এক, এটা [[মহাত্মা গান্ধী]]কে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। মন্দির আর মসজিদ, পুরাণ আর কুরআন যে এক, এটা [[গুরু গোবিন্দ সিং]]কে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। যাদের এটা বোঝানো প্রয়োজন, যেমন উলেমা বা শাহী ইমাম—তারা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন যে এগুলো এক নয়। ** অরুণ শৌরি: ইন্ডিয়া., এবং দাশগুপ্ত, এস. (১৯৯৫)। দি অযোধ্যা রেফারেন্স: দি সুপ্রিম কোর্ট জাজমেন্ট অ্যান্ড কমেন্টারিস। পৃষ্ঠা ১৭১-৩ * "বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টিই ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।" ** রাম স্বরূপের আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইসলাম থ্রু হাদিস বইটি নিষিদ্ধ করার বিষয়ে। কোয়েনরাড এলস্টর অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি, ১৯৯১, অধ্যায় ১২। * তারা ভয় দেখানোর ওপর নির্ভর করে। ঠিক এই ধরনের কৌশলেই জনাব স্বরূপের আগের একটি বই আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইসলাম থ্রু হাদিস বাজার থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল... ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর, একই ধরনের হুমকির মুখে দিল্লি প্রশাসন ঘোষণা করে যে, আগে তারা দুইবার যা বলেছিল তার উল্টো করে বইটি কেবল আপত্তিকরই নয়, বরং এটি ইচ্ছাকৃতভাবে এবং বিদ্বেষমূলকভাবে লেখা হয়েছে!....<br/>আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই শাহাবুদ্দিনদের মতো জায়গা থেকে মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে, তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা....<br/>দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br/>তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন। ** অরুণ শৌরি: "হাউ শুড উই রেসপন্ড?", সীতারাম গোয়েল সম্পাদিত ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসি (১৯৯৮) বইতেও রয়েছে। * পঞ্চাশ বছর ধরে এই দলটি তথ্য গোপন করছে এবং মিথ্যা উদ্ভাবন করছে। আইসিএইচআর-এর সেই উদ্দেশ্য—আমাদের অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ এবং যৌক্তিক গবেষণার প্রসার ঘটানো সেটি নিয়ে তারা কতই না চিন্তিত! তাদের এই চিন্তাভাবনা কীভাবে ১৯৮৯ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া নির্দেশিকার সাথে মেলে... যেখানে বলা হয়েছিল, "মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না"? অথচ বৌদ্ধ বিহার ধ্বংস নিয়ে তাদের পাইকারি মিথ্যাচার এবং অস্তিত্বহীন "আর্য আক্রমণ" নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা মানেই হলো সাম্প্রদায়িক বা উগ্র জাতীয়তাবাদী হওয়া! এই "ঐতিহাসিকদের" প্রধান অপরাধ হলো এটিই। কিন্তু এরা কেবল একপাক্ষিক "ঐতিহাসিক" নন। তারা চরম পর্যায়ের স্বজনপ্রীতি করেন... তারা এমন লোক যারা সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে একে অপরকে অনেকভাবে সাহায্য করেছেন... এই "ঐতিহাসিকরা" কেবল পক্ষপাতদুষ্ট বা স্বজনপ্রীতিই করেন না, বরং তারা একে অপরকে সাহায্য করার জন্য রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ব্যবহার করেছেন... এর ফলে, এই লোকগুলোর বই এবং প্রচারপত্র সব আঞ্চলিক ভাষায় পাওয়া যায়, কিন্তু লোকমান্য তিলকের কাজগুলো মারাঠি ছাড়া অন্য ভাষায় পাওয়াই যায় না! ** ফেব্রিক্যাশনস অন দ্য ওয়ে টু দ্য ফিউনারেল। প্রকাশনা: ইন্ডিয়া কানেক্ট। লেখক: অরুণ শৌরি। তারিখ: ২৬ জুন, ১৯৯৮। [http://voiceofdharma.org/indology/eminenthistorians1.html] [https://www.dharmadispatch.in/commentary/de-secularizing-indian-history-why-the-ugc-deserves-our-kudos] * সব তথ্যই... পঞ্চাশ বছর আগে সবার জানা ছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধের সেই প্রজন্মের বিদায়ের সাথে সাথে এবং রেকর্ডগুলো যাচাই করার অভ্যাস পুরোপুরি ত্যাগ করার ফলে, বিশেষ করে জাতিভিত্তিক রাজনীতির উত্থানে সেগুলো জনস্মৃতি থেকে মুছে ফেলা হয়েছে। আর এই মুছে ফেলার ফলাফল যা হওয়ার ছিল তাই হয়েছে: এক ধরনের মানসিক বৈকল্য। শুরুতে যারা আম্বেদকরের নামে রাজনীতি করে এবং তাদের সমর্থকরা স্বাধীনতা সংগ্রামকে খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করেছে: তারা দাবি করে যে এই স্বাধীনতা "প্রকৃত" নয়। ঠিক সেই দলটির মতোই যারা ১৯৪২ সালের সেই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্রিটিশদের সাথে হাত মিলিয়েছিল—কমিউনিস্টরা। প্রকৃতপক্ষে... আম্বেদকরের আচরণকে সঠিক প্রমাণ করতে তার অনুসারীরা দাবি করেন যে ব্রিটিশ শাসনই ভালো ছিল... কিন্তু সত্য আলমারিতে লুকিয়ে থাকে। পাছে সত্য বেরিয়ে এসে তাদের রাজনীতির সেই আদর্শকে কলঙ্কিত করে, পাছে তাদের রাজনীতি আসল রূপে ধরা পড়ে যায়—যা মূলত বঞ্চিতদের নামে স্বার্থসিদ্ধি ছাড়া আর কিছুই নয়—আম্বেদকরের এই অনুসারীরা মৌখিক সন্ত্রাসবাদ এবং সরাসরি আক্রমণের মাধ্যমে তাদের এই বিশেষ ইতিহাসের ধারা বজায় রাখতে চায়। ** অরুণ শৌরি, *ওরশিপিং ফলস গডস*, ১৯৯৭, হার্পার কলিন্স। ==== ''ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস: এসেস অন রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স'' (১৯৯৩) ==== :শৌরি, এ. (২০০৬)। ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস: এসেস অন রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স। নয়া দিল্লি: রূপা অ্যান্ড কোং। * প্রত্নতাত্ত্বিক নতুন আবিষ্কারগুলোর ওপর যে নীরবতা পালন করা হয়েছে, তা একটি বড় উদাহরণ। .... এক দশকেরও বেশি সময় আগে করা খননকার্য থেকে পাওয়া তথ্যগুলো যখন জনসমক্ষে এল এবং সেখানে আগে সত্যিই একটি মন্দির ছিল সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ রইল না, তখন স্বয়ং প্রত্নতত্ত্বকেই নিন্দা জানানো হলো। বিশ্বের অন্যতম সম্মানিত প্রত্নতাত্ত্বিক—যিনি ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের প্রাক্তন মহাপরিচালক ছিলেন এবং সেই খননকার্যের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন—তাকে কলঙ্কিত করার কাজে পত্রিকাগুলো নেমে পড়ল। ... এর শিক্ষা খুব পরিষ্কার: যদি এমন দ্বিমুখী নীতি চলতে থাকে, তবে আমাদের সম্পাদকীয় লেখকদের ভয়ভীতিপূর্ণ সতর্কবাণী হিন্দুরা এখন যতটা শুনছে, ভবিষ্যতে তার চেয়েও কম গুরুত্ব দেবে। * পরিষ্কারভাবে বলতে গেলে, আমাদের সাংবাদিকরা যাদের 'কট্টরপন্থী' বলেন, তারাই সঠিক প্রমাণিত হয়েছেন। * গত এক দশকে শিখ এবং মুসলিম সাম্প্রদায়িকরা যেভাবে রাষ্ট্রকে সফলভাবে প্রভাবিত করেছে, তাতে সংবাদপত্রের ঘটনা এবং ইস্যুগুলোর বর্ণনায় দ্বিমুখী নীতি, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে প্রতারণা একটি বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। * মধ্যযুগীয় ভারতের প্রতিটি মুসলিম ঐতিহাসিক এমন মন্দিরের তালিকা দিয়েছেন যা তার সমকালীন শাসকরা ধ্বংস করেছিলেন এবং তার বদলে সেখানে মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। (৪২৯) ==== ''হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম (ভলিউম ১)'', ১৯৯৩ ==== * একজন বিখ্যাত মুসলিম পণ্ডিত যিনি ভারতের অন্যতম বড় ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের চতুর্থ রেক্টর ছিলেন, তার লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের ইংরেজি সংস্করণে বাবরী মসজিদসহ কিছু মসজিদের তালিকা ছিল, যা মন্দিরের জায়গায় এবং ভিতের ওপর তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে মন্দিরের পাথর ও কাঠামো ব্যবহারের উল্লেখ ছিল। দেখা গেল, সেই গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! বলা হচ্ছে বইটি এখন পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে;... এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... আমি জানলাম এটি একটি দীর্ঘ বই ছিল, যা শুরু হয়েছিল ভারতের ভূগোল, গাছপালা, পশুপাখি, ভাষা, মানুষ এবং অঞ্চলগুলোর বর্ণনা দিয়ে। বইটি আরবি ভাষায় লেখা হয়েছিল আরবিভাষী মানুষের জন্য। ... একটি অদ্ভুত তথ্য আমার সামনে এল। এই ধরনের প্রকাশনা সম্পর্কে যাদের জ্ঞান থাকার কথা, তাদের অনেকেই হঠাৎ করে এই বইটির কথা মনে করতে দ্বিধা বোধ করছিলেন। আমাকে বলা হয়েছিল যে, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের মতো জায়গাগুলো থেকে বইটির কপি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এমনকি কেউ কেউ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, তিন-চার বছর আগে এই বইটির প্রতিটি কপি ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য একটি সুসংগঠিত প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। .... লেখকের মর্যাদা এবং বইটির গুরুত্ব এত বেশি হওয়া সত্ত্বেও মৌলবাদীদের কাছে এটি কেন প্রিয় নয়? এর উত্তর লুকিয়ে আছে “হিন্দুস্তান কি মাসজিদেঁ” অর্থাৎ “হিন্দুস্তানের মসজিদসমূহ” নামক অধ্যায়টিতে। ... এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি, যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন—যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?... ** রাজনৈতিক কারণে লাইব্রেরি থেকে বই সরিয়ে ফেলার বিষয়ে। অরুণ শৌরি: হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯)। উদ্ধৃত: সীতারাম গোয়েল (সম্পাদক) (১৯৯৩)। হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম। ভলিউম ১। * সেগুলোর প্রকৃত গুরুত্ব এবং আমি বলতে পারি মসজিদ-মন্দির বিতর্কের ক্ষেত্রে এগুলো সবচেয়ে ছোট এবং সাধারণ উদাহরণ মাত্র লুকিয়ে আছে সত্য এড়িয়ে চলা এবং গোপন করার মধ্যে। আমার কাছে নির্ভরযোগ্য তথ্য আছে যে, এই অংশগুলো অনেক আগে থেকেই পরিচিত এবং যারা বাবরী মসজিদ ইস্যু নিয়ে কাজ করছেন তারা এটি ভালো করেই জানেন। এটিই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়; তারা এগুলো জানতেন এবং তাদের ইচ্ছা ছিল সত্য জানার বদলে সত্যকে গোপন করে মাটিচাপা দেওয়া.... মাওলানা আবদুল হাইয়ের অনুচ্ছেদগুলোর পরিণতি এবং আমি জানি না যে উর্দু সংস্করণটিও মূল আরবি সংস্করণের একটি সুবিধাজনক কাটছাঁট করা রূপ কি না আমাদের দেখায় যে, যারা নিজেদের রাজনীতির জন্য ধর্মের আবেগ উসকে দেয় তারা কতটা স্বার্থপরভাবে কাজ করে। '''যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য—মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?''' ** রাজনৈতিক কারণে লাইব্রেরি থেকে বই সরিয়ে ফেলার বিষয়ে। অরুণ শৌরি: হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯)। উদ্ধৃত: সীতারাম গোয়েল (সম্পাদক) (১৯৯৩)। হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম। ভলিউম ১। ==== ''আ সেকুলার এজেন্ডা'', ১৯৯৩ ==== * পাঠ্যটি পড়লে পাঠক লক্ষ্য করবেন যে ভারতের জনপরিসরের আলোচনায় যেসব বুলি ব্যবহার করা হয় এবং ফলস্বরূপ অনেকে যা বিশ্বাস করে নিয়েছেন, তা তথ্যের চেয়ে কতটা আলাদা.... (১০) * একটু চিন্তা করলেই দেখা যাবে যে ভারতের বিষয়টি আমরা যে উদাহরণগুলো আলোচনা করেছি তার মতো নয়। কারণ সেই উদাহরণগুলো একদম সাম্প্রতিক সময়ের—সেই জাতিগুলো "কল্পিত" ছিল, সেই ঐতিহ্যগুলো মাত্র ১০০ বা ১৫০ বছর আগে "উদ্ভাবিত" হয়েছিল। এর বিপরীতে ভারতকে হাজার হাজার বছর ধরে এক হিসেবে দেখা হয়েছে এবং এর মানুষের জীবনযাপনের ধরনও সাধারণ। এর ইতিহাস কেবল পুরনোই নয়.... এটি একটি ধারাবাহিক ইতিহাস। (৯) * জবরদস্তি করে ভুলে যাওয়া নয়, বরং এক আপসহীন স্মৃতিই একটি জাতি গঠন করবে। * প্রতিটি বাক্যই একটি মিথ্যা। ... আপনি কি কখনো বিবিসিকে নওয়াজ শরিফকে "মৌলবাদী" বা "ধর্মান্ধ" বলতে শুনেছেন? কিন্তু আডবাণী যদি "মুসলিমদের" জায়গায় "হিন্দু" বসিয়ে একই ধরনের বক্তব্য দিতেন, তবে তারা তাকে কী বলত? ==== ''মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া'', ১৯৯৪ ==== * '''আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?''' * '''কিন্তু আমাদের জনপরিসর এবং শিক্ষা থেকে এই ধরনের তথ্যগুলো প্রায় পুরোপুরি মুছে ফেলার একটি আরও শক্তিশালী কারণ আছে। আর সেটি হলো গত ৪৫ বছর ধরে আমরা যে ধরনের “ধর্মনিরপেক্ষতা” চর্চা করেছি: এমন এক “ধর্মনিরপেক্ষতা” যেখানে দ্বিমুখী নীতিই ছিল নিয়ম, যেখানে আমাদের জাতীয় পরিচয়কে ঢেকে রাখা আবর্জনা দূর করতে পারে এমন সবকিছুই অত্যন্ত ঘৃণ্য হয়ে উঠেছে।''' * ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অফ ইন্ডিয়া (সিবিসিআই) হলো ভারতের বিভিন্ন ক্যাথলিক গির্জার কাজ সমন্বয় করার এবং অন্য ধর্মের সাথে সংলাপ করার জন্য সর্বোচ্চ সংস্থা। ... ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করতে... সিবিসিআই ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতে একটি সভার আয়োজন করেছিল.... এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশ ছিল: এটি পঞ্চাশ বছরে মাত্র দ্বিতীয়বার এবং পঁচিশ বছরে প্রথমবার ছিল যেখানে এমন একটি ব্যাপক পর্যালোচনা করা হচ্ছিল... আয়োজকরা অত্যন্ত সদয় হয়ে আমাকে ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিদের কাজের ওপর হিন্দুদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে বলেছিলেন। * আর এই ধরনের মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করেই উপজাতিদের হিন্দু সমাজ থেকে আলাদা করা হয়েছিল। অ্যানিমিজম বা প্রকৃতিপূজার যে বর্ণনাগুলো দেওয়া হয়েছিল সেগুলো পড়লেই বোঝা যায় যে, তারা আসলে বিভিন্ন ধরনের হিন্দুদের কথাই বর্ণনা করছিল। ;'''বইটি সম্পর্কে উক্তি''' * আয়োজকরা অরুণ শৌরিকে ভারতে মিশনারিদের কাজের ওপর হিন্দুদের মূল্যায়ন তুলে ধরার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। অরুণ শৌরি ৫ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে আর্চবিশপ, বিশপ এবং অন্যদের সামনে ভাষণ দেন। ... আয়োজকরা অরুণ শৌরিকে তার বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে একটি প্রবন্ধ লিখতে অনুরোধ করেন.... বিতর্ক বাড়তে থাকায়... [তারা] অরুণ শৌরির সাথে একটি প্রকাশ্য মঞ্চে মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া নিয়ে আলোচনা করার জন্য বেশ কয়েকজন প্রবীণ গির্জা কর্মকর্তাকে আমন্ত্রণ জানান। ** মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া বইটি সম্পর্কে ** শৌরি, অরুণ। অরুণ শৌরি অ্যান্ড হিজ খ্রিস্টান ক্রিটিক। (১৯৯৫) * সংলাপের তৃতীয় উদ্দেশ্য সফল করার জন্য একটি আলোচনা কেবল ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতেই সম্ভব হয়েছিল, যখন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও পণ্ডিত অরুণ শৌরিকে ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অফ ইন্ডিয়া (সিবিসিআই) ভারতে মিশনারিদের কাজের “হিন্দু মূল্যায়ন” উপস্থাপনের জন্য আমন্ত্রণ জানায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এই “সংলাপের” আয়োজকদের জন্য বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং হিতে বিপরীত হয়। এরপর থেকেই ভারতের বিশাল খ্রিস্টান প্রতিষ্ঠান অরুণ শৌরির দেওয়া আঘাত সহ্য করছে। তিনি যে শোরগোল তুলেছিলেন তা কেবল ১৯৫৩ সালে কে. এম. পানিক্করের এশিয়া অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন ডমিন্যান্স প্রকাশের পর হওয়া শোরগোলের সাথে তুলনা করা যায়। মিশনারি বিজ্ঞান খ্রিস্টান দাবিগুলোর ক্ষতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য তাদের সব যুক্তি ও কৌশল প্রয়োগ করছে...<br>সিবিসিআই তাদের প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করছিল এবং পুনের ইশভানি কেন্দ্রে একটি সেমিনারের আয়োজন করেছিল। ৫ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে অরুণ শৌরি যখন তার বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখন ভারতের প্রায় সব বড় ক্যাথলিক নেতা সেখানে উপস্থিত ছিলেন...<br>প্রবন্ধটি বিস্তারিতভাবে লেখার পর তা একটি বইয়ের আকার নেয়। অরুণ শৌরি ১৯৯৪ সালের মে মাসের শুরুতে মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া: কন্টিনিউইটিস, চেঞ্জেস, ডিলেমাস নামে এটি প্রকাশ করেন। ... ইতিমধ্যে অরুণ শৌরি এই বিষয়ে তার নিয়মিত কলামে বেশ কিছু নিবন্ধ লিখেছিলেন যা দেশের বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশিত অনেকগুলো পত্রিকায় বের হয়। এই নিবন্ধগুলো পুনের মহারাষ্ট্র হেরাল্ডে একটি প্রাণবন্ত আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। ** সীতারাম গোয়েল, হিস্ট্রি অফ হিন্দু খ্রিস্টান এনকাউন্টারস * স্বাধীনতার পর ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিদের দাপট নেহরুবাদী প্রশাসনের সমর্থনে ক্রমাগত বেড়েই চলেছিল, যেখানে মিশনারি-ম্যাকলে ধাঁচের শিক্ষায় বেড়ে ওঠা একদল আত্মবিস্মৃত হিন্দু ছিল। এই ধারায় একমাত্র ছেদ ছিল ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত কে. এম. পানিক্করের এশিয়া অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন ডমিন্যান্স, ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত মধ্যপ্রদেশ খ্রিস্টান মিশনারি অ্যাক্টিভিটিস কমিটির রিপোর্ট, ১৯৭৮ সালে লোকসভায় ওম প্রকাশ ত্যাগীর আনা ধর্মীয় স্বাধীনতার বিল, ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত অরুণ শৌরির মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া এবং ২০ ডিসেম্বর ১৯৯৬ সালে মঙ্গল প্রভাত লোধা কর্তৃক মহারাষ্ট্র বিধানসভায় আনা মহারাষ্ট্র রিলিজিয়াস ফ্রিডম বিল। ** সীতারাম গোয়েল, ভিন্ডিকেটেড বাই টাইম: দ্য নিয়োগী কমিটি রিপোর্ট (১৯৯৮) ==== ''দ্য ওয়ার্ল্ড অফ ফতোয়াস (অর দ্য শরিয়া ইন অ্যাকশন)'', ১৯৯৫ ==== * আমাদের শহরের মুসলিম এলাকার বইয়ের দোকানগুলোতে—উদাহরণস্বরূপ দিল্লির জামে মসজিদের চারপাশের দোকানগুলোতে—ফতোয়ার সংকলনগুলো তাকের পর তাক জুড়ে থাকে। পবিত্র সাহিত্যের প্রতি মানুষ যেমন যত্নশীল হয়, এগুলোও তেমনি যত্নের সাথে সাজানো থাকে। পৃষ্ঠাগুলোর বিন্যাস খুব সুন্দর। ক্যালিগ্রাফিগুলো প্রায়ই শিল্পের পর্যায়ের। ভলিউমগুলো চমৎকারভাবে বাঁধাই করা—প্রায়ই কভারের ওপর সোনালি এমবসিং থাকে। * '''এক কথায়, ফতোয়া হলো শরিয়তের প্রয়োগ।''' * এই সব কারণে যে কেউ ফতোয়ার ওপর প্রচুর গবেষণার আশা করবে। কিন্তু তাহলে আমাদের বুদ্ধিজীবীদের কথা ভুলে যেতে হবে। এটি আরও একটি প্রমাণ যে আমাদের বুদ্ধিজীবীরা আমাদের দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন; ইংরেজি বা উর্দুতে ফতোয়ার ওপর কোনো গবেষণাই প্রায় নেই। * প্রথমত, আমাদের পণ্ডিতরা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের জন্য সময় দেননি ঠিক সেই কারণে যার জন্য তারা আমাদের দেশের অস্তিত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অন্য বিষয়গুলোতেও সময় দেননি। ভারতে বুদ্ধিবৃত্তিক কাজের বেশিরভাগই হলো পশ্চিমে যা করা হচ্ছে তার পাদটীকা লেখা—অন্যদের চেয়ে মার্ক্সবাদী বুদ্ধিজীবীদের ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি সত্যি। আর যখন আমাদের বুদ্ধিজীবীরা এই পাদটীকা লিখতে ব্যস্ত থাকেন না, তারা পশ্চিমা মহলে জনপ্রিয় ফ্যাশন অনুসরণ করতে ব্যস্ত থাকেন এবং পশ্চিমে জনপ্রিয় হওয়া কোনো ধারণা বা ‘থিসিস’ ভারতীয় তথ্যের ওপর ‘প্রয়োগ’ করতে ব্যস্ত থাকেন। এক কথায়, আমাদের পাণ্ডিত্যপূর্ণ কাজগুলো অনুকরণধর্মী। তাই ভারতে ফতোয়া নিয়ে কোনো বড় গবেষণা না হওয়ার প্রথম কারণ হলো যে এগুলো এখনো পশ্চিমের নজর কাড়েনি। * “আমাদের উচিত, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের উচিত মুসলিম সমাজের অবস্থা সম্পর্কে পুরো সত্য বলা—উদাহরণস্বরূপ সেখানকার নারীদের দুর্দশা নিয়ে। এবং এর মূল উৎস—বই, আইন এবং চিন্তাধারার মধ্যে সেটি খুঁজতে দ্বিধা না করা। আমাদের উলেমা [মুসলিম ধর্মীয় নেতা] এবং কট্টরপন্থী রাজনীতিবিদদের সামাজিক কর্মকাণ্ডের দলিল তৈরি করা উচিত।... উলেমা এবং অন্যরা ধর্মীয় ইস্যুতে যা বলছেন এবং যা ফতোয়া দিচ্ছেন তা নথিবদ্ধ করা উচিত।... আমাদের, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের প্রতিটি বিষয়ে দৃঢ়ভাবে ধর্মনিরপেক্ষ অবস্থান নিতে হবে—কট্টরপন্থীদের মোকাবিলা করার এটিই একমাত্র পথ, এটিই সম্প্রদায়ের কাছে বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি পৌঁছে দেওয়ার সবচেয়ে নিশ্চিত উপায়।... ফতোয়া এবং অন্যান্য বিষয় যা একজন ব্যক্তির নাগরিক অধিকার খর্ব করে তা স্পষ্টতই আইনের অপরাধমূলক লঙ্ঘন; আমাদের উচিত সেগুলোকে সেভাবেই তুলে ধরা; এবং অন্যদের সাথে মিলে দাবি করা যে কেউ যদি ফতোয়া ব্যবহার করে অন্যের অধিকার মাড়িয়ে দিতে চায় তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। একইভাবে, আমাদের সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদরা এই প্রতিক্রিয়াশীল উপাদানগুলোকে খুশি করার জন্য এবং শেষ পর্যন্ত তাদের হাত শক্তিশালী করার জন্য যে ছাড় দেয়, তা আমাদের উন্মোচিত করতে হবে এবং ব্যর্থ করার জন্য কাজ করতে হবে।... কিন্তু উলেমা এবং তাদের নেটওয়ার্কের মোকাবিলা করাই যথেষ্ট নয়। আমরা যেমনটা দেখেছি, তারা যা প্রচার করে এবং কার্যকর করে তা কুরআন এবং হাদিসেই বলা আছে। তাই এই জাল কাটতে হলে উদারপন্থীদের এবং বিশেষ করে উদারপন্থী মুসলিমদের ইসলামের হাজার বছরের দাবিগুলো পরীক্ষা করে দেখতে হবে: এই দাবি যে কেবল একটিই সত্য আছে, তা কেবল একজন মানুষের কাছেই প্রকাশিত হয়েছে, তা কেবল একটি বইতেই আছে, সেই বইটি বোঝা খুব কঠিন, কেবল কয়েকজন নির্বাচিত মানুষই এর অন্তর্নিহিত অর্থ জানে এবং তাই তাদের কথা মেনে চলা সবার কর্তব্য। এক কথায়, মূল পাঠ্যগুলোকেই পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।” (উদ্ধৃত: বোস্টম, এ. জি. (২০১৫)। শরিয়া ভার্সেস ফ্রিডম: দ্য লেগাসি অফ ইসলামিক টোটালিটারিয়ানিজম।) * ফতোয়ার বইগুলোতে আরও একটি অদ্ভুত বিষয়ের ওপর পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা বরাদ্দ করা হয়েছে—তা হলো, কোনো বিশ্বাসী যদি পশুর সাথে যৌনমিলন করে তবে তার কী করা উচিত। ‘যে পশুর সাথে মানুষ যৌনমিলন করেছে তার হুকুম কী—পশু এবং সেই মানুষের হুকুম কী?’, প্রশ্নকারী জানতে চান এবং যথাযথ বিবেচনার পর এই বিশাল ‘ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের’ উলেমা একটি ফতোয়া জারি করেন। ফতোয়া দাবি করা অন্য বিষয়গুলোও ঠিক একইভাবে বিস্ময়কর। <br> ‘যে গর্ভবতী ছাগলের সাথে মিলন করা হয়েছে তা কি হালাল না হারাম? সেটি বাচ্চা দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না কি বাচ্চা হওয়ার আগেই মেরে ফেলে পুঁতে ফেলতে হবে?’ ‘জায়েদ একটি ছাগলের সাথে মিলন করেছে। এর আইন কী? আমরা কি এর মাংস খেতে পারি বা দুধ পান করতে পারি? আর যে মিলন করেছে তার জন্য আইন কী?’ ‘ছোট শিশু বা ছাগলের সাথে মিলন করার শাস্তি কী?’ ‘জায়েদ একটি হালাল পশু যেমন গরু বা ছাগলের সাথে মিলন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে পশুর কাছে গেল এবং তার যৌনাঙ্গ পশুর যোনিতে প্রবেশ করাল। কিন্তু কোনো বীর্যপাত হলো না। জায়েদ বা অন্য মুসলিমদের কি সেই পশুর মাংস বা দুধ হালাল মনে করা উচিত? এই অপরাধের জন্য কি জায়েদকে কাফফারা দিতে হবে?’ ‘জায়েদ একটি গরুর সাথে মিলন করেছে এবং তারপর সেটি বিক্রি করে দিয়েছে। সেই টাকা কীভাবে খরচ করতে হবে? সেটি কি সাদকা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে? আর জায়েদের শাস্তি কী?’ ‘যে ঘোড়ীর সাথে মিলন করেছে তার শাস্তি কী? সেই ঘোড়ীটির সাথে কী করা উচিত?’ এই প্রতিটি বিষয়ে একটি করে ফতোয়া আছে। <br> আর উত্তরগুলো সবসময় একরকম হয় না, অনেক সময় সুক্ষ্ম পার্থক্যের ওপর নির্ভর করে। পশুর সাথে মিলন করা বিশ্বাসীর জন্য কেবল তওবা করাই যথেষ্ট বলে মনে করেন এই পণ্ডিতরা, তবে সাধারণত পশুটিকে মেরে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। অর্থাৎ সাধারণ ক্ষেত্রে এর মাংস খাওয়া উচিত নয়। তবে একটি উদাহরণ ধরা যাক, দেওবন্দের দারুল উলুমের উলেমা রায় দিয়েছেন যে, ‘যদি (পশুর ভেতরে) বীর্যপাত না হয়, তবে এর মাংস এবং দুধ নিঃসন্দেহে হালাল।’ ‘কিন্তু যদি বীর্যপাত হয়, তবে পশুটিকে মেরে ফেলে এর মাংস পুঁতে ফেলা ভালো। কারো এটি খাওয়া উচিত নয়, যদিও এটি খাওয়া হারাম নয়।’ [...] পরিশেষে, অন্যরা যখন এই ধরনের প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করতে কিছুটা অস্বস্তি বোধ করতে পারেন এবং ‘ধর্মীয়’ বইগুলোতে এগুলোর দেখা পেয়ে অবাক হতে পারেন, উলেমাদের এই বিষয়ে আলোচনা করতে বা আইন দিতে কোনো দ্বিধা নেই। তারা এটিকে তাদের একটি কাজ বলে মনে করেন। মাওলানা মুফতি আবদুর রহিম কাদরী বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। জানা যায় যে, হযরত শায়খুল ইসলাম মাওলানা মৌলবি নামে একজন মৌলবি দুটি প্রচারপত্র প্রকাশ করে হানাফি ফকিহদের সমালোচনা করেছিলেন কারণ তারা মনে করেন যে পশুর সাথে মিলন করলে রোজা নষ্ট হয় না, এমনকি বীর্যপাত হলেও। তিনি হানাফি আইনের বড় বড় নাম—শামী এবং দুররুল মুখতার—উদ্ধৃত করে বলেছিলেন যে তারা এটিই বলেছেন। তিনি ধর্মীয় বইগুলোতে এই ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য পণ্ডিত উলেমাদের তিরস্কারও করেছিলেন। মৌলবির এই লেখাগুলো মতামতের জন্য মুফতি আবদুর রহিম কাদরীর কাছে পাঠানো হয়েছিল। মুফতির ব্যাখ্যা ফতোয়ায়ে রহিমিয়া-র দশটি মুদ্রিত পৃষ্ঠা জুড়ে আছে। প্রশ্নের মূল উত্তরটি নির্ভর করছে পশুর ভেতরে লিঙ্গ প্রবেশের সময় বীর্যপাত হয়েছে কি না তার ওপর—যদি হয় তবে রোজা বাতিল হয়ে যাবে—নাকি কেবল হাত দিয়ে পশুর যৌনাঙ্গ স্পর্শ বা চুম্বনের ফলে বীর্যপাত হয়েছে—সে ক্ষেত্রে রোজা নষ্ট হবে না। মুফতি এই পার্থক্য বোঝাতে বিভিন্ন উদ্ধৃতি দিয়েছেন এবং দাবি করেছেন যে মৌলবি হানাফি ফকিহদের রায়ের ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন। * এরপরে আসে উর্দু সংবাদমাধ্যম। এটি উলেমাদের অন্যতম শক্তিশালী সহযোগী এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের অস্ত্র হিসেবে কাজ করেছে, যেমনটা আমরা ড. জাকির হোসেন এবং মাওলানা আজাদের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানের সময় দেখেছি। ১৯৯২ সালে দিল্লির জামিয়া মিলিয়ার প্রো-ভিসি মুশিরুল হাসান এবং পাটনার খুদা বখশ লাইব্রেরির পরিচালক আবিদ রেজা বেদারের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানেও আমরা একই ভূমিকা দেখেছি। উচ্চকণ্ঠ, ব্যাপক বিকৃতি, অভিযোগের প্রতিধ্বনি তৈরি করা, চরম নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করা এবং তারপর সবকিছুকে ইসলামের ওপর আক্রমণ হিসেবে তুলে ধরা—এগুলোই এর বৈশিষ্ট্য। আর শেষ পর্যন্ত এগুলো সেই বিশ্বদর্শনকেই শক্তিশালী করতে ব্যবহৃত হয় যা উলেমা চান যে তাদের সম্প্রদায় বজায় রাখুক। *আর এরপর আছে পৃষ্ঠপোষকতার প্রভাব। সৌদি আরব, ইরান বা ইরাক অথবা অন্য ‘ইসলামি’ উৎস থেকে আসা তহবিল উলেমাদের কাছে বা তাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সংস্থাগুলোর কাছে যায়। এই তহবিল প্রায় কখনোই উদারপন্থীদের কাছে পৌঁছায় না। ভারতের অবস্থা তো আরও খারাপ। যেহেতু উলেমা সম্প্রদায়কে নিয়ন্ত্রণ করে, তাই রাষ্ট্র উলেমা এবং তাদের ভাষায় যারা কথা বলে তাদের সামনেই নতজানু হয়। রাষ্ট্র যত দুর্বল হয়েছে, উলেমা তত সহজে তাদের প্রচারাভিযান চালিয়ে যেতে পেরেছে। আর বিনিময়ে তারা সম্প্রদায়ের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও মজবুত করতে পেরেছে এটি দেখিয়ে যে রাষ্ট্র তাদের সামনে মাথা নত করে—যেমন শাহ বানোর ক্ষেত্রে হয়েছিল; যে রাষ্ট্র তাদের পথে দাঁড়ানোর সাহস পায় না: দেশের আইনি ব্যবস্থার বাইরে সমান্তরাল আদালত—শরিয়ত আদালত তৈরি করার জন্য তাদের বর্তমান অভিযানের দুঃসাহস দেখুন। *উদারপন্থী হিন্দুরা এতটাই লজ্জিত থাকে এবং তারা এই মেকি ধর্মনিরপেক্ষতাকে এতটাই নিজের করে নিয়েছে যে, তারা ধর্মগ্রন্থগুলো—তা ইসলামের হোক, হিন্দুধর্মের হোক বা আমাদের আইন ও সংবিধানের হোক সেগুলো সম্পর্কে কিছুই জানে না। তারা দ্বিমুখী নীতিকে এতটাই মেনে নিয়েছে যে ইসলামি সব বিষয়ে চুপ থাকা এবং মৌলবাদীদের সুর মেলানোকেই তারা ধর্মনিরপেক্ষতার প্রমাণ মনে করে। ইংরেজি সংবাদমাধ্যমের ‘ধর্মনিরপেক্ষরা’ এর একটি তৈরি উদাহরণ। তারা আলী মিঞাকে ‘পরিমিতিবাদী, সর্বজনশ্রদ্ধেয় মুসলিম নেতা’ হিসেবে উল্লেখ করবে তার কোনো লেখা না পড়েই। তারা বিভিন্ন মুফতি ও মৌলবিকে ‘মুসলিম ধর্মতত্ত্ববিদ’ হিসেবে উল্লেখ করবে। অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড বা অল ইন্ডিয়া মিলি কাউন্সিল যা করছে তা থেকে তারা চোখ বন্ধ করে রাখবে; কিন্তু রাষ্ট্রের কোনো সংস্থা যদি তাদের কার্যক্রম উন্মোচিত করতে কোনো পদক্ষেপ নেয় তবে তারা চিৎকার শুরু করবে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, কোনো ইস্যুতে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে উলেমাদের পক্ষ নেবে এবং জোর দিয়ে বলবে যে এই পক্ষের বিরোধিতা করা মানেই ‘সাম্প্রদায়িক’, ‘ফ্যাসিবাদী’ বা ‘প্রতিশোধপরায়ণ’ হওয়া। এই ধরনের চিৎকারের প্রভাব কেবল আলোচনার পরিবেশ বিষিয়ে দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। দুর্বল শাসকরা সেই পরিবেশে প্রভাবিত হয়। আর এভাবেই জননীতি উলেমাদের পক্ষে চলে যায়। ফলে উলেমা আরও শক্তিশালী হয়। *আমরা যখন বুদ্ধের বাণী বা রোজা সম্পর্কে গান্ধীজির কথা পড়ি, তখন তার বিষয়বস্তু থাকে নিজের ভেতর তাকানো এবং আত্মশুদ্ধি নিয়ে। কিন্তু এমনকি যখন ফতোয়াগুলো পুরোপুরি ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কাজ করে, তখনও সেগুলো কেবল সেই নিয়মগুলো নিয়ে থাকে যা একজন বিশ্বাসীকে মেনে চলতে হয়। এগুলো কুচকাওয়াজের জন্য একজন ড্রিল সার্জেন্ট ক্যাডেটদের যে নির্দেশনা দেন তার মতো। *আমাদের নেতা এবং সুপ্রিম কোর্ট যখন অনবরত বলছেন, ‘সব ধর্ম এক’; যখন তারা বেদের বাণী স্মরণ করছেন, ‘সত্য এক, ঋষিরা একে ভিন্ন নামে ডাকেন’; যখন তারা অশোকের শিলালিপি স্মরণ করছেন, ‘যে নিজের ধর্মকে শ্রদ্ধা করে এবং অন্যের ধর্মকে তুচ্ছ করে, সেটি নিজের ধর্মের প্রতি ভক্তির কারণে এবং অন্য ধর্মের ওপর একে বড় দেখানোর জন্য হোক না কেন, সে আসলে নিজের ধর্মেরই ক্ষতি করে’, উলেমা ঠিক তার উল্টো মূল্যবোধ প্রচার করেন। উলেমাদের প্রতি সুবিচার করতে হলে বলতে হয় এগুলোই প্রকৃত ইসলামি মূল্যবোধ। যেমন মাওলানা আহমদ রেজা খান সেই সব মানুষের ওপর ক্ষিপ্ত হন যারা এমন শোভাযাত্রা সমর্থন করে যেখানে গীতা ও কুরআনকে সমান সম্মানের সাথে বহন করা হয়; তিনি ঘোষণা করেন যে একজন মুসলিমের পক্ষে এটি বলাও কুফর যে, ‘হিন্দুদের বেদ অনুযায়ী চলা উচিত এবং মুসলিমদের কুরআন অনুযায়ী চলা উচিত’; তিনি বলেন, মন্দির হলো শয়তানের আস্তানা, একজন মুসলিমের সেখানে যাওয়া নিষিদ্ধ; পবিত্র কুরআনকে বেদের মতো বলা কুফর; হিন্দুদের বেদ অনুযায়ী চলতে বলা মানে মানুষকে কুফর অনুসরণ করতে বলা, আর মানুষকে কুফর অনুসরণ করতে বলা মানেই হলো কুফর... *ফতোয়াগুলো এই দ্বিমুখী নীতিকেই প্রতিফলিত করে। ধর্মান্তর এবং ধর্মত্যাগের প্রতি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি এর একটি বড় উদাহরণ। ইসলাম অন্য ধর্মের মানুষকে ধর্মান্তরিত করাকে একটি অধিকার এবং কর্তব্য বলে মনে করে। উলেমা এর ওপর জোর দেন....অন্য ব্যক্তির ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখিয়ে কোনো কাজ করা বা না করার বিষয়েও একই অবস্থান নেওয়া হয়.....এর একটি আরও বড় উদাহরণ হলো ধর্মীয় চর্চা চালিয়ে যাওয়ার অবস্থান। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়া একজন মুসলিমের অধিকার ও কর্তব্য। ...ফতোয়ায়ে রিজভিয়া ঘোষণা করে যে, কোনো অবস্থাতেই ইসলামি শাসক কাফিরদের তাদের ধর্মীয় আচার পালনের অনুমতি দিতে পারে না এবং প্রশ্ন করে: সে কি তাদের কুফর পালন করতে দেবে এবং এর মাধ্যমে নিজে কাফির হয়ে যাবে?...এতে আরও বলা হয়েছে যে এ বিষয়ে বেশ কিছু হাদিস আছে যে কোনো অমুসলিম আরব উপদ্বীপে থাকতে পারবে না...অর্থাৎ, কোনো অমুসলিমকে আরব উপদ্বীপে থাকতে দেওয়া হবে না, কিন্তু যদি ভারত থেকে একজন অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে চলে যেতে বলা হয়, তবে সেটি হবে ইসলামের ওপর আঘাত!...একইভাবে, আজও কোনো ইসলামি রাষ্ট্রে কোনো স্কুলের শিক্ষকরা অমুসলিম শিশুদের তাদের ধর্মের শিক্ষা দিতে পারেন না...কিফায়াতুল্লাহ ঘোষণা করেন যে, কুরআন শিক্ষা এবং ধর্মীয় শিক্ষার ওপর কোনো বাধা সহ্য করা যাবে না। ...অথচ ধর্মনিরপেক্ষ আলোচনায় আমরা শুনি যে ইসলামের মতো আর কোনো ধর্ম নেই যা ভেদাভেদ দূর করেছে, ইসলামের মতো আর কেউ সবাইকে সমান মর্যাদা দেয় না! *এই সবকিছুর পরেও যারা দাবি করেন, ‘শরিয়ত নারীদের অধিকার রক্ষা করেছে যেমনটা অন্য কোনো আইন করেনি,’ তারা কেবল এই আত্মবিশ্বাস থেকেই তা বলেন যে তারা ছাড়া আর কেউ শরিয়তের মূল পাঠ্যগুলো পড়েনি। *তা সত্ত্বেও আমাদের বিশ্বাস করতে হবে যে শরিয়তের মতো অন্য কোনো আইন নারীদের এত অধিকার দেয়নি এবং ইসলামের মতো অন্য কোনো ধর্ম তাদের বিষয়ে এত যত্নশীল নয়, না হলে আমাদের সাম্প্রদায়িক তকমা সইতে হবে। এই যুক্তি কেবল একগুঁয়ে অন্ধ সমর্থকদেরই বোকা বানাতে পারে। *ফতোয়ার মাধ্যমে বলবৎ হওয়া শরিয়ত কেবল তা-ই নয়। যেহেতু আমাদের সরকারগুলো অভিন্ন দেওয়ানি বিধি প্রণয়নের সাংবিধানিক নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করেনি, তাই এটিই হলো ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের আইন যা আমাদের আদালতগুলো কার্যকর করে! * বিষয়গুলো কেবল উলেমাদের নারীদের মূল্যায়নের কারণেই আগ্রহের বিষয়, কারণ এটি ফতোয়ার সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। দেওবন্দের উলেমা একটি বিষয় সমাধান করতে গিয়ে ঘোষণা করেন যে, ‘কুরআনে বলা হয়েছে স্বামীই হলো কর্তা।’ .... আর এই কাফিরদের মধ্যেও ভাগ আছে বলে মাওলানা আহমদ রেজা খান ঘোষণা করেন: এক প্রকার কঠিন কুফর হলো খ্রিস্টধর্ম; তার চেয়েও খারাপ হলো মাজুসিয়ত (অগ্নিপূজা); তার চেয়েও খারাপ হলো মূর্তিপূজা; তার চেয়েও খারাপ হলো ওহাবি মতবাদ; এবং এই সবকিছুর চেয়েও খারাপ ও দুষ্ট হলো দেওবন্দি মতবাদ... * এবং এটি চলতেই থাকে। এর প্রভাব হবে খুব স্পষ্ট: যখন আপনি তাদের কাছে কোনো সমস্যা নিয়ে যাবেন, উলেমা এক জন বিশেষজ্ঞের বদলে অন্য জনের দোহাই দিয়ে আপনার পথ সহজ করতে পারেন অথবা বাধা দিতে পারেন। একই সাথে তারা এবং তাদের সমর্থকরা জোর দিয়ে বলবেন যে আমাদের, বিশেষ করে অমুসলিমদের কখনোই এটি বিশ্বাস করা বন্ধ করা উচিত নয় যে শরিয়ত একটি স্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট বিধি, এটি ঐশ্বরিকভাবে নির্ধারিত এবং তাই এটি একটি শাশ্বত এবং অপরিবর্তনীয় বিধি! *এখন পর্যন্ত দুটি বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা: (১) একটি পরিষ্কার এবং সুনির্দিষ্ট বিধি হওয়ার বদলে শরিয়ত আসলে অস্পষ্ট; (২) এটি প্রতিটি বিষয়েই অস্পষ্ট। এর দুটি প্রায়োগিক ফলাফল রয়েছে: (১) এই অস্পষ্টতাই হলো উলেমাদের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতার অন্যতম ভিত্তি; (২) তাই উলেমা শরিয়তকে বিধিবদ্ধ করার প্রতিটি প্রচেষ্টাকে ঠিক ততটাই প্রবলভাবে বাধা দেন যেমনটা তারা সবার জন্য একটি সাধারণ আধুনিক আইনের প্রচেষ্টাকে বাধা দেন। *মাওলানা আহমদ রেজা খান যখন বলেন যে বিজ্ঞানের সামনে ইসলামের মাথা নত করা নয় বরং ইসলামের সামনে বিজ্ঞানের মাথা নত করাই ইসলামের গৌরব, তখন তিনি আসলে তার ধর্মের প্রতিই সত্যনিষ্ঠ থাকেন। বিজ্ঞানের জন্য যা প্রযোজ্য, তা ঐতিহাসিক ‘তথ্যের’ ক্ষেত্রে আরও বেশি প্রযোজ্য যেমন শত জন খলিফা ছিলেন নাকি বারো জন। * পৃথিবী স্থির। সূর্য এর চারদিকে ঘোরে। নক্ষত্রগুলো স্থির, যা আল্লাহ প্রদীপ হিসেবে ঝুলিয়ে দিয়েছেন পর্যটকদের পথ দেখানোর জন্য এবং শয়তানকে পাথর মারার জন্য। এর বাইরে কিছু বিশ্বাস করা মানে ধর্মের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা। পুরুষরাই হলো কর্তা। প্রত্যেকে একসাথে চারজন পর্যন্ত স্ত্রী এবং যত খুশি উপপত্নী রাখতে পারে। স্ত্রীরা হলো ফসলের মাঠের মতো, স্বামী চাইলে তাতে ‘জলসেচন’ করতে পারে অথবা না-ও পারে। স্বামী তার সামান্যতম ইচ্ছা পূরণের জন্যও তাদের বাধ্য করতে পারে এবং না মানলে তালাকের ভয় দেখাতে পারে। এরপরও যদি সে সন্তুষ্ট না হয়, তবে সে তাদের এক কথায় বের করে দিতে পারে। বের করে দেওয়ার পর তারা কেবল জীবনধারণের ন্যূনতম সহায়তার অধিকারী হবে কিন্তু তা কেবল তিন মাসের জন্য, এরপর আর কিছুই নয়। এতে কোনো অন্যায় দেখা বা নারীদের জন্য আরও কিছু দাবি করা মানে আল্লাহর প্রজ্ঞাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং ইসলামের ওপর আঘাত হানা। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা, নির্ধারিত পদ্ধতিতে ইস্তিনজা করতে ব্যর্থ হওয়া, কুকুরের লালা নাপাক এবং শরীর পাক এটি বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হওয়া বড় গুনাহ। একজন কাফির যত বড় সাধুপুরুষই হোক না কেন, এমনকি তার মৃত্যুর পরও তার মঙ্গল কামনা করা, অথবা একজন মুসলিম যত বড় পাপীই হোক না কেন সে যে একজন পুণ্যবান কাফিরের চেয়েও শ্রেষ্ঠ তা বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হওয়া হলো কুফর। উলেমাদের মানসিকতা এমনই। জীবনের সব ক্ষেত্রে তাদের দেওয়া রায়ে এটি ফুটে ওঠে। *দেশের এবং ব্যক্তির অগ্রগতির জন্য শিক্ষা অপরিহার্য। কিন্তু বর্তমানে যাকে শিক্ষা বলা হয় তার বিরুদ্ধে উলেমা দীর্ঘদিন কঠোর লড়াই করেছেন। তাদের কাছে আধুনিক এবং কারিগরি শিক্ষার চেয়ে ধর্মীয় শিক্ষাই অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। কেবল সেই বিষয়গুলোই পড়া উচিত এবং কেবল সেই জ্ঞানই অর্জন করা উচিত যা একজনের বিশ্বাসকে শক্তিশালী করে সহজ কথায়, কেবল সেই বিষয়গুলোই পড়তে হবে যা এটি নিশ্চিত করে যে কুরআন ও হাদিসে যা লেখা আছে এবং উলেমা শত শত বছর ধরে যা বলে আসছেন তা-ই সত্য এবং প্রজ্ঞার ও পূর্ণতার সর্বোচ্চ শিখর। নারীদের শিক্ষা, বিশেষ করে নতুন মূল্যবোধের প্রতি তাদের সচেতন হওয়া, নতুন পেশার জন্য প্রশিক্ষণ পাওয়া এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়া—এই সবকিছুই তাদের কাছে ঘৃণ্য; এটি তাদের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করা হয়, প্রকৃতপক্ষে এটিকে সমাজকে ধ্বংস করার এবং ইসলামকে দুর্বল করার পথ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। *যে প্রতিষ্ঠানের ভারতীয় ইতিহাসের পাঠ্যক্রমে কেবল মাহমুদ গজনভির আক্রমণ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত সময়কাল অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং যার ভূগোলের পাঠ্যক্রমে কেবল আরব উপদ্বীপের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, সেটি কি ভারতের জন্য বা ভারতের কোনো প্রতিষ্ঠান? * প্রত্যাশিতভাবেই, মাওলানা আহমদ রেজা খানের মতে শিয়ারা একেবারেই মুসলিম নয়। তাদের ‘মসজিদ’ কোনো মসজিদই নয়—আর মনে রাখবেন, মীর বাকী এবং তার বংশধরেরা যেহেতু মসজিদের মুতওয়াল্লি ছিলেন, তাই ‘বাবরী মসজিদ’ ছিল একটি শিয়া মসজিদ। * ‘আরে ভাই, কিন্তু আপনি হিন্দু ফতোয়া নিয়ে লিখছেন না কেন?’—এটি এমন এক বিখ্যাত বুদ্ধিজীবীর কথা যার নামের অনেক খ্যাতি রয়েছে। হিন্দুদের মধ্যে ফতোয়া বলে কিছু নেই—তবে নিশ্চিতভাবেই আমাদের বুদ্ধিজীবীরা সেটি জানেন। এ ধরনের উপদেশের উদ্দেশ্য অন্যরকম। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, একজন হিন্দুর ইসলাম নিয়ে লেখালেখি থেকে দূরে থাকা উচিত। বরং, সে যদি ইসলামি বা মুসলিম বিষয় নিয়ে কিছু লেখেও, তবে তাকে কেবল প্রশংসাগীতি গাইতে হবে—‘সহনশীলতার ধর্ম, সাম্যের ধর্ম...’—তাকে কেবল ‘ইসলামি মানস’ সম্পর্কে ‘বোঝার’ বা ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য বই লিখতে হবে। বড়জোর, যদি তাকে ইসলামের কোনো দুর্ভাগ্যজনক ত্রুটি সম্পর্কে কিছু বলতেই হয়, তবে সেটিকে কোনো বিশেষ সময় বা স্থানের ওপর চাপিয়ে দিতে হবে এবং ইসলামকে তার থেকে মুক্তি দিতে হবে! আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, তাকে এটি নিশ্চিত করতে হবে যে সে ইসলামের সেই দিকটি নিয়ে মন্তব্যের সাথে হিন্দুধর্মের কোনো কিছুর নিন্দা করে বিষয়টিকে ‘ভারসাম্যপূর্ণ’ করবে, সেটা যা-ই হোক—জাতীয় প্রথা, পণের কারণে মৃত্যু, বিদেশিদের ম্লেচ্ছ মনে করা, এমনকি অন্য কিছু না মিললে অন্তত সতীদাহ প্রথা! * তাহলে, কারা ক্ষুব্ধ হচ্ছে? ফতোয়াগুলোর উদ্ধৃতি এবং বিশ্লেষণে কারা অপমানিত বোধ করছে? তারা হলো ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা। আর এর কারণ স্পষ্ট। এই তথ্যপ্রমাণের সামনে, কুরআন ও নবীর সরাসরি এবং জোরালো নির্দেশের সামনে এবং ফতোয়াগুলোতে থাকা বারবার এবং অত্যন্ত স্পষ্ট ঘোষণার সামনে তার কাছে কোনো উত্তর নেই। এগুলোর মোকাবিলা করার মতো কোনো প্রমাণ তার কাছে নেই। কিন্তু যখন তারা যা বলে তা সরাসরি সামনে আনা হয়, তখন সে তার এই উল্টো ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ আর বজায় রাখতে পারে না। যতক্ষণ পর্যন্ত এই বিষয়গুলো উর্দুতে সীমাবদ্ধ থাকে, ততক্ষণ তা তার চেনা মহলে কোনো অসুবিধা সৃষ্টি করে না। কিন্তু যে মুহূর্তে এগুলো ইংরেজিতে প্রকাশ পায়, তখনই সে বিপদে পড়ে যায়। আর তাই সে ক্ষোভের ভান করে! এর উত্তর কী? তথ্যগুলো অনবরত তুলে ধরা। সেগুলো বিশ্লেষণ করে যাওয়া। এই বিশ্বাসে যে গালিগালাজ দিয়ে তথ্যপ্রমাণ ধামাচাপা দেওয়া যাবে না। এই বিশ্বাসে যে চিন্তাভাবনা হলো বীজের মতো, যা একদিন শিকড় গাড়বে। * বাংলাদেশে ইসলামীকরণের দিকে দ্রুত ধাবিত হওয়া, তাবলিগ জামাতের দ্রুত বিস্তার এবং হিজবুত তাহরীর ও হিজবুত তৌহিদের মতো মৌলবাদী সংগঠনগুলোর ক্রমবর্ধমান প্রসার ও প্রভাবের সাথে সাথে দেশের বিভিন্ন স্থানে শরিয়ত কমিটি গড়ে উঠেছে। ফতোয়া দেওয়ার ঘটনা আরও নিয়মিত হয়ে পড়েছে। গ্রামীণ এলাকায় স্থানীয় মোল্লারা প্রায়ই এগুলো জারি করেন এবং প্রায়শই এর শিকার হন এমন নারীরা যারা প্রকৃতপক্ষে সহিংসতা, ধর্ষণ এবং এ জাতীয় ঘটনার শিকার হয়েছিলেন.... * মুসলিম সাংবাদিকতা আর নেতৃত্বের ওপর দোষ চাপানো এক অর্থে মূল প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া। সর্বোপরি, মুসলিমরা কেন এই ধরনের সাংবাদিকতাকে গুরুত্ব দেয়, কেন তারা এই ধরনের নেতাদের অনুসরণ করে? এর উত্তর লুকিয়ে আছে সেই মনস্তত্বের মধ্যে, যা উলেমা এবং তাদের ফতোয়াগুলো তাদের মনে গেঁথে দিয়েছে। * এমনকি এটি বলাও কুফর যে, ‘শরিয়ত কী? আজ কি কেউ শরিয়ত মেনে চলে?’, ঘোষণা করে ফতোয়ায়ে রিজভিয়া। এমনকি যদি অন্যদের বিদ্রূপ করার জন্য এই কথাগুলো বলা হয়, তবে সেগুলো গুরুতর পাপ হিসেবে গণ্য হবে। এটি ঘোষণা করে যে, ‘আমরা শরিয়ত মানি না, আমরা প্রথা অনুযায়ী চলি,’ বলাও কুফর। উলেমা একটি ফতোয়া জারি করে মুসলিমদের বহু ঈশ্বরবাদীদের শোভাযাত্রায় যোগ দিতে নিষেধ করেন। একজন লোক বলে, ‘বহু ঈশ্বরবাদীদের শোভাযাত্রায় যোগ না দেওয়ার ফতোয়া জারি করা নিছক লাঠিবাজি।’ এই কথাটি উলেমাদের জানানো হয়। ফতোয়ায়ে রিজভিয়া রায় দেয় যে, এই কথাটি শরিয়তের অবমাননা এবং শরিয়তের অবমাননা হলো কুফর। সেই ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে তার নিকাহ বা বিয়ে ভেঙে যায়। ... তারা ঘোষণা করে যে, ইজমা (ঐকমত্য) বা তকলিদ (আক্ষরিক অনুসরণ) নিয়ে প্রশ্ন তোলা কুফর। ... তারা ঘোষণা করে যে, ফিকহ-এ বিশ্বাস না করা কুফর। তারা ঘোষণা করে যে, যে ফিকহ মানে না সে হলো শয়তান। * ‘যে বাবা-মায়েরা তাদের মেয়েদের কলেজে পাঠান তারা তাদের মেয়েদের শত্রু, বন্ধু নন,’ ফতোয়ায়ে রহিমিয়া এটি ঘোষণা করে বিভিন্ন সূত্রের দোহাই দিয়ে যে, প্রকৃত বন্ধু হলো সে যে পরকালের জন্য একজনকে প্রস্তুত করে, যদিও তা করতে গিয়ে পার্থিব ক্ষতি হতে পারে। এটি ঘোষণা করে যে, ‘এতে কোনো সন্দেহ নেই যে একটি কলেজ পড়ুয়া মেয়ে অত্যন্ত স্বাধীনচেতা, পর্দাহীন, অশালীন এবং নির্লজ্জ হয়ে ওঠে। ইংরেজি শিক্ষা এবং কলেজের পরিবেশের এটিই সাধারণ পরিণতি।’ আর হাদিস উদ্ধৃত করে এটি বলে যে, ‘যে মেয়ে তার লজ্জা হারায় সে সবকিছু হারায়,’ ‘লজ্জা এবং ঈমান এরা অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী; যখন তাদের কোনো একটি চলে যায়, অন্যটিও চলে যায়।’ * অবজ্ঞা এবং হিন্দু ও অন্য অবিশ্বাসীদের যে চিত্র আঁকা হয়েছে, তাদের পশুপাখি এবং পোকামাকড়ের সাথে তুলনা করা হয়েছে—মুসলিমদের ক্ষেত্রে কোনো লেখায় এমন কিছু করা হলে তা তীব্র নিন্দার ঝড় তুলত। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের কাছ থেকে যেমন, তেমনি মুসলিমদের কাছ থেকেও। ====''ওরশিপিং ফলস গডস'' (১৯৯৭)==== * একটি উদাহরণও নেই, এমনকি একটি মাত্র ঘটনাও নেই যেখানে [[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর]] দেশকে স্বাধীন করার সংগ্রামের সাথে যুক্ত কোনো কাজে অংশ নিয়েছিলেন। বরং ঠিক উল্টোটিই ঘটেছে; প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি জাতীয় আন্দোলনের বিরোধিতা করেছেন এবং যখনই এই আন্দোলন কোনো বাধার মুখে পড়েছে, তিনি তাদের মধ্যে ছিলেন যারা সেই ব্যর্থতায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন। * ভারতের কি কখনো সংস্কারকের প্রয়োজন ছিল? আপনি কি ভারতের ইতিহাস পড়েন? রামানুজ কে ছিলেন? শংকর কে ছিলেন? [[গুরু নানক]] কে ছিলেন? [[চৈতন্য মহাপ্রভু]] কে ছিলেন? [[কবীর]] কে ছিলেন? দাদু কে ছিলেন? একের পর এক আসা এই মহান ধর্মপ্রচারকরা কারা ছিলেন, যারা অত্যন্ত উজ্জ্বল সব নক্ষত্রপুঞ্জের মতো ইতিহাস আলোকিত করেছেন? * এক কথায়, দেব-দেবীর নিন্দা করা, ধিক্কার জানানো, তাদের কলঙ্কিত করা, আমাদের শাস্ত্র নিয়ে উপহাস করা এবং অনুসারীদের মধ্যে ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়া ছিল আম্বেদকরের বেছে নেওয়া পথ। কিন্তু কেবল এই একটি পথই খোলা ছিল না। এর আগে গত দেড়শ বছরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একজন সংস্কারক ঠিক এর বিপরীত পথ বেছে নিয়েছিলেন এবং এর ফলে তিনি দুটি লক্ষ্যই অর্জন করেছিলেন। তিনি যেমন লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন উন্নত করেছিলেন, তেমনি আমাদের সমাজকেও বদলে দিয়েছিলেন এবং এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেই সংস্কারক এমন এক বর্ণের ছিলেন যারা কেবল অস্পৃশ্যই ছিল না, বরং যাদের কাছে যাওয়াও নিষিদ্ধ ছিল। সেই সংস্কারক অবশ্যই ছিলেন নারায়ণ গুরু, যিনি ১৮৫৪ থেকে ১৯২৮ সাল পর্যন্ত জীবিত ছিলেন। * তিনি কোনো বহিরাগতের মতো আমাদের ঐতিহ্যকে বিদ্রূপ করেননি বা তাকে অপমান করেননি। তিনি ভারতের আক্রমণকারী বা শাসকদের সাথে কখনো হাত মেলাননি। উপনিষদের শিক্ষার মধ্যে নিজেকে নিমগ্ন করে তিনি আধ্যাত্মিক সচেতনতার সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছিলেন। আমাদের মহান ঋষিরা যেসব পদ্ধতি ও সাধনা বের করেছিলেন, সেগুলো অনুসরণ করেই তিনি সেই স্তরে পৌঁছেছিলেন। তিনি যখন এই অবস্থায় পৌঁছালেন, তার পুরো জীবনটাই গোঁড়াদের সেই শ্রেষ্ঠত্বের দাবির বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদ হয়ে উঠল। তার সেই দিব্য অবস্থা গোঁড়াদের এই দাবিকে ভুল প্রমাণ করল যে আধ্যাত্মিক জ্ঞান কেবল উচ্চবর্ণের জন্যই। আর তিনি সেই স্তরে পৌঁছেছিলেন বলেই সবাই তাকে শ্রদ্ধা জানাত। * [[নারায়ণ গুরু]]র উত্তরাধিকার হলো একটি উন্নত এবং সংহতিপূর্ণ সমাজ, যেখানে নিম্নবর্ণের মানুষরা শিক্ষিত এবং আত্মমর্যাদায় ভরপুর। আম্বেদকরের উত্তরাধিকার হলো একদল মানুষ যারা সবার ওপর চিৎকার করছে, সবসময় কেবল দাবি জানাচ্ছে ও নিন্দা করছে এবং যারা আত্মগ্লানি ও ঘৃণার মধ্যে ডুবে আছে; এটি এমন এক সমাজ যা নিজের সাথেই লড়ছে। নারায়ণ গুরুর উত্তরাধিকার হলো এক পুনর্জীবিত দেশ। আম্বেদকরের উত্তরাধিকার হলো এমন এক দেশ যা তার নিজের অতীত নিয়ে গভীর লজ্জায় আচ্ছন্ন। আর এর ফলে তা আরও বেশি অক্ষম হয়ে পড়েছে। ====''Freedom of expression – Secular Theocracy Versus Liberal Democracy'' (1998) ==== *"Secularists" are unnerved by the reaction [[L. K. Advani|Advani]]'s rath has evoked among Hindus. But it is not the rath which evoked it. The "victories" in having [[w:Shah Bano|Shah Bano]] reversed, in having [[সালমান রুশদি]] banned - "victories" which were loudly applauded by the "secularists"; the success in convincing political parties - which maps and lists - that Muslims would decide their fate in hundreds of constituencies; to say nothing of the "victories" of the violence in Punjab and [[কাশ্মীর]] - the reaction is the cumulative result of these distortions in our polity. ** Fomenting Reaction by Arun Shourie, also in Goel, S.R. (ed.) : Freedom of Expression - Secular Theocracy Versus Liberal Democracy [http://web.archive.org/web/20140826192129/http://www.bharatvani.org/books/foe/ch10.htm] ====''Eminent Historians: Their Technology, Their Line, Their Fraud'' (1998) ==== *In June–July 1998, progressives kicked up quite a racket. The government has packed the Indian Council of Historical Research with pro–Ram Mandir historians, they shouted. It has surreptitiously altered the aims and objectives of the Council, they shouted. As is their wont, they had sparked the commotion by giving wind to a concoction. As is their wont too, they were charging others with planning to do in some undefined future what they had themselves been actually doing for decades – that is, write history to a purpose. *The most extensive deletions are ordered in regard to the chapter on ‘Aurangzeb’s policy on religion’. Every allusion to what he actually did to the Hindus, to their temples, to the very leitmotif of his rule – to spread the sway of Islam – are directed to be excised from the book. He is to be presented as one who had an aversion – an ordinary sort of aversion, almost a secular one – to music and dancing, to the presence of prostitutes in the court, and that it is these things he banished... In a word, no forcible conversions, no massacres, no destruction of temples. Just that Hinduism had created an exploitative, casteist society. Islam was egalitarian. Hence the oppressed Hindus embraced Islam!<br/> Muslim historians of those times are in raptures at the heap of kafirs who have been dispatched to hell. Muslim historians are forever lavishing praise on the ruler for the temples he has destroyed, for the hundreds of thousands he has got to see the light of Islam. Law books like The Hedaya prescribe exactly the options to which these little textbooks alluded. '''All whitewashed away.'''<br/>'''Objective whitewash for objective history. And today if anyone seeks to restore truth to these textbooks, the shout, ‘Communal rewriting of history’.''' *The real crime of these eminences does not lie in the loss they have inflicted in terms of money. It lies in the condition to which they have reduced institutions. It lies in their dereliction – because of which projects that were important for our country have languished. It lies even more in the use to which they have put those institutions.<br/>They have used them to have a comfortable time, of course. They have used them to puff up each other’s reputations, of course. But the worst of it is that they have used their control of these institutions to pervert public discourse, and thereby derail public policy.<br/> They have made India out to have been an empty land, filled by successive invaders. '''They have made present-day India, and Hinduism even more so, out to be a zoo – an agglomeration of assorted, disparate specimens. No such thing as ‘India’, just a geographical expression, just a construct of the British; no such thing as Hinduism, just a word used by Arabs to describe the assortment they encountered, just an invention of the communalists to impose a uniformity – that has been their stance. For this they have blackened the Hindu period of our history, and, as we shall see, strained to whitewash the Islamic period.''' They have denounced ancient India’s social system as the epitomy of oppression, and made totalitarian ideologies out to be egalitarian and just.<br/>They have belittled our ancient culture and exaggerated syncretistic elements which survived and made them out to have been an entire ‘culture’, the ‘composite culture’ as they call it. Which culture isn’t? And all the while they have taken care to hide the central facts about these common elements in the life of our people: that they had survived in spite of the most strenuous efforts spread over a thousand years of Islamic rulers and the ulema to erase them, that they had survived in spite of the sustained efforts during the last one hundred and fifty years of the missionaries and British rulers to make us forget and shed these elements, that the elements had survived their efforts to instead inflame each section to see its ‘identity’ and essence in factors which, if internalized, would set it apart. Most of all, these intellectuals and the like have completely diverted public view from the activities in our own day of organizations like the Tabhligi jamaat and the Church which are exerting every nerve, and deploying uncounted resources to get their adherents to discard every practice and belief which they share with their Hindu neighbours.<br/> These intellectuals and their patrons have worked a diabolic inversion: the inclusive religion, the pluralist spiritual search of our people and land, they have projected as intolerant, narrow-minded, obscurantist; and the exclusivist, totalitarian, revelatory religions and ideologies – Islam, Christianity, Marxism-Leninism – they have made out to be the epitomes of tolerance, open-mindedness, democracy, secularism! *And another thing: if an RSS publication publishes even an interview with me, that is further proof of my being communal; but so tough are the hymen of these progressives that, even when they contribute signed articles to publications of the Communist Party, their virginity remains intact! *As we have seen, the explicit part of the circular issued by the West Bengal government in 1989 in effect was that there must be no negative reference to Islamic rule in India. Although these were the very things which contemporary Islamic writers had celebrated, there must be no reference to the destruction of the temples by Muslim rulers, to the forcible conversion of Hindus, to the numerous other disabilities which were placed on the Hindu population. Along with the circular, the passages which had to be removed were listed and substitute passages were specified. The passages which were ordered to be deleted contained, if anything, a gross understatement of the facts. On the other hand, passages which were sought to be inserted contained total falsehoods: that by paying jizyah Hindus could lead ‘normal lives’ under an Islamic ruler like Alauddin Khalji! A closer study of the textbooks which are today being used under the authority of the West Bengal government shows a much more comprehensive, a much deeper design than that of merely erasing the cruelties of Islamic rule. *The position of these ‘academics’ in Bengal has, of course, been helped by the fact that the CPI(M) has been in power there for so long. But their sway has not been confined to the teaching and ‘research’ institutions of that state. It is no surprise, therefore, to see the same ‘line’ being poured down the throats of students at the national level. And so strong is the tug of intellectual fashion, so lethal can the controlling mafia be to the career of an academic that often, even though the academic may not quite subscribe to their propositions and ‘theses’, he will end up reciting those propositions. Else his manuscript will not be accepted as a textbook by the NCERT, for instance, it will not be reviewed…. *Notice the sleight of hand. The repair of temples is allowed! Temples can be constructed in villages! Temples can be constructed ‘within the privacy of homes’! Thus ‘liberal policy’ is the norm which is departed from only in times of war! And the ones who are fought and destroyed at such times are in any case ‘the enemies of Islam’! In times of peace, which are the times that prevailed normally, the norm prevails – that is, ‘the Hindus practice their religion openly and ostentatiously!’ Each of these assertions is a blatant falsehood. But these historians, having, through their control of institutions, set the standards of intellectual correctness, the one who questions the falsehoods, even though he does so by citing the writings of the best known Islamic historians of those very times, he is the one who is in the wrong. *Once they had occupied academic bodies, once they had captured universities and thereby determined what will be taught, which books will be prescribed, what questions would be asked, what answers will be acceptable, these historians came to decide what history had actually been! As it suits their current convenience and politics to make out that Hinduism also has been intolerant, they will glide over what Ambedkar says about the catastrophic effect that Islamic invasions had on Buddhism, they will completely suppress what he said of the nature of these invasions and of Muslim rule in his Thoughts on Pakistan,3 but insist on reproducing his denunciations of ‘Brahmanism’, and his view that the Buddhist India established by the Mauryas was systematically invaded and finished by Brahmin rulers.<br/>Thus, they suppress facts, they concoct others, they suppress what an author has said on one matter even as they insist that what he has said on another be taken as gospel truth. And when anyone attempts to point out what had in fact happened, they rise in chorus: a conspiracy to rewrite history, they shout, a plot to distort history, they scream. '''But they are the ones who have been distorting it in the first place – by suppressing the truth, by planting falsehoods.''' *And look at the finesse of these historians. They maintain that such facts and narratives must be swept under the carpet in the interest of national integration: recalling them will offend Muslims, they say, doing so will sow rancour against Muslims in the minds of Hindus, they say. Simultaneously, they insist on concocting the myth of Hindus destroying Buddhist temples. Will that concoction not distance Buddhists from Hindus? Will that narrative, specially when it does not have the slightest basis in fact, not embitter Hindus? *In regard to matter after critical matter – the Aryan-Dravidian divide, the nature of Islamic invasions, the nature of Islamic rule, the character of the freedom struggle – we find this trait – suppresso veri, suggesto falsi. This is the real scandal of history writing in the last thirty years. And it has been possible for these ‘eminent historians’ to perpetrate it because they acquired control of institutions like the ICHR. To undo the falsehood, the control has to be undone. *And so on – among the highest piles of rubble in the world of the sacred temples of another religion, among the highest piles of corpses of those venerated by another religion. Yet, in the reckoning of our eminent historians a policy of ‘Broad Toleration’! A policy of toleration guided by purely secular motivations! *But here in India a simplistic recitation of the earlier phrases and categories remained enough. It is not just fidelity to the masters, therefore, which characterizes the history writing by these eminences. It is a simple-mindedness!<br/>But there is an additional factor. Whitewashing the Islamic period is not the only feature which characterizes the work of these historians. There is in addition a positive hatred for the pre-Islamic period and the traditions of the country. Over the years entries about India in Soviet encyclopedias, for instance, became more and more ductile. They began to acknowledge ever so hesitantly that the categories and periods might need to be nuanced when they were extended to countries like China and India. They began to acknowledge that at various times there had been an overlapping and coexistence of different ‘stages’. And, perhaps for diplomatic reasons alone, they became increasingly circumspect – careful to avoid denigrating our traditions.<br/>In the standard two-volume Soviet work, A History of India, for instance, we find more or less the same characterization of the different periods in Indian histories as we do in the volumes of our eminent historians. But the Soviet volumes have none of the scorn and animosity which we have encountered in the volumes of our eminent historians. *Thus, there are two points to remember. First, our friends are not just Marxists, they are also Macaulayites. Second, they are Marxists in a special sense. They are Marxists in the sense that they have thought of themselves as Marxists, in the sense that they repeatedly regurgitate a handful of Marxist phrases and assertions. But more than being Marxist historians, they have been establishment historians. Their theories and ‘theses’ have accorded not just with the ‘classics’ of Marxism-Leninism, they have accorded with the ideology of, which in terms of their theory means, the needs of Congressite rulers. *Caste is real. The working class is real. Being a Naga is real. '''But ‘India is just a geographical expression!’''' Similarly, being a Muslim of course is real – Islam must be seen and talked of as one block of granite – ... '''But Hinduism? Why, there is no such thing: it is just an aggregation, a pile of assorted beliefs and practices''' – ... '''And anyone who maintains anything to the contrary is a fascist out to insinuate a unity, indeed to impose a uniformity, where there has been none.''' That is what our progressive ideologues declaim, as we have seen. In a word, the parts alone are real. The whole is just a construct. India has never been one, these ideologues insist – disparate peoples and regions were knocked together by the Aryans, by the Mughals, by the British for purposes of empire. Anyone who wants to use that construct – India – as the benchmark for determining the sort of structure under which we should live has a secret agenda – of enforcing Hindu hegemony.<br/>This is the continuance of, in a sense the culmination of, the [[Macaulay]]-Missionary technique. The British calculated that to subjugate India and hold it, they must undermine the essence of the people: this was Hinduism, and everything which flowed from it. Hence the doggedness with which they set about to undermine the faith and regard of the people for five entities: the gods and goddesses the Hindus revered; the temples and idols in which they were enshrined; the texts they held sacred; the language in which those texts and everything sacred in that tradition was enshrined and which was even in mid-nineteenth-century the lingua franca – that is, Sanskrit; and the group whose special duty it had been over aeons to preserve that way of life – the Brahmins. The other component of the same exercise was to prop up the parts – the non-Hindus, the regional languages, the castes and groups which they calculated would be the most accessible to the missionaries and the empire – the innocent tribals, the untouchables. *The situation thus is as follows: the ones who have dominated and controlled and terrorised public discourse for half a century in India are now bereft of facts, of arguments. The evidence is available to anyone who has access to their internal ‘dialogues’ – they are talking to narrower and narrower circles; and in these ever-shrinking circles, they are just repeating the old cliches, there is not a new idea, there is not a new fact. And that is predictable, as we have seen: regurgitating those nostrums of the theory is not just necessary, it is sufficient. *‘I would like to review your book myself,’ said the editor of one of our principal newspapers about Worshipping False Gods. ‘But if I praise it, they will be after me also. I too will be called communal, high-caste and all that.’ ‘Brilliant, Arun, it was fascinating,’ said a leading commentator who had written a review that inclined to the positive. ‘But, you’ll understand, I couldn’t say all that in print. But it really is brilliant. How do you manage to put in this much work?’ The very selection of reviewers tells the same story. If there is a book by a leftist, editors will be loath to give it to a person of a different point of view: ‘They will say, I have deliberately given it to a rightist,’ the editors are liable to explain. On the other hand, if it is a book by a person they have decided is a rightist, they will be loath to give it to a reviewer who also has been branded a rightist: ‘They will denounce me for deliberately giving the book to a person who is bound to praise it,’ they will bleat. Therefore, in such cases they deliberately give the book to a person who ‘is bound to condemn it’! *Furthermore, we are instructed, when we do come across instances of temple destruction, as in the case of Aurangzeb, we have to be circumspect in inferring what has happened and why.... the early monuments – like the Quwwat-ul-Islam mosque in Delhi – had to be built in ‘great haste’, we are instructed...Proclamation of political power, alone! And what about the religion which insists that religious faith is all, that the political cannot be separated from the religious? And the name: the Quwwat-ul-Islam mosque, the Might of Islam mosque? Of course, that must be taken to be mere genuflection! And notice: ‘available materials were assembled and incorporated’, they ‘clearly came from Hindu sources’ – may be the materials were just lying about; may be the temples had crumbled on their own earlier; may be the Hindus voluntarily broke their temples and donated the materials? No? After all, there is no proof they didn’t! And so, the word ‘plundered’ is repeatedly put within quotation marks!<br/>In fact, there is more. The use of such materials – from Hindu temples – for constructing Islamic mosques is part of ‘a process of architectural definition and accommodation by local workmen essential to the further development of a South Asian architecture for Islamic use’. The primary responsibility thus becomes that of those ‘local workmen’ and their ‘accommodation’. Hence, features in the Qutb complex come to ‘demonstrate a creative response by architects and carvers to a new programme’. A mosque that has clearly used materials, including pillars, from Hindu temples, in which undeniably ‘in the fabric of the central dome, a lintel carved with Hindu deities has been turned around so that its images face into the rubble wall’ comes ‘not to fix the rule’. ‘Rather, it stands in contrast to the rapid exploration of collaborative and creative possibilities – architectural, decorative, and synthetic – found in less fortified contexts.’ Conclusions to the contrary have been ‘misevaluations’. We are making the error of ‘seeing salvaged pieces’ – what a good word that, ‘salvaged ’: the pieces were not obtained by breaking down temples; they were lying as rubble and would inevitably have disintegrated with the passage of time; instead they were ‘salvaged ’, and given the honour of becoming part of new, pious buildings – ‘seeing salvaged pieces where healthy collaborative creativity was producing new forms’. *And yet, none of this is accidental. As we have seen in the texts that we have surveyed in this book, it is all part of a line. India turns out to be a recent construct. It turns out to be neither a country nor a nation. Hinduism turns out to be an invention – surprised at the word? You won’t be a few pages hence – of the British in the late nineteenth century. Simultaneously, it has always been inherently intolerant. Pre-Islamic India was a den of iniquity, of oppression. Islamic rule liberated the oppressed. It was in this period that the Ganga-Jamuna culture, the ‘composite culture’ of India was formed, with Amir Khusro as the great exponent of it, and the Sufi savants as the founts. The sense of nationhood did not develop even in that period. It developed only in response to British rule, and because of ideas that came to us from the West. But even this – the sense of being a country, of being a nation, such as it was – remained confined to the upper crust of Indians. It is the communists who awakened the masses to awareness and spread these ideas among them.<br/>In a word, India is not real – only the parts are real. Class is real. Religion is real – not the threads in it that are common and special to our religions but the aspects of religion that divide us, and thus ensure that we are not a nation, a country, those elements are real. Caste is real. Region is real. Language is real – actually, that is wrong: the line is that languages other than Sanskrit are real; Sanskrit is dead and gone; in any case, it was not, the averments in the great scholar, Horace Wilson to the House of Commons Select Committee notwithstanding, that it was the very basis, the living basis of other languages of the country; rather, it was the preserve of the upper layer, the instrument of domination and oppression; one of the vehicles of perpetuating false consciousness among the hapless masses. *The West Bengal Board of Secondary Education had issued instructions in 1989 that ‘Muslim rule should never attract any criticism. Destruction of temples by Muslim rulers and invaders should not be mentioned.’ *Their deceitful role in Ayodhya – which in the end harmed their clients more than anyone else – was just symptomatic. For fifty years this bunch has been suppressing facts and inventing lies. How concerned they pretend to be today about that objective of the ICHR – to promote objective and rational research into events of our past! How does this concern square with the guidelines issued by their West Bengal government in 1989 which Outlook itself had quoted – ‘Muslim rule should never attract any criticism. Destruction of temples by Muslim rulers and invaders should not be mentioned?’ But incorporating their wholesale fabrications of the destruction of Buddhist viharas, about the non-existent ‘Aryan invasion’, that is mandatory – to question them is to be communal, chauvinist! The capture of institutions like the ICHR has been bad enough, but in the end it has been a device. The major crime of these ‘historians’ has been this partisanship: suppresso veri, suggesto falsi. *The press is a ready example of their efforts, and of the skills they have acquired in this field. They have taken care to steer their members and sympathizers into journalism. And within journalism, they have paid attention to even marginal niches. Consider books. A book by one of them has but to reach a paper, and suggestions of names of persons who would be specially suitable for reviewing it follow. As I mentioned, the editor who demurs, and is inclined to send the book to a person of a different hue is made to feel guilty, to feel that he is deliberately ensuring a biased, negative review. That selecting a person from their list may be ensuring a biased acclamation is talked out. The pressures of prevailing opinion are such, and editors so eager to evade avoidable trouble, that they swiftly select one of the recommended names...<br/>You have only to scan the books pages of newspapers and magazines over the past fifty years to see what a decisive effect even this simple stratagem has had. Their persons were in vital positions in the publishing houses: and so their kind of books were the ones that got published. They then reviewed, and prescribed each other’s books. On the basis of these publications and reviews they were able to get each other positions in universities and the like…. Even positions in institutions which most of us would not even suspect exist were put to intense use. How many among us would know of an agency of government which determines bulk purchases of books for government and other libraries. But they do! So that if you scan the kinds of books this organization has been ordering over the years, you will find them to be almost exclusively the shades of red and pink....<br/>So, their books are selected for publication. They review each other’s books. Reputations are thereby built. Posts are thereby garnered. A new generation of students is weaned wearing the same pair of spectacles – and that means yet another generation of persons in the media, yet another generation of civil servants, of teachers in universities…. *The example we would do well to keep in front of us is that of the Dalai Lama. He was giving a discourse on a Tibetan text about meditation. He read out a sentence, laughed and remarked, ‘Buddhist theories of creation, a disgrace! Must throw them out!’ He advises that we should keep a wastepaper basket nearby – whatever doesn’t accord with what we know now, we should cast into that basket. ‘Buddhism must face facts,’ that is what he teaches. Accordingly, he has opened Buddhist texts to minute examination. (...) That reflects confidence in one’s tradition. That is true service to the tradition. That is the way to preserve for the future ‘the pearl of great price’ in it. * But today the fashion is to ascribe the extinction of Buddhism to the persecution of Buddhists by Hindus, to the destruction of their temples by the Hindus. One point is that the Marxist historians who have been perpetrating this falsehood have not been able to produce even an iota of evidence to substantiate the concoction. In one typical instance, Romila Thapar had cited three inscriptions. The indefatigable [[Sita Ram Goel]] looked them up. Two of these turned out to have absolutely no connection with Buddhist viharas or their destruction, and the one that did deal with an object being destroyed had been held by authorities to have been a concoction; in any event, it told a story which was as different from what the historian had insinuated as day from night. *The accompanying pages contain two columns: aushuddho – impurity, or error – and shuddho. One has just to glance through the changes to see the objective the progressives are trying to achieve through their ‘objective’, ‘rational’ approach to the writing of history. *Thus, not just whitewash, hogwash too. ;About the book * The first major criticism of the ‘left-liberal’ or ‘progressive’ historians was made by Arun Shourie with special reference to the state of the ICHR in their control.” **D. K. Chakrabarti, Nationalism in the Study of Ancient Indian History (Aryan Books International, Delhi). and quoted in [https://koenraadelst.blogspot.com/2021/02/a-case-of-good-nationalism-dk.html] *“Eminent historians” is what they call one another, and what their fans call them. When they don’t have an answer to an opponent’s arguments, they pompously dismiss him as not having enough “eminence”. So when Arun Shourie wrote about some abuses in this sector, he called his book Eminent Historians. It is also a pun on an old book about prominent colonial-age personalities, Eminent Victorians. **Elst, K. [https://koenraadelst.blogspot.com/2016/05/interview-in-monthly-swarajya.html Interview, Swarajya, May 2016)] ===2000s=== ====''Harvesting our souls: Missionaries, their design, their claims'' (2000) ==== *If you had been in India in late 1998-early 1999, and the English-language "national" newspapers had been your source of information about what was going on, you would have concluded that an extensive, well coordinated pogrom was on, that maniacal Hindu groups were going round raping nuns, attacking missionaries, burning down churches. (p 7) *There indeed was a conspiracy it runs out, and a communal one at that. The whole thing was a concoction - by those whose agenda it is to paint Hindus as communalists on the rampage, and the RSS, BJP, etc., as organizations which are orchestrating a "pogrom". "Investigations, however revealed that what Sister Mary said in the FIR was not true," records Justice Wadhwa. "It was a made-up story. Investigations found that there was in fact no rape of Sister Mary... B.B. Panda, Director General of Police stated that the 'rape of the nun' case was projected and highlighted all over the world and was also projected as an attack on Christians when in fact it was not true, and the case turned out to be false." (9-10) *The contrast between the truth about the incidents and what they were made out to be should alert our newspapers and TV channels not to shoot off accounts without examining the facts. In particular, they must not go merely by the allegations of communalism-mongers.(13) *Several groups have several reasons for manufacturing calumny - from money to idelogy to the crassest kind of politics. Many of these are well-organized, some, as we shall see, have well-knit, world-wide networks. And they have honed expertise in manufacturing atrocity-stories, in broadcasting them round the globe, and in putting their manufactures to profitable use. (13) *High priority must be given to work among Hindu women, they say, "since they are the custodians of the faith"... (62) ====''Self-Deception : India's China Policies; Origins, Premises, Lessons'' (2008) ==== :Arun Shourie - Self-Deception _ India's China Policies_ Origins, Premises, Lessons-Harper Collins (2008, 2013) * The brutal—the customarily brutal—way in which the Chinese government suppressed the protests by Tibetans in Lhasa in the months preceding the 2008 Beijing Olympics once again drew attention to the enormous crime that the world has refused to see: the systematic way in which an entire people have been reduced to a minority in their own land; the cruelty with which they are being crushed; the equally systematic way in which their religion and ancient civilization are being erased. Protests by Tibetans in different cities across the world, joined as they were by large numbers of citizens of those countries, had the same effect.<br>No government anywhere in the world did what the Manmohan Singh government did in Delhi, no government reacted in as craven and as frightened a manner as our government did. The Olympic Torch was to be relayed across just about two kilometres—from Vijay Chowk to India Gate. The government stationed over twenty thousand troops, paramilitary personnel, policemen and plainclothes men in and around that short stretch. Tibetan refugees were beaten and sequestered. Government offices were closed. Roads were blocked. The Metro was shut down. Even members of Parliament were stopped from going to their homes through the square that adjoins Parliament, the Vijay Chowk.<br>Do you think that any of this was done out of love for the Olympics?<br>It was done out of fear of China. *Now, this is a favourite phrase of Panditji—‘the long-term view’—as is ‘the larger considerations’. Whenever he deploys the former, you can be sure that he is preparing the case for ceding ground. Whenever he deploys the latter, you can be sure that he is preparing the case for ceding specifically the country’s interest. *Recall, what he had told the Tibetans—that India would help diplomatically. That help now has come to mean that India will keep China in good humour even as it crushes Tibet, so that it may not crush Tibet more swiftly. *We can see the operational conclusion that flows from such reasoning. As the main advance has halted, there is nothing that we need to do. When the main advance resumes, the full picture is not clear. When it is completed, and the place is subjugated, there is nothing for us to do as, by then, the place has already been subjugated. For us to do or say anything will only enrage the occupiers, and bring even greater hardship on the poor Tibetans! *He speaks at length, that is, but scarcely touches on any of the specific matters that members had raised. *The view that he disapproves is always unbalanced; or stuck in the past; or stuck in the cold war mould; or subjective and emotional... *The Dalai Lama is in India at India’s invitation. Panditji meets him on 26 and 28 November 1956. The Dalai Lama is distraught. Panditji jots down the points of their exchange. The Dalai Lama puts the figure of Chinese troops in Tibet at 120,000, the very figure for which Panditji had come down on Apa Pant. The [[w:Subimal Dutt|foreign secretary]] inserts a paragraph in Panditji’s notings about the talks: ‘The Dalai Lama appealed to India for help. PM’s reply was that, apart from other considerations, India was not in a position to give any effective help to Tibet; nor were other countries in a position to do so. Dalai Lama should not resist land reforms.’ Instead of help, Panditji gives advice. He records the advice he gives: ‘D.L. should become the leader of the reform. Best way we can help is by maintaining friendly relations with China, otherwise China would fear our designs in Tibet.’ An excuse, and a presumptuous one—‘otherwise China would fear our designs in Tibet.’ *As the principal object of this brief book is to set out the evolution of India’s China-policy in Panditji’s own words, and to show how those assumptions and habits continue to endanger us today, I have kept annotations to the minimum. But what Panditji did and said and wrote in regard to China does deserve to be analyzed almost at the psychological and linguistic level! For his stance, his formulations, his rationalizations are rooted in habits, in mental processes. Not just his assumptions and premises persist among policy-makers, those very habits and mental processes persist. In the 1950s, they went unquestioned because of the lofty position that Panditji occupied in our lives and discourse. Today, they go equally unquestioned—though for a different reason: discourse has got so dumbed-down that no assumption or premise is examined as it should be. An illustration will bring home the consequence. Among the habits that persist, one is especially harmful as it rationalizes going-along at an almost subliminal level. This is the habit of slipping in a thought or sentence which excuses one from facing the facts. We see this in Pandit Nehru’s writings and spoken word at every turn. ... *A contributing factor certainly must have been the contempt that Mao, Chou En-lai and others felt for India and Indians. This comes through again and again in conversation after conversation of the Chinese leaders. Chou and Kissinger agree on how India is the one that is causing the troubles in East Pakistan; on what China and US should together do to halt India in the tracks; they agree about not just what is ‘the Indian tradition’—deceit, blaming others—but just as much about the Indian character—marked by ingratitude.⁴ The contempt and coordination show through even more dramatically in the conversations that Kissinger later has with the permanent representative of China at the UN, Huang Hua, during which he asks Huang Hua to assure Chou En-lai that, should China take military action against India to divert it from pursuing its assault on Pakistan, the US will hold the Soviet Union at bay. Nixon, Pompidou and Kissinger are exchanging views about the state of the world. Nixon summarizes the Chinese assessments: ‘...the attitude of the Chinese towards their neighbours can be summed up in this way. The Russians they hate and fear now. The Japanese they fear later but do not hate. For the Indians they feel contempt but they are there and backed by the U.S.S.R.’ ===2010s=== *I don't see the difference between the two. I feel they (the BJP and the Congress) are one party. They are jointly ruling. It is a dinner party. They meet at dinners. They meet socially. They decide on what has to be done about issues. <br>First, the media should write about itself. It is extremely short-sighted about the media to black out these things. The Mitrokhin Archives revealed how (the then Soviet intelligence agency) the KGB boasted that they were able to plant 400 stories in such and such Indian newspapers. The Indian media blacked it out. Then, privatetreaties of The Times of India that other people have now adopted has been completely blacked out.... When the Press Council of India was forced to appoint a committee to look into the allegations about 'paid news', the Press Council itself suppressed the report. **[https://www.rediff.com/news/report/interview-arun-shourie-on-the-real-meaning-of-the-radia-tapes1/20101201.htm Interview] 2010 ====''Falling Over Backwards'' (2012) ==== *The first derailment was caused by plucking the words ‘of their choice’ out of context, by tearing them away from the object for which Articles 29 and 30 gave minorities the right to set up and administer institutions. A normal engineering college or a college of dentistry can by no stretch be taken to be an institution that has been set up to help conserve the language, script or culture of the minority. Yet, provided the engineering or dentistry college has been set up by members of a minority, it was presumed to enjoy the protection of Articles 29 and 30, and thereby be beyond the reach of the state. *The result has been as predictable as it is iniquitous and absurd: if Ram Sharan sets up an engineering college, the state as well as the university concerned can prescribe all sorts of things it must do; if Mohammed Aslam sets up an exact clone of that engineering college across the road, teaching exactly the same subjects, using exactly the same textbooks, neither the state nor the university can regulate its functioning! *On the other hand, when sticking to the text is what will advance the judgment, they become strict constructionists. Some of the most conspicuous instances of this can be found in judgments relating to Article 30, the article that deals with the ‘right of minorities to establish and administer educational institutions’. The country had been partitioned on the cry that Muslims will never be secure in a united India. The framers were naturally keen to reassure the minorities that they would be free to preserve their religion, language and culture. Accordingly, Article 29 was enacted guaranteeing them and assuring them of this freedom. In case they wanted to set up institutions for safeguarding their language, culture, religion, Article 30 was enacted assuring them that ‘All minorities, whether based on religion or language, shall have the right to establish and administer educational institutions of their choice.’ The context made the purpose clear: minorities would have the freedom to set up such institutions as they thought would best preserve their culture, religion, language. But, given what has been the climate of discourse since the framing of the Constitution, the judges became literalists. Minorities would have the right to set up and manage ‘educational institutions of their choice’ irrespective of the purpose for which the institution was set up. Thus, engineering colleges and dental colleges set up by a family of, say, Muslims would have freedoms from state regulation and oversight that engineering and dental colleges set up by run-of-the-mill Indians would not. *Now, these are not stray phrases thrown in to light up a purple passage. They are stances, they are standpoints that indicate the direction in which that judgment will go, they are signposts which tell us where the reasoning being advanced in the text will eventually end. Such formulations have a significance beyond the particular judgment in which they figure. Succeeding benches can strike the same pose and gallop further in the same direction. *We comfort ourselves: at least, the virus of reservations has not got into judicial appointments; at least, reservations have not been extended to Muslims and Christians. Both notions are just make-believe. *As for reservations not having been extended to members of religions that repudiate caste – Islam, Christianity, Sikhism – again, that is but make-believe. The chairman of the Minorities Commission, my friend Tarlochan Singh, sends me a list of fifty-eight castes and of fourteen tribal groups, Muslim members of which have been given reservations. Even those who convert to one of these religions, continue to remain entitled to reservation. The rule in Tamil Nadu is that if the name of the father falls in the lists of Backward Castes/Most Backward Castes/Scheduled Castes/Scheduled Tribes, then, even if the person has converted to another religion, he remains entitled to reservations. In Gujarat, members of Backward Castes continue to avail of not just reservations but even of advantages under the roster system after conversion – 137 castes and sub-castes have been listed as socially and educationally backward in the state; of these, twenty-eight belong to the Muslim community. In Karnataka, ‘caste at birth’ is the norm. In UP, several Muslim castes are included in the reservation list – Lalbegi, Mazhabis, even Ansaris. The position is no different in Madhya Pradesh, in West Bengal. The Indian Express correspondent in Kolkata reports that the government of the ostentatiously secular CPI(M) strained to have reservations in government service as well as educational institutions extended to Muslims qua Muslims, and directed the state Minorities Commission to ascertain how such reservation had been decreed in Andhra Pradesh. The plan has had to be deferred for the time being, he writes, Only because the Andhra Pradesh High Court has struck down the Andhra order as unconstitutional. *Even as moves are afoot to get the Andhra judgment reversed, the government has directed the armed forces to count soldiers and officers by their religion. Nor is this move an inadvertence. It has arisen as a result of a committee that the government has appointed under a former chief justice of Delhi, Rajinder Sachar -each member of which has been carefully selected for his ‘secular’ beliefs. Each term of reference on which it is to supply information and make recommendations, as we noted at the outset, has been just as carefully selected to justify reservations and other concessions to Muslims as a religious group. *With elections looming, in January 2006, the Government of Kerala announced another ‘package’ of reservations for backward castes and for Muslims: service rules of the state shall be altered to permit direct recruitment of these sections so as to fill the 40 per cent quota that has been set aside for them; if suitable candidates are not available from these sections, the vacancies shall not be filled by merit; the state Public Service Commission shall prepare an ‘additional supplementary list’ so that the vacancies may be filled only by these sections; 20 per cent of the seats shall be reserved for these castes in graduate and postgraduate courses in government colleges; the chief minister will himself monitor the implementation of the reservation policy; there shall be a permanent commission to ensure that reservations are fully filled... *With elections upon them, the DMK and its allies announced in Tamil Nadu that, once in office, they will bring forth legislation to give reservations to Muslims and Christians. *The Jharkhand government, in turn, has announced that members of thirty-two tribes that are the most backward – literacy level among nine of them is said to be just 10 per cent – shall be directly recruited into government service; those among them who pass the graduation examination shall not have to take the qualifying examination which all others who enter government service have to take. *And beware, the progressive judges have already put out the basis for extending reservations to Muslims or Christians as Muslims and Christians. The word that the Constitution uses is ‘communities’, the word it uses is ‘classes’, Justices Jeevan Reddy, Sawant and Thommen hold in Indra Sawhney. ‘Community’ and ‘class’ are wider than ‘caste’, they say. So, entities wider than ‘caste’ can certainly be subsumed under them, they say – the only proviso being that the groups so identified be ‘backward’. Second, in spite of the teachings of Islam, Christianity and Sikhism, castes persist in these religions also, they explain in justification. As that is the reality, it would be invidious to restrict access to reservations to the backward sections of Hindus alone...3 *How far we have descended! Today progressives dress up their casteism as secularism! The benefits of reservation shall be extended to Muslims and Christians also, they proudly announce. In Andhra the decision of the government has had to be twice struck down by the courts – the government had decreed reservations for Muslims qua Muslims. Even as moves are afoot to get that judgment reversed, the Central government directed the armed forces to count soldiers and officers by their religion. Nor was the move an inadvertence. It arose as a result of a committee that the government had appointed under a former chief justice of the Delhi High Court. Each member of the committee has been carefully selected for his ‘secular’ and ‘progressive’ beliefs. Each term of reference on which the committee has been asked to supply information and make recommendations has been just as carefully selected to justify reservations and other concessions to Muslims as a religious group: *Every single item betrays the singular purpose of the whole exercise–to provide the rationale for extending reservations to Muslims. Nor is that opportunism confined to the present ruling coalition. In the run-up to the 2005 elections in Bihar, rival groups were vying with each other promising reservations for Muslims qua Muslims. *The object of the framers of the Constitution was, as ours must be, quite the opposite. It was to wipe out the cancer of caste even from Hindu society. Only with the greatest reluctance did they agree to allow reservations for the Scheduled Castes and Tribe – for they felt that doing even this much would perpetuate caste distinctions. The reservations were, therefore, to be exceptions to the general rule. ===2020s=== ====''Preparing: For Death'', 2020==== *One must reflect deeply on the nature of the adversity, and on how it may be converted into an instrument for growth. The routine Gandhiji set for himself was always so much stricter and so much more demanding than anything that a jailer would have thought of imposing on anyone. Similarly, picture Vinoba in solitary confinement in that cell, 8 feet by 9 feet in dimension: how he converts imprisonment into ashram life; how in that tiny space, in forced and complete isolation, he retains his mental discipline by meditating for two to three hours every day; how he disciplines himself physically by walking every day for eight hours inside that suffocating cell, and thereby covering ten miles—covering ten miles in a cell 8 feet by 9 feet every single day! In both cases, control remained in the hands of the prisoner, not the jailer—a very important factor in dealing with adversity. ** Arun Shourie, ''Preparing: For Death.'' Penguin Random House India Private Limited, 2020. ISBN 935305978X, 9789353059781 *The rituals—for instance, those we go through during a marriage ceremony—were devised to imbed certain values into us: the experience of centuries had led thoughtful persons to see that going through those steps, that reciting those mantras and reflecting on them would help us internalize those values, and mould our lives accordingly. But what do we do today? First, we outsource the ritual—to a pandit, say. As he goes through the motions prescribed for solemnizing a marriage, as he chants those mantras, we don’t have a clue about the meaning of the words that he is reciting, nor of the steps—‘Now pour some water on the earth, and then on . . .’ Nor do we care: ‘Panditji, puja zaraa jaldi khatam kar deejiye. Guest dinner ke liye wait kar rahen hain’—‘Panditji, please conclude the puja a bit quickly. The guests are waiting for dinner.’ ** Arun Shourie, ''Preparing: For Death.'' Penguin Random House India Private Limited, 2020. ISBN 935305978X, 9789353059781 ==Quotes about Arun Shourie== *In the end, India had to wait till 1998 for Arun Shourie’s Eminent Historians to be published. This book uncovered in detail after ghastly detail, this multi-layered assault on the national psyche that has disfigured the minds of at least three generations regarding the vital truths of their own nation. And thanks to this seminal contribution, “Eminent Historian” has fittingly become a swearword in the Indian public discourse. **S. Balakrishna, Seventy years of secularism. 2018. *Anyone who thought India had dismantled its notorious system of bureaucratic controls when it embarked on economic reform in 1991 ought to consult Arun Shourie. As cabinet minister (at various times since 1998) for privatisation, administrative reform, information technology and telecommunications, Mr Shourie's observations are close to the bone. The Hindu nationalist-led government in which Mr Shourie was the most prominent economic reformer was thrown out last May. Franz Kafka would have had difficulty dreaming up some of the examples cited in Mr Shourie's book. ... But it is what India's bureaucracy is like under normal conditions that matters and Mr Shourie does a depressingly thorough job in chronicling it. One can only hope that India's senior civil servants find the time to read this book - and have the grace to wince. **[[Edward Luce]], India's tragic comedy of civil disservice, book review in Financial Times. November 9, 2004 *Muslim leaders and Stalinist historians were raising a howl about Hindu chauvinism when it came to the notice of Arun Shourie, the Chief Editor of the Indian Express at that time, that some significant passages had been omitted from the English translation of an Urdu book written long ago by the father of Ali Mian, the famous Muslim theologian from Lucknow. He wrote an article, Hideaway Communalism, in the Indian Express of February 5, 1989 pointing out how the passages regarding destruction of Hindu temples and building of mosques on their sites at Delhi, Jaunpur, Kanauj, Etawah, Ayodhya, Varanasi and Mathura had been dropped from the English translation published by Ali Mian himself. This was a new and dramatic departure from the norm observed so far by the prestigious press. Publishing anything which said that Islam was less than sublime had been taboo for a long time. I was pleasantly surprised, and named Arun Shourie as the [[মিখাইল গর্বাচেভ]] of India. He had thrown open the windows and let in fresh breeze in a house full of the stinking garbage of stale slogans. **Goel, S.R. How I became a Hindu (1993, revised ed.) *[Arun Shourie's article 'Hideaway Communalism'] had violated a taboo placed by the mass media and the academia on any unfavourable narration of the history of Islam since the days when Mahatma Gandhi took command of the Indian National Congress and launched his first non-cooperation movement in support of the Turkish Khilafat. **Goel, S.R. Hindu Temples – What Happened to Them, Volume I (1990) Preface, 2nd edition, p. xiii. *Arun Shourie had shown great courage. But he had counted without the secularist crowd which had access to the owner of the Indian Express. He told me on the phone that there was some trouble brewing. I have never talked to him about the nature of the trouble, and do not know if my articles had anything to do with his ouster from the Indian Express next year. All I know is that he had to slow down the publication of my next two articles. **Goel, S.R. How I became a Hindu (1993, revised ed.) *Mani Shankar Aiyar totally condemns one of Arun Shourie's books, and then goes on to declare that he has decided not to read it : "Shourie gave the final touches to the manuscript of his book on Islam, a work so vicious and perverted that every English speaking Muslim I know was outraged... I decided then to show my solidarity with secularism by not reading the book." (The book he refers to, is apparently Shourie's Religion in Politics, a very sane and sober look at several Scriptures in the light of reason.) **Elst, Koenraad. Ayodhya and after: issues before Hindu society. Voice of India. 1991. *The problem of book-banning and censorship on Islam criticism is compounded by the related problem of self- censorship. Thus, when in late 1992, the famous columnist Arun Shourie wanted to publish a collection of his columns on Islamic fundamentalism, esp. the Rushdie and Ayodhya affairs (Indian Controversies), the publisher withdrew at the last moment, afraid of administrative or physical reprisals, and the printer also backed out. Earlier, Shourie had been lucky to find one paper willing to publish these columns, for most Indian newspapers strictly keep the lid on Islam criticism. Hindu society is a terrorized society. **Elst, Koenraad. Negationism in India: concealing the record of Islam. Voice of India. 1992 *Arun Shourie was sacked as Indian Express editor, apparently under government pressure, after revealing that, in October 1990, Prime Minister V.P. Singh had aborted his own compromise arrangement on Ayodhya under pressure from Imam Bukhari, prominent member of the BMAC. **Koenraad Elst. Ayodhya: the case against the temple. 2002 * Or take A Secular Agenda by Arun Shourie, PhD from Syracure NY and stunningly successful Disinvestment Minister in the AB Vajpayee Government, when India scored its highest economic growth figures. It was a very important book, and it left no stone standing of the common assumption among so-called experts that India (with its religion-based civil codes and its discriminatory laws against Hinduism) is a secular state, i.e. a state in which all citizens are equal before the law, regardless of their religion. Though the book deconstructs the bedrock on which the “experts” have built their view of modern India, they have never formulated a refutation. Instead, they just keep on repeating their own deluded assumption, as in: “The BJP threatens India’s structure as a secular state.” (Actually, the BJP does not, and India is not.) They can do so because they are secure in the knowledge that, among the audiences that matter, their camp controls the sphere of discourse. Concerning the interface between religion and modern politics, the established “academic” view is not just defective, it is an outrageous failure. **Elst, Koenraad. Hindu dharma and the culture wars. (2019). New Delhi : Rupa. *The only ray of light in this encircling gloom was Arun Shourie, the veteran journalist and the chief editor of the Indian express at that time. On February 5, 1989, he frontpaged an article, Hideaway Communalism, showing that while the Urdu version of a book by Maulana Hakim Sayid Abdul Hai of the Nadwatul-Ulama at Lucknow had admitted that seven famous mosques had been built on the sites of Hindu temples, the English translation published by the Maulana’s son, Abul Hasan Ali Nadwi (Ali Mian) had eschewed the “controversial evidence”. He also published in the Indian Express three articles written by me on the subject of Islamic iconoclasm. This was a very courageous defiance of the ban imposed by Islam and administered by Secularism, namely, that crimes committed by Islam cannot even be whispered in private, not to speak of being proclaimed in public. **Goel, S. R. (1993). Hindu temples: What happened to them. (Second Enlarged Edition) [https://web.archive.org/web/20120429114113/http://www.bharatvani.org:80/books/htemples2/] *He dismisses Arun Shourie by pigeon-holing him as ‘post-modern’. He does not know that Hinduism has its own view of Time, and that a person who serves Sanatana Dharma cannot be dated. Scholars like Arun Shourie belong neither to the past, nor to the present, nor yet to the future. They belong to a timeless span. **S.R. Goel, History of Hindu-Christian Encounters (1996) * Just then Shourie was sacked as its editor. The reason was not so much the article, but, apparently, his entire policy of including columns by Hindu communalists like Ram Swarup and Sita Ram Goel, and his own articles that debunked some of the prevalent secularism, such as Hideaway Communalism. ** Elst, Koenraad (1991). Ayodhya and after: Issues before Hindu society. *I thank particularly my friend Arun Shourie because we need people like Arun Shourie to challenge us so that we can rectify our mistakes and all together collectively move towards the creation of a new India, a new humanity. ** Fr. Augustine Kanjamala, quoted in Shourie, Arun. Arun Shourie and his Christian Critic. (1995) * It is clear that Witzel himself has a political agenda: note his resentment of the “present Indian (right wing) denouncement of the ‘eminent historians’ of Delhi” (§9) – some of these “eminent historians” actively collaborated with Witzel and Farmer in their recent media-blitz in the Indian press. The reader is invited to go carefully through Arun SHOURIE’s book “Eminent Historians” (1998), which is being referred to here, and see the kind of political scholarship to whose defense Witzel has no compunctions in rushing! **S. Talageri. Michael Witzel – An Examination of his Review of my Book (2001) *As for Shourie, Mukhia is hardly revealing a secret with his information that Shourie “does journalism for a living”. The greatest investigative journalist in India by far, he has indeed unearthed some dirty secrets of Congressite, casteist and Communist politicians. His revelations about the corrupt financial dealings between the Marxist historians and the government-sponsored academic institutions are in that same category: fearless and factual investigative journalism. Shourie has a Ph.D. degree in Economics from Syracuse University in U.S.A., which should attest to a capacity for scholarship, even if not strictly in the historical field. When he criticizes the gross distortions of history by Mukhia’s school, one could say formally that he transgresses the boundaries of his specialism, but such formalistic exclusives only hide the absence of a substantive refutation. **Elst K. Ayodhya: The Case Against the Temple, chapter 4 * When Shourie's articles first appeared, they aroused great emotions and savage attacks. He quoted from the Bible and the Quran extensively on the question of co-existence. Many were shocked.... Shourie has called his book, Religion in Politics; someday he should bring out another book, Politics in Religion....The first book discusses politics complicated by religions factors; the second would discuss religions which are essentially political... **Ram Swarup, Hinduism and monotheistic religions (2009) == External links == {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:Shourie, Arun}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতিবিদ]] [[Category:Hindu nationalists]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতান্ত্রিক বিরোধী]] [[Category:Investigative journalists]] pmolpwz2d2a6m3umejjc6n2it69svaw 78879 78877 2026-04-20T10:20:05Z ARI 356 /* Freedom of expression – Secular Theocracy Versus Liberal Democracy (1998) */ 78879 wikitext text/x-wiki [[File:Arun Shourie addressing the Plenary Session on "Diaspora Youth and India - Blueprint for Engagement" at the 2nd Pravasi Bharatiya Divas in 2004.jpg|thumb| আমি বেশ অবাক হয়েছিলাম এবং অরুণ শৌরিকে ভারতের গর্বাচেভ নাম দিয়েছিলাম। তিনি পচা স্লোগানের আবর্জনায় ভরা একটি ঘরে জানালাগুলো খুলে দিয়েছিলেন এবং এক ঝলক টাটকা বাতাস আসতে দিয়েছিলেন। ~ সীতারাম গোয়েল]] [[File:Animal artists at the Jardin des Plantes.jpg|thumb|তারা বর্তমান ভারত এবং বিশেষ করে [[হিন্দুধর্ম]]কে একটি চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছে—বিভিন্ন রকমের অসম প্রজাতির স্তূপ। তাদের মতে ‘[[ভারত]]’ বলে কিছু নেই, এটি কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ, কেবল [[যুক্তরাজ্য]]ের তৈরি একটি ধারণা; হিন্দুধর্ম বলে কিছু নেই, এটি কেবল আরবদের ব্যবহৃত একটি শব্দ যা তারা এখানে এসে বিভিন্ন ধরনের মানুষের দেখা পাওয়ার পর ব্যবহার করেছিল, এটি কেবল অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য সাম্প্রদায়িকদের একটি উদ্ভাবন, এটিই ছিল তাদের অবস্থান।]] [[File:Dalailama1 20121014 4639.jpg|thumb|আমাদের উচিত দালাই লামার উদাহরণটি সামনে রাখা। তিনি ধ্যানের ওপর একটি তিব্বতি গ্রন্থের ওপর বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি একটি বাক্য পড়লেন, হাসলেন এবং মন্তব্য করলেন, ‘সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বগুলো লজ্জাজনক! এগুলো ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত!’ তিনি পরামর্শ দেন যে আমাদের কাছে সবসময় একটি ঝুড়ি রাখা উচিত—যা কিছু আমাদের বর্তমান জ্ঞানের সাথে মেলে না, সেগুলো সেই ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া উচিত। ‘[[বৌদ্ধধর্ম]]কে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে,’ তিনি এটাই শেখান। সেই অনুযায়ী তিনি বৌদ্ধ গ্রন্থগুলোকে সূক্ষ্ম পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করেছেন। (...) এটি নিজের ঐতিহ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসকেই তুলে ধরে। এটিই হলো ঐতিহ্যের প্রকৃত সেবা। এতে থাকা ‘অমূল্য রত্ন’ [[ভবিষ্যৎ]]ের জন্য রক্ষা করার উপায় এটিই।]] [[File:Censorship in cinema.jpg|thumb|এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?]] [[File:Parental Advisory label.svg|thumb|এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি—যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?]] [[File:Censorship.svg|thumb|এই বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।]] [[File:Murales Rivera - Treppenhaus 9 Bücherverbrennung.jpg|thumb|আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে... তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা...<br> দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br> তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন।]] [[File:Eustache Le Sueur - The Preaching of St Paul at Ephesus - WGA12613.jpg|thumb|সবচেয়ে বড় অংশগুলো বাদ দিতে বলা হয়েছে ‘আওরঙ্গজেবের ধর্মীয় নীতি’ সংক্রান্ত অধ্যায় থেকে। তিনি হিন্দুদের সাথে প্রকৃতপক্ষে কী করেছিলেন, তাদের মন্দিরের কী করেছিলেন, তার শাসনের মূল উদ্দেশ্যইসলামের প্রভাব বিস্তার এই সংক্রান্ত প্রতিটি ইঙ্গিত বই থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে... '''সবকিছু ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।'''<br/>'''বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের জন্য বস্তুনিষ্ঠ ধামাচাপা। আর আজ যদি কেউ এই পাঠ্যবইগুলোতে সত্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে, তবে চিৎকার ওঠে, ‘ইতিহাসের সাম্প্রদায়িক পুনর্লিখন’।''']] [[File:Porträtgalerie des steiermärkischen Adels 043.jpg|thumb|একবার যখন তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিলেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিলেন, তখন তারাই ঠিক করতে শুরু করলেন কী পড়ানো হবে, কোন বইগুলো পাঠ্য হবে, কী প্রশ্ন করা হবে আর কোন উত্তরগুলো গ্রহণযোগ্য হবে। এভাবেই এই ঐতিহাসিকরা আসলে ইতিহাস কী ছিল তা নির্ধারণ করতে শুরু করলেন! ... এভাবেই তারা তথ্য গোপন করেন, কিছু তথ্য বানিয়ে বলেন, এমনকি কোনো লেখক একটি বিষয়ে কী বলেছেন তা ধামাচাপা দিয়ে অন্য বিষয়ে তার বলা কথাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রচার করেন। আর যখনই কেউ আসলে কী ঘটেছিল তা তুলে ধরার চেষ্টা করে, তখনই তারা সমস্বরে চিৎকার শুরু করেন: ইতিহাস নতুন করে লেখার ষড়যন্ত্র চলছে, তারা চিৎকার করেন; ইতিহাস বিকৃত করার চক্রান্ত হচ্ছে, তারা চিৎকার করেন। '''কিন্তু তারাই প্রথম থেকে ইতিহাস বিকৃত করে আসছেন সত্য গোপন করে এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে।''']] [[File:Censored stamp.jpg|thumb|আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?]] [[File:Soviet Communism Threatens Education - NARA - 5730072.jpg|thumb|পরিস্থিতি এখন এইরকম: ভারতের জনপরিসরে যারা গত অর্ধ শতাব্দী ধরে আধিপত্য বিস্তার করেছেন, নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং অন্যদের আতঙ্কিত করে রেখেছেন, তাদের হাতে এখন কোনো তথ্য বা যুক্তি অবশিষ্ট নেই। যে কেউ তাদের অভ্যন্তরীণ আলোচনাগুলো পর্যবেক্ষণ করলেই এর প্রমাণ পাবেন—তারা এখন ক্রমশ ছোট হয়ে আসা গণ্ডির মধ্যে কথা বলছেন এবং সেই ছোট গণ্ডিতেই পুরনো কিছু বুলি পুনরাবৃত্তি করছেন। সেখানে নতুন কোনো চিন্তাভাবনা বা নতুন কোনো তথ্য নেই। আর আমরা যেমনটা দেখেছি, এটি আগে থেকেই ধারণা করা যায়: তাত্ত্বিক বুলিগুলোর পুনরাবৃত্তি করাই তাদের জন্য কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং যথেষ্ট।]] [[File:Shri Arun Shourie, Member of Parliament presented his book titled “Falling Over Backward” to the Vice President, Shri Bhairon Singh Shekhawat, in New Delhi on June 3, 2006.jpg|thumb|এর ফলাফল প্রত্যাশিত হলেও তা অন্যায় এবং হাস্যকর: যদি রাম শরণ একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, তবে রাষ্ট্র এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় অনেক কিছু নির্ধারণ করে দিতে পারে যা তাকে করতে হবে; কিন্তু যদি মুহাম্মদ আসলাম রাস্তার ওপারে ঠিক একই রকম একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, যেখানে ঠিক একই বিষয় পড়ানো হয় এবং একই পাঠ্যবই ব্যবহার করা হয়, তবে রাষ্ট্র বা বিশ্ববিদ্যালয় কেউই এর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না!]] '''অরুণ শৌরি''' (জন্ম ২ নভেম্বর ১৯৪১) ভারতের একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক এবং রাজনীতিবিদ। == উক্তি == === ১৯৭০-এর দশক === ==== ''সিম্পটমস অফ ফ্যাসিজম'' (১৯৭৮) ==== * জরুরি অবস্থার অপরাধীদের বিষয়ে আজ আমরা যা দেখছি তা আইনের শাসন নয়, বরং তার ধ্বংস। আমরা দেখছি কীভাবে বুর্জোয়া আইনের শাসন ধ্বংস করা হচ্ছে। এই শ্রেণির লোকেরাই নিজেদের স্বার্থে এটি ধ্বংস করছে এবং বুর্জোয়া সমাজ এই অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনার মতো প্রয়োজনীয় দৃঢ়তা দেখাতে পারছে না। আজ আমাদের বিচার ব্যবস্থার দুটি বৈশিষ্ট্য সবার সামনে পরিষ্কার হয়ে গেছে। প্রথমত, অপরাধীরা যদি প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাশালীদের সাথে যুক্ত হয়, তবে এই ব্যবস্থা তাদের ধরতে পারে না। দ্বিতীয়ত, জনগণ এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে করা তাদের প্রধান অপরাধগুলোর জন্য এটি তাদের ধরতে পারে না। * এরপর আছেন আমাদের লক্ষ্যহীন বামপন্থীরা, যারা একে অপরকে গালিগালাজ করতে ব্যস্ত। আর সবশেষে আছেন উদারপন্থীরা, যারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজাতে ব্যস্ত, বরং তারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজানো নিয়ে সেমিনার করতে ব্যস্ত। * আসন্ন ফ্যাসিবাদের প্রবল আঘাত থেকে আমাদের বাঁচাতে এই লোকগুলোর ওপর ভরসা করা মানে হলো একটি মাইনফিল্ড পার হওয়ার জন্য বুড়ো মহিষের ওপর নির্ভর করা। === ১৯৮০-র দশক === ==== ''রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স'' (১৯৮৯) ==== * এভাবে নীরবতা সংস্কারের গতি কমিয়ে দেয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি বহু সংখ্যক মানুষ এই নেতাদের সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে লেখালিখি এবং আলোচনা করতেন, তবে এই সম্প্রদায়ের ভেতরে থাকা সংস্কারকরা আজকের মতো এতটা বিচ্ছিন্ন এবং কোণঠাসা হতেন না। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, পুরো সত্য না বলাটা একটা অভ্যাসে পরিণত হয়। নিজের বিশ্বাস লুকিয়ে রাখা, তথ্যপ্রমাণ এড়িয়ে যাওয়া এবং প্রতারণা করা যেন আমাদের জনপরিসরের আলোচনার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। * তবুও আমি এই সংখ্যাগরিষ্ঠ রায়ে এক মারাত্মক সারল্য খুঁজে পাই... এই রায়ে ঋগ্বেদ, যজুর্বেদ এবং অথর্ববেদ থেকে সেই ঘোষণাগুলো উদ্ধৃত করা হয়েছে, যেখানে সব মানুষ এক, সবাই একই ধরিত্রীর সন্তান এবং আমাদের সবার বন্ধু হওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সেখানে এটি উল্লেখ করা হয়নি যে, আদালতের ভবন থেকে এক মাইলেরও কম দূরত্বে ফতোয়ার অসংখ্য বই বিক্রি এবং বিতরণ করা হচ্ছে, যেখানে মুসলিমদের উৎসাহিত করা হচ্ছে যেন তারা কখনোই কাফিরদের বিশ্বাস না করে এবং তাদের ওপর ভরসা না রাখে; সেখানে তাদের বলা হচ্ছে যে, তাদের প্রথম কাজ এবং আনুগত্য হবে তাদের ধর্মের প্রতি, কোনো সাধারণ আইনের প্রতি নয়... ঈশ্বর আর আল্লাহ যে এক, এটা [[মহাত্মা গান্ধী]]কে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। মন্দির আর মসজিদ, পুরাণ আর কুরআন যে এক, এটা [[গুরু গোবিন্দ সিং]]কে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। যাদের এটা বোঝানো প্রয়োজন, যেমন উলেমা বা শাহী ইমাম—তারা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন যে এগুলো এক নয়। ** অরুণ শৌরি: ইন্ডিয়া., এবং দাশগুপ্ত, এস. (১৯৯৫)। দি অযোধ্যা রেফারেন্স: দি সুপ্রিম কোর্ট জাজমেন্ট অ্যান্ড কমেন্টারিস। পৃষ্ঠা ১৭১-৩ * "বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টিই ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।" ** রাম স্বরূপের আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইসলাম থ্রু হাদিস বইটি নিষিদ্ধ করার বিষয়ে। কোয়েনরাড এলস্টর অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি, ১৯৯১, অধ্যায় ১২। * তারা ভয় দেখানোর ওপর নির্ভর করে। ঠিক এই ধরনের কৌশলেই জনাব স্বরূপের আগের একটি বই আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইসলাম থ্রু হাদিস বাজার থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল... ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর, একই ধরনের হুমকির মুখে দিল্লি প্রশাসন ঘোষণা করে যে, আগে তারা দুইবার যা বলেছিল তার উল্টো করে বইটি কেবল আপত্তিকরই নয়, বরং এটি ইচ্ছাকৃতভাবে এবং বিদ্বেষমূলকভাবে লেখা হয়েছে!....<br/>আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই শাহাবুদ্দিনদের মতো জায়গা থেকে মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে, তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা....<br/>দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br/>তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন। ** অরুণ শৌরি: "হাউ শুড উই রেসপন্ড?", সীতারাম গোয়েল সম্পাদিত ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসি (১৯৯৮) বইতেও রয়েছে। * পঞ্চাশ বছর ধরে এই দলটি তথ্য গোপন করছে এবং মিথ্যা উদ্ভাবন করছে। আইসিএইচআর-এর সেই উদ্দেশ্য—আমাদের অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ এবং যৌক্তিক গবেষণার প্রসার ঘটানো সেটি নিয়ে তারা কতই না চিন্তিত! তাদের এই চিন্তাভাবনা কীভাবে ১৯৮৯ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া নির্দেশিকার সাথে মেলে... যেখানে বলা হয়েছিল, "মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না"? অথচ বৌদ্ধ বিহার ধ্বংস নিয়ে তাদের পাইকারি মিথ্যাচার এবং অস্তিত্বহীন "আর্য আক্রমণ" নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা মানেই হলো সাম্প্রদায়িক বা উগ্র জাতীয়তাবাদী হওয়া! এই "ঐতিহাসিকদের" প্রধান অপরাধ হলো এটিই। কিন্তু এরা কেবল একপাক্ষিক "ঐতিহাসিক" নন। তারা চরম পর্যায়ের স্বজনপ্রীতি করেন... তারা এমন লোক যারা সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে একে অপরকে অনেকভাবে সাহায্য করেছেন... এই "ঐতিহাসিকরা" কেবল পক্ষপাতদুষ্ট বা স্বজনপ্রীতিই করেন না, বরং তারা একে অপরকে সাহায্য করার জন্য রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ব্যবহার করেছেন... এর ফলে, এই লোকগুলোর বই এবং প্রচারপত্র সব আঞ্চলিক ভাষায় পাওয়া যায়, কিন্তু লোকমান্য তিলকের কাজগুলো মারাঠি ছাড়া অন্য ভাষায় পাওয়াই যায় না! ** ফেব্রিক্যাশনস অন দ্য ওয়ে টু দ্য ফিউনারেল। প্রকাশনা: ইন্ডিয়া কানেক্ট। লেখক: অরুণ শৌরি। তারিখ: ২৬ জুন, ১৯৯৮। [http://voiceofdharma.org/indology/eminenthistorians1.html] [https://www.dharmadispatch.in/commentary/de-secularizing-indian-history-why-the-ugc-deserves-our-kudos] * সব তথ্যই... পঞ্চাশ বছর আগে সবার জানা ছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধের সেই প্রজন্মের বিদায়ের সাথে সাথে এবং রেকর্ডগুলো যাচাই করার অভ্যাস পুরোপুরি ত্যাগ করার ফলে, বিশেষ করে জাতিভিত্তিক রাজনীতির উত্থানে সেগুলো জনস্মৃতি থেকে মুছে ফেলা হয়েছে। আর এই মুছে ফেলার ফলাফল যা হওয়ার ছিল তাই হয়েছে: এক ধরনের মানসিক বৈকল্য। শুরুতে যারা আম্বেদকরের নামে রাজনীতি করে এবং তাদের সমর্থকরা স্বাধীনতা সংগ্রামকে খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করেছে: তারা দাবি করে যে এই স্বাধীনতা "প্রকৃত" নয়। ঠিক সেই দলটির মতোই যারা ১৯৪২ সালের সেই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্রিটিশদের সাথে হাত মিলিয়েছিল—কমিউনিস্টরা। প্রকৃতপক্ষে... আম্বেদকরের আচরণকে সঠিক প্রমাণ করতে তার অনুসারীরা দাবি করেন যে ব্রিটিশ শাসনই ভালো ছিল... কিন্তু সত্য আলমারিতে লুকিয়ে থাকে। পাছে সত্য বেরিয়ে এসে তাদের রাজনীতির সেই আদর্শকে কলঙ্কিত করে, পাছে তাদের রাজনীতি আসল রূপে ধরা পড়ে যায়—যা মূলত বঞ্চিতদের নামে স্বার্থসিদ্ধি ছাড়া আর কিছুই নয়—আম্বেদকরের এই অনুসারীরা মৌখিক সন্ত্রাসবাদ এবং সরাসরি আক্রমণের মাধ্যমে তাদের এই বিশেষ ইতিহাসের ধারা বজায় রাখতে চায়। ** অরুণ শৌরি, *ওরশিপিং ফলস গডস*, ১৯৯৭, হার্পার কলিন্স। ==== ''ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস: এসেস অন রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স'' (১৯৯৩) ==== :শৌরি, এ. (২০০৬)। ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস: এসেস অন রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স। নয়া দিল্লি: রূপা অ্যান্ড কোং। * প্রত্নতাত্ত্বিক নতুন আবিষ্কারগুলোর ওপর যে নীরবতা পালন করা হয়েছে, তা একটি বড় উদাহরণ। .... এক দশকেরও বেশি সময় আগে করা খননকার্য থেকে পাওয়া তথ্যগুলো যখন জনসমক্ষে এল এবং সেখানে আগে সত্যিই একটি মন্দির ছিল সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ রইল না, তখন স্বয়ং প্রত্নতত্ত্বকেই নিন্দা জানানো হলো। বিশ্বের অন্যতম সম্মানিত প্রত্নতাত্ত্বিক—যিনি ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের প্রাক্তন মহাপরিচালক ছিলেন এবং সেই খননকার্যের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন—তাকে কলঙ্কিত করার কাজে পত্রিকাগুলো নেমে পড়ল। ... এর শিক্ষা খুব পরিষ্কার: যদি এমন দ্বিমুখী নীতি চলতে থাকে, তবে আমাদের সম্পাদকীয় লেখকদের ভয়ভীতিপূর্ণ সতর্কবাণী হিন্দুরা এখন যতটা শুনছে, ভবিষ্যতে তার চেয়েও কম গুরুত্ব দেবে। * পরিষ্কারভাবে বলতে গেলে, আমাদের সাংবাদিকরা যাদের 'কট্টরপন্থী' বলেন, তারাই সঠিক প্রমাণিত হয়েছেন। * গত এক দশকে শিখ এবং মুসলিম সাম্প্রদায়িকরা যেভাবে রাষ্ট্রকে সফলভাবে প্রভাবিত করেছে, তাতে সংবাদপত্রের ঘটনা এবং ইস্যুগুলোর বর্ণনায় দ্বিমুখী নীতি, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে প্রতারণা একটি বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। * মধ্যযুগীয় ভারতের প্রতিটি মুসলিম ঐতিহাসিক এমন মন্দিরের তালিকা দিয়েছেন যা তার সমকালীন শাসকরা ধ্বংস করেছিলেন এবং তার বদলে সেখানে মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। (৪২৯) ==== ''হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম (ভলিউম ১)'', ১৯৯৩ ==== * একজন বিখ্যাত মুসলিম পণ্ডিত যিনি ভারতের অন্যতম বড় ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের চতুর্থ রেক্টর ছিলেন, তার লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের ইংরেজি সংস্করণে বাবরী মসজিদসহ কিছু মসজিদের তালিকা ছিল, যা মন্দিরের জায়গায় এবং ভিতের ওপর তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে মন্দিরের পাথর ও কাঠামো ব্যবহারের উল্লেখ ছিল। দেখা গেল, সেই গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! বলা হচ্ছে বইটি এখন পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে;... এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... আমি জানলাম এটি একটি দীর্ঘ বই ছিল, যা শুরু হয়েছিল ভারতের ভূগোল, গাছপালা, পশুপাখি, ভাষা, মানুষ এবং অঞ্চলগুলোর বর্ণনা দিয়ে। বইটি আরবি ভাষায় লেখা হয়েছিল আরবিভাষী মানুষের জন্য। ... একটি অদ্ভুত তথ্য আমার সামনে এল। এই ধরনের প্রকাশনা সম্পর্কে যাদের জ্ঞান থাকার কথা, তাদের অনেকেই হঠাৎ করে এই বইটির কথা মনে করতে দ্বিধা বোধ করছিলেন। আমাকে বলা হয়েছিল যে, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের মতো জায়গাগুলো থেকে বইটির কপি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এমনকি কেউ কেউ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, তিন-চার বছর আগে এই বইটির প্রতিটি কপি ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য একটি সুসংগঠিত প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। .... লেখকের মর্যাদা এবং বইটির গুরুত্ব এত বেশি হওয়া সত্ত্বেও মৌলবাদীদের কাছে এটি কেন প্রিয় নয়? এর উত্তর লুকিয়ে আছে “হিন্দুস্তান কি মাসজিদেঁ” অর্থাৎ “হিন্দুস্তানের মসজিদসমূহ” নামক অধ্যায়টিতে। ... এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি, যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন—যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?... ** রাজনৈতিক কারণে লাইব্রেরি থেকে বই সরিয়ে ফেলার বিষয়ে। অরুণ শৌরি: হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯)। উদ্ধৃত: সীতারাম গোয়েল (সম্পাদক) (১৯৯৩)। হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম। ভলিউম ১। * সেগুলোর প্রকৃত গুরুত্ব এবং আমি বলতে পারি মসজিদ-মন্দির বিতর্কের ক্ষেত্রে এগুলো সবচেয়ে ছোট এবং সাধারণ উদাহরণ মাত্র লুকিয়ে আছে সত্য এড়িয়ে চলা এবং গোপন করার মধ্যে। আমার কাছে নির্ভরযোগ্য তথ্য আছে যে, এই অংশগুলো অনেক আগে থেকেই পরিচিত এবং যারা বাবরী মসজিদ ইস্যু নিয়ে কাজ করছেন তারা এটি ভালো করেই জানেন। এটিই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়; তারা এগুলো জানতেন এবং তাদের ইচ্ছা ছিল সত্য জানার বদলে সত্যকে গোপন করে মাটিচাপা দেওয়া.... মাওলানা আবদুল হাইয়ের অনুচ্ছেদগুলোর পরিণতি এবং আমি জানি না যে উর্দু সংস্করণটিও মূল আরবি সংস্করণের একটি সুবিধাজনক কাটছাঁট করা রূপ কি না আমাদের দেখায় যে, যারা নিজেদের রাজনীতির জন্য ধর্মের আবেগ উসকে দেয় তারা কতটা স্বার্থপরভাবে কাজ করে। '''যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য—মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?''' ** রাজনৈতিক কারণে লাইব্রেরি থেকে বই সরিয়ে ফেলার বিষয়ে। অরুণ শৌরি: হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯)। উদ্ধৃত: সীতারাম গোয়েল (সম্পাদক) (১৯৯৩)। হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম। ভলিউম ১। ==== ''আ সেকুলার এজেন্ডা'', ১৯৯৩ ==== * পাঠ্যটি পড়লে পাঠক লক্ষ্য করবেন যে ভারতের জনপরিসরের আলোচনায় যেসব বুলি ব্যবহার করা হয় এবং ফলস্বরূপ অনেকে যা বিশ্বাস করে নিয়েছেন, তা তথ্যের চেয়ে কতটা আলাদা.... (১০) * একটু চিন্তা করলেই দেখা যাবে যে ভারতের বিষয়টি আমরা যে উদাহরণগুলো আলোচনা করেছি তার মতো নয়। কারণ সেই উদাহরণগুলো একদম সাম্প্রতিক সময়ের—সেই জাতিগুলো "কল্পিত" ছিল, সেই ঐতিহ্যগুলো মাত্র ১০০ বা ১৫০ বছর আগে "উদ্ভাবিত" হয়েছিল। এর বিপরীতে ভারতকে হাজার হাজার বছর ধরে এক হিসেবে দেখা হয়েছে এবং এর মানুষের জীবনযাপনের ধরনও সাধারণ। এর ইতিহাস কেবল পুরনোই নয়.... এটি একটি ধারাবাহিক ইতিহাস। (৯) * জবরদস্তি করে ভুলে যাওয়া নয়, বরং এক আপসহীন স্মৃতিই একটি জাতি গঠন করবে। * প্রতিটি বাক্যই একটি মিথ্যা। ... আপনি কি কখনো বিবিসিকে নওয়াজ শরিফকে "মৌলবাদী" বা "ধর্মান্ধ" বলতে শুনেছেন? কিন্তু আডবাণী যদি "মুসলিমদের" জায়গায় "হিন্দু" বসিয়ে একই ধরনের বক্তব্য দিতেন, তবে তারা তাকে কী বলত? ==== ''মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া'', ১৯৯৪ ==== * '''আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?''' * '''কিন্তু আমাদের জনপরিসর এবং শিক্ষা থেকে এই ধরনের তথ্যগুলো প্রায় পুরোপুরি মুছে ফেলার একটি আরও শক্তিশালী কারণ আছে। আর সেটি হলো গত ৪৫ বছর ধরে আমরা যে ধরনের “ধর্মনিরপেক্ষতা” চর্চা করেছি: এমন এক “ধর্মনিরপেক্ষতা” যেখানে দ্বিমুখী নীতিই ছিল নিয়ম, যেখানে আমাদের জাতীয় পরিচয়কে ঢেকে রাখা আবর্জনা দূর করতে পারে এমন সবকিছুই অত্যন্ত ঘৃণ্য হয়ে উঠেছে।''' * ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অফ ইন্ডিয়া (সিবিসিআই) হলো ভারতের বিভিন্ন ক্যাথলিক গির্জার কাজ সমন্বয় করার এবং অন্য ধর্মের সাথে সংলাপ করার জন্য সর্বোচ্চ সংস্থা। ... ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করতে... সিবিসিআই ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতে একটি সভার আয়োজন করেছিল.... এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশ ছিল: এটি পঞ্চাশ বছরে মাত্র দ্বিতীয়বার এবং পঁচিশ বছরে প্রথমবার ছিল যেখানে এমন একটি ব্যাপক পর্যালোচনা করা হচ্ছিল... আয়োজকরা অত্যন্ত সদয় হয়ে আমাকে ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিদের কাজের ওপর হিন্দুদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে বলেছিলেন। * আর এই ধরনের মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করেই উপজাতিদের হিন্দু সমাজ থেকে আলাদা করা হয়েছিল। অ্যানিমিজম বা প্রকৃতিপূজার যে বর্ণনাগুলো দেওয়া হয়েছিল সেগুলো পড়লেই বোঝা যায় যে, তারা আসলে বিভিন্ন ধরনের হিন্দুদের কথাই বর্ণনা করছিল। ;'''বইটি সম্পর্কে উক্তি''' * আয়োজকরা অরুণ শৌরিকে ভারতে মিশনারিদের কাজের ওপর হিন্দুদের মূল্যায়ন তুলে ধরার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। অরুণ শৌরি ৫ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে আর্চবিশপ, বিশপ এবং অন্যদের সামনে ভাষণ দেন। ... আয়োজকরা অরুণ শৌরিকে তার বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে একটি প্রবন্ধ লিখতে অনুরোধ করেন.... বিতর্ক বাড়তে থাকায়... [তারা] অরুণ শৌরির সাথে একটি প্রকাশ্য মঞ্চে মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া নিয়ে আলোচনা করার জন্য বেশ কয়েকজন প্রবীণ গির্জা কর্মকর্তাকে আমন্ত্রণ জানান। ** মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া বইটি সম্পর্কে ** শৌরি, অরুণ। অরুণ শৌরি অ্যান্ড হিজ খ্রিস্টান ক্রিটিক। (১৯৯৫) * সংলাপের তৃতীয় উদ্দেশ্য সফল করার জন্য একটি আলোচনা কেবল ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতেই সম্ভব হয়েছিল, যখন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও পণ্ডিত অরুণ শৌরিকে ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অফ ইন্ডিয়া (সিবিসিআই) ভারতে মিশনারিদের কাজের “হিন্দু মূল্যায়ন” উপস্থাপনের জন্য আমন্ত্রণ জানায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এই “সংলাপের” আয়োজকদের জন্য বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং হিতে বিপরীত হয়। এরপর থেকেই ভারতের বিশাল খ্রিস্টান প্রতিষ্ঠান অরুণ শৌরির দেওয়া আঘাত সহ্য করছে। তিনি যে শোরগোল তুলেছিলেন তা কেবল ১৯৫৩ সালে কে. এম. পানিক্করের এশিয়া অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন ডমিন্যান্স প্রকাশের পর হওয়া শোরগোলের সাথে তুলনা করা যায়। মিশনারি বিজ্ঞান খ্রিস্টান দাবিগুলোর ক্ষতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য তাদের সব যুক্তি ও কৌশল প্রয়োগ করছে...<br>সিবিসিআই তাদের প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করছিল এবং পুনের ইশভানি কেন্দ্রে একটি সেমিনারের আয়োজন করেছিল। ৫ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে অরুণ শৌরি যখন তার বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখন ভারতের প্রায় সব বড় ক্যাথলিক নেতা সেখানে উপস্থিত ছিলেন...<br>প্রবন্ধটি বিস্তারিতভাবে লেখার পর তা একটি বইয়ের আকার নেয়। অরুণ শৌরি ১৯৯৪ সালের মে মাসের শুরুতে মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া: কন্টিনিউইটিস, চেঞ্জেস, ডিলেমাস নামে এটি প্রকাশ করেন। ... ইতিমধ্যে অরুণ শৌরি এই বিষয়ে তার নিয়মিত কলামে বেশ কিছু নিবন্ধ লিখেছিলেন যা দেশের বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশিত অনেকগুলো পত্রিকায় বের হয়। এই নিবন্ধগুলো পুনের মহারাষ্ট্র হেরাল্ডে একটি প্রাণবন্ত আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। ** সীতারাম গোয়েল, হিস্ট্রি অফ হিন্দু খ্রিস্টান এনকাউন্টারস * স্বাধীনতার পর ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিদের দাপট নেহরুবাদী প্রশাসনের সমর্থনে ক্রমাগত বেড়েই চলেছিল, যেখানে মিশনারি-ম্যাকলে ধাঁচের শিক্ষায় বেড়ে ওঠা একদল আত্মবিস্মৃত হিন্দু ছিল। এই ধারায় একমাত্র ছেদ ছিল ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত কে. এম. পানিক্করের এশিয়া অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন ডমিন্যান্স, ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত মধ্যপ্রদেশ খ্রিস্টান মিশনারি অ্যাক্টিভিটিস কমিটির রিপোর্ট, ১৯৭৮ সালে লোকসভায় ওম প্রকাশ ত্যাগীর আনা ধর্মীয় স্বাধীনতার বিল, ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত অরুণ শৌরির মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া এবং ২০ ডিসেম্বর ১৯৯৬ সালে মঙ্গল প্রভাত লোধা কর্তৃক মহারাষ্ট্র বিধানসভায় আনা মহারাষ্ট্র রিলিজিয়াস ফ্রিডম বিল। ** সীতারাম গোয়েল, ভিন্ডিকেটেড বাই টাইম: দ্য নিয়োগী কমিটি রিপোর্ট (১৯৯৮) ==== ''দ্য ওয়ার্ল্ড অফ ফতোয়াস (অর দ্য শরিয়া ইন অ্যাকশন)'', ১৯৯৫ ==== * আমাদের শহরের মুসলিম এলাকার বইয়ের দোকানগুলোতে—উদাহরণস্বরূপ দিল্লির জামে মসজিদের চারপাশের দোকানগুলোতে—ফতোয়ার সংকলনগুলো তাকের পর তাক জুড়ে থাকে। পবিত্র সাহিত্যের প্রতি মানুষ যেমন যত্নশীল হয়, এগুলোও তেমনি যত্নের সাথে সাজানো থাকে। পৃষ্ঠাগুলোর বিন্যাস খুব সুন্দর। ক্যালিগ্রাফিগুলো প্রায়ই শিল্পের পর্যায়ের। ভলিউমগুলো চমৎকারভাবে বাঁধাই করা—প্রায়ই কভারের ওপর সোনালি এমবসিং থাকে। * '''এক কথায়, ফতোয়া হলো শরিয়তের প্রয়োগ।''' * এই সব কারণে যে কেউ ফতোয়ার ওপর প্রচুর গবেষণার আশা করবে। কিন্তু তাহলে আমাদের বুদ্ধিজীবীদের কথা ভুলে যেতে হবে। এটি আরও একটি প্রমাণ যে আমাদের বুদ্ধিজীবীরা আমাদের দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন; ইংরেজি বা উর্দুতে ফতোয়ার ওপর কোনো গবেষণাই প্রায় নেই। * প্রথমত, আমাদের পণ্ডিতরা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের জন্য সময় দেননি ঠিক সেই কারণে যার জন্য তারা আমাদের দেশের অস্তিত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অন্য বিষয়গুলোতেও সময় দেননি। ভারতে বুদ্ধিবৃত্তিক কাজের বেশিরভাগই হলো পশ্চিমে যা করা হচ্ছে তার পাদটীকা লেখা—অন্যদের চেয়ে মার্ক্সবাদী বুদ্ধিজীবীদের ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি সত্যি। আর যখন আমাদের বুদ্ধিজীবীরা এই পাদটীকা লিখতে ব্যস্ত থাকেন না, তারা পশ্চিমা মহলে জনপ্রিয় ফ্যাশন অনুসরণ করতে ব্যস্ত থাকেন এবং পশ্চিমে জনপ্রিয় হওয়া কোনো ধারণা বা ‘থিসিস’ ভারতীয় তথ্যের ওপর ‘প্রয়োগ’ করতে ব্যস্ত থাকেন। এক কথায়, আমাদের পাণ্ডিত্যপূর্ণ কাজগুলো অনুকরণধর্মী। তাই ভারতে ফতোয়া নিয়ে কোনো বড় গবেষণা না হওয়ার প্রথম কারণ হলো যে এগুলো এখনো পশ্চিমের নজর কাড়েনি। * “আমাদের উচিত, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের উচিত মুসলিম সমাজের অবস্থা সম্পর্কে পুরো সত্য বলা—উদাহরণস্বরূপ সেখানকার নারীদের দুর্দশা নিয়ে। এবং এর মূল উৎস—বই, আইন এবং চিন্তাধারার মধ্যে সেটি খুঁজতে দ্বিধা না করা। আমাদের উলেমা [মুসলিম ধর্মীয় নেতা] এবং কট্টরপন্থী রাজনীতিবিদদের সামাজিক কর্মকাণ্ডের দলিল তৈরি করা উচিত।... উলেমা এবং অন্যরা ধর্মীয় ইস্যুতে যা বলছেন এবং যা ফতোয়া দিচ্ছেন তা নথিবদ্ধ করা উচিত।... আমাদের, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের প্রতিটি বিষয়ে দৃঢ়ভাবে ধর্মনিরপেক্ষ অবস্থান নিতে হবে—কট্টরপন্থীদের মোকাবিলা করার এটিই একমাত্র পথ, এটিই সম্প্রদায়ের কাছে বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি পৌঁছে দেওয়ার সবচেয়ে নিশ্চিত উপায়।... ফতোয়া এবং অন্যান্য বিষয় যা একজন ব্যক্তির নাগরিক অধিকার খর্ব করে তা স্পষ্টতই আইনের অপরাধমূলক লঙ্ঘন; আমাদের উচিত সেগুলোকে সেভাবেই তুলে ধরা; এবং অন্যদের সাথে মিলে দাবি করা যে কেউ যদি ফতোয়া ব্যবহার করে অন্যের অধিকার মাড়িয়ে দিতে চায় তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। একইভাবে, আমাদের সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদরা এই প্রতিক্রিয়াশীল উপাদানগুলোকে খুশি করার জন্য এবং শেষ পর্যন্ত তাদের হাত শক্তিশালী করার জন্য যে ছাড় দেয়, তা আমাদের উন্মোচিত করতে হবে এবং ব্যর্থ করার জন্য কাজ করতে হবে।... কিন্তু উলেমা এবং তাদের নেটওয়ার্কের মোকাবিলা করাই যথেষ্ট নয়। আমরা যেমনটা দেখেছি, তারা যা প্রচার করে এবং কার্যকর করে তা কুরআন এবং হাদিসেই বলা আছে। তাই এই জাল কাটতে হলে উদারপন্থীদের এবং বিশেষ করে উদারপন্থী মুসলিমদের ইসলামের হাজার বছরের দাবিগুলো পরীক্ষা করে দেখতে হবে: এই দাবি যে কেবল একটিই সত্য আছে, তা কেবল একজন মানুষের কাছেই প্রকাশিত হয়েছে, তা কেবল একটি বইতেই আছে, সেই বইটি বোঝা খুব কঠিন, কেবল কয়েকজন নির্বাচিত মানুষই এর অন্তর্নিহিত অর্থ জানে এবং তাই তাদের কথা মেনে চলা সবার কর্তব্য। এক কথায়, মূল পাঠ্যগুলোকেই পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।” (উদ্ধৃত: বোস্টম, এ. জি. (২০১৫)। শরিয়া ভার্সেস ফ্রিডম: দ্য লেগাসি অফ ইসলামিক টোটালিটারিয়ানিজম।) * ফতোয়ার বইগুলোতে আরও একটি অদ্ভুত বিষয়ের ওপর পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা বরাদ্দ করা হয়েছে—তা হলো, কোনো বিশ্বাসী যদি পশুর সাথে যৌনমিলন করে তবে তার কী করা উচিত। ‘যে পশুর সাথে মানুষ যৌনমিলন করেছে তার হুকুম কী—পশু এবং সেই মানুষের হুকুম কী?’, প্রশ্নকারী জানতে চান এবং যথাযথ বিবেচনার পর এই বিশাল ‘ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের’ উলেমা একটি ফতোয়া জারি করেন। ফতোয়া দাবি করা অন্য বিষয়গুলোও ঠিক একইভাবে বিস্ময়কর। <br> ‘যে গর্ভবতী ছাগলের সাথে মিলন করা হয়েছে তা কি হালাল না হারাম? সেটি বাচ্চা দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না কি বাচ্চা হওয়ার আগেই মেরে ফেলে পুঁতে ফেলতে হবে?’ ‘জায়েদ একটি ছাগলের সাথে মিলন করেছে। এর আইন কী? আমরা কি এর মাংস খেতে পারি বা দুধ পান করতে পারি? আর যে মিলন করেছে তার জন্য আইন কী?’ ‘ছোট শিশু বা ছাগলের সাথে মিলন করার শাস্তি কী?’ ‘জায়েদ একটি হালাল পশু যেমন গরু বা ছাগলের সাথে মিলন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে পশুর কাছে গেল এবং তার যৌনাঙ্গ পশুর যোনিতে প্রবেশ করাল। কিন্তু কোনো বীর্যপাত হলো না। জায়েদ বা অন্য মুসলিমদের কি সেই পশুর মাংস বা দুধ হালাল মনে করা উচিত? এই অপরাধের জন্য কি জায়েদকে কাফফারা দিতে হবে?’ ‘জায়েদ একটি গরুর সাথে মিলন করেছে এবং তারপর সেটি বিক্রি করে দিয়েছে। সেই টাকা কীভাবে খরচ করতে হবে? সেটি কি সাদকা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে? আর জায়েদের শাস্তি কী?’ ‘যে ঘোড়ীর সাথে মিলন করেছে তার শাস্তি কী? সেই ঘোড়ীটির সাথে কী করা উচিত?’ এই প্রতিটি বিষয়ে একটি করে ফতোয়া আছে। <br> আর উত্তরগুলো সবসময় একরকম হয় না, অনেক সময় সুক্ষ্ম পার্থক্যের ওপর নির্ভর করে। পশুর সাথে মিলন করা বিশ্বাসীর জন্য কেবল তওবা করাই যথেষ্ট বলে মনে করেন এই পণ্ডিতরা, তবে সাধারণত পশুটিকে মেরে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। অর্থাৎ সাধারণ ক্ষেত্রে এর মাংস খাওয়া উচিত নয়। তবে একটি উদাহরণ ধরা যাক, দেওবন্দের দারুল উলুমের উলেমা রায় দিয়েছেন যে, ‘যদি (পশুর ভেতরে) বীর্যপাত না হয়, তবে এর মাংস এবং দুধ নিঃসন্দেহে হালাল।’ ‘কিন্তু যদি বীর্যপাত হয়, তবে পশুটিকে মেরে ফেলে এর মাংস পুঁতে ফেলা ভালো। কারো এটি খাওয়া উচিত নয়, যদিও এটি খাওয়া হারাম নয়।’ [...] পরিশেষে, অন্যরা যখন এই ধরনের প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করতে কিছুটা অস্বস্তি বোধ করতে পারেন এবং ‘ধর্মীয়’ বইগুলোতে এগুলোর দেখা পেয়ে অবাক হতে পারেন, উলেমাদের এই বিষয়ে আলোচনা করতে বা আইন দিতে কোনো দ্বিধা নেই। তারা এটিকে তাদের একটি কাজ বলে মনে করেন। মাওলানা মুফতি আবদুর রহিম কাদরী বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। জানা যায় যে, হযরত শায়খুল ইসলাম মাওলানা মৌলবি নামে একজন মৌলবি দুটি প্রচারপত্র প্রকাশ করে হানাফি ফকিহদের সমালোচনা করেছিলেন কারণ তারা মনে করেন যে পশুর সাথে মিলন করলে রোজা নষ্ট হয় না, এমনকি বীর্যপাত হলেও। তিনি হানাফি আইনের বড় বড় নাম—শামী এবং দুররুল মুখতার—উদ্ধৃত করে বলেছিলেন যে তারা এটিই বলেছেন। তিনি ধর্মীয় বইগুলোতে এই ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য পণ্ডিত উলেমাদের তিরস্কারও করেছিলেন। মৌলবির এই লেখাগুলো মতামতের জন্য মুফতি আবদুর রহিম কাদরীর কাছে পাঠানো হয়েছিল। মুফতির ব্যাখ্যা ফতোয়ায়ে রহিমিয়া-র দশটি মুদ্রিত পৃষ্ঠা জুড়ে আছে। প্রশ্নের মূল উত্তরটি নির্ভর করছে পশুর ভেতরে লিঙ্গ প্রবেশের সময় বীর্যপাত হয়েছে কি না তার ওপর—যদি হয় তবে রোজা বাতিল হয়ে যাবে—নাকি কেবল হাত দিয়ে পশুর যৌনাঙ্গ স্পর্শ বা চুম্বনের ফলে বীর্যপাত হয়েছে—সে ক্ষেত্রে রোজা নষ্ট হবে না। মুফতি এই পার্থক্য বোঝাতে বিভিন্ন উদ্ধৃতি দিয়েছেন এবং দাবি করেছেন যে মৌলবি হানাফি ফকিহদের রায়ের ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন। * এরপরে আসে উর্দু সংবাদমাধ্যম। এটি উলেমাদের অন্যতম শক্তিশালী সহযোগী এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের অস্ত্র হিসেবে কাজ করেছে, যেমনটা আমরা ড. জাকির হোসেন এবং মাওলানা আজাদের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানের সময় দেখেছি। ১৯৯২ সালে দিল্লির জামিয়া মিলিয়ার প্রো-ভিসি মুশিরুল হাসান এবং পাটনার খুদা বখশ লাইব্রেরির পরিচালক আবিদ রেজা বেদারের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানেও আমরা একই ভূমিকা দেখেছি। উচ্চকণ্ঠ, ব্যাপক বিকৃতি, অভিযোগের প্রতিধ্বনি তৈরি করা, চরম নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করা এবং তারপর সবকিছুকে ইসলামের ওপর আক্রমণ হিসেবে তুলে ধরা—এগুলোই এর বৈশিষ্ট্য। আর শেষ পর্যন্ত এগুলো সেই বিশ্বদর্শনকেই শক্তিশালী করতে ব্যবহৃত হয় যা উলেমা চান যে তাদের সম্প্রদায় বজায় রাখুক। *আর এরপর আছে পৃষ্ঠপোষকতার প্রভাব। সৌদি আরব, ইরান বা ইরাক অথবা অন্য ‘ইসলামি’ উৎস থেকে আসা তহবিল উলেমাদের কাছে বা তাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সংস্থাগুলোর কাছে যায়। এই তহবিল প্রায় কখনোই উদারপন্থীদের কাছে পৌঁছায় না। ভারতের অবস্থা তো আরও খারাপ। যেহেতু উলেমা সম্প্রদায়কে নিয়ন্ত্রণ করে, তাই রাষ্ট্র উলেমা এবং তাদের ভাষায় যারা কথা বলে তাদের সামনেই নতজানু হয়। রাষ্ট্র যত দুর্বল হয়েছে, উলেমা তত সহজে তাদের প্রচারাভিযান চালিয়ে যেতে পেরেছে। আর বিনিময়ে তারা সম্প্রদায়ের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও মজবুত করতে পেরেছে এটি দেখিয়ে যে রাষ্ট্র তাদের সামনে মাথা নত করে—যেমন শাহ বানোর ক্ষেত্রে হয়েছিল; যে রাষ্ট্র তাদের পথে দাঁড়ানোর সাহস পায় না: দেশের আইনি ব্যবস্থার বাইরে সমান্তরাল আদালত—শরিয়ত আদালত তৈরি করার জন্য তাদের বর্তমান অভিযানের দুঃসাহস দেখুন। *উদারপন্থী হিন্দুরা এতটাই লজ্জিত থাকে এবং তারা এই মেকি ধর্মনিরপেক্ষতাকে এতটাই নিজের করে নিয়েছে যে, তারা ধর্মগ্রন্থগুলো—তা ইসলামের হোক, হিন্দুধর্মের হোক বা আমাদের আইন ও সংবিধানের হোক সেগুলো সম্পর্কে কিছুই জানে না। তারা দ্বিমুখী নীতিকে এতটাই মেনে নিয়েছে যে ইসলামি সব বিষয়ে চুপ থাকা এবং মৌলবাদীদের সুর মেলানোকেই তারা ধর্মনিরপেক্ষতার প্রমাণ মনে করে। ইংরেজি সংবাদমাধ্যমের ‘ধর্মনিরপেক্ষরা’ এর একটি তৈরি উদাহরণ। তারা আলী মিঞাকে ‘পরিমিতিবাদী, সর্বজনশ্রদ্ধেয় মুসলিম নেতা’ হিসেবে উল্লেখ করবে তার কোনো লেখা না পড়েই। তারা বিভিন্ন মুফতি ও মৌলবিকে ‘মুসলিম ধর্মতত্ত্ববিদ’ হিসেবে উল্লেখ করবে। অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড বা অল ইন্ডিয়া মিলি কাউন্সিল যা করছে তা থেকে তারা চোখ বন্ধ করে রাখবে; কিন্তু রাষ্ট্রের কোনো সংস্থা যদি তাদের কার্যক্রম উন্মোচিত করতে কোনো পদক্ষেপ নেয় তবে তারা চিৎকার শুরু করবে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, কোনো ইস্যুতে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে উলেমাদের পক্ষ নেবে এবং জোর দিয়ে বলবে যে এই পক্ষের বিরোধিতা করা মানেই ‘সাম্প্রদায়িক’, ‘ফ্যাসিবাদী’ বা ‘প্রতিশোধপরায়ণ’ হওয়া। এই ধরনের চিৎকারের প্রভাব কেবল আলোচনার পরিবেশ বিষিয়ে দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। দুর্বল শাসকরা সেই পরিবেশে প্রভাবিত হয়। আর এভাবেই জননীতি উলেমাদের পক্ষে চলে যায়। ফলে উলেমা আরও শক্তিশালী হয়। *আমরা যখন বুদ্ধের বাণী বা রোজা সম্পর্কে গান্ধীজির কথা পড়ি, তখন তার বিষয়বস্তু থাকে নিজের ভেতর তাকানো এবং আত্মশুদ্ধি নিয়ে। কিন্তু এমনকি যখন ফতোয়াগুলো পুরোপুরি ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কাজ করে, তখনও সেগুলো কেবল সেই নিয়মগুলো নিয়ে থাকে যা একজন বিশ্বাসীকে মেনে চলতে হয়। এগুলো কুচকাওয়াজের জন্য একজন ড্রিল সার্জেন্ট ক্যাডেটদের যে নির্দেশনা দেন তার মতো। *আমাদের নেতা এবং সুপ্রিম কোর্ট যখন অনবরত বলছেন, ‘সব ধর্ম এক’; যখন তারা বেদের বাণী স্মরণ করছেন, ‘সত্য এক, ঋষিরা একে ভিন্ন নামে ডাকেন’; যখন তারা অশোকের শিলালিপি স্মরণ করছেন, ‘যে নিজের ধর্মকে শ্রদ্ধা করে এবং অন্যের ধর্মকে তুচ্ছ করে, সেটি নিজের ধর্মের প্রতি ভক্তির কারণে এবং অন্য ধর্মের ওপর একে বড় দেখানোর জন্য হোক না কেন, সে আসলে নিজের ধর্মেরই ক্ষতি করে’, উলেমা ঠিক তার উল্টো মূল্যবোধ প্রচার করেন। উলেমাদের প্রতি সুবিচার করতে হলে বলতে হয় এগুলোই প্রকৃত ইসলামি মূল্যবোধ। যেমন মাওলানা আহমদ রেজা খান সেই সব মানুষের ওপর ক্ষিপ্ত হন যারা এমন শোভাযাত্রা সমর্থন করে যেখানে গীতা ও কুরআনকে সমান সম্মানের সাথে বহন করা হয়; তিনি ঘোষণা করেন যে একজন মুসলিমের পক্ষে এটি বলাও কুফর যে, ‘হিন্দুদের বেদ অনুযায়ী চলা উচিত এবং মুসলিমদের কুরআন অনুযায়ী চলা উচিত’; তিনি বলেন, মন্দির হলো শয়তানের আস্তানা, একজন মুসলিমের সেখানে যাওয়া নিষিদ্ধ; পবিত্র কুরআনকে বেদের মতো বলা কুফর; হিন্দুদের বেদ অনুযায়ী চলতে বলা মানে মানুষকে কুফর অনুসরণ করতে বলা, আর মানুষকে কুফর অনুসরণ করতে বলা মানেই হলো কুফর... *ফতোয়াগুলো এই দ্বিমুখী নীতিকেই প্রতিফলিত করে। ধর্মান্তর এবং ধর্মত্যাগের প্রতি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি এর একটি বড় উদাহরণ। ইসলাম অন্য ধর্মের মানুষকে ধর্মান্তরিত করাকে একটি অধিকার এবং কর্তব্য বলে মনে করে। উলেমা এর ওপর জোর দেন....অন্য ব্যক্তির ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখিয়ে কোনো কাজ করা বা না করার বিষয়েও একই অবস্থান নেওয়া হয়.....এর একটি আরও বড় উদাহরণ হলো ধর্মীয় চর্চা চালিয়ে যাওয়ার অবস্থান। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়া একজন মুসলিমের অধিকার ও কর্তব্য। ...ফতোয়ায়ে রিজভিয়া ঘোষণা করে যে, কোনো অবস্থাতেই ইসলামি শাসক কাফিরদের তাদের ধর্মীয় আচার পালনের অনুমতি দিতে পারে না এবং প্রশ্ন করে: সে কি তাদের কুফর পালন করতে দেবে এবং এর মাধ্যমে নিজে কাফির হয়ে যাবে?...এতে আরও বলা হয়েছে যে এ বিষয়ে বেশ কিছু হাদিস আছে যে কোনো অমুসলিম আরব উপদ্বীপে থাকতে পারবে না...অর্থাৎ, কোনো অমুসলিমকে আরব উপদ্বীপে থাকতে দেওয়া হবে না, কিন্তু যদি ভারত থেকে একজন অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে চলে যেতে বলা হয়, তবে সেটি হবে ইসলামের ওপর আঘাত!...একইভাবে, আজও কোনো ইসলামি রাষ্ট্রে কোনো স্কুলের শিক্ষকরা অমুসলিম শিশুদের তাদের ধর্মের শিক্ষা দিতে পারেন না...কিফায়াতুল্লাহ ঘোষণা করেন যে, কুরআন শিক্ষা এবং ধর্মীয় শিক্ষার ওপর কোনো বাধা সহ্য করা যাবে না। ...অথচ ধর্মনিরপেক্ষ আলোচনায় আমরা শুনি যে ইসলামের মতো আর কোনো ধর্ম নেই যা ভেদাভেদ দূর করেছে, ইসলামের মতো আর কেউ সবাইকে সমান মর্যাদা দেয় না! *এই সবকিছুর পরেও যারা দাবি করেন, ‘শরিয়ত নারীদের অধিকার রক্ষা করেছে যেমনটা অন্য কোনো আইন করেনি,’ তারা কেবল এই আত্মবিশ্বাস থেকেই তা বলেন যে তারা ছাড়া আর কেউ শরিয়তের মূল পাঠ্যগুলো পড়েনি। *তা সত্ত্বেও আমাদের বিশ্বাস করতে হবে যে শরিয়তের মতো অন্য কোনো আইন নারীদের এত অধিকার দেয়নি এবং ইসলামের মতো অন্য কোনো ধর্ম তাদের বিষয়ে এত যত্নশীল নয়, না হলে আমাদের সাম্প্রদায়িক তকমা সইতে হবে। এই যুক্তি কেবল একগুঁয়ে অন্ধ সমর্থকদেরই বোকা বানাতে পারে। *ফতোয়ার মাধ্যমে বলবৎ হওয়া শরিয়ত কেবল তা-ই নয়। যেহেতু আমাদের সরকারগুলো অভিন্ন দেওয়ানি বিধি প্রণয়নের সাংবিধানিক নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করেনি, তাই এটিই হলো ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের আইন যা আমাদের আদালতগুলো কার্যকর করে! * বিষয়গুলো কেবল উলেমাদের নারীদের মূল্যায়নের কারণেই আগ্রহের বিষয়, কারণ এটি ফতোয়ার সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। দেওবন্দের উলেমা একটি বিষয় সমাধান করতে গিয়ে ঘোষণা করেন যে, ‘কুরআনে বলা হয়েছে স্বামীই হলো কর্তা।’ .... আর এই কাফিরদের মধ্যেও ভাগ আছে বলে মাওলানা আহমদ রেজা খান ঘোষণা করেন: এক প্রকার কঠিন কুফর হলো খ্রিস্টধর্ম; তার চেয়েও খারাপ হলো মাজুসিয়ত (অগ্নিপূজা); তার চেয়েও খারাপ হলো মূর্তিপূজা; তার চেয়েও খারাপ হলো ওহাবি মতবাদ; এবং এই সবকিছুর চেয়েও খারাপ ও দুষ্ট হলো দেওবন্দি মতবাদ... * এবং এটি চলতেই থাকে। এর প্রভাব হবে খুব স্পষ্ট: যখন আপনি তাদের কাছে কোনো সমস্যা নিয়ে যাবেন, উলেমা এক জন বিশেষজ্ঞের বদলে অন্য জনের দোহাই দিয়ে আপনার পথ সহজ করতে পারেন অথবা বাধা দিতে পারেন। একই সাথে তারা এবং তাদের সমর্থকরা জোর দিয়ে বলবেন যে আমাদের, বিশেষ করে অমুসলিমদের কখনোই এটি বিশ্বাস করা বন্ধ করা উচিত নয় যে শরিয়ত একটি স্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট বিধি, এটি ঐশ্বরিকভাবে নির্ধারিত এবং তাই এটি একটি শাশ্বত এবং অপরিবর্তনীয় বিধি! *এখন পর্যন্ত দুটি বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা: (১) একটি পরিষ্কার এবং সুনির্দিষ্ট বিধি হওয়ার বদলে শরিয়ত আসলে অস্পষ্ট; (২) এটি প্রতিটি বিষয়েই অস্পষ্ট। এর দুটি প্রায়োগিক ফলাফল রয়েছে: (১) এই অস্পষ্টতাই হলো উলেমাদের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতার অন্যতম ভিত্তি; (২) তাই উলেমা শরিয়তকে বিধিবদ্ধ করার প্রতিটি প্রচেষ্টাকে ঠিক ততটাই প্রবলভাবে বাধা দেন যেমনটা তারা সবার জন্য একটি সাধারণ আধুনিক আইনের প্রচেষ্টাকে বাধা দেন। *মাওলানা আহমদ রেজা খান যখন বলেন যে বিজ্ঞানের সামনে ইসলামের মাথা নত করা নয় বরং ইসলামের সামনে বিজ্ঞানের মাথা নত করাই ইসলামের গৌরব, তখন তিনি আসলে তার ধর্মের প্রতিই সত্যনিষ্ঠ থাকেন। বিজ্ঞানের জন্য যা প্রযোজ্য, তা ঐতিহাসিক ‘তথ্যের’ ক্ষেত্রে আরও বেশি প্রযোজ্য যেমন শত জন খলিফা ছিলেন নাকি বারো জন। * পৃথিবী স্থির। সূর্য এর চারদিকে ঘোরে। নক্ষত্রগুলো স্থির, যা আল্লাহ প্রদীপ হিসেবে ঝুলিয়ে দিয়েছেন পর্যটকদের পথ দেখানোর জন্য এবং শয়তানকে পাথর মারার জন্য। এর বাইরে কিছু বিশ্বাস করা মানে ধর্মের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা। পুরুষরাই হলো কর্তা। প্রত্যেকে একসাথে চারজন পর্যন্ত স্ত্রী এবং যত খুশি উপপত্নী রাখতে পারে। স্ত্রীরা হলো ফসলের মাঠের মতো, স্বামী চাইলে তাতে ‘জলসেচন’ করতে পারে অথবা না-ও পারে। স্বামী তার সামান্যতম ইচ্ছা পূরণের জন্যও তাদের বাধ্য করতে পারে এবং না মানলে তালাকের ভয় দেখাতে পারে। এরপরও যদি সে সন্তুষ্ট না হয়, তবে সে তাদের এক কথায় বের করে দিতে পারে। বের করে দেওয়ার পর তারা কেবল জীবনধারণের ন্যূনতম সহায়তার অধিকারী হবে কিন্তু তা কেবল তিন মাসের জন্য, এরপর আর কিছুই নয়। এতে কোনো অন্যায় দেখা বা নারীদের জন্য আরও কিছু দাবি করা মানে আল্লাহর প্রজ্ঞাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং ইসলামের ওপর আঘাত হানা। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা, নির্ধারিত পদ্ধতিতে ইস্তিনজা করতে ব্যর্থ হওয়া, কুকুরের লালা নাপাক এবং শরীর পাক এটি বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হওয়া বড় গুনাহ। একজন কাফির যত বড় সাধুপুরুষই হোক না কেন, এমনকি তার মৃত্যুর পরও তার মঙ্গল কামনা করা, অথবা একজন মুসলিম যত বড় পাপীই হোক না কেন সে যে একজন পুণ্যবান কাফিরের চেয়েও শ্রেষ্ঠ তা বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হওয়া হলো কুফর। উলেমাদের মানসিকতা এমনই। জীবনের সব ক্ষেত্রে তাদের দেওয়া রায়ে এটি ফুটে ওঠে। *দেশের এবং ব্যক্তির অগ্রগতির জন্য শিক্ষা অপরিহার্য। কিন্তু বর্তমানে যাকে শিক্ষা বলা হয় তার বিরুদ্ধে উলেমা দীর্ঘদিন কঠোর লড়াই করেছেন। তাদের কাছে আধুনিক এবং কারিগরি শিক্ষার চেয়ে ধর্মীয় শিক্ষাই অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। কেবল সেই বিষয়গুলোই পড়া উচিত এবং কেবল সেই জ্ঞানই অর্জন করা উচিত যা একজনের বিশ্বাসকে শক্তিশালী করে সহজ কথায়, কেবল সেই বিষয়গুলোই পড়তে হবে যা এটি নিশ্চিত করে যে কুরআন ও হাদিসে যা লেখা আছে এবং উলেমা শত শত বছর ধরে যা বলে আসছেন তা-ই সত্য এবং প্রজ্ঞার ও পূর্ণতার সর্বোচ্চ শিখর। নারীদের শিক্ষা, বিশেষ করে নতুন মূল্যবোধের প্রতি তাদের সচেতন হওয়া, নতুন পেশার জন্য প্রশিক্ষণ পাওয়া এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়া—এই সবকিছুই তাদের কাছে ঘৃণ্য; এটি তাদের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করা হয়, প্রকৃতপক্ষে এটিকে সমাজকে ধ্বংস করার এবং ইসলামকে দুর্বল করার পথ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। *যে প্রতিষ্ঠানের ভারতীয় ইতিহাসের পাঠ্যক্রমে কেবল মাহমুদ গজনভির আক্রমণ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত সময়কাল অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং যার ভূগোলের পাঠ্যক্রমে কেবল আরব উপদ্বীপের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, সেটি কি ভারতের জন্য বা ভারতের কোনো প্রতিষ্ঠান? * প্রত্যাশিতভাবেই, মাওলানা আহমদ রেজা খানের মতে শিয়ারা একেবারেই মুসলিম নয়। তাদের ‘মসজিদ’ কোনো মসজিদই নয়—আর মনে রাখবেন, মীর বাকী এবং তার বংশধরেরা যেহেতু মসজিদের মুতওয়াল্লি ছিলেন, তাই ‘বাবরী মসজিদ’ ছিল একটি শিয়া মসজিদ। * ‘আরে ভাই, কিন্তু আপনি হিন্দু ফতোয়া নিয়ে লিখছেন না কেন?’—এটি এমন এক বিখ্যাত বুদ্ধিজীবীর কথা যার নামের অনেক খ্যাতি রয়েছে। হিন্দুদের মধ্যে ফতোয়া বলে কিছু নেই—তবে নিশ্চিতভাবেই আমাদের বুদ্ধিজীবীরা সেটি জানেন। এ ধরনের উপদেশের উদ্দেশ্য অন্যরকম। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, একজন হিন্দুর ইসলাম নিয়ে লেখালেখি থেকে দূরে থাকা উচিত। বরং, সে যদি ইসলামি বা মুসলিম বিষয় নিয়ে কিছু লেখেও, তবে তাকে কেবল প্রশংসাগীতি গাইতে হবে—‘সহনশীলতার ধর্ম, সাম্যের ধর্ম...’—তাকে কেবল ‘ইসলামি মানস’ সম্পর্কে ‘বোঝার’ বা ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য বই লিখতে হবে। বড়জোর, যদি তাকে ইসলামের কোনো দুর্ভাগ্যজনক ত্রুটি সম্পর্কে কিছু বলতেই হয়, তবে সেটিকে কোনো বিশেষ সময় বা স্থানের ওপর চাপিয়ে দিতে হবে এবং ইসলামকে তার থেকে মুক্তি দিতে হবে! আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, তাকে এটি নিশ্চিত করতে হবে যে সে ইসলামের সেই দিকটি নিয়ে মন্তব্যের সাথে হিন্দুধর্মের কোনো কিছুর নিন্দা করে বিষয়টিকে ‘ভারসাম্যপূর্ণ’ করবে, সেটা যা-ই হোক—জাতীয় প্রথা, পণের কারণে মৃত্যু, বিদেশিদের ম্লেচ্ছ মনে করা, এমনকি অন্য কিছু না মিললে অন্তত সতীদাহ প্রথা! * তাহলে, কারা ক্ষুব্ধ হচ্ছে? ফতোয়াগুলোর উদ্ধৃতি এবং বিশ্লেষণে কারা অপমানিত বোধ করছে? তারা হলো ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা। আর এর কারণ স্পষ্ট। এই তথ্যপ্রমাণের সামনে, কুরআন ও নবীর সরাসরি এবং জোরালো নির্দেশের সামনে এবং ফতোয়াগুলোতে থাকা বারবার এবং অত্যন্ত স্পষ্ট ঘোষণার সামনে তার কাছে কোনো উত্তর নেই। এগুলোর মোকাবিলা করার মতো কোনো প্রমাণ তার কাছে নেই। কিন্তু যখন তারা যা বলে তা সরাসরি সামনে আনা হয়, তখন সে তার এই উল্টো ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ আর বজায় রাখতে পারে না। যতক্ষণ পর্যন্ত এই বিষয়গুলো উর্দুতে সীমাবদ্ধ থাকে, ততক্ষণ তা তার চেনা মহলে কোনো অসুবিধা সৃষ্টি করে না। কিন্তু যে মুহূর্তে এগুলো ইংরেজিতে প্রকাশ পায়, তখনই সে বিপদে পড়ে যায়। আর তাই সে ক্ষোভের ভান করে! এর উত্তর কী? তথ্যগুলো অনবরত তুলে ধরা। সেগুলো বিশ্লেষণ করে যাওয়া। এই বিশ্বাসে যে গালিগালাজ দিয়ে তথ্যপ্রমাণ ধামাচাপা দেওয়া যাবে না। এই বিশ্বাসে যে চিন্তাভাবনা হলো বীজের মতো, যা একদিন শিকড় গাড়বে। * বাংলাদেশে ইসলামীকরণের দিকে দ্রুত ধাবিত হওয়া, তাবলিগ জামাতের দ্রুত বিস্তার এবং হিজবুত তাহরীর ও হিজবুত তৌহিদের মতো মৌলবাদী সংগঠনগুলোর ক্রমবর্ধমান প্রসার ও প্রভাবের সাথে সাথে দেশের বিভিন্ন স্থানে শরিয়ত কমিটি গড়ে উঠেছে। ফতোয়া দেওয়ার ঘটনা আরও নিয়মিত হয়ে পড়েছে। গ্রামীণ এলাকায় স্থানীয় মোল্লারা প্রায়ই এগুলো জারি করেন এবং প্রায়শই এর শিকার হন এমন নারীরা যারা প্রকৃতপক্ষে সহিংসতা, ধর্ষণ এবং এ জাতীয় ঘটনার শিকার হয়েছিলেন.... * মুসলিম সাংবাদিকতা আর নেতৃত্বের ওপর দোষ চাপানো এক অর্থে মূল প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া। সর্বোপরি, মুসলিমরা কেন এই ধরনের সাংবাদিকতাকে গুরুত্ব দেয়, কেন তারা এই ধরনের নেতাদের অনুসরণ করে? এর উত্তর লুকিয়ে আছে সেই মনস্তত্বের মধ্যে, যা উলেমা এবং তাদের ফতোয়াগুলো তাদের মনে গেঁথে দিয়েছে। * এমনকি এটি বলাও কুফর যে, ‘শরিয়ত কী? আজ কি কেউ শরিয়ত মেনে চলে?’, ঘোষণা করে ফতোয়ায়ে রিজভিয়া। এমনকি যদি অন্যদের বিদ্রূপ করার জন্য এই কথাগুলো বলা হয়, তবে সেগুলো গুরুতর পাপ হিসেবে গণ্য হবে। এটি ঘোষণা করে যে, ‘আমরা শরিয়ত মানি না, আমরা প্রথা অনুযায়ী চলি,’ বলাও কুফর। উলেমা একটি ফতোয়া জারি করে মুসলিমদের বহু ঈশ্বরবাদীদের শোভাযাত্রায় যোগ দিতে নিষেধ করেন। একজন লোক বলে, ‘বহু ঈশ্বরবাদীদের শোভাযাত্রায় যোগ না দেওয়ার ফতোয়া জারি করা নিছক লাঠিবাজি।’ এই কথাটি উলেমাদের জানানো হয়। ফতোয়ায়ে রিজভিয়া রায় দেয় যে, এই কথাটি শরিয়তের অবমাননা এবং শরিয়তের অবমাননা হলো কুফর। সেই ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে তার নিকাহ বা বিয়ে ভেঙে যায়। ... তারা ঘোষণা করে যে, ইজমা (ঐকমত্য) বা তকলিদ (আক্ষরিক অনুসরণ) নিয়ে প্রশ্ন তোলা কুফর। ... তারা ঘোষণা করে যে, ফিকহ-এ বিশ্বাস না করা কুফর। তারা ঘোষণা করে যে, যে ফিকহ মানে না সে হলো শয়তান। * ‘যে বাবা-মায়েরা তাদের মেয়েদের কলেজে পাঠান তারা তাদের মেয়েদের শত্রু, বন্ধু নন,’ ফতোয়ায়ে রহিমিয়া এটি ঘোষণা করে বিভিন্ন সূত্রের দোহাই দিয়ে যে, প্রকৃত বন্ধু হলো সে যে পরকালের জন্য একজনকে প্রস্তুত করে, যদিও তা করতে গিয়ে পার্থিব ক্ষতি হতে পারে। এটি ঘোষণা করে যে, ‘এতে কোনো সন্দেহ নেই যে একটি কলেজ পড়ুয়া মেয়ে অত্যন্ত স্বাধীনচেতা, পর্দাহীন, অশালীন এবং নির্লজ্জ হয়ে ওঠে। ইংরেজি শিক্ষা এবং কলেজের পরিবেশের এটিই সাধারণ পরিণতি।’ আর হাদিস উদ্ধৃত করে এটি বলে যে, ‘যে মেয়ে তার লজ্জা হারায় সে সবকিছু হারায়,’ ‘লজ্জা এবং ঈমান এরা অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী; যখন তাদের কোনো একটি চলে যায়, অন্যটিও চলে যায়।’ * অবজ্ঞা এবং হিন্দু ও অন্য অবিশ্বাসীদের যে চিত্র আঁকা হয়েছে, তাদের পশুপাখি এবং পোকামাকড়ের সাথে তুলনা করা হয়েছে—মুসলিমদের ক্ষেত্রে কোনো লেখায় এমন কিছু করা হলে তা তীব্র নিন্দার ঝড় তুলত। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের কাছ থেকে যেমন, তেমনি মুসলিমদের কাছ থেকেও। ====''ওরশিপিং ফলস গডস'' (১৯৯৭)==== * একটি উদাহরণও নেই, এমনকি একটি মাত্র ঘটনাও নেই যেখানে [[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর]] দেশকে স্বাধীন করার সংগ্রামের সাথে যুক্ত কোনো কাজে অংশ নিয়েছিলেন। বরং ঠিক উল্টোটিই ঘটেছে; প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি জাতীয় আন্দোলনের বিরোধিতা করেছেন এবং যখনই এই আন্দোলন কোনো বাধার মুখে পড়েছে, তিনি তাদের মধ্যে ছিলেন যারা সেই ব্যর্থতায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন। * ভারতের কি কখনো সংস্কারকের প্রয়োজন ছিল? আপনি কি ভারতের ইতিহাস পড়েন? রামানুজ কে ছিলেন? শংকর কে ছিলেন? [[গুরু নানক]] কে ছিলেন? [[চৈতন্য মহাপ্রভু]] কে ছিলেন? [[কবীর]] কে ছিলেন? দাদু কে ছিলেন? একের পর এক আসা এই মহান ধর্মপ্রচারকরা কারা ছিলেন, যারা অত্যন্ত উজ্জ্বল সব নক্ষত্রপুঞ্জের মতো ইতিহাস আলোকিত করেছেন? * এক কথায়, দেব-দেবীর নিন্দা করা, ধিক্কার জানানো, তাদের কলঙ্কিত করা, আমাদের শাস্ত্র নিয়ে উপহাস করা এবং অনুসারীদের মধ্যে ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়া ছিল আম্বেদকরের বেছে নেওয়া পথ। কিন্তু কেবল এই একটি পথই খোলা ছিল না। এর আগে গত দেড়শ বছরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একজন সংস্কারক ঠিক এর বিপরীত পথ বেছে নিয়েছিলেন এবং এর ফলে তিনি দুটি লক্ষ্যই অর্জন করেছিলেন। তিনি যেমন লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন উন্নত করেছিলেন, তেমনি আমাদের সমাজকেও বদলে দিয়েছিলেন এবং এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেই সংস্কারক এমন এক বর্ণের ছিলেন যারা কেবল অস্পৃশ্যই ছিল না, বরং যাদের কাছে যাওয়াও নিষিদ্ধ ছিল। সেই সংস্কারক অবশ্যই ছিলেন নারায়ণ গুরু, যিনি ১৮৫৪ থেকে ১৯২৮ সাল পর্যন্ত জীবিত ছিলেন। * তিনি কোনো বহিরাগতের মতো আমাদের ঐতিহ্যকে বিদ্রূপ করেননি বা তাকে অপমান করেননি। তিনি ভারতের আক্রমণকারী বা শাসকদের সাথে কখনো হাত মেলাননি। উপনিষদের শিক্ষার মধ্যে নিজেকে নিমগ্ন করে তিনি আধ্যাত্মিক সচেতনতার সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছিলেন। আমাদের মহান ঋষিরা যেসব পদ্ধতি ও সাধনা বের করেছিলেন, সেগুলো অনুসরণ করেই তিনি সেই স্তরে পৌঁছেছিলেন। তিনি যখন এই অবস্থায় পৌঁছালেন, তার পুরো জীবনটাই গোঁড়াদের সেই শ্রেষ্ঠত্বের দাবির বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদ হয়ে উঠল। তার সেই দিব্য অবস্থা গোঁড়াদের এই দাবিকে ভুল প্রমাণ করল যে আধ্যাত্মিক জ্ঞান কেবল উচ্চবর্ণের জন্যই। আর তিনি সেই স্তরে পৌঁছেছিলেন বলেই সবাই তাকে শ্রদ্ধা জানাত। * [[নারায়ণ গুরু]]র উত্তরাধিকার হলো একটি উন্নত এবং সংহতিপূর্ণ সমাজ, যেখানে নিম্নবর্ণের মানুষরা শিক্ষিত এবং আত্মমর্যাদায় ভরপুর। আম্বেদকরের উত্তরাধিকার হলো একদল মানুষ যারা সবার ওপর চিৎকার করছে, সবসময় কেবল দাবি জানাচ্ছে ও নিন্দা করছে এবং যারা আত্মগ্লানি ও ঘৃণার মধ্যে ডুবে আছে; এটি এমন এক সমাজ যা নিজের সাথেই লড়ছে। নারায়ণ গুরুর উত্তরাধিকার হলো এক পুনর্জীবিত দেশ। আম্বেদকরের উত্তরাধিকার হলো এমন এক দেশ যা তার নিজের অতীত নিয়ে গভীর লজ্জায় আচ্ছন্ন। আর এর ফলে তা আরও বেশি অক্ষম হয়ে পড়েছে। ==== ''ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসি'' (১৯৯৮) ==== * "ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা" আডবাণীর রথ হিন্দুদের মধ্যে যে প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে তা দেখে ঘাবড়ে গেছেন। কিন্তু কেবল রথ এই প্রতিক্রিয়া তৈরি করেনি। শাহ বানোর রায় পাল্টে দেওয়া এবং [[সালমান রুশদি]]কে নিষিদ্ধ করার মতো "জয়গুলো", যেগুলোকে "ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা" উচ্চকণ্ঠে প্রশংসা করেছিল; মানচিত্র এবং তালিকার মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোকে এটি বিশ্বাস করানোতে সফল হওয়া যে মুসলিমরা শত শত নির্বাচনী এলাকায় তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে; পাঞ্জাব এবং [[কাশ্মীর]]ের সহিংসতার "জয়গুলোর" কথা না-ই বা বললাম। এই প্রতিক্রিয়া হলো আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থার এই বিকৃতিগুলোর সম্মিলিত ফল। ** অরুণ শৌরির "প্রতিক্রিয়া উসকে দেওয়া", যা গোয়েল, এস.আর. (সম্পাদক) সম্পাদিত: ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসিতেও রয়েছে। ====''Eminent Historians: Their Technology, Their Line, Their Fraud'' (1998) ==== *In June–July 1998, progressives kicked up quite a racket. The government has packed the Indian Council of Historical Research with pro–Ram Mandir historians, they shouted. It has surreptitiously altered the aims and objectives of the Council, they shouted. As is their wont, they had sparked the commotion by giving wind to a concoction. As is their wont too, they were charging others with planning to do in some undefined future what they had themselves been actually doing for decades – that is, write history to a purpose. *The most extensive deletions are ordered in regard to the chapter on ‘Aurangzeb’s policy on religion’. Every allusion to what he actually did to the Hindus, to their temples, to the very leitmotif of his rule – to spread the sway of Islam – are directed to be excised from the book. He is to be presented as one who had an aversion – an ordinary sort of aversion, almost a secular one – to music and dancing, to the presence of prostitutes in the court, and that it is these things he banished... In a word, no forcible conversions, no massacres, no destruction of temples. Just that Hinduism had created an exploitative, casteist society. Islam was egalitarian. Hence the oppressed Hindus embraced Islam!<br/> Muslim historians of those times are in raptures at the heap of kafirs who have been dispatched to hell. Muslim historians are forever lavishing praise on the ruler for the temples he has destroyed, for the hundreds of thousands he has got to see the light of Islam. Law books like The Hedaya prescribe exactly the options to which these little textbooks alluded. '''All whitewashed away.'''<br/>'''Objective whitewash for objective history. And today if anyone seeks to restore truth to these textbooks, the shout, ‘Communal rewriting of history’.''' *The real crime of these eminences does not lie in the loss they have inflicted in terms of money. It lies in the condition to which they have reduced institutions. It lies in their dereliction – because of which projects that were important for our country have languished. It lies even more in the use to which they have put those institutions.<br/>They have used them to have a comfortable time, of course. They have used them to puff up each other’s reputations, of course. But the worst of it is that they have used their control of these institutions to pervert public discourse, and thereby derail public policy.<br/> They have made India out to have been an empty land, filled by successive invaders. '''They have made present-day India, and Hinduism even more so, out to be a zoo – an agglomeration of assorted, disparate specimens. No such thing as ‘India’, just a geographical expression, just a construct of the British; no such thing as Hinduism, just a word used by Arabs to describe the assortment they encountered, just an invention of the communalists to impose a uniformity – that has been their stance. For this they have blackened the Hindu period of our history, and, as we shall see, strained to whitewash the Islamic period.''' They have denounced ancient India’s social system as the epitomy of oppression, and made totalitarian ideologies out to be egalitarian and just.<br/>They have belittled our ancient culture and exaggerated syncretistic elements which survived and made them out to have been an entire ‘culture’, the ‘composite culture’ as they call it. Which culture isn’t? And all the while they have taken care to hide the central facts about these common elements in the life of our people: that they had survived in spite of the most strenuous efforts spread over a thousand years of Islamic rulers and the ulema to erase them, that they had survived in spite of the sustained efforts during the last one hundred and fifty years of the missionaries and British rulers to make us forget and shed these elements, that the elements had survived their efforts to instead inflame each section to see its ‘identity’ and essence in factors which, if internalized, would set it apart. Most of all, these intellectuals and the like have completely diverted public view from the activities in our own day of organizations like the Tabhligi jamaat and the Church which are exerting every nerve, and deploying uncounted resources to get their adherents to discard every practice and belief which they share with their Hindu neighbours.<br/> These intellectuals and their patrons have worked a diabolic inversion: the inclusive religion, the pluralist spiritual search of our people and land, they have projected as intolerant, narrow-minded, obscurantist; and the exclusivist, totalitarian, revelatory religions and ideologies – Islam, Christianity, Marxism-Leninism – they have made out to be the epitomes of tolerance, open-mindedness, democracy, secularism! *And another thing: if an RSS publication publishes even an interview with me, that is further proof of my being communal; but so tough are the hymen of these progressives that, even when they contribute signed articles to publications of the Communist Party, their virginity remains intact! *As we have seen, the explicit part of the circular issued by the West Bengal government in 1989 in effect was that there must be no negative reference to Islamic rule in India. Although these were the very things which contemporary Islamic writers had celebrated, there must be no reference to the destruction of the temples by Muslim rulers, to the forcible conversion of Hindus, to the numerous other disabilities which were placed on the Hindu population. Along with the circular, the passages which had to be removed were listed and substitute passages were specified. The passages which were ordered to be deleted contained, if anything, a gross understatement of the facts. On the other hand, passages which were sought to be inserted contained total falsehoods: that by paying jizyah Hindus could lead ‘normal lives’ under an Islamic ruler like Alauddin Khalji! A closer study of the textbooks which are today being used under the authority of the West Bengal government shows a much more comprehensive, a much deeper design than that of merely erasing the cruelties of Islamic rule. *The position of these ‘academics’ in Bengal has, of course, been helped by the fact that the CPI(M) has been in power there for so long. But their sway has not been confined to the teaching and ‘research’ institutions of that state. It is no surprise, therefore, to see the same ‘line’ being poured down the throats of students at the national level. And so strong is the tug of intellectual fashion, so lethal can the controlling mafia be to the career of an academic that often, even though the academic may not quite subscribe to their propositions and ‘theses’, he will end up reciting those propositions. Else his manuscript will not be accepted as a textbook by the NCERT, for instance, it will not be reviewed…. *Notice the sleight of hand. The repair of temples is allowed! Temples can be constructed in villages! Temples can be constructed ‘within the privacy of homes’! Thus ‘liberal policy’ is the norm which is departed from only in times of war! And the ones who are fought and destroyed at such times are in any case ‘the enemies of Islam’! In times of peace, which are the times that prevailed normally, the norm prevails – that is, ‘the Hindus practice their religion openly and ostentatiously!’ Each of these assertions is a blatant falsehood. But these historians, having, through their control of institutions, set the standards of intellectual correctness, the one who questions the falsehoods, even though he does so by citing the writings of the best known Islamic historians of those very times, he is the one who is in the wrong. *Once they had occupied academic bodies, once they had captured universities and thereby determined what will be taught, which books will be prescribed, what questions would be asked, what answers will be acceptable, these historians came to decide what history had actually been! As it suits their current convenience and politics to make out that Hinduism also has been intolerant, they will glide over what Ambedkar says about the catastrophic effect that Islamic invasions had on Buddhism, they will completely suppress what he said of the nature of these invasions and of Muslim rule in his Thoughts on Pakistan,3 but insist on reproducing his denunciations of ‘Brahmanism’, and his view that the Buddhist India established by the Mauryas was systematically invaded and finished by Brahmin rulers.<br/>Thus, they suppress facts, they concoct others, they suppress what an author has said on one matter even as they insist that what he has said on another be taken as gospel truth. And when anyone attempts to point out what had in fact happened, they rise in chorus: a conspiracy to rewrite history, they shout, a plot to distort history, they scream. '''But they are the ones who have been distorting it in the first place – by suppressing the truth, by planting falsehoods.''' *And look at the finesse of these historians. They maintain that such facts and narratives must be swept under the carpet in the interest of national integration: recalling them will offend Muslims, they say, doing so will sow rancour against Muslims in the minds of Hindus, they say. Simultaneously, they insist on concocting the myth of Hindus destroying Buddhist temples. Will that concoction not distance Buddhists from Hindus? Will that narrative, specially when it does not have the slightest basis in fact, not embitter Hindus? *In regard to matter after critical matter – the Aryan-Dravidian divide, the nature of Islamic invasions, the nature of Islamic rule, the character of the freedom struggle – we find this trait – suppresso veri, suggesto falsi. This is the real scandal of history writing in the last thirty years. And it has been possible for these ‘eminent historians’ to perpetrate it because they acquired control of institutions like the ICHR. To undo the falsehood, the control has to be undone. *And so on – among the highest piles of rubble in the world of the sacred temples of another religion, among the highest piles of corpses of those venerated by another religion. Yet, in the reckoning of our eminent historians a policy of ‘Broad Toleration’! A policy of toleration guided by purely secular motivations! *But here in India a simplistic recitation of the earlier phrases and categories remained enough. It is not just fidelity to the masters, therefore, which characterizes the history writing by these eminences. It is a simple-mindedness!<br/>But there is an additional factor. Whitewashing the Islamic period is not the only feature which characterizes the work of these historians. There is in addition a positive hatred for the pre-Islamic period and the traditions of the country. Over the years entries about India in Soviet encyclopedias, for instance, became more and more ductile. They began to acknowledge ever so hesitantly that the categories and periods might need to be nuanced when they were extended to countries like China and India. They began to acknowledge that at various times there had been an overlapping and coexistence of different ‘stages’. And, perhaps for diplomatic reasons alone, they became increasingly circumspect – careful to avoid denigrating our traditions.<br/>In the standard two-volume Soviet work, A History of India, for instance, we find more or less the same characterization of the different periods in Indian histories as we do in the volumes of our eminent historians. But the Soviet volumes have none of the scorn and animosity which we have encountered in the volumes of our eminent historians. *Thus, there are two points to remember. First, our friends are not just Marxists, they are also Macaulayites. Second, they are Marxists in a special sense. They are Marxists in the sense that they have thought of themselves as Marxists, in the sense that they repeatedly regurgitate a handful of Marxist phrases and assertions. But more than being Marxist historians, they have been establishment historians. Their theories and ‘theses’ have accorded not just with the ‘classics’ of Marxism-Leninism, they have accorded with the ideology of, which in terms of their theory means, the needs of Congressite rulers. *Caste is real. The working class is real. Being a Naga is real. '''But ‘India is just a geographical expression!’''' Similarly, being a Muslim of course is real – Islam must be seen and talked of as one block of granite – ... '''But Hinduism? Why, there is no such thing: it is just an aggregation, a pile of assorted beliefs and practices''' – ... '''And anyone who maintains anything to the contrary is a fascist out to insinuate a unity, indeed to impose a uniformity, where there has been none.''' That is what our progressive ideologues declaim, as we have seen. In a word, the parts alone are real. The whole is just a construct. India has never been one, these ideologues insist – disparate peoples and regions were knocked together by the Aryans, by the Mughals, by the British for purposes of empire. Anyone who wants to use that construct – India – as the benchmark for determining the sort of structure under which we should live has a secret agenda – of enforcing Hindu hegemony.<br/>This is the continuance of, in a sense the culmination of, the [[Macaulay]]-Missionary technique. The British calculated that to subjugate India and hold it, they must undermine the essence of the people: this was Hinduism, and everything which flowed from it. Hence the doggedness with which they set about to undermine the faith and regard of the people for five entities: the gods and goddesses the Hindus revered; the temples and idols in which they were enshrined; the texts they held sacred; the language in which those texts and everything sacred in that tradition was enshrined and which was even in mid-nineteenth-century the lingua franca – that is, Sanskrit; and the group whose special duty it had been over aeons to preserve that way of life – the Brahmins. The other component of the same exercise was to prop up the parts – the non-Hindus, the regional languages, the castes and groups which they calculated would be the most accessible to the missionaries and the empire – the innocent tribals, the untouchables. *The situation thus is as follows: the ones who have dominated and controlled and terrorised public discourse for half a century in India are now bereft of facts, of arguments. The evidence is available to anyone who has access to their internal ‘dialogues’ – they are talking to narrower and narrower circles; and in these ever-shrinking circles, they are just repeating the old cliches, there is not a new idea, there is not a new fact. And that is predictable, as we have seen: regurgitating those nostrums of the theory is not just necessary, it is sufficient. *‘I would like to review your book myself,’ said the editor of one of our principal newspapers about Worshipping False Gods. ‘But if I praise it, they will be after me also. I too will be called communal, high-caste and all that.’ ‘Brilliant, Arun, it was fascinating,’ said a leading commentator who had written a review that inclined to the positive. ‘But, you’ll understand, I couldn’t say all that in print. But it really is brilliant. How do you manage to put in this much work?’ The very selection of reviewers tells the same story. If there is a book by a leftist, editors will be loath to give it to a person of a different point of view: ‘They will say, I have deliberately given it to a rightist,’ the editors are liable to explain. On the other hand, if it is a book by a person they have decided is a rightist, they will be loath to give it to a reviewer who also has been branded a rightist: ‘They will denounce me for deliberately giving the book to a person who is bound to praise it,’ they will bleat. Therefore, in such cases they deliberately give the book to a person who ‘is bound to condemn it’! *Furthermore, we are instructed, when we do come across instances of temple destruction, as in the case of Aurangzeb, we have to be circumspect in inferring what has happened and why.... the early monuments – like the Quwwat-ul-Islam mosque in Delhi – had to be built in ‘great haste’, we are instructed...Proclamation of political power, alone! And what about the religion which insists that religious faith is all, that the political cannot be separated from the religious? And the name: the Quwwat-ul-Islam mosque, the Might of Islam mosque? Of course, that must be taken to be mere genuflection! And notice: ‘available materials were assembled and incorporated’, they ‘clearly came from Hindu sources’ – may be the materials were just lying about; may be the temples had crumbled on their own earlier; may be the Hindus voluntarily broke their temples and donated the materials? No? After all, there is no proof they didn’t! And so, the word ‘plundered’ is repeatedly put within quotation marks!<br/>In fact, there is more. The use of such materials – from Hindu temples – for constructing Islamic mosques is part of ‘a process of architectural definition and accommodation by local workmen essential to the further development of a South Asian architecture for Islamic use’. The primary responsibility thus becomes that of those ‘local workmen’ and their ‘accommodation’. Hence, features in the Qutb complex come to ‘demonstrate a creative response by architects and carvers to a new programme’. A mosque that has clearly used materials, including pillars, from Hindu temples, in which undeniably ‘in the fabric of the central dome, a lintel carved with Hindu deities has been turned around so that its images face into the rubble wall’ comes ‘not to fix the rule’. ‘Rather, it stands in contrast to the rapid exploration of collaborative and creative possibilities – architectural, decorative, and synthetic – found in less fortified contexts.’ Conclusions to the contrary have been ‘misevaluations’. We are making the error of ‘seeing salvaged pieces’ – what a good word that, ‘salvaged ’: the pieces were not obtained by breaking down temples; they were lying as rubble and would inevitably have disintegrated with the passage of time; instead they were ‘salvaged ’, and given the honour of becoming part of new, pious buildings – ‘seeing salvaged pieces where healthy collaborative creativity was producing new forms’. *And yet, none of this is accidental. As we have seen in the texts that we have surveyed in this book, it is all part of a line. India turns out to be a recent construct. It turns out to be neither a country nor a nation. Hinduism turns out to be an invention – surprised at the word? You won’t be a few pages hence – of the British in the late nineteenth century. Simultaneously, it has always been inherently intolerant. Pre-Islamic India was a den of iniquity, of oppression. Islamic rule liberated the oppressed. It was in this period that the Ganga-Jamuna culture, the ‘composite culture’ of India was formed, with Amir Khusro as the great exponent of it, and the Sufi savants as the founts. The sense of nationhood did not develop even in that period. It developed only in response to British rule, and because of ideas that came to us from the West. But even this – the sense of being a country, of being a nation, such as it was – remained confined to the upper crust of Indians. It is the communists who awakened the masses to awareness and spread these ideas among them.<br/>In a word, India is not real – only the parts are real. Class is real. Religion is real – not the threads in it that are common and special to our religions but the aspects of religion that divide us, and thus ensure that we are not a nation, a country, those elements are real. Caste is real. Region is real. Language is real – actually, that is wrong: the line is that languages other than Sanskrit are real; Sanskrit is dead and gone; in any case, it was not, the averments in the great scholar, Horace Wilson to the House of Commons Select Committee notwithstanding, that it was the very basis, the living basis of other languages of the country; rather, it was the preserve of the upper layer, the instrument of domination and oppression; one of the vehicles of perpetuating false consciousness among the hapless masses. *The West Bengal Board of Secondary Education had issued instructions in 1989 that ‘Muslim rule should never attract any criticism. Destruction of temples by Muslim rulers and invaders should not be mentioned.’ *Their deceitful role in Ayodhya – which in the end harmed their clients more than anyone else – was just symptomatic. For fifty years this bunch has been suppressing facts and inventing lies. How concerned they pretend to be today about that objective of the ICHR – to promote objective and rational research into events of our past! How does this concern square with the guidelines issued by their West Bengal government in 1989 which Outlook itself had quoted – ‘Muslim rule should never attract any criticism. Destruction of temples by Muslim rulers and invaders should not be mentioned?’ But incorporating their wholesale fabrications of the destruction of Buddhist viharas, about the non-existent ‘Aryan invasion’, that is mandatory – to question them is to be communal, chauvinist! The capture of institutions like the ICHR has been bad enough, but in the end it has been a device. The major crime of these ‘historians’ has been this partisanship: suppresso veri, suggesto falsi. *The press is a ready example of their efforts, and of the skills they have acquired in this field. They have taken care to steer their members and sympathizers into journalism. And within journalism, they have paid attention to even marginal niches. Consider books. A book by one of them has but to reach a paper, and suggestions of names of persons who would be specially suitable for reviewing it follow. As I mentioned, the editor who demurs, and is inclined to send the book to a person of a different hue is made to feel guilty, to feel that he is deliberately ensuring a biased, negative review. That selecting a person from their list may be ensuring a biased acclamation is talked out. The pressures of prevailing opinion are such, and editors so eager to evade avoidable trouble, that they swiftly select one of the recommended names...<br/>You have only to scan the books pages of newspapers and magazines over the past fifty years to see what a decisive effect even this simple stratagem has had. Their persons were in vital positions in the publishing houses: and so their kind of books were the ones that got published. They then reviewed, and prescribed each other’s books. On the basis of these publications and reviews they were able to get each other positions in universities and the like…. Even positions in institutions which most of us would not even suspect exist were put to intense use. How many among us would know of an agency of government which determines bulk purchases of books for government and other libraries. But they do! So that if you scan the kinds of books this organization has been ordering over the years, you will find them to be almost exclusively the shades of red and pink....<br/>So, their books are selected for publication. They review each other’s books. Reputations are thereby built. Posts are thereby garnered. A new generation of students is weaned wearing the same pair of spectacles – and that means yet another generation of persons in the media, yet another generation of civil servants, of teachers in universities…. *The example we would do well to keep in front of us is that of the Dalai Lama. He was giving a discourse on a Tibetan text about meditation. He read out a sentence, laughed and remarked, ‘Buddhist theories of creation, a disgrace! Must throw them out!’ He advises that we should keep a wastepaper basket nearby – whatever doesn’t accord with what we know now, we should cast into that basket. ‘Buddhism must face facts,’ that is what he teaches. Accordingly, he has opened Buddhist texts to minute examination. (...) That reflects confidence in one’s tradition. That is true service to the tradition. That is the way to preserve for the future ‘the pearl of great price’ in it. * But today the fashion is to ascribe the extinction of Buddhism to the persecution of Buddhists by Hindus, to the destruction of their temples by the Hindus. One point is that the Marxist historians who have been perpetrating this falsehood have not been able to produce even an iota of evidence to substantiate the concoction. In one typical instance, Romila Thapar had cited three inscriptions. The indefatigable [[Sita Ram Goel]] looked them up. Two of these turned out to have absolutely no connection with Buddhist viharas or their destruction, and the one that did deal with an object being destroyed had been held by authorities to have been a concoction; in any event, it told a story which was as different from what the historian had insinuated as day from night. *The accompanying pages contain two columns: aushuddho – impurity, or error – and shuddho. One has just to glance through the changes to see the objective the progressives are trying to achieve through their ‘objective’, ‘rational’ approach to the writing of history. *Thus, not just whitewash, hogwash too. ;About the book * The first major criticism of the ‘left-liberal’ or ‘progressive’ historians was made by Arun Shourie with special reference to the state of the ICHR in their control.” **D. K. Chakrabarti, Nationalism in the Study of Ancient Indian History (Aryan Books International, Delhi). and quoted in [https://koenraadelst.blogspot.com/2021/02/a-case-of-good-nationalism-dk.html] *“Eminent historians” is what they call one another, and what their fans call them. When they don’t have an answer to an opponent’s arguments, they pompously dismiss him as not having enough “eminence”. So when Arun Shourie wrote about some abuses in this sector, he called his book Eminent Historians. It is also a pun on an old book about prominent colonial-age personalities, Eminent Victorians. **Elst, K. [https://koenraadelst.blogspot.com/2016/05/interview-in-monthly-swarajya.html Interview, Swarajya, May 2016)] ===2000s=== ====''Harvesting our souls: Missionaries, their design, their claims'' (2000) ==== *If you had been in India in late 1998-early 1999, and the English-language "national" newspapers had been your source of information about what was going on, you would have concluded that an extensive, well coordinated pogrom was on, that maniacal Hindu groups were going round raping nuns, attacking missionaries, burning down churches. (p 7) *There indeed was a conspiracy it runs out, and a communal one at that. The whole thing was a concoction - by those whose agenda it is to paint Hindus as communalists on the rampage, and the RSS, BJP, etc., as organizations which are orchestrating a "pogrom". "Investigations, however revealed that what Sister Mary said in the FIR was not true," records Justice Wadhwa. "It was a made-up story. Investigations found that there was in fact no rape of Sister Mary... B.B. Panda, Director General of Police stated that the 'rape of the nun' case was projected and highlighted all over the world and was also projected as an attack on Christians when in fact it was not true, and the case turned out to be false." (9-10) *The contrast between the truth about the incidents and what they were made out to be should alert our newspapers and TV channels not to shoot off accounts without examining the facts. In particular, they must not go merely by the allegations of communalism-mongers.(13) *Several groups have several reasons for manufacturing calumny - from money to idelogy to the crassest kind of politics. Many of these are well-organized, some, as we shall see, have well-knit, world-wide networks. And they have honed expertise in manufacturing atrocity-stories, in broadcasting them round the globe, and in putting their manufactures to profitable use. (13) *High priority must be given to work among Hindu women, they say, "since they are the custodians of the faith"... (62) ====''Self-Deception : India's China Policies; Origins, Premises, Lessons'' (2008) ==== :Arun Shourie - Self-Deception _ India's China Policies_ Origins, Premises, Lessons-Harper Collins (2008, 2013) * The brutal—the customarily brutal—way in which the Chinese government suppressed the protests by Tibetans in Lhasa in the months preceding the 2008 Beijing Olympics once again drew attention to the enormous crime that the world has refused to see: the systematic way in which an entire people have been reduced to a minority in their own land; the cruelty with which they are being crushed; the equally systematic way in which their religion and ancient civilization are being erased. Protests by Tibetans in different cities across the world, joined as they were by large numbers of citizens of those countries, had the same effect.<br>No government anywhere in the world did what the Manmohan Singh government did in Delhi, no government reacted in as craven and as frightened a manner as our government did. The Olympic Torch was to be relayed across just about two kilometres—from Vijay Chowk to India Gate. The government stationed over twenty thousand troops, paramilitary personnel, policemen and plainclothes men in and around that short stretch. Tibetan refugees were beaten and sequestered. Government offices were closed. Roads were blocked. The Metro was shut down. Even members of Parliament were stopped from going to their homes through the square that adjoins Parliament, the Vijay Chowk.<br>Do you think that any of this was done out of love for the Olympics?<br>It was done out of fear of China. *Now, this is a favourite phrase of Panditji—‘the long-term view’—as is ‘the larger considerations’. Whenever he deploys the former, you can be sure that he is preparing the case for ceding ground. Whenever he deploys the latter, you can be sure that he is preparing the case for ceding specifically the country’s interest. *Recall, what he had told the Tibetans—that India would help diplomatically. That help now has come to mean that India will keep China in good humour even as it crushes Tibet, so that it may not crush Tibet more swiftly. *We can see the operational conclusion that flows from such reasoning. As the main advance has halted, there is nothing that we need to do. When the main advance resumes, the full picture is not clear. When it is completed, and the place is subjugated, there is nothing for us to do as, by then, the place has already been subjugated. For us to do or say anything will only enrage the occupiers, and bring even greater hardship on the poor Tibetans! *He speaks at length, that is, but scarcely touches on any of the specific matters that members had raised. *The view that he disapproves is always unbalanced; or stuck in the past; or stuck in the cold war mould; or subjective and emotional... *The Dalai Lama is in India at India’s invitation. Panditji meets him on 26 and 28 November 1956. The Dalai Lama is distraught. Panditji jots down the points of their exchange. The Dalai Lama puts the figure of Chinese troops in Tibet at 120,000, the very figure for which Panditji had come down on Apa Pant. The [[w:Subimal Dutt|foreign secretary]] inserts a paragraph in Panditji’s notings about the talks: ‘The Dalai Lama appealed to India for help. PM’s reply was that, apart from other considerations, India was not in a position to give any effective help to Tibet; nor were other countries in a position to do so. Dalai Lama should not resist land reforms.’ Instead of help, Panditji gives advice. He records the advice he gives: ‘D.L. should become the leader of the reform. Best way we can help is by maintaining friendly relations with China, otherwise China would fear our designs in Tibet.’ An excuse, and a presumptuous one—‘otherwise China would fear our designs in Tibet.’ *As the principal object of this brief book is to set out the evolution of India’s China-policy in Panditji’s own words, and to show how those assumptions and habits continue to endanger us today, I have kept annotations to the minimum. But what Panditji did and said and wrote in regard to China does deserve to be analyzed almost at the psychological and linguistic level! For his stance, his formulations, his rationalizations are rooted in habits, in mental processes. Not just his assumptions and premises persist among policy-makers, those very habits and mental processes persist. In the 1950s, they went unquestioned because of the lofty position that Panditji occupied in our lives and discourse. Today, they go equally unquestioned—though for a different reason: discourse has got so dumbed-down that no assumption or premise is examined as it should be. An illustration will bring home the consequence. Among the habits that persist, one is especially harmful as it rationalizes going-along at an almost subliminal level. This is the habit of slipping in a thought or sentence which excuses one from facing the facts. We see this in Pandit Nehru’s writings and spoken word at every turn. ... *A contributing factor certainly must have been the contempt that Mao, Chou En-lai and others felt for India and Indians. This comes through again and again in conversation after conversation of the Chinese leaders. Chou and Kissinger agree on how India is the one that is causing the troubles in East Pakistan; on what China and US should together do to halt India in the tracks; they agree about not just what is ‘the Indian tradition’—deceit, blaming others—but just as much about the Indian character—marked by ingratitude.⁴ The contempt and coordination show through even more dramatically in the conversations that Kissinger later has with the permanent representative of China at the UN, Huang Hua, during which he asks Huang Hua to assure Chou En-lai that, should China take military action against India to divert it from pursuing its assault on Pakistan, the US will hold the Soviet Union at bay. Nixon, Pompidou and Kissinger are exchanging views about the state of the world. Nixon summarizes the Chinese assessments: ‘...the attitude of the Chinese towards their neighbours can be summed up in this way. The Russians they hate and fear now. The Japanese they fear later but do not hate. For the Indians they feel contempt but they are there and backed by the U.S.S.R.’ ===2010s=== *I don't see the difference between the two. I feel they (the BJP and the Congress) are one party. They are jointly ruling. It is a dinner party. They meet at dinners. They meet socially. They decide on what has to be done about issues. <br>First, the media should write about itself. It is extremely short-sighted about the media to black out these things. The Mitrokhin Archives revealed how (the then Soviet intelligence agency) the KGB boasted that they were able to plant 400 stories in such and such Indian newspapers. The Indian media blacked it out. Then, privatetreaties of The Times of India that other people have now adopted has been completely blacked out.... When the Press Council of India was forced to appoint a committee to look into the allegations about 'paid news', the Press Council itself suppressed the report. **[https://www.rediff.com/news/report/interview-arun-shourie-on-the-real-meaning-of-the-radia-tapes1/20101201.htm Interview] 2010 ====''Falling Over Backwards'' (2012) ==== *The first derailment was caused by plucking the words ‘of their choice’ out of context, by tearing them away from the object for which Articles 29 and 30 gave minorities the right to set up and administer institutions. A normal engineering college or a college of dentistry can by no stretch be taken to be an institution that has been set up to help conserve the language, script or culture of the minority. Yet, provided the engineering or dentistry college has been set up by members of a minority, it was presumed to enjoy the protection of Articles 29 and 30, and thereby be beyond the reach of the state. *The result has been as predictable as it is iniquitous and absurd: if Ram Sharan sets up an engineering college, the state as well as the university concerned can prescribe all sorts of things it must do; if Mohammed Aslam sets up an exact clone of that engineering college across the road, teaching exactly the same subjects, using exactly the same textbooks, neither the state nor the university can regulate its functioning! *On the other hand, when sticking to the text is what will advance the judgment, they become strict constructionists. Some of the most conspicuous instances of this can be found in judgments relating to Article 30, the article that deals with the ‘right of minorities to establish and administer educational institutions’. The country had been partitioned on the cry that Muslims will never be secure in a united India. The framers were naturally keen to reassure the minorities that they would be free to preserve their religion, language and culture. Accordingly, Article 29 was enacted guaranteeing them and assuring them of this freedom. In case they wanted to set up institutions for safeguarding their language, culture, religion, Article 30 was enacted assuring them that ‘All minorities, whether based on religion or language, shall have the right to establish and administer educational institutions of their choice.’ The context made the purpose clear: minorities would have the freedom to set up such institutions as they thought would best preserve their culture, religion, language. But, given what has been the climate of discourse since the framing of the Constitution, the judges became literalists. Minorities would have the right to set up and manage ‘educational institutions of their choice’ irrespective of the purpose for which the institution was set up. Thus, engineering colleges and dental colleges set up by a family of, say, Muslims would have freedoms from state regulation and oversight that engineering and dental colleges set up by run-of-the-mill Indians would not. *Now, these are not stray phrases thrown in to light up a purple passage. They are stances, they are standpoints that indicate the direction in which that judgment will go, they are signposts which tell us where the reasoning being advanced in the text will eventually end. Such formulations have a significance beyond the particular judgment in which they figure. Succeeding benches can strike the same pose and gallop further in the same direction. *We comfort ourselves: at least, the virus of reservations has not got into judicial appointments; at least, reservations have not been extended to Muslims and Christians. Both notions are just make-believe. *As for reservations not having been extended to members of religions that repudiate caste – Islam, Christianity, Sikhism – again, that is but make-believe. The chairman of the Minorities Commission, my friend Tarlochan Singh, sends me a list of fifty-eight castes and of fourteen tribal groups, Muslim members of which have been given reservations. Even those who convert to one of these religions, continue to remain entitled to reservation. The rule in Tamil Nadu is that if the name of the father falls in the lists of Backward Castes/Most Backward Castes/Scheduled Castes/Scheduled Tribes, then, even if the person has converted to another religion, he remains entitled to reservations. In Gujarat, members of Backward Castes continue to avail of not just reservations but even of advantages under the roster system after conversion – 137 castes and sub-castes have been listed as socially and educationally backward in the state; of these, twenty-eight belong to the Muslim community. In Karnataka, ‘caste at birth’ is the norm. In UP, several Muslim castes are included in the reservation list – Lalbegi, Mazhabis, even Ansaris. The position is no different in Madhya Pradesh, in West Bengal. The Indian Express correspondent in Kolkata reports that the government of the ostentatiously secular CPI(M) strained to have reservations in government service as well as educational institutions extended to Muslims qua Muslims, and directed the state Minorities Commission to ascertain how such reservation had been decreed in Andhra Pradesh. The plan has had to be deferred for the time being, he writes, Only because the Andhra Pradesh High Court has struck down the Andhra order as unconstitutional. *Even as moves are afoot to get the Andhra judgment reversed, the government has directed the armed forces to count soldiers and officers by their religion. Nor is this move an inadvertence. It has arisen as a result of a committee that the government has appointed under a former chief justice of Delhi, Rajinder Sachar -each member of which has been carefully selected for his ‘secular’ beliefs. Each term of reference on which it is to supply information and make recommendations, as we noted at the outset, has been just as carefully selected to justify reservations and other concessions to Muslims as a religious group. *With elections looming, in January 2006, the Government of Kerala announced another ‘package’ of reservations for backward castes and for Muslims: service rules of the state shall be altered to permit direct recruitment of these sections so as to fill the 40 per cent quota that has been set aside for them; if suitable candidates are not available from these sections, the vacancies shall not be filled by merit; the state Public Service Commission shall prepare an ‘additional supplementary list’ so that the vacancies may be filled only by these sections; 20 per cent of the seats shall be reserved for these castes in graduate and postgraduate courses in government colleges; the chief minister will himself monitor the implementation of the reservation policy; there shall be a permanent commission to ensure that reservations are fully filled... *With elections upon them, the DMK and its allies announced in Tamil Nadu that, once in office, they will bring forth legislation to give reservations to Muslims and Christians. *The Jharkhand government, in turn, has announced that members of thirty-two tribes that are the most backward – literacy level among nine of them is said to be just 10 per cent – shall be directly recruited into government service; those among them who pass the graduation examination shall not have to take the qualifying examination which all others who enter government service have to take. *And beware, the progressive judges have already put out the basis for extending reservations to Muslims or Christians as Muslims and Christians. The word that the Constitution uses is ‘communities’, the word it uses is ‘classes’, Justices Jeevan Reddy, Sawant and Thommen hold in Indra Sawhney. ‘Community’ and ‘class’ are wider than ‘caste’, they say. So, entities wider than ‘caste’ can certainly be subsumed under them, they say – the only proviso being that the groups so identified be ‘backward’. Second, in spite of the teachings of Islam, Christianity and Sikhism, castes persist in these religions also, they explain in justification. As that is the reality, it would be invidious to restrict access to reservations to the backward sections of Hindus alone...3 *How far we have descended! Today progressives dress up their casteism as secularism! The benefits of reservation shall be extended to Muslims and Christians also, they proudly announce. In Andhra the decision of the government has had to be twice struck down by the courts – the government had decreed reservations for Muslims qua Muslims. Even as moves are afoot to get that judgment reversed, the Central government directed the armed forces to count soldiers and officers by their religion. Nor was the move an inadvertence. It arose as a result of a committee that the government had appointed under a former chief justice of the Delhi High Court. Each member of the committee has been carefully selected for his ‘secular’ and ‘progressive’ beliefs. Each term of reference on which the committee has been asked to supply information and make recommendations has been just as carefully selected to justify reservations and other concessions to Muslims as a religious group: *Every single item betrays the singular purpose of the whole exercise–to provide the rationale for extending reservations to Muslims. Nor is that opportunism confined to the present ruling coalition. In the run-up to the 2005 elections in Bihar, rival groups were vying with each other promising reservations for Muslims qua Muslims. *The object of the framers of the Constitution was, as ours must be, quite the opposite. It was to wipe out the cancer of caste even from Hindu society. Only with the greatest reluctance did they agree to allow reservations for the Scheduled Castes and Tribe – for they felt that doing even this much would perpetuate caste distinctions. The reservations were, therefore, to be exceptions to the general rule. ===2020s=== ====''Preparing: For Death'', 2020==== *One must reflect deeply on the nature of the adversity, and on how it may be converted into an instrument for growth. The routine Gandhiji set for himself was always so much stricter and so much more demanding than anything that a jailer would have thought of imposing on anyone. Similarly, picture Vinoba in solitary confinement in that cell, 8 feet by 9 feet in dimension: how he converts imprisonment into ashram life; how in that tiny space, in forced and complete isolation, he retains his mental discipline by meditating for two to three hours every day; how he disciplines himself physically by walking every day for eight hours inside that suffocating cell, and thereby covering ten miles—covering ten miles in a cell 8 feet by 9 feet every single day! In both cases, control remained in the hands of the prisoner, not the jailer—a very important factor in dealing with adversity. ** Arun Shourie, ''Preparing: For Death.'' Penguin Random House India Private Limited, 2020. ISBN 935305978X, 9789353059781 *The rituals—for instance, those we go through during a marriage ceremony—were devised to imbed certain values into us: the experience of centuries had led thoughtful persons to see that going through those steps, that reciting those mantras and reflecting on them would help us internalize those values, and mould our lives accordingly. But what do we do today? First, we outsource the ritual—to a pandit, say. As he goes through the motions prescribed for solemnizing a marriage, as he chants those mantras, we don’t have a clue about the meaning of the words that he is reciting, nor of the steps—‘Now pour some water on the earth, and then on . . .’ Nor do we care: ‘Panditji, puja zaraa jaldi khatam kar deejiye. Guest dinner ke liye wait kar rahen hain’—‘Panditji, please conclude the puja a bit quickly. The guests are waiting for dinner.’ ** Arun Shourie, ''Preparing: For Death.'' Penguin Random House India Private Limited, 2020. ISBN 935305978X, 9789353059781 ==Quotes about Arun Shourie== *In the end, India had to wait till 1998 for Arun Shourie’s Eminent Historians to be published. This book uncovered in detail after ghastly detail, this multi-layered assault on the national psyche that has disfigured the minds of at least three generations regarding the vital truths of their own nation. And thanks to this seminal contribution, “Eminent Historian” has fittingly become a swearword in the Indian public discourse. **S. Balakrishna, Seventy years of secularism. 2018. *Anyone who thought India had dismantled its notorious system of bureaucratic controls when it embarked on economic reform in 1991 ought to consult Arun Shourie. As cabinet minister (at various times since 1998) for privatisation, administrative reform, information technology and telecommunications, Mr Shourie's observations are close to the bone. The Hindu nationalist-led government in which Mr Shourie was the most prominent economic reformer was thrown out last May. Franz Kafka would have had difficulty dreaming up some of the examples cited in Mr Shourie's book. ... But it is what India's bureaucracy is like under normal conditions that matters and Mr Shourie does a depressingly thorough job in chronicling it. One can only hope that India's senior civil servants find the time to read this book - and have the grace to wince. **[[Edward Luce]], India's tragic comedy of civil disservice, book review in Financial Times. November 9, 2004 *Muslim leaders and Stalinist historians were raising a howl about Hindu chauvinism when it came to the notice of Arun Shourie, the Chief Editor of the Indian Express at that time, that some significant passages had been omitted from the English translation of an Urdu book written long ago by the father of Ali Mian, the famous Muslim theologian from Lucknow. He wrote an article, Hideaway Communalism, in the Indian Express of February 5, 1989 pointing out how the passages regarding destruction of Hindu temples and building of mosques on their sites at Delhi, Jaunpur, Kanauj, Etawah, Ayodhya, Varanasi and Mathura had been dropped from the English translation published by Ali Mian himself. This was a new and dramatic departure from the norm observed so far by the prestigious press. Publishing anything which said that Islam was less than sublime had been taboo for a long time. I was pleasantly surprised, and named Arun Shourie as the [[মিখাইল গর্বাচেভ]] of India. He had thrown open the windows and let in fresh breeze in a house full of the stinking garbage of stale slogans. **Goel, S.R. How I became a Hindu (1993, revised ed.) *[Arun Shourie's article 'Hideaway Communalism'] had violated a taboo placed by the mass media and the academia on any unfavourable narration of the history of Islam since the days when Mahatma Gandhi took command of the Indian National Congress and launched his first non-cooperation movement in support of the Turkish Khilafat. **Goel, S.R. Hindu Temples – What Happened to Them, Volume I (1990) Preface, 2nd edition, p. xiii. *Arun Shourie had shown great courage. But he had counted without the secularist crowd which had access to the owner of the Indian Express. He told me on the phone that there was some trouble brewing. I have never talked to him about the nature of the trouble, and do not know if my articles had anything to do with his ouster from the Indian Express next year. All I know is that he had to slow down the publication of my next two articles. **Goel, S.R. How I became a Hindu (1993, revised ed.) *Mani Shankar Aiyar totally condemns one of Arun Shourie's books, and then goes on to declare that he has decided not to read it : "Shourie gave the final touches to the manuscript of his book on Islam, a work so vicious and perverted that every English speaking Muslim I know was outraged... I decided then to show my solidarity with secularism by not reading the book." (The book he refers to, is apparently Shourie's Religion in Politics, a very sane and sober look at several Scriptures in the light of reason.) **Elst, Koenraad. Ayodhya and after: issues before Hindu society. Voice of India. 1991. *The problem of book-banning and censorship on Islam criticism is compounded by the related problem of self- censorship. Thus, when in late 1992, the famous columnist Arun Shourie wanted to publish a collection of his columns on Islamic fundamentalism, esp. the Rushdie and Ayodhya affairs (Indian Controversies), the publisher withdrew at the last moment, afraid of administrative or physical reprisals, and the printer also backed out. Earlier, Shourie had been lucky to find one paper willing to publish these columns, for most Indian newspapers strictly keep the lid on Islam criticism. Hindu society is a terrorized society. **Elst, Koenraad. Negationism in India: concealing the record of Islam. Voice of India. 1992 *Arun Shourie was sacked as Indian Express editor, apparently under government pressure, after revealing that, in October 1990, Prime Minister V.P. Singh had aborted his own compromise arrangement on Ayodhya under pressure from Imam Bukhari, prominent member of the BMAC. **Koenraad Elst. Ayodhya: the case against the temple. 2002 * Or take A Secular Agenda by Arun Shourie, PhD from Syracure NY and stunningly successful Disinvestment Minister in the AB Vajpayee Government, when India scored its highest economic growth figures. It was a very important book, and it left no stone standing of the common assumption among so-called experts that India (with its religion-based civil codes and its discriminatory laws against Hinduism) is a secular state, i.e. a state in which all citizens are equal before the law, regardless of their religion. Though the book deconstructs the bedrock on which the “experts” have built their view of modern India, they have never formulated a refutation. Instead, they just keep on repeating their own deluded assumption, as in: “The BJP threatens India’s structure as a secular state.” (Actually, the BJP does not, and India is not.) They can do so because they are secure in the knowledge that, among the audiences that matter, their camp controls the sphere of discourse. Concerning the interface between religion and modern politics, the established “academic” view is not just defective, it is an outrageous failure. **Elst, Koenraad. Hindu dharma and the culture wars. (2019). New Delhi : Rupa. *The only ray of light in this encircling gloom was Arun Shourie, the veteran journalist and the chief editor of the Indian express at that time. On February 5, 1989, he frontpaged an article, Hideaway Communalism, showing that while the Urdu version of a book by Maulana Hakim Sayid Abdul Hai of the Nadwatul-Ulama at Lucknow had admitted that seven famous mosques had been built on the sites of Hindu temples, the English translation published by the Maulana’s son, Abul Hasan Ali Nadwi (Ali Mian) had eschewed the “controversial evidence”. He also published in the Indian Express three articles written by me on the subject of Islamic iconoclasm. This was a very courageous defiance of the ban imposed by Islam and administered by Secularism, namely, that crimes committed by Islam cannot even be whispered in private, not to speak of being proclaimed in public. **Goel, S. R. (1993). Hindu temples: What happened to them. (Second Enlarged Edition) [https://web.archive.org/web/20120429114113/http://www.bharatvani.org:80/books/htemples2/] *He dismisses Arun Shourie by pigeon-holing him as ‘post-modern’. He does not know that Hinduism has its own view of Time, and that a person who serves Sanatana Dharma cannot be dated. Scholars like Arun Shourie belong neither to the past, nor to the present, nor yet to the future. They belong to a timeless span. **S.R. Goel, History of Hindu-Christian Encounters (1996) * Just then Shourie was sacked as its editor. The reason was not so much the article, but, apparently, his entire policy of including columns by Hindu communalists like Ram Swarup and Sita Ram Goel, and his own articles that debunked some of the prevalent secularism, such as Hideaway Communalism. ** Elst, Koenraad (1991). Ayodhya and after: Issues before Hindu society. *I thank particularly my friend Arun Shourie because we need people like Arun Shourie to challenge us so that we can rectify our mistakes and all together collectively move towards the creation of a new India, a new humanity. ** Fr. Augustine Kanjamala, quoted in Shourie, Arun. Arun Shourie and his Christian Critic. (1995) * It is clear that Witzel himself has a political agenda: note his resentment of the “present Indian (right wing) denouncement of the ‘eminent historians’ of Delhi” (§9) – some of these “eminent historians” actively collaborated with Witzel and Farmer in their recent media-blitz in the Indian press. The reader is invited to go carefully through Arun SHOURIE’s book “Eminent Historians” (1998), which is being referred to here, and see the kind of political scholarship to whose defense Witzel has no compunctions in rushing! **S. Talageri. Michael Witzel – An Examination of his Review of my Book (2001) *As for Shourie, Mukhia is hardly revealing a secret with his information that Shourie “does journalism for a living”. The greatest investigative journalist in India by far, he has indeed unearthed some dirty secrets of Congressite, casteist and Communist politicians. His revelations about the corrupt financial dealings between the Marxist historians and the government-sponsored academic institutions are in that same category: fearless and factual investigative journalism. Shourie has a Ph.D. degree in Economics from Syracuse University in U.S.A., which should attest to a capacity for scholarship, even if not strictly in the historical field. When he criticizes the gross distortions of history by Mukhia’s school, one could say formally that he transgresses the boundaries of his specialism, but such formalistic exclusives only hide the absence of a substantive refutation. **Elst K. Ayodhya: The Case Against the Temple, chapter 4 * When Shourie's articles first appeared, they aroused great emotions and savage attacks. He quoted from the Bible and the Quran extensively on the question of co-existence. Many were shocked.... Shourie has called his book, Religion in Politics; someday he should bring out another book, Politics in Religion....The first book discusses politics complicated by religions factors; the second would discuss religions which are essentially political... **Ram Swarup, Hinduism and monotheistic religions (2009) == External links == {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:Shourie, Arun}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতিবিদ]] [[Category:Hindu nationalists]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতান্ত্রিক বিরোধী]] [[Category:Investigative journalists]] g3010q9hiwz3mrqug8rzrwy6dnquyaj 78883 78879 2026-04-20T10:44:27Z ARI 356 /* Eminent Historians: Their Technology, Their Line, Their Fraud (1998) */ ; অনুবাদ 78883 wikitext text/x-wiki [[File:Arun Shourie addressing the Plenary Session on "Diaspora Youth and India - Blueprint for Engagement" at the 2nd Pravasi Bharatiya Divas in 2004.jpg|thumb| আমি বেশ অবাক হয়েছিলাম এবং অরুণ শৌরিকে ভারতের গর্বাচেভ নাম দিয়েছিলাম। তিনি পচা স্লোগানের আবর্জনায় ভরা একটি ঘরে জানালাগুলো খুলে দিয়েছিলেন এবং এক ঝলক টাটকা বাতাস আসতে দিয়েছিলেন। ~ সীতারাম গোয়েল]] [[File:Animal artists at the Jardin des Plantes.jpg|thumb|তারা বর্তমান ভারত এবং বিশেষ করে [[হিন্দুধর্ম]]কে একটি চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছে—বিভিন্ন রকমের অসম প্রজাতির স্তূপ। তাদের মতে ‘[[ভারত]]’ বলে কিছু নেই, এটি কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ, কেবল [[যুক্তরাজ্য]]ের তৈরি একটি ধারণা; হিন্দুধর্ম বলে কিছু নেই, এটি কেবল আরবদের ব্যবহৃত একটি শব্দ যা তারা এখানে এসে বিভিন্ন ধরনের মানুষের দেখা পাওয়ার পর ব্যবহার করেছিল, এটি কেবল অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য সাম্প্রদায়িকদের একটি উদ্ভাবন, এটিই ছিল তাদের অবস্থান।]] [[File:Dalailama1 20121014 4639.jpg|thumb|আমাদের উচিত দালাই লামার উদাহরণটি সামনে রাখা। তিনি ধ্যানের ওপর একটি তিব্বতি গ্রন্থের ওপর বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি একটি বাক্য পড়লেন, হাসলেন এবং মন্তব্য করলেন, ‘সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বগুলো লজ্জাজনক! এগুলো ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত!’ তিনি পরামর্শ দেন যে আমাদের কাছে সবসময় একটি ঝুড়ি রাখা উচিত—যা কিছু আমাদের বর্তমান জ্ঞানের সাথে মেলে না, সেগুলো সেই ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া উচিত। ‘[[বৌদ্ধধর্ম]]কে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে,’ তিনি এটাই শেখান। সেই অনুযায়ী তিনি বৌদ্ধ গ্রন্থগুলোকে সূক্ষ্ম পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করেছেন। (...) এটি নিজের ঐতিহ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসকেই তুলে ধরে। এটিই হলো ঐতিহ্যের প্রকৃত সেবা। এতে থাকা ‘অমূল্য রত্ন’ [[ভবিষ্যৎ]]ের জন্য রক্ষা করার উপায় এটিই।]] [[File:Censorship in cinema.jpg|thumb|এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?]] [[File:Parental Advisory label.svg|thumb|এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি—যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?]] [[File:Censorship.svg|thumb|এই বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।]] [[File:Murales Rivera - Treppenhaus 9 Bücherverbrennung.jpg|thumb|আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে... তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা...<br> দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br> তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন।]] [[File:Eustache Le Sueur - The Preaching of St Paul at Ephesus - WGA12613.jpg|thumb|সবচেয়ে বড় অংশগুলো বাদ দিতে বলা হয়েছে ‘আওরঙ্গজেবের ধর্মীয় নীতি’ সংক্রান্ত অধ্যায় থেকে। তিনি হিন্দুদের সাথে প্রকৃতপক্ষে কী করেছিলেন, তাদের মন্দিরের কী করেছিলেন, তার শাসনের মূল উদ্দেশ্যইসলামের প্রভাব বিস্তার এই সংক্রান্ত প্রতিটি ইঙ্গিত বই থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে... '''সবকিছু ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।'''<br/>'''বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের জন্য বস্তুনিষ্ঠ ধামাচাপা। আর আজ যদি কেউ এই পাঠ্যবইগুলোতে সত্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে, তবে চিৎকার ওঠে, ‘ইতিহাসের সাম্প্রদায়িক পুনর্লিখন’।''']] [[File:Porträtgalerie des steiermärkischen Adels 043.jpg|thumb|একবার যখন তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিলেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিলেন, তখন তারাই ঠিক করতে শুরু করলেন কী পড়ানো হবে, কোন বইগুলো পাঠ্য হবে, কী প্রশ্ন করা হবে আর কোন উত্তরগুলো গ্রহণযোগ্য হবে। এভাবেই এই ঐতিহাসিকরা আসলে ইতিহাস কী ছিল তা নির্ধারণ করতে শুরু করলেন! ... এভাবেই তারা তথ্য গোপন করেন, কিছু তথ্য বানিয়ে বলেন, এমনকি কোনো লেখক একটি বিষয়ে কী বলেছেন তা ধামাচাপা দিয়ে অন্য বিষয়ে তার বলা কথাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রচার করেন। আর যখনই কেউ আসলে কী ঘটেছিল তা তুলে ধরার চেষ্টা করে, তখনই তারা সমস্বরে চিৎকার শুরু করেন: ইতিহাস নতুন করে লেখার ষড়যন্ত্র চলছে, তারা চিৎকার করেন; ইতিহাস বিকৃত করার চক্রান্ত হচ্ছে, তারা চিৎকার করেন। '''কিন্তু তারাই প্রথম থেকে ইতিহাস বিকৃত করে আসছেন সত্য গোপন করে এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে।''']] [[File:Censored stamp.jpg|thumb|আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?]] [[File:Soviet Communism Threatens Education - NARA - 5730072.jpg|thumb|পরিস্থিতি এখন এইরকম: ভারতের জনপরিসরে যারা গত অর্ধ শতাব্দী ধরে আধিপত্য বিস্তার করেছেন, নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং অন্যদের আতঙ্কিত করে রেখেছেন, তাদের হাতে এখন কোনো তথ্য বা যুক্তি অবশিষ্ট নেই। যে কেউ তাদের অভ্যন্তরীণ আলোচনাগুলো পর্যবেক্ষণ করলেই এর প্রমাণ পাবেন—তারা এখন ক্রমশ ছোট হয়ে আসা গণ্ডির মধ্যে কথা বলছেন এবং সেই ছোট গণ্ডিতেই পুরনো কিছু বুলি পুনরাবৃত্তি করছেন। সেখানে নতুন কোনো চিন্তাভাবনা বা নতুন কোনো তথ্য নেই। আর আমরা যেমনটা দেখেছি, এটি আগে থেকেই ধারণা করা যায়: তাত্ত্বিক বুলিগুলোর পুনরাবৃত্তি করাই তাদের জন্য কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং যথেষ্ট।]] [[File:Shri Arun Shourie, Member of Parliament presented his book titled “Falling Over Backward” to the Vice President, Shri Bhairon Singh Shekhawat, in New Delhi on June 3, 2006.jpg|thumb|এর ফলাফল প্রত্যাশিত হলেও তা অন্যায় এবং হাস্যকর: যদি রাম শরণ একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, তবে রাষ্ট্র এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় অনেক কিছু নির্ধারণ করে দিতে পারে যা তাকে করতে হবে; কিন্তু যদি মুহাম্মদ আসলাম রাস্তার ওপারে ঠিক একই রকম একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, যেখানে ঠিক একই বিষয় পড়ানো হয় এবং একই পাঠ্যবই ব্যবহার করা হয়, তবে রাষ্ট্র বা বিশ্ববিদ্যালয় কেউই এর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না!]] '''অরুণ শৌরি''' (জন্ম ২ নভেম্বর ১৯৪১) ভারতের একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক এবং রাজনীতিবিদ। == উক্তি == === ১৯৭০-এর দশক === ==== ''সিম্পটমস অফ ফ্যাসিজম'' (১৯৭৮) ==== * জরুরি অবস্থার অপরাধীদের বিষয়ে আজ আমরা যা দেখছি তা আইনের শাসন নয়, বরং তার ধ্বংস। আমরা দেখছি কীভাবে বুর্জোয়া আইনের শাসন ধ্বংস করা হচ্ছে। এই শ্রেণির লোকেরাই নিজেদের স্বার্থে এটি ধ্বংস করছে এবং বুর্জোয়া সমাজ এই অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনার মতো প্রয়োজনীয় দৃঢ়তা দেখাতে পারছে না। আজ আমাদের বিচার ব্যবস্থার দুটি বৈশিষ্ট্য সবার সামনে পরিষ্কার হয়ে গেছে। প্রথমত, অপরাধীরা যদি প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাশালীদের সাথে যুক্ত হয়, তবে এই ব্যবস্থা তাদের ধরতে পারে না। দ্বিতীয়ত, জনগণ এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে করা তাদের প্রধান অপরাধগুলোর জন্য এটি তাদের ধরতে পারে না। * এরপর আছেন আমাদের লক্ষ্যহীন বামপন্থীরা, যারা একে অপরকে গালিগালাজ করতে ব্যস্ত। আর সবশেষে আছেন উদারপন্থীরা, যারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজাতে ব্যস্ত, বরং তারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজানো নিয়ে সেমিনার করতে ব্যস্ত। * আসন্ন ফ্যাসিবাদের প্রবল আঘাত থেকে আমাদের বাঁচাতে এই লোকগুলোর ওপর ভরসা করা মানে হলো একটি মাইনফিল্ড পার হওয়ার জন্য বুড়ো মহিষের ওপর নির্ভর করা। === ১৯৮০-র দশক === ==== ''রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স'' (১৯৮৯) ==== * এভাবে নীরবতা সংস্কারের গতি কমিয়ে দেয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি বহু সংখ্যক মানুষ এই নেতাদের সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে লেখালিখি এবং আলোচনা করতেন, তবে এই সম্প্রদায়ের ভেতরে থাকা সংস্কারকরা আজকের মতো এতটা বিচ্ছিন্ন এবং কোণঠাসা হতেন না। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, পুরো সত্য না বলাটা একটা অভ্যাসে পরিণত হয়। নিজের বিশ্বাস লুকিয়ে রাখা, তথ্যপ্রমাণ এড়িয়ে যাওয়া এবং প্রতারণা করা যেন আমাদের জনপরিসরের আলোচনার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। * তবুও আমি এই সংখ্যাগরিষ্ঠ রায়ে এক মারাত্মক সারল্য খুঁজে পাই... এই রায়ে ঋগ্বেদ, যজুর্বেদ এবং অথর্ববেদ থেকে সেই ঘোষণাগুলো উদ্ধৃত করা হয়েছে, যেখানে সব মানুষ এক, সবাই একই ধরিত্রীর সন্তান এবং আমাদের সবার বন্ধু হওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সেখানে এটি উল্লেখ করা হয়নি যে, আদালতের ভবন থেকে এক মাইলেরও কম দূরত্বে ফতোয়ার অসংখ্য বই বিক্রি এবং বিতরণ করা হচ্ছে, যেখানে মুসলিমদের উৎসাহিত করা হচ্ছে যেন তারা কখনোই কাফিরদের বিশ্বাস না করে এবং তাদের ওপর ভরসা না রাখে; সেখানে তাদের বলা হচ্ছে যে, তাদের প্রথম কাজ এবং আনুগত্য হবে তাদের ধর্মের প্রতি, কোনো সাধারণ আইনের প্রতি নয়... ঈশ্বর আর আল্লাহ যে এক, এটা [[মহাত্মা গান্ধী]]কে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। মন্দির আর মসজিদ, পুরাণ আর কুরআন যে এক, এটা [[গুরু গোবিন্দ সিং]]কে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। যাদের এটা বোঝানো প্রয়োজন, যেমন উলেমা বা শাহী ইমাম—তারা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন যে এগুলো এক নয়। ** অরুণ শৌরি: ইন্ডিয়া., এবং দাশগুপ্ত, এস. (১৯৯৫)। দি অযোধ্যা রেফারেন্স: দি সুপ্রিম কোর্ট জাজমেন্ট অ্যান্ড কমেন্টারিস। পৃষ্ঠা ১৭১-৩ * "বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টিই ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।" ** রাম স্বরূপের আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইসলাম থ্রু হাদিস বইটি নিষিদ্ধ করার বিষয়ে। কোয়েনরাড এলস্টর অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি, ১৯৯১, অধ্যায় ১২। * তারা ভয় দেখানোর ওপর নির্ভর করে। ঠিক এই ধরনের কৌশলেই জনাব স্বরূপের আগের একটি বই আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইসলাম থ্রু হাদিস বাজার থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল... ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর, একই ধরনের হুমকির মুখে দিল্লি প্রশাসন ঘোষণা করে যে, আগে তারা দুইবার যা বলেছিল তার উল্টো করে বইটি কেবল আপত্তিকরই নয়, বরং এটি ইচ্ছাকৃতভাবে এবং বিদ্বেষমূলকভাবে লেখা হয়েছে!....<br/>আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই শাহাবুদ্দিনদের মতো জায়গা থেকে মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে, তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা....<br/>দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br/>তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন। ** অরুণ শৌরি: "হাউ শুড উই রেসপন্ড?", সীতারাম গোয়েল সম্পাদিত ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসি (১৯৯৮) বইতেও রয়েছে। * পঞ্চাশ বছর ধরে এই দলটি তথ্য গোপন করছে এবং মিথ্যা উদ্ভাবন করছে। আইসিএইচআর-এর সেই উদ্দেশ্য—আমাদের অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ এবং যৌক্তিক গবেষণার প্রসার ঘটানো সেটি নিয়ে তারা কতই না চিন্তিত! তাদের এই চিন্তাভাবনা কীভাবে ১৯৮৯ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া নির্দেশিকার সাথে মেলে... যেখানে বলা হয়েছিল, "মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না"? অথচ বৌদ্ধ বিহার ধ্বংস নিয়ে তাদের পাইকারি মিথ্যাচার এবং অস্তিত্বহীন "আর্য আক্রমণ" নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা মানেই হলো সাম্প্রদায়িক বা উগ্র জাতীয়তাবাদী হওয়া! এই "ঐতিহাসিকদের" প্রধান অপরাধ হলো এটিই। কিন্তু এরা কেবল একপাক্ষিক "ঐতিহাসিক" নন। তারা চরম পর্যায়ের স্বজনপ্রীতি করেন... তারা এমন লোক যারা সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে একে অপরকে অনেকভাবে সাহায্য করেছেন... এই "ঐতিহাসিকরা" কেবল পক্ষপাতদুষ্ট বা স্বজনপ্রীতিই করেন না, বরং তারা একে অপরকে সাহায্য করার জন্য রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ব্যবহার করেছেন... এর ফলে, এই লোকগুলোর বই এবং প্রচারপত্র সব আঞ্চলিক ভাষায় পাওয়া যায়, কিন্তু লোকমান্য তিলকের কাজগুলো মারাঠি ছাড়া অন্য ভাষায় পাওয়াই যায় না! ** ফেব্রিক্যাশনস অন দ্য ওয়ে টু দ্য ফিউনারেল। প্রকাশনা: ইন্ডিয়া কানেক্ট। লেখক: অরুণ শৌরি। তারিখ: ২৬ জুন, ১৯৯৮। [http://voiceofdharma.org/indology/eminenthistorians1.html] [https://www.dharmadispatch.in/commentary/de-secularizing-indian-history-why-the-ugc-deserves-our-kudos] * সব তথ্যই... পঞ্চাশ বছর আগে সবার জানা ছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধের সেই প্রজন্মের বিদায়ের সাথে সাথে এবং রেকর্ডগুলো যাচাই করার অভ্যাস পুরোপুরি ত্যাগ করার ফলে, বিশেষ করে জাতিভিত্তিক রাজনীতির উত্থানে সেগুলো জনস্মৃতি থেকে মুছে ফেলা হয়েছে। আর এই মুছে ফেলার ফলাফল যা হওয়ার ছিল তাই হয়েছে: এক ধরনের মানসিক বৈকল্য। শুরুতে যারা আম্বেদকরের নামে রাজনীতি করে এবং তাদের সমর্থকরা স্বাধীনতা সংগ্রামকে খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করেছে: তারা দাবি করে যে এই স্বাধীনতা "প্রকৃত" নয়। ঠিক সেই দলটির মতোই যারা ১৯৪২ সালের সেই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্রিটিশদের সাথে হাত মিলিয়েছিল—কমিউনিস্টরা। প্রকৃতপক্ষে... আম্বেদকরের আচরণকে সঠিক প্রমাণ করতে তার অনুসারীরা দাবি করেন যে ব্রিটিশ শাসনই ভালো ছিল... কিন্তু সত্য আলমারিতে লুকিয়ে থাকে। পাছে সত্য বেরিয়ে এসে তাদের রাজনীতির সেই আদর্শকে কলঙ্কিত করে, পাছে তাদের রাজনীতি আসল রূপে ধরা পড়ে যায়—যা মূলত বঞ্চিতদের নামে স্বার্থসিদ্ধি ছাড়া আর কিছুই নয়—আম্বেদকরের এই অনুসারীরা মৌখিক সন্ত্রাসবাদ এবং সরাসরি আক্রমণের মাধ্যমে তাদের এই বিশেষ ইতিহাসের ধারা বজায় রাখতে চায়। ** অরুণ শৌরি, *ওরশিপিং ফলস গডস*, ১৯৯৭, হার্পার কলিন্স। ==== ''ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস: এসেস অন রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স'' (১৯৯৩) ==== :শৌরি, এ. (২০০৬)। ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস: এসেস অন রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স। নয়া দিল্লি: রূপা অ্যান্ড কোং। * প্রত্নতাত্ত্বিক নতুন আবিষ্কারগুলোর ওপর যে নীরবতা পালন করা হয়েছে, তা একটি বড় উদাহরণ। .... এক দশকেরও বেশি সময় আগে করা খননকার্য থেকে পাওয়া তথ্যগুলো যখন জনসমক্ষে এল এবং সেখানে আগে সত্যিই একটি মন্দির ছিল সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ রইল না, তখন স্বয়ং প্রত্নতত্ত্বকেই নিন্দা জানানো হলো। বিশ্বের অন্যতম সম্মানিত প্রত্নতাত্ত্বিক—যিনি ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের প্রাক্তন মহাপরিচালক ছিলেন এবং সেই খননকার্যের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন—তাকে কলঙ্কিত করার কাজে পত্রিকাগুলো নেমে পড়ল। ... এর শিক্ষা খুব পরিষ্কার: যদি এমন দ্বিমুখী নীতি চলতে থাকে, তবে আমাদের সম্পাদকীয় লেখকদের ভয়ভীতিপূর্ণ সতর্কবাণী হিন্দুরা এখন যতটা শুনছে, ভবিষ্যতে তার চেয়েও কম গুরুত্ব দেবে। * পরিষ্কারভাবে বলতে গেলে, আমাদের সাংবাদিকরা যাদের 'কট্টরপন্থী' বলেন, তারাই সঠিক প্রমাণিত হয়েছেন। * গত এক দশকে শিখ এবং মুসলিম সাম্প্রদায়িকরা যেভাবে রাষ্ট্রকে সফলভাবে প্রভাবিত করেছে, তাতে সংবাদপত্রের ঘটনা এবং ইস্যুগুলোর বর্ণনায় দ্বিমুখী নীতি, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে প্রতারণা একটি বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। * মধ্যযুগীয় ভারতের প্রতিটি মুসলিম ঐতিহাসিক এমন মন্দিরের তালিকা দিয়েছেন যা তার সমকালীন শাসকরা ধ্বংস করেছিলেন এবং তার বদলে সেখানে মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। (৪২৯) ==== ''হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম (ভলিউম ১)'', ১৯৯৩ ==== * একজন বিখ্যাত মুসলিম পণ্ডিত যিনি ভারতের অন্যতম বড় ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের চতুর্থ রেক্টর ছিলেন, তার লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের ইংরেজি সংস্করণে বাবরী মসজিদসহ কিছু মসজিদের তালিকা ছিল, যা মন্দিরের জায়গায় এবং ভিতের ওপর তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে মন্দিরের পাথর ও কাঠামো ব্যবহারের উল্লেখ ছিল। দেখা গেল, সেই গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! বলা হচ্ছে বইটি এখন পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে;... এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... আমি জানলাম এটি একটি দীর্ঘ বই ছিল, যা শুরু হয়েছিল ভারতের ভূগোল, গাছপালা, পশুপাখি, ভাষা, মানুষ এবং অঞ্চলগুলোর বর্ণনা দিয়ে। বইটি আরবি ভাষায় লেখা হয়েছিল আরবিভাষী মানুষের জন্য। ... একটি অদ্ভুত তথ্য আমার সামনে এল। এই ধরনের প্রকাশনা সম্পর্কে যাদের জ্ঞান থাকার কথা, তাদের অনেকেই হঠাৎ করে এই বইটির কথা মনে করতে দ্বিধা বোধ করছিলেন। আমাকে বলা হয়েছিল যে, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের মতো জায়গাগুলো থেকে বইটির কপি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এমনকি কেউ কেউ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, তিন-চার বছর আগে এই বইটির প্রতিটি কপি ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য একটি সুসংগঠিত প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। .... লেখকের মর্যাদা এবং বইটির গুরুত্ব এত বেশি হওয়া সত্ত্বেও মৌলবাদীদের কাছে এটি কেন প্রিয় নয়? এর উত্তর লুকিয়ে আছে “হিন্দুস্তান কি মাসজিদেঁ” অর্থাৎ “হিন্দুস্তানের মসজিদসমূহ” নামক অধ্যায়টিতে। ... এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি, যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন—যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?... ** রাজনৈতিক কারণে লাইব্রেরি থেকে বই সরিয়ে ফেলার বিষয়ে। অরুণ শৌরি: হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯)। উদ্ধৃত: সীতারাম গোয়েল (সম্পাদক) (১৯৯৩)। হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম। ভলিউম ১। * সেগুলোর প্রকৃত গুরুত্ব এবং আমি বলতে পারি মসজিদ-মন্দির বিতর্কের ক্ষেত্রে এগুলো সবচেয়ে ছোট এবং সাধারণ উদাহরণ মাত্র লুকিয়ে আছে সত্য এড়িয়ে চলা এবং গোপন করার মধ্যে। আমার কাছে নির্ভরযোগ্য তথ্য আছে যে, এই অংশগুলো অনেক আগে থেকেই পরিচিত এবং যারা বাবরী মসজিদ ইস্যু নিয়ে কাজ করছেন তারা এটি ভালো করেই জানেন। এটিই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়; তারা এগুলো জানতেন এবং তাদের ইচ্ছা ছিল সত্য জানার বদলে সত্যকে গোপন করে মাটিচাপা দেওয়া.... মাওলানা আবদুল হাইয়ের অনুচ্ছেদগুলোর পরিণতি এবং আমি জানি না যে উর্দু সংস্করণটিও মূল আরবি সংস্করণের একটি সুবিধাজনক কাটছাঁট করা রূপ কি না আমাদের দেখায় যে, যারা নিজেদের রাজনীতির জন্য ধর্মের আবেগ উসকে দেয় তারা কতটা স্বার্থপরভাবে কাজ করে। '''যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য—মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?''' ** রাজনৈতিক কারণে লাইব্রেরি থেকে বই সরিয়ে ফেলার বিষয়ে। অরুণ শৌরি: হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯)। উদ্ধৃত: সীতারাম গোয়েল (সম্পাদক) (১৯৯৩)। হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম। ভলিউম ১। ==== ''আ সেকুলার এজেন্ডা'', ১৯৯৩ ==== * পাঠ্যটি পড়লে পাঠক লক্ষ্য করবেন যে ভারতের জনপরিসরের আলোচনায় যেসব বুলি ব্যবহার করা হয় এবং ফলস্বরূপ অনেকে যা বিশ্বাস করে নিয়েছেন, তা তথ্যের চেয়ে কতটা আলাদা.... (১০) * একটু চিন্তা করলেই দেখা যাবে যে ভারতের বিষয়টি আমরা যে উদাহরণগুলো আলোচনা করেছি তার মতো নয়। কারণ সেই উদাহরণগুলো একদম সাম্প্রতিক সময়ের—সেই জাতিগুলো "কল্পিত" ছিল, সেই ঐতিহ্যগুলো মাত্র ১০০ বা ১৫০ বছর আগে "উদ্ভাবিত" হয়েছিল। এর বিপরীতে ভারতকে হাজার হাজার বছর ধরে এক হিসেবে দেখা হয়েছে এবং এর মানুষের জীবনযাপনের ধরনও সাধারণ। এর ইতিহাস কেবল পুরনোই নয়.... এটি একটি ধারাবাহিক ইতিহাস। (৯) * জবরদস্তি করে ভুলে যাওয়া নয়, বরং এক আপসহীন স্মৃতিই একটি জাতি গঠন করবে। * প্রতিটি বাক্যই একটি মিথ্যা। ... আপনি কি কখনো বিবিসিকে নওয়াজ শরিফকে "মৌলবাদী" বা "ধর্মান্ধ" বলতে শুনেছেন? কিন্তু আডবাণী যদি "মুসলিমদের" জায়গায় "হিন্দু" বসিয়ে একই ধরনের বক্তব্য দিতেন, তবে তারা তাকে কী বলত? ==== ''মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া'', ১৯৯৪ ==== * '''আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?''' * '''কিন্তু আমাদের জনপরিসর এবং শিক্ষা থেকে এই ধরনের তথ্যগুলো প্রায় পুরোপুরি মুছে ফেলার একটি আরও শক্তিশালী কারণ আছে। আর সেটি হলো গত ৪৫ বছর ধরে আমরা যে ধরনের “ধর্মনিরপেক্ষতা” চর্চা করেছি: এমন এক “ধর্মনিরপেক্ষতা” যেখানে দ্বিমুখী নীতিই ছিল নিয়ম, যেখানে আমাদের জাতীয় পরিচয়কে ঢেকে রাখা আবর্জনা দূর করতে পারে এমন সবকিছুই অত্যন্ত ঘৃণ্য হয়ে উঠেছে।''' * ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অফ ইন্ডিয়া (সিবিসিআই) হলো ভারতের বিভিন্ন ক্যাথলিক গির্জার কাজ সমন্বয় করার এবং অন্য ধর্মের সাথে সংলাপ করার জন্য সর্বোচ্চ সংস্থা। ... ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করতে... সিবিসিআই ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতে একটি সভার আয়োজন করেছিল.... এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশ ছিল: এটি পঞ্চাশ বছরে মাত্র দ্বিতীয়বার এবং পঁচিশ বছরে প্রথমবার ছিল যেখানে এমন একটি ব্যাপক পর্যালোচনা করা হচ্ছিল... আয়োজকরা অত্যন্ত সদয় হয়ে আমাকে ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিদের কাজের ওপর হিন্দুদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে বলেছিলেন। * আর এই ধরনের মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করেই উপজাতিদের হিন্দু সমাজ থেকে আলাদা করা হয়েছিল। অ্যানিমিজম বা প্রকৃতিপূজার যে বর্ণনাগুলো দেওয়া হয়েছিল সেগুলো পড়লেই বোঝা যায় যে, তারা আসলে বিভিন্ন ধরনের হিন্দুদের কথাই বর্ণনা করছিল। ;'''বইটি সম্পর্কে উক্তি''' * আয়োজকরা অরুণ শৌরিকে ভারতে মিশনারিদের কাজের ওপর হিন্দুদের মূল্যায়ন তুলে ধরার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। অরুণ শৌরি ৫ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে আর্চবিশপ, বিশপ এবং অন্যদের সামনে ভাষণ দেন। ... আয়োজকরা অরুণ শৌরিকে তার বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে একটি প্রবন্ধ লিখতে অনুরোধ করেন.... বিতর্ক বাড়তে থাকায়... [তারা] অরুণ শৌরির সাথে একটি প্রকাশ্য মঞ্চে মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া নিয়ে আলোচনা করার জন্য বেশ কয়েকজন প্রবীণ গির্জা কর্মকর্তাকে আমন্ত্রণ জানান। ** মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া বইটি সম্পর্কে ** শৌরি, অরুণ। অরুণ শৌরি অ্যান্ড হিজ খ্রিস্টান ক্রিটিক। (১৯৯৫) * সংলাপের তৃতীয় উদ্দেশ্য সফল করার জন্য একটি আলোচনা কেবল ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতেই সম্ভব হয়েছিল, যখন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও পণ্ডিত অরুণ শৌরিকে ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অফ ইন্ডিয়া (সিবিসিআই) ভারতে মিশনারিদের কাজের “হিন্দু মূল্যায়ন” উপস্থাপনের জন্য আমন্ত্রণ জানায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এই “সংলাপের” আয়োজকদের জন্য বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং হিতে বিপরীত হয়। এরপর থেকেই ভারতের বিশাল খ্রিস্টান প্রতিষ্ঠান অরুণ শৌরির দেওয়া আঘাত সহ্য করছে। তিনি যে শোরগোল তুলেছিলেন তা কেবল ১৯৫৩ সালে কে. এম. পানিক্করের এশিয়া অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন ডমিন্যান্স প্রকাশের পর হওয়া শোরগোলের সাথে তুলনা করা যায়। মিশনারি বিজ্ঞান খ্রিস্টান দাবিগুলোর ক্ষতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য তাদের সব যুক্তি ও কৌশল প্রয়োগ করছে...<br>সিবিসিআই তাদের প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করছিল এবং পুনের ইশভানি কেন্দ্রে একটি সেমিনারের আয়োজন করেছিল। ৫ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে অরুণ শৌরি যখন তার বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখন ভারতের প্রায় সব বড় ক্যাথলিক নেতা সেখানে উপস্থিত ছিলেন...<br>প্রবন্ধটি বিস্তারিতভাবে লেখার পর তা একটি বইয়ের আকার নেয়। অরুণ শৌরি ১৯৯৪ সালের মে মাসের শুরুতে মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া: কন্টিনিউইটিস, চেঞ্জেস, ডিলেমাস নামে এটি প্রকাশ করেন। ... ইতিমধ্যে অরুণ শৌরি এই বিষয়ে তার নিয়মিত কলামে বেশ কিছু নিবন্ধ লিখেছিলেন যা দেশের বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশিত অনেকগুলো পত্রিকায় বের হয়। এই নিবন্ধগুলো পুনের মহারাষ্ট্র হেরাল্ডে একটি প্রাণবন্ত আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। ** সীতারাম গোয়েল, হিস্ট্রি অফ হিন্দু খ্রিস্টান এনকাউন্টারস * স্বাধীনতার পর ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিদের দাপট নেহরুবাদী প্রশাসনের সমর্থনে ক্রমাগত বেড়েই চলেছিল, যেখানে মিশনারি-ম্যাকলে ধাঁচের শিক্ষায় বেড়ে ওঠা একদল আত্মবিস্মৃত হিন্দু ছিল। এই ধারায় একমাত্র ছেদ ছিল ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত কে. এম. পানিক্করের এশিয়া অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন ডমিন্যান্স, ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত মধ্যপ্রদেশ খ্রিস্টান মিশনারি অ্যাক্টিভিটিস কমিটির রিপোর্ট, ১৯৭৮ সালে লোকসভায় ওম প্রকাশ ত্যাগীর আনা ধর্মীয় স্বাধীনতার বিল, ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত অরুণ শৌরির মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া এবং ২০ ডিসেম্বর ১৯৯৬ সালে মঙ্গল প্রভাত লোধা কর্তৃক মহারাষ্ট্র বিধানসভায় আনা মহারাষ্ট্র রিলিজিয়াস ফ্রিডম বিল। ** সীতারাম গোয়েল, ভিন্ডিকেটেড বাই টাইম: দ্য নিয়োগী কমিটি রিপোর্ট (১৯৯৮) ==== ''দ্য ওয়ার্ল্ড অফ ফতোয়াস (অর দ্য শরিয়া ইন অ্যাকশন)'', ১৯৯৫ ==== * আমাদের শহরের মুসলিম এলাকার বইয়ের দোকানগুলোতে—উদাহরণস্বরূপ দিল্লির জামে মসজিদের চারপাশের দোকানগুলোতে—ফতোয়ার সংকলনগুলো তাকের পর তাক জুড়ে থাকে। পবিত্র সাহিত্যের প্রতি মানুষ যেমন যত্নশীল হয়, এগুলোও তেমনি যত্নের সাথে সাজানো থাকে। পৃষ্ঠাগুলোর বিন্যাস খুব সুন্দর। ক্যালিগ্রাফিগুলো প্রায়ই শিল্পের পর্যায়ের। ভলিউমগুলো চমৎকারভাবে বাঁধাই করা—প্রায়ই কভারের ওপর সোনালি এমবসিং থাকে। * '''এক কথায়, ফতোয়া হলো শরিয়তের প্রয়োগ।''' * এই সব কারণে যে কেউ ফতোয়ার ওপর প্রচুর গবেষণার আশা করবে। কিন্তু তাহলে আমাদের বুদ্ধিজীবীদের কথা ভুলে যেতে হবে। এটি আরও একটি প্রমাণ যে আমাদের বুদ্ধিজীবীরা আমাদের দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন; ইংরেজি বা উর্দুতে ফতোয়ার ওপর কোনো গবেষণাই প্রায় নেই। * প্রথমত, আমাদের পণ্ডিতরা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের জন্য সময় দেননি ঠিক সেই কারণে যার জন্য তারা আমাদের দেশের অস্তিত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অন্য বিষয়গুলোতেও সময় দেননি। ভারতে বুদ্ধিবৃত্তিক কাজের বেশিরভাগই হলো পশ্চিমে যা করা হচ্ছে তার পাদটীকা লেখা—অন্যদের চেয়ে মার্ক্সবাদী বুদ্ধিজীবীদের ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি সত্যি। আর যখন আমাদের বুদ্ধিজীবীরা এই পাদটীকা লিখতে ব্যস্ত থাকেন না, তারা পশ্চিমা মহলে জনপ্রিয় ফ্যাশন অনুসরণ করতে ব্যস্ত থাকেন এবং পশ্চিমে জনপ্রিয় হওয়া কোনো ধারণা বা ‘থিসিস’ ভারতীয় তথ্যের ওপর ‘প্রয়োগ’ করতে ব্যস্ত থাকেন। এক কথায়, আমাদের পাণ্ডিত্যপূর্ণ কাজগুলো অনুকরণধর্মী। তাই ভারতে ফতোয়া নিয়ে কোনো বড় গবেষণা না হওয়ার প্রথম কারণ হলো যে এগুলো এখনো পশ্চিমের নজর কাড়েনি। * “আমাদের উচিত, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের উচিত মুসলিম সমাজের অবস্থা সম্পর্কে পুরো সত্য বলা—উদাহরণস্বরূপ সেখানকার নারীদের দুর্দশা নিয়ে। এবং এর মূল উৎস—বই, আইন এবং চিন্তাধারার মধ্যে সেটি খুঁজতে দ্বিধা না করা। আমাদের উলেমা [মুসলিম ধর্মীয় নেতা] এবং কট্টরপন্থী রাজনীতিবিদদের সামাজিক কর্মকাণ্ডের দলিল তৈরি করা উচিত।... উলেমা এবং অন্যরা ধর্মীয় ইস্যুতে যা বলছেন এবং যা ফতোয়া দিচ্ছেন তা নথিবদ্ধ করা উচিত।... আমাদের, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের প্রতিটি বিষয়ে দৃঢ়ভাবে ধর্মনিরপেক্ষ অবস্থান নিতে হবে—কট্টরপন্থীদের মোকাবিলা করার এটিই একমাত্র পথ, এটিই সম্প্রদায়ের কাছে বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি পৌঁছে দেওয়ার সবচেয়ে নিশ্চিত উপায়।... ফতোয়া এবং অন্যান্য বিষয় যা একজন ব্যক্তির নাগরিক অধিকার খর্ব করে তা স্পষ্টতই আইনের অপরাধমূলক লঙ্ঘন; আমাদের উচিত সেগুলোকে সেভাবেই তুলে ধরা; এবং অন্যদের সাথে মিলে দাবি করা যে কেউ যদি ফতোয়া ব্যবহার করে অন্যের অধিকার মাড়িয়ে দিতে চায় তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। একইভাবে, আমাদের সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদরা এই প্রতিক্রিয়াশীল উপাদানগুলোকে খুশি করার জন্য এবং শেষ পর্যন্ত তাদের হাত শক্তিশালী করার জন্য যে ছাড় দেয়, তা আমাদের উন্মোচিত করতে হবে এবং ব্যর্থ করার জন্য কাজ করতে হবে।... কিন্তু উলেমা এবং তাদের নেটওয়ার্কের মোকাবিলা করাই যথেষ্ট নয়। আমরা যেমনটা দেখেছি, তারা যা প্রচার করে এবং কার্যকর করে তা কুরআন এবং হাদিসেই বলা আছে। তাই এই জাল কাটতে হলে উদারপন্থীদের এবং বিশেষ করে উদারপন্থী মুসলিমদের ইসলামের হাজার বছরের দাবিগুলো পরীক্ষা করে দেখতে হবে: এই দাবি যে কেবল একটিই সত্য আছে, তা কেবল একজন মানুষের কাছেই প্রকাশিত হয়েছে, তা কেবল একটি বইতেই আছে, সেই বইটি বোঝা খুব কঠিন, কেবল কয়েকজন নির্বাচিত মানুষই এর অন্তর্নিহিত অর্থ জানে এবং তাই তাদের কথা মেনে চলা সবার কর্তব্য। এক কথায়, মূল পাঠ্যগুলোকেই পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।” (উদ্ধৃত: বোস্টম, এ. জি. (২০১৫)। শরিয়া ভার্সেস ফ্রিডম: দ্য লেগাসি অফ ইসলামিক টোটালিটারিয়ানিজম।) * ফতোয়ার বইগুলোতে আরও একটি অদ্ভুত বিষয়ের ওপর পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা বরাদ্দ করা হয়েছে—তা হলো, কোনো বিশ্বাসী যদি পশুর সাথে যৌনমিলন করে তবে তার কী করা উচিত। ‘যে পশুর সাথে মানুষ যৌনমিলন করেছে তার হুকুম কী—পশু এবং সেই মানুষের হুকুম কী?’, প্রশ্নকারী জানতে চান এবং যথাযথ বিবেচনার পর এই বিশাল ‘ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের’ উলেমা একটি ফতোয়া জারি করেন। ফতোয়া দাবি করা অন্য বিষয়গুলোও ঠিক একইভাবে বিস্ময়কর। <br> ‘যে গর্ভবতী ছাগলের সাথে মিলন করা হয়েছে তা কি হালাল না হারাম? সেটি বাচ্চা দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না কি বাচ্চা হওয়ার আগেই মেরে ফেলে পুঁতে ফেলতে হবে?’ ‘জায়েদ একটি ছাগলের সাথে মিলন করেছে। এর আইন কী? আমরা কি এর মাংস খেতে পারি বা দুধ পান করতে পারি? আর যে মিলন করেছে তার জন্য আইন কী?’ ‘ছোট শিশু বা ছাগলের সাথে মিলন করার শাস্তি কী?’ ‘জায়েদ একটি হালাল পশু যেমন গরু বা ছাগলের সাথে মিলন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে পশুর কাছে গেল এবং তার যৌনাঙ্গ পশুর যোনিতে প্রবেশ করাল। কিন্তু কোনো বীর্যপাত হলো না। জায়েদ বা অন্য মুসলিমদের কি সেই পশুর মাংস বা দুধ হালাল মনে করা উচিত? এই অপরাধের জন্য কি জায়েদকে কাফফারা দিতে হবে?’ ‘জায়েদ একটি গরুর সাথে মিলন করেছে এবং তারপর সেটি বিক্রি করে দিয়েছে। সেই টাকা কীভাবে খরচ করতে হবে? সেটি কি সাদকা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে? আর জায়েদের শাস্তি কী?’ ‘যে ঘোড়ীর সাথে মিলন করেছে তার শাস্তি কী? সেই ঘোড়ীটির সাথে কী করা উচিত?’ এই প্রতিটি বিষয়ে একটি করে ফতোয়া আছে। <br> আর উত্তরগুলো সবসময় একরকম হয় না, অনেক সময় সুক্ষ্ম পার্থক্যের ওপর নির্ভর করে। পশুর সাথে মিলন করা বিশ্বাসীর জন্য কেবল তওবা করাই যথেষ্ট বলে মনে করেন এই পণ্ডিতরা, তবে সাধারণত পশুটিকে মেরে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। অর্থাৎ সাধারণ ক্ষেত্রে এর মাংস খাওয়া উচিত নয়। তবে একটি উদাহরণ ধরা যাক, দেওবন্দের দারুল উলুমের উলেমা রায় দিয়েছেন যে, ‘যদি (পশুর ভেতরে) বীর্যপাত না হয়, তবে এর মাংস এবং দুধ নিঃসন্দেহে হালাল।’ ‘কিন্তু যদি বীর্যপাত হয়, তবে পশুটিকে মেরে ফেলে এর মাংস পুঁতে ফেলা ভালো। কারো এটি খাওয়া উচিত নয়, যদিও এটি খাওয়া হারাম নয়।’ [...] পরিশেষে, অন্যরা যখন এই ধরনের প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করতে কিছুটা অস্বস্তি বোধ করতে পারেন এবং ‘ধর্মীয়’ বইগুলোতে এগুলোর দেখা পেয়ে অবাক হতে পারেন, উলেমাদের এই বিষয়ে আলোচনা করতে বা আইন দিতে কোনো দ্বিধা নেই। তারা এটিকে তাদের একটি কাজ বলে মনে করেন। মাওলানা মুফতি আবদুর রহিম কাদরী বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। জানা যায় যে, হযরত শায়খুল ইসলাম মাওলানা মৌলবি নামে একজন মৌলবি দুটি প্রচারপত্র প্রকাশ করে হানাফি ফকিহদের সমালোচনা করেছিলেন কারণ তারা মনে করেন যে পশুর সাথে মিলন করলে রোজা নষ্ট হয় না, এমনকি বীর্যপাত হলেও। তিনি হানাফি আইনের বড় বড় নাম—শামী এবং দুররুল মুখতার—উদ্ধৃত করে বলেছিলেন যে তারা এটিই বলেছেন। তিনি ধর্মীয় বইগুলোতে এই ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য পণ্ডিত উলেমাদের তিরস্কারও করেছিলেন। মৌলবির এই লেখাগুলো মতামতের জন্য মুফতি আবদুর রহিম কাদরীর কাছে পাঠানো হয়েছিল। মুফতির ব্যাখ্যা ফতোয়ায়ে রহিমিয়া-র দশটি মুদ্রিত পৃষ্ঠা জুড়ে আছে। প্রশ্নের মূল উত্তরটি নির্ভর করছে পশুর ভেতরে লিঙ্গ প্রবেশের সময় বীর্যপাত হয়েছে কি না তার ওপর—যদি হয় তবে রোজা বাতিল হয়ে যাবে—নাকি কেবল হাত দিয়ে পশুর যৌনাঙ্গ স্পর্শ বা চুম্বনের ফলে বীর্যপাত হয়েছে—সে ক্ষেত্রে রোজা নষ্ট হবে না। মুফতি এই পার্থক্য বোঝাতে বিভিন্ন উদ্ধৃতি দিয়েছেন এবং দাবি করেছেন যে মৌলবি হানাফি ফকিহদের রায়ের ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন। * এরপরে আসে উর্দু সংবাদমাধ্যম। এটি উলেমাদের অন্যতম শক্তিশালী সহযোগী এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের অস্ত্র হিসেবে কাজ করেছে, যেমনটা আমরা ড. জাকির হোসেন এবং মাওলানা আজাদের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানের সময় দেখেছি। ১৯৯২ সালে দিল্লির জামিয়া মিলিয়ার প্রো-ভিসি মুশিরুল হাসান এবং পাটনার খুদা বখশ লাইব্রেরির পরিচালক আবিদ রেজা বেদারের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানেও আমরা একই ভূমিকা দেখেছি। উচ্চকণ্ঠ, ব্যাপক বিকৃতি, অভিযোগের প্রতিধ্বনি তৈরি করা, চরম নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করা এবং তারপর সবকিছুকে ইসলামের ওপর আক্রমণ হিসেবে তুলে ধরা—এগুলোই এর বৈশিষ্ট্য। আর শেষ পর্যন্ত এগুলো সেই বিশ্বদর্শনকেই শক্তিশালী করতে ব্যবহৃত হয় যা উলেমা চান যে তাদের সম্প্রদায় বজায় রাখুক। *আর এরপর আছে পৃষ্ঠপোষকতার প্রভাব। সৌদি আরব, ইরান বা ইরাক অথবা অন্য ‘ইসলামি’ উৎস থেকে আসা তহবিল উলেমাদের কাছে বা তাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সংস্থাগুলোর কাছে যায়। এই তহবিল প্রায় কখনোই উদারপন্থীদের কাছে পৌঁছায় না। ভারতের অবস্থা তো আরও খারাপ। যেহেতু উলেমা সম্প্রদায়কে নিয়ন্ত্রণ করে, তাই রাষ্ট্র উলেমা এবং তাদের ভাষায় যারা কথা বলে তাদের সামনেই নতজানু হয়। রাষ্ট্র যত দুর্বল হয়েছে, উলেমা তত সহজে তাদের প্রচারাভিযান চালিয়ে যেতে পেরেছে। আর বিনিময়ে তারা সম্প্রদায়ের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও মজবুত করতে পেরেছে এটি দেখিয়ে যে রাষ্ট্র তাদের সামনে মাথা নত করে—যেমন শাহ বানোর ক্ষেত্রে হয়েছিল; যে রাষ্ট্র তাদের পথে দাঁড়ানোর সাহস পায় না: দেশের আইনি ব্যবস্থার বাইরে সমান্তরাল আদালত—শরিয়ত আদালত তৈরি করার জন্য তাদের বর্তমান অভিযানের দুঃসাহস দেখুন। *উদারপন্থী হিন্দুরা এতটাই লজ্জিত থাকে এবং তারা এই মেকি ধর্মনিরপেক্ষতাকে এতটাই নিজের করে নিয়েছে যে, তারা ধর্মগ্রন্থগুলো—তা ইসলামের হোক, হিন্দুধর্মের হোক বা আমাদের আইন ও সংবিধানের হোক সেগুলো সম্পর্কে কিছুই জানে না। তারা দ্বিমুখী নীতিকে এতটাই মেনে নিয়েছে যে ইসলামি সব বিষয়ে চুপ থাকা এবং মৌলবাদীদের সুর মেলানোকেই তারা ধর্মনিরপেক্ষতার প্রমাণ মনে করে। ইংরেজি সংবাদমাধ্যমের ‘ধর্মনিরপেক্ষরা’ এর একটি তৈরি উদাহরণ। তারা আলী মিঞাকে ‘পরিমিতিবাদী, সর্বজনশ্রদ্ধেয় মুসলিম নেতা’ হিসেবে উল্লেখ করবে তার কোনো লেখা না পড়েই। তারা বিভিন্ন মুফতি ও মৌলবিকে ‘মুসলিম ধর্মতত্ত্ববিদ’ হিসেবে উল্লেখ করবে। অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড বা অল ইন্ডিয়া মিলি কাউন্সিল যা করছে তা থেকে তারা চোখ বন্ধ করে রাখবে; কিন্তু রাষ্ট্রের কোনো সংস্থা যদি তাদের কার্যক্রম উন্মোচিত করতে কোনো পদক্ষেপ নেয় তবে তারা চিৎকার শুরু করবে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, কোনো ইস্যুতে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে উলেমাদের পক্ষ নেবে এবং জোর দিয়ে বলবে যে এই পক্ষের বিরোধিতা করা মানেই ‘সাম্প্রদায়িক’, ‘ফ্যাসিবাদী’ বা ‘প্রতিশোধপরায়ণ’ হওয়া। এই ধরনের চিৎকারের প্রভাব কেবল আলোচনার পরিবেশ বিষিয়ে দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। দুর্বল শাসকরা সেই পরিবেশে প্রভাবিত হয়। আর এভাবেই জননীতি উলেমাদের পক্ষে চলে যায়। ফলে উলেমা আরও শক্তিশালী হয়। *আমরা যখন বুদ্ধের বাণী বা রোজা সম্পর্কে গান্ধীজির কথা পড়ি, তখন তার বিষয়বস্তু থাকে নিজের ভেতর তাকানো এবং আত্মশুদ্ধি নিয়ে। কিন্তু এমনকি যখন ফতোয়াগুলো পুরোপুরি ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কাজ করে, তখনও সেগুলো কেবল সেই নিয়মগুলো নিয়ে থাকে যা একজন বিশ্বাসীকে মেনে চলতে হয়। এগুলো কুচকাওয়াজের জন্য একজন ড্রিল সার্জেন্ট ক্যাডেটদের যে নির্দেশনা দেন তার মতো। *আমাদের নেতা এবং সুপ্রিম কোর্ট যখন অনবরত বলছেন, ‘সব ধর্ম এক’; যখন তারা বেদের বাণী স্মরণ করছেন, ‘সত্য এক, ঋষিরা একে ভিন্ন নামে ডাকেন’; যখন তারা অশোকের শিলালিপি স্মরণ করছেন, ‘যে নিজের ধর্মকে শ্রদ্ধা করে এবং অন্যের ধর্মকে তুচ্ছ করে, সেটি নিজের ধর্মের প্রতি ভক্তির কারণে এবং অন্য ধর্মের ওপর একে বড় দেখানোর জন্য হোক না কেন, সে আসলে নিজের ধর্মেরই ক্ষতি করে’, উলেমা ঠিক তার উল্টো মূল্যবোধ প্রচার করেন। উলেমাদের প্রতি সুবিচার করতে হলে বলতে হয় এগুলোই প্রকৃত ইসলামি মূল্যবোধ। যেমন মাওলানা আহমদ রেজা খান সেই সব মানুষের ওপর ক্ষিপ্ত হন যারা এমন শোভাযাত্রা সমর্থন করে যেখানে গীতা ও কুরআনকে সমান সম্মানের সাথে বহন করা হয়; তিনি ঘোষণা করেন যে একজন মুসলিমের পক্ষে এটি বলাও কুফর যে, ‘হিন্দুদের বেদ অনুযায়ী চলা উচিত এবং মুসলিমদের কুরআন অনুযায়ী চলা উচিত’; তিনি বলেন, মন্দির হলো শয়তানের আস্তানা, একজন মুসলিমের সেখানে যাওয়া নিষিদ্ধ; পবিত্র কুরআনকে বেদের মতো বলা কুফর; হিন্দুদের বেদ অনুযায়ী চলতে বলা মানে মানুষকে কুফর অনুসরণ করতে বলা, আর মানুষকে কুফর অনুসরণ করতে বলা মানেই হলো কুফর... *ফতোয়াগুলো এই দ্বিমুখী নীতিকেই প্রতিফলিত করে। ধর্মান্তর এবং ধর্মত্যাগের প্রতি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি এর একটি বড় উদাহরণ। ইসলাম অন্য ধর্মের মানুষকে ধর্মান্তরিত করাকে একটি অধিকার এবং কর্তব্য বলে মনে করে। উলেমা এর ওপর জোর দেন....অন্য ব্যক্তির ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখিয়ে কোনো কাজ করা বা না করার বিষয়েও একই অবস্থান নেওয়া হয়.....এর একটি আরও বড় উদাহরণ হলো ধর্মীয় চর্চা চালিয়ে যাওয়ার অবস্থান। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়া একজন মুসলিমের অধিকার ও কর্তব্য। ...ফতোয়ায়ে রিজভিয়া ঘোষণা করে যে, কোনো অবস্থাতেই ইসলামি শাসক কাফিরদের তাদের ধর্মীয় আচার পালনের অনুমতি দিতে পারে না এবং প্রশ্ন করে: সে কি তাদের কুফর পালন করতে দেবে এবং এর মাধ্যমে নিজে কাফির হয়ে যাবে?...এতে আরও বলা হয়েছে যে এ বিষয়ে বেশ কিছু হাদিস আছে যে কোনো অমুসলিম আরব উপদ্বীপে থাকতে পারবে না...অর্থাৎ, কোনো অমুসলিমকে আরব উপদ্বীপে থাকতে দেওয়া হবে না, কিন্তু যদি ভারত থেকে একজন অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে চলে যেতে বলা হয়, তবে সেটি হবে ইসলামের ওপর আঘাত!...একইভাবে, আজও কোনো ইসলামি রাষ্ট্রে কোনো স্কুলের শিক্ষকরা অমুসলিম শিশুদের তাদের ধর্মের শিক্ষা দিতে পারেন না...কিফায়াতুল্লাহ ঘোষণা করেন যে, কুরআন শিক্ষা এবং ধর্মীয় শিক্ষার ওপর কোনো বাধা সহ্য করা যাবে না। ...অথচ ধর্মনিরপেক্ষ আলোচনায় আমরা শুনি যে ইসলামের মতো আর কোনো ধর্ম নেই যা ভেদাভেদ দূর করেছে, ইসলামের মতো আর কেউ সবাইকে সমান মর্যাদা দেয় না! *এই সবকিছুর পরেও যারা দাবি করেন, ‘শরিয়ত নারীদের অধিকার রক্ষা করেছে যেমনটা অন্য কোনো আইন করেনি,’ তারা কেবল এই আত্মবিশ্বাস থেকেই তা বলেন যে তারা ছাড়া আর কেউ শরিয়তের মূল পাঠ্যগুলো পড়েনি। *তা সত্ত্বেও আমাদের বিশ্বাস করতে হবে যে শরিয়তের মতো অন্য কোনো আইন নারীদের এত অধিকার দেয়নি এবং ইসলামের মতো অন্য কোনো ধর্ম তাদের বিষয়ে এত যত্নশীল নয়, না হলে আমাদের সাম্প্রদায়িক তকমা সইতে হবে। এই যুক্তি কেবল একগুঁয়ে অন্ধ সমর্থকদেরই বোকা বানাতে পারে। *ফতোয়ার মাধ্যমে বলবৎ হওয়া শরিয়ত কেবল তা-ই নয়। যেহেতু আমাদের সরকারগুলো অভিন্ন দেওয়ানি বিধি প্রণয়নের সাংবিধানিক নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করেনি, তাই এটিই হলো ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের আইন যা আমাদের আদালতগুলো কার্যকর করে! * বিষয়গুলো কেবল উলেমাদের নারীদের মূল্যায়নের কারণেই আগ্রহের বিষয়, কারণ এটি ফতোয়ার সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। দেওবন্দের উলেমা একটি বিষয় সমাধান করতে গিয়ে ঘোষণা করেন যে, ‘কুরআনে বলা হয়েছে স্বামীই হলো কর্তা।’ .... আর এই কাফিরদের মধ্যেও ভাগ আছে বলে মাওলানা আহমদ রেজা খান ঘোষণা করেন: এক প্রকার কঠিন কুফর হলো খ্রিস্টধর্ম; তার চেয়েও খারাপ হলো মাজুসিয়ত (অগ্নিপূজা); তার চেয়েও খারাপ হলো মূর্তিপূজা; তার চেয়েও খারাপ হলো ওহাবি মতবাদ; এবং এই সবকিছুর চেয়েও খারাপ ও দুষ্ট হলো দেওবন্দি মতবাদ... * এবং এটি চলতেই থাকে। এর প্রভাব হবে খুব স্পষ্ট: যখন আপনি তাদের কাছে কোনো সমস্যা নিয়ে যাবেন, উলেমা এক জন বিশেষজ্ঞের বদলে অন্য জনের দোহাই দিয়ে আপনার পথ সহজ করতে পারেন অথবা বাধা দিতে পারেন। একই সাথে তারা এবং তাদের সমর্থকরা জোর দিয়ে বলবেন যে আমাদের, বিশেষ করে অমুসলিমদের কখনোই এটি বিশ্বাস করা বন্ধ করা উচিত নয় যে শরিয়ত একটি স্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট বিধি, এটি ঐশ্বরিকভাবে নির্ধারিত এবং তাই এটি একটি শাশ্বত এবং অপরিবর্তনীয় বিধি! *এখন পর্যন্ত দুটি বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা: (১) একটি পরিষ্কার এবং সুনির্দিষ্ট বিধি হওয়ার বদলে শরিয়ত আসলে অস্পষ্ট; (২) এটি প্রতিটি বিষয়েই অস্পষ্ট। এর দুটি প্রায়োগিক ফলাফল রয়েছে: (১) এই অস্পষ্টতাই হলো উলেমাদের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতার অন্যতম ভিত্তি; (২) তাই উলেমা শরিয়তকে বিধিবদ্ধ করার প্রতিটি প্রচেষ্টাকে ঠিক ততটাই প্রবলভাবে বাধা দেন যেমনটা তারা সবার জন্য একটি সাধারণ আধুনিক আইনের প্রচেষ্টাকে বাধা দেন। *মাওলানা আহমদ রেজা খান যখন বলেন যে বিজ্ঞানের সামনে ইসলামের মাথা নত করা নয় বরং ইসলামের সামনে বিজ্ঞানের মাথা নত করাই ইসলামের গৌরব, তখন তিনি আসলে তার ধর্মের প্রতিই সত্যনিষ্ঠ থাকেন। বিজ্ঞানের জন্য যা প্রযোজ্য, তা ঐতিহাসিক ‘তথ্যের’ ক্ষেত্রে আরও বেশি প্রযোজ্য যেমন শত জন খলিফা ছিলেন নাকি বারো জন। * পৃথিবী স্থির। সূর্য এর চারদিকে ঘোরে। নক্ষত্রগুলো স্থির, যা আল্লাহ প্রদীপ হিসেবে ঝুলিয়ে দিয়েছেন পর্যটকদের পথ দেখানোর জন্য এবং শয়তানকে পাথর মারার জন্য। এর বাইরে কিছু বিশ্বাস করা মানে ধর্মের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা। পুরুষরাই হলো কর্তা। প্রত্যেকে একসাথে চারজন পর্যন্ত স্ত্রী এবং যত খুশি উপপত্নী রাখতে পারে। স্ত্রীরা হলো ফসলের মাঠের মতো, স্বামী চাইলে তাতে ‘জলসেচন’ করতে পারে অথবা না-ও পারে। স্বামী তার সামান্যতম ইচ্ছা পূরণের জন্যও তাদের বাধ্য করতে পারে এবং না মানলে তালাকের ভয় দেখাতে পারে। এরপরও যদি সে সন্তুষ্ট না হয়, তবে সে তাদের এক কথায় বের করে দিতে পারে। বের করে দেওয়ার পর তারা কেবল জীবনধারণের ন্যূনতম সহায়তার অধিকারী হবে কিন্তু তা কেবল তিন মাসের জন্য, এরপর আর কিছুই নয়। এতে কোনো অন্যায় দেখা বা নারীদের জন্য আরও কিছু দাবি করা মানে আল্লাহর প্রজ্ঞাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং ইসলামের ওপর আঘাত হানা। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা, নির্ধারিত পদ্ধতিতে ইস্তিনজা করতে ব্যর্থ হওয়া, কুকুরের লালা নাপাক এবং শরীর পাক এটি বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হওয়া বড় গুনাহ। একজন কাফির যত বড় সাধুপুরুষই হোক না কেন, এমনকি তার মৃত্যুর পরও তার মঙ্গল কামনা করা, অথবা একজন মুসলিম যত বড় পাপীই হোক না কেন সে যে একজন পুণ্যবান কাফিরের চেয়েও শ্রেষ্ঠ তা বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হওয়া হলো কুফর। উলেমাদের মানসিকতা এমনই। জীবনের সব ক্ষেত্রে তাদের দেওয়া রায়ে এটি ফুটে ওঠে। *দেশের এবং ব্যক্তির অগ্রগতির জন্য শিক্ষা অপরিহার্য। কিন্তু বর্তমানে যাকে শিক্ষা বলা হয় তার বিরুদ্ধে উলেমা দীর্ঘদিন কঠোর লড়াই করেছেন। তাদের কাছে আধুনিক এবং কারিগরি শিক্ষার চেয়ে ধর্মীয় শিক্ষাই অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। কেবল সেই বিষয়গুলোই পড়া উচিত এবং কেবল সেই জ্ঞানই অর্জন করা উচিত যা একজনের বিশ্বাসকে শক্তিশালী করে সহজ কথায়, কেবল সেই বিষয়গুলোই পড়তে হবে যা এটি নিশ্চিত করে যে কুরআন ও হাদিসে যা লেখা আছে এবং উলেমা শত শত বছর ধরে যা বলে আসছেন তা-ই সত্য এবং প্রজ্ঞার ও পূর্ণতার সর্বোচ্চ শিখর। নারীদের শিক্ষা, বিশেষ করে নতুন মূল্যবোধের প্রতি তাদের সচেতন হওয়া, নতুন পেশার জন্য প্রশিক্ষণ পাওয়া এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়া—এই সবকিছুই তাদের কাছে ঘৃণ্য; এটি তাদের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করা হয়, প্রকৃতপক্ষে এটিকে সমাজকে ধ্বংস করার এবং ইসলামকে দুর্বল করার পথ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। *যে প্রতিষ্ঠানের ভারতীয় ইতিহাসের পাঠ্যক্রমে কেবল মাহমুদ গজনভির আক্রমণ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত সময়কাল অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং যার ভূগোলের পাঠ্যক্রমে কেবল আরব উপদ্বীপের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, সেটি কি ভারতের জন্য বা ভারতের কোনো প্রতিষ্ঠান? * প্রত্যাশিতভাবেই, মাওলানা আহমদ রেজা খানের মতে শিয়ারা একেবারেই মুসলিম নয়। তাদের ‘মসজিদ’ কোনো মসজিদই নয়—আর মনে রাখবেন, মীর বাকী এবং তার বংশধরেরা যেহেতু মসজিদের মুতওয়াল্লি ছিলেন, তাই ‘বাবরী মসজিদ’ ছিল একটি শিয়া মসজিদ। * ‘আরে ভাই, কিন্তু আপনি হিন্দু ফতোয়া নিয়ে লিখছেন না কেন?’—এটি এমন এক বিখ্যাত বুদ্ধিজীবীর কথা যার নামের অনেক খ্যাতি রয়েছে। হিন্দুদের মধ্যে ফতোয়া বলে কিছু নেই—তবে নিশ্চিতভাবেই আমাদের বুদ্ধিজীবীরা সেটি জানেন। এ ধরনের উপদেশের উদ্দেশ্য অন্যরকম। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, একজন হিন্দুর ইসলাম নিয়ে লেখালেখি থেকে দূরে থাকা উচিত। বরং, সে যদি ইসলামি বা মুসলিম বিষয় নিয়ে কিছু লেখেও, তবে তাকে কেবল প্রশংসাগীতি গাইতে হবে—‘সহনশীলতার ধর্ম, সাম্যের ধর্ম...’—তাকে কেবল ‘ইসলামি মানস’ সম্পর্কে ‘বোঝার’ বা ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য বই লিখতে হবে। বড়জোর, যদি তাকে ইসলামের কোনো দুর্ভাগ্যজনক ত্রুটি সম্পর্কে কিছু বলতেই হয়, তবে সেটিকে কোনো বিশেষ সময় বা স্থানের ওপর চাপিয়ে দিতে হবে এবং ইসলামকে তার থেকে মুক্তি দিতে হবে! আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, তাকে এটি নিশ্চিত করতে হবে যে সে ইসলামের সেই দিকটি নিয়ে মন্তব্যের সাথে হিন্দুধর্মের কোনো কিছুর নিন্দা করে বিষয়টিকে ‘ভারসাম্যপূর্ণ’ করবে, সেটা যা-ই হোক—জাতীয় প্রথা, পণের কারণে মৃত্যু, বিদেশিদের ম্লেচ্ছ মনে করা, এমনকি অন্য কিছু না মিললে অন্তত সতীদাহ প্রথা! * তাহলে, কারা ক্ষুব্ধ হচ্ছে? ফতোয়াগুলোর উদ্ধৃতি এবং বিশ্লেষণে কারা অপমানিত বোধ করছে? তারা হলো ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা। আর এর কারণ স্পষ্ট। এই তথ্যপ্রমাণের সামনে, কুরআন ও নবীর সরাসরি এবং জোরালো নির্দেশের সামনে এবং ফতোয়াগুলোতে থাকা বারবার এবং অত্যন্ত স্পষ্ট ঘোষণার সামনে তার কাছে কোনো উত্তর নেই। এগুলোর মোকাবিলা করার মতো কোনো প্রমাণ তার কাছে নেই। কিন্তু যখন তারা যা বলে তা সরাসরি সামনে আনা হয়, তখন সে তার এই উল্টো ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ আর বজায় রাখতে পারে না। যতক্ষণ পর্যন্ত এই বিষয়গুলো উর্দুতে সীমাবদ্ধ থাকে, ততক্ষণ তা তার চেনা মহলে কোনো অসুবিধা সৃষ্টি করে না। কিন্তু যে মুহূর্তে এগুলো ইংরেজিতে প্রকাশ পায়, তখনই সে বিপদে পড়ে যায়। আর তাই সে ক্ষোভের ভান করে! এর উত্তর কী? তথ্যগুলো অনবরত তুলে ধরা। সেগুলো বিশ্লেষণ করে যাওয়া। এই বিশ্বাসে যে গালিগালাজ দিয়ে তথ্যপ্রমাণ ধামাচাপা দেওয়া যাবে না। এই বিশ্বাসে যে চিন্তাভাবনা হলো বীজের মতো, যা একদিন শিকড় গাড়বে। * বাংলাদেশে ইসলামীকরণের দিকে দ্রুত ধাবিত হওয়া, তাবলিগ জামাতের দ্রুত বিস্তার এবং হিজবুত তাহরীর ও হিজবুত তৌহিদের মতো মৌলবাদী সংগঠনগুলোর ক্রমবর্ধমান প্রসার ও প্রভাবের সাথে সাথে দেশের বিভিন্ন স্থানে শরিয়ত কমিটি গড়ে উঠেছে। ফতোয়া দেওয়ার ঘটনা আরও নিয়মিত হয়ে পড়েছে। গ্রামীণ এলাকায় স্থানীয় মোল্লারা প্রায়ই এগুলো জারি করেন এবং প্রায়শই এর শিকার হন এমন নারীরা যারা প্রকৃতপক্ষে সহিংসতা, ধর্ষণ এবং এ জাতীয় ঘটনার শিকার হয়েছিলেন.... * মুসলিম সাংবাদিকতা আর নেতৃত্বের ওপর দোষ চাপানো এক অর্থে মূল প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া। সর্বোপরি, মুসলিমরা কেন এই ধরনের সাংবাদিকতাকে গুরুত্ব দেয়, কেন তারা এই ধরনের নেতাদের অনুসরণ করে? এর উত্তর লুকিয়ে আছে সেই মনস্তত্বের মধ্যে, যা উলেমা এবং তাদের ফতোয়াগুলো তাদের মনে গেঁথে দিয়েছে। * এমনকি এটি বলাও কুফর যে, ‘শরিয়ত কী? আজ কি কেউ শরিয়ত মেনে চলে?’, ঘোষণা করে ফতোয়ায়ে রিজভিয়া। এমনকি যদি অন্যদের বিদ্রূপ করার জন্য এই কথাগুলো বলা হয়, তবে সেগুলো গুরুতর পাপ হিসেবে গণ্য হবে। এটি ঘোষণা করে যে, ‘আমরা শরিয়ত মানি না, আমরা প্রথা অনুযায়ী চলি,’ বলাও কুফর। উলেমা একটি ফতোয়া জারি করে মুসলিমদের বহু ঈশ্বরবাদীদের শোভাযাত্রায় যোগ দিতে নিষেধ করেন। একজন লোক বলে, ‘বহু ঈশ্বরবাদীদের শোভাযাত্রায় যোগ না দেওয়ার ফতোয়া জারি করা নিছক লাঠিবাজি।’ এই কথাটি উলেমাদের জানানো হয়। ফতোয়ায়ে রিজভিয়া রায় দেয় যে, এই কথাটি শরিয়তের অবমাননা এবং শরিয়তের অবমাননা হলো কুফর। সেই ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে তার নিকাহ বা বিয়ে ভেঙে যায়। ... তারা ঘোষণা করে যে, ইজমা (ঐকমত্য) বা তকলিদ (আক্ষরিক অনুসরণ) নিয়ে প্রশ্ন তোলা কুফর। ... তারা ঘোষণা করে যে, ফিকহ-এ বিশ্বাস না করা কুফর। তারা ঘোষণা করে যে, যে ফিকহ মানে না সে হলো শয়তান। * ‘যে বাবা-মায়েরা তাদের মেয়েদের কলেজে পাঠান তারা তাদের মেয়েদের শত্রু, বন্ধু নন,’ ফতোয়ায়ে রহিমিয়া এটি ঘোষণা করে বিভিন্ন সূত্রের দোহাই দিয়ে যে, প্রকৃত বন্ধু হলো সে যে পরকালের জন্য একজনকে প্রস্তুত করে, যদিও তা করতে গিয়ে পার্থিব ক্ষতি হতে পারে। এটি ঘোষণা করে যে, ‘এতে কোনো সন্দেহ নেই যে একটি কলেজ পড়ুয়া মেয়ে অত্যন্ত স্বাধীনচেতা, পর্দাহীন, অশালীন এবং নির্লজ্জ হয়ে ওঠে। ইংরেজি শিক্ষা এবং কলেজের পরিবেশের এটিই সাধারণ পরিণতি।’ আর হাদিস উদ্ধৃত করে এটি বলে যে, ‘যে মেয়ে তার লজ্জা হারায় সে সবকিছু হারায়,’ ‘লজ্জা এবং ঈমান এরা অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী; যখন তাদের কোনো একটি চলে যায়, অন্যটিও চলে যায়।’ * অবজ্ঞা এবং হিন্দু ও অন্য অবিশ্বাসীদের যে চিত্র আঁকা হয়েছে, তাদের পশুপাখি এবং পোকামাকড়ের সাথে তুলনা করা হয়েছে—মুসলিমদের ক্ষেত্রে কোনো লেখায় এমন কিছু করা হলে তা তীব্র নিন্দার ঝড় তুলত। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের কাছ থেকে যেমন, তেমনি মুসলিমদের কাছ থেকেও। ====''ওরশিপিং ফলস গডস'' (১৯৯৭)==== * একটি উদাহরণও নেই, এমনকি একটি মাত্র ঘটনাও নেই যেখানে [[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর]] দেশকে স্বাধীন করার সংগ্রামের সাথে যুক্ত কোনো কাজে অংশ নিয়েছিলেন। বরং ঠিক উল্টোটিই ঘটেছে; প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি জাতীয় আন্দোলনের বিরোধিতা করেছেন এবং যখনই এই আন্দোলন কোনো বাধার মুখে পড়েছে, তিনি তাদের মধ্যে ছিলেন যারা সেই ব্যর্থতায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন। * ভারতের কি কখনো সংস্কারকের প্রয়োজন ছিল? আপনি কি ভারতের ইতিহাস পড়েন? রামানুজ কে ছিলেন? শংকর কে ছিলেন? [[গুরু নানক]] কে ছিলেন? [[চৈতন্য মহাপ্রভু]] কে ছিলেন? [[কবীর]] কে ছিলেন? দাদু কে ছিলেন? একের পর এক আসা এই মহান ধর্মপ্রচারকরা কারা ছিলেন, যারা অত্যন্ত উজ্জ্বল সব নক্ষত্রপুঞ্জের মতো ইতিহাস আলোকিত করেছেন? * এক কথায়, দেব-দেবীর নিন্দা করা, ধিক্কার জানানো, তাদের কলঙ্কিত করা, আমাদের শাস্ত্র নিয়ে উপহাস করা এবং অনুসারীদের মধ্যে ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়া ছিল আম্বেদকরের বেছে নেওয়া পথ। কিন্তু কেবল এই একটি পথই খোলা ছিল না। এর আগে গত দেড়শ বছরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একজন সংস্কারক ঠিক এর বিপরীত পথ বেছে নিয়েছিলেন এবং এর ফলে তিনি দুটি লক্ষ্যই অর্জন করেছিলেন। তিনি যেমন লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন উন্নত করেছিলেন, তেমনি আমাদের সমাজকেও বদলে দিয়েছিলেন এবং এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেই সংস্কারক এমন এক বর্ণের ছিলেন যারা কেবল অস্পৃশ্যই ছিল না, বরং যাদের কাছে যাওয়াও নিষিদ্ধ ছিল। সেই সংস্কারক অবশ্যই ছিলেন নারায়ণ গুরু, যিনি ১৮৫৪ থেকে ১৯২৮ সাল পর্যন্ত জীবিত ছিলেন। * তিনি কোনো বহিরাগতের মতো আমাদের ঐতিহ্যকে বিদ্রূপ করেননি বা তাকে অপমান করেননি। তিনি ভারতের আক্রমণকারী বা শাসকদের সাথে কখনো হাত মেলাননি। উপনিষদের শিক্ষার মধ্যে নিজেকে নিমগ্ন করে তিনি আধ্যাত্মিক সচেতনতার সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছিলেন। আমাদের মহান ঋষিরা যেসব পদ্ধতি ও সাধনা বের করেছিলেন, সেগুলো অনুসরণ করেই তিনি সেই স্তরে পৌঁছেছিলেন। তিনি যখন এই অবস্থায় পৌঁছালেন, তার পুরো জীবনটাই গোঁড়াদের সেই শ্রেষ্ঠত্বের দাবির বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদ হয়ে উঠল। তার সেই দিব্য অবস্থা গোঁড়াদের এই দাবিকে ভুল প্রমাণ করল যে আধ্যাত্মিক জ্ঞান কেবল উচ্চবর্ণের জন্যই। আর তিনি সেই স্তরে পৌঁছেছিলেন বলেই সবাই তাকে শ্রদ্ধা জানাত। * [[নারায়ণ গুরু]]র উত্তরাধিকার হলো একটি উন্নত এবং সংহতিপূর্ণ সমাজ, যেখানে নিম্নবর্ণের মানুষরা শিক্ষিত এবং আত্মমর্যাদায় ভরপুর। আম্বেদকরের উত্তরাধিকার হলো একদল মানুষ যারা সবার ওপর চিৎকার করছে, সবসময় কেবল দাবি জানাচ্ছে ও নিন্দা করছে এবং যারা আত্মগ্লানি ও ঘৃণার মধ্যে ডুবে আছে; এটি এমন এক সমাজ যা নিজের সাথেই লড়ছে। নারায়ণ গুরুর উত্তরাধিকার হলো এক পুনর্জীবিত দেশ। আম্বেদকরের উত্তরাধিকার হলো এমন এক দেশ যা তার নিজের অতীত নিয়ে গভীর লজ্জায় আচ্ছন্ন। আর এর ফলে তা আরও বেশি অক্ষম হয়ে পড়েছে। ==== ''ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসি'' (১৯৯৮) ==== * "ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা" আডবাণীর রথ হিন্দুদের মধ্যে যে প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে তা দেখে ঘাবড়ে গেছেন। কিন্তু কেবল রথ এই প্রতিক্রিয়া তৈরি করেনি। শাহ বানোর রায় পাল্টে দেওয়া এবং [[সালমান রুশদি]]কে নিষিদ্ধ করার মতো "জয়গুলো", যেগুলোকে "ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা" উচ্চকণ্ঠে প্রশংসা করেছিল; মানচিত্র এবং তালিকার মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোকে এটি বিশ্বাস করানোতে সফল হওয়া যে মুসলিমরা শত শত নির্বাচনী এলাকায় তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে; পাঞ্জাব এবং [[কাশ্মীর]]ের সহিংসতার "জয়গুলোর" কথা না-ই বা বললাম। এই প্রতিক্রিয়া হলো আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থার এই বিকৃতিগুলোর সম্মিলিত ফল। ** অরুণ শৌরির "প্রতিক্রিয়া উসকে দেওয়া", যা গোয়েল, এস.আর. (সম্পাদক) সম্পাদিত: ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসিতেও রয়েছে। ==== ''এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস: দেয়ার টেকনোলজি, দেয়ার লাইন, দেয়ার ফ্রড'' (১৯৯৮) ==== * ১৯৯৮ সালের জুন-জুলাই মাসে প্রগতিশীলরা বেশ শোরগোল তুলেছিলেন। তারা চিৎকার করে বলেছিলেন যে সরকার ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ হিস্টোরিক্যাল রিসার্চে রাম মন্দির পন্থী ঐতিহাসিকদের জায়গা দিয়েছে। তারা চিৎকার করে বলেছিলেন যে সরকার গোপনে কাউন্সিলের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য বদলে ফেলেছে। নিজেদের চিরকালীন স্বভাব অনুযায়ী, তারা একটি মনগড়া গল্প ছড়িয়ে এই হাঙ্গামা শুরু করেছিলেন। আর তাদের সেই পুরনো অভ্যাস মতোই, তারা অন্যদের বিরুদ্ধে এমন কিছু করার অভিযোগ তুলছিলেন যা তারা নিজেরা গত কয়েক দশক ধরে করে আসছিলেন, অর্থাৎ কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে ইতিহাস লেখা। * ‘আওরঙ্গজেবের ধর্মীয় নীতি’ সংক্রান্ত অধ্যায়ে সবচেয়ে বড় আকারের পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সে হিন্দুদের সাথে প্রকৃতপক্ষে কী করেছিল, তাদের মন্দিরের কী করেছিল, তার শাসনের মূল উদ্দেশ্য, ইসলামের প্রভাব বিস্তারের প্রতিটি ইঙ্গিত বই থেকে ছেঁটে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাকে এমন একজন হিসেবে তুলে ধরতে হবে যার গান-বাজনা এবং রাজদরবারে নর্তকীদের উপস্থিতির প্রতি এক ধরণের সাধারণ অনীহা ছিল, প্রায় ধর্মনিরপেক্ষ এক অনীহা, আর কেবল এই কারণেই সে ওইসব নিষিদ্ধ করেছিল... এক কথায়, কোনো জোরপূর্বক ধর্ম পরিবর্তন নয়, কোনো গণহত্যা নয়, কোনো মন্দির ধ্বংস নয়। কেবল এই যে হিন্দুধর্ম এক শোষণমূলক এবং বর্ণবাদী সমাজ তৈরি করেছিল। ইসলাম ছিল সাম্যবাদী। তাই নিপীড়িত হিন্দুরা ইসলাম গ্রহণ করেছিল!<br/> সে সময়ের মুসলিম ঐতিহাসিকরা নরকে পাঠানো কাফিরদের স্তূপ দেখে উল্লাসে ফেটে পড়েছেন। মুসলিম ঐতিহাসিকরা শাসকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ কারণ সে মন্দির ধ্বংস করেছে এবং লাখ লাখ মানুষকে ইসলামের আলোর মুখ দেখিয়েছে। দ্য হেদায়ে-র মতো আইনগ্রন্থগুলোতে ঠিক সেই বিকল্পগুলোর কথাই বলা হয়েছে যা এই ছোট ছোট পাঠ্যবইগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছিল। '''সবকিছুই ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।'''<br/>'''বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের নামে বস্তুনিষ্ঠ ধামাচাপা। আর আজ যদি কেউ এই পাঠ্যবইগুলোতে সত্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে, তবে চিৎকার ওঠে, ‘ইতিহাসের সাম্প্রদায়িক পুনর্লিখন’।''' * এই বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আসল অপরাধ আর্থিক ক্ষতির মধ্যে নেই। আসল ক্ষতি হলো তারা আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর যে করুণ দশা করেছেন। এর কারণ তাদের অবহেলা—যার ফলে আমাদের দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সব প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়েছে। তার চেয়েও বড় অপরাধ হলো তারা ওই প্রতিষ্ঠানগুলোকে যেভাবে ব্যবহার করেছেন।<br/>তারা সেগুলোকে আয়েশি সময় কাটানোর জন্য ব্যবহার করেছেন। তারা একে অপরের সুনাম বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করেছেন। তবে সবচেয়ে খারাপ বিষয় হলো তারা এই প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করে জনমানসে ভুল তথ্য ছড়িয়েছেন এবং এর ফলে জননীতিকে ভুল পথে চালিত করেছেন।<br/> তারা ভারতকে এমন এক ফাঁকা ভূমি হিসেবে তুলে ধরেছেন যা একের পর এক আক্রমণকারীরা এসে পূর্ণ করেছে। '''তারা বর্তমান ভারত এবং বিশেষ করে হিন্দুধর্মকে একটি চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছে—নানা ধরণের অসম এবং বিচ্ছিন্ন উপাদানের এক স্তূপ। তাদের মতে ভারত বলে কিছু নেই, এটি কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ এবং ব্রিটিশদের তৈরি এক ধারণা; হিন্দুধর্ম বলে কিছু নেই, এটি কেবল আরবদের ব্যবহৃত একটি শব্দ যা তারা এখানে এসে নানা ধরণের মানুষের দেখা পাওয়ার পর ব্যবহার করেছিল এবং এটি কেবল সাম্প্রদায়িকদের এক উদ্ভাবন যা তারা এক অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য তৈরি করেছে, এটিই ছিল তাদের অবস্থান। এর জন্য তারা আমাদের ইতিহাসের হিন্দু যুগকে কলঙ্কিত করেছে এবং আমরা দেখতে পাব যে তারা ইসলামি শাসনকে ধোলাই করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছে।''' তারা প্রাচীন ভারতের সামাজিক ব্যবস্থাকে শোষণের চরম উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং চরমপন্থী মতাদর্শগুলোকে সাম্যবাদী ও ন্যায়পরায়ণ হিসেবে তুলে ধরেছে।<br/>তারা আমাদের প্রাচীন সংস্কৃতিকে ছোট করে দেখিয়েছে এবং যেসব সমন্বিত উপাদান কোনোমতে টিকে ছিল সেগুলোকে অতিরঞ্জিত করে একটি আস্ত সংস্কৃতি হিসেবে প্রচার করেছে, যেটাকে তারা ‘সমন্বিত সংস্কৃতি’ বলে থাকে। কোন সংস্কৃতিটি আসলে সমন্বিত নয়? আর এই পুরোটা সময় তারা আমাদের মানুষের জীবনের সাধারণ উপাদানগুলো নিয়ে মূল তথ্যগুলো লুকানোর চেষ্টা করেছে: তারা লুকিয়েছে যে ইসলামি শাসক এবং উলেমাদের এক হাজার বছরের প্রবল চেষ্টার পরেও এই উপাদানগুলো টিকে ছিল, তারা লুকিয়েছে যে গত দেড়শ বছরের মিশনারি এবং ব্রিটিশ শাসকদের প্রচেষ্টার পরেও এগুলো বেঁচে ছিল। তারা প্রতিটি অংশকে উসকে দিয়ে তাদের আলাদা পরিচয় খুঁজে নিতে বাধ্য করার চেষ্টা করেছিল। সবচেয়ে বড় কথা হলো এই বুদ্ধিজীবীরা তাবলিগ জামাত এবং গির্জার মতো সংগঠনগুলোর বর্তমান কার্যক্রম থেকে মানুষের নজর পুরোপুরি সরিয়ে দিয়েছেন। এই সংগঠনগুলো তাদের অনুসারীদের তাদের হিন্দু প্রতিবেশীদের সাথে থাকা সব মিল এবং বিশ্বাস ত্যাগ করানোর জন্য সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করছে এবং প্রচুর সম্পদ ব্যয় করছে।<br/> এই বুদ্ধিজীবী এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকরা এক ভয়াবহ কৌশল নিয়েছেন: আমাদের দেশ ও মানুষের উদার ধর্ম এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ আধ্যাত্মিক সাধনাকে তারা অসহিষ্ণু, সংকীর্ণমনা ও অন্ধকারাচ্ছন্ন হিসেবে তুলে ধরেছেন; আর একপাক্ষিক এবং চরমপন্থী মতাদর্শগুলোকে ইসলাম, খ্রিস্টধর্ম এবং মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদ, তারা সহনশীলতা, উদারতা, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে প্রচার করেছেন! * আর একটি কথা: আরএসএসের কোনো প্রকাশনায় যদি আমার একটি সাক্ষাৎকারও ছাপা হয়, তবে সেটিই আমি সাম্প্রদায়িক হওয়ার প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়; কিন্তু এই প্রগতিশীলদের নীতি এতটাই শক্ত যে তারা নিজে কমিউনিস্ট পার্টির প্রকাশনায় নিজেদের নামে নিবন্ধ লিখলেও তাদের নিরপেক্ষতা বজায় থাকে! * আমরা যেমনটা দেখেছি, ১৯৮৯ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে নির্দেশিকা জারি করেছিল তার স্পষ্ট অংশ ছিল যে ভারতে ইসলামি শাসন নিয়ে কোনো নেতিবাচক কথা বলা যাবে না। যদিও সে সময়ের ইসলামি লেখকরা এই বিষয়গুলো নিয়েই আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন, তবুও মুসলিম শাসকদের মন্দির ধ্বংস করা, হিন্দুদের জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করা অথবা হিন্দু জনগোষ্ঠীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া অন্যান্য অসমর্থতা নিয়ে কোনো উল্লেখ থাকা চলবে না। ওই নির্দেশিকার সাথে যে অংশগুলো বাদ দিতে হবে তার একটি তালিকা এবং বদলে কী লিখতে হবে তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। যে অংশগুলো বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সেখানে সত্যকে বরং বেশ কমিয়েই বলা হয়েছিল। অন্যদিকে যেসব অংশ ঢোকানোর চেষ্টা করা হয়েছিল সেগুলো ছিল পুরোপুরি মিথ্যা: যেমন আলাউদ্দিন খিলজির মতো ইসলামি শাসকের অধীনে জিজিয়া কর দিয়ে হিন্দুরা নাকি স্বাভাবিক জীবন কাটাতে পারত! আজ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীনে যেসব পাঠ্যবই ব্যবহার করা হচ্ছে সেগুলো গভীরভাবে পড়লে বোঝা যায় যে এটি কেবল ইসলামি শাসনের নিষ্ঠুরতা মুছে ফেলার চেষ্টা নয়, বরং এর পেছনে অনেক গভীর ও ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে। * বাংলায় এই শিক্ষাবিদদের অবস্থান অবশ্যই সিপিআই(এম)-এর দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার ফলে মজবুত হয়েছে। কিন্তু তাদের প্রভাব কেবল ওই রাজ্যের শিক্ষা এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। তাই জাতীয় স্তরেও ছাত্রদের ওপর একই ধরণের মতাদর্শ চাপিয়ে দিতে দেখা যাচ্ছে। বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাশনের টান এতটাই শক্তিশালী এবং এই প্রভাবশালী চক্রটি একজন শিক্ষাবিদের ক্যারিয়ারের জন্য এতটাই মারাত্মক হতে পারে যে অনেক সময় ওই শিক্ষাবিদ তাদের তত্ত্ব এবং মতামতের সাথে একমত না হলেও শেষ পর্যন্ত সেগুলোই আওড়াতে থাকেন। না হলে এনসিইআরটির মতো প্রতিষ্ঠানগুলো তার পান্ডুলিপি পাঠ্যবই হিসেবে গ্রহণ করবে না অথবা সেটির কোনো পর্যালোচনাই হবে না.... * কারসাজিটা লক্ষ্য করুন। মন্দির মেরামত করা বৈধ! গ্রামে মন্দির তৈরি করা যেতে পারে! বাড়ির গোপনীয়তার মধ্যে মন্দির বানানো যেতে পারে! অর্থাৎ উদার নীতিই হলো নিয়ম যা কেবল যুদ্ধের সময় লঙ্ঘন করা হয়! আর ওই সময়ে যাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা হয় বা যাদের ধ্বংস করা হয় তারা তো আসলে ইসলামের শত্রু! শান্তির সময়, যা সাধারণত সবসময়ই থাকে, ওই নিয়মটিই বজায় থাকে—অর্থাৎ হিন্দুরা প্রকাশ্যে এবং আড়ম্বরের সাথেই তাদের ধর্ম পালন করে! এই দাবিগুলোর প্রতিটিই নির্লজ্জ মিথ্যা। কিন্তু এই ঐতিহাসিকরা যেহেতু প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বুদ্ধিবৃত্তিক শুদ্ধতার মানদণ্ড ঠিক করে দিয়েছেন, তাই যে কেউ এই মিথ্যাগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুললে তাকেই ভুল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এমনকি যদি সে সেই সময়ের বিখ্যাত ইসলামি ঐতিহাসিকদের লেখা উদ্ধৃত করেই প্রশ্ন তোলে, তবুও তাকেই দোষী করা হয়। * একবার যখন তারা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দখল করে নিল, একবার যখন তারা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কবজা করল এবং এর মাধ্যমে ঠিক করল কী পড়ানো হবে, কোন বইগুলো পাঠ্য হবে, কী প্রশ্ন করা হবে আর কোন উত্তরগুলো গ্রহণযোগ্য হবে, তখন এই ঐতিহাসিকরাই ইতিহাস আসলে কী ছিল তা নির্ধারণ করতে শুরু করলেন! যেহেতু তাদের বর্তমান রাজনীতি এবং সুবিধার জন্য হিন্দুধর্মকেও অসহিষ্ণু হিসেবে দেখানো প্রয়োজন, তাই তারা আম্বেদকরের বলা সেই কথাগুলো এড়িয়ে যাবেন যেখানে সে বৌদ্ধধর্মের ওপর ইসলামি আক্রমণের ভয়াবহ পরিণতির কথা বলেছিল। আম্বেদকর তার থটস অফ পাকিস্তান বইতে এই আক্রমণ এবং মুসলিম শাসন সম্পর্কে যা বলেছিল তা তারা পুরোপুরি চেপে যাবেন, কিন্তু তার করা ‘ব্রাহ্মণ্যবাদ’-এর নিন্দা এবং মৌর্যদের প্রতিষ্ঠিত বৌদ্ধ ভারতকে ব্রাহ্মণ শাসকরা পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করে শেষ করে দিয়েছে—এই ধরণের মতামতগুলো বারবার প্রচার করবেন।<br/>এভাবেই তারা তথ্য গোপন করেন, কিছু তথ্য বানিয়ে বলেন, এমনকি কোনো লেখক একটি বিষয়ে কী বলেছেন তা ধামাচাপা দিয়ে অন্য বিষয়ে তার বলা কথাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রচার করেন। আর যখনই কেউ আসলে কী ঘটেছিল তা তুলে ধরার চেষ্টা করে, তখনই তারা সমস্বরে চিৎকার শুরু করেন: ইতিহাস নতুন করে লেখার ষড়যন্ত্র চলছে, তারা চিৎকার করেন; ইতিহাস বিকৃত করার চক্রান্ত হচ্ছে, তারা চিৎকার করেন। '''কিন্তু তারাই প্রথম থেকে ইতিহাস বিকৃত করে আসছেন—সত্য গোপন করে এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে।''' * আর এই ঐতিহাসিকদের চতুরতা দেখুন। তারা দাবি করেন যে জাতীয় সংহতির স্বার্থে এই ধরণের তথ্য এবং ঘটনাগুলো ধামাচাপা দেওয়া উচিত: তারা বলেন এগুলো মনে রাখলে মুসলিমরা ক্ষুব্ধ হবে এবং হিন্দুদের মনে মুসলিমদের প্রতি ঘৃণা জন্মাবে। একই সাথে তারা হিন্দুরা বৌদ্ধ মন্দির ধ্বংস করেছে—এমন একটি গল্প বানিয়ে প্রচার করার ওপর জোর দেন। এই গল্প কি বৌদ্ধদের থেকে হিন্দুদের দূরে সরিয়ে দেবে না? বিশেষ করে যখন এর পেছনে তথ্যের কোনো লেশমাত্র নেই, তখন এমন কাহিনী কি হিন্দুদের মন বিষিয়ে দেবে না? * একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—আর্য-দ্রাবিড় বিভাজন, ইসলামি আক্রমণের প্রকৃতি, ইসলামি শাসনের ধরণ, স্বাধীনতা সংগ্রামের চরিত্র—প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা এই বৈশিষ্ট্যটি দেখতে পাই: সত্য গোপন করা এবং মিথ্যা প্রচার করা। গত ত্রিশ বছরের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে এটিই সবচেয়ে বড় কেলেঙ্কারি। এই বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের পক্ষে এটি করা সম্ভব হয়েছে কারণ তারা আইসিএইচআর-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ পেয়েছিলেন। এই মিথ্যা দূর করতে হলে ওই নিয়ন্ত্রণও দূর করতে হবে। * এবং এভাবেই—অন্য ধর্মের পবিত্র মন্দিরের ধ্বংসস্তূপের মাঝে এবং অন্য ধর্মের শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিদের লাশের স্তূপের মাঝে। তা সত্ত্বেও আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের কাছে এটি হলো উদার সহনশীলতার নীতি! সম্পূর্ণ ধর্মনিরপেক্ষ অনুপ্রেরণায় পরিচালিত একটি সহনশীলতার নীতি! * কিন্তু এখানে ভারতে আগের বুলি এবং বিভাগগুলোর সাধারণ আবৃত্তিই যথেষ্ট ছিল। তাই এই বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের ইতিহাস রচনার বৈশিষ্ট্য কেবল তাদের প্রভুদের প্রতি আনুগত্যই নয়, বরং এটি তাদের এক ধরণের সরলমনস্কতা!<br/>তবে আরও একটি বিষয় আছে। ইসলামি শাসনকে ধোয়া-মোছা করাই এই ঐতিহাসিকদের কাজের একমাত্র বৈশিষ্ট্য নয়। এর সাথে যোগ হয়েছে দেশের প্রাক-ইসলামি যুগ এবং ঐতিহ্যের প্রতি এক প্রবল ঘৃণা। বছরের পর বছর ধরে সোভিয়েত এনসাইক্লোপিডিয়াগুলোতে ভারত সম্পর্কে তথ্যগুলো ধীরে ধীরে নমনীয় হয়েছে। তারা খুব দ্বিধার সাথে হলেও স্বীকার করতে শুরু করেছিল যে চীন এবং ভারতের মতো দেশগুলোর ক্ষেত্রে পুরনো বিভাগগুলো হয়তো কিছুটা বদলে নিতে হতে পারে। তারা স্বীকার করতে শুরু করেছিল যে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পর্যায় একে অপরের সাথে মিশে থেকেছে। আর হয়তো কেবল কূটনৈতিক কারণেই তারা আরও বেশি সতর্ক হয়েছিল—আমাদের ঐতিহ্যকে কলঙ্কিত করা এড়িয়ে গিয়েছিল।<br/>সোভিয়েতদের দুই খন্ডের বই এ হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়াতে আমরা ভারতের ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায় নিয়ে কমবেশি একই ধরণের বর্ণনা পাই যা আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের বইতেও আছে। কিন্তু সোভিয়েতদের বইতে সেই ঘৃণা এবং বিদ্বেষের কোনো চিহ্ন নেই যা আমরা আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের বইতে দেখতে পাই। * তাই দুটি বিষয় মনে রাখতে হবে। প্রথমত, আমাদের বন্ধুরা কেবল মার্ক্সবাদী নন, তারা মেকলের অনুসারীও। দ্বিতীয়ত, তারা এক বিশেষ ধরণের মার্ক্সবাদী। তারা সেই অর্থে মার্ক্সবাদী যে তারা নিজেদের মার্ক্সবাদী মনে করেন এবং বারবার গুটিকয়েক মার্ক্সবাদী বুলি আওড়াতে থাকেন। কিন্তু মার্ক্সবাদী ঐতিহাসিক হওয়ার চেয়ে তারা আসলে শাসনব্যবস্থার অনুগত ঐতিহাসিক ছিলেন। তাদের তত্ত্ব এবং মতামত কেবল মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদের মূল বইগুলোর সাথেই মেলেনি, বরং তা কংগ্রেসী শাসকদের আদর্শ এবং প্রয়োজনের সাথেও মিলে গিয়েছে। * বর্ণ বাস্তব। শ্রমিক শ্রেণি বাস্তব। নাগা হওয়া বাস্তব। '''কিন্তু ভারত কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ!''' একইভাবে মুসলিম হওয়া অবশ্যই বাস্তব—ইসলামকে গ্রানাইট পাথরের মতো একটি অভিন্ন ব্লক হিসেবে দেখতে হবে এবং কথা বলতে হবে—... '''কিন্তু হিন্দুধর্ম? কেন, এমন তো কিছু নেই: এটি কেবল কিছু বিচ্ছিন্ন বিশ্বাস এবং আচারের সমষ্টি'''—... '''আর যে কেউ এর উল্টো কিছু দাবি করে, তাকেই এক ঐক্য চাপিয়ে দেওয়া অথবা অভিন্নতা তৈরি করার চেষ্টাকারী হিসেবে ফ্যাসিবাদী তকমা দেওয়া হয়।''' আমাদের প্রগতিশীল চিন্তাবিদরাই এগুলো বলে আসছেন। এক কথায়, কেবল খন্ডিত অংশগুলোই বাস্তব। আর পুরোটা কেবল একটি তৈরি করা ধারণা। এই চিন্তাবিদরা জোর দিয়ে বলেন যে ভারত কখনোই এক ছিল না—সাম্রাজ্য শাসনের উদ্দেশ্যে আর্যরা, মুঘলরা এবং ব্রিটিশরা বিভিন্ন মানুষ ও অঞ্চলকে একসাথে জুড়ে দিয়েছিল। যে কেউ সেই ধারণাকে—অর্থাৎ ভারতকে—আমরা কোন কাঠামোর অধীনে বাস করব তার মাপকাঠি হিসেবে ব্যবহার করতে চায়, তাকেই হিন্দু আধিপত্য কায়েম করার গোপন পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। * এটি এক অর্থে মেকলে-মিশনারি কৌশলেরই ধারাবাহিকতা এবং চূড়ান্ত রূপ। ব্রিটিশরা হিসাব কষে দেখেছিল যে ভারতকে জয় করতে এবং দখলে রাখতে হলে এদেশের মানুষের মূল ভিত্তিটাই দুর্বল করে দিতে হবে: আর তা হলো হিন্দুধর্ম এবং যা কিছু এর থেকে সৃষ্টি হয়েছে। তাই তারা খুব জেদ নিয়েই পাঁচটি বিষয়ের প্রতি মানুষের বিশ্বাস এবং শ্রদ্ধা নষ্ট করতে নেমেছিল: হিন্দুরা যেসব দেব-দেবীর পূজা করে; যেসব মন্দির ও মূর্তিতে তাদের অধিষ্ঠান; তাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থগুলো; যেসব ভাষায় সেই ধর্মগ্রন্থ এবং ঐতিহ্যের সবকিছু সংরক্ষিত—অর্থাৎ সংস্কৃত; এবং সেই গোষ্ঠী যাদের বিশেষ দায়িত্ব ছিল হাজার বছর ধরে এই জীবনধারাকে রক্ষা করা—অর্থাৎ ব্রাহ্মণরা। একই কৌশলের অন্য অংশটি ছিল খন্ডিত অংশগুলোকে উসকে দেওয়া—অহিন্দুরা, আঞ্চলিক ভাষাগুলো এবং সেই বর্ণ ও গোষ্ঠীগুলো যাদের সহজেই মিশনারি এবং সাম্রাজ্যের পথে আনা যাবে—যেমন সহজ-সরল উপজাতি এবং অস্পৃশ্যরা। * পরিস্থিতিটা এখন এইরকম: গত আধ শতাব্দী ধরে ভারতে যারা জনপরিসরের আলোচনায় আধিপত্য বিস্তার করেছে, নিয়ন্ত্রণ করেছে এবং অন্যদের আতঙ্কিত করে রেখেছে, তাদের হাতে এখন কোনো তথ্য বা যুক্তি অবশিষ্ট নেই। যারা তাদের ‘অভ্যন্তরীণ আলোচনার’ খবর রাখেন তারা এটি দেখতে পাবেন—তারা ক্রমশ আরও ছোট গণ্ডির মধ্যে কথা বলছেন; আর এই সংকুচিত হতে থাকা গণ্ডিতে তারা স্রেফ পুরনো বুলি আউড়ে যাচ্ছেন, সেখানে নতুন কোনো চিন্তা বা নতুন কোনো তথ্য নেই। আর আমরা যেমনটা দেখেছি, এটি আগে থেকেই ধারণা করা যায়: তাত্ত্বিক বুলিগুলোর পুনরাবৃত্তি করাই তাদের জন্য কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং যথেষ্ট। * ‘আমি নিজেই আপনার বইটির পর্যালোচনা করতে চাই,’ ওরশিপিং ফলস গডস সম্পর্কে আমাদের একটি প্রধান সংবাদপত্রের সম্পাদক বলেছিলেন। ‘কিন্তু আমি যদি এর প্রশংসা করি, তবে তারা আমার পেছনেও লাগবে। আমাকেও সাম্প্রদায়িক, উচ্চবর্ণের লোক—এইসব বলা হবে।’ ‘অসাধারণ অরুণ, এটা সত্যিই চমৎকার ছিল,’ একজন শীর্ষস্থানীয় ভাষ্যকার বলেছিলেন যিনি ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে একটি পর্যালোচনা লিখেছিলেন। ‘কিন্তু আপনি তো বোঝেনই, আমি ছাপার অক্ষরে এই সবকিছু বলতে পারিনি। তবে এটি সত্যিই অসাধারণ। আপনি এত পরিশ্রম করেন কীভাবে?’ এমনকি পর্যালোচক নির্বাচনের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যায়। কোনো বামপন্থীর লেখা বই হলে সম্পাদকরা ভিন্ন মতাদর্শের কাউকে সেটি দিতে দ্বিধা করেন: ‘তারা বলবে আমি ইচ্ছা করে একজন ডানপন্থীকে এটি দিয়েছি,’ সম্পাদকরা সম্ভবত এভাবেই ব্যাখ্যা দেন। অন্যদিকে, তারা যাকে ডানপন্থী বলে ঠিক করে রেখেছেন তেমন কারো বই হলে, তারা অন্য কোনো ব্র্যান্ডেড ডানপন্থীকে সেটি দিতে ভয় পান: ‘তারা আমাকে দোষ দেবে যে আমি ইচ্ছা করে এমন একজনকে বইটি দিয়েছি যে এর প্রশংসা করবেই,’ তারা অভিযোগের সুরে বলবেন। তাই এই ধরনের ক্ষেত্রে তারা ইচ্ছা করে বইটি এমন কাউকে দেন যে ‘এর নিন্দা করবেই’! * এছাড়াও আমাদের শেখানো হয় যে, আওরঙ্গজেবের মতো কেউ যখন মন্দির ধ্বংস করেন, তখন কী ঘটেছিল এবং কেন ঘটেছিল তা আন্দাজ করার ক্ষেত্রে আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে... আমাদের শেখানো হয় যে, দিল্লির কুওয়াত-উল-ইসলাম মসজিদের মতো প্রাথমিক স্মৃতিস্তম্ভগুলো নাকি ‘খুব দ্রুত’ তৈরি করতে হয়েছিল... এটি কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য! আর সেই ধর্মের কী হবে যা দাবি করে যে ধর্মীয় বিশ্বাসই সব এবং রাজনীতিকে ধর্ম থেকে আলাদা করা যায় না? আর এর নাম: কুওয়াত-উল-ইসলাম মসজিদ, মানে ইসলামের শক্তির মসজিদ? অবশ্যই ধরে নিতে হবে এটি স্রেফ নামমাত্র! আর লক্ষ্য করুন: ‘সহজলভ্য উপকরণগুলো সংগ্রহ করে যুক্ত করা হয়েছিল’, সেগুলো ‘স্পষ্টতই হিন্দু উৎস থেকে এসেছিল’—হয়তো সেই উপকরণগুলো এমনিই পড়ে ছিল; হয়তো মন্দিরগুলো আগেই নিজে নিজে ভেঙে পড়েছিল; হয়তো হিন্দুরা স্বেচ্ছায় তাদের মন্দির ভেঙে সেই উপকরণগুলো দান করেছিল? তাই নয় কি? সর্বোপরি তারা যে তা করেনি তার তো কোনো প্রমাণ নেই! আর তাই ‘লুণ্ঠিত’ শব্দটি বারবার উদ্ধৃতি চিহ্নের মধ্যে রাখা হয়! <br/> প্রকৃতপক্ষে আরও অনেক কিছু আছে। ইসলামি মসজিদ তৈরির জন্য হিন্দু মন্দিরের এই উপকরণগুলোর ব্যবহার নাকি ‘স্থানীয় কারিগরদের স্থাপত্যগত সংজ্ঞা ও খাপ খাইয়ে নেওয়ার একটি প্রক্রিয়ার অংশ ছিল, যা ইসলামি ব্যবহারের জন্য দক্ষিণ এশীয় স্থাপত্যের পরবর্তী উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য ছিল’। এর ফলে মূল দায়ভার গিয়ে পড়ে সেই ‘স্থানীয় কারিগর’ এবং তাদের ‘খাপ খাইয়ে নেওয়ার’ ওপর। ফলে কুতুব মিনার চত্বরের বৈশিষ্ট্যগুলো ‘স্থপতি এবং খোদাইকারদের একটি নতুন কর্মসূচির প্রতি সৃজনশীল প্রতিক্রিয়া’ হিসেবে তুলে ধরা হয়। একটি মসজিদ যেখানে স্পষ্টভাবে হিন্দু মন্দিরের স্তম্ভসহ অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে এবং যেখানে নির্দ্বিধায় ‘কেন্দ্রীয় গম্বুজের কাঠামোয় হিন্দু দেবতাদের খোদাই করা একটি লিন্টেল বা পাথরের কড়িকাঠ এমনভাবে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে ছবিগুলো দেয়ালের ভেতরের দিকে থাকে’, সেটি নাকি ‘কোনো নিয়ম ঠিক করার জন্য’ করা হয়নি। ‘বরং এটি স্থাপত্য, সজ্জা এবং সংশ্লেষণের ক্ষেত্রে সহযোগিতামূলক ও সৃজনশীল সম্ভাবনার দ্রুত অন্বেষণের উদাহরণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।’ এর বিপরীত সিদ্ধান্তগুলো নাকি ছিল ‘ভুল মূল্যায়ন’। আমরা নাকি ‘উদ্ধার করা অংশ’ দেখার ভুল করছি—কী চমৎকার একটি শব্দ, ‘উদ্ধার করা’: ওই অংশগুলো মন্দির ভেঙে পাওয়া যায়নি; সেগুলো ধ্বংসাবশেষ হিসেবে পড়ে ছিল এবং সময়ের সাথে সাথে নষ্ট হয়ে যেত; তার বদলে সেগুলোকে ‘উদ্ধার করা’ হয়েছে এবং নতুন পবিত্র ইমারতের অংশ হওয়ার মর্যাদা দেওয়া হয়েছে—‘উদ্ধার করা অংশ দেখার বদলে সেখানে সুস্থ সহযোগিতামূলক সৃজনশীলতা নতুন রূপ তৈরি করছে’। * তবুও এই সবকিছুর কোনোটিই আকস্মিক নয়। আমরা এই বইতে যেসব পাঠ্য পর্যালোচনা করেছি সেখানে দেখা যায়, এটি একটি নির্দিষ্ট ধারার অংশ। দেখা যায় ভারত নাকি একটি অতি সাম্প্রতিক ধারণা। এটি নাকি কোনো দেশ বা জাতি নয়। হিন্দুধর্ম একটি উদ্ভাবন হিসেবে প্রকাশ পায়—শব্দটি শুনে অবাক হলেন? কয়েক পৃষ্ঠা পড়লেই আর হবেন না—উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে ব্রিটিশদের তৈরি এক উদ্ভাবন। একই সাথে এটি নাকি সবসময়ই সহজাতভাবে অসহিষ্ণু। প্রাক-ইসলামি ভারত ছিল অন্যায় এবং শোষণের আখড়া। ইসলামি শাসন শোষিতদের মুক্তি দিয়েছিল। এই সময়েই ভারতের গঙ্গা-যমুনা সংস্কৃতি তথা ‘সমন্বিত সংস্কৃতি’ গড়ে উঠেছিল, যার প্রধান প্রবক্তা ছিলেন আমির খসরু এবং সুফি সাধকরা ছিলেন এর উৎস। এমনকি সেই সময়েও জাতীয়তাবোধ তৈরি হয়নি। এটি কেবল ব্রিটিশ শাসনের প্রতিক্রিয়ায় এবং পশ্চিম থেকে আসা চিন্তাভাবনার ফলে তৈরি হয়েছে। কিন্তু এটিও—অর্থাৎ দেশ বা জাতি হওয়ার বোধ যতটুকু ছিল—তা কেবল ভারতের উচ্চবিত্তদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কমিউনিস্টরাই সাধারণ মানুষকে সচেতন করেছে এবং তাদের মধ্যে এই ধারণাগুলো ছড়িয়ে দিয়েছে। <br/> এক কথায়, ভারত বাস্তব নয়—কেবল এর অংশগুলোই বাস্তব। শ্রেণি বাস্তব। ধর্ম বাস্তব—আমাদের ধর্মের সাধারণ এবং বিশেষ সূত্রগুলো নয়, বরং ধর্মের সেই দিকগুলো যা আমাদের বিভক্ত করে এবং নিশ্চিত করে যে আমরা একটি জাতি বা দেশ নই, সেই উপাদানগুলোই বাস্তব। বর্ণ বাস্তব। অঞ্চল বাস্তব। ভাষা বাস্তব—আসলে এটি ভুল: যুক্তি হলো সংস্কৃত ছাড়া অন্য ভাষাগুলো বাস্তব; সংস্কৃত মৃত এবং বিলুপ্ত; যাই হোক, হোরেশ উইলসন হাউস অফ কমন্স সিলেক্ট কমিটিতে যেমন বলেছিলেন যে এটিই দেশের অন্যান্য ভাষার ভিত্তি এবং জীবন্ত ভিত্তি ছিল, তা সত্ত্বেও একে উচ্চবিত্তদের সংরক্ষিত এলাকা এবং আধিপত্য ও শোষণের হাতিয়ার হিসেবে দেখানো হয়েছে; এটি নাকি অসহায় জনসাধারণের মধ্যে মিথ্যা চেতনা টিকিয়ে রাখার একটি মাধ্যম ছিল। * পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ ১৯৮৯ সালে নির্দেশ জারি করেছিল যে ‘মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না।’ * অযোধ্যায় তাদের প্রতারণামূলক ভূমিকা—যা শেষ পর্যন্ত অন্য কারো চেয়ে তাদের মক্কেলদেরই বেশি ক্ষতি করেছে—তা ছিল কেবল একটি লক্ষণ মাত্র। পঞ্চাশ বছর ধরে এই দলটি তথ্য গোপন করছে এবং মিথ্যা উদ্ভাবন করছে। আইসিএইচআর-এর সেই উদ্দেশ্য—আমাদের অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ এবং যৌক্তিক গবেষণার প্রসার ঘটানো—সেটি নিয়ে আজ তারা কতই না চিন্তিত হওয়ার ভান করছে! তাদের এই উদ্বেগ কীভাবে ১৯৮৯ সালে তাদের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া নির্দেশিকার সাথে মেলে যা আউটলুক নিজেই উদ্ধৃত করেছিল—‘মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না?’ কিন্তু বৌদ্ধ বিহার ধ্বংসের পাইকারি মিথ্যাচার এবং অস্তিত্বহীন ‘আর্য আক্রমণ’ সম্পর্কে তাদের তথ্যগুলো অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক—এগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলা মানেই হলো সাম্প্রদায়িক বা উগ্র জাতীয়তাবাদী হওয়া! আইসিএইচআরের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করা যথেষ্ট খারাপ ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটি ছিল একটি কৌশল মাত্র। এই ‘ঐতিহাসিকদের’ প্রধান অপরাধ হলো এই পক্ষপাতিত্ব: সত্য গোপন করা এবং মিথ্যা প্রচার করা। * সংবাদমাধ্যম তাদের প্রচেষ্টার এবং এই ক্ষেত্রে তাদের অর্জিত দক্ষতার একটি তৈরি উদাহরণ। তারা তাদের সদস্য এবং সমর্থকদের সাংবাদিকতায় নিয়ে আসার জন্য যত্ন নিয়েছেন। আর সাংবাদিকতার মধ্যে তারা ক্ষুদ্র গণ্ডিগুলোতেও মনোযোগ দিয়েছেন। বইয়ের কথাই ধরুন। তাদের কারো একটি বই কোনো পত্রিকায় পৌঁছানোর সাথে সাথেই সেটি পর্যালোচনার জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত ব্যক্তিদের নামের পরামর্শ চলে আসে। আমি যেমনটা বলেছি, যে সম্পাদক আপত্তি করেন এবং বইটি ভিন্ন মতাদর্শের কারো কাছে পাঠাতে চান তাকে দোষী মনে করানো হয়, যেন তিনি ইচ্ছা করে একটি পক্ষপাতদুষ্ট ও নেতিবাচক পর্যালোচনা নিশ্চিত করছেন। তাদের তালিকা থেকে কাউকে বেছে নেওয়া যে একটি পক্ষপাতদুষ্ট প্রশংসা নিশ্চিত করতে পারে, তা নিয়ে কোনো কথা বলা হয় না। প্রচলিত জনমতের চাপ এতটাই বেশি এবং সম্পাদকরা এড়ানো সম্ভব এমন ঝামেলা এড়াতে এতটাই উদগ্রীব যে, তারা দ্রুত প্রস্তাবিত নামগুলোর মধ্যে একজনকে বেছে নেন... <br/> গত পঞ্চাশ বছর ধরে সংবাদপত্র ও সাময়িকীর বইয়ের পাতাগুলো লক্ষ্য করলেই আপনি দেখতে পাবেন যে এই সাধারণ কৌশলটি কত বড় প্রভাব ফেলেছে। প্রকাশনা সংস্থাগুলোতে তাদের লোকজন গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে ছিল: আর তাই তাদের ধরণের বইগুলোই প্রকাশিত হতো। এরপর তারা একে অপরের বই পর্যালোচনা করত এবং পাঠ্য হিসেবে নির্দিষ্ট করত। এই সব প্রকাশনা এবং পর্যালোচনার ভিত্তিতে তারা একে অপরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং এ জাতীয় জায়গায় পদ পাইয়ে দিতে সক্ষম হতো... এমনকি যেসব প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব সম্পর্কে আমাদের বেশিরভাগের কোনো ধারণাই নেই, সেগুলোকেও ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। আমাদের মধ্যে কতজন সরকারের এমন একটি সংস্থার কথা জানেন যা সরকারি এবং অন্যান্য লাইব্রেরির জন্য পাইকারি বই কেনা নির্ধারণ করে? কিন্তু তারা জানে! তাই আপনি যদি লক্ষ্য করেন যে এই সংস্থাটি বছরের পর বছর ধরে কোন ধরণের বইয়ের অর্ডার দিচ্ছে, তবে আপনি সেগুলোকে প্রায় একচেটিয়াভাবে লাল এবং গোলাপি ঘরানারই পাবেন... <br/> এভাবে তাদের বইগুলো প্রকাশের জন্য নির্বাচিত হয়। তারা একে অপরের বই পর্যালোচনা করে। এর মাধ্যমে সুনাম তৈরি হয়। এর মাধ্যমে পদ দখল করা হয়। ছাত্রদের একটি নতুন প্রজন্ম একই চশমা পরে বড় হয়—আর এর অর্থ হলো সংবাদমাধ্যমে আরও একটি প্রজন্মের তৈরি হওয়া, আমলাতন্ত্রের আরও একটি প্রজন্ম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আরও একটি প্রজন্ম... * আমাদের উচিত দালাই লামার উদাহরণটি সামনে রাখা। তিনি ধ্যানের ওপর একটি তিব্বতি গ্রন্থের ওপর বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি একটি বাক্য পড়লেন, হাসলেন এবং মন্তব্য করলেন, ‘সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বগুলো লজ্জাজনক! এগুলো ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত!’ তিনি পরামর্শ দেন যে আমাদের কাছে সবসময় একটি ঝুড়ি রাখা উচিত—যা কিছু আমাদের বর্তমান জ্ঞানের সাথে মেলে না, সেগুলো সেই ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া উচিত। ‘বৌদ্ধধর্মকে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে,’ তিনি এটাই শেখান। সেই অনুযায়ী তিনি বৌদ্ধ গ্রন্থগুলোকে সূক্ষ্ম পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করেছেন। (...) এটি নিজের ঐতিহ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসকেই তুলে ধরে। এটিই হলো ঐতিহ্যের প্রকৃত সেবা। এতে থাকা ‘অমূল্য রত্ন’ ভবিষ্যতের জন্য রক্ষা করার উপায় এটিই। * কিন্তু আজ বৌদ্ধধর্মের বিলুপ্তির কারণ হিসেবে হিন্দুদের দ্বারা বৌদ্ধদের ওপর নির্যাতন এবং হিন্দুদের দ্বারা তাদের মন্দির ধ্বংসের কথা বলাটা একটি ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। একটি বিষয় হলো, যেসব মার্ক্সবাদী ঐতিহাসিক এই মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছেন তারা এই মনগড়া কাহিনী প্রমাণ করার জন্য সামান্যতম তথ্যও হাজির করতে পারেননি। একটি সাধারণ উদাহরণে রোমিলা থাপার তিনটি শিলালিপি উদ্ধৃত করেছিলেন। নিরলস কর্মী [[সীতরাম গোয়েল]] সেগুলো পরীক্ষা করে দেখেন। এর মধ্যে দুটির সাথে বৌদ্ধ বিহার বা সেগুলো ধ্বংসের কোনো সম্পর্কই পাওয়া যায়নি এবং যেটিতে একটি বস্তু ধ্বংসের কথা ছিল, সেটি বিশেষজ্ঞদের মতে ছিল একটি জাল শিলালিপি; যাই হোক না কেন, সেখানে যা বলা ছিল তা ওই ঐতিহাসিকের ইঙ্গিতের চেয়ে দিন আর রাতের মতো আলাদা ছিল। * সংলগ্ন পৃষ্ঠাগুলোতে দুটি কলাম আছে: অশুদ্ধ এবং শুদ্ধ। প্রগতিশীলরা ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে তাদের ‘বস্তুনিষ্ঠ’ এবং ‘যৌক্তিক’ পদ্ধতির মাধ্যমে কী অর্জন করার চেষ্টা করছেন তা এই পরিবর্তনগুলোর দিকে চোখ বুলালেই বোঝা যায়। * এভাবে কেবল সত্য গোপনই নয়, বরং আজেবাজে কথা প্রচারও করা হচ্ছে। ;বইটি সম্পর্কে * ‘বাম-উদারপন্থী’ বা ‘প্রগতিশীল’ ঐতিহাসিকদের প্রথম বড় সমালোচনা করেছিলেন অরুণ শৌরি, বিশেষ করে তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা আইসিএইচআর-এর অবস্থা নিয়ে। ** ডি. কে. চক্রবর্তী, ন্যাশনালিজম ইন দ্য স্টাডি অফ এনশিয়েন্ট ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি (আরিয়ান বুকস ইন্টারন্যাশনাল, দিল্লি)।[https://koenraadelst.blogspot.com/2021/02/a-case-of-good-nationalism-dk.html] * "বিশিষ্ট ঐতিহাসিকগণ" হলো সেই শব্দ যা দিয়ে তারা একে অপরকে ডাকে এবং তাদের ভক্তরা তাদের এই নামেই ডাকে। যখন কোনো প্রতিপক্ষের যুক্তির উত্তর তাদের কাছে থাকে না, তখন তারা তাকে যথেষ্ট ‘বিশিষ্ট’ নয় বলে দম্ভের সাথে উড়িয়ে দেয়। তাই অরুণ শৌরি যখন এই খাতের কিছু অপব্যবহার নিয়ে লিখেছিলেন, তখন তিনি তার বইয়ের নাম দিয়েছিলেন এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস। এটি ঔপনিবেশিক যুগের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে লেখা একটি পুরনো বই এমিনেন্ট ভিক্টোরিয়ানসের নাম নিয়ে করা একটি শব্দকৌতুকও বটে। ** এলস্ট, কে. [https://koenraadelst.blogspot.com/2016/05/interview-in-monthly-swarajya.html সাক্ষাৎকার, স্বরাজ্য, মে ২০১৬)] ===2000s=== ====''Harvesting our souls: Missionaries, their design, their claims'' (2000) ==== *If you had been in India in late 1998-early 1999, and the English-language "national" newspapers had been your source of information about what was going on, you would have concluded that an extensive, well coordinated pogrom was on, that maniacal Hindu groups were going round raping nuns, attacking missionaries, burning down churches. (p 7) *There indeed was a conspiracy it runs out, and a communal one at that. The whole thing was a concoction - by those whose agenda it is to paint Hindus as communalists on the rampage, and the RSS, BJP, etc., as organizations which are orchestrating a "pogrom". "Investigations, however revealed that what Sister Mary said in the FIR was not true," records Justice Wadhwa. "It was a made-up story. Investigations found that there was in fact no rape of Sister Mary... B.B. Panda, Director General of Police stated that the 'rape of the nun' case was projected and highlighted all over the world and was also projected as an attack on Christians when in fact it was not true, and the case turned out to be false." (9-10) *The contrast between the truth about the incidents and what they were made out to be should alert our newspapers and TV channels not to shoot off accounts without examining the facts. In particular, they must not go merely by the allegations of communalism-mongers.(13) *Several groups have several reasons for manufacturing calumny - from money to idelogy to the crassest kind of politics. Many of these are well-organized, some, as we shall see, have well-knit, world-wide networks. And they have honed expertise in manufacturing atrocity-stories, in broadcasting them round the globe, and in putting their manufactures to profitable use. (13) *High priority must be given to work among Hindu women, they say, "since they are the custodians of the faith"... (62) ====''Self-Deception : India's China Policies; Origins, Premises, Lessons'' (2008) ==== :Arun Shourie - Self-Deception _ India's China Policies_ Origins, Premises, Lessons-Harper Collins (2008, 2013) * The brutal—the customarily brutal—way in which the Chinese government suppressed the protests by Tibetans in Lhasa in the months preceding the 2008 Beijing Olympics once again drew attention to the enormous crime that the world has refused to see: the systematic way in which an entire people have been reduced to a minority in their own land; the cruelty with which they are being crushed; the equally systematic way in which their religion and ancient civilization are being erased. Protests by Tibetans in different cities across the world, joined as they were by large numbers of citizens of those countries, had the same effect.<br>No government anywhere in the world did what the Manmohan Singh government did in Delhi, no government reacted in as craven and as frightened a manner as our government did. The Olympic Torch was to be relayed across just about two kilometres—from Vijay Chowk to India Gate. The government stationed over twenty thousand troops, paramilitary personnel, policemen and plainclothes men in and around that short stretch. Tibetan refugees were beaten and sequestered. Government offices were closed. Roads were blocked. The Metro was shut down. Even members of Parliament were stopped from going to their homes through the square that adjoins Parliament, the Vijay Chowk.<br>Do you think that any of this was done out of love for the Olympics?<br>It was done out of fear of China. *Now, this is a favourite phrase of Panditji—‘the long-term view’—as is ‘the larger considerations’. Whenever he deploys the former, you can be sure that he is preparing the case for ceding ground. Whenever he deploys the latter, you can be sure that he is preparing the case for ceding specifically the country’s interest. *Recall, what he had told the Tibetans—that India would help diplomatically. That help now has come to mean that India will keep China in good humour even as it crushes Tibet, so that it may not crush Tibet more swiftly. *We can see the operational conclusion that flows from such reasoning. As the main advance has halted, there is nothing that we need to do. When the main advance resumes, the full picture is not clear. When it is completed, and the place is subjugated, there is nothing for us to do as, by then, the place has already been subjugated. For us to do or say anything will only enrage the occupiers, and bring even greater hardship on the poor Tibetans! *He speaks at length, that is, but scarcely touches on any of the specific matters that members had raised. *The view that he disapproves is always unbalanced; or stuck in the past; or stuck in the cold war mould; or subjective and emotional... *The Dalai Lama is in India at India’s invitation. Panditji meets him on 26 and 28 November 1956. The Dalai Lama is distraught. Panditji jots down the points of their exchange. The Dalai Lama puts the figure of Chinese troops in Tibet at 120,000, the very figure for which Panditji had come down on Apa Pant. The [[w:Subimal Dutt|foreign secretary]] inserts a paragraph in Panditji’s notings about the talks: ‘The Dalai Lama appealed to India for help. PM’s reply was that, apart from other considerations, India was not in a position to give any effective help to Tibet; nor were other countries in a position to do so. Dalai Lama should not resist land reforms.’ Instead of help, Panditji gives advice. He records the advice he gives: ‘D.L. should become the leader of the reform. Best way we can help is by maintaining friendly relations with China, otherwise China would fear our designs in Tibet.’ An excuse, and a presumptuous one—‘otherwise China would fear our designs in Tibet.’ *As the principal object of this brief book is to set out the evolution of India’s China-policy in Panditji’s own words, and to show how those assumptions and habits continue to endanger us today, I have kept annotations to the minimum. But what Panditji did and said and wrote in regard to China does deserve to be analyzed almost at the psychological and linguistic level! For his stance, his formulations, his rationalizations are rooted in habits, in mental processes. Not just his assumptions and premises persist among policy-makers, those very habits and mental processes persist. In the 1950s, they went unquestioned because of the lofty position that Panditji occupied in our lives and discourse. Today, they go equally unquestioned—though for a different reason: discourse has got so dumbed-down that no assumption or premise is examined as it should be. An illustration will bring home the consequence. Among the habits that persist, one is especially harmful as it rationalizes going-along at an almost subliminal level. This is the habit of slipping in a thought or sentence which excuses one from facing the facts. We see this in Pandit Nehru’s writings and spoken word at every turn. ... *A contributing factor certainly must have been the contempt that Mao, Chou En-lai and others felt for India and Indians. This comes through again and again in conversation after conversation of the Chinese leaders. Chou and Kissinger agree on how India is the one that is causing the troubles in East Pakistan; on what China and US should together do to halt India in the tracks; they agree about not just what is ‘the Indian tradition’—deceit, blaming others—but just as much about the Indian character—marked by ingratitude.⁴ The contempt and coordination show through even more dramatically in the conversations that Kissinger later has with the permanent representative of China at the UN, Huang Hua, during which he asks Huang Hua to assure Chou En-lai that, should China take military action against India to divert it from pursuing its assault on Pakistan, the US will hold the Soviet Union at bay. Nixon, Pompidou and Kissinger are exchanging views about the state of the world. Nixon summarizes the Chinese assessments: ‘...the attitude of the Chinese towards their neighbours can be summed up in this way. The Russians they hate and fear now. The Japanese they fear later but do not hate. For the Indians they feel contempt but they are there and backed by the U.S.S.R.’ ===2010s=== *I don't see the difference between the two. I feel they (the BJP and the Congress) are one party. They are jointly ruling. It is a dinner party. They meet at dinners. They meet socially. They decide on what has to be done about issues. <br>First, the media should write about itself. It is extremely short-sighted about the media to black out these things. The Mitrokhin Archives revealed how (the then Soviet intelligence agency) the KGB boasted that they were able to plant 400 stories in such and such Indian newspapers. The Indian media blacked it out. Then, privatetreaties of The Times of India that other people have now adopted has been completely blacked out.... When the Press Council of India was forced to appoint a committee to look into the allegations about 'paid news', the Press Council itself suppressed the report. **[https://www.rediff.com/news/report/interview-arun-shourie-on-the-real-meaning-of-the-radia-tapes1/20101201.htm Interview] 2010 ====''Falling Over Backwards'' (2012) ==== *The first derailment was caused by plucking the words ‘of their choice’ out of context, by tearing them away from the object for which Articles 29 and 30 gave minorities the right to set up and administer institutions. A normal engineering college or a college of dentistry can by no stretch be taken to be an institution that has been set up to help conserve the language, script or culture of the minority. Yet, provided the engineering or dentistry college has been set up by members of a minority, it was presumed to enjoy the protection of Articles 29 and 30, and thereby be beyond the reach of the state. *The result has been as predictable as it is iniquitous and absurd: if Ram Sharan sets up an engineering college, the state as well as the university concerned can prescribe all sorts of things it must do; if Mohammed Aslam sets up an exact clone of that engineering college across the road, teaching exactly the same subjects, using exactly the same textbooks, neither the state nor the university can regulate its functioning! *On the other hand, when sticking to the text is what will advance the judgment, they become strict constructionists. Some of the most conspicuous instances of this can be found in judgments relating to Article 30, the article that deals with the ‘right of minorities to establish and administer educational institutions’. The country had been partitioned on the cry that Muslims will never be secure in a united India. The framers were naturally keen to reassure the minorities that they would be free to preserve their religion, language and culture. Accordingly, Article 29 was enacted guaranteeing them and assuring them of this freedom. In case they wanted to set up institutions for safeguarding their language, culture, religion, Article 30 was enacted assuring them that ‘All minorities, whether based on religion or language, shall have the right to establish and administer educational institutions of their choice.’ The context made the purpose clear: minorities would have the freedom to set up such institutions as they thought would best preserve their culture, religion, language. But, given what has been the climate of discourse since the framing of the Constitution, the judges became literalists. Minorities would have the right to set up and manage ‘educational institutions of their choice’ irrespective of the purpose for which the institution was set up. Thus, engineering colleges and dental colleges set up by a family of, say, Muslims would have freedoms from state regulation and oversight that engineering and dental colleges set up by run-of-the-mill Indians would not. *Now, these are not stray phrases thrown in to light up a purple passage. They are stances, they are standpoints that indicate the direction in which that judgment will go, they are signposts which tell us where the reasoning being advanced in the text will eventually end. Such formulations have a significance beyond the particular judgment in which they figure. Succeeding benches can strike the same pose and gallop further in the same direction. *We comfort ourselves: at least, the virus of reservations has not got into judicial appointments; at least, reservations have not been extended to Muslims and Christians. Both notions are just make-believe. *As for reservations not having been extended to members of religions that repudiate caste – Islam, Christianity, Sikhism – again, that is but make-believe. The chairman of the Minorities Commission, my friend Tarlochan Singh, sends me a list of fifty-eight castes and of fourteen tribal groups, Muslim members of which have been given reservations. Even those who convert to one of these religions, continue to remain entitled to reservation. The rule in Tamil Nadu is that if the name of the father falls in the lists of Backward Castes/Most Backward Castes/Scheduled Castes/Scheduled Tribes, then, even if the person has converted to another religion, he remains entitled to reservations. In Gujarat, members of Backward Castes continue to avail of not just reservations but even of advantages under the roster system after conversion – 137 castes and sub-castes have been listed as socially and educationally backward in the state; of these, twenty-eight belong to the Muslim community. In Karnataka, ‘caste at birth’ is the norm. In UP, several Muslim castes are included in the reservation list – Lalbegi, Mazhabis, even Ansaris. The position is no different in Madhya Pradesh, in West Bengal. The Indian Express correspondent in Kolkata reports that the government of the ostentatiously secular CPI(M) strained to have reservations in government service as well as educational institutions extended to Muslims qua Muslims, and directed the state Minorities Commission to ascertain how such reservation had been decreed in Andhra Pradesh. The plan has had to be deferred for the time being, he writes, Only because the Andhra Pradesh High Court has struck down the Andhra order as unconstitutional. *Even as moves are afoot to get the Andhra judgment reversed, the government has directed the armed forces to count soldiers and officers by their religion. Nor is this move an inadvertence. It has arisen as a result of a committee that the government has appointed under a former chief justice of Delhi, Rajinder Sachar -each member of which has been carefully selected for his ‘secular’ beliefs. Each term of reference on which it is to supply information and make recommendations, as we noted at the outset, has been just as carefully selected to justify reservations and other concessions to Muslims as a religious group. *With elections looming, in January 2006, the Government of Kerala announced another ‘package’ of reservations for backward castes and for Muslims: service rules of the state shall be altered to permit direct recruitment of these sections so as to fill the 40 per cent quota that has been set aside for them; if suitable candidates are not available from these sections, the vacancies shall not be filled by merit; the state Public Service Commission shall prepare an ‘additional supplementary list’ so that the vacancies may be filled only by these sections; 20 per cent of the seats shall be reserved for these castes in graduate and postgraduate courses in government colleges; the chief minister will himself monitor the implementation of the reservation policy; there shall be a permanent commission to ensure that reservations are fully filled... *With elections upon them, the DMK and its allies announced in Tamil Nadu that, once in office, they will bring forth legislation to give reservations to Muslims and Christians. *The Jharkhand government, in turn, has announced that members of thirty-two tribes that are the most backward – literacy level among nine of them is said to be just 10 per cent – shall be directly recruited into government service; those among them who pass the graduation examination shall not have to take the qualifying examination which all others who enter government service have to take. *And beware, the progressive judges have already put out the basis for extending reservations to Muslims or Christians as Muslims and Christians. The word that the Constitution uses is ‘communities’, the word it uses is ‘classes’, Justices Jeevan Reddy, Sawant and Thommen hold in Indra Sawhney. ‘Community’ and ‘class’ are wider than ‘caste’, they say. So, entities wider than ‘caste’ can certainly be subsumed under them, they say – the only proviso being that the groups so identified be ‘backward’. Second, in spite of the teachings of Islam, Christianity and Sikhism, castes persist in these religions also, they explain in justification. As that is the reality, it would be invidious to restrict access to reservations to the backward sections of Hindus alone...3 *How far we have descended! Today progressives dress up their casteism as secularism! The benefits of reservation shall be extended to Muslims and Christians also, they proudly announce. In Andhra the decision of the government has had to be twice struck down by the courts – the government had decreed reservations for Muslims qua Muslims. Even as moves are afoot to get that judgment reversed, the Central government directed the armed forces to count soldiers and officers by their religion. Nor was the move an inadvertence. It arose as a result of a committee that the government had appointed under a former chief justice of the Delhi High Court. Each member of the committee has been carefully selected for his ‘secular’ and ‘progressive’ beliefs. Each term of reference on which the committee has been asked to supply information and make recommendations has been just as carefully selected to justify reservations and other concessions to Muslims as a religious group: *Every single item betrays the singular purpose of the whole exercise–to provide the rationale for extending reservations to Muslims. Nor is that opportunism confined to the present ruling coalition. In the run-up to the 2005 elections in Bihar, rival groups were vying with each other promising reservations for Muslims qua Muslims. *The object of the framers of the Constitution was, as ours must be, quite the opposite. It was to wipe out the cancer of caste even from Hindu society. Only with the greatest reluctance did they agree to allow reservations for the Scheduled Castes and Tribe – for they felt that doing even this much would perpetuate caste distinctions. The reservations were, therefore, to be exceptions to the general rule. ===2020s=== ====''Preparing: For Death'', 2020==== *One must reflect deeply on the nature of the adversity, and on how it may be converted into an instrument for growth. The routine Gandhiji set for himself was always so much stricter and so much more demanding than anything that a jailer would have thought of imposing on anyone. Similarly, picture Vinoba in solitary confinement in that cell, 8 feet by 9 feet in dimension: how he converts imprisonment into ashram life; how in that tiny space, in forced and complete isolation, he retains his mental discipline by meditating for two to three hours every day; how he disciplines himself physically by walking every day for eight hours inside that suffocating cell, and thereby covering ten miles—covering ten miles in a cell 8 feet by 9 feet every single day! In both cases, control remained in the hands of the prisoner, not the jailer—a very important factor in dealing with adversity. ** Arun Shourie, ''Preparing: For Death.'' Penguin Random House India Private Limited, 2020. ISBN 935305978X, 9789353059781 *The rituals—for instance, those we go through during a marriage ceremony—were devised to imbed certain values into us: the experience of centuries had led thoughtful persons to see that going through those steps, that reciting those mantras and reflecting on them would help us internalize those values, and mould our lives accordingly. But what do we do today? First, we outsource the ritual—to a pandit, say. As he goes through the motions prescribed for solemnizing a marriage, as he chants those mantras, we don’t have a clue about the meaning of the words that he is reciting, nor of the steps—‘Now pour some water on the earth, and then on . . .’ Nor do we care: ‘Panditji, puja zaraa jaldi khatam kar deejiye. Guest dinner ke liye wait kar rahen hain’—‘Panditji, please conclude the puja a bit quickly. The guests are waiting for dinner.’ ** Arun Shourie, ''Preparing: For Death.'' Penguin Random House India Private Limited, 2020. ISBN 935305978X, 9789353059781 ==Quotes about Arun Shourie== *In the end, India had to wait till 1998 for Arun Shourie’s Eminent Historians to be published. This book uncovered in detail after ghastly detail, this multi-layered assault on the national psyche that has disfigured the minds of at least three generations regarding the vital truths of their own nation. And thanks to this seminal contribution, “Eminent Historian” has fittingly become a swearword in the Indian public discourse. **S. Balakrishna, Seventy years of secularism. 2018. *Anyone who thought India had dismantled its notorious system of bureaucratic controls when it embarked on economic reform in 1991 ought to consult Arun Shourie. As cabinet minister (at various times since 1998) for privatisation, administrative reform, information technology and telecommunications, Mr Shourie's observations are close to the bone. The Hindu nationalist-led government in which Mr Shourie was the most prominent economic reformer was thrown out last May. Franz Kafka would have had difficulty dreaming up some of the examples cited in Mr Shourie's book. ... But it is what India's bureaucracy is like under normal conditions that matters and Mr Shourie does a depressingly thorough job in chronicling it. One can only hope that India's senior civil servants find the time to read this book - and have the grace to wince. **[[Edward Luce]], India's tragic comedy of civil disservice, book review in Financial Times. November 9, 2004 *Muslim leaders and Stalinist historians were raising a howl about Hindu chauvinism when it came to the notice of Arun Shourie, the Chief Editor of the Indian Express at that time, that some significant passages had been omitted from the English translation of an Urdu book written long ago by the father of Ali Mian, the famous Muslim theologian from Lucknow. He wrote an article, Hideaway Communalism, in the Indian Express of February 5, 1989 pointing out how the passages regarding destruction of Hindu temples and building of mosques on their sites at Delhi, Jaunpur, Kanauj, Etawah, Ayodhya, Varanasi and Mathura had been dropped from the English translation published by Ali Mian himself. This was a new and dramatic departure from the norm observed so far by the prestigious press. Publishing anything which said that Islam was less than sublime had been taboo for a long time. I was pleasantly surprised, and named Arun Shourie as the [[মিখাইল গর্বাচেভ]] of India. He had thrown open the windows and let in fresh breeze in a house full of the stinking garbage of stale slogans. **Goel, S.R. How I became a Hindu (1993, revised ed.) *[Arun Shourie's article 'Hideaway Communalism'] had violated a taboo placed by the mass media and the academia on any unfavourable narration of the history of Islam since the days when Mahatma Gandhi took command of the Indian National Congress and launched his first non-cooperation movement in support of the Turkish Khilafat. **Goel, S.R. Hindu Temples – What Happened to Them, Volume I (1990) Preface, 2nd edition, p. xiii. *Arun Shourie had shown great courage. But he had counted without the secularist crowd which had access to the owner of the Indian Express. He told me on the phone that there was some trouble brewing. I have never talked to him about the nature of the trouble, and do not know if my articles had anything to do with his ouster from the Indian Express next year. All I know is that he had to slow down the publication of my next two articles. **Goel, S.R. How I became a Hindu (1993, revised ed.) *Mani Shankar Aiyar totally condemns one of Arun Shourie's books, and then goes on to declare that he has decided not to read it : "Shourie gave the final touches to the manuscript of his book on Islam, a work so vicious and perverted that every English speaking Muslim I know was outraged... I decided then to show my solidarity with secularism by not reading the book." (The book he refers to, is apparently Shourie's Religion in Politics, a very sane and sober look at several Scriptures in the light of reason.) **Elst, Koenraad. Ayodhya and after: issues before Hindu society. Voice of India. 1991. *The problem of book-banning and censorship on Islam criticism is compounded by the related problem of self- censorship. Thus, when in late 1992, the famous columnist Arun Shourie wanted to publish a collection of his columns on Islamic fundamentalism, esp. the Rushdie and Ayodhya affairs (Indian Controversies), the publisher withdrew at the last moment, afraid of administrative or physical reprisals, and the printer also backed out. Earlier, Shourie had been lucky to find one paper willing to publish these columns, for most Indian newspapers strictly keep the lid on Islam criticism. Hindu society is a terrorized society. **Elst, Koenraad. Negationism in India: concealing the record of Islam. Voice of India. 1992 *Arun Shourie was sacked as Indian Express editor, apparently under government pressure, after revealing that, in October 1990, Prime Minister V.P. Singh had aborted his own compromise arrangement on Ayodhya under pressure from Imam Bukhari, prominent member of the BMAC. **Koenraad Elst. Ayodhya: the case against the temple. 2002 * Or take A Secular Agenda by Arun Shourie, PhD from Syracure NY and stunningly successful Disinvestment Minister in the AB Vajpayee Government, when India scored its highest economic growth figures. It was a very important book, and it left no stone standing of the common assumption among so-called experts that India (with its religion-based civil codes and its discriminatory laws against Hinduism) is a secular state, i.e. a state in which all citizens are equal before the law, regardless of their religion. Though the book deconstructs the bedrock on which the “experts” have built their view of modern India, they have never formulated a refutation. Instead, they just keep on repeating their own deluded assumption, as in: “The BJP threatens India’s structure as a secular state.” (Actually, the BJP does not, and India is not.) They can do so because they are secure in the knowledge that, among the audiences that matter, their camp controls the sphere of discourse. Concerning the interface between religion and modern politics, the established “academic” view is not just defective, it is an outrageous failure. **Elst, Koenraad. Hindu dharma and the culture wars. (2019). New Delhi : Rupa. *The only ray of light in this encircling gloom was Arun Shourie, the veteran journalist and the chief editor of the Indian express at that time. On February 5, 1989, he frontpaged an article, Hideaway Communalism, showing that while the Urdu version of a book by Maulana Hakim Sayid Abdul Hai of the Nadwatul-Ulama at Lucknow had admitted that seven famous mosques had been built on the sites of Hindu temples, the English translation published by the Maulana’s son, Abul Hasan Ali Nadwi (Ali Mian) had eschewed the “controversial evidence”. He also published in the Indian Express three articles written by me on the subject of Islamic iconoclasm. This was a very courageous defiance of the ban imposed by Islam and administered by Secularism, namely, that crimes committed by Islam cannot even be whispered in private, not to speak of being proclaimed in public. **Goel, S. R. (1993). Hindu temples: What happened to them. (Second Enlarged Edition) [https://web.archive.org/web/20120429114113/http://www.bharatvani.org:80/books/htemples2/] *He dismisses Arun Shourie by pigeon-holing him as ‘post-modern’. He does not know that Hinduism has its own view of Time, and that a person who serves Sanatana Dharma cannot be dated. Scholars like Arun Shourie belong neither to the past, nor to the present, nor yet to the future. They belong to a timeless span. **S.R. Goel, History of Hindu-Christian Encounters (1996) * Just then Shourie was sacked as its editor. The reason was not so much the article, but, apparently, his entire policy of including columns by Hindu communalists like Ram Swarup and Sita Ram Goel, and his own articles that debunked some of the prevalent secularism, such as Hideaway Communalism. ** Elst, Koenraad (1991). Ayodhya and after: Issues before Hindu society. *I thank particularly my friend Arun Shourie because we need people like Arun Shourie to challenge us so that we can rectify our mistakes and all together collectively move towards the creation of a new India, a new humanity. ** Fr. Augustine Kanjamala, quoted in Shourie, Arun. Arun Shourie and his Christian Critic. (1995) * It is clear that Witzel himself has a political agenda: note his resentment of the “present Indian (right wing) denouncement of the ‘eminent historians’ of Delhi” (§9) – some of these “eminent historians” actively collaborated with Witzel and Farmer in their recent media-blitz in the Indian press. The reader is invited to go carefully through Arun SHOURIE’s book “Eminent Historians” (1998), which is being referred to here, and see the kind of political scholarship to whose defense Witzel has no compunctions in rushing! **S. Talageri. Michael Witzel – An Examination of his Review of my Book (2001) *As for Shourie, Mukhia is hardly revealing a secret with his information that Shourie “does journalism for a living”. The greatest investigative journalist in India by far, he has indeed unearthed some dirty secrets of Congressite, casteist and Communist politicians. His revelations about the corrupt financial dealings between the Marxist historians and the government-sponsored academic institutions are in that same category: fearless and factual investigative journalism. Shourie has a Ph.D. degree in Economics from Syracuse University in U.S.A., which should attest to a capacity for scholarship, even if not strictly in the historical field. When he criticizes the gross distortions of history by Mukhia’s school, one could say formally that he transgresses the boundaries of his specialism, but such formalistic exclusives only hide the absence of a substantive refutation. **Elst K. Ayodhya: The Case Against the Temple, chapter 4 * When Shourie's articles first appeared, they aroused great emotions and savage attacks. He quoted from the Bible and the Quran extensively on the question of co-existence. Many were shocked.... Shourie has called his book, Religion in Politics; someday he should bring out another book, Politics in Religion....The first book discusses politics complicated by religions factors; the second would discuss religions which are essentially political... **Ram Swarup, Hinduism and monotheistic religions (2009) == External links == {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:Shourie, Arun}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতিবিদ]] [[Category:Hindu nationalists]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতান্ত্রিক বিরোধী]] [[Category:Investigative journalists]] 80ujlk6pk5bdk4rbtt7u0vy1q2pw2lk 78884 78883 2026-04-20T10:45:16Z ARI 356 /* 2000s */ 78884 wikitext text/x-wiki [[File:Arun Shourie addressing the Plenary Session on "Diaspora Youth and India - Blueprint for Engagement" at the 2nd Pravasi Bharatiya Divas in 2004.jpg|thumb| আমি বেশ অবাক হয়েছিলাম এবং অরুণ শৌরিকে ভারতের গর্বাচেভ নাম দিয়েছিলাম। তিনি পচা স্লোগানের আবর্জনায় ভরা একটি ঘরে জানালাগুলো খুলে দিয়েছিলেন এবং এক ঝলক টাটকা বাতাস আসতে দিয়েছিলেন। ~ সীতারাম গোয়েল]] [[File:Animal artists at the Jardin des Plantes.jpg|thumb|তারা বর্তমান ভারত এবং বিশেষ করে [[হিন্দুধর্ম]]কে একটি চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছে—বিভিন্ন রকমের অসম প্রজাতির স্তূপ। তাদের মতে ‘[[ভারত]]’ বলে কিছু নেই, এটি কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ, কেবল [[যুক্তরাজ্য]]ের তৈরি একটি ধারণা; হিন্দুধর্ম বলে কিছু নেই, এটি কেবল আরবদের ব্যবহৃত একটি শব্দ যা তারা এখানে এসে বিভিন্ন ধরনের মানুষের দেখা পাওয়ার পর ব্যবহার করেছিল, এটি কেবল অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য সাম্প্রদায়িকদের একটি উদ্ভাবন, এটিই ছিল তাদের অবস্থান।]] [[File:Dalailama1 20121014 4639.jpg|thumb|আমাদের উচিত দালাই লামার উদাহরণটি সামনে রাখা। তিনি ধ্যানের ওপর একটি তিব্বতি গ্রন্থের ওপর বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি একটি বাক্য পড়লেন, হাসলেন এবং মন্তব্য করলেন, ‘সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বগুলো লজ্জাজনক! এগুলো ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত!’ তিনি পরামর্শ দেন যে আমাদের কাছে সবসময় একটি ঝুড়ি রাখা উচিত—যা কিছু আমাদের বর্তমান জ্ঞানের সাথে মেলে না, সেগুলো সেই ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া উচিত। ‘[[বৌদ্ধধর্ম]]কে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে,’ তিনি এটাই শেখান। সেই অনুযায়ী তিনি বৌদ্ধ গ্রন্থগুলোকে সূক্ষ্ম পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করেছেন। (...) এটি নিজের ঐতিহ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসকেই তুলে ধরে। এটিই হলো ঐতিহ্যের প্রকৃত সেবা। এতে থাকা ‘অমূল্য রত্ন’ [[ভবিষ্যৎ]]ের জন্য রক্ষা করার উপায় এটিই।]] [[File:Censorship in cinema.jpg|thumb|এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?]] [[File:Parental Advisory label.svg|thumb|এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি—যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?]] [[File:Censorship.svg|thumb|এই বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।]] [[File:Murales Rivera - Treppenhaus 9 Bücherverbrennung.jpg|thumb|আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে... তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা...<br> দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br> তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন।]] [[File:Eustache Le Sueur - The Preaching of St Paul at Ephesus - WGA12613.jpg|thumb|সবচেয়ে বড় অংশগুলো বাদ দিতে বলা হয়েছে ‘আওরঙ্গজেবের ধর্মীয় নীতি’ সংক্রান্ত অধ্যায় থেকে। তিনি হিন্দুদের সাথে প্রকৃতপক্ষে কী করেছিলেন, তাদের মন্দিরের কী করেছিলেন, তার শাসনের মূল উদ্দেশ্যইসলামের প্রভাব বিস্তার এই সংক্রান্ত প্রতিটি ইঙ্গিত বই থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে... '''সবকিছু ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।'''<br/>'''বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের জন্য বস্তুনিষ্ঠ ধামাচাপা। আর আজ যদি কেউ এই পাঠ্যবইগুলোতে সত্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে, তবে চিৎকার ওঠে, ‘ইতিহাসের সাম্প্রদায়িক পুনর্লিখন’।''']] [[File:Porträtgalerie des steiermärkischen Adels 043.jpg|thumb|একবার যখন তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিলেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিলেন, তখন তারাই ঠিক করতে শুরু করলেন কী পড়ানো হবে, কোন বইগুলো পাঠ্য হবে, কী প্রশ্ন করা হবে আর কোন উত্তরগুলো গ্রহণযোগ্য হবে। এভাবেই এই ঐতিহাসিকরা আসলে ইতিহাস কী ছিল তা নির্ধারণ করতে শুরু করলেন! ... এভাবেই তারা তথ্য গোপন করেন, কিছু তথ্য বানিয়ে বলেন, এমনকি কোনো লেখক একটি বিষয়ে কী বলেছেন তা ধামাচাপা দিয়ে অন্য বিষয়ে তার বলা কথাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রচার করেন। আর যখনই কেউ আসলে কী ঘটেছিল তা তুলে ধরার চেষ্টা করে, তখনই তারা সমস্বরে চিৎকার শুরু করেন: ইতিহাস নতুন করে লেখার ষড়যন্ত্র চলছে, তারা চিৎকার করেন; ইতিহাস বিকৃত করার চক্রান্ত হচ্ছে, তারা চিৎকার করেন। '''কিন্তু তারাই প্রথম থেকে ইতিহাস বিকৃত করে আসছেন সত্য গোপন করে এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে।''']] [[File:Censored stamp.jpg|thumb|আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?]] [[File:Soviet Communism Threatens Education - NARA - 5730072.jpg|thumb|পরিস্থিতি এখন এইরকম: ভারতের জনপরিসরে যারা গত অর্ধ শতাব্দী ধরে আধিপত্য বিস্তার করেছেন, নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং অন্যদের আতঙ্কিত করে রেখেছেন, তাদের হাতে এখন কোনো তথ্য বা যুক্তি অবশিষ্ট নেই। যে কেউ তাদের অভ্যন্তরীণ আলোচনাগুলো পর্যবেক্ষণ করলেই এর প্রমাণ পাবেন—তারা এখন ক্রমশ ছোট হয়ে আসা গণ্ডির মধ্যে কথা বলছেন এবং সেই ছোট গণ্ডিতেই পুরনো কিছু বুলি পুনরাবৃত্তি করছেন। সেখানে নতুন কোনো চিন্তাভাবনা বা নতুন কোনো তথ্য নেই। আর আমরা যেমনটা দেখেছি, এটি আগে থেকেই ধারণা করা যায়: তাত্ত্বিক বুলিগুলোর পুনরাবৃত্তি করাই তাদের জন্য কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং যথেষ্ট।]] [[File:Shri Arun Shourie, Member of Parliament presented his book titled “Falling Over Backward” to the Vice President, Shri Bhairon Singh Shekhawat, in New Delhi on June 3, 2006.jpg|thumb|এর ফলাফল প্রত্যাশিত হলেও তা অন্যায় এবং হাস্যকর: যদি রাম শরণ একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, তবে রাষ্ট্র এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় অনেক কিছু নির্ধারণ করে দিতে পারে যা তাকে করতে হবে; কিন্তু যদি মুহাম্মদ আসলাম রাস্তার ওপারে ঠিক একই রকম একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, যেখানে ঠিক একই বিষয় পড়ানো হয় এবং একই পাঠ্যবই ব্যবহার করা হয়, তবে রাষ্ট্র বা বিশ্ববিদ্যালয় কেউই এর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না!]] '''অরুণ শৌরি''' (জন্ম ২ নভেম্বর ১৯৪১) ভারতের একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক এবং রাজনীতিবিদ। == উক্তি == === ১৯৭০-এর দশক === ==== ''সিম্পটমস অফ ফ্যাসিজম'' (১৯৭৮) ==== * জরুরি অবস্থার অপরাধীদের বিষয়ে আজ আমরা যা দেখছি তা আইনের শাসন নয়, বরং তার ধ্বংস। আমরা দেখছি কীভাবে বুর্জোয়া আইনের শাসন ধ্বংস করা হচ্ছে। এই শ্রেণির লোকেরাই নিজেদের স্বার্থে এটি ধ্বংস করছে এবং বুর্জোয়া সমাজ এই অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনার মতো প্রয়োজনীয় দৃঢ়তা দেখাতে পারছে না। আজ আমাদের বিচার ব্যবস্থার দুটি বৈশিষ্ট্য সবার সামনে পরিষ্কার হয়ে গেছে। প্রথমত, অপরাধীরা যদি প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাশালীদের সাথে যুক্ত হয়, তবে এই ব্যবস্থা তাদের ধরতে পারে না। দ্বিতীয়ত, জনগণ এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে করা তাদের প্রধান অপরাধগুলোর জন্য এটি তাদের ধরতে পারে না। * এরপর আছেন আমাদের লক্ষ্যহীন বামপন্থীরা, যারা একে অপরকে গালিগালাজ করতে ব্যস্ত। আর সবশেষে আছেন উদারপন্থীরা, যারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজাতে ব্যস্ত, বরং তারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজানো নিয়ে সেমিনার করতে ব্যস্ত। * আসন্ন ফ্যাসিবাদের প্রবল আঘাত থেকে আমাদের বাঁচাতে এই লোকগুলোর ওপর ভরসা করা মানে হলো একটি মাইনফিল্ড পার হওয়ার জন্য বুড়ো মহিষের ওপর নির্ভর করা। === ১৯৮০-র দশক === ==== ''রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স'' (১৯৮৯) ==== * এভাবে নীরবতা সংস্কারের গতি কমিয়ে দেয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি বহু সংখ্যক মানুষ এই নেতাদের সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে লেখালিখি এবং আলোচনা করতেন, তবে এই সম্প্রদায়ের ভেতরে থাকা সংস্কারকরা আজকের মতো এতটা বিচ্ছিন্ন এবং কোণঠাসা হতেন না। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, পুরো সত্য না বলাটা একটা অভ্যাসে পরিণত হয়। নিজের বিশ্বাস লুকিয়ে রাখা, তথ্যপ্রমাণ এড়িয়ে যাওয়া এবং প্রতারণা করা যেন আমাদের জনপরিসরের আলোচনার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। * তবুও আমি এই সংখ্যাগরিষ্ঠ রায়ে এক মারাত্মক সারল্য খুঁজে পাই... এই রায়ে ঋগ্বেদ, যজুর্বেদ এবং অথর্ববেদ থেকে সেই ঘোষণাগুলো উদ্ধৃত করা হয়েছে, যেখানে সব মানুষ এক, সবাই একই ধরিত্রীর সন্তান এবং আমাদের সবার বন্ধু হওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সেখানে এটি উল্লেখ করা হয়নি যে, আদালতের ভবন থেকে এক মাইলেরও কম দূরত্বে ফতোয়ার অসংখ্য বই বিক্রি এবং বিতরণ করা হচ্ছে, যেখানে মুসলিমদের উৎসাহিত করা হচ্ছে যেন তারা কখনোই কাফিরদের বিশ্বাস না করে এবং তাদের ওপর ভরসা না রাখে; সেখানে তাদের বলা হচ্ছে যে, তাদের প্রথম কাজ এবং আনুগত্য হবে তাদের ধর্মের প্রতি, কোনো সাধারণ আইনের প্রতি নয়... ঈশ্বর আর আল্লাহ যে এক, এটা [[মহাত্মা গান্ধী]]কে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। মন্দির আর মসজিদ, পুরাণ আর কুরআন যে এক, এটা [[গুরু গোবিন্দ সিং]]কে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। যাদের এটা বোঝানো প্রয়োজন, যেমন উলেমা বা শাহী ইমাম—তারা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন যে এগুলো এক নয়। ** অরুণ শৌরি: ইন্ডিয়া., এবং দাশগুপ্ত, এস. (১৯৯৫)। দি অযোধ্যা রেফারেন্স: দি সুপ্রিম কোর্ট জাজমেন্ট অ্যান্ড কমেন্টারিস। পৃষ্ঠা ১৭১-৩ * "বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টিই ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।" ** রাম স্বরূপের আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইসলাম থ্রু হাদিস বইটি নিষিদ্ধ করার বিষয়ে। কোয়েনরাড এলস্টর অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি, ১৯৯১, অধ্যায় ১২। * তারা ভয় দেখানোর ওপর নির্ভর করে। ঠিক এই ধরনের কৌশলেই জনাব স্বরূপের আগের একটি বই আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইসলাম থ্রু হাদিস বাজার থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল... ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর, একই ধরনের হুমকির মুখে দিল্লি প্রশাসন ঘোষণা করে যে, আগে তারা দুইবার যা বলেছিল তার উল্টো করে বইটি কেবল আপত্তিকরই নয়, বরং এটি ইচ্ছাকৃতভাবে এবং বিদ্বেষমূলকভাবে লেখা হয়েছে!....<br/>আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই শাহাবুদ্দিনদের মতো জায়গা থেকে মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে, তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা....<br/>দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br/>তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন। ** অরুণ শৌরি: "হাউ শুড উই রেসপন্ড?", সীতারাম গোয়েল সম্পাদিত ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসি (১৯৯৮) বইতেও রয়েছে। * পঞ্চাশ বছর ধরে এই দলটি তথ্য গোপন করছে এবং মিথ্যা উদ্ভাবন করছে। আইসিএইচআর-এর সেই উদ্দেশ্য—আমাদের অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ এবং যৌক্তিক গবেষণার প্রসার ঘটানো সেটি নিয়ে তারা কতই না চিন্তিত! তাদের এই চিন্তাভাবনা কীভাবে ১৯৮৯ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া নির্দেশিকার সাথে মেলে... যেখানে বলা হয়েছিল, "মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না"? অথচ বৌদ্ধ বিহার ধ্বংস নিয়ে তাদের পাইকারি মিথ্যাচার এবং অস্তিত্বহীন "আর্য আক্রমণ" নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা মানেই হলো সাম্প্রদায়িক বা উগ্র জাতীয়তাবাদী হওয়া! এই "ঐতিহাসিকদের" প্রধান অপরাধ হলো এটিই। কিন্তু এরা কেবল একপাক্ষিক "ঐতিহাসিক" নন। তারা চরম পর্যায়ের স্বজনপ্রীতি করেন... তারা এমন লোক যারা সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে একে অপরকে অনেকভাবে সাহায্য করেছেন... এই "ঐতিহাসিকরা" কেবল পক্ষপাতদুষ্ট বা স্বজনপ্রীতিই করেন না, বরং তারা একে অপরকে সাহায্য করার জন্য রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ব্যবহার করেছেন... এর ফলে, এই লোকগুলোর বই এবং প্রচারপত্র সব আঞ্চলিক ভাষায় পাওয়া যায়, কিন্তু লোকমান্য তিলকের কাজগুলো মারাঠি ছাড়া অন্য ভাষায় পাওয়াই যায় না! ** ফেব্রিক্যাশনস অন দ্য ওয়ে টু দ্য ফিউনারেল। প্রকাশনা: ইন্ডিয়া কানেক্ট। লেখক: অরুণ শৌরি। তারিখ: ২৬ জুন, ১৯৯৮। [http://voiceofdharma.org/indology/eminenthistorians1.html] [https://www.dharmadispatch.in/commentary/de-secularizing-indian-history-why-the-ugc-deserves-our-kudos] * সব তথ্যই... পঞ্চাশ বছর আগে সবার জানা ছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধের সেই প্রজন্মের বিদায়ের সাথে সাথে এবং রেকর্ডগুলো যাচাই করার অভ্যাস পুরোপুরি ত্যাগ করার ফলে, বিশেষ করে জাতিভিত্তিক রাজনীতির উত্থানে সেগুলো জনস্মৃতি থেকে মুছে ফেলা হয়েছে। আর এই মুছে ফেলার ফলাফল যা হওয়ার ছিল তাই হয়েছে: এক ধরনের মানসিক বৈকল্য। শুরুতে যারা আম্বেদকরের নামে রাজনীতি করে এবং তাদের সমর্থকরা স্বাধীনতা সংগ্রামকে খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করেছে: তারা দাবি করে যে এই স্বাধীনতা "প্রকৃত" নয়। ঠিক সেই দলটির মতোই যারা ১৯৪২ সালের সেই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্রিটিশদের সাথে হাত মিলিয়েছিল—কমিউনিস্টরা। প্রকৃতপক্ষে... আম্বেদকরের আচরণকে সঠিক প্রমাণ করতে তার অনুসারীরা দাবি করেন যে ব্রিটিশ শাসনই ভালো ছিল... কিন্তু সত্য আলমারিতে লুকিয়ে থাকে। পাছে সত্য বেরিয়ে এসে তাদের রাজনীতির সেই আদর্শকে কলঙ্কিত করে, পাছে তাদের রাজনীতি আসল রূপে ধরা পড়ে যায়—যা মূলত বঞ্চিতদের নামে স্বার্থসিদ্ধি ছাড়া আর কিছুই নয়—আম্বেদকরের এই অনুসারীরা মৌখিক সন্ত্রাসবাদ এবং সরাসরি আক্রমণের মাধ্যমে তাদের এই বিশেষ ইতিহাসের ধারা বজায় রাখতে চায়। ** অরুণ শৌরি, *ওরশিপিং ফলস গডস*, ১৯৯৭, হার্পার কলিন্স। ==== ''ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস: এসেস অন রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স'' (১৯৯৩) ==== :শৌরি, এ. (২০০৬)। ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস: এসেস অন রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স। নয়া দিল্লি: রূপা অ্যান্ড কোং। * প্রত্নতাত্ত্বিক নতুন আবিষ্কারগুলোর ওপর যে নীরবতা পালন করা হয়েছে, তা একটি বড় উদাহরণ। .... এক দশকেরও বেশি সময় আগে করা খননকার্য থেকে পাওয়া তথ্যগুলো যখন জনসমক্ষে এল এবং সেখানে আগে সত্যিই একটি মন্দির ছিল সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ রইল না, তখন স্বয়ং প্রত্নতত্ত্বকেই নিন্দা জানানো হলো। বিশ্বের অন্যতম সম্মানিত প্রত্নতাত্ত্বিক—যিনি ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের প্রাক্তন মহাপরিচালক ছিলেন এবং সেই খননকার্যের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন—তাকে কলঙ্কিত করার কাজে পত্রিকাগুলো নেমে পড়ল। ... এর শিক্ষা খুব পরিষ্কার: যদি এমন দ্বিমুখী নীতি চলতে থাকে, তবে আমাদের সম্পাদকীয় লেখকদের ভয়ভীতিপূর্ণ সতর্কবাণী হিন্দুরা এখন যতটা শুনছে, ভবিষ্যতে তার চেয়েও কম গুরুত্ব দেবে। * পরিষ্কারভাবে বলতে গেলে, আমাদের সাংবাদিকরা যাদের 'কট্টরপন্থী' বলেন, তারাই সঠিক প্রমাণিত হয়েছেন। * গত এক দশকে শিখ এবং মুসলিম সাম্প্রদায়িকরা যেভাবে রাষ্ট্রকে সফলভাবে প্রভাবিত করেছে, তাতে সংবাদপত্রের ঘটনা এবং ইস্যুগুলোর বর্ণনায় দ্বিমুখী নীতি, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে প্রতারণা একটি বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। * মধ্যযুগীয় ভারতের প্রতিটি মুসলিম ঐতিহাসিক এমন মন্দিরের তালিকা দিয়েছেন যা তার সমকালীন শাসকরা ধ্বংস করেছিলেন এবং তার বদলে সেখানে মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। (৪২৯) ==== ''হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম (ভলিউম ১)'', ১৯৯৩ ==== * একজন বিখ্যাত মুসলিম পণ্ডিত যিনি ভারতের অন্যতম বড় ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের চতুর্থ রেক্টর ছিলেন, তার লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের ইংরেজি সংস্করণে বাবরী মসজিদসহ কিছু মসজিদের তালিকা ছিল, যা মন্দিরের জায়গায় এবং ভিতের ওপর তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে মন্দিরের পাথর ও কাঠামো ব্যবহারের উল্লেখ ছিল। দেখা গেল, সেই গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! বলা হচ্ছে বইটি এখন পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে;... এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... আমি জানলাম এটি একটি দীর্ঘ বই ছিল, যা শুরু হয়েছিল ভারতের ভূগোল, গাছপালা, পশুপাখি, ভাষা, মানুষ এবং অঞ্চলগুলোর বর্ণনা দিয়ে। বইটি আরবি ভাষায় লেখা হয়েছিল আরবিভাষী মানুষের জন্য। ... একটি অদ্ভুত তথ্য আমার সামনে এল। এই ধরনের প্রকাশনা সম্পর্কে যাদের জ্ঞান থাকার কথা, তাদের অনেকেই হঠাৎ করে এই বইটির কথা মনে করতে দ্বিধা বোধ করছিলেন। আমাকে বলা হয়েছিল যে, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের মতো জায়গাগুলো থেকে বইটির কপি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এমনকি কেউ কেউ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, তিন-চার বছর আগে এই বইটির প্রতিটি কপি ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য একটি সুসংগঠিত প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। .... লেখকের মর্যাদা এবং বইটির গুরুত্ব এত বেশি হওয়া সত্ত্বেও মৌলবাদীদের কাছে এটি কেন প্রিয় নয়? এর উত্তর লুকিয়ে আছে “হিন্দুস্তান কি মাসজিদেঁ” অর্থাৎ “হিন্দুস্তানের মসজিদসমূহ” নামক অধ্যায়টিতে। ... এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি, যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন—যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?... ** রাজনৈতিক কারণে লাইব্রেরি থেকে বই সরিয়ে ফেলার বিষয়ে। অরুণ শৌরি: হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯)। উদ্ধৃত: সীতারাম গোয়েল (সম্পাদক) (১৯৯৩)। হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম। ভলিউম ১। * সেগুলোর প্রকৃত গুরুত্ব এবং আমি বলতে পারি মসজিদ-মন্দির বিতর্কের ক্ষেত্রে এগুলো সবচেয়ে ছোট এবং সাধারণ উদাহরণ মাত্র লুকিয়ে আছে সত্য এড়িয়ে চলা এবং গোপন করার মধ্যে। আমার কাছে নির্ভরযোগ্য তথ্য আছে যে, এই অংশগুলো অনেক আগে থেকেই পরিচিত এবং যারা বাবরী মসজিদ ইস্যু নিয়ে কাজ করছেন তারা এটি ভালো করেই জানেন। এটিই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়; তারা এগুলো জানতেন এবং তাদের ইচ্ছা ছিল সত্য জানার বদলে সত্যকে গোপন করে মাটিচাপা দেওয়া.... মাওলানা আবদুল হাইয়ের অনুচ্ছেদগুলোর পরিণতি এবং আমি জানি না যে উর্দু সংস্করণটিও মূল আরবি সংস্করণের একটি সুবিধাজনক কাটছাঁট করা রূপ কি না আমাদের দেখায় যে, যারা নিজেদের রাজনীতির জন্য ধর্মের আবেগ উসকে দেয় তারা কতটা স্বার্থপরভাবে কাজ করে। '''যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য—মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?''' ** রাজনৈতিক কারণে লাইব্রেরি থেকে বই সরিয়ে ফেলার বিষয়ে। অরুণ শৌরি: হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯)। উদ্ধৃত: সীতারাম গোয়েল (সম্পাদক) (১৯৯৩)। হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম। ভলিউম ১। ==== ''আ সেকুলার এজেন্ডা'', ১৯৯৩ ==== * পাঠ্যটি পড়লে পাঠক লক্ষ্য করবেন যে ভারতের জনপরিসরের আলোচনায় যেসব বুলি ব্যবহার করা হয় এবং ফলস্বরূপ অনেকে যা বিশ্বাস করে নিয়েছেন, তা তথ্যের চেয়ে কতটা আলাদা.... (১০) * একটু চিন্তা করলেই দেখা যাবে যে ভারতের বিষয়টি আমরা যে উদাহরণগুলো আলোচনা করেছি তার মতো নয়। কারণ সেই উদাহরণগুলো একদম সাম্প্রতিক সময়ের—সেই জাতিগুলো "কল্পিত" ছিল, সেই ঐতিহ্যগুলো মাত্র ১০০ বা ১৫০ বছর আগে "উদ্ভাবিত" হয়েছিল। এর বিপরীতে ভারতকে হাজার হাজার বছর ধরে এক হিসেবে দেখা হয়েছে এবং এর মানুষের জীবনযাপনের ধরনও সাধারণ। এর ইতিহাস কেবল পুরনোই নয়.... এটি একটি ধারাবাহিক ইতিহাস। (৯) * জবরদস্তি করে ভুলে যাওয়া নয়, বরং এক আপসহীন স্মৃতিই একটি জাতি গঠন করবে। * প্রতিটি বাক্যই একটি মিথ্যা। ... আপনি কি কখনো বিবিসিকে নওয়াজ শরিফকে "মৌলবাদী" বা "ধর্মান্ধ" বলতে শুনেছেন? কিন্তু আডবাণী যদি "মুসলিমদের" জায়গায় "হিন্দু" বসিয়ে একই ধরনের বক্তব্য দিতেন, তবে তারা তাকে কী বলত? ==== ''মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া'', ১৯৯৪ ==== * '''আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?''' * '''কিন্তু আমাদের জনপরিসর এবং শিক্ষা থেকে এই ধরনের তথ্যগুলো প্রায় পুরোপুরি মুছে ফেলার একটি আরও শক্তিশালী কারণ আছে। আর সেটি হলো গত ৪৫ বছর ধরে আমরা যে ধরনের “ধর্মনিরপেক্ষতা” চর্চা করেছি: এমন এক “ধর্মনিরপেক্ষতা” যেখানে দ্বিমুখী নীতিই ছিল নিয়ম, যেখানে আমাদের জাতীয় পরিচয়কে ঢেকে রাখা আবর্জনা দূর করতে পারে এমন সবকিছুই অত্যন্ত ঘৃণ্য হয়ে উঠেছে।''' * ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অফ ইন্ডিয়া (সিবিসিআই) হলো ভারতের বিভিন্ন ক্যাথলিক গির্জার কাজ সমন্বয় করার এবং অন্য ধর্মের সাথে সংলাপ করার জন্য সর্বোচ্চ সংস্থা। ... ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করতে... সিবিসিআই ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতে একটি সভার আয়োজন করেছিল.... এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশ ছিল: এটি পঞ্চাশ বছরে মাত্র দ্বিতীয়বার এবং পঁচিশ বছরে প্রথমবার ছিল যেখানে এমন একটি ব্যাপক পর্যালোচনা করা হচ্ছিল... আয়োজকরা অত্যন্ত সদয় হয়ে আমাকে ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিদের কাজের ওপর হিন্দুদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে বলেছিলেন। * আর এই ধরনের মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করেই উপজাতিদের হিন্দু সমাজ থেকে আলাদা করা হয়েছিল। অ্যানিমিজম বা প্রকৃতিপূজার যে বর্ণনাগুলো দেওয়া হয়েছিল সেগুলো পড়লেই বোঝা যায় যে, তারা আসলে বিভিন্ন ধরনের হিন্দুদের কথাই বর্ণনা করছিল। ;'''বইটি সম্পর্কে উক্তি''' * আয়োজকরা অরুণ শৌরিকে ভারতে মিশনারিদের কাজের ওপর হিন্দুদের মূল্যায়ন তুলে ধরার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। অরুণ শৌরি ৫ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে আর্চবিশপ, বিশপ এবং অন্যদের সামনে ভাষণ দেন। ... আয়োজকরা অরুণ শৌরিকে তার বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে একটি প্রবন্ধ লিখতে অনুরোধ করেন.... বিতর্ক বাড়তে থাকায়... [তারা] অরুণ শৌরির সাথে একটি প্রকাশ্য মঞ্চে মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া নিয়ে আলোচনা করার জন্য বেশ কয়েকজন প্রবীণ গির্জা কর্মকর্তাকে আমন্ত্রণ জানান। ** মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া বইটি সম্পর্কে ** শৌরি, অরুণ। অরুণ শৌরি অ্যান্ড হিজ খ্রিস্টান ক্রিটিক। (১৯৯৫) * সংলাপের তৃতীয় উদ্দেশ্য সফল করার জন্য একটি আলোচনা কেবল ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতেই সম্ভব হয়েছিল, যখন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও পণ্ডিত অরুণ শৌরিকে ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অফ ইন্ডিয়া (সিবিসিআই) ভারতে মিশনারিদের কাজের “হিন্দু মূল্যায়ন” উপস্থাপনের জন্য আমন্ত্রণ জানায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এই “সংলাপের” আয়োজকদের জন্য বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং হিতে বিপরীত হয়। এরপর থেকেই ভারতের বিশাল খ্রিস্টান প্রতিষ্ঠান অরুণ শৌরির দেওয়া আঘাত সহ্য করছে। তিনি যে শোরগোল তুলেছিলেন তা কেবল ১৯৫৩ সালে কে. এম. পানিক্করের এশিয়া অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন ডমিন্যান্স প্রকাশের পর হওয়া শোরগোলের সাথে তুলনা করা যায়। মিশনারি বিজ্ঞান খ্রিস্টান দাবিগুলোর ক্ষতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য তাদের সব যুক্তি ও কৌশল প্রয়োগ করছে...<br>সিবিসিআই তাদের প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করছিল এবং পুনের ইশভানি কেন্দ্রে একটি সেমিনারের আয়োজন করেছিল। ৫ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে অরুণ শৌরি যখন তার বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখন ভারতের প্রায় সব বড় ক্যাথলিক নেতা সেখানে উপস্থিত ছিলেন...<br>প্রবন্ধটি বিস্তারিতভাবে লেখার পর তা একটি বইয়ের আকার নেয়। অরুণ শৌরি ১৯৯৪ সালের মে মাসের শুরুতে মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া: কন্টিনিউইটিস, চেঞ্জেস, ডিলেমাস নামে এটি প্রকাশ করেন। ... ইতিমধ্যে অরুণ শৌরি এই বিষয়ে তার নিয়মিত কলামে বেশ কিছু নিবন্ধ লিখেছিলেন যা দেশের বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশিত অনেকগুলো পত্রিকায় বের হয়। এই নিবন্ধগুলো পুনের মহারাষ্ট্র হেরাল্ডে একটি প্রাণবন্ত আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। ** সীতারাম গোয়েল, হিস্ট্রি অফ হিন্দু খ্রিস্টান এনকাউন্টারস * স্বাধীনতার পর ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিদের দাপট নেহরুবাদী প্রশাসনের সমর্থনে ক্রমাগত বেড়েই চলেছিল, যেখানে মিশনারি-ম্যাকলে ধাঁচের শিক্ষায় বেড়ে ওঠা একদল আত্মবিস্মৃত হিন্দু ছিল। এই ধারায় একমাত্র ছেদ ছিল ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত কে. এম. পানিক্করের এশিয়া অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন ডমিন্যান্স, ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত মধ্যপ্রদেশ খ্রিস্টান মিশনারি অ্যাক্টিভিটিস কমিটির রিপোর্ট, ১৯৭৮ সালে লোকসভায় ওম প্রকাশ ত্যাগীর আনা ধর্মীয় স্বাধীনতার বিল, ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত অরুণ শৌরির মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া এবং ২০ ডিসেম্বর ১৯৯৬ সালে মঙ্গল প্রভাত লোধা কর্তৃক মহারাষ্ট্র বিধানসভায় আনা মহারাষ্ট্র রিলিজিয়াস ফ্রিডম বিল। ** সীতারাম গোয়েল, ভিন্ডিকেটেড বাই টাইম: দ্য নিয়োগী কমিটি রিপোর্ট (১৯৯৮) ==== ''দ্য ওয়ার্ল্ড অফ ফতোয়াস (অর দ্য শরিয়া ইন অ্যাকশন)'', ১৯৯৫ ==== * আমাদের শহরের মুসলিম এলাকার বইয়ের দোকানগুলোতে—উদাহরণস্বরূপ দিল্লির জামে মসজিদের চারপাশের দোকানগুলোতে—ফতোয়ার সংকলনগুলো তাকের পর তাক জুড়ে থাকে। পবিত্র সাহিত্যের প্রতি মানুষ যেমন যত্নশীল হয়, এগুলোও তেমনি যত্নের সাথে সাজানো থাকে। পৃষ্ঠাগুলোর বিন্যাস খুব সুন্দর। ক্যালিগ্রাফিগুলো প্রায়ই শিল্পের পর্যায়ের। ভলিউমগুলো চমৎকারভাবে বাঁধাই করা—প্রায়ই কভারের ওপর সোনালি এমবসিং থাকে। * '''এক কথায়, ফতোয়া হলো শরিয়তের প্রয়োগ।''' * এই সব কারণে যে কেউ ফতোয়ার ওপর প্রচুর গবেষণার আশা করবে। কিন্তু তাহলে আমাদের বুদ্ধিজীবীদের কথা ভুলে যেতে হবে। এটি আরও একটি প্রমাণ যে আমাদের বুদ্ধিজীবীরা আমাদের দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন; ইংরেজি বা উর্দুতে ফতোয়ার ওপর কোনো গবেষণাই প্রায় নেই। * প্রথমত, আমাদের পণ্ডিতরা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের জন্য সময় দেননি ঠিক সেই কারণে যার জন্য তারা আমাদের দেশের অস্তিত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অন্য বিষয়গুলোতেও সময় দেননি। ভারতে বুদ্ধিবৃত্তিক কাজের বেশিরভাগই হলো পশ্চিমে যা করা হচ্ছে তার পাদটীকা লেখা—অন্যদের চেয়ে মার্ক্সবাদী বুদ্ধিজীবীদের ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি সত্যি। আর যখন আমাদের বুদ্ধিজীবীরা এই পাদটীকা লিখতে ব্যস্ত থাকেন না, তারা পশ্চিমা মহলে জনপ্রিয় ফ্যাশন অনুসরণ করতে ব্যস্ত থাকেন এবং পশ্চিমে জনপ্রিয় হওয়া কোনো ধারণা বা ‘থিসিস’ ভারতীয় তথ্যের ওপর ‘প্রয়োগ’ করতে ব্যস্ত থাকেন। এক কথায়, আমাদের পাণ্ডিত্যপূর্ণ কাজগুলো অনুকরণধর্মী। তাই ভারতে ফতোয়া নিয়ে কোনো বড় গবেষণা না হওয়ার প্রথম কারণ হলো যে এগুলো এখনো পশ্চিমের নজর কাড়েনি। * “আমাদের উচিত, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের উচিত মুসলিম সমাজের অবস্থা সম্পর্কে পুরো সত্য বলা—উদাহরণস্বরূপ সেখানকার নারীদের দুর্দশা নিয়ে। এবং এর মূল উৎস—বই, আইন এবং চিন্তাধারার মধ্যে সেটি খুঁজতে দ্বিধা না করা। আমাদের উলেমা [মুসলিম ধর্মীয় নেতা] এবং কট্টরপন্থী রাজনীতিবিদদের সামাজিক কর্মকাণ্ডের দলিল তৈরি করা উচিত।... উলেমা এবং অন্যরা ধর্মীয় ইস্যুতে যা বলছেন এবং যা ফতোয়া দিচ্ছেন তা নথিবদ্ধ করা উচিত।... আমাদের, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের প্রতিটি বিষয়ে দৃঢ়ভাবে ধর্মনিরপেক্ষ অবস্থান নিতে হবে—কট্টরপন্থীদের মোকাবিলা করার এটিই একমাত্র পথ, এটিই সম্প্রদায়ের কাছে বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি পৌঁছে দেওয়ার সবচেয়ে নিশ্চিত উপায়।... ফতোয়া এবং অন্যান্য বিষয় যা একজন ব্যক্তির নাগরিক অধিকার খর্ব করে তা স্পষ্টতই আইনের অপরাধমূলক লঙ্ঘন; আমাদের উচিত সেগুলোকে সেভাবেই তুলে ধরা; এবং অন্যদের সাথে মিলে দাবি করা যে কেউ যদি ফতোয়া ব্যবহার করে অন্যের অধিকার মাড়িয়ে দিতে চায় তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। একইভাবে, আমাদের সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদরা এই প্রতিক্রিয়াশীল উপাদানগুলোকে খুশি করার জন্য এবং শেষ পর্যন্ত তাদের হাত শক্তিশালী করার জন্য যে ছাড় দেয়, তা আমাদের উন্মোচিত করতে হবে এবং ব্যর্থ করার জন্য কাজ করতে হবে।... কিন্তু উলেমা এবং তাদের নেটওয়ার্কের মোকাবিলা করাই যথেষ্ট নয়। আমরা যেমনটা দেখেছি, তারা যা প্রচার করে এবং কার্যকর করে তা কুরআন এবং হাদিসেই বলা আছে। তাই এই জাল কাটতে হলে উদারপন্থীদের এবং বিশেষ করে উদারপন্থী মুসলিমদের ইসলামের হাজার বছরের দাবিগুলো পরীক্ষা করে দেখতে হবে: এই দাবি যে কেবল একটিই সত্য আছে, তা কেবল একজন মানুষের কাছেই প্রকাশিত হয়েছে, তা কেবল একটি বইতেই আছে, সেই বইটি বোঝা খুব কঠিন, কেবল কয়েকজন নির্বাচিত মানুষই এর অন্তর্নিহিত অর্থ জানে এবং তাই তাদের কথা মেনে চলা সবার কর্তব্য। এক কথায়, মূল পাঠ্যগুলোকেই পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।” (উদ্ধৃত: বোস্টম, এ. জি. (২০১৫)। শরিয়া ভার্সেস ফ্রিডম: দ্য লেগাসি অফ ইসলামিক টোটালিটারিয়ানিজম।) * ফতোয়ার বইগুলোতে আরও একটি অদ্ভুত বিষয়ের ওপর পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা বরাদ্দ করা হয়েছে—তা হলো, কোনো বিশ্বাসী যদি পশুর সাথে যৌনমিলন করে তবে তার কী করা উচিত। ‘যে পশুর সাথে মানুষ যৌনমিলন করেছে তার হুকুম কী—পশু এবং সেই মানুষের হুকুম কী?’, প্রশ্নকারী জানতে চান এবং যথাযথ বিবেচনার পর এই বিশাল ‘ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের’ উলেমা একটি ফতোয়া জারি করেন। ফতোয়া দাবি করা অন্য বিষয়গুলোও ঠিক একইভাবে বিস্ময়কর। <br> ‘যে গর্ভবতী ছাগলের সাথে মিলন করা হয়েছে তা কি হালাল না হারাম? সেটি বাচ্চা দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না কি বাচ্চা হওয়ার আগেই মেরে ফেলে পুঁতে ফেলতে হবে?’ ‘জায়েদ একটি ছাগলের সাথে মিলন করেছে। এর আইন কী? আমরা কি এর মাংস খেতে পারি বা দুধ পান করতে পারি? আর যে মিলন করেছে তার জন্য আইন কী?’ ‘ছোট শিশু বা ছাগলের সাথে মিলন করার শাস্তি কী?’ ‘জায়েদ একটি হালাল পশু যেমন গরু বা ছাগলের সাথে মিলন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে পশুর কাছে গেল এবং তার যৌনাঙ্গ পশুর যোনিতে প্রবেশ করাল। কিন্তু কোনো বীর্যপাত হলো না। জায়েদ বা অন্য মুসলিমদের কি সেই পশুর মাংস বা দুধ হালাল মনে করা উচিত? এই অপরাধের জন্য কি জায়েদকে কাফফারা দিতে হবে?’ ‘জায়েদ একটি গরুর সাথে মিলন করেছে এবং তারপর সেটি বিক্রি করে দিয়েছে। সেই টাকা কীভাবে খরচ করতে হবে? সেটি কি সাদকা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে? আর জায়েদের শাস্তি কী?’ ‘যে ঘোড়ীর সাথে মিলন করেছে তার শাস্তি কী? সেই ঘোড়ীটির সাথে কী করা উচিত?’ এই প্রতিটি বিষয়ে একটি করে ফতোয়া আছে। <br> আর উত্তরগুলো সবসময় একরকম হয় না, অনেক সময় সুক্ষ্ম পার্থক্যের ওপর নির্ভর করে। পশুর সাথে মিলন করা বিশ্বাসীর জন্য কেবল তওবা করাই যথেষ্ট বলে মনে করেন এই পণ্ডিতরা, তবে সাধারণত পশুটিকে মেরে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। অর্থাৎ সাধারণ ক্ষেত্রে এর মাংস খাওয়া উচিত নয়। তবে একটি উদাহরণ ধরা যাক, দেওবন্দের দারুল উলুমের উলেমা রায় দিয়েছেন যে, ‘যদি (পশুর ভেতরে) বীর্যপাত না হয়, তবে এর মাংস এবং দুধ নিঃসন্দেহে হালাল।’ ‘কিন্তু যদি বীর্যপাত হয়, তবে পশুটিকে মেরে ফেলে এর মাংস পুঁতে ফেলা ভালো। কারো এটি খাওয়া উচিত নয়, যদিও এটি খাওয়া হারাম নয়।’ [...] পরিশেষে, অন্যরা যখন এই ধরনের প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করতে কিছুটা অস্বস্তি বোধ করতে পারেন এবং ‘ধর্মীয়’ বইগুলোতে এগুলোর দেখা পেয়ে অবাক হতে পারেন, উলেমাদের এই বিষয়ে আলোচনা করতে বা আইন দিতে কোনো দ্বিধা নেই। তারা এটিকে তাদের একটি কাজ বলে মনে করেন। মাওলানা মুফতি আবদুর রহিম কাদরী বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। জানা যায় যে, হযরত শায়খুল ইসলাম মাওলানা মৌলবি নামে একজন মৌলবি দুটি প্রচারপত্র প্রকাশ করে হানাফি ফকিহদের সমালোচনা করেছিলেন কারণ তারা মনে করেন যে পশুর সাথে মিলন করলে রোজা নষ্ট হয় না, এমনকি বীর্যপাত হলেও। তিনি হানাফি আইনের বড় বড় নাম—শামী এবং দুররুল মুখতার—উদ্ধৃত করে বলেছিলেন যে তারা এটিই বলেছেন। তিনি ধর্মীয় বইগুলোতে এই ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য পণ্ডিত উলেমাদের তিরস্কারও করেছিলেন। মৌলবির এই লেখাগুলো মতামতের জন্য মুফতি আবদুর রহিম কাদরীর কাছে পাঠানো হয়েছিল। মুফতির ব্যাখ্যা ফতোয়ায়ে রহিমিয়া-র দশটি মুদ্রিত পৃষ্ঠা জুড়ে আছে। প্রশ্নের মূল উত্তরটি নির্ভর করছে পশুর ভেতরে লিঙ্গ প্রবেশের সময় বীর্যপাত হয়েছে কি না তার ওপর—যদি হয় তবে রোজা বাতিল হয়ে যাবে—নাকি কেবল হাত দিয়ে পশুর যৌনাঙ্গ স্পর্শ বা চুম্বনের ফলে বীর্যপাত হয়েছে—সে ক্ষেত্রে রোজা নষ্ট হবে না। মুফতি এই পার্থক্য বোঝাতে বিভিন্ন উদ্ধৃতি দিয়েছেন এবং দাবি করেছেন যে মৌলবি হানাফি ফকিহদের রায়ের ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন। * এরপরে আসে উর্দু সংবাদমাধ্যম। এটি উলেমাদের অন্যতম শক্তিশালী সহযোগী এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের অস্ত্র হিসেবে কাজ করেছে, যেমনটা আমরা ড. জাকির হোসেন এবং মাওলানা আজাদের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানের সময় দেখেছি। ১৯৯২ সালে দিল্লির জামিয়া মিলিয়ার প্রো-ভিসি মুশিরুল হাসান এবং পাটনার খুদা বখশ লাইব্রেরির পরিচালক আবিদ রেজা বেদারের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানেও আমরা একই ভূমিকা দেখেছি। উচ্চকণ্ঠ, ব্যাপক বিকৃতি, অভিযোগের প্রতিধ্বনি তৈরি করা, চরম নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করা এবং তারপর সবকিছুকে ইসলামের ওপর আক্রমণ হিসেবে তুলে ধরা—এগুলোই এর বৈশিষ্ট্য। আর শেষ পর্যন্ত এগুলো সেই বিশ্বদর্শনকেই শক্তিশালী করতে ব্যবহৃত হয় যা উলেমা চান যে তাদের সম্প্রদায় বজায় রাখুক। *আর এরপর আছে পৃষ্ঠপোষকতার প্রভাব। সৌদি আরব, ইরান বা ইরাক অথবা অন্য ‘ইসলামি’ উৎস থেকে আসা তহবিল উলেমাদের কাছে বা তাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সংস্থাগুলোর কাছে যায়। এই তহবিল প্রায় কখনোই উদারপন্থীদের কাছে পৌঁছায় না। ভারতের অবস্থা তো আরও খারাপ। যেহেতু উলেমা সম্প্রদায়কে নিয়ন্ত্রণ করে, তাই রাষ্ট্র উলেমা এবং তাদের ভাষায় যারা কথা বলে তাদের সামনেই নতজানু হয়। রাষ্ট্র যত দুর্বল হয়েছে, উলেমা তত সহজে তাদের প্রচারাভিযান চালিয়ে যেতে পেরেছে। আর বিনিময়ে তারা সম্প্রদায়ের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও মজবুত করতে পেরেছে এটি দেখিয়ে যে রাষ্ট্র তাদের সামনে মাথা নত করে—যেমন শাহ বানোর ক্ষেত্রে হয়েছিল; যে রাষ্ট্র তাদের পথে দাঁড়ানোর সাহস পায় না: দেশের আইনি ব্যবস্থার বাইরে সমান্তরাল আদালত—শরিয়ত আদালত তৈরি করার জন্য তাদের বর্তমান অভিযানের দুঃসাহস দেখুন। *উদারপন্থী হিন্দুরা এতটাই লজ্জিত থাকে এবং তারা এই মেকি ধর্মনিরপেক্ষতাকে এতটাই নিজের করে নিয়েছে যে, তারা ধর্মগ্রন্থগুলো—তা ইসলামের হোক, হিন্দুধর্মের হোক বা আমাদের আইন ও সংবিধানের হোক সেগুলো সম্পর্কে কিছুই জানে না। তারা দ্বিমুখী নীতিকে এতটাই মেনে নিয়েছে যে ইসলামি সব বিষয়ে চুপ থাকা এবং মৌলবাদীদের সুর মেলানোকেই তারা ধর্মনিরপেক্ষতার প্রমাণ মনে করে। ইংরেজি সংবাদমাধ্যমের ‘ধর্মনিরপেক্ষরা’ এর একটি তৈরি উদাহরণ। তারা আলী মিঞাকে ‘পরিমিতিবাদী, সর্বজনশ্রদ্ধেয় মুসলিম নেতা’ হিসেবে উল্লেখ করবে তার কোনো লেখা না পড়েই। তারা বিভিন্ন মুফতি ও মৌলবিকে ‘মুসলিম ধর্মতত্ত্ববিদ’ হিসেবে উল্লেখ করবে। অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড বা অল ইন্ডিয়া মিলি কাউন্সিল যা করছে তা থেকে তারা চোখ বন্ধ করে রাখবে; কিন্তু রাষ্ট্রের কোনো সংস্থা যদি তাদের কার্যক্রম উন্মোচিত করতে কোনো পদক্ষেপ নেয় তবে তারা চিৎকার শুরু করবে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, কোনো ইস্যুতে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে উলেমাদের পক্ষ নেবে এবং জোর দিয়ে বলবে যে এই পক্ষের বিরোধিতা করা মানেই ‘সাম্প্রদায়িক’, ‘ফ্যাসিবাদী’ বা ‘প্রতিশোধপরায়ণ’ হওয়া। এই ধরনের চিৎকারের প্রভাব কেবল আলোচনার পরিবেশ বিষিয়ে দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। দুর্বল শাসকরা সেই পরিবেশে প্রভাবিত হয়। আর এভাবেই জননীতি উলেমাদের পক্ষে চলে যায়। ফলে উলেমা আরও শক্তিশালী হয়। *আমরা যখন বুদ্ধের বাণী বা রোজা সম্পর্কে গান্ধীজির কথা পড়ি, তখন তার বিষয়বস্তু থাকে নিজের ভেতর তাকানো এবং আত্মশুদ্ধি নিয়ে। কিন্তু এমনকি যখন ফতোয়াগুলো পুরোপুরি ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কাজ করে, তখনও সেগুলো কেবল সেই নিয়মগুলো নিয়ে থাকে যা একজন বিশ্বাসীকে মেনে চলতে হয়। এগুলো কুচকাওয়াজের জন্য একজন ড্রিল সার্জেন্ট ক্যাডেটদের যে নির্দেশনা দেন তার মতো। *আমাদের নেতা এবং সুপ্রিম কোর্ট যখন অনবরত বলছেন, ‘সব ধর্ম এক’; যখন তারা বেদের বাণী স্মরণ করছেন, ‘সত্য এক, ঋষিরা একে ভিন্ন নামে ডাকেন’; যখন তারা অশোকের শিলালিপি স্মরণ করছেন, ‘যে নিজের ধর্মকে শ্রদ্ধা করে এবং অন্যের ধর্মকে তুচ্ছ করে, সেটি নিজের ধর্মের প্রতি ভক্তির কারণে এবং অন্য ধর্মের ওপর একে বড় দেখানোর জন্য হোক না কেন, সে আসলে নিজের ধর্মেরই ক্ষতি করে’, উলেমা ঠিক তার উল্টো মূল্যবোধ প্রচার করেন। উলেমাদের প্রতি সুবিচার করতে হলে বলতে হয় এগুলোই প্রকৃত ইসলামি মূল্যবোধ। যেমন মাওলানা আহমদ রেজা খান সেই সব মানুষের ওপর ক্ষিপ্ত হন যারা এমন শোভাযাত্রা সমর্থন করে যেখানে গীতা ও কুরআনকে সমান সম্মানের সাথে বহন করা হয়; তিনি ঘোষণা করেন যে একজন মুসলিমের পক্ষে এটি বলাও কুফর যে, ‘হিন্দুদের বেদ অনুযায়ী চলা উচিত এবং মুসলিমদের কুরআন অনুযায়ী চলা উচিত’; তিনি বলেন, মন্দির হলো শয়তানের আস্তানা, একজন মুসলিমের সেখানে যাওয়া নিষিদ্ধ; পবিত্র কুরআনকে বেদের মতো বলা কুফর; হিন্দুদের বেদ অনুযায়ী চলতে বলা মানে মানুষকে কুফর অনুসরণ করতে বলা, আর মানুষকে কুফর অনুসরণ করতে বলা মানেই হলো কুফর... *ফতোয়াগুলো এই দ্বিমুখী নীতিকেই প্রতিফলিত করে। ধর্মান্তর এবং ধর্মত্যাগের প্রতি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি এর একটি বড় উদাহরণ। ইসলাম অন্য ধর্মের মানুষকে ধর্মান্তরিত করাকে একটি অধিকার এবং কর্তব্য বলে মনে করে। উলেমা এর ওপর জোর দেন....অন্য ব্যক্তির ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখিয়ে কোনো কাজ করা বা না করার বিষয়েও একই অবস্থান নেওয়া হয়.....এর একটি আরও বড় উদাহরণ হলো ধর্মীয় চর্চা চালিয়ে যাওয়ার অবস্থান। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়া একজন মুসলিমের অধিকার ও কর্তব্য। ...ফতোয়ায়ে রিজভিয়া ঘোষণা করে যে, কোনো অবস্থাতেই ইসলামি শাসক কাফিরদের তাদের ধর্মীয় আচার পালনের অনুমতি দিতে পারে না এবং প্রশ্ন করে: সে কি তাদের কুফর পালন করতে দেবে এবং এর মাধ্যমে নিজে কাফির হয়ে যাবে?...এতে আরও বলা হয়েছে যে এ বিষয়ে বেশ কিছু হাদিস আছে যে কোনো অমুসলিম আরব উপদ্বীপে থাকতে পারবে না...অর্থাৎ, কোনো অমুসলিমকে আরব উপদ্বীপে থাকতে দেওয়া হবে না, কিন্তু যদি ভারত থেকে একজন অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে চলে যেতে বলা হয়, তবে সেটি হবে ইসলামের ওপর আঘাত!...একইভাবে, আজও কোনো ইসলামি রাষ্ট্রে কোনো স্কুলের শিক্ষকরা অমুসলিম শিশুদের তাদের ধর্মের শিক্ষা দিতে পারেন না...কিফায়াতুল্লাহ ঘোষণা করেন যে, কুরআন শিক্ষা এবং ধর্মীয় শিক্ষার ওপর কোনো বাধা সহ্য করা যাবে না। ...অথচ ধর্মনিরপেক্ষ আলোচনায় আমরা শুনি যে ইসলামের মতো আর কোনো ধর্ম নেই যা ভেদাভেদ দূর করেছে, ইসলামের মতো আর কেউ সবাইকে সমান মর্যাদা দেয় না! *এই সবকিছুর পরেও যারা দাবি করেন, ‘শরিয়ত নারীদের অধিকার রক্ষা করেছে যেমনটা অন্য কোনো আইন করেনি,’ তারা কেবল এই আত্মবিশ্বাস থেকেই তা বলেন যে তারা ছাড়া আর কেউ শরিয়তের মূল পাঠ্যগুলো পড়েনি। *তা সত্ত্বেও আমাদের বিশ্বাস করতে হবে যে শরিয়তের মতো অন্য কোনো আইন নারীদের এত অধিকার দেয়নি এবং ইসলামের মতো অন্য কোনো ধর্ম তাদের বিষয়ে এত যত্নশীল নয়, না হলে আমাদের সাম্প্রদায়িক তকমা সইতে হবে। এই যুক্তি কেবল একগুঁয়ে অন্ধ সমর্থকদেরই বোকা বানাতে পারে। *ফতোয়ার মাধ্যমে বলবৎ হওয়া শরিয়ত কেবল তা-ই নয়। যেহেতু আমাদের সরকারগুলো অভিন্ন দেওয়ানি বিধি প্রণয়নের সাংবিধানিক নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করেনি, তাই এটিই হলো ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের আইন যা আমাদের আদালতগুলো কার্যকর করে! * বিষয়গুলো কেবল উলেমাদের নারীদের মূল্যায়নের কারণেই আগ্রহের বিষয়, কারণ এটি ফতোয়ার সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। দেওবন্দের উলেমা একটি বিষয় সমাধান করতে গিয়ে ঘোষণা করেন যে, ‘কুরআনে বলা হয়েছে স্বামীই হলো কর্তা।’ .... আর এই কাফিরদের মধ্যেও ভাগ আছে বলে মাওলানা আহমদ রেজা খান ঘোষণা করেন: এক প্রকার কঠিন কুফর হলো খ্রিস্টধর্ম; তার চেয়েও খারাপ হলো মাজুসিয়ত (অগ্নিপূজা); তার চেয়েও খারাপ হলো মূর্তিপূজা; তার চেয়েও খারাপ হলো ওহাবি মতবাদ; এবং এই সবকিছুর চেয়েও খারাপ ও দুষ্ট হলো দেওবন্দি মতবাদ... * এবং এটি চলতেই থাকে। এর প্রভাব হবে খুব স্পষ্ট: যখন আপনি তাদের কাছে কোনো সমস্যা নিয়ে যাবেন, উলেমা এক জন বিশেষজ্ঞের বদলে অন্য জনের দোহাই দিয়ে আপনার পথ সহজ করতে পারেন অথবা বাধা দিতে পারেন। একই সাথে তারা এবং তাদের সমর্থকরা জোর দিয়ে বলবেন যে আমাদের, বিশেষ করে অমুসলিমদের কখনোই এটি বিশ্বাস করা বন্ধ করা উচিত নয় যে শরিয়ত একটি স্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট বিধি, এটি ঐশ্বরিকভাবে নির্ধারিত এবং তাই এটি একটি শাশ্বত এবং অপরিবর্তনীয় বিধি! *এখন পর্যন্ত দুটি বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা: (১) একটি পরিষ্কার এবং সুনির্দিষ্ট বিধি হওয়ার বদলে শরিয়ত আসলে অস্পষ্ট; (২) এটি প্রতিটি বিষয়েই অস্পষ্ট। এর দুটি প্রায়োগিক ফলাফল রয়েছে: (১) এই অস্পষ্টতাই হলো উলেমাদের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতার অন্যতম ভিত্তি; (২) তাই উলেমা শরিয়তকে বিধিবদ্ধ করার প্রতিটি প্রচেষ্টাকে ঠিক ততটাই প্রবলভাবে বাধা দেন যেমনটা তারা সবার জন্য একটি সাধারণ আধুনিক আইনের প্রচেষ্টাকে বাধা দেন। *মাওলানা আহমদ রেজা খান যখন বলেন যে বিজ্ঞানের সামনে ইসলামের মাথা নত করা নয় বরং ইসলামের সামনে বিজ্ঞানের মাথা নত করাই ইসলামের গৌরব, তখন তিনি আসলে তার ধর্মের প্রতিই সত্যনিষ্ঠ থাকেন। বিজ্ঞানের জন্য যা প্রযোজ্য, তা ঐতিহাসিক ‘তথ্যের’ ক্ষেত্রে আরও বেশি প্রযোজ্য যেমন শত জন খলিফা ছিলেন নাকি বারো জন। * পৃথিবী স্থির। সূর্য এর চারদিকে ঘোরে। নক্ষত্রগুলো স্থির, যা আল্লাহ প্রদীপ হিসেবে ঝুলিয়ে দিয়েছেন পর্যটকদের পথ দেখানোর জন্য এবং শয়তানকে পাথর মারার জন্য। এর বাইরে কিছু বিশ্বাস করা মানে ধর্মের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা। পুরুষরাই হলো কর্তা। প্রত্যেকে একসাথে চারজন পর্যন্ত স্ত্রী এবং যত খুশি উপপত্নী রাখতে পারে। স্ত্রীরা হলো ফসলের মাঠের মতো, স্বামী চাইলে তাতে ‘জলসেচন’ করতে পারে অথবা না-ও পারে। স্বামী তার সামান্যতম ইচ্ছা পূরণের জন্যও তাদের বাধ্য করতে পারে এবং না মানলে তালাকের ভয় দেখাতে পারে। এরপরও যদি সে সন্তুষ্ট না হয়, তবে সে তাদের এক কথায় বের করে দিতে পারে। বের করে দেওয়ার পর তারা কেবল জীবনধারণের ন্যূনতম সহায়তার অধিকারী হবে কিন্তু তা কেবল তিন মাসের জন্য, এরপর আর কিছুই নয়। এতে কোনো অন্যায় দেখা বা নারীদের জন্য আরও কিছু দাবি করা মানে আল্লাহর প্রজ্ঞাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং ইসলামের ওপর আঘাত হানা। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা, নির্ধারিত পদ্ধতিতে ইস্তিনজা করতে ব্যর্থ হওয়া, কুকুরের লালা নাপাক এবং শরীর পাক এটি বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হওয়া বড় গুনাহ। একজন কাফির যত বড় সাধুপুরুষই হোক না কেন, এমনকি তার মৃত্যুর পরও তার মঙ্গল কামনা করা, অথবা একজন মুসলিম যত বড় পাপীই হোক না কেন সে যে একজন পুণ্যবান কাফিরের চেয়েও শ্রেষ্ঠ তা বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হওয়া হলো কুফর। উলেমাদের মানসিকতা এমনই। জীবনের সব ক্ষেত্রে তাদের দেওয়া রায়ে এটি ফুটে ওঠে। *দেশের এবং ব্যক্তির অগ্রগতির জন্য শিক্ষা অপরিহার্য। কিন্তু বর্তমানে যাকে শিক্ষা বলা হয় তার বিরুদ্ধে উলেমা দীর্ঘদিন কঠোর লড়াই করেছেন। তাদের কাছে আধুনিক এবং কারিগরি শিক্ষার চেয়ে ধর্মীয় শিক্ষাই অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। কেবল সেই বিষয়গুলোই পড়া উচিত এবং কেবল সেই জ্ঞানই অর্জন করা উচিত যা একজনের বিশ্বাসকে শক্তিশালী করে সহজ কথায়, কেবল সেই বিষয়গুলোই পড়তে হবে যা এটি নিশ্চিত করে যে কুরআন ও হাদিসে যা লেখা আছে এবং উলেমা শত শত বছর ধরে যা বলে আসছেন তা-ই সত্য এবং প্রজ্ঞার ও পূর্ণতার সর্বোচ্চ শিখর। নারীদের শিক্ষা, বিশেষ করে নতুন মূল্যবোধের প্রতি তাদের সচেতন হওয়া, নতুন পেশার জন্য প্রশিক্ষণ পাওয়া এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়া—এই সবকিছুই তাদের কাছে ঘৃণ্য; এটি তাদের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করা হয়, প্রকৃতপক্ষে এটিকে সমাজকে ধ্বংস করার এবং ইসলামকে দুর্বল করার পথ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। *যে প্রতিষ্ঠানের ভারতীয় ইতিহাসের পাঠ্যক্রমে কেবল মাহমুদ গজনভির আক্রমণ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত সময়কাল অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং যার ভূগোলের পাঠ্যক্রমে কেবল আরব উপদ্বীপের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, সেটি কি ভারতের জন্য বা ভারতের কোনো প্রতিষ্ঠান? * প্রত্যাশিতভাবেই, মাওলানা আহমদ রেজা খানের মতে শিয়ারা একেবারেই মুসলিম নয়। তাদের ‘মসজিদ’ কোনো মসজিদই নয়—আর মনে রাখবেন, মীর বাকী এবং তার বংশধরেরা যেহেতু মসজিদের মুতওয়াল্লি ছিলেন, তাই ‘বাবরী মসজিদ’ ছিল একটি শিয়া মসজিদ। * ‘আরে ভাই, কিন্তু আপনি হিন্দু ফতোয়া নিয়ে লিখছেন না কেন?’—এটি এমন এক বিখ্যাত বুদ্ধিজীবীর কথা যার নামের অনেক খ্যাতি রয়েছে। হিন্দুদের মধ্যে ফতোয়া বলে কিছু নেই—তবে নিশ্চিতভাবেই আমাদের বুদ্ধিজীবীরা সেটি জানেন। এ ধরনের উপদেশের উদ্দেশ্য অন্যরকম। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, একজন হিন্দুর ইসলাম নিয়ে লেখালেখি থেকে দূরে থাকা উচিত। বরং, সে যদি ইসলামি বা মুসলিম বিষয় নিয়ে কিছু লেখেও, তবে তাকে কেবল প্রশংসাগীতি গাইতে হবে—‘সহনশীলতার ধর্ম, সাম্যের ধর্ম...’—তাকে কেবল ‘ইসলামি মানস’ সম্পর্কে ‘বোঝার’ বা ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য বই লিখতে হবে। বড়জোর, যদি তাকে ইসলামের কোনো দুর্ভাগ্যজনক ত্রুটি সম্পর্কে কিছু বলতেই হয়, তবে সেটিকে কোনো বিশেষ সময় বা স্থানের ওপর চাপিয়ে দিতে হবে এবং ইসলামকে তার থেকে মুক্তি দিতে হবে! আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, তাকে এটি নিশ্চিত করতে হবে যে সে ইসলামের সেই দিকটি নিয়ে মন্তব্যের সাথে হিন্দুধর্মের কোনো কিছুর নিন্দা করে বিষয়টিকে ‘ভারসাম্যপূর্ণ’ করবে, সেটা যা-ই হোক—জাতীয় প্রথা, পণের কারণে মৃত্যু, বিদেশিদের ম্লেচ্ছ মনে করা, এমনকি অন্য কিছু না মিললে অন্তত সতীদাহ প্রথা! * তাহলে, কারা ক্ষুব্ধ হচ্ছে? ফতোয়াগুলোর উদ্ধৃতি এবং বিশ্লেষণে কারা অপমানিত বোধ করছে? তারা হলো ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা। আর এর কারণ স্পষ্ট। এই তথ্যপ্রমাণের সামনে, কুরআন ও নবীর সরাসরি এবং জোরালো নির্দেশের সামনে এবং ফতোয়াগুলোতে থাকা বারবার এবং অত্যন্ত স্পষ্ট ঘোষণার সামনে তার কাছে কোনো উত্তর নেই। এগুলোর মোকাবিলা করার মতো কোনো প্রমাণ তার কাছে নেই। কিন্তু যখন তারা যা বলে তা সরাসরি সামনে আনা হয়, তখন সে তার এই উল্টো ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ আর বজায় রাখতে পারে না। যতক্ষণ পর্যন্ত এই বিষয়গুলো উর্দুতে সীমাবদ্ধ থাকে, ততক্ষণ তা তার চেনা মহলে কোনো অসুবিধা সৃষ্টি করে না। কিন্তু যে মুহূর্তে এগুলো ইংরেজিতে প্রকাশ পায়, তখনই সে বিপদে পড়ে যায়। আর তাই সে ক্ষোভের ভান করে! এর উত্তর কী? তথ্যগুলো অনবরত তুলে ধরা। সেগুলো বিশ্লেষণ করে যাওয়া। এই বিশ্বাসে যে গালিগালাজ দিয়ে তথ্যপ্রমাণ ধামাচাপা দেওয়া যাবে না। এই বিশ্বাসে যে চিন্তাভাবনা হলো বীজের মতো, যা একদিন শিকড় গাড়বে। * বাংলাদেশে ইসলামীকরণের দিকে দ্রুত ধাবিত হওয়া, তাবলিগ জামাতের দ্রুত বিস্তার এবং হিজবুত তাহরীর ও হিজবুত তৌহিদের মতো মৌলবাদী সংগঠনগুলোর ক্রমবর্ধমান প্রসার ও প্রভাবের সাথে সাথে দেশের বিভিন্ন স্থানে শরিয়ত কমিটি গড়ে উঠেছে। ফতোয়া দেওয়ার ঘটনা আরও নিয়মিত হয়ে পড়েছে। গ্রামীণ এলাকায় স্থানীয় মোল্লারা প্রায়ই এগুলো জারি করেন এবং প্রায়শই এর শিকার হন এমন নারীরা যারা প্রকৃতপক্ষে সহিংসতা, ধর্ষণ এবং এ জাতীয় ঘটনার শিকার হয়েছিলেন.... * মুসলিম সাংবাদিকতা আর নেতৃত্বের ওপর দোষ চাপানো এক অর্থে মূল প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া। সর্বোপরি, মুসলিমরা কেন এই ধরনের সাংবাদিকতাকে গুরুত্ব দেয়, কেন তারা এই ধরনের নেতাদের অনুসরণ করে? এর উত্তর লুকিয়ে আছে সেই মনস্তত্বের মধ্যে, যা উলেমা এবং তাদের ফতোয়াগুলো তাদের মনে গেঁথে দিয়েছে। * এমনকি এটি বলাও কুফর যে, ‘শরিয়ত কী? আজ কি কেউ শরিয়ত মেনে চলে?’, ঘোষণা করে ফতোয়ায়ে রিজভিয়া। এমনকি যদি অন্যদের বিদ্রূপ করার জন্য এই কথাগুলো বলা হয়, তবে সেগুলো গুরুতর পাপ হিসেবে গণ্য হবে। এটি ঘোষণা করে যে, ‘আমরা শরিয়ত মানি না, আমরা প্রথা অনুযায়ী চলি,’ বলাও কুফর। উলেমা একটি ফতোয়া জারি করে মুসলিমদের বহু ঈশ্বরবাদীদের শোভাযাত্রায় যোগ দিতে নিষেধ করেন। একজন লোক বলে, ‘বহু ঈশ্বরবাদীদের শোভাযাত্রায় যোগ না দেওয়ার ফতোয়া জারি করা নিছক লাঠিবাজি।’ এই কথাটি উলেমাদের জানানো হয়। ফতোয়ায়ে রিজভিয়া রায় দেয় যে, এই কথাটি শরিয়তের অবমাননা এবং শরিয়তের অবমাননা হলো কুফর। সেই ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে তার নিকাহ বা বিয়ে ভেঙে যায়। ... তারা ঘোষণা করে যে, ইজমা (ঐকমত্য) বা তকলিদ (আক্ষরিক অনুসরণ) নিয়ে প্রশ্ন তোলা কুফর। ... তারা ঘোষণা করে যে, ফিকহ-এ বিশ্বাস না করা কুফর। তারা ঘোষণা করে যে, যে ফিকহ মানে না সে হলো শয়তান। * ‘যে বাবা-মায়েরা তাদের মেয়েদের কলেজে পাঠান তারা তাদের মেয়েদের শত্রু, বন্ধু নন,’ ফতোয়ায়ে রহিমিয়া এটি ঘোষণা করে বিভিন্ন সূত্রের দোহাই দিয়ে যে, প্রকৃত বন্ধু হলো সে যে পরকালের জন্য একজনকে প্রস্তুত করে, যদিও তা করতে গিয়ে পার্থিব ক্ষতি হতে পারে। এটি ঘোষণা করে যে, ‘এতে কোনো সন্দেহ নেই যে একটি কলেজ পড়ুয়া মেয়ে অত্যন্ত স্বাধীনচেতা, পর্দাহীন, অশালীন এবং নির্লজ্জ হয়ে ওঠে। ইংরেজি শিক্ষা এবং কলেজের পরিবেশের এটিই সাধারণ পরিণতি।’ আর হাদিস উদ্ধৃত করে এটি বলে যে, ‘যে মেয়ে তার লজ্জা হারায় সে সবকিছু হারায়,’ ‘লজ্জা এবং ঈমান এরা অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী; যখন তাদের কোনো একটি চলে যায়, অন্যটিও চলে যায়।’ * অবজ্ঞা এবং হিন্দু ও অন্য অবিশ্বাসীদের যে চিত্র আঁকা হয়েছে, তাদের পশুপাখি এবং পোকামাকড়ের সাথে তুলনা করা হয়েছে—মুসলিমদের ক্ষেত্রে কোনো লেখায় এমন কিছু করা হলে তা তীব্র নিন্দার ঝড় তুলত। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের কাছ থেকে যেমন, তেমনি মুসলিমদের কাছ থেকেও। ====''ওরশিপিং ফলস গডস'' (১৯৯৭)==== * একটি উদাহরণও নেই, এমনকি একটি মাত্র ঘটনাও নেই যেখানে [[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর]] দেশকে স্বাধীন করার সংগ্রামের সাথে যুক্ত কোনো কাজে অংশ নিয়েছিলেন। বরং ঠিক উল্টোটিই ঘটেছে; প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি জাতীয় আন্দোলনের বিরোধিতা করেছেন এবং যখনই এই আন্দোলন কোনো বাধার মুখে পড়েছে, তিনি তাদের মধ্যে ছিলেন যারা সেই ব্যর্থতায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন। * ভারতের কি কখনো সংস্কারকের প্রয়োজন ছিল? আপনি কি ভারতের ইতিহাস পড়েন? রামানুজ কে ছিলেন? শংকর কে ছিলেন? [[গুরু নানক]] কে ছিলেন? [[চৈতন্য মহাপ্রভু]] কে ছিলেন? [[কবীর]] কে ছিলেন? দাদু কে ছিলেন? একের পর এক আসা এই মহান ধর্মপ্রচারকরা কারা ছিলেন, যারা অত্যন্ত উজ্জ্বল সব নক্ষত্রপুঞ্জের মতো ইতিহাস আলোকিত করেছেন? * এক কথায়, দেব-দেবীর নিন্দা করা, ধিক্কার জানানো, তাদের কলঙ্কিত করা, আমাদের শাস্ত্র নিয়ে উপহাস করা এবং অনুসারীদের মধ্যে ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়া ছিল আম্বেদকরের বেছে নেওয়া পথ। কিন্তু কেবল এই একটি পথই খোলা ছিল না। এর আগে গত দেড়শ বছরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একজন সংস্কারক ঠিক এর বিপরীত পথ বেছে নিয়েছিলেন এবং এর ফলে তিনি দুটি লক্ষ্যই অর্জন করেছিলেন। তিনি যেমন লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন উন্নত করেছিলেন, তেমনি আমাদের সমাজকেও বদলে দিয়েছিলেন এবং এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেই সংস্কারক এমন এক বর্ণের ছিলেন যারা কেবল অস্পৃশ্যই ছিল না, বরং যাদের কাছে যাওয়াও নিষিদ্ধ ছিল। সেই সংস্কারক অবশ্যই ছিলেন নারায়ণ গুরু, যিনি ১৮৫৪ থেকে ১৯২৮ সাল পর্যন্ত জীবিত ছিলেন। * তিনি কোনো বহিরাগতের মতো আমাদের ঐতিহ্যকে বিদ্রূপ করেননি বা তাকে অপমান করেননি। তিনি ভারতের আক্রমণকারী বা শাসকদের সাথে কখনো হাত মেলাননি। উপনিষদের শিক্ষার মধ্যে নিজেকে নিমগ্ন করে তিনি আধ্যাত্মিক সচেতনতার সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছিলেন। আমাদের মহান ঋষিরা যেসব পদ্ধতি ও সাধনা বের করেছিলেন, সেগুলো অনুসরণ করেই তিনি সেই স্তরে পৌঁছেছিলেন। তিনি যখন এই অবস্থায় পৌঁছালেন, তার পুরো জীবনটাই গোঁড়াদের সেই শ্রেষ্ঠত্বের দাবির বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদ হয়ে উঠল। তার সেই দিব্য অবস্থা গোঁড়াদের এই দাবিকে ভুল প্রমাণ করল যে আধ্যাত্মিক জ্ঞান কেবল উচ্চবর্ণের জন্যই। আর তিনি সেই স্তরে পৌঁছেছিলেন বলেই সবাই তাকে শ্রদ্ধা জানাত। * [[নারায়ণ গুরু]]র উত্তরাধিকার হলো একটি উন্নত এবং সংহতিপূর্ণ সমাজ, যেখানে নিম্নবর্ণের মানুষরা শিক্ষিত এবং আত্মমর্যাদায় ভরপুর। আম্বেদকরের উত্তরাধিকার হলো একদল মানুষ যারা সবার ওপর চিৎকার করছে, সবসময় কেবল দাবি জানাচ্ছে ও নিন্দা করছে এবং যারা আত্মগ্লানি ও ঘৃণার মধ্যে ডুবে আছে; এটি এমন এক সমাজ যা নিজের সাথেই লড়ছে। নারায়ণ গুরুর উত্তরাধিকার হলো এক পুনর্জীবিত দেশ। আম্বেদকরের উত্তরাধিকার হলো এমন এক দেশ যা তার নিজের অতীত নিয়ে গভীর লজ্জায় আচ্ছন্ন। আর এর ফলে তা আরও বেশি অক্ষম হয়ে পড়েছে। ==== ''ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসি'' (১৯৯৮) ==== * "ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা" আডবাণীর রথ হিন্দুদের মধ্যে যে প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে তা দেখে ঘাবড়ে গেছেন। কিন্তু কেবল রথ এই প্রতিক্রিয়া তৈরি করেনি। শাহ বানোর রায় পাল্টে দেওয়া এবং [[সালমান রুশদি]]কে নিষিদ্ধ করার মতো "জয়গুলো", যেগুলোকে "ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা" উচ্চকণ্ঠে প্রশংসা করেছিল; মানচিত্র এবং তালিকার মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোকে এটি বিশ্বাস করানোতে সফল হওয়া যে মুসলিমরা শত শত নির্বাচনী এলাকায় তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে; পাঞ্জাব এবং [[কাশ্মীর]]ের সহিংসতার "জয়গুলোর" কথা না-ই বা বললাম। এই প্রতিক্রিয়া হলো আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থার এই বিকৃতিগুলোর সম্মিলিত ফল। ** অরুণ শৌরির "প্রতিক্রিয়া উসকে দেওয়া", যা গোয়েল, এস.আর. (সম্পাদক) সম্পাদিত: ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসিতেও রয়েছে। ==== ''এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস: দেয়ার টেকনোলজি, দেয়ার লাইন, দেয়ার ফ্রড'' (১৯৯৮) ==== * ১৯৯৮ সালের জুন-জুলাই মাসে প্রগতিশীলরা বেশ শোরগোল তুলেছিলেন। তারা চিৎকার করে বলেছিলেন যে সরকার ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ হিস্টোরিক্যাল রিসার্চে রাম মন্দির পন্থী ঐতিহাসিকদের জায়গা দিয়েছে। তারা চিৎকার করে বলেছিলেন যে সরকার গোপনে কাউন্সিলের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য বদলে ফেলেছে। নিজেদের চিরকালীন স্বভাব অনুযায়ী, তারা একটি মনগড়া গল্প ছড়িয়ে এই হাঙ্গামা শুরু করেছিলেন। আর তাদের সেই পুরনো অভ্যাস মতোই, তারা অন্যদের বিরুদ্ধে এমন কিছু করার অভিযোগ তুলছিলেন যা তারা নিজেরা গত কয়েক দশক ধরে করে আসছিলেন, অর্থাৎ কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে ইতিহাস লেখা। * ‘আওরঙ্গজেবের ধর্মীয় নীতি’ সংক্রান্ত অধ্যায়ে সবচেয়ে বড় আকারের পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সে হিন্দুদের সাথে প্রকৃতপক্ষে কী করেছিল, তাদের মন্দিরের কী করেছিল, তার শাসনের মূল উদ্দেশ্য, ইসলামের প্রভাব বিস্তারের প্রতিটি ইঙ্গিত বই থেকে ছেঁটে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাকে এমন একজন হিসেবে তুলে ধরতে হবে যার গান-বাজনা এবং রাজদরবারে নর্তকীদের উপস্থিতির প্রতি এক ধরণের সাধারণ অনীহা ছিল, প্রায় ধর্মনিরপেক্ষ এক অনীহা, আর কেবল এই কারণেই সে ওইসব নিষিদ্ধ করেছিল... এক কথায়, কোনো জোরপূর্বক ধর্ম পরিবর্তন নয়, কোনো গণহত্যা নয়, কোনো মন্দির ধ্বংস নয়। কেবল এই যে হিন্দুধর্ম এক শোষণমূলক এবং বর্ণবাদী সমাজ তৈরি করেছিল। ইসলাম ছিল সাম্যবাদী। তাই নিপীড়িত হিন্দুরা ইসলাম গ্রহণ করেছিল!<br/> সে সময়ের মুসলিম ঐতিহাসিকরা নরকে পাঠানো কাফিরদের স্তূপ দেখে উল্লাসে ফেটে পড়েছেন। মুসলিম ঐতিহাসিকরা শাসকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ কারণ সে মন্দির ধ্বংস করেছে এবং লাখ লাখ মানুষকে ইসলামের আলোর মুখ দেখিয়েছে। দ্য হেদায়ে-র মতো আইনগ্রন্থগুলোতে ঠিক সেই বিকল্পগুলোর কথাই বলা হয়েছে যা এই ছোট ছোট পাঠ্যবইগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছিল। '''সবকিছুই ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।'''<br/>'''বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের নামে বস্তুনিষ্ঠ ধামাচাপা। আর আজ যদি কেউ এই পাঠ্যবইগুলোতে সত্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে, তবে চিৎকার ওঠে, ‘ইতিহাসের সাম্প্রদায়িক পুনর্লিখন’।''' * এই বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আসল অপরাধ আর্থিক ক্ষতির মধ্যে নেই। আসল ক্ষতি হলো তারা আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর যে করুণ দশা করেছেন। এর কারণ তাদের অবহেলা—যার ফলে আমাদের দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সব প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়েছে। তার চেয়েও বড় অপরাধ হলো তারা ওই প্রতিষ্ঠানগুলোকে যেভাবে ব্যবহার করেছেন।<br/>তারা সেগুলোকে আয়েশি সময় কাটানোর জন্য ব্যবহার করেছেন। তারা একে অপরের সুনাম বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করেছেন। তবে সবচেয়ে খারাপ বিষয় হলো তারা এই প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করে জনমানসে ভুল তথ্য ছড়িয়েছেন এবং এর ফলে জননীতিকে ভুল পথে চালিত করেছেন।<br/> তারা ভারতকে এমন এক ফাঁকা ভূমি হিসেবে তুলে ধরেছেন যা একের পর এক আক্রমণকারীরা এসে পূর্ণ করেছে। '''তারা বর্তমান ভারত এবং বিশেষ করে হিন্দুধর্মকে একটি চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছে—নানা ধরণের অসম এবং বিচ্ছিন্ন উপাদানের এক স্তূপ। তাদের মতে ভারত বলে কিছু নেই, এটি কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ এবং ব্রিটিশদের তৈরি এক ধারণা; হিন্দুধর্ম বলে কিছু নেই, এটি কেবল আরবদের ব্যবহৃত একটি শব্দ যা তারা এখানে এসে নানা ধরণের মানুষের দেখা পাওয়ার পর ব্যবহার করেছিল এবং এটি কেবল সাম্প্রদায়িকদের এক উদ্ভাবন যা তারা এক অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য তৈরি করেছে, এটিই ছিল তাদের অবস্থান। এর জন্য তারা আমাদের ইতিহাসের হিন্দু যুগকে কলঙ্কিত করেছে এবং আমরা দেখতে পাব যে তারা ইসলামি শাসনকে ধোলাই করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছে।''' তারা প্রাচীন ভারতের সামাজিক ব্যবস্থাকে শোষণের চরম উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং চরমপন্থী মতাদর্শগুলোকে সাম্যবাদী ও ন্যায়পরায়ণ হিসেবে তুলে ধরেছে।<br/>তারা আমাদের প্রাচীন সংস্কৃতিকে ছোট করে দেখিয়েছে এবং যেসব সমন্বিত উপাদান কোনোমতে টিকে ছিল সেগুলোকে অতিরঞ্জিত করে একটি আস্ত সংস্কৃতি হিসেবে প্রচার করেছে, যেটাকে তারা ‘সমন্বিত সংস্কৃতি’ বলে থাকে। কোন সংস্কৃতিটি আসলে সমন্বিত নয়? আর এই পুরোটা সময় তারা আমাদের মানুষের জীবনের সাধারণ উপাদানগুলো নিয়ে মূল তথ্যগুলো লুকানোর চেষ্টা করেছে: তারা লুকিয়েছে যে ইসলামি শাসক এবং উলেমাদের এক হাজার বছরের প্রবল চেষ্টার পরেও এই উপাদানগুলো টিকে ছিল, তারা লুকিয়েছে যে গত দেড়শ বছরের মিশনারি এবং ব্রিটিশ শাসকদের প্রচেষ্টার পরেও এগুলো বেঁচে ছিল। তারা প্রতিটি অংশকে উসকে দিয়ে তাদের আলাদা পরিচয় খুঁজে নিতে বাধ্য করার চেষ্টা করেছিল। সবচেয়ে বড় কথা হলো এই বুদ্ধিজীবীরা তাবলিগ জামাত এবং গির্জার মতো সংগঠনগুলোর বর্তমান কার্যক্রম থেকে মানুষের নজর পুরোপুরি সরিয়ে দিয়েছেন। এই সংগঠনগুলো তাদের অনুসারীদের তাদের হিন্দু প্রতিবেশীদের সাথে থাকা সব মিল এবং বিশ্বাস ত্যাগ করানোর জন্য সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করছে এবং প্রচুর সম্পদ ব্যয় করছে।<br/> এই বুদ্ধিজীবী এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকরা এক ভয়াবহ কৌশল নিয়েছেন: আমাদের দেশ ও মানুষের উদার ধর্ম এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ আধ্যাত্মিক সাধনাকে তারা অসহিষ্ণু, সংকীর্ণমনা ও অন্ধকারাচ্ছন্ন হিসেবে তুলে ধরেছেন; আর একপাক্ষিক এবং চরমপন্থী মতাদর্শগুলোকে ইসলাম, খ্রিস্টধর্ম এবং মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদ, তারা সহনশীলতা, উদারতা, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে প্রচার করেছেন! * আর একটি কথা: আরএসএসের কোনো প্রকাশনায় যদি আমার একটি সাক্ষাৎকারও ছাপা হয়, তবে সেটিই আমি সাম্প্রদায়িক হওয়ার প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়; কিন্তু এই প্রগতিশীলদের নীতি এতটাই শক্ত যে তারা নিজে কমিউনিস্ট পার্টির প্রকাশনায় নিজেদের নামে নিবন্ধ লিখলেও তাদের নিরপেক্ষতা বজায় থাকে! * আমরা যেমনটা দেখেছি, ১৯৮৯ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে নির্দেশিকা জারি করেছিল তার স্পষ্ট অংশ ছিল যে ভারতে ইসলামি শাসন নিয়ে কোনো নেতিবাচক কথা বলা যাবে না। যদিও সে সময়ের ইসলামি লেখকরা এই বিষয়গুলো নিয়েই আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন, তবুও মুসলিম শাসকদের মন্দির ধ্বংস করা, হিন্দুদের জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করা অথবা হিন্দু জনগোষ্ঠীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া অন্যান্য অসমর্থতা নিয়ে কোনো উল্লেখ থাকা চলবে না। ওই নির্দেশিকার সাথে যে অংশগুলো বাদ দিতে হবে তার একটি তালিকা এবং বদলে কী লিখতে হবে তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। যে অংশগুলো বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সেখানে সত্যকে বরং বেশ কমিয়েই বলা হয়েছিল। অন্যদিকে যেসব অংশ ঢোকানোর চেষ্টা করা হয়েছিল সেগুলো ছিল পুরোপুরি মিথ্যা: যেমন আলাউদ্দিন খিলজির মতো ইসলামি শাসকের অধীনে জিজিয়া কর দিয়ে হিন্দুরা নাকি স্বাভাবিক জীবন কাটাতে পারত! আজ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীনে যেসব পাঠ্যবই ব্যবহার করা হচ্ছে সেগুলো গভীরভাবে পড়লে বোঝা যায় যে এটি কেবল ইসলামি শাসনের নিষ্ঠুরতা মুছে ফেলার চেষ্টা নয়, বরং এর পেছনে অনেক গভীর ও ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে। * বাংলায় এই শিক্ষাবিদদের অবস্থান অবশ্যই সিপিআই(এম)-এর দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার ফলে মজবুত হয়েছে। কিন্তু তাদের প্রভাব কেবল ওই রাজ্যের শিক্ষা এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। তাই জাতীয় স্তরেও ছাত্রদের ওপর একই ধরণের মতাদর্শ চাপিয়ে দিতে দেখা যাচ্ছে। বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাশনের টান এতটাই শক্তিশালী এবং এই প্রভাবশালী চক্রটি একজন শিক্ষাবিদের ক্যারিয়ারের জন্য এতটাই মারাত্মক হতে পারে যে অনেক সময় ওই শিক্ষাবিদ তাদের তত্ত্ব এবং মতামতের সাথে একমত না হলেও শেষ পর্যন্ত সেগুলোই আওড়াতে থাকেন। না হলে এনসিইআরটির মতো প্রতিষ্ঠানগুলো তার পান্ডুলিপি পাঠ্যবই হিসেবে গ্রহণ করবে না অথবা সেটির কোনো পর্যালোচনাই হবে না.... * কারসাজিটা লক্ষ্য করুন। মন্দির মেরামত করা বৈধ! গ্রামে মন্দির তৈরি করা যেতে পারে! বাড়ির গোপনীয়তার মধ্যে মন্দির বানানো যেতে পারে! অর্থাৎ উদার নীতিই হলো নিয়ম যা কেবল যুদ্ধের সময় লঙ্ঘন করা হয়! আর ওই সময়ে যাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা হয় বা যাদের ধ্বংস করা হয় তারা তো আসলে ইসলামের শত্রু! শান্তির সময়, যা সাধারণত সবসময়ই থাকে, ওই নিয়মটিই বজায় থাকে—অর্থাৎ হিন্দুরা প্রকাশ্যে এবং আড়ম্বরের সাথেই তাদের ধর্ম পালন করে! এই দাবিগুলোর প্রতিটিই নির্লজ্জ মিথ্যা। কিন্তু এই ঐতিহাসিকরা যেহেতু প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বুদ্ধিবৃত্তিক শুদ্ধতার মানদণ্ড ঠিক করে দিয়েছেন, তাই যে কেউ এই মিথ্যাগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুললে তাকেই ভুল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এমনকি যদি সে সেই সময়ের বিখ্যাত ইসলামি ঐতিহাসিকদের লেখা উদ্ধৃত করেই প্রশ্ন তোলে, তবুও তাকেই দোষী করা হয়। * একবার যখন তারা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দখল করে নিল, একবার যখন তারা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কবজা করল এবং এর মাধ্যমে ঠিক করল কী পড়ানো হবে, কোন বইগুলো পাঠ্য হবে, কী প্রশ্ন করা হবে আর কোন উত্তরগুলো গ্রহণযোগ্য হবে, তখন এই ঐতিহাসিকরাই ইতিহাস আসলে কী ছিল তা নির্ধারণ করতে শুরু করলেন! যেহেতু তাদের বর্তমান রাজনীতি এবং সুবিধার জন্য হিন্দুধর্মকেও অসহিষ্ণু হিসেবে দেখানো প্রয়োজন, তাই তারা আম্বেদকরের বলা সেই কথাগুলো এড়িয়ে যাবেন যেখানে সে বৌদ্ধধর্মের ওপর ইসলামি আক্রমণের ভয়াবহ পরিণতির কথা বলেছিল। আম্বেদকর তার থটস অফ পাকিস্তান বইতে এই আক্রমণ এবং মুসলিম শাসন সম্পর্কে যা বলেছিল তা তারা পুরোপুরি চেপে যাবেন, কিন্তু তার করা ‘ব্রাহ্মণ্যবাদ’-এর নিন্দা এবং মৌর্যদের প্রতিষ্ঠিত বৌদ্ধ ভারতকে ব্রাহ্মণ শাসকরা পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করে শেষ করে দিয়েছে—এই ধরণের মতামতগুলো বারবার প্রচার করবেন।<br/>এভাবেই তারা তথ্য গোপন করেন, কিছু তথ্য বানিয়ে বলেন, এমনকি কোনো লেখক একটি বিষয়ে কী বলেছেন তা ধামাচাপা দিয়ে অন্য বিষয়ে তার বলা কথাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রচার করেন। আর যখনই কেউ আসলে কী ঘটেছিল তা তুলে ধরার চেষ্টা করে, তখনই তারা সমস্বরে চিৎকার শুরু করেন: ইতিহাস নতুন করে লেখার ষড়যন্ত্র চলছে, তারা চিৎকার করেন; ইতিহাস বিকৃত করার চক্রান্ত হচ্ছে, তারা চিৎকার করেন। '''কিন্তু তারাই প্রথম থেকে ইতিহাস বিকৃত করে আসছেন—সত্য গোপন করে এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে।''' * আর এই ঐতিহাসিকদের চতুরতা দেখুন। তারা দাবি করেন যে জাতীয় সংহতির স্বার্থে এই ধরণের তথ্য এবং ঘটনাগুলো ধামাচাপা দেওয়া উচিত: তারা বলেন এগুলো মনে রাখলে মুসলিমরা ক্ষুব্ধ হবে এবং হিন্দুদের মনে মুসলিমদের প্রতি ঘৃণা জন্মাবে। একই সাথে তারা হিন্দুরা বৌদ্ধ মন্দির ধ্বংস করেছে—এমন একটি গল্প বানিয়ে প্রচার করার ওপর জোর দেন। এই গল্প কি বৌদ্ধদের থেকে হিন্দুদের দূরে সরিয়ে দেবে না? বিশেষ করে যখন এর পেছনে তথ্যের কোনো লেশমাত্র নেই, তখন এমন কাহিনী কি হিন্দুদের মন বিষিয়ে দেবে না? * একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—আর্য-দ্রাবিড় বিভাজন, ইসলামি আক্রমণের প্রকৃতি, ইসলামি শাসনের ধরণ, স্বাধীনতা সংগ্রামের চরিত্র—প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা এই বৈশিষ্ট্যটি দেখতে পাই: সত্য গোপন করা এবং মিথ্যা প্রচার করা। গত ত্রিশ বছরের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে এটিই সবচেয়ে বড় কেলেঙ্কারি। এই বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের পক্ষে এটি করা সম্ভব হয়েছে কারণ তারা আইসিএইচআর-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ পেয়েছিলেন। এই মিথ্যা দূর করতে হলে ওই নিয়ন্ত্রণও দূর করতে হবে। * এবং এভাবেই—অন্য ধর্মের পবিত্র মন্দিরের ধ্বংসস্তূপের মাঝে এবং অন্য ধর্মের শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিদের লাশের স্তূপের মাঝে। তা সত্ত্বেও আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের কাছে এটি হলো উদার সহনশীলতার নীতি! সম্পূর্ণ ধর্মনিরপেক্ষ অনুপ্রেরণায় পরিচালিত একটি সহনশীলতার নীতি! * কিন্তু এখানে ভারতে আগের বুলি এবং বিভাগগুলোর সাধারণ আবৃত্তিই যথেষ্ট ছিল। তাই এই বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের ইতিহাস রচনার বৈশিষ্ট্য কেবল তাদের প্রভুদের প্রতি আনুগত্যই নয়, বরং এটি তাদের এক ধরণের সরলমনস্কতা!<br/>তবে আরও একটি বিষয় আছে। ইসলামি শাসনকে ধোয়া-মোছা করাই এই ঐতিহাসিকদের কাজের একমাত্র বৈশিষ্ট্য নয়। এর সাথে যোগ হয়েছে দেশের প্রাক-ইসলামি যুগ এবং ঐতিহ্যের প্রতি এক প্রবল ঘৃণা। বছরের পর বছর ধরে সোভিয়েত এনসাইক্লোপিডিয়াগুলোতে ভারত সম্পর্কে তথ্যগুলো ধীরে ধীরে নমনীয় হয়েছে। তারা খুব দ্বিধার সাথে হলেও স্বীকার করতে শুরু করেছিল যে চীন এবং ভারতের মতো দেশগুলোর ক্ষেত্রে পুরনো বিভাগগুলো হয়তো কিছুটা বদলে নিতে হতে পারে। তারা স্বীকার করতে শুরু করেছিল যে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পর্যায় একে অপরের সাথে মিশে থেকেছে। আর হয়তো কেবল কূটনৈতিক কারণেই তারা আরও বেশি সতর্ক হয়েছিল—আমাদের ঐতিহ্যকে কলঙ্কিত করা এড়িয়ে গিয়েছিল।<br/>সোভিয়েতদের দুই খন্ডের বই এ হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়াতে আমরা ভারতের ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায় নিয়ে কমবেশি একই ধরণের বর্ণনা পাই যা আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের বইতেও আছে। কিন্তু সোভিয়েতদের বইতে সেই ঘৃণা এবং বিদ্বেষের কোনো চিহ্ন নেই যা আমরা আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের বইতে দেখতে পাই। * তাই দুটি বিষয় মনে রাখতে হবে। প্রথমত, আমাদের বন্ধুরা কেবল মার্ক্সবাদী নন, তারা মেকলের অনুসারীও। দ্বিতীয়ত, তারা এক বিশেষ ধরণের মার্ক্সবাদী। তারা সেই অর্থে মার্ক্সবাদী যে তারা নিজেদের মার্ক্সবাদী মনে করেন এবং বারবার গুটিকয়েক মার্ক্সবাদী বুলি আওড়াতে থাকেন। কিন্তু মার্ক্সবাদী ঐতিহাসিক হওয়ার চেয়ে তারা আসলে শাসনব্যবস্থার অনুগত ঐতিহাসিক ছিলেন। তাদের তত্ত্ব এবং মতামত কেবল মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদের মূল বইগুলোর সাথেই মেলেনি, বরং তা কংগ্রেসী শাসকদের আদর্শ এবং প্রয়োজনের সাথেও মিলে গিয়েছে। * বর্ণ বাস্তব। শ্রমিক শ্রেণি বাস্তব। নাগা হওয়া বাস্তব। '''কিন্তু ভারত কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ!''' একইভাবে মুসলিম হওয়া অবশ্যই বাস্তব—ইসলামকে গ্রানাইট পাথরের মতো একটি অভিন্ন ব্লক হিসেবে দেখতে হবে এবং কথা বলতে হবে—... '''কিন্তু হিন্দুধর্ম? কেন, এমন তো কিছু নেই: এটি কেবল কিছু বিচ্ছিন্ন বিশ্বাস এবং আচারের সমষ্টি'''—... '''আর যে কেউ এর উল্টো কিছু দাবি করে, তাকেই এক ঐক্য চাপিয়ে দেওয়া অথবা অভিন্নতা তৈরি করার চেষ্টাকারী হিসেবে ফ্যাসিবাদী তকমা দেওয়া হয়।''' আমাদের প্রগতিশীল চিন্তাবিদরাই এগুলো বলে আসছেন। এক কথায়, কেবল খন্ডিত অংশগুলোই বাস্তব। আর পুরোটা কেবল একটি তৈরি করা ধারণা। এই চিন্তাবিদরা জোর দিয়ে বলেন যে ভারত কখনোই এক ছিল না—সাম্রাজ্য শাসনের উদ্দেশ্যে আর্যরা, মুঘলরা এবং ব্রিটিশরা বিভিন্ন মানুষ ও অঞ্চলকে একসাথে জুড়ে দিয়েছিল। যে কেউ সেই ধারণাকে—অর্থাৎ ভারতকে—আমরা কোন কাঠামোর অধীনে বাস করব তার মাপকাঠি হিসেবে ব্যবহার করতে চায়, তাকেই হিন্দু আধিপত্য কায়েম করার গোপন পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। * এটি এক অর্থে মেকলে-মিশনারি কৌশলেরই ধারাবাহিকতা এবং চূড়ান্ত রূপ। ব্রিটিশরা হিসাব কষে দেখেছিল যে ভারতকে জয় করতে এবং দখলে রাখতে হলে এদেশের মানুষের মূল ভিত্তিটাই দুর্বল করে দিতে হবে: আর তা হলো হিন্দুধর্ম এবং যা কিছু এর থেকে সৃষ্টি হয়েছে। তাই তারা খুব জেদ নিয়েই পাঁচটি বিষয়ের প্রতি মানুষের বিশ্বাস এবং শ্রদ্ধা নষ্ট করতে নেমেছিল: হিন্দুরা যেসব দেব-দেবীর পূজা করে; যেসব মন্দির ও মূর্তিতে তাদের অধিষ্ঠান; তাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থগুলো; যেসব ভাষায় সেই ধর্মগ্রন্থ এবং ঐতিহ্যের সবকিছু সংরক্ষিত—অর্থাৎ সংস্কৃত; এবং সেই গোষ্ঠী যাদের বিশেষ দায়িত্ব ছিল হাজার বছর ধরে এই জীবনধারাকে রক্ষা করা—অর্থাৎ ব্রাহ্মণরা। একই কৌশলের অন্য অংশটি ছিল খন্ডিত অংশগুলোকে উসকে দেওয়া—অহিন্দুরা, আঞ্চলিক ভাষাগুলো এবং সেই বর্ণ ও গোষ্ঠীগুলো যাদের সহজেই মিশনারি এবং সাম্রাজ্যের পথে আনা যাবে—যেমন সহজ-সরল উপজাতি এবং অস্পৃশ্যরা। * পরিস্থিতিটা এখন এইরকম: গত আধ শতাব্দী ধরে ভারতে যারা জনপরিসরের আলোচনায় আধিপত্য বিস্তার করেছে, নিয়ন্ত্রণ করেছে এবং অন্যদের আতঙ্কিত করে রেখেছে, তাদের হাতে এখন কোনো তথ্য বা যুক্তি অবশিষ্ট নেই। যারা তাদের ‘অভ্যন্তরীণ আলোচনার’ খবর রাখেন তারা এটি দেখতে পাবেন—তারা ক্রমশ আরও ছোট গণ্ডির মধ্যে কথা বলছেন; আর এই সংকুচিত হতে থাকা গণ্ডিতে তারা স্রেফ পুরনো বুলি আউড়ে যাচ্ছেন, সেখানে নতুন কোনো চিন্তা বা নতুন কোনো তথ্য নেই। আর আমরা যেমনটা দেখেছি, এটি আগে থেকেই ধারণা করা যায়: তাত্ত্বিক বুলিগুলোর পুনরাবৃত্তি করাই তাদের জন্য কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং যথেষ্ট। * ‘আমি নিজেই আপনার বইটির পর্যালোচনা করতে চাই,’ ওরশিপিং ফলস গডস সম্পর্কে আমাদের একটি প্রধান সংবাদপত্রের সম্পাদক বলেছিলেন। ‘কিন্তু আমি যদি এর প্রশংসা করি, তবে তারা আমার পেছনেও লাগবে। আমাকেও সাম্প্রদায়িক, উচ্চবর্ণের লোক—এইসব বলা হবে।’ ‘অসাধারণ অরুণ, এটা সত্যিই চমৎকার ছিল,’ একজন শীর্ষস্থানীয় ভাষ্যকার বলেছিলেন যিনি ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে একটি পর্যালোচনা লিখেছিলেন। ‘কিন্তু আপনি তো বোঝেনই, আমি ছাপার অক্ষরে এই সবকিছু বলতে পারিনি। তবে এটি সত্যিই অসাধারণ। আপনি এত পরিশ্রম করেন কীভাবে?’ এমনকি পর্যালোচক নির্বাচনের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যায়। কোনো বামপন্থীর লেখা বই হলে সম্পাদকরা ভিন্ন মতাদর্শের কাউকে সেটি দিতে দ্বিধা করেন: ‘তারা বলবে আমি ইচ্ছা করে একজন ডানপন্থীকে এটি দিয়েছি,’ সম্পাদকরা সম্ভবত এভাবেই ব্যাখ্যা দেন। অন্যদিকে, তারা যাকে ডানপন্থী বলে ঠিক করে রেখেছেন তেমন কারো বই হলে, তারা অন্য কোনো ব্র্যান্ডেড ডানপন্থীকে সেটি দিতে ভয় পান: ‘তারা আমাকে দোষ দেবে যে আমি ইচ্ছা করে এমন একজনকে বইটি দিয়েছি যে এর প্রশংসা করবেই,’ তারা অভিযোগের সুরে বলবেন। তাই এই ধরনের ক্ষেত্রে তারা ইচ্ছা করে বইটি এমন কাউকে দেন যে ‘এর নিন্দা করবেই’! * এছাড়াও আমাদের শেখানো হয় যে, আওরঙ্গজেবের মতো কেউ যখন মন্দির ধ্বংস করেন, তখন কী ঘটেছিল এবং কেন ঘটেছিল তা আন্দাজ করার ক্ষেত্রে আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে... আমাদের শেখানো হয় যে, দিল্লির কুওয়াত-উল-ইসলাম মসজিদের মতো প্রাথমিক স্মৃতিস্তম্ভগুলো নাকি ‘খুব দ্রুত’ তৈরি করতে হয়েছিল... এটি কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য! আর সেই ধর্মের কী হবে যা দাবি করে যে ধর্মীয় বিশ্বাসই সব এবং রাজনীতিকে ধর্ম থেকে আলাদা করা যায় না? আর এর নাম: কুওয়াত-উল-ইসলাম মসজিদ, মানে ইসলামের শক্তির মসজিদ? অবশ্যই ধরে নিতে হবে এটি স্রেফ নামমাত্র! আর লক্ষ্য করুন: ‘সহজলভ্য উপকরণগুলো সংগ্রহ করে যুক্ত করা হয়েছিল’, সেগুলো ‘স্পষ্টতই হিন্দু উৎস থেকে এসেছিল’—হয়তো সেই উপকরণগুলো এমনিই পড়ে ছিল; হয়তো মন্দিরগুলো আগেই নিজে নিজে ভেঙে পড়েছিল; হয়তো হিন্দুরা স্বেচ্ছায় তাদের মন্দির ভেঙে সেই উপকরণগুলো দান করেছিল? তাই নয় কি? সর্বোপরি তারা যে তা করেনি তার তো কোনো প্রমাণ নেই! আর তাই ‘লুণ্ঠিত’ শব্দটি বারবার উদ্ধৃতি চিহ্নের মধ্যে রাখা হয়! <br/> প্রকৃতপক্ষে আরও অনেক কিছু আছে। ইসলামি মসজিদ তৈরির জন্য হিন্দু মন্দিরের এই উপকরণগুলোর ব্যবহার নাকি ‘স্থানীয় কারিগরদের স্থাপত্যগত সংজ্ঞা ও খাপ খাইয়ে নেওয়ার একটি প্রক্রিয়ার অংশ ছিল, যা ইসলামি ব্যবহারের জন্য দক্ষিণ এশীয় স্থাপত্যের পরবর্তী উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য ছিল’। এর ফলে মূল দায়ভার গিয়ে পড়ে সেই ‘স্থানীয় কারিগর’ এবং তাদের ‘খাপ খাইয়ে নেওয়ার’ ওপর। ফলে কুতুব মিনার চত্বরের বৈশিষ্ট্যগুলো ‘স্থপতি এবং খোদাইকারদের একটি নতুন কর্মসূচির প্রতি সৃজনশীল প্রতিক্রিয়া’ হিসেবে তুলে ধরা হয়। একটি মসজিদ যেখানে স্পষ্টভাবে হিন্দু মন্দিরের স্তম্ভসহ অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে এবং যেখানে নির্দ্বিধায় ‘কেন্দ্রীয় গম্বুজের কাঠামোয় হিন্দু দেবতাদের খোদাই করা একটি লিন্টেল বা পাথরের কড়িকাঠ এমনভাবে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে ছবিগুলো দেয়ালের ভেতরের দিকে থাকে’, সেটি নাকি ‘কোনো নিয়ম ঠিক করার জন্য’ করা হয়নি। ‘বরং এটি স্থাপত্য, সজ্জা এবং সংশ্লেষণের ক্ষেত্রে সহযোগিতামূলক ও সৃজনশীল সম্ভাবনার দ্রুত অন্বেষণের উদাহরণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।’ এর বিপরীত সিদ্ধান্তগুলো নাকি ছিল ‘ভুল মূল্যায়ন’। আমরা নাকি ‘উদ্ধার করা অংশ’ দেখার ভুল করছি—কী চমৎকার একটি শব্দ, ‘উদ্ধার করা’: ওই অংশগুলো মন্দির ভেঙে পাওয়া যায়নি; সেগুলো ধ্বংসাবশেষ হিসেবে পড়ে ছিল এবং সময়ের সাথে সাথে নষ্ট হয়ে যেত; তার বদলে সেগুলোকে ‘উদ্ধার করা’ হয়েছে এবং নতুন পবিত্র ইমারতের অংশ হওয়ার মর্যাদা দেওয়া হয়েছে—‘উদ্ধার করা অংশ দেখার বদলে সেখানে সুস্থ সহযোগিতামূলক সৃজনশীলতা নতুন রূপ তৈরি করছে’। * তবুও এই সবকিছুর কোনোটিই আকস্মিক নয়। আমরা এই বইতে যেসব পাঠ্য পর্যালোচনা করেছি সেখানে দেখা যায়, এটি একটি নির্দিষ্ট ধারার অংশ। দেখা যায় ভারত নাকি একটি অতি সাম্প্রতিক ধারণা। এটি নাকি কোনো দেশ বা জাতি নয়। হিন্দুধর্ম একটি উদ্ভাবন হিসেবে প্রকাশ পায়—শব্দটি শুনে অবাক হলেন? কয়েক পৃষ্ঠা পড়লেই আর হবেন না—উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে ব্রিটিশদের তৈরি এক উদ্ভাবন। একই সাথে এটি নাকি সবসময়ই সহজাতভাবে অসহিষ্ণু। প্রাক-ইসলামি ভারত ছিল অন্যায় এবং শোষণের আখড়া। ইসলামি শাসন শোষিতদের মুক্তি দিয়েছিল। এই সময়েই ভারতের গঙ্গা-যমুনা সংস্কৃতি তথা ‘সমন্বিত সংস্কৃতি’ গড়ে উঠেছিল, যার প্রধান প্রবক্তা ছিলেন আমির খসরু এবং সুফি সাধকরা ছিলেন এর উৎস। এমনকি সেই সময়েও জাতীয়তাবোধ তৈরি হয়নি। এটি কেবল ব্রিটিশ শাসনের প্রতিক্রিয়ায় এবং পশ্চিম থেকে আসা চিন্তাভাবনার ফলে তৈরি হয়েছে। কিন্তু এটিও—অর্থাৎ দেশ বা জাতি হওয়ার বোধ যতটুকু ছিল—তা কেবল ভারতের উচ্চবিত্তদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কমিউনিস্টরাই সাধারণ মানুষকে সচেতন করেছে এবং তাদের মধ্যে এই ধারণাগুলো ছড়িয়ে দিয়েছে। <br/> এক কথায়, ভারত বাস্তব নয়—কেবল এর অংশগুলোই বাস্তব। শ্রেণি বাস্তব। ধর্ম বাস্তব—আমাদের ধর্মের সাধারণ এবং বিশেষ সূত্রগুলো নয়, বরং ধর্মের সেই দিকগুলো যা আমাদের বিভক্ত করে এবং নিশ্চিত করে যে আমরা একটি জাতি বা দেশ নই, সেই উপাদানগুলোই বাস্তব। বর্ণ বাস্তব। অঞ্চল বাস্তব। ভাষা বাস্তব—আসলে এটি ভুল: যুক্তি হলো সংস্কৃত ছাড়া অন্য ভাষাগুলো বাস্তব; সংস্কৃত মৃত এবং বিলুপ্ত; যাই হোক, হোরেশ উইলসন হাউস অফ কমন্স সিলেক্ট কমিটিতে যেমন বলেছিলেন যে এটিই দেশের অন্যান্য ভাষার ভিত্তি এবং জীবন্ত ভিত্তি ছিল, তা সত্ত্বেও একে উচ্চবিত্তদের সংরক্ষিত এলাকা এবং আধিপত্য ও শোষণের হাতিয়ার হিসেবে দেখানো হয়েছে; এটি নাকি অসহায় জনসাধারণের মধ্যে মিথ্যা চেতনা টিকিয়ে রাখার একটি মাধ্যম ছিল। * পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ ১৯৮৯ সালে নির্দেশ জারি করেছিল যে ‘মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না।’ * অযোধ্যায় তাদের প্রতারণামূলক ভূমিকা—যা শেষ পর্যন্ত অন্য কারো চেয়ে তাদের মক্কেলদেরই বেশি ক্ষতি করেছে—তা ছিল কেবল একটি লক্ষণ মাত্র। পঞ্চাশ বছর ধরে এই দলটি তথ্য গোপন করছে এবং মিথ্যা উদ্ভাবন করছে। আইসিএইচআর-এর সেই উদ্দেশ্য—আমাদের অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ এবং যৌক্তিক গবেষণার প্রসার ঘটানো—সেটি নিয়ে আজ তারা কতই না চিন্তিত হওয়ার ভান করছে! তাদের এই উদ্বেগ কীভাবে ১৯৮৯ সালে তাদের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া নির্দেশিকার সাথে মেলে যা আউটলুক নিজেই উদ্ধৃত করেছিল—‘মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না?’ কিন্তু বৌদ্ধ বিহার ধ্বংসের পাইকারি মিথ্যাচার এবং অস্তিত্বহীন ‘আর্য আক্রমণ’ সম্পর্কে তাদের তথ্যগুলো অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক—এগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলা মানেই হলো সাম্প্রদায়িক বা উগ্র জাতীয়তাবাদী হওয়া! আইসিএইচআরের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করা যথেষ্ট খারাপ ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটি ছিল একটি কৌশল মাত্র। এই ‘ঐতিহাসিকদের’ প্রধান অপরাধ হলো এই পক্ষপাতিত্ব: সত্য গোপন করা এবং মিথ্যা প্রচার করা। * সংবাদমাধ্যম তাদের প্রচেষ্টার এবং এই ক্ষেত্রে তাদের অর্জিত দক্ষতার একটি তৈরি উদাহরণ। তারা তাদের সদস্য এবং সমর্থকদের সাংবাদিকতায় নিয়ে আসার জন্য যত্ন নিয়েছেন। আর সাংবাদিকতার মধ্যে তারা ক্ষুদ্র গণ্ডিগুলোতেও মনোযোগ দিয়েছেন। বইয়ের কথাই ধরুন। তাদের কারো একটি বই কোনো পত্রিকায় পৌঁছানোর সাথে সাথেই সেটি পর্যালোচনার জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত ব্যক্তিদের নামের পরামর্শ চলে আসে। আমি যেমনটা বলেছি, যে সম্পাদক আপত্তি করেন এবং বইটি ভিন্ন মতাদর্শের কারো কাছে পাঠাতে চান তাকে দোষী মনে করানো হয়, যেন তিনি ইচ্ছা করে একটি পক্ষপাতদুষ্ট ও নেতিবাচক পর্যালোচনা নিশ্চিত করছেন। তাদের তালিকা থেকে কাউকে বেছে নেওয়া যে একটি পক্ষপাতদুষ্ট প্রশংসা নিশ্চিত করতে পারে, তা নিয়ে কোনো কথা বলা হয় না। প্রচলিত জনমতের চাপ এতটাই বেশি এবং সম্পাদকরা এড়ানো সম্ভব এমন ঝামেলা এড়াতে এতটাই উদগ্রীব যে, তারা দ্রুত প্রস্তাবিত নামগুলোর মধ্যে একজনকে বেছে নেন... <br/> গত পঞ্চাশ বছর ধরে সংবাদপত্র ও সাময়িকীর বইয়ের পাতাগুলো লক্ষ্য করলেই আপনি দেখতে পাবেন যে এই সাধারণ কৌশলটি কত বড় প্রভাব ফেলেছে। প্রকাশনা সংস্থাগুলোতে তাদের লোকজন গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে ছিল: আর তাই তাদের ধরণের বইগুলোই প্রকাশিত হতো। এরপর তারা একে অপরের বই পর্যালোচনা করত এবং পাঠ্য হিসেবে নির্দিষ্ট করত। এই সব প্রকাশনা এবং পর্যালোচনার ভিত্তিতে তারা একে অপরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং এ জাতীয় জায়গায় পদ পাইয়ে দিতে সক্ষম হতো... এমনকি যেসব প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব সম্পর্কে আমাদের বেশিরভাগের কোনো ধারণাই নেই, সেগুলোকেও ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। আমাদের মধ্যে কতজন সরকারের এমন একটি সংস্থার কথা জানেন যা সরকারি এবং অন্যান্য লাইব্রেরির জন্য পাইকারি বই কেনা নির্ধারণ করে? কিন্তু তারা জানে! তাই আপনি যদি লক্ষ্য করেন যে এই সংস্থাটি বছরের পর বছর ধরে কোন ধরণের বইয়ের অর্ডার দিচ্ছে, তবে আপনি সেগুলোকে প্রায় একচেটিয়াভাবে লাল এবং গোলাপি ঘরানারই পাবেন... <br/> এভাবে তাদের বইগুলো প্রকাশের জন্য নির্বাচিত হয়। তারা একে অপরের বই পর্যালোচনা করে। এর মাধ্যমে সুনাম তৈরি হয়। এর মাধ্যমে পদ দখল করা হয়। ছাত্রদের একটি নতুন প্রজন্ম একই চশমা পরে বড় হয়—আর এর অর্থ হলো সংবাদমাধ্যমে আরও একটি প্রজন্মের তৈরি হওয়া, আমলাতন্ত্রের আরও একটি প্রজন্ম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আরও একটি প্রজন্ম... * আমাদের উচিত দালাই লামার উদাহরণটি সামনে রাখা। তিনি ধ্যানের ওপর একটি তিব্বতি গ্রন্থের ওপর বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি একটি বাক্য পড়লেন, হাসলেন এবং মন্তব্য করলেন, ‘সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বগুলো লজ্জাজনক! এগুলো ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত!’ তিনি পরামর্শ দেন যে আমাদের কাছে সবসময় একটি ঝুড়ি রাখা উচিত—যা কিছু আমাদের বর্তমান জ্ঞানের সাথে মেলে না, সেগুলো সেই ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া উচিত। ‘বৌদ্ধধর্মকে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে,’ তিনি এটাই শেখান। সেই অনুযায়ী তিনি বৌদ্ধ গ্রন্থগুলোকে সূক্ষ্ম পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করেছেন। (...) এটি নিজের ঐতিহ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসকেই তুলে ধরে। এটিই হলো ঐতিহ্যের প্রকৃত সেবা। এতে থাকা ‘অমূল্য রত্ন’ ভবিষ্যতের জন্য রক্ষা করার উপায় এটিই। * কিন্তু আজ বৌদ্ধধর্মের বিলুপ্তির কারণ হিসেবে হিন্দুদের দ্বারা বৌদ্ধদের ওপর নির্যাতন এবং হিন্দুদের দ্বারা তাদের মন্দির ধ্বংসের কথা বলাটা একটি ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। একটি বিষয় হলো, যেসব মার্ক্সবাদী ঐতিহাসিক এই মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছেন তারা এই মনগড়া কাহিনী প্রমাণ করার জন্য সামান্যতম তথ্যও হাজির করতে পারেননি। একটি সাধারণ উদাহরণে রোমিলা থাপার তিনটি শিলালিপি উদ্ধৃত করেছিলেন। নিরলস কর্মী [[সীতরাম গোয়েল]] সেগুলো পরীক্ষা করে দেখেন। এর মধ্যে দুটির সাথে বৌদ্ধ বিহার বা সেগুলো ধ্বংসের কোনো সম্পর্কই পাওয়া যায়নি এবং যেটিতে একটি বস্তু ধ্বংসের কথা ছিল, সেটি বিশেষজ্ঞদের মতে ছিল একটি জাল শিলালিপি; যাই হোক না কেন, সেখানে যা বলা ছিল তা ওই ঐতিহাসিকের ইঙ্গিতের চেয়ে দিন আর রাতের মতো আলাদা ছিল। * সংলগ্ন পৃষ্ঠাগুলোতে দুটি কলাম আছে: অশুদ্ধ এবং শুদ্ধ। প্রগতিশীলরা ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে তাদের ‘বস্তুনিষ্ঠ’ এবং ‘যৌক্তিক’ পদ্ধতির মাধ্যমে কী অর্জন করার চেষ্টা করছেন তা এই পরিবর্তনগুলোর দিকে চোখ বুলালেই বোঝা যায়। * এভাবে কেবল সত্য গোপনই নয়, বরং আজেবাজে কথা প্রচারও করা হচ্ছে। ;বইটি সম্পর্কে * ‘বাম-উদারপন্থী’ বা ‘প্রগতিশীল’ ঐতিহাসিকদের প্রথম বড় সমালোচনা করেছিলেন অরুণ শৌরি, বিশেষ করে তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা আইসিএইচআর-এর অবস্থা নিয়ে। ** ডি. কে. চক্রবর্তী, ন্যাশনালিজম ইন দ্য স্টাডি অফ এনশিয়েন্ট ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি (আরিয়ান বুকস ইন্টারন্যাশনাল, দিল্লি)।[https://koenraadelst.blogspot.com/2021/02/a-case-of-good-nationalism-dk.html] * "বিশিষ্ট ঐতিহাসিকগণ" হলো সেই শব্দ যা দিয়ে তারা একে অপরকে ডাকে এবং তাদের ভক্তরা তাদের এই নামেই ডাকে। যখন কোনো প্রতিপক্ষের যুক্তির উত্তর তাদের কাছে থাকে না, তখন তারা তাকে যথেষ্ট ‘বিশিষ্ট’ নয় বলে দম্ভের সাথে উড়িয়ে দেয়। তাই অরুণ শৌরি যখন এই খাতের কিছু অপব্যবহার নিয়ে লিখেছিলেন, তখন তিনি তার বইয়ের নাম দিয়েছিলেন এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস। এটি ঔপনিবেশিক যুগের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে লেখা একটি পুরনো বই এমিনেন্ট ভিক্টোরিয়ানসের নাম নিয়ে করা একটি শব্দকৌতুকও বটে। ** এলস্ট, কে. [https://koenraadelst.blogspot.com/2016/05/interview-in-monthly-swarajya.html সাক্ষাৎকার, স্বরাজ্য, মে ২০১৬)] ===২০০০-এর দশক=== ====''Harvesting our souls: Missionaries, their design, their claims'' (2000) ==== *If you had been in India in late 1998-early 1999, and the English-language "national" newspapers had been your source of information about what was going on, you would have concluded that an extensive, well coordinated pogrom was on, that maniacal Hindu groups were going round raping nuns, attacking missionaries, burning down churches. (p 7) *There indeed was a conspiracy it runs out, and a communal one at that. The whole thing was a concoction - by those whose agenda it is to paint Hindus as communalists on the rampage, and the RSS, BJP, etc., as organizations which are orchestrating a "pogrom". "Investigations, however revealed that what Sister Mary said in the FIR was not true," records Justice Wadhwa. "It was a made-up story. Investigations found that there was in fact no rape of Sister Mary... B.B. Panda, Director General of Police stated that the 'rape of the nun' case was projected and highlighted all over the world and was also projected as an attack on Christians when in fact it was not true, and the case turned out to be false." (9-10) *The contrast between the truth about the incidents and what they were made out to be should alert our newspapers and TV channels not to shoot off accounts without examining the facts. In particular, they must not go merely by the allegations of communalism-mongers.(13) *Several groups have several reasons for manufacturing calumny - from money to idelogy to the crassest kind of politics. Many of these are well-organized, some, as we shall see, have well-knit, world-wide networks. And they have honed expertise in manufacturing atrocity-stories, in broadcasting them round the globe, and in putting their manufactures to profitable use. (13) *High priority must be given to work among Hindu women, they say, "since they are the custodians of the faith"... (62) ====''Self-Deception : India's China Policies; Origins, Premises, Lessons'' (2008) ==== :Arun Shourie - Self-Deception _ India's China Policies_ Origins, Premises, Lessons-Harper Collins (2008, 2013) * The brutal—the customarily brutal—way in which the Chinese government suppressed the protests by Tibetans in Lhasa in the months preceding the 2008 Beijing Olympics once again drew attention to the enormous crime that the world has refused to see: the systematic way in which an entire people have been reduced to a minority in their own land; the cruelty with which they are being crushed; the equally systematic way in which their religion and ancient civilization are being erased. Protests by Tibetans in different cities across the world, joined as they were by large numbers of citizens of those countries, had the same effect.<br>No government anywhere in the world did what the Manmohan Singh government did in Delhi, no government reacted in as craven and as frightened a manner as our government did. The Olympic Torch was to be relayed across just about two kilometres—from Vijay Chowk to India Gate. The government stationed over twenty thousand troops, paramilitary personnel, policemen and plainclothes men in and around that short stretch. Tibetan refugees were beaten and sequestered. Government offices were closed. Roads were blocked. The Metro was shut down. Even members of Parliament were stopped from going to their homes through the square that adjoins Parliament, the Vijay Chowk.<br>Do you think that any of this was done out of love for the Olympics?<br>It was done out of fear of China. *Now, this is a favourite phrase of Panditji—‘the long-term view’—as is ‘the larger considerations’. Whenever he deploys the former, you can be sure that he is preparing the case for ceding ground. Whenever he deploys the latter, you can be sure that he is preparing the case for ceding specifically the country’s interest. *Recall, what he had told the Tibetans—that India would help diplomatically. That help now has come to mean that India will keep China in good humour even as it crushes Tibet, so that it may not crush Tibet more swiftly. *We can see the operational conclusion that flows from such reasoning. As the main advance has halted, there is nothing that we need to do. When the main advance resumes, the full picture is not clear. When it is completed, and the place is subjugated, there is nothing for us to do as, by then, the place has already been subjugated. For us to do or say anything will only enrage the occupiers, and bring even greater hardship on the poor Tibetans! *He speaks at length, that is, but scarcely touches on any of the specific matters that members had raised. *The view that he disapproves is always unbalanced; or stuck in the past; or stuck in the cold war mould; or subjective and emotional... *The Dalai Lama is in India at India’s invitation. Panditji meets him on 26 and 28 November 1956. The Dalai Lama is distraught. Panditji jots down the points of their exchange. The Dalai Lama puts the figure of Chinese troops in Tibet at 120,000, the very figure for which Panditji had come down on Apa Pant. The [[w:Subimal Dutt|foreign secretary]] inserts a paragraph in Panditji’s notings about the talks: ‘The Dalai Lama appealed to India for help. PM’s reply was that, apart from other considerations, India was not in a position to give any effective help to Tibet; nor were other countries in a position to do so. Dalai Lama should not resist land reforms.’ Instead of help, Panditji gives advice. He records the advice he gives: ‘D.L. should become the leader of the reform. Best way we can help is by maintaining friendly relations with China, otherwise China would fear our designs in Tibet.’ An excuse, and a presumptuous one—‘otherwise China would fear our designs in Tibet.’ *As the principal object of this brief book is to set out the evolution of India’s China-policy in Panditji’s own words, and to show how those assumptions and habits continue to endanger us today, I have kept annotations to the minimum. But what Panditji did and said and wrote in regard to China does deserve to be analyzed almost at the psychological and linguistic level! For his stance, his formulations, his rationalizations are rooted in habits, in mental processes. Not just his assumptions and premises persist among policy-makers, those very habits and mental processes persist. In the 1950s, they went unquestioned because of the lofty position that Panditji occupied in our lives and discourse. Today, they go equally unquestioned—though for a different reason: discourse has got so dumbed-down that no assumption or premise is examined as it should be. An illustration will bring home the consequence. Among the habits that persist, one is especially harmful as it rationalizes going-along at an almost subliminal level. This is the habit of slipping in a thought or sentence which excuses one from facing the facts. We see this in Pandit Nehru’s writings and spoken word at every turn. ... *A contributing factor certainly must have been the contempt that Mao, Chou En-lai and others felt for India and Indians. This comes through again and again in conversation after conversation of the Chinese leaders. Chou and Kissinger agree on how India is the one that is causing the troubles in East Pakistan; on what China and US should together do to halt India in the tracks; they agree about not just what is ‘the Indian tradition’—deceit, blaming others—but just as much about the Indian character—marked by ingratitude.⁴ The contempt and coordination show through even more dramatically in the conversations that Kissinger later has with the permanent representative of China at the UN, Huang Hua, during which he asks Huang Hua to assure Chou En-lai that, should China take military action against India to divert it from pursuing its assault on Pakistan, the US will hold the Soviet Union at bay. Nixon, Pompidou and Kissinger are exchanging views about the state of the world. Nixon summarizes the Chinese assessments: ‘...the attitude of the Chinese towards their neighbours can be summed up in this way. The Russians they hate and fear now. The Japanese they fear later but do not hate. For the Indians they feel contempt but they are there and backed by the U.S.S.R.’ ===2010s=== *I don't see the difference between the two. I feel they (the BJP and the Congress) are one party. They are jointly ruling. It is a dinner party. They meet at dinners. They meet socially. They decide on what has to be done about issues. <br>First, the media should write about itself. It is extremely short-sighted about the media to black out these things. The Mitrokhin Archives revealed how (the then Soviet intelligence agency) the KGB boasted that they were able to plant 400 stories in such and such Indian newspapers. The Indian media blacked it out. Then, privatetreaties of The Times of India that other people have now adopted has been completely blacked out.... When the Press Council of India was forced to appoint a committee to look into the allegations about 'paid news', the Press Council itself suppressed the report. **[https://www.rediff.com/news/report/interview-arun-shourie-on-the-real-meaning-of-the-radia-tapes1/20101201.htm Interview] 2010 ====''Falling Over Backwards'' (2012) ==== *The first derailment was caused by plucking the words ‘of their choice’ out of context, by tearing them away from the object for which Articles 29 and 30 gave minorities the right to set up and administer institutions. A normal engineering college or a college of dentistry can by no stretch be taken to be an institution that has been set up to help conserve the language, script or culture of the minority. Yet, provided the engineering or dentistry college has been set up by members of a minority, it was presumed to enjoy the protection of Articles 29 and 30, and thereby be beyond the reach of the state. *The result has been as predictable as it is iniquitous and absurd: if Ram Sharan sets up an engineering college, the state as well as the university concerned can prescribe all sorts of things it must do; if Mohammed Aslam sets up an exact clone of that engineering college across the road, teaching exactly the same subjects, using exactly the same textbooks, neither the state nor the university can regulate its functioning! *On the other hand, when sticking to the text is what will advance the judgment, they become strict constructionists. Some of the most conspicuous instances of this can be found in judgments relating to Article 30, the article that deals with the ‘right of minorities to establish and administer educational institutions’. The country had been partitioned on the cry that Muslims will never be secure in a united India. The framers were naturally keen to reassure the minorities that they would be free to preserve their religion, language and culture. Accordingly, Article 29 was enacted guaranteeing them and assuring them of this freedom. In case they wanted to set up institutions for safeguarding their language, culture, religion, Article 30 was enacted assuring them that ‘All minorities, whether based on religion or language, shall have the right to establish and administer educational institutions of their choice.’ The context made the purpose clear: minorities would have the freedom to set up such institutions as they thought would best preserve their culture, religion, language. But, given what has been the climate of discourse since the framing of the Constitution, the judges became literalists. Minorities would have the right to set up and manage ‘educational institutions of their choice’ irrespective of the purpose for which the institution was set up. Thus, engineering colleges and dental colleges set up by a family of, say, Muslims would have freedoms from state regulation and oversight that engineering and dental colleges set up by run-of-the-mill Indians would not. *Now, these are not stray phrases thrown in to light up a purple passage. They are stances, they are standpoints that indicate the direction in which that judgment will go, they are signposts which tell us where the reasoning being advanced in the text will eventually end. Such formulations have a significance beyond the particular judgment in which they figure. Succeeding benches can strike the same pose and gallop further in the same direction. *We comfort ourselves: at least, the virus of reservations has not got into judicial appointments; at least, reservations have not been extended to Muslims and Christians. Both notions are just make-believe. *As for reservations not having been extended to members of religions that repudiate caste – Islam, Christianity, Sikhism – again, that is but make-believe. The chairman of the Minorities Commission, my friend Tarlochan Singh, sends me a list of fifty-eight castes and of fourteen tribal groups, Muslim members of which have been given reservations. Even those who convert to one of these religions, continue to remain entitled to reservation. The rule in Tamil Nadu is that if the name of the father falls in the lists of Backward Castes/Most Backward Castes/Scheduled Castes/Scheduled Tribes, then, even if the person has converted to another religion, he remains entitled to reservations. In Gujarat, members of Backward Castes continue to avail of not just reservations but even of advantages under the roster system after conversion – 137 castes and sub-castes have been listed as socially and educationally backward in the state; of these, twenty-eight belong to the Muslim community. In Karnataka, ‘caste at birth’ is the norm. In UP, several Muslim castes are included in the reservation list – Lalbegi, Mazhabis, even Ansaris. The position is no different in Madhya Pradesh, in West Bengal. The Indian Express correspondent in Kolkata reports that the government of the ostentatiously secular CPI(M) strained to have reservations in government service as well as educational institutions extended to Muslims qua Muslims, and directed the state Minorities Commission to ascertain how such reservation had been decreed in Andhra Pradesh. The plan has had to be deferred for the time being, he writes, Only because the Andhra Pradesh High Court has struck down the Andhra order as unconstitutional. *Even as moves are afoot to get the Andhra judgment reversed, the government has directed the armed forces to count soldiers and officers by their religion. Nor is this move an inadvertence. It has arisen as a result of a committee that the government has appointed under a former chief justice of Delhi, Rajinder Sachar -each member of which has been carefully selected for his ‘secular’ beliefs. Each term of reference on which it is to supply information and make recommendations, as we noted at the outset, has been just as carefully selected to justify reservations and other concessions to Muslims as a religious group. *With elections looming, in January 2006, the Government of Kerala announced another ‘package’ of reservations for backward castes and for Muslims: service rules of the state shall be altered to permit direct recruitment of these sections so as to fill the 40 per cent quota that has been set aside for them; if suitable candidates are not available from these sections, the vacancies shall not be filled by merit; the state Public Service Commission shall prepare an ‘additional supplementary list’ so that the vacancies may be filled only by these sections; 20 per cent of the seats shall be reserved for these castes in graduate and postgraduate courses in government colleges; the chief minister will himself monitor the implementation of the reservation policy; there shall be a permanent commission to ensure that reservations are fully filled... *With elections upon them, the DMK and its allies announced in Tamil Nadu that, once in office, they will bring forth legislation to give reservations to Muslims and Christians. *The Jharkhand government, in turn, has announced that members of thirty-two tribes that are the most backward – literacy level among nine of them is said to be just 10 per cent – shall be directly recruited into government service; those among them who pass the graduation examination shall not have to take the qualifying examination which all others who enter government service have to take. *And beware, the progressive judges have already put out the basis for extending reservations to Muslims or Christians as Muslims and Christians. The word that the Constitution uses is ‘communities’, the word it uses is ‘classes’, Justices Jeevan Reddy, Sawant and Thommen hold in Indra Sawhney. ‘Community’ and ‘class’ are wider than ‘caste’, they say. So, entities wider than ‘caste’ can certainly be subsumed under them, they say – the only proviso being that the groups so identified be ‘backward’. Second, in spite of the teachings of Islam, Christianity and Sikhism, castes persist in these religions also, they explain in justification. As that is the reality, it would be invidious to restrict access to reservations to the backward sections of Hindus alone...3 *How far we have descended! Today progressives dress up their casteism as secularism! The benefits of reservation shall be extended to Muslims and Christians also, they proudly announce. In Andhra the decision of the government has had to be twice struck down by the courts – the government had decreed reservations for Muslims qua Muslims. Even as moves are afoot to get that judgment reversed, the Central government directed the armed forces to count soldiers and officers by their religion. Nor was the move an inadvertence. It arose as a result of a committee that the government had appointed under a former chief justice of the Delhi High Court. Each member of the committee has been carefully selected for his ‘secular’ and ‘progressive’ beliefs. Each term of reference on which the committee has been asked to supply information and make recommendations has been just as carefully selected to justify reservations and other concessions to Muslims as a religious group: *Every single item betrays the singular purpose of the whole exercise–to provide the rationale for extending reservations to Muslims. Nor is that opportunism confined to the present ruling coalition. In the run-up to the 2005 elections in Bihar, rival groups were vying with each other promising reservations for Muslims qua Muslims. *The object of the framers of the Constitution was, as ours must be, quite the opposite. It was to wipe out the cancer of caste even from Hindu society. Only with the greatest reluctance did they agree to allow reservations for the Scheduled Castes and Tribe – for they felt that doing even this much would perpetuate caste distinctions. The reservations were, therefore, to be exceptions to the general rule. ===2020s=== ====''Preparing: For Death'', 2020==== *One must reflect deeply on the nature of the adversity, and on how it may be converted into an instrument for growth. The routine Gandhiji set for himself was always so much stricter and so much more demanding than anything that a jailer would have thought of imposing on anyone. Similarly, picture Vinoba in solitary confinement in that cell, 8 feet by 9 feet in dimension: how he converts imprisonment into ashram life; how in that tiny space, in forced and complete isolation, he retains his mental discipline by meditating for two to three hours every day; how he disciplines himself physically by walking every day for eight hours inside that suffocating cell, and thereby covering ten miles—covering ten miles in a cell 8 feet by 9 feet every single day! In both cases, control remained in the hands of the prisoner, not the jailer—a very important factor in dealing with adversity. ** Arun Shourie, ''Preparing: For Death.'' Penguin Random House India Private Limited, 2020. ISBN 935305978X, 9789353059781 *The rituals—for instance, those we go through during a marriage ceremony—were devised to imbed certain values into us: the experience of centuries had led thoughtful persons to see that going through those steps, that reciting those mantras and reflecting on them would help us internalize those values, and mould our lives accordingly. But what do we do today? First, we outsource the ritual—to a pandit, say. As he goes through the motions prescribed for solemnizing a marriage, as he chants those mantras, we don’t have a clue about the meaning of the words that he is reciting, nor of the steps—‘Now pour some water on the earth, and then on . . .’ Nor do we care: ‘Panditji, puja zaraa jaldi khatam kar deejiye. Guest dinner ke liye wait kar rahen hain’—‘Panditji, please conclude the puja a bit quickly. The guests are waiting for dinner.’ ** Arun Shourie, ''Preparing: For Death.'' Penguin Random House India Private Limited, 2020. ISBN 935305978X, 9789353059781 ==Quotes about Arun Shourie== *In the end, India had to wait till 1998 for Arun Shourie’s Eminent Historians to be published. This book uncovered in detail after ghastly detail, this multi-layered assault on the national psyche that has disfigured the minds of at least three generations regarding the vital truths of their own nation. And thanks to this seminal contribution, “Eminent Historian” has fittingly become a swearword in the Indian public discourse. **S. Balakrishna, Seventy years of secularism. 2018. *Anyone who thought India had dismantled its notorious system of bureaucratic controls when it embarked on economic reform in 1991 ought to consult Arun Shourie. As cabinet minister (at various times since 1998) for privatisation, administrative reform, information technology and telecommunications, Mr Shourie's observations are close to the bone. The Hindu nationalist-led government in which Mr Shourie was the most prominent economic reformer was thrown out last May. Franz Kafka would have had difficulty dreaming up some of the examples cited in Mr Shourie's book. ... But it is what India's bureaucracy is like under normal conditions that matters and Mr Shourie does a depressingly thorough job in chronicling it. One can only hope that India's senior civil servants find the time to read this book - and have the grace to wince. **[[Edward Luce]], India's tragic comedy of civil disservice, book review in Financial Times. November 9, 2004 *Muslim leaders and Stalinist historians were raising a howl about Hindu chauvinism when it came to the notice of Arun Shourie, the Chief Editor of the Indian Express at that time, that some significant passages had been omitted from the English translation of an Urdu book written long ago by the father of Ali Mian, the famous Muslim theologian from Lucknow. He wrote an article, Hideaway Communalism, in the Indian Express of February 5, 1989 pointing out how the passages regarding destruction of Hindu temples and building of mosques on their sites at Delhi, Jaunpur, Kanauj, Etawah, Ayodhya, Varanasi and Mathura had been dropped from the English translation published by Ali Mian himself. This was a new and dramatic departure from the norm observed so far by the prestigious press. Publishing anything which said that Islam was less than sublime had been taboo for a long time. I was pleasantly surprised, and named Arun Shourie as the [[মিখাইল গর্বাচেভ]] of India. He had thrown open the windows and let in fresh breeze in a house full of the stinking garbage of stale slogans. **Goel, S.R. How I became a Hindu (1993, revised ed.) *[Arun Shourie's article 'Hideaway Communalism'] had violated a taboo placed by the mass media and the academia on any unfavourable narration of the history of Islam since the days when Mahatma Gandhi took command of the Indian National Congress and launched his first non-cooperation movement in support of the Turkish Khilafat. **Goel, S.R. Hindu Temples – What Happened to Them, Volume I (1990) Preface, 2nd edition, p. xiii. *Arun Shourie had shown great courage. But he had counted without the secularist crowd which had access to the owner of the Indian Express. He told me on the phone that there was some trouble brewing. I have never talked to him about the nature of the trouble, and do not know if my articles had anything to do with his ouster from the Indian Express next year. All I know is that he had to slow down the publication of my next two articles. **Goel, S.R. How I became a Hindu (1993, revised ed.) *Mani Shankar Aiyar totally condemns one of Arun Shourie's books, and then goes on to declare that he has decided not to read it : "Shourie gave the final touches to the manuscript of his book on Islam, a work so vicious and perverted that every English speaking Muslim I know was outraged... I decided then to show my solidarity with secularism by not reading the book." (The book he refers to, is apparently Shourie's Religion in Politics, a very sane and sober look at several Scriptures in the light of reason.) **Elst, Koenraad. Ayodhya and after: issues before Hindu society. Voice of India. 1991. *The problem of book-banning and censorship on Islam criticism is compounded by the related problem of self- censorship. Thus, when in late 1992, the famous columnist Arun Shourie wanted to publish a collection of his columns on Islamic fundamentalism, esp. the Rushdie and Ayodhya affairs (Indian Controversies), the publisher withdrew at the last moment, afraid of administrative or physical reprisals, and the printer also backed out. Earlier, Shourie had been lucky to find one paper willing to publish these columns, for most Indian newspapers strictly keep the lid on Islam criticism. Hindu society is a terrorized society. **Elst, Koenraad. Negationism in India: concealing the record of Islam. Voice of India. 1992 *Arun Shourie was sacked as Indian Express editor, apparently under government pressure, after revealing that, in October 1990, Prime Minister V.P. Singh had aborted his own compromise arrangement on Ayodhya under pressure from Imam Bukhari, prominent member of the BMAC. **Koenraad Elst. Ayodhya: the case against the temple. 2002 * Or take A Secular Agenda by Arun Shourie, PhD from Syracure NY and stunningly successful Disinvestment Minister in the AB Vajpayee Government, when India scored its highest economic growth figures. It was a very important book, and it left no stone standing of the common assumption among so-called experts that India (with its religion-based civil codes and its discriminatory laws against Hinduism) is a secular state, i.e. a state in which all citizens are equal before the law, regardless of their religion. Though the book deconstructs the bedrock on which the “experts” have built their view of modern India, they have never formulated a refutation. Instead, they just keep on repeating their own deluded assumption, as in: “The BJP threatens India’s structure as a secular state.” (Actually, the BJP does not, and India is not.) They can do so because they are secure in the knowledge that, among the audiences that matter, their camp controls the sphere of discourse. Concerning the interface between religion and modern politics, the established “academic” view is not just defective, it is an outrageous failure. **Elst, Koenraad. Hindu dharma and the culture wars. (2019). New Delhi : Rupa. *The only ray of light in this encircling gloom was Arun Shourie, the veteran journalist and the chief editor of the Indian express at that time. On February 5, 1989, he frontpaged an article, Hideaway Communalism, showing that while the Urdu version of a book by Maulana Hakim Sayid Abdul Hai of the Nadwatul-Ulama at Lucknow had admitted that seven famous mosques had been built on the sites of Hindu temples, the English translation published by the Maulana’s son, Abul Hasan Ali Nadwi (Ali Mian) had eschewed the “controversial evidence”. He also published in the Indian Express three articles written by me on the subject of Islamic iconoclasm. This was a very courageous defiance of the ban imposed by Islam and administered by Secularism, namely, that crimes committed by Islam cannot even be whispered in private, not to speak of being proclaimed in public. **Goel, S. R. (1993). Hindu temples: What happened to them. (Second Enlarged Edition) [https://web.archive.org/web/20120429114113/http://www.bharatvani.org:80/books/htemples2/] *He dismisses Arun Shourie by pigeon-holing him as ‘post-modern’. He does not know that Hinduism has its own view of Time, and that a person who serves Sanatana Dharma cannot be dated. Scholars like Arun Shourie belong neither to the past, nor to the present, nor yet to the future. They belong to a timeless span. **S.R. Goel, History of Hindu-Christian Encounters (1996) * Just then Shourie was sacked as its editor. The reason was not so much the article, but, apparently, his entire policy of including columns by Hindu communalists like Ram Swarup and Sita Ram Goel, and his own articles that debunked some of the prevalent secularism, such as Hideaway Communalism. ** Elst, Koenraad (1991). Ayodhya and after: Issues before Hindu society. *I thank particularly my friend Arun Shourie because we need people like Arun Shourie to challenge us so that we can rectify our mistakes and all together collectively move towards the creation of a new India, a new humanity. ** Fr. Augustine Kanjamala, quoted in Shourie, Arun. Arun Shourie and his Christian Critic. (1995) * It is clear that Witzel himself has a political agenda: note his resentment of the “present Indian (right wing) denouncement of the ‘eminent historians’ of Delhi” (§9) – some of these “eminent historians” actively collaborated with Witzel and Farmer in their recent media-blitz in the Indian press. The reader is invited to go carefully through Arun SHOURIE’s book “Eminent Historians” (1998), which is being referred to here, and see the kind of political scholarship to whose defense Witzel has no compunctions in rushing! **S. Talageri. Michael Witzel – An Examination of his Review of my Book (2001) *As for Shourie, Mukhia is hardly revealing a secret with his information that Shourie “does journalism for a living”. The greatest investigative journalist in India by far, he has indeed unearthed some dirty secrets of Congressite, casteist and Communist politicians. His revelations about the corrupt financial dealings between the Marxist historians and the government-sponsored academic institutions are in that same category: fearless and factual investigative journalism. Shourie has a Ph.D. degree in Economics from Syracuse University in U.S.A., which should attest to a capacity for scholarship, even if not strictly in the historical field. When he criticizes the gross distortions of history by Mukhia’s school, one could say formally that he transgresses the boundaries of his specialism, but such formalistic exclusives only hide the absence of a substantive refutation. **Elst K. Ayodhya: The Case Against the Temple, chapter 4 * When Shourie's articles first appeared, they aroused great emotions and savage attacks. He quoted from the Bible and the Quran extensively on the question of co-existence. Many were shocked.... Shourie has called his book, Religion in Politics; someday he should bring out another book, Politics in Religion....The first book discusses politics complicated by religions factors; the second would discuss religions which are essentially political... **Ram Swarup, Hinduism and monotheistic religions (2009) == External links == {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:Shourie, Arun}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতিবিদ]] [[Category:Hindu nationalists]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতান্ত্রিক বিরোধী]] [[Category:Investigative journalists]] fhmrm2hxgecs9yryrsrkr7fogo6wcw1 78886 78884 2026-04-20T10:49:07Z ARI 356 /* Harvesting our souls: Missionaries, their design, their claims (2000) */ 78886 wikitext text/x-wiki [[File:Arun Shourie addressing the Plenary Session on "Diaspora Youth and India - Blueprint for Engagement" at the 2nd Pravasi Bharatiya Divas in 2004.jpg|thumb| আমি বেশ অবাক হয়েছিলাম এবং অরুণ শৌরিকে ভারতের গর্বাচেভ নাম দিয়েছিলাম। তিনি পচা স্লোগানের আবর্জনায় ভরা একটি ঘরে জানালাগুলো খুলে দিয়েছিলেন এবং এক ঝলক টাটকা বাতাস আসতে দিয়েছিলেন। ~ সীতারাম গোয়েল]] [[File:Animal artists at the Jardin des Plantes.jpg|thumb|তারা বর্তমান ভারত এবং বিশেষ করে [[হিন্দুধর্ম]]কে একটি চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছে—বিভিন্ন রকমের অসম প্রজাতির স্তূপ। তাদের মতে ‘[[ভারত]]’ বলে কিছু নেই, এটি কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ, কেবল [[যুক্তরাজ্য]]ের তৈরি একটি ধারণা; হিন্দুধর্ম বলে কিছু নেই, এটি কেবল আরবদের ব্যবহৃত একটি শব্দ যা তারা এখানে এসে বিভিন্ন ধরনের মানুষের দেখা পাওয়ার পর ব্যবহার করেছিল, এটি কেবল অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য সাম্প্রদায়িকদের একটি উদ্ভাবন, এটিই ছিল তাদের অবস্থান।]] [[File:Dalailama1 20121014 4639.jpg|thumb|আমাদের উচিত দালাই লামার উদাহরণটি সামনে রাখা। তিনি ধ্যানের ওপর একটি তিব্বতি গ্রন্থের ওপর বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি একটি বাক্য পড়লেন, হাসলেন এবং মন্তব্য করলেন, ‘সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বগুলো লজ্জাজনক! এগুলো ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত!’ তিনি পরামর্শ দেন যে আমাদের কাছে সবসময় একটি ঝুড়ি রাখা উচিত—যা কিছু আমাদের বর্তমান জ্ঞানের সাথে মেলে না, সেগুলো সেই ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া উচিত। ‘[[বৌদ্ধধর্ম]]কে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে,’ তিনি এটাই শেখান। সেই অনুযায়ী তিনি বৌদ্ধ গ্রন্থগুলোকে সূক্ষ্ম পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করেছেন। (...) এটি নিজের ঐতিহ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসকেই তুলে ধরে। এটিই হলো ঐতিহ্যের প্রকৃত সেবা। এতে থাকা ‘অমূল্য রত্ন’ [[ভবিষ্যৎ]]ের জন্য রক্ষা করার উপায় এটিই।]] [[File:Censorship in cinema.jpg|thumb|এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?]] [[File:Parental Advisory label.svg|thumb|এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি—যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?]] [[File:Censorship.svg|thumb|এই বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।]] [[File:Murales Rivera - Treppenhaus 9 Bücherverbrennung.jpg|thumb|আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে... তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা...<br> দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br> তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন।]] [[File:Eustache Le Sueur - The Preaching of St Paul at Ephesus - WGA12613.jpg|thumb|সবচেয়ে বড় অংশগুলো বাদ দিতে বলা হয়েছে ‘আওরঙ্গজেবের ধর্মীয় নীতি’ সংক্রান্ত অধ্যায় থেকে। তিনি হিন্দুদের সাথে প্রকৃতপক্ষে কী করেছিলেন, তাদের মন্দিরের কী করেছিলেন, তার শাসনের মূল উদ্দেশ্যইসলামের প্রভাব বিস্তার এই সংক্রান্ত প্রতিটি ইঙ্গিত বই থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে... '''সবকিছু ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।'''<br/>'''বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের জন্য বস্তুনিষ্ঠ ধামাচাপা। আর আজ যদি কেউ এই পাঠ্যবইগুলোতে সত্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে, তবে চিৎকার ওঠে, ‘ইতিহাসের সাম্প্রদায়িক পুনর্লিখন’।''']] [[File:Porträtgalerie des steiermärkischen Adels 043.jpg|thumb|একবার যখন তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিলেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিলেন, তখন তারাই ঠিক করতে শুরু করলেন কী পড়ানো হবে, কোন বইগুলো পাঠ্য হবে, কী প্রশ্ন করা হবে আর কোন উত্তরগুলো গ্রহণযোগ্য হবে। এভাবেই এই ঐতিহাসিকরা আসলে ইতিহাস কী ছিল তা নির্ধারণ করতে শুরু করলেন! ... এভাবেই তারা তথ্য গোপন করেন, কিছু তথ্য বানিয়ে বলেন, এমনকি কোনো লেখক একটি বিষয়ে কী বলেছেন তা ধামাচাপা দিয়ে অন্য বিষয়ে তার বলা কথাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রচার করেন। আর যখনই কেউ আসলে কী ঘটেছিল তা তুলে ধরার চেষ্টা করে, তখনই তারা সমস্বরে চিৎকার শুরু করেন: ইতিহাস নতুন করে লেখার ষড়যন্ত্র চলছে, তারা চিৎকার করেন; ইতিহাস বিকৃত করার চক্রান্ত হচ্ছে, তারা চিৎকার করেন। '''কিন্তু তারাই প্রথম থেকে ইতিহাস বিকৃত করে আসছেন সত্য গোপন করে এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে।''']] [[File:Censored stamp.jpg|thumb|আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?]] [[File:Soviet Communism Threatens Education - NARA - 5730072.jpg|thumb|পরিস্থিতি এখন এইরকম: ভারতের জনপরিসরে যারা গত অর্ধ শতাব্দী ধরে আধিপত্য বিস্তার করেছেন, নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং অন্যদের আতঙ্কিত করে রেখেছেন, তাদের হাতে এখন কোনো তথ্য বা যুক্তি অবশিষ্ট নেই। যে কেউ তাদের অভ্যন্তরীণ আলোচনাগুলো পর্যবেক্ষণ করলেই এর প্রমাণ পাবেন—তারা এখন ক্রমশ ছোট হয়ে আসা গণ্ডির মধ্যে কথা বলছেন এবং সেই ছোট গণ্ডিতেই পুরনো কিছু বুলি পুনরাবৃত্তি করছেন। সেখানে নতুন কোনো চিন্তাভাবনা বা নতুন কোনো তথ্য নেই। আর আমরা যেমনটা দেখেছি, এটি আগে থেকেই ধারণা করা যায়: তাত্ত্বিক বুলিগুলোর পুনরাবৃত্তি করাই তাদের জন্য কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং যথেষ্ট।]] [[File:Shri Arun Shourie, Member of Parliament presented his book titled “Falling Over Backward” to the Vice President, Shri Bhairon Singh Shekhawat, in New Delhi on June 3, 2006.jpg|thumb|এর ফলাফল প্রত্যাশিত হলেও তা অন্যায় এবং হাস্যকর: যদি রাম শরণ একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, তবে রাষ্ট্র এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় অনেক কিছু নির্ধারণ করে দিতে পারে যা তাকে করতে হবে; কিন্তু যদি মুহাম্মদ আসলাম রাস্তার ওপারে ঠিক একই রকম একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, যেখানে ঠিক একই বিষয় পড়ানো হয় এবং একই পাঠ্যবই ব্যবহার করা হয়, তবে রাষ্ট্র বা বিশ্ববিদ্যালয় কেউই এর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না!]] '''অরুণ শৌরি''' (জন্ম ২ নভেম্বর ১৯৪১) ভারতের একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক এবং রাজনীতিবিদ। == উক্তি == === ১৯৭০-এর দশক === ==== ''সিম্পটমস অফ ফ্যাসিজম'' (১৯৭৮) ==== * জরুরি অবস্থার অপরাধীদের বিষয়ে আজ আমরা যা দেখছি তা আইনের শাসন নয়, বরং তার ধ্বংস। আমরা দেখছি কীভাবে বুর্জোয়া আইনের শাসন ধ্বংস করা হচ্ছে। এই শ্রেণির লোকেরাই নিজেদের স্বার্থে এটি ধ্বংস করছে এবং বুর্জোয়া সমাজ এই অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনার মতো প্রয়োজনীয় দৃঢ়তা দেখাতে পারছে না। আজ আমাদের বিচার ব্যবস্থার দুটি বৈশিষ্ট্য সবার সামনে পরিষ্কার হয়ে গেছে। প্রথমত, অপরাধীরা যদি প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাশালীদের সাথে যুক্ত হয়, তবে এই ব্যবস্থা তাদের ধরতে পারে না। দ্বিতীয়ত, জনগণ এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে করা তাদের প্রধান অপরাধগুলোর জন্য এটি তাদের ধরতে পারে না। * এরপর আছেন আমাদের লক্ষ্যহীন বামপন্থীরা, যারা একে অপরকে গালিগালাজ করতে ব্যস্ত। আর সবশেষে আছেন উদারপন্থীরা, যারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজাতে ব্যস্ত, বরং তারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজানো নিয়ে সেমিনার করতে ব্যস্ত। * আসন্ন ফ্যাসিবাদের প্রবল আঘাত থেকে আমাদের বাঁচাতে এই লোকগুলোর ওপর ভরসা করা মানে হলো একটি মাইনফিল্ড পার হওয়ার জন্য বুড়ো মহিষের ওপর নির্ভর করা। === ১৯৮০-র দশক === ==== ''রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স'' (১৯৮৯) ==== * এভাবে নীরবতা সংস্কারের গতি কমিয়ে দেয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি বহু সংখ্যক মানুষ এই নেতাদের সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে লেখালিখি এবং আলোচনা করতেন, তবে এই সম্প্রদায়ের ভেতরে থাকা সংস্কারকরা আজকের মতো এতটা বিচ্ছিন্ন এবং কোণঠাসা হতেন না। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, পুরো সত্য না বলাটা একটা অভ্যাসে পরিণত হয়। নিজের বিশ্বাস লুকিয়ে রাখা, তথ্যপ্রমাণ এড়িয়ে যাওয়া এবং প্রতারণা করা যেন আমাদের জনপরিসরের আলোচনার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। * তবুও আমি এই সংখ্যাগরিষ্ঠ রায়ে এক মারাত্মক সারল্য খুঁজে পাই... এই রায়ে ঋগ্বেদ, যজুর্বেদ এবং অথর্ববেদ থেকে সেই ঘোষণাগুলো উদ্ধৃত করা হয়েছে, যেখানে সব মানুষ এক, সবাই একই ধরিত্রীর সন্তান এবং আমাদের সবার বন্ধু হওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সেখানে এটি উল্লেখ করা হয়নি যে, আদালতের ভবন থেকে এক মাইলেরও কম দূরত্বে ফতোয়ার অসংখ্য বই বিক্রি এবং বিতরণ করা হচ্ছে, যেখানে মুসলিমদের উৎসাহিত করা হচ্ছে যেন তারা কখনোই কাফিরদের বিশ্বাস না করে এবং তাদের ওপর ভরসা না রাখে; সেখানে তাদের বলা হচ্ছে যে, তাদের প্রথম কাজ এবং আনুগত্য হবে তাদের ধর্মের প্রতি, কোনো সাধারণ আইনের প্রতি নয়... ঈশ্বর আর আল্লাহ যে এক, এটা [[মহাত্মা গান্ধী]]কে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। মন্দির আর মসজিদ, পুরাণ আর কুরআন যে এক, এটা [[গুরু গোবিন্দ সিং]]কে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। যাদের এটা বোঝানো প্রয়োজন, যেমন উলেমা বা শাহী ইমাম—তারা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন যে এগুলো এক নয়। ** অরুণ শৌরি: ইন্ডিয়া., এবং দাশগুপ্ত, এস. (১৯৯৫)। দি অযোধ্যা রেফারেন্স: দি সুপ্রিম কোর্ট জাজমেন্ট অ্যান্ড কমেন্টারিস। পৃষ্ঠা ১৭১-৩ * "বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টিই ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।" ** রাম স্বরূপের আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইসলাম থ্রু হাদিস বইটি নিষিদ্ধ করার বিষয়ে। কোয়েনরাড এলস্টর অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি, ১৯৯১, অধ্যায় ১২। * তারা ভয় দেখানোর ওপর নির্ভর করে। ঠিক এই ধরনের কৌশলেই জনাব স্বরূপের আগের একটি বই আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইসলাম থ্রু হাদিস বাজার থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল... ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর, একই ধরনের হুমকির মুখে দিল্লি প্রশাসন ঘোষণা করে যে, আগে তারা দুইবার যা বলেছিল তার উল্টো করে বইটি কেবল আপত্তিকরই নয়, বরং এটি ইচ্ছাকৃতভাবে এবং বিদ্বেষমূলকভাবে লেখা হয়েছে!....<br/>আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই শাহাবুদ্দিনদের মতো জায়গা থেকে মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে, তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা....<br/>দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br/>তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন। ** অরুণ শৌরি: "হাউ শুড উই রেসপন্ড?", সীতারাম গোয়েল সম্পাদিত ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসি (১৯৯৮) বইতেও রয়েছে। * পঞ্চাশ বছর ধরে এই দলটি তথ্য গোপন করছে এবং মিথ্যা উদ্ভাবন করছে। আইসিএইচআর-এর সেই উদ্দেশ্য—আমাদের অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ এবং যৌক্তিক গবেষণার প্রসার ঘটানো সেটি নিয়ে তারা কতই না চিন্তিত! তাদের এই চিন্তাভাবনা কীভাবে ১৯৮৯ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া নির্দেশিকার সাথে মেলে... যেখানে বলা হয়েছিল, "মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না"? অথচ বৌদ্ধ বিহার ধ্বংস নিয়ে তাদের পাইকারি মিথ্যাচার এবং অস্তিত্বহীন "আর্য আক্রমণ" নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা মানেই হলো সাম্প্রদায়িক বা উগ্র জাতীয়তাবাদী হওয়া! এই "ঐতিহাসিকদের" প্রধান অপরাধ হলো এটিই। কিন্তু এরা কেবল একপাক্ষিক "ঐতিহাসিক" নন। তারা চরম পর্যায়ের স্বজনপ্রীতি করেন... তারা এমন লোক যারা সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে একে অপরকে অনেকভাবে সাহায্য করেছেন... এই "ঐতিহাসিকরা" কেবল পক্ষপাতদুষ্ট বা স্বজনপ্রীতিই করেন না, বরং তারা একে অপরকে সাহায্য করার জন্য রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ব্যবহার করেছেন... এর ফলে, এই লোকগুলোর বই এবং প্রচারপত্র সব আঞ্চলিক ভাষায় পাওয়া যায়, কিন্তু লোকমান্য তিলকের কাজগুলো মারাঠি ছাড়া অন্য ভাষায় পাওয়াই যায় না! ** ফেব্রিক্যাশনস অন দ্য ওয়ে টু দ্য ফিউনারেল। প্রকাশনা: ইন্ডিয়া কানেক্ট। লেখক: অরুণ শৌরি। তারিখ: ২৬ জুন, ১৯৯৮। [http://voiceofdharma.org/indology/eminenthistorians1.html] [https://www.dharmadispatch.in/commentary/de-secularizing-indian-history-why-the-ugc-deserves-our-kudos] * সব তথ্যই... পঞ্চাশ বছর আগে সবার জানা ছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধের সেই প্রজন্মের বিদায়ের সাথে সাথে এবং রেকর্ডগুলো যাচাই করার অভ্যাস পুরোপুরি ত্যাগ করার ফলে, বিশেষ করে জাতিভিত্তিক রাজনীতির উত্থানে সেগুলো জনস্মৃতি থেকে মুছে ফেলা হয়েছে। আর এই মুছে ফেলার ফলাফল যা হওয়ার ছিল তাই হয়েছে: এক ধরনের মানসিক বৈকল্য। শুরুতে যারা আম্বেদকরের নামে রাজনীতি করে এবং তাদের সমর্থকরা স্বাধীনতা সংগ্রামকে খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করেছে: তারা দাবি করে যে এই স্বাধীনতা "প্রকৃত" নয়। ঠিক সেই দলটির মতোই যারা ১৯৪২ সালের সেই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্রিটিশদের সাথে হাত মিলিয়েছিল—কমিউনিস্টরা। প্রকৃতপক্ষে... আম্বেদকরের আচরণকে সঠিক প্রমাণ করতে তার অনুসারীরা দাবি করেন যে ব্রিটিশ শাসনই ভালো ছিল... কিন্তু সত্য আলমারিতে লুকিয়ে থাকে। পাছে সত্য বেরিয়ে এসে তাদের রাজনীতির সেই আদর্শকে কলঙ্কিত করে, পাছে তাদের রাজনীতি আসল রূপে ধরা পড়ে যায়—যা মূলত বঞ্চিতদের নামে স্বার্থসিদ্ধি ছাড়া আর কিছুই নয়—আম্বেদকরের এই অনুসারীরা মৌখিক সন্ত্রাসবাদ এবং সরাসরি আক্রমণের মাধ্যমে তাদের এই বিশেষ ইতিহাসের ধারা বজায় রাখতে চায়। ** অরুণ শৌরি, *ওরশিপিং ফলস গডস*, ১৯৯৭, হার্পার কলিন্স। ==== ''ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস: এসেস অন রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স'' (১৯৯৩) ==== :শৌরি, এ. (২০০৬)। ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস: এসেস অন রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স। নয়া দিল্লি: রূপা অ্যান্ড কোং। * প্রত্নতাত্ত্বিক নতুন আবিষ্কারগুলোর ওপর যে নীরবতা পালন করা হয়েছে, তা একটি বড় উদাহরণ। .... এক দশকেরও বেশি সময় আগে করা খননকার্য থেকে পাওয়া তথ্যগুলো যখন জনসমক্ষে এল এবং সেখানে আগে সত্যিই একটি মন্দির ছিল সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ রইল না, তখন স্বয়ং প্রত্নতত্ত্বকেই নিন্দা জানানো হলো। বিশ্বের অন্যতম সম্মানিত প্রত্নতাত্ত্বিক—যিনি ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের প্রাক্তন মহাপরিচালক ছিলেন এবং সেই খননকার্যের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন—তাকে কলঙ্কিত করার কাজে পত্রিকাগুলো নেমে পড়ল। ... এর শিক্ষা খুব পরিষ্কার: যদি এমন দ্বিমুখী নীতি চলতে থাকে, তবে আমাদের সম্পাদকীয় লেখকদের ভয়ভীতিপূর্ণ সতর্কবাণী হিন্দুরা এখন যতটা শুনছে, ভবিষ্যতে তার চেয়েও কম গুরুত্ব দেবে। * পরিষ্কারভাবে বলতে গেলে, আমাদের সাংবাদিকরা যাদের 'কট্টরপন্থী' বলেন, তারাই সঠিক প্রমাণিত হয়েছেন। * গত এক দশকে শিখ এবং মুসলিম সাম্প্রদায়িকরা যেভাবে রাষ্ট্রকে সফলভাবে প্রভাবিত করেছে, তাতে সংবাদপত্রের ঘটনা এবং ইস্যুগুলোর বর্ণনায় দ্বিমুখী নীতি, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে প্রতারণা একটি বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। * মধ্যযুগীয় ভারতের প্রতিটি মুসলিম ঐতিহাসিক এমন মন্দিরের তালিকা দিয়েছেন যা তার সমকালীন শাসকরা ধ্বংস করেছিলেন এবং তার বদলে সেখানে মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। (৪২৯) ==== ''হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম (ভলিউম ১)'', ১৯৯৩ ==== * একজন বিখ্যাত মুসলিম পণ্ডিত যিনি ভারতের অন্যতম বড় ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের চতুর্থ রেক্টর ছিলেন, তার লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের ইংরেজি সংস্করণে বাবরী মসজিদসহ কিছু মসজিদের তালিকা ছিল, যা মন্দিরের জায়গায় এবং ভিতের ওপর তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে মন্দিরের পাথর ও কাঠামো ব্যবহারের উল্লেখ ছিল। দেখা গেল, সেই গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! বলা হচ্ছে বইটি এখন পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে;... এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... আমি জানলাম এটি একটি দীর্ঘ বই ছিল, যা শুরু হয়েছিল ভারতের ভূগোল, গাছপালা, পশুপাখি, ভাষা, মানুষ এবং অঞ্চলগুলোর বর্ণনা দিয়ে। বইটি আরবি ভাষায় লেখা হয়েছিল আরবিভাষী মানুষের জন্য। ... একটি অদ্ভুত তথ্য আমার সামনে এল। এই ধরনের প্রকাশনা সম্পর্কে যাদের জ্ঞান থাকার কথা, তাদের অনেকেই হঠাৎ করে এই বইটির কথা মনে করতে দ্বিধা বোধ করছিলেন। আমাকে বলা হয়েছিল যে, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের মতো জায়গাগুলো থেকে বইটির কপি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এমনকি কেউ কেউ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, তিন-চার বছর আগে এই বইটির প্রতিটি কপি ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য একটি সুসংগঠিত প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। .... লেখকের মর্যাদা এবং বইটির গুরুত্ব এত বেশি হওয়া সত্ত্বেও মৌলবাদীদের কাছে এটি কেন প্রিয় নয়? এর উত্তর লুকিয়ে আছে “হিন্দুস্তান কি মাসজিদেঁ” অর্থাৎ “হিন্দুস্তানের মসজিদসমূহ” নামক অধ্যায়টিতে। ... এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি, যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন—যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?... ** রাজনৈতিক কারণে লাইব্রেরি থেকে বই সরিয়ে ফেলার বিষয়ে। অরুণ শৌরি: হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯)। উদ্ধৃত: সীতারাম গোয়েল (সম্পাদক) (১৯৯৩)। হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম। ভলিউম ১। * সেগুলোর প্রকৃত গুরুত্ব এবং আমি বলতে পারি মসজিদ-মন্দির বিতর্কের ক্ষেত্রে এগুলো সবচেয়ে ছোট এবং সাধারণ উদাহরণ মাত্র লুকিয়ে আছে সত্য এড়িয়ে চলা এবং গোপন করার মধ্যে। আমার কাছে নির্ভরযোগ্য তথ্য আছে যে, এই অংশগুলো অনেক আগে থেকেই পরিচিত এবং যারা বাবরী মসজিদ ইস্যু নিয়ে কাজ করছেন তারা এটি ভালো করেই জানেন। এটিই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়; তারা এগুলো জানতেন এবং তাদের ইচ্ছা ছিল সত্য জানার বদলে সত্যকে গোপন করে মাটিচাপা দেওয়া.... মাওলানা আবদুল হাইয়ের অনুচ্ছেদগুলোর পরিণতি এবং আমি জানি না যে উর্দু সংস্করণটিও মূল আরবি সংস্করণের একটি সুবিধাজনক কাটছাঁট করা রূপ কি না আমাদের দেখায় যে, যারা নিজেদের রাজনীতির জন্য ধর্মের আবেগ উসকে দেয় তারা কতটা স্বার্থপরভাবে কাজ করে। '''যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য—মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?''' ** রাজনৈতিক কারণে লাইব্রেরি থেকে বই সরিয়ে ফেলার বিষয়ে। অরুণ শৌরি: হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯)। উদ্ধৃত: সীতারাম গোয়েল (সম্পাদক) (১৯৯৩)। হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম। ভলিউম ১। ==== ''আ সেকুলার এজেন্ডা'', ১৯৯৩ ==== * পাঠ্যটি পড়লে পাঠক লক্ষ্য করবেন যে ভারতের জনপরিসরের আলোচনায় যেসব বুলি ব্যবহার করা হয় এবং ফলস্বরূপ অনেকে যা বিশ্বাস করে নিয়েছেন, তা তথ্যের চেয়ে কতটা আলাদা.... (১০) * একটু চিন্তা করলেই দেখা যাবে যে ভারতের বিষয়টি আমরা যে উদাহরণগুলো আলোচনা করেছি তার মতো নয়। কারণ সেই উদাহরণগুলো একদম সাম্প্রতিক সময়ের—সেই জাতিগুলো "কল্পিত" ছিল, সেই ঐতিহ্যগুলো মাত্র ১০০ বা ১৫০ বছর আগে "উদ্ভাবিত" হয়েছিল। এর বিপরীতে ভারতকে হাজার হাজার বছর ধরে এক হিসেবে দেখা হয়েছে এবং এর মানুষের জীবনযাপনের ধরনও সাধারণ। এর ইতিহাস কেবল পুরনোই নয়.... এটি একটি ধারাবাহিক ইতিহাস। (৯) * জবরদস্তি করে ভুলে যাওয়া নয়, বরং এক আপসহীন স্মৃতিই একটি জাতি গঠন করবে। * প্রতিটি বাক্যই একটি মিথ্যা। ... আপনি কি কখনো বিবিসিকে নওয়াজ শরিফকে "মৌলবাদী" বা "ধর্মান্ধ" বলতে শুনেছেন? কিন্তু আডবাণী যদি "মুসলিমদের" জায়গায় "হিন্দু" বসিয়ে একই ধরনের বক্তব্য দিতেন, তবে তারা তাকে কী বলত? ==== ''মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া'', ১৯৯৪ ==== * '''আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?''' * '''কিন্তু আমাদের জনপরিসর এবং শিক্ষা থেকে এই ধরনের তথ্যগুলো প্রায় পুরোপুরি মুছে ফেলার একটি আরও শক্তিশালী কারণ আছে। আর সেটি হলো গত ৪৫ বছর ধরে আমরা যে ধরনের “ধর্মনিরপেক্ষতা” চর্চা করেছি: এমন এক “ধর্মনিরপেক্ষতা” যেখানে দ্বিমুখী নীতিই ছিল নিয়ম, যেখানে আমাদের জাতীয় পরিচয়কে ঢেকে রাখা আবর্জনা দূর করতে পারে এমন সবকিছুই অত্যন্ত ঘৃণ্য হয়ে উঠেছে।''' * ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অফ ইন্ডিয়া (সিবিসিআই) হলো ভারতের বিভিন্ন ক্যাথলিক গির্জার কাজ সমন্বয় করার এবং অন্য ধর্মের সাথে সংলাপ করার জন্য সর্বোচ্চ সংস্থা। ... ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করতে... সিবিসিআই ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতে একটি সভার আয়োজন করেছিল.... এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশ ছিল: এটি পঞ্চাশ বছরে মাত্র দ্বিতীয়বার এবং পঁচিশ বছরে প্রথমবার ছিল যেখানে এমন একটি ব্যাপক পর্যালোচনা করা হচ্ছিল... আয়োজকরা অত্যন্ত সদয় হয়ে আমাকে ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিদের কাজের ওপর হিন্দুদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে বলেছিলেন। * আর এই ধরনের মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করেই উপজাতিদের হিন্দু সমাজ থেকে আলাদা করা হয়েছিল। অ্যানিমিজম বা প্রকৃতিপূজার যে বর্ণনাগুলো দেওয়া হয়েছিল সেগুলো পড়লেই বোঝা যায় যে, তারা আসলে বিভিন্ন ধরনের হিন্দুদের কথাই বর্ণনা করছিল। ;'''বইটি সম্পর্কে উক্তি''' * আয়োজকরা অরুণ শৌরিকে ভারতে মিশনারিদের কাজের ওপর হিন্দুদের মূল্যায়ন তুলে ধরার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। অরুণ শৌরি ৫ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে আর্চবিশপ, বিশপ এবং অন্যদের সামনে ভাষণ দেন। ... আয়োজকরা অরুণ শৌরিকে তার বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে একটি প্রবন্ধ লিখতে অনুরোধ করেন.... বিতর্ক বাড়তে থাকায়... [তারা] অরুণ শৌরির সাথে একটি প্রকাশ্য মঞ্চে মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া নিয়ে আলোচনা করার জন্য বেশ কয়েকজন প্রবীণ গির্জা কর্মকর্তাকে আমন্ত্রণ জানান। ** মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া বইটি সম্পর্কে ** শৌরি, অরুণ। অরুণ শৌরি অ্যান্ড হিজ খ্রিস্টান ক্রিটিক। (১৯৯৫) * সংলাপের তৃতীয় উদ্দেশ্য সফল করার জন্য একটি আলোচনা কেবল ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতেই সম্ভব হয়েছিল, যখন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও পণ্ডিত অরুণ শৌরিকে ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অফ ইন্ডিয়া (সিবিসিআই) ভারতে মিশনারিদের কাজের “হিন্দু মূল্যায়ন” উপস্থাপনের জন্য আমন্ত্রণ জানায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এই “সংলাপের” আয়োজকদের জন্য বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং হিতে বিপরীত হয়। এরপর থেকেই ভারতের বিশাল খ্রিস্টান প্রতিষ্ঠান অরুণ শৌরির দেওয়া আঘাত সহ্য করছে। তিনি যে শোরগোল তুলেছিলেন তা কেবল ১৯৫৩ সালে কে. এম. পানিক্করের এশিয়া অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন ডমিন্যান্স প্রকাশের পর হওয়া শোরগোলের সাথে তুলনা করা যায়। মিশনারি বিজ্ঞান খ্রিস্টান দাবিগুলোর ক্ষতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য তাদের সব যুক্তি ও কৌশল প্রয়োগ করছে...<br>সিবিসিআই তাদের প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করছিল এবং পুনের ইশভানি কেন্দ্রে একটি সেমিনারের আয়োজন করেছিল। ৫ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে অরুণ শৌরি যখন তার বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখন ভারতের প্রায় সব বড় ক্যাথলিক নেতা সেখানে উপস্থিত ছিলেন...<br>প্রবন্ধটি বিস্তারিতভাবে লেখার পর তা একটি বইয়ের আকার নেয়। অরুণ শৌরি ১৯৯৪ সালের মে মাসের শুরুতে মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া: কন্টিনিউইটিস, চেঞ্জেস, ডিলেমাস নামে এটি প্রকাশ করেন। ... ইতিমধ্যে অরুণ শৌরি এই বিষয়ে তার নিয়মিত কলামে বেশ কিছু নিবন্ধ লিখেছিলেন যা দেশের বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশিত অনেকগুলো পত্রিকায় বের হয়। এই নিবন্ধগুলো পুনের মহারাষ্ট্র হেরাল্ডে একটি প্রাণবন্ত আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। ** সীতারাম গোয়েল, হিস্ট্রি অফ হিন্দু খ্রিস্টান এনকাউন্টারস * স্বাধীনতার পর ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিদের দাপট নেহরুবাদী প্রশাসনের সমর্থনে ক্রমাগত বেড়েই চলেছিল, যেখানে মিশনারি-ম্যাকলে ধাঁচের শিক্ষায় বেড়ে ওঠা একদল আত্মবিস্মৃত হিন্দু ছিল। এই ধারায় একমাত্র ছেদ ছিল ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত কে. এম. পানিক্করের এশিয়া অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন ডমিন্যান্স, ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত মধ্যপ্রদেশ খ্রিস্টান মিশনারি অ্যাক্টিভিটিস কমিটির রিপোর্ট, ১৯৭৮ সালে লোকসভায় ওম প্রকাশ ত্যাগীর আনা ধর্মীয় স্বাধীনতার বিল, ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত অরুণ শৌরির মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া এবং ২০ ডিসেম্বর ১৯৯৬ সালে মঙ্গল প্রভাত লোধা কর্তৃক মহারাষ্ট্র বিধানসভায় আনা মহারাষ্ট্র রিলিজিয়াস ফ্রিডম বিল। ** সীতারাম গোয়েল, ভিন্ডিকেটেড বাই টাইম: দ্য নিয়োগী কমিটি রিপোর্ট (১৯৯৮) ==== ''দ্য ওয়ার্ল্ড অফ ফতোয়াস (অর দ্য শরিয়া ইন অ্যাকশন)'', ১৯৯৫ ==== * আমাদের শহরের মুসলিম এলাকার বইয়ের দোকানগুলোতে—উদাহরণস্বরূপ দিল্লির জামে মসজিদের চারপাশের দোকানগুলোতে—ফতোয়ার সংকলনগুলো তাকের পর তাক জুড়ে থাকে। পবিত্র সাহিত্যের প্রতি মানুষ যেমন যত্নশীল হয়, এগুলোও তেমনি যত্নের সাথে সাজানো থাকে। পৃষ্ঠাগুলোর বিন্যাস খুব সুন্দর। ক্যালিগ্রাফিগুলো প্রায়ই শিল্পের পর্যায়ের। ভলিউমগুলো চমৎকারভাবে বাঁধাই করা—প্রায়ই কভারের ওপর সোনালি এমবসিং থাকে। * '''এক কথায়, ফতোয়া হলো শরিয়তের প্রয়োগ।''' * এই সব কারণে যে কেউ ফতোয়ার ওপর প্রচুর গবেষণার আশা করবে। কিন্তু তাহলে আমাদের বুদ্ধিজীবীদের কথা ভুলে যেতে হবে। এটি আরও একটি প্রমাণ যে আমাদের বুদ্ধিজীবীরা আমাদের দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন; ইংরেজি বা উর্দুতে ফতোয়ার ওপর কোনো গবেষণাই প্রায় নেই। * প্রথমত, আমাদের পণ্ডিতরা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের জন্য সময় দেননি ঠিক সেই কারণে যার জন্য তারা আমাদের দেশের অস্তিত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অন্য বিষয়গুলোতেও সময় দেননি। ভারতে বুদ্ধিবৃত্তিক কাজের বেশিরভাগই হলো পশ্চিমে যা করা হচ্ছে তার পাদটীকা লেখা—অন্যদের চেয়ে মার্ক্সবাদী বুদ্ধিজীবীদের ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি সত্যি। আর যখন আমাদের বুদ্ধিজীবীরা এই পাদটীকা লিখতে ব্যস্ত থাকেন না, তারা পশ্চিমা মহলে জনপ্রিয় ফ্যাশন অনুসরণ করতে ব্যস্ত থাকেন এবং পশ্চিমে জনপ্রিয় হওয়া কোনো ধারণা বা ‘থিসিস’ ভারতীয় তথ্যের ওপর ‘প্রয়োগ’ করতে ব্যস্ত থাকেন। এক কথায়, আমাদের পাণ্ডিত্যপূর্ণ কাজগুলো অনুকরণধর্মী। তাই ভারতে ফতোয়া নিয়ে কোনো বড় গবেষণা না হওয়ার প্রথম কারণ হলো যে এগুলো এখনো পশ্চিমের নজর কাড়েনি। * “আমাদের উচিত, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের উচিত মুসলিম সমাজের অবস্থা সম্পর্কে পুরো সত্য বলা—উদাহরণস্বরূপ সেখানকার নারীদের দুর্দশা নিয়ে। এবং এর মূল উৎস—বই, আইন এবং চিন্তাধারার মধ্যে সেটি খুঁজতে দ্বিধা না করা। আমাদের উলেমা [মুসলিম ধর্মীয় নেতা] এবং কট্টরপন্থী রাজনীতিবিদদের সামাজিক কর্মকাণ্ডের দলিল তৈরি করা উচিত।... উলেমা এবং অন্যরা ধর্মীয় ইস্যুতে যা বলছেন এবং যা ফতোয়া দিচ্ছেন তা নথিবদ্ধ করা উচিত।... আমাদের, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের প্রতিটি বিষয়ে দৃঢ়ভাবে ধর্মনিরপেক্ষ অবস্থান নিতে হবে—কট্টরপন্থীদের মোকাবিলা করার এটিই একমাত্র পথ, এটিই সম্প্রদায়ের কাছে বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি পৌঁছে দেওয়ার সবচেয়ে নিশ্চিত উপায়।... ফতোয়া এবং অন্যান্য বিষয় যা একজন ব্যক্তির নাগরিক অধিকার খর্ব করে তা স্পষ্টতই আইনের অপরাধমূলক লঙ্ঘন; আমাদের উচিত সেগুলোকে সেভাবেই তুলে ধরা; এবং অন্যদের সাথে মিলে দাবি করা যে কেউ যদি ফতোয়া ব্যবহার করে অন্যের অধিকার মাড়িয়ে দিতে চায় তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। একইভাবে, আমাদের সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদরা এই প্রতিক্রিয়াশীল উপাদানগুলোকে খুশি করার জন্য এবং শেষ পর্যন্ত তাদের হাত শক্তিশালী করার জন্য যে ছাড় দেয়, তা আমাদের উন্মোচিত করতে হবে এবং ব্যর্থ করার জন্য কাজ করতে হবে।... কিন্তু উলেমা এবং তাদের নেটওয়ার্কের মোকাবিলা করাই যথেষ্ট নয়। আমরা যেমনটা দেখেছি, তারা যা প্রচার করে এবং কার্যকর করে তা কুরআন এবং হাদিসেই বলা আছে। তাই এই জাল কাটতে হলে উদারপন্থীদের এবং বিশেষ করে উদারপন্থী মুসলিমদের ইসলামের হাজার বছরের দাবিগুলো পরীক্ষা করে দেখতে হবে: এই দাবি যে কেবল একটিই সত্য আছে, তা কেবল একজন মানুষের কাছেই প্রকাশিত হয়েছে, তা কেবল একটি বইতেই আছে, সেই বইটি বোঝা খুব কঠিন, কেবল কয়েকজন নির্বাচিত মানুষই এর অন্তর্নিহিত অর্থ জানে এবং তাই তাদের কথা মেনে চলা সবার কর্তব্য। এক কথায়, মূল পাঠ্যগুলোকেই পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।” (উদ্ধৃত: বোস্টম, এ. জি. (২০১৫)। শরিয়া ভার্সেস ফ্রিডম: দ্য লেগাসি অফ ইসলামিক টোটালিটারিয়ানিজম।) * ফতোয়ার বইগুলোতে আরও একটি অদ্ভুত বিষয়ের ওপর পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা বরাদ্দ করা হয়েছে—তা হলো, কোনো বিশ্বাসী যদি পশুর সাথে যৌনমিলন করে তবে তার কী করা উচিত। ‘যে পশুর সাথে মানুষ যৌনমিলন করেছে তার হুকুম কী—পশু এবং সেই মানুষের হুকুম কী?’, প্রশ্নকারী জানতে চান এবং যথাযথ বিবেচনার পর এই বিশাল ‘ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের’ উলেমা একটি ফতোয়া জারি করেন। ফতোয়া দাবি করা অন্য বিষয়গুলোও ঠিক একইভাবে বিস্ময়কর। <br> ‘যে গর্ভবতী ছাগলের সাথে মিলন করা হয়েছে তা কি হালাল না হারাম? সেটি বাচ্চা দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না কি বাচ্চা হওয়ার আগেই মেরে ফেলে পুঁতে ফেলতে হবে?’ ‘জায়েদ একটি ছাগলের সাথে মিলন করেছে। এর আইন কী? আমরা কি এর মাংস খেতে পারি বা দুধ পান করতে পারি? আর যে মিলন করেছে তার জন্য আইন কী?’ ‘ছোট শিশু বা ছাগলের সাথে মিলন করার শাস্তি কী?’ ‘জায়েদ একটি হালাল পশু যেমন গরু বা ছাগলের সাথে মিলন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে পশুর কাছে গেল এবং তার যৌনাঙ্গ পশুর যোনিতে প্রবেশ করাল। কিন্তু কোনো বীর্যপাত হলো না। জায়েদ বা অন্য মুসলিমদের কি সেই পশুর মাংস বা দুধ হালাল মনে করা উচিত? এই অপরাধের জন্য কি জায়েদকে কাফফারা দিতে হবে?’ ‘জায়েদ একটি গরুর সাথে মিলন করেছে এবং তারপর সেটি বিক্রি করে দিয়েছে। সেই টাকা কীভাবে খরচ করতে হবে? সেটি কি সাদকা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে? আর জায়েদের শাস্তি কী?’ ‘যে ঘোড়ীর সাথে মিলন করেছে তার শাস্তি কী? সেই ঘোড়ীটির সাথে কী করা উচিত?’ এই প্রতিটি বিষয়ে একটি করে ফতোয়া আছে। <br> আর উত্তরগুলো সবসময় একরকম হয় না, অনেক সময় সুক্ষ্ম পার্থক্যের ওপর নির্ভর করে। পশুর সাথে মিলন করা বিশ্বাসীর জন্য কেবল তওবা করাই যথেষ্ট বলে মনে করেন এই পণ্ডিতরা, তবে সাধারণত পশুটিকে মেরে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। অর্থাৎ সাধারণ ক্ষেত্রে এর মাংস খাওয়া উচিত নয়। তবে একটি উদাহরণ ধরা যাক, দেওবন্দের দারুল উলুমের উলেমা রায় দিয়েছেন যে, ‘যদি (পশুর ভেতরে) বীর্যপাত না হয়, তবে এর মাংস এবং দুধ নিঃসন্দেহে হালাল।’ ‘কিন্তু যদি বীর্যপাত হয়, তবে পশুটিকে মেরে ফেলে এর মাংস পুঁতে ফেলা ভালো। কারো এটি খাওয়া উচিত নয়, যদিও এটি খাওয়া হারাম নয়।’ [...] পরিশেষে, অন্যরা যখন এই ধরনের প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করতে কিছুটা অস্বস্তি বোধ করতে পারেন এবং ‘ধর্মীয়’ বইগুলোতে এগুলোর দেখা পেয়ে অবাক হতে পারেন, উলেমাদের এই বিষয়ে আলোচনা করতে বা আইন দিতে কোনো দ্বিধা নেই। তারা এটিকে তাদের একটি কাজ বলে মনে করেন। মাওলানা মুফতি আবদুর রহিম কাদরী বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। জানা যায় যে, হযরত শায়খুল ইসলাম মাওলানা মৌলবি নামে একজন মৌলবি দুটি প্রচারপত্র প্রকাশ করে হানাফি ফকিহদের সমালোচনা করেছিলেন কারণ তারা মনে করেন যে পশুর সাথে মিলন করলে রোজা নষ্ট হয় না, এমনকি বীর্যপাত হলেও। তিনি হানাফি আইনের বড় বড় নাম—শামী এবং দুররুল মুখতার—উদ্ধৃত করে বলেছিলেন যে তারা এটিই বলেছেন। তিনি ধর্মীয় বইগুলোতে এই ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য পণ্ডিত উলেমাদের তিরস্কারও করেছিলেন। মৌলবির এই লেখাগুলো মতামতের জন্য মুফতি আবদুর রহিম কাদরীর কাছে পাঠানো হয়েছিল। মুফতির ব্যাখ্যা ফতোয়ায়ে রহিমিয়া-র দশটি মুদ্রিত পৃষ্ঠা জুড়ে আছে। প্রশ্নের মূল উত্তরটি নির্ভর করছে পশুর ভেতরে লিঙ্গ প্রবেশের সময় বীর্যপাত হয়েছে কি না তার ওপর—যদি হয় তবে রোজা বাতিল হয়ে যাবে—নাকি কেবল হাত দিয়ে পশুর যৌনাঙ্গ স্পর্শ বা চুম্বনের ফলে বীর্যপাত হয়েছে—সে ক্ষেত্রে রোজা নষ্ট হবে না। মুফতি এই পার্থক্য বোঝাতে বিভিন্ন উদ্ধৃতি দিয়েছেন এবং দাবি করেছেন যে মৌলবি হানাফি ফকিহদের রায়ের ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন। * এরপরে আসে উর্দু সংবাদমাধ্যম। এটি উলেমাদের অন্যতম শক্তিশালী সহযোগী এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের অস্ত্র হিসেবে কাজ করেছে, যেমনটা আমরা ড. জাকির হোসেন এবং মাওলানা আজাদের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানের সময় দেখেছি। ১৯৯২ সালে দিল্লির জামিয়া মিলিয়ার প্রো-ভিসি মুশিরুল হাসান এবং পাটনার খুদা বখশ লাইব্রেরির পরিচালক আবিদ রেজা বেদারের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানেও আমরা একই ভূমিকা দেখেছি। উচ্চকণ্ঠ, ব্যাপক বিকৃতি, অভিযোগের প্রতিধ্বনি তৈরি করা, চরম নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করা এবং তারপর সবকিছুকে ইসলামের ওপর আক্রমণ হিসেবে তুলে ধরা—এগুলোই এর বৈশিষ্ট্য। আর শেষ পর্যন্ত এগুলো সেই বিশ্বদর্শনকেই শক্তিশালী করতে ব্যবহৃত হয় যা উলেমা চান যে তাদের সম্প্রদায় বজায় রাখুক। *আর এরপর আছে পৃষ্ঠপোষকতার প্রভাব। সৌদি আরব, ইরান বা ইরাক অথবা অন্য ‘ইসলামি’ উৎস থেকে আসা তহবিল উলেমাদের কাছে বা তাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সংস্থাগুলোর কাছে যায়। এই তহবিল প্রায় কখনোই উদারপন্থীদের কাছে পৌঁছায় না। ভারতের অবস্থা তো আরও খারাপ। যেহেতু উলেমা সম্প্রদায়কে নিয়ন্ত্রণ করে, তাই রাষ্ট্র উলেমা এবং তাদের ভাষায় যারা কথা বলে তাদের সামনেই নতজানু হয়। রাষ্ট্র যত দুর্বল হয়েছে, উলেমা তত সহজে তাদের প্রচারাভিযান চালিয়ে যেতে পেরেছে। আর বিনিময়ে তারা সম্প্রদায়ের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও মজবুত করতে পেরেছে এটি দেখিয়ে যে রাষ্ট্র তাদের সামনে মাথা নত করে—যেমন শাহ বানোর ক্ষেত্রে হয়েছিল; যে রাষ্ট্র তাদের পথে দাঁড়ানোর সাহস পায় না: দেশের আইনি ব্যবস্থার বাইরে সমান্তরাল আদালত—শরিয়ত আদালত তৈরি করার জন্য তাদের বর্তমান অভিযানের দুঃসাহস দেখুন। *উদারপন্থী হিন্দুরা এতটাই লজ্জিত থাকে এবং তারা এই মেকি ধর্মনিরপেক্ষতাকে এতটাই নিজের করে নিয়েছে যে, তারা ধর্মগ্রন্থগুলো—তা ইসলামের হোক, হিন্দুধর্মের হোক বা আমাদের আইন ও সংবিধানের হোক সেগুলো সম্পর্কে কিছুই জানে না। তারা দ্বিমুখী নীতিকে এতটাই মেনে নিয়েছে যে ইসলামি সব বিষয়ে চুপ থাকা এবং মৌলবাদীদের সুর মেলানোকেই তারা ধর্মনিরপেক্ষতার প্রমাণ মনে করে। ইংরেজি সংবাদমাধ্যমের ‘ধর্মনিরপেক্ষরা’ এর একটি তৈরি উদাহরণ। তারা আলী মিঞাকে ‘পরিমিতিবাদী, সর্বজনশ্রদ্ধেয় মুসলিম নেতা’ হিসেবে উল্লেখ করবে তার কোনো লেখা না পড়েই। তারা বিভিন্ন মুফতি ও মৌলবিকে ‘মুসলিম ধর্মতত্ত্ববিদ’ হিসেবে উল্লেখ করবে। অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড বা অল ইন্ডিয়া মিলি কাউন্সিল যা করছে তা থেকে তারা চোখ বন্ধ করে রাখবে; কিন্তু রাষ্ট্রের কোনো সংস্থা যদি তাদের কার্যক্রম উন্মোচিত করতে কোনো পদক্ষেপ নেয় তবে তারা চিৎকার শুরু করবে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, কোনো ইস্যুতে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে উলেমাদের পক্ষ নেবে এবং জোর দিয়ে বলবে যে এই পক্ষের বিরোধিতা করা মানেই ‘সাম্প্রদায়িক’, ‘ফ্যাসিবাদী’ বা ‘প্রতিশোধপরায়ণ’ হওয়া। এই ধরনের চিৎকারের প্রভাব কেবল আলোচনার পরিবেশ বিষিয়ে দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। দুর্বল শাসকরা সেই পরিবেশে প্রভাবিত হয়। আর এভাবেই জননীতি উলেমাদের পক্ষে চলে যায়। ফলে উলেমা আরও শক্তিশালী হয়। *আমরা যখন বুদ্ধের বাণী বা রোজা সম্পর্কে গান্ধীজির কথা পড়ি, তখন তার বিষয়বস্তু থাকে নিজের ভেতর তাকানো এবং আত্মশুদ্ধি নিয়ে। কিন্তু এমনকি যখন ফতোয়াগুলো পুরোপুরি ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কাজ করে, তখনও সেগুলো কেবল সেই নিয়মগুলো নিয়ে থাকে যা একজন বিশ্বাসীকে মেনে চলতে হয়। এগুলো কুচকাওয়াজের জন্য একজন ড্রিল সার্জেন্ট ক্যাডেটদের যে নির্দেশনা দেন তার মতো। *আমাদের নেতা এবং সুপ্রিম কোর্ট যখন অনবরত বলছেন, ‘সব ধর্ম এক’; যখন তারা বেদের বাণী স্মরণ করছেন, ‘সত্য এক, ঋষিরা একে ভিন্ন নামে ডাকেন’; যখন তারা অশোকের শিলালিপি স্মরণ করছেন, ‘যে নিজের ধর্মকে শ্রদ্ধা করে এবং অন্যের ধর্মকে তুচ্ছ করে, সেটি নিজের ধর্মের প্রতি ভক্তির কারণে এবং অন্য ধর্মের ওপর একে বড় দেখানোর জন্য হোক না কেন, সে আসলে নিজের ধর্মেরই ক্ষতি করে’, উলেমা ঠিক তার উল্টো মূল্যবোধ প্রচার করেন। উলেমাদের প্রতি সুবিচার করতে হলে বলতে হয় এগুলোই প্রকৃত ইসলামি মূল্যবোধ। যেমন মাওলানা আহমদ রেজা খান সেই সব মানুষের ওপর ক্ষিপ্ত হন যারা এমন শোভাযাত্রা সমর্থন করে যেখানে গীতা ও কুরআনকে সমান সম্মানের সাথে বহন করা হয়; তিনি ঘোষণা করেন যে একজন মুসলিমের পক্ষে এটি বলাও কুফর যে, ‘হিন্দুদের বেদ অনুযায়ী চলা উচিত এবং মুসলিমদের কুরআন অনুযায়ী চলা উচিত’; তিনি বলেন, মন্দির হলো শয়তানের আস্তানা, একজন মুসলিমের সেখানে যাওয়া নিষিদ্ধ; পবিত্র কুরআনকে বেদের মতো বলা কুফর; হিন্দুদের বেদ অনুযায়ী চলতে বলা মানে মানুষকে কুফর অনুসরণ করতে বলা, আর মানুষকে কুফর অনুসরণ করতে বলা মানেই হলো কুফর... *ফতোয়াগুলো এই দ্বিমুখী নীতিকেই প্রতিফলিত করে। ধর্মান্তর এবং ধর্মত্যাগের প্রতি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি এর একটি বড় উদাহরণ। ইসলাম অন্য ধর্মের মানুষকে ধর্মান্তরিত করাকে একটি অধিকার এবং কর্তব্য বলে মনে করে। উলেমা এর ওপর জোর দেন....অন্য ব্যক্তির ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখিয়ে কোনো কাজ করা বা না করার বিষয়েও একই অবস্থান নেওয়া হয়.....এর একটি আরও বড় উদাহরণ হলো ধর্মীয় চর্চা চালিয়ে যাওয়ার অবস্থান। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়া একজন মুসলিমের অধিকার ও কর্তব্য। ...ফতোয়ায়ে রিজভিয়া ঘোষণা করে যে, কোনো অবস্থাতেই ইসলামি শাসক কাফিরদের তাদের ধর্মীয় আচার পালনের অনুমতি দিতে পারে না এবং প্রশ্ন করে: সে কি তাদের কুফর পালন করতে দেবে এবং এর মাধ্যমে নিজে কাফির হয়ে যাবে?...এতে আরও বলা হয়েছে যে এ বিষয়ে বেশ কিছু হাদিস আছে যে কোনো অমুসলিম আরব উপদ্বীপে থাকতে পারবে না...অর্থাৎ, কোনো অমুসলিমকে আরব উপদ্বীপে থাকতে দেওয়া হবে না, কিন্তু যদি ভারত থেকে একজন অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে চলে যেতে বলা হয়, তবে সেটি হবে ইসলামের ওপর আঘাত!...একইভাবে, আজও কোনো ইসলামি রাষ্ট্রে কোনো স্কুলের শিক্ষকরা অমুসলিম শিশুদের তাদের ধর্মের শিক্ষা দিতে পারেন না...কিফায়াতুল্লাহ ঘোষণা করেন যে, কুরআন শিক্ষা এবং ধর্মীয় শিক্ষার ওপর কোনো বাধা সহ্য করা যাবে না। ...অথচ ধর্মনিরপেক্ষ আলোচনায় আমরা শুনি যে ইসলামের মতো আর কোনো ধর্ম নেই যা ভেদাভেদ দূর করেছে, ইসলামের মতো আর কেউ সবাইকে সমান মর্যাদা দেয় না! *এই সবকিছুর পরেও যারা দাবি করেন, ‘শরিয়ত নারীদের অধিকার রক্ষা করেছে যেমনটা অন্য কোনো আইন করেনি,’ তারা কেবল এই আত্মবিশ্বাস থেকেই তা বলেন যে তারা ছাড়া আর কেউ শরিয়তের মূল পাঠ্যগুলো পড়েনি। *তা সত্ত্বেও আমাদের বিশ্বাস করতে হবে যে শরিয়তের মতো অন্য কোনো আইন নারীদের এত অধিকার দেয়নি এবং ইসলামের মতো অন্য কোনো ধর্ম তাদের বিষয়ে এত যত্নশীল নয়, না হলে আমাদের সাম্প্রদায়িক তকমা সইতে হবে। এই যুক্তি কেবল একগুঁয়ে অন্ধ সমর্থকদেরই বোকা বানাতে পারে। *ফতোয়ার মাধ্যমে বলবৎ হওয়া শরিয়ত কেবল তা-ই নয়। যেহেতু আমাদের সরকারগুলো অভিন্ন দেওয়ানি বিধি প্রণয়নের সাংবিধানিক নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করেনি, তাই এটিই হলো ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের আইন যা আমাদের আদালতগুলো কার্যকর করে! * বিষয়গুলো কেবল উলেমাদের নারীদের মূল্যায়নের কারণেই আগ্রহের বিষয়, কারণ এটি ফতোয়ার সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। দেওবন্দের উলেমা একটি বিষয় সমাধান করতে গিয়ে ঘোষণা করেন যে, ‘কুরআনে বলা হয়েছে স্বামীই হলো কর্তা।’ .... আর এই কাফিরদের মধ্যেও ভাগ আছে বলে মাওলানা আহমদ রেজা খান ঘোষণা করেন: এক প্রকার কঠিন কুফর হলো খ্রিস্টধর্ম; তার চেয়েও খারাপ হলো মাজুসিয়ত (অগ্নিপূজা); তার চেয়েও খারাপ হলো মূর্তিপূজা; তার চেয়েও খারাপ হলো ওহাবি মতবাদ; এবং এই সবকিছুর চেয়েও খারাপ ও দুষ্ট হলো দেওবন্দি মতবাদ... * এবং এটি চলতেই থাকে। এর প্রভাব হবে খুব স্পষ্ট: যখন আপনি তাদের কাছে কোনো সমস্যা নিয়ে যাবেন, উলেমা এক জন বিশেষজ্ঞের বদলে অন্য জনের দোহাই দিয়ে আপনার পথ সহজ করতে পারেন অথবা বাধা দিতে পারেন। একই সাথে তারা এবং তাদের সমর্থকরা জোর দিয়ে বলবেন যে আমাদের, বিশেষ করে অমুসলিমদের কখনোই এটি বিশ্বাস করা বন্ধ করা উচিত নয় যে শরিয়ত একটি স্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট বিধি, এটি ঐশ্বরিকভাবে নির্ধারিত এবং তাই এটি একটি শাশ্বত এবং অপরিবর্তনীয় বিধি! *এখন পর্যন্ত দুটি বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা: (১) একটি পরিষ্কার এবং সুনির্দিষ্ট বিধি হওয়ার বদলে শরিয়ত আসলে অস্পষ্ট; (২) এটি প্রতিটি বিষয়েই অস্পষ্ট। এর দুটি প্রায়োগিক ফলাফল রয়েছে: (১) এই অস্পষ্টতাই হলো উলেমাদের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতার অন্যতম ভিত্তি; (২) তাই উলেমা শরিয়তকে বিধিবদ্ধ করার প্রতিটি প্রচেষ্টাকে ঠিক ততটাই প্রবলভাবে বাধা দেন যেমনটা তারা সবার জন্য একটি সাধারণ আধুনিক আইনের প্রচেষ্টাকে বাধা দেন। *মাওলানা আহমদ রেজা খান যখন বলেন যে বিজ্ঞানের সামনে ইসলামের মাথা নত করা নয় বরং ইসলামের সামনে বিজ্ঞানের মাথা নত করাই ইসলামের গৌরব, তখন তিনি আসলে তার ধর্মের প্রতিই সত্যনিষ্ঠ থাকেন। বিজ্ঞানের জন্য যা প্রযোজ্য, তা ঐতিহাসিক ‘তথ্যের’ ক্ষেত্রে আরও বেশি প্রযোজ্য যেমন শত জন খলিফা ছিলেন নাকি বারো জন। * পৃথিবী স্থির। সূর্য এর চারদিকে ঘোরে। নক্ষত্রগুলো স্থির, যা আল্লাহ প্রদীপ হিসেবে ঝুলিয়ে দিয়েছেন পর্যটকদের পথ দেখানোর জন্য এবং শয়তানকে পাথর মারার জন্য। এর বাইরে কিছু বিশ্বাস করা মানে ধর্মের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা। পুরুষরাই হলো কর্তা। প্রত্যেকে একসাথে চারজন পর্যন্ত স্ত্রী এবং যত খুশি উপপত্নী রাখতে পারে। স্ত্রীরা হলো ফসলের মাঠের মতো, স্বামী চাইলে তাতে ‘জলসেচন’ করতে পারে অথবা না-ও পারে। স্বামী তার সামান্যতম ইচ্ছা পূরণের জন্যও তাদের বাধ্য করতে পারে এবং না মানলে তালাকের ভয় দেখাতে পারে। এরপরও যদি সে সন্তুষ্ট না হয়, তবে সে তাদের এক কথায় বের করে দিতে পারে। বের করে দেওয়ার পর তারা কেবল জীবনধারণের ন্যূনতম সহায়তার অধিকারী হবে কিন্তু তা কেবল তিন মাসের জন্য, এরপর আর কিছুই নয়। এতে কোনো অন্যায় দেখা বা নারীদের জন্য আরও কিছু দাবি করা মানে আল্লাহর প্রজ্ঞাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং ইসলামের ওপর আঘাত হানা। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা, নির্ধারিত পদ্ধতিতে ইস্তিনজা করতে ব্যর্থ হওয়া, কুকুরের লালা নাপাক এবং শরীর পাক এটি বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হওয়া বড় গুনাহ। একজন কাফির যত বড় সাধুপুরুষই হোক না কেন, এমনকি তার মৃত্যুর পরও তার মঙ্গল কামনা করা, অথবা একজন মুসলিম যত বড় পাপীই হোক না কেন সে যে একজন পুণ্যবান কাফিরের চেয়েও শ্রেষ্ঠ তা বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হওয়া হলো কুফর। উলেমাদের মানসিকতা এমনই। জীবনের সব ক্ষেত্রে তাদের দেওয়া রায়ে এটি ফুটে ওঠে। *দেশের এবং ব্যক্তির অগ্রগতির জন্য শিক্ষা অপরিহার্য। কিন্তু বর্তমানে যাকে শিক্ষা বলা হয় তার বিরুদ্ধে উলেমা দীর্ঘদিন কঠোর লড়াই করেছেন। তাদের কাছে আধুনিক এবং কারিগরি শিক্ষার চেয়ে ধর্মীয় শিক্ষাই অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। কেবল সেই বিষয়গুলোই পড়া উচিত এবং কেবল সেই জ্ঞানই অর্জন করা উচিত যা একজনের বিশ্বাসকে শক্তিশালী করে সহজ কথায়, কেবল সেই বিষয়গুলোই পড়তে হবে যা এটি নিশ্চিত করে যে কুরআন ও হাদিসে যা লেখা আছে এবং উলেমা শত শত বছর ধরে যা বলে আসছেন তা-ই সত্য এবং প্রজ্ঞার ও পূর্ণতার সর্বোচ্চ শিখর। নারীদের শিক্ষা, বিশেষ করে নতুন মূল্যবোধের প্রতি তাদের সচেতন হওয়া, নতুন পেশার জন্য প্রশিক্ষণ পাওয়া এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়া—এই সবকিছুই তাদের কাছে ঘৃণ্য; এটি তাদের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করা হয়, প্রকৃতপক্ষে এটিকে সমাজকে ধ্বংস করার এবং ইসলামকে দুর্বল করার পথ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। *যে প্রতিষ্ঠানের ভারতীয় ইতিহাসের পাঠ্যক্রমে কেবল মাহমুদ গজনভির আক্রমণ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত সময়কাল অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং যার ভূগোলের পাঠ্যক্রমে কেবল আরব উপদ্বীপের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, সেটি কি ভারতের জন্য বা ভারতের কোনো প্রতিষ্ঠান? * প্রত্যাশিতভাবেই, মাওলানা আহমদ রেজা খানের মতে শিয়ারা একেবারেই মুসলিম নয়। তাদের ‘মসজিদ’ কোনো মসজিদই নয়—আর মনে রাখবেন, মীর বাকী এবং তার বংশধরেরা যেহেতু মসজিদের মুতওয়াল্লি ছিলেন, তাই ‘বাবরী মসজিদ’ ছিল একটি শিয়া মসজিদ। * ‘আরে ভাই, কিন্তু আপনি হিন্দু ফতোয়া নিয়ে লিখছেন না কেন?’—এটি এমন এক বিখ্যাত বুদ্ধিজীবীর কথা যার নামের অনেক খ্যাতি রয়েছে। হিন্দুদের মধ্যে ফতোয়া বলে কিছু নেই—তবে নিশ্চিতভাবেই আমাদের বুদ্ধিজীবীরা সেটি জানেন। এ ধরনের উপদেশের উদ্দেশ্য অন্যরকম। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, একজন হিন্দুর ইসলাম নিয়ে লেখালেখি থেকে দূরে থাকা উচিত। বরং, সে যদি ইসলামি বা মুসলিম বিষয় নিয়ে কিছু লেখেও, তবে তাকে কেবল প্রশংসাগীতি গাইতে হবে—‘সহনশীলতার ধর্ম, সাম্যের ধর্ম...’—তাকে কেবল ‘ইসলামি মানস’ সম্পর্কে ‘বোঝার’ বা ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য বই লিখতে হবে। বড়জোর, যদি তাকে ইসলামের কোনো দুর্ভাগ্যজনক ত্রুটি সম্পর্কে কিছু বলতেই হয়, তবে সেটিকে কোনো বিশেষ সময় বা স্থানের ওপর চাপিয়ে দিতে হবে এবং ইসলামকে তার থেকে মুক্তি দিতে হবে! আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, তাকে এটি নিশ্চিত করতে হবে যে সে ইসলামের সেই দিকটি নিয়ে মন্তব্যের সাথে হিন্দুধর্মের কোনো কিছুর নিন্দা করে বিষয়টিকে ‘ভারসাম্যপূর্ণ’ করবে, সেটা যা-ই হোক—জাতীয় প্রথা, পণের কারণে মৃত্যু, বিদেশিদের ম্লেচ্ছ মনে করা, এমনকি অন্য কিছু না মিললে অন্তত সতীদাহ প্রথা! * তাহলে, কারা ক্ষুব্ধ হচ্ছে? ফতোয়াগুলোর উদ্ধৃতি এবং বিশ্লেষণে কারা অপমানিত বোধ করছে? তারা হলো ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা। আর এর কারণ স্পষ্ট। এই তথ্যপ্রমাণের সামনে, কুরআন ও নবীর সরাসরি এবং জোরালো নির্দেশের সামনে এবং ফতোয়াগুলোতে থাকা বারবার এবং অত্যন্ত স্পষ্ট ঘোষণার সামনে তার কাছে কোনো উত্তর নেই। এগুলোর মোকাবিলা করার মতো কোনো প্রমাণ তার কাছে নেই। কিন্তু যখন তারা যা বলে তা সরাসরি সামনে আনা হয়, তখন সে তার এই উল্টো ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ আর বজায় রাখতে পারে না। যতক্ষণ পর্যন্ত এই বিষয়গুলো উর্দুতে সীমাবদ্ধ থাকে, ততক্ষণ তা তার চেনা মহলে কোনো অসুবিধা সৃষ্টি করে না। কিন্তু যে মুহূর্তে এগুলো ইংরেজিতে প্রকাশ পায়, তখনই সে বিপদে পড়ে যায়। আর তাই সে ক্ষোভের ভান করে! এর উত্তর কী? তথ্যগুলো অনবরত তুলে ধরা। সেগুলো বিশ্লেষণ করে যাওয়া। এই বিশ্বাসে যে গালিগালাজ দিয়ে তথ্যপ্রমাণ ধামাচাপা দেওয়া যাবে না। এই বিশ্বাসে যে চিন্তাভাবনা হলো বীজের মতো, যা একদিন শিকড় গাড়বে। * বাংলাদেশে ইসলামীকরণের দিকে দ্রুত ধাবিত হওয়া, তাবলিগ জামাতের দ্রুত বিস্তার এবং হিজবুত তাহরীর ও হিজবুত তৌহিদের মতো মৌলবাদী সংগঠনগুলোর ক্রমবর্ধমান প্রসার ও প্রভাবের সাথে সাথে দেশের বিভিন্ন স্থানে শরিয়ত কমিটি গড়ে উঠেছে। ফতোয়া দেওয়ার ঘটনা আরও নিয়মিত হয়ে পড়েছে। গ্রামীণ এলাকায় স্থানীয় মোল্লারা প্রায়ই এগুলো জারি করেন এবং প্রায়শই এর শিকার হন এমন নারীরা যারা প্রকৃতপক্ষে সহিংসতা, ধর্ষণ এবং এ জাতীয় ঘটনার শিকার হয়েছিলেন.... * মুসলিম সাংবাদিকতা আর নেতৃত্বের ওপর দোষ চাপানো এক অর্থে মূল প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া। সর্বোপরি, মুসলিমরা কেন এই ধরনের সাংবাদিকতাকে গুরুত্ব দেয়, কেন তারা এই ধরনের নেতাদের অনুসরণ করে? এর উত্তর লুকিয়ে আছে সেই মনস্তত্বের মধ্যে, যা উলেমা এবং তাদের ফতোয়াগুলো তাদের মনে গেঁথে দিয়েছে। * এমনকি এটি বলাও কুফর যে, ‘শরিয়ত কী? আজ কি কেউ শরিয়ত মেনে চলে?’, ঘোষণা করে ফতোয়ায়ে রিজভিয়া। এমনকি যদি অন্যদের বিদ্রূপ করার জন্য এই কথাগুলো বলা হয়, তবে সেগুলো গুরুতর পাপ হিসেবে গণ্য হবে। এটি ঘোষণা করে যে, ‘আমরা শরিয়ত মানি না, আমরা প্রথা অনুযায়ী চলি,’ বলাও কুফর। উলেমা একটি ফতোয়া জারি করে মুসলিমদের বহু ঈশ্বরবাদীদের শোভাযাত্রায় যোগ দিতে নিষেধ করেন। একজন লোক বলে, ‘বহু ঈশ্বরবাদীদের শোভাযাত্রায় যোগ না দেওয়ার ফতোয়া জারি করা নিছক লাঠিবাজি।’ এই কথাটি উলেমাদের জানানো হয়। ফতোয়ায়ে রিজভিয়া রায় দেয় যে, এই কথাটি শরিয়তের অবমাননা এবং শরিয়তের অবমাননা হলো কুফর। সেই ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে তার নিকাহ বা বিয়ে ভেঙে যায়। ... তারা ঘোষণা করে যে, ইজমা (ঐকমত্য) বা তকলিদ (আক্ষরিক অনুসরণ) নিয়ে প্রশ্ন তোলা কুফর। ... তারা ঘোষণা করে যে, ফিকহ-এ বিশ্বাস না করা কুফর। তারা ঘোষণা করে যে, যে ফিকহ মানে না সে হলো শয়তান। * ‘যে বাবা-মায়েরা তাদের মেয়েদের কলেজে পাঠান তারা তাদের মেয়েদের শত্রু, বন্ধু নন,’ ফতোয়ায়ে রহিমিয়া এটি ঘোষণা করে বিভিন্ন সূত্রের দোহাই দিয়ে যে, প্রকৃত বন্ধু হলো সে যে পরকালের জন্য একজনকে প্রস্তুত করে, যদিও তা করতে গিয়ে পার্থিব ক্ষতি হতে পারে। এটি ঘোষণা করে যে, ‘এতে কোনো সন্দেহ নেই যে একটি কলেজ পড়ুয়া মেয়ে অত্যন্ত স্বাধীনচেতা, পর্দাহীন, অশালীন এবং নির্লজ্জ হয়ে ওঠে। ইংরেজি শিক্ষা এবং কলেজের পরিবেশের এটিই সাধারণ পরিণতি।’ আর হাদিস উদ্ধৃত করে এটি বলে যে, ‘যে মেয়ে তার লজ্জা হারায় সে সবকিছু হারায়,’ ‘লজ্জা এবং ঈমান এরা অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী; যখন তাদের কোনো একটি চলে যায়, অন্যটিও চলে যায়।’ * অবজ্ঞা এবং হিন্দু ও অন্য অবিশ্বাসীদের যে চিত্র আঁকা হয়েছে, তাদের পশুপাখি এবং পোকামাকড়ের সাথে তুলনা করা হয়েছে—মুসলিমদের ক্ষেত্রে কোনো লেখায় এমন কিছু করা হলে তা তীব্র নিন্দার ঝড় তুলত। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের কাছ থেকে যেমন, তেমনি মুসলিমদের কাছ থেকেও। ====''ওরশিপিং ফলস গডস'' (১৯৯৭)==== * একটি উদাহরণও নেই, এমনকি একটি মাত্র ঘটনাও নেই যেখানে [[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর]] দেশকে স্বাধীন করার সংগ্রামের সাথে যুক্ত কোনো কাজে অংশ নিয়েছিলেন। বরং ঠিক উল্টোটিই ঘটেছে; প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি জাতীয় আন্দোলনের বিরোধিতা করেছেন এবং যখনই এই আন্দোলন কোনো বাধার মুখে পড়েছে, তিনি তাদের মধ্যে ছিলেন যারা সেই ব্যর্থতায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন। * ভারতের কি কখনো সংস্কারকের প্রয়োজন ছিল? আপনি কি ভারতের ইতিহাস পড়েন? রামানুজ কে ছিলেন? শংকর কে ছিলেন? [[গুরু নানক]] কে ছিলেন? [[চৈতন্য মহাপ্রভু]] কে ছিলেন? [[কবীর]] কে ছিলেন? দাদু কে ছিলেন? একের পর এক আসা এই মহান ধর্মপ্রচারকরা কারা ছিলেন, যারা অত্যন্ত উজ্জ্বল সব নক্ষত্রপুঞ্জের মতো ইতিহাস আলোকিত করেছেন? * এক কথায়, দেব-দেবীর নিন্দা করা, ধিক্কার জানানো, তাদের কলঙ্কিত করা, আমাদের শাস্ত্র নিয়ে উপহাস করা এবং অনুসারীদের মধ্যে ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়া ছিল আম্বেদকরের বেছে নেওয়া পথ। কিন্তু কেবল এই একটি পথই খোলা ছিল না। এর আগে গত দেড়শ বছরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একজন সংস্কারক ঠিক এর বিপরীত পথ বেছে নিয়েছিলেন এবং এর ফলে তিনি দুটি লক্ষ্যই অর্জন করেছিলেন। তিনি যেমন লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন উন্নত করেছিলেন, তেমনি আমাদের সমাজকেও বদলে দিয়েছিলেন এবং এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেই সংস্কারক এমন এক বর্ণের ছিলেন যারা কেবল অস্পৃশ্যই ছিল না, বরং যাদের কাছে যাওয়াও নিষিদ্ধ ছিল। সেই সংস্কারক অবশ্যই ছিলেন নারায়ণ গুরু, যিনি ১৮৫৪ থেকে ১৯২৮ সাল পর্যন্ত জীবিত ছিলেন। * তিনি কোনো বহিরাগতের মতো আমাদের ঐতিহ্যকে বিদ্রূপ করেননি বা তাকে অপমান করেননি। তিনি ভারতের আক্রমণকারী বা শাসকদের সাথে কখনো হাত মেলাননি। উপনিষদের শিক্ষার মধ্যে নিজেকে নিমগ্ন করে তিনি আধ্যাত্মিক সচেতনতার সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছিলেন। আমাদের মহান ঋষিরা যেসব পদ্ধতি ও সাধনা বের করেছিলেন, সেগুলো অনুসরণ করেই তিনি সেই স্তরে পৌঁছেছিলেন। তিনি যখন এই অবস্থায় পৌঁছালেন, তার পুরো জীবনটাই গোঁড়াদের সেই শ্রেষ্ঠত্বের দাবির বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদ হয়ে উঠল। তার সেই দিব্য অবস্থা গোঁড়াদের এই দাবিকে ভুল প্রমাণ করল যে আধ্যাত্মিক জ্ঞান কেবল উচ্চবর্ণের জন্যই। আর তিনি সেই স্তরে পৌঁছেছিলেন বলেই সবাই তাকে শ্রদ্ধা জানাত। * [[নারায়ণ গুরু]]র উত্তরাধিকার হলো একটি উন্নত এবং সংহতিপূর্ণ সমাজ, যেখানে নিম্নবর্ণের মানুষরা শিক্ষিত এবং আত্মমর্যাদায় ভরপুর। আম্বেদকরের উত্তরাধিকার হলো একদল মানুষ যারা সবার ওপর চিৎকার করছে, সবসময় কেবল দাবি জানাচ্ছে ও নিন্দা করছে এবং যারা আত্মগ্লানি ও ঘৃণার মধ্যে ডুবে আছে; এটি এমন এক সমাজ যা নিজের সাথেই লড়ছে। নারায়ণ গুরুর উত্তরাধিকার হলো এক পুনর্জীবিত দেশ। আম্বেদকরের উত্তরাধিকার হলো এমন এক দেশ যা তার নিজের অতীত নিয়ে গভীর লজ্জায় আচ্ছন্ন। আর এর ফলে তা আরও বেশি অক্ষম হয়ে পড়েছে। ==== ''ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসি'' (১৯৯৮) ==== * "ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা" আডবাণীর রথ হিন্দুদের মধ্যে যে প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে তা দেখে ঘাবড়ে গেছেন। কিন্তু কেবল রথ এই প্রতিক্রিয়া তৈরি করেনি। শাহ বানোর রায় পাল্টে দেওয়া এবং [[সালমান রুশদি]]কে নিষিদ্ধ করার মতো "জয়গুলো", যেগুলোকে "ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা" উচ্চকণ্ঠে প্রশংসা করেছিল; মানচিত্র এবং তালিকার মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোকে এটি বিশ্বাস করানোতে সফল হওয়া যে মুসলিমরা শত শত নির্বাচনী এলাকায় তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে; পাঞ্জাব এবং [[কাশ্মীর]]ের সহিংসতার "জয়গুলোর" কথা না-ই বা বললাম। এই প্রতিক্রিয়া হলো আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থার এই বিকৃতিগুলোর সম্মিলিত ফল। ** অরুণ শৌরির "প্রতিক্রিয়া উসকে দেওয়া", যা গোয়েল, এস.আর. (সম্পাদক) সম্পাদিত: ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসিতেও রয়েছে। ==== ''এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস: দেয়ার টেকনোলজি, দেয়ার লাইন, দেয়ার ফ্রড'' (১৯৯৮) ==== * ১৯৯৮ সালের জুন-জুলাই মাসে প্রগতিশীলরা বেশ শোরগোল তুলেছিলেন। তারা চিৎকার করে বলেছিলেন যে সরকার ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ হিস্টোরিক্যাল রিসার্চে রাম মন্দির পন্থী ঐতিহাসিকদের জায়গা দিয়েছে। তারা চিৎকার করে বলেছিলেন যে সরকার গোপনে কাউন্সিলের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য বদলে ফেলেছে। নিজেদের চিরকালীন স্বভাব অনুযায়ী, তারা একটি মনগড়া গল্প ছড়িয়ে এই হাঙ্গামা শুরু করেছিলেন। আর তাদের সেই পুরনো অভ্যাস মতোই, তারা অন্যদের বিরুদ্ধে এমন কিছু করার অভিযোগ তুলছিলেন যা তারা নিজেরা গত কয়েক দশক ধরে করে আসছিলেন, অর্থাৎ কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে ইতিহাস লেখা। * ‘আওরঙ্গজেবের ধর্মীয় নীতি’ সংক্রান্ত অধ্যায়ে সবচেয়ে বড় আকারের পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সে হিন্দুদের সাথে প্রকৃতপক্ষে কী করেছিল, তাদের মন্দিরের কী করেছিল, তার শাসনের মূল উদ্দেশ্য, ইসলামের প্রভাব বিস্তারের প্রতিটি ইঙ্গিত বই থেকে ছেঁটে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাকে এমন একজন হিসেবে তুলে ধরতে হবে যার গান-বাজনা এবং রাজদরবারে নর্তকীদের উপস্থিতির প্রতি এক ধরণের সাধারণ অনীহা ছিল, প্রায় ধর্মনিরপেক্ষ এক অনীহা, আর কেবল এই কারণেই সে ওইসব নিষিদ্ধ করেছিল... এক কথায়, কোনো জোরপূর্বক ধর্ম পরিবর্তন নয়, কোনো গণহত্যা নয়, কোনো মন্দির ধ্বংস নয়। কেবল এই যে হিন্দুধর্ম এক শোষণমূলক এবং বর্ণবাদী সমাজ তৈরি করেছিল। ইসলাম ছিল সাম্যবাদী। তাই নিপীড়িত হিন্দুরা ইসলাম গ্রহণ করেছিল!<br/> সে সময়ের মুসলিম ঐতিহাসিকরা নরকে পাঠানো কাফিরদের স্তূপ দেখে উল্লাসে ফেটে পড়েছেন। মুসলিম ঐতিহাসিকরা শাসকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ কারণ সে মন্দির ধ্বংস করেছে এবং লাখ লাখ মানুষকে ইসলামের আলোর মুখ দেখিয়েছে। দ্য হেদায়ে-র মতো আইনগ্রন্থগুলোতে ঠিক সেই বিকল্পগুলোর কথাই বলা হয়েছে যা এই ছোট ছোট পাঠ্যবইগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছিল। '''সবকিছুই ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।'''<br/>'''বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের নামে বস্তুনিষ্ঠ ধামাচাপা। আর আজ যদি কেউ এই পাঠ্যবইগুলোতে সত্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে, তবে চিৎকার ওঠে, ‘ইতিহাসের সাম্প্রদায়িক পুনর্লিখন’।''' * এই বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আসল অপরাধ আর্থিক ক্ষতির মধ্যে নেই। আসল ক্ষতি হলো তারা আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর যে করুণ দশা করেছেন। এর কারণ তাদের অবহেলা—যার ফলে আমাদের দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সব প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়েছে। তার চেয়েও বড় অপরাধ হলো তারা ওই প্রতিষ্ঠানগুলোকে যেভাবে ব্যবহার করেছেন।<br/>তারা সেগুলোকে আয়েশি সময় কাটানোর জন্য ব্যবহার করেছেন। তারা একে অপরের সুনাম বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করেছেন। তবে সবচেয়ে খারাপ বিষয় হলো তারা এই প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করে জনমানসে ভুল তথ্য ছড়িয়েছেন এবং এর ফলে জননীতিকে ভুল পথে চালিত করেছেন।<br/> তারা ভারতকে এমন এক ফাঁকা ভূমি হিসেবে তুলে ধরেছেন যা একের পর এক আক্রমণকারীরা এসে পূর্ণ করেছে। '''তারা বর্তমান ভারত এবং বিশেষ করে হিন্দুধর্মকে একটি চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছে—নানা ধরণের অসম এবং বিচ্ছিন্ন উপাদানের এক স্তূপ। তাদের মতে ভারত বলে কিছু নেই, এটি কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ এবং ব্রিটিশদের তৈরি এক ধারণা; হিন্দুধর্ম বলে কিছু নেই, এটি কেবল আরবদের ব্যবহৃত একটি শব্দ যা তারা এখানে এসে নানা ধরণের মানুষের দেখা পাওয়ার পর ব্যবহার করেছিল এবং এটি কেবল সাম্প্রদায়িকদের এক উদ্ভাবন যা তারা এক অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য তৈরি করেছে, এটিই ছিল তাদের অবস্থান। এর জন্য তারা আমাদের ইতিহাসের হিন্দু যুগকে কলঙ্কিত করেছে এবং আমরা দেখতে পাব যে তারা ইসলামি শাসনকে ধোলাই করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছে।''' তারা প্রাচীন ভারতের সামাজিক ব্যবস্থাকে শোষণের চরম উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং চরমপন্থী মতাদর্শগুলোকে সাম্যবাদী ও ন্যায়পরায়ণ হিসেবে তুলে ধরেছে।<br/>তারা আমাদের প্রাচীন সংস্কৃতিকে ছোট করে দেখিয়েছে এবং যেসব সমন্বিত উপাদান কোনোমতে টিকে ছিল সেগুলোকে অতিরঞ্জিত করে একটি আস্ত সংস্কৃতি হিসেবে প্রচার করেছে, যেটাকে তারা ‘সমন্বিত সংস্কৃতি’ বলে থাকে। কোন সংস্কৃতিটি আসলে সমন্বিত নয়? আর এই পুরোটা সময় তারা আমাদের মানুষের জীবনের সাধারণ উপাদানগুলো নিয়ে মূল তথ্যগুলো লুকানোর চেষ্টা করেছে: তারা লুকিয়েছে যে ইসলামি শাসক এবং উলেমাদের এক হাজার বছরের প্রবল চেষ্টার পরেও এই উপাদানগুলো টিকে ছিল, তারা লুকিয়েছে যে গত দেড়শ বছরের মিশনারি এবং ব্রিটিশ শাসকদের প্রচেষ্টার পরেও এগুলো বেঁচে ছিল। তারা প্রতিটি অংশকে উসকে দিয়ে তাদের আলাদা পরিচয় খুঁজে নিতে বাধ্য করার চেষ্টা করেছিল। সবচেয়ে বড় কথা হলো এই বুদ্ধিজীবীরা তাবলিগ জামাত এবং গির্জার মতো সংগঠনগুলোর বর্তমান কার্যক্রম থেকে মানুষের নজর পুরোপুরি সরিয়ে দিয়েছেন। এই সংগঠনগুলো তাদের অনুসারীদের তাদের হিন্দু প্রতিবেশীদের সাথে থাকা সব মিল এবং বিশ্বাস ত্যাগ করানোর জন্য সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করছে এবং প্রচুর সম্পদ ব্যয় করছে।<br/> এই বুদ্ধিজীবী এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকরা এক ভয়াবহ কৌশল নিয়েছেন: আমাদের দেশ ও মানুষের উদার ধর্ম এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ আধ্যাত্মিক সাধনাকে তারা অসহিষ্ণু, সংকীর্ণমনা ও অন্ধকারাচ্ছন্ন হিসেবে তুলে ধরেছেন; আর একপাক্ষিক এবং চরমপন্থী মতাদর্শগুলোকে ইসলাম, খ্রিস্টধর্ম এবং মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদ, তারা সহনশীলতা, উদারতা, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে প্রচার করেছেন! * আর একটি কথা: আরএসএসের কোনো প্রকাশনায় যদি আমার একটি সাক্ষাৎকারও ছাপা হয়, তবে সেটিই আমি সাম্প্রদায়িক হওয়ার প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়; কিন্তু এই প্রগতিশীলদের নীতি এতটাই শক্ত যে তারা নিজে কমিউনিস্ট পার্টির প্রকাশনায় নিজেদের নামে নিবন্ধ লিখলেও তাদের নিরপেক্ষতা বজায় থাকে! * আমরা যেমনটা দেখেছি, ১৯৮৯ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে নির্দেশিকা জারি করেছিল তার স্পষ্ট অংশ ছিল যে ভারতে ইসলামি শাসন নিয়ে কোনো নেতিবাচক কথা বলা যাবে না। যদিও সে সময়ের ইসলামি লেখকরা এই বিষয়গুলো নিয়েই আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন, তবুও মুসলিম শাসকদের মন্দির ধ্বংস করা, হিন্দুদের জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করা অথবা হিন্দু জনগোষ্ঠীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া অন্যান্য অসমর্থতা নিয়ে কোনো উল্লেখ থাকা চলবে না। ওই নির্দেশিকার সাথে যে অংশগুলো বাদ দিতে হবে তার একটি তালিকা এবং বদলে কী লিখতে হবে তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। যে অংশগুলো বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সেখানে সত্যকে বরং বেশ কমিয়েই বলা হয়েছিল। অন্যদিকে যেসব অংশ ঢোকানোর চেষ্টা করা হয়েছিল সেগুলো ছিল পুরোপুরি মিথ্যা: যেমন আলাউদ্দিন খিলজির মতো ইসলামি শাসকের অধীনে জিজিয়া কর দিয়ে হিন্দুরা নাকি স্বাভাবিক জীবন কাটাতে পারত! আজ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীনে যেসব পাঠ্যবই ব্যবহার করা হচ্ছে সেগুলো গভীরভাবে পড়লে বোঝা যায় যে এটি কেবল ইসলামি শাসনের নিষ্ঠুরতা মুছে ফেলার চেষ্টা নয়, বরং এর পেছনে অনেক গভীর ও ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে। * বাংলায় এই শিক্ষাবিদদের অবস্থান অবশ্যই সিপিআই(এম)-এর দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার ফলে মজবুত হয়েছে। কিন্তু তাদের প্রভাব কেবল ওই রাজ্যের শিক্ষা এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। তাই জাতীয় স্তরেও ছাত্রদের ওপর একই ধরণের মতাদর্শ চাপিয়ে দিতে দেখা যাচ্ছে। বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাশনের টান এতটাই শক্তিশালী এবং এই প্রভাবশালী চক্রটি একজন শিক্ষাবিদের ক্যারিয়ারের জন্য এতটাই মারাত্মক হতে পারে যে অনেক সময় ওই শিক্ষাবিদ তাদের তত্ত্ব এবং মতামতের সাথে একমত না হলেও শেষ পর্যন্ত সেগুলোই আওড়াতে থাকেন। না হলে এনসিইআরটির মতো প্রতিষ্ঠানগুলো তার পান্ডুলিপি পাঠ্যবই হিসেবে গ্রহণ করবে না অথবা সেটির কোনো পর্যালোচনাই হবে না.... * কারসাজিটা লক্ষ্য করুন। মন্দির মেরামত করা বৈধ! গ্রামে মন্দির তৈরি করা যেতে পারে! বাড়ির গোপনীয়তার মধ্যে মন্দির বানানো যেতে পারে! অর্থাৎ উদার নীতিই হলো নিয়ম যা কেবল যুদ্ধের সময় লঙ্ঘন করা হয়! আর ওই সময়ে যাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা হয় বা যাদের ধ্বংস করা হয় তারা তো আসলে ইসলামের শত্রু! শান্তির সময়, যা সাধারণত সবসময়ই থাকে, ওই নিয়মটিই বজায় থাকে—অর্থাৎ হিন্দুরা প্রকাশ্যে এবং আড়ম্বরের সাথেই তাদের ধর্ম পালন করে! এই দাবিগুলোর প্রতিটিই নির্লজ্জ মিথ্যা। কিন্তু এই ঐতিহাসিকরা যেহেতু প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বুদ্ধিবৃত্তিক শুদ্ধতার মানদণ্ড ঠিক করে দিয়েছেন, তাই যে কেউ এই মিথ্যাগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুললে তাকেই ভুল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এমনকি যদি সে সেই সময়ের বিখ্যাত ইসলামি ঐতিহাসিকদের লেখা উদ্ধৃত করেই প্রশ্ন তোলে, তবুও তাকেই দোষী করা হয়। * একবার যখন তারা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দখল করে নিল, একবার যখন তারা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কবজা করল এবং এর মাধ্যমে ঠিক করল কী পড়ানো হবে, কোন বইগুলো পাঠ্য হবে, কী প্রশ্ন করা হবে আর কোন উত্তরগুলো গ্রহণযোগ্য হবে, তখন এই ঐতিহাসিকরাই ইতিহাস আসলে কী ছিল তা নির্ধারণ করতে শুরু করলেন! যেহেতু তাদের বর্তমান রাজনীতি এবং সুবিধার জন্য হিন্দুধর্মকেও অসহিষ্ণু হিসেবে দেখানো প্রয়োজন, তাই তারা আম্বেদকরের বলা সেই কথাগুলো এড়িয়ে যাবেন যেখানে সে বৌদ্ধধর্মের ওপর ইসলামি আক্রমণের ভয়াবহ পরিণতির কথা বলেছিল। আম্বেদকর তার থটস অফ পাকিস্তান বইতে এই আক্রমণ এবং মুসলিম শাসন সম্পর্কে যা বলেছিল তা তারা পুরোপুরি চেপে যাবেন, কিন্তু তার করা ‘ব্রাহ্মণ্যবাদ’-এর নিন্দা এবং মৌর্যদের প্রতিষ্ঠিত বৌদ্ধ ভারতকে ব্রাহ্মণ শাসকরা পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করে শেষ করে দিয়েছে—এই ধরণের মতামতগুলো বারবার প্রচার করবেন।<br/>এভাবেই তারা তথ্য গোপন করেন, কিছু তথ্য বানিয়ে বলেন, এমনকি কোনো লেখক একটি বিষয়ে কী বলেছেন তা ধামাচাপা দিয়ে অন্য বিষয়ে তার বলা কথাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রচার করেন। আর যখনই কেউ আসলে কী ঘটেছিল তা তুলে ধরার চেষ্টা করে, তখনই তারা সমস্বরে চিৎকার শুরু করেন: ইতিহাস নতুন করে লেখার ষড়যন্ত্র চলছে, তারা চিৎকার করেন; ইতিহাস বিকৃত করার চক্রান্ত হচ্ছে, তারা চিৎকার করেন। '''কিন্তু তারাই প্রথম থেকে ইতিহাস বিকৃত করে আসছেন—সত্য গোপন করে এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে।''' * আর এই ঐতিহাসিকদের চতুরতা দেখুন। তারা দাবি করেন যে জাতীয় সংহতির স্বার্থে এই ধরণের তথ্য এবং ঘটনাগুলো ধামাচাপা দেওয়া উচিত: তারা বলেন এগুলো মনে রাখলে মুসলিমরা ক্ষুব্ধ হবে এবং হিন্দুদের মনে মুসলিমদের প্রতি ঘৃণা জন্মাবে। একই সাথে তারা হিন্দুরা বৌদ্ধ মন্দির ধ্বংস করেছে—এমন একটি গল্প বানিয়ে প্রচার করার ওপর জোর দেন। এই গল্প কি বৌদ্ধদের থেকে হিন্দুদের দূরে সরিয়ে দেবে না? বিশেষ করে যখন এর পেছনে তথ্যের কোনো লেশমাত্র নেই, তখন এমন কাহিনী কি হিন্দুদের মন বিষিয়ে দেবে না? * একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—আর্য-দ্রাবিড় বিভাজন, ইসলামি আক্রমণের প্রকৃতি, ইসলামি শাসনের ধরণ, স্বাধীনতা সংগ্রামের চরিত্র—প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা এই বৈশিষ্ট্যটি দেখতে পাই: সত্য গোপন করা এবং মিথ্যা প্রচার করা। গত ত্রিশ বছরের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে এটিই সবচেয়ে বড় কেলেঙ্কারি। এই বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের পক্ষে এটি করা সম্ভব হয়েছে কারণ তারা আইসিএইচআর-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ পেয়েছিলেন। এই মিথ্যা দূর করতে হলে ওই নিয়ন্ত্রণও দূর করতে হবে। * এবং এভাবেই—অন্য ধর্মের পবিত্র মন্দিরের ধ্বংসস্তূপের মাঝে এবং অন্য ধর্মের শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিদের লাশের স্তূপের মাঝে। তা সত্ত্বেও আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের কাছে এটি হলো উদার সহনশীলতার নীতি! সম্পূর্ণ ধর্মনিরপেক্ষ অনুপ্রেরণায় পরিচালিত একটি সহনশীলতার নীতি! * কিন্তু এখানে ভারতে আগের বুলি এবং বিভাগগুলোর সাধারণ আবৃত্তিই যথেষ্ট ছিল। তাই এই বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের ইতিহাস রচনার বৈশিষ্ট্য কেবল তাদের প্রভুদের প্রতি আনুগত্যই নয়, বরং এটি তাদের এক ধরণের সরলমনস্কতা!<br/>তবে আরও একটি বিষয় আছে। ইসলামি শাসনকে ধোয়া-মোছা করাই এই ঐতিহাসিকদের কাজের একমাত্র বৈশিষ্ট্য নয়। এর সাথে যোগ হয়েছে দেশের প্রাক-ইসলামি যুগ এবং ঐতিহ্যের প্রতি এক প্রবল ঘৃণা। বছরের পর বছর ধরে সোভিয়েত এনসাইক্লোপিডিয়াগুলোতে ভারত সম্পর্কে তথ্যগুলো ধীরে ধীরে নমনীয় হয়েছে। তারা খুব দ্বিধার সাথে হলেও স্বীকার করতে শুরু করেছিল যে চীন এবং ভারতের মতো দেশগুলোর ক্ষেত্রে পুরনো বিভাগগুলো হয়তো কিছুটা বদলে নিতে হতে পারে। তারা স্বীকার করতে শুরু করেছিল যে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পর্যায় একে অপরের সাথে মিশে থেকেছে। আর হয়তো কেবল কূটনৈতিক কারণেই তারা আরও বেশি সতর্ক হয়েছিল—আমাদের ঐতিহ্যকে কলঙ্কিত করা এড়িয়ে গিয়েছিল।<br/>সোভিয়েতদের দুই খন্ডের বই এ হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়াতে আমরা ভারতের ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায় নিয়ে কমবেশি একই ধরণের বর্ণনা পাই যা আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের বইতেও আছে। কিন্তু সোভিয়েতদের বইতে সেই ঘৃণা এবং বিদ্বেষের কোনো চিহ্ন নেই যা আমরা আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের বইতে দেখতে পাই। * তাই দুটি বিষয় মনে রাখতে হবে। প্রথমত, আমাদের বন্ধুরা কেবল মার্ক্সবাদী নন, তারা মেকলের অনুসারীও। দ্বিতীয়ত, তারা এক বিশেষ ধরণের মার্ক্সবাদী। তারা সেই অর্থে মার্ক্সবাদী যে তারা নিজেদের মার্ক্সবাদী মনে করেন এবং বারবার গুটিকয়েক মার্ক্সবাদী বুলি আওড়াতে থাকেন। কিন্তু মার্ক্সবাদী ঐতিহাসিক হওয়ার চেয়ে তারা আসলে শাসনব্যবস্থার অনুগত ঐতিহাসিক ছিলেন। তাদের তত্ত্ব এবং মতামত কেবল মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদের মূল বইগুলোর সাথেই মেলেনি, বরং তা কংগ্রেসী শাসকদের আদর্শ এবং প্রয়োজনের সাথেও মিলে গিয়েছে। * বর্ণ বাস্তব। শ্রমিক শ্রেণি বাস্তব। নাগা হওয়া বাস্তব। '''কিন্তু ভারত কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ!''' একইভাবে মুসলিম হওয়া অবশ্যই বাস্তব—ইসলামকে গ্রানাইট পাথরের মতো একটি অভিন্ন ব্লক হিসেবে দেখতে হবে এবং কথা বলতে হবে—... '''কিন্তু হিন্দুধর্ম? কেন, এমন তো কিছু নেই: এটি কেবল কিছু বিচ্ছিন্ন বিশ্বাস এবং আচারের সমষ্টি'''—... '''আর যে কেউ এর উল্টো কিছু দাবি করে, তাকেই এক ঐক্য চাপিয়ে দেওয়া অথবা অভিন্নতা তৈরি করার চেষ্টাকারী হিসেবে ফ্যাসিবাদী তকমা দেওয়া হয়।''' আমাদের প্রগতিশীল চিন্তাবিদরাই এগুলো বলে আসছেন। এক কথায়, কেবল খন্ডিত অংশগুলোই বাস্তব। আর পুরোটা কেবল একটি তৈরি করা ধারণা। এই চিন্তাবিদরা জোর দিয়ে বলেন যে ভারত কখনোই এক ছিল না—সাম্রাজ্য শাসনের উদ্দেশ্যে আর্যরা, মুঘলরা এবং ব্রিটিশরা বিভিন্ন মানুষ ও অঞ্চলকে একসাথে জুড়ে দিয়েছিল। যে কেউ সেই ধারণাকে—অর্থাৎ ভারতকে—আমরা কোন কাঠামোর অধীনে বাস করব তার মাপকাঠি হিসেবে ব্যবহার করতে চায়, তাকেই হিন্দু আধিপত্য কায়েম করার গোপন পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। * এটি এক অর্থে মেকলে-মিশনারি কৌশলেরই ধারাবাহিকতা এবং চূড়ান্ত রূপ। ব্রিটিশরা হিসাব কষে দেখেছিল যে ভারতকে জয় করতে এবং দখলে রাখতে হলে এদেশের মানুষের মূল ভিত্তিটাই দুর্বল করে দিতে হবে: আর তা হলো হিন্দুধর্ম এবং যা কিছু এর থেকে সৃষ্টি হয়েছে। তাই তারা খুব জেদ নিয়েই পাঁচটি বিষয়ের প্রতি মানুষের বিশ্বাস এবং শ্রদ্ধা নষ্ট করতে নেমেছিল: হিন্দুরা যেসব দেব-দেবীর পূজা করে; যেসব মন্দির ও মূর্তিতে তাদের অধিষ্ঠান; তাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থগুলো; যেসব ভাষায় সেই ধর্মগ্রন্থ এবং ঐতিহ্যের সবকিছু সংরক্ষিত—অর্থাৎ সংস্কৃত; এবং সেই গোষ্ঠী যাদের বিশেষ দায়িত্ব ছিল হাজার বছর ধরে এই জীবনধারাকে রক্ষা করা—অর্থাৎ ব্রাহ্মণরা। একই কৌশলের অন্য অংশটি ছিল খন্ডিত অংশগুলোকে উসকে দেওয়া—অহিন্দুরা, আঞ্চলিক ভাষাগুলো এবং সেই বর্ণ ও গোষ্ঠীগুলো যাদের সহজেই মিশনারি এবং সাম্রাজ্যের পথে আনা যাবে—যেমন সহজ-সরল উপজাতি এবং অস্পৃশ্যরা। * পরিস্থিতিটা এখন এইরকম: গত আধ শতাব্দী ধরে ভারতে যারা জনপরিসরের আলোচনায় আধিপত্য বিস্তার করেছে, নিয়ন্ত্রণ করেছে এবং অন্যদের আতঙ্কিত করে রেখেছে, তাদের হাতে এখন কোনো তথ্য বা যুক্তি অবশিষ্ট নেই। যারা তাদের ‘অভ্যন্তরীণ আলোচনার’ খবর রাখেন তারা এটি দেখতে পাবেন—তারা ক্রমশ আরও ছোট গণ্ডির মধ্যে কথা বলছেন; আর এই সংকুচিত হতে থাকা গণ্ডিতে তারা স্রেফ পুরনো বুলি আউড়ে যাচ্ছেন, সেখানে নতুন কোনো চিন্তা বা নতুন কোনো তথ্য নেই। আর আমরা যেমনটা দেখেছি, এটি আগে থেকেই ধারণা করা যায়: তাত্ত্বিক বুলিগুলোর পুনরাবৃত্তি করাই তাদের জন্য কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং যথেষ্ট। * ‘আমি নিজেই আপনার বইটির পর্যালোচনা করতে চাই,’ ওরশিপিং ফলস গডস সম্পর্কে আমাদের একটি প্রধান সংবাদপত্রের সম্পাদক বলেছিলেন। ‘কিন্তু আমি যদি এর প্রশংসা করি, তবে তারা আমার পেছনেও লাগবে। আমাকেও সাম্প্রদায়িক, উচ্চবর্ণের লোক—এইসব বলা হবে।’ ‘অসাধারণ অরুণ, এটা সত্যিই চমৎকার ছিল,’ একজন শীর্ষস্থানীয় ভাষ্যকার বলেছিলেন যিনি ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে একটি পর্যালোচনা লিখেছিলেন। ‘কিন্তু আপনি তো বোঝেনই, আমি ছাপার অক্ষরে এই সবকিছু বলতে পারিনি। তবে এটি সত্যিই অসাধারণ। আপনি এত পরিশ্রম করেন কীভাবে?’ এমনকি পর্যালোচক নির্বাচনের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যায়। কোনো বামপন্থীর লেখা বই হলে সম্পাদকরা ভিন্ন মতাদর্শের কাউকে সেটি দিতে দ্বিধা করেন: ‘তারা বলবে আমি ইচ্ছা করে একজন ডানপন্থীকে এটি দিয়েছি,’ সম্পাদকরা সম্ভবত এভাবেই ব্যাখ্যা দেন। অন্যদিকে, তারা যাকে ডানপন্থী বলে ঠিক করে রেখেছেন তেমন কারো বই হলে, তারা অন্য কোনো ব্র্যান্ডেড ডানপন্থীকে সেটি দিতে ভয় পান: ‘তারা আমাকে দোষ দেবে যে আমি ইচ্ছা করে এমন একজনকে বইটি দিয়েছি যে এর প্রশংসা করবেই,’ তারা অভিযোগের সুরে বলবেন। তাই এই ধরনের ক্ষেত্রে তারা ইচ্ছা করে বইটি এমন কাউকে দেন যে ‘এর নিন্দা করবেই’! * এছাড়াও আমাদের শেখানো হয় যে, আওরঙ্গজেবের মতো কেউ যখন মন্দির ধ্বংস করেন, তখন কী ঘটেছিল এবং কেন ঘটেছিল তা আন্দাজ করার ক্ষেত্রে আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে... আমাদের শেখানো হয় যে, দিল্লির কুওয়াত-উল-ইসলাম মসজিদের মতো প্রাথমিক স্মৃতিস্তম্ভগুলো নাকি ‘খুব দ্রুত’ তৈরি করতে হয়েছিল... এটি কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য! আর সেই ধর্মের কী হবে যা দাবি করে যে ধর্মীয় বিশ্বাসই সব এবং রাজনীতিকে ধর্ম থেকে আলাদা করা যায় না? আর এর নাম: কুওয়াত-উল-ইসলাম মসজিদ, মানে ইসলামের শক্তির মসজিদ? অবশ্যই ধরে নিতে হবে এটি স্রেফ নামমাত্র! আর লক্ষ্য করুন: ‘সহজলভ্য উপকরণগুলো সংগ্রহ করে যুক্ত করা হয়েছিল’, সেগুলো ‘স্পষ্টতই হিন্দু উৎস থেকে এসেছিল’—হয়তো সেই উপকরণগুলো এমনিই পড়ে ছিল; হয়তো মন্দিরগুলো আগেই নিজে নিজে ভেঙে পড়েছিল; হয়তো হিন্দুরা স্বেচ্ছায় তাদের মন্দির ভেঙে সেই উপকরণগুলো দান করেছিল? তাই নয় কি? সর্বোপরি তারা যে তা করেনি তার তো কোনো প্রমাণ নেই! আর তাই ‘লুণ্ঠিত’ শব্দটি বারবার উদ্ধৃতি চিহ্নের মধ্যে রাখা হয়! <br/> প্রকৃতপক্ষে আরও অনেক কিছু আছে। ইসলামি মসজিদ তৈরির জন্য হিন্দু মন্দিরের এই উপকরণগুলোর ব্যবহার নাকি ‘স্থানীয় কারিগরদের স্থাপত্যগত সংজ্ঞা ও খাপ খাইয়ে নেওয়ার একটি প্রক্রিয়ার অংশ ছিল, যা ইসলামি ব্যবহারের জন্য দক্ষিণ এশীয় স্থাপত্যের পরবর্তী উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য ছিল’। এর ফলে মূল দায়ভার গিয়ে পড়ে সেই ‘স্থানীয় কারিগর’ এবং তাদের ‘খাপ খাইয়ে নেওয়ার’ ওপর। ফলে কুতুব মিনার চত্বরের বৈশিষ্ট্যগুলো ‘স্থপতি এবং খোদাইকারদের একটি নতুন কর্মসূচির প্রতি সৃজনশীল প্রতিক্রিয়া’ হিসেবে তুলে ধরা হয়। একটি মসজিদ যেখানে স্পষ্টভাবে হিন্দু মন্দিরের স্তম্ভসহ অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে এবং যেখানে নির্দ্বিধায় ‘কেন্দ্রীয় গম্বুজের কাঠামোয় হিন্দু দেবতাদের খোদাই করা একটি লিন্টেল বা পাথরের কড়িকাঠ এমনভাবে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে ছবিগুলো দেয়ালের ভেতরের দিকে থাকে’, সেটি নাকি ‘কোনো নিয়ম ঠিক করার জন্য’ করা হয়নি। ‘বরং এটি স্থাপত্য, সজ্জা এবং সংশ্লেষণের ক্ষেত্রে সহযোগিতামূলক ও সৃজনশীল সম্ভাবনার দ্রুত অন্বেষণের উদাহরণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।’ এর বিপরীত সিদ্ধান্তগুলো নাকি ছিল ‘ভুল মূল্যায়ন’। আমরা নাকি ‘উদ্ধার করা অংশ’ দেখার ভুল করছি—কী চমৎকার একটি শব্দ, ‘উদ্ধার করা’: ওই অংশগুলো মন্দির ভেঙে পাওয়া যায়নি; সেগুলো ধ্বংসাবশেষ হিসেবে পড়ে ছিল এবং সময়ের সাথে সাথে নষ্ট হয়ে যেত; তার বদলে সেগুলোকে ‘উদ্ধার করা’ হয়েছে এবং নতুন পবিত্র ইমারতের অংশ হওয়ার মর্যাদা দেওয়া হয়েছে—‘উদ্ধার করা অংশ দেখার বদলে সেখানে সুস্থ সহযোগিতামূলক সৃজনশীলতা নতুন রূপ তৈরি করছে’। * তবুও এই সবকিছুর কোনোটিই আকস্মিক নয়। আমরা এই বইতে যেসব পাঠ্য পর্যালোচনা করেছি সেখানে দেখা যায়, এটি একটি নির্দিষ্ট ধারার অংশ। দেখা যায় ভারত নাকি একটি অতি সাম্প্রতিক ধারণা। এটি নাকি কোনো দেশ বা জাতি নয়। হিন্দুধর্ম একটি উদ্ভাবন হিসেবে প্রকাশ পায়—শব্দটি শুনে অবাক হলেন? কয়েক পৃষ্ঠা পড়লেই আর হবেন না—উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে ব্রিটিশদের তৈরি এক উদ্ভাবন। একই সাথে এটি নাকি সবসময়ই সহজাতভাবে অসহিষ্ণু। প্রাক-ইসলামি ভারত ছিল অন্যায় এবং শোষণের আখড়া। ইসলামি শাসন শোষিতদের মুক্তি দিয়েছিল। এই সময়েই ভারতের গঙ্গা-যমুনা সংস্কৃতি তথা ‘সমন্বিত সংস্কৃতি’ গড়ে উঠেছিল, যার প্রধান প্রবক্তা ছিলেন আমির খসরু এবং সুফি সাধকরা ছিলেন এর উৎস। এমনকি সেই সময়েও জাতীয়তাবোধ তৈরি হয়নি। এটি কেবল ব্রিটিশ শাসনের প্রতিক্রিয়ায় এবং পশ্চিম থেকে আসা চিন্তাভাবনার ফলে তৈরি হয়েছে। কিন্তু এটিও—অর্থাৎ দেশ বা জাতি হওয়ার বোধ যতটুকু ছিল—তা কেবল ভারতের উচ্চবিত্তদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কমিউনিস্টরাই সাধারণ মানুষকে সচেতন করেছে এবং তাদের মধ্যে এই ধারণাগুলো ছড়িয়ে দিয়েছে। <br/> এক কথায়, ভারত বাস্তব নয়—কেবল এর অংশগুলোই বাস্তব। শ্রেণি বাস্তব। ধর্ম বাস্তব—আমাদের ধর্মের সাধারণ এবং বিশেষ সূত্রগুলো নয়, বরং ধর্মের সেই দিকগুলো যা আমাদের বিভক্ত করে এবং নিশ্চিত করে যে আমরা একটি জাতি বা দেশ নই, সেই উপাদানগুলোই বাস্তব। বর্ণ বাস্তব। অঞ্চল বাস্তব। ভাষা বাস্তব—আসলে এটি ভুল: যুক্তি হলো সংস্কৃত ছাড়া অন্য ভাষাগুলো বাস্তব; সংস্কৃত মৃত এবং বিলুপ্ত; যাই হোক, হোরেশ উইলসন হাউস অফ কমন্স সিলেক্ট কমিটিতে যেমন বলেছিলেন যে এটিই দেশের অন্যান্য ভাষার ভিত্তি এবং জীবন্ত ভিত্তি ছিল, তা সত্ত্বেও একে উচ্চবিত্তদের সংরক্ষিত এলাকা এবং আধিপত্য ও শোষণের হাতিয়ার হিসেবে দেখানো হয়েছে; এটি নাকি অসহায় জনসাধারণের মধ্যে মিথ্যা চেতনা টিকিয়ে রাখার একটি মাধ্যম ছিল। * পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ ১৯৮৯ সালে নির্দেশ জারি করেছিল যে ‘মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না।’ * অযোধ্যায় তাদের প্রতারণামূলক ভূমিকা—যা শেষ পর্যন্ত অন্য কারো চেয়ে তাদের মক্কেলদেরই বেশি ক্ষতি করেছে—তা ছিল কেবল একটি লক্ষণ মাত্র। পঞ্চাশ বছর ধরে এই দলটি তথ্য গোপন করছে এবং মিথ্যা উদ্ভাবন করছে। আইসিএইচআর-এর সেই উদ্দেশ্য—আমাদের অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ এবং যৌক্তিক গবেষণার প্রসার ঘটানো—সেটি নিয়ে আজ তারা কতই না চিন্তিত হওয়ার ভান করছে! তাদের এই উদ্বেগ কীভাবে ১৯৮৯ সালে তাদের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া নির্দেশিকার সাথে মেলে যা আউটলুক নিজেই উদ্ধৃত করেছিল—‘মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না?’ কিন্তু বৌদ্ধ বিহার ধ্বংসের পাইকারি মিথ্যাচার এবং অস্তিত্বহীন ‘আর্য আক্রমণ’ সম্পর্কে তাদের তথ্যগুলো অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক—এগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলা মানেই হলো সাম্প্রদায়িক বা উগ্র জাতীয়তাবাদী হওয়া! আইসিএইচআরের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করা যথেষ্ট খারাপ ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটি ছিল একটি কৌশল মাত্র। এই ‘ঐতিহাসিকদের’ প্রধান অপরাধ হলো এই পক্ষপাতিত্ব: সত্য গোপন করা এবং মিথ্যা প্রচার করা। * সংবাদমাধ্যম তাদের প্রচেষ্টার এবং এই ক্ষেত্রে তাদের অর্জিত দক্ষতার একটি তৈরি উদাহরণ। তারা তাদের সদস্য এবং সমর্থকদের সাংবাদিকতায় নিয়ে আসার জন্য যত্ন নিয়েছেন। আর সাংবাদিকতার মধ্যে তারা ক্ষুদ্র গণ্ডিগুলোতেও মনোযোগ দিয়েছেন। বইয়ের কথাই ধরুন। তাদের কারো একটি বই কোনো পত্রিকায় পৌঁছানোর সাথে সাথেই সেটি পর্যালোচনার জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত ব্যক্তিদের নামের পরামর্শ চলে আসে। আমি যেমনটা বলেছি, যে সম্পাদক আপত্তি করেন এবং বইটি ভিন্ন মতাদর্শের কারো কাছে পাঠাতে চান তাকে দোষী মনে করানো হয়, যেন তিনি ইচ্ছা করে একটি পক্ষপাতদুষ্ট ও নেতিবাচক পর্যালোচনা নিশ্চিত করছেন। তাদের তালিকা থেকে কাউকে বেছে নেওয়া যে একটি পক্ষপাতদুষ্ট প্রশংসা নিশ্চিত করতে পারে, তা নিয়ে কোনো কথা বলা হয় না। প্রচলিত জনমতের চাপ এতটাই বেশি এবং সম্পাদকরা এড়ানো সম্ভব এমন ঝামেলা এড়াতে এতটাই উদগ্রীব যে, তারা দ্রুত প্রস্তাবিত নামগুলোর মধ্যে একজনকে বেছে নেন... <br/> গত পঞ্চাশ বছর ধরে সংবাদপত্র ও সাময়িকীর বইয়ের পাতাগুলো লক্ষ্য করলেই আপনি দেখতে পাবেন যে এই সাধারণ কৌশলটি কত বড় প্রভাব ফেলেছে। প্রকাশনা সংস্থাগুলোতে তাদের লোকজন গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে ছিল: আর তাই তাদের ধরণের বইগুলোই প্রকাশিত হতো। এরপর তারা একে অপরের বই পর্যালোচনা করত এবং পাঠ্য হিসেবে নির্দিষ্ট করত। এই সব প্রকাশনা এবং পর্যালোচনার ভিত্তিতে তারা একে অপরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং এ জাতীয় জায়গায় পদ পাইয়ে দিতে সক্ষম হতো... এমনকি যেসব প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব সম্পর্কে আমাদের বেশিরভাগের কোনো ধারণাই নেই, সেগুলোকেও ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। আমাদের মধ্যে কতজন সরকারের এমন একটি সংস্থার কথা জানেন যা সরকারি এবং অন্যান্য লাইব্রেরির জন্য পাইকারি বই কেনা নির্ধারণ করে? কিন্তু তারা জানে! তাই আপনি যদি লক্ষ্য করেন যে এই সংস্থাটি বছরের পর বছর ধরে কোন ধরণের বইয়ের অর্ডার দিচ্ছে, তবে আপনি সেগুলোকে প্রায় একচেটিয়াভাবে লাল এবং গোলাপি ঘরানারই পাবেন... <br/> এভাবে তাদের বইগুলো প্রকাশের জন্য নির্বাচিত হয়। তারা একে অপরের বই পর্যালোচনা করে। এর মাধ্যমে সুনাম তৈরি হয়। এর মাধ্যমে পদ দখল করা হয়। ছাত্রদের একটি নতুন প্রজন্ম একই চশমা পরে বড় হয়—আর এর অর্থ হলো সংবাদমাধ্যমে আরও একটি প্রজন্মের তৈরি হওয়া, আমলাতন্ত্রের আরও একটি প্রজন্ম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আরও একটি প্রজন্ম... * আমাদের উচিত দালাই লামার উদাহরণটি সামনে রাখা। তিনি ধ্যানের ওপর একটি তিব্বতি গ্রন্থের ওপর বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি একটি বাক্য পড়লেন, হাসলেন এবং মন্তব্য করলেন, ‘সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বগুলো লজ্জাজনক! এগুলো ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত!’ তিনি পরামর্শ দেন যে আমাদের কাছে সবসময় একটি ঝুড়ি রাখা উচিত—যা কিছু আমাদের বর্তমান জ্ঞানের সাথে মেলে না, সেগুলো সেই ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া উচিত। ‘বৌদ্ধধর্মকে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে,’ তিনি এটাই শেখান। সেই অনুযায়ী তিনি বৌদ্ধ গ্রন্থগুলোকে সূক্ষ্ম পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করেছেন। (...) এটি নিজের ঐতিহ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসকেই তুলে ধরে। এটিই হলো ঐতিহ্যের প্রকৃত সেবা। এতে থাকা ‘অমূল্য রত্ন’ ভবিষ্যতের জন্য রক্ষা করার উপায় এটিই। * কিন্তু আজ বৌদ্ধধর্মের বিলুপ্তির কারণ হিসেবে হিন্দুদের দ্বারা বৌদ্ধদের ওপর নির্যাতন এবং হিন্দুদের দ্বারা তাদের মন্দির ধ্বংসের কথা বলাটা একটি ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। একটি বিষয় হলো, যেসব মার্ক্সবাদী ঐতিহাসিক এই মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছেন তারা এই মনগড়া কাহিনী প্রমাণ করার জন্য সামান্যতম তথ্যও হাজির করতে পারেননি। একটি সাধারণ উদাহরণে রোমিলা থাপার তিনটি শিলালিপি উদ্ধৃত করেছিলেন। নিরলস কর্মী [[সীতরাম গোয়েল]] সেগুলো পরীক্ষা করে দেখেন। এর মধ্যে দুটির সাথে বৌদ্ধ বিহার বা সেগুলো ধ্বংসের কোনো সম্পর্কই পাওয়া যায়নি এবং যেটিতে একটি বস্তু ধ্বংসের কথা ছিল, সেটি বিশেষজ্ঞদের মতে ছিল একটি জাল শিলালিপি; যাই হোক না কেন, সেখানে যা বলা ছিল তা ওই ঐতিহাসিকের ইঙ্গিতের চেয়ে দিন আর রাতের মতো আলাদা ছিল। * সংলগ্ন পৃষ্ঠাগুলোতে দুটি কলাম আছে: অশুদ্ধ এবং শুদ্ধ। প্রগতিশীলরা ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে তাদের ‘বস্তুনিষ্ঠ’ এবং ‘যৌক্তিক’ পদ্ধতির মাধ্যমে কী অর্জন করার চেষ্টা করছেন তা এই পরিবর্তনগুলোর দিকে চোখ বুলালেই বোঝা যায়। * এভাবে কেবল সত্য গোপনই নয়, বরং আজেবাজে কথা প্রচারও করা হচ্ছে। ;বইটি সম্পর্কে * ‘বাম-উদারপন্থী’ বা ‘প্রগতিশীল’ ঐতিহাসিকদের প্রথম বড় সমালোচনা করেছিলেন অরুণ শৌরি, বিশেষ করে তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা আইসিএইচআর-এর অবস্থা নিয়ে। ** ডি. কে. চক্রবর্তী, ন্যাশনালিজম ইন দ্য স্টাডি অফ এনশিয়েন্ট ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি (আরিয়ান বুকস ইন্টারন্যাশনাল, দিল্লি)।[https://koenraadelst.blogspot.com/2021/02/a-case-of-good-nationalism-dk.html] * "বিশিষ্ট ঐতিহাসিকগণ" হলো সেই শব্দ যা দিয়ে তারা একে অপরকে ডাকে এবং তাদের ভক্তরা তাদের এই নামেই ডাকে। যখন কোনো প্রতিপক্ষের যুক্তির উত্তর তাদের কাছে থাকে না, তখন তারা তাকে যথেষ্ট ‘বিশিষ্ট’ নয় বলে দম্ভের সাথে উড়িয়ে দেয়। তাই অরুণ শৌরি যখন এই খাতের কিছু অপব্যবহার নিয়ে লিখেছিলেন, তখন তিনি তার বইয়ের নাম দিয়েছিলেন এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস। এটি ঔপনিবেশিক যুগের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে লেখা একটি পুরনো বই এমিনেন্ট ভিক্টোরিয়ানসের নাম নিয়ে করা একটি শব্দকৌতুকও বটে। ** এলস্ট, কে. [https://koenraadelst.blogspot.com/2016/05/interview-in-monthly-swarajya.html সাক্ষাৎকার, স্বরাজ্য, মে ২০১৬)] ===২০০০-এর দশক=== ==== ''হারভেস্টিং আওয়ার সোলস: মিশনারিস, দেয়ার ডিজাইন, দেয়ার ক্লেইমস'' (২০০০) ==== * আপনি যদি ১৯৯৮ সালের শেষ এবং ১৯৯৯ সালের শুরুর দিকে ভারতে থাকতেন এবং ইংরেজি মাধ্যমের "জাতীয়" সংবাদপত্রগুলো যদি আপনার খবরের উৎস হতো, তবে আপনি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতেন যে একটি ব্যাপক এবং সুসংগঠিত গণহত্যা চলছে; উন্মত্ত হিন্দু গোষ্ঠীগুলো ঘুরে ঘুরে সন্ন্যাসিনীদের ধর্ষণ করছে, মিশনারিদের ওপর আক্রমণ করছে এবং গির্জা পুড়িয়ে দিচ্ছে। (পৃষ্ঠা ৭) * শেষ পর্যন্ত দেখা গেল যে সত্যিই একটি চক্রান্ত ছিল এবং সেটি ছিল একটি সাম্প্রদায়িক চক্রান্ত। পুরো বিষয়টিই ছিল একটি সাজানো গল্প—তাদের দ্বারা যাদের লক্ষ্য হলো হিন্দুদের উন্মত্ত সাম্প্রদায়িক হিসেবে চিত্রিত করা এবং আরএসএস, বিজেপি ইত্যাদিকে এমন এক সংগঠন হিসেবে তুলে ধরা যারা একটি "গণহত্যা" পরিচালনা করছে। জাস্টিস ওয়াধওয়া নথিবদ্ধ করেছেন, "তদন্তে প্রকাশ পেয়েছে যে সিস্টার মেরি এফআইআরে যা বলেছিলেন তা সত্য ছিল না। এটি একটি বানানো গল্প ছিল। তদন্তে দেখা গেছে যে বাস্তবে সিস্টার মেরির সাথে কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি... পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল বি.বি. পান্ডা জানিয়েছেন যে 'সন্ন্যাসিনী ধর্ষণ'-এর ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে এমনভাবে প্রচার করা হয়েছিল যেন এটি খ্রিস্টানদের ওপর একটি আক্রমণ, যদিও বাস্তবে তা সত্য ছিল না এবং মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।" (৯-১০) * ঘটনাগুলোর সত্যতা এবং সেগুলোকে যেভাবে তুলে ধরা হয়েছিল তার মধ্যেকার এই পার্থক্য আমাদের সংবাদপত্র এবং টিভি চ্যানেলগুলোকে সতর্ক করা উচিত যেন তারা তথ্য যাচাই না করে হুট করে কোনো খবর প্রচার না করে। বিশেষ করে, তাদের কেবল সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানো ব্যক্তিদের অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে চলা উচিত নয়। (১৩) * অর্থ থেকে শুরু করে আদর্শ কিংবা অতি নিম্নমানের রাজনীতি—মিথ্যা অপবাদ তৈরির পেছনে বিভিন্ন গোষ্ঠীর বিভিন্ন কারণ থাকে। এদের মধ্যে অনেকগুলো খুব সুসংগঠিত; এমনকি আমরা দেখতে পাব যে কারো কারো বিশ্বজুড়ে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক আছে। তারা অত্যাচারের গল্প তৈরিতে এবং সেগুলো বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিতে অত্যন্ত দক্ষ হয়ে উঠেছে এবং তাদের এই উদ্ভাবনগুলোকে লাভজনক কাজে ব্যবহার করছে। (১৩) * হিন্দু নারীদের মধ্যে কাজ করাকে উচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে, তারা বলেন, "যেহেতু তারা এই ধর্মের রক্ষক"... (৬২) ====''Self-Deception : India's China Policies; Origins, Premises, Lessons'' (2008) ==== :Arun Shourie - Self-Deception _ India's China Policies_ Origins, Premises, Lessons-Harper Collins (2008, 2013) * The brutal—the customarily brutal—way in which the Chinese government suppressed the protests by Tibetans in Lhasa in the months preceding the 2008 Beijing Olympics once again drew attention to the enormous crime that the world has refused to see: the systematic way in which an entire people have been reduced to a minority in their own land; the cruelty with which they are being crushed; the equally systematic way in which their religion and ancient civilization are being erased. Protests by Tibetans in different cities across the world, joined as they were by large numbers of citizens of those countries, had the same effect.<br>No government anywhere in the world did what the Manmohan Singh government did in Delhi, no government reacted in as craven and as frightened a manner as our government did. The Olympic Torch was to be relayed across just about two kilometres—from Vijay Chowk to India Gate. The government stationed over twenty thousand troops, paramilitary personnel, policemen and plainclothes men in and around that short stretch. Tibetan refugees were beaten and sequestered. Government offices were closed. Roads were blocked. The Metro was shut down. Even members of Parliament were stopped from going to their homes through the square that adjoins Parliament, the Vijay Chowk.<br>Do you think that any of this was done out of love for the Olympics?<br>It was done out of fear of China. *Now, this is a favourite phrase of Panditji—‘the long-term view’—as is ‘the larger considerations’. Whenever he deploys the former, you can be sure that he is preparing the case for ceding ground. Whenever he deploys the latter, you can be sure that he is preparing the case for ceding specifically the country’s interest. *Recall, what he had told the Tibetans—that India would help diplomatically. That help now has come to mean that India will keep China in good humour even as it crushes Tibet, so that it may not crush Tibet more swiftly. *We can see the operational conclusion that flows from such reasoning. As the main advance has halted, there is nothing that we need to do. When the main advance resumes, the full picture is not clear. When it is completed, and the place is subjugated, there is nothing for us to do as, by then, the place has already been subjugated. For us to do or say anything will only enrage the occupiers, and bring even greater hardship on the poor Tibetans! *He speaks at length, that is, but scarcely touches on any of the specific matters that members had raised. *The view that he disapproves is always unbalanced; or stuck in the past; or stuck in the cold war mould; or subjective and emotional... *The Dalai Lama is in India at India’s invitation. Panditji meets him on 26 and 28 November 1956. The Dalai Lama is distraught. Panditji jots down the points of their exchange. The Dalai Lama puts the figure of Chinese troops in Tibet at 120,000, the very figure for which Panditji had come down on Apa Pant. The [[w:Subimal Dutt|foreign secretary]] inserts a paragraph in Panditji’s notings about the talks: ‘The Dalai Lama appealed to India for help. PM’s reply was that, apart from other considerations, India was not in a position to give any effective help to Tibet; nor were other countries in a position to do so. Dalai Lama should not resist land reforms.’ Instead of help, Panditji gives advice. He records the advice he gives: ‘D.L. should become the leader of the reform. Best way we can help is by maintaining friendly relations with China, otherwise China would fear our designs in Tibet.’ An excuse, and a presumptuous one—‘otherwise China would fear our designs in Tibet.’ *As the principal object of this brief book is to set out the evolution of India’s China-policy in Panditji’s own words, and to show how those assumptions and habits continue to endanger us today, I have kept annotations to the minimum. But what Panditji did and said and wrote in regard to China does deserve to be analyzed almost at the psychological and linguistic level! For his stance, his formulations, his rationalizations are rooted in habits, in mental processes. Not just his assumptions and premises persist among policy-makers, those very habits and mental processes persist. In the 1950s, they went unquestioned because of the lofty position that Panditji occupied in our lives and discourse. Today, they go equally unquestioned—though for a different reason: discourse has got so dumbed-down that no assumption or premise is examined as it should be. An illustration will bring home the consequence. Among the habits that persist, one is especially harmful as it rationalizes going-along at an almost subliminal level. This is the habit of slipping in a thought or sentence which excuses one from facing the facts. We see this in Pandit Nehru’s writings and spoken word at every turn. ... *A contributing factor certainly must have been the contempt that Mao, Chou En-lai and others felt for India and Indians. This comes through again and again in conversation after conversation of the Chinese leaders. Chou and Kissinger agree on how India is the one that is causing the troubles in East Pakistan; on what China and US should together do to halt India in the tracks; they agree about not just what is ‘the Indian tradition’—deceit, blaming others—but just as much about the Indian character—marked by ingratitude.⁴ The contempt and coordination show through even more dramatically in the conversations that Kissinger later has with the permanent representative of China at the UN, Huang Hua, during which he asks Huang Hua to assure Chou En-lai that, should China take military action against India to divert it from pursuing its assault on Pakistan, the US will hold the Soviet Union at bay. Nixon, Pompidou and Kissinger are exchanging views about the state of the world. Nixon summarizes the Chinese assessments: ‘...the attitude of the Chinese towards their neighbours can be summed up in this way. The Russians they hate and fear now. The Japanese they fear later but do not hate. For the Indians they feel contempt but they are there and backed by the U.S.S.R.’ ===2010s=== *I don't see the difference between the two. I feel they (the BJP and the Congress) are one party. They are jointly ruling. It is a dinner party. They meet at dinners. They meet socially. They decide on what has to be done about issues. <br>First, the media should write about itself. It is extremely short-sighted about the media to black out these things. The Mitrokhin Archives revealed how (the then Soviet intelligence agency) the KGB boasted that they were able to plant 400 stories in such and such Indian newspapers. The Indian media blacked it out. Then, privatetreaties of The Times of India that other people have now adopted has been completely blacked out.... When the Press Council of India was forced to appoint a committee to look into the allegations about 'paid news', the Press Council itself suppressed the report. **[https://www.rediff.com/news/report/interview-arun-shourie-on-the-real-meaning-of-the-radia-tapes1/20101201.htm Interview] 2010 ====''Falling Over Backwards'' (2012) ==== *The first derailment was caused by plucking the words ‘of their choice’ out of context, by tearing them away from the object for which Articles 29 and 30 gave minorities the right to set up and administer institutions. A normal engineering college or a college of dentistry can by no stretch be taken to be an institution that has been set up to help conserve the language, script or culture of the minority. Yet, provided the engineering or dentistry college has been set up by members of a minority, it was presumed to enjoy the protection of Articles 29 and 30, and thereby be beyond the reach of the state. *The result has been as predictable as it is iniquitous and absurd: if Ram Sharan sets up an engineering college, the state as well as the university concerned can prescribe all sorts of things it must do; if Mohammed Aslam sets up an exact clone of that engineering college across the road, teaching exactly the same subjects, using exactly the same textbooks, neither the state nor the university can regulate its functioning! *On the other hand, when sticking to the text is what will advance the judgment, they become strict constructionists. Some of the most conspicuous instances of this can be found in judgments relating to Article 30, the article that deals with the ‘right of minorities to establish and administer educational institutions’. The country had been partitioned on the cry that Muslims will never be secure in a united India. The framers were naturally keen to reassure the minorities that they would be free to preserve their religion, language and culture. Accordingly, Article 29 was enacted guaranteeing them and assuring them of this freedom. In case they wanted to set up institutions for safeguarding their language, culture, religion, Article 30 was enacted assuring them that ‘All minorities, whether based on religion or language, shall have the right to establish and administer educational institutions of their choice.’ The context made the purpose clear: minorities would have the freedom to set up such institutions as they thought would best preserve their culture, religion, language. But, given what has been the climate of discourse since the framing of the Constitution, the judges became literalists. Minorities would have the right to set up and manage ‘educational institutions of their choice’ irrespective of the purpose for which the institution was set up. Thus, engineering colleges and dental colleges set up by a family of, say, Muslims would have freedoms from state regulation and oversight that engineering and dental colleges set up by run-of-the-mill Indians would not. *Now, these are not stray phrases thrown in to light up a purple passage. They are stances, they are standpoints that indicate the direction in which that judgment will go, they are signposts which tell us where the reasoning being advanced in the text will eventually end. Such formulations have a significance beyond the particular judgment in which they figure. Succeeding benches can strike the same pose and gallop further in the same direction. *We comfort ourselves: at least, the virus of reservations has not got into judicial appointments; at least, reservations have not been extended to Muslims and Christians. Both notions are just make-believe. *As for reservations not having been extended to members of religions that repudiate caste – Islam, Christianity, Sikhism – again, that is but make-believe. The chairman of the Minorities Commission, my friend Tarlochan Singh, sends me a list of fifty-eight castes and of fourteen tribal groups, Muslim members of which have been given reservations. Even those who convert to one of these religions, continue to remain entitled to reservation. The rule in Tamil Nadu is that if the name of the father falls in the lists of Backward Castes/Most Backward Castes/Scheduled Castes/Scheduled Tribes, then, even if the person has converted to another religion, he remains entitled to reservations. In Gujarat, members of Backward Castes continue to avail of not just reservations but even of advantages under the roster system after conversion – 137 castes and sub-castes have been listed as socially and educationally backward in the state; of these, twenty-eight belong to the Muslim community. In Karnataka, ‘caste at birth’ is the norm. In UP, several Muslim castes are included in the reservation list – Lalbegi, Mazhabis, even Ansaris. The position is no different in Madhya Pradesh, in West Bengal. The Indian Express correspondent in Kolkata reports that the government of the ostentatiously secular CPI(M) strained to have reservations in government service as well as educational institutions extended to Muslims qua Muslims, and directed the state Minorities Commission to ascertain how such reservation had been decreed in Andhra Pradesh. The plan has had to be deferred for the time being, he writes, Only because the Andhra Pradesh High Court has struck down the Andhra order as unconstitutional. *Even as moves are afoot to get the Andhra judgment reversed, the government has directed the armed forces to count soldiers and officers by their religion. Nor is this move an inadvertence. It has arisen as a result of a committee that the government has appointed under a former chief justice of Delhi, Rajinder Sachar -each member of which has been carefully selected for his ‘secular’ beliefs. Each term of reference on which it is to supply information and make recommendations, as we noted at the outset, has been just as carefully selected to justify reservations and other concessions to Muslims as a religious group. *With elections looming, in January 2006, the Government of Kerala announced another ‘package’ of reservations for backward castes and for Muslims: service rules of the state shall be altered to permit direct recruitment of these sections so as to fill the 40 per cent quota that has been set aside for them; if suitable candidates are not available from these sections, the vacancies shall not be filled by merit; the state Public Service Commission shall prepare an ‘additional supplementary list’ so that the vacancies may be filled only by these sections; 20 per cent of the seats shall be reserved for these castes in graduate and postgraduate courses in government colleges; the chief minister will himself monitor the implementation of the reservation policy; there shall be a permanent commission to ensure that reservations are fully filled... *With elections upon them, the DMK and its allies announced in Tamil Nadu that, once in office, they will bring forth legislation to give reservations to Muslims and Christians. *The Jharkhand government, in turn, has announced that members of thirty-two tribes that are the most backward – literacy level among nine of them is said to be just 10 per cent – shall be directly recruited into government service; those among them who pass the graduation examination shall not have to take the qualifying examination which all others who enter government service have to take. *And beware, the progressive judges have already put out the basis for extending reservations to Muslims or Christians as Muslims and Christians. The word that the Constitution uses is ‘communities’, the word it uses is ‘classes’, Justices Jeevan Reddy, Sawant and Thommen hold in Indra Sawhney. ‘Community’ and ‘class’ are wider than ‘caste’, they say. So, entities wider than ‘caste’ can certainly be subsumed under them, they say – the only proviso being that the groups so identified be ‘backward’. Second, in spite of the teachings of Islam, Christianity and Sikhism, castes persist in these religions also, they explain in justification. As that is the reality, it would be invidious to restrict access to reservations to the backward sections of Hindus alone...3 *How far we have descended! Today progressives dress up their casteism as secularism! The benefits of reservation shall be extended to Muslims and Christians also, they proudly announce. In Andhra the decision of the government has had to be twice struck down by the courts – the government had decreed reservations for Muslims qua Muslims. Even as moves are afoot to get that judgment reversed, the Central government directed the armed forces to count soldiers and officers by their religion. Nor was the move an inadvertence. It arose as a result of a committee that the government had appointed under a former chief justice of the Delhi High Court. Each member of the committee has been carefully selected for his ‘secular’ and ‘progressive’ beliefs. Each term of reference on which the committee has been asked to supply information and make recommendations has been just as carefully selected to justify reservations and other concessions to Muslims as a religious group: *Every single item betrays the singular purpose of the whole exercise–to provide the rationale for extending reservations to Muslims. Nor is that opportunism confined to the present ruling coalition. In the run-up to the 2005 elections in Bihar, rival groups were vying with each other promising reservations for Muslims qua Muslims. *The object of the framers of the Constitution was, as ours must be, quite the opposite. It was to wipe out the cancer of caste even from Hindu society. Only with the greatest reluctance did they agree to allow reservations for the Scheduled Castes and Tribe – for they felt that doing even this much would perpetuate caste distinctions. The reservations were, therefore, to be exceptions to the general rule. ===2020s=== ====''Preparing: For Death'', 2020==== *One must reflect deeply on the nature of the adversity, and on how it may be converted into an instrument for growth. The routine Gandhiji set for himself was always so much stricter and so much more demanding than anything that a jailer would have thought of imposing on anyone. Similarly, picture Vinoba in solitary confinement in that cell, 8 feet by 9 feet in dimension: how he converts imprisonment into ashram life; how in that tiny space, in forced and complete isolation, he retains his mental discipline by meditating for two to three hours every day; how he disciplines himself physically by walking every day for eight hours inside that suffocating cell, and thereby covering ten miles—covering ten miles in a cell 8 feet by 9 feet every single day! In both cases, control remained in the hands of the prisoner, not the jailer—a very important factor in dealing with adversity. ** Arun Shourie, ''Preparing: For Death.'' Penguin Random House India Private Limited, 2020. ISBN 935305978X, 9789353059781 *The rituals—for instance, those we go through during a marriage ceremony—were devised to imbed certain values into us: the experience of centuries had led thoughtful persons to see that going through those steps, that reciting those mantras and reflecting on them would help us internalize those values, and mould our lives accordingly. But what do we do today? First, we outsource the ritual—to a pandit, say. As he goes through the motions prescribed for solemnizing a marriage, as he chants those mantras, we don’t have a clue about the meaning of the words that he is reciting, nor of the steps—‘Now pour some water on the earth, and then on . . .’ Nor do we care: ‘Panditji, puja zaraa jaldi khatam kar deejiye. Guest dinner ke liye wait kar rahen hain’—‘Panditji, please conclude the puja a bit quickly. The guests are waiting for dinner.’ ** Arun Shourie, ''Preparing: For Death.'' Penguin Random House India Private Limited, 2020. ISBN 935305978X, 9789353059781 ==Quotes about Arun Shourie== *In the end, India had to wait till 1998 for Arun Shourie’s Eminent Historians to be published. This book uncovered in detail after ghastly detail, this multi-layered assault on the national psyche that has disfigured the minds of at least three generations regarding the vital truths of their own nation. And thanks to this seminal contribution, “Eminent Historian” has fittingly become a swearword in the Indian public discourse. **S. Balakrishna, Seventy years of secularism. 2018. *Anyone who thought India had dismantled its notorious system of bureaucratic controls when it embarked on economic reform in 1991 ought to consult Arun Shourie. As cabinet minister (at various times since 1998) for privatisation, administrative reform, information technology and telecommunications, Mr Shourie's observations are close to the bone. The Hindu nationalist-led government in which Mr Shourie was the most prominent economic reformer was thrown out last May. Franz Kafka would have had difficulty dreaming up some of the examples cited in Mr Shourie's book. ... But it is what India's bureaucracy is like under normal conditions that matters and Mr Shourie does a depressingly thorough job in chronicling it. One can only hope that India's senior civil servants find the time to read this book - and have the grace to wince. **[[Edward Luce]], India's tragic comedy of civil disservice, book review in Financial Times. November 9, 2004 *Muslim leaders and Stalinist historians were raising a howl about Hindu chauvinism when it came to the notice of Arun Shourie, the Chief Editor of the Indian Express at that time, that some significant passages had been omitted from the English translation of an Urdu book written long ago by the father of Ali Mian, the famous Muslim theologian from Lucknow. He wrote an article, Hideaway Communalism, in the Indian Express of February 5, 1989 pointing out how the passages regarding destruction of Hindu temples and building of mosques on their sites at Delhi, Jaunpur, Kanauj, Etawah, Ayodhya, Varanasi and Mathura had been dropped from the English translation published by Ali Mian himself. This was a new and dramatic departure from the norm observed so far by the prestigious press. Publishing anything which said that Islam was less than sublime had been taboo for a long time. I was pleasantly surprised, and named Arun Shourie as the [[মিখাইল গর্বাচেভ]] of India. He had thrown open the windows and let in fresh breeze in a house full of the stinking garbage of stale slogans. **Goel, S.R. How I became a Hindu (1993, revised ed.) *[Arun Shourie's article 'Hideaway Communalism'] had violated a taboo placed by the mass media and the academia on any unfavourable narration of the history of Islam since the days when Mahatma Gandhi took command of the Indian National Congress and launched his first non-cooperation movement in support of the Turkish Khilafat. **Goel, S.R. Hindu Temples – What Happened to Them, Volume I (1990) Preface, 2nd edition, p. xiii. *Arun Shourie had shown great courage. But he had counted without the secularist crowd which had access to the owner of the Indian Express. He told me on the phone that there was some trouble brewing. I have never talked to him about the nature of the trouble, and do not know if my articles had anything to do with his ouster from the Indian Express next year. All I know is that he had to slow down the publication of my next two articles. **Goel, S.R. How I became a Hindu (1993, revised ed.) *Mani Shankar Aiyar totally condemns one of Arun Shourie's books, and then goes on to declare that he has decided not to read it : "Shourie gave the final touches to the manuscript of his book on Islam, a work so vicious and perverted that every English speaking Muslim I know was outraged... I decided then to show my solidarity with secularism by not reading the book." (The book he refers to, is apparently Shourie's Religion in Politics, a very sane and sober look at several Scriptures in the light of reason.) **Elst, Koenraad. Ayodhya and after: issues before Hindu society. Voice of India. 1991. *The problem of book-banning and censorship on Islam criticism is compounded by the related problem of self- censorship. Thus, when in late 1992, the famous columnist Arun Shourie wanted to publish a collection of his columns on Islamic fundamentalism, esp. the Rushdie and Ayodhya affairs (Indian Controversies), the publisher withdrew at the last moment, afraid of administrative or physical reprisals, and the printer also backed out. Earlier, Shourie had been lucky to find one paper willing to publish these columns, for most Indian newspapers strictly keep the lid on Islam criticism. Hindu society is a terrorized society. **Elst, Koenraad. Negationism in India: concealing the record of Islam. Voice of India. 1992 *Arun Shourie was sacked as Indian Express editor, apparently under government pressure, after revealing that, in October 1990, Prime Minister V.P. Singh had aborted his own compromise arrangement on Ayodhya under pressure from Imam Bukhari, prominent member of the BMAC. **Koenraad Elst. Ayodhya: the case against the temple. 2002 * Or take A Secular Agenda by Arun Shourie, PhD from Syracure NY and stunningly successful Disinvestment Minister in the AB Vajpayee Government, when India scored its highest economic growth figures. It was a very important book, and it left no stone standing of the common assumption among so-called experts that India (with its religion-based civil codes and its discriminatory laws against Hinduism) is a secular state, i.e. a state in which all citizens are equal before the law, regardless of their religion. Though the book deconstructs the bedrock on which the “experts” have built their view of modern India, they have never formulated a refutation. Instead, they just keep on repeating their own deluded assumption, as in: “The BJP threatens India’s structure as a secular state.” (Actually, the BJP does not, and India is not.) They can do so because they are secure in the knowledge that, among the audiences that matter, their camp controls the sphere of discourse. Concerning the interface between religion and modern politics, the established “academic” view is not just defective, it is an outrageous failure. **Elst, Koenraad. Hindu dharma and the culture wars. (2019). New Delhi : Rupa. *The only ray of light in this encircling gloom was Arun Shourie, the veteran journalist and the chief editor of the Indian express at that time. On February 5, 1989, he frontpaged an article, Hideaway Communalism, showing that while the Urdu version of a book by Maulana Hakim Sayid Abdul Hai of the Nadwatul-Ulama at Lucknow had admitted that seven famous mosques had been built on the sites of Hindu temples, the English translation published by the Maulana’s son, Abul Hasan Ali Nadwi (Ali Mian) had eschewed the “controversial evidence”. He also published in the Indian Express three articles written by me on the subject of Islamic iconoclasm. This was a very courageous defiance of the ban imposed by Islam and administered by Secularism, namely, that crimes committed by Islam cannot even be whispered in private, not to speak of being proclaimed in public. **Goel, S. R. (1993). Hindu temples: What happened to them. (Second Enlarged Edition) [https://web.archive.org/web/20120429114113/http://www.bharatvani.org:80/books/htemples2/] *He dismisses Arun Shourie by pigeon-holing him as ‘post-modern’. He does not know that Hinduism has its own view of Time, and that a person who serves Sanatana Dharma cannot be dated. Scholars like Arun Shourie belong neither to the past, nor to the present, nor yet to the future. They belong to a timeless span. **S.R. Goel, History of Hindu-Christian Encounters (1996) * Just then Shourie was sacked as its editor. The reason was not so much the article, but, apparently, his entire policy of including columns by Hindu communalists like Ram Swarup and Sita Ram Goel, and his own articles that debunked some of the prevalent secularism, such as Hideaway Communalism. ** Elst, Koenraad (1991). Ayodhya and after: Issues before Hindu society. *I thank particularly my friend Arun Shourie because we need people like Arun Shourie to challenge us so that we can rectify our mistakes and all together collectively move towards the creation of a new India, a new humanity. ** Fr. Augustine Kanjamala, quoted in Shourie, Arun. Arun Shourie and his Christian Critic. (1995) * It is clear that Witzel himself has a political agenda: note his resentment of the “present Indian (right wing) denouncement of the ‘eminent historians’ of Delhi” (§9) – some of these “eminent historians” actively collaborated with Witzel and Farmer in their recent media-blitz in the Indian press. The reader is invited to go carefully through Arun SHOURIE’s book “Eminent Historians” (1998), which is being referred to here, and see the kind of political scholarship to whose defense Witzel has no compunctions in rushing! **S. Talageri. Michael Witzel – An Examination of his Review of my Book (2001) *As for Shourie, Mukhia is hardly revealing a secret with his information that Shourie “does journalism for a living”. The greatest investigative journalist in India by far, he has indeed unearthed some dirty secrets of Congressite, casteist and Communist politicians. His revelations about the corrupt financial dealings between the Marxist historians and the government-sponsored academic institutions are in that same category: fearless and factual investigative journalism. Shourie has a Ph.D. degree in Economics from Syracuse University in U.S.A., which should attest to a capacity for scholarship, even if not strictly in the historical field. When he criticizes the gross distortions of history by Mukhia’s school, one could say formally that he transgresses the boundaries of his specialism, but such formalistic exclusives only hide the absence of a substantive refutation. **Elst K. Ayodhya: The Case Against the Temple, chapter 4 * When Shourie's articles first appeared, they aroused great emotions and savage attacks. He quoted from the Bible and the Quran extensively on the question of co-existence. Many were shocked.... Shourie has called his book, Religion in Politics; someday he should bring out another book, Politics in Religion....The first book discusses politics complicated by religions factors; the second would discuss religions which are essentially political... **Ram Swarup, Hinduism and monotheistic religions (2009) == External links == {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:Shourie, Arun}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতিবিদ]] [[Category:Hindu nationalists]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতান্ত্রিক বিরোধী]] [[Category:Investigative journalists]] 0jf1icdb1xck1pq6r4uiy7p4j9x85jf 78887 78886 2026-04-20T10:53:44Z ARI 356 /* Self-Deception : India's China Policies; Origins, Premises, Lessons (2008) */ 78887 wikitext text/x-wiki [[File:Arun Shourie addressing the Plenary Session on "Diaspora Youth and India - Blueprint for Engagement" at the 2nd Pravasi Bharatiya Divas in 2004.jpg|thumb| আমি বেশ অবাক হয়েছিলাম এবং অরুণ শৌরিকে ভারতের গর্বাচেভ নাম দিয়েছিলাম। তিনি পচা স্লোগানের আবর্জনায় ভরা একটি ঘরে জানালাগুলো খুলে দিয়েছিলেন এবং এক ঝলক টাটকা বাতাস আসতে দিয়েছিলেন। ~ সীতারাম গোয়েল]] [[File:Animal artists at the Jardin des Plantes.jpg|thumb|তারা বর্তমান ভারত এবং বিশেষ করে [[হিন্দুধর্ম]]কে একটি চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছে—বিভিন্ন রকমের অসম প্রজাতির স্তূপ। তাদের মতে ‘[[ভারত]]’ বলে কিছু নেই, এটি কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ, কেবল [[যুক্তরাজ্য]]ের তৈরি একটি ধারণা; হিন্দুধর্ম বলে কিছু নেই, এটি কেবল আরবদের ব্যবহৃত একটি শব্দ যা তারা এখানে এসে বিভিন্ন ধরনের মানুষের দেখা পাওয়ার পর ব্যবহার করেছিল, এটি কেবল অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য সাম্প্রদায়িকদের একটি উদ্ভাবন, এটিই ছিল তাদের অবস্থান।]] [[File:Dalailama1 20121014 4639.jpg|thumb|আমাদের উচিত দালাই লামার উদাহরণটি সামনে রাখা। তিনি ধ্যানের ওপর একটি তিব্বতি গ্রন্থের ওপর বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি একটি বাক্য পড়লেন, হাসলেন এবং মন্তব্য করলেন, ‘সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বগুলো লজ্জাজনক! এগুলো ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত!’ তিনি পরামর্শ দেন যে আমাদের কাছে সবসময় একটি ঝুড়ি রাখা উচিত—যা কিছু আমাদের বর্তমান জ্ঞানের সাথে মেলে না, সেগুলো সেই ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া উচিত। ‘[[বৌদ্ধধর্ম]]কে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে,’ তিনি এটাই শেখান। সেই অনুযায়ী তিনি বৌদ্ধ গ্রন্থগুলোকে সূক্ষ্ম পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করেছেন। (...) এটি নিজের ঐতিহ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসকেই তুলে ধরে। এটিই হলো ঐতিহ্যের প্রকৃত সেবা। এতে থাকা ‘অমূল্য রত্ন’ [[ভবিষ্যৎ]]ের জন্য রক্ষা করার উপায় এটিই।]] [[File:Censorship in cinema.jpg|thumb|এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?]] [[File:Parental Advisory label.svg|thumb|এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি—যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?]] [[File:Censorship.svg|thumb|এই বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।]] [[File:Murales Rivera - Treppenhaus 9 Bücherverbrennung.jpg|thumb|আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে... তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা...<br> দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br> তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন।]] [[File:Eustache Le Sueur - The Preaching of St Paul at Ephesus - WGA12613.jpg|thumb|সবচেয়ে বড় অংশগুলো বাদ দিতে বলা হয়েছে ‘আওরঙ্গজেবের ধর্মীয় নীতি’ সংক্রান্ত অধ্যায় থেকে। তিনি হিন্দুদের সাথে প্রকৃতপক্ষে কী করেছিলেন, তাদের মন্দিরের কী করেছিলেন, তার শাসনের মূল উদ্দেশ্যইসলামের প্রভাব বিস্তার এই সংক্রান্ত প্রতিটি ইঙ্গিত বই থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে... '''সবকিছু ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।'''<br/>'''বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের জন্য বস্তুনিষ্ঠ ধামাচাপা। আর আজ যদি কেউ এই পাঠ্যবইগুলোতে সত্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে, তবে চিৎকার ওঠে, ‘ইতিহাসের সাম্প্রদায়িক পুনর্লিখন’।''']] [[File:Porträtgalerie des steiermärkischen Adels 043.jpg|thumb|একবার যখন তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিলেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিলেন, তখন তারাই ঠিক করতে শুরু করলেন কী পড়ানো হবে, কোন বইগুলো পাঠ্য হবে, কী প্রশ্ন করা হবে আর কোন উত্তরগুলো গ্রহণযোগ্য হবে। এভাবেই এই ঐতিহাসিকরা আসলে ইতিহাস কী ছিল তা নির্ধারণ করতে শুরু করলেন! ... এভাবেই তারা তথ্য গোপন করেন, কিছু তথ্য বানিয়ে বলেন, এমনকি কোনো লেখক একটি বিষয়ে কী বলেছেন তা ধামাচাপা দিয়ে অন্য বিষয়ে তার বলা কথাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রচার করেন। আর যখনই কেউ আসলে কী ঘটেছিল তা তুলে ধরার চেষ্টা করে, তখনই তারা সমস্বরে চিৎকার শুরু করেন: ইতিহাস নতুন করে লেখার ষড়যন্ত্র চলছে, তারা চিৎকার করেন; ইতিহাস বিকৃত করার চক্রান্ত হচ্ছে, তারা চিৎকার করেন। '''কিন্তু তারাই প্রথম থেকে ইতিহাস বিকৃত করে আসছেন সত্য গোপন করে এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে।''']] [[File:Censored stamp.jpg|thumb|আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?]] [[File:Soviet Communism Threatens Education - NARA - 5730072.jpg|thumb|পরিস্থিতি এখন এইরকম: ভারতের জনপরিসরে যারা গত অর্ধ শতাব্দী ধরে আধিপত্য বিস্তার করেছেন, নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং অন্যদের আতঙ্কিত করে রেখেছেন, তাদের হাতে এখন কোনো তথ্য বা যুক্তি অবশিষ্ট নেই। যে কেউ তাদের অভ্যন্তরীণ আলোচনাগুলো পর্যবেক্ষণ করলেই এর প্রমাণ পাবেন—তারা এখন ক্রমশ ছোট হয়ে আসা গণ্ডির মধ্যে কথা বলছেন এবং সেই ছোট গণ্ডিতেই পুরনো কিছু বুলি পুনরাবৃত্তি করছেন। সেখানে নতুন কোনো চিন্তাভাবনা বা নতুন কোনো তথ্য নেই। আর আমরা যেমনটা দেখেছি, এটি আগে থেকেই ধারণা করা যায়: তাত্ত্বিক বুলিগুলোর পুনরাবৃত্তি করাই তাদের জন্য কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং যথেষ্ট।]] [[File:Shri Arun Shourie, Member of Parliament presented his book titled “Falling Over Backward” to the Vice President, Shri Bhairon Singh Shekhawat, in New Delhi on June 3, 2006.jpg|thumb|এর ফলাফল প্রত্যাশিত হলেও তা অন্যায় এবং হাস্যকর: যদি রাম শরণ একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, তবে রাষ্ট্র এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় অনেক কিছু নির্ধারণ করে দিতে পারে যা তাকে করতে হবে; কিন্তু যদি মুহাম্মদ আসলাম রাস্তার ওপারে ঠিক একই রকম একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, যেখানে ঠিক একই বিষয় পড়ানো হয় এবং একই পাঠ্যবই ব্যবহার করা হয়, তবে রাষ্ট্র বা বিশ্ববিদ্যালয় কেউই এর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না!]] '''অরুণ শৌরি''' (জন্ম ২ নভেম্বর ১৯৪১) ভারতের একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক এবং রাজনীতিবিদ। == উক্তি == === ১৯৭০-এর দশক === ==== ''সিম্পটমস অফ ফ্যাসিজম'' (১৯৭৮) ==== * জরুরি অবস্থার অপরাধীদের বিষয়ে আজ আমরা যা দেখছি তা আইনের শাসন নয়, বরং তার ধ্বংস। আমরা দেখছি কীভাবে বুর্জোয়া আইনের শাসন ধ্বংস করা হচ্ছে। এই শ্রেণির লোকেরাই নিজেদের স্বার্থে এটি ধ্বংস করছে এবং বুর্জোয়া সমাজ এই অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনার মতো প্রয়োজনীয় দৃঢ়তা দেখাতে পারছে না। আজ আমাদের বিচার ব্যবস্থার দুটি বৈশিষ্ট্য সবার সামনে পরিষ্কার হয়ে গেছে। প্রথমত, অপরাধীরা যদি প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাশালীদের সাথে যুক্ত হয়, তবে এই ব্যবস্থা তাদের ধরতে পারে না। দ্বিতীয়ত, জনগণ এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে করা তাদের প্রধান অপরাধগুলোর জন্য এটি তাদের ধরতে পারে না। * এরপর আছেন আমাদের লক্ষ্যহীন বামপন্থীরা, যারা একে অপরকে গালিগালাজ করতে ব্যস্ত। আর সবশেষে আছেন উদারপন্থীরা, যারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজাতে ব্যস্ত, বরং তারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজানো নিয়ে সেমিনার করতে ব্যস্ত। * আসন্ন ফ্যাসিবাদের প্রবল আঘাত থেকে আমাদের বাঁচাতে এই লোকগুলোর ওপর ভরসা করা মানে হলো একটি মাইনফিল্ড পার হওয়ার জন্য বুড়ো মহিষের ওপর নির্ভর করা। === ১৯৮০-র দশক === ==== ''রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স'' (১৯৮৯) ==== * এভাবে নীরবতা সংস্কারের গতি কমিয়ে দেয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি বহু সংখ্যক মানুষ এই নেতাদের সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে লেখালিখি এবং আলোচনা করতেন, তবে এই সম্প্রদায়ের ভেতরে থাকা সংস্কারকরা আজকের মতো এতটা বিচ্ছিন্ন এবং কোণঠাসা হতেন না। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, পুরো সত্য না বলাটা একটা অভ্যাসে পরিণত হয়। নিজের বিশ্বাস লুকিয়ে রাখা, তথ্যপ্রমাণ এড়িয়ে যাওয়া এবং প্রতারণা করা যেন আমাদের জনপরিসরের আলোচনার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। * তবুও আমি এই সংখ্যাগরিষ্ঠ রায়ে এক মারাত্মক সারল্য খুঁজে পাই... এই রায়ে ঋগ্বেদ, যজুর্বেদ এবং অথর্ববেদ থেকে সেই ঘোষণাগুলো উদ্ধৃত করা হয়েছে, যেখানে সব মানুষ এক, সবাই একই ধরিত্রীর সন্তান এবং আমাদের সবার বন্ধু হওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সেখানে এটি উল্লেখ করা হয়নি যে, আদালতের ভবন থেকে এক মাইলেরও কম দূরত্বে ফতোয়ার অসংখ্য বই বিক্রি এবং বিতরণ করা হচ্ছে, যেখানে মুসলিমদের উৎসাহিত করা হচ্ছে যেন তারা কখনোই কাফিরদের বিশ্বাস না করে এবং তাদের ওপর ভরসা না রাখে; সেখানে তাদের বলা হচ্ছে যে, তাদের প্রথম কাজ এবং আনুগত্য হবে তাদের ধর্মের প্রতি, কোনো সাধারণ আইনের প্রতি নয়... ঈশ্বর আর আল্লাহ যে এক, এটা [[মহাত্মা গান্ধী]]কে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। মন্দির আর মসজিদ, পুরাণ আর কুরআন যে এক, এটা [[গুরু গোবিন্দ সিং]]কে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। যাদের এটা বোঝানো প্রয়োজন, যেমন উলেমা বা শাহী ইমাম—তারা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন যে এগুলো এক নয়। ** অরুণ শৌরি: ইন্ডিয়া., এবং দাশগুপ্ত, এস. (১৯৯৫)। দি অযোধ্যা রেফারেন্স: দি সুপ্রিম কোর্ট জাজমেন্ট অ্যান্ড কমেন্টারিস। পৃষ্ঠা ১৭১-৩ * "বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টিই ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।" ** রাম স্বরূপের আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইসলাম থ্রু হাদিস বইটি নিষিদ্ধ করার বিষয়ে। কোয়েনরাড এলস্টর অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি, ১৯৯১, অধ্যায় ১২। * তারা ভয় দেখানোর ওপর নির্ভর করে। ঠিক এই ধরনের কৌশলেই জনাব স্বরূপের আগের একটি বই আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইসলাম থ্রু হাদিস বাজার থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল... ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর, একই ধরনের হুমকির মুখে দিল্লি প্রশাসন ঘোষণা করে যে, আগে তারা দুইবার যা বলেছিল তার উল্টো করে বইটি কেবল আপত্তিকরই নয়, বরং এটি ইচ্ছাকৃতভাবে এবং বিদ্বেষমূলকভাবে লেখা হয়েছে!....<br/>আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই শাহাবুদ্দিনদের মতো জায়গা থেকে মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে, তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা....<br/>দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br/>তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন। ** অরুণ শৌরি: "হাউ শুড উই রেসপন্ড?", সীতারাম গোয়েল সম্পাদিত ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসি (১৯৯৮) বইতেও রয়েছে। * পঞ্চাশ বছর ধরে এই দলটি তথ্য গোপন করছে এবং মিথ্যা উদ্ভাবন করছে। আইসিএইচআর-এর সেই উদ্দেশ্য—আমাদের অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ এবং যৌক্তিক গবেষণার প্রসার ঘটানো সেটি নিয়ে তারা কতই না চিন্তিত! তাদের এই চিন্তাভাবনা কীভাবে ১৯৮৯ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া নির্দেশিকার সাথে মেলে... যেখানে বলা হয়েছিল, "মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না"? অথচ বৌদ্ধ বিহার ধ্বংস নিয়ে তাদের পাইকারি মিথ্যাচার এবং অস্তিত্বহীন "আর্য আক্রমণ" নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা মানেই হলো সাম্প্রদায়িক বা উগ্র জাতীয়তাবাদী হওয়া! এই "ঐতিহাসিকদের" প্রধান অপরাধ হলো এটিই। কিন্তু এরা কেবল একপাক্ষিক "ঐতিহাসিক" নন। তারা চরম পর্যায়ের স্বজনপ্রীতি করেন... তারা এমন লোক যারা সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে একে অপরকে অনেকভাবে সাহায্য করেছেন... এই "ঐতিহাসিকরা" কেবল পক্ষপাতদুষ্ট বা স্বজনপ্রীতিই করেন না, বরং তারা একে অপরকে সাহায্য করার জন্য রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ব্যবহার করেছেন... এর ফলে, এই লোকগুলোর বই এবং প্রচারপত্র সব আঞ্চলিক ভাষায় পাওয়া যায়, কিন্তু লোকমান্য তিলকের কাজগুলো মারাঠি ছাড়া অন্য ভাষায় পাওয়াই যায় না! ** ফেব্রিক্যাশনস অন দ্য ওয়ে টু দ্য ফিউনারেল। প্রকাশনা: ইন্ডিয়া কানেক্ট। লেখক: অরুণ শৌরি। তারিখ: ২৬ জুন, ১৯৯৮। [http://voiceofdharma.org/indology/eminenthistorians1.html] [https://www.dharmadispatch.in/commentary/de-secularizing-indian-history-why-the-ugc-deserves-our-kudos] * সব তথ্যই... পঞ্চাশ বছর আগে সবার জানা ছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধের সেই প্রজন্মের বিদায়ের সাথে সাথে এবং রেকর্ডগুলো যাচাই করার অভ্যাস পুরোপুরি ত্যাগ করার ফলে, বিশেষ করে জাতিভিত্তিক রাজনীতির উত্থানে সেগুলো জনস্মৃতি থেকে মুছে ফেলা হয়েছে। আর এই মুছে ফেলার ফলাফল যা হওয়ার ছিল তাই হয়েছে: এক ধরনের মানসিক বৈকল্য। শুরুতে যারা আম্বেদকরের নামে রাজনীতি করে এবং তাদের সমর্থকরা স্বাধীনতা সংগ্রামকে খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করেছে: তারা দাবি করে যে এই স্বাধীনতা "প্রকৃত" নয়। ঠিক সেই দলটির মতোই যারা ১৯৪২ সালের সেই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্রিটিশদের সাথে হাত মিলিয়েছিল—কমিউনিস্টরা। প্রকৃতপক্ষে... আম্বেদকরের আচরণকে সঠিক প্রমাণ করতে তার অনুসারীরা দাবি করেন যে ব্রিটিশ শাসনই ভালো ছিল... কিন্তু সত্য আলমারিতে লুকিয়ে থাকে। পাছে সত্য বেরিয়ে এসে তাদের রাজনীতির সেই আদর্শকে কলঙ্কিত করে, পাছে তাদের রাজনীতি আসল রূপে ধরা পড়ে যায়—যা মূলত বঞ্চিতদের নামে স্বার্থসিদ্ধি ছাড়া আর কিছুই নয়—আম্বেদকরের এই অনুসারীরা মৌখিক সন্ত্রাসবাদ এবং সরাসরি আক্রমণের মাধ্যমে তাদের এই বিশেষ ইতিহাসের ধারা বজায় রাখতে চায়। ** অরুণ শৌরি, *ওরশিপিং ফলস গডস*, ১৯৯৭, হার্পার কলিন্স। ==== ''ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস: এসেস অন রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স'' (১৯৯৩) ==== :শৌরি, এ. (২০০৬)। ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস: এসেস অন রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স। নয়া দিল্লি: রূপা অ্যান্ড কোং। * প্রত্নতাত্ত্বিক নতুন আবিষ্কারগুলোর ওপর যে নীরবতা পালন করা হয়েছে, তা একটি বড় উদাহরণ। .... এক দশকেরও বেশি সময় আগে করা খননকার্য থেকে পাওয়া তথ্যগুলো যখন জনসমক্ষে এল এবং সেখানে আগে সত্যিই একটি মন্দির ছিল সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ রইল না, তখন স্বয়ং প্রত্নতত্ত্বকেই নিন্দা জানানো হলো। বিশ্বের অন্যতম সম্মানিত প্রত্নতাত্ত্বিক—যিনি ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের প্রাক্তন মহাপরিচালক ছিলেন এবং সেই খননকার্যের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন—তাকে কলঙ্কিত করার কাজে পত্রিকাগুলো নেমে পড়ল। ... এর শিক্ষা খুব পরিষ্কার: যদি এমন দ্বিমুখী নীতি চলতে থাকে, তবে আমাদের সম্পাদকীয় লেখকদের ভয়ভীতিপূর্ণ সতর্কবাণী হিন্দুরা এখন যতটা শুনছে, ভবিষ্যতে তার চেয়েও কম গুরুত্ব দেবে। * পরিষ্কারভাবে বলতে গেলে, আমাদের সাংবাদিকরা যাদের 'কট্টরপন্থী' বলেন, তারাই সঠিক প্রমাণিত হয়েছেন। * গত এক দশকে শিখ এবং মুসলিম সাম্প্রদায়িকরা যেভাবে রাষ্ট্রকে সফলভাবে প্রভাবিত করেছে, তাতে সংবাদপত্রের ঘটনা এবং ইস্যুগুলোর বর্ণনায় দ্বিমুখী নীতি, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে প্রতারণা একটি বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। * মধ্যযুগীয় ভারতের প্রতিটি মুসলিম ঐতিহাসিক এমন মন্দিরের তালিকা দিয়েছেন যা তার সমকালীন শাসকরা ধ্বংস করেছিলেন এবং তার বদলে সেখানে মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। (৪২৯) ==== ''হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম (ভলিউম ১)'', ১৯৯৩ ==== * একজন বিখ্যাত মুসলিম পণ্ডিত যিনি ভারতের অন্যতম বড় ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের চতুর্থ রেক্টর ছিলেন, তার লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের ইংরেজি সংস্করণে বাবরী মসজিদসহ কিছু মসজিদের তালিকা ছিল, যা মন্দিরের জায়গায় এবং ভিতের ওপর তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে মন্দিরের পাথর ও কাঠামো ব্যবহারের উল্লেখ ছিল। দেখা গেল, সেই গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! বলা হচ্ছে বইটি এখন পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে;... এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... আমি জানলাম এটি একটি দীর্ঘ বই ছিল, যা শুরু হয়েছিল ভারতের ভূগোল, গাছপালা, পশুপাখি, ভাষা, মানুষ এবং অঞ্চলগুলোর বর্ণনা দিয়ে। বইটি আরবি ভাষায় লেখা হয়েছিল আরবিভাষী মানুষের জন্য। ... একটি অদ্ভুত তথ্য আমার সামনে এল। এই ধরনের প্রকাশনা সম্পর্কে যাদের জ্ঞান থাকার কথা, তাদের অনেকেই হঠাৎ করে এই বইটির কথা মনে করতে দ্বিধা বোধ করছিলেন। আমাকে বলা হয়েছিল যে, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের মতো জায়গাগুলো থেকে বইটির কপি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এমনকি কেউ কেউ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, তিন-চার বছর আগে এই বইটির প্রতিটি কপি ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য একটি সুসংগঠিত প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। .... লেখকের মর্যাদা এবং বইটির গুরুত্ব এত বেশি হওয়া সত্ত্বেও মৌলবাদীদের কাছে এটি কেন প্রিয় নয়? এর উত্তর লুকিয়ে আছে “হিন্দুস্তান কি মাসজিদেঁ” অর্থাৎ “হিন্দুস্তানের মসজিদসমূহ” নামক অধ্যায়টিতে। ... এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি, যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন—যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?... ** রাজনৈতিক কারণে লাইব্রেরি থেকে বই সরিয়ে ফেলার বিষয়ে। অরুণ শৌরি: হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯)। উদ্ধৃত: সীতারাম গোয়েল (সম্পাদক) (১৯৯৩)। হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম। ভলিউম ১। * সেগুলোর প্রকৃত গুরুত্ব এবং আমি বলতে পারি মসজিদ-মন্দির বিতর্কের ক্ষেত্রে এগুলো সবচেয়ে ছোট এবং সাধারণ উদাহরণ মাত্র লুকিয়ে আছে সত্য এড়িয়ে চলা এবং গোপন করার মধ্যে। আমার কাছে নির্ভরযোগ্য তথ্য আছে যে, এই অংশগুলো অনেক আগে থেকেই পরিচিত এবং যারা বাবরী মসজিদ ইস্যু নিয়ে কাজ করছেন তারা এটি ভালো করেই জানেন। এটিই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়; তারা এগুলো জানতেন এবং তাদের ইচ্ছা ছিল সত্য জানার বদলে সত্যকে গোপন করে মাটিচাপা দেওয়া.... মাওলানা আবদুল হাইয়ের অনুচ্ছেদগুলোর পরিণতি এবং আমি জানি না যে উর্দু সংস্করণটিও মূল আরবি সংস্করণের একটি সুবিধাজনক কাটছাঁট করা রূপ কি না আমাদের দেখায় যে, যারা নিজেদের রাজনীতির জন্য ধর্মের আবেগ উসকে দেয় তারা কতটা স্বার্থপরভাবে কাজ করে। '''যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য—মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?''' ** রাজনৈতিক কারণে লাইব্রেরি থেকে বই সরিয়ে ফেলার বিষয়ে। অরুণ শৌরি: হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯)। উদ্ধৃত: সীতারাম গোয়েল (সম্পাদক) (১৯৯৩)। হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম। ভলিউম ১। ==== ''আ সেকুলার এজেন্ডা'', ১৯৯৩ ==== * পাঠ্যটি পড়লে পাঠক লক্ষ্য করবেন যে ভারতের জনপরিসরের আলোচনায় যেসব বুলি ব্যবহার করা হয় এবং ফলস্বরূপ অনেকে যা বিশ্বাস করে নিয়েছেন, তা তথ্যের চেয়ে কতটা আলাদা.... (১০) * একটু চিন্তা করলেই দেখা যাবে যে ভারতের বিষয়টি আমরা যে উদাহরণগুলো আলোচনা করেছি তার মতো নয়। কারণ সেই উদাহরণগুলো একদম সাম্প্রতিক সময়ের—সেই জাতিগুলো "কল্পিত" ছিল, সেই ঐতিহ্যগুলো মাত্র ১০০ বা ১৫০ বছর আগে "উদ্ভাবিত" হয়েছিল। এর বিপরীতে ভারতকে হাজার হাজার বছর ধরে এক হিসেবে দেখা হয়েছে এবং এর মানুষের জীবনযাপনের ধরনও সাধারণ। এর ইতিহাস কেবল পুরনোই নয়.... এটি একটি ধারাবাহিক ইতিহাস। (৯) * জবরদস্তি করে ভুলে যাওয়া নয়, বরং এক আপসহীন স্মৃতিই একটি জাতি গঠন করবে। * প্রতিটি বাক্যই একটি মিথ্যা। ... আপনি কি কখনো বিবিসিকে নওয়াজ শরিফকে "মৌলবাদী" বা "ধর্মান্ধ" বলতে শুনেছেন? কিন্তু আডবাণী যদি "মুসলিমদের" জায়গায় "হিন্দু" বসিয়ে একই ধরনের বক্তব্য দিতেন, তবে তারা তাকে কী বলত? ==== ''মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া'', ১৯৯৪ ==== * '''আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?''' * '''কিন্তু আমাদের জনপরিসর এবং শিক্ষা থেকে এই ধরনের তথ্যগুলো প্রায় পুরোপুরি মুছে ফেলার একটি আরও শক্তিশালী কারণ আছে। আর সেটি হলো গত ৪৫ বছর ধরে আমরা যে ধরনের “ধর্মনিরপেক্ষতা” চর্চা করেছি: এমন এক “ধর্মনিরপেক্ষতা” যেখানে দ্বিমুখী নীতিই ছিল নিয়ম, যেখানে আমাদের জাতীয় পরিচয়কে ঢেকে রাখা আবর্জনা দূর করতে পারে এমন সবকিছুই অত্যন্ত ঘৃণ্য হয়ে উঠেছে।''' * ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অফ ইন্ডিয়া (সিবিসিআই) হলো ভারতের বিভিন্ন ক্যাথলিক গির্জার কাজ সমন্বয় করার এবং অন্য ধর্মের সাথে সংলাপ করার জন্য সর্বোচ্চ সংস্থা। ... ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করতে... সিবিসিআই ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতে একটি সভার আয়োজন করেছিল.... এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশ ছিল: এটি পঞ্চাশ বছরে মাত্র দ্বিতীয়বার এবং পঁচিশ বছরে প্রথমবার ছিল যেখানে এমন একটি ব্যাপক পর্যালোচনা করা হচ্ছিল... আয়োজকরা অত্যন্ত সদয় হয়ে আমাকে ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিদের কাজের ওপর হিন্দুদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে বলেছিলেন। * আর এই ধরনের মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করেই উপজাতিদের হিন্দু সমাজ থেকে আলাদা করা হয়েছিল। অ্যানিমিজম বা প্রকৃতিপূজার যে বর্ণনাগুলো দেওয়া হয়েছিল সেগুলো পড়লেই বোঝা যায় যে, তারা আসলে বিভিন্ন ধরনের হিন্দুদের কথাই বর্ণনা করছিল। ;'''বইটি সম্পর্কে উক্তি''' * আয়োজকরা অরুণ শৌরিকে ভারতে মিশনারিদের কাজের ওপর হিন্দুদের মূল্যায়ন তুলে ধরার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। অরুণ শৌরি ৫ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে আর্চবিশপ, বিশপ এবং অন্যদের সামনে ভাষণ দেন। ... আয়োজকরা অরুণ শৌরিকে তার বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে একটি প্রবন্ধ লিখতে অনুরোধ করেন.... বিতর্ক বাড়তে থাকায়... [তারা] অরুণ শৌরির সাথে একটি প্রকাশ্য মঞ্চে মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া নিয়ে আলোচনা করার জন্য বেশ কয়েকজন প্রবীণ গির্জা কর্মকর্তাকে আমন্ত্রণ জানান। ** মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া বইটি সম্পর্কে ** শৌরি, অরুণ। অরুণ শৌরি অ্যান্ড হিজ খ্রিস্টান ক্রিটিক। (১৯৯৫) * সংলাপের তৃতীয় উদ্দেশ্য সফল করার জন্য একটি আলোচনা কেবল ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতেই সম্ভব হয়েছিল, যখন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও পণ্ডিত অরুণ শৌরিকে ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অফ ইন্ডিয়া (সিবিসিআই) ভারতে মিশনারিদের কাজের “হিন্দু মূল্যায়ন” উপস্থাপনের জন্য আমন্ত্রণ জানায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এই “সংলাপের” আয়োজকদের জন্য বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং হিতে বিপরীত হয়। এরপর থেকেই ভারতের বিশাল খ্রিস্টান প্রতিষ্ঠান অরুণ শৌরির দেওয়া আঘাত সহ্য করছে। তিনি যে শোরগোল তুলেছিলেন তা কেবল ১৯৫৩ সালে কে. এম. পানিক্করের এশিয়া অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন ডমিন্যান্স প্রকাশের পর হওয়া শোরগোলের সাথে তুলনা করা যায়। মিশনারি বিজ্ঞান খ্রিস্টান দাবিগুলোর ক্ষতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য তাদের সব যুক্তি ও কৌশল প্রয়োগ করছে...<br>সিবিসিআই তাদের প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করছিল এবং পুনের ইশভানি কেন্দ্রে একটি সেমিনারের আয়োজন করেছিল। ৫ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে অরুণ শৌরি যখন তার বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখন ভারতের প্রায় সব বড় ক্যাথলিক নেতা সেখানে উপস্থিত ছিলেন...<br>প্রবন্ধটি বিস্তারিতভাবে লেখার পর তা একটি বইয়ের আকার নেয়। অরুণ শৌরি ১৯৯৪ সালের মে মাসের শুরুতে মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া: কন্টিনিউইটিস, চেঞ্জেস, ডিলেমাস নামে এটি প্রকাশ করেন। ... ইতিমধ্যে অরুণ শৌরি এই বিষয়ে তার নিয়মিত কলামে বেশ কিছু নিবন্ধ লিখেছিলেন যা দেশের বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশিত অনেকগুলো পত্রিকায় বের হয়। এই নিবন্ধগুলো পুনের মহারাষ্ট্র হেরাল্ডে একটি প্রাণবন্ত আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। ** সীতারাম গোয়েল, হিস্ট্রি অফ হিন্দু খ্রিস্টান এনকাউন্টারস * স্বাধীনতার পর ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিদের দাপট নেহরুবাদী প্রশাসনের সমর্থনে ক্রমাগত বেড়েই চলেছিল, যেখানে মিশনারি-ম্যাকলে ধাঁচের শিক্ষায় বেড়ে ওঠা একদল আত্মবিস্মৃত হিন্দু ছিল। এই ধারায় একমাত্র ছেদ ছিল ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত কে. এম. পানিক্করের এশিয়া অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন ডমিন্যান্স, ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত মধ্যপ্রদেশ খ্রিস্টান মিশনারি অ্যাক্টিভিটিস কমিটির রিপোর্ট, ১৯৭৮ সালে লোকসভায় ওম প্রকাশ ত্যাগীর আনা ধর্মীয় স্বাধীনতার বিল, ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত অরুণ শৌরির মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া এবং ২০ ডিসেম্বর ১৯৯৬ সালে মঙ্গল প্রভাত লোধা কর্তৃক মহারাষ্ট্র বিধানসভায় আনা মহারাষ্ট্র রিলিজিয়াস ফ্রিডম বিল। ** সীতারাম গোয়েল, ভিন্ডিকেটেড বাই টাইম: দ্য নিয়োগী কমিটি রিপোর্ট (১৯৯৮) ==== ''দ্য ওয়ার্ল্ড অফ ফতোয়াস (অর দ্য শরিয়া ইন অ্যাকশন)'', ১৯৯৫ ==== * আমাদের শহরের মুসলিম এলাকার বইয়ের দোকানগুলোতে—উদাহরণস্বরূপ দিল্লির জামে মসজিদের চারপাশের দোকানগুলোতে—ফতোয়ার সংকলনগুলো তাকের পর তাক জুড়ে থাকে। পবিত্র সাহিত্যের প্রতি মানুষ যেমন যত্নশীল হয়, এগুলোও তেমনি যত্নের সাথে সাজানো থাকে। পৃষ্ঠাগুলোর বিন্যাস খুব সুন্দর। ক্যালিগ্রাফিগুলো প্রায়ই শিল্পের পর্যায়ের। ভলিউমগুলো চমৎকারভাবে বাঁধাই করা—প্রায়ই কভারের ওপর সোনালি এমবসিং থাকে। * '''এক কথায়, ফতোয়া হলো শরিয়তের প্রয়োগ।''' * এই সব কারণে যে কেউ ফতোয়ার ওপর প্রচুর গবেষণার আশা করবে। কিন্তু তাহলে আমাদের বুদ্ধিজীবীদের কথা ভুলে যেতে হবে। এটি আরও একটি প্রমাণ যে আমাদের বুদ্ধিজীবীরা আমাদের দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন; ইংরেজি বা উর্দুতে ফতোয়ার ওপর কোনো গবেষণাই প্রায় নেই। * প্রথমত, আমাদের পণ্ডিতরা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের জন্য সময় দেননি ঠিক সেই কারণে যার জন্য তারা আমাদের দেশের অস্তিত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অন্য বিষয়গুলোতেও সময় দেননি। ভারতে বুদ্ধিবৃত্তিক কাজের বেশিরভাগই হলো পশ্চিমে যা করা হচ্ছে তার পাদটীকা লেখা—অন্যদের চেয়ে মার্ক্সবাদী বুদ্ধিজীবীদের ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি সত্যি। আর যখন আমাদের বুদ্ধিজীবীরা এই পাদটীকা লিখতে ব্যস্ত থাকেন না, তারা পশ্চিমা মহলে জনপ্রিয় ফ্যাশন অনুসরণ করতে ব্যস্ত থাকেন এবং পশ্চিমে জনপ্রিয় হওয়া কোনো ধারণা বা ‘থিসিস’ ভারতীয় তথ্যের ওপর ‘প্রয়োগ’ করতে ব্যস্ত থাকেন। এক কথায়, আমাদের পাণ্ডিত্যপূর্ণ কাজগুলো অনুকরণধর্মী। তাই ভারতে ফতোয়া নিয়ে কোনো বড় গবেষণা না হওয়ার প্রথম কারণ হলো যে এগুলো এখনো পশ্চিমের নজর কাড়েনি। * “আমাদের উচিত, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের উচিত মুসলিম সমাজের অবস্থা সম্পর্কে পুরো সত্য বলা—উদাহরণস্বরূপ সেখানকার নারীদের দুর্দশা নিয়ে। এবং এর মূল উৎস—বই, আইন এবং চিন্তাধারার মধ্যে সেটি খুঁজতে দ্বিধা না করা। আমাদের উলেমা [মুসলিম ধর্মীয় নেতা] এবং কট্টরপন্থী রাজনীতিবিদদের সামাজিক কর্মকাণ্ডের দলিল তৈরি করা উচিত।... উলেমা এবং অন্যরা ধর্মীয় ইস্যুতে যা বলছেন এবং যা ফতোয়া দিচ্ছেন তা নথিবদ্ধ করা উচিত।... আমাদের, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের প্রতিটি বিষয়ে দৃঢ়ভাবে ধর্মনিরপেক্ষ অবস্থান নিতে হবে—কট্টরপন্থীদের মোকাবিলা করার এটিই একমাত্র পথ, এটিই সম্প্রদায়ের কাছে বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি পৌঁছে দেওয়ার সবচেয়ে নিশ্চিত উপায়।... ফতোয়া এবং অন্যান্য বিষয় যা একজন ব্যক্তির নাগরিক অধিকার খর্ব করে তা স্পষ্টতই আইনের অপরাধমূলক লঙ্ঘন; আমাদের উচিত সেগুলোকে সেভাবেই তুলে ধরা; এবং অন্যদের সাথে মিলে দাবি করা যে কেউ যদি ফতোয়া ব্যবহার করে অন্যের অধিকার মাড়িয়ে দিতে চায় তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। একইভাবে, আমাদের সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদরা এই প্রতিক্রিয়াশীল উপাদানগুলোকে খুশি করার জন্য এবং শেষ পর্যন্ত তাদের হাত শক্তিশালী করার জন্য যে ছাড় দেয়, তা আমাদের উন্মোচিত করতে হবে এবং ব্যর্থ করার জন্য কাজ করতে হবে।... কিন্তু উলেমা এবং তাদের নেটওয়ার্কের মোকাবিলা করাই যথেষ্ট নয়। আমরা যেমনটা দেখেছি, তারা যা প্রচার করে এবং কার্যকর করে তা কুরআন এবং হাদিসেই বলা আছে। তাই এই জাল কাটতে হলে উদারপন্থীদের এবং বিশেষ করে উদারপন্থী মুসলিমদের ইসলামের হাজার বছরের দাবিগুলো পরীক্ষা করে দেখতে হবে: এই দাবি যে কেবল একটিই সত্য আছে, তা কেবল একজন মানুষের কাছেই প্রকাশিত হয়েছে, তা কেবল একটি বইতেই আছে, সেই বইটি বোঝা খুব কঠিন, কেবল কয়েকজন নির্বাচিত মানুষই এর অন্তর্নিহিত অর্থ জানে এবং তাই তাদের কথা মেনে চলা সবার কর্তব্য। এক কথায়, মূল পাঠ্যগুলোকেই পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।” (উদ্ধৃত: বোস্টম, এ. জি. (২০১৫)। শরিয়া ভার্সেস ফ্রিডম: দ্য লেগাসি অফ ইসলামিক টোটালিটারিয়ানিজম।) * ফতোয়ার বইগুলোতে আরও একটি অদ্ভুত বিষয়ের ওপর পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা বরাদ্দ করা হয়েছে—তা হলো, কোনো বিশ্বাসী যদি পশুর সাথে যৌনমিলন করে তবে তার কী করা উচিত। ‘যে পশুর সাথে মানুষ যৌনমিলন করেছে তার হুকুম কী—পশু এবং সেই মানুষের হুকুম কী?’, প্রশ্নকারী জানতে চান এবং যথাযথ বিবেচনার পর এই বিশাল ‘ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের’ উলেমা একটি ফতোয়া জারি করেন। ফতোয়া দাবি করা অন্য বিষয়গুলোও ঠিক একইভাবে বিস্ময়কর। <br> ‘যে গর্ভবতী ছাগলের সাথে মিলন করা হয়েছে তা কি হালাল না হারাম? সেটি বাচ্চা দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না কি বাচ্চা হওয়ার আগেই মেরে ফেলে পুঁতে ফেলতে হবে?’ ‘জায়েদ একটি ছাগলের সাথে মিলন করেছে। এর আইন কী? আমরা কি এর মাংস খেতে পারি বা দুধ পান করতে পারি? আর যে মিলন করেছে তার জন্য আইন কী?’ ‘ছোট শিশু বা ছাগলের সাথে মিলন করার শাস্তি কী?’ ‘জায়েদ একটি হালাল পশু যেমন গরু বা ছাগলের সাথে মিলন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে পশুর কাছে গেল এবং তার যৌনাঙ্গ পশুর যোনিতে প্রবেশ করাল। কিন্তু কোনো বীর্যপাত হলো না। জায়েদ বা অন্য মুসলিমদের কি সেই পশুর মাংস বা দুধ হালাল মনে করা উচিত? এই অপরাধের জন্য কি জায়েদকে কাফফারা দিতে হবে?’ ‘জায়েদ একটি গরুর সাথে মিলন করেছে এবং তারপর সেটি বিক্রি করে দিয়েছে। সেই টাকা কীভাবে খরচ করতে হবে? সেটি কি সাদকা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে? আর জায়েদের শাস্তি কী?’ ‘যে ঘোড়ীর সাথে মিলন করেছে তার শাস্তি কী? সেই ঘোড়ীটির সাথে কী করা উচিত?’ এই প্রতিটি বিষয়ে একটি করে ফতোয়া আছে। <br> আর উত্তরগুলো সবসময় একরকম হয় না, অনেক সময় সুক্ষ্ম পার্থক্যের ওপর নির্ভর করে। পশুর সাথে মিলন করা বিশ্বাসীর জন্য কেবল তওবা করাই যথেষ্ট বলে মনে করেন এই পণ্ডিতরা, তবে সাধারণত পশুটিকে মেরে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। অর্থাৎ সাধারণ ক্ষেত্রে এর মাংস খাওয়া উচিত নয়। তবে একটি উদাহরণ ধরা যাক, দেওবন্দের দারুল উলুমের উলেমা রায় দিয়েছেন যে, ‘যদি (পশুর ভেতরে) বীর্যপাত না হয়, তবে এর মাংস এবং দুধ নিঃসন্দেহে হালাল।’ ‘কিন্তু যদি বীর্যপাত হয়, তবে পশুটিকে মেরে ফেলে এর মাংস পুঁতে ফেলা ভালো। কারো এটি খাওয়া উচিত নয়, যদিও এটি খাওয়া হারাম নয়।’ [...] পরিশেষে, অন্যরা যখন এই ধরনের প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করতে কিছুটা অস্বস্তি বোধ করতে পারেন এবং ‘ধর্মীয়’ বইগুলোতে এগুলোর দেখা পেয়ে অবাক হতে পারেন, উলেমাদের এই বিষয়ে আলোচনা করতে বা আইন দিতে কোনো দ্বিধা নেই। তারা এটিকে তাদের একটি কাজ বলে মনে করেন। মাওলানা মুফতি আবদুর রহিম কাদরী বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। জানা যায় যে, হযরত শায়খুল ইসলাম মাওলানা মৌলবি নামে একজন মৌলবি দুটি প্রচারপত্র প্রকাশ করে হানাফি ফকিহদের সমালোচনা করেছিলেন কারণ তারা মনে করেন যে পশুর সাথে মিলন করলে রোজা নষ্ট হয় না, এমনকি বীর্যপাত হলেও। তিনি হানাফি আইনের বড় বড় নাম—শামী এবং দুররুল মুখতার—উদ্ধৃত করে বলেছিলেন যে তারা এটিই বলেছেন। তিনি ধর্মীয় বইগুলোতে এই ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য পণ্ডিত উলেমাদের তিরস্কারও করেছিলেন। মৌলবির এই লেখাগুলো মতামতের জন্য মুফতি আবদুর রহিম কাদরীর কাছে পাঠানো হয়েছিল। মুফতির ব্যাখ্যা ফতোয়ায়ে রহিমিয়া-র দশটি মুদ্রিত পৃষ্ঠা জুড়ে আছে। প্রশ্নের মূল উত্তরটি নির্ভর করছে পশুর ভেতরে লিঙ্গ প্রবেশের সময় বীর্যপাত হয়েছে কি না তার ওপর—যদি হয় তবে রোজা বাতিল হয়ে যাবে—নাকি কেবল হাত দিয়ে পশুর যৌনাঙ্গ স্পর্শ বা চুম্বনের ফলে বীর্যপাত হয়েছে—সে ক্ষেত্রে রোজা নষ্ট হবে না। মুফতি এই পার্থক্য বোঝাতে বিভিন্ন উদ্ধৃতি দিয়েছেন এবং দাবি করেছেন যে মৌলবি হানাফি ফকিহদের রায়ের ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন। * এরপরে আসে উর্দু সংবাদমাধ্যম। এটি উলেমাদের অন্যতম শক্তিশালী সহযোগী এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের অস্ত্র হিসেবে কাজ করেছে, যেমনটা আমরা ড. জাকির হোসেন এবং মাওলানা আজাদের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানের সময় দেখেছি। ১৯৯২ সালে দিল্লির জামিয়া মিলিয়ার প্রো-ভিসি মুশিরুল হাসান এবং পাটনার খুদা বখশ লাইব্রেরির পরিচালক আবিদ রেজা বেদারের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানেও আমরা একই ভূমিকা দেখেছি। উচ্চকণ্ঠ, ব্যাপক বিকৃতি, অভিযোগের প্রতিধ্বনি তৈরি করা, চরম নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করা এবং তারপর সবকিছুকে ইসলামের ওপর আক্রমণ হিসেবে তুলে ধরা—এগুলোই এর বৈশিষ্ট্য। আর শেষ পর্যন্ত এগুলো সেই বিশ্বদর্শনকেই শক্তিশালী করতে ব্যবহৃত হয় যা উলেমা চান যে তাদের সম্প্রদায় বজায় রাখুক। *আর এরপর আছে পৃষ্ঠপোষকতার প্রভাব। সৌদি আরব, ইরান বা ইরাক অথবা অন্য ‘ইসলামি’ উৎস থেকে আসা তহবিল উলেমাদের কাছে বা তাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সংস্থাগুলোর কাছে যায়। এই তহবিল প্রায় কখনোই উদারপন্থীদের কাছে পৌঁছায় না। ভারতের অবস্থা তো আরও খারাপ। যেহেতু উলেমা সম্প্রদায়কে নিয়ন্ত্রণ করে, তাই রাষ্ট্র উলেমা এবং তাদের ভাষায় যারা কথা বলে তাদের সামনেই নতজানু হয়। রাষ্ট্র যত দুর্বল হয়েছে, উলেমা তত সহজে তাদের প্রচারাভিযান চালিয়ে যেতে পেরেছে। আর বিনিময়ে তারা সম্প্রদায়ের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও মজবুত করতে পেরেছে এটি দেখিয়ে যে রাষ্ট্র তাদের সামনে মাথা নত করে—যেমন শাহ বানোর ক্ষেত্রে হয়েছিল; যে রাষ্ট্র তাদের পথে দাঁড়ানোর সাহস পায় না: দেশের আইনি ব্যবস্থার বাইরে সমান্তরাল আদালত—শরিয়ত আদালত তৈরি করার জন্য তাদের বর্তমান অভিযানের দুঃসাহস দেখুন। *উদারপন্থী হিন্দুরা এতটাই লজ্জিত থাকে এবং তারা এই মেকি ধর্মনিরপেক্ষতাকে এতটাই নিজের করে নিয়েছে যে, তারা ধর্মগ্রন্থগুলো—তা ইসলামের হোক, হিন্দুধর্মের হোক বা আমাদের আইন ও সংবিধানের হোক সেগুলো সম্পর্কে কিছুই জানে না। তারা দ্বিমুখী নীতিকে এতটাই মেনে নিয়েছে যে ইসলামি সব বিষয়ে চুপ থাকা এবং মৌলবাদীদের সুর মেলানোকেই তারা ধর্মনিরপেক্ষতার প্রমাণ মনে করে। ইংরেজি সংবাদমাধ্যমের ‘ধর্মনিরপেক্ষরা’ এর একটি তৈরি উদাহরণ। তারা আলী মিঞাকে ‘পরিমিতিবাদী, সর্বজনশ্রদ্ধেয় মুসলিম নেতা’ হিসেবে উল্লেখ করবে তার কোনো লেখা না পড়েই। তারা বিভিন্ন মুফতি ও মৌলবিকে ‘মুসলিম ধর্মতত্ত্ববিদ’ হিসেবে উল্লেখ করবে। অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড বা অল ইন্ডিয়া মিলি কাউন্সিল যা করছে তা থেকে তারা চোখ বন্ধ করে রাখবে; কিন্তু রাষ্ট্রের কোনো সংস্থা যদি তাদের কার্যক্রম উন্মোচিত করতে কোনো পদক্ষেপ নেয় তবে তারা চিৎকার শুরু করবে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, কোনো ইস্যুতে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে উলেমাদের পক্ষ নেবে এবং জোর দিয়ে বলবে যে এই পক্ষের বিরোধিতা করা মানেই ‘সাম্প্রদায়িক’, ‘ফ্যাসিবাদী’ বা ‘প্রতিশোধপরায়ণ’ হওয়া। এই ধরনের চিৎকারের প্রভাব কেবল আলোচনার পরিবেশ বিষিয়ে দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। দুর্বল শাসকরা সেই পরিবেশে প্রভাবিত হয়। আর এভাবেই জননীতি উলেমাদের পক্ষে চলে যায়। ফলে উলেমা আরও শক্তিশালী হয়। *আমরা যখন বুদ্ধের বাণী বা রোজা সম্পর্কে গান্ধীজির কথা পড়ি, তখন তার বিষয়বস্তু থাকে নিজের ভেতর তাকানো এবং আত্মশুদ্ধি নিয়ে। কিন্তু এমনকি যখন ফতোয়াগুলো পুরোপুরি ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কাজ করে, তখনও সেগুলো কেবল সেই নিয়মগুলো নিয়ে থাকে যা একজন বিশ্বাসীকে মেনে চলতে হয়। এগুলো কুচকাওয়াজের জন্য একজন ড্রিল সার্জেন্ট ক্যাডেটদের যে নির্দেশনা দেন তার মতো। *আমাদের নেতা এবং সুপ্রিম কোর্ট যখন অনবরত বলছেন, ‘সব ধর্ম এক’; যখন তারা বেদের বাণী স্মরণ করছেন, ‘সত্য এক, ঋষিরা একে ভিন্ন নামে ডাকেন’; যখন তারা অশোকের শিলালিপি স্মরণ করছেন, ‘যে নিজের ধর্মকে শ্রদ্ধা করে এবং অন্যের ধর্মকে তুচ্ছ করে, সেটি নিজের ধর্মের প্রতি ভক্তির কারণে এবং অন্য ধর্মের ওপর একে বড় দেখানোর জন্য হোক না কেন, সে আসলে নিজের ধর্মেরই ক্ষতি করে’, উলেমা ঠিক তার উল্টো মূল্যবোধ প্রচার করেন। উলেমাদের প্রতি সুবিচার করতে হলে বলতে হয় এগুলোই প্রকৃত ইসলামি মূল্যবোধ। যেমন মাওলানা আহমদ রেজা খান সেই সব মানুষের ওপর ক্ষিপ্ত হন যারা এমন শোভাযাত্রা সমর্থন করে যেখানে গীতা ও কুরআনকে সমান সম্মানের সাথে বহন করা হয়; তিনি ঘোষণা করেন যে একজন মুসলিমের পক্ষে এটি বলাও কুফর যে, ‘হিন্দুদের বেদ অনুযায়ী চলা উচিত এবং মুসলিমদের কুরআন অনুযায়ী চলা উচিত’; তিনি বলেন, মন্দির হলো শয়তানের আস্তানা, একজন মুসলিমের সেখানে যাওয়া নিষিদ্ধ; পবিত্র কুরআনকে বেদের মতো বলা কুফর; হিন্দুদের বেদ অনুযায়ী চলতে বলা মানে মানুষকে কুফর অনুসরণ করতে বলা, আর মানুষকে কুফর অনুসরণ করতে বলা মানেই হলো কুফর... *ফতোয়াগুলো এই দ্বিমুখী নীতিকেই প্রতিফলিত করে। ধর্মান্তর এবং ধর্মত্যাগের প্রতি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি এর একটি বড় উদাহরণ। ইসলাম অন্য ধর্মের মানুষকে ধর্মান্তরিত করাকে একটি অধিকার এবং কর্তব্য বলে মনে করে। উলেমা এর ওপর জোর দেন....অন্য ব্যক্তির ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখিয়ে কোনো কাজ করা বা না করার বিষয়েও একই অবস্থান নেওয়া হয়.....এর একটি আরও বড় উদাহরণ হলো ধর্মীয় চর্চা চালিয়ে যাওয়ার অবস্থান। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়া একজন মুসলিমের অধিকার ও কর্তব্য। ...ফতোয়ায়ে রিজভিয়া ঘোষণা করে যে, কোনো অবস্থাতেই ইসলামি শাসক কাফিরদের তাদের ধর্মীয় আচার পালনের অনুমতি দিতে পারে না এবং প্রশ্ন করে: সে কি তাদের কুফর পালন করতে দেবে এবং এর মাধ্যমে নিজে কাফির হয়ে যাবে?...এতে আরও বলা হয়েছে যে এ বিষয়ে বেশ কিছু হাদিস আছে যে কোনো অমুসলিম আরব উপদ্বীপে থাকতে পারবে না...অর্থাৎ, কোনো অমুসলিমকে আরব উপদ্বীপে থাকতে দেওয়া হবে না, কিন্তু যদি ভারত থেকে একজন অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে চলে যেতে বলা হয়, তবে সেটি হবে ইসলামের ওপর আঘাত!...একইভাবে, আজও কোনো ইসলামি রাষ্ট্রে কোনো স্কুলের শিক্ষকরা অমুসলিম শিশুদের তাদের ধর্মের শিক্ষা দিতে পারেন না...কিফায়াতুল্লাহ ঘোষণা করেন যে, কুরআন শিক্ষা এবং ধর্মীয় শিক্ষার ওপর কোনো বাধা সহ্য করা যাবে না। ...অথচ ধর্মনিরপেক্ষ আলোচনায় আমরা শুনি যে ইসলামের মতো আর কোনো ধর্ম নেই যা ভেদাভেদ দূর করেছে, ইসলামের মতো আর কেউ সবাইকে সমান মর্যাদা দেয় না! *এই সবকিছুর পরেও যারা দাবি করেন, ‘শরিয়ত নারীদের অধিকার রক্ষা করেছে যেমনটা অন্য কোনো আইন করেনি,’ তারা কেবল এই আত্মবিশ্বাস থেকেই তা বলেন যে তারা ছাড়া আর কেউ শরিয়তের মূল পাঠ্যগুলো পড়েনি। *তা সত্ত্বেও আমাদের বিশ্বাস করতে হবে যে শরিয়তের মতো অন্য কোনো আইন নারীদের এত অধিকার দেয়নি এবং ইসলামের মতো অন্য কোনো ধর্ম তাদের বিষয়ে এত যত্নশীল নয়, না হলে আমাদের সাম্প্রদায়িক তকমা সইতে হবে। এই যুক্তি কেবল একগুঁয়ে অন্ধ সমর্থকদেরই বোকা বানাতে পারে। *ফতোয়ার মাধ্যমে বলবৎ হওয়া শরিয়ত কেবল তা-ই নয়। যেহেতু আমাদের সরকারগুলো অভিন্ন দেওয়ানি বিধি প্রণয়নের সাংবিধানিক নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করেনি, তাই এটিই হলো ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের আইন যা আমাদের আদালতগুলো কার্যকর করে! * বিষয়গুলো কেবল উলেমাদের নারীদের মূল্যায়নের কারণেই আগ্রহের বিষয়, কারণ এটি ফতোয়ার সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। দেওবন্দের উলেমা একটি বিষয় সমাধান করতে গিয়ে ঘোষণা করেন যে, ‘কুরআনে বলা হয়েছে স্বামীই হলো কর্তা।’ .... আর এই কাফিরদের মধ্যেও ভাগ আছে বলে মাওলানা আহমদ রেজা খান ঘোষণা করেন: এক প্রকার কঠিন কুফর হলো খ্রিস্টধর্ম; তার চেয়েও খারাপ হলো মাজুসিয়ত (অগ্নিপূজা); তার চেয়েও খারাপ হলো মূর্তিপূজা; তার চেয়েও খারাপ হলো ওহাবি মতবাদ; এবং এই সবকিছুর চেয়েও খারাপ ও দুষ্ট হলো দেওবন্দি মতবাদ... * এবং এটি চলতেই থাকে। এর প্রভাব হবে খুব স্পষ্ট: যখন আপনি তাদের কাছে কোনো সমস্যা নিয়ে যাবেন, উলেমা এক জন বিশেষজ্ঞের বদলে অন্য জনের দোহাই দিয়ে আপনার পথ সহজ করতে পারেন অথবা বাধা দিতে পারেন। একই সাথে তারা এবং তাদের সমর্থকরা জোর দিয়ে বলবেন যে আমাদের, বিশেষ করে অমুসলিমদের কখনোই এটি বিশ্বাস করা বন্ধ করা উচিত নয় যে শরিয়ত একটি স্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট বিধি, এটি ঐশ্বরিকভাবে নির্ধারিত এবং তাই এটি একটি শাশ্বত এবং অপরিবর্তনীয় বিধি! *এখন পর্যন্ত দুটি বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা: (১) একটি পরিষ্কার এবং সুনির্দিষ্ট বিধি হওয়ার বদলে শরিয়ত আসলে অস্পষ্ট; (২) এটি প্রতিটি বিষয়েই অস্পষ্ট। এর দুটি প্রায়োগিক ফলাফল রয়েছে: (১) এই অস্পষ্টতাই হলো উলেমাদের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতার অন্যতম ভিত্তি; (২) তাই উলেমা শরিয়তকে বিধিবদ্ধ করার প্রতিটি প্রচেষ্টাকে ঠিক ততটাই প্রবলভাবে বাধা দেন যেমনটা তারা সবার জন্য একটি সাধারণ আধুনিক আইনের প্রচেষ্টাকে বাধা দেন। *মাওলানা আহমদ রেজা খান যখন বলেন যে বিজ্ঞানের সামনে ইসলামের মাথা নত করা নয় বরং ইসলামের সামনে বিজ্ঞানের মাথা নত করাই ইসলামের গৌরব, তখন তিনি আসলে তার ধর্মের প্রতিই সত্যনিষ্ঠ থাকেন। বিজ্ঞানের জন্য যা প্রযোজ্য, তা ঐতিহাসিক ‘তথ্যের’ ক্ষেত্রে আরও বেশি প্রযোজ্য যেমন শত জন খলিফা ছিলেন নাকি বারো জন। * পৃথিবী স্থির। সূর্য এর চারদিকে ঘোরে। নক্ষত্রগুলো স্থির, যা আল্লাহ প্রদীপ হিসেবে ঝুলিয়ে দিয়েছেন পর্যটকদের পথ দেখানোর জন্য এবং শয়তানকে পাথর মারার জন্য। এর বাইরে কিছু বিশ্বাস করা মানে ধর্মের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা। পুরুষরাই হলো কর্তা। প্রত্যেকে একসাথে চারজন পর্যন্ত স্ত্রী এবং যত খুশি উপপত্নী রাখতে পারে। স্ত্রীরা হলো ফসলের মাঠের মতো, স্বামী চাইলে তাতে ‘জলসেচন’ করতে পারে অথবা না-ও পারে। স্বামী তার সামান্যতম ইচ্ছা পূরণের জন্যও তাদের বাধ্য করতে পারে এবং না মানলে তালাকের ভয় দেখাতে পারে। এরপরও যদি সে সন্তুষ্ট না হয়, তবে সে তাদের এক কথায় বের করে দিতে পারে। বের করে দেওয়ার পর তারা কেবল জীবনধারণের ন্যূনতম সহায়তার অধিকারী হবে কিন্তু তা কেবল তিন মাসের জন্য, এরপর আর কিছুই নয়। এতে কোনো অন্যায় দেখা বা নারীদের জন্য আরও কিছু দাবি করা মানে আল্লাহর প্রজ্ঞাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং ইসলামের ওপর আঘাত হানা। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা, নির্ধারিত পদ্ধতিতে ইস্তিনজা করতে ব্যর্থ হওয়া, কুকুরের লালা নাপাক এবং শরীর পাক এটি বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হওয়া বড় গুনাহ। একজন কাফির যত বড় সাধুপুরুষই হোক না কেন, এমনকি তার মৃত্যুর পরও তার মঙ্গল কামনা করা, অথবা একজন মুসলিম যত বড় পাপীই হোক না কেন সে যে একজন পুণ্যবান কাফিরের চেয়েও শ্রেষ্ঠ তা বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হওয়া হলো কুফর। উলেমাদের মানসিকতা এমনই। জীবনের সব ক্ষেত্রে তাদের দেওয়া রায়ে এটি ফুটে ওঠে। *দেশের এবং ব্যক্তির অগ্রগতির জন্য শিক্ষা অপরিহার্য। কিন্তু বর্তমানে যাকে শিক্ষা বলা হয় তার বিরুদ্ধে উলেমা দীর্ঘদিন কঠোর লড়াই করেছেন। তাদের কাছে আধুনিক এবং কারিগরি শিক্ষার চেয়ে ধর্মীয় শিক্ষাই অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। কেবল সেই বিষয়গুলোই পড়া উচিত এবং কেবল সেই জ্ঞানই অর্জন করা উচিত যা একজনের বিশ্বাসকে শক্তিশালী করে সহজ কথায়, কেবল সেই বিষয়গুলোই পড়তে হবে যা এটি নিশ্চিত করে যে কুরআন ও হাদিসে যা লেখা আছে এবং উলেমা শত শত বছর ধরে যা বলে আসছেন তা-ই সত্য এবং প্রজ্ঞার ও পূর্ণতার সর্বোচ্চ শিখর। নারীদের শিক্ষা, বিশেষ করে নতুন মূল্যবোধের প্রতি তাদের সচেতন হওয়া, নতুন পেশার জন্য প্রশিক্ষণ পাওয়া এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়া—এই সবকিছুই তাদের কাছে ঘৃণ্য; এটি তাদের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করা হয়, প্রকৃতপক্ষে এটিকে সমাজকে ধ্বংস করার এবং ইসলামকে দুর্বল করার পথ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। *যে প্রতিষ্ঠানের ভারতীয় ইতিহাসের পাঠ্যক্রমে কেবল মাহমুদ গজনভির আক্রমণ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত সময়কাল অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং যার ভূগোলের পাঠ্যক্রমে কেবল আরব উপদ্বীপের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, সেটি কি ভারতের জন্য বা ভারতের কোনো প্রতিষ্ঠান? * প্রত্যাশিতভাবেই, মাওলানা আহমদ রেজা খানের মতে শিয়ারা একেবারেই মুসলিম নয়। তাদের ‘মসজিদ’ কোনো মসজিদই নয়—আর মনে রাখবেন, মীর বাকী এবং তার বংশধরেরা যেহেতু মসজিদের মুতওয়াল্লি ছিলেন, তাই ‘বাবরী মসজিদ’ ছিল একটি শিয়া মসজিদ। * ‘আরে ভাই, কিন্তু আপনি হিন্দু ফতোয়া নিয়ে লিখছেন না কেন?’—এটি এমন এক বিখ্যাত বুদ্ধিজীবীর কথা যার নামের অনেক খ্যাতি রয়েছে। হিন্দুদের মধ্যে ফতোয়া বলে কিছু নেই—তবে নিশ্চিতভাবেই আমাদের বুদ্ধিজীবীরা সেটি জানেন। এ ধরনের উপদেশের উদ্দেশ্য অন্যরকম। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, একজন হিন্দুর ইসলাম নিয়ে লেখালেখি থেকে দূরে থাকা উচিত। বরং, সে যদি ইসলামি বা মুসলিম বিষয় নিয়ে কিছু লেখেও, তবে তাকে কেবল প্রশংসাগীতি গাইতে হবে—‘সহনশীলতার ধর্ম, সাম্যের ধর্ম...’—তাকে কেবল ‘ইসলামি মানস’ সম্পর্কে ‘বোঝার’ বা ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য বই লিখতে হবে। বড়জোর, যদি তাকে ইসলামের কোনো দুর্ভাগ্যজনক ত্রুটি সম্পর্কে কিছু বলতেই হয়, তবে সেটিকে কোনো বিশেষ সময় বা স্থানের ওপর চাপিয়ে দিতে হবে এবং ইসলামকে তার থেকে মুক্তি দিতে হবে! আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, তাকে এটি নিশ্চিত করতে হবে যে সে ইসলামের সেই দিকটি নিয়ে মন্তব্যের সাথে হিন্দুধর্মের কোনো কিছুর নিন্দা করে বিষয়টিকে ‘ভারসাম্যপূর্ণ’ করবে, সেটা যা-ই হোক—জাতীয় প্রথা, পণের কারণে মৃত্যু, বিদেশিদের ম্লেচ্ছ মনে করা, এমনকি অন্য কিছু না মিললে অন্তত সতীদাহ প্রথা! * তাহলে, কারা ক্ষুব্ধ হচ্ছে? ফতোয়াগুলোর উদ্ধৃতি এবং বিশ্লেষণে কারা অপমানিত বোধ করছে? তারা হলো ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা। আর এর কারণ স্পষ্ট। এই তথ্যপ্রমাণের সামনে, কুরআন ও নবীর সরাসরি এবং জোরালো নির্দেশের সামনে এবং ফতোয়াগুলোতে থাকা বারবার এবং অত্যন্ত স্পষ্ট ঘোষণার সামনে তার কাছে কোনো উত্তর নেই। এগুলোর মোকাবিলা করার মতো কোনো প্রমাণ তার কাছে নেই। কিন্তু যখন তারা যা বলে তা সরাসরি সামনে আনা হয়, তখন সে তার এই উল্টো ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ আর বজায় রাখতে পারে না। যতক্ষণ পর্যন্ত এই বিষয়গুলো উর্দুতে সীমাবদ্ধ থাকে, ততক্ষণ তা তার চেনা মহলে কোনো অসুবিধা সৃষ্টি করে না। কিন্তু যে মুহূর্তে এগুলো ইংরেজিতে প্রকাশ পায়, তখনই সে বিপদে পড়ে যায়। আর তাই সে ক্ষোভের ভান করে! এর উত্তর কী? তথ্যগুলো অনবরত তুলে ধরা। সেগুলো বিশ্লেষণ করে যাওয়া। এই বিশ্বাসে যে গালিগালাজ দিয়ে তথ্যপ্রমাণ ধামাচাপা দেওয়া যাবে না। এই বিশ্বাসে যে চিন্তাভাবনা হলো বীজের মতো, যা একদিন শিকড় গাড়বে। * বাংলাদেশে ইসলামীকরণের দিকে দ্রুত ধাবিত হওয়া, তাবলিগ জামাতের দ্রুত বিস্তার এবং হিজবুত তাহরীর ও হিজবুত তৌহিদের মতো মৌলবাদী সংগঠনগুলোর ক্রমবর্ধমান প্রসার ও প্রভাবের সাথে সাথে দেশের বিভিন্ন স্থানে শরিয়ত কমিটি গড়ে উঠেছে। ফতোয়া দেওয়ার ঘটনা আরও নিয়মিত হয়ে পড়েছে। গ্রামীণ এলাকায় স্থানীয় মোল্লারা প্রায়ই এগুলো জারি করেন এবং প্রায়শই এর শিকার হন এমন নারীরা যারা প্রকৃতপক্ষে সহিংসতা, ধর্ষণ এবং এ জাতীয় ঘটনার শিকার হয়েছিলেন.... * মুসলিম সাংবাদিকতা আর নেতৃত্বের ওপর দোষ চাপানো এক অর্থে মূল প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া। সর্বোপরি, মুসলিমরা কেন এই ধরনের সাংবাদিকতাকে গুরুত্ব দেয়, কেন তারা এই ধরনের নেতাদের অনুসরণ করে? এর উত্তর লুকিয়ে আছে সেই মনস্তত্বের মধ্যে, যা উলেমা এবং তাদের ফতোয়াগুলো তাদের মনে গেঁথে দিয়েছে। * এমনকি এটি বলাও কুফর যে, ‘শরিয়ত কী? আজ কি কেউ শরিয়ত মেনে চলে?’, ঘোষণা করে ফতোয়ায়ে রিজভিয়া। এমনকি যদি অন্যদের বিদ্রূপ করার জন্য এই কথাগুলো বলা হয়, তবে সেগুলো গুরুতর পাপ হিসেবে গণ্য হবে। এটি ঘোষণা করে যে, ‘আমরা শরিয়ত মানি না, আমরা প্রথা অনুযায়ী চলি,’ বলাও কুফর। উলেমা একটি ফতোয়া জারি করে মুসলিমদের বহু ঈশ্বরবাদীদের শোভাযাত্রায় যোগ দিতে নিষেধ করেন। একজন লোক বলে, ‘বহু ঈশ্বরবাদীদের শোভাযাত্রায় যোগ না দেওয়ার ফতোয়া জারি করা নিছক লাঠিবাজি।’ এই কথাটি উলেমাদের জানানো হয়। ফতোয়ায়ে রিজভিয়া রায় দেয় যে, এই কথাটি শরিয়তের অবমাননা এবং শরিয়তের অবমাননা হলো কুফর। সেই ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে তার নিকাহ বা বিয়ে ভেঙে যায়। ... তারা ঘোষণা করে যে, ইজমা (ঐকমত্য) বা তকলিদ (আক্ষরিক অনুসরণ) নিয়ে প্রশ্ন তোলা কুফর। ... তারা ঘোষণা করে যে, ফিকহ-এ বিশ্বাস না করা কুফর। তারা ঘোষণা করে যে, যে ফিকহ মানে না সে হলো শয়তান। * ‘যে বাবা-মায়েরা তাদের মেয়েদের কলেজে পাঠান তারা তাদের মেয়েদের শত্রু, বন্ধু নন,’ ফতোয়ায়ে রহিমিয়া এটি ঘোষণা করে বিভিন্ন সূত্রের দোহাই দিয়ে যে, প্রকৃত বন্ধু হলো সে যে পরকালের জন্য একজনকে প্রস্তুত করে, যদিও তা করতে গিয়ে পার্থিব ক্ষতি হতে পারে। এটি ঘোষণা করে যে, ‘এতে কোনো সন্দেহ নেই যে একটি কলেজ পড়ুয়া মেয়ে অত্যন্ত স্বাধীনচেতা, পর্দাহীন, অশালীন এবং নির্লজ্জ হয়ে ওঠে। ইংরেজি শিক্ষা এবং কলেজের পরিবেশের এটিই সাধারণ পরিণতি।’ আর হাদিস উদ্ধৃত করে এটি বলে যে, ‘যে মেয়ে তার লজ্জা হারায় সে সবকিছু হারায়,’ ‘লজ্জা এবং ঈমান এরা অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী; যখন তাদের কোনো একটি চলে যায়, অন্যটিও চলে যায়।’ * অবজ্ঞা এবং হিন্দু ও অন্য অবিশ্বাসীদের যে চিত্র আঁকা হয়েছে, তাদের পশুপাখি এবং পোকামাকড়ের সাথে তুলনা করা হয়েছে—মুসলিমদের ক্ষেত্রে কোনো লেখায় এমন কিছু করা হলে তা তীব্র নিন্দার ঝড় তুলত। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের কাছ থেকে যেমন, তেমনি মুসলিমদের কাছ থেকেও। ====''ওরশিপিং ফলস গডস'' (১৯৯৭)==== * একটি উদাহরণও নেই, এমনকি একটি মাত্র ঘটনাও নেই যেখানে [[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর]] দেশকে স্বাধীন করার সংগ্রামের সাথে যুক্ত কোনো কাজে অংশ নিয়েছিলেন। বরং ঠিক উল্টোটিই ঘটেছে; প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি জাতীয় আন্দোলনের বিরোধিতা করেছেন এবং যখনই এই আন্দোলন কোনো বাধার মুখে পড়েছে, তিনি তাদের মধ্যে ছিলেন যারা সেই ব্যর্থতায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন। * ভারতের কি কখনো সংস্কারকের প্রয়োজন ছিল? আপনি কি ভারতের ইতিহাস পড়েন? রামানুজ কে ছিলেন? শংকর কে ছিলেন? [[গুরু নানক]] কে ছিলেন? [[চৈতন্য মহাপ্রভু]] কে ছিলেন? [[কবীর]] কে ছিলেন? দাদু কে ছিলেন? একের পর এক আসা এই মহান ধর্মপ্রচারকরা কারা ছিলেন, যারা অত্যন্ত উজ্জ্বল সব নক্ষত্রপুঞ্জের মতো ইতিহাস আলোকিত করেছেন? * এক কথায়, দেব-দেবীর নিন্দা করা, ধিক্কার জানানো, তাদের কলঙ্কিত করা, আমাদের শাস্ত্র নিয়ে উপহাস করা এবং অনুসারীদের মধ্যে ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়া ছিল আম্বেদকরের বেছে নেওয়া পথ। কিন্তু কেবল এই একটি পথই খোলা ছিল না। এর আগে গত দেড়শ বছরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একজন সংস্কারক ঠিক এর বিপরীত পথ বেছে নিয়েছিলেন এবং এর ফলে তিনি দুটি লক্ষ্যই অর্জন করেছিলেন। তিনি যেমন লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন উন্নত করেছিলেন, তেমনি আমাদের সমাজকেও বদলে দিয়েছিলেন এবং এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেই সংস্কারক এমন এক বর্ণের ছিলেন যারা কেবল অস্পৃশ্যই ছিল না, বরং যাদের কাছে যাওয়াও নিষিদ্ধ ছিল। সেই সংস্কারক অবশ্যই ছিলেন নারায়ণ গুরু, যিনি ১৮৫৪ থেকে ১৯২৮ সাল পর্যন্ত জীবিত ছিলেন। * তিনি কোনো বহিরাগতের মতো আমাদের ঐতিহ্যকে বিদ্রূপ করেননি বা তাকে অপমান করেননি। তিনি ভারতের আক্রমণকারী বা শাসকদের সাথে কখনো হাত মেলাননি। উপনিষদের শিক্ষার মধ্যে নিজেকে নিমগ্ন করে তিনি আধ্যাত্মিক সচেতনতার সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছিলেন। আমাদের মহান ঋষিরা যেসব পদ্ধতি ও সাধনা বের করেছিলেন, সেগুলো অনুসরণ করেই তিনি সেই স্তরে পৌঁছেছিলেন। তিনি যখন এই অবস্থায় পৌঁছালেন, তার পুরো জীবনটাই গোঁড়াদের সেই শ্রেষ্ঠত্বের দাবির বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদ হয়ে উঠল। তার সেই দিব্য অবস্থা গোঁড়াদের এই দাবিকে ভুল প্রমাণ করল যে আধ্যাত্মিক জ্ঞান কেবল উচ্চবর্ণের জন্যই। আর তিনি সেই স্তরে পৌঁছেছিলেন বলেই সবাই তাকে শ্রদ্ধা জানাত। * [[নারায়ণ গুরু]]র উত্তরাধিকার হলো একটি উন্নত এবং সংহতিপূর্ণ সমাজ, যেখানে নিম্নবর্ণের মানুষরা শিক্ষিত এবং আত্মমর্যাদায় ভরপুর। আম্বেদকরের উত্তরাধিকার হলো একদল মানুষ যারা সবার ওপর চিৎকার করছে, সবসময় কেবল দাবি জানাচ্ছে ও নিন্দা করছে এবং যারা আত্মগ্লানি ও ঘৃণার মধ্যে ডুবে আছে; এটি এমন এক সমাজ যা নিজের সাথেই লড়ছে। নারায়ণ গুরুর উত্তরাধিকার হলো এক পুনর্জীবিত দেশ। আম্বেদকরের উত্তরাধিকার হলো এমন এক দেশ যা তার নিজের অতীত নিয়ে গভীর লজ্জায় আচ্ছন্ন। আর এর ফলে তা আরও বেশি অক্ষম হয়ে পড়েছে। ==== ''ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসি'' (১৯৯৮) ==== * "ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা" আডবাণীর রথ হিন্দুদের মধ্যে যে প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে তা দেখে ঘাবড়ে গেছেন। কিন্তু কেবল রথ এই প্রতিক্রিয়া তৈরি করেনি। শাহ বানোর রায় পাল্টে দেওয়া এবং [[সালমান রুশদি]]কে নিষিদ্ধ করার মতো "জয়গুলো", যেগুলোকে "ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা" উচ্চকণ্ঠে প্রশংসা করেছিল; মানচিত্র এবং তালিকার মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোকে এটি বিশ্বাস করানোতে সফল হওয়া যে মুসলিমরা শত শত নির্বাচনী এলাকায় তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে; পাঞ্জাব এবং [[কাশ্মীর]]ের সহিংসতার "জয়গুলোর" কথা না-ই বা বললাম। এই প্রতিক্রিয়া হলো আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থার এই বিকৃতিগুলোর সম্মিলিত ফল। ** অরুণ শৌরির "প্রতিক্রিয়া উসকে দেওয়া", যা গোয়েল, এস.আর. (সম্পাদক) সম্পাদিত: ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসিতেও রয়েছে। ==== ''এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস: দেয়ার টেকনোলজি, দেয়ার লাইন, দেয়ার ফ্রড'' (১৯৯৮) ==== * ১৯৯৮ সালের জুন-জুলাই মাসে প্রগতিশীলরা বেশ শোরগোল তুলেছিলেন। তারা চিৎকার করে বলেছিলেন যে সরকার ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ হিস্টোরিক্যাল রিসার্চে রাম মন্দির পন্থী ঐতিহাসিকদের জায়গা দিয়েছে। তারা চিৎকার করে বলেছিলেন যে সরকার গোপনে কাউন্সিলের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য বদলে ফেলেছে। নিজেদের চিরকালীন স্বভাব অনুযায়ী, তারা একটি মনগড়া গল্প ছড়িয়ে এই হাঙ্গামা শুরু করেছিলেন। আর তাদের সেই পুরনো অভ্যাস মতোই, তারা অন্যদের বিরুদ্ধে এমন কিছু করার অভিযোগ তুলছিলেন যা তারা নিজেরা গত কয়েক দশক ধরে করে আসছিলেন, অর্থাৎ কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে ইতিহাস লেখা। * ‘আওরঙ্গজেবের ধর্মীয় নীতি’ সংক্রান্ত অধ্যায়ে সবচেয়ে বড় আকারের পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সে হিন্দুদের সাথে প্রকৃতপক্ষে কী করেছিল, তাদের মন্দিরের কী করেছিল, তার শাসনের মূল উদ্দেশ্য, ইসলামের প্রভাব বিস্তারের প্রতিটি ইঙ্গিত বই থেকে ছেঁটে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাকে এমন একজন হিসেবে তুলে ধরতে হবে যার গান-বাজনা এবং রাজদরবারে নর্তকীদের উপস্থিতির প্রতি এক ধরণের সাধারণ অনীহা ছিল, প্রায় ধর্মনিরপেক্ষ এক অনীহা, আর কেবল এই কারণেই সে ওইসব নিষিদ্ধ করেছিল... এক কথায়, কোনো জোরপূর্বক ধর্ম পরিবর্তন নয়, কোনো গণহত্যা নয়, কোনো মন্দির ধ্বংস নয়। কেবল এই যে হিন্দুধর্ম এক শোষণমূলক এবং বর্ণবাদী সমাজ তৈরি করেছিল। ইসলাম ছিল সাম্যবাদী। তাই নিপীড়িত হিন্দুরা ইসলাম গ্রহণ করেছিল!<br/> সে সময়ের মুসলিম ঐতিহাসিকরা নরকে পাঠানো কাফিরদের স্তূপ দেখে উল্লাসে ফেটে পড়েছেন। মুসলিম ঐতিহাসিকরা শাসকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ কারণ সে মন্দির ধ্বংস করেছে এবং লাখ লাখ মানুষকে ইসলামের আলোর মুখ দেখিয়েছে। দ্য হেদায়ে-র মতো আইনগ্রন্থগুলোতে ঠিক সেই বিকল্পগুলোর কথাই বলা হয়েছে যা এই ছোট ছোট পাঠ্যবইগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছিল। '''সবকিছুই ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।'''<br/>'''বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের নামে বস্তুনিষ্ঠ ধামাচাপা। আর আজ যদি কেউ এই পাঠ্যবইগুলোতে সত্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে, তবে চিৎকার ওঠে, ‘ইতিহাসের সাম্প্রদায়িক পুনর্লিখন’।''' * এই বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আসল অপরাধ আর্থিক ক্ষতির মধ্যে নেই। আসল ক্ষতি হলো তারা আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর যে করুণ দশা করেছেন। এর কারণ তাদের অবহেলা—যার ফলে আমাদের দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সব প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়েছে। তার চেয়েও বড় অপরাধ হলো তারা ওই প্রতিষ্ঠানগুলোকে যেভাবে ব্যবহার করেছেন।<br/>তারা সেগুলোকে আয়েশি সময় কাটানোর জন্য ব্যবহার করেছেন। তারা একে অপরের সুনাম বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করেছেন। তবে সবচেয়ে খারাপ বিষয় হলো তারা এই প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করে জনমানসে ভুল তথ্য ছড়িয়েছেন এবং এর ফলে জননীতিকে ভুল পথে চালিত করেছেন।<br/> তারা ভারতকে এমন এক ফাঁকা ভূমি হিসেবে তুলে ধরেছেন যা একের পর এক আক্রমণকারীরা এসে পূর্ণ করেছে। '''তারা বর্তমান ভারত এবং বিশেষ করে হিন্দুধর্মকে একটি চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছে—নানা ধরণের অসম এবং বিচ্ছিন্ন উপাদানের এক স্তূপ। তাদের মতে ভারত বলে কিছু নেই, এটি কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ এবং ব্রিটিশদের তৈরি এক ধারণা; হিন্দুধর্ম বলে কিছু নেই, এটি কেবল আরবদের ব্যবহৃত একটি শব্দ যা তারা এখানে এসে নানা ধরণের মানুষের দেখা পাওয়ার পর ব্যবহার করেছিল এবং এটি কেবল সাম্প্রদায়িকদের এক উদ্ভাবন যা তারা এক অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য তৈরি করেছে, এটিই ছিল তাদের অবস্থান। এর জন্য তারা আমাদের ইতিহাসের হিন্দু যুগকে কলঙ্কিত করেছে এবং আমরা দেখতে পাব যে তারা ইসলামি শাসনকে ধোলাই করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছে।''' তারা প্রাচীন ভারতের সামাজিক ব্যবস্থাকে শোষণের চরম উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং চরমপন্থী মতাদর্শগুলোকে সাম্যবাদী ও ন্যায়পরায়ণ হিসেবে তুলে ধরেছে।<br/>তারা আমাদের প্রাচীন সংস্কৃতিকে ছোট করে দেখিয়েছে এবং যেসব সমন্বিত উপাদান কোনোমতে টিকে ছিল সেগুলোকে অতিরঞ্জিত করে একটি আস্ত সংস্কৃতি হিসেবে প্রচার করেছে, যেটাকে তারা ‘সমন্বিত সংস্কৃতি’ বলে থাকে। কোন সংস্কৃতিটি আসলে সমন্বিত নয়? আর এই পুরোটা সময় তারা আমাদের মানুষের জীবনের সাধারণ উপাদানগুলো নিয়ে মূল তথ্যগুলো লুকানোর চেষ্টা করেছে: তারা লুকিয়েছে যে ইসলামি শাসক এবং উলেমাদের এক হাজার বছরের প্রবল চেষ্টার পরেও এই উপাদানগুলো টিকে ছিল, তারা লুকিয়েছে যে গত দেড়শ বছরের মিশনারি এবং ব্রিটিশ শাসকদের প্রচেষ্টার পরেও এগুলো বেঁচে ছিল। তারা প্রতিটি অংশকে উসকে দিয়ে তাদের আলাদা পরিচয় খুঁজে নিতে বাধ্য করার চেষ্টা করেছিল। সবচেয়ে বড় কথা হলো এই বুদ্ধিজীবীরা তাবলিগ জামাত এবং গির্জার মতো সংগঠনগুলোর বর্তমান কার্যক্রম থেকে মানুষের নজর পুরোপুরি সরিয়ে দিয়েছেন। এই সংগঠনগুলো তাদের অনুসারীদের তাদের হিন্দু প্রতিবেশীদের সাথে থাকা সব মিল এবং বিশ্বাস ত্যাগ করানোর জন্য সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করছে এবং প্রচুর সম্পদ ব্যয় করছে।<br/> এই বুদ্ধিজীবী এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকরা এক ভয়াবহ কৌশল নিয়েছেন: আমাদের দেশ ও মানুষের উদার ধর্ম এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ আধ্যাত্মিক সাধনাকে তারা অসহিষ্ণু, সংকীর্ণমনা ও অন্ধকারাচ্ছন্ন হিসেবে তুলে ধরেছেন; আর একপাক্ষিক এবং চরমপন্থী মতাদর্শগুলোকে ইসলাম, খ্রিস্টধর্ম এবং মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদ, তারা সহনশীলতা, উদারতা, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে প্রচার করেছেন! * আর একটি কথা: আরএসএসের কোনো প্রকাশনায় যদি আমার একটি সাক্ষাৎকারও ছাপা হয়, তবে সেটিই আমি সাম্প্রদায়িক হওয়ার প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়; কিন্তু এই প্রগতিশীলদের নীতি এতটাই শক্ত যে তারা নিজে কমিউনিস্ট পার্টির প্রকাশনায় নিজেদের নামে নিবন্ধ লিখলেও তাদের নিরপেক্ষতা বজায় থাকে! * আমরা যেমনটা দেখেছি, ১৯৮৯ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে নির্দেশিকা জারি করেছিল তার স্পষ্ট অংশ ছিল যে ভারতে ইসলামি শাসন নিয়ে কোনো নেতিবাচক কথা বলা যাবে না। যদিও সে সময়ের ইসলামি লেখকরা এই বিষয়গুলো নিয়েই আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন, তবুও মুসলিম শাসকদের মন্দির ধ্বংস করা, হিন্দুদের জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করা অথবা হিন্দু জনগোষ্ঠীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া অন্যান্য অসমর্থতা নিয়ে কোনো উল্লেখ থাকা চলবে না। ওই নির্দেশিকার সাথে যে অংশগুলো বাদ দিতে হবে তার একটি তালিকা এবং বদলে কী লিখতে হবে তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। যে অংশগুলো বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সেখানে সত্যকে বরং বেশ কমিয়েই বলা হয়েছিল। অন্যদিকে যেসব অংশ ঢোকানোর চেষ্টা করা হয়েছিল সেগুলো ছিল পুরোপুরি মিথ্যা: যেমন আলাউদ্দিন খিলজির মতো ইসলামি শাসকের অধীনে জিজিয়া কর দিয়ে হিন্দুরা নাকি স্বাভাবিক জীবন কাটাতে পারত! আজ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীনে যেসব পাঠ্যবই ব্যবহার করা হচ্ছে সেগুলো গভীরভাবে পড়লে বোঝা যায় যে এটি কেবল ইসলামি শাসনের নিষ্ঠুরতা মুছে ফেলার চেষ্টা নয়, বরং এর পেছনে অনেক গভীর ও ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে। * বাংলায় এই শিক্ষাবিদদের অবস্থান অবশ্যই সিপিআই(এম)-এর দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার ফলে মজবুত হয়েছে। কিন্তু তাদের প্রভাব কেবল ওই রাজ্যের শিক্ষা এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। তাই জাতীয় স্তরেও ছাত্রদের ওপর একই ধরণের মতাদর্শ চাপিয়ে দিতে দেখা যাচ্ছে। বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাশনের টান এতটাই শক্তিশালী এবং এই প্রভাবশালী চক্রটি একজন শিক্ষাবিদের ক্যারিয়ারের জন্য এতটাই মারাত্মক হতে পারে যে অনেক সময় ওই শিক্ষাবিদ তাদের তত্ত্ব এবং মতামতের সাথে একমত না হলেও শেষ পর্যন্ত সেগুলোই আওড়াতে থাকেন। না হলে এনসিইআরটির মতো প্রতিষ্ঠানগুলো তার পান্ডুলিপি পাঠ্যবই হিসেবে গ্রহণ করবে না অথবা সেটির কোনো পর্যালোচনাই হবে না.... * কারসাজিটা লক্ষ্য করুন। মন্দির মেরামত করা বৈধ! গ্রামে মন্দির তৈরি করা যেতে পারে! বাড়ির গোপনীয়তার মধ্যে মন্দির বানানো যেতে পারে! অর্থাৎ উদার নীতিই হলো নিয়ম যা কেবল যুদ্ধের সময় লঙ্ঘন করা হয়! আর ওই সময়ে যাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা হয় বা যাদের ধ্বংস করা হয় তারা তো আসলে ইসলামের শত্রু! শান্তির সময়, যা সাধারণত সবসময়ই থাকে, ওই নিয়মটিই বজায় থাকে—অর্থাৎ হিন্দুরা প্রকাশ্যে এবং আড়ম্বরের সাথেই তাদের ধর্ম পালন করে! এই দাবিগুলোর প্রতিটিই নির্লজ্জ মিথ্যা। কিন্তু এই ঐতিহাসিকরা যেহেতু প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বুদ্ধিবৃত্তিক শুদ্ধতার মানদণ্ড ঠিক করে দিয়েছেন, তাই যে কেউ এই মিথ্যাগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুললে তাকেই ভুল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এমনকি যদি সে সেই সময়ের বিখ্যাত ইসলামি ঐতিহাসিকদের লেখা উদ্ধৃত করেই প্রশ্ন তোলে, তবুও তাকেই দোষী করা হয়। * একবার যখন তারা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দখল করে নিল, একবার যখন তারা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কবজা করল এবং এর মাধ্যমে ঠিক করল কী পড়ানো হবে, কোন বইগুলো পাঠ্য হবে, কী প্রশ্ন করা হবে আর কোন উত্তরগুলো গ্রহণযোগ্য হবে, তখন এই ঐতিহাসিকরাই ইতিহাস আসলে কী ছিল তা নির্ধারণ করতে শুরু করলেন! যেহেতু তাদের বর্তমান রাজনীতি এবং সুবিধার জন্য হিন্দুধর্মকেও অসহিষ্ণু হিসেবে দেখানো প্রয়োজন, তাই তারা আম্বেদকরের বলা সেই কথাগুলো এড়িয়ে যাবেন যেখানে সে বৌদ্ধধর্মের ওপর ইসলামি আক্রমণের ভয়াবহ পরিণতির কথা বলেছিল। আম্বেদকর তার থটস অফ পাকিস্তান বইতে এই আক্রমণ এবং মুসলিম শাসন সম্পর্কে যা বলেছিল তা তারা পুরোপুরি চেপে যাবেন, কিন্তু তার করা ‘ব্রাহ্মণ্যবাদ’-এর নিন্দা এবং মৌর্যদের প্রতিষ্ঠিত বৌদ্ধ ভারতকে ব্রাহ্মণ শাসকরা পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করে শেষ করে দিয়েছে—এই ধরণের মতামতগুলো বারবার প্রচার করবেন।<br/>এভাবেই তারা তথ্য গোপন করেন, কিছু তথ্য বানিয়ে বলেন, এমনকি কোনো লেখক একটি বিষয়ে কী বলেছেন তা ধামাচাপা দিয়ে অন্য বিষয়ে তার বলা কথাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রচার করেন। আর যখনই কেউ আসলে কী ঘটেছিল তা তুলে ধরার চেষ্টা করে, তখনই তারা সমস্বরে চিৎকার শুরু করেন: ইতিহাস নতুন করে লেখার ষড়যন্ত্র চলছে, তারা চিৎকার করেন; ইতিহাস বিকৃত করার চক্রান্ত হচ্ছে, তারা চিৎকার করেন। '''কিন্তু তারাই প্রথম থেকে ইতিহাস বিকৃত করে আসছেন—সত্য গোপন করে এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে।''' * আর এই ঐতিহাসিকদের চতুরতা দেখুন। তারা দাবি করেন যে জাতীয় সংহতির স্বার্থে এই ধরণের তথ্য এবং ঘটনাগুলো ধামাচাপা দেওয়া উচিত: তারা বলেন এগুলো মনে রাখলে মুসলিমরা ক্ষুব্ধ হবে এবং হিন্দুদের মনে মুসলিমদের প্রতি ঘৃণা জন্মাবে। একই সাথে তারা হিন্দুরা বৌদ্ধ মন্দির ধ্বংস করেছে—এমন একটি গল্প বানিয়ে প্রচার করার ওপর জোর দেন। এই গল্প কি বৌদ্ধদের থেকে হিন্দুদের দূরে সরিয়ে দেবে না? বিশেষ করে যখন এর পেছনে তথ্যের কোনো লেশমাত্র নেই, তখন এমন কাহিনী কি হিন্দুদের মন বিষিয়ে দেবে না? * একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—আর্য-দ্রাবিড় বিভাজন, ইসলামি আক্রমণের প্রকৃতি, ইসলামি শাসনের ধরণ, স্বাধীনতা সংগ্রামের চরিত্র—প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা এই বৈশিষ্ট্যটি দেখতে পাই: সত্য গোপন করা এবং মিথ্যা প্রচার করা। গত ত্রিশ বছরের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে এটিই সবচেয়ে বড় কেলেঙ্কারি। এই বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের পক্ষে এটি করা সম্ভব হয়েছে কারণ তারা আইসিএইচআর-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ পেয়েছিলেন। এই মিথ্যা দূর করতে হলে ওই নিয়ন্ত্রণও দূর করতে হবে। * এবং এভাবেই—অন্য ধর্মের পবিত্র মন্দিরের ধ্বংসস্তূপের মাঝে এবং অন্য ধর্মের শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিদের লাশের স্তূপের মাঝে। তা সত্ত্বেও আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের কাছে এটি হলো উদার সহনশীলতার নীতি! সম্পূর্ণ ধর্মনিরপেক্ষ অনুপ্রেরণায় পরিচালিত একটি সহনশীলতার নীতি! * কিন্তু এখানে ভারতে আগের বুলি এবং বিভাগগুলোর সাধারণ আবৃত্তিই যথেষ্ট ছিল। তাই এই বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের ইতিহাস রচনার বৈশিষ্ট্য কেবল তাদের প্রভুদের প্রতি আনুগত্যই নয়, বরং এটি তাদের এক ধরণের সরলমনস্কতা!<br/>তবে আরও একটি বিষয় আছে। ইসলামি শাসনকে ধোয়া-মোছা করাই এই ঐতিহাসিকদের কাজের একমাত্র বৈশিষ্ট্য নয়। এর সাথে যোগ হয়েছে দেশের প্রাক-ইসলামি যুগ এবং ঐতিহ্যের প্রতি এক প্রবল ঘৃণা। বছরের পর বছর ধরে সোভিয়েত এনসাইক্লোপিডিয়াগুলোতে ভারত সম্পর্কে তথ্যগুলো ধীরে ধীরে নমনীয় হয়েছে। তারা খুব দ্বিধার সাথে হলেও স্বীকার করতে শুরু করেছিল যে চীন এবং ভারতের মতো দেশগুলোর ক্ষেত্রে পুরনো বিভাগগুলো হয়তো কিছুটা বদলে নিতে হতে পারে। তারা স্বীকার করতে শুরু করেছিল যে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পর্যায় একে অপরের সাথে মিশে থেকেছে। আর হয়তো কেবল কূটনৈতিক কারণেই তারা আরও বেশি সতর্ক হয়েছিল—আমাদের ঐতিহ্যকে কলঙ্কিত করা এড়িয়ে গিয়েছিল।<br/>সোভিয়েতদের দুই খন্ডের বই এ হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়াতে আমরা ভারতের ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায় নিয়ে কমবেশি একই ধরণের বর্ণনা পাই যা আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের বইতেও আছে। কিন্তু সোভিয়েতদের বইতে সেই ঘৃণা এবং বিদ্বেষের কোনো চিহ্ন নেই যা আমরা আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের বইতে দেখতে পাই। * তাই দুটি বিষয় মনে রাখতে হবে। প্রথমত, আমাদের বন্ধুরা কেবল মার্ক্সবাদী নন, তারা মেকলের অনুসারীও। দ্বিতীয়ত, তারা এক বিশেষ ধরণের মার্ক্সবাদী। তারা সেই অর্থে মার্ক্সবাদী যে তারা নিজেদের মার্ক্সবাদী মনে করেন এবং বারবার গুটিকয়েক মার্ক্সবাদী বুলি আওড়াতে থাকেন। কিন্তু মার্ক্সবাদী ঐতিহাসিক হওয়ার চেয়ে তারা আসলে শাসনব্যবস্থার অনুগত ঐতিহাসিক ছিলেন। তাদের তত্ত্ব এবং মতামত কেবল মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদের মূল বইগুলোর সাথেই মেলেনি, বরং তা কংগ্রেসী শাসকদের আদর্শ এবং প্রয়োজনের সাথেও মিলে গিয়েছে। * বর্ণ বাস্তব। শ্রমিক শ্রেণি বাস্তব। নাগা হওয়া বাস্তব। '''কিন্তু ভারত কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ!''' একইভাবে মুসলিম হওয়া অবশ্যই বাস্তব—ইসলামকে গ্রানাইট পাথরের মতো একটি অভিন্ন ব্লক হিসেবে দেখতে হবে এবং কথা বলতে হবে—... '''কিন্তু হিন্দুধর্ম? কেন, এমন তো কিছু নেই: এটি কেবল কিছু বিচ্ছিন্ন বিশ্বাস এবং আচারের সমষ্টি'''—... '''আর যে কেউ এর উল্টো কিছু দাবি করে, তাকেই এক ঐক্য চাপিয়ে দেওয়া অথবা অভিন্নতা তৈরি করার চেষ্টাকারী হিসেবে ফ্যাসিবাদী তকমা দেওয়া হয়।''' আমাদের প্রগতিশীল চিন্তাবিদরাই এগুলো বলে আসছেন। এক কথায়, কেবল খন্ডিত অংশগুলোই বাস্তব। আর পুরোটা কেবল একটি তৈরি করা ধারণা। এই চিন্তাবিদরা জোর দিয়ে বলেন যে ভারত কখনোই এক ছিল না—সাম্রাজ্য শাসনের উদ্দেশ্যে আর্যরা, মুঘলরা এবং ব্রিটিশরা বিভিন্ন মানুষ ও অঞ্চলকে একসাথে জুড়ে দিয়েছিল। যে কেউ সেই ধারণাকে—অর্থাৎ ভারতকে—আমরা কোন কাঠামোর অধীনে বাস করব তার মাপকাঠি হিসেবে ব্যবহার করতে চায়, তাকেই হিন্দু আধিপত্য কায়েম করার গোপন পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। * এটি এক অর্থে মেকলে-মিশনারি কৌশলেরই ধারাবাহিকতা এবং চূড়ান্ত রূপ। ব্রিটিশরা হিসাব কষে দেখেছিল যে ভারতকে জয় করতে এবং দখলে রাখতে হলে এদেশের মানুষের মূল ভিত্তিটাই দুর্বল করে দিতে হবে: আর তা হলো হিন্দুধর্ম এবং যা কিছু এর থেকে সৃষ্টি হয়েছে। তাই তারা খুব জেদ নিয়েই পাঁচটি বিষয়ের প্রতি মানুষের বিশ্বাস এবং শ্রদ্ধা নষ্ট করতে নেমেছিল: হিন্দুরা যেসব দেব-দেবীর পূজা করে; যেসব মন্দির ও মূর্তিতে তাদের অধিষ্ঠান; তাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থগুলো; যেসব ভাষায় সেই ধর্মগ্রন্থ এবং ঐতিহ্যের সবকিছু সংরক্ষিত—অর্থাৎ সংস্কৃত; এবং সেই গোষ্ঠী যাদের বিশেষ দায়িত্ব ছিল হাজার বছর ধরে এই জীবনধারাকে রক্ষা করা—অর্থাৎ ব্রাহ্মণরা। একই কৌশলের অন্য অংশটি ছিল খন্ডিত অংশগুলোকে উসকে দেওয়া—অহিন্দুরা, আঞ্চলিক ভাষাগুলো এবং সেই বর্ণ ও গোষ্ঠীগুলো যাদের সহজেই মিশনারি এবং সাম্রাজ্যের পথে আনা যাবে—যেমন সহজ-সরল উপজাতি এবং অস্পৃশ্যরা। * পরিস্থিতিটা এখন এইরকম: গত আধ শতাব্দী ধরে ভারতে যারা জনপরিসরের আলোচনায় আধিপত্য বিস্তার করেছে, নিয়ন্ত্রণ করেছে এবং অন্যদের আতঙ্কিত করে রেখেছে, তাদের হাতে এখন কোনো তথ্য বা যুক্তি অবশিষ্ট নেই। যারা তাদের ‘অভ্যন্তরীণ আলোচনার’ খবর রাখেন তারা এটি দেখতে পাবেন—তারা ক্রমশ আরও ছোট গণ্ডির মধ্যে কথা বলছেন; আর এই সংকুচিত হতে থাকা গণ্ডিতে তারা স্রেফ পুরনো বুলি আউড়ে যাচ্ছেন, সেখানে নতুন কোনো চিন্তা বা নতুন কোনো তথ্য নেই। আর আমরা যেমনটা দেখেছি, এটি আগে থেকেই ধারণা করা যায়: তাত্ত্বিক বুলিগুলোর পুনরাবৃত্তি করাই তাদের জন্য কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং যথেষ্ট। * ‘আমি নিজেই আপনার বইটির পর্যালোচনা করতে চাই,’ ওরশিপিং ফলস গডস সম্পর্কে আমাদের একটি প্রধান সংবাদপত্রের সম্পাদক বলেছিলেন। ‘কিন্তু আমি যদি এর প্রশংসা করি, তবে তারা আমার পেছনেও লাগবে। আমাকেও সাম্প্রদায়িক, উচ্চবর্ণের লোক—এইসব বলা হবে।’ ‘অসাধারণ অরুণ, এটা সত্যিই চমৎকার ছিল,’ একজন শীর্ষস্থানীয় ভাষ্যকার বলেছিলেন যিনি ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে একটি পর্যালোচনা লিখেছিলেন। ‘কিন্তু আপনি তো বোঝেনই, আমি ছাপার অক্ষরে এই সবকিছু বলতে পারিনি। তবে এটি সত্যিই অসাধারণ। আপনি এত পরিশ্রম করেন কীভাবে?’ এমনকি পর্যালোচক নির্বাচনের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যায়। কোনো বামপন্থীর লেখা বই হলে সম্পাদকরা ভিন্ন মতাদর্শের কাউকে সেটি দিতে দ্বিধা করেন: ‘তারা বলবে আমি ইচ্ছা করে একজন ডানপন্থীকে এটি দিয়েছি,’ সম্পাদকরা সম্ভবত এভাবেই ব্যাখ্যা দেন। অন্যদিকে, তারা যাকে ডানপন্থী বলে ঠিক করে রেখেছেন তেমন কারো বই হলে, তারা অন্য কোনো ব্র্যান্ডেড ডানপন্থীকে সেটি দিতে ভয় পান: ‘তারা আমাকে দোষ দেবে যে আমি ইচ্ছা করে এমন একজনকে বইটি দিয়েছি যে এর প্রশংসা করবেই,’ তারা অভিযোগের সুরে বলবেন। তাই এই ধরনের ক্ষেত্রে তারা ইচ্ছা করে বইটি এমন কাউকে দেন যে ‘এর নিন্দা করবেই’! * এছাড়াও আমাদের শেখানো হয় যে, আওরঙ্গজেবের মতো কেউ যখন মন্দির ধ্বংস করেন, তখন কী ঘটেছিল এবং কেন ঘটেছিল তা আন্দাজ করার ক্ষেত্রে আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে... আমাদের শেখানো হয় যে, দিল্লির কুওয়াত-উল-ইসলাম মসজিদের মতো প্রাথমিক স্মৃতিস্তম্ভগুলো নাকি ‘খুব দ্রুত’ তৈরি করতে হয়েছিল... এটি কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য! আর সেই ধর্মের কী হবে যা দাবি করে যে ধর্মীয় বিশ্বাসই সব এবং রাজনীতিকে ধর্ম থেকে আলাদা করা যায় না? আর এর নাম: কুওয়াত-উল-ইসলাম মসজিদ, মানে ইসলামের শক্তির মসজিদ? অবশ্যই ধরে নিতে হবে এটি স্রেফ নামমাত্র! আর লক্ষ্য করুন: ‘সহজলভ্য উপকরণগুলো সংগ্রহ করে যুক্ত করা হয়েছিল’, সেগুলো ‘স্পষ্টতই হিন্দু উৎস থেকে এসেছিল’—হয়তো সেই উপকরণগুলো এমনিই পড়ে ছিল; হয়তো মন্দিরগুলো আগেই নিজে নিজে ভেঙে পড়েছিল; হয়তো হিন্দুরা স্বেচ্ছায় তাদের মন্দির ভেঙে সেই উপকরণগুলো দান করেছিল? তাই নয় কি? সর্বোপরি তারা যে তা করেনি তার তো কোনো প্রমাণ নেই! আর তাই ‘লুণ্ঠিত’ শব্দটি বারবার উদ্ধৃতি চিহ্নের মধ্যে রাখা হয়! <br/> প্রকৃতপক্ষে আরও অনেক কিছু আছে। ইসলামি মসজিদ তৈরির জন্য হিন্দু মন্দিরের এই উপকরণগুলোর ব্যবহার নাকি ‘স্থানীয় কারিগরদের স্থাপত্যগত সংজ্ঞা ও খাপ খাইয়ে নেওয়ার একটি প্রক্রিয়ার অংশ ছিল, যা ইসলামি ব্যবহারের জন্য দক্ষিণ এশীয় স্থাপত্যের পরবর্তী উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য ছিল’। এর ফলে মূল দায়ভার গিয়ে পড়ে সেই ‘স্থানীয় কারিগর’ এবং তাদের ‘খাপ খাইয়ে নেওয়ার’ ওপর। ফলে কুতুব মিনার চত্বরের বৈশিষ্ট্যগুলো ‘স্থপতি এবং খোদাইকারদের একটি নতুন কর্মসূচির প্রতি সৃজনশীল প্রতিক্রিয়া’ হিসেবে তুলে ধরা হয়। একটি মসজিদ যেখানে স্পষ্টভাবে হিন্দু মন্দিরের স্তম্ভসহ অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে এবং যেখানে নির্দ্বিধায় ‘কেন্দ্রীয় গম্বুজের কাঠামোয় হিন্দু দেবতাদের খোদাই করা একটি লিন্টেল বা পাথরের কড়িকাঠ এমনভাবে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে ছবিগুলো দেয়ালের ভেতরের দিকে থাকে’, সেটি নাকি ‘কোনো নিয়ম ঠিক করার জন্য’ করা হয়নি। ‘বরং এটি স্থাপত্য, সজ্জা এবং সংশ্লেষণের ক্ষেত্রে সহযোগিতামূলক ও সৃজনশীল সম্ভাবনার দ্রুত অন্বেষণের উদাহরণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।’ এর বিপরীত সিদ্ধান্তগুলো নাকি ছিল ‘ভুল মূল্যায়ন’। আমরা নাকি ‘উদ্ধার করা অংশ’ দেখার ভুল করছি—কী চমৎকার একটি শব্দ, ‘উদ্ধার করা’: ওই অংশগুলো মন্দির ভেঙে পাওয়া যায়নি; সেগুলো ধ্বংসাবশেষ হিসেবে পড়ে ছিল এবং সময়ের সাথে সাথে নষ্ট হয়ে যেত; তার বদলে সেগুলোকে ‘উদ্ধার করা’ হয়েছে এবং নতুন পবিত্র ইমারতের অংশ হওয়ার মর্যাদা দেওয়া হয়েছে—‘উদ্ধার করা অংশ দেখার বদলে সেখানে সুস্থ সহযোগিতামূলক সৃজনশীলতা নতুন রূপ তৈরি করছে’। * তবুও এই সবকিছুর কোনোটিই আকস্মিক নয়। আমরা এই বইতে যেসব পাঠ্য পর্যালোচনা করেছি সেখানে দেখা যায়, এটি একটি নির্দিষ্ট ধারার অংশ। দেখা যায় ভারত নাকি একটি অতি সাম্প্রতিক ধারণা। এটি নাকি কোনো দেশ বা জাতি নয়। হিন্দুধর্ম একটি উদ্ভাবন হিসেবে প্রকাশ পায়—শব্দটি শুনে অবাক হলেন? কয়েক পৃষ্ঠা পড়লেই আর হবেন না—উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে ব্রিটিশদের তৈরি এক উদ্ভাবন। একই সাথে এটি নাকি সবসময়ই সহজাতভাবে অসহিষ্ণু। প্রাক-ইসলামি ভারত ছিল অন্যায় এবং শোষণের আখড়া। ইসলামি শাসন শোষিতদের মুক্তি দিয়েছিল। এই সময়েই ভারতের গঙ্গা-যমুনা সংস্কৃতি তথা ‘সমন্বিত সংস্কৃতি’ গড়ে উঠেছিল, যার প্রধান প্রবক্তা ছিলেন আমির খসরু এবং সুফি সাধকরা ছিলেন এর উৎস। এমনকি সেই সময়েও জাতীয়তাবোধ তৈরি হয়নি। এটি কেবল ব্রিটিশ শাসনের প্রতিক্রিয়ায় এবং পশ্চিম থেকে আসা চিন্তাভাবনার ফলে তৈরি হয়েছে। কিন্তু এটিও—অর্থাৎ দেশ বা জাতি হওয়ার বোধ যতটুকু ছিল—তা কেবল ভারতের উচ্চবিত্তদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কমিউনিস্টরাই সাধারণ মানুষকে সচেতন করেছে এবং তাদের মধ্যে এই ধারণাগুলো ছড়িয়ে দিয়েছে। <br/> এক কথায়, ভারত বাস্তব নয়—কেবল এর অংশগুলোই বাস্তব। শ্রেণি বাস্তব। ধর্ম বাস্তব—আমাদের ধর্মের সাধারণ এবং বিশেষ সূত্রগুলো নয়, বরং ধর্মের সেই দিকগুলো যা আমাদের বিভক্ত করে এবং নিশ্চিত করে যে আমরা একটি জাতি বা দেশ নই, সেই উপাদানগুলোই বাস্তব। বর্ণ বাস্তব। অঞ্চল বাস্তব। ভাষা বাস্তব—আসলে এটি ভুল: যুক্তি হলো সংস্কৃত ছাড়া অন্য ভাষাগুলো বাস্তব; সংস্কৃত মৃত এবং বিলুপ্ত; যাই হোক, হোরেশ উইলসন হাউস অফ কমন্স সিলেক্ট কমিটিতে যেমন বলেছিলেন যে এটিই দেশের অন্যান্য ভাষার ভিত্তি এবং জীবন্ত ভিত্তি ছিল, তা সত্ত্বেও একে উচ্চবিত্তদের সংরক্ষিত এলাকা এবং আধিপত্য ও শোষণের হাতিয়ার হিসেবে দেখানো হয়েছে; এটি নাকি অসহায় জনসাধারণের মধ্যে মিথ্যা চেতনা টিকিয়ে রাখার একটি মাধ্যম ছিল। * পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ ১৯৮৯ সালে নির্দেশ জারি করেছিল যে ‘মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না।’ * অযোধ্যায় তাদের প্রতারণামূলক ভূমিকা—যা শেষ পর্যন্ত অন্য কারো চেয়ে তাদের মক্কেলদেরই বেশি ক্ষতি করেছে—তা ছিল কেবল একটি লক্ষণ মাত্র। পঞ্চাশ বছর ধরে এই দলটি তথ্য গোপন করছে এবং মিথ্যা উদ্ভাবন করছে। আইসিএইচআর-এর সেই উদ্দেশ্য—আমাদের অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ এবং যৌক্তিক গবেষণার প্রসার ঘটানো—সেটি নিয়ে আজ তারা কতই না চিন্তিত হওয়ার ভান করছে! তাদের এই উদ্বেগ কীভাবে ১৯৮৯ সালে তাদের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া নির্দেশিকার সাথে মেলে যা আউটলুক নিজেই উদ্ধৃত করেছিল—‘মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না?’ কিন্তু বৌদ্ধ বিহার ধ্বংসের পাইকারি মিথ্যাচার এবং অস্তিত্বহীন ‘আর্য আক্রমণ’ সম্পর্কে তাদের তথ্যগুলো অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক—এগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলা মানেই হলো সাম্প্রদায়িক বা উগ্র জাতীয়তাবাদী হওয়া! আইসিএইচআরের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করা যথেষ্ট খারাপ ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটি ছিল একটি কৌশল মাত্র। এই ‘ঐতিহাসিকদের’ প্রধান অপরাধ হলো এই পক্ষপাতিত্ব: সত্য গোপন করা এবং মিথ্যা প্রচার করা। * সংবাদমাধ্যম তাদের প্রচেষ্টার এবং এই ক্ষেত্রে তাদের অর্জিত দক্ষতার একটি তৈরি উদাহরণ। তারা তাদের সদস্য এবং সমর্থকদের সাংবাদিকতায় নিয়ে আসার জন্য যত্ন নিয়েছেন। আর সাংবাদিকতার মধ্যে তারা ক্ষুদ্র গণ্ডিগুলোতেও মনোযোগ দিয়েছেন। বইয়ের কথাই ধরুন। তাদের কারো একটি বই কোনো পত্রিকায় পৌঁছানোর সাথে সাথেই সেটি পর্যালোচনার জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত ব্যক্তিদের নামের পরামর্শ চলে আসে। আমি যেমনটা বলেছি, যে সম্পাদক আপত্তি করেন এবং বইটি ভিন্ন মতাদর্শের কারো কাছে পাঠাতে চান তাকে দোষী মনে করানো হয়, যেন তিনি ইচ্ছা করে একটি পক্ষপাতদুষ্ট ও নেতিবাচক পর্যালোচনা নিশ্চিত করছেন। তাদের তালিকা থেকে কাউকে বেছে নেওয়া যে একটি পক্ষপাতদুষ্ট প্রশংসা নিশ্চিত করতে পারে, তা নিয়ে কোনো কথা বলা হয় না। প্রচলিত জনমতের চাপ এতটাই বেশি এবং সম্পাদকরা এড়ানো সম্ভব এমন ঝামেলা এড়াতে এতটাই উদগ্রীব যে, তারা দ্রুত প্রস্তাবিত নামগুলোর মধ্যে একজনকে বেছে নেন... <br/> গত পঞ্চাশ বছর ধরে সংবাদপত্র ও সাময়িকীর বইয়ের পাতাগুলো লক্ষ্য করলেই আপনি দেখতে পাবেন যে এই সাধারণ কৌশলটি কত বড় প্রভাব ফেলেছে। প্রকাশনা সংস্থাগুলোতে তাদের লোকজন গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে ছিল: আর তাই তাদের ধরণের বইগুলোই প্রকাশিত হতো। এরপর তারা একে অপরের বই পর্যালোচনা করত এবং পাঠ্য হিসেবে নির্দিষ্ট করত। এই সব প্রকাশনা এবং পর্যালোচনার ভিত্তিতে তারা একে অপরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং এ জাতীয় জায়গায় পদ পাইয়ে দিতে সক্ষম হতো... এমনকি যেসব প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব সম্পর্কে আমাদের বেশিরভাগের কোনো ধারণাই নেই, সেগুলোকেও ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। আমাদের মধ্যে কতজন সরকারের এমন একটি সংস্থার কথা জানেন যা সরকারি এবং অন্যান্য লাইব্রেরির জন্য পাইকারি বই কেনা নির্ধারণ করে? কিন্তু তারা জানে! তাই আপনি যদি লক্ষ্য করেন যে এই সংস্থাটি বছরের পর বছর ধরে কোন ধরণের বইয়ের অর্ডার দিচ্ছে, তবে আপনি সেগুলোকে প্রায় একচেটিয়াভাবে লাল এবং গোলাপি ঘরানারই পাবেন... <br/> এভাবে তাদের বইগুলো প্রকাশের জন্য নির্বাচিত হয়। তারা একে অপরের বই পর্যালোচনা করে। এর মাধ্যমে সুনাম তৈরি হয়। এর মাধ্যমে পদ দখল করা হয়। ছাত্রদের একটি নতুন প্রজন্ম একই চশমা পরে বড় হয়—আর এর অর্থ হলো সংবাদমাধ্যমে আরও একটি প্রজন্মের তৈরি হওয়া, আমলাতন্ত্রের আরও একটি প্রজন্ম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আরও একটি প্রজন্ম... * আমাদের উচিত দালাই লামার উদাহরণটি সামনে রাখা। তিনি ধ্যানের ওপর একটি তিব্বতি গ্রন্থের ওপর বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি একটি বাক্য পড়লেন, হাসলেন এবং মন্তব্য করলেন, ‘সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বগুলো লজ্জাজনক! এগুলো ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত!’ তিনি পরামর্শ দেন যে আমাদের কাছে সবসময় একটি ঝুড়ি রাখা উচিত—যা কিছু আমাদের বর্তমান জ্ঞানের সাথে মেলে না, সেগুলো সেই ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া উচিত। ‘বৌদ্ধধর্মকে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে,’ তিনি এটাই শেখান। সেই অনুযায়ী তিনি বৌদ্ধ গ্রন্থগুলোকে সূক্ষ্ম পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করেছেন। (...) এটি নিজের ঐতিহ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসকেই তুলে ধরে। এটিই হলো ঐতিহ্যের প্রকৃত সেবা। এতে থাকা ‘অমূল্য রত্ন’ ভবিষ্যতের জন্য রক্ষা করার উপায় এটিই। * কিন্তু আজ বৌদ্ধধর্মের বিলুপ্তির কারণ হিসেবে হিন্দুদের দ্বারা বৌদ্ধদের ওপর নির্যাতন এবং হিন্দুদের দ্বারা তাদের মন্দির ধ্বংসের কথা বলাটা একটি ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। একটি বিষয় হলো, যেসব মার্ক্সবাদী ঐতিহাসিক এই মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছেন তারা এই মনগড়া কাহিনী প্রমাণ করার জন্য সামান্যতম তথ্যও হাজির করতে পারেননি। একটি সাধারণ উদাহরণে রোমিলা থাপার তিনটি শিলালিপি উদ্ধৃত করেছিলেন। নিরলস কর্মী [[সীতরাম গোয়েল]] সেগুলো পরীক্ষা করে দেখেন। এর মধ্যে দুটির সাথে বৌদ্ধ বিহার বা সেগুলো ধ্বংসের কোনো সম্পর্কই পাওয়া যায়নি এবং যেটিতে একটি বস্তু ধ্বংসের কথা ছিল, সেটি বিশেষজ্ঞদের মতে ছিল একটি জাল শিলালিপি; যাই হোক না কেন, সেখানে যা বলা ছিল তা ওই ঐতিহাসিকের ইঙ্গিতের চেয়ে দিন আর রাতের মতো আলাদা ছিল। * সংলগ্ন পৃষ্ঠাগুলোতে দুটি কলাম আছে: অশুদ্ধ এবং শুদ্ধ। প্রগতিশীলরা ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে তাদের ‘বস্তুনিষ্ঠ’ এবং ‘যৌক্তিক’ পদ্ধতির মাধ্যমে কী অর্জন করার চেষ্টা করছেন তা এই পরিবর্তনগুলোর দিকে চোখ বুলালেই বোঝা যায়। * এভাবে কেবল সত্য গোপনই নয়, বরং আজেবাজে কথা প্রচারও করা হচ্ছে। ;বইটি সম্পর্কে * ‘বাম-উদারপন্থী’ বা ‘প্রগতিশীল’ ঐতিহাসিকদের প্রথম বড় সমালোচনা করেছিলেন অরুণ শৌরি, বিশেষ করে তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা আইসিএইচআর-এর অবস্থা নিয়ে। ** ডি. কে. চক্রবর্তী, ন্যাশনালিজম ইন দ্য স্টাডি অফ এনশিয়েন্ট ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি (আরিয়ান বুকস ইন্টারন্যাশনাল, দিল্লি)।[https://koenraadelst.blogspot.com/2021/02/a-case-of-good-nationalism-dk.html] * "বিশিষ্ট ঐতিহাসিকগণ" হলো সেই শব্দ যা দিয়ে তারা একে অপরকে ডাকে এবং তাদের ভক্তরা তাদের এই নামেই ডাকে। যখন কোনো প্রতিপক্ষের যুক্তির উত্তর তাদের কাছে থাকে না, তখন তারা তাকে যথেষ্ট ‘বিশিষ্ট’ নয় বলে দম্ভের সাথে উড়িয়ে দেয়। তাই অরুণ শৌরি যখন এই খাতের কিছু অপব্যবহার নিয়ে লিখেছিলেন, তখন তিনি তার বইয়ের নাম দিয়েছিলেন এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস। এটি ঔপনিবেশিক যুগের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে লেখা একটি পুরনো বই এমিনেন্ট ভিক্টোরিয়ানসের নাম নিয়ে করা একটি শব্দকৌতুকও বটে। ** এলস্ট, কে. [https://koenraadelst.blogspot.com/2016/05/interview-in-monthly-swarajya.html সাক্ষাৎকার, স্বরাজ্য, মে ২০১৬)] ===২০০০-এর দশক=== ==== ''হারভেস্টিং আওয়ার সোলস: মিশনারিস, দেয়ার ডিজাইন, দেয়ার ক্লেইমস'' (২০০০) ==== * আপনি যদি ১৯৯৮ সালের শেষ এবং ১৯৯৯ সালের শুরুর দিকে ভারতে থাকতেন এবং ইংরেজি মাধ্যমের "জাতীয়" সংবাদপত্রগুলো যদি আপনার খবরের উৎস হতো, তবে আপনি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতেন যে একটি ব্যাপক এবং সুসংগঠিত গণহত্যা চলছে; উন্মত্ত হিন্দু গোষ্ঠীগুলো ঘুরে ঘুরে সন্ন্যাসিনীদের ধর্ষণ করছে, মিশনারিদের ওপর আক্রমণ করছে এবং গির্জা পুড়িয়ে দিচ্ছে। (পৃষ্ঠা ৭) * শেষ পর্যন্ত দেখা গেল যে সত্যিই একটি চক্রান্ত ছিল এবং সেটি ছিল একটি সাম্প্রদায়িক চক্রান্ত। পুরো বিষয়টিই ছিল একটি সাজানো গল্প—তাদের দ্বারা যাদের লক্ষ্য হলো হিন্দুদের উন্মত্ত সাম্প্রদায়িক হিসেবে চিত্রিত করা এবং আরএসএস, বিজেপি ইত্যাদিকে এমন এক সংগঠন হিসেবে তুলে ধরা যারা একটি "গণহত্যা" পরিচালনা করছে। জাস্টিস ওয়াধওয়া নথিবদ্ধ করেছেন, "তদন্তে প্রকাশ পেয়েছে যে সিস্টার মেরি এফআইআরে যা বলেছিলেন তা সত্য ছিল না। এটি একটি বানানো গল্প ছিল। তদন্তে দেখা গেছে যে বাস্তবে সিস্টার মেরির সাথে কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি... পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল বি.বি. পান্ডা জানিয়েছেন যে 'সন্ন্যাসিনী ধর্ষণ'-এর ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে এমনভাবে প্রচার করা হয়েছিল যেন এটি খ্রিস্টানদের ওপর একটি আক্রমণ, যদিও বাস্তবে তা সত্য ছিল না এবং মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।" (৯-১০) * ঘটনাগুলোর সত্যতা এবং সেগুলোকে যেভাবে তুলে ধরা হয়েছিল তার মধ্যেকার এই পার্থক্য আমাদের সংবাদপত্র এবং টিভি চ্যানেলগুলোকে সতর্ক করা উচিত যেন তারা তথ্য যাচাই না করে হুট করে কোনো খবর প্রচার না করে। বিশেষ করে, তাদের কেবল সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানো ব্যক্তিদের অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে চলা উচিত নয়। (১৩) * অর্থ থেকে শুরু করে আদর্শ কিংবা অতি নিম্নমানের রাজনীতি—মিথ্যা অপবাদ তৈরির পেছনে বিভিন্ন গোষ্ঠীর বিভিন্ন কারণ থাকে। এদের মধ্যে অনেকগুলো খুব সুসংগঠিত; এমনকি আমরা দেখতে পাব যে কারো কারো বিশ্বজুড়ে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক আছে। তারা অত্যাচারের গল্প তৈরিতে এবং সেগুলো বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিতে অত্যন্ত দক্ষ হয়ে উঠেছে এবং তাদের এই উদ্ভাবনগুলোকে লাভজনক কাজে ব্যবহার করছে। (১৩) * হিন্দু নারীদের মধ্যে কাজ করাকে উচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে, তারা বলেন, "যেহেতু তারা এই ধর্মের রক্ষক"... (৬২) ==== ''সেল্ফ-ডিসিপশন: ইন্ডিয়াস চায়না পলিসিস; অরিজিনস, প্রিমিসেস, লেসনস'' (২০০৮) ==== :অরুণ শৌরি - সেল্ফ-ডিসিপশন: ইন্ডিয়াস চায়না পলিসিস; অরিজিনস, প্রিমিসেস, লেসনস-হার্পার কলিন্স (২০০৮, ২০১৩) * ২০০৮ সালের বেইজিং অলিম্পিকের ঠিক আগের মাসগুলোতে লাসায় তিব্বতিদের বিক্ষোভ দমনে চীন সরকার যে নির্মমতা—তাদের চিরকালীন স্বভাবসিদ্ধ নির্মমতা—দেখিয়েছিল, তা আবারও সেই বিশাল অপরাধের দিকে বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছিল যা পৃথিবী দেখতে অস্বীকার করেছে। তারা পরিকল্পিতভাবে একটি আস্ত জাতিকে তাদের নিজেদের মাটিতেই সংখ্যালঘু বানিয়ে ফেলেছে; তাদের ওপর অকথ্য নিষ্ঠুরতা চালানো হচ্ছে; একইভাবে পরিকল্পিতভাবে তাদের ধর্ম এবং প্রাচীন সভ্যতা মুছে ফেলা হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন শহরের তিব্বতিরা যে বিক্ষোভ করেছে এবং তাদের সাথে ওই দেশগুলোর বহু সাধারণ মানুষ যেভাবে যোগ দিয়েছে, তার ফলও একই হয়েছে।<br>দিল্লিতে মনমোহন সিং সরকার যা করেছিল তেমনটি বিশ্বের অন্য কোনো সরকার করেনি। আমাদের সরকার যতটা ভীরু এবং আতঙ্কিত হয়ে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল, তেমনটি আর কেউ দেখায়নি। অলিম্পিক মশাল মাত্র দুই কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়ার কথা ছিল—বিজয় চক থেকে ইন্ডিয়া গেট পর্যন্ত। সরকার সেই সামান্য রাস্তার ওপর এবং তার চারপাশে বিশ হাজারেরও বেশি সৈন্য, আধাসামরিক বাহিনী, পুলিশ এবং সাধারণ পোশাকে গোয়েন্দা মোতায়েন করেছিল। তিব্বতি শরণার্থীদের মারধর করা হয়েছিল এবং বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল। সরকারি অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। রাস্তাঘাট বন্ধ ছিল। মেট্রো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এমনকি পার্লামেন্ট সদস্যদেরও পার্লামেন্ট সংলগ্ন চত্বর বিজয় চক দিয়ে তাদের বাড়িতে যেতে বাধা দেওয়া হয়েছিল।<br>আপনার কি মনে হয় অলিম্পিকের প্রতি ভালোবাসার কারণে এই সবকিছু করা হয়েছিল?<br>না, এসব করা হয়েছিল চীনের ভয়ে। * ‘দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি’ এবং ‘বৃহত্তর বিবেচনা’—এই শব্দগুলো পণ্ডিতজির খুব পছন্দের ছিল। যখনই সে প্রথম শব্দটি ব্যবহার করত, আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন যে সে আসলে পিছু হটার জন্য ক্ষেত্র তৈরি করছে। আর যখনই সে দ্বিতীয় শব্দটি ব্যবহার করত, আপনি নিশ্চিত হতে পারেন যে সে নির্দিষ্টভাবে দেশের স্বার্থ বিসর্জন দেওয়ার জন্য ক্ষেত্র তৈরি করছে। * মনে করে দেখুন, সে তিব্বতিদের কী বলেছিল—ভারত কূটনৈতিকভাবে সাহায্য করবে। এখন সেই সাহায্যের মানে দাঁড়াল এই যে, চীন যখন তিব্বতকে পিষে ফেলছে তখন ভারত চীনকে খুশি রাখবে, যাতে তারা তিব্বতকে আরও দ্রুত পিষে ফেলতে না পারে। * এই ধরণের যুক্তি থেকে যে প্রায়োগিক সিদ্ধান্ত বের হয় তা আমরা দেখতে পাই। যেহেতু মূল অগ্রগতি এখন থমকে গেছে, তাই আমাদের কিছু করার নেই। যখন মূল অগ্রগতি আবার শুরু হবে, তখন পুরো চিত্রটি পরিষ্কার হবে না। যখন তা সম্পন্ন হবে এবং জায়গাটি পুরোপুরি দখল হয়ে যাবে, তখনও আমাদের কিছু করার থাকবে না কারণ ততক্ষণে জায়গাটি দখল হয়ে গেছে। আমাদের কিছু করা বা বলা কেবল দখলদারদের রাগিয়ে দেবে এবং এর ফলে বেচারা তিব্বতিদের আরও বেশি কষ্ট হবে! * অর্থাৎ সে অনেক লম্বা চওড়া কথা বলে, কিন্তু সদস্যরা যেসব নির্দিষ্ট বিষয় তুলেছেন তার কোনোটিই সে প্রায় স্পর্শ করে না। * সে যেসব দৃষ্টিভঙ্গিকে অপছন্দ করে সেগুলো নাকি সবসময় ভারসাম্যহীন; অথবা অতীতের চিন্তায় আটকে থাকা; অথবা কোল্ড ওয়ার বা ঠান্ডা লড়াইয়ের ধাঁচে গড়া; অথবা কেবল ব্যক্তিগত এবং আবেগপূর্ণ... * ভারতের আমন্ত্রণে দালাই লামা ভারতে এসেছেন। নেহরু ১৯৫৬ সালের ২৬ এবং ২৮ নভেম্বর তার সাথে দেখা করে। দালাই লামা অত্যন্ত বিচলিত ছিলেন। নেহরু তাদের আলোচনার মূল বিষয়গুলো লিখে রাখে। দালাই লামা জানান যে তিব্বতে চীনের সৈন্য সংখ্যা ১,২০,০০০; ঠিক যে সংখ্যাটির কথা বলার জন্য আপা পান্তকে নেহরু তিরস্কার করেছিল। আলোচনা নিয়ে নেহরুর নোটের একটি অনুচ্ছেদে পররাষ্ট্র সচিব সুবিমল দত্ত যোগ করেন: ‘দালাই লামা সাহায্যের জন্য ভারতের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর উত্তর ছিল যে, অন্যান্য বিবেচনার বাইরে ভারত তিব্বতকে কোনো কার্যকর সাহায্য দেওয়ার মতো অবস্থায় নেই; অন্য কোনো দেশের পক্ষেও তা সম্ভব নয়। দালাই লামার উচিত হবে না ভূমি সংস্কারের বিরোধিতা করা।’ সাহায্যের বদলে নেহরু উপদেশ দেয়। সে তার দেওয়া উপদেশগুলো লিখে রেখেছে: ‘দালাই লামার উচিত হবে সংস্কারের নেতা হওয়া। আমাদের সাহায্য করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো চীনের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা, তা না হলে চীন তিব্বত নিয়ে আমাদের উদ্দেশ্যকে ভয় পেতে পারে।’ একটি অজুহাত এবং তা বেশ দাম্ভিক এক অজুহাত—‘তা না হলে চীন তিব্বত নিয়ে আমাদের উদ্দেশ্যকে ভয় পেতে পারে।’ * এই ছোট বইটির মূল উদ্দেশ্য হলো নেহরুর নিজের কথাতেই ভারতের চীন-নীতির বিবর্তন তুলে ধরা এবং এটি দেখানো যে কীভাবে সেই ধারণা এবং অভ্যাসগুলো আজও আমাদের বিপদে ফেলছে, তাই আমি টীকাগুলো ন্যূনতম রাখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু চীন সম্পর্কে নেহরু যা করেছে, বলেছে এবং লিখেছে তার ভাষাগত এবং মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ হওয়া প্রয়োজন! কারণ তার অবস্থান, তার কথা এবং তার যুক্তিগুলো তার অভ্যাস ও মানসিক প্রক্রিয়ার মধ্যেই প্রোথিত। কেবল তার ধারণা এবং সিদ্ধান্তগুলোই নীতি-নির্ধারকদের মধ্যে টিকে নেই, বরং সেই অভ্যাস ও মানসিক প্রক্রিয়াগুলোও টিকে আছে। ১৯৫০-এর দশকে নেহরুর সেই অভ্যাসগুলো নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলেনি কারণ আমাদের জীবনে ও চিন্তাধারায় তার অবস্থান ছিল অনেক উঁচুতে। আজ সেই একই অভ্যাসগুলো নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলে না—তবে কারণটা অন্য: আলোচনার মান এখন এতটাই নিচে নেমে গেছে যে কোনো ধারণা বা সিদ্ধান্ত ঠিকমতো যাচাই করা হয় না। একটি উদাহরণ দিলে এর ফলাফল বোঝা যাবে। যেসব অভ্যাস এখনো টিকে আছে, তার মধ্যে একটি বিশেষভাবে ক্ষতিকর কারণ এটি অবচেতনভাবে সবকিছু মেনে নেওয়াকে জায়েজ করে দেয়। এটি হলো কোনো চিন্তা বা বাক্যের মাঝে এমন কিছু ঢুকিয়ে দেওয়া যা আপনাকে বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়া থেকে রেহাই দেয়। আমরা পণ্ডিত নেহরুর লেখা এবং কথায় প্রতিটি পদে এটি দেখতে পাই। ... * মাও জেদং, চৌ এন-লাই এবং অন্যদের ভারত ও ভারতীয়দের প্রতি থাকা ঘৃণাও নিশ্চিতভাবে এর একটি বড় কারণ। চীনা নেতাদের একের পর এক কথোপকথনে এটি বারবার ফুটে উঠেছে। চৌ এবং কিসিঞ্জার একমত হন যে পূর্ব পাকিস্তানে সমস্যার মূল কারণ হলো ভারত; ভারত যাতে এগোতে না পারে সেজন্য চীন এবং আমেরিকার একসাথে কী করা উচিত সে বিষয়ে তারা একমত হন; তারা কেবল ‘ভারতীয় ঐতিহ্য’—প্রতারণা, অন্যকে দোষারোপ করা—নিয়েই একমত হননি, বরং ভারতীয় চরিত্র নিয়েও একমত হন যা অকৃতজ্ঞতা দিয়ে চিহ্নিত। কিসিঞ্জার যখন পরবর্তীতে জাতিসংঘে চীনের স্থায়ী প্রতিনিধি হুয়াং হুয়া-র সাথে কথা বলেন, তখন এই ঘৃণা এবং বোঝাপড়া আরও স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। সেখানে তিনি হুয়াংকে অনুরোধ করেন যেন সে চৌ এন-লাইকে আশ্বস্ত করে যে, চীন যদি পাকিস্তানকে বাঁচাতে ভারতকে আক্রমণ করে তবে আমেরিকা সোভিয়েত ইউনিয়নকে সামলে রাখবে। নিক্সন, পম্পিডু এবং কিসিঞ্জার বিশ্বের অবস্থা নিয়ে আলোচনা করছেন। নিক্সন চীনাদের দৃষ্টিভঙ্গি এভাবে সংক্ষেপে তুলে ধরেন: ‘...তাদের প্রতিবেশীদের সম্পর্কে চীনাদের মনোভাব এভাবে বলা যেতে পারে। রাশিয়ানদের তারা এখন ঘৃণা করে এবং ভয় পায়। জাপানিদের তারা পরে ভয় পাবে কিন্তু ঘৃণা করে না। ভারতীয়দের তারা চরম অবজ্ঞা করে কিন্তু ভারতীয়রা সেখানে আছে এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন তাদের সমর্থন দিচ্ছে।’ ===2010s=== *I don't see the difference between the two. I feel they (the BJP and the Congress) are one party. They are jointly ruling. It is a dinner party. They meet at dinners. They meet socially. They decide on what has to be done about issues. <br>First, the media should write about itself. It is extremely short-sighted about the media to black out these things. The Mitrokhin Archives revealed how (the then Soviet intelligence agency) the KGB boasted that they were able to plant 400 stories in such and such Indian newspapers. The Indian media blacked it out. Then, privatetreaties of The Times of India that other people have now adopted has been completely blacked out.... When the Press Council of India was forced to appoint a committee to look into the allegations about 'paid news', the Press Council itself suppressed the report. **[https://www.rediff.com/news/report/interview-arun-shourie-on-the-real-meaning-of-the-radia-tapes1/20101201.htm Interview] 2010 ====''Falling Over Backwards'' (2012) ==== *The first derailment was caused by plucking the words ‘of their choice’ out of context, by tearing them away from the object for which Articles 29 and 30 gave minorities the right to set up and administer institutions. A normal engineering college or a college of dentistry can by no stretch be taken to be an institution that has been set up to help conserve the language, script or culture of the minority. Yet, provided the engineering or dentistry college has been set up by members of a minority, it was presumed to enjoy the protection of Articles 29 and 30, and thereby be beyond the reach of the state. *The result has been as predictable as it is iniquitous and absurd: if Ram Sharan sets up an engineering college, the state as well as the university concerned can prescribe all sorts of things it must do; if Mohammed Aslam sets up an exact clone of that engineering college across the road, teaching exactly the same subjects, using exactly the same textbooks, neither the state nor the university can regulate its functioning! *On the other hand, when sticking to the text is what will advance the judgment, they become strict constructionists. Some of the most conspicuous instances of this can be found in judgments relating to Article 30, the article that deals with the ‘right of minorities to establish and administer educational institutions’. The country had been partitioned on the cry that Muslims will never be secure in a united India. The framers were naturally keen to reassure the minorities that they would be free to preserve their religion, language and culture. Accordingly, Article 29 was enacted guaranteeing them and assuring them of this freedom. In case they wanted to set up institutions for safeguarding their language, culture, religion, Article 30 was enacted assuring them that ‘All minorities, whether based on religion or language, shall have the right to establish and administer educational institutions of their choice.’ The context made the purpose clear: minorities would have the freedom to set up such institutions as they thought would best preserve their culture, religion, language. But, given what has been the climate of discourse since the framing of the Constitution, the judges became literalists. Minorities would have the right to set up and manage ‘educational institutions of their choice’ irrespective of the purpose for which the institution was set up. Thus, engineering colleges and dental colleges set up by a family of, say, Muslims would have freedoms from state regulation and oversight that engineering and dental colleges set up by run-of-the-mill Indians would not. *Now, these are not stray phrases thrown in to light up a purple passage. They are stances, they are standpoints that indicate the direction in which that judgment will go, they are signposts which tell us where the reasoning being advanced in the text will eventually end. Such formulations have a significance beyond the particular judgment in which they figure. Succeeding benches can strike the same pose and gallop further in the same direction. *We comfort ourselves: at least, the virus of reservations has not got into judicial appointments; at least, reservations have not been extended to Muslims and Christians. Both notions are just make-believe. *As for reservations not having been extended to members of religions that repudiate caste – Islam, Christianity, Sikhism – again, that is but make-believe. The chairman of the Minorities Commission, my friend Tarlochan Singh, sends me a list of fifty-eight castes and of fourteen tribal groups, Muslim members of which have been given reservations. Even those who convert to one of these religions, continue to remain entitled to reservation. The rule in Tamil Nadu is that if the name of the father falls in the lists of Backward Castes/Most Backward Castes/Scheduled Castes/Scheduled Tribes, then, even if the person has converted to another religion, he remains entitled to reservations. In Gujarat, members of Backward Castes continue to avail of not just reservations but even of advantages under the roster system after conversion – 137 castes and sub-castes have been listed as socially and educationally backward in the state; of these, twenty-eight belong to the Muslim community. In Karnataka, ‘caste at birth’ is the norm. In UP, several Muslim castes are included in the reservation list – Lalbegi, Mazhabis, even Ansaris. The position is no different in Madhya Pradesh, in West Bengal. The Indian Express correspondent in Kolkata reports that the government of the ostentatiously secular CPI(M) strained to have reservations in government service as well as educational institutions extended to Muslims qua Muslims, and directed the state Minorities Commission to ascertain how such reservation had been decreed in Andhra Pradesh. The plan has had to be deferred for the time being, he writes, Only because the Andhra Pradesh High Court has struck down the Andhra order as unconstitutional. *Even as moves are afoot to get the Andhra judgment reversed, the government has directed the armed forces to count soldiers and officers by their religion. Nor is this move an inadvertence. It has arisen as a result of a committee that the government has appointed under a former chief justice of Delhi, Rajinder Sachar -each member of which has been carefully selected for his ‘secular’ beliefs. Each term of reference on which it is to supply information and make recommendations, as we noted at the outset, has been just as carefully selected to justify reservations and other concessions to Muslims as a religious group. *With elections looming, in January 2006, the Government of Kerala announced another ‘package’ of reservations for backward castes and for Muslims: service rules of the state shall be altered to permit direct recruitment of these sections so as to fill the 40 per cent quota that has been set aside for them; if suitable candidates are not available from these sections, the vacancies shall not be filled by merit; the state Public Service Commission shall prepare an ‘additional supplementary list’ so that the vacancies may be filled only by these sections; 20 per cent of the seats shall be reserved for these castes in graduate and postgraduate courses in government colleges; the chief minister will himself monitor the implementation of the reservation policy; there shall be a permanent commission to ensure that reservations are fully filled... *With elections upon them, the DMK and its allies announced in Tamil Nadu that, once in office, they will bring forth legislation to give reservations to Muslims and Christians. *The Jharkhand government, in turn, has announced that members of thirty-two tribes that are the most backward – literacy level among nine of them is said to be just 10 per cent – shall be directly recruited into government service; those among them who pass the graduation examination shall not have to take the qualifying examination which all others who enter government service have to take. *And beware, the progressive judges have already put out the basis for extending reservations to Muslims or Christians as Muslims and Christians. The word that the Constitution uses is ‘communities’, the word it uses is ‘classes’, Justices Jeevan Reddy, Sawant and Thommen hold in Indra Sawhney. ‘Community’ and ‘class’ are wider than ‘caste’, they say. So, entities wider than ‘caste’ can certainly be subsumed under them, they say – the only proviso being that the groups so identified be ‘backward’. Second, in spite of the teachings of Islam, Christianity and Sikhism, castes persist in these religions also, they explain in justification. As that is the reality, it would be invidious to restrict access to reservations to the backward sections of Hindus alone...3 *How far we have descended! Today progressives dress up their casteism as secularism! The benefits of reservation shall be extended to Muslims and Christians also, they proudly announce. In Andhra the decision of the government has had to be twice struck down by the courts – the government had decreed reservations for Muslims qua Muslims. Even as moves are afoot to get that judgment reversed, the Central government directed the armed forces to count soldiers and officers by their religion. Nor was the move an inadvertence. It arose as a result of a committee that the government had appointed under a former chief justice of the Delhi High Court. Each member of the committee has been carefully selected for his ‘secular’ and ‘progressive’ beliefs. Each term of reference on which the committee has been asked to supply information and make recommendations has been just as carefully selected to justify reservations and other concessions to Muslims as a religious group: *Every single item betrays the singular purpose of the whole exercise–to provide the rationale for extending reservations to Muslims. Nor is that opportunism confined to the present ruling coalition. In the run-up to the 2005 elections in Bihar, rival groups were vying with each other promising reservations for Muslims qua Muslims. *The object of the framers of the Constitution was, as ours must be, quite the opposite. It was to wipe out the cancer of caste even from Hindu society. Only with the greatest reluctance did they agree to allow reservations for the Scheduled Castes and Tribe – for they felt that doing even this much would perpetuate caste distinctions. The reservations were, therefore, to be exceptions to the general rule. ===2020s=== ====''Preparing: For Death'', 2020==== *One must reflect deeply on the nature of the adversity, and on how it may be converted into an instrument for growth. The routine Gandhiji set for himself was always so much stricter and so much more demanding than anything that a jailer would have thought of imposing on anyone. Similarly, picture Vinoba in solitary confinement in that cell, 8 feet by 9 feet in dimension: how he converts imprisonment into ashram life; how in that tiny space, in forced and complete isolation, he retains his mental discipline by meditating for two to three hours every day; how he disciplines himself physically by walking every day for eight hours inside that suffocating cell, and thereby covering ten miles—covering ten miles in a cell 8 feet by 9 feet every single day! In both cases, control remained in the hands of the prisoner, not the jailer—a very important factor in dealing with adversity. ** Arun Shourie, ''Preparing: For Death.'' Penguin Random House India Private Limited, 2020. ISBN 935305978X, 9789353059781 *The rituals—for instance, those we go through during a marriage ceremony—were devised to imbed certain values into us: the experience of centuries had led thoughtful persons to see that going through those steps, that reciting those mantras and reflecting on them would help us internalize those values, and mould our lives accordingly. But what do we do today? First, we outsource the ritual—to a pandit, say. As he goes through the motions prescribed for solemnizing a marriage, as he chants those mantras, we don’t have a clue about the meaning of the words that he is reciting, nor of the steps—‘Now pour some water on the earth, and then on . . .’ Nor do we care: ‘Panditji, puja zaraa jaldi khatam kar deejiye. Guest dinner ke liye wait kar rahen hain’—‘Panditji, please conclude the puja a bit quickly. The guests are waiting for dinner.’ ** Arun Shourie, ''Preparing: For Death.'' Penguin Random House India Private Limited, 2020. ISBN 935305978X, 9789353059781 ==Quotes about Arun Shourie== *In the end, India had to wait till 1998 for Arun Shourie’s Eminent Historians to be published. This book uncovered in detail after ghastly detail, this multi-layered assault on the national psyche that has disfigured the minds of at least three generations regarding the vital truths of their own nation. And thanks to this seminal contribution, “Eminent Historian” has fittingly become a swearword in the Indian public discourse. **S. Balakrishna, Seventy years of secularism. 2018. *Anyone who thought India had dismantled its notorious system of bureaucratic controls when it embarked on economic reform in 1991 ought to consult Arun Shourie. As cabinet minister (at various times since 1998) for privatisation, administrative reform, information technology and telecommunications, Mr Shourie's observations are close to the bone. The Hindu nationalist-led government in which Mr Shourie was the most prominent economic reformer was thrown out last May. Franz Kafka would have had difficulty dreaming up some of the examples cited in Mr Shourie's book. ... But it is what India's bureaucracy is like under normal conditions that matters and Mr Shourie does a depressingly thorough job in chronicling it. One can only hope that India's senior civil servants find the time to read this book - and have the grace to wince. **[[Edward Luce]], India's tragic comedy of civil disservice, book review in Financial Times. November 9, 2004 *Muslim leaders and Stalinist historians were raising a howl about Hindu chauvinism when it came to the notice of Arun Shourie, the Chief Editor of the Indian Express at that time, that some significant passages had been omitted from the English translation of an Urdu book written long ago by the father of Ali Mian, the famous Muslim theologian from Lucknow. He wrote an article, Hideaway Communalism, in the Indian Express of February 5, 1989 pointing out how the passages regarding destruction of Hindu temples and building of mosques on their sites at Delhi, Jaunpur, Kanauj, Etawah, Ayodhya, Varanasi and Mathura had been dropped from the English translation published by Ali Mian himself. This was a new and dramatic departure from the norm observed so far by the prestigious press. Publishing anything which said that Islam was less than sublime had been taboo for a long time. I was pleasantly surprised, and named Arun Shourie as the [[মিখাইল গর্বাচেভ]] of India. He had thrown open the windows and let in fresh breeze in a house full of the stinking garbage of stale slogans. **Goel, S.R. How I became a Hindu (1993, revised ed.) *[Arun Shourie's article 'Hideaway Communalism'] had violated a taboo placed by the mass media and the academia on any unfavourable narration of the history of Islam since the days when Mahatma Gandhi took command of the Indian National Congress and launched his first non-cooperation movement in support of the Turkish Khilafat. **Goel, S.R. Hindu Temples – What Happened to Them, Volume I (1990) Preface, 2nd edition, p. xiii. *Arun Shourie had shown great courage. But he had counted without the secularist crowd which had access to the owner of the Indian Express. He told me on the phone that there was some trouble brewing. I have never talked to him about the nature of the trouble, and do not know if my articles had anything to do with his ouster from the Indian Express next year. All I know is that he had to slow down the publication of my next two articles. **Goel, S.R. How I became a Hindu (1993, revised ed.) *Mani Shankar Aiyar totally condemns one of Arun Shourie's books, and then goes on to declare that he has decided not to read it : "Shourie gave the final touches to the manuscript of his book on Islam, a work so vicious and perverted that every English speaking Muslim I know was outraged... I decided then to show my solidarity with secularism by not reading the book." (The book he refers to, is apparently Shourie's Religion in Politics, a very sane and sober look at several Scriptures in the light of reason.) **Elst, Koenraad. Ayodhya and after: issues before Hindu society. Voice of India. 1991. *The problem of book-banning and censorship on Islam criticism is compounded by the related problem of self- censorship. Thus, when in late 1992, the famous columnist Arun Shourie wanted to publish a collection of his columns on Islamic fundamentalism, esp. the Rushdie and Ayodhya affairs (Indian Controversies), the publisher withdrew at the last moment, afraid of administrative or physical reprisals, and the printer also backed out. Earlier, Shourie had been lucky to find one paper willing to publish these columns, for most Indian newspapers strictly keep the lid on Islam criticism. Hindu society is a terrorized society. **Elst, Koenraad. Negationism in India: concealing the record of Islam. Voice of India. 1992 *Arun Shourie was sacked as Indian Express editor, apparently under government pressure, after revealing that, in October 1990, Prime Minister V.P. Singh had aborted his own compromise arrangement on Ayodhya under pressure from Imam Bukhari, prominent member of the BMAC. **Koenraad Elst. Ayodhya: the case against the temple. 2002 * Or take A Secular Agenda by Arun Shourie, PhD from Syracure NY and stunningly successful Disinvestment Minister in the AB Vajpayee Government, when India scored its highest economic growth figures. It was a very important book, and it left no stone standing of the common assumption among so-called experts that India (with its religion-based civil codes and its discriminatory laws against Hinduism) is a secular state, i.e. a state in which all citizens are equal before the law, regardless of their religion. Though the book deconstructs the bedrock on which the “experts” have built their view of modern India, they have never formulated a refutation. Instead, they just keep on repeating their own deluded assumption, as in: “The BJP threatens India’s structure as a secular state.” (Actually, the BJP does not, and India is not.) They can do so because they are secure in the knowledge that, among the audiences that matter, their camp controls the sphere of discourse. Concerning the interface between religion and modern politics, the established “academic” view is not just defective, it is an outrageous failure. **Elst, Koenraad. Hindu dharma and the culture wars. (2019). New Delhi : Rupa. *The only ray of light in this encircling gloom was Arun Shourie, the veteran journalist and the chief editor of the Indian express at that time. On February 5, 1989, he frontpaged an article, Hideaway Communalism, showing that while the Urdu version of a book by Maulana Hakim Sayid Abdul Hai of the Nadwatul-Ulama at Lucknow had admitted that seven famous mosques had been built on the sites of Hindu temples, the English translation published by the Maulana’s son, Abul Hasan Ali Nadwi (Ali Mian) had eschewed the “controversial evidence”. He also published in the Indian Express three articles written by me on the subject of Islamic iconoclasm. This was a very courageous defiance of the ban imposed by Islam and administered by Secularism, namely, that crimes committed by Islam cannot even be whispered in private, not to speak of being proclaimed in public. **Goel, S. R. (1993). Hindu temples: What happened to them. (Second Enlarged Edition) [https://web.archive.org/web/20120429114113/http://www.bharatvani.org:80/books/htemples2/] *He dismisses Arun Shourie by pigeon-holing him as ‘post-modern’. He does not know that Hinduism has its own view of Time, and that a person who serves Sanatana Dharma cannot be dated. Scholars like Arun Shourie belong neither to the past, nor to the present, nor yet to the future. They belong to a timeless span. **S.R. Goel, History of Hindu-Christian Encounters (1996) * Just then Shourie was sacked as its editor. The reason was not so much the article, but, apparently, his entire policy of including columns by Hindu communalists like Ram Swarup and Sita Ram Goel, and his own articles that debunked some of the prevalent secularism, such as Hideaway Communalism. ** Elst, Koenraad (1991). Ayodhya and after: Issues before Hindu society. *I thank particularly my friend Arun Shourie because we need people like Arun Shourie to challenge us so that we can rectify our mistakes and all together collectively move towards the creation of a new India, a new humanity. ** Fr. Augustine Kanjamala, quoted in Shourie, Arun. Arun Shourie and his Christian Critic. (1995) * It is clear that Witzel himself has a political agenda: note his resentment of the “present Indian (right wing) denouncement of the ‘eminent historians’ of Delhi” (§9) – some of these “eminent historians” actively collaborated with Witzel and Farmer in their recent media-blitz in the Indian press. The reader is invited to go carefully through Arun SHOURIE’s book “Eminent Historians” (1998), which is being referred to here, and see the kind of political scholarship to whose defense Witzel has no compunctions in rushing! **S. Talageri. Michael Witzel – An Examination of his Review of my Book (2001) *As for Shourie, Mukhia is hardly revealing a secret with his information that Shourie “does journalism for a living”. The greatest investigative journalist in India by far, he has indeed unearthed some dirty secrets of Congressite, casteist and Communist politicians. His revelations about the corrupt financial dealings between the Marxist historians and the government-sponsored academic institutions are in that same category: fearless and factual investigative journalism. Shourie has a Ph.D. degree in Economics from Syracuse University in U.S.A., which should attest to a capacity for scholarship, even if not strictly in the historical field. When he criticizes the gross distortions of history by Mukhia’s school, one could say formally that he transgresses the boundaries of his specialism, but such formalistic exclusives only hide the absence of a substantive refutation. **Elst K. Ayodhya: The Case Against the Temple, chapter 4 * When Shourie's articles first appeared, they aroused great emotions and savage attacks. He quoted from the Bible and the Quran extensively on the question of co-existence. Many were shocked.... Shourie has called his book, Religion in Politics; someday he should bring out another book, Politics in Religion....The first book discusses politics complicated by religions factors; the second would discuss religions which are essentially political... **Ram Swarup, Hinduism and monotheistic religions (2009) == External links == {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:Shourie, Arun}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতিবিদ]] [[Category:Hindu nationalists]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতান্ত্রিক বিরোধী]] [[Category:Investigative journalists]] oeficru5aqs9a6k1f6gi2q3zi9jd0zl 78888 78887 2026-04-20T10:56:50Z ARI 356 /* 2010s */ ; অনুবাদ 78888 wikitext text/x-wiki [[File:Arun Shourie addressing the Plenary Session on "Diaspora Youth and India - Blueprint for Engagement" at the 2nd Pravasi Bharatiya Divas in 2004.jpg|thumb| আমি বেশ অবাক হয়েছিলাম এবং অরুণ শৌরিকে ভারতের গর্বাচেভ নাম দিয়েছিলাম। তিনি পচা স্লোগানের আবর্জনায় ভরা একটি ঘরে জানালাগুলো খুলে দিয়েছিলেন এবং এক ঝলক টাটকা বাতাস আসতে দিয়েছিলেন। ~ সীতারাম গোয়েল]] [[File:Animal artists at the Jardin des Plantes.jpg|thumb|তারা বর্তমান ভারত এবং বিশেষ করে [[হিন্দুধর্ম]]কে একটি চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছে—বিভিন্ন রকমের অসম প্রজাতির স্তূপ। তাদের মতে ‘[[ভারত]]’ বলে কিছু নেই, এটি কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ, কেবল [[যুক্তরাজ্য]]ের তৈরি একটি ধারণা; হিন্দুধর্ম বলে কিছু নেই, এটি কেবল আরবদের ব্যবহৃত একটি শব্দ যা তারা এখানে এসে বিভিন্ন ধরনের মানুষের দেখা পাওয়ার পর ব্যবহার করেছিল, এটি কেবল অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য সাম্প্রদায়িকদের একটি উদ্ভাবন, এটিই ছিল তাদের অবস্থান।]] [[File:Dalailama1 20121014 4639.jpg|thumb|আমাদের উচিত দালাই লামার উদাহরণটি সামনে রাখা। তিনি ধ্যানের ওপর একটি তিব্বতি গ্রন্থের ওপর বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি একটি বাক্য পড়লেন, হাসলেন এবং মন্তব্য করলেন, ‘সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বগুলো লজ্জাজনক! এগুলো ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত!’ তিনি পরামর্শ দেন যে আমাদের কাছে সবসময় একটি ঝুড়ি রাখা উচিত—যা কিছু আমাদের বর্তমান জ্ঞানের সাথে মেলে না, সেগুলো সেই ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া উচিত। ‘[[বৌদ্ধধর্ম]]কে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে,’ তিনি এটাই শেখান। সেই অনুযায়ী তিনি বৌদ্ধ গ্রন্থগুলোকে সূক্ষ্ম পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করেছেন। (...) এটি নিজের ঐতিহ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসকেই তুলে ধরে। এটিই হলো ঐতিহ্যের প্রকৃত সেবা। এতে থাকা ‘অমূল্য রত্ন’ [[ভবিষ্যৎ]]ের জন্য রক্ষা করার উপায় এটিই।]] [[File:Censorship in cinema.jpg|thumb|এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?]] [[File:Parental Advisory label.svg|thumb|এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি—যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?]] [[File:Censorship.svg|thumb|এই বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।]] [[File:Murales Rivera - Treppenhaus 9 Bücherverbrennung.jpg|thumb|আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে... তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা...<br> দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br> তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন।]] [[File:Eustache Le Sueur - The Preaching of St Paul at Ephesus - WGA12613.jpg|thumb|সবচেয়ে বড় অংশগুলো বাদ দিতে বলা হয়েছে ‘আওরঙ্গজেবের ধর্মীয় নীতি’ সংক্রান্ত অধ্যায় থেকে। তিনি হিন্দুদের সাথে প্রকৃতপক্ষে কী করেছিলেন, তাদের মন্দিরের কী করেছিলেন, তার শাসনের মূল উদ্দেশ্যইসলামের প্রভাব বিস্তার এই সংক্রান্ত প্রতিটি ইঙ্গিত বই থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে... '''সবকিছু ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।'''<br/>'''বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের জন্য বস্তুনিষ্ঠ ধামাচাপা। আর আজ যদি কেউ এই পাঠ্যবইগুলোতে সত্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে, তবে চিৎকার ওঠে, ‘ইতিহাসের সাম্প্রদায়িক পুনর্লিখন’।''']] [[File:Porträtgalerie des steiermärkischen Adels 043.jpg|thumb|একবার যখন তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিলেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিলেন, তখন তারাই ঠিক করতে শুরু করলেন কী পড়ানো হবে, কোন বইগুলো পাঠ্য হবে, কী প্রশ্ন করা হবে আর কোন উত্তরগুলো গ্রহণযোগ্য হবে। এভাবেই এই ঐতিহাসিকরা আসলে ইতিহাস কী ছিল তা নির্ধারণ করতে শুরু করলেন! ... এভাবেই তারা তথ্য গোপন করেন, কিছু তথ্য বানিয়ে বলেন, এমনকি কোনো লেখক একটি বিষয়ে কী বলেছেন তা ধামাচাপা দিয়ে অন্য বিষয়ে তার বলা কথাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রচার করেন। আর যখনই কেউ আসলে কী ঘটেছিল তা তুলে ধরার চেষ্টা করে, তখনই তারা সমস্বরে চিৎকার শুরু করেন: ইতিহাস নতুন করে লেখার ষড়যন্ত্র চলছে, তারা চিৎকার করেন; ইতিহাস বিকৃত করার চক্রান্ত হচ্ছে, তারা চিৎকার করেন। '''কিন্তু তারাই প্রথম থেকে ইতিহাস বিকৃত করে আসছেন সত্য গোপন করে এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে।''']] [[File:Censored stamp.jpg|thumb|আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?]] [[File:Soviet Communism Threatens Education - NARA - 5730072.jpg|thumb|পরিস্থিতি এখন এইরকম: ভারতের জনপরিসরে যারা গত অর্ধ শতাব্দী ধরে আধিপত্য বিস্তার করেছেন, নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং অন্যদের আতঙ্কিত করে রেখেছেন, তাদের হাতে এখন কোনো তথ্য বা যুক্তি অবশিষ্ট নেই। যে কেউ তাদের অভ্যন্তরীণ আলোচনাগুলো পর্যবেক্ষণ করলেই এর প্রমাণ পাবেন—তারা এখন ক্রমশ ছোট হয়ে আসা গণ্ডির মধ্যে কথা বলছেন এবং সেই ছোট গণ্ডিতেই পুরনো কিছু বুলি পুনরাবৃত্তি করছেন। সেখানে নতুন কোনো চিন্তাভাবনা বা নতুন কোনো তথ্য নেই। আর আমরা যেমনটা দেখেছি, এটি আগে থেকেই ধারণা করা যায়: তাত্ত্বিক বুলিগুলোর পুনরাবৃত্তি করাই তাদের জন্য কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং যথেষ্ট।]] [[File:Shri Arun Shourie, Member of Parliament presented his book titled “Falling Over Backward” to the Vice President, Shri Bhairon Singh Shekhawat, in New Delhi on June 3, 2006.jpg|thumb|এর ফলাফল প্রত্যাশিত হলেও তা অন্যায় এবং হাস্যকর: যদি রাম শরণ একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, তবে রাষ্ট্র এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় অনেক কিছু নির্ধারণ করে দিতে পারে যা তাকে করতে হবে; কিন্তু যদি মুহাম্মদ আসলাম রাস্তার ওপারে ঠিক একই রকম একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, যেখানে ঠিক একই বিষয় পড়ানো হয় এবং একই পাঠ্যবই ব্যবহার করা হয়, তবে রাষ্ট্র বা বিশ্ববিদ্যালয় কেউই এর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না!]] '''অরুণ শৌরি''' (জন্ম ২ নভেম্বর ১৯৪১) ভারতের একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক এবং রাজনীতিবিদ। == উক্তি == === ১৯৭০-এর দশক === ==== ''সিম্পটমস অফ ফ্যাসিজম'' (১৯৭৮) ==== * জরুরি অবস্থার অপরাধীদের বিষয়ে আজ আমরা যা দেখছি তা আইনের শাসন নয়, বরং তার ধ্বংস। আমরা দেখছি কীভাবে বুর্জোয়া আইনের শাসন ধ্বংস করা হচ্ছে। এই শ্রেণির লোকেরাই নিজেদের স্বার্থে এটি ধ্বংস করছে এবং বুর্জোয়া সমাজ এই অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনার মতো প্রয়োজনীয় দৃঢ়তা দেখাতে পারছে না। আজ আমাদের বিচার ব্যবস্থার দুটি বৈশিষ্ট্য সবার সামনে পরিষ্কার হয়ে গেছে। প্রথমত, অপরাধীরা যদি প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাশালীদের সাথে যুক্ত হয়, তবে এই ব্যবস্থা তাদের ধরতে পারে না। দ্বিতীয়ত, জনগণ এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে করা তাদের প্রধান অপরাধগুলোর জন্য এটি তাদের ধরতে পারে না। * এরপর আছেন আমাদের লক্ষ্যহীন বামপন্থীরা, যারা একে অপরকে গালিগালাজ করতে ব্যস্ত। আর সবশেষে আছেন উদারপন্থীরা, যারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজাতে ব্যস্ত, বরং তারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজানো নিয়ে সেমিনার করতে ব্যস্ত। * আসন্ন ফ্যাসিবাদের প্রবল আঘাত থেকে আমাদের বাঁচাতে এই লোকগুলোর ওপর ভরসা করা মানে হলো একটি মাইনফিল্ড পার হওয়ার জন্য বুড়ো মহিষের ওপর নির্ভর করা। === ১৯৮০-র দশক === ==== ''রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স'' (১৯৮৯) ==== * এভাবে নীরবতা সংস্কারের গতি কমিয়ে দেয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি বহু সংখ্যক মানুষ এই নেতাদের সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে লেখালিখি এবং আলোচনা করতেন, তবে এই সম্প্রদায়ের ভেতরে থাকা সংস্কারকরা আজকের মতো এতটা বিচ্ছিন্ন এবং কোণঠাসা হতেন না। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, পুরো সত্য না বলাটা একটা অভ্যাসে পরিণত হয়। নিজের বিশ্বাস লুকিয়ে রাখা, তথ্যপ্রমাণ এড়িয়ে যাওয়া এবং প্রতারণা করা যেন আমাদের জনপরিসরের আলোচনার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। * তবুও আমি এই সংখ্যাগরিষ্ঠ রায়ে এক মারাত্মক সারল্য খুঁজে পাই... এই রায়ে ঋগ্বেদ, যজুর্বেদ এবং অথর্ববেদ থেকে সেই ঘোষণাগুলো উদ্ধৃত করা হয়েছে, যেখানে সব মানুষ এক, সবাই একই ধরিত্রীর সন্তান এবং আমাদের সবার বন্ধু হওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সেখানে এটি উল্লেখ করা হয়নি যে, আদালতের ভবন থেকে এক মাইলেরও কম দূরত্বে ফতোয়ার অসংখ্য বই বিক্রি এবং বিতরণ করা হচ্ছে, যেখানে মুসলিমদের উৎসাহিত করা হচ্ছে যেন তারা কখনোই কাফিরদের বিশ্বাস না করে এবং তাদের ওপর ভরসা না রাখে; সেখানে তাদের বলা হচ্ছে যে, তাদের প্রথম কাজ এবং আনুগত্য হবে তাদের ধর্মের প্রতি, কোনো সাধারণ আইনের প্রতি নয়... ঈশ্বর আর আল্লাহ যে এক, এটা [[মহাত্মা গান্ধী]]কে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। মন্দির আর মসজিদ, পুরাণ আর কুরআন যে এক, এটা [[গুরু গোবিন্দ সিং]]কে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। যাদের এটা বোঝানো প্রয়োজন, যেমন উলেমা বা শাহী ইমাম—তারা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন যে এগুলো এক নয়। ** অরুণ শৌরি: ইন্ডিয়া., এবং দাশগুপ্ত, এস. (১৯৯৫)। দি অযোধ্যা রেফারেন্স: দি সুপ্রিম কোর্ট জাজমেন্ট অ্যান্ড কমেন্টারিস। পৃষ্ঠা ১৭১-৩ * "বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টিই ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।" ** রাম স্বরূপের আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইসলাম থ্রু হাদিস বইটি নিষিদ্ধ করার বিষয়ে। কোয়েনরাড এলস্টর অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি, ১৯৯১, অধ্যায় ১২। * তারা ভয় দেখানোর ওপর নির্ভর করে। ঠিক এই ধরনের কৌশলেই জনাব স্বরূপের আগের একটি বই আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইসলাম থ্রু হাদিস বাজার থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল... ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর, একই ধরনের হুমকির মুখে দিল্লি প্রশাসন ঘোষণা করে যে, আগে তারা দুইবার যা বলেছিল তার উল্টো করে বইটি কেবল আপত্তিকরই নয়, বরং এটি ইচ্ছাকৃতভাবে এবং বিদ্বেষমূলকভাবে লেখা হয়েছে!....<br/>আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই শাহাবুদ্দিনদের মতো জায়গা থেকে মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে, তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা....<br/>দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br/>তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন। ** অরুণ শৌরি: "হাউ শুড উই রেসপন্ড?", সীতারাম গোয়েল সম্পাদিত ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসি (১৯৯৮) বইতেও রয়েছে। * পঞ্চাশ বছর ধরে এই দলটি তথ্য গোপন করছে এবং মিথ্যা উদ্ভাবন করছে। আইসিএইচআর-এর সেই উদ্দেশ্য—আমাদের অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ এবং যৌক্তিক গবেষণার প্রসার ঘটানো সেটি নিয়ে তারা কতই না চিন্তিত! তাদের এই চিন্তাভাবনা কীভাবে ১৯৮৯ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া নির্দেশিকার সাথে মেলে... যেখানে বলা হয়েছিল, "মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না"? অথচ বৌদ্ধ বিহার ধ্বংস নিয়ে তাদের পাইকারি মিথ্যাচার এবং অস্তিত্বহীন "আর্য আক্রমণ" নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা মানেই হলো সাম্প্রদায়িক বা উগ্র জাতীয়তাবাদী হওয়া! এই "ঐতিহাসিকদের" প্রধান অপরাধ হলো এটিই। কিন্তু এরা কেবল একপাক্ষিক "ঐতিহাসিক" নন। তারা চরম পর্যায়ের স্বজনপ্রীতি করেন... তারা এমন লোক যারা সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে একে অপরকে অনেকভাবে সাহায্য করেছেন... এই "ঐতিহাসিকরা" কেবল পক্ষপাতদুষ্ট বা স্বজনপ্রীতিই করেন না, বরং তারা একে অপরকে সাহায্য করার জন্য রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ব্যবহার করেছেন... এর ফলে, এই লোকগুলোর বই এবং প্রচারপত্র সব আঞ্চলিক ভাষায় পাওয়া যায়, কিন্তু লোকমান্য তিলকের কাজগুলো মারাঠি ছাড়া অন্য ভাষায় পাওয়াই যায় না! ** ফেব্রিক্যাশনস অন দ্য ওয়ে টু দ্য ফিউনারেল। প্রকাশনা: ইন্ডিয়া কানেক্ট। লেখক: অরুণ শৌরি। তারিখ: ২৬ জুন, ১৯৯৮। [http://voiceofdharma.org/indology/eminenthistorians1.html] [https://www.dharmadispatch.in/commentary/de-secularizing-indian-history-why-the-ugc-deserves-our-kudos] * সব তথ্যই... পঞ্চাশ বছর আগে সবার জানা ছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধের সেই প্রজন্মের বিদায়ের সাথে সাথে এবং রেকর্ডগুলো যাচাই করার অভ্যাস পুরোপুরি ত্যাগ করার ফলে, বিশেষ করে জাতিভিত্তিক রাজনীতির উত্থানে সেগুলো জনস্মৃতি থেকে মুছে ফেলা হয়েছে। আর এই মুছে ফেলার ফলাফল যা হওয়ার ছিল তাই হয়েছে: এক ধরনের মানসিক বৈকল্য। শুরুতে যারা আম্বেদকরের নামে রাজনীতি করে এবং তাদের সমর্থকরা স্বাধীনতা সংগ্রামকে খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করেছে: তারা দাবি করে যে এই স্বাধীনতা "প্রকৃত" নয়। ঠিক সেই দলটির মতোই যারা ১৯৪২ সালের সেই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্রিটিশদের সাথে হাত মিলিয়েছিল—কমিউনিস্টরা। প্রকৃতপক্ষে... আম্বেদকরের আচরণকে সঠিক প্রমাণ করতে তার অনুসারীরা দাবি করেন যে ব্রিটিশ শাসনই ভালো ছিল... কিন্তু সত্য আলমারিতে লুকিয়ে থাকে। পাছে সত্য বেরিয়ে এসে তাদের রাজনীতির সেই আদর্শকে কলঙ্কিত করে, পাছে তাদের রাজনীতি আসল রূপে ধরা পড়ে যায়—যা মূলত বঞ্চিতদের নামে স্বার্থসিদ্ধি ছাড়া আর কিছুই নয়—আম্বেদকরের এই অনুসারীরা মৌখিক সন্ত্রাসবাদ এবং সরাসরি আক্রমণের মাধ্যমে তাদের এই বিশেষ ইতিহাসের ধারা বজায় রাখতে চায়। ** অরুণ শৌরি, *ওরশিপিং ফলস গডস*, ১৯৯৭, হার্পার কলিন্স। ==== ''ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস: এসেস অন রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স'' (১৯৯৩) ==== :শৌরি, এ. (২০০৬)। ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস: এসেস অন রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স। নয়া দিল্লি: রূপা অ্যান্ড কোং। * প্রত্নতাত্ত্বিক নতুন আবিষ্কারগুলোর ওপর যে নীরবতা পালন করা হয়েছে, তা একটি বড় উদাহরণ। .... এক দশকেরও বেশি সময় আগে করা খননকার্য থেকে পাওয়া তথ্যগুলো যখন জনসমক্ষে এল এবং সেখানে আগে সত্যিই একটি মন্দির ছিল সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ রইল না, তখন স্বয়ং প্রত্নতত্ত্বকেই নিন্দা জানানো হলো। বিশ্বের অন্যতম সম্মানিত প্রত্নতাত্ত্বিক—যিনি ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের প্রাক্তন মহাপরিচালক ছিলেন এবং সেই খননকার্যের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন—তাকে কলঙ্কিত করার কাজে পত্রিকাগুলো নেমে পড়ল। ... এর শিক্ষা খুব পরিষ্কার: যদি এমন দ্বিমুখী নীতি চলতে থাকে, তবে আমাদের সম্পাদকীয় লেখকদের ভয়ভীতিপূর্ণ সতর্কবাণী হিন্দুরা এখন যতটা শুনছে, ভবিষ্যতে তার চেয়েও কম গুরুত্ব দেবে। * পরিষ্কারভাবে বলতে গেলে, আমাদের সাংবাদিকরা যাদের 'কট্টরপন্থী' বলেন, তারাই সঠিক প্রমাণিত হয়েছেন। * গত এক দশকে শিখ এবং মুসলিম সাম্প্রদায়িকরা যেভাবে রাষ্ট্রকে সফলভাবে প্রভাবিত করেছে, তাতে সংবাদপত্রের ঘটনা এবং ইস্যুগুলোর বর্ণনায় দ্বিমুখী নীতি, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে প্রতারণা একটি বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। * মধ্যযুগীয় ভারতের প্রতিটি মুসলিম ঐতিহাসিক এমন মন্দিরের তালিকা দিয়েছেন যা তার সমকালীন শাসকরা ধ্বংস করেছিলেন এবং তার বদলে সেখানে মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। (৪২৯) ==== ''হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম (ভলিউম ১)'', ১৯৯৩ ==== * একজন বিখ্যাত মুসলিম পণ্ডিত যিনি ভারতের অন্যতম বড় ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের চতুর্থ রেক্টর ছিলেন, তার লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের ইংরেজি সংস্করণে বাবরী মসজিদসহ কিছু মসজিদের তালিকা ছিল, যা মন্দিরের জায়গায় এবং ভিতের ওপর তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে মন্দিরের পাথর ও কাঠামো ব্যবহারের উল্লেখ ছিল। দেখা গেল, সেই গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! বলা হচ্ছে বইটি এখন পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে;... এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... আমি জানলাম এটি একটি দীর্ঘ বই ছিল, যা শুরু হয়েছিল ভারতের ভূগোল, গাছপালা, পশুপাখি, ভাষা, মানুষ এবং অঞ্চলগুলোর বর্ণনা দিয়ে। বইটি আরবি ভাষায় লেখা হয়েছিল আরবিভাষী মানুষের জন্য। ... একটি অদ্ভুত তথ্য আমার সামনে এল। এই ধরনের প্রকাশনা সম্পর্কে যাদের জ্ঞান থাকার কথা, তাদের অনেকেই হঠাৎ করে এই বইটির কথা মনে করতে দ্বিধা বোধ করছিলেন। আমাকে বলা হয়েছিল যে, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের মতো জায়গাগুলো থেকে বইটির কপি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এমনকি কেউ কেউ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, তিন-চার বছর আগে এই বইটির প্রতিটি কপি ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য একটি সুসংগঠিত প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। .... লেখকের মর্যাদা এবং বইটির গুরুত্ব এত বেশি হওয়া সত্ত্বেও মৌলবাদীদের কাছে এটি কেন প্রিয় নয়? এর উত্তর লুকিয়ে আছে “হিন্দুস্তান কি মাসজিদেঁ” অর্থাৎ “হিন্দুস্তানের মসজিদসমূহ” নামক অধ্যায়টিতে। ... এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি, যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন—যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?... ** রাজনৈতিক কারণে লাইব্রেরি থেকে বই সরিয়ে ফেলার বিষয়ে। অরুণ শৌরি: হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯)। উদ্ধৃত: সীতারাম গোয়েল (সম্পাদক) (১৯৯৩)। হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম। ভলিউম ১। * সেগুলোর প্রকৃত গুরুত্ব এবং আমি বলতে পারি মসজিদ-মন্দির বিতর্কের ক্ষেত্রে এগুলো সবচেয়ে ছোট এবং সাধারণ উদাহরণ মাত্র লুকিয়ে আছে সত্য এড়িয়ে চলা এবং গোপন করার মধ্যে। আমার কাছে নির্ভরযোগ্য তথ্য আছে যে, এই অংশগুলো অনেক আগে থেকেই পরিচিত এবং যারা বাবরী মসজিদ ইস্যু নিয়ে কাজ করছেন তারা এটি ভালো করেই জানেন। এটিই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়; তারা এগুলো জানতেন এবং তাদের ইচ্ছা ছিল সত্য জানার বদলে সত্যকে গোপন করে মাটিচাপা দেওয়া.... মাওলানা আবদুল হাইয়ের অনুচ্ছেদগুলোর পরিণতি এবং আমি জানি না যে উর্দু সংস্করণটিও মূল আরবি সংস্করণের একটি সুবিধাজনক কাটছাঁট করা রূপ কি না আমাদের দেখায় যে, যারা নিজেদের রাজনীতির জন্য ধর্মের আবেগ উসকে দেয় তারা কতটা স্বার্থপরভাবে কাজ করে। '''যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য—মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?''' ** রাজনৈতিক কারণে লাইব্রেরি থেকে বই সরিয়ে ফেলার বিষয়ে। অরুণ শৌরি: হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯)। উদ্ধৃত: সীতারাম গোয়েল (সম্পাদক) (১৯৯৩)। হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম। ভলিউম ১। ==== ''আ সেকুলার এজেন্ডা'', ১৯৯৩ ==== * পাঠ্যটি পড়লে পাঠক লক্ষ্য করবেন যে ভারতের জনপরিসরের আলোচনায় যেসব বুলি ব্যবহার করা হয় এবং ফলস্বরূপ অনেকে যা বিশ্বাস করে নিয়েছেন, তা তথ্যের চেয়ে কতটা আলাদা.... (১০) * একটু চিন্তা করলেই দেখা যাবে যে ভারতের বিষয়টি আমরা যে উদাহরণগুলো আলোচনা করেছি তার মতো নয়। কারণ সেই উদাহরণগুলো একদম সাম্প্রতিক সময়ের—সেই জাতিগুলো "কল্পিত" ছিল, সেই ঐতিহ্যগুলো মাত্র ১০০ বা ১৫০ বছর আগে "উদ্ভাবিত" হয়েছিল। এর বিপরীতে ভারতকে হাজার হাজার বছর ধরে এক হিসেবে দেখা হয়েছে এবং এর মানুষের জীবনযাপনের ধরনও সাধারণ। এর ইতিহাস কেবল পুরনোই নয়.... এটি একটি ধারাবাহিক ইতিহাস। (৯) * জবরদস্তি করে ভুলে যাওয়া নয়, বরং এক আপসহীন স্মৃতিই একটি জাতি গঠন করবে। * প্রতিটি বাক্যই একটি মিথ্যা। ... আপনি কি কখনো বিবিসিকে নওয়াজ শরিফকে "মৌলবাদী" বা "ধর্মান্ধ" বলতে শুনেছেন? কিন্তু আডবাণী যদি "মুসলিমদের" জায়গায় "হিন্দু" বসিয়ে একই ধরনের বক্তব্য দিতেন, তবে তারা তাকে কী বলত? ==== ''মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া'', ১৯৯৪ ==== * '''আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?''' * '''কিন্তু আমাদের জনপরিসর এবং শিক্ষা থেকে এই ধরনের তথ্যগুলো প্রায় পুরোপুরি মুছে ফেলার একটি আরও শক্তিশালী কারণ আছে। আর সেটি হলো গত ৪৫ বছর ধরে আমরা যে ধরনের “ধর্মনিরপেক্ষতা” চর্চা করেছি: এমন এক “ধর্মনিরপেক্ষতা” যেখানে দ্বিমুখী নীতিই ছিল নিয়ম, যেখানে আমাদের জাতীয় পরিচয়কে ঢেকে রাখা আবর্জনা দূর করতে পারে এমন সবকিছুই অত্যন্ত ঘৃণ্য হয়ে উঠেছে।''' * ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অফ ইন্ডিয়া (সিবিসিআই) হলো ভারতের বিভিন্ন ক্যাথলিক গির্জার কাজ সমন্বয় করার এবং অন্য ধর্মের সাথে সংলাপ করার জন্য সর্বোচ্চ সংস্থা। ... ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করতে... সিবিসিআই ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতে একটি সভার আয়োজন করেছিল.... এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশ ছিল: এটি পঞ্চাশ বছরে মাত্র দ্বিতীয়বার এবং পঁচিশ বছরে প্রথমবার ছিল যেখানে এমন একটি ব্যাপক পর্যালোচনা করা হচ্ছিল... আয়োজকরা অত্যন্ত সদয় হয়ে আমাকে ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিদের কাজের ওপর হিন্দুদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে বলেছিলেন। * আর এই ধরনের মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করেই উপজাতিদের হিন্দু সমাজ থেকে আলাদা করা হয়েছিল। অ্যানিমিজম বা প্রকৃতিপূজার যে বর্ণনাগুলো দেওয়া হয়েছিল সেগুলো পড়লেই বোঝা যায় যে, তারা আসলে বিভিন্ন ধরনের হিন্দুদের কথাই বর্ণনা করছিল। ;'''বইটি সম্পর্কে উক্তি''' * আয়োজকরা অরুণ শৌরিকে ভারতে মিশনারিদের কাজের ওপর হিন্দুদের মূল্যায়ন তুলে ধরার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। অরুণ শৌরি ৫ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে আর্চবিশপ, বিশপ এবং অন্যদের সামনে ভাষণ দেন। ... আয়োজকরা অরুণ শৌরিকে তার বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে একটি প্রবন্ধ লিখতে অনুরোধ করেন.... বিতর্ক বাড়তে থাকায়... [তারা] অরুণ শৌরির সাথে একটি প্রকাশ্য মঞ্চে মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া নিয়ে আলোচনা করার জন্য বেশ কয়েকজন প্রবীণ গির্জা কর্মকর্তাকে আমন্ত্রণ জানান। ** মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া বইটি সম্পর্কে ** শৌরি, অরুণ। অরুণ শৌরি অ্যান্ড হিজ খ্রিস্টান ক্রিটিক। (১৯৯৫) * সংলাপের তৃতীয় উদ্দেশ্য সফল করার জন্য একটি আলোচনা কেবল ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতেই সম্ভব হয়েছিল, যখন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও পণ্ডিত অরুণ শৌরিকে ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অফ ইন্ডিয়া (সিবিসিআই) ভারতে মিশনারিদের কাজের “হিন্দু মূল্যায়ন” উপস্থাপনের জন্য আমন্ত্রণ জানায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এই “সংলাপের” আয়োজকদের জন্য বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং হিতে বিপরীত হয়। এরপর থেকেই ভারতের বিশাল খ্রিস্টান প্রতিষ্ঠান অরুণ শৌরির দেওয়া আঘাত সহ্য করছে। তিনি যে শোরগোল তুলেছিলেন তা কেবল ১৯৫৩ সালে কে. এম. পানিক্করের এশিয়া অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন ডমিন্যান্স প্রকাশের পর হওয়া শোরগোলের সাথে তুলনা করা যায়। মিশনারি বিজ্ঞান খ্রিস্টান দাবিগুলোর ক্ষতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য তাদের সব যুক্তি ও কৌশল প্রয়োগ করছে...<br>সিবিসিআই তাদের প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করছিল এবং পুনের ইশভানি কেন্দ্রে একটি সেমিনারের আয়োজন করেছিল। ৫ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে অরুণ শৌরি যখন তার বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখন ভারতের প্রায় সব বড় ক্যাথলিক নেতা সেখানে উপস্থিত ছিলেন...<br>প্রবন্ধটি বিস্তারিতভাবে লেখার পর তা একটি বইয়ের আকার নেয়। অরুণ শৌরি ১৯৯৪ সালের মে মাসের শুরুতে মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া: কন্টিনিউইটিস, চেঞ্জেস, ডিলেমাস নামে এটি প্রকাশ করেন। ... ইতিমধ্যে অরুণ শৌরি এই বিষয়ে তার নিয়মিত কলামে বেশ কিছু নিবন্ধ লিখেছিলেন যা দেশের বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশিত অনেকগুলো পত্রিকায় বের হয়। এই নিবন্ধগুলো পুনের মহারাষ্ট্র হেরাল্ডে একটি প্রাণবন্ত আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। ** সীতারাম গোয়েল, হিস্ট্রি অফ হিন্দু খ্রিস্টান এনকাউন্টারস * স্বাধীনতার পর ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিদের দাপট নেহরুবাদী প্রশাসনের সমর্থনে ক্রমাগত বেড়েই চলেছিল, যেখানে মিশনারি-ম্যাকলে ধাঁচের শিক্ষায় বেড়ে ওঠা একদল আত্মবিস্মৃত হিন্দু ছিল। এই ধারায় একমাত্র ছেদ ছিল ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত কে. এম. পানিক্করের এশিয়া অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন ডমিন্যান্স, ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত মধ্যপ্রদেশ খ্রিস্টান মিশনারি অ্যাক্টিভিটিস কমিটির রিপোর্ট, ১৯৭৮ সালে লোকসভায় ওম প্রকাশ ত্যাগীর আনা ধর্মীয় স্বাধীনতার বিল, ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত অরুণ শৌরির মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া এবং ২০ ডিসেম্বর ১৯৯৬ সালে মঙ্গল প্রভাত লোধা কর্তৃক মহারাষ্ট্র বিধানসভায় আনা মহারাষ্ট্র রিলিজিয়াস ফ্রিডম বিল। ** সীতারাম গোয়েল, ভিন্ডিকেটেড বাই টাইম: দ্য নিয়োগী কমিটি রিপোর্ট (১৯৯৮) ==== ''দ্য ওয়ার্ল্ড অফ ফতোয়াস (অর দ্য শরিয়া ইন অ্যাকশন)'', ১৯৯৫ ==== * আমাদের শহরের মুসলিম এলাকার বইয়ের দোকানগুলোতে—উদাহরণস্বরূপ দিল্লির জামে মসজিদের চারপাশের দোকানগুলোতে—ফতোয়ার সংকলনগুলো তাকের পর তাক জুড়ে থাকে। পবিত্র সাহিত্যের প্রতি মানুষ যেমন যত্নশীল হয়, এগুলোও তেমনি যত্নের সাথে সাজানো থাকে। পৃষ্ঠাগুলোর বিন্যাস খুব সুন্দর। ক্যালিগ্রাফিগুলো প্রায়ই শিল্পের পর্যায়ের। ভলিউমগুলো চমৎকারভাবে বাঁধাই করা—প্রায়ই কভারের ওপর সোনালি এমবসিং থাকে। * '''এক কথায়, ফতোয়া হলো শরিয়তের প্রয়োগ।''' * এই সব কারণে যে কেউ ফতোয়ার ওপর প্রচুর গবেষণার আশা করবে। কিন্তু তাহলে আমাদের বুদ্ধিজীবীদের কথা ভুলে যেতে হবে। এটি আরও একটি প্রমাণ যে আমাদের বুদ্ধিজীবীরা আমাদের দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন; ইংরেজি বা উর্দুতে ফতোয়ার ওপর কোনো গবেষণাই প্রায় নেই। * প্রথমত, আমাদের পণ্ডিতরা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের জন্য সময় দেননি ঠিক সেই কারণে যার জন্য তারা আমাদের দেশের অস্তিত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অন্য বিষয়গুলোতেও সময় দেননি। ভারতে বুদ্ধিবৃত্তিক কাজের বেশিরভাগই হলো পশ্চিমে যা করা হচ্ছে তার পাদটীকা লেখা—অন্যদের চেয়ে মার্ক্সবাদী বুদ্ধিজীবীদের ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি সত্যি। আর যখন আমাদের বুদ্ধিজীবীরা এই পাদটীকা লিখতে ব্যস্ত থাকেন না, তারা পশ্চিমা মহলে জনপ্রিয় ফ্যাশন অনুসরণ করতে ব্যস্ত থাকেন এবং পশ্চিমে জনপ্রিয় হওয়া কোনো ধারণা বা ‘থিসিস’ ভারতীয় তথ্যের ওপর ‘প্রয়োগ’ করতে ব্যস্ত থাকেন। এক কথায়, আমাদের পাণ্ডিত্যপূর্ণ কাজগুলো অনুকরণধর্মী। তাই ভারতে ফতোয়া নিয়ে কোনো বড় গবেষণা না হওয়ার প্রথম কারণ হলো যে এগুলো এখনো পশ্চিমের নজর কাড়েনি। * “আমাদের উচিত, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের উচিত মুসলিম সমাজের অবস্থা সম্পর্কে পুরো সত্য বলা—উদাহরণস্বরূপ সেখানকার নারীদের দুর্দশা নিয়ে। এবং এর মূল উৎস—বই, আইন এবং চিন্তাধারার মধ্যে সেটি খুঁজতে দ্বিধা না করা। আমাদের উলেমা [মুসলিম ধর্মীয় নেতা] এবং কট্টরপন্থী রাজনীতিবিদদের সামাজিক কর্মকাণ্ডের দলিল তৈরি করা উচিত।... উলেমা এবং অন্যরা ধর্মীয় ইস্যুতে যা বলছেন এবং যা ফতোয়া দিচ্ছেন তা নথিবদ্ধ করা উচিত।... আমাদের, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের প্রতিটি বিষয়ে দৃঢ়ভাবে ধর্মনিরপেক্ষ অবস্থান নিতে হবে—কট্টরপন্থীদের মোকাবিলা করার এটিই একমাত্র পথ, এটিই সম্প্রদায়ের কাছে বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি পৌঁছে দেওয়ার সবচেয়ে নিশ্চিত উপায়।... ফতোয়া এবং অন্যান্য বিষয় যা একজন ব্যক্তির নাগরিক অধিকার খর্ব করে তা স্পষ্টতই আইনের অপরাধমূলক লঙ্ঘন; আমাদের উচিত সেগুলোকে সেভাবেই তুলে ধরা; এবং অন্যদের সাথে মিলে দাবি করা যে কেউ যদি ফতোয়া ব্যবহার করে অন্যের অধিকার মাড়িয়ে দিতে চায় তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। একইভাবে, আমাদের সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদরা এই প্রতিক্রিয়াশীল উপাদানগুলোকে খুশি করার জন্য এবং শেষ পর্যন্ত তাদের হাত শক্তিশালী করার জন্য যে ছাড় দেয়, তা আমাদের উন্মোচিত করতে হবে এবং ব্যর্থ করার জন্য কাজ করতে হবে।... কিন্তু উলেমা এবং তাদের নেটওয়ার্কের মোকাবিলা করাই যথেষ্ট নয়। আমরা যেমনটা দেখেছি, তারা যা প্রচার করে এবং কার্যকর করে তা কুরআন এবং হাদিসেই বলা আছে। তাই এই জাল কাটতে হলে উদারপন্থীদের এবং বিশেষ করে উদারপন্থী মুসলিমদের ইসলামের হাজার বছরের দাবিগুলো পরীক্ষা করে দেখতে হবে: এই দাবি যে কেবল একটিই সত্য আছে, তা কেবল একজন মানুষের কাছেই প্রকাশিত হয়েছে, তা কেবল একটি বইতেই আছে, সেই বইটি বোঝা খুব কঠিন, কেবল কয়েকজন নির্বাচিত মানুষই এর অন্তর্নিহিত অর্থ জানে এবং তাই তাদের কথা মেনে চলা সবার কর্তব্য। এক কথায়, মূল পাঠ্যগুলোকেই পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।” (উদ্ধৃত: বোস্টম, এ. জি. (২০১৫)। শরিয়া ভার্সেস ফ্রিডম: দ্য লেগাসি অফ ইসলামিক টোটালিটারিয়ানিজম।) * ফতোয়ার বইগুলোতে আরও একটি অদ্ভুত বিষয়ের ওপর পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা বরাদ্দ করা হয়েছে—তা হলো, কোনো বিশ্বাসী যদি পশুর সাথে যৌনমিলন করে তবে তার কী করা উচিত। ‘যে পশুর সাথে মানুষ যৌনমিলন করেছে তার হুকুম কী—পশু এবং সেই মানুষের হুকুম কী?’, প্রশ্নকারী জানতে চান এবং যথাযথ বিবেচনার পর এই বিশাল ‘ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের’ উলেমা একটি ফতোয়া জারি করেন। ফতোয়া দাবি করা অন্য বিষয়গুলোও ঠিক একইভাবে বিস্ময়কর। <br> ‘যে গর্ভবতী ছাগলের সাথে মিলন করা হয়েছে তা কি হালাল না হারাম? সেটি বাচ্চা দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না কি বাচ্চা হওয়ার আগেই মেরে ফেলে পুঁতে ফেলতে হবে?’ ‘জায়েদ একটি ছাগলের সাথে মিলন করেছে। এর আইন কী? আমরা কি এর মাংস খেতে পারি বা দুধ পান করতে পারি? আর যে মিলন করেছে তার জন্য আইন কী?’ ‘ছোট শিশু বা ছাগলের সাথে মিলন করার শাস্তি কী?’ ‘জায়েদ একটি হালাল পশু যেমন গরু বা ছাগলের সাথে মিলন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে পশুর কাছে গেল এবং তার যৌনাঙ্গ পশুর যোনিতে প্রবেশ করাল। কিন্তু কোনো বীর্যপাত হলো না। জায়েদ বা অন্য মুসলিমদের কি সেই পশুর মাংস বা দুধ হালাল মনে করা উচিত? এই অপরাধের জন্য কি জায়েদকে কাফফারা দিতে হবে?’ ‘জায়েদ একটি গরুর সাথে মিলন করেছে এবং তারপর সেটি বিক্রি করে দিয়েছে। সেই টাকা কীভাবে খরচ করতে হবে? সেটি কি সাদকা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে? আর জায়েদের শাস্তি কী?’ ‘যে ঘোড়ীর সাথে মিলন করেছে তার শাস্তি কী? সেই ঘোড়ীটির সাথে কী করা উচিত?’ এই প্রতিটি বিষয়ে একটি করে ফতোয়া আছে। <br> আর উত্তরগুলো সবসময় একরকম হয় না, অনেক সময় সুক্ষ্ম পার্থক্যের ওপর নির্ভর করে। পশুর সাথে মিলন করা বিশ্বাসীর জন্য কেবল তওবা করাই যথেষ্ট বলে মনে করেন এই পণ্ডিতরা, তবে সাধারণত পশুটিকে মেরে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। অর্থাৎ সাধারণ ক্ষেত্রে এর মাংস খাওয়া উচিত নয়। তবে একটি উদাহরণ ধরা যাক, দেওবন্দের দারুল উলুমের উলেমা রায় দিয়েছেন যে, ‘যদি (পশুর ভেতরে) বীর্যপাত না হয়, তবে এর মাংস এবং দুধ নিঃসন্দেহে হালাল।’ ‘কিন্তু যদি বীর্যপাত হয়, তবে পশুটিকে মেরে ফেলে এর মাংস পুঁতে ফেলা ভালো। কারো এটি খাওয়া উচিত নয়, যদিও এটি খাওয়া হারাম নয়।’ [...] পরিশেষে, অন্যরা যখন এই ধরনের প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করতে কিছুটা অস্বস্তি বোধ করতে পারেন এবং ‘ধর্মীয়’ বইগুলোতে এগুলোর দেখা পেয়ে অবাক হতে পারেন, উলেমাদের এই বিষয়ে আলোচনা করতে বা আইন দিতে কোনো দ্বিধা নেই। তারা এটিকে তাদের একটি কাজ বলে মনে করেন। মাওলানা মুফতি আবদুর রহিম কাদরী বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। জানা যায় যে, হযরত শায়খুল ইসলাম মাওলানা মৌলবি নামে একজন মৌলবি দুটি প্রচারপত্র প্রকাশ করে হানাফি ফকিহদের সমালোচনা করেছিলেন কারণ তারা মনে করেন যে পশুর সাথে মিলন করলে রোজা নষ্ট হয় না, এমনকি বীর্যপাত হলেও। তিনি হানাফি আইনের বড় বড় নাম—শামী এবং দুররুল মুখতার—উদ্ধৃত করে বলেছিলেন যে তারা এটিই বলেছেন। তিনি ধর্মীয় বইগুলোতে এই ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য পণ্ডিত উলেমাদের তিরস্কারও করেছিলেন। মৌলবির এই লেখাগুলো মতামতের জন্য মুফতি আবদুর রহিম কাদরীর কাছে পাঠানো হয়েছিল। মুফতির ব্যাখ্যা ফতোয়ায়ে রহিমিয়া-র দশটি মুদ্রিত পৃষ্ঠা জুড়ে আছে। প্রশ্নের মূল উত্তরটি নির্ভর করছে পশুর ভেতরে লিঙ্গ প্রবেশের সময় বীর্যপাত হয়েছে কি না তার ওপর—যদি হয় তবে রোজা বাতিল হয়ে যাবে—নাকি কেবল হাত দিয়ে পশুর যৌনাঙ্গ স্পর্শ বা চুম্বনের ফলে বীর্যপাত হয়েছে—সে ক্ষেত্রে রোজা নষ্ট হবে না। মুফতি এই পার্থক্য বোঝাতে বিভিন্ন উদ্ধৃতি দিয়েছেন এবং দাবি করেছেন যে মৌলবি হানাফি ফকিহদের রায়ের ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন। * এরপরে আসে উর্দু সংবাদমাধ্যম। এটি উলেমাদের অন্যতম শক্তিশালী সহযোগী এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের অস্ত্র হিসেবে কাজ করেছে, যেমনটা আমরা ড. জাকির হোসেন এবং মাওলানা আজাদের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানের সময় দেখেছি। ১৯৯২ সালে দিল্লির জামিয়া মিলিয়ার প্রো-ভিসি মুশিরুল হাসান এবং পাটনার খুদা বখশ লাইব্রেরির পরিচালক আবিদ রেজা বেদারের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানেও আমরা একই ভূমিকা দেখেছি। উচ্চকণ্ঠ, ব্যাপক বিকৃতি, অভিযোগের প্রতিধ্বনি তৈরি করা, চরম নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করা এবং তারপর সবকিছুকে ইসলামের ওপর আক্রমণ হিসেবে তুলে ধরা—এগুলোই এর বৈশিষ্ট্য। আর শেষ পর্যন্ত এগুলো সেই বিশ্বদর্শনকেই শক্তিশালী করতে ব্যবহৃত হয় যা উলেমা চান যে তাদের সম্প্রদায় বজায় রাখুক। *আর এরপর আছে পৃষ্ঠপোষকতার প্রভাব। সৌদি আরব, ইরান বা ইরাক অথবা অন্য ‘ইসলামি’ উৎস থেকে আসা তহবিল উলেমাদের কাছে বা তাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সংস্থাগুলোর কাছে যায়। এই তহবিল প্রায় কখনোই উদারপন্থীদের কাছে পৌঁছায় না। ভারতের অবস্থা তো আরও খারাপ। যেহেতু উলেমা সম্প্রদায়কে নিয়ন্ত্রণ করে, তাই রাষ্ট্র উলেমা এবং তাদের ভাষায় যারা কথা বলে তাদের সামনেই নতজানু হয়। রাষ্ট্র যত দুর্বল হয়েছে, উলেমা তত সহজে তাদের প্রচারাভিযান চালিয়ে যেতে পেরেছে। আর বিনিময়ে তারা সম্প্রদায়ের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও মজবুত করতে পেরেছে এটি দেখিয়ে যে রাষ্ট্র তাদের সামনে মাথা নত করে—যেমন শাহ বানোর ক্ষেত্রে হয়েছিল; যে রাষ্ট্র তাদের পথে দাঁড়ানোর সাহস পায় না: দেশের আইনি ব্যবস্থার বাইরে সমান্তরাল আদালত—শরিয়ত আদালত তৈরি করার জন্য তাদের বর্তমান অভিযানের দুঃসাহস দেখুন। *উদারপন্থী হিন্দুরা এতটাই লজ্জিত থাকে এবং তারা এই মেকি ধর্মনিরপেক্ষতাকে এতটাই নিজের করে নিয়েছে যে, তারা ধর্মগ্রন্থগুলো—তা ইসলামের হোক, হিন্দুধর্মের হোক বা আমাদের আইন ও সংবিধানের হোক সেগুলো সম্পর্কে কিছুই জানে না। তারা দ্বিমুখী নীতিকে এতটাই মেনে নিয়েছে যে ইসলামি সব বিষয়ে চুপ থাকা এবং মৌলবাদীদের সুর মেলানোকেই তারা ধর্মনিরপেক্ষতার প্রমাণ মনে করে। ইংরেজি সংবাদমাধ্যমের ‘ধর্মনিরপেক্ষরা’ এর একটি তৈরি উদাহরণ। তারা আলী মিঞাকে ‘পরিমিতিবাদী, সর্বজনশ্রদ্ধেয় মুসলিম নেতা’ হিসেবে উল্লেখ করবে তার কোনো লেখা না পড়েই। তারা বিভিন্ন মুফতি ও মৌলবিকে ‘মুসলিম ধর্মতত্ত্ববিদ’ হিসেবে উল্লেখ করবে। অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড বা অল ইন্ডিয়া মিলি কাউন্সিল যা করছে তা থেকে তারা চোখ বন্ধ করে রাখবে; কিন্তু রাষ্ট্রের কোনো সংস্থা যদি তাদের কার্যক্রম উন্মোচিত করতে কোনো পদক্ষেপ নেয় তবে তারা চিৎকার শুরু করবে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, কোনো ইস্যুতে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে উলেমাদের পক্ষ নেবে এবং জোর দিয়ে বলবে যে এই পক্ষের বিরোধিতা করা মানেই ‘সাম্প্রদায়িক’, ‘ফ্যাসিবাদী’ বা ‘প্রতিশোধপরায়ণ’ হওয়া। এই ধরনের চিৎকারের প্রভাব কেবল আলোচনার পরিবেশ বিষিয়ে দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। দুর্বল শাসকরা সেই পরিবেশে প্রভাবিত হয়। আর এভাবেই জননীতি উলেমাদের পক্ষে চলে যায়। ফলে উলেমা আরও শক্তিশালী হয়। *আমরা যখন বুদ্ধের বাণী বা রোজা সম্পর্কে গান্ধীজির কথা পড়ি, তখন তার বিষয়বস্তু থাকে নিজের ভেতর তাকানো এবং আত্মশুদ্ধি নিয়ে। কিন্তু এমনকি যখন ফতোয়াগুলো পুরোপুরি ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কাজ করে, তখনও সেগুলো কেবল সেই নিয়মগুলো নিয়ে থাকে যা একজন বিশ্বাসীকে মেনে চলতে হয়। এগুলো কুচকাওয়াজের জন্য একজন ড্রিল সার্জেন্ট ক্যাডেটদের যে নির্দেশনা দেন তার মতো। *আমাদের নেতা এবং সুপ্রিম কোর্ট যখন অনবরত বলছেন, ‘সব ধর্ম এক’; যখন তারা বেদের বাণী স্মরণ করছেন, ‘সত্য এক, ঋষিরা একে ভিন্ন নামে ডাকেন’; যখন তারা অশোকের শিলালিপি স্মরণ করছেন, ‘যে নিজের ধর্মকে শ্রদ্ধা করে এবং অন্যের ধর্মকে তুচ্ছ করে, সেটি নিজের ধর্মের প্রতি ভক্তির কারণে এবং অন্য ধর্মের ওপর একে বড় দেখানোর জন্য হোক না কেন, সে আসলে নিজের ধর্মেরই ক্ষতি করে’, উলেমা ঠিক তার উল্টো মূল্যবোধ প্রচার করেন। উলেমাদের প্রতি সুবিচার করতে হলে বলতে হয় এগুলোই প্রকৃত ইসলামি মূল্যবোধ। যেমন মাওলানা আহমদ রেজা খান সেই সব মানুষের ওপর ক্ষিপ্ত হন যারা এমন শোভাযাত্রা সমর্থন করে যেখানে গীতা ও কুরআনকে সমান সম্মানের সাথে বহন করা হয়; তিনি ঘোষণা করেন যে একজন মুসলিমের পক্ষে এটি বলাও কুফর যে, ‘হিন্দুদের বেদ অনুযায়ী চলা উচিত এবং মুসলিমদের কুরআন অনুযায়ী চলা উচিত’; তিনি বলেন, মন্দির হলো শয়তানের আস্তানা, একজন মুসলিমের সেখানে যাওয়া নিষিদ্ধ; পবিত্র কুরআনকে বেদের মতো বলা কুফর; হিন্দুদের বেদ অনুযায়ী চলতে বলা মানে মানুষকে কুফর অনুসরণ করতে বলা, আর মানুষকে কুফর অনুসরণ করতে বলা মানেই হলো কুফর... *ফতোয়াগুলো এই দ্বিমুখী নীতিকেই প্রতিফলিত করে। ধর্মান্তর এবং ধর্মত্যাগের প্রতি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি এর একটি বড় উদাহরণ। ইসলাম অন্য ধর্মের মানুষকে ধর্মান্তরিত করাকে একটি অধিকার এবং কর্তব্য বলে মনে করে। উলেমা এর ওপর জোর দেন....অন্য ব্যক্তির ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখিয়ে কোনো কাজ করা বা না করার বিষয়েও একই অবস্থান নেওয়া হয়.....এর একটি আরও বড় উদাহরণ হলো ধর্মীয় চর্চা চালিয়ে যাওয়ার অবস্থান। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়া একজন মুসলিমের অধিকার ও কর্তব্য। ...ফতোয়ায়ে রিজভিয়া ঘোষণা করে যে, কোনো অবস্থাতেই ইসলামি শাসক কাফিরদের তাদের ধর্মীয় আচার পালনের অনুমতি দিতে পারে না এবং প্রশ্ন করে: সে কি তাদের কুফর পালন করতে দেবে এবং এর মাধ্যমে নিজে কাফির হয়ে যাবে?...এতে আরও বলা হয়েছে যে এ বিষয়ে বেশ কিছু হাদিস আছে যে কোনো অমুসলিম আরব উপদ্বীপে থাকতে পারবে না...অর্থাৎ, কোনো অমুসলিমকে আরব উপদ্বীপে থাকতে দেওয়া হবে না, কিন্তু যদি ভারত থেকে একজন অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে চলে যেতে বলা হয়, তবে সেটি হবে ইসলামের ওপর আঘাত!...একইভাবে, আজও কোনো ইসলামি রাষ্ট্রে কোনো স্কুলের শিক্ষকরা অমুসলিম শিশুদের তাদের ধর্মের শিক্ষা দিতে পারেন না...কিফায়াতুল্লাহ ঘোষণা করেন যে, কুরআন শিক্ষা এবং ধর্মীয় শিক্ষার ওপর কোনো বাধা সহ্য করা যাবে না। ...অথচ ধর্মনিরপেক্ষ আলোচনায় আমরা শুনি যে ইসলামের মতো আর কোনো ধর্ম নেই যা ভেদাভেদ দূর করেছে, ইসলামের মতো আর কেউ সবাইকে সমান মর্যাদা দেয় না! *এই সবকিছুর পরেও যারা দাবি করেন, ‘শরিয়ত নারীদের অধিকার রক্ষা করেছে যেমনটা অন্য কোনো আইন করেনি,’ তারা কেবল এই আত্মবিশ্বাস থেকেই তা বলেন যে তারা ছাড়া আর কেউ শরিয়তের মূল পাঠ্যগুলো পড়েনি। *তা সত্ত্বেও আমাদের বিশ্বাস করতে হবে যে শরিয়তের মতো অন্য কোনো আইন নারীদের এত অধিকার দেয়নি এবং ইসলামের মতো অন্য কোনো ধর্ম তাদের বিষয়ে এত যত্নশীল নয়, না হলে আমাদের সাম্প্রদায়িক তকমা সইতে হবে। এই যুক্তি কেবল একগুঁয়ে অন্ধ সমর্থকদেরই বোকা বানাতে পারে। *ফতোয়ার মাধ্যমে বলবৎ হওয়া শরিয়ত কেবল তা-ই নয়। যেহেতু আমাদের সরকারগুলো অভিন্ন দেওয়ানি বিধি প্রণয়নের সাংবিধানিক নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করেনি, তাই এটিই হলো ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের আইন যা আমাদের আদালতগুলো কার্যকর করে! * বিষয়গুলো কেবল উলেমাদের নারীদের মূল্যায়নের কারণেই আগ্রহের বিষয়, কারণ এটি ফতোয়ার সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। দেওবন্দের উলেমা একটি বিষয় সমাধান করতে গিয়ে ঘোষণা করেন যে, ‘কুরআনে বলা হয়েছে স্বামীই হলো কর্তা।’ .... আর এই কাফিরদের মধ্যেও ভাগ আছে বলে মাওলানা আহমদ রেজা খান ঘোষণা করেন: এক প্রকার কঠিন কুফর হলো খ্রিস্টধর্ম; তার চেয়েও খারাপ হলো মাজুসিয়ত (অগ্নিপূজা); তার চেয়েও খারাপ হলো মূর্তিপূজা; তার চেয়েও খারাপ হলো ওহাবি মতবাদ; এবং এই সবকিছুর চেয়েও খারাপ ও দুষ্ট হলো দেওবন্দি মতবাদ... * এবং এটি চলতেই থাকে। এর প্রভাব হবে খুব স্পষ্ট: যখন আপনি তাদের কাছে কোনো সমস্যা নিয়ে যাবেন, উলেমা এক জন বিশেষজ্ঞের বদলে অন্য জনের দোহাই দিয়ে আপনার পথ সহজ করতে পারেন অথবা বাধা দিতে পারেন। একই সাথে তারা এবং তাদের সমর্থকরা জোর দিয়ে বলবেন যে আমাদের, বিশেষ করে অমুসলিমদের কখনোই এটি বিশ্বাস করা বন্ধ করা উচিত নয় যে শরিয়ত একটি স্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট বিধি, এটি ঐশ্বরিকভাবে নির্ধারিত এবং তাই এটি একটি শাশ্বত এবং অপরিবর্তনীয় বিধি! *এখন পর্যন্ত দুটি বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা: (১) একটি পরিষ্কার এবং সুনির্দিষ্ট বিধি হওয়ার বদলে শরিয়ত আসলে অস্পষ্ট; (২) এটি প্রতিটি বিষয়েই অস্পষ্ট। এর দুটি প্রায়োগিক ফলাফল রয়েছে: (১) এই অস্পষ্টতাই হলো উলেমাদের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতার অন্যতম ভিত্তি; (২) তাই উলেমা শরিয়তকে বিধিবদ্ধ করার প্রতিটি প্রচেষ্টাকে ঠিক ততটাই প্রবলভাবে বাধা দেন যেমনটা তারা সবার জন্য একটি সাধারণ আধুনিক আইনের প্রচেষ্টাকে বাধা দেন। *মাওলানা আহমদ রেজা খান যখন বলেন যে বিজ্ঞানের সামনে ইসলামের মাথা নত করা নয় বরং ইসলামের সামনে বিজ্ঞানের মাথা নত করাই ইসলামের গৌরব, তখন তিনি আসলে তার ধর্মের প্রতিই সত্যনিষ্ঠ থাকেন। বিজ্ঞানের জন্য যা প্রযোজ্য, তা ঐতিহাসিক ‘তথ্যের’ ক্ষেত্রে আরও বেশি প্রযোজ্য যেমন শত জন খলিফা ছিলেন নাকি বারো জন। * পৃথিবী স্থির। সূর্য এর চারদিকে ঘোরে। নক্ষত্রগুলো স্থির, যা আল্লাহ প্রদীপ হিসেবে ঝুলিয়ে দিয়েছেন পর্যটকদের পথ দেখানোর জন্য এবং শয়তানকে পাথর মারার জন্য। এর বাইরে কিছু বিশ্বাস করা মানে ধর্মের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা। পুরুষরাই হলো কর্তা। প্রত্যেকে একসাথে চারজন পর্যন্ত স্ত্রী এবং যত খুশি উপপত্নী রাখতে পারে। স্ত্রীরা হলো ফসলের মাঠের মতো, স্বামী চাইলে তাতে ‘জলসেচন’ করতে পারে অথবা না-ও পারে। স্বামী তার সামান্যতম ইচ্ছা পূরণের জন্যও তাদের বাধ্য করতে পারে এবং না মানলে তালাকের ভয় দেখাতে পারে। এরপরও যদি সে সন্তুষ্ট না হয়, তবে সে তাদের এক কথায় বের করে দিতে পারে। বের করে দেওয়ার পর তারা কেবল জীবনধারণের ন্যূনতম সহায়তার অধিকারী হবে কিন্তু তা কেবল তিন মাসের জন্য, এরপর আর কিছুই নয়। এতে কোনো অন্যায় দেখা বা নারীদের জন্য আরও কিছু দাবি করা মানে আল্লাহর প্রজ্ঞাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং ইসলামের ওপর আঘাত হানা। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা, নির্ধারিত পদ্ধতিতে ইস্তিনজা করতে ব্যর্থ হওয়া, কুকুরের লালা নাপাক এবং শরীর পাক এটি বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হওয়া বড় গুনাহ। একজন কাফির যত বড় সাধুপুরুষই হোক না কেন, এমনকি তার মৃত্যুর পরও তার মঙ্গল কামনা করা, অথবা একজন মুসলিম যত বড় পাপীই হোক না কেন সে যে একজন পুণ্যবান কাফিরের চেয়েও শ্রেষ্ঠ তা বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হওয়া হলো কুফর। উলেমাদের মানসিকতা এমনই। জীবনের সব ক্ষেত্রে তাদের দেওয়া রায়ে এটি ফুটে ওঠে। *দেশের এবং ব্যক্তির অগ্রগতির জন্য শিক্ষা অপরিহার্য। কিন্তু বর্তমানে যাকে শিক্ষা বলা হয় তার বিরুদ্ধে উলেমা দীর্ঘদিন কঠোর লড়াই করেছেন। তাদের কাছে আধুনিক এবং কারিগরি শিক্ষার চেয়ে ধর্মীয় শিক্ষাই অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। কেবল সেই বিষয়গুলোই পড়া উচিত এবং কেবল সেই জ্ঞানই অর্জন করা উচিত যা একজনের বিশ্বাসকে শক্তিশালী করে সহজ কথায়, কেবল সেই বিষয়গুলোই পড়তে হবে যা এটি নিশ্চিত করে যে কুরআন ও হাদিসে যা লেখা আছে এবং উলেমা শত শত বছর ধরে যা বলে আসছেন তা-ই সত্য এবং প্রজ্ঞার ও পূর্ণতার সর্বোচ্চ শিখর। নারীদের শিক্ষা, বিশেষ করে নতুন মূল্যবোধের প্রতি তাদের সচেতন হওয়া, নতুন পেশার জন্য প্রশিক্ষণ পাওয়া এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়া—এই সবকিছুই তাদের কাছে ঘৃণ্য; এটি তাদের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করা হয়, প্রকৃতপক্ষে এটিকে সমাজকে ধ্বংস করার এবং ইসলামকে দুর্বল করার পথ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। *যে প্রতিষ্ঠানের ভারতীয় ইতিহাসের পাঠ্যক্রমে কেবল মাহমুদ গজনভির আক্রমণ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত সময়কাল অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং যার ভূগোলের পাঠ্যক্রমে কেবল আরব উপদ্বীপের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, সেটি কি ভারতের জন্য বা ভারতের কোনো প্রতিষ্ঠান? * প্রত্যাশিতভাবেই, মাওলানা আহমদ রেজা খানের মতে শিয়ারা একেবারেই মুসলিম নয়। তাদের ‘মসজিদ’ কোনো মসজিদই নয়—আর মনে রাখবেন, মীর বাকী এবং তার বংশধরেরা যেহেতু মসজিদের মুতওয়াল্লি ছিলেন, তাই ‘বাবরী মসজিদ’ ছিল একটি শিয়া মসজিদ। * ‘আরে ভাই, কিন্তু আপনি হিন্দু ফতোয়া নিয়ে লিখছেন না কেন?’—এটি এমন এক বিখ্যাত বুদ্ধিজীবীর কথা যার নামের অনেক খ্যাতি রয়েছে। হিন্দুদের মধ্যে ফতোয়া বলে কিছু নেই—তবে নিশ্চিতভাবেই আমাদের বুদ্ধিজীবীরা সেটি জানেন। এ ধরনের উপদেশের উদ্দেশ্য অন্যরকম। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, একজন হিন্দুর ইসলাম নিয়ে লেখালেখি থেকে দূরে থাকা উচিত। বরং, সে যদি ইসলামি বা মুসলিম বিষয় নিয়ে কিছু লেখেও, তবে তাকে কেবল প্রশংসাগীতি গাইতে হবে—‘সহনশীলতার ধর্ম, সাম্যের ধর্ম...’—তাকে কেবল ‘ইসলামি মানস’ সম্পর্কে ‘বোঝার’ বা ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য বই লিখতে হবে। বড়জোর, যদি তাকে ইসলামের কোনো দুর্ভাগ্যজনক ত্রুটি সম্পর্কে কিছু বলতেই হয়, তবে সেটিকে কোনো বিশেষ সময় বা স্থানের ওপর চাপিয়ে দিতে হবে এবং ইসলামকে তার থেকে মুক্তি দিতে হবে! আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, তাকে এটি নিশ্চিত করতে হবে যে সে ইসলামের সেই দিকটি নিয়ে মন্তব্যের সাথে হিন্দুধর্মের কোনো কিছুর নিন্দা করে বিষয়টিকে ‘ভারসাম্যপূর্ণ’ করবে, সেটা যা-ই হোক—জাতীয় প্রথা, পণের কারণে মৃত্যু, বিদেশিদের ম্লেচ্ছ মনে করা, এমনকি অন্য কিছু না মিললে অন্তত সতীদাহ প্রথা! * তাহলে, কারা ক্ষুব্ধ হচ্ছে? ফতোয়াগুলোর উদ্ধৃতি এবং বিশ্লেষণে কারা অপমানিত বোধ করছে? তারা হলো ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা। আর এর কারণ স্পষ্ট। এই তথ্যপ্রমাণের সামনে, কুরআন ও নবীর সরাসরি এবং জোরালো নির্দেশের সামনে এবং ফতোয়াগুলোতে থাকা বারবার এবং অত্যন্ত স্পষ্ট ঘোষণার সামনে তার কাছে কোনো উত্তর নেই। এগুলোর মোকাবিলা করার মতো কোনো প্রমাণ তার কাছে নেই। কিন্তু যখন তারা যা বলে তা সরাসরি সামনে আনা হয়, তখন সে তার এই উল্টো ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ আর বজায় রাখতে পারে না। যতক্ষণ পর্যন্ত এই বিষয়গুলো উর্দুতে সীমাবদ্ধ থাকে, ততক্ষণ তা তার চেনা মহলে কোনো অসুবিধা সৃষ্টি করে না। কিন্তু যে মুহূর্তে এগুলো ইংরেজিতে প্রকাশ পায়, তখনই সে বিপদে পড়ে যায়। আর তাই সে ক্ষোভের ভান করে! এর উত্তর কী? তথ্যগুলো অনবরত তুলে ধরা। সেগুলো বিশ্লেষণ করে যাওয়া। এই বিশ্বাসে যে গালিগালাজ দিয়ে তথ্যপ্রমাণ ধামাচাপা দেওয়া যাবে না। এই বিশ্বাসে যে চিন্তাভাবনা হলো বীজের মতো, যা একদিন শিকড় গাড়বে। * বাংলাদেশে ইসলামীকরণের দিকে দ্রুত ধাবিত হওয়া, তাবলিগ জামাতের দ্রুত বিস্তার এবং হিজবুত তাহরীর ও হিজবুত তৌহিদের মতো মৌলবাদী সংগঠনগুলোর ক্রমবর্ধমান প্রসার ও প্রভাবের সাথে সাথে দেশের বিভিন্ন স্থানে শরিয়ত কমিটি গড়ে উঠেছে। ফতোয়া দেওয়ার ঘটনা আরও নিয়মিত হয়ে পড়েছে। গ্রামীণ এলাকায় স্থানীয় মোল্লারা প্রায়ই এগুলো জারি করেন এবং প্রায়শই এর শিকার হন এমন নারীরা যারা প্রকৃতপক্ষে সহিংসতা, ধর্ষণ এবং এ জাতীয় ঘটনার শিকার হয়েছিলেন.... * মুসলিম সাংবাদিকতা আর নেতৃত্বের ওপর দোষ চাপানো এক অর্থে মূল প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া। সর্বোপরি, মুসলিমরা কেন এই ধরনের সাংবাদিকতাকে গুরুত্ব দেয়, কেন তারা এই ধরনের নেতাদের অনুসরণ করে? এর উত্তর লুকিয়ে আছে সেই মনস্তত্বের মধ্যে, যা উলেমা এবং তাদের ফতোয়াগুলো তাদের মনে গেঁথে দিয়েছে। * এমনকি এটি বলাও কুফর যে, ‘শরিয়ত কী? আজ কি কেউ শরিয়ত মেনে চলে?’, ঘোষণা করে ফতোয়ায়ে রিজভিয়া। এমনকি যদি অন্যদের বিদ্রূপ করার জন্য এই কথাগুলো বলা হয়, তবে সেগুলো গুরুতর পাপ হিসেবে গণ্য হবে। এটি ঘোষণা করে যে, ‘আমরা শরিয়ত মানি না, আমরা প্রথা অনুযায়ী চলি,’ বলাও কুফর। উলেমা একটি ফতোয়া জারি করে মুসলিমদের বহু ঈশ্বরবাদীদের শোভাযাত্রায় যোগ দিতে নিষেধ করেন। একজন লোক বলে, ‘বহু ঈশ্বরবাদীদের শোভাযাত্রায় যোগ না দেওয়ার ফতোয়া জারি করা নিছক লাঠিবাজি।’ এই কথাটি উলেমাদের জানানো হয়। ফতোয়ায়ে রিজভিয়া রায় দেয় যে, এই কথাটি শরিয়তের অবমাননা এবং শরিয়তের অবমাননা হলো কুফর। সেই ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে তার নিকাহ বা বিয়ে ভেঙে যায়। ... তারা ঘোষণা করে যে, ইজমা (ঐকমত্য) বা তকলিদ (আক্ষরিক অনুসরণ) নিয়ে প্রশ্ন তোলা কুফর। ... তারা ঘোষণা করে যে, ফিকহ-এ বিশ্বাস না করা কুফর। তারা ঘোষণা করে যে, যে ফিকহ মানে না সে হলো শয়তান। * ‘যে বাবা-মায়েরা তাদের মেয়েদের কলেজে পাঠান তারা তাদের মেয়েদের শত্রু, বন্ধু নন,’ ফতোয়ায়ে রহিমিয়া এটি ঘোষণা করে বিভিন্ন সূত্রের দোহাই দিয়ে যে, প্রকৃত বন্ধু হলো সে যে পরকালের জন্য একজনকে প্রস্তুত করে, যদিও তা করতে গিয়ে পার্থিব ক্ষতি হতে পারে। এটি ঘোষণা করে যে, ‘এতে কোনো সন্দেহ নেই যে একটি কলেজ পড়ুয়া মেয়ে অত্যন্ত স্বাধীনচেতা, পর্দাহীন, অশালীন এবং নির্লজ্জ হয়ে ওঠে। ইংরেজি শিক্ষা এবং কলেজের পরিবেশের এটিই সাধারণ পরিণতি।’ আর হাদিস উদ্ধৃত করে এটি বলে যে, ‘যে মেয়ে তার লজ্জা হারায় সে সবকিছু হারায়,’ ‘লজ্জা এবং ঈমান এরা অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী; যখন তাদের কোনো একটি চলে যায়, অন্যটিও চলে যায়।’ * অবজ্ঞা এবং হিন্দু ও অন্য অবিশ্বাসীদের যে চিত্র আঁকা হয়েছে, তাদের পশুপাখি এবং পোকামাকড়ের সাথে তুলনা করা হয়েছে—মুসলিমদের ক্ষেত্রে কোনো লেখায় এমন কিছু করা হলে তা তীব্র নিন্দার ঝড় তুলত। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের কাছ থেকে যেমন, তেমনি মুসলিমদের কাছ থেকেও। ====''ওরশিপিং ফলস গডস'' (১৯৯৭)==== * একটি উদাহরণও নেই, এমনকি একটি মাত্র ঘটনাও নেই যেখানে [[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর]] দেশকে স্বাধীন করার সংগ্রামের সাথে যুক্ত কোনো কাজে অংশ নিয়েছিলেন। বরং ঠিক উল্টোটিই ঘটেছে; প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি জাতীয় আন্দোলনের বিরোধিতা করেছেন এবং যখনই এই আন্দোলন কোনো বাধার মুখে পড়েছে, তিনি তাদের মধ্যে ছিলেন যারা সেই ব্যর্থতায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন। * ভারতের কি কখনো সংস্কারকের প্রয়োজন ছিল? আপনি কি ভারতের ইতিহাস পড়েন? রামানুজ কে ছিলেন? শংকর কে ছিলেন? [[গুরু নানক]] কে ছিলেন? [[চৈতন্য মহাপ্রভু]] কে ছিলেন? [[কবীর]] কে ছিলেন? দাদু কে ছিলেন? একের পর এক আসা এই মহান ধর্মপ্রচারকরা কারা ছিলেন, যারা অত্যন্ত উজ্জ্বল সব নক্ষত্রপুঞ্জের মতো ইতিহাস আলোকিত করেছেন? * এক কথায়, দেব-দেবীর নিন্দা করা, ধিক্কার জানানো, তাদের কলঙ্কিত করা, আমাদের শাস্ত্র নিয়ে উপহাস করা এবং অনুসারীদের মধ্যে ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়া ছিল আম্বেদকরের বেছে নেওয়া পথ। কিন্তু কেবল এই একটি পথই খোলা ছিল না। এর আগে গত দেড়শ বছরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একজন সংস্কারক ঠিক এর বিপরীত পথ বেছে নিয়েছিলেন এবং এর ফলে তিনি দুটি লক্ষ্যই অর্জন করেছিলেন। তিনি যেমন লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন উন্নত করেছিলেন, তেমনি আমাদের সমাজকেও বদলে দিয়েছিলেন এবং এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেই সংস্কারক এমন এক বর্ণের ছিলেন যারা কেবল অস্পৃশ্যই ছিল না, বরং যাদের কাছে যাওয়াও নিষিদ্ধ ছিল। সেই সংস্কারক অবশ্যই ছিলেন নারায়ণ গুরু, যিনি ১৮৫৪ থেকে ১৯২৮ সাল পর্যন্ত জীবিত ছিলেন। * তিনি কোনো বহিরাগতের মতো আমাদের ঐতিহ্যকে বিদ্রূপ করেননি বা তাকে অপমান করেননি। তিনি ভারতের আক্রমণকারী বা শাসকদের সাথে কখনো হাত মেলাননি। উপনিষদের শিক্ষার মধ্যে নিজেকে নিমগ্ন করে তিনি আধ্যাত্মিক সচেতনতার সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছিলেন। আমাদের মহান ঋষিরা যেসব পদ্ধতি ও সাধনা বের করেছিলেন, সেগুলো অনুসরণ করেই তিনি সেই স্তরে পৌঁছেছিলেন। তিনি যখন এই অবস্থায় পৌঁছালেন, তার পুরো জীবনটাই গোঁড়াদের সেই শ্রেষ্ঠত্বের দাবির বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদ হয়ে উঠল। তার সেই দিব্য অবস্থা গোঁড়াদের এই দাবিকে ভুল প্রমাণ করল যে আধ্যাত্মিক জ্ঞান কেবল উচ্চবর্ণের জন্যই। আর তিনি সেই স্তরে পৌঁছেছিলেন বলেই সবাই তাকে শ্রদ্ধা জানাত। * [[নারায়ণ গুরু]]র উত্তরাধিকার হলো একটি উন্নত এবং সংহতিপূর্ণ সমাজ, যেখানে নিম্নবর্ণের মানুষরা শিক্ষিত এবং আত্মমর্যাদায় ভরপুর। আম্বেদকরের উত্তরাধিকার হলো একদল মানুষ যারা সবার ওপর চিৎকার করছে, সবসময় কেবল দাবি জানাচ্ছে ও নিন্দা করছে এবং যারা আত্মগ্লানি ও ঘৃণার মধ্যে ডুবে আছে; এটি এমন এক সমাজ যা নিজের সাথেই লড়ছে। নারায়ণ গুরুর উত্তরাধিকার হলো এক পুনর্জীবিত দেশ। আম্বেদকরের উত্তরাধিকার হলো এমন এক দেশ যা তার নিজের অতীত নিয়ে গভীর লজ্জায় আচ্ছন্ন। আর এর ফলে তা আরও বেশি অক্ষম হয়ে পড়েছে। ==== ''ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসি'' (১৯৯৮) ==== * "ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা" আডবাণীর রথ হিন্দুদের মধ্যে যে প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে তা দেখে ঘাবড়ে গেছেন। কিন্তু কেবল রথ এই প্রতিক্রিয়া তৈরি করেনি। শাহ বানোর রায় পাল্টে দেওয়া এবং [[সালমান রুশদি]]কে নিষিদ্ধ করার মতো "জয়গুলো", যেগুলোকে "ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা" উচ্চকণ্ঠে প্রশংসা করেছিল; মানচিত্র এবং তালিকার মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোকে এটি বিশ্বাস করানোতে সফল হওয়া যে মুসলিমরা শত শত নির্বাচনী এলাকায় তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে; পাঞ্জাব এবং [[কাশ্মীর]]ের সহিংসতার "জয়গুলোর" কথা না-ই বা বললাম। এই প্রতিক্রিয়া হলো আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থার এই বিকৃতিগুলোর সম্মিলিত ফল। ** অরুণ শৌরির "প্রতিক্রিয়া উসকে দেওয়া", যা গোয়েল, এস.আর. (সম্পাদক) সম্পাদিত: ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসিতেও রয়েছে। ==== ''এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস: দেয়ার টেকনোলজি, দেয়ার লাইন, দেয়ার ফ্রড'' (১৯৯৮) ==== * ১৯৯৮ সালের জুন-জুলাই মাসে প্রগতিশীলরা বেশ শোরগোল তুলেছিলেন। তারা চিৎকার করে বলেছিলেন যে সরকার ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ হিস্টোরিক্যাল রিসার্চে রাম মন্দির পন্থী ঐতিহাসিকদের জায়গা দিয়েছে। তারা চিৎকার করে বলেছিলেন যে সরকার গোপনে কাউন্সিলের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য বদলে ফেলেছে। নিজেদের চিরকালীন স্বভাব অনুযায়ী, তারা একটি মনগড়া গল্প ছড়িয়ে এই হাঙ্গামা শুরু করেছিলেন। আর তাদের সেই পুরনো অভ্যাস মতোই, তারা অন্যদের বিরুদ্ধে এমন কিছু করার অভিযোগ তুলছিলেন যা তারা নিজেরা গত কয়েক দশক ধরে করে আসছিলেন, অর্থাৎ কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে ইতিহাস লেখা। * ‘আওরঙ্গজেবের ধর্মীয় নীতি’ সংক্রান্ত অধ্যায়ে সবচেয়ে বড় আকারের পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সে হিন্দুদের সাথে প্রকৃতপক্ষে কী করেছিল, তাদের মন্দিরের কী করেছিল, তার শাসনের মূল উদ্দেশ্য, ইসলামের প্রভাব বিস্তারের প্রতিটি ইঙ্গিত বই থেকে ছেঁটে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাকে এমন একজন হিসেবে তুলে ধরতে হবে যার গান-বাজনা এবং রাজদরবারে নর্তকীদের উপস্থিতির প্রতি এক ধরণের সাধারণ অনীহা ছিল, প্রায় ধর্মনিরপেক্ষ এক অনীহা, আর কেবল এই কারণেই সে ওইসব নিষিদ্ধ করেছিল... এক কথায়, কোনো জোরপূর্বক ধর্ম পরিবর্তন নয়, কোনো গণহত্যা নয়, কোনো মন্দির ধ্বংস নয়। কেবল এই যে হিন্দুধর্ম এক শোষণমূলক এবং বর্ণবাদী সমাজ তৈরি করেছিল। ইসলাম ছিল সাম্যবাদী। তাই নিপীড়িত হিন্দুরা ইসলাম গ্রহণ করেছিল!<br/> সে সময়ের মুসলিম ঐতিহাসিকরা নরকে পাঠানো কাফিরদের স্তূপ দেখে উল্লাসে ফেটে পড়েছেন। মুসলিম ঐতিহাসিকরা শাসকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ কারণ সে মন্দির ধ্বংস করেছে এবং লাখ লাখ মানুষকে ইসলামের আলোর মুখ দেখিয়েছে। দ্য হেদায়ে-র মতো আইনগ্রন্থগুলোতে ঠিক সেই বিকল্পগুলোর কথাই বলা হয়েছে যা এই ছোট ছোট পাঠ্যবইগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছিল। '''সবকিছুই ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।'''<br/>'''বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের নামে বস্তুনিষ্ঠ ধামাচাপা। আর আজ যদি কেউ এই পাঠ্যবইগুলোতে সত্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে, তবে চিৎকার ওঠে, ‘ইতিহাসের সাম্প্রদায়িক পুনর্লিখন’।''' * এই বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আসল অপরাধ আর্থিক ক্ষতির মধ্যে নেই। আসল ক্ষতি হলো তারা আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর যে করুণ দশা করেছেন। এর কারণ তাদের অবহেলা—যার ফলে আমাদের দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সব প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়েছে। তার চেয়েও বড় অপরাধ হলো তারা ওই প্রতিষ্ঠানগুলোকে যেভাবে ব্যবহার করেছেন।<br/>তারা সেগুলোকে আয়েশি সময় কাটানোর জন্য ব্যবহার করেছেন। তারা একে অপরের সুনাম বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করেছেন। তবে সবচেয়ে খারাপ বিষয় হলো তারা এই প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করে জনমানসে ভুল তথ্য ছড়িয়েছেন এবং এর ফলে জননীতিকে ভুল পথে চালিত করেছেন।<br/> তারা ভারতকে এমন এক ফাঁকা ভূমি হিসেবে তুলে ধরেছেন যা একের পর এক আক্রমণকারীরা এসে পূর্ণ করেছে। '''তারা বর্তমান ভারত এবং বিশেষ করে হিন্দুধর্মকে একটি চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছে—নানা ধরণের অসম এবং বিচ্ছিন্ন উপাদানের এক স্তূপ। তাদের মতে ভারত বলে কিছু নেই, এটি কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ এবং ব্রিটিশদের তৈরি এক ধারণা; হিন্দুধর্ম বলে কিছু নেই, এটি কেবল আরবদের ব্যবহৃত একটি শব্দ যা তারা এখানে এসে নানা ধরণের মানুষের দেখা পাওয়ার পর ব্যবহার করেছিল এবং এটি কেবল সাম্প্রদায়িকদের এক উদ্ভাবন যা তারা এক অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য তৈরি করেছে, এটিই ছিল তাদের অবস্থান। এর জন্য তারা আমাদের ইতিহাসের হিন্দু যুগকে কলঙ্কিত করেছে এবং আমরা দেখতে পাব যে তারা ইসলামি শাসনকে ধোলাই করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছে।''' তারা প্রাচীন ভারতের সামাজিক ব্যবস্থাকে শোষণের চরম উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং চরমপন্থী মতাদর্শগুলোকে সাম্যবাদী ও ন্যায়পরায়ণ হিসেবে তুলে ধরেছে।<br/>তারা আমাদের প্রাচীন সংস্কৃতিকে ছোট করে দেখিয়েছে এবং যেসব সমন্বিত উপাদান কোনোমতে টিকে ছিল সেগুলোকে অতিরঞ্জিত করে একটি আস্ত সংস্কৃতি হিসেবে প্রচার করেছে, যেটাকে তারা ‘সমন্বিত সংস্কৃতি’ বলে থাকে। কোন সংস্কৃতিটি আসলে সমন্বিত নয়? আর এই পুরোটা সময় তারা আমাদের মানুষের জীবনের সাধারণ উপাদানগুলো নিয়ে মূল তথ্যগুলো লুকানোর চেষ্টা করেছে: তারা লুকিয়েছে যে ইসলামি শাসক এবং উলেমাদের এক হাজার বছরের প্রবল চেষ্টার পরেও এই উপাদানগুলো টিকে ছিল, তারা লুকিয়েছে যে গত দেড়শ বছরের মিশনারি এবং ব্রিটিশ শাসকদের প্রচেষ্টার পরেও এগুলো বেঁচে ছিল। তারা প্রতিটি অংশকে উসকে দিয়ে তাদের আলাদা পরিচয় খুঁজে নিতে বাধ্য করার চেষ্টা করেছিল। সবচেয়ে বড় কথা হলো এই বুদ্ধিজীবীরা তাবলিগ জামাত এবং গির্জার মতো সংগঠনগুলোর বর্তমান কার্যক্রম থেকে মানুষের নজর পুরোপুরি সরিয়ে দিয়েছেন। এই সংগঠনগুলো তাদের অনুসারীদের তাদের হিন্দু প্রতিবেশীদের সাথে থাকা সব মিল এবং বিশ্বাস ত্যাগ করানোর জন্য সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করছে এবং প্রচুর সম্পদ ব্যয় করছে।<br/> এই বুদ্ধিজীবী এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকরা এক ভয়াবহ কৌশল নিয়েছেন: আমাদের দেশ ও মানুষের উদার ধর্ম এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ আধ্যাত্মিক সাধনাকে তারা অসহিষ্ণু, সংকীর্ণমনা ও অন্ধকারাচ্ছন্ন হিসেবে তুলে ধরেছেন; আর একপাক্ষিক এবং চরমপন্থী মতাদর্শগুলোকে ইসলাম, খ্রিস্টধর্ম এবং মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদ, তারা সহনশীলতা, উদারতা, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে প্রচার করেছেন! * আর একটি কথা: আরএসএসের কোনো প্রকাশনায় যদি আমার একটি সাক্ষাৎকারও ছাপা হয়, তবে সেটিই আমি সাম্প্রদায়িক হওয়ার প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়; কিন্তু এই প্রগতিশীলদের নীতি এতটাই শক্ত যে তারা নিজে কমিউনিস্ট পার্টির প্রকাশনায় নিজেদের নামে নিবন্ধ লিখলেও তাদের নিরপেক্ষতা বজায় থাকে! * আমরা যেমনটা দেখেছি, ১৯৮৯ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে নির্দেশিকা জারি করেছিল তার স্পষ্ট অংশ ছিল যে ভারতে ইসলামি শাসন নিয়ে কোনো নেতিবাচক কথা বলা যাবে না। যদিও সে সময়ের ইসলামি লেখকরা এই বিষয়গুলো নিয়েই আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন, তবুও মুসলিম শাসকদের মন্দির ধ্বংস করা, হিন্দুদের জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করা অথবা হিন্দু জনগোষ্ঠীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া অন্যান্য অসমর্থতা নিয়ে কোনো উল্লেখ থাকা চলবে না। ওই নির্দেশিকার সাথে যে অংশগুলো বাদ দিতে হবে তার একটি তালিকা এবং বদলে কী লিখতে হবে তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। যে অংশগুলো বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সেখানে সত্যকে বরং বেশ কমিয়েই বলা হয়েছিল। অন্যদিকে যেসব অংশ ঢোকানোর চেষ্টা করা হয়েছিল সেগুলো ছিল পুরোপুরি মিথ্যা: যেমন আলাউদ্দিন খিলজির মতো ইসলামি শাসকের অধীনে জিজিয়া কর দিয়ে হিন্দুরা নাকি স্বাভাবিক জীবন কাটাতে পারত! আজ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীনে যেসব পাঠ্যবই ব্যবহার করা হচ্ছে সেগুলো গভীরভাবে পড়লে বোঝা যায় যে এটি কেবল ইসলামি শাসনের নিষ্ঠুরতা মুছে ফেলার চেষ্টা নয়, বরং এর পেছনে অনেক গভীর ও ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে। * বাংলায় এই শিক্ষাবিদদের অবস্থান অবশ্যই সিপিআই(এম)-এর দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার ফলে মজবুত হয়েছে। কিন্তু তাদের প্রভাব কেবল ওই রাজ্যের শিক্ষা এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। তাই জাতীয় স্তরেও ছাত্রদের ওপর একই ধরণের মতাদর্শ চাপিয়ে দিতে দেখা যাচ্ছে। বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাশনের টান এতটাই শক্তিশালী এবং এই প্রভাবশালী চক্রটি একজন শিক্ষাবিদের ক্যারিয়ারের জন্য এতটাই মারাত্মক হতে পারে যে অনেক সময় ওই শিক্ষাবিদ তাদের তত্ত্ব এবং মতামতের সাথে একমত না হলেও শেষ পর্যন্ত সেগুলোই আওড়াতে থাকেন। না হলে এনসিইআরটির মতো প্রতিষ্ঠানগুলো তার পান্ডুলিপি পাঠ্যবই হিসেবে গ্রহণ করবে না অথবা সেটির কোনো পর্যালোচনাই হবে না.... * কারসাজিটা লক্ষ্য করুন। মন্দির মেরামত করা বৈধ! গ্রামে মন্দির তৈরি করা যেতে পারে! বাড়ির গোপনীয়তার মধ্যে মন্দির বানানো যেতে পারে! অর্থাৎ উদার নীতিই হলো নিয়ম যা কেবল যুদ্ধের সময় লঙ্ঘন করা হয়! আর ওই সময়ে যাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা হয় বা যাদের ধ্বংস করা হয় তারা তো আসলে ইসলামের শত্রু! শান্তির সময়, যা সাধারণত সবসময়ই থাকে, ওই নিয়মটিই বজায় থাকে—অর্থাৎ হিন্দুরা প্রকাশ্যে এবং আড়ম্বরের সাথেই তাদের ধর্ম পালন করে! এই দাবিগুলোর প্রতিটিই নির্লজ্জ মিথ্যা। কিন্তু এই ঐতিহাসিকরা যেহেতু প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বুদ্ধিবৃত্তিক শুদ্ধতার মানদণ্ড ঠিক করে দিয়েছেন, তাই যে কেউ এই মিথ্যাগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুললে তাকেই ভুল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এমনকি যদি সে সেই সময়ের বিখ্যাত ইসলামি ঐতিহাসিকদের লেখা উদ্ধৃত করেই প্রশ্ন তোলে, তবুও তাকেই দোষী করা হয়। * একবার যখন তারা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দখল করে নিল, একবার যখন তারা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কবজা করল এবং এর মাধ্যমে ঠিক করল কী পড়ানো হবে, কোন বইগুলো পাঠ্য হবে, কী প্রশ্ন করা হবে আর কোন উত্তরগুলো গ্রহণযোগ্য হবে, তখন এই ঐতিহাসিকরাই ইতিহাস আসলে কী ছিল তা নির্ধারণ করতে শুরু করলেন! যেহেতু তাদের বর্তমান রাজনীতি এবং সুবিধার জন্য হিন্দুধর্মকেও অসহিষ্ণু হিসেবে দেখানো প্রয়োজন, তাই তারা আম্বেদকরের বলা সেই কথাগুলো এড়িয়ে যাবেন যেখানে সে বৌদ্ধধর্মের ওপর ইসলামি আক্রমণের ভয়াবহ পরিণতির কথা বলেছিল। আম্বেদকর তার থটস অফ পাকিস্তান বইতে এই আক্রমণ এবং মুসলিম শাসন সম্পর্কে যা বলেছিল তা তারা পুরোপুরি চেপে যাবেন, কিন্তু তার করা ‘ব্রাহ্মণ্যবাদ’-এর নিন্দা এবং মৌর্যদের প্রতিষ্ঠিত বৌদ্ধ ভারতকে ব্রাহ্মণ শাসকরা পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করে শেষ করে দিয়েছে—এই ধরণের মতামতগুলো বারবার প্রচার করবেন।<br/>এভাবেই তারা তথ্য গোপন করেন, কিছু তথ্য বানিয়ে বলেন, এমনকি কোনো লেখক একটি বিষয়ে কী বলেছেন তা ধামাচাপা দিয়ে অন্য বিষয়ে তার বলা কথাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রচার করেন। আর যখনই কেউ আসলে কী ঘটেছিল তা তুলে ধরার চেষ্টা করে, তখনই তারা সমস্বরে চিৎকার শুরু করেন: ইতিহাস নতুন করে লেখার ষড়যন্ত্র চলছে, তারা চিৎকার করেন; ইতিহাস বিকৃত করার চক্রান্ত হচ্ছে, তারা চিৎকার করেন। '''কিন্তু তারাই প্রথম থেকে ইতিহাস বিকৃত করে আসছেন—সত্য গোপন করে এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে।''' * আর এই ঐতিহাসিকদের চতুরতা দেখুন। তারা দাবি করেন যে জাতীয় সংহতির স্বার্থে এই ধরণের তথ্য এবং ঘটনাগুলো ধামাচাপা দেওয়া উচিত: তারা বলেন এগুলো মনে রাখলে মুসলিমরা ক্ষুব্ধ হবে এবং হিন্দুদের মনে মুসলিমদের প্রতি ঘৃণা জন্মাবে। একই সাথে তারা হিন্দুরা বৌদ্ধ মন্দির ধ্বংস করেছে—এমন একটি গল্প বানিয়ে প্রচার করার ওপর জোর দেন। এই গল্প কি বৌদ্ধদের থেকে হিন্দুদের দূরে সরিয়ে দেবে না? বিশেষ করে যখন এর পেছনে তথ্যের কোনো লেশমাত্র নেই, তখন এমন কাহিনী কি হিন্দুদের মন বিষিয়ে দেবে না? * একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—আর্য-দ্রাবিড় বিভাজন, ইসলামি আক্রমণের প্রকৃতি, ইসলামি শাসনের ধরণ, স্বাধীনতা সংগ্রামের চরিত্র—প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা এই বৈশিষ্ট্যটি দেখতে পাই: সত্য গোপন করা এবং মিথ্যা প্রচার করা। গত ত্রিশ বছরের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে এটিই সবচেয়ে বড় কেলেঙ্কারি। এই বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের পক্ষে এটি করা সম্ভব হয়েছে কারণ তারা আইসিএইচআর-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ পেয়েছিলেন। এই মিথ্যা দূর করতে হলে ওই নিয়ন্ত্রণও দূর করতে হবে। * এবং এভাবেই—অন্য ধর্মের পবিত্র মন্দিরের ধ্বংসস্তূপের মাঝে এবং অন্য ধর্মের শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিদের লাশের স্তূপের মাঝে। তা সত্ত্বেও আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের কাছে এটি হলো উদার সহনশীলতার নীতি! সম্পূর্ণ ধর্মনিরপেক্ষ অনুপ্রেরণায় পরিচালিত একটি সহনশীলতার নীতি! * কিন্তু এখানে ভারতে আগের বুলি এবং বিভাগগুলোর সাধারণ আবৃত্তিই যথেষ্ট ছিল। তাই এই বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের ইতিহাস রচনার বৈশিষ্ট্য কেবল তাদের প্রভুদের প্রতি আনুগত্যই নয়, বরং এটি তাদের এক ধরণের সরলমনস্কতা!<br/>তবে আরও একটি বিষয় আছে। ইসলামি শাসনকে ধোয়া-মোছা করাই এই ঐতিহাসিকদের কাজের একমাত্র বৈশিষ্ট্য নয়। এর সাথে যোগ হয়েছে দেশের প্রাক-ইসলামি যুগ এবং ঐতিহ্যের প্রতি এক প্রবল ঘৃণা। বছরের পর বছর ধরে সোভিয়েত এনসাইক্লোপিডিয়াগুলোতে ভারত সম্পর্কে তথ্যগুলো ধীরে ধীরে নমনীয় হয়েছে। তারা খুব দ্বিধার সাথে হলেও স্বীকার করতে শুরু করেছিল যে চীন এবং ভারতের মতো দেশগুলোর ক্ষেত্রে পুরনো বিভাগগুলো হয়তো কিছুটা বদলে নিতে হতে পারে। তারা স্বীকার করতে শুরু করেছিল যে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পর্যায় একে অপরের সাথে মিশে থেকেছে। আর হয়তো কেবল কূটনৈতিক কারণেই তারা আরও বেশি সতর্ক হয়েছিল—আমাদের ঐতিহ্যকে কলঙ্কিত করা এড়িয়ে গিয়েছিল।<br/>সোভিয়েতদের দুই খন্ডের বই এ হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়াতে আমরা ভারতের ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায় নিয়ে কমবেশি একই ধরণের বর্ণনা পাই যা আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের বইতেও আছে। কিন্তু সোভিয়েতদের বইতে সেই ঘৃণা এবং বিদ্বেষের কোনো চিহ্ন নেই যা আমরা আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের বইতে দেখতে পাই। * তাই দুটি বিষয় মনে রাখতে হবে। প্রথমত, আমাদের বন্ধুরা কেবল মার্ক্সবাদী নন, তারা মেকলের অনুসারীও। দ্বিতীয়ত, তারা এক বিশেষ ধরণের মার্ক্সবাদী। তারা সেই অর্থে মার্ক্সবাদী যে তারা নিজেদের মার্ক্সবাদী মনে করেন এবং বারবার গুটিকয়েক মার্ক্সবাদী বুলি আওড়াতে থাকেন। কিন্তু মার্ক্সবাদী ঐতিহাসিক হওয়ার চেয়ে তারা আসলে শাসনব্যবস্থার অনুগত ঐতিহাসিক ছিলেন। তাদের তত্ত্ব এবং মতামত কেবল মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদের মূল বইগুলোর সাথেই মেলেনি, বরং তা কংগ্রেসী শাসকদের আদর্শ এবং প্রয়োজনের সাথেও মিলে গিয়েছে। * বর্ণ বাস্তব। শ্রমিক শ্রেণি বাস্তব। নাগা হওয়া বাস্তব। '''কিন্তু ভারত কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ!''' একইভাবে মুসলিম হওয়া অবশ্যই বাস্তব—ইসলামকে গ্রানাইট পাথরের মতো একটি অভিন্ন ব্লক হিসেবে দেখতে হবে এবং কথা বলতে হবে—... '''কিন্তু হিন্দুধর্ম? কেন, এমন তো কিছু নেই: এটি কেবল কিছু বিচ্ছিন্ন বিশ্বাস এবং আচারের সমষ্টি'''—... '''আর যে কেউ এর উল্টো কিছু দাবি করে, তাকেই এক ঐক্য চাপিয়ে দেওয়া অথবা অভিন্নতা তৈরি করার চেষ্টাকারী হিসেবে ফ্যাসিবাদী তকমা দেওয়া হয়।''' আমাদের প্রগতিশীল চিন্তাবিদরাই এগুলো বলে আসছেন। এক কথায়, কেবল খন্ডিত অংশগুলোই বাস্তব। আর পুরোটা কেবল একটি তৈরি করা ধারণা। এই চিন্তাবিদরা জোর দিয়ে বলেন যে ভারত কখনোই এক ছিল না—সাম্রাজ্য শাসনের উদ্দেশ্যে আর্যরা, মুঘলরা এবং ব্রিটিশরা বিভিন্ন মানুষ ও অঞ্চলকে একসাথে জুড়ে দিয়েছিল। যে কেউ সেই ধারণাকে—অর্থাৎ ভারতকে—আমরা কোন কাঠামোর অধীনে বাস করব তার মাপকাঠি হিসেবে ব্যবহার করতে চায়, তাকেই হিন্দু আধিপত্য কায়েম করার গোপন পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। * এটি এক অর্থে মেকলে-মিশনারি কৌশলেরই ধারাবাহিকতা এবং চূড়ান্ত রূপ। ব্রিটিশরা হিসাব কষে দেখেছিল যে ভারতকে জয় করতে এবং দখলে রাখতে হলে এদেশের মানুষের মূল ভিত্তিটাই দুর্বল করে দিতে হবে: আর তা হলো হিন্দুধর্ম এবং যা কিছু এর থেকে সৃষ্টি হয়েছে। তাই তারা খুব জেদ নিয়েই পাঁচটি বিষয়ের প্রতি মানুষের বিশ্বাস এবং শ্রদ্ধা নষ্ট করতে নেমেছিল: হিন্দুরা যেসব দেব-দেবীর পূজা করে; যেসব মন্দির ও মূর্তিতে তাদের অধিষ্ঠান; তাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থগুলো; যেসব ভাষায় সেই ধর্মগ্রন্থ এবং ঐতিহ্যের সবকিছু সংরক্ষিত—অর্থাৎ সংস্কৃত; এবং সেই গোষ্ঠী যাদের বিশেষ দায়িত্ব ছিল হাজার বছর ধরে এই জীবনধারাকে রক্ষা করা—অর্থাৎ ব্রাহ্মণরা। একই কৌশলের অন্য অংশটি ছিল খন্ডিত অংশগুলোকে উসকে দেওয়া—অহিন্দুরা, আঞ্চলিক ভাষাগুলো এবং সেই বর্ণ ও গোষ্ঠীগুলো যাদের সহজেই মিশনারি এবং সাম্রাজ্যের পথে আনা যাবে—যেমন সহজ-সরল উপজাতি এবং অস্পৃশ্যরা। * পরিস্থিতিটা এখন এইরকম: গত আধ শতাব্দী ধরে ভারতে যারা জনপরিসরের আলোচনায় আধিপত্য বিস্তার করেছে, নিয়ন্ত্রণ করেছে এবং অন্যদের আতঙ্কিত করে রেখেছে, তাদের হাতে এখন কোনো তথ্য বা যুক্তি অবশিষ্ট নেই। যারা তাদের ‘অভ্যন্তরীণ আলোচনার’ খবর রাখেন তারা এটি দেখতে পাবেন—তারা ক্রমশ আরও ছোট গণ্ডির মধ্যে কথা বলছেন; আর এই সংকুচিত হতে থাকা গণ্ডিতে তারা স্রেফ পুরনো বুলি আউড়ে যাচ্ছেন, সেখানে নতুন কোনো চিন্তা বা নতুন কোনো তথ্য নেই। আর আমরা যেমনটা দেখেছি, এটি আগে থেকেই ধারণা করা যায়: তাত্ত্বিক বুলিগুলোর পুনরাবৃত্তি করাই তাদের জন্য কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং যথেষ্ট। * ‘আমি নিজেই আপনার বইটির পর্যালোচনা করতে চাই,’ ওরশিপিং ফলস গডস সম্পর্কে আমাদের একটি প্রধান সংবাদপত্রের সম্পাদক বলেছিলেন। ‘কিন্তু আমি যদি এর প্রশংসা করি, তবে তারা আমার পেছনেও লাগবে। আমাকেও সাম্প্রদায়িক, উচ্চবর্ণের লোক—এইসব বলা হবে।’ ‘অসাধারণ অরুণ, এটা সত্যিই চমৎকার ছিল,’ একজন শীর্ষস্থানীয় ভাষ্যকার বলেছিলেন যিনি ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে একটি পর্যালোচনা লিখেছিলেন। ‘কিন্তু আপনি তো বোঝেনই, আমি ছাপার অক্ষরে এই সবকিছু বলতে পারিনি। তবে এটি সত্যিই অসাধারণ। আপনি এত পরিশ্রম করেন কীভাবে?’ এমনকি পর্যালোচক নির্বাচনের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যায়। কোনো বামপন্থীর লেখা বই হলে সম্পাদকরা ভিন্ন মতাদর্শের কাউকে সেটি দিতে দ্বিধা করেন: ‘তারা বলবে আমি ইচ্ছা করে একজন ডানপন্থীকে এটি দিয়েছি,’ সম্পাদকরা সম্ভবত এভাবেই ব্যাখ্যা দেন। অন্যদিকে, তারা যাকে ডানপন্থী বলে ঠিক করে রেখেছেন তেমন কারো বই হলে, তারা অন্য কোনো ব্র্যান্ডেড ডানপন্থীকে সেটি দিতে ভয় পান: ‘তারা আমাকে দোষ দেবে যে আমি ইচ্ছা করে এমন একজনকে বইটি দিয়েছি যে এর প্রশংসা করবেই,’ তারা অভিযোগের সুরে বলবেন। তাই এই ধরনের ক্ষেত্রে তারা ইচ্ছা করে বইটি এমন কাউকে দেন যে ‘এর নিন্দা করবেই’! * এছাড়াও আমাদের শেখানো হয় যে, আওরঙ্গজেবের মতো কেউ যখন মন্দির ধ্বংস করেন, তখন কী ঘটেছিল এবং কেন ঘটেছিল তা আন্দাজ করার ক্ষেত্রে আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে... আমাদের শেখানো হয় যে, দিল্লির কুওয়াত-উল-ইসলাম মসজিদের মতো প্রাথমিক স্মৃতিস্তম্ভগুলো নাকি ‘খুব দ্রুত’ তৈরি করতে হয়েছিল... এটি কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য! আর সেই ধর্মের কী হবে যা দাবি করে যে ধর্মীয় বিশ্বাসই সব এবং রাজনীতিকে ধর্ম থেকে আলাদা করা যায় না? আর এর নাম: কুওয়াত-উল-ইসলাম মসজিদ, মানে ইসলামের শক্তির মসজিদ? অবশ্যই ধরে নিতে হবে এটি স্রেফ নামমাত্র! আর লক্ষ্য করুন: ‘সহজলভ্য উপকরণগুলো সংগ্রহ করে যুক্ত করা হয়েছিল’, সেগুলো ‘স্পষ্টতই হিন্দু উৎস থেকে এসেছিল’—হয়তো সেই উপকরণগুলো এমনিই পড়ে ছিল; হয়তো মন্দিরগুলো আগেই নিজে নিজে ভেঙে পড়েছিল; হয়তো হিন্দুরা স্বেচ্ছায় তাদের মন্দির ভেঙে সেই উপকরণগুলো দান করেছিল? তাই নয় কি? সর্বোপরি তারা যে তা করেনি তার তো কোনো প্রমাণ নেই! আর তাই ‘লুণ্ঠিত’ শব্দটি বারবার উদ্ধৃতি চিহ্নের মধ্যে রাখা হয়! <br/> প্রকৃতপক্ষে আরও অনেক কিছু আছে। ইসলামি মসজিদ তৈরির জন্য হিন্দু মন্দিরের এই উপকরণগুলোর ব্যবহার নাকি ‘স্থানীয় কারিগরদের স্থাপত্যগত সংজ্ঞা ও খাপ খাইয়ে নেওয়ার একটি প্রক্রিয়ার অংশ ছিল, যা ইসলামি ব্যবহারের জন্য দক্ষিণ এশীয় স্থাপত্যের পরবর্তী উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য ছিল’। এর ফলে মূল দায়ভার গিয়ে পড়ে সেই ‘স্থানীয় কারিগর’ এবং তাদের ‘খাপ খাইয়ে নেওয়ার’ ওপর। ফলে কুতুব মিনার চত্বরের বৈশিষ্ট্যগুলো ‘স্থপতি এবং খোদাইকারদের একটি নতুন কর্মসূচির প্রতি সৃজনশীল প্রতিক্রিয়া’ হিসেবে তুলে ধরা হয়। একটি মসজিদ যেখানে স্পষ্টভাবে হিন্দু মন্দিরের স্তম্ভসহ অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে এবং যেখানে নির্দ্বিধায় ‘কেন্দ্রীয় গম্বুজের কাঠামোয় হিন্দু দেবতাদের খোদাই করা একটি লিন্টেল বা পাথরের কড়িকাঠ এমনভাবে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে ছবিগুলো দেয়ালের ভেতরের দিকে থাকে’, সেটি নাকি ‘কোনো নিয়ম ঠিক করার জন্য’ করা হয়নি। ‘বরং এটি স্থাপত্য, সজ্জা এবং সংশ্লেষণের ক্ষেত্রে সহযোগিতামূলক ও সৃজনশীল সম্ভাবনার দ্রুত অন্বেষণের উদাহরণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।’ এর বিপরীত সিদ্ধান্তগুলো নাকি ছিল ‘ভুল মূল্যায়ন’। আমরা নাকি ‘উদ্ধার করা অংশ’ দেখার ভুল করছি—কী চমৎকার একটি শব্দ, ‘উদ্ধার করা’: ওই অংশগুলো মন্দির ভেঙে পাওয়া যায়নি; সেগুলো ধ্বংসাবশেষ হিসেবে পড়ে ছিল এবং সময়ের সাথে সাথে নষ্ট হয়ে যেত; তার বদলে সেগুলোকে ‘উদ্ধার করা’ হয়েছে এবং নতুন পবিত্র ইমারতের অংশ হওয়ার মর্যাদা দেওয়া হয়েছে—‘উদ্ধার করা অংশ দেখার বদলে সেখানে সুস্থ সহযোগিতামূলক সৃজনশীলতা নতুন রূপ তৈরি করছে’। * তবুও এই সবকিছুর কোনোটিই আকস্মিক নয়। আমরা এই বইতে যেসব পাঠ্য পর্যালোচনা করেছি সেখানে দেখা যায়, এটি একটি নির্দিষ্ট ধারার অংশ। দেখা যায় ভারত নাকি একটি অতি সাম্প্রতিক ধারণা। এটি নাকি কোনো দেশ বা জাতি নয়। হিন্দুধর্ম একটি উদ্ভাবন হিসেবে প্রকাশ পায়—শব্দটি শুনে অবাক হলেন? কয়েক পৃষ্ঠা পড়লেই আর হবেন না—উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে ব্রিটিশদের তৈরি এক উদ্ভাবন। একই সাথে এটি নাকি সবসময়ই সহজাতভাবে অসহিষ্ণু। প্রাক-ইসলামি ভারত ছিল অন্যায় এবং শোষণের আখড়া। ইসলামি শাসন শোষিতদের মুক্তি দিয়েছিল। এই সময়েই ভারতের গঙ্গা-যমুনা সংস্কৃতি তথা ‘সমন্বিত সংস্কৃতি’ গড়ে উঠেছিল, যার প্রধান প্রবক্তা ছিলেন আমির খসরু এবং সুফি সাধকরা ছিলেন এর উৎস। এমনকি সেই সময়েও জাতীয়তাবোধ তৈরি হয়নি। এটি কেবল ব্রিটিশ শাসনের প্রতিক্রিয়ায় এবং পশ্চিম থেকে আসা চিন্তাভাবনার ফলে তৈরি হয়েছে। কিন্তু এটিও—অর্থাৎ দেশ বা জাতি হওয়ার বোধ যতটুকু ছিল—তা কেবল ভারতের উচ্চবিত্তদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কমিউনিস্টরাই সাধারণ মানুষকে সচেতন করেছে এবং তাদের মধ্যে এই ধারণাগুলো ছড়িয়ে দিয়েছে। <br/> এক কথায়, ভারত বাস্তব নয়—কেবল এর অংশগুলোই বাস্তব। শ্রেণি বাস্তব। ধর্ম বাস্তব—আমাদের ধর্মের সাধারণ এবং বিশেষ সূত্রগুলো নয়, বরং ধর্মের সেই দিকগুলো যা আমাদের বিভক্ত করে এবং নিশ্চিত করে যে আমরা একটি জাতি বা দেশ নই, সেই উপাদানগুলোই বাস্তব। বর্ণ বাস্তব। অঞ্চল বাস্তব। ভাষা বাস্তব—আসলে এটি ভুল: যুক্তি হলো সংস্কৃত ছাড়া অন্য ভাষাগুলো বাস্তব; সংস্কৃত মৃত এবং বিলুপ্ত; যাই হোক, হোরেশ উইলসন হাউস অফ কমন্স সিলেক্ট কমিটিতে যেমন বলেছিলেন যে এটিই দেশের অন্যান্য ভাষার ভিত্তি এবং জীবন্ত ভিত্তি ছিল, তা সত্ত্বেও একে উচ্চবিত্তদের সংরক্ষিত এলাকা এবং আধিপত্য ও শোষণের হাতিয়ার হিসেবে দেখানো হয়েছে; এটি নাকি অসহায় জনসাধারণের মধ্যে মিথ্যা চেতনা টিকিয়ে রাখার একটি মাধ্যম ছিল। * পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ ১৯৮৯ সালে নির্দেশ জারি করেছিল যে ‘মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না।’ * অযোধ্যায় তাদের প্রতারণামূলক ভূমিকা—যা শেষ পর্যন্ত অন্য কারো চেয়ে তাদের মক্কেলদেরই বেশি ক্ষতি করেছে—তা ছিল কেবল একটি লক্ষণ মাত্র। পঞ্চাশ বছর ধরে এই দলটি তথ্য গোপন করছে এবং মিথ্যা উদ্ভাবন করছে। আইসিএইচআর-এর সেই উদ্দেশ্য—আমাদের অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ এবং যৌক্তিক গবেষণার প্রসার ঘটানো—সেটি নিয়ে আজ তারা কতই না চিন্তিত হওয়ার ভান করছে! তাদের এই উদ্বেগ কীভাবে ১৯৮৯ সালে তাদের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া নির্দেশিকার সাথে মেলে যা আউটলুক নিজেই উদ্ধৃত করেছিল—‘মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না?’ কিন্তু বৌদ্ধ বিহার ধ্বংসের পাইকারি মিথ্যাচার এবং অস্তিত্বহীন ‘আর্য আক্রমণ’ সম্পর্কে তাদের তথ্যগুলো অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক—এগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলা মানেই হলো সাম্প্রদায়িক বা উগ্র জাতীয়তাবাদী হওয়া! আইসিএইচআরের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করা যথেষ্ট খারাপ ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটি ছিল একটি কৌশল মাত্র। এই ‘ঐতিহাসিকদের’ প্রধান অপরাধ হলো এই পক্ষপাতিত্ব: সত্য গোপন করা এবং মিথ্যা প্রচার করা। * সংবাদমাধ্যম তাদের প্রচেষ্টার এবং এই ক্ষেত্রে তাদের অর্জিত দক্ষতার একটি তৈরি উদাহরণ। তারা তাদের সদস্য এবং সমর্থকদের সাংবাদিকতায় নিয়ে আসার জন্য যত্ন নিয়েছেন। আর সাংবাদিকতার মধ্যে তারা ক্ষুদ্র গণ্ডিগুলোতেও মনোযোগ দিয়েছেন। বইয়ের কথাই ধরুন। তাদের কারো একটি বই কোনো পত্রিকায় পৌঁছানোর সাথে সাথেই সেটি পর্যালোচনার জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত ব্যক্তিদের নামের পরামর্শ চলে আসে। আমি যেমনটা বলেছি, যে সম্পাদক আপত্তি করেন এবং বইটি ভিন্ন মতাদর্শের কারো কাছে পাঠাতে চান তাকে দোষী মনে করানো হয়, যেন তিনি ইচ্ছা করে একটি পক্ষপাতদুষ্ট ও নেতিবাচক পর্যালোচনা নিশ্চিত করছেন। তাদের তালিকা থেকে কাউকে বেছে নেওয়া যে একটি পক্ষপাতদুষ্ট প্রশংসা নিশ্চিত করতে পারে, তা নিয়ে কোনো কথা বলা হয় না। প্রচলিত জনমতের চাপ এতটাই বেশি এবং সম্পাদকরা এড়ানো সম্ভব এমন ঝামেলা এড়াতে এতটাই উদগ্রীব যে, তারা দ্রুত প্রস্তাবিত নামগুলোর মধ্যে একজনকে বেছে নেন... <br/> গত পঞ্চাশ বছর ধরে সংবাদপত্র ও সাময়িকীর বইয়ের পাতাগুলো লক্ষ্য করলেই আপনি দেখতে পাবেন যে এই সাধারণ কৌশলটি কত বড় প্রভাব ফেলেছে। প্রকাশনা সংস্থাগুলোতে তাদের লোকজন গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে ছিল: আর তাই তাদের ধরণের বইগুলোই প্রকাশিত হতো। এরপর তারা একে অপরের বই পর্যালোচনা করত এবং পাঠ্য হিসেবে নির্দিষ্ট করত। এই সব প্রকাশনা এবং পর্যালোচনার ভিত্তিতে তারা একে অপরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং এ জাতীয় জায়গায় পদ পাইয়ে দিতে সক্ষম হতো... এমনকি যেসব প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব সম্পর্কে আমাদের বেশিরভাগের কোনো ধারণাই নেই, সেগুলোকেও ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। আমাদের মধ্যে কতজন সরকারের এমন একটি সংস্থার কথা জানেন যা সরকারি এবং অন্যান্য লাইব্রেরির জন্য পাইকারি বই কেনা নির্ধারণ করে? কিন্তু তারা জানে! তাই আপনি যদি লক্ষ্য করেন যে এই সংস্থাটি বছরের পর বছর ধরে কোন ধরণের বইয়ের অর্ডার দিচ্ছে, তবে আপনি সেগুলোকে প্রায় একচেটিয়াভাবে লাল এবং গোলাপি ঘরানারই পাবেন... <br/> এভাবে তাদের বইগুলো প্রকাশের জন্য নির্বাচিত হয়। তারা একে অপরের বই পর্যালোচনা করে। এর মাধ্যমে সুনাম তৈরি হয়। এর মাধ্যমে পদ দখল করা হয়। ছাত্রদের একটি নতুন প্রজন্ম একই চশমা পরে বড় হয়—আর এর অর্থ হলো সংবাদমাধ্যমে আরও একটি প্রজন্মের তৈরি হওয়া, আমলাতন্ত্রের আরও একটি প্রজন্ম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আরও একটি প্রজন্ম... * আমাদের উচিত দালাই লামার উদাহরণটি সামনে রাখা। তিনি ধ্যানের ওপর একটি তিব্বতি গ্রন্থের ওপর বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি একটি বাক্য পড়লেন, হাসলেন এবং মন্তব্য করলেন, ‘সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বগুলো লজ্জাজনক! এগুলো ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত!’ তিনি পরামর্শ দেন যে আমাদের কাছে সবসময় একটি ঝুড়ি রাখা উচিত—যা কিছু আমাদের বর্তমান জ্ঞানের সাথে মেলে না, সেগুলো সেই ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া উচিত। ‘বৌদ্ধধর্মকে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে,’ তিনি এটাই শেখান। সেই অনুযায়ী তিনি বৌদ্ধ গ্রন্থগুলোকে সূক্ষ্ম পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করেছেন। (...) এটি নিজের ঐতিহ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসকেই তুলে ধরে। এটিই হলো ঐতিহ্যের প্রকৃত সেবা। এতে থাকা ‘অমূল্য রত্ন’ ভবিষ্যতের জন্য রক্ষা করার উপায় এটিই। * কিন্তু আজ বৌদ্ধধর্মের বিলুপ্তির কারণ হিসেবে হিন্দুদের দ্বারা বৌদ্ধদের ওপর নির্যাতন এবং হিন্দুদের দ্বারা তাদের মন্দির ধ্বংসের কথা বলাটা একটি ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। একটি বিষয় হলো, যেসব মার্ক্সবাদী ঐতিহাসিক এই মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছেন তারা এই মনগড়া কাহিনী প্রমাণ করার জন্য সামান্যতম তথ্যও হাজির করতে পারেননি। একটি সাধারণ উদাহরণে রোমিলা থাপার তিনটি শিলালিপি উদ্ধৃত করেছিলেন। নিরলস কর্মী [[সীতরাম গোয়েল]] সেগুলো পরীক্ষা করে দেখেন। এর মধ্যে দুটির সাথে বৌদ্ধ বিহার বা সেগুলো ধ্বংসের কোনো সম্পর্কই পাওয়া যায়নি এবং যেটিতে একটি বস্তু ধ্বংসের কথা ছিল, সেটি বিশেষজ্ঞদের মতে ছিল একটি জাল শিলালিপি; যাই হোক না কেন, সেখানে যা বলা ছিল তা ওই ঐতিহাসিকের ইঙ্গিতের চেয়ে দিন আর রাতের মতো আলাদা ছিল। * সংলগ্ন পৃষ্ঠাগুলোতে দুটি কলাম আছে: অশুদ্ধ এবং শুদ্ধ। প্রগতিশীলরা ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে তাদের ‘বস্তুনিষ্ঠ’ এবং ‘যৌক্তিক’ পদ্ধতির মাধ্যমে কী অর্জন করার চেষ্টা করছেন তা এই পরিবর্তনগুলোর দিকে চোখ বুলালেই বোঝা যায়। * এভাবে কেবল সত্য গোপনই নয়, বরং আজেবাজে কথা প্রচারও করা হচ্ছে। ;বইটি সম্পর্কে * ‘বাম-উদারপন্থী’ বা ‘প্রগতিশীল’ ঐতিহাসিকদের প্রথম বড় সমালোচনা করেছিলেন অরুণ শৌরি, বিশেষ করে তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা আইসিএইচআর-এর অবস্থা নিয়ে। ** ডি. কে. চক্রবর্তী, ন্যাশনালিজম ইন দ্য স্টাডি অফ এনশিয়েন্ট ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি (আরিয়ান বুকস ইন্টারন্যাশনাল, দিল্লি)।[https://koenraadelst.blogspot.com/2021/02/a-case-of-good-nationalism-dk.html] * "বিশিষ্ট ঐতিহাসিকগণ" হলো সেই শব্দ যা দিয়ে তারা একে অপরকে ডাকে এবং তাদের ভক্তরা তাদের এই নামেই ডাকে। যখন কোনো প্রতিপক্ষের যুক্তির উত্তর তাদের কাছে থাকে না, তখন তারা তাকে যথেষ্ট ‘বিশিষ্ট’ নয় বলে দম্ভের সাথে উড়িয়ে দেয়। তাই অরুণ শৌরি যখন এই খাতের কিছু অপব্যবহার নিয়ে লিখেছিলেন, তখন তিনি তার বইয়ের নাম দিয়েছিলেন এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস। এটি ঔপনিবেশিক যুগের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে লেখা একটি পুরনো বই এমিনেন্ট ভিক্টোরিয়ানসের নাম নিয়ে করা একটি শব্দকৌতুকও বটে। ** এলস্ট, কে. [https://koenraadelst.blogspot.com/2016/05/interview-in-monthly-swarajya.html সাক্ষাৎকার, স্বরাজ্য, মে ২০১৬)] ===২০০০-এর দশক=== ==== ''হারভেস্টিং আওয়ার সোলস: মিশনারিস, দেয়ার ডিজাইন, দেয়ার ক্লেইমস'' (২০০০) ==== * আপনি যদি ১৯৯৮ সালের শেষ এবং ১৯৯৯ সালের শুরুর দিকে ভারতে থাকতেন এবং ইংরেজি মাধ্যমের "জাতীয়" সংবাদপত্রগুলো যদি আপনার খবরের উৎস হতো, তবে আপনি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতেন যে একটি ব্যাপক এবং সুসংগঠিত গণহত্যা চলছে; উন্মত্ত হিন্দু গোষ্ঠীগুলো ঘুরে ঘুরে সন্ন্যাসিনীদের ধর্ষণ করছে, মিশনারিদের ওপর আক্রমণ করছে এবং গির্জা পুড়িয়ে দিচ্ছে। (পৃষ্ঠা ৭) * শেষ পর্যন্ত দেখা গেল যে সত্যিই একটি চক্রান্ত ছিল এবং সেটি ছিল একটি সাম্প্রদায়িক চক্রান্ত। পুরো বিষয়টিই ছিল একটি সাজানো গল্প—তাদের দ্বারা যাদের লক্ষ্য হলো হিন্দুদের উন্মত্ত সাম্প্রদায়িক হিসেবে চিত্রিত করা এবং আরএসএস, বিজেপি ইত্যাদিকে এমন এক সংগঠন হিসেবে তুলে ধরা যারা একটি "গণহত্যা" পরিচালনা করছে। জাস্টিস ওয়াধওয়া নথিবদ্ধ করেছেন, "তদন্তে প্রকাশ পেয়েছে যে সিস্টার মেরি এফআইআরে যা বলেছিলেন তা সত্য ছিল না। এটি একটি বানানো গল্প ছিল। তদন্তে দেখা গেছে যে বাস্তবে সিস্টার মেরির সাথে কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি... পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল বি.বি. পান্ডা জানিয়েছেন যে 'সন্ন্যাসিনী ধর্ষণ'-এর ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে এমনভাবে প্রচার করা হয়েছিল যেন এটি খ্রিস্টানদের ওপর একটি আক্রমণ, যদিও বাস্তবে তা সত্য ছিল না এবং মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।" (৯-১০) * ঘটনাগুলোর সত্যতা এবং সেগুলোকে যেভাবে তুলে ধরা হয়েছিল তার মধ্যেকার এই পার্থক্য আমাদের সংবাদপত্র এবং টিভি চ্যানেলগুলোকে সতর্ক করা উচিত যেন তারা তথ্য যাচাই না করে হুট করে কোনো খবর প্রচার না করে। বিশেষ করে, তাদের কেবল সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানো ব্যক্তিদের অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে চলা উচিত নয়। (১৩) * অর্থ থেকে শুরু করে আদর্শ কিংবা অতি নিম্নমানের রাজনীতি—মিথ্যা অপবাদ তৈরির পেছনে বিভিন্ন গোষ্ঠীর বিভিন্ন কারণ থাকে। এদের মধ্যে অনেকগুলো খুব সুসংগঠিত; এমনকি আমরা দেখতে পাব যে কারো কারো বিশ্বজুড়ে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক আছে। তারা অত্যাচারের গল্প তৈরিতে এবং সেগুলো বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিতে অত্যন্ত দক্ষ হয়ে উঠেছে এবং তাদের এই উদ্ভাবনগুলোকে লাভজনক কাজে ব্যবহার করছে। (১৩) * হিন্দু নারীদের মধ্যে কাজ করাকে উচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে, তারা বলেন, "যেহেতু তারা এই ধর্মের রক্ষক"... (৬২) ==== ''সেল্ফ-ডিসিপশন: ইন্ডিয়াস চায়না পলিসিস; অরিজিনস, প্রিমিসেস, লেসনস'' (২০০৮) ==== :অরুণ শৌরি - সেল্ফ-ডিসিপশন: ইন্ডিয়াস চায়না পলিসিস; অরিজিনস, প্রিমিসেস, লেসনস-হার্পার কলিন্স (২০০৮, ২০১৩) * ২০০৮ সালের বেইজিং অলিম্পিকের ঠিক আগের মাসগুলোতে লাসায় তিব্বতিদের বিক্ষোভ দমনে চীন সরকার যে নির্মমতা—তাদের চিরকালীন স্বভাবসিদ্ধ নির্মমতা—দেখিয়েছিল, তা আবারও সেই বিশাল অপরাধের দিকে বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছিল যা পৃথিবী দেখতে অস্বীকার করেছে। তারা পরিকল্পিতভাবে একটি আস্ত জাতিকে তাদের নিজেদের মাটিতেই সংখ্যালঘু বানিয়ে ফেলেছে; তাদের ওপর অকথ্য নিষ্ঠুরতা চালানো হচ্ছে; একইভাবে পরিকল্পিতভাবে তাদের ধর্ম এবং প্রাচীন সভ্যতা মুছে ফেলা হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন শহরের তিব্বতিরা যে বিক্ষোভ করেছে এবং তাদের সাথে ওই দেশগুলোর বহু সাধারণ মানুষ যেভাবে যোগ দিয়েছে, তার ফলও একই হয়েছে।<br>দিল্লিতে মনমোহন সিং সরকার যা করেছিল তেমনটি বিশ্বের অন্য কোনো সরকার করেনি। আমাদের সরকার যতটা ভীরু এবং আতঙ্কিত হয়ে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল, তেমনটি আর কেউ দেখায়নি। অলিম্পিক মশাল মাত্র দুই কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়ার কথা ছিল—বিজয় চক থেকে ইন্ডিয়া গেট পর্যন্ত। সরকার সেই সামান্য রাস্তার ওপর এবং তার চারপাশে বিশ হাজারেরও বেশি সৈন্য, আধাসামরিক বাহিনী, পুলিশ এবং সাধারণ পোশাকে গোয়েন্দা মোতায়েন করেছিল। তিব্বতি শরণার্থীদের মারধর করা হয়েছিল এবং বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল। সরকারি অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। রাস্তাঘাট বন্ধ ছিল। মেট্রো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এমনকি পার্লামেন্ট সদস্যদেরও পার্লামেন্ট সংলগ্ন চত্বর বিজয় চক দিয়ে তাদের বাড়িতে যেতে বাধা দেওয়া হয়েছিল।<br>আপনার কি মনে হয় অলিম্পিকের প্রতি ভালোবাসার কারণে এই সবকিছু করা হয়েছিল?<br>না, এসব করা হয়েছিল চীনের ভয়ে। * ‘দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি’ এবং ‘বৃহত্তর বিবেচনা’—এই শব্দগুলো পণ্ডিতজির খুব পছন্দের ছিল। যখনই সে প্রথম শব্দটি ব্যবহার করত, আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন যে সে আসলে পিছু হটার জন্য ক্ষেত্র তৈরি করছে। আর যখনই সে দ্বিতীয় শব্দটি ব্যবহার করত, আপনি নিশ্চিত হতে পারেন যে সে নির্দিষ্টভাবে দেশের স্বার্থ বিসর্জন দেওয়ার জন্য ক্ষেত্র তৈরি করছে। * মনে করে দেখুন, সে তিব্বতিদের কী বলেছিল—ভারত কূটনৈতিকভাবে সাহায্য করবে। এখন সেই সাহায্যের মানে দাঁড়াল এই যে, চীন যখন তিব্বতকে পিষে ফেলছে তখন ভারত চীনকে খুশি রাখবে, যাতে তারা তিব্বতকে আরও দ্রুত পিষে ফেলতে না পারে। * এই ধরণের যুক্তি থেকে যে প্রায়োগিক সিদ্ধান্ত বের হয় তা আমরা দেখতে পাই। যেহেতু মূল অগ্রগতি এখন থমকে গেছে, তাই আমাদের কিছু করার নেই। যখন মূল অগ্রগতি আবার শুরু হবে, তখন পুরো চিত্রটি পরিষ্কার হবে না। যখন তা সম্পন্ন হবে এবং জায়গাটি পুরোপুরি দখল হয়ে যাবে, তখনও আমাদের কিছু করার থাকবে না কারণ ততক্ষণে জায়গাটি দখল হয়ে গেছে। আমাদের কিছু করা বা বলা কেবল দখলদারদের রাগিয়ে দেবে এবং এর ফলে বেচারা তিব্বতিদের আরও বেশি কষ্ট হবে! * অর্থাৎ সে অনেক লম্বা চওড়া কথা বলে, কিন্তু সদস্যরা যেসব নির্দিষ্ট বিষয় তুলেছেন তার কোনোটিই সে প্রায় স্পর্শ করে না। * সে যেসব দৃষ্টিভঙ্গিকে অপছন্দ করে সেগুলো নাকি সবসময় ভারসাম্যহীন; অথবা অতীতের চিন্তায় আটকে থাকা; অথবা কোল্ড ওয়ার বা ঠান্ডা লড়াইয়ের ধাঁচে গড়া; অথবা কেবল ব্যক্তিগত এবং আবেগপূর্ণ... * ভারতের আমন্ত্রণে দালাই লামা ভারতে এসেছেন। নেহরু ১৯৫৬ সালের ২৬ এবং ২৮ নভেম্বর তার সাথে দেখা করে। দালাই লামা অত্যন্ত বিচলিত ছিলেন। নেহরু তাদের আলোচনার মূল বিষয়গুলো লিখে রাখে। দালাই লামা জানান যে তিব্বতে চীনের সৈন্য সংখ্যা ১,২০,০০০; ঠিক যে সংখ্যাটির কথা বলার জন্য আপা পান্তকে নেহরু তিরস্কার করেছিল। আলোচনা নিয়ে নেহরুর নোটের একটি অনুচ্ছেদে পররাষ্ট্র সচিব সুবিমল দত্ত যোগ করেন: ‘দালাই লামা সাহায্যের জন্য ভারতের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর উত্তর ছিল যে, অন্যান্য বিবেচনার বাইরে ভারত তিব্বতকে কোনো কার্যকর সাহায্য দেওয়ার মতো অবস্থায় নেই; অন্য কোনো দেশের পক্ষেও তা সম্ভব নয়। দালাই লামার উচিত হবে না ভূমি সংস্কারের বিরোধিতা করা।’ সাহায্যের বদলে নেহরু উপদেশ দেয়। সে তার দেওয়া উপদেশগুলো লিখে রেখেছে: ‘দালাই লামার উচিত হবে সংস্কারের নেতা হওয়া। আমাদের সাহায্য করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো চীনের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা, তা না হলে চীন তিব্বত নিয়ে আমাদের উদ্দেশ্যকে ভয় পেতে পারে।’ একটি অজুহাত এবং তা বেশ দাম্ভিক এক অজুহাত—‘তা না হলে চীন তিব্বত নিয়ে আমাদের উদ্দেশ্যকে ভয় পেতে পারে।’ * এই ছোট বইটির মূল উদ্দেশ্য হলো নেহরুর নিজের কথাতেই ভারতের চীন-নীতির বিবর্তন তুলে ধরা এবং এটি দেখানো যে কীভাবে সেই ধারণা এবং অভ্যাসগুলো আজও আমাদের বিপদে ফেলছে, তাই আমি টীকাগুলো ন্যূনতম রাখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু চীন সম্পর্কে নেহরু যা করেছে, বলেছে এবং লিখেছে তার ভাষাগত এবং মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ হওয়া প্রয়োজন! কারণ তার অবস্থান, তার কথা এবং তার যুক্তিগুলো তার অভ্যাস ও মানসিক প্রক্রিয়ার মধ্যেই প্রোথিত। কেবল তার ধারণা এবং সিদ্ধান্তগুলোই নীতি-নির্ধারকদের মধ্যে টিকে নেই, বরং সেই অভ্যাস ও মানসিক প্রক্রিয়াগুলোও টিকে আছে। ১৯৫০-এর দশকে নেহরুর সেই অভ্যাসগুলো নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলেনি কারণ আমাদের জীবনে ও চিন্তাধারায় তার অবস্থান ছিল অনেক উঁচুতে। আজ সেই একই অভ্যাসগুলো নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলে না—তবে কারণটা অন্য: আলোচনার মান এখন এতটাই নিচে নেমে গেছে যে কোনো ধারণা বা সিদ্ধান্ত ঠিকমতো যাচাই করা হয় না। একটি উদাহরণ দিলে এর ফলাফল বোঝা যাবে। যেসব অভ্যাস এখনো টিকে আছে, তার মধ্যে একটি বিশেষভাবে ক্ষতিকর কারণ এটি অবচেতনভাবে সবকিছু মেনে নেওয়াকে জায়েজ করে দেয়। এটি হলো কোনো চিন্তা বা বাক্যের মাঝে এমন কিছু ঢুকিয়ে দেওয়া যা আপনাকে বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়া থেকে রেহাই দেয়। আমরা পণ্ডিত নেহরুর লেখা এবং কথায় প্রতিটি পদে এটি দেখতে পাই। ... * মাও জেদং, চৌ এন-লাই এবং অন্যদের ভারত ও ভারতীয়দের প্রতি থাকা ঘৃণাও নিশ্চিতভাবে এর একটি বড় কারণ। চীনা নেতাদের একের পর এক কথোপকথনে এটি বারবার ফুটে উঠেছে। চৌ এবং কিসিঞ্জার একমত হন যে পূর্ব পাকিস্তানে সমস্যার মূল কারণ হলো ভারত; ভারত যাতে এগোতে না পারে সেজন্য চীন এবং আমেরিকার একসাথে কী করা উচিত সে বিষয়ে তারা একমত হন; তারা কেবল ‘ভারতীয় ঐতিহ্য’—প্রতারণা, অন্যকে দোষারোপ করা—নিয়েই একমত হননি, বরং ভারতীয় চরিত্র নিয়েও একমত হন যা অকৃতজ্ঞতা দিয়ে চিহ্নিত। কিসিঞ্জার যখন পরবর্তীতে জাতিসংঘে চীনের স্থায়ী প্রতিনিধি হুয়াং হুয়া-র সাথে কথা বলেন, তখন এই ঘৃণা এবং বোঝাপড়া আরও স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। সেখানে তিনি হুয়াংকে অনুরোধ করেন যেন সে চৌ এন-লাইকে আশ্বস্ত করে যে, চীন যদি পাকিস্তানকে বাঁচাতে ভারতকে আক্রমণ করে তবে আমেরিকা সোভিয়েত ইউনিয়নকে সামলে রাখবে। নিক্সন, পম্পিডু এবং কিসিঞ্জার বিশ্বের অবস্থা নিয়ে আলোচনা করছেন। নিক্সন চীনাদের দৃষ্টিভঙ্গি এভাবে সংক্ষেপে তুলে ধরেন: ‘...তাদের প্রতিবেশীদের সম্পর্কে চীনাদের মনোভাব এভাবে বলা যেতে পারে। রাশিয়ানদের তারা এখন ঘৃণা করে এবং ভয় পায়। জাপানিদের তারা পরে ভয় পাবে কিন্তু ঘৃণা করে না। ভারতীয়দের তারা চরম অবজ্ঞা করে কিন্তু ভারতীয়রা সেখানে আছে এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন তাদের সমর্থন দিচ্ছে।’ === ২০১০-এর দশক === * আমি এই দুইয়ের মধ্যে কোনো তফাত দেখি না। আমার মনে হয় তারা (বিজেপি এবং কংগ্রেস) আসলে একই দল। তারা মিলেমিশে শাসন করছে। এটা একটা ডিনার পার্টি। তারা ডিনারে দেখা করে। তারা সামাজিকভাবে মেলামেশা করে। বিভিন্ন ইস্যুতে কী করতে হবে তারা নিজেরাই ঠিক করে নেয়। <br>প্রথমত, সংবাদমাধ্যমের উচিত নিজেদের নিয়ে লেখা। এই বিষয়গুলোকে চেপে যাওয়া সংবাদমাধ্যমের জন্য অত্যন্ত সংকীর্ণমনা কাজ। মিত্রোখিন আর্কাইভস প্রকাশ করেছে কীভাবে (তৎকালীন সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থা) কেজিবি বড়াই করত যে তারা অমুক অমুক ভারতীয় সংবাদপত্রে ৪০০টি খবর ঢোকাতে পেরেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সেটা চেপে গেছে। তারপর, দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়র প্রাইভেট ট্রিটিজ প্রথা যা এখন অন্যরাও গ্রহণ করেছে, তা পুরোপুরি চেপে যাওয়া হয়েছে.... যখন ভারতের প্রেস কাউন্সিল ‘পেইড নিউজ’ বা টাকার বিনিময়ে খবর ছাপার অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখার জন্য একটি কমিটি গঠন করতে বাধ্য হয়েছিল, তখন প্রেস কাউন্সিল নিজেই সেই রিপোর্টটি ধামাচাপা দিয়েছিল। ** [https://www.rediff.com/news/report/interview-arun-shourie-on-the-real-meaning-of-the-radia-tapes1/20101201.htm সাক্ষাৎকার] ২০১০ ==== ''ফলিং ওভার ব্যাকওয়ার্ডস'' (২০১২) ==== * প্রথম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল প্রেক্ষাপট ছাড়া ‘তাদের পছন্দের’ শব্দগুলো তুলে আনার মাধ্যমে। ২৯ এবং ৩০ অনুচ্ছেদে সংখ্যালঘুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি এবং পরিচালনার অধিকার দেওয়ার যে উদ্দেশ্য ছিল, তা থেকে শব্দগুলোকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। একটি সাধারণ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ অথবা ডেন্টিস্ট্রি কলেজকে কোনোভাবেই এমন প্রতিষ্ঠান হিসেবে ধরা যায় না যা সংখ্যালঘুদের ভাষা, লিপি অথবা সংস্কৃতি রক্ষার জন্য তৈরি করা হয়েছে। তবুও, যদি ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা ডেন্টিস্ট্রি কলেজটি কোনো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যরা তৈরি করে থাকে, তবে ধরে নেওয়া হতো যে এটি ২৯ ও ৩০ অনুচ্ছেদের সুরক্ষা পাবে এবং এর ফলে এটি রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেত। * এর ফলাফল যতটা অনুমেয় ছিল তেমনই অন্যায় এবং হাস্যকর হয়েছে: যদি রাম শরণ একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করে, তবে রাষ্ট্র এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় অনেক কিছু নির্ধারণ করে দিতে পারে যা তাকে করতে হবে; কিন্তু যদি মুহাম্মদ আসলাম রাস্তার ওপারে ঠিক একই রকম একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করে, যেখানে ঠিক একই বিষয় পড়ানো হয় এবং একই পাঠ্যবই ব্যবহার করা হয়, তবে রাষ্ট্র অথবা বিশ্ববিদ্যালয় কেউই এর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না! * অন্যদিকে, যখন স্রেফ মূল পাঠ্য আঁকড়ে ধরলে বিচার এগিয়ে যাবে, তখন তারা কট্টর নিয়মপন্থী হয়ে ওঠে। এর কিছু বড় উদাহরণ ৩০ অনুচ্ছেদ সংক্রান্ত রায়ে পাওয়া যায়। এই অনুচ্ছেদটি ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং পরিচালনা করার ক্ষেত্রে সংখ্যালঘুদের অধিকার’ নিয়ে কাজ করে। ভারত ভাগ হয়েছিল এই চিৎকারের ওপর ভিত্তি করে যে অখণ্ড ভারতে মুসলিমরা কখনোই নিরাপদ থাকবে না। সংবিধান প্রণেতারা স্বাভাবিকভাবেই সংখ্যালঘুদের আশ্বস্ত করতে চেয়েছিলেন যে তারা তাদের ধর্ম, ভাষা এবং সংস্কৃতি রক্ষা করার স্বাধীনতা পাবে। সেই অনুযায়ী ২৯ অনুচ্ছেদ তৈরি করা হয়েছিল তাদের এই স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দিতে। যদি তারা তাদের ভাষা, সংস্কৃতি অথবা ধর্ম রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠান গড়তে চায়, সেজন্য ৩০ অনুচ্ছেদ তৈরি করা হয়েছিল যেখানে আশ্বস্ত করা হয়েছিল যে ‘ধর্ম অথবা ভাষার ভিত্তিতে তৈরি সব সংখ্যালঘুর তাদের পছন্দের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং পরিচালনা করার অধিকার থাকবে।’ প্রেক্ষাপটটি উদ্দেশ্য পরিষ্কার করে দিয়েছিল: সংখ্যালঘুদের এমন প্রতিষ্ঠান গড়ার স্বাধীনতা থাকবে যা তাদের সংস্কৃতি, ধর্ম এবং ভাষা সবচেয়ে ভালোভাবে রক্ষা করতে পারবে বলে তারা মনে করে। কিন্তু সংবিধান তৈরির পর থেকে আলোচনার ধরন যেমন হয়েছে, তাতে বিচারকরা আক্ষরিক অর্থেই সব দেখতে শুরু করলেন। যে উদ্দেশ্যেই প্রতিষ্ঠানটি তৈরি হোক না কেন, সংখ্যালঘুদের ‘তাদের পছন্দের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান’ গড়ার এবং পরিচালনা করার অধিকার থাকবে। এর ফলে, ধরুন মুসলিমদের একটি পরিবারের তৈরি করা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ অথবা ডেন্টাল কলেজ সরকারি নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি থেকে যে স্বাধীনতা পাবে, সাধারণ ভারতীয়দের তৈরি ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা ডেন্টাল কলেজ তা পাবে না। * এখন, এগুলো স্রেফ কোনো চমৎকার অনুচ্ছেদ সাজানোর জন্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাক্য নয়। এগুলো হলো অবস্থান এবং দৃষ্টিভঙ্গি যা নির্দেশ করে যে রায়টি কোন দিকে যাবে। এগুলো হলো দিকনির্দেশক যা আমাদের বলে যে পাঠ্যটিতে দেওয়া যুক্তিগুলো শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে থামবে। এই ধরণের বয়ানগুলোর গুরুত্ব স্রেফ সেই বিশেষ রায়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না যেখানে সেগুলো ব্যবহার করা হয়েছে। পরবর্তী বেঞ্চগুলো একই অবস্থান নিতে পারে এবং একই দিকে আরও এগিয়ে যেতে পারে। * আমরা নিজেদের সান্ত্বনা দিই: অন্তত সংরক্ষণের ভাইরাস বিচারবিভাগীয় নিয়োগের মধ্যে ঢোকেনি; অন্তত মুসলিম এবং খ্রিস্টানদের জন্য সংরক্ষণ বাড়ানো হয়নি। এই দুটি ধারণাই আসলে নিছক কল্পনা। * যেসব ধর্ম জাতপাত অস্বীকার করে—যেমন ইসলাম, খ্রিস্টধর্ম, শিখধর্ম—সেগুলোর সদস্যদের জন্য সংরক্ষণ বাড়ানো হয়নি বলে যে ধারণা, তাও স্রেফ কল্পনা। সংখ্যালঘু কমিশনের চেয়ারম্যান, আমার বন্ধু তর্লোচন সিং আমাকে ৫৮টি জাত এবং ১৪টি উপজাতি গোষ্ঠীর একটি তালিকা পাঠিয়েছে যাদের মুসলিম সদস্যরা সংরক্ষণ পেয়েছে। এমনকি যারা এই ধর্মগুলোর একটিতে ধর্মান্তরিত হয়, তারা সংরক্ষণের সুযোগ পাওয়ার যোগ্য হিসেবে থেকে যায়। তামিলনাড়ুর নিয়ম হলো যে যদি বাবার নাম অনগ্রসর জাতি/অত্যধিক অনগ্রসর জাতি/তফসিলি জাতি/তফসিলি উপজাতি-র তালিকায় থাকে, তবে সেই ব্যক্তি অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হলেও সংরক্ষণের অধিকারী থাকে। গুজরাটে অনগ্রসর জাতির সদস্যরা ধর্মান্তরের পরেও কেবল সংরক্ষণই নয়, রোস্টার সিস্টেমের সুবিধাও পেয়ে থাকে—সেখানে ১৩৭টি জাত এবং উপজাতকে সামাজিক এবং শিক্ষাগতভাবে অনগ্রসর হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে; এর মধ্যে ২৮টি মুসলিম সম্প্রদায়ের। কর্ণাটকে ‘জন্মগত জাত’ প্রথাই হলো নিয়ম। উত্তরপ্রদেশে বেশ কিছু মুসলিম জাত সংরক্ষণের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত—লালবেগি, মজহাবি, এমনকি আনসারিও। মধ্যপ্রদেশ অথবা পশ্চিমবঙ্গেও পরিস্থিতি আলাদা নয়। কলকাতার ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'' প্রতিনিধি রিপোর্ট করেছে যে প্রকাশ্য ধর্মনিরপেক্ষ সিপিআই(এম) সরকার সরকারি চাকরির পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও মুসলিমদের মুসলিম হিসেবে সংরক্ষণ দেওয়ার চেষ্টা করেছিল এবং রাজ্য সংখ্যালঘু কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছিল অন্ধ্রপ্রদেশে কীভাবে এই ধরণের সংরক্ষণ ঘোষণা করা হয়েছিল তা খতিয়ে দেখতে। সে লিখেছে যে পরিকল্পনাটি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে হয়েছে কেবল এই কারণে যে অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্ট অন্ধ্র সরকারের সেই নির্দেশকে অসাংবিধানিক বলে বাতিল করে দিয়েছে। * এমনকি যখন অন্ধ্রপ্রদেশের রায় উল্টে দেওয়ার চেষ্টা চলছে, সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে তাদের সেনা এবং অফিসারদের ধর্ম অনুযায়ী গণনা করার নির্দেশ দিয়েছে। এই পদক্ষেপটি কোনো ভুলবশত ঘটেনি। এটি দিল্লির প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রাজিন্দর সাচারের অধীনে সরকার গঠিত একটি কমিটির মাধ্যমে উঠে এসেছে—যার প্রতিটি সদস্যকে তার ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ বিশ্বাসের জন্য সাবধানে বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি রেফারেন্স যার ওপর তথ্য সংগ্রহ এবং সুপারিশ করতে বলা হয়েছে, যেমনটা আমরা শুরুতেই লক্ষ্য করেছি, তা মুসলিমদের একটি ধর্মীয় গোষ্ঠী হিসেবে সংরক্ষণ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার যৌক্তিকতা প্রমাণের জন্যই সাবধানে বেছে নেওয়া হয়েছে। * সামনে নির্বাচন থাকায় ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে কেরালা সরকার অনগ্রসর জাত এবং মুসলিমদের জন্য সংরক্ষণের আরেকটি ‘প্যাকেজ’ ঘোষণা করে: রাজ্যের চাকরির নিয়ম পরিবর্তন করা হবে যাতে এই অংশগুলো সরাসরি নিয়োগ পেতে পারে এবং তাদের জন্য বরাদ্দ ৪০ শতাংশ কোটা পূরণ করা যায়; যদি এই অংশগুলো থেকে উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া না যায়, তবে সেই শূন্যপদগুলো মেধার ভিত্তিতে পূরণ করা হবে না; রাজ্য পাবলিক সার্ভিস কমিশন একটি ‘অতিরিক্ত সম্পূরক তালিকা’ তৈরি করবে যাতে শূন্যপদগুলো কেবল এই অংশগুলো দিয়েই পূরণ করা যায়; সরকারি কলেজের স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর কোর্সে এই জাতগুলোর জন্য ২০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে; মুখ্যমন্ত্রী নিজে সংরক্ষণ নীতির বাস্তবায়ন তদারকি করবেন; সংরক্ষণ যাতে পুরোপুরি পূরণ করা হয় তা নিশ্চিত করতে একটি স্থায়ী কমিশন থাকবে... * সামনে নির্বাচন থাকায় তামিলনাড়ুতে ডিএমকে এবং তার সহযোগীরা ঘোষণা করেছে যে ক্ষমতায় গেলে তারা মুসলিম এবং খ্রিস্টানদের সংরক্ষণ দেওয়ার জন্য আইন আনবে। * ঝাড়খণ্ড সরকার আবার ঘোষণা করেছে যে বত্রিশটি উপজাতি যারা সবচেয়ে বেশি অনগ্রসর—যাদের মধ্যে নয়টির সাক্ষরতার হার মাত্র ১০ শতাংশ—তাদের সরাসরি সরকারি চাকরিতে নিয়োগ করা হবে; তাদের মধ্যে যারা স্নাতক পরীক্ষায় পাশ করবে তাদের যোগ্যতা নির্ধারণকারী পরীক্ষায় বসতে হবে না যা সরকারি চাকরিতে আসা অন্য সবাইকে দিতে হয়। * আর সাবধান, প্রগতিশীল বিচারকরা ইতিমধ্যে মুসলিম অথবা খ্রিস্টানদের মুসলিম এবং খ্রিস্টান হিসেবে সংরক্ষণ দেওয়ার ভিত্তি তৈরি করে রেখেছেন। সংবিধান যে শব্দটি ব্যবহার করেছে তা হলো ‘সম্প্রদায়’, যে শব্দটি এটি ব্যবহার করেছে তা হলো ‘শ্রেণি’, ইন্দ্র সাহানি মামলায় বিচারপতি জীবন রেড্ডি, সাওয়ান্ত এবং থম্মেন এটিই বলেছেন। তারা বলেছেন ‘সম্প্রদায়’ এবং ‘শ্রেণি’ শব্দটি ‘জাত’ শব্দের চেয়ে ব্যাপক। তাই তারা বলেছেন যে ‘জাত’-এর চেয়ে বড় কোনো সত্তাকে অবশ্যই এর অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে—একমাত্র শর্ত হলো চিহ্নিত গোষ্ঠীগুলো যেন ‘অনগ্রসর’ হয়। দ্বিতীয়ত, ইসলাম, খ্রিস্টধর্ম এবং শিখধর্মের শিক্ষা সত্ত্বেও এই ধর্মগুলোতেও জাতপাত টিকে আছে বলে তারা এর স্বপক্ষে যুক্তি দিয়েছেন। যেহেতু এটিই বাস্তবতা, তাই কেবল হিন্দুদের অনগ্রসর অংশগুলোর জন্যই সংরক্ষণের সুযোগ সীমিত রাখা অন্যায় হবে... ৩ * আমরা কত নিচে নেমে গেছি! আজ প্রগতিশীলরা তাদের জাতপাতকেই ধর্মনিরপেক্ষতা হিসেবে সাজিয়ে তুলে ধরে! তারা সগর্বে ঘোষণা করে যে সংরক্ষণের সুবিধা মুসলিম এবং খ্রিস্টানদেরও দেওয়া হবে। অন্ধ্রপ্রদেশে সরকারের সিদ্ধান্ত দুবার আদালত বাতিল করে দিয়েছে—সরকার মুসলিমদের মুসলিম হিসেবে সংরক্ষণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এমনকি যখন সেই রায় উল্টে দেওয়ার চেষ্টা চলছে, কেন্দ্রীয় সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে তাদের সেনা এবং অফিসারদের ধর্ম অনুযায়ী গণনা করার নির্দেশ দিয়েছে। এই পদক্ষেপটি কোনো ভুলবশত ছিল না। এটি দিল্লি হাইকোর্টের একজন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতির অধীনে সরকার গঠিত একটি কমিটির মাধ্যমে উঠে এসেছিল। কমিটির প্রতিটি সদস্যকে তার ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ এবং ‘প্রগতিশীল’ বিশ্বাসের জন্য সাবধানে বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি রেফারেন্স যার ওপর কমিটিকে তথ্য দিতে এবং সুপারিশ করতে বলা হয়েছে, তা মুসলিমদের একটি ধর্মীয় গোষ্ঠী হিসেবে সংরক্ষণ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার যৌক্তিকতা প্রমাণের জন্যই সাবধানে বেছে নেওয়া হয়েছে: * প্রতিটি বিষয়ই এই পুরো প্রক্রিয়ার একমাত্র উদ্দেশ্য প্রকাশ করে দেয়—তা হলো মুসলিমদের জন্য সংরক্ষণ বাড়ানোর স্বপক্ষে যুক্তি তৈরি করা। এই সুবিধাবাদ কেবল বর্তমান শাসক জোটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ২০০৫ সালে বিহারের নির্বাচনের আগে প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীগুলো মুসলিমদের মুসলিম হিসেবে সংরক্ষণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করছিল। * সংবিধান প্রণেতাদের উদ্দেশ্য ছিল ঠিক উল্টোটি, যা আমাদেরও হওয়া উচিত। এটি ছিল হিন্দু সমাজ থেকেও জাতপাতের ক্যান্সার নির্মূল করা। চরম অনিচ্ছা সত্ত্বেও তারা তফসিলি জাতি এবং উপজাতিদের জন্য সংরক্ষণের অনুমতি দিতে রাজি হয়েছিলেন—কারণ তারা মনে করেছিলেন যে এটুকু করলেও জাতপাতের বিভেদ টিকে থাকবে। তাই সংরক্ষণ ছিল সাধারণ নিয়মের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। ===2020s=== ====''Preparing: For Death'', 2020==== *One must reflect deeply on the nature of the adversity, and on how it may be converted into an instrument for growth. The routine Gandhiji set for himself was always so much stricter and so much more demanding than anything that a jailer would have thought of imposing on anyone. Similarly, picture Vinoba in solitary confinement in that cell, 8 feet by 9 feet in dimension: how he converts imprisonment into ashram life; how in that tiny space, in forced and complete isolation, he retains his mental discipline by meditating for two to three hours every day; how he disciplines himself physically by walking every day for eight hours inside that suffocating cell, and thereby covering ten miles—covering ten miles in a cell 8 feet by 9 feet every single day! In both cases, control remained in the hands of the prisoner, not the jailer—a very important factor in dealing with adversity. ** Arun Shourie, ''Preparing: For Death.'' Penguin Random House India Private Limited, 2020. ISBN 935305978X, 9789353059781 *The rituals—for instance, those we go through during a marriage ceremony—were devised to imbed certain values into us: the experience of centuries had led thoughtful persons to see that going through those steps, that reciting those mantras and reflecting on them would help us internalize those values, and mould our lives accordingly. But what do we do today? First, we outsource the ritual—to a pandit, say. As he goes through the motions prescribed for solemnizing a marriage, as he chants those mantras, we don’t have a clue about the meaning of the words that he is reciting, nor of the steps—‘Now pour some water on the earth, and then on . . .’ Nor do we care: ‘Panditji, puja zaraa jaldi khatam kar deejiye. Guest dinner ke liye wait kar rahen hain’—‘Panditji, please conclude the puja a bit quickly. The guests are waiting for dinner.’ ** Arun Shourie, ''Preparing: For Death.'' Penguin Random House India Private Limited, 2020. ISBN 935305978X, 9789353059781 ==Quotes about Arun Shourie== *In the end, India had to wait till 1998 for Arun Shourie’s Eminent Historians to be published. This book uncovered in detail after ghastly detail, this multi-layered assault on the national psyche that has disfigured the minds of at least three generations regarding the vital truths of their own nation. And thanks to this seminal contribution, “Eminent Historian” has fittingly become a swearword in the Indian public discourse. **S. Balakrishna, Seventy years of secularism. 2018. *Anyone who thought India had dismantled its notorious system of bureaucratic controls when it embarked on economic reform in 1991 ought to consult Arun Shourie. As cabinet minister (at various times since 1998) for privatisation, administrative reform, information technology and telecommunications, Mr Shourie's observations are close to the bone. The Hindu nationalist-led government in which Mr Shourie was the most prominent economic reformer was thrown out last May. Franz Kafka would have had difficulty dreaming up some of the examples cited in Mr Shourie's book. ... But it is what India's bureaucracy is like under normal conditions that matters and Mr Shourie does a depressingly thorough job in chronicling it. One can only hope that India's senior civil servants find the time to read this book - and have the grace to wince. **[[Edward Luce]], India's tragic comedy of civil disservice, book review in Financial Times. November 9, 2004 *Muslim leaders and Stalinist historians were raising a howl about Hindu chauvinism when it came to the notice of Arun Shourie, the Chief Editor of the Indian Express at that time, that some significant passages had been omitted from the English translation of an Urdu book written long ago by the father of Ali Mian, the famous Muslim theologian from Lucknow. He wrote an article, Hideaway Communalism, in the Indian Express of February 5, 1989 pointing out how the passages regarding destruction of Hindu temples and building of mosques on their sites at Delhi, Jaunpur, Kanauj, Etawah, Ayodhya, Varanasi and Mathura had been dropped from the English translation published by Ali Mian himself. This was a new and dramatic departure from the norm observed so far by the prestigious press. Publishing anything which said that Islam was less than sublime had been taboo for a long time. I was pleasantly surprised, and named Arun Shourie as the [[মিখাইল গর্বাচেভ]] of India. He had thrown open the windows and let in fresh breeze in a house full of the stinking garbage of stale slogans. **Goel, S.R. How I became a Hindu (1993, revised ed.) *[Arun Shourie's article 'Hideaway Communalism'] had violated a taboo placed by the mass media and the academia on any unfavourable narration of the history of Islam since the days when Mahatma Gandhi took command of the Indian National Congress and launched his first non-cooperation movement in support of the Turkish Khilafat. **Goel, S.R. Hindu Temples – What Happened to Them, Volume I (1990) Preface, 2nd edition, p. xiii. *Arun Shourie had shown great courage. But he had counted without the secularist crowd which had access to the owner of the Indian Express. He told me on the phone that there was some trouble brewing. I have never talked to him about the nature of the trouble, and do not know if my articles had anything to do with his ouster from the Indian Express next year. All I know is that he had to slow down the publication of my next two articles. **Goel, S.R. How I became a Hindu (1993, revised ed.) *Mani Shankar Aiyar totally condemns one of Arun Shourie's books, and then goes on to declare that he has decided not to read it : "Shourie gave the final touches to the manuscript of his book on Islam, a work so vicious and perverted that every English speaking Muslim I know was outraged... I decided then to show my solidarity with secularism by not reading the book." (The book he refers to, is apparently Shourie's Religion in Politics, a very sane and sober look at several Scriptures in the light of reason.) **Elst, Koenraad. Ayodhya and after: issues before Hindu society. Voice of India. 1991. *The problem of book-banning and censorship on Islam criticism is compounded by the related problem of self- censorship. Thus, when in late 1992, the famous columnist Arun Shourie wanted to publish a collection of his columns on Islamic fundamentalism, esp. the Rushdie and Ayodhya affairs (Indian Controversies), the publisher withdrew at the last moment, afraid of administrative or physical reprisals, and the printer also backed out. Earlier, Shourie had been lucky to find one paper willing to publish these columns, for most Indian newspapers strictly keep the lid on Islam criticism. Hindu society is a terrorized society. **Elst, Koenraad. Negationism in India: concealing the record of Islam. Voice of India. 1992 *Arun Shourie was sacked as Indian Express editor, apparently under government pressure, after revealing that, in October 1990, Prime Minister V.P. Singh had aborted his own compromise arrangement on Ayodhya under pressure from Imam Bukhari, prominent member of the BMAC. **Koenraad Elst. Ayodhya: the case against the temple. 2002 * Or take A Secular Agenda by Arun Shourie, PhD from Syracure NY and stunningly successful Disinvestment Minister in the AB Vajpayee Government, when India scored its highest economic growth figures. It was a very important book, and it left no stone standing of the common assumption among so-called experts that India (with its religion-based civil codes and its discriminatory laws against Hinduism) is a secular state, i.e. a state in which all citizens are equal before the law, regardless of their religion. Though the book deconstructs the bedrock on which the “experts” have built their view of modern India, they have never formulated a refutation. Instead, they just keep on repeating their own deluded assumption, as in: “The BJP threatens India’s structure as a secular state.” (Actually, the BJP does not, and India is not.) They can do so because they are secure in the knowledge that, among the audiences that matter, their camp controls the sphere of discourse. Concerning the interface between religion and modern politics, the established “academic” view is not just defective, it is an outrageous failure. **Elst, Koenraad. Hindu dharma and the culture wars. (2019). New Delhi : Rupa. *The only ray of light in this encircling gloom was Arun Shourie, the veteran journalist and the chief editor of the Indian express at that time. On February 5, 1989, he frontpaged an article, Hideaway Communalism, showing that while the Urdu version of a book by Maulana Hakim Sayid Abdul Hai of the Nadwatul-Ulama at Lucknow had admitted that seven famous mosques had been built on the sites of Hindu temples, the English translation published by the Maulana’s son, Abul Hasan Ali Nadwi (Ali Mian) had eschewed the “controversial evidence”. He also published in the Indian Express three articles written by me on the subject of Islamic iconoclasm. This was a very courageous defiance of the ban imposed by Islam and administered by Secularism, namely, that crimes committed by Islam cannot even be whispered in private, not to speak of being proclaimed in public. **Goel, S. R. (1993). Hindu temples: What happened to them. (Second Enlarged Edition) [https://web.archive.org/web/20120429114113/http://www.bharatvani.org:80/books/htemples2/] *He dismisses Arun Shourie by pigeon-holing him as ‘post-modern’. He does not know that Hinduism has its own view of Time, and that a person who serves Sanatana Dharma cannot be dated. Scholars like Arun Shourie belong neither to the past, nor to the present, nor yet to the future. They belong to a timeless span. **S.R. Goel, History of Hindu-Christian Encounters (1996) * Just then Shourie was sacked as its editor. The reason was not so much the article, but, apparently, his entire policy of including columns by Hindu communalists like Ram Swarup and Sita Ram Goel, and his own articles that debunked some of the prevalent secularism, such as Hideaway Communalism. ** Elst, Koenraad (1991). Ayodhya and after: Issues before Hindu society. *I thank particularly my friend Arun Shourie because we need people like Arun Shourie to challenge us so that we can rectify our mistakes and all together collectively move towards the creation of a new India, a new humanity. ** Fr. Augustine Kanjamala, quoted in Shourie, Arun. Arun Shourie and his Christian Critic. (1995) * It is clear that Witzel himself has a political agenda: note his resentment of the “present Indian (right wing) denouncement of the ‘eminent historians’ of Delhi” (§9) – some of these “eminent historians” actively collaborated with Witzel and Farmer in their recent media-blitz in the Indian press. The reader is invited to go carefully through Arun SHOURIE’s book “Eminent Historians” (1998), which is being referred to here, and see the kind of political scholarship to whose defense Witzel has no compunctions in rushing! **S. Talageri. Michael Witzel – An Examination of his Review of my Book (2001) *As for Shourie, Mukhia is hardly revealing a secret with his information that Shourie “does journalism for a living”. The greatest investigative journalist in India by far, he has indeed unearthed some dirty secrets of Congressite, casteist and Communist politicians. His revelations about the corrupt financial dealings between the Marxist historians and the government-sponsored academic institutions are in that same category: fearless and factual investigative journalism. Shourie has a Ph.D. degree in Economics from Syracuse University in U.S.A., which should attest to a capacity for scholarship, even if not strictly in the historical field. When he criticizes the gross distortions of history by Mukhia’s school, one could say formally that he transgresses the boundaries of his specialism, but such formalistic exclusives only hide the absence of a substantive refutation. **Elst K. Ayodhya: The Case Against the Temple, chapter 4 * When Shourie's articles first appeared, they aroused great emotions and savage attacks. He quoted from the Bible and the Quran extensively on the question of co-existence. Many were shocked.... Shourie has called his book, Religion in Politics; someday he should bring out another book, Politics in Religion....The first book discusses politics complicated by religions factors; the second would discuss religions which are essentially political... **Ram Swarup, Hinduism and monotheistic religions (2009) == External links == {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:Shourie, Arun}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতিবিদ]] [[Category:Hindu nationalists]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতান্ত্রিক বিরোধী]] [[Category:Investigative journalists]] 4wvxwcbfrdjaba7awq7j5e0jecbvgoc 78889 78888 2026-04-20T10:58:23Z ARI 356 /* 2020s */ 78889 wikitext text/x-wiki [[File:Arun Shourie addressing the Plenary Session on "Diaspora Youth and India - Blueprint for Engagement" at the 2nd Pravasi Bharatiya Divas in 2004.jpg|thumb| আমি বেশ অবাক হয়েছিলাম এবং অরুণ শৌরিকে ভারতের গর্বাচেভ নাম দিয়েছিলাম। তিনি পচা স্লোগানের আবর্জনায় ভরা একটি ঘরে জানালাগুলো খুলে দিয়েছিলেন এবং এক ঝলক টাটকা বাতাস আসতে দিয়েছিলেন। ~ সীতারাম গোয়েল]] [[File:Animal artists at the Jardin des Plantes.jpg|thumb|তারা বর্তমান ভারত এবং বিশেষ করে [[হিন্দুধর্ম]]কে একটি চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছে—বিভিন্ন রকমের অসম প্রজাতির স্তূপ। তাদের মতে ‘[[ভারত]]’ বলে কিছু নেই, এটি কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ, কেবল [[যুক্তরাজ্য]]ের তৈরি একটি ধারণা; হিন্দুধর্ম বলে কিছু নেই, এটি কেবল আরবদের ব্যবহৃত একটি শব্দ যা তারা এখানে এসে বিভিন্ন ধরনের মানুষের দেখা পাওয়ার পর ব্যবহার করেছিল, এটি কেবল অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য সাম্প্রদায়িকদের একটি উদ্ভাবন, এটিই ছিল তাদের অবস্থান।]] [[File:Dalailama1 20121014 4639.jpg|thumb|আমাদের উচিত দালাই লামার উদাহরণটি সামনে রাখা। তিনি ধ্যানের ওপর একটি তিব্বতি গ্রন্থের ওপর বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি একটি বাক্য পড়লেন, হাসলেন এবং মন্তব্য করলেন, ‘সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বগুলো লজ্জাজনক! এগুলো ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত!’ তিনি পরামর্শ দেন যে আমাদের কাছে সবসময় একটি ঝুড়ি রাখা উচিত—যা কিছু আমাদের বর্তমান জ্ঞানের সাথে মেলে না, সেগুলো সেই ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া উচিত। ‘[[বৌদ্ধধর্ম]]কে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে,’ তিনি এটাই শেখান। সেই অনুযায়ী তিনি বৌদ্ধ গ্রন্থগুলোকে সূক্ষ্ম পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করেছেন। (...) এটি নিজের ঐতিহ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসকেই তুলে ধরে। এটিই হলো ঐতিহ্যের প্রকৃত সেবা। এতে থাকা ‘অমূল্য রত্ন’ [[ভবিষ্যৎ]]ের জন্য রক্ষা করার উপায় এটিই।]] [[File:Censorship in cinema.jpg|thumb|এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?]] [[File:Parental Advisory label.svg|thumb|এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি—যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?]] [[File:Censorship.svg|thumb|এই বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।]] [[File:Murales Rivera - Treppenhaus 9 Bücherverbrennung.jpg|thumb|আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে... তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা...<br> দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br> তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন।]] [[File:Eustache Le Sueur - The Preaching of St Paul at Ephesus - WGA12613.jpg|thumb|সবচেয়ে বড় অংশগুলো বাদ দিতে বলা হয়েছে ‘আওরঙ্গজেবের ধর্মীয় নীতি’ সংক্রান্ত অধ্যায় থেকে। তিনি হিন্দুদের সাথে প্রকৃতপক্ষে কী করেছিলেন, তাদের মন্দিরের কী করেছিলেন, তার শাসনের মূল উদ্দেশ্যইসলামের প্রভাব বিস্তার এই সংক্রান্ত প্রতিটি ইঙ্গিত বই থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে... '''সবকিছু ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।'''<br/>'''বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের জন্য বস্তুনিষ্ঠ ধামাচাপা। আর আজ যদি কেউ এই পাঠ্যবইগুলোতে সত্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে, তবে চিৎকার ওঠে, ‘ইতিহাসের সাম্প্রদায়িক পুনর্লিখন’।''']] [[File:Porträtgalerie des steiermärkischen Adels 043.jpg|thumb|একবার যখন তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিলেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিলেন, তখন তারাই ঠিক করতে শুরু করলেন কী পড়ানো হবে, কোন বইগুলো পাঠ্য হবে, কী প্রশ্ন করা হবে আর কোন উত্তরগুলো গ্রহণযোগ্য হবে। এভাবেই এই ঐতিহাসিকরা আসলে ইতিহাস কী ছিল তা নির্ধারণ করতে শুরু করলেন! ... এভাবেই তারা তথ্য গোপন করেন, কিছু তথ্য বানিয়ে বলেন, এমনকি কোনো লেখক একটি বিষয়ে কী বলেছেন তা ধামাচাপা দিয়ে অন্য বিষয়ে তার বলা কথাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রচার করেন। আর যখনই কেউ আসলে কী ঘটেছিল তা তুলে ধরার চেষ্টা করে, তখনই তারা সমস্বরে চিৎকার শুরু করেন: ইতিহাস নতুন করে লেখার ষড়যন্ত্র চলছে, তারা চিৎকার করেন; ইতিহাস বিকৃত করার চক্রান্ত হচ্ছে, তারা চিৎকার করেন। '''কিন্তু তারাই প্রথম থেকে ইতিহাস বিকৃত করে আসছেন সত্য গোপন করে এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে।''']] [[File:Censored stamp.jpg|thumb|আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?]] [[File:Soviet Communism Threatens Education - NARA - 5730072.jpg|thumb|পরিস্থিতি এখন এইরকম: ভারতের জনপরিসরে যারা গত অর্ধ শতাব্দী ধরে আধিপত্য বিস্তার করেছেন, নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং অন্যদের আতঙ্কিত করে রেখেছেন, তাদের হাতে এখন কোনো তথ্য বা যুক্তি অবশিষ্ট নেই। যে কেউ তাদের অভ্যন্তরীণ আলোচনাগুলো পর্যবেক্ষণ করলেই এর প্রমাণ পাবেন—তারা এখন ক্রমশ ছোট হয়ে আসা গণ্ডির মধ্যে কথা বলছেন এবং সেই ছোট গণ্ডিতেই পুরনো কিছু বুলি পুনরাবৃত্তি করছেন। সেখানে নতুন কোনো চিন্তাভাবনা বা নতুন কোনো তথ্য নেই। আর আমরা যেমনটা দেখেছি, এটি আগে থেকেই ধারণা করা যায়: তাত্ত্বিক বুলিগুলোর পুনরাবৃত্তি করাই তাদের জন্য কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং যথেষ্ট।]] [[File:Shri Arun Shourie, Member of Parliament presented his book titled “Falling Over Backward” to the Vice President, Shri Bhairon Singh Shekhawat, in New Delhi on June 3, 2006.jpg|thumb|এর ফলাফল প্রত্যাশিত হলেও তা অন্যায় এবং হাস্যকর: যদি রাম শরণ একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, তবে রাষ্ট্র এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় অনেক কিছু নির্ধারণ করে দিতে পারে যা তাকে করতে হবে; কিন্তু যদি মুহাম্মদ আসলাম রাস্তার ওপারে ঠিক একই রকম একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, যেখানে ঠিক একই বিষয় পড়ানো হয় এবং একই পাঠ্যবই ব্যবহার করা হয়, তবে রাষ্ট্র বা বিশ্ববিদ্যালয় কেউই এর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না!]] '''অরুণ শৌরি''' (জন্ম ২ নভেম্বর ১৯৪১) ভারতের একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক এবং রাজনীতিবিদ। == উক্তি == === ১৯৭০-এর দশক === ==== ''সিম্পটমস অফ ফ্যাসিজম'' (১৯৭৮) ==== * জরুরি অবস্থার অপরাধীদের বিষয়ে আজ আমরা যা দেখছি তা আইনের শাসন নয়, বরং তার ধ্বংস। আমরা দেখছি কীভাবে বুর্জোয়া আইনের শাসন ধ্বংস করা হচ্ছে। এই শ্রেণির লোকেরাই নিজেদের স্বার্থে এটি ধ্বংস করছে এবং বুর্জোয়া সমাজ এই অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনার মতো প্রয়োজনীয় দৃঢ়তা দেখাতে পারছে না। আজ আমাদের বিচার ব্যবস্থার দুটি বৈশিষ্ট্য সবার সামনে পরিষ্কার হয়ে গেছে। প্রথমত, অপরাধীরা যদি প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাশালীদের সাথে যুক্ত হয়, তবে এই ব্যবস্থা তাদের ধরতে পারে না। দ্বিতীয়ত, জনগণ এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে করা তাদের প্রধান অপরাধগুলোর জন্য এটি তাদের ধরতে পারে না। * এরপর আছেন আমাদের লক্ষ্যহীন বামপন্থীরা, যারা একে অপরকে গালিগালাজ করতে ব্যস্ত। আর সবশেষে আছেন উদারপন্থীরা, যারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজাতে ব্যস্ত, বরং তারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজানো নিয়ে সেমিনার করতে ব্যস্ত। * আসন্ন ফ্যাসিবাদের প্রবল আঘাত থেকে আমাদের বাঁচাতে এই লোকগুলোর ওপর ভরসা করা মানে হলো একটি মাইনফিল্ড পার হওয়ার জন্য বুড়ো মহিষের ওপর নির্ভর করা। === ১৯৮০-র দশক === ==== ''রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স'' (১৯৮৯) ==== * এভাবে নীরবতা সংস্কারের গতি কমিয়ে দেয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি বহু সংখ্যক মানুষ এই নেতাদের সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে লেখালিখি এবং আলোচনা করতেন, তবে এই সম্প্রদায়ের ভেতরে থাকা সংস্কারকরা আজকের মতো এতটা বিচ্ছিন্ন এবং কোণঠাসা হতেন না। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, পুরো সত্য না বলাটা একটা অভ্যাসে পরিণত হয়। নিজের বিশ্বাস লুকিয়ে রাখা, তথ্যপ্রমাণ এড়িয়ে যাওয়া এবং প্রতারণা করা যেন আমাদের জনপরিসরের আলোচনার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। * তবুও আমি এই সংখ্যাগরিষ্ঠ রায়ে এক মারাত্মক সারল্য খুঁজে পাই... এই রায়ে ঋগ্বেদ, যজুর্বেদ এবং অথর্ববেদ থেকে সেই ঘোষণাগুলো উদ্ধৃত করা হয়েছে, যেখানে সব মানুষ এক, সবাই একই ধরিত্রীর সন্তান এবং আমাদের সবার বন্ধু হওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সেখানে এটি উল্লেখ করা হয়নি যে, আদালতের ভবন থেকে এক মাইলেরও কম দূরত্বে ফতোয়ার অসংখ্য বই বিক্রি এবং বিতরণ করা হচ্ছে, যেখানে মুসলিমদের উৎসাহিত করা হচ্ছে যেন তারা কখনোই কাফিরদের বিশ্বাস না করে এবং তাদের ওপর ভরসা না রাখে; সেখানে তাদের বলা হচ্ছে যে, তাদের প্রথম কাজ এবং আনুগত্য হবে তাদের ধর্মের প্রতি, কোনো সাধারণ আইনের প্রতি নয়... ঈশ্বর আর আল্লাহ যে এক, এটা [[মহাত্মা গান্ধী]]কে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। মন্দির আর মসজিদ, পুরাণ আর কুরআন যে এক, এটা [[গুরু গোবিন্দ সিং]]কে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। যাদের এটা বোঝানো প্রয়োজন, যেমন উলেমা বা শাহী ইমাম—তারা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন যে এগুলো এক নয়। ** অরুণ শৌরি: ইন্ডিয়া., এবং দাশগুপ্ত, এস. (১৯৯৫)। দি অযোধ্যা রেফারেন্স: দি সুপ্রিম কোর্ট জাজমেন্ট অ্যান্ড কমেন্টারিস। পৃষ্ঠা ১৭১-৩ * "বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টিই ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।" ** রাম স্বরূপের আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইসলাম থ্রু হাদিস বইটি নিষিদ্ধ করার বিষয়ে। কোয়েনরাড এলস্টর অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি, ১৯৯১, অধ্যায় ১২। * তারা ভয় দেখানোর ওপর নির্ভর করে। ঠিক এই ধরনের কৌশলেই জনাব স্বরূপের আগের একটি বই আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইসলাম থ্রু হাদিস বাজার থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল... ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর, একই ধরনের হুমকির মুখে দিল্লি প্রশাসন ঘোষণা করে যে, আগে তারা দুইবার যা বলেছিল তার উল্টো করে বইটি কেবল আপত্তিকরই নয়, বরং এটি ইচ্ছাকৃতভাবে এবং বিদ্বেষমূলকভাবে লেখা হয়েছে!....<br/>আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই শাহাবুদ্দিনদের মতো জায়গা থেকে মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে, তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা....<br/>দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br/>তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন। ** অরুণ শৌরি: "হাউ শুড উই রেসপন্ড?", সীতারাম গোয়েল সম্পাদিত ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসি (১৯৯৮) বইতেও রয়েছে। * পঞ্চাশ বছর ধরে এই দলটি তথ্য গোপন করছে এবং মিথ্যা উদ্ভাবন করছে। আইসিএইচআর-এর সেই উদ্দেশ্য—আমাদের অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ এবং যৌক্তিক গবেষণার প্রসার ঘটানো সেটি নিয়ে তারা কতই না চিন্তিত! তাদের এই চিন্তাভাবনা কীভাবে ১৯৮৯ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া নির্দেশিকার সাথে মেলে... যেখানে বলা হয়েছিল, "মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না"? অথচ বৌদ্ধ বিহার ধ্বংস নিয়ে তাদের পাইকারি মিথ্যাচার এবং অস্তিত্বহীন "আর্য আক্রমণ" নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা মানেই হলো সাম্প্রদায়িক বা উগ্র জাতীয়তাবাদী হওয়া! এই "ঐতিহাসিকদের" প্রধান অপরাধ হলো এটিই। কিন্তু এরা কেবল একপাক্ষিক "ঐতিহাসিক" নন। তারা চরম পর্যায়ের স্বজনপ্রীতি করেন... তারা এমন লোক যারা সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে একে অপরকে অনেকভাবে সাহায্য করেছেন... এই "ঐতিহাসিকরা" কেবল পক্ষপাতদুষ্ট বা স্বজনপ্রীতিই করেন না, বরং তারা একে অপরকে সাহায্য করার জন্য রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ব্যবহার করেছেন... এর ফলে, এই লোকগুলোর বই এবং প্রচারপত্র সব আঞ্চলিক ভাষায় পাওয়া যায়, কিন্তু লোকমান্য তিলকের কাজগুলো মারাঠি ছাড়া অন্য ভাষায় পাওয়াই যায় না! ** ফেব্রিক্যাশনস অন দ্য ওয়ে টু দ্য ফিউনারেল। প্রকাশনা: ইন্ডিয়া কানেক্ট। লেখক: অরুণ শৌরি। তারিখ: ২৬ জুন, ১৯৯৮। [http://voiceofdharma.org/indology/eminenthistorians1.html] [https://www.dharmadispatch.in/commentary/de-secularizing-indian-history-why-the-ugc-deserves-our-kudos] * সব তথ্যই... পঞ্চাশ বছর আগে সবার জানা ছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধের সেই প্রজন্মের বিদায়ের সাথে সাথে এবং রেকর্ডগুলো যাচাই করার অভ্যাস পুরোপুরি ত্যাগ করার ফলে, বিশেষ করে জাতিভিত্তিক রাজনীতির উত্থানে সেগুলো জনস্মৃতি থেকে মুছে ফেলা হয়েছে। আর এই মুছে ফেলার ফলাফল যা হওয়ার ছিল তাই হয়েছে: এক ধরনের মানসিক বৈকল্য। শুরুতে যারা আম্বেদকরের নামে রাজনীতি করে এবং তাদের সমর্থকরা স্বাধীনতা সংগ্রামকে খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করেছে: তারা দাবি করে যে এই স্বাধীনতা "প্রকৃত" নয়। ঠিক সেই দলটির মতোই যারা ১৯৪২ সালের সেই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্রিটিশদের সাথে হাত মিলিয়েছিল—কমিউনিস্টরা। প্রকৃতপক্ষে... আম্বেদকরের আচরণকে সঠিক প্রমাণ করতে তার অনুসারীরা দাবি করেন যে ব্রিটিশ শাসনই ভালো ছিল... কিন্তু সত্য আলমারিতে লুকিয়ে থাকে। পাছে সত্য বেরিয়ে এসে তাদের রাজনীতির সেই আদর্শকে কলঙ্কিত করে, পাছে তাদের রাজনীতি আসল রূপে ধরা পড়ে যায়—যা মূলত বঞ্চিতদের নামে স্বার্থসিদ্ধি ছাড়া আর কিছুই নয়—আম্বেদকরের এই অনুসারীরা মৌখিক সন্ত্রাসবাদ এবং সরাসরি আক্রমণের মাধ্যমে তাদের এই বিশেষ ইতিহাসের ধারা বজায় রাখতে চায়। ** অরুণ শৌরি, *ওরশিপিং ফলস গডস*, ১৯৯৭, হার্পার কলিন্স। ==== ''ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস: এসেস অন রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স'' (১৯৯৩) ==== :শৌরি, এ. (২০০৬)। ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস: এসেস অন রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স। নয়া দিল্লি: রূপা অ্যান্ড কোং। * প্রত্নতাত্ত্বিক নতুন আবিষ্কারগুলোর ওপর যে নীরবতা পালন করা হয়েছে, তা একটি বড় উদাহরণ। .... এক দশকেরও বেশি সময় আগে করা খননকার্য থেকে পাওয়া তথ্যগুলো যখন জনসমক্ষে এল এবং সেখানে আগে সত্যিই একটি মন্দির ছিল সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ রইল না, তখন স্বয়ং প্রত্নতত্ত্বকেই নিন্দা জানানো হলো। বিশ্বের অন্যতম সম্মানিত প্রত্নতাত্ত্বিক—যিনি ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের প্রাক্তন মহাপরিচালক ছিলেন এবং সেই খননকার্যের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন—তাকে কলঙ্কিত করার কাজে পত্রিকাগুলো নেমে পড়ল। ... এর শিক্ষা খুব পরিষ্কার: যদি এমন দ্বিমুখী নীতি চলতে থাকে, তবে আমাদের সম্পাদকীয় লেখকদের ভয়ভীতিপূর্ণ সতর্কবাণী হিন্দুরা এখন যতটা শুনছে, ভবিষ্যতে তার চেয়েও কম গুরুত্ব দেবে। * পরিষ্কারভাবে বলতে গেলে, আমাদের সাংবাদিকরা যাদের 'কট্টরপন্থী' বলেন, তারাই সঠিক প্রমাণিত হয়েছেন। * গত এক দশকে শিখ এবং মুসলিম সাম্প্রদায়িকরা যেভাবে রাষ্ট্রকে সফলভাবে প্রভাবিত করেছে, তাতে সংবাদপত্রের ঘটনা এবং ইস্যুগুলোর বর্ণনায় দ্বিমুখী নীতি, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে প্রতারণা একটি বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। * মধ্যযুগীয় ভারতের প্রতিটি মুসলিম ঐতিহাসিক এমন মন্দিরের তালিকা দিয়েছেন যা তার সমকালীন শাসকরা ধ্বংস করেছিলেন এবং তার বদলে সেখানে মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। (৪২৯) ==== ''হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম (ভলিউম ১)'', ১৯৯৩ ==== * একজন বিখ্যাত মুসলিম পণ্ডিত যিনি ভারতের অন্যতম বড় ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের চতুর্থ রেক্টর ছিলেন, তার লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের ইংরেজি সংস্করণে বাবরী মসজিদসহ কিছু মসজিদের তালিকা ছিল, যা মন্দিরের জায়গায় এবং ভিতের ওপর তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে মন্দিরের পাথর ও কাঠামো ব্যবহারের উল্লেখ ছিল। দেখা গেল, সেই গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! বলা হচ্ছে বইটি এখন পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে;... এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... আমি জানলাম এটি একটি দীর্ঘ বই ছিল, যা শুরু হয়েছিল ভারতের ভূগোল, গাছপালা, পশুপাখি, ভাষা, মানুষ এবং অঞ্চলগুলোর বর্ণনা দিয়ে। বইটি আরবি ভাষায় লেখা হয়েছিল আরবিভাষী মানুষের জন্য। ... একটি অদ্ভুত তথ্য আমার সামনে এল। এই ধরনের প্রকাশনা সম্পর্কে যাদের জ্ঞান থাকার কথা, তাদের অনেকেই হঠাৎ করে এই বইটির কথা মনে করতে দ্বিধা বোধ করছিলেন। আমাকে বলা হয়েছিল যে, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের মতো জায়গাগুলো থেকে বইটির কপি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এমনকি কেউ কেউ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, তিন-চার বছর আগে এই বইটির প্রতিটি কপি ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য একটি সুসংগঠিত প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। .... লেখকের মর্যাদা এবং বইটির গুরুত্ব এত বেশি হওয়া সত্ত্বেও মৌলবাদীদের কাছে এটি কেন প্রিয় নয়? এর উত্তর লুকিয়ে আছে “হিন্দুস্তান কি মাসজিদেঁ” অর্থাৎ “হিন্দুস্তানের মসজিদসমূহ” নামক অধ্যায়টিতে। ... এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি, যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন—যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?... ** রাজনৈতিক কারণে লাইব্রেরি থেকে বই সরিয়ে ফেলার বিষয়ে। অরুণ শৌরি: হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯)। উদ্ধৃত: সীতারাম গোয়েল (সম্পাদক) (১৯৯৩)। হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম। ভলিউম ১। * সেগুলোর প্রকৃত গুরুত্ব এবং আমি বলতে পারি মসজিদ-মন্দির বিতর্কের ক্ষেত্রে এগুলো সবচেয়ে ছোট এবং সাধারণ উদাহরণ মাত্র লুকিয়ে আছে সত্য এড়িয়ে চলা এবং গোপন করার মধ্যে। আমার কাছে নির্ভরযোগ্য তথ্য আছে যে, এই অংশগুলো অনেক আগে থেকেই পরিচিত এবং যারা বাবরী মসজিদ ইস্যু নিয়ে কাজ করছেন তারা এটি ভালো করেই জানেন। এটিই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়; তারা এগুলো জানতেন এবং তাদের ইচ্ছা ছিল সত্য জানার বদলে সত্যকে গোপন করে মাটিচাপা দেওয়া.... মাওলানা আবদুল হাইয়ের অনুচ্ছেদগুলোর পরিণতি এবং আমি জানি না যে উর্দু সংস্করণটিও মূল আরবি সংস্করণের একটি সুবিধাজনক কাটছাঁট করা রূপ কি না আমাদের দেখায় যে, যারা নিজেদের রাজনীতির জন্য ধর্মের আবেগ উসকে দেয় তারা কতটা স্বার্থপরভাবে কাজ করে। '''যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য—মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?''' ** রাজনৈতিক কারণে লাইব্রেরি থেকে বই সরিয়ে ফেলার বিষয়ে। অরুণ শৌরি: হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯)। উদ্ধৃত: সীতারাম গোয়েল (সম্পাদক) (১৯৯৩)। হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম। ভলিউম ১। ==== ''আ সেকুলার এজেন্ডা'', ১৯৯৩ ==== * পাঠ্যটি পড়লে পাঠক লক্ষ্য করবেন যে ভারতের জনপরিসরের আলোচনায় যেসব বুলি ব্যবহার করা হয় এবং ফলস্বরূপ অনেকে যা বিশ্বাস করে নিয়েছেন, তা তথ্যের চেয়ে কতটা আলাদা.... (১০) * একটু চিন্তা করলেই দেখা যাবে যে ভারতের বিষয়টি আমরা যে উদাহরণগুলো আলোচনা করেছি তার মতো নয়। কারণ সেই উদাহরণগুলো একদম সাম্প্রতিক সময়ের—সেই জাতিগুলো "কল্পিত" ছিল, সেই ঐতিহ্যগুলো মাত্র ১০০ বা ১৫০ বছর আগে "উদ্ভাবিত" হয়েছিল। এর বিপরীতে ভারতকে হাজার হাজার বছর ধরে এক হিসেবে দেখা হয়েছে এবং এর মানুষের জীবনযাপনের ধরনও সাধারণ। এর ইতিহাস কেবল পুরনোই নয়.... এটি একটি ধারাবাহিক ইতিহাস। (৯) * জবরদস্তি করে ভুলে যাওয়া নয়, বরং এক আপসহীন স্মৃতিই একটি জাতি গঠন করবে। * প্রতিটি বাক্যই একটি মিথ্যা। ... আপনি কি কখনো বিবিসিকে নওয়াজ শরিফকে "মৌলবাদী" বা "ধর্মান্ধ" বলতে শুনেছেন? কিন্তু আডবাণী যদি "মুসলিমদের" জায়গায় "হিন্দু" বসিয়ে একই ধরনের বক্তব্য দিতেন, তবে তারা তাকে কী বলত? ==== ''মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া'', ১৯৯৪ ==== * '''আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?''' * '''কিন্তু আমাদের জনপরিসর এবং শিক্ষা থেকে এই ধরনের তথ্যগুলো প্রায় পুরোপুরি মুছে ফেলার একটি আরও শক্তিশালী কারণ আছে। আর সেটি হলো গত ৪৫ বছর ধরে আমরা যে ধরনের “ধর্মনিরপেক্ষতা” চর্চা করেছি: এমন এক “ধর্মনিরপেক্ষতা” যেখানে দ্বিমুখী নীতিই ছিল নিয়ম, যেখানে আমাদের জাতীয় পরিচয়কে ঢেকে রাখা আবর্জনা দূর করতে পারে এমন সবকিছুই অত্যন্ত ঘৃণ্য হয়ে উঠেছে।''' * ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অফ ইন্ডিয়া (সিবিসিআই) হলো ভারতের বিভিন্ন ক্যাথলিক গির্জার কাজ সমন্বয় করার এবং অন্য ধর্মের সাথে সংলাপ করার জন্য সর্বোচ্চ সংস্থা। ... ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করতে... সিবিসিআই ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতে একটি সভার আয়োজন করেছিল.... এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশ ছিল: এটি পঞ্চাশ বছরে মাত্র দ্বিতীয়বার এবং পঁচিশ বছরে প্রথমবার ছিল যেখানে এমন একটি ব্যাপক পর্যালোচনা করা হচ্ছিল... আয়োজকরা অত্যন্ত সদয় হয়ে আমাকে ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিদের কাজের ওপর হিন্দুদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে বলেছিলেন। * আর এই ধরনের মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করেই উপজাতিদের হিন্দু সমাজ থেকে আলাদা করা হয়েছিল। অ্যানিমিজম বা প্রকৃতিপূজার যে বর্ণনাগুলো দেওয়া হয়েছিল সেগুলো পড়লেই বোঝা যায় যে, তারা আসলে বিভিন্ন ধরনের হিন্দুদের কথাই বর্ণনা করছিল। ;'''বইটি সম্পর্কে উক্তি''' * আয়োজকরা অরুণ শৌরিকে ভারতে মিশনারিদের কাজের ওপর হিন্দুদের মূল্যায়ন তুলে ধরার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। অরুণ শৌরি ৫ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে আর্চবিশপ, বিশপ এবং অন্যদের সামনে ভাষণ দেন। ... আয়োজকরা অরুণ শৌরিকে তার বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে একটি প্রবন্ধ লিখতে অনুরোধ করেন.... বিতর্ক বাড়তে থাকায়... [তারা] অরুণ শৌরির সাথে একটি প্রকাশ্য মঞ্চে মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া নিয়ে আলোচনা করার জন্য বেশ কয়েকজন প্রবীণ গির্জা কর্মকর্তাকে আমন্ত্রণ জানান। ** মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া বইটি সম্পর্কে ** শৌরি, অরুণ। অরুণ শৌরি অ্যান্ড হিজ খ্রিস্টান ক্রিটিক। (১৯৯৫) * সংলাপের তৃতীয় উদ্দেশ্য সফল করার জন্য একটি আলোচনা কেবল ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতেই সম্ভব হয়েছিল, যখন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও পণ্ডিত অরুণ শৌরিকে ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অফ ইন্ডিয়া (সিবিসিআই) ভারতে মিশনারিদের কাজের “হিন্দু মূল্যায়ন” উপস্থাপনের জন্য আমন্ত্রণ জানায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এই “সংলাপের” আয়োজকদের জন্য বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং হিতে বিপরীত হয়। এরপর থেকেই ভারতের বিশাল খ্রিস্টান প্রতিষ্ঠান অরুণ শৌরির দেওয়া আঘাত সহ্য করছে। তিনি যে শোরগোল তুলেছিলেন তা কেবল ১৯৫৩ সালে কে. এম. পানিক্করের এশিয়া অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন ডমিন্যান্স প্রকাশের পর হওয়া শোরগোলের সাথে তুলনা করা যায়। মিশনারি বিজ্ঞান খ্রিস্টান দাবিগুলোর ক্ষতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য তাদের সব যুক্তি ও কৌশল প্রয়োগ করছে...<br>সিবিসিআই তাদের প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করছিল এবং পুনের ইশভানি কেন্দ্রে একটি সেমিনারের আয়োজন করেছিল। ৫ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে অরুণ শৌরি যখন তার বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখন ভারতের প্রায় সব বড় ক্যাথলিক নেতা সেখানে উপস্থিত ছিলেন...<br>প্রবন্ধটি বিস্তারিতভাবে লেখার পর তা একটি বইয়ের আকার নেয়। অরুণ শৌরি ১৯৯৪ সালের মে মাসের শুরুতে মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া: কন্টিনিউইটিস, চেঞ্জেস, ডিলেমাস নামে এটি প্রকাশ করেন। ... ইতিমধ্যে অরুণ শৌরি এই বিষয়ে তার নিয়মিত কলামে বেশ কিছু নিবন্ধ লিখেছিলেন যা দেশের বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশিত অনেকগুলো পত্রিকায় বের হয়। এই নিবন্ধগুলো পুনের মহারাষ্ট্র হেরাল্ডে একটি প্রাণবন্ত আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। ** সীতারাম গোয়েল, হিস্ট্রি অফ হিন্দু খ্রিস্টান এনকাউন্টারস * স্বাধীনতার পর ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিদের দাপট নেহরুবাদী প্রশাসনের সমর্থনে ক্রমাগত বেড়েই চলেছিল, যেখানে মিশনারি-ম্যাকলে ধাঁচের শিক্ষায় বেড়ে ওঠা একদল আত্মবিস্মৃত হিন্দু ছিল। এই ধারায় একমাত্র ছেদ ছিল ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত কে. এম. পানিক্করের এশিয়া অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন ডমিন্যান্স, ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত মধ্যপ্রদেশ খ্রিস্টান মিশনারি অ্যাক্টিভিটিস কমিটির রিপোর্ট, ১৯৭৮ সালে লোকসভায় ওম প্রকাশ ত্যাগীর আনা ধর্মীয় স্বাধীনতার বিল, ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত অরুণ শৌরির মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া এবং ২০ ডিসেম্বর ১৯৯৬ সালে মঙ্গল প্রভাত লোধা কর্তৃক মহারাষ্ট্র বিধানসভায় আনা মহারাষ্ট্র রিলিজিয়াস ফ্রিডম বিল। ** সীতারাম গোয়েল, ভিন্ডিকেটেড বাই টাইম: দ্য নিয়োগী কমিটি রিপোর্ট (১৯৯৮) ==== ''দ্য ওয়ার্ল্ড অফ ফতোয়াস (অর দ্য শরিয়া ইন অ্যাকশন)'', ১৯৯৫ ==== * আমাদের শহরের মুসলিম এলাকার বইয়ের দোকানগুলোতে—উদাহরণস্বরূপ দিল্লির জামে মসজিদের চারপাশের দোকানগুলোতে—ফতোয়ার সংকলনগুলো তাকের পর তাক জুড়ে থাকে। পবিত্র সাহিত্যের প্রতি মানুষ যেমন যত্নশীল হয়, এগুলোও তেমনি যত্নের সাথে সাজানো থাকে। পৃষ্ঠাগুলোর বিন্যাস খুব সুন্দর। ক্যালিগ্রাফিগুলো প্রায়ই শিল্পের পর্যায়ের। ভলিউমগুলো চমৎকারভাবে বাঁধাই করা—প্রায়ই কভারের ওপর সোনালি এমবসিং থাকে। * '''এক কথায়, ফতোয়া হলো শরিয়তের প্রয়োগ।''' * এই সব কারণে যে কেউ ফতোয়ার ওপর প্রচুর গবেষণার আশা করবে। কিন্তু তাহলে আমাদের বুদ্ধিজীবীদের কথা ভুলে যেতে হবে। এটি আরও একটি প্রমাণ যে আমাদের বুদ্ধিজীবীরা আমাদের দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন; ইংরেজি বা উর্দুতে ফতোয়ার ওপর কোনো গবেষণাই প্রায় নেই। * প্রথমত, আমাদের পণ্ডিতরা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের জন্য সময় দেননি ঠিক সেই কারণে যার জন্য তারা আমাদের দেশের অস্তিত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অন্য বিষয়গুলোতেও সময় দেননি। ভারতে বুদ্ধিবৃত্তিক কাজের বেশিরভাগই হলো পশ্চিমে যা করা হচ্ছে তার পাদটীকা লেখা—অন্যদের চেয়ে মার্ক্সবাদী বুদ্ধিজীবীদের ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি সত্যি। আর যখন আমাদের বুদ্ধিজীবীরা এই পাদটীকা লিখতে ব্যস্ত থাকেন না, তারা পশ্চিমা মহলে জনপ্রিয় ফ্যাশন অনুসরণ করতে ব্যস্ত থাকেন এবং পশ্চিমে জনপ্রিয় হওয়া কোনো ধারণা বা ‘থিসিস’ ভারতীয় তথ্যের ওপর ‘প্রয়োগ’ করতে ব্যস্ত থাকেন। এক কথায়, আমাদের পাণ্ডিত্যপূর্ণ কাজগুলো অনুকরণধর্মী। তাই ভারতে ফতোয়া নিয়ে কোনো বড় গবেষণা না হওয়ার প্রথম কারণ হলো যে এগুলো এখনো পশ্চিমের নজর কাড়েনি। * “আমাদের উচিত, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের উচিত মুসলিম সমাজের অবস্থা সম্পর্কে পুরো সত্য বলা—উদাহরণস্বরূপ সেখানকার নারীদের দুর্দশা নিয়ে। এবং এর মূল উৎস—বই, আইন এবং চিন্তাধারার মধ্যে সেটি খুঁজতে দ্বিধা না করা। আমাদের উলেমা [মুসলিম ধর্মীয় নেতা] এবং কট্টরপন্থী রাজনীতিবিদদের সামাজিক কর্মকাণ্ডের দলিল তৈরি করা উচিত।... উলেমা এবং অন্যরা ধর্মীয় ইস্যুতে যা বলছেন এবং যা ফতোয়া দিচ্ছেন তা নথিবদ্ধ করা উচিত।... আমাদের, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের প্রতিটি বিষয়ে দৃঢ়ভাবে ধর্মনিরপেক্ষ অবস্থান নিতে হবে—কট্টরপন্থীদের মোকাবিলা করার এটিই একমাত্র পথ, এটিই সম্প্রদায়ের কাছে বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি পৌঁছে দেওয়ার সবচেয়ে নিশ্চিত উপায়।... ফতোয়া এবং অন্যান্য বিষয় যা একজন ব্যক্তির নাগরিক অধিকার খর্ব করে তা স্পষ্টতই আইনের অপরাধমূলক লঙ্ঘন; আমাদের উচিত সেগুলোকে সেভাবেই তুলে ধরা; এবং অন্যদের সাথে মিলে দাবি করা যে কেউ যদি ফতোয়া ব্যবহার করে অন্যের অধিকার মাড়িয়ে দিতে চায় তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। একইভাবে, আমাদের সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদরা এই প্রতিক্রিয়াশীল উপাদানগুলোকে খুশি করার জন্য এবং শেষ পর্যন্ত তাদের হাত শক্তিশালী করার জন্য যে ছাড় দেয়, তা আমাদের উন্মোচিত করতে হবে এবং ব্যর্থ করার জন্য কাজ করতে হবে।... কিন্তু উলেমা এবং তাদের নেটওয়ার্কের মোকাবিলা করাই যথেষ্ট নয়। আমরা যেমনটা দেখেছি, তারা যা প্রচার করে এবং কার্যকর করে তা কুরআন এবং হাদিসেই বলা আছে। তাই এই জাল কাটতে হলে উদারপন্থীদের এবং বিশেষ করে উদারপন্থী মুসলিমদের ইসলামের হাজার বছরের দাবিগুলো পরীক্ষা করে দেখতে হবে: এই দাবি যে কেবল একটিই সত্য আছে, তা কেবল একজন মানুষের কাছেই প্রকাশিত হয়েছে, তা কেবল একটি বইতেই আছে, সেই বইটি বোঝা খুব কঠিন, কেবল কয়েকজন নির্বাচিত মানুষই এর অন্তর্নিহিত অর্থ জানে এবং তাই তাদের কথা মেনে চলা সবার কর্তব্য। এক কথায়, মূল পাঠ্যগুলোকেই পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।” (উদ্ধৃত: বোস্টম, এ. জি. (২০১৫)। শরিয়া ভার্সেস ফ্রিডম: দ্য লেগাসি অফ ইসলামিক টোটালিটারিয়ানিজম।) * ফতোয়ার বইগুলোতে আরও একটি অদ্ভুত বিষয়ের ওপর পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা বরাদ্দ করা হয়েছে—তা হলো, কোনো বিশ্বাসী যদি পশুর সাথে যৌনমিলন করে তবে তার কী করা উচিত। ‘যে পশুর সাথে মানুষ যৌনমিলন করেছে তার হুকুম কী—পশু এবং সেই মানুষের হুকুম কী?’, প্রশ্নকারী জানতে চান এবং যথাযথ বিবেচনার পর এই বিশাল ‘ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের’ উলেমা একটি ফতোয়া জারি করেন। ফতোয়া দাবি করা অন্য বিষয়গুলোও ঠিক একইভাবে বিস্ময়কর। <br> ‘যে গর্ভবতী ছাগলের সাথে মিলন করা হয়েছে তা কি হালাল না হারাম? সেটি বাচ্চা দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না কি বাচ্চা হওয়ার আগেই মেরে ফেলে পুঁতে ফেলতে হবে?’ ‘জায়েদ একটি ছাগলের সাথে মিলন করেছে। এর আইন কী? আমরা কি এর মাংস খেতে পারি বা দুধ পান করতে পারি? আর যে মিলন করেছে তার জন্য আইন কী?’ ‘ছোট শিশু বা ছাগলের সাথে মিলন করার শাস্তি কী?’ ‘জায়েদ একটি হালাল পশু যেমন গরু বা ছাগলের সাথে মিলন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে পশুর কাছে গেল এবং তার যৌনাঙ্গ পশুর যোনিতে প্রবেশ করাল। কিন্তু কোনো বীর্যপাত হলো না। জায়েদ বা অন্য মুসলিমদের কি সেই পশুর মাংস বা দুধ হালাল মনে করা উচিত? এই অপরাধের জন্য কি জায়েদকে কাফফারা দিতে হবে?’ ‘জায়েদ একটি গরুর সাথে মিলন করেছে এবং তারপর সেটি বিক্রি করে দিয়েছে। সেই টাকা কীভাবে খরচ করতে হবে? সেটি কি সাদকা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে? আর জায়েদের শাস্তি কী?’ ‘যে ঘোড়ীর সাথে মিলন করেছে তার শাস্তি কী? সেই ঘোড়ীটির সাথে কী করা উচিত?’ এই প্রতিটি বিষয়ে একটি করে ফতোয়া আছে। <br> আর উত্তরগুলো সবসময় একরকম হয় না, অনেক সময় সুক্ষ্ম পার্থক্যের ওপর নির্ভর করে। পশুর সাথে মিলন করা বিশ্বাসীর জন্য কেবল তওবা করাই যথেষ্ট বলে মনে করেন এই পণ্ডিতরা, তবে সাধারণত পশুটিকে মেরে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। অর্থাৎ সাধারণ ক্ষেত্রে এর মাংস খাওয়া উচিত নয়। তবে একটি উদাহরণ ধরা যাক, দেওবন্দের দারুল উলুমের উলেমা রায় দিয়েছেন যে, ‘যদি (পশুর ভেতরে) বীর্যপাত না হয়, তবে এর মাংস এবং দুধ নিঃসন্দেহে হালাল।’ ‘কিন্তু যদি বীর্যপাত হয়, তবে পশুটিকে মেরে ফেলে এর মাংস পুঁতে ফেলা ভালো। কারো এটি খাওয়া উচিত নয়, যদিও এটি খাওয়া হারাম নয়।’ [...] পরিশেষে, অন্যরা যখন এই ধরনের প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করতে কিছুটা অস্বস্তি বোধ করতে পারেন এবং ‘ধর্মীয়’ বইগুলোতে এগুলোর দেখা পেয়ে অবাক হতে পারেন, উলেমাদের এই বিষয়ে আলোচনা করতে বা আইন দিতে কোনো দ্বিধা নেই। তারা এটিকে তাদের একটি কাজ বলে মনে করেন। মাওলানা মুফতি আবদুর রহিম কাদরী বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। জানা যায় যে, হযরত শায়খুল ইসলাম মাওলানা মৌলবি নামে একজন মৌলবি দুটি প্রচারপত্র প্রকাশ করে হানাফি ফকিহদের সমালোচনা করেছিলেন কারণ তারা মনে করেন যে পশুর সাথে মিলন করলে রোজা নষ্ট হয় না, এমনকি বীর্যপাত হলেও। তিনি হানাফি আইনের বড় বড় নাম—শামী এবং দুররুল মুখতার—উদ্ধৃত করে বলেছিলেন যে তারা এটিই বলেছেন। তিনি ধর্মীয় বইগুলোতে এই ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য পণ্ডিত উলেমাদের তিরস্কারও করেছিলেন। মৌলবির এই লেখাগুলো মতামতের জন্য মুফতি আবদুর রহিম কাদরীর কাছে পাঠানো হয়েছিল। মুফতির ব্যাখ্যা ফতোয়ায়ে রহিমিয়া-র দশটি মুদ্রিত পৃষ্ঠা জুড়ে আছে। প্রশ্নের মূল উত্তরটি নির্ভর করছে পশুর ভেতরে লিঙ্গ প্রবেশের সময় বীর্যপাত হয়েছে কি না তার ওপর—যদি হয় তবে রোজা বাতিল হয়ে যাবে—নাকি কেবল হাত দিয়ে পশুর যৌনাঙ্গ স্পর্শ বা চুম্বনের ফলে বীর্যপাত হয়েছে—সে ক্ষেত্রে রোজা নষ্ট হবে না। মুফতি এই পার্থক্য বোঝাতে বিভিন্ন উদ্ধৃতি দিয়েছেন এবং দাবি করেছেন যে মৌলবি হানাফি ফকিহদের রায়ের ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন। * এরপরে আসে উর্দু সংবাদমাধ্যম। এটি উলেমাদের অন্যতম শক্তিশালী সহযোগী এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের অস্ত্র হিসেবে কাজ করেছে, যেমনটা আমরা ড. জাকির হোসেন এবং মাওলানা আজাদের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানের সময় দেখেছি। ১৯৯২ সালে দিল্লির জামিয়া মিলিয়ার প্রো-ভিসি মুশিরুল হাসান এবং পাটনার খুদা বখশ লাইব্রেরির পরিচালক আবিদ রেজা বেদারের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানেও আমরা একই ভূমিকা দেখেছি। উচ্চকণ্ঠ, ব্যাপক বিকৃতি, অভিযোগের প্রতিধ্বনি তৈরি করা, চরম নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করা এবং তারপর সবকিছুকে ইসলামের ওপর আক্রমণ হিসেবে তুলে ধরা—এগুলোই এর বৈশিষ্ট্য। আর শেষ পর্যন্ত এগুলো সেই বিশ্বদর্শনকেই শক্তিশালী করতে ব্যবহৃত হয় যা উলেমা চান যে তাদের সম্প্রদায় বজায় রাখুক। *আর এরপর আছে পৃষ্ঠপোষকতার প্রভাব। সৌদি আরব, ইরান বা ইরাক অথবা অন্য ‘ইসলামি’ উৎস থেকে আসা তহবিল উলেমাদের কাছে বা তাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সংস্থাগুলোর কাছে যায়। এই তহবিল প্রায় কখনোই উদারপন্থীদের কাছে পৌঁছায় না। ভারতের অবস্থা তো আরও খারাপ। যেহেতু উলেমা সম্প্রদায়কে নিয়ন্ত্রণ করে, তাই রাষ্ট্র উলেমা এবং তাদের ভাষায় যারা কথা বলে তাদের সামনেই নতজানু হয়। রাষ্ট্র যত দুর্বল হয়েছে, উলেমা তত সহজে তাদের প্রচারাভিযান চালিয়ে যেতে পেরেছে। আর বিনিময়ে তারা সম্প্রদায়ের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও মজবুত করতে পেরেছে এটি দেখিয়ে যে রাষ্ট্র তাদের সামনে মাথা নত করে—যেমন শাহ বানোর ক্ষেত্রে হয়েছিল; যে রাষ্ট্র তাদের পথে দাঁড়ানোর সাহস পায় না: দেশের আইনি ব্যবস্থার বাইরে সমান্তরাল আদালত—শরিয়ত আদালত তৈরি করার জন্য তাদের বর্তমান অভিযানের দুঃসাহস দেখুন। *উদারপন্থী হিন্দুরা এতটাই লজ্জিত থাকে এবং তারা এই মেকি ধর্মনিরপেক্ষতাকে এতটাই নিজের করে নিয়েছে যে, তারা ধর্মগ্রন্থগুলো—তা ইসলামের হোক, হিন্দুধর্মের হোক বা আমাদের আইন ও সংবিধানের হোক সেগুলো সম্পর্কে কিছুই জানে না। তারা দ্বিমুখী নীতিকে এতটাই মেনে নিয়েছে যে ইসলামি সব বিষয়ে চুপ থাকা এবং মৌলবাদীদের সুর মেলানোকেই তারা ধর্মনিরপেক্ষতার প্রমাণ মনে করে। ইংরেজি সংবাদমাধ্যমের ‘ধর্মনিরপেক্ষরা’ এর একটি তৈরি উদাহরণ। তারা আলী মিঞাকে ‘পরিমিতিবাদী, সর্বজনশ্রদ্ধেয় মুসলিম নেতা’ হিসেবে উল্লেখ করবে তার কোনো লেখা না পড়েই। তারা বিভিন্ন মুফতি ও মৌলবিকে ‘মুসলিম ধর্মতত্ত্ববিদ’ হিসেবে উল্লেখ করবে। অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড বা অল ইন্ডিয়া মিলি কাউন্সিল যা করছে তা থেকে তারা চোখ বন্ধ করে রাখবে; কিন্তু রাষ্ট্রের কোনো সংস্থা যদি তাদের কার্যক্রম উন্মোচিত করতে কোনো পদক্ষেপ নেয় তবে তারা চিৎকার শুরু করবে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, কোনো ইস্যুতে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে উলেমাদের পক্ষ নেবে এবং জোর দিয়ে বলবে যে এই পক্ষের বিরোধিতা করা মানেই ‘সাম্প্রদায়িক’, ‘ফ্যাসিবাদী’ বা ‘প্রতিশোধপরায়ণ’ হওয়া। এই ধরনের চিৎকারের প্রভাব কেবল আলোচনার পরিবেশ বিষিয়ে দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। দুর্বল শাসকরা সেই পরিবেশে প্রভাবিত হয়। আর এভাবেই জননীতি উলেমাদের পক্ষে চলে যায়। ফলে উলেমা আরও শক্তিশালী হয়। *আমরা যখন বুদ্ধের বাণী বা রোজা সম্পর্কে গান্ধীজির কথা পড়ি, তখন তার বিষয়বস্তু থাকে নিজের ভেতর তাকানো এবং আত্মশুদ্ধি নিয়ে। কিন্তু এমনকি যখন ফতোয়াগুলো পুরোপুরি ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কাজ করে, তখনও সেগুলো কেবল সেই নিয়মগুলো নিয়ে থাকে যা একজন বিশ্বাসীকে মেনে চলতে হয়। এগুলো কুচকাওয়াজের জন্য একজন ড্রিল সার্জেন্ট ক্যাডেটদের যে নির্দেশনা দেন তার মতো। *আমাদের নেতা এবং সুপ্রিম কোর্ট যখন অনবরত বলছেন, ‘সব ধর্ম এক’; যখন তারা বেদের বাণী স্মরণ করছেন, ‘সত্য এক, ঋষিরা একে ভিন্ন নামে ডাকেন’; যখন তারা অশোকের শিলালিপি স্মরণ করছেন, ‘যে নিজের ধর্মকে শ্রদ্ধা করে এবং অন্যের ধর্মকে তুচ্ছ করে, সেটি নিজের ধর্মের প্রতি ভক্তির কারণে এবং অন্য ধর্মের ওপর একে বড় দেখানোর জন্য হোক না কেন, সে আসলে নিজের ধর্মেরই ক্ষতি করে’, উলেমা ঠিক তার উল্টো মূল্যবোধ প্রচার করেন। উলেমাদের প্রতি সুবিচার করতে হলে বলতে হয় এগুলোই প্রকৃত ইসলামি মূল্যবোধ। যেমন মাওলানা আহমদ রেজা খান সেই সব মানুষের ওপর ক্ষিপ্ত হন যারা এমন শোভাযাত্রা সমর্থন করে যেখানে গীতা ও কুরআনকে সমান সম্মানের সাথে বহন করা হয়; তিনি ঘোষণা করেন যে একজন মুসলিমের পক্ষে এটি বলাও কুফর যে, ‘হিন্দুদের বেদ অনুযায়ী চলা উচিত এবং মুসলিমদের কুরআন অনুযায়ী চলা উচিত’; তিনি বলেন, মন্দির হলো শয়তানের আস্তানা, একজন মুসলিমের সেখানে যাওয়া নিষিদ্ধ; পবিত্র কুরআনকে বেদের মতো বলা কুফর; হিন্দুদের বেদ অনুযায়ী চলতে বলা মানে মানুষকে কুফর অনুসরণ করতে বলা, আর মানুষকে কুফর অনুসরণ করতে বলা মানেই হলো কুফর... *ফতোয়াগুলো এই দ্বিমুখী নীতিকেই প্রতিফলিত করে। ধর্মান্তর এবং ধর্মত্যাগের প্রতি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি এর একটি বড় উদাহরণ। ইসলাম অন্য ধর্মের মানুষকে ধর্মান্তরিত করাকে একটি অধিকার এবং কর্তব্য বলে মনে করে। উলেমা এর ওপর জোর দেন....অন্য ব্যক্তির ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখিয়ে কোনো কাজ করা বা না করার বিষয়েও একই অবস্থান নেওয়া হয়.....এর একটি আরও বড় উদাহরণ হলো ধর্মীয় চর্চা চালিয়ে যাওয়ার অবস্থান। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়া একজন মুসলিমের অধিকার ও কর্তব্য। ...ফতোয়ায়ে রিজভিয়া ঘোষণা করে যে, কোনো অবস্থাতেই ইসলামি শাসক কাফিরদের তাদের ধর্মীয় আচার পালনের অনুমতি দিতে পারে না এবং প্রশ্ন করে: সে কি তাদের কুফর পালন করতে দেবে এবং এর মাধ্যমে নিজে কাফির হয়ে যাবে?...এতে আরও বলা হয়েছে যে এ বিষয়ে বেশ কিছু হাদিস আছে যে কোনো অমুসলিম আরব উপদ্বীপে থাকতে পারবে না...অর্থাৎ, কোনো অমুসলিমকে আরব উপদ্বীপে থাকতে দেওয়া হবে না, কিন্তু যদি ভারত থেকে একজন অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে চলে যেতে বলা হয়, তবে সেটি হবে ইসলামের ওপর আঘাত!...একইভাবে, আজও কোনো ইসলামি রাষ্ট্রে কোনো স্কুলের শিক্ষকরা অমুসলিম শিশুদের তাদের ধর্মের শিক্ষা দিতে পারেন না...কিফায়াতুল্লাহ ঘোষণা করেন যে, কুরআন শিক্ষা এবং ধর্মীয় শিক্ষার ওপর কোনো বাধা সহ্য করা যাবে না। ...অথচ ধর্মনিরপেক্ষ আলোচনায় আমরা শুনি যে ইসলামের মতো আর কোনো ধর্ম নেই যা ভেদাভেদ দূর করেছে, ইসলামের মতো আর কেউ সবাইকে সমান মর্যাদা দেয় না! *এই সবকিছুর পরেও যারা দাবি করেন, ‘শরিয়ত নারীদের অধিকার রক্ষা করেছে যেমনটা অন্য কোনো আইন করেনি,’ তারা কেবল এই আত্মবিশ্বাস থেকেই তা বলেন যে তারা ছাড়া আর কেউ শরিয়তের মূল পাঠ্যগুলো পড়েনি। *তা সত্ত্বেও আমাদের বিশ্বাস করতে হবে যে শরিয়তের মতো অন্য কোনো আইন নারীদের এত অধিকার দেয়নি এবং ইসলামের মতো অন্য কোনো ধর্ম তাদের বিষয়ে এত যত্নশীল নয়, না হলে আমাদের সাম্প্রদায়িক তকমা সইতে হবে। এই যুক্তি কেবল একগুঁয়ে অন্ধ সমর্থকদেরই বোকা বানাতে পারে। *ফতোয়ার মাধ্যমে বলবৎ হওয়া শরিয়ত কেবল তা-ই নয়। যেহেতু আমাদের সরকারগুলো অভিন্ন দেওয়ানি বিধি প্রণয়নের সাংবিধানিক নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করেনি, তাই এটিই হলো ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের আইন যা আমাদের আদালতগুলো কার্যকর করে! * বিষয়গুলো কেবল উলেমাদের নারীদের মূল্যায়নের কারণেই আগ্রহের বিষয়, কারণ এটি ফতোয়ার সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। দেওবন্দের উলেমা একটি বিষয় সমাধান করতে গিয়ে ঘোষণা করেন যে, ‘কুরআনে বলা হয়েছে স্বামীই হলো কর্তা।’ .... আর এই কাফিরদের মধ্যেও ভাগ আছে বলে মাওলানা আহমদ রেজা খান ঘোষণা করেন: এক প্রকার কঠিন কুফর হলো খ্রিস্টধর্ম; তার চেয়েও খারাপ হলো মাজুসিয়ত (অগ্নিপূজা); তার চেয়েও খারাপ হলো মূর্তিপূজা; তার চেয়েও খারাপ হলো ওহাবি মতবাদ; এবং এই সবকিছুর চেয়েও খারাপ ও দুষ্ট হলো দেওবন্দি মতবাদ... * এবং এটি চলতেই থাকে। এর প্রভাব হবে খুব স্পষ্ট: যখন আপনি তাদের কাছে কোনো সমস্যা নিয়ে যাবেন, উলেমা এক জন বিশেষজ্ঞের বদলে অন্য জনের দোহাই দিয়ে আপনার পথ সহজ করতে পারেন অথবা বাধা দিতে পারেন। একই সাথে তারা এবং তাদের সমর্থকরা জোর দিয়ে বলবেন যে আমাদের, বিশেষ করে অমুসলিমদের কখনোই এটি বিশ্বাস করা বন্ধ করা উচিত নয় যে শরিয়ত একটি স্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট বিধি, এটি ঐশ্বরিকভাবে নির্ধারিত এবং তাই এটি একটি শাশ্বত এবং অপরিবর্তনীয় বিধি! *এখন পর্যন্ত দুটি বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা: (১) একটি পরিষ্কার এবং সুনির্দিষ্ট বিধি হওয়ার বদলে শরিয়ত আসলে অস্পষ্ট; (২) এটি প্রতিটি বিষয়েই অস্পষ্ট। এর দুটি প্রায়োগিক ফলাফল রয়েছে: (১) এই অস্পষ্টতাই হলো উলেমাদের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতার অন্যতম ভিত্তি; (২) তাই উলেমা শরিয়তকে বিধিবদ্ধ করার প্রতিটি প্রচেষ্টাকে ঠিক ততটাই প্রবলভাবে বাধা দেন যেমনটা তারা সবার জন্য একটি সাধারণ আধুনিক আইনের প্রচেষ্টাকে বাধা দেন। *মাওলানা আহমদ রেজা খান যখন বলেন যে বিজ্ঞানের সামনে ইসলামের মাথা নত করা নয় বরং ইসলামের সামনে বিজ্ঞানের মাথা নত করাই ইসলামের গৌরব, তখন তিনি আসলে তার ধর্মের প্রতিই সত্যনিষ্ঠ থাকেন। বিজ্ঞানের জন্য যা প্রযোজ্য, তা ঐতিহাসিক ‘তথ্যের’ ক্ষেত্রে আরও বেশি প্রযোজ্য যেমন শত জন খলিফা ছিলেন নাকি বারো জন। * পৃথিবী স্থির। সূর্য এর চারদিকে ঘোরে। নক্ষত্রগুলো স্থির, যা আল্লাহ প্রদীপ হিসেবে ঝুলিয়ে দিয়েছেন পর্যটকদের পথ দেখানোর জন্য এবং শয়তানকে পাথর মারার জন্য। এর বাইরে কিছু বিশ্বাস করা মানে ধর্মের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা। পুরুষরাই হলো কর্তা। প্রত্যেকে একসাথে চারজন পর্যন্ত স্ত্রী এবং যত খুশি উপপত্নী রাখতে পারে। স্ত্রীরা হলো ফসলের মাঠের মতো, স্বামী চাইলে তাতে ‘জলসেচন’ করতে পারে অথবা না-ও পারে। স্বামী তার সামান্যতম ইচ্ছা পূরণের জন্যও তাদের বাধ্য করতে পারে এবং না মানলে তালাকের ভয় দেখাতে পারে। এরপরও যদি সে সন্তুষ্ট না হয়, তবে সে তাদের এক কথায় বের করে দিতে পারে। বের করে দেওয়ার পর তারা কেবল জীবনধারণের ন্যূনতম সহায়তার অধিকারী হবে কিন্তু তা কেবল তিন মাসের জন্য, এরপর আর কিছুই নয়। এতে কোনো অন্যায় দেখা বা নারীদের জন্য আরও কিছু দাবি করা মানে আল্লাহর প্রজ্ঞাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং ইসলামের ওপর আঘাত হানা। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা, নির্ধারিত পদ্ধতিতে ইস্তিনজা করতে ব্যর্থ হওয়া, কুকুরের লালা নাপাক এবং শরীর পাক এটি বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হওয়া বড় গুনাহ। একজন কাফির যত বড় সাধুপুরুষই হোক না কেন, এমনকি তার মৃত্যুর পরও তার মঙ্গল কামনা করা, অথবা একজন মুসলিম যত বড় পাপীই হোক না কেন সে যে একজন পুণ্যবান কাফিরের চেয়েও শ্রেষ্ঠ তা বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হওয়া হলো কুফর। উলেমাদের মানসিকতা এমনই। জীবনের সব ক্ষেত্রে তাদের দেওয়া রায়ে এটি ফুটে ওঠে। *দেশের এবং ব্যক্তির অগ্রগতির জন্য শিক্ষা অপরিহার্য। কিন্তু বর্তমানে যাকে শিক্ষা বলা হয় তার বিরুদ্ধে উলেমা দীর্ঘদিন কঠোর লড়াই করেছেন। তাদের কাছে আধুনিক এবং কারিগরি শিক্ষার চেয়ে ধর্মীয় শিক্ষাই অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। কেবল সেই বিষয়গুলোই পড়া উচিত এবং কেবল সেই জ্ঞানই অর্জন করা উচিত যা একজনের বিশ্বাসকে শক্তিশালী করে সহজ কথায়, কেবল সেই বিষয়গুলোই পড়তে হবে যা এটি নিশ্চিত করে যে কুরআন ও হাদিসে যা লেখা আছে এবং উলেমা শত শত বছর ধরে যা বলে আসছেন তা-ই সত্য এবং প্রজ্ঞার ও পূর্ণতার সর্বোচ্চ শিখর। নারীদের শিক্ষা, বিশেষ করে নতুন মূল্যবোধের প্রতি তাদের সচেতন হওয়া, নতুন পেশার জন্য প্রশিক্ষণ পাওয়া এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়া—এই সবকিছুই তাদের কাছে ঘৃণ্য; এটি তাদের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করা হয়, প্রকৃতপক্ষে এটিকে সমাজকে ধ্বংস করার এবং ইসলামকে দুর্বল করার পথ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। *যে প্রতিষ্ঠানের ভারতীয় ইতিহাসের পাঠ্যক্রমে কেবল মাহমুদ গজনভির আক্রমণ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত সময়কাল অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং যার ভূগোলের পাঠ্যক্রমে কেবল আরব উপদ্বীপের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, সেটি কি ভারতের জন্য বা ভারতের কোনো প্রতিষ্ঠান? * প্রত্যাশিতভাবেই, মাওলানা আহমদ রেজা খানের মতে শিয়ারা একেবারেই মুসলিম নয়। তাদের ‘মসজিদ’ কোনো মসজিদই নয়—আর মনে রাখবেন, মীর বাকী এবং তার বংশধরেরা যেহেতু মসজিদের মুতওয়াল্লি ছিলেন, তাই ‘বাবরী মসজিদ’ ছিল একটি শিয়া মসজিদ। * ‘আরে ভাই, কিন্তু আপনি হিন্দু ফতোয়া নিয়ে লিখছেন না কেন?’—এটি এমন এক বিখ্যাত বুদ্ধিজীবীর কথা যার নামের অনেক খ্যাতি রয়েছে। হিন্দুদের মধ্যে ফতোয়া বলে কিছু নেই—তবে নিশ্চিতভাবেই আমাদের বুদ্ধিজীবীরা সেটি জানেন। এ ধরনের উপদেশের উদ্দেশ্য অন্যরকম। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, একজন হিন্দুর ইসলাম নিয়ে লেখালেখি থেকে দূরে থাকা উচিত। বরং, সে যদি ইসলামি বা মুসলিম বিষয় নিয়ে কিছু লেখেও, তবে তাকে কেবল প্রশংসাগীতি গাইতে হবে—‘সহনশীলতার ধর্ম, সাম্যের ধর্ম...’—তাকে কেবল ‘ইসলামি মানস’ সম্পর্কে ‘বোঝার’ বা ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য বই লিখতে হবে। বড়জোর, যদি তাকে ইসলামের কোনো দুর্ভাগ্যজনক ত্রুটি সম্পর্কে কিছু বলতেই হয়, তবে সেটিকে কোনো বিশেষ সময় বা স্থানের ওপর চাপিয়ে দিতে হবে এবং ইসলামকে তার থেকে মুক্তি দিতে হবে! আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, তাকে এটি নিশ্চিত করতে হবে যে সে ইসলামের সেই দিকটি নিয়ে মন্তব্যের সাথে হিন্দুধর্মের কোনো কিছুর নিন্দা করে বিষয়টিকে ‘ভারসাম্যপূর্ণ’ করবে, সেটা যা-ই হোক—জাতীয় প্রথা, পণের কারণে মৃত্যু, বিদেশিদের ম্লেচ্ছ মনে করা, এমনকি অন্য কিছু না মিললে অন্তত সতীদাহ প্রথা! * তাহলে, কারা ক্ষুব্ধ হচ্ছে? ফতোয়াগুলোর উদ্ধৃতি এবং বিশ্লেষণে কারা অপমানিত বোধ করছে? তারা হলো ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা। আর এর কারণ স্পষ্ট। এই তথ্যপ্রমাণের সামনে, কুরআন ও নবীর সরাসরি এবং জোরালো নির্দেশের সামনে এবং ফতোয়াগুলোতে থাকা বারবার এবং অত্যন্ত স্পষ্ট ঘোষণার সামনে তার কাছে কোনো উত্তর নেই। এগুলোর মোকাবিলা করার মতো কোনো প্রমাণ তার কাছে নেই। কিন্তু যখন তারা যা বলে তা সরাসরি সামনে আনা হয়, তখন সে তার এই উল্টো ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ আর বজায় রাখতে পারে না। যতক্ষণ পর্যন্ত এই বিষয়গুলো উর্দুতে সীমাবদ্ধ থাকে, ততক্ষণ তা তার চেনা মহলে কোনো অসুবিধা সৃষ্টি করে না। কিন্তু যে মুহূর্তে এগুলো ইংরেজিতে প্রকাশ পায়, তখনই সে বিপদে পড়ে যায়। আর তাই সে ক্ষোভের ভান করে! এর উত্তর কী? তথ্যগুলো অনবরত তুলে ধরা। সেগুলো বিশ্লেষণ করে যাওয়া। এই বিশ্বাসে যে গালিগালাজ দিয়ে তথ্যপ্রমাণ ধামাচাপা দেওয়া যাবে না। এই বিশ্বাসে যে চিন্তাভাবনা হলো বীজের মতো, যা একদিন শিকড় গাড়বে। * বাংলাদেশে ইসলামীকরণের দিকে দ্রুত ধাবিত হওয়া, তাবলিগ জামাতের দ্রুত বিস্তার এবং হিজবুত তাহরীর ও হিজবুত তৌহিদের মতো মৌলবাদী সংগঠনগুলোর ক্রমবর্ধমান প্রসার ও প্রভাবের সাথে সাথে দেশের বিভিন্ন স্থানে শরিয়ত কমিটি গড়ে উঠেছে। ফতোয়া দেওয়ার ঘটনা আরও নিয়মিত হয়ে পড়েছে। গ্রামীণ এলাকায় স্থানীয় মোল্লারা প্রায়ই এগুলো জারি করেন এবং প্রায়শই এর শিকার হন এমন নারীরা যারা প্রকৃতপক্ষে সহিংসতা, ধর্ষণ এবং এ জাতীয় ঘটনার শিকার হয়েছিলেন.... * মুসলিম সাংবাদিকতা আর নেতৃত্বের ওপর দোষ চাপানো এক অর্থে মূল প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া। সর্বোপরি, মুসলিমরা কেন এই ধরনের সাংবাদিকতাকে গুরুত্ব দেয়, কেন তারা এই ধরনের নেতাদের অনুসরণ করে? এর উত্তর লুকিয়ে আছে সেই মনস্তত্বের মধ্যে, যা উলেমা এবং তাদের ফতোয়াগুলো তাদের মনে গেঁথে দিয়েছে। * এমনকি এটি বলাও কুফর যে, ‘শরিয়ত কী? আজ কি কেউ শরিয়ত মেনে চলে?’, ঘোষণা করে ফতোয়ায়ে রিজভিয়া। এমনকি যদি অন্যদের বিদ্রূপ করার জন্য এই কথাগুলো বলা হয়, তবে সেগুলো গুরুতর পাপ হিসেবে গণ্য হবে। এটি ঘোষণা করে যে, ‘আমরা শরিয়ত মানি না, আমরা প্রথা অনুযায়ী চলি,’ বলাও কুফর। উলেমা একটি ফতোয়া জারি করে মুসলিমদের বহু ঈশ্বরবাদীদের শোভাযাত্রায় যোগ দিতে নিষেধ করেন। একজন লোক বলে, ‘বহু ঈশ্বরবাদীদের শোভাযাত্রায় যোগ না দেওয়ার ফতোয়া জারি করা নিছক লাঠিবাজি।’ এই কথাটি উলেমাদের জানানো হয়। ফতোয়ায়ে রিজভিয়া রায় দেয় যে, এই কথাটি শরিয়তের অবমাননা এবং শরিয়তের অবমাননা হলো কুফর। সেই ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে তার নিকাহ বা বিয়ে ভেঙে যায়। ... তারা ঘোষণা করে যে, ইজমা (ঐকমত্য) বা তকলিদ (আক্ষরিক অনুসরণ) নিয়ে প্রশ্ন তোলা কুফর। ... তারা ঘোষণা করে যে, ফিকহ-এ বিশ্বাস না করা কুফর। তারা ঘোষণা করে যে, যে ফিকহ মানে না সে হলো শয়তান। * ‘যে বাবা-মায়েরা তাদের মেয়েদের কলেজে পাঠান তারা তাদের মেয়েদের শত্রু, বন্ধু নন,’ ফতোয়ায়ে রহিমিয়া এটি ঘোষণা করে বিভিন্ন সূত্রের দোহাই দিয়ে যে, প্রকৃত বন্ধু হলো সে যে পরকালের জন্য একজনকে প্রস্তুত করে, যদিও তা করতে গিয়ে পার্থিব ক্ষতি হতে পারে। এটি ঘোষণা করে যে, ‘এতে কোনো সন্দেহ নেই যে একটি কলেজ পড়ুয়া মেয়ে অত্যন্ত স্বাধীনচেতা, পর্দাহীন, অশালীন এবং নির্লজ্জ হয়ে ওঠে। ইংরেজি শিক্ষা এবং কলেজের পরিবেশের এটিই সাধারণ পরিণতি।’ আর হাদিস উদ্ধৃত করে এটি বলে যে, ‘যে মেয়ে তার লজ্জা হারায় সে সবকিছু হারায়,’ ‘লজ্জা এবং ঈমান এরা অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী; যখন তাদের কোনো একটি চলে যায়, অন্যটিও চলে যায়।’ * অবজ্ঞা এবং হিন্দু ও অন্য অবিশ্বাসীদের যে চিত্র আঁকা হয়েছে, তাদের পশুপাখি এবং পোকামাকড়ের সাথে তুলনা করা হয়েছে—মুসলিমদের ক্ষেত্রে কোনো লেখায় এমন কিছু করা হলে তা তীব্র নিন্দার ঝড় তুলত। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের কাছ থেকে যেমন, তেমনি মুসলিমদের কাছ থেকেও। ====''ওরশিপিং ফলস গডস'' (১৯৯৭)==== * একটি উদাহরণও নেই, এমনকি একটি মাত্র ঘটনাও নেই যেখানে [[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর]] দেশকে স্বাধীন করার সংগ্রামের সাথে যুক্ত কোনো কাজে অংশ নিয়েছিলেন। বরং ঠিক উল্টোটিই ঘটেছে; প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি জাতীয় আন্দোলনের বিরোধিতা করেছেন এবং যখনই এই আন্দোলন কোনো বাধার মুখে পড়েছে, তিনি তাদের মধ্যে ছিলেন যারা সেই ব্যর্থতায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন। * ভারতের কি কখনো সংস্কারকের প্রয়োজন ছিল? আপনি কি ভারতের ইতিহাস পড়েন? রামানুজ কে ছিলেন? শংকর কে ছিলেন? [[গুরু নানক]] কে ছিলেন? [[চৈতন্য মহাপ্রভু]] কে ছিলেন? [[কবীর]] কে ছিলেন? দাদু কে ছিলেন? একের পর এক আসা এই মহান ধর্মপ্রচারকরা কারা ছিলেন, যারা অত্যন্ত উজ্জ্বল সব নক্ষত্রপুঞ্জের মতো ইতিহাস আলোকিত করেছেন? * এক কথায়, দেব-দেবীর নিন্দা করা, ধিক্কার জানানো, তাদের কলঙ্কিত করা, আমাদের শাস্ত্র নিয়ে উপহাস করা এবং অনুসারীদের মধ্যে ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়া ছিল আম্বেদকরের বেছে নেওয়া পথ। কিন্তু কেবল এই একটি পথই খোলা ছিল না। এর আগে গত দেড়শ বছরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একজন সংস্কারক ঠিক এর বিপরীত পথ বেছে নিয়েছিলেন এবং এর ফলে তিনি দুটি লক্ষ্যই অর্জন করেছিলেন। তিনি যেমন লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন উন্নত করেছিলেন, তেমনি আমাদের সমাজকেও বদলে দিয়েছিলেন এবং এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেই সংস্কারক এমন এক বর্ণের ছিলেন যারা কেবল অস্পৃশ্যই ছিল না, বরং যাদের কাছে যাওয়াও নিষিদ্ধ ছিল। সেই সংস্কারক অবশ্যই ছিলেন নারায়ণ গুরু, যিনি ১৮৫৪ থেকে ১৯২৮ সাল পর্যন্ত জীবিত ছিলেন। * তিনি কোনো বহিরাগতের মতো আমাদের ঐতিহ্যকে বিদ্রূপ করেননি বা তাকে অপমান করেননি। তিনি ভারতের আক্রমণকারী বা শাসকদের সাথে কখনো হাত মেলাননি। উপনিষদের শিক্ষার মধ্যে নিজেকে নিমগ্ন করে তিনি আধ্যাত্মিক সচেতনতার সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছিলেন। আমাদের মহান ঋষিরা যেসব পদ্ধতি ও সাধনা বের করেছিলেন, সেগুলো অনুসরণ করেই তিনি সেই স্তরে পৌঁছেছিলেন। তিনি যখন এই অবস্থায় পৌঁছালেন, তার পুরো জীবনটাই গোঁড়াদের সেই শ্রেষ্ঠত্বের দাবির বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদ হয়ে উঠল। তার সেই দিব্য অবস্থা গোঁড়াদের এই দাবিকে ভুল প্রমাণ করল যে আধ্যাত্মিক জ্ঞান কেবল উচ্চবর্ণের জন্যই। আর তিনি সেই স্তরে পৌঁছেছিলেন বলেই সবাই তাকে শ্রদ্ধা জানাত। * [[নারায়ণ গুরু]]র উত্তরাধিকার হলো একটি উন্নত এবং সংহতিপূর্ণ সমাজ, যেখানে নিম্নবর্ণের মানুষরা শিক্ষিত এবং আত্মমর্যাদায় ভরপুর। আম্বেদকরের উত্তরাধিকার হলো একদল মানুষ যারা সবার ওপর চিৎকার করছে, সবসময় কেবল দাবি জানাচ্ছে ও নিন্দা করছে এবং যারা আত্মগ্লানি ও ঘৃণার মধ্যে ডুবে আছে; এটি এমন এক সমাজ যা নিজের সাথেই লড়ছে। নারায়ণ গুরুর উত্তরাধিকার হলো এক পুনর্জীবিত দেশ। আম্বেদকরের উত্তরাধিকার হলো এমন এক দেশ যা তার নিজের অতীত নিয়ে গভীর লজ্জায় আচ্ছন্ন। আর এর ফলে তা আরও বেশি অক্ষম হয়ে পড়েছে। ==== ''ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসি'' (১৯৯৮) ==== * "ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা" আডবাণীর রথ হিন্দুদের মধ্যে যে প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে তা দেখে ঘাবড়ে গেছেন। কিন্তু কেবল রথ এই প্রতিক্রিয়া তৈরি করেনি। শাহ বানোর রায় পাল্টে দেওয়া এবং [[সালমান রুশদি]]কে নিষিদ্ধ করার মতো "জয়গুলো", যেগুলোকে "ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা" উচ্চকণ্ঠে প্রশংসা করেছিল; মানচিত্র এবং তালিকার মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোকে এটি বিশ্বাস করানোতে সফল হওয়া যে মুসলিমরা শত শত নির্বাচনী এলাকায় তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে; পাঞ্জাব এবং [[কাশ্মীর]]ের সহিংসতার "জয়গুলোর" কথা না-ই বা বললাম। এই প্রতিক্রিয়া হলো আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থার এই বিকৃতিগুলোর সম্মিলিত ফল। ** অরুণ শৌরির "প্রতিক্রিয়া উসকে দেওয়া", যা গোয়েল, এস.আর. (সম্পাদক) সম্পাদিত: ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসিতেও রয়েছে। ==== ''এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস: দেয়ার টেকনোলজি, দেয়ার লাইন, দেয়ার ফ্রড'' (১৯৯৮) ==== * ১৯৯৮ সালের জুন-জুলাই মাসে প্রগতিশীলরা বেশ শোরগোল তুলেছিলেন। তারা চিৎকার করে বলেছিলেন যে সরকার ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ হিস্টোরিক্যাল রিসার্চে রাম মন্দির পন্থী ঐতিহাসিকদের জায়গা দিয়েছে। তারা চিৎকার করে বলেছিলেন যে সরকার গোপনে কাউন্সিলের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য বদলে ফেলেছে। নিজেদের চিরকালীন স্বভাব অনুযায়ী, তারা একটি মনগড়া গল্প ছড়িয়ে এই হাঙ্গামা শুরু করেছিলেন। আর তাদের সেই পুরনো অভ্যাস মতোই, তারা অন্যদের বিরুদ্ধে এমন কিছু করার অভিযোগ তুলছিলেন যা তারা নিজেরা গত কয়েক দশক ধরে করে আসছিলেন, অর্থাৎ কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে ইতিহাস লেখা। * ‘আওরঙ্গজেবের ধর্মীয় নীতি’ সংক্রান্ত অধ্যায়ে সবচেয়ে বড় আকারের পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সে হিন্দুদের সাথে প্রকৃতপক্ষে কী করেছিল, তাদের মন্দিরের কী করেছিল, তার শাসনের মূল উদ্দেশ্য, ইসলামের প্রভাব বিস্তারের প্রতিটি ইঙ্গিত বই থেকে ছেঁটে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাকে এমন একজন হিসেবে তুলে ধরতে হবে যার গান-বাজনা এবং রাজদরবারে নর্তকীদের উপস্থিতির প্রতি এক ধরণের সাধারণ অনীহা ছিল, প্রায় ধর্মনিরপেক্ষ এক অনীহা, আর কেবল এই কারণেই সে ওইসব নিষিদ্ধ করেছিল... এক কথায়, কোনো জোরপূর্বক ধর্ম পরিবর্তন নয়, কোনো গণহত্যা নয়, কোনো মন্দির ধ্বংস নয়। কেবল এই যে হিন্দুধর্ম এক শোষণমূলক এবং বর্ণবাদী সমাজ তৈরি করেছিল। ইসলাম ছিল সাম্যবাদী। তাই নিপীড়িত হিন্দুরা ইসলাম গ্রহণ করেছিল!<br/> সে সময়ের মুসলিম ঐতিহাসিকরা নরকে পাঠানো কাফিরদের স্তূপ দেখে উল্লাসে ফেটে পড়েছেন। মুসলিম ঐতিহাসিকরা শাসকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ কারণ সে মন্দির ধ্বংস করেছে এবং লাখ লাখ মানুষকে ইসলামের আলোর মুখ দেখিয়েছে। দ্য হেদায়ে-র মতো আইনগ্রন্থগুলোতে ঠিক সেই বিকল্পগুলোর কথাই বলা হয়েছে যা এই ছোট ছোট পাঠ্যবইগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছিল। '''সবকিছুই ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।'''<br/>'''বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের নামে বস্তুনিষ্ঠ ধামাচাপা। আর আজ যদি কেউ এই পাঠ্যবইগুলোতে সত্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে, তবে চিৎকার ওঠে, ‘ইতিহাসের সাম্প্রদায়িক পুনর্লিখন’।''' * এই বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আসল অপরাধ আর্থিক ক্ষতির মধ্যে নেই। আসল ক্ষতি হলো তারা আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর যে করুণ দশা করেছেন। এর কারণ তাদের অবহেলা—যার ফলে আমাদের দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সব প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়েছে। তার চেয়েও বড় অপরাধ হলো তারা ওই প্রতিষ্ঠানগুলোকে যেভাবে ব্যবহার করেছেন।<br/>তারা সেগুলোকে আয়েশি সময় কাটানোর জন্য ব্যবহার করেছেন। তারা একে অপরের সুনাম বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করেছেন। তবে সবচেয়ে খারাপ বিষয় হলো তারা এই প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করে জনমানসে ভুল তথ্য ছড়িয়েছেন এবং এর ফলে জননীতিকে ভুল পথে চালিত করেছেন।<br/> তারা ভারতকে এমন এক ফাঁকা ভূমি হিসেবে তুলে ধরেছেন যা একের পর এক আক্রমণকারীরা এসে পূর্ণ করেছে। '''তারা বর্তমান ভারত এবং বিশেষ করে হিন্দুধর্মকে একটি চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছে—নানা ধরণের অসম এবং বিচ্ছিন্ন উপাদানের এক স্তূপ। তাদের মতে ভারত বলে কিছু নেই, এটি কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ এবং ব্রিটিশদের তৈরি এক ধারণা; হিন্দুধর্ম বলে কিছু নেই, এটি কেবল আরবদের ব্যবহৃত একটি শব্দ যা তারা এখানে এসে নানা ধরণের মানুষের দেখা পাওয়ার পর ব্যবহার করেছিল এবং এটি কেবল সাম্প্রদায়িকদের এক উদ্ভাবন যা তারা এক অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য তৈরি করেছে, এটিই ছিল তাদের অবস্থান। এর জন্য তারা আমাদের ইতিহাসের হিন্দু যুগকে কলঙ্কিত করেছে এবং আমরা দেখতে পাব যে তারা ইসলামি শাসনকে ধোলাই করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছে।''' তারা প্রাচীন ভারতের সামাজিক ব্যবস্থাকে শোষণের চরম উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং চরমপন্থী মতাদর্শগুলোকে সাম্যবাদী ও ন্যায়পরায়ণ হিসেবে তুলে ধরেছে।<br/>তারা আমাদের প্রাচীন সংস্কৃতিকে ছোট করে দেখিয়েছে এবং যেসব সমন্বিত উপাদান কোনোমতে টিকে ছিল সেগুলোকে অতিরঞ্জিত করে একটি আস্ত সংস্কৃতি হিসেবে প্রচার করেছে, যেটাকে তারা ‘সমন্বিত সংস্কৃতি’ বলে থাকে। কোন সংস্কৃতিটি আসলে সমন্বিত নয়? আর এই পুরোটা সময় তারা আমাদের মানুষের জীবনের সাধারণ উপাদানগুলো নিয়ে মূল তথ্যগুলো লুকানোর চেষ্টা করেছে: তারা লুকিয়েছে যে ইসলামি শাসক এবং উলেমাদের এক হাজার বছরের প্রবল চেষ্টার পরেও এই উপাদানগুলো টিকে ছিল, তারা লুকিয়েছে যে গত দেড়শ বছরের মিশনারি এবং ব্রিটিশ শাসকদের প্রচেষ্টার পরেও এগুলো বেঁচে ছিল। তারা প্রতিটি অংশকে উসকে দিয়ে তাদের আলাদা পরিচয় খুঁজে নিতে বাধ্য করার চেষ্টা করেছিল। সবচেয়ে বড় কথা হলো এই বুদ্ধিজীবীরা তাবলিগ জামাত এবং গির্জার মতো সংগঠনগুলোর বর্তমান কার্যক্রম থেকে মানুষের নজর পুরোপুরি সরিয়ে দিয়েছেন। এই সংগঠনগুলো তাদের অনুসারীদের তাদের হিন্দু প্রতিবেশীদের সাথে থাকা সব মিল এবং বিশ্বাস ত্যাগ করানোর জন্য সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করছে এবং প্রচুর সম্পদ ব্যয় করছে।<br/> এই বুদ্ধিজীবী এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকরা এক ভয়াবহ কৌশল নিয়েছেন: আমাদের দেশ ও মানুষের উদার ধর্ম এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ আধ্যাত্মিক সাধনাকে তারা অসহিষ্ণু, সংকীর্ণমনা ও অন্ধকারাচ্ছন্ন হিসেবে তুলে ধরেছেন; আর একপাক্ষিক এবং চরমপন্থী মতাদর্শগুলোকে ইসলাম, খ্রিস্টধর্ম এবং মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদ, তারা সহনশীলতা, উদারতা, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে প্রচার করেছেন! * আর একটি কথা: আরএসএসের কোনো প্রকাশনায় যদি আমার একটি সাক্ষাৎকারও ছাপা হয়, তবে সেটিই আমি সাম্প্রদায়িক হওয়ার প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়; কিন্তু এই প্রগতিশীলদের নীতি এতটাই শক্ত যে তারা নিজে কমিউনিস্ট পার্টির প্রকাশনায় নিজেদের নামে নিবন্ধ লিখলেও তাদের নিরপেক্ষতা বজায় থাকে! * আমরা যেমনটা দেখেছি, ১৯৮৯ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে নির্দেশিকা জারি করেছিল তার স্পষ্ট অংশ ছিল যে ভারতে ইসলামি শাসন নিয়ে কোনো নেতিবাচক কথা বলা যাবে না। যদিও সে সময়ের ইসলামি লেখকরা এই বিষয়গুলো নিয়েই আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন, তবুও মুসলিম শাসকদের মন্দির ধ্বংস করা, হিন্দুদের জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করা অথবা হিন্দু জনগোষ্ঠীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া অন্যান্য অসমর্থতা নিয়ে কোনো উল্লেখ থাকা চলবে না। ওই নির্দেশিকার সাথে যে অংশগুলো বাদ দিতে হবে তার একটি তালিকা এবং বদলে কী লিখতে হবে তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। যে অংশগুলো বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সেখানে সত্যকে বরং বেশ কমিয়েই বলা হয়েছিল। অন্যদিকে যেসব অংশ ঢোকানোর চেষ্টা করা হয়েছিল সেগুলো ছিল পুরোপুরি মিথ্যা: যেমন আলাউদ্দিন খিলজির মতো ইসলামি শাসকের অধীনে জিজিয়া কর দিয়ে হিন্দুরা নাকি স্বাভাবিক জীবন কাটাতে পারত! আজ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীনে যেসব পাঠ্যবই ব্যবহার করা হচ্ছে সেগুলো গভীরভাবে পড়লে বোঝা যায় যে এটি কেবল ইসলামি শাসনের নিষ্ঠুরতা মুছে ফেলার চেষ্টা নয়, বরং এর পেছনে অনেক গভীর ও ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে। * বাংলায় এই শিক্ষাবিদদের অবস্থান অবশ্যই সিপিআই(এম)-এর দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার ফলে মজবুত হয়েছে। কিন্তু তাদের প্রভাব কেবল ওই রাজ্যের শিক্ষা এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। তাই জাতীয় স্তরেও ছাত্রদের ওপর একই ধরণের মতাদর্শ চাপিয়ে দিতে দেখা যাচ্ছে। বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাশনের টান এতটাই শক্তিশালী এবং এই প্রভাবশালী চক্রটি একজন শিক্ষাবিদের ক্যারিয়ারের জন্য এতটাই মারাত্মক হতে পারে যে অনেক সময় ওই শিক্ষাবিদ তাদের তত্ত্ব এবং মতামতের সাথে একমত না হলেও শেষ পর্যন্ত সেগুলোই আওড়াতে থাকেন। না হলে এনসিইআরটির মতো প্রতিষ্ঠানগুলো তার পান্ডুলিপি পাঠ্যবই হিসেবে গ্রহণ করবে না অথবা সেটির কোনো পর্যালোচনাই হবে না.... * কারসাজিটা লক্ষ্য করুন। মন্দির মেরামত করা বৈধ! গ্রামে মন্দির তৈরি করা যেতে পারে! বাড়ির গোপনীয়তার মধ্যে মন্দির বানানো যেতে পারে! অর্থাৎ উদার নীতিই হলো নিয়ম যা কেবল যুদ্ধের সময় লঙ্ঘন করা হয়! আর ওই সময়ে যাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা হয় বা যাদের ধ্বংস করা হয় তারা তো আসলে ইসলামের শত্রু! শান্তির সময়, যা সাধারণত সবসময়ই থাকে, ওই নিয়মটিই বজায় থাকে—অর্থাৎ হিন্দুরা প্রকাশ্যে এবং আড়ম্বরের সাথেই তাদের ধর্ম পালন করে! এই দাবিগুলোর প্রতিটিই নির্লজ্জ মিথ্যা। কিন্তু এই ঐতিহাসিকরা যেহেতু প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বুদ্ধিবৃত্তিক শুদ্ধতার মানদণ্ড ঠিক করে দিয়েছেন, তাই যে কেউ এই মিথ্যাগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুললে তাকেই ভুল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এমনকি যদি সে সেই সময়ের বিখ্যাত ইসলামি ঐতিহাসিকদের লেখা উদ্ধৃত করেই প্রশ্ন তোলে, তবুও তাকেই দোষী করা হয়। * একবার যখন তারা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দখল করে নিল, একবার যখন তারা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কবজা করল এবং এর মাধ্যমে ঠিক করল কী পড়ানো হবে, কোন বইগুলো পাঠ্য হবে, কী প্রশ্ন করা হবে আর কোন উত্তরগুলো গ্রহণযোগ্য হবে, তখন এই ঐতিহাসিকরাই ইতিহাস আসলে কী ছিল তা নির্ধারণ করতে শুরু করলেন! যেহেতু তাদের বর্তমান রাজনীতি এবং সুবিধার জন্য হিন্দুধর্মকেও অসহিষ্ণু হিসেবে দেখানো প্রয়োজন, তাই তারা আম্বেদকরের বলা সেই কথাগুলো এড়িয়ে যাবেন যেখানে সে বৌদ্ধধর্মের ওপর ইসলামি আক্রমণের ভয়াবহ পরিণতির কথা বলেছিল। আম্বেদকর তার থটস অফ পাকিস্তান বইতে এই আক্রমণ এবং মুসলিম শাসন সম্পর্কে যা বলেছিল তা তারা পুরোপুরি চেপে যাবেন, কিন্তু তার করা ‘ব্রাহ্মণ্যবাদ’-এর নিন্দা এবং মৌর্যদের প্রতিষ্ঠিত বৌদ্ধ ভারতকে ব্রাহ্মণ শাসকরা পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করে শেষ করে দিয়েছে—এই ধরণের মতামতগুলো বারবার প্রচার করবেন।<br/>এভাবেই তারা তথ্য গোপন করেন, কিছু তথ্য বানিয়ে বলেন, এমনকি কোনো লেখক একটি বিষয়ে কী বলেছেন তা ধামাচাপা দিয়ে অন্য বিষয়ে তার বলা কথাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রচার করেন। আর যখনই কেউ আসলে কী ঘটেছিল তা তুলে ধরার চেষ্টা করে, তখনই তারা সমস্বরে চিৎকার শুরু করেন: ইতিহাস নতুন করে লেখার ষড়যন্ত্র চলছে, তারা চিৎকার করেন; ইতিহাস বিকৃত করার চক্রান্ত হচ্ছে, তারা চিৎকার করেন। '''কিন্তু তারাই প্রথম থেকে ইতিহাস বিকৃত করে আসছেন—সত্য গোপন করে এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে।''' * আর এই ঐতিহাসিকদের চতুরতা দেখুন। তারা দাবি করেন যে জাতীয় সংহতির স্বার্থে এই ধরণের তথ্য এবং ঘটনাগুলো ধামাচাপা দেওয়া উচিত: তারা বলেন এগুলো মনে রাখলে মুসলিমরা ক্ষুব্ধ হবে এবং হিন্দুদের মনে মুসলিমদের প্রতি ঘৃণা জন্মাবে। একই সাথে তারা হিন্দুরা বৌদ্ধ মন্দির ধ্বংস করেছে—এমন একটি গল্প বানিয়ে প্রচার করার ওপর জোর দেন। এই গল্প কি বৌদ্ধদের থেকে হিন্দুদের দূরে সরিয়ে দেবে না? বিশেষ করে যখন এর পেছনে তথ্যের কোনো লেশমাত্র নেই, তখন এমন কাহিনী কি হিন্দুদের মন বিষিয়ে দেবে না? * একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—আর্য-দ্রাবিড় বিভাজন, ইসলামি আক্রমণের প্রকৃতি, ইসলামি শাসনের ধরণ, স্বাধীনতা সংগ্রামের চরিত্র—প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা এই বৈশিষ্ট্যটি দেখতে পাই: সত্য গোপন করা এবং মিথ্যা প্রচার করা। গত ত্রিশ বছরের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে এটিই সবচেয়ে বড় কেলেঙ্কারি। এই বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের পক্ষে এটি করা সম্ভব হয়েছে কারণ তারা আইসিএইচআর-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ পেয়েছিলেন। এই মিথ্যা দূর করতে হলে ওই নিয়ন্ত্রণও দূর করতে হবে। * এবং এভাবেই—অন্য ধর্মের পবিত্র মন্দিরের ধ্বংসস্তূপের মাঝে এবং অন্য ধর্মের শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিদের লাশের স্তূপের মাঝে। তা সত্ত্বেও আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের কাছে এটি হলো উদার সহনশীলতার নীতি! সম্পূর্ণ ধর্মনিরপেক্ষ অনুপ্রেরণায় পরিচালিত একটি সহনশীলতার নীতি! * কিন্তু এখানে ভারতে আগের বুলি এবং বিভাগগুলোর সাধারণ আবৃত্তিই যথেষ্ট ছিল। তাই এই বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের ইতিহাস রচনার বৈশিষ্ট্য কেবল তাদের প্রভুদের প্রতি আনুগত্যই নয়, বরং এটি তাদের এক ধরণের সরলমনস্কতা!<br/>তবে আরও একটি বিষয় আছে। ইসলামি শাসনকে ধোয়া-মোছা করাই এই ঐতিহাসিকদের কাজের একমাত্র বৈশিষ্ট্য নয়। এর সাথে যোগ হয়েছে দেশের প্রাক-ইসলামি যুগ এবং ঐতিহ্যের প্রতি এক প্রবল ঘৃণা। বছরের পর বছর ধরে সোভিয়েত এনসাইক্লোপিডিয়াগুলোতে ভারত সম্পর্কে তথ্যগুলো ধীরে ধীরে নমনীয় হয়েছে। তারা খুব দ্বিধার সাথে হলেও স্বীকার করতে শুরু করেছিল যে চীন এবং ভারতের মতো দেশগুলোর ক্ষেত্রে পুরনো বিভাগগুলো হয়তো কিছুটা বদলে নিতে হতে পারে। তারা স্বীকার করতে শুরু করেছিল যে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পর্যায় একে অপরের সাথে মিশে থেকেছে। আর হয়তো কেবল কূটনৈতিক কারণেই তারা আরও বেশি সতর্ক হয়েছিল—আমাদের ঐতিহ্যকে কলঙ্কিত করা এড়িয়ে গিয়েছিল।<br/>সোভিয়েতদের দুই খন্ডের বই এ হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়াতে আমরা ভারতের ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায় নিয়ে কমবেশি একই ধরণের বর্ণনা পাই যা আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের বইতেও আছে। কিন্তু সোভিয়েতদের বইতে সেই ঘৃণা এবং বিদ্বেষের কোনো চিহ্ন নেই যা আমরা আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের বইতে দেখতে পাই। * তাই দুটি বিষয় মনে রাখতে হবে। প্রথমত, আমাদের বন্ধুরা কেবল মার্ক্সবাদী নন, তারা মেকলের অনুসারীও। দ্বিতীয়ত, তারা এক বিশেষ ধরণের মার্ক্সবাদী। তারা সেই অর্থে মার্ক্সবাদী যে তারা নিজেদের মার্ক্সবাদী মনে করেন এবং বারবার গুটিকয়েক মার্ক্সবাদী বুলি আওড়াতে থাকেন। কিন্তু মার্ক্সবাদী ঐতিহাসিক হওয়ার চেয়ে তারা আসলে শাসনব্যবস্থার অনুগত ঐতিহাসিক ছিলেন। তাদের তত্ত্ব এবং মতামত কেবল মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদের মূল বইগুলোর সাথেই মেলেনি, বরং তা কংগ্রেসী শাসকদের আদর্শ এবং প্রয়োজনের সাথেও মিলে গিয়েছে। * বর্ণ বাস্তব। শ্রমিক শ্রেণি বাস্তব। নাগা হওয়া বাস্তব। '''কিন্তু ভারত কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ!''' একইভাবে মুসলিম হওয়া অবশ্যই বাস্তব—ইসলামকে গ্রানাইট পাথরের মতো একটি অভিন্ন ব্লক হিসেবে দেখতে হবে এবং কথা বলতে হবে—... '''কিন্তু হিন্দুধর্ম? কেন, এমন তো কিছু নেই: এটি কেবল কিছু বিচ্ছিন্ন বিশ্বাস এবং আচারের সমষ্টি'''—... '''আর যে কেউ এর উল্টো কিছু দাবি করে, তাকেই এক ঐক্য চাপিয়ে দেওয়া অথবা অভিন্নতা তৈরি করার চেষ্টাকারী হিসেবে ফ্যাসিবাদী তকমা দেওয়া হয়।''' আমাদের প্রগতিশীল চিন্তাবিদরাই এগুলো বলে আসছেন। এক কথায়, কেবল খন্ডিত অংশগুলোই বাস্তব। আর পুরোটা কেবল একটি তৈরি করা ধারণা। এই চিন্তাবিদরা জোর দিয়ে বলেন যে ভারত কখনোই এক ছিল না—সাম্রাজ্য শাসনের উদ্দেশ্যে আর্যরা, মুঘলরা এবং ব্রিটিশরা বিভিন্ন মানুষ ও অঞ্চলকে একসাথে জুড়ে দিয়েছিল। যে কেউ সেই ধারণাকে—অর্থাৎ ভারতকে—আমরা কোন কাঠামোর অধীনে বাস করব তার মাপকাঠি হিসেবে ব্যবহার করতে চায়, তাকেই হিন্দু আধিপত্য কায়েম করার গোপন পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। * এটি এক অর্থে মেকলে-মিশনারি কৌশলেরই ধারাবাহিকতা এবং চূড়ান্ত রূপ। ব্রিটিশরা হিসাব কষে দেখেছিল যে ভারতকে জয় করতে এবং দখলে রাখতে হলে এদেশের মানুষের মূল ভিত্তিটাই দুর্বল করে দিতে হবে: আর তা হলো হিন্দুধর্ম এবং যা কিছু এর থেকে সৃষ্টি হয়েছে। তাই তারা খুব জেদ নিয়েই পাঁচটি বিষয়ের প্রতি মানুষের বিশ্বাস এবং শ্রদ্ধা নষ্ট করতে নেমেছিল: হিন্দুরা যেসব দেব-দেবীর পূজা করে; যেসব মন্দির ও মূর্তিতে তাদের অধিষ্ঠান; তাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থগুলো; যেসব ভাষায় সেই ধর্মগ্রন্থ এবং ঐতিহ্যের সবকিছু সংরক্ষিত—অর্থাৎ সংস্কৃত; এবং সেই গোষ্ঠী যাদের বিশেষ দায়িত্ব ছিল হাজার বছর ধরে এই জীবনধারাকে রক্ষা করা—অর্থাৎ ব্রাহ্মণরা। একই কৌশলের অন্য অংশটি ছিল খন্ডিত অংশগুলোকে উসকে দেওয়া—অহিন্দুরা, আঞ্চলিক ভাষাগুলো এবং সেই বর্ণ ও গোষ্ঠীগুলো যাদের সহজেই মিশনারি এবং সাম্রাজ্যের পথে আনা যাবে—যেমন সহজ-সরল উপজাতি এবং অস্পৃশ্যরা। * পরিস্থিতিটা এখন এইরকম: গত আধ শতাব্দী ধরে ভারতে যারা জনপরিসরের আলোচনায় আধিপত্য বিস্তার করেছে, নিয়ন্ত্রণ করেছে এবং অন্যদের আতঙ্কিত করে রেখেছে, তাদের হাতে এখন কোনো তথ্য বা যুক্তি অবশিষ্ট নেই। যারা তাদের ‘অভ্যন্তরীণ আলোচনার’ খবর রাখেন তারা এটি দেখতে পাবেন—তারা ক্রমশ আরও ছোট গণ্ডির মধ্যে কথা বলছেন; আর এই সংকুচিত হতে থাকা গণ্ডিতে তারা স্রেফ পুরনো বুলি আউড়ে যাচ্ছেন, সেখানে নতুন কোনো চিন্তা বা নতুন কোনো তথ্য নেই। আর আমরা যেমনটা দেখেছি, এটি আগে থেকেই ধারণা করা যায়: তাত্ত্বিক বুলিগুলোর পুনরাবৃত্তি করাই তাদের জন্য কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং যথেষ্ট। * ‘আমি নিজেই আপনার বইটির পর্যালোচনা করতে চাই,’ ওরশিপিং ফলস গডস সম্পর্কে আমাদের একটি প্রধান সংবাদপত্রের সম্পাদক বলেছিলেন। ‘কিন্তু আমি যদি এর প্রশংসা করি, তবে তারা আমার পেছনেও লাগবে। আমাকেও সাম্প্রদায়িক, উচ্চবর্ণের লোক—এইসব বলা হবে।’ ‘অসাধারণ অরুণ, এটা সত্যিই চমৎকার ছিল,’ একজন শীর্ষস্থানীয় ভাষ্যকার বলেছিলেন যিনি ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে একটি পর্যালোচনা লিখেছিলেন। ‘কিন্তু আপনি তো বোঝেনই, আমি ছাপার অক্ষরে এই সবকিছু বলতে পারিনি। তবে এটি সত্যিই অসাধারণ। আপনি এত পরিশ্রম করেন কীভাবে?’ এমনকি পর্যালোচক নির্বাচনের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যায়। কোনো বামপন্থীর লেখা বই হলে সম্পাদকরা ভিন্ন মতাদর্শের কাউকে সেটি দিতে দ্বিধা করেন: ‘তারা বলবে আমি ইচ্ছা করে একজন ডানপন্থীকে এটি দিয়েছি,’ সম্পাদকরা সম্ভবত এভাবেই ব্যাখ্যা দেন। অন্যদিকে, তারা যাকে ডানপন্থী বলে ঠিক করে রেখেছেন তেমন কারো বই হলে, তারা অন্য কোনো ব্র্যান্ডেড ডানপন্থীকে সেটি দিতে ভয় পান: ‘তারা আমাকে দোষ দেবে যে আমি ইচ্ছা করে এমন একজনকে বইটি দিয়েছি যে এর প্রশংসা করবেই,’ তারা অভিযোগের সুরে বলবেন। তাই এই ধরনের ক্ষেত্রে তারা ইচ্ছা করে বইটি এমন কাউকে দেন যে ‘এর নিন্দা করবেই’! * এছাড়াও আমাদের শেখানো হয় যে, আওরঙ্গজেবের মতো কেউ যখন মন্দির ধ্বংস করেন, তখন কী ঘটেছিল এবং কেন ঘটেছিল তা আন্দাজ করার ক্ষেত্রে আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে... আমাদের শেখানো হয় যে, দিল্লির কুওয়াত-উল-ইসলাম মসজিদের মতো প্রাথমিক স্মৃতিস্তম্ভগুলো নাকি ‘খুব দ্রুত’ তৈরি করতে হয়েছিল... এটি কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য! আর সেই ধর্মের কী হবে যা দাবি করে যে ধর্মীয় বিশ্বাসই সব এবং রাজনীতিকে ধর্ম থেকে আলাদা করা যায় না? আর এর নাম: কুওয়াত-উল-ইসলাম মসজিদ, মানে ইসলামের শক্তির মসজিদ? অবশ্যই ধরে নিতে হবে এটি স্রেফ নামমাত্র! আর লক্ষ্য করুন: ‘সহজলভ্য উপকরণগুলো সংগ্রহ করে যুক্ত করা হয়েছিল’, সেগুলো ‘স্পষ্টতই হিন্দু উৎস থেকে এসেছিল’—হয়তো সেই উপকরণগুলো এমনিই পড়ে ছিল; হয়তো মন্দিরগুলো আগেই নিজে নিজে ভেঙে পড়েছিল; হয়তো হিন্দুরা স্বেচ্ছায় তাদের মন্দির ভেঙে সেই উপকরণগুলো দান করেছিল? তাই নয় কি? সর্বোপরি তারা যে তা করেনি তার তো কোনো প্রমাণ নেই! আর তাই ‘লুণ্ঠিত’ শব্দটি বারবার উদ্ধৃতি চিহ্নের মধ্যে রাখা হয়! <br/> প্রকৃতপক্ষে আরও অনেক কিছু আছে। ইসলামি মসজিদ তৈরির জন্য হিন্দু মন্দিরের এই উপকরণগুলোর ব্যবহার নাকি ‘স্থানীয় কারিগরদের স্থাপত্যগত সংজ্ঞা ও খাপ খাইয়ে নেওয়ার একটি প্রক্রিয়ার অংশ ছিল, যা ইসলামি ব্যবহারের জন্য দক্ষিণ এশীয় স্থাপত্যের পরবর্তী উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য ছিল’। এর ফলে মূল দায়ভার গিয়ে পড়ে সেই ‘স্থানীয় কারিগর’ এবং তাদের ‘খাপ খাইয়ে নেওয়ার’ ওপর। ফলে কুতুব মিনার চত্বরের বৈশিষ্ট্যগুলো ‘স্থপতি এবং খোদাইকারদের একটি নতুন কর্মসূচির প্রতি সৃজনশীল প্রতিক্রিয়া’ হিসেবে তুলে ধরা হয়। একটি মসজিদ যেখানে স্পষ্টভাবে হিন্দু মন্দিরের স্তম্ভসহ অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে এবং যেখানে নির্দ্বিধায় ‘কেন্দ্রীয় গম্বুজের কাঠামোয় হিন্দু দেবতাদের খোদাই করা একটি লিন্টেল বা পাথরের কড়িকাঠ এমনভাবে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে ছবিগুলো দেয়ালের ভেতরের দিকে থাকে’, সেটি নাকি ‘কোনো নিয়ম ঠিক করার জন্য’ করা হয়নি। ‘বরং এটি স্থাপত্য, সজ্জা এবং সংশ্লেষণের ক্ষেত্রে সহযোগিতামূলক ও সৃজনশীল সম্ভাবনার দ্রুত অন্বেষণের উদাহরণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।’ এর বিপরীত সিদ্ধান্তগুলো নাকি ছিল ‘ভুল মূল্যায়ন’। আমরা নাকি ‘উদ্ধার করা অংশ’ দেখার ভুল করছি—কী চমৎকার একটি শব্দ, ‘উদ্ধার করা’: ওই অংশগুলো মন্দির ভেঙে পাওয়া যায়নি; সেগুলো ধ্বংসাবশেষ হিসেবে পড়ে ছিল এবং সময়ের সাথে সাথে নষ্ট হয়ে যেত; তার বদলে সেগুলোকে ‘উদ্ধার করা’ হয়েছে এবং নতুন পবিত্র ইমারতের অংশ হওয়ার মর্যাদা দেওয়া হয়েছে—‘উদ্ধার করা অংশ দেখার বদলে সেখানে সুস্থ সহযোগিতামূলক সৃজনশীলতা নতুন রূপ তৈরি করছে’। * তবুও এই সবকিছুর কোনোটিই আকস্মিক নয়। আমরা এই বইতে যেসব পাঠ্য পর্যালোচনা করেছি সেখানে দেখা যায়, এটি একটি নির্দিষ্ট ধারার অংশ। দেখা যায় ভারত নাকি একটি অতি সাম্প্রতিক ধারণা। এটি নাকি কোনো দেশ বা জাতি নয়। হিন্দুধর্ম একটি উদ্ভাবন হিসেবে প্রকাশ পায়—শব্দটি শুনে অবাক হলেন? কয়েক পৃষ্ঠা পড়লেই আর হবেন না—উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে ব্রিটিশদের তৈরি এক উদ্ভাবন। একই সাথে এটি নাকি সবসময়ই সহজাতভাবে অসহিষ্ণু। প্রাক-ইসলামি ভারত ছিল অন্যায় এবং শোষণের আখড়া। ইসলামি শাসন শোষিতদের মুক্তি দিয়েছিল। এই সময়েই ভারতের গঙ্গা-যমুনা সংস্কৃতি তথা ‘সমন্বিত সংস্কৃতি’ গড়ে উঠেছিল, যার প্রধান প্রবক্তা ছিলেন আমির খসরু এবং সুফি সাধকরা ছিলেন এর উৎস। এমনকি সেই সময়েও জাতীয়তাবোধ তৈরি হয়নি। এটি কেবল ব্রিটিশ শাসনের প্রতিক্রিয়ায় এবং পশ্চিম থেকে আসা চিন্তাভাবনার ফলে তৈরি হয়েছে। কিন্তু এটিও—অর্থাৎ দেশ বা জাতি হওয়ার বোধ যতটুকু ছিল—তা কেবল ভারতের উচ্চবিত্তদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কমিউনিস্টরাই সাধারণ মানুষকে সচেতন করেছে এবং তাদের মধ্যে এই ধারণাগুলো ছড়িয়ে দিয়েছে। <br/> এক কথায়, ভারত বাস্তব নয়—কেবল এর অংশগুলোই বাস্তব। শ্রেণি বাস্তব। ধর্ম বাস্তব—আমাদের ধর্মের সাধারণ এবং বিশেষ সূত্রগুলো নয়, বরং ধর্মের সেই দিকগুলো যা আমাদের বিভক্ত করে এবং নিশ্চিত করে যে আমরা একটি জাতি বা দেশ নই, সেই উপাদানগুলোই বাস্তব। বর্ণ বাস্তব। অঞ্চল বাস্তব। ভাষা বাস্তব—আসলে এটি ভুল: যুক্তি হলো সংস্কৃত ছাড়া অন্য ভাষাগুলো বাস্তব; সংস্কৃত মৃত এবং বিলুপ্ত; যাই হোক, হোরেশ উইলসন হাউস অফ কমন্স সিলেক্ট কমিটিতে যেমন বলেছিলেন যে এটিই দেশের অন্যান্য ভাষার ভিত্তি এবং জীবন্ত ভিত্তি ছিল, তা সত্ত্বেও একে উচ্চবিত্তদের সংরক্ষিত এলাকা এবং আধিপত্য ও শোষণের হাতিয়ার হিসেবে দেখানো হয়েছে; এটি নাকি অসহায় জনসাধারণের মধ্যে মিথ্যা চেতনা টিকিয়ে রাখার একটি মাধ্যম ছিল। * পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ ১৯৮৯ সালে নির্দেশ জারি করেছিল যে ‘মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না।’ * অযোধ্যায় তাদের প্রতারণামূলক ভূমিকা—যা শেষ পর্যন্ত অন্য কারো চেয়ে তাদের মক্কেলদেরই বেশি ক্ষতি করেছে—তা ছিল কেবল একটি লক্ষণ মাত্র। পঞ্চাশ বছর ধরে এই দলটি তথ্য গোপন করছে এবং মিথ্যা উদ্ভাবন করছে। আইসিএইচআর-এর সেই উদ্দেশ্য—আমাদের অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ এবং যৌক্তিক গবেষণার প্রসার ঘটানো—সেটি নিয়ে আজ তারা কতই না চিন্তিত হওয়ার ভান করছে! তাদের এই উদ্বেগ কীভাবে ১৯৮৯ সালে তাদের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া নির্দেশিকার সাথে মেলে যা আউটলুক নিজেই উদ্ধৃত করেছিল—‘মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না?’ কিন্তু বৌদ্ধ বিহার ধ্বংসের পাইকারি মিথ্যাচার এবং অস্তিত্বহীন ‘আর্য আক্রমণ’ সম্পর্কে তাদের তথ্যগুলো অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক—এগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলা মানেই হলো সাম্প্রদায়িক বা উগ্র জাতীয়তাবাদী হওয়া! আইসিএইচআরের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করা যথেষ্ট খারাপ ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটি ছিল একটি কৌশল মাত্র। এই ‘ঐতিহাসিকদের’ প্রধান অপরাধ হলো এই পক্ষপাতিত্ব: সত্য গোপন করা এবং মিথ্যা প্রচার করা। * সংবাদমাধ্যম তাদের প্রচেষ্টার এবং এই ক্ষেত্রে তাদের অর্জিত দক্ষতার একটি তৈরি উদাহরণ। তারা তাদের সদস্য এবং সমর্থকদের সাংবাদিকতায় নিয়ে আসার জন্য যত্ন নিয়েছেন। আর সাংবাদিকতার মধ্যে তারা ক্ষুদ্র গণ্ডিগুলোতেও মনোযোগ দিয়েছেন। বইয়ের কথাই ধরুন। তাদের কারো একটি বই কোনো পত্রিকায় পৌঁছানোর সাথে সাথেই সেটি পর্যালোচনার জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত ব্যক্তিদের নামের পরামর্শ চলে আসে। আমি যেমনটা বলেছি, যে সম্পাদক আপত্তি করেন এবং বইটি ভিন্ন মতাদর্শের কারো কাছে পাঠাতে চান তাকে দোষী মনে করানো হয়, যেন তিনি ইচ্ছা করে একটি পক্ষপাতদুষ্ট ও নেতিবাচক পর্যালোচনা নিশ্চিত করছেন। তাদের তালিকা থেকে কাউকে বেছে নেওয়া যে একটি পক্ষপাতদুষ্ট প্রশংসা নিশ্চিত করতে পারে, তা নিয়ে কোনো কথা বলা হয় না। প্রচলিত জনমতের চাপ এতটাই বেশি এবং সম্পাদকরা এড়ানো সম্ভব এমন ঝামেলা এড়াতে এতটাই উদগ্রীব যে, তারা দ্রুত প্রস্তাবিত নামগুলোর মধ্যে একজনকে বেছে নেন... <br/> গত পঞ্চাশ বছর ধরে সংবাদপত্র ও সাময়িকীর বইয়ের পাতাগুলো লক্ষ্য করলেই আপনি দেখতে পাবেন যে এই সাধারণ কৌশলটি কত বড় প্রভাব ফেলেছে। প্রকাশনা সংস্থাগুলোতে তাদের লোকজন গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে ছিল: আর তাই তাদের ধরণের বইগুলোই প্রকাশিত হতো। এরপর তারা একে অপরের বই পর্যালোচনা করত এবং পাঠ্য হিসেবে নির্দিষ্ট করত। এই সব প্রকাশনা এবং পর্যালোচনার ভিত্তিতে তারা একে অপরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং এ জাতীয় জায়গায় পদ পাইয়ে দিতে সক্ষম হতো... এমনকি যেসব প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব সম্পর্কে আমাদের বেশিরভাগের কোনো ধারণাই নেই, সেগুলোকেও ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। আমাদের মধ্যে কতজন সরকারের এমন একটি সংস্থার কথা জানেন যা সরকারি এবং অন্যান্য লাইব্রেরির জন্য পাইকারি বই কেনা নির্ধারণ করে? কিন্তু তারা জানে! তাই আপনি যদি লক্ষ্য করেন যে এই সংস্থাটি বছরের পর বছর ধরে কোন ধরণের বইয়ের অর্ডার দিচ্ছে, তবে আপনি সেগুলোকে প্রায় একচেটিয়াভাবে লাল এবং গোলাপি ঘরানারই পাবেন... <br/> এভাবে তাদের বইগুলো প্রকাশের জন্য নির্বাচিত হয়। তারা একে অপরের বই পর্যালোচনা করে। এর মাধ্যমে সুনাম তৈরি হয়। এর মাধ্যমে পদ দখল করা হয়। ছাত্রদের একটি নতুন প্রজন্ম একই চশমা পরে বড় হয়—আর এর অর্থ হলো সংবাদমাধ্যমে আরও একটি প্রজন্মের তৈরি হওয়া, আমলাতন্ত্রের আরও একটি প্রজন্ম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আরও একটি প্রজন্ম... * আমাদের উচিত দালাই লামার উদাহরণটি সামনে রাখা। তিনি ধ্যানের ওপর একটি তিব্বতি গ্রন্থের ওপর বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি একটি বাক্য পড়লেন, হাসলেন এবং মন্তব্য করলেন, ‘সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বগুলো লজ্জাজনক! এগুলো ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত!’ তিনি পরামর্শ দেন যে আমাদের কাছে সবসময় একটি ঝুড়ি রাখা উচিত—যা কিছু আমাদের বর্তমান জ্ঞানের সাথে মেলে না, সেগুলো সেই ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া উচিত। ‘বৌদ্ধধর্মকে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে,’ তিনি এটাই শেখান। সেই অনুযায়ী তিনি বৌদ্ধ গ্রন্থগুলোকে সূক্ষ্ম পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করেছেন। (...) এটি নিজের ঐতিহ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসকেই তুলে ধরে। এটিই হলো ঐতিহ্যের প্রকৃত সেবা। এতে থাকা ‘অমূল্য রত্ন’ ভবিষ্যতের জন্য রক্ষা করার উপায় এটিই। * কিন্তু আজ বৌদ্ধধর্মের বিলুপ্তির কারণ হিসেবে হিন্দুদের দ্বারা বৌদ্ধদের ওপর নির্যাতন এবং হিন্দুদের দ্বারা তাদের মন্দির ধ্বংসের কথা বলাটা একটি ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। একটি বিষয় হলো, যেসব মার্ক্সবাদী ঐতিহাসিক এই মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছেন তারা এই মনগড়া কাহিনী প্রমাণ করার জন্য সামান্যতম তথ্যও হাজির করতে পারেননি। একটি সাধারণ উদাহরণে রোমিলা থাপার তিনটি শিলালিপি উদ্ধৃত করেছিলেন। নিরলস কর্মী [[সীতরাম গোয়েল]] সেগুলো পরীক্ষা করে দেখেন। এর মধ্যে দুটির সাথে বৌদ্ধ বিহার বা সেগুলো ধ্বংসের কোনো সম্পর্কই পাওয়া যায়নি এবং যেটিতে একটি বস্তু ধ্বংসের কথা ছিল, সেটি বিশেষজ্ঞদের মতে ছিল একটি জাল শিলালিপি; যাই হোক না কেন, সেখানে যা বলা ছিল তা ওই ঐতিহাসিকের ইঙ্গিতের চেয়ে দিন আর রাতের মতো আলাদা ছিল। * সংলগ্ন পৃষ্ঠাগুলোতে দুটি কলাম আছে: অশুদ্ধ এবং শুদ্ধ। প্রগতিশীলরা ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে তাদের ‘বস্তুনিষ্ঠ’ এবং ‘যৌক্তিক’ পদ্ধতির মাধ্যমে কী অর্জন করার চেষ্টা করছেন তা এই পরিবর্তনগুলোর দিকে চোখ বুলালেই বোঝা যায়। * এভাবে কেবল সত্য গোপনই নয়, বরং আজেবাজে কথা প্রচারও করা হচ্ছে। ;বইটি সম্পর্কে * ‘বাম-উদারপন্থী’ বা ‘প্রগতিশীল’ ঐতিহাসিকদের প্রথম বড় সমালোচনা করেছিলেন অরুণ শৌরি, বিশেষ করে তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা আইসিএইচআর-এর অবস্থা নিয়ে। ** ডি. কে. চক্রবর্তী, ন্যাশনালিজম ইন দ্য স্টাডি অফ এনশিয়েন্ট ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি (আরিয়ান বুকস ইন্টারন্যাশনাল, দিল্লি)।[https://koenraadelst.blogspot.com/2021/02/a-case-of-good-nationalism-dk.html] * "বিশিষ্ট ঐতিহাসিকগণ" হলো সেই শব্দ যা দিয়ে তারা একে অপরকে ডাকে এবং তাদের ভক্তরা তাদের এই নামেই ডাকে। যখন কোনো প্রতিপক্ষের যুক্তির উত্তর তাদের কাছে থাকে না, তখন তারা তাকে যথেষ্ট ‘বিশিষ্ট’ নয় বলে দম্ভের সাথে উড়িয়ে দেয়। তাই অরুণ শৌরি যখন এই খাতের কিছু অপব্যবহার নিয়ে লিখেছিলেন, তখন তিনি তার বইয়ের নাম দিয়েছিলেন এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস। এটি ঔপনিবেশিক যুগের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে লেখা একটি পুরনো বই এমিনেন্ট ভিক্টোরিয়ানসের নাম নিয়ে করা একটি শব্দকৌতুকও বটে। ** এলস্ট, কে. [https://koenraadelst.blogspot.com/2016/05/interview-in-monthly-swarajya.html সাক্ষাৎকার, স্বরাজ্য, মে ২০১৬)] ===২০০০-এর দশক=== ==== ''হারভেস্টিং আওয়ার সোলস: মিশনারিস, দেয়ার ডিজাইন, দেয়ার ক্লেইমস'' (২০০০) ==== * আপনি যদি ১৯৯৮ সালের শেষ এবং ১৯৯৯ সালের শুরুর দিকে ভারতে থাকতেন এবং ইংরেজি মাধ্যমের "জাতীয়" সংবাদপত্রগুলো যদি আপনার খবরের উৎস হতো, তবে আপনি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতেন যে একটি ব্যাপক এবং সুসংগঠিত গণহত্যা চলছে; উন্মত্ত হিন্দু গোষ্ঠীগুলো ঘুরে ঘুরে সন্ন্যাসিনীদের ধর্ষণ করছে, মিশনারিদের ওপর আক্রমণ করছে এবং গির্জা পুড়িয়ে দিচ্ছে। (পৃষ্ঠা ৭) * শেষ পর্যন্ত দেখা গেল যে সত্যিই একটি চক্রান্ত ছিল এবং সেটি ছিল একটি সাম্প্রদায়িক চক্রান্ত। পুরো বিষয়টিই ছিল একটি সাজানো গল্প—তাদের দ্বারা যাদের লক্ষ্য হলো হিন্দুদের উন্মত্ত সাম্প্রদায়িক হিসেবে চিত্রিত করা এবং আরএসএস, বিজেপি ইত্যাদিকে এমন এক সংগঠন হিসেবে তুলে ধরা যারা একটি "গণহত্যা" পরিচালনা করছে। জাস্টিস ওয়াধওয়া নথিবদ্ধ করেছেন, "তদন্তে প্রকাশ পেয়েছে যে সিস্টার মেরি এফআইআরে যা বলেছিলেন তা সত্য ছিল না। এটি একটি বানানো গল্প ছিল। তদন্তে দেখা গেছে যে বাস্তবে সিস্টার মেরির সাথে কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি... পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল বি.বি. পান্ডা জানিয়েছেন যে 'সন্ন্যাসিনী ধর্ষণ'-এর ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে এমনভাবে প্রচার করা হয়েছিল যেন এটি খ্রিস্টানদের ওপর একটি আক্রমণ, যদিও বাস্তবে তা সত্য ছিল না এবং মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।" (৯-১০) * ঘটনাগুলোর সত্যতা এবং সেগুলোকে যেভাবে তুলে ধরা হয়েছিল তার মধ্যেকার এই পার্থক্য আমাদের সংবাদপত্র এবং টিভি চ্যানেলগুলোকে সতর্ক করা উচিত যেন তারা তথ্য যাচাই না করে হুট করে কোনো খবর প্রচার না করে। বিশেষ করে, তাদের কেবল সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানো ব্যক্তিদের অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে চলা উচিত নয়। (১৩) * অর্থ থেকে শুরু করে আদর্শ কিংবা অতি নিম্নমানের রাজনীতি—মিথ্যা অপবাদ তৈরির পেছনে বিভিন্ন গোষ্ঠীর বিভিন্ন কারণ থাকে। এদের মধ্যে অনেকগুলো খুব সুসংগঠিত; এমনকি আমরা দেখতে পাব যে কারো কারো বিশ্বজুড়ে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক আছে। তারা অত্যাচারের গল্প তৈরিতে এবং সেগুলো বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিতে অত্যন্ত দক্ষ হয়ে উঠেছে এবং তাদের এই উদ্ভাবনগুলোকে লাভজনক কাজে ব্যবহার করছে। (১৩) * হিন্দু নারীদের মধ্যে কাজ করাকে উচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে, তারা বলেন, "যেহেতু তারা এই ধর্মের রক্ষক"... (৬২) ==== ''সেল্ফ-ডিসিপশন: ইন্ডিয়াস চায়না পলিসিস; অরিজিনস, প্রিমিসেস, লেসনস'' (২০০৮) ==== :অরুণ শৌরি - সেল্ফ-ডিসিপশন: ইন্ডিয়াস চায়না পলিসিস; অরিজিনস, প্রিমিসেস, লেসনস-হার্পার কলিন্স (২০০৮, ২০১৩) * ২০০৮ সালের বেইজিং অলিম্পিকের ঠিক আগের মাসগুলোতে লাসায় তিব্বতিদের বিক্ষোভ দমনে চীন সরকার যে নির্মমতা—তাদের চিরকালীন স্বভাবসিদ্ধ নির্মমতা—দেখিয়েছিল, তা আবারও সেই বিশাল অপরাধের দিকে বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছিল যা পৃথিবী দেখতে অস্বীকার করেছে। তারা পরিকল্পিতভাবে একটি আস্ত জাতিকে তাদের নিজেদের মাটিতেই সংখ্যালঘু বানিয়ে ফেলেছে; তাদের ওপর অকথ্য নিষ্ঠুরতা চালানো হচ্ছে; একইভাবে পরিকল্পিতভাবে তাদের ধর্ম এবং প্রাচীন সভ্যতা মুছে ফেলা হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন শহরের তিব্বতিরা যে বিক্ষোভ করেছে এবং তাদের সাথে ওই দেশগুলোর বহু সাধারণ মানুষ যেভাবে যোগ দিয়েছে, তার ফলও একই হয়েছে।<br>দিল্লিতে মনমোহন সিং সরকার যা করেছিল তেমনটি বিশ্বের অন্য কোনো সরকার করেনি। আমাদের সরকার যতটা ভীরু এবং আতঙ্কিত হয়ে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল, তেমনটি আর কেউ দেখায়নি। অলিম্পিক মশাল মাত্র দুই কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়ার কথা ছিল—বিজয় চক থেকে ইন্ডিয়া গেট পর্যন্ত। সরকার সেই সামান্য রাস্তার ওপর এবং তার চারপাশে বিশ হাজারেরও বেশি সৈন্য, আধাসামরিক বাহিনী, পুলিশ এবং সাধারণ পোশাকে গোয়েন্দা মোতায়েন করেছিল। তিব্বতি শরণার্থীদের মারধর করা হয়েছিল এবং বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল। সরকারি অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। রাস্তাঘাট বন্ধ ছিল। মেট্রো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এমনকি পার্লামেন্ট সদস্যদেরও পার্লামেন্ট সংলগ্ন চত্বর বিজয় চক দিয়ে তাদের বাড়িতে যেতে বাধা দেওয়া হয়েছিল।<br>আপনার কি মনে হয় অলিম্পিকের প্রতি ভালোবাসার কারণে এই সবকিছু করা হয়েছিল?<br>না, এসব করা হয়েছিল চীনের ভয়ে। * ‘দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি’ এবং ‘বৃহত্তর বিবেচনা’—এই শব্দগুলো পণ্ডিতজির খুব পছন্দের ছিল। যখনই সে প্রথম শব্দটি ব্যবহার করত, আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন যে সে আসলে পিছু হটার জন্য ক্ষেত্র তৈরি করছে। আর যখনই সে দ্বিতীয় শব্দটি ব্যবহার করত, আপনি নিশ্চিত হতে পারেন যে সে নির্দিষ্টভাবে দেশের স্বার্থ বিসর্জন দেওয়ার জন্য ক্ষেত্র তৈরি করছে। * মনে করে দেখুন, সে তিব্বতিদের কী বলেছিল—ভারত কূটনৈতিকভাবে সাহায্য করবে। এখন সেই সাহায্যের মানে দাঁড়াল এই যে, চীন যখন তিব্বতকে পিষে ফেলছে তখন ভারত চীনকে খুশি রাখবে, যাতে তারা তিব্বতকে আরও দ্রুত পিষে ফেলতে না পারে। * এই ধরণের যুক্তি থেকে যে প্রায়োগিক সিদ্ধান্ত বের হয় তা আমরা দেখতে পাই। যেহেতু মূল অগ্রগতি এখন থমকে গেছে, তাই আমাদের কিছু করার নেই। যখন মূল অগ্রগতি আবার শুরু হবে, তখন পুরো চিত্রটি পরিষ্কার হবে না। যখন তা সম্পন্ন হবে এবং জায়গাটি পুরোপুরি দখল হয়ে যাবে, তখনও আমাদের কিছু করার থাকবে না কারণ ততক্ষণে জায়গাটি দখল হয়ে গেছে। আমাদের কিছু করা বা বলা কেবল দখলদারদের রাগিয়ে দেবে এবং এর ফলে বেচারা তিব্বতিদের আরও বেশি কষ্ট হবে! * অর্থাৎ সে অনেক লম্বা চওড়া কথা বলে, কিন্তু সদস্যরা যেসব নির্দিষ্ট বিষয় তুলেছেন তার কোনোটিই সে প্রায় স্পর্শ করে না। * সে যেসব দৃষ্টিভঙ্গিকে অপছন্দ করে সেগুলো নাকি সবসময় ভারসাম্যহীন; অথবা অতীতের চিন্তায় আটকে থাকা; অথবা কোল্ড ওয়ার বা ঠান্ডা লড়াইয়ের ধাঁচে গড়া; অথবা কেবল ব্যক্তিগত এবং আবেগপূর্ণ... * ভারতের আমন্ত্রণে দালাই লামা ভারতে এসেছেন। নেহরু ১৯৫৬ সালের ২৬ এবং ২৮ নভেম্বর তার সাথে দেখা করে। দালাই লামা অত্যন্ত বিচলিত ছিলেন। নেহরু তাদের আলোচনার মূল বিষয়গুলো লিখে রাখে। দালাই লামা জানান যে তিব্বতে চীনের সৈন্য সংখ্যা ১,২০,০০০; ঠিক যে সংখ্যাটির কথা বলার জন্য আপা পান্তকে নেহরু তিরস্কার করেছিল। আলোচনা নিয়ে নেহরুর নোটের একটি অনুচ্ছেদে পররাষ্ট্র সচিব সুবিমল দত্ত যোগ করেন: ‘দালাই লামা সাহায্যের জন্য ভারতের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর উত্তর ছিল যে, অন্যান্য বিবেচনার বাইরে ভারত তিব্বতকে কোনো কার্যকর সাহায্য দেওয়ার মতো অবস্থায় নেই; অন্য কোনো দেশের পক্ষেও তা সম্ভব নয়। দালাই লামার উচিত হবে না ভূমি সংস্কারের বিরোধিতা করা।’ সাহায্যের বদলে নেহরু উপদেশ দেয়। সে তার দেওয়া উপদেশগুলো লিখে রেখেছে: ‘দালাই লামার উচিত হবে সংস্কারের নেতা হওয়া। আমাদের সাহায্য করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো চীনের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা, তা না হলে চীন তিব্বত নিয়ে আমাদের উদ্দেশ্যকে ভয় পেতে পারে।’ একটি অজুহাত এবং তা বেশ দাম্ভিক এক অজুহাত—‘তা না হলে চীন তিব্বত নিয়ে আমাদের উদ্দেশ্যকে ভয় পেতে পারে।’ * এই ছোট বইটির মূল উদ্দেশ্য হলো নেহরুর নিজের কথাতেই ভারতের চীন-নীতির বিবর্তন তুলে ধরা এবং এটি দেখানো যে কীভাবে সেই ধারণা এবং অভ্যাসগুলো আজও আমাদের বিপদে ফেলছে, তাই আমি টীকাগুলো ন্যূনতম রাখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু চীন সম্পর্কে নেহরু যা করেছে, বলেছে এবং লিখেছে তার ভাষাগত এবং মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ হওয়া প্রয়োজন! কারণ তার অবস্থান, তার কথা এবং তার যুক্তিগুলো তার অভ্যাস ও মানসিক প্রক্রিয়ার মধ্যেই প্রোথিত। কেবল তার ধারণা এবং সিদ্ধান্তগুলোই নীতি-নির্ধারকদের মধ্যে টিকে নেই, বরং সেই অভ্যাস ও মানসিক প্রক্রিয়াগুলোও টিকে আছে। ১৯৫০-এর দশকে নেহরুর সেই অভ্যাসগুলো নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলেনি কারণ আমাদের জীবনে ও চিন্তাধারায় তার অবস্থান ছিল অনেক উঁচুতে। আজ সেই একই অভ্যাসগুলো নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলে না—তবে কারণটা অন্য: আলোচনার মান এখন এতটাই নিচে নেমে গেছে যে কোনো ধারণা বা সিদ্ধান্ত ঠিকমতো যাচাই করা হয় না। একটি উদাহরণ দিলে এর ফলাফল বোঝা যাবে। যেসব অভ্যাস এখনো টিকে আছে, তার মধ্যে একটি বিশেষভাবে ক্ষতিকর কারণ এটি অবচেতনভাবে সবকিছু মেনে নেওয়াকে জায়েজ করে দেয়। এটি হলো কোনো চিন্তা বা বাক্যের মাঝে এমন কিছু ঢুকিয়ে দেওয়া যা আপনাকে বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়া থেকে রেহাই দেয়। আমরা পণ্ডিত নেহরুর লেখা এবং কথায় প্রতিটি পদে এটি দেখতে পাই। ... * মাও জেদং, চৌ এন-লাই এবং অন্যদের ভারত ও ভারতীয়দের প্রতি থাকা ঘৃণাও নিশ্চিতভাবে এর একটি বড় কারণ। চীনা নেতাদের একের পর এক কথোপকথনে এটি বারবার ফুটে উঠেছে। চৌ এবং কিসিঞ্জার একমত হন যে পূর্ব পাকিস্তানে সমস্যার মূল কারণ হলো ভারত; ভারত যাতে এগোতে না পারে সেজন্য চীন এবং আমেরিকার একসাথে কী করা উচিত সে বিষয়ে তারা একমত হন; তারা কেবল ‘ভারতীয় ঐতিহ্য’—প্রতারণা, অন্যকে দোষারোপ করা—নিয়েই একমত হননি, বরং ভারতীয় চরিত্র নিয়েও একমত হন যা অকৃতজ্ঞতা দিয়ে চিহ্নিত। কিসিঞ্জার যখন পরবর্তীতে জাতিসংঘে চীনের স্থায়ী প্রতিনিধি হুয়াং হুয়া-র সাথে কথা বলেন, তখন এই ঘৃণা এবং বোঝাপড়া আরও স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। সেখানে তিনি হুয়াংকে অনুরোধ করেন যেন সে চৌ এন-লাইকে আশ্বস্ত করে যে, চীন যদি পাকিস্তানকে বাঁচাতে ভারতকে আক্রমণ করে তবে আমেরিকা সোভিয়েত ইউনিয়নকে সামলে রাখবে। নিক্সন, পম্পিডু এবং কিসিঞ্জার বিশ্বের অবস্থা নিয়ে আলোচনা করছেন। নিক্সন চীনাদের দৃষ্টিভঙ্গি এভাবে সংক্ষেপে তুলে ধরেন: ‘...তাদের প্রতিবেশীদের সম্পর্কে চীনাদের মনোভাব এভাবে বলা যেতে পারে। রাশিয়ানদের তারা এখন ঘৃণা করে এবং ভয় পায়। জাপানিদের তারা পরে ভয় পাবে কিন্তু ঘৃণা করে না। ভারতীয়দের তারা চরম অবজ্ঞা করে কিন্তু ভারতীয়রা সেখানে আছে এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন তাদের সমর্থন দিচ্ছে।’ === ২০১০-এর দশক === * আমি এই দুইয়ের মধ্যে কোনো তফাত দেখি না। আমার মনে হয় তারা (বিজেপি এবং কংগ্রেস) আসলে একই দল। তারা মিলেমিশে শাসন করছে। এটা একটা ডিনার পার্টি। তারা ডিনারে দেখা করে। তারা সামাজিকভাবে মেলামেশা করে। বিভিন্ন ইস্যুতে কী করতে হবে তারা নিজেরাই ঠিক করে নেয়। <br>প্রথমত, সংবাদমাধ্যমের উচিত নিজেদের নিয়ে লেখা। এই বিষয়গুলোকে চেপে যাওয়া সংবাদমাধ্যমের জন্য অত্যন্ত সংকীর্ণমনা কাজ। মিত্রোখিন আর্কাইভস প্রকাশ করেছে কীভাবে (তৎকালীন সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থা) কেজিবি বড়াই করত যে তারা অমুক অমুক ভারতীয় সংবাদপত্রে ৪০০টি খবর ঢোকাতে পেরেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সেটা চেপে গেছে। তারপর, দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়র প্রাইভেট ট্রিটিজ প্রথা যা এখন অন্যরাও গ্রহণ করেছে, তা পুরোপুরি চেপে যাওয়া হয়েছে.... যখন ভারতের প্রেস কাউন্সিল ‘পেইড নিউজ’ বা টাকার বিনিময়ে খবর ছাপার অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখার জন্য একটি কমিটি গঠন করতে বাধ্য হয়েছিল, তখন প্রেস কাউন্সিল নিজেই সেই রিপোর্টটি ধামাচাপা দিয়েছিল। ** [https://www.rediff.com/news/report/interview-arun-shourie-on-the-real-meaning-of-the-radia-tapes1/20101201.htm সাক্ষাৎকার] ২০১০ ==== ''ফলিং ওভার ব্যাকওয়ার্ডস'' (২০১২) ==== * প্রথম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল প্রেক্ষাপট ছাড়া ‘তাদের পছন্দের’ শব্দগুলো তুলে আনার মাধ্যমে। ২৯ এবং ৩০ অনুচ্ছেদে সংখ্যালঘুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি এবং পরিচালনার অধিকার দেওয়ার যে উদ্দেশ্য ছিল, তা থেকে শব্দগুলোকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। একটি সাধারণ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ অথবা ডেন্টিস্ট্রি কলেজকে কোনোভাবেই এমন প্রতিষ্ঠান হিসেবে ধরা যায় না যা সংখ্যালঘুদের ভাষা, লিপি অথবা সংস্কৃতি রক্ষার জন্য তৈরি করা হয়েছে। তবুও, যদি ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা ডেন্টিস্ট্রি কলেজটি কোনো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যরা তৈরি করে থাকে, তবে ধরে নেওয়া হতো যে এটি ২৯ ও ৩০ অনুচ্ছেদের সুরক্ষা পাবে এবং এর ফলে এটি রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেত। * এর ফলাফল যতটা অনুমেয় ছিল তেমনই অন্যায় এবং হাস্যকর হয়েছে: যদি রাম শরণ একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করে, তবে রাষ্ট্র এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় অনেক কিছু নির্ধারণ করে দিতে পারে যা তাকে করতে হবে; কিন্তু যদি মুহাম্মদ আসলাম রাস্তার ওপারে ঠিক একই রকম একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করে, যেখানে ঠিক একই বিষয় পড়ানো হয় এবং একই পাঠ্যবই ব্যবহার করা হয়, তবে রাষ্ট্র অথবা বিশ্ববিদ্যালয় কেউই এর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না! * অন্যদিকে, যখন স্রেফ মূল পাঠ্য আঁকড়ে ধরলে বিচার এগিয়ে যাবে, তখন তারা কট্টর নিয়মপন্থী হয়ে ওঠে। এর কিছু বড় উদাহরণ ৩০ অনুচ্ছেদ সংক্রান্ত রায়ে পাওয়া যায়। এই অনুচ্ছেদটি ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং পরিচালনা করার ক্ষেত্রে সংখ্যালঘুদের অধিকার’ নিয়ে কাজ করে। ভারত ভাগ হয়েছিল এই চিৎকারের ওপর ভিত্তি করে যে অখণ্ড ভারতে মুসলিমরা কখনোই নিরাপদ থাকবে না। সংবিধান প্রণেতারা স্বাভাবিকভাবেই সংখ্যালঘুদের আশ্বস্ত করতে চেয়েছিলেন যে তারা তাদের ধর্ম, ভাষা এবং সংস্কৃতি রক্ষা করার স্বাধীনতা পাবে। সেই অনুযায়ী ২৯ অনুচ্ছেদ তৈরি করা হয়েছিল তাদের এই স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দিতে। যদি তারা তাদের ভাষা, সংস্কৃতি অথবা ধর্ম রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠান গড়তে চায়, সেজন্য ৩০ অনুচ্ছেদ তৈরি করা হয়েছিল যেখানে আশ্বস্ত করা হয়েছিল যে ‘ধর্ম অথবা ভাষার ভিত্তিতে তৈরি সব সংখ্যালঘুর তাদের পছন্দের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং পরিচালনা করার অধিকার থাকবে।’ প্রেক্ষাপটটি উদ্দেশ্য পরিষ্কার করে দিয়েছিল: সংখ্যালঘুদের এমন প্রতিষ্ঠান গড়ার স্বাধীনতা থাকবে যা তাদের সংস্কৃতি, ধর্ম এবং ভাষা সবচেয়ে ভালোভাবে রক্ষা করতে পারবে বলে তারা মনে করে। কিন্তু সংবিধান তৈরির পর থেকে আলোচনার ধরন যেমন হয়েছে, তাতে বিচারকরা আক্ষরিক অর্থেই সব দেখতে শুরু করলেন। যে উদ্দেশ্যেই প্রতিষ্ঠানটি তৈরি হোক না কেন, সংখ্যালঘুদের ‘তাদের পছন্দের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান’ গড়ার এবং পরিচালনা করার অধিকার থাকবে। এর ফলে, ধরুন মুসলিমদের একটি পরিবারের তৈরি করা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ অথবা ডেন্টাল কলেজ সরকারি নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি থেকে যে স্বাধীনতা পাবে, সাধারণ ভারতীয়দের তৈরি ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা ডেন্টাল কলেজ তা পাবে না। * এখন, এগুলো স্রেফ কোনো চমৎকার অনুচ্ছেদ সাজানোর জন্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাক্য নয়। এগুলো হলো অবস্থান এবং দৃষ্টিভঙ্গি যা নির্দেশ করে যে রায়টি কোন দিকে যাবে। এগুলো হলো দিকনির্দেশক যা আমাদের বলে যে পাঠ্যটিতে দেওয়া যুক্তিগুলো শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে থামবে। এই ধরণের বয়ানগুলোর গুরুত্ব স্রেফ সেই বিশেষ রায়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না যেখানে সেগুলো ব্যবহার করা হয়েছে। পরবর্তী বেঞ্চগুলো একই অবস্থান নিতে পারে এবং একই দিকে আরও এগিয়ে যেতে পারে। * আমরা নিজেদের সান্ত্বনা দিই: অন্তত সংরক্ষণের ভাইরাস বিচারবিভাগীয় নিয়োগের মধ্যে ঢোকেনি; অন্তত মুসলিম এবং খ্রিস্টানদের জন্য সংরক্ষণ বাড়ানো হয়নি। এই দুটি ধারণাই আসলে নিছক কল্পনা। * যেসব ধর্ম জাতপাত অস্বীকার করে—যেমন ইসলাম, খ্রিস্টধর্ম, শিখধর্ম—সেগুলোর সদস্যদের জন্য সংরক্ষণ বাড়ানো হয়নি বলে যে ধারণা, তাও স্রেফ কল্পনা। সংখ্যালঘু কমিশনের চেয়ারম্যান, আমার বন্ধু তর্লোচন সিং আমাকে ৫৮টি জাত এবং ১৪টি উপজাতি গোষ্ঠীর একটি তালিকা পাঠিয়েছে যাদের মুসলিম সদস্যরা সংরক্ষণ পেয়েছে। এমনকি যারা এই ধর্মগুলোর একটিতে ধর্মান্তরিত হয়, তারা সংরক্ষণের সুযোগ পাওয়ার যোগ্য হিসেবে থেকে যায়। তামিলনাড়ুর নিয়ম হলো যে যদি বাবার নাম অনগ্রসর জাতি/অত্যধিক অনগ্রসর জাতি/তফসিলি জাতি/তফসিলি উপজাতি-র তালিকায় থাকে, তবে সেই ব্যক্তি অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হলেও সংরক্ষণের অধিকারী থাকে। গুজরাটে অনগ্রসর জাতির সদস্যরা ধর্মান্তরের পরেও কেবল সংরক্ষণই নয়, রোস্টার সিস্টেমের সুবিধাও পেয়ে থাকে—সেখানে ১৩৭টি জাত এবং উপজাতকে সামাজিক এবং শিক্ষাগতভাবে অনগ্রসর হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে; এর মধ্যে ২৮টি মুসলিম সম্প্রদায়ের। কর্ণাটকে ‘জন্মগত জাত’ প্রথাই হলো নিয়ম। উত্তরপ্রদেশে বেশ কিছু মুসলিম জাত সংরক্ষণের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত—লালবেগি, মজহাবি, এমনকি আনসারিও। মধ্যপ্রদেশ অথবা পশ্চিমবঙ্গেও পরিস্থিতি আলাদা নয়। কলকাতার ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'' প্রতিনিধি রিপোর্ট করেছে যে প্রকাশ্য ধর্মনিরপেক্ষ সিপিআই(এম) সরকার সরকারি চাকরির পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও মুসলিমদের মুসলিম হিসেবে সংরক্ষণ দেওয়ার চেষ্টা করেছিল এবং রাজ্য সংখ্যালঘু কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছিল অন্ধ্রপ্রদেশে কীভাবে এই ধরণের সংরক্ষণ ঘোষণা করা হয়েছিল তা খতিয়ে দেখতে। সে লিখেছে যে পরিকল্পনাটি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে হয়েছে কেবল এই কারণে যে অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্ট অন্ধ্র সরকারের সেই নির্দেশকে অসাংবিধানিক বলে বাতিল করে দিয়েছে। * এমনকি যখন অন্ধ্রপ্রদেশের রায় উল্টে দেওয়ার চেষ্টা চলছে, সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে তাদের সেনা এবং অফিসারদের ধর্ম অনুযায়ী গণনা করার নির্দেশ দিয়েছে। এই পদক্ষেপটি কোনো ভুলবশত ঘটেনি। এটি দিল্লির প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রাজিন্দর সাচারের অধীনে সরকার গঠিত একটি কমিটির মাধ্যমে উঠে এসেছে—যার প্রতিটি সদস্যকে তার ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ বিশ্বাসের জন্য সাবধানে বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি রেফারেন্স যার ওপর তথ্য সংগ্রহ এবং সুপারিশ করতে বলা হয়েছে, যেমনটা আমরা শুরুতেই লক্ষ্য করেছি, তা মুসলিমদের একটি ধর্মীয় গোষ্ঠী হিসেবে সংরক্ষণ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার যৌক্তিকতা প্রমাণের জন্যই সাবধানে বেছে নেওয়া হয়েছে। * সামনে নির্বাচন থাকায় ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে কেরালা সরকার অনগ্রসর জাত এবং মুসলিমদের জন্য সংরক্ষণের আরেকটি ‘প্যাকেজ’ ঘোষণা করে: রাজ্যের চাকরির নিয়ম পরিবর্তন করা হবে যাতে এই অংশগুলো সরাসরি নিয়োগ পেতে পারে এবং তাদের জন্য বরাদ্দ ৪০ শতাংশ কোটা পূরণ করা যায়; যদি এই অংশগুলো থেকে উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া না যায়, তবে সেই শূন্যপদগুলো মেধার ভিত্তিতে পূরণ করা হবে না; রাজ্য পাবলিক সার্ভিস কমিশন একটি ‘অতিরিক্ত সম্পূরক তালিকা’ তৈরি করবে যাতে শূন্যপদগুলো কেবল এই অংশগুলো দিয়েই পূরণ করা যায়; সরকারি কলেজের স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর কোর্সে এই জাতগুলোর জন্য ২০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে; মুখ্যমন্ত্রী নিজে সংরক্ষণ নীতির বাস্তবায়ন তদারকি করবেন; সংরক্ষণ যাতে পুরোপুরি পূরণ করা হয় তা নিশ্চিত করতে একটি স্থায়ী কমিশন থাকবে... * সামনে নির্বাচন থাকায় তামিলনাড়ুতে ডিএমকে এবং তার সহযোগীরা ঘোষণা করেছে যে ক্ষমতায় গেলে তারা মুসলিম এবং খ্রিস্টানদের সংরক্ষণ দেওয়ার জন্য আইন আনবে। * ঝাড়খণ্ড সরকার আবার ঘোষণা করেছে যে বত্রিশটি উপজাতি যারা সবচেয়ে বেশি অনগ্রসর—যাদের মধ্যে নয়টির সাক্ষরতার হার মাত্র ১০ শতাংশ—তাদের সরাসরি সরকারি চাকরিতে নিয়োগ করা হবে; তাদের মধ্যে যারা স্নাতক পরীক্ষায় পাশ করবে তাদের যোগ্যতা নির্ধারণকারী পরীক্ষায় বসতে হবে না যা সরকারি চাকরিতে আসা অন্য সবাইকে দিতে হয়। * আর সাবধান, প্রগতিশীল বিচারকরা ইতিমধ্যে মুসলিম অথবা খ্রিস্টানদের মুসলিম এবং খ্রিস্টান হিসেবে সংরক্ষণ দেওয়ার ভিত্তি তৈরি করে রেখেছেন। সংবিধান যে শব্দটি ব্যবহার করেছে তা হলো ‘সম্প্রদায়’, যে শব্দটি এটি ব্যবহার করেছে তা হলো ‘শ্রেণি’, ইন্দ্র সাহানি মামলায় বিচারপতি জীবন রেড্ডি, সাওয়ান্ত এবং থম্মেন এটিই বলেছেন। তারা বলেছেন ‘সম্প্রদায়’ এবং ‘শ্রেণি’ শব্দটি ‘জাত’ শব্দের চেয়ে ব্যাপক। তাই তারা বলেছেন যে ‘জাত’-এর চেয়ে বড় কোনো সত্তাকে অবশ্যই এর অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে—একমাত্র শর্ত হলো চিহ্নিত গোষ্ঠীগুলো যেন ‘অনগ্রসর’ হয়। দ্বিতীয়ত, ইসলাম, খ্রিস্টধর্ম এবং শিখধর্মের শিক্ষা সত্ত্বেও এই ধর্মগুলোতেও জাতপাত টিকে আছে বলে তারা এর স্বপক্ষে যুক্তি দিয়েছেন। যেহেতু এটিই বাস্তবতা, তাই কেবল হিন্দুদের অনগ্রসর অংশগুলোর জন্যই সংরক্ষণের সুযোগ সীমিত রাখা অন্যায় হবে... ৩ * আমরা কত নিচে নেমে গেছি! আজ প্রগতিশীলরা তাদের জাতপাতকেই ধর্মনিরপেক্ষতা হিসেবে সাজিয়ে তুলে ধরে! তারা সগর্বে ঘোষণা করে যে সংরক্ষণের সুবিধা মুসলিম এবং খ্রিস্টানদেরও দেওয়া হবে। অন্ধ্রপ্রদেশে সরকারের সিদ্ধান্ত দুবার আদালত বাতিল করে দিয়েছে—সরকার মুসলিমদের মুসলিম হিসেবে সংরক্ষণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এমনকি যখন সেই রায় উল্টে দেওয়ার চেষ্টা চলছে, কেন্দ্রীয় সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে তাদের সেনা এবং অফিসারদের ধর্ম অনুযায়ী গণনা করার নির্দেশ দিয়েছে। এই পদক্ষেপটি কোনো ভুলবশত ছিল না। এটি দিল্লি হাইকোর্টের একজন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতির অধীনে সরকার গঠিত একটি কমিটির মাধ্যমে উঠে এসেছিল। কমিটির প্রতিটি সদস্যকে তার ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ এবং ‘প্রগতিশীল’ বিশ্বাসের জন্য সাবধানে বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি রেফারেন্স যার ওপর কমিটিকে তথ্য দিতে এবং সুপারিশ করতে বলা হয়েছে, তা মুসলিমদের একটি ধর্মীয় গোষ্ঠী হিসেবে সংরক্ষণ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার যৌক্তিকতা প্রমাণের জন্যই সাবধানে বেছে নেওয়া হয়েছে: * প্রতিটি বিষয়ই এই পুরো প্রক্রিয়ার একমাত্র উদ্দেশ্য প্রকাশ করে দেয়—তা হলো মুসলিমদের জন্য সংরক্ষণ বাড়ানোর স্বপক্ষে যুক্তি তৈরি করা। এই সুবিধাবাদ কেবল বর্তমান শাসক জোটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ২০০৫ সালে বিহারের নির্বাচনের আগে প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীগুলো মুসলিমদের মুসলিম হিসেবে সংরক্ষণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করছিল। * সংবিধান প্রণেতাদের উদ্দেশ্য ছিল ঠিক উল্টোটি, যা আমাদেরও হওয়া উচিত। এটি ছিল হিন্দু সমাজ থেকেও জাতপাতের ক্যান্সার নির্মূল করা। চরম অনিচ্ছা সত্ত্বেও তারা তফসিলি জাতি এবং উপজাতিদের জন্য সংরক্ষণের অনুমতি দিতে রাজি হয়েছিলেন—কারণ তারা মনে করেছিলেন যে এটুকু করলেও জাতপাতের বিভেদ টিকে থাকবে। তাই সংরক্ষণ ছিল সাধারণ নিয়মের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। === ২০২০-র দশক === ==== ''প্রিপেয়ারিং: ফর ডেথ'' (২০২০) ==== * বিপদের ধরণ এবং কীভাবে সেটাকে উন্নতির হাতিয়ারে পরিণত করা যায়, তা নিয়ে মানুষকে গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে। গান্ধীজি নিজের জন্য যে নিয়মগুলো ঠিক করেছিলেন, সেগুলো একজন জেলারের কারো ওপর চাপিয়ে দেওয়া নিয়মের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর এবং কঠিন ছিল। একইভাবে, ৮ ফুট বাই ৯ ফুট মাপের একটি ঘরে বিনোবাকে একাকী কারাবন্দী হিসেবে কল্পনা করুন: সে কীভাবে জেলজীবনকে আশ্রম জীবনে বদলে ফেলে; কীভাবে সেই ছোট্ট জায়গায়, জবরদস্তি করে রাখা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্নতার মধ্যে সে প্রতিদিন দুই থেকে তিন ঘণ্টা ধ্যান করে নিজের মানসিক শৃঙ্খলা বজায় রাখে; কীভাবে সে সেই দমবন্ধ করা ঘরের ভেতরে প্রতিদিন আট ঘণ্টা হেঁটে নিজেকে শারীরিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং এভাবে দশ মাইল পথ পাড়ি দেয়—প্রতিদিন ৮ ফুট বাই ৯ ফুট ঘরে দশ মাইল হাঁটা! উভয় ক্ষেত্রেই নিয়ন্ত্রণ জেলারের হাতে নয়, বরং বন্দীর হাতেই ছিল—বিপদ মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। ** অরুণ শৌরি, ''প্রিপেয়ারিং: ফর ডেথ''। পেঙ্গুইন র‍্যান্ডম হাউস ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড, ২০২০। আইএসবিএন ৯৩৫৩০৫৯৭৮এক্স, ৯৭৮৯৩৫৩০৫৯৭৮১ * আচার-অনুষ্ঠানগুলো—উদাহরণস্বরূপ বিয়ের অনুষ্ঠানের সময় আমরা যা যা করি—আমাদের ভেতরে নির্দিষ্ট কিছু মূল্যবোধ গেঁথে দেওয়ার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল। শতাব্দীর অভিজ্ঞতা চিন্তাশীল ব্যক্তিদের শিখিয়েছে যে ওই ধাপগুলো পার হওয়া, ওই মন্ত্রগুলো উচ্চারণ করা এবং সেগুলো নিয়ে চিন্তা করা আমাদের সেই মূল্যবোধগুলো আয়ত্ত করতে এবং সেই অনুযায়ী জীবন গড়তে সাহায্য করবে। কিন্তু আজ আমরা কী করি? প্রথমে আমরা আচার-অনুষ্ঠানের ভার বাইরের কাউকে দিই—যেমন ধরুন কোনো পণ্ডিতকে। বিয়ে সম্পন্ন করার জন্য সে যখন নির্ধারিত কাজগুলো করে এবং মন্ত্র পাঠ করে, তখন সে কী বলছে তার অর্থ সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণাই থাকে না, এমনকি ওই ধাপগুলো নিয়েও কোনো জ্ঞান থাকে না—‘এখন মাটিতে জল ঢালুন, তারপর...’। আমরা এগুলোর পরোয়াও করি না: ‘পণ্ডিতজি, পূজাটা একটু তাড়াতাড়ি শেষ করুন। অতিথিরা রাতের খাবারের জন্য অপেক্ষা করছে’। ** অরুণ শৌরি, ''প্রিপেয়ারিং: ফর ডেথ''। পেঙ্গুইন র‍্যান্ডম হাউস ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড, ২০২০। আইএসবিএন ৯৩৫৩০৫৯৭৮এক্স, ৯৭৮৯৩৫৩০৫৯৭৮১ ==Quotes about Arun Shourie== *In the end, India had to wait till 1998 for Arun Shourie’s Eminent Historians to be published. This book uncovered in detail after ghastly detail, this multi-layered assault on the national psyche that has disfigured the minds of at least three generations regarding the vital truths of their own nation. And thanks to this seminal contribution, “Eminent Historian” has fittingly become a swearword in the Indian public discourse. **S. Balakrishna, Seventy years of secularism. 2018. *Anyone who thought India had dismantled its notorious system of bureaucratic controls when it embarked on economic reform in 1991 ought to consult Arun Shourie. As cabinet minister (at various times since 1998) for privatisation, administrative reform, information technology and telecommunications, Mr Shourie's observations are close to the bone. The Hindu nationalist-led government in which Mr Shourie was the most prominent economic reformer was thrown out last May. Franz Kafka would have had difficulty dreaming up some of the examples cited in Mr Shourie's book. ... But it is what India's bureaucracy is like under normal conditions that matters and Mr Shourie does a depressingly thorough job in chronicling it. One can only hope that India's senior civil servants find the time to read this book - and have the grace to wince. **[[Edward Luce]], India's tragic comedy of civil disservice, book review in Financial Times. November 9, 2004 *Muslim leaders and Stalinist historians were raising a howl about Hindu chauvinism when it came to the notice of Arun Shourie, the Chief Editor of the Indian Express at that time, that some significant passages had been omitted from the English translation of an Urdu book written long ago by the father of Ali Mian, the famous Muslim theologian from Lucknow. He wrote an article, Hideaway Communalism, in the Indian Express of February 5, 1989 pointing out how the passages regarding destruction of Hindu temples and building of mosques on their sites at Delhi, Jaunpur, Kanauj, Etawah, Ayodhya, Varanasi and Mathura had been dropped from the English translation published by Ali Mian himself. This was a new and dramatic departure from the norm observed so far by the prestigious press. Publishing anything which said that Islam was less than sublime had been taboo for a long time. I was pleasantly surprised, and named Arun Shourie as the [[মিখাইল গর্বাচেভ]] of India. He had thrown open the windows and let in fresh breeze in a house full of the stinking garbage of stale slogans. **Goel, S.R. How I became a Hindu (1993, revised ed.) *[Arun Shourie's article 'Hideaway Communalism'] had violated a taboo placed by the mass media and the academia on any unfavourable narration of the history of Islam since the days when Mahatma Gandhi took command of the Indian National Congress and launched his first non-cooperation movement in support of the Turkish Khilafat. **Goel, S.R. Hindu Temples – What Happened to Them, Volume I (1990) Preface, 2nd edition, p. xiii. *Arun Shourie had shown great courage. But he had counted without the secularist crowd which had access to the owner of the Indian Express. He told me on the phone that there was some trouble brewing. I have never talked to him about the nature of the trouble, and do not know if my articles had anything to do with his ouster from the Indian Express next year. All I know is that he had to slow down the publication of my next two articles. **Goel, S.R. How I became a Hindu (1993, revised ed.) *Mani Shankar Aiyar totally condemns one of Arun Shourie's books, and then goes on to declare that he has decided not to read it : "Shourie gave the final touches to the manuscript of his book on Islam, a work so vicious and perverted that every English speaking Muslim I know was outraged... I decided then to show my solidarity with secularism by not reading the book." (The book he refers to, is apparently Shourie's Religion in Politics, a very sane and sober look at several Scriptures in the light of reason.) **Elst, Koenraad. Ayodhya and after: issues before Hindu society. Voice of India. 1991. *The problem of book-banning and censorship on Islam criticism is compounded by the related problem of self- censorship. Thus, when in late 1992, the famous columnist Arun Shourie wanted to publish a collection of his columns on Islamic fundamentalism, esp. the Rushdie and Ayodhya affairs (Indian Controversies), the publisher withdrew at the last moment, afraid of administrative or physical reprisals, and the printer also backed out. Earlier, Shourie had been lucky to find one paper willing to publish these columns, for most Indian newspapers strictly keep the lid on Islam criticism. Hindu society is a terrorized society. **Elst, Koenraad. Negationism in India: concealing the record of Islam. Voice of India. 1992 *Arun Shourie was sacked as Indian Express editor, apparently under government pressure, after revealing that, in October 1990, Prime Minister V.P. Singh had aborted his own compromise arrangement on Ayodhya under pressure from Imam Bukhari, prominent member of the BMAC. **Koenraad Elst. Ayodhya: the case against the temple. 2002 * Or take A Secular Agenda by Arun Shourie, PhD from Syracure NY and stunningly successful Disinvestment Minister in the AB Vajpayee Government, when India scored its highest economic growth figures. It was a very important book, and it left no stone standing of the common assumption among so-called experts that India (with its religion-based civil codes and its discriminatory laws against Hinduism) is a secular state, i.e. a state in which all citizens are equal before the law, regardless of their religion. Though the book deconstructs the bedrock on which the “experts” have built their view of modern India, they have never formulated a refutation. Instead, they just keep on repeating their own deluded assumption, as in: “The BJP threatens India’s structure as a secular state.” (Actually, the BJP does not, and India is not.) They can do so because they are secure in the knowledge that, among the audiences that matter, their camp controls the sphere of discourse. Concerning the interface between religion and modern politics, the established “academic” view is not just defective, it is an outrageous failure. **Elst, Koenraad. Hindu dharma and the culture wars. (2019). New Delhi : Rupa. *The only ray of light in this encircling gloom was Arun Shourie, the veteran journalist and the chief editor of the Indian express at that time. On February 5, 1989, he frontpaged an article, Hideaway Communalism, showing that while the Urdu version of a book by Maulana Hakim Sayid Abdul Hai of the Nadwatul-Ulama at Lucknow had admitted that seven famous mosques had been built on the sites of Hindu temples, the English translation published by the Maulana’s son, Abul Hasan Ali Nadwi (Ali Mian) had eschewed the “controversial evidence”. He also published in the Indian Express three articles written by me on the subject of Islamic iconoclasm. This was a very courageous defiance of the ban imposed by Islam and administered by Secularism, namely, that crimes committed by Islam cannot even be whispered in private, not to speak of being proclaimed in public. **Goel, S. R. (1993). Hindu temples: What happened to them. (Second Enlarged Edition) [https://web.archive.org/web/20120429114113/http://www.bharatvani.org:80/books/htemples2/] *He dismisses Arun Shourie by pigeon-holing him as ‘post-modern’. He does not know that Hinduism has its own view of Time, and that a person who serves Sanatana Dharma cannot be dated. Scholars like Arun Shourie belong neither to the past, nor to the present, nor yet to the future. They belong to a timeless span. **S.R. Goel, History of Hindu-Christian Encounters (1996) * Just then Shourie was sacked as its editor. The reason was not so much the article, but, apparently, his entire policy of including columns by Hindu communalists like Ram Swarup and Sita Ram Goel, and his own articles that debunked some of the prevalent secularism, such as Hideaway Communalism. ** Elst, Koenraad (1991). Ayodhya and after: Issues before Hindu society. *I thank particularly my friend Arun Shourie because we need people like Arun Shourie to challenge us so that we can rectify our mistakes and all together collectively move towards the creation of a new India, a new humanity. ** Fr. Augustine Kanjamala, quoted in Shourie, Arun. Arun Shourie and his Christian Critic. (1995) * It is clear that Witzel himself has a political agenda: note his resentment of the “present Indian (right wing) denouncement of the ‘eminent historians’ of Delhi” (§9) – some of these “eminent historians” actively collaborated with Witzel and Farmer in their recent media-blitz in the Indian press. The reader is invited to go carefully through Arun SHOURIE’s book “Eminent Historians” (1998), which is being referred to here, and see the kind of political scholarship to whose defense Witzel has no compunctions in rushing! **S. Talageri. Michael Witzel – An Examination of his Review of my Book (2001) *As for Shourie, Mukhia is hardly revealing a secret with his information that Shourie “does journalism for a living”. The greatest investigative journalist in India by far, he has indeed unearthed some dirty secrets of Congressite, casteist and Communist politicians. His revelations about the corrupt financial dealings between the Marxist historians and the government-sponsored academic institutions are in that same category: fearless and factual investigative journalism. Shourie has a Ph.D. degree in Economics from Syracuse University in U.S.A., which should attest to a capacity for scholarship, even if not strictly in the historical field. When he criticizes the gross distortions of history by Mukhia’s school, one could say formally that he transgresses the boundaries of his specialism, but such formalistic exclusives only hide the absence of a substantive refutation. **Elst K. Ayodhya: The Case Against the Temple, chapter 4 * When Shourie's articles first appeared, they aroused great emotions and savage attacks. He quoted from the Bible and the Quran extensively on the question of co-existence. Many were shocked.... Shourie has called his book, Religion in Politics; someday he should bring out another book, Politics in Religion....The first book discusses politics complicated by religions factors; the second would discuss religions which are essentially political... **Ram Swarup, Hinduism and monotheistic religions (2009) == External links == {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:Shourie, Arun}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতিবিদ]] [[Category:Hindu nationalists]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতান্ত্রিক বিরোধী]] [[Category:Investigative journalists]] 8qvw4cf1s2xh347q4i84kj73gfplzbv 78890 78889 2026-04-20T10:59:37Z ARI 356 /* Quotes about Arun Shourie */ 78890 wikitext text/x-wiki [[File:Arun Shourie addressing the Plenary Session on "Diaspora Youth and India - Blueprint for Engagement" at the 2nd Pravasi Bharatiya Divas in 2004.jpg|thumb| আমি বেশ অবাক হয়েছিলাম এবং অরুণ শৌরিকে ভারতের গর্বাচেভ নাম দিয়েছিলাম। তিনি পচা স্লোগানের আবর্জনায় ভরা একটি ঘরে জানালাগুলো খুলে দিয়েছিলেন এবং এক ঝলক টাটকা বাতাস আসতে দিয়েছিলেন। ~ সীতারাম গোয়েল]] [[File:Animal artists at the Jardin des Plantes.jpg|thumb|তারা বর্তমান ভারত এবং বিশেষ করে [[হিন্দুধর্ম]]কে একটি চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছে—বিভিন্ন রকমের অসম প্রজাতির স্তূপ। তাদের মতে ‘[[ভারত]]’ বলে কিছু নেই, এটি কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ, কেবল [[যুক্তরাজ্য]]ের তৈরি একটি ধারণা; হিন্দুধর্ম বলে কিছু নেই, এটি কেবল আরবদের ব্যবহৃত একটি শব্দ যা তারা এখানে এসে বিভিন্ন ধরনের মানুষের দেখা পাওয়ার পর ব্যবহার করেছিল, এটি কেবল অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য সাম্প্রদায়িকদের একটি উদ্ভাবন, এটিই ছিল তাদের অবস্থান।]] [[File:Dalailama1 20121014 4639.jpg|thumb|আমাদের উচিত দালাই লামার উদাহরণটি সামনে রাখা। তিনি ধ্যানের ওপর একটি তিব্বতি গ্রন্থের ওপর বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি একটি বাক্য পড়লেন, হাসলেন এবং মন্তব্য করলেন, ‘সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বগুলো লজ্জাজনক! এগুলো ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত!’ তিনি পরামর্শ দেন যে আমাদের কাছে সবসময় একটি ঝুড়ি রাখা উচিত—যা কিছু আমাদের বর্তমান জ্ঞানের সাথে মেলে না, সেগুলো সেই ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া উচিত। ‘[[বৌদ্ধধর্ম]]কে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে,’ তিনি এটাই শেখান। সেই অনুযায়ী তিনি বৌদ্ধ গ্রন্থগুলোকে সূক্ষ্ম পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করেছেন। (...) এটি নিজের ঐতিহ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসকেই তুলে ধরে। এটিই হলো ঐতিহ্যের প্রকৃত সেবা। এতে থাকা ‘অমূল্য রত্ন’ [[ভবিষ্যৎ]]ের জন্য রক্ষা করার উপায় এটিই।]] [[File:Censorship in cinema.jpg|thumb|এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?]] [[File:Parental Advisory label.svg|thumb|এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি—যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?]] [[File:Censorship.svg|thumb|এই বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।]] [[File:Murales Rivera - Treppenhaus 9 Bücherverbrennung.jpg|thumb|আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে... তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা...<br> দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br> তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন।]] [[File:Eustache Le Sueur - The Preaching of St Paul at Ephesus - WGA12613.jpg|thumb|সবচেয়ে বড় অংশগুলো বাদ দিতে বলা হয়েছে ‘আওরঙ্গজেবের ধর্মীয় নীতি’ সংক্রান্ত অধ্যায় থেকে। তিনি হিন্দুদের সাথে প্রকৃতপক্ষে কী করেছিলেন, তাদের মন্দিরের কী করেছিলেন, তার শাসনের মূল উদ্দেশ্যইসলামের প্রভাব বিস্তার এই সংক্রান্ত প্রতিটি ইঙ্গিত বই থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে... '''সবকিছু ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।'''<br/>'''বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের জন্য বস্তুনিষ্ঠ ধামাচাপা। আর আজ যদি কেউ এই পাঠ্যবইগুলোতে সত্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে, তবে চিৎকার ওঠে, ‘ইতিহাসের সাম্প্রদায়িক পুনর্লিখন’।''']] [[File:Porträtgalerie des steiermärkischen Adels 043.jpg|thumb|একবার যখন তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিলেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিলেন, তখন তারাই ঠিক করতে শুরু করলেন কী পড়ানো হবে, কোন বইগুলো পাঠ্য হবে, কী প্রশ্ন করা হবে আর কোন উত্তরগুলো গ্রহণযোগ্য হবে। এভাবেই এই ঐতিহাসিকরা আসলে ইতিহাস কী ছিল তা নির্ধারণ করতে শুরু করলেন! ... এভাবেই তারা তথ্য গোপন করেন, কিছু তথ্য বানিয়ে বলেন, এমনকি কোনো লেখক একটি বিষয়ে কী বলেছেন তা ধামাচাপা দিয়ে অন্য বিষয়ে তার বলা কথাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রচার করেন। আর যখনই কেউ আসলে কী ঘটেছিল তা তুলে ধরার চেষ্টা করে, তখনই তারা সমস্বরে চিৎকার শুরু করেন: ইতিহাস নতুন করে লেখার ষড়যন্ত্র চলছে, তারা চিৎকার করেন; ইতিহাস বিকৃত করার চক্রান্ত হচ্ছে, তারা চিৎকার করেন। '''কিন্তু তারাই প্রথম থেকে ইতিহাস বিকৃত করে আসছেন সত্য গোপন করে এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে।''']] [[File:Censored stamp.jpg|thumb|আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?]] [[File:Soviet Communism Threatens Education - NARA - 5730072.jpg|thumb|পরিস্থিতি এখন এইরকম: ভারতের জনপরিসরে যারা গত অর্ধ শতাব্দী ধরে আধিপত্য বিস্তার করেছেন, নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং অন্যদের আতঙ্কিত করে রেখেছেন, তাদের হাতে এখন কোনো তথ্য বা যুক্তি অবশিষ্ট নেই। যে কেউ তাদের অভ্যন্তরীণ আলোচনাগুলো পর্যবেক্ষণ করলেই এর প্রমাণ পাবেন—তারা এখন ক্রমশ ছোট হয়ে আসা গণ্ডির মধ্যে কথা বলছেন এবং সেই ছোট গণ্ডিতেই পুরনো কিছু বুলি পুনরাবৃত্তি করছেন। সেখানে নতুন কোনো চিন্তাভাবনা বা নতুন কোনো তথ্য নেই। আর আমরা যেমনটা দেখেছি, এটি আগে থেকেই ধারণা করা যায়: তাত্ত্বিক বুলিগুলোর পুনরাবৃত্তি করাই তাদের জন্য কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং যথেষ্ট।]] [[File:Shri Arun Shourie, Member of Parliament presented his book titled “Falling Over Backward” to the Vice President, Shri Bhairon Singh Shekhawat, in New Delhi on June 3, 2006.jpg|thumb|এর ফলাফল প্রত্যাশিত হলেও তা অন্যায় এবং হাস্যকর: যদি রাম শরণ একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, তবে রাষ্ট্র এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় অনেক কিছু নির্ধারণ করে দিতে পারে যা তাকে করতে হবে; কিন্তু যদি মুহাম্মদ আসলাম রাস্তার ওপারে ঠিক একই রকম একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, যেখানে ঠিক একই বিষয় পড়ানো হয় এবং একই পাঠ্যবই ব্যবহার করা হয়, তবে রাষ্ট্র বা বিশ্ববিদ্যালয় কেউই এর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না!]] '''অরুণ শৌরি''' (জন্ম ২ নভেম্বর ১৯৪১) ভারতের একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক এবং রাজনীতিবিদ। == উক্তি == === ১৯৭০-এর দশক === ==== ''সিম্পটমস অফ ফ্যাসিজম'' (১৯৭৮) ==== * জরুরি অবস্থার অপরাধীদের বিষয়ে আজ আমরা যা দেখছি তা আইনের শাসন নয়, বরং তার ধ্বংস। আমরা দেখছি কীভাবে বুর্জোয়া আইনের শাসন ধ্বংস করা হচ্ছে। এই শ্রেণির লোকেরাই নিজেদের স্বার্থে এটি ধ্বংস করছে এবং বুর্জোয়া সমাজ এই অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনার মতো প্রয়োজনীয় দৃঢ়তা দেখাতে পারছে না। আজ আমাদের বিচার ব্যবস্থার দুটি বৈশিষ্ট্য সবার সামনে পরিষ্কার হয়ে গেছে। প্রথমত, অপরাধীরা যদি প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাশালীদের সাথে যুক্ত হয়, তবে এই ব্যবস্থা তাদের ধরতে পারে না। দ্বিতীয়ত, জনগণ এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে করা তাদের প্রধান অপরাধগুলোর জন্য এটি তাদের ধরতে পারে না। * এরপর আছেন আমাদের লক্ষ্যহীন বামপন্থীরা, যারা একে অপরকে গালিগালাজ করতে ব্যস্ত। আর সবশেষে আছেন উদারপন্থীরা, যারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজাতে ব্যস্ত, বরং তারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজানো নিয়ে সেমিনার করতে ব্যস্ত। * আসন্ন ফ্যাসিবাদের প্রবল আঘাত থেকে আমাদের বাঁচাতে এই লোকগুলোর ওপর ভরসা করা মানে হলো একটি মাইনফিল্ড পার হওয়ার জন্য বুড়ো মহিষের ওপর নির্ভর করা। === ১৯৮০-র দশক === ==== ''রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স'' (১৯৮৯) ==== * এভাবে নীরবতা সংস্কারের গতি কমিয়ে দেয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি বহু সংখ্যক মানুষ এই নেতাদের সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে লেখালিখি এবং আলোচনা করতেন, তবে এই সম্প্রদায়ের ভেতরে থাকা সংস্কারকরা আজকের মতো এতটা বিচ্ছিন্ন এবং কোণঠাসা হতেন না। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, পুরো সত্য না বলাটা একটা অভ্যাসে পরিণত হয়। নিজের বিশ্বাস লুকিয়ে রাখা, তথ্যপ্রমাণ এড়িয়ে যাওয়া এবং প্রতারণা করা যেন আমাদের জনপরিসরের আলোচনার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। * তবুও আমি এই সংখ্যাগরিষ্ঠ রায়ে এক মারাত্মক সারল্য খুঁজে পাই... এই রায়ে ঋগ্বেদ, যজুর্বেদ এবং অথর্ববেদ থেকে সেই ঘোষণাগুলো উদ্ধৃত করা হয়েছে, যেখানে সব মানুষ এক, সবাই একই ধরিত্রীর সন্তান এবং আমাদের সবার বন্ধু হওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সেখানে এটি উল্লেখ করা হয়নি যে, আদালতের ভবন থেকে এক মাইলেরও কম দূরত্বে ফতোয়ার অসংখ্য বই বিক্রি এবং বিতরণ করা হচ্ছে, যেখানে মুসলিমদের উৎসাহিত করা হচ্ছে যেন তারা কখনোই কাফিরদের বিশ্বাস না করে এবং তাদের ওপর ভরসা না রাখে; সেখানে তাদের বলা হচ্ছে যে, তাদের প্রথম কাজ এবং আনুগত্য হবে তাদের ধর্মের প্রতি, কোনো সাধারণ আইনের প্রতি নয়... ঈশ্বর আর আল্লাহ যে এক, এটা [[মহাত্মা গান্ধী]]কে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। মন্দির আর মসজিদ, পুরাণ আর কুরআন যে এক, এটা [[গুরু গোবিন্দ সিং]]কে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। যাদের এটা বোঝানো প্রয়োজন, যেমন উলেমা বা শাহী ইমাম—তারা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন যে এগুলো এক নয়। ** অরুণ শৌরি: ইন্ডিয়া., এবং দাশগুপ্ত, এস. (১৯৯৫)। দি অযোধ্যা রেফারেন্স: দি সুপ্রিম কোর্ট জাজমেন্ট অ্যান্ড কমেন্টারিস। পৃষ্ঠা ১৭১-৩ * "বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টিই ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।" ** রাম স্বরূপের আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইসলাম থ্রু হাদিস বইটি নিষিদ্ধ করার বিষয়ে। কোয়েনরাড এলস্টর অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি, ১৯৯১, অধ্যায় ১২। * তারা ভয় দেখানোর ওপর নির্ভর করে। ঠিক এই ধরনের কৌশলেই জনাব স্বরূপের আগের একটি বই আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইসলাম থ্রু হাদিস বাজার থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল... ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর, একই ধরনের হুমকির মুখে দিল্লি প্রশাসন ঘোষণা করে যে, আগে তারা দুইবার যা বলেছিল তার উল্টো করে বইটি কেবল আপত্তিকরই নয়, বরং এটি ইচ্ছাকৃতভাবে এবং বিদ্বেষমূলকভাবে লেখা হয়েছে!....<br/>আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই শাহাবুদ্দিনদের মতো জায়গা থেকে মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে, তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা....<br/>দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br/>তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন। ** অরুণ শৌরি: "হাউ শুড উই রেসপন্ড?", সীতারাম গোয়েল সম্পাদিত ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসি (১৯৯৮) বইতেও রয়েছে। * পঞ্চাশ বছর ধরে এই দলটি তথ্য গোপন করছে এবং মিথ্যা উদ্ভাবন করছে। আইসিএইচআর-এর সেই উদ্দেশ্য—আমাদের অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ এবং যৌক্তিক গবেষণার প্রসার ঘটানো সেটি নিয়ে তারা কতই না চিন্তিত! তাদের এই চিন্তাভাবনা কীভাবে ১৯৮৯ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া নির্দেশিকার সাথে মেলে... যেখানে বলা হয়েছিল, "মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না"? অথচ বৌদ্ধ বিহার ধ্বংস নিয়ে তাদের পাইকারি মিথ্যাচার এবং অস্তিত্বহীন "আর্য আক্রমণ" নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা মানেই হলো সাম্প্রদায়িক বা উগ্র জাতীয়তাবাদী হওয়া! এই "ঐতিহাসিকদের" প্রধান অপরাধ হলো এটিই। কিন্তু এরা কেবল একপাক্ষিক "ঐতিহাসিক" নন। তারা চরম পর্যায়ের স্বজনপ্রীতি করেন... তারা এমন লোক যারা সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে একে অপরকে অনেকভাবে সাহায্য করেছেন... এই "ঐতিহাসিকরা" কেবল পক্ষপাতদুষ্ট বা স্বজনপ্রীতিই করেন না, বরং তারা একে অপরকে সাহায্য করার জন্য রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ব্যবহার করেছেন... এর ফলে, এই লোকগুলোর বই এবং প্রচারপত্র সব আঞ্চলিক ভাষায় পাওয়া যায়, কিন্তু লোকমান্য তিলকের কাজগুলো মারাঠি ছাড়া অন্য ভাষায় পাওয়াই যায় না! ** ফেব্রিক্যাশনস অন দ্য ওয়ে টু দ্য ফিউনারেল। প্রকাশনা: ইন্ডিয়া কানেক্ট। লেখক: অরুণ শৌরি। তারিখ: ২৬ জুন, ১৯৯৮। [http://voiceofdharma.org/indology/eminenthistorians1.html] [https://www.dharmadispatch.in/commentary/de-secularizing-indian-history-why-the-ugc-deserves-our-kudos] * সব তথ্যই... পঞ্চাশ বছর আগে সবার জানা ছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধের সেই প্রজন্মের বিদায়ের সাথে সাথে এবং রেকর্ডগুলো যাচাই করার অভ্যাস পুরোপুরি ত্যাগ করার ফলে, বিশেষ করে জাতিভিত্তিক রাজনীতির উত্থানে সেগুলো জনস্মৃতি থেকে মুছে ফেলা হয়েছে। আর এই মুছে ফেলার ফলাফল যা হওয়ার ছিল তাই হয়েছে: এক ধরনের মানসিক বৈকল্য। শুরুতে যারা আম্বেদকরের নামে রাজনীতি করে এবং তাদের সমর্থকরা স্বাধীনতা সংগ্রামকে খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করেছে: তারা দাবি করে যে এই স্বাধীনতা "প্রকৃত" নয়। ঠিক সেই দলটির মতোই যারা ১৯৪২ সালের সেই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্রিটিশদের সাথে হাত মিলিয়েছিল—কমিউনিস্টরা। প্রকৃতপক্ষে... আম্বেদকরের আচরণকে সঠিক প্রমাণ করতে তার অনুসারীরা দাবি করেন যে ব্রিটিশ শাসনই ভালো ছিল... কিন্তু সত্য আলমারিতে লুকিয়ে থাকে। পাছে সত্য বেরিয়ে এসে তাদের রাজনীতির সেই আদর্শকে কলঙ্কিত করে, পাছে তাদের রাজনীতি আসল রূপে ধরা পড়ে যায়—যা মূলত বঞ্চিতদের নামে স্বার্থসিদ্ধি ছাড়া আর কিছুই নয়—আম্বেদকরের এই অনুসারীরা মৌখিক সন্ত্রাসবাদ এবং সরাসরি আক্রমণের মাধ্যমে তাদের এই বিশেষ ইতিহাসের ধারা বজায় রাখতে চায়। ** অরুণ শৌরি, *ওরশিপিং ফলস গডস*, ১৯৯৭, হার্পার কলিন্স। ==== ''ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস: এসেস অন রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স'' (১৯৯৩) ==== :শৌরি, এ. (২০০৬)। ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস: এসেস অন রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স। নয়া দিল্লি: রূপা অ্যান্ড কোং। * প্রত্নতাত্ত্বিক নতুন আবিষ্কারগুলোর ওপর যে নীরবতা পালন করা হয়েছে, তা একটি বড় উদাহরণ। .... এক দশকেরও বেশি সময় আগে করা খননকার্য থেকে পাওয়া তথ্যগুলো যখন জনসমক্ষে এল এবং সেখানে আগে সত্যিই একটি মন্দির ছিল সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ রইল না, তখন স্বয়ং প্রত্নতত্ত্বকেই নিন্দা জানানো হলো। বিশ্বের অন্যতম সম্মানিত প্রত্নতাত্ত্বিক—যিনি ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের প্রাক্তন মহাপরিচালক ছিলেন এবং সেই খননকার্যের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন—তাকে কলঙ্কিত করার কাজে পত্রিকাগুলো নেমে পড়ল। ... এর শিক্ষা খুব পরিষ্কার: যদি এমন দ্বিমুখী নীতি চলতে থাকে, তবে আমাদের সম্পাদকীয় লেখকদের ভয়ভীতিপূর্ণ সতর্কবাণী হিন্দুরা এখন যতটা শুনছে, ভবিষ্যতে তার চেয়েও কম গুরুত্ব দেবে। * পরিষ্কারভাবে বলতে গেলে, আমাদের সাংবাদিকরা যাদের 'কট্টরপন্থী' বলেন, তারাই সঠিক প্রমাণিত হয়েছেন। * গত এক দশকে শিখ এবং মুসলিম সাম্প্রদায়িকরা যেভাবে রাষ্ট্রকে সফলভাবে প্রভাবিত করেছে, তাতে সংবাদপত্রের ঘটনা এবং ইস্যুগুলোর বর্ণনায় দ্বিমুখী নীতি, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে প্রতারণা একটি বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। * মধ্যযুগীয় ভারতের প্রতিটি মুসলিম ঐতিহাসিক এমন মন্দিরের তালিকা দিয়েছেন যা তার সমকালীন শাসকরা ধ্বংস করেছিলেন এবং তার বদলে সেখানে মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। (৪২৯) ==== ''হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম (ভলিউম ১)'', ১৯৯৩ ==== * একজন বিখ্যাত মুসলিম পণ্ডিত যিনি ভারতের অন্যতম বড় ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের চতুর্থ রেক্টর ছিলেন, তার লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের ইংরেজি সংস্করণে বাবরী মসজিদসহ কিছু মসজিদের তালিকা ছিল, যা মন্দিরের জায়গায় এবং ভিতের ওপর তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে মন্দিরের পাথর ও কাঠামো ব্যবহারের উল্লেখ ছিল। দেখা গেল, সেই গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! বলা হচ্ছে বইটি এখন পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে;... এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... আমি জানলাম এটি একটি দীর্ঘ বই ছিল, যা শুরু হয়েছিল ভারতের ভূগোল, গাছপালা, পশুপাখি, ভাষা, মানুষ এবং অঞ্চলগুলোর বর্ণনা দিয়ে। বইটি আরবি ভাষায় লেখা হয়েছিল আরবিভাষী মানুষের জন্য। ... একটি অদ্ভুত তথ্য আমার সামনে এল। এই ধরনের প্রকাশনা সম্পর্কে যাদের জ্ঞান থাকার কথা, তাদের অনেকেই হঠাৎ করে এই বইটির কথা মনে করতে দ্বিধা বোধ করছিলেন। আমাকে বলা হয়েছিল যে, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের মতো জায়গাগুলো থেকে বইটির কপি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এমনকি কেউ কেউ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, তিন-চার বছর আগে এই বইটির প্রতিটি কপি ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য একটি সুসংগঠিত প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। .... লেখকের মর্যাদা এবং বইটির গুরুত্ব এত বেশি হওয়া সত্ত্বেও মৌলবাদীদের কাছে এটি কেন প্রিয় নয়? এর উত্তর লুকিয়ে আছে “হিন্দুস্তান কি মাসজিদেঁ” অর্থাৎ “হিন্দুস্তানের মসজিদসমূহ” নামক অধ্যায়টিতে। ... এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি, যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন—যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?... ** রাজনৈতিক কারণে লাইব্রেরি থেকে বই সরিয়ে ফেলার বিষয়ে। অরুণ শৌরি: হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯)। উদ্ধৃত: সীতারাম গোয়েল (সম্পাদক) (১৯৯৩)। হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম। ভলিউম ১। * সেগুলোর প্রকৃত গুরুত্ব এবং আমি বলতে পারি মসজিদ-মন্দির বিতর্কের ক্ষেত্রে এগুলো সবচেয়ে ছোট এবং সাধারণ উদাহরণ মাত্র লুকিয়ে আছে সত্য এড়িয়ে চলা এবং গোপন করার মধ্যে। আমার কাছে নির্ভরযোগ্য তথ্য আছে যে, এই অংশগুলো অনেক আগে থেকেই পরিচিত এবং যারা বাবরী মসজিদ ইস্যু নিয়ে কাজ করছেন তারা এটি ভালো করেই জানেন। এটিই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়; তারা এগুলো জানতেন এবং তাদের ইচ্ছা ছিল সত্য জানার বদলে সত্যকে গোপন করে মাটিচাপা দেওয়া.... মাওলানা আবদুল হাইয়ের অনুচ্ছেদগুলোর পরিণতি এবং আমি জানি না যে উর্দু সংস্করণটিও মূল আরবি সংস্করণের একটি সুবিধাজনক কাটছাঁট করা রূপ কি না আমাদের দেখায় যে, যারা নিজেদের রাজনীতির জন্য ধর্মের আবেগ উসকে দেয় তারা কতটা স্বার্থপরভাবে কাজ করে। '''যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য—মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?''' ** রাজনৈতিক কারণে লাইব্রেরি থেকে বই সরিয়ে ফেলার বিষয়ে। অরুণ শৌরি: হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯)। উদ্ধৃত: সীতারাম গোয়েল (সম্পাদক) (১৯৯৩)। হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম। ভলিউম ১। ==== ''আ সেকুলার এজেন্ডা'', ১৯৯৩ ==== * পাঠ্যটি পড়লে পাঠক লক্ষ্য করবেন যে ভারতের জনপরিসরের আলোচনায় যেসব বুলি ব্যবহার করা হয় এবং ফলস্বরূপ অনেকে যা বিশ্বাস করে নিয়েছেন, তা তথ্যের চেয়ে কতটা আলাদা.... (১০) * একটু চিন্তা করলেই দেখা যাবে যে ভারতের বিষয়টি আমরা যে উদাহরণগুলো আলোচনা করেছি তার মতো নয়। কারণ সেই উদাহরণগুলো একদম সাম্প্রতিক সময়ের—সেই জাতিগুলো "কল্পিত" ছিল, সেই ঐতিহ্যগুলো মাত্র ১০০ বা ১৫০ বছর আগে "উদ্ভাবিত" হয়েছিল। এর বিপরীতে ভারতকে হাজার হাজার বছর ধরে এক হিসেবে দেখা হয়েছে এবং এর মানুষের জীবনযাপনের ধরনও সাধারণ। এর ইতিহাস কেবল পুরনোই নয়.... এটি একটি ধারাবাহিক ইতিহাস। (৯) * জবরদস্তি করে ভুলে যাওয়া নয়, বরং এক আপসহীন স্মৃতিই একটি জাতি গঠন করবে। * প্রতিটি বাক্যই একটি মিথ্যা। ... আপনি কি কখনো বিবিসিকে নওয়াজ শরিফকে "মৌলবাদী" বা "ধর্মান্ধ" বলতে শুনেছেন? কিন্তু আডবাণী যদি "মুসলিমদের" জায়গায় "হিন্দু" বসিয়ে একই ধরনের বক্তব্য দিতেন, তবে তারা তাকে কী বলত? ==== ''মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া'', ১৯৯৪ ==== * '''আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?''' * '''কিন্তু আমাদের জনপরিসর এবং শিক্ষা থেকে এই ধরনের তথ্যগুলো প্রায় পুরোপুরি মুছে ফেলার একটি আরও শক্তিশালী কারণ আছে। আর সেটি হলো গত ৪৫ বছর ধরে আমরা যে ধরনের “ধর্মনিরপেক্ষতা” চর্চা করেছি: এমন এক “ধর্মনিরপেক্ষতা” যেখানে দ্বিমুখী নীতিই ছিল নিয়ম, যেখানে আমাদের জাতীয় পরিচয়কে ঢেকে রাখা আবর্জনা দূর করতে পারে এমন সবকিছুই অত্যন্ত ঘৃণ্য হয়ে উঠেছে।''' * ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অফ ইন্ডিয়া (সিবিসিআই) হলো ভারতের বিভিন্ন ক্যাথলিক গির্জার কাজ সমন্বয় করার এবং অন্য ধর্মের সাথে সংলাপ করার জন্য সর্বোচ্চ সংস্থা। ... ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করতে... সিবিসিআই ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতে একটি সভার আয়োজন করেছিল.... এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশ ছিল: এটি পঞ্চাশ বছরে মাত্র দ্বিতীয়বার এবং পঁচিশ বছরে প্রথমবার ছিল যেখানে এমন একটি ব্যাপক পর্যালোচনা করা হচ্ছিল... আয়োজকরা অত্যন্ত সদয় হয়ে আমাকে ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিদের কাজের ওপর হিন্দুদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে বলেছিলেন। * আর এই ধরনের মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করেই উপজাতিদের হিন্দু সমাজ থেকে আলাদা করা হয়েছিল। অ্যানিমিজম বা প্রকৃতিপূজার যে বর্ণনাগুলো দেওয়া হয়েছিল সেগুলো পড়লেই বোঝা যায় যে, তারা আসলে বিভিন্ন ধরনের হিন্দুদের কথাই বর্ণনা করছিল। ;'''বইটি সম্পর্কে উক্তি''' * আয়োজকরা অরুণ শৌরিকে ভারতে মিশনারিদের কাজের ওপর হিন্দুদের মূল্যায়ন তুলে ধরার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। অরুণ শৌরি ৫ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে আর্চবিশপ, বিশপ এবং অন্যদের সামনে ভাষণ দেন। ... আয়োজকরা অরুণ শৌরিকে তার বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে একটি প্রবন্ধ লিখতে অনুরোধ করেন.... বিতর্ক বাড়তে থাকায়... [তারা] অরুণ শৌরির সাথে একটি প্রকাশ্য মঞ্চে মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া নিয়ে আলোচনা করার জন্য বেশ কয়েকজন প্রবীণ গির্জা কর্মকর্তাকে আমন্ত্রণ জানান। ** মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া বইটি সম্পর্কে ** শৌরি, অরুণ। অরুণ শৌরি অ্যান্ড হিজ খ্রিস্টান ক্রিটিক। (১৯৯৫) * সংলাপের তৃতীয় উদ্দেশ্য সফল করার জন্য একটি আলোচনা কেবল ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতেই সম্ভব হয়েছিল, যখন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও পণ্ডিত অরুণ শৌরিকে ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অফ ইন্ডিয়া (সিবিসিআই) ভারতে মিশনারিদের কাজের “হিন্দু মূল্যায়ন” উপস্থাপনের জন্য আমন্ত্রণ জানায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এই “সংলাপের” আয়োজকদের জন্য বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং হিতে বিপরীত হয়। এরপর থেকেই ভারতের বিশাল খ্রিস্টান প্রতিষ্ঠান অরুণ শৌরির দেওয়া আঘাত সহ্য করছে। তিনি যে শোরগোল তুলেছিলেন তা কেবল ১৯৫৩ সালে কে. এম. পানিক্করের এশিয়া অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন ডমিন্যান্স প্রকাশের পর হওয়া শোরগোলের সাথে তুলনা করা যায়। মিশনারি বিজ্ঞান খ্রিস্টান দাবিগুলোর ক্ষতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য তাদের সব যুক্তি ও কৌশল প্রয়োগ করছে...<br>সিবিসিআই তাদের প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করছিল এবং পুনের ইশভানি কেন্দ্রে একটি সেমিনারের আয়োজন করেছিল। ৫ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে অরুণ শৌরি যখন তার বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখন ভারতের প্রায় সব বড় ক্যাথলিক নেতা সেখানে উপস্থিত ছিলেন...<br>প্রবন্ধটি বিস্তারিতভাবে লেখার পর তা একটি বইয়ের আকার নেয়। অরুণ শৌরি ১৯৯৪ সালের মে মাসের শুরুতে মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া: কন্টিনিউইটিস, চেঞ্জেস, ডিলেমাস নামে এটি প্রকাশ করেন। ... ইতিমধ্যে অরুণ শৌরি এই বিষয়ে তার নিয়মিত কলামে বেশ কিছু নিবন্ধ লিখেছিলেন যা দেশের বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশিত অনেকগুলো পত্রিকায় বের হয়। এই নিবন্ধগুলো পুনের মহারাষ্ট্র হেরাল্ডে একটি প্রাণবন্ত আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। ** সীতারাম গোয়েল, হিস্ট্রি অফ হিন্দু খ্রিস্টান এনকাউন্টারস * স্বাধীনতার পর ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিদের দাপট নেহরুবাদী প্রশাসনের সমর্থনে ক্রমাগত বেড়েই চলেছিল, যেখানে মিশনারি-ম্যাকলে ধাঁচের শিক্ষায় বেড়ে ওঠা একদল আত্মবিস্মৃত হিন্দু ছিল। এই ধারায় একমাত্র ছেদ ছিল ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত কে. এম. পানিক্করের এশিয়া অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন ডমিন্যান্স, ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত মধ্যপ্রদেশ খ্রিস্টান মিশনারি অ্যাক্টিভিটিস কমিটির রিপোর্ট, ১৯৭৮ সালে লোকসভায় ওম প্রকাশ ত্যাগীর আনা ধর্মীয় স্বাধীনতার বিল, ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত অরুণ শৌরির মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া এবং ২০ ডিসেম্বর ১৯৯৬ সালে মঙ্গল প্রভাত লোধা কর্তৃক মহারাষ্ট্র বিধানসভায় আনা মহারাষ্ট্র রিলিজিয়াস ফ্রিডম বিল। ** সীতারাম গোয়েল, ভিন্ডিকেটেড বাই টাইম: দ্য নিয়োগী কমিটি রিপোর্ট (১৯৯৮) ==== ''দ্য ওয়ার্ল্ড অফ ফতোয়াস (অর দ্য শরিয়া ইন অ্যাকশন)'', ১৯৯৫ ==== * আমাদের শহরের মুসলিম এলাকার বইয়ের দোকানগুলোতে—উদাহরণস্বরূপ দিল্লির জামে মসজিদের চারপাশের দোকানগুলোতে—ফতোয়ার সংকলনগুলো তাকের পর তাক জুড়ে থাকে। পবিত্র সাহিত্যের প্রতি মানুষ যেমন যত্নশীল হয়, এগুলোও তেমনি যত্নের সাথে সাজানো থাকে। পৃষ্ঠাগুলোর বিন্যাস খুব সুন্দর। ক্যালিগ্রাফিগুলো প্রায়ই শিল্পের পর্যায়ের। ভলিউমগুলো চমৎকারভাবে বাঁধাই করা—প্রায়ই কভারের ওপর সোনালি এমবসিং থাকে। * '''এক কথায়, ফতোয়া হলো শরিয়তের প্রয়োগ।''' * এই সব কারণে যে কেউ ফতোয়ার ওপর প্রচুর গবেষণার আশা করবে। কিন্তু তাহলে আমাদের বুদ্ধিজীবীদের কথা ভুলে যেতে হবে। এটি আরও একটি প্রমাণ যে আমাদের বুদ্ধিজীবীরা আমাদের দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন; ইংরেজি বা উর্দুতে ফতোয়ার ওপর কোনো গবেষণাই প্রায় নেই। * প্রথমত, আমাদের পণ্ডিতরা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের জন্য সময় দেননি ঠিক সেই কারণে যার জন্য তারা আমাদের দেশের অস্তিত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অন্য বিষয়গুলোতেও সময় দেননি। ভারতে বুদ্ধিবৃত্তিক কাজের বেশিরভাগই হলো পশ্চিমে যা করা হচ্ছে তার পাদটীকা লেখা—অন্যদের চেয়ে মার্ক্সবাদী বুদ্ধিজীবীদের ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি সত্যি। আর যখন আমাদের বুদ্ধিজীবীরা এই পাদটীকা লিখতে ব্যস্ত থাকেন না, তারা পশ্চিমা মহলে জনপ্রিয় ফ্যাশন অনুসরণ করতে ব্যস্ত থাকেন এবং পশ্চিমে জনপ্রিয় হওয়া কোনো ধারণা বা ‘থিসিস’ ভারতীয় তথ্যের ওপর ‘প্রয়োগ’ করতে ব্যস্ত থাকেন। এক কথায়, আমাদের পাণ্ডিত্যপূর্ণ কাজগুলো অনুকরণধর্মী। তাই ভারতে ফতোয়া নিয়ে কোনো বড় গবেষণা না হওয়ার প্রথম কারণ হলো যে এগুলো এখনো পশ্চিমের নজর কাড়েনি। * “আমাদের উচিত, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের উচিত মুসলিম সমাজের অবস্থা সম্পর্কে পুরো সত্য বলা—উদাহরণস্বরূপ সেখানকার নারীদের দুর্দশা নিয়ে। এবং এর মূল উৎস—বই, আইন এবং চিন্তাধারার মধ্যে সেটি খুঁজতে দ্বিধা না করা। আমাদের উলেমা [মুসলিম ধর্মীয় নেতা] এবং কট্টরপন্থী রাজনীতিবিদদের সামাজিক কর্মকাণ্ডের দলিল তৈরি করা উচিত।... উলেমা এবং অন্যরা ধর্মীয় ইস্যুতে যা বলছেন এবং যা ফতোয়া দিচ্ছেন তা নথিবদ্ধ করা উচিত।... আমাদের, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের প্রতিটি বিষয়ে দৃঢ়ভাবে ধর্মনিরপেক্ষ অবস্থান নিতে হবে—কট্টরপন্থীদের মোকাবিলা করার এটিই একমাত্র পথ, এটিই সম্প্রদায়ের কাছে বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি পৌঁছে দেওয়ার সবচেয়ে নিশ্চিত উপায়।... ফতোয়া এবং অন্যান্য বিষয় যা একজন ব্যক্তির নাগরিক অধিকার খর্ব করে তা স্পষ্টতই আইনের অপরাধমূলক লঙ্ঘন; আমাদের উচিত সেগুলোকে সেভাবেই তুলে ধরা; এবং অন্যদের সাথে মিলে দাবি করা যে কেউ যদি ফতোয়া ব্যবহার করে অন্যের অধিকার মাড়িয়ে দিতে চায় তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। একইভাবে, আমাদের সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদরা এই প্রতিক্রিয়াশীল উপাদানগুলোকে খুশি করার জন্য এবং শেষ পর্যন্ত তাদের হাত শক্তিশালী করার জন্য যে ছাড় দেয়, তা আমাদের উন্মোচিত করতে হবে এবং ব্যর্থ করার জন্য কাজ করতে হবে।... কিন্তু উলেমা এবং তাদের নেটওয়ার্কের মোকাবিলা করাই যথেষ্ট নয়। আমরা যেমনটা দেখেছি, তারা যা প্রচার করে এবং কার্যকর করে তা কুরআন এবং হাদিসেই বলা আছে। তাই এই জাল কাটতে হলে উদারপন্থীদের এবং বিশেষ করে উদারপন্থী মুসলিমদের ইসলামের হাজার বছরের দাবিগুলো পরীক্ষা করে দেখতে হবে: এই দাবি যে কেবল একটিই সত্য আছে, তা কেবল একজন মানুষের কাছেই প্রকাশিত হয়েছে, তা কেবল একটি বইতেই আছে, সেই বইটি বোঝা খুব কঠিন, কেবল কয়েকজন নির্বাচিত মানুষই এর অন্তর্নিহিত অর্থ জানে এবং তাই তাদের কথা মেনে চলা সবার কর্তব্য। এক কথায়, মূল পাঠ্যগুলোকেই পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।” (উদ্ধৃত: বোস্টম, এ. জি. (২০১৫)। শরিয়া ভার্সেস ফ্রিডম: দ্য লেগাসি অফ ইসলামিক টোটালিটারিয়ানিজম।) * ফতোয়ার বইগুলোতে আরও একটি অদ্ভুত বিষয়ের ওপর পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা বরাদ্দ করা হয়েছে—তা হলো, কোনো বিশ্বাসী যদি পশুর সাথে যৌনমিলন করে তবে তার কী করা উচিত। ‘যে পশুর সাথে মানুষ যৌনমিলন করেছে তার হুকুম কী—পশু এবং সেই মানুষের হুকুম কী?’, প্রশ্নকারী জানতে চান এবং যথাযথ বিবেচনার পর এই বিশাল ‘ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের’ উলেমা একটি ফতোয়া জারি করেন। ফতোয়া দাবি করা অন্য বিষয়গুলোও ঠিক একইভাবে বিস্ময়কর। <br> ‘যে গর্ভবতী ছাগলের সাথে মিলন করা হয়েছে তা কি হালাল না হারাম? সেটি বাচ্চা দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না কি বাচ্চা হওয়ার আগেই মেরে ফেলে পুঁতে ফেলতে হবে?’ ‘জায়েদ একটি ছাগলের সাথে মিলন করেছে। এর আইন কী? আমরা কি এর মাংস খেতে পারি বা দুধ পান করতে পারি? আর যে মিলন করেছে তার জন্য আইন কী?’ ‘ছোট শিশু বা ছাগলের সাথে মিলন করার শাস্তি কী?’ ‘জায়েদ একটি হালাল পশু যেমন গরু বা ছাগলের সাথে মিলন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে পশুর কাছে গেল এবং তার যৌনাঙ্গ পশুর যোনিতে প্রবেশ করাল। কিন্তু কোনো বীর্যপাত হলো না। জায়েদ বা অন্য মুসলিমদের কি সেই পশুর মাংস বা দুধ হালাল মনে করা উচিত? এই অপরাধের জন্য কি জায়েদকে কাফফারা দিতে হবে?’ ‘জায়েদ একটি গরুর সাথে মিলন করেছে এবং তারপর সেটি বিক্রি করে দিয়েছে। সেই টাকা কীভাবে খরচ করতে হবে? সেটি কি সাদকা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে? আর জায়েদের শাস্তি কী?’ ‘যে ঘোড়ীর সাথে মিলন করেছে তার শাস্তি কী? সেই ঘোড়ীটির সাথে কী করা উচিত?’ এই প্রতিটি বিষয়ে একটি করে ফতোয়া আছে। <br> আর উত্তরগুলো সবসময় একরকম হয় না, অনেক সময় সুক্ষ্ম পার্থক্যের ওপর নির্ভর করে। পশুর সাথে মিলন করা বিশ্বাসীর জন্য কেবল তওবা করাই যথেষ্ট বলে মনে করেন এই পণ্ডিতরা, তবে সাধারণত পশুটিকে মেরে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। অর্থাৎ সাধারণ ক্ষেত্রে এর মাংস খাওয়া উচিত নয়। তবে একটি উদাহরণ ধরা যাক, দেওবন্দের দারুল উলুমের উলেমা রায় দিয়েছেন যে, ‘যদি (পশুর ভেতরে) বীর্যপাত না হয়, তবে এর মাংস এবং দুধ নিঃসন্দেহে হালাল।’ ‘কিন্তু যদি বীর্যপাত হয়, তবে পশুটিকে মেরে ফেলে এর মাংস পুঁতে ফেলা ভালো। কারো এটি খাওয়া উচিত নয়, যদিও এটি খাওয়া হারাম নয়।’ [...] পরিশেষে, অন্যরা যখন এই ধরনের প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করতে কিছুটা অস্বস্তি বোধ করতে পারেন এবং ‘ধর্মীয়’ বইগুলোতে এগুলোর দেখা পেয়ে অবাক হতে পারেন, উলেমাদের এই বিষয়ে আলোচনা করতে বা আইন দিতে কোনো দ্বিধা নেই। তারা এটিকে তাদের একটি কাজ বলে মনে করেন। মাওলানা মুফতি আবদুর রহিম কাদরী বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। জানা যায় যে, হযরত শায়খুল ইসলাম মাওলানা মৌলবি নামে একজন মৌলবি দুটি প্রচারপত্র প্রকাশ করে হানাফি ফকিহদের সমালোচনা করেছিলেন কারণ তারা মনে করেন যে পশুর সাথে মিলন করলে রোজা নষ্ট হয় না, এমনকি বীর্যপাত হলেও। তিনি হানাফি আইনের বড় বড় নাম—শামী এবং দুররুল মুখতার—উদ্ধৃত করে বলেছিলেন যে তারা এটিই বলেছেন। তিনি ধর্মীয় বইগুলোতে এই ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য পণ্ডিত উলেমাদের তিরস্কারও করেছিলেন। মৌলবির এই লেখাগুলো মতামতের জন্য মুফতি আবদুর রহিম কাদরীর কাছে পাঠানো হয়েছিল। মুফতির ব্যাখ্যা ফতোয়ায়ে রহিমিয়া-র দশটি মুদ্রিত পৃষ্ঠা জুড়ে আছে। প্রশ্নের মূল উত্তরটি নির্ভর করছে পশুর ভেতরে লিঙ্গ প্রবেশের সময় বীর্যপাত হয়েছে কি না তার ওপর—যদি হয় তবে রোজা বাতিল হয়ে যাবে—নাকি কেবল হাত দিয়ে পশুর যৌনাঙ্গ স্পর্শ বা চুম্বনের ফলে বীর্যপাত হয়েছে—সে ক্ষেত্রে রোজা নষ্ট হবে না। মুফতি এই পার্থক্য বোঝাতে বিভিন্ন উদ্ধৃতি দিয়েছেন এবং দাবি করেছেন যে মৌলবি হানাফি ফকিহদের রায়ের ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন। * এরপরে আসে উর্দু সংবাদমাধ্যম। এটি উলেমাদের অন্যতম শক্তিশালী সহযোগী এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের অস্ত্র হিসেবে কাজ করেছে, যেমনটা আমরা ড. জাকির হোসেন এবং মাওলানা আজাদের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানের সময় দেখেছি। ১৯৯২ সালে দিল্লির জামিয়া মিলিয়ার প্রো-ভিসি মুশিরুল হাসান এবং পাটনার খুদা বখশ লাইব্রেরির পরিচালক আবিদ রেজা বেদারের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানেও আমরা একই ভূমিকা দেখেছি। উচ্চকণ্ঠ, ব্যাপক বিকৃতি, অভিযোগের প্রতিধ্বনি তৈরি করা, চরম নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করা এবং তারপর সবকিছুকে ইসলামের ওপর আক্রমণ হিসেবে তুলে ধরা—এগুলোই এর বৈশিষ্ট্য। আর শেষ পর্যন্ত এগুলো সেই বিশ্বদর্শনকেই শক্তিশালী করতে ব্যবহৃত হয় যা উলেমা চান যে তাদের সম্প্রদায় বজায় রাখুক। *আর এরপর আছে পৃষ্ঠপোষকতার প্রভাব। সৌদি আরব, ইরান বা ইরাক অথবা অন্য ‘ইসলামি’ উৎস থেকে আসা তহবিল উলেমাদের কাছে বা তাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সংস্থাগুলোর কাছে যায়। এই তহবিল প্রায় কখনোই উদারপন্থীদের কাছে পৌঁছায় না। ভারতের অবস্থা তো আরও খারাপ। যেহেতু উলেমা সম্প্রদায়কে নিয়ন্ত্রণ করে, তাই রাষ্ট্র উলেমা এবং তাদের ভাষায় যারা কথা বলে তাদের সামনেই নতজানু হয়। রাষ্ট্র যত দুর্বল হয়েছে, উলেমা তত সহজে তাদের প্রচারাভিযান চালিয়ে যেতে পেরেছে। আর বিনিময়ে তারা সম্প্রদায়ের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও মজবুত করতে পেরেছে এটি দেখিয়ে যে রাষ্ট্র তাদের সামনে মাথা নত করে—যেমন শাহ বানোর ক্ষেত্রে হয়েছিল; যে রাষ্ট্র তাদের পথে দাঁড়ানোর সাহস পায় না: দেশের আইনি ব্যবস্থার বাইরে সমান্তরাল আদালত—শরিয়ত আদালত তৈরি করার জন্য তাদের বর্তমান অভিযানের দুঃসাহস দেখুন। *উদারপন্থী হিন্দুরা এতটাই লজ্জিত থাকে এবং তারা এই মেকি ধর্মনিরপেক্ষতাকে এতটাই নিজের করে নিয়েছে যে, তারা ধর্মগ্রন্থগুলো—তা ইসলামের হোক, হিন্দুধর্মের হোক বা আমাদের আইন ও সংবিধানের হোক সেগুলো সম্পর্কে কিছুই জানে না। তারা দ্বিমুখী নীতিকে এতটাই মেনে নিয়েছে যে ইসলামি সব বিষয়ে চুপ থাকা এবং মৌলবাদীদের সুর মেলানোকেই তারা ধর্মনিরপেক্ষতার প্রমাণ মনে করে। ইংরেজি সংবাদমাধ্যমের ‘ধর্মনিরপেক্ষরা’ এর একটি তৈরি উদাহরণ। তারা আলী মিঞাকে ‘পরিমিতিবাদী, সর্বজনশ্রদ্ধেয় মুসলিম নেতা’ হিসেবে উল্লেখ করবে তার কোনো লেখা না পড়েই। তারা বিভিন্ন মুফতি ও মৌলবিকে ‘মুসলিম ধর্মতত্ত্ববিদ’ হিসেবে উল্লেখ করবে। অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড বা অল ইন্ডিয়া মিলি কাউন্সিল যা করছে তা থেকে তারা চোখ বন্ধ করে রাখবে; কিন্তু রাষ্ট্রের কোনো সংস্থা যদি তাদের কার্যক্রম উন্মোচিত করতে কোনো পদক্ষেপ নেয় তবে তারা চিৎকার শুরু করবে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, কোনো ইস্যুতে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে উলেমাদের পক্ষ নেবে এবং জোর দিয়ে বলবে যে এই পক্ষের বিরোধিতা করা মানেই ‘সাম্প্রদায়িক’, ‘ফ্যাসিবাদী’ বা ‘প্রতিশোধপরায়ণ’ হওয়া। এই ধরনের চিৎকারের প্রভাব কেবল আলোচনার পরিবেশ বিষিয়ে দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। দুর্বল শাসকরা সেই পরিবেশে প্রভাবিত হয়। আর এভাবেই জননীতি উলেমাদের পক্ষে চলে যায়। ফলে উলেমা আরও শক্তিশালী হয়। *আমরা যখন বুদ্ধের বাণী বা রোজা সম্পর্কে গান্ধীজির কথা পড়ি, তখন তার বিষয়বস্তু থাকে নিজের ভেতর তাকানো এবং আত্মশুদ্ধি নিয়ে। কিন্তু এমনকি যখন ফতোয়াগুলো পুরোপুরি ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কাজ করে, তখনও সেগুলো কেবল সেই নিয়মগুলো নিয়ে থাকে যা একজন বিশ্বাসীকে মেনে চলতে হয়। এগুলো কুচকাওয়াজের জন্য একজন ড্রিল সার্জেন্ট ক্যাডেটদের যে নির্দেশনা দেন তার মতো। *আমাদের নেতা এবং সুপ্রিম কোর্ট যখন অনবরত বলছেন, ‘সব ধর্ম এক’; যখন তারা বেদের বাণী স্মরণ করছেন, ‘সত্য এক, ঋষিরা একে ভিন্ন নামে ডাকেন’; যখন তারা অশোকের শিলালিপি স্মরণ করছেন, ‘যে নিজের ধর্মকে শ্রদ্ধা করে এবং অন্যের ধর্মকে তুচ্ছ করে, সেটি নিজের ধর্মের প্রতি ভক্তির কারণে এবং অন্য ধর্মের ওপর একে বড় দেখানোর জন্য হোক না কেন, সে আসলে নিজের ধর্মেরই ক্ষতি করে’, উলেমা ঠিক তার উল্টো মূল্যবোধ প্রচার করেন। উলেমাদের প্রতি সুবিচার করতে হলে বলতে হয় এগুলোই প্রকৃত ইসলামি মূল্যবোধ। যেমন মাওলানা আহমদ রেজা খান সেই সব মানুষের ওপর ক্ষিপ্ত হন যারা এমন শোভাযাত্রা সমর্থন করে যেখানে গীতা ও কুরআনকে সমান সম্মানের সাথে বহন করা হয়; তিনি ঘোষণা করেন যে একজন মুসলিমের পক্ষে এটি বলাও কুফর যে, ‘হিন্দুদের বেদ অনুযায়ী চলা উচিত এবং মুসলিমদের কুরআন অনুযায়ী চলা উচিত’; তিনি বলেন, মন্দির হলো শয়তানের আস্তানা, একজন মুসলিমের সেখানে যাওয়া নিষিদ্ধ; পবিত্র কুরআনকে বেদের মতো বলা কুফর; হিন্দুদের বেদ অনুযায়ী চলতে বলা মানে মানুষকে কুফর অনুসরণ করতে বলা, আর মানুষকে কুফর অনুসরণ করতে বলা মানেই হলো কুফর... *ফতোয়াগুলো এই দ্বিমুখী নীতিকেই প্রতিফলিত করে। ধর্মান্তর এবং ধর্মত্যাগের প্রতি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি এর একটি বড় উদাহরণ। ইসলাম অন্য ধর্মের মানুষকে ধর্মান্তরিত করাকে একটি অধিকার এবং কর্তব্য বলে মনে করে। উলেমা এর ওপর জোর দেন....অন্য ব্যক্তির ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখিয়ে কোনো কাজ করা বা না করার বিষয়েও একই অবস্থান নেওয়া হয়.....এর একটি আরও বড় উদাহরণ হলো ধর্মীয় চর্চা চালিয়ে যাওয়ার অবস্থান। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়া একজন মুসলিমের অধিকার ও কর্তব্য। ...ফতোয়ায়ে রিজভিয়া ঘোষণা করে যে, কোনো অবস্থাতেই ইসলামি শাসক কাফিরদের তাদের ধর্মীয় আচার পালনের অনুমতি দিতে পারে না এবং প্রশ্ন করে: সে কি তাদের কুফর পালন করতে দেবে এবং এর মাধ্যমে নিজে কাফির হয়ে যাবে?...এতে আরও বলা হয়েছে যে এ বিষয়ে বেশ কিছু হাদিস আছে যে কোনো অমুসলিম আরব উপদ্বীপে থাকতে পারবে না...অর্থাৎ, কোনো অমুসলিমকে আরব উপদ্বীপে থাকতে দেওয়া হবে না, কিন্তু যদি ভারত থেকে একজন অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে চলে যেতে বলা হয়, তবে সেটি হবে ইসলামের ওপর আঘাত!...একইভাবে, আজও কোনো ইসলামি রাষ্ট্রে কোনো স্কুলের শিক্ষকরা অমুসলিম শিশুদের তাদের ধর্মের শিক্ষা দিতে পারেন না...কিফায়াতুল্লাহ ঘোষণা করেন যে, কুরআন শিক্ষা এবং ধর্মীয় শিক্ষার ওপর কোনো বাধা সহ্য করা যাবে না। ...অথচ ধর্মনিরপেক্ষ আলোচনায় আমরা শুনি যে ইসলামের মতো আর কোনো ধর্ম নেই যা ভেদাভেদ দূর করেছে, ইসলামের মতো আর কেউ সবাইকে সমান মর্যাদা দেয় না! *এই সবকিছুর পরেও যারা দাবি করেন, ‘শরিয়ত নারীদের অধিকার রক্ষা করেছে যেমনটা অন্য কোনো আইন করেনি,’ তারা কেবল এই আত্মবিশ্বাস থেকেই তা বলেন যে তারা ছাড়া আর কেউ শরিয়তের মূল পাঠ্যগুলো পড়েনি। *তা সত্ত্বেও আমাদের বিশ্বাস করতে হবে যে শরিয়তের মতো অন্য কোনো আইন নারীদের এত অধিকার দেয়নি এবং ইসলামের মতো অন্য কোনো ধর্ম তাদের বিষয়ে এত যত্নশীল নয়, না হলে আমাদের সাম্প্রদায়িক তকমা সইতে হবে। এই যুক্তি কেবল একগুঁয়ে অন্ধ সমর্থকদেরই বোকা বানাতে পারে। *ফতোয়ার মাধ্যমে বলবৎ হওয়া শরিয়ত কেবল তা-ই নয়। যেহেতু আমাদের সরকারগুলো অভিন্ন দেওয়ানি বিধি প্রণয়নের সাংবিধানিক নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করেনি, তাই এটিই হলো ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের আইন যা আমাদের আদালতগুলো কার্যকর করে! * বিষয়গুলো কেবল উলেমাদের নারীদের মূল্যায়নের কারণেই আগ্রহের বিষয়, কারণ এটি ফতোয়ার সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। দেওবন্দের উলেমা একটি বিষয় সমাধান করতে গিয়ে ঘোষণা করেন যে, ‘কুরআনে বলা হয়েছে স্বামীই হলো কর্তা।’ .... আর এই কাফিরদের মধ্যেও ভাগ আছে বলে মাওলানা আহমদ রেজা খান ঘোষণা করেন: এক প্রকার কঠিন কুফর হলো খ্রিস্টধর্ম; তার চেয়েও খারাপ হলো মাজুসিয়ত (অগ্নিপূজা); তার চেয়েও খারাপ হলো মূর্তিপূজা; তার চেয়েও খারাপ হলো ওহাবি মতবাদ; এবং এই সবকিছুর চেয়েও খারাপ ও দুষ্ট হলো দেওবন্দি মতবাদ... * এবং এটি চলতেই থাকে। এর প্রভাব হবে খুব স্পষ্ট: যখন আপনি তাদের কাছে কোনো সমস্যা নিয়ে যাবেন, উলেমা এক জন বিশেষজ্ঞের বদলে অন্য জনের দোহাই দিয়ে আপনার পথ সহজ করতে পারেন অথবা বাধা দিতে পারেন। একই সাথে তারা এবং তাদের সমর্থকরা জোর দিয়ে বলবেন যে আমাদের, বিশেষ করে অমুসলিমদের কখনোই এটি বিশ্বাস করা বন্ধ করা উচিত নয় যে শরিয়ত একটি স্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট বিধি, এটি ঐশ্বরিকভাবে নির্ধারিত এবং তাই এটি একটি শাশ্বত এবং অপরিবর্তনীয় বিধি! *এখন পর্যন্ত দুটি বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা: (১) একটি পরিষ্কার এবং সুনির্দিষ্ট বিধি হওয়ার বদলে শরিয়ত আসলে অস্পষ্ট; (২) এটি প্রতিটি বিষয়েই অস্পষ্ট। এর দুটি প্রায়োগিক ফলাফল রয়েছে: (১) এই অস্পষ্টতাই হলো উলেমাদের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতার অন্যতম ভিত্তি; (২) তাই উলেমা শরিয়তকে বিধিবদ্ধ করার প্রতিটি প্রচেষ্টাকে ঠিক ততটাই প্রবলভাবে বাধা দেন যেমনটা তারা সবার জন্য একটি সাধারণ আধুনিক আইনের প্রচেষ্টাকে বাধা দেন। *মাওলানা আহমদ রেজা খান যখন বলেন যে বিজ্ঞানের সামনে ইসলামের মাথা নত করা নয় বরং ইসলামের সামনে বিজ্ঞানের মাথা নত করাই ইসলামের গৌরব, তখন তিনি আসলে তার ধর্মের প্রতিই সত্যনিষ্ঠ থাকেন। বিজ্ঞানের জন্য যা প্রযোজ্য, তা ঐতিহাসিক ‘তথ্যের’ ক্ষেত্রে আরও বেশি প্রযোজ্য যেমন শত জন খলিফা ছিলেন নাকি বারো জন। * পৃথিবী স্থির। সূর্য এর চারদিকে ঘোরে। নক্ষত্রগুলো স্থির, যা আল্লাহ প্রদীপ হিসেবে ঝুলিয়ে দিয়েছেন পর্যটকদের পথ দেখানোর জন্য এবং শয়তানকে পাথর মারার জন্য। এর বাইরে কিছু বিশ্বাস করা মানে ধর্মের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা। পুরুষরাই হলো কর্তা। প্রত্যেকে একসাথে চারজন পর্যন্ত স্ত্রী এবং যত খুশি উপপত্নী রাখতে পারে। স্ত্রীরা হলো ফসলের মাঠের মতো, স্বামী চাইলে তাতে ‘জলসেচন’ করতে পারে অথবা না-ও পারে। স্বামী তার সামান্যতম ইচ্ছা পূরণের জন্যও তাদের বাধ্য করতে পারে এবং না মানলে তালাকের ভয় দেখাতে পারে। এরপরও যদি সে সন্তুষ্ট না হয়, তবে সে তাদের এক কথায় বের করে দিতে পারে। বের করে দেওয়ার পর তারা কেবল জীবনধারণের ন্যূনতম সহায়তার অধিকারী হবে কিন্তু তা কেবল তিন মাসের জন্য, এরপর আর কিছুই নয়। এতে কোনো অন্যায় দেখা বা নারীদের জন্য আরও কিছু দাবি করা মানে আল্লাহর প্রজ্ঞাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং ইসলামের ওপর আঘাত হানা। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা, নির্ধারিত পদ্ধতিতে ইস্তিনজা করতে ব্যর্থ হওয়া, কুকুরের লালা নাপাক এবং শরীর পাক এটি বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হওয়া বড় গুনাহ। একজন কাফির যত বড় সাধুপুরুষই হোক না কেন, এমনকি তার মৃত্যুর পরও তার মঙ্গল কামনা করা, অথবা একজন মুসলিম যত বড় পাপীই হোক না কেন সে যে একজন পুণ্যবান কাফিরের চেয়েও শ্রেষ্ঠ তা বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হওয়া হলো কুফর। উলেমাদের মানসিকতা এমনই। জীবনের সব ক্ষেত্রে তাদের দেওয়া রায়ে এটি ফুটে ওঠে। *দেশের এবং ব্যক্তির অগ্রগতির জন্য শিক্ষা অপরিহার্য। কিন্তু বর্তমানে যাকে শিক্ষা বলা হয় তার বিরুদ্ধে উলেমা দীর্ঘদিন কঠোর লড়াই করেছেন। তাদের কাছে আধুনিক এবং কারিগরি শিক্ষার চেয়ে ধর্মীয় শিক্ষাই অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। কেবল সেই বিষয়গুলোই পড়া উচিত এবং কেবল সেই জ্ঞানই অর্জন করা উচিত যা একজনের বিশ্বাসকে শক্তিশালী করে সহজ কথায়, কেবল সেই বিষয়গুলোই পড়তে হবে যা এটি নিশ্চিত করে যে কুরআন ও হাদিসে যা লেখা আছে এবং উলেমা শত শত বছর ধরে যা বলে আসছেন তা-ই সত্য এবং প্রজ্ঞার ও পূর্ণতার সর্বোচ্চ শিখর। নারীদের শিক্ষা, বিশেষ করে নতুন মূল্যবোধের প্রতি তাদের সচেতন হওয়া, নতুন পেশার জন্য প্রশিক্ষণ পাওয়া এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়া—এই সবকিছুই তাদের কাছে ঘৃণ্য; এটি তাদের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করা হয়, প্রকৃতপক্ষে এটিকে সমাজকে ধ্বংস করার এবং ইসলামকে দুর্বল করার পথ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। *যে প্রতিষ্ঠানের ভারতীয় ইতিহাসের পাঠ্যক্রমে কেবল মাহমুদ গজনভির আক্রমণ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত সময়কাল অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং যার ভূগোলের পাঠ্যক্রমে কেবল আরব উপদ্বীপের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, সেটি কি ভারতের জন্য বা ভারতের কোনো প্রতিষ্ঠান? * প্রত্যাশিতভাবেই, মাওলানা আহমদ রেজা খানের মতে শিয়ারা একেবারেই মুসলিম নয়। তাদের ‘মসজিদ’ কোনো মসজিদই নয়—আর মনে রাখবেন, মীর বাকী এবং তার বংশধরেরা যেহেতু মসজিদের মুতওয়াল্লি ছিলেন, তাই ‘বাবরী মসজিদ’ ছিল একটি শিয়া মসজিদ। * ‘আরে ভাই, কিন্তু আপনি হিন্দু ফতোয়া নিয়ে লিখছেন না কেন?’—এটি এমন এক বিখ্যাত বুদ্ধিজীবীর কথা যার নামের অনেক খ্যাতি রয়েছে। হিন্দুদের মধ্যে ফতোয়া বলে কিছু নেই—তবে নিশ্চিতভাবেই আমাদের বুদ্ধিজীবীরা সেটি জানেন। এ ধরনের উপদেশের উদ্দেশ্য অন্যরকম। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, একজন হিন্দুর ইসলাম নিয়ে লেখালেখি থেকে দূরে থাকা উচিত। বরং, সে যদি ইসলামি বা মুসলিম বিষয় নিয়ে কিছু লেখেও, তবে তাকে কেবল প্রশংসাগীতি গাইতে হবে—‘সহনশীলতার ধর্ম, সাম্যের ধর্ম...’—তাকে কেবল ‘ইসলামি মানস’ সম্পর্কে ‘বোঝার’ বা ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য বই লিখতে হবে। বড়জোর, যদি তাকে ইসলামের কোনো দুর্ভাগ্যজনক ত্রুটি সম্পর্কে কিছু বলতেই হয়, তবে সেটিকে কোনো বিশেষ সময় বা স্থানের ওপর চাপিয়ে দিতে হবে এবং ইসলামকে তার থেকে মুক্তি দিতে হবে! আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, তাকে এটি নিশ্চিত করতে হবে যে সে ইসলামের সেই দিকটি নিয়ে মন্তব্যের সাথে হিন্দুধর্মের কোনো কিছুর নিন্দা করে বিষয়টিকে ‘ভারসাম্যপূর্ণ’ করবে, সেটা যা-ই হোক—জাতীয় প্রথা, পণের কারণে মৃত্যু, বিদেশিদের ম্লেচ্ছ মনে করা, এমনকি অন্য কিছু না মিললে অন্তত সতীদাহ প্রথা! * তাহলে, কারা ক্ষুব্ধ হচ্ছে? ফতোয়াগুলোর উদ্ধৃতি এবং বিশ্লেষণে কারা অপমানিত বোধ করছে? তারা হলো ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা। আর এর কারণ স্পষ্ট। এই তথ্যপ্রমাণের সামনে, কুরআন ও নবীর সরাসরি এবং জোরালো নির্দেশের সামনে এবং ফতোয়াগুলোতে থাকা বারবার এবং অত্যন্ত স্পষ্ট ঘোষণার সামনে তার কাছে কোনো উত্তর নেই। এগুলোর মোকাবিলা করার মতো কোনো প্রমাণ তার কাছে নেই। কিন্তু যখন তারা যা বলে তা সরাসরি সামনে আনা হয়, তখন সে তার এই উল্টো ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ আর বজায় রাখতে পারে না। যতক্ষণ পর্যন্ত এই বিষয়গুলো উর্দুতে সীমাবদ্ধ থাকে, ততক্ষণ তা তার চেনা মহলে কোনো অসুবিধা সৃষ্টি করে না। কিন্তু যে মুহূর্তে এগুলো ইংরেজিতে প্রকাশ পায়, তখনই সে বিপদে পড়ে যায়। আর তাই সে ক্ষোভের ভান করে! এর উত্তর কী? তথ্যগুলো অনবরত তুলে ধরা। সেগুলো বিশ্লেষণ করে যাওয়া। এই বিশ্বাসে যে গালিগালাজ দিয়ে তথ্যপ্রমাণ ধামাচাপা দেওয়া যাবে না। এই বিশ্বাসে যে চিন্তাভাবনা হলো বীজের মতো, যা একদিন শিকড় গাড়বে। * বাংলাদেশে ইসলামীকরণের দিকে দ্রুত ধাবিত হওয়া, তাবলিগ জামাতের দ্রুত বিস্তার এবং হিজবুত তাহরীর ও হিজবুত তৌহিদের মতো মৌলবাদী সংগঠনগুলোর ক্রমবর্ধমান প্রসার ও প্রভাবের সাথে সাথে দেশের বিভিন্ন স্থানে শরিয়ত কমিটি গড়ে উঠেছে। ফতোয়া দেওয়ার ঘটনা আরও নিয়মিত হয়ে পড়েছে। গ্রামীণ এলাকায় স্থানীয় মোল্লারা প্রায়ই এগুলো জারি করেন এবং প্রায়শই এর শিকার হন এমন নারীরা যারা প্রকৃতপক্ষে সহিংসতা, ধর্ষণ এবং এ জাতীয় ঘটনার শিকার হয়েছিলেন.... * মুসলিম সাংবাদিকতা আর নেতৃত্বের ওপর দোষ চাপানো এক অর্থে মূল প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া। সর্বোপরি, মুসলিমরা কেন এই ধরনের সাংবাদিকতাকে গুরুত্ব দেয়, কেন তারা এই ধরনের নেতাদের অনুসরণ করে? এর উত্তর লুকিয়ে আছে সেই মনস্তত্বের মধ্যে, যা উলেমা এবং তাদের ফতোয়াগুলো তাদের মনে গেঁথে দিয়েছে। * এমনকি এটি বলাও কুফর যে, ‘শরিয়ত কী? আজ কি কেউ শরিয়ত মেনে চলে?’, ঘোষণা করে ফতোয়ায়ে রিজভিয়া। এমনকি যদি অন্যদের বিদ্রূপ করার জন্য এই কথাগুলো বলা হয়, তবে সেগুলো গুরুতর পাপ হিসেবে গণ্য হবে। এটি ঘোষণা করে যে, ‘আমরা শরিয়ত মানি না, আমরা প্রথা অনুযায়ী চলি,’ বলাও কুফর। উলেমা একটি ফতোয়া জারি করে মুসলিমদের বহু ঈশ্বরবাদীদের শোভাযাত্রায় যোগ দিতে নিষেধ করেন। একজন লোক বলে, ‘বহু ঈশ্বরবাদীদের শোভাযাত্রায় যোগ না দেওয়ার ফতোয়া জারি করা নিছক লাঠিবাজি।’ এই কথাটি উলেমাদের জানানো হয়। ফতোয়ায়ে রিজভিয়া রায় দেয় যে, এই কথাটি শরিয়তের অবমাননা এবং শরিয়তের অবমাননা হলো কুফর। সেই ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে তার নিকাহ বা বিয়ে ভেঙে যায়। ... তারা ঘোষণা করে যে, ইজমা (ঐকমত্য) বা তকলিদ (আক্ষরিক অনুসরণ) নিয়ে প্রশ্ন তোলা কুফর। ... তারা ঘোষণা করে যে, ফিকহ-এ বিশ্বাস না করা কুফর। তারা ঘোষণা করে যে, যে ফিকহ মানে না সে হলো শয়তান। * ‘যে বাবা-মায়েরা তাদের মেয়েদের কলেজে পাঠান তারা তাদের মেয়েদের শত্রু, বন্ধু নন,’ ফতোয়ায়ে রহিমিয়া এটি ঘোষণা করে বিভিন্ন সূত্রের দোহাই দিয়ে যে, প্রকৃত বন্ধু হলো সে যে পরকালের জন্য একজনকে প্রস্তুত করে, যদিও তা করতে গিয়ে পার্থিব ক্ষতি হতে পারে। এটি ঘোষণা করে যে, ‘এতে কোনো সন্দেহ নেই যে একটি কলেজ পড়ুয়া মেয়ে অত্যন্ত স্বাধীনচেতা, পর্দাহীন, অশালীন এবং নির্লজ্জ হয়ে ওঠে। ইংরেজি শিক্ষা এবং কলেজের পরিবেশের এটিই সাধারণ পরিণতি।’ আর হাদিস উদ্ধৃত করে এটি বলে যে, ‘যে মেয়ে তার লজ্জা হারায় সে সবকিছু হারায়,’ ‘লজ্জা এবং ঈমান এরা অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী; যখন তাদের কোনো একটি চলে যায়, অন্যটিও চলে যায়।’ * অবজ্ঞা এবং হিন্দু ও অন্য অবিশ্বাসীদের যে চিত্র আঁকা হয়েছে, তাদের পশুপাখি এবং পোকামাকড়ের সাথে তুলনা করা হয়েছে—মুসলিমদের ক্ষেত্রে কোনো লেখায় এমন কিছু করা হলে তা তীব্র নিন্দার ঝড় তুলত। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের কাছ থেকে যেমন, তেমনি মুসলিমদের কাছ থেকেও। ====''ওরশিপিং ফলস গডস'' (১৯৯৭)==== * একটি উদাহরণও নেই, এমনকি একটি মাত্র ঘটনাও নেই যেখানে [[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর]] দেশকে স্বাধীন করার সংগ্রামের সাথে যুক্ত কোনো কাজে অংশ নিয়েছিলেন। বরং ঠিক উল্টোটিই ঘটেছে; প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি জাতীয় আন্দোলনের বিরোধিতা করেছেন এবং যখনই এই আন্দোলন কোনো বাধার মুখে পড়েছে, তিনি তাদের মধ্যে ছিলেন যারা সেই ব্যর্থতায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন। * ভারতের কি কখনো সংস্কারকের প্রয়োজন ছিল? আপনি কি ভারতের ইতিহাস পড়েন? রামানুজ কে ছিলেন? শংকর কে ছিলেন? [[গুরু নানক]] কে ছিলেন? [[চৈতন্য মহাপ্রভু]] কে ছিলেন? [[কবীর]] কে ছিলেন? দাদু কে ছিলেন? একের পর এক আসা এই মহান ধর্মপ্রচারকরা কারা ছিলেন, যারা অত্যন্ত উজ্জ্বল সব নক্ষত্রপুঞ্জের মতো ইতিহাস আলোকিত করেছেন? * এক কথায়, দেব-দেবীর নিন্দা করা, ধিক্কার জানানো, তাদের কলঙ্কিত করা, আমাদের শাস্ত্র নিয়ে উপহাস করা এবং অনুসারীদের মধ্যে ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়া ছিল আম্বেদকরের বেছে নেওয়া পথ। কিন্তু কেবল এই একটি পথই খোলা ছিল না। এর আগে গত দেড়শ বছরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একজন সংস্কারক ঠিক এর বিপরীত পথ বেছে নিয়েছিলেন এবং এর ফলে তিনি দুটি লক্ষ্যই অর্জন করেছিলেন। তিনি যেমন লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন উন্নত করেছিলেন, তেমনি আমাদের সমাজকেও বদলে দিয়েছিলেন এবং এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেই সংস্কারক এমন এক বর্ণের ছিলেন যারা কেবল অস্পৃশ্যই ছিল না, বরং যাদের কাছে যাওয়াও নিষিদ্ধ ছিল। সেই সংস্কারক অবশ্যই ছিলেন নারায়ণ গুরু, যিনি ১৮৫৪ থেকে ১৯২৮ সাল পর্যন্ত জীবিত ছিলেন। * তিনি কোনো বহিরাগতের মতো আমাদের ঐতিহ্যকে বিদ্রূপ করেননি বা তাকে অপমান করেননি। তিনি ভারতের আক্রমণকারী বা শাসকদের সাথে কখনো হাত মেলাননি। উপনিষদের শিক্ষার মধ্যে নিজেকে নিমগ্ন করে তিনি আধ্যাত্মিক সচেতনতার সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছিলেন। আমাদের মহান ঋষিরা যেসব পদ্ধতি ও সাধনা বের করেছিলেন, সেগুলো অনুসরণ করেই তিনি সেই স্তরে পৌঁছেছিলেন। তিনি যখন এই অবস্থায় পৌঁছালেন, তার পুরো জীবনটাই গোঁড়াদের সেই শ্রেষ্ঠত্বের দাবির বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদ হয়ে উঠল। তার সেই দিব্য অবস্থা গোঁড়াদের এই দাবিকে ভুল প্রমাণ করল যে আধ্যাত্মিক জ্ঞান কেবল উচ্চবর্ণের জন্যই। আর তিনি সেই স্তরে পৌঁছেছিলেন বলেই সবাই তাকে শ্রদ্ধা জানাত। * [[নারায়ণ গুরু]]র উত্তরাধিকার হলো একটি উন্নত এবং সংহতিপূর্ণ সমাজ, যেখানে নিম্নবর্ণের মানুষরা শিক্ষিত এবং আত্মমর্যাদায় ভরপুর। আম্বেদকরের উত্তরাধিকার হলো একদল মানুষ যারা সবার ওপর চিৎকার করছে, সবসময় কেবল দাবি জানাচ্ছে ও নিন্দা করছে এবং যারা আত্মগ্লানি ও ঘৃণার মধ্যে ডুবে আছে; এটি এমন এক সমাজ যা নিজের সাথেই লড়ছে। নারায়ণ গুরুর উত্তরাধিকার হলো এক পুনর্জীবিত দেশ। আম্বেদকরের উত্তরাধিকার হলো এমন এক দেশ যা তার নিজের অতীত নিয়ে গভীর লজ্জায় আচ্ছন্ন। আর এর ফলে তা আরও বেশি অক্ষম হয়ে পড়েছে। ==== ''ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসি'' (১৯৯৮) ==== * "ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা" আডবাণীর রথ হিন্দুদের মধ্যে যে প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে তা দেখে ঘাবড়ে গেছেন। কিন্তু কেবল রথ এই প্রতিক্রিয়া তৈরি করেনি। শাহ বানোর রায় পাল্টে দেওয়া এবং [[সালমান রুশদি]]কে নিষিদ্ধ করার মতো "জয়গুলো", যেগুলোকে "ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা" উচ্চকণ্ঠে প্রশংসা করেছিল; মানচিত্র এবং তালিকার মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোকে এটি বিশ্বাস করানোতে সফল হওয়া যে মুসলিমরা শত শত নির্বাচনী এলাকায় তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে; পাঞ্জাব এবং [[কাশ্মীর]]ের সহিংসতার "জয়গুলোর" কথা না-ই বা বললাম। এই প্রতিক্রিয়া হলো আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থার এই বিকৃতিগুলোর সম্মিলিত ফল। ** অরুণ শৌরির "প্রতিক্রিয়া উসকে দেওয়া", যা গোয়েল, এস.আর. (সম্পাদক) সম্পাদিত: ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসিতেও রয়েছে। ==== ''এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস: দেয়ার টেকনোলজি, দেয়ার লাইন, দেয়ার ফ্রড'' (১৯৯৮) ==== * ১৯৯৮ সালের জুন-জুলাই মাসে প্রগতিশীলরা বেশ শোরগোল তুলেছিলেন। তারা চিৎকার করে বলেছিলেন যে সরকার ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ হিস্টোরিক্যাল রিসার্চে রাম মন্দির পন্থী ঐতিহাসিকদের জায়গা দিয়েছে। তারা চিৎকার করে বলেছিলেন যে সরকার গোপনে কাউন্সিলের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য বদলে ফেলেছে। নিজেদের চিরকালীন স্বভাব অনুযায়ী, তারা একটি মনগড়া গল্প ছড়িয়ে এই হাঙ্গামা শুরু করেছিলেন। আর তাদের সেই পুরনো অভ্যাস মতোই, তারা অন্যদের বিরুদ্ধে এমন কিছু করার অভিযোগ তুলছিলেন যা তারা নিজেরা গত কয়েক দশক ধরে করে আসছিলেন, অর্থাৎ কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে ইতিহাস লেখা। * ‘আওরঙ্গজেবের ধর্মীয় নীতি’ সংক্রান্ত অধ্যায়ে সবচেয়ে বড় আকারের পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সে হিন্দুদের সাথে প্রকৃতপক্ষে কী করেছিল, তাদের মন্দিরের কী করেছিল, তার শাসনের মূল উদ্দেশ্য, ইসলামের প্রভাব বিস্তারের প্রতিটি ইঙ্গিত বই থেকে ছেঁটে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাকে এমন একজন হিসেবে তুলে ধরতে হবে যার গান-বাজনা এবং রাজদরবারে নর্তকীদের উপস্থিতির প্রতি এক ধরণের সাধারণ অনীহা ছিল, প্রায় ধর্মনিরপেক্ষ এক অনীহা, আর কেবল এই কারণেই সে ওইসব নিষিদ্ধ করেছিল... এক কথায়, কোনো জোরপূর্বক ধর্ম পরিবর্তন নয়, কোনো গণহত্যা নয়, কোনো মন্দির ধ্বংস নয়। কেবল এই যে হিন্দুধর্ম এক শোষণমূলক এবং বর্ণবাদী সমাজ তৈরি করেছিল। ইসলাম ছিল সাম্যবাদী। তাই নিপীড়িত হিন্দুরা ইসলাম গ্রহণ করেছিল!<br/> সে সময়ের মুসলিম ঐতিহাসিকরা নরকে পাঠানো কাফিরদের স্তূপ দেখে উল্লাসে ফেটে পড়েছেন। মুসলিম ঐতিহাসিকরা শাসকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ কারণ সে মন্দির ধ্বংস করেছে এবং লাখ লাখ মানুষকে ইসলামের আলোর মুখ দেখিয়েছে। দ্য হেদায়ে-র মতো আইনগ্রন্থগুলোতে ঠিক সেই বিকল্পগুলোর কথাই বলা হয়েছে যা এই ছোট ছোট পাঠ্যবইগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছিল। '''সবকিছুই ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।'''<br/>'''বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের নামে বস্তুনিষ্ঠ ধামাচাপা। আর আজ যদি কেউ এই পাঠ্যবইগুলোতে সত্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে, তবে চিৎকার ওঠে, ‘ইতিহাসের সাম্প্রদায়িক পুনর্লিখন’।''' * এই বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আসল অপরাধ আর্থিক ক্ষতির মধ্যে নেই। আসল ক্ষতি হলো তারা আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর যে করুণ দশা করেছেন। এর কারণ তাদের অবহেলা—যার ফলে আমাদের দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সব প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়েছে। তার চেয়েও বড় অপরাধ হলো তারা ওই প্রতিষ্ঠানগুলোকে যেভাবে ব্যবহার করেছেন।<br/>তারা সেগুলোকে আয়েশি সময় কাটানোর জন্য ব্যবহার করেছেন। তারা একে অপরের সুনাম বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করেছেন। তবে সবচেয়ে খারাপ বিষয় হলো তারা এই প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করে জনমানসে ভুল তথ্য ছড়িয়েছেন এবং এর ফলে জননীতিকে ভুল পথে চালিত করেছেন।<br/> তারা ভারতকে এমন এক ফাঁকা ভূমি হিসেবে তুলে ধরেছেন যা একের পর এক আক্রমণকারীরা এসে পূর্ণ করেছে। '''তারা বর্তমান ভারত এবং বিশেষ করে হিন্দুধর্মকে একটি চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছে—নানা ধরণের অসম এবং বিচ্ছিন্ন উপাদানের এক স্তূপ। তাদের মতে ভারত বলে কিছু নেই, এটি কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ এবং ব্রিটিশদের তৈরি এক ধারণা; হিন্দুধর্ম বলে কিছু নেই, এটি কেবল আরবদের ব্যবহৃত একটি শব্দ যা তারা এখানে এসে নানা ধরণের মানুষের দেখা পাওয়ার পর ব্যবহার করেছিল এবং এটি কেবল সাম্প্রদায়িকদের এক উদ্ভাবন যা তারা এক অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য তৈরি করেছে, এটিই ছিল তাদের অবস্থান। এর জন্য তারা আমাদের ইতিহাসের হিন্দু যুগকে কলঙ্কিত করেছে এবং আমরা দেখতে পাব যে তারা ইসলামি শাসনকে ধোলাই করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছে।''' তারা প্রাচীন ভারতের সামাজিক ব্যবস্থাকে শোষণের চরম উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং চরমপন্থী মতাদর্শগুলোকে সাম্যবাদী ও ন্যায়পরায়ণ হিসেবে তুলে ধরেছে।<br/>তারা আমাদের প্রাচীন সংস্কৃতিকে ছোট করে দেখিয়েছে এবং যেসব সমন্বিত উপাদান কোনোমতে টিকে ছিল সেগুলোকে অতিরঞ্জিত করে একটি আস্ত সংস্কৃতি হিসেবে প্রচার করেছে, যেটাকে তারা ‘সমন্বিত সংস্কৃতি’ বলে থাকে। কোন সংস্কৃতিটি আসলে সমন্বিত নয়? আর এই পুরোটা সময় তারা আমাদের মানুষের জীবনের সাধারণ উপাদানগুলো নিয়ে মূল তথ্যগুলো লুকানোর চেষ্টা করেছে: তারা লুকিয়েছে যে ইসলামি শাসক এবং উলেমাদের এক হাজার বছরের প্রবল চেষ্টার পরেও এই উপাদানগুলো টিকে ছিল, তারা লুকিয়েছে যে গত দেড়শ বছরের মিশনারি এবং ব্রিটিশ শাসকদের প্রচেষ্টার পরেও এগুলো বেঁচে ছিল। তারা প্রতিটি অংশকে উসকে দিয়ে তাদের আলাদা পরিচয় খুঁজে নিতে বাধ্য করার চেষ্টা করেছিল। সবচেয়ে বড় কথা হলো এই বুদ্ধিজীবীরা তাবলিগ জামাত এবং গির্জার মতো সংগঠনগুলোর বর্তমান কার্যক্রম থেকে মানুষের নজর পুরোপুরি সরিয়ে দিয়েছেন। এই সংগঠনগুলো তাদের অনুসারীদের তাদের হিন্দু প্রতিবেশীদের সাথে থাকা সব মিল এবং বিশ্বাস ত্যাগ করানোর জন্য সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করছে এবং প্রচুর সম্পদ ব্যয় করছে।<br/> এই বুদ্ধিজীবী এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকরা এক ভয়াবহ কৌশল নিয়েছেন: আমাদের দেশ ও মানুষের উদার ধর্ম এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ আধ্যাত্মিক সাধনাকে তারা অসহিষ্ণু, সংকীর্ণমনা ও অন্ধকারাচ্ছন্ন হিসেবে তুলে ধরেছেন; আর একপাক্ষিক এবং চরমপন্থী মতাদর্শগুলোকে ইসলাম, খ্রিস্টধর্ম এবং মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদ, তারা সহনশীলতা, উদারতা, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে প্রচার করেছেন! * আর একটি কথা: আরএসএসের কোনো প্রকাশনায় যদি আমার একটি সাক্ষাৎকারও ছাপা হয়, তবে সেটিই আমি সাম্প্রদায়িক হওয়ার প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়; কিন্তু এই প্রগতিশীলদের নীতি এতটাই শক্ত যে তারা নিজে কমিউনিস্ট পার্টির প্রকাশনায় নিজেদের নামে নিবন্ধ লিখলেও তাদের নিরপেক্ষতা বজায় থাকে! * আমরা যেমনটা দেখেছি, ১৯৮৯ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে নির্দেশিকা জারি করেছিল তার স্পষ্ট অংশ ছিল যে ভারতে ইসলামি শাসন নিয়ে কোনো নেতিবাচক কথা বলা যাবে না। যদিও সে সময়ের ইসলামি লেখকরা এই বিষয়গুলো নিয়েই আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন, তবুও মুসলিম শাসকদের মন্দির ধ্বংস করা, হিন্দুদের জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করা অথবা হিন্দু জনগোষ্ঠীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া অন্যান্য অসমর্থতা নিয়ে কোনো উল্লেখ থাকা চলবে না। ওই নির্দেশিকার সাথে যে অংশগুলো বাদ দিতে হবে তার একটি তালিকা এবং বদলে কী লিখতে হবে তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। যে অংশগুলো বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সেখানে সত্যকে বরং বেশ কমিয়েই বলা হয়েছিল। অন্যদিকে যেসব অংশ ঢোকানোর চেষ্টা করা হয়েছিল সেগুলো ছিল পুরোপুরি মিথ্যা: যেমন আলাউদ্দিন খিলজির মতো ইসলামি শাসকের অধীনে জিজিয়া কর দিয়ে হিন্দুরা নাকি স্বাভাবিক জীবন কাটাতে পারত! আজ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীনে যেসব পাঠ্যবই ব্যবহার করা হচ্ছে সেগুলো গভীরভাবে পড়লে বোঝা যায় যে এটি কেবল ইসলামি শাসনের নিষ্ঠুরতা মুছে ফেলার চেষ্টা নয়, বরং এর পেছনে অনেক গভীর ও ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে। * বাংলায় এই শিক্ষাবিদদের অবস্থান অবশ্যই সিপিআই(এম)-এর দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার ফলে মজবুত হয়েছে। কিন্তু তাদের প্রভাব কেবল ওই রাজ্যের শিক্ষা এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। তাই জাতীয় স্তরেও ছাত্রদের ওপর একই ধরণের মতাদর্শ চাপিয়ে দিতে দেখা যাচ্ছে। বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাশনের টান এতটাই শক্তিশালী এবং এই প্রভাবশালী চক্রটি একজন শিক্ষাবিদের ক্যারিয়ারের জন্য এতটাই মারাত্মক হতে পারে যে অনেক সময় ওই শিক্ষাবিদ তাদের তত্ত্ব এবং মতামতের সাথে একমত না হলেও শেষ পর্যন্ত সেগুলোই আওড়াতে থাকেন। না হলে এনসিইআরটির মতো প্রতিষ্ঠানগুলো তার পান্ডুলিপি পাঠ্যবই হিসেবে গ্রহণ করবে না অথবা সেটির কোনো পর্যালোচনাই হবে না.... * কারসাজিটা লক্ষ্য করুন। মন্দির মেরামত করা বৈধ! গ্রামে মন্দির তৈরি করা যেতে পারে! বাড়ির গোপনীয়তার মধ্যে মন্দির বানানো যেতে পারে! অর্থাৎ উদার নীতিই হলো নিয়ম যা কেবল যুদ্ধের সময় লঙ্ঘন করা হয়! আর ওই সময়ে যাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা হয় বা যাদের ধ্বংস করা হয় তারা তো আসলে ইসলামের শত্রু! শান্তির সময়, যা সাধারণত সবসময়ই থাকে, ওই নিয়মটিই বজায় থাকে—অর্থাৎ হিন্দুরা প্রকাশ্যে এবং আড়ম্বরের সাথেই তাদের ধর্ম পালন করে! এই দাবিগুলোর প্রতিটিই নির্লজ্জ মিথ্যা। কিন্তু এই ঐতিহাসিকরা যেহেতু প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বুদ্ধিবৃত্তিক শুদ্ধতার মানদণ্ড ঠিক করে দিয়েছেন, তাই যে কেউ এই মিথ্যাগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুললে তাকেই ভুল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এমনকি যদি সে সেই সময়ের বিখ্যাত ইসলামি ঐতিহাসিকদের লেখা উদ্ধৃত করেই প্রশ্ন তোলে, তবুও তাকেই দোষী করা হয়। * একবার যখন তারা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দখল করে নিল, একবার যখন তারা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কবজা করল এবং এর মাধ্যমে ঠিক করল কী পড়ানো হবে, কোন বইগুলো পাঠ্য হবে, কী প্রশ্ন করা হবে আর কোন উত্তরগুলো গ্রহণযোগ্য হবে, তখন এই ঐতিহাসিকরাই ইতিহাস আসলে কী ছিল তা নির্ধারণ করতে শুরু করলেন! যেহেতু তাদের বর্তমান রাজনীতি এবং সুবিধার জন্য হিন্দুধর্মকেও অসহিষ্ণু হিসেবে দেখানো প্রয়োজন, তাই তারা আম্বেদকরের বলা সেই কথাগুলো এড়িয়ে যাবেন যেখানে সে বৌদ্ধধর্মের ওপর ইসলামি আক্রমণের ভয়াবহ পরিণতির কথা বলেছিল। আম্বেদকর তার থটস অফ পাকিস্তান বইতে এই আক্রমণ এবং মুসলিম শাসন সম্পর্কে যা বলেছিল তা তারা পুরোপুরি চেপে যাবেন, কিন্তু তার করা ‘ব্রাহ্মণ্যবাদ’-এর নিন্দা এবং মৌর্যদের প্রতিষ্ঠিত বৌদ্ধ ভারতকে ব্রাহ্মণ শাসকরা পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করে শেষ করে দিয়েছে—এই ধরণের মতামতগুলো বারবার প্রচার করবেন।<br/>এভাবেই তারা তথ্য গোপন করেন, কিছু তথ্য বানিয়ে বলেন, এমনকি কোনো লেখক একটি বিষয়ে কী বলেছেন তা ধামাচাপা দিয়ে অন্য বিষয়ে তার বলা কথাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রচার করেন। আর যখনই কেউ আসলে কী ঘটেছিল তা তুলে ধরার চেষ্টা করে, তখনই তারা সমস্বরে চিৎকার শুরু করেন: ইতিহাস নতুন করে লেখার ষড়যন্ত্র চলছে, তারা চিৎকার করেন; ইতিহাস বিকৃত করার চক্রান্ত হচ্ছে, তারা চিৎকার করেন। '''কিন্তু তারাই প্রথম থেকে ইতিহাস বিকৃত করে আসছেন—সত্য গোপন করে এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে।''' * আর এই ঐতিহাসিকদের চতুরতা দেখুন। তারা দাবি করেন যে জাতীয় সংহতির স্বার্থে এই ধরণের তথ্য এবং ঘটনাগুলো ধামাচাপা দেওয়া উচিত: তারা বলেন এগুলো মনে রাখলে মুসলিমরা ক্ষুব্ধ হবে এবং হিন্দুদের মনে মুসলিমদের প্রতি ঘৃণা জন্মাবে। একই সাথে তারা হিন্দুরা বৌদ্ধ মন্দির ধ্বংস করেছে—এমন একটি গল্প বানিয়ে প্রচার করার ওপর জোর দেন। এই গল্প কি বৌদ্ধদের থেকে হিন্দুদের দূরে সরিয়ে দেবে না? বিশেষ করে যখন এর পেছনে তথ্যের কোনো লেশমাত্র নেই, তখন এমন কাহিনী কি হিন্দুদের মন বিষিয়ে দেবে না? * একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—আর্য-দ্রাবিড় বিভাজন, ইসলামি আক্রমণের প্রকৃতি, ইসলামি শাসনের ধরণ, স্বাধীনতা সংগ্রামের চরিত্র—প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা এই বৈশিষ্ট্যটি দেখতে পাই: সত্য গোপন করা এবং মিথ্যা প্রচার করা। গত ত্রিশ বছরের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে এটিই সবচেয়ে বড় কেলেঙ্কারি। এই বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের পক্ষে এটি করা সম্ভব হয়েছে কারণ তারা আইসিএইচআর-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ পেয়েছিলেন। এই মিথ্যা দূর করতে হলে ওই নিয়ন্ত্রণও দূর করতে হবে। * এবং এভাবেই—অন্য ধর্মের পবিত্র মন্দিরের ধ্বংসস্তূপের মাঝে এবং অন্য ধর্মের শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিদের লাশের স্তূপের মাঝে। তা সত্ত্বেও আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের কাছে এটি হলো উদার সহনশীলতার নীতি! সম্পূর্ণ ধর্মনিরপেক্ষ অনুপ্রেরণায় পরিচালিত একটি সহনশীলতার নীতি! * কিন্তু এখানে ভারতে আগের বুলি এবং বিভাগগুলোর সাধারণ আবৃত্তিই যথেষ্ট ছিল। তাই এই বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের ইতিহাস রচনার বৈশিষ্ট্য কেবল তাদের প্রভুদের প্রতি আনুগত্যই নয়, বরং এটি তাদের এক ধরণের সরলমনস্কতা!<br/>তবে আরও একটি বিষয় আছে। ইসলামি শাসনকে ধোয়া-মোছা করাই এই ঐতিহাসিকদের কাজের একমাত্র বৈশিষ্ট্য নয়। এর সাথে যোগ হয়েছে দেশের প্রাক-ইসলামি যুগ এবং ঐতিহ্যের প্রতি এক প্রবল ঘৃণা। বছরের পর বছর ধরে সোভিয়েত এনসাইক্লোপিডিয়াগুলোতে ভারত সম্পর্কে তথ্যগুলো ধীরে ধীরে নমনীয় হয়েছে। তারা খুব দ্বিধার সাথে হলেও স্বীকার করতে শুরু করেছিল যে চীন এবং ভারতের মতো দেশগুলোর ক্ষেত্রে পুরনো বিভাগগুলো হয়তো কিছুটা বদলে নিতে হতে পারে। তারা স্বীকার করতে শুরু করেছিল যে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পর্যায় একে অপরের সাথে মিশে থেকেছে। আর হয়তো কেবল কূটনৈতিক কারণেই তারা আরও বেশি সতর্ক হয়েছিল—আমাদের ঐতিহ্যকে কলঙ্কিত করা এড়িয়ে গিয়েছিল।<br/>সোভিয়েতদের দুই খন্ডের বই এ হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়াতে আমরা ভারতের ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায় নিয়ে কমবেশি একই ধরণের বর্ণনা পাই যা আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের বইতেও আছে। কিন্তু সোভিয়েতদের বইতে সেই ঘৃণা এবং বিদ্বেষের কোনো চিহ্ন নেই যা আমরা আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের বইতে দেখতে পাই। * তাই দুটি বিষয় মনে রাখতে হবে। প্রথমত, আমাদের বন্ধুরা কেবল মার্ক্সবাদী নন, তারা মেকলের অনুসারীও। দ্বিতীয়ত, তারা এক বিশেষ ধরণের মার্ক্সবাদী। তারা সেই অর্থে মার্ক্সবাদী যে তারা নিজেদের মার্ক্সবাদী মনে করেন এবং বারবার গুটিকয়েক মার্ক্সবাদী বুলি আওড়াতে থাকেন। কিন্তু মার্ক্সবাদী ঐতিহাসিক হওয়ার চেয়ে তারা আসলে শাসনব্যবস্থার অনুগত ঐতিহাসিক ছিলেন। তাদের তত্ত্ব এবং মতামত কেবল মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদের মূল বইগুলোর সাথেই মেলেনি, বরং তা কংগ্রেসী শাসকদের আদর্শ এবং প্রয়োজনের সাথেও মিলে গিয়েছে। * বর্ণ বাস্তব। শ্রমিক শ্রেণি বাস্তব। নাগা হওয়া বাস্তব। '''কিন্তু ভারত কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ!''' একইভাবে মুসলিম হওয়া অবশ্যই বাস্তব—ইসলামকে গ্রানাইট পাথরের মতো একটি অভিন্ন ব্লক হিসেবে দেখতে হবে এবং কথা বলতে হবে—... '''কিন্তু হিন্দুধর্ম? কেন, এমন তো কিছু নেই: এটি কেবল কিছু বিচ্ছিন্ন বিশ্বাস এবং আচারের সমষ্টি'''—... '''আর যে কেউ এর উল্টো কিছু দাবি করে, তাকেই এক ঐক্য চাপিয়ে দেওয়া অথবা অভিন্নতা তৈরি করার চেষ্টাকারী হিসেবে ফ্যাসিবাদী তকমা দেওয়া হয়।''' আমাদের প্রগতিশীল চিন্তাবিদরাই এগুলো বলে আসছেন। এক কথায়, কেবল খন্ডিত অংশগুলোই বাস্তব। আর পুরোটা কেবল একটি তৈরি করা ধারণা। এই চিন্তাবিদরা জোর দিয়ে বলেন যে ভারত কখনোই এক ছিল না—সাম্রাজ্য শাসনের উদ্দেশ্যে আর্যরা, মুঘলরা এবং ব্রিটিশরা বিভিন্ন মানুষ ও অঞ্চলকে একসাথে জুড়ে দিয়েছিল। যে কেউ সেই ধারণাকে—অর্থাৎ ভারতকে—আমরা কোন কাঠামোর অধীনে বাস করব তার মাপকাঠি হিসেবে ব্যবহার করতে চায়, তাকেই হিন্দু আধিপত্য কায়েম করার গোপন পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। * এটি এক অর্থে মেকলে-মিশনারি কৌশলেরই ধারাবাহিকতা এবং চূড়ান্ত রূপ। ব্রিটিশরা হিসাব কষে দেখেছিল যে ভারতকে জয় করতে এবং দখলে রাখতে হলে এদেশের মানুষের মূল ভিত্তিটাই দুর্বল করে দিতে হবে: আর তা হলো হিন্দুধর্ম এবং যা কিছু এর থেকে সৃষ্টি হয়েছে। তাই তারা খুব জেদ নিয়েই পাঁচটি বিষয়ের প্রতি মানুষের বিশ্বাস এবং শ্রদ্ধা নষ্ট করতে নেমেছিল: হিন্দুরা যেসব দেব-দেবীর পূজা করে; যেসব মন্দির ও মূর্তিতে তাদের অধিষ্ঠান; তাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থগুলো; যেসব ভাষায় সেই ধর্মগ্রন্থ এবং ঐতিহ্যের সবকিছু সংরক্ষিত—অর্থাৎ সংস্কৃত; এবং সেই গোষ্ঠী যাদের বিশেষ দায়িত্ব ছিল হাজার বছর ধরে এই জীবনধারাকে রক্ষা করা—অর্থাৎ ব্রাহ্মণরা। একই কৌশলের অন্য অংশটি ছিল খন্ডিত অংশগুলোকে উসকে দেওয়া—অহিন্দুরা, আঞ্চলিক ভাষাগুলো এবং সেই বর্ণ ও গোষ্ঠীগুলো যাদের সহজেই মিশনারি এবং সাম্রাজ্যের পথে আনা যাবে—যেমন সহজ-সরল উপজাতি এবং অস্পৃশ্যরা। * পরিস্থিতিটা এখন এইরকম: গত আধ শতাব্দী ধরে ভারতে যারা জনপরিসরের আলোচনায় আধিপত্য বিস্তার করেছে, নিয়ন্ত্রণ করেছে এবং অন্যদের আতঙ্কিত করে রেখেছে, তাদের হাতে এখন কোনো তথ্য বা যুক্তি অবশিষ্ট নেই। যারা তাদের ‘অভ্যন্তরীণ আলোচনার’ খবর রাখেন তারা এটি দেখতে পাবেন—তারা ক্রমশ আরও ছোট গণ্ডির মধ্যে কথা বলছেন; আর এই সংকুচিত হতে থাকা গণ্ডিতে তারা স্রেফ পুরনো বুলি আউড়ে যাচ্ছেন, সেখানে নতুন কোনো চিন্তা বা নতুন কোনো তথ্য নেই। আর আমরা যেমনটা দেখেছি, এটি আগে থেকেই ধারণা করা যায়: তাত্ত্বিক বুলিগুলোর পুনরাবৃত্তি করাই তাদের জন্য কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং যথেষ্ট। * ‘আমি নিজেই আপনার বইটির পর্যালোচনা করতে চাই,’ ওরশিপিং ফলস গডস সম্পর্কে আমাদের একটি প্রধান সংবাদপত্রের সম্পাদক বলেছিলেন। ‘কিন্তু আমি যদি এর প্রশংসা করি, তবে তারা আমার পেছনেও লাগবে। আমাকেও সাম্প্রদায়িক, উচ্চবর্ণের লোক—এইসব বলা হবে।’ ‘অসাধারণ অরুণ, এটা সত্যিই চমৎকার ছিল,’ একজন শীর্ষস্থানীয় ভাষ্যকার বলেছিলেন যিনি ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে একটি পর্যালোচনা লিখেছিলেন। ‘কিন্তু আপনি তো বোঝেনই, আমি ছাপার অক্ষরে এই সবকিছু বলতে পারিনি। তবে এটি সত্যিই অসাধারণ। আপনি এত পরিশ্রম করেন কীভাবে?’ এমনকি পর্যালোচক নির্বাচনের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যায়। কোনো বামপন্থীর লেখা বই হলে সম্পাদকরা ভিন্ন মতাদর্শের কাউকে সেটি দিতে দ্বিধা করেন: ‘তারা বলবে আমি ইচ্ছা করে একজন ডানপন্থীকে এটি দিয়েছি,’ সম্পাদকরা সম্ভবত এভাবেই ব্যাখ্যা দেন। অন্যদিকে, তারা যাকে ডানপন্থী বলে ঠিক করে রেখেছেন তেমন কারো বই হলে, তারা অন্য কোনো ব্র্যান্ডেড ডানপন্থীকে সেটি দিতে ভয় পান: ‘তারা আমাকে দোষ দেবে যে আমি ইচ্ছা করে এমন একজনকে বইটি দিয়েছি যে এর প্রশংসা করবেই,’ তারা অভিযোগের সুরে বলবেন। তাই এই ধরনের ক্ষেত্রে তারা ইচ্ছা করে বইটি এমন কাউকে দেন যে ‘এর নিন্দা করবেই’! * এছাড়াও আমাদের শেখানো হয় যে, আওরঙ্গজেবের মতো কেউ যখন মন্দির ধ্বংস করেন, তখন কী ঘটেছিল এবং কেন ঘটেছিল তা আন্দাজ করার ক্ষেত্রে আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে... আমাদের শেখানো হয় যে, দিল্লির কুওয়াত-উল-ইসলাম মসজিদের মতো প্রাথমিক স্মৃতিস্তম্ভগুলো নাকি ‘খুব দ্রুত’ তৈরি করতে হয়েছিল... এটি কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য! আর সেই ধর্মের কী হবে যা দাবি করে যে ধর্মীয় বিশ্বাসই সব এবং রাজনীতিকে ধর্ম থেকে আলাদা করা যায় না? আর এর নাম: কুওয়াত-উল-ইসলাম মসজিদ, মানে ইসলামের শক্তির মসজিদ? অবশ্যই ধরে নিতে হবে এটি স্রেফ নামমাত্র! আর লক্ষ্য করুন: ‘সহজলভ্য উপকরণগুলো সংগ্রহ করে যুক্ত করা হয়েছিল’, সেগুলো ‘স্পষ্টতই হিন্দু উৎস থেকে এসেছিল’—হয়তো সেই উপকরণগুলো এমনিই পড়ে ছিল; হয়তো মন্দিরগুলো আগেই নিজে নিজে ভেঙে পড়েছিল; হয়তো হিন্দুরা স্বেচ্ছায় তাদের মন্দির ভেঙে সেই উপকরণগুলো দান করেছিল? তাই নয় কি? সর্বোপরি তারা যে তা করেনি তার তো কোনো প্রমাণ নেই! আর তাই ‘লুণ্ঠিত’ শব্দটি বারবার উদ্ধৃতি চিহ্নের মধ্যে রাখা হয়! <br/> প্রকৃতপক্ষে আরও অনেক কিছু আছে। ইসলামি মসজিদ তৈরির জন্য হিন্দু মন্দিরের এই উপকরণগুলোর ব্যবহার নাকি ‘স্থানীয় কারিগরদের স্থাপত্যগত সংজ্ঞা ও খাপ খাইয়ে নেওয়ার একটি প্রক্রিয়ার অংশ ছিল, যা ইসলামি ব্যবহারের জন্য দক্ষিণ এশীয় স্থাপত্যের পরবর্তী উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য ছিল’। এর ফলে মূল দায়ভার গিয়ে পড়ে সেই ‘স্থানীয় কারিগর’ এবং তাদের ‘খাপ খাইয়ে নেওয়ার’ ওপর। ফলে কুতুব মিনার চত্বরের বৈশিষ্ট্যগুলো ‘স্থপতি এবং খোদাইকারদের একটি নতুন কর্মসূচির প্রতি সৃজনশীল প্রতিক্রিয়া’ হিসেবে তুলে ধরা হয়। একটি মসজিদ যেখানে স্পষ্টভাবে হিন্দু মন্দিরের স্তম্ভসহ অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে এবং যেখানে নির্দ্বিধায় ‘কেন্দ্রীয় গম্বুজের কাঠামোয় হিন্দু দেবতাদের খোদাই করা একটি লিন্টেল বা পাথরের কড়িকাঠ এমনভাবে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে ছবিগুলো দেয়ালের ভেতরের দিকে থাকে’, সেটি নাকি ‘কোনো নিয়ম ঠিক করার জন্য’ করা হয়নি। ‘বরং এটি স্থাপত্য, সজ্জা এবং সংশ্লেষণের ক্ষেত্রে সহযোগিতামূলক ও সৃজনশীল সম্ভাবনার দ্রুত অন্বেষণের উদাহরণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।’ এর বিপরীত সিদ্ধান্তগুলো নাকি ছিল ‘ভুল মূল্যায়ন’। আমরা নাকি ‘উদ্ধার করা অংশ’ দেখার ভুল করছি—কী চমৎকার একটি শব্দ, ‘উদ্ধার করা’: ওই অংশগুলো মন্দির ভেঙে পাওয়া যায়নি; সেগুলো ধ্বংসাবশেষ হিসেবে পড়ে ছিল এবং সময়ের সাথে সাথে নষ্ট হয়ে যেত; তার বদলে সেগুলোকে ‘উদ্ধার করা’ হয়েছে এবং নতুন পবিত্র ইমারতের অংশ হওয়ার মর্যাদা দেওয়া হয়েছে—‘উদ্ধার করা অংশ দেখার বদলে সেখানে সুস্থ সহযোগিতামূলক সৃজনশীলতা নতুন রূপ তৈরি করছে’। * তবুও এই সবকিছুর কোনোটিই আকস্মিক নয়। আমরা এই বইতে যেসব পাঠ্য পর্যালোচনা করেছি সেখানে দেখা যায়, এটি একটি নির্দিষ্ট ধারার অংশ। দেখা যায় ভারত নাকি একটি অতি সাম্প্রতিক ধারণা। এটি নাকি কোনো দেশ বা জাতি নয়। হিন্দুধর্ম একটি উদ্ভাবন হিসেবে প্রকাশ পায়—শব্দটি শুনে অবাক হলেন? কয়েক পৃষ্ঠা পড়লেই আর হবেন না—উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে ব্রিটিশদের তৈরি এক উদ্ভাবন। একই সাথে এটি নাকি সবসময়ই সহজাতভাবে অসহিষ্ণু। প্রাক-ইসলামি ভারত ছিল অন্যায় এবং শোষণের আখড়া। ইসলামি শাসন শোষিতদের মুক্তি দিয়েছিল। এই সময়েই ভারতের গঙ্গা-যমুনা সংস্কৃতি তথা ‘সমন্বিত সংস্কৃতি’ গড়ে উঠেছিল, যার প্রধান প্রবক্তা ছিলেন আমির খসরু এবং সুফি সাধকরা ছিলেন এর উৎস। এমনকি সেই সময়েও জাতীয়তাবোধ তৈরি হয়নি। এটি কেবল ব্রিটিশ শাসনের প্রতিক্রিয়ায় এবং পশ্চিম থেকে আসা চিন্তাভাবনার ফলে তৈরি হয়েছে। কিন্তু এটিও—অর্থাৎ দেশ বা জাতি হওয়ার বোধ যতটুকু ছিল—তা কেবল ভারতের উচ্চবিত্তদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কমিউনিস্টরাই সাধারণ মানুষকে সচেতন করেছে এবং তাদের মধ্যে এই ধারণাগুলো ছড়িয়ে দিয়েছে। <br/> এক কথায়, ভারত বাস্তব নয়—কেবল এর অংশগুলোই বাস্তব। শ্রেণি বাস্তব। ধর্ম বাস্তব—আমাদের ধর্মের সাধারণ এবং বিশেষ সূত্রগুলো নয়, বরং ধর্মের সেই দিকগুলো যা আমাদের বিভক্ত করে এবং নিশ্চিত করে যে আমরা একটি জাতি বা দেশ নই, সেই উপাদানগুলোই বাস্তব। বর্ণ বাস্তব। অঞ্চল বাস্তব। ভাষা বাস্তব—আসলে এটি ভুল: যুক্তি হলো সংস্কৃত ছাড়া অন্য ভাষাগুলো বাস্তব; সংস্কৃত মৃত এবং বিলুপ্ত; যাই হোক, হোরেশ উইলসন হাউস অফ কমন্স সিলেক্ট কমিটিতে যেমন বলেছিলেন যে এটিই দেশের অন্যান্য ভাষার ভিত্তি এবং জীবন্ত ভিত্তি ছিল, তা সত্ত্বেও একে উচ্চবিত্তদের সংরক্ষিত এলাকা এবং আধিপত্য ও শোষণের হাতিয়ার হিসেবে দেখানো হয়েছে; এটি নাকি অসহায় জনসাধারণের মধ্যে মিথ্যা চেতনা টিকিয়ে রাখার একটি মাধ্যম ছিল। * পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ ১৯৮৯ সালে নির্দেশ জারি করেছিল যে ‘মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না।’ * অযোধ্যায় তাদের প্রতারণামূলক ভূমিকা—যা শেষ পর্যন্ত অন্য কারো চেয়ে তাদের মক্কেলদেরই বেশি ক্ষতি করেছে—তা ছিল কেবল একটি লক্ষণ মাত্র। পঞ্চাশ বছর ধরে এই দলটি তথ্য গোপন করছে এবং মিথ্যা উদ্ভাবন করছে। আইসিএইচআর-এর সেই উদ্দেশ্য—আমাদের অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ এবং যৌক্তিক গবেষণার প্রসার ঘটানো—সেটি নিয়ে আজ তারা কতই না চিন্তিত হওয়ার ভান করছে! তাদের এই উদ্বেগ কীভাবে ১৯৮৯ সালে তাদের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া নির্দেশিকার সাথে মেলে যা আউটলুক নিজেই উদ্ধৃত করেছিল—‘মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না?’ কিন্তু বৌদ্ধ বিহার ধ্বংসের পাইকারি মিথ্যাচার এবং অস্তিত্বহীন ‘আর্য আক্রমণ’ সম্পর্কে তাদের তথ্যগুলো অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক—এগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলা মানেই হলো সাম্প্রদায়িক বা উগ্র জাতীয়তাবাদী হওয়া! আইসিএইচআরের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করা যথেষ্ট খারাপ ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটি ছিল একটি কৌশল মাত্র। এই ‘ঐতিহাসিকদের’ প্রধান অপরাধ হলো এই পক্ষপাতিত্ব: সত্য গোপন করা এবং মিথ্যা প্রচার করা। * সংবাদমাধ্যম তাদের প্রচেষ্টার এবং এই ক্ষেত্রে তাদের অর্জিত দক্ষতার একটি তৈরি উদাহরণ। তারা তাদের সদস্য এবং সমর্থকদের সাংবাদিকতায় নিয়ে আসার জন্য যত্ন নিয়েছেন। আর সাংবাদিকতার মধ্যে তারা ক্ষুদ্র গণ্ডিগুলোতেও মনোযোগ দিয়েছেন। বইয়ের কথাই ধরুন। তাদের কারো একটি বই কোনো পত্রিকায় পৌঁছানোর সাথে সাথেই সেটি পর্যালোচনার জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত ব্যক্তিদের নামের পরামর্শ চলে আসে। আমি যেমনটা বলেছি, যে সম্পাদক আপত্তি করেন এবং বইটি ভিন্ন মতাদর্শের কারো কাছে পাঠাতে চান তাকে দোষী মনে করানো হয়, যেন তিনি ইচ্ছা করে একটি পক্ষপাতদুষ্ট ও নেতিবাচক পর্যালোচনা নিশ্চিত করছেন। তাদের তালিকা থেকে কাউকে বেছে নেওয়া যে একটি পক্ষপাতদুষ্ট প্রশংসা নিশ্চিত করতে পারে, তা নিয়ে কোনো কথা বলা হয় না। প্রচলিত জনমতের চাপ এতটাই বেশি এবং সম্পাদকরা এড়ানো সম্ভব এমন ঝামেলা এড়াতে এতটাই উদগ্রীব যে, তারা দ্রুত প্রস্তাবিত নামগুলোর মধ্যে একজনকে বেছে নেন... <br/> গত পঞ্চাশ বছর ধরে সংবাদপত্র ও সাময়িকীর বইয়ের পাতাগুলো লক্ষ্য করলেই আপনি দেখতে পাবেন যে এই সাধারণ কৌশলটি কত বড় প্রভাব ফেলেছে। প্রকাশনা সংস্থাগুলোতে তাদের লোকজন গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে ছিল: আর তাই তাদের ধরণের বইগুলোই প্রকাশিত হতো। এরপর তারা একে অপরের বই পর্যালোচনা করত এবং পাঠ্য হিসেবে নির্দিষ্ট করত। এই সব প্রকাশনা এবং পর্যালোচনার ভিত্তিতে তারা একে অপরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং এ জাতীয় জায়গায় পদ পাইয়ে দিতে সক্ষম হতো... এমনকি যেসব প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব সম্পর্কে আমাদের বেশিরভাগের কোনো ধারণাই নেই, সেগুলোকেও ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। আমাদের মধ্যে কতজন সরকারের এমন একটি সংস্থার কথা জানেন যা সরকারি এবং অন্যান্য লাইব্রেরির জন্য পাইকারি বই কেনা নির্ধারণ করে? কিন্তু তারা জানে! তাই আপনি যদি লক্ষ্য করেন যে এই সংস্থাটি বছরের পর বছর ধরে কোন ধরণের বইয়ের অর্ডার দিচ্ছে, তবে আপনি সেগুলোকে প্রায় একচেটিয়াভাবে লাল এবং গোলাপি ঘরানারই পাবেন... <br/> এভাবে তাদের বইগুলো প্রকাশের জন্য নির্বাচিত হয়। তারা একে অপরের বই পর্যালোচনা করে। এর মাধ্যমে সুনাম তৈরি হয়। এর মাধ্যমে পদ দখল করা হয়। ছাত্রদের একটি নতুন প্রজন্ম একই চশমা পরে বড় হয়—আর এর অর্থ হলো সংবাদমাধ্যমে আরও একটি প্রজন্মের তৈরি হওয়া, আমলাতন্ত্রের আরও একটি প্রজন্ম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আরও একটি প্রজন্ম... * আমাদের উচিত দালাই লামার উদাহরণটি সামনে রাখা। তিনি ধ্যানের ওপর একটি তিব্বতি গ্রন্থের ওপর বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি একটি বাক্য পড়লেন, হাসলেন এবং মন্তব্য করলেন, ‘সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বগুলো লজ্জাজনক! এগুলো ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত!’ তিনি পরামর্শ দেন যে আমাদের কাছে সবসময় একটি ঝুড়ি রাখা উচিত—যা কিছু আমাদের বর্তমান জ্ঞানের সাথে মেলে না, সেগুলো সেই ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া উচিত। ‘বৌদ্ধধর্মকে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে,’ তিনি এটাই শেখান। সেই অনুযায়ী তিনি বৌদ্ধ গ্রন্থগুলোকে সূক্ষ্ম পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করেছেন। (...) এটি নিজের ঐতিহ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসকেই তুলে ধরে। এটিই হলো ঐতিহ্যের প্রকৃত সেবা। এতে থাকা ‘অমূল্য রত্ন’ ভবিষ্যতের জন্য রক্ষা করার উপায় এটিই। * কিন্তু আজ বৌদ্ধধর্মের বিলুপ্তির কারণ হিসেবে হিন্দুদের দ্বারা বৌদ্ধদের ওপর নির্যাতন এবং হিন্দুদের দ্বারা তাদের মন্দির ধ্বংসের কথা বলাটা একটি ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। একটি বিষয় হলো, যেসব মার্ক্সবাদী ঐতিহাসিক এই মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছেন তারা এই মনগড়া কাহিনী প্রমাণ করার জন্য সামান্যতম তথ্যও হাজির করতে পারেননি। একটি সাধারণ উদাহরণে রোমিলা থাপার তিনটি শিলালিপি উদ্ধৃত করেছিলেন। নিরলস কর্মী [[সীতরাম গোয়েল]] সেগুলো পরীক্ষা করে দেখেন। এর মধ্যে দুটির সাথে বৌদ্ধ বিহার বা সেগুলো ধ্বংসের কোনো সম্পর্কই পাওয়া যায়নি এবং যেটিতে একটি বস্তু ধ্বংসের কথা ছিল, সেটি বিশেষজ্ঞদের মতে ছিল একটি জাল শিলালিপি; যাই হোক না কেন, সেখানে যা বলা ছিল তা ওই ঐতিহাসিকের ইঙ্গিতের চেয়ে দিন আর রাতের মতো আলাদা ছিল। * সংলগ্ন পৃষ্ঠাগুলোতে দুটি কলাম আছে: অশুদ্ধ এবং শুদ্ধ। প্রগতিশীলরা ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে তাদের ‘বস্তুনিষ্ঠ’ এবং ‘যৌক্তিক’ পদ্ধতির মাধ্যমে কী অর্জন করার চেষ্টা করছেন তা এই পরিবর্তনগুলোর দিকে চোখ বুলালেই বোঝা যায়। * এভাবে কেবল সত্য গোপনই নয়, বরং আজেবাজে কথা প্রচারও করা হচ্ছে। ;বইটি সম্পর্কে * ‘বাম-উদারপন্থী’ বা ‘প্রগতিশীল’ ঐতিহাসিকদের প্রথম বড় সমালোচনা করেছিলেন অরুণ শৌরি, বিশেষ করে তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা আইসিএইচআর-এর অবস্থা নিয়ে। ** ডি. কে. চক্রবর্তী, ন্যাশনালিজম ইন দ্য স্টাডি অফ এনশিয়েন্ট ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি (আরিয়ান বুকস ইন্টারন্যাশনাল, দিল্লি)।[https://koenraadelst.blogspot.com/2021/02/a-case-of-good-nationalism-dk.html] * "বিশিষ্ট ঐতিহাসিকগণ" হলো সেই শব্দ যা দিয়ে তারা একে অপরকে ডাকে এবং তাদের ভক্তরা তাদের এই নামেই ডাকে। যখন কোনো প্রতিপক্ষের যুক্তির উত্তর তাদের কাছে থাকে না, তখন তারা তাকে যথেষ্ট ‘বিশিষ্ট’ নয় বলে দম্ভের সাথে উড়িয়ে দেয়। তাই অরুণ শৌরি যখন এই খাতের কিছু অপব্যবহার নিয়ে লিখেছিলেন, তখন তিনি তার বইয়ের নাম দিয়েছিলেন এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস। এটি ঔপনিবেশিক যুগের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে লেখা একটি পুরনো বই এমিনেন্ট ভিক্টোরিয়ানসের নাম নিয়ে করা একটি শব্দকৌতুকও বটে। ** এলস্ট, কে. [https://koenraadelst.blogspot.com/2016/05/interview-in-monthly-swarajya.html সাক্ষাৎকার, স্বরাজ্য, মে ২০১৬)] ===২০০০-এর দশক=== ==== ''হারভেস্টিং আওয়ার সোলস: মিশনারিস, দেয়ার ডিজাইন, দেয়ার ক্লেইমস'' (২০০০) ==== * আপনি যদি ১৯৯৮ সালের শেষ এবং ১৯৯৯ সালের শুরুর দিকে ভারতে থাকতেন এবং ইংরেজি মাধ্যমের "জাতীয়" সংবাদপত্রগুলো যদি আপনার খবরের উৎস হতো, তবে আপনি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতেন যে একটি ব্যাপক এবং সুসংগঠিত গণহত্যা চলছে; উন্মত্ত হিন্দু গোষ্ঠীগুলো ঘুরে ঘুরে সন্ন্যাসিনীদের ধর্ষণ করছে, মিশনারিদের ওপর আক্রমণ করছে এবং গির্জা পুড়িয়ে দিচ্ছে। (পৃষ্ঠা ৭) * শেষ পর্যন্ত দেখা গেল যে সত্যিই একটি চক্রান্ত ছিল এবং সেটি ছিল একটি সাম্প্রদায়িক চক্রান্ত। পুরো বিষয়টিই ছিল একটি সাজানো গল্প—তাদের দ্বারা যাদের লক্ষ্য হলো হিন্দুদের উন্মত্ত সাম্প্রদায়িক হিসেবে চিত্রিত করা এবং আরএসএস, বিজেপি ইত্যাদিকে এমন এক সংগঠন হিসেবে তুলে ধরা যারা একটি "গণহত্যা" পরিচালনা করছে। জাস্টিস ওয়াধওয়া নথিবদ্ধ করেছেন, "তদন্তে প্রকাশ পেয়েছে যে সিস্টার মেরি এফআইআরে যা বলেছিলেন তা সত্য ছিল না। এটি একটি বানানো গল্প ছিল। তদন্তে দেখা গেছে যে বাস্তবে সিস্টার মেরির সাথে কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি... পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল বি.বি. পান্ডা জানিয়েছেন যে 'সন্ন্যাসিনী ধর্ষণ'-এর ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে এমনভাবে প্রচার করা হয়েছিল যেন এটি খ্রিস্টানদের ওপর একটি আক্রমণ, যদিও বাস্তবে তা সত্য ছিল না এবং মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।" (৯-১০) * ঘটনাগুলোর সত্যতা এবং সেগুলোকে যেভাবে তুলে ধরা হয়েছিল তার মধ্যেকার এই পার্থক্য আমাদের সংবাদপত্র এবং টিভি চ্যানেলগুলোকে সতর্ক করা উচিত যেন তারা তথ্য যাচাই না করে হুট করে কোনো খবর প্রচার না করে। বিশেষ করে, তাদের কেবল সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানো ব্যক্তিদের অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে চলা উচিত নয়। (১৩) * অর্থ থেকে শুরু করে আদর্শ কিংবা অতি নিম্নমানের রাজনীতি—মিথ্যা অপবাদ তৈরির পেছনে বিভিন্ন গোষ্ঠীর বিভিন্ন কারণ থাকে। এদের মধ্যে অনেকগুলো খুব সুসংগঠিত; এমনকি আমরা দেখতে পাব যে কারো কারো বিশ্বজুড়ে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক আছে। তারা অত্যাচারের গল্প তৈরিতে এবং সেগুলো বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিতে অত্যন্ত দক্ষ হয়ে উঠেছে এবং তাদের এই উদ্ভাবনগুলোকে লাভজনক কাজে ব্যবহার করছে। (১৩) * হিন্দু নারীদের মধ্যে কাজ করাকে উচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে, তারা বলেন, "যেহেতু তারা এই ধর্মের রক্ষক"... (৬২) ==== ''সেল্ফ-ডিসিপশন: ইন্ডিয়াস চায়না পলিসিস; অরিজিনস, প্রিমিসেস, লেসনস'' (২০০৮) ==== :অরুণ শৌরি - সেল্ফ-ডিসিপশন: ইন্ডিয়াস চায়না পলিসিস; অরিজিনস, প্রিমিসেস, লেসনস-হার্পার কলিন্স (২০০৮, ২০১৩) * ২০০৮ সালের বেইজিং অলিম্পিকের ঠিক আগের মাসগুলোতে লাসায় তিব্বতিদের বিক্ষোভ দমনে চীন সরকার যে নির্মমতা—তাদের চিরকালীন স্বভাবসিদ্ধ নির্মমতা—দেখিয়েছিল, তা আবারও সেই বিশাল অপরাধের দিকে বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছিল যা পৃথিবী দেখতে অস্বীকার করেছে। তারা পরিকল্পিতভাবে একটি আস্ত জাতিকে তাদের নিজেদের মাটিতেই সংখ্যালঘু বানিয়ে ফেলেছে; তাদের ওপর অকথ্য নিষ্ঠুরতা চালানো হচ্ছে; একইভাবে পরিকল্পিতভাবে তাদের ধর্ম এবং প্রাচীন সভ্যতা মুছে ফেলা হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন শহরের তিব্বতিরা যে বিক্ষোভ করেছে এবং তাদের সাথে ওই দেশগুলোর বহু সাধারণ মানুষ যেভাবে যোগ দিয়েছে, তার ফলও একই হয়েছে।<br>দিল্লিতে মনমোহন সিং সরকার যা করেছিল তেমনটি বিশ্বের অন্য কোনো সরকার করেনি। আমাদের সরকার যতটা ভীরু এবং আতঙ্কিত হয়ে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল, তেমনটি আর কেউ দেখায়নি। অলিম্পিক মশাল মাত্র দুই কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়ার কথা ছিল—বিজয় চক থেকে ইন্ডিয়া গেট পর্যন্ত। সরকার সেই সামান্য রাস্তার ওপর এবং তার চারপাশে বিশ হাজারেরও বেশি সৈন্য, আধাসামরিক বাহিনী, পুলিশ এবং সাধারণ পোশাকে গোয়েন্দা মোতায়েন করেছিল। তিব্বতি শরণার্থীদের মারধর করা হয়েছিল এবং বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল। সরকারি অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। রাস্তাঘাট বন্ধ ছিল। মেট্রো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এমনকি পার্লামেন্ট সদস্যদেরও পার্লামেন্ট সংলগ্ন চত্বর বিজয় চক দিয়ে তাদের বাড়িতে যেতে বাধা দেওয়া হয়েছিল।<br>আপনার কি মনে হয় অলিম্পিকের প্রতি ভালোবাসার কারণে এই সবকিছু করা হয়েছিল?<br>না, এসব করা হয়েছিল চীনের ভয়ে। * ‘দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি’ এবং ‘বৃহত্তর বিবেচনা’—এই শব্দগুলো পণ্ডিতজির খুব পছন্দের ছিল। যখনই সে প্রথম শব্দটি ব্যবহার করত, আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন যে সে আসলে পিছু হটার জন্য ক্ষেত্র তৈরি করছে। আর যখনই সে দ্বিতীয় শব্দটি ব্যবহার করত, আপনি নিশ্চিত হতে পারেন যে সে নির্দিষ্টভাবে দেশের স্বার্থ বিসর্জন দেওয়ার জন্য ক্ষেত্র তৈরি করছে। * মনে করে দেখুন, সে তিব্বতিদের কী বলেছিল—ভারত কূটনৈতিকভাবে সাহায্য করবে। এখন সেই সাহায্যের মানে দাঁড়াল এই যে, চীন যখন তিব্বতকে পিষে ফেলছে তখন ভারত চীনকে খুশি রাখবে, যাতে তারা তিব্বতকে আরও দ্রুত পিষে ফেলতে না পারে। * এই ধরণের যুক্তি থেকে যে প্রায়োগিক সিদ্ধান্ত বের হয় তা আমরা দেখতে পাই। যেহেতু মূল অগ্রগতি এখন থমকে গেছে, তাই আমাদের কিছু করার নেই। যখন মূল অগ্রগতি আবার শুরু হবে, তখন পুরো চিত্রটি পরিষ্কার হবে না। যখন তা সম্পন্ন হবে এবং জায়গাটি পুরোপুরি দখল হয়ে যাবে, তখনও আমাদের কিছু করার থাকবে না কারণ ততক্ষণে জায়গাটি দখল হয়ে গেছে। আমাদের কিছু করা বা বলা কেবল দখলদারদের রাগিয়ে দেবে এবং এর ফলে বেচারা তিব্বতিদের আরও বেশি কষ্ট হবে! * অর্থাৎ সে অনেক লম্বা চওড়া কথা বলে, কিন্তু সদস্যরা যেসব নির্দিষ্ট বিষয় তুলেছেন তার কোনোটিই সে প্রায় স্পর্শ করে না। * সে যেসব দৃষ্টিভঙ্গিকে অপছন্দ করে সেগুলো নাকি সবসময় ভারসাম্যহীন; অথবা অতীতের চিন্তায় আটকে থাকা; অথবা কোল্ড ওয়ার বা ঠান্ডা লড়াইয়ের ধাঁচে গড়া; অথবা কেবল ব্যক্তিগত এবং আবেগপূর্ণ... * ভারতের আমন্ত্রণে দালাই লামা ভারতে এসেছেন। নেহরু ১৯৫৬ সালের ২৬ এবং ২৮ নভেম্বর তার সাথে দেখা করে। দালাই লামা অত্যন্ত বিচলিত ছিলেন। নেহরু তাদের আলোচনার মূল বিষয়গুলো লিখে রাখে। দালাই লামা জানান যে তিব্বতে চীনের সৈন্য সংখ্যা ১,২০,০০০; ঠিক যে সংখ্যাটির কথা বলার জন্য আপা পান্তকে নেহরু তিরস্কার করেছিল। আলোচনা নিয়ে নেহরুর নোটের একটি অনুচ্ছেদে পররাষ্ট্র সচিব সুবিমল দত্ত যোগ করেন: ‘দালাই লামা সাহায্যের জন্য ভারতের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর উত্তর ছিল যে, অন্যান্য বিবেচনার বাইরে ভারত তিব্বতকে কোনো কার্যকর সাহায্য দেওয়ার মতো অবস্থায় নেই; অন্য কোনো দেশের পক্ষেও তা সম্ভব নয়। দালাই লামার উচিত হবে না ভূমি সংস্কারের বিরোধিতা করা।’ সাহায্যের বদলে নেহরু উপদেশ দেয়। সে তার দেওয়া উপদেশগুলো লিখে রেখেছে: ‘দালাই লামার উচিত হবে সংস্কারের নেতা হওয়া। আমাদের সাহায্য করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো চীনের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা, তা না হলে চীন তিব্বত নিয়ে আমাদের উদ্দেশ্যকে ভয় পেতে পারে।’ একটি অজুহাত এবং তা বেশ দাম্ভিক এক অজুহাত—‘তা না হলে চীন তিব্বত নিয়ে আমাদের উদ্দেশ্যকে ভয় পেতে পারে।’ * এই ছোট বইটির মূল উদ্দেশ্য হলো নেহরুর নিজের কথাতেই ভারতের চীন-নীতির বিবর্তন তুলে ধরা এবং এটি দেখানো যে কীভাবে সেই ধারণা এবং অভ্যাসগুলো আজও আমাদের বিপদে ফেলছে, তাই আমি টীকাগুলো ন্যূনতম রাখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু চীন সম্পর্কে নেহরু যা করেছে, বলেছে এবং লিখেছে তার ভাষাগত এবং মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ হওয়া প্রয়োজন! কারণ তার অবস্থান, তার কথা এবং তার যুক্তিগুলো তার অভ্যাস ও মানসিক প্রক্রিয়ার মধ্যেই প্রোথিত। কেবল তার ধারণা এবং সিদ্ধান্তগুলোই নীতি-নির্ধারকদের মধ্যে টিকে নেই, বরং সেই অভ্যাস ও মানসিক প্রক্রিয়াগুলোও টিকে আছে। ১৯৫০-এর দশকে নেহরুর সেই অভ্যাসগুলো নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলেনি কারণ আমাদের জীবনে ও চিন্তাধারায় তার অবস্থান ছিল অনেক উঁচুতে। আজ সেই একই অভ্যাসগুলো নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলে না—তবে কারণটা অন্য: আলোচনার মান এখন এতটাই নিচে নেমে গেছে যে কোনো ধারণা বা সিদ্ধান্ত ঠিকমতো যাচাই করা হয় না। একটি উদাহরণ দিলে এর ফলাফল বোঝা যাবে। যেসব অভ্যাস এখনো টিকে আছে, তার মধ্যে একটি বিশেষভাবে ক্ষতিকর কারণ এটি অবচেতনভাবে সবকিছু মেনে নেওয়াকে জায়েজ করে দেয়। এটি হলো কোনো চিন্তা বা বাক্যের মাঝে এমন কিছু ঢুকিয়ে দেওয়া যা আপনাকে বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়া থেকে রেহাই দেয়। আমরা পণ্ডিত নেহরুর লেখা এবং কথায় প্রতিটি পদে এটি দেখতে পাই। ... * মাও জেদং, চৌ এন-লাই এবং অন্যদের ভারত ও ভারতীয়দের প্রতি থাকা ঘৃণাও নিশ্চিতভাবে এর একটি বড় কারণ। চীনা নেতাদের একের পর এক কথোপকথনে এটি বারবার ফুটে উঠেছে। চৌ এবং কিসিঞ্জার একমত হন যে পূর্ব পাকিস্তানে সমস্যার মূল কারণ হলো ভারত; ভারত যাতে এগোতে না পারে সেজন্য চীন এবং আমেরিকার একসাথে কী করা উচিত সে বিষয়ে তারা একমত হন; তারা কেবল ‘ভারতীয় ঐতিহ্য’—প্রতারণা, অন্যকে দোষারোপ করা—নিয়েই একমত হননি, বরং ভারতীয় চরিত্র নিয়েও একমত হন যা অকৃতজ্ঞতা দিয়ে চিহ্নিত। কিসিঞ্জার যখন পরবর্তীতে জাতিসংঘে চীনের স্থায়ী প্রতিনিধি হুয়াং হুয়া-র সাথে কথা বলেন, তখন এই ঘৃণা এবং বোঝাপড়া আরও স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। সেখানে তিনি হুয়াংকে অনুরোধ করেন যেন সে চৌ এন-লাইকে আশ্বস্ত করে যে, চীন যদি পাকিস্তানকে বাঁচাতে ভারতকে আক্রমণ করে তবে আমেরিকা সোভিয়েত ইউনিয়নকে সামলে রাখবে। নিক্সন, পম্পিডু এবং কিসিঞ্জার বিশ্বের অবস্থা নিয়ে আলোচনা করছেন। নিক্সন চীনাদের দৃষ্টিভঙ্গি এভাবে সংক্ষেপে তুলে ধরেন: ‘...তাদের প্রতিবেশীদের সম্পর্কে চীনাদের মনোভাব এভাবে বলা যেতে পারে। রাশিয়ানদের তারা এখন ঘৃণা করে এবং ভয় পায়। জাপানিদের তারা পরে ভয় পাবে কিন্তু ঘৃণা করে না। ভারতীয়দের তারা চরম অবজ্ঞা করে কিন্তু ভারতীয়রা সেখানে আছে এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন তাদের সমর্থন দিচ্ছে।’ === ২০১০-এর দশক === * আমি এই দুইয়ের মধ্যে কোনো তফাত দেখি না। আমার মনে হয় তারা (বিজেপি এবং কংগ্রেস) আসলে একই দল। তারা মিলেমিশে শাসন করছে। এটা একটা ডিনার পার্টি। তারা ডিনারে দেখা করে। তারা সামাজিকভাবে মেলামেশা করে। বিভিন্ন ইস্যুতে কী করতে হবে তারা নিজেরাই ঠিক করে নেয়। <br>প্রথমত, সংবাদমাধ্যমের উচিত নিজেদের নিয়ে লেখা। এই বিষয়গুলোকে চেপে যাওয়া সংবাদমাধ্যমের জন্য অত্যন্ত সংকীর্ণমনা কাজ। মিত্রোখিন আর্কাইভস প্রকাশ করেছে কীভাবে (তৎকালীন সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থা) কেজিবি বড়াই করত যে তারা অমুক অমুক ভারতীয় সংবাদপত্রে ৪০০টি খবর ঢোকাতে পেরেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সেটা চেপে গেছে। তারপর, দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়র প্রাইভেট ট্রিটিজ প্রথা যা এখন অন্যরাও গ্রহণ করেছে, তা পুরোপুরি চেপে যাওয়া হয়েছে.... যখন ভারতের প্রেস কাউন্সিল ‘পেইড নিউজ’ বা টাকার বিনিময়ে খবর ছাপার অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখার জন্য একটি কমিটি গঠন করতে বাধ্য হয়েছিল, তখন প্রেস কাউন্সিল নিজেই সেই রিপোর্টটি ধামাচাপা দিয়েছিল। ** [https://www.rediff.com/news/report/interview-arun-shourie-on-the-real-meaning-of-the-radia-tapes1/20101201.htm সাক্ষাৎকার] ২০১০ ==== ''ফলিং ওভার ব্যাকওয়ার্ডস'' (২০১২) ==== * প্রথম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল প্রেক্ষাপট ছাড়া ‘তাদের পছন্দের’ শব্দগুলো তুলে আনার মাধ্যমে। ২৯ এবং ৩০ অনুচ্ছেদে সংখ্যালঘুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি এবং পরিচালনার অধিকার দেওয়ার যে উদ্দেশ্য ছিল, তা থেকে শব্দগুলোকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। একটি সাধারণ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ অথবা ডেন্টিস্ট্রি কলেজকে কোনোভাবেই এমন প্রতিষ্ঠান হিসেবে ধরা যায় না যা সংখ্যালঘুদের ভাষা, লিপি অথবা সংস্কৃতি রক্ষার জন্য তৈরি করা হয়েছে। তবুও, যদি ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা ডেন্টিস্ট্রি কলেজটি কোনো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যরা তৈরি করে থাকে, তবে ধরে নেওয়া হতো যে এটি ২৯ ও ৩০ অনুচ্ছেদের সুরক্ষা পাবে এবং এর ফলে এটি রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেত। * এর ফলাফল যতটা অনুমেয় ছিল তেমনই অন্যায় এবং হাস্যকর হয়েছে: যদি রাম শরণ একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করে, তবে রাষ্ট্র এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় অনেক কিছু নির্ধারণ করে দিতে পারে যা তাকে করতে হবে; কিন্তু যদি মুহাম্মদ আসলাম রাস্তার ওপারে ঠিক একই রকম একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করে, যেখানে ঠিক একই বিষয় পড়ানো হয় এবং একই পাঠ্যবই ব্যবহার করা হয়, তবে রাষ্ট্র অথবা বিশ্ববিদ্যালয় কেউই এর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না! * অন্যদিকে, যখন স্রেফ মূল পাঠ্য আঁকড়ে ধরলে বিচার এগিয়ে যাবে, তখন তারা কট্টর নিয়মপন্থী হয়ে ওঠে। এর কিছু বড় উদাহরণ ৩০ অনুচ্ছেদ সংক্রান্ত রায়ে পাওয়া যায়। এই অনুচ্ছেদটি ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং পরিচালনা করার ক্ষেত্রে সংখ্যালঘুদের অধিকার’ নিয়ে কাজ করে। ভারত ভাগ হয়েছিল এই চিৎকারের ওপর ভিত্তি করে যে অখণ্ড ভারতে মুসলিমরা কখনোই নিরাপদ থাকবে না। সংবিধান প্রণেতারা স্বাভাবিকভাবেই সংখ্যালঘুদের আশ্বস্ত করতে চেয়েছিলেন যে তারা তাদের ধর্ম, ভাষা এবং সংস্কৃতি রক্ষা করার স্বাধীনতা পাবে। সেই অনুযায়ী ২৯ অনুচ্ছেদ তৈরি করা হয়েছিল তাদের এই স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দিতে। যদি তারা তাদের ভাষা, সংস্কৃতি অথবা ধর্ম রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠান গড়তে চায়, সেজন্য ৩০ অনুচ্ছেদ তৈরি করা হয়েছিল যেখানে আশ্বস্ত করা হয়েছিল যে ‘ধর্ম অথবা ভাষার ভিত্তিতে তৈরি সব সংখ্যালঘুর তাদের পছন্দের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং পরিচালনা করার অধিকার থাকবে।’ প্রেক্ষাপটটি উদ্দেশ্য পরিষ্কার করে দিয়েছিল: সংখ্যালঘুদের এমন প্রতিষ্ঠান গড়ার স্বাধীনতা থাকবে যা তাদের সংস্কৃতি, ধর্ম এবং ভাষা সবচেয়ে ভালোভাবে রক্ষা করতে পারবে বলে তারা মনে করে। কিন্তু সংবিধান তৈরির পর থেকে আলোচনার ধরন যেমন হয়েছে, তাতে বিচারকরা আক্ষরিক অর্থেই সব দেখতে শুরু করলেন। যে উদ্দেশ্যেই প্রতিষ্ঠানটি তৈরি হোক না কেন, সংখ্যালঘুদের ‘তাদের পছন্দের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান’ গড়ার এবং পরিচালনা করার অধিকার থাকবে। এর ফলে, ধরুন মুসলিমদের একটি পরিবারের তৈরি করা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ অথবা ডেন্টাল কলেজ সরকারি নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি থেকে যে স্বাধীনতা পাবে, সাধারণ ভারতীয়দের তৈরি ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা ডেন্টাল কলেজ তা পাবে না। * এখন, এগুলো স্রেফ কোনো চমৎকার অনুচ্ছেদ সাজানোর জন্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাক্য নয়। এগুলো হলো অবস্থান এবং দৃষ্টিভঙ্গি যা নির্দেশ করে যে রায়টি কোন দিকে যাবে। এগুলো হলো দিকনির্দেশক যা আমাদের বলে যে পাঠ্যটিতে দেওয়া যুক্তিগুলো শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে থামবে। এই ধরণের বয়ানগুলোর গুরুত্ব স্রেফ সেই বিশেষ রায়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না যেখানে সেগুলো ব্যবহার করা হয়েছে। পরবর্তী বেঞ্চগুলো একই অবস্থান নিতে পারে এবং একই দিকে আরও এগিয়ে যেতে পারে। * আমরা নিজেদের সান্ত্বনা দিই: অন্তত সংরক্ষণের ভাইরাস বিচারবিভাগীয় নিয়োগের মধ্যে ঢোকেনি; অন্তত মুসলিম এবং খ্রিস্টানদের জন্য সংরক্ষণ বাড়ানো হয়নি। এই দুটি ধারণাই আসলে নিছক কল্পনা। * যেসব ধর্ম জাতপাত অস্বীকার করে—যেমন ইসলাম, খ্রিস্টধর্ম, শিখধর্ম—সেগুলোর সদস্যদের জন্য সংরক্ষণ বাড়ানো হয়নি বলে যে ধারণা, তাও স্রেফ কল্পনা। সংখ্যালঘু কমিশনের চেয়ারম্যান, আমার বন্ধু তর্লোচন সিং আমাকে ৫৮টি জাত এবং ১৪টি উপজাতি গোষ্ঠীর একটি তালিকা পাঠিয়েছে যাদের মুসলিম সদস্যরা সংরক্ষণ পেয়েছে। এমনকি যারা এই ধর্মগুলোর একটিতে ধর্মান্তরিত হয়, তারা সংরক্ষণের সুযোগ পাওয়ার যোগ্য হিসেবে থেকে যায়। তামিলনাড়ুর নিয়ম হলো যে যদি বাবার নাম অনগ্রসর জাতি/অত্যধিক অনগ্রসর জাতি/তফসিলি জাতি/তফসিলি উপজাতি-র তালিকায় থাকে, তবে সেই ব্যক্তি অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হলেও সংরক্ষণের অধিকারী থাকে। গুজরাটে অনগ্রসর জাতির সদস্যরা ধর্মান্তরের পরেও কেবল সংরক্ষণই নয়, রোস্টার সিস্টেমের সুবিধাও পেয়ে থাকে—সেখানে ১৩৭টি জাত এবং উপজাতকে সামাজিক এবং শিক্ষাগতভাবে অনগ্রসর হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে; এর মধ্যে ২৮টি মুসলিম সম্প্রদায়ের। কর্ণাটকে ‘জন্মগত জাত’ প্রথাই হলো নিয়ম। উত্তরপ্রদেশে বেশ কিছু মুসলিম জাত সংরক্ষণের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত—লালবেগি, মজহাবি, এমনকি আনসারিও। মধ্যপ্রদেশ অথবা পশ্চিমবঙ্গেও পরিস্থিতি আলাদা নয়। কলকাতার ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'' প্রতিনিধি রিপোর্ট করেছে যে প্রকাশ্য ধর্মনিরপেক্ষ সিপিআই(এম) সরকার সরকারি চাকরির পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও মুসলিমদের মুসলিম হিসেবে সংরক্ষণ দেওয়ার চেষ্টা করেছিল এবং রাজ্য সংখ্যালঘু কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছিল অন্ধ্রপ্রদেশে কীভাবে এই ধরণের সংরক্ষণ ঘোষণা করা হয়েছিল তা খতিয়ে দেখতে। সে লিখেছে যে পরিকল্পনাটি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে হয়েছে কেবল এই কারণে যে অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্ট অন্ধ্র সরকারের সেই নির্দেশকে অসাংবিধানিক বলে বাতিল করে দিয়েছে। * এমনকি যখন অন্ধ্রপ্রদেশের রায় উল্টে দেওয়ার চেষ্টা চলছে, সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে তাদের সেনা এবং অফিসারদের ধর্ম অনুযায়ী গণনা করার নির্দেশ দিয়েছে। এই পদক্ষেপটি কোনো ভুলবশত ঘটেনি। এটি দিল্লির প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রাজিন্দর সাচারের অধীনে সরকার গঠিত একটি কমিটির মাধ্যমে উঠে এসেছে—যার প্রতিটি সদস্যকে তার ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ বিশ্বাসের জন্য সাবধানে বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি রেফারেন্স যার ওপর তথ্য সংগ্রহ এবং সুপারিশ করতে বলা হয়েছে, যেমনটা আমরা শুরুতেই লক্ষ্য করেছি, তা মুসলিমদের একটি ধর্মীয় গোষ্ঠী হিসেবে সংরক্ষণ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার যৌক্তিকতা প্রমাণের জন্যই সাবধানে বেছে নেওয়া হয়েছে। * সামনে নির্বাচন থাকায় ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে কেরালা সরকার অনগ্রসর জাত এবং মুসলিমদের জন্য সংরক্ষণের আরেকটি ‘প্যাকেজ’ ঘোষণা করে: রাজ্যের চাকরির নিয়ম পরিবর্তন করা হবে যাতে এই অংশগুলো সরাসরি নিয়োগ পেতে পারে এবং তাদের জন্য বরাদ্দ ৪০ শতাংশ কোটা পূরণ করা যায়; যদি এই অংশগুলো থেকে উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া না যায়, তবে সেই শূন্যপদগুলো মেধার ভিত্তিতে পূরণ করা হবে না; রাজ্য পাবলিক সার্ভিস কমিশন একটি ‘অতিরিক্ত সম্পূরক তালিকা’ তৈরি করবে যাতে শূন্যপদগুলো কেবল এই অংশগুলো দিয়েই পূরণ করা যায়; সরকারি কলেজের স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর কোর্সে এই জাতগুলোর জন্য ২০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে; মুখ্যমন্ত্রী নিজে সংরক্ষণ নীতির বাস্তবায়ন তদারকি করবেন; সংরক্ষণ যাতে পুরোপুরি পূরণ করা হয় তা নিশ্চিত করতে একটি স্থায়ী কমিশন থাকবে... * সামনে নির্বাচন থাকায় তামিলনাড়ুতে ডিএমকে এবং তার সহযোগীরা ঘোষণা করেছে যে ক্ষমতায় গেলে তারা মুসলিম এবং খ্রিস্টানদের সংরক্ষণ দেওয়ার জন্য আইন আনবে। * ঝাড়খণ্ড সরকার আবার ঘোষণা করেছে যে বত্রিশটি উপজাতি যারা সবচেয়ে বেশি অনগ্রসর—যাদের মধ্যে নয়টির সাক্ষরতার হার মাত্র ১০ শতাংশ—তাদের সরাসরি সরকারি চাকরিতে নিয়োগ করা হবে; তাদের মধ্যে যারা স্নাতক পরীক্ষায় পাশ করবে তাদের যোগ্যতা নির্ধারণকারী পরীক্ষায় বসতে হবে না যা সরকারি চাকরিতে আসা অন্য সবাইকে দিতে হয়। * আর সাবধান, প্রগতিশীল বিচারকরা ইতিমধ্যে মুসলিম অথবা খ্রিস্টানদের মুসলিম এবং খ্রিস্টান হিসেবে সংরক্ষণ দেওয়ার ভিত্তি তৈরি করে রেখেছেন। সংবিধান যে শব্দটি ব্যবহার করেছে তা হলো ‘সম্প্রদায়’, যে শব্দটি এটি ব্যবহার করেছে তা হলো ‘শ্রেণি’, ইন্দ্র সাহানি মামলায় বিচারপতি জীবন রেড্ডি, সাওয়ান্ত এবং থম্মেন এটিই বলেছেন। তারা বলেছেন ‘সম্প্রদায়’ এবং ‘শ্রেণি’ শব্দটি ‘জাত’ শব্দের চেয়ে ব্যাপক। তাই তারা বলেছেন যে ‘জাত’-এর চেয়ে বড় কোনো সত্তাকে অবশ্যই এর অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে—একমাত্র শর্ত হলো চিহ্নিত গোষ্ঠীগুলো যেন ‘অনগ্রসর’ হয়। দ্বিতীয়ত, ইসলাম, খ্রিস্টধর্ম এবং শিখধর্মের শিক্ষা সত্ত্বেও এই ধর্মগুলোতেও জাতপাত টিকে আছে বলে তারা এর স্বপক্ষে যুক্তি দিয়েছেন। যেহেতু এটিই বাস্তবতা, তাই কেবল হিন্দুদের অনগ্রসর অংশগুলোর জন্যই সংরক্ষণের সুযোগ সীমিত রাখা অন্যায় হবে... ৩ * আমরা কত নিচে নেমে গেছি! আজ প্রগতিশীলরা তাদের জাতপাতকেই ধর্মনিরপেক্ষতা হিসেবে সাজিয়ে তুলে ধরে! তারা সগর্বে ঘোষণা করে যে সংরক্ষণের সুবিধা মুসলিম এবং খ্রিস্টানদেরও দেওয়া হবে। অন্ধ্রপ্রদেশে সরকারের সিদ্ধান্ত দুবার আদালত বাতিল করে দিয়েছে—সরকার মুসলিমদের মুসলিম হিসেবে সংরক্ষণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এমনকি যখন সেই রায় উল্টে দেওয়ার চেষ্টা চলছে, কেন্দ্রীয় সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে তাদের সেনা এবং অফিসারদের ধর্ম অনুযায়ী গণনা করার নির্দেশ দিয়েছে। এই পদক্ষেপটি কোনো ভুলবশত ছিল না। এটি দিল্লি হাইকোর্টের একজন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতির অধীনে সরকার গঠিত একটি কমিটির মাধ্যমে উঠে এসেছিল। কমিটির প্রতিটি সদস্যকে তার ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ এবং ‘প্রগতিশীল’ বিশ্বাসের জন্য সাবধানে বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি রেফারেন্স যার ওপর কমিটিকে তথ্য দিতে এবং সুপারিশ করতে বলা হয়েছে, তা মুসলিমদের একটি ধর্মীয় গোষ্ঠী হিসেবে সংরক্ষণ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার যৌক্তিকতা প্রমাণের জন্যই সাবধানে বেছে নেওয়া হয়েছে: * প্রতিটি বিষয়ই এই পুরো প্রক্রিয়ার একমাত্র উদ্দেশ্য প্রকাশ করে দেয়—তা হলো মুসলিমদের জন্য সংরক্ষণ বাড়ানোর স্বপক্ষে যুক্তি তৈরি করা। এই সুবিধাবাদ কেবল বর্তমান শাসক জোটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ২০০৫ সালে বিহারের নির্বাচনের আগে প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীগুলো মুসলিমদের মুসলিম হিসেবে সংরক্ষণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করছিল। * সংবিধান প্রণেতাদের উদ্দেশ্য ছিল ঠিক উল্টোটি, যা আমাদেরও হওয়া উচিত। এটি ছিল হিন্দু সমাজ থেকেও জাতপাতের ক্যান্সার নির্মূল করা। চরম অনিচ্ছা সত্ত্বেও তারা তফসিলি জাতি এবং উপজাতিদের জন্য সংরক্ষণের অনুমতি দিতে রাজি হয়েছিলেন—কারণ তারা মনে করেছিলেন যে এটুকু করলেও জাতপাতের বিভেদ টিকে থাকবে। তাই সংরক্ষণ ছিল সাধারণ নিয়মের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। === ২০২০-র দশক === ==== ''প্রিপেয়ারিং: ফর ডেথ'' (২০২০) ==== * বিপদের ধরণ এবং কীভাবে সেটাকে উন্নতির হাতিয়ারে পরিণত করা যায়, তা নিয়ে মানুষকে গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে। গান্ধীজি নিজের জন্য যে নিয়মগুলো ঠিক করেছিলেন, সেগুলো একজন জেলারের কারো ওপর চাপিয়ে দেওয়া নিয়মের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর এবং কঠিন ছিল। একইভাবে, ৮ ফুট বাই ৯ ফুট মাপের একটি ঘরে বিনোবাকে একাকী কারাবন্দী হিসেবে কল্পনা করুন: সে কীভাবে জেলজীবনকে আশ্রম জীবনে বদলে ফেলে; কীভাবে সেই ছোট্ট জায়গায়, জবরদস্তি করে রাখা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্নতার মধ্যে সে প্রতিদিন দুই থেকে তিন ঘণ্টা ধ্যান করে নিজের মানসিক শৃঙ্খলা বজায় রাখে; কীভাবে সে সেই দমবন্ধ করা ঘরের ভেতরে প্রতিদিন আট ঘণ্টা হেঁটে নিজেকে শারীরিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং এভাবে দশ মাইল পথ পাড়ি দেয়—প্রতিদিন ৮ ফুট বাই ৯ ফুট ঘরে দশ মাইল হাঁটা! উভয় ক্ষেত্রেই নিয়ন্ত্রণ জেলারের হাতে নয়, বরং বন্দীর হাতেই ছিল—বিপদ মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। ** অরুণ শৌরি, ''প্রিপেয়ারিং: ফর ডেথ''। পেঙ্গুইন র‍্যান্ডম হাউস ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড, ২০২০। আইএসবিএন ৯৩৫৩০৫৯৭৮এক্স, ৯৭৮৯৩৫৩০৫৯৭৮১ * আচার-অনুষ্ঠানগুলো—উদাহরণস্বরূপ বিয়ের অনুষ্ঠানের সময় আমরা যা যা করি—আমাদের ভেতরে নির্দিষ্ট কিছু মূল্যবোধ গেঁথে দেওয়ার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল। শতাব্দীর অভিজ্ঞতা চিন্তাশীল ব্যক্তিদের শিখিয়েছে যে ওই ধাপগুলো পার হওয়া, ওই মন্ত্রগুলো উচ্চারণ করা এবং সেগুলো নিয়ে চিন্তা করা আমাদের সেই মূল্যবোধগুলো আয়ত্ত করতে এবং সেই অনুযায়ী জীবন গড়তে সাহায্য করবে। কিন্তু আজ আমরা কী করি? প্রথমে আমরা আচার-অনুষ্ঠানের ভার বাইরের কাউকে দিই—যেমন ধরুন কোনো পণ্ডিতকে। বিয়ে সম্পন্ন করার জন্য সে যখন নির্ধারিত কাজগুলো করে এবং মন্ত্র পাঠ করে, তখন সে কী বলছে তার অর্থ সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণাই থাকে না, এমনকি ওই ধাপগুলো নিয়েও কোনো জ্ঞান থাকে না—‘এখন মাটিতে জল ঢালুন, তারপর...’। আমরা এগুলোর পরোয়াও করি না: ‘পণ্ডিতজি, পূজাটা একটু তাড়াতাড়ি শেষ করুন। অতিথিরা রাতের খাবারের জন্য অপেক্ষা করছে’। ** অরুণ শৌরি, ''প্রিপেয়ারিং: ফর ডেথ''। পেঙ্গুইন র‍্যান্ডম হাউস ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড, ২০২০। আইএসবিএন ৯৩৫৩০৫৯৭৮এক্স, ৯৭৮৯৩৫৩০৫৯৭৮১ == অরুণ শৌরি সম্পর্কে উক্তি == * শেষ পর্যন্ত, অরুণ শৌরির এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস প্রকাশিত হওয়ার জন্য ভারতকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছিল। এই বইটি একের পর এক লোমহর্ষক বিবরণের মাধ্যমে জাতীয় মনস্তত্ত্বের ওপর সেই বহুমুখী আঘাতের চিত্র তুলে ধরেছে, যা অন্তত তিন প্রজন্মের মনে নিজেদের জাতির গুরুত্বপূর্ণ সত্য সম্পর্কে ধারণা বিকৃত করে দিয়েছে। আর এই মৌলিক অবদানের জন্য ‘বিশিষ্ট ঐতিহাসিক’ (Eminent Historian) শব্দবন্ধটি ভারতীয় জনপরিসরের আলোচনায় যথাযথভাবেই একটি গালিগালাজে পরিণত হয়েছে। ** এস. বালকৃষ্ণ, *সেভেন্টি ইয়ারস অফ সেকুলারিজম*। ২০১৮। * ১৯৯১ সালে যখন ভারত অর্থনৈতিক সংস্কার শুরু করেছিল, তখন যারা মনে করেছিলেন যে এদেশ তার কুখ্যাত আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ভেঙে ফেলেছে, তাদের উচিত অরুণ শৌরির পরামর্শ নেওয়া। বিলগ্নিকরণ, প্রশাসনিক সংস্কার, তথ্যপ্রযুক্তি এবং টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী হিসেবে (১৯৯৮ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে) জনাব শৌরির পর্যবেক্ষণগুলো অত্যন্ত রূঢ় সত্য। হিন্দু জাতীয়তাবাদী নেতৃত্বাধীন সরকার যেখানে জনাব শৌরি ছিলেন সবচেয়ে প্রভাবশালী অর্থনৈতিক সংস্কারক, সেই সরকারকে গত মে মাসে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ফ্রাঞ্জ কাফকাও জনাব শৌরির বইতে উল্লিখিত কিছু উদাহরণ কল্পনা করতে হিমশিম খেতেন। ... কিন্তু সাধারণ পরিস্থিতিতে ভারতের আমলাতন্ত্রের অবস্থা কেমন হয় সেটাই আসল কথা এবং জনাব শৌরি এটি নথিবদ্ধ করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত নিপুণ কাজ করেছেন। কেউ কেবল আশা করতে পারেন যে ভারতের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা এই বইটি পড়ার জন্য সময় পাবেন—এবং লজ্জিত হওয়ার মতো সৌজন্য দেখাবেন। ** [[এডওয়ার্ড লুস]], *ইন্ডিয়া’স ট্র্যাজিক কমেডি অফ সিভিল ডিসসার্ভিস*, বই সমালোচনা, *ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস*। ৯ নভেম্বর ২০০৪। * মুসলিম নেতা এবং স্ট্যালিনপন্থী ঐতিহাসিকরা যখন হিন্দু উগ্র জাতীয়তাবাদ নিয়ে শোরগোল তুলছিলেন, ঠিক সেই সময়ে তখনকার ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রধান সম্পাদক অরুণ শৌরির নজরে আসে যে, লখনউয়ের বিখ্যাত মুসলিম ধর্মতত্ত্ববিদ আলী মিঞার বাবার অনেক আগে লেখা একটি উর্দু বইয়ের ইংরেজি অনুবাদে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে। সে ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯-এর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এ ‘হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম’ শিরোনামে একটি নিবন্ধ লিখে দেখান যে দিল্লি, জৌনপুর, কনৌজ, ইটাওয়া, অযোধ্যা, বারাণসী এবং মথুরার হিন্দু মন্দির ধ্বংস করা এবং সেই জায়গায় মসজিদ নির্মাণ সংক্রান্ত অংশগুলো আলী মিঞার নিজেরই প্রকাশিত ইংরেজি অনুবাদ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। মর্যাদাপূর্ণ সংবাদমাধ্যমের এতোদিনকার চর্চা থেকে এটি ছিল এক নতুন এবং নাটকীয় মোড়। ইসলাম মহৎ ছাড়া অন্য কিছু হতে পারে এমন কথা প্রকাশ করা দীর্ঘকাল ধরে নিষিদ্ধ ছিল। আমি আনন্দিত হয়েছিলাম এবং অরুণ শৌরিকে ভারতের [[মিখাইল গর্বাচেভ]] নাম দিয়েছিলাম। সে জানালাগুলো খুলে দিয়েছিল এবং পচা স্লোগানের আবর্জনায় ভরা একটি ঘরে এক ঝলক টাটকা বাতাস আসতে দিয়েছিল। ** গোয়েল, এস.আর. *হাউ আই বিকেম আ হিন্দু* (১৯৯৩, সংশোধিত সংস্করণ)। * [অরুণ শৌরির নিবন্ধ ‘হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম’] গণমাধ্যম এবং বিদ্যায়তনিক মহলের সেই বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করেছিল, যা মহাত্মা গান্ধী ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের দায়িত্ব নেওয়ার এবং তুর্কি খিলাফতের সমর্থনে তার প্রথম অসহযোগ আন্দোলন শুরু করার সময় থেকে ইসলামের ইতিহাসের যেকোনো নেতিবাচক বর্ণনার ওপর চাপানো হয়েছিল। ** গোয়েল, এস.আর. *হিন্দু টেম্পলস – হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম, ভলিউম ১* (১৯৯০) প্রস্তাবনা, ২য় সংস্করণ, পৃষ্ঠা ১৩। * অরুণ শৌরি অনেক সাহসিকতা দেখিয়েছিল। কিন্তু সে সেই ধর্মনিরপেক্ষ গোষ্ঠীর কথা মাথায় রাখেনি যাদের ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর মালিকের সাথে ঘনিষ্ঠতা ছিল। সে ফোনে আমাকে বলেছিল যে কোনো সমস্যা ঘনীভূত হচ্ছে। আমি কখনোই তার সাথে সেই সমস্যার ধরণ নিয়ে কথা বলিনি এবং জানি না আমার নিবন্ধগুলোর তার পরের বছর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পেছনে কোনো হাত ছিল কি না। আমি কেবল জানি যে তাকে আমার পরের দুটি নিবন্ধ প্রকাশ করার গতি কমিয়ে দিতে হয়েছিল। ** গোয়েল, এস.আর. *হাউ আই বিকেম আ হিন্দু* (১৯৯৩, সংশোধিত সংস্করণ)। * মণি শংকর আইয়ার অরুণ শৌরির একটি বইয়ের তীব্র নিন্দা করেন এবং এরপর ঘোষণা করেন যে সে এটি না পড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে: “শৌরি ইসলামের ওপর তার বইয়ের পাণ্ডুলিপির চূড়ান্ত কাজ শেষ করেছে, এটি এমন এক বিদ্বেষপূর্ণ এবং বিকৃত কাজ যে আমার পরিচিত প্রতিটি ইংরেজি জানা মুসলিম এতে ক্ষুব্ধ হয়েছিল... তাই আমি এই বইটি না পড়ে ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতি সংহতি দেখানোর সিদ্ধান্ত নিই।” (সে সম্ভবত শৌরির *রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স* বইটির কথা বলছে, যা যুক্তির নিরিখে বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থের ওপর অত্যন্ত বিচক্ষণ ও শান্ত দৃষ্টিপাত।) ** এলস্ট, কোয়েনরাড। *অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি*। ভয়েস অফ ইন্ডিয়া। ১৯৯১। * ইসলাম নিয়ে সমালোচনার ক্ষেত্রে বই নিষিদ্ধ করা এবং সেন্সরশিপের সমস্যাটি স্ব-আরোপিত সেন্সরশিপের সাথে যুক্ত হয়ে আরও জটিল হয়ে উঠেছে। তাই ১৯৯২ সালের শেষের দিকে যখন বিখ্যাত কলামিস্ট অরুণ শৌরি ইসলামি মৌলবাদ, বিশেষ করে রুশদি এবং অযোধ্যা ইস্যু নিয়ে তার কলামগুলোর একটি সংকলন (*ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস*) প্রকাশ করতে চেয়েছিলেন, তখন প্রকাশক প্রশাসনিক অথবা শারীরিক লাঞ্ছনার ভয়ে শেষ মুহূর্তে পিছিয়ে যান এবং মুদ্রণকারীও পিছু হটেন। এর আগে শৌরি ভাগ্যবান ছিল যে সে একটি পত্রিকা খুঁজে পেয়েছিল যারা এই কলামগুলো প্রকাশ করতে রাজি ছিল, কারণ বেশিরভাগ ভারতীয় সংবাদপত্র ইসলাম নিয়ে সমালোচনা কঠোরভাবে চেপে রাখে। হিন্দু সমাজ হলো একটি আতঙ্কিত সমাজ। ** এলস্ট, কোয়েনরাড। *নিগেশনিজম ইন ইন্ডিয়া: কনসিলিং দ্য রেকর্ড অফ ইসলাম*। ভয়েস অফ ইন্ডিয়া। ১৯৯২। * অরুণ শৌরিকে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সম্ভবত সরকারি চাপে। এটি ঘটেছিল যখন সে প্রকাশ করে যে ১৯৯০ সালের অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী ভি.পি. সিং বিএমএসি-র প্রভাবশালী সদস্য ইমাম বুখারির চাপে অযোধ্যা নিয়ে নিজের করা সমঝোতা চুক্তি বাতিল করেছিলেন। ** কোয়েনরাড এলস্ট। *অযোধ্যা: দ্য কেস এগেইনস্ট দ্য টেম্পল*। ২০০২। * অথবা অরুণ শৌরির *আ সেকুলার এজেন্ডা* বইটির কথাই ধরুন, যে আমেরিকা থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি করেছে এবং এ.বি. বাজপেয়ী সরকারের একজন অত্যন্ত সফল বিলগ্নিকরণ মন্ত্রী ছিল, যখন ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ছিল সর্বোচ্চ। এটি একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বই ছিল এবং এটি তথাকথিত विशेषज्ञों-এর সেই সাধারণ ধারণাগুলো ভেঙে চুরমার করে দিয়েছিল যে ভারত একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র (যেখানে ধর্মের ভিত্তিতে দেওয়ানি বিধি এবং হিন্দুধর্মের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আইন রয়েছে)। অর্থাৎ এমন একটি রাষ্ট্র যেখানে সব নাগরিক আইনের চোখে সমান, তাদের ধর্ম যাই হোক না কেন। যদিও এই বইটি সেই ভিত্তিকে ভেঙে দিয়েছে যার ওপর ভিত্তি করে “বিশেষজ্ঞরা” আধুনিক ভারত সম্পর্কে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলেছেন, তারা কখনোই কোনো খণ্ডনমূলক যুক্তি দিতে পারেননি। এর বদলে তারা স্রেফ তাদের নিজেদের বিভ্রান্তিকর ধারণাগুলো পুনরাবৃত্তি করে যান, যেমন: “বিজেপি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের কাঠামোকে হুমকির মুখে ফেলছে।” (আসলে বিজেপি তা করছে না এবং ভারত ধর্মনিরপেক্ষ নয়।) তারা এটি করতে পারেন কারণ তারা জানেন যে আলোচনার প্রধান জায়গাগুলো তাদের পক্ষের নিয়ন্ত্রণেই আছে। ধর্ম এবং আধুনিক রাজনীতির সংযোগের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত “পাণ্ডিত্যপূর্ণ” দৃষ্টিভঙ্গি কেবল ত্রুটিপূর্ণই নয়, বরং এটি একটি চরম ব্যর্থতা। ** এলস্ট, কোয়েনরাড। *হিন্দু ধর্ম অ্যান্ড দ্য কালচার ওয়ারস*। (২০১৯)। নয়া দিল্লি: রূপা। * চর্তুদিকের এই অন্ধকারের মধ্যে আলোর একমাত্র ঝলক ছিল অরুণ শৌরি, অভিজ্ঞ সাংবাদিক এবং সে সময়ের ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রধান সম্পাদক। ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯-এ সে প্রথম পাতায় ‘হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম’ শিরোনামে একটি নিবন্ধ ছাপে, যেখানে দেখানো হয় যে লখনউয়ের নদওয়াতুল উলেমার মাওলানা হাকিম সৈয়দ আব্দুল হাইয়ের একটি বইয়ের উর্দু সংস্করণে সাতটি বিখ্যাত মসজিদ হিন্দু মন্দিরের জায়গায় গড়া হয়েছে বলে স্বীকার করা হলেও, মাওলানার ছেলে আবুল হাসান আলী নদভী (আলী মিঞা) দ্বারা প্রকাশিত ইংরেজি অনুবাদে সেই “বিতর্কিত প্রমাণ” এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। সে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এ ইসলামি মূর্তিবিরোধিতা নিয়ে আমার লেখা তিনটি নিবন্ধও প্রকাশ করেছিল। এটি ছিল ইসলামের ওপর আরোপিত এবং ধর্মনিরপেক্ষতা দ্বারা পরিচালিত সেই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে একটি খুব সাহসী অবজ্ঞা, যা বলে যে ইসলামের করা অপরাধগুলো গোপনেও উচ্চারণ করা যাবে না, প্রকাশ্যে ঘোষণা করা তো দূরের কথা। ** গোয়েল, এস. আর. (১৯৯৩)। *হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম* (দ্বিতীয় বর্ধিত সংস্করণ)। * সে অরুণ শৌরিকে ‘উত্তর-আধুনিক’ (post-modern) ছাঁচে ফেলে গুরুত্বহীন মনে করে। সে জানে না যে সময়ের ব্যাপারে হিন্দুধর্মের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি আছে এবং যে ব্যক্তি সনাতন ধর্মের সেবা করে তাকে কোনো নির্দিষ্ট সময়ের গণ্ডিতে বাঁধা যায় না। অরুণ শৌরির মতো পণ্ডিতরা অতীতেও নন, বর্তমানেও নন, আবার ভবিষ্যতেও নন। তারা একটি সময়হীন ব্যাপ্তির অংশ। ** এস.আর. গোয়েল, *হিস্ট্রি অফ হিন্দু-খ্রিস্টান এনকাউন্টারস* (১৯৯৬)। * ঠিক তখনই শৌরিকে সম্পাদকের পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। এর কারণ কেবল সেই নিবন্ধটি ছিল না, বরং সম্ভবত রাম স্বরূপ এবং সীতারাম গোয়েলের মতো হিন্দুত্ববাদীদের কলাম অন্তর্ভুক্ত করা এবং প্রচলিত ধর্মনিরপেক্ষতাকে খারিজ করে দেওয়া তার নিজের লেখা নিবন্ধগুলো, যেমন ‘হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম’। ** এলস্ট, কোয়েনরাড (১৯৯১)। *অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি*। * আমি বিশেষভাবে আমার বন্ধু অরুণ শৌরিকে ধন্যবাদ জানাই কারণ আমাদের অরুণ শৌরির মতো মানুষদের প্রয়োজন যারা আমাদের চ্যালেঞ্জ জানাবে যাতে আমরা আমাদের ভুলগুলো সংশোধন করতে পারি এবং সবাই মিলে সম্মিলিতভাবে একটি নতুন ভারত, একটি নতুন মানবতা তৈরির দিকে এগিয়ে যেতে পারি। ** ফাদার অগাস্টিন কাঞ্জামালা, উদ্ধৃত: শৌরি, অরুণ। *অরুণ শৌরি অ্যান্ড হিজ খ্রিস্টান ক্রিটিক*। (১৯৯৫) * এটি পরিষ্কার যে উইটজেলের নিজেরই একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে: লক্ষ্য করুন দিল্লির “বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের” বিরুদ্ধে “বর্তমান ভারতীয় (ডানপন্থী) নিন্দার” প্রতি তার ক্ষোভ (§৯)—এই “বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের” মধ্যে কয়েকজন সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে উইটজেল এবং ফার্মারের প্রচার অভিযানে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেছিলেন। পাঠককে অরুণ শৌরির *এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস* (১৯৯৮) বইটি মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে, যা এখানে উল্লেখ করা হয়েছে, এবং দেখার জন্য যে উইটজেল কোন ধরণের রাজনৈতিক পাণ্ডিত্যের সমর্থনে দ্বিধাহীনভাবে এগিয়ে এসেছেন! ** এস. তালাগেরি। *মাইকেল উইটজেল – অ্যান এগজামিনেশন অফ হিজ রিভিউ অফ মাই বুক* (২০০১) * শৌরি সম্পর্কে মুখিয়া যে তথ্য দিয়েছেন যে সে “জীবিকার জন্য সাংবাদিকতা করে”, তা কোনো গোপন বিষয় নয়। এখন পর্যন্ত ভারতের সর্বশ্রেষ্ঠ অনুসন্ধানী সাংবাদিক হিসেবে সে কংগ্রেসী, জাতিবাদী এবং কমিউনিস্ট রাজনীতিবিদদের কিছু নোংরা গোপন তথ্য ফাঁস করেছে। মার্ক্সবাদী ঐতিহাসিক এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় চলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে থাকা দুর্নীতির আর্থিক লেনদেন সম্পর্কে তার প্রকাশগুলোও একই পর্যায়ের: নির্ভীক এবং তথ্যভিত্তিক অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা। শৌরির আমেরিকার সিরাকিউস ইউনিভার্সিটি থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি আছে, যা সরাসরি ইতিহাসের বিষয় না হলেও পাণ্ডিত্যের ক্ষমতার প্রমাণ দেয়। সে যখন মুখিয়ার ঘরানার ইতিহাসের চরম বিকৃতিগুলোর সমালোচনা করে, তখন আনুষ্ঠানিকভাবে বলা যেতে পারে যে সে তার বিশেষত্বের সীমা লঙ্ঘন করছে, কিন্তু এই ধরণের আনুষ্ঠানিক কথাগুলো কেবল মূল বিষয়ের কোনো খণ্ডনমূলক যুক্তি না থাকাকেই আড়াল করে। ** এলস্ট কে. *অযোধ্যা: দ্য কেস এগেইনস্ট দ্য টেম্পল*, অধ্যায় ৪। * যখন শৌরির নিবন্ধগুলো প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল, তখন সেগুলো অনেক আবেগ এবং তীব্র আক্রমণের জন্ম দিয়েছিল। সে সহাবস্থানের প্রশ্নে বাইবেল এবং কুরআন থেকে বিস্তারিত উদ্ধৃতি দিয়েছিল। অনেকে হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলেন... শৌরি তার বইয়ের নাম দিয়েছেন *রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স*; কোনো একদিন তার উচিত *পলিটিক্স ইন রিলিজিয়ন* নামে আরেকটি বই বের করা... প্রথম বইটি ধর্মীয় উপাদানের কারণে জটিল হয়ে ওঠা রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করে; দ্বিতীয় বইটি সেই ধর্মগুলো নিয়ে আলোচনা করবে যেগুলো মূলত রাজনৈতিক... ** রাম স্বরূপ, *হিন্দুজম অ্যান্ড মনোদিস্টিক রিলিজিয়নস* (২০০৯)। == External links == {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:Shourie, Arun}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতিবিদ]] [[Category:Hindu nationalists]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতান্ত্রিক বিরোধী]] [[Category:Investigative journalists]] hw8y0emic3w8u8cymxk6zbllxs0ftgd 78891 78890 2026-04-20T11:18:09Z ARI 356 /* External links */ 78891 wikitext text/x-wiki [[File:Arun Shourie addressing the Plenary Session on "Diaspora Youth and India - Blueprint for Engagement" at the 2nd Pravasi Bharatiya Divas in 2004.jpg|thumb| আমি বেশ অবাক হয়েছিলাম এবং অরুণ শৌরিকে ভারতের গর্বাচেভ নাম দিয়েছিলাম। তিনি পচা স্লোগানের আবর্জনায় ভরা একটি ঘরে জানালাগুলো খুলে দিয়েছিলেন এবং এক ঝলক টাটকা বাতাস আসতে দিয়েছিলেন। ~ সীতারাম গোয়েল]] [[File:Animal artists at the Jardin des Plantes.jpg|thumb|তারা বর্তমান ভারত এবং বিশেষ করে [[হিন্দুধর্ম]]কে একটি চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছে—বিভিন্ন রকমের অসম প্রজাতির স্তূপ। তাদের মতে ‘[[ভারত]]’ বলে কিছু নেই, এটি কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ, কেবল [[যুক্তরাজ্য]]ের তৈরি একটি ধারণা; হিন্দুধর্ম বলে কিছু নেই, এটি কেবল আরবদের ব্যবহৃত একটি শব্দ যা তারা এখানে এসে বিভিন্ন ধরনের মানুষের দেখা পাওয়ার পর ব্যবহার করেছিল, এটি কেবল অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য সাম্প্রদায়িকদের একটি উদ্ভাবন, এটিই ছিল তাদের অবস্থান।]] [[File:Dalailama1 20121014 4639.jpg|thumb|আমাদের উচিত দালাই লামার উদাহরণটি সামনে রাখা। তিনি ধ্যানের ওপর একটি তিব্বতি গ্রন্থের ওপর বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি একটি বাক্য পড়লেন, হাসলেন এবং মন্তব্য করলেন, ‘সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বগুলো লজ্জাজনক! এগুলো ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত!’ তিনি পরামর্শ দেন যে আমাদের কাছে সবসময় একটি ঝুড়ি রাখা উচিত—যা কিছু আমাদের বর্তমান জ্ঞানের সাথে মেলে না, সেগুলো সেই ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া উচিত। ‘[[বৌদ্ধধর্ম]]কে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে,’ তিনি এটাই শেখান। সেই অনুযায়ী তিনি বৌদ্ধ গ্রন্থগুলোকে সূক্ষ্ম পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করেছেন। (...) এটি নিজের ঐতিহ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসকেই তুলে ধরে। এটিই হলো ঐতিহ্যের প্রকৃত সেবা। এতে থাকা ‘অমূল্য রত্ন’ [[ভবিষ্যৎ]]ের জন্য রক্ষা করার উপায় এটিই।]] [[File:Censorship in cinema.jpg|thumb|এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?]] [[File:Parental Advisory label.svg|thumb|এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি—যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?]] [[File:Censorship.svg|thumb|এই বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।]] [[File:Murales Rivera - Treppenhaus 9 Bücherverbrennung.jpg|thumb|আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে... তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা...<br> দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br> তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন।]] [[File:Eustache Le Sueur - The Preaching of St Paul at Ephesus - WGA12613.jpg|thumb|সবচেয়ে বড় অংশগুলো বাদ দিতে বলা হয়েছে ‘আওরঙ্গজেবের ধর্মীয় নীতি’ সংক্রান্ত অধ্যায় থেকে। তিনি হিন্দুদের সাথে প্রকৃতপক্ষে কী করেছিলেন, তাদের মন্দিরের কী করেছিলেন, তার শাসনের মূল উদ্দেশ্যইসলামের প্রভাব বিস্তার এই সংক্রান্ত প্রতিটি ইঙ্গিত বই থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে... '''সবকিছু ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।'''<br/>'''বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের জন্য বস্তুনিষ্ঠ ধামাচাপা। আর আজ যদি কেউ এই পাঠ্যবইগুলোতে সত্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে, তবে চিৎকার ওঠে, ‘ইতিহাসের সাম্প্রদায়িক পুনর্লিখন’।''']] [[File:Porträtgalerie des steiermärkischen Adels 043.jpg|thumb|একবার যখন তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিলেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিলেন, তখন তারাই ঠিক করতে শুরু করলেন কী পড়ানো হবে, কোন বইগুলো পাঠ্য হবে, কী প্রশ্ন করা হবে আর কোন উত্তরগুলো গ্রহণযোগ্য হবে। এভাবেই এই ঐতিহাসিকরা আসলে ইতিহাস কী ছিল তা নির্ধারণ করতে শুরু করলেন! ... এভাবেই তারা তথ্য গোপন করেন, কিছু তথ্য বানিয়ে বলেন, এমনকি কোনো লেখক একটি বিষয়ে কী বলেছেন তা ধামাচাপা দিয়ে অন্য বিষয়ে তার বলা কথাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রচার করেন। আর যখনই কেউ আসলে কী ঘটেছিল তা তুলে ধরার চেষ্টা করে, তখনই তারা সমস্বরে চিৎকার শুরু করেন: ইতিহাস নতুন করে লেখার ষড়যন্ত্র চলছে, তারা চিৎকার করেন; ইতিহাস বিকৃত করার চক্রান্ত হচ্ছে, তারা চিৎকার করেন। '''কিন্তু তারাই প্রথম থেকে ইতিহাস বিকৃত করে আসছেন সত্য গোপন করে এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে।''']] [[File:Censored stamp.jpg|thumb|আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?]] [[File:Soviet Communism Threatens Education - NARA - 5730072.jpg|thumb|পরিস্থিতি এখন এইরকম: ভারতের জনপরিসরে যারা গত অর্ধ শতাব্দী ধরে আধিপত্য বিস্তার করেছেন, নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং অন্যদের আতঙ্কিত করে রেখেছেন, তাদের হাতে এখন কোনো তথ্য বা যুক্তি অবশিষ্ট নেই। যে কেউ তাদের অভ্যন্তরীণ আলোচনাগুলো পর্যবেক্ষণ করলেই এর প্রমাণ পাবেন—তারা এখন ক্রমশ ছোট হয়ে আসা গণ্ডির মধ্যে কথা বলছেন এবং সেই ছোট গণ্ডিতেই পুরনো কিছু বুলি পুনরাবৃত্তি করছেন। সেখানে নতুন কোনো চিন্তাভাবনা বা নতুন কোনো তথ্য নেই। আর আমরা যেমনটা দেখেছি, এটি আগে থেকেই ধারণা করা যায়: তাত্ত্বিক বুলিগুলোর পুনরাবৃত্তি করাই তাদের জন্য কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং যথেষ্ট।]] [[File:Shri Arun Shourie, Member of Parliament presented his book titled “Falling Over Backward” to the Vice President, Shri Bhairon Singh Shekhawat, in New Delhi on June 3, 2006.jpg|thumb|এর ফলাফল প্রত্যাশিত হলেও তা অন্যায় এবং হাস্যকর: যদি রাম শরণ একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, তবে রাষ্ট্র এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় অনেক কিছু নির্ধারণ করে দিতে পারে যা তাকে করতে হবে; কিন্তু যদি মুহাম্মদ আসলাম রাস্তার ওপারে ঠিক একই রকম একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, যেখানে ঠিক একই বিষয় পড়ানো হয় এবং একই পাঠ্যবই ব্যবহার করা হয়, তবে রাষ্ট্র বা বিশ্ববিদ্যালয় কেউই এর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না!]] '''অরুণ শৌরি''' (জন্ম ২ নভেম্বর ১৯৪১) ভারতের একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক এবং রাজনীতিবিদ। == উক্তি == === ১৯৭০-এর দশক === ==== ''সিম্পটমস অফ ফ্যাসিজম'' (১৯৭৮) ==== * জরুরি অবস্থার অপরাধীদের বিষয়ে আজ আমরা যা দেখছি তা আইনের শাসন নয়, বরং তার ধ্বংস। আমরা দেখছি কীভাবে বুর্জোয়া আইনের শাসন ধ্বংস করা হচ্ছে। এই শ্রেণির লোকেরাই নিজেদের স্বার্থে এটি ধ্বংস করছে এবং বুর্জোয়া সমাজ এই অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনার মতো প্রয়োজনীয় দৃঢ়তা দেখাতে পারছে না। আজ আমাদের বিচার ব্যবস্থার দুটি বৈশিষ্ট্য সবার সামনে পরিষ্কার হয়ে গেছে। প্রথমত, অপরাধীরা যদি প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাশালীদের সাথে যুক্ত হয়, তবে এই ব্যবস্থা তাদের ধরতে পারে না। দ্বিতীয়ত, জনগণ এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে করা তাদের প্রধান অপরাধগুলোর জন্য এটি তাদের ধরতে পারে না। * এরপর আছেন আমাদের লক্ষ্যহীন বামপন্থীরা, যারা একে অপরকে গালিগালাজ করতে ব্যস্ত। আর সবশেষে আছেন উদারপন্থীরা, যারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজাতে ব্যস্ত, বরং তারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজানো নিয়ে সেমিনার করতে ব্যস্ত। * আসন্ন ফ্যাসিবাদের প্রবল আঘাত থেকে আমাদের বাঁচাতে এই লোকগুলোর ওপর ভরসা করা মানে হলো একটি মাইনফিল্ড পার হওয়ার জন্য বুড়ো মহিষের ওপর নির্ভর করা। === ১৯৮০-র দশক === ==== ''রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স'' (১৯৮৯) ==== * এভাবে নীরবতা সংস্কারের গতি কমিয়ে দেয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি বহু সংখ্যক মানুষ এই নেতাদের সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে লেখালিখি এবং আলোচনা করতেন, তবে এই সম্প্রদায়ের ভেতরে থাকা সংস্কারকরা আজকের মতো এতটা বিচ্ছিন্ন এবং কোণঠাসা হতেন না। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, পুরো সত্য না বলাটা একটা অভ্যাসে পরিণত হয়। নিজের বিশ্বাস লুকিয়ে রাখা, তথ্যপ্রমাণ এড়িয়ে যাওয়া এবং প্রতারণা করা যেন আমাদের জনপরিসরের আলোচনার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। * তবুও আমি এই সংখ্যাগরিষ্ঠ রায়ে এক মারাত্মক সারল্য খুঁজে পাই... এই রায়ে ঋগ্বেদ, যজুর্বেদ এবং অথর্ববেদ থেকে সেই ঘোষণাগুলো উদ্ধৃত করা হয়েছে, যেখানে সব মানুষ এক, সবাই একই ধরিত্রীর সন্তান এবং আমাদের সবার বন্ধু হওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সেখানে এটি উল্লেখ করা হয়নি যে, আদালতের ভবন থেকে এক মাইলেরও কম দূরত্বে ফতোয়ার অসংখ্য বই বিক্রি এবং বিতরণ করা হচ্ছে, যেখানে মুসলিমদের উৎসাহিত করা হচ্ছে যেন তারা কখনোই কাফিরদের বিশ্বাস না করে এবং তাদের ওপর ভরসা না রাখে; সেখানে তাদের বলা হচ্ছে যে, তাদের প্রথম কাজ এবং আনুগত্য হবে তাদের ধর্মের প্রতি, কোনো সাধারণ আইনের প্রতি নয়... ঈশ্বর আর আল্লাহ যে এক, এটা [[মহাত্মা গান্ধী]]কে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। মন্দির আর মসজিদ, পুরাণ আর কুরআন যে এক, এটা [[গুরু গোবিন্দ সিং]]কে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। যাদের এটা বোঝানো প্রয়োজন, যেমন উলেমা বা শাহী ইমাম—তারা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন যে এগুলো এক নয়। ** অরুণ শৌরি: ইন্ডিয়া., এবং দাশগুপ্ত, এস. (১৯৯৫)। দি অযোধ্যা রেফারেন্স: দি সুপ্রিম কোর্ট জাজমেন্ট অ্যান্ড কমেন্টারিস। পৃষ্ঠা ১৭১-৩ * "বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টিই ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।" ** রাম স্বরূপের আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইসলাম থ্রু হাদিস বইটি নিষিদ্ধ করার বিষয়ে। কোয়েনরাড এলস্টর অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি, ১৯৯১, অধ্যায় ১২। * তারা ভয় দেখানোর ওপর নির্ভর করে। ঠিক এই ধরনের কৌশলেই জনাব স্বরূপের আগের একটি বই আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইসলাম থ্রু হাদিস বাজার থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল... ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর, একই ধরনের হুমকির মুখে দিল্লি প্রশাসন ঘোষণা করে যে, আগে তারা দুইবার যা বলেছিল তার উল্টো করে বইটি কেবল আপত্তিকরই নয়, বরং এটি ইচ্ছাকৃতভাবে এবং বিদ্বেষমূলকভাবে লেখা হয়েছে!....<br/>আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই শাহাবুদ্দিনদের মতো জায়গা থেকে মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে, তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা....<br/>দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br/>তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন। ** অরুণ শৌরি: "হাউ শুড উই রেসপন্ড?", সীতারাম গোয়েল সম্পাদিত ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসি (১৯৯৮) বইতেও রয়েছে। * পঞ্চাশ বছর ধরে এই দলটি তথ্য গোপন করছে এবং মিথ্যা উদ্ভাবন করছে। আইসিএইচআর-এর সেই উদ্দেশ্য—আমাদের অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ এবং যৌক্তিক গবেষণার প্রসার ঘটানো সেটি নিয়ে তারা কতই না চিন্তিত! তাদের এই চিন্তাভাবনা কীভাবে ১৯৮৯ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া নির্দেশিকার সাথে মেলে... যেখানে বলা হয়েছিল, "মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না"? অথচ বৌদ্ধ বিহার ধ্বংস নিয়ে তাদের পাইকারি মিথ্যাচার এবং অস্তিত্বহীন "আর্য আক্রমণ" নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা মানেই হলো সাম্প্রদায়িক বা উগ্র জাতীয়তাবাদী হওয়া! এই "ঐতিহাসিকদের" প্রধান অপরাধ হলো এটিই। কিন্তু এরা কেবল একপাক্ষিক "ঐতিহাসিক" নন। তারা চরম পর্যায়ের স্বজনপ্রীতি করেন... তারা এমন লোক যারা সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে একে অপরকে অনেকভাবে সাহায্য করেছেন... এই "ঐতিহাসিকরা" কেবল পক্ষপাতদুষ্ট বা স্বজনপ্রীতিই করেন না, বরং তারা একে অপরকে সাহায্য করার জন্য রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ব্যবহার করেছেন... এর ফলে, এই লোকগুলোর বই এবং প্রচারপত্র সব আঞ্চলিক ভাষায় পাওয়া যায়, কিন্তু লোকমান্য তিলকের কাজগুলো মারাঠি ছাড়া অন্য ভাষায় পাওয়াই যায় না! ** ফেব্রিক্যাশনস অন দ্য ওয়ে টু দ্য ফিউনারেল। প্রকাশনা: ইন্ডিয়া কানেক্ট। লেখক: অরুণ শৌরি। তারিখ: ২৬ জুন, ১৯৯৮। [http://voiceofdharma.org/indology/eminenthistorians1.html] [https://www.dharmadispatch.in/commentary/de-secularizing-indian-history-why-the-ugc-deserves-our-kudos] * সব তথ্যই... পঞ্চাশ বছর আগে সবার জানা ছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধের সেই প্রজন্মের বিদায়ের সাথে সাথে এবং রেকর্ডগুলো যাচাই করার অভ্যাস পুরোপুরি ত্যাগ করার ফলে, বিশেষ করে জাতিভিত্তিক রাজনীতির উত্থানে সেগুলো জনস্মৃতি থেকে মুছে ফেলা হয়েছে। আর এই মুছে ফেলার ফলাফল যা হওয়ার ছিল তাই হয়েছে: এক ধরনের মানসিক বৈকল্য। শুরুতে যারা আম্বেদকরের নামে রাজনীতি করে এবং তাদের সমর্থকরা স্বাধীনতা সংগ্রামকে খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করেছে: তারা দাবি করে যে এই স্বাধীনতা "প্রকৃত" নয়। ঠিক সেই দলটির মতোই যারা ১৯৪২ সালের সেই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্রিটিশদের সাথে হাত মিলিয়েছিল—কমিউনিস্টরা। প্রকৃতপক্ষে... আম্বেদকরের আচরণকে সঠিক প্রমাণ করতে তার অনুসারীরা দাবি করেন যে ব্রিটিশ শাসনই ভালো ছিল... কিন্তু সত্য আলমারিতে লুকিয়ে থাকে। পাছে সত্য বেরিয়ে এসে তাদের রাজনীতির সেই আদর্শকে কলঙ্কিত করে, পাছে তাদের রাজনীতি আসল রূপে ধরা পড়ে যায়—যা মূলত বঞ্চিতদের নামে স্বার্থসিদ্ধি ছাড়া আর কিছুই নয়—আম্বেদকরের এই অনুসারীরা মৌখিক সন্ত্রাসবাদ এবং সরাসরি আক্রমণের মাধ্যমে তাদের এই বিশেষ ইতিহাসের ধারা বজায় রাখতে চায়। ** অরুণ শৌরি, *ওরশিপিং ফলস গডস*, ১৯৯৭, হার্পার কলিন্স। ==== ''ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস: এসেস অন রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স'' (১৯৯৩) ==== :শৌরি, এ. (২০০৬)। ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস: এসেস অন রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স। নয়া দিল্লি: রূপা অ্যান্ড কোং। * প্রত্নতাত্ত্বিক নতুন আবিষ্কারগুলোর ওপর যে নীরবতা পালন করা হয়েছে, তা একটি বড় উদাহরণ। .... এক দশকেরও বেশি সময় আগে করা খননকার্য থেকে পাওয়া তথ্যগুলো যখন জনসমক্ষে এল এবং সেখানে আগে সত্যিই একটি মন্দির ছিল সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ রইল না, তখন স্বয়ং প্রত্নতত্ত্বকেই নিন্দা জানানো হলো। বিশ্বের অন্যতম সম্মানিত প্রত্নতাত্ত্বিক—যিনি ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের প্রাক্তন মহাপরিচালক ছিলেন এবং সেই খননকার্যের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন—তাকে কলঙ্কিত করার কাজে পত্রিকাগুলো নেমে পড়ল। ... এর শিক্ষা খুব পরিষ্কার: যদি এমন দ্বিমুখী নীতি চলতে থাকে, তবে আমাদের সম্পাদকীয় লেখকদের ভয়ভীতিপূর্ণ সতর্কবাণী হিন্দুরা এখন যতটা শুনছে, ভবিষ্যতে তার চেয়েও কম গুরুত্ব দেবে। * পরিষ্কারভাবে বলতে গেলে, আমাদের সাংবাদিকরা যাদের 'কট্টরপন্থী' বলেন, তারাই সঠিক প্রমাণিত হয়েছেন। * গত এক দশকে শিখ এবং মুসলিম সাম্প্রদায়িকরা যেভাবে রাষ্ট্রকে সফলভাবে প্রভাবিত করেছে, তাতে সংবাদপত্রের ঘটনা এবং ইস্যুগুলোর বর্ণনায় দ্বিমুখী নীতি, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে প্রতারণা একটি বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। * মধ্যযুগীয় ভারতের প্রতিটি মুসলিম ঐতিহাসিক এমন মন্দিরের তালিকা দিয়েছেন যা তার সমকালীন শাসকরা ধ্বংস করেছিলেন এবং তার বদলে সেখানে মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। (৪২৯) ==== ''হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম (ভলিউম ১)'', ১৯৯৩ ==== * একজন বিখ্যাত মুসলিম পণ্ডিত যিনি ভারতের অন্যতম বড় ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের চতুর্থ রেক্টর ছিলেন, তার লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের ইংরেজি সংস্করণে বাবরী মসজিদসহ কিছু মসজিদের তালিকা ছিল, যা মন্দিরের জায়গায় এবং ভিতের ওপর তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে মন্দিরের পাথর ও কাঠামো ব্যবহারের উল্লেখ ছিল। দেখা গেল, সেই গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! বলা হচ্ছে বইটি এখন পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে;... এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... আমি জানলাম এটি একটি দীর্ঘ বই ছিল, যা শুরু হয়েছিল ভারতের ভূগোল, গাছপালা, পশুপাখি, ভাষা, মানুষ এবং অঞ্চলগুলোর বর্ণনা দিয়ে। বইটি আরবি ভাষায় লেখা হয়েছিল আরবিভাষী মানুষের জন্য। ... একটি অদ্ভুত তথ্য আমার সামনে এল। এই ধরনের প্রকাশনা সম্পর্কে যাদের জ্ঞান থাকার কথা, তাদের অনেকেই হঠাৎ করে এই বইটির কথা মনে করতে দ্বিধা বোধ করছিলেন। আমাকে বলা হয়েছিল যে, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের মতো জায়গাগুলো থেকে বইটির কপি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এমনকি কেউ কেউ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, তিন-চার বছর আগে এই বইটির প্রতিটি কপি ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য একটি সুসংগঠিত প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। .... লেখকের মর্যাদা এবং বইটির গুরুত্ব এত বেশি হওয়া সত্ত্বেও মৌলবাদীদের কাছে এটি কেন প্রিয় নয়? এর উত্তর লুকিয়ে আছে “হিন্দুস্তান কি মাসজিদেঁ” অর্থাৎ “হিন্দুস্তানের মসজিদসমূহ” নামক অধ্যায়টিতে। ... এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি, যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন—যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?... ** রাজনৈতিক কারণে লাইব্রেরি থেকে বই সরিয়ে ফেলার বিষয়ে। অরুণ শৌরি: হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯)। উদ্ধৃত: সীতারাম গোয়েল (সম্পাদক) (১৯৯৩)। হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম। ভলিউম ১। * সেগুলোর প্রকৃত গুরুত্ব এবং আমি বলতে পারি মসজিদ-মন্দির বিতর্কের ক্ষেত্রে এগুলো সবচেয়ে ছোট এবং সাধারণ উদাহরণ মাত্র লুকিয়ে আছে সত্য এড়িয়ে চলা এবং গোপন করার মধ্যে। আমার কাছে নির্ভরযোগ্য তথ্য আছে যে, এই অংশগুলো অনেক আগে থেকেই পরিচিত এবং যারা বাবরী মসজিদ ইস্যু নিয়ে কাজ করছেন তারা এটি ভালো করেই জানেন। এটিই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়; তারা এগুলো জানতেন এবং তাদের ইচ্ছা ছিল সত্য জানার বদলে সত্যকে গোপন করে মাটিচাপা দেওয়া.... মাওলানা আবদুল হাইয়ের অনুচ্ছেদগুলোর পরিণতি এবং আমি জানি না যে উর্দু সংস্করণটিও মূল আরবি সংস্করণের একটি সুবিধাজনক কাটছাঁট করা রূপ কি না আমাদের দেখায় যে, যারা নিজেদের রাজনীতির জন্য ধর্মের আবেগ উসকে দেয় তারা কতটা স্বার্থপরভাবে কাজ করে। '''যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য—মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?''' ** রাজনৈতিক কারণে লাইব্রেরি থেকে বই সরিয়ে ফেলার বিষয়ে। অরুণ শৌরি: হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯)। উদ্ধৃত: সীতারাম গোয়েল (সম্পাদক) (১৯৯৩)। হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম। ভলিউম ১। ==== ''আ সেকুলার এজেন্ডা'', ১৯৯৩ ==== * পাঠ্যটি পড়লে পাঠক লক্ষ্য করবেন যে ভারতের জনপরিসরের আলোচনায় যেসব বুলি ব্যবহার করা হয় এবং ফলস্বরূপ অনেকে যা বিশ্বাস করে নিয়েছেন, তা তথ্যের চেয়ে কতটা আলাদা.... (১০) * একটু চিন্তা করলেই দেখা যাবে যে ভারতের বিষয়টি আমরা যে উদাহরণগুলো আলোচনা করেছি তার মতো নয়। কারণ সেই উদাহরণগুলো একদম সাম্প্রতিক সময়ের—সেই জাতিগুলো "কল্পিত" ছিল, সেই ঐতিহ্যগুলো মাত্র ১০০ বা ১৫০ বছর আগে "উদ্ভাবিত" হয়েছিল। এর বিপরীতে ভারতকে হাজার হাজার বছর ধরে এক হিসেবে দেখা হয়েছে এবং এর মানুষের জীবনযাপনের ধরনও সাধারণ। এর ইতিহাস কেবল পুরনোই নয়.... এটি একটি ধারাবাহিক ইতিহাস। (৯) * জবরদস্তি করে ভুলে যাওয়া নয়, বরং এক আপসহীন স্মৃতিই একটি জাতি গঠন করবে। * প্রতিটি বাক্যই একটি মিথ্যা। ... আপনি কি কখনো বিবিসিকে নওয়াজ শরিফকে "মৌলবাদী" বা "ধর্মান্ধ" বলতে শুনেছেন? কিন্তু আডবাণী যদি "মুসলিমদের" জায়গায় "হিন্দু" বসিয়ে একই ধরনের বক্তব্য দিতেন, তবে তারা তাকে কী বলত? ==== ''মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া'', ১৯৯৪ ==== * '''আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?''' * '''কিন্তু আমাদের জনপরিসর এবং শিক্ষা থেকে এই ধরনের তথ্যগুলো প্রায় পুরোপুরি মুছে ফেলার একটি আরও শক্তিশালী কারণ আছে। আর সেটি হলো গত ৪৫ বছর ধরে আমরা যে ধরনের “ধর্মনিরপেক্ষতা” চর্চা করেছি: এমন এক “ধর্মনিরপেক্ষতা” যেখানে দ্বিমুখী নীতিই ছিল নিয়ম, যেখানে আমাদের জাতীয় পরিচয়কে ঢেকে রাখা আবর্জনা দূর করতে পারে এমন সবকিছুই অত্যন্ত ঘৃণ্য হয়ে উঠেছে।''' * ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অফ ইন্ডিয়া (সিবিসিআই) হলো ভারতের বিভিন্ন ক্যাথলিক গির্জার কাজ সমন্বয় করার এবং অন্য ধর্মের সাথে সংলাপ করার জন্য সর্বোচ্চ সংস্থা। ... ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করতে... সিবিসিআই ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতে একটি সভার আয়োজন করেছিল.... এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশ ছিল: এটি পঞ্চাশ বছরে মাত্র দ্বিতীয়বার এবং পঁচিশ বছরে প্রথমবার ছিল যেখানে এমন একটি ব্যাপক পর্যালোচনা করা হচ্ছিল... আয়োজকরা অত্যন্ত সদয় হয়ে আমাকে ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিদের কাজের ওপর হিন্দুদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে বলেছিলেন। * আর এই ধরনের মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করেই উপজাতিদের হিন্দু সমাজ থেকে আলাদা করা হয়েছিল। অ্যানিমিজম বা প্রকৃতিপূজার যে বর্ণনাগুলো দেওয়া হয়েছিল সেগুলো পড়লেই বোঝা যায় যে, তারা আসলে বিভিন্ন ধরনের হিন্দুদের কথাই বর্ণনা করছিল। ;'''বইটি সম্পর্কে উক্তি''' * আয়োজকরা অরুণ শৌরিকে ভারতে মিশনারিদের কাজের ওপর হিন্দুদের মূল্যায়ন তুলে ধরার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। অরুণ শৌরি ৫ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে আর্চবিশপ, বিশপ এবং অন্যদের সামনে ভাষণ দেন। ... আয়োজকরা অরুণ শৌরিকে তার বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে একটি প্রবন্ধ লিখতে অনুরোধ করেন.... বিতর্ক বাড়তে থাকায়... [তারা] অরুণ শৌরির সাথে একটি প্রকাশ্য মঞ্চে মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া নিয়ে আলোচনা করার জন্য বেশ কয়েকজন প্রবীণ গির্জা কর্মকর্তাকে আমন্ত্রণ জানান। ** মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া বইটি সম্পর্কে ** শৌরি, অরুণ। অরুণ শৌরি অ্যান্ড হিজ খ্রিস্টান ক্রিটিক। (১৯৯৫) * সংলাপের তৃতীয় উদ্দেশ্য সফল করার জন্য একটি আলোচনা কেবল ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতেই সম্ভব হয়েছিল, যখন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও পণ্ডিত অরুণ শৌরিকে ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অফ ইন্ডিয়া (সিবিসিআই) ভারতে মিশনারিদের কাজের “হিন্দু মূল্যায়ন” উপস্থাপনের জন্য আমন্ত্রণ জানায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এই “সংলাপের” আয়োজকদের জন্য বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং হিতে বিপরীত হয়। এরপর থেকেই ভারতের বিশাল খ্রিস্টান প্রতিষ্ঠান অরুণ শৌরির দেওয়া আঘাত সহ্য করছে। তিনি যে শোরগোল তুলেছিলেন তা কেবল ১৯৫৩ সালে কে. এম. পানিক্করের এশিয়া অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন ডমিন্যান্স প্রকাশের পর হওয়া শোরগোলের সাথে তুলনা করা যায়। মিশনারি বিজ্ঞান খ্রিস্টান দাবিগুলোর ক্ষতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য তাদের সব যুক্তি ও কৌশল প্রয়োগ করছে...<br>সিবিসিআই তাদের প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করছিল এবং পুনের ইশভানি কেন্দ্রে একটি সেমিনারের আয়োজন করেছিল। ৫ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে অরুণ শৌরি যখন তার বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখন ভারতের প্রায় সব বড় ক্যাথলিক নেতা সেখানে উপস্থিত ছিলেন...<br>প্রবন্ধটি বিস্তারিতভাবে লেখার পর তা একটি বইয়ের আকার নেয়। অরুণ শৌরি ১৯৯৪ সালের মে মাসের শুরুতে মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া: কন্টিনিউইটিস, চেঞ্জেস, ডিলেমাস নামে এটি প্রকাশ করেন। ... ইতিমধ্যে অরুণ শৌরি এই বিষয়ে তার নিয়মিত কলামে বেশ কিছু নিবন্ধ লিখেছিলেন যা দেশের বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশিত অনেকগুলো পত্রিকায় বের হয়। এই নিবন্ধগুলো পুনের মহারাষ্ট্র হেরাল্ডে একটি প্রাণবন্ত আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। ** সীতারাম গোয়েল, হিস্ট্রি অফ হিন্দু খ্রিস্টান এনকাউন্টারস * স্বাধীনতার পর ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিদের দাপট নেহরুবাদী প্রশাসনের সমর্থনে ক্রমাগত বেড়েই চলেছিল, যেখানে মিশনারি-ম্যাকলে ধাঁচের শিক্ষায় বেড়ে ওঠা একদল আত্মবিস্মৃত হিন্দু ছিল। এই ধারায় একমাত্র ছেদ ছিল ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত কে. এম. পানিক্করের এশিয়া অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন ডমিন্যান্স, ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত মধ্যপ্রদেশ খ্রিস্টান মিশনারি অ্যাক্টিভিটিস কমিটির রিপোর্ট, ১৯৭৮ সালে লোকসভায় ওম প্রকাশ ত্যাগীর আনা ধর্মীয় স্বাধীনতার বিল, ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত অরুণ শৌরির মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া এবং ২০ ডিসেম্বর ১৯৯৬ সালে মঙ্গল প্রভাত লোধা কর্তৃক মহারাষ্ট্র বিধানসভায় আনা মহারাষ্ট্র রিলিজিয়াস ফ্রিডম বিল। ** সীতারাম গোয়েল, ভিন্ডিকেটেড বাই টাইম: দ্য নিয়োগী কমিটি রিপোর্ট (১৯৯৮) ==== ''দ্য ওয়ার্ল্ড অফ ফতোয়াস (অর দ্য শরিয়া ইন অ্যাকশন)'', ১৯৯৫ ==== * আমাদের শহরের মুসলিম এলাকার বইয়ের দোকানগুলোতে—উদাহরণস্বরূপ দিল্লির জামে মসজিদের চারপাশের দোকানগুলোতে—ফতোয়ার সংকলনগুলো তাকের পর তাক জুড়ে থাকে। পবিত্র সাহিত্যের প্রতি মানুষ যেমন যত্নশীল হয়, এগুলোও তেমনি যত্নের সাথে সাজানো থাকে। পৃষ্ঠাগুলোর বিন্যাস খুব সুন্দর। ক্যালিগ্রাফিগুলো প্রায়ই শিল্পের পর্যায়ের। ভলিউমগুলো চমৎকারভাবে বাঁধাই করা—প্রায়ই কভারের ওপর সোনালি এমবসিং থাকে। * '''এক কথায়, ফতোয়া হলো শরিয়তের প্রয়োগ।''' * এই সব কারণে যে কেউ ফতোয়ার ওপর প্রচুর গবেষণার আশা করবে। কিন্তু তাহলে আমাদের বুদ্ধিজীবীদের কথা ভুলে যেতে হবে। এটি আরও একটি প্রমাণ যে আমাদের বুদ্ধিজীবীরা আমাদের দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন; ইংরেজি বা উর্দুতে ফতোয়ার ওপর কোনো গবেষণাই প্রায় নেই। * প্রথমত, আমাদের পণ্ডিতরা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের জন্য সময় দেননি ঠিক সেই কারণে যার জন্য তারা আমাদের দেশের অস্তিত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অন্য বিষয়গুলোতেও সময় দেননি। ভারতে বুদ্ধিবৃত্তিক কাজের বেশিরভাগই হলো পশ্চিমে যা করা হচ্ছে তার পাদটীকা লেখা—অন্যদের চেয়ে মার্ক্সবাদী বুদ্ধিজীবীদের ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি সত্যি। আর যখন আমাদের বুদ্ধিজীবীরা এই পাদটীকা লিখতে ব্যস্ত থাকেন না, তারা পশ্চিমা মহলে জনপ্রিয় ফ্যাশন অনুসরণ করতে ব্যস্ত থাকেন এবং পশ্চিমে জনপ্রিয় হওয়া কোনো ধারণা বা ‘থিসিস’ ভারতীয় তথ্যের ওপর ‘প্রয়োগ’ করতে ব্যস্ত থাকেন। এক কথায়, আমাদের পাণ্ডিত্যপূর্ণ কাজগুলো অনুকরণধর্মী। তাই ভারতে ফতোয়া নিয়ে কোনো বড় গবেষণা না হওয়ার প্রথম কারণ হলো যে এগুলো এখনো পশ্চিমের নজর কাড়েনি। * “আমাদের উচিত, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের উচিত মুসলিম সমাজের অবস্থা সম্পর্কে পুরো সত্য বলা—উদাহরণস্বরূপ সেখানকার নারীদের দুর্দশা নিয়ে। এবং এর মূল উৎস—বই, আইন এবং চিন্তাধারার মধ্যে সেটি খুঁজতে দ্বিধা না করা। আমাদের উলেমা [মুসলিম ধর্মীয় নেতা] এবং কট্টরপন্থী রাজনীতিবিদদের সামাজিক কর্মকাণ্ডের দলিল তৈরি করা উচিত।... উলেমা এবং অন্যরা ধর্মীয় ইস্যুতে যা বলছেন এবং যা ফতোয়া দিচ্ছেন তা নথিবদ্ধ করা উচিত।... আমাদের, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের প্রতিটি বিষয়ে দৃঢ়ভাবে ধর্মনিরপেক্ষ অবস্থান নিতে হবে—কট্টরপন্থীদের মোকাবিলা করার এটিই একমাত্র পথ, এটিই সম্প্রদায়ের কাছে বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি পৌঁছে দেওয়ার সবচেয়ে নিশ্চিত উপায়।... ফতোয়া এবং অন্যান্য বিষয় যা একজন ব্যক্তির নাগরিক অধিকার খর্ব করে তা স্পষ্টতই আইনের অপরাধমূলক লঙ্ঘন; আমাদের উচিত সেগুলোকে সেভাবেই তুলে ধরা; এবং অন্যদের সাথে মিলে দাবি করা যে কেউ যদি ফতোয়া ব্যবহার করে অন্যের অধিকার মাড়িয়ে দিতে চায় তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। একইভাবে, আমাদের সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদরা এই প্রতিক্রিয়াশীল উপাদানগুলোকে খুশি করার জন্য এবং শেষ পর্যন্ত তাদের হাত শক্তিশালী করার জন্য যে ছাড় দেয়, তা আমাদের উন্মোচিত করতে হবে এবং ব্যর্থ করার জন্য কাজ করতে হবে।... কিন্তু উলেমা এবং তাদের নেটওয়ার্কের মোকাবিলা করাই যথেষ্ট নয়। আমরা যেমনটা দেখেছি, তারা যা প্রচার করে এবং কার্যকর করে তা কুরআন এবং হাদিসেই বলা আছে। তাই এই জাল কাটতে হলে উদারপন্থীদের এবং বিশেষ করে উদারপন্থী মুসলিমদের ইসলামের হাজার বছরের দাবিগুলো পরীক্ষা করে দেখতে হবে: এই দাবি যে কেবল একটিই সত্য আছে, তা কেবল একজন মানুষের কাছেই প্রকাশিত হয়েছে, তা কেবল একটি বইতেই আছে, সেই বইটি বোঝা খুব কঠিন, কেবল কয়েকজন নির্বাচিত মানুষই এর অন্তর্নিহিত অর্থ জানে এবং তাই তাদের কথা মেনে চলা সবার কর্তব্য। এক কথায়, মূল পাঠ্যগুলোকেই পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।” (উদ্ধৃত: বোস্টম, এ. জি. (২০১৫)। শরিয়া ভার্সেস ফ্রিডম: দ্য লেগাসি অফ ইসলামিক টোটালিটারিয়ানিজম।) * ফতোয়ার বইগুলোতে আরও একটি অদ্ভুত বিষয়ের ওপর পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা বরাদ্দ করা হয়েছে—তা হলো, কোনো বিশ্বাসী যদি পশুর সাথে যৌনমিলন করে তবে তার কী করা উচিত। ‘যে পশুর সাথে মানুষ যৌনমিলন করেছে তার হুকুম কী—পশু এবং সেই মানুষের হুকুম কী?’, প্রশ্নকারী জানতে চান এবং যথাযথ বিবেচনার পর এই বিশাল ‘ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের’ উলেমা একটি ফতোয়া জারি করেন। ফতোয়া দাবি করা অন্য বিষয়গুলোও ঠিক একইভাবে বিস্ময়কর। <br> ‘যে গর্ভবতী ছাগলের সাথে মিলন করা হয়েছে তা কি হালাল না হারাম? সেটি বাচ্চা দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না কি বাচ্চা হওয়ার আগেই মেরে ফেলে পুঁতে ফেলতে হবে?’ ‘জায়েদ একটি ছাগলের সাথে মিলন করেছে। এর আইন কী? আমরা কি এর মাংস খেতে পারি বা দুধ পান করতে পারি? আর যে মিলন করেছে তার জন্য আইন কী?’ ‘ছোট শিশু বা ছাগলের সাথে মিলন করার শাস্তি কী?’ ‘জায়েদ একটি হালাল পশু যেমন গরু বা ছাগলের সাথে মিলন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে পশুর কাছে গেল এবং তার যৌনাঙ্গ পশুর যোনিতে প্রবেশ করাল। কিন্তু কোনো বীর্যপাত হলো না। জায়েদ বা অন্য মুসলিমদের কি সেই পশুর মাংস বা দুধ হালাল মনে করা উচিত? এই অপরাধের জন্য কি জায়েদকে কাফফারা দিতে হবে?’ ‘জায়েদ একটি গরুর সাথে মিলন করেছে এবং তারপর সেটি বিক্রি করে দিয়েছে। সেই টাকা কীভাবে খরচ করতে হবে? সেটি কি সাদকা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে? আর জায়েদের শাস্তি কী?’ ‘যে ঘোড়ীর সাথে মিলন করেছে তার শাস্তি কী? সেই ঘোড়ীটির সাথে কী করা উচিত?’ এই প্রতিটি বিষয়ে একটি করে ফতোয়া আছে। <br> আর উত্তরগুলো সবসময় একরকম হয় না, অনেক সময় সুক্ষ্ম পার্থক্যের ওপর নির্ভর করে। পশুর সাথে মিলন করা বিশ্বাসীর জন্য কেবল তওবা করাই যথেষ্ট বলে মনে করেন এই পণ্ডিতরা, তবে সাধারণত পশুটিকে মেরে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। অর্থাৎ সাধারণ ক্ষেত্রে এর মাংস খাওয়া উচিত নয়। তবে একটি উদাহরণ ধরা যাক, দেওবন্দের দারুল উলুমের উলেমা রায় দিয়েছেন যে, ‘যদি (পশুর ভেতরে) বীর্যপাত না হয়, তবে এর মাংস এবং দুধ নিঃসন্দেহে হালাল।’ ‘কিন্তু যদি বীর্যপাত হয়, তবে পশুটিকে মেরে ফেলে এর মাংস পুঁতে ফেলা ভালো। কারো এটি খাওয়া উচিত নয়, যদিও এটি খাওয়া হারাম নয়।’ [...] পরিশেষে, অন্যরা যখন এই ধরনের প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করতে কিছুটা অস্বস্তি বোধ করতে পারেন এবং ‘ধর্মীয়’ বইগুলোতে এগুলোর দেখা পেয়ে অবাক হতে পারেন, উলেমাদের এই বিষয়ে আলোচনা করতে বা আইন দিতে কোনো দ্বিধা নেই। তারা এটিকে তাদের একটি কাজ বলে মনে করেন। মাওলানা মুফতি আবদুর রহিম কাদরী বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। জানা যায় যে, হযরত শায়খুল ইসলাম মাওলানা মৌলবি নামে একজন মৌলবি দুটি প্রচারপত্র প্রকাশ করে হানাফি ফকিহদের সমালোচনা করেছিলেন কারণ তারা মনে করেন যে পশুর সাথে মিলন করলে রোজা নষ্ট হয় না, এমনকি বীর্যপাত হলেও। তিনি হানাফি আইনের বড় বড় নাম—শামী এবং দুররুল মুখতার—উদ্ধৃত করে বলেছিলেন যে তারা এটিই বলেছেন। তিনি ধর্মীয় বইগুলোতে এই ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য পণ্ডিত উলেমাদের তিরস্কারও করেছিলেন। মৌলবির এই লেখাগুলো মতামতের জন্য মুফতি আবদুর রহিম কাদরীর কাছে পাঠানো হয়েছিল। মুফতির ব্যাখ্যা ফতোয়ায়ে রহিমিয়া-র দশটি মুদ্রিত পৃষ্ঠা জুড়ে আছে। প্রশ্নের মূল উত্তরটি নির্ভর করছে পশুর ভেতরে লিঙ্গ প্রবেশের সময় বীর্যপাত হয়েছে কি না তার ওপর—যদি হয় তবে রোজা বাতিল হয়ে যাবে—নাকি কেবল হাত দিয়ে পশুর যৌনাঙ্গ স্পর্শ বা চুম্বনের ফলে বীর্যপাত হয়েছে—সে ক্ষেত্রে রোজা নষ্ট হবে না। মুফতি এই পার্থক্য বোঝাতে বিভিন্ন উদ্ধৃতি দিয়েছেন এবং দাবি করেছেন যে মৌলবি হানাফি ফকিহদের রায়ের ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন। * এরপরে আসে উর্দু সংবাদমাধ্যম। এটি উলেমাদের অন্যতম শক্তিশালী সহযোগী এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের অস্ত্র হিসেবে কাজ করেছে, যেমনটা আমরা ড. জাকির হোসেন এবং মাওলানা আজাদের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানের সময় দেখেছি। ১৯৯২ সালে দিল্লির জামিয়া মিলিয়ার প্রো-ভিসি মুশিরুল হাসান এবং পাটনার খুদা বখশ লাইব্রেরির পরিচালক আবিদ রেজা বেদারের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানেও আমরা একই ভূমিকা দেখেছি। উচ্চকণ্ঠ, ব্যাপক বিকৃতি, অভিযোগের প্রতিধ্বনি তৈরি করা, চরম নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করা এবং তারপর সবকিছুকে ইসলামের ওপর আক্রমণ হিসেবে তুলে ধরা—এগুলোই এর বৈশিষ্ট্য। আর শেষ পর্যন্ত এগুলো সেই বিশ্বদর্শনকেই শক্তিশালী করতে ব্যবহৃত হয় যা উলেমা চান যে তাদের সম্প্রদায় বজায় রাখুক। *আর এরপর আছে পৃষ্ঠপোষকতার প্রভাব। সৌদি আরব, ইরান বা ইরাক অথবা অন্য ‘ইসলামি’ উৎস থেকে আসা তহবিল উলেমাদের কাছে বা তাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সংস্থাগুলোর কাছে যায়। এই তহবিল প্রায় কখনোই উদারপন্থীদের কাছে পৌঁছায় না। ভারতের অবস্থা তো আরও খারাপ। যেহেতু উলেমা সম্প্রদায়কে নিয়ন্ত্রণ করে, তাই রাষ্ট্র উলেমা এবং তাদের ভাষায় যারা কথা বলে তাদের সামনেই নতজানু হয়। রাষ্ট্র যত দুর্বল হয়েছে, উলেমা তত সহজে তাদের প্রচারাভিযান চালিয়ে যেতে পেরেছে। আর বিনিময়ে তারা সম্প্রদায়ের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও মজবুত করতে পেরেছে এটি দেখিয়ে যে রাষ্ট্র তাদের সামনে মাথা নত করে—যেমন শাহ বানোর ক্ষেত্রে হয়েছিল; যে রাষ্ট্র তাদের পথে দাঁড়ানোর সাহস পায় না: দেশের আইনি ব্যবস্থার বাইরে সমান্তরাল আদালত—শরিয়ত আদালত তৈরি করার জন্য তাদের বর্তমান অভিযানের দুঃসাহস দেখুন। *উদারপন্থী হিন্দুরা এতটাই লজ্জিত থাকে এবং তারা এই মেকি ধর্মনিরপেক্ষতাকে এতটাই নিজের করে নিয়েছে যে, তারা ধর্মগ্রন্থগুলো—তা ইসলামের হোক, হিন্দুধর্মের হোক বা আমাদের আইন ও সংবিধানের হোক সেগুলো সম্পর্কে কিছুই জানে না। তারা দ্বিমুখী নীতিকে এতটাই মেনে নিয়েছে যে ইসলামি সব বিষয়ে চুপ থাকা এবং মৌলবাদীদের সুর মেলানোকেই তারা ধর্মনিরপেক্ষতার প্রমাণ মনে করে। ইংরেজি সংবাদমাধ্যমের ‘ধর্মনিরপেক্ষরা’ এর একটি তৈরি উদাহরণ। তারা আলী মিঞাকে ‘পরিমিতিবাদী, সর্বজনশ্রদ্ধেয় মুসলিম নেতা’ হিসেবে উল্লেখ করবে তার কোনো লেখা না পড়েই। তারা বিভিন্ন মুফতি ও মৌলবিকে ‘মুসলিম ধর্মতত্ত্ববিদ’ হিসেবে উল্লেখ করবে। অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড বা অল ইন্ডিয়া মিলি কাউন্সিল যা করছে তা থেকে তারা চোখ বন্ধ করে রাখবে; কিন্তু রাষ্ট্রের কোনো সংস্থা যদি তাদের কার্যক্রম উন্মোচিত করতে কোনো পদক্ষেপ নেয় তবে তারা চিৎকার শুরু করবে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, কোনো ইস্যুতে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে উলেমাদের পক্ষ নেবে এবং জোর দিয়ে বলবে যে এই পক্ষের বিরোধিতা করা মানেই ‘সাম্প্রদায়িক’, ‘ফ্যাসিবাদী’ বা ‘প্রতিশোধপরায়ণ’ হওয়া। এই ধরনের চিৎকারের প্রভাব কেবল আলোচনার পরিবেশ বিষিয়ে দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। দুর্বল শাসকরা সেই পরিবেশে প্রভাবিত হয়। আর এভাবেই জননীতি উলেমাদের পক্ষে চলে যায়। ফলে উলেমা আরও শক্তিশালী হয়। *আমরা যখন বুদ্ধের বাণী বা রোজা সম্পর্কে গান্ধীজির কথা পড়ি, তখন তার বিষয়বস্তু থাকে নিজের ভেতর তাকানো এবং আত্মশুদ্ধি নিয়ে। কিন্তু এমনকি যখন ফতোয়াগুলো পুরোপুরি ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কাজ করে, তখনও সেগুলো কেবল সেই নিয়মগুলো নিয়ে থাকে যা একজন বিশ্বাসীকে মেনে চলতে হয়। এগুলো কুচকাওয়াজের জন্য একজন ড্রিল সার্জেন্ট ক্যাডেটদের যে নির্দেশনা দেন তার মতো। *আমাদের নেতা এবং সুপ্রিম কোর্ট যখন অনবরত বলছেন, ‘সব ধর্ম এক’; যখন তারা বেদের বাণী স্মরণ করছেন, ‘সত্য এক, ঋষিরা একে ভিন্ন নামে ডাকেন’; যখন তারা অশোকের শিলালিপি স্মরণ করছেন, ‘যে নিজের ধর্মকে শ্রদ্ধা করে এবং অন্যের ধর্মকে তুচ্ছ করে, সেটি নিজের ধর্মের প্রতি ভক্তির কারণে এবং অন্য ধর্মের ওপর একে বড় দেখানোর জন্য হোক না কেন, সে আসলে নিজের ধর্মেরই ক্ষতি করে’, উলেমা ঠিক তার উল্টো মূল্যবোধ প্রচার করেন। উলেমাদের প্রতি সুবিচার করতে হলে বলতে হয় এগুলোই প্রকৃত ইসলামি মূল্যবোধ। যেমন মাওলানা আহমদ রেজা খান সেই সব মানুষের ওপর ক্ষিপ্ত হন যারা এমন শোভাযাত্রা সমর্থন করে যেখানে গীতা ও কুরআনকে সমান সম্মানের সাথে বহন করা হয়; তিনি ঘোষণা করেন যে একজন মুসলিমের পক্ষে এটি বলাও কুফর যে, ‘হিন্দুদের বেদ অনুযায়ী চলা উচিত এবং মুসলিমদের কুরআন অনুযায়ী চলা উচিত’; তিনি বলেন, মন্দির হলো শয়তানের আস্তানা, একজন মুসলিমের সেখানে যাওয়া নিষিদ্ধ; পবিত্র কুরআনকে বেদের মতো বলা কুফর; হিন্দুদের বেদ অনুযায়ী চলতে বলা মানে মানুষকে কুফর অনুসরণ করতে বলা, আর মানুষকে কুফর অনুসরণ করতে বলা মানেই হলো কুফর... *ফতোয়াগুলো এই দ্বিমুখী নীতিকেই প্রতিফলিত করে। ধর্মান্তর এবং ধর্মত্যাগের প্রতি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি এর একটি বড় উদাহরণ। ইসলাম অন্য ধর্মের মানুষকে ধর্মান্তরিত করাকে একটি অধিকার এবং কর্তব্য বলে মনে করে। উলেমা এর ওপর জোর দেন....অন্য ব্যক্তির ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখিয়ে কোনো কাজ করা বা না করার বিষয়েও একই অবস্থান নেওয়া হয়.....এর একটি আরও বড় উদাহরণ হলো ধর্মীয় চর্চা চালিয়ে যাওয়ার অবস্থান। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়া একজন মুসলিমের অধিকার ও কর্তব্য। ...ফতোয়ায়ে রিজভিয়া ঘোষণা করে যে, কোনো অবস্থাতেই ইসলামি শাসক কাফিরদের তাদের ধর্মীয় আচার পালনের অনুমতি দিতে পারে না এবং প্রশ্ন করে: সে কি তাদের কুফর পালন করতে দেবে এবং এর মাধ্যমে নিজে কাফির হয়ে যাবে?...এতে আরও বলা হয়েছে যে এ বিষয়ে বেশ কিছু হাদিস আছে যে কোনো অমুসলিম আরব উপদ্বীপে থাকতে পারবে না...অর্থাৎ, কোনো অমুসলিমকে আরব উপদ্বীপে থাকতে দেওয়া হবে না, কিন্তু যদি ভারত থেকে একজন অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে চলে যেতে বলা হয়, তবে সেটি হবে ইসলামের ওপর আঘাত!...একইভাবে, আজও কোনো ইসলামি রাষ্ট্রে কোনো স্কুলের শিক্ষকরা অমুসলিম শিশুদের তাদের ধর্মের শিক্ষা দিতে পারেন না...কিফায়াতুল্লাহ ঘোষণা করেন যে, কুরআন শিক্ষা এবং ধর্মীয় শিক্ষার ওপর কোনো বাধা সহ্য করা যাবে না। ...অথচ ধর্মনিরপেক্ষ আলোচনায় আমরা শুনি যে ইসলামের মতো আর কোনো ধর্ম নেই যা ভেদাভেদ দূর করেছে, ইসলামের মতো আর কেউ সবাইকে সমান মর্যাদা দেয় না! *এই সবকিছুর পরেও যারা দাবি করেন, ‘শরিয়ত নারীদের অধিকার রক্ষা করেছে যেমনটা অন্য কোনো আইন করেনি,’ তারা কেবল এই আত্মবিশ্বাস থেকেই তা বলেন যে তারা ছাড়া আর কেউ শরিয়তের মূল পাঠ্যগুলো পড়েনি। *তা সত্ত্বেও আমাদের বিশ্বাস করতে হবে যে শরিয়তের মতো অন্য কোনো আইন নারীদের এত অধিকার দেয়নি এবং ইসলামের মতো অন্য কোনো ধর্ম তাদের বিষয়ে এত যত্নশীল নয়, না হলে আমাদের সাম্প্রদায়িক তকমা সইতে হবে। এই যুক্তি কেবল একগুঁয়ে অন্ধ সমর্থকদেরই বোকা বানাতে পারে। *ফতোয়ার মাধ্যমে বলবৎ হওয়া শরিয়ত কেবল তা-ই নয়। যেহেতু আমাদের সরকারগুলো অভিন্ন দেওয়ানি বিধি প্রণয়নের সাংবিধানিক নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করেনি, তাই এটিই হলো ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের আইন যা আমাদের আদালতগুলো কার্যকর করে! * বিষয়গুলো কেবল উলেমাদের নারীদের মূল্যায়নের কারণেই আগ্রহের বিষয়, কারণ এটি ফতোয়ার সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। দেওবন্দের উলেমা একটি বিষয় সমাধান করতে গিয়ে ঘোষণা করেন যে, ‘কুরআনে বলা হয়েছে স্বামীই হলো কর্তা।’ .... আর এই কাফিরদের মধ্যেও ভাগ আছে বলে মাওলানা আহমদ রেজা খান ঘোষণা করেন: এক প্রকার কঠিন কুফর হলো খ্রিস্টধর্ম; তার চেয়েও খারাপ হলো মাজুসিয়ত (অগ্নিপূজা); তার চেয়েও খারাপ হলো মূর্তিপূজা; তার চেয়েও খারাপ হলো ওহাবি মতবাদ; এবং এই সবকিছুর চেয়েও খারাপ ও দুষ্ট হলো দেওবন্দি মতবাদ... * এবং এটি চলতেই থাকে। এর প্রভাব হবে খুব স্পষ্ট: যখন আপনি তাদের কাছে কোনো সমস্যা নিয়ে যাবেন, উলেমা এক জন বিশেষজ্ঞের বদলে অন্য জনের দোহাই দিয়ে আপনার পথ সহজ করতে পারেন অথবা বাধা দিতে পারেন। একই সাথে তারা এবং তাদের সমর্থকরা জোর দিয়ে বলবেন যে আমাদের, বিশেষ করে অমুসলিমদের কখনোই এটি বিশ্বাস করা বন্ধ করা উচিত নয় যে শরিয়ত একটি স্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট বিধি, এটি ঐশ্বরিকভাবে নির্ধারিত এবং তাই এটি একটি শাশ্বত এবং অপরিবর্তনীয় বিধি! *এখন পর্যন্ত দুটি বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা: (১) একটি পরিষ্কার এবং সুনির্দিষ্ট বিধি হওয়ার বদলে শরিয়ত আসলে অস্পষ্ট; (২) এটি প্রতিটি বিষয়েই অস্পষ্ট। এর দুটি প্রায়োগিক ফলাফল রয়েছে: (১) এই অস্পষ্টতাই হলো উলেমাদের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতার অন্যতম ভিত্তি; (২) তাই উলেমা শরিয়তকে বিধিবদ্ধ করার প্রতিটি প্রচেষ্টাকে ঠিক ততটাই প্রবলভাবে বাধা দেন যেমনটা তারা সবার জন্য একটি সাধারণ আধুনিক আইনের প্রচেষ্টাকে বাধা দেন। *মাওলানা আহমদ রেজা খান যখন বলেন যে বিজ্ঞানের সামনে ইসলামের মাথা নত করা নয় বরং ইসলামের সামনে বিজ্ঞানের মাথা নত করাই ইসলামের গৌরব, তখন তিনি আসলে তার ধর্মের প্রতিই সত্যনিষ্ঠ থাকেন। বিজ্ঞানের জন্য যা প্রযোজ্য, তা ঐতিহাসিক ‘তথ্যের’ ক্ষেত্রে আরও বেশি প্রযোজ্য যেমন শত জন খলিফা ছিলেন নাকি বারো জন। * পৃথিবী স্থির। সূর্য এর চারদিকে ঘোরে। নক্ষত্রগুলো স্থির, যা আল্লাহ প্রদীপ হিসেবে ঝুলিয়ে দিয়েছেন পর্যটকদের পথ দেখানোর জন্য এবং শয়তানকে পাথর মারার জন্য। এর বাইরে কিছু বিশ্বাস করা মানে ধর্মের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা। পুরুষরাই হলো কর্তা। প্রত্যেকে একসাথে চারজন পর্যন্ত স্ত্রী এবং যত খুশি উপপত্নী রাখতে পারে। স্ত্রীরা হলো ফসলের মাঠের মতো, স্বামী চাইলে তাতে ‘জলসেচন’ করতে পারে অথবা না-ও পারে। স্বামী তার সামান্যতম ইচ্ছা পূরণের জন্যও তাদের বাধ্য করতে পারে এবং না মানলে তালাকের ভয় দেখাতে পারে। এরপরও যদি সে সন্তুষ্ট না হয়, তবে সে তাদের এক কথায় বের করে দিতে পারে। বের করে দেওয়ার পর তারা কেবল জীবনধারণের ন্যূনতম সহায়তার অধিকারী হবে কিন্তু তা কেবল তিন মাসের জন্য, এরপর আর কিছুই নয়। এতে কোনো অন্যায় দেখা বা নারীদের জন্য আরও কিছু দাবি করা মানে আল্লাহর প্রজ্ঞাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং ইসলামের ওপর আঘাত হানা। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা, নির্ধারিত পদ্ধতিতে ইস্তিনজা করতে ব্যর্থ হওয়া, কুকুরের লালা নাপাক এবং শরীর পাক এটি বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হওয়া বড় গুনাহ। একজন কাফির যত বড় সাধুপুরুষই হোক না কেন, এমনকি তার মৃত্যুর পরও তার মঙ্গল কামনা করা, অথবা একজন মুসলিম যত বড় পাপীই হোক না কেন সে যে একজন পুণ্যবান কাফিরের চেয়েও শ্রেষ্ঠ তা বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হওয়া হলো কুফর। উলেমাদের মানসিকতা এমনই। জীবনের সব ক্ষেত্রে তাদের দেওয়া রায়ে এটি ফুটে ওঠে। *দেশের এবং ব্যক্তির অগ্রগতির জন্য শিক্ষা অপরিহার্য। কিন্তু বর্তমানে যাকে শিক্ষা বলা হয় তার বিরুদ্ধে উলেমা দীর্ঘদিন কঠোর লড়াই করেছেন। তাদের কাছে আধুনিক এবং কারিগরি শিক্ষার চেয়ে ধর্মীয় শিক্ষাই অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। কেবল সেই বিষয়গুলোই পড়া উচিত এবং কেবল সেই জ্ঞানই অর্জন করা উচিত যা একজনের বিশ্বাসকে শক্তিশালী করে সহজ কথায়, কেবল সেই বিষয়গুলোই পড়তে হবে যা এটি নিশ্চিত করে যে কুরআন ও হাদিসে যা লেখা আছে এবং উলেমা শত শত বছর ধরে যা বলে আসছেন তা-ই সত্য এবং প্রজ্ঞার ও পূর্ণতার সর্বোচ্চ শিখর। নারীদের শিক্ষা, বিশেষ করে নতুন মূল্যবোধের প্রতি তাদের সচেতন হওয়া, নতুন পেশার জন্য প্রশিক্ষণ পাওয়া এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়া—এই সবকিছুই তাদের কাছে ঘৃণ্য; এটি তাদের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করা হয়, প্রকৃতপক্ষে এটিকে সমাজকে ধ্বংস করার এবং ইসলামকে দুর্বল করার পথ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। *যে প্রতিষ্ঠানের ভারতীয় ইতিহাসের পাঠ্যক্রমে কেবল মাহমুদ গজনভির আক্রমণ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত সময়কাল অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং যার ভূগোলের পাঠ্যক্রমে কেবল আরব উপদ্বীপের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, সেটি কি ভারতের জন্য বা ভারতের কোনো প্রতিষ্ঠান? * প্রত্যাশিতভাবেই, মাওলানা আহমদ রেজা খানের মতে শিয়ারা একেবারেই মুসলিম নয়। তাদের ‘মসজিদ’ কোনো মসজিদই নয়—আর মনে রাখবেন, মীর বাকী এবং তার বংশধরেরা যেহেতু মসজিদের মুতওয়াল্লি ছিলেন, তাই ‘বাবরী মসজিদ’ ছিল একটি শিয়া মসজিদ। * ‘আরে ভাই, কিন্তু আপনি হিন্দু ফতোয়া নিয়ে লিখছেন না কেন?’—এটি এমন এক বিখ্যাত বুদ্ধিজীবীর কথা যার নামের অনেক খ্যাতি রয়েছে। হিন্দুদের মধ্যে ফতোয়া বলে কিছু নেই—তবে নিশ্চিতভাবেই আমাদের বুদ্ধিজীবীরা সেটি জানেন। এ ধরনের উপদেশের উদ্দেশ্য অন্যরকম। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, একজন হিন্দুর ইসলাম নিয়ে লেখালেখি থেকে দূরে থাকা উচিত। বরং, সে যদি ইসলামি বা মুসলিম বিষয় নিয়ে কিছু লেখেও, তবে তাকে কেবল প্রশংসাগীতি গাইতে হবে—‘সহনশীলতার ধর্ম, সাম্যের ধর্ম...’—তাকে কেবল ‘ইসলামি মানস’ সম্পর্কে ‘বোঝার’ বা ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য বই লিখতে হবে। বড়জোর, যদি তাকে ইসলামের কোনো দুর্ভাগ্যজনক ত্রুটি সম্পর্কে কিছু বলতেই হয়, তবে সেটিকে কোনো বিশেষ সময় বা স্থানের ওপর চাপিয়ে দিতে হবে এবং ইসলামকে তার থেকে মুক্তি দিতে হবে! আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, তাকে এটি নিশ্চিত করতে হবে যে সে ইসলামের সেই দিকটি নিয়ে মন্তব্যের সাথে হিন্দুধর্মের কোনো কিছুর নিন্দা করে বিষয়টিকে ‘ভারসাম্যপূর্ণ’ করবে, সেটা যা-ই হোক—জাতীয় প্রথা, পণের কারণে মৃত্যু, বিদেশিদের ম্লেচ্ছ মনে করা, এমনকি অন্য কিছু না মিললে অন্তত সতীদাহ প্রথা! * তাহলে, কারা ক্ষুব্ধ হচ্ছে? ফতোয়াগুলোর উদ্ধৃতি এবং বিশ্লেষণে কারা অপমানিত বোধ করছে? তারা হলো ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা। আর এর কারণ স্পষ্ট। এই তথ্যপ্রমাণের সামনে, কুরআন ও নবীর সরাসরি এবং জোরালো নির্দেশের সামনে এবং ফতোয়াগুলোতে থাকা বারবার এবং অত্যন্ত স্পষ্ট ঘোষণার সামনে তার কাছে কোনো উত্তর নেই। এগুলোর মোকাবিলা করার মতো কোনো প্রমাণ তার কাছে নেই। কিন্তু যখন তারা যা বলে তা সরাসরি সামনে আনা হয়, তখন সে তার এই উল্টো ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ আর বজায় রাখতে পারে না। যতক্ষণ পর্যন্ত এই বিষয়গুলো উর্দুতে সীমাবদ্ধ থাকে, ততক্ষণ তা তার চেনা মহলে কোনো অসুবিধা সৃষ্টি করে না। কিন্তু যে মুহূর্তে এগুলো ইংরেজিতে প্রকাশ পায়, তখনই সে বিপদে পড়ে যায়। আর তাই সে ক্ষোভের ভান করে! এর উত্তর কী? তথ্যগুলো অনবরত তুলে ধরা। সেগুলো বিশ্লেষণ করে যাওয়া। এই বিশ্বাসে যে গালিগালাজ দিয়ে তথ্যপ্রমাণ ধামাচাপা দেওয়া যাবে না। এই বিশ্বাসে যে চিন্তাভাবনা হলো বীজের মতো, যা একদিন শিকড় গাড়বে। * বাংলাদেশে ইসলামীকরণের দিকে দ্রুত ধাবিত হওয়া, তাবলিগ জামাতের দ্রুত বিস্তার এবং হিজবুত তাহরীর ও হিজবুত তৌহিদের মতো মৌলবাদী সংগঠনগুলোর ক্রমবর্ধমান প্রসার ও প্রভাবের সাথে সাথে দেশের বিভিন্ন স্থানে শরিয়ত কমিটি গড়ে উঠেছে। ফতোয়া দেওয়ার ঘটনা আরও নিয়মিত হয়ে পড়েছে। গ্রামীণ এলাকায় স্থানীয় মোল্লারা প্রায়ই এগুলো জারি করেন এবং প্রায়শই এর শিকার হন এমন নারীরা যারা প্রকৃতপক্ষে সহিংসতা, ধর্ষণ এবং এ জাতীয় ঘটনার শিকার হয়েছিলেন.... * মুসলিম সাংবাদিকতা আর নেতৃত্বের ওপর দোষ চাপানো এক অর্থে মূল প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া। সর্বোপরি, মুসলিমরা কেন এই ধরনের সাংবাদিকতাকে গুরুত্ব দেয়, কেন তারা এই ধরনের নেতাদের অনুসরণ করে? এর উত্তর লুকিয়ে আছে সেই মনস্তত্বের মধ্যে, যা উলেমা এবং তাদের ফতোয়াগুলো তাদের মনে গেঁথে দিয়েছে। * এমনকি এটি বলাও কুফর যে, ‘শরিয়ত কী? আজ কি কেউ শরিয়ত মেনে চলে?’, ঘোষণা করে ফতোয়ায়ে রিজভিয়া। এমনকি যদি অন্যদের বিদ্রূপ করার জন্য এই কথাগুলো বলা হয়, তবে সেগুলো গুরুতর পাপ হিসেবে গণ্য হবে। এটি ঘোষণা করে যে, ‘আমরা শরিয়ত মানি না, আমরা প্রথা অনুযায়ী চলি,’ বলাও কুফর। উলেমা একটি ফতোয়া জারি করে মুসলিমদের বহু ঈশ্বরবাদীদের শোভাযাত্রায় যোগ দিতে নিষেধ করেন। একজন লোক বলে, ‘বহু ঈশ্বরবাদীদের শোভাযাত্রায় যোগ না দেওয়ার ফতোয়া জারি করা নিছক লাঠিবাজি।’ এই কথাটি উলেমাদের জানানো হয়। ফতোয়ায়ে রিজভিয়া রায় দেয় যে, এই কথাটি শরিয়তের অবমাননা এবং শরিয়তের অবমাননা হলো কুফর। সেই ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে তার নিকাহ বা বিয়ে ভেঙে যায়। ... তারা ঘোষণা করে যে, ইজমা (ঐকমত্য) বা তকলিদ (আক্ষরিক অনুসরণ) নিয়ে প্রশ্ন তোলা কুফর। ... তারা ঘোষণা করে যে, ফিকহ-এ বিশ্বাস না করা কুফর। তারা ঘোষণা করে যে, যে ফিকহ মানে না সে হলো শয়তান। * ‘যে বাবা-মায়েরা তাদের মেয়েদের কলেজে পাঠান তারা তাদের মেয়েদের শত্রু, বন্ধু নন,’ ফতোয়ায়ে রহিমিয়া এটি ঘোষণা করে বিভিন্ন সূত্রের দোহাই দিয়ে যে, প্রকৃত বন্ধু হলো সে যে পরকালের জন্য একজনকে প্রস্তুত করে, যদিও তা করতে গিয়ে পার্থিব ক্ষতি হতে পারে। এটি ঘোষণা করে যে, ‘এতে কোনো সন্দেহ নেই যে একটি কলেজ পড়ুয়া মেয়ে অত্যন্ত স্বাধীনচেতা, পর্দাহীন, অশালীন এবং নির্লজ্জ হয়ে ওঠে। ইংরেজি শিক্ষা এবং কলেজের পরিবেশের এটিই সাধারণ পরিণতি।’ আর হাদিস উদ্ধৃত করে এটি বলে যে, ‘যে মেয়ে তার লজ্জা হারায় সে সবকিছু হারায়,’ ‘লজ্জা এবং ঈমান এরা অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী; যখন তাদের কোনো একটি চলে যায়, অন্যটিও চলে যায়।’ * অবজ্ঞা এবং হিন্দু ও অন্য অবিশ্বাসীদের যে চিত্র আঁকা হয়েছে, তাদের পশুপাখি এবং পোকামাকড়ের সাথে তুলনা করা হয়েছে—মুসলিমদের ক্ষেত্রে কোনো লেখায় এমন কিছু করা হলে তা তীব্র নিন্দার ঝড় তুলত। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের কাছ থেকে যেমন, তেমনি মুসলিমদের কাছ থেকেও। ====''ওরশিপিং ফলস গডস'' (১৯৯৭)==== * একটি উদাহরণও নেই, এমনকি একটি মাত্র ঘটনাও নেই যেখানে [[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর]] দেশকে স্বাধীন করার সংগ্রামের সাথে যুক্ত কোনো কাজে অংশ নিয়েছিলেন। বরং ঠিক উল্টোটিই ঘটেছে; প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি জাতীয় আন্দোলনের বিরোধিতা করেছেন এবং যখনই এই আন্দোলন কোনো বাধার মুখে পড়েছে, তিনি তাদের মধ্যে ছিলেন যারা সেই ব্যর্থতায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন। * ভারতের কি কখনো সংস্কারকের প্রয়োজন ছিল? আপনি কি ভারতের ইতিহাস পড়েন? রামানুজ কে ছিলেন? শংকর কে ছিলেন? [[গুরু নানক]] কে ছিলেন? [[চৈতন্য মহাপ্রভু]] কে ছিলেন? [[কবীর]] কে ছিলেন? দাদু কে ছিলেন? একের পর এক আসা এই মহান ধর্মপ্রচারকরা কারা ছিলেন, যারা অত্যন্ত উজ্জ্বল সব নক্ষত্রপুঞ্জের মতো ইতিহাস আলোকিত করেছেন? * এক কথায়, দেব-দেবীর নিন্দা করা, ধিক্কার জানানো, তাদের কলঙ্কিত করা, আমাদের শাস্ত্র নিয়ে উপহাস করা এবং অনুসারীদের মধ্যে ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়া ছিল আম্বেদকরের বেছে নেওয়া পথ। কিন্তু কেবল এই একটি পথই খোলা ছিল না। এর আগে গত দেড়শ বছরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একজন সংস্কারক ঠিক এর বিপরীত পথ বেছে নিয়েছিলেন এবং এর ফলে তিনি দুটি লক্ষ্যই অর্জন করেছিলেন। তিনি যেমন লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন উন্নত করেছিলেন, তেমনি আমাদের সমাজকেও বদলে দিয়েছিলেন এবং এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেই সংস্কারক এমন এক বর্ণের ছিলেন যারা কেবল অস্পৃশ্যই ছিল না, বরং যাদের কাছে যাওয়াও নিষিদ্ধ ছিল। সেই সংস্কারক অবশ্যই ছিলেন নারায়ণ গুরু, যিনি ১৮৫৪ থেকে ১৯২৮ সাল পর্যন্ত জীবিত ছিলেন। * তিনি কোনো বহিরাগতের মতো আমাদের ঐতিহ্যকে বিদ্রূপ করেননি বা তাকে অপমান করেননি। তিনি ভারতের আক্রমণকারী বা শাসকদের সাথে কখনো হাত মেলাননি। উপনিষদের শিক্ষার মধ্যে নিজেকে নিমগ্ন করে তিনি আধ্যাত্মিক সচেতনতার সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছিলেন। আমাদের মহান ঋষিরা যেসব পদ্ধতি ও সাধনা বের করেছিলেন, সেগুলো অনুসরণ করেই তিনি সেই স্তরে পৌঁছেছিলেন। তিনি যখন এই অবস্থায় পৌঁছালেন, তার পুরো জীবনটাই গোঁড়াদের সেই শ্রেষ্ঠত্বের দাবির বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদ হয়ে উঠল। তার সেই দিব্য অবস্থা গোঁড়াদের এই দাবিকে ভুল প্রমাণ করল যে আধ্যাত্মিক জ্ঞান কেবল উচ্চবর্ণের জন্যই। আর তিনি সেই স্তরে পৌঁছেছিলেন বলেই সবাই তাকে শ্রদ্ধা জানাত। * [[নারায়ণ গুরু]]র উত্তরাধিকার হলো একটি উন্নত এবং সংহতিপূর্ণ সমাজ, যেখানে নিম্নবর্ণের মানুষরা শিক্ষিত এবং আত্মমর্যাদায় ভরপুর। আম্বেদকরের উত্তরাধিকার হলো একদল মানুষ যারা সবার ওপর চিৎকার করছে, সবসময় কেবল দাবি জানাচ্ছে ও নিন্দা করছে এবং যারা আত্মগ্লানি ও ঘৃণার মধ্যে ডুবে আছে; এটি এমন এক সমাজ যা নিজের সাথেই লড়ছে। নারায়ণ গুরুর উত্তরাধিকার হলো এক পুনর্জীবিত দেশ। আম্বেদকরের উত্তরাধিকার হলো এমন এক দেশ যা তার নিজের অতীত নিয়ে গভীর লজ্জায় আচ্ছন্ন। আর এর ফলে তা আরও বেশি অক্ষম হয়ে পড়েছে। ==== ''ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসি'' (১৯৯৮) ==== * "ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা" আডবাণীর রথ হিন্দুদের মধ্যে যে প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে তা দেখে ঘাবড়ে গেছেন। কিন্তু কেবল রথ এই প্রতিক্রিয়া তৈরি করেনি। শাহ বানোর রায় পাল্টে দেওয়া এবং [[সালমান রুশদি]]কে নিষিদ্ধ করার মতো "জয়গুলো", যেগুলোকে "ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা" উচ্চকণ্ঠে প্রশংসা করেছিল; মানচিত্র এবং তালিকার মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোকে এটি বিশ্বাস করানোতে সফল হওয়া যে মুসলিমরা শত শত নির্বাচনী এলাকায় তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে; পাঞ্জাব এবং [[কাশ্মীর]]ের সহিংসতার "জয়গুলোর" কথা না-ই বা বললাম। এই প্রতিক্রিয়া হলো আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থার এই বিকৃতিগুলোর সম্মিলিত ফল। ** অরুণ শৌরির "প্রতিক্রিয়া উসকে দেওয়া", যা গোয়েল, এস.আর. (সম্পাদক) সম্পাদিত: ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসিতেও রয়েছে। ==== ''এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস: দেয়ার টেকনোলজি, দেয়ার লাইন, দেয়ার ফ্রড'' (১৯৯৮) ==== * ১৯৯৮ সালের জুন-জুলাই মাসে প্রগতিশীলরা বেশ শোরগোল তুলেছিলেন। তারা চিৎকার করে বলেছিলেন যে সরকার ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ হিস্টোরিক্যাল রিসার্চে রাম মন্দির পন্থী ঐতিহাসিকদের জায়গা দিয়েছে। তারা চিৎকার করে বলেছিলেন যে সরকার গোপনে কাউন্সিলের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য বদলে ফেলেছে। নিজেদের চিরকালীন স্বভাব অনুযায়ী, তারা একটি মনগড়া গল্প ছড়িয়ে এই হাঙ্গামা শুরু করেছিলেন। আর তাদের সেই পুরনো অভ্যাস মতোই, তারা অন্যদের বিরুদ্ধে এমন কিছু করার অভিযোগ তুলছিলেন যা তারা নিজেরা গত কয়েক দশক ধরে করে আসছিলেন, অর্থাৎ কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে ইতিহাস লেখা। * ‘আওরঙ্গজেবের ধর্মীয় নীতি’ সংক্রান্ত অধ্যায়ে সবচেয়ে বড় আকারের পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সে হিন্দুদের সাথে প্রকৃতপক্ষে কী করেছিল, তাদের মন্দিরের কী করেছিল, তার শাসনের মূল উদ্দেশ্য, ইসলামের প্রভাব বিস্তারের প্রতিটি ইঙ্গিত বই থেকে ছেঁটে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাকে এমন একজন হিসেবে তুলে ধরতে হবে যার গান-বাজনা এবং রাজদরবারে নর্তকীদের উপস্থিতির প্রতি এক ধরণের সাধারণ অনীহা ছিল, প্রায় ধর্মনিরপেক্ষ এক অনীহা, আর কেবল এই কারণেই সে ওইসব নিষিদ্ধ করেছিল... এক কথায়, কোনো জোরপূর্বক ধর্ম পরিবর্তন নয়, কোনো গণহত্যা নয়, কোনো মন্দির ধ্বংস নয়। কেবল এই যে হিন্দুধর্ম এক শোষণমূলক এবং বর্ণবাদী সমাজ তৈরি করেছিল। ইসলাম ছিল সাম্যবাদী। তাই নিপীড়িত হিন্দুরা ইসলাম গ্রহণ করেছিল!<br/> সে সময়ের মুসলিম ঐতিহাসিকরা নরকে পাঠানো কাফিরদের স্তূপ দেখে উল্লাসে ফেটে পড়েছেন। মুসলিম ঐতিহাসিকরা শাসকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ কারণ সে মন্দির ধ্বংস করেছে এবং লাখ লাখ মানুষকে ইসলামের আলোর মুখ দেখিয়েছে। দ্য হেদায়ে-র মতো আইনগ্রন্থগুলোতে ঠিক সেই বিকল্পগুলোর কথাই বলা হয়েছে যা এই ছোট ছোট পাঠ্যবইগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছিল। '''সবকিছুই ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।'''<br/>'''বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের নামে বস্তুনিষ্ঠ ধামাচাপা। আর আজ যদি কেউ এই পাঠ্যবইগুলোতে সত্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে, তবে চিৎকার ওঠে, ‘ইতিহাসের সাম্প্রদায়িক পুনর্লিখন’।''' * এই বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আসল অপরাধ আর্থিক ক্ষতির মধ্যে নেই। আসল ক্ষতি হলো তারা আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর যে করুণ দশা করেছেন। এর কারণ তাদের অবহেলা—যার ফলে আমাদের দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সব প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়েছে। তার চেয়েও বড় অপরাধ হলো তারা ওই প্রতিষ্ঠানগুলোকে যেভাবে ব্যবহার করেছেন।<br/>তারা সেগুলোকে আয়েশি সময় কাটানোর জন্য ব্যবহার করেছেন। তারা একে অপরের সুনাম বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করেছেন। তবে সবচেয়ে খারাপ বিষয় হলো তারা এই প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করে জনমানসে ভুল তথ্য ছড়িয়েছেন এবং এর ফলে জননীতিকে ভুল পথে চালিত করেছেন।<br/> তারা ভারতকে এমন এক ফাঁকা ভূমি হিসেবে তুলে ধরেছেন যা একের পর এক আক্রমণকারীরা এসে পূর্ণ করেছে। '''তারা বর্তমান ভারত এবং বিশেষ করে হিন্দুধর্মকে একটি চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছে—নানা ধরণের অসম এবং বিচ্ছিন্ন উপাদানের এক স্তূপ। তাদের মতে ভারত বলে কিছু নেই, এটি কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ এবং ব্রিটিশদের তৈরি এক ধারণা; হিন্দুধর্ম বলে কিছু নেই, এটি কেবল আরবদের ব্যবহৃত একটি শব্দ যা তারা এখানে এসে নানা ধরণের মানুষের দেখা পাওয়ার পর ব্যবহার করেছিল এবং এটি কেবল সাম্প্রদায়িকদের এক উদ্ভাবন যা তারা এক অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য তৈরি করেছে, এটিই ছিল তাদের অবস্থান। এর জন্য তারা আমাদের ইতিহাসের হিন্দু যুগকে কলঙ্কিত করেছে এবং আমরা দেখতে পাব যে তারা ইসলামি শাসনকে ধোলাই করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছে।''' তারা প্রাচীন ভারতের সামাজিক ব্যবস্থাকে শোষণের চরম উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং চরমপন্থী মতাদর্শগুলোকে সাম্যবাদী ও ন্যায়পরায়ণ হিসেবে তুলে ধরেছে।<br/>তারা আমাদের প্রাচীন সংস্কৃতিকে ছোট করে দেখিয়েছে এবং যেসব সমন্বিত উপাদান কোনোমতে টিকে ছিল সেগুলোকে অতিরঞ্জিত করে একটি আস্ত সংস্কৃতি হিসেবে প্রচার করেছে, যেটাকে তারা ‘সমন্বিত সংস্কৃতি’ বলে থাকে। কোন সংস্কৃতিটি আসলে সমন্বিত নয়? আর এই পুরোটা সময় তারা আমাদের মানুষের জীবনের সাধারণ উপাদানগুলো নিয়ে মূল তথ্যগুলো লুকানোর চেষ্টা করেছে: তারা লুকিয়েছে যে ইসলামি শাসক এবং উলেমাদের এক হাজার বছরের প্রবল চেষ্টার পরেও এই উপাদানগুলো টিকে ছিল, তারা লুকিয়েছে যে গত দেড়শ বছরের মিশনারি এবং ব্রিটিশ শাসকদের প্রচেষ্টার পরেও এগুলো বেঁচে ছিল। তারা প্রতিটি অংশকে উসকে দিয়ে তাদের আলাদা পরিচয় খুঁজে নিতে বাধ্য করার চেষ্টা করেছিল। সবচেয়ে বড় কথা হলো এই বুদ্ধিজীবীরা তাবলিগ জামাত এবং গির্জার মতো সংগঠনগুলোর বর্তমান কার্যক্রম থেকে মানুষের নজর পুরোপুরি সরিয়ে দিয়েছেন। এই সংগঠনগুলো তাদের অনুসারীদের তাদের হিন্দু প্রতিবেশীদের সাথে থাকা সব মিল এবং বিশ্বাস ত্যাগ করানোর জন্য সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করছে এবং প্রচুর সম্পদ ব্যয় করছে।<br/> এই বুদ্ধিজীবী এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকরা এক ভয়াবহ কৌশল নিয়েছেন: আমাদের দেশ ও মানুষের উদার ধর্ম এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ আধ্যাত্মিক সাধনাকে তারা অসহিষ্ণু, সংকীর্ণমনা ও অন্ধকারাচ্ছন্ন হিসেবে তুলে ধরেছেন; আর একপাক্ষিক এবং চরমপন্থী মতাদর্শগুলোকে ইসলাম, খ্রিস্টধর্ম এবং মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদ, তারা সহনশীলতা, উদারতা, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে প্রচার করেছেন! * আর একটি কথা: আরএসএসের কোনো প্রকাশনায় যদি আমার একটি সাক্ষাৎকারও ছাপা হয়, তবে সেটিই আমি সাম্প্রদায়িক হওয়ার প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়; কিন্তু এই প্রগতিশীলদের নীতি এতটাই শক্ত যে তারা নিজে কমিউনিস্ট পার্টির প্রকাশনায় নিজেদের নামে নিবন্ধ লিখলেও তাদের নিরপেক্ষতা বজায় থাকে! * আমরা যেমনটা দেখেছি, ১৯৮৯ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে নির্দেশিকা জারি করেছিল তার স্পষ্ট অংশ ছিল যে ভারতে ইসলামি শাসন নিয়ে কোনো নেতিবাচক কথা বলা যাবে না। যদিও সে সময়ের ইসলামি লেখকরা এই বিষয়গুলো নিয়েই আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন, তবুও মুসলিম শাসকদের মন্দির ধ্বংস করা, হিন্দুদের জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করা অথবা হিন্দু জনগোষ্ঠীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া অন্যান্য অসমর্থতা নিয়ে কোনো উল্লেখ থাকা চলবে না। ওই নির্দেশিকার সাথে যে অংশগুলো বাদ দিতে হবে তার একটি তালিকা এবং বদলে কী লিখতে হবে তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। যে অংশগুলো বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সেখানে সত্যকে বরং বেশ কমিয়েই বলা হয়েছিল। অন্যদিকে যেসব অংশ ঢোকানোর চেষ্টা করা হয়েছিল সেগুলো ছিল পুরোপুরি মিথ্যা: যেমন আলাউদ্দিন খিলজির মতো ইসলামি শাসকের অধীনে জিজিয়া কর দিয়ে হিন্দুরা নাকি স্বাভাবিক জীবন কাটাতে পারত! আজ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীনে যেসব পাঠ্যবই ব্যবহার করা হচ্ছে সেগুলো গভীরভাবে পড়লে বোঝা যায় যে এটি কেবল ইসলামি শাসনের নিষ্ঠুরতা মুছে ফেলার চেষ্টা নয়, বরং এর পেছনে অনেক গভীর ও ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে। * বাংলায় এই শিক্ষাবিদদের অবস্থান অবশ্যই সিপিআই(এম)-এর দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার ফলে মজবুত হয়েছে। কিন্তু তাদের প্রভাব কেবল ওই রাজ্যের শিক্ষা এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। তাই জাতীয় স্তরেও ছাত্রদের ওপর একই ধরণের মতাদর্শ চাপিয়ে দিতে দেখা যাচ্ছে। বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাশনের টান এতটাই শক্তিশালী এবং এই প্রভাবশালী চক্রটি একজন শিক্ষাবিদের ক্যারিয়ারের জন্য এতটাই মারাত্মক হতে পারে যে অনেক সময় ওই শিক্ষাবিদ তাদের তত্ত্ব এবং মতামতের সাথে একমত না হলেও শেষ পর্যন্ত সেগুলোই আওড়াতে থাকেন। না হলে এনসিইআরটির মতো প্রতিষ্ঠানগুলো তার পান্ডুলিপি পাঠ্যবই হিসেবে গ্রহণ করবে না অথবা সেটির কোনো পর্যালোচনাই হবে না.... * কারসাজিটা লক্ষ্য করুন। মন্দির মেরামত করা বৈধ! গ্রামে মন্দির তৈরি করা যেতে পারে! বাড়ির গোপনীয়তার মধ্যে মন্দির বানানো যেতে পারে! অর্থাৎ উদার নীতিই হলো নিয়ম যা কেবল যুদ্ধের সময় লঙ্ঘন করা হয়! আর ওই সময়ে যাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা হয় বা যাদের ধ্বংস করা হয় তারা তো আসলে ইসলামের শত্রু! শান্তির সময়, যা সাধারণত সবসময়ই থাকে, ওই নিয়মটিই বজায় থাকে—অর্থাৎ হিন্দুরা প্রকাশ্যে এবং আড়ম্বরের সাথেই তাদের ধর্ম পালন করে! এই দাবিগুলোর প্রতিটিই নির্লজ্জ মিথ্যা। কিন্তু এই ঐতিহাসিকরা যেহেতু প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বুদ্ধিবৃত্তিক শুদ্ধতার মানদণ্ড ঠিক করে দিয়েছেন, তাই যে কেউ এই মিথ্যাগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুললে তাকেই ভুল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এমনকি যদি সে সেই সময়ের বিখ্যাত ইসলামি ঐতিহাসিকদের লেখা উদ্ধৃত করেই প্রশ্ন তোলে, তবুও তাকেই দোষী করা হয়। * একবার যখন তারা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দখল করে নিল, একবার যখন তারা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কবজা করল এবং এর মাধ্যমে ঠিক করল কী পড়ানো হবে, কোন বইগুলো পাঠ্য হবে, কী প্রশ্ন করা হবে আর কোন উত্তরগুলো গ্রহণযোগ্য হবে, তখন এই ঐতিহাসিকরাই ইতিহাস আসলে কী ছিল তা নির্ধারণ করতে শুরু করলেন! যেহেতু তাদের বর্তমান রাজনীতি এবং সুবিধার জন্য হিন্দুধর্মকেও অসহিষ্ণু হিসেবে দেখানো প্রয়োজন, তাই তারা আম্বেদকরের বলা সেই কথাগুলো এড়িয়ে যাবেন যেখানে সে বৌদ্ধধর্মের ওপর ইসলামি আক্রমণের ভয়াবহ পরিণতির কথা বলেছিল। আম্বেদকর তার থটস অফ পাকিস্তান বইতে এই আক্রমণ এবং মুসলিম শাসন সম্পর্কে যা বলেছিল তা তারা পুরোপুরি চেপে যাবেন, কিন্তু তার করা ‘ব্রাহ্মণ্যবাদ’-এর নিন্দা এবং মৌর্যদের প্রতিষ্ঠিত বৌদ্ধ ভারতকে ব্রাহ্মণ শাসকরা পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করে শেষ করে দিয়েছে—এই ধরণের মতামতগুলো বারবার প্রচার করবেন।<br/>এভাবেই তারা তথ্য গোপন করেন, কিছু তথ্য বানিয়ে বলেন, এমনকি কোনো লেখক একটি বিষয়ে কী বলেছেন তা ধামাচাপা দিয়ে অন্য বিষয়ে তার বলা কথাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রচার করেন। আর যখনই কেউ আসলে কী ঘটেছিল তা তুলে ধরার চেষ্টা করে, তখনই তারা সমস্বরে চিৎকার শুরু করেন: ইতিহাস নতুন করে লেখার ষড়যন্ত্র চলছে, তারা চিৎকার করেন; ইতিহাস বিকৃত করার চক্রান্ত হচ্ছে, তারা চিৎকার করেন। '''কিন্তু তারাই প্রথম থেকে ইতিহাস বিকৃত করে আসছেন—সত্য গোপন করে এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে।''' * আর এই ঐতিহাসিকদের চতুরতা দেখুন। তারা দাবি করেন যে জাতীয় সংহতির স্বার্থে এই ধরণের তথ্য এবং ঘটনাগুলো ধামাচাপা দেওয়া উচিত: তারা বলেন এগুলো মনে রাখলে মুসলিমরা ক্ষুব্ধ হবে এবং হিন্দুদের মনে মুসলিমদের প্রতি ঘৃণা জন্মাবে। একই সাথে তারা হিন্দুরা বৌদ্ধ মন্দির ধ্বংস করেছে—এমন একটি গল্প বানিয়ে প্রচার করার ওপর জোর দেন। এই গল্প কি বৌদ্ধদের থেকে হিন্দুদের দূরে সরিয়ে দেবে না? বিশেষ করে যখন এর পেছনে তথ্যের কোনো লেশমাত্র নেই, তখন এমন কাহিনী কি হিন্দুদের মন বিষিয়ে দেবে না? * একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—আর্য-দ্রাবিড় বিভাজন, ইসলামি আক্রমণের প্রকৃতি, ইসলামি শাসনের ধরণ, স্বাধীনতা সংগ্রামের চরিত্র—প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা এই বৈশিষ্ট্যটি দেখতে পাই: সত্য গোপন করা এবং মিথ্যা প্রচার করা। গত ত্রিশ বছরের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে এটিই সবচেয়ে বড় কেলেঙ্কারি। এই বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের পক্ষে এটি করা সম্ভব হয়েছে কারণ তারা আইসিএইচআর-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ পেয়েছিলেন। এই মিথ্যা দূর করতে হলে ওই নিয়ন্ত্রণও দূর করতে হবে। * এবং এভাবেই—অন্য ধর্মের পবিত্র মন্দিরের ধ্বংসস্তূপের মাঝে এবং অন্য ধর্মের শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিদের লাশের স্তূপের মাঝে। তা সত্ত্বেও আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের কাছে এটি হলো উদার সহনশীলতার নীতি! সম্পূর্ণ ধর্মনিরপেক্ষ অনুপ্রেরণায় পরিচালিত একটি সহনশীলতার নীতি! * কিন্তু এখানে ভারতে আগের বুলি এবং বিভাগগুলোর সাধারণ আবৃত্তিই যথেষ্ট ছিল। তাই এই বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের ইতিহাস রচনার বৈশিষ্ট্য কেবল তাদের প্রভুদের প্রতি আনুগত্যই নয়, বরং এটি তাদের এক ধরণের সরলমনস্কতা!<br/>তবে আরও একটি বিষয় আছে। ইসলামি শাসনকে ধোয়া-মোছা করাই এই ঐতিহাসিকদের কাজের একমাত্র বৈশিষ্ট্য নয়। এর সাথে যোগ হয়েছে দেশের প্রাক-ইসলামি যুগ এবং ঐতিহ্যের প্রতি এক প্রবল ঘৃণা। বছরের পর বছর ধরে সোভিয়েত এনসাইক্লোপিডিয়াগুলোতে ভারত সম্পর্কে তথ্যগুলো ধীরে ধীরে নমনীয় হয়েছে। তারা খুব দ্বিধার সাথে হলেও স্বীকার করতে শুরু করেছিল যে চীন এবং ভারতের মতো দেশগুলোর ক্ষেত্রে পুরনো বিভাগগুলো হয়তো কিছুটা বদলে নিতে হতে পারে। তারা স্বীকার করতে শুরু করেছিল যে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পর্যায় একে অপরের সাথে মিশে থেকেছে। আর হয়তো কেবল কূটনৈতিক কারণেই তারা আরও বেশি সতর্ক হয়েছিল—আমাদের ঐতিহ্যকে কলঙ্কিত করা এড়িয়ে গিয়েছিল।<br/>সোভিয়েতদের দুই খন্ডের বই এ হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়াতে আমরা ভারতের ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায় নিয়ে কমবেশি একই ধরণের বর্ণনা পাই যা আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের বইতেও আছে। কিন্তু সোভিয়েতদের বইতে সেই ঘৃণা এবং বিদ্বেষের কোনো চিহ্ন নেই যা আমরা আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের বইতে দেখতে পাই। * তাই দুটি বিষয় মনে রাখতে হবে। প্রথমত, আমাদের বন্ধুরা কেবল মার্ক্সবাদী নন, তারা মেকলের অনুসারীও। দ্বিতীয়ত, তারা এক বিশেষ ধরণের মার্ক্সবাদী। তারা সেই অর্থে মার্ক্সবাদী যে তারা নিজেদের মার্ক্সবাদী মনে করেন এবং বারবার গুটিকয়েক মার্ক্সবাদী বুলি আওড়াতে থাকেন। কিন্তু মার্ক্সবাদী ঐতিহাসিক হওয়ার চেয়ে তারা আসলে শাসনব্যবস্থার অনুগত ঐতিহাসিক ছিলেন। তাদের তত্ত্ব এবং মতামত কেবল মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদের মূল বইগুলোর সাথেই মেলেনি, বরং তা কংগ্রেসী শাসকদের আদর্শ এবং প্রয়োজনের সাথেও মিলে গিয়েছে। * বর্ণ বাস্তব। শ্রমিক শ্রেণি বাস্তব। নাগা হওয়া বাস্তব। '''কিন্তু ভারত কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ!''' একইভাবে মুসলিম হওয়া অবশ্যই বাস্তব—ইসলামকে গ্রানাইট পাথরের মতো একটি অভিন্ন ব্লক হিসেবে দেখতে হবে এবং কথা বলতে হবে—... '''কিন্তু হিন্দুধর্ম? কেন, এমন তো কিছু নেই: এটি কেবল কিছু বিচ্ছিন্ন বিশ্বাস এবং আচারের সমষ্টি'''—... '''আর যে কেউ এর উল্টো কিছু দাবি করে, তাকেই এক ঐক্য চাপিয়ে দেওয়া অথবা অভিন্নতা তৈরি করার চেষ্টাকারী হিসেবে ফ্যাসিবাদী তকমা দেওয়া হয়।''' আমাদের প্রগতিশীল চিন্তাবিদরাই এগুলো বলে আসছেন। এক কথায়, কেবল খন্ডিত অংশগুলোই বাস্তব। আর পুরোটা কেবল একটি তৈরি করা ধারণা। এই চিন্তাবিদরা জোর দিয়ে বলেন যে ভারত কখনোই এক ছিল না—সাম্রাজ্য শাসনের উদ্দেশ্যে আর্যরা, মুঘলরা এবং ব্রিটিশরা বিভিন্ন মানুষ ও অঞ্চলকে একসাথে জুড়ে দিয়েছিল। যে কেউ সেই ধারণাকে—অর্থাৎ ভারতকে—আমরা কোন কাঠামোর অধীনে বাস করব তার মাপকাঠি হিসেবে ব্যবহার করতে চায়, তাকেই হিন্দু আধিপত্য কায়েম করার গোপন পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। * এটি এক অর্থে মেকলে-মিশনারি কৌশলেরই ধারাবাহিকতা এবং চূড়ান্ত রূপ। ব্রিটিশরা হিসাব কষে দেখেছিল যে ভারতকে জয় করতে এবং দখলে রাখতে হলে এদেশের মানুষের মূল ভিত্তিটাই দুর্বল করে দিতে হবে: আর তা হলো হিন্দুধর্ম এবং যা কিছু এর থেকে সৃষ্টি হয়েছে। তাই তারা খুব জেদ নিয়েই পাঁচটি বিষয়ের প্রতি মানুষের বিশ্বাস এবং শ্রদ্ধা নষ্ট করতে নেমেছিল: হিন্দুরা যেসব দেব-দেবীর পূজা করে; যেসব মন্দির ও মূর্তিতে তাদের অধিষ্ঠান; তাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থগুলো; যেসব ভাষায় সেই ধর্মগ্রন্থ এবং ঐতিহ্যের সবকিছু সংরক্ষিত—অর্থাৎ সংস্কৃত; এবং সেই গোষ্ঠী যাদের বিশেষ দায়িত্ব ছিল হাজার বছর ধরে এই জীবনধারাকে রক্ষা করা—অর্থাৎ ব্রাহ্মণরা। একই কৌশলের অন্য অংশটি ছিল খন্ডিত অংশগুলোকে উসকে দেওয়া—অহিন্দুরা, আঞ্চলিক ভাষাগুলো এবং সেই বর্ণ ও গোষ্ঠীগুলো যাদের সহজেই মিশনারি এবং সাম্রাজ্যের পথে আনা যাবে—যেমন সহজ-সরল উপজাতি এবং অস্পৃশ্যরা। * পরিস্থিতিটা এখন এইরকম: গত আধ শতাব্দী ধরে ভারতে যারা জনপরিসরের আলোচনায় আধিপত্য বিস্তার করেছে, নিয়ন্ত্রণ করেছে এবং অন্যদের আতঙ্কিত করে রেখেছে, তাদের হাতে এখন কোনো তথ্য বা যুক্তি অবশিষ্ট নেই। যারা তাদের ‘অভ্যন্তরীণ আলোচনার’ খবর রাখেন তারা এটি দেখতে পাবেন—তারা ক্রমশ আরও ছোট গণ্ডির মধ্যে কথা বলছেন; আর এই সংকুচিত হতে থাকা গণ্ডিতে তারা স্রেফ পুরনো বুলি আউড়ে যাচ্ছেন, সেখানে নতুন কোনো চিন্তা বা নতুন কোনো তথ্য নেই। আর আমরা যেমনটা দেখেছি, এটি আগে থেকেই ধারণা করা যায়: তাত্ত্বিক বুলিগুলোর পুনরাবৃত্তি করাই তাদের জন্য কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং যথেষ্ট। * ‘আমি নিজেই আপনার বইটির পর্যালোচনা করতে চাই,’ ওরশিপিং ফলস গডস সম্পর্কে আমাদের একটি প্রধান সংবাদপত্রের সম্পাদক বলেছিলেন। ‘কিন্তু আমি যদি এর প্রশংসা করি, তবে তারা আমার পেছনেও লাগবে। আমাকেও সাম্প্রদায়িক, উচ্চবর্ণের লোক—এইসব বলা হবে।’ ‘অসাধারণ অরুণ, এটা সত্যিই চমৎকার ছিল,’ একজন শীর্ষস্থানীয় ভাষ্যকার বলেছিলেন যিনি ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে একটি পর্যালোচনা লিখেছিলেন। ‘কিন্তু আপনি তো বোঝেনই, আমি ছাপার অক্ষরে এই সবকিছু বলতে পারিনি। তবে এটি সত্যিই অসাধারণ। আপনি এত পরিশ্রম করেন কীভাবে?’ এমনকি পর্যালোচক নির্বাচনের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যায়। কোনো বামপন্থীর লেখা বই হলে সম্পাদকরা ভিন্ন মতাদর্শের কাউকে সেটি দিতে দ্বিধা করেন: ‘তারা বলবে আমি ইচ্ছা করে একজন ডানপন্থীকে এটি দিয়েছি,’ সম্পাদকরা সম্ভবত এভাবেই ব্যাখ্যা দেন। অন্যদিকে, তারা যাকে ডানপন্থী বলে ঠিক করে রেখেছেন তেমন কারো বই হলে, তারা অন্য কোনো ব্র্যান্ডেড ডানপন্থীকে সেটি দিতে ভয় পান: ‘তারা আমাকে দোষ দেবে যে আমি ইচ্ছা করে এমন একজনকে বইটি দিয়েছি যে এর প্রশংসা করবেই,’ তারা অভিযোগের সুরে বলবেন। তাই এই ধরনের ক্ষেত্রে তারা ইচ্ছা করে বইটি এমন কাউকে দেন যে ‘এর নিন্দা করবেই’! * এছাড়াও আমাদের শেখানো হয় যে, আওরঙ্গজেবের মতো কেউ যখন মন্দির ধ্বংস করেন, তখন কী ঘটেছিল এবং কেন ঘটেছিল তা আন্দাজ করার ক্ষেত্রে আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে... আমাদের শেখানো হয় যে, দিল্লির কুওয়াত-উল-ইসলাম মসজিদের মতো প্রাথমিক স্মৃতিস্তম্ভগুলো নাকি ‘খুব দ্রুত’ তৈরি করতে হয়েছিল... এটি কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য! আর সেই ধর্মের কী হবে যা দাবি করে যে ধর্মীয় বিশ্বাসই সব এবং রাজনীতিকে ধর্ম থেকে আলাদা করা যায় না? আর এর নাম: কুওয়াত-উল-ইসলাম মসজিদ, মানে ইসলামের শক্তির মসজিদ? অবশ্যই ধরে নিতে হবে এটি স্রেফ নামমাত্র! আর লক্ষ্য করুন: ‘সহজলভ্য উপকরণগুলো সংগ্রহ করে যুক্ত করা হয়েছিল’, সেগুলো ‘স্পষ্টতই হিন্দু উৎস থেকে এসেছিল’—হয়তো সেই উপকরণগুলো এমনিই পড়ে ছিল; হয়তো মন্দিরগুলো আগেই নিজে নিজে ভেঙে পড়েছিল; হয়তো হিন্দুরা স্বেচ্ছায় তাদের মন্দির ভেঙে সেই উপকরণগুলো দান করেছিল? তাই নয় কি? সর্বোপরি তারা যে তা করেনি তার তো কোনো প্রমাণ নেই! আর তাই ‘লুণ্ঠিত’ শব্দটি বারবার উদ্ধৃতি চিহ্নের মধ্যে রাখা হয়! <br/> প্রকৃতপক্ষে আরও অনেক কিছু আছে। ইসলামি মসজিদ তৈরির জন্য হিন্দু মন্দিরের এই উপকরণগুলোর ব্যবহার নাকি ‘স্থানীয় কারিগরদের স্থাপত্যগত সংজ্ঞা ও খাপ খাইয়ে নেওয়ার একটি প্রক্রিয়ার অংশ ছিল, যা ইসলামি ব্যবহারের জন্য দক্ষিণ এশীয় স্থাপত্যের পরবর্তী উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য ছিল’। এর ফলে মূল দায়ভার গিয়ে পড়ে সেই ‘স্থানীয় কারিগর’ এবং তাদের ‘খাপ খাইয়ে নেওয়ার’ ওপর। ফলে কুতুব মিনার চত্বরের বৈশিষ্ট্যগুলো ‘স্থপতি এবং খোদাইকারদের একটি নতুন কর্মসূচির প্রতি সৃজনশীল প্রতিক্রিয়া’ হিসেবে তুলে ধরা হয়। একটি মসজিদ যেখানে স্পষ্টভাবে হিন্দু মন্দিরের স্তম্ভসহ অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে এবং যেখানে নির্দ্বিধায় ‘কেন্দ্রীয় গম্বুজের কাঠামোয় হিন্দু দেবতাদের খোদাই করা একটি লিন্টেল বা পাথরের কড়িকাঠ এমনভাবে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে ছবিগুলো দেয়ালের ভেতরের দিকে থাকে’, সেটি নাকি ‘কোনো নিয়ম ঠিক করার জন্য’ করা হয়নি। ‘বরং এটি স্থাপত্য, সজ্জা এবং সংশ্লেষণের ক্ষেত্রে সহযোগিতামূলক ও সৃজনশীল সম্ভাবনার দ্রুত অন্বেষণের উদাহরণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।’ এর বিপরীত সিদ্ধান্তগুলো নাকি ছিল ‘ভুল মূল্যায়ন’। আমরা নাকি ‘উদ্ধার করা অংশ’ দেখার ভুল করছি—কী চমৎকার একটি শব্দ, ‘উদ্ধার করা’: ওই অংশগুলো মন্দির ভেঙে পাওয়া যায়নি; সেগুলো ধ্বংসাবশেষ হিসেবে পড়ে ছিল এবং সময়ের সাথে সাথে নষ্ট হয়ে যেত; তার বদলে সেগুলোকে ‘উদ্ধার করা’ হয়েছে এবং নতুন পবিত্র ইমারতের অংশ হওয়ার মর্যাদা দেওয়া হয়েছে—‘উদ্ধার করা অংশ দেখার বদলে সেখানে সুস্থ সহযোগিতামূলক সৃজনশীলতা নতুন রূপ তৈরি করছে’। * তবুও এই সবকিছুর কোনোটিই আকস্মিক নয়। আমরা এই বইতে যেসব পাঠ্য পর্যালোচনা করেছি সেখানে দেখা যায়, এটি একটি নির্দিষ্ট ধারার অংশ। দেখা যায় ভারত নাকি একটি অতি সাম্প্রতিক ধারণা। এটি নাকি কোনো দেশ বা জাতি নয়। হিন্দুধর্ম একটি উদ্ভাবন হিসেবে প্রকাশ পায়—শব্দটি শুনে অবাক হলেন? কয়েক পৃষ্ঠা পড়লেই আর হবেন না—উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে ব্রিটিশদের তৈরি এক উদ্ভাবন। একই সাথে এটি নাকি সবসময়ই সহজাতভাবে অসহিষ্ণু। প্রাক-ইসলামি ভারত ছিল অন্যায় এবং শোষণের আখড়া। ইসলামি শাসন শোষিতদের মুক্তি দিয়েছিল। এই সময়েই ভারতের গঙ্গা-যমুনা সংস্কৃতি তথা ‘সমন্বিত সংস্কৃতি’ গড়ে উঠেছিল, যার প্রধান প্রবক্তা ছিলেন আমির খসরু এবং সুফি সাধকরা ছিলেন এর উৎস। এমনকি সেই সময়েও জাতীয়তাবোধ তৈরি হয়নি। এটি কেবল ব্রিটিশ শাসনের প্রতিক্রিয়ায় এবং পশ্চিম থেকে আসা চিন্তাভাবনার ফলে তৈরি হয়েছে। কিন্তু এটিও—অর্থাৎ দেশ বা জাতি হওয়ার বোধ যতটুকু ছিল—তা কেবল ভারতের উচ্চবিত্তদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কমিউনিস্টরাই সাধারণ মানুষকে সচেতন করেছে এবং তাদের মধ্যে এই ধারণাগুলো ছড়িয়ে দিয়েছে। <br/> এক কথায়, ভারত বাস্তব নয়—কেবল এর অংশগুলোই বাস্তব। শ্রেণি বাস্তব। ধর্ম বাস্তব—আমাদের ধর্মের সাধারণ এবং বিশেষ সূত্রগুলো নয়, বরং ধর্মের সেই দিকগুলো যা আমাদের বিভক্ত করে এবং নিশ্চিত করে যে আমরা একটি জাতি বা দেশ নই, সেই উপাদানগুলোই বাস্তব। বর্ণ বাস্তব। অঞ্চল বাস্তব। ভাষা বাস্তব—আসলে এটি ভুল: যুক্তি হলো সংস্কৃত ছাড়া অন্য ভাষাগুলো বাস্তব; সংস্কৃত মৃত এবং বিলুপ্ত; যাই হোক, হোরেশ উইলসন হাউস অফ কমন্স সিলেক্ট কমিটিতে যেমন বলেছিলেন যে এটিই দেশের অন্যান্য ভাষার ভিত্তি এবং জীবন্ত ভিত্তি ছিল, তা সত্ত্বেও একে উচ্চবিত্তদের সংরক্ষিত এলাকা এবং আধিপত্য ও শোষণের হাতিয়ার হিসেবে দেখানো হয়েছে; এটি নাকি অসহায় জনসাধারণের মধ্যে মিথ্যা চেতনা টিকিয়ে রাখার একটি মাধ্যম ছিল। * পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ ১৯৮৯ সালে নির্দেশ জারি করেছিল যে ‘মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না।’ * অযোধ্যায় তাদের প্রতারণামূলক ভূমিকা—যা শেষ পর্যন্ত অন্য কারো চেয়ে তাদের মক্কেলদেরই বেশি ক্ষতি করেছে—তা ছিল কেবল একটি লক্ষণ মাত্র। পঞ্চাশ বছর ধরে এই দলটি তথ্য গোপন করছে এবং মিথ্যা উদ্ভাবন করছে। আইসিএইচআর-এর সেই উদ্দেশ্য—আমাদের অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ এবং যৌক্তিক গবেষণার প্রসার ঘটানো—সেটি নিয়ে আজ তারা কতই না চিন্তিত হওয়ার ভান করছে! তাদের এই উদ্বেগ কীভাবে ১৯৮৯ সালে তাদের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া নির্দেশিকার সাথে মেলে যা আউটলুক নিজেই উদ্ধৃত করেছিল—‘মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না?’ কিন্তু বৌদ্ধ বিহার ধ্বংসের পাইকারি মিথ্যাচার এবং অস্তিত্বহীন ‘আর্য আক্রমণ’ সম্পর্কে তাদের তথ্যগুলো অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক—এগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলা মানেই হলো সাম্প্রদায়িক বা উগ্র জাতীয়তাবাদী হওয়া! আইসিএইচআরের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করা যথেষ্ট খারাপ ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটি ছিল একটি কৌশল মাত্র। এই ‘ঐতিহাসিকদের’ প্রধান অপরাধ হলো এই পক্ষপাতিত্ব: সত্য গোপন করা এবং মিথ্যা প্রচার করা। * সংবাদমাধ্যম তাদের প্রচেষ্টার এবং এই ক্ষেত্রে তাদের অর্জিত দক্ষতার একটি তৈরি উদাহরণ। তারা তাদের সদস্য এবং সমর্থকদের সাংবাদিকতায় নিয়ে আসার জন্য যত্ন নিয়েছেন। আর সাংবাদিকতার মধ্যে তারা ক্ষুদ্র গণ্ডিগুলোতেও মনোযোগ দিয়েছেন। বইয়ের কথাই ধরুন। তাদের কারো একটি বই কোনো পত্রিকায় পৌঁছানোর সাথে সাথেই সেটি পর্যালোচনার জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত ব্যক্তিদের নামের পরামর্শ চলে আসে। আমি যেমনটা বলেছি, যে সম্পাদক আপত্তি করেন এবং বইটি ভিন্ন মতাদর্শের কারো কাছে পাঠাতে চান তাকে দোষী মনে করানো হয়, যেন তিনি ইচ্ছা করে একটি পক্ষপাতদুষ্ট ও নেতিবাচক পর্যালোচনা নিশ্চিত করছেন। তাদের তালিকা থেকে কাউকে বেছে নেওয়া যে একটি পক্ষপাতদুষ্ট প্রশংসা নিশ্চিত করতে পারে, তা নিয়ে কোনো কথা বলা হয় না। প্রচলিত জনমতের চাপ এতটাই বেশি এবং সম্পাদকরা এড়ানো সম্ভব এমন ঝামেলা এড়াতে এতটাই উদগ্রীব যে, তারা দ্রুত প্রস্তাবিত নামগুলোর মধ্যে একজনকে বেছে নেন... <br/> গত পঞ্চাশ বছর ধরে সংবাদপত্র ও সাময়িকীর বইয়ের পাতাগুলো লক্ষ্য করলেই আপনি দেখতে পাবেন যে এই সাধারণ কৌশলটি কত বড় প্রভাব ফেলেছে। প্রকাশনা সংস্থাগুলোতে তাদের লোকজন গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে ছিল: আর তাই তাদের ধরণের বইগুলোই প্রকাশিত হতো। এরপর তারা একে অপরের বই পর্যালোচনা করত এবং পাঠ্য হিসেবে নির্দিষ্ট করত। এই সব প্রকাশনা এবং পর্যালোচনার ভিত্তিতে তারা একে অপরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং এ জাতীয় জায়গায় পদ পাইয়ে দিতে সক্ষম হতো... এমনকি যেসব প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব সম্পর্কে আমাদের বেশিরভাগের কোনো ধারণাই নেই, সেগুলোকেও ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। আমাদের মধ্যে কতজন সরকারের এমন একটি সংস্থার কথা জানেন যা সরকারি এবং অন্যান্য লাইব্রেরির জন্য পাইকারি বই কেনা নির্ধারণ করে? কিন্তু তারা জানে! তাই আপনি যদি লক্ষ্য করেন যে এই সংস্থাটি বছরের পর বছর ধরে কোন ধরণের বইয়ের অর্ডার দিচ্ছে, তবে আপনি সেগুলোকে প্রায় একচেটিয়াভাবে লাল এবং গোলাপি ঘরানারই পাবেন... <br/> এভাবে তাদের বইগুলো প্রকাশের জন্য নির্বাচিত হয়। তারা একে অপরের বই পর্যালোচনা করে। এর মাধ্যমে সুনাম তৈরি হয়। এর মাধ্যমে পদ দখল করা হয়। ছাত্রদের একটি নতুন প্রজন্ম একই চশমা পরে বড় হয়—আর এর অর্থ হলো সংবাদমাধ্যমে আরও একটি প্রজন্মের তৈরি হওয়া, আমলাতন্ত্রের আরও একটি প্রজন্ম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আরও একটি প্রজন্ম... * আমাদের উচিত দালাই লামার উদাহরণটি সামনে রাখা। তিনি ধ্যানের ওপর একটি তিব্বতি গ্রন্থের ওপর বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি একটি বাক্য পড়লেন, হাসলেন এবং মন্তব্য করলেন, ‘সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বগুলো লজ্জাজনক! এগুলো ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত!’ তিনি পরামর্শ দেন যে আমাদের কাছে সবসময় একটি ঝুড়ি রাখা উচিত—যা কিছু আমাদের বর্তমান জ্ঞানের সাথে মেলে না, সেগুলো সেই ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া উচিত। ‘বৌদ্ধধর্মকে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে,’ তিনি এটাই শেখান। সেই অনুযায়ী তিনি বৌদ্ধ গ্রন্থগুলোকে সূক্ষ্ম পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করেছেন। (...) এটি নিজের ঐতিহ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসকেই তুলে ধরে। এটিই হলো ঐতিহ্যের প্রকৃত সেবা। এতে থাকা ‘অমূল্য রত্ন’ ভবিষ্যতের জন্য রক্ষা করার উপায় এটিই। * কিন্তু আজ বৌদ্ধধর্মের বিলুপ্তির কারণ হিসেবে হিন্দুদের দ্বারা বৌদ্ধদের ওপর নির্যাতন এবং হিন্দুদের দ্বারা তাদের মন্দির ধ্বংসের কথা বলাটা একটি ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। একটি বিষয় হলো, যেসব মার্ক্সবাদী ঐতিহাসিক এই মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছেন তারা এই মনগড়া কাহিনী প্রমাণ করার জন্য সামান্যতম তথ্যও হাজির করতে পারেননি। একটি সাধারণ উদাহরণে রোমিলা থাপার তিনটি শিলালিপি উদ্ধৃত করেছিলেন। নিরলস কর্মী [[সীতরাম গোয়েল]] সেগুলো পরীক্ষা করে দেখেন। এর মধ্যে দুটির সাথে বৌদ্ধ বিহার বা সেগুলো ধ্বংসের কোনো সম্পর্কই পাওয়া যায়নি এবং যেটিতে একটি বস্তু ধ্বংসের কথা ছিল, সেটি বিশেষজ্ঞদের মতে ছিল একটি জাল শিলালিপি; যাই হোক না কেন, সেখানে যা বলা ছিল তা ওই ঐতিহাসিকের ইঙ্গিতের চেয়ে দিন আর রাতের মতো আলাদা ছিল। * সংলগ্ন পৃষ্ঠাগুলোতে দুটি কলাম আছে: অশুদ্ধ এবং শুদ্ধ। প্রগতিশীলরা ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে তাদের ‘বস্তুনিষ্ঠ’ এবং ‘যৌক্তিক’ পদ্ধতির মাধ্যমে কী অর্জন করার চেষ্টা করছেন তা এই পরিবর্তনগুলোর দিকে চোখ বুলালেই বোঝা যায়। * এভাবে কেবল সত্য গোপনই নয়, বরং আজেবাজে কথা প্রচারও করা হচ্ছে। ;বইটি সম্পর্কে * ‘বাম-উদারপন্থী’ বা ‘প্রগতিশীল’ ঐতিহাসিকদের প্রথম বড় সমালোচনা করেছিলেন অরুণ শৌরি, বিশেষ করে তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা আইসিএইচআর-এর অবস্থা নিয়ে। ** ডি. কে. চক্রবর্তী, ন্যাশনালিজম ইন দ্য স্টাডি অফ এনশিয়েন্ট ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি (আরিয়ান বুকস ইন্টারন্যাশনাল, দিল্লি)।[https://koenraadelst.blogspot.com/2021/02/a-case-of-good-nationalism-dk.html] * "বিশিষ্ট ঐতিহাসিকগণ" হলো সেই শব্দ যা দিয়ে তারা একে অপরকে ডাকে এবং তাদের ভক্তরা তাদের এই নামেই ডাকে। যখন কোনো প্রতিপক্ষের যুক্তির উত্তর তাদের কাছে থাকে না, তখন তারা তাকে যথেষ্ট ‘বিশিষ্ট’ নয় বলে দম্ভের সাথে উড়িয়ে দেয়। তাই অরুণ শৌরি যখন এই খাতের কিছু অপব্যবহার নিয়ে লিখেছিলেন, তখন তিনি তার বইয়ের নাম দিয়েছিলেন এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস। এটি ঔপনিবেশিক যুগের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে লেখা একটি পুরনো বই এমিনেন্ট ভিক্টোরিয়ানসের নাম নিয়ে করা একটি শব্দকৌতুকও বটে। ** এলস্ট, কে. [https://koenraadelst.blogspot.com/2016/05/interview-in-monthly-swarajya.html সাক্ষাৎকার, স্বরাজ্য, মে ২০১৬)] ===২০০০-এর দশক=== ==== ''হারভেস্টিং আওয়ার সোলস: মিশনারিস, দেয়ার ডিজাইন, দেয়ার ক্লেইমস'' (২০০০) ==== * আপনি যদি ১৯৯৮ সালের শেষ এবং ১৯৯৯ সালের শুরুর দিকে ভারতে থাকতেন এবং ইংরেজি মাধ্যমের "জাতীয়" সংবাদপত্রগুলো যদি আপনার খবরের উৎস হতো, তবে আপনি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতেন যে একটি ব্যাপক এবং সুসংগঠিত গণহত্যা চলছে; উন্মত্ত হিন্দু গোষ্ঠীগুলো ঘুরে ঘুরে সন্ন্যাসিনীদের ধর্ষণ করছে, মিশনারিদের ওপর আক্রমণ করছে এবং গির্জা পুড়িয়ে দিচ্ছে। (পৃষ্ঠা ৭) * শেষ পর্যন্ত দেখা গেল যে সত্যিই একটি চক্রান্ত ছিল এবং সেটি ছিল একটি সাম্প্রদায়িক চক্রান্ত। পুরো বিষয়টিই ছিল একটি সাজানো গল্প—তাদের দ্বারা যাদের লক্ষ্য হলো হিন্দুদের উন্মত্ত সাম্প্রদায়িক হিসেবে চিত্রিত করা এবং আরএসএস, বিজেপি ইত্যাদিকে এমন এক সংগঠন হিসেবে তুলে ধরা যারা একটি "গণহত্যা" পরিচালনা করছে। জাস্টিস ওয়াধওয়া নথিবদ্ধ করেছেন, "তদন্তে প্রকাশ পেয়েছে যে সিস্টার মেরি এফআইআরে যা বলেছিলেন তা সত্য ছিল না। এটি একটি বানানো গল্প ছিল। তদন্তে দেখা গেছে যে বাস্তবে সিস্টার মেরির সাথে কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি... পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল বি.বি. পান্ডা জানিয়েছেন যে 'সন্ন্যাসিনী ধর্ষণ'-এর ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে এমনভাবে প্রচার করা হয়েছিল যেন এটি খ্রিস্টানদের ওপর একটি আক্রমণ, যদিও বাস্তবে তা সত্য ছিল না এবং মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।" (৯-১০) * ঘটনাগুলোর সত্যতা এবং সেগুলোকে যেভাবে তুলে ধরা হয়েছিল তার মধ্যেকার এই পার্থক্য আমাদের সংবাদপত্র এবং টিভি চ্যানেলগুলোকে সতর্ক করা উচিত যেন তারা তথ্য যাচাই না করে হুট করে কোনো খবর প্রচার না করে। বিশেষ করে, তাদের কেবল সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানো ব্যক্তিদের অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে চলা উচিত নয়। (১৩) * অর্থ থেকে শুরু করে আদর্শ কিংবা অতি নিম্নমানের রাজনীতি—মিথ্যা অপবাদ তৈরির পেছনে বিভিন্ন গোষ্ঠীর বিভিন্ন কারণ থাকে। এদের মধ্যে অনেকগুলো খুব সুসংগঠিত; এমনকি আমরা দেখতে পাব যে কারো কারো বিশ্বজুড়ে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক আছে। তারা অত্যাচারের গল্প তৈরিতে এবং সেগুলো বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিতে অত্যন্ত দক্ষ হয়ে উঠেছে এবং তাদের এই উদ্ভাবনগুলোকে লাভজনক কাজে ব্যবহার করছে। (১৩) * হিন্দু নারীদের মধ্যে কাজ করাকে উচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে, তারা বলেন, "যেহেতু তারা এই ধর্মের রক্ষক"... (৬২) ==== ''সেল্ফ-ডিসিপশন: ইন্ডিয়াস চায়না পলিসিস; অরিজিনস, প্রিমিসেস, লেসনস'' (২০০৮) ==== :অরুণ শৌরি - সেল্ফ-ডিসিপশন: ইন্ডিয়াস চায়না পলিসিস; অরিজিনস, প্রিমিসেস, লেসনস-হার্পার কলিন্স (২০০৮, ২০১৩) * ২০০৮ সালের বেইজিং অলিম্পিকের ঠিক আগের মাসগুলোতে লাসায় তিব্বতিদের বিক্ষোভ দমনে চীন সরকার যে নির্মমতা—তাদের চিরকালীন স্বভাবসিদ্ধ নির্মমতা—দেখিয়েছিল, তা আবারও সেই বিশাল অপরাধের দিকে বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছিল যা পৃথিবী দেখতে অস্বীকার করেছে। তারা পরিকল্পিতভাবে একটি আস্ত জাতিকে তাদের নিজেদের মাটিতেই সংখ্যালঘু বানিয়ে ফেলেছে; তাদের ওপর অকথ্য নিষ্ঠুরতা চালানো হচ্ছে; একইভাবে পরিকল্পিতভাবে তাদের ধর্ম এবং প্রাচীন সভ্যতা মুছে ফেলা হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন শহরের তিব্বতিরা যে বিক্ষোভ করেছে এবং তাদের সাথে ওই দেশগুলোর বহু সাধারণ মানুষ যেভাবে যোগ দিয়েছে, তার ফলও একই হয়েছে।<br>দিল্লিতে মনমোহন সিং সরকার যা করেছিল তেমনটি বিশ্বের অন্য কোনো সরকার করেনি। আমাদের সরকার যতটা ভীরু এবং আতঙ্কিত হয়ে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল, তেমনটি আর কেউ দেখায়নি। অলিম্পিক মশাল মাত্র দুই কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়ার কথা ছিল—বিজয় চক থেকে ইন্ডিয়া গেট পর্যন্ত। সরকার সেই সামান্য রাস্তার ওপর এবং তার চারপাশে বিশ হাজারেরও বেশি সৈন্য, আধাসামরিক বাহিনী, পুলিশ এবং সাধারণ পোশাকে গোয়েন্দা মোতায়েন করেছিল। তিব্বতি শরণার্থীদের মারধর করা হয়েছিল এবং বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল। সরকারি অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। রাস্তাঘাট বন্ধ ছিল। মেট্রো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এমনকি পার্লামেন্ট সদস্যদেরও পার্লামেন্ট সংলগ্ন চত্বর বিজয় চক দিয়ে তাদের বাড়িতে যেতে বাধা দেওয়া হয়েছিল।<br>আপনার কি মনে হয় অলিম্পিকের প্রতি ভালোবাসার কারণে এই সবকিছু করা হয়েছিল?<br>না, এসব করা হয়েছিল চীনের ভয়ে। * ‘দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি’ এবং ‘বৃহত্তর বিবেচনা’—এই শব্দগুলো পণ্ডিতজির খুব পছন্দের ছিল। যখনই সে প্রথম শব্দটি ব্যবহার করত, আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন যে সে আসলে পিছু হটার জন্য ক্ষেত্র তৈরি করছে। আর যখনই সে দ্বিতীয় শব্দটি ব্যবহার করত, আপনি নিশ্চিত হতে পারেন যে সে নির্দিষ্টভাবে দেশের স্বার্থ বিসর্জন দেওয়ার জন্য ক্ষেত্র তৈরি করছে। * মনে করে দেখুন, সে তিব্বতিদের কী বলেছিল—ভারত কূটনৈতিকভাবে সাহায্য করবে। এখন সেই সাহায্যের মানে দাঁড়াল এই যে, চীন যখন তিব্বতকে পিষে ফেলছে তখন ভারত চীনকে খুশি রাখবে, যাতে তারা তিব্বতকে আরও দ্রুত পিষে ফেলতে না পারে। * এই ধরণের যুক্তি থেকে যে প্রায়োগিক সিদ্ধান্ত বের হয় তা আমরা দেখতে পাই। যেহেতু মূল অগ্রগতি এখন থমকে গেছে, তাই আমাদের কিছু করার নেই। যখন মূল অগ্রগতি আবার শুরু হবে, তখন পুরো চিত্রটি পরিষ্কার হবে না। যখন তা সম্পন্ন হবে এবং জায়গাটি পুরোপুরি দখল হয়ে যাবে, তখনও আমাদের কিছু করার থাকবে না কারণ ততক্ষণে জায়গাটি দখল হয়ে গেছে। আমাদের কিছু করা বা বলা কেবল দখলদারদের রাগিয়ে দেবে এবং এর ফলে বেচারা তিব্বতিদের আরও বেশি কষ্ট হবে! * অর্থাৎ সে অনেক লম্বা চওড়া কথা বলে, কিন্তু সদস্যরা যেসব নির্দিষ্ট বিষয় তুলেছেন তার কোনোটিই সে প্রায় স্পর্শ করে না। * সে যেসব দৃষ্টিভঙ্গিকে অপছন্দ করে সেগুলো নাকি সবসময় ভারসাম্যহীন; অথবা অতীতের চিন্তায় আটকে থাকা; অথবা কোল্ড ওয়ার বা ঠান্ডা লড়াইয়ের ধাঁচে গড়া; অথবা কেবল ব্যক্তিগত এবং আবেগপূর্ণ... * ভারতের আমন্ত্রণে দালাই লামা ভারতে এসেছেন। নেহরু ১৯৫৬ সালের ২৬ এবং ২৮ নভেম্বর তার সাথে দেখা করে। দালাই লামা অত্যন্ত বিচলিত ছিলেন। নেহরু তাদের আলোচনার মূল বিষয়গুলো লিখে রাখে। দালাই লামা জানান যে তিব্বতে চীনের সৈন্য সংখ্যা ১,২০,০০০; ঠিক যে সংখ্যাটির কথা বলার জন্য আপা পান্তকে নেহরু তিরস্কার করেছিল। আলোচনা নিয়ে নেহরুর নোটের একটি অনুচ্ছেদে পররাষ্ট্র সচিব সুবিমল দত্ত যোগ করেন: ‘দালাই লামা সাহায্যের জন্য ভারতের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর উত্তর ছিল যে, অন্যান্য বিবেচনার বাইরে ভারত তিব্বতকে কোনো কার্যকর সাহায্য দেওয়ার মতো অবস্থায় নেই; অন্য কোনো দেশের পক্ষেও তা সম্ভব নয়। দালাই লামার উচিত হবে না ভূমি সংস্কারের বিরোধিতা করা।’ সাহায্যের বদলে নেহরু উপদেশ দেয়। সে তার দেওয়া উপদেশগুলো লিখে রেখেছে: ‘দালাই লামার উচিত হবে সংস্কারের নেতা হওয়া। আমাদের সাহায্য করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো চীনের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা, তা না হলে চীন তিব্বত নিয়ে আমাদের উদ্দেশ্যকে ভয় পেতে পারে।’ একটি অজুহাত এবং তা বেশ দাম্ভিক এক অজুহাত—‘তা না হলে চীন তিব্বত নিয়ে আমাদের উদ্দেশ্যকে ভয় পেতে পারে।’ * এই ছোট বইটির মূল উদ্দেশ্য হলো নেহরুর নিজের কথাতেই ভারতের চীন-নীতির বিবর্তন তুলে ধরা এবং এটি দেখানো যে কীভাবে সেই ধারণা এবং অভ্যাসগুলো আজও আমাদের বিপদে ফেলছে, তাই আমি টীকাগুলো ন্যূনতম রাখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু চীন সম্পর্কে নেহরু যা করেছে, বলেছে এবং লিখেছে তার ভাষাগত এবং মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ হওয়া প্রয়োজন! কারণ তার অবস্থান, তার কথা এবং তার যুক্তিগুলো তার অভ্যাস ও মানসিক প্রক্রিয়ার মধ্যেই প্রোথিত। কেবল তার ধারণা এবং সিদ্ধান্তগুলোই নীতি-নির্ধারকদের মধ্যে টিকে নেই, বরং সেই অভ্যাস ও মানসিক প্রক্রিয়াগুলোও টিকে আছে। ১৯৫০-এর দশকে নেহরুর সেই অভ্যাসগুলো নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলেনি কারণ আমাদের জীবনে ও চিন্তাধারায় তার অবস্থান ছিল অনেক উঁচুতে। আজ সেই একই অভ্যাসগুলো নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলে না—তবে কারণটা অন্য: আলোচনার মান এখন এতটাই নিচে নেমে গেছে যে কোনো ধারণা বা সিদ্ধান্ত ঠিকমতো যাচাই করা হয় না। একটি উদাহরণ দিলে এর ফলাফল বোঝা যাবে। যেসব অভ্যাস এখনো টিকে আছে, তার মধ্যে একটি বিশেষভাবে ক্ষতিকর কারণ এটি অবচেতনভাবে সবকিছু মেনে নেওয়াকে জায়েজ করে দেয়। এটি হলো কোনো চিন্তা বা বাক্যের মাঝে এমন কিছু ঢুকিয়ে দেওয়া যা আপনাকে বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়া থেকে রেহাই দেয়। আমরা পণ্ডিত নেহরুর লেখা এবং কথায় প্রতিটি পদে এটি দেখতে পাই। ... * মাও জেদং, চৌ এন-লাই এবং অন্যদের ভারত ও ভারতীয়দের প্রতি থাকা ঘৃণাও নিশ্চিতভাবে এর একটি বড় কারণ। চীনা নেতাদের একের পর এক কথোপকথনে এটি বারবার ফুটে উঠেছে। চৌ এবং কিসিঞ্জার একমত হন যে পূর্ব পাকিস্তানে সমস্যার মূল কারণ হলো ভারত; ভারত যাতে এগোতে না পারে সেজন্য চীন এবং আমেরিকার একসাথে কী করা উচিত সে বিষয়ে তারা একমত হন; তারা কেবল ‘ভারতীয় ঐতিহ্য’—প্রতারণা, অন্যকে দোষারোপ করা—নিয়েই একমত হননি, বরং ভারতীয় চরিত্র নিয়েও একমত হন যা অকৃতজ্ঞতা দিয়ে চিহ্নিত। কিসিঞ্জার যখন পরবর্তীতে জাতিসংঘে চীনের স্থায়ী প্রতিনিধি হুয়াং হুয়া-র সাথে কথা বলেন, তখন এই ঘৃণা এবং বোঝাপড়া আরও স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। সেখানে তিনি হুয়াংকে অনুরোধ করেন যেন সে চৌ এন-লাইকে আশ্বস্ত করে যে, চীন যদি পাকিস্তানকে বাঁচাতে ভারতকে আক্রমণ করে তবে আমেরিকা সোভিয়েত ইউনিয়নকে সামলে রাখবে। নিক্সন, পম্পিডু এবং কিসিঞ্জার বিশ্বের অবস্থা নিয়ে আলোচনা করছেন। নিক্সন চীনাদের দৃষ্টিভঙ্গি এভাবে সংক্ষেপে তুলে ধরেন: ‘...তাদের প্রতিবেশীদের সম্পর্কে চীনাদের মনোভাব এভাবে বলা যেতে পারে। রাশিয়ানদের তারা এখন ঘৃণা করে এবং ভয় পায়। জাপানিদের তারা পরে ভয় পাবে কিন্তু ঘৃণা করে না। ভারতীয়দের তারা চরম অবজ্ঞা করে কিন্তু ভারতীয়রা সেখানে আছে এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন তাদের সমর্থন দিচ্ছে।’ === ২০১০-এর দশক === * আমি এই দুইয়ের মধ্যে কোনো তফাত দেখি না। আমার মনে হয় তারা (বিজেপি এবং কংগ্রেস) আসলে একই দল। তারা মিলেমিশে শাসন করছে। এটা একটা ডিনার পার্টি। তারা ডিনারে দেখা করে। তারা সামাজিকভাবে মেলামেশা করে। বিভিন্ন ইস্যুতে কী করতে হবে তারা নিজেরাই ঠিক করে নেয়। <br>প্রথমত, সংবাদমাধ্যমের উচিত নিজেদের নিয়ে লেখা। এই বিষয়গুলোকে চেপে যাওয়া সংবাদমাধ্যমের জন্য অত্যন্ত সংকীর্ণমনা কাজ। মিত্রোখিন আর্কাইভস প্রকাশ করেছে কীভাবে (তৎকালীন সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থা) কেজিবি বড়াই করত যে তারা অমুক অমুক ভারতীয় সংবাদপত্রে ৪০০টি খবর ঢোকাতে পেরেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সেটা চেপে গেছে। তারপর, দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়র প্রাইভেট ট্রিটিজ প্রথা যা এখন অন্যরাও গ্রহণ করেছে, তা পুরোপুরি চেপে যাওয়া হয়েছে.... যখন ভারতের প্রেস কাউন্সিল ‘পেইড নিউজ’ বা টাকার বিনিময়ে খবর ছাপার অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখার জন্য একটি কমিটি গঠন করতে বাধ্য হয়েছিল, তখন প্রেস কাউন্সিল নিজেই সেই রিপোর্টটি ধামাচাপা দিয়েছিল। ** [https://www.rediff.com/news/report/interview-arun-shourie-on-the-real-meaning-of-the-radia-tapes1/20101201.htm সাক্ষাৎকার] ২০১০ ==== ''ফলিং ওভার ব্যাকওয়ার্ডস'' (২০১২) ==== * প্রথম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল প্রেক্ষাপট ছাড়া ‘তাদের পছন্দের’ শব্দগুলো তুলে আনার মাধ্যমে। ২৯ এবং ৩০ অনুচ্ছেদে সংখ্যালঘুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি এবং পরিচালনার অধিকার দেওয়ার যে উদ্দেশ্য ছিল, তা থেকে শব্দগুলোকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। একটি সাধারণ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ অথবা ডেন্টিস্ট্রি কলেজকে কোনোভাবেই এমন প্রতিষ্ঠান হিসেবে ধরা যায় না যা সংখ্যালঘুদের ভাষা, লিপি অথবা সংস্কৃতি রক্ষার জন্য তৈরি করা হয়েছে। তবুও, যদি ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা ডেন্টিস্ট্রি কলেজটি কোনো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যরা তৈরি করে থাকে, তবে ধরে নেওয়া হতো যে এটি ২৯ ও ৩০ অনুচ্ছেদের সুরক্ষা পাবে এবং এর ফলে এটি রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেত। * এর ফলাফল যতটা অনুমেয় ছিল তেমনই অন্যায় এবং হাস্যকর হয়েছে: যদি রাম শরণ একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করে, তবে রাষ্ট্র এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় অনেক কিছু নির্ধারণ করে দিতে পারে যা তাকে করতে হবে; কিন্তু যদি মুহাম্মদ আসলাম রাস্তার ওপারে ঠিক একই রকম একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করে, যেখানে ঠিক একই বিষয় পড়ানো হয় এবং একই পাঠ্যবই ব্যবহার করা হয়, তবে রাষ্ট্র অথবা বিশ্ববিদ্যালয় কেউই এর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না! * অন্যদিকে, যখন স্রেফ মূল পাঠ্য আঁকড়ে ধরলে বিচার এগিয়ে যাবে, তখন তারা কট্টর নিয়মপন্থী হয়ে ওঠে। এর কিছু বড় উদাহরণ ৩০ অনুচ্ছেদ সংক্রান্ত রায়ে পাওয়া যায়। এই অনুচ্ছেদটি ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং পরিচালনা করার ক্ষেত্রে সংখ্যালঘুদের অধিকার’ নিয়ে কাজ করে। ভারত ভাগ হয়েছিল এই চিৎকারের ওপর ভিত্তি করে যে অখণ্ড ভারতে মুসলিমরা কখনোই নিরাপদ থাকবে না। সংবিধান প্রণেতারা স্বাভাবিকভাবেই সংখ্যালঘুদের আশ্বস্ত করতে চেয়েছিলেন যে তারা তাদের ধর্ম, ভাষা এবং সংস্কৃতি রক্ষা করার স্বাধীনতা পাবে। সেই অনুযায়ী ২৯ অনুচ্ছেদ তৈরি করা হয়েছিল তাদের এই স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দিতে। যদি তারা তাদের ভাষা, সংস্কৃতি অথবা ধর্ম রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠান গড়তে চায়, সেজন্য ৩০ অনুচ্ছেদ তৈরি করা হয়েছিল যেখানে আশ্বস্ত করা হয়েছিল যে ‘ধর্ম অথবা ভাষার ভিত্তিতে তৈরি সব সংখ্যালঘুর তাদের পছন্দের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং পরিচালনা করার অধিকার থাকবে।’ প্রেক্ষাপটটি উদ্দেশ্য পরিষ্কার করে দিয়েছিল: সংখ্যালঘুদের এমন প্রতিষ্ঠান গড়ার স্বাধীনতা থাকবে যা তাদের সংস্কৃতি, ধর্ম এবং ভাষা সবচেয়ে ভালোভাবে রক্ষা করতে পারবে বলে তারা মনে করে। কিন্তু সংবিধান তৈরির পর থেকে আলোচনার ধরন যেমন হয়েছে, তাতে বিচারকরা আক্ষরিক অর্থেই সব দেখতে শুরু করলেন। যে উদ্দেশ্যেই প্রতিষ্ঠানটি তৈরি হোক না কেন, সংখ্যালঘুদের ‘তাদের পছন্দের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান’ গড়ার এবং পরিচালনা করার অধিকার থাকবে। এর ফলে, ধরুন মুসলিমদের একটি পরিবারের তৈরি করা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ অথবা ডেন্টাল কলেজ সরকারি নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি থেকে যে স্বাধীনতা পাবে, সাধারণ ভারতীয়দের তৈরি ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা ডেন্টাল কলেজ তা পাবে না। * এখন, এগুলো স্রেফ কোনো চমৎকার অনুচ্ছেদ সাজানোর জন্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাক্য নয়। এগুলো হলো অবস্থান এবং দৃষ্টিভঙ্গি যা নির্দেশ করে যে রায়টি কোন দিকে যাবে। এগুলো হলো দিকনির্দেশক যা আমাদের বলে যে পাঠ্যটিতে দেওয়া যুক্তিগুলো শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে থামবে। এই ধরণের বয়ানগুলোর গুরুত্ব স্রেফ সেই বিশেষ রায়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না যেখানে সেগুলো ব্যবহার করা হয়েছে। পরবর্তী বেঞ্চগুলো একই অবস্থান নিতে পারে এবং একই দিকে আরও এগিয়ে যেতে পারে। * আমরা নিজেদের সান্ত্বনা দিই: অন্তত সংরক্ষণের ভাইরাস বিচারবিভাগীয় নিয়োগের মধ্যে ঢোকেনি; অন্তত মুসলিম এবং খ্রিস্টানদের জন্য সংরক্ষণ বাড়ানো হয়নি। এই দুটি ধারণাই আসলে নিছক কল্পনা। * যেসব ধর্ম জাতপাত অস্বীকার করে—যেমন ইসলাম, খ্রিস্টধর্ম, শিখধর্ম—সেগুলোর সদস্যদের জন্য সংরক্ষণ বাড়ানো হয়নি বলে যে ধারণা, তাও স্রেফ কল্পনা। সংখ্যালঘু কমিশনের চেয়ারম্যান, আমার বন্ধু তর্লোচন সিং আমাকে ৫৮টি জাত এবং ১৪টি উপজাতি গোষ্ঠীর একটি তালিকা পাঠিয়েছে যাদের মুসলিম সদস্যরা সংরক্ষণ পেয়েছে। এমনকি যারা এই ধর্মগুলোর একটিতে ধর্মান্তরিত হয়, তারা সংরক্ষণের সুযোগ পাওয়ার যোগ্য হিসেবে থেকে যায়। তামিলনাড়ুর নিয়ম হলো যে যদি বাবার নাম অনগ্রসর জাতি/অত্যধিক অনগ্রসর জাতি/তফসিলি জাতি/তফসিলি উপজাতি-র তালিকায় থাকে, তবে সেই ব্যক্তি অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হলেও সংরক্ষণের অধিকারী থাকে। গুজরাটে অনগ্রসর জাতির সদস্যরা ধর্মান্তরের পরেও কেবল সংরক্ষণই নয়, রোস্টার সিস্টেমের সুবিধাও পেয়ে থাকে—সেখানে ১৩৭টি জাত এবং উপজাতকে সামাজিক এবং শিক্ষাগতভাবে অনগ্রসর হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে; এর মধ্যে ২৮টি মুসলিম সম্প্রদায়ের। কর্ণাটকে ‘জন্মগত জাত’ প্রথাই হলো নিয়ম। উত্তরপ্রদেশে বেশ কিছু মুসলিম জাত সংরক্ষণের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত—লালবেগি, মজহাবি, এমনকি আনসারিও। মধ্যপ্রদেশ অথবা পশ্চিমবঙ্গেও পরিস্থিতি আলাদা নয়। কলকাতার ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'' প্রতিনিধি রিপোর্ট করেছে যে প্রকাশ্য ধর্মনিরপেক্ষ সিপিআই(এম) সরকার সরকারি চাকরির পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও মুসলিমদের মুসলিম হিসেবে সংরক্ষণ দেওয়ার চেষ্টা করেছিল এবং রাজ্য সংখ্যালঘু কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছিল অন্ধ্রপ্রদেশে কীভাবে এই ধরণের সংরক্ষণ ঘোষণা করা হয়েছিল তা খতিয়ে দেখতে। সে লিখেছে যে পরিকল্পনাটি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে হয়েছে কেবল এই কারণে যে অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্ট অন্ধ্র সরকারের সেই নির্দেশকে অসাংবিধানিক বলে বাতিল করে দিয়েছে। * এমনকি যখন অন্ধ্রপ্রদেশের রায় উল্টে দেওয়ার চেষ্টা চলছে, সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে তাদের সেনা এবং অফিসারদের ধর্ম অনুযায়ী গণনা করার নির্দেশ দিয়েছে। এই পদক্ষেপটি কোনো ভুলবশত ঘটেনি। এটি দিল্লির প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রাজিন্দর সাচারের অধীনে সরকার গঠিত একটি কমিটির মাধ্যমে উঠে এসেছে—যার প্রতিটি সদস্যকে তার ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ বিশ্বাসের জন্য সাবধানে বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি রেফারেন্স যার ওপর তথ্য সংগ্রহ এবং সুপারিশ করতে বলা হয়েছে, যেমনটা আমরা শুরুতেই লক্ষ্য করেছি, তা মুসলিমদের একটি ধর্মীয় গোষ্ঠী হিসেবে সংরক্ষণ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার যৌক্তিকতা প্রমাণের জন্যই সাবধানে বেছে নেওয়া হয়েছে। * সামনে নির্বাচন থাকায় ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে কেরালা সরকার অনগ্রসর জাত এবং মুসলিমদের জন্য সংরক্ষণের আরেকটি ‘প্যাকেজ’ ঘোষণা করে: রাজ্যের চাকরির নিয়ম পরিবর্তন করা হবে যাতে এই অংশগুলো সরাসরি নিয়োগ পেতে পারে এবং তাদের জন্য বরাদ্দ ৪০ শতাংশ কোটা পূরণ করা যায়; যদি এই অংশগুলো থেকে উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া না যায়, তবে সেই শূন্যপদগুলো মেধার ভিত্তিতে পূরণ করা হবে না; রাজ্য পাবলিক সার্ভিস কমিশন একটি ‘অতিরিক্ত সম্পূরক তালিকা’ তৈরি করবে যাতে শূন্যপদগুলো কেবল এই অংশগুলো দিয়েই পূরণ করা যায়; সরকারি কলেজের স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর কোর্সে এই জাতগুলোর জন্য ২০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে; মুখ্যমন্ত্রী নিজে সংরক্ষণ নীতির বাস্তবায়ন তদারকি করবেন; সংরক্ষণ যাতে পুরোপুরি পূরণ করা হয় তা নিশ্চিত করতে একটি স্থায়ী কমিশন থাকবে... * সামনে নির্বাচন থাকায় তামিলনাড়ুতে ডিএমকে এবং তার সহযোগীরা ঘোষণা করেছে যে ক্ষমতায় গেলে তারা মুসলিম এবং খ্রিস্টানদের সংরক্ষণ দেওয়ার জন্য আইন আনবে। * ঝাড়খণ্ড সরকার আবার ঘোষণা করেছে যে বত্রিশটি উপজাতি যারা সবচেয়ে বেশি অনগ্রসর—যাদের মধ্যে নয়টির সাক্ষরতার হার মাত্র ১০ শতাংশ—তাদের সরাসরি সরকারি চাকরিতে নিয়োগ করা হবে; তাদের মধ্যে যারা স্নাতক পরীক্ষায় পাশ করবে তাদের যোগ্যতা নির্ধারণকারী পরীক্ষায় বসতে হবে না যা সরকারি চাকরিতে আসা অন্য সবাইকে দিতে হয়। * আর সাবধান, প্রগতিশীল বিচারকরা ইতিমধ্যে মুসলিম অথবা খ্রিস্টানদের মুসলিম এবং খ্রিস্টান হিসেবে সংরক্ষণ দেওয়ার ভিত্তি তৈরি করে রেখেছেন। সংবিধান যে শব্দটি ব্যবহার করেছে তা হলো ‘সম্প্রদায়’, যে শব্দটি এটি ব্যবহার করেছে তা হলো ‘শ্রেণি’, ইন্দ্র সাহানি মামলায় বিচারপতি জীবন রেড্ডি, সাওয়ান্ত এবং থম্মেন এটিই বলেছেন। তারা বলেছেন ‘সম্প্রদায়’ এবং ‘শ্রেণি’ শব্দটি ‘জাত’ শব্দের চেয়ে ব্যাপক। তাই তারা বলেছেন যে ‘জাত’-এর চেয়ে বড় কোনো সত্তাকে অবশ্যই এর অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে—একমাত্র শর্ত হলো চিহ্নিত গোষ্ঠীগুলো যেন ‘অনগ্রসর’ হয়। দ্বিতীয়ত, ইসলাম, খ্রিস্টধর্ম এবং শিখধর্মের শিক্ষা সত্ত্বেও এই ধর্মগুলোতেও জাতপাত টিকে আছে বলে তারা এর স্বপক্ষে যুক্তি দিয়েছেন। যেহেতু এটিই বাস্তবতা, তাই কেবল হিন্দুদের অনগ্রসর অংশগুলোর জন্যই সংরক্ষণের সুযোগ সীমিত রাখা অন্যায় হবে... ৩ * আমরা কত নিচে নেমে গেছি! আজ প্রগতিশীলরা তাদের জাতপাতকেই ধর্মনিরপেক্ষতা হিসেবে সাজিয়ে তুলে ধরে! তারা সগর্বে ঘোষণা করে যে সংরক্ষণের সুবিধা মুসলিম এবং খ্রিস্টানদেরও দেওয়া হবে। অন্ধ্রপ্রদেশে সরকারের সিদ্ধান্ত দুবার আদালত বাতিল করে দিয়েছে—সরকার মুসলিমদের মুসলিম হিসেবে সংরক্ষণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এমনকি যখন সেই রায় উল্টে দেওয়ার চেষ্টা চলছে, কেন্দ্রীয় সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে তাদের সেনা এবং অফিসারদের ধর্ম অনুযায়ী গণনা করার নির্দেশ দিয়েছে। এই পদক্ষেপটি কোনো ভুলবশত ছিল না। এটি দিল্লি হাইকোর্টের একজন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতির অধীনে সরকার গঠিত একটি কমিটির মাধ্যমে উঠে এসেছিল। কমিটির প্রতিটি সদস্যকে তার ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ এবং ‘প্রগতিশীল’ বিশ্বাসের জন্য সাবধানে বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি রেফারেন্স যার ওপর কমিটিকে তথ্য দিতে এবং সুপারিশ করতে বলা হয়েছে, তা মুসলিমদের একটি ধর্মীয় গোষ্ঠী হিসেবে সংরক্ষণ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার যৌক্তিকতা প্রমাণের জন্যই সাবধানে বেছে নেওয়া হয়েছে: * প্রতিটি বিষয়ই এই পুরো প্রক্রিয়ার একমাত্র উদ্দেশ্য প্রকাশ করে দেয়—তা হলো মুসলিমদের জন্য সংরক্ষণ বাড়ানোর স্বপক্ষে যুক্তি তৈরি করা। এই সুবিধাবাদ কেবল বর্তমান শাসক জোটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ২০০৫ সালে বিহারের নির্বাচনের আগে প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীগুলো মুসলিমদের মুসলিম হিসেবে সংরক্ষণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করছিল। * সংবিধান প্রণেতাদের উদ্দেশ্য ছিল ঠিক উল্টোটি, যা আমাদেরও হওয়া উচিত। এটি ছিল হিন্দু সমাজ থেকেও জাতপাতের ক্যান্সার নির্মূল করা। চরম অনিচ্ছা সত্ত্বেও তারা তফসিলি জাতি এবং উপজাতিদের জন্য সংরক্ষণের অনুমতি দিতে রাজি হয়েছিলেন—কারণ তারা মনে করেছিলেন যে এটুকু করলেও জাতপাতের বিভেদ টিকে থাকবে। তাই সংরক্ষণ ছিল সাধারণ নিয়মের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। === ২০২০-র দশক === ==== ''প্রিপেয়ারিং: ফর ডেথ'' (২০২০) ==== * বিপদের ধরণ এবং কীভাবে সেটাকে উন্নতির হাতিয়ারে পরিণত করা যায়, তা নিয়ে মানুষকে গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে। গান্ধীজি নিজের জন্য যে নিয়মগুলো ঠিক করেছিলেন, সেগুলো একজন জেলারের কারো ওপর চাপিয়ে দেওয়া নিয়মের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর এবং কঠিন ছিল। একইভাবে, ৮ ফুট বাই ৯ ফুট মাপের একটি ঘরে বিনোবাকে একাকী কারাবন্দী হিসেবে কল্পনা করুন: সে কীভাবে জেলজীবনকে আশ্রম জীবনে বদলে ফেলে; কীভাবে সেই ছোট্ট জায়গায়, জবরদস্তি করে রাখা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্নতার মধ্যে সে প্রতিদিন দুই থেকে তিন ঘণ্টা ধ্যান করে নিজের মানসিক শৃঙ্খলা বজায় রাখে; কীভাবে সে সেই দমবন্ধ করা ঘরের ভেতরে প্রতিদিন আট ঘণ্টা হেঁটে নিজেকে শারীরিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং এভাবে দশ মাইল পথ পাড়ি দেয়—প্রতিদিন ৮ ফুট বাই ৯ ফুট ঘরে দশ মাইল হাঁটা! উভয় ক্ষেত্রেই নিয়ন্ত্রণ জেলারের হাতে নয়, বরং বন্দীর হাতেই ছিল—বিপদ মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। ** অরুণ শৌরি, ''প্রিপেয়ারিং: ফর ডেথ''। পেঙ্গুইন র‍্যান্ডম হাউস ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড, ২০২০। আইএসবিএন ৯৩৫৩০৫৯৭৮এক্স, ৯৭৮৯৩৫৩০৫৯৭৮১ * আচার-অনুষ্ঠানগুলো—উদাহরণস্বরূপ বিয়ের অনুষ্ঠানের সময় আমরা যা যা করি—আমাদের ভেতরে নির্দিষ্ট কিছু মূল্যবোধ গেঁথে দেওয়ার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল। শতাব্দীর অভিজ্ঞতা চিন্তাশীল ব্যক্তিদের শিখিয়েছে যে ওই ধাপগুলো পার হওয়া, ওই মন্ত্রগুলো উচ্চারণ করা এবং সেগুলো নিয়ে চিন্তা করা আমাদের সেই মূল্যবোধগুলো আয়ত্ত করতে এবং সেই অনুযায়ী জীবন গড়তে সাহায্য করবে। কিন্তু আজ আমরা কী করি? প্রথমে আমরা আচার-অনুষ্ঠানের ভার বাইরের কাউকে দিই—যেমন ধরুন কোনো পণ্ডিতকে। বিয়ে সম্পন্ন করার জন্য সে যখন নির্ধারিত কাজগুলো করে এবং মন্ত্র পাঠ করে, তখন সে কী বলছে তার অর্থ সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণাই থাকে না, এমনকি ওই ধাপগুলো নিয়েও কোনো জ্ঞান থাকে না—‘এখন মাটিতে জল ঢালুন, তারপর...’। আমরা এগুলোর পরোয়াও করি না: ‘পণ্ডিতজি, পূজাটা একটু তাড়াতাড়ি শেষ করুন। অতিথিরা রাতের খাবারের জন্য অপেক্ষা করছে’। ** অরুণ শৌরি, ''প্রিপেয়ারিং: ফর ডেথ''। পেঙ্গুইন র‍্যান্ডম হাউস ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড, ২০২০। আইএসবিএন ৯৩৫৩০৫৯৭৮এক্স, ৯৭৮৯৩৫৩০৫৯৭৮১ == অরুণ শৌরি সম্পর্কে উক্তি == * শেষ পর্যন্ত, অরুণ শৌরির এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস প্রকাশিত হওয়ার জন্য ভারতকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছিল। এই বইটি একের পর এক লোমহর্ষক বিবরণের মাধ্যমে জাতীয় মনস্তত্ত্বের ওপর সেই বহুমুখী আঘাতের চিত্র তুলে ধরেছে, যা অন্তত তিন প্রজন্মের মনে নিজেদের জাতির গুরুত্বপূর্ণ সত্য সম্পর্কে ধারণা বিকৃত করে দিয়েছে। আর এই মৌলিক অবদানের জন্য ‘বিশিষ্ট ঐতিহাসিক’ (Eminent Historian) শব্দবন্ধটি ভারতীয় জনপরিসরের আলোচনায় যথাযথভাবেই একটি গালিগালাজে পরিণত হয়েছে। ** এস. বালকৃষ্ণ, *সেভেন্টি ইয়ারস অফ সেকুলারিজম*। ২০১৮। * ১৯৯১ সালে যখন ভারত অর্থনৈতিক সংস্কার শুরু করেছিল, তখন যারা মনে করেছিলেন যে এদেশ তার কুখ্যাত আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ভেঙে ফেলেছে, তাদের উচিত অরুণ শৌরির পরামর্শ নেওয়া। বিলগ্নিকরণ, প্রশাসনিক সংস্কার, তথ্যপ্রযুক্তি এবং টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী হিসেবে (১৯৯৮ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে) জনাব শৌরির পর্যবেক্ষণগুলো অত্যন্ত রূঢ় সত্য। হিন্দু জাতীয়তাবাদী নেতৃত্বাধীন সরকার যেখানে জনাব শৌরি ছিলেন সবচেয়ে প্রভাবশালী অর্থনৈতিক সংস্কারক, সেই সরকারকে গত মে মাসে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ফ্রাঞ্জ কাফকাও জনাব শৌরির বইতে উল্লিখিত কিছু উদাহরণ কল্পনা করতে হিমশিম খেতেন। ... কিন্তু সাধারণ পরিস্থিতিতে ভারতের আমলাতন্ত্রের অবস্থা কেমন হয় সেটাই আসল কথা এবং জনাব শৌরি এটি নথিবদ্ধ করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত নিপুণ কাজ করেছেন। কেউ কেবল আশা করতে পারেন যে ভারতের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা এই বইটি পড়ার জন্য সময় পাবেন—এবং লজ্জিত হওয়ার মতো সৌজন্য দেখাবেন। ** [[এডওয়ার্ড লুস]], *ইন্ডিয়া’স ট্র্যাজিক কমেডি অফ সিভিল ডিসসার্ভিস*, বই সমালোচনা, *ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস*। ৯ নভেম্বর ২০০৪। * মুসলিম নেতা এবং স্ট্যালিনপন্থী ঐতিহাসিকরা যখন হিন্দু উগ্র জাতীয়তাবাদ নিয়ে শোরগোল তুলছিলেন, ঠিক সেই সময়ে তখনকার ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রধান সম্পাদক অরুণ শৌরির নজরে আসে যে, লখনউয়ের বিখ্যাত মুসলিম ধর্মতত্ত্ববিদ আলী মিঞার বাবার অনেক আগে লেখা একটি উর্দু বইয়ের ইংরেজি অনুবাদে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে। সে ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯-এর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এ ‘হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম’ শিরোনামে একটি নিবন্ধ লিখে দেখান যে দিল্লি, জৌনপুর, কনৌজ, ইটাওয়া, অযোধ্যা, বারাণসী এবং মথুরার হিন্দু মন্দির ধ্বংস করা এবং সেই জায়গায় মসজিদ নির্মাণ সংক্রান্ত অংশগুলো আলী মিঞার নিজেরই প্রকাশিত ইংরেজি অনুবাদ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। মর্যাদাপূর্ণ সংবাদমাধ্যমের এতোদিনকার চর্চা থেকে এটি ছিল এক নতুন এবং নাটকীয় মোড়। ইসলাম মহৎ ছাড়া অন্য কিছু হতে পারে এমন কথা প্রকাশ করা দীর্ঘকাল ধরে নিষিদ্ধ ছিল। আমি আনন্দিত হয়েছিলাম এবং অরুণ শৌরিকে ভারতের [[মিখাইল গর্বাচেভ]] নাম দিয়েছিলাম। সে জানালাগুলো খুলে দিয়েছিল এবং পচা স্লোগানের আবর্জনায় ভরা একটি ঘরে এক ঝলক টাটকা বাতাস আসতে দিয়েছিল। ** গোয়েল, এস.আর. *হাউ আই বিকেম আ হিন্দু* (১৯৯৩, সংশোধিত সংস্করণ)। * [অরুণ শৌরির নিবন্ধ ‘হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম’] গণমাধ্যম এবং বিদ্যায়তনিক মহলের সেই বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করেছিল, যা মহাত্মা গান্ধী ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের দায়িত্ব নেওয়ার এবং তুর্কি খিলাফতের সমর্থনে তার প্রথম অসহযোগ আন্দোলন শুরু করার সময় থেকে ইসলামের ইতিহাসের যেকোনো নেতিবাচক বর্ণনার ওপর চাপানো হয়েছিল। ** গোয়েল, এস.আর. *হিন্দু টেম্পলস – হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম, ভলিউম ১* (১৯৯০) প্রস্তাবনা, ২য় সংস্করণ, পৃষ্ঠা ১৩। * অরুণ শৌরি অনেক সাহসিকতা দেখিয়েছিল। কিন্তু সে সেই ধর্মনিরপেক্ষ গোষ্ঠীর কথা মাথায় রাখেনি যাদের ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর মালিকের সাথে ঘনিষ্ঠতা ছিল। সে ফোনে আমাকে বলেছিল যে কোনো সমস্যা ঘনীভূত হচ্ছে। আমি কখনোই তার সাথে সেই সমস্যার ধরণ নিয়ে কথা বলিনি এবং জানি না আমার নিবন্ধগুলোর তার পরের বছর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পেছনে কোনো হাত ছিল কি না। আমি কেবল জানি যে তাকে আমার পরের দুটি নিবন্ধ প্রকাশ করার গতি কমিয়ে দিতে হয়েছিল। ** গোয়েল, এস.আর. *হাউ আই বিকেম আ হিন্দু* (১৯৯৩, সংশোধিত সংস্করণ)। * মণি শংকর আইয়ার অরুণ শৌরির একটি বইয়ের তীব্র নিন্দা করেন এবং এরপর ঘোষণা করেন যে সে এটি না পড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে: “শৌরি ইসলামের ওপর তার বইয়ের পাণ্ডুলিপির চূড়ান্ত কাজ শেষ করেছে, এটি এমন এক বিদ্বেষপূর্ণ এবং বিকৃত কাজ যে আমার পরিচিত প্রতিটি ইংরেজি জানা মুসলিম এতে ক্ষুব্ধ হয়েছিল... তাই আমি এই বইটি না পড়ে ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতি সংহতি দেখানোর সিদ্ধান্ত নিই।” (সে সম্ভবত শৌরির *রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স* বইটির কথা বলছে, যা যুক্তির নিরিখে বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থের ওপর অত্যন্ত বিচক্ষণ ও শান্ত দৃষ্টিপাত।) ** এলস্ট, কোয়েনরাড। *অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি*। ভয়েস অফ ইন্ডিয়া। ১৯৯১। * ইসলাম নিয়ে সমালোচনার ক্ষেত্রে বই নিষিদ্ধ করা এবং সেন্সরশিপের সমস্যাটি স্ব-আরোপিত সেন্সরশিপের সাথে যুক্ত হয়ে আরও জটিল হয়ে উঠেছে। তাই ১৯৯২ সালের শেষের দিকে যখন বিখ্যাত কলামিস্ট অরুণ শৌরি ইসলামি মৌলবাদ, বিশেষ করে রুশদি এবং অযোধ্যা ইস্যু নিয়ে তার কলামগুলোর একটি সংকলন (*ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস*) প্রকাশ করতে চেয়েছিলেন, তখন প্রকাশক প্রশাসনিক অথবা শারীরিক লাঞ্ছনার ভয়ে শেষ মুহূর্তে পিছিয়ে যান এবং মুদ্রণকারীও পিছু হটেন। এর আগে শৌরি ভাগ্যবান ছিল যে সে একটি পত্রিকা খুঁজে পেয়েছিল যারা এই কলামগুলো প্রকাশ করতে রাজি ছিল, কারণ বেশিরভাগ ভারতীয় সংবাদপত্র ইসলাম নিয়ে সমালোচনা কঠোরভাবে চেপে রাখে। হিন্দু সমাজ হলো একটি আতঙ্কিত সমাজ। ** এলস্ট, কোয়েনরাড। *নিগেশনিজম ইন ইন্ডিয়া: কনসিলিং দ্য রেকর্ড অফ ইসলাম*। ভয়েস অফ ইন্ডিয়া। ১৯৯২। * অরুণ শৌরিকে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সম্ভবত সরকারি চাপে। এটি ঘটেছিল যখন সে প্রকাশ করে যে ১৯৯০ সালের অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী ভি.পি. সিং বিএমএসি-র প্রভাবশালী সদস্য ইমাম বুখারির চাপে অযোধ্যা নিয়ে নিজের করা সমঝোতা চুক্তি বাতিল করেছিলেন। ** কোয়েনরাড এলস্ট। *অযোধ্যা: দ্য কেস এগেইনস্ট দ্য টেম্পল*। ২০০২। * অথবা অরুণ শৌরির *আ সেকুলার এজেন্ডা* বইটির কথাই ধরুন, যে আমেরিকা থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি করেছে এবং এ.বি. বাজপেয়ী সরকারের একজন অত্যন্ত সফল বিলগ্নিকরণ মন্ত্রী ছিল, যখন ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ছিল সর্বোচ্চ। এটি একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বই ছিল এবং এটি তথাকথিত विशेषज्ञों-এর সেই সাধারণ ধারণাগুলো ভেঙে চুরমার করে দিয়েছিল যে ভারত একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র (যেখানে ধর্মের ভিত্তিতে দেওয়ানি বিধি এবং হিন্দুধর্মের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আইন রয়েছে)। অর্থাৎ এমন একটি রাষ্ট্র যেখানে সব নাগরিক আইনের চোখে সমান, তাদের ধর্ম যাই হোক না কেন। যদিও এই বইটি সেই ভিত্তিকে ভেঙে দিয়েছে যার ওপর ভিত্তি করে “বিশেষজ্ঞরা” আধুনিক ভারত সম্পর্কে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলেছেন, তারা কখনোই কোনো খণ্ডনমূলক যুক্তি দিতে পারেননি। এর বদলে তারা স্রেফ তাদের নিজেদের বিভ্রান্তিকর ধারণাগুলো পুনরাবৃত্তি করে যান, যেমন: “বিজেপি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের কাঠামোকে হুমকির মুখে ফেলছে।” (আসলে বিজেপি তা করছে না এবং ভারত ধর্মনিরপেক্ষ নয়।) তারা এটি করতে পারেন কারণ তারা জানেন যে আলোচনার প্রধান জায়গাগুলো তাদের পক্ষের নিয়ন্ত্রণেই আছে। ধর্ম এবং আধুনিক রাজনীতির সংযোগের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত “পাণ্ডিত্যপূর্ণ” দৃষ্টিভঙ্গি কেবল ত্রুটিপূর্ণই নয়, বরং এটি একটি চরম ব্যর্থতা। ** এলস্ট, কোয়েনরাড। *হিন্দু ধর্ম অ্যান্ড দ্য কালচার ওয়ারস*। (২০১৯)। নয়া দিল্লি: রূপা। * চর্তুদিকের এই অন্ধকারের মধ্যে আলোর একমাত্র ঝলক ছিল অরুণ শৌরি, অভিজ্ঞ সাংবাদিক এবং সে সময়ের ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রধান সম্পাদক। ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯-এ সে প্রথম পাতায় ‘হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম’ শিরোনামে একটি নিবন্ধ ছাপে, যেখানে দেখানো হয় যে লখনউয়ের নদওয়াতুল উলেমার মাওলানা হাকিম সৈয়দ আব্দুল হাইয়ের একটি বইয়ের উর্দু সংস্করণে সাতটি বিখ্যাত মসজিদ হিন্দু মন্দিরের জায়গায় গড়া হয়েছে বলে স্বীকার করা হলেও, মাওলানার ছেলে আবুল হাসান আলী নদভী (আলী মিঞা) দ্বারা প্রকাশিত ইংরেজি অনুবাদে সেই “বিতর্কিত প্রমাণ” এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। সে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এ ইসলামি মূর্তিবিরোধিতা নিয়ে আমার লেখা তিনটি নিবন্ধও প্রকাশ করেছিল। এটি ছিল ইসলামের ওপর আরোপিত এবং ধর্মনিরপেক্ষতা দ্বারা পরিচালিত সেই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে একটি খুব সাহসী অবজ্ঞা, যা বলে যে ইসলামের করা অপরাধগুলো গোপনেও উচ্চারণ করা যাবে না, প্রকাশ্যে ঘোষণা করা তো দূরের কথা। ** গোয়েল, এস. আর. (১৯৯৩)। *হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম* (দ্বিতীয় বর্ধিত সংস্করণ)। * সে অরুণ শৌরিকে ‘উত্তর-আধুনিক’ (post-modern) ছাঁচে ফেলে গুরুত্বহীন মনে করে। সে জানে না যে সময়ের ব্যাপারে হিন্দুধর্মের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি আছে এবং যে ব্যক্তি সনাতন ধর্মের সেবা করে তাকে কোনো নির্দিষ্ট সময়ের গণ্ডিতে বাঁধা যায় না। অরুণ শৌরির মতো পণ্ডিতরা অতীতেও নন, বর্তমানেও নন, আবার ভবিষ্যতেও নন। তারা একটি সময়হীন ব্যাপ্তির অংশ। ** এস.আর. গোয়েল, *হিস্ট্রি অফ হিন্দু-খ্রিস্টান এনকাউন্টারস* (১৯৯৬)। * ঠিক তখনই শৌরিকে সম্পাদকের পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। এর কারণ কেবল সেই নিবন্ধটি ছিল না, বরং সম্ভবত রাম স্বরূপ এবং সীতারাম গোয়েলের মতো হিন্দুত্ববাদীদের কলাম অন্তর্ভুক্ত করা এবং প্রচলিত ধর্মনিরপেক্ষতাকে খারিজ করে দেওয়া তার নিজের লেখা নিবন্ধগুলো, যেমন ‘হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম’। ** এলস্ট, কোয়েনরাড (১৯৯১)। *অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি*। * আমি বিশেষভাবে আমার বন্ধু অরুণ শৌরিকে ধন্যবাদ জানাই কারণ আমাদের অরুণ শৌরির মতো মানুষদের প্রয়োজন যারা আমাদের চ্যালেঞ্জ জানাবে যাতে আমরা আমাদের ভুলগুলো সংশোধন করতে পারি এবং সবাই মিলে সম্মিলিতভাবে একটি নতুন ভারত, একটি নতুন মানবতা তৈরির দিকে এগিয়ে যেতে পারি। ** ফাদার অগাস্টিন কাঞ্জামালা, উদ্ধৃত: শৌরি, অরুণ। *অরুণ শৌরি অ্যান্ড হিজ খ্রিস্টান ক্রিটিক*। (১৯৯৫) * এটি পরিষ্কার যে উইটজেলের নিজেরই একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে: লক্ষ্য করুন দিল্লির “বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের” বিরুদ্ধে “বর্তমান ভারতীয় (ডানপন্থী) নিন্দার” প্রতি তার ক্ষোভ (§৯)—এই “বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের” মধ্যে কয়েকজন সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে উইটজেল এবং ফার্মারের প্রচার অভিযানে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেছিলেন। পাঠককে অরুণ শৌরির *এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস* (১৯৯৮) বইটি মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে, যা এখানে উল্লেখ করা হয়েছে, এবং দেখার জন্য যে উইটজেল কোন ধরণের রাজনৈতিক পাণ্ডিত্যের সমর্থনে দ্বিধাহীনভাবে এগিয়ে এসেছেন! ** এস. তালাগেরি। *মাইকেল উইটজেল – অ্যান এগজামিনেশন অফ হিজ রিভিউ অফ মাই বুক* (২০০১) * শৌরি সম্পর্কে মুখিয়া যে তথ্য দিয়েছেন যে সে “জীবিকার জন্য সাংবাদিকতা করে”, তা কোনো গোপন বিষয় নয়। এখন পর্যন্ত ভারতের সর্বশ্রেষ্ঠ অনুসন্ধানী সাংবাদিক হিসেবে সে কংগ্রেসী, জাতিবাদী এবং কমিউনিস্ট রাজনীতিবিদদের কিছু নোংরা গোপন তথ্য ফাঁস করেছে। মার্ক্সবাদী ঐতিহাসিক এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় চলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে থাকা দুর্নীতির আর্থিক লেনদেন সম্পর্কে তার প্রকাশগুলোও একই পর্যায়ের: নির্ভীক এবং তথ্যভিত্তিক অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা। শৌরির আমেরিকার সিরাকিউস ইউনিভার্সিটি থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি আছে, যা সরাসরি ইতিহাসের বিষয় না হলেও পাণ্ডিত্যের ক্ষমতার প্রমাণ দেয়। সে যখন মুখিয়ার ঘরানার ইতিহাসের চরম বিকৃতিগুলোর সমালোচনা করে, তখন আনুষ্ঠানিকভাবে বলা যেতে পারে যে সে তার বিশেষত্বের সীমা লঙ্ঘন করছে, কিন্তু এই ধরণের আনুষ্ঠানিক কথাগুলো কেবল মূল বিষয়ের কোনো খণ্ডনমূলক যুক্তি না থাকাকেই আড়াল করে। ** এলস্ট কে. *অযোধ্যা: দ্য কেস এগেইনস্ট দ্য টেম্পল*, অধ্যায় ৪। * যখন শৌরির নিবন্ধগুলো প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল, তখন সেগুলো অনেক আবেগ এবং তীব্র আক্রমণের জন্ম দিয়েছিল। সে সহাবস্থানের প্রশ্নে বাইবেল এবং কুরআন থেকে বিস্তারিত উদ্ধৃতি দিয়েছিল। অনেকে হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলেন... শৌরি তার বইয়ের নাম দিয়েছেন *রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স*; কোনো একদিন তার উচিত *পলিটিক্স ইন রিলিজিয়ন* নামে আরেকটি বই বের করা... প্রথম বইটি ধর্মীয় উপাদানের কারণে জটিল হয়ে ওঠা রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করে; দ্বিতীয় বইটি সেই ধর্মগুলো নিয়ে আলোচনা করবে যেগুলো মূলত রাজনৈতিক... ** রাম স্বরূপ, *হিন্দুজম অ্যান্ড মনোদিস্টিক রিলিজিয়নস* (২০০৯)। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:Shourie, Arun}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতান্ত্রিক বিরোধী]] my3qwjxz0t2kxwee6joi9ks38gevavb 78893 78891 2026-04-20T11:39:56Z ARI 356 78893 wikitext text/x-wiki [[File:Arun Shourie addressing the Plenary Session on "Diaspora Youth and India - Blueprint for Engagement" at the 2nd Pravasi Bharatiya Divas in 2004.jpg|thumb| আমি বেশ অবাক হয়েছিলাম এবং অরুণ শৌরিকে ভারতের গর্বাচেভ নাম দিয়েছিলাম। তিনি পচা স্লোগানের আবর্জনায় ভরা একটি ঘরে জানালাগুলো খুলে দিয়েছিলেন এবং এক ঝলক টাটকা বাতাস আসতে দিয়েছিলেন। ~ সীতারাম গোয়েল]] [[File:Animal artists at the Jardin des Plantes.jpg|thumb|তারা বর্তমান ভারত এবং বিশেষ করে [[হিন্দুধর্ম]]কে একটি চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছে বিভিন্ন রকমের অসম প্রজাতির স্তূপ। তাদের মতে ‘[[ভারত]]’ বলে কিছু নেই, এটি কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ, কেবল [[যুক্তরাজ্য]]ের তৈরি একটি ধারণা; হিন্দুধর্ম বলে কিছু নেই, এটি কেবল আরবদের ব্যবহৃত একটি শব্দ যা তারা এখানে এসে বিভিন্ন ধরনের মানুষের দেখা পাওয়ার পর ব্যবহার করেছিল, এটি কেবল অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য সাম্প্রদায়িকদের একটি উদ্ভাবন, এটিই ছিল তাদের অবস্থান।]] [[File:Dalailama1 20121014 4639.jpg|thumb|আমাদের উচিত দালাই লামার উদাহরণটি সামনে রাখা। তিনি ধ্যানের ওপর একটি তিব্বতি গ্রন্থের ওপর বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি একটি বাক্য পড়লেন, হাসলেন এবং মন্তব্য করলেন, ‘সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বগুলো লজ্জাজনক! এগুলো ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত!’ তিনি পরামর্শ দেন যে আমাদের কাছে সবসময় একটি ঝুড়ি রাখা উচিত যা কিছু আমাদের বর্তমান জ্ঞানের সাথে মেলে না, সেগুলো সেই ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া উচিত। ‘[[বৌদ্ধধর্ম]]কে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে,’ তিনি এটাই শেখান। সেই অনুযায়ী তিনি বৌদ্ধ গ্রন্থগুলোকে সূক্ষ্ম পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করেছেন। (...) এটি নিজের ঐতিহ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসকেই তুলে ধরে। এটিই হলো ঐতিহ্যের প্রকৃত সেবা। এতে থাকা ‘অমূল্য রত্ন’ [[ভবিষ্যৎ]]ের জন্য রক্ষা করার উপায় এটিই।]] [[File:Censorship in cinema.jpg|thumb|এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?]] [[File:Parental Advisory label.svg|thumb|এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি—যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?]] [[File:Censorship.svg|thumb|এই বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।]] [[File:Murales Rivera - Treppenhaus 9 Bücherverbrennung.jpg|thumb|আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে... তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা...<br> দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br> তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন।]] [[File:Eustache Le Sueur - The Preaching of St Paul at Ephesus - WGA12613.jpg|thumb|সবচেয়ে বড় অংশগুলো বাদ দিতে বলা হয়েছে ‘আওরঙ্গজেবের ধর্মীয় নীতি’ সংক্রান্ত অধ্যায় থেকে। তিনি হিন্দুদের সাথে প্রকৃতপক্ষে কী করেছিলেন, তাদের মন্দিরের কী করেছিলেন, তার শাসনের মূল উদ্দেশ্যইসলামের প্রভাব বিস্তার এই সংক্রান্ত প্রতিটি ইঙ্গিত বই থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে... '''সবকিছু ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।'''<br/>'''বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের জন্য বস্তুনিষ্ঠ ধামাচাপা। আর আজ যদি কেউ এই পাঠ্যবইগুলোতে সত্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে, তবে চিৎকার ওঠে, ‘ইতিহাসের সাম্প্রদায়িক পুনর্লিখন’।''']] [[File:Porträtgalerie des steiermärkischen Adels 043.jpg|thumb|একবার যখন তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করে নিলেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিলেন, তখন তারাই ঠিক করতে শুরু করলেন কী পড়ানো হবে, কোন বইগুলো পাঠ্য হবে, কী প্রশ্ন করা হবে আর কোন উত্তরগুলো গ্রহণযোগ্য হবে। এভাবেই এই ঐতিহাসিকরা আসলে ইতিহাস কী ছিল তা নির্ধারণ করতে শুরু করলেন! ... এভাবেই তারা তথ্য গোপন করেন, কিছু তথ্য বানিয়ে বলেন, এমনকি কোনো লেখক একটি বিষয়ে কী বলেছেন তা ধামাচাপা দিয়ে অন্য বিষয়ে তার বলা কথাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রচার করেন। আর যখনই কেউ আসলে কী ঘটেছিল তা তুলে ধরার চেষ্টা করে, তখনই তারা সমস্বরে চিৎকার শুরু করেন: ইতিহাস নতুন করে লেখার ষড়যন্ত্র চলছে, তারা চিৎকার করেন; ইতিহাস বিকৃত করার চক্রান্ত হচ্ছে, তারা চিৎকার করেন। '''কিন্তু তারাই প্রথম থেকে ইতিহাস বিকৃত করে আসছেন সত্য গোপন করে এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে।''']] [[File:Censored stamp.jpg|thumb|আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?]] [[File:Soviet Communism Threatens Education - NARA - 5730072.jpg|thumb|পরিস্থিতি এখন এইরকম: ভারতের জনপরিসরে যারা গত অর্ধ শতাব্দী ধরে আধিপত্য বিস্তার করেছেন, নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং অন্যদের আতঙ্কিত করে রেখেছেন, তাদের হাতে এখন কোনো তথ্য বা যুক্তি অবশিষ্ট নেই। যে কেউ তাদের অভ্যন্তরীণ আলোচনাগুলো পর্যবেক্ষণ করলেই এর প্রমাণ পাবেন তারা এখন ক্রমশ ছোট হয়ে আসা গণ্ডির মধ্যে কথা বলছেন এবং সেই ছোট গণ্ডিতেই পুরনো কিছু বুলি পুনরাবৃত্তি করছেন। সেখানে নতুন কোনো চিন্তাভাবনা বা নতুন কোনো তথ্য নেই। আর আমরা যেমনটা দেখেছি, এটি আগে থেকেই ধারণা করা যায়: তাত্ত্বিক বুলিগুলোর পুনরাবৃত্তি করাই তাদের জন্য কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং যথেষ্ট।]] [[File:Shri Arun Shourie, Member of Parliament presented his book titled “Falling Over Backward” to the Vice President, Shri Bhairon Singh Shekhawat, in New Delhi on June 3, 2006.jpg|thumb|এর ফলাফল প্রত্যাশিত হলেও তা অন্যায় এবং হাস্যকর: যদি রাম শরণ একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, তবে রাষ্ট্র এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় অনেক কিছু নির্ধারণ করে দিতে পারে যা তাকে করতে হবে; কিন্তু যদি মুহাম্মদ আসলাম রাস্তার ওপারে ঠিক একই রকম একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করেন, যেখানে ঠিক একই বিষয় পড়ানো হয় এবং একই পাঠ্যবই ব্যবহার করা হয়, তবে রাষ্ট্র বা বিশ্ববিদ্যালয় কেউই এর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না!]] '''অরুণ শৌরি''' (জন্ম ২ নভেম্বর ১৯৪১) ভারতের একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক এবং রাজনীতিবিদ। == উক্তি == === ১৯৭০-এর দশক === ==== ''সিম্পটমস অফ ফ্যাসিজম'' (১৯৭৮) ==== * জরুরি অবস্থার অপরাধীদের বিষয়ে আজ আমরা যা দেখছি তা আইনের শাসন নয়, বরং তার ধ্বংস। আমরা দেখছি কীভাবে বুর্জোয়া আইনের শাসন ধ্বংস করা হচ্ছে। এই শ্রেণির লোকেরাই নিজেদের স্বার্থে এটি ধ্বংস করছে এবং বুর্জোয়া সমাজ এই অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনার মতো প্রয়োজনীয় দৃঢ়তা দেখাতে পারছে না। আজ আমাদের বিচার ব্যবস্থার দুটি বৈশিষ্ট্য সবার সামনে পরিষ্কার হয়ে গেছে। প্রথমত, অপরাধীরা যদি প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাশালীদের সাথে যুক্ত হয়, তবে এই ব্যবস্থা তাদের ধরতে পারে না। দ্বিতীয়ত, জনগণ এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে করা তাদের প্রধান অপরাধগুলোর জন্য এটি তাদের ধরতে পারে না। * এরপর আছেন আমাদের লক্ষ্যহীন বামপন্থীরা, যারা একে অপরকে গালিগালাজ করতে ব্যস্ত। আর সবশেষে আছেন উদারপন্থীরা, যারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজাতে ব্যস্ত, বরং তারা টাইটানিকের ডেকের ওপর আসবাবপত্র সাজানো নিয়ে সেমিনার করতে ব্যস্ত। * আসন্ন ফ্যাসিবাদের প্রবল আঘাত থেকে আমাদের বাঁচাতে এই লোকগুলোর ওপর ভরসা করা মানে হলো একটি মাইনফিল্ড পার হওয়ার জন্য বুড়ো মহিষের ওপর নির্ভর করা। === ১৯৮০-র দশক === ==== ''রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স'' (১৯৮৯) ==== * এভাবে নীরবতা সংস্কারের গতি কমিয়ে দেয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি বহু সংখ্যক মানুষ এই নেতাদের সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে লেখালিখি এবং আলোচনা করতেন, তবে এই সম্প্রদায়ের ভেতরে থাকা সংস্কারকরা আজকের মতো এতটা বিচ্ছিন্ন এবং কোণঠাসা হতেন না। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, পুরো সত্য না বলাটা একটা অভ্যাসে পরিণত হয়। নিজের বিশ্বাস লুকিয়ে রাখা, তথ্যপ্রমাণ এড়িয়ে যাওয়া এবং প্রতারণা করা যেন আমাদের জনপরিসরের আলোচনার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। * তবুও আমি এই সংখ্যাগরিষ্ঠ রায়ে এক মারাত্মক সারল্য খুঁজে পাই... এই রায়ে ঋগ্বেদ, যজুর্বেদ এবং অথর্ববেদ থেকে সেই ঘোষণাগুলো উদ্ধৃত করা হয়েছে, যেখানে সব মানুষ এক, সবাই একই ধরিত্রীর সন্তান এবং আমাদের সবার বন্ধু হওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সেখানে এটি উল্লেখ করা হয়নি যে, আদালতের ভবন থেকে এক মাইলেরও কম দূরত্বে ফতোয়ার অসংখ্য বই বিক্রি এবং বিতরণ করা হচ্ছে, যেখানে মুসলিমদের উৎসাহিত করা হচ্ছে যেন তারা কখনোই কাফিরদের বিশ্বাস না করে এবং তাদের ওপর ভরসা না রাখে; সেখানে তাদের বলা হচ্ছে যে, তাদের প্রথম কাজ এবং আনুগত্য হবে তাদের ধর্মের প্রতি, কোনো সাধারণ আইনের প্রতি নয়... ঈশ্বর আর আল্লাহ যে এক, এটা [[মহাত্মা গান্ধী]]কে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। মন্দির আর মসজিদ, পুরাণ আর কুরআন যে এক, এটা [[গুরু গোবিন্দ সিং]]কে বোঝানোর প্রয়োজন নেই। যাদের এটা বোঝানো প্রয়োজন, যেমন উলেমা বা শাহী ইমাম, তারা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন যে এগুলো এক নয়। ** অরুণ শৌরি: ইন্ডিয়া., এবং দাশগুপ্ত, এস. (১৯৯৫)। দি অযোধ্যা রেফারেন্স: দি সুপ্রিম কোর্ট জাজমেন্ট অ্যান্ড কমেন্টারিস। পৃষ্ঠা ১৭১-৩ * "বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টিই ঠিক সেই ধরনের ঘটনা যা আমাদের আজকের এই অবস্থায় এনে ফেলেছে: যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিক অনুসন্ধান বন্ধ করে দেওয়া হয়; যেখানে আমাদের ঐতিহ্যগুলো পরীক্ষা ও পুনর্মূল্যায়ন করা হয় না এবং যার ফলে কোনো সংলাপের সুযোগ থাকে না।" ** রাম স্বরূপের আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইসলাম থ্রু হাদিস বইটি নিষিদ্ধ করার বিষয়ে। কোয়েনরাড এলস্টর অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি, ১৯৯১, অধ্যায় ১২। * তারা ভয় দেখানোর ওপর নির্ভর করে। ঠিক এই ধরনের কৌশলেই জনাব স্বরূপের আগের একটি বই আন্ডারস্ট্যান্ডিং ইসলাম থ্রু হাদিস বাজার থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল... ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর, একই ধরনের হুমকির মুখে দিল্লি প্রশাসন ঘোষণা করে যে, আগে তারা দুইবার যা বলেছিল তার উল্টো করে বইটি কেবল আপত্তিকরই নয়, বরং এটি ইচ্ছাকৃতভাবে এবং বিদ্বেষমূলকভাবে লেখা হয়েছে!....<br/>আমাদের প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত তিন স্তরের। প্রথমত, যখনই শাহাবুদ্দিনদের মতো জায়গা থেকে মুক্ত মতপ্রকাশকে বাধা দেওয়ার বা এমনকি পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনুসন্ধান বন্ধ করার চেষ্টা করা হবে, তখন আমাদের উচিত প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অবিলম্বে সেই বইটি সংগ্রহ করা....<br/>দ্বিতীয়ত, যখনই ভয় দেখানো ব্যক্তিরা জয়ী হয় এবং এ ধরনের কোনো বই বাস্তবে নিষিদ্ধ হয়, তখন প্রচুর মানুষের উচিত সেটি পুনর্মুদ্রণ করা, ফটোকপি করা, ছড়িয়ে দেওয়া এবং এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করা।<br/>তৃতীয় বিষয়টি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদে এটিই হবে ভয় দেখানো ব্যক্তিদের যোগ্য জবাব। যতক্ষণ পর্যন্ত জনাব স্বরূপের মতো পণ্ডিতরা সংখ্যায় কম থাকবেন, ততক্ষণ ভয় দেখানো ব্যক্তিরা দুর্বল সরকারকে চাপ দিয়ে তাদের একে একে চুপ করিয়ে দিতে পারবে। কিন্তু ১,০০০ জন পণ্ডিত যদি একই ধরনের কাজ করেন তবে তারা কী করবে? ভয় দেখানো ব্যক্তিদের মোকাবিলা করার এটিই পথ। জনাব স্বরূপ যে কাজ শুরু করেছেন, ১,০০০ জন পণ্ডিতকে তা চালিয়ে যেতে দিন। ** অরুণ শৌরি: "হাউ শুড উই রেসপন্ড?", সীতারাম গোয়েল সম্পাদিত ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসি (১৯৯৮) বইতেও রয়েছে। * পঞ্চাশ বছর ধরে এই দলটি তথ্য গোপন করছে এবং মিথ্যা উদ্ভাবন করছে। আইসিএইচআরের সেই উদ্দেশ্য আমাদের অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ এবং যৌক্তিক গবেষণার প্রসার ঘটানো সেটি নিয়ে তারা কতই না চিন্তিত! তাদের এই চিন্তাভাবনা কীভাবে ১৯৮৯ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া নির্দেশিকার সাথে মেলে... যেখানে বলা হয়েছিল, "মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না"? অথচ বৌদ্ধ বিহার ধ্বংস নিয়ে তাদের পাইকারি মিথ্যাচার এবং অস্তিত্বহীন "আর্য আক্রমণ" নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা মানেই হলো সাম্প্রদায়িক বা উগ্র জাতীয়তাবাদী হওয়া! এই "ঐতিহাসিকদের" প্রধান অপরাধ হলো এটিই। কিন্তু এরা কেবল একপাক্ষিক "ঐতিহাসিক" নন। তারা চরম পর্যায়ের স্বজনপ্রীতি করেন... তারা এমন লোক যারা সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে একে অপরকে অনেকভাবে সাহায্য করেছেন... এই "ঐতিহাসিকরা" কেবল পক্ষপাতদুষ্ট বা স্বজনপ্রীতিই করেন না, বরং তারা একে অপরকে সাহায্য করার জন্য রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ব্যবহার করেছেন... এর ফলে, এই লোকগুলোর বই এবং প্রচারপত্র সব আঞ্চলিক ভাষায় পাওয়া যায়, কিন্তু লোকমান্য তিলকের কাজগুলো মারাঠি ছাড়া অন্য ভাষায় পাওয়াই যায় না! ** ফেব্রিক্যাশনস অন দ্য ওয়ে টু দ্য ফিউনারেল। প্রকাশনা: ইন্ডিয়া কানেক্ট। লেখক: অরুণ শৌরি। তারিখ: ২৬ জুন, ১৯৯৮। [http://voiceofdharma.org/indology/eminenthistorians1.html] [https://www.dharmadispatch.in/commentary/de-secularizing-indian-history-why-the-ugc-deserves-our-kudos] * সব তথ্যই... পঞ্চাশ বছর আগে সবার জানা ছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধের সেই প্রজন্মের বিদায়ের সাথে সাথে এবং রেকর্ডগুলো যাচাই করার অভ্যাস পুরোপুরি ত্যাগ করার ফলে, বিশেষ করে জাতিভিত্তিক রাজনীতির উত্থানে সেগুলো জনস্মৃতি থেকে মুছে ফেলা হয়েছে। আর এই মুছে ফেলার ফলাফল যা হওয়ার ছিল তাই হয়েছে: এক ধরনের মানসিক বৈকল্য। শুরুতে যারা আম্বেদকরের নামে রাজনীতি করে এবং তাদের সমর্থকরা স্বাধীনতা সংগ্রামকে খাটো করে দেখানোর চেষ্টা করেছে: তারা দাবি করে যে এই স্বাধীনতা "প্রকৃত" নয়। ঠিক সেই দলটির মতোই যারা ১৯৪২ সালের সেই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ব্রিটিশদের সাথে হাত মিলিয়েছিল কমিউনিস্টরা। প্রকৃতপক্ষে... আম্বেদকরের আচরণকে সঠিক প্রমাণ করতে তার অনুসারীরা দাবি করেন যে ব্রিটিশ শাসনই ভালো ছিল... কিন্তু সত্য আলমারিতে লুকিয়ে থাকে। পাছে সত্য বেরিয়ে এসে তাদের রাজনীতির সেই আদর্শকে কলঙ্কিত করে, পাছে তাদের রাজনীতি আসল রূপে ধরা পড়ে যায়, যা মূলত বঞ্চিতদের নামে স্বার্থসিদ্ধি ছাড়া আর কিছুই নয় আম্বেদকরের এই অনুসারীরা মৌখিক সন্ত্রাসবাদ এবং সরাসরি আক্রমণের মাধ্যমে তাদের এই বিশেষ ইতিহাসের ধারা বজায় রাখতে চায়। ** অরুণ শৌরি, *ওরশিপিং ফলস গডস*, ১৯৯৭, হার্পার কলিন্স। ==== ''ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস: এসেস অন রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স'' (১৯৯৩) ==== :শৌরি, এ. (২০০৬)। ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস: এসেস অন রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স। নয়া দিল্লি: রূপা অ্যান্ড কোং। * প্রত্নতাত্ত্বিক নতুন আবিষ্কারগুলোর ওপর যে নীরবতা পালন করা হয়েছে, তা একটি বড় উদাহরণ। .... এক দশকেরও বেশি সময় আগে করা খননকার্য থেকে পাওয়া তথ্যগুলো যখন জনসমক্ষে এল এবং সেখানে আগে সত্যিই একটি মন্দির ছিল সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ রইল না, তখন স্বয়ং প্রত্নতত্ত্বকেই নিন্দা জানানো হলো। বিশ্বের অন্যতম সম্মানিত প্রত্নতাত্ত্বিক যিনি ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের প্রাক্তন মহাপরিচালক ছিলেন এবং সেই খননকার্যের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন—তাকে কলঙ্কিত করার কাজে পত্রিকাগুলো নেমে পড়ল। ... এর শিক্ষা খুব পরিষ্কার: যদি এমন দ্বিমুখী নীতি চলতে থাকে, তবে আমাদের সম্পাদকীয় লেখকদের ভয়ভীতিপূর্ণ সতর্কবাণী হিন্দুরা এখন যতটা শুনছে, ভবিষ্যতে তার চেয়েও কম গুরুত্ব দেবে। * পরিষ্কারভাবে বলতে গেলে, আমাদের সাংবাদিকরা যাদের 'কট্টরপন্থী' বলেন, তারাই সঠিক প্রমাণিত হয়েছেন। * গত এক দশকে শিখ এবং মুসলিম সাম্প্রদায়িকরা যেভাবে রাষ্ট্রকে সফলভাবে প্রভাবিত করেছে, তাতে সংবাদপত্রের ঘটনা এবং ইস্যুগুলোর বর্ণনায় দ্বিমুখী নীতি, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে প্রতারণা একটি বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। * মধ্যযুগীয় ভারতের প্রতিটি মুসলিম ঐতিহাসিক এমন মন্দিরের তালিকা দিয়েছেন যা তার সমকালীন শাসকরা ধ্বংস করেছিলেন এবং তার বদলে সেখানে মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। (৪২৯) ==== ''হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম (ভলিউম ১)'', ১৯৯৩ ==== * একজন বিখ্যাত মুসলিম পণ্ডিত যিনি ভারতের অন্যতম বড় ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের চতুর্থ রেক্টর ছিলেন, তার লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের ইংরেজি সংস্করণে বাবরী মসজিদসহ কিছু মসজিদের তালিকা ছিল, যা মন্দিরের জায়গায় এবং ভিতের ওপর তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে মন্দিরের পাথর ও কাঠামো ব্যবহারের উল্লেখ ছিল। দেখা গেল, সেই গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! বলা হচ্ছে বইটি এখন পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে;... এড়িয়ে চলা এবং সত্য গোপন করা আমাদের জাতীয় স্বভাবে পরিণত হয়েছে। আর এর ফলাফল খুব ভয়াবহ... আমি জানলাম এটি একটি দীর্ঘ বই ছিল, যা শুরু হয়েছিল ভারতের ভূগোল, গাছপালা, পশুপাখি, ভাষা, মানুষ এবং অঞ্চলগুলোর বর্ণনা দিয়ে। বইটি আরবি ভাষায় লেখা হয়েছিল আরবিভাষী মানুষের জন্য। ... একটি অদ্ভুত তথ্য আমার সামনে এল। এই ধরনের প্রকাশনা সম্পর্কে যাদের জ্ঞান থাকার কথা, তাদের অনেকেই হঠাৎ করে এই বইটির কথা মনে করতে দ্বিধা বোধ করছিলেন। আমাকে বলা হয়েছিল যে, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের মতো জায়গাগুলো থেকে বইটির কপি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এমনকি কেউ কেউ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, তিন-চার বছর আগে এই বইটির প্রতিটি কপি ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য একটি সুসংগঠিত প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। .... লেখকের মর্যাদা এবং বইটির গুরুত্ব এত বেশি হওয়া সত্ত্বেও মৌলবাদীদের কাছে এটি কেন প্রিয় নয়? এর উত্তর লুকিয়ে আছে “হিন্দুস্তান কি মাসজিদেঁ” অর্থাৎ “হিন্দুস্তানের মসজিদসমূহ” নামক অধ্যায়টিতে। ... এই মসজিদগুলোর প্রতিটির ক্ষেত্রে মন্দিরের জায়গায় এগুলো তৈরি করার বিষয়টি, যেমনটা বেনারসের মসজিদের ক্ষেত্রে হয়েছে, যে মন্দিরটি ভেঙে মসজিদটি গড়া হয়েছিল সেই মন্দিরেরই পাথর ব্যবহার করার উল্লেখ বইটির ইংরেজি সংস্করণ থেকে সেন্সর করে বাদ দেওয়া হয়েছে! সাতটি মসজিদের প্রতিটির ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে! এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়। .... কেন কেউ ইংরেজি সংস্করণ থেকে এই অনুচ্ছেদগুলো সরিয়ে ফেলা প্রয়োজন বলে মনে করবেন—যে সংস্করণটি অনুগতদের বাইরে অন্যদের পড়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল? কেন কেউ একজন বড় পণ্ডিতের বই এভাবে বিকৃত করবেন?... ** রাজনৈতিক কারণে লাইব্রেরি থেকে বই সরিয়ে ফেলার বিষয়ে। অরুণ শৌরি: হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯)। উদ্ধৃত: সীতারাম গোয়েল (সম্পাদক) (১৯৯৩)। হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম। ভলিউম ১। * সেগুলোর প্রকৃত গুরুত্ব এবং আমি বলতে পারি মসজিদ-মন্দির বিতর্কের ক্ষেত্রে এগুলো সবচেয়ে ছোট এবং সাধারণ উদাহরণ মাত্র লুকিয়ে আছে সত্য এড়িয়ে চলা এবং গোপন করার মধ্যে। আমার কাছে নির্ভরযোগ্য তথ্য আছে যে, এই অংশগুলো অনেক আগে থেকেই পরিচিত এবং যারা বাবরী মসজিদ ইস্যু নিয়ে কাজ করছেন তারা এটি ভালো করেই জানেন। এটিই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়; তারা এগুলো জানতেন এবং তাদের ইচ্ছা ছিল সত্য জানার বদলে সত্যকে গোপন করে মাটিচাপা দেওয়া.... মাওলানা আবদুল হাইয়ের অনুচ্ছেদগুলোর পরিণতি এবং আমি জানি না যে উর্দু সংস্করণটিও মূল আরবি সংস্করণের একটি সুবিধাজনক কাটছাঁট করা রূপ কি না আমাদের দেখায় যে, যারা নিজেদের রাজনীতির জন্য ধর্মের আবেগ উসকে দেয় তারা কতটা স্বার্থপরভাবে কাজ করে। '''যারা এ ধরনের স্বার্থপর হিসাব-নিকাশ নিয়ে চলেন, তারা আমাদের সবার জন্য মুসলিম, হিন্দু, সবার জন্যই বিপর্যয় ডেকে আনেন। যারা এই স্বার্থপরতা আর হিসাব-নিকাশের মুখে চুপ থাকেন, তারাও এই বিপর্যয় ছড়াতে সাহায্য করেন। আমরা কি আমাদের এই এড়িয়ে চলা আর সত্য গোপন করার প্রবণতা ত্যাগ করব? আমরা কি অবশেষে পুরো সত্য বলতে এবং তার মোকাবিলা করতে শিখব?''' ** রাজনৈতিক কারণে লাইব্রেরি থেকে বই সরিয়ে ফেলার বিষয়ে। অরুণ শৌরি: হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯)। উদ্ধৃত: সীতারাম গোয়েল (সম্পাদক) (১৯৯৩)। হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম। ভলিউম ১। ==== ''আ সেকুলার এজেন্ডা'', ১৯৯৩ ==== * পাঠ্যটি পড়লে পাঠক লক্ষ্য করবেন যে ভারতের জনপরিসরের আলোচনায় যেসব বুলি ব্যবহার করা হয় এবং ফলস্বরূপ অনেকে যা বিশ্বাস করে নিয়েছেন, তা তথ্যের চেয়ে কতটা আলাদা.... (১০) * একটু চিন্তা করলেই দেখা যাবে যে ভারতের বিষয়টি আমরা যে উদাহরণগুলো আলোচনা করেছি তার মতো নয়। কারণ সেই উদাহরণগুলো একদম সাম্প্রতিক সময়ের—সেই জাতিগুলো "কল্পিত" ছিল, সেই ঐতিহ্যগুলো মাত্র ১০০ বা ১৫০ বছর আগে "উদ্ভাবিত" হয়েছিল। এর বিপরীতে ভারতকে হাজার হাজার বছর ধরে এক হিসেবে দেখা হয়েছে এবং এর মানুষের জীবনযাপনের ধরনও সাধারণ। এর ইতিহাস কেবল পুরনোই নয়.... এটি একটি ধারাবাহিক ইতিহাস। (৯) * জবরদস্তি করে ভুলে যাওয়া নয়, বরং এক আপসহীন স্মৃতিই একটি জাতি গঠন করবে। * প্রতিটি বাক্যই একটি মিথ্যা। ... আপনি কি কখনো বিবিসিকে নওয়াজ শরিফকে "মৌলবাদী" বা "ধর্মান্ধ" বলতে শুনেছেন? কিন্তু আডবাণী যদি "মুসলিমদের" জায়গায় "হিন্দু" বসিয়ে একই ধরনের বক্তব্য দিতেন, তবে তারা তাকে কী বলত? ==== ''মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া'', ১৯৯৪ ==== * '''আমি আশা করি পাঠক কেবল উদাহরণগুলো পড়েই থেমে যাবেন না, বরং প্রশ্ন করবেন কেন এ ধরনের বিষয়গুলো আমাদের ছাত্রদের সামনে রাখা হয় না। সর্বোপরি এগুলো খুঁজে পাওয়া কঠিন নয় এবং পাঠক এটি পড়ার পর একমত হবেন যে, আমাদের জাতীয় পরিচয় নষ্ট হওয়ার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবুও, বর্তমান সমস্যাগুলোর প্রতি তার যথেষ্ট আগ্রহ থাকলেও এবং তিনি এই সংক্রান্ত জনপরিসরের আলোচনাগুলো গভীরভাবে অনুসরণ করলেও, খুব সম্ভবত পাঠকের সামনে এই তথ্যগুলো আসেনি। কেন এমনটা হয়?''' * '''কিন্তু আমাদের জনপরিসর এবং শিক্ষা থেকে এই ধরনের তথ্যগুলো প্রায় পুরোপুরি মুছে ফেলার একটি আরও শক্তিশালী কারণ আছে। আর সেটি হলো গত ৪৫ বছর ধরে আমরা যে ধরনের “ধর্মনিরপেক্ষতা” চর্চা করেছি: এমন এক “ধর্মনিরপেক্ষতা” যেখানে দ্বিমুখী নীতিই ছিল নিয়ম, যেখানে আমাদের জাতীয় পরিচয়কে ঢেকে রাখা আবর্জনা দূর করতে পারে এমন সবকিছুই অত্যন্ত ঘৃণ্য হয়ে উঠেছে।''' * ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অফ ইন্ডিয়া (সিবিসিআই) হলো ভারতের বিভিন্ন ক্যাথলিক গির্জার কাজ সমন্বয় করার এবং অন্য ধর্মের সাথে সংলাপ করার জন্য সর্বোচ্চ সংস্থা। ... ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করতে... সিবিসিআই ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতে একটি সভার আয়োজন করেছিল.... এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশ ছিল: এটি পঞ্চাশ বছরে মাত্র দ্বিতীয়বার এবং পঁচিশ বছরে প্রথমবার ছিল যেখানে এমন একটি ব্যাপক পর্যালোচনা করা হচ্ছিল... আয়োজকরা অত্যন্ত সদয় হয়ে আমাকে ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিদের কাজের ওপর হিন্দুদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে বলেছিলেন। * আর এই ধরনের মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করেই উপজাতিদের হিন্দু সমাজ থেকে আলাদা করা হয়েছিল। অ্যানিমিজম বা প্রকৃতিপূজার যে বর্ণনাগুলো দেওয়া হয়েছিল সেগুলো পড়লেই বোঝা যায় যে, তারা আসলে বিভিন্ন ধরনের হিন্দুদের কথাই বর্ণনা করছিল। ;'''বইটি সম্পর্কে উক্তি''' * আয়োজকরা অরুণ শৌরিকে ভারতে মিশনারিদের কাজের ওপর হিন্দুদের মূল্যায়ন তুলে ধরার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। অরুণ শৌরি ৫ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে আর্চবিশপ, বিশপ এবং অন্যদের সামনে ভাষণ দেন। ... আয়োজকরা অরুণ শৌরিকে তার বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে একটি প্রবন্ধ লিখতে অনুরোধ করেন.... বিতর্ক বাড়তে থাকায়... [তারা] অরুণ শৌরির সাথে একটি প্রকাশ্য মঞ্চে মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া নিয়ে আলোচনা করার জন্য বেশ কয়েকজন প্রবীণ গির্জা কর্মকর্তাকে আমন্ত্রণ জানান। ** মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া বইটি সম্পর্কে ** শৌরি, অরুণ। অরুণ শৌরি অ্যান্ড হিজ খ্রিস্টান ক্রিটিক। (১৯৯৫) * সংলাপের তৃতীয় উদ্দেশ্য সফল করার জন্য একটি আলোচনা কেবল ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতেই সম্ভব হয়েছিল, যখন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও পণ্ডিত অরুণ শৌরিকে ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অফ ইন্ডিয়া (সিবিসিআই) ভারতে মিশনারিদের কাজের “হিন্দু মূল্যায়ন” উপস্থাপনের জন্য আমন্ত্রণ জানায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এই “সংলাপের” আয়োজকদের জন্য বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং হিতে বিপরীত হয়। এরপর থেকেই ভারতের বিশাল খ্রিস্টান প্রতিষ্ঠান অরুণ শৌরির দেওয়া আঘাত সহ্য করছে। তিনি যে শোরগোল তুলেছিলেন তা কেবল ১৯৫৩ সালে কে. এম. পানিক্করের এশিয়া অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন ডমিন্যান্স প্রকাশের পর হওয়া শোরগোলের সাথে তুলনা করা যায়। মিশনারি বিজ্ঞান খ্রিস্টান দাবিগুলোর ক্ষতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য তাদের সব যুক্তি ও কৌশল প্রয়োগ করছে...<br>সিবিসিআই তাদের প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করছিল এবং পুনের ইশভানি কেন্দ্রে একটি সেমিনারের আয়োজন করেছিল। ৫ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে অরুণ শৌরি যখন তার বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখন ভারতের প্রায় সব বড় ক্যাথলিক নেতা সেখানে উপস্থিত ছিলেন...<br>প্রবন্ধটি বিস্তারিতভাবে লেখার পর তা একটি বইয়ের আকার নেয়। অরুণ শৌরি ১৯৯৪ সালের মে মাসের শুরুতে মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া: কন্টিনিউইটিস, চেঞ্জেস, ডিলেমাস নামে এটি প্রকাশ করেন। ... ইতিমধ্যে অরুণ শৌরি এই বিষয়ে তার নিয়মিত কলামে বেশ কিছু নিবন্ধ লিখেছিলেন যা দেশের বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশিত অনেকগুলো পত্রিকায় বের হয়। এই নিবন্ধগুলো পুনের মহারাষ্ট্র হেরাল্ডে একটি প্রাণবন্ত আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। ** সীতারাম গোয়েল, হিস্ট্রি অফ হিন্দু খ্রিস্টান এনকাউন্টারস * স্বাধীনতার পর ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিদের দাপট নেহরুবাদী প্রশাসনের সমর্থনে ক্রমাগত বেড়েই চলেছিল, যেখানে মিশনারি-ম্যাকলে ধাঁচের শিক্ষায় বেড়ে ওঠা একদল আত্মবিস্মৃত হিন্দু ছিল। এই ধারায় একমাত্র ছেদ ছিল ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত কে. এম. পানিক্করের এশিয়া অ্যান্ড ওয়েস্টার্ন ডমিন্যান্স, ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত মধ্যপ্রদেশ খ্রিস্টান মিশনারি অ্যাক্টিভিটিস কমিটির রিপোর্ট, ১৯৭৮ সালে লোকসভায় ওম প্রকাশ ত্যাগীর আনা ধর্মীয় স্বাধীনতার বিল, ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত অরুণ শৌরির মিশনারিস ইন ইন্ডিয়া এবং ২০ ডিসেম্বর ১৯৯৬ সালে মঙ্গল প্রভাত লোধা কর্তৃক মহারাষ্ট্র বিধানসভায় আনা মহারাষ্ট্র রিলিজিয়াস ফ্রিডম বিল। ** সীতারাম গোয়েল, ভিন্ডিকেটেড বাই টাইম: দ্য নিয়োগী কমিটি রিপোর্ট (১৯৯৮) ==== ''দ্য ওয়ার্ল্ড অফ ফতোয়াস (অর দ্য শরিয়া ইন অ্যাকশন)'', ১৯৯৫ ==== * আমাদের শহরের মুসলিম এলাকার বইয়ের দোকানগুলোতে, উদাহরণস্বরূপ দিল্লির জামে মসজিদের চারপাশের দোকানগুলোতে ফতোয়ার সংকলনগুলো তাকের পর তাক জুড়ে থাকে। পবিত্র সাহিত্যের প্রতি মানুষ যেমন যত্নশীল হয়, এগুলোও তেমনি যত্নের সাথে সাজানো থাকে। পৃষ্ঠাগুলোর বিন্যাস খুব সুন্দর। ক্যালিগ্রাফিগুলো প্রায়ই শিল্পের পর্যায়ের। ভলিউমগুলো চমৎকারভাবে বাঁধাই করা প্রায়ই কভারের ওপর সোনালি এমবসিং থাকে। * '''এক কথায়, ফতোয়া হলো শরিয়তের প্রয়োগ।''' * এই সব কারণে যে কেউ ফতোয়ার ওপর প্রচুর গবেষণার আশা করবে। কিন্তু তাহলে আমাদের বুদ্ধিজীবীদের কথা ভুলে যেতে হবে। এটি আরও একটি প্রমাণ যে আমাদের বুদ্ধিজীবীরা আমাদের দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন; ইংরেজি বা উর্দুতে ফতোয়ার ওপর কোনো গবেষণাই প্রায় নেই। * প্রথমত, আমাদের পণ্ডিতরা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের জন্য সময় দেননি ঠিক সেই কারণে যার জন্য তারা আমাদের দেশের অস্তিত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অন্য বিষয়গুলোতেও সময় দেননি। ভারতে বুদ্ধিবৃত্তিক কাজের বেশিরভাগই হলো পশ্চিমে যা করা হচ্ছে তার পাদটীকা লেখা অন্যদের চেয়ে মার্ক্সবাদী বুদ্ধিজীবীদের ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি সত্যি। আর যখন আমাদের বুদ্ধিজীবীরা এই পাদটীকা লিখতে ব্যস্ত থাকেন না, তারা পশ্চিমা মহলে জনপ্রিয় ফ্যাশন অনুসরণ করতে ব্যস্ত থাকেন এবং পশ্চিমে জনপ্রিয় হওয়া কোনো ধারণা ভারতীয় তথ্যের ওপর ‘প্রয়োগ’ করতে ব্যস্ত থাকেন। এক কথায়, আমাদের পাণ্ডিত্যপূর্ণ কাজগুলো অনুকরণধর্মী। তাই ভারতে ফতোয়া নিয়ে কোনো বড় গবেষণা না হওয়ার প্রথম কারণ হলো যে এগুলো এখনো পশ্চিমের নজর কাড়েনি। * “আমাদের উচিত, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের উচিত মুসলিম সমাজের অবস্থা সম্পর্কে পুরো সত্য বলা উদাহরণস্বরূপ সেখানকার নারীদের দুর্দশা নিয়ে। এবং এর মূল উৎস বই, আইন এবং চিন্তাধারার মধ্যে সেটি খুঁজতে দ্বিধা না করা। আমাদের উলেমা [মুসলিম ধর্মীয় নেতা] এবং কট্টরপন্থী রাজনীতিবিদদের সামাজিক কর্মকাণ্ডের দলিল তৈরি করা উচিত।... উলেমা এবং অন্যরা ধর্মীয় ইস্যুতে যা বলছেন এবং যা ফতোয়া দিচ্ছেন তা নথিবদ্ধ করা উচিত।... আমাদের, বিশেষ করে মুসলিম উদারপন্থীদের প্রতিটি বিষয়ে দৃঢ়ভাবে ধর্মনিরপেক্ষ অবস্থান নিতে হবে—কট্টরপন্থীদের মোকাবিলা করার এটিই একমাত্র পথ, এটিই সম্প্রদায়ের কাছে বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি পৌঁছে দেওয়ার সবচেয়ে নিশ্চিত উপায়।... ফতোয়া এবং অন্যান্য বিষয় যা একজন ব্যক্তির নাগরিক অধিকার খর্ব করে তা স্পষ্টতই আইনের অপরাধমূলক লঙ্ঘন; আমাদের উচিত সেগুলোকে সেভাবেই তুলে ধরা; এবং অন্যদের সাথে মিলে দাবি করা যে কেউ যদি ফতোয়া ব্যবহার করে অন্যের অধিকার মাড়িয়ে দিতে চায় তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। একইভাবে, আমাদের সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদরা এই প্রতিক্রিয়াশীল উপাদানগুলোকে খুশি করার জন্য এবং শেষ পর্যন্ত তাদের হাত শক্তিশালী করার জন্য যে ছাড় দেয়, তা আমাদের উন্মোচিত করতে হবে এবং ব্যর্থ করার জন্য কাজ করতে হবে।... কিন্তু উলেমা এবং তাদের নেটওয়ার্কের মোকাবিলা করাই যথেষ্ট নয়। আমরা যেমনটা দেখেছি, তারা যা প্রচার করে এবং কার্যকর করে তা কুরআন এবং হাদিসেই বলা আছে। তাই এই জাল কাটতে হলে উদারপন্থীদের এবং বিশেষ করে উদারপন্থী মুসলিমদের ইসলামের হাজার বছরের দাবিগুলো পরীক্ষা করে দেখতে হবে: এই দাবি যে কেবল একটিই সত্য আছে, তা কেবল একজন মানুষের কাছেই প্রকাশিত হয়েছে, তা কেবল একটি বইতেই আছে, সেই বইটি বোঝা খুব কঠিন, কেবল কয়েকজন নির্বাচিত মানুষই এর অন্তর্নিহিত অর্থ জানে এবং তাই তাদের কথা মেনে চলা সবার কর্তব্য। এক কথায়, মূল পাঠ্যগুলোকেই পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।” (উদ্ধৃত: বোস্টম, এ. জি. (২০১৫)। শরিয়া ভার্সেস ফ্রিডম: দ্য লেগাসি অফ ইসলামিক টোটালিটারিয়ানিজম।) * ফতোয়ার বইগুলোতে আরও একটি অদ্ভুত বিষয়ের ওপর পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা বরাদ্দ করা হয়েছে তা হলো, কোনো বিশ্বাসী যদি পশুর সাথে যৌনমিলন করে তবে তার কী করা উচিত। ‘যে পশুর সাথে মানুষ যৌনমিলন করেছে তার হুকুম কী পশু এবং সেই মানুষের হুকুম কী?’, প্রশ্নকারী জানতে চান এবং যথাযথ বিবেচনার পর এই বিশাল ‘ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের’ উলেমা একটি ফতোয়া জারি করেন। ফতোয়া দাবি করা অন্য বিষয়গুলোও ঠিক একইভাবে বিস্ময়কর।<br>‘যে গর্ভবতী ছাগলের সাথে মিলন করা হয়েছে তা কি হালাল না হারাম? সেটি বাচ্চা দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না কি বাচ্চা হওয়ার আগেই মেরে ফেলে পুঁতে ফেলতে হবে?’ ‘জায়েদ একটি ছাগলের সাথে মিলন করেছে। এর আইন কী? আমরা কি এর মাংস খেতে পারি বা দুধ পান করতে পারি? আর যে মিলন করেছে তার জন্য আইন কী?’ ‘ছোট শিশু বা ছাগলের সাথে মিলন করার শাস্তি কী?’ ‘জায়েদ একটি হালাল পশু যেমন গরু বা ছাগলের সাথে মিলন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে পশুর কাছে গেল এবং তার যৌনাঙ্গ পশুর যোনিতে প্রবেশ করাল। কিন্তু কোনো বীর্যপাত হলো না। জায়েদ বা অন্য মুসলিমদের কি সেই পশুর মাংস বা দুধ হালাল মনে করা উচিত? এই অপরাধের জন্য কি জায়েদকে কাফফারা দিতে হবে?’ ‘জায়েদ একটি গরুর সাথে মিলন করেছে এবং তারপর সেটি বিক্রি করে দিয়েছে। সেই টাকা কীভাবে খরচ করতে হবে? সেটি কি সাদকা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে? আর জায়েদের শাস্তি কী?’ ‘যে ঘোড়ীর সাথে মিলন করেছে তার শাস্তি কী? সেই ঘোড়ীটির সাথে কী করা উচিত?’ এই প্রতিটি বিষয়ে একটি করে ফতোয়া আছে।<br>আর উত্তরগুলো সবসময় একরকম হয় না, অনেক সময় সুক্ষ্ম পার্থক্যের ওপর নির্ভর করে। পশুর সাথে মিলন করা বিশ্বাসীর জন্য কেবল তওবা করাই যথেষ্ট বলে মনে করেন এই পণ্ডিতরা, তবে সাধারণত পশুটিকে মেরে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। অর্থাৎ সাধারণ ক্ষেত্রে এর মাংস খাওয়া উচিত নয়। তবে একটি উদাহরণ ধরা যাক, দেওবন্দের দারুল উলুমের উলেমা রায় দিয়েছেন যে, ‘যদি (পশুর ভেতরে) বীর্যপাত না হয়, তবে এর মাংস এবং দুধ নিঃসন্দেহে হালাল।’ ‘কিন্তু যদি বীর্যপাত হয়, তবে পশুটিকে মেরে ফেলে এর মাংস পুঁতে ফেলা ভালো। কারো এটি খাওয়া উচিত নয়, যদিও এটি খাওয়া হারাম নয়।’ [...] পরিশেষে, অন্যরা যখন এই ধরনের প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করতে কিছুটা অস্বস্তি বোধ করতে পারেন এবং ‘ধর্মীয়’ বইগুলোতে এগুলোর দেখা পেয়ে অবাক হতে পারেন, উলেমাদের এই বিষয়ে আলোচনা করতে বা আইন দিতে কোনো দ্বিধা নেই। তারা এটিকে তাদের একটি কাজ বলে মনে করেন। মাওলানা মুফতি আবদুর রহিম কাদরী বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। জানা যায় যে, হযরত শায়খুল ইসলাম মাওলানা মৌলবি নামে একজন মৌলবি দুটি প্রচারপত্র প্রকাশ করে হানাফি ফকিহদের সমালোচনা করেছিলেন কারণ তারা মনে করেন যে পশুর সাথে মিলন করলে রোজা নষ্ট হয় না, এমনকি বীর্যপাত হলেও। তিনি হানাফি আইনের বড় বড় নাম শামী এবং দুররুল মুখতার—উদ্ধৃত করে বলেছিলেন যে তারা এটিই বলেছেন। তিনি ধর্মীয় বইগুলোতে এই ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য পণ্ডিত উলেমাদের তিরস্কারও করেছিলেন। মৌলবির এই লেখাগুলো মতামতের জন্য মুফতি আবদুর রহিম কাদরীর কাছে পাঠানো হয়েছিল। মুফতির ব্যাখ্যা ফতোয়ায়ে রহিমিয়ার দশটি মুদ্রিত পৃষ্ঠা জুড়ে আছে। প্রশ্নের মূল উত্তরটি নির্ভর করছে পশুর ভেতরে লিঙ্গ প্রবেশের সময় বীর্যপাত হয়েছে কি না তার ওপর যদি হয় তবে রোজা বাতিল হয়ে যাবে—নাকি কেবল হাত দিয়ে পশুর যৌনাঙ্গ স্পর্শ বা চুম্বনের ফলে বীর্যপাত হয়েছে সে ক্ষেত্রে রোজা নষ্ট হবে না। মুফতি এই পার্থক্য বোঝাতে বিভিন্ন উদ্ধৃতি দিয়েছেন এবং দাবি করেছেন যে মৌলবি হানাফি ফকিহদের রায়ের ভুল ব্যাখ্যা দিয়েছেন। * এরপরে আসে উর্দু সংবাদমাধ্যম। এটি উলেমাদের অন্যতম শক্তিশালী সহযোগী এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের অস্ত্র হিসেবে কাজ করেছে, যেমনটা আমরা ড. জাকির হোসেন এবং মাওলানা আজাদের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানের সময় দেখেছি। ১৯৯২ সালে দিল্লির জামিয়া মিলিয়ার প্রো-ভিসি মুশিরুল হাসান এবং পাটনার খুদা বখশ লাইব্রেরির পরিচালক আবিদ রেজা বেদারের বিরুদ্ধে প্রচারাভিযানেও আমরা একই ভূমিকা দেখেছি। উচ্চকণ্ঠ, ব্যাপক বিকৃতি, অভিযোগের প্রতিধ্বনি তৈরি করা, চরম নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করা এবং তারপর সবকিছুকে ইসলামের ওপর আক্রমণ হিসেবে তুলে ধরা এগুলোই এর বৈশিষ্ট্য। আর শেষ পর্যন্ত এগুলো সেই বিশ্বদর্শনকেই শক্তিশালী করতে ব্যবহৃত হয় যা উলেমা চান যে তাদের সম্প্রদায় বজায় রাখুক। *আর এরপর আছে পৃষ্ঠপোষকতার প্রভাব। সৌদি আরব, ইরান বা ইরাক অথবা অন্য ‘ইসলামি’ উৎস থেকে আসা তহবিল উলেমাদের কাছে বা তাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সংস্থাগুলোর কাছে যায়। এই তহবিল প্রায় কখনোই উদারপন্থীদের কাছে পৌঁছায় না। ভারতের অবস্থা তো আরও খারাপ। যেহেতু উলেমা সম্প্রদায়কে নিয়ন্ত্রণ করে, তাই রাষ্ট্র উলেমা এবং তাদের ভাষায় যারা কথা বলে তাদের সামনেই নতজানু হয়। রাষ্ট্র যত দুর্বল হয়েছে, উলেমা তত সহজে তাদের প্রচারাভিযান চালিয়ে যেতে পেরেছে। আর বিনিময়ে তারা সম্প্রদায়ের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও মজবুত করতে পেরেছে এটি দেখিয়ে যে রাষ্ট্র তাদের সামনে মাথা নত করে যেমন শাহ বানোর ক্ষেত্রে হয়েছিল; যে রাষ্ট্র তাদের পথে দাঁড়ানোর সাহস পায় না: দেশের আইনি ব্যবস্থার বাইরে সমান্তরাল আদালত—শরিয়ত আদালত তৈরি করার জন্য তাদের বর্তমান অভিযানের দুঃসাহস দেখুন। *উদারপন্থী হিন্দুরা এতটাই লজ্জিত থাকে এবং তারা এই মেকি ধর্মনিরপেক্ষতাকে এতটাই নিজের করে নিয়েছে যে, তারা ধর্মগ্রন্থগুলো তা ইসলামের হোক, হিন্দুধর্মের হোক বা আমাদের আইন ও সংবিধানের হোক সেগুলো সম্পর্কে কিছুই জানে না। তারা দ্বিমুখী নীতিকে এতটাই মেনে নিয়েছে যে ইসলামি সব বিষয়ে চুপ থাকা এবং মৌলবাদীদের সুর মেলানোকেই তারা ধর্মনিরপেক্ষতার প্রমাণ মনে করে। ইংরেজি সংবাদমাধ্যমের ‘ধর্মনিরপেক্ষরা’ এর একটি তৈরি উদাহরণ। তারা আলী মিঞাকে ‘পরিমিতিবাদী, সর্বজনশ্রদ্ধেয় মুসলিম নেতা’ হিসেবে উল্লেখ করবে তার কোনো লেখা না পড়েই। তারা বিভিন্ন মুফতি ও মৌলবিকে ‘মুসলিম ধর্মতত্ত্ববিদ’ হিসেবে উল্লেখ করবে। অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড বা অল ইন্ডিয়া মিলি কাউন্সিল যা করছে তা থেকে তারা চোখ বন্ধ করে রাখবে; কিন্তু রাষ্ট্রের কোনো সংস্থা যদি তাদের কার্যক্রম উন্মোচিত করতে কোনো পদক্ষেপ নেয় তবে তারা চিৎকার শুরু করবে। সবচেয়ে বড় কথা হলো, কোনো ইস্যুতে তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে উলেমাদের পক্ষ নেবে এবং জোর দিয়ে বলবে যে এই পক্ষের বিরোধিতা করা মানেই ‘সাম্প্রদায়িক’, ‘ফ্যাসিবাদী’ বা ‘প্রতিশোধপরায়ণ’ হওয়া। এই ধরনের চিৎকারের প্রভাব কেবল আলোচনার পরিবেশ বিষিয়ে দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। দুর্বল শাসকরা সেই পরিবেশে প্রভাবিত হয়। আর এভাবেই জননীতি উলেমাদের পক্ষে চলে যায়। ফলে উলেমা আরও শক্তিশালী হয়। *আমরা যখন বুদ্ধের বাণী বা রোজা সম্পর্কে গান্ধীজির কথা পড়ি, তখন তার বিষয়বস্তু থাকে নিজের ভেতর তাকানো এবং আত্মশুদ্ধি নিয়ে। কিন্তু এমনকি যখন ফতোয়াগুলো পুরোপুরি ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কাজ করে, তখনও সেগুলো কেবল সেই নিয়মগুলো নিয়ে থাকে যা একজন বিশ্বাসীকে মেনে চলতে হয়। এগুলো কুচকাওয়াজের জন্য একজন ড্রিল সার্জেন্ট ক্যাডেটদের যে নির্দেশনা দেন তার মতো। *আমাদের নেতা এবং সুপ্রিম কোর্ট যখন অনবরত বলছেন, ‘সব ধর্ম এক’; যখন তারা বেদের বাণী স্মরণ করছেন, ‘সত্য এক, ঋষিরা একে ভিন্ন নামে ডাকেন’; যখন তারা অশোকের শিলালিপি স্মরণ করছেন, ‘যে নিজের ধর্মকে শ্রদ্ধা করে এবং অন্যের ধর্মকে তুচ্ছ করে, সেটি নিজের ধর্মের প্রতি ভক্তির কারণে এবং অন্য ধর্মের ওপর একে বড় দেখানোর জন্য হোক না কেন, সে আসলে নিজের ধর্মেরই ক্ষতি করে’, উলেমা ঠিক তার উল্টো মূল্যবোধ প্রচার করেন। উলেমাদের প্রতি সুবিচার করতে হলে বলতে হয় এগুলোই প্রকৃত ইসলামি মূল্যবোধ। যেমন মাওলানা আহমদ রেজা খান সেই সব মানুষের ওপর ক্ষিপ্ত হন যারা এমন শোভাযাত্রা সমর্থন করে যেখানে গীতা ও কুরআনকে সমান সম্মানের সাথে বহন করা হয়; তিনি ঘোষণা করেন যে একজন মুসলিমের পক্ষে এটি বলাও কুফর যে, ‘হিন্দুদের বেদ অনুযায়ী চলা উচিত এবং মুসলিমদের কুরআন অনুযায়ী চলা উচিত’; তিনি বলেন, মন্দির হলো শয়তানের আস্তানা, একজন মুসলিমের সেখানে যাওয়া নিষিদ্ধ; পবিত্র কুরআনকে বেদের মতো বলা কুফর; হিন্দুদের বেদ অনুযায়ী চলতে বলা মানে মানুষকে কুফর অনুসরণ করতে বলা, আর মানুষকে কুফর অনুসরণ করতে বলা মানেই হলো কুফর... *ফতোয়াগুলো এই দ্বিমুখী নীতিকেই প্রতিফলিত করে। ধর্মান্তর এবং ধর্মত্যাগের প্রতি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি এর একটি বড় উদাহরণ। ইসলাম অন্য ধর্মের মানুষকে ধর্মান্তরিত করাকে একটি অধিকার এবং কর্তব্য বলে মনে করে। উলেমা এর ওপর জোর দেন....অন্য ব্যক্তির ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখিয়ে কোনো কাজ করা বা না করার বিষয়েও একই অবস্থান নেওয়া হয়.....এর একটি আরও বড় উদাহরণ হলো ধর্মীয় চর্চা চালিয়ে যাওয়ার অবস্থান। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়া একজন মুসলিমের অধিকার ও কর্তব্য। ...ফতোয়ায়ে রিজভিয়া ঘোষণা করে যে, কোনো অবস্থাতেই ইসলামি শাসক কাফিরদের তাদের ধর্মীয় আচার পালনের অনুমতি দিতে পারে না এবং প্রশ্ন করে: সে কি তাদের কুফর পালন করতে দেবে এবং এর মাধ্যমে নিজে কাফির হয়ে যাবে?...এতে আরও বলা হয়েছে যে এ বিষয়ে বেশ কিছু হাদিস আছে যে কোনো অমুসলিম আরব উপদ্বীপে থাকতে পারবে না...অর্থাৎ, কোনো অমুসলিমকে আরব উপদ্বীপে থাকতে দেওয়া হবে না, কিন্তু যদি ভারত থেকে একজন অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে চলে যেতে বলা হয়, তবে সেটি হবে ইসলামের ওপর আঘাত!...একইভাবে, আজও কোনো ইসলামি রাষ্ট্রে কোনো স্কুলের শিক্ষকরা অমুসলিম শিশুদের তাদের ধর্মের শিক্ষা দিতে পারেন না...কিফায়াতুল্লাহ ঘোষণা করেন যে, কুরআন শিক্ষা এবং ধর্মীয় শিক্ষার ওপর কোনো বাধা সহ্য করা যাবে না। ...অথচ ধর্মনিরপেক্ষ আলোচনায় আমরা শুনি যে ইসলামের মতো আর কোনো ধর্ম নেই যা ভেদাভেদ দূর করেছে, ইসলামের মতো আর কেউ সবাইকে সমান মর্যাদা দেয় না! *এই সবকিছুর পরেও যারা দাবি করেন, ‘শরিয়ত নারীদের অধিকার রক্ষা করেছে যেমনটা অন্য কোনো আইন করেনি,’ তারা কেবল এই আত্মবিশ্বাস থেকেই তা বলেন যে তারা ছাড়া আর কেউ শরিয়তের মূল পাঠ্যগুলো পড়েনি। *তা সত্ত্বেও আমাদের বিশ্বাস করতে হবে যে শরিয়তের মতো অন্য কোনো আইন নারীদের এত অধিকার দেয়নি এবং ইসলামের মতো অন্য কোনো ধর্ম তাদের বিষয়ে এত যত্নশীল নয়, না হলে আমাদের সাম্প্রদায়িক তকমা সইতে হবে। এই যুক্তি কেবল একগুঁয়ে অন্ধ সমর্থকদেরই বোকা বানাতে পারে। *ফতোয়ার মাধ্যমে বলবৎ হওয়া শরিয়ত কেবল তা-ই নয়। যেহেতু আমাদের সরকারগুলো অভিন্ন দেওয়ানি বিধি প্রণয়নের সাংবিধানিক নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করেনি, তাই এটিই হলো ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের আইন যা আমাদের আদালতগুলো কার্যকর করে! * বিষয়গুলো কেবল উলেমাদের নারীদের মূল্যায়নের কারণেই আগ্রহের বিষয়, কারণ এটি ফতোয়ার সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। দেওবন্দের উলেমা একটি বিষয় সমাধান করতে গিয়ে ঘোষণা করেন যে, ‘কুরআনে বলা হয়েছে স্বামীই হলো কর্তা।’ .... আর এই কাফিরদের মধ্যেও ভাগ আছে বলে মাওলানা আহমদ রেজা খান ঘোষণা করেন: এক প্রকার কঠিন কুফর হলো খ্রিস্টধর্ম; তার চেয়েও খারাপ হলো মাজুসিয়ত (অগ্নিপূজা); তার চেয়েও খারাপ হলো মূর্তিপূজা; তার চেয়েও খারাপ হলো ওহাবি মতবাদ; এবং এই সবকিছুর চেয়েও খারাপ ও দুষ্ট হলো দেওবন্দি মতবাদ... * এবং এটি চলতেই থাকে। এর প্রভাব হবে খুব স্পষ্ট: যখন আপনি তাদের কাছে কোনো সমস্যা নিয়ে যাবেন, উলেমা এক জন বিশেষজ্ঞের বদলে অন্য জনের দোহাই দিয়ে আপনার পথ সহজ করতে পারেন অথবা বাধা দিতে পারেন। একই সাথে তারা এবং তাদের সমর্থকরা জোর দিয়ে বলবেন যে আমাদের, বিশেষ করে অমুসলিমদের কখনোই এটি বিশ্বাস করা বন্ধ করা উচিত নয় যে শরিয়ত একটি স্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট বিধি, এটি ঐশ্বরিকভাবে নির্ধারিত এবং তাই এটি একটি শাশ্বত এবং অপরিবর্তনীয় বিধি! *এখন পর্যন্ত দুটি বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা: (১) একটি পরিষ্কার এবং সুনির্দিষ্ট বিধি হওয়ার বদলে শরিয়ত আসলে অস্পষ্ট; (২) এটি প্রতিটি বিষয়েই অস্পষ্ট। এর দুটি প্রায়োগিক ফলাফল রয়েছে: (১) এই অস্পষ্টতাই হলো উলেমাদের অপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতার অন্যতম ভিত্তি; (২) তাই উলেমা শরিয়তকে বিধিবদ্ধ করার প্রতিটি প্রচেষ্টাকে ঠিক ততটাই প্রবলভাবে বাধা দেন যেমনটা তারা সবার জন্য একটি সাধারণ আধুনিক আইনের প্রচেষ্টাকে বাধা দেন। *মাওলানা আহমদ রেজা খান যখন বলেন যে বিজ্ঞানের সামনে ইসলামের মাথা নত করা নয় বরং ইসলামের সামনে বিজ্ঞানের মাথা নত করাই ইসলামের গৌরব, তখন তিনি আসলে তার ধর্মের প্রতিই সত্যনিষ্ঠ থাকেন। বিজ্ঞানের জন্য যা প্রযোজ্য, তা ঐতিহাসিক ‘তথ্যের’ ক্ষেত্রে আরও বেশি প্রযোজ্য যেমন শত জন খলিফা ছিলেন নাকি বারো জন। * পৃথিবী স্থির। সূর্য এর চারদিকে ঘোরে। নক্ষত্রগুলো স্থির, যা আল্লাহ প্রদীপ হিসেবে ঝুলিয়ে দিয়েছেন পর্যটকদের পথ দেখানোর জন্য এবং শয়তানকে পাথর মারার জন্য। এর বাইরে কিছু বিশ্বাস করা মানে ধর্মের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা। পুরুষরাই হলো কর্তা। প্রত্যেকে একসাথে চারজন পর্যন্ত স্ত্রী এবং যত খুশি উপপত্নী রাখতে পারে। স্ত্রীরা হলো ফসলের মাঠের মতো, স্বামী চাইলে তাতে ‘জলসেচন’ করতে পারে অথবা না-ও পারে। স্বামী তার সামান্যতম ইচ্ছা পূরণের জন্যও তাদের বাধ্য করতে পারে এবং না মানলে তালাকের ভয় দেখাতে পারে। এরপরও যদি সে সন্তুষ্ট না হয়, তবে সে তাদের এক কথায় বের করে দিতে পারে। বের করে দেওয়ার পর তারা কেবল জীবনধারণের ন্যূনতম সহায়তার অধিকারী হবে কিন্তু তা কেবল তিন মাসের জন্য, এরপর আর কিছুই নয়। এতে কোনো অন্যায় দেখা বা নারীদের জন্য আরও কিছু দাবি করা মানে আল্লাহর প্রজ্ঞাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং ইসলামের ওপর আঘাত হানা। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা, নির্ধারিত পদ্ধতিতে ইস্তিনজা করতে ব্যর্থ হওয়া, কুকুরের লালা নাপাক এবং শরীর পাক এটি বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হওয়া বড় গুনাহ। একজন কাফির যত বড় সাধুপুরুষই হোক না কেন, এমনকি তার মৃত্যুর পরও তার মঙ্গল কামনা করা, অথবা একজন মুসলিম যত বড় পাপীই হোক না কেন সে যে একজন পুণ্যবান কাফিরের চেয়েও শ্রেষ্ঠ তা বিশ্বাস করতে ব্যর্থ হওয়া হলো কুফর। উলেমাদের মানসিকতা এমনই। জীবনের সব ক্ষেত্রে তাদের দেওয়া রায়ে এটি ফুটে ওঠে। *দেশের এবং ব্যক্তির অগ্রগতির জন্য শিক্ষা অপরিহার্য। কিন্তু বর্তমানে যাকে শিক্ষা বলা হয় তার বিরুদ্ধে উলেমা দীর্ঘদিন কঠোর লড়াই করেছেন। তাদের কাছে আধুনিক এবং কারিগরি শিক্ষার চেয়ে ধর্মীয় শিক্ষাই অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। কেবল সেই বিষয়গুলোই পড়া উচিত এবং কেবল সেই জ্ঞানই অর্জন করা উচিত যা একজনের বিশ্বাসকে শক্তিশালী করে সহজ কথায়, কেবল সেই বিষয়গুলোই পড়তে হবে যা এটি নিশ্চিত করে যে কুরআন ও হাদিসে যা লেখা আছে এবং উলেমা শত শত বছর ধরে যা বলে আসছেন তা-ই সত্য এবং প্রজ্ঞার ও পূর্ণতার সর্বোচ্চ শিখর। নারীদের শিক্ষা, বিশেষ করে নতুন মূল্যবোধের প্রতি তাদের সচেতন হওয়া, নতুন পেশার জন্য প্রশিক্ষণ পাওয়া এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়া এই সবকিছুই তাদের কাছে ঘৃণ্য; এটি তাদের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করা হয়, প্রকৃতপক্ষে এটিকে সমাজকে ধ্বংস করার এবং ইসলামকে দুর্বল করার পথ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। *যে প্রতিষ্ঠানের ভারতীয় ইতিহাসের পাঠ্যক্রমে কেবল মাহমুদ গজনভির আক্রমণ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত সময়কাল অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং যার ভূগোলের পাঠ্যক্রমে কেবল আরব উপদ্বীপের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, সেটি কি ভারতের জন্য বা ভারতের কোনো প্রতিষ্ঠান? * প্রত্যাশিতভাবেই, মাওলানা আহমদ রেজা খানের মতে শিয়ারা একেবারেই মুসলিম নয়। তাদের ‘মসজিদ’ কোনো মসজিদই নয়—আর মনে রাখবেন, মীর বাকী এবং তার বংশধরেরা যেহেতু মসজিদের মুতওয়াল্লি ছিলেন, তাই ‘বাবরী মসজিদ’ ছিল একটি শিয়া মসজিদ। * ‘আরে ভাই, কিন্তু আপনি হিন্দু ফতোয়া নিয়ে লিখছেন না কেন?’ এটি এমন এক বিখ্যাত বুদ্ধিজীবীর কথা যার নামের অনেক খ্যাতি রয়েছে। হিন্দুদের মধ্যে ফতোয়া বলে কিছু নেই তবে নিশ্চিতভাবেই আমাদের বুদ্ধিজীবীরা সেটি জানেন। এ ধরনের উপদেশের উদ্দেশ্য অন্যরকম। এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, একজন হিন্দুর ইসলাম নিয়ে লেখালেখি থেকে দূরে থাকা উচিত। বরং, সে যদি ইসলামি বা মুসলিম বিষয় নিয়ে কিছু লেখেও, তবে তাকে কেবল প্রশংসাগীতি গাইতে হবে ‘সহনশীলতার ধর্ম, সাম্যের ধর্ম...’ তাকে কেবল ‘ইসলামি মানস’ সম্পর্কে ‘বোঝার’ বা ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য বই লিখতে হবে। বড়জোর, যদি তাকে ইসলামের কোনো দুর্ভাগ্যজনক ত্রুটি সম্পর্কে কিছু বলতেই হয়, তবে সেটিকে কোনো বিশেষ সময় বা স্থানের ওপর চাপিয়ে দিতে হবে এবং ইসলামকে তার থেকে মুক্তি দিতে হবে! আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, তাকে এটি নিশ্চিত করতে হবে যে সে ইসলামের সেই দিকটি নিয়ে মন্তব্যের সাথে হিন্দুধর্মের কোনো কিছুর নিন্দা করে বিষয়টিকে ‘ভারসাম্যপূর্ণ’ করবে, সেটা যা-ই হোক—জাতীয় প্রথা, পণের কারণে মৃত্যু, বিদেশিদের ম্লেচ্ছ মনে করা, এমনকি অন্য কিছু না মিললে অন্তত সতীদাহ প্রথা! * তাহলে, কারা ক্ষুব্ধ হচ্ছে? ফতোয়াগুলোর উদ্ধৃতি এবং বিশ্লেষণে কারা অপমানিত বোধ করছে? তারা হলো ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা। আর এর কারণ স্পষ্ট। এই তথ্যপ্রমাণের সামনে, কুরআন ও নবীর সরাসরি এবং জোরালো নির্দেশের সামনে এবং ফতোয়াগুলোতে থাকা বারবার এবং অত্যন্ত স্পষ্ট ঘোষণার সামনে তার কাছে কোনো উত্তর নেই। এগুলোর মোকাবিলা করার মতো কোনো প্রমাণ তার কাছে নেই। কিন্তু যখন তারা যা বলে তা সরাসরি সামনে আনা হয়, তখন সে তার এই উল্টো ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ আর বজায় রাখতে পারে না। যতক্ষণ পর্যন্ত এই বিষয়গুলো উর্দুতে সীমাবদ্ধ থাকে, ততক্ষণ তা তার চেনা মহলে কোনো অসুবিধা সৃষ্টি করে না। কিন্তু যে মুহূর্তে এগুলো ইংরেজিতে প্রকাশ পায়, তখনই সে বিপদে পড়ে যায়। আর তাই সে ক্ষোভের ভান করে! এর উত্তর কী? তথ্যগুলো অনবরত তুলে ধরা। সেগুলো বিশ্লেষণ করে যাওয়া। এই বিশ্বাসে যে গালিগালাজ দিয়ে তথ্যপ্রমাণ ধামাচাপা দেওয়া যাবে না। এই বিশ্বাসে যে চিন্তাভাবনা হলো বীজের মতো, যা একদিন শিকড় গাড়বে। * বাংলাদেশে ইসলামীকরণের দিকে দ্রুত ধাবিত হওয়া, তাবলিগ জামাতের দ্রুত বিস্তার এবং হিজবুত তাহরীর ও হিজবুত তৌহিদের মতো মৌলবাদী সংগঠনগুলোর ক্রমবর্ধমান প্রসার ও প্রভাবের সাথে সাথে দেশের বিভিন্ন স্থানে শরিয়ত কমিটি গড়ে উঠেছে। ফতোয়া দেওয়ার ঘটনা আরও নিয়মিত হয়ে পড়েছে। গ্রামীণ এলাকায় স্থানীয় মোল্লারা প্রায়ই এগুলো জারি করেন এবং প্রায়শই এর শিকার হন এমন নারীরা যারা প্রকৃতপক্ষে সহিংসতা, ধর্ষণ এবং এ জাতীয় ঘটনার শিকার হয়েছিলেন.... * মুসলিম সাংবাদিকতা আর নেতৃত্বের ওপর দোষ চাপানো এক অর্থে মূল প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া। সর্বোপরি, মুসলিমরা কেন এই ধরনের সাংবাদিকতাকে গুরুত্ব দেয়, কেন তারা এই ধরনের নেতাদের অনুসরণ করে? এর উত্তর লুকিয়ে আছে সেই মনস্তত্বের মধ্যে, যা উলেমা এবং তাদের ফতোয়াগুলো তাদের মনে গেঁথে দিয়েছে। * এমনকি এটি বলাও কুফর যে, ‘শরিয়ত কী? আজ কি কেউ শরিয়ত মেনে চলে?’, ঘোষণা করে ফতোয়ায়ে রিজভিয়া। এমনকি যদি অন্যদের বিদ্রূপ করার জন্য এই কথাগুলো বলা হয়, তবে সেগুলো গুরুতর পাপ হিসেবে গণ্য হবে। এটি ঘোষণা করে যে, ‘আমরা শরিয়ত মানি না, আমরা প্রথা অনুযায়ী চলি,’ বলাও কুফর। উলেমা একটি ফতোয়া জারি করে মুসলিমদের বহু ঈশ্বরবাদীদের শোভাযাত্রায় যোগ দিতে নিষেধ করেন। একজন লোক বলে, ‘বহু ঈশ্বরবাদীদের শোভাযাত্রায় যোগ না দেওয়ার ফতোয়া জারি করা নিছক লাঠিবাজি।’ এই কথাটি উলেমাদের জানানো হয়। ফতোয়ায়ে রিজভিয়া রায় দেয় যে, এই কথাটি শরিয়তের অবমাননা এবং শরিয়তের অবমাননা হলো কুফর। সেই ব্যক্তির স্ত্রীর সাথে তার নিকাহ বা বিয়ে ভেঙে যায়। ... তারা ঘোষণা করে যে, ইজমা (ঐকমত্য) বা তকলিদ (আক্ষরিক অনুসরণ) নিয়ে প্রশ্ন তোলা কুফর। ... তারা ঘোষণা করে যে, ফিকহ-এ বিশ্বাস না করা কুফর। তারা ঘোষণা করে যে, যে ফিকহ মানে না সে হলো শয়তান। * ‘যে বাবা-মায়েরা তাদের মেয়েদের কলেজে পাঠান তারা তাদের মেয়েদের শত্রু, বন্ধু নন,’ ফতোয়ায়ে রহিমিয়া এটি ঘোষণা করে বিভিন্ন সূত্রের দোহাই দিয়ে যে, প্রকৃত বন্ধু হলো সে যে পরকালের জন্য একজনকে প্রস্তুত করে, যদিও তা করতে গিয়ে পার্থিব ক্ষতি হতে পারে। এটি ঘোষণা করে যে, ‘এতে কোনো সন্দেহ নেই যে একটি কলেজ পড়ুয়া মেয়ে অত্যন্ত স্বাধীনচেতা, পর্দাহীন, অশালীন এবং নির্লজ্জ হয়ে ওঠে। ইংরেজি শিক্ষা এবং কলেজের পরিবেশের এটিই সাধারণ পরিণতি।’ আর হাদিস উদ্ধৃত করে এটি বলে যে, ‘যে মেয়ে তার লজ্জা হারায় সে সবকিছু হারায়,’ ‘লজ্জা এবং ঈমান এরা অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী; যখন তাদের কোনো একটি চলে যায়, অন্যটিও চলে যায়।’ * অবজ্ঞা এবং হিন্দু ও অন্য অবিশ্বাসীদের যে চিত্র আঁকা হয়েছে, তাদের পশুপাখি এবং পোকামাকড়ের সাথে তুলনা করা হয়েছে—মুসলিমদের ক্ষেত্রে কোনো লেখায় এমন কিছু করা হলে তা তীব্র নিন্দার ঝড় তুলত। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের কাছ থেকে যেমন, তেমনি মুসলিমদের কাছ থেকেও। ====''ওরশিপিং ফলস গডস'' (১৯৯৭)==== * একটি উদাহরণও নেই, এমনকি একটি মাত্র ঘটনাও নেই যেখানে [[ভীমরাও রামজি আম্বেদকর]] দেশকে স্বাধীন করার সংগ্রামের সাথে যুক্ত কোনো কাজে অংশ নিয়েছিলেন। বরং ঠিক উল্টোটিই ঘটেছে; প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি জাতীয় আন্দোলনের বিরোধিতা করেছেন এবং যখনই এই আন্দোলন কোনো বাধার মুখে পড়েছে, তিনি তাদের মধ্যে ছিলেন যারা সেই ব্যর্থতায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন। * ভারতের কি কখনো সংস্কারকের প্রয়োজন ছিল? আপনি কি ভারতের ইতিহাস পড়েন? রামানুজ কে ছিলেন? শংকর কে ছিলেন? [[গুরু নানক]] কে ছিলেন? [[চৈতন্য মহাপ্রভু]] কে ছিলেন? [[কবীর]] কে ছিলেন? দাদু কে ছিলেন? একের পর এক আসা এই মহান ধর্মপ্রচারকরা কারা ছিলেন, যারা অত্যন্ত উজ্জ্বল সব নক্ষত্রপুঞ্জের মতো ইতিহাস আলোকিত করেছেন? * এক কথায়, দেব-দেবীর নিন্দা করা, ধিক্কার জানানো, তাদের কলঙ্কিত করা, আমাদের শাস্ত্র নিয়ে উপহাস করা এবং অনুসারীদের মধ্যে ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়া ছিল আম্বেদকরের বেছে নেওয়া পথ। কিন্তু কেবল এই একটি পথই খোলা ছিল না। এর আগে গত দেড়শ বছরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একজন সংস্কারক ঠিক এর বিপরীত পথ বেছে নিয়েছিলেন এবং এর ফলে তিনি দুটি লক্ষ্যই অর্জন করেছিলেন। তিনি যেমন লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন উন্নত করেছিলেন, তেমনি আমাদের সমাজকেও বদলে দিয়েছিলেন এবং এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেই সংস্কারক এমন এক বর্ণের ছিলেন যারা কেবল অস্পৃশ্যই ছিল না, বরং যাদের কাছে যাওয়াও নিষিদ্ধ ছিল। সেই সংস্কারক অবশ্যই ছিলেন নারায়ণ গুরু, যিনি ১৮৫৪ থেকে ১৯২৮ সাল পর্যন্ত জীবিত ছিলেন। * তিনি কোনো বহিরাগতের মতো আমাদের ঐতিহ্যকে বিদ্রূপ করেননি বা তাকে অপমান করেননি। তিনি ভারতের আক্রমণকারী বা শাসকদের সাথে কখনো হাত মেলাননি। উপনিষদের শিক্ষার মধ্যে নিজেকে নিমগ্ন করে তিনি আধ্যাত্মিক সচেতনতার সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছিলেন। আমাদের মহান ঋষিরা যেসব পদ্ধতি ও সাধনা বের করেছিলেন, সেগুলো অনুসরণ করেই তিনি সেই স্তরে পৌঁছেছিলেন। তিনি যখন এই অবস্থায় পৌঁছালেন, তার পুরো জীবনটাই গোঁড়াদের সেই শ্রেষ্ঠত্বের দাবির বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদ হয়ে উঠল। তার সেই দিব্য অবস্থা গোঁড়াদের এই দাবিকে ভুল প্রমাণ করল যে আধ্যাত্মিক জ্ঞান কেবল উচ্চবর্ণের জন্যই। আর তিনি সেই স্তরে পৌঁছেছিলেন বলেই সবাই তাকে শ্রদ্ধা জানাত। * [[নারায়ণ গুরু]]র উত্তরাধিকার হলো একটি উন্নত এবং সংহতিপূর্ণ সমাজ, যেখানে নিম্নবর্ণের মানুষরা শিক্ষিত এবং আত্মমর্যাদায় ভরপুর। আম্বেদকরের উত্তরাধিকার হলো একদল মানুষ যারা সবার ওপর চিৎকার করছে, সবসময় কেবল দাবি জানাচ্ছে ও নিন্দা করছে এবং যারা আত্মগ্লানি ও ঘৃণার মধ্যে ডুবে আছে; এটি এমন এক সমাজ যা নিজের সাথেই লড়ছে। নারায়ণ গুরুর উত্তরাধিকার হলো এক পুনর্জীবিত দেশ। আম্বেদকরের উত্তরাধিকার হলো এমন এক দেশ যা তার নিজের অতীত নিয়ে গভীর লজ্জায় আচ্ছন্ন। আর এর ফলে তা আরও বেশি অক্ষম হয়ে পড়েছে। ==== ''ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসি'' (১৯৯৮) ==== * "ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা" আডবাণীর রথ হিন্দুদের মধ্যে যে প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে তা দেখে ঘাবড়ে গেছেন। কিন্তু কেবল রথ এই প্রতিক্রিয়া তৈরি করেনি। শাহ বানোর রায় পাল্টে দেওয়া এবং [[সালমান রুশদি]]কে নিষিদ্ধ করার মতো "জয়গুলো", যেগুলোকে "ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরা" উচ্চকণ্ঠে প্রশংসা করেছিল; মানচিত্র এবং তালিকার মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোকে এটি বিশ্বাস করানোতে সফল হওয়া যে মুসলিমরা শত শত নির্বাচনী এলাকায় তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে; পাঞ্জাব এবং [[কাশ্মীর]]ের সহিংসতার "জয়গুলোর" কথা না-ই বা বললাম। এই প্রতিক্রিয়া হলো আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থার এই বিকৃতিগুলোর সম্মিলিত ফল। ** অরুণ শৌরির "প্রতিক্রিয়া উসকে দেওয়া", যা গোয়েল, এস.আর. (সম্পাদক) সম্পাদিত: ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন – সেকুলার থিওক্রেসি ভার্সেস লিবারাল ডেমোক্রেসিতেও রয়েছে। ==== ''এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস: দেয়ার টেকনোলজি, দেয়ার লাইন, দেয়ার ফ্রড'' (১৯৯৮) ==== * ১৯৯৮ সালের জুন-জুলাই মাসে প্রগতিশীলরা বেশ শোরগোল তুলেছিলেন। তারা চিৎকার করে বলেছিলেন যে সরকার ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ হিস্টোরিক্যাল রিসার্চে রাম মন্দির পন্থী ঐতিহাসিকদের জায়গা দিয়েছে। তারা চিৎকার করে বলেছিলেন যে সরকার গোপনে কাউন্সিলের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য বদলে ফেলেছে। নিজেদের চিরকালীন স্বভাব অনুযায়ী, তারা একটি মনগড়া গল্প ছড়িয়ে এই হাঙ্গামা শুরু করেছিলেন। আর তাদের সেই পুরনো অভ্যাস মতোই, তারা অন্যদের বিরুদ্ধে এমন কিছু করার অভিযোগ তুলছিলেন যা তারা নিজেরা গত কয়েক দশক ধরে করে আসছিলেন, অর্থাৎ কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে ইতিহাস লেখা। * ‘আওরঙ্গজেবের ধর্মীয় নীতি’ সংক্রান্ত অধ্যায়ে সবচেয়ে বড় আকারের পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সে হিন্দুদের সাথে প্রকৃতপক্ষে কী করেছিল, তাদের মন্দিরের কী করেছিল, তার শাসনের মূল উদ্দেশ্য, ইসলামের প্রভাব বিস্তারের প্রতিটি ইঙ্গিত বই থেকে ছেঁটে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাকে এমন একজন হিসেবে তুলে ধরতে হবে যার গান-বাজনা এবং রাজদরবারে নর্তকীদের উপস্থিতির প্রতি এক ধরণের সাধারণ অনীহা ছিল, প্রায় ধর্মনিরপেক্ষ এক অনীহা, আর কেবল এই কারণেই সে ওইসব নিষিদ্ধ করেছিল... এক কথায়, কোনো জোরপূর্বক ধর্ম পরিবর্তন নয়, কোনো গণহত্যা নয়, কোনো মন্দির ধ্বংস নয়। কেবল এই যে হিন্দুধর্ম এক শোষণমূলক এবং বর্ণবাদী সমাজ তৈরি করেছিল। ইসলাম ছিল সাম্যবাদী। তাই নিপীড়িত হিন্দুরা ইসলাম গ্রহণ করেছিল!<br/> সে সময়ের মুসলিম ঐতিহাসিকরা নরকে পাঠানো কাফিরদের স্তূপ দেখে উল্লাসে ফেটে পড়েছেন। মুসলিম ঐতিহাসিকরা শাসকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ কারণ সে মন্দির ধ্বংস করেছে এবং লাখ লাখ মানুষকে ইসলামের আলোর মুখ দেখিয়েছে। দ্য হেদায়ের মতো আইনগ্রন্থগুলোতে ঠিক সেই বিকল্পগুলোর কথাই বলা হয়েছে যা এই ছোট ছোট পাঠ্যবইগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছিল। '''সবকিছুই ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে।'''<br/>'''বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাসের নামে বস্তুনিষ্ঠ ধামাচাপা। আর আজ যদি কেউ এই পাঠ্যবইগুলোতে সত্য ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে, তবে চিৎকার ওঠে, ‘ইতিহাসের সাম্প্রদায়িক পুনর্লিখন’।''' * এই বিশিষ্ট ব্যক্তিদের আসল অপরাধ আর্থিক ক্ষতির মধ্যে নেই। আসল ক্ষতি হলো তারা আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোর যে করুণ দশা করেছেন। এর কারণ তাদের অবহেলা—যার ফলে আমাদের দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সব প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়েছে। তার চেয়েও বড় অপরাধ হলো তারা ওই প্রতিষ্ঠানগুলোকে যেভাবে ব্যবহার করেছেন।<br/>তারা সেগুলোকে আয়েশি সময় কাটানোর জন্য ব্যবহার করেছেন। তারা একে অপরের সুনাম বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করেছেন। তবে সবচেয়ে খারাপ বিষয় হলো তারা এই প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করে জনমানসে ভুল তথ্য ছড়িয়েছেন এবং এর ফলে জননীতিকে ভুল পথে চালিত করেছেন।<br/> তারা ভারতকে এমন এক ফাঁকা ভূমি হিসেবে তুলে ধরেছেন যা একের পর এক আক্রমণকারীরা এসে পূর্ণ করেছে। '''তারা বর্তমান ভারত এবং বিশেষ করে হিন্দুধর্মকে একটি চিড়িয়াখানা বানিয়ে ফেলেছে—নানা ধরণের অসম এবং বিচ্ছিন্ন উপাদানের এক স্তূপ। তাদের মতে ভারত বলে কিছু নেই, এটি কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ এবং ব্রিটিশদের তৈরি এক ধারণা; হিন্দুধর্ম বলে কিছু নেই, এটি কেবল আরবদের ব্যবহৃত একটি শব্দ যা তারা এখানে এসে নানা ধরণের মানুষের দেখা পাওয়ার পর ব্যবহার করেছিল এবং এটি কেবল সাম্প্রদায়িকদের এক উদ্ভাবন যা তারা এক অভিন্নতা চাপিয়ে দেওয়ার জন্য তৈরি করেছে, এটিই ছিল তাদের অবস্থান। এর জন্য তারা আমাদের ইতিহাসের হিন্দু যুগকে কলঙ্কিত করেছে এবং আমরা দেখতে পাব যে তারা ইসলামি শাসনকে ধোলাই করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছে।''' তারা প্রাচীন ভারতের সামাজিক ব্যবস্থাকে শোষণের চরম উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং চরমপন্থী মতাদর্শগুলোকে সাম্যবাদী ও ন্যায়পরায়ণ হিসেবে তুলে ধরেছে।<br/>তারা আমাদের প্রাচীন সংস্কৃতিকে ছোট করে দেখিয়েছে এবং যেসব সমন্বিত উপাদান কোনোমতে টিকে ছিল সেগুলোকে অতিরঞ্জিত করে একটি আস্ত সংস্কৃতি হিসেবে প্রচার করেছে, যেটাকে তারা ‘সমন্বিত সংস্কৃতি’ বলে থাকে। কোন সংস্কৃতিটি আসলে সমন্বিত নয়? আর এই পুরোটা সময় তারা আমাদের মানুষের জীবনের সাধারণ উপাদানগুলো নিয়ে মূল তথ্যগুলো লুকানোর চেষ্টা করেছে: তারা লুকিয়েছে যে ইসলামি শাসক এবং উলেমাদের এক হাজার বছরের প্রবল চেষ্টার পরেও এই উপাদানগুলো টিকে ছিল, তারা লুকিয়েছে যে গত দেড়শ বছরের মিশনারি এবং ব্রিটিশ শাসকদের প্রচেষ্টার পরেও এগুলো বেঁচে ছিল। তারা প্রতিটি অংশকে উসকে দিয়ে তাদের আলাদা পরিচয় খুঁজে নিতে বাধ্য করার চেষ্টা করেছিল। সবচেয়ে বড় কথা হলো এই বুদ্ধিজীবীরা তাবলিগ জামাত এবং গির্জার মতো সংগঠনগুলোর বর্তমান কার্যক্রম থেকে মানুষের নজর পুরোপুরি সরিয়ে দিয়েছেন। এই সংগঠনগুলো তাদের অনুসারীদের তাদের হিন্দু প্রতিবেশীদের সাথে থাকা সব মিল এবং বিশ্বাস ত্যাগ করানোর জন্য সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করছে এবং প্রচুর সম্পদ ব্যয় করছে।<br/> এই বুদ্ধিজীবী এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকরা এক ভয়াবহ কৌশল নিয়েছেন: আমাদের দেশ ও মানুষের উদার ধর্ম এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ আধ্যাত্মিক সাধনাকে তারা অসহিষ্ণু, সংকীর্ণমনা ও অন্ধকারাচ্ছন্ন হিসেবে তুলে ধরেছেন; আর একপাক্ষিক এবং চরমপন্থী মতাদর্শগুলোকে ইসলাম, খ্রিস্টধর্ম এবং মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদ, তারা সহনশীলতা, উদারতা, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে প্রচার করেছেন! * আর একটি কথা: আরএসএসের কোনো প্রকাশনায় যদি আমার একটি সাক্ষাৎকারও ছাপা হয়, তবে সেটিই আমি সাম্প্রদায়িক হওয়ার প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়; কিন্তু এই প্রগতিশীলদের নীতি এতটাই শক্ত যে তারা নিজে কমিউনিস্ট পার্টির প্রকাশনায় নিজেদের নামে নিবন্ধ লিখলেও তাদের নিরপেক্ষতা বজায় থাকে! * আমরা যেমনটা দেখেছি, ১৯৮৯ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে নির্দেশিকা জারি করেছিল তার স্পষ্ট অংশ ছিল যে ভারতে ইসলামি শাসন নিয়ে কোনো নেতিবাচক কথা বলা যাবে না। যদিও সে সময়ের ইসলামি লেখকরা এই বিষয়গুলো নিয়েই আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন, তবুও মুসলিম শাসকদের মন্দির ধ্বংস করা, হিন্দুদের জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করা অথবা হিন্দু জনগোষ্ঠীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া অন্যান্য অসমর্থতা নিয়ে কোনো উল্লেখ থাকা চলবে না। ওই নির্দেশিকার সাথে যে অংশগুলো বাদ দিতে হবে তার একটি তালিকা এবং বদলে কী লিখতে হবে তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল। যে অংশগুলো বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সেখানে সত্যকে বরং বেশ কমিয়েই বলা হয়েছিল। অন্যদিকে যেসব অংশ ঢোকানোর চেষ্টা করা হয়েছিল সেগুলো ছিল পুরোপুরি মিথ্যা: যেমন আলাউদ্দিন খিলজির মতো ইসলামি শাসকের অধীনে জিজিয়া কর দিয়ে হিন্দুরা নাকি স্বাভাবিক জীবন কাটাতে পারত! আজ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীনে যেসব পাঠ্যবই ব্যবহার করা হচ্ছে সেগুলো গভীরভাবে পড়লে বোঝা যায় যে এটি কেবল ইসলামি শাসনের নিষ্ঠুরতা মুছে ফেলার চেষ্টা নয়, বরং এর পেছনে অনেক গভীর ও ব্যাপক পরিকল্পনা রয়েছে। * বাংলায় এই শিক্ষাবিদদের অবস্থান অবশ্যই সিপিআই(এম)-এর দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার ফলে মজবুত হয়েছে। কিন্তু তাদের প্রভাব কেবল ওই রাজ্যের শিক্ষা এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। তাই জাতীয় স্তরেও ছাত্রদের ওপর একই ধরণের মতাদর্শ চাপিয়ে দিতে দেখা যাচ্ছে। বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাশনের টান এতটাই শক্তিশালী এবং এই প্রভাবশালী চক্রটি একজন শিক্ষাবিদের ক্যারিয়ারের জন্য এতটাই মারাত্মক হতে পারে যে অনেক সময় ওই শিক্ষাবিদ তাদের তত্ত্ব এবং মতামতের সাথে একমত না হলেও শেষ পর্যন্ত সেগুলোই আওড়াতে থাকেন। না হলে এনসিইআরটির মতো প্রতিষ্ঠানগুলো তার পান্ডুলিপি পাঠ্যবই হিসেবে গ্রহণ করবে না অথবা সেটির কোনো পর্যালোচনাই হবে না.... * কারসাজিটা লক্ষ্য করুন। মন্দির মেরামত করা বৈধ! গ্রামে মন্দির তৈরি করা যেতে পারে! বাড়ির গোপনীয়তার মধ্যে মন্দির বানানো যেতে পারে! অর্থাৎ উদার নীতিই হলো নিয়ম যা কেবল যুদ্ধের সময় লঙ্ঘন করা হয়! আর ওই সময়ে যাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা হয় বা যাদের ধ্বংস করা হয় তারা তো আসলে ইসলামের শত্রু! শান্তির সময়, যা সাধারণত সবসময়ই থাকে, ওই নিয়মটিই বজায় থাকে—অর্থাৎ হিন্দুরা প্রকাশ্যে এবং আড়ম্বরের সাথেই তাদের ধর্ম পালন করে! এই দাবিগুলোর প্রতিটিই নির্লজ্জ মিথ্যা। কিন্তু এই ঐতিহাসিকরা যেহেতু প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বুদ্ধিবৃত্তিক শুদ্ধতার মানদণ্ড ঠিক করে দিয়েছেন, তাই যে কেউ এই মিথ্যাগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুললে তাকেই ভুল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এমনকি যদি সে সেই সময়ের বিখ্যাত ইসলামি ঐতিহাসিকদের লেখা উদ্ধৃত করেই প্রশ্ন তোলে, তবুও তাকেই দোষী করা হয়। * একবার যখন তারা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দখল করে নিল, একবার যখন তারা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কবজা করল এবং এর মাধ্যমে ঠিক করল কী পড়ানো হবে, কোন বইগুলো পাঠ্য হবে, কী প্রশ্ন করা হবে আর কোন উত্তরগুলো গ্রহণযোগ্য হবে, তখন এই ঐতিহাসিকরাই ইতিহাস আসলে কী ছিল তা নির্ধারণ করতে শুরু করলেন! যেহেতু তাদের বর্তমান রাজনীতি এবং সুবিধার জন্য হিন্দুধর্মকেও অসহিষ্ণু হিসেবে দেখানো প্রয়োজন, তাই তারা আম্বেদকরের বলা সেই কথাগুলো এড়িয়ে যাবেন যেখানে সে বৌদ্ধধর্মের ওপর ইসলামি আক্রমণের ভয়াবহ পরিণতির কথা বলেছিল। আম্বেদকর তার থটস অফ পাকিস্তান বইতে এই আক্রমণ এবং মুসলিম শাসন সম্পর্কে যা বলেছিল তা তারা পুরোপুরি চেপে যাবেন, কিন্তু তার করা ‘ব্রাহ্মণ্যবাদ’-এর নিন্দা এবং মৌর্যদের প্রতিষ্ঠিত বৌদ্ধ ভারতকে ব্রাহ্মণ শাসকরা পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করে শেষ করে দিয়েছে—এই ধরণের মতামতগুলো বারবার প্রচার করবেন।<br/>এভাবেই তারা তথ্য গোপন করেন, কিছু তথ্য বানিয়ে বলেন, এমনকি কোনো লেখক একটি বিষয়ে কী বলেছেন তা ধামাচাপা দিয়ে অন্য বিষয়ে তার বলা কথাকে ধ্রুব সত্য হিসেবে প্রচার করেন। আর যখনই কেউ আসলে কী ঘটেছিল তা তুলে ধরার চেষ্টা করে, তখনই তারা সমস্বরে চিৎকার শুরু করেন: ইতিহাস নতুন করে লেখার ষড়যন্ত্র চলছে, তারা চিৎকার করেন; ইতিহাস বিকৃত করার চক্রান্ত হচ্ছে, তারা চিৎকার করেন। '''কিন্তু তারাই প্রথম থেকে ইতিহাস বিকৃত করে আসছেন—সত্য গোপন করে এবং মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে।''' * আর এই ঐতিহাসিকদের চতুরতা দেখুন। তারা দাবি করেন যে জাতীয় সংহতির স্বার্থে এই ধরণের তথ্য এবং ঘটনাগুলো ধামাচাপা দেওয়া উচিত: তারা বলেন এগুলো মনে রাখলে মুসলিমরা ক্ষুব্ধ হবে এবং হিন্দুদের মনে মুসলিমদের প্রতি ঘৃণা জন্মাবে। একই সাথে তারা হিন্দুরা বৌদ্ধ মন্দির ধ্বংস করেছে—এমন একটি গল্প বানিয়ে প্রচার করার ওপর জোর দেন। এই গল্প কি বৌদ্ধদের থেকে হিন্দুদের দূরে সরিয়ে দেবে না? বিশেষ করে যখন এর পেছনে তথ্যের কোনো লেশমাত্র নেই, তখন এমন কাহিনী কি হিন্দুদের মন বিষিয়ে দেবে না? * একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—আর্য-দ্রাবিড় বিভাজন, ইসলামি আক্রমণের প্রকৃতি, ইসলামি শাসনের ধরণ, স্বাধীনতা সংগ্রামের চরিত্র—প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা এই বৈশিষ্ট্যটি দেখতে পাই: সত্য গোপন করা এবং মিথ্যা প্রচার করা। গত ত্রিশ বছরের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে এটিই সবচেয়ে বড় কেলেঙ্কারি। এই বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের পক্ষে এটি করা সম্ভব হয়েছে কারণ তারা আইসিএইচআরের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ পেয়েছিলেন। এই মিথ্যা দূর করতে হলে ওই নিয়ন্ত্রণও দূর করতে হবে। * এবং এভাবেই—অন্য ধর্মের পবিত্র মন্দিরের ধ্বংসস্তূপের মাঝে এবং অন্য ধর্মের শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিদের লাশের স্তূপের মাঝে। তা সত্ত্বেও আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের কাছে এটি হলো উদার সহনশীলতার নীতি! সম্পূর্ণ ধর্মনিরপেক্ষ অনুপ্রেরণায় পরিচালিত একটি সহনশীলতার নীতি! * কিন্তু এখানে ভারতে আগের বুলি এবং বিভাগগুলোর সাধারণ আবৃত্তিই যথেষ্ট ছিল। তাই এই বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের ইতিহাস রচনার বৈশিষ্ট্য কেবল তাদের প্রভুদের প্রতি আনুগত্যই নয়, বরং এটি তাদের এক ধরণের সরলমনস্কতা!<br/>তবে আরও একটি বিষয় আছে। ইসলামি শাসনকে ধোয়া-মোছা করাই এই ঐতিহাসিকদের কাজের একমাত্র বৈশিষ্ট্য নয়। এর সাথে যোগ হয়েছে দেশের প্রাক-ইসলামি যুগ এবং ঐতিহ্যের প্রতি এক প্রবল ঘৃণা। বছরের পর বছর ধরে সোভিয়েত এনসাইক্লোপিডিয়াগুলোতে ভারত সম্পর্কে তথ্যগুলো ধীরে ধীরে নমনীয় হয়েছে। তারা খুব দ্বিধার সাথে হলেও স্বীকার করতে শুরু করেছিল যে চীন এবং ভারতের মতো দেশগুলোর ক্ষেত্রে পুরনো বিভাগগুলো হয়তো কিছুটা বদলে নিতে হতে পারে। তারা স্বীকার করতে শুরু করেছিল যে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পর্যায় একে অপরের সাথে মিশে থেকেছে। আর হয়তো কেবল কূটনৈতিক কারণেই তারা আরও বেশি সতর্ক হয়েছিল—আমাদের ঐতিহ্যকে কলঙ্কিত করা এড়িয়ে গিয়েছিল।<br/>সোভিয়েতদের দুই খন্ডের বই এ হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়াতে আমরা ভারতের ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায় নিয়ে কমবেশি একই ধরণের বর্ণনা পাই যা আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের বইতেও আছে। কিন্তু সোভিয়েতদের বইতে সেই ঘৃণা এবং বিদ্বেষের কোনো চিহ্ন নেই যা আমরা আমাদের বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের বইতে দেখতে পাই। * তাই দুটি বিষয় মনে রাখতে হবে। প্রথমত, আমাদের বন্ধুরা কেবল মার্ক্সবাদী নন, তারা মেকলের অনুসারীও। দ্বিতীয়ত, তারা এক বিশেষ ধরণের মার্ক্সবাদী। তারা সেই অর্থে মার্ক্সবাদী যে তারা নিজেদের মার্ক্সবাদী মনে করেন এবং বারবার গুটিকয়েক মার্ক্সবাদী বুলি আওড়াতে থাকেন। কিন্তু মার্ক্সবাদী ঐতিহাসিক হওয়ার চেয়ে তারা আসলে শাসনব্যবস্থার অনুগত ঐতিহাসিক ছিলেন। তাদের তত্ত্ব এবং মতামত কেবল মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদের মূল বইগুলোর সাথেই মেলেনি, বরং তা কংগ্রেসী শাসকদের আদর্শ এবং প্রয়োজনের সাথেও মিলে গিয়েছে। * বর্ণ বাস্তব। শ্রমিক শ্রেণি বাস্তব। নাগা হওয়া বাস্তব। '''কিন্তু ভারত কেবল একটি ভৌগোলিক শব্দ!''' একইভাবে মুসলিম হওয়া অবশ্যই বাস্তব—ইসলামকে গ্রানাইট পাথরের মতো একটি অভিন্ন ব্লক হিসেবে দেখতে হবে এবং কথা বলতে হবে—... '''কিন্তু হিন্দুধর্ম? কেন, এমন তো কিছু নেই: এটি কেবল কিছু বিচ্ছিন্ন বিশ্বাস এবং আচারের সমষ্টি'''—... '''আর যে কেউ এর উল্টো কিছু দাবি করে, তাকেই এক ঐক্য চাপিয়ে দেওয়া অথবা অভিন্নতা তৈরি করার চেষ্টাকারী হিসেবে ফ্যাসিবাদী তকমা দেওয়া হয়।''' আমাদের প্রগতিশীল চিন্তাবিদরাই এগুলো বলে আসছেন। এক কথায়, কেবল খন্ডিত অংশগুলোই বাস্তব। আর পুরোটা কেবল একটি তৈরি করা ধারণা। এই চিন্তাবিদরা জোর দিয়ে বলেন যে ভারত কখনোই এক ছিল না—সাম্রাজ্য শাসনের উদ্দেশ্যে আর্যরা, মুঘলরা এবং ব্রিটিশরা বিভিন্ন মানুষ ও অঞ্চলকে একসাথে জুড়ে দিয়েছিল। যে কেউ সেই ধারণাকে—অর্থাৎ ভারতকে—আমরা কোন কাঠামোর অধীনে বাস করব তার মাপকাঠি হিসেবে ব্যবহার করতে চায়, তাকেই হিন্দু আধিপত্য কায়েম করার গোপন পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। * এটি এক অর্থে মেকলে-মিশনারি কৌশলেরই ধারাবাহিকতা এবং চূড়ান্ত রূপ। ব্রিটিশরা হিসাব কষে দেখেছিল যে ভারতকে জয় করতে এবং দখলে রাখতে হলে এদেশের মানুষের মূল ভিত্তিটাই দুর্বল করে দিতে হবে: আর তা হলো হিন্দুধর্ম এবং যা কিছু এর থেকে সৃষ্টি হয়েছে। তাই তারা খুব জেদ নিয়েই পাঁচটি বিষয়ের প্রতি মানুষের বিশ্বাস এবং শ্রদ্ধা নষ্ট করতে নেমেছিল: হিন্দুরা যেসব দেব-দেবীর পূজা করে; যেসব মন্দির ও মূর্তিতে তাদের অধিষ্ঠান; তাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থগুলো; যেসব ভাষায় সেই ধর্মগ্রন্থ এবং ঐতিহ্যের সবকিছু সংরক্ষিত—অর্থাৎ সংস্কৃত; এবং সেই গোষ্ঠী যাদের বিশেষ দায়িত্ব ছিল হাজার বছর ধরে এই জীবনধারাকে রক্ষা করা—অর্থাৎ ব্রাহ্মণরা। একই কৌশলের অন্য অংশটি ছিল খন্ডিত অংশগুলোকে উসকে দেওয়া—অহিন্দুরা, আঞ্চলিক ভাষাগুলো এবং সেই বর্ণ ও গোষ্ঠীগুলো যাদের সহজেই মিশনারি এবং সাম্রাজ্যের পথে আনা যাবে—যেমন সহজ-সরল উপজাতি এবং অস্পৃশ্যরা। * পরিস্থিতিটা এখন এইরকম: গত আধ শতাব্দী ধরে ভারতে যারা জনপরিসরের আলোচনায় আধিপত্য বিস্তার করেছে, নিয়ন্ত্রণ করেছে এবং অন্যদের আতঙ্কিত করে রেখেছে, তাদের হাতে এখন কোনো তথ্য বা যুক্তি অবশিষ্ট নেই। যারা তাদের ‘অভ্যন্তরীণ আলোচনার’ খবর রাখেন তারা এটি দেখতে পাবেন—তারা ক্রমশ আরও ছোট গণ্ডির মধ্যে কথা বলছেন; আর এই সংকুচিত হতে থাকা গণ্ডিতে তারা স্রেফ পুরনো বুলি আউড়ে যাচ্ছেন, সেখানে নতুন কোনো চিন্তা বা নতুন কোনো তথ্য নেই। আর আমরা যেমনটা দেখেছি, এটি আগে থেকেই ধারণা করা যায়: তাত্ত্বিক বুলিগুলোর পুনরাবৃত্তি করাই তাদের জন্য কেবল প্রয়োজনীয় নয়, বরং যথেষ্ট। * ‘আমি নিজেই আপনার বইটির পর্যালোচনা করতে চাই,’ ওরশিপিং ফলস গডস সম্পর্কে আমাদের একটি প্রধান সংবাদপত্রের সম্পাদক বলেছিলেন। ‘কিন্তু আমি যদি এর প্রশংসা করি, তবে তারা আমার পেছনেও লাগবে। আমাকেও সাম্প্রদায়িক, উচ্চবর্ণের লোক—এইসব বলা হবে।’ ‘অসাধারণ অরুণ, এটা সত্যিই চমৎকার ছিল,’ একজন শীর্ষস্থানীয় ভাষ্যকার বলেছিলেন যিনি ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে একটি পর্যালোচনা লিখেছিলেন। ‘কিন্তু আপনি তো বোঝেনই, আমি ছাপার অক্ষরে এই সবকিছু বলতে পারিনি। তবে এটি সত্যিই অসাধারণ। আপনি এত পরিশ্রম করেন কীভাবে?’ এমনকি পর্যালোচক নির্বাচনের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যায়। কোনো বামপন্থীর লেখা বই হলে সম্পাদকরা ভিন্ন মতাদর্শের কাউকে সেটি দিতে দ্বিধা করেন: ‘তারা বলবে আমি ইচ্ছা করে একজন ডানপন্থীকে এটি দিয়েছি,’ সম্পাদকরা সম্ভবত এভাবেই ব্যাখ্যা দেন। অন্যদিকে, তারা যাকে ডানপন্থী বলে ঠিক করে রেখেছেন তেমন কারো বই হলে, তারা অন্য কোনো ব্র্যান্ডেড ডানপন্থীকে সেটি দিতে ভয় পান: ‘তারা আমাকে দোষ দেবে যে আমি ইচ্ছা করে এমন একজনকে বইটি দিয়েছি যে এর প্রশংসা করবেই,’ তারা অভিযোগের সুরে বলবেন। তাই এই ধরনের ক্ষেত্রে তারা ইচ্ছা করে বইটি এমন কাউকে দেন যে ‘এর নিন্দা করবেই’! * এছাড়াও আমাদের শেখানো হয় যে, আওরঙ্গজেবের মতো কেউ যখন মন্দির ধ্বংস করেন, তখন কী ঘটেছিল এবং কেন ঘটেছিল তা আন্দাজ করার ক্ষেত্রে আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে... আমাদের শেখানো হয় যে, দিল্লির কুওয়াত-উল-ইসলাম মসজিদের মতো প্রাথমিক স্মৃতিস্তম্ভগুলো নাকি ‘খুব দ্রুত’ তৈরি করতে হয়েছিল... এটি কেবল রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য! আর সেই ধর্মের কী হবে যা দাবি করে যে ধর্মীয় বিশ্বাসই সব এবং রাজনীতিকে ধর্ম থেকে আলাদা করা যায় না? আর এর নাম: কুওয়াত-উল-ইসলাম মসজিদ, মানে ইসলামের শক্তির মসজিদ? অবশ্যই ধরে নিতে হবে এটি স্রেফ নামমাত্র! আর লক্ষ্য করুন: ‘সহজলভ্য উপকরণগুলো সংগ্রহ করে যুক্ত করা হয়েছিল’, সেগুলো ‘স্পষ্টতই হিন্দু উৎস থেকে এসেছিল’—হয়তো সেই উপকরণগুলো এমনিই পড়ে ছিল; হয়তো মন্দিরগুলো আগেই নিজে নিজে ভেঙে পড়েছিল; হয়তো হিন্দুরা স্বেচ্ছায় তাদের মন্দির ভেঙে সেই উপকরণগুলো দান করেছিল? তাই নয় কি? সর্বোপরি তারা যে তা করেনি তার তো কোনো প্রমাণ নেই! আর তাই ‘লুণ্ঠিত’ শব্দটি বারবার উদ্ধৃতি চিহ্নের মধ্যে রাখা হয়! <br/> প্রকৃতপক্ষে আরও অনেক কিছু আছে। ইসলামি মসজিদ তৈরির জন্য হিন্দু মন্দিরের এই উপকরণগুলোর ব্যবহার নাকি ‘স্থানীয় কারিগরদের স্থাপত্যগত সংজ্ঞা ও খাপ খাইয়ে নেওয়ার একটি প্রক্রিয়ার অংশ ছিল, যা ইসলামি ব্যবহারের জন্য দক্ষিণ এশীয় স্থাপত্যের পরবর্তী উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য ছিল’। এর ফলে মূল দায়ভার গিয়ে পড়ে সেই ‘স্থানীয় কারিগর’ এবং তাদের ‘খাপ খাইয়ে নেওয়ার’ ওপর। ফলে কুতুব মিনার চত্বরের বৈশিষ্ট্যগুলো ‘স্থপতি এবং খোদাইকারদের একটি নতুন কর্মসূচির প্রতি সৃজনশীল প্রতিক্রিয়া’ হিসেবে তুলে ধরা হয়। একটি মসজিদ যেখানে স্পষ্টভাবে হিন্দু মন্দিরের স্তম্ভসহ অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে এবং যেখানে নির্দ্বিধায় ‘কেন্দ্রীয় গম্বুজের কাঠামোয় হিন্দু দেবতাদের খোদাই করা একটি লিন্টেল বা পাথরের কড়িকাঠ এমনভাবে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে ছবিগুলো দেয়ালের ভেতরের দিকে থাকে’, সেটি নাকি ‘কোনো নিয়ম ঠিক করার জন্য’ করা হয়নি। ‘বরং এটি স্থাপত্য, সজ্জা এবং সংশ্লেষণের ক্ষেত্রে সহযোগিতামূলক ও সৃজনশীল সম্ভাবনার দ্রুত অন্বেষণের উদাহরণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।’ এর বিপরীত সিদ্ধান্তগুলো নাকি ছিল ‘ভুল মূল্যায়ন’। আমরা নাকি ‘উদ্ধার করা অংশ’ দেখার ভুল করছি—কী চমৎকার একটি শব্দ, ‘উদ্ধার করা’: ওই অংশগুলো মন্দির ভেঙে পাওয়া যায়নি; সেগুলো ধ্বংসাবশেষ হিসেবে পড়ে ছিল এবং সময়ের সাথে সাথে নষ্ট হয়ে যেত; তার বদলে সেগুলোকে ‘উদ্ধার করা’ হয়েছে এবং নতুন পবিত্র ইমারতের অংশ হওয়ার মর্যাদা দেওয়া হয়েছে—‘উদ্ধার করা অংশ দেখার বদলে সেখানে সুস্থ সহযোগিতামূলক সৃজনশীলতা নতুন রূপ তৈরি করছে’। * তবুও এই সবকিছুর কোনোটিই আকস্মিক নয়। আমরা এই বইতে যেসব পাঠ্য পর্যালোচনা করেছি সেখানে দেখা যায়, এটি একটি নির্দিষ্ট ধারার অংশ। দেখা যায় ভারত নাকি একটি অতি সাম্প্রতিক ধারণা। এটি নাকি কোনো দেশ বা জাতি নয়। হিন্দুধর্ম একটি উদ্ভাবন হিসেবে প্রকাশ পায়—শব্দটি শুনে অবাক হলেন? কয়েক পৃষ্ঠা পড়লেই আর হবেন না—উনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে ব্রিটিশদের তৈরি এক উদ্ভাবন। একই সাথে এটি নাকি সবসময়ই সহজাতভাবে অসহিষ্ণু। প্রাক-ইসলামি ভারত ছিল অন্যায় এবং শোষণের আখড়া। ইসলামি শাসন শোষিতদের মুক্তি দিয়েছিল। এই সময়েই ভারতের গঙ্গা-যমুনা সংস্কৃতি তথা ‘সমন্বিত সংস্কৃতি’ গড়ে উঠেছিল, যার প্রধান প্রবক্তা ছিলেন আমির খসরু এবং সুফি সাধকরা ছিলেন এর উৎস। এমনকি সেই সময়েও জাতীয়তাবোধ তৈরি হয়নি। এটি কেবল ব্রিটিশ শাসনের প্রতিক্রিয়ায় এবং পশ্চিম থেকে আসা চিন্তাভাবনার ফলে তৈরি হয়েছে। কিন্তু এটিও—অর্থাৎ দেশ বা জাতি হওয়ার বোধ যতটুকু ছিল—তা কেবল ভারতের উচ্চবিত্তদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কমিউনিস্টরাই সাধারণ মানুষকে সচেতন করেছে এবং তাদের মধ্যে এই ধারণাগুলো ছড়িয়ে দিয়েছে। <br/> এক কথায়, ভারত বাস্তব নয়—কেবল এর অংশগুলোই বাস্তব। শ্রেণি বাস্তব। ধর্ম বাস্তব—আমাদের ধর্মের সাধারণ এবং বিশেষ সূত্রগুলো নয়, বরং ধর্মের সেই দিকগুলো যা আমাদের বিভক্ত করে এবং নিশ্চিত করে যে আমরা একটি জাতি বা দেশ নই, সেই উপাদানগুলোই বাস্তব। বর্ণ বাস্তব। অঞ্চল বাস্তব। ভাষা বাস্তব, আসলে এটি ভুল: যুক্তি হলো সংস্কৃত ছাড়া অন্য ভাষাগুলো বাস্তব; সংস্কৃত মৃত এবং বিলুপ্ত; যাই হোক, হোরেশ উইলসন হাউস অফ কমন্স সিলেক্ট কমিটিতে যেমন বলেছিলেন যে এটিই দেশের অন্যান্য ভাষার ভিত্তি এবং জীবন্ত ভিত্তি ছিল, তা সত্ত্বেও একে উচ্চবিত্তদের সংরক্ষিত এলাকা এবং আধিপত্য ও শোষণের হাতিয়ার হিসেবে দেখানো হয়েছে; এটি নাকি অসহায় জনসাধারণের মধ্যে মিথ্যা চেতনা টিকিয়ে রাখার একটি মাধ্যম ছিল। * পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ ১৯৮৯ সালে নির্দেশ জারি করেছিল যে ‘মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না।’ * অযোধ্যায় তাদের প্রতারণামূলক ভূমিকা, যা শেষ পর্যন্ত অন্য কারো চেয়ে তাদের মক্কেলদেরই বেশি ক্ষতি করেছে তা ছিল কেবল একটি লক্ষণ মাত্র। পঞ্চাশ বছর ধরে এই দলটি তথ্য গোপন করছে এবং মিথ্যা উদ্ভাবন করছে। আইসিএইচআরের সেই উদ্দেশ্য আমাদের অতীতের ঘটনাগুলো নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ এবং যৌক্তিক গবেষণার প্রসার ঘটানো—সেটি নিয়ে আজ তারা কতই না চিন্তিত হওয়ার ভান করছে! তাদের এই উদ্বেগ কীভাবে ১৯৮৯ সালে তাদের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া নির্দেশিকার সাথে মেলে যা আউটলুক নিজেই উদ্ধৃত করেছিল ‘মুসলিম শাসন নিয়ে কখনোই কোনো সমালোচনা করা যাবে না। মুসলিম শাসক এবং আক্রমণকারীদের মন্দির ধ্বংসের কথা উল্লেখ করা যাবে না?’ কিন্তু বৌদ্ধ বিহার ধ্বংসের পাইকারি মিথ্যাচার এবং অস্তিত্বহীন ‘আর্য আক্রমণ’ সম্পর্কে তাদের তথ্যগুলো অন্তর্ভুক্ত করা বাধ্যতামূলক, এগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলা মানেই হলো সাম্প্রদায়িক বা উগ্র জাতীয়তাবাদী হওয়া! আইসিএইচআরের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো দখল করা যথেষ্ট খারাপ ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটি ছিল একটি কৌশল মাত্র। এই ‘ঐতিহাসিকদের’ প্রধান অপরাধ হলো এই পক্ষপাতিত্ব: সত্য গোপন করা এবং মিথ্যা প্রচার করা। * সংবাদমাধ্যম তাদের প্রচেষ্টার এবং এই ক্ষেত্রে তাদের অর্জিত দক্ষতার একটি তৈরি উদাহরণ। তারা তাদের সদস্য এবং সমর্থকদের সাংবাদিকতায় নিয়ে আসার জন্য যত্ন নিয়েছেন। আর সাংবাদিকতার মধ্যে তারা ক্ষুদ্র গণ্ডিগুলোতেও মনোযোগ দিয়েছেন। বইয়ের কথাই ধরুন। তাদের কারো একটি বই কোনো পত্রিকায় পৌঁছানোর সাথে সাথেই সেটি পর্যালোচনার জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত ব্যক্তিদের নামের পরামর্শ চলে আসে। আমি যেমনটা বলেছি, যে সম্পাদক আপত্তি করেন এবং বইটি ভিন্ন মতাদর্শের কারো কাছে পাঠাতে চান তাকে দোষী মনে করানো হয়, যেন তিনি ইচ্ছা করে একটি পক্ষপাতদুষ্ট ও নেতিবাচক পর্যালোচনা নিশ্চিত করছেন। তাদের তালিকা থেকে কাউকে বেছে নেওয়া যে একটি পক্ষপাতদুষ্ট প্রশংসা নিশ্চিত করতে পারে, তা নিয়ে কোনো কথা বলা হয় না। প্রচলিত জনমতের চাপ এতটাই বেশি এবং সম্পাদকরা এড়ানো সম্ভব এমন ঝামেলা এড়াতে এতটাই উদগ্রীব যে, তারা দ্রুত প্রস্তাবিত নামগুলোর মধ্যে একজনকে বেছে নেন... <br/> গত পঞ্চাশ বছর ধরে সংবাদপত্র ও সাময়িকীর বইয়ের পাতাগুলো লক্ষ্য করলেই আপনি দেখতে পাবেন যে এই সাধারণ কৌশলটি কত বড় প্রভাব ফেলেছে। প্রকাশনা সংস্থাগুলোতে তাদের লোকজন গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে ছিল: আর তাই তাদের ধরণের বইগুলোই প্রকাশিত হতো। এরপর তারা একে অপরের বই পর্যালোচনা করত এবং পাঠ্য হিসেবে নির্দিষ্ট করত। এই সব প্রকাশনা এবং পর্যালোচনার ভিত্তিতে তারা একে অপরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং এ জাতীয় জায়গায় পদ পাইয়ে দিতে সক্ষম হতো... এমনকি যেসব প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব সম্পর্কে আমাদের বেশিরভাগের কোনো ধারণাই নেই, সেগুলোকেও ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। আমাদের মধ্যে কতজন সরকারের এমন একটি সংস্থার কথা জানেন যা সরকারি এবং অন্যান্য লাইব্রেরির জন্য পাইকারি বই কেনা নির্ধারণ করে? কিন্তু তারা জানে! তাই আপনি যদি লক্ষ্য করেন যে এই সংস্থাটি বছরের পর বছর ধরে কোন ধরণের বইয়ের অর্ডার দিচ্ছে, তবে আপনি সেগুলোকে প্রায় একচেটিয়াভাবে লাল এবং গোলাপি ঘরানারই পাবেন... <br/> এভাবে তাদের বইগুলো প্রকাশের জন্য নির্বাচিত হয়। তারা একে অপরের বই পর্যালোচনা করে। এর মাধ্যমে সুনাম তৈরি হয়। এর মাধ্যমে পদ দখল করা হয়। ছাত্রদের একটি নতুন প্রজন্ম একই চশমা পরে বড় হয়—আর এর অর্থ হলো সংবাদমাধ্যমে আরও একটি প্রজন্মের তৈরি হওয়া, আমলাতন্ত্রের আরও একটি প্রজন্ম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আরও একটি প্রজন্ম... * আমাদের উচিত দালাই লামার উদাহরণটি সামনে রাখা। তিনি ধ্যানের ওপর একটি তিব্বতি গ্রন্থের ওপর বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। তিনি একটি বাক্য পড়লেন, হাসলেন এবং মন্তব্য করলেন, ‘সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে বৌদ্ধধর্মীয় তত্ত্বগুলো লজ্জাজনক! এগুলো ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া উচিত!’ তিনি পরামর্শ দেন যে আমাদের কাছে সবসময় একটি ঝুড়ি রাখা উচিত, যা কিছু আমাদের বর্তমান জ্ঞানের সাথে মেলে না, সেগুলো সেই ঝুড়িতে ফেলে দেওয়া উচিত। ‘বৌদ্ধধর্মকে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে,’ তিনি এটাই শেখান। সেই অনুযায়ী তিনি বৌদ্ধ গ্রন্থগুলোকে সূক্ষ্ম পরীক্ষার জন্য উন্মুক্ত করেছেন। (...) এটি নিজের ঐতিহ্যের প্রতি আত্মবিশ্বাসকেই তুলে ধরে। এটিই হলো ঐতিহ্যের প্রকৃত সেবা। এতে থাকা ‘অমূল্য রত্ন’ ভবিষ্যতের জন্য রক্ষা করার উপায় এটিই। * কিন্তু আজ বৌদ্ধধর্মের বিলুপ্তির কারণ হিসেবে হিন্দুদের দ্বারা বৌদ্ধদের ওপর নির্যাতন এবং হিন্দুদের দ্বারা তাদের মন্দির ধ্বংসের কথা বলাটা একটি ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। একটি বিষয় হলো, যেসব মার্ক্সবাদী ঐতিহাসিক এই মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছেন তারা এই মনগড়া কাহিনী প্রমাণ করার জন্য সামান্যতম তথ্যও হাজির করতে পারেননি। একটি সাধারণ উদাহরণে রোমিলা থাপার তিনটি শিলালিপি উদ্ধৃত করেছিলেন। নিরলস কর্মী [[সীতরাম গোয়েল]] সেগুলো পরীক্ষা করে দেখেন। এর মধ্যে দুটির সাথে বৌদ্ধ বিহার বা সেগুলো ধ্বংসের কোনো সম্পর্কই পাওয়া যায়নি এবং যেটিতে একটি বস্তু ধ্বংসের কথা ছিল, সেটি বিশেষজ্ঞদের মতে ছিল একটি জাল শিলালিপি; যাই হোক না কেন, সেখানে যা বলা ছিল তা ওই ঐতিহাসিকের ইঙ্গিতের চেয়ে দিন আর রাতের মতো আলাদা ছিল। * সংলগ্ন পৃষ্ঠাগুলোতে দুটি কলাম আছে: অশুদ্ধ এবং শুদ্ধ। প্রগতিশীলরা ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে তাদের ‘বস্তুনিষ্ঠ’ এবং ‘যৌক্তিক’ পদ্ধতির মাধ্যমে কী অর্জন করার চেষ্টা করছেন তা এই পরিবর্তনগুলোর দিকে চোখ বুলালেই বোঝা যায়। * এভাবে কেবল সত্য গোপনই নয়, বরং আজেবাজে কথা প্রচারও করা হচ্ছে। ;বইটি সম্পর্কে * ‘বাম-উদারপন্থী’ বা ‘প্রগতিশীল’ ঐতিহাসিকদের প্রথম বড় সমালোচনা করেছিলেন অরুণ শৌরি, বিশেষ করে তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা আইসিএইচআরের অবস্থা নিয়ে। ** ডি. কে. চক্রবর্তী, ন্যাশনালিজম ইন দ্য স্টাডি অফ এনশিয়েন্ট ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি (আরিয়ান বুকস ইন্টারন্যাশনাল, দিল্লি)।[https://koenraadelst.blogspot.com/2021/02/a-case-of-good-nationalism-dk.html] * "বিশিষ্ট ঐতিহাসিকগণ" হলো সেই শব্দ যা দিয়ে তারা একে অপরকে ডাকে এবং তাদের ভক্তরা তাদের এই নামেই ডাকে। যখন কোনো প্রতিপক্ষের যুক্তির উত্তর তাদের কাছে থাকে না, তখন তারা তাকে যথেষ্ট ‘বিশিষ্ট’ নয় বলে দম্ভের সাথে উড়িয়ে দেয়। তাই অরুণ শৌরি যখন এই খাতের কিছু অপব্যবহার নিয়ে লিখেছিলেন, তখন তিনি তার বইয়ের নাম দিয়েছিলেন এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস। এটি ঔপনিবেশিক যুগের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে লেখা একটি পুরনো বই এমিনেন্ট ভিক্টোরিয়ানসের নাম নিয়ে করা একটি শব্দকৌতুকও বটে। ** এলস্ট, কে. [https://koenraadelst.blogspot.com/2016/05/interview-in-monthly-swarajya.html সাক্ষাৎকার, স্বরাজ্য, মে ২০১৬)] ===২০০০-এর দশক=== ==== ''হারভেস্টিং আওয়ার সোলস: মিশনারিস, দেয়ার ডিজাইন, দেয়ার ক্লেইমস'' (২০০০) ==== * আপনি যদি ১৯৯৮ সালের শেষ এবং ১৯৯৯ সালের শুরুর দিকে ভারতে থাকতেন এবং ইংরেজি মাধ্যমের "জাতীয়" সংবাদপত্রগুলো যদি আপনার খবরের উৎস হতো, তবে আপনি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছাতেন যে একটি ব্যাপক এবং সুসংগঠিত গণহত্যা চলছে; উন্মত্ত হিন্দু গোষ্ঠীগুলো ঘুরে ঘুরে সন্ন্যাসিনীদের ধর্ষণ করছে, মিশনারিদের ওপর আক্রমণ করছে এবং গির্জা পুড়িয়ে দিচ্ছে। (পৃষ্ঠা ৭) * শেষ পর্যন্ত দেখা গেল যে সত্যিই একটি চক্রান্ত ছিল এবং সেটি ছিল একটি সাম্প্রদায়িক চক্রান্ত। পুরো বিষয়টিই ছিল একটি সাজানো গল্প তাদের দ্বারা যাদের লক্ষ্য হলো হিন্দুদের উন্মত্ত সাম্প্রদায়িক হিসেবে চিত্রিত করা এবং আরএসএস, বিজেপি ইত্যাদিকে এমন এক সংগঠন হিসেবে তুলে ধরা যারা একটি "গণহত্যা" পরিচালনা করছে। জাস্টিস ওয়াধওয়া নথিবদ্ধ করেছেন, "তদন্তে প্রকাশ পেয়েছে যে সিস্টার মেরি এফআইআরে যা বলেছিলেন তা সত্য ছিল না। এটি একটি বানানো গল্প ছিল। তদন্তে দেখা গেছে যে বাস্তবে সিস্টার মেরির সাথে কোনো ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি... পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল বি.বি. পান্ডা জানিয়েছেন যে 'সন্ন্যাসিনী ধর্ষণের' ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে এমনভাবে প্রচার করা হয়েছিল যেন এটি খ্রিস্টানদের ওপর একটি আক্রমণ, যদিও বাস্তবে তা সত্য ছিল না এবং মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।" (৯-১০) * ঘটনাগুলোর সত্যতা এবং সেগুলোকে যেভাবে তুলে ধরা হয়েছিল তার মধ্যেকার এই পার্থক্য আমাদের সংবাদপত্র এবং টিভি চ্যানেলগুলোকে সতর্ক করা উচিত যেন তারা তথ্য যাচাই না করে হুট করে কোনো খবর প্রচার না করে। বিশেষ করে, তাদের কেবল সাম্প্রদায়িকতা ছড়ানো ব্যক্তিদের অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে চলা উচিত নয়। (১৩) * অর্থ থেকে শুরু করে আদর্শ কিংবা অতি নিম্নমানের রাজনীতি মিথ্যা অপবাদ তৈরির পেছনে বিভিন্ন গোষ্ঠীর বিভিন্ন কারণ থাকে। এদের মধ্যে অনেকগুলো খুব সুসংগঠিত; এমনকি আমরা দেখতে পাব যে কারো কারো বিশ্বজুড়ে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক আছে। তারা অত্যাচারের গল্প তৈরিতে এবং সেগুলো বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিতে অত্যন্ত দক্ষ হয়ে উঠেছে এবং তাদের এই উদ্ভাবনগুলোকে লাভজনক কাজে ব্যবহার করছে। (১৩) * হিন্দু নারীদের মধ্যে কাজ করাকে উচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে, তারা বলেন, "যেহেতু তারা এই ধর্মের রক্ষক"... (৬২) ==== ''সেল্ফ-ডিসিপশন: ইন্ডিয়াস চায়না পলিসিস; অরিজিনস, প্রিমিসেস, লেসনস'' (২০০৮) ==== :অরুণ শৌরি - সেল্ফ-ডিসিপশন: ইন্ডিয়াস চায়না পলিসিস; অরিজিনস, প্রিমিসেস, লেসনস-হার্পার কলিন্স (২০০৮, ২০১৩) * ২০০৮ সালের বেইজিং অলিম্পিকের ঠিক আগের মাসগুলোতে লাসায় তিব্বতিদের বিক্ষোভ দমনে চীন সরকার যে নির্মমতা তাদের চিরকালীন স্বভাবসিদ্ধ নির্মমতা দেখিয়েছিল, তা আবারও সেই বিশাল অপরাধের দিকে বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছিল যা পৃথিবী দেখতে অস্বীকার করেছে। তারা পরিকল্পিতভাবে একটি আস্ত জাতিকে তাদের নিজেদের মাটিতেই সংখ্যালঘু বানিয়ে ফেলেছে; তাদের ওপর অকথ্য নিষ্ঠুরতা চালানো হচ্ছে; একইভাবে পরিকল্পিতভাবে তাদের ধর্ম এবং প্রাচীন সভ্যতা মুছে ফেলা হচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন শহরের তিব্বতিরা যে বিক্ষোভ করেছে এবং তাদের সাথে ওই দেশগুলোর বহু সাধারণ মানুষ যেভাবে যোগ দিয়েছে, তার ফলও একই হয়েছে।<br>দিল্লিতে মনমোহন সিং সরকার যা করেছিল তেমনটি বিশ্বের অন্য কোনো সরকার করেনি। আমাদের সরকার যতটা ভীরু এবং আতঙ্কিত হয়ে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল, তেমনটি আর কেউ দেখায়নি। অলিম্পিক মশাল মাত্র দুই কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়ার কথা ছিল বিজয় চক থেকে ইন্ডিয়া গেট পর্যন্ত। সরকার সেই সামান্য রাস্তার ওপর এবং তার চারপাশে বিশ হাজারেরও বেশি সৈন্য, আধাসামরিক বাহিনী, পুলিশ এবং সাধারণ পোশাকে গোয়েন্দা মোতায়েন করেছিল। তিব্বতি শরণার্থীদের মারধর করা হয়েছিল এবং বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল। সরকারি অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। রাস্তাঘাট বন্ধ ছিল। মেট্রো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এমনকি পার্লামেন্ট সদস্যদেরও পার্লামেন্ট সংলগ্ন চত্বর বিজয় চক দিয়ে তাদের বাড়িতে যেতে বাধা দেওয়া হয়েছিল।<br>আপনার কি মনে হয় অলিম্পিকের প্রতি ভালোবাসার কারণে এই সবকিছু করা হয়েছিল?<br>না, এসব করা হয়েছিল চীনের ভয়ে। * ‘দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি’ এবং ‘বৃহত্তর বিবেচনা’ এই শব্দগুলো পণ্ডিতজির খুব পছন্দের ছিল। যখনই সে প্রথম শব্দটি ব্যবহার করত, আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন যে সে আসলে পিছু হটার জন্য ক্ষেত্র তৈরি করছে। আর যখনই সে দ্বিতীয় শব্দটি ব্যবহার করত, আপনি নিশ্চিত হতে পারেন যে সে নির্দিষ্টভাবে দেশের স্বার্থ বিসর্জন দেওয়ার জন্য ক্ষেত্র তৈরি করছে। * মনে করে দেখুন, সে তিব্বতিদের কী বলেছিল ভারত কূটনৈতিকভাবে সাহায্য করবে। এখন সেই সাহায্যের মানে দাঁড়াল এই যে, চীন যখন তিব্বতকে পিষে ফেলছে তখন ভারত চীনকে খুশি রাখবে, যাতে তারা তিব্বতকে আরও দ্রুত পিষে ফেলতে না পারে। * এই ধরণের যুক্তি থেকে যে প্রায়োগিক সিদ্ধান্ত বের হয় তা আমরা দেখতে পাই। যেহেতু মূল অগ্রগতি এখন থমকে গেছে, তাই আমাদের কিছু করার নেই। যখন মূল অগ্রগতি আবার শুরু হবে, তখন পুরো চিত্রটি পরিষ্কার হবে না। যখন তা সম্পন্ন হবে এবং জায়গাটি পুরোপুরি দখল হয়ে যাবে, তখনও আমাদের কিছু করার থাকবে না কারণ ততক্ষণে জায়গাটি দখল হয়ে গেছে। আমাদের কিছু করা বা বলা কেবল দখলদারদের রাগিয়ে দেবে এবং এর ফলে বেচারা তিব্বতিদের আরও বেশি কষ্ট হবে! * অর্থাৎ সে অনেক লম্বা চওড়া কথা বলে, কিন্তু সদস্যরা যেসব নির্দিষ্ট বিষয় তুলেছেন তার কোনোটিই সে প্রায় স্পর্শ করে না। * সে যেসব দৃষ্টিভঙ্গিকে অপছন্দ করে সেগুলো নাকি সবসময় ভারসাম্যহীন; অথবা অতীতের চিন্তায় আটকে থাকা; অথবা কোল্ড ওয়ার বা ঠান্ডা লড়াইয়ের ধাঁচে গড়া; অথবা কেবল ব্যক্তিগত এবং আবেগপূর্ণ... * ভারতের আমন্ত্রণে দালাই লামা ভারতে এসেছেন। নেহরু ১৯৫৬ সালের ২৬ এবং ২৮ নভেম্বর তার সাথে দেখা করে। দালাই লামা অত্যন্ত বিচলিত ছিলেন। নেহরু তাদের আলোচনার মূল বিষয়গুলো লিখে রাখে। দালাই লামা জানান যে তিব্বতে চীনের সৈন্য সংখ্যা ১,২০,০০০; ঠিক যে সংখ্যাটির কথা বলার জন্য আপা পান্তকে নেহরু তিরস্কার করেছিল। আলোচনা নিয়ে নেহরুর নোটের একটি অনুচ্ছেদে পররাষ্ট্র সচিব সুবিমল দত্ত যোগ করেন: ‘দালাই লামা সাহায্যের জন্য ভারতের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর উত্তর ছিল যে, অন্যান্য বিবেচনার বাইরে ভারত তিব্বতকে কোনো কার্যকর সাহায্য দেওয়ার মতো অবস্থায় নেই; অন্য কোনো দেশের পক্ষেও তা সম্ভব নয়। দালাই লামার উচিত হবে না ভূমি সংস্কারের বিরোধিতা করা।’ সাহায্যের বদলে নেহরু উপদেশ দেয়। সে তার দেওয়া উপদেশগুলো লিখে রেখেছে: ‘দালাই লামার উচিত হবে সংস্কারের নেতা হওয়া। আমাদের সাহায্য করার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো চীনের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা, তা না হলে চীন তিব্বত নিয়ে আমাদের উদ্দেশ্যকে ভয় পেতে পারে।’ একটি অজুহাত এবং তা বেশ দাম্ভিক এক অজুহাত ‘তা না হলে চীন তিব্বত নিয়ে আমাদের উদ্দেশ্যকে ভয় পেতে পারে।’ * এই ছোট বইটির মূল উদ্দেশ্য হলো নেহরুর নিজের কথাতেই ভারতের চীন-নীতির বিবর্তন তুলে ধরা এবং এটি দেখানো যে কীভাবে সেই ধারণা এবং অভ্যাসগুলো আজও আমাদের বিপদে ফেলছে, তাই আমি টীকাগুলো ন্যূনতম রাখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু চীন সম্পর্কে নেহরু যা করেছে, বলেছে এবং লিখেছে তার ভাষাগত এবং মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ হওয়া প্রয়োজন! কারণ তার অবস্থান, তার কথা এবং তার যুক্তিগুলো তার অভ্যাস ও মানসিক প্রক্রিয়ার মধ্যেই প্রোথিত। কেবল তার ধারণা এবং সিদ্ধান্তগুলোই নীতি-নির্ধারকদের মধ্যে টিকে নেই, বরং সেই অভ্যাস ও মানসিক প্রক্রিয়াগুলোও টিকে আছে। ১৯৫০-এর দশকে নেহরুর সেই অভ্যাসগুলো নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলেনি কারণ আমাদের জীবনে ও চিন্তাধারায় তার অবস্থান ছিল অনেক উঁচুতে। আজ সেই একই অভ্যাসগুলো নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলে না, তবে কারণটা অন্য: আলোচনার মান এখন এতটাই নিচে নেমে গেছে যে কোনো ধারণা বা সিদ্ধান্ত ঠিকমতো যাচাই করা হয় না। একটি উদাহরণ দিলে এর ফলাফল বোঝা যাবে। যেসব অভ্যাস এখনো টিকে আছে, তার মধ্যে একটি বিশেষভাবে ক্ষতিকর কারণ এটি অবচেতনভাবে সবকিছু মেনে নেওয়াকে জায়েজ করে দেয়। এটি হলো কোনো চিন্তা বা বাক্যের মাঝে এমন কিছু ঢুকিয়ে দেওয়া যা আপনাকে বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়া থেকে রেহাই দেয়। আমরা পণ্ডিত নেহরুর লেখা এবং কথায় প্রতিটি পদে এটি দেখতে পাই। ... * মাও জেদং, চৌ এন-লাই এবং অন্যদের ভারত ও ভারতীয়দের প্রতি থাকা ঘৃণাও নিশ্চিতভাবে এর একটি বড় কারণ। চীনা নেতাদের একের পর এক কথোপকথনে এটি বারবার ফুটে উঠেছে। চৌ এবং কিসিঞ্জার একমত হন যে পূর্ব পাকিস্তানে সমস্যার মূল কারণ হলো ভারত; ভারত যাতে এগোতে না পারে সেজন্য চীন এবং আমেরিকার একসাথে কী করা উচিত সে বিষয়ে তারা একমত হন; তারা কেবল ‘ভারতীয় ঐতিহ্য’ প্রতারণা, অন্যকে দোষারোপ করা নিয়েই একমত হননি, বরং ভারতীয় চরিত্র নিয়েও একমত হন যা অকৃতজ্ঞতা দিয়ে চিহ্নিত। কিসিঞ্জার যখন পরবর্তীতে জাতিসংঘে চীনের স্থায়ী প্রতিনিধি হুয়াং হুয়ার সাথে কথা বলেন, তখন এই ঘৃণা এবং বোঝাপড়া আরও স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। সেখানে তিনি হুয়াংকে অনুরোধ করেন যেন সে চৌ এন-লাইকে আশ্বস্ত করে যে, চীন যদি পাকিস্তানকে বাঁচাতে ভারতকে আক্রমণ করে তবে আমেরিকা সোভিয়েত ইউনিয়নকে সামলে রাখবে। নিক্সন, পম্পিডু এবং কিসিঞ্জার বিশ্বের অবস্থা নিয়ে আলোচনা করছেন। নিক্সন চীনাদের দৃষ্টিভঙ্গি এভাবে সংক্ষেপে তুলে ধরেন: ‘...তাদের প্রতিবেশীদের সম্পর্কে চীনাদের মনোভাব এভাবে বলা যেতে পারে। রাশিয়ানদের তারা এখন ঘৃণা করে এবং ভয় পায়। জাপানিদের তারা পরে ভয় পাবে কিন্তু ঘৃণা করে না। ভারতীয়দের তারা চরম অবজ্ঞা করে কিন্তু ভারতীয়রা সেখানে আছে এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন তাদের সমর্থন দিচ্ছে।’ === ২০১০-এর দশক === * আমি এই দুইয়ের মধ্যে কোনো তফাত দেখি না। আমার মনে হয় তারা (বিজেপি এবং কংগ্রেস) আসলে একই দল। তারা মিলেমিশে শাসন করছে। এটা একটা ডিনার পার্টি। তারা ডিনারে দেখা করে। তারা সামাজিকভাবে মেলামেশা করে। বিভিন্ন ইস্যুতে কী করতে হবে তারা নিজেরাই ঠিক করে নেয়। <br>প্রথমত, সংবাদমাধ্যমের উচিত নিজেদের নিয়ে লেখা। এই বিষয়গুলোকে চেপে যাওয়া সংবাদমাধ্যমের জন্য অত্যন্ত সংকীর্ণমনা কাজ। মিত্রোখিন আর্কাইভস প্রকাশ করেছে কীভাবে (তৎকালীন সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থা) কেজিবি বড়াই করত যে তারা অমুক অমুক ভারতীয় সংবাদপত্রে ৪০০টি খবর ঢোকাতে পেরেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সেটা চেপে গেছে। তারপর, দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়র প্রাইভেট ট্রিটিজ প্রথা যা এখন অন্যরাও গ্রহণ করেছে, তা পুরোপুরি চেপে যাওয়া হয়েছে.... যখন ভারতের প্রেস কাউন্সিল ‘পেইড নিউজ’ বা টাকার বিনিময়ে খবর ছাপার অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখার জন্য একটি কমিটি গঠন করতে বাধ্য হয়েছিল, তখন প্রেস কাউন্সিল নিজেই সেই রিপোর্টটি ধামাচাপা দিয়েছিল। ** [https://www.rediff.com/news/report/interview-arun-shourie-on-the-real-meaning-of-the-radia-tapes1/20101201.htm সাক্ষাৎকার] ২০১০ ==== ''ফলিং ওভার ব্যাকওয়ার্ডস'' (২০১২) ==== * প্রথম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল প্রেক্ষাপট ছাড়া ‘তাদের পছন্দের’ শব্দগুলো তুলে আনার মাধ্যমে। ২৯ এবং ৩০ অনুচ্ছেদে সংখ্যালঘুদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি এবং পরিচালনার অধিকার দেওয়ার যে উদ্দেশ্য ছিল, তা থেকে শব্দগুলোকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছিল। একটি সাধারণ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ অথবা ডেন্টিস্ট্রি কলেজকে কোনোভাবেই এমন প্রতিষ্ঠান হিসেবে ধরা যায় না যা সংখ্যালঘুদের ভাষা, লিপি অথবা সংস্কৃতি রক্ষার জন্য তৈরি করা হয়েছে। তবুও, যদি ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা ডেন্টিস্ট্রি কলেজটি কোনো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যরা তৈরি করে থাকে, তবে ধরে নেওয়া হতো যে এটি ২৯ ও ৩০ অনুচ্ছেদের সুরক্ষা পাবে এবং এর ফলে এটি রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেত। * এর ফলাফল যতটা অনুমেয় ছিল তেমনই অন্যায় এবং হাস্যকর হয়েছে: যদি রাম শরণ একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করে, তবে রাষ্ট্র এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় অনেক কিছু নির্ধারণ করে দিতে পারে যা তাকে করতে হবে; কিন্তু যদি মুহাম্মদ আসলাম রাস্তার ওপারে ঠিক একই রকম একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করে, যেখানে ঠিক একই বিষয় পড়ানো হয় এবং একই পাঠ্যবই ব্যবহার করা হয়, তবে রাষ্ট্র অথবা বিশ্ববিদ্যালয় কেউই এর কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না! * অন্যদিকে, যখন স্রেফ মূল পাঠ্য আঁকড়ে ধরলে বিচার এগিয়ে যাবে, তখন তারা কট্টর নিয়মপন্থী হয়ে ওঠে। এর কিছু বড় উদাহরণ ৩০ অনুচ্ছেদ সংক্রান্ত রায়ে পাওয়া যায়। এই অনুচ্ছেদটি ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং পরিচালনা করার ক্ষেত্রে সংখ্যালঘুদের অধিকার’ নিয়ে কাজ করে। ভারত ভাগ হয়েছিল এই চিৎকারের ওপর ভিত্তি করে যে অখণ্ড ভারতে মুসলিমরা কখনোই নিরাপদ থাকবে না। সংবিধান প্রণেতারা স্বাভাবিকভাবেই সংখ্যালঘুদের আশ্বস্ত করতে চেয়েছিলেন যে তারা তাদের ধর্ম, ভাষা এবং সংস্কৃতি রক্ষা করার স্বাধীনতা পাবে। সেই অনুযায়ী ২৯ অনুচ্ছেদ তৈরি করা হয়েছিল তাদের এই স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দিতে। যদি তারা তাদের ভাষা, সংস্কৃতি অথবা ধর্ম রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠান গড়তে চায়, সেজন্য ৩০ অনুচ্ছেদ তৈরি করা হয়েছিল যেখানে আশ্বস্ত করা হয়েছিল যে ‘ধর্ম অথবা ভাষার ভিত্তিতে তৈরি সব সংখ্যালঘুর তাদের পছন্দের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং পরিচালনা করার অধিকার থাকবে।’ প্রেক্ষাপটটি উদ্দেশ্য পরিষ্কার করে দিয়েছিল: সংখ্যালঘুদের এমন প্রতিষ্ঠান গড়ার স্বাধীনতা থাকবে যা তাদের সংস্কৃতি, ধর্ম এবং ভাষা সবচেয়ে ভালোভাবে রক্ষা করতে পারবে বলে তারা মনে করে। কিন্তু সংবিধান তৈরির পর থেকে আলোচনার ধরন যেমন হয়েছে, তাতে বিচারকরা আক্ষরিক অর্থেই সব দেখতে শুরু করলেন। যে উদ্দেশ্যেই প্রতিষ্ঠানটি তৈরি হোক না কেন, সংখ্যালঘুদের ‘তাদের পছন্দের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান’ গড়ার এবং পরিচালনা করার অধিকার থাকবে। এর ফলে, ধরুন মুসলিমদের একটি পরিবারের তৈরি করা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ অথবা ডেন্টাল কলেজ সরকারি নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি থেকে যে স্বাধীনতা পাবে, সাধারণ ভারতীয়দের তৈরি ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা ডেন্টাল কলেজ তা পাবে না। * এখন, এগুলো স্রেফ কোনো চমৎকার অনুচ্ছেদ সাজানোর জন্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাক্য নয়। এগুলো হলো অবস্থান এবং দৃষ্টিভঙ্গি যা নির্দেশ করে যে রায়টি কোন দিকে যাবে। এগুলো হলো দিকনির্দেশক যা আমাদের বলে যে পাঠ্যটিতে দেওয়া যুক্তিগুলো শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে থামবে। এই ধরণের বয়ানগুলোর গুরুত্ব স্রেফ সেই বিশেষ রায়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না যেখানে সেগুলো ব্যবহার করা হয়েছে। পরবর্তী বেঞ্চগুলো একই অবস্থান নিতে পারে এবং একই দিকে আরও এগিয়ে যেতে পারে। * আমরা নিজেদের সান্ত্বনা দিই: অন্তত সংরক্ষণের ভাইরাস বিচারবিভাগীয় নিয়োগের মধ্যে ঢোকেনি; অন্তত মুসলিম এবং খ্রিস্টানদের জন্য সংরক্ষণ বাড়ানো হয়নি। এই দুটি ধারণাই আসলে নিছক কল্পনা। * যেসব ধর্ম জাতপাত অস্বীকার করে যেমন ইসলাম, খ্রিস্টধর্ম, শিখধর্ম সেগুলোর সদস্যদের জন্য সংরক্ষণ বাড়ানো হয়নি বলে যে ধারণা, তাও স্রেফ কল্পনা। সংখ্যালঘু কমিশনের চেয়ারম্যান, আমার বন্ধু তর্লোচন সিং আমাকে ৫৮টি জাত এবং ১৪টি উপজাতি গোষ্ঠীর একটি তালিকা পাঠিয়েছে যাদের মুসলিম সদস্যরা সংরক্ষণ পেয়েছে। এমনকি যারা এই ধর্মগুলোর একটিতে ধর্মান্তরিত হয়, তারা সংরক্ষণের সুযোগ পাওয়ার যোগ্য হিসেবে থেকে যায়। তামিলনাড়ুর নিয়ম হলো যে যদি বাবার নাম অনগ্রসর জাতি/অত্যধিক অনগ্রসর জাতি/তফসিলি জাতি/তফসিলি উপজাতির তালিকায় থাকে, তবে সেই ব্যক্তি অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হলেও সংরক্ষণের অধিকারী থাকে। গুজরাটে অনগ্রসর জাতির সদস্যরা ধর্মান্তরের পরেও কেবল সংরক্ষণই নয়, রোস্টার সিস্টেমের সুবিধাও পেয়ে থাকে সেখানে ১৩৭টি জাত এবং উপজাতকে সামাজিক এবং শিক্ষাগতভাবে অনগ্রসর হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে; এর মধ্যে ২৮টি মুসলিম সম্প্রদায়ের। কর্ণাটকে ‘জন্মগত জাত’ প্রথাই হলো নিয়ম। উত্তরপ্রদেশে বেশ কিছু মুসলিম জাত সংরক্ষণের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত লালবেগি, মজহাবি, এমনকি আনসারিও। মধ্যপ্রদেশ অথবা পশ্চিমবঙ্গেও পরিস্থিতি আলাদা নয়। কলকাতার ''দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস'' প্রতিনিধি রিপোর্ট করেছে যে প্রকাশ্য ধর্মনিরপেক্ষ সিপিআই(এম) সরকার সরকারি চাকরির পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও মুসলিমদের মুসলিম হিসেবে সংরক্ষণ দেওয়ার চেষ্টা করেছিল এবং রাজ্য সংখ্যালঘু কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছিল অন্ধ্রপ্রদেশে কীভাবে এই ধরণের সংরক্ষণ ঘোষণা করা হয়েছিল তা খতিয়ে দেখতে। সে লিখেছে যে পরিকল্পনাটি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে হয়েছে কেবল এই কারণে যে অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্ট অন্ধ্র সরকারের সেই নির্দেশকে অসাংবিধানিক বলে বাতিল করে দিয়েছে। * এমনকি যখন অন্ধ্রপ্রদেশের রায় উল্টে দেওয়ার চেষ্টা চলছে, সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে তাদের সেনা এবং অফিসারদের ধর্ম অনুযায়ী গণনা করার নির্দেশ দিয়েছে। এই পদক্ষেপটি কোনো ভুলবশত ঘটেনি। এটি দিল্লির প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি রাজিন্দর সাচারের অধীনে সরকার গঠিত একটি কমিটির মাধ্যমে উঠে এসেছে যার প্রতিটি সদস্যকে তার ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ বিশ্বাসের জন্য সাবধানে বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি রেফারেন্স যার ওপর তথ্য সংগ্রহ এবং সুপারিশ করতে বলা হয়েছে, যেমনটা আমরা শুরুতেই লক্ষ্য করেছি, তা মুসলিমদের একটি ধর্মীয় গোষ্ঠী হিসেবে সংরক্ষণ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার যৌক্তিকতা প্রমাণের জন্যই সাবধানে বেছে নেওয়া হয়েছে। * সামনে নির্বাচন থাকায় ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে কেরালা সরকার অনগ্রসর জাত এবং মুসলিমদের জন্য সংরক্ষণের আরেকটি ‘প্যাকেজ’ ঘোষণা করে: রাজ্যের চাকরির নিয়ম পরিবর্তন করা হবে যাতে এই অংশগুলো সরাসরি নিয়োগ পেতে পারে এবং তাদের জন্য বরাদ্দ ৪০ শতাংশ কোটা পূরণ করা যায়; যদি এই অংশগুলো থেকে উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া না যায়, তবে সেই শূন্যপদগুলো মেধার ভিত্তিতে পূরণ করা হবে না; রাজ্য পাবলিক সার্ভিস কমিশন একটি ‘অতিরিক্ত সম্পূরক তালিকা’ তৈরি করবে যাতে শূন্যপদগুলো কেবল এই অংশগুলো দিয়েই পূরণ করা যায়; সরকারি কলেজের স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর কোর্সে এই জাতগুলোর জন্য ২০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে; মুখ্যমন্ত্রী নিজে সংরক্ষণ নীতির বাস্তবায়ন তদারকি করবেন; সংরক্ষণ যাতে পুরোপুরি পূরণ করা হয় তা নিশ্চিত করতে একটি স্থায়ী কমিশন থাকবে... * সামনে নির্বাচন থাকায় তামিলনাড়ুতে ডিএমকে এবং তার সহযোগীরা ঘোষণা করেছে যে ক্ষমতায় গেলে তারা মুসলিম এবং খ্রিস্টানদের সংরক্ষণ দেওয়ার জন্য আইন আনবে। * ঝাড়খণ্ড সরকার আবার ঘোষণা করেছে যে বত্রিশটি উপজাতি যারা সবচেয়ে বেশি অনগ্রসর যাদের মধ্যে নয়টির সাক্ষরতার হার মাত্র ১০ শতাংশ তাদের সরাসরি সরকারি চাকরিতে নিয়োগ করা হবে; তাদের মধ্যে যারা স্নাতক পরীক্ষায় পাশ করবে তাদের যোগ্যতা নির্ধারণকারী পরীক্ষায় বসতে হবে না যা সরকারি চাকরিতে আসা অন্য সবাইকে দিতে হয়। * আর সাবধান, প্রগতিশীল বিচারকরা ইতিমধ্যে মুসলিম অথবা খ্রিস্টানদের মুসলিম এবং খ্রিস্টান হিসেবে সংরক্ষণ দেওয়ার ভিত্তি তৈরি করে রেখেছেন। সংবিধান যে শব্দটি ব্যবহার করেছে তা হলো ‘সম্প্রদায়’, যে শব্দটি এটি ব্যবহার করেছে তা হলো ‘শ্রেণি’, ইন্দ্র সাহানি মামলায় বিচারপতি জীবন রেড্ডি, সাওয়ান্ত এবং থম্মেন এটিই বলেছেন। তারা বলেছেন ‘সম্প্রদায়’ এবং ‘শ্রেণি’ শব্দটি ‘জাত’ শব্দের চেয়ে ব্যাপক। তাই তারা বলেছেন যে জাতের চেয়ে বড় কোনো সত্তাকে অবশ্যই এর অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে একমাত্র শর্ত হলো চিহ্নিত গোষ্ঠীগুলো যেন ‘অনগ্রসর’ হয়। দ্বিতীয়ত, ইসলাম, খ্রিস্টধর্ম এবং শিখধর্মের শিক্ষা সত্ত্বেও এই ধর্মগুলোতেও জাতপাত টিকে আছে বলে তারা এর স্বপক্ষে যুক্তি দিয়েছেন। যেহেতু এটিই বাস্তবতা, তাই কেবল হিন্দুদের অনগ্রসর অংশগুলোর জন্যই সংরক্ষণের সুযোগ সীমিত রাখা অন্যায় হবে... ৩ * আমরা কত নিচে নেমে গেছি! আজ প্রগতিশীলরা তাদের জাতপাতকেই ধর্মনিরপেক্ষতা হিসেবে সাজিয়ে তুলে ধরে! তারা সগর্বে ঘোষণা করে যে সংরক্ষণের সুবিধা মুসলিম এবং খ্রিস্টানদেরও দেওয়া হবে। অন্ধ্রপ্রদেশে সরকারের সিদ্ধান্ত দুবার আদালত বাতিল করে দিয়েছে সরকার মুসলিমদের মুসলিম হিসেবে সংরক্ষণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এমনকি যখন সেই রায় উল্টে দেওয়ার চেষ্টা চলছে, কেন্দ্রীয় সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে তাদের সেনা এবং অফিসারদের ধর্ম অনুযায়ী গণনা করার নির্দেশ দিয়েছে। এই পদক্ষেপটি কোনো ভুলবশত ছিল না। এটি দিল্লি হাইকোর্টের একজন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতির অধীনে সরকার গঠিত একটি কমিটির মাধ্যমে উঠে এসেছিল। কমিটির প্রতিটি সদস্যকে তার ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ এবং ‘প্রগতিশীল’ বিশ্বাসের জন্য সাবধানে বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি রেফারেন্স যার ওপর কমিটিকে তথ্য দিতে এবং সুপারিশ করতে বলা হয়েছে, তা মুসলিমদের একটি ধর্মীয় গোষ্ঠী হিসেবে সংরক্ষণ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার যৌক্তিকতা প্রমাণের জন্যই সাবধানে বেছে নেওয়া হয়েছে: * প্রতিটি বিষয়ই এই পুরো প্রক্রিয়ার একমাত্র উদ্দেশ্য প্রকাশ করে দেয়—তা হলো মুসলিমদের জন্য সংরক্ষণ বাড়ানোর স্বপক্ষে যুক্তি তৈরি করা। এই সুবিধাবাদ কেবল বর্তমান শাসক জোটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ২০০৫ সালে বিহারের নির্বাচনের আগে প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীগুলো মুসলিমদের মুসলিম হিসেবে সংরক্ষণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করছিল। * সংবিধান প্রণেতাদের উদ্দেশ্য ছিল ঠিক উল্টোটি, যা আমাদেরও হওয়া উচিত। এটি ছিল হিন্দু সমাজ থেকেও জাতপাতের ক্যান্সার নির্মূল করা। চরম অনিচ্ছা সত্ত্বেও তারা তফসিলি জাতি এবং উপজাতিদের জন্য সংরক্ষণের অনুমতি দিতে রাজি হয়েছিলেন কারণ তারা মনে করেছিলেন যে এটুকু করলেও জাতপাতের বিভেদ টিকে থাকবে। তাই সংরক্ষণ ছিল সাধারণ নিয়মের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। === ২০২০-র দশক === ==== ''প্রিপেয়ারিং: ফর ডেথ'' (২০২০) ==== * বিপদের ধরণ এবং কীভাবে সেটাকে উন্নতির হাতিয়ারে পরিণত করা যায়, তা নিয়ে মানুষকে গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে। গান্ধীজি নিজের জন্য যে নিয়মগুলো ঠিক করেছিলেন, সেগুলো একজন জেলারের কারো ওপর চাপিয়ে দেওয়া নিয়মের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর এবং কঠিন ছিল। একইভাবে, ৮ ফুট বাই ৯ ফুট মাপের একটি ঘরে বিনোবাকে একাকী কারাবন্দী হিসেবে কল্পনা করুন: সে কীভাবে জেলজীবনকে আশ্রম জীবনে বদলে ফেলে; কীভাবে সেই ছোট্ট জায়গায়, জবরদস্তি করে রাখা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্নতার মধ্যে সে প্রতিদিন দুই থেকে তিন ঘণ্টা ধ্যান করে নিজের মানসিক শৃঙ্খলা বজায় রাখে; কীভাবে সে সেই দমবন্ধ করা ঘরের ভেতরে প্রতিদিন আট ঘণ্টা হেঁটে নিজেকে শারীরিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং এভাবে দশ মাইল পথ পাড়ি দেয়—প্রতিদিন ৮ ফুট বাই ৯ ফুট ঘরে দশ মাইল হাঁটা! উভয় ক্ষেত্রেই নিয়ন্ত্রণ জেলারের হাতে নয়, বরং বন্দীর হাতেই ছিল—বিপদ মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। ** অরুণ শৌরি, ''প্রিপেয়ারিং: ফর ডেথ''। পেঙ্গুইন র‍্যান্ডম হাউস ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড, ২০২০। আইএসবিএন ৯৩৫৩০৫৯৭৮এক্স, ৯৭৮৯৩৫৩০৫৯৭৮১ * আচার-অনুষ্ঠানগুলো উদাহরণস্বরূপ বিয়ের অনুষ্ঠানের সময় আমরা যা যা করি আমাদের ভেতরে নির্দিষ্ট কিছু মূল্যবোধ গেঁথে দেওয়ার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল। শতাব্দীর অভিজ্ঞতা চিন্তাশীল ব্যক্তিদের শিখিয়েছে যে ওই ধাপগুলো পার হওয়া, ওই মন্ত্রগুলো উচ্চারণ করা এবং সেগুলো নিয়ে চিন্তা করা আমাদের সেই মূল্যবোধগুলো আয়ত্ত করতে এবং সেই অনুযায়ী জীবন গড়তে সাহায্য করবে। কিন্তু আজ আমরা কী করি? প্রথমে আমরা আচার-অনুষ্ঠানের ভার বাইরের কাউকে দিই যেমন ধরুন কোনো পণ্ডিতকে। বিয়ে সম্পন্ন করার জন্য সে যখন নির্ধারিত কাজগুলো করে এবং মন্ত্র পাঠ করে, তখন সে কী বলছে তার অর্থ সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণাই থাকে না, এমনকি ওই ধাপগুলো নিয়েও কোনো জ্ঞান থাকে না ‘এখন মাটিতে জল ঢালুন, তারপর...’। আমরা এগুলোর পরোয়াও করি না: ‘পণ্ডিতজি, পূজাটা একটু তাড়াতাড়ি শেষ করুন। অতিথিরা রাতের খাবারের জন্য অপেক্ষা করছে’। ** অরুণ শৌরি, ''প্রিপেয়ারিং: ফর ডেথ''। পেঙ্গুইন র‍্যান্ডম হাউস ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড, ২০২০। আইএসবিএন ৯৩৫৩০৫৯৭৮এক্স, ৯৭৮৯৩৫৩০৫৯৭৮১ == অরুণ শৌরি সম্পর্কে উক্তি == * শেষ পর্যন্ত, অরুণ শৌরির এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস প্রকাশিত হওয়ার জন্য ভারতকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছিল। এই বইটি একের পর এক লোমহর্ষক বিবরণের মাধ্যমে জাতীয় মনস্তত্ত্বের ওপর সেই বহুমুখী আঘাতের চিত্র তুলে ধরেছে, যা অন্তত তিন প্রজন্মের মনে নিজেদের জাতির গুরুত্বপূর্ণ সত্য সম্পর্কে ধারণা বিকৃত করে দিয়েছে। আর এই মৌলিক অবদানের জন্য "বিশিষ্ট ঐতিহাসিক" শব্দবন্ধটি ভারতীয় জনপরিসরের আলোচনায় যথাযথভাবেই একটি গালিগালাজে পরিণত হয়েছে। ** এস. বালকৃষ্ণ, সেভেন্টি ইয়ারস অফ সেকুলারিজম। ২০১৮। * ১৯৯১ সালে যখন ভারত অর্থনৈতিক সংস্কার শুরু করেছিল, তখন যারা মনে করেছিলেন যে এদেশ তার কুখ্যাত আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ভেঙে ফেলেছে, তাদের উচিত অরুণ শৌরির পরামর্শ নেওয়া। বিলগ্নিকরণ, প্রশাসনিক সংস্কার, তথ্যপ্রযুক্তি এবং টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী হিসেবে (১৯৯৮ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে) জনাব শৌরির পর্যবেক্ষণগুলো অত্যন্ত রূঢ় সত্য। হিন্দু জাতীয়তাবাদী নেতৃত্বাধীন সরকার যেখানে জনাব শৌরি ছিলেন সবচেয়ে প্রভাবশালী অর্থনৈতিক সংস্কারক, সেই সরকারকে গত মে মাসে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ফ্রাঞ্জ কাফকাও জনাব শৌরির বইতে উল্লিখিত কিছু উদাহরণ কল্পনা করতে হিমশিম খেতেন। ... কিন্তু সাধারণ পরিস্থিতিতে ভারতের আমলাতন্ত্রের অবস্থা কেমন হয় সেটাই আসল কথা এবং জনাব শৌরি এটি নথিবদ্ধ করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত নিপুণ কাজ করেছেন। কেউ কেবল আশা করতে পারেন যে ভারতের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা এই বইটি পড়ার জন্য সময় পাবেন এবং লজ্জিত হওয়ার মতো সৌজন্য দেখাবেন। ** [[এডওয়ার্ড লুস]], ইন্ডিয়া’স ট্র্যাজিক কমেডি অফ সিভিল ডিসসার্ভিস, বই সমালোচনা, ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস। ৯ নভেম্বর ২০০৪। * মুসলিম নেতা এবং স্ট্যালিনপন্থী ঐতিহাসিকরা যখন হিন্দু উগ্র জাতীয়তাবাদ নিয়ে শোরগোল তুলছিলেন, ঠিক সেই সময়ে তখনকার ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রধান সম্পাদক অরুণ শৌরির নজরে আসে যে, লখনউয়ের বিখ্যাত মুসলিম ধর্মতত্ত্ববিদ আলী মিঞার বাবার অনেক আগে লেখা একটি উর্দু বইয়ের ইংরেজি অনুবাদে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে। সে ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯-এর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে ‘হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম’ শিরোনামে একটি নিবন্ধ লিখে দেখান যে দিল্লি, জৌনপুর, কনৌজ, ইটাওয়া, অযোধ্যা, বারাণসী এবং মথুরার হিন্দু মন্দির ধ্বংস করা এবং সেই জায়গায় মসজিদ নির্মাণ সংক্রান্ত অংশগুলো আলী মিঞার নিজেরই প্রকাশিত ইংরেজি অনুবাদ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। মর্যাদাপূর্ণ সংবাদমাধ্যমের এতোদিনকার চর্চা থেকে এটি ছিল এক নতুন এবং নাটকীয় মোড়। ইসলাম মহৎ ছাড়া অন্য কিছু হতে পারে এমন কথা প্রকাশ করা দীর্ঘকাল ধরে নিষিদ্ধ ছিল। আমি আনন্দিত হয়েছিলাম এবং অরুণ শৌরিকে ভারতের [[মিখাইল গর্বাচেভ]] নাম দিয়েছিলাম। সে জানালাগুলো খুলে দিয়েছিল এবং পচা স্লোগানের আবর্জনায় ভরা একটি ঘরে এক ঝলক টাটকা বাতাস আসতে দিয়েছিল। ** গোয়েল, এস.আর. হাউ আই বিকেম আ হিন্দু (১৯৯৩, সংশোধিত সংস্করণ)। * [অরুণ শৌরির নিবন্ধ ‘হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম’] গণমাধ্যম এবং বিদ্যায়তনিক মহলের সেই বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করেছিল, যা মহাত্মা গান্ধী ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের দায়িত্ব নেওয়ার এবং তুর্কি খিলাফতের সমর্থনে তার প্রথম অসহযোগ আন্দোলন শুরু করার সময় থেকে ইসলামের ইতিহাসের যেকোনো নেতিবাচক বর্ণনার ওপর চাপানো হয়েছিল। ** গোয়েল, এস.আর. হিন্দু টেম্পলস – হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম, ভলিউম ১ (১৯৯০) প্রস্তাবনা, ২য় সংস্করণ, পৃষ্ঠা ১৩। * অরুণ শৌরি অনেক সাহসিকতা দেখিয়েছিল। কিন্তু সে সেই ধর্মনিরপেক্ষ গোষ্ঠীর কথা মাথায় রাখেনি যাদের ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের মালিকের সাথে ঘনিষ্ঠতা ছিল। সে ফোনে আমাকে বলেছিল যে কোনো সমস্যা ঘনীভূত হচ্ছে। আমি কখনোই তার সাথে সেই সমস্যার ধরণ নিয়ে কথা বলিনি এবং জানি না আমার নিবন্ধগুলোর তার পরের বছর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পেছনে কোনো হাত ছিল কি না। আমি কেবল জানি যে তাকে আমার পরের দুটি নিবন্ধ প্রকাশ করার গতি কমিয়ে দিতে হয়েছিল। ** গোয়েল, এস.আর. হাউ আই বিকেম আ হিন্দু (১৯৯৩, সংশোধিত সংস্করণ)। * মণি শংকর আইয়ার অরুণ শৌরির একটি বইয়ের তীব্র নিন্দা করেন এবং এরপর ঘোষণা করেন যে সে এটি না পড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে: “শৌরি ইসলামের ওপর তার বইয়ের পাণ্ডুলিপির চূড়ান্ত কাজ শেষ করেছে, এটি এমন এক বিদ্বেষপূর্ণ এবং বিকৃত কাজ যে আমার পরিচিত প্রতিটি ইংরেজি জানা মুসলিম এতে ক্ষুব্ধ হয়েছিল... তাই আমি এই বইটি না পড়ে ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতি সংহতি দেখানোর সিদ্ধান্ত নিই।” (সে সম্ভবত শৌরির রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স বইটির কথা বলছে, যা যুক্তির নিরিখে বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থের ওপর অত্যন্ত বিচক্ষণ ও শান্ত দৃষ্টিপাত।) ** এলস্ট, কোয়েনরাড। অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি। ভয়েস অফ ইন্ডিয়া। ১৯৯১। * ইসলাম নিয়ে সমালোচনার ক্ষেত্রে বই নিষিদ্ধ করা এবং সেন্সরশিপের সমস্যাটি স্ব-আরোপিত সেন্সরশিপের সাথে যুক্ত হয়ে আরও জটিল হয়ে উঠেছে। তাই ১৯৯২ সালের শেষের দিকে যখন বিখ্যাত কলামিস্ট অরুণ শৌরি ইসলামি মৌলবাদ, বিশেষ করে রুশদি এবং অযোধ্যা ইস্যু নিয়ে তার কলামগুলোর একটি সংকলন (ইন্ডিয়ান কন্ট্রোভার্সিস) প্রকাশ করতে চেয়েছিলেন, তখন প্রকাশক প্রশাসনিক অথবা শারীরিক লাঞ্ছনার ভয়ে শেষ মুহূর্তে পিছিয়ে যান এবং মুদ্রণকারীও পিছু হটেন। এর আগে শৌরি ভাগ্যবান ছিল যে সে একটি পত্রিকা খুঁজে পেয়েছিল যারা এই কলামগুলো প্রকাশ করতে রাজি ছিল, কারণ বেশিরভাগ ভারতীয় সংবাদপত্র ইসলাম নিয়ে সমালোচনা কঠোরভাবে চেপে রাখে। হিন্দু সমাজ হলো একটি আতঙ্কিত সমাজ। ** এলস্ট, কোয়েনরাড। নিগেশনিজম ইন ইন্ডিয়া: কনসিলিং দ্য রেকর্ড অফ ইসলাম। ভয়েস অফ ইন্ডিয়া। ১৯৯২। * অরুণ শৌরিকে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সম্ভবত সরকারি চাপে। এটি ঘটেছিল যখন সে প্রকাশ করে যে ১৯৯০ সালের অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী ভি.পি. সিং বিএমএসির প্রভাবশালী সদস্য ইমাম বুখারির চাপে অযোধ্যা নিয়ে নিজের করা সমঝোতা চুক্তি বাতিল করেছিলেন। ** কোয়েনরাড এলস্ট। অযোধ্যা: দ্য কেস এগেইনস্ট দ্য টেম্পল। ২০০২। * অথবা অরুণ শৌরির আ সেকুলার এজেন্ডা বইটির কথাই ধরুন, যে আমেরিকা থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি করেছে এবং এ.বি. বাজপেয়ী সরকারের একজন অত্যন্ত সফল বিলগ্নিকরণ মন্ত্রী ছিল, যখন ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ছিল সর্বোচ্চ। এটি একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বই ছিল এবং এটি তথাকথিত বিশেষজ্ঞগণের সেই সাধারণ ধারণাগুলো ভেঙে চুরমার করে দিয়েছিল যে ভারত একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র (যেখানে ধর্মের ভিত্তিতে দেওয়ানি বিধি এবং হিন্দুধর্মের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আইন রয়েছে)। অর্থাৎ এমন একটি রাষ্ট্র যেখানে সব নাগরিক আইনের চোখে সমান, তাদের ধর্ম যাই হোক না কেন। যদিও এই বইটি সেই ভিত্তিকে ভেঙে দিয়েছে যার ওপর ভিত্তি করে “বিশেষজ্ঞরা” আধুনিক ভারত সম্পর্কে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলেছেন, তারা কখনোই কোনো খণ্ডনমূলক যুক্তি দিতে পারেননি। এর বদলে তারা স্রেফ তাদের নিজেদের বিভ্রান্তিকর ধারণাগুলো পুনরাবৃত্তি করে যান, যেমন: “বিজেপি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের কাঠামোকে হুমকির মুখে ফেলছে।” (আসলে বিজেপি তা করছে না এবং ভারত ধর্মনিরপেক্ষ নয়।) তারা এটি করতে পারেন কারণ তারা জানেন যে আলোচনার প্রধান জায়গাগুলো তাদের পক্ষের নিয়ন্ত্রণেই আছে। ধর্ম এবং আধুনিক রাজনীতির সংযোগের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত “পাণ্ডিত্যপূর্ণ” দৃষ্টিভঙ্গি কেবল ত্রুটিপূর্ণই নয়, বরং এটি একটি চরম ব্যর্থতা। ** এলস্ট, কোয়েনরাড। হিন্দু ধর্ম অ্যান্ড দ্য কালচার ওয়ারস। (২০১৯)। নয়া দিল্লি: রূপা। * চর্তুদিকের এই অন্ধকারের মধ্যে আলোর একমাত্র ঝলক ছিল অরুণ শৌরি, অভিজ্ঞ সাংবাদিক এবং সে সময়ের ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রধান সম্পাদক। ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৯-এ সে প্রথম পাতায় হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম শিরোনামে একটি নিবন্ধ ছাপে, যেখানে দেখানো হয় যে লখনউয়ের নদওয়াতুল উলেমার মাওলানা হাকিম সৈয়দ আব্দুল হাইয়ের একটি বইয়ের উর্দু সংস্করণে সাতটি বিখ্যাত মসজিদ হিন্দু মন্দিরের জায়গায় গড়া হয়েছে বলে স্বীকার করা হলেও, মাওলানার ছেলে আবুল হাসান আলী নদভী (আলী মিঞা) দ্বারা প্রকাশিত ইংরেজি অনুবাদে সেই “বিতর্কিত প্রমাণ” এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। সে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে ইসলামি মূর্তিবিরোধিতা নিয়ে আমার লেখা তিনটি নিবন্ধও প্রকাশ করেছিল। এটি ছিল ইসলামের ওপর আরোপিত এবং ধর্মনিরপেক্ষতা দ্বারা পরিচালিত সেই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে একটি খুব সাহসী অবজ্ঞা, যা বলে যে ইসলামের করা অপরাধগুলো গোপনেও উচ্চারণ করা যাবে না, প্রকাশ্যে ঘোষণা করা তো দূরের কথা। ** গোয়েল, এস. আর. (১৯৯৩)। হিন্দু টেম্পলস: হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম (দ্বিতীয় বর্ধিত সংস্করণ)। * সে অরুণ শৌরিকে ‘উত্তর-আধুনিক’ ছাঁচে ফেলে গুরুত্বহীন মনে করে। সে জানে না যে সময়ের ব্যাপারে হিন্দুধর্মের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি আছে এবং যে ব্যক্তি সনাতন ধর্মের সেবা করে তাকে কোনো নির্দিষ্ট সময়ের গণ্ডিতে বাঁধা যায় না। অরুণ শৌরির মতো পণ্ডিতরা অতীতেও নন, বর্তমানেও নন, আবার ভবিষ্যতেও নন। তারা একটি সময়হীন ব্যাপ্তির অংশ। ** এস.আর. গোয়েল, হিস্ট্রি অফ হিন্দু-খ্রিস্টান এনকাউন্টারস (১৯৯৬)। * ঠিক তখনই শৌরিকে সম্পাদকের পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। এর কারণ কেবল সেই নিবন্ধটি ছিল না, বরং সম্ভবত রাম স্বরূপ এবং সীতারাম গোয়েলের মতো হিন্দুত্ববাদীদের কলাম অন্তর্ভুক্ত করা এবং প্রচলিত ধর্মনিরপেক্ষতাকে খারিজ করে দেওয়া তার নিজের লেখা নিবন্ধগুলো, যেমন ‘হাইডঅ্যাওয়ে কমিউনালিজম’। ** এলস্ট, কোয়েনরাড (১৯৯১)। অযোধ্যা অ্যান্ড আফটার: ইস্যুস বিফোর হিন্দু সোসাইটি। * আমি বিশেষভাবে আমার বন্ধু অরুণ শৌরিকে ধন্যবাদ জানাই কারণ আমাদের অরুণ শৌরির মতো মানুষদের প্রয়োজন যারা আমাদের চ্যালেঞ্জ জানাবে যাতে আমরা আমাদের ভুলগুলো সংশোধন করতে পারি এবং সবাই মিলে সম্মিলিতভাবে একটি নতুন ভারত, একটি নতুন মানবতা তৈরির দিকে এগিয়ে যেতে পারি। ** ফাদার অগাস্টিন কাঞ্জামালা, উদ্ধৃত: শৌরি, অরুণ। অরুণ শৌরি অ্যান্ড হিজ খ্রিস্টান ক্রিটিক। (১৯৯৫) * এটি পরিষ্কার যে উইটজেলের নিজেরই একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে: লক্ষ্য করুন দিল্লির “বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের” বিরুদ্ধে “বর্তমান ভারতীয় (ডানপন্থী) নিন্দার” প্রতি তার ক্ষোভ (§৯)—এই “বিশিষ্ট ঐতিহাসিকদের” মধ্যে কয়েকজন সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে উইটজেল এবং ফার্মারের প্রচার অভিযানে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেছিলেন। পাঠককে অরুণ শৌরির *এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস* (১৯৯৮) বইটি মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে, যা এখানে উল্লেখ করা হয়েছে, এবং দেখার জন্য যে উইটজেল কোন ধরণের রাজনৈতিক পাণ্ডিত্যের সমর্থনে দ্বিধাহীনভাবে এগিয়ে এসেছেন! ** এস. তালাগেরি। *মাইকেল উইটজেল – অ্যান এগজামিনেশন অফ হিজ রিভিউ অফ মাই বুক* (২০০১) * শৌরি সম্পর্কে মুখিয়া যে তথ্য দিয়েছেন যে সে “জীবিকার জন্য সাংবাদিকতা করে”, তা কোনো গোপন বিষয় নয়। এখন পর্যন্ত ভারতের সর্বশ্রেষ্ঠ অনুসন্ধানী সাংবাদিক হিসেবে সে কংগ্রেসী, জাতিবাদী এবং কমিউনিস্ট রাজনীতিবিদদের কিছু নোংরা গোপন তথ্য ফাঁস করেছে। মার্ক্সবাদী ঐতিহাসিক এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় চলা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে থাকা দুর্নীতির আর্থিক লেনদেন সম্পর্কে তার প্রকাশগুলোও একই পর্যায়ের: নির্ভীক এবং তথ্যভিত্তিক অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা। শৌরির আমেরিকার সিরাকিউস ইউনিভার্সিটি থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি আছে, যা সরাসরি ইতিহাসের বিষয় না হলেও পাণ্ডিত্যের ক্ষমতার প্রমাণ দেয়। সে যখন মুখিয়ার ঘরানার ইতিহাসের চরম বিকৃতিগুলোর সমালোচনা করে, তখন আনুষ্ঠানিকভাবে বলা যেতে পারে যে সে তার বিশেষত্বের সীমা লঙ্ঘন করছে, কিন্তু এই ধরণের আনুষ্ঠানিক কথাগুলো কেবল মূল বিষয়ের কোনো খণ্ডনমূলক যুক্তি না থাকাকেই আড়াল করে। ** এলস্ট কে. অযোধ্যা: দ্য কেস এগেইনস্ট দ্য টেম্পল, অধ্যায় ৪। * যখন শৌরির নিবন্ধগুলো প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল, তখন সেগুলো অনেক আবেগ এবং তীব্র আক্রমণের জন্ম দিয়েছিল। সে সহাবস্থানের প্রশ্নে বাইবেল এবং কুরআন থেকে বিস্তারিত উদ্ধৃতি দিয়েছিল। অনেকে হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলেন... শৌরি তার বইয়ের নাম দিয়েছেন রিলিজিয়ন ইন পলিটিক্স; কোনো একদিন তার উচিত পলিটিক্স ইন রিলিজিয়ন নামে আরেকটি বই বের করা... প্রথম বইটি ধর্মীয় উপাদানের কারণে জটিল হয়ে ওঠা রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করে; দ্বিতীয় বইটি সেই ধর্মগুলো নিয়ে আলোচনা করবে যেগুলো মূলত রাজনৈতিক... ** রাম স্বরূপ, হিন্দুজম অ্যান্ড মনোদিস্টিক রিলিজিয়নস (২০০৯)। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{DEFAULTSORT:Shourie, Arun}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৪১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের সাংবাদিক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতীয় অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতান্ত্রিক বিরোধী]] 56w2fbta7wfirsuhqh1tiwpsthmorgz অরবিন্দ আদিগা 0 12839 78691 78420 2026-04-20T00:34:12Z Sumanta3023 4175 78691 wikitext text/x-wiki '''[[w:অরবিন্দ আদিগা|অরবিন্দ আদিগা]]''' (কন্নড়: ಅರವಿಂದ ಅಡಿಗ, জন্ম ২৩ অক্টোবর ১৯৭৪) একজন সাংবাদিক এবং লেখক, যার ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া উভয় দেশের নাগরিকত্ব রয়েছে। তাঁর প্রথম উপন্যাস, ''[[w:দ্য হোয়াইট টাইগার|দ্য হোয়াইট টাইগার]]'', ২০০৮ সালে [[w:ম্যান বুকার পুরস্কার|ম্যান বুকার পুরস্কার]] জয় করে। ==উক্তি== === ''[[w:দ্য হোয়াইট টাইগার|দ্য হোয়াইট টাইগার]]'' (২০০৮) === * মিস্টার প্রিমিয়ার, স্যার। আপনি বা আমি কেউই ইংরেজিতে কথা বলি না, তবে এমন কিছু বিষয় আছে যা কেবল ইংরেজিতেই বলা সম্ভব। ** দ্য ফার্স্ট নাইট। * দৃশ্যত, স্যার, আপনারা চীনারা প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে আছেন, কেবল আপনাদের কোনো উদ্যোক্তা নেই। আর আমাদের জাতি, যদিও এখানে পানীয় জল, বিদ্যুৎ, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, গণপরিবহন, স্বাস্থ্যবিধি সচেতনতা, শৃঙ্খলা, সৌজন্য বা সময়ানুবর্তিতার অভাব রয়েছে, তবুও এখানে উদ্যোক্তা ''রয়েছে''। হাজার হাজার উদ্যোক্তা। বিশেষ করে প্রযুক্তির ক্ষেত্রে। আর এই উদ্যোক্তারা''আমরা'' উদ্যোক্তারা এই সমস্ত [[আউটসোর্সিং]] কোম্পানিগুলো স্থাপন করেছি যা এখন কার্যত আমেরিকা চালাচ্ছে। ** দ্য ফার্স্ট নাইট। * এখন, এমন কিছু মানুষ আছেন, আর আমি শুধু আপনার মতো সাম্যবাদীদের কথা বলছি না, বরং সব রাজনৈতিক দলেরই চিন্তাশীল মানুষদের কথা বলছি, যারা মনে করেন যে এই দেবতাদের অনেকেরই আসলে কোনো অস্তিত্ব নেই। কেউ কেউ বিশ্বাস করেন যে তাঁদের ''কারোরই'' অস্তিত্ব নেই। শুধু আমরা আছি আর আমাদের চারপাশে আছে এক অন্ধকারের মহাসাগর। আমি কোনো দার্শনিক বা কবি নই, আমি সত্য জানব কীভাবে? এটা ঠিক যে এই সমস্ত দেবতারা খুব সামান্যই কাজ করেন বলে মনে হয় ঠিক আমাদের রাজনীতিবিদদের মতো অথচ বছরের পর বছর স্বর্গের সোনার সিংহাসনে তাঁরা পুনর্নির্বাচিত হয়েই চলেন। তার মানে এই নয় যে আমি তাঁদের সম্মান করি না, মিস্টার প্রিমিয়ার! আপনার ওই হলুদ খুলিতে এই ঈশ্বরনিন্দার ধারণা কখনো ঢুকতে দেবেন না। আমার দেশ এমন এক জায়গা যেখানে দুদিকেই তাল মিলিয়ে চলা লাভজনক: একজন ভারতীয় উদ্যোক্তাকে একই সাথে সোজাসাপ্টা এবং কুটিল, উপহাসকারী এবং বিশ্বাসী, ধূর্ত এবং আন্তরিক হতে হয়। ** দ্য ফার্স্ট নাইট। * একজন ধনী মানুষের শরীর হলো দামী সুতির বালিশের মতো, সাদা, নরম এবং দাগহীন। ''আমাদের'' শরীর আলাদা। আমার বাবার মেরুদণ্ড ছিল একটি গিঁট পাকানো দড়ির মতো, যে ধরনের দড়ি গ্রামের মহিলারা কুয়ো থেকে জল তুলতে ব্যবহার করে; কলার বোন বা জতুকাস্থিটি তাঁর ঘাড়ের চারপাশে উঁচু হয়ে ছিল, অনেকটা কুকুরের গলার বেড় বা কল্যারের মতো; তাঁর বুক ও কোমর জুড়ে চাবুকের মারের মতো অসংখ্য কাটাছেঁড়া ও ক্ষতচিহ্ন ছিল, যা তাঁর নিতম্বের হাড় ছাড়িয়ে নিচে পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। একজন গরিব মানুষের জীবনের গল্প তার শরীরে লেখা থাকে, তীক্ষ্ণ কলমে। ** দ্য ফার্স্ট নাইট। * ভালো কথা, মিস্টার প্রিমিয়ার: আপনি কি কখনো খেয়াল করেছেন যে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ চার কবির সবাই মুসলমান? অথচ আপনার দেখা সমস্ত মুসলমানরাই নিরক্ষর অথবা মাথা থেকে পা পর্যন্ত কালো বোরকায় ঢাকা কিংবা উড়িয়ে দেওয়ার জন্য দালানকোঠা খুঁজছে? এটা একটা ধাঁধা, তাই না? আপনি যদি কখনো এই মানুষদের রহস্য সমাধান করতে পারেন, তবে আমাকে একটি ই-মেইল পাঠাবেন। ** দ্য ফার্স্ট নাইট। * এখানে একটি অদ্ভুত সত্য রয়েছে: একজন মানুষকে খুন করুন, আর আপনি তার জীবনের জন্য নিজেকে দায়ী মনে করবেন এমনকি সেই জীবনের ওপর নিজের একটি ''অধিকারবোধও'' তৈরি হবে। আপনি তার সম্পর্কে তার বাবা-মায়ের চেয়েও বেশি জানেন; তাঁরা জানতেন তার ভ্রূণকে, কিন্তু আপনি জানেন তার মৃতদেহকে। কেবল আপনিই পারেন তার জীবনের গল্পটি সম্পূর্ণ করতে, কেবল আপনিই জানেন কেন তার শরীরকে সময়ের আগেই আগুনে ঠেলে দিতে হলো, এবং কেন তার পায়ের আঙুলগুলো কুঁকড়ে গিয়ে পৃথিবীতে আর এক ঘণ্টা বেঁচে থাকার লড়াই চালায়। ** দ্য সেকেন্ড নাইট। * মহান ব্যক্তিটি তাঁর হাতের তালু জোড় করলেন এবং চারদিকে মাথা নত করে অভিবাদন জানালেন। তাঁর মুখাবয়ব ছিল সেই সব বিশেষ ধরনের, যা ভারতের সকল মহান রাজনীতিবিদদের থাকে। এই মুখ বলে যে সে এখন শান্তিতে আছে এবং আপনিও শান্তিতে থাকতে পারেন যদি আপনি সেই মুখের মালিককে অনুসরণ করেন। কিন্তু একই মুখ তার অঙ্গভঙ্গির সামান্য পরিবর্তনে এটাও বলতে পারে যে, সে শান্তির বিপরীত রূপটিও চেনে এবং চাইলে সে আপনার মুখটিকেও সেই রূপ দিতে পারে। ** দ্য থার্ড নাইট। * রঙিন কাঁচ তোলা অবস্থায় ধনীদের গাড়িগুলো দিল্লির রাস্তায় কালো ডিমের মতো চলে। মাঝেমধ্যে একটি ডিম ফেটে যায় সোনার চুড়িতে ঝকঝক করা কোনো মহিলার হাত খোলা জানলা দিয়ে বেরিয়ে আসে, রাস্তায় একটি মিনারেল ওয়াটারের খালি বোতল ছুড়ে ফেলে তারপর জানলাটি আবার উঠে যায়, এবং ডিমটি আবার বন্ধ হয়ে যায়। ** দ্য ফোর্থ নাইট। * পুরনো দিল্লিতে যান, জামে মসজিদের পেছনে, এবং বাজারের খাঁচায় মুরগিগুলোকে যেভাবে রাখা হয় তা দেখুন। শত শত ফ্যাকাশে মুরগি আর উজ্জ্বল রঙের মোরগ, তারের জালের খাঁচায় শক্ত করে ঠাসা, পেটের ভেতরে কৃমির মতো গাদাগাদি করে থাকা, একে অপরকে ঠোকরাচ্ছে আর একে অপরের গায়ে মলত্যাগ করছে, শুধু একটু নিঃশ্বাস নেওয়ার জায়গার জন্য ধস্তাধস্তি করছে; পুরো খাঁচা থেকে এক ভয়ানক দুর্গন্ধ বের হচ্ছে ভীত, পালকযুক্ত মাংসের দুর্গন্ধ। এই খাঁচার ওপর কাঠের ডেস্কে একজন হাস্যোজ্জ্বল তরুণ কসাই বসে আছে, যে সদ্য কেটে ফেলা মুরগির মাংস আর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দেখাচ্ছে, যা গাঢ় রক্তের আস্তরণে তখনও তৈলাক্ত হয়ে আছে। খাঁচার মোরগগুলো ওপর থেকে আসা রক্তের গন্ধ পায়। তারা তাদের ভাইদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ চারপাশে পড়ে থাকতে দেখে। তারা জানে এরপর তাদের পালা। তবুও তারা বিদ্রোহ করে না। তারা খাঁচা থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করে না।{{pbr}}এই দেশে মানুষের সাথেও ঠিক একই কাজ করা হয়। ** দ্য ফিফথ নাইট। * ধনীদের স্বপ্ন আর গরিবদের স্বপ্ন তারা কখনো এক বিন্দুতে মেলে না, তাই না?{{pbr}}দেখুন, গরিবরা সারা জীবন পেটভরে খেতে পাওয়ার আর ধনীদের মতো দেখতে হওয়ার স্বপ্ন দেখে। আর ধনীরা কিসের স্বপ্ন দেখে?{{pbr}}ওজন কমিয়ে গরিবদের মতো দেখতে হওয়ার। ** দ্য সিক্সথ নাইট। * যে মুহূর্তে আপনি চিনতে পারবেন এই পৃথিবীতে সুন্দর কী, সেই মুহূর্তে আপনি দাসত্ব থেকে মুক্তি পাবেন। ** দ্য সিক্সথ নাইট। * হে তরুণ ভারতীয়, তোমার বিপ্লবের বই তোমার পেটের ভেতরে রয়েছে। সেটাকে বাইরে বের করে আনো এবং পড়ো।</br></br>তার বদলে, তারা সবাই রঙিন টিভির সামনে বসে ক্রিকেট আর শ্যাম্পুর বিজ্ঞাপন দেখছে। ** দ্য সেভেনথ নাইট। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} * [http://www.aravindadiga.com/ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট] {{DEFAULTSORT:আদিগা, অরবিন্দ}} [[Category:বুকার পুরস্কার বিজয়ী]] [[Category:ভারতের সাংবাদিক]] [[Category:ভারতের ঔপন্যাসিক]] [[Category:অস্ট্রেলিয়ার ঔপন্যাসিক]] [[Category:চেন্নাইয়ের ব্যক্তি]] [[Category:জীবিত ব্যক্তি]] [[Category:অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] gmjiivr0sh9c980bh85bzghqiqlyrsi 78701 78691 2026-04-20T01:06:33Z Sumanta3023 4175 78701 wikitext text/x-wiki '''[[w:অরবিন্দ আদিগা|অরবিন্দ আদিগা]]''' (কন্নড়: ಅರವಿಂದ ಅಡಿಗ, জন্ম ২৩ অক্টোবর ১৯৭৪) একজন সাংবাদিক এবং লেখক, যার ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া উভয় দেশের নাগরিকত্ব রয়েছে। তাঁর প্রথম উপন্যাস, ''[[w:দ্য হোয়াইট টাইগার|দ্য হোয়াইট টাইগার]]'', ২০০৮ সালে [[w:ম্যান বুকার পুরস্কার|ম্যান বুকার পুরস্কার]] জয় করে। ==উক্তি== === ''[[w:দ্য হোয়াইট টাইগার|দ্য হোয়াইট টাইগার]]'' (২০০৮) === * মিস্টার প্রিমিয়ার, স্যার। আপনি বা আমি কেউই ইংরেজিতে কথা বলি না, তবে এমন কিছু বিষয় আছে যা কেবল ইংরেজিতেই বলা সম্ভব। ** দ্য ফার্স্ট নাইট। * দৃশ্যত, স্যার, আপনারা চীনারা প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে আছেন, কেবল আপনাদের কোনো উদ্যোক্তা নেই। আর আমাদের জাতি, যদিও এখানে পানীয় জল, বিদ্যুৎ, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, গণপরিবহন, স্বাস্থ্যবিধি সচেতনতা, শৃঙ্খলা, সৌজন্য বা সময়ানুবর্তিতার অভাব রয়েছে, তবুও এখানে উদ্যোক্তা ''রয়েছে''। হাজার হাজার উদ্যোক্তা। বিশেষ করে প্রযুক্তির ক্ষেত্রে। আর এই উদ্যোক্তারা''আমরা'' উদ্যোক্তারা এই সমস্ত [[আউটসোর্সিং]] কোম্পানিগুলো স্থাপন করেছি যা এখন কার্যত আমেরিকা চালাচ্ছে। ** দ্য ফার্স্ট নাইট। * এখন, এমন কিছু মানুষ আছেন, আর আমি শুধু আপনার মতো সাম্যবাদীদের কথা বলছি না, বরং সব রাজনৈতিক দলেরই চিন্তাশীল মানুষদের কথা বলছি, যারা মনে করেন যে এই দেবতাদের অনেকেরই আসলে কোনো অস্তিত্ব নেই। কেউ কেউ বিশ্বাস করেন যে তাঁদের ''কারোরই'' অস্তিত্ব নেই। শুধু আমরা আছি আর আমাদের চারপাশে আছে এক অন্ধকারের মহাসাগর। আমি কোনো দার্শনিক বা কবি নই, আমি সত্য জানব কীভাবে? এটা ঠিক যে এই সমস্ত দেবতারা খুব সামান্যই কাজ করেন বলে মনে হয় ঠিক আমাদের রাজনীতিবিদদের মতো অথচ বছরের পর বছর স্বর্গের সোনার সিংহাসনে তাঁরা পুনর্নির্বাচিত হয়েই চলেন। তার মানে এই নয় যে আমি তাঁদের সম্মান করি না, মিস্টার প্রিমিয়ার! আপনার ওই হলুদ খুলিতে এই ঈশ্বরনিন্দার ধারণা কখনো ঢুকতে দেবেন না। আমার দেশ এমন এক জায়গা যেখানে দুদিকেই তাল মিলিয়ে চলা লাভজনক: একজন ভারতীয় উদ্যোক্তাকে একই সাথে সোজাসাপ্টা এবং কুটিল, উপহাসকারী এবং বিশ্বাসী, ধূর্ত এবং আন্তরিক হতে হয়। ** দ্য ফার্স্ট নাইট। * একজন ধনী মানুষের শরীর হলো দামী সুতির বালিশের মতো, সাদা, নরম এবং দাগহীন। ''আমাদের'' শরীর আলাদা। আমার বাবার মেরুদণ্ড ছিল একটি গিঁট পাকানো দড়ির মতো, যে ধরনের দড়ি গ্রামের মহিলারা কুয়ো থেকে জল তুলতে ব্যবহার করে; কলার বোন বা জতুকাস্থিটি তাঁর ঘাড়ের চারপাশে উঁচু হয়ে ছিল, অনেকটা কুকুরের গলার বেড় বা কল্যারের মতো; তাঁর বুক ও কোমর জুড়ে চাবুকের মারের মতো অসংখ্য কাটাছেঁড়া ও ক্ষতচিহ্ন ছিল, যা তাঁর নিতম্বের হাড় ছাড়িয়ে নিচে পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। একজন গরিব মানুষের জীবনের গল্প তার শরীরে লেখা থাকে, তীক্ষ্ণ কলমে। ** দ্য ফার্স্ট নাইট। * ভালো কথা, মিস্টার প্রিমিয়ার: আপনি কি কখনো খেয়াল করেছেন যে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ চার কবির সবাই মুসলমান? অথচ আপনার দেখা সমস্ত মুসলমানরাই নিরক্ষর অথবা মাথা থেকে পা পর্যন্ত কালো বোরকায় ঢাকা কিংবা উড়িয়ে দেওয়ার জন্য দালানকোঠা খুঁজছে? এটা একটা ধাঁধা, তাই না? আপনি যদি কখনো এই মানুষদের রহস্য সমাধান করতে পারেন, তবে আমাকে একটি ইমেইল পাঠাবেন। ** দ্য ফার্স্ট নাইট। * এখানে একটি অদ্ভুত সত্য রয়েছে: একজন মানুষকে খুন করুন, আর আপনি তার জীবনের জন্য নিজেকে দায়ী মনে করবেন এমনকি সেই জীবনের ওপর নিজের একটি ''অধিকারবোধও'' তৈরি হবে। আপনি তার সম্পর্কে তার বাবা মায়ের চেয়েও বেশি জানেন; তাঁরা জানতেন তার ভ্রূণকে, কিন্তু আপনি জানেন তার মৃতদেহকে। কেবল আপনিই পারেন তার জীবনের গল্পটি সম্পূর্ণ করতে, কেবল আপনিই জানেন কেন তার শরীরকে সময়ের আগেই আগুনে ঠেলে দিতে হলো, এবং কেন তার পায়ের আঙুলগুলো কুঁকড়ে গিয়ে পৃথিবীতে আর এক ঘণ্টা বেঁচে থাকার লড়াই চালায়। ** দ্য সেকেন্ড নাইট। * মহান ব্যক্তিটি তাঁর হাতের তালু জোড় করলেন এবং চারদিকে মাথা নত করে অভিবাদন জানালেন। তাঁর মুখাবয়ব ছিল সেই সব বিশেষ ধরনের, যা ভারতের সকল মহান রাজনীতিবিদদের থাকে। এই মুখ বলে যে সে এখন শান্তিতে আছে এবং আপনিও শান্তিতে থাকতে পারেন যদি আপনি সেই মুখের মালিককে অনুসরণ করেন। কিন্তু একই মুখ তার অঙ্গভঙ্গির সামান্য পরিবর্তনে এটাও বলতে পারে যে, সে শান্তির বিপরীত রূপটিও চেনে এবং চাইলে সে আপনার মুখটিকেও সেই রূপ দিতে পারে। ** দ্য থার্ড নাইট। * রঙিন কাঁচ তোলা অবস্থায় ধনীদের গাড়িগুলো দিল্লির রাস্তায় কালো ডিমের মতো চলে। মাঝেমধ্যে একটি ডিম ফেটে যায় সোনার চুড়িতে ঝকঝক করা কোনো মহিলার হাত খোলা জানলা দিয়ে বেরিয়ে আসে, রাস্তায় একটি মিনারেল ওয়াটারের খালি বোতল ছুড়ে ফেলে তারপর জানলাটি আবার উঠে যায়, এবং ডিমটি আবার বন্ধ হয়ে যায়। ** দ্য ফোর্থ নাইট। * পুরনো দিল্লিতে যান, জামে মসজিদের পেছনে, এবং বাজারের খাঁচায় মুরগিগুলোকে যেভাবে রাখা হয় তা দেখুন। শত শত ফ্যাকাশে মুরগি আর উজ্জ্বল রঙের মোরগ, তারের জালের খাঁচায় শক্ত করে ঠাসা, পেটের ভেতরে কৃমির মতো গাদাগাদি করে থাকা, একে অপরকে ঠোকরাচ্ছে আর একে অপরের গায়ে মলত্যাগ করছে, শুধু একটু নিঃশ্বাস নেওয়ার জায়গার জন্য ধস্তাধস্তি করছে; পুরো খাঁচা থেকে এক ভয়ানক দুর্গন্ধ বের হচ্ছে ভীত, পালকযুক্ত মাংসের দুর্গন্ধ। এই খাঁচার ওপর কাঠের ডেস্কে একজন হাস্যোজ্জ্বল তরুণ কসাই বসে আছে, যে সদ্য কেটে ফেলা মুরগির মাংস আর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দেখাচ্ছে, যা গাঢ় রক্তের আস্তরণে তখনও তৈলাক্ত হয়ে আছে। খাঁচার মোরগগুলো ওপর থেকে আসা রক্তের গন্ধ পায়। তারা তাদের ভাইদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ চারপাশে পড়ে থাকতে দেখে। তারা জানে এরপর তাদের পালা। তবুও তারা বিদ্রোহ করে না। তারা খাঁচা থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করে না। </br></br>এই দেশে মানুষের সাথেও ঠিক একই কাজ করা হয়। ** দ্য ফিফথ নাইট। * ধনীদের স্বপ্ন আর গরিবদের স্বপ্ন তারা কখনো এক বিন্দুতে মেলে না, তাই না? </br></br>দেখুন, গরিবরা সারা জীবন পেটভরে খেতে পাওয়ার আর ধনীদের মতো দেখতে হওয়ার স্বপ্ন দেখে। আর ধনীরা কিসের স্বপ্ন দেখে? </br></br>ওজন কমিয়ে গরিবদের মতো দেখতে হওয়ার। ** দ্য সিক্সথ নাইট। * যে মুহূর্তে আপনি চিনতে পারবেন এই পৃথিবীতে সুন্দর কী, সেই মুহূর্তে আপনি দাসত্ব থেকে মুক্তি পাবেন। ** দ্য সিক্সথ নাইট। * হে তরুণ ভারতীয়, তোমার বিপ্লবের বই তোমার পেটের ভেতরে রয়েছে। সেটাকে বাইরে বের করে আনো এবং পড়ো।</br></br>তার বদলে, তারা সবাই রঙিন টিভির সামনে বসে ক্রিকেট আর শ্যাম্পুর বিজ্ঞাপন দেখছে। ** দ্য সেভেনথ নাইট। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} * [http://www.aravindadiga.com/ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট] {{DEFAULTSORT:আদিগা, অরবিন্দ}} [[Category:বুকার পুরস্কার বিজয়ী]] [[Category:ভারতের সাংবাদিক]] [[Category:ভারতের ঔপন্যাসিক]] [[Category:অস্ট্রেলিয়ার ঔপন্যাসিক]] [[Category:চেন্নাইয়ের ব্যক্তি]] [[Category:জীবিত ব্যক্তি]] [[Category:অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] i6p634l8ii1i3no0lm3cduo76k15p2r 78703 78701 2026-04-20T01:07:21Z Sumanta3023 4175 /* দ্য হোয়াইট টাইগার (২০০৮) */ 78703 wikitext text/x-wiki '''[[w:অরবিন্দ আদিগা|অরবিন্দ আদিগা]]''' (কন্নড়: ಅರವಿಂದ ಅಡಿಗ, জন্ম ২৩ অক্টোবর ১৯৭৪) একজন সাংবাদিক এবং লেখক, যার ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া উভয় দেশের নাগরিকত্ব রয়েছে। তাঁর প্রথম উপন্যাস, ''[[w:দ্য হোয়াইট টাইগার|দ্য হোয়াইট টাইগার]]'', ২০০৮ সালে [[w:ম্যান বুকার পুরস্কার|ম্যান বুকার পুরস্কার]] জয় করে। ==উক্তি== === ''[[w:দ্য হোয়াইট টাইগার|দ্য হোয়াইট টাইগার]]'' (২০০৮) === * মিস্টার প্রিমিয়ার, স্যার। আপনি বা আমি কেউই ইংরেজিতে কথা বলি না, তবে এমন কিছু বিষয় আছে যা কেবল ইংরেজিতেই বলা সম্ভব। ** দ্য ফার্স্ট নাইট। * দৃশ্যত, স্যার, আপনারা চীনারা প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে আছেন, কেবল আপনাদের কোনো উদ্যোক্তা নেই। আর আমাদের জাতি, যদিও এখানে পানীয় জল, বিদ্যুৎ, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, গণপরিবহন, স্বাস্থ্যবিধি সচেতনতা, শৃঙ্খলা, সৌজন্য বা সময়ানুবর্তিতার অভাব রয়েছে, তবুও এখানে উদ্যোক্তা ''রয়েছে''। হাজার হাজার উদ্যোক্তা। বিশেষ করে প্রযুক্তির ক্ষেত্রে। আর এই উদ্যোক্তারা''আমরা'' উদ্যোক্তারা এই সমস্ত আউটসোর্সিং কোম্পানিগুলো স্থাপন করেছি যা এখন কার্যত আমেরিকা চালাচ্ছে। ** দ্য ফার্স্ট নাইট। * এখন, এমন কিছু মানুষ আছেন, আর আমি শুধু আপনার মতো সাম্যবাদীদের কথা বলছি না, বরং সব রাজনৈতিক দলেরই চিন্তাশীল মানুষদের কথা বলছি, যারা মনে করেন যে এই দেবতাদের অনেকেরই আসলে কোনো অস্তিত্ব নেই। কেউ কেউ বিশ্বাস করেন যে তাঁদের ''কারোরই'' অস্তিত্ব নেই। শুধু আমরা আছি আর আমাদের চারপাশে আছে এক অন্ধকারের মহাসাগর। আমি কোনো দার্শনিক বা কবি নই, আমি সত্য জানব কীভাবে? এটা ঠিক যে এই সমস্ত দেবতারা খুব সামান্যই কাজ করেন বলে মনে হয় ঠিক আমাদের রাজনীতিবিদদের মতো অথচ বছরের পর বছর স্বর্গের সোনার সিংহাসনে তাঁরা পুনর্নির্বাচিত হয়েই চলেন। তার মানে এই নয় যে আমি তাঁদের সম্মান করি না, মিস্টার প্রিমিয়ার! আপনার ওই হলুদ খুলিতে এই ঈশ্বরনিন্দার ধারণা কখনো ঢুকতে দেবেন না। আমার দেশ এমন এক জায়গা যেখানে দুদিকেই তাল মিলিয়ে চলা লাভজনক: একজন ভারতীয় উদ্যোক্তাকে একই সাথে সোজাসাপ্টা এবং কুটিল, উপহাসকারী এবং বিশ্বাসী, ধূর্ত এবং আন্তরিক হতে হয়। ** দ্য ফার্স্ট নাইট। * একজন ধনী মানুষের শরীর হলো দামী সুতির বালিশের মতো, সাদা, নরম এবং দাগহীন। ''আমাদের'' শরীর আলাদা। আমার বাবার মেরুদণ্ড ছিল একটি গিঁট পাকানো দড়ির মতো, যে ধরনের দড়ি গ্রামের মহিলারা কুয়ো থেকে জল তুলতে ব্যবহার করে; কলার বোন বা জতুকাস্থিটি তাঁর ঘাড়ের চারপাশে উঁচু হয়ে ছিল, অনেকটা কুকুরের গলার বেড় বা কল্যারের মতো; তাঁর বুক ও কোমর জুড়ে চাবুকের মারের মতো অসংখ্য কাটাছেঁড়া ও ক্ষতচিহ্ন ছিল, যা তাঁর নিতম্বের হাড় ছাড়িয়ে নিচে পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। একজন গরিব মানুষের জীবনের গল্প তার শরীরে লেখা থাকে, তীক্ষ্ণ কলমে। ** দ্য ফার্স্ট নাইট। * ভালো কথা, মিস্টার প্রিমিয়ার: আপনি কি কখনো খেয়াল করেছেন যে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ চার কবির সবাই মুসলমান? অথচ আপনার দেখা সমস্ত মুসলমানরাই নিরক্ষর অথবা মাথা থেকে পা পর্যন্ত কালো বোরকায় ঢাকা কিংবা উড়িয়ে দেওয়ার জন্য দালানকোঠা খুঁজছে? এটা একটা ধাঁধা, তাই না? আপনি যদি কখনো এই মানুষদের রহস্য সমাধান করতে পারেন, তবে আমাকে একটি ইমেইল পাঠাবেন। ** দ্য ফার্স্ট নাইট। * এখানে একটি অদ্ভুত সত্য রয়েছে: একজন মানুষকে খুন করুন, আর আপনি তার জীবনের জন্য নিজেকে দায়ী মনে করবেন এমনকি সেই জীবনের ওপর নিজের একটি ''অধিকারবোধও'' তৈরি হবে। আপনি তার সম্পর্কে তার বাবা মায়ের চেয়েও বেশি জানেন; তাঁরা জানতেন তার ভ্রূণকে, কিন্তু আপনি জানেন তার মৃতদেহকে। কেবল আপনিই পারেন তার জীবনের গল্পটি সম্পূর্ণ করতে, কেবল আপনিই জানেন কেন তার শরীরকে সময়ের আগেই আগুনে ঠেলে দিতে হলো, এবং কেন তার পায়ের আঙুলগুলো কুঁকড়ে গিয়ে পৃথিবীতে আর এক ঘণ্টা বেঁচে থাকার লড়াই চালায়। ** দ্য সেকেন্ড নাইট। * মহান ব্যক্তিটি তাঁর হাতের তালু জোড় করলেন এবং চারদিকে মাথা নত করে অভিবাদন জানালেন। তাঁর মুখাবয়ব ছিল সেই সব বিশেষ ধরনের, যা ভারতের সকল মহান রাজনীতিবিদদের থাকে। এই মুখ বলে যে সে এখন শান্তিতে আছে এবং আপনিও শান্তিতে থাকতে পারেন যদি আপনি সেই মুখের মালিককে অনুসরণ করেন। কিন্তু একই মুখ তার অঙ্গভঙ্গির সামান্য পরিবর্তনে এটাও বলতে পারে যে, সে শান্তির বিপরীত রূপটিও চেনে এবং চাইলে সে আপনার মুখটিকেও সেই রূপ দিতে পারে। ** দ্য থার্ড নাইট। * রঙিন কাঁচ তোলা অবস্থায় ধনীদের গাড়িগুলো দিল্লির রাস্তায় কালো ডিমের মতো চলে। মাঝেমধ্যে একটি ডিম ফেটে যায় সোনার চুড়িতে ঝকঝক করা কোনো মহিলার হাত খোলা জানলা দিয়ে বেরিয়ে আসে, রাস্তায় একটি মিনারেল ওয়াটারের খালি বোতল ছুড়ে ফেলে তারপর জানলাটি আবার উঠে যায়, এবং ডিমটি আবার বন্ধ হয়ে যায়। ** দ্য ফোর্থ নাইট। * পুরনো দিল্লিতে যান, জামে মসজিদের পেছনে, এবং বাজারের খাঁচায় মুরগিগুলোকে যেভাবে রাখা হয় তা দেখুন। শত শত ফ্যাকাশে মুরগি আর উজ্জ্বল রঙের মোরগ, তারের জালের খাঁচায় শক্ত করে ঠাসা, পেটের ভেতরে কৃমির মতো গাদাগাদি করে থাকা, একে অপরকে ঠোকরাচ্ছে আর একে অপরের গায়ে মলত্যাগ করছে, শুধু একটু নিঃশ্বাস নেওয়ার জায়গার জন্য ধস্তাধস্তি করছে; পুরো খাঁচা থেকে এক ভয়ানক দুর্গন্ধ বের হচ্ছে ভীত, পালকযুক্ত মাংসের দুর্গন্ধ। এই খাঁচার ওপর কাঠের ডেস্কে একজন হাস্যোজ্জ্বল তরুণ কসাই বসে আছে, যে সদ্য কেটে ফেলা মুরগির মাংস আর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দেখাচ্ছে, যা গাঢ় রক্তের আস্তরণে তখনও তৈলাক্ত হয়ে আছে। খাঁচার মোরগগুলো ওপর থেকে আসা রক্তের গন্ধ পায়। তারা তাদের ভাইদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ চারপাশে পড়ে থাকতে দেখে। তারা জানে এরপর তাদের পালা। তবুও তারা বিদ্রোহ করে না। তারা খাঁচা থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করে না। </br></br>এই দেশে মানুষের সাথেও ঠিক একই কাজ করা হয়। ** দ্য ফিফথ নাইট। * ধনীদের স্বপ্ন আর গরিবদের স্বপ্ন তারা কখনো এক বিন্দুতে মেলে না, তাই না? </br></br>দেখুন, গরিবরা সারা জীবন পেটভরে খেতে পাওয়ার আর ধনীদের মতো দেখতে হওয়ার স্বপ্ন দেখে। আর ধনীরা কিসের স্বপ্ন দেখে? </br></br>ওজন কমিয়ে গরিবদের মতো দেখতে হওয়ার। ** দ্য সিক্সথ নাইট। * যে মুহূর্তে আপনি চিনতে পারবেন এই পৃথিবীতে সুন্দর কী, সেই মুহূর্তে আপনি দাসত্ব থেকে মুক্তি পাবেন। ** দ্য সিক্সথ নাইট। * হে তরুণ ভারতীয়, তোমার বিপ্লবের বই তোমার পেটের ভেতরে রয়েছে। সেটাকে বাইরে বের করে আনো এবং পড়ো।</br></br>তার বদলে, তারা সবাই রঙিন টিভির সামনে বসে ক্রিকেট আর শ্যাম্পুর বিজ্ঞাপন দেখছে। ** দ্য সেভেনথ নাইট। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} * [http://www.aravindadiga.com/ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট] {{DEFAULTSORT:আদিগা, অরবিন্দ}} [[Category:বুকার পুরস্কার বিজয়ী]] [[Category:ভারতের সাংবাদিক]] [[Category:ভারতের ঔপন্যাসিক]] [[Category:অস্ট্রেলিয়ার ঔপন্যাসিক]] [[Category:চেন্নাইয়ের ব্যক্তি]] [[Category:জীবিত ব্যক্তি]] [[Category:অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] c1ojlzjw26qm16313kip6z9up1u856d নারায়ণ সান্যাল 0 12848 78574 78455 2026-04-19T12:33:02Z Nil Nandy 2294 /* উক্তি */ 78574 wikitext text/x-wiki {{bw|নারায়ণ সান্যাল}} (২৬ এপ্রিল ১৯২৪ - ৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৫) আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত লেখক। এছাড়াও তিনি ছিলেন একজন পুর প্রকৌশলী।[[File:NarayanSanyallhome.jpg|thumb|নারায়ণ সান্যাল]] ==উক্তি== *বহুবার বলেছি, আবারও বলি, কাঁটা-সিরিজ কাহিনীতে মৌলিকতার দাবী আমার নেই! যাঁরা কথাসাহিত্যে মৌলিকতা ভিন্ন অন্য রস আস্বাদনে অক্ষম তাঁরা মাকড়শার জাল চর্বণ করতে থাকুন। আমাকে আমার মধুকর-বৃত্তিতে সন্তুষ্ট থাকতে দিন। মধু আমার ভাল লাগে। **কৈফিয়ৎ, কাঁটায়-কাঁটায় ৪ (চতুর্থ খণ্ড)। উৎস:[https://www.ebanglalibrary.com/books/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a7%aa-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/] *এটুকু বুঝি যে, আজ যদি আমরা চিত্তরঞ্জনে বিদ্যুৎ-বাহিত রেলওয়ে এঞ্জিনের পরিবর্তে আবার বয়লার এঞ্জিন বানাবার চেষ্টা করি, পেট্রোল, কোলগ্যাস, কয়লা, কেরোসিন, রেড়ির তেল, কাঠ থেকে ধাপে ধাপে নামতে নামতে মা ভগবতীর অকৃপণ দানের ভরসায় বসে থাকি তবে আমাদের নাতি-নাতনির’ কপালে দুঃখ আছে। **কৈফিয়ৎ, বিশ্বাসঘাতক। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/বিশ্বাসঘাতক-নারায়ণ-সান/] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:নদিয়া জেলার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্র পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:২০০৫-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯২৪-এ জন্ম]] 6psdq8pxsb9uq764zynhhz3ra7v9rd5 78577 78574 2026-04-19T12:37:15Z Nil Nandy 2294 /* উক্তি */ 78577 wikitext text/x-wiki {{bw|নারায়ণ সান্যাল}} (২৬ এপ্রিল ১৯২৪ - ৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৫) আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত লেখক। এছাড়াও তিনি ছিলেন একজন পুর প্রকৌশলী।[[File:NarayanSanyallhome.jpg|thumb|নারায়ণ সান্যাল]] ==উক্তি== *বহুবার বলেছি, আবারও বলি, কাঁটা-সিরিজ কাহিনীতে মৌলিকতার দাবী আমার নেই! যাঁরা কথাসাহিত্যে মৌলিকতা ভিন্ন অন্য রস আস্বাদনে অক্ষম তাঁরা মাকড়শার জাল চর্বণ করতে থাকুন। আমাকে আমার মধুকর-বৃত্তিতে সন্তুষ্ট থাকতে দিন। মধু আমার ভাল লাগে। **কৈফিয়ৎ, কাঁটায়-কাঁটায় ৪ (চতুর্থ খণ্ড)। উৎস:[https://www.ebanglalibrary.com/books/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a7%aa-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/] *এটুকু বুঝি যে, আজ যদি আমরা চিত্তরঞ্জনে বিদ্যুৎ-বাহিত রেলওয়ে এঞ্জিনের পরিবর্তে আবার বয়লার এঞ্জিন বানাবার চেষ্টা করি, পেট্রোল, কোলগ্যাস, কয়লা, কেরোসিন, রেড়ির তেল, কাঠ থেকে ধাপে ধাপে নামতে নামতে মা ভগবতীর অকৃপণ দানের ভরসায় বসে থাকি তবে আমাদের নাতি-নাতনির’ কপালে দুঃখ আছে। **কৈফিয়ৎ, বিশ্বাসঘাতক। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/বিশ্বাসঘাতক-নারায়ণ-সান/] *অর্থাৎ বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়েছে মাত্র একমাস আগে। ইউরেনিয়াম-বোমা-বিধ্বস্ত হিরোশিমা আর প্লুটোনিয়াম-বোমা-বিধস্ত নাগাসাকির ধ্বংসস্তূপ তখনও সরানো যায়নি। জার্মানি, রাশিয়া, ফ্রান্স অথবা জাপানের অধিকাংশ জনপদ মৃত্যুপুরীতে রূপান্তরিত। বিশ্ব এক মহাশ্মশান! মানব সভ্যতার ইতিহাসে এ পৃথিবীতে এতবড় ক্ষয়ক্ষতি আর কখনও হয়নি। সেই মহাশ্মশানে শুধু শোনা যায় মিত্রপক্ষের বিজয়োল্লাসের উৎসব-ধ্বনি–যেন কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধাবসানে মাংসভুক শিবাকুলের উচ্ছ্বাস! **[https://www.ebanglalibrary.com/lessons/কে-2/ কে?, বিশ্বাসঘাতক।] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:নদিয়া জেলার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:রবীন্দ্র পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:২০০৫-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯২৪-এ জন্ম]] ouujf9u8hdc7zpw8ppjtoaxgp01vnq7 গাজা যুদ্ধ (২০২৩-বর্তমান) 0 12850 78620 78553 2026-04-19T15:06:30Z Oindrojalik Watch 4169 78620 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|358px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:October_2023_Gaza%E2%88%92Israel_conflict.svg|thumb|২৯ জুন ২০২৫ পর্যন্ত গাজার মানচিত্র।]] '''[[:w:গাজা যুদ্ধ|গাজা যুদ্ধ]]''' হলো [[:w:গাজা উপত্যকা|গাজা উপত্যকা]] এবং [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলের]] মধ্যে চলমান একটি সশস্ত্র সংঘাত যা ৭ অক্টোবর ২০২৩ থেকে শুরু হয়েছিল। এটি মূলত বিংশ শতাব্দী থেকে চলে আসা অমীমাংসিত [[:w:ইসরায়েলি–ফিলিস্তিনি সংঘাত|ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি]] এবং গাজা-ইসরায়েল সংঘাতের একটি অংশ। ৭ অক্টোবর ২০২৩-এ, [[:w:হামাস|হামাসের]] নেতৃত্বাধীন সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো [[w:৭ অক্টোবরের হামলা|ইসরায়েলের ওপর একটি আকস্মিক আক্রমণ চালায়]], যার ফলে ৮১৫ জন বেসামরিক নাগরিকসহ ১১৯৫ জন ইসরায়েলি ও বিদেশী নাগরিক নিহত হন এবং ইসরায়েলি কারাগারে বন্দি [[w:ইসরায়েলি হেফাজতে ফিলিস্তিনি|ফিলিস্তিনি বন্দিদের]] মুক্তির দাবিতে [[w:গাজা যুদ্ধ জিম্মি সংকট|২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়]]। এর প্রতিক্রিয়ায় শুরু হওয়া [[w:গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি আক্রমণ|ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে]] এ পর্যন্ত গাজায় ৭২,৩৩৬-এরও বেশি ফিলিস্তিনি [[w:গাজা যুদ্ধের হতাহত|নিহত হয়েছেন]] (২০২৩ সালের ৭ই অক্টোবর ২০২৬ সালের ১৪ই এপ্রিল), যাদের অর্ধেকেরও বেশি [[w:গাজা যুদ্ধে নারী|নারী]] ও [[w:গাজা উপত্যকায় শিশুদের ওপর গাজা যুদ্ধের প্রভাব|শিশু]]; এবং ১,৭২,০০০-এরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। '[[w:দ্য ল্যানসেট|দ্য ল্যানসেটের]]'একটি গবেষণায় অনুমান করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালের জুন মাস পর্যন্ত গাজায় আঘাতজনিত কারণে ৬৪,২৬০ জন নিহত হয়েছেন। তবে পরোক্ষ মৃত্যুসহ এই নিহতের সংখ্যা আরও বহুগুণ বেশি হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। [[File:Isaac Herzog in Tel Aviv-Yafo, October 2023 (ABG 0395).jpg|thumb|সেখানে বসবাসরত একটি গোটা জাতিই এর জন্য দায়ী। ~ '''''আইজ্যাক হারজোগ''''']] [[File:Fires in Israel and the Gaza strip - 7 October 2023 (53245908850).jpg|thumb|ইসরায়েল এবং গাজা উপত্যকায় দাবানল। চিত্রটি প্রায় ৪৮ কিলোমিটার প্রশস্ত (৭ অক্টোবর ২০২৩)।]] __NOTOC__ {{TOCalpha|''২০২৩ ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ সংক্রান্ত ভিডিওসমূহ''}} == A == * আমরা শৈশব থেকেই সর্বদা 'নাকবা' বা সেই ভয়াবহ মহাবিপর্যয়ের করুণ ইতিহাস ও আর্তনাদ শুনে শুনে বড় হয়েছি, কিন্তু আমরা কখনো ঘুণাক্ষরেও কল্পনা করিনি যে আমাদের নিজেদের প্রজন্মকেও সেই একই বিভীষিকাময় ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকতে হবে। ১৯৪৮ সালে যখন সেই বিপর্যয়টি ঘটেছিল, তখন তা আজকের মতো উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়নি, যার ফলে ফিলিস্তিনের মাটিতে ঠিক কী অমানবিক নিষ্ঠুরতা ঘটে চলেছে তা বিশ্ববাসী তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারেনি। কিন্তু বর্তমান সময়ের আধুনিক প্রেক্ষাপটে এটি অত্যন্ত কলঙ্কজনক ও চরম লজ্জাজনক যে, এই ভয়াবহ রক্তপাত ও সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড আজ বিশ্বজুড়ে টেলিভিশনের পর্দায় সরাসরি প্রচারিত হচ্ছে এবং সমগ্র বিশ্ববাসী আক্ষরিক অর্থেই তা অত্যন্ত নির্লিপ্তভাবে প্রত্যক্ষ করছে। ** '''''আহমেদ আবুফাউল''''', 'ডেমোক্রেসি নাও!'-তে উদ্ধৃত: "[https://www.democracynow.org/2023/12/22/israel_gaza_war_crimes গাজান অ্যাটর্নি হু হ্যাজ লস্ট ৬০ রিলেটিভস ইন ইসরায়েলি অ্যাটাকস সেজ ইউ.এস. ইজ “কমপ্লিসিট ইন জেনোসাইড”]" (২২ ডিসেম্বর ২০২৩), ডেমোক্রেসি নাও! * আরব বিশ্ব বর্তমানে যে বার্তাটি শুনতে পাচ্ছে তা অত্যন্ত প্রখর, তিক্ত এবং অত্যন্ত উচ্চকিত। ফিলিস্তিনিদের জীবনের মূল্য আজ ইসরায়েলিদের জীবনের তুলনায় অনেক তুচ্ছ, নগণ্য ও সস্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আমাদের অস্তিত্ব বা প্রাণের গুরুত্ব পৃথিবীর অন্য যে কারও জীবনের চেয়ে অনেক কম বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োগ যেন আজ একটি নিছক ঐচ্ছিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে এবং মানবাধিকারের যেন নির্দিষ্ট কিছু ভৌগোলিক সীমারেখা আছে—যা রাষ্ট্রের রাজনৈতিক সীমান্তে এসে থমকে যায়, যা বিশেষ কোনো জাতিগত পরিচয়ের দেয়ালে এসে আটকে যায় এবং যা নির্দিষ্ট কোনো ধর্মের ভিত্তিতে এসে সম্পূর্ণ স্তব্ধ হয়ে যায়। ** '''''[[:w:দ্বিতীয় আবদুল্লাহ|দ্বিতীয় আবদুল্লাহ]]''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=ই |first1=ভিভিয়ান |last2=স্টিভিস-গ্রিডনেফ |first2=মতিনা |title=পিস সামিট ইন ইজিপ্ট শোস আ শিফট ইন রেটোরিক বাট নো কনসেনসাস |url=https://www.nytimes.com/2023/10/21/world/middleeast/peace-summit-gaza-egypt.html |work=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |date=২১ অক্টোবর ২০২৩}} * গাজার আল-কুদস হাসপাতাল থেকে অসহায় রোগীদের অবিলম্ব সরিয়ে নেওয়ার হুমকির বিষয়ে ফিলিস্তিন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির (@PalestineRCS) প্রতিবেদনটি আমাদের গভীরভাবে উদ্বিগ্ন, বিচলিত ও স্তম্ভিত করেছে। আমরা আবারও অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে ব্যক্ত করছি যে—অসংখ্য মুম্মূর্ষু ও জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা রোগীভর্তি একটি সম্পূর্ণ হাসপাতাল তাদের অস্তিত্বকে চরম সংকটাপন্ন ও বিপন্ন না করে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া সম্পূর্ণ অসম্ভব একটি কাজ। আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী, চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোকে সর্বদা এবং সর্বাবস্থায় বিশেষ সুরক্ষা ও নিরাপত্তা প্রদান করা একান্ত অপরিহার্য। ** '''''[[:w:তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস|তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস]]''''', একটি [https://twitter.com/DrTedros/status/1718592128039752132 এক্স (X) পোস্টে]। উদ্ধৃত: {{cite news |title=ডব্লিউএইচও কনসার্নড বাই রিপোর্ট অফ ইভাকুয়েশন ওয়ার্নিং টু গাজা আল-কুদস হসপিটাল |url=https://www.reuters.com/article/israel-palestinians-who/who-concerned-by-report-of-evacuation-warning-to-gaza-al-quds-hospital-idUSL8N3BZ0B7/ |work=রয়টার্স |date=২৯ অক্টোবর ২০২৩}} * এই সংস্থাটি আমাদের পৃথিবীতে শান্তি ও সম্প্রীতি স্থাপনের মহান লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। যদি আপনারা, জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে, এই ভয়াবহ রক্তপাত থামাতে না পারেন অথবা তা থামানোর ক্ষমতা আপনাদের না থাকে, তবে আমাদের অবশ্যই প্রশ্ন করতে হবে: এই জাতিসংঘের সার্থকতা তবে কোথায় এবং এর অস্তিত্ব আসলে কীসের জন্য? ** '''''[[:w:তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস|তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.who.int/director-general/speeches/detail/who-director-general-s-remarks-at-the-informal-plenary-meeting-of-the-united-nations-general-assembly---17-november-2023 ডব্লিউএইচও ডিরেক্টর-জেনারেল'স রিমার্কস অ্যাট দ্য ইনফরমাল প্লেনারি মিটিং অফ দ্য ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলি – ১৭ নভেম্বর ২০২৩] * গাজার বাসিন্দারা, এই মুহূর্তে যারা ওয়াদি গাজার দক্ষিণে অগ্রসর হচ্ছেন, আপনারা তাঁদের সাথে যোগদান করুন। আমি আপনাদের অবহিত করতে চাই যে, যদিও হামাস আপনাদের পক্ষ থেকে চালানো বর্তমান মানবিক প্রচেষ্টাগুলোকে ক্রমাগত ব্যাহত করছে এবং আপনাদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে, তবুও আজ আইডিএফ (IDF) পুনরায় সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সালাহ আল-দিন সড়ক দিয়ে যাতায়াতের অনুমতি প্রদান করবে। আপনাদের নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে, ওয়াদি গাজার দক্ষিণে চলে যাওয়ার এই পরবর্তী সুযোগটি গ্রহণ করুন। আপনাদের মধ্যে অনেকেই এই মুহূর্তে এটি করছেন, যা কিছুক্ষণ আগে তোলা সংযুক্ত ছবিগুলো দেখলেই আপনারা বুঝতে পারবেন। আপনারা যদি নিজের এবং নিজের প্রিয়জনদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেন, তবে আমাদের নির্দেশ অনুযায়ী অবিলম্বে দক্ষিণে অগ্রসর হন। এটুকু নিশ্চিত থাকুন যে, হামাস নেতারা ইতোমধ্যে নিজেদের রক্ষা করার ব্যবস্থা করে নিয়েছেন। ** '''''[[:w:আভিচাই আদ্রায়ে|আভিচাই আদ্রায়ে]]''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=সুলিভান |first1=হেলেন |last2=চাও-ফং |first2=লেওনি |last3=বেলাম |first3=মার্টিন |last4=লিভিংস্টোন |first4=হেলেন |title=ইসরায়েল-হামাস ওয়ার: কনভয় অফ ফাইভ ট্রাকস হিট বাই ফায়ার – অ্যাজ ইট হ্যাপেনড |url=https://www.theguardian.com/world/live/2023/nov/07/israel-hamas-war-live-updates-gaza-security-responsibility-for-gaza-netanyahu-palestine?page=with:block-6549f8ea8f081e24ac48a9f5 |work=দ্য গার্ডিয়ান |date=৮ নভেম্বর ২০২৩}} * যখন এই পরিকল্পিত গণহত্যা শুরু হলো, তখন থেকেই আমি এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নের ঘোরে আচ্ছন্ন হতে শুরু করলাম—না, আসলে সেগুলোকে কেবল দুঃস্বপ্ন বললে ভুল হবে, কারণ তা ছিল তার চেয়েও অনেক বেশি বীভৎস। ঘুমের ঘোরে আমার আত্মা যেন এক অন্য জগতে স্থানান্তরিত হয়ে যেত; আমি নিজেকে গাজার মাটিতে আবিষ্কার করতাম, যেখানে অশুভ প্রেতাত্মারা আমাকে ছিঁড়ে খুঁড়ে খাচ্ছে, আমার সত্তাকে লুণ্ঠন করছে এবং চারপাশের পুরো পৃথিবীটা যেন টকটকে লাল রক্তে রঞ্জিত হয়ে আছে। সপ্তাহে বেশ কয়েকবার আমি প্রচণ্ড কান্নায় ভেঙে পড়ে ধড়ফড় করে জেগে উঠতাম। যখন আমার মস্তিষ্ক এটি যুক্তি দিয়ে বুঝতে ব্যর্থ হতো যে আমি ঘুম থেকে জেগে উঠেছি, তখন এক অবর্ণনীয় আতঙ্ক আমাকে আষ্টেপৃষ্ঠে গ্রাস করে নিত। ** '''''লরা আলবাস্ট''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=আলবাস্ট |first1=লরা |title=দ্য জেনোসাইড লিভস ইন মাই বডি |url=https://www.palestine-studies.org/en/node/1656307 |work=ইনস্টিটিউট ফর প্যালেস্টাইন স্টাডিজ |date=২২ অক্টোবর ২০২৪}} * ২০২১ সালে তালিবান কর্তৃক আফগানিস্তান দখলের পর সেখান থেকে সাধারণ মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার বা ইভাকুয়েশন প্রক্রিয়ার সাথে আমি নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিলাম, আর সেই অভিজ্ঞতার আলোকেই আমি আজ এই কথাগুলো বলতে বাধ্য হচ্ছি। মাসের পর মাস ধরে আমার সহকর্মী ও আমি প্রতিদিন বিশ্বের প্রতিটি মহাদেশের সরকারি কর্মকর্তা, সংসদ সদস্য, কংগ্রেস সদস্য, ক্রীড়াবিদ, শিল্পী এবং শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর কাছ থেকে শত শত ফোন কল পেয়েছি, যেখানে তারা আমাদের কাছে মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য আকুতি জানিয়েছিল! আমি শপথ করে বলছি, আমি ব্যক্তিগতভাবে আমেরিকার একটি দলকে এটি বোঝাতে দিনের পর দিন ব্যয় করেছি যে আমাদের কুকুরগুলোকে উদ্ধার করার কোনো প্রয়োজন নেই, কারণ তালিবানরা কুকুর ভক্ষণ করে না! আপনারা কি একবারও ভেবে দেখেছেন যে, গাজার এই নির্মম গণহত্যার/#Gaza_Genocide প্রতি আপনাদের বর্তমান প্রতিক্রিয়া দেখে আমাদের এখন কেমন অনুভব করা উচিত? আপনাদের সেই মানবতা আজ কোথায় হারিয়ে গেল? আপনাদের তথাকথিত আদর্শ ও মূলনীতিগুলো কোথায়? নারীর অধিকারের সেই বুলিগুলোই বা কোথায় গেল? গুরুত্বের সাথে বলছি, আপনারা নিজেদের কাছে এই অমানবিকতাকে কীভাবে ন্যায্য বলে প্রমাণ করছেন? আজ যখন একের পর এক হাসপাতালকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, তখন আপনারা সেটির সপক্ষেও সাফাই গাইছেন? এমন কোনো হীনস্তর কি আর বাকি আছে যেখানে আপনারা এখনো পৌঁছাননি? ** '''''[[:w:লোলওয়াহ আল-খাতের|লোলওয়াহ আল-খাতের]]''''', একটি [https://twitter.com/Lolwah_Alkhater/status/1724137537193627960 লোলওয়াহ আল-খাতেরের এক্স (X) পোস্টে] বর্ণিত। * আরব বিশ্ব এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর মানুষ গাজার এই ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ এবং প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্টের অকুণ্ঠ সমর্থনের মধ্যে একটি স্পষ্ট বিভাজন রেখা টেনে দিচ্ছে। এটি স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হচ্ছে যে, ইসরায়েল যা কিছু করতে চায়, তার সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়েছে; আর সেটি তারা স্বেচ্ছায় করুক কিংবা অনিচ্ছায়। ** '''''জন অল্টারম্যান''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=বার্নবাম |first1=মাইকেল |title=ইউ.এস. ইজ ওয়ার্নড অ্যাবাউট ইটস গ্লোবাল স্ট্যান্ডিং অ্যাজ গাজা সাফারিং পারসিস্টস |url=https://www.washingtonpost.com/national-security/2023/11/11/us-israel-gaza-civilian-deaths/ |work=ওয়াশিংটন পোস্ট |date=১৩ নভেম্বর ২০২৩}} * যদি এই জায়নবাদী আগ্রাসন অবিলম্বে বন্ধ করা না হয়, তবে এই অঞ্চলের সংশ্লিষ্ট সকল সংক্ষুব্ধ পক্ষের হাতই এখন বন্দুকের ট্রিগারে রয়েছে এবং যেকোনো মুহূর্তে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। ** '''''[[:w:হোসেইন আমির-আব্দুল্লাহিয়ান|হোসেইন আমির-আব্দুল্লাহিয়ান]]''''', উদ্ধৃত: {{cite news |title=ইরান টেলস ইসরায়েল: 'হ্যান্ডস অফ অল রিজিওনাল পার্টিস অন ট্রিগার ইফ অ্যাগ্রেশন ডু নট স্টপ' |url=https://www.reuters.com/world/middle-east/iran-tells-israel-hands-all-regional-parties-trigger-if-aggression-do-not-stop-2023-10-15/ |work=রয়টার্স |date=১৫ অক্টোবর ২০২৩}} * [[:w:গাজা উপত্যকা|গাজা উপত্যকায়]] যখন [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলি]] বাহিনী তাদের প্রলয়ঙ্করী ও বিধ্বংসী আক্রমণ ক্রমাগত জোরদার করছে, তখন [[:w:অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল|অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল]] বেশ কিছু বেআইনি ইসরায়েলি হামলার দালিলিক প্রমাণ সংগ্রহ করেছে; যার মধ্যে রয়েছে নির্বিচারে চালানো আক্রমণসমূহ, যা ব্যাপক হারে বেসামরিক হতাহতের কারণ হয়েছে এবং এই ঘটনাগুলোকে অবশ্যই [[:w:যুদ্ধাপরাধ|যুদ্ধাপরাধ]] হিসেবে তদন্ত করা অপরিহার্য। ** '''''[[:w:অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল|অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল]]''''', {{cite web |title=ইসরায়েলি অ্যাটাকস ওয়াইপ আউট এনটায়ার ফ্যামিলিস ইন গাজা |url=https://www.amnesty.org/en/latest/news/2023/10/damning-evidence-of-war-crimes-as-israeli-attacks-wipe-out-entire-families-in-gaza/ |date=২০ অক্টোবর ২০২৩}} [[File:BringThemBackNow1.jpg|thumb|আমি মনে করি না যে শিশুদের কখনো আটক বা বন্দী করে রাখা উচিত। ~ '''''[[:w:আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্তেজ|এওসি]]''''']] * সুতরাং, আপনারা যদি [[:w:ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিনিদের]] দেওয়া হতাহতের সংখ্যার বিষয়ে সন্দেহ পোষণ করেন এবং একই সাথে কোনো প্রকার নিরপেক্ষ তদন্ত—এমনকি [[:w:গাজা|গাজায়]] বিদেশী সাংবাদিকদের প্রবেশকেও সমর্থন না করেন—তবে আপনাদের প্রকৃত বক্তব্য এটাই দাঁড়ায় যে: এই মৃত্যুর সংখ্যা আসলে কোনো গুরুত্বই বহন করে না, কারণ আপনারা ফলাফল যাই হোক না কেন এই সংঘাতকে অন্ধভাবে সমর্থন দিয়েই যাবেন। আপনারা স্রেফ একে ন্যায্য প্রমাণের জন্য নিত্যনতুন অজুহাত খুঁজে বের করবেন। ** '''''িয়ারা আসি''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=হার্ব |first1=আলী |title=‘অ্যাপলিং’: হোয়াই হ্যাজ বাইডেন কাস্ট ডাউট অন দ্য ফিলিস্তিনিয়ান ডেথ কাউন্ট? |url=https://www.aljazeera.com/news/2023/10/26/appalling-why-has-biden-cast-doubt-on-the-palestinian-death-count |work=আল জাজিরা |date=২৬ অক্টোবর ২০২৩}} * [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েল]] বর্তমানে আমাদের সময়ের এক ভয়াবহ [[:w:হলোকাস্ট|হলোকাস্ট]] বা মহাপরিকল্পিত গণহত্যা সংঘটিত করছে, এবং তারা এটি বিশ্ববাসীর চোখের সামনেই করছে—যারা আপাতদৃষ্টিতে এই চরম অমানবিকতার প্রতি এক প্রকার উদাসীন ও সংবেদনহীন হয়ে পড়েছে। ** '''''[[:w:সুসান আবুলহাওয়া|সুসান আবুলহাওয়া]]''''', উদ্ধৃত: "[https://novaramedia.com/2024/10/18/i-went-to-gaza-what-i-saw-was-a-holocaust/ আই ওয়েন্ট টু গাজা। হোয়াট আই স ওয়াজ আ হলোকাস্ট]" (১৮ অক্টোবর ২০২৪), ''নোভারা মিডিয়া''। * আপনারা হয়তো [[:w:হামাস|হামাসের]] শক্তি হ্রাস করতে পারেন। আমি মনে করি, আপনারা যত খুশি তত তাদের সৈন্য হত্যাও করতে পারেন। কিন্তু সবসময় মূল প্রশ্নটি হলো—ঠিক কোন মূল্যের বিনিময়ে এটি করা হচ্ছে? এবং না, আপনারা কখনোই হামাসকে সম্পূর্ণ নির্মূল করতে পারবেন না; কারণ হামাস স্রেফ কোনো সামরিক বাহিনী নয়, বরং এটি একটি সুদৃঢ় আদর্শ। [...] এটি আসলে এক ধরণের প্রদর্শনী বা নাটক মাত্র। আমি বলব, এর প্রাথমিক দর্শক হলো মূলত এখানে, [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] অভ্যন্তরীণ সাধারণ মানুষ। আমরা স্পষ্টতই জানি যে প্রেসিডেন্ট [[:w:জো বাইডেন|বাইডেন]] আগামী বছর পুনরায় নির্বাচনের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন এবং সেখানে তাঁর প্রতিপক্ষ হতে পারেন [[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। তাই বাইডেন মূলত এটিই প্রদর্শনের চেষ্টা করছেন যে, ইসরায়েলের জন্য জো বাইডেন এবং ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ে বড় কোনো বন্ধু আর নেই। ** '''''উইলিয়াম জে. অ্যাস্টোর''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=হার্ব |first1=আলী |title=বাইডেন’স ইসরায়েল ট্রিপ ডিসপ্লেস ‘পারফর্মেটিভ’ অ্যাপ্রোচ টু গাজা ওয়ার: অ্যানালিস্টস |url=https://www.aljazeera.com/news/2023/10/20/bidens-israel-trip-reveals-performative-approach-to-gaza-war-analysts |work=আল জাজিরা |date=২০ অক্টোবর ২০২৩}} == B == * আমার বড় ভয়—এবং এই কথাটি আমি গত চার সপ্তাহ ধরে অনবরত বলে আসছি—[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|নেতানিয়াহুকে]] এবং তাঁর চিন্তা করার ধরণ সম্পর্কে আমার যে জ্ঞান রয়েছে, তা থেকে আমি বলতে পারি যে তিনি ততক্ষণ পর্যন্ত থামবেন না যতক্ষণ না তিনি ১:১০ অনুপাতে [প্রতিজন ইসরায়েলি মৃত্যুর বিপরীতে ১০ জন ফিলিস্তিনি মৃত্যু] রক্তক্ষয় নিশ্চিত করে নিজের হারানো অহংবোধ পুনরুদ্ধার করছেন। সুতরাং আমাদের সামনে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে; এবং যতক্ষণ না এই নিহতের সংখ্যা ১৪,০০০-এ পৌঁছাবে, ততক্ষণ পর্যন্ত সম্ভবত তিনি এই অঞ্চলে সফররত প্রধান কূটনীতিকদের কথায় কোনো কর্ণপাত করবেন না। তাঁরা সবাই এখানে তাঁর সাথে কথা বলতে আসছেন, কিন্তু তিনি এখন পর্যন্ত কারও পরামর্শেই সায় দিচ্ছেন না। ** '''''সুলতান বারাকাত''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=স্টেপানস্কি |first1=জোসেফ |title=ইসরায়েল-হামাস ওয়ার লাইভ আপডেট: গাজা হসপিটাল অন ব্রিঙ্ক অফ শাট্টিং ডাউন |url=https://www.aljazeera.com/news/liveblog/2023/11/6/israel-hamas-live-news-communications-blackout-across-gaza?update=2466687 |work=আল জাজিরা |date=৬ নভেম্বর ২০২৩}} * ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী যা বলেছেন, তা [[:w:ইসরায়েল সরকার|ইসরায়েলি সরকারের]] আসল পরিকল্পনাকেই উন্মোচিত করে দেয়। আর তা হলো [[:w:গাজা উপত্যকা|গাজা উপত্যকায়]] এক সর্বাত্মক [[:w:জাতিগত নির্মূলীকরণ|জাতিগত নির্মূলীকরণ]] অভিযান চালানো। এটি কোনো আশ্চর্যজনক বিষয় নয়। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিশ্ববাসী এই ভয়াবহ পরিকল্পনার প্রতি যথেষ্ট মনোযোগ দিচ্ছে না। বাস্তবতা হলো, ইসরায়েল গাজার নিরপরাধ বেসামরিক জনগণের ওপর ক্রমাগত বোমা হামলা ও বিমান আক্রমণের মাধ্যমে সুপরিকল্পিতভাবে এই জাতিগত নিধনযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে। ** '''''[[:w:মুস্তফা বারঘুতি|মুস্তফা বারঘুতি]]''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=আসিফ |first1=ইউসরা |title=প্যালেস্টিনিয়ান পলিটিশিয়ান স্ল্যামস ইসরায়েলি মিনিস্টার'স রিমার্কস অন গাজা ‘ভলান্টারি মাইগ্রেশন’ |url=https://english.alarabiya.net/News/middle-east/2023/11/14/Palestinian-politician-slams-Israeli-minister-s-remarks-on-Gaza-voluntary-migration- |work=আল আরাবিয়া ইংলিশ |date=১৪ নভেম্বর ২০২৩}} * [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলি]] সামরিক অভিযানগুলো বর্তমানে এমন এক অসহনীয় মানবিক সংকটের জন্ম দিয়েছে, যা সময়ের সাথে সাথে কেবল আরও ঘনীভূত ও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। কিন্তু ইসরায়েলের এই কার্যকলাপ কি—যেমনটি দেশটির প্রতিপক্ষরা দাবি করছেন—[[:w:জাতিগত নির্মূলীকরণ|জাতিগত নির্মূলীকরণের]] দ্বারপ্রান্তে। নাকি আরও চরমভাবে বললে, এটি একটি [[:w:গণহত্যা|গণহত্যা]]? গণহত্যার একজন ইতিহাসবিদ হিসেবে আমি বিশ্বাস করি যে, বর্তমানে [[:w:গাজা|গাজায়]] গণহত্যা সংঘটিত হচ্ছে এমন কোনো চূড়ান্ত প্রমাণ এখনও নেই; যদিও এটি অত্যন্ত প্রবলভাবে সম্ভব যে সেখানে [[:w:যুদ্ধাপরাধ|যুদ্ধাপরাধ]] এবং এমনকি [[:w:মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ|মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধও]] সংঘটিত হচ্ছে। এর দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্য রয়েছে। প্রথমত, আমাদের চোখের সামনে ঠিক কী ঘটছে তা সঠিকভাবে সংজ্ঞায়িত করা প্রয়োজন এবং দ্বিতীয়ত, পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আগেই আমাদের কাছে তা থামানোর সুযোগ রয়েছে। আমরা ইতিহাস থেকে জানি যে, কোনো গণহত্যা ঘটে যাওয়ার পর বিলম্বে তার নিন্দা জানানোর চেয়ে বরং সেটি সংঘটিত হওয়ার আগেই তার সম্ভাবনা সম্পর্কে সতর্ক করা অত্যন্ত জরুরি। আমি মনে করি, আমাদের হাতে এখনও সেই সময়টুকু অবশিষ্ট রয়েছে। ** '''''[[:w:ওমের বারতভ|ওমের বারতভ]]''''', {{cite web |title=হোয়াট আই বিলিভ অ্যাজ আ হিস্টোরিয়ান অফ জেনোসাইড |url=https://www.nytimes.com/2023/11/10/opinion/israel-gaza-genocide-war.html?smid=nytcore-ios-share&referringSource=articleShare |publisher=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |date=১০ নভেম্বর ২০২৩}} * এটি অত্যন্ত স্পষ্ট যে, [[:w:গাজা|গাজার]] ওপর প্রতিদিন যে হারে সহিংসতা চালানো হচ্ছে, তা একাধারে অসহনীয় এবং অচল। [[:w:হামাস|হামাসের]] দ্বারা সংঘটিত ৭ অক্টোবরের সেই হত্যাকাণ্ড—যা নিজেই একটি [[:w:যুদ্ধাপরাধ|যুদ্ধাপরাধ]] এবং [[:w:মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ|মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ]]—তার পর থেকে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক বিমান ও স্থল অভিযানে ১০,৫০০-এরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এই নিহতের সংখ্যার মধ্যে কয়েক হাজার শিশুও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই সংখ্যাটি হামাসের হাতে ইসরায়েলে নিহত হওয়া ১,৪০০-এরও বেশি মানুষের তুলনায় পাঁচ গুণেরও বেশি। এই আক্রমণকে ন্যায্য প্রমাণের প্রচেষ্টায় [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলি]] নেতা এবং জেনারেলরা এমন সব ভয়াবহ ঘোষণা প্রদান করেছেন যা মূলত একটি [[:w:গণহত্যা|গণহত্যার]] অভিপ্রায়কেই নির্দেশ করে। তবুও, আমরা বর্তমানে যে সম্মিলিত বিভীষিকা প্রত্যক্ষ করছি, তার মানে এই নয় যে আন্তর্জাতিক আইনের সংজ্ঞা অনুযায়ী সেখানে ইতোমধ্যে কোনো গণহত্যা শুরু হয়ে গেছে। যেহেতু গণহত্যাকে কখনও কখনও "সকল অপরাধের শ্রেষ্ঠ অপরাধ" হিসেবে গণ্য করা হয়, তাই অনেক সময় যেকোনো গণহত্যাকাণ্ড বা ব্যাপক হত্যাকাণ্ডকেই গণহত্যা হিসেবে বর্ণনা করার একটি প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু প্রতিটি নৃশংস ঘটনাকেই গণহত্যার তকমা দেওয়ার এই তাড়না বাস্তবতাকে ব্যাখ্যা করার পরিবর্তে বরং তাকে আরও ধোঁয়াশাপূর্ণ বা অস্পষ্ট করে তোলে। ** '''''[[:w:ওমের বারতভ|ওমের বারতভ]]''''', {{cite web |title=হোয়াট আই বিলিভ অ্যাজ আ হিস্টোরিয়ান অফ জেনোসাইড |url=https://www.nytimes.com/2023/11/10/opinion/israel-gaza-genocide-war.html?smid=nytcore-ios-share&referringSource=articleShare |publisher=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |date=১০ নভেম্বর ২০২৩}} * ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধের এই ভয়াবহ বিস্তার প্রত্যক্ষ করার ক্ষেত্রে আমার সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গাটি হলো—সেখানে একটি গণহত্যার অভিপ্রায় পরিলক্ষিত হচ্ছে, যা খুব সহজেই যেকোনো সময় গণহত্যার সরাসরি পদক্ষেপে রূপ নিতে পারে। ** '''''[[:w:ওমের বারতভ|ওমের বারতভ]]''''', {{cite web |title=হোয়াট আই বিলিভ অ্যাজ আ হিস্টোরিয়ান অফ জেনোসাইড |url=https://www.nytimes.com/2023/11/10/opinion/israel-gaza-genocide-war.html?smid=nytcore-ios-share&referringSource=articleShare |publisher=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |date=১০ নভেম্বর ২০২৩}} * যদিও আমরা এটি বলতে পারি না যে সামরিক বাহিনী সুনির্দিষ্টভাবে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে, তবে কার্যগত এবং আলঙ্কারিক দিক থেকে আমরা হয়তো এমন একটি [[:w:জাতিগত নির্মূলীকরণ|জাতিগত নির্মূলীকরণ]] অভিযান প্রত্যক্ষ করছি যা অত্যন্ত দ্রুততায় গণহত্যায় পর্যবসিত হতে পারে; যেমনটি অতীতেও একাধিকবার ঘটেছে। ** '''''[[:w:ওমের বারতভ|ওমের বারতভ]]''''', {{cite web |title=হোয়াট আই বিলিভ অ্যাজ আ হিস্টোরিয়ান অফ জেনোসাইড |url=https://www.nytimes.com/2023/11/10/opinion/israel-gaza-genocide-war.html?smid=nytcore-ios-share&referringSource=articleShare |publisher=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |date=১০ নভেম্বর ২০২৩}} * আমরা যদি সত্যিকার অর্থেই বিশ্বাস করি যে [[:w:হলোকাস্ট|হলোকাস্ট]] আমাদের এই শিক্ষা দিয়েছে যে—অন্যের মানবতা ও মর্যাদাকে রক্ষা করার মাধ্যমেই আমাদের নিজেদের মানবতা ও সম্মানকে টিকিয়ে রাখা প্রয়োজন, এমনকি এটি আমাদের একটি নৈতিক দায়িত্ব—তবে এখনই সময় উঠে দাঁড়ানোর এবং উচ্চকণ্ঠে প্রতিবাদ করার; যাতে [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলের]] নেতৃত্ব নিজেদের এবং তাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোকে এক গভীর অতল গহ্বরে নিমজ্জিত করতে না পারে। ইসরায়েলকে তার বর্তমান কর্মকাণ্ড একটি পূর্ণাঙ্গ [[:w:গণহত্যা|গণহত্যায়]] রূপ দেওয়া থেকে বিরত রাখার জন্য এখনও কিছুটা সময় অবশিষ্ট আছে। আমাদের আর একটি মুহূর্তও অপেক্ষা করার অবকাশ নেই। ** '''''[[:w:ওমের বারতভ|ওমের বারতভ]]''''', {{cite web |title=হোয়াট আই বিলিভ অ্যাজ আ হিস্টোরিয়ান অফ জেনোসাইড |url=https://www.nytimes.com/2023/11/10/opinion/israel-gaza-genocide-war.html?smid=nytcore-ios-share&referringSource=articleShare |publisher=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |date=১০ নভেম্বর ২০২৩}} * [[:w:গাজা|গাজার]] ওই শিশুরা এই পরিণতি নিজেদের ওপর নিজেরাই ডেকে এনেছে। ** '''''[[:w:মেইরাভ বেন-আরি|মেইরাভ বেন-আরি]]''''', 'মিডল ইস্ট আই'-তে উদ্ধৃত: "ইসরায়েল-ফিলিস্তিন: গাজায় বিমান হামলায় ১,০০০-এরও বেশি ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে, এনজিওর তথ্য প্রকাশ" (১৭ অক্টোবর ২০২৩) এবং {{cite news |last1=শাকির |first1=ওমর |last2=আহমেদ |first2=ইয়াসমিন |last3=কুমার |first3=অক্ষয় |title=উই আর সিয়িং আর্জেন্ট সাইনস অফ মোর মিউচুয়াল মাস অ্যাট্রোসিটিস টু কাম ইন ইসরায়েল অ্যান্ড গাজা |url=https://www.hrw.org/news/2023/10/20/we-are-seeing-urgent-signs-more-mutual-mass-atrocities-come-israel-and-gaza |publisher=হিউম্যান রাইটস ওয়াচ |date=২০ অক্টোবর ২০২৩}} * এখানে যা প্রয়োজন তা হলো একটি পূর্ণাঙ্গ দখলদারিত্ব। যখন আপনি সরাসরি রণক্ষেত্রে উপস্থিত থাকবেন, তখন আপনার কাছে পর্যাপ্ত গোয়েন্দা তথ্য এবং নিয়ন্ত্রণ থাকবে; তখন আপনিই হবেন সেই ভূমির সর্বময় মালিক। ** '''''[[:w:ইতামার বেন-গভির|ইতামার বেন-গভির]]''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=গাদজো |first1=মারসিহা |last2=পিয়েত্রোমার্চি |first2=ভার্জিনিয়া |last3=শঙ্কর |first3=প্রিয়াঙ্কা |last4=রোল্যান্ডস |first4=লিন্ডাল |last5=পাওয়ার |first5=জন |title=স্নাইপার ফায়ার টার্গেট দোজ ট্র্যাপড ইন আল-শিফা হসপিটাল |url=https://www.aljazeera.com/news/liveblog/2023/11/12/israel-gaza-war-live-israeli-army-surrounding-al-quds-hospital?update=2480792 |work=আল জাজিরা |date=১২ নভেম্বর ২০২৩}} * যেকোনো সফর যাতে প্রকাশ্যে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হয়নি, তা মূলত গাজার ওপর চলমান ইসরায়েলি আক্রমণগুলোকেই এক ধরণের মৌন সমর্থন প্রদানের শামিল [...] আমি মনে করি বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতি হলো ইসরায়েল যা কিছু অর্জন করার চেষ্টা করছে তাকে সর্বাত্মকভাবে সমর্থন করা, তা বাস্তবসম্মত হোক কিংবা অবাস্তব। ** '''''[[:w:ফিলিস বেনিস|ফিলিস বেনিস]]''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=হার্ব |first1=আলী |title=বাইডেন’স ইসরায়েল ট্রিপ ডিসপ্লেস ‘পারফর্মেটিভ’ অ্যাপ্রোচ টু গাজা ওয়ার: অ্যানালিস্টস |url=https://www.aljazeera.com/news/2023/10/20/bidens-israel-trip-reveals-performative-approach-to-gaza-war-analysts |work=আল জাজিরা |date=২০ অক্টোবর ২০২৩}} * আমি দীর্ঘ সময় ধরে এই কাজ করছি। কিন্তু আমি সত্যিই কখনো ভাবিনি যে, আমি নিজের চোখে সন্ত্রাসীদের হাতে শিশুদের শিরশ্ছেদ করার ছবি দেখব এবং তার সত্যতা নিশ্চিত করব। ** '''''[[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]]''''', যে উক্তি হামাস কর্তৃক শিশুদের শিরশ্ছেদ করার মিথ্যা অভিযোগের অবতারণা করে, উদ্ধৃত: {{cite news |last1=স্কাহিল |first1=জেরেমি |title=জো বাইডেন কিপস রিপিটিং হিজ ফলস ক্লেইম দ্যাট হি স পিকচার্স অফ বিহেডেড বেবিস |url=https://theintercept.com/2023/12/14/israel-biden-beheaded-babies-false/ |work=দ্য ইন্টারসেপ্ট |date=১৪ অক্টোবর ২০২৩}} * আপনারা একটি ইহুদি রাষ্ট্র। আপনারা যেমন একটি ইহুদি রাষ্ট্র, তেমনি আপনারা একটি [[:w:গণতন্ত্র|গণতন্ত্রও]]। আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতোই আপনারা সন্ত্রাসীদের নিয়মে চলেন না। আপনারা চলেন আইনের শাসনে। যখন কোনো সংঘাত চরম আকার ধারণ করে, তখন আপনারা যুদ্ধের নিয়মাবলি মেনে চলেন। যা আমাদের সন্ত্রাসীদের থেকে আলাদা করে তা হলো—আমরা প্রতিটি মানুষের জীবনের মৌলিক মর্যাদায় বিশ্বাস করি, সে [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলি]], [[:w:ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিনি]], আরব, ইহুদি, মুসলিম কিংবা খ্রিস্টান যে-ই হোক না কেন। আপনার নিজস্ব স্বকীয়তা যা আপনাকে অনন্য করে তোলে, তা আপনি বিসর্জন দিতে পারেন না। যদি আপনারা সেটি ত্যাগ করেন, তবে সন্ত্রাসীরাই জয়ী হবে। আর আমরা তাদের কখনোই জয়ী হতে দিতে পারি না। ** '''''[[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]]''''', [https://sv.usembassy.gov/president-bidens-statement-during-his-visit-to-tel-aviv/ প্রেসিডেন্ট বাইডেন’স স্টেটমেন্ট ডিউরিং হিজ ভিজিট টু তেল আবিব], ১৯ অক্টোবর ২০২৩ * আমরা সকলেই মহান স্রষ্টার প্রতিচ্ছবি হিসেবে সৃজিত মানুষ, যার মধ্যে রয়েছে মর্যাদা, মানবিকতা এবং নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য। এই অন্ধকারের মাঝে বিশ্বের কাছে আলোকবর্তিকা হয়ে ওঠাই হলো আমাদের লক্ষ্য। আপনারা সারা বিশ্বের অজস্র মানুষের কাছে আশা এবং আলোর অনুপ্রেরণা। সন্ত্রাসীরা মূলত সেটিই ধ্বংস করতে চায়। তারা অন্ধকার জগতে বাস করে বলেই এটি ধ্বংস করতে চায়—কিন্তু আপনারা তা নন, ইসরায়েল তা নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের মতো বিবেকবান রাষ্ট্রগুলো কেবল তাদের শক্তির উদাহরণের মাধ্যমে পরিমাপ করা হয় না। আমরা পরিমাপিত হই আমাদের উদাহরণের শক্তির দ্বারা। আর এই কারণেই, পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক না কেন, আমাদের অবশ্যই শান্তির পথ অনুসরণ করে যেতে হবে। আমাদের অবশ্যই এমন একটি পথ প্রশস্ত করতে হবে যাতে ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনি জনগণ উভয়ই নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং শান্তিতে বসবাস করতে পারে। আমার কাছে এর অর্থ হলো একটি [[:w:দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান|দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান]]। প্রতিবেশীদের সাথে ইসরায়েলের বৃহত্তর সংহতি ও একত্রীকরণের জন্য আমাদের কাজ চালিয়ে যেতে হবে। এই হামলাগুলো সেই লক্ষ্য পূরণে আমার অঙ্গীকার, সংকল্প এবং ইচ্ছাশক্তিকে আরও দৃঢ় করেছে। আমি আপনাদের বলতে এসেছি যে, সন্ত্রাসীরা জয়ী হবে না। মুক্তি ও স্বাধীনতারই জয় হবে। সুতরাং, আমি যেখানে শুরু করেছিলাম সেখানেই শেষ করতে চাই। ইসরায়েল, আপনারা একা নন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আপনাদের পাশে আছে। ** '''''[[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]]''''', [https://sv.usembassy.gov/president-bidens-statement-during-his-visit-to-tel-aviv/ প্রেসিডেন্ট বাইডেন’স স্টেটমেন্ট ডিউরিং হিজ ভিজিট টু তেল আবিব], ১৯ অক্টোবর ২০২৩ * আজ আমি সমগ্র ইসরায়েলবাসীকে বলছি- [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]] আপনাদের ছেড়ে কোথাও যাচ্ছে না। আমরা আপনাদের পাশে থাকব। আমরা এই দুঃসময়ে যেমন আপনাদের পাশে হাঁটব, তেমনি আগামীর সুন্দর দিনগুলোতেও আপনাদের পাশে থাকব। আর সেই সুদিন অবশ্যই আসবে। হিব্রু ভাষায় যেমনটি আপনারা বলেন—যা বলার চেষ্টা আমি করব না কারণ আমি একজন আনাড়ি ভাষাবিদ—আমি সেটি ইংরেজিতেই বলছি, "ইসরায়েলের মানুষ বেঁচে থাকবে।" "ইসরায়েলের মানুষ অমর।" ইসরায়েল আজ, আগামীকাল এবং চিরকাল একটি নিরাপদ, সুরক্ষিত, ইহুদি এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকবে। ঈশ্বর যেন শান্তিকামীদের রক্ষা করেন। যারা এখনও বিপদের সম্মুখীন, ঈশ্বর যেন তাদের সহায় হন। ** '''''[[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]]''''', [https://sv.usembassy.gov/president-bidens-statement-during-his-visit-to-tel-aviv/ প্রেসিডেন্ট বাইডেন’স স্টেটমেন্ট ডিউরিং হিজ ভিজিট টু তেল আবিব], ১৯ অক্টোবর ২০২৩ * এই ধরণীতে এমন কেউ নেই, কেউ নেই এবং কেউ নেই—যিনি সৃষ্টিকর্তার এই বিশাল পৃথিবীতে [[:w:হামাস|হামাসের]] সেই জঘন্য কর্মকাণ্ডকে ন্যায্য বলে সমর্থন করতে পারেন। তারা একটি নিষ্ঠুর, কুৎসিত এবং অমানবিক গোষ্ঠী, যাদের অবশ্যই পৃথিবী থেকে নির্মূল করা অপরিহার্য। ** '''''[[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.whitehouse.gov/briefing-room/speeches-remarks/2023/12/12/remarks-by-president-biden-at-a-campaign-reception-5/ রিমার্কস বাই প্রেসিডেন্ট বাইডেন অ্যাট আ ক্যাম্পেইন রিসেপশন], ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ * [[:w:গাজা|গাজার]] হাসপাতালে ঘটে যাওয়া সেই হৃদয়বিদারক ট্র্যাজেডিতে যারা নিহত বা আহত হয়েছেন, আমি তাঁদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করছি। আমরা এই অঞ্চলের অংশীদারদের সাথে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি যাতে গাজার নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিকদের কাছে যত দ্রুত সম্ভব জীবনরক্ষাকারী মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করা যায়। ** '''''[[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]]''''', [https://twitter.com/POTUS/status/1714855375311127015 পিওটিইউএস (POTUS)-এর একটি এক্স (X) পোস্টে] উদ্ধৃত। * [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েল]] বর্তমানে এমন এক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে যারা এমন বর্বরতায় লিপ্ত হয়েছে যা [[:w:হলোকাস্ট|হলোকাস্টের]] মতোই সুদূরপ্রসারী ও ভয়াবহ। এবং—তাই আমি মনে করি ইসরায়েলের অবশ্যই এর জবাব দেওয়া উচিত। তাদের হামাসের পিছু নিতেই হবে। এই হামাস মূলত একদল উন্মাদের সমষ্টি। তারা সাধারণ বেসামরিক মানুষের আড়ালে লুকিয়ে থাকে। তারা তাদের সদর দপ্তর বা কমাণ্ড সেন্টারগুলো এমন স্থানে স্থাপন করেছে যেখানে সাধারণ মানুষ এবং বেসামরিক ভবন অবস্থিত। তবে ইসরায়েলিরা সাধ্যমতো তাদের আলাদা করার চেষ্টা করছে এবং আমি আত্মবিশ্বাসী যে—ইসরায়েলিরা নিরপরাধ বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি এড়াতে তাদের ক্ষমতার মধ্যে থাকা সবকিছুই করবে। ** '''''[[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]]''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=পেলি |first1=স্কট |title=প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন: দ্য ২০২৩ ৬০ মিনিটস ইন্টারভিউ ট্রান্সক্রিপ্ট |url=https://www.cbsnews.com/news/president-joe-biden-2023-60-minutes-transcript/ |work=সিবিএস নিউজ |date=১৫ অক্টোবর ২০২৩}} * [[:w:আয়াতুল্লাহ খোমেনি|আয়াতুল্লাহ খোমেনির]] প্রতি আমার সতর্কতা ছিল এই যে, যদি তাঁরা আমাদের সৈন্যদের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক পদক্ষেপ অব্যাহত রাখেন, তবে আমরা অবশ্যই তার কঠোর জবাব দেব এবং এজন্য তাঁর প্রস্তুত থাকা উচিত। ইসরায়েলের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ** '''''[[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]]''''', উদ্ধৃত: {{cite web |title=রিমার্কস বাই প্রেসিডেন্ট বাইডেন অ্যান্ড প্রাইম মিনিস্টার অ্যান্থনি আলবানিজ অফ অস্ট্রেলিয়া ইন জয়েন্ট প্রেস কনফারেন্স |url=https://www.whitehouse.gov/briefing-room/speeches-remarks/2023/10/25/remarks-by-president-biden-and-prime-minister-anthony-albanese-of-australia-in-joint-press-conference/ |website=হোয়াইটহাউস.গভ |publisher=হোয়াইট হাউস |date=২৫ অক্টোবর ২০২৩}} * [[:w:জো বাইডেন|বাইডেন]] এবং [[:w:অ্যান্টনি ব্লিনকেন|ব্লিনকেন]] এখনও কূটনৈতিক এবং অন্যান্য উপায়ে [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলকে]] সুরক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন—এবং শান্তির প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলেছেন—যাতে ইসরায়েল এই [[:w:গণহত্যা|গণহত্যা]] অব্যাহত রাখতে পারে। ** '''''[[:w:মারওয়ান বিশারা|মারওয়ান বিশারা]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/k8y4b6?update=2458064 বাইডেন ‘কভারিং আপ ফর ইসরায়েল অ্যাজ ইট ইজ ফিনিশিং ইটস জেনোসাইড’ ইন গাজা: এজে অ্যানালিস্ট] * এটি মধ্যপ্রাচ্য এবং বর্তমানে ইন্দো-প্যাসিফিকের এই অঞ্চলে নয় দিনের নিবিড় কূটনৈতিক সফরের শেষ দিন। এই যাত্রাপথের প্রতিটি ধাপে আমরা বিভিন্ন উপায়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছি: ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনা এবং তাদের কাছে পৌঁছানো মানবিক সহায়তার পরিমাণ সর্বোচ্চ করা; সংঘাতের বিস্তার রোধে কাজ করা; জিম্মিদের ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি [[:w:গাজা|গাজা]] থেকে মার্কিন নাগরিক ও অন্যান্য বিদেশি নাগরিকদের নিরাপদে বের করে আনার বিষয়ে মনোনিবেশ করা; এবং ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি উভয়ের জন্যই সত্যিকার অর্থে টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তার ভিত্তি স্থাপন করা। সেই লক্ষ্য অর্জনে আমি এক সপ্তাহ আগে থেকেই ইসরায়েলি সরকারের সাথে প্রতিটি উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা শুরু করেছি। আর সেই পদক্ষেপগুলোর মধ্যে একটি ছিল মানবিক বিরতি বা 'হিউম্যানিটারিয়ান পজ', যা নিয়ে আমরা এক সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে কথা বলেছিলাম। এই পদক্ষেপগুলো আমার উল্লেখ করা প্রতিটি লক্ষ্যকেই এগিয়ে নিতে পারে। আমরা এই বিষয়টির প্রশংসা করি যে, গতকাল ইসরায়েল নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় তিন ঘণ্টার নোটিশে চার ঘণ্টার বিরতি ঘোষণা করেছে। সেই সাথে দুটি মানবিক করিডোর চালুর ঘোষণাও দিয়েছে, যা সাধারণ মানুষকে বিপদমুক্ত স্থানে আরও নিরাপদ ও স্বাধীনভাবে যাতায়াত করতে এবং প্রয়োজনীয় সাহায্য লাভ করতে সহায়তা করবে। এই পদক্ষেপগুলো জীবন রক্ষা করবে এবং অভাবগ্রস্ত ফিলিস্তিনিদের কাছে আরও বেশি সহায়তা পৌঁছাতে সক্ষম হবে। ** '''''[[:w:অ্যান্টনি ব্লিনকেন|অ্যান্টনি ব্লিনকেন]]''''', {{cite web |title=সেক্রেটারি অ্যান্টনি জে. ব্লিনকেন রিমার্কস টু দ্য প্রেস |url=https://www.state.gov/secretary-antony-j-blinken-remarks-to-the-press-17/ |publisher=ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট |date=১০ নভেম্বর ২০২৩}} * একই সাথে, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় এবং তাদের কাছে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো নিশ্চিত করতে আরও অনেক কিছু করা প্রয়োজন। গত কয়েক সপ্তাহে অনেক বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। অনেক বেশি মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। আমরা তাঁদের ক্ষতি রোধ করতে এবং তাঁদের কাছে পৌঁছানো সাহায্যের পরিমাণ সর্বোচ্চ করতে সম্ভাব্য সবকিছুই করতে চাই। সেই উদ্দেশ্যে আমরা ইসরায়েলের সাথে এই লক্ষ্যগুলো এগিয়ে নেওয়ার জন্য সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখব। আমাদের জিম্মিদের স্বদেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাব। আমরা গাজায় মানবিক সহায়তার পরিধি বাড়ানোর এবং তা কার্যকরভাবে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করব। আমরা বর্তমানে সেই পদক্ষেপগুলোর ওপর গুরুত্বারোপ চালিয়ে যাব যা একটি দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই শান্তির ভিত্তি তৈরি করতে শুরু করবে—যা আমরা বারবার বলেছি এবং বিশ্বাস করি যে, সেখানে অবশ্যই দুই জাতির জন্য দুটি পৃথক রাষ্ট্র বা [[:w:দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান|দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান]] অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। ** '''''[[:w:অ্যান্টনি ব্লিনকেন|অ্যান্টনি ব্লিনকেন]]''''', {{cite web |title=সেক্রেটারি অ্যান্টনি জে. ব্লিনকেন রিমার্কস টু দ্য প্রেস |url=https://www.state.gov/secretary-antony-j-blinken-remarks-to-the-press-17/ |publisher=ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট |date=১০ নভেম্বর ২০২৩}} * [[:w:হামাস|হামাসের]] এই হামলাগুলো সম্পূর্ণ সমর্থনযোগ্যতাহীন—এবং এগুলো বিশ্বব্যাপী নিন্দার দাবি রাখে। কিন্তু [[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর]] সরকারের পক্ষ থেকে যে প্রতিক্রিয়া জানানো হচ্ছে, সেটিও আমাদের পক্ষ থেকে অত্যন্ত স্পষ্ট ও কঠোর নিন্দার দাবিদার। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে আমরা বলতে পারি, এই প্রতিক্রিয়াটি ছিল একেবারেই অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং এটি আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘন করছে। একটি রাষ্ট্রের নিজেকে রক্ষা করার অধিকারের নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে এবং সেই সীমানাগুলোর অর্থ হলো নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিকদের, বিশেষ করে শিশুদের জীবনকে সম্মান করা এবং বেসামরিক মানবিক আইনকে শ্রদ্ধা জানানো। ** '''''[[:w:গ্যাব্রিয়েল বোরিক|গ্যাব্রিয়েল বোরিক]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/ddc07n?update=2458673 ইসরায়েল’স গাজা রেসপন্স ‘ডিজার্ভস ক্লিয়ারেস্ট কনডেমনেশন’, চিলি’স বোরিক টেলস বাইডেন] * [[:w:গাজা|গাজায়]] ভবনগুলোর যে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে... তা কমবেশি [[:w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] সময় জার্মানির শহরগুলোর ভোগ করা ধ্বংসলীলার সমান বা এমনকি তার চেয়েও অনেক বেশি। ** '''''[[:w:জোসেপ বোরেল|জোসেপ বোরেল]]''''', উদ্ধৃত: "[https://aje.io/2hwa2q?update=2549891 ‘অ্যাপোক্যালিপটিক’: ইইউ অফিশিয়াল কম্পেয়ারস গাজা ডেসট্রাকশন টু ডব্লিউডব্লিউআইআই জার্মানি]" (১১ ডিসেম্বর ২০২৩), ''আল জাজিরা''। * যারা আমাদের এই অযৌক্তিক ও অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্টের সাথে মানিয়ে নিতে বাধ্য করার লক্ষ্য রাখে, তাদের সেই তথাকথিত 'যৌক্তিক' সুরের মাঝে দাঁড়িয়ে আমি কবিতা লিখতে পারি না। অশুভ বা পৈশাচিক কোনো শব্দচ্ছলতা আর নয়। মৌখিকভাবে পরিমার্জিত নরকসম কোনো দৃশ্যপট আর নয়। যুদ্ধবাজদের আর কোনো মিথ্যাচারও নয়। ** '''''[[:w:অ্যান বোয়ার|অ্যান বোয়ার]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/yu4f6n?update=2492783 নিউ ইয়র্ক টাইমস ম্যাগাজিন পোয়েট্রি এডিটর রিজাইনস ওভার গাজা ওয়ার] * আমাদের সকলের উচিত উঠে দাঁড়ানো, প্রতিবাদ জানানো এবং এই [[:w:গণহত্যা|গণহত্যা]] বন্ধের আহ্বান জানানো। যতক্ষণ না [[:w:ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিন]] স্বাধীন হচ্ছে... ততক্ষণ আমরা এই সহিংসতা প্রত্যক্ষ করতেই থাকব। এই কাঠামোগত সহিংসতার ফলেই আমরা এ ধরণের প্রতিরোধের জন্ম হতে দেখব। ** '''''[[:w:জুডিথ বাটলার|জুডিথ বাটলার]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.democracynow.org/2023/10/26/judith_butler_ceasefire_gaza_israel প্যালেস্টিনিয়ান লিভস ম্যাটার টু: জুইশ স্কলার জুডিথ বাটলার কনডেমস ইসরায়েল’স “জেনোসাইড” ইন গাজা] == C == * বর্তমানে আমাদের এমন সব রোগীদের ওপর অস্ত্রোপচার করতে হচ্ছে যাদের আমরা মরফিন পর্যন্ত দিতে পারছি না। এই মাত্র দুটি শিশুর ক্ষেত্রে এমনটি ঘটল। আহতদের মধ্যে দুর্ভাগ্যবশত অসংখ্য শিশু রয়েছে। আমি আমাদের একজন সার্জনের সাথে আলোচনা করছিলাম, যিনি গতকাল ১০ বছর বয়সী একটি শিশুকে গ্রহণ করেছেন; যার শরীরের ৬০ শতাংশ অংশই পুড়ে গিয়েছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে কোনো ব্যথানাশক ওষুধ দেওয়া সম্ভব হয়নি। সাধারণ মানুষের কাছে এই সব অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ পৌঁছানোর পথ অবরুদ্ধ করার কোনো প্রকার অজুহাত বা সমর্থন থাকতে পারে না। ** '''''লিও ক্যানস''''', উদ্ধৃত: [https://www.cnn.com/2023/10/23/middleeast/israel-gaza-hamas-war-monday-intl-hnk/index.html ইসরায়েল র‍্যাম্পস আপ গাজা স্ট্রাইকস অ্যাজ স্পাইরালিং হিউম্যানিটারিয়ান ক্রাইসিস ড ওয়ার্ফস ট্রিকল অফ এইড] * বর্তমানে কিছু ধরণের প্রতিবাদ বা বিক্ষোভ প্রদর্শনের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে তা দেওয়া হচ্ছে না। ** '''''[[:w:মোনা চালাবি|মোনা চালাবি]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.washingtonpost.com/style/media/2023/11/17/mona-chalabi-gaza-criticize-new-york-times-pulitzer/ আফটার পুলিৎজার উইন, এন.ওয়াই. টাইমস কন্ট্রিবিউটর ক্রিটিসাইজেস গাজা কভারেজ] * এই মুহূর্তে [[:w:গাজা|গাজার]] পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ এবং বিপর্যয়কর। যেসব হাসপাতাল ও ক্লিনিক এখনও খালি করা হয়নি, সেগুলো রোগীর চাপে দিশেহারা এবং প্রায় অচল অবস্থায় রয়েছে। সেখানে নেই কোনো বিদ্যুৎ, নেই কোনো চিকিৎসা সরঞ্জাম। [[:w:আল-শিফা হাসপাতাল|আল-শিফা হাসপাতালের]] সার্জনরা এখন কোনো প্রকার ব্যথানাশক ওষুধ ছাড়াই অস্ত্রোপচার করতে বাধ্য হচ্ছেন। ** '''''[[:w:ক্রিস্টোস ক্রিস্টো|ক্রিস্টোস ক্রিস্টো]]''''', [https://twitter.com/DrChristou/status/1714003414886031855?s=20 ক্রিস্টোস ক্রিস্টোর একটি এক্স (X) পোস্টে] বর্ণিত। * বেসামরিক নাগরিকদের ওপর এই অবিরাম বোমা হামলা চালিয়ে শেষ পর্যন্ত আদতে কিছুই অর্জন করা সম্ভব নয়। ** '''''[[:w:ক্রিস্টোস ক্রিস্টো|ক্রিস্টোস ক্রিস্টো]]''''', উদ্ধৃত: "[https://aje.io/bxwakd?update=2566081 নাথিং ক্যান বি গেইন্ড ফ্রম দ্য কন্টিনিউড বোম্বিং অফ সিভিলিয়ানস]" (১৭ ডিসেম্বর ২০২৩), ''আল জাজিরা''। * এই যুদ্ধের শেষে, কেবল যে [[:w:হামাস|হামাসই]] গাজায় আর অস্তিত্বশীল থাকবে না তা-ই নয়, বরং গাজার ভূখণ্ডও আয়তনে হ্রাস পাবে। ** '''''[[:w:এলি কোহেন (রাজনীতিবিদ, জন্ম ১৯৭২)|এলি কোহেন]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.timesofisrael.com/liveblog_entry/foreign-minister-at-wars-end-not-only-will-hamas-be-gone-but-gazas-territory-will-shrink/#:~:text=Foreign%20Minister%20Eli%20Cohen%20tells,of%20Gaza%20will%20also%20decrease.” ফরেন মিনিস্টার: অ্যাট ওয়ার'স এন্ড, নট অনলি উইল হামাস বি গন, বাট গাজা'স টেরিটরি উইল শ্রিঙ্ক] * যুদ্ধাপরাধ সবসময়ই যুদ্ধাপরাধ, এমনকি তা যদি কোনো মিত্রশক্তির দ্বারাও সংঘটিত হয়; এবং একে তার প্রকৃত নামেই অভিহিত করা উচিত। ** '''''[[:w:প্যাডি কসগ্রেভ|প্যাডি কসগ্রেভ]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/itqemp?update=2429335 ওয়েব সামিট সিইও রিজাইনস ওভার ইসরায়েল ‘ওয়ার ক্রাইমস’ পোস্ট] * নতুন করে সহিংসতা শুরু হওয়ার বিষয়ে আমি আমার গভীর উদ্বেগের কথা ব্যক্ত করেছি এবং রাফাহ সীমান্তে আমি যা বলেছিলাম তার পুনরাবৃত্তি করে আবারও বলছি: বেসামরিক মানুষের হত্যাকাণ্ড আর নয়। ** '''''[[:w:আলেকজান্ডার ডি ক্রু|আলেকজান্ডার ডি ক্রু]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/3m6aa9?update=2528909 ‘নো মোর সিভিলিয়ান কিলিং’: বেলজিয়াম’স ডি ক্রু] == D == * আপনারা [[:w:ইউক্রেন|ইউক্রেনে]] দখলদারিত্বের বিরোধিতা করেন—তাহলে আপনারা কি এটি অস্বীকার করতে পারেন যে ফিলিস্তিনিরাও বর্তমানে দখলদারিত্বের অধীনে রয়েছে? কেউ আপনাকে ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে বলছে না কারণ তারা ফিলিস্তিন দখল করে রেখেছে; মানুষ কেবল আপনাদের যৌক্তিক ও বিচক্ষণ হতে বলছে এবং আপনাদের মিত্রদের বোঝাতে বলছে—তাদের বিবেককে জাগ্রত করতে আপনারা চাপ প্রয়োগ করুন। ** '''''[[:w:খালিদ আল-দাখিল|খালিদ আল-দাখিল]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.nytimes.com/2023/10/17/world/middleeast/biden-israel-gaza-anger.html?smid=nytcore-ios-share&referringSource=articleShare ইউ.এস. রেসপন্স টু ইসরায়েল-হামাস ওয়ার ড্রস ফিউরি ইন মিডল ইস্ট] * [[:w:গাজা|গাজায়]] এক সপ্তাহের অবর্ণনীয় বিভীষিকার পর যেখানে ইউরোপীয় ইউনিয়ন কোনো প্রকার বিচার-বিবেচনা ছাড়াই তাতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে, আমাদের সংসদকে ইসরায়েলি পতাকায় আচ্ছাদিত করেছে এবং একটি হাসপাতালে বোমা বর্ষণসহ বিভিন্ন [[:w:যুদ্ধাপরাধ|যুদ্ধাপরাধে]] সহায়তা ও প্ররোচনা দিয়ে চলেছে—তারপরেও আমরা 'ফিলিস্তিনিদের জীবনের মূল্য আছে' এই কথাটি বলতে পারছি না। আমরা এখনও এক শ্রেণীর ভুক্তভোগীকে অন্য শ্রেণীর তুলনায় বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছি। আমরা গাজার মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলছি, কিন্তু এই মানবিক সংকট কেন তৈরি হলো? এটি কি কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ? কারা সেখানে পানি, জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে? আমরা কি তা নিশ্চিত নই? কারা ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর বোমা হামলা চালাচ্ছে? আমরা কি তা জানি না? আপনাদের কি মনে হয় আমরা বিষয়টি উল্লেখ করতে পারতাম না? গাজায় এখন এমন এক অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে যা ১৯৪০-এর দশকের পর আমরা আর দেখিনি, আর এই অপরাধের দায়ভার আমাদের ওপরও বর্তায়। আমরা প্রত্যক্ষ করছি কীভাবে [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েল]] ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করছে এবং তাদের জমি দখল ও উপনিবেশ স্থাপনের উদ্দেশ্যে লক্ষ লক্ষ মানুষকে সিনাই মরুভূমিতে তাড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এটি মূলত আরেকটি [[:w:নাকবা|নাকবা]]। এটি [[:w:মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ|মানবতার বিরুদ্ধে এক চরম অপরাধ]]। এটি স্রেফ কোনো মানবিক সংকট নয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই কলঙ্কজনক অধ্যায় থেকে কখনোই মুক্তি পাবে না। ফিলিস্তিন দীর্ঘজীবী হোক! গাজা দীর্ঘজীবী হোক! ** '''''[[:w:ক্লেয়ার ডালি|ক্লেয়ার ডালি]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.europarl.europa.eu/doceo/document/CRE-9-2023-10-19-INT-4-198-0000_EN.html ভারবেটিম রিপোর্ট অফ প্রসিডিংস] * [[:w:ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিন]] হলো সমগ্র বিশ্বের জন্য এক ধরণের নৈতিক অগ্নিপরীক্ষা। ** '''''[[:w:আঞ্জেলা ডেভিস|আঞ্জেলা ডেভিস]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/program/upfront/2023/10/27/angela-davis-palestine-is-a-moral-litmus-test-for-the-world আঞ্জেলা ডেভিস: ‘প্যালেস্টাইন ইজ আ মোরাল লিটমাস টেস্ট ফর দ্য ওয়ার্ল্ড’] * [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্স]] বর্তমানে [[:w:গাজা|গাজায়]] ঘটে যাওয়া মানবিক বিপর্যয় নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। আর এই কারণেই ফ্রান্স এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে। ঠিক একই কারণে আমরা একটি নতুন, তাৎক্ষণিক এবং দীর্ঘস্থায়ী মানবিক বিরতির জন্য আবেদন করছি, যা ভবিষ্যতে একটি টেকসই ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতির পথ প্রশস্ত করবে। ** '''''[[:w:নিকোলাস ডি রিভিয়ের|নিকোলাস ডি রিভিয়ের]]''''', উদ্ধৃত: "[https://aje.io/lej1ua?update=2544239 ‘ওয়ান্স এগেইন, দিস কাউন্সিল হ্যাজ ফেইলড,’ সেজ ফ্রেঞ্চ ইউএন এনভয়]" (৮ ডিসেম্বর ২০২৩), ''আল জাজিরা''। * আমরা মূলত '২০২৩ সালের [[:w:নাকবা|নাকবা]]'-এরই সূচনা করছি। ** '''''[[:w:আভি ডিখটার|আভি ডিখটার]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.haaretz.com/israel-news/2023-11-12/ty-article/israeli-security-cabinet-member-calls-north-gaza-evacuation-nakba-2023/0000018b-c2be-dea2-a9bf-d2be7b670000# 'উই’র রোলিং আউট নাকবা ২০২৩,' ইসরায়েলি মিনিস্টার সেজ অন নর্দান গাজা স্ট্রিপ ইভাকুয়েশন] * গাজার মানচিত্রকে পৃথিবীর বুক থেকে সম্পূর্ণ মুছে ফেলতে হবে। যাতে গাজার দানবগুলো দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে উড়ে গিয়ে মিশরের ভূখণ্ডে প্রবেশের চেষ্টা করে, অন্যথায় তারা যেন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। আর তাদের সেই মৃত্যু হবে ভয়াবহ। গাজাকে ধূলিসাৎ করে দেওয়া উচিত। [[:w:যিহূদিয়া ও শমরিয়া অঞ্চল|যিহূদিয়া ও শমরিয়ার]] নাৎসিদের মাথার ওপর আগুন আর ধোঁয়া ছড়িয়ে দিতে হবে। হারন নামক সেই ইহুদিও আজ বিশ্বের মাটিকে কাঁপিয়ে তুলবে। এখানে এক অত্যন্ত প্রতিহিংসাপরায়ণ এবং নিষ্ঠুর [[:w:ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী|আইডিএফ (IDF)]] প্রয়োজন। এর চেয়ে কম কিছু করা হবে অনৈতিক। কেবল নীতিবিবর্জিত। ** '''''[[:w:গালিত ডিস্টেল-আতবারিয়ান|গালিত ডিস্টেল-আতবারিয়ান]]''''', [https://twitter.com/GalitDistel/status/1719689095230730656 গালিত ডিস্টেল-আতবারিয়ানের একটি এক্স (X) পোস্টে] বর্ণিত। * যখন ইসরায়েলি বাহিনী আল-শিফা হাসপাতালে প্রবেশ করছে, তখন আমরা আবারও সেখানে অবস্থানরত চিকিৎসা কর্মী, রোগী এবং আশ্রয় নেওয়া বাস্তুচ্যুত বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য জোর আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা তাঁদের জীবন নিয়ে চরমভাবে উদ্বিগ্ন। ** '''''[[:w:ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস|ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস]]''''', [https://twitter.com/MSF_USA/status/1724789771275567268?s=20 ডক্টরস উইদাউট বর্ডারসের একটি এক্স (X) পোস্টে] উদ্ধৃত। * এখনই সেই সময় যখন নিরাপত্তা পরিষদকে বেছে নিতে হবে যে, তারা কি আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য স্রেফ উৎসাহহীন ও নামমাত্র আহ্বান জানিয়ে যাবে, নাকি তারা বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় তাদের আন্তর্জাতিক ম্যান্ডেট পূরণ করবে? গাজার জনগণের ওপর ইসরায়েল রাষ্ট্র যে মৃত্যুদণ্ড চাপিয়ে দিয়েছে তা অমানবিক ও অমার্জনীয়; আর এই নির্মমতা যে আর চলতে পারে না, তা বোঝাতে পরিষদকে তাদের পূর্ণ কূটনৈতিক প্রভাব প্রয়োগ করতে হবে। ** '''''[[:w:ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস|ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস]]''''', উদ্ধৃত: "[https://www.msf.org/letter-gaza-un-security-council গাজা: “ইট মাস্ট অল স্টপ নাও।” লেটার টু ইউএন সিকিউরিটি কাউন্সিল]" (৪ ডিসেম্বর ২০২৩), ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস। == E == [[File:Damage in Gaza Strip during the October 2023 - 35.jpg|thumb|এটি আমার এলাকার স্থানীয় হাসপাতাল। এর ভেতরে আমার বন্ধুরা, আমার প্রতিবেশীরা রয়েছে। এটি আমারই সম্প্রদায়। আজ আমার কর্মজীবনের অন্যতম কঠিন দিন। আমি এমন সব দৃশ্য দেখেছি যা আমি কোনোদিন ভুলতে পারব না। ~ আদনান এলবার্শ]] * এখানে লক্ষ লক্ষ মানুষ নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে বেড়াচ্ছে—যাকে কোনোভাবেই স্রেফ 'উচ্ছেদ' বা 'সরিয়ে নেওয়া' বলা উচিত নয়। এটি মূলত উত্তর গাজার সমগ্র জনগোষ্ঠীকে জোরপূর্বক স্থানান্তরিত করা, যা জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী একটি স্পষ্ট [[:w:যুদ্ধাপরাধ|যুদ্ধাপরাধ]]। ** '''''[[:w:জান এগেল্যান্ড|জান এগেল্যান্ড]]''''', উদ্ধৃত: [https://web.archive.org/web/20231014132458/https://www.ft.com/content/eb4717fc-432e-4251-b778-7a365f8de825?accessToken=zwAGB63wDZbYkdPrRxf8Qy5CUdO3eHo2X43oJQ.MEQCIQDcwGudDMv5bHMEEl000xy4DPGx7c0vFLiArY6aUdpF2AIfL1wVgRM8vtVUAlUm6FxWr3LlBBJD1XlhZAq_ln33rw&sharetype=gift&token=37a455ea-c676-4b2f-9449-fbbae0077868 গাজানস স্ট্রিম সাউথ টু সিক শেল্টার ফ্রম ইসরায়েলি বোম্বার্ডমেন্ট] * [[:w:গাজা|গাজায়]] কর্মরত আমাদের মানবিক সহায়তা কর্মীদের পক্ষে বর্তমানে অসহায় বেসামরিক জনগণের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়েছে। [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েল]] ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের এক মৃত্যুপুরী থেকে তাড়িয়ে নিয়ে অন্য মৃত্যুপুরীর দিকে যেতে বাধ্য করছে। ** '''''[[:w:জান এগেল্যান্ড|জান এগেল্যান্ড]]''''', উদ্ধৃত: "[https://aje.io/rilr0q?update=2534191 ‘ওয়ান কিলিং ফিল্ড টু দ্য নেক্সট’ ফর গাজা পিপল: এনজিও]" (৩ ডিসেম্বর ২০২৩), ''আল জাজিরা''। * একটি ভয়াবহ মানবিক সংকট সৃষ্টি করা আমাদের লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি প্রয়োজনীয় মাধ্যম। গাজা অচিরেই এমন এক স্থানে পরিণত হবে যেখানে কোনো মানুষের পক্ষে বেঁচে থাকা সম্ভব হবে না। ** '''''[[:w:জিওরা এইল্যান্ড|জিওরা এইল্যান্ড]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/news/2023/10/25/gaza-is-out-of-fuel-out-of-time-under-israels-bombardment হোয়াই ইসরায়েল’স ব্যান অন ফুয়েল টু গাজা ইজ নট অ্যাবাউট স্টপিং হামাস] * ইসরায়েল রাষ্ট্রের সামনে এখন গাজাকে সাময়িকভাবে বা স্থায়ীভাবে বসবাসের অযোগ্য একটি স্থানে পরিণত করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। গাজায় এক চরম মানবিক সংকট তৈরি করা আমাদের লক্ষ্য হাসিলের এক অপরিহার্য উপায়। গাজা এমন একটি জনপদে পরিণত হবে যেখানে কোনো মানবসন্তানের অস্তিত্ব রক্ষা করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। ** '''''[[:w:জিওরা এইল্যান্ড|জিওরা এইল্যান্ড]]''''', উদ্ধৃত: "[https://www.nytimes.com/2023/10/15/opinion/israel-united-states-gaza.html দ্য ইউ.এস. শুড থিংক টোয়াইস অ্যাবাউট ইসরায়েল’স প্ল্যানস ফর গাজা]" (১৫ অক্টোবর ২০২৩), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''। * [[:w:জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ|নিরাপত্তা পরিষদ]] তাদের নিজস্ব প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন করতে পারছে না, কারণ এর পাঁচটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র—শান্তিরক্ষী বা পুলিশের ভূমিকা পালনের পরিবর্তে—দুর্ভাগ্যবশত বছরের পর বছর ধরে এক প্রকার 'গ্যাংস্টার' বা অপরাধী চক্রে পরিণত হয়েছে। এটাই বর্তমান নিষ্ঠুর বাস্তবতা। ** '''''আয়েশা এলবাসরি''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/news/liveblog/2023/10/17/israel-hamas-war-live-anger-after-israeli-strike-kills-500-in-hospital ইসরায়েল-হামাস ওয়ার লাইভ: ইসরায়েল সেজ উইল নট ব্লক গাজা এইড ফ্রম ইজিপ্ট] * আজ আমরা আমাদের সময়ের অন্যতম অন্ধকারতম মুহূর্ত প্রত্যক্ষ করছি। আমরা সরাসরি একটি [[:w:গণহত্যা|গণহত্যা]] দেখছি—যা সকল অপরাধের ঊর্ধ্বে এক চরম অপরাধ। ইসরায়েলকে কোনো কিছুর সপক্ষে যুক্তি দিতে হয় না—কারণ ইসরায়েল আইনের ঊর্ধ্বে। ইসরায়েল সকল নৈতিকতার ঊর্ধ্বে। কাউকে কোনো প্রকার কৈফিয়ত দেওয়া বা জবাবদিহিতার তোয়াক্কা না করেই তাদের [[:w:মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ|মানবতার বিরুদ্ধে জঘন্যতম অপরাধসমূহ]] সংঘটিত করার লাইসেন্স বা অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত [[:w:ওয়াশিংটন ডি.সি.|ওয়াশিংটন]] তাদের পাশে রয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত ইউরোপীয়রা তাদের হত্যার অবাধ ছাড়পত্র দিয়ে যাচ্ছে এবং যতক্ষণ পর্যন্ত আরবরাও এমন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না যা ইসরায়েলকে তাদের পরিকল্পনা নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে—ততক্ষণ পর্যন্ত পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হবে বলে আমি মনে করি না। ** '''''আয়েশা এলবাসরি''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/93du7y?update=2452142 ‘উই’র ওয়াচিং জেনোসাইড লাইভ,’ ফর্মার ইউএন অফিশিয়াল সেজ] * এটি আমার এলাকার স্থানীয় হাসপাতাল। এর ভেতরে আমার বন্ধুরা, আমার প্রতিবেশীরা রয়েছে। এটি আমারই সম্প্রদায়। আজ আমার কর্মজীবনের অন্যতম কঠিন দিন। আমি এমন সব দৃশ্য দেখেছি যা আমি কোনোদিন ভুলতে পারব না। ** আদনান এলবার্শ, উদ্ধৃত: [https://www.washingtonpost.com/style/media/2023/10/16/gaza-journalists-palestinian-reporters-challenges/ ইটস বিকামিং ইম্পসিবল টু রিপোর্ট ফ্রম গাজা] * যখন তারা [ইসরায়েলি সেনাবাহিনী]-র মুখপাত্র এবং বিশ্লেষকদের কাছ থেকে প্রতিদিনের বার্তা পায় এবং আলোচকরা একেই একমাত্র ধ্রুব সত্য হিসেবে আলোচনা করতে বসেন, তখন জনমতের কাছে এ বিষয়ে কোনো প্রশ্নই থাকে না যে এই গল্পে [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলই]] একমাত্র ভুক্তভোগী। সেখানে অপর পক্ষের সম্পূর্ণ অমানবিকীকরণ করা হয়েছে। আপনি যদি সাহস করে এমন কিছু বলেন—যে উভয় পক্ষেই নিরপরাধ মানুষ রয়েছে যারা বিধ্বস্ত এবং উভয় পক্ষেই শিশুরা নিহত হচ্ছে—তবে আপনাকে এমনকি পুলিশ স্টেশনে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে এটি জিজ্ঞাসা করার জন্য যে আপনি আদৌ একজন সত্যিকারের ইসরায়েলি দেশপ্রেমিক কি না। ** '''''[[:w:আকিভা এলদার|আকিভা এলদার]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/yu4f6n?update=2492769 মেসেজ ইনসাইড ইসরায়েল রিমেইনস ‘ইট’স আস অর দেম’: এক্সপার্ট] * তারা আয়ারল্যান্ডে কিংবা মরুভূমিতে চলে যেতে পারে; [[:w:গাজা|গাজার]] দানবদের সমাধান তাদের নিজেদেরই খুঁজে নিতে হবে। ** '''''[[:w:আমিচাই ইলিয়াহু|আমিচাই ইলিয়াহু]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.timesofisrael.com/liveblog_entry/far-right-minister-nuking-gaza-is-an-option-population-should-go-to-ireland-or-deserts/ ফার-রাইট মিনিস্টার: নিউকিং গাজা ইজ অ্যান অপশন, পপুলেশন শুড ‘গো টু আয়ারল্যান্ড অর ডেজার্টস’] * ইসরায়েল কোনো মানুষের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত নয়, আমরা দানবদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত। ** '''''[[:w:গিলাদ এরদান|গিলাদ এরদান]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.nationthailand.com/world/middle-east-africa/40032287 ইসরায়েলি ইউএন অ্যাম্বাসেডর শোজ ভিডিও অফ থাই ওয়ার্কার অ্যাটাক টু অপোজ ইউএনজিএ ইগনোরিং হামাস] [[File:Damage in Gaza Strip during the October 2023 - 23.jpg|thumb|ইসরায়েলি হামলাগুলো ন্যূনতম মানবিক মূল্যবোধ থেকেও বিচ্যুত ~ '''''[[:w:রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান|রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান]]''''']] * ইসরায়েলি হামলাগুলো ন্যূনতম মানবিক মূল্যবোধ থেকেও বিচ্যুত। ** '''''[[:w:রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান|রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.washingtonpost.com/world/2023/10/18/israel-gaza-war-biden-mideast/ বাইডেন এমব্রেসেস ইসরায়েল, রেইজেস হোপ ফর গাজা এইড] * আমরা সমগ্র বিশ্বকে জানিয়ে দেব যে ইসরায়েল একটি যুদ্ধাপরাধী রাষ্ট্র, আমরা এই লক্ষ্যেই প্রস্তুতি গ্রহণ করছি। গাজায় যে গণহত্যা বা ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে, তার পেছনে প্রধান অপরাধী হলো পশ্চিমারা। পশ্চিমারা হয়তো আপনাদের কাছে ঋণী হতে পারে, কিন্তু তুরস্ক আপনাদের কাছে ঋণী নয়। ** '''''[[:w:রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান|রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/nw7juv?update=2444533 মেইন কালপ্রিট বিহাইন্ড গাজা ম্যাসাকার ইজ দ্য ওয়েস্ট: এরদোয়ান] * [[:w:ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ|ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে]] নিহত বেসামরিক নাগরিকদের জন্য যারা অশ্রু বিসর্জন দিচ্ছে, তারা আজ গাজায় হাজার হাজার নিরপরাধ শিশুর মৃত্যু নীরবে প্রত্যক্ষ করছে। ** ''''''''''[[:w:রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান|রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান]]'''''''''', উদ্ধৃত: [https://www.aa.colm.tr/en/middle-east/-turkiye-to-introduce-israel-to-world-as-war-criminal-turkish-president-erdogan/3036204 তুর্কিয়ে টু ইনট্রোডিউস ইসরায়েল টু ওয়ার্ল্ড অ্যাজ ওয়ার ক্রিমিনাল: টার্কিশ প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান] == F == * এখন আমরা একটি অত্যন্ত জোরালো বার্তা প্রদান করতে যাচ্ছি—সেই বার্তাটি হলো, বর্তমান আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা কাঠামো এখন মূল্যায়নের মুখে। যদি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইসরায়েলকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে না পারে, তবে এটি আমাদের অনেকের মনে এই গভীর সন্দেহের বীজ বপন করবে যে—আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার মানদণ্ডগুলো আসলে আদৌ কার্যকর কি না। ** '''''[[:w:ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ|ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/jmh2l8?update=2479986 মোর ফ্রম সৌদি ফরেন মিনিস্টার] * আমরা ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি। হয় আমরা একটি দীর্ঘস্থায়ী শান্তিতে পৌঁছাব, অথবা একটি বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে। আমরা সকল পক্ষ, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতি বিবেকের ডাক শোনার আহ্বান জানাচ্ছি। আর যারা ইসরায়েলকে তাদের অপরাধ চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করছে, তারাও সমানভাবে দায়ী। যদি আমরা দ্রুত পদক্ষেপ না নিই, তবে সামনে আমাদের জন্য আরও অন্ধকার দিন অপেক্ষা করছে। ** '''''[[:w:হকান ফিদান|হাকান ফিদান]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/4hsru5?update=2436088 ‘লাস্টিং পিস অর ওয়ার্ল্ড ওয়ার,’ ওয়ার্নস টার্কি এফএম] * আমরা নিজেদের রক্ষা করার ক্ষেত্রে ইসরায়েলের অধিকারকে পুরোপুরি স্বীকৃতি দিই। তবে অন্য দিকে, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা, মানবিক সহায়তার সুযোগ প্রদান করা এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও জেনেভা কনভেনশনের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধার আহ্বান জানানো—এর মধ্যে কোনো বৈপরীত্য নেই। মূলত এই প্রস্তাবটি ঠিক সেই কাজগুলোই করছিল। ** '''''সার্জিও ফ্রাঙ্কা দানিজ''''', উদ্ধৃত: [https://www.cnn.com/2023/10/18/europe/us-veto-security-council-israel-gaza-war-intl/index.html ইউএস ভেটোস সিকিউরিটি কাউন্সিল কল ফর ‘হিউম্যানিটারিয়ান পজ’ ইন ইসরায়েল-হামাস ওয়ার] * এই মুহূর্তে আমরা যা প্রত্যক্ষ করছি তা হলো বেসামরিক নাগরিকদের ওপর এক ভয়াবহ আক্রমণ, মানবিক ব্যবস্থার সম্পূর্ণ ভেঙে পড়া এবং আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইন উভয়ের প্রতি চরম অবজ্ঞা। এই হত্যাযজ্ঞ অবশ্যই বন্ধ হতে হবে। ** '''''[[:w:ডেনিস ফ্রান্সিস (কূটনীতিক)|ডেনিস ফ্রান্সিস]]''''', উদ্ধৃত: "[https://reliefweb.int/report/occupied-palestinian-territory/general-assembly-adopts-resolution-demanding-immediate-humanitarian-ceasefire-gaza-parties-compliance-international-law-release-all-hostages জেনারেল অ্যাসেম্বলি অ্যাডপ্টস রেজোলিউশন ডিমান্ডিং ইমিডিয়েট হিউম্যানিটারিয়ান সিজফায়ার ইন গাজা, পার্টিজ কমপ্লায়েন্স উইথ ইন্টারন্যাশনাল ল, রিলিজ অফ অল হোস্টেজ]" (১৩ ডিসেম্বর ২০২৩), ''রিলিফওয়েব''। * এটি কোনো যুদ্ধ নয়। এটি স্রেফ সন্ত্রাসবাদ। ** '''''[[:w:পোপ ফ্রান্সিস|পোপ ফ্রান্সিস]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.reuters.com/world/pope-says-conflict-between-israel-hamas-has-gone-beyond-war-terrorism-2023-11-22/ ডিসপিউট ইরাপ্টস ওভার হোয়েদার পোপ কলড গাজা সিচুয়েশন আ 'জেনোসাইড'] == G == [[File:231013-D-TT977-1378 (53255396241).jpg|thumb|আমরা মূলত মানুষরূপী পশুদের বিরুদ্ধে লড়ছি ~ [[ইয়োভ গ্যালান্ত]]]] * আমরা মূলত মানুষরূপী পশুদের বিরুদ্ধে লড়ছি। ** '''''ইয়োভ গ্যালান্ত''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/program/newsfeed/2023/10/9/israeli-defence-minister-orders-complete-siege-on-gaza ইসরায়েলি ডিফেন্স মিনিস্টার অর্ডারস ‘কমপ্লিট সিজ’ অন গাজা] * আমি গাজা উপত্যকায় সম্পূর্ণ অবরোধের নির্দেশ দিয়েছি। সেখানে কোনো [[:w:বিদ্যুৎ|বিদ্যুৎ]] থাকবে না, কোনো [[:w:খাদ্য|খাদ্য]] থাকবে না, কোনো [[:w:জ্বালানি|জ্বালানি]] থাকবে না—সবকিছু বন্ধ থাকবে। আমরা মানুষরূপী পশুদের বিরুদ্ধে লড়ছি এবং আমরা সেই অনুযায়ীই ব্যবস্থা নিচ্ছি। ** '''''[[:w:ইয়োভ গ্যালান্ট|ইয়োভ গ্যালান্ত]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.timesofisrael.com/liveblog_entry/defense-minister-announces-complete-siege-of-gaza-no-power-food-or-fuel/ ডিফেন্স মিনিস্টার অ্যানাউন্সেস ‘কমপ্লিট সিজ’ অফ গাজা: নো পাওয়ার, ফুড অর ফুয়েল], ''দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল'' (৯ অক্টোবর ২০২৩)। * মার্কিনরা জেদ ধরেছে এবং আমরা এমন অবস্থানে নেই যেখানে তাদের প্রত্যাখ্যান করা সম্ভব। আমরা বিমান এবং সামরিক সরঞ্জামের জন্য তাদের ওপর নির্ভরশীল। আমাদের আসলে কী করার আছে? তাদের না বলে দেব? ** '''''[[:w:ইয়োভ গ্যালান্ট|ইয়োভ গ্যালান্ত]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.timesofisrael.com/liveblog_entry/gallant-we-cant-say-no-to-the-us-on-humanitarian-aid-given-how-much-they-do-for-us/ গ্যালান্ত: উই কান্ট সে ‘নো’ টু দ্য ইউএস অন হিউম্যানিটারিয়ান এইড গিভেন হাউ মাচ দে ডু ফর আস] * যদি [[:w:হিজবুল্লাহ|হিজবুল্লাহ]] এখানে এই ধরণের ভুল করে, তবে তার মাসুল সবার আগে লেবানিজ নাগরিকদেরই দিতে হবে। আমরা বর্তমানে গাজায় যা করছি, বৈরুতেও আমরা ঠিক তা-ই করতে পারি। ** '''''[[:w:ইয়োভ গ্যালান্ত|ইয়োভ গ্যালান্ত]]''''', উদ্ধৃত: [https://english.alarabiya.net/News/middle-east/2023/11/11/-What-we-re-doing-in-Gaza-we-can-also-do-in-Beirut-says-Israeli-defense-minister ‘হোয়াট উই’র ডুইং ইন গাজা, উই ক্যান অলসো ডু ইন বৈরুত,’ সেজ ইসরায়েলি ডিফেন্স মিনিস্টার] * যেসব সন্ত্রাসী আজ রাতে [[:w:আল-শিফা হাসপাতাল|শিফা হাসপাতালের]] নিচে বেসমেন্টে অবস্থান করছে, তারা ট্যাঙ্কের চেইনের সেই বজ্রধ্বনি এবং মাটিকে দুমড়ে-মুচড়ে দেওয়া বুলডোজারের শব্দ শুনতে পাচ্ছে। তারা এটি শুনছে এবং ভয়ে কাঁপছে। ** '''''[[:w:ইয়োভ গ্যালান্ট|ইয়োভ গ্যালান্ত]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.pbs.org/newshour/show/thousands-of-civilians-flee-northern-gaza-hospitals-as-israeli-troops-close-in থাউজেন্ডস অফ সিভিলিয়ানস ফ্লি নর্দান গাজা হসপিটালস অ্যাজ ইসরায়েলি ট্রুপস ক্লোজ ইন] * যেসব সাংবাদিক ওই হত্যাকাণ্ডের খবর আগে থেকেই জানতেন বলে প্রমাণিত হবে এবং তবুও শিশুদের কসাইয়ের মতো জবাই করার সময় স্রেফ নিষ্ক্রিয় দর্শক হয়ে দাঁড়িয়ে থাকাকে বেছে নিয়েছেন—তারা সন্ত্রাসীদের চেয়ে কোনোভাবেই আলাদা নন এবং তাদের সাথে সন্ত্রাসীদের মতোই আচরণ করা উচিত। ** '''''[[:w:বেনি গান্তজ|বেনি গান্তজ]]''''', [https://twitter.com/gantzbe/status/1722535046400061853?s=20 বেনি গান্তজের একটি এক্স (X) পোস্টে] বর্ণিত। * [[:w:আল-কুদ্স হাসপাতাল|আল-কুদ্স হাসপাতালটি]] নির্মাণের সময় থেকেই আমি চিনি। আল-শিফা হাসপাতালেও আন্তর্জাতিক নজরদারিতে নির্মিত একটি নতুন মেডিকেল ব্লক রয়েছে। এই সব হাসপাতালে এত বছর ধরে কাজ করার সময় আমি কখনোই কোনো সামরিক বা রাজনৈতিক কমাণ্ড সেন্টারের চিহ্ন দেখিনি। আর ইসরায়েলিরা যদি... এর কোনো প্রমাণ বা সাক্ষ্য দিতে না পারে, তবে একে মিথ্যাচার, সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানো এবং হাসপাতালে বোমা হামলার অজুহাত ছাড়া অন্য কিছু হিসেবে আমরা কীভাবে দেখব? ** '''''[[:w:ম্যাড্‌স গিলবার্ট|ম্যাড্‌স গিলবার্ট]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/1otd6c?update=2446989 নো এভিডেন্স গাজা হসপিটালস বিয়িং ইউজড আ ‘মিলিটারি কমাণ্ড সেন্টার’: নরওয়েজিয়ান ডক্টর] * ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি এবং প্রকৃতপক্ষে এই [[হামাস|ভয়ঙ্কর অমানুষিক পশুদের]] প্রতি বিশ্ব যে নিরন্তর উদ্বেগ দেখিয়ে যাচ্ছে, তাতে আমি অত্যন্ত বিস্মিত; যারা এই শতাব্দীর দেখা জঘন্যতম নৃশংসতাগুলো সংঘটিত করেছে। ** '''''[[:w:ড্যান গিলারম্যান|ড্যান গিলারম্যান]]''''', উদ্ধৃত: [https://english.alarabiya.net/News/middle-east/2023/10/26/Former-Israeli-ambassador-to-UN-calls-Palestinians-horrible-inhuman-animals-#:~:text=%22I%20am%20very%20puzzled%20by,people%2C%22%20says%20Dan%20Gillerman. ফর্মার ইসরায়েলি অ্যাম্বাসেডর টু ইউএন কলস প্যালেস্টিনিয়ানস ‘হরিবল, ইনহিউম্যান অ্যানিমেলস’] * তারা গাজাকে সম্পূর্ণ মুছে ফেলুক এবং একজন মানুষকেও জীবিত না রাখুক। ** '''''[[:w:ইয়াল গোলান|ইয়াল গোলান]]''''', [https://twitter.com/QudsNen/status/1713589350213018110 কুদস নিউজ নেটওয়ার্কের একটি এক্স (X) পোস্টে] উদ্ধৃত। * গতকাল আমি নিউ ইয়র্ক টাইমস সানডে ম্যাগাজিনের একটি বড় কাজ—আমার পছন্দের একজন সংগীতশিল্পীর কভার ফটোশুট—বাতিল করেছি। কারণ গাজা যুদ্ধ নিয়ে নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনগুলোতে ইসরায়েলের প্রতি এক ধরণের যোগসাজশ ফুটে উঠেছে। তারা যা প্রকাশ করছে এবং যা আড়াল করছে, এমনকি ফিলিস্তিনিদের প্রতিটি কথার সত্যতা নিয়ে যেভাবে প্রশ্ন তুলছে, তার প্রতিবাদেই আমার এই সিদ্ধান্ত। ** '''''[[:w:ন্যান গোল্ডিন|ন্যান গোল্ডিন]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.artnews.com/art-news/news/nan-goldin-cancels-new-york-times-project-israel-gaza-reporting-1234686306/ ন্যান গোল্ডিন ক্যানসেলস নিউ ইয়র্ক টাইমস প্রজেক্ট ওভার নিউজপেপার’স ‘কমপ্লিসিটি উইথ ইসরায়েল’] * নিজেকে রক্ষা করার জন্য আপনাদের যা যা করা প্রয়োজন, তার সবটুকুই করুন। ওই স্থানটিকে একদম মাটির সাথে মিশিয়ে দিন। ** '''''[[:w:লিন্ডসে গ্রাহাম|লিন্ডসে গ্রাহাম]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/news/2023/10/19/frustration-concern-rise-in-arab-american-communities-amid-gaza-war ফ্রাস্ট্রেশন, কনসার্ন রাইজ ইন আরব আমেরিকান কমিউনিটিস অ্যামিড গাজা ওয়ার] * আমাদের কাছে বিশ্বকে নতুন করে সাজানোর একটি সুযোগ রয়েছে—ইউক্রেনে পুতিনকে পরাজিত করা, এখনই হামাসকে নির্মূল করা এবং ইরানকে জানিয়ে দেওয়া যে, 'ইরান থেকে যদি আর কোনো আক্রমণ আসে, তবে আমরা সরাসরি আপনাদের ওপর চড়াও হব।' এর চেয়ে কম কিছু করলে তা চীনকে তাইওয়ান আক্রমণের দিকে ঠেলে দেবে। আমরা অত্যন্ত বিপজ্জনক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। ইরানের প্রতি বাইডেন প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গি তাদের সীমান্ত নীতির মতোই ব্যর্থ। উন্মুক্ত সীমান্তের কারণে আমরা যেমন একটি বড় ধরণের সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকিতে রয়েছি, তেমনি ইরানকে এখনই পিছু হটার কঠোর বার্তা না দিলে আমরা পরিস্থিতির চরম অবনতির সম্মুখীন হব। ** '''''[[:w:লিন্ডসে গ্রাহাম|লিন্ডসে গ্রাহাম]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.washingtonexaminer.com/news/senate/lindsey-graham-rips-biden-administration-approach-to-iran লিন্ডসে গ্রাহাম রিপস বাইডেন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যাপ্রোচ টু ইরান] * এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে গাজার যেখানেই অভাবগ্রস্ত মানুষ থাকুক না কেন, তাদের কাছে যেন সঠিক পরিমাণে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছায়। গাজার জনগণ কয়েক দশক ধরে অবর্ণনীয় কষ্ট সহ্য করে আসছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তাদের এভাবে আর ব্যর্থতার মুখে ঠেলে দিতে পারে না। ** '''''[[:w:মার্টিন গ্রিফিথস|মার্টিন গ্রিফিথস]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.ft.com/content/5027f41d-90e6-4481-a386-0fde2cdffa63?accessToken=zwAGCDwkAoXIkc9QJ_QdkOZEgdOjhg_eLN_6Yw.MEQCICgaIc5Sg1yMS27JFvCCdJYztIPIeMY159069_PNvVZgAiA-nF9UY_i119--T9Ym5CtkkKPt5TMV4ELyHa4i_ySNjA&sharetype=gift&token=52a2fe27-e0e1-4d07-9373-9ff85f5b1402 স্মল এইড কনভয় রিচেস গাজা আফটার হামাস রিলিজেস টু হোস্টেজ] * হাসপাতালগুলো এখন আর নিরাময়ের কেন্দ্র নয়, বরং যুদ্ধের ময়দানে পরিণত হয়েছে। না, আমার মনে হয় না আগে কখনো আমি এর সমতুল্য কিছু দেখেছি। ** '''''[[:w:মার্টিন গ্রিফিথস|মার্টিন গ্রিফিথস]]''''', উদ্ধৃত: "[https://www.cnn.com/middleeast/live-news/israel-hamas-war-gaza-news-11-21-23/h_a534998db297fdd1e6dd543f1e4dfc4f ইউএন কলস ফর সিজফায়ার বাট উড ওয়েলকাম শর্টার পজ টু গেট মোর এইড ইনটু গাজা, রিলিফ চিফ সেজ]" (২১ নভেম্বর ২০২৩), ''সিএনএন''। * আমাদের চোখের সামনেই গাজা আজ বদলে যাচ্ছে; এক সময়ের ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী যাকে বিশ্বের বৃহত্তম উন্মুক্ত কারাগার বলে অভিহিত করেছিলেন, তা এখন বিশ্বের বৃহত্তম উন্মুক্ত মৃত্যুশিবিরে পরিণত হচ্ছে। ** '''''[[:w:ক্রিস গানেস|ক্রিস গানেস]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/cevgx6?update=2455722 ফর্মার ইউএনআরডব্লিউএ অফিশিয়াল সেজ গাজা টার্নিং ইনটু ‘ওয়ার্ল্ড’স লার্জেস্ট ওপেন-এয়ার ডেথ ক্যাম্প’] * [[:w:ইউএনআরডব্লিউএ|ইউএনআরডব্লিউএ]]-কে (UNRWA) লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে কি না, আমি সেই উত্তর দিতে পারছি না; তবে বাস্তবতা হলো ইউএনআরডব্লিউএর কর্মীরা নিহত হচ্ছেন এবং এর স্থাপনাগুলো আক্রান্ত হচ্ছে। তারা [ইসরায়েলি সেনাবাহিনী] স্থাপনাগুলোর জিপিএস (GPS) স্থানাঙ্ক জানে। ফলাফল কী হতে পারে তা আপনারাই বুঝে নিন। ** '''''[[:w:ক্রিস গানেস|ক্রিস গানেস]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/ddc07n?update=2460489 ইসরায়েল মাইট বি টার্গেটিং ইউএনআরডব্লিউএ ফাসিলিটিস, ফর্মার ইউএন অফিশিয়াল সেজ] * আমেরিকা যেমন ইসরায়েলকে প্রতি বছর ৪ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা প্রদান করে, তেমনি—আজ রাতে আমরা যেমনটি দেখলাম—তারা ইসরায়েলকে একটি [[:w:গণহত্যা|গণহত্যা]] অব্যাহত রাখার জন্য কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সুরক্ষা দিচ্ছে; যা মূলত আন্তর্জাতিক মানবিক আইনকে পাইকারিভাবে ও পরিকল্পিত উপায়ে উপেক্ষা করার মাধ্যমে চিহ্নিত। ** '''''[[:w:ক্রিস গানেস|ক্রিস গানেস]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/cvvtyk?update=2574708 ইউএনএসসি রেজোলিউশন ‘গ্রিনলাইটিং জেনোসাইড’: ফর্মার ইউএনআরডব্লিউএ অফিশিয়াল] * ...আমি একইভাবে [[:w:হামাস|হামাস]] এবং অন্যান্য উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে অত্যন্ত জনবহুল বেসামরিক এলাকা থেকে [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলের]] বেসামরিক জনপদে নির্বিচারে রকেট ও মর্টার নিক্ষেপ বন্ধ করার আহ্বান জানাচ্ছি, যা [[:w:আন্তর্জাতিক মানবিক আইন|আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের]] এক স্পষ্ট লঙ্ঘন। ** '''''[[:w:অ্যান্টনিও গুতেরেস|অ্যান্টনিও গুতেরেস]]''''', [https://www.un.org/sg/en/content/sg/statement/2021-05-20/secretary-general%E2%80%99s-remarks-the-general-assembly-meeting-the-situation-the-middle-east-and-palestine-delivered সেক্রেটারি-জেনারেল’স রিমার্কস টু দ্য জেনারেল অ্যাসেম্বলি মিটিং অন দ্য সিচুয়েশন ইন দ্য মিডল ইস্ট অ্যান্ড প্যালেস্টাইন, ইউনাইটেড নেশনস সেক্রেটারি-জেনারেল, স্টেটমেন্টস,] (২০ মে ২০২১) [[File:Disaster Victim Identification after 2023 Hamas attack on Israel (ZAKA1052)..jpg|thumb|এই নাটকীয় মুহূর্তে, যখন আমরা মধ্যপ্রাচ্যে এক অতল গহ্বরের কিনারে দাঁড়িয়ে আছি, তখন জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে দুটি জোরালো মানবিক আবেদন জানানো আমার কর্তব্য। হামাসকে অবিলম্বে বিনাশর্তে জিম্মিদের মুক্তি দিতে হবে। ~ অ্যান্টনিও গুতেরেস]] * এই নাটকীয় মুহূর্তে, যখন আমরা মধ্যপ্রাচ্যে এক অতল গহ্বরের কিনারে দাঁড়িয়ে আছি, তখন [[:w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] মহাসচিব হিসেবে দুটি জোরালো মানবিক আবেদন জানানো আমার কর্তব্য। হামাসকে অবিলম্বে বিনাশর্তে জিম্মিদের মুক্তি দিতে হবে। এবং ইসরায়েলের উচিত গাজার বেসামরিক নাগরিকদের জন্য মানবিক সহায়তার দ্রুত ও নির্বিঘ্ন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা। ** '''''[[:w:অ্যান্টনিও গুতেরেস|অ্যান্টনিও গুতেরেস]]''''', উদ্ধৃত: [https://news.un.org/en/story/2023/10/1142377 মিডল ইস্ট অন ‘ভার্জ অফ দ্য অ্যাবিস’ ইউএন ওয়ার্নস, অ্যাজ ইসরায়েল-হামাস কনফ্লিক্ট ডিপেনস গাজা ক্রাইসিস] * ফিলিস্তিনি জনগণ দীর্ঘ ৫৬ বছর ধরে শ্বাসরুদ্ধকর দখলদারিত্বের শিকার হয়ে আসছে। তারা দেখছে কীভাবে বসতি স্থাপনের মাধ্যমে তাদের জমি প্রতিনিয়ত গ্রাস করা হচ্ছে, সহিংসতার কবলে পড়ছে, তাদের অর্থনীতি থমকে গেছে, মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে এবং তাদের ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাদের এই দুর্দশার কোনো রাজনৈতিক সমাধানের আশাও ক্রমশ বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ** '''''[[:w:অ্যান্টনিও গুতেরেস|অ্যান্টনিও গুতেরেস]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/j9jahf?update=2434480 মোর ফ্রম দ্য ইউএন’স গুতেরেস] * মধ্যপ্রাচ্যে অন্তত একটি মানবিক বিরতির প্রয়োজনের বিষয়ে যে ক্রমবর্ধমান ঐকমত্য তৈরি হচ্ছে বলে মনে হয়েছিল, তাতে আমি উৎসাহিত হয়েছিলাম। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, এর পরিবর্তে আমি অভূতপূর্ব বোমা হামলার তীব্রতায় বিস্মিত হয়েছি, যা মানবিক লক্ষ্যগুলোকে বাধাগ্রস্ত করছে। এই পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে একে অবশ্যই পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হবে। ** '''''[[:w:অ্যান্টনিও গুতেরেস|অ্যান্টনিও গুতেরেস]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.ft.com/content/244ac777-e713-4b97-9a0f-7c0ecdee3e86?shareType=nongift ইসরায়েলি অফেনসিভ ‘অ্যাডভান্সিং’ ইন গাজা আফটার ওভারনাইট ফাইটিং] * এটি ফিলিস্তিনি জনগণের ইতিহাসের অন্যতম এক অন্ধকারতম অধ্যায়। এই অঞ্চলটিকে গ্রাস করা মৃত্যু ও ধ্বংসযজ্ঞ দেখে আমি স্তম্ভিত, যা আজ কেবল যন্ত্রণা, উদ্বেগ এবং হৃদয়ের অসহ্য বেদনায় নিমজ্জিত। ** '''''[[:w:অ্যান্টনিও গুতেরেস|অ্যান্টনিও গুতেরেস]]''''', উদ্ধৃত: [https://press.un.org/en/2023/sgsm22053.doc.htm ওয়ার্ল্ড ‘মাস্ট বি ইউনাইটেড ইন ডিমান্ডিং অ্যান এন্ড টু দ্য অকুপেশন, ব্লকেড অফ গাজা’, সেজ সেক্রেটারি-জেনারেল, মার্কিং ডে অফ সলিডারিটি উইথ প্যালেস্টিনিয়ান পিপল] * গাজা শিশুদের এক বিশাল কবরস্থানে পরিণত হচ্ছে। প্রতিদিন শত শত কন্যা ও পুত্র শিশু নিহত বা আহত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর স্থল অভিযান এবং নিরবচ্ছিন্ন বোমা হামলা বেসামরিক নাগরিক, হাসপাতাল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জা এবং জাতিসংঘের স্থাপনা—এমনকি আশ্রয়কেন্দ্রগুলোকেও আঘাত করছে। সেখানে কেউ নিরাপদ নয়। ** '''''[[:w:অ্যান্টনিও গুতেরেস|অ্যান্টনিও গুতেরেস]]''''', উদ্ধৃত: "[https://www.reuters.com/world/middle-east/un-chief-says-gaza-becoming-graveyard-children-2023-11-06/ ইউএন চিফ সেজ গাজা বিকামিং আ 'গ্রেভইয়ার্ড ফর চিলড্রেন']" (১১ নভেম্বর ২০২৩), ''রয়টার্স''। * আমরা মানবিক ব্যবস্থার সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার এক ভয়াবহ ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছি। পরিস্থিতি দ্রুত এক মহাবিপর্যয়ের দিকে মোড় নিচ্ছে, যা সামগ্রিকভাবে ফিলিস্তিনিদের জন্য এবং এই অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য সম্ভাব্য অপরিবর্তনীয় প্রভাব ফেলতে পারে। ** '''''[[:w:অ্যান্টনিও গুতেরেস|অ্যান্টনিও গুতেরেস]]''''', উদ্ধৃত: "[https://www.ft.com/content/752eb5a0-3d75-4340-ad0d-b6554d9e4f61 হিউম্যানিটারিয়ান সিস্টেম ইন গাজা অন ভার্জ অফ কোলাপস, সেজ ইউএন চিফ]" (৬ ডিসেম্বর ২০২৩), ''ফাইনান্সিয়াল টাইমস''। == H == [[File:Fars Photo of Casualties in Gaza Strip during 2023 War 33.jpg|thumb|এমন কোনো আইন বা মতবাদ নেই যা অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে একটি উন্মুক্ত কারাগারে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর ওপর এই নিয়মতান্ত্রিক হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করে। ~ [[হাদি হাশেম]]]] * ইরান তার উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য—যার প্রথম ধাপ হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং আমাদের মিত্রদের এই অঞ্চল থেকে বিতাড়িত করে একটি আধিপত্যবাদী ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করা এবং ইসরায়েলকে ধ্বংস করা—প্রয়োজনে প্রতিটি আরব নাগরিকের জীবন উৎসর্গ করতেও কুণ্ঠাবোধ করবে না। ** '''''এইচ.আর. ম্যাকমাস্টার''''', উদ্ধৃত: [https://news.sky.com/story/iran-willing-to-expend-every-arab-life-in-efforts-to-destroy-israel-former-us-security-adviser-says-13127330 ইরান উইলিং টু এক্সপেন্ড এভরি আরব লাইফ ইন এফোর্টস টু ডেসট্রয় ইসরায়েল: ফর্মার ইউএস সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার সেজ] * এমন কোনো আইন বা মতবাদ নেই যা অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে একটি উন্মুক্ত কারাগারে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর ওপর এই নিয়মতান্ত্রিক হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন বা ন্যায্যতা প্রদান করে। ** '''''হাদি হাশেম''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/4hsru5?update=2435325 লেবানন ওয়ান্টস টু ‘ডিসঅ্যাসোসিয়েট’ ফ্রম ‘ব্লাডি কনফ্লিক্ট’: অ্যাম্বাসেডর] * সত্যি বলতে, বেসামরিক মানুষের ভোগান্তির যে ব্যাপকতা এবং গাজা থেকে আসা যে চিত্র ও ভিডিওগুলো আমরা দেখছি, তা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। তাই আমরা সকলেই চাই এই সংঘাত যত দ্রুত সম্ভব শেষ হোক এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তার পাশাপাশি ফিলিস্তিনি জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক। আমাদের অবশ্যই একটি স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে ত্বরান্বিত করতে হবে। ** '''''[[:w:কমলা হ্যারিস|কমলা হ্যারিস]]''''', উদ্ধৃত: "[https://www.reuters.com/world/us-vice-president-harris-urges-israel-do-more-protect-palestinian-civilians-2023-12-02/#:~:text=%22Frankly%2C%20the%20scale%20of%20civilian,to%20build%20an%20enduring%20peace.%22 ইউএস ভাইস প্রেসিডেন্ট হ্যারিস আরজেস ইসরায়েল ডু মোর টু প্রোটেক্ট প্যালেস্টিনিয়ান সিভিলিয়ানস]" (২ ডিসেম্বর ২০২৩), ''রয়টার্স''। * ইসরায়েলের বিকৃত ও ঔপনিবেশিক রূপটি মূলত আমাদেরই প্রতিচ্ছবি। আমরা অন্যরকম হওয়ার ভান করি। আমরা নিজেদের মধ্যে এমন সব গুণাবলি ও সভ্যতাগর্বী বৈশিষ্ট্যের আরোপ করি যা—ঠিক ইসরায়েলের মতোই—একটি অবরুদ্ধ ও দখলদারিত্বের শিকার জনগোষ্ঠীর অধিকার কেড়ে নেওয়া, তাদের ভূমি দখল করা এবং দীর্ঘমেয়াদী কারাবাস, নির্যাতন, অবমাননা, জোরপূর্বক দারিদ্র্য ও হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে তাদের পদানত করে রাখার এক অন্তঃসারশূন্য অজুহাত মাত্র। ** '''''[[:w:ক্রিস হেজেস|ক্রিস হেজেস]]''''', "[https://scheerpost.com/2023/10/29/chris-hedges-exterminate-all-the-brutes/ এক্সটারমিনেট অল দ্য ব্রুটস]"। শিরপোস্ট (২৯ অক্টোবর ২০২৩)। * লক্ষ্য হলো একটি "বিশুদ্ধ" ইসরায়েল গঠন করা, যা ফিলিস্তিনিদের মতো 'দূষক' থেকে মুক্ত হবে। গাজাকে একটি জনশূন্য মরুপ্রান্তরে পরিণত করতে হবে। গাজার ফিলিস্তিনিদের হয় মেরে ফেলা হবে, অথবা সীমান্তের ওপারে মিশরের শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিতে বাধ্য করা হবে। ফিলিস্তিনিদের বিতাড়িত করার পরেই আসবে সেই কাঙ্ক্ষিত 'মেসিয়ানিক মুক্তি'। ইহুদি চরমপন্থীরা [[:w:আল-আকসা মসজিদ|আল-আকসা মসজিদ]]—যা মুসলমানদের তৃতীয় পবিত্রতম মাজার এবং ৭০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সেনাবাহিনী কর্তৃক ধ্বংসকৃত ইহুদিদের দ্বিতীয় মন্দিরের ধ্বংসাবশেষের ওপর নির্মিত—তা ভেঙে ফেলার আহ্বান জানাচ্ছে। মসজিদটির স্থানে একটি "তৃতীয়" ইহুদি মন্দির স্থাপন করা হবে, যা সমগ্র মুসলিম বিশ্বকে উত্তাল করে তুলবে। [[:w:পশ্চিম তীর|পশ্চিম তীর]], যাকে এই ধর্মান্ধরা "[[:w:যিহূদিয়া ও শমরিয়া অঞ্চল|যিহূদিয়া ও শমরিয়া]]" বলে ডাকে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েল দখল করে নেবে। অতি-অর্থোডক্স শাস (Shas) এবং ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম দলগুলোর আরোপিত ধর্মীয় আইনের শাসনে ইসরায়েল হবে ইরানের একটি ইহুদি সংস্করণ। ** '''''[[:w:ক্রিস হেজেস|ক্রিস হেজেস]]''''', "[https://scheerpost.com/2023/11/05/israels-final-solution-for-the-palestinians/ ইসরায়েল’স ফাইনাল সলিউশন ফর দ্য প্যালেস্টিনিয়ানস]"। শিরপোস্ট (৫ নভেম্বর ২০২৩)। * [[:w:গাজা উপত্যকায় দুর্ভিক্ষ|অনাহার বা দুর্ভিক্ষ সবসময়ই এই পরিকল্পনার অংশ ছিল]]; এটি মূলত [[:w:গাজা গণহত্যা|গণহত্যার]] পূর্বনির্ধারিত চূড়ান্ত অধ্যায়। ইসরায়েল এই গণহত্যার শুরু থেকেই সুপরিকল্পিতভাবে খাদ্যের উৎসগুলো ধ্বংস করতে শুরু করেছিল—তারা বেকারিগুলোতে বোমা হামলা চালিয়েছে এবং গাজায় খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। গত মার্চ মাস থেকে এই প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত হয়েছে, যখন তারা প্রায় সব ধরণের খাদ্য সরবরাহ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তারা ফিলিস্তিনিদের খাদ্যের প্রধান উৎস [[:w:ইউএনআরডব্লিউএ|ইউএনআরডব্লিউএ]]-কে (UNRWA) ধ্বংস করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল এবং কোনো প্রমাণ ছাড়াই সংস্থার কর্মীদের ৭ অক্টোবরের হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ তোলে। এই অভিযোগটি যুক্তরাষ্ট্র—যারা ২০২৩ সালে এই সংস্থাকে ৪২২ মিলিয়ন ডলার প্রদান করেছিল—সহ অন্যান্য দাতাদের আর্থিক সহায়তা বন্ধ করার একটি অজুহাত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এরপর ইসরায়েল আনুষ্ঠানিকভাবে ইউএনআরডব্লিউএ-কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ** '''''[[:w:ক্রিস হেজেস|ক্রিস হেজেস]]''''', "[https://scheerpost.com/2025/08/04/chris-hedges-the-gaza-riviera-2/ দ্য গাজা রিভিয়েরা]"। শিরপোস্ট (৪ আগস্ট ২০২৫)। * গাজা কেবল শুরু মাত্র। এই নতুন বিশ্বব্যবস্থায় শক্তিশালীদের দ্বারা দুর্বলেরা নির্মূল হবে, আইনের শাসনের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না, গণহত্যা হবে নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার এবং বর্বরতা হবে বিজয়ী। ** '''''[[:w:ক্রিস হেজেস|ক্রিস হেজেস]]''''', "[https://scheerpost.com/2026/03/16/the-world-according-to-gaza/ দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাকর্ডিং টু গাজা]"। শিরপোস্ট (১৬ মার্চ ২০২৬)। * সেখানে থাকা পুরো জাতিই (ফিলিস্তিনি) এর জন্য দায়ী। ** '''''[[:w:আইজ্যাক হারজগ|আইজ্যাক হারজগ]]''''', উদ্ধৃত: [https://thewire.in/world/northern-gaza-israel-palestine-conflict 'নো ইনোসেন্ট সিভিলিয়ানস ইন গাজা', ইসরায়েল প্রেসিডেন্ট সেজ অ্যাজ নর্দান গাজা স্ট্রাগলস টু ফ্লি ইসরায়েলি বোম্বস] * ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী কোনো দেশের জন্যই হুমকি নয়; আমরা কেবল ইসরায়েলি জাহাজ অথবা ইসরায়েলি বন্দরের দিকে রওনা হওয়া জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছি। ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া এবং গাজা উপত্যকার ওপর থেকে অবরোধ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত ফিলিস্তিনি জনগণকে সমর্থন করার ক্ষেত্রে আমাদের অবিচল অবস্থানের কথা আমরা আবারও নিশ্চিত করছি। ** '''''[[:w:হুথি আন্দোলন|হুথি আন্দোলন]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/unfg1h?update=2568098 ইউএস রেড সি কোয়ালিশন এইমস টু এনকারেজ ইসরায়েল’স ‘ব্রুটাল ক্রাইমস’: হুথিস] == I == * আমেরিকানরা এখন যা করছে, এই নীতিটি মূলত তাদেরই ক্ষতি করছে। বিশ্বের অন্তত ১৩০ কোটি মানুষ তাদের ঘৃণা করতে যাচ্ছে। আর এটি এখন কেবল মুসলিমদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই; সারা বিশ্বের মানুষ এখন এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ করছে। ** জেনারেল '''''[[:w:আব্বাস ইব্রাহিম (লেবানিজ কর্মকর্তা)|আব্বাস ইব্রাহিম]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.washingtonpost.com/national-security/2023/11/11/us-israel-gaza-civilian-deaths/ ইউ.এস. ইজ ওয়ার্নড অ্যাবাউট ইটস গ্লোবাল স্ট্যান্ডিং অ্যাজ গাজা সাফারিং পারসিস্টস] * ওই হামলাগুলো কোনোভাবেই গাজায় এই সীমাহীন ধ্বংসযজ্ঞকে সমর্থন বা ন্যায্যতা দিতে পারে না। যুদ্ধ পরিচালনার পদ্ধতি এবং উপায় সংক্রান্ত আইনি বাধ্যবাধকতাগুলো কোনো পক্ষেরই অবহেলা করা উচিত নয়। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ গাজা শহরের বাসিন্দাদের অবিলম্বে ঘরবাড়ি ছাড়ার যে নির্দেশ দিয়েছে এবং তার সাথে খাবার, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে যে সম্পূর্ণ অবরোধ আরোপ করেছে—তা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। ** '''''[[:w:আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি|আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.justsecurity.org/89477/rare-icrc-public-statement-calls-for-pause-in-gaza-fighting/ রেয়ার আইসিআরসি পাবলিক স্টেটমেন্ট কলস ফর “পজ” ইন গাজা ফাইটিং] * @গ্রেটা থুনবার্গ, হামাস তাদের রকেট তৈরিতে কোনো টেকসই সরঞ্জাম ব্যবহার করে না, যা দিয়ে তারা নিরপরাধ ইসরায়েলিদের নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। ** '''''[[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েল]]''''', ইসরায়েল সরকারের একটি [https://web.archive.org/web/20231020205115/https://twitter.com/Israel/status/1715370190714589677 এক্স (X) পোস্টে] বর্ণিত। == J == * প্রতিদিন শিশু ও নবজাতকদের মৃত্যু দেখা অত্যন্ত দুঃসহ। এটি হৃদয়বিদারক। আমি আমার প্রাইজমানির একটি অংশ ফিলিস্তিনিদের সাহায্যার্থে দান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই জয় নিয়ে আমি সুখী হতে পারছি না। ** '''''[[:w:ওন্স জাবেউর|ওন্স জাবেউর]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/k8y4b6?update=2456566 ‘ইট’স হার্টব্রেকিং’: ওন্স জাবেউর ইন টিয়ার্স ওভার প্লাইট অফ প্যালেস্টিনিয়ানস] * এই সপ্তাহে আমি যুদ্ধবিরতির কিছু [আহ্বান] দেখেছি, এবং আমরা আমাদের অবস্থানে খুব স্পষ্ট থাকব। আমরা বিশ্বাস করি যে এই আহ্বানগুলো ভুল, আমরা বিশ্বাস করি যে এগুলো অত্যন্ত জঘন্য এবং আমরা মনে করি এগুলো অসম্মানজনক। ** '''''[[:w:কারিন জঁ-পিয়েরে|কারিন জঁ-পিয়েরে]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/news/2023/10/19/frustration-concern-rise-in-arab-american-communities-amid-gaza-war ফ্রাস্ট্রেশন, কনসার্ন রাইজ ইন আরব আমেরিকান কমিউনিটিস অ্যামিড গাজা ওয়ার] * ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সেই বীভৎসতা ও নৃশংসতা বর্ণনাতীত। হাজার হাজার বেসামরিক নাগরিক, ইসরায়েলি এবং ফিলিস্তিনি আজ বর্ণবাদের (Apartheid) মাসুল দিচ্ছে। আমরা আপনাদের এখনই হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানাচ্ছি যাতে বর্তমানে চলমান যুদ্ধাপরাধগুলো বন্ধ করা যায়। ** '''''[[:w:জিউইশ ভয়েস ফর পিস|জিউইশ ভয়েস ফর পিস]]''''', [https://web.archive.org/web/20231023201229/https://act.jewishvoiceforpeace.org/a/israelis-demand-ceasefire ইসরায়েলি ডিমান্ড সিজফায়ার]-এ বর্ণিত। * গাজা গত প্রায় দুই দশক ধরে একটি উন্মুক্ত কারাগার হয়ে আছে এবং এটি দ্রুত একটি গণকবরে পরিণত হচ্ছে। যারা নিহত হয়েছে তাদের মধ্যে ৪০ শতাংশই নিরপরাধ শিশু। সেখানে আস্ত একেকটি পরিবারকে হত্যা করা হচ্ছে। ** '''''[[:w:অ্যাঞ্জেলিনা জোলি|অ্যাঞ্জেলিনা জোলি]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/k8y4b6?update=2456829 অ্যাঞ্জেলিনা জোলি স্ল্যামস ইসরায়েল, কলস ওয়ার্ল্ড লিডারস ‘কমপ্লিসিট ইন দিজ ক্রাইমস’] == K == [[File:99515 equipment collection complex for families - expo t PikiWiki Israel.jpg|thumb|আমাদের যোদ্ধারা... যারা নাৎসি সন্ত্রাসীদের দ্বারা সংঘটিত সেই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে গেছে... তারা গাজায় অপহৃতদের সাথে নিয়ে শান্তিতে তখনই ফিরে আসবে, যখন তারা এই অভিশপ্তদের সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করবে ~ শ্লোমো কারহি]] * কতগুলো ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে বা কত শতাংশ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে—যার ওপর অপর পক্ষ গুরুত্ব দিচ্ছে—সেটি একটি "গৌণ ও প্রান্তিক বিষয়"; আসল বিষয় হলো ইরানি জাতি এবং সশস্ত্র বাহিনীর শক্তির প্রদর্শন। ** '''''[[:w:আলী খামেনি|আলী খামেনি]]''''', উদ্ধৃত: [https://english.almayadeen.net/news/politics/sayyed-khamenei--armed-forces-showed-good-image-of-their-cap আল মায়াদিন] * তারা মুখে এমন কিছু বলে যে, "কেন আপনারা এটি করছেন?" কিন্তু কার্যত, ইসরায়েলের অপরাধের বিরুদ্ধে এই সরকারগুলোর পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নেওয়ার কোনো চিহ্নই নেই। ** '''''[[:w:আলী খামেনি|আলী খামেনি]]''''', [https://english.khamenei.ir/news/10708/All-of-us-should-feel-we-have-a-responsibility-with-regard-to ২০২৪ সালের এপ্রিলে প্রদত্ত বক্তব্য]। * এই মুহূর্তে আমাদের একটিই লক্ষ্য এবং তা হলো ''নাকবা'' ! এমন এক নাকবা যা ১৯৪৮ সালের নাকবাকে ম্লান করে দেবে। গাজায় নাকবা এবং যে কেউ এতে যোগ দেওয়ার সাহস করবে তার জন্যও নাকবা! তাদের সেই বিপর্যয় অনিবার্য, কারণ ১৯৪৮ সালের মতোই এবারও বিকল্পটি অত্যন্ত স্পষ্ট। ** '''''[[:w:অ্যারিয়েল কালনার|অ্যারিয়েল কালনার]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.middleeastmonitor.com/20231009-israel-mk-calls-for-a-second-nakba-in-gaza/ ইসরায়েল এমকে কলস ফর আ সেকেন্ড নাকবা ইন গাজা] * আর মাত্র একটি বছর / সেখানে কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না, / এবং আমরা নিরাপদে আমাদের ঘরে ফিরে যাব। / আর মাত্র একটি বছর / আমরা তাদের সবাইকে নির্মূল করব এবং ফিরে যাব আমাদের মাঠের লাঙল ধরতে। ** '''''[[:w:কান ১১|কান ১১]]''''', [https://www.jewishpress.com/multimedia/video-picks/gaza-envelope-childrens-updated-friendship-song-deleted-by-state-tv/2023/11/20/ গাজা এনভেলপ চিলড্রেন’স আপডেটেড ‘ফ্রেন্ডশিপ’ সং ডিলিটেড বাই স্টেট টিভি]-তে বর্ণিত। * আমরা এখন যা দেখছি তা হলো সকল নিয়মনীতির বিলুপ্তি; সেখানে কোনো আদর্শ বা নৈতিকতা অবশিষ্ট নেই কারণ এটি একটি সমগ্র সমাজের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। সেখানে আদতে কোনো নিয়মই কাজ করছে না। তাই এই মুহূর্তে আমাদের যা প্রয়োজন, তা হলো বাইর থেকে এসে কাউকে এই ধ্বংসযজ্ঞ থেকে উদ্ধার করা। ** '''''[[:w:মুকেশ কপিলা|মুকেশ কপিলা]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/jui07c?update=2483569 ‘নো রুলস অ্যাট অল’: এক্স-ইউএন অফিশিয়াল ডিনাউন্সেস ইসরায়েলি ললেসনেস] * কূপগুলো মাটি দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিশোধ হিসেবে দাউদ একশজন ফিলিস্তিনির পুরুষাঙ্গের অগ্রত্বক সংগ্রহ করেছিলেন। আমাদের যোদ্ধারা, যারা নিজেদের ঘর রক্ষা করতে এবং নাৎসি সন্ত্রাসীদের দ্বারা সংঘটিত সেই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে যুদ্ধে গেছে, তারা ওই সুড়ঙ্গগুলোকে মাটি দিয়ে ঢেকে দেবে এবং গাজায় অপহৃতদের সাথে নিয়ে শান্তিতে তখনই ফিরে আসবে, যখন তারা এই অভিশপ্তদের সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করবে। ** '''''[[:w:শ্লোমো কারহি|শ্লোমো কারহি]]''''', [https://twitter.com/shlomo_karhi/status/1725504217148797065?s=20 শ্লোমো কারহির একটি এক্স (X) পোস্টে] বর্ণিত। * পৃথিবী ছেড়ে বিদায় নেওয়ার আগ পর্যন্ত তারা এক ফোঁটা পানি কিংবা একটি ব্যাটারিও পাবে না। ** '''''[[:w:ইসরায়েল কাটজ|ইসরায়েল কাটজ]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.newarab.com/news/what-have-israeli-officials-said-about-palestinians-gaza হোয়াট হ্যাভ ইসরায়েলি অফিশিয়ালস সেড অ্যাবাউট প্যালেস্টিনিয়ানস ইন গাজা?] * ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের ওপর যত বেশি দমন-পীড়ন চালাবে এবং তাদের মৌলিক স্বাধীনতা হরণ করবে, তত বেশি প্রতিরোধের সম্মুখীন হবে; কারণ আরও অনেক ফিলিস্তিনি তাদের সমষ্টিগত ও ব্যক্তিগত অধিকার আদায়ের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। ** ওনজু কেচেলি, উদ্ধৃত: [https://aje.io/3m6aa9?update=2529939 ‘ব্রুট ফোর্স’ এগেইনস্ট এনটায়ার পপুলেশন ক্যাননট বি লেজিটিমাইজড: টার্কি] * এটি যুদ্ধ। এটি একটি সংঘাত। এটি রক্তক্ষয়ী, কদর্য এবং পরিস্থিতি আরও জটিল হতে যাচ্ছে; আর সামনের দিনগুলোতে নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেই। ** '''''[[:w:জন কিরবি|জন কিরবি]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.barrons.com/news/innocent-civilians-are-going-to-be-hurt-in-israel-hamas-war-w-house-645bb1a5?refsec=topics_afp-news# 'ইনোসেন্ট সিভিলিয়ানস আর গোয়িং টু বি হার্ট' ইন ইসরায়েল-হামাস ওয়ার: ডব্লিউ.হাউস] * [হামাসের লক্ষ্য] কেবল ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আরব বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং শান্তিপূর্ণ আলোচনার পথ থেকে বিচ্যুত হওয়া ছাড়া আর কিছু হতে পারে না। ** '''''[[:w:হেনরি কিসিঞ্জার|হেনরি কিসিঞ্জার]]''''', [https://en.wikipedia.org/wiki/Henry_Kissinger#2023_Israel–Hamas_war হেনরি কিসিঞ্জার - ২০২৩ ইসরায়েল-হামাস ওয়ার]-এ বর্ণিত। == L == * যদি গাজাকে ধ্বংস করা হয় এবং সেখানে বসবাসকারী ২০ লক্ষ বাসিন্দাকে বিতাড়িত করা হয়—যেমনটি ইসরায়েল ও বিদেশের কিছু রাজনীতিক প্রস্তাব করছেন—তবে এটি আগামী বহু দশক, এমনকি শতাব্দীকাল ব্যাপী এক মহাবিপর্যয়ের সৃষ্টি করবে। ** '''''[[:w:সের্গেই লাভরভ|সের্গেই লাভরভ]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/news/2023/10/28/russia-says-israeli-bombardment-of-gaza-is-against-international-law রাশিয়া সেজ ইসরায়েলি বোম্বার্ডমেন্ট অফ গাজা ইজ এগেইনস্ট ইন্টারন্যাশনাল ল] * প্রকৃতপক্ষে, গাজার শ্বাসরোধ করা হচ্ছে এবং মনে হচ্ছে বিশ্ব বর্তমানে তার মানবিকতা হারিয়ে ফেলেছে। আমরা যদি পানির সমস্যার দিকে তাকাই—আমরা সবাই জানি পানিই জীবন—তবে গাজায় পানির অভাব দেখা দিচ্ছে, আর গাজা থেকে জীবন ফুরিয়ে আসছে। ** '''''[[:w:ফিলিপ লাজারিনি|ফিলিপ লাজারিনি]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.ft.com/content/6fbdcd03-3483-4107-ada9-a63a9c5e6806?shareType=nongift ‘হোয়াই হ্যাজ দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাবন্ডন্ড আস?’ প্যালেস্টিনিয়ানস ইন গাজা প্লিড ফর হিউম্যানিটারিয়ান রিলিফ] * গাজা এবং হামাসকে এক করে দেখা অত্যন্ত বিপজ্জনক ও বিভ্রান্তিকর। এটি এমন এক সমীকরণ যার লক্ষ্য মানুষকে অমানবিক হিসেবে উপস্থাপন করা এবং যা অন্যায্য তাকে ন্যায্য প্রতিপন্ন করা। আমাদের মানবিকতা বজায় রাখার অর্থ হলো এটি দেখানো যে, গাজার মানুষ আমাদের সহানুভূতি ও করুণার যোগ্য। কেউ এ দাবি করতে পারবে না যে 'আমি জানতাম না', কারণ গাজা থেকে প্রতি ঘণ্টায় অবর্ণনীয় যন্ত্রণার ছবি, ভিডিও এবং আর্তনাদ আসতে থাকছে। আমরা এই মানবিক ট্র্যাজেডির প্রতি আর চোখ বুজে থাকতে পারি না। লক্ষ লক্ষ মানুষ, বিশেষ করে গাজাবাসীরা প্রশ্ন করছে—কেন বিশ্বের এই মর্ত্যের নরক শেষ করার সদিচ্ছা নেই? তারা একটি উত্তর পাওয়ার দাবি রাখে। এই উত্তরে বিলম্ব করা এই অঞ্চলের মেরুকরণকে আরও গভীর করবে এবং সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেবে। ** '''''[[:w:ফিলিপ লাজারিনি|ফিলিপ লাজারিনি]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/i5z284?update=2440548 ইকুয়েটিং গাজা উইথ হামাস ‘ভেরি ডেঞ্জারাস অ্যান্ড মিসলিডিং’] * আমাদের মধ্যে অনেকেই এই ট্রাকগুলোর মাঝে আশার আলো দেখেছিলেন। তবে এটি এখন কেবল মনোযোগ অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাস্তায় থাকা ২০ লক্ষ মানুষের জন্য এই সামান্য কয়েকটি ট্রাক কেবলই 'উচ্ছিষ্ট' বা যৎসামান্য খাবারের অবশিষ্টাংশের চেয়ে বেশি কিছু নয়, যা তাদের জীবনে কোনো বড় পরিবর্তন আনবে না। আমাদের এমন বার্তা দেওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত যে—দিনে কয়েকটি ট্রাক আসার অর্থই হলো মানবিক সহায়তার ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়েছে; এটি মোটেও সত্য নয়। বর্তমানে যে ব্যবস্থাটি চালু আছে তা ব্যর্থ হওয়ার জন্যই তৈরি করা হয়েছে। যা প্রয়োজন তা হলো অর্থবহ এবং নিরবচ্ছিন্ন ত্রাণ প্রবাহ; আর এটি সফল করতে আমাদের একটি মানবিক যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন যাতে এই সহায়তা প্রকৃত অভাবগ্রস্তদের কাছে পৌঁছাতে পারে। এটি খুব বড় কোনো চাওয়া হওয়া উচিত নয়। ** '''''[[:w:ফিলিপ লাজারিনি|ফিলিপ লাজারিনি]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/i5z284?update=2440488 ট্রাকস এন্টারিং গাজা থ্রু রাফাহ ‘নাথিং মোর দ্যান ক্রাম্বস’: ইউএনআরডব্লিউএ চিফ] * আক্রান্ত হওয়া অধিকাংশ স্থাপনাতেই পরিবারগুলো অবস্থান করছিল—যার মধ্যে বৃদ্ধ, বাবা-মা এবং শিশুরাও ছিল। এগুলো নীল পতাকা সংবলিত এবং স্পষ্টভাবে জাতিসংঘের ভবন হিসেবে চিহ্নিত ছিল। [[:w:ইউএনআরডব্লিউএ|ইউএনআরডব্লিউএ]] (UNRWA) নিয়মিতভাবে সংঘাতের সাথে জড়িত পক্ষগুলোর কাছে এই ভবনগুলোর স্থানাঙ্ক (Coordinates) সরবরাহ করে থাকে। ** '''''[[:w:ফিলিপ লাজারিনি|ফিলিপ লাজারিনি]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/5oh2f2?update=2498929 হিটিং শেল্টারস আ ‘টোটাল ডিসরিগার্ড ফর হিউম্যানিটি’: ইউএনআরডব্লিউএ চিফ] * ক্রমাগত বোমাবর্ষণ এবং আমাদের উপচে পড়া আশ্রয়কেন্দ্র ও তার বাইরে থাকা বাস্তুচ্যুত মানুষের বিশাল চাহিদার তুলনায় গাজা উপত্যকায় খাদ্য ও অন্যান্য মানবিক সরঞ্জামের নগণ্য ও অনিয়মিত প্রবাহের ফলে—মানুষকে সহায়তা ও সুরক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে ইউএনআরডব্লিউএর সক্ষমতা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। ** '''''[[:w:ফিলিপ লাজারিনি|ফিলিপ লাজারিনি]]''''', উদ্ধৃত: "[https://www.nytimes.com/2023/12/08/world/middleeast/fuel-and-aid-are-scarce-as-relief-efforts-falter-in-southern-gaza.html#:~:text=“With%20constant%20bombardment%2C%20low%20and,head%20of%20U.N.%20agency%20that ‘অন দ্য ব্রিঙ্ক অফ ফুল-ব্লোন কোলাপস’: ফুয়েল অ্যান্ড এইড আর স্কার্স অ্যাজ রিলিফ এফোর্টস ফাল্টার ইন সাউদার্ন গাজা]" (৮ ডিসেম্বর ২০২৩), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''। * যেকোনো বর্ণনায় বলতে গেলে, এটি নিশ্চিতভাবেই আমার দেখা এ যাবৎকালের সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি। ** '''''[[:w:ফিলিপ লাজারিনি|ফিলিপ লাজারিনি]]''''', উদ্ধৃত: "[https://www.nbcnews.com/news/world/live-blog/israel-hamas-war-live-updates-rcna128910 ইসরায়েল স্টেপস আপ সাউদার্ন গাজা অফেনসিভ অ্যাজ ইউ.এস. অ্যাপ্রুভস আর্মস সেলস]" (১০ ডিসেম্বর ২০২৩), ''এনবিসি নিউজ''। * এই ধরণের বক্তব্য বা আলোচনার বৈধতা দেখে আপনি বুঝতে পারবেন যে [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েল]] কতটা ভয়াবহভাবে পতনের দিকে যাচ্ছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এবং আপনি এটি উল্লেখও করেছেন—এটি কতটা সর্বসম্মত। এটি কেবল ডানপন্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আপনি গাজার প্রতি, গাজার কষ্টের প্রতি সামান্য সহানুভূতিও দেখাতে পারবেন না, যা ইসরায়েল একেবারেই দেখতে পায় না। গড়পড়তা একজন ইসরায়েলি গাজায় [যা ঘটেছে বা ঘটছে তার] কিছুই দেখেনি, কেবল সেখানে থাকা সৈন্যরা তা দেখতে পায়। সাহসিকতা, ত্যাগ, জিম্মি এবং তাদের পরিবারদের কথা বিরতিহীনভাবে দেখানো হচ্ছে, কিন্তু গাজার ২০ লক্ষ মানুষের যন্ত্রণার একটি ছবিও কোথাও নেই। আমি মনে করি এটি ইসরায়েলের জন্য ইতিহাসের সম্ভবত সবচাইতে অন্ধকারতম সময়। ** '''''[[:w:গিডন লেভি|গিডন লেভি]]''''', উদ্ধৃত: "[https://web.archive.org/web/20240821075219/https://www.newstatesman.com/international-content/the-international-interview/2024/01/gideon-levy-south-africa-genocide-israel “দে কিল এনিথিং দ্যাট মুভস”: আ ডিসকাশন অন দ্য মাস এক্সপালশন অফ গাজা, জেনোসাইড অ্যান্ড সাউথ আফ্রিকা’স কেস এগেইনস্ট ইসরায়েল]"। ''নিউ স্টেটসম্যান''। * গাজার এই ভয়াবহতাকে ক্ষমা করার বা অজুহাত দেওয়ার সময় আমরা পার করে এসেছি। বাইডেনকে অবশ্যই নেতানিয়াহুর ওপর কঠোর চাপ সৃষ্টি করতে হবে যেন তিনি এই নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করেন। আর এর শুরুটা হতে হবে যুদ্ধবিরতির আহ্বানের মধ্য দিয়ে। ** '''''[[:w:লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস|লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস]]''''' সম্পাদকীয় বোর্ড, [https://www.latimes.com/opinion/story/2023-11-16/editorial-ceasefire-now-the-killing-in-gaza-must-stop#:~:text=It%20is%20time%20for%20a,witness%20more%20slaughter%20of%20civilians. সিজ-ফায়ার নাও। দ্য কিলিং ইন গাজা মাস্ট স্টপ]-এ বর্ণিত। * এটি দীর্ঘকাল ধরে ঘনীভূত হওয়ারই ফল। আমি এবং আমার পূর্বসূরিরা এই দখলদারিত্বের উত্তরোত্তর জেঁকে বসা রূপটির দিকে বারবার ইঙ্গিত করেছি—বসতি স্থাপন বৃদ্ধি, ক্রমবর্ধমান ভূমি দখল এবং বাড়তে থাকা সহিংসতা। সেই অন্ধকার মুহূর্তগুলোই ছিল বর্তমান পরিস্থিতির পূর্বাভাস। আপনি আগ্নেয়গিরির মুখে ছিপি দিয়ে তা চিরকাল আটকে রাখার আশা করতে পারেন না এবং বিস্ফোরণ ঠেকিয়ে রাখার প্রত্যাশা করতে পারেন না। ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা এবং অপহরণ—এগুলো স্পষ্টতই যুদ্ধাপরাধ। কিন্তু এক পক্ষের দ্বারা সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ অন্য পক্ষকে যুদ্ধাপরাধ করার অনুমতি দেয় না। ইসরায়েল সম্পর্কে এমন একটি বয়ান প্রচলিত আছে যে, এটি একটি আইন মান্যকারী গণতন্ত্র যা পশ্চিমাদের সাথে অভিন্ন মূল্যবোধ ধারণ করে—আর ফিলিস্তিনিদের প্রসঙ্গে এলে এটিই অনেক সময় অন্ধবিন্দু (Blind Spot) হিসেবে কাজ করে। এই দৃষ্টিভঙ্গি আন্তর্জাতিক আইনের অসংখ্য লঙ্ঘন—যেমন বসতি স্থাপন, ভূমি সংযুক্তি এবং মানুষকে অবরুদ্ধ করে রাখার বিষয়গুলোকে বিবেচনায় নেয় না। দীর্ঘকাল ধরে একটি ধারণা প্রচলিত যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইউরোপীয় ইহুদিদের প্রতি পশ্চিমারা যা করেছিল এবং যা ঘটতে দিয়েছিল, তার ক্ষতিপূরণ হিসেবেই এই ইসরায়েল রাষ্ট্র; এই প্রতিশ্রুতি যে ইহুদিরা তাদের নিজস্ব একটি জন্মভূমি পাওয়ার যোগ্য যেখানে তারা নিরাপদ ও সুরক্ষিত থাকবে। তবে যে বিষয়টি কখনোই বিবেচনায় আনা হয় না তা হলো—একটি ইহুদি রাষ্ট্র দিয়ে একটি আরব রাষ্ট্রকে প্রতিস্থাপনের প্রক্রিয়া এবং এর ফলে সৃষ্ট অমানবিক ভোগান্তি। ** '''''[[:w:মাইকেল লিঙ্ক|মাইকেল লিঙ্ক]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/j9jahf?update=2434411 ‘আ লং টাইম কামিং’: এক্সপ্লোশন অফ ভায়োলেন্স লং প্রেডিক্টেড – অ্যানালিস্ট] == M == * ফিলিস্তিনিদের প্রাণের বিনিময়ে যদি ইসরায়েলের নিরাপত্তা অর্জিত হয়, তবে এই অঞ্চলে ইসরায়েলের জন্য কোনো স্থায়ী নিরাপত্তা থাকবে না। ** '''''[[:w:ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ|ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/3m6aa9?update=2529982 ম্যাক্রোঁ: নো সিকিউরিটি ফর ইসরায়েল অ্যাট দ্য কস্ট অফ প্যালেস্টিনিয়ান লাইভস] * ইসরায়েল যদি বর্তমানে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে, তবে নিশ্চিতভাবেই তাদের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে; আবার তারা যদি প্রতিরোধের শক্তিগুলোর (Resistance Forces) বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার চেষ্টা করে, তবে সেখানেও তাদের বিজয় অর্জন করা অসম্ভব। মূলত ইসরায়েল আজ এমন এক মরণফাঁদে দাঁড়িয়ে আছে যেখানে কোনো পথই তাদের জন্য নিরাপদ নয়। ** '''''[[:w:মোহাম্মদ-রেজা মাহদভী কানি|মোহাম্মদ-রেজা মাহদভী কানি]]''''', [https://web.archive.org/web/20231107162154/https://www.didbaniran.ir/بخش-سیاসী-3/167888-امام-جمعه-اصفهان-اسرائیل-در-دوراهی-مرگ-قرار-گرفته-است ইমাম জুম্মা এসফাহান: ইসরায়েল দর দোরাহি মার্গ গরারে গেড়েফতে আস্ত] হতে অনূদিত। * সিভিল ডিফেন্স বা উদ্ধারকারী দলের ওপর এই বর্বরোচিত হামলা... যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সামাজিক সেবাগুলোর বিনাশ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ—এই সবকিছুই মূলত একটি সুদীর্ঘ ও গভীর প্রক্রিয়ার অংশ। যার চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো গাজা উপত্যকাকে মানুষের বসবাসের জন্য সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত ও একটি জনশূন্য মরুভূমিতে পরিণত করা। ** '''''হানি মাহমুদ''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/news/liveblog/2024/6/28/israel-war-on-gaza-live-people-flee-in-terror-as-tanks-drones-attack?update=3010889 আ শ্যাটারড সেন্স অফ সেফটি] * দখলদার শক্তি ইসরায়েল কর্তৃক অবৈধ দখলদারিত্বের অধীনে থাকা ফিলিস্তিনি বেসামরিক জনগোষ্ঠীর ওপর যে পরিকল্পিত, নিয়মতান্ত্রিক এবং পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড চালানো হচ্ছে, তা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। এই নিষ্ঠুর গণহত্যা রোধ করা আজ আমাদের সকলের সম্মিলিত মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব। ** '''''[[:w:রিয়াদ আল-মালিকি|রিয়াদ আল-মালিকি]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/j9jahf?update=2434525 মোর ফ্রম রিয়াদ আল-মালিকি অ্যাট দ্য ইউএন সিকিউরিটি কাউন্সিল] * আমি আপনাদের সকলের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি—এই অবিরাম হত্যাযজ্ঞ বন্ধের পক্ষে আপনার ভোটটি দিন। যাদের বেঁচে থাকা আজ কেবল ত্রাণের ওপর নির্ভরশীল, তাদের কাছে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার পক্ষে ভোট দিন। এই উন্মাদনা এবং রক্তপাত বন্ধ করতে এখনই পদক্ষেপ নিন। ** '''''[[:w:রিয়াদ মনসুর|রিয়াদ মনসুর]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/news/2023/10/26/palestinian-ambassador-urges-un-to-stop-the-killing-as-israel-pounds-gaza প্যালেস্টিনিয়ান অ্যাম্বাসেডর আরজেস ইউএন টু ‘স্টপ দ্য কিলিং’ অ্যাজ ইসরায়েল পাউন্ডস গাজা] * তারা যদি প্রকৃত অর্থেই মানুষ হতো, তবে আমরা অবশ্যই তাদের কাছে মানবিক সহায়তা পাঠাতাম... কিন্তু এখানে আমরা মানুষের কথা বলছি না, এটি মূলত পশুদের সম্পর্কে একটি লড়াই। ** '''''রাব্বি মেয়ার মারোজ''''', [https://twitter.com/QudsNen/status/1723241828785303696?s=20 কুদস নিউজ নেটওয়ার্কের একটি এক্স (X) পোস্টে] উদ্ধৃত। * আমি অপর পক্ষকে বলব যে—'নিরপরাধ ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিক' এই ধারণাটি যেন তারা এত হালকাভাবে ব্যবহার না করে। আমার মনে হয় না যে আমরা 'নিরপরাধ নাৎসি বেসামরিক নাগরিক' শব্দবন্ধটি এত সহজে বা হালকাভাবে কোথাও ব্যবহার করতাম। ** '''''[[:w:ব্রায়ান মাস্ট|ব্রায়ান মাস্ট]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/cevgx6?update=2455960 ইউএস কংগ্রেসিম্যান সাজেস্টস দেয়ার আর নো ‘ইনোসেন্ট প্যালেস্টিনিয়ান সিভিলিয়ানস’] * যখন হাসপাতাল আর বিদ্যালয়গুলো ভেতরে থাকা শিশুদের নিয়েই দাউদাউ করে জ্বলছে, তখন আন্তর্জাতিক শেয়ারহোল্ডাররা উল্লাসে মেতেছে এবং বিশ্ব অর্থনীতি ফুলেফেঁপে উঠছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের জুলাই মাসের মাঝে আরটিএক্স কর্পোরেশন (RTX Corporation) এবং লিওনার্দোর (Leonardo) মতো প্রতিরক্ষা খাতের দানবীয় কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম যথাক্রমে ৭৭ শতাংশ এবং ২৩৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৩ সালে বিশ্বের শীর্ষ ১০০টি অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের আয় দাঁড়িয়েছে ৬০০ বিলিয়ন ডলারের উপরে। এই পুরো অর্থনীতিই আজ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। ফ্রান্সেস্কা আলবানিজ ২০২৫ সালের এক অসাধারণ জাতিসংঘ প্রতিবেদনে অস্ত্র শিল্পের এই অপ্রত্যাশিত মুনাফাকে টিকিয়ে রাখা এক বিশাল নেটওয়ার্ককে উন্মোচিত করেছেন—যার মধ্যে রয়েছে ল ফার্ম, অডিটিং ও কনসাল্টিং ফার্ম, অস্ত্র ব্যবসায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় এবং দালালচক্র। তিনি সেই বিশাল কর্পোরেট জালকে উন্মোচন করেছেন যাদের কাছে ফিলিস্তিনিদের জীবন ধ্বংস হওয়া মানেই রেকর্ড পরিমাণ মুনাফা অর্জন—যার মধ্যে অ্যালফাবেট (Alphabet), মাইক্রোসফট (Microsoft) ও অ্যামাজনের (Amazon) মতো প্রযুক্তি জায়ান্ট; ভ্যানগার্ড (Vanguard) ও ব্ল্যাকরকের (BlackRock) মতো আর্থিক পাওয়ার হাউস এবং বিশ্বের বৃহত্তম জ্বালানি ও খনিজ উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো অন্যতম। ** '''''[[:w:ক্লারা মাত্তেই|ক্লারা ই. মাত্তেই]]''''', ''এস্কেপ ফ্রম ক্যাপিটালিজম: অ্যান ইন্টারভেনশন''। (২০২৬)। আইএসবিএন (ISBN): ৯৭৮-১৬৬৮০৮৫১৪১, পৃষ্ঠা: ১৫৩। * ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইনের কোনো পরোয়াই করে না। কিন্তু কেন? কারণ ইসরায়েলকে কখনোই তাদের কৃতকর্মের জন্য জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয় না। এই দায়মুক্তিই তাদের বারবার ধৃষ্টতা দেখানোর সুযোগ করে দেয়। ** '''''[[:w:মেরি লু ম্যাকডোনাল্ড|মেরি লু ম্যাকডোনাল্ড]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/2jzuwp?update=2494019 আইরিশ এমপি কলস ফর আইসিসি ইনভেস্টিগেশন অফ ইসরায়েল] * আমি একজন সাংবাদিক হিসেবে রুয়ান্ডা গণহত্যা কভার করেছি। হামাসের হামলার পর ইসরায়েল থেকে যে ধরণের ভাষা বা বয়ান ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, তা রুয়ান্ডার সেই ভয়াবহ দিনগুলোর সাথে এক অদ্ভুত ও আতঙ্কজনক মিল বহন করে। এই শব্দচয়নগুলো মূলত আরেকটি বড় গণহত্যারই পূর্বাভাস। ** '''''[[:w:ক্রিস ম্যাকগ্রিল|ক্রিস ম্যাকগ্রিল]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.theguardian.com/commentisfree/2023/oct/16/the-language-being-used-to-describe-palestinians-is-genocidal দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ বিয়িং ইউজড টু ডেসক্রাইব প্যালেস্টিনিয়ানস ইজ জেনোসাইডাল] * ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর বর্তমানে চলমান এই পাইকারি বা ঢালাও হত্যাকাণ্ড—যা মূলত এক জাতিগত-জাতীয়তাবাদী ঔপনিবেশিক আদর্শে প্রোথিত—তা মূলত কয়েক দশক ধরে চলে আসা সুশৃঙ্খল নিপীড়ন ও জাতিগত নিধনেরই একটি নিরবচ্ছিন্ন অংশ। কেবল আরব হওয়ার কারণেই তাদের এই পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে, যা নিয়ে কোনো সন্দেহ বা বিতর্কের অবকাশ নেই। আজ এই পুরো ভূখণ্ড জুড়ে বর্ণবাদের (Apartheid) শাসন কায়েম করা হয়েছে। ** '''''[[:w:ক্রেইগ মোখিবের|ক্রেইগ মোখিবের]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.theguardian.com/world/live/2023/oct/31/israel-hamas-war-live-updates-latest-news-today-hamas-clashes-idf-gaza-aid-plan-failure টপ ইউএন অফিশিয়াল রিজাইনস ওভার ‘জেনোসাইড’ অফ প্যালেস্টিনিয়ান সিভিলিয়ানস] * একজন মানবাধিকার আইনজীবী হিসেবে আমি অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে বলতে পারি যে—গাজা এবং এর আশেপাশে যা ঘটে চলেছে, তা স্রেফ একটি গণহত্যা ছাড়া আর কিছুই নয়। মানবতার বিরুদ্ধে এই চরম অপরাধ আজ আমাদের চোখের সামনেই উন্মোচিত হচ্ছে। ** '''''[[:w:ক্রেইগ মোখিবের|ক্রেইগ মোখিবের]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/k8y4b6?update=2456513 ‘হোয়াট আই সি আনফোল্ডিং ইন গাজা অ্যান্ড বিয়ন্ড ইজ জেনোসাইড’] * আমরা বর্তমানে গাজায় যা দেখছি তা আরও ভয়াবহ; কারণ [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]], [[:w:যুক্তরাজ্য|যুক্তরাজ্য]] এবং আরও কিছু পশ্চিমা শক্তি প্রকৃতপক্ষে এই [[:w:ফিলিস্তিনি গণহত্যা বির্তক|গণহত্যার]] সরাসরি সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। [[:w:গণহত্যা কনভেনশন|গণহত্যা কনভেনশনের]] অধীনে 'সহযোগিতা করা' নিজেই একটি পৃথক অপরাধ। যুক্তরাষ্ট্র এই গণহত্যার সময় নিরবচ্ছিন্নভাবে অর্থনৈতিক সহায়তা, সামরিক গোয়েন্দা তথ্য এবং কূটনৈতিক সুরক্ষা দিয়ে গেছে। তারা নিরাপত্তা পরিষদে তাদের ভেটো ক্ষমতা ব্যবহার করে বারবার যুদ্ধবিরতি আটকে দিয়েছে। আর প্রতিটি ভেটোর পর আমরা দেখেছি কীভাবে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি এই নির্মম নিধনের শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছে। ** '''''[[:w:ক্রেইগ মোখিবের|ক্রেইগ মোখিবের]]''''', "[https://therealnews.com/us-and-uk-also-committing-genocide-crimes-in-gaza-former-un-official ইউএস অ্যান্ড ইউকে অলসো কমিটিং জেনোসাইড ক্রাইমস ইন গাজা: ফর্মার ইউএন অফিশিয়াল]"—''[[:w:দ্য রিয়েল নিউজ নেটওয়ার্ক|দ্য রিয়েল নিউজ নেটওয়ার্ক]]''-এর জন্য [[:w:ক্রিস হেজেস|ক্রিস হেজেসের]] সাথে সাক্ষাৎকার (২৬ জানুয়ারি ২০২৪)। * ইসরায়েল যদি গাজায় স্থল অভিযান বা আক্রমণ শুরু করে, তবে ইসলামী উম্মাহর সম্মিলিত শক্তিতে একজন জায়নবাদীও এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকবে না। এটি একটি চূড়ান্ত সংঘাতের রূপ নেবে যেখানে দখলদারদের সমূলে বিনাশ করা হবে। ** '''''[[:w:মোহাম্মদ মুসাভি খুইনিহা|মোহাম্মদ মুসাভি খুইনিহা]]''''', [https://web.archive.org/web/20231107162602/https://www.didbaniran.ir/বخش-سیاسی-3/167890-امام-جمعه-اهواز-در-صورت-ورود-زمینی-اسرائیل-به-غزه-امت-اسلامی-یک-صهیونیست-রা-روی-زمین-باقی-নخواهد-গذاشت ইমাম জুম্মা আহওয়াজ: দর সুরত ওরুদ জমিনি ইসরায়েল বে গাজা...] হতে অনূদিত। * গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে ১৮০০ ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে। আমেরিকার জনসংখ্যার অনুপাতে চিন্তা করলে এর ভয়াবহতা দাঁড়ায় ২,৭০,০০০ শিশুর মৃত্যুর সমতুল্য। এই পরিসংখ্যানই বলে দেয় গাজায় শিশুদের ওপর কী পরিমাণ নির্মমতা চালানো হচ্ছে। ** '''''[[:w:ইউসেফ মুনাইয়ের|ইউসেফ মুনাইয়ের]]''''', [https://twitter.com/DoktorBunker/status/1716476619362017630 ইউসেফ মুনাইয়েরের একটি এক্স (X) পোস্টে] উদ্ধৃত। == N == [[File:President Joe Biden meets with Prime Minister Benjamin Netanyahu.jpg|thumb|এটি আলোকবর্তিকার সন্তানদের সাথে অন্ধকারের সন্তানদের লড়াই; এটি মানবতা বনাম জঙ্গলের আইনের মধ্যকার এক সংগ্রাম। ~ [[বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]]] * যদি আমরা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ি, তবে জেনে রেখো যে আমরা সন্তুষ্ট ও অবিচল চিত্তেই বিদায় নিচ্ছি। আমাদের পক্ষ থেকে বিশ্বকে জানিয়ে দিও যে—আমরাই ছিলাম সত্যের অনুসারী এবং ন্যায়ের পথে অটল এক জাতি। ** '''''[[:w:হিবা কামাল আবু নাদা|হিবা কামাল আবু নাদা]]''''', [https://twitter.com/alijla2021/status/1715435810823033220?s=20 আবদালহাদি আলিহলার একটি এক্স (X) পোস্টে] উদ্ধৃত। * তাদের জিহ্বাগুলো সবার শেষের জন্য বাঁচিয়ে রাখো, যেন আমরা তাদের আর্তনাদ উপভোগ করতে পারি; কানগুলো অবশিষ্ট রাখো যেন তারা নিজেদের চিৎকার নিজেরাই শুনতে পায় এবং চোখগুলো খোলা রাখো যেন আমাদের তৃপ্তির হাসি তারা দেখে যেতে পারে। ** '''''জিপি নাভন''''', উদ্ধৃত: [https://www.middleeasteye.net/news/israel-palestine-war-sara-netanyahu-advisor-torture-gazans-rant ইসরায়েল-প্যালেস্টাইন ওয়ার: সারা নেতানিয়াহু’স অ্যাডভাইজার কলস ফর টর্চার অফ গাজা রেসিডেন্টস] * [[:w:হামাস|হামাস]] বন্দুকের মুখে এসে সাধারণ মানুষের খাবার ছিনিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। মানবিক বিপর্যয় এবং অনাহার আমাদের জন্য একটি গভীর ট্র্যাজেডি বা দুঃখজনক ঘটনা; কিন্তু তাদের জন্য এটি একটি সুপরিকল্পিত রণকৌশল। তারা মনে করে যে, এই সংকট বিশ্বজুড়ে [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলের]] ওপর যুদ্ধ বন্ধ করার চাপ সৃষ্টি করবে—যাতে তারা তাদের অবস্থানে টিকে থাকতে পারে এবং ভবিষ্যতে ৭ অক্টোবরের মতো আরও একটি বীভৎস হত্যাকাণ্ড পুনরায় ঘটানোর সুযোগ পায়। ** '''''[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.politico.eu/article/israel-pm-netanyahu-denies-palestinians-are-starving/ নেতানিয়াহু ডিনাইস প্যালেস্টিনিয়ানস আর স্টারভিং] * এটি আলোকবর্তিকার সন্তানদের সাথে অন্ধকারের সন্তানদের লড়াই; এটি মানবতা বনাম জঙ্গলের আদিম ও নিষ্ঠুর আইনের মধ্যকার এক অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম। সভ্য জগতের টিকে থাকার স্বার্থেই এই লড়াইয়ে জয়ী হওয়া অপরিহার্য। ** '''''[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]''''', ইসরায়েল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি [https://web.archive.org/web/20231017150448/https://twitter.com/IsraeliPM/status/1713949754948718657 এক্স (X) পোস্টে] বর্ণিত। * আমরা কেবল কোনো অভিযান বা খণ্ডকালীন সংঘাতের (Rounds) মধ্যে নেই, বরং আমরা এখন একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের সম্মুখীন। এটি কোনো সাধারণ সংঘর্ষ নয়, এটি একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ। ** '''''[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.cnn.com/2023/10/07/middleeast/sirens-israel-rocket-attack-gaza-intl-hnk/index.html] * এই অভিশপ্ত ও পৈশাচিক দিনটির জন্য আমরা এক ভয়াবহ ও প্রবল প্রতিশোধ নেব। আমাদের ওপর যে আঘাত হানা হয়েছে, তার চড়া মূল্য দিতে হবে অপরাধীদের। ** '''''[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.reuters.com/world/middle-east/sirens-warning-incoming-rockets-sound-around-gaza-near-tel-aviv-2023-10-07/ ইসরায়েল ভাউস 'মাইটি ভেনজেন্স' আফটার সারপ্রাইজ অ্যাটাক] * এটি মূলত ইসরায়েলের দ্বিতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধ। আমাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার এই লড়াই হবে দীর্ঘ এবং অত্যন্ত কঠিন—কিন্তু চূড়ান্ত পর্যায়ে বিজয় আমাদেরই হবে। ** '''''[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]''''', আই২৪ নিউজ (i24 News)-এর একটি [https://twitter.com/i24NEWS_EN/status/1718344693518565826?s=20 এক্স (X) পোস্টে] উদ্ধৃত। * আমিই একমাত্র ব্যক্তি, যে যুদ্ধের পর গাজা এবং [[:w:পশ্চিম তীর|পশ্চিম তীরে]] একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের প্রক্রিয়াকে রুখে দিতে সক্ষম। ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমি এই পথ বন্ধ রাখব। ** '''''[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.timesofisrael.com/liveblog_entry/pm-lobbying-likud-mks-saying-only-he-can-prevent-a-palestinian-state-in-gaza-west-bank-report/ পিএম লবিয়িং লিকুদ এমকেএস, সেয়িং অনলি হি ক্যান প্রিভেন্ট আ প্যালেস্টিনিয়ান স্টেট ইন গাজা, ওয়েস্ট ব্যাংক – রিপোর্ট] * আমাদের পবিত্র বাইবেল বলে—[[:w:আমালেক|আমালেক]] তোমাদের সাথে যা করেছে তা তোমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে। ১ সামুয়েল ১৫:৩-এ বর্ণিত আছে: 'এখন যাও এবং আমালেককে আঘাত করো, তাদের যা কিছু আছে তার সবকিছু সম্পূর্ণ ধ্বংস করো এবং তাদের প্রতি কোনো দয়া দেখাবে না; বরং পুরুষ ও নারী, শিশু ও দুগ্ধপোষ্য শিশু, এমনকি গরু ও ভেড়া, উট ও গাধা—সবকিছুকেই হত্যা করো।' ** '''''[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]''''', উদ্ধৃত: [https://timesofindia.indiatimes.com/world/middle-east/netanyahu-cites-amalek-theory-to-justify-gaza-killings/articleshow/104802548.cms?from=mdr নেতানিয়াহু সাইটস 'আমালেক' থিওরি টু জাস্টিফাই গাজা কিিলিংস] * আমি কয়েকটি বিষয় একদম স্পষ্টভাবে পরিষ্কার করে বলতে চাই—গাজাকে স্থায়ীভাবে দখল করা কিংবা এর বেসামরিক জনগণকে বাস্তুচ্যুত করার কোনো অভিপ্রায় ইসরায়েলের নেই। ইসরায়েল মূলত হামাস সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়ছে, ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে নয়; এবং আমরা আন্তর্জাতিক আইনের পূর্ণ আনুগত্য বজায় রেখেই তা করছি। আমাদের লক্ষ্য হলো গাজাকে হামাসমুক্ত করা এবং আমাদের জিম্মিদের মুক্ত করে আনা। একবার এটি অর্জিত হলে গাজাকে নিরস্ত্রীকরণ এবং উগ্রবাদমুক্ত করা সম্ভব হবে, যা ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি উভয় পক্ষের জন্যই এক উন্নততর ভবিষ্যতের সম্ভাবনা তৈরি করবে। ** '''''[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.timesofisrael.com/netanyahu-let-me-be-clear-israel-has-no-intention-of-displacing-gazas-population/ নেতানিয়াহু: লেট মি বি ক্লিয়ার — ইসরায়েল হ্যাজ নো ইনটেনশন অফ ডিসপ্লেসিং গাজা’স পপুলেশন]—''দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল''। * এখন প্রতিশোধ নেওয়ার সময়... আমরা একটি কঠিন যুদ্ধের মধ্যে রয়েছি, কিন্তু যারা আমাদের ক্ষতি করেছে—সেই সব অধম ও নিচুদের ওপর আমরা এক পূর্ণাঙ্গ বিজয় অর্জন করব এবং তাদের সাথে চূড়ান্ত হিসাব চুকিয়ে দেব। ** '''''[[:w:সারা নেতানিয়াহু|সারা নেতানিয়াহু]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.israelnationalnews.com/news/378611 সারা নেতানিয়াহু: নাও ইজ দ্য টাইম ফর রিভেঞ্জ এগেইনস্ট হামাস] == O == * ২২ লক্ষ মানুষের একটি জনপদের সমস্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। এর ফলে সাংবাদিক, চিকিৎসা পেশাজীবী, মানবিক সহায়তাকারী দল এবং নিরপরাধ সাধারণ মানুষ—সবাই চরম বিপদের মুখে পড়েছে। আমি জানি না এমন একটি কাজকে কীভাবে সমর্থন করা যেতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিকভাবে এই ধরণের নিষ্ঠুর অনুশীলনের নিন্দা জানিয়ে আসছে। ** '''''[[:w:আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-করতেজ|আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-করতেজ]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.politico.com/news/2023/10/28/musk-says-starlink-will-support-connectivity-to-aid-organizations-in-gaza-00124090 মাস্ক সেজ স্টারলিঙ্ক উইল সাপোর্ট কানেক্টিভিটি টু এইড অর্গানাইজেশনস ইন গাজা] * মূলত মানবাধিকারের মূল্যায়নই হলো এই সংকটে শান্তির পথে হাঁটার একমাত্র উপায়। আমাদের এটি নিশ্চিত করা একান্ত প্রয়োজন যে—আমরা যেমন ইসরায়েলিদের নিরাপত্তা ও মানবাধিকারকে গুরুত্ব দিই, ঠিক একইভাবে এই প্রক্রিয়ায় ফিলিস্তিনিদের নিরাপত্তা ও [[:w:মানবাধিকার|মানবাধিকারকেও]] সমপর্যায়ে মূল্যায়ন করতে হবে। ঠিক যেমন আমাদের এখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমি বিশ্বাস করি না যে [[:w:শিশু|শিশুদের]] বন্দি করে রাখা উচিত; মানবাধিকারের এই মৌলিক নীতিগুলো থেকেই আমরা একসাথে শান্তির পথ নির্মাণ করতে পারি। আমাদের অবশ্যই এমন একটি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে যেখানে সকল পক্ষকে সম্মান জানানো হয় এবং সবার জন্য সমান সুযোগ থাকে, যাতে আমরা প্রকৃত সদিচ্ছা নিয়ে আলোচনার টেবিলে বসতে পারি। ** '''''[[:w:আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-করতেজ|আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-করতেজ]]''''', [https://forward.com/fast-forward/467171/aoc-says-human-rights-is-central-to-peace-between-israel-palestinians/ এওসি সেজ হিউম্যান রাইটস ইজ সেন্ট্রাল টু পিস বিটুইন ইসরায়েল অ্যান্ড দ্য প্যালেস্টিনিয়ানস]-এ বর্ণিত (৫ এপ্রিল ২০২১)। * আমাদের চারপাশে যেখানেই আমরা [[:w:ঘৃণা|ঘৃণা]] এবং [[:w:অ্যান্টিসেমিটিজম|ইহুদিবিদ্বেষের]] বহিঃপ্রকাশ দেখব, তা কঠোরভাবে দমন করা মোটেও কঠিন কোনো কাজ হওয়া উচিত নয়। মানবিকতা ও সম্প্রীতির স্বার্থে যেকোনো ধরণের গোঁড়ামির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ** '''''[[:w:আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-করতেজ|আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-করতেজ]]''''', [https://www.theguardian.com/us-news/2023/oct/10/aoc-palestinian-rally-new-york এওসি ডিক্রাইস 'বিগট্রি অ্যান্ড ক্যালাসনেস' অফ প্রো-প্যালেস্টিনিয়ান র‍্যালি ইন নিউ ইয়র্ক]-এ বর্ণিত (১০ অক্টোবর ২০২৩)। * গাজার বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ এবং বীভৎস। সেখানে অন্তত ৩৪,০০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, যাদের অধিকাংশেরই পরিচয় নারী ও শিশু। এমনকি অনেক ইসরায়েলি নাগরিকও তাদের সরকারের এই ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছে; কারণ এই রক্তপাত সত্ত্বেও সরকার বাকি জিম্মিদের মুক্তি নিশ্চিত করতে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। অথচ গাজা যখন দুর্ভিক্ষের অতল গহ্বরে তলিয়ে যাচ্ছে, তখনো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধের জন্য ইসরায়েলকে অর্থ ও অস্ত্র সরবরাহ করে যাচ্ছে। যদি এটিও প্রতিবাদের যোগ্য বিষয় না হয়, তবে আমি নিশ্চিত নই যে পৃথিবীতে আর কোন বিষয়টি প্রতিবাদের দাবি রাখে! ** '''''[[:w:জন অলিভার|জন অলিভার]]''''', [[:w:যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল–হামাস যুদ্ধ প্রতিবাদ|যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল–হামাস যুদ্ধ প্রতিবাদ]] সম্পর্কে ‘লাস্ট উইক টুনাইট’-এর একটি সম্প্রচারে মন্তব্য করার সময় (২১ এপ্রিল ২০২৪)। * আমরা এখন গাজায় যা করছি তা মূলত একটি ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ; এটি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর এক বিচারহীন, সীমাহীন, নিষ্ঠুর এবং অপরাধমূলক হত্যাকাণ্ড। এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং সরকারের সুপরিকল্পিত নীতিরই ফল—যা অত্যন্ত সচেতনভাবে, পৈশাচিক ও বিদ্বেষপূর্ণ মানসিকতা নিয়ে এবং চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার সাথে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। ** '''''[[:w:এহুদ ওলমার্ট|এহুদ ওলমার্ট]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.theguardian.com/world/2025/may/27/former-israeli-pm-ehud-olmert-says-his-country-is-committing-war-crimes "ফর্মার ইসরায়েলি পিএম এহুদ ওলমার্ট সেজ হিজ কান্ট্রি ইজ কমিটিং ওয়ার ক্রাইমস"], দ্য গার্ডিয়ান (২৭ মে ২০২৫)। * আপনারা কীভাবে একটি নৃশংসতাকে দেখে বলতে পারেন যে 'এটি ভুল', অথচ যখন লাশের স্তূপ জমে ওঠে আর আস্ত একেকটি জনপদ মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়, তখন আপনারা নির্বিকার থাকেন? আফগানিস্তানে আমরা পুরো এক বছরে যতগুলো বোমা ফেলেছিলাম, ইসরায়েল গত ১০ দিনেই তার চেয়ে বেশি বোমা গাজায় বর্ষণ করেছে। আপনাদের মানবিকতা আজ কোথায়? আপনাদের ক্ষোভ আজ কোথায়? মানুষের প্রতি আপনাদের ন্যূনতম মমতা কি আজ বিলীন হয়ে গেছে? ** '''''[[:w:ইলহান ওমর|ইলহান ওমর]]''''', উদ্ধৃত: [https://abcnews.go.com/Politics/progressives-call-ceasefire-vengeance-foreign-policy-doctrine/story?id=104184860 প্রগ্রেসিভস কল ফর সিজফায়ার: 'ভেনজেন্স ইজ নট আ ফরেন পলিসি ডকট্রিন'] * আমি আজ এখানে নিকি হ্যালিকে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে সমর্থন জানাতে এসেছি। আমি মনে করি তিনি এটি অর্জন করেছেন। বর্তমানে বিবি নেতানিয়াহু অত্যন্ত প্রতিকূল ও খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। আপনি যদি বর্তমান সামাজিক প্রবণতা, সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি এবং চলমান প্রতিবাদগুলোর দিকে নজর দেন, তবে দেখবেন যে—ইসরায়েলের প্রতি বিশ্বব্যাপী যে সমর্থন ছিল, তা কার্যত ধসে পড়েছে। এমতাবস্থায় আমি মনে করি নিকি হ্যালিই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি বিদেশি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীগুলোর লবির পর্যাপ্ত অর্থ সহায়তায় এই জনসমর্থন ফিরিয়ে আনতে সক্ষম। তাই এটিই আমার চূড়ান্ত বক্তব্য—আমি নিকি হ্যালিকে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য সমর্থন দিচ্ছি। ** '''''[[:w:ক্যানডেস ওয়েন্স|ক্যানডেস ওয়েন্স]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.newsweek.com/candace-owens-endorses-nikki-haley-president-israel-1843840 ক্যানডেস ওয়েন্স এন্ডোর্সেস নিকি হ্যালি ফর 'প্রেসিডেন্ট অফ ইসরায়েল']—''নিউজউইক''। == P == isebjb15q57pj5wvgfskfnz72x1h2av 78636 78620 2026-04-19T16:10:06Z Oindrojalik Watch 4169 78636 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|358px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:October_2023_Gaza%E2%88%92Israel_conflict.svg|thumb|২৯ জুন ২০২৫ পর্যন্ত গাজার মানচিত্র।]] '''[[:w:গাজা যুদ্ধ|গাজা যুদ্ধ]]''' হলো [[:w:গাজা উপত্যকা|গাজা উপত্যকা]] এবং [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলের]] মধ্যে চলমান একটি সশস্ত্র সংঘাত যা ৭ অক্টোবর ২০২৩ থেকে শুরু হয়েছিল। এটি মূলত বিংশ শতাব্দী থেকে চলে আসা অমীমাংসিত [[:w:ইসরায়েলি–ফিলিস্তিনি সংঘাত|ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি]] এবং গাজা-ইসরায়েল সংঘাতের একটি অংশ। ৭ অক্টোবর ২০২৩-এ, [[:w:হামাস|হামাসের]] নেতৃত্বাধীন সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো [[w:৭ অক্টোবরের হামলা|ইসরায়েলের ওপর একটি আকস্মিক আক্রমণ চালায়]], যার ফলে ৮১৫ জন বেসামরিক নাগরিকসহ ১১৯৫ জন ইসরায়েলি ও বিদেশী নাগরিক নিহত হন এবং ইসরায়েলি কারাগারে বন্দি [[w:ইসরায়েলি হেফাজতে ফিলিস্তিনি|ফিলিস্তিনি বন্দিদের]] মুক্তির দাবিতে [[w:গাজা যুদ্ধ জিম্মি সংকট|২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়]]। এর প্রতিক্রিয়ায় শুরু হওয়া [[w:গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি আক্রমণ|ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে]] এ পর্যন্ত গাজায় ৭২,৩৩৬-এরও বেশি ফিলিস্তিনি [[w:গাজা যুদ্ধের হতাহত|নিহত হয়েছেন]] (২০২৩ সালের ৭ই অক্টোবর ২০২৬ সালের ১৪ই এপ্রিল), যাদের অর্ধেকেরও বেশি [[w:গাজা যুদ্ধে নারী|নারী]] ও [[w:গাজা উপত্যকায় শিশুদের ওপর গাজা যুদ্ধের প্রভাব|শিশু]]; এবং ১,৭২,০০০-এরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। '[[w:দ্য ল্যানসেট|দ্য ল্যানসেটের]]'একটি গবেষণায় অনুমান করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালের জুন মাস পর্যন্ত গাজায় আঘাতজনিত কারণে ৬৪,২৬০ জন নিহত হয়েছেন। তবে পরোক্ষ মৃত্যুসহ এই নিহতের সংখ্যা আরও বহুগুণ বেশি হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। [[File:Isaac Herzog in Tel Aviv-Yafo, October 2023 (ABG 0395).jpg|thumb|সেখানে বসবাসরত একটি গোটা জাতিই এর জন্য দায়ী। ~ '''''আইজ্যাক হারজোগ''''']] [[File:Fires in Israel and the Gaza strip - 7 October 2023 (53245908850).jpg|thumb|ইসরায়েল এবং গাজা উপত্যকায় দাবানল। চিত্রটি প্রায় ৪৮ কিলোমিটার প্রশস্ত (৭ অক্টোবর ২০২৩)।]] __NOTOC__ {{TOCalpha|''২০২৩ ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ সংক্রান্ত ভিডিওসমূহ''}} == A == * আমরা শৈশব থেকেই সর্বদা 'নাকবা' বা সেই ভয়াবহ মহাবিপর্যয়ের করুণ ইতিহাস ও আর্তনাদ শুনে শুনে বড় হয়েছি, কিন্তু আমরা কখনো ঘুণাক্ষরেও কল্পনা করিনি যে আমাদের নিজেদের প্রজন্মকেও সেই একই বিভীষিকাময় ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকতে হবে। ১৯৪৮ সালে যখন সেই বিপর্যয়টি ঘটেছিল, তখন তা আজকের মতো উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়নি, যার ফলে ফিলিস্তিনের মাটিতে ঠিক কী অমানবিক নিষ্ঠুরতা ঘটে চলেছে তা বিশ্ববাসী তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারেনি। কিন্তু বর্তমান সময়ের আধুনিক প্রেক্ষাপটে এটি অত্যন্ত কলঙ্কজনক ও চরম লজ্জাজনক যে, এই ভয়াবহ রক্তপাত ও সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড আজ বিশ্বজুড়ে টেলিভিশনের পর্দায় সরাসরি প্রচারিত হচ্ছে এবং সমগ্র বিশ্ববাসী আক্ষরিক অর্থেই তা অত্যন্ত নির্লিপ্তভাবে প্রত্যক্ষ করছে। ** '''''আহমেদ আবুফাউল''''', 'ডেমোক্রেসি নাও!'-তে উদ্ধৃত: "[https://www.democracynow.org/2023/12/22/israel_gaza_war_crimes গাজান অ্যাটর্নি হু হ্যাজ লস্ট ৬০ রিলেটিভস ইন ইসরায়েলি অ্যাটাকস সেজ ইউ.এস. ইজ “কমপ্লিসিট ইন জেনোসাইড”]" (২২ ডিসেম্বর ২০২৩), ডেমোক্রেসি নাও! * আরব বিশ্ব বর্তমানে যে বার্তাটি শুনতে পাচ্ছে তা অত্যন্ত প্রখর, তিক্ত এবং অত্যন্ত উচ্চকিত। ফিলিস্তিনিদের জীবনের মূল্য আজ ইসরায়েলিদের জীবনের তুলনায় অনেক তুচ্ছ, নগণ্য ও সস্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আমাদের অস্তিত্ব বা প্রাণের গুরুত্ব পৃথিবীর অন্য যে কারও জীবনের চেয়ে অনেক কম বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োগ যেন আজ একটি নিছক ঐচ্ছিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে এবং মানবাধিকারের যেন নির্দিষ্ট কিছু ভৌগোলিক সীমারেখা আছে—যা রাষ্ট্রের রাজনৈতিক সীমান্তে এসে থমকে যায়, যা বিশেষ কোনো জাতিগত পরিচয়ের দেয়ালে এসে আটকে যায় এবং যা নির্দিষ্ট কোনো ধর্মের ভিত্তিতে এসে সম্পূর্ণ স্তব্ধ হয়ে যায়। ** '''''[[:w:দ্বিতীয় আবদুল্লাহ|দ্বিতীয় আবদুল্লাহ]]''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=ই |first1=ভিভিয়ান |last2=স্টিভিস-গ্রিডনেফ |first2=মতিনা |title=পিস সামিট ইন ইজিপ্ট শোস আ শিফট ইন রেটোরিক বাট নো কনসেনসাস |url=https://www.nytimes.com/2023/10/21/world/middleeast/peace-summit-gaza-egypt.html |work=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |date=২১ অক্টোবর ২০২৩}} * গাজার আল-কুদস হাসপাতাল থেকে অসহায় রোগীদের অবিলম্ব সরিয়ে নেওয়ার হুমকির বিষয়ে ফিলিস্তিন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির (@PalestineRCS) প্রতিবেদনটি আমাদের গভীরভাবে উদ্বিগ্ন, বিচলিত ও স্তম্ভিত করেছে। আমরা আবারও অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে ব্যক্ত করছি যে—অসংখ্য মুম্মূর্ষু ও জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা রোগীভর্তি একটি সম্পূর্ণ হাসপাতাল তাদের অস্তিত্বকে চরম সংকটাপন্ন ও বিপন্ন না করে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া সম্পূর্ণ অসম্ভব একটি কাজ। আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী, চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোকে সর্বদা এবং সর্বাবস্থায় বিশেষ সুরক্ষা ও নিরাপত্তা প্রদান করা একান্ত অপরিহার্য। ** '''''[[:w:তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস|তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস]]''''', একটি [https://twitter.com/DrTedros/status/1718592128039752132 এক্স (X) পোস্টে]। উদ্ধৃত: {{cite news |title=ডব্লিউএইচও কনসার্নড বাই রিপোর্ট অফ ইভাকুয়েশন ওয়ার্নিং টু গাজা আল-কুদস হসপিটাল |url=https://www.reuters.com/article/israel-palestinians-who/who-concerned-by-report-of-evacuation-warning-to-gaza-al-quds-hospital-idUSL8N3BZ0B7/ |work=রয়টার্স |date=২৯ অক্টোবর ২০২৩}} * এই সংস্থাটি আমাদের পৃথিবীতে শান্তি ও সম্প্রীতি স্থাপনের মহান লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। যদি আপনারা, জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে, এই ভয়াবহ রক্তপাত থামাতে না পারেন অথবা তা থামানোর ক্ষমতা আপনাদের না থাকে, তবে আমাদের অবশ্যই প্রশ্ন করতে হবে: এই জাতিসংঘের সার্থকতা তবে কোথায় এবং এর অস্তিত্ব আসলে কীসের জন্য? ** '''''[[:w:তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস|তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.who.int/director-general/speeches/detail/who-director-general-s-remarks-at-the-informal-plenary-meeting-of-the-united-nations-general-assembly---17-november-2023 ডব্লিউএইচও ডিরেক্টর-জেনারেল'স রিমার্কস অ্যাট দ্য ইনফরমাল প্লেনারি মিটিং অফ দ্য ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলি – ১৭ নভেম্বর ২০২৩] * গাজার বাসিন্দারা, এই মুহূর্তে যারা ওয়াদি গাজার দক্ষিণে অগ্রসর হচ্ছেন, আপনারা তাঁদের সাথে যোগদান করুন। আমি আপনাদের অবহিত করতে চাই যে, যদিও হামাস আপনাদের পক্ষ থেকে চালানো বর্তমান মানবিক প্রচেষ্টাগুলোকে ক্রমাগত ব্যাহত করছে এবং আপনাদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে, তবুও আজ আইডিএফ (IDF) পুনরায় সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সালাহ আল-দিন সড়ক দিয়ে যাতায়াতের অনুমতি প্রদান করবে। আপনাদের নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে, ওয়াদি গাজার দক্ষিণে চলে যাওয়ার এই পরবর্তী সুযোগটি গ্রহণ করুন। আপনাদের মধ্যে অনেকেই এই মুহূর্তে এটি করছেন, যা কিছুক্ষণ আগে তোলা সংযুক্ত ছবিগুলো দেখলেই আপনারা বুঝতে পারবেন। আপনারা যদি নিজের এবং নিজের প্রিয়জনদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেন, তবে আমাদের নির্দেশ অনুযায়ী অবিলম্বে দক্ষিণে অগ্রসর হন। এটুকু নিশ্চিত থাকুন যে, হামাস নেতারা ইতোমধ্যে নিজেদের রক্ষা করার ব্যবস্থা করে নিয়েছেন। ** '''''[[:w:আভিচাই আদ্রায়ে|আভিচাই আদ্রায়ে]]''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=সুলিভান |first1=হেলেন |last2=চাও-ফং |first2=লেওনি |last3=বেলাম |first3=মার্টিন |last4=লিভিংস্টোন |first4=হেলেন |title=ইসরায়েল-হামাস ওয়ার: কনভয় অফ ফাইভ ট্রাকস হিট বাই ফায়ার – অ্যাজ ইট হ্যাপেনড |url=https://www.theguardian.com/world/live/2023/nov/07/israel-hamas-war-live-updates-gaza-security-responsibility-for-gaza-netanyahu-palestine?page=with:block-6549f8ea8f081e24ac48a9f5 |work=দ্য গার্ডিয়ান |date=৮ নভেম্বর ২০২৩}} * যখন এই পরিকল্পিত গণহত্যা শুরু হলো, তখন থেকেই আমি এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নের ঘোরে আচ্ছন্ন হতে শুরু করলাম—না, আসলে সেগুলোকে কেবল দুঃস্বপ্ন বললে ভুল হবে, কারণ তা ছিল তার চেয়েও অনেক বেশি বীভৎস। ঘুমের ঘোরে আমার আত্মা যেন এক অন্য জগতে স্থানান্তরিত হয়ে যেত; আমি নিজেকে গাজার মাটিতে আবিষ্কার করতাম, যেখানে অশুভ প্রেতাত্মারা আমাকে ছিঁড়ে খুঁড়ে খাচ্ছে, আমার সত্তাকে লুণ্ঠন করছে এবং চারপাশের পুরো পৃথিবীটা যেন টকটকে লাল রক্তে রঞ্জিত হয়ে আছে। সপ্তাহে বেশ কয়েকবার আমি প্রচণ্ড কান্নায় ভেঙে পড়ে ধড়ফড় করে জেগে উঠতাম। যখন আমার মস্তিষ্ক এটি যুক্তি দিয়ে বুঝতে ব্যর্থ হতো যে আমি ঘুম থেকে জেগে উঠেছি, তখন এক অবর্ণনীয় আতঙ্ক আমাকে আষ্টেপৃষ্ঠে গ্রাস করে নিত। ** '''''লরা আলবাস্ট''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=আলবাস্ট |first1=লরা |title=দ্য জেনোসাইড লিভস ইন মাই বডি |url=https://www.palestine-studies.org/en/node/1656307 |work=ইনস্টিটিউট ফর প্যালেস্টাইন স্টাডিজ |date=২২ অক্টোবর ২০২৪}} * ২০২১ সালে তালিবান কর্তৃক আফগানিস্তান দখলের পর সেখান থেকে সাধারণ মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার বা ইভাকুয়েশন প্রক্রিয়ার সাথে আমি নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিলাম, আর সেই অভিজ্ঞতার আলোকেই আমি আজ এই কথাগুলো বলতে বাধ্য হচ্ছি। মাসের পর মাস ধরে আমার সহকর্মী ও আমি প্রতিদিন বিশ্বের প্রতিটি মহাদেশের সরকারি কর্মকর্তা, সংসদ সদস্য, কংগ্রেস সদস্য, ক্রীড়াবিদ, শিল্পী এবং শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর কাছ থেকে শত শত ফোন কল পেয়েছি, যেখানে তারা আমাদের কাছে মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য আকুতি জানিয়েছিল! আমি শপথ করে বলছি, আমি ব্যক্তিগতভাবে আমেরিকার একটি দলকে এটি বোঝাতে দিনের পর দিন ব্যয় করেছি যে আমাদের কুকুরগুলোকে উদ্ধার করার কোনো প্রয়োজন নেই, কারণ তালিবানরা কুকুর ভক্ষণ করে না! আপনারা কি একবারও ভেবে দেখেছেন যে, গাজার এই নির্মম গণহত্যার/#Gaza_Genocide প্রতি আপনাদের বর্তমান প্রতিক্রিয়া দেখে আমাদের এখন কেমন অনুভব করা উচিত? আপনাদের সেই মানবতা আজ কোথায় হারিয়ে গেল? আপনাদের তথাকথিত আদর্শ ও মূলনীতিগুলো কোথায়? নারীর অধিকারের সেই বুলিগুলোই বা কোথায় গেল? গুরুত্বের সাথে বলছি, আপনারা নিজেদের কাছে এই অমানবিকতাকে কীভাবে ন্যায্য বলে প্রমাণ করছেন? আজ যখন একের পর এক হাসপাতালকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, তখন আপনারা সেটির সপক্ষেও সাফাই গাইছেন? এমন কোনো হীনস্তর কি আর বাকি আছে যেখানে আপনারা এখনো পৌঁছাননি? ** '''''[[:w:লোলওয়াহ আল-খাতের|লোলওয়াহ আল-খাতের]]''''', একটি [https://twitter.com/Lolwah_Alkhater/status/1724137537193627960 লোলওয়াহ আল-খাতেরের এক্স (X) পোস্টে] বর্ণিত। * আরব বিশ্ব এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর মানুষ গাজার এই ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ এবং প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্টের অকুণ্ঠ সমর্থনের মধ্যে একটি স্পষ্ট বিভাজন রেখা টেনে দিচ্ছে। এটি স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হচ্ছে যে, ইসরায়েল যা কিছু করতে চায়, তার সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়েছে; আর সেটি তারা স্বেচ্ছায় করুক কিংবা অনিচ্ছায়। ** '''''জন অল্টারম্যান''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=বার্নবাম |first1=মাইকেল |title=ইউ.এস. ইজ ওয়ার্নড অ্যাবাউট ইটস গ্লোবাল স্ট্যান্ডিং অ্যাজ গাজা সাফারিং পারসিস্টস |url=https://www.washingtonpost.com/national-security/2023/11/11/us-israel-gaza-civilian-deaths/ |work=ওয়াশিংটন পোস্ট |date=১৩ নভেম্বর ২০২৩}} * যদি এই জায়নবাদী আগ্রাসন অবিলম্বে বন্ধ করা না হয়, তবে এই অঞ্চলের সংশ্লিষ্ট সকল সংক্ষুব্ধ পক্ষের হাতই এখন বন্দুকের ট্রিগারে রয়েছে এবং যেকোনো মুহূর্তে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। ** '''''[[:w:হোসেইন আমির-আব্দুল্লাহিয়ান|হোসেইন আমির-আব্দুল্লাহিয়ান]]''''', উদ্ধৃত: {{cite news |title=ইরান টেলস ইসরায়েল: 'হ্যান্ডস অফ অল রিজিওনাল পার্টিস অন ট্রিগার ইফ অ্যাগ্রেশন ডু নট স্টপ' |url=https://www.reuters.com/world/middle-east/iran-tells-israel-hands-all-regional-parties-trigger-if-aggression-do-not-stop-2023-10-15/ |work=রয়টার্স |date=১৫ অক্টোবর ২০২৩}} * [[:w:গাজা উপত্যকা|গাজা উপত্যকায়]] যখন [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলি]] বাহিনী তাদের প্রলয়ঙ্করী ও বিধ্বংসী আক্রমণ ক্রমাগত জোরদার করছে, তখন [[:w:অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল|অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল]] বেশ কিছু বেআইনি ইসরায়েলি হামলার দালিলিক প্রমাণ সংগ্রহ করেছে; যার মধ্যে রয়েছে নির্বিচারে চালানো আক্রমণসমূহ, যা ব্যাপক হারে বেসামরিক হতাহতের কারণ হয়েছে এবং এই ঘটনাগুলোকে অবশ্যই [[:w:যুদ্ধাপরাধ|যুদ্ধাপরাধ]] হিসেবে তদন্ত করা অপরিহার্য। ** '''''[[:w:অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল|অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল]]''''', {{cite web |title=ইসরায়েলি অ্যাটাকস ওয়াইপ আউট এনটায়ার ফ্যামিলিস ইন গাজা |url=https://www.amnesty.org/en/latest/news/2023/10/damning-evidence-of-war-crimes-as-israeli-attacks-wipe-out-entire-families-in-gaza/ |date=২০ অক্টোবর ২০২৩}} [[File:BringThemBackNow1.jpg|thumb|আমি মনে করি না যে শিশুদের কখনো আটক বা বন্দী করে রাখা উচিত। ~ '''''[[:w:আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্তেজ|এওসি]]''''']] * সুতরাং, আপনারা যদি [[:w:ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিনিদের]] দেওয়া হতাহতের সংখ্যার বিষয়ে সন্দেহ পোষণ করেন এবং একই সাথে কোনো প্রকার নিরপেক্ষ তদন্ত—এমনকি [[:w:গাজা|গাজায়]] বিদেশী সাংবাদিকদের প্রবেশকেও সমর্থন না করেন—তবে আপনাদের প্রকৃত বক্তব্য এটাই দাঁড়ায় যে: এই মৃত্যুর সংখ্যা আসলে কোনো গুরুত্বই বহন করে না, কারণ আপনারা ফলাফল যাই হোক না কেন এই সংঘাতকে অন্ধভাবে সমর্থন দিয়েই যাবেন। আপনারা স্রেফ একে ন্যায্য প্রমাণের জন্য নিত্যনতুন অজুহাত খুঁজে বের করবেন। ** '''''িয়ারা আসি''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=হার্ব |first1=আলী |title=‘অ্যাপলিং’: হোয়াই হ্যাজ বাইডেন কাস্ট ডাউট অন দ্য ফিলিস্তিনিয়ান ডেথ কাউন্ট? |url=https://www.aljazeera.com/news/2023/10/26/appalling-why-has-biden-cast-doubt-on-the-palestinian-death-count |work=আল জাজিরা |date=২৬ অক্টোবর ২০২৩}} * [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েল]] বর্তমানে আমাদের সময়ের এক ভয়াবহ [[:w:হলোকাস্ট|হলোকাস্ট]] বা মহাপরিকল্পিত গণহত্যা সংঘটিত করছে, এবং তারা এটি বিশ্ববাসীর চোখের সামনেই করছে—যারা আপাতদৃষ্টিতে এই চরম অমানবিকতার প্রতি এক প্রকার উদাসীন ও সংবেদনহীন হয়ে পড়েছে। ** '''''[[:w:সুসান আবুলহাওয়া|সুসান আবুলহাওয়া]]''''', উদ্ধৃত: "[https://novaramedia.com/2024/10/18/i-went-to-gaza-what-i-saw-was-a-holocaust/ আই ওয়েন্ট টু গাজা। হোয়াট আই স ওয়াজ আ হলোকাস্ট]" (১৮ অক্টোবর ২০২৪), ''নোভারা মিডিয়া''। * আপনারা হয়তো [[:w:হামাস|হামাসের]] শক্তি হ্রাস করতে পারেন। আমি মনে করি, আপনারা যত খুশি তত তাদের সৈন্য হত্যাও করতে পারেন। কিন্তু সবসময় মূল প্রশ্নটি হলো—ঠিক কোন মূল্যের বিনিময়ে এটি করা হচ্ছে? এবং না, আপনারা কখনোই হামাসকে সম্পূর্ণ নির্মূল করতে পারবেন না; কারণ হামাস স্রেফ কোনো সামরিক বাহিনী নয়, বরং এটি একটি সুদৃঢ় আদর্শ। [...] এটি আসলে এক ধরণের প্রদর্শনী বা নাটক মাত্র। আমি বলব, এর প্রাথমিক দর্শক হলো মূলত এখানে, [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] অভ্যন্তরীণ সাধারণ মানুষ। আমরা স্পষ্টতই জানি যে প্রেসিডেন্ট [[:w:জো বাইডেন|বাইডেন]] আগামী বছর পুনরায় নির্বাচনের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন এবং সেখানে তাঁর প্রতিপক্ষ হতে পারেন [[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। তাই বাইডেন মূলত এটিই প্রদর্শনের চেষ্টা করছেন যে, ইসরায়েলের জন্য জো বাইডেন এবং ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ে বড় কোনো বন্ধু আর নেই। ** '''''উইলিয়াম জে. অ্যাস্টোর''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=হার্ব |first1=আলী |title=বাইডেন’স ইসরায়েল ট্রিপ ডিসপ্লেস ‘পারফর্মেটিভ’ অ্যাপ্রোচ টু গাজা ওয়ার: অ্যানালিস্টস |url=https://www.aljazeera.com/news/2023/10/20/bidens-israel-trip-reveals-performative-approach-to-gaza-war-analysts |work=আল জাজিরা |date=২০ অক্টোবর ২০২৩}} == B == * আমার বড় ভয়—এবং এই কথাটি আমি গত চার সপ্তাহ ধরে অনবরত বলে আসছি—[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|নেতানিয়াহুকে]] এবং তাঁর চিন্তা করার ধরণ সম্পর্কে আমার যে জ্ঞান রয়েছে, তা থেকে আমি বলতে পারি যে তিনি ততক্ষণ পর্যন্ত থামবেন না যতক্ষণ না তিনি ১:১০ অনুপাতে [প্রতিজন ইসরায়েলি মৃত্যুর বিপরীতে ১০ জন ফিলিস্তিনি মৃত্যু] রক্তক্ষয় নিশ্চিত করে নিজের হারানো অহংবোধ পুনরুদ্ধার করছেন। সুতরাং আমাদের সামনে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে; এবং যতক্ষণ না এই নিহতের সংখ্যা ১৪,০০০-এ পৌঁছাবে, ততক্ষণ পর্যন্ত সম্ভবত তিনি এই অঞ্চলে সফররত প্রধান কূটনীতিকদের কথায় কোনো কর্ণপাত করবেন না। তাঁরা সবাই এখানে তাঁর সাথে কথা বলতে আসছেন, কিন্তু তিনি এখন পর্যন্ত কারও পরামর্শেই সায় দিচ্ছেন না। ** '''''সুলতান বারাকাত''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=স্টেপানস্কি |first1=জোসেফ |title=ইসরায়েল-হামাস ওয়ার লাইভ আপডেট: গাজা হসপিটাল অন ব্রিঙ্ক অফ শাট্টিং ডাউন |url=https://www.aljazeera.com/news/liveblog/2023/11/6/israel-hamas-live-news-communications-blackout-across-gaza?update=2466687 |work=আল জাজিরা |date=৬ নভেম্বর ২০২৩}} * ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী যা বলেছেন, তা [[:w:ইসরায়েল সরকার|ইসরায়েলি সরকারের]] আসল পরিকল্পনাকেই উন্মোচিত করে দেয়। আর তা হলো [[:w:গাজা উপত্যকা|গাজা উপত্যকায়]] এক সর্বাত্মক [[:w:জাতিগত নির্মূলীকরণ|জাতিগত নির্মূলীকরণ]] অভিযান চালানো। এটি কোনো আশ্চর্যজনক বিষয় নয়। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিশ্ববাসী এই ভয়াবহ পরিকল্পনার প্রতি যথেষ্ট মনোযোগ দিচ্ছে না। বাস্তবতা হলো, ইসরায়েল গাজার নিরপরাধ বেসামরিক জনগণের ওপর ক্রমাগত বোমা হামলা ও বিমান আক্রমণের মাধ্যমে সুপরিকল্পিতভাবে এই জাতিগত নিধনযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে। ** '''''[[:w:মুস্তফা বারঘুতি|মুস্তফা বারঘুতি]]''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=আসিফ |first1=ইউসরা |title=প্যালেস্টিনিয়ান পলিটিশিয়ান স্ল্যামস ইসরায়েলি মিনিস্টার'স রিমার্কস অন গাজা ‘ভলান্টারি মাইগ্রেশন’ |url=https://english.alarabiya.net/News/middle-east/2023/11/14/Palestinian-politician-slams-Israeli-minister-s-remarks-on-Gaza-voluntary-migration- |work=আল আরাবিয়া ইংলিশ |date=১৪ নভেম্বর ২০২৩}} * [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলি]] সামরিক অভিযানগুলো বর্তমানে এমন এক অসহনীয় মানবিক সংকটের জন্ম দিয়েছে, যা সময়ের সাথে সাথে কেবল আরও ঘনীভূত ও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। কিন্তু ইসরায়েলের এই কার্যকলাপ কি—যেমনটি দেশটির প্রতিপক্ষরা দাবি করছেন—[[:w:জাতিগত নির্মূলীকরণ|জাতিগত নির্মূলীকরণের]] দ্বারপ্রান্তে। নাকি আরও চরমভাবে বললে, এটি একটি [[:w:গণহত্যা|গণহত্যা]]? গণহত্যার একজন ইতিহাসবিদ হিসেবে আমি বিশ্বাস করি যে, বর্তমানে [[:w:গাজা|গাজায়]] গণহত্যা সংঘটিত হচ্ছে এমন কোনো চূড়ান্ত প্রমাণ এখনও নেই; যদিও এটি অত্যন্ত প্রবলভাবে সম্ভব যে সেখানে [[:w:যুদ্ধাপরাধ|যুদ্ধাপরাধ]] এবং এমনকি [[:w:মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ|মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধও]] সংঘটিত হচ্ছে। এর দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্য রয়েছে। প্রথমত, আমাদের চোখের সামনে ঠিক কী ঘটছে তা সঠিকভাবে সংজ্ঞায়িত করা প্রয়োজন এবং দ্বিতীয়ত, পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আগেই আমাদের কাছে তা থামানোর সুযোগ রয়েছে। আমরা ইতিহাস থেকে জানি যে, কোনো গণহত্যা ঘটে যাওয়ার পর বিলম্বে তার নিন্দা জানানোর চেয়ে বরং সেটি সংঘটিত হওয়ার আগেই তার সম্ভাবনা সম্পর্কে সতর্ক করা অত্যন্ত জরুরি। আমি মনে করি, আমাদের হাতে এখনও সেই সময়টুকু অবশিষ্ট রয়েছে। ** '''''[[:w:ওমের বারতভ|ওমের বারতভ]]''''', {{cite web |title=হোয়াট আই বিলিভ অ্যাজ আ হিস্টোরিয়ান অফ জেনোসাইড |url=https://www.nytimes.com/2023/11/10/opinion/israel-gaza-genocide-war.html?smid=nytcore-ios-share&referringSource=articleShare |publisher=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |date=১০ নভেম্বর ২০২৩}} * এটি অত্যন্ত স্পষ্ট যে, [[:w:গাজা|গাজার]] ওপর প্রতিদিন যে হারে সহিংসতা চালানো হচ্ছে, তা একাধারে অসহনীয় এবং অচল। [[:w:হামাস|হামাসের]] দ্বারা সংঘটিত ৭ অক্টোবরের সেই হত্যাকাণ্ড—যা নিজেই একটি [[:w:যুদ্ধাপরাধ|যুদ্ধাপরাধ]] এবং [[:w:মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ|মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ]]—তার পর থেকে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক বিমান ও স্থল অভিযানে ১০,৫০০-এরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এই নিহতের সংখ্যার মধ্যে কয়েক হাজার শিশুও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই সংখ্যাটি হামাসের হাতে ইসরায়েলে নিহত হওয়া ১,৪০০-এরও বেশি মানুষের তুলনায় পাঁচ গুণেরও বেশি। এই আক্রমণকে ন্যায্য প্রমাণের প্রচেষ্টায় [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলি]] নেতা এবং জেনারেলরা এমন সব ভয়াবহ ঘোষণা প্রদান করেছেন যা মূলত একটি [[:w:গণহত্যা|গণহত্যার]] অভিপ্রায়কেই নির্দেশ করে। তবুও, আমরা বর্তমানে যে সম্মিলিত বিভীষিকা প্রত্যক্ষ করছি, তার মানে এই নয় যে আন্তর্জাতিক আইনের সংজ্ঞা অনুযায়ী সেখানে ইতোমধ্যে কোনো গণহত্যা শুরু হয়ে গেছে। যেহেতু গণহত্যাকে কখনও কখনও "সকল অপরাধের শ্রেষ্ঠ অপরাধ" হিসেবে গণ্য করা হয়, তাই অনেক সময় যেকোনো গণহত্যাকাণ্ড বা ব্যাপক হত্যাকাণ্ডকেই গণহত্যা হিসেবে বর্ণনা করার একটি প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু প্রতিটি নৃশংস ঘটনাকেই গণহত্যার তকমা দেওয়ার এই তাড়না বাস্তবতাকে ব্যাখ্যা করার পরিবর্তে বরং তাকে আরও ধোঁয়াশাপূর্ণ বা অস্পষ্ট করে তোলে। ** '''''[[:w:ওমের বারতভ|ওমের বারতভ]]''''', {{cite web |title=হোয়াট আই বিলিভ অ্যাজ আ হিস্টোরিয়ান অফ জেনোসাইড |url=https://www.nytimes.com/2023/11/10/opinion/israel-gaza-genocide-war.html?smid=nytcore-ios-share&referringSource=articleShare |publisher=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |date=১০ নভেম্বর ২০২৩}} * ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধের এই ভয়াবহ বিস্তার প্রত্যক্ষ করার ক্ষেত্রে আমার সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গাটি হলো—সেখানে একটি গণহত্যার অভিপ্রায় পরিলক্ষিত হচ্ছে, যা খুব সহজেই যেকোনো সময় গণহত্যার সরাসরি পদক্ষেপে রূপ নিতে পারে। ** '''''[[:w:ওমের বারতভ|ওমের বারতভ]]''''', {{cite web |title=হোয়াট আই বিলিভ অ্যাজ আ হিস্টোরিয়ান অফ জেনোসাইড |url=https://www.nytimes.com/2023/11/10/opinion/israel-gaza-genocide-war.html?smid=nytcore-ios-share&referringSource=articleShare |publisher=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |date=১০ নভেম্বর ২০২৩}} * যদিও আমরা এটি বলতে পারি না যে সামরিক বাহিনী সুনির্দিষ্টভাবে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে, তবে কার্যগত এবং আলঙ্কারিক দিক থেকে আমরা হয়তো এমন একটি [[:w:জাতিগত নির্মূলীকরণ|জাতিগত নির্মূলীকরণ]] অভিযান প্রত্যক্ষ করছি যা অত্যন্ত দ্রুততায় গণহত্যায় পর্যবসিত হতে পারে; যেমনটি অতীতেও একাধিকবার ঘটেছে। ** '''''[[:w:ওমের বারতভ|ওমের বারতভ]]''''', {{cite web |title=হোয়াট আই বিলিভ অ্যাজ আ হিস্টোরিয়ান অফ জেনোসাইড |url=https://www.nytimes.com/2023/11/10/opinion/israel-gaza-genocide-war.html?smid=nytcore-ios-share&referringSource=articleShare |publisher=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |date=১০ নভেম্বর ২০২৩}} * আমরা যদি সত্যিকার অর্থেই বিশ্বাস করি যে [[:w:হলোকাস্ট|হলোকাস্ট]] আমাদের এই শিক্ষা দিয়েছে যে—অন্যের মানবতা ও মর্যাদাকে রক্ষা করার মাধ্যমেই আমাদের নিজেদের মানবতা ও সম্মানকে টিকিয়ে রাখা প্রয়োজন, এমনকি এটি আমাদের একটি নৈতিক দায়িত্ব—তবে এখনই সময় উঠে দাঁড়ানোর এবং উচ্চকণ্ঠে প্রতিবাদ করার; যাতে [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলের]] নেতৃত্ব নিজেদের এবং তাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোকে এক গভীর অতল গহ্বরে নিমজ্জিত করতে না পারে। ইসরায়েলকে তার বর্তমান কর্মকাণ্ড একটি পূর্ণাঙ্গ [[:w:গণহত্যা|গণহত্যায়]] রূপ দেওয়া থেকে বিরত রাখার জন্য এখনও কিছুটা সময় অবশিষ্ট আছে। আমাদের আর একটি মুহূর্তও অপেক্ষা করার অবকাশ নেই। ** '''''[[:w:ওমের বারতভ|ওমের বারতভ]]''''', {{cite web |title=হোয়াট আই বিলিভ অ্যাজ আ হিস্টোরিয়ান অফ জেনোসাইড |url=https://www.nytimes.com/2023/11/10/opinion/israel-gaza-genocide-war.html?smid=nytcore-ios-share&referringSource=articleShare |publisher=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |date=১০ নভেম্বর ২০২৩}} * [[:w:গাজা|গাজার]] ওই শিশুরা এই পরিণতি নিজেদের ওপর নিজেরাই ডেকে এনেছে। ** '''''[[:w:মেইরাভ বেন-আরি|মেইরাভ বেন-আরি]]''''', 'মিডল ইস্ট আই'-তে উদ্ধৃত: "ইসরায়েল-ফিলিস্তিন: গাজায় বিমান হামলায় ১,০০০-এরও বেশি ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে, এনজিওর তথ্য প্রকাশ" (১৭ অক্টোবর ২০২৩) এবং {{cite news |last1=শাকির |first1=ওমর |last2=আহমেদ |first2=ইয়াসমিন |last3=কুমার |first3=অক্ষয় |title=উই আর সিয়িং আর্জেন্ট সাইনস অফ মোর মিউচুয়াল মাস অ্যাট্রোসিটিস টু কাম ইন ইসরায়েল অ্যান্ড গাজা |url=https://www.hrw.org/news/2023/10/20/we-are-seeing-urgent-signs-more-mutual-mass-atrocities-come-israel-and-gaza |publisher=হিউম্যান রাইটস ওয়াচ |date=২০ অক্টোবর ২০২৩}} * এখানে যা প্রয়োজন তা হলো একটি পূর্ণাঙ্গ দখলদারিত্ব। যখন আপনি সরাসরি রণক্ষেত্রে উপস্থিত থাকবেন, তখন আপনার কাছে পর্যাপ্ত গোয়েন্দা তথ্য এবং নিয়ন্ত্রণ থাকবে; তখন আপনিই হবেন সেই ভূমির সর্বময় মালিক। ** '''''[[:w:ইতামার বেন-গভির|ইতামার বেন-গভির]]''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=গাদজো |first1=মারসিহা |last2=পিয়েত্রোমার্চি |first2=ভার্জিনিয়া |last3=শঙ্কর |first3=প্রিয়াঙ্কা |last4=রোল্যান্ডস |first4=লিন্ডাল |last5=পাওয়ার |first5=জন |title=স্নাইপার ফায়ার টার্গেট দোজ ট্র্যাপড ইন আল-শিফা হসপিটাল |url=https://www.aljazeera.com/news/liveblog/2023/11/12/israel-gaza-war-live-israeli-army-surrounding-al-quds-hospital?update=2480792 |work=আল জাজিরা |date=১২ নভেম্বর ২০২৩}} * যেকোনো সফর যাতে প্রকাশ্যে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হয়নি, তা মূলত গাজার ওপর চলমান ইসরায়েলি আক্রমণগুলোকেই এক ধরণের মৌন সমর্থন প্রদানের শামিল [...] আমি মনে করি বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতি হলো ইসরায়েল যা কিছু অর্জন করার চেষ্টা করছে তাকে সর্বাত্মকভাবে সমর্থন করা, তা বাস্তবসম্মত হোক কিংবা অবাস্তব। ** '''''[[:w:ফিলিস বেনিস|ফিলিস বেনিস]]''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=হার্ব |first1=আলী |title=বাইডেন’স ইসরায়েল ট্রিপ ডিসপ্লেস ‘পারফর্মেটিভ’ অ্যাপ্রোচ টু গাজা ওয়ার: অ্যানালিস্টস |url=https://www.aljazeera.com/news/2023/10/20/bidens-israel-trip-reveals-performative-approach-to-gaza-war-analysts |work=আল জাজিরা |date=২০ অক্টোবর ২০২৩}} * আমি দীর্ঘ সময় ধরে এই কাজ করছি। কিন্তু আমি সত্যিই কখনো ভাবিনি যে, আমি নিজের চোখে সন্ত্রাসীদের হাতে শিশুদের শিরশ্ছেদ করার ছবি দেখব এবং তার সত্যতা নিশ্চিত করব। ** '''''[[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]]''''', যে উক্তি হামাস কর্তৃক শিশুদের শিরশ্ছেদ করার মিথ্যা অভিযোগের অবতারণা করে, উদ্ধৃত: {{cite news |last1=স্কাহিল |first1=জেরেমি |title=জো বাইডেন কিপস রিপিটিং হিজ ফলস ক্লেইম দ্যাট হি স পিকচার্স অফ বিহেডেড বেবিস |url=https://theintercept.com/2023/12/14/israel-biden-beheaded-babies-false/ |work=দ্য ইন্টারসেপ্ট |date=১৪ অক্টোবর ২০২৩}} * আপনারা একটি ইহুদি রাষ্ট্র। আপনারা যেমন একটি ইহুদি রাষ্ট্র, তেমনি আপনারা একটি [[:w:গণতন্ত্র|গণতন্ত্রও]]। আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতোই আপনারা সন্ত্রাসীদের নিয়মে চলেন না। আপনারা চলেন আইনের শাসনে। যখন কোনো সংঘাত চরম আকার ধারণ করে, তখন আপনারা যুদ্ধের নিয়মাবলি মেনে চলেন। যা আমাদের সন্ত্রাসীদের থেকে আলাদা করে তা হলো—আমরা প্রতিটি মানুষের জীবনের মৌলিক মর্যাদায় বিশ্বাস করি, সে [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলি]], [[:w:ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিনি]], আরব, ইহুদি, মুসলিম কিংবা খ্রিস্টান যে-ই হোক না কেন। আপনার নিজস্ব স্বকীয়তা যা আপনাকে অনন্য করে তোলে, তা আপনি বিসর্জন দিতে পারেন না। যদি আপনারা সেটি ত্যাগ করেন, তবে সন্ত্রাসীরাই জয়ী হবে। আর আমরা তাদের কখনোই জয়ী হতে দিতে পারি না। ** '''''[[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]]''''', [https://sv.usembassy.gov/president-bidens-statement-during-his-visit-to-tel-aviv/ প্রেসিডেন্ট বাইডেন’স স্টেটমেন্ট ডিউরিং হিজ ভিজিট টু তেল আবিব], ১৯ অক্টোবর ২০২৩ * আমরা সকলেই মহান স্রষ্টার প্রতিচ্ছবি হিসেবে সৃজিত মানুষ, যার মধ্যে রয়েছে মর্যাদা, মানবিকতা এবং নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য। এই অন্ধকারের মাঝে বিশ্বের কাছে আলোকবর্তিকা হয়ে ওঠাই হলো আমাদের লক্ষ্য। আপনারা সারা বিশ্বের অজস্র মানুষের কাছে আশা এবং আলোর অনুপ্রেরণা। সন্ত্রাসীরা মূলত সেটিই ধ্বংস করতে চায়। তারা অন্ধকার জগতে বাস করে বলেই এটি ধ্বংস করতে চায়—কিন্তু আপনারা তা নন, ইসরায়েল তা নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের মতো বিবেকবান রাষ্ট্রগুলো কেবল তাদের শক্তির উদাহরণের মাধ্যমে পরিমাপ করা হয় না। আমরা পরিমাপিত হই আমাদের উদাহরণের শক্তির দ্বারা। আর এই কারণেই, পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক না কেন, আমাদের অবশ্যই শান্তির পথ অনুসরণ করে যেতে হবে। আমাদের অবশ্যই এমন একটি পথ প্রশস্ত করতে হবে যাতে ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনি জনগণ উভয়ই নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং শান্তিতে বসবাস করতে পারে। আমার কাছে এর অর্থ হলো একটি [[:w:দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান|দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান]]। প্রতিবেশীদের সাথে ইসরায়েলের বৃহত্তর সংহতি ও একত্রীকরণের জন্য আমাদের কাজ চালিয়ে যেতে হবে। এই হামলাগুলো সেই লক্ষ্য পূরণে আমার অঙ্গীকার, সংকল্প এবং ইচ্ছাশক্তিকে আরও দৃঢ় করেছে। আমি আপনাদের বলতে এসেছি যে, সন্ত্রাসীরা জয়ী হবে না। মুক্তি ও স্বাধীনতারই জয় হবে। সুতরাং, আমি যেখানে শুরু করেছিলাম সেখানেই শেষ করতে চাই। ইসরায়েল, আপনারা একা নন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আপনাদের পাশে আছে। ** '''''[[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]]''''', [https://sv.usembassy.gov/president-bidens-statement-during-his-visit-to-tel-aviv/ প্রেসিডেন্ট বাইডেন’স স্টেটমেন্ট ডিউরিং হিজ ভিজিট টু তেল আবিব], ১৯ অক্টোবর ২০২৩ * আজ আমি সমগ্র ইসরায়েলবাসীকে বলছি- [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]] আপনাদের ছেড়ে কোথাও যাচ্ছে না। আমরা আপনাদের পাশে থাকব। আমরা এই দুঃসময়ে যেমন আপনাদের পাশে হাঁটব, তেমনি আগামীর সুন্দর দিনগুলোতেও আপনাদের পাশে থাকব। আর সেই সুদিন অবশ্যই আসবে। হিব্রু ভাষায় যেমনটি আপনারা বলেন—যা বলার চেষ্টা আমি করব না কারণ আমি একজন আনাড়ি ভাষাবিদ—আমি সেটি ইংরেজিতেই বলছি, "ইসরায়েলের মানুষ বেঁচে থাকবে।" "ইসরায়েলের মানুষ অমর।" ইসরায়েল আজ, আগামীকাল এবং চিরকাল একটি নিরাপদ, সুরক্ষিত, ইহুদি এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকবে। ঈশ্বর যেন শান্তিকামীদের রক্ষা করেন। যারা এখনও বিপদের সম্মুখীন, ঈশ্বর যেন তাদের সহায় হন। ** '''''[[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]]''''', [https://sv.usembassy.gov/president-bidens-statement-during-his-visit-to-tel-aviv/ প্রেসিডেন্ট বাইডেন’স স্টেটমেন্ট ডিউরিং হিজ ভিজিট টু তেল আবিব], ১৯ অক্টোবর ২০২৩ * এই ধরণীতে এমন কেউ নেই, কেউ নেই এবং কেউ নেই—যিনি সৃষ্টিকর্তার এই বিশাল পৃথিবীতে [[:w:হামাস|হামাসের]] সেই জঘন্য কর্মকাণ্ডকে ন্যায্য বলে সমর্থন করতে পারেন। তারা একটি নিষ্ঠুর, কুৎসিত এবং অমানবিক গোষ্ঠী, যাদের অবশ্যই পৃথিবী থেকে নির্মূল করা অপরিহার্য। ** '''''[[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.whitehouse.gov/briefing-room/speeches-remarks/2023/12/12/remarks-by-president-biden-at-a-campaign-reception-5/ রিমার্কস বাই প্রেসিডেন্ট বাইডেন অ্যাট আ ক্যাম্পেইন রিসেপশন], ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ * [[:w:গাজা|গাজার]] হাসপাতালে ঘটে যাওয়া সেই হৃদয়বিদারক ট্র্যাজেডিতে যারা নিহত বা আহত হয়েছেন, আমি তাঁদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করছি। আমরা এই অঞ্চলের অংশীদারদের সাথে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি যাতে গাজার নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিকদের কাছে যত দ্রুত সম্ভব জীবনরক্ষাকারী মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করা যায়। ** '''''[[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]]''''', [https://twitter.com/POTUS/status/1714855375311127015 পিওটিইউএস (POTUS)-এর একটি এক্স (X) পোস্টে] উদ্ধৃত। * [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েল]] বর্তমানে এমন এক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে যারা এমন বর্বরতায় লিপ্ত হয়েছে যা [[:w:হলোকাস্ট|হলোকাস্টের]] মতোই সুদূরপ্রসারী ও ভয়াবহ। এবং—তাই আমি মনে করি ইসরায়েলের অবশ্যই এর জবাব দেওয়া উচিত। তাদের হামাসের পিছু নিতেই হবে। এই হামাস মূলত একদল উন্মাদের সমষ্টি। তারা সাধারণ বেসামরিক মানুষের আড়ালে লুকিয়ে থাকে। তারা তাদের সদর দপ্তর বা কমাণ্ড সেন্টারগুলো এমন স্থানে স্থাপন করেছে যেখানে সাধারণ মানুষ এবং বেসামরিক ভবন অবস্থিত। তবে ইসরায়েলিরা সাধ্যমতো তাদের আলাদা করার চেষ্টা করছে এবং আমি আত্মবিশ্বাসী যে—ইসরায়েলিরা নিরপরাধ বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি এড়াতে তাদের ক্ষমতার মধ্যে থাকা সবকিছুই করবে। ** '''''[[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]]''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=পেলি |first1=স্কট |title=প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন: দ্য ২০২৩ ৬০ মিনিটস ইন্টারভিউ ট্রান্সক্রিপ্ট |url=https://www.cbsnews.com/news/president-joe-biden-2023-60-minutes-transcript/ |work=সিবিএস নিউজ |date=১৫ অক্টোবর ২০২৩}} * [[:w:আয়াতুল্লাহ খোমেনি|আয়াতুল্লাহ খোমেনির]] প্রতি আমার সতর্কতা ছিল এই যে, যদি তাঁরা আমাদের সৈন্যদের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক পদক্ষেপ অব্যাহত রাখেন, তবে আমরা অবশ্যই তার কঠোর জবাব দেব এবং এজন্য তাঁর প্রস্তুত থাকা উচিত। ইসরায়েলের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ** '''''[[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]]''''', উদ্ধৃত: {{cite web |title=রিমার্কস বাই প্রেসিডেন্ট বাইডেন অ্যান্ড প্রাইম মিনিস্টার অ্যান্থনি আলবানিজ অফ অস্ট্রেলিয়া ইন জয়েন্ট প্রেস কনফারেন্স |url=https://www.whitehouse.gov/briefing-room/speeches-remarks/2023/10/25/remarks-by-president-biden-and-prime-minister-anthony-albanese-of-australia-in-joint-press-conference/ |website=হোয়াইটহাউস.গভ |publisher=হোয়াইট হাউস |date=২৫ অক্টোবর ২০২৩}} * [[:w:জো বাইডেন|বাইডেন]] এবং [[:w:অ্যান্টনি ব্লিনকেন|ব্লিনকেন]] এখনও কূটনৈতিক এবং অন্যান্য উপায়ে [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলকে]] সুরক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন—এবং শান্তির প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলেছেন—যাতে ইসরায়েল এই [[:w:গণহত্যা|গণহত্যা]] অব্যাহত রাখতে পারে। ** '''''[[:w:মারওয়ান বিশারা|মারওয়ান বিশারা]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/k8y4b6?update=2458064 বাইডেন ‘কভারিং আপ ফর ইসরায়েল অ্যাজ ইট ইজ ফিনিশিং ইটস জেনোসাইড’ ইন গাজা: এজে অ্যানালিস্ট] * এটি মধ্যপ্রাচ্য এবং বর্তমানে ইন্দো-প্যাসিফিকের এই অঞ্চলে নয় দিনের নিবিড় কূটনৈতিক সফরের শেষ দিন। এই যাত্রাপথের প্রতিটি ধাপে আমরা বিভিন্ন উপায়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছি: ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনা এবং তাদের কাছে পৌঁছানো মানবিক সহায়তার পরিমাণ সর্বোচ্চ করা; সংঘাতের বিস্তার রোধে কাজ করা; জিম্মিদের ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি [[:w:গাজা|গাজা]] থেকে মার্কিন নাগরিক ও অন্যান্য বিদেশি নাগরিকদের নিরাপদে বের করে আনার বিষয়ে মনোনিবেশ করা; এবং ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি উভয়ের জন্যই সত্যিকার অর্থে টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তার ভিত্তি স্থাপন করা। সেই লক্ষ্য অর্জনে আমি এক সপ্তাহ আগে থেকেই ইসরায়েলি সরকারের সাথে প্রতিটি উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা শুরু করেছি। আর সেই পদক্ষেপগুলোর মধ্যে একটি ছিল মানবিক বিরতি বা 'হিউম্যানিটারিয়ান পজ', যা নিয়ে আমরা এক সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে কথা বলেছিলাম। এই পদক্ষেপগুলো আমার উল্লেখ করা প্রতিটি লক্ষ্যকেই এগিয়ে নিতে পারে। আমরা এই বিষয়টির প্রশংসা করি যে, গতকাল ইসরায়েল নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় তিন ঘণ্টার নোটিশে চার ঘণ্টার বিরতি ঘোষণা করেছে। সেই সাথে দুটি মানবিক করিডোর চালুর ঘোষণাও দিয়েছে, যা সাধারণ মানুষকে বিপদমুক্ত স্থানে আরও নিরাপদ ও স্বাধীনভাবে যাতায়াত করতে এবং প্রয়োজনীয় সাহায্য লাভ করতে সহায়তা করবে। এই পদক্ষেপগুলো জীবন রক্ষা করবে এবং অভাবগ্রস্ত ফিলিস্তিনিদের কাছে আরও বেশি সহায়তা পৌঁছাতে সক্ষম হবে। ** '''''[[:w:অ্যান্টনি ব্লিনকেন|অ্যান্টনি ব্লিনকেন]]''''', {{cite web |title=সেক্রেটারি অ্যান্টনি জে. ব্লিনকেন রিমার্কস টু দ্য প্রেস |url=https://www.state.gov/secretary-antony-j-blinken-remarks-to-the-press-17/ |publisher=ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট |date=১০ নভেম্বর ২০২৩}} * একই সাথে, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় এবং তাদের কাছে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো নিশ্চিত করতে আরও অনেক কিছু করা প্রয়োজন। গত কয়েক সপ্তাহে অনেক বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। অনেক বেশি মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। আমরা তাঁদের ক্ষতি রোধ করতে এবং তাঁদের কাছে পৌঁছানো সাহায্যের পরিমাণ সর্বোচ্চ করতে সম্ভাব্য সবকিছুই করতে চাই। সেই উদ্দেশ্যে আমরা ইসরায়েলের সাথে এই লক্ষ্যগুলো এগিয়ে নেওয়ার জন্য সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখব। আমাদের জিম্মিদের স্বদেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাব। আমরা গাজায় মানবিক সহায়তার পরিধি বাড়ানোর এবং তা কার্যকরভাবে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করব। আমরা বর্তমানে সেই পদক্ষেপগুলোর ওপর গুরুত্বারোপ চালিয়ে যাব যা একটি দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই শান্তির ভিত্তি তৈরি করতে শুরু করবে—যা আমরা বারবার বলেছি এবং বিশ্বাস করি যে, সেখানে অবশ্যই দুই জাতির জন্য দুটি পৃথক রাষ্ট্র বা [[:w:দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান|দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান]] অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। ** '''''[[:w:অ্যান্টনি ব্লিনকেন|অ্যান্টনি ব্লিনকেন]]''''', {{cite web |title=সেক্রেটারি অ্যান্টনি জে. ব্লিনকেন রিমার্কস টু দ্য প্রেস |url=https://www.state.gov/secretary-antony-j-blinken-remarks-to-the-press-17/ |publisher=ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট |date=১০ নভেম্বর ২০২৩}} * [[:w:হামাস|হামাসের]] এই হামলাগুলো সম্পূর্ণ সমর্থনযোগ্যতাহীন—এবং এগুলো বিশ্বব্যাপী নিন্দার দাবি রাখে। কিন্তু [[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর]] সরকারের পক্ষ থেকে যে প্রতিক্রিয়া জানানো হচ্ছে, সেটিও আমাদের পক্ষ থেকে অত্যন্ত স্পষ্ট ও কঠোর নিন্দার দাবিদার। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে আমরা বলতে পারি, এই প্রতিক্রিয়াটি ছিল একেবারেই অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং এটি আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘন করছে। একটি রাষ্ট্রের নিজেকে রক্ষা করার অধিকারের নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে এবং সেই সীমানাগুলোর অর্থ হলো নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিকদের, বিশেষ করে শিশুদের জীবনকে সম্মান করা এবং বেসামরিক মানবিক আইনকে শ্রদ্ধা জানানো। ** '''''[[:w:গ্যাব্রিয়েল বোরিক|গ্যাব্রিয়েল বোরিক]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/ddc07n?update=2458673 ইসরায়েল’স গাজা রেসপন্স ‘ডিজার্ভস ক্লিয়ারেস্ট কনডেমনেশন’, চিলি’স বোরিক টেলস বাইডেন] * [[:w:গাজা|গাজায়]] ভবনগুলোর যে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে... তা কমবেশি [[:w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] সময় জার্মানির শহরগুলোর ভোগ করা ধ্বংসলীলার সমান বা এমনকি তার চেয়েও অনেক বেশি। ** '''''[[:w:জোসেপ বোরেল|জোসেপ বোরেল]]''''', উদ্ধৃত: "[https://aje.io/2hwa2q?update=2549891 ‘অ্যাপোক্যালিপটিক’: ইইউ অফিশিয়াল কম্পেয়ারস গাজা ডেসট্রাকশন টু ডব্লিউডব্লিউআইআই জার্মানি]" (১১ ডিসেম্বর ২০২৩), ''আল জাজিরা''। * যারা আমাদের এই অযৌক্তিক ও অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্টের সাথে মানিয়ে নিতে বাধ্য করার লক্ষ্য রাখে, তাদের সেই তথাকথিত 'যৌক্তিক' সুরের মাঝে দাঁড়িয়ে আমি কবিতা লিখতে পারি না। অশুভ বা পৈশাচিক কোনো শব্দচ্ছলতা আর নয়। মৌখিকভাবে পরিমার্জিত নরকসম কোনো দৃশ্যপট আর নয়। যুদ্ধবাজদের আর কোনো মিথ্যাচারও নয়। ** '''''[[:w:অ্যান বোয়ার|অ্যান বোয়ার]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/yu4f6n?update=2492783 নিউ ইয়র্ক টাইমস ম্যাগাজিন পোয়েট্রি এডিটর রিজাইনস ওভার গাজা ওয়ার] * আমাদের সকলের উচিত উঠে দাঁড়ানো, প্রতিবাদ জানানো এবং এই [[:w:গণহত্যা|গণহত্যা]] বন্ধের আহ্বান জানানো। যতক্ষণ না [[:w:ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিন]] স্বাধীন হচ্ছে... ততক্ষণ আমরা এই সহিংসতা প্রত্যক্ষ করতেই থাকব। এই কাঠামোগত সহিংসতার ফলেই আমরা এ ধরণের প্রতিরোধের জন্ম হতে দেখব। ** '''''[[:w:জুডিথ বাটলার|জুডিথ বাটলার]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.democracynow.org/2023/10/26/judith_butler_ceasefire_gaza_israel প্যালেস্টিনিয়ান লিভস ম্যাটার টু: জুইশ স্কলার জুডিথ বাটলার কনডেমস ইসরায়েল’স “জেনোসাইড” ইন গাজা] == C == * বর্তমানে আমাদের এমন সব রোগীদের ওপর অস্ত্রোপচার করতে হচ্ছে যাদের আমরা মরফিন পর্যন্ত দিতে পারছি না। এই মাত্র দুটি শিশুর ক্ষেত্রে এমনটি ঘটল। আহতদের মধ্যে দুর্ভাগ্যবশত অসংখ্য শিশু রয়েছে। আমি আমাদের একজন সার্জনের সাথে আলোচনা করছিলাম, যিনি গতকাল ১০ বছর বয়সী একটি শিশুকে গ্রহণ করেছেন; যার শরীরের ৬০ শতাংশ অংশই পুড়ে গিয়েছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে কোনো ব্যথানাশক ওষুধ দেওয়া সম্ভব হয়নি। সাধারণ মানুষের কাছে এই সব অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ পৌঁছানোর পথ অবরুদ্ধ করার কোনো প্রকার অজুহাত বা সমর্থন থাকতে পারে না। ** '''''লিও ক্যানস''''', উদ্ধৃত: [https://www.cnn.com/2023/10/23/middleeast/israel-gaza-hamas-war-monday-intl-hnk/index.html ইসরায়েল র‍্যাম্পস আপ গাজা স্ট্রাইকস অ্যাজ স্পাইরালিং হিউম্যানিটারিয়ান ক্রাইসিস ড ওয়ার্ফস ট্রিকল অফ এইড] * বর্তমানে কিছু ধরণের প্রতিবাদ বা বিক্ষোভ প্রদর্শনের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে তা দেওয়া হচ্ছে না। ** '''''[[:w:মোনা চালাবি|মোনা চালাবি]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.washingtonpost.com/style/media/2023/11/17/mona-chalabi-gaza-criticize-new-york-times-pulitzer/ আফটার পুলিৎজার উইন, এন.ওয়াই. টাইমস কন্ট্রিবিউটর ক্রিটিসাইজেস গাজা কভারেজ] * এই মুহূর্তে [[:w:গাজা|গাজার]] পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ এবং বিপর্যয়কর। যেসব হাসপাতাল ও ক্লিনিক এখনও খালি করা হয়নি, সেগুলো রোগীর চাপে দিশেহারা এবং প্রায় অচল অবস্থায় রয়েছে। সেখানে নেই কোনো বিদ্যুৎ, নেই কোনো চিকিৎসা সরঞ্জাম। [[:w:আল-শিফা হাসপাতাল|আল-শিফা হাসপাতালের]] সার্জনরা এখন কোনো প্রকার ব্যথানাশক ওষুধ ছাড়াই অস্ত্রোপচার করতে বাধ্য হচ্ছেন। ** '''''[[:w:ক্রিস্টোস ক্রিস্টো|ক্রিস্টোস ক্রিস্টো]]''''', [https://twitter.com/DrChristou/status/1714003414886031855?s=20 ক্রিস্টোস ক্রিস্টোর একটি এক্স (X) পোস্টে] বর্ণিত। * বেসামরিক নাগরিকদের ওপর এই অবিরাম বোমা হামলা চালিয়ে শেষ পর্যন্ত আদতে কিছুই অর্জন করা সম্ভব নয়। ** '''''[[:w:ক্রিস্টোস ক্রিস্টো|ক্রিস্টোস ক্রিস্টো]]''''', উদ্ধৃত: "[https://aje.io/bxwakd?update=2566081 নাথিং ক্যান বি গেইন্ড ফ্রম দ্য কন্টিনিউড বোম্বিং অফ সিভিলিয়ানস]" (১৭ ডিসেম্বর ২০২৩), ''আল জাজিরা''। * এই যুদ্ধের শেষে, কেবল যে [[:w:হামাস|হামাসই]] গাজায় আর অস্তিত্বশীল থাকবে না তা-ই নয়, বরং গাজার ভূখণ্ডও আয়তনে হ্রাস পাবে। ** '''''[[:w:এলি কোহেন (রাজনীতিবিদ, জন্ম ১৯৭২)|এলি কোহেন]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.timesofisrael.com/liveblog_entry/foreign-minister-at-wars-end-not-only-will-hamas-be-gone-but-gazas-territory-will-shrink/#:~:text=Foreign%20Minister%20Eli%20Cohen%20tells,of%20Gaza%20will%20also%20decrease.” ফরেন মিনিস্টার: অ্যাট ওয়ার'স এন্ড, নট অনলি উইল হামাস বি গন, বাট গাজা'স টেরিটরি উইল শ্রিঙ্ক] * যুদ্ধাপরাধ সবসময়ই যুদ্ধাপরাধ, এমনকি তা যদি কোনো মিত্রশক্তির দ্বারাও সংঘটিত হয়; এবং একে তার প্রকৃত নামেই অভিহিত করা উচিত। ** '''''[[:w:প্যাডি কসগ্রেভ|প্যাডি কসগ্রেভ]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/itqemp?update=2429335 ওয়েব সামিট সিইও রিজাইনস ওভার ইসরায়েল ‘ওয়ার ক্রাইমস’ পোস্ট] * নতুন করে সহিংসতা শুরু হওয়ার বিষয়ে আমি আমার গভীর উদ্বেগের কথা ব্যক্ত করেছি এবং রাফাহ সীমান্তে আমি যা বলেছিলাম তার পুনরাবৃত্তি করে আবারও বলছি: বেসামরিক মানুষের হত্যাকাণ্ড আর নয়। ** '''''[[:w:আলেকজান্ডার ডি ক্রু|আলেকজান্ডার ডি ক্রু]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/3m6aa9?update=2528909 ‘নো মোর সিভিলিয়ান কিলিং’: বেলজিয়াম’স ডি ক্রু] == D == * আপনারা [[:w:ইউক্রেন|ইউক্রেনে]] দখলদারিত্বের বিরোধিতা করেন—তাহলে আপনারা কি এটি অস্বীকার করতে পারেন যে ফিলিস্তিনিরাও বর্তমানে দখলদারিত্বের অধীনে রয়েছে? কেউ আপনাকে ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে বলছে না কারণ তারা ফিলিস্তিন দখল করে রেখেছে; মানুষ কেবল আপনাদের যৌক্তিক ও বিচক্ষণ হতে বলছে এবং আপনাদের মিত্রদের বোঝাতে বলছে—তাদের বিবেককে জাগ্রত করতে আপনারা চাপ প্রয়োগ করুন। ** '''''[[:w:খালিদ আল-দাখিল|খালিদ আল-দাখিল]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.nytimes.com/2023/10/17/world/middleeast/biden-israel-gaza-anger.html?smid=nytcore-ios-share&referringSource=articleShare ইউ.এস. রেসপন্স টু ইসরায়েল-হামাস ওয়ার ড্রস ফিউরি ইন মিডল ইস্ট] * [[:w:গাজা|গাজায়]] এক সপ্তাহের অবর্ণনীয় বিভীষিকার পর যেখানে ইউরোপীয় ইউনিয়ন কোনো প্রকার বিচার-বিবেচনা ছাড়াই তাতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে, আমাদের সংসদকে ইসরায়েলি পতাকায় আচ্ছাদিত করেছে এবং একটি হাসপাতালে বোমা বর্ষণসহ বিভিন্ন [[:w:যুদ্ধাপরাধ|যুদ্ধাপরাধে]] সহায়তা ও প্ররোচনা দিয়ে চলেছে—তারপরেও আমরা 'ফিলিস্তিনিদের জীবনের মূল্য আছে' এই কথাটি বলতে পারছি না। আমরা এখনও এক শ্রেণীর ভুক্তভোগীকে অন্য শ্রেণীর তুলনায় বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছি। আমরা গাজার মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলছি, কিন্তু এই মানবিক সংকট কেন তৈরি হলো? এটি কি কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ? কারা সেখানে পানি, জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে? আমরা কি তা নিশ্চিত নই? কারা ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর বোমা হামলা চালাচ্ছে? আমরা কি তা জানি না? আপনাদের কি মনে হয় আমরা বিষয়টি উল্লেখ করতে পারতাম না? গাজায় এখন এমন এক অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে যা ১৯৪০-এর দশকের পর আমরা আর দেখিনি, আর এই অপরাধের দায়ভার আমাদের ওপরও বর্তায়। আমরা প্রত্যক্ষ করছি কীভাবে [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েল]] ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করছে এবং তাদের জমি দখল ও উপনিবেশ স্থাপনের উদ্দেশ্যে লক্ষ লক্ষ মানুষকে সিনাই মরুভূমিতে তাড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এটি মূলত আরেকটি [[:w:নাকবা|নাকবা]]। এটি [[:w:মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ|মানবতার বিরুদ্ধে এক চরম অপরাধ]]। এটি স্রেফ কোনো মানবিক সংকট নয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই কলঙ্কজনক অধ্যায় থেকে কখনোই মুক্তি পাবে না। ফিলিস্তিন দীর্ঘজীবী হোক! গাজা দীর্ঘজীবী হোক! ** '''''[[:w:ক্লেয়ার ডালি|ক্লেয়ার ডালি]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.europarl.europa.eu/doceo/document/CRE-9-2023-10-19-INT-4-198-0000_EN.html ভারবেটিম রিপোর্ট অফ প্রসিডিংস] * [[:w:ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিন]] হলো সমগ্র বিশ্বের জন্য এক ধরণের নৈতিক অগ্নিপরীক্ষা। ** '''''[[:w:আঞ্জেলা ডেভিস|আঞ্জেলা ডেভিস]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/program/upfront/2023/10/27/angela-davis-palestine-is-a-moral-litmus-test-for-the-world আঞ্জেলা ডেভিস: ‘প্যালেস্টাইন ইজ আ মোরাল লিটমাস টেস্ট ফর দ্য ওয়ার্ল্ড’] * [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্স]] বর্তমানে [[:w:গাজা|গাজায়]] ঘটে যাওয়া মানবিক বিপর্যয় নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। আর এই কারণেই ফ্রান্স এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে। ঠিক একই কারণে আমরা একটি নতুন, তাৎক্ষণিক এবং দীর্ঘস্থায়ী মানবিক বিরতির জন্য আবেদন করছি, যা ভবিষ্যতে একটি টেকসই ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতির পথ প্রশস্ত করবে। ** '''''[[:w:নিকোলাস ডি রিভিয়ের|নিকোলাস ডি রিভিয়ের]]''''', উদ্ধৃত: "[https://aje.io/lej1ua?update=2544239 ‘ওয়ান্স এগেইন, দিস কাউন্সিল হ্যাজ ফেইলড,’ সেজ ফ্রেঞ্চ ইউএন এনভয়]" (৮ ডিসেম্বর ২০২৩), ''আল জাজিরা''। * আমরা মূলত '২০২৩ সালের [[:w:নাকবা|নাকবা]]'-এরই সূচনা করছি। ** '''''[[:w:আভি ডিখটার|আভি ডিখটার]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.haaretz.com/israel-news/2023-11-12/ty-article/israeli-security-cabinet-member-calls-north-gaza-evacuation-nakba-2023/0000018b-c2be-dea2-a9bf-d2be7b670000# 'উই’র রোলিং আউট নাকবা ২০২৩,' ইসরায়েলি মিনিস্টার সেজ অন নর্দান গাজা স্ট্রিপ ইভাকুয়েশন] * গাজার মানচিত্রকে পৃথিবীর বুক থেকে সম্পূর্ণ মুছে ফেলতে হবে। যাতে গাজার দানবগুলো দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে উড়ে গিয়ে মিশরের ভূখণ্ডে প্রবেশের চেষ্টা করে, অন্যথায় তারা যেন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। আর তাদের সেই মৃত্যু হবে ভয়াবহ। গাজাকে ধূলিসাৎ করে দেওয়া উচিত। [[:w:যিহূদিয়া ও শমরিয়া অঞ্চল|যিহূদিয়া ও শমরিয়ার]] নাৎসিদের মাথার ওপর আগুন আর ধোঁয়া ছড়িয়ে দিতে হবে। হারন নামক সেই ইহুদিও আজ বিশ্বের মাটিকে কাঁপিয়ে তুলবে। এখানে এক অত্যন্ত প্রতিহিংসাপরায়ণ এবং নিষ্ঠুর [[:w:ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী|আইডিএফ (IDF)]] প্রয়োজন। এর চেয়ে কম কিছু করা হবে অনৈতিক। কেবল নীতিবিবর্জিত। ** '''''[[:w:গালিত ডিস্টেল-আতবারিয়ান|গালিত ডিস্টেল-আতবারিয়ান]]''''', [https://twitter.com/GalitDistel/status/1719689095230730656 গালিত ডিস্টেল-আতবারিয়ানের একটি এক্স (X) পোস্টে] বর্ণিত। * যখন ইসরায়েলি বাহিনী আল-শিফা হাসপাতালে প্রবেশ করছে, তখন আমরা আবারও সেখানে অবস্থানরত চিকিৎসা কর্মী, রোগী এবং আশ্রয় নেওয়া বাস্তুচ্যুত বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য জোর আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা তাঁদের জীবন নিয়ে চরমভাবে উদ্বিগ্ন। ** '''''[[:w:ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস|ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস]]''''', [https://twitter.com/MSF_USA/status/1724789771275567268?s=20 ডক্টরস উইদাউট বর্ডারসের একটি এক্স (X) পোস্টে] উদ্ধৃত। * এখনই সেই সময় যখন নিরাপত্তা পরিষদকে বেছে নিতে হবে যে, তারা কি আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য স্রেফ উৎসাহহীন ও নামমাত্র আহ্বান জানিয়ে যাবে, নাকি তারা বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় তাদের আন্তর্জাতিক ম্যান্ডেট পূরণ করবে? গাজার জনগণের ওপর ইসরায়েল রাষ্ট্র যে মৃত্যুদণ্ড চাপিয়ে দিয়েছে তা অমানবিক ও অমার্জনীয়; আর এই নির্মমতা যে আর চলতে পারে না, তা বোঝাতে পরিষদকে তাদের পূর্ণ কূটনৈতিক প্রভাব প্রয়োগ করতে হবে। ** '''''[[:w:ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস|ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস]]''''', উদ্ধৃত: "[https://www.msf.org/letter-gaza-un-security-council গাজা: “ইট মাস্ট অল স্টপ নাও।” লেটার টু ইউএন সিকিউরিটি কাউন্সিল]" (৪ ডিসেম্বর ২০২৩), ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস। == E == [[File:Damage in Gaza Strip during the October 2023 - 35.jpg|thumb|এটি আমার এলাকার স্থানীয় হাসপাতাল। এর ভেতরে আমার বন্ধুরা, আমার প্রতিবেশীরা রয়েছে। এটি আমারই সম্প্রদায়। আজ আমার কর্মজীবনের অন্যতম কঠিন দিন। আমি এমন সব দৃশ্য দেখেছি যা আমি কোনোদিন ভুলতে পারব না। ~ আদনান এলবার্শ]] * এখানে লক্ষ লক্ষ মানুষ নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে বেড়াচ্ছে—যাকে কোনোভাবেই স্রেফ 'উচ্ছেদ' বা 'সরিয়ে নেওয়া' বলা উচিত নয়। এটি মূলত উত্তর গাজার সমগ্র জনগোষ্ঠীকে জোরপূর্বক স্থানান্তরিত করা, যা জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী একটি স্পষ্ট [[:w:যুদ্ধাপরাধ|যুদ্ধাপরাধ]]। ** '''''[[:w:জান এগেল্যান্ড|জান এগেল্যান্ড]]''''', উদ্ধৃত: [https://web.archive.org/web/20231014132458/https://www.ft.com/content/eb4717fc-432e-4251-b778-7a365f8de825?accessToken=zwAGB63wDZbYkdPrRxf8Qy5CUdO3eHo2X43oJQ.MEQCIQDcwGudDMv5bHMEEl000xy4DPGx7c0vFLiArY6aUdpF2AIfL1wVgRM8vtVUAlUm6FxWr3LlBBJD1XlhZAq_ln33rw&sharetype=gift&token=37a455ea-c676-4b2f-9449-fbbae0077868 গাজানস স্ট্রিম সাউথ টু সিক শেল্টার ফ্রম ইসরায়েলি বোম্বার্ডমেন্ট] * [[:w:গাজা|গাজায়]] কর্মরত আমাদের মানবিক সহায়তা কর্মীদের পক্ষে বর্তমানে অসহায় বেসামরিক জনগণের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়েছে। [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েল]] ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের এক মৃত্যুপুরী থেকে তাড়িয়ে নিয়ে অন্য মৃত্যুপুরীর দিকে যেতে বাধ্য করছে। ** '''''[[:w:জান এগেল্যান্ড|জান এগেল্যান্ড]]''''', উদ্ধৃত: "[https://aje.io/rilr0q?update=2534191 ‘ওয়ান কিলিং ফিল্ড টু দ্য নেক্সট’ ফর গাজা পিপল: এনজিও]" (৩ ডিসেম্বর ২০২৩), ''আল জাজিরা''। * একটি ভয়াবহ মানবিক সংকট সৃষ্টি করা আমাদের লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি প্রয়োজনীয় মাধ্যম। গাজা অচিরেই এমন এক স্থানে পরিণত হবে যেখানে কোনো মানুষের পক্ষে বেঁচে থাকা সম্ভব হবে না। ** '''''[[:w:জিওরা এইল্যান্ড|জিওরা এইল্যান্ড]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/news/2023/10/25/gaza-is-out-of-fuel-out-of-time-under-israels-bombardment হোয়াই ইসরায়েল’স ব্যান অন ফুয়েল টু গাজা ইজ নট অ্যাবাউট স্টপিং হামাস] * ইসরায়েল রাষ্ট্রের সামনে এখন গাজাকে সাময়িকভাবে বা স্থায়ীভাবে বসবাসের অযোগ্য একটি স্থানে পরিণত করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। গাজায় এক চরম মানবিক সংকট তৈরি করা আমাদের লক্ষ্য হাসিলের এক অপরিহার্য উপায়। গাজা এমন একটি জনপদে পরিণত হবে যেখানে কোনো মানবসন্তানের অস্তিত্ব রক্ষা করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। ** '''''[[:w:জিওরা এইল্যান্ড|জিওরা এইল্যান্ড]]''''', উদ্ধৃত: "[https://www.nytimes.com/2023/10/15/opinion/israel-united-states-gaza.html দ্য ইউ.এস. শুড থিংক টোয়াইস অ্যাবাউট ইসরায়েল’স প্ল্যানস ফর গাজা]" (১৫ অক্টোবর ২০২৩), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''। * [[:w:জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ|নিরাপত্তা পরিষদ]] তাদের নিজস্ব প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন করতে পারছে না, কারণ এর পাঁচটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র—শান্তিরক্ষী বা পুলিশের ভূমিকা পালনের পরিবর্তে—দুর্ভাগ্যবশত বছরের পর বছর ধরে এক প্রকার 'গ্যাংস্টার' বা অপরাধী চক্রে পরিণত হয়েছে। এটাই বর্তমান নিষ্ঠুর বাস্তবতা। ** '''''আয়েশা এলবাসরি''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/news/liveblog/2023/10/17/israel-hamas-war-live-anger-after-israeli-strike-kills-500-in-hospital ইসরায়েল-হামাস ওয়ার লাইভ: ইসরায়েল সেজ উইল নট ব্লক গাজা এইড ফ্রম ইজিপ্ট] * আজ আমরা আমাদের সময়ের অন্যতম অন্ধকারতম মুহূর্ত প্রত্যক্ষ করছি। আমরা সরাসরি একটি [[:w:গণহত্যা|গণহত্যা]] দেখছি—যা সকল অপরাধের ঊর্ধ্বে এক চরম অপরাধ। ইসরায়েলকে কোনো কিছুর সপক্ষে যুক্তি দিতে হয় না—কারণ ইসরায়েল আইনের ঊর্ধ্বে। ইসরায়েল সকল নৈতিকতার ঊর্ধ্বে। কাউকে কোনো প্রকার কৈফিয়ত দেওয়া বা জবাবদিহিতার তোয়াক্কা না করেই তাদের [[:w:মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ|মানবতার বিরুদ্ধে জঘন্যতম অপরাধসমূহ]] সংঘটিত করার লাইসেন্স বা অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত [[:w:ওয়াশিংটন ডি.সি.|ওয়াশিংটন]] তাদের পাশে রয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত ইউরোপীয়রা তাদের হত্যার অবাধ ছাড়পত্র দিয়ে যাচ্ছে এবং যতক্ষণ পর্যন্ত আরবরাও এমন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না যা ইসরায়েলকে তাদের পরিকল্পনা নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে—ততক্ষণ পর্যন্ত পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হবে বলে আমি মনে করি না। ** '''''আয়েশা এলবাসরি''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/93du7y?update=2452142 ‘উই’র ওয়াচিং জেনোসাইড লাইভ,’ ফর্মার ইউএন অফিশিয়াল সেজ] * এটি আমার এলাকার স্থানীয় হাসপাতাল। এর ভেতরে আমার বন্ধুরা, আমার প্রতিবেশীরা রয়েছে। এটি আমারই সম্প্রদায়। আজ আমার কর্মজীবনের অন্যতম কঠিন দিন। আমি এমন সব দৃশ্য দেখেছি যা আমি কোনোদিন ভুলতে পারব না। ** আদনান এলবার্শ, উদ্ধৃত: [https://www.washingtonpost.com/style/media/2023/10/16/gaza-journalists-palestinian-reporters-challenges/ ইটস বিকামিং ইম্পসিবল টু রিপোর্ট ফ্রম গাজা] * যখন তারা [ইসরায়েলি সেনাবাহিনী]-র মুখপাত্র এবং বিশ্লেষকদের কাছ থেকে প্রতিদিনের বার্তা পায় এবং আলোচকরা একেই একমাত্র ধ্রুব সত্য হিসেবে আলোচনা করতে বসেন, তখন জনমতের কাছে এ বিষয়ে কোনো প্রশ্নই থাকে না যে এই গল্পে [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলই]] একমাত্র ভুক্তভোগী। সেখানে অপর পক্ষের সম্পূর্ণ অমানবিকীকরণ করা হয়েছে। আপনি যদি সাহস করে এমন কিছু বলেন—যে উভয় পক্ষেই নিরপরাধ মানুষ রয়েছে যারা বিধ্বস্ত এবং উভয় পক্ষেই শিশুরা নিহত হচ্ছে—তবে আপনাকে এমনকি পুলিশ স্টেশনে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে এটি জিজ্ঞাসা করার জন্য যে আপনি আদৌ একজন সত্যিকারের ইসরায়েলি দেশপ্রেমিক কি না। ** '''''[[:w:আকিভা এলদার|আকিভা এলদার]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/yu4f6n?update=2492769 মেসেজ ইনসাইড ইসরায়েল রিমেইনস ‘ইট’স আস অর দেম’: এক্সপার্ট] * তারা আয়ারল্যান্ডে কিংবা মরুভূমিতে চলে যেতে পারে; [[:w:গাজা|গাজার]] দানবদের সমাধান তাদের নিজেদেরই খুঁজে নিতে হবে। ** '''''[[:w:আমিচাই ইলিয়াহু|আমিচাই ইলিয়াহু]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.timesofisrael.com/liveblog_entry/far-right-minister-nuking-gaza-is-an-option-population-should-go-to-ireland-or-deserts/ ফার-রাইট মিনিস্টার: নিউকিং গাজা ইজ অ্যান অপশন, পপুলেশন শুড ‘গো টু আয়ারল্যান্ড অর ডেজার্টস’] * ইসরায়েল কোনো মানুষের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত নয়, আমরা দানবদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত। ** '''''[[:w:গিলাদ এরদান|গিলাদ এরদান]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.nationthailand.com/world/middle-east-africa/40032287 ইসরায়েলি ইউএন অ্যাম্বাসেডর শোজ ভিডিও অফ থাই ওয়ার্কার অ্যাটাক টু অপোজ ইউএনজিএ ইগনোরিং হামাস] [[File:Damage in Gaza Strip during the October 2023 - 23.jpg|thumb|ইসরায়েলি হামলাগুলো ন্যূনতম মানবিক মূল্যবোধ থেকেও বিচ্যুত ~ '''''[[:w:রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান|রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান]]''''']] * ইসরায়েলি হামলাগুলো ন্যূনতম মানবিক মূল্যবোধ থেকেও বিচ্যুত। ** '''''[[:w:রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান|রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.washingtonpost.com/world/2023/10/18/israel-gaza-war-biden-mideast/ বাইডেন এমব্রেসেস ইসরায়েল, রেইজেস হোপ ফর গাজা এইড] * আমরা সমগ্র বিশ্বকে জানিয়ে দেব যে ইসরায়েল একটি যুদ্ধাপরাধী রাষ্ট্র, আমরা এই লক্ষ্যেই প্রস্তুতি গ্রহণ করছি। গাজায় যে গণহত্যা বা ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে, তার পেছনে প্রধান অপরাধী হলো পশ্চিমারা। পশ্চিমারা হয়তো আপনাদের কাছে ঋণী হতে পারে, কিন্তু তুরস্ক আপনাদের কাছে ঋণী নয়। ** '''''[[:w:রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান|রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/nw7juv?update=2444533 মেইন কালপ্রিট বিহাইন্ড গাজা ম্যাসাকার ইজ দ্য ওয়েস্ট: এরদোয়ান] * [[:w:ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ|ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে]] নিহত বেসামরিক নাগরিকদের জন্য যারা অশ্রু বিসর্জন দিচ্ছে, তারা আজ গাজায় হাজার হাজার নিরপরাধ শিশুর মৃত্যু নীরবে প্রত্যক্ষ করছে। ** ''''''''''[[:w:রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান|রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান]]'''''''''', উদ্ধৃত: [https://www.aa.colm.tr/en/middle-east/-turkiye-to-introduce-israel-to-world-as-war-criminal-turkish-president-erdogan/3036204 তুর্কিয়ে টু ইনট্রোডিউস ইসরায়েল টু ওয়ার্ল্ড অ্যাজ ওয়ার ক্রিমিনাল: টার্কিশ প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান] == F == * এখন আমরা একটি অত্যন্ত জোরালো বার্তা প্রদান করতে যাচ্ছি—সেই বার্তাটি হলো, বর্তমান আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা কাঠামো এখন মূল্যায়নের মুখে। যদি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইসরায়েলকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে না পারে, তবে এটি আমাদের অনেকের মনে এই গভীর সন্দেহের বীজ বপন করবে যে—আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার মানদণ্ডগুলো আসলে আদৌ কার্যকর কি না। ** '''''[[:w:ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ|ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/jmh2l8?update=2479986 মোর ফ্রম সৌদি ফরেন মিনিস্টার] * আমরা ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি। হয় আমরা একটি দীর্ঘস্থায়ী শান্তিতে পৌঁছাব, অথবা একটি বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে। আমরা সকল পক্ষ, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতি বিবেকের ডাক শোনার আহ্বান জানাচ্ছি। আর যারা ইসরায়েলকে তাদের অপরাধ চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করছে, তারাও সমানভাবে দায়ী। যদি আমরা দ্রুত পদক্ষেপ না নিই, তবে সামনে আমাদের জন্য আরও অন্ধকার দিন অপেক্ষা করছে। ** '''''[[:w:হকান ফিদান|হাকান ফিদান]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/4hsru5?update=2436088 ‘লাস্টিং পিস অর ওয়ার্ল্ড ওয়ার,’ ওয়ার্নস টার্কি এফএম] * আমরা নিজেদের রক্ষা করার ক্ষেত্রে ইসরায়েলের অধিকারকে পুরোপুরি স্বীকৃতি দিই। তবে অন্য দিকে, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা, মানবিক সহায়তার সুযোগ প্রদান করা এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও জেনেভা কনভেনশনের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধার আহ্বান জানানো—এর মধ্যে কোনো বৈপরীত্য নেই। মূলত এই প্রস্তাবটি ঠিক সেই কাজগুলোই করছিল। ** '''''সার্জিও ফ্রাঙ্কা দানিজ''''', উদ্ধৃত: [https://www.cnn.com/2023/10/18/europe/us-veto-security-council-israel-gaza-war-intl/index.html ইউএস ভেটোস সিকিউরিটি কাউন্সিল কল ফর ‘হিউম্যানিটারিয়ান পজ’ ইন ইসরায়েল-হামাস ওয়ার] * এই মুহূর্তে আমরা যা প্রত্যক্ষ করছি তা হলো বেসামরিক নাগরিকদের ওপর এক ভয়াবহ আক্রমণ, মানবিক ব্যবস্থার সম্পূর্ণ ভেঙে পড়া এবং আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইন উভয়ের প্রতি চরম অবজ্ঞা। এই হত্যাযজ্ঞ অবশ্যই বন্ধ হতে হবে। ** '''''[[:w:ডেনিস ফ্রান্সিস (কূটনীতিক)|ডেনিস ফ্রান্সিস]]''''', উদ্ধৃত: "[https://reliefweb.int/report/occupied-palestinian-territory/general-assembly-adopts-resolution-demanding-immediate-humanitarian-ceasefire-gaza-parties-compliance-international-law-release-all-hostages জেনারেল অ্যাসেম্বলি অ্যাডপ্টস রেজোলিউশন ডিমান্ডিং ইমিডিয়েট হিউম্যানিটারিয়ান সিজফায়ার ইন গাজা, পার্টিজ কমপ্লায়েন্স উইথ ইন্টারন্যাশনাল ল, রিলিজ অফ অল হোস্টেজ]" (১৩ ডিসেম্বর ২০২৩), ''রিলিফওয়েব''। * এটি কোনো যুদ্ধ নয়। এটি স্রেফ সন্ত্রাসবাদ। ** '''''[[:w:পোপ ফ্রান্সিস|পোপ ফ্রান্সিস]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.reuters.com/world/pope-says-conflict-between-israel-hamas-has-gone-beyond-war-terrorism-2023-11-22/ ডিসপিউট ইরাপ্টস ওভার হোয়েদার পোপ কলড গাজা সিচুয়েশন আ 'জেনোসাইড'] == G == [[File:231013-D-TT977-1378 (53255396241).jpg|thumb|আমরা মূলত মানুষরূপী পশুদের বিরুদ্ধে লড়ছি ~ [[ইয়োভ গ্যালান্ত]]]] * আমরা মূলত মানুষরূপী পশুদের বিরুদ্ধে লড়ছি। ** '''''ইয়োভ গ্যালান্ত''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/program/newsfeed/2023/10/9/israeli-defence-minister-orders-complete-siege-on-gaza ইসরায়েলি ডিফেন্স মিনিস্টার অর্ডারস ‘কমপ্লিট সিজ’ অন গাজা] * আমি গাজা উপত্যকায় সম্পূর্ণ অবরোধের নির্দেশ দিয়েছি। সেখানে কোনো [[:w:বিদ্যুৎ|বিদ্যুৎ]] থাকবে না, কোনো [[:w:খাদ্য|খাদ্য]] থাকবে না, কোনো [[:w:জ্বালানি|জ্বালানি]] থাকবে না—সবকিছু বন্ধ থাকবে। আমরা মানুষরূপী পশুদের বিরুদ্ধে লড়ছি এবং আমরা সেই অনুযায়ীই ব্যবস্থা নিচ্ছি। ** '''''[[:w:ইয়োভ গ্যালান্ট|ইয়োভ গ্যালান্ত]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.timesofisrael.com/liveblog_entry/defense-minister-announces-complete-siege-of-gaza-no-power-food-or-fuel/ ডিফেন্স মিনিস্টার অ্যানাউন্সেস ‘কমপ্লিট সিজ’ অফ গাজা: নো পাওয়ার, ফুড অর ফুয়েল], ''দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল'' (৯ অক্টোবর ২০২৩)। * মার্কিনরা জেদ ধরেছে এবং আমরা এমন অবস্থানে নেই যেখানে তাদের প্রত্যাখ্যান করা সম্ভব। আমরা বিমান এবং সামরিক সরঞ্জামের জন্য তাদের ওপর নির্ভরশীল। আমাদের আসলে কী করার আছে? তাদের না বলে দেব? ** '''''[[:w:ইয়োভ গ্যালান্ট|ইয়োভ গ্যালান্ত]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.timesofisrael.com/liveblog_entry/gallant-we-cant-say-no-to-the-us-on-humanitarian-aid-given-how-much-they-do-for-us/ গ্যালান্ত: উই কান্ট সে ‘নো’ টু দ্য ইউএস অন হিউম্যানিটারিয়ান এইড গিভেন হাউ মাচ দে ডু ফর আস] * যদি [[:w:হিজবুল্লাহ|হিজবুল্লাহ]] এখানে এই ধরণের ভুল করে, তবে তার মাসুল সবার আগে লেবানিজ নাগরিকদেরই দিতে হবে। আমরা বর্তমানে গাজায় যা করছি, বৈরুতেও আমরা ঠিক তা-ই করতে পারি। ** '''''[[:w:ইয়োভ গ্যালান্ত|ইয়োভ গ্যালান্ত]]''''', উদ্ধৃত: [https://english.alarabiya.net/News/middle-east/2023/11/11/-What-we-re-doing-in-Gaza-we-can-also-do-in-Beirut-says-Israeli-defense-minister ‘হোয়াট উই’র ডুইং ইন গাজা, উই ক্যান অলসো ডু ইন বৈরুত,’ সেজ ইসরায়েলি ডিফেন্স মিনিস্টার] * যেসব সন্ত্রাসী আজ রাতে [[:w:আল-শিফা হাসপাতাল|শিফা হাসপাতালের]] নিচে বেসমেন্টে অবস্থান করছে, তারা ট্যাঙ্কের চেইনের সেই বজ্রধ্বনি এবং মাটিকে দুমড়ে-মুচড়ে দেওয়া বুলডোজারের শব্দ শুনতে পাচ্ছে। তারা এটি শুনছে এবং ভয়ে কাঁপছে। ** '''''[[:w:ইয়োভ গ্যালান্ট|ইয়োভ গ্যালান্ত]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.pbs.org/newshour/show/thousands-of-civilians-flee-northern-gaza-hospitals-as-israeli-troops-close-in থাউজেন্ডস অফ সিভিলিয়ানস ফ্লি নর্দান গাজা হসপিটালস অ্যাজ ইসরায়েলি ট্রুপস ক্লোজ ইন] * যেসব সাংবাদিক ওই হত্যাকাণ্ডের খবর আগে থেকেই জানতেন বলে প্রমাণিত হবে এবং তবুও শিশুদের কসাইয়ের মতো জবাই করার সময় স্রেফ নিষ্ক্রিয় দর্শক হয়ে দাঁড়িয়ে থাকাকে বেছে নিয়েছেন—তারা সন্ত্রাসীদের চেয়ে কোনোভাবেই আলাদা নন এবং তাদের সাথে সন্ত্রাসীদের মতোই আচরণ করা উচিত। ** '''''[[:w:বেনি গান্তজ|বেনি গান্তজ]]''''', [https://twitter.com/gantzbe/status/1722535046400061853?s=20 বেনি গান্তজের একটি এক্স (X) পোস্টে] বর্ণিত। * [[:w:আল-কুদ্স হাসপাতাল|আল-কুদ্স হাসপাতালটি]] নির্মাণের সময় থেকেই আমি চিনি। আল-শিফা হাসপাতালেও আন্তর্জাতিক নজরদারিতে নির্মিত একটি নতুন মেডিকেল ব্লক রয়েছে। এই সব হাসপাতালে এত বছর ধরে কাজ করার সময় আমি কখনোই কোনো সামরিক বা রাজনৈতিক কমাণ্ড সেন্টারের চিহ্ন দেখিনি। আর ইসরায়েলিরা যদি... এর কোনো প্রমাণ বা সাক্ষ্য দিতে না পারে, তবে একে মিথ্যাচার, সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানো এবং হাসপাতালে বোমা হামলার অজুহাত ছাড়া অন্য কিছু হিসেবে আমরা কীভাবে দেখব? ** '''''[[:w:ম্যাড্‌স গিলবার্ট|ম্যাড্‌স গিলবার্ট]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/1otd6c?update=2446989 নো এভিডেন্স গাজা হসপিটালস বিয়িং ইউজড আ ‘মিলিটারি কমাণ্ড সেন্টার’: নরওয়েজিয়ান ডক্টর] * ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি এবং প্রকৃতপক্ষে এই [[হামাস|ভয়ঙ্কর অমানুষিক পশুদের]] প্রতি বিশ্ব যে নিরন্তর উদ্বেগ দেখিয়ে যাচ্ছে, তাতে আমি অত্যন্ত বিস্মিত; যারা এই শতাব্দীর দেখা জঘন্যতম নৃশংসতাগুলো সংঘটিত করেছে। ** '''''[[:w:ড্যান গিলারম্যান|ড্যান গিলারম্যান]]''''', উদ্ধৃত: [https://english.alarabiya.net/News/middle-east/2023/10/26/Former-Israeli-ambassador-to-UN-calls-Palestinians-horrible-inhuman-animals-#:~:text=%22I%20am%20very%20puzzled%20by,people%2C%22%20says%20Dan%20Gillerman. ফর্মার ইসরায়েলি অ্যাম্বাসেডর টু ইউএন কলস প্যালেস্টিনিয়ানস ‘হরিবল, ইনহিউম্যান অ্যানিমেলস’] * তারা গাজাকে সম্পূর্ণ মুছে ফেলুক এবং একজন মানুষকেও জীবিত না রাখুক। ** '''''[[:w:ইয়াল গোলান|ইয়াল গোলান]]''''', [https://twitter.com/QudsNen/status/1713589350213018110 কুদস নিউজ নেটওয়ার্কের একটি এক্স (X) পোস্টে] উদ্ধৃত। * গতকাল আমি নিউ ইয়র্ক টাইমস সানডে ম্যাগাজিনের একটি বড় কাজ—আমার পছন্দের একজন সংগীতশিল্পীর কভার ফটোশুট—বাতিল করেছি। কারণ গাজা যুদ্ধ নিয়ে নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনগুলোতে ইসরায়েলের প্রতি এক ধরণের যোগসাজশ ফুটে উঠেছে। তারা যা প্রকাশ করছে এবং যা আড়াল করছে, এমনকি ফিলিস্তিনিদের প্রতিটি কথার সত্যতা নিয়ে যেভাবে প্রশ্ন তুলছে, তার প্রতিবাদেই আমার এই সিদ্ধান্ত। ** '''''[[:w:ন্যান গোল্ডিন|ন্যান গোল্ডিন]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.artnews.com/art-news/news/nan-goldin-cancels-new-york-times-project-israel-gaza-reporting-1234686306/ ন্যান গোল্ডিন ক্যানসেলস নিউ ইয়র্ক টাইমস প্রজেক্ট ওভার নিউজপেপার’স ‘কমপ্লিসিটি উইথ ইসরায়েল’] * নিজেকে রক্ষা করার জন্য আপনাদের যা যা করা প্রয়োজন, তার সবটুকুই করুন। ওই স্থানটিকে একদম মাটির সাথে মিশিয়ে দিন। ** '''''[[:w:লিন্ডসে গ্রাহাম|লিন্ডসে গ্রাহাম]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/news/2023/10/19/frustration-concern-rise-in-arab-american-communities-amid-gaza-war ফ্রাস্ট্রেশন, কনসার্ন রাইজ ইন আরব আমেরিকান কমিউনিটিস অ্যামিড গাজা ওয়ার] * আমাদের কাছে বিশ্বকে নতুন করে সাজানোর একটি সুযোগ রয়েছে—ইউক্রেনে পুতিনকে পরাজিত করা, এখনই হামাসকে নির্মূল করা এবং ইরানকে জানিয়ে দেওয়া যে, 'ইরান থেকে যদি আর কোনো আক্রমণ আসে, তবে আমরা সরাসরি আপনাদের ওপর চড়াও হব।' এর চেয়ে কম কিছু করলে তা চীনকে তাইওয়ান আক্রমণের দিকে ঠেলে দেবে। আমরা অত্যন্ত বিপজ্জনক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। ইরানের প্রতি বাইডেন প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গি তাদের সীমান্ত নীতির মতোই ব্যর্থ। উন্মুক্ত সীমান্তের কারণে আমরা যেমন একটি বড় ধরণের সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকিতে রয়েছি, তেমনি ইরানকে এখনই পিছু হটার কঠোর বার্তা না দিলে আমরা পরিস্থিতির চরম অবনতির সম্মুখীন হব। ** '''''[[:w:লিন্ডসে গ্রাহাম|লিন্ডসে গ্রাহাম]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.washingtonexaminer.com/news/senate/lindsey-graham-rips-biden-administration-approach-to-iran লিন্ডসে গ্রাহাম রিপস বাইডেন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যাপ্রোচ টু ইরান] * এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে গাজার যেখানেই অভাবগ্রস্ত মানুষ থাকুক না কেন, তাদের কাছে যেন সঠিক পরিমাণে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছায়। গাজার জনগণ কয়েক দশক ধরে অবর্ণনীয় কষ্ট সহ্য করে আসছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তাদের এভাবে আর ব্যর্থতার মুখে ঠেলে দিতে পারে না। ** '''''[[:w:মার্টিন গ্রিফিথস|মার্টিন গ্রিফিথস]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.ft.com/content/5027f41d-90e6-4481-a386-0fde2cdffa63?accessToken=zwAGCDwkAoXIkc9QJ_QdkOZEgdOjhg_eLN_6Yw.MEQCICgaIc5Sg1yMS27JFvCCdJYztIPIeMY159069_PNvVZgAiA-nF9UY_i119--T9Ym5CtkkKPt5TMV4ELyHa4i_ySNjA&sharetype=gift&token=52a2fe27-e0e1-4d07-9373-9ff85f5b1402 স্মল এইড কনভয় রিচেস গাজা আফটার হামাস রিলিজেস টু হোস্টেজ] * হাসপাতালগুলো এখন আর নিরাময়ের কেন্দ্র নয়, বরং যুদ্ধের ময়দানে পরিণত হয়েছে। না, আমার মনে হয় না আগে কখনো আমি এর সমতুল্য কিছু দেখেছি। ** '''''[[:w:মার্টিন গ্রিফিথস|মার্টিন গ্রিফিথস]]''''', উদ্ধৃত: "[https://www.cnn.com/middleeast/live-news/israel-hamas-war-gaza-news-11-21-23/h_a534998db297fdd1e6dd543f1e4dfc4f ইউএন কলস ফর সিজফায়ার বাট উড ওয়েলকাম শর্টার পজ টু গেট মোর এইড ইনটু গাজা, রিলিফ চিফ সেজ]" (২১ নভেম্বর ২০২৩), ''সিএনএন''। * আমাদের চোখের সামনেই গাজা আজ বদলে যাচ্ছে; এক সময়ের ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী যাকে বিশ্বের বৃহত্তম উন্মুক্ত কারাগার বলে অভিহিত করেছিলেন, তা এখন বিশ্বের বৃহত্তম উন্মুক্ত মৃত্যুশিবিরে পরিণত হচ্ছে। ** '''''[[:w:ক্রিস গানেস|ক্রিস গানেস]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/cevgx6?update=2455722 ফর্মার ইউএনআরডব্লিউএ অফিশিয়াল সেজ গাজা টার্নিং ইনটু ‘ওয়ার্ল্ড’স লার্জেস্ট ওপেন-এয়ার ডেথ ক্যাম্প’] * [[:w:ইউএনআরডব্লিউএ|ইউএনআরডব্লিউএ]]-কে (UNRWA) লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে কি না, আমি সেই উত্তর দিতে পারছি না; তবে বাস্তবতা হলো ইউএনআরডব্লিউএর কর্মীরা নিহত হচ্ছেন এবং এর স্থাপনাগুলো আক্রান্ত হচ্ছে। তারা [ইসরায়েলি সেনাবাহিনী] স্থাপনাগুলোর জিপিএস (GPS) স্থানাঙ্ক জানে। ফলাফল কী হতে পারে তা আপনারাই বুঝে নিন। ** '''''[[:w:ক্রিস গানেস|ক্রিস গানেস]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/ddc07n?update=2460489 ইসরায়েল মাইট বি টার্গেটিং ইউএনআরডব্লিউএ ফাসিলিটিস, ফর্মার ইউএন অফিশিয়াল সেজ] * আমেরিকা যেমন ইসরায়েলকে প্রতি বছর ৪ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা প্রদান করে, তেমনি—আজ রাতে আমরা যেমনটি দেখলাম—তারা ইসরায়েলকে একটি [[:w:গণহত্যা|গণহত্যা]] অব্যাহত রাখার জন্য কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সুরক্ষা দিচ্ছে; যা মূলত আন্তর্জাতিক মানবিক আইনকে পাইকারিভাবে ও পরিকল্পিত উপায়ে উপেক্ষা করার মাধ্যমে চিহ্নিত। ** '''''[[:w:ক্রিস গানেস|ক্রিস গানেস]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/cvvtyk?update=2574708 ইউএনএসসি রেজোলিউশন ‘গ্রিনলাইটিং জেনোসাইড’: ফর্মার ইউএনআরডব্লিউএ অফিশিয়াল] * ...আমি একইভাবে [[:w:হামাস|হামাস]] এবং অন্যান্য উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে অত্যন্ত জনবহুল বেসামরিক এলাকা থেকে [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলের]] বেসামরিক জনপদে নির্বিচারে রকেট ও মর্টার নিক্ষেপ বন্ধ করার আহ্বান জানাচ্ছি, যা [[:w:আন্তর্জাতিক মানবিক আইন|আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের]] এক স্পষ্ট লঙ্ঘন। ** '''''[[:w:অ্যান্টনিও গুতেরেস|অ্যান্টনিও গুতেরেস]]''''', [https://www.un.org/sg/en/content/sg/statement/2021-05-20/secretary-general%E2%80%99s-remarks-the-general-assembly-meeting-the-situation-the-middle-east-and-palestine-delivered সেক্রেটারি-জেনারেল’স রিমার্কস টু দ্য জেনারেল অ্যাসেম্বলি মিটিং অন দ্য সিচুয়েশন ইন দ্য মিডল ইস্ট অ্যান্ড প্যালেস্টাইন, ইউনাইটেড নেশনস সেক্রেটারি-জেনারেল, স্টেটমেন্টস,] (২০ মে ২০২১) [[File:Disaster Victim Identification after 2023 Hamas attack on Israel (ZAKA1052)..jpg|thumb|এই নাটকীয় মুহূর্তে, যখন আমরা মধ্যপ্রাচ্যে এক অতল গহ্বরের কিনারে দাঁড়িয়ে আছি, তখন জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে দুটি জোরালো মানবিক আবেদন জানানো আমার কর্তব্য। হামাসকে অবিলম্বে বিনাশর্তে জিম্মিদের মুক্তি দিতে হবে। ~ অ্যান্টনিও গুতেরেস]] * এই নাটকীয় মুহূর্তে, যখন আমরা মধ্যপ্রাচ্যে এক অতল গহ্বরের কিনারে দাঁড়িয়ে আছি, তখন [[:w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] মহাসচিব হিসেবে দুটি জোরালো মানবিক আবেদন জানানো আমার কর্তব্য। হামাসকে অবিলম্বে বিনাশর্তে জিম্মিদের মুক্তি দিতে হবে। এবং ইসরায়েলের উচিত গাজার বেসামরিক নাগরিকদের জন্য মানবিক সহায়তার দ্রুত ও নির্বিঘ্ন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা। ** '''''[[:w:অ্যান্টনিও গুতেরেস|অ্যান্টনিও গুতেরেস]]''''', উদ্ধৃত: [https://news.un.org/en/story/2023/10/1142377 মিডল ইস্ট অন ‘ভার্জ অফ দ্য অ্যাবিস’ ইউএন ওয়ার্নস, অ্যাজ ইসরায়েল-হামাস কনফ্লিক্ট ডিপেনস গাজা ক্রাইসিস] * ফিলিস্তিনি জনগণ দীর্ঘ ৫৬ বছর ধরে শ্বাসরুদ্ধকর দখলদারিত্বের শিকার হয়ে আসছে। তারা দেখছে কীভাবে বসতি স্থাপনের মাধ্যমে তাদের জমি প্রতিনিয়ত গ্রাস করা হচ্ছে, সহিংসতার কবলে পড়ছে, তাদের অর্থনীতি থমকে গেছে, মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে এবং তাদের ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাদের এই দুর্দশার কোনো রাজনৈতিক সমাধানের আশাও ক্রমশ বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ** '''''[[:w:অ্যান্টনিও গুতেরেস|অ্যান্টনিও গুতেরেস]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/j9jahf?update=2434480 মোর ফ্রম দ্য ইউএন’স গুতেরেস] * মধ্যপ্রাচ্যে অন্তত একটি মানবিক বিরতির প্রয়োজনের বিষয়ে যে ক্রমবর্ধমান ঐকমত্য তৈরি হচ্ছে বলে মনে হয়েছিল, তাতে আমি উৎসাহিত হয়েছিলাম। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, এর পরিবর্তে আমি অভূতপূর্ব বোমা হামলার তীব্রতায় বিস্মিত হয়েছি, যা মানবিক লক্ষ্যগুলোকে বাধাগ্রস্ত করছে। এই পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে একে অবশ্যই পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হবে। ** '''''[[:w:অ্যান্টনিও গুতেরেস|অ্যান্টনিও গুতেরেস]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.ft.com/content/244ac777-e713-4b97-9a0f-7c0ecdee3e86?shareType=nongift ইসরায়েলি অফেনসিভ ‘অ্যাডভান্সিং’ ইন গাজা আফটার ওভারনাইট ফাইটিং] * এটি ফিলিস্তিনি জনগণের ইতিহাসের অন্যতম এক অন্ধকারতম অধ্যায়। এই অঞ্চলটিকে গ্রাস করা মৃত্যু ও ধ্বংসযজ্ঞ দেখে আমি স্তম্ভিত, যা আজ কেবল যন্ত্রণা, উদ্বেগ এবং হৃদয়ের অসহ্য বেদনায় নিমজ্জিত। ** '''''[[:w:অ্যান্টনিও গুতেরেস|অ্যান্টনিও গুতেরেস]]''''', উদ্ধৃত: [https://press.un.org/en/2023/sgsm22053.doc.htm ওয়ার্ল্ড ‘মাস্ট বি ইউনাইটেড ইন ডিমান্ডিং অ্যান এন্ড টু দ্য অকুপেশন, ব্লকেড অফ গাজা’, সেজ সেক্রেটারি-জেনারেল, মার্কিং ডে অফ সলিডারিটি উইথ প্যালেস্টিনিয়ান পিপল] * গাজা শিশুদের এক বিশাল কবরস্থানে পরিণত হচ্ছে। প্রতিদিন শত শত কন্যা ও পুত্র শিশু নিহত বা আহত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর স্থল অভিযান এবং নিরবচ্ছিন্ন বোমা হামলা বেসামরিক নাগরিক, হাসপাতাল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জা এবং জাতিসংঘের স্থাপনা—এমনকি আশ্রয়কেন্দ্রগুলোকেও আঘাত করছে। সেখানে কেউ নিরাপদ নয়। ** '''''[[:w:অ্যান্টনিও গুতেরেস|অ্যান্টনিও গুতেরেস]]''''', উদ্ধৃত: "[https://www.reuters.com/world/middle-east/un-chief-says-gaza-becoming-graveyard-children-2023-11-06/ ইউএন চিফ সেজ গাজা বিকামিং আ 'গ্রেভইয়ার্ড ফর চিলড্রেন']" (১১ নভেম্বর ২০২৩), ''রয়টার্স''। * আমরা মানবিক ব্যবস্থার সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার এক ভয়াবহ ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছি। পরিস্থিতি দ্রুত এক মহাবিপর্যয়ের দিকে মোড় নিচ্ছে, যা সামগ্রিকভাবে ফিলিস্তিনিদের জন্য এবং এই অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য সম্ভাব্য অপরিবর্তনীয় প্রভাব ফেলতে পারে। ** '''''[[:w:অ্যান্টনিও গুতেরেস|অ্যান্টনিও গুতেরেস]]''''', উদ্ধৃত: "[https://www.ft.com/content/752eb5a0-3d75-4340-ad0d-b6554d9e4f61 হিউম্যানিটারিয়ান সিস্টেম ইন গাজা অন ভার্জ অফ কোলাপস, সেজ ইউএন চিফ]" (৬ ডিসেম্বর ২০২৩), ''ফাইনান্সিয়াল টাইমস''। == H == [[File:Fars Photo of Casualties in Gaza Strip during 2023 War 33.jpg|thumb|এমন কোনো আইন বা মতবাদ নেই যা অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে একটি উন্মুক্ত কারাগারে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর ওপর এই নিয়মতান্ত্রিক হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করে। ~ [[হাদি হাশেম]]]] * ইরান তার উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য—যার প্রথম ধাপ হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং আমাদের মিত্রদের এই অঞ্চল থেকে বিতাড়িত করে একটি আধিপত্যবাদী ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করা এবং ইসরায়েলকে ধ্বংস করা—প্রয়োজনে প্রতিটি আরব নাগরিকের জীবন উৎসর্গ করতেও কুণ্ঠাবোধ করবে না। ** '''''এইচ.আর. ম্যাকমাস্টার''''', উদ্ধৃত: [https://news.sky.com/story/iran-willing-to-expend-every-arab-life-in-efforts-to-destroy-israel-former-us-security-adviser-says-13127330 ইরান উইলিং টু এক্সপেন্ড এভরি আরব লাইফ ইন এফোর্টস টু ডেসট্রয় ইসরায়েল: ফর্মার ইউএস সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার সেজ] * এমন কোনো আইন বা মতবাদ নেই যা অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে একটি উন্মুক্ত কারাগারে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর ওপর এই নিয়মতান্ত্রিক হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন বা ন্যায্যতা প্রদান করে। ** '''''হাদি হাশেম''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/4hsru5?update=2435325 লেবানন ওয়ান্টস টু ‘ডিসঅ্যাসোসিয়েট’ ফ্রম ‘ব্লাডি কনফ্লিক্ট’: অ্যাম্বাসেডর] * সত্যি বলতে, বেসামরিক মানুষের ভোগান্তির যে ব্যাপকতা এবং গাজা থেকে আসা যে চিত্র ও ভিডিওগুলো আমরা দেখছি, তা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। তাই আমরা সকলেই চাই এই সংঘাত যত দ্রুত সম্ভব শেষ হোক এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তার পাশাপাশি ফিলিস্তিনি জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক। আমাদের অবশ্যই একটি স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে ত্বরান্বিত করতে হবে। ** '''''[[:w:কমলা হ্যারিস|কমলা হ্যারিস]]''''', উদ্ধৃত: "[https://www.reuters.com/world/us-vice-president-harris-urges-israel-do-more-protect-palestinian-civilians-2023-12-02/#:~:text=%22Frankly%2C%20the%20scale%20of%20civilian,to%20build%20an%20enduring%20peace.%22 ইউএস ভাইস প্রেসিডেন্ট হ্যারিস আরজেস ইসরায়েল ডু মোর টু প্রোটেক্ট প্যালেস্টিনিয়ান সিভিলিয়ানস]" (২ ডিসেম্বর ২০২৩), ''রয়টার্স''। * ইসরায়েলের বিকৃত ও ঔপনিবেশিক রূপটি মূলত আমাদেরই প্রতিচ্ছবি। আমরা অন্যরকম হওয়ার ভান করি। আমরা নিজেদের মধ্যে এমন সব গুণাবলি ও সভ্যতাগর্বী বৈশিষ্ট্যের আরোপ করি যা—ঠিক ইসরায়েলের মতোই—একটি অবরুদ্ধ ও দখলদারিত্বের শিকার জনগোষ্ঠীর অধিকার কেড়ে নেওয়া, তাদের ভূমি দখল করা এবং দীর্ঘমেয়াদী কারাবাস, নির্যাতন, অবমাননা, জোরপূর্বক দারিদ্র্য ও হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে তাদের পদানত করে রাখার এক অন্তঃসারশূন্য অজুহাত মাত্র। ** '''''[[:w:ক্রিস হেজেস|ক্রিস হেজেস]]''''', "[https://scheerpost.com/2023/10/29/chris-hedges-exterminate-all-the-brutes/ এক্সটারমিনেট অল দ্য ব্রুটস]"। শিরপোস্ট (২৯ অক্টোবর ২০২৩)। * লক্ষ্য হলো একটি "বিশুদ্ধ" ইসরায়েল গঠন করা, যা ফিলিস্তিনিদের মতো 'দূষক' থেকে মুক্ত হবে। গাজাকে একটি জনশূন্য মরুপ্রান্তরে পরিণত করতে হবে। গাজার ফিলিস্তিনিদের হয় মেরে ফেলা হবে, অথবা সীমান্তের ওপারে মিশরের শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিতে বাধ্য করা হবে। ফিলিস্তিনিদের বিতাড়িত করার পরেই আসবে সেই কাঙ্ক্ষিত 'মেসিয়ানিক মুক্তি'। ইহুদি চরমপন্থীরা [[:w:আল-আকসা মসজিদ|আল-আকসা মসজিদ]]—যা মুসলমানদের তৃতীয় পবিত্রতম মাজার এবং ৭০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সেনাবাহিনী কর্তৃক ধ্বংসকৃত ইহুদিদের দ্বিতীয় মন্দিরের ধ্বংসাবশেষের ওপর নির্মিত—তা ভেঙে ফেলার আহ্বান জানাচ্ছে। মসজিদটির স্থানে একটি "তৃতীয়" ইহুদি মন্দির স্থাপন করা হবে, যা সমগ্র মুসলিম বিশ্বকে উত্তাল করে তুলবে। [[:w:পশ্চিম তীর|পশ্চিম তীর]], যাকে এই ধর্মান্ধরা "[[:w:যিহূদিয়া ও শমরিয়া অঞ্চল|যিহূদিয়া ও শমরিয়া]]" বলে ডাকে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েল দখল করে নেবে। অতি-অর্থোডক্স শাস (Shas) এবং ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম দলগুলোর আরোপিত ধর্মীয় আইনের শাসনে ইসরায়েল হবে ইরানের একটি ইহুদি সংস্করণ। ** '''''[[:w:ক্রিস হেজেস|ক্রিস হেজেস]]''''', "[https://scheerpost.com/2023/11/05/israels-final-solution-for-the-palestinians/ ইসরায়েল’স ফাইনাল সলিউশন ফর দ্য প্যালেস্টিনিয়ানস]"। শিরপোস্ট (৫ নভেম্বর ২০২৩)। * [[:w:গাজা উপত্যকায় দুর্ভিক্ষ|অনাহার বা দুর্ভিক্ষ সবসময়ই এই পরিকল্পনার অংশ ছিল]]; এটি মূলত [[:w:গাজা গণহত্যা|গণহত্যার]] পূর্বনির্ধারিত চূড়ান্ত অধ্যায়। ইসরায়েল এই গণহত্যার শুরু থেকেই সুপরিকল্পিতভাবে খাদ্যের উৎসগুলো ধ্বংস করতে শুরু করেছিল—তারা বেকারিগুলোতে বোমা হামলা চালিয়েছে এবং গাজায় খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। গত মার্চ মাস থেকে এই প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত হয়েছে, যখন তারা প্রায় সব ধরণের খাদ্য সরবরাহ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তারা ফিলিস্তিনিদের খাদ্যের প্রধান উৎস [[:w:ইউএনআরডব্লিউএ|ইউএনআরডব্লিউএ]]-কে (UNRWA) ধ্বংস করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল এবং কোনো প্রমাণ ছাড়াই সংস্থার কর্মীদের ৭ অক্টোবরের হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ তোলে। এই অভিযোগটি যুক্তরাষ্ট্র—যারা ২০২৩ সালে এই সংস্থাকে ৪২২ মিলিয়ন ডলার প্রদান করেছিল—সহ অন্যান্য দাতাদের আর্থিক সহায়তা বন্ধ করার একটি অজুহাত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এরপর ইসরায়েল আনুষ্ঠানিকভাবে ইউএনআরডব্লিউএ-কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ** '''''[[:w:ক্রিস হেজেস|ক্রিস হেজেস]]''''', "[https://scheerpost.com/2025/08/04/chris-hedges-the-gaza-riviera-2/ দ্য গাজা রিভিয়েরা]"। শিরপোস্ট (৪ আগস্ট ২০২৫)। * গাজা কেবল শুরু মাত্র। এই নতুন বিশ্বব্যবস্থায় শক্তিশালীদের দ্বারা দুর্বলেরা নির্মূল হবে, আইনের শাসনের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না, গণহত্যা হবে নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার এবং বর্বরতা হবে বিজয়ী। ** '''''[[:w:ক্রিস হেজেস|ক্রিস হেজেস]]''''', "[https://scheerpost.com/2026/03/16/the-world-according-to-gaza/ দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাকর্ডিং টু গাজা]"। শিরপোস্ট (১৬ মার্চ ২০২৬)। * সেখানে থাকা পুরো জাতিই (ফিলিস্তিনি) এর জন্য দায়ী। ** '''''[[:w:আইজ্যাক হারজগ|আইজ্যাক হারজগ]]''''', উদ্ধৃত: [https://thewire.in/world/northern-gaza-israel-palestine-conflict 'নো ইনোসেন্ট সিভিলিয়ানস ইন গাজা', ইসরায়েল প্রেসিডেন্ট সেজ অ্যাজ নর্দান গাজা স্ট্রাগলস টু ফ্লি ইসরায়েলি বোম্বস] * ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী কোনো দেশের জন্যই হুমকি নয়; আমরা কেবল ইসরায়েলি জাহাজ অথবা ইসরায়েলি বন্দরের দিকে রওনা হওয়া জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছি। ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া এবং গাজা উপত্যকার ওপর থেকে অবরোধ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত ফিলিস্তিনি জনগণকে সমর্থন করার ক্ষেত্রে আমাদের অবিচল অবস্থানের কথা আমরা আবারও নিশ্চিত করছি। ** '''''[[:w:হুথি আন্দোলন|হুথি আন্দোলন]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/unfg1h?update=2568098 ইউএস রেড সি কোয়ালিশন এইমস টু এনকারেজ ইসরায়েল’স ‘ব্রুটাল ক্রাইমস’: হুথিস] == I == * আমেরিকানরা এখন যা করছে, এই নীতিটি মূলত তাদেরই ক্ষতি করছে। বিশ্বের অন্তত ১৩০ কোটি মানুষ তাদের ঘৃণা করতে যাচ্ছে। আর এটি এখন কেবল মুসলিমদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই; সারা বিশ্বের মানুষ এখন এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ করছে। ** জেনারেল '''''[[:w:আব্বাস ইব্রাহিম (লেবানিজ কর্মকর্তা)|আব্বাস ইব্রাহিম]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.washingtonpost.com/national-security/2023/11/11/us-israel-gaza-civilian-deaths/ ইউ.এস. ইজ ওয়ার্নড অ্যাবাউট ইটস গ্লোবাল স্ট্যান্ডিং অ্যাজ গাজা সাফারিং পারসিস্টস] * ওই হামলাগুলো কোনোভাবেই গাজায় এই সীমাহীন ধ্বংসযজ্ঞকে সমর্থন বা ন্যায্যতা দিতে পারে না। যুদ্ধ পরিচালনার পদ্ধতি এবং উপায় সংক্রান্ত আইনি বাধ্যবাধকতাগুলো কোনো পক্ষেরই অবহেলা করা উচিত নয়। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ গাজা শহরের বাসিন্দাদের অবিলম্বে ঘরবাড়ি ছাড়ার যে নির্দেশ দিয়েছে এবং তার সাথে খাবার, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে যে সম্পূর্ণ অবরোধ আরোপ করেছে—তা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। ** '''''[[:w:আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি|আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.justsecurity.org/89477/rare-icrc-public-statement-calls-for-pause-in-gaza-fighting/ রেয়ার আইসিআরসি পাবলিক স্টেটমেন্ট কলস ফর “পজ” ইন গাজা ফাইটিং] * @গ্রেটা থুনবার্গ, হামাস তাদের রকেট তৈরিতে কোনো টেকসই সরঞ্জাম ব্যবহার করে না, যা দিয়ে তারা নিরপরাধ ইসরায়েলিদের নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। ** '''''[[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েল]]''''', ইসরায়েল সরকারের একটি [https://web.archive.org/web/20231020205115/https://twitter.com/Israel/status/1715370190714589677 এক্স (X) পোস্টে] বর্ণিত। == J == * প্রতিদিন শিশু ও নবজাতকদের মৃত্যু দেখা অত্যন্ত দুঃসহ। এটি হৃদয়বিদারক। আমি আমার প্রাইজমানির একটি অংশ ফিলিস্তিনিদের সাহায্যার্থে দান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই জয় নিয়ে আমি সুখী হতে পারছি না। ** '''''[[:w:ওন্স জাবেউর|ওন্স জাবেউর]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/k8y4b6?update=2456566 ‘ইট’স হার্টব্রেকিং’: ওন্স জাবেউর ইন টিয়ার্স ওভার প্লাইট অফ প্যালেস্টিনিয়ানস] * এই সপ্তাহে আমি যুদ্ধবিরতির কিছু [আহ্বান] দেখেছি, এবং আমরা আমাদের অবস্থানে খুব স্পষ্ট থাকব। আমরা বিশ্বাস করি যে এই আহ্বানগুলো ভুল, আমরা বিশ্বাস করি যে এগুলো অত্যন্ত জঘন্য এবং আমরা মনে করি এগুলো অসম্মানজনক। ** '''''[[:w:কারিন জঁ-পিয়েরে|কারিন জঁ-পিয়েরে]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/news/2023/10/19/frustration-concern-rise-in-arab-american-communities-amid-gaza-war ফ্রাস্ট্রেশন, কনসার্ন রাইজ ইন আরব আমেরিকান কমিউনিটিস অ্যামিড গাজা ওয়ার] * ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সেই বীভৎসতা ও নৃশংসতা বর্ণনাতীত। হাজার হাজার বেসামরিক নাগরিক, ইসরায়েলি এবং ফিলিস্তিনি আজ বর্ণবাদের (Apartheid) মাসুল দিচ্ছে। আমরা আপনাদের এখনই হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানাচ্ছি যাতে বর্তমানে চলমান যুদ্ধাপরাধগুলো বন্ধ করা যায়। ** '''''[[:w:জিউইশ ভয়েস ফর পিস|জিউইশ ভয়েস ফর পিস]]''''', [https://web.archive.org/web/20231023201229/https://act.jewishvoiceforpeace.org/a/israelis-demand-ceasefire ইসরায়েলি ডিমান্ড সিজফায়ার]-এ বর্ণিত। * গাজা গত প্রায় দুই দশক ধরে একটি উন্মুক্ত কারাগার হয়ে আছে এবং এটি দ্রুত একটি গণকবরে পরিণত হচ্ছে। যারা নিহত হয়েছে তাদের মধ্যে ৪০ শতাংশই নিরপরাধ শিশু। সেখানে আস্ত একেকটি পরিবারকে হত্যা করা হচ্ছে। ** '''''[[:w:অ্যাঞ্জেলিনা জোলি|অ্যাঞ্জেলিনা জোলি]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/k8y4b6?update=2456829 অ্যাঞ্জেলিনা জোলি স্ল্যামস ইসরায়েল, কলস ওয়ার্ল্ড লিডারস ‘কমপ্লিসিট ইন দিজ ক্রাইমস’] == K == [[File:99515 equipment collection complex for families - expo t PikiWiki Israel.jpg|thumb|আমাদের যোদ্ধারা... যারা নাৎসি সন্ত্রাসীদের দ্বারা সংঘটিত সেই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে গেছে... তারা গাজায় অপহৃতদের সাথে নিয়ে শান্তিতে তখনই ফিরে আসবে, যখন তারা এই অভিশপ্তদের সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করবে ~ শ্লোমো কারহি]] * কতগুলো ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে বা কত শতাংশ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে—যার ওপর অপর পক্ষ গুরুত্ব দিচ্ছে—সেটি একটি "গৌণ ও প্রান্তিক বিষয়"; আসল বিষয় হলো ইরানি জাতি এবং সশস্ত্র বাহিনীর শক্তির প্রদর্শন। ** '''''[[:w:আলী খামেনি|আলী খামেনি]]''''', উদ্ধৃত: [https://english.almayadeen.net/news/politics/sayyed-khamenei--armed-forces-showed-good-image-of-their-cap আল মায়াদিন] * তারা মুখে এমন কিছু বলে যে, "কেন আপনারা এটি করছেন?" কিন্তু কার্যত, ইসরায়েলের অপরাধের বিরুদ্ধে এই সরকারগুলোর পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নেওয়ার কোনো চিহ্নই নেই। ** '''''[[:w:আলী খামেনি|আলী খামেনি]]''''', [https://english.khamenei.ir/news/10708/All-of-us-should-feel-we-have-a-responsibility-with-regard-to ২০২৪ সালের এপ্রিলে প্রদত্ত বক্তব্য]। * এই মুহূর্তে আমাদের একটিই লক্ষ্য এবং তা হলো ''নাকবা'' ! এমন এক নাকবা যা ১৯৪৮ সালের নাকবাকে ম্লান করে দেবে। গাজায় নাকবা এবং যে কেউ এতে যোগ দেওয়ার সাহস করবে তার জন্যও নাকবা! তাদের সেই বিপর্যয় অনিবার্য, কারণ ১৯৪৮ সালের মতোই এবারও বিকল্পটি অত্যন্ত স্পষ্ট। ** '''''[[:w:অ্যারিয়েল কালনার|অ্যারিয়েল কালনার]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.middleeastmonitor.com/20231009-israel-mk-calls-for-a-second-nakba-in-gaza/ ইসরায়েল এমকে কলস ফর আ সেকেন্ড নাকবা ইন গাজা] * আর মাত্র একটি বছর / সেখানে কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না, / এবং আমরা নিরাপদে আমাদের ঘরে ফিরে যাব। / আর মাত্র একটি বছর / আমরা তাদের সবাইকে নির্মূল করব এবং ফিরে যাব আমাদের মাঠের লাঙল ধরতে। ** '''''[[:w:কান ১১|কান ১১]]''''', [https://www.jewishpress.com/multimedia/video-picks/gaza-envelope-childrens-updated-friendship-song-deleted-by-state-tv/2023/11/20/ গাজা এনভেলপ চিলড্রেন’স আপডেটেড ‘ফ্রেন্ডশিপ’ সং ডিলিটেড বাই স্টেট টিভি]-তে বর্ণিত। * আমরা এখন যা দেখছি তা হলো সকল নিয়মনীতির বিলুপ্তি; সেখানে কোনো আদর্শ বা নৈতিকতা অবশিষ্ট নেই কারণ এটি একটি সমগ্র সমাজের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। সেখানে আদতে কোনো নিয়মই কাজ করছে না। তাই এই মুহূর্তে আমাদের যা প্রয়োজন, তা হলো বাইর থেকে এসে কাউকে এই ধ্বংসযজ্ঞ থেকে উদ্ধার করা। ** '''''[[:w:মুকেশ কপিলা|মুকেশ কপিলা]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/jui07c?update=2483569 ‘নো রুলস অ্যাট অল’: এক্স-ইউএন অফিশিয়াল ডিনাউন্সেস ইসরায়েলি ললেসনেস] * কূপগুলো মাটি দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিশোধ হিসেবে দাউদ একশজন ফিলিস্তিনির পুরুষাঙ্গের অগ্রত্বক সংগ্রহ করেছিলেন। আমাদের যোদ্ধারা, যারা নিজেদের ঘর রক্ষা করতে এবং নাৎসি সন্ত্রাসীদের দ্বারা সংঘটিত সেই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে যুদ্ধে গেছে, তারা ওই সুড়ঙ্গগুলোকে মাটি দিয়ে ঢেকে দেবে এবং গাজায় অপহৃতদের সাথে নিয়ে শান্তিতে তখনই ফিরে আসবে, যখন তারা এই অভিশপ্তদের সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করবে। ** '''''[[:w:শ্লোমো কারহি|শ্লোমো কারহি]]''''', [https://twitter.com/shlomo_karhi/status/1725504217148797065?s=20 শ্লোমো কারহির একটি এক্স (X) পোস্টে] বর্ণিত। * পৃথিবী ছেড়ে বিদায় নেওয়ার আগ পর্যন্ত তারা এক ফোঁটা পানি কিংবা একটি ব্যাটারিও পাবে না। ** '''''[[:w:ইসরায়েল কাটজ|ইসরায়েল কাটজ]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.newarab.com/news/what-have-israeli-officials-said-about-palestinians-gaza হোয়াট হ্যাভ ইসরায়েলি অফিশিয়ালস সেড অ্যাবাউট প্যালেস্টিনিয়ানস ইন গাজা?] * ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের ওপর যত বেশি দমন-পীড়ন চালাবে এবং তাদের মৌলিক স্বাধীনতা হরণ করবে, তত বেশি প্রতিরোধের সম্মুখীন হবে; কারণ আরও অনেক ফিলিস্তিনি তাদের সমষ্টিগত ও ব্যক্তিগত অধিকার আদায়ের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। ** ওনজু কেচেলি, উদ্ধৃত: [https://aje.io/3m6aa9?update=2529939 ‘ব্রুট ফোর্স’ এগেইনস্ট এনটায়ার পপুলেশন ক্যাননট বি লেজিটিমাইজড: টার্কি] * এটি যুদ্ধ। এটি একটি সংঘাত। এটি রক্তক্ষয়ী, কদর্য এবং পরিস্থিতি আরও জটিল হতে যাচ্ছে; আর সামনের দিনগুলোতে নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেই। ** '''''[[:w:জন কিরবি|জন কিরবি]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.barrons.com/news/innocent-civilians-are-going-to-be-hurt-in-israel-hamas-war-w-house-645bb1a5?refsec=topics_afp-news# 'ইনোসেন্ট সিভিলিয়ানস আর গোয়িং টু বি হার্ট' ইন ইসরায়েল-হামাস ওয়ার: ডব্লিউ.হাউস] * [হামাসের লক্ষ্য] কেবল ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আরব বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং শান্তিপূর্ণ আলোচনার পথ থেকে বিচ্যুত হওয়া ছাড়া আর কিছু হতে পারে না। ** '''''[[:w:হেনরি কিসিঞ্জার|হেনরি কিসিঞ্জার]]''''', [https://en.wikipedia.org/wiki/Henry_Kissinger#2023_Israel–Hamas_war হেনরি কিসিঞ্জার - ২০২৩ ইসরায়েল-হামাস ওয়ার]-এ বর্ণিত। == L == * যদি গাজাকে ধ্বংস করা হয় এবং সেখানে বসবাসকারী ২০ লক্ষ বাসিন্দাকে বিতাড়িত করা হয়—যেমনটি ইসরায়েল ও বিদেশের কিছু রাজনীতিক প্রস্তাব করছেন—তবে এটি আগামী বহু দশক, এমনকি শতাব্দীকাল ব্যাপী এক মহাবিপর্যয়ের সৃষ্টি করবে। ** '''''[[:w:সের্গেই লাভরভ|সের্গেই লাভরভ]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/news/2023/10/28/russia-says-israeli-bombardment-of-gaza-is-against-international-law রাশিয়া সেজ ইসরায়েলি বোম্বার্ডমেন্ট অফ গাজা ইজ এগেইনস্ট ইন্টারন্যাশনাল ল] * প্রকৃতপক্ষে, গাজার শ্বাসরোধ করা হচ্ছে এবং মনে হচ্ছে বিশ্ব বর্তমানে তার মানবিকতা হারিয়ে ফেলেছে। আমরা যদি পানির সমস্যার দিকে তাকাই—আমরা সবাই জানি পানিই জীবন—তবে গাজায় পানির অভাব দেখা দিচ্ছে, আর গাজা থেকে জীবন ফুরিয়ে আসছে। ** '''''[[:w:ফিলিপ লাজারিনি|ফিলিপ লাজারিনি]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.ft.com/content/6fbdcd03-3483-4107-ada9-a63a9c5e6806?shareType=nongift ‘হোয়াই হ্যাজ দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাবন্ডন্ড আস?’ প্যালেস্টিনিয়ানস ইন গাজা প্লিড ফর হিউম্যানিটারিয়ান রিলিফ] * গাজা এবং হামাসকে এক করে দেখা অত্যন্ত বিপজ্জনক ও বিভ্রান্তিকর। এটি এমন এক সমীকরণ যার লক্ষ্য মানুষকে অমানবিক হিসেবে উপস্থাপন করা এবং যা অন্যায্য তাকে ন্যায্য প্রতিপন্ন করা। আমাদের মানবিকতা বজায় রাখার অর্থ হলো এটি দেখানো যে, গাজার মানুষ আমাদের সহানুভূতি ও করুণার যোগ্য। কেউ এ দাবি করতে পারবে না যে 'আমি জানতাম না', কারণ গাজা থেকে প্রতি ঘণ্টায় অবর্ণনীয় যন্ত্রণার ছবি, ভিডিও এবং আর্তনাদ আসতে থাকছে। আমরা এই মানবিক ট্র্যাজেডির প্রতি আর চোখ বুজে থাকতে পারি না। লক্ষ লক্ষ মানুষ, বিশেষ করে গাজাবাসীরা প্রশ্ন করছে—কেন বিশ্বের এই মর্ত্যের নরক শেষ করার সদিচ্ছা নেই? তারা একটি উত্তর পাওয়ার দাবি রাখে। এই উত্তরে বিলম্ব করা এই অঞ্চলের মেরুকরণকে আরও গভীর করবে এবং সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেবে। ** '''''[[:w:ফিলিপ লাজারিনি|ফিলিপ লাজারিনি]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/i5z284?update=2440548 ইকুয়েটিং গাজা উইথ হামাস ‘ভেরি ডেঞ্জারাস অ্যান্ড মিসলিডিং’] * আমাদের মধ্যে অনেকেই এই ট্রাকগুলোর মাঝে আশার আলো দেখেছিলেন। তবে এটি এখন কেবল মনোযোগ অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাস্তায় থাকা ২০ লক্ষ মানুষের জন্য এই সামান্য কয়েকটি ট্রাক কেবলই 'উচ্ছিষ্ট' বা যৎসামান্য খাবারের অবশিষ্টাংশের চেয়ে বেশি কিছু নয়, যা তাদের জীবনে কোনো বড় পরিবর্তন আনবে না। আমাদের এমন বার্তা দেওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত যে—দিনে কয়েকটি ট্রাক আসার অর্থই হলো মানবিক সহায়তার ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়েছে; এটি মোটেও সত্য নয়। বর্তমানে যে ব্যবস্থাটি চালু আছে তা ব্যর্থ হওয়ার জন্যই তৈরি করা হয়েছে। যা প্রয়োজন তা হলো অর্থবহ এবং নিরবচ্ছিন্ন ত্রাণ প্রবাহ; আর এটি সফল করতে আমাদের একটি মানবিক যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন যাতে এই সহায়তা প্রকৃত অভাবগ্রস্তদের কাছে পৌঁছাতে পারে। এটি খুব বড় কোনো চাওয়া হওয়া উচিত নয়। ** '''''[[:w:ফিলিপ লাজারিনি|ফিলিপ লাজারিনি]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/i5z284?update=2440488 ট্রাকস এন্টারিং গাজা থ্রু রাফাহ ‘নাথিং মোর দ্যান ক্রাম্বস’: ইউএনআরডব্লিউএ চিফ] * আক্রান্ত হওয়া অধিকাংশ স্থাপনাতেই পরিবারগুলো অবস্থান করছিল—যার মধ্যে বৃদ্ধ, বাবা-মা এবং শিশুরাও ছিল। এগুলো নীল পতাকা সংবলিত এবং স্পষ্টভাবে জাতিসংঘের ভবন হিসেবে চিহ্নিত ছিল। [[:w:ইউএনআরডব্লিউএ|ইউএনআরডব্লিউএ]] (UNRWA) নিয়মিতভাবে সংঘাতের সাথে জড়িত পক্ষগুলোর কাছে এই ভবনগুলোর স্থানাঙ্ক (Coordinates) সরবরাহ করে থাকে। ** '''''[[:w:ফিলিপ লাজারিনি|ফিলিপ লাজারিনি]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/5oh2f2?update=2498929 হিটিং শেল্টারস আ ‘টোটাল ডিসরিগার্ড ফর হিউম্যানিটি’: ইউএনআরডব্লিউএ চিফ] * ক্রমাগত বোমাবর্ষণ এবং আমাদের উপচে পড়া আশ্রয়কেন্দ্র ও তার বাইরে থাকা বাস্তুচ্যুত মানুষের বিশাল চাহিদার তুলনায় গাজা উপত্যকায় খাদ্য ও অন্যান্য মানবিক সরঞ্জামের নগণ্য ও অনিয়মিত প্রবাহের ফলে—মানুষকে সহায়তা ও সুরক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে ইউএনআরডব্লিউএর সক্ষমতা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। ** '''''[[:w:ফিলিপ লাজারিনি|ফিলিপ লাজারিনি]]''''', উদ্ধৃত: "[https://www.nytimes.com/2023/12/08/world/middleeast/fuel-and-aid-are-scarce-as-relief-efforts-falter-in-southern-gaza.html#:~:text=“With%20constant%20bombardment%2C%20low%20and,head%20of%20U.N.%20agency%20that ‘অন দ্য ব্রিঙ্ক অফ ফুল-ব্লোন কোলাপস’: ফুয়েল অ্যান্ড এইড আর স্কার্স অ্যাজ রিলিফ এফোর্টস ফাল্টার ইন সাউদার্ন গাজা]" (৮ ডিসেম্বর ২০২৩), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''। * যেকোনো বর্ণনায় বলতে গেলে, এটি নিশ্চিতভাবেই আমার দেখা এ যাবৎকালের সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি। ** '''''[[:w:ফিলিপ লাজারিনি|ফিলিপ লাজারিনি]]''''', উদ্ধৃত: "[https://www.nbcnews.com/news/world/live-blog/israel-hamas-war-live-updates-rcna128910 ইসরায়েল স্টেপস আপ সাউদার্ন গাজা অফেনসিভ অ্যাজ ইউ.এস. অ্যাপ্রুভস আর্মস সেলস]" (১০ ডিসেম্বর ২০২৩), ''এনবিসি নিউজ''। * এই ধরণের বক্তব্য বা আলোচনার বৈধতা দেখে আপনি বুঝতে পারবেন যে [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েল]] কতটা ভয়াবহভাবে পতনের দিকে যাচ্ছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এবং আপনি এটি উল্লেখও করেছেন—এটি কতটা সর্বসম্মত। এটি কেবল ডানপন্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আপনি গাজার প্রতি, গাজার কষ্টের প্রতি সামান্য সহানুভূতিও দেখাতে পারবেন না, যা ইসরায়েল একেবারেই দেখতে পায় না। গড়পড়তা একজন ইসরায়েলি গাজায় [যা ঘটেছে বা ঘটছে তার] কিছুই দেখেনি, কেবল সেখানে থাকা সৈন্যরা তা দেখতে পায়। সাহসিকতা, ত্যাগ, জিম্মি এবং তাদের পরিবারদের কথা বিরতিহীনভাবে দেখানো হচ্ছে, কিন্তু গাজার ২০ লক্ষ মানুষের যন্ত্রণার একটি ছবিও কোথাও নেই। আমি মনে করি এটি ইসরায়েলের জন্য ইতিহাসের সম্ভবত সবচাইতে অন্ধকারতম সময়। ** '''''[[:w:গিডন লেভি|গিডন লেভি]]''''', উদ্ধৃত: "[https://web.archive.org/web/20240821075219/https://www.newstatesman.com/international-content/the-international-interview/2024/01/gideon-levy-south-africa-genocide-israel “দে কিল এনিথিং দ্যাট মুভস”: আ ডিসকাশন অন দ্য মাস এক্সপালশন অফ গাজা, জেনোসাইড অ্যান্ড সাউথ আফ্রিকা’স কেস এগেইনস্ট ইসরায়েল]"। ''নিউ স্টেটসম্যান''। * গাজার এই ভয়াবহতাকে ক্ষমা করার বা অজুহাত দেওয়ার সময় আমরা পার করে এসেছি। বাইডেনকে অবশ্যই নেতানিয়াহুর ওপর কঠোর চাপ সৃষ্টি করতে হবে যেন তিনি এই নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করেন। আর এর শুরুটা হতে হবে যুদ্ধবিরতির আহ্বানের মধ্য দিয়ে। ** '''''[[:w:লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস|লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস]]''''' সম্পাদকীয় বোর্ড, [https://www.latimes.com/opinion/story/2023-11-16/editorial-ceasefire-now-the-killing-in-gaza-must-stop#:~:text=It%20is%20time%20for%20a,witness%20more%20slaughter%20of%20civilians. সিজ-ফায়ার নাও। দ্য কিলিং ইন গাজা মাস্ট স্টপ]-এ বর্ণিত। * এটি দীর্ঘকাল ধরে ঘনীভূত হওয়ারই ফল। আমি এবং আমার পূর্বসূরিরা এই দখলদারিত্বের উত্তরোত্তর জেঁকে বসা রূপটির দিকে বারবার ইঙ্গিত করেছি—বসতি স্থাপন বৃদ্ধি, ক্রমবর্ধমান ভূমি দখল এবং বাড়তে থাকা সহিংসতা। সেই অন্ধকার মুহূর্তগুলোই ছিল বর্তমান পরিস্থিতির পূর্বাভাস। আপনি আগ্নেয়গিরির মুখে ছিপি দিয়ে তা চিরকাল আটকে রাখার আশা করতে পারেন না এবং বিস্ফোরণ ঠেকিয়ে রাখার প্রত্যাশা করতে পারেন না। ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা এবং অপহরণ—এগুলো স্পষ্টতই যুদ্ধাপরাধ। কিন্তু এক পক্ষের দ্বারা সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ অন্য পক্ষকে যুদ্ধাপরাধ করার অনুমতি দেয় না। ইসরায়েল সম্পর্কে এমন একটি বয়ান প্রচলিত আছে যে, এটি একটি আইন মান্যকারী গণতন্ত্র যা পশ্চিমাদের সাথে অভিন্ন মূল্যবোধ ধারণ করে—আর ফিলিস্তিনিদের প্রসঙ্গে এলে এটিই অনেক সময় অন্ধবিন্দু (Blind Spot) হিসেবে কাজ করে। এই দৃষ্টিভঙ্গি আন্তর্জাতিক আইনের অসংখ্য লঙ্ঘন—যেমন বসতি স্থাপন, ভূমি সংযুক্তি এবং মানুষকে অবরুদ্ধ করে রাখার বিষয়গুলোকে বিবেচনায় নেয় না। দীর্ঘকাল ধরে একটি ধারণা প্রচলিত যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইউরোপীয় ইহুদিদের প্রতি পশ্চিমারা যা করেছিল এবং যা ঘটতে দিয়েছিল, তার ক্ষতিপূরণ হিসেবেই এই ইসরায়েল রাষ্ট্র; এই প্রতিশ্রুতি যে ইহুদিরা তাদের নিজস্ব একটি জন্মভূমি পাওয়ার যোগ্য যেখানে তারা নিরাপদ ও সুরক্ষিত থাকবে। তবে যে বিষয়টি কখনোই বিবেচনায় আনা হয় না তা হলো—একটি ইহুদি রাষ্ট্র দিয়ে একটি আরব রাষ্ট্রকে প্রতিস্থাপনের প্রক্রিয়া এবং এর ফলে সৃষ্ট অমানবিক ভোগান্তি। ** '''''[[:w:মাইকেল লিঙ্ক|মাইকেল লিঙ্ক]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/j9jahf?update=2434411 ‘আ লং টাইম কামিং’: এক্সপ্লোশন অফ ভায়োলেন্স লং প্রেডিক্টেড – অ্যানালিস্ট] == M == * ফিলিস্তিনিদের প্রাণের বিনিময়ে যদি ইসরায়েলের নিরাপত্তা অর্জিত হয়, তবে এই অঞ্চলে ইসরায়েলের জন্য কোনো স্থায়ী নিরাপত্তা থাকবে না। ** '''''[[:w:ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ|ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/3m6aa9?update=2529982 ম্যাক্রোঁ: নো সিকিউরিটি ফর ইসরায়েল অ্যাট দ্য কস্ট অফ প্যালেস্টিনিয়ান লাইভস] * ইসরায়েল যদি বর্তমানে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে, তবে নিশ্চিতভাবেই তাদের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে; আবার তারা যদি প্রতিরোধের শক্তিগুলোর (Resistance Forces) বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার চেষ্টা করে, তবে সেখানেও তাদের বিজয় অর্জন করা অসম্ভব। মূলত ইসরায়েল আজ এমন এক মরণফাঁদে দাঁড়িয়ে আছে যেখানে কোনো পথই তাদের জন্য নিরাপদ নয়। ** '''''[[:w:মোহাম্মদ-রেজা মাহদভী কানি|মোহাম্মদ-রেজা মাহদভী কানি]]''''', [https://web.archive.org/web/20231107162154/https://www.didbaniran.ir/بخش-سیاসী-3/167888-امام-جمعه-اصفهان-اسرائیل-در-دوراهی-مرگ-قرار-گرفته-است ইমাম জুম্মা এসফাহান: ইসরায়েল দর দোরাহি মার্গ গরারে গেড়েফতে আস্ত] হতে অনূদিত। * সিভিল ডিফেন্স বা উদ্ধারকারী দলের ওপর এই বর্বরোচিত হামলা... যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সামাজিক সেবাগুলোর বিনাশ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ—এই সবকিছুই মূলত একটি সুদীর্ঘ ও গভীর প্রক্রিয়ার অংশ। যার চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো গাজা উপত্যকাকে মানুষের বসবাসের জন্য সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত ও একটি জনশূন্য মরুভূমিতে পরিণত করা। ** '''''হানি মাহমুদ''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/news/liveblog/2024/6/28/israel-war-on-gaza-live-people-flee-in-terror-as-tanks-drones-attack?update=3010889 আ শ্যাটারড সেন্স অফ সেফটি] * দখলদার শক্তি ইসরায়েল কর্তৃক অবৈধ দখলদারিত্বের অধীনে থাকা ফিলিস্তিনি বেসামরিক জনগোষ্ঠীর ওপর যে পরিকল্পিত, নিয়মতান্ত্রিক এবং পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড চালানো হচ্ছে, তা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। এই নিষ্ঠুর গণহত্যা রোধ করা আজ আমাদের সকলের সম্মিলিত মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব। ** '''''[[:w:রিয়াদ আল-মালিকি|রিয়াদ আল-মালিকি]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/j9jahf?update=2434525 মোর ফ্রম রিয়াদ আল-মালিকি অ্যাট দ্য ইউএন সিকিউরিটি কাউন্সিল] * আমি আপনাদের সকলের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি—এই অবিরাম হত্যাযজ্ঞ বন্ধের পক্ষে আপনার ভোটটি দিন। যাদের বেঁচে থাকা আজ কেবল ত্রাণের ওপর নির্ভরশীল, তাদের কাছে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার পক্ষে ভোট দিন। এই উন্মাদনা এবং রক্তপাত বন্ধ করতে এখনই পদক্ষেপ নিন। ** '''''[[:w:রিয়াদ মনসুর|রিয়াদ মনসুর]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/news/2023/10/26/palestinian-ambassador-urges-un-to-stop-the-killing-as-israel-pounds-gaza প্যালেস্টিনিয়ান অ্যাম্বাসেডর আরজেস ইউএন টু ‘স্টপ দ্য কিলিং’ অ্যাজ ইসরায়েল পাউন্ডস গাজা] * তারা যদি প্রকৃত অর্থেই মানুষ হতো, তবে আমরা অবশ্যই তাদের কাছে মানবিক সহায়তা পাঠাতাম... কিন্তু এখানে আমরা মানুষের কথা বলছি না, এটি মূলত পশুদের সম্পর্কে একটি লড়াই। ** '''''রাব্বি মেয়ার মারোজ''''', [https://twitter.com/QudsNen/status/1723241828785303696?s=20 কুদস নিউজ নেটওয়ার্কের একটি এক্স (X) পোস্টে] উদ্ধৃত। * আমি অপর পক্ষকে বলব যে—'নিরপরাধ ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিক' এই ধারণাটি যেন তারা এত হালকাভাবে ব্যবহার না করে। আমার মনে হয় না যে আমরা 'নিরপরাধ নাৎসি বেসামরিক নাগরিক' শব্দবন্ধটি এত সহজে বা হালকাভাবে কোথাও ব্যবহার করতাম। ** '''''[[:w:ব্রায়ান মাস্ট|ব্রায়ান মাস্ট]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/cevgx6?update=2455960 ইউএস কংগ্রেসিম্যান সাজেস্টস দেয়ার আর নো ‘ইনোসেন্ট প্যালেস্টিনিয়ান সিভিলিয়ানস’] * যখন হাসপাতাল আর বিদ্যালয়গুলো ভেতরে থাকা শিশুদের নিয়েই দাউদাউ করে জ্বলছে, তখন আন্তর্জাতিক শেয়ারহোল্ডাররা উল্লাসে মেতেছে এবং বিশ্ব অর্থনীতি ফুলেফেঁপে উঠছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের জুলাই মাসের মাঝে আরটিএক্স কর্পোরেশন (RTX Corporation) এবং লিওনার্দোর (Leonardo) মতো প্রতিরক্ষা খাতের দানবীয় কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম যথাক্রমে ৭৭ শতাংশ এবং ২৩৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৩ সালে বিশ্বের শীর্ষ ১০০টি অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের আয় দাঁড়িয়েছে ৬০০ বিলিয়ন ডলারের উপরে। এই পুরো অর্থনীতিই আজ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। ফ্রান্সেস্কা আলবানিজ ২০২৫ সালের এক অসাধারণ জাতিসংঘ প্রতিবেদনে অস্ত্র শিল্পের এই অপ্রত্যাশিত মুনাফাকে টিকিয়ে রাখা এক বিশাল নেটওয়ার্ককে উন্মোচিত করেছেন—যার মধ্যে রয়েছে ল ফার্ম, অডিটিং ও কনসাল্টিং ফার্ম, অস্ত্র ব্যবসায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় এবং দালালচক্র। তিনি সেই বিশাল কর্পোরেট জালকে উন্মোচন করেছেন যাদের কাছে ফিলিস্তিনিদের জীবন ধ্বংস হওয়া মানেই রেকর্ড পরিমাণ মুনাফা অর্জন—যার মধ্যে অ্যালফাবেট (Alphabet), মাইক্রোসফট (Microsoft) ও অ্যামাজনের (Amazon) মতো প্রযুক্তি জায়ান্ট; ভ্যানগার্ড (Vanguard) ও ব্ল্যাকরকের (BlackRock) মতো আর্থিক পাওয়ার হাউস এবং বিশ্বের বৃহত্তম জ্বালানি ও খনিজ উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো অন্যতম। ** '''''[[:w:ক্লারা মাত্তেই|ক্লারা ই. মাত্তেই]]''''', ''এস্কেপ ফ্রম ক্যাপিটালিজম: অ্যান ইন্টারভেনশন''। (২০২৬)। আইএসবিএন (ISBN): ৯৭৮-১৬৬৮০৮৫১৪১, পৃষ্ঠা: ১৫৩। * ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইনের কোনো পরোয়াই করে না। কিন্তু কেন? কারণ ইসরায়েলকে কখনোই তাদের কৃতকর্মের জন্য জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয় না। এই দায়মুক্তিই তাদের বারবার ধৃষ্টতা দেখানোর সুযোগ করে দেয়। ** '''''[[:w:মেরি লু ম্যাকডোনাল্ড|মেরি লু ম্যাকডোনাল্ড]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/2jzuwp?update=2494019 আইরিশ এমপি কলস ফর আইসিসি ইনভেস্টিগেশন অফ ইসরায়েল] * আমি একজন সাংবাদিক হিসেবে রুয়ান্ডা গণহত্যা কভার করেছি। হামাসের হামলার পর ইসরায়েল থেকে যে ধরণের ভাষা বা বয়ান ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, তা রুয়ান্ডার সেই ভয়াবহ দিনগুলোর সাথে এক অদ্ভুত ও আতঙ্কজনক মিল বহন করে। এই শব্দচয়নগুলো মূলত আরেকটি বড় গণহত্যারই পূর্বাভাস। ** '''''[[:w:ক্রিস ম্যাকগ্রিল|ক্রিস ম্যাকগ্রিল]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.theguardian.com/commentisfree/2023/oct/16/the-language-being-used-to-describe-palestinians-is-genocidal দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ বিয়িং ইউজড টু ডেসক্রাইব প্যালেস্টিনিয়ানস ইজ জেনোসাইডাল] * ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর বর্তমানে চলমান এই পাইকারি বা ঢালাও হত্যাকাণ্ড—যা মূলত এক জাতিগত-জাতীয়তাবাদী ঔপনিবেশিক আদর্শে প্রোথিত—তা মূলত কয়েক দশক ধরে চলে আসা সুশৃঙ্খল নিপীড়ন ও জাতিগত নিধনেরই একটি নিরবচ্ছিন্ন অংশ। কেবল আরব হওয়ার কারণেই তাদের এই পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে, যা নিয়ে কোনো সন্দেহ বা বিতর্কের অবকাশ নেই। আজ এই পুরো ভূখণ্ড জুড়ে বর্ণবাদের (Apartheid) শাসন কায়েম করা হয়েছে। ** '''''[[:w:ক্রেইগ মোখিবের|ক্রেইগ মোখিবের]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.theguardian.com/world/live/2023/oct/31/israel-hamas-war-live-updates-latest-news-today-hamas-clashes-idf-gaza-aid-plan-failure টপ ইউএন অফিশিয়াল রিজাইনস ওভার ‘জেনোসাইড’ অফ প্যালেস্টিনিয়ান সিভিলিয়ানস] * একজন মানবাধিকার আইনজীবী হিসেবে আমি অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে বলতে পারি যে—গাজা এবং এর আশেপাশে যা ঘটে চলেছে, তা স্রেফ একটি গণহত্যা ছাড়া আর কিছুই নয়। মানবতার বিরুদ্ধে এই চরম অপরাধ আজ আমাদের চোখের সামনেই উন্মোচিত হচ্ছে। ** '''''[[:w:ক্রেইগ মোখিবের|ক্রেইগ মোখিবের]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/k8y4b6?update=2456513 ‘হোয়াট আই সি আনফোল্ডিং ইন গাজা অ্যান্ড বিয়ন্ড ইজ জেনোসাইড’] * আমরা বর্তমানে গাজায় যা দেখছি তা আরও ভয়াবহ; কারণ [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]], [[:w:যুক্তরাজ্য|যুক্তরাজ্য]] এবং আরও কিছু পশ্চিমা শক্তি প্রকৃতপক্ষে এই [[:w:ফিলিস্তিনি গণহত্যা বির্তক|গণহত্যার]] সরাসরি সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। [[:w:গণহত্যা কনভেনশন|গণহত্যা কনভেনশনের]] অধীনে 'সহযোগিতা করা' নিজেই একটি পৃথক অপরাধ। যুক্তরাষ্ট্র এই গণহত্যার সময় নিরবচ্ছিন্নভাবে অর্থনৈতিক সহায়তা, সামরিক গোয়েন্দা তথ্য এবং কূটনৈতিক সুরক্ষা দিয়ে গেছে। তারা নিরাপত্তা পরিষদে তাদের ভেটো ক্ষমতা ব্যবহার করে বারবার যুদ্ধবিরতি আটকে দিয়েছে। আর প্রতিটি ভেটোর পর আমরা দেখেছি কীভাবে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি এই নির্মম নিধনের শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছে। ** '''''[[:w:ক্রেইগ মোখিবের|ক্রেইগ মোখিবের]]''''', "[https://therealnews.com/us-and-uk-also-committing-genocide-crimes-in-gaza-former-un-official ইউএস অ্যান্ড ইউকে অলসো কমিটিং জেনোসাইড ক্রাইমস ইন গাজা: ফর্মার ইউএন অফিশিয়াল]"—''[[:w:দ্য রিয়েল নিউজ নেটওয়ার্ক|দ্য রিয়েল নিউজ নেটওয়ার্ক]]''-এর জন্য [[:w:ক্রিস হেজেস|ক্রিস হেজেসের]] সাথে সাক্ষাৎকার (২৬ জানুয়ারি ২০২৪)। * ইসরায়েল যদি গাজায় স্থল অভিযান বা আক্রমণ শুরু করে, তবে ইসলামী উম্মাহর সম্মিলিত শক্তিতে একজন জায়নবাদীও এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকবে না। এটি একটি চূড়ান্ত সংঘাতের রূপ নেবে যেখানে দখলদারদের সমূলে বিনাশ করা হবে। ** '''''[[:w:মোহাম্মদ মুসাভি খুইনিহা|মোহাম্মদ মুসাভি খুইনিহা]]''''', [https://web.archive.org/web/20231107162602/https://www.didbaniran.ir/বخش-سیاسی-3/167890-امام-جمعه-اهواز-در-صورت-ورود-زمینی-اسرائیل-به-غزه-امت-اسلامی-یک-صهیونیست-রা-روی-زمین-باقی-নخواهد-গذاشت ইমাম জুম্মা আহওয়াজ: দর সুরত ওরুদ জমিনি ইসরায়েল বে গাজা...] হতে অনূদিত। * গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে ১৮০০ ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে। আমেরিকার জনসংখ্যার অনুপাতে চিন্তা করলে এর ভয়াবহতা দাঁড়ায় ২,৭০,০০০ শিশুর মৃত্যুর সমতুল্য। এই পরিসংখ্যানই বলে দেয় গাজায় শিশুদের ওপর কী পরিমাণ নির্মমতা চালানো হচ্ছে। ** '''''[[:w:ইউসেফ মুনাইয়ের|ইউসেফ মুনাইয়ের]]''''', [https://twitter.com/DoktorBunker/status/1716476619362017630 ইউসেফ মুনাইয়েরের একটি এক্স (X) পোস্টে] উদ্ধৃত। == N == [[File:President Joe Biden meets with Prime Minister Benjamin Netanyahu.jpg|thumb|এটি আলোকবর্তিকার সন্তানদের সাথে অন্ধকারের সন্তানদের লড়াই; এটি মানবতা বনাম জঙ্গলের আইনের মধ্যকার এক সংগ্রাম। ~ [[বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]]] * যদি আমরা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ি, তবে জেনে রেখো যে আমরা সন্তুষ্ট ও অবিচল চিত্তেই বিদায় নিচ্ছি। আমাদের পক্ষ থেকে বিশ্বকে জানিয়ে দিও যে—আমরাই ছিলাম সত্যের অনুসারী এবং ন্যায়ের পথে অটল এক জাতি। ** '''''[[:w:হিবা কামাল আবু নাদা|হিবা কামাল আবু নাদা]]''''', [https://twitter.com/alijla2021/status/1715435810823033220?s=20 আবদালহাদি আলিহলার একটি এক্স (X) পোস্টে] উদ্ধৃত। * তাদের জিহ্বাগুলো সবার শেষের জন্য বাঁচিয়ে রাখো, যেন আমরা তাদের আর্তনাদ উপভোগ করতে পারি; কানগুলো অবশিষ্ট রাখো যেন তারা নিজেদের চিৎকার নিজেরাই শুনতে পায় এবং চোখগুলো খোলা রাখো যেন আমাদের তৃপ্তির হাসি তারা দেখে যেতে পারে। ** '''''জিপি নাভন''''', উদ্ধৃত: [https://www.middleeasteye.net/news/israel-palestine-war-sara-netanyahu-advisor-torture-gazans-rant ইসরায়েল-প্যালেস্টাইন ওয়ার: সারা নেতানিয়াহু’স অ্যাডভাইজার কলস ফর টর্চার অফ গাজা রেসিডেন্টস] * [[:w:হামাস|হামাস]] বন্দুকের মুখে এসে সাধারণ মানুষের খাবার ছিনিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। মানবিক বিপর্যয় এবং অনাহার আমাদের জন্য একটি গভীর ট্র্যাজেডি বা দুঃখজনক ঘটনা; কিন্তু তাদের জন্য এটি একটি সুপরিকল্পিত রণকৌশল। তারা মনে করে যে, এই সংকট বিশ্বজুড়ে [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলের]] ওপর যুদ্ধ বন্ধ করার চাপ সৃষ্টি করবে—যাতে তারা তাদের অবস্থানে টিকে থাকতে পারে এবং ভবিষ্যতে ৭ অক্টোবরের মতো আরও একটি বীভৎস হত্যাকাণ্ড পুনরায় ঘটানোর সুযোগ পায়। ** '''''[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.politico.eu/article/israel-pm-netanyahu-denies-palestinians-are-starving/ নেতানিয়াহু ডিনাইস প্যালেস্টিনিয়ানস আর স্টারভিং] * এটি আলোকবর্তিকার সন্তানদের সাথে অন্ধকারের সন্তানদের লড়াই; এটি মানবতা বনাম জঙ্গলের আদিম ও নিষ্ঠুর আইনের মধ্যকার এক অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম। সভ্য জগতের টিকে থাকার স্বার্থেই এই লড়াইয়ে জয়ী হওয়া অপরিহার্য। ** '''''[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]''''', ইসরায়েল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি [https://web.archive.org/web/20231017150448/https://twitter.com/IsraeliPM/status/1713949754948718657 এক্স (X) পোস্টে] বর্ণিত। * আমরা কেবল কোনো অভিযান বা খণ্ডকালীন সংঘাতের (Rounds) মধ্যে নেই, বরং আমরা এখন একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের সম্মুখীন। এটি কোনো সাধারণ সংঘর্ষ নয়, এটি একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ। ** '''''[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.cnn.com/2023/10/07/middleeast/sirens-israel-rocket-attack-gaza-intl-hnk/index.html] * এই অভিশপ্ত ও পৈশাচিক দিনটির জন্য আমরা এক ভয়াবহ ও প্রবল প্রতিশোধ নেব। আমাদের ওপর যে আঘাত হানা হয়েছে, তার চড়া মূল্য দিতে হবে অপরাধীদের। ** '''''[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.reuters.com/world/middle-east/sirens-warning-incoming-rockets-sound-around-gaza-near-tel-aviv-2023-10-07/ ইসরায়েল ভাউস 'মাইটি ভেনজেন্স' আফটার সারপ্রাইজ অ্যাটাক] * এটি মূলত ইসরায়েলের দ্বিতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধ। আমাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার এই লড়াই হবে দীর্ঘ এবং অত্যন্ত কঠিন—কিন্তু চূড়ান্ত পর্যায়ে বিজয় আমাদেরই হবে। ** '''''[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]''''', আই২৪ নিউজ (i24 News)-এর একটি [https://twitter.com/i24NEWS_EN/status/1718344693518565826?s=20 এক্স (X) পোস্টে] উদ্ধৃত। * আমিই একমাত্র ব্যক্তি, যে যুদ্ধের পর গাজা এবং [[:w:পশ্চিম তীর|পশ্চিম তীরে]] একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের প্রক্রিয়াকে রুখে দিতে সক্ষম। ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমি এই পথ বন্ধ রাখব। ** '''''[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.timesofisrael.com/liveblog_entry/pm-lobbying-likud-mks-saying-only-he-can-prevent-a-palestinian-state-in-gaza-west-bank-report/ পিএম লবিয়িং লিকুদ এমকেএস, সেয়িং অনলি হি ক্যান প্রিভেন্ট আ প্যালেস্টিনিয়ান স্টেট ইন গাজা, ওয়েস্ট ব্যাংক – রিপোর্ট] * আমাদের পবিত্র বাইবেল বলে—[[:w:আমালেক|আমালেক]] তোমাদের সাথে যা করেছে তা তোমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে। ১ সামুয়েল ১৫:৩-এ বর্ণিত আছে: 'এখন যাও এবং আমালেককে আঘাত করো, তাদের যা কিছু আছে তার সবকিছু সম্পূর্ণ ধ্বংস করো এবং তাদের প্রতি কোনো দয়া দেখাবে না; বরং পুরুষ ও নারী, শিশু ও দুগ্ধপোষ্য শিশু, এমনকি গরু ও ভেড়া, উট ও গাধা—সবকিছুকেই হত্যা করো।' ** '''''[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]''''', উদ্ধৃত: [https://timesofindia.indiatimes.com/world/middle-east/netanyahu-cites-amalek-theory-to-justify-gaza-killings/articleshow/104802548.cms?from=mdr নেতানিয়াহু সাইটস 'আমালেক' থিওরি টু জাস্টিফাই গাজা কিিলিংস] * আমি কয়েকটি বিষয় একদম স্পষ্টভাবে পরিষ্কার করে বলতে চাই—গাজাকে স্থায়ীভাবে দখল করা কিংবা এর বেসামরিক জনগণকে বাস্তুচ্যুত করার কোনো অভিপ্রায় ইসরায়েলের নেই। ইসরায়েল মূলত হামাস সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়ছে, ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে নয়; এবং আমরা আন্তর্জাতিক আইনের পূর্ণ আনুগত্য বজায় রেখেই তা করছি। আমাদের লক্ষ্য হলো গাজাকে হামাসমুক্ত করা এবং আমাদের জিম্মিদের মুক্ত করে আনা। একবার এটি অর্জিত হলে গাজাকে নিরস্ত্রীকরণ এবং উগ্রবাদমুক্ত করা সম্ভব হবে, যা ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি উভয় পক্ষের জন্যই এক উন্নততর ভবিষ্যতের সম্ভাবনা তৈরি করবে। ** '''''[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.timesofisrael.com/netanyahu-let-me-be-clear-israel-has-no-intention-of-displacing-gazas-population/ নেতানিয়াহু: লেট মি বি ক্লিয়ার — ইসরায়েল হ্যাজ নো ইনটেনশন অফ ডিসপ্লেসিং গাজা’স পপুলেশন]—''দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল''। * এখন প্রতিশোধ নেওয়ার সময়... আমরা একটি কঠিন যুদ্ধের মধ্যে রয়েছি, কিন্তু যারা আমাদের ক্ষতি করেছে—সেই সব অধম ও নিচুদের ওপর আমরা এক পূর্ণাঙ্গ বিজয় অর্জন করব এবং তাদের সাথে চূড়ান্ত হিসাব চুকিয়ে দেব। ** '''''[[:w:সারা নেতানিয়াহু|সারা নেতানিয়াহু]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.israelnationalnews.com/news/378611 সারা নেতানিয়াহু: নাও ইজ দ্য টাইম ফর রিভেঞ্জ এগেইনস্ট হামাস] == O == * ২২ লক্ষ মানুষের একটি জনপদের সমস্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। এর ফলে সাংবাদিক, চিকিৎসা পেশাজীবী, মানবিক সহায়তাকারী দল এবং নিরপরাধ সাধারণ মানুষ—সবাই চরম বিপদের মুখে পড়েছে। আমি জানি না এমন একটি কাজকে কীভাবে সমর্থন করা যেতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিকভাবে এই ধরণের নিষ্ঠুর অনুশীলনের নিন্দা জানিয়ে আসছে। ** '''''[[:w:আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-করতেজ|আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-করতেজ]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.politico.com/news/2023/10/28/musk-says-starlink-will-support-connectivity-to-aid-organizations-in-gaza-00124090 মাস্ক সেজ স্টারলিঙ্ক উইল সাপোর্ট কানেক্টিভিটি টু এইড অর্গানাইজেশনস ইন গাজা] * মূলত মানবাধিকারের মূল্যায়নই হলো এই সংকটে শান্তির পথে হাঁটার একমাত্র উপায়। আমাদের এটি নিশ্চিত করা একান্ত প্রয়োজন যে—আমরা যেমন ইসরায়েলিদের নিরাপত্তা ও মানবাধিকারকে গুরুত্ব দিই, ঠিক একইভাবে এই প্রক্রিয়ায় ফিলিস্তিনিদের নিরাপত্তা ও [[:w:মানবাধিকার|মানবাধিকারকেও]] সমপর্যায়ে মূল্যায়ন করতে হবে। ঠিক যেমন আমাদের এখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমি বিশ্বাস করি না যে [[:w:শিশু|শিশুদের]] বন্দি করে রাখা উচিত; মানবাধিকারের এই মৌলিক নীতিগুলো থেকেই আমরা একসাথে শান্তির পথ নির্মাণ করতে পারি। আমাদের অবশ্যই এমন একটি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে যেখানে সকল পক্ষকে সম্মান জানানো হয় এবং সবার জন্য সমান সুযোগ থাকে, যাতে আমরা প্রকৃত সদিচ্ছা নিয়ে আলোচনার টেবিলে বসতে পারি। ** '''''[[:w:আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-করতেজ|আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-করতেজ]]''''', [https://forward.com/fast-forward/467171/aoc-says-human-rights-is-central-to-peace-between-israel-palestinians/ এওসি সেজ হিউম্যান রাইটস ইজ সেন্ট্রাল টু পিস বিটুইন ইসরায়েল অ্যান্ড দ্য প্যালেস্টিনিয়ানস]-এ বর্ণিত (৫ এপ্রিল ২০২১)। * আমাদের চারপাশে যেখানেই আমরা [[:w:ঘৃণা|ঘৃণা]] এবং [[:w:অ্যান্টিসেমিটিজম|ইহুদিবিদ্বেষের]] বহিঃপ্রকাশ দেখব, তা কঠোরভাবে দমন করা মোটেও কঠিন কোনো কাজ হওয়া উচিত নয়। মানবিকতা ও সম্প্রীতির স্বার্থে যেকোনো ধরণের গোঁড়ামির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ** '''''[[:w:আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-করতেজ|আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-করতেজ]]''''', [https://www.theguardian.com/us-news/2023/oct/10/aoc-palestinian-rally-new-york এওসি ডিক্রাইস 'বিগট্রি অ্যান্ড ক্যালাসনেস' অফ প্রো-প্যালেস্টিনিয়ান র‍্যালি ইন নিউ ইয়র্ক]-এ বর্ণিত (১০ অক্টোবর ২০২৩)। * গাজার বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ এবং বীভৎস। সেখানে অন্তত ৩৪,০০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, যাদের অধিকাংশেরই পরিচয় নারী ও শিশু। এমনকি অনেক ইসরায়েলি নাগরিকও তাদের সরকারের এই ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছে; কারণ এই রক্তপাত সত্ত্বেও সরকার বাকি জিম্মিদের মুক্তি নিশ্চিত করতে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। অথচ গাজা যখন দুর্ভিক্ষের অতল গহ্বরে তলিয়ে যাচ্ছে, তখনো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধের জন্য ইসরায়েলকে অর্থ ও অস্ত্র সরবরাহ করে যাচ্ছে। যদি এটিও প্রতিবাদের যোগ্য বিষয় না হয়, তবে আমি নিশ্চিত নই যে পৃথিবীতে আর কোন বিষয়টি প্রতিবাদের দাবি রাখে! ** '''''[[:w:জন অলিভার|জন অলিভার]]''''', [[:w:যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল–হামাস যুদ্ধ প্রতিবাদ|যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল–হামাস যুদ্ধ প্রতিবাদ]] সম্পর্কে ‘লাস্ট উইক টুনাইট’-এর একটি সম্প্রচারে মন্তব্য করার সময় (২১ এপ্রিল ২০২৪)। * আমরা এখন গাজায় যা করছি তা মূলত একটি ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ; এটি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর এক বিচারহীন, সীমাহীন, নিষ্ঠুর এবং অপরাধমূলক হত্যাকাণ্ড। এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং সরকারের সুপরিকল্পিত নীতিরই ফল—যা অত্যন্ত সচেতনভাবে, পৈশাচিক ও বিদ্বেষপূর্ণ মানসিকতা নিয়ে এবং চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার সাথে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। ** '''''[[:w:এহুদ ওলমার্ট|এহুদ ওলমার্ট]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.theguardian.com/world/2025/may/27/former-israeli-pm-ehud-olmert-says-his-country-is-committing-war-crimes "ফর্মার ইসরায়েলি পিএম এহুদ ওলমার্ট সেজ হিজ কান্ট্রি ইজ কমিটিং ওয়ার ক্রাইমস"], দ্য গার্ডিয়ান (২৭ মে ২০২৫)। * আপনারা কীভাবে একটি নৃশংসতাকে দেখে বলতে পারেন যে 'এটি ভুল', অথচ যখন লাশের স্তূপ জমে ওঠে আর আস্ত একেকটি জনপদ মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়, তখন আপনারা নির্বিকার থাকেন? আফগানিস্তানে আমরা পুরো এক বছরে যতগুলো বোমা ফেলেছিলাম, ইসরায়েল গত ১০ দিনেই তার চেয়ে বেশি বোমা গাজায় বর্ষণ করেছে। আপনাদের মানবিকতা আজ কোথায়? আপনাদের ক্ষোভ আজ কোথায়? মানুষের প্রতি আপনাদের ন্যূনতম মমতা কি আজ বিলীন হয়ে গেছে? ** '''''[[:w:ইলহান ওমর|ইলহান ওমর]]''''', উদ্ধৃত: [https://abcnews.go.com/Politics/progressives-call-ceasefire-vengeance-foreign-policy-doctrine/story?id=104184860 প্রগ্রেসিভস কল ফর সিজফায়ার: 'ভেনজেন্স ইজ নট আ ফরেন পলিসি ডকট্রিন'] * আমি আজ এখানে নিকি হ্যালিকে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে সমর্থন জানাতে এসেছি। আমি মনে করি তিনি এটি অর্জন করেছেন। বর্তমানে বিবি নেতানিয়াহু অত্যন্ত প্রতিকূল ও খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। আপনি যদি বর্তমান সামাজিক প্রবণতা, সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি এবং চলমান প্রতিবাদগুলোর দিকে নজর দেন, তবে দেখবেন যে—ইসরায়েলের প্রতি বিশ্বব্যাপী যে সমর্থন ছিল, তা কার্যত ধসে পড়েছে। এমতাবস্থায় আমি মনে করি নিকি হ্যালিই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি বিদেশি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীগুলোর লবির পর্যাপ্ত অর্থ সহায়তায় এই জনসমর্থন ফিরিয়ে আনতে সক্ষম। তাই এটিই আমার চূড়ান্ত বক্তব্য—আমি নিকি হ্যালিকে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য সমর্থন দিচ্ছি। ** '''''[[:w:ক্যানডেস ওয়েন্স|ক্যানডেস ওয়েন্স]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.newsweek.com/candace-owens-endorses-nikki-haley-president-israel-1843840 ক্যানডেস ওয়েন্স এন্ডোর্সেস নিকি হ্যালি ফর 'প্রেসিডেন্ট অফ ইসরায়েল']—''নিউজউইক''। == P == * ড্রেসডেন, হামবুর্গ, কোলন—বিশ্বের ইতিহাসের ভয়াবহতম কিছু বোমাবর্ষণের ঘটনা আজ কেবল তাদের স্থানের নামেই স্মরণ করা হয়। গাজাও একইভাবে ইতিহাসের পাতায় এমন একটি নাম হিসেবে খোদাই হয়ে থাকবে, যা পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী ও বিধ্বংসী প্রচলিত বোমাবর্ষণ অভিযানের সাক্ষী। ** '''''[[:w:রবার্ট পেপ|রবার্ট পেপ]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.ft.com/content/7b407c2e-8149-4d83-be01-72dcae8aee7b?shareType=nongift মিলিটারি ব্রিফিং: দ্য ইসরায়েলি বোম্বস রেইনিং অন গাজা]—''ফাইনান্সিয়াল টাইমস''। * আমি আমার অন্তরাত্মার গভীর থেকে বিশ্বাস করি যে—ইসরায়েল বর্তমানে যে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে এবং এই প্রতিক্রিয়ার সাথে দখলদারিত্বের যে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে আমেরিকা সমর্থন দিচ্ছে, তা কেবল ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি উভয় জাতির জন্যই আরও গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। এই পথ শান্তির নয়, বরং অন্তহীন দুঃখের। ** '''''জশ পল''''', উদ্ধৃত: [https://www.huffpost.com/entry/state-department-resignation-gaza_n_65306079e4b00565b622b1fb 'আই কুড নট শিফট এনিথিং': সিনিয়র স্টেট ডিপার্টমেন্ট অফিশিয়াল রিজাইনস ওভার বাইডেন'স গাজা পলিসি]—''হাফপোস্ট''। * আমি তিনটি সুনির্দিষ্ট কারণে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যার মধ্যে প্রথম এবং সবচেয়ে জরুরি কারণটি হলো এই অবিসংবাদিত সত্য যে—যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া অস্ত্রগুলো বেসামরিক নাগরিকদের পাইকারি হারে হত্যা করার কাজে ব্যবহার করা উচিত নয়; এই অস্ত্রগুলো কোনোভাবেই যেন ব্যাপক সংখ্যক সাধারণ মানুষের প্রাণহানির কারণ না হয়, সেটি নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব ছিল। ** '''''জশ পল''''', উদ্ধৃত: [https://www.democracynow.org/2023/11/23/dissenters_2 স্টেট ডিপার্টমেন্ট অফিশিয়াল রিজাইনস, সেজ ইসরায়েল ইজ ইউজিং ইউ.এস. আর্মস টু ম্যাসাকার সিভিলিয়ানস ইন গাজা]—''ডেমোক্রেসি নাও''। * হিটলার আজ ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার মধ্যবিত্ত পরিবারের দরজায় কড়া নাড়ছেন এবং অনেকেই ইতিমধ্যে তাকে ভেতরে প্রবেশ করতে দিয়েছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট অভিবাসন বা গণপ্রস্থানকে ভবিষ্যতে চরম সহিংসতা ও বর্বরতা দিয়ে দমন করা হবে; গাজায় আমরা আজ যা দেখছি তা মূলত সেই অনাগত ভবিষ্যতেরই এক পরীক্ষা। কেন বিশ্বের বড় কার্বন-ভোক্তা দেশগুলো গাজায় হাজার হাজার শিশুর এই সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডকে নীরবে সয়ে নিচ্ছে? কারণ হিটলার ইতিমধ্যে তাদের মনস্তত্ত্বে ও ঘরে প্রবেশ করে ফেলেছেন। ** '''''[[:w:গুস্তাভো পেত্রো|গুস্তাভো পেত্রো]]''''', উদ্ধৃত: [https://euro.eseuro.com/local/1629547.html “হিটলার ইজ নকিং অন দ্য ডোরস”] * ইসরায়েল এর আগে বহুবার যুদ্ধের সম্মুখীন হয়েছে। তারা অনেক সন্ত্রাসী নৃশংসতা এবং হাজার হাজার রকেট হামলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। কিন্তু এবারের ঘটনাটি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং অভাবনীয়। ইহুদিদের বিরুদ্ধে এই মাত্রার বর্বরতা ও নিষ্ঠুরতা হলোকাস্টের পর আর কখনো দেখা যায়নি। যে দেশটি সেই গণহত্যার ছাই থেকে জন্ম নিয়েছে, সেখানে ইহুদিদের তাদের ঘরবাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে জবাই করা, ধর্ষণ করা কিংবা বন্দি করার এই দৃশ্য—যেখানে নিরুপায় বাবা-মায়েরা তাদের সন্তানদের রক্ষা করতে নিজেদের শরীর দিয়ে ঢেকে দিচ্ছেন—তা ভাষায় প্রকাশের অতীত। এটি স্রেফ সন্ত্রাসবাদ ছিল না; এটি ছিল একটি [[:w:পোগ্রোম|পোগ্রোম]] (Pogrom)। ** '''''[[:w:মেলানি ফিলিপস|মেলানি ফিলিপস]]''''', "[https://www.thetimes.co.uk/article/hamas-barbarism-is-the-worst-since-the-holocaust-x26gf8gzx হামাস বারবারিজম ইজ দ্য ওয়ার্স্ট সিন্স দ্য হলোকাস্ট]", ''দ্য টাইমস'' (৯ অক্টোবর ২০২৩)। * আমি [[:w:হামাস|হামাস]] সন্ত্রাসীদের দ্বারা [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলে]] চালানো অনুপ্রবেশ এবং পরবর্তীতে নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিকদের ওপর তাদের পৈশাচিক সহিংসতার দ্ব্যর্থহীন নিন্দা জানাই। এই আক্রমণের বিরুদ্ধে নিজেকে রক্ষা করার এবং আক্রমণকারীদের উপযুক্ত জবাব দেওয়ার পূর্ণ অধিকার ইসরায়েলের রয়েছে। কানাডিয়ানরা সকল ভুক্তভোগীর প্রতি তাদের সংহতি প্রকাশ করছে। ** '''''[[:w:পিয়েরে পলিভ্রে|পিয়েরে পলিভ্রে]]''''', [https://www.conservative.ca/statement-from-conservative-leader-pierre-poilievre-on-the-horrific-terrorist-attacks-in-israel/ স্টেটমেন্ট ফ্রম কনজারভেটিভ লিডার পিয়েরে পলিভ্রে অন দ্য হোরিফিক টেররিস্ট অ্যাটাকস ইন ইসরায়েল]-এ বর্ণিত। * আমি মনে করি অনেকেই আমার সাথে একমত হবেন যে—এটি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুসৃত নীতির ব্যর্থতার এক উজ্জ্বল ও জীবন্ত উদাহরণ। তাদের একপাক্ষিক ও ত্রুটিপূর্ণ কৌশলই এই অঞ্চলকে আজ চরম অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিয়েছে। ** '''''[[:w:ভ্লাদিমির পুতিন|ভ্লাদিমির পুতিন]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/amp/news/2023/10/11/putin-concerned-over-catastrophic-civilian-deaths-in-israel-gaza-war পুতিন কনসার্নড ওভার ক্যাটাস্ট্রফিক সিভিলিয়ান ডেথস ইন ইসরায়েল-গাজা ওয়ার]—''আল জাজিরা''। * এখানে এবং বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তের মানুষ আমাদের বিশেষ সামরিক অভিযান এবং বর্তমানে গাজায় যা ঘটছে—এই দুটির মধ্যে পার্থক্য স্পষ্টভাবে অনুধাবন করতে পারছেন। এই দুটি পরিস্থিতির তুলনা করা কেবল অসম্ভবই নয়, বরং গাজার ভয়াবহতা যেকোনো মানবিক মানদণ্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। ** '''''[[:w:ভ্লাদিমির পুতিন|ভ্লাদিমির পুতিন]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/g01q5f?update=2557466 রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট সেজ সিচুয়েশন ইন গাজা ক্যাননট বি কমপেয়ার্ড টু ইউক্রেন]—''আল জাজিরা''। * গাজায় বর্তমানে যে বিভীষিকাময় পরিস্থিতি বিরাজ করছে, যেখানে কোনো প্রকার বিচার-বিবেচনা ছাড়াই লক্ষ লক্ষ সম্পূর্ণ নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে এবং যাদের পালানোর কোনো পথ নেই—এমন নৃশংসতাকে কোনোভাবেই কোনো যুক্তিতেই ন্যায়সঙ্গত বলে প্রমাণ করা সম্ভব নয়। ** '''''[[:w:ভ্লাদিমির পুতিন|ভ্লাদিমির পুতিন]]''''', [https://www.ft.com/content/3da1eb7b-318c-41f2-8ec3-07e19bdcbb59 "হোয়াট অ্যান্টিসেমিটিক অ্যাটাকস ইন দাগেস্তান সে অ্যাবাউট ভ্লাদিমির পুতিন’স রাশিয়া"], ''ফাইনান্সিয়াল টাইমস'' (৩০ অক্টোবর ২০২৩)। == Q == * এই যুদ্ধের শুরু থেকে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত লক্ষ্য এবং বিবৃতিগুলোর দিকে যদি আমরা দৃষ্টিপাত করি, তবে এটি স্পষ্ট যে—ইসরায়েল অন্তত এই পর্যায়ে উত্তর গাজার ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। আমাদের বর্তমান আলোচনার সময়েই এটি ধীরে ধীরে বাস্তবায়িত হচ্ছে; তবে অবশ্যই এটি ইসরায়েলের জন্য কোনো সহজ যুদ্ধ বা প্রমোদভ্রমণ (Picnic) নয়। হামাস সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলছে, কিন্তু এই ভয়াবহ ও জেনোসাইডাল যুদ্ধের চূড়ান্ত মাশুল দিতে হচ্ছে নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিকদের। ** '''''তামের কারমুত''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/rpfpqc?update=2487943 টাইম টু স্টার্ট ‘কোশ্চেনিং’ ইসরায়েলি ইন্টেলিজেন্স] == R == * হামাসের হামলার আগেই ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল উভয় অঞ্চলের শান্তিপ্রিয় গোষ্ঠীগুলো কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল। এখন পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে—এমনকি অনেক ইসরায়েলি, যারা এতদিন আন্তঃসাম্প্রদায়িক সংলাপে অংশগ্রহণ করতেন, তারাও এখন চরমপন্থায় উদ্বুদ্ধ হয়ে "গাজাকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার" কথা বলছেন। ** '''''[[:w:গিডন রাচম্যান|গিডন রাচম্যান]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.ft.com/content/bb8a4db4-0a6a-4cb4-a004-73971b7426c2?shareType=nongift ইসরায়েল, প্যালেস্টাইন অ্যান্ড দ্য মিরাজ অফ আ টু-স্টেট সলিউশন]—''ফাইনান্সিয়াল টাইমস''। * মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে যে পৈশাচিক ঘটনাগুলো ঘটে চলেছে তা নিয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন; আমরা ইসরায়েলিদের শোকের পাশাপাশি ফিলিস্তিনি জনগণের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতিও আমাদের গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি। ফিলিস্তিনের জনগণ যে গত প্রায় ৭৫ বছর ধরে দখলদারিত্বের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে এবং একটি অত্যাচারী সরকারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করছে—তা আমরা পূর্ণাঙ্গভাবে উপলব্ধি করি; যে সরকারকে সাম্প্রতিক সময়ে একটি বর্ণবাদী (Apartheid) রাষ্ট্র হিসেবেও আখ্যা দেওয়া হয়েছে। ** '''''[[:w:সিরিল রামাফোসা|সিরিল রামাফোসা]]''''', উদ্ধৃত: [https://jacksonadvocateonline.com/south-africa-supports-palestinians-against-israels-apartheid/#:~:text=“We%20have%20a%20full%20understanding,and%20we%27ve%20always%20insisted সাউথ আফ্রিকা সাপোর্টস প্যালেস্টিনিয়ানস এগেইনস্ট ইসরায়েল’স অ্যাপার্থাইড] * জর্ডানসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যের মানুষ এই মহাবিপর্যয়ের প্রতি বিশ্ববাসীর প্রতিক্রিয়া দেখে স্তম্ভিত এবং হতাশ। গত কয়েক সপ্তাহে আমরা বিশ্বের এক নগ্ন ও নির্লজ্জ দ্বিচারিতা প্রত্যক্ষ করেছি। যখন ৭ অক্টোবরের ঘটনা ঘটল, বিশ্ববাসী তাৎক্ষণিক ও দ্ব্যর্থহীনভাবে ইসরায়েলের পাশে দাঁড়াল, তাদের আত্মরক্ষার অধিকারের স্বীকৃতি দিল এবং হামলার নিন্দা জানাল। কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহে গাজায় যখন একই ধরণের নির্মমতা চলছে, তখন আমরা পুরো বিশ্বকে নিশ্চুপ থাকতে দেখছি। ** '''''[[:w:রানিয়া আল আবদুল্লাহ|জর্ডানের রানী রানিয়া]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.france24.com/en/live-news/20231025-jordan-queen-raps-west-s-glaring-double-standard-on-gaza জর্ডান কুইন রুয়েস ওয়েস্ট'স 'গ্লেয়ারিং ডাবল স্ট্যান্ডার্ড' অন গাজা]—''ফ্রান্স ২৪''। * জায়নবাদী শাসনের জনগণের গণসংগ্রাম সম্পর্কে কোনো বাস্তব জ্ঞান নেই; তারা আজ এক বিশাল চোরাবালিতে প্রবেশ করেছে। সম্ভবত এই চোরাবালি থেকে নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতেই তারা এই অঞ্চলজুড়ে যুদ্ধের পরিধি আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা করছে। ** '''''[[:w:মহসেন রেজায়ি|মহসেন রেজায়ি]]''''', [https://web.archive.org/web/20231107015154/https://www.iranintl.com/en/202310317043 ফর্মার আইআরজিসি কমান্ডার প্রপোজেস ‘ইসলামিক আর্মি’ এগেইনস্ট ইসরায়েল]-এ উদ্ধৃত। * আমরা 'দ্য এল্ডার্স' (The Elders) এর পক্ষ থেকে বলছি—যে দেশগুলো ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা প্রদান করছে, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে, তাদের এখনই জরুরি ভিত্তিতে এই সহায়তার বিষয়টি পর্যালোচনা করতে হবে এবং ভবিষ্যতে যেকোনো সহায়তার ক্ষেত্রে কঠোর শর্ত আরোপ করতে হবে। আমি মনে করি এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কারণ—যদি এটি না ঘটে, তবে এই পুরো সংকটের দায়ভার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপরই বর্তাবে। আর এটি কোনোভাবেই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সুখকর হবে না যে, তারা এত বিপুল পরিমাণ হত্যাযজ্ঞের সহযোগী হিসেবে চিহ্নিত হবে। ** '''''[[:w:মেরি রবিনসন|মেরি রবিনসন]]''''', উদ্ধৃত: [https://edition.cnn.com/middleeast/live-news/israel-hamas-war-gaza-news-12-05-23/h_e01086acdd7bec2fe1b10bb941bf8998 চেয়ার অফ দ্য এল্ডার্স গ্রুপ আরজেস ইউএস টু রিকনসিডার ইটস মিলিটারি অ্যাসিস্ট্যান্স টু ইসরায়েল]—''সিএনএন''। * রক্ষণশীলদের উচিত জনমানসে হামাস, বিএলএম (BLM), ডিএসএ (DSA) এবং প্রাতিষ্ঠানিক 'ডিকলোনাইজেশন' বা উপনিবেশমুক্তকরণ ধারণার মধ্যে একটি শক্তিশালী নেতিবাচক যোগসূত্র তৈরি করা। এই গোষ্ঠীগুলোর আদর্শিক লক্ষ্য যে অভিন্ন, তা সাধারণ মানুষের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে। ** '''''[[:w:ক্রিস্টোফার রুফো|ক্রিস্টোফার রুফো]]''''', [https://web.archive.org/web/20231113225805/https://www.theatlantic.com/ideas/archive/2023/10/israel-hamas-war-college-campuses-activism/675677/ হোয়াট কনজারভেটিভস মিসআন্ডারস্ট্যান্ড অ্যাবাউট র‍্যাডিকালিজম অ্যাট ইউনিভার্সিটিজ]-এ উদ্ধৃত। == S == * এই মহাবিপর্যয় আগামী দিনগুলোতে অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও সুদূরপ্রসারী পরিণতি বয়ে আনবে। এই যুদ্ধ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত আমাদের হাতে নেই, বরং তা সম্পূর্ণভাবে ইসরায়েলের ওপর নির্ভরশীল; তবুও এই ধ্বংসযজ্ঞ অবসানে আমাদের সম্ভাব্য সকল প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। ** '''''[[:w:আয়মান সাফাদি|আয়মান সাফাদি]]''''', উদ্ধৃত: [https://finance.yahoo.com/news/1-jordans-foreign-minister-says-174352282.html#:~:text=AMMAN%2C%20Oct%2019%20(Reuters),in%20efforts%20to%20de%2Descalate. জর্ডান'স ফরেন মিনিস্টার সেজ 'উই ফিয়ার দ্য ওয়ার্স্ট' ইন গাজা ওয়ার]—''রয়টার্স''। * সমগ্র অঞ্চলটি আজ ঘৃণার এমন এক সাগরে নিমজ্জিত হচ্ছে যা আগামী বহু প্রজন্মকে প্রভাবিত করবে এবং তাদের পরিচয় নির্ধারণ করে দেবে। এই সংকট নিরসনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অগ্রণী ভূমিকা পালনের সুযোগ রয়েছে। এই বিপর্যয় রোধ করার এক বিশাল ও গুরুভার দায়িত্ব আজ আমাদের সকলের ওপর এবং বিশেষ করে আমেরিকার ওপর বর্তায়। ** '''''[[:w:আয়মান সাফাদি|আয়মান সাফাদি]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.washingtonpost.com/national-security/2023/11/11/us-israel-gaza-civilian-deaths/ ইউ.এস. ইজ ওয়ার্নড অ্যাবাউট ইটস গ্লোবাল স্ট্যান্ডিং অ্যাজ গাজা সাফারিং পারসিস্টস]—''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট''। * ইসরায়েল আজ যে পরিমাণ ঘৃণা ও বিদ্বেষের বীজ বপন করেছে, তা এই অঞ্চলকে দীর্ঘকাল তাড়িয়ে বেড়াবে। এটি আগামী প্রজন্মগুলোর চিন্তাধারাকে বিষাক্ত করে তুলবে; ফলে ইসরায়েল যেমন এই অঞ্চলের অন্যদের ক্ষতি করছে, তেমনি তারা প্রকৃতপক্ষে নিজেদের জনগণেরও অপূরণীয় ক্ষতিসাধন করছে। এটি এমন এক যুদ্ধ যা কখনোই জয় করা সম্ভব নয়। ইসরায়েল ইতিমধ্যে এক অপূরণীয় কৌশলগত পরাজয়ের সম্মুখীন হয়েছে। ** '''''[[:w:আয়মান সাফাদি|আয়মান সাফাদি]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/nm7bul?update=2547498 ইসরায়েল সাফার্ড আ ‘স্ট্র্যাটেজিক ডিফিট’: জর্ডান এফএম]—''আল জাজিরা''। * এটি ইসরায়েলের পতনের প্রথম ধাপ; তারা যে কেবল পরাজিত হয়েছে তা-ই নয়, বরং এই পরাজয় তাদের জন্য ছিল চরম অবমাননাকর ও লজ্জাজনক। তাদের দম্ভ আজ ধুলোয় মিশে গেছে। ** '''''[[:w:হোসেন সালামি|হোসেন সালামি]]''''', উদ্ধৃত: [https://web.archive.org/web/20231022105219/https://www.presstv.ir/Detail/2023/10/16/712847/Iran-Islamic-Revolution-Guards-Corps-Major-General-Hossein-Salami-Operation-al-Aqsa-Storm-Israel-collapse আল-আকসা স্টর্ম মার্কস ‘ইনিশিয়াল স্টেপ’ টুওয়ার্ডস ইসরায়েল’স আর্লি কোলাপস: আইআরজিসি চিফ]—''প্রেস টিভি''। * আজ শহীদদের পবিত্র আত্মার ছায়াতলে আমরা এক নতুন ফিলিস্তিনের জন্ম হতে দেখছি, যা জায়নবাদীদের অন্তরে চরম ত্রাসের সৃষ্টি করেছে; তারা আজ প্রাণভয়ে দিকবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। ** '''''[[:w:হোসেন সালামি|হোসেন সালামি]]''''', [https://web.archive.org/web/20231103123239/https://www.irna.ir/amp/85256960/ আইআরএনএ (IRNA)]-তে উদ্ধৃত। * আমরা আজ অধিকৃত ভূমিগুলোতে অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা এবং জাতীয় হতাশার এক চরম চিত্র দেখতে পাচ্ছি; এই সংকট নিরসনে আমেরিকানদের দেওয়া যেকোনো দাওয়াই বা সমাধান নিশ্চিতভাবেই ব্যর্থ হতে বাধ্য। ** '''''[[:w:হোসেন সালামি|হোসেন সালামি]]''''', [https://web.archive.org/web/20231103123239/https://www.irna.ir/amp/85256960/ আইআরএনএ (IRNA)]-তে উদ্ধৃত। * ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের এই জায়নবাদ মূলত একটি বহিরাগত বস্তু; এটি ইসলামের শরীরের একপাশে বিঁধে থাকা একটি তীক্ষ্ণ ছুরির ফলার মতো, যা প্রতিনিয়ত রক্তক্ষরণ ঘটাচ্ছে। ** '''''[[:w:হোসেন সালামি|হোসেন সালামি]]''''', [https://web.archive.org/web/20231103122620/https://www.irna.ir/amp/85278376/ আইআরএনএ (IRNA)]-তে উদ্ধৃত। * এই ভূখণ্ডে যন্ত্র, সামরিক শক্তি এবং মানুষ একই সাথে বসবাস করে; সেখানে যুদ্ধ এবং জীবন একে অপরের থেকে অবিচ্ছেদ্য। তারা একসময় এমন ভ্রান্ত ধারণায় মগ্ন ছিল যে—অনিরাপত্তা বোধ কখনোই তাদের সীমানা স্পর্শ করতে পারবে না, কিন্তু আজ সেই দম্ভ চুরমার হয়ে গেছে। ** '''''[[:w:হোসেন সালামি|হোসেন সালামি]]''''', [https://web.archive.org/web/20231104222812/https://ion.ir/news/31584/بزرگترین-شکست-رژیم-صهیونیستی-از-نگاه-فرمانده-سپاه-پاسداران আইওএন নিউজ]-এ অনূদিত। * ইসরায়েলিরা এখন আর তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সেনাবাহিনী এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপরও আস্থা রাখতে পারছে না, যারা কি না সবসময়ই দেরি করে পৌঁছায়। এবার হয়তো তারা ভাগ্যের জোরে বেঁচে গেছে, কিন্তু পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি এমন নাও হতে পারে। তারা গাজার সীমান্তের পেছনে অসংখ্য ট্যাঙ্ক জড়ো করেছে ঠিকই, কিন্তু সামনে এক কদম বাড়ানোর সাহস পাচ্ছে না; কারণ যুদ্ধ কেবল অস্ত্র দিয়ে লড়া হয় না। যুদ্ধের জন্য প্রয়োজন দৃঢ় ঈমান এবং আত্মবিশ্বাসী হৃদয়ের মানুষ, কোনো উৎকণ্ঠা বা দ্বিধাগ্রস্ত হৃদয়ের মানুষের পক্ষে এ লড়াই সম্ভব নয়। অবিশ্বাসীদের পক্ষে কখনোই মুসলিমদের ওপর বিজয় লাভ করা সম্ভব নয়; তারা নিশ্চিতভাবেই ব্যর্থতার দিকে ধাবিত হচ্ছে। ** '''''[[:w:হোসেন সালামি|হোসেন সালামি]]''''', উদ্ধৃত: [https://web.archive.org/web/20231104003941/https://en.mehrnews.com/amp/207766/ ইসরায়েল ডুমড টু ফেইলিওর: আইআরজিসি চিফ]—''মেহর নিউজ''। * জায়নবাদী জাতির অস্তিত্বের পেছনে কোনো যৌক্তিক বা ন্যায়সঙ্গত কারণ নেই। এই কৃত্রিম জাতিসত্তা মূলত একটি ভিত্তিহীন ধারণার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। ** '''''[[:w:হোসেন সালামি|হোসেন সালামি]]''''', [https://web.archive.org/web/20231107051859/https://www.didbaniran.ir/بخش-سیاسی-3/167973-فرمانده-سپاه-وجود-قوم-صهیونیست-هیچ-منطقی-ندارد ফরমানদেহ সেপাহ: ওজুদ কওম সায়োনিস্ট হেইচ মানতেকি নাদারদ] হতে অনূদিত। * ইসলামী বিপ্লবের সীমানা আজ ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে, কারণ এটি মানুষের প্রকৃত সত্তা ও মর্যাদার সাথে সংগতিপূর্ণ। আমেরিকানরা এর আগে কখনো এতটা একাকী ও জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েনি। মার্কিন কর্মকর্তাদের চেহারায় আজ চরম বিভ্রান্তি ও অস্পষ্টতা দৃশ্যমান; তারা এক অর্থহীন ধ্বংসের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে এবং এমনভাবে আচরণ করছে যেন তারা নিজেরাও জানে না তারা আসলে কী করছে। ** '''''[[:w:হোসেন সালামি|জেনারেল হোসেন সালামি]]''''', [https://www.iscanews.ir/news/1205548/ ইসকা নিউজ (ISCA News)]-এ বর্ণিত। * সৌদি আরব গাজায় বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করাকে একটি জঘন্য অপরাধ এবং বর্বরোচিত হামলা বলে মনে করে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করা এখন সময়ের দাবি এবং অপরিহার্য প্রয়োজনীয়তা। ** '''''[[:w:মোহাম্মদ বিন সালমান|মোহাম্মদ বিন সালমান]]''''', উদ্ধৃত: [https://uk.yahoo.com/news/saudi-leader-tells-british-pm-192339669.html সৌদি লিডার টেলস ব্রিটিশ পিএম অ্যাটাকস অন গাজা 'হেইনাস']—''ইয়াহু নিউজ''। * তাদের সবাইকেই [নিশ্চিহ্ন করা হোক]। ** '''''[[:w:মিশেল সালজম্যান|মিশেল সালজম্যান]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.theguardian.com/us-news/2023/nov/10/florida-republican-michelle-salzman-palestine আউটরেজ গ্রোস আফটার ‘চিলিং কল ফর জেনোসাইড’ বাই ফ্লোরিডা রিপাবলিকান]—''দ্য গার্ডিয়ান''। * দীর্ঘকাল ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই সংকটের দিক থেকে চোখ ফিরিয়ে রেখেছিল... তারা ভেবেছিল এই সংঘাতের সমাধান না করেই হয়তো আমরা শান্তি ও স্থিতিশীলতার সাথে বসবাস করতে পারব। কিন্তু গত আট মাসে যা ঘটেছে, তা আজ পুরো বিশ্বের চোখ খুলে দিয়েছে। ** '''''[[:w:পেদ্রো সানচেজ|পেদ্রো সানচেজ]]''''', উদ্ধৃত: [https://abcnews.go.com/International/wireStory/spain-turkey-call-international-community-act-stop-war-111095517 স্পেন অ্যান্ড টার্কি কল অন দ্য ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটি টু অ্যাক্ট টু স্টপ দ্য ওয়ার ইন গাজা]—''এবিসি নিউজ''। * ইসরায়েল একটি বর্বরোচিত আক্রমণের শিকার হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে নিজের আত্মরক্ষার পূর্ণ অধিকার তাদের রয়েছে। এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইসরায়েল এখন হামাসকে লক্ষ্য করে একটি বড় মাপের স্থল অভিযানের কথা ভাবছে এবং প্রতিবেদন অনুযায়ী গাজায় ইতিমধ্যে ইসরায়েলি স্থল বাহিনী সক্রিয় রয়েছে। আমরা লক্ষ্য করেছি যে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিনসহ ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তারা এই ধরণের অভিযানের ঝুঁকি সম্পর্কে ইসরায়েলি সরকারের কাছে তাদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। আমরাও এই উদ্বেগের সাথে একমত; এটি কেবল অভিযানের সময় বা এর কঠিন বাস্তবতা এবং সম্ভাব্য মানবিক বিপর্যয়ের কারণেই নয়, বরং এই অভিযান পরবর্তী সময়ে যে জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে—সেটিও একটি বড় প্রশ্ন। ** '''''[[:w:বার্নি স্যান্ডার্স|বার্নি স্যান্ডার্স]]''''', তার ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে (১ নভেম্বর ২০২৩)। * যারা কেবল এই যুদ্ধের অবসানই নয়, বরং ভবিষ্যতে এমন সংঘাত রোধ করতে চান, তাদের প্রথমে তথ্য বা বাস্তবতার বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা রাখতে হবে। ৭ অক্টোবর, হামাস নামক একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইসরায়েলের ওপর এক বর্বরোচিত হামলা চালায়, যেখানে প্রায় ১,২০০ নিরপরাধ পুরুষ, নারী ও শিশুকে হত্যা করা হয় এবং ২০০ জনেরও বেশি মানুষকে জিম্মি করা হয়। জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে চিন্তা করলে, ইসরায়েলের জনসংখ্যা যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমান হতো, তবে এই হামলায় প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়াত প্রায় ৪০,০০০—যা ৯/১১-এর ভয়াবহতাকে ১০ গুণেরও বেশি ছাড়িয়ে যেত। এর জবাবে ইসরায়েল, তাদের দক্ষিণপন্থী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে—যিনি নিজে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত এবং যার মন্ত্রিসভায় চরম বর্ণবাদীরা রয়েছেন—ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে এক সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু করেছে। গাজায় ১৬ লক্ষেরও বেশি ফিলিস্তিনি তাদের ঘরবাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়েছে। খাদ্য, পানি, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং জ্বালানি সরবরাহ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। জাতিসংঘের হিসাবমতে গাজার ৪৫ শতাংশ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী ১২,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যাদের অর্ধেকই শিশু। এই পরিস্থিতি দিন দিন আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। ** '''''[[:w:বার্নি স্যান্ডার্স|বার্নি স্যান্ডার্স]]''''', "[https://www.nytimes.com/2023/11/22/opinion/bernie-sanders-israel-gaza.html “বার্নি স্যান্ডার্স: জাস্টিস ফর দ্য প্যালেস্টিনিয়ানস অ্যান্ড সিকিউরিটি ফর ইসরায়েল”]", ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (২২ নভেম্বর ২০২৩)। * আমাদের প্রথম দাবি হওয়া উচিত ইসরায়েলের এই নির্বিচার বোমাবর্ষণ অবিলম্বে বন্ধ করা, যা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন এবং যার ফলে অগণিত বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি ঘটছে। ইসরায়েল হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত, কোনো নিরপরাধ ফিলিস্তিনি নারী বা শিশুর বিরুদ্ধে নয়। একটি মাত্র লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করতে ইসরায়েল আস্ত একটি জনপদ বা পাড়া বোমায় উড়িয়ে দিতে পারে না। আমরা জানি না এই অভিযান হামাসের সামরিক সক্ষমতা কমাতে কতটা কার্যকর হয়েছে, কিন্তু আমরা এটি নিশ্চিতভাবেই জানি যে—হতাহতের ৭০ শতাংশই নারী ও শিশু এবং ১০৪ জন জাতিসংঘ ত্রাণকর্মী ও ৫৩ জন সাংবাদিক এই যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ** '''''[[:w:বার্নি স্যান্ডার্স|বার্নি স্যান্ডার্স]]''''', "[https://www.nytimes.com/2023/11/22/opinion/bernie-sanders-israel-gaza.html “বার্নি স্যান্ডার্স: জাস্টিস ফর দ্য প্যালেস্টিনিয়ানস অ্যান্ড সিকিউরিটি ফর ইসরায়েল”]", ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (২২ নভেম্বর ২০২৩)। * নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি স্পষ্টতই এই নীতির ওপর ভিত্তি করে গঠিত হয়েছিল যে—"সাগর থেকে জর্ডান নদী পর্যন্ত কেবল ইসরায়েলি সার্বভৌমত্বই বজায় থাকবে," এবং বর্তমান জোট সরকার সেই লক্ষ্যকেই আরও জোরদার করছে। এটি কেবল কোনো আদর্শিক কথা নয়; ইসরায়েলি সরকার পদ্ধতিগতভাবে এই লক্ষ্য অনুসরণ করছে। গত এক বছরে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের হার রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে এখন ৭ লক্ষেরও বেশি ইসরায়েলি বসবাস করছে—যা জাতিসংঘ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতে অধিকৃত ভূখণ্ড। তারা এই ভূখণ্ড গ্রাস বা অন্তর্ভুক্তিকরণকে (Annexation) পাকাপোক্ত করতে রাষ্ট্রীয় সহিংসতা ব্যবহার করছে। ৭ অক্টোবরের পর থেকে জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী অন্তত ২০৮ জন ফিলিস্তিনি, যার মধ্যে ৫৩ জন শিশু রয়েছে, ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী ও বসতি স্থাপনকারীদের হাতে নিহত হয়েছে। এটি চলতে দেওয়া যায় না। ** '''''[[:w:বার্নি স্যান্ডার্স|বার্নি স্যান্ডার্স]]''''', "[https://www.nytimes.com/2023/11/22/opinion/bernie-sanders-israel-gaza.html “বার্নি স্যান্ডার্স: জাস্টিস ফর দ্য প্যালেস্টিনিয়ানস অ্যান্ড সিকিউরিটি ফর ইসরায়েল”]", ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (২২ নভেম্বর ২০২৩)। * গাজায় জীবন বাঁচাতে অত্যন্ত জরুরি খাদ্য, পানি, ওষুধ ও জ্বালানি পৌঁছে দেওয়ার জন্য সেখানে একটি দীর্ঘস্থায়ী মানবিক বিরতি বা যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন। বুধবার সকালে যে চুক্তিটি হয়েছে—যেখানে চার দিনের যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে ৫০ জন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে—তা যদি যথাযথভাবে পালিত হয়, তবে এটি একটি আশাব্যঞ্জক প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে। এই সময়ের মধ্যে জাতিসংঘকে গাজায় ত্রাণ বিতরণ নেটওয়ার্ক স্থাপন, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ এবং সংকটাপন্ন ব্যক্তিদের সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে যাতে মানুষ তৃষ্ণা, অনাহার ও রোগে মারা না যায়। এই সুযোগটি আরও বেশি জিম্মি মুক্তির আলোচনার পথ প্রশস্ত করবে। তবে মনে রাখতে হবে, এই বিরতির পর যেন পুনরায় নির্বিচার বোমাবর্ষণ শুরু না হয়। ইসরায়েল অবশ্যই হামাসকে খুঁজে বের করবে, কিন্তু তাদের রণকৌশলে আমূল পরিবর্তন আনতে হবে যেন বেসামরিক মানুষের ক্ষতি সর্বনিম্ন পর্যায়ে থাকে। ** '''''[[:w:বার্নি স্যান্ডার্স|বার্নি স্যান্ডার্স]]''''', "[https://www.nytimes.com/2023/11/22/opinion/bernie-sanders-israel-gaza.html “বার্নি স্যান্ডার্স: জাস্টিস ফর দ্য প্যালেস্টিনিয়ানস অ্যান্ড সিকিউরিটি ফর ইসরায়েল”]", ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (২২ নভেম্বর ২০২৩)। * গাজার ওপর এই আক্রমণকে অন্য একটি দৃষ্টিকোণ থেকেও সংজ্ঞায়িত করা যায়। এটি মূলত আমাদের চোখের সামনে ঘটে যাওয়া একটি 'পাঠ্যপুস্তকীয় গণহত্যা' বা টেক্সটবুক অফ এ জেনোসাইড! গণহত্যার একজন গবেষক হিসেবে আমি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথেই এই কথাটি বলছি। ** '''''[[:w:রাজ সেগাল|রাজ সেগাল]]''''', উদ্ধৃত: [https://jewishcurrents.org/a-textbook-case-of-genocide আ টেক্সটবুক কেস অফ জেনোসাইড]—''জেউইশ কারেন্টস''। * আমরা যদি ৪,০০০ ফিলিস্তিনি শিশুকে হত্যা করে থাকি? তবে সেটি যথেষ্ট ছিল না। তাদের ওপর চালানো এই নির্মমতা আরও বেশি হওয়া উচিত ছিল। ** '''''স্টুয়ার্ট সেলডোভিটস''''', [https://themessenger.com/news/ex-obama-advisor-fired-over-rant-at-halal-vendor-if-we-killed-4000-palestinian-kids-it-wasnt-enough এক্স-ওবামা অ্যাডভাইজার ফায়ার্ড ওভার র‍্যান্ট অ্যাট হালাল ভেন্ডর...]-এ উদ্ধৃত। * গত কয়েক দশক ধরে ইসরায়েলি ও পশ্চিমা নেতারা ফিলিস্তিনিদের অমানবিক হিসেবে চিত্রিত করে আসছে, কিন্তু তার পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে এখন ইসরায়েলিদের অমানবিক হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। হামাসের হামলার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং কৌশলগত সশস্ত্র সংগ্রামের নীতিগুলো ব্যাখ্যা করা আর নির্বিচার হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করা—এক কথা নয়। আপনি যদি গত শনিবারের হামাসের যুদ্ধাপরাধকে গ্রহণযোগ্য মনে করেন, তবে আজ ইসরায়েলের যুদ্ধাপরাধকে অন্যায় বলার নৈতিক ভিত্তি আপনার কোথায়? '''নৈতিক ধারাবাহিকতা হারানো ফিলিস্তিনি আন্দোলনের মূল শক্তিকেই দুর্বল করে দেয়। হামাসের এই নির্বিচার আক্রমণকে ফিলিস্তিনিদের দুঃখ-কষ্টের একটি গ্রহণযোগ্য ফলাফল হিসেবে দেখা সংহতির লক্ষণ নয়; বরং এটি এক ধরণের [[:w:নৈতিক আপেক্ষিকতাবাদ|নৈতিক আপেক্ষিকতাবাদ]] (Moral Relativism)।''' নিপীড়িত ফিলিস্তিনিদের নিষ্ঠুরতা চালানোর বিশেষ ছাড়পত্র দেওয়া কোনো [[:w:মুক্তি|মুক্তির]] লড়াই নয়; এটি মূলত সেই আন্দোলনকে বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতার সাথে জড়িয়ে ফেলা। আর ইসরায়েলের সব নাগরিকই লক্ষ্যবস্তু হতে পারে বলাটা এক ধরণের চরমপন্থা। এই একই যুক্তি এখন গাজার ফিলিস্তিনিদের ওপর প্রয়োগ করছে ইসরায়েলের [[:w:চরমপন্থা|চরমপন্থী]] সরকার এবং তাদের সমর্থকরা। ** '''''[[:w:র‍্যাচেল শাবি|র‍্যাচেল শাবি]]''''', "[https://inews.co.uk/opinion/factions-of-the-left-are-tying-themselves-in-knots-over-israel-and-gaza-2681996 টু লুজ মোরাল কনসিস্টেন্সি উইকেনস দ্য প্যালেস্টিনিয়ান কজ]", ''আই (i)'' (১৪ অক্টোবর ২০২৩)। * এই ধ্বংসাত্মক আক্রমণ থামানোর আগে আর কত মানুষের প্রাণহানি দেখতে হবে—৫০,০০০ নাকি ১,০০,০০০? যখন আমরা আমাদের ঘরবাড়ি, হাসপাতাল আর স্কুলগুলোকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে দেখছি, তখন বিশ্বনেতাদের কাছে আমাদের আর্তনাদ—দয়া করে সামান্যতম মানবিকতা প্রদর্শন করুন। ** '''''ফিকর শালতুত''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/91bdr3?update=2466646 কিলিং অফ ১০,০০০ প্যালেস্টিনিয়ানস ‘আ শকিং মাইলস্টোন’]—''আল জাজিরা''। * এমনকি ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময়ও মানুষ নানা ধরণের ব্যাখ্যা দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তারা কখনোই সরাসরি স্বীকার করেনি যে তারা নিছকই নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতেও আমরা একই ধরণের ঢাকা দেওয়া অজুহাত দেখছি। ** '''''[[:w:ওয়ালেস শন|ওয়ালেস শন]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.hollywoodreporter.com/news/general-news/wallace-shawn-criticizes-us-response-israel-gaza-conflict-dc-rally-1235619903/ ওয়ালেস শন কলস ফর এন্ড অফ “ম্যাসাকারিং” ইন ইসরায়েল-গাজা কনফ্লিক্ট]—''হলিউড রিপোর্টার''। * হ্যাঁ, এটি সত্য যে গত নয় দিনে যা ঘটেছে তা অত্যন্ত কঠিন এবং সহ্যের অতীত ছিল এবং আমরা দ্ব্যর্থহীনভাবে তার নিন্দা জানাই। কিন্তু আমাদের বুঝতে হবে যে—এটি গত চার দশকের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ এবং ঘৃণারই বহিঃপ্রকাশ, যেখানে ফিলিস্তিনিদের সামনে কোনো সংকটের সমাধানের আর কোনো আশাই অবশিষ্ট ছিল না। ** '''''[[:w:আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি|আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি]]''''', [https://www.nytimes.com/2023/10/17/world/middleeast/biden-israel-gaza-anger.html?smid=nytcore-ios-share&referringSource=articleShare ইউ.এস. রেসপন্স টু ইসরায়েল-হামাস ওয়ার ড্রস ফিউরি ইন মিডল ইস্ট]-এ উদ্ধৃত। * শেষ পর্যন্ত বিচার এই ব্যক্তিদের ধরবে বা বিচারের মুখোমুখি করবেই; যদি ৫ বছরে না হয়, তবে ১০ বছর পর, অথবা যখন তাদের বয়স ৮০ বছর হবে—তখন। যখনই বিশ্বের ক্ষমতার ভারসাম্য ফিলিস্তিনিদের জন্য ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ তৈরি করবে, তখনই অপরাধীদের হিসাব চুকিয়ে দিতে হবে। ** '''''[[:w:গাসান আবু-সিত্তাহ|গাসান আবু-সিত্তাহ]]''''', উদ্ধৃত: [https://news.yahoo.com/uk-palestinian-surgeon-fights-justice-030324782.html ইউকে-প্যালেস্টিনিয়ান সার্জন ফাইটস্ ফর 'জাস্টিস' আফটার গাজা রিটার্ন]—''ইয়াহু নিউজ''। * আমি মনে করি বর্তমানে এই সংঘাতের সাথে জড়িত প্রতিটি পক্ষের মানুষ কতটা ক্ষতবিক্ষত বোধ করছেন, তা শব্দে বর্ণনা করা অসম্ভব। মিশিগানে আমাদের ৩ লক্ষেরও বেশি [[:w:আরব|আরব]] ও [[:w:মুসলিম]] এবং ৭০,০০০ [[:w:ইহুদি|ইহুদি]] ধর্মাবলম্বী মানুষ রয়েছেন। প্রত্যেকের আবেগ আজ এক চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা সামলানো অত্যন্ত দুরুহ হয়ে পড়েছে। ** '''''[[:w:এলিসা স্লটকিন|এলিসা স্লটকিন]]''''', মিশিগানের একজন ডেমোক্র্যাট সদস্য; উদ্ধৃত: [https://www.cnn.com/2023/11/08/politics/democrats-israel-divide-deepens/index.html টেনশনস বয়েল ওভার অ্যাজ ডেমোক্র্যাটস’ ইসরায়েল ডিভাইড ডিপেনস] (৮ নভেম্বর ২০২৩)। * এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় যে—ভয়াবহ বোমাবর্ষণের মুখে গাজার বেসামরিক নাগরিকদের আশ্রয় নেওয়ার মতো কোনো নিরাপদ স্থান নেই; এমনকি সামরিক অবরোধের কারণে বর্তমানে সেখানে পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা পৌঁছানোও সম্ভব হচ্ছে না। এটি একটি মহাবিপর্যয়মূলক ব্যর্থতা, যা পুরো বিশ্বের আর কখনোই সহ্য করা উচিত নয়। ** '''''[[:w:মির্জানা স্পোলজারিক এগার|মির্জানা স্পোলজারিক এগার]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/nw7juv?update=2445050 ‘শক্ট বাই দ্য ইনটোলারেবল লেভেল অফ হিউম্যান সাফারিং’: আইসিআরসি]—''আল জাজিরা'' (২৮ অক্টোবর ২০২৩)। * তাদের নৃশংসতা আপনার নৃশংসতাকে ন্যায়সঙ্গত করে তোলে না। তাদের যুদ্ধাপরাধের বর্বরতা আপনার যুদ্ধাপরাধের বর্বরতাকে বিন্দুমাত্র কমিয়ে দেয় না। মূলত তাদের অমানবিকতা আপনার অমানবিকতাকে উস্কে দিচ্ছে, যা পরবর্তীতে তাদের অমানবিকতাকে আরও বাড়িয়ে দেবে—যতক্ষণ না আপনাদের চারপাশের পুরো পৃথিবী পুড়ে ছাই হয়ে যায় এবং তারও পর পর্যন্ত এই চক্র চলতেই থাকে। ** '''''[[:w:অ্যান্ড্রু স্ট্রোলেইন|অ্যান্ড্রু স্ট্রোলেইন]]''''', [https://www.hrw.org/the-day-in-human-rights/2023/10/09?story=paragraph-6720 "অন দ্য এসক্যালেশন ইন ইসরায়েল-প্যালেস্টাইন"]—''হিউম্যান রাইটস ওয়াচ'' (৭ অক্টোবর ২০২৪)। == T == [[File:Iron Swords 141023 Kirya Bring The Home 02.jpg|thumb|বিলম্ব না করে সকল জিম্মিকে অবশ্যই মুক্তি দিতে হবে। ~ [[আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি]] এবং [[জো বাইডেন|প্রেসিডেন্ট বাইডেন]]]] [[File:2023.10.08 Pro-Palestinian Rally, Washington, DC USA 281 20109 (53246433281).jpg|thumb|আজ আমরা ফিলিস্তিন ও গাজার সাথে সংহতি প্রকাশ করে ধর্মঘট পালন করছি। বিশ্ববাসীকে এখন সোচ্চার হতে হবে এবং অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি, ফিলিস্তিনিদের জন্য ন্যায়বিচার ও স্বাধীনতা এবং ক্ষতিগ্রস্ত সকল বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তার দাবি তুলতে হবে। ~ [[গ্রেটা থুনবার্গ]]]] * কোনো প্রকার বিলম্ব না করে গাজায় আটকে থাকা সকল [[:w:ইসরায়েল–হামাস যুদ্ধ জিম্মি সংকট|জিম্মিকে]] অবশ্যই মুক্তি দিতে হবে। মানবিক দিক বিবেচনায় এটি এখন সময়ের সবচেয়ে জরুরি দাবি। ** কাতারের আমির শেখ '''''[[:w:তামিম বিন হামাদ আল থানি|তামিম বিন হামাদ আল থানি]]''''' এবং প্রেসিডেন্ট বাইডেনের যৌথ বিবৃতি; উদ্ধৃত: [https://www.bbc.com/news/world-us-canada-67401341 টডলার অ্যামাং ইউএস হোস্টেজস ইন গাজা - হোয়াইট হাউস]—''বিবিসি নিউজ'' (১৩ নভেম্বর ২০২৩)। * আমরা স্পষ্ট করে বলছি—অনেক হয়েছে, আর নয়। ইসরায়েলকে এভাবে শর্তহীনভাবে মানুষ মারার সবুজ সংকেত বা 'ফ্রি লাইসেন্স' দেওয়া কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়; ঠিক একইভাবে দখলদারিত্ব, অবরোধ এবং অবৈধ বসতি স্থাপনের বাস্তবতাকে দিনের পর দিন উপেক্ষা করে যাওয়াও আর সম্ভব নয়। ** শেখ '''''[[:w:তামিম বিন হামাদ আল থানি|তামিম বিন হামাদ আল থানি]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/j9jahf?update=2434194 ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ডস’: ইসরায়েল শুড নট হ্যাভ ‘ফ্রি লাইসেন্স টু কিল’: কাতার]—''আল জাজিরা''। * আমি ওয়াশিংটন থেকে জেক ট্যাপার বলছি; যেখানে আমাদের বর্তমান রাষ্ট্রীয় পরিস্থিতি এই ভয়ে আতঙ্কিত যে—[[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েল]] ও [[:w:হামাস|হামাসের]] মধ্যে চলমান এই নৃশংস যুদ্ধ আরও বিস্তৃত এবং ভয়াবহ রূপ নিতে যাচ্ছে। আজ সকালে মধ্যপ্রাচ্যে এক চরম হাহাকার আর হতাশা বিরাজ করছে। কয়েক ঘণ্টা আগে গাজায় ইসরায়েলি হামলার পর ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া জীবিতদের উদ্ধার করতে সাধারণ মানুষের যে আকুতি, তা ছিল অবর্ণনীয়। ইসরায়েলি সরকার বলছে, আট দিনের ভয়াবহ বিমান অভিযানের পর তারা এখন একটি 'উল্লেখযোগ্য স্থল অভিযান'-এর প্রস্তুতি নিচ্ছে। মনে রাখা প্রয়োজন যে, হামাস ফিলিস্তিনি জনগণের মাঝেই নিজেদের আড়াল করে রাখে। গত ৭ অক্টোবরের সেই বিধ্বংসী সন্ত্রাসী হামলায় ১,০০০ ইসরায়েলিকে হত্যা করা হয়েছিল, যা হলোকাস্টের পর ইহুদি জাতির জন্য সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী দিন ছিল। আর সেই ঘটনার সাথেই ইসরায়েল থেকে ১০০-এর বেশি নিরপরাধ মানুষকে [[:w:ইসরায়েল–হামাস যুদ্ধ জিম্মি সংকট|জিম্মি]] করা হয়েছে। ** '''''[[:w:জেক ট্যাপার|জেক ট্যাপার]]''''', [https://transcripts.cnn.com/show/sotu/date/2023-10-15/segment/02 ট্রান্সক্রিপ্টস স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন] (১৫ অক্টোবর ২০২৩)। * এবারের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। হ্যাঁ, আমি এর আগেও সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে কাজ করেছি এবং সেগুলো সবসময়ই খুব বিভীষিকাময় ছিল। কিন্তু এটি বিশেষভাবে নৃশংস, কারণ এখানে বিপুল সংখ্যক বেসামরিক মানুষ হতাহত হচ্ছে এবং তাদের পালানোর কোনো পথ নেই। তারা সরতে পারছে না। তাদের বলা হচ্ছে দক্ষিণে সরে যেতে; কিন্তু আমরা কি স্রেফ ৪৫ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি এলাকাকে ২০ কিলোমিটারে নামিয়ে এনে সেখানে ২০ লক্ষ মানুষকে গাদাগাদি করে রাখার কথা বলছি? এটি সত্যিই এক অভাবনীয় পরিস্থিতি। না, আমি আগে এমনটি দেখিনি। তারা বোমাবর্ষণ থামায়নি, অনবরত বোমা ফেলছে। সেখানে তারা ট্যাঙ্কসহ সৈন্য পাঠিয়েছে এবং এটি অবিরাম চলছে। এই নৃশংসতা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে নথিভুক্ত এবং বিশ্বজুড়ে সংবাদপত্র ও টেলিভিশনে দেখা যাচ্ছে। মানুষ ঠিকই জানে কী ঘটছে, তবুও এটি থামছে না। এমন পরিস্থিতি আমি আগে কখনো প্রত্যক্ষ করিনি। ** '''''অ্যান টেইলর''''', [https://web.archive.org/web/20231117232554/https://www.newyorker.com/news/q-and-a/the-trauma-of-gazas-doctors দ্য ট্রমা অফ গাজা’স ডক্টরস]-এ উদ্ধৃত। * হামাস তাদের নিজস্ব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেই এই পরিস্থিতি ডেকে এনেছে। তাদের হঠকারী সিদ্ধান্তের কারণেই আজ এই সংকট ঘনীভূত হয়েছে। ** '''''[[:w:লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড|লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.reuters.com/world/us-vetoes-un-security-council-action-israel-gaza-2023-10-18/ ইউএস ভিটোস ইউএন সিকিউরিটি কাউন্সিল অ্যাকশন অন ইসরায়েল, গাজা]—''রয়টার্স''। * আজ আমরা ফিলিস্তিন ও গাজার সাথে সংহতি প্রকাশ করে ধর্মঘট পালন করছি। বিশ্ববাসীকে এখন সোচ্চার হতে হবে এবং অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি, ফিলিস্তিনিদের জন্য ন্যায়বিচার ও স্বাধীনতা এবং ক্ষতিগ্রস্ত সকল বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তার দাবি তুলতে হবে। ** '''''[[:w:গ্রেটা থুনবার্গ|গ্রেটা থুনবার্গ]]''''', [https://x.com/GretaThunberg/status/1715355502337499332?s=20 গ্রেটা থুনবার্গের একটি এক্স (X) পোস্টে] বর্ণিত। * আমাকে যে এটি বলতে হচ্ছে তা আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না—ফিলিস্তিনিরা কোনো ফেলনা বা অপ্রয়োজনীয় বস্তু নয়। আমরাও অন্য সবার মতো রক্ত-মাংসের মানুষ। আমার দাদি 'সিতি', অন্য সব ফিলিস্তিনির মতোই কেবল স্বাধীনতা এবং মানুষের প্রাপ্য মর্যাদা নিয়ে বাঁচতে চান। মিস্টার চেয়ারম্যান, প্রাণ বাঁচাতে কথা বলা—তা যে ধর্মের বা যে জাতিগোষ্ঠীরই হোক না কেন—এই কক্ষে বিতর্কিত হওয়া উচিত নয়। ফিলিস্তিনি আর ইসরায়েলি শিশুদের আর্তনাদ আমার কানে ভিন্ন শোনায় না। আমি যা বুঝতে পারছি না তা হলো—কেন ফিলিস্তিনিদের আর্তনাদ আপনাদের সবার কানে ভিন্নভাবে পৌঁছায়? মিস্টার চেয়ারম্যান, আমাদের এই সম্মিলিত মানবিকতা হারিয়ে ফেলা উচিত নয়। ** মার্কিন প্রতিনিধি '''''[[:w:রাশিদা তলাইব|রাশিদা তলাইব]]''''', উদ্ধৃত: [https://tlaib.house.gov/posts/video-tlaib-speaks-on-censure-resolution তলাইব স্পিকস অন সেন্সর রেজোলিউশন]। * জো বাইডেনের চরম অযোগ্যতা, দুর্বলতা এবং অপদার্থতাই ইসরায়েলের ওপর এই ভয়াবহ হামলার পথ প্রশস্ত করেছে; এবং এটি দিন দিন কেবল আরও খারাপের দিকেই যাবে। পরিস্থিতি আরও জটিল হবে। এই লোকটি (বাইডেন) ঠিকমতো দুটি বাক্যও সাজিয়ে বলতে পারেন না। আসলে কী ঘটছে সে সম্পর্কে তার বিন্দুমাত্র ধারণাও নেই। ** '''''[[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.newsmax.com/us/donald-trump-israel-joe-biden/2023/10/14/id/1138272/]—''নিউজম্যাক্স''। * আমরা গাজা থেকে কাউকেই (শরণার্থী হিসেবে) আমাদের দেশে নিয়ে আসছি না। আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা কোনো আপস করব না। ** '''''[[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.nytimes.com/2023/10/16/us/politics/trump-gaza-refugees-travel-ban.html#:~:text=He%20promised%20again%20to%20bar,a%20suburb%20of%20Des%20Moines. ট্রাম্প ভাউস টু রিজেক্ট গাজান রিফিউজিস আফটার ইসরায়েল অ্যাটাক]—''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''। * হ্যাঁ, আমি বলতে চাচ্ছি গাজার কথা; গাজায় যা ঘটছে তা সত্যিই অবিশ্বাস্য এবং অকল্পনীয়। ** '''''[[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/jmh2l8?update=2478143 ট্রাম্প সেজ ইউএস শুড লেট ইসরায়েল-হামাস ওয়ার ‘প্লে আউট’]—''আল জাজিরা''। * মানবিক সহায়তায় নিয়োজিত আমার সহকর্মীরা গাজার বর্তমান পরিস্থিতিকে 'সর্বনাশা' (Apocalyptic) হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এমন পরিস্থিতিতে সেখানে আরও ভয়াবহ নৃশংসতা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ ঘটার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে গেছে। ** '''''[[:w:ভলকার তুর্ক|ভলকার তুর্ক]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.reuters.com/world/middle-east/un-rights-chief-warns-heightened-risk-atrocity-crimes-gaza-2023-12-06/ ইউএন রাইটস চিফ ওয়ার্নস অফ হাইটেনড রিস্ক অফ 'অ্যাট্রোসিটি ক্রাইমস' ইন গাজা]—''রয়টার্স'' (৬ ডিসেম্বর ২০২৩)। * রাফাহ-তে আমি গাজার সেই জীবন্ত দুঃস্বপ্নের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়েছিলাম। যার প্রিয়জন এই যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন, তার সেই অসহ্য বেদনা এবং অসীম কষ্ট আমি আমার হৃদয়ের অন্তস্তল থেকে অনুভব করি। আমাদের সবাইকে এই সম্মিলিত যন্ত্রণা অনুভব করতে হবে এবং এই দুঃস্বপ্নের অবসান ঘটাতে হবে। ** '''''[[:w:ভলকার তুর্ক|ভলকার তুর্ক]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/d5kugr?update=2472540 ‘উই হ্যাভ ফলেন অফ আ প্রিসিপিস’, ইউএন হিউম্যান রাইটস চিফ সেজ]—''আল জাজিরা'' (৮ নভেম্বর ২০২৩)। == U == * গাজার ওপর এই সর্বাত্মক অবরোধ এবং তার সাথে অবাস্তব ও অসম্ভব উচ্ছেদ আদেশ এবং জোরপূর্বক জনসংখ্যা স্থানান্তর আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও অপরাধমূলক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন। এটি বর্ণনাতীতভাবে নিষ্ঠুর ও অমানবিক একটি কাজ। ** '''''[[:w:জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়|জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের]]''''' এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি হতে উদ্ধৃত: [https://www.ohchr.org/en/press-releases/2023/10/gaza-un-experts-decry-bombing-hospitals-and-schools-crimes-against-humanity গাজা: ইউএন এক্সপার্টস ডিক্রাই বোম্বিং অফ হসপিটালস অ্যান্ড স্কুলস...] (১৯ অক্টোবর ২০২৩)। == V == * বর্তমানে আমি যা ঘটতে দেখছি তা কেবল আত্মরক্ষা নয়। এটি বরং প্রতিশোধ গ্রহণের এক নগ্ন বহিঃপ্রকাশের মতোই প্রতীয়মান হচ্ছে। আমাদের অবস্থান কখনোই এমন জায়গায় হওয়া উচিত নয় যেখানে মানবিকতা বিসর্জিত হয়। ** '''''[[:w:লিও ভারাদকার|লিও ভারাদকার]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/ddc07n?update=2459000 ‘সামথিং মোর অ্যাপ্রোচিং রিভেঞ্জ’: আইরিশ পিএম ক্রিটিসাইজেস ইসরায়েল]—''আল জাজিরা''। * "আইডিএফ বলছে যে তারা গাজার একটি অ্যাম্বুলেন্সের ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে"। তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আনার জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কাছে এর চেয়ে শক্তিশালী আহ্বান আর কী হতে পারে? এমনকি যদি সেই অ্যাম্বুলেন্সে হামাসের কোনো নেতাও থেকে থাকেন, তবুও সেটিতে বোমাবর্ষণ করা জেনেভা কনভেনশনের স্পষ্ট লঙ্ঘন। ** '''''[[:w:ইয়ানিস ভারুফাকিস|ইয়ানিস ভারুফাকিস]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/ucn3l5?update=2460653 অ্যাটাক অন অ্যাম্বুলেন্সেস ‘ইনভিটেশন’ টু ওয়ার ক্রাইমস চার্জেস: ভারুফাকিস]—''আল জাজিরা''। * গাজাকে এখনই পুড়িয়ে ছারখার করে দাও। ** '''''[[:w:নিসিম ভাতুরি|নিসিম ভাতুরি]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/2jzuwp?update=2495105 ‘বার্ন গাজা নাউ,’ ডেপুটি স্পিকার অফ ইসরায়েল’স নেসেট সেজ]—''আল জাজিরা''। * আমেরিকানদের বক্তব্যগুলো ক্রুসেড বা ধর্মযুদ্ধের সেই অন্ধকার সময়ের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। আমরা প্রতিরোধের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। শত্রুদের চূড়ান্ত পরাজয় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই সংগ্রাম ও লড়াই অব্যাহত থাকবে। ** '''''[[:w:আলী আকবর বেলায়েতি|আলী আকবর বেলায়েতি]]''''', [https://web.archive.org/web/20231102233625/https://ana.press/fa/news/876243/ ডক্টর বেলায়েতি: শোকানান-এ মাকামাত-এ আমরিকায়ি ইয়াদাওয়ার-এ দৌরান-এ জাঙ্গ-হায়ে সলিবি আসত] হতে অনূদিত। == W == * আমি নিশ্চিত যে ৭ অক্টোবরের হামলা রুখতে না পারার কারণে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গভীর লজ্জার সম্মুখীন হয়েছেন—বিশেষ করে এমন একজনের জন্য যিনি নিজেকে একজন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ এবং কঠোর নেতা হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন। কিন্তু সম্ভবত সেই লজ্জাই তাকে দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করছে। তিনি যদি মনে করেন যে এই 'হত্যার উন্মাদনা' দিয়ে পরিস্থিতি পুনরুদ্ধার করা যাবে, তবে তিনি চরম ভুলের মধ্যে আছেন। তার এই পদ্ধতি সমস্যার সমাধান করবে না। বরং আমি বিশ্বাস করি তার এই রণকৌশল আগামী ৫০ বছরের জন্য এই সংঘাতকে আরও উস্কে দেবে। তার কর্মকাণ্ড বিশ্বজুড়ে মুসলিম তরুণদের চরমপন্থার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ** '''''[[:w:বেন ওয়ালেস (রাজনীতিবিদ)|বেন ওয়ালেস]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.theguardian.com/world/2023/dec/18/israel-killing-rage-fuel-conflict-50-years-warns-ex-uk-defence-secretary-ben-wallace ইসরায়েল’স ‘কিলিং রেজ’ উইল ফুয়েল কনফ্লিক্ট ফর ৫০ ইয়ার্স, ওয়ার্নস এক্স-ইউকে ডিফেন্স সেক্রেটারি]—''দ্য গার্ডিয়ান''। * হাসপাতাল এবং অ্যাম্বুলেন্সের ওপর হামলা অবশ্যই বন্ধ হতে হবে। এগুলো আহতদের আশ্রয়স্থল, যেখানে প্রাণ বাঁচানো হয় এবং মানুষের কষ্ট লাঘব করা হয়। যদি হাসপাতালগুলোও সুরক্ষিত না থাকে, তবে গাজার কোথাও আর নিরাপদ কোনো স্থান অবশিষ্ট নেই। ** '''''মেলানি ওয়ার্ড''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/ddc07n?update=2460431 ‘ইফ হসপিটালস আর নট প্রোটেক্টেড, দেন দেয়ার ট্রুলি ইজ নো সেফ প্লে ইন গাজা’]—''আল জাজিরা''। * আমি আশঙ্কা করছি যে আমরা এক গভীর ও বিপজ্জনক অতল গহ্বরের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছি, যা ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের গতিপথ চিরতরে বদলে দিতে পারে। এমনকি এটি সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকেও বিপন্ন করতে পারে। ** '''''[[:w:টর ওয়েনসল্যান্ড|টর ওয়েনসল্যান্ড]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.reuters.com/world/us-vetoes-un-security-council-action-israel-gaza-2023-10-18/ ইউএস ভিটোস ইউএন সিকিউরিটি কাউন্সিল অ্যাকশন অন ইসরায়েল, গাজা]—''রয়টার্স''। * অকল্পনীয় মাত্রায় উচ্ছেদ এবং অব্যাহত শত্রুতার মাঝে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম আজ ধ্বংসের মুখে। ইসরায়েলের নেওয়া কিছু সীমিত পদক্ষেপ ইতিবাচক হলেও তা এই মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত সামান্য। ** '''''[[:w:টর ওয়েনসল্যান্ড|টর ওয়েনসল্যান্ড]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/unfg1h?update=2567637 ইসরায়েল’স স্টেপস টু অ্যালাউ এইড ইনটু গাজা ‘ফল ফার শর্ট’: ইউএন অফিশিয়াল]—''আল জাজিরা'' (১৯ ডিসেম্বর ২০২৩)। * এই কাজ যারা করেছে, সেই বর্বরদের বোমায় উড়িয়ে প্রস্তর যুগে পাঠিয়ে দাও। এখানে কোনো মধ্যপন্থা নেই। তাদের সবাইকে হত্যা করো—পৃথিবীর প্রতিটি হামাস বর্বর এবং তাদের প্রত্যেক সমর্থককে। শূকরের নাড়িভুঁড়ি দিয়ে তাদের মাটি চাপা দাও। ** '''''[[:w:জেমস উডস|জেমস উডস]]''''', [https://twitter.com/MiddleEastMnt/status/1717627457959076132 মিডল ইস্ট মনিটর-এর একটি এক্স (X) পোস্ট]-এ উদ্ধৃত। * স্বাস্থ্যকর্মী নিধন এবং স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করার অসংখ্য যাচাইকৃত প্রতিবেদন আমাদের কাছে রয়েছে। এটি বেসামরিক নাগরিকদের জীবন রক্ষাকারী স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার মৌলিক মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত করছে, যা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের অধীনে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ** '''''[[:w:বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা|বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা]]''''', [https://thehill.com/policy/international/4256422-who-condemns-israel-gaza-evacuation-order/ ডব্লিউএইচও কনডেমস ইসরায়েল’স গাজা ইভাকুয়েশন অর্ডার অ্যাজ ‘ডেথ সেন্টেন্স’ ফর সিক, ইনজার্ড]-এ উদ্ধৃত। == Y == * আমি ইসরায়েলি সরকারের প্রতি গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার জন্য জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি পুনর্ব্যক্ত করছি। এই মানবিক সংকটে নিরপরাধ মানুষের জীবন রক্ষা করাই এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। ** '''''[[:w:মালালা ইউসুফজাই|মালালা ইউসুফজাই]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.hindustantimes.com/india-news/nobel-prize-winner-malala-yousafzai-donates-300k-to-palestinians-101697687578938.html ‘আই’ম হোরিফাইড…': নোবেল উইনার মালালা ইউসুফজাই ডোনেটস $৩০০কে টু প্যালেস্টিনিয়ানস]—''হিন্দুস্তান টাইমস''। * ওই ফিলিস্তিনিরা, তারা বড় বেশি নাটকীয়। তারা সবসময় বলে, ‘আহ, ইসরায়েল আমাদের মেরে ফেলছে,’ কিন্তু তারা তো কখনো মরেই না। মানে, তারা বারবার ফিরে আসে। তাদের মেরে ফেলা খুব কঠিন, সত্যিই খুব কঠিন এক জাতি। আমি জানি, কারণ আমি নিজেই একজনকে (ফিলিস্তিনি) বিয়ে করেছি। আমি অনেকবার চেষ্টা করেছি। প্রতিবারই তাকে শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করি, কিন্তু সে আমাদের বাচ্চাদের ‘হিউম্যান শিল্ড’ বা মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করে! ** '''''[[:w:বাসমে ইউসেফ|বাসমে ইউসেফ]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.thedailybeast.com/bassem-youssef-stuns-piers-morgan-on-gaza-you-compared-israel-with-isis বাসমে ইউসেফ স্টানস পিয়ার্স মরগান অন গাজা: ইউ ‘কমপেয়ার্ড ইসরায়েল উইথ আইএসআইএস!’]—''দ্য ডেইলি বিস্ট''। * হামাস প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল একটি মাত্র লক্ষ্য নিয়ে—ইসরায়েল রাষ্ট্রের ধ্বংসস্তূপের ওপর একটি ইসলামিক স্টেট বা ইসলামি রাষ্ট্র কায়েম করা। তারা নিজেদের 'মুক্তিযোদ্ধা' হিসেবে দাবি করে এবং সেই সূত্র ধরেই আমরা পুঁজিবাদী জায়নবাদীদের বিরুদ্ধে এই সংখ্যালঘু গোষ্ঠীকে সমর্থন জানাই। ** '''''হাসান ইউসেফ''''', [https://www.youtube.com/watch?v=-q-DIKOcmTI 'সান অফ হামাস' গিভস আনবিলিভেবল ইন্টারভিউ...]—''ইউটিউব'' (১ ডিসেম্বর ২০২৩)। == Z == * বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য হাতে আর একদমই সময় নেই। একটি অবিলম্বে এবং ব্যাপক যুদ্ধবিরতি কার্যকর করাই এখন আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। যুদ্ধবিরতি ছাড়া গাজায় যেকোনো মানবিক সহায়তা হবে সমুদ্রের মাঝে এক বিন্দু জলের মতো। এই পরিস্থিতিতে নীরব থাকার জন্য নিরাপত্তা পরিষদের আর কোনো অজুহাত থাকতে পারে না। ** '''''[[:w:ঝাং জুন (কূটনীতিবিদ)|ঝাং জুন]]''''', উদ্ধৃত: [https://news.un.org/en/story/2023/10/1142517 সিকিউরিটি কাউন্সিল মিটস ওভার ইসরায়েল-গাজা: ‘ভেরি রিয়েল রিস্ক’ অফ কনফ্লিক্ট এক্সপ্যান্ডিং...]—''ইউএন নিউজ''। == ২০২৩ ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ সম্পর্কিত ভিডিও == * [https://www.youtube.com/watch?v=27yqmOGU4lo ইউভাল নোয়াহ হারারি এবং রোজমেরি বার্টন - ইসরায়েল'স ওয়ার উইথ হামাস]: এই সাক্ষাৎকারে ঐতিহাসিক ইউভাল নোয়াহ হারারি চলমান সংঘাতের রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক দিকগুলো বিশ্লেষণ করেছেন। (সিবিসি নিউজ ইউটিউব চ্যানেল, ২৪ অক্টোবর ২০২৩)। == আরও দেখুন == * [[:w:আল-আহলি আরব হাসপাতাল বিস্ফোরণ|আল-আহলি আরব হাসপাতাল বিস্ফোরণ]] * [[:w:ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি গণহত্যা|গাজা গণহত্যা]] * [[:w:গাজা গণহত্যা অস্বীকার|গাজা গণহত্যা অস্বীকার]] * [[:w:হামাস কর্তৃক শিশুদের শিরশ্ছেদ সংক্রান্ত অপপ্রচার|হামাস বেবি বিহেডিং হোক্স]] * [[:w:গাজা যুদ্ধে ভুল তথ্য ও অপপ্রচার|গাজা যুদ্ধে ভুল তথ্য ও অপপ্রচার]] * [[:w:২০২৩ ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ|২০২৩ ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ]] == বহিঃসংযোগ == {{sister projects}} * {{Wikipedia-inline|২০২৩ ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ}} * {{commonscat-inline|২০২৩ ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ}} * [https://www.youtube.com/watch?v=MlqzzdDfNDo কংগ্রেসওম্যান বুশ আরজেস আ যুদ্ধবিরতি নাও ইন ইসরায়েল অ্যান্ড অকুপাইড প্যালেস্টাইন]: মার্কিন কংগ্রেস সদস্য কোরি বুশ ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাচ্ছেন (ইউটিউব ভিডিও)। * [https://www.youtube.com/watch?v=BcykKOrEGcU জাস্ট ইন: টেম্পার্স ফ্লেয়ার ডিউরিং এক্সপ্লোসিভ ডিবেট টু সেন্সর রাশিদা তলাইব]: রাশিদা তলাইবকে নিন্দা জানানোর প্রস্তাব নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসে উত্তপ্ত বিতর্কের দৃশ্য—''ফোর্বস ব্রেকিং নিউজ'' (ইউটিউব ভিডিও)। * [https://www.youtube.com/watch?v=VAva9VM38uA মোমেন্ট হামাস স্পোকসপারসন এন্ডস বিবিসি ইন্টারভিউ অ্যাব্রাপ্টলি]: বিবিসির চ্যালেঞ্জিং প্রশ্নের মুখে হামাস মুখপাত্রের আকস্মিক ইন্টারভিউ শেষ করার দৃশ্য—''দ্য টেলিগ্রাফ'' ইউটিউব চ্যানেল (২৭ অক্টোবর ২০২৩)। * [https://www.jpost.com/breaking-news/article-772900 হামাস সাসপেন্ডস হোস্টেজ টকস ওভার আল শিফা হসপিটাল]: আল-শিফা হাসপাতালের পরিস্থিতির কারণে হামাস কর্তৃক জিম্মি মুক্তি আলোচনা স্থগিতের খবর—''জেরুসালেম পোস্ট'' (১২ নভেম্বর ২০২৩)। * [https://www.youtube.com/watch?v=NJ77a6ncV_0 কলস ফর ট্রুস এক্সটেনশন অ্যান্ড মোর হোস্টেজ রিলিজেস]: যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি এবং আরও জিম্মি মুক্তির আহ্বান—''এনএইচকে ওয়ার্ল্ড-জাপান নিউজ'' (২৭ নভেম্বর ২০২৩)। [[বিভাগ:যুদ্ধ]] [[বিভাগ:গাজা যুদ্ধ]] [[বিভাগ:গণহত্যা]] [[বিভাগ:ফিলিস্তিন]] [[বিভাগ:হামাস]] [[বিভাগ:ইসরায়েল]] pfm7qpwutwhbtvugm4zgoj1xz8zfg53 78639 78636 2026-04-19T16:30:44Z Oindrojalik Watch 4169 /* বহিঃসংযোগ */ বিষয়শ্রেণী 78639 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|358px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:October_2023_Gaza%E2%88%92Israel_conflict.svg|thumb|২৯ জুন ২০২৫ পর্যন্ত গাজার মানচিত্র।]] '''[[:w:গাজা যুদ্ধ|গাজা যুদ্ধ]]''' হলো [[:w:গাজা উপত্যকা|গাজা উপত্যকা]] এবং [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলের]] মধ্যে চলমান একটি সশস্ত্র সংঘাত যা ৭ অক্টোবর ২০২৩ থেকে শুরু হয়েছিল। এটি মূলত বিংশ শতাব্দী থেকে চলে আসা অমীমাংসিত [[:w:ইসরায়েলি–ফিলিস্তিনি সংঘাত|ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি]] এবং গাজা-ইসরায়েল সংঘাতের একটি অংশ। ৭ অক্টোবর ২০২৩-এ, [[:w:হামাস|হামাসের]] নেতৃত্বাধীন সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো [[w:৭ অক্টোবরের হামলা|ইসরায়েলের ওপর একটি আকস্মিক আক্রমণ চালায়]], যার ফলে ৮১৫ জন বেসামরিক নাগরিকসহ ১১৯৫ জন ইসরায়েলি ও বিদেশী নাগরিক নিহত হন এবং ইসরায়েলি কারাগারে বন্দি [[w:ইসরায়েলি হেফাজতে ফিলিস্তিনি|ফিলিস্তিনি বন্দিদের]] মুক্তির দাবিতে [[w:গাজা যুদ্ধ জিম্মি সংকট|২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়]]। এর প্রতিক্রিয়ায় শুরু হওয়া [[w:গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি আক্রমণ|ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে]] এ পর্যন্ত গাজায় ৭২,৩৩৬-এরও বেশি ফিলিস্তিনি [[w:গাজা যুদ্ধের হতাহত|নিহত হয়েছেন]] (২০২৩ সালের ৭ই অক্টোবর ২০২৬ সালের ১৪ই এপ্রিল), যাদের অর্ধেকেরও বেশি [[w:গাজা যুদ্ধে নারী|নারী]] ও [[w:গাজা উপত্যকায় শিশুদের ওপর গাজা যুদ্ধের প্রভাব|শিশু]]; এবং ১,৭২,০০০-এরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। '[[w:দ্য ল্যানসেট|দ্য ল্যানসেটের]]'একটি গবেষণায় অনুমান করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালের জুন মাস পর্যন্ত গাজায় আঘাতজনিত কারণে ৬৪,২৬০ জন নিহত হয়েছেন। তবে পরোক্ষ মৃত্যুসহ এই নিহতের সংখ্যা আরও বহুগুণ বেশি হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। [[File:Isaac Herzog in Tel Aviv-Yafo, October 2023 (ABG 0395).jpg|thumb|সেখানে বসবাসরত একটি গোটা জাতিই এর জন্য দায়ী। ~ '''''আইজ্যাক হারজোগ''''']] [[File:Fires in Israel and the Gaza strip - 7 October 2023 (53245908850).jpg|thumb|ইসরায়েল এবং গাজা উপত্যকায় দাবানল। চিত্রটি প্রায় ৪৮ কিলোমিটার প্রশস্ত (৭ অক্টোবর ২০২৩)।]] __NOTOC__ {{TOCalpha|''২০২৩ ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ সংক্রান্ত ভিডিওসমূহ''}} == A == * আমরা শৈশব থেকেই সর্বদা 'নাকবা' বা সেই ভয়াবহ মহাবিপর্যয়ের করুণ ইতিহাস ও আর্তনাদ শুনে শুনে বড় হয়েছি, কিন্তু আমরা কখনো ঘুণাক্ষরেও কল্পনা করিনি যে আমাদের নিজেদের প্রজন্মকেও সেই একই বিভীষিকাময় ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকতে হবে। ১৯৪৮ সালে যখন সেই বিপর্যয়টি ঘটেছিল, তখন তা আজকের মতো উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়নি, যার ফলে ফিলিস্তিনের মাটিতে ঠিক কী অমানবিক নিষ্ঠুরতা ঘটে চলেছে তা বিশ্ববাসী তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারেনি। কিন্তু বর্তমান সময়ের আধুনিক প্রেক্ষাপটে এটি অত্যন্ত কলঙ্কজনক ও চরম লজ্জাজনক যে, এই ভয়াবহ রক্তপাত ও সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড আজ বিশ্বজুড়ে টেলিভিশনের পর্দায় সরাসরি প্রচারিত হচ্ছে এবং সমগ্র বিশ্ববাসী আক্ষরিক অর্থেই তা অত্যন্ত নির্লিপ্তভাবে প্রত্যক্ষ করছে। ** '''''আহমেদ আবুফাউল''''', 'ডেমোক্রেসি নাও!'-তে উদ্ধৃত: "[https://www.democracynow.org/2023/12/22/israel_gaza_war_crimes গাজান অ্যাটর্নি হু হ্যাজ লস্ট ৬০ রিলেটিভস ইন ইসরায়েলি অ্যাটাকস সেজ ইউ.এস. ইজ “কমপ্লিসিট ইন জেনোসাইড”]" (২২ ডিসেম্বর ২০২৩), ডেমোক্রেসি নাও! * আরব বিশ্ব বর্তমানে যে বার্তাটি শুনতে পাচ্ছে তা অত্যন্ত প্রখর, তিক্ত এবং অত্যন্ত উচ্চকিত। ফিলিস্তিনিদের জীবনের মূল্য আজ ইসরায়েলিদের জীবনের তুলনায় অনেক তুচ্ছ, নগণ্য ও সস্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আমাদের অস্তিত্ব বা প্রাণের গুরুত্ব পৃথিবীর অন্য যে কারও জীবনের চেয়ে অনেক কম বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োগ যেন আজ একটি নিছক ঐচ্ছিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে এবং মানবাধিকারের যেন নির্দিষ্ট কিছু ভৌগোলিক সীমারেখা আছে—যা রাষ্ট্রের রাজনৈতিক সীমান্তে এসে থমকে যায়, যা বিশেষ কোনো জাতিগত পরিচয়ের দেয়ালে এসে আটকে যায় এবং যা নির্দিষ্ট কোনো ধর্মের ভিত্তিতে এসে সম্পূর্ণ স্তব্ধ হয়ে যায়। ** '''''[[:w:দ্বিতীয় আবদুল্লাহ|দ্বিতীয় আবদুল্লাহ]]''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=ই |first1=ভিভিয়ান |last2=স্টিভিস-গ্রিডনেফ |first2=মতিনা |title=পিস সামিট ইন ইজিপ্ট শোস আ শিফট ইন রেটোরিক বাট নো কনসেনসাস |url=https://www.nytimes.com/2023/10/21/world/middleeast/peace-summit-gaza-egypt.html |work=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |date=২১ অক্টোবর ২০২৩}} * গাজার আল-কুদস হাসপাতাল থেকে অসহায় রোগীদের অবিলম্ব সরিয়ে নেওয়ার হুমকির বিষয়ে ফিলিস্তিন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির (@PalestineRCS) প্রতিবেদনটি আমাদের গভীরভাবে উদ্বিগ্ন, বিচলিত ও স্তম্ভিত করেছে। আমরা আবারও অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে ব্যক্ত করছি যে—অসংখ্য মুম্মূর্ষু ও জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা রোগীভর্তি একটি সম্পূর্ণ হাসপাতাল তাদের অস্তিত্বকে চরম সংকটাপন্ন ও বিপন্ন না করে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া সম্পূর্ণ অসম্ভব একটি কাজ। আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী, চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোকে সর্বদা এবং সর্বাবস্থায় বিশেষ সুরক্ষা ও নিরাপত্তা প্রদান করা একান্ত অপরিহার্য। ** '''''[[:w:তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস|তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস]]''''', একটি [https://twitter.com/DrTedros/status/1718592128039752132 এক্স (X) পোস্টে]। উদ্ধৃত: {{cite news |title=ডব্লিউএইচও কনসার্নড বাই রিপোর্ট অফ ইভাকুয়েশন ওয়ার্নিং টু গাজা আল-কুদস হসপিটাল |url=https://www.reuters.com/article/israel-palestinians-who/who-concerned-by-report-of-evacuation-warning-to-gaza-al-quds-hospital-idUSL8N3BZ0B7/ |work=রয়টার্স |date=২৯ অক্টোবর ২০২৩}} * এই সংস্থাটি আমাদের পৃথিবীতে শান্তি ও সম্প্রীতি স্থাপনের মহান লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। যদি আপনারা, জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে, এই ভয়াবহ রক্তপাত থামাতে না পারেন অথবা তা থামানোর ক্ষমতা আপনাদের না থাকে, তবে আমাদের অবশ্যই প্রশ্ন করতে হবে: এই জাতিসংঘের সার্থকতা তবে কোথায় এবং এর অস্তিত্ব আসলে কীসের জন্য? ** '''''[[:w:তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস|তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.who.int/director-general/speeches/detail/who-director-general-s-remarks-at-the-informal-plenary-meeting-of-the-united-nations-general-assembly---17-november-2023 ডব্লিউএইচও ডিরেক্টর-জেনারেল'স রিমার্কস অ্যাট দ্য ইনফরমাল প্লেনারি মিটিং অফ দ্য ইউনাইটেড নেশনস জেনারেল অ্যাসেম্বলি – ১৭ নভেম্বর ২০২৩] * গাজার বাসিন্দারা, এই মুহূর্তে যারা ওয়াদি গাজার দক্ষিণে অগ্রসর হচ্ছেন, আপনারা তাঁদের সাথে যোগদান করুন। আমি আপনাদের অবহিত করতে চাই যে, যদিও হামাস আপনাদের পক্ষ থেকে চালানো বর্তমান মানবিক প্রচেষ্টাগুলোকে ক্রমাগত ব্যাহত করছে এবং আপনাদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে, তবুও আজ আইডিএফ (IDF) পুনরায় সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সালাহ আল-দিন সড়ক দিয়ে যাতায়াতের অনুমতি প্রদান করবে। আপনাদের নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে, ওয়াদি গাজার দক্ষিণে চলে যাওয়ার এই পরবর্তী সুযোগটি গ্রহণ করুন। আপনাদের মধ্যে অনেকেই এই মুহূর্তে এটি করছেন, যা কিছুক্ষণ আগে তোলা সংযুক্ত ছবিগুলো দেখলেই আপনারা বুঝতে পারবেন। আপনারা যদি নিজের এবং নিজের প্রিয়জনদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেন, তবে আমাদের নির্দেশ অনুযায়ী অবিলম্বে দক্ষিণে অগ্রসর হন। এটুকু নিশ্চিত থাকুন যে, হামাস নেতারা ইতোমধ্যে নিজেদের রক্ষা করার ব্যবস্থা করে নিয়েছেন। ** '''''[[:w:আভিচাই আদ্রায়ে|আভিচাই আদ্রায়ে]]''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=সুলিভান |first1=হেলেন |last2=চাও-ফং |first2=লেওনি |last3=বেলাম |first3=মার্টিন |last4=লিভিংস্টোন |first4=হেলেন |title=ইসরায়েল-হামাস ওয়ার: কনভয় অফ ফাইভ ট্রাকস হিট বাই ফায়ার – অ্যাজ ইট হ্যাপেনড |url=https://www.theguardian.com/world/live/2023/nov/07/israel-hamas-war-live-updates-gaza-security-responsibility-for-gaza-netanyahu-palestine?page=with:block-6549f8ea8f081e24ac48a9f5 |work=দ্য গার্ডিয়ান |date=৮ নভেম্বর ২০২৩}} * যখন এই পরিকল্পিত গণহত্যা শুরু হলো, তখন থেকেই আমি এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নের ঘোরে আচ্ছন্ন হতে শুরু করলাম—না, আসলে সেগুলোকে কেবল দুঃস্বপ্ন বললে ভুল হবে, কারণ তা ছিল তার চেয়েও অনেক বেশি বীভৎস। ঘুমের ঘোরে আমার আত্মা যেন এক অন্য জগতে স্থানান্তরিত হয়ে যেত; আমি নিজেকে গাজার মাটিতে আবিষ্কার করতাম, যেখানে অশুভ প্রেতাত্মারা আমাকে ছিঁড়ে খুঁড়ে খাচ্ছে, আমার সত্তাকে লুণ্ঠন করছে এবং চারপাশের পুরো পৃথিবীটা যেন টকটকে লাল রক্তে রঞ্জিত হয়ে আছে। সপ্তাহে বেশ কয়েকবার আমি প্রচণ্ড কান্নায় ভেঙে পড়ে ধড়ফড় করে জেগে উঠতাম। যখন আমার মস্তিষ্ক এটি যুক্তি দিয়ে বুঝতে ব্যর্থ হতো যে আমি ঘুম থেকে জেগে উঠেছি, তখন এক অবর্ণনীয় আতঙ্ক আমাকে আষ্টেপৃষ্ঠে গ্রাস করে নিত। ** '''''লরা আলবাস্ট''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=আলবাস্ট |first1=লরা |title=দ্য জেনোসাইড লিভস ইন মাই বডি |url=https://www.palestine-studies.org/en/node/1656307 |work=ইনস্টিটিউট ফর প্যালেস্টাইন স্টাডিজ |date=২২ অক্টোবর ২০২৪}} * ২০২১ সালে তালিবান কর্তৃক আফগানিস্তান দখলের পর সেখান থেকে সাধারণ মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার বা ইভাকুয়েশন প্রক্রিয়ার সাথে আমি নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিলাম, আর সেই অভিজ্ঞতার আলোকেই আমি আজ এই কথাগুলো বলতে বাধ্য হচ্ছি। মাসের পর মাস ধরে আমার সহকর্মী ও আমি প্রতিদিন বিশ্বের প্রতিটি মহাদেশের সরকারি কর্মকর্তা, সংসদ সদস্য, কংগ্রেস সদস্য, ক্রীড়াবিদ, শিল্পী এবং শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর কাছ থেকে শত শত ফোন কল পেয়েছি, যেখানে তারা আমাদের কাছে মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য আকুতি জানিয়েছিল! আমি শপথ করে বলছি, আমি ব্যক্তিগতভাবে আমেরিকার একটি দলকে এটি বোঝাতে দিনের পর দিন ব্যয় করেছি যে আমাদের কুকুরগুলোকে উদ্ধার করার কোনো প্রয়োজন নেই, কারণ তালিবানরা কুকুর ভক্ষণ করে না! আপনারা কি একবারও ভেবে দেখেছেন যে, গাজার এই নির্মম গণহত্যার/#Gaza_Genocide প্রতি আপনাদের বর্তমান প্রতিক্রিয়া দেখে আমাদের এখন কেমন অনুভব করা উচিত? আপনাদের সেই মানবতা আজ কোথায় হারিয়ে গেল? আপনাদের তথাকথিত আদর্শ ও মূলনীতিগুলো কোথায়? নারীর অধিকারের সেই বুলিগুলোই বা কোথায় গেল? গুরুত্বের সাথে বলছি, আপনারা নিজেদের কাছে এই অমানবিকতাকে কীভাবে ন্যায্য বলে প্রমাণ করছেন? আজ যখন একের পর এক হাসপাতালকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, তখন আপনারা সেটির সপক্ষেও সাফাই গাইছেন? এমন কোনো হীনস্তর কি আর বাকি আছে যেখানে আপনারা এখনো পৌঁছাননি? ** '''''[[:w:লোলওয়াহ আল-খাতের|লোলওয়াহ আল-খাতের]]''''', একটি [https://twitter.com/Lolwah_Alkhater/status/1724137537193627960 লোলওয়াহ আল-খাতেরের এক্স (X) পোস্টে] বর্ণিত। * আরব বিশ্ব এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোর মানুষ গাজার এই ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ এবং প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্টের অকুণ্ঠ সমর্থনের মধ্যে একটি স্পষ্ট বিভাজন রেখা টেনে দিচ্ছে। এটি স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হচ্ছে যে, ইসরায়েল যা কিছু করতে চায়, তার সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়েছে; আর সেটি তারা স্বেচ্ছায় করুক কিংবা অনিচ্ছায়। ** '''''জন অল্টারম্যান''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=বার্নবাম |first1=মাইকেল |title=ইউ.এস. ইজ ওয়ার্নড অ্যাবাউট ইটস গ্লোবাল স্ট্যান্ডিং অ্যাজ গাজা সাফারিং পারসিস্টস |url=https://www.washingtonpost.com/national-security/2023/11/11/us-israel-gaza-civilian-deaths/ |work=ওয়াশিংটন পোস্ট |date=১৩ নভেম্বর ২০২৩}} * যদি এই জায়নবাদী আগ্রাসন অবিলম্বে বন্ধ করা না হয়, তবে এই অঞ্চলের সংশ্লিষ্ট সকল সংক্ষুব্ধ পক্ষের হাতই এখন বন্দুকের ট্রিগারে রয়েছে এবং যেকোনো মুহূর্তে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। ** '''''[[:w:হোসেইন আমির-আব্দুল্লাহিয়ান|হোসেইন আমির-আব্দুল্লাহিয়ান]]''''', উদ্ধৃত: {{cite news |title=ইরান টেলস ইসরায়েল: 'হ্যান্ডস অফ অল রিজিওনাল পার্টিস অন ট্রিগার ইফ অ্যাগ্রেশন ডু নট স্টপ' |url=https://www.reuters.com/world/middle-east/iran-tells-israel-hands-all-regional-parties-trigger-if-aggression-do-not-stop-2023-10-15/ |work=রয়টার্স |date=১৫ অক্টোবর ২০২৩}} * [[:w:গাজা উপত্যকা|গাজা উপত্যকায়]] যখন [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলি]] বাহিনী তাদের প্রলয়ঙ্করী ও বিধ্বংসী আক্রমণ ক্রমাগত জোরদার করছে, তখন [[:w:অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল|অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল]] বেশ কিছু বেআইনি ইসরায়েলি হামলার দালিলিক প্রমাণ সংগ্রহ করেছে; যার মধ্যে রয়েছে নির্বিচারে চালানো আক্রমণসমূহ, যা ব্যাপক হারে বেসামরিক হতাহতের কারণ হয়েছে এবং এই ঘটনাগুলোকে অবশ্যই [[:w:যুদ্ধাপরাধ|যুদ্ধাপরাধ]] হিসেবে তদন্ত করা অপরিহার্য। ** '''''[[:w:অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল|অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল]]''''', {{cite web |title=ইসরায়েলি অ্যাটাকস ওয়াইপ আউট এনটায়ার ফ্যামিলিস ইন গাজা |url=https://www.amnesty.org/en/latest/news/2023/10/damning-evidence-of-war-crimes-as-israeli-attacks-wipe-out-entire-families-in-gaza/ |date=২০ অক্টোবর ২০২৩}} [[File:BringThemBackNow1.jpg|thumb|আমি মনে করি না যে শিশুদের কখনো আটক বা বন্দী করে রাখা উচিত। ~ '''''[[:w:আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্তেজ|এওসি]]''''']] * সুতরাং, আপনারা যদি [[:w:ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিনিদের]] দেওয়া হতাহতের সংখ্যার বিষয়ে সন্দেহ পোষণ করেন এবং একই সাথে কোনো প্রকার নিরপেক্ষ তদন্ত—এমনকি [[:w:গাজা|গাজায়]] বিদেশী সাংবাদিকদের প্রবেশকেও সমর্থন না করেন—তবে আপনাদের প্রকৃত বক্তব্য এটাই দাঁড়ায় যে: এই মৃত্যুর সংখ্যা আসলে কোনো গুরুত্বই বহন করে না, কারণ আপনারা ফলাফল যাই হোক না কেন এই সংঘাতকে অন্ধভাবে সমর্থন দিয়েই যাবেন। আপনারা স্রেফ একে ন্যায্য প্রমাণের জন্য নিত্যনতুন অজুহাত খুঁজে বের করবেন। ** '''''িয়ারা আসি''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=হার্ব |first1=আলী |title=‘অ্যাপলিং’: হোয়াই হ্যাজ বাইডেন কাস্ট ডাউট অন দ্য ফিলিস্তিনিয়ান ডেথ কাউন্ট? |url=https://www.aljazeera.com/news/2023/10/26/appalling-why-has-biden-cast-doubt-on-the-palestinian-death-count |work=আল জাজিরা |date=২৬ অক্টোবর ২০২৩}} * [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েল]] বর্তমানে আমাদের সময়ের এক ভয়াবহ [[:w:হলোকাস্ট|হলোকাস্ট]] বা মহাপরিকল্পিত গণহত্যা সংঘটিত করছে, এবং তারা এটি বিশ্ববাসীর চোখের সামনেই করছে—যারা আপাতদৃষ্টিতে এই চরম অমানবিকতার প্রতি এক প্রকার উদাসীন ও সংবেদনহীন হয়ে পড়েছে। ** '''''[[:w:সুসান আবুলহাওয়া|সুসান আবুলহাওয়া]]''''', উদ্ধৃত: "[https://novaramedia.com/2024/10/18/i-went-to-gaza-what-i-saw-was-a-holocaust/ আই ওয়েন্ট টু গাজা। হোয়াট আই স ওয়াজ আ হলোকাস্ট]" (১৮ অক্টোবর ২০২৪), ''নোভারা মিডিয়া''। * আপনারা হয়তো [[:w:হামাস|হামাসের]] শক্তি হ্রাস করতে পারেন। আমি মনে করি, আপনারা যত খুশি তত তাদের সৈন্য হত্যাও করতে পারেন। কিন্তু সবসময় মূল প্রশ্নটি হলো—ঠিক কোন মূল্যের বিনিময়ে এটি করা হচ্ছে? এবং না, আপনারা কখনোই হামাসকে সম্পূর্ণ নির্মূল করতে পারবেন না; কারণ হামাস স্রেফ কোনো সামরিক বাহিনী নয়, বরং এটি একটি সুদৃঢ় আদর্শ। [...] এটি আসলে এক ধরণের প্রদর্শনী বা নাটক মাত্র। আমি বলব, এর প্রাথমিক দর্শক হলো মূলত এখানে, [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের]] অভ্যন্তরীণ সাধারণ মানুষ। আমরা স্পষ্টতই জানি যে প্রেসিডেন্ট [[:w:জো বাইডেন|বাইডেন]] আগামী বছর পুনরায় নির্বাচনের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন এবং সেখানে তাঁর প্রতিপক্ষ হতে পারেন [[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]। তাই বাইডেন মূলত এটিই প্রদর্শনের চেষ্টা করছেন যে, ইসরায়েলের জন্য জো বাইডেন এবং ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ে বড় কোনো বন্ধু আর নেই। ** '''''উইলিয়াম জে. অ্যাস্টোর''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=হার্ব |first1=আলী |title=বাইডেন’স ইসরায়েল ট্রিপ ডিসপ্লেস ‘পারফর্মেটিভ’ অ্যাপ্রোচ টু গাজা ওয়ার: অ্যানালিস্টস |url=https://www.aljazeera.com/news/2023/10/20/bidens-israel-trip-reveals-performative-approach-to-gaza-war-analysts |work=আল জাজিরা |date=২০ অক্টোবর ২০২৩}} == B == * আমার বড় ভয়—এবং এই কথাটি আমি গত চার সপ্তাহ ধরে অনবরত বলে আসছি—[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|নেতানিয়াহুকে]] এবং তাঁর চিন্তা করার ধরণ সম্পর্কে আমার যে জ্ঞান রয়েছে, তা থেকে আমি বলতে পারি যে তিনি ততক্ষণ পর্যন্ত থামবেন না যতক্ষণ না তিনি ১:১০ অনুপাতে [প্রতিজন ইসরায়েলি মৃত্যুর বিপরীতে ১০ জন ফিলিস্তিনি মৃত্যু] রক্তক্ষয় নিশ্চিত করে নিজের হারানো অহংবোধ পুনরুদ্ধার করছেন। সুতরাং আমাদের সামনে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে; এবং যতক্ষণ না এই নিহতের সংখ্যা ১৪,০০০-এ পৌঁছাবে, ততক্ষণ পর্যন্ত সম্ভবত তিনি এই অঞ্চলে সফররত প্রধান কূটনীতিকদের কথায় কোনো কর্ণপাত করবেন না। তাঁরা সবাই এখানে তাঁর সাথে কথা বলতে আসছেন, কিন্তু তিনি এখন পর্যন্ত কারও পরামর্শেই সায় দিচ্ছেন না। ** '''''সুলতান বারাকাত''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=স্টেপানস্কি |first1=জোসেফ |title=ইসরায়েল-হামাস ওয়ার লাইভ আপডেট: গাজা হসপিটাল অন ব্রিঙ্ক অফ শাট্টিং ডাউন |url=https://www.aljazeera.com/news/liveblog/2023/11/6/israel-hamas-live-news-communications-blackout-across-gaza?update=2466687 |work=আল জাজিরা |date=৬ নভেম্বর ২০২৩}} * ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী যা বলেছেন, তা [[:w:ইসরায়েল সরকার|ইসরায়েলি সরকারের]] আসল পরিকল্পনাকেই উন্মোচিত করে দেয়। আর তা হলো [[:w:গাজা উপত্যকা|গাজা উপত্যকায়]] এক সর্বাত্মক [[:w:জাতিগত নির্মূলীকরণ|জাতিগত নির্মূলীকরণ]] অভিযান চালানো। এটি কোনো আশ্চর্যজনক বিষয় নয়। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিশ্ববাসী এই ভয়াবহ পরিকল্পনার প্রতি যথেষ্ট মনোযোগ দিচ্ছে না। বাস্তবতা হলো, ইসরায়েল গাজার নিরপরাধ বেসামরিক জনগণের ওপর ক্রমাগত বোমা হামলা ও বিমান আক্রমণের মাধ্যমে সুপরিকল্পিতভাবে এই জাতিগত নিধনযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে। ** '''''[[:w:মুস্তফা বারঘুতি|মুস্তফা বারঘুতি]]''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=আসিফ |first1=ইউসরা |title=প্যালেস্টিনিয়ান পলিটিশিয়ান স্ল্যামস ইসরায়েলি মিনিস্টার'স রিমার্কস অন গাজা ‘ভলান্টারি মাইগ্রেশন’ |url=https://english.alarabiya.net/News/middle-east/2023/11/14/Palestinian-politician-slams-Israeli-minister-s-remarks-on-Gaza-voluntary-migration- |work=আল আরাবিয়া ইংলিশ |date=১৪ নভেম্বর ২০২৩}} * [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলি]] সামরিক অভিযানগুলো বর্তমানে এমন এক অসহনীয় মানবিক সংকটের জন্ম দিয়েছে, যা সময়ের সাথে সাথে কেবল আরও ঘনীভূত ও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। কিন্তু ইসরায়েলের এই কার্যকলাপ কি—যেমনটি দেশটির প্রতিপক্ষরা দাবি করছেন—[[:w:জাতিগত নির্মূলীকরণ|জাতিগত নির্মূলীকরণের]] দ্বারপ্রান্তে। নাকি আরও চরমভাবে বললে, এটি একটি [[:w:গণহত্যা|গণহত্যা]]? গণহত্যার একজন ইতিহাসবিদ হিসেবে আমি বিশ্বাস করি যে, বর্তমানে [[:w:গাজা|গাজায়]] গণহত্যা সংঘটিত হচ্ছে এমন কোনো চূড়ান্ত প্রমাণ এখনও নেই; যদিও এটি অত্যন্ত প্রবলভাবে সম্ভব যে সেখানে [[:w:যুদ্ধাপরাধ|যুদ্ধাপরাধ]] এবং এমনকি [[:w:মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ|মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধও]] সংঘটিত হচ্ছে। এর দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্য রয়েছে। প্রথমত, আমাদের চোখের সামনে ঠিক কী ঘটছে তা সঠিকভাবে সংজ্ঞায়িত করা প্রয়োজন এবং দ্বিতীয়ত, পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আগেই আমাদের কাছে তা থামানোর সুযোগ রয়েছে। আমরা ইতিহাস থেকে জানি যে, কোনো গণহত্যা ঘটে যাওয়ার পর বিলম্বে তার নিন্দা জানানোর চেয়ে বরং সেটি সংঘটিত হওয়ার আগেই তার সম্ভাবনা সম্পর্কে সতর্ক করা অত্যন্ত জরুরি। আমি মনে করি, আমাদের হাতে এখনও সেই সময়টুকু অবশিষ্ট রয়েছে। ** '''''[[:w:ওমের বারতভ|ওমের বারতভ]]''''', {{cite web |title=হোয়াট আই বিলিভ অ্যাজ আ হিস্টোরিয়ান অফ জেনোসাইড |url=https://www.nytimes.com/2023/11/10/opinion/israel-gaza-genocide-war.html?smid=nytcore-ios-share&referringSource=articleShare |publisher=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |date=১০ নভেম্বর ২০২৩}} * এটি অত্যন্ত স্পষ্ট যে, [[:w:গাজা|গাজার]] ওপর প্রতিদিন যে হারে সহিংসতা চালানো হচ্ছে, তা একাধারে অসহনীয় এবং অচল। [[:w:হামাস|হামাসের]] দ্বারা সংঘটিত ৭ অক্টোবরের সেই হত্যাকাণ্ড—যা নিজেই একটি [[:w:যুদ্ধাপরাধ|যুদ্ধাপরাধ]] এবং [[:w:মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ|মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ]]—তার পর থেকে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক বিমান ও স্থল অভিযানে ১০,৫০০-এরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এই নিহতের সংখ্যার মধ্যে কয়েক হাজার শিশুও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই সংখ্যাটি হামাসের হাতে ইসরায়েলে নিহত হওয়া ১,৪০০-এরও বেশি মানুষের তুলনায় পাঁচ গুণেরও বেশি। এই আক্রমণকে ন্যায্য প্রমাণের প্রচেষ্টায় [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলি]] নেতা এবং জেনারেলরা এমন সব ভয়াবহ ঘোষণা প্রদান করেছেন যা মূলত একটি [[:w:গণহত্যা|গণহত্যার]] অভিপ্রায়কেই নির্দেশ করে। তবুও, আমরা বর্তমানে যে সম্মিলিত বিভীষিকা প্রত্যক্ষ করছি, তার মানে এই নয় যে আন্তর্জাতিক আইনের সংজ্ঞা অনুযায়ী সেখানে ইতোমধ্যে কোনো গণহত্যা শুরু হয়ে গেছে। যেহেতু গণহত্যাকে কখনও কখনও "সকল অপরাধের শ্রেষ্ঠ অপরাধ" হিসেবে গণ্য করা হয়, তাই অনেক সময় যেকোনো গণহত্যাকাণ্ড বা ব্যাপক হত্যাকাণ্ডকেই গণহত্যা হিসেবে বর্ণনা করার একটি প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু প্রতিটি নৃশংস ঘটনাকেই গণহত্যার তকমা দেওয়ার এই তাড়না বাস্তবতাকে ব্যাখ্যা করার পরিবর্তে বরং তাকে আরও ধোঁয়াশাপূর্ণ বা অস্পষ্ট করে তোলে। ** '''''[[:w:ওমের বারতভ|ওমের বারতভ]]''''', {{cite web |title=হোয়াট আই বিলিভ অ্যাজ আ হিস্টোরিয়ান অফ জেনোসাইড |url=https://www.nytimes.com/2023/11/10/opinion/israel-gaza-genocide-war.html?smid=nytcore-ios-share&referringSource=articleShare |publisher=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |date=১০ নভেম্বর ২০২৩}} * ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধের এই ভয়াবহ বিস্তার প্রত্যক্ষ করার ক্ষেত্রে আমার সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গাটি হলো—সেখানে একটি গণহত্যার অভিপ্রায় পরিলক্ষিত হচ্ছে, যা খুব সহজেই যেকোনো সময় গণহত্যার সরাসরি পদক্ষেপে রূপ নিতে পারে। ** '''''[[:w:ওমের বারতভ|ওমের বারতভ]]''''', {{cite web |title=হোয়াট আই বিলিভ অ্যাজ আ হিস্টোরিয়ান অফ জেনোসাইড |url=https://www.nytimes.com/2023/11/10/opinion/israel-gaza-genocide-war.html?smid=nytcore-ios-share&referringSource=articleShare |publisher=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |date=১০ নভেম্বর ২০২৩}} * যদিও আমরা এটি বলতে পারি না যে সামরিক বাহিনী সুনির্দিষ্টভাবে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে, তবে কার্যগত এবং আলঙ্কারিক দিক থেকে আমরা হয়তো এমন একটি [[:w:জাতিগত নির্মূলীকরণ|জাতিগত নির্মূলীকরণ]] অভিযান প্রত্যক্ষ করছি যা অত্যন্ত দ্রুততায় গণহত্যায় পর্যবসিত হতে পারে; যেমনটি অতীতেও একাধিকবার ঘটেছে। ** '''''[[:w:ওমের বারতভ|ওমের বারতভ]]''''', {{cite web |title=হোয়াট আই বিলিভ অ্যাজ আ হিস্টোরিয়ান অফ জেনোসাইড |url=https://www.nytimes.com/2023/11/10/opinion/israel-gaza-genocide-war.html?smid=nytcore-ios-share&referringSource=articleShare |publisher=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |date=১০ নভেম্বর ২০২৩}} * আমরা যদি সত্যিকার অর্থেই বিশ্বাস করি যে [[:w:হলোকাস্ট|হলোকাস্ট]] আমাদের এই শিক্ষা দিয়েছে যে—অন্যের মানবতা ও মর্যাদাকে রক্ষা করার মাধ্যমেই আমাদের নিজেদের মানবতা ও সম্মানকে টিকিয়ে রাখা প্রয়োজন, এমনকি এটি আমাদের একটি নৈতিক দায়িত্ব—তবে এখনই সময় উঠে দাঁড়ানোর এবং উচ্চকণ্ঠে প্রতিবাদ করার; যাতে [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলের]] নেতৃত্ব নিজেদের এবং তাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোকে এক গভীর অতল গহ্বরে নিমজ্জিত করতে না পারে। ইসরায়েলকে তার বর্তমান কর্মকাণ্ড একটি পূর্ণাঙ্গ [[:w:গণহত্যা|গণহত্যায়]] রূপ দেওয়া থেকে বিরত রাখার জন্য এখনও কিছুটা সময় অবশিষ্ট আছে। আমাদের আর একটি মুহূর্তও অপেক্ষা করার অবকাশ নেই। ** '''''[[:w:ওমের বারতভ|ওমের বারতভ]]''''', {{cite web |title=হোয়াট আই বিলিভ অ্যাজ আ হিস্টোরিয়ান অফ জেনোসাইড |url=https://www.nytimes.com/2023/11/10/opinion/israel-gaza-genocide-war.html?smid=nytcore-ios-share&referringSource=articleShare |publisher=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |date=১০ নভেম্বর ২০২৩}} * [[:w:গাজা|গাজার]] ওই শিশুরা এই পরিণতি নিজেদের ওপর নিজেরাই ডেকে এনেছে। ** '''''[[:w:মেইরাভ বেন-আরি|মেইরাভ বেন-আরি]]''''', 'মিডল ইস্ট আই'-তে উদ্ধৃত: "ইসরায়েল-ফিলিস্তিন: গাজায় বিমান হামলায় ১,০০০-এরও বেশি ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে, এনজিওর তথ্য প্রকাশ" (১৭ অক্টোবর ২০২৩) এবং {{cite news |last1=শাকির |first1=ওমর |last2=আহমেদ |first2=ইয়াসমিন |last3=কুমার |first3=অক্ষয় |title=উই আর সিয়িং আর্জেন্ট সাইনস অফ মোর মিউচুয়াল মাস অ্যাট্রোসিটিস টু কাম ইন ইসরায়েল অ্যান্ড গাজা |url=https://www.hrw.org/news/2023/10/20/we-are-seeing-urgent-signs-more-mutual-mass-atrocities-come-israel-and-gaza |publisher=হিউম্যান রাইটস ওয়াচ |date=২০ অক্টোবর ২০২৩}} * এখানে যা প্রয়োজন তা হলো একটি পূর্ণাঙ্গ দখলদারিত্ব। যখন আপনি সরাসরি রণক্ষেত্রে উপস্থিত থাকবেন, তখন আপনার কাছে পর্যাপ্ত গোয়েন্দা তথ্য এবং নিয়ন্ত্রণ থাকবে; তখন আপনিই হবেন সেই ভূমির সর্বময় মালিক। ** '''''[[:w:ইতামার বেন-গভির|ইতামার বেন-গভির]]''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=গাদজো |first1=মারসিহা |last2=পিয়েত্রোমার্চি |first2=ভার্জিনিয়া |last3=শঙ্কর |first3=প্রিয়াঙ্কা |last4=রোল্যান্ডস |first4=লিন্ডাল |last5=পাওয়ার |first5=জন |title=স্নাইপার ফায়ার টার্গেট দোজ ট্র্যাপড ইন আল-শিফা হসপিটাল |url=https://www.aljazeera.com/news/liveblog/2023/11/12/israel-gaza-war-live-israeli-army-surrounding-al-quds-hospital?update=2480792 |work=আল জাজিরা |date=১২ নভেম্বর ২০২৩}} * যেকোনো সফর যাতে প্রকাশ্যে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো হয়নি, তা মূলত গাজার ওপর চলমান ইসরায়েলি আক্রমণগুলোকেই এক ধরণের মৌন সমর্থন প্রদানের শামিল [...] আমি মনে করি বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতি হলো ইসরায়েল যা কিছু অর্জন করার চেষ্টা করছে তাকে সর্বাত্মকভাবে সমর্থন করা, তা বাস্তবসম্মত হোক কিংবা অবাস্তব। ** '''''[[:w:ফিলিস বেনিস|ফিলিস বেনিস]]''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=হার্ব |first1=আলী |title=বাইডেন’স ইসরায়েল ট্রিপ ডিসপ্লেস ‘পারফর্মেটিভ’ অ্যাপ্রোচ টু গাজা ওয়ার: অ্যানালিস্টস |url=https://www.aljazeera.com/news/2023/10/20/bidens-israel-trip-reveals-performative-approach-to-gaza-war-analysts |work=আল জাজিরা |date=২০ অক্টোবর ২০২৩}} * আমি দীর্ঘ সময় ধরে এই কাজ করছি। কিন্তু আমি সত্যিই কখনো ভাবিনি যে, আমি নিজের চোখে সন্ত্রাসীদের হাতে শিশুদের শিরশ্ছেদ করার ছবি দেখব এবং তার সত্যতা নিশ্চিত করব। ** '''''[[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]]''''', যে উক্তি হামাস কর্তৃক শিশুদের শিরশ্ছেদ করার মিথ্যা অভিযোগের অবতারণা করে, উদ্ধৃত: {{cite news |last1=স্কাহিল |first1=জেরেমি |title=জো বাইডেন কিপস রিপিটিং হিজ ফলস ক্লেইম দ্যাট হি স পিকচার্স অফ বিহেডেড বেবিস |url=https://theintercept.com/2023/12/14/israel-biden-beheaded-babies-false/ |work=দ্য ইন্টারসেপ্ট |date=১৪ অক্টোবর ২০২৩}} * আপনারা একটি ইহুদি রাষ্ট্র। আপনারা যেমন একটি ইহুদি রাষ্ট্র, তেমনি আপনারা একটি [[:w:গণতন্ত্র|গণতন্ত্রও]]। আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতোই আপনারা সন্ত্রাসীদের নিয়মে চলেন না। আপনারা চলেন আইনের শাসনে। যখন কোনো সংঘাত চরম আকার ধারণ করে, তখন আপনারা যুদ্ধের নিয়মাবলি মেনে চলেন। যা আমাদের সন্ত্রাসীদের থেকে আলাদা করে তা হলো—আমরা প্রতিটি মানুষের জীবনের মৌলিক মর্যাদায় বিশ্বাস করি, সে [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলি]], [[:w:ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিনি]], আরব, ইহুদি, মুসলিম কিংবা খ্রিস্টান যে-ই হোক না কেন। আপনার নিজস্ব স্বকীয়তা যা আপনাকে অনন্য করে তোলে, তা আপনি বিসর্জন দিতে পারেন না। যদি আপনারা সেটি ত্যাগ করেন, তবে সন্ত্রাসীরাই জয়ী হবে। আর আমরা তাদের কখনোই জয়ী হতে দিতে পারি না। ** '''''[[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]]''''', [https://sv.usembassy.gov/president-bidens-statement-during-his-visit-to-tel-aviv/ প্রেসিডেন্ট বাইডেন’স স্টেটমেন্ট ডিউরিং হিজ ভিজিট টু তেল আবিব], ১৯ অক্টোবর ২০২৩ * আমরা সকলেই মহান স্রষ্টার প্রতিচ্ছবি হিসেবে সৃজিত মানুষ, যার মধ্যে রয়েছে মর্যাদা, মানবিকতা এবং নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য। এই অন্ধকারের মাঝে বিশ্বের কাছে আলোকবর্তিকা হয়ে ওঠাই হলো আমাদের লক্ষ্য। আপনারা সারা বিশ্বের অজস্র মানুষের কাছে আশা এবং আলোর অনুপ্রেরণা। সন্ত্রাসীরা মূলত সেটিই ধ্বংস করতে চায়। তারা অন্ধকার জগতে বাস করে বলেই এটি ধ্বংস করতে চায়—কিন্তু আপনারা তা নন, ইসরায়েল তা নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের মতো বিবেকবান রাষ্ট্রগুলো কেবল তাদের শক্তির উদাহরণের মাধ্যমে পরিমাপ করা হয় না। আমরা পরিমাপিত হই আমাদের উদাহরণের শক্তির দ্বারা। আর এই কারণেই, পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক না কেন, আমাদের অবশ্যই শান্তির পথ অনুসরণ করে যেতে হবে। আমাদের অবশ্যই এমন একটি পথ প্রশস্ত করতে হবে যাতে ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনি জনগণ উভয়ই নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং শান্তিতে বসবাস করতে পারে। আমার কাছে এর অর্থ হলো একটি [[:w:দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান|দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান]]। প্রতিবেশীদের সাথে ইসরায়েলের বৃহত্তর সংহতি ও একত্রীকরণের জন্য আমাদের কাজ চালিয়ে যেতে হবে। এই হামলাগুলো সেই লক্ষ্য পূরণে আমার অঙ্গীকার, সংকল্প এবং ইচ্ছাশক্তিকে আরও দৃঢ় করেছে। আমি আপনাদের বলতে এসেছি যে, সন্ত্রাসীরা জয়ী হবে না। মুক্তি ও স্বাধীনতারই জয় হবে। সুতরাং, আমি যেখানে শুরু করেছিলাম সেখানেই শেষ করতে চাই। ইসরায়েল, আপনারা একা নন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আপনাদের পাশে আছে। ** '''''[[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]]''''', [https://sv.usembassy.gov/president-bidens-statement-during-his-visit-to-tel-aviv/ প্রেসিডেন্ট বাইডেন’স স্টেটমেন্ট ডিউরিং হিজ ভিজিট টু তেল আবিব], ১৯ অক্টোবর ২০২৩ * আজ আমি সমগ্র ইসরায়েলবাসীকে বলছি- [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]] আপনাদের ছেড়ে কোথাও যাচ্ছে না। আমরা আপনাদের পাশে থাকব। আমরা এই দুঃসময়ে যেমন আপনাদের পাশে হাঁটব, তেমনি আগামীর সুন্দর দিনগুলোতেও আপনাদের পাশে থাকব। আর সেই সুদিন অবশ্যই আসবে। হিব্রু ভাষায় যেমনটি আপনারা বলেন—যা বলার চেষ্টা আমি করব না কারণ আমি একজন আনাড়ি ভাষাবিদ—আমি সেটি ইংরেজিতেই বলছি, "ইসরায়েলের মানুষ বেঁচে থাকবে।" "ইসরায়েলের মানুষ অমর।" ইসরায়েল আজ, আগামীকাল এবং চিরকাল একটি নিরাপদ, সুরক্ষিত, ইহুদি এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকবে। ঈশ্বর যেন শান্তিকামীদের রক্ষা করেন। যারা এখনও বিপদের সম্মুখীন, ঈশ্বর যেন তাদের সহায় হন। ** '''''[[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]]''''', [https://sv.usembassy.gov/president-bidens-statement-during-his-visit-to-tel-aviv/ প্রেসিডেন্ট বাইডেন’স স্টেটমেন্ট ডিউরিং হিজ ভিজিট টু তেল আবিব], ১৯ অক্টোবর ২০২৩ * এই ধরণীতে এমন কেউ নেই, কেউ নেই এবং কেউ নেই—যিনি সৃষ্টিকর্তার এই বিশাল পৃথিবীতে [[:w:হামাস|হামাসের]] সেই জঘন্য কর্মকাণ্ডকে ন্যায্য বলে সমর্থন করতে পারেন। তারা একটি নিষ্ঠুর, কুৎসিত এবং অমানবিক গোষ্ঠী, যাদের অবশ্যই পৃথিবী থেকে নির্মূল করা অপরিহার্য। ** '''''[[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.whitehouse.gov/briefing-room/speeches-remarks/2023/12/12/remarks-by-president-biden-at-a-campaign-reception-5/ রিমার্কস বাই প্রেসিডেন্ট বাইডেন অ্যাট আ ক্যাম্পেইন রিসেপশন], ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ * [[:w:গাজা|গাজার]] হাসপাতালে ঘটে যাওয়া সেই হৃদয়বিদারক ট্র্যাজেডিতে যারা নিহত বা আহত হয়েছেন, আমি তাঁদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করছি। আমরা এই অঞ্চলের অংশীদারদের সাথে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি যাতে গাজার নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিকদের কাছে যত দ্রুত সম্ভব জীবনরক্ষাকারী মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করা যায়। ** '''''[[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]]''''', [https://twitter.com/POTUS/status/1714855375311127015 পিওটিইউএস (POTUS)-এর একটি এক্স (X) পোস্টে] উদ্ধৃত। * [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েল]] বর্তমানে এমন এক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে যারা এমন বর্বরতায় লিপ্ত হয়েছে যা [[:w:হলোকাস্ট|হলোকাস্টের]] মতোই সুদূরপ্রসারী ও ভয়াবহ। এবং—তাই আমি মনে করি ইসরায়েলের অবশ্যই এর জবাব দেওয়া উচিত। তাদের হামাসের পিছু নিতেই হবে। এই হামাস মূলত একদল উন্মাদের সমষ্টি। তারা সাধারণ বেসামরিক মানুষের আড়ালে লুকিয়ে থাকে। তারা তাদের সদর দপ্তর বা কমাণ্ড সেন্টারগুলো এমন স্থানে স্থাপন করেছে যেখানে সাধারণ মানুষ এবং বেসামরিক ভবন অবস্থিত। তবে ইসরায়েলিরা সাধ্যমতো তাদের আলাদা করার চেষ্টা করছে এবং আমি আত্মবিশ্বাসী যে—ইসরায়েলিরা নিরপরাধ বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি এড়াতে তাদের ক্ষমতার মধ্যে থাকা সবকিছুই করবে। ** '''''[[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]]''''', উদ্ধৃত: {{cite news |last1=পেলি |first1=স্কট |title=প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন: দ্য ২০২৩ ৬০ মিনিটস ইন্টারভিউ ট্রান্সক্রিপ্ট |url=https://www.cbsnews.com/news/president-joe-biden-2023-60-minutes-transcript/ |work=সিবিএস নিউজ |date=১৫ অক্টোবর ২০২৩}} * [[:w:আয়াতুল্লাহ খোমেনি|আয়াতুল্লাহ খোমেনির]] প্রতি আমার সতর্কতা ছিল এই যে, যদি তাঁরা আমাদের সৈন্যদের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক পদক্ষেপ অব্যাহত রাখেন, তবে আমরা অবশ্যই তার কঠোর জবাব দেব এবং এজন্য তাঁর প্রস্তুত থাকা উচিত। ইসরায়েলের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। ** '''''[[:w:জো বাইডেন|জো বাইডেন]]''''', উদ্ধৃত: {{cite web |title=রিমার্কস বাই প্রেসিডেন্ট বাইডেন অ্যান্ড প্রাইম মিনিস্টার অ্যান্থনি আলবানিজ অফ অস্ট্রেলিয়া ইন জয়েন্ট প্রেস কনফারেন্স |url=https://www.whitehouse.gov/briefing-room/speeches-remarks/2023/10/25/remarks-by-president-biden-and-prime-minister-anthony-albanese-of-australia-in-joint-press-conference/ |website=হোয়াইটহাউস.গভ |publisher=হোয়াইট হাউস |date=২৫ অক্টোবর ২০২৩}} * [[:w:জো বাইডেন|বাইডেন]] এবং [[:w:অ্যান্টনি ব্লিনকেন|ব্লিনকেন]] এখনও কূটনৈতিক এবং অন্যান্য উপায়ে [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলকে]] সুরক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন—এবং শান্তির প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলেছেন—যাতে ইসরায়েল এই [[:w:গণহত্যা|গণহত্যা]] অব্যাহত রাখতে পারে। ** '''''[[:w:মারওয়ান বিশারা|মারওয়ান বিশারা]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/k8y4b6?update=2458064 বাইডেন ‘কভারিং আপ ফর ইসরায়েল অ্যাজ ইট ইজ ফিনিশিং ইটস জেনোসাইড’ ইন গাজা: এজে অ্যানালিস্ট] * এটি মধ্যপ্রাচ্য এবং বর্তমানে ইন্দো-প্যাসিফিকের এই অঞ্চলে নয় দিনের নিবিড় কূটনৈতিক সফরের শেষ দিন। এই যাত্রাপথের প্রতিটি ধাপে আমরা বিভিন্ন উপায়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছি: ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনা এবং তাদের কাছে পৌঁছানো মানবিক সহায়তার পরিমাণ সর্বোচ্চ করা; সংঘাতের বিস্তার রোধে কাজ করা; জিম্মিদের ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি [[:w:গাজা|গাজা]] থেকে মার্কিন নাগরিক ও অন্যান্য বিদেশি নাগরিকদের নিরাপদে বের করে আনার বিষয়ে মনোনিবেশ করা; এবং ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি উভয়ের জন্যই সত্যিকার অর্থে টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তার ভিত্তি স্থাপন করা। সেই লক্ষ্য অর্জনে আমি এক সপ্তাহ আগে থেকেই ইসরায়েলি সরকারের সাথে প্রতিটি উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা শুরু করেছি। আর সেই পদক্ষেপগুলোর মধ্যে একটি ছিল মানবিক বিরতি বা 'হিউম্যানিটারিয়ান পজ', যা নিয়ে আমরা এক সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে কথা বলেছিলাম। এই পদক্ষেপগুলো আমার উল্লেখ করা প্রতিটি লক্ষ্যকেই এগিয়ে নিতে পারে। আমরা এই বিষয়টির প্রশংসা করি যে, গতকাল ইসরায়েল নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় তিন ঘণ্টার নোটিশে চার ঘণ্টার বিরতি ঘোষণা করেছে। সেই সাথে দুটি মানবিক করিডোর চালুর ঘোষণাও দিয়েছে, যা সাধারণ মানুষকে বিপদমুক্ত স্থানে আরও নিরাপদ ও স্বাধীনভাবে যাতায়াত করতে এবং প্রয়োজনীয় সাহায্য লাভ করতে সহায়তা করবে। এই পদক্ষেপগুলো জীবন রক্ষা করবে এবং অভাবগ্রস্ত ফিলিস্তিনিদের কাছে আরও বেশি সহায়তা পৌঁছাতে সক্ষম হবে। ** '''''[[:w:অ্যান্টনি ব্লিনকেন|অ্যান্টনি ব্লিনকেন]]''''', {{cite web |title=সেক্রেটারি অ্যান্টনি জে. ব্লিনকেন রিমার্কস টু দ্য প্রেস |url=https://www.state.gov/secretary-antony-j-blinken-remarks-to-the-press-17/ |publisher=ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট |date=১০ নভেম্বর ২০২৩}} * একই সাথে, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় এবং তাদের কাছে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো নিশ্চিত করতে আরও অনেক কিছু করা প্রয়োজন। গত কয়েক সপ্তাহে অনেক বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। অনেক বেশি মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। আমরা তাঁদের ক্ষতি রোধ করতে এবং তাঁদের কাছে পৌঁছানো সাহায্যের পরিমাণ সর্বোচ্চ করতে সম্ভাব্য সবকিছুই করতে চাই। সেই উদ্দেশ্যে আমরা ইসরায়েলের সাথে এই লক্ষ্যগুলো এগিয়ে নেওয়ার জন্য সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখব। আমাদের জিম্মিদের স্বদেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাব। আমরা গাজায় মানবিক সহায়তার পরিধি বাড়ানোর এবং তা কার্যকরভাবে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করব। আমরা বর্তমানে সেই পদক্ষেপগুলোর ওপর গুরুত্বারোপ চালিয়ে যাব যা একটি দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই শান্তির ভিত্তি তৈরি করতে শুরু করবে—যা আমরা বারবার বলেছি এবং বিশ্বাস করি যে, সেখানে অবশ্যই দুই জাতির জন্য দুটি পৃথক রাষ্ট্র বা [[:w:দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান|দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান]] অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। ** '''''[[:w:অ্যান্টনি ব্লিনকেন|অ্যান্টনি ব্লিনকেন]]''''', {{cite web |title=সেক্রেটারি অ্যান্টনি জে. ব্লিনকেন রিমার্কস টু দ্য প্রেস |url=https://www.state.gov/secretary-antony-j-blinken-remarks-to-the-press-17/ |publisher=ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেট |date=১০ নভেম্বর ২০২৩}} * [[:w:হামাস|হামাসের]] এই হামলাগুলো সম্পূর্ণ সমর্থনযোগ্যতাহীন—এবং এগুলো বিশ্বব্যাপী নিন্দার দাবি রাখে। কিন্তু [[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর]] সরকারের পক্ষ থেকে যে প্রতিক্রিয়া জানানো হচ্ছে, সেটিও আমাদের পক্ষ থেকে অত্যন্ত স্পষ্ট ও কঠোর নিন্দার দাবিদার। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে আমরা বলতে পারি, এই প্রতিক্রিয়াটি ছিল একেবারেই অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং এটি আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘন করছে। একটি রাষ্ট্রের নিজেকে রক্ষা করার অধিকারের নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে এবং সেই সীমানাগুলোর অর্থ হলো নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিকদের, বিশেষ করে শিশুদের জীবনকে সম্মান করা এবং বেসামরিক মানবিক আইনকে শ্রদ্ধা জানানো। ** '''''[[:w:গ্যাব্রিয়েল বোরিক|গ্যাব্রিয়েল বোরিক]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/ddc07n?update=2458673 ইসরায়েল’স গাজা রেসপন্স ‘ডিজার্ভস ক্লিয়ারেস্ট কনডেমনেশন’, চিলি’স বোরিক টেলস বাইডেন] * [[:w:গাজা|গাজায়]] ভবনগুলোর যে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে... তা কমবেশি [[:w:দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ|দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের]] সময় জার্মানির শহরগুলোর ভোগ করা ধ্বংসলীলার সমান বা এমনকি তার চেয়েও অনেক বেশি। ** '''''[[:w:জোসেপ বোরেল|জোসেপ বোরেল]]''''', উদ্ধৃত: "[https://aje.io/2hwa2q?update=2549891 ‘অ্যাপোক্যালিপটিক’: ইইউ অফিশিয়াল কম্পেয়ারস গাজা ডেসট্রাকশন টু ডব্লিউডব্লিউআইআই জার্মানি]" (১১ ডিসেম্বর ২০২৩), ''আল জাজিরা''। * যারা আমাদের এই অযৌক্তিক ও অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্টের সাথে মানিয়ে নিতে বাধ্য করার লক্ষ্য রাখে, তাদের সেই তথাকথিত 'যৌক্তিক' সুরের মাঝে দাঁড়িয়ে আমি কবিতা লিখতে পারি না। অশুভ বা পৈশাচিক কোনো শব্দচ্ছলতা আর নয়। মৌখিকভাবে পরিমার্জিত নরকসম কোনো দৃশ্যপট আর নয়। যুদ্ধবাজদের আর কোনো মিথ্যাচারও নয়। ** '''''[[:w:অ্যান বোয়ার|অ্যান বোয়ার]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/yu4f6n?update=2492783 নিউ ইয়র্ক টাইমস ম্যাগাজিন পোয়েট্রি এডিটর রিজাইনস ওভার গাজা ওয়ার] * আমাদের সকলের উচিত উঠে দাঁড়ানো, প্রতিবাদ জানানো এবং এই [[:w:গণহত্যা|গণহত্যা]] বন্ধের আহ্বান জানানো। যতক্ষণ না [[:w:ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিন]] স্বাধীন হচ্ছে... ততক্ষণ আমরা এই সহিংসতা প্রত্যক্ষ করতেই থাকব। এই কাঠামোগত সহিংসতার ফলেই আমরা এ ধরণের প্রতিরোধের জন্ম হতে দেখব। ** '''''[[:w:জুডিথ বাটলার|জুডিথ বাটলার]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.democracynow.org/2023/10/26/judith_butler_ceasefire_gaza_israel প্যালেস্টিনিয়ান লিভস ম্যাটার টু: জুইশ স্কলার জুডিথ বাটলার কনডেমস ইসরায়েল’স “জেনোসাইড” ইন গাজা] == C == * বর্তমানে আমাদের এমন সব রোগীদের ওপর অস্ত্রোপচার করতে হচ্ছে যাদের আমরা মরফিন পর্যন্ত দিতে পারছি না। এই মাত্র দুটি শিশুর ক্ষেত্রে এমনটি ঘটল। আহতদের মধ্যে দুর্ভাগ্যবশত অসংখ্য শিশু রয়েছে। আমি আমাদের একজন সার্জনের সাথে আলোচনা করছিলাম, যিনি গতকাল ১০ বছর বয়সী একটি শিশুকে গ্রহণ করেছেন; যার শরীরের ৬০ শতাংশ অংশই পুড়ে গিয়েছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে কোনো ব্যথানাশক ওষুধ দেওয়া সম্ভব হয়নি। সাধারণ মানুষের কাছে এই সব অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ পৌঁছানোর পথ অবরুদ্ধ করার কোনো প্রকার অজুহাত বা সমর্থন থাকতে পারে না। ** '''''লিও ক্যানস''''', উদ্ধৃত: [https://www.cnn.com/2023/10/23/middleeast/israel-gaza-hamas-war-monday-intl-hnk/index.html ইসরায়েল র‍্যাম্পস আপ গাজা স্ট্রাইকস অ্যাজ স্পাইরালিং হিউম্যানিটারিয়ান ক্রাইসিস ড ওয়ার্ফস ট্রিকল অফ এইড] * বর্তমানে কিছু ধরণের প্রতিবাদ বা বিক্ষোভ প্রদর্শনের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে তা দেওয়া হচ্ছে না। ** '''''[[:w:মোনা চালাবি|মোনা চালাবি]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.washingtonpost.com/style/media/2023/11/17/mona-chalabi-gaza-criticize-new-york-times-pulitzer/ আফটার পুলিৎজার উইন, এন.ওয়াই. টাইমস কন্ট্রিবিউটর ক্রিটিসাইজেস গাজা কভারেজ] * এই মুহূর্তে [[:w:গাজা|গাজার]] পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ এবং বিপর্যয়কর। যেসব হাসপাতাল ও ক্লিনিক এখনও খালি করা হয়নি, সেগুলো রোগীর চাপে দিশেহারা এবং প্রায় অচল অবস্থায় রয়েছে। সেখানে নেই কোনো বিদ্যুৎ, নেই কোনো চিকিৎসা সরঞ্জাম। [[:w:আল-শিফা হাসপাতাল|আল-শিফা হাসপাতালের]] সার্জনরা এখন কোনো প্রকার ব্যথানাশক ওষুধ ছাড়াই অস্ত্রোপচার করতে বাধ্য হচ্ছেন। ** '''''[[:w:ক্রিস্টোস ক্রিস্টো|ক্রিস্টোস ক্রিস্টো]]''''', [https://twitter.com/DrChristou/status/1714003414886031855?s=20 ক্রিস্টোস ক্রিস্টোর একটি এক্স (X) পোস্টে] বর্ণিত। * বেসামরিক নাগরিকদের ওপর এই অবিরাম বোমা হামলা চালিয়ে শেষ পর্যন্ত আদতে কিছুই অর্জন করা সম্ভব নয়। ** '''''[[:w:ক্রিস্টোস ক্রিস্টো|ক্রিস্টোস ক্রিস্টো]]''''', উদ্ধৃত: "[https://aje.io/bxwakd?update=2566081 নাথিং ক্যান বি গেইন্ড ফ্রম দ্য কন্টিনিউড বোম্বিং অফ সিভিলিয়ানস]" (১৭ ডিসেম্বর ২০২৩), ''আল জাজিরা''। * এই যুদ্ধের শেষে, কেবল যে [[:w:হামাস|হামাসই]] গাজায় আর অস্তিত্বশীল থাকবে না তা-ই নয়, বরং গাজার ভূখণ্ডও আয়তনে হ্রাস পাবে। ** '''''[[:w:এলি কোহেন (রাজনীতিবিদ, জন্ম ১৯৭২)|এলি কোহেন]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.timesofisrael.com/liveblog_entry/foreign-minister-at-wars-end-not-only-will-hamas-be-gone-but-gazas-territory-will-shrink/#:~:text=Foreign%20Minister%20Eli%20Cohen%20tells,of%20Gaza%20will%20also%20decrease.” ফরেন মিনিস্টার: অ্যাট ওয়ার'স এন্ড, নট অনলি উইল হামাস বি গন, বাট গাজা'স টেরিটরি উইল শ্রিঙ্ক] * যুদ্ধাপরাধ সবসময়ই যুদ্ধাপরাধ, এমনকি তা যদি কোনো মিত্রশক্তির দ্বারাও সংঘটিত হয়; এবং একে তার প্রকৃত নামেই অভিহিত করা উচিত। ** '''''[[:w:প্যাডি কসগ্রেভ|প্যাডি কসগ্রেভ]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/itqemp?update=2429335 ওয়েব সামিট সিইও রিজাইনস ওভার ইসরায়েল ‘ওয়ার ক্রাইমস’ পোস্ট] * নতুন করে সহিংসতা শুরু হওয়ার বিষয়ে আমি আমার গভীর উদ্বেগের কথা ব্যক্ত করেছি এবং রাফাহ সীমান্তে আমি যা বলেছিলাম তার পুনরাবৃত্তি করে আবারও বলছি: বেসামরিক মানুষের হত্যাকাণ্ড আর নয়। ** '''''[[:w:আলেকজান্ডার ডি ক্রু|আলেকজান্ডার ডি ক্রু]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/3m6aa9?update=2528909 ‘নো মোর সিভিলিয়ান কিলিং’: বেলজিয়াম’স ডি ক্রু] == D == * আপনারা [[:w:ইউক্রেন|ইউক্রেনে]] দখলদারিত্বের বিরোধিতা করেন—তাহলে আপনারা কি এটি অস্বীকার করতে পারেন যে ফিলিস্তিনিরাও বর্তমানে দখলদারিত্বের অধীনে রয়েছে? কেউ আপনাকে ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে বলছে না কারণ তারা ফিলিস্তিন দখল করে রেখেছে; মানুষ কেবল আপনাদের যৌক্তিক ও বিচক্ষণ হতে বলছে এবং আপনাদের মিত্রদের বোঝাতে বলছে—তাদের বিবেককে জাগ্রত করতে আপনারা চাপ প্রয়োগ করুন। ** '''''[[:w:খালিদ আল-দাখিল|খালিদ আল-দাখিল]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.nytimes.com/2023/10/17/world/middleeast/biden-israel-gaza-anger.html?smid=nytcore-ios-share&referringSource=articleShare ইউ.এস. রেসপন্স টু ইসরায়েল-হামাস ওয়ার ড্রস ফিউরি ইন মিডল ইস্ট] * [[:w:গাজা|গাজায়]] এক সপ্তাহের অবর্ণনীয় বিভীষিকার পর যেখানে ইউরোপীয় ইউনিয়ন কোনো প্রকার বিচার-বিবেচনা ছাড়াই তাতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে, আমাদের সংসদকে ইসরায়েলি পতাকায় আচ্ছাদিত করেছে এবং একটি হাসপাতালে বোমা বর্ষণসহ বিভিন্ন [[:w:যুদ্ধাপরাধ|যুদ্ধাপরাধে]] সহায়তা ও প্ররোচনা দিয়ে চলেছে—তারপরেও আমরা 'ফিলিস্তিনিদের জীবনের মূল্য আছে' এই কথাটি বলতে পারছি না। আমরা এখনও এক শ্রেণীর ভুক্তভোগীকে অন্য শ্রেণীর তুলনায় বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছি। আমরা গাজার মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলছি, কিন্তু এই মানবিক সংকট কেন তৈরি হলো? এটি কি কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ? কারা সেখানে পানি, জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে? আমরা কি তা নিশ্চিত নই? কারা ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর বোমা হামলা চালাচ্ছে? আমরা কি তা জানি না? আপনাদের কি মনে হয় আমরা বিষয়টি উল্লেখ করতে পারতাম না? গাজায় এখন এমন এক অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে যা ১৯৪০-এর দশকের পর আমরা আর দেখিনি, আর এই অপরাধের দায়ভার আমাদের ওপরও বর্তায়। আমরা প্রত্যক্ষ করছি কীভাবে [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েল]] ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করছে এবং তাদের জমি দখল ও উপনিবেশ স্থাপনের উদ্দেশ্যে লক্ষ লক্ষ মানুষকে সিনাই মরুভূমিতে তাড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এটি মূলত আরেকটি [[:w:নাকবা|নাকবা]]। এটি [[:w:মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ|মানবতার বিরুদ্ধে এক চরম অপরাধ]]। এটি স্রেফ কোনো মানবিক সংকট নয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই কলঙ্কজনক অধ্যায় থেকে কখনোই মুক্তি পাবে না। ফিলিস্তিন দীর্ঘজীবী হোক! গাজা দীর্ঘজীবী হোক! ** '''''[[:w:ক্লেয়ার ডালি|ক্লেয়ার ডালি]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.europarl.europa.eu/doceo/document/CRE-9-2023-10-19-INT-4-198-0000_EN.html ভারবেটিম রিপোর্ট অফ প্রসিডিংস] * [[:w:ফিলিস্তিন|ফিলিস্তিন]] হলো সমগ্র বিশ্বের জন্য এক ধরণের নৈতিক অগ্নিপরীক্ষা। ** '''''[[:w:আঞ্জেলা ডেভিস|আঞ্জেলা ডেভিস]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/program/upfront/2023/10/27/angela-davis-palestine-is-a-moral-litmus-test-for-the-world আঞ্জেলা ডেভিস: ‘প্যালেস্টাইন ইজ আ মোরাল লিটমাস টেস্ট ফর দ্য ওয়ার্ল্ড’] * [[:w:ফ্রান্স|ফ্রান্স]] বর্তমানে [[:w:গাজা|গাজায়]] ঘটে যাওয়া মানবিক বিপর্যয় নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। আর এই কারণেই ফ্রান্স এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে। ঠিক একই কারণে আমরা একটি নতুন, তাৎক্ষণিক এবং দীর্ঘস্থায়ী মানবিক বিরতির জন্য আবেদন করছি, যা ভবিষ্যতে একটি টেকসই ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতির পথ প্রশস্ত করবে। ** '''''[[:w:নিকোলাস ডি রিভিয়ের|নিকোলাস ডি রিভিয়ের]]''''', উদ্ধৃত: "[https://aje.io/lej1ua?update=2544239 ‘ওয়ান্স এগেইন, দিস কাউন্সিল হ্যাজ ফেইলড,’ সেজ ফ্রেঞ্চ ইউএন এনভয়]" (৮ ডিসেম্বর ২০২৩), ''আল জাজিরা''। * আমরা মূলত '২০২৩ সালের [[:w:নাকবা|নাকবা]]'-এরই সূচনা করছি। ** '''''[[:w:আভি ডিখটার|আভি ডিখটার]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.haaretz.com/israel-news/2023-11-12/ty-article/israeli-security-cabinet-member-calls-north-gaza-evacuation-nakba-2023/0000018b-c2be-dea2-a9bf-d2be7b670000# 'উই’র রোলিং আউট নাকবা ২০২৩,' ইসরায়েলি মিনিস্টার সেজ অন নর্দান গাজা স্ট্রিপ ইভাকুয়েশন] * গাজার মানচিত্রকে পৃথিবীর বুক থেকে সম্পূর্ণ মুছে ফেলতে হবে। যাতে গাজার দানবগুলো দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে উড়ে গিয়ে মিশরের ভূখণ্ডে প্রবেশের চেষ্টা করে, অন্যথায় তারা যেন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। আর তাদের সেই মৃত্যু হবে ভয়াবহ। গাজাকে ধূলিসাৎ করে দেওয়া উচিত। [[:w:যিহূদিয়া ও শমরিয়া অঞ্চল|যিহূদিয়া ও শমরিয়ার]] নাৎসিদের মাথার ওপর আগুন আর ধোঁয়া ছড়িয়ে দিতে হবে। হারন নামক সেই ইহুদিও আজ বিশ্বের মাটিকে কাঁপিয়ে তুলবে। এখানে এক অত্যন্ত প্রতিহিংসাপরায়ণ এবং নিষ্ঠুর [[:w:ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী|আইডিএফ (IDF)]] প্রয়োজন। এর চেয়ে কম কিছু করা হবে অনৈতিক। কেবল নীতিবিবর্জিত। ** '''''[[:w:গালিত ডিস্টেল-আতবারিয়ান|গালিত ডিস্টেল-আতবারিয়ান]]''''', [https://twitter.com/GalitDistel/status/1719689095230730656 গালিত ডিস্টেল-আতবারিয়ানের একটি এক্স (X) পোস্টে] বর্ণিত। * যখন ইসরায়েলি বাহিনী আল-শিফা হাসপাতালে প্রবেশ করছে, তখন আমরা আবারও সেখানে অবস্থানরত চিকিৎসা কর্মী, রোগী এবং আশ্রয় নেওয়া বাস্তুচ্যুত বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য জোর আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা তাঁদের জীবন নিয়ে চরমভাবে উদ্বিগ্ন। ** '''''[[:w:ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস|ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস]]''''', [https://twitter.com/MSF_USA/status/1724789771275567268?s=20 ডক্টরস উইদাউট বর্ডারসের একটি এক্স (X) পোস্টে] উদ্ধৃত। * এখনই সেই সময় যখন নিরাপত্তা পরিষদকে বেছে নিতে হবে যে, তারা কি আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য স্রেফ উৎসাহহীন ও নামমাত্র আহ্বান জানিয়ে যাবে, নাকি তারা বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় তাদের আন্তর্জাতিক ম্যান্ডেট পূরণ করবে? গাজার জনগণের ওপর ইসরায়েল রাষ্ট্র যে মৃত্যুদণ্ড চাপিয়ে দিয়েছে তা অমানবিক ও অমার্জনীয়; আর এই নির্মমতা যে আর চলতে পারে না, তা বোঝাতে পরিষদকে তাদের পূর্ণ কূটনৈতিক প্রভাব প্রয়োগ করতে হবে। ** '''''[[:w:ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস|ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস]]''''', উদ্ধৃত: "[https://www.msf.org/letter-gaza-un-security-council গাজা: “ইট মাস্ট অল স্টপ নাও।” লেটার টু ইউএন সিকিউরিটি কাউন্সিল]" (৪ ডিসেম্বর ২০২৩), ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস। == E == [[File:Damage in Gaza Strip during the October 2023 - 35.jpg|thumb|এটি আমার এলাকার স্থানীয় হাসপাতাল। এর ভেতরে আমার বন্ধুরা, আমার প্রতিবেশীরা রয়েছে। এটি আমারই সম্প্রদায়। আজ আমার কর্মজীবনের অন্যতম কঠিন দিন। আমি এমন সব দৃশ্য দেখেছি যা আমি কোনোদিন ভুলতে পারব না। ~ আদনান এলবার্শ]] * এখানে লক্ষ লক্ষ মানুষ নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে বেড়াচ্ছে—যাকে কোনোভাবেই স্রেফ 'উচ্ছেদ' বা 'সরিয়ে নেওয়া' বলা উচিত নয়। এটি মূলত উত্তর গাজার সমগ্র জনগোষ্ঠীকে জোরপূর্বক স্থানান্তরিত করা, যা জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী একটি স্পষ্ট [[:w:যুদ্ধাপরাধ|যুদ্ধাপরাধ]]। ** '''''[[:w:জান এগেল্যান্ড|জান এগেল্যান্ড]]''''', উদ্ধৃত: [https://web.archive.org/web/20231014132458/https://www.ft.com/content/eb4717fc-432e-4251-b778-7a365f8de825?accessToken=zwAGB63wDZbYkdPrRxf8Qy5CUdO3eHo2X43oJQ.MEQCIQDcwGudDMv5bHMEEl000xy4DPGx7c0vFLiArY6aUdpF2AIfL1wVgRM8vtVUAlUm6FxWr3LlBBJD1XlhZAq_ln33rw&sharetype=gift&token=37a455ea-c676-4b2f-9449-fbbae0077868 গাজানস স্ট্রিম সাউথ টু সিক শেল্টার ফ্রম ইসরায়েলি বোম্বার্ডমেন্ট] * [[:w:গাজা|গাজায়]] কর্মরত আমাদের মানবিক সহায়তা কর্মীদের পক্ষে বর্তমানে অসহায় বেসামরিক জনগণের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়েছে। [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েল]] ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের এক মৃত্যুপুরী থেকে তাড়িয়ে নিয়ে অন্য মৃত্যুপুরীর দিকে যেতে বাধ্য করছে। ** '''''[[:w:জান এগেল্যান্ড|জান এগেল্যান্ড]]''''', উদ্ধৃত: "[https://aje.io/rilr0q?update=2534191 ‘ওয়ান কিলিং ফিল্ড টু দ্য নেক্সট’ ফর গাজা পিপল: এনজিও]" (৩ ডিসেম্বর ২০২৩), ''আল জাজিরা''। * একটি ভয়াবহ মানবিক সংকট সৃষ্টি করা আমাদের লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি প্রয়োজনীয় মাধ্যম। গাজা অচিরেই এমন এক স্থানে পরিণত হবে যেখানে কোনো মানুষের পক্ষে বেঁচে থাকা সম্ভব হবে না। ** '''''[[:w:জিওরা এইল্যান্ড|জিওরা এইল্যান্ড]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/news/2023/10/25/gaza-is-out-of-fuel-out-of-time-under-israels-bombardment হোয়াই ইসরায়েল’স ব্যান অন ফুয়েল টু গাজা ইজ নট অ্যাবাউট স্টপিং হামাস] * ইসরায়েল রাষ্ট্রের সামনে এখন গাজাকে সাময়িকভাবে বা স্থায়ীভাবে বসবাসের অযোগ্য একটি স্থানে পরিণত করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। গাজায় এক চরম মানবিক সংকট তৈরি করা আমাদের লক্ষ্য হাসিলের এক অপরিহার্য উপায়। গাজা এমন একটি জনপদে পরিণত হবে যেখানে কোনো মানবসন্তানের অস্তিত্ব রক্ষা করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। ** '''''[[:w:জিওরা এইল্যান্ড|জিওরা এইল্যান্ড]]''''', উদ্ধৃত: "[https://www.nytimes.com/2023/10/15/opinion/israel-united-states-gaza.html দ্য ইউ.এস. শুড থিংক টোয়াইস অ্যাবাউট ইসরায়েল’স প্ল্যানস ফর গাজা]" (১৫ অক্টোবর ২০২৩), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''। * [[:w:জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ|নিরাপত্তা পরিষদ]] তাদের নিজস্ব প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন করতে পারছে না, কারণ এর পাঁচটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র—শান্তিরক্ষী বা পুলিশের ভূমিকা পালনের পরিবর্তে—দুর্ভাগ্যবশত বছরের পর বছর ধরে এক প্রকার 'গ্যাংস্টার' বা অপরাধী চক্রে পরিণত হয়েছে। এটাই বর্তমান নিষ্ঠুর বাস্তবতা। ** '''''আয়েশা এলবাসরি''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/news/liveblog/2023/10/17/israel-hamas-war-live-anger-after-israeli-strike-kills-500-in-hospital ইসরায়েল-হামাস ওয়ার লাইভ: ইসরায়েল সেজ উইল নট ব্লক গাজা এইড ফ্রম ইজিপ্ট] * আজ আমরা আমাদের সময়ের অন্যতম অন্ধকারতম মুহূর্ত প্রত্যক্ষ করছি। আমরা সরাসরি একটি [[:w:গণহত্যা|গণহত্যা]] দেখছি—যা সকল অপরাধের ঊর্ধ্বে এক চরম অপরাধ। ইসরায়েলকে কোনো কিছুর সপক্ষে যুক্তি দিতে হয় না—কারণ ইসরায়েল আইনের ঊর্ধ্বে। ইসরায়েল সকল নৈতিকতার ঊর্ধ্বে। কাউকে কোনো প্রকার কৈফিয়ত দেওয়া বা জবাবদিহিতার তোয়াক্কা না করেই তাদের [[:w:মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ|মানবতার বিরুদ্ধে জঘন্যতম অপরাধসমূহ]] সংঘটিত করার লাইসেন্স বা অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত [[:w:ওয়াশিংটন ডি.সি.|ওয়াশিংটন]] তাদের পাশে রয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত ইউরোপীয়রা তাদের হত্যার অবাধ ছাড়পত্র দিয়ে যাচ্ছে এবং যতক্ষণ পর্যন্ত আরবরাও এমন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না যা ইসরায়েলকে তাদের পরিকল্পনা নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে—ততক্ষণ পর্যন্ত পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হবে বলে আমি মনে করি না। ** '''''আয়েশা এলবাসরি''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/93du7y?update=2452142 ‘উই’র ওয়াচিং জেনোসাইড লাইভ,’ ফর্মার ইউএন অফিশিয়াল সেজ] * এটি আমার এলাকার স্থানীয় হাসপাতাল। এর ভেতরে আমার বন্ধুরা, আমার প্রতিবেশীরা রয়েছে। এটি আমারই সম্প্রদায়। আজ আমার কর্মজীবনের অন্যতম কঠিন দিন। আমি এমন সব দৃশ্য দেখেছি যা আমি কোনোদিন ভুলতে পারব না। ** আদনান এলবার্শ, উদ্ধৃত: [https://www.washingtonpost.com/style/media/2023/10/16/gaza-journalists-palestinian-reporters-challenges/ ইটস বিকামিং ইম্পসিবল টু রিপোর্ট ফ্রম গাজা] * যখন তারা [ইসরায়েলি সেনাবাহিনী]-র মুখপাত্র এবং বিশ্লেষকদের কাছ থেকে প্রতিদিনের বার্তা পায় এবং আলোচকরা একেই একমাত্র ধ্রুব সত্য হিসেবে আলোচনা করতে বসেন, তখন জনমতের কাছে এ বিষয়ে কোনো প্রশ্নই থাকে না যে এই গল্পে [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলই]] একমাত্র ভুক্তভোগী। সেখানে অপর পক্ষের সম্পূর্ণ অমানবিকীকরণ করা হয়েছে। আপনি যদি সাহস করে এমন কিছু বলেন—যে উভয় পক্ষেই নিরপরাধ মানুষ রয়েছে যারা বিধ্বস্ত এবং উভয় পক্ষেই শিশুরা নিহত হচ্ছে—তবে আপনাকে এমনকি পুলিশ স্টেশনে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে এটি জিজ্ঞাসা করার জন্য যে আপনি আদৌ একজন সত্যিকারের ইসরায়েলি দেশপ্রেমিক কি না। ** '''''[[:w:আকিভা এলদার|আকিভা এলদার]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/yu4f6n?update=2492769 মেসেজ ইনসাইড ইসরায়েল রিমেইনস ‘ইট’স আস অর দেম’: এক্সপার্ট] * তারা আয়ারল্যান্ডে কিংবা মরুভূমিতে চলে যেতে পারে; [[:w:গাজা|গাজার]] দানবদের সমাধান তাদের নিজেদেরই খুঁজে নিতে হবে। ** '''''[[:w:আমিচাই ইলিয়াহু|আমিচাই ইলিয়াহু]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.timesofisrael.com/liveblog_entry/far-right-minister-nuking-gaza-is-an-option-population-should-go-to-ireland-or-deserts/ ফার-রাইট মিনিস্টার: নিউকিং গাজা ইজ অ্যান অপশন, পপুলেশন শুড ‘গো টু আয়ারল্যান্ড অর ডেজার্টস’] * ইসরায়েল কোনো মানুষের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত নয়, আমরা দানবদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত। ** '''''[[:w:গিলাদ এরদান|গিলাদ এরদান]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.nationthailand.com/world/middle-east-africa/40032287 ইসরায়েলি ইউএন অ্যাম্বাসেডর শোজ ভিডিও অফ থাই ওয়ার্কার অ্যাটাক টু অপোজ ইউএনজিএ ইগনোরিং হামাস] [[File:Damage in Gaza Strip during the October 2023 - 23.jpg|thumb|ইসরায়েলি হামলাগুলো ন্যূনতম মানবিক মূল্যবোধ থেকেও বিচ্যুত ~ '''''[[:w:রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান|রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান]]''''']] * ইসরায়েলি হামলাগুলো ন্যূনতম মানবিক মূল্যবোধ থেকেও বিচ্যুত। ** '''''[[:w:রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান|রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.washingtonpost.com/world/2023/10/18/israel-gaza-war-biden-mideast/ বাইডেন এমব্রেসেস ইসরায়েল, রেইজেস হোপ ফর গাজা এইড] * আমরা সমগ্র বিশ্বকে জানিয়ে দেব যে ইসরায়েল একটি যুদ্ধাপরাধী রাষ্ট্র, আমরা এই লক্ষ্যেই প্রস্তুতি গ্রহণ করছি। গাজায় যে গণহত্যা বা ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে, তার পেছনে প্রধান অপরাধী হলো পশ্চিমারা। পশ্চিমারা হয়তো আপনাদের কাছে ঋণী হতে পারে, কিন্তু তুরস্ক আপনাদের কাছে ঋণী নয়। ** '''''[[:w:রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান|রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/nw7juv?update=2444533 মেইন কালপ্রিট বিহাইন্ড গাজা ম্যাসাকার ইজ দ্য ওয়েস্ট: এরদোয়ান] * [[:w:ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ|ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে]] নিহত বেসামরিক নাগরিকদের জন্য যারা অশ্রু বিসর্জন দিচ্ছে, তারা আজ গাজায় হাজার হাজার নিরপরাধ শিশুর মৃত্যু নীরবে প্রত্যক্ষ করছে। ** ''''''''''[[:w:রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান|রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান]]'''''''''', উদ্ধৃত: [https://www.aa.colm.tr/en/middle-east/-turkiye-to-introduce-israel-to-world-as-war-criminal-turkish-president-erdogan/3036204 তুর্কিয়ে টু ইনট্রোডিউস ইসরায়েল টু ওয়ার্ল্ড অ্যাজ ওয়ার ক্রিমিনাল: টার্কিশ প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান] == F == * এখন আমরা একটি অত্যন্ত জোরালো বার্তা প্রদান করতে যাচ্ছি—সেই বার্তাটি হলো, বর্তমান আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা কাঠামো এখন মূল্যায়নের মুখে। যদি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইসরায়েলকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে না পারে, তবে এটি আমাদের অনেকের মনে এই গভীর সন্দেহের বীজ বপন করবে যে—আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার মানদণ্ডগুলো আসলে আদৌ কার্যকর কি না। ** '''''[[:w:ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ|ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/jmh2l8?update=2479986 মোর ফ্রম সৌদি ফরেন মিনিস্টার] * আমরা ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি। হয় আমরা একটি দীর্ঘস্থায়ী শান্তিতে পৌঁছাব, অথবা একটি বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে। আমরা সকল পক্ষ, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতি বিবেকের ডাক শোনার আহ্বান জানাচ্ছি। আর যারা ইসরায়েলকে তাদের অপরাধ চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করছে, তারাও সমানভাবে দায়ী। যদি আমরা দ্রুত পদক্ষেপ না নিই, তবে সামনে আমাদের জন্য আরও অন্ধকার দিন অপেক্ষা করছে। ** '''''[[:w:হকান ফিদান|হাকান ফিদান]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/4hsru5?update=2436088 ‘লাস্টিং পিস অর ওয়ার্ল্ড ওয়ার,’ ওয়ার্নস টার্কি এফএম] * আমরা নিজেদের রক্ষা করার ক্ষেত্রে ইসরায়েলের অধিকারকে পুরোপুরি স্বীকৃতি দিই। তবে অন্য দিকে, বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা, মানবিক সহায়তার সুযোগ প্রদান করা এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও জেনেভা কনভেনশনের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধার আহ্বান জানানো—এর মধ্যে কোনো বৈপরীত্য নেই। মূলত এই প্রস্তাবটি ঠিক সেই কাজগুলোই করছিল। ** '''''সার্জিও ফ্রাঙ্কা দানিজ''''', উদ্ধৃত: [https://www.cnn.com/2023/10/18/europe/us-veto-security-council-israel-gaza-war-intl/index.html ইউএস ভেটোস সিকিউরিটি কাউন্সিল কল ফর ‘হিউম্যানিটারিয়ান পজ’ ইন ইসরায়েল-হামাস ওয়ার] * এই মুহূর্তে আমরা যা প্রত্যক্ষ করছি তা হলো বেসামরিক নাগরিকদের ওপর এক ভয়াবহ আক্রমণ, মানবিক ব্যবস্থার সম্পূর্ণ ভেঙে পড়া এবং আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইন উভয়ের প্রতি চরম অবজ্ঞা। এই হত্যাযজ্ঞ অবশ্যই বন্ধ হতে হবে। ** '''''[[:w:ডেনিস ফ্রান্সিস (কূটনীতিক)|ডেনিস ফ্রান্সিস]]''''', উদ্ধৃত: "[https://reliefweb.int/report/occupied-palestinian-territory/general-assembly-adopts-resolution-demanding-immediate-humanitarian-ceasefire-gaza-parties-compliance-international-law-release-all-hostages জেনারেল অ্যাসেম্বলি অ্যাডপ্টস রেজোলিউশন ডিমান্ডিং ইমিডিয়েট হিউম্যানিটারিয়ান সিজফায়ার ইন গাজা, পার্টিজ কমপ্লায়েন্স উইথ ইন্টারন্যাশনাল ল, রিলিজ অফ অল হোস্টেজ]" (১৩ ডিসেম্বর ২০২৩), ''রিলিফওয়েব''। * এটি কোনো যুদ্ধ নয়। এটি স্রেফ সন্ত্রাসবাদ। ** '''''[[:w:পোপ ফ্রান্সিস|পোপ ফ্রান্সিস]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.reuters.com/world/pope-says-conflict-between-israel-hamas-has-gone-beyond-war-terrorism-2023-11-22/ ডিসপিউট ইরাপ্টস ওভার হোয়েদার পোপ কলড গাজা সিচুয়েশন আ 'জেনোসাইড'] == G == [[File:231013-D-TT977-1378 (53255396241).jpg|thumb|আমরা মূলত মানুষরূপী পশুদের বিরুদ্ধে লড়ছি ~ [[ইয়োভ গ্যালান্ত]]]] * আমরা মূলত মানুষরূপী পশুদের বিরুদ্ধে লড়ছি। ** '''''ইয়োভ গ্যালান্ত''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/program/newsfeed/2023/10/9/israeli-defence-minister-orders-complete-siege-on-gaza ইসরায়েলি ডিফেন্স মিনিস্টার অর্ডারস ‘কমপ্লিট সিজ’ অন গাজা] * আমি গাজা উপত্যকায় সম্পূর্ণ অবরোধের নির্দেশ দিয়েছি। সেখানে কোনো [[:w:বিদ্যুৎ|বিদ্যুৎ]] থাকবে না, কোনো [[:w:খাদ্য|খাদ্য]] থাকবে না, কোনো [[:w:জ্বালানি|জ্বালানি]] থাকবে না—সবকিছু বন্ধ থাকবে। আমরা মানুষরূপী পশুদের বিরুদ্ধে লড়ছি এবং আমরা সেই অনুযায়ীই ব্যবস্থা নিচ্ছি। ** '''''[[:w:ইয়োভ গ্যালান্ট|ইয়োভ গ্যালান্ত]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.timesofisrael.com/liveblog_entry/defense-minister-announces-complete-siege-of-gaza-no-power-food-or-fuel/ ডিফেন্স মিনিস্টার অ্যানাউন্সেস ‘কমপ্লিট সিজ’ অফ গাজা: নো পাওয়ার, ফুড অর ফুয়েল], ''দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল'' (৯ অক্টোবর ২০২৩)। * মার্কিনরা জেদ ধরেছে এবং আমরা এমন অবস্থানে নেই যেখানে তাদের প্রত্যাখ্যান করা সম্ভব। আমরা বিমান এবং সামরিক সরঞ্জামের জন্য তাদের ওপর নির্ভরশীল। আমাদের আসলে কী করার আছে? তাদের না বলে দেব? ** '''''[[:w:ইয়োভ গ্যালান্ট|ইয়োভ গ্যালান্ত]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.timesofisrael.com/liveblog_entry/gallant-we-cant-say-no-to-the-us-on-humanitarian-aid-given-how-much-they-do-for-us/ গ্যালান্ত: উই কান্ট সে ‘নো’ টু দ্য ইউএস অন হিউম্যানিটারিয়ান এইড গিভেন হাউ মাচ দে ডু ফর আস] * যদি [[:w:হিজবুল্লাহ|হিজবুল্লাহ]] এখানে এই ধরণের ভুল করে, তবে তার মাসুল সবার আগে লেবানিজ নাগরিকদেরই দিতে হবে। আমরা বর্তমানে গাজায় যা করছি, বৈরুতেও আমরা ঠিক তা-ই করতে পারি। ** '''''[[:w:ইয়োভ গ্যালান্ত|ইয়োভ গ্যালান্ত]]''''', উদ্ধৃত: [https://english.alarabiya.net/News/middle-east/2023/11/11/-What-we-re-doing-in-Gaza-we-can-also-do-in-Beirut-says-Israeli-defense-minister ‘হোয়াট উই’র ডুইং ইন গাজা, উই ক্যান অলসো ডু ইন বৈরুত,’ সেজ ইসরায়েলি ডিফেন্স মিনিস্টার] * যেসব সন্ত্রাসী আজ রাতে [[:w:আল-শিফা হাসপাতাল|শিফা হাসপাতালের]] নিচে বেসমেন্টে অবস্থান করছে, তারা ট্যাঙ্কের চেইনের সেই বজ্রধ্বনি এবং মাটিকে দুমড়ে-মুচড়ে দেওয়া বুলডোজারের শব্দ শুনতে পাচ্ছে। তারা এটি শুনছে এবং ভয়ে কাঁপছে। ** '''''[[:w:ইয়োভ গ্যালান্ট|ইয়োভ গ্যালান্ত]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.pbs.org/newshour/show/thousands-of-civilians-flee-northern-gaza-hospitals-as-israeli-troops-close-in থাউজেন্ডস অফ সিভিলিয়ানস ফ্লি নর্দান গাজা হসপিটালস অ্যাজ ইসরায়েলি ট্রুপস ক্লোজ ইন] * যেসব সাংবাদিক ওই হত্যাকাণ্ডের খবর আগে থেকেই জানতেন বলে প্রমাণিত হবে এবং তবুও শিশুদের কসাইয়ের মতো জবাই করার সময় স্রেফ নিষ্ক্রিয় দর্শক হয়ে দাঁড়িয়ে থাকাকে বেছে নিয়েছেন—তারা সন্ত্রাসীদের চেয়ে কোনোভাবেই আলাদা নন এবং তাদের সাথে সন্ত্রাসীদের মতোই আচরণ করা উচিত। ** '''''[[:w:বেনি গান্তজ|বেনি গান্তজ]]''''', [https://twitter.com/gantzbe/status/1722535046400061853?s=20 বেনি গান্তজের একটি এক্স (X) পোস্টে] বর্ণিত। * [[:w:আল-কুদ্স হাসপাতাল|আল-কুদ্স হাসপাতালটি]] নির্মাণের সময় থেকেই আমি চিনি। আল-শিফা হাসপাতালেও আন্তর্জাতিক নজরদারিতে নির্মিত একটি নতুন মেডিকেল ব্লক রয়েছে। এই সব হাসপাতালে এত বছর ধরে কাজ করার সময় আমি কখনোই কোনো সামরিক বা রাজনৈতিক কমাণ্ড সেন্টারের চিহ্ন দেখিনি। আর ইসরায়েলিরা যদি... এর কোনো প্রমাণ বা সাক্ষ্য দিতে না পারে, তবে একে মিথ্যাচার, সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানো এবং হাসপাতালে বোমা হামলার অজুহাত ছাড়া অন্য কিছু হিসেবে আমরা কীভাবে দেখব? ** '''''[[:w:ম্যাড্‌স গিলবার্ট|ম্যাড্‌স গিলবার্ট]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/1otd6c?update=2446989 নো এভিডেন্স গাজা হসপিটালস বিয়িং ইউজড আ ‘মিলিটারি কমাণ্ড সেন্টার’: নরওয়েজিয়ান ডক্টর] * ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি এবং প্রকৃতপক্ষে এই [[হামাস|ভয়ঙ্কর অমানুষিক পশুদের]] প্রতি বিশ্ব যে নিরন্তর উদ্বেগ দেখিয়ে যাচ্ছে, তাতে আমি অত্যন্ত বিস্মিত; যারা এই শতাব্দীর দেখা জঘন্যতম নৃশংসতাগুলো সংঘটিত করেছে। ** '''''[[:w:ড্যান গিলারম্যান|ড্যান গিলারম্যান]]''''', উদ্ধৃত: [https://english.alarabiya.net/News/middle-east/2023/10/26/Former-Israeli-ambassador-to-UN-calls-Palestinians-horrible-inhuman-animals-#:~:text=%22I%20am%20very%20puzzled%20by,people%2C%22%20says%20Dan%20Gillerman. ফর্মার ইসরায়েলি অ্যাম্বাসেডর টু ইউএন কলস প্যালেস্টিনিয়ানস ‘হরিবল, ইনহিউম্যান অ্যানিমেলস’] * তারা গাজাকে সম্পূর্ণ মুছে ফেলুক এবং একজন মানুষকেও জীবিত না রাখুক। ** '''''[[:w:ইয়াল গোলান|ইয়াল গোলান]]''''', [https://twitter.com/QudsNen/status/1713589350213018110 কুদস নিউজ নেটওয়ার্কের একটি এক্স (X) পোস্টে] উদ্ধৃত। * গতকাল আমি নিউ ইয়র্ক টাইমস সানডে ম্যাগাজিনের একটি বড় কাজ—আমার পছন্দের একজন সংগীতশিল্পীর কভার ফটোশুট—বাতিল করেছি। কারণ গাজা যুদ্ধ নিয়ে নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনগুলোতে ইসরায়েলের প্রতি এক ধরণের যোগসাজশ ফুটে উঠেছে। তারা যা প্রকাশ করছে এবং যা আড়াল করছে, এমনকি ফিলিস্তিনিদের প্রতিটি কথার সত্যতা নিয়ে যেভাবে প্রশ্ন তুলছে, তার প্রতিবাদেই আমার এই সিদ্ধান্ত। ** '''''[[:w:ন্যান গোল্ডিন|ন্যান গোল্ডিন]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.artnews.com/art-news/news/nan-goldin-cancels-new-york-times-project-israel-gaza-reporting-1234686306/ ন্যান গোল্ডিন ক্যানসেলস নিউ ইয়র্ক টাইমস প্রজেক্ট ওভার নিউজপেপার’স ‘কমপ্লিসিটি উইথ ইসরায়েল’] * নিজেকে রক্ষা করার জন্য আপনাদের যা যা করা প্রয়োজন, তার সবটুকুই করুন। ওই স্থানটিকে একদম মাটির সাথে মিশিয়ে দিন। ** '''''[[:w:লিন্ডসে গ্রাহাম|লিন্ডসে গ্রাহাম]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/news/2023/10/19/frustration-concern-rise-in-arab-american-communities-amid-gaza-war ফ্রাস্ট্রেশন, কনসার্ন রাইজ ইন আরব আমেরিকান কমিউনিটিস অ্যামিড গাজা ওয়ার] * আমাদের কাছে বিশ্বকে নতুন করে সাজানোর একটি সুযোগ রয়েছে—ইউক্রেনে পুতিনকে পরাজিত করা, এখনই হামাসকে নির্মূল করা এবং ইরানকে জানিয়ে দেওয়া যে, 'ইরান থেকে যদি আর কোনো আক্রমণ আসে, তবে আমরা সরাসরি আপনাদের ওপর চড়াও হব।' এর চেয়ে কম কিছু করলে তা চীনকে তাইওয়ান আক্রমণের দিকে ঠেলে দেবে। আমরা অত্যন্ত বিপজ্জনক সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। ইরানের প্রতি বাইডেন প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গি তাদের সীমান্ত নীতির মতোই ব্যর্থ। উন্মুক্ত সীমান্তের কারণে আমরা যেমন একটি বড় ধরণের সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকিতে রয়েছি, তেমনি ইরানকে এখনই পিছু হটার কঠোর বার্তা না দিলে আমরা পরিস্থিতির চরম অবনতির সম্মুখীন হব। ** '''''[[:w:লিন্ডসে গ্রাহাম|লিন্ডসে গ্রাহাম]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.washingtonexaminer.com/news/senate/lindsey-graham-rips-biden-administration-approach-to-iran লিন্ডসে গ্রাহাম রিপস বাইডেন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যাপ্রোচ টু ইরান] * এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে গাজার যেখানেই অভাবগ্রস্ত মানুষ থাকুক না কেন, তাদের কাছে যেন সঠিক পরিমাণে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছায়। গাজার জনগণ কয়েক দশক ধরে অবর্ণনীয় কষ্ট সহ্য করে আসছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তাদের এভাবে আর ব্যর্থতার মুখে ঠেলে দিতে পারে না। ** '''''[[:w:মার্টিন গ্রিফিথস|মার্টিন গ্রিফিথস]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.ft.com/content/5027f41d-90e6-4481-a386-0fde2cdffa63?accessToken=zwAGCDwkAoXIkc9QJ_QdkOZEgdOjhg_eLN_6Yw.MEQCICgaIc5Sg1yMS27JFvCCdJYztIPIeMY159069_PNvVZgAiA-nF9UY_i119--T9Ym5CtkkKPt5TMV4ELyHa4i_ySNjA&sharetype=gift&token=52a2fe27-e0e1-4d07-9373-9ff85f5b1402 স্মল এইড কনভয় রিচেস গাজা আফটার হামাস রিলিজেস টু হোস্টেজ] * হাসপাতালগুলো এখন আর নিরাময়ের কেন্দ্র নয়, বরং যুদ্ধের ময়দানে পরিণত হয়েছে। না, আমার মনে হয় না আগে কখনো আমি এর সমতুল্য কিছু দেখেছি। ** '''''[[:w:মার্টিন গ্রিফিথস|মার্টিন গ্রিফিথস]]''''', উদ্ধৃত: "[https://www.cnn.com/middleeast/live-news/israel-hamas-war-gaza-news-11-21-23/h_a534998db297fdd1e6dd543f1e4dfc4f ইউএন কলস ফর সিজফায়ার বাট উড ওয়েলকাম শর্টার পজ টু গেট মোর এইড ইনটু গাজা, রিলিফ চিফ সেজ]" (২১ নভেম্বর ২০২৩), ''সিএনএন''। * আমাদের চোখের সামনেই গাজা আজ বদলে যাচ্ছে; এক সময়ের ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী যাকে বিশ্বের বৃহত্তম উন্মুক্ত কারাগার বলে অভিহিত করেছিলেন, তা এখন বিশ্বের বৃহত্তম উন্মুক্ত মৃত্যুশিবিরে পরিণত হচ্ছে। ** '''''[[:w:ক্রিস গানেস|ক্রিস গানেস]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/cevgx6?update=2455722 ফর্মার ইউএনআরডব্লিউএ অফিশিয়াল সেজ গাজা টার্নিং ইনটু ‘ওয়ার্ল্ড’স লার্জেস্ট ওপেন-এয়ার ডেথ ক্যাম্প’] * [[:w:ইউএনআরডব্লিউএ|ইউএনআরডব্লিউএ]]-কে (UNRWA) লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে কি না, আমি সেই উত্তর দিতে পারছি না; তবে বাস্তবতা হলো ইউএনআরডব্লিউএর কর্মীরা নিহত হচ্ছেন এবং এর স্থাপনাগুলো আক্রান্ত হচ্ছে। তারা [ইসরায়েলি সেনাবাহিনী] স্থাপনাগুলোর জিপিএস (GPS) স্থানাঙ্ক জানে। ফলাফল কী হতে পারে তা আপনারাই বুঝে নিন। ** '''''[[:w:ক্রিস গানেস|ক্রিস গানেস]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/ddc07n?update=2460489 ইসরায়েল মাইট বি টার্গেটিং ইউএনআরডব্লিউএ ফাসিলিটিস, ফর্মার ইউএন অফিশিয়াল সেজ] * আমেরিকা যেমন ইসরায়েলকে প্রতি বছর ৪ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা প্রদান করে, তেমনি—আজ রাতে আমরা যেমনটি দেখলাম—তারা ইসরায়েলকে একটি [[:w:গণহত্যা|গণহত্যা]] অব্যাহত রাখার জন্য কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সুরক্ষা দিচ্ছে; যা মূলত আন্তর্জাতিক মানবিক আইনকে পাইকারিভাবে ও পরিকল্পিত উপায়ে উপেক্ষা করার মাধ্যমে চিহ্নিত। ** '''''[[:w:ক্রিস গানেস|ক্রিস গানেস]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/cvvtyk?update=2574708 ইউএনএসসি রেজোলিউশন ‘গ্রিনলাইটিং জেনোসাইড’: ফর্মার ইউএনআরডব্লিউএ অফিশিয়াল] * ...আমি একইভাবে [[:w:হামাস|হামাস]] এবং অন্যান্য উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে অত্যন্ত জনবহুল বেসামরিক এলাকা থেকে [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলের]] বেসামরিক জনপদে নির্বিচারে রকেট ও মর্টার নিক্ষেপ বন্ধ করার আহ্বান জানাচ্ছি, যা [[:w:আন্তর্জাতিক মানবিক আইন|আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের]] এক স্পষ্ট লঙ্ঘন। ** '''''[[:w:অ্যান্টনিও গুতেরেস|অ্যান্টনিও গুতেরেস]]''''', [https://www.un.org/sg/en/content/sg/statement/2021-05-20/secretary-general%E2%80%99s-remarks-the-general-assembly-meeting-the-situation-the-middle-east-and-palestine-delivered সেক্রেটারি-জেনারেল’স রিমার্কস টু দ্য জেনারেল অ্যাসেম্বলি মিটিং অন দ্য সিচুয়েশন ইন দ্য মিডল ইস্ট অ্যান্ড প্যালেস্টাইন, ইউনাইটেড নেশনস সেক্রেটারি-জেনারেল, স্টেটমেন্টস,] (২০ মে ২০২১) [[File:Disaster Victim Identification after 2023 Hamas attack on Israel (ZAKA1052)..jpg|thumb|এই নাটকীয় মুহূর্তে, যখন আমরা মধ্যপ্রাচ্যে এক অতল গহ্বরের কিনারে দাঁড়িয়ে আছি, তখন জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে দুটি জোরালো মানবিক আবেদন জানানো আমার কর্তব্য। হামাসকে অবিলম্বে বিনাশর্তে জিম্মিদের মুক্তি দিতে হবে। ~ অ্যান্টনিও গুতেরেস]] * এই নাটকীয় মুহূর্তে, যখন আমরা মধ্যপ্রাচ্যে এক অতল গহ্বরের কিনারে দাঁড়িয়ে আছি, তখন [[:w:জাতিসংঘ|জাতিসংঘের]] মহাসচিব হিসেবে দুটি জোরালো মানবিক আবেদন জানানো আমার কর্তব্য। হামাসকে অবিলম্বে বিনাশর্তে জিম্মিদের মুক্তি দিতে হবে। এবং ইসরায়েলের উচিত গাজার বেসামরিক নাগরিকদের জন্য মানবিক সহায়তার দ্রুত ও নির্বিঘ্ন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা। ** '''''[[:w:অ্যান্টনিও গুতেরেস|অ্যান্টনিও গুতেরেস]]''''', উদ্ধৃত: [https://news.un.org/en/story/2023/10/1142377 মিডল ইস্ট অন ‘ভার্জ অফ দ্য অ্যাবিস’ ইউএন ওয়ার্নস, অ্যাজ ইসরায়েল-হামাস কনফ্লিক্ট ডিপেনস গাজা ক্রাইসিস] * ফিলিস্তিনি জনগণ দীর্ঘ ৫৬ বছর ধরে শ্বাসরুদ্ধকর দখলদারিত্বের শিকার হয়ে আসছে। তারা দেখছে কীভাবে বসতি স্থাপনের মাধ্যমে তাদের জমি প্রতিনিয়ত গ্রাস করা হচ্ছে, সহিংসতার কবলে পড়ছে, তাদের অর্থনীতি থমকে গেছে, মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে এবং তাদের ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাদের এই দুর্দশার কোনো রাজনৈতিক সমাধানের আশাও ক্রমশ বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ** '''''[[:w:অ্যান্টনিও গুতেরেস|অ্যান্টনিও গুতেরেস]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/j9jahf?update=2434480 মোর ফ্রম দ্য ইউএন’স গুতেরেস] * মধ্যপ্রাচ্যে অন্তত একটি মানবিক বিরতির প্রয়োজনের বিষয়ে যে ক্রমবর্ধমান ঐকমত্য তৈরি হচ্ছে বলে মনে হয়েছিল, তাতে আমি উৎসাহিত হয়েছিলাম। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, এর পরিবর্তে আমি অভূতপূর্ব বোমা হামলার তীব্রতায় বিস্মিত হয়েছি, যা মানবিক লক্ষ্যগুলোকে বাধাগ্রস্ত করছে। এই পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে একে অবশ্যই পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হবে। ** '''''[[:w:অ্যান্টনিও গুতেরেস|অ্যান্টনিও গুতেরেস]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.ft.com/content/244ac777-e713-4b97-9a0f-7c0ecdee3e86?shareType=nongift ইসরায়েলি অফেনসিভ ‘অ্যাডভান্সিং’ ইন গাজা আফটার ওভারনাইট ফাইটিং] * এটি ফিলিস্তিনি জনগণের ইতিহাসের অন্যতম এক অন্ধকারতম অধ্যায়। এই অঞ্চলটিকে গ্রাস করা মৃত্যু ও ধ্বংসযজ্ঞ দেখে আমি স্তম্ভিত, যা আজ কেবল যন্ত্রণা, উদ্বেগ এবং হৃদয়ের অসহ্য বেদনায় নিমজ্জিত। ** '''''[[:w:অ্যান্টনিও গুতেরেস|অ্যান্টনিও গুতেরেস]]''''', উদ্ধৃত: [https://press.un.org/en/2023/sgsm22053.doc.htm ওয়ার্ল্ড ‘মাস্ট বি ইউনাইটেড ইন ডিমান্ডিং অ্যান এন্ড টু দ্য অকুপেশন, ব্লকেড অফ গাজা’, সেজ সেক্রেটারি-জেনারেল, মার্কিং ডে অফ সলিডারিটি উইথ প্যালেস্টিনিয়ান পিপল] * গাজা শিশুদের এক বিশাল কবরস্থানে পরিণত হচ্ছে। প্রতিদিন শত শত কন্যা ও পুত্র শিশু নিহত বা আহত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর স্থল অভিযান এবং নিরবচ্ছিন্ন বোমা হামলা বেসামরিক নাগরিক, হাসপাতাল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জা এবং জাতিসংঘের স্থাপনা—এমনকি আশ্রয়কেন্দ্রগুলোকেও আঘাত করছে। সেখানে কেউ নিরাপদ নয়। ** '''''[[:w:অ্যান্টনিও গুতেরেস|অ্যান্টনিও গুতেরেস]]''''', উদ্ধৃত: "[https://www.reuters.com/world/middle-east/un-chief-says-gaza-becoming-graveyard-children-2023-11-06/ ইউএন চিফ সেজ গাজা বিকামিং আ 'গ্রেভইয়ার্ড ফর চিলড্রেন']" (১১ নভেম্বর ২০২৩), ''রয়টার্স''। * আমরা মানবিক ব্যবস্থার সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার এক ভয়াবহ ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছি। পরিস্থিতি দ্রুত এক মহাবিপর্যয়ের দিকে মোড় নিচ্ছে, যা সামগ্রিকভাবে ফিলিস্তিনিদের জন্য এবং এই অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য সম্ভাব্য অপরিবর্তনীয় প্রভাব ফেলতে পারে। ** '''''[[:w:অ্যান্টনিও গুতেরেস|অ্যান্টনিও গুতেরেস]]''''', উদ্ধৃত: "[https://www.ft.com/content/752eb5a0-3d75-4340-ad0d-b6554d9e4f61 হিউম্যানিটারিয়ান সিস্টেম ইন গাজা অন ভার্জ অফ কোলাপস, সেজ ইউএন চিফ]" (৬ ডিসেম্বর ২০২৩), ''ফাইনান্সিয়াল টাইমস''। == H == [[File:Fars Photo of Casualties in Gaza Strip during 2023 War 33.jpg|thumb|এমন কোনো আইন বা মতবাদ নেই যা অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে একটি উন্মুক্ত কারাগারে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর ওপর এই নিয়মতান্ত্রিক হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করে। ~ [[হাদি হাশেম]]]] * ইরান তার উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য—যার প্রথম ধাপ হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং আমাদের মিত্রদের এই অঞ্চল থেকে বিতাড়িত করে একটি আধিপত্যবাদী ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করা এবং ইসরায়েলকে ধ্বংস করা—প্রয়োজনে প্রতিটি আরব নাগরিকের জীবন উৎসর্গ করতেও কুণ্ঠাবোধ করবে না। ** '''''এইচ.আর. ম্যাকমাস্টার''''', উদ্ধৃত: [https://news.sky.com/story/iran-willing-to-expend-every-arab-life-in-efforts-to-destroy-israel-former-us-security-adviser-says-13127330 ইরান উইলিং টু এক্সপেন্ড এভরি আরব লাইফ ইন এফোর্টস টু ডেসট্রয় ইসরায়েল: ফর্মার ইউএস সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার সেজ] * এমন কোনো আইন বা মতবাদ নেই যা অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে একটি উন্মুক্ত কারাগারে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর ওপর এই নিয়মতান্ত্রিক হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন বা ন্যায্যতা প্রদান করে। ** '''''হাদি হাশেম''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/4hsru5?update=2435325 লেবানন ওয়ান্টস টু ‘ডিসঅ্যাসোসিয়েট’ ফ্রম ‘ব্লাডি কনফ্লিক্ট’: অ্যাম্বাসেডর] * সত্যি বলতে, বেসামরিক মানুষের ভোগান্তির যে ব্যাপকতা এবং গাজা থেকে আসা যে চিত্র ও ভিডিওগুলো আমরা দেখছি, তা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। তাই আমরা সকলেই চাই এই সংঘাত যত দ্রুত সম্ভব শেষ হোক এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তার পাশাপাশি ফিলিস্তিনি জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক। আমাদের অবশ্যই একটি স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে ত্বরান্বিত করতে হবে। ** '''''[[:w:কমলা হ্যারিস|কমলা হ্যারিস]]''''', উদ্ধৃত: "[https://www.reuters.com/world/us-vice-president-harris-urges-israel-do-more-protect-palestinian-civilians-2023-12-02/#:~:text=%22Frankly%2C%20the%20scale%20of%20civilian,to%20build%20an%20enduring%20peace.%22 ইউএস ভাইস প্রেসিডেন্ট হ্যারিস আরজেস ইসরায়েল ডু মোর টু প্রোটেক্ট প্যালেস্টিনিয়ান সিভিলিয়ানস]" (২ ডিসেম্বর ২০২৩), ''রয়টার্স''। * ইসরায়েলের বিকৃত ও ঔপনিবেশিক রূপটি মূলত আমাদেরই প্রতিচ্ছবি। আমরা অন্যরকম হওয়ার ভান করি। আমরা নিজেদের মধ্যে এমন সব গুণাবলি ও সভ্যতাগর্বী বৈশিষ্ট্যের আরোপ করি যা—ঠিক ইসরায়েলের মতোই—একটি অবরুদ্ধ ও দখলদারিত্বের শিকার জনগোষ্ঠীর অধিকার কেড়ে নেওয়া, তাদের ভূমি দখল করা এবং দীর্ঘমেয়াদী কারাবাস, নির্যাতন, অবমাননা, জোরপূর্বক দারিদ্র্য ও হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে তাদের পদানত করে রাখার এক অন্তঃসারশূন্য অজুহাত মাত্র। ** '''''[[:w:ক্রিস হেজেস|ক্রিস হেজেস]]''''', "[https://scheerpost.com/2023/10/29/chris-hedges-exterminate-all-the-brutes/ এক্সটারমিনেট অল দ্য ব্রুটস]"। শিরপোস্ট (২৯ অক্টোবর ২০২৩)। * লক্ষ্য হলো একটি "বিশুদ্ধ" ইসরায়েল গঠন করা, যা ফিলিস্তিনিদের মতো 'দূষক' থেকে মুক্ত হবে। গাজাকে একটি জনশূন্য মরুপ্রান্তরে পরিণত করতে হবে। গাজার ফিলিস্তিনিদের হয় মেরে ফেলা হবে, অথবা সীমান্তের ওপারে মিশরের শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিতে বাধ্য করা হবে। ফিলিস্তিনিদের বিতাড়িত করার পরেই আসবে সেই কাঙ্ক্ষিত 'মেসিয়ানিক মুক্তি'। ইহুদি চরমপন্থীরা [[:w:আল-আকসা মসজিদ|আল-আকসা মসজিদ]]—যা মুসলমানদের তৃতীয় পবিত্রতম মাজার এবং ৭০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সেনাবাহিনী কর্তৃক ধ্বংসকৃত ইহুদিদের দ্বিতীয় মন্দিরের ধ্বংসাবশেষের ওপর নির্মিত—তা ভেঙে ফেলার আহ্বান জানাচ্ছে। মসজিদটির স্থানে একটি "তৃতীয়" ইহুদি মন্দির স্থাপন করা হবে, যা সমগ্র মুসলিম বিশ্বকে উত্তাল করে তুলবে। [[:w:পশ্চিম তীর|পশ্চিম তীর]], যাকে এই ধর্মান্ধরা "[[:w:যিহূদিয়া ও শমরিয়া অঞ্চল|যিহূদিয়া ও শমরিয়া]]" বলে ডাকে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েল দখল করে নেবে। অতি-অর্থোডক্স শাস (Shas) এবং ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম দলগুলোর আরোপিত ধর্মীয় আইনের শাসনে ইসরায়েল হবে ইরানের একটি ইহুদি সংস্করণ। ** '''''[[:w:ক্রিস হেজেস|ক্রিস হেজেস]]''''', "[https://scheerpost.com/2023/11/05/israels-final-solution-for-the-palestinians/ ইসরায়েল’স ফাইনাল সলিউশন ফর দ্য প্যালেস্টিনিয়ানস]"। শিরপোস্ট (৫ নভেম্বর ২০২৩)। * [[:w:গাজা উপত্যকায় দুর্ভিক্ষ|অনাহার বা দুর্ভিক্ষ সবসময়ই এই পরিকল্পনার অংশ ছিল]]; এটি মূলত [[:w:গাজা গণহত্যা|গণহত্যার]] পূর্বনির্ধারিত চূড়ান্ত অধ্যায়। ইসরায়েল এই গণহত্যার শুরু থেকেই সুপরিকল্পিতভাবে খাদ্যের উৎসগুলো ধ্বংস করতে শুরু করেছিল—তারা বেকারিগুলোতে বোমা হামলা চালিয়েছে এবং গাজায় খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। গত মার্চ মাস থেকে এই প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত হয়েছে, যখন তারা প্রায় সব ধরণের খাদ্য সরবরাহ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তারা ফিলিস্তিনিদের খাদ্যের প্রধান উৎস [[:w:ইউএনআরডব্লিউএ|ইউএনআরডব্লিউএ]]-কে (UNRWA) ধ্বংস করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল এবং কোনো প্রমাণ ছাড়াই সংস্থার কর্মীদের ৭ অক্টোবরের হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ তোলে। এই অভিযোগটি যুক্তরাষ্ট্র—যারা ২০২৩ সালে এই সংস্থাকে ৪২২ মিলিয়ন ডলার প্রদান করেছিল—সহ অন্যান্য দাতাদের আর্থিক সহায়তা বন্ধ করার একটি অজুহাত হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এরপর ইসরায়েল আনুষ্ঠানিকভাবে ইউএনআরডব্লিউএ-কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ** '''''[[:w:ক্রিস হেজেস|ক্রিস হেজেস]]''''', "[https://scheerpost.com/2025/08/04/chris-hedges-the-gaza-riviera-2/ দ্য গাজা রিভিয়েরা]"। শিরপোস্ট (৪ আগস্ট ২০২৫)। * গাজা কেবল শুরু মাত্র। এই নতুন বিশ্বব্যবস্থায় শক্তিশালীদের দ্বারা দুর্বলেরা নির্মূল হবে, আইনের শাসনের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না, গণহত্যা হবে নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার এবং বর্বরতা হবে বিজয়ী। ** '''''[[:w:ক্রিস হেজেস|ক্রিস হেজেস]]''''', "[https://scheerpost.com/2026/03/16/the-world-according-to-gaza/ দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাকর্ডিং টু গাজা]"। শিরপোস্ট (১৬ মার্চ ২০২৬)। * সেখানে থাকা পুরো জাতিই (ফিলিস্তিনি) এর জন্য দায়ী। ** '''''[[:w:আইজ্যাক হারজগ|আইজ্যাক হারজগ]]''''', উদ্ধৃত: [https://thewire.in/world/northern-gaza-israel-palestine-conflict 'নো ইনোসেন্ট সিভিলিয়ানস ইন গাজা', ইসরায়েল প্রেসিডেন্ট সেজ অ্যাজ নর্দান গাজা স্ট্রাগলস টু ফ্লি ইসরায়েলি বোম্বস] * ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী কোনো দেশের জন্যই হুমকি নয়; আমরা কেবল ইসরায়েলি জাহাজ অথবা ইসরায়েলি বন্দরের দিকে রওনা হওয়া জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছি। ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া এবং গাজা উপত্যকার ওপর থেকে অবরোধ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত ফিলিস্তিনি জনগণকে সমর্থন করার ক্ষেত্রে আমাদের অবিচল অবস্থানের কথা আমরা আবারও নিশ্চিত করছি। ** '''''[[:w:হুথি আন্দোলন|হুথি আন্দোলন]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/unfg1h?update=2568098 ইউএস রেড সি কোয়ালিশন এইমস টু এনকারেজ ইসরায়েল’স ‘ব্রুটাল ক্রাইমস’: হুথিস] == I == * আমেরিকানরা এখন যা করছে, এই নীতিটি মূলত তাদেরই ক্ষতি করছে। বিশ্বের অন্তত ১৩০ কোটি মানুষ তাদের ঘৃণা করতে যাচ্ছে। আর এটি এখন কেবল মুসলিমদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই; সারা বিশ্বের মানুষ এখন এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ করছে। ** জেনারেল '''''[[:w:আব্বাস ইব্রাহিম (লেবানিজ কর্মকর্তা)|আব্বাস ইব্রাহিম]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.washingtonpost.com/national-security/2023/11/11/us-israel-gaza-civilian-deaths/ ইউ.এস. ইজ ওয়ার্নড অ্যাবাউট ইটস গ্লোবাল স্ট্যান্ডিং অ্যাজ গাজা সাফারিং পারসিস্টস] * ওই হামলাগুলো কোনোভাবেই গাজায় এই সীমাহীন ধ্বংসযজ্ঞকে সমর্থন বা ন্যায্যতা দিতে পারে না। যুদ্ধ পরিচালনার পদ্ধতি এবং উপায় সংক্রান্ত আইনি বাধ্যবাধকতাগুলো কোনো পক্ষেরই অবহেলা করা উচিত নয়। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ গাজা শহরের বাসিন্দাদের অবিলম্বে ঘরবাড়ি ছাড়ার যে নির্দেশ দিয়েছে এবং তার সাথে খাবার, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে যে সম্পূর্ণ অবরোধ আরোপ করেছে—তা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। ** '''''[[:w:আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি|আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.justsecurity.org/89477/rare-icrc-public-statement-calls-for-pause-in-gaza-fighting/ রেয়ার আইসিআরসি পাবলিক স্টেটমেন্ট কলস ফর “পজ” ইন গাজা ফাইটিং] * @গ্রেটা থুনবার্গ, হামাস তাদের রকেট তৈরিতে কোনো টেকসই সরঞ্জাম ব্যবহার করে না, যা দিয়ে তারা নিরপরাধ ইসরায়েলিদের নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। ** '''''[[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েল]]''''', ইসরায়েল সরকারের একটি [https://web.archive.org/web/20231020205115/https://twitter.com/Israel/status/1715370190714589677 এক্স (X) পোস্টে] বর্ণিত। == J == * প্রতিদিন শিশু ও নবজাতকদের মৃত্যু দেখা অত্যন্ত দুঃসহ। এটি হৃদয়বিদারক। আমি আমার প্রাইজমানির একটি অংশ ফিলিস্তিনিদের সাহায্যার্থে দান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই জয় নিয়ে আমি সুখী হতে পারছি না। ** '''''[[:w:ওন্স জাবেউর|ওন্স জাবেউর]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/k8y4b6?update=2456566 ‘ইট’স হার্টব্রেকিং’: ওন্স জাবেউর ইন টিয়ার্স ওভার প্লাইট অফ প্যালেস্টিনিয়ানস] * এই সপ্তাহে আমি যুদ্ধবিরতির কিছু [আহ্বান] দেখেছি, এবং আমরা আমাদের অবস্থানে খুব স্পষ্ট থাকব। আমরা বিশ্বাস করি যে এই আহ্বানগুলো ভুল, আমরা বিশ্বাস করি যে এগুলো অত্যন্ত জঘন্য এবং আমরা মনে করি এগুলো অসম্মানজনক। ** '''''[[:w:কারিন জঁ-পিয়েরে|কারিন জঁ-পিয়েরে]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/news/2023/10/19/frustration-concern-rise-in-arab-american-communities-amid-gaza-war ফ্রাস্ট্রেশন, কনসার্ন রাইজ ইন আরব আমেরিকান কমিউনিটিস অ্যামিড গাজা ওয়ার] * ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সেই বীভৎসতা ও নৃশংসতা বর্ণনাতীত। হাজার হাজার বেসামরিক নাগরিক, ইসরায়েলি এবং ফিলিস্তিনি আজ বর্ণবাদের (Apartheid) মাসুল দিচ্ছে। আমরা আপনাদের এখনই হস্তক্ষেপ করার আহ্বান জানাচ্ছি যাতে বর্তমানে চলমান যুদ্ধাপরাধগুলো বন্ধ করা যায়। ** '''''[[:w:জিউইশ ভয়েস ফর পিস|জিউইশ ভয়েস ফর পিস]]''''', [https://web.archive.org/web/20231023201229/https://act.jewishvoiceforpeace.org/a/israelis-demand-ceasefire ইসরায়েলি ডিমান্ড সিজফায়ার]-এ বর্ণিত। * গাজা গত প্রায় দুই দশক ধরে একটি উন্মুক্ত কারাগার হয়ে আছে এবং এটি দ্রুত একটি গণকবরে পরিণত হচ্ছে। যারা নিহত হয়েছে তাদের মধ্যে ৪০ শতাংশই নিরপরাধ শিশু। সেখানে আস্ত একেকটি পরিবারকে হত্যা করা হচ্ছে। ** '''''[[:w:অ্যাঞ্জেলিনা জোলি|অ্যাঞ্জেলিনা জোলি]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/k8y4b6?update=2456829 অ্যাঞ্জেলিনা জোলি স্ল্যামস ইসরায়েল, কলস ওয়ার্ল্ড লিডারস ‘কমপ্লিসিট ইন দিজ ক্রাইমস’] == K == [[File:99515 equipment collection complex for families - expo t PikiWiki Israel.jpg|thumb|আমাদের যোদ্ধারা... যারা নাৎসি সন্ত্রাসীদের দ্বারা সংঘটিত সেই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে গেছে... তারা গাজায় অপহৃতদের সাথে নিয়ে শান্তিতে তখনই ফিরে আসবে, যখন তারা এই অভিশপ্তদের সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করবে ~ শ্লোমো কারহি]] * কতগুলো ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে বা কত শতাংশ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে—যার ওপর অপর পক্ষ গুরুত্ব দিচ্ছে—সেটি একটি "গৌণ ও প্রান্তিক বিষয়"; আসল বিষয় হলো ইরানি জাতি এবং সশস্ত্র বাহিনীর শক্তির প্রদর্শন। ** '''''[[:w:আলী খামেনি|আলী খামেনি]]''''', উদ্ধৃত: [https://english.almayadeen.net/news/politics/sayyed-khamenei--armed-forces-showed-good-image-of-their-cap আল মায়াদিন] * তারা মুখে এমন কিছু বলে যে, "কেন আপনারা এটি করছেন?" কিন্তু কার্যত, ইসরায়েলের অপরাধের বিরুদ্ধে এই সরকারগুলোর পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নেওয়ার কোনো চিহ্নই নেই। ** '''''[[:w:আলী খামেনি|আলী খামেনি]]''''', [https://english.khamenei.ir/news/10708/All-of-us-should-feel-we-have-a-responsibility-with-regard-to ২০২৪ সালের এপ্রিলে প্রদত্ত বক্তব্য]। * এই মুহূর্তে আমাদের একটিই লক্ষ্য এবং তা হলো ''নাকবা'' ! এমন এক নাকবা যা ১৯৪৮ সালের নাকবাকে ম্লান করে দেবে। গাজায় নাকবা এবং যে কেউ এতে যোগ দেওয়ার সাহস করবে তার জন্যও নাকবা! তাদের সেই বিপর্যয় অনিবার্য, কারণ ১৯৪৮ সালের মতোই এবারও বিকল্পটি অত্যন্ত স্পষ্ট। ** '''''[[:w:অ্যারিয়েল কালনার|অ্যারিয়েল কালনার]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.middleeastmonitor.com/20231009-israel-mk-calls-for-a-second-nakba-in-gaza/ ইসরায়েল এমকে কলস ফর আ সেকেন্ড নাকবা ইন গাজা] * আর মাত্র একটি বছর / সেখানে কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না, / এবং আমরা নিরাপদে আমাদের ঘরে ফিরে যাব। / আর মাত্র একটি বছর / আমরা তাদের সবাইকে নির্মূল করব এবং ফিরে যাব আমাদের মাঠের লাঙল ধরতে। ** '''''[[:w:কান ১১|কান ১১]]''''', [https://www.jewishpress.com/multimedia/video-picks/gaza-envelope-childrens-updated-friendship-song-deleted-by-state-tv/2023/11/20/ গাজা এনভেলপ চিলড্রেন’স আপডেটেড ‘ফ্রেন্ডশিপ’ সং ডিলিটেড বাই স্টেট টিভি]-তে বর্ণিত। * আমরা এখন যা দেখছি তা হলো সকল নিয়মনীতির বিলুপ্তি; সেখানে কোনো আদর্শ বা নৈতিকতা অবশিষ্ট নেই কারণ এটি একটি সমগ্র সমাজের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। সেখানে আদতে কোনো নিয়মই কাজ করছে না। তাই এই মুহূর্তে আমাদের যা প্রয়োজন, তা হলো বাইর থেকে এসে কাউকে এই ধ্বংসযজ্ঞ থেকে উদ্ধার করা। ** '''''[[:w:মুকেশ কপিলা|মুকেশ কপিলা]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/jui07c?update=2483569 ‘নো রুলস অ্যাট অল’: এক্স-ইউএন অফিশিয়াল ডিনাউন্সেস ইসরায়েলি ললেসনেস] * কূপগুলো মাটি দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিশোধ হিসেবে দাউদ একশজন ফিলিস্তিনির পুরুষাঙ্গের অগ্রত্বক সংগ্রহ করেছিলেন। আমাদের যোদ্ধারা, যারা নিজেদের ঘর রক্ষা করতে এবং নাৎসি সন্ত্রাসীদের দ্বারা সংঘটিত সেই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে যুদ্ধে গেছে, তারা ওই সুড়ঙ্গগুলোকে মাটি দিয়ে ঢেকে দেবে এবং গাজায় অপহৃতদের সাথে নিয়ে শান্তিতে তখনই ফিরে আসবে, যখন তারা এই অভিশপ্তদের সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করবে। ** '''''[[:w:শ্লোমো কারহি|শ্লোমো কারহি]]''''', [https://twitter.com/shlomo_karhi/status/1725504217148797065?s=20 শ্লোমো কারহির একটি এক্স (X) পোস্টে] বর্ণিত। * পৃথিবী ছেড়ে বিদায় নেওয়ার আগ পর্যন্ত তারা এক ফোঁটা পানি কিংবা একটি ব্যাটারিও পাবে না। ** '''''[[:w:ইসরায়েল কাটজ|ইসরায়েল কাটজ]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.newarab.com/news/what-have-israeli-officials-said-about-palestinians-gaza হোয়াট হ্যাভ ইসরায়েলি অফিশিয়ালস সেড অ্যাবাউট প্যালেস্টিনিয়ানস ইন গাজা?] * ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের ওপর যত বেশি দমন-পীড়ন চালাবে এবং তাদের মৌলিক স্বাধীনতা হরণ করবে, তত বেশি প্রতিরোধের সম্মুখীন হবে; কারণ আরও অনেক ফিলিস্তিনি তাদের সমষ্টিগত ও ব্যক্তিগত অধিকার আদায়ের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। ** ওনজু কেচেলি, উদ্ধৃত: [https://aje.io/3m6aa9?update=2529939 ‘ব্রুট ফোর্স’ এগেইনস্ট এনটায়ার পপুলেশন ক্যাননট বি লেজিটিমাইজড: টার্কি] * এটি যুদ্ধ। এটি একটি সংঘাত। এটি রক্তক্ষয়ী, কদর্য এবং পরিস্থিতি আরও জটিল হতে যাচ্ছে; আর সামনের দিনগুলোতে নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেই। ** '''''[[:w:জন কিরবি|জন কিরবি]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.barrons.com/news/innocent-civilians-are-going-to-be-hurt-in-israel-hamas-war-w-house-645bb1a5?refsec=topics_afp-news# 'ইনোসেন্ট সিভিলিয়ানস আর গোয়িং টু বি হার্ট' ইন ইসরায়েল-হামাস ওয়ার: ডব্লিউ.হাউস] * [হামাসের লক্ষ্য] কেবল ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আরব বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং শান্তিপূর্ণ আলোচনার পথ থেকে বিচ্যুত হওয়া ছাড়া আর কিছু হতে পারে না। ** '''''[[:w:হেনরি কিসিঞ্জার|হেনরি কিসিঞ্জার]]''''', [https://en.wikipedia.org/wiki/Henry_Kissinger#2023_Israel–Hamas_war হেনরি কিসিঞ্জার - ২০২৩ ইসরায়েল-হামাস ওয়ার]-এ বর্ণিত। == L == * যদি গাজাকে ধ্বংস করা হয় এবং সেখানে বসবাসকারী ২০ লক্ষ বাসিন্দাকে বিতাড়িত করা হয়—যেমনটি ইসরায়েল ও বিদেশের কিছু রাজনীতিক প্রস্তাব করছেন—তবে এটি আগামী বহু দশক, এমনকি শতাব্দীকাল ব্যাপী এক মহাবিপর্যয়ের সৃষ্টি করবে। ** '''''[[:w:সের্গেই লাভরভ|সের্গেই লাভরভ]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/news/2023/10/28/russia-says-israeli-bombardment-of-gaza-is-against-international-law রাশিয়া সেজ ইসরায়েলি বোম্বার্ডমেন্ট অফ গাজা ইজ এগেইনস্ট ইন্টারন্যাশনাল ল] * প্রকৃতপক্ষে, গাজার শ্বাসরোধ করা হচ্ছে এবং মনে হচ্ছে বিশ্ব বর্তমানে তার মানবিকতা হারিয়ে ফেলেছে। আমরা যদি পানির সমস্যার দিকে তাকাই—আমরা সবাই জানি পানিই জীবন—তবে গাজায় পানির অভাব দেখা দিচ্ছে, আর গাজা থেকে জীবন ফুরিয়ে আসছে। ** '''''[[:w:ফিলিপ লাজারিনি|ফিলিপ লাজারিনি]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.ft.com/content/6fbdcd03-3483-4107-ada9-a63a9c5e6806?shareType=nongift ‘হোয়াই হ্যাজ দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাবন্ডন্ড আস?’ প্যালেস্টিনিয়ানস ইন গাজা প্লিড ফর হিউম্যানিটারিয়ান রিলিফ] * গাজা এবং হামাসকে এক করে দেখা অত্যন্ত বিপজ্জনক ও বিভ্রান্তিকর। এটি এমন এক সমীকরণ যার লক্ষ্য মানুষকে অমানবিক হিসেবে উপস্থাপন করা এবং যা অন্যায্য তাকে ন্যায্য প্রতিপন্ন করা। আমাদের মানবিকতা বজায় রাখার অর্থ হলো এটি দেখানো যে, গাজার মানুষ আমাদের সহানুভূতি ও করুণার যোগ্য। কেউ এ দাবি করতে পারবে না যে 'আমি জানতাম না', কারণ গাজা থেকে প্রতি ঘণ্টায় অবর্ণনীয় যন্ত্রণার ছবি, ভিডিও এবং আর্তনাদ আসতে থাকছে। আমরা এই মানবিক ট্র্যাজেডির প্রতি আর চোখ বুজে থাকতে পারি না। লক্ষ লক্ষ মানুষ, বিশেষ করে গাজাবাসীরা প্রশ্ন করছে—কেন বিশ্বের এই মর্ত্যের নরক শেষ করার সদিচ্ছা নেই? তারা একটি উত্তর পাওয়ার দাবি রাখে। এই উত্তরে বিলম্ব করা এই অঞ্চলের মেরুকরণকে আরও গভীর করবে এবং সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেবে। ** '''''[[:w:ফিলিপ লাজারিনি|ফিলিপ লাজারিনি]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/i5z284?update=2440548 ইকুয়েটিং গাজা উইথ হামাস ‘ভেরি ডেঞ্জারাস অ্যান্ড মিসলিডিং’] * আমাদের মধ্যে অনেকেই এই ট্রাকগুলোর মাঝে আশার আলো দেখেছিলেন। তবে এটি এখন কেবল মনোযোগ অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাস্তায় থাকা ২০ লক্ষ মানুষের জন্য এই সামান্য কয়েকটি ট্রাক কেবলই 'উচ্ছিষ্ট' বা যৎসামান্য খাবারের অবশিষ্টাংশের চেয়ে বেশি কিছু নয়, যা তাদের জীবনে কোনো বড় পরিবর্তন আনবে না। আমাদের এমন বার্তা দেওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত যে—দিনে কয়েকটি ট্রাক আসার অর্থই হলো মানবিক সহায়তার ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়েছে; এটি মোটেও সত্য নয়। বর্তমানে যে ব্যবস্থাটি চালু আছে তা ব্যর্থ হওয়ার জন্যই তৈরি করা হয়েছে। যা প্রয়োজন তা হলো অর্থবহ এবং নিরবচ্ছিন্ন ত্রাণ প্রবাহ; আর এটি সফল করতে আমাদের একটি মানবিক যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন যাতে এই সহায়তা প্রকৃত অভাবগ্রস্তদের কাছে পৌঁছাতে পারে। এটি খুব বড় কোনো চাওয়া হওয়া উচিত নয়। ** '''''[[:w:ফিলিপ লাজারিনি|ফিলিপ লাজারিনি]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/i5z284?update=2440488 ট্রাকস এন্টারিং গাজা থ্রু রাফাহ ‘নাথিং মোর দ্যান ক্রাম্বস’: ইউএনআরডব্লিউএ চিফ] * আক্রান্ত হওয়া অধিকাংশ স্থাপনাতেই পরিবারগুলো অবস্থান করছিল—যার মধ্যে বৃদ্ধ, বাবা-মা এবং শিশুরাও ছিল। এগুলো নীল পতাকা সংবলিত এবং স্পষ্টভাবে জাতিসংঘের ভবন হিসেবে চিহ্নিত ছিল। [[:w:ইউএনআরডব্লিউএ|ইউএনআরডব্লিউএ]] (UNRWA) নিয়মিতভাবে সংঘাতের সাথে জড়িত পক্ষগুলোর কাছে এই ভবনগুলোর স্থানাঙ্ক (Coordinates) সরবরাহ করে থাকে। ** '''''[[:w:ফিলিপ লাজারিনি|ফিলিপ লাজারিনি]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/5oh2f2?update=2498929 হিটিং শেল্টারস আ ‘টোটাল ডিসরিগার্ড ফর হিউম্যানিটি’: ইউএনআরডব্লিউএ চিফ] * ক্রমাগত বোমাবর্ষণ এবং আমাদের উপচে পড়া আশ্রয়কেন্দ্র ও তার বাইরে থাকা বাস্তুচ্যুত মানুষের বিশাল চাহিদার তুলনায় গাজা উপত্যকায় খাদ্য ও অন্যান্য মানবিক সরঞ্জামের নগণ্য ও অনিয়মিত প্রবাহের ফলে—মানুষকে সহায়তা ও সুরক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে ইউএনআরডব্লিউএর সক্ষমতা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। ** '''''[[:w:ফিলিপ লাজারিনি|ফিলিপ লাজারিনি]]''''', উদ্ধৃত: "[https://www.nytimes.com/2023/12/08/world/middleeast/fuel-and-aid-are-scarce-as-relief-efforts-falter-in-southern-gaza.html#:~:text=“With%20constant%20bombardment%2C%20low%20and,head%20of%20U.N.%20agency%20that ‘অন দ্য ব্রিঙ্ক অফ ফুল-ব্লোন কোলাপস’: ফুয়েল অ্যান্ড এইড আর স্কার্স অ্যাজ রিলিফ এফোর্টস ফাল্টার ইন সাউদার্ন গাজা]" (৮ ডিসেম্বর ২০২৩), ''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''। * যেকোনো বর্ণনায় বলতে গেলে, এটি নিশ্চিতভাবেই আমার দেখা এ যাবৎকালের সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি। ** '''''[[:w:ফিলিপ লাজারিনি|ফিলিপ লাজারিনি]]''''', উদ্ধৃত: "[https://www.nbcnews.com/news/world/live-blog/israel-hamas-war-live-updates-rcna128910 ইসরায়েল স্টেপস আপ সাউদার্ন গাজা অফেনসিভ অ্যাজ ইউ.এস. অ্যাপ্রুভস আর্মস সেলস]" (১০ ডিসেম্বর ২০২৩), ''এনবিসি নিউজ''। * এই ধরণের বক্তব্য বা আলোচনার বৈধতা দেখে আপনি বুঝতে পারবেন যে [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েল]] কতটা ভয়াবহভাবে পতনের দিকে যাচ্ছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এবং আপনি এটি উল্লেখও করেছেন—এটি কতটা সর্বসম্মত। এটি কেবল ডানপন্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আপনি গাজার প্রতি, গাজার কষ্টের প্রতি সামান্য সহানুভূতিও দেখাতে পারবেন না, যা ইসরায়েল একেবারেই দেখতে পায় না। গড়পড়তা একজন ইসরায়েলি গাজায় [যা ঘটেছে বা ঘটছে তার] কিছুই দেখেনি, কেবল সেখানে থাকা সৈন্যরা তা দেখতে পায়। সাহসিকতা, ত্যাগ, জিম্মি এবং তাদের পরিবারদের কথা বিরতিহীনভাবে দেখানো হচ্ছে, কিন্তু গাজার ২০ লক্ষ মানুষের যন্ত্রণার একটি ছবিও কোথাও নেই। আমি মনে করি এটি ইসরায়েলের জন্য ইতিহাসের সম্ভবত সবচাইতে অন্ধকারতম সময়। ** '''''[[:w:গিডন লেভি|গিডন লেভি]]''''', উদ্ধৃত: "[https://web.archive.org/web/20240821075219/https://www.newstatesman.com/international-content/the-international-interview/2024/01/gideon-levy-south-africa-genocide-israel “দে কিল এনিথিং দ্যাট মুভস”: আ ডিসকাশন অন দ্য মাস এক্সপালশন অফ গাজা, জেনোসাইড অ্যান্ড সাউথ আফ্রিকা’স কেস এগেইনস্ট ইসরায়েল]"। ''নিউ স্টেটসম্যান''। * গাজার এই ভয়াবহতাকে ক্ষমা করার বা অজুহাত দেওয়ার সময় আমরা পার করে এসেছি। বাইডেনকে অবশ্যই নেতানিয়াহুর ওপর কঠোর চাপ সৃষ্টি করতে হবে যেন তিনি এই নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করেন। আর এর শুরুটা হতে হবে যুদ্ধবিরতির আহ্বানের মধ্য দিয়ে। ** '''''[[:w:লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস|লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস]]''''' সম্পাদকীয় বোর্ড, [https://www.latimes.com/opinion/story/2023-11-16/editorial-ceasefire-now-the-killing-in-gaza-must-stop#:~:text=It%20is%20time%20for%20a,witness%20more%20slaughter%20of%20civilians. সিজ-ফায়ার নাও। দ্য কিলিং ইন গাজা মাস্ট স্টপ]-এ বর্ণিত। * এটি দীর্ঘকাল ধরে ঘনীভূত হওয়ারই ফল। আমি এবং আমার পূর্বসূরিরা এই দখলদারিত্বের উত্তরোত্তর জেঁকে বসা রূপটির দিকে বারবার ইঙ্গিত করেছি—বসতি স্থাপন বৃদ্ধি, ক্রমবর্ধমান ভূমি দখল এবং বাড়তে থাকা সহিংসতা। সেই অন্ধকার মুহূর্তগুলোই ছিল বর্তমান পরিস্থিতির পূর্বাভাস। আপনি আগ্নেয়গিরির মুখে ছিপি দিয়ে তা চিরকাল আটকে রাখার আশা করতে পারেন না এবং বিস্ফোরণ ঠেকিয়ে রাখার প্রত্যাশা করতে পারেন না। ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা এবং অপহরণ—এগুলো স্পষ্টতই যুদ্ধাপরাধ। কিন্তু এক পক্ষের দ্বারা সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ অন্য পক্ষকে যুদ্ধাপরাধ করার অনুমতি দেয় না। ইসরায়েল সম্পর্কে এমন একটি বয়ান প্রচলিত আছে যে, এটি একটি আইন মান্যকারী গণতন্ত্র যা পশ্চিমাদের সাথে অভিন্ন মূল্যবোধ ধারণ করে—আর ফিলিস্তিনিদের প্রসঙ্গে এলে এটিই অনেক সময় অন্ধবিন্দু (Blind Spot) হিসেবে কাজ করে। এই দৃষ্টিভঙ্গি আন্তর্জাতিক আইনের অসংখ্য লঙ্ঘন—যেমন বসতি স্থাপন, ভূমি সংযুক্তি এবং মানুষকে অবরুদ্ধ করে রাখার বিষয়গুলোকে বিবেচনায় নেয় না। দীর্ঘকাল ধরে একটি ধারণা প্রচলিত যে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইউরোপীয় ইহুদিদের প্রতি পশ্চিমারা যা করেছিল এবং যা ঘটতে দিয়েছিল, তার ক্ষতিপূরণ হিসেবেই এই ইসরায়েল রাষ্ট্র; এই প্রতিশ্রুতি যে ইহুদিরা তাদের নিজস্ব একটি জন্মভূমি পাওয়ার যোগ্য যেখানে তারা নিরাপদ ও সুরক্ষিত থাকবে। তবে যে বিষয়টি কখনোই বিবেচনায় আনা হয় না তা হলো—একটি ইহুদি রাষ্ট্র দিয়ে একটি আরব রাষ্ট্রকে প্রতিস্থাপনের প্রক্রিয়া এবং এর ফলে সৃষ্ট অমানবিক ভোগান্তি। ** '''''[[:w:মাইকেল লিঙ্ক|মাইকেল লিঙ্ক]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/j9jahf?update=2434411 ‘আ লং টাইম কামিং’: এক্সপ্লোশন অফ ভায়োলেন্স লং প্রেডিক্টেড – অ্যানালিস্ট] == M == * ফিলিস্তিনিদের প্রাণের বিনিময়ে যদি ইসরায়েলের নিরাপত্তা অর্জিত হয়, তবে এই অঞ্চলে ইসরায়েলের জন্য কোনো স্থায়ী নিরাপত্তা থাকবে না। ** '''''[[:w:ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ|ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/3m6aa9?update=2529982 ম্যাক্রোঁ: নো সিকিউরিটি ফর ইসরায়েল অ্যাট দ্য কস্ট অফ প্যালেস্টিনিয়ান লাইভস] * ইসরায়েল যদি বর্তমানে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে, তবে নিশ্চিতভাবেই তাদের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে; আবার তারা যদি প্রতিরোধের শক্তিগুলোর (Resistance Forces) বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার চেষ্টা করে, তবে সেখানেও তাদের বিজয় অর্জন করা অসম্ভব। মূলত ইসরায়েল আজ এমন এক মরণফাঁদে দাঁড়িয়ে আছে যেখানে কোনো পথই তাদের জন্য নিরাপদ নয়। ** '''''[[:w:মোহাম্মদ-রেজা মাহদভী কানি|মোহাম্মদ-রেজা মাহদভী কানি]]''''', [https://web.archive.org/web/20231107162154/https://www.didbaniran.ir/بخش-سیاসী-3/167888-امام-جمعه-اصفهان-اسرائیل-در-دوراهی-مرگ-قرار-گرفته-است ইমাম জুম্মা এসফাহান: ইসরায়েল দর দোরাহি মার্গ গরারে গেড়েফতে আস্ত] হতে অনূদিত। * সিভিল ডিফেন্স বা উদ্ধারকারী দলের ওপর এই বর্বরোচিত হামলা... যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সামাজিক সেবাগুলোর বিনাশ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ—এই সবকিছুই মূলত একটি সুদীর্ঘ ও গভীর প্রক্রিয়ার অংশ। যার চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো গাজা উপত্যকাকে মানুষের বসবাসের জন্য সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত ও একটি জনশূন্য মরুভূমিতে পরিণত করা। ** '''''হানি মাহমুদ''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/news/liveblog/2024/6/28/israel-war-on-gaza-live-people-flee-in-terror-as-tanks-drones-attack?update=3010889 আ শ্যাটারড সেন্স অফ সেফটি] * দখলদার শক্তি ইসরায়েল কর্তৃক অবৈধ দখলদারিত্বের অধীনে থাকা ফিলিস্তিনি বেসামরিক জনগোষ্ঠীর ওপর যে পরিকল্পিত, নিয়মতান্ত্রিক এবং পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড চালানো হচ্ছে, তা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। এই নিষ্ঠুর গণহত্যা রোধ করা আজ আমাদের সকলের সম্মিলিত মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব। ** '''''[[:w:রিয়াদ আল-মালিকি|রিয়াদ আল-মালিকি]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/j9jahf?update=2434525 মোর ফ্রম রিয়াদ আল-মালিকি অ্যাট দ্য ইউএন সিকিউরিটি কাউন্সিল] * আমি আপনাদের সকলের কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি—এই অবিরাম হত্যাযজ্ঞ বন্ধের পক্ষে আপনার ভোটটি দিন। যাদের বেঁচে থাকা আজ কেবল ত্রাণের ওপর নির্ভরশীল, তাদের কাছে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার পক্ষে ভোট দিন। এই উন্মাদনা এবং রক্তপাত বন্ধ করতে এখনই পদক্ষেপ নিন। ** '''''[[:w:রিয়াদ মনসুর|রিয়াদ মনসুর]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/news/2023/10/26/palestinian-ambassador-urges-un-to-stop-the-killing-as-israel-pounds-gaza প্যালেস্টিনিয়ান অ্যাম্বাসেডর আরজেস ইউএন টু ‘স্টপ দ্য কিলিং’ অ্যাজ ইসরায়েল পাউন্ডস গাজা] * তারা যদি প্রকৃত অর্থেই মানুষ হতো, তবে আমরা অবশ্যই তাদের কাছে মানবিক সহায়তা পাঠাতাম... কিন্তু এখানে আমরা মানুষের কথা বলছি না, এটি মূলত পশুদের সম্পর্কে একটি লড়াই। ** '''''রাব্বি মেয়ার মারোজ''''', [https://twitter.com/QudsNen/status/1723241828785303696?s=20 কুদস নিউজ নেটওয়ার্কের একটি এক্স (X) পোস্টে] উদ্ধৃত। * আমি অপর পক্ষকে বলব যে—'নিরপরাধ ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিক' এই ধারণাটি যেন তারা এত হালকাভাবে ব্যবহার না করে। আমার মনে হয় না যে আমরা 'নিরপরাধ নাৎসি বেসামরিক নাগরিক' শব্দবন্ধটি এত সহজে বা হালকাভাবে কোথাও ব্যবহার করতাম। ** '''''[[:w:ব্রায়ান মাস্ট|ব্রায়ান মাস্ট]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/cevgx6?update=2455960 ইউএস কংগ্রেসিম্যান সাজেস্টস দেয়ার আর নো ‘ইনোসেন্ট প্যালেস্টিনিয়ান সিভিলিয়ানস’] * যখন হাসপাতাল আর বিদ্যালয়গুলো ভেতরে থাকা শিশুদের নিয়েই দাউদাউ করে জ্বলছে, তখন আন্তর্জাতিক শেয়ারহোল্ডাররা উল্লাসে মেতেছে এবং বিশ্ব অর্থনীতি ফুলেফেঁপে উঠছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের জুলাই মাসের মাঝে আরটিএক্স কর্পোরেশন (RTX Corporation) এবং লিওনার্দোর (Leonardo) মতো প্রতিরক্ষা খাতের দানবীয় কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম যথাক্রমে ৭৭ শতাংশ এবং ২৩৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৩ সালে বিশ্বের শীর্ষ ১০০টি অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের আয় দাঁড়িয়েছে ৬০০ বিলিয়ন ডলারের উপরে। এই পুরো অর্থনীতিই আজ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। ফ্রান্সেস্কা আলবানিজ ২০২৫ সালের এক অসাধারণ জাতিসংঘ প্রতিবেদনে অস্ত্র শিল্পের এই অপ্রত্যাশিত মুনাফাকে টিকিয়ে রাখা এক বিশাল নেটওয়ার্ককে উন্মোচিত করেছেন—যার মধ্যে রয়েছে ল ফার্ম, অডিটিং ও কনসাল্টিং ফার্ম, অস্ত্র ব্যবসায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় এবং দালালচক্র। তিনি সেই বিশাল কর্পোরেট জালকে উন্মোচন করেছেন যাদের কাছে ফিলিস্তিনিদের জীবন ধ্বংস হওয়া মানেই রেকর্ড পরিমাণ মুনাফা অর্জন—যার মধ্যে অ্যালফাবেট (Alphabet), মাইক্রোসফট (Microsoft) ও অ্যামাজনের (Amazon) মতো প্রযুক্তি জায়ান্ট; ভ্যানগার্ড (Vanguard) ও ব্ল্যাকরকের (BlackRock) মতো আর্থিক পাওয়ার হাউস এবং বিশ্বের বৃহত্তম জ্বালানি ও খনিজ উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো অন্যতম। ** '''''[[:w:ক্লারা মাত্তেই|ক্লারা ই. মাত্তেই]]''''', ''এস্কেপ ফ্রম ক্যাপিটালিজম: অ্যান ইন্টারভেনশন''। (২০২৬)। আইএসবিএন (ISBN): ৯৭৮-১৬৬৮০৮৫১৪১, পৃষ্ঠা: ১৫৩। * ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইনের কোনো পরোয়াই করে না। কিন্তু কেন? কারণ ইসরায়েলকে কখনোই তাদের কৃতকর্মের জন্য জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয় না। এই দায়মুক্তিই তাদের বারবার ধৃষ্টতা দেখানোর সুযোগ করে দেয়। ** '''''[[:w:মেরি লু ম্যাকডোনাল্ড|মেরি লু ম্যাকডোনাল্ড]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/2jzuwp?update=2494019 আইরিশ এমপি কলস ফর আইসিসি ইনভেস্টিগেশন অফ ইসরায়েল] * আমি একজন সাংবাদিক হিসেবে রুয়ান্ডা গণহত্যা কভার করেছি। হামাসের হামলার পর ইসরায়েল থেকে যে ধরণের ভাষা বা বয়ান ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, তা রুয়ান্ডার সেই ভয়াবহ দিনগুলোর সাথে এক অদ্ভুত ও আতঙ্কজনক মিল বহন করে। এই শব্দচয়নগুলো মূলত আরেকটি বড় গণহত্যারই পূর্বাভাস। ** '''''[[:w:ক্রিস ম্যাকগ্রিল|ক্রিস ম্যাকগ্রিল]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.theguardian.com/commentisfree/2023/oct/16/the-language-being-used-to-describe-palestinians-is-genocidal দ্য ল্যাঙ্গুয়েজ বিয়িং ইউজড টু ডেসক্রাইব প্যালেস্টিনিয়ানস ইজ জেনোসাইডাল] * ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর বর্তমানে চলমান এই পাইকারি বা ঢালাও হত্যাকাণ্ড—যা মূলত এক জাতিগত-জাতীয়তাবাদী ঔপনিবেশিক আদর্শে প্রোথিত—তা মূলত কয়েক দশক ধরে চলে আসা সুশৃঙ্খল নিপীড়ন ও জাতিগত নিধনেরই একটি নিরবচ্ছিন্ন অংশ। কেবল আরব হওয়ার কারণেই তাদের এই পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে, যা নিয়ে কোনো সন্দেহ বা বিতর্কের অবকাশ নেই। আজ এই পুরো ভূখণ্ড জুড়ে বর্ণবাদের (Apartheid) শাসন কায়েম করা হয়েছে। ** '''''[[:w:ক্রেইগ মোখিবের|ক্রেইগ মোখিবের]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.theguardian.com/world/live/2023/oct/31/israel-hamas-war-live-updates-latest-news-today-hamas-clashes-idf-gaza-aid-plan-failure টপ ইউএন অফিশিয়াল রিজাইনস ওভার ‘জেনোসাইড’ অফ প্যালেস্টিনিয়ান সিভিলিয়ানস] * একজন মানবাধিকার আইনজীবী হিসেবে আমি অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে বলতে পারি যে—গাজা এবং এর আশেপাশে যা ঘটে চলেছে, তা স্রেফ একটি গণহত্যা ছাড়া আর কিছুই নয়। মানবতার বিরুদ্ধে এই চরম অপরাধ আজ আমাদের চোখের সামনেই উন্মোচিত হচ্ছে। ** '''''[[:w:ক্রেইগ মোখিবের|ক্রেইগ মোখিবের]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/k8y4b6?update=2456513 ‘হোয়াট আই সি আনফোল্ডিং ইন গাজা অ্যান্ড বিয়ন্ড ইজ জেনোসাইড’] * আমরা বর্তমানে গাজায় যা দেখছি তা আরও ভয়াবহ; কারণ [[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]], [[:w:যুক্তরাজ্য|যুক্তরাজ্য]] এবং আরও কিছু পশ্চিমা শক্তি প্রকৃতপক্ষে এই [[:w:ফিলিস্তিনি গণহত্যা বির্তক|গণহত্যার]] সরাসরি সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। [[:w:গণহত্যা কনভেনশন|গণহত্যা কনভেনশনের]] অধীনে 'সহযোগিতা করা' নিজেই একটি পৃথক অপরাধ। যুক্তরাষ্ট্র এই গণহত্যার সময় নিরবচ্ছিন্নভাবে অর্থনৈতিক সহায়তা, সামরিক গোয়েন্দা তথ্য এবং কূটনৈতিক সুরক্ষা দিয়ে গেছে। তারা নিরাপত্তা পরিষদে তাদের ভেটো ক্ষমতা ব্যবহার করে বারবার যুদ্ধবিরতি আটকে দিয়েছে। আর প্রতিটি ভেটোর পর আমরা দেখেছি কীভাবে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি এই নির্মম নিধনের শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছে। ** '''''[[:w:ক্রেইগ মোখিবের|ক্রেইগ মোখিবের]]''''', "[https://therealnews.com/us-and-uk-also-committing-genocide-crimes-in-gaza-former-un-official ইউএস অ্যান্ড ইউকে অলসো কমিটিং জেনোসাইড ক্রাইমস ইন গাজা: ফর্মার ইউএন অফিশিয়াল]"—''[[:w:দ্য রিয়েল নিউজ নেটওয়ার্ক|দ্য রিয়েল নিউজ নেটওয়ার্ক]]''-এর জন্য [[:w:ক্রিস হেজেস|ক্রিস হেজেসের]] সাথে সাক্ষাৎকার (২৬ জানুয়ারি ২০২৪)। * ইসরায়েল যদি গাজায় স্থল অভিযান বা আক্রমণ শুরু করে, তবে ইসলামী উম্মাহর সম্মিলিত শক্তিতে একজন জায়নবাদীও এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকবে না। এটি একটি চূড়ান্ত সংঘাতের রূপ নেবে যেখানে দখলদারদের সমূলে বিনাশ করা হবে। ** '''''[[:w:মোহাম্মদ মুসাভি খুইনিহা|মোহাম্মদ মুসাভি খুইনিহা]]''''', [https://web.archive.org/web/20231107162602/https://www.didbaniran.ir/বخش-سیاسی-3/167890-امام-جمعه-اهواز-در-صورت-ورود-زمینی-اسرائیل-به-غزه-امت-اسلامی-یک-صهیونیست-রা-روی-زمین-باقی-নخواهد-গذاشت ইমাম জুম্মা আহওয়াজ: দর সুরত ওরুদ জমিনি ইসরায়েল বে গাজা...] হতে অনূদিত। * গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে ১৮০০ ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে। আমেরিকার জনসংখ্যার অনুপাতে চিন্তা করলে এর ভয়াবহতা দাঁড়ায় ২,৭০,০০০ শিশুর মৃত্যুর সমতুল্য। এই পরিসংখ্যানই বলে দেয় গাজায় শিশুদের ওপর কী পরিমাণ নির্মমতা চালানো হচ্ছে। ** '''''[[:w:ইউসেফ মুনাইয়ের|ইউসেফ মুনাইয়ের]]''''', [https://twitter.com/DoktorBunker/status/1716476619362017630 ইউসেফ মুনাইয়েরের একটি এক্স (X) পোস্টে] উদ্ধৃত। == N == [[File:President Joe Biden meets with Prime Minister Benjamin Netanyahu.jpg|thumb|এটি আলোকবর্তিকার সন্তানদের সাথে অন্ধকারের সন্তানদের লড়াই; এটি মানবতা বনাম জঙ্গলের আইনের মধ্যকার এক সংগ্রাম। ~ [[বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]]] * যদি আমরা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ি, তবে জেনে রেখো যে আমরা সন্তুষ্ট ও অবিচল চিত্তেই বিদায় নিচ্ছি। আমাদের পক্ষ থেকে বিশ্বকে জানিয়ে দিও যে—আমরাই ছিলাম সত্যের অনুসারী এবং ন্যায়ের পথে অটল এক জাতি। ** '''''[[:w:হিবা কামাল আবু নাদা|হিবা কামাল আবু নাদা]]''''', [https://twitter.com/alijla2021/status/1715435810823033220?s=20 আবদালহাদি আলিহলার একটি এক্স (X) পোস্টে] উদ্ধৃত। * তাদের জিহ্বাগুলো সবার শেষের জন্য বাঁচিয়ে রাখো, যেন আমরা তাদের আর্তনাদ উপভোগ করতে পারি; কানগুলো অবশিষ্ট রাখো যেন তারা নিজেদের চিৎকার নিজেরাই শুনতে পায় এবং চোখগুলো খোলা রাখো যেন আমাদের তৃপ্তির হাসি তারা দেখে যেতে পারে। ** '''''জিপি নাভন''''', উদ্ধৃত: [https://www.middleeasteye.net/news/israel-palestine-war-sara-netanyahu-advisor-torture-gazans-rant ইসরায়েল-প্যালেস্টাইন ওয়ার: সারা নেতানিয়াহু’স অ্যাডভাইজার কলস ফর টর্চার অফ গাজা রেসিডেন্টস] * [[:w:হামাস|হামাস]] বন্দুকের মুখে এসে সাধারণ মানুষের খাবার ছিনিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। মানবিক বিপর্যয় এবং অনাহার আমাদের জন্য একটি গভীর ট্র্যাজেডি বা দুঃখজনক ঘটনা; কিন্তু তাদের জন্য এটি একটি সুপরিকল্পিত রণকৌশল। তারা মনে করে যে, এই সংকট বিশ্বজুড়ে [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলের]] ওপর যুদ্ধ বন্ধ করার চাপ সৃষ্টি করবে—যাতে তারা তাদের অবস্থানে টিকে থাকতে পারে এবং ভবিষ্যতে ৭ অক্টোবরের মতো আরও একটি বীভৎস হত্যাকাণ্ড পুনরায় ঘটানোর সুযোগ পায়। ** '''''[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.politico.eu/article/israel-pm-netanyahu-denies-palestinians-are-starving/ নেতানিয়াহু ডিনাইস প্যালেস্টিনিয়ানস আর স্টারভিং] * এটি আলোকবর্তিকার সন্তানদের সাথে অন্ধকারের সন্তানদের লড়াই; এটি মানবতা বনাম জঙ্গলের আদিম ও নিষ্ঠুর আইনের মধ্যকার এক অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম। সভ্য জগতের টিকে থাকার স্বার্থেই এই লড়াইয়ে জয়ী হওয়া অপরিহার্য। ** '''''[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]''''', ইসরায়েল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি [https://web.archive.org/web/20231017150448/https://twitter.com/IsraeliPM/status/1713949754948718657 এক্স (X) পোস্টে] বর্ণিত। * আমরা কেবল কোনো অভিযান বা খণ্ডকালীন সংঘাতের (Rounds) মধ্যে নেই, বরং আমরা এখন একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের সম্মুখীন। এটি কোনো সাধারণ সংঘর্ষ নয়, এটি একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ। ** '''''[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.cnn.com/2023/10/07/middleeast/sirens-israel-rocket-attack-gaza-intl-hnk/index.html] * এই অভিশপ্ত ও পৈশাচিক দিনটির জন্য আমরা এক ভয়াবহ ও প্রবল প্রতিশোধ নেব। আমাদের ওপর যে আঘাত হানা হয়েছে, তার চড়া মূল্য দিতে হবে অপরাধীদের। ** '''''[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.reuters.com/world/middle-east/sirens-warning-incoming-rockets-sound-around-gaza-near-tel-aviv-2023-10-07/ ইসরায়েল ভাউস 'মাইটি ভেনজেন্স' আফটার সারপ্রাইজ অ্যাটাক] * এটি মূলত ইসরায়েলের দ্বিতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধ। আমাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার এই লড়াই হবে দীর্ঘ এবং অত্যন্ত কঠিন—কিন্তু চূড়ান্ত পর্যায়ে বিজয় আমাদেরই হবে। ** '''''[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]''''', আই২৪ নিউজ (i24 News)-এর একটি [https://twitter.com/i24NEWS_EN/status/1718344693518565826?s=20 এক্স (X) পোস্টে] উদ্ধৃত। * আমিই একমাত্র ব্যক্তি, যে যুদ্ধের পর গাজা এবং [[:w:পশ্চিম তীর|পশ্চিম তীরে]] একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের প্রক্রিয়াকে রুখে দিতে সক্ষম। ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমি এই পথ বন্ধ রাখব। ** '''''[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.timesofisrael.com/liveblog_entry/pm-lobbying-likud-mks-saying-only-he-can-prevent-a-palestinian-state-in-gaza-west-bank-report/ পিএম লবিয়িং লিকুদ এমকেএস, সেয়িং অনলি হি ক্যান প্রিভেন্ট আ প্যালেস্টিনিয়ান স্টেট ইন গাজা, ওয়েস্ট ব্যাংক – রিপোর্ট] * আমাদের পবিত্র বাইবেল বলে—[[:w:আমালেক|আমালেক]] তোমাদের সাথে যা করেছে তা তোমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে। ১ সামুয়েল ১৫:৩-এ বর্ণিত আছে: 'এখন যাও এবং আমালেককে আঘাত করো, তাদের যা কিছু আছে তার সবকিছু সম্পূর্ণ ধ্বংস করো এবং তাদের প্রতি কোনো দয়া দেখাবে না; বরং পুরুষ ও নারী, শিশু ও দুগ্ধপোষ্য শিশু, এমনকি গরু ও ভেড়া, উট ও গাধা—সবকিছুকেই হত্যা করো।' ** '''''[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]''''', উদ্ধৃত: [https://timesofindia.indiatimes.com/world/middle-east/netanyahu-cites-amalek-theory-to-justify-gaza-killings/articleshow/104802548.cms?from=mdr নেতানিয়াহু সাইটস 'আমালেক' থিওরি টু জাস্টিফাই গাজা কিিলিংস] * আমি কয়েকটি বিষয় একদম স্পষ্টভাবে পরিষ্কার করে বলতে চাই—গাজাকে স্থায়ীভাবে দখল করা কিংবা এর বেসামরিক জনগণকে বাস্তুচ্যুত করার কোনো অভিপ্রায় ইসরায়েলের নেই। ইসরায়েল মূলত হামাস সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়ছে, ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে নয়; এবং আমরা আন্তর্জাতিক আইনের পূর্ণ আনুগত্য বজায় রেখেই তা করছি। আমাদের লক্ষ্য হলো গাজাকে হামাসমুক্ত করা এবং আমাদের জিম্মিদের মুক্ত করে আনা। একবার এটি অর্জিত হলে গাজাকে নিরস্ত্রীকরণ এবং উগ্রবাদমুক্ত করা সম্ভব হবে, যা ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি উভয় পক্ষের জন্যই এক উন্নততর ভবিষ্যতের সম্ভাবনা তৈরি করবে। ** '''''[[:w:বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু|বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.timesofisrael.com/netanyahu-let-me-be-clear-israel-has-no-intention-of-displacing-gazas-population/ নেতানিয়াহু: লেট মি বি ক্লিয়ার — ইসরায়েল হ্যাজ নো ইনটেনশন অফ ডিসপ্লেসিং গাজা’স পপুলেশন]—''দ্য টাইমস অফ ইসরায়েল''। * এখন প্রতিশোধ নেওয়ার সময়... আমরা একটি কঠিন যুদ্ধের মধ্যে রয়েছি, কিন্তু যারা আমাদের ক্ষতি করেছে—সেই সব অধম ও নিচুদের ওপর আমরা এক পূর্ণাঙ্গ বিজয় অর্জন করব এবং তাদের সাথে চূড়ান্ত হিসাব চুকিয়ে দেব। ** '''''[[:w:সারা নেতানিয়াহু|সারা নেতানিয়াহু]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.israelnationalnews.com/news/378611 সারা নেতানিয়াহু: নাও ইজ দ্য টাইম ফর রিভেঞ্জ এগেইনস্ট হামাস] == O == * ২২ লক্ষ মানুষের একটি জনপদের সমস্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। এর ফলে সাংবাদিক, চিকিৎসা পেশাজীবী, মানবিক সহায়তাকারী দল এবং নিরপরাধ সাধারণ মানুষ—সবাই চরম বিপদের মুখে পড়েছে। আমি জানি না এমন একটি কাজকে কীভাবে সমর্থন করা যেতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিকভাবে এই ধরণের নিষ্ঠুর অনুশীলনের নিন্দা জানিয়ে আসছে। ** '''''[[:w:আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-করতেজ|আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-করতেজ]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.politico.com/news/2023/10/28/musk-says-starlink-will-support-connectivity-to-aid-organizations-in-gaza-00124090 মাস্ক সেজ স্টারলিঙ্ক উইল সাপোর্ট কানেক্টিভিটি টু এইড অর্গানাইজেশনস ইন গাজা] * মূলত মানবাধিকারের মূল্যায়নই হলো এই সংকটে শান্তির পথে হাঁটার একমাত্র উপায়। আমাদের এটি নিশ্চিত করা একান্ত প্রয়োজন যে—আমরা যেমন ইসরায়েলিদের নিরাপত্তা ও মানবাধিকারকে গুরুত্ব দিই, ঠিক একইভাবে এই প্রক্রিয়ায় ফিলিস্তিনিদের নিরাপত্তা ও [[:w:মানবাধিকার|মানবাধিকারকেও]] সমপর্যায়ে মূল্যায়ন করতে হবে। ঠিক যেমন আমাদের এখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমি বিশ্বাস করি না যে [[:w:শিশু|শিশুদের]] বন্দি করে রাখা উচিত; মানবাধিকারের এই মৌলিক নীতিগুলো থেকেই আমরা একসাথে শান্তির পথ নির্মাণ করতে পারি। আমাদের অবশ্যই এমন একটি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে যেখানে সকল পক্ষকে সম্মান জানানো হয় এবং সবার জন্য সমান সুযোগ থাকে, যাতে আমরা প্রকৃত সদিচ্ছা নিয়ে আলোচনার টেবিলে বসতে পারি। ** '''''[[:w:আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-করতেজ|আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-করতেজ]]''''', [https://forward.com/fast-forward/467171/aoc-says-human-rights-is-central-to-peace-between-israel-palestinians/ এওসি সেজ হিউম্যান রাইটস ইজ সেন্ট্রাল টু পিস বিটুইন ইসরায়েল অ্যান্ড দ্য প্যালেস্টিনিয়ানস]-এ বর্ণিত (৫ এপ্রিল ২০২১)। * আমাদের চারপাশে যেখানেই আমরা [[:w:ঘৃণা|ঘৃণা]] এবং [[:w:অ্যান্টিসেমিটিজম|ইহুদিবিদ্বেষের]] বহিঃপ্রকাশ দেখব, তা কঠোরভাবে দমন করা মোটেও কঠিন কোনো কাজ হওয়া উচিত নয়। মানবিকতা ও সম্প্রীতির স্বার্থে যেকোনো ধরণের গোঁড়ামির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ** '''''[[:w:আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-করতেজ|আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-করতেজ]]''''', [https://www.theguardian.com/us-news/2023/oct/10/aoc-palestinian-rally-new-york এওসি ডিক্রাইস 'বিগট্রি অ্যান্ড ক্যালাসনেস' অফ প্রো-প্যালেস্টিনিয়ান র‍্যালি ইন নিউ ইয়র্ক]-এ বর্ণিত (১০ অক্টোবর ২০২৩)। * গাজার বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ এবং বীভৎস। সেখানে অন্তত ৩৪,০০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, যাদের অধিকাংশেরই পরিচয় নারী ও শিশু। এমনকি অনেক ইসরায়েলি নাগরিকও তাদের সরকারের এই ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছে; কারণ এই রক্তপাত সত্ত্বেও সরকার বাকি জিম্মিদের মুক্তি নিশ্চিত করতে শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। অথচ গাজা যখন দুর্ভিক্ষের অতল গহ্বরে তলিয়ে যাচ্ছে, তখনো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধের জন্য ইসরায়েলকে অর্থ ও অস্ত্র সরবরাহ করে যাচ্ছে। যদি এটিও প্রতিবাদের যোগ্য বিষয় না হয়, তবে আমি নিশ্চিত নই যে পৃথিবীতে আর কোন বিষয়টি প্রতিবাদের দাবি রাখে! ** '''''[[:w:জন অলিভার|জন অলিভার]]''''', [[:w:যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল–হামাস যুদ্ধ প্রতিবাদ|যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল–হামাস যুদ্ধ প্রতিবাদ]] সম্পর্কে ‘লাস্ট উইক টুনাইট’-এর একটি সম্প্রচারে মন্তব্য করার সময় (২১ এপ্রিল ২০২৪)। * আমরা এখন গাজায় যা করছি তা মূলত একটি ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ; এটি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর এক বিচারহীন, সীমাহীন, নিষ্ঠুর এবং অপরাধমূলক হত্যাকাণ্ড। এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং সরকারের সুপরিকল্পিত নীতিরই ফল—যা অত্যন্ত সচেতনভাবে, পৈশাচিক ও বিদ্বেষপূর্ণ মানসিকতা নিয়ে এবং চরম দায়িত্বজ্ঞানহীনতার সাথে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। ** '''''[[:w:এহুদ ওলমার্ট|এহুদ ওলমার্ট]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.theguardian.com/world/2025/may/27/former-israeli-pm-ehud-olmert-says-his-country-is-committing-war-crimes "ফর্মার ইসরায়েলি পিএম এহুদ ওলমার্ট সেজ হিজ কান্ট্রি ইজ কমিটিং ওয়ার ক্রাইমস"], দ্য গার্ডিয়ান (২৭ মে ২০২৫)। * আপনারা কীভাবে একটি নৃশংসতাকে দেখে বলতে পারেন যে 'এটি ভুল', অথচ যখন লাশের স্তূপ জমে ওঠে আর আস্ত একেকটি জনপদ মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়, তখন আপনারা নির্বিকার থাকেন? আফগানিস্তানে আমরা পুরো এক বছরে যতগুলো বোমা ফেলেছিলাম, ইসরায়েল গত ১০ দিনেই তার চেয়ে বেশি বোমা গাজায় বর্ষণ করেছে। আপনাদের মানবিকতা আজ কোথায়? আপনাদের ক্ষোভ আজ কোথায়? মানুষের প্রতি আপনাদের ন্যূনতম মমতা কি আজ বিলীন হয়ে গেছে? ** '''''[[:w:ইলহান ওমর|ইলহান ওমর]]''''', উদ্ধৃত: [https://abcnews.go.com/Politics/progressives-call-ceasefire-vengeance-foreign-policy-doctrine/story?id=104184860 প্রগ্রেসিভস কল ফর সিজফায়ার: 'ভেনজেন্স ইজ নট আ ফরেন পলিসি ডকট্রিন'] * আমি আজ এখানে নিকি হ্যালিকে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে সমর্থন জানাতে এসেছি। আমি মনে করি তিনি এটি অর্জন করেছেন। বর্তমানে বিবি নেতানিয়াহু অত্যন্ত প্রতিকূল ও খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। আপনি যদি বর্তমান সামাজিক প্রবণতা, সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি এবং চলমান প্রতিবাদগুলোর দিকে নজর দেন, তবে দেখবেন যে—ইসরায়েলের প্রতি বিশ্বব্যাপী যে সমর্থন ছিল, তা কার্যত ধসে পড়েছে। এমতাবস্থায় আমি মনে করি নিকি হ্যালিই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি বিদেশি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীগুলোর লবির পর্যাপ্ত অর্থ সহায়তায় এই জনসমর্থন ফিরিয়ে আনতে সক্ষম। তাই এটিই আমার চূড়ান্ত বক্তব্য—আমি নিকি হ্যালিকে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য সমর্থন দিচ্ছি। ** '''''[[:w:ক্যানডেস ওয়েন্স|ক্যানডেস ওয়েন্স]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.newsweek.com/candace-owens-endorses-nikki-haley-president-israel-1843840 ক্যানডেস ওয়েন্স এন্ডোর্সেস নিকি হ্যালি ফর 'প্রেসিডেন্ট অফ ইসরায়েল']—''নিউজউইক''। == P == * ড্রেসডেন, হামবুর্গ, কোলন—বিশ্বের ইতিহাসের ভয়াবহতম কিছু বোমাবর্ষণের ঘটনা আজ কেবল তাদের স্থানের নামেই স্মরণ করা হয়। গাজাও একইভাবে ইতিহাসের পাতায় এমন একটি নাম হিসেবে খোদাই হয়ে থাকবে, যা পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী ও বিধ্বংসী প্রচলিত বোমাবর্ষণ অভিযানের সাক্ষী। ** '''''[[:w:রবার্ট পেপ|রবার্ট পেপ]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.ft.com/content/7b407c2e-8149-4d83-be01-72dcae8aee7b?shareType=nongift মিলিটারি ব্রিফিং: দ্য ইসরায়েলি বোম্বস রেইনিং অন গাজা]—''ফাইনান্সিয়াল টাইমস''। * আমি আমার অন্তরাত্মার গভীর থেকে বিশ্বাস করি যে—ইসরায়েল বর্তমানে যে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে এবং এই প্রতিক্রিয়ার সাথে দখলদারিত্বের যে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে আমেরিকা সমর্থন দিচ্ছে, তা কেবল ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি উভয় জাতির জন্যই আরও গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। এই পথ শান্তির নয়, বরং অন্তহীন দুঃখের। ** '''''জশ পল''''', উদ্ধৃত: [https://www.huffpost.com/entry/state-department-resignation-gaza_n_65306079e4b00565b622b1fb 'আই কুড নট শিফট এনিথিং': সিনিয়র স্টেট ডিপার্টমেন্ট অফিশিয়াল রিজাইনস ওভার বাইডেন'স গাজা পলিসি]—''হাফপোস্ট''। * আমি তিনটি সুনির্দিষ্ট কারণে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যার মধ্যে প্রথম এবং সবচেয়ে জরুরি কারণটি হলো এই অবিসংবাদিত সত্য যে—যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া অস্ত্রগুলো বেসামরিক নাগরিকদের পাইকারি হারে হত্যা করার কাজে ব্যবহার করা উচিত নয়; এই অস্ত্রগুলো কোনোভাবেই যেন ব্যাপক সংখ্যক সাধারণ মানুষের প্রাণহানির কারণ না হয়, সেটি নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব ছিল। ** '''''জশ পল''''', উদ্ধৃত: [https://www.democracynow.org/2023/11/23/dissenters_2 স্টেট ডিপার্টমেন্ট অফিশিয়াল রিজাইনস, সেজ ইসরায়েল ইজ ইউজিং ইউ.এস. আর্মস টু ম্যাসাকার সিভিলিয়ানস ইন গাজা]—''ডেমোক্রেসি নাও''। * হিটলার আজ ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার মধ্যবিত্ত পরিবারের দরজায় কড়া নাড়ছেন এবং অনেকেই ইতিমধ্যে তাকে ভেতরে প্রবেশ করতে দিয়েছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট অভিবাসন বা গণপ্রস্থানকে ভবিষ্যতে চরম সহিংসতা ও বর্বরতা দিয়ে দমন করা হবে; গাজায় আমরা আজ যা দেখছি তা মূলত সেই অনাগত ভবিষ্যতেরই এক পরীক্ষা। কেন বিশ্বের বড় কার্বন-ভোক্তা দেশগুলো গাজায় হাজার হাজার শিশুর এই সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডকে নীরবে সয়ে নিচ্ছে? কারণ হিটলার ইতিমধ্যে তাদের মনস্তত্ত্বে ও ঘরে প্রবেশ করে ফেলেছেন। ** '''''[[:w:গুস্তাভো পেত্রো|গুস্তাভো পেত্রো]]''''', উদ্ধৃত: [https://euro.eseuro.com/local/1629547.html “হিটলার ইজ নকিং অন দ্য ডোরস”] * ইসরায়েল এর আগে বহুবার যুদ্ধের সম্মুখীন হয়েছে। তারা অনেক সন্ত্রাসী নৃশংসতা এবং হাজার হাজার রকেট হামলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। কিন্তু এবারের ঘটনাটি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং অভাবনীয়। ইহুদিদের বিরুদ্ধে এই মাত্রার বর্বরতা ও নিষ্ঠুরতা হলোকাস্টের পর আর কখনো দেখা যায়নি। যে দেশটি সেই গণহত্যার ছাই থেকে জন্ম নিয়েছে, সেখানে ইহুদিদের তাদের ঘরবাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে জবাই করা, ধর্ষণ করা কিংবা বন্দি করার এই দৃশ্য—যেখানে নিরুপায় বাবা-মায়েরা তাদের সন্তানদের রক্ষা করতে নিজেদের শরীর দিয়ে ঢেকে দিচ্ছেন—তা ভাষায় প্রকাশের অতীত। এটি স্রেফ সন্ত্রাসবাদ ছিল না; এটি ছিল একটি [[:w:পোগ্রোম|পোগ্রোম]] (Pogrom)। ** '''''[[:w:মেলানি ফিলিপস|মেলানি ফিলিপস]]''''', "[https://www.thetimes.co.uk/article/hamas-barbarism-is-the-worst-since-the-holocaust-x26gf8gzx হামাস বারবারিজম ইজ দ্য ওয়ার্স্ট সিন্স দ্য হলোকাস্ট]", ''দ্য টাইমস'' (৯ অক্টোবর ২০২৩)। * আমি [[:w:হামাস|হামাস]] সন্ত্রাসীদের দ্বারা [[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েলে]] চালানো অনুপ্রবেশ এবং পরবর্তীতে নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিকদের ওপর তাদের পৈশাচিক সহিংসতার দ্ব্যর্থহীন নিন্দা জানাই। এই আক্রমণের বিরুদ্ধে নিজেকে রক্ষা করার এবং আক্রমণকারীদের উপযুক্ত জবাব দেওয়ার পূর্ণ অধিকার ইসরায়েলের রয়েছে। কানাডিয়ানরা সকল ভুক্তভোগীর প্রতি তাদের সংহতি প্রকাশ করছে। ** '''''[[:w:পিয়েরে পলিভ্রে|পিয়েরে পলিভ্রে]]''''', [https://www.conservative.ca/statement-from-conservative-leader-pierre-poilievre-on-the-horrific-terrorist-attacks-in-israel/ স্টেটমেন্ট ফ্রম কনজারভেটিভ লিডার পিয়েরে পলিভ্রে অন দ্য হোরিফিক টেররিস্ট অ্যাটাকস ইন ইসরায়েল]-এ বর্ণিত। * আমি মনে করি অনেকেই আমার সাথে একমত হবেন যে—এটি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনুসৃত নীতির ব্যর্থতার এক উজ্জ্বল ও জীবন্ত উদাহরণ। তাদের একপাক্ষিক ও ত্রুটিপূর্ণ কৌশলই এই অঞ্চলকে আজ চরম অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিয়েছে। ** '''''[[:w:ভ্লাদিমির পুতিন|ভ্লাদিমির পুতিন]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.aljazeera.com/amp/news/2023/10/11/putin-concerned-over-catastrophic-civilian-deaths-in-israel-gaza-war পুতিন কনসার্নড ওভার ক্যাটাস্ট্রফিক সিভিলিয়ান ডেথস ইন ইসরায়েল-গাজা ওয়ার]—''আল জাজিরা''। * এখানে এবং বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তের মানুষ আমাদের বিশেষ সামরিক অভিযান এবং বর্তমানে গাজায় যা ঘটছে—এই দুটির মধ্যে পার্থক্য স্পষ্টভাবে অনুধাবন করতে পারছেন। এই দুটি পরিস্থিতির তুলনা করা কেবল অসম্ভবই নয়, বরং গাজার ভয়াবহতা যেকোনো মানবিক মানদণ্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। ** '''''[[:w:ভ্লাদিমির পুতিন|ভ্লাদিমির পুতিন]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/g01q5f?update=2557466 রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট সেজ সিচুয়েশন ইন গাজা ক্যাননট বি কমপেয়ার্ড টু ইউক্রেন]—''আল জাজিরা''। * গাজায় বর্তমানে যে বিভীষিকাময় পরিস্থিতি বিরাজ করছে, যেখানে কোনো প্রকার বিচার-বিবেচনা ছাড়াই লক্ষ লক্ষ সম্পূর্ণ নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে এবং যাদের পালানোর কোনো পথ নেই—এমন নৃশংসতাকে কোনোভাবেই কোনো যুক্তিতেই ন্যায়সঙ্গত বলে প্রমাণ করা সম্ভব নয়। ** '''''[[:w:ভ্লাদিমির পুতিন|ভ্লাদিমির পুতিন]]''''', [https://www.ft.com/content/3da1eb7b-318c-41f2-8ec3-07e19bdcbb59 "হোয়াট অ্যান্টিসেমিটিক অ্যাটাকস ইন দাগেস্তান সে অ্যাবাউট ভ্লাদিমির পুতিন’স রাশিয়া"], ''ফাইনান্সিয়াল টাইমস'' (৩০ অক্টোবর ২০২৩)। == Q == * এই যুদ্ধের শুরু থেকে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত লক্ষ্য এবং বিবৃতিগুলোর দিকে যদি আমরা দৃষ্টিপাত করি, তবে এটি স্পষ্ট যে—ইসরায়েল অন্তত এই পর্যায়ে উত্তর গাজার ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। আমাদের বর্তমান আলোচনার সময়েই এটি ধীরে ধীরে বাস্তবায়িত হচ্ছে; তবে অবশ্যই এটি ইসরায়েলের জন্য কোনো সহজ যুদ্ধ বা প্রমোদভ্রমণ (Picnic) নয়। হামাস সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলছে, কিন্তু এই ভয়াবহ ও জেনোসাইডাল যুদ্ধের চূড়ান্ত মাশুল দিতে হচ্ছে নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিকদের। ** '''''তামের কারমুত''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/rpfpqc?update=2487943 টাইম টু স্টার্ট ‘কোশ্চেনিং’ ইসরায়েলি ইন্টেলিজেন্স] == R == * হামাসের হামলার আগেই ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল উভয় অঞ্চলের শান্তিপ্রিয় গোষ্ঠীগুলো কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল। এখন পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে—এমনকি অনেক ইসরায়েলি, যারা এতদিন আন্তঃসাম্প্রদায়িক সংলাপে অংশগ্রহণ করতেন, তারাও এখন চরমপন্থায় উদ্বুদ্ধ হয়ে "গাজাকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার" কথা বলছেন। ** '''''[[:w:গিডন রাচম্যান|গিডন রাচম্যান]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.ft.com/content/bb8a4db4-0a6a-4cb4-a004-73971b7426c2?shareType=nongift ইসরায়েল, প্যালেস্টাইন অ্যান্ড দ্য মিরাজ অফ আ টু-স্টেট সলিউশন]—''ফাইনান্সিয়াল টাইমস''। * মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে যে পৈশাচিক ঘটনাগুলো ঘটে চলেছে তা নিয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন; আমরা ইসরায়েলিদের শোকের পাশাপাশি ফিলিস্তিনি জনগণের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতিও আমাদের গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি। ফিলিস্তিনের জনগণ যে গত প্রায় ৭৫ বছর ধরে দখলদারিত্বের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে এবং একটি অত্যাচারী সরকারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করছে—তা আমরা পূর্ণাঙ্গভাবে উপলব্ধি করি; যে সরকারকে সাম্প্রতিক সময়ে একটি বর্ণবাদী (Apartheid) রাষ্ট্র হিসেবেও আখ্যা দেওয়া হয়েছে। ** '''''[[:w:সিরিল রামাফোসা|সিরিল রামাফোসা]]''''', উদ্ধৃত: [https://jacksonadvocateonline.com/south-africa-supports-palestinians-against-israels-apartheid/#:~:text=“We%20have%20a%20full%20understanding,and%20we%27ve%20always%20insisted সাউথ আফ্রিকা সাপোর্টস প্যালেস্টিনিয়ানস এগেইনস্ট ইসরায়েল’স অ্যাপার্থাইড] * জর্ডানসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যের মানুষ এই মহাবিপর্যয়ের প্রতি বিশ্ববাসীর প্রতিক্রিয়া দেখে স্তম্ভিত এবং হতাশ। গত কয়েক সপ্তাহে আমরা বিশ্বের এক নগ্ন ও নির্লজ্জ দ্বিচারিতা প্রত্যক্ষ করেছি। যখন ৭ অক্টোবরের ঘটনা ঘটল, বিশ্ববাসী তাৎক্ষণিক ও দ্ব্যর্থহীনভাবে ইসরায়েলের পাশে দাঁড়াল, তাদের আত্মরক্ষার অধিকারের স্বীকৃতি দিল এবং হামলার নিন্দা জানাল। কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহে গাজায় যখন একই ধরণের নির্মমতা চলছে, তখন আমরা পুরো বিশ্বকে নিশ্চুপ থাকতে দেখছি। ** '''''[[:w:রানিয়া আল আবদুল্লাহ|জর্ডানের রানী রানিয়া]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.france24.com/en/live-news/20231025-jordan-queen-raps-west-s-glaring-double-standard-on-gaza জর্ডান কুইন রুয়েস ওয়েস্ট'স 'গ্লেয়ারিং ডাবল স্ট্যান্ডার্ড' অন গাজা]—''ফ্রান্স ২৪''। * জায়নবাদী শাসনের জনগণের গণসংগ্রাম সম্পর্কে কোনো বাস্তব জ্ঞান নেই; তারা আজ এক বিশাল চোরাবালিতে প্রবেশ করেছে। সম্ভবত এই চোরাবালি থেকে নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতেই তারা এই অঞ্চলজুড়ে যুদ্ধের পরিধি আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা করছে। ** '''''[[:w:মহসেন রেজায়ি|মহসেন রেজায়ি]]''''', [https://web.archive.org/web/20231107015154/https://www.iranintl.com/en/202310317043 ফর্মার আইআরজিসি কমান্ডার প্রপোজেস ‘ইসলামিক আর্মি’ এগেইনস্ট ইসরায়েল]-এ উদ্ধৃত। * আমরা 'দ্য এল্ডার্স' (The Elders) এর পক্ষ থেকে বলছি—যে দেশগুলো ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা প্রদান করছে, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে, তাদের এখনই জরুরি ভিত্তিতে এই সহায়তার বিষয়টি পর্যালোচনা করতে হবে এবং ভবিষ্যতে যেকোনো সহায়তার ক্ষেত্রে কঠোর শর্ত আরোপ করতে হবে। আমি মনে করি এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কারণ—যদি এটি না ঘটে, তবে এই পুরো সংকটের দায়ভার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপরই বর্তাবে। আর এটি কোনোভাবেই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সুখকর হবে না যে, তারা এত বিপুল পরিমাণ হত্যাযজ্ঞের সহযোগী হিসেবে চিহ্নিত হবে। ** '''''[[:w:মেরি রবিনসন|মেরি রবিনসন]]''''', উদ্ধৃত: [https://edition.cnn.com/middleeast/live-news/israel-hamas-war-gaza-news-12-05-23/h_e01086acdd7bec2fe1b10bb941bf8998 চেয়ার অফ দ্য এল্ডার্স গ্রুপ আরজেস ইউএস টু রিকনসিডার ইটস মিলিটারি অ্যাসিস্ট্যান্স টু ইসরায়েল]—''সিএনএন''। * রক্ষণশীলদের উচিত জনমানসে হামাস, বিএলএম (BLM), ডিএসএ (DSA) এবং প্রাতিষ্ঠানিক 'ডিকলোনাইজেশন' বা উপনিবেশমুক্তকরণ ধারণার মধ্যে একটি শক্তিশালী নেতিবাচক যোগসূত্র তৈরি করা। এই গোষ্ঠীগুলোর আদর্শিক লক্ষ্য যে অভিন্ন, তা সাধারণ মানুষের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে। ** '''''[[:w:ক্রিস্টোফার রুফো|ক্রিস্টোফার রুফো]]''''', [https://web.archive.org/web/20231113225805/https://www.theatlantic.com/ideas/archive/2023/10/israel-hamas-war-college-campuses-activism/675677/ হোয়াট কনজারভেটিভস মিসআন্ডারস্ট্যান্ড অ্যাবাউট র‍্যাডিকালিজম অ্যাট ইউনিভার্সিটিজ]-এ উদ্ধৃত। == S == * এই মহাবিপর্যয় আগামী দিনগুলোতে অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও সুদূরপ্রসারী পরিণতি বয়ে আনবে। এই যুদ্ধ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত আমাদের হাতে নেই, বরং তা সম্পূর্ণভাবে ইসরায়েলের ওপর নির্ভরশীল; তবুও এই ধ্বংসযজ্ঞ অবসানে আমাদের সম্ভাব্য সকল প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। ** '''''[[:w:আয়মান সাফাদি|আয়মান সাফাদি]]''''', উদ্ধৃত: [https://finance.yahoo.com/news/1-jordans-foreign-minister-says-174352282.html#:~:text=AMMAN%2C%20Oct%2019%20(Reuters),in%20efforts%20to%20de%2Descalate. জর্ডান'স ফরেন মিনিস্টার সেজ 'উই ফিয়ার দ্য ওয়ার্স্ট' ইন গাজা ওয়ার]—''রয়টার্স''। * সমগ্র অঞ্চলটি আজ ঘৃণার এমন এক সাগরে নিমজ্জিত হচ্ছে যা আগামী বহু প্রজন্মকে প্রভাবিত করবে এবং তাদের পরিচয় নির্ধারণ করে দেবে। এই সংকট নিরসনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অগ্রণী ভূমিকা পালনের সুযোগ রয়েছে। এই বিপর্যয় রোধ করার এক বিশাল ও গুরুভার দায়িত্ব আজ আমাদের সকলের ওপর এবং বিশেষ করে আমেরিকার ওপর বর্তায়। ** '''''[[:w:আয়মান সাফাদি|আয়মান সাফাদি]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.washingtonpost.com/national-security/2023/11/11/us-israel-gaza-civilian-deaths/ ইউ.এস. ইজ ওয়ার্নড অ্যাবাউট ইটস গ্লোবাল স্ট্যান্ডিং অ্যাজ গাজা সাফারিং পারসিস্টস]—''দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট''। * ইসরায়েল আজ যে পরিমাণ ঘৃণা ও বিদ্বেষের বীজ বপন করেছে, তা এই অঞ্চলকে দীর্ঘকাল তাড়িয়ে বেড়াবে। এটি আগামী প্রজন্মগুলোর চিন্তাধারাকে বিষাক্ত করে তুলবে; ফলে ইসরায়েল যেমন এই অঞ্চলের অন্যদের ক্ষতি করছে, তেমনি তারা প্রকৃতপক্ষে নিজেদের জনগণেরও অপূরণীয় ক্ষতিসাধন করছে। এটি এমন এক যুদ্ধ যা কখনোই জয় করা সম্ভব নয়। ইসরায়েল ইতিমধ্যে এক অপূরণীয় কৌশলগত পরাজয়ের সম্মুখীন হয়েছে। ** '''''[[:w:আয়মান সাফাদি|আয়মান সাফাদি]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/nm7bul?update=2547498 ইসরায়েল সাফার্ড আ ‘স্ট্র্যাটেজিক ডিফিট’: জর্ডান এফএম]—''আল জাজিরা''। * এটি ইসরায়েলের পতনের প্রথম ধাপ; তারা যে কেবল পরাজিত হয়েছে তা-ই নয়, বরং এই পরাজয় তাদের জন্য ছিল চরম অবমাননাকর ও লজ্জাজনক। তাদের দম্ভ আজ ধুলোয় মিশে গেছে। ** '''''[[:w:হোসেন সালামি|হোসেন সালামি]]''''', উদ্ধৃত: [https://web.archive.org/web/20231022105219/https://www.presstv.ir/Detail/2023/10/16/712847/Iran-Islamic-Revolution-Guards-Corps-Major-General-Hossein-Salami-Operation-al-Aqsa-Storm-Israel-collapse আল-আকসা স্টর্ম মার্কস ‘ইনিশিয়াল স্টেপ’ টুওয়ার্ডস ইসরায়েল’স আর্লি কোলাপস: আইআরজিসি চিফ]—''প্রেস টিভি''। * আজ শহীদদের পবিত্র আত্মার ছায়াতলে আমরা এক নতুন ফিলিস্তিনের জন্ম হতে দেখছি, যা জায়নবাদীদের অন্তরে চরম ত্রাসের সৃষ্টি করেছে; তারা আজ প্রাণভয়ে দিকবিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। ** '''''[[:w:হোসেন সালামি|হোসেন সালামি]]''''', [https://web.archive.org/web/20231103123239/https://www.irna.ir/amp/85256960/ আইআরএনএ (IRNA)]-তে উদ্ধৃত। * আমরা আজ অধিকৃত ভূমিগুলোতে অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা এবং জাতীয় হতাশার এক চরম চিত্র দেখতে পাচ্ছি; এই সংকট নিরসনে আমেরিকানদের দেওয়া যেকোনো দাওয়াই বা সমাধান নিশ্চিতভাবেই ব্যর্থ হতে বাধ্য। ** '''''[[:w:হোসেন সালামি|হোসেন সালামি]]''''', [https://web.archive.org/web/20231103123239/https://www.irna.ir/amp/85256960/ আইআরএনএ (IRNA)]-তে উদ্ধৃত। * ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের এই জায়নবাদ মূলত একটি বহিরাগত বস্তু; এটি ইসলামের শরীরের একপাশে বিঁধে থাকা একটি তীক্ষ্ণ ছুরির ফলার মতো, যা প্রতিনিয়ত রক্তক্ষরণ ঘটাচ্ছে। ** '''''[[:w:হোসেন সালামি|হোসেন সালামি]]''''', [https://web.archive.org/web/20231103122620/https://www.irna.ir/amp/85278376/ আইআরএনএ (IRNA)]-তে উদ্ধৃত। * এই ভূখণ্ডে যন্ত্র, সামরিক শক্তি এবং মানুষ একই সাথে বসবাস করে; সেখানে যুদ্ধ এবং জীবন একে অপরের থেকে অবিচ্ছেদ্য। তারা একসময় এমন ভ্রান্ত ধারণায় মগ্ন ছিল যে—অনিরাপত্তা বোধ কখনোই তাদের সীমানা স্পর্শ করতে পারবে না, কিন্তু আজ সেই দম্ভ চুরমার হয়ে গেছে। ** '''''[[:w:হোসেন সালামি|হোসেন সালামি]]''''', [https://web.archive.org/web/20231104222812/https://ion.ir/news/31584/بزرگترین-شکست-رژیم-صهیونیستی-از-نگاه-فرمانده-سپاه-پاسداران আইওএন নিউজ]-এ অনূদিত। * ইসরায়েলিরা এখন আর তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সেনাবাহিনী এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপরও আস্থা রাখতে পারছে না, যারা কি না সবসময়ই দেরি করে পৌঁছায়। এবার হয়তো তারা ভাগ্যের জোরে বেঁচে গেছে, কিন্তু পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি এমন নাও হতে পারে। তারা গাজার সীমান্তের পেছনে অসংখ্য ট্যাঙ্ক জড়ো করেছে ঠিকই, কিন্তু সামনে এক কদম বাড়ানোর সাহস পাচ্ছে না; কারণ যুদ্ধ কেবল অস্ত্র দিয়ে লড়া হয় না। যুদ্ধের জন্য প্রয়োজন দৃঢ় ঈমান এবং আত্মবিশ্বাসী হৃদয়ের মানুষ, কোনো উৎকণ্ঠা বা দ্বিধাগ্রস্ত হৃদয়ের মানুষের পক্ষে এ লড়াই সম্ভব নয়। অবিশ্বাসীদের পক্ষে কখনোই মুসলিমদের ওপর বিজয় লাভ করা সম্ভব নয়; তারা নিশ্চিতভাবেই ব্যর্থতার দিকে ধাবিত হচ্ছে। ** '''''[[:w:হোসেন সালামি|হোসেন সালামি]]''''', উদ্ধৃত: [https://web.archive.org/web/20231104003941/https://en.mehrnews.com/amp/207766/ ইসরায়েল ডুমড টু ফেইলিওর: আইআরজিসি চিফ]—''মেহর নিউজ''। * জায়নবাদী জাতির অস্তিত্বের পেছনে কোনো যৌক্তিক বা ন্যায়সঙ্গত কারণ নেই। এই কৃত্রিম জাতিসত্তা মূলত একটি ভিত্তিহীন ধারণার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। ** '''''[[:w:হোসেন সালামি|হোসেন সালামি]]''''', [https://web.archive.org/web/20231107051859/https://www.didbaniran.ir/بخش-سیاسی-3/167973-فرمانده-سپاه-وجود-قوم-صهیونیست-هیچ-منطقی-ندارد ফরমানদেহ সেপাহ: ওজুদ কওম সায়োনিস্ট হেইচ মানতেকি নাদারদ] হতে অনূদিত। * ইসলামী বিপ্লবের সীমানা আজ ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে, কারণ এটি মানুষের প্রকৃত সত্তা ও মর্যাদার সাথে সংগতিপূর্ণ। আমেরিকানরা এর আগে কখনো এতটা একাকী ও জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েনি। মার্কিন কর্মকর্তাদের চেহারায় আজ চরম বিভ্রান্তি ও অস্পষ্টতা দৃশ্যমান; তারা এক অর্থহীন ধ্বংসের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে এবং এমনভাবে আচরণ করছে যেন তারা নিজেরাও জানে না তারা আসলে কী করছে। ** '''''[[:w:হোসেন সালামি|জেনারেল হোসেন সালামি]]''''', [https://www.iscanews.ir/news/1205548/ ইসকা নিউজ (ISCA News)]-এ বর্ণিত। * সৌদি আরব গাজায় বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করাকে একটি জঘন্য অপরাধ এবং বর্বরোচিত হামলা বলে মনে করে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কাজ করা এখন সময়ের দাবি এবং অপরিহার্য প্রয়োজনীয়তা। ** '''''[[:w:মোহাম্মদ বিন সালমান|মোহাম্মদ বিন সালমান]]''''', উদ্ধৃত: [https://uk.yahoo.com/news/saudi-leader-tells-british-pm-192339669.html সৌদি লিডার টেলস ব্রিটিশ পিএম অ্যাটাকস অন গাজা 'হেইনাস']—''ইয়াহু নিউজ''। * তাদের সবাইকেই [নিশ্চিহ্ন করা হোক]। ** '''''[[:w:মিশেল সালজম্যান|মিশেল সালজম্যান]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.theguardian.com/us-news/2023/nov/10/florida-republican-michelle-salzman-palestine আউটরেজ গ্রোস আফটার ‘চিলিং কল ফর জেনোসাইড’ বাই ফ্লোরিডা রিপাবলিকান]—''দ্য গার্ডিয়ান''। * দীর্ঘকাল ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই সংকটের দিক থেকে চোখ ফিরিয়ে রেখেছিল... তারা ভেবেছিল এই সংঘাতের সমাধান না করেই হয়তো আমরা শান্তি ও স্থিতিশীলতার সাথে বসবাস করতে পারব। কিন্তু গত আট মাসে যা ঘটেছে, তা আজ পুরো বিশ্বের চোখ খুলে দিয়েছে। ** '''''[[:w:পেদ্রো সানচেজ|পেদ্রো সানচেজ]]''''', উদ্ধৃত: [https://abcnews.go.com/International/wireStory/spain-turkey-call-international-community-act-stop-war-111095517 স্পেন অ্যান্ড টার্কি কল অন দ্য ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটি টু অ্যাক্ট টু স্টপ দ্য ওয়ার ইন গাজা]—''এবিসি নিউজ''। * ইসরায়েল একটি বর্বরোচিত আক্রমণের শিকার হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে নিজের আত্মরক্ষার পূর্ণ অধিকার তাদের রয়েছে। এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইসরায়েল এখন হামাসকে লক্ষ্য করে একটি বড় মাপের স্থল অভিযানের কথা ভাবছে এবং প্রতিবেদন অনুযায়ী গাজায় ইতিমধ্যে ইসরায়েলি স্থল বাহিনী সক্রিয় রয়েছে। আমরা লক্ষ্য করেছি যে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিনসহ ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তারা এই ধরণের অভিযানের ঝুঁকি সম্পর্কে ইসরায়েলি সরকারের কাছে তাদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। আমরাও এই উদ্বেগের সাথে একমত; এটি কেবল অভিযানের সময় বা এর কঠিন বাস্তবতা এবং সম্ভাব্য মানবিক বিপর্যয়ের কারণেই নয়, বরং এই অভিযান পরবর্তী সময়ে যে জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে—সেটিও একটি বড় প্রশ্ন। ** '''''[[:w:বার্নি স্যান্ডার্স|বার্নি স্যান্ডার্স]]''''', তার ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে (১ নভেম্বর ২০২৩)। * যারা কেবল এই যুদ্ধের অবসানই নয়, বরং ভবিষ্যতে এমন সংঘাত রোধ করতে চান, তাদের প্রথমে তথ্য বা বাস্তবতার বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা রাখতে হবে। ৭ অক্টোবর, হামাস নামক একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইসরায়েলের ওপর এক বর্বরোচিত হামলা চালায়, যেখানে প্রায় ১,২০০ নিরপরাধ পুরুষ, নারী ও শিশুকে হত্যা করা হয় এবং ২০০ জনেরও বেশি মানুষকে জিম্মি করা হয়। জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে চিন্তা করলে, ইসরায়েলের জনসংখ্যা যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমান হতো, তবে এই হামলায় প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়াত প্রায় ৪০,০০০—যা ৯/১১-এর ভয়াবহতাকে ১০ গুণেরও বেশি ছাড়িয়ে যেত। এর জবাবে ইসরায়েল, তাদের দক্ষিণপন্থী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে—যিনি নিজে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত এবং যার মন্ত্রিসভায় চরম বর্ণবাদীরা রয়েছেন—ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে এক সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু করেছে। গাজায় ১৬ লক্ষেরও বেশি ফিলিস্তিনি তাদের ঘরবাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়েছে। খাদ্য, পানি, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং জ্বালানি সরবরাহ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। জাতিসংঘের হিসাবমতে গাজার ৪৫ শতাংশ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী ১২,০০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যাদের অর্ধেকই শিশু। এই পরিস্থিতি দিন দিন আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। ** '''''[[:w:বার্নি স্যান্ডার্স|বার্নি স্যান্ডার্স]]''''', "[https://www.nytimes.com/2023/11/22/opinion/bernie-sanders-israel-gaza.html “বার্নি স্যান্ডার্স: জাস্টিস ফর দ্য প্যালেস্টিনিয়ানস অ্যান্ড সিকিউরিটি ফর ইসরায়েল”]", ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (২২ নভেম্বর ২০২৩)। * আমাদের প্রথম দাবি হওয়া উচিত ইসরায়েলের এই নির্বিচার বোমাবর্ষণ অবিলম্বে বন্ধ করা, যা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন এবং যার ফলে অগণিত বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি ঘটছে। ইসরায়েল হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত, কোনো নিরপরাধ ফিলিস্তিনি নারী বা শিশুর বিরুদ্ধে নয়। একটি মাত্র লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করতে ইসরায়েল আস্ত একটি জনপদ বা পাড়া বোমায় উড়িয়ে দিতে পারে না। আমরা জানি না এই অভিযান হামাসের সামরিক সক্ষমতা কমাতে কতটা কার্যকর হয়েছে, কিন্তু আমরা এটি নিশ্চিতভাবেই জানি যে—হতাহতের ৭০ শতাংশই নারী ও শিশু এবং ১০৪ জন জাতিসংঘ ত্রাণকর্মী ও ৫৩ জন সাংবাদিক এই যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ** '''''[[:w:বার্নি স্যান্ডার্স|বার্নি স্যান্ডার্স]]''''', "[https://www.nytimes.com/2023/11/22/opinion/bernie-sanders-israel-gaza.html “বার্নি স্যান্ডার্স: জাস্টিস ফর দ্য প্যালেস্টিনিয়ানস অ্যান্ড সিকিউরিটি ফর ইসরায়েল”]", ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (২২ নভেম্বর ২০২৩)। * নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি স্পষ্টতই এই নীতির ওপর ভিত্তি করে গঠিত হয়েছিল যে—"সাগর থেকে জর্ডান নদী পর্যন্ত কেবল ইসরায়েলি সার্বভৌমত্বই বজায় থাকবে," এবং বর্তমান জোট সরকার সেই লক্ষ্যকেই আরও জোরদার করছে। এটি কেবল কোনো আদর্শিক কথা নয়; ইসরায়েলি সরকার পদ্ধতিগতভাবে এই লক্ষ্য অনুসরণ করছে। গত এক বছরে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের হার রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে এখন ৭ লক্ষেরও বেশি ইসরায়েলি বসবাস করছে—যা জাতিসংঘ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতে অধিকৃত ভূখণ্ড। তারা এই ভূখণ্ড গ্রাস বা অন্তর্ভুক্তিকরণকে (Annexation) পাকাপোক্ত করতে রাষ্ট্রীয় সহিংসতা ব্যবহার করছে। ৭ অক্টোবরের পর থেকে জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী অন্তত ২০৮ জন ফিলিস্তিনি, যার মধ্যে ৫৩ জন শিশু রয়েছে, ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী ও বসতি স্থাপনকারীদের হাতে নিহত হয়েছে। এটি চলতে দেওয়া যায় না। ** '''''[[:w:বার্নি স্যান্ডার্স|বার্নি স্যান্ডার্স]]''''', "[https://www.nytimes.com/2023/11/22/opinion/bernie-sanders-israel-gaza.html “বার্নি স্যান্ডার্স: জাস্টিস ফর দ্য প্যালেস্টিনিয়ানস অ্যান্ড সিকিউরিটি ফর ইসরায়েল”]", ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (২২ নভেম্বর ২০২৩)। * গাজায় জীবন বাঁচাতে অত্যন্ত জরুরি খাদ্য, পানি, ওষুধ ও জ্বালানি পৌঁছে দেওয়ার জন্য সেখানে একটি দীর্ঘস্থায়ী মানবিক বিরতি বা যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন। বুধবার সকালে যে চুক্তিটি হয়েছে—যেখানে চার দিনের যুদ্ধবিরতির বিনিময়ে ৫০ জন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে—তা যদি যথাযথভাবে পালিত হয়, তবে এটি একটি আশাব্যঞ্জক প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে। এই সময়ের মধ্যে জাতিসংঘকে গাজায় ত্রাণ বিতরণ নেটওয়ার্ক স্থাপন, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ এবং সংকটাপন্ন ব্যক্তিদের সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে যাতে মানুষ তৃষ্ণা, অনাহার ও রোগে মারা না যায়। এই সুযোগটি আরও বেশি জিম্মি মুক্তির আলোচনার পথ প্রশস্ত করবে। তবে মনে রাখতে হবে, এই বিরতির পর যেন পুনরায় নির্বিচার বোমাবর্ষণ শুরু না হয়। ইসরায়েল অবশ্যই হামাসকে খুঁজে বের করবে, কিন্তু তাদের রণকৌশলে আমূল পরিবর্তন আনতে হবে যেন বেসামরিক মানুষের ক্ষতি সর্বনিম্ন পর্যায়ে থাকে। ** '''''[[:w:বার্নি স্যান্ডার্স|বার্নি স্যান্ডার্স]]''''', "[https://www.nytimes.com/2023/11/22/opinion/bernie-sanders-israel-gaza.html “বার্নি স্যান্ডার্স: জাস্টিস ফর দ্য প্যালেস্টিনিয়ানস অ্যান্ড সিকিউরিটি ফর ইসরায়েল”]", ''নিউ ইয়র্ক টাইমস'' (২২ নভেম্বর ২০২৩)। * গাজার ওপর এই আক্রমণকে অন্য একটি দৃষ্টিকোণ থেকেও সংজ্ঞায়িত করা যায়। এটি মূলত আমাদের চোখের সামনে ঘটে যাওয়া একটি 'পাঠ্যপুস্তকীয় গণহত্যা' বা টেক্সটবুক অফ এ জেনোসাইড! গণহত্যার একজন গবেষক হিসেবে আমি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথেই এই কথাটি বলছি। ** '''''[[:w:রাজ সেগাল|রাজ সেগাল]]''''', উদ্ধৃত: [https://jewishcurrents.org/a-textbook-case-of-genocide আ টেক্সটবুক কেস অফ জেনোসাইড]—''জেউইশ কারেন্টস''। * আমরা যদি ৪,০০০ ফিলিস্তিনি শিশুকে হত্যা করে থাকি? তবে সেটি যথেষ্ট ছিল না। তাদের ওপর চালানো এই নির্মমতা আরও বেশি হওয়া উচিত ছিল। ** '''''স্টুয়ার্ট সেলডোভিটস''''', [https://themessenger.com/news/ex-obama-advisor-fired-over-rant-at-halal-vendor-if-we-killed-4000-palestinian-kids-it-wasnt-enough এক্স-ওবামা অ্যাডভাইজার ফায়ার্ড ওভার র‍্যান্ট অ্যাট হালাল ভেন্ডর...]-এ উদ্ধৃত। * গত কয়েক দশক ধরে ইসরায়েলি ও পশ্চিমা নেতারা ফিলিস্তিনিদের অমানবিক হিসেবে চিত্রিত করে আসছে, কিন্তু তার পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে এখন ইসরায়েলিদের অমানবিক হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। হামাসের হামলার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং কৌশলগত সশস্ত্র সংগ্রামের নীতিগুলো ব্যাখ্যা করা আর নির্বিচার হত্যাকাণ্ডকে সমর্থন করা—এক কথা নয়। আপনি যদি গত শনিবারের হামাসের যুদ্ধাপরাধকে গ্রহণযোগ্য মনে করেন, তবে আজ ইসরায়েলের যুদ্ধাপরাধকে অন্যায় বলার নৈতিক ভিত্তি আপনার কোথায়? '''নৈতিক ধারাবাহিকতা হারানো ফিলিস্তিনি আন্দোলনের মূল শক্তিকেই দুর্বল করে দেয়। হামাসের এই নির্বিচার আক্রমণকে ফিলিস্তিনিদের দুঃখ-কষ্টের একটি গ্রহণযোগ্য ফলাফল হিসেবে দেখা সংহতির লক্ষণ নয়; বরং এটি এক ধরণের [[:w:নৈতিক আপেক্ষিকতাবাদ|নৈতিক আপেক্ষিকতাবাদ]] (Moral Relativism)।''' নিপীড়িত ফিলিস্তিনিদের নিষ্ঠুরতা চালানোর বিশেষ ছাড়পত্র দেওয়া কোনো [[:w:মুক্তি|মুক্তির]] লড়াই নয়; এটি মূলত সেই আন্দোলনকে বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতার সাথে জড়িয়ে ফেলা। আর ইসরায়েলের সব নাগরিকই লক্ষ্যবস্তু হতে পারে বলাটা এক ধরণের চরমপন্থা। এই একই যুক্তি এখন গাজার ফিলিস্তিনিদের ওপর প্রয়োগ করছে ইসরায়েলের [[:w:চরমপন্থা|চরমপন্থী]] সরকার এবং তাদের সমর্থকরা। ** '''''[[:w:র‍্যাচেল শাবি|র‍্যাচেল শাবি]]''''', "[https://inews.co.uk/opinion/factions-of-the-left-are-tying-themselves-in-knots-over-israel-and-gaza-2681996 টু লুজ মোরাল কনসিস্টেন্সি উইকেনস দ্য প্যালেস্টিনিয়ান কজ]", ''আই (i)'' (১৪ অক্টোবর ২০২৩)। * এই ধ্বংসাত্মক আক্রমণ থামানোর আগে আর কত মানুষের প্রাণহানি দেখতে হবে—৫০,০০০ নাকি ১,০০,০০০? যখন আমরা আমাদের ঘরবাড়ি, হাসপাতাল আর স্কুলগুলোকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে দেখছি, তখন বিশ্বনেতাদের কাছে আমাদের আর্তনাদ—দয়া করে সামান্যতম মানবিকতা প্রদর্শন করুন। ** '''''ফিকর শালতুত''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/91bdr3?update=2466646 কিলিং অফ ১০,০০০ প্যালেস্টিনিয়ানস ‘আ শকিং মাইলস্টোন’]—''আল জাজিরা''। * এমনকি ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময়ও মানুষ নানা ধরণের ব্যাখ্যা দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তারা কখনোই সরাসরি স্বীকার করেনি যে তারা নিছকই নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতেও আমরা একই ধরণের ঢাকা দেওয়া অজুহাত দেখছি। ** '''''[[:w:ওয়ালেস শন|ওয়ালেস শন]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.hollywoodreporter.com/news/general-news/wallace-shawn-criticizes-us-response-israel-gaza-conflict-dc-rally-1235619903/ ওয়ালেস শন কলস ফর এন্ড অফ “ম্যাসাকারিং” ইন ইসরায়েল-গাজা কনফ্লিক্ট]—''হলিউড রিপোর্টার''। * হ্যাঁ, এটি সত্য যে গত নয় দিনে যা ঘটেছে তা অত্যন্ত কঠিন এবং সহ্যের অতীত ছিল এবং আমরা দ্ব্যর্থহীনভাবে তার নিন্দা জানাই। কিন্তু আমাদের বুঝতে হবে যে—এটি গত চার দশকের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ এবং ঘৃণারই বহিঃপ্রকাশ, যেখানে ফিলিস্তিনিদের সামনে কোনো সংকটের সমাধানের আর কোনো আশাই অবশিষ্ট ছিল না। ** '''''[[:w:আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি|আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি]]''''', [https://www.nytimes.com/2023/10/17/world/middleeast/biden-israel-gaza-anger.html?smid=nytcore-ios-share&referringSource=articleShare ইউ.এস. রেসপন্স টু ইসরায়েল-হামাস ওয়ার ড্রস ফিউরি ইন মিডল ইস্ট]-এ উদ্ধৃত। * শেষ পর্যন্ত বিচার এই ব্যক্তিদের ধরবে বা বিচারের মুখোমুখি করবেই; যদি ৫ বছরে না হয়, তবে ১০ বছর পর, অথবা যখন তাদের বয়স ৮০ বছর হবে—তখন। যখনই বিশ্বের ক্ষমতার ভারসাম্য ফিলিস্তিনিদের জন্য ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ তৈরি করবে, তখনই অপরাধীদের হিসাব চুকিয়ে দিতে হবে। ** '''''[[:w:গাসান আবু-সিত্তাহ|গাসান আবু-সিত্তাহ]]''''', উদ্ধৃত: [https://news.yahoo.com/uk-palestinian-surgeon-fights-justice-030324782.html ইউকে-প্যালেস্টিনিয়ান সার্জন ফাইটস্ ফর 'জাস্টিস' আফটার গাজা রিটার্ন]—''ইয়াহু নিউজ''। * আমি মনে করি বর্তমানে এই সংঘাতের সাথে জড়িত প্রতিটি পক্ষের মানুষ কতটা ক্ষতবিক্ষত বোধ করছেন, তা শব্দে বর্ণনা করা অসম্ভব। মিশিগানে আমাদের ৩ লক্ষেরও বেশি [[:w:আরব|আরব]] ও [[:w:মুসলিম]] এবং ৭০,০০০ [[:w:ইহুদি|ইহুদি]] ধর্মাবলম্বী মানুষ রয়েছেন। প্রত্যেকের আবেগ আজ এক চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা সামলানো অত্যন্ত দুরুহ হয়ে পড়েছে। ** '''''[[:w:এলিসা স্লটকিন|এলিসা স্লটকিন]]''''', মিশিগানের একজন ডেমোক্র্যাট সদস্য; উদ্ধৃত: [https://www.cnn.com/2023/11/08/politics/democrats-israel-divide-deepens/index.html টেনশনস বয়েল ওভার অ্যাজ ডেমোক্র্যাটস’ ইসরায়েল ডিভাইড ডিপেনস] (৮ নভেম্বর ২০২৩)। * এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় যে—ভয়াবহ বোমাবর্ষণের মুখে গাজার বেসামরিক নাগরিকদের আশ্রয় নেওয়ার মতো কোনো নিরাপদ স্থান নেই; এমনকি সামরিক অবরোধের কারণে বর্তমানে সেখানে পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা পৌঁছানোও সম্ভব হচ্ছে না। এটি একটি মহাবিপর্যয়মূলক ব্যর্থতা, যা পুরো বিশ্বের আর কখনোই সহ্য করা উচিত নয়। ** '''''[[:w:মির্জানা স্পোলজারিক এগার|মির্জানা স্পোলজারিক এগার]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/nw7juv?update=2445050 ‘শক্ট বাই দ্য ইনটোলারেবল লেভেল অফ হিউম্যান সাফারিং’: আইসিআরসি]—''আল জাজিরা'' (২৮ অক্টোবর ২০২৩)। * তাদের নৃশংসতা আপনার নৃশংসতাকে ন্যায়সঙ্গত করে তোলে না। তাদের যুদ্ধাপরাধের বর্বরতা আপনার যুদ্ধাপরাধের বর্বরতাকে বিন্দুমাত্র কমিয়ে দেয় না। মূলত তাদের অমানবিকতা আপনার অমানবিকতাকে উস্কে দিচ্ছে, যা পরবর্তীতে তাদের অমানবিকতাকে আরও বাড়িয়ে দেবে—যতক্ষণ না আপনাদের চারপাশের পুরো পৃথিবী পুড়ে ছাই হয়ে যায় এবং তারও পর পর্যন্ত এই চক্র চলতেই থাকে। ** '''''[[:w:অ্যান্ড্রু স্ট্রোলেইন|অ্যান্ড্রু স্ট্রোলেইন]]''''', [https://www.hrw.org/the-day-in-human-rights/2023/10/09?story=paragraph-6720 "অন দ্য এসক্যালেশন ইন ইসরায়েল-প্যালেস্টাইন"]—''হিউম্যান রাইটস ওয়াচ'' (৭ অক্টোবর ২০২৪)। == T == [[File:Iron Swords 141023 Kirya Bring The Home 02.jpg|thumb|বিলম্ব না করে সকল জিম্মিকে অবশ্যই মুক্তি দিতে হবে। ~ [[আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি]] এবং [[জো বাইডেন|প্রেসিডেন্ট বাইডেন]]]] [[File:2023.10.08 Pro-Palestinian Rally, Washington, DC USA 281 20109 (53246433281).jpg|thumb|আজ আমরা ফিলিস্তিন ও গাজার সাথে সংহতি প্রকাশ করে ধর্মঘট পালন করছি। বিশ্ববাসীকে এখন সোচ্চার হতে হবে এবং অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি, ফিলিস্তিনিদের জন্য ন্যায়বিচার ও স্বাধীনতা এবং ক্ষতিগ্রস্ত সকল বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তার দাবি তুলতে হবে। ~ [[গ্রেটা থুনবার্গ]]]] * কোনো প্রকার বিলম্ব না করে গাজায় আটকে থাকা সকল [[:w:ইসরায়েল–হামাস যুদ্ধ জিম্মি সংকট|জিম্মিকে]] অবশ্যই মুক্তি দিতে হবে। মানবিক দিক বিবেচনায় এটি এখন সময়ের সবচেয়ে জরুরি দাবি। ** কাতারের আমির শেখ '''''[[:w:তামিম বিন হামাদ আল থানি|তামিম বিন হামাদ আল থানি]]''''' এবং প্রেসিডেন্ট বাইডেনের যৌথ বিবৃতি; উদ্ধৃত: [https://www.bbc.com/news/world-us-canada-67401341 টডলার অ্যামাং ইউএস হোস্টেজস ইন গাজা - হোয়াইট হাউস]—''বিবিসি নিউজ'' (১৩ নভেম্বর ২০২৩)। * আমরা স্পষ্ট করে বলছি—অনেক হয়েছে, আর নয়। ইসরায়েলকে এভাবে শর্তহীনভাবে মানুষ মারার সবুজ সংকেত বা 'ফ্রি লাইসেন্স' দেওয়া কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়; ঠিক একইভাবে দখলদারিত্ব, অবরোধ এবং অবৈধ বসতি স্থাপনের বাস্তবতাকে দিনের পর দিন উপেক্ষা করে যাওয়াও আর সম্ভব নয়। ** শেখ '''''[[:w:তামিম বিন হামাদ আল থানি|তামিম বিন হামাদ আল থানি]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/j9jahf?update=2434194 ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ডস’: ইসরায়েল শুড নট হ্যাভ ‘ফ্রি লাইসেন্স টু কিল’: কাতার]—''আল জাজিরা''। * আমি ওয়াশিংটন থেকে জেক ট্যাপার বলছি; যেখানে আমাদের বর্তমান রাষ্ট্রীয় পরিস্থিতি এই ভয়ে আতঙ্কিত যে—[[:w:ইসরায়েল|ইসরায়েল]] ও [[:w:হামাস|হামাসের]] মধ্যে চলমান এই নৃশংস যুদ্ধ আরও বিস্তৃত এবং ভয়াবহ রূপ নিতে যাচ্ছে। আজ সকালে মধ্যপ্রাচ্যে এক চরম হাহাকার আর হতাশা বিরাজ করছে। কয়েক ঘণ্টা আগে গাজায় ইসরায়েলি হামলার পর ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া জীবিতদের উদ্ধার করতে সাধারণ মানুষের যে আকুতি, তা ছিল অবর্ণনীয়। ইসরায়েলি সরকার বলছে, আট দিনের ভয়াবহ বিমান অভিযানের পর তারা এখন একটি 'উল্লেখযোগ্য স্থল অভিযান'-এর প্রস্তুতি নিচ্ছে। মনে রাখা প্রয়োজন যে, হামাস ফিলিস্তিনি জনগণের মাঝেই নিজেদের আড়াল করে রাখে। গত ৭ অক্টোবরের সেই বিধ্বংসী সন্ত্রাসী হামলায় ১,০০০ ইসরায়েলিকে হত্যা করা হয়েছিল, যা হলোকাস্টের পর ইহুদি জাতির জন্য সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী দিন ছিল। আর সেই ঘটনার সাথেই ইসরায়েল থেকে ১০০-এর বেশি নিরপরাধ মানুষকে [[:w:ইসরায়েল–হামাস যুদ্ধ জিম্মি সংকট|জিম্মি]] করা হয়েছে। ** '''''[[:w:জেক ট্যাপার|জেক ট্যাপার]]''''', [https://transcripts.cnn.com/show/sotu/date/2023-10-15/segment/02 ট্রান্সক্রিপ্টস স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন] (১৫ অক্টোবর ২০২৩)। * এবারের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। হ্যাঁ, আমি এর আগেও সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে কাজ করেছি এবং সেগুলো সবসময়ই খুব বিভীষিকাময় ছিল। কিন্তু এটি বিশেষভাবে নৃশংস, কারণ এখানে বিপুল সংখ্যক বেসামরিক মানুষ হতাহত হচ্ছে এবং তাদের পালানোর কোনো পথ নেই। তারা সরতে পারছে না। তাদের বলা হচ্ছে দক্ষিণে সরে যেতে; কিন্তু আমরা কি স্রেফ ৪৫ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি এলাকাকে ২০ কিলোমিটারে নামিয়ে এনে সেখানে ২০ লক্ষ মানুষকে গাদাগাদি করে রাখার কথা বলছি? এটি সত্যিই এক অভাবনীয় পরিস্থিতি। না, আমি আগে এমনটি দেখিনি। তারা বোমাবর্ষণ থামায়নি, অনবরত বোমা ফেলছে। সেখানে তারা ট্যাঙ্কসহ সৈন্য পাঠিয়েছে এবং এটি অবিরাম চলছে। এই নৃশংসতা অত্যন্ত স্পষ্টভাবে নথিভুক্ত এবং বিশ্বজুড়ে সংবাদপত্র ও টেলিভিশনে দেখা যাচ্ছে। মানুষ ঠিকই জানে কী ঘটছে, তবুও এটি থামছে না। এমন পরিস্থিতি আমি আগে কখনো প্রত্যক্ষ করিনি। ** '''''অ্যান টেইলর''''', [https://web.archive.org/web/20231117232554/https://www.newyorker.com/news/q-and-a/the-trauma-of-gazas-doctors দ্য ট্রমা অফ গাজা’স ডক্টরস]-এ উদ্ধৃত। * হামাস তাদের নিজস্ব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেই এই পরিস্থিতি ডেকে এনেছে। তাদের হঠকারী সিদ্ধান্তের কারণেই আজ এই সংকট ঘনীভূত হয়েছে। ** '''''[[:w:লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড|লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.reuters.com/world/us-vetoes-un-security-council-action-israel-gaza-2023-10-18/ ইউএস ভিটোস ইউএন সিকিউরিটি কাউন্সিল অ্যাকশন অন ইসরায়েল, গাজা]—''রয়টার্স''। * আজ আমরা ফিলিস্তিন ও গাজার সাথে সংহতি প্রকাশ করে ধর্মঘট পালন করছি। বিশ্ববাসীকে এখন সোচ্চার হতে হবে এবং অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি, ফিলিস্তিনিদের জন্য ন্যায়বিচার ও স্বাধীনতা এবং ক্ষতিগ্রস্ত সকল বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তার দাবি তুলতে হবে। ** '''''[[:w:গ্রেটা থুনবার্গ|গ্রেটা থুনবার্গ]]''''', [https://x.com/GretaThunberg/status/1715355502337499332?s=20 গ্রেটা থুনবার্গের একটি এক্স (X) পোস্টে] বর্ণিত। * আমাকে যে এটি বলতে হচ্ছে তা আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না—ফিলিস্তিনিরা কোনো ফেলনা বা অপ্রয়োজনীয় বস্তু নয়। আমরাও অন্য সবার মতো রক্ত-মাংসের মানুষ। আমার দাদি 'সিতি', অন্য সব ফিলিস্তিনির মতোই কেবল স্বাধীনতা এবং মানুষের প্রাপ্য মর্যাদা নিয়ে বাঁচতে চান। মিস্টার চেয়ারম্যান, প্রাণ বাঁচাতে কথা বলা—তা যে ধর্মের বা যে জাতিগোষ্ঠীরই হোক না কেন—এই কক্ষে বিতর্কিত হওয়া উচিত নয়। ফিলিস্তিনি আর ইসরায়েলি শিশুদের আর্তনাদ আমার কানে ভিন্ন শোনায় না। আমি যা বুঝতে পারছি না তা হলো—কেন ফিলিস্তিনিদের আর্তনাদ আপনাদের সবার কানে ভিন্নভাবে পৌঁছায়? মিস্টার চেয়ারম্যান, আমাদের এই সম্মিলিত মানবিকতা হারিয়ে ফেলা উচিত নয়। ** মার্কিন প্রতিনিধি '''''[[:w:রাশিদা তলাইব|রাশিদা তলাইব]]''''', উদ্ধৃত: [https://tlaib.house.gov/posts/video-tlaib-speaks-on-censure-resolution তলাইব স্পিকস অন সেন্সর রেজোলিউশন]। * জো বাইডেনের চরম অযোগ্যতা, দুর্বলতা এবং অপদার্থতাই ইসরায়েলের ওপর এই ভয়াবহ হামলার পথ প্রশস্ত করেছে; এবং এটি দিন দিন কেবল আরও খারাপের দিকেই যাবে। পরিস্থিতি আরও জটিল হবে। এই লোকটি (বাইডেন) ঠিকমতো দুটি বাক্যও সাজিয়ে বলতে পারেন না। আসলে কী ঘটছে সে সম্পর্কে তার বিন্দুমাত্র ধারণাও নেই। ** '''''[[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.newsmax.com/us/donald-trump-israel-joe-biden/2023/10/14/id/1138272/]—''নিউজম্যাক্স''। * আমরা গাজা থেকে কাউকেই (শরণার্থী হিসেবে) আমাদের দেশে নিয়ে আসছি না। আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা কোনো আপস করব না। ** '''''[[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.nytimes.com/2023/10/16/us/politics/trump-gaza-refugees-travel-ban.html#:~:text=He%20promised%20again%20to%20bar,a%20suburb%20of%20Des%20Moines. ট্রাম্প ভাউস টু রিজেক্ট গাজান রিফিউজিস আফটার ইসরায়েল অ্যাটাক]—''দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস''। * হ্যাঁ, আমি বলতে চাচ্ছি গাজার কথা; গাজায় যা ঘটছে তা সত্যিই অবিশ্বাস্য এবং অকল্পনীয়। ** '''''[[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/jmh2l8?update=2478143 ট্রাম্প সেজ ইউএস শুড লেট ইসরায়েল-হামাস ওয়ার ‘প্লে আউট’]—''আল জাজিরা''। * মানবিক সহায়তায় নিয়োজিত আমার সহকর্মীরা গাজার বর্তমান পরিস্থিতিকে 'সর্বনাশা' (Apocalyptic) হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এমন পরিস্থিতিতে সেখানে আরও ভয়াবহ নৃশংসতা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ ঘটার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে গেছে। ** '''''[[:w:ভলকার তুর্ক|ভলকার তুর্ক]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.reuters.com/world/middle-east/un-rights-chief-warns-heightened-risk-atrocity-crimes-gaza-2023-12-06/ ইউএন রাইটস চিফ ওয়ার্নস অফ হাইটেনড রিস্ক অফ 'অ্যাট্রোসিটি ক্রাইমস' ইন গাজা]—''রয়টার্স'' (৬ ডিসেম্বর ২০২৩)। * রাফাহ-তে আমি গাজার সেই জীবন্ত দুঃস্বপ্নের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়েছিলাম। যার প্রিয়জন এই যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন, তার সেই অসহ্য বেদনা এবং অসীম কষ্ট আমি আমার হৃদয়ের অন্তস্তল থেকে অনুভব করি। আমাদের সবাইকে এই সম্মিলিত যন্ত্রণা অনুভব করতে হবে এবং এই দুঃস্বপ্নের অবসান ঘটাতে হবে। ** '''''[[:w:ভলকার তুর্ক|ভলকার তুর্ক]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/d5kugr?update=2472540 ‘উই হ্যাভ ফলেন অফ আ প্রিসিপিস’, ইউএন হিউম্যান রাইটস চিফ সেজ]—''আল জাজিরা'' (৮ নভেম্বর ২০২৩)। == U == * গাজার ওপর এই সর্বাত্মক অবরোধ এবং তার সাথে অবাস্তব ও অসম্ভব উচ্ছেদ আদেশ এবং জোরপূর্বক জনসংখ্যা স্থানান্তর আন্তর্জাতিক মানবিক আইন ও অপরাধমূলক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন। এটি বর্ণনাতীতভাবে নিষ্ঠুর ও অমানবিক একটি কাজ। ** '''''[[:w:জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়|জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের]]''''' এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি হতে উদ্ধৃত: [https://www.ohchr.org/en/press-releases/2023/10/gaza-un-experts-decry-bombing-hospitals-and-schools-crimes-against-humanity গাজা: ইউএন এক্সপার্টস ডিক্রাই বোম্বিং অফ হসপিটালস অ্যান্ড স্কুলস...] (১৯ অক্টোবর ২০২৩)। == V == * বর্তমানে আমি যা ঘটতে দেখছি তা কেবল আত্মরক্ষা নয়। এটি বরং প্রতিশোধ গ্রহণের এক নগ্ন বহিঃপ্রকাশের মতোই প্রতীয়মান হচ্ছে। আমাদের অবস্থান কখনোই এমন জায়গায় হওয়া উচিত নয় যেখানে মানবিকতা বিসর্জিত হয়। ** '''''[[:w:লিও ভারাদকার|লিও ভারাদকার]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/ddc07n?update=2459000 ‘সামথিং মোর অ্যাপ্রোচিং রিভেঞ্জ’: আইরিশ পিএম ক্রিটিসাইজেস ইসরায়েল]—''আল জাজিরা''। * "আইডিএফ বলছে যে তারা গাজার একটি অ্যাম্বুলেন্সের ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে"। তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আনার জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কাছে এর চেয়ে শক্তিশালী আহ্বান আর কী হতে পারে? এমনকি যদি সেই অ্যাম্বুলেন্সে হামাসের কোনো নেতাও থেকে থাকেন, তবুও সেটিতে বোমাবর্ষণ করা জেনেভা কনভেনশনের স্পষ্ট লঙ্ঘন। ** '''''[[:w:ইয়ানিস ভারুফাকিস|ইয়ানিস ভারুফাকিস]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/ucn3l5?update=2460653 অ্যাটাক অন অ্যাম্বুলেন্সেস ‘ইনভিটেশন’ টু ওয়ার ক্রাইমস চার্জেস: ভারুফাকিস]—''আল জাজিরা''। * গাজাকে এখনই পুড়িয়ে ছারখার করে দাও। ** '''''[[:w:নিসিম ভাতুরি|নিসিম ভাতুরি]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/2jzuwp?update=2495105 ‘বার্ন গাজা নাউ,’ ডেপুটি স্পিকার অফ ইসরায়েল’স নেসেট সেজ]—''আল জাজিরা''। * আমেরিকানদের বক্তব্যগুলো ক্রুসেড বা ধর্মযুদ্ধের সেই অন্ধকার সময়ের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। আমরা প্রতিরোধের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। শত্রুদের চূড়ান্ত পরাজয় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই সংগ্রাম ও লড়াই অব্যাহত থাকবে। ** '''''[[:w:আলী আকবর বেলায়েতি|আলী আকবর বেলায়েতি]]''''', [https://web.archive.org/web/20231102233625/https://ana.press/fa/news/876243/ ডক্টর বেলায়েতি: শোকানান-এ মাকামাত-এ আমরিকায়ি ইয়াদাওয়ার-এ দৌরান-এ জাঙ্গ-হায়ে সলিবি আসত] হতে অনূদিত। == W == * আমি নিশ্চিত যে ৭ অক্টোবরের হামলা রুখতে না পারার কারণে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গভীর লজ্জার সম্মুখীন হয়েছেন—বিশেষ করে এমন একজনের জন্য যিনি নিজেকে একজন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ এবং কঠোর নেতা হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন। কিন্তু সম্ভবত সেই লজ্জাই তাকে দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করছে। তিনি যদি মনে করেন যে এই 'হত্যার উন্মাদনা' দিয়ে পরিস্থিতি পুনরুদ্ধার করা যাবে, তবে তিনি চরম ভুলের মধ্যে আছেন। তার এই পদ্ধতি সমস্যার সমাধান করবে না। বরং আমি বিশ্বাস করি তার এই রণকৌশল আগামী ৫০ বছরের জন্য এই সংঘাতকে আরও উস্কে দেবে। তার কর্মকাণ্ড বিশ্বজুড়ে মুসলিম তরুণদের চরমপন্থার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ** '''''[[:w:বেন ওয়ালেস (রাজনীতিবিদ)|বেন ওয়ালেস]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.theguardian.com/world/2023/dec/18/israel-killing-rage-fuel-conflict-50-years-warns-ex-uk-defence-secretary-ben-wallace ইসরায়েল’স ‘কিলিং রেজ’ উইল ফুয়েল কনফ্লিক্ট ফর ৫০ ইয়ার্স, ওয়ার্নস এক্স-ইউকে ডিফেন্স সেক্রেটারি]—''দ্য গার্ডিয়ান''। * হাসপাতাল এবং অ্যাম্বুলেন্সের ওপর হামলা অবশ্যই বন্ধ হতে হবে। এগুলো আহতদের আশ্রয়স্থল, যেখানে প্রাণ বাঁচানো হয় এবং মানুষের কষ্ট লাঘব করা হয়। যদি হাসপাতালগুলোও সুরক্ষিত না থাকে, তবে গাজার কোথাও আর নিরাপদ কোনো স্থান অবশিষ্ট নেই। ** '''''মেলানি ওয়ার্ড''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/ddc07n?update=2460431 ‘ইফ হসপিটালস আর নট প্রোটেক্টেড, দেন দেয়ার ট্রুলি ইজ নো সেফ প্লে ইন গাজা’]—''আল জাজিরা''। * আমি আশঙ্কা করছি যে আমরা এক গভীর ও বিপজ্জনক অতল গহ্বরের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছি, যা ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের গতিপথ চিরতরে বদলে দিতে পারে। এমনকি এটি সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকেও বিপন্ন করতে পারে। ** '''''[[:w:টর ওয়েনসল্যান্ড|টর ওয়েনসল্যান্ড]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.reuters.com/world/us-vetoes-un-security-council-action-israel-gaza-2023-10-18/ ইউএস ভিটোস ইউএন সিকিউরিটি কাউন্সিল অ্যাকশন অন ইসরায়েল, গাজা]—''রয়টার্স''। * অকল্পনীয় মাত্রায় উচ্ছেদ এবং অব্যাহত শত্রুতার মাঝে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম আজ ধ্বংসের মুখে। ইসরায়েলের নেওয়া কিছু সীমিত পদক্ষেপ ইতিবাচক হলেও তা এই মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত সামান্য। ** '''''[[:w:টর ওয়েনসল্যান্ড|টর ওয়েনসল্যান্ড]]''''', উদ্ধৃত: [https://aje.io/unfg1h?update=2567637 ইসরায়েল’স স্টেপস টু অ্যালাউ এইড ইনটু গাজা ‘ফল ফার শর্ট’: ইউএন অফিশিয়াল]—''আল জাজিরা'' (১৯ ডিসেম্বর ২০২৩)। * এই কাজ যারা করেছে, সেই বর্বরদের বোমায় উড়িয়ে প্রস্তর যুগে পাঠিয়ে দাও। এখানে কোনো মধ্যপন্থা নেই। তাদের সবাইকে হত্যা করো—পৃথিবীর প্রতিটি হামাস বর্বর এবং তাদের প্রত্যেক সমর্থককে। শূকরের নাড়িভুঁড়ি দিয়ে তাদের মাটি চাপা দাও। ** '''''[[:w:জেমস উডস|জেমস উডস]]''''', [https://twitter.com/MiddleEastMnt/status/1717627457959076132 মিডল ইস্ট মনিটর-এর একটি এক্স (X) পোস্ট]-এ উদ্ধৃত। * স্বাস্থ্যকর্মী নিধন এবং স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করার অসংখ্য যাচাইকৃত প্রতিবেদন আমাদের কাছে রয়েছে। এটি বেসামরিক নাগরিকদের জীবন রক্ষাকারী স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার মৌলিক মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত করছে, যা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের অধীনে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ** '''''[[:w:বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা|বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা]]''''', [https://thehill.com/policy/international/4256422-who-condemns-israel-gaza-evacuation-order/ ডব্লিউএইচও কনডেমস ইসরায়েল’স গাজা ইভাকুয়েশন অর্ডার অ্যাজ ‘ডেথ সেন্টেন্স’ ফর সিক, ইনজার্ড]-এ উদ্ধৃত। == Y == * আমি ইসরায়েলি সরকারের প্রতি গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার জন্য জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি পুনর্ব্যক্ত করছি। এই মানবিক সংকটে নিরপরাধ মানুষের জীবন রক্ষা করাই এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। ** '''''[[:w:মালালা ইউসুফজাই|মালালা ইউসুফজাই]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.hindustantimes.com/india-news/nobel-prize-winner-malala-yousafzai-donates-300k-to-palestinians-101697687578938.html ‘আই’ম হোরিফাইড…': নোবেল উইনার মালালা ইউসুফজাই ডোনেটস $৩০০কে টু প্যালেস্টিনিয়ানস]—''হিন্দুস্তান টাইমস''। * ওই ফিলিস্তিনিরা, তারা বড় বেশি নাটকীয়। তারা সবসময় বলে, ‘আহ, ইসরায়েল আমাদের মেরে ফেলছে,’ কিন্তু তারা তো কখনো মরেই না। মানে, তারা বারবার ফিরে আসে। তাদের মেরে ফেলা খুব কঠিন, সত্যিই খুব কঠিন এক জাতি। আমি জানি, কারণ আমি নিজেই একজনকে (ফিলিস্তিনি) বিয়ে করেছি। আমি অনেকবার চেষ্টা করেছি। প্রতিবারই তাকে শেষ করে দেওয়ার চেষ্টা করি, কিন্তু সে আমাদের বাচ্চাদের ‘হিউম্যান শিল্ড’ বা মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করে! ** '''''[[:w:বাসমে ইউসেফ|বাসমে ইউসেফ]]''''', উদ্ধৃত: [https://www.thedailybeast.com/bassem-youssef-stuns-piers-morgan-on-gaza-you-compared-israel-with-isis বাসমে ইউসেফ স্টানস পিয়ার্স মরগান অন গাজা: ইউ ‘কমপেয়ার্ড ইসরায়েল উইথ আইএসআইএস!’]—''দ্য ডেইলি বিস্ট''। * হামাস প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল একটি মাত্র লক্ষ্য নিয়ে—ইসরায়েল রাষ্ট্রের ধ্বংসস্তূপের ওপর একটি ইসলামিক স্টেট বা ইসলামি রাষ্ট্র কায়েম করা। তারা নিজেদের 'মুক্তিযোদ্ধা' হিসেবে দাবি করে এবং সেই সূত্র ধরেই আমরা পুঁজিবাদী জায়নবাদীদের বিরুদ্ধে এই সংখ্যালঘু গোষ্ঠীকে সমর্থন জানাই। ** '''''হাসান ইউসেফ''''', [https://www.youtube.com/watch?v=-q-DIKOcmTI 'সান অফ হামাস' গিভস আনবিলিভেবল ইন্টারভিউ...]—''ইউটিউব'' (১ ডিসেম্বর ২০২৩)। == Z == * বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য হাতে আর একদমই সময় নেই। একটি অবিলম্বে এবং ব্যাপক যুদ্ধবিরতি কার্যকর করাই এখন আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত। যুদ্ধবিরতি ছাড়া গাজায় যেকোনো মানবিক সহায়তা হবে সমুদ্রের মাঝে এক বিন্দু জলের মতো। এই পরিস্থিতিতে নীরব থাকার জন্য নিরাপত্তা পরিষদের আর কোনো অজুহাত থাকতে পারে না। ** '''''[[:w:ঝাং জুন (কূটনীতিবিদ)|ঝাং জুন]]''''', উদ্ধৃত: [https://news.un.org/en/story/2023/10/1142517 সিকিউরিটি কাউন্সিল মিটস ওভার ইসরায়েল-গাজা: ‘ভেরি রিয়েল রিস্ক’ অফ কনফ্লিক্ট এক্সপ্যান্ডিং...]—''ইউএন নিউজ''। == ২০২৩ ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ সম্পর্কিত ভিডিও == * [https://www.youtube.com/watch?v=27yqmOGU4lo ইউভাল নোয়াহ হারারি এবং রোজমেরি বার্টন - ইসরায়েল'স ওয়ার উইথ হামাস]: এই সাক্ষাৎকারে ঐতিহাসিক ইউভাল নোয়াহ হারারি চলমান সংঘাতের রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক দিকগুলো বিশ্লেষণ করেছেন। (সিবিসি নিউজ ইউটিউব চ্যানেল, ২৪ অক্টোবর ২০২৩)। == আরও দেখুন == * [[:w:আল-আহলি আরব হাসপাতাল বিস্ফোরণ|আল-আহলি আরব হাসপাতাল বিস্ফোরণ]] * [[:w:ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি গণহত্যা|গাজা গণহত্যা]] * [[:w:গাজা গণহত্যা অস্বীকার|গাজা গণহত্যা অস্বীকার]] * [[:w:হামাস কর্তৃক শিশুদের শিরশ্ছেদ সংক্রান্ত অপপ্রচার|হামাস বেবি বিহেডিং হোক্স]] * [[:w:গাজা যুদ্ধে ভুল তথ্য ও অপপ্রচার|গাজা যুদ্ধে ভুল তথ্য ও অপপ্রচার]] * [[:w:২০২৩ ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ|২০২৩ ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ]] == বহিঃসংযোগ == * {{Wikipedia-inline|২০২৩ ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ}} * {{commonscat-inline|২০২৩ ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ}} * [https://www.youtube.com/watch?v=MlqzzdDfNDo কংগ্রেসওম্যান বুশ আরজেস আ যুদ্ধবিরতি নাও ইন ইসরায়েল অ্যান্ড অকুপাইড প্যালেস্টাইন]: মার্কিন কংগ্রেস সদস্য কোরি বুশ ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাচ্ছেন (ইউটিউব ভিডিও)। * [https://www.youtube.com/watch?v=BcykKOrEGcU জাস্ট ইন: টেম্পার্স ফ্লেয়ার ডিউরিং এক্সপ্লোসিভ ডিবেট টু সেন্সর রাশিদা তলাইব]: রাশিদা তলাইবকে নিন্দা জানানোর প্রস্তাব নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসে উত্তপ্ত বিতর্কের দৃশ্য—''ফোর্বস ব্রেকিং নিউজ'' (ইউটিউব ভিডিও)। * [https://www.youtube.com/watch?v=VAva9VM38uA মোমেন্ট হামাস স্পোকসপারসন এন্ডস বিবিসি ইন্টারভিউ অ্যাব্রাপ্টলি]: বিবিসির চ্যালেঞ্জিং প্রশ্নের মুখে হামাস মুখপাত্রের আকস্মিক ইন্টারভিউ শেষ করার দৃশ্য—''দ্য টেলিগ্রাফ'' ইউটিউব চ্যানেল (২৭ অক্টোবর ২০২৩)। * [https://www.jpost.com/breaking-news/article-772900 হামাস সাসপেন্ডস হোস্টেজ টকস ওভার আল শিফা হসপিটাল]: আল-শিফা হাসপাতালের পরিস্থিতির কারণে হামাস কর্তৃক জিম্মি মুক্তি আলোচনা স্থগিতের খবর—''জেরুসালেম পোস্ট'' (১২ নভেম্বর ২০২৩)। * [https://www.youtube.com/watch?v=NJ77a6ncV_0 কলস ফর ট্রুস এক্সটেনশন অ্যান্ড মোর হোস্টেজ রিলিজেস]: যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি এবং আরও জিম্মি মুক্তির আহ্বান—''এনএইচকে ওয়ার্ল্ড-জাপান নিউজ'' (২৭ নভেম্বর ২০২৩)। [[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধ]] [[বিষয়শ্রেণী:গাজা যুদ্ধ]] [[বিষয়শ্রেণী:গণহত্যা]] [[বিষয়শ্রেণী:ফিলিস্তিন]] [[বিষয়শ্রেণী:হামাস]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসরায়েল]] fr8lf1qd4fpjitdb8pf81hdqcbn6coi উইলিয়াম শকলি 0 12851 78649 78472 2026-04-19T17:50:34Z Anaf Ibn Shahibul 4193 78649 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[File:William Shockley, Stanford University.jpg|thumb|চাঁদের আলোতে এবং দড়ি ছাড়াই পাহাড়ে চড়ার এক অদম্য আকাঙ্ক্ষায় আমি আচ্ছন্ন।]] '''[[w:bn:উইলিয়াম শকলি|উইলিয়াম ব্র্যাডফোর্ড শকলি জুনিয়র]]''' ([[১৩ ফেব্রুয়ারি]], [[১৯১০]] – [[১২ আগস্ট]], [[১৯৮৯]]) ছিলেন একজন মার্কিন উদ্ভাবক, পদার্থবিজ্ঞানী এবং [[w:bn:সুপ্রজননবিদ্যা|সুপ্রজননবিদ]]। তিনি [[w:bn:বেল ল্যাবস|বেল ল্যাবসের]] একটি গবেষণা দলের ব্যবস্থাপক ছিলেন, যার সদস্য ছিলেন [[w:bn:জন বারডিন|জন বারডিন]] ও [[w:bn:ওয়াল্টার হাউজার ব্র্যাটেন|ওয়াল্টার ব্র্যাটেন]]। "[[w:bn:অর্ধপরিবাহী|অর্ধপরিবাহী]] নিয়ে গবেষণা এবং [[w:bn:ট্রানজিস্টর|ট্রানজিস্টর]] প্রভাব আবিষ্কারের" জন্য এই তিন বিজ্ঞানীকে যৌথভাবে ১৯৫৬ সালে [[পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার]] প্রদান করা হয়। {{asbox | image = Albert_Einstein_Head.jpg | pix = 30 | subject = | qualifier = একজন [[w:bn:পদার্থবিদ|পদার্থবিদ]] সংক্রান্ত | category = পদার্থবিদ বিষয়ক অসম্পূর্ণ নিবন্ধ | tempsort = | name = Template:Physicist-stub }} == উক্তি == * আমার গবেষণা আমাকে অনিবার্যভাবে এই মতামতের দিকে নিয়ে গেছে যে, আমেরিকার কৃষ্ণাঙ্গদের বুদ্ধিবৃত্তিক এবং সামাজিক ঘাটতির প্রধান কারণ হলো বংশগতি এবং জাতিগত জিনগত উৎস। তাই পরিবেশের ব্যবহারিক উন্নতির মাধ্যমে একে খুব একটা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। ** 'ব্ল্যাক জার্নাল'-এর সাথে সাক্ষাৎকারে। * আমি চাঁদের আলোতে এবং কোনো রকম দড়ি ছাড়াই পাহাড়ে চড়ার এক অদম্য আকাঙ্ক্ষায় আচ্ছন্ন। এটি আমার পাহাড় আরোহণের সমস্ত শিক্ষার পরিপন্থী; এর মানে এই নয় যে আমার প্রশিক্ষণ খারাপ, বরং এটি কেবল আমার জেদ বা একগুঁয়েমিকে বোঝায়। ** ১৯৪৭ সালে ট্রানজিস্টর নিয়ে কাজ করার সময় নিজের উদ্দেশ্যে লেখা চিরকুট; সূত্র: জোয়েল এন. শারকিন রচিত ''Broken Genius : The Rise and Fall of William Shockley, Creator of the Electronic Age'' (2006), অধ্যায় ৭, পাতা ১২৫। * প্রকৃতি বিভিন্ন জনসমষ্টিকে এমনভাবে বর্ণ-সংকেত দিয়ে আলাদা করে দিয়েছে যে, বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে ফলপ্রসূ ও কার্যকর জীবনের সাথে তাদের খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষমতা সম্পর্কে পরিসংখ্যানগতভাবে নির্ভরযোগ্য ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব। একজন বাস্তববাদী সাধারণ মানুষ সহজেই এটি করতে পারেন এবং লাভজনকভাবে ব্যবহার করতে পারেন। ** [http://news.google.com/newspapers?nid=888&dat=19710908&id=sewNAAAAIBAJ&sjid=vnUDAAAAIBAJ&pg=4930,1230689 "Shockley's Race View called 'Senile, Fascist'"] (৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)-এ প্রকাশিত ''St. Petersburg Times''-এ উদ্ধৃত। * বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে চলে, সে বিষয়ে আমার একটি অভিজ্ঞতা হয়েছিল। গোড়ালি মচকে যাওয়ার কারণে আমাকে গোলকীয় ত্রিকোণমিতি বিষয়টি পড়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। যেহেতু আমার পা মচকে গিয়েছিল, তাই শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে আমার কোর্স অসম্পূর্ণ ছিল। নিয়ম ছিল যে, কোনো বিষয়ে অসম্পূর্ণ থাকলে বাড়তি কোনো বিষয় পড়ার অনুমতি মিলবে না। আমি প্রশাসনিক অফিসের একজন করণিক ব্যক্তির সাথে এ নিয়ে বিতর্ক করেও সফল হতে পারিনি। এটি এমন এক অভিজ্ঞতা যা আমি আজও মনে রেখেছি এবং মানুষকে পরামর্শ দিই যেন প্রথম বাধা পেয়েই কেউ থেমে না যায়। ** ১৯৭৪ সালের সাক্ষাৎকার, [http://www.pbs.org/transistor/album1/shockley/index.html পিবিএস-এর "William Shockley" প্রোফাইলে] উদ্ধৃত। * আপনি যদি একটি খড়ের আঁটি গাধার লেজে বেঁধে তাতে দিয়াশলাই জ্বালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন, তবে এর কিছুক্ষণ পরেই ওই গাধার খরচ করা শক্তির সাথে আপনার দিয়াশলাই জ্বালাতে খরচ হওয়া শক্তির তুলনা করলে আপনি অ্যাম্প্লিফিকেশন বা বিবর্ধনের ধারণাটি বুঝতে পারবেন। ** ফ্রেড ওয়ারশফস্কি রচিত ''The Chip War : The Battle for the World of Tomorrow'' (1989), পাতা ২১-এ উদ্ধৃত। 4ee4hg4k10idka41m6aex5ga2mh1gv6 78650 78649 2026-04-19T17:51:51Z Anaf Ibn Shahibul 4193 78650 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} [[File:William Shockley, Stanford University.jpg|thumb|চাঁদের আলোতে এবং দড়ি ছাড়াই পাহাড়ে চড়ার এক অদম্য আকাঙ্ক্ষায় আমি আচ্ছন্ন।]] '''[[w:bn:উইলিয়াম শকলি|উইলিয়াম ব্র্যাডফোর্ড শকলি জুনিয়র]]''' ([[১৩ ফেব্রুয়ারি]], [[১৯১০]] – [[১২ আগস্ট]], [[১৯৮৯]]) ছিলেন একজন মার্কিন উদ্ভাবক, পদার্থবিজ্ঞানী এবং [[w:bn:সুপ্রজননবিদ্যা|সুপ্রজননবিদ]]। তিনি [[w:bn:বেল ল্যাবস|বেল ল্যাবসের]] একটি গবেষণা দলের ব্যবস্থাপক ছিলেন, যার সদস্য ছিলেন [[w:bn:জন বারডিন|জন বারডিন]] ও [[w:bn:ওয়াল্টার হাউজার ব্র্যাটেন|ওয়াল্টার ব্র্যাটেন]]। "[[w:bn:অর্ধপরিবাহী|অর্ধপরিবাহী]] নিয়ে গবেষণা এবং [[w:bn:ট্রানজিস্টর|ট্রানজিস্টর]] প্রভাব আবিষ্কারের" জন্য এই তিন বিজ্ঞানীকে যৌথভাবে ১৯৫৬ সালে [[পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার]] প্রদান করা হয়। {{asbox | image = Albert_Einstein_Head.jpg | pix = 30 | subject = | qualifier = একজন [[w:bn:পদার্থবিদ|পদার্থবিদ]] সংক্রান্ত | category = পদার্থবিদ বিষয়ক অসম্পূর্ণ নিবন্ধ | tempsort = | name = Template:Physicist-stub }} == উক্তি == * আমার গবেষণা আমাকে অনিবার্যভাবে এই মতামতের দিকে নিয়ে গেছে যে, আমেরিকার কৃষ্ণাঙ্গদের বুদ্ধিবৃত্তিক এবং সামাজিক ঘাটতির প্রধান কারণ হলো বংশগতি এবং জাতিগত জিনগত উৎস। তাই পরিবেশের ব্যবহারিক উন্নতির মাধ্যমে একে খুব একটা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। ** 'ব্ল্যাক জার্নাল'-এর সাথে সাক্ষাৎকারে। * আমি চাঁদের আলোতে এবং কোনো রকম দড়ি ছাড়াই পাহাড়ে চড়ার এক অদম্য আকাঙ্ক্ষায় আচ্ছন্ন। এটি আমার পাহাড় আরোহণের সমস্ত শিক্ষার পরিপন্থী; এর মানে এই নয় যে আমার প্রশিক্ষণ খারাপ, বরং এটি কেবল আমার জেদ বা একগুঁয়েমিকে বোঝায়। ** ১৯৪৭ সালে ট্রানজিস্টর নিয়ে কাজ করার সময় নিজের উদ্দেশ্যে লেখা চিরকুট; সূত্র: জোয়েল এন. শারকিন রচিত ''Broken Genius : The Rise and Fall of William Shockley, Creator of the Electronic Age'' (2006), অধ্যায় ৭, পাতা ১২৫। * প্রকৃতি বিভিন্ন জনসমষ্টিকে এমনভাবে বর্ণ-সংকেত দিয়ে আলাদা করে দিয়েছে যে, বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে ফলপ্রসূ ও কার্যকর জীবনের সাথে তাদের খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষমতা সম্পর্কে পরিসংখ্যানগতভাবে নির্ভরযোগ্য ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব। একজন বাস্তববাদী সাধারণ মানুষ সহজেই এটি করতে পারেন এবং লাভজনকভাবে ব্যবহার করতে পারেন। ** [http://news.google.com/newspapers?nid=888&dat=19710908&id=sewNAAAAIBAJ&sjid=vnUDAAAAIBAJ&pg=4930,1230689 "Shockley's Race View called 'Senile, Fascist'"] (৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)-এ প্রকাশিত ''St. Petersburg Times''-এ উদ্ধৃত। * বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে চলে, সে বিষয়ে আমার একটি অভিজ্ঞতা হয়েছিল। গোড়ালি মচকে যাওয়ার কারণে আমাকে গোলকীয় ত্রিকোণমিতি বিষয়টি পড়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। যেহেতু আমার পা মচকে গিয়েছিল, তাই শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে আমার কোর্স অসম্পূর্ণ ছিল। নিয়ম ছিল যে, কোনো বিষয়ে অসম্পূর্ণ থাকলে বাড়তি কোনো বিষয় পড়ার অনুমতি মিলবে না। আমি প্রশাসনিক অফিসের একজন করণিক ব্যক্তির সাথে এ নিয়ে বিতর্ক করেও সফল হতে পারিনি। এটি এমন এক অভিজ্ঞতা যা আমি আজও মনে রেখেছি এবং মানুষকে পরামর্শ দিই যেন প্রথম বাধা পেয়েই কেউ থেমে না যায়। ** ১৯৭৪ সালের সাক্ষাৎকার, [http://www.pbs.org/transistor/album1/shockley/index.html পিবিএস-এর "William Shockley" প্রোফাইলে] উদ্ধৃত। * আপনি যদি একটি খড়ের আঁটি গাধার লেজে বেঁধে তাতে দিয়াশলাই জ্বালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন, তবে এর কিছুক্ষণ পরেই ওই গাধার খরচ করা শক্তির সাথে আপনার দিয়াশলাই জ্বালাতে খরচ হওয়া শক্তির তুলনা করলে আপনি অ্যাম্প্লিফিকেশন বা বিবর্ধনের ধারণাটি বুঝতে পারবেন। ** ফ্রেড ওয়ারশফস্কি রচিত ''The Chip War : The Battle for the World of Tomorrow'' (1989), পাতা ২১-এ উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:Shockley, William}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯১০-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৯-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:লন্ডনের ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়ার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:নাস্তিক]] [[বিষয়শ্রেণী:তড়িৎ প্রকৌশলী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইউজেনিসিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:উদ্ভাবক]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেট্‌স ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] 5xkvkcfqqsv77qg16opabrxdun08t68 78651 78650 2026-04-19T17:52:19Z Anaf Ibn Shahibul 4193 78651 wikitext text/x-wiki [[File:William Shockley, Stanford University.jpg|thumb|চাঁদের আলোতে এবং দড়ি ছাড়াই পাহাড়ে চড়ার এক অদম্য আকাঙ্ক্ষায় আমি আচ্ছন্ন।]] '''[[w:bn:উইলিয়াম শকলি|উইলিয়াম ব্র্যাডফোর্ড শকলি জুনিয়র]]''' ([[১৩ ফেব্রুয়ারি]], [[১৯১০]] – [[১২ আগস্ট]], [[১৯৮৯]]) ছিলেন একজন মার্কিন উদ্ভাবক, পদার্থবিজ্ঞানী এবং [[w:bn:সুপ্রজননবিদ্যা|সুপ্রজননবিদ]]। তিনি [[w:bn:বেল ল্যাবস|বেল ল্যাবসের]] একটি গবেষণা দলের ব্যবস্থাপক ছিলেন, যার সদস্য ছিলেন [[w:bn:জন বারডিন|জন বারডিন]] ও [[w:bn:ওয়াল্টার হাউজার ব্র্যাটেন|ওয়াল্টার ব্র্যাটেন]]। "[[w:bn:অর্ধপরিবাহী|অর্ধপরিবাহী]] নিয়ে গবেষণা এবং [[w:bn:ট্রানজিস্টর|ট্রানজিস্টর]] প্রভাব আবিষ্কারের" জন্য এই তিন বিজ্ঞানীকে যৌথভাবে ১৯৫৬ সালে [[পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার]] প্রদান করা হয়। {{asbox | image = Albert_Einstein_Head.jpg | pix = 30 | subject = | qualifier = একজন [[w:bn:পদার্থবিদ|পদার্থবিদ]] সংক্রান্ত | category = পদার্থবিদ বিষয়ক অসম্পূর্ণ নিবন্ধ | tempsort = | name = Template:Physicist-stub }} == উক্তি == * আমার গবেষণা আমাকে অনিবার্যভাবে এই মতামতের দিকে নিয়ে গেছে যে, আমেরিকার কৃষ্ণাঙ্গদের বুদ্ধিবৃত্তিক এবং সামাজিক ঘাটতির প্রধান কারণ হলো বংশগতি এবং জাতিগত জিনগত উৎস। তাই পরিবেশের ব্যবহারিক উন্নতির মাধ্যমে একে খুব একটা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। ** 'ব্ল্যাক জার্নাল'-এর সাথে সাক্ষাৎকারে। * আমি চাঁদের আলোতে এবং কোনো রকম দড়ি ছাড়াই পাহাড়ে চড়ার এক অদম্য আকাঙ্ক্ষায় আচ্ছন্ন। এটি আমার পাহাড় আরোহণের সমস্ত শিক্ষার পরিপন্থী; এর মানে এই নয় যে আমার প্রশিক্ষণ খারাপ, বরং এটি কেবল আমার জেদ বা একগুঁয়েমিকে বোঝায়। ** ১৯৪৭ সালে ট্রানজিস্টর নিয়ে কাজ করার সময় নিজের উদ্দেশ্যে লেখা চিরকুট; সূত্র: জোয়েল এন. শারকিন রচিত ''Broken Genius : The Rise and Fall of William Shockley, Creator of the Electronic Age'' (2006), অধ্যায় ৭, পাতা ১২৫। * প্রকৃতি বিভিন্ন জনসমষ্টিকে এমনভাবে বর্ণ-সংকেত দিয়ে আলাদা করে দিয়েছে যে, বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে ফলপ্রসূ ও কার্যকর জীবনের সাথে তাদের খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষমতা সম্পর্কে পরিসংখ্যানগতভাবে নির্ভরযোগ্য ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব। একজন বাস্তববাদী সাধারণ মানুষ সহজেই এটি করতে পারেন এবং লাভজনকভাবে ব্যবহার করতে পারেন। ** [http://news.google.com/newspapers?nid=888&dat=19710908&id=sewNAAAAIBAJ&sjid=vnUDAAAAIBAJ&pg=4930,1230689 "Shockley's Race View called 'Senile, Fascist'"] (৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)-এ প্রকাশিত ''St. Petersburg Times''-এ উদ্ধৃত। * বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে চলে, সে বিষয়ে আমার একটি অভিজ্ঞতা হয়েছিল। গোড়ালি মচকে যাওয়ার কারণে আমাকে গোলকীয় ত্রিকোণমিতি বিষয়টি পড়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। যেহেতু আমার পা মচকে গিয়েছিল, তাই শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে আমার কোর্স অসম্পূর্ণ ছিল। নিয়ম ছিল যে, কোনো বিষয়ে অসম্পূর্ণ থাকলে বাড়তি কোনো বিষয় পড়ার অনুমতি মিলবে না। আমি প্রশাসনিক অফিসের একজন করণিক ব্যক্তির সাথে এ নিয়ে বিতর্ক করেও সফল হতে পারিনি। এটি এমন এক অভিজ্ঞতা যা আমি আজও মনে রেখেছি এবং মানুষকে পরামর্শ দিই যেন প্রথম বাধা পেয়েই কেউ থেমে না যায়। ** ১৯৭৪ সালের সাক্ষাৎকার, [http://www.pbs.org/transistor/album1/shockley/index.html পিবিএস-এর "William Shockley" প্রোফাইলে] উদ্ধৃত। * আপনি যদি একটি খড়ের আঁটি গাধার লেজে বেঁধে তাতে দিয়াশলাই জ্বালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন, তবে এর কিছুক্ষণ পরেই ওই গাধার খরচ করা শক্তির সাথে আপনার দিয়াশলাই জ্বালাতে খরচ হওয়া শক্তির তুলনা করলে আপনি অ্যাম্প্লিফিকেশন বা বিবর্ধনের ধারণাটি বুঝতে পারবেন। ** ফ্রেড ওয়ারশফস্কি রচিত ''The Chip War : The Battle for the World of Tomorrow'' (1989), পাতা ২১-এ উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:Shockley, William}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯১০-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৮৯-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:লন্ডনের ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়ার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:নাস্তিক]] [[বিষয়শ্রেণী:তড়িৎ প্রকৌশলী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইউজেনিসিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:উদ্ভাবক]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ম্যাসাচুসেট্‌স ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] 10kvwabu6epcrpk4qxw8gg758qrwfyy এর্নস্ট মাখ 0 12869 78692 78541 2026-04-20T00:46:23Z Sumanta3023 4175 78692 wikitext text/x-wiki [[File:Ernst-Mach-1900.jpg|right|thumb|{{center|''অনুভুতিগুলো কোনো "[[চিহ্ন|বস্তুর প্রতীক]]" নয়। বরং "বস্তু" হলো আপেক্ষিক স্থায়িত্বের অনুভূতি-সমষ্টির একটি মানসিক প্রতীক মাত্র। বস্তু বা শরীর নয়, বরং রং, শব্দ, চাপ এবং সময় (যাকে আমরা সাধারণত অনুভূতি বলি) হলো জগতের প্রকৃত উপাদান।'' <br>- মাখ, ১৯০২}}]] '''[[w:এর্নস্ট মাখ|এর্নস্ট মাখ]]''' (১৮ ফেব্রুয়ারি ১৮৩৮ – ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯১৬) একজন অস্ট্রীয় [[পদার্থবিজ্ঞানী]] এবং [[দার্শনিক]] ছিলেন, যিনি [[পদার্থবিজ্ঞান|পদার্থবিজ্ঞানে]] তাঁর অবদান যেমন {{w|মাখ সংখ্যা}} এবং {{w|শক ওয়েভ|শক ওয়েভ বা অভিঘাত তরঙ্গ}} গবেষণার জন্য পরিচিত। বিজ্ঞানের দার্শনিক হিসেবে তিনি [[যৌক্তিক ইতিবাদ|যৌক্তিক ইতিবাদের]] ওপর প্রধান প্রভাব ফেলেছিলেন এবং [[আইজ্যাক নিউটন|নিউটনের]] সমালোচনার মাধ্যমে [[অ্যালবার্ট আইন্সটাইন|আইন্সটাইনের]] আপেক্ষিকতা তত্ত্বের অগ্রদূত হিসেবে গণ্য হন। :আরও দেখুন: ''[[দ্য সায়েন্স অফ মেকানিক্স]]'' == উক্তি == === ১৯শ শতাব্দী === * যারা অনেক বেশি শিখে ফেলেছে সেই বেচারাদের চেয়ে ভয়ানক আর কিছু আমি জানি না। যদি তারা কিছুই না শিখত তবে হয়তো তাদের মধ্যে এক ধরণের সুস্থ ও শক্তিশালী বিচারবুদ্ধি গড়ে উঠত; তার পরিবর্তে এখন তাদের চিন্তাগুলো শব্দ, নীতি আর সূত্রের পেছনে ভীরু ও আচ্ছন্নভাবে সর্বদা একই পথে হামাগুড়ি দিয়ে চলে। তারা যা অর্জন করেছে তা আসলে চিন্তার এক মাকড়সার জাল, যা নিশ্চিত অবলম্বন দেওয়ার মতো শক্তিশালী নয়, কিন্তু বিভ্রান্তি তৈরির জন্য যথেষ্ট জটিল। ** "অন দ্য রিলেটিভ এডুকেশনাল ভ্যালু অফ দ্য ক্লাসিকস অ্যান্ড দ্য ম্যাথমেটিকো-ফিজিক্যাল সায়েন্সেস ইন কলেজেস অ্যান্ড হাই স্কুলস", একটি ভাষণ (১৬ এপ্রিল ১৮৮৬), ''পপুলার সায়েন্টিফিক লেকচারস'' (১৮৯৮) এ প্রকাশিত, থমাস জে. ম্যাককরম্যাক কর্তৃক অনূদিত, পৃষ্ঠা ৩৬৭ * ব্যক্তিগতভাবে, মানুষ নিজেদের খুব সামান্যই চেনে। ** ''কন্ট্রিবিউশনস টু দ্য অ্যানালাইসিস অফ দ্য সেনসেশনস'' (১৮৯৭), কোরা মে উইলিয়ামস কর্তৃক অনূদিত, ওপেন কোর্ট পাবলিশিং কোম্পানি কর্তৃক প্রকাশিত, পৃষ্ঠা ৪ * বাস্তবে, একটি নিয়ম বা তত্ত্ব সবসময় মূল ঘটনার চেয়ে কম তথ্য ধারণ করে; কারণ এটি ঘটনাটিকে সামগ্রিকভাবে তুলে ধরে না, বরং কেবল সেই দিকটিকেই প্রকাশ করে যা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ, আর বাকি অংশগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে অথবা প্রয়োজনের খাতিরে বাদ দেওয়া হয়। ** "দ্য ইকোনমিক্যাল নেচার অফ ফিজিক্যাল ইনকোয়ারি," ''পপুলার সায়েন্টিফিক লেকচারস'' (১৮৯৮) এ প্রকাশিত, পৃষ্ঠা ১৯২ ==== ''দ্য সায়েন্স অফ মেকানিক্স'' (১৮৯৩) ==== :<small>দেখুন ''[[দ্য সায়েন্স অফ মেকানিক্স]]''।</small> ==== ''পপুলার সায়েন্টিফিক লেকচারস'' [ম্যাককরম্যাক] (শিকাগো, ১৮৯৮) ==== :<small>উদ্ধৃত: [[রবার্ট এদোয়ার্ড মরিটজ]] রচিত ''মেমোরাবিলিয়া ম্যাথমেটিকা অর, দ্য ফিলোম্যাথস কোটেশন-বুক''। প্রকাশিত ১৯১৪।</small> * [[গণিত|গণিতে]] এমন কোনো সমস্যা নেই যা সরাসরি গণনার মাধ্যমে সমাধান করা যায় না। কিন্তু গণিতের বর্তমান সরঞ্জামগুলোর সাহায্যে এমন অনেক কাজ মাত্র কয়েক মিনিটে সম্পন্ন করা সম্ভব যা গাণিতিক পদ্ধতি ছাড়া সম্পন্ন করতে সারা জীবন লেগে যেত। ** পৃষ্ঠা ১৯৭; গণিত এবং গণনা প্রসঙ্গে। === ২০শ শতাব্দী === * আমি যন্ত্রের স্থিতিবিদ্যার সূত্রগুলোকে একটিমাত্র সূত্রে অর্থাৎ ভার্চুয়াল ওয়ার্ক বা কাল্পনিক কাজের নীতিতে রূপান্তরের মধ্যে [[অর্থনীতি|মিতব্যয়িতার]] বহিঃপ্রকাশ স্পষ্টভাবে দেখতে পাই: [[জোহানেস কেপলার|কেপলারের]] সূত্রগুলোকে [[আইজ্যাক নিউটন|নিউটনের]] একটিমাত্র সূত্র দ্বারা প্রতিস্থাপন এবং পরবর্তীতে গতিবিদ্যার সূত্রগুলোর সংক্ষেপণ, সরলীকরণ এবং স্পষ্টীকরণের মধ্যেও আমি এটি দেখি। আমি এখানে ধারণার জৈবিক অর্থনৈতিক অভিযোজন স্পষ্টভাবে দেখতে পাচ্ছি, যা ধারাবাহিকতা এবং পর্যাপ্ত সংজ্ঞায়নের নীতির মাধ্যমে ঘটে এবং 'তাপ' শব্দটিকে 'তাপমাত্রা' ও 'তাপের পরিমাণ' এই দুটি ধারণায় বিভক্ত করে; এবং আমি দেখি কীভাবে 'তাপের পরিমাণ' ধারণাটি 'সুপ্ত তাপ' এবং পরবর্তীতে 'শক্তি' ও 'এনট্রপি' ধারণার দিকে নিয়ে যায়। ** মাখ (১৯১০) "প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের জ্ঞানতত্ত্ব বিষয়ক আমার নির্দেশক নীতিসমূহ এবং সমসাময়িকদের দ্বারা সেগুলোর অভ্যর্থনা," ''ফিজিকালিশে জাইটশ্রিফট''। ১, ১৯১০, ৫৯৯-৬০৬। ইংরেজি অনুবাদ: "দ্য গাইডিং প্রিন্সিপলস অফ মাই সায়েন্টিফিক থিওরি অফ নলেজ অ্যান্ড ইটস রিসেপশন বাই মাই কনটেম্পোরারিজ", এস. টুলমিন সম্পাদিত, ''ফিজিক্যাল রিয়েলিটি'', নিউ ইয়র্ক : হার্পার, ১৯৭০। পৃষ্ঠা ২৮-৪৩। উদ্ধৃত: কে. মুলিগান ও বি. স্মিথ (১৯৮৮) "[http://ontology.buffalo.edu/smith/articles/mach/mach.pdf মাখ অ্যান্ড এহরেনফেলস: ফাউন্ডেশনস অফ গেস্টাল্ট থিওরি]" ==== ''দ্য অ্যানালাইসিস অফ সেনসেশনস'' (১৯০২) ==== :<small>উৎস: এর্নস্ট মাখ (১৯০২) ''Analyse der Empfindungen'' (১৯০২) [''দ্য অ্যানালাইসিস অফ সেনসেশনস'']</small> * শরীর অনুভূতি তৈরি করে না, বরং উপাদানের সমষ্টিই (অনুভূতি সমষ্টি) শরীর গঠন করে। পদার্থবিজ্ঞানী যখন শরীরকে স্থায়ী বাস্তবতা এবং 'উপাদান'গুলোকে ক্ষণস্থায়ী রূপ হিসেবে বিবেচনা করেন, তখন তিনি উপলব্ধি করেন না যে সমস্ত 'শরীর' আসলে উপাদান-সমষ্টির (অনুভূতি সমষ্টির) মানসিক প্রতীক মাত্র। ** পৃষ্ঠা ২৩, অ্যান্টন পানেকোকের ''লেনিন অ্যাজ ফিলোসোফার: এ ক্রিটিক্যাল এক্সামিনেশন অফ দ্য ফিলোসফিক্যাল বেসিস অফ লেনিনিজম'' (১৯৪৮) এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩৩। * প্রকৃতি ইন্দ্রিয়জাত উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত। আদিম মানুষ প্রথমে এগুলোর মধ্য থেকে নির্দিষ্ট কিছু উপাদান সমষ্টিকে বেছে নেয় যা একটি নির্দিষ্ট স্থিতিশীলতা প্রদর্শন করে এবং তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম এবং প্রাচীনতম শব্দগুলো হলো "বস্তুর" নাম। অনুভূতিগুলো কোনো "বস্তুর প্রতীক" নয়। বরং "বস্তু" হলো আপেক্ষিক স্থায়িত্বের অনুভূতি সমষ্টির একটি মানসিক প্রতীক মাত্র। বস্তু বা শরীর নয়, বরং রং, শব্দ, চাপ এবং সময় (যাকে আমরা সাধারণত অনুভূতি বলি) হলো জগতের প্রকৃত উপাদান। ** পৃষ্ঠা ২৩, অ্যান্টন পানেকোকের ''লেনিন অ্যাজ ফিলোসোফার: এ ক্রিটিক্যাল এক্সামিনেশন অফ দ্য ফিলোসফিক্যাল বেসিস অফ লেনিনিজম'' (১৯৪৮) এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৪৫৪। ==== "নলেজ অ্যান্ড এরর: স্কেচেস টুওয়ার্ড এ সাইকোলজি অফ (সায়েন্টিফিক) রিসার্চ" (১৯০৫) ==== :<small>''নলেজ অ্যান্ড এরর: স্কেচেস টুওয়ার্ড এ সাইকোলজি অফ (সায়েন্টিফিক) রিসার্চ''</small> * যে মানসিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কেউ নতুন ধারণা অর্জন করে এবং যাকে সাধারণত আরোহ বা ইনডাকশন নামক অপর্যাপ্ত নামে অভিহিত করা হয়, তা কোনো সহজ বিষয় নয় বরং একটি অত্যন্ত জটিল প্রক্রিয়া। সর্বোপরি, এটি কোনো যৌক্তিক প্রক্রিয়া নয় যদিও এই ধরনের প্রক্রিয়াগুলোকে মধ্যবর্তী এবং সহায়ক যোগসূত্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। নতুন জ্ঞান আবিষ্কারের দিকে পরিচালিত করার প্রধান প্রচেষ্টাটি ঘটে ''বিমূর্তায়ন'' এবং ''কল্পনার'' মাধ্যমে। ** ৩য় সংস্করণ, পৃষ্ঠা ৩১৮''এফএফ'', {{w|ফিলিপ ফ্রাঙ্ক}} কর্তৃক উদ্ধৃত, ''ফিলোসফি অফ সায়েন্স: দ্য লিঙ্ক বিটুইন সায়েন্স অ্যান্ড ফিলোসফি'' (১৯৫৭) ==== "জনপ্রিয় বিজ্ঞান বক্তৃতা" (১৯০৮) ==== :<small>উদ্ধৃত: [[রবার্ট এদোয়ার্ড মরিটজ]] রচিত ''মেমোরাবিলিয়া ম্যাথমেটিকা অর, দ্য ফিলোম্যাথস কোটেশন-বুক''। প্রকাশিত ১৯১৪।</small> * চিন্তার মিতব্যয়িতা সবচেয়ে বেশি বিকশিত হয়েছে গণিতে, সেই বিজ্ঞান যা সর্বোচ্চ আনুষ্ঠানিক উন্নতি লাভ করেছে এবং যার কাছে প্রাকৃতিক বিজ্ঞান প্রায়ই সাহায্যের জন্য দ্বারস্থ হয়। শুনতে অদ্ভুত মনে হলেও, গণিতের শক্তি নিহিত আছে সমস্ত অপ্রয়োজনীয় চিন্তা বর্জন করার মধ্যে, অর্থাৎ চিন্তা-প্রক্রিয়ার চরম মিতব্যয়িতার মধ্যে। ক্রমবিন্যাসের প্রতীকগুলো, যাদের আমরা সংখ্যা বলি, সেগুলো ইতিমধ্যেই এক চমৎকার সরলতা ও মিতব্যয়িতার ব্যবস্থা তৈরি করেছে। যখন আমরা বেশ কয়েক অংকের একটি সংখ্যাকে গুণ করার সময় গুণের নামতা ব্যবহার করি এবং এভাবে প্রতিটি কাজের পুনরাবৃত্তি না করে আগে থেকে সম্পন্ন করা ফলাফলগুলো ব্যবহার করি; যখন লগারিদম টেবিল ব্যবহারের মাধ্যমে নতুন সংখ্যাতাত্ত্বিক গণনা এড়িয়ে আমরা সেগুলোকে অনেক আগে সম্পাদিত অন্য কোনো গণনার দ্বারা প্রতিস্থাপন করি; যখন আমরা সমীকরণ ব্যবস্থার সমাধান শুরু থেকে করার বদলে ডিটারমিন্যান্ট বা নির্ণায়ক ব্যবহার করি; যখন আমরা নতুন ইন্টিগ্রাল বা সমাকলন রাশিগুলোকে পরিচিত অন্য রাশিতে ভেঙে ফেলি আমরা এই সবকিছুর মধ্যে একজন ল্যাগ্রাঞ্জ বা কোশির বুদ্ধিবৃত্তিক কার্যক্রমের একটি ক্ষীণ প্রতিফলন দেখতে পাই, যারা একজন সেনাপতির তীক্ষ্ণ বিচক্ষণতা নিয়ে নতুন কোনো কাজ সম্পাদনের জন্য একদল সম্পন্ন করা প্রক্রিয়াকে সারিবদ্ধভাবে সাজান। ** পৃষ্ঠা ২২৪-২২৫: গণিতে চিন্তার মিতব্যয়িতা প্রসঙ্গে, ২০৩। ==== ''পপুলার সায়েন্টিফিক লেকচারস,'' (শিকাগো, ১৯১০) ==== :<small>উদ্ধৃত: [[রবার্ট এদোয়ার্ড মরিটজ]] রচিত ''মেমোরাবিলিয়া ম্যাথমেটিকা অর, দ্য ফিলোম্যাথস কোটেশন-বুক''। প্রকাশিত ১৯১৪।</small> * গণিতের ছাত্ররা প্রায়ই এই অস্বস্তিকর অনুভূতি ঝেড়ে ফেলতে কষ্ট পায় যে, তার বিজ্ঞান তার পেন্সিলের রূপ ধরে বুদ্ধিমত্তায় তাকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে এটি এমন এক ছাপ যা মহান অয়লার স্বীকার করেছিলেন যে তিনিও প্রায়ই তা থেকে মুক্তি পেতেন না। এই অনুভূতির এক ধরণের যৌক্তিকতা খুঁজে পাওয়া যায় যখন আমরা চিন্তা করি যে, আমরা যেসব ধারণা নিয়ে কাজ করি তার বেশিরভাগই অন্যদের দ্বারা উদ্ভাবিত, অনেক ক্ষেত্রে কয়েক শতাব্দী আগে। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে আসলে অনেকাংশেই অন্য মানুষের বুদ্ধিমত্তাই আমাদের সামনে এসে দাঁড়ায়। মাখ, এর্নস্ট। ** পৃষ্ঠা ১৯৬: গণিত বুদ্ধিমত্তার অধিকারী বলে মনে হওয়া প্রসঙ্গে। * গবেষণার লক্ষ্য হলো বিভিন্ন ঘটনার উপাদানগুলোর মধ্যে বিদ্যমান সমীকরণগুলো আবিষ্কার করা। ** পৃষ্ঠা ২০৫; গবেষণার লক্ষ্য প্রসঙ্গে। * গাণিতিক এবং শারীরবৃত্তীয় গবেষণাগুলো দেখিয়েছে যে অভিজ্ঞতার স্থানটি হলো কল্পনাযোগ্য অনেকগুলো ক্ষেত্রের মধ্যে কেবল একটি 'প্রকৃত' ক্ষেত্র মাত্র, যার বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলো সম্পর্কে কেবলমাত্র অভিজ্ঞতাই আমাদের শিক্ষা দিতে পারে। ** পৃষ্ঠা ২০৫; অভিজ্ঞতার স্থান প্রসঙ্গে। == এর্নস্ট মাখ সম্পর্কে উক্তি == * কিছু মাখপন্থী [[অ্যালবার্ট আইন্সটাইন|আইন্সটাইনের]] [[w:ব্রাউনীয় গতি|ব্রাউনীয় গতির]] ব্যাখ্যায় যথেষ্ট প্রভাবিত হয়ে পরমাণুবাদ গ্রহণ করেছিলেন। মাখ নিজে এই ধরণের আপত্তিগুলোকে সরিয়ে রেখেছিলেন এবং আইন্সটাইনের [[আপেক্ষিকতা তত্ত্ব|আপেক্ষিকতা তত্ত্বকেও]] জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। ** {{w|ডব্লিউ. ডব্লিউ. বার্টলি ৩য়}}, "ফিলোসফি অফ বায়োলজি ভার্সেস ফিলোসফি অফ ফিজিক্স" (২০০৪) পৃষ্ঠা ৪১২, ''[[কার্ল পপার]]: ক্রিটিক্যাল অ্যাসেসমেন্ট অফ লিডিং ফিলোসফার্স'', খণ্ড ৩: ফিলোসফি অফ সায়েন্স ২। * তা সত্ত্বেও, একজন সমসাময়িক পাঠকের কাছে মাখের ''অ্যানালাইসিস অফ সেনসেশনস'' (১৮৮৬) হতাশাজনক মনে হতে পারে। এই কাজটিতে হিউমের একটি জোরালো প্রতিধ্বনি পাওয়া যায়, কারণ মাখ, হিউমের মতোই সমস্ত জ্ঞানের বাস্তবতার ওপর জোর দিয়েছিলেন চূড়ান্তভাবে, সমস্ত জ্ঞানই ইন্দ্রিয়জাত অনুভূতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। ** [[অ্যালান ইবেনস্টাইন]], ''হায়েকস জার্নি: দ্য মাইন্ড অফ ফ্রিডরিখ হায়েক'' (২০০৩), অধ্যায় ২: জার্মান অ্যান্ড ভিয়েনিজ ইনটেলেকচুয়াল থট। * মাখের কাজে হিউমের একটি জোরালো প্রতিধ্বনি ছিল, কারণ তারা উভয়েই সমস্ত জ্ঞানের বাস্তবতার ওপর জোর দিয়েছিলেন চূড়ান্তভাবে, সব জ্ঞানই ইন্দ্রিয়জাত অনুভূতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। মাখ সমস্ত জ্ঞানের অভ্যন্তরীণ প্রকৃতির ওপরও জোর দিয়েছিলেন, যেহেতু এটি মনের মধ্যে অনুভূত হয়। পরিশেষে, তিনি ইন্দ্রিয়জাত অভিজ্ঞতা বোঝার জন্য পরিমাণগত ও গাণিতিক পদ্ধতি এবং মডেলের গুরুত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ** [[অ্যালান ইবেনস্টাইন]], ''হায়েকস জার্নি: দ্য মাইন্ড অফ ফ্রিডরিখ হায়েক'' (২০০৩), অধ্যায় ১০: এপিস্টেমোলজি, সাইকোলজি, অ্যান্ড মেথডোলজি * মাখের দর্শনে ''বস্তু''হীন একটি জগত অচিন্তনীয়। মাখের দর্শনে বস্তু কেবল আগে থেকে থাকা কোনো কিছুর বৈশিষ্ট্য প্রদর্শনের জন্য একটি পরীক্ষামূলক শরীর হিসেবেই প্রয়োজন হয় না বরং সেই বৈশিষ্ট্যগুলো সৃষ্টির ক্ষেত্রে এটি একটি অপরিহার্য উপাদান যা সে প্রদর্শন করতে সক্ষম। উদাহরণস্বরূপ, জগতে একটি পরীক্ষামূলক শরীর যুক্ত করলেই জড়তা বা ইনর্শিয়া দৃশ্যমান হবে না; কোনোভাবে অন্যান্য বস্তুর উপস্থিতি একটি প্রয়োজনীয় শর্ত। এমন দর্শনের কাছে এই তত্ত্বটি কতটা গ্রহণযোগ্য হবে তা দেখা যাবে যেখানে বলা হয় যে স্থান এবং জড় কাঠামো বস্তুর সাথে সাথে অস্তিত্ব লাভ করে এবং এটি বৃদ্ধির সাথে সাথে সেগুলোও বৃদ্ধি পায়। ** [[আর্থার এডিংটন]], ''[[s:স্পেস, টাইম অ্যান্ড গ্র্যাভিটেশন|স্পেস, টাইম অ্যান্ড গ্র্যাভিটেশন]]'' (১৯২০) * ভিয়েনা হলো নিজস্ব অনেকগুলো ঘরানার উৎপত্তিস্থল যা ১৯২০ এর দশকে প্রভাবশালী ছিল। আর সবচেয়ে মৌলিক এবং প্রভাবশালী ঘরানাগুলোর একটি, যার মধ্যে আমরা সবাই আংশিকভাবে আটকে ছিলাম, তা ছিল [[যৌক্তিক ইতিবাদ]]। প্রকৃতপক্ষে, মিজেসের ভাই রিচার্ড ফন মিজেস এর অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন। এখন তিনি এবং আমি আমরা সবাই এই এর্নস্ট মাখের দর্শনে বেড়ে উঠেছি যে শেষ পর্যন্ত সবকিছুকেই যুক্তিসঙ্গতভাবে ন্যায়সঙ্গত হতে হবে ** [[ফ্রিডরিখ হায়েক]], ১৯৮৫ সালের একটি সাক্ষাৎকারে, [[অ্যালান ইবেনস্টাইন]] রচিত ''হায়েকস জার্নি: দ্য মাইন্ড অফ ফ্রিডরিখ হায়েক'' (২০০৩), অধ্যায় ১০। এপিস্টেমোলজি, সাইকোলজি, অ্যান্ড মেথডোলজিতে উদ্ধৃত * বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন পদার্থবিজ্ঞানী এর্নস্ট মাখ। সেটিই ছিল চিন্তার সেই মূলনীতি যার মধ্যে আমরা সবাই বড় হয়েছি এবং প্রথমে সবাই তা গ্রহণ করেছিলাম। কিন্তু আমাদের মধ্যে কেউ কেউ আমার মনস্তাত্ত্বিক চিন্তাভাবনা সরাসরি এর্নস্ট মাখের মাধ্যমেই শুরু হয়। মাখ তাঁর বিখ্যাত বই 'দ্য অ্যানালাইসিস অফ সেনসেশনসে' ব্যাখ্যা করেছেন বা ধরে নিয়েছেন যে, আমাদের প্রতিটি ব্যক্তিগত অনুভূতির একটি আদি বিশুদ্ধ গুণ থাকলেও অভিজ্ঞতার দ্বারা সেগুলো ক্রমাগত পরিবর্তিত হয়। সেখানে কেবল একটি আদি ক্রম থাকে এবং তারপর থাকে অভিজ্ঞতাগত পরিবর্তন। যা আমাকে এই সিদ্ধান্তে উপনীত করেছিল যে, আপনি যদি দেখাতে পারেন যে অভিজ্ঞতা কোনো বস্তুকে পরিবর্তন করতে পারে, তবে সেখানে একটি আদি গুণ থাকার প্রয়োজন কী? আদি গুণটিও হয়তো একই ঢঙে তৈরি হয়েছে। তাই এটি ছিল মাখের চেয়ে কেবল এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া, যা তাঁর বিপক্ষেই চলে যায় এবং যার ফলে আমার নিজস্ব মনোবিজ্ঞানের বিকাশ ঘটে। এই অর্থে আমি একই জিনিস থেকে শুরু করেছিলাম যেখান থেকে ভিয়েনায় যৌক্তিক ইতিবাদী [আন্দোলন] [[মোরিৎজ শ্লিক|শ্লিক]], নিউরাথ, কারনাপ এবং অন্যান্যরা বিকাশ লাভ করেছিল; কিন্তু গোড়াতেই বিভক্ত হয়ে যাওয়া আমাদের অনেক দূরে নিয়ে যায়। তবে আপাতদৃষ্টিতে সম্পূর্ণ বিপরীত এই দুই প্রবণতা একটি সাধারণ প্রাথমিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই এসেছে। ** [[ফ্রিডরিখ হায়েক]], ১৯৮৫ সালের একটি সাক্ষাৎকারে, [[অ্যালান ইবেনস্টাইন]] রচিত ''হায়েকস জার্নি: দ্য মাইন্ড অফ ফ্রিডরিখ হায়েক'' (২০০৩), অধ্যায় ১০। এপিস্টেমোলজি, সাইকোলজি, অ্যান্ড মেথডোলজিতে উদ্ধৃত * বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন যে তথ্যের একটি শ্রেণিবিন্যাস রয়েছে এবং সেগুলোর মধ্য থেকে একটি বিচক্ষণ পছন্দ করা সম্ভব। তারা ঠিকই বলেন, কারণ তা না হলে কোনো বিজ্ঞান থাকত না একজনকে কেবল চোখ মেলে দেখতে হবে যে শিল্পের যে বিজয়গুলো অনেক ব্যবহারিক মানুষকে সমৃদ্ধ করেছে, সেগুলো কখনোই আলোর মুখ দেখত না যদি কেবল এই ব্যবহারিক মানুষেরাই অস্তিত্বশীল থাকত এবং যদি তাদের আগে সেই নিঃস্বার্থ সাধকরা না আসত যারা দরিদ্র হয়ে মারা গেছেন, যারা কখনোই উপযোগিতার কথা ভাবেননি, এবং তবুও খেয়ালখুশির চেয়ে অনেক ভিন্ন একটি পথপ্রদর্শক তাদের ছিল।<br />মাখ যেমনটা বলেন, এই সাধকরা তাদের উত্তরসূরিদের চিন্তা করার ঝামেলা থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন। ** [[অঁরি পোয়াঁকারে]], ''দ্য ভ্যালু অফ সায়েন্স'' (১৯০৭) অনুবাদের প্রাক্কালে লেখকের প্রবন্ধ: "দ্য চয়েস অফ ফ্যাক্টস," পৃষ্ঠা ৪, [https://books.google.com/books?id=R6IaAAAAYAAJ অনু.] [[w:জি. বি. হালস্টেড|জর্জ ব্রুস হালস্টেড]] * [[যৌক্তিক অভিজ্ঞতাবাদ]] সংক্রান্ত নতুন ইতিহাসতত্ত্ব শুরু হয় [[গেস্টাল্ট তত্ত্ব]], বিবর্তনীয় জ্ঞানতত্ত্ব, (সম্ভবত আমূল) গঠনবাদ এবং আধুনিক ইতিহাস ভিত্তিক [[বিজ্ঞানের দর্শন|বিজ্ঞানের দর্শনের]] অগ্রদূত হিসেবে এর্নস্ট মাখের (১৮৩৮-১৯১৬) পুনরাবিষ্কারের মাধ্যমে। কিন্তু ইতিমধ্যেই [[ভিয়েনা সার্কেল|ভিয়েনা সার্কেলে]] মাখের গ্রহণযোগ্যতার মধ্যে কেউ কেবল দৃষ্টিভঙ্গির একটি নির্দিষ্ট বহুত্বই নয়, বরং বিভিন্ন অবস্থানের মেরুকরণও দেখতে পায় (যেমন [[রুডলফ কারনাপ|কারনাপের]] ''আউফবাউ / লজিক্যাল কনস্ট্রাকশনের'' ওপর মাখের প্রভাব, ইশতেহারে “মনস্তাত্ত্বিকতা” বা সাইকোলজিসম থেকে সমালোচনামূলক দূরত্ব বজায় রাখা, [[কার্ল মেঙ্গার|কার্ল মেঙ্গারের]] দেওয়া মিতব্যয়িতার নীতির বিকল্প ইত্যাদি)। তা সত্ত্বেও, ভিয়েনা সার্কেল দ্বারা ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা এই গবেষণা কর্মসূচিটি আসলে দুই বিশ্বযুদ্ধের মধ্যবর্তী বছরগুলোতে যৌক্তিক অভিজ্ঞতাবাদের একটি আদিম রূপ বা প্রোটোটাইপ হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করেছিল কেউ "চিরাচরিত অস্ট্রীয় দর্শন" (জার্মান ভাববাদের বিপরীতে) থাকার সাহসী দাবিকে সমর্থন করুক বা না করুক। ** [[ফ্রিডরিখ স্ট্যাডলার]] "হোয়াট ইজ দ্য ভিয়েনা সার্কেল?": ফ্রিডরিখ স্ট্যাডলার (সম্পাদিত) ''দ্য ভিয়েনা সার্কেল অ্যান্ড লজিক্যাল এমপিরিসিজম: রি-ইভালুয়েশন অ্যান্ড ফিউচার পারসপেক্টিভস।'' স্প্রিঙ্গার সায়েন্স অ্যান্ড বিজনেস মিডিয়া, ২০০৬। পৃষ্ঠা ১৩ * মাখ যাকে চিন্তা পরীক্ষা বা থট এক্সপেরিমেন্ট বলেন তা আদতে কোনো পরীক্ষাই নয়। মূলে এটি একটি ব্যাকরণগত অনুসন্ধান। ** [[লুডভিগ ভিটগেনস্টাইন]], ''ফিলোসফিক্যাল রিমার্কস'' (১৯৩০) পৃষ্ঠা ৬ == আরও দেখুন == * [[ধ্রুপদী বলবিদ্যা]] * [[বিজ্ঞানের ইতিহাস]] * [[বলবিদ্যা]] * [[দর্শন]] * ''[[দ্য সায়েন্স অফ মেকানিক্স]]'' * [[আপেক্ষিকতা তত্ত্ব]] == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} * [https://archive.org/search.php?query=Ernst+Mach&sin=TXT&page=3 এর্নস্ট মাখ] ইন্টারনেটে আর্কাইভে বইয়ের সম্পূর্ণ পাঠ্য অনুসন্ধান * [https://librivox.org/author/10401?primary_key=10401&search_category=author&search_page=1&search_form=get_results এর্নস্ট মাখ] লিব্রিভক্সে * [http://www.gutenberg.org/ebooks/author/40055 মাখ, এর্নস্ট] প্রজেক্ট গুটেনবার্গে বই * [https://plato.stanford.edu/entries/ernst-mach/ এর্নস্ট মাখ] স্ট্যানফোর্ড এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ফিলোসফিতে {{DEFAULTSORT:মাখ, এর্নস্ট}} [[বিষয়শ্রেণী:অস্ট্রিয়ার শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:অস্ট্রিয়ার পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:অস্ট্রিয়ার দার্শনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:নাস্তিক]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতান্ত্রিক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৬-এ মৃত্যু]] jqy7s21peod0jp23wed6i0wydvqqxf8 78694 78692 2026-04-20T00:47:19Z Sumanta3023 4175 /* দ্য অ্যানালাইসিস অফ সেনসেশনস (১৯০২) */ 78694 wikitext text/x-wiki [[File:Ernst-Mach-1900.jpg|right|thumb|{{center|''অনুভুতিগুলো কোনো "[[চিহ্ন|বস্তুর প্রতীক]]" নয়। বরং "বস্তু" হলো আপেক্ষিক স্থায়িত্বের অনুভূতি-সমষ্টির একটি মানসিক প্রতীক মাত্র। বস্তু বা শরীর নয়, বরং রং, শব্দ, চাপ এবং সময় (যাকে আমরা সাধারণত অনুভূতি বলি) হলো জগতের প্রকৃত উপাদান।'' <br>- মাখ, ১৯০২}}]] '''[[w:এর্নস্ট মাখ|এর্নস্ট মাখ]]''' (১৮ ফেব্রুয়ারি ১৮৩৮ – ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯১৬) একজন অস্ট্রীয় [[পদার্থবিজ্ঞানী]] এবং [[দার্শনিক]] ছিলেন, যিনি [[পদার্থবিজ্ঞান|পদার্থবিজ্ঞানে]] তাঁর অবদান যেমন {{w|মাখ সংখ্যা}} এবং {{w|শক ওয়েভ|শক ওয়েভ বা অভিঘাত তরঙ্গ}} গবেষণার জন্য পরিচিত। বিজ্ঞানের দার্শনিক হিসেবে তিনি [[যৌক্তিক ইতিবাদ|যৌক্তিক ইতিবাদের]] ওপর প্রধান প্রভাব ফেলেছিলেন এবং [[আইজ্যাক নিউটন|নিউটনের]] সমালোচনার মাধ্যমে [[অ্যালবার্ট আইন্সটাইন|আইন্সটাইনের]] আপেক্ষিকতা তত্ত্বের অগ্রদূত হিসেবে গণ্য হন। :আরও দেখুন: ''[[দ্য সায়েন্স অফ মেকানিক্স]]'' == উক্তি == === ১৯শ শতাব্দী === * যারা অনেক বেশি শিখে ফেলেছে সেই বেচারাদের চেয়ে ভয়ানক আর কিছু আমি জানি না। যদি তারা কিছুই না শিখত তবে হয়তো তাদের মধ্যে এক ধরণের সুস্থ ও শক্তিশালী বিচারবুদ্ধি গড়ে উঠত; তার পরিবর্তে এখন তাদের চিন্তাগুলো শব্দ, নীতি আর সূত্রের পেছনে ভীরু ও আচ্ছন্নভাবে সর্বদা একই পথে হামাগুড়ি দিয়ে চলে। তারা যা অর্জন করেছে তা আসলে চিন্তার এক মাকড়সার জাল, যা নিশ্চিত অবলম্বন দেওয়ার মতো শক্তিশালী নয়, কিন্তু বিভ্রান্তি তৈরির জন্য যথেষ্ট জটিল। ** "অন দ্য রিলেটিভ এডুকেশনাল ভ্যালু অফ দ্য ক্লাসিকস অ্যান্ড দ্য ম্যাথমেটিকো-ফিজিক্যাল সায়েন্সেস ইন কলেজেস অ্যান্ড হাই স্কুলস", একটি ভাষণ (১৬ এপ্রিল ১৮৮৬), ''পপুলার সায়েন্টিফিক লেকচারস'' (১৮৯৮) এ প্রকাশিত, থমাস জে. ম্যাককরম্যাক কর্তৃক অনূদিত, পৃষ্ঠা ৩৬৭ * ব্যক্তিগতভাবে, মানুষ নিজেদের খুব সামান্যই চেনে। ** ''কন্ট্রিবিউশনস টু দ্য অ্যানালাইসিস অফ দ্য সেনসেশনস'' (১৮৯৭), কোরা মে উইলিয়ামস কর্তৃক অনূদিত, ওপেন কোর্ট পাবলিশিং কোম্পানি কর্তৃক প্রকাশিত, পৃষ্ঠা ৪ * বাস্তবে, একটি নিয়ম বা তত্ত্ব সবসময় মূল ঘটনার চেয়ে কম তথ্য ধারণ করে; কারণ এটি ঘটনাটিকে সামগ্রিকভাবে তুলে ধরে না, বরং কেবল সেই দিকটিকেই প্রকাশ করে যা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ, আর বাকি অংশগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে অথবা প্রয়োজনের খাতিরে বাদ দেওয়া হয়। ** "দ্য ইকোনমিক্যাল নেচার অফ ফিজিক্যাল ইনকোয়ারি," ''পপুলার সায়েন্টিফিক লেকচারস'' (১৮৯৮) এ প্রকাশিত, পৃষ্ঠা ১৯২ ==== ''দ্য সায়েন্স অফ মেকানিক্স'' (১৮৯৩) ==== :<small>দেখুন ''[[দ্য সায়েন্স অফ মেকানিক্স]]''।</small> ==== ''পপুলার সায়েন্টিফিক লেকচারস'' [ম্যাককরম্যাক] (শিকাগো, ১৮৯৮) ==== :<small>উদ্ধৃত: [[রবার্ট এদোয়ার্ড মরিটজ]] রচিত ''মেমোরাবিলিয়া ম্যাথমেটিকা অর, দ্য ফিলোম্যাথস কোটেশন-বুক''। প্রকাশিত ১৯১৪।</small> * [[গণিত|গণিতে]] এমন কোনো সমস্যা নেই যা সরাসরি গণনার মাধ্যমে সমাধান করা যায় না। কিন্তু গণিতের বর্তমান সরঞ্জামগুলোর সাহায্যে এমন অনেক কাজ মাত্র কয়েক মিনিটে সম্পন্ন করা সম্ভব যা গাণিতিক পদ্ধতি ছাড়া সম্পন্ন করতে সারা জীবন লেগে যেত। ** পৃষ্ঠা ১৯৭; গণিত এবং গণনা প্রসঙ্গে। === ২০শ শতাব্দী === * আমি যন্ত্রের স্থিতিবিদ্যার সূত্রগুলোকে একটিমাত্র সূত্রে অর্থাৎ ভার্চুয়াল ওয়ার্ক বা কাল্পনিক কাজের নীতিতে রূপান্তরের মধ্যে [[অর্থনীতি|মিতব্যয়িতার]] বহিঃপ্রকাশ স্পষ্টভাবে দেখতে পাই: [[জোহানেস কেপলার|কেপলারের]] সূত্রগুলোকে [[আইজ্যাক নিউটন|নিউটনের]] একটিমাত্র সূত্র দ্বারা প্রতিস্থাপন এবং পরবর্তীতে গতিবিদ্যার সূত্রগুলোর সংক্ষেপণ, সরলীকরণ এবং স্পষ্টীকরণের মধ্যেও আমি এটি দেখি। আমি এখানে ধারণার জৈবিক অর্থনৈতিক অভিযোজন স্পষ্টভাবে দেখতে পাচ্ছি, যা ধারাবাহিকতা এবং পর্যাপ্ত সংজ্ঞায়নের নীতির মাধ্যমে ঘটে এবং 'তাপ' শব্দটিকে 'তাপমাত্রা' ও 'তাপের পরিমাণ' এই দুটি ধারণায় বিভক্ত করে; এবং আমি দেখি কীভাবে 'তাপের পরিমাণ' ধারণাটি 'সুপ্ত তাপ' এবং পরবর্তীতে 'শক্তি' ও 'এনট্রপি' ধারণার দিকে নিয়ে যায়। ** মাখ (১৯১০) "প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের জ্ঞানতত্ত্ব বিষয়ক আমার নির্দেশক নীতিসমূহ এবং সমসাময়িকদের দ্বারা সেগুলোর অভ্যর্থনা," ''ফিজিকালিশে জাইটশ্রিফট''। ১, ১৯১০, ৫৯৯-৬০৬। ইংরেজি অনুবাদ: "দ্য গাইডিং প্রিন্সিপলস অফ মাই সায়েন্টিফিক থিওরি অফ নলেজ অ্যান্ড ইটস রিসেপশন বাই মাই কনটেম্পোরারিজ", এস. টুলমিন সম্পাদিত, ''ফিজিক্যাল রিয়েলিটি'', নিউ ইয়র্ক : হার্পার, ১৯৭০। পৃষ্ঠা ২৮-৪৩। উদ্ধৃত: কে. মুলিগান ও বি. স্মিথ (১৯৮৮) "[http://ontology.buffalo.edu/smith/articles/mach/mach.pdf মাখ অ্যান্ড এহরেনফেলস: ফাউন্ডেশনস অফ গেস্টাল্ট থিওরি]" ==== ''দ্য অ্যানালাইসিস অফ সেনসেশনস'' (১৯০২) ==== :<small>উৎস: এর্নস্ট মাখ (১৯০২) ''দ্য অ্যানালাইসিস অফ সেনসেশনস''</small> * শরীর অনুভূতি তৈরি করে না, বরং উপাদানের সমষ্টিই (অনুভূতি সমষ্টি) শরীর গঠন করে। পদার্থবিজ্ঞানী যখন শরীরকে স্থায়ী বাস্তবতা এবং 'উপাদান'গুলোকে ক্ষণস্থায়ী রূপ হিসেবে বিবেচনা করেন, তখন তিনি উপলব্ধি করেন না যে সমস্ত 'শরীর' আসলে উপাদান-সমষ্টির (অনুভূতি সমষ্টির) মানসিক প্রতীক মাত্র। ** পৃষ্ঠা ২৩, অ্যান্টন পানেকোকের ''লেনিন অ্যাজ ফিলোসোফার: এ ক্রিটিক্যাল এক্সামিনেশন অফ দ্য ফিলোসফিক্যাল বেসিস অফ লেনিনিজম'' (১৯৪৮) এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৩৩। * প্রকৃতি ইন্দ্রিয়জাত উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত। আদিম মানুষ প্রথমে এগুলোর মধ্য থেকে নির্দিষ্ট কিছু উপাদান সমষ্টিকে বেছে নেয় যা একটি নির্দিষ্ট স্থিতিশীলতা প্রদর্শন করে এবং তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম এবং প্রাচীনতম শব্দগুলো হলো "বস্তুর" নাম। অনুভূতিগুলো কোনো "বস্তুর প্রতীক" নয়। বরং "বস্তু" হলো আপেক্ষিক স্থায়িত্বের অনুভূতি সমষ্টির একটি মানসিক প্রতীক মাত্র। বস্তু বা শরীর নয়, বরং রং, শব্দ, চাপ এবং সময় (যাকে আমরা সাধারণত অনুভূতি বলি) হলো জগতের প্রকৃত উপাদান। ** পৃষ্ঠা ২৩, অ্যান্টন পানেকোকের ''লেনিন অ্যাজ ফিলোসোফার: এ ক্রিটিক্যাল এক্সামিনেশন অফ দ্য ফিলোসফিক্যাল বেসিস অফ লেনিনিজম'' (১৯৪৮) এ উদ্ধৃত, পৃষ্ঠা ৪৫৪। ==== "নলেজ অ্যান্ড এরর: স্কেচেস টুওয়ার্ড এ সাইকোলজি অফ (সায়েন্টিফিক) রিসার্চ" (১৯০৫) ==== :<small>''নলেজ অ্যান্ড এরর: স্কেচেস টুওয়ার্ড এ সাইকোলজি অফ (সায়েন্টিফিক) রিসার্চ''</small> * যে মানসিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কেউ নতুন ধারণা অর্জন করে এবং যাকে সাধারণত আরোহ বা ইনডাকশন নামক অপর্যাপ্ত নামে অভিহিত করা হয়, তা কোনো সহজ বিষয় নয় বরং একটি অত্যন্ত জটিল প্রক্রিয়া। সর্বোপরি, এটি কোনো যৌক্তিক প্রক্রিয়া নয় যদিও এই ধরনের প্রক্রিয়াগুলোকে মধ্যবর্তী এবং সহায়ক যোগসূত্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। নতুন জ্ঞান আবিষ্কারের দিকে পরিচালিত করার প্রধান প্রচেষ্টাটি ঘটে ''বিমূর্তায়ন'' এবং ''কল্পনার'' মাধ্যমে। ** ৩য় সংস্করণ, পৃষ্ঠা ৩১৮''এফএফ'', {{w|ফিলিপ ফ্রাঙ্ক}} কর্তৃক উদ্ধৃত, ''ফিলোসফি অফ সায়েন্স: দ্য লিঙ্ক বিটুইন সায়েন্স অ্যান্ড ফিলোসফি'' (১৯৫৭) ==== "জনপ্রিয় বিজ্ঞান বক্তৃতা" (১৯০৮) ==== :<small>উদ্ধৃত: [[রবার্ট এদোয়ার্ড মরিটজ]] রচিত ''মেমোরাবিলিয়া ম্যাথমেটিকা অর, দ্য ফিলোম্যাথস কোটেশন-বুক''। প্রকাশিত ১৯১৪।</small> * চিন্তার মিতব্যয়িতা সবচেয়ে বেশি বিকশিত হয়েছে গণিতে, সেই বিজ্ঞান যা সর্বোচ্চ আনুষ্ঠানিক উন্নতি লাভ করেছে এবং যার কাছে প্রাকৃতিক বিজ্ঞান প্রায়ই সাহায্যের জন্য দ্বারস্থ হয়। শুনতে অদ্ভুত মনে হলেও, গণিতের শক্তি নিহিত আছে সমস্ত অপ্রয়োজনীয় চিন্তা বর্জন করার মধ্যে, অর্থাৎ চিন্তা-প্রক্রিয়ার চরম মিতব্যয়িতার মধ্যে। ক্রমবিন্যাসের প্রতীকগুলো, যাদের আমরা সংখ্যা বলি, সেগুলো ইতিমধ্যেই এক চমৎকার সরলতা ও মিতব্যয়িতার ব্যবস্থা তৈরি করেছে। যখন আমরা বেশ কয়েক অংকের একটি সংখ্যাকে গুণ করার সময় গুণের নামতা ব্যবহার করি এবং এভাবে প্রতিটি কাজের পুনরাবৃত্তি না করে আগে থেকে সম্পন্ন করা ফলাফলগুলো ব্যবহার করি; যখন লগারিদম টেবিল ব্যবহারের মাধ্যমে নতুন সংখ্যাতাত্ত্বিক গণনা এড়িয়ে আমরা সেগুলোকে অনেক আগে সম্পাদিত অন্য কোনো গণনার দ্বারা প্রতিস্থাপন করি; যখন আমরা সমীকরণ ব্যবস্থার সমাধান শুরু থেকে করার বদলে ডিটারমিন্যান্ট বা নির্ণায়ক ব্যবহার করি; যখন আমরা নতুন ইন্টিগ্রাল বা সমাকলন রাশিগুলোকে পরিচিত অন্য রাশিতে ভেঙে ফেলি আমরা এই সবকিছুর মধ্যে একজন ল্যাগ্রাঞ্জ বা কোশির বুদ্ধিবৃত্তিক কার্যক্রমের একটি ক্ষীণ প্রতিফলন দেখতে পাই, যারা একজন সেনাপতির তীক্ষ্ণ বিচক্ষণতা নিয়ে নতুন কোনো কাজ সম্পাদনের জন্য একদল সম্পন্ন করা প্রক্রিয়াকে সারিবদ্ধভাবে সাজান। ** পৃষ্ঠা ২২৪-২২৫: গণিতে চিন্তার মিতব্যয়িতা প্রসঙ্গে, ২০৩। ==== ''পপুলার সায়েন্টিফিক লেকচারস,'' (শিকাগো, ১৯১০) ==== :<small>উদ্ধৃত: [[রবার্ট এদোয়ার্ড মরিটজ]] রচিত ''মেমোরাবিলিয়া ম্যাথমেটিকা অর, দ্য ফিলোম্যাথস কোটেশন-বুক''। প্রকাশিত ১৯১৪।</small> * গণিতের ছাত্ররা প্রায়ই এই অস্বস্তিকর অনুভূতি ঝেড়ে ফেলতে কষ্ট পায় যে, তার বিজ্ঞান তার পেন্সিলের রূপ ধরে বুদ্ধিমত্তায় তাকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে এটি এমন এক ছাপ যা মহান অয়লার স্বীকার করেছিলেন যে তিনিও প্রায়ই তা থেকে মুক্তি পেতেন না। এই অনুভূতির এক ধরণের যৌক্তিকতা খুঁজে পাওয়া যায় যখন আমরা চিন্তা করি যে, আমরা যেসব ধারণা নিয়ে কাজ করি তার বেশিরভাগই অন্যদের দ্বারা উদ্ভাবিত, অনেক ক্ষেত্রে কয়েক শতাব্দী আগে। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে আসলে অনেকাংশেই অন্য মানুষের বুদ্ধিমত্তাই আমাদের সামনে এসে দাঁড়ায়। মাখ, এর্নস্ট। ** পৃষ্ঠা ১৯৬: গণিত বুদ্ধিমত্তার অধিকারী বলে মনে হওয়া প্রসঙ্গে। * গবেষণার লক্ষ্য হলো বিভিন্ন ঘটনার উপাদানগুলোর মধ্যে বিদ্যমান সমীকরণগুলো আবিষ্কার করা। ** পৃষ্ঠা ২০৫; গবেষণার লক্ষ্য প্রসঙ্গে। * গাণিতিক এবং শারীরবৃত্তীয় গবেষণাগুলো দেখিয়েছে যে অভিজ্ঞতার স্থানটি হলো কল্পনাযোগ্য অনেকগুলো ক্ষেত্রের মধ্যে কেবল একটি 'প্রকৃত' ক্ষেত্র মাত্র, যার বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলো সম্পর্কে কেবলমাত্র অভিজ্ঞতাই আমাদের শিক্ষা দিতে পারে। ** পৃষ্ঠা ২০৫; অভিজ্ঞতার স্থান প্রসঙ্গে। == এর্নস্ট মাখ সম্পর্কে উক্তি == * কিছু মাখপন্থী [[অ্যালবার্ট আইন্সটাইন|আইন্সটাইনের]] [[w:ব্রাউনীয় গতি|ব্রাউনীয় গতির]] ব্যাখ্যায় যথেষ্ট প্রভাবিত হয়ে পরমাণুবাদ গ্রহণ করেছিলেন। মাখ নিজে এই ধরণের আপত্তিগুলোকে সরিয়ে রেখেছিলেন এবং আইন্সটাইনের [[আপেক্ষিকতা তত্ত্ব|আপেক্ষিকতা তত্ত্বকেও]] জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। ** {{w|ডব্লিউ. ডব্লিউ. বার্টলি ৩য়}}, "ফিলোসফি অফ বায়োলজি ভার্সেস ফিলোসফি অফ ফিজিক্স" (২০০৪) পৃষ্ঠা ৪১২, ''[[কার্ল পপার]]: ক্রিটিক্যাল অ্যাসেসমেন্ট অফ লিডিং ফিলোসফার্স'', খণ্ড ৩: ফিলোসফি অফ সায়েন্স ২। * তা সত্ত্বেও, একজন সমসাময়িক পাঠকের কাছে মাখের ''অ্যানালাইসিস অফ সেনসেশনস'' (১৮৮৬) হতাশাজনক মনে হতে পারে। এই কাজটিতে হিউমের একটি জোরালো প্রতিধ্বনি পাওয়া যায়, কারণ মাখ, হিউমের মতোই সমস্ত জ্ঞানের বাস্তবতার ওপর জোর দিয়েছিলেন চূড়ান্তভাবে, সমস্ত জ্ঞানই ইন্দ্রিয়জাত অনুভূতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। ** [[অ্যালান ইবেনস্টাইন]], ''হায়েকস জার্নি: দ্য মাইন্ড অফ ফ্রিডরিখ হায়েক'' (২০০৩), অধ্যায় ২: জার্মান অ্যান্ড ভিয়েনিজ ইনটেলেকচুয়াল থট। * মাখের কাজে হিউমের একটি জোরালো প্রতিধ্বনি ছিল, কারণ তারা উভয়েই সমস্ত জ্ঞানের বাস্তবতার ওপর জোর দিয়েছিলেন চূড়ান্তভাবে, সব জ্ঞানই ইন্দ্রিয়জাত অনুভূতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। মাখ সমস্ত জ্ঞানের অভ্যন্তরীণ প্রকৃতির ওপরও জোর দিয়েছিলেন, যেহেতু এটি মনের মধ্যে অনুভূত হয়। পরিশেষে, তিনি ইন্দ্রিয়জাত অভিজ্ঞতা বোঝার জন্য পরিমাণগত ও গাণিতিক পদ্ধতি এবং মডেলের গুরুত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ** [[অ্যালান ইবেনস্টাইন]], ''হায়েকস জার্নি: দ্য মাইন্ড অফ ফ্রিডরিখ হায়েক'' (২০০৩), অধ্যায় ১০: এপিস্টেমোলজি, সাইকোলজি, অ্যান্ড মেথডোলজি * মাখের দর্শনে ''বস্তু''হীন একটি জগত অচিন্তনীয়। মাখের দর্শনে বস্তু কেবল আগে থেকে থাকা কোনো কিছুর বৈশিষ্ট্য প্রদর্শনের জন্য একটি পরীক্ষামূলক শরীর হিসেবেই প্রয়োজন হয় না বরং সেই বৈশিষ্ট্যগুলো সৃষ্টির ক্ষেত্রে এটি একটি অপরিহার্য উপাদান যা সে প্রদর্শন করতে সক্ষম। উদাহরণস্বরূপ, জগতে একটি পরীক্ষামূলক শরীর যুক্ত করলেই জড়তা বা ইনর্শিয়া দৃশ্যমান হবে না; কোনোভাবে অন্যান্য বস্তুর উপস্থিতি একটি প্রয়োজনীয় শর্ত। এমন দর্শনের কাছে এই তত্ত্বটি কতটা গ্রহণযোগ্য হবে তা দেখা যাবে যেখানে বলা হয় যে স্থান এবং জড় কাঠামো বস্তুর সাথে সাথে অস্তিত্ব লাভ করে এবং এটি বৃদ্ধির সাথে সাথে সেগুলোও বৃদ্ধি পায়। ** [[আর্থার এডিংটন]], ''[[s:স্পেস, টাইম অ্যান্ড গ্র্যাভিটেশন|স্পেস, টাইম অ্যান্ড গ্র্যাভিটেশন]]'' (১৯২০) * ভিয়েনা হলো নিজস্ব অনেকগুলো ঘরানার উৎপত্তিস্থল যা ১৯২০ এর দশকে প্রভাবশালী ছিল। আর সবচেয়ে মৌলিক এবং প্রভাবশালী ঘরানাগুলোর একটি, যার মধ্যে আমরা সবাই আংশিকভাবে আটকে ছিলাম, তা ছিল [[যৌক্তিক ইতিবাদ]]। প্রকৃতপক্ষে, মিজেসের ভাই রিচার্ড ফন মিজেস এর অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন। এখন তিনি এবং আমি আমরা সবাই এই এর্নস্ট মাখের দর্শনে বেড়ে উঠেছি যে শেষ পর্যন্ত সবকিছুকেই যুক্তিসঙ্গতভাবে ন্যায়সঙ্গত হতে হবে ** [[ফ্রিডরিখ হায়েক]], ১৯৮৫ সালের একটি সাক্ষাৎকারে, [[অ্যালান ইবেনস্টাইন]] রচিত ''হায়েকস জার্নি: দ্য মাইন্ড অফ ফ্রিডরিখ হায়েক'' (২০০৩), অধ্যায় ১০। এপিস্টেমোলজি, সাইকোলজি, অ্যান্ড মেথডোলজিতে উদ্ধৃত * বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন পদার্থবিজ্ঞানী এর্নস্ট মাখ। সেটিই ছিল চিন্তার সেই মূলনীতি যার মধ্যে আমরা সবাই বড় হয়েছি এবং প্রথমে সবাই তা গ্রহণ করেছিলাম। কিন্তু আমাদের মধ্যে কেউ কেউ আমার মনস্তাত্ত্বিক চিন্তাভাবনা সরাসরি এর্নস্ট মাখের মাধ্যমেই শুরু হয়। মাখ তাঁর বিখ্যাত বই 'দ্য অ্যানালাইসিস অফ সেনসেশনসে' ব্যাখ্যা করেছেন বা ধরে নিয়েছেন যে, আমাদের প্রতিটি ব্যক্তিগত অনুভূতির একটি আদি বিশুদ্ধ গুণ থাকলেও অভিজ্ঞতার দ্বারা সেগুলো ক্রমাগত পরিবর্তিত হয়। সেখানে কেবল একটি আদি ক্রম থাকে এবং তারপর থাকে অভিজ্ঞতাগত পরিবর্তন। যা আমাকে এই সিদ্ধান্তে উপনীত করেছিল যে, আপনি যদি দেখাতে পারেন যে অভিজ্ঞতা কোনো বস্তুকে পরিবর্তন করতে পারে, তবে সেখানে একটি আদি গুণ থাকার প্রয়োজন কী? আদি গুণটিও হয়তো একই ঢঙে তৈরি হয়েছে। তাই এটি ছিল মাখের চেয়ে কেবল এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া, যা তাঁর বিপক্ষেই চলে যায় এবং যার ফলে আমার নিজস্ব মনোবিজ্ঞানের বিকাশ ঘটে। এই অর্থে আমি একই জিনিস থেকে শুরু করেছিলাম যেখান থেকে ভিয়েনায় যৌক্তিক ইতিবাদী [আন্দোলন] [[মোরিৎজ শ্লিক|শ্লিক]], নিউরাথ, কারনাপ এবং অন্যান্যরা বিকাশ লাভ করেছিল; কিন্তু গোড়াতেই বিভক্ত হয়ে যাওয়া আমাদের অনেক দূরে নিয়ে যায়। তবে আপাতদৃষ্টিতে সম্পূর্ণ বিপরীত এই দুই প্রবণতা একটি সাধারণ প্রাথমিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই এসেছে। ** [[ফ্রিডরিখ হায়েক]], ১৯৮৫ সালের একটি সাক্ষাৎকারে, [[অ্যালান ইবেনস্টাইন]] রচিত ''হায়েকস জার্নি: দ্য মাইন্ড অফ ফ্রিডরিখ হায়েক'' (২০০৩), অধ্যায় ১০। এপিস্টেমোলজি, সাইকোলজি, অ্যান্ড মেথডোলজিতে উদ্ধৃত * বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন যে তথ্যের একটি শ্রেণিবিন্যাস রয়েছে এবং সেগুলোর মধ্য থেকে একটি বিচক্ষণ পছন্দ করা সম্ভব। তারা ঠিকই বলেন, কারণ তা না হলে কোনো বিজ্ঞান থাকত না একজনকে কেবল চোখ মেলে দেখতে হবে যে শিল্পের যে বিজয়গুলো অনেক ব্যবহারিক মানুষকে সমৃদ্ধ করেছে, সেগুলো কখনোই আলোর মুখ দেখত না যদি কেবল এই ব্যবহারিক মানুষেরাই অস্তিত্বশীল থাকত এবং যদি তাদের আগে সেই নিঃস্বার্থ সাধকরা না আসত যারা দরিদ্র হয়ে মারা গেছেন, যারা কখনোই উপযোগিতার কথা ভাবেননি, এবং তবুও খেয়ালখুশির চেয়ে অনেক ভিন্ন একটি পথপ্রদর্শক তাদের ছিল।<br />মাখ যেমনটা বলেন, এই সাধকরা তাদের উত্তরসূরিদের চিন্তা করার ঝামেলা থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন। ** [[অঁরি পোয়াঁকারে]], ''দ্য ভ্যালু অফ সায়েন্স'' (১৯০৭) অনুবাদের প্রাক্কালে লেখকের প্রবন্ধ: "দ্য চয়েস অফ ফ্যাক্টস," পৃষ্ঠা ৪, [https://books.google.com/books?id=R6IaAAAAYAAJ অনু.] [[w:জি. বি. হালস্টেড|জর্জ ব্রুস হালস্টেড]] * [[যৌক্তিক অভিজ্ঞতাবাদ]] সংক্রান্ত নতুন ইতিহাসতত্ত্ব শুরু হয় [[গেস্টাল্ট তত্ত্ব]], বিবর্তনীয় জ্ঞানতত্ত্ব, (সম্ভবত আমূল) গঠনবাদ এবং আধুনিক ইতিহাস ভিত্তিক [[বিজ্ঞানের দর্শন|বিজ্ঞানের দর্শনের]] অগ্রদূত হিসেবে এর্নস্ট মাখের (১৮৩৮-১৯১৬) পুনরাবিষ্কারের মাধ্যমে। কিন্তু ইতিমধ্যেই [[ভিয়েনা সার্কেল|ভিয়েনা সার্কেলে]] মাখের গ্রহণযোগ্যতার মধ্যে কেউ কেবল দৃষ্টিভঙ্গির একটি নির্দিষ্ট বহুত্বই নয়, বরং বিভিন্ন অবস্থানের মেরুকরণও দেখতে পায় (যেমন [[রুডলফ কারনাপ|কারনাপের]] ''আউফবাউ / লজিক্যাল কনস্ট্রাকশনের'' ওপর মাখের প্রভাব, ইশতেহারে “মনস্তাত্ত্বিকতা” বা সাইকোলজিসম থেকে সমালোচনামূলক দূরত্ব বজায় রাখা, [[কার্ল মেঙ্গার|কার্ল মেঙ্গারের]] দেওয়া মিতব্যয়িতার নীতির বিকল্প ইত্যাদি)। তা সত্ত্বেও, ভিয়েনা সার্কেল দ্বারা ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা এই গবেষণা কর্মসূচিটি আসলে দুই বিশ্বযুদ্ধের মধ্যবর্তী বছরগুলোতে যৌক্তিক অভিজ্ঞতাবাদের একটি আদিম রূপ বা প্রোটোটাইপ হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করেছিল কেউ "চিরাচরিত অস্ট্রীয় দর্শন" (জার্মান ভাববাদের বিপরীতে) থাকার সাহসী দাবিকে সমর্থন করুক বা না করুক। ** [[ফ্রিডরিখ স্ট্যাডলার]] "হোয়াট ইজ দ্য ভিয়েনা সার্কেল?": ফ্রিডরিখ স্ট্যাডলার (সম্পাদিত) ''দ্য ভিয়েনা সার্কেল অ্যান্ড লজিক্যাল এমপিরিসিজম: রি-ইভালুয়েশন অ্যান্ড ফিউচার পারসপেক্টিভস।'' স্প্রিঙ্গার সায়েন্স অ্যান্ড বিজনেস মিডিয়া, ২০০৬। পৃষ্ঠা ১৩ * মাখ যাকে চিন্তা পরীক্ষা বা থট এক্সপেরিমেন্ট বলেন তা আদতে কোনো পরীক্ষাই নয়। মূলে এটি একটি ব্যাকরণগত অনুসন্ধান। ** [[লুডভিগ ভিটগেনস্টাইন]], ''ফিলোসফিক্যাল রিমার্কস'' (১৯৩০) পৃষ্ঠা ৬ == আরও দেখুন == * [[ধ্রুপদী বলবিদ্যা]] * [[বিজ্ঞানের ইতিহাস]] * [[বলবিদ্যা]] * [[দর্শন]] * ''[[দ্য সায়েন্স অফ মেকানিক্স]]'' * [[আপেক্ষিকতা তত্ত্ব]] == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} * [https://archive.org/search.php?query=Ernst+Mach&sin=TXT&page=3 এর্নস্ট মাখ] ইন্টারনেটে আর্কাইভে বইয়ের সম্পূর্ণ পাঠ্য অনুসন্ধান * [https://librivox.org/author/10401?primary_key=10401&search_category=author&search_page=1&search_form=get_results এর্নস্ট মাখ] লিব্রিভক্সে * [http://www.gutenberg.org/ebooks/author/40055 মাখ, এর্নস্ট] প্রজেক্ট গুটেনবার্গে বই * [https://plato.stanford.edu/entries/ernst-mach/ এর্নস্ট মাখ] স্ট্যানফোর্ড এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ফিলোসফিতে {{DEFAULTSORT:মাখ, এর্নস্ট}} [[বিষয়শ্রেণী:অস্ট্রিয়ার শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:অস্ট্রিয়ার পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:অস্ট্রিয়ার দার্শনিক]] [[বিষয়শ্রেণী:নাস্তিক]] [[বিষয়শ্রেণী:সমাজতান্ত্রিক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৬-এ মৃত্যু]] oe6bhrl4fdkrf5kky9q2agq5egu5knd উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস 0 12883 78566 2026-04-19T12:15:07Z SMontaha32 3112 "File:William Carlos Williams passport photograph 1921.jpg |thumb|right|একজন মানুষ কোনো স্থির পাথরখণ্ড নয় যে সবসময় এক জায়গায় থাকবে, যদিও মনোবিজ্ঞানীরা তার সাথে তেমন আচরণই করেন—এবং বেশিরভাগ মানুষই তা বিশ্বাস কর..." দিয়ে পাতা তৈরি 78566 wikitext text/x-wiki [[File:William Carlos Williams passport photograph 1921.jpg |thumb|right|একজন মানুষ কোনো স্থির পাথরখণ্ড নয় যে সবসময় এক জায়গায় থাকবে, যদিও মনোবিজ্ঞানীরা তার সাথে তেমন আচরণই করেন—এবং বেশিরভাগ মানুষই তা বিশ্বাস করার মাঝে এক ধরনের উন্মাদনাপূর্ণ গর্ববোধ করে। ... সমাজের সাথে শিল্পের সম্পর্ক অত্যন্ত জটিল। কবি কোনো অপরিবর্তনীয় ঘটনা নন, এমনকি তার কাজও নয়।]] [[File:Asphodele.jpg|thumb|right|কবিতা থেকে সংবাদ পাওয়া কঠিন, তবুও সেখানে যা পাওয়া যায় তার অভাবে মানুষ প্রতিদিন শোচনীয়ভাবে মৃত্যুবরণ করছে।]] [[File:Amistad - Friendship.jpg|thumb|right|প্রকৃত সুখী হওয়ার একমাত্র উপায় হলো অন্যকে সুখী করা। আপনি যখন এটি উপলব্ধি করবেন এবং এই সত্যের সদ্ব্যবহার করবেন, তখন সবকিছুই নিখুঁত হয়ে উঠবে।]] '''[[w:William Carlos Williams|উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]]''' ([[১৭ সেপ্টেম্বর]] [[১৮৮৩]] – [[৪ মার্চ]] [[১৯৬৩]]) ছিলেন একজন আমেরিকান কবি ও চিকিৎসক। nqxixwpz95cwgyb4myg753d2i3een2y 78567 78566 2026-04-19T12:17:43Z SMontaha32 3112 78567 wikitext text/x-wiki [[File:William Carlos Williams passport photograph 1921.jpg |thumb|right|একজন মানুষ কোনো স্থির পাথরখণ্ড নয় যে সবসময় এক জায়গায় থাকবে, যদিও মনোবিজ্ঞানীরা তার সাথে তেমন আচরণই করেন—এবং বেশিরভাগ মানুষই তা বিশ্বাস করার মাঝে এক ধরনের উন্মাদনাপূর্ণ গর্ববোধ করে। ... সমাজের সাথে শিল্পের সম্পর্ক অত্যন্ত জটিল। কবি কোনো অপরিবর্তনীয় ঘটনা নন, এমনকি তার কাজও নয়।]] [[File:Asphodele.jpg|thumb|right|কবিতা থেকে সংবাদ পাওয়া কঠিন, তবুও সেখানে যা পাওয়া যায় তার অভাবে মানুষ প্রতিদিন শোচনীয়ভাবে মৃত্যুবরণ করছে।]] [[File:Amistad - Friendship.jpg|thumb|right|প্রকৃত সুখী হওয়ার একমাত্র উপায় হলো অন্যকে সুখী করা। আপনি যখন এটি উপলব্ধি করবেন এবং এই সত্যের সদ্ব্যবহার করবেন, তখন সবকিছুই নিখুঁত হয়ে উঠবে।]] '''[[w:William Carlos Williams|উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]]''' ([[১৭ সেপ্টেম্বর]] [[১৮৮৩]] – [[৪ মার্চ]] [[১৯৬৩]]) ছিলেন একজন আমেরিকান কবি ও চিকিৎসক। ==উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস সম্পর্কিত উক্তি== * আমেরিকানদের কাছে নেটিভ আমেরিকান সাহিত্য গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত। একে কেবল আমেরিকান অতীতের কোনো প্রত্নবস্তু বা কিউরিও হিসেবে দেখা ঠিক নয় যার বর্তমান বা ভবিষ্যতের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। বরং এটি একটি প্রধান ঐতিহ্য যা [[Cotton Mather|কটন ম্যাথার]] ও [[Nathaniel Hawthorne|নাথানিয়েল হথর্ন]] থেকে শুরু করে [[Walt Whitman|ওয়াল্ট হুইটম্যান]], [[William Carlos Williams|উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] ও [[William Faulkner|উইলিয়াম ফকনার]] হয়ে [[Adrienne Rich|অ্যাড্রিয়েন রিচ]], [[Toni Cade Bambara|টনি কেড বামবারা]] এবং [[Judy Grahn|জুডি গ্রান]] পর্যন্ত সকল লেখককে পথ দেখায়। ** [[Paula Gunn Allen|পলা গান অ্যালেন]], *দ্য স্যাক্রেড হুপ: রিকভারিং দ্য ফেমিনাইন ইন আমেরিকান ইন্ডিয়ান ট্র্যাডিশনস* (১৯৮৬) * [[Writing|লেখালেখিও]] একটি সম্মানজনক পেশা। যারা আগে এই পেশায় ছিলেন, তারা একে সম্মানিত করেছেন। আপনি পছন্দ করুন বা না করুন, প্রতিবার কলম হাতে নেওয়ার সময় আপনাকে সেই একই শূন্য কাগজের মুখোমুখি হতে হয় যা [[Milton|মিল্টন]], [[Melville|মেলভিল]], [[Emily Bronte|এমিলি ব্রন্টি]], [[Dostoevsky|দস্তয়েভস্কি]], [[George Eliot|জর্জ এলিয়ট]], [[George Orwell|জর্জ অরওয়েল]], [[William Faulkner|উইলিয়াম ফকনার]], [[Virginia Woolf|ভার্জিনিয়া উলফ]], উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস এবং আধুনিক নায়ক [[Gabriel Garcia Marquez|গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের]] সামনেও ছিল। ** [[Margaret Atwood|মার্গারেট অ্যাটউড]], "অ্যান এন্ড টু অডিয়েন্স?" (১৯৮০), *সেকেন্ড ওয়ার্ডস: সিলেক্টেড ক্রিটিক্যাল প্রোজ*-এ সংকলিত * উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস তার একটি কবিতায় লিখেছেন যে "ধ্বংস এবং সৃষ্টি সমসাময়িক।" [[Picasso|পিকাসোও]] অনেকটা একই কথা বলেছিলেন। উইলিয়ামসের কাছে এটি ছিল আধুনিক ধারাকে বা অ্যাভান্ট-গার্ডকে পৌরাণিক রূপ দেওয়ার একটি পথ। আপনার সৃজন করতে হলে ধ্বংস করতে হবে। ** টনি বার্নস্টোন, *কনভারসেশনস উইথ [[Bharati Mukherjee|ভারতী মুখার্জি]]*, ব্র্যাডলি সি. এডওয়ার্ডস সম্পাদিত (২০০৯) * আমার শুরুর দিকের পরিচয় ও প্রেমের কবিতাগুলো এজরা পাউন্ড এবং উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের চিত্রকল্পবাদ বা ইমেজবাদ দ্বারা প্রভাবিত ছিল। ** [[Marilyn Chin|মেরিলিন চিন]], *এ পোর্ট্রেট অফ দ্য সেলফ অ্যাজ নেশন: নিউ অ্যান্ড সিলেক্টেড পোয়েমস*-এর ভূমিকা (২০১৮) * যখন আমি [[Virginia Woolf|ভার্জিনিয়া উলফের]] 'অরল্যান্ডো' বা উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের 'ইন দ্য আমেরিকান গ্রেইন' পড়ি, তখন আমার মনে হয় আমি যেন জীবন ও কাজের মাঝে আটকে গেছি বা মরে যাচ্ছি। এই বইগুলো পড়ার পর আমি আবারও গতি ফিরে পাই। আমি অন্যদের জন্য এই কাজটি করতে পারি বলে ভালো লাগে। ** ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত *কনভারসেশনস উইথ [[Maxine Hong Kingston|ম্যাক্সিন হং কিংস্টন]]*-এ সংকলিত ১৯৮৯ সালের সাক্ষাৎকার * যখন আমি উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের 'ইন দ্য আমেরিকান গ্রেইন' পড়ছিলাম, তখন মনে হলো আমেরিকা সম্পর্কে এভাবেই লেখা উচিত। এটিই সঠিক ও পৌরাণিক ইতিহাস। আমি নিশ্চিত ছিলাম এর দ্বিতীয় খণ্ড বের হবে। তাই লাইব্রেরিতে প্রথম খণ্ডটি ফেরত দিয়ে দ্বিতীয় খণ্ডটি খুঁজতে লাগলাম। কিন্তু এর কোনো দ্বিতীয় খণ্ড নেই! তখনই আমি ভাবলাম আমাকেই এর দ্বিতীয় খণ্ডটি লিখতে হবে। তিনি যেহেতু করেননি, তাই আমাকেই তা করতে হবে। এভাবেই 'চায়না মেন' সৃষ্টি হলো। তারা রেলপথের স্টিলের বন্ধন দিয়ে এই দেশটিকে একসাথে বেঁধে রেখেছে। প্রথম দুটি বই শেষ করার পর আমি আমার ভেতরে আরও এক ধরনের চলতি ও সমসাময়িক আমেরিকান ভাষা খুঁজে পেলাম। আরেকটি অপূর্ণতা ছিল বিটনিকদের চলে যাওয়ার সময়কার বই পড়তে পারা। তারাই আমাদের ঠিক আগের প্রজন্মের পথপ্রদর্শক। ** ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত *কনভারসেশনস উইথ [[Maxine Hong Kingston|ম্যাক্সিন হং কিংস্টন]]*-এ সংকলিত ১৯৮৯ সালের সাক্ষাৎকার * ১৯২০-এর দশকে তিনি দুই আমেরিকার উপযুক্ত একটি বইয়ের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে একটি বিশাল আমেরিকান উপন্যাসের কথা ভাবছিলেন। উইলিয়ামস চেয়েছিলেন বইটি যেন এই দুই মহাদেশের বিশাল প্রেক্ষাপট থেকে কথা বলে। ** ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত *কনভারসেশনস উইথ [[Maxine Hong Kingston|ম্যাক্সিন হং কিংস্টন]]*-এ সংকলিত ১৯৯৩ সালের সাক্ষাৎকার * লজ্জিত হওয়ার বা ঝুঁকি নেওয়ার ভয়, বোকা সাজার ভয় কিংবা অন্য কারো মতো না লিখে নিজের মতো করে লেখার ভয়—সবই মানুষের থাকে। তবে কিছু মানুষ বিশ বছর ধরে নিজের মতে অটল থাকেন। উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস তার আত্মজীবনীতে বলেছিলেন, "মনে হচ্ছে টি. এস. এলিয়ট 'দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড' দিয়ে সফল হয়েছেন এবং সাহিত্যের মোড় সেদিকেই ঘুরছে। এখন আমি জানি যে আমার কথা শোনার জন্য আমাকে আরও বিশ বছর অপেক্ষা করতে হবে।" তিনি তাই করেছিলেন। তিনি যা সঠিক মনে করতেন তাই করে গেছেন এবং আমেরিকান ভাষার নিজস্ব ধারণায় অটল থেকে একটি শক্তিশালী প্রভাব তৈরি করেছেন। কিন্তু অন্য অনেকেই ভেবেছিল ওটাই সঠিক পথ এবং তারা নিজেদের শিকড় কেটে সেদিকেই ছুটে গিয়েছিল। ** ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত *কনভারসেশনস উইথ [[Grace Paley|গ্রেস পেলি]]*-এ সংকলিত ১৯৭৯ সালের সাক্ষাৎকার * বিংশ শতাব্দীর বিপ্লবী কাব্যতত্ত্বের ঐতিহ্য সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা ছিল না। বড়দের মধ্যে উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস সমসাময়িক আমেরিকার সাধারণ শহর, সাধারণ দরিদ্র ও কর্মজীবী মানুষ এবং দৈনন্দিন ভাষার সহজ ও ছন্দময় শৈলীতে লিখেছেন। যদিও শুরুতে উইলিয়ামসের কবিতা আমাকে মোহিত করেনি, পরবর্তীতে প্রথাগত ছন্দ থেকে বেরিয়ে আসতে আমি তার বাক্যগঠন ও পঙ্ক্তি ভাঙার পদ্ধতিগুলো নিয়ে কাজ করেছি। ** [[Adrienne Rich|অ্যাড্রিয়েন রিচ]], *হোয়াট ইজ ফাউন্ড দেয়ার* (২০০৩) 0k07go1ywq7hnewt3kvyvncy672a1k3 78568 78567 2026-04-19T12:18:31Z SMontaha32 3112 78568 wikitext text/x-wiki [[File:William Carlos Williams passport photograph 1921.jpg |thumb|right|একজন মানুষ কোনো স্থির পাথরখণ্ড নয় যে সবসময় এক জায়গায় থাকবে, যদিও মনোবিজ্ঞানীরা তার সাথে তেমন আচরণই করেন—এবং বেশিরভাগ মানুষই তা বিশ্বাস করার মাঝে এক ধরনের উন্মাদনাপূর্ণ গর্ববোধ করে। ... সমাজের সাথে শিল্পের সম্পর্ক অত্যন্ত জটিল। কবি কোনো অপরিবর্তনীয় ঘটনা নন, এমনকি তার কাজও নয়।]] [[File:Asphodele.jpg|thumb|right|কবিতা থেকে সংবাদ পাওয়া কঠিন, তবুও সেখানে যা পাওয়া যায় তার অভাবে মানুষ প্রতিদিন শোচনীয়ভাবে মৃত্যুবরণ করছে।]] [[File:Amistad - Friendship.jpg|thumb|right|প্রকৃত সুখী হওয়ার একমাত্র উপায় হলো অন্যকে সুখী করা। আপনি যখন এটি উপলব্ধি করবেন এবং এই সত্যের সদ্ব্যবহার করবেন, তখন সবকিছুই নিখুঁত হয়ে উঠবে।]] '''[[w:William Carlos Williams|উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]]''' ([[১৭ সেপ্টেম্বর]] [[১৮৮৩]] – [[৪ মার্চ]] [[১৯৬৩]]) ছিলেন একজন আমেরিকান কবি ও চিকিৎসক। ==উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস সম্পর্কিত উক্তি== * আমেরিকানদের কাছে নেটিভ আমেরিকান সাহিত্য গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত। একে কেবল আমেরিকান অতীতের কোনো প্রত্নবস্তু বা কিউরিও হিসেবে দেখা ঠিক নয় যার বর্তমান বা ভবিষ্যতের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। বরং এটি একটি প্রধান ঐতিহ্য যা [[Cotton Mather|কটন ম্যাথার]] ও [[Nathaniel Hawthorne|নাথানিয়েল হথর্ন]] থেকে শুরু করে [[Walt Whitman|ওয়াল্ট হুইটম্যান]], [[William Carlos Williams|উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] ও [[William Faulkner|উইলিয়াম ফকনার]] হয়ে [[Adrienne Rich|অ্যাড্রিয়েন রিচ]], [[Toni Cade Bambara|টনি কেড বামবারা]] এবং [[Judy Grahn|জুডি গ্রান]] পর্যন্ত সকল লেখককে পথ দেখায়। ** [[Paula Gunn Allen|পলা গান অ্যালেন]], *দ্য স্যাক্রেড হুপ: রিকভারিং দ্য ফেমিনাইন ইন আমেরিকান ইন্ডিয়ান ট্র্যাডিশনস* (১৯৮৬) * [[Writing|লেখালেখিও]] একটি সম্মানজনক পেশা। যারা আগে এই পেশায় ছিলেন, তারা একে সম্মানিত করেছেন। আপনি পছন্দ করুন বা না করুন, প্রতিবার কলম হাতে নেওয়ার সময় আপনাকে সেই একই শূন্য কাগজের মুখোমুখি হতে হয় যা [[Milton|মিল্টন]], [[Melville|মেলভিল]], [[Emily Bronte|এমিলি ব্রন্টি]], [[Dostoevsky|দস্তয়েভস্কি]], [[George Eliot|জর্জ এলিয়ট]], [[George Orwell|জর্জ অরওয়েল]], [[William Faulkner|উইলিয়াম ফকনার]], [[Virginia Woolf|ভার্জিনিয়া উলফ]], উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস এবং আধুনিক নায়ক [[Gabriel Garcia Marquez|গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের]] সামনেও ছিল। ** [[Margaret Atwood|মার্গারেট অ্যাটউড]], "অ্যান এন্ড টু অডিয়েন্স?" (১৯৮০), *সেকেন্ড ওয়ার্ডস: সিলেক্টেড ক্রিটিক্যাল প্রোজ*-এ সংকলিত * উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস তার একটি কবিতায় লিখেছেন যে "ধ্বংস এবং সৃষ্টি সমসাময়িক।" [[Picasso|পিকাসোও]] অনেকটা একই কথা বলেছিলেন। উইলিয়ামসের কাছে এটি ছিল আধুনিক ধারাকে বা অ্যাভান্ট-গার্ডকে পৌরাণিক রূপ দেওয়ার একটি পথ। আপনার সৃজন করতে হলে ধ্বংস করতে হবে। ** টনি বার্নস্টোন, *কনভারসেশনস উইথ [[Bharati Mukherjee|ভারতী মুখার্জি]]*, ব্র্যাডলি সি. এডওয়ার্ডস সম্পাদিত (২০০৯) * আমার শুরুর দিকের পরিচয় ও প্রেমের কবিতাগুলো এজরা পাউন্ড এবং উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের চিত্রকল্পবাদ বা ইমেজবাদ দ্বারা প্রভাবিত ছিল। ** [[Marilyn Chin|মেরিলিন চিন]], *এ পোর্ট্রেট অফ দ্য সেলফ অ্যাজ নেশন: নিউ অ্যান্ড সিলেক্টেড পোয়েমস*-এর ভূমিকা (২০১৮) * যখন আমি [[Virginia Woolf|ভার্জিনিয়া উলফের]] 'অরল্যান্ডো' বা উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের 'ইন দ্য আমেরিকান গ্রেইন' পড়ি, তখন আমার মনে হয় আমি যেন জীবন ও কাজের মাঝে আটকে গেছি বা মরে যাচ্ছি। এই বইগুলো পড়ার পর আমি আবারও গতি ফিরে পাই। আমি অন্যদের জন্য এই কাজটি করতে পারি বলে ভালো লাগে। ** ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত *কনভারসেশনস উইথ [[Maxine Hong Kingston|ম্যাক্সিন হং কিংস্টন]]*-এ সংকলিত ১৯৮৯ সালের সাক্ষাৎকার * যখন আমি উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের 'ইন দ্য আমেরিকান গ্রেইন' পড়ছিলাম, তখন মনে হলো আমেরিকা সম্পর্কে এভাবেই লেখা উচিত। এটিই সঠিক ও পৌরাণিক ইতিহাস। আমি নিশ্চিত ছিলাম এর দ্বিতীয় খণ্ড বের হবে। তাই লাইব্রেরিতে প্রথম খণ্ডটি ফেরত দিয়ে দ্বিতীয় খণ্ডটি খুঁজতে লাগলাম। কিন্তু এর কোনো দ্বিতীয় খণ্ড নেই! তখনই আমি ভাবলাম আমাকেই এর দ্বিতীয় খণ্ডটি লিখতে হবে। তিনি যেহেতু করেননি, তাই আমাকেই তা করতে হবে। এভাবেই 'চায়না মেন' সৃষ্টি হলো। তারা রেলপথের স্টিলের বন্ধন দিয়ে এই দেশটিকে একসাথে বেঁধে রেখেছে। প্রথম দুটি বই শেষ করার পর আমি আমার ভেতরে আরও এক ধরনের চলতি ও সমসাময়িক আমেরিকান ভাষা খুঁজে পেলাম। আরেকটি অপূর্ণতা ছিল বিটনিকদের চলে যাওয়ার সময়কার বই পড়তে পারা। তারাই আমাদের ঠিক আগের প্রজন্মের পথপ্রদর্শক। ** ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত *কনভারসেশনস উইথ [[Maxine Hong Kingston|ম্যাক্সিন হং কিংস্টন]]*-এ সংকলিত ১৯৮৯ সালের সাক্ষাৎকার * ১৯২০-এর দশকে তিনি দুই আমেরিকার উপযুক্ত একটি বইয়ের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে একটি বিশাল আমেরিকান উপন্যাসের কথা ভাবছিলেন। উইলিয়ামস চেয়েছিলেন বইটি যেন এই দুই মহাদেশের বিশাল প্রেক্ষাপট থেকে কথা বলে। ** ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত *কনভারসেশনস উইথ [[Maxine Hong Kingston|ম্যাক্সিন হং কিংস্টন]]*-এ সংকলিত ১৯৯৩ সালের সাক্ষাৎকার * লজ্জিত হওয়ার বা ঝুঁকি নেওয়ার ভয়, বোকা সাজার ভয় কিংবা অন্য কারো মতো না লিখে নিজের মতো করে লেখার ভয়—সবই মানুষের থাকে। তবে কিছু মানুষ বিশ বছর ধরে নিজের মতে অটল থাকেন। উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস তার আত্মজীবনীতে বলেছিলেন, "মনে হচ্ছে টি. এস. এলিয়ট 'দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড' দিয়ে সফল হয়েছেন এবং সাহিত্যের মোড় সেদিকেই ঘুরছে। এখন আমি জানি যে আমার কথা শোনার জন্য আমাকে আরও বিশ বছর অপেক্ষা করতে হবে।" তিনি তাই করেছিলেন। তিনি যা সঠিক মনে করতেন তাই করে গেছেন এবং আমেরিকান ভাষার নিজস্ব ধারণায় অটল থেকে একটি শক্তিশালী প্রভাব তৈরি করেছেন। কিন্তু অন্য অনেকেই ভেবেছিল ওটাই সঠিক পথ এবং তারা নিজেদের শিকড় কেটে সেদিকেই ছুটে গিয়েছিল। ** ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত *কনভারসেশনস উইথ [[Grace Paley|গ্রেস পেলি]]*-এ সংকলিত ১৯৭৯ সালের সাক্ষাৎকার * বিংশ শতাব্দীর বিপ্লবী কাব্যতত্ত্বের ঐতিহ্য সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা ছিল না। বড়দের মধ্যে উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস সমসাময়িক আমেরিকার সাধারণ শহর, সাধারণ দরিদ্র ও কর্মজীবী মানুষ এবং দৈনন্দিন ভাষার সহজ ও ছন্দময় শৈলীতে লিখেছেন। যদিও শুরুতে উইলিয়ামসের কবিতা আমাকে মোহিত করেনি, পরবর্তীতে প্রথাগত ছন্দ থেকে বেরিয়ে আসতে আমি তার বাক্যগঠন ও পঙ্ক্তি ভাঙার পদ্ধতিগুলো নিয়ে কাজ করেছি। ** [[Adrienne Rich|অ্যাড্রিয়েন রিচ]], *হোয়াট ইজ ফাউন্ড দেয়ার* (২০০৩) ==বহিঃসংযোগ== {{wikipedia}} {{commonscat}} * [http://www.poets.org/poet.php/prmPID/119 অ্যাকাডেমি অব আমেরিকান পোয়েটস-এ উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস পাতা] * [http://www.english.uiuc.edu/maps/poets/s_z/williams/williams.htm মডার্ন আমেরিকান পোয়েট্রি-তে উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস পাতা] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৮৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৩-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ জার্সির চিকিৎসক]] [[বিষয়শ্রেণী:বিট প্রজন্মের লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল বুক অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী]] jotmfa8xitvhbmiyjynf6veung7dz3o 78569 78568 2026-04-19T12:21:54Z SMontaha32 3112 78569 wikitext text/x-wiki [[File:William Carlos Williams passport photograph 1921.jpg |thumb|right|একজন মানুষ কোনো স্থির পাথরখণ্ড নয় যে সবসময় এক জায়গায় থাকবে, যদিও মনোবিজ্ঞানীরা তার সাথে তেমন আচরণই করেন—এবং বেশিরভাগ মানুষই তা বিশ্বাস করার মাঝে এক ধরনের উন্মাদনাপূর্ণ গর্ববোধ করে। ... সমাজের সাথে শিল্পের সম্পর্ক অত্যন্ত জটিল। কবি কোনো অপরিবর্তনীয় ঘটনা নন, এমনকি তার কাজও নয়।]] [[File:Asphodele.jpg|thumb|right|কবিতা থেকে সংবাদ পাওয়া কঠিন, তবুও সেখানে যা পাওয়া যায় তার অভাবে মানুষ প্রতিদিন শোচনীয়ভাবে মৃত্যুবরণ করছে।]] [[File:Amistad - Friendship.jpg|thumb|right|প্রকৃত সুখী হওয়ার একমাত্র উপায় হলো অন্যকে সুখী করা। আপনি যখন এটি উপলব্ধি করবেন এবং এই সত্যের সদ্ব্যবহার করবেন, তখন সবকিছুই নিখুঁত হয়ে উঠবে।]] '''[[w:William Carlos Williams|উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]]''' ([[১৭ সেপ্টেম্বর]] [[১৮৮৩]] – [[৪ মার্চ]] [[১৯৬৩]]) ছিলেন একজন আমেরিকান কবি ও চিকিৎসক। ```wikicode == উদ্ধৃতি == [[File:Heart Flow.jpg|thumb|right|আমার কাছে এটি হলো প্রথমে সেই বিষয়টি উপলব্ধি করা, যাকে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।]] [[File:William Carlos Williams passport photograph.jpg|thumb|এই মুহূর্তে নিজের প্রতি আমার প্রধান অতৃপ্তি হলো—আমি যা করতে চাই, তার মধ্যে নিজেকে যেভাবে বিলীন করে দেওয়া উচিত, তা আমি পারছি না।]] [[File:Milky Way from Flickr.jpg|thumb|right|অনেক প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি। আমাদের কবিরা ভুল হতে পারেন; কিন্তু নিজের প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে দৃষ্টির প্রসার ঘটানো ছাড়া আমাদের আর কী-ই বা করার আছে? যেন বারবার ব্যর্থ হওয়ার মাধ্যমে আমরা অতীতে যা হারিয়েছি, তা আরও ভালোভাবে শিখতে পারি।]] === সাধারণ উৎস === * '''একটি বিষয়ে আমি দিন দিন আরও নিশ্চিত হচ্ছি: প্রকৃত সুখী হওয়ার একমাত্র উপায় হলো অন্যকে সুখী করা। আপনি যখন এটি উপলব্ধি করবেন এবং এই সত্যের সদ্ব্যবহার করবেন, তখন সবকিছুই নিখুঁত হয়ে উঠবে।''' ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ৫; ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া থেকে তার মাকে লেখা চিঠি (১২ ফেব্রুয়ারি ১৯০৪) * সত্যি বলতে, আমি নিজেও কখনো পুরোপুরি অনুভব করি না যে আমি কী নিয়ে কথা বলছি—যদি অনুভব করতাম বা যখন করি, তখন লিখিত বিষয়টিকে আমার কাছে তুচ্ছ মনে হয়। তবে, '''আমি যা লিখি এবং যা টিকে থাকে, তা সবসময়ই সার্থক বলে আমার মনে হয়। আমার মনে হয়, আমি যা বুঝিয়েছি কিন্তু হয়তো পুরোপুরি প্রকাশ করতে পারিনি, তার যতটা কাছাকাছি আমি পৌঁছাতে পেরেছি, অন্য কেউ তা পারেনি। আমার কাছে এটি হলো প্রথমে সেই বিষয়টি উপলব্ধি করা যাকে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।''' আমি আরও অনেক কিছু বলতে পারতাম কিন্তু তাতে লাভ নেই। এক অর্থে আমাকে নিজেকে প্রকাশ করতে হবে, আপনি ঠিকই বলেছেন, তবে যদি এর কোনো অর্থ থাকে তবে তা সবসময়ই 'সম্পূর্ণরূপে অসম্পূর্ণ'। ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২৬; [[w:Harriet Monroe|হ্যারিয়েট মনরোকে]] লেখা (১৪ অক্টোবর ১৯১৩) * '''এটি জীবনের গতির সাথে তাল মিলিয়ে চলে—বিক্ষিপ্ত কিন্তু সমগ্রের সাথে যুক্ত, ছিন্ন ভিন্ন কিন্তু একসাথে বোনা।''' ** *দ্য নিউ ইয়র্ক হেরাল্ড ট্রিবিউন*-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে তার কাজ সম্পর্কে (১৮ জানুয়ারি ১৯৩২) * '''কবির কাজ হলো কার্যকরভাবে ভাষা ব্যবহার করা—তার নিজস্ব ভাষা, যা তার কাছে একমাত্র নির্ভরযোগ্য ভাষা।''' ** [[Louis Untermeyer|লুই আনটারমেয়ার]] রচিত *মডার্ন আমেরিকান পোয়েট্রি* (১৯৫০)-তে উদ্ধৃত 'এ নোট অন পোয়েট্রি' (আনুমানিক ১৯৩৬) থেকে * গদ্যের চেয়ে কবিতার জন্য ভিন্ন উপাদানের প্রয়োজন হয়। এটি একই তথ্যের অন্য একটি দিক ব্যবহার করে... ভাষার স্বতঃস্ফূর্ত রূপ যেমনটা শোনা যায়। ** জেমস লাফলিনকে দেওয়া 'ডিটেইল অ্যান্ড প্রসোডি ফর দ্য পোয়েম প্যাটারসন' (১৯৩৯), বর্তমানে হটন লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত * '''এই অদ্ভুত পৃথিবীটি মূলত হতাশায় ঘেরা।''' <br> আমি মূলত লিখে যাই কারণ এটি আমাকে এমন এক তৃপ্তি দেয় যা অন্য কোথাও পাওয়া সম্ভব নয়। এটি সেই মুহূর্তগুলোকে পূর্ণ করে যা অন্যথায় ভয়াবহ বা বিষণ্ণ হতো। এমন নয় যে আমি ওভাবেই বাঁচি, কাজও আমাকে শান্ত রাখে। এই মুহূর্তে নিজের প্রতি আমার প্রধান অতৃপ্তি হলো—আমি যা করতে চাই, তার মধ্যে নিজেকে যেভাবে বিলীন করে দেওয়া উচিত, তা আমি পারছি না। ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২১৬; [[w:Robert McAlmon|রবার্ট ম্যাকঅ্যালমনকে]] লেখা চিঠি (৮ আগস্ট ১৯৪৩) * '''আমরা কেন বাঁচি? আমাদের মধ্যে বেশিরভাগেরই সেই জিনিসটি প্রয়োজন যা আমরা কখনো চাই না।''' আমরা বিপ্লব নিয়ে এমনভাবে কথা বলি যেন এটি তুচ্ছ কোনো বিষয়। আমাদের যা প্রয়োজন তা হলো কিছু অকপট চিন্তা এবং নিজেদের অন্তরে কয়েকটি বিপ্লব; আমি যাদের চিনি সেই সব নরধমেরা গোল্লায় যাক এবং আমিও তাদের সাথে গোল্লায় যাই যদি না আমি নিজেকে সামলে নিতে পারি এবং প্রয়োজনে ঘুরে দাঁড়াতে পারি—অথবা যদি এগিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য হয় তবে আরও সামনে এগোতে পারি। ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২১৭; [[w:Robert McAlmon|রবার্ট ম্যাকঅ্যালমনকে]] লেখা চিঠি (৪ সেপ্টেম্বর ১৯৪৩) * '''দার্শনিকরা আজ কবিদের পিছু ধাওয়া করছে, কারণ দর্শনের আজ বড়ই অভাব। অভিশাপ তাদের ওপর! আপনি হয়তো ভাবছেন কোনো দার্শনিক অনুমতি না দিলে কোনো মানুষের লেখালেখি করার বা কবি হওয়ার অধিকার নেই।''' ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২১৯; [[w:James Laughlin|জেমস লাফলিনকে]] লেখা চিঠি (১৪ জানুয়ারি ১৯৪৪) * প্রতিদিনের সাধারণ খবর, করুণ মৃত্যু বা প্রাত্যহিক জীবনের লাঞ্ছনা পড়ে কী লাভ? অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে আমরা জানি যে যে পরিস্থিতিতে এগুলো ঘটার কথা ছিল, ঠিক সেভাবেই এগুলো ঘটেছে। এর মধ্যে কোনো আলো নেই। এটি কেবল তুচ্ছ শূন্যস্থান পূরণকারী তথ্য। আমরা জানি [[airplane|বিমান]] বিধ্বস্ত হবে, [[train|ট্রেন]] লাইনচ্যুত হবে। আমরা কেন তাও জানি। কেউ পাত্তা দেয় না, কেউ দিতেও পারে না। আমরা খবর পাই এবং তা অগ্রাহ্য করি, আর এটি করাই আমাদের জন্য সঠিক। এগুলো তুচ্ছ। '''কিন্তু কোনো নিভৃত রোগীর চোখে আমি যে তাড়িত খবর পাই, তা তুচ্ছ নয়। তা গভীর''': শেখার সমস্ত একাডেমি, সমস্ত ধর্মীয় অনুশাসন এর ওপর ভিত্তি করেই প্রতিষ্ঠিত। তারা তাদের তথাকথিত হেত্বাভাস বা 'ডায়ালেকটিক' এর ওপর ভিত্তি করেই গড়ে তুলেছে—তাদের মিথ্যা ডায়ালেকটিক। ডায়ালেকটিক হলো যেকোনো একতরফা ব্যবস্থা। যেহেতু সব ব্যবস্থাই নিছক উদ্ভাবন, তাই প্রতিটি ক্ষেত্রেই এটি একটি ভুল ধারণা বা প্রেক্ষাপট। এর ওপর ভিত্তি করে একটি বদ্ধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয় যা যারা এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে তাদের বাকি বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। সব মানুষই কোনো না কোনোভাবে এক ধরনের ডায়ালেকটিকের মধ্যে আটকা পড়ে থাকে, তা সে আর্জেন্টিনা হোক বা জাপান। ফলে প্রতিটি দলই পঙ্গু হয়ে যায়। প্রত্যেকে একটি ডায়ালেকটিক মেঘের মধ্যে যোগাযোগহীন অবস্থায় বন্দি থাকে। এই কারণেই আমরা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ি এবং অত্যন্ত ভাসা ভাসা বিষয়ে গর্ববোধ করি। <br /> আমরা কি দেখতে পাচ্ছি না যে আমরা নিজেদের প্রকাশ করতে পারছি না? এটিই আমাদের পরাজিত করে। ** *দ্য অটোবায়োগ্রাফি অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫১), অধ্যায় ৫৪: "দ্য প্র্যাকটিস" * '''আমার প্রথম কবিতাটি ছিল আকস্মিক এক ঘটনা... এটি মোহভঙ্গ এবং আত্মঘাতী বিষণ্ণতার মন্ত্র ভেঙে দিয়েছিল। ... এটি আমাকে এক আত্মতৃপ্তিদায়ক আনন্দে পূর্ণ করেছিল।''' ** *দ্য অটোবায়োগ্রাফি অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫১) [ডাব্লিউ. ডাব্লিউ. নর্টন অ্যান্ড কোং, ১৯৬৭, <small>{{ISBN|978-0811202268}}</small>] * '''বাইরে অনেক বদমাশ আছে!''' ** মন্তব্য (আনুমানিক ১৯৫৭), [[Allen Ginsberg|অ্যালেন গিন্সবার্গের]] "ডেথ নিউজ" কবিতার ভূমিকায় উদ্ধৃত: *১৯৫৭ সালের দিকে ডাব্লিউ.সি.ডাব্লিউ.-এর সাথে দেখা করতে যান কবি [[Jack Kerouac|কেরুয়াক]], করসো ও [[w:Peter Orlovsky|অরলভস্কি]]। বসার ঘরের সোফায় বসে তারা কিছু বিজ্ঞ বাণী জানতে চাইলে, অসুস্থ উইলিয়ামস মেইন স্ট্রিটের জানালার পর্দার দিকে আঙুল তুলে বলেছিলেন: "বাইরে অনেক বদমাশ আছে!"* * আমি এটি পছন্দ করেছি কারণ এতে রচনার মূল অংশগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে। আমি একে ছোট করতে করতে একদম সংকুচিত করে এনেছি। একে আরও প্রাণবন্ত করতেই এভাবে চেপে ছোট করা হয়েছে। ** জন সি. থার্লওয়ালের সংগ্রহে থাকা *দ্য কালেক্টেড আর্লিয়ার পোয়েমস* (আনুমানিক ১৯৫৮) বইটিতে "চিকরি অ্যান্ড ডেইজিস" (১৯১৫) কবিতার ওপর টিকা * '''আমি মনে করতাম আমার বন্ধুরা মহামূর্খ, কারণ তারা তাদের জীবন পরিচালনা করার এর চেয়ে ভালো কোনো পথ জানত না। তবুও তারা আমার চেয়ে কোনো না কোনো আদর্শ বা কোড আরও ভালোভাবে মেনে চলত। আমি নিজেও তা মানতে চেয়েছিলাম কিন্তু পারিনি, তাই আমি আমার কবিতা লিখেছি।''' ** জন সি. থার্লওয়ালের সংগ্রহে থাকা *দ্য কালেক্টেড আর্লিয়ার পোয়েমস* (আনুমানিক ১৯৫৮) বইটিতে টিকা * আজকাল কবিতার শিল্প রূপটি কিছুটা অস্থির; কিন্তু অন্তত কবিতার গঠনটি অর্থবহ হওয়া উচিত যেন আপনি জানেন আপনি কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন। '''অনেক প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি। আমাদের কবিরা ভুল হতে পারেন; কিন্তু নিজের প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে দৃষ্টির প্রসার ঘটানো ছাড়া আমাদের আর কী-ই বা করার আছে? যেন বারবার ব্যর্থ হওয়ার মাধ্যমে আমরা অতীতে যা হারিয়েছি তা আরও ভালোভাবে শিখতে পারি।''' ** স্ট্যানলি কোহলারের সাথে সাক্ষাৎকার (এপ্রিল ১৯৬২), *দ্য প্যারিস রিভিউ: রাইটার্স অ্যাট ওয়ার্ক*, ৩য় সিরিজ, ভাইকিং পেঙ্গুইন, পৃষ্ঠা ২৯ <small> {{ISBN|0-14-00-4542-2}} </small> * একটি শিল্প মাধ্যম হওয়ায় কবিতা কোনো সীমাবদ্ধতা বা নির্দেশনামূলক নীতি ছাড়া "মুক্ত" হতে পারে না। ** *ফ্রি ভার্স। প্রিন্সটন এনসাইক্লোপিডিয়া অব পোয়েট্রি অ্যান্ড পোয়েটিক্স* ২য় সংস্করণ (১৯৭৫)-এ উদ্ধৃত ===''ম্যারেজ'' (১৯১৬) === * কতই না আলাদা, এই পুরুষ<br>আর এই নারী:<br>এক প্রান্তরের বুক চিরে<br>বয়ে চলা জলধারা। ** *পোয়েট্রি* (শিকাগো, ১৯১৬) === ''[[w:Al Que Quiere!|আল কো কিয়েরে!]]'' (১৯১৭) === [[File:Venus-pacific-levelled.jpg|thumb|right|<p>এটি এক অদ্ভুত সাহস <br> যা তুমি আমাকে দাও, হে প্রাচীন তারা:</p><p>সূর্যোদয়ের আলোয় একাকী জ্বলে ওঠো <br> যাতে তোমার কোনো অবদান নেই!</p>]] :<small>[[s:Al Que Quiere!|উইকিসোর্সে পূর্ণাঙ্গ টেক্সট]] </small> [[File:Lafosse, Charles de - Sunrise with the Chariot of Apollo - c. 1672.jpg|thumb|right|<p>স্বপ্নই আমাদের ধ্বংস করেছে। </p><p> ঘোড়া বা লাগাম ধরার মাঝে <br> এখন আর কোনো গর্ব নেই।</p>]] * '''তোমার ফুলগুলো তুলে ধরো <br> তিতকুটে ডাঁটার ডগায় <br> হে চিকরি!''' <br> দগ্ধ মাটি থেকে <br> তাদের উপরে তুলে ধরো! <br> কোনো পল্লব ধারণ করো না <br> বরং নিজেকে উজার করে দাও <br> কেবল ওটাতেই! <br> তোমাদের নিচ থেকে টান ধরুক <br> হে তিতকুটে ডাঁটা <br> যা কোনো পশু খায় না— <br> আর ধূসরতাকে তুচ্ছ করো! ** "চিকরি অ্যান্ড ডেইজিস" * '''পৃথিবী ফেটে চৌচির আর <br> কুঁচকে যায়; <br> বাতাস করুণ স্বরে বিলাপ করে; <br> তুমি যদি ব্যর্থ হও <br> তবে আকাশও নিভে যাবে।''' ** "চিকরি অ্যান্ড ডেইজিস" * <p>'''আজ আমি কেন লিখি?'''</p><p>'''আমাদের গুরুত্বহীন মানুষদের <br> সেই ভয়াবহ মুখগুলোর সৌন্দর্য <br> আমাকে লিখতে বাধ্য করে''':</p><p> কর্মজীবী কৃষ্ণাঙ্গ নারীরা— <br> বৃদ্ধ ও অভিজ্ঞ— <br> গোধূলিলগ্নে বাড়ি ফিরছে, <br> ত্যাজ্য পোশাকে ঢাকা <br> মুখগুলো যেন <br> পুরনো ফ্লোরেনটাইন ওক কাঠ।</p> ** "[[s:Apology (Williams)|অ্যাপোলজি]]" * তোমাদের মুখের সেই কৃত্রিম ভঙ্গি <br> আমাকে নাড়া দেয়— <br> হে বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দ— <br> তবে <br> একইভাবে নয়। ** "অ্যাপোলজি" * <p>'''আমি এখানে শুয়ে তোমার কথা ভাবছি:—'''</p><p>'''প্রেমের দাগ <br> সারা বিশ্বে লেগে আছে!'''</p> ** "লাভ সং" * <p>'''এটি এক অদ্ভুত সাহস <br> যা তুমি আমাকে দাও, হে প্রাচীন তারা:'''</p><p>'''সূর্যোদয়ের আলোয় একাকী জ্বলে ওঠো <br> যাতে তোমার কোনো অবদান নেই!'''</p> ** "এল হোমব্রে" * <p>ভাই! <br> — আমরা যদি ধনী হতাম <br> তবে বুক চিতিয়ে <br> মাথা উঁচু করে চলতাম! </p><p> '''স্বপ্নই আমাদের ধ্বংস করেছে।'''</p><p>'''ঘোড়া বা লাগাম ধরার মাঝে <br> এখন আর কোনো গর্ব নেই।'''</p><p> আমরা কুঁজো হয়ে বসে <br> নিজেদের ভাগ্য নিয়ে ভাবি। </p><p> '''যাই হোক— <br> সব কিছুই শেষ পর্যন্ত তিক্ত হয়ে যায় <br> আপনি ডানে যান বা <br> বামে <br> &nbsp; &nbsp; এবং— <br> স্বপ্ন দেখা খুব খারাপ কিছু নয়।'''</p> ** "লিবেরতাদ! ইগুয়ালিদাদ! ফ্রাতেরনিদাদ!" * কে বলবে যে আমি <br> আমার গৃহের এক সুখী প্রতিভা নই? ** "দানস রুস" === ''[[w:Spring and All|স্প্রিং অ্যান্ড অল]]'' (১৯২৩) === [[File:Wild Carrot seedheads, Dayton, Ohio.jpg|thumb|right|দেখতে প্রাণহীন, মন্থর <br> বিভ্রান্ত বসন্ত এগিয়ে আসে— <br> তারা নগ্ন হয়ে নতুন পৃথিবীতে প্রবেশ করে, <br> শীতল ও অনিশ্চিত সবকিছু নিয়ে <br> কেবল এইটুকু নিশ্চিত যে তারা প্রবেশ করছে। তাদের চারপাশে <br> সেই পরিচিত হিমেল হাওয়া...]] [[File:N2 Queen Anne's Lace.jpg|thumb|right|তবুও, সেই গভীর পরিবর্তন <br> তাদের ওপর এসেছে: শিকড় গেড়ে <br> তারা শক্ত হয়ে বসে এবং জাগতে শুরু করে।]] * <p>'''অনেক কিছুই নির্ভর করে <br> একটি'''</p><p>'''লাল চাকাওয়ালা <br> ঠেলার গাড়ির ওপর'''</p><p>'''যা বৃষ্টির জলে <br> চকচক করছে'''</p><p>'''সাদা মুরগিগুলোর <br> পাশে'''</p> ** "দ্য রেড হুইলব্যারো" * সংক্রামক হাসপাতালের রাস্তার ধারে <br> উত্তর-পূর্ব দিক থেকে আসা <br> নীল ছোপানো মেঘের ভিড়ের নিচে— <br> এক হিমেল হাওয়া। ** "স্প্রিং অ্যান্ড অল" * <p>'''দেখতে প্রাণহীন, মন্থর <br> বিভ্রান্ত বসন্ত এগিয়ে আসে— <br> তারা নগ্ন হয়ে নতুন পৃথিবীতে প্রবেশ করে, <br> শীতল ও অনিশ্চিত সবকিছু নিয়ে <br> কেবল এইটুকু নিশ্চিত যে তারা প্রবেশ করছে।''' তাদের চারপাশে <br> সেই পরিচিত হিমেল হাওয়া—</p><p> এখন ঘাস, কাল হবে <br> বুনো গাজর পাতার শক্ত কুঞ্চন— <br> একে একে সব বস্তু স্পষ্ট হয়ে ওঠে— <br> এটি প্রাণ পায়: স্পষ্টতা, পাতার রূপরেখা। </p><p> কিন্তু এখন প্রবেশের সেই কঠোর গাম্ভীর্য— '''তবুও সেই গভীর পরিবর্তন <br> তাদের ওপর এসেছে: শিকড় গেড়ে <br> তারা শক্ত হয়ে বসে এবং জাগতে শুরু করে।'''</p> ** "স্প্রিং অ্যান্ড অল" * আমেরিকার বিশুদ্ধ পণ্যগুলো <br> পাগল হয়ে যায়— ** "টু এলসি" === ''[[w:Sour Grapes (book)|সাওয়ার গ্রেপস]]'' (১৯২১) === * বৃষ্টি আর <br> আলোর মাঝে <br> আমি সোনালি রঙের <br> ৫ সংখ্যাটি দেখলাম <br> একটি লাল <br> দমকলের গাড়ির ওপর <br> যা ছুটছে <br> টানটান উত্তেজনায় <br> অবহেলিতভাবে <br> ঘণ্টার শব্দে <br> সাইরেনের আর্তনাদে <br> আর অন্ধকার শহরের বুক চিরে <br> চাকার ঘড়ঘড়ানিতে। ** "দ্য গ্রেট ফিগার" * বার্ধক্য হলো <br> ছোট কিচিরমিচির করা <br> পাখির এক ঝাঁক উড্ডয়ন <br> যা বরফ ঢাকা মাঠের ওপর <br> ন্যাড়া গাছগুলোকে <br> ছুঁয়ে যায়। <br> জয় আর পরাজয়ের মাঝে <br> তারা অন্ধকার বাতাসে <br> বাধা পায়— <br> কিন্তু তাতে কী? <br> রুক্ষ আগাছার ডাঁটায় <br> পাখির ঝাঁকটি বিশ্রাম নিয়েছে— <br> বরফ আজ <br> ঢাকা পড়েছে <br> ভাঙা বীজের <br> খোসায় <br> আর বাতাসের তীব্রতা কমেছে <br> প্রাচুর্যের এক সুতীক্ষ্ণ <br> বাঁশির সুরে। ** "টু অ্যাওয়েকেন অ্যান ওল্ড লেডি"; মূলত *দ্য ডায়াল*-এ প্রকাশিত (আগস্ট ১৯২০) === ''কালেক্টেড পোয়েমস ১৯২১-১৯৩১'' (১৯৩৪) === [[File:Bluebyrd plum.jpg|thumb|right|আমায় ক্ষমা করো <br> ওগুলো খুব সুস্বাদু ছিল <br> অনেক মিষ্টি <br> আর অনেক ঠাণ্ডা]] * <p>'''আমি সেই <br> আলুবোখারাগুলো <br> খেয়ে ফেলেছি <br> যা আইসবক্সে ছিল'''</p><p> এবং যা <br> সম্ভবত আপনি <br> সকালের নাস্তার জন্য <br> জমিয়ে রেখেছিলেন</p><p> '''আমায় ক্ষমা করো <br> ওগুলো খুব সুস্বাদু ছিল <br> অনেক মিষ্টি <br> আর অনেক ঠাণ্ডা'''</p> ** "দিস ইজ জাস্ট টু সে" * সে মানুষটির ভেতর থেকে বেরিয়ে এসেছে <br> আর সে মানুষটিকে <br> যেতে দিয়েছে— <br> :::সেই মিথ্যাবাদী <br> মৃত <br> ::তার চোখ জোড়া <br> :আলো থেকে উপরে উল্টে গেছে— এক উপহাস <br> :::::যাকে <br> :<p>ভালোবাসা স্পর্শ করতে পারে না— </p><p> কেবল একে মাটি চাপা দাও <br> আর লজ্জায় মুখ লুকিয়ে রাখো। </p> ** "ডেথ" * উচ্চ মানসিকতা সম্পন্ন <br> এবং নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষকরা তোমার বিষয়টি পর্যালোচনা করেছেন (অভিশাপ তাদের ওপর!)— <br> তারা হলেন একটি বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি, <br> একটি নামকরা কারিগরি স্কুলের সভাপতি এবং এক বিচারক যিনি বেঞ্চে বসার জন্য বড্ড বুড়ো। এরা এমন মানুষ যারা শিক্ষাদান এবং যথেচ্ছ আইন প্রয়োগের জন্য আগে থেকেই পুরস্কৃত। সহজ কথায়— <br> ঐতিহ্যের দালালের দল— ** "ইমপ্রম্পটু: দ্য সাকারস" * এটাই তোমার প্রাপ্য। তোমার কাছে টাকা আছে, <br> তোমার কিসের চিন্তা? তোমার <br> হারানোর কিছু নেই। তোমরা এক মহান <br> ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী। আমার দেশ ঠিক হোক বা ভুল! <br> তোমাকে যা করতে বলা হয় তুমি তাই করো। <br> তুমি টমি জেফ, বেন ফ্রাঙ্ক বা জর্জি ওয়াশিং-এর মতো <br> মুখে মুখে উত্তর দাও না। আমি তো বলবই <br> তোমরা দাও না। তোমরা সভ্য। তোমরা <br> তোমাদের ওপরওয়ালাদের কথা মেনে নাও। <br> চালিয়ে যাও— ** "ইমপ্রম্পটু: দ্য সাকারস" === ''[[w:An Early Martyr and Other Poems|অ্যান আর্লি মার্টার অ্যান্ড আদার পোয়েমস]]'' (১৯৩৫) === [[File:Johannisbrotbaum bluete.jpg|thumb|right|সবুজ শক্ত পুরনো উজ্জ্বল ভাঙা ডালপালার মাঝে আবার ফিরে এলো সাদা মিষ্টি মে মাস]] * <p>মাঝে <br> এর <br> সবুজ </p><p> শক্ত <br> পুরনো <br> উজ্জ্বল </p><p> ভাঙা <br> ডাল <br> এলো </p><p> সাদা <br> মিষ্টি <br> মে </p><p> আবারও</p> ** "দ্য লোকাস্ট ট্রি ইন ফ্লাওয়ার" === ''কমপ্লিট কালেক্টেড পোয়েমস'' (১৯৩৮) === * <p>এই সেই </p><p>নির্জন অন্ধকার সপ্তাহগুলো <br> যখন প্রকৃতির এই রিক্ততা <br> মানুষের বোকামির সমান হয়ে দাঁড়ায়।</p><p> বছরটি রাত্রির অন্ধকারে তলিয়ে যায় <br> আর হৃদয় তলিয়ে যায় <br> রাত্রির চেয়েও গভীরে</p> ** "দিস" === ''দ্য ওয়েজ'' (১৯৪৪) === [[File:Aerial view of the Japanese aircraft carrier Sōryū evading an air attack on 4 June 1942 (fsa.8e00397).jpg |thumb|right|আজকের বিশ্বে যুদ্ধই প্রথম এবং একমাত্র বিষয়।]] [[File:Missouri-flyover.jpg |thumb|right|গদ্য জাহাজের মতো অস্পষ্ট বিষয়ের বোঝা বহন করতে পারে। কিন্তু কবিতা হলো সেই ইঞ্জিন যা একে চালায়, একে ছেঁটে একদম নিখুঁত করে তোলা হয়েছে।]] [[File:Micranthes tolmiei 21979.jpg|thumb|right|সাক্সিফ্রেজ হলো আমার সেই ফুল যা পাথর চিরে বেরিয়ে আসে।]] * '''আজকের বিশ্বে যুদ্ধই প্রথম এবং একমাত্র বিষয়।''' <br> সাধারণভাবে শিল্পকলা কোনো মুখ্য বিষয় নয়, আর এই লেখালেখিও যুদ্ধ থেকে মুক্তি পাওয়ার কোনো মাধ্যম নয়। এটি যুদ্ধ বা এরই একটি অংশ, রণক্ষেত্রের ভিন্ন একটি ক্ষেত্র মাত্র। ** [http://www.poetryfoundation.org/learning/essay/237888 ভূমিকা] * কে আজ হতাশ নয় এবং নিজের কাজের মাধ্যমে তা প্রমাণ করে না—যদি আপনি বলতে চান? কিন্তু '''শিল্পের মাধ্যমে মানসিকভাবে পঙ্গু একজন মানুষও তার সময়ের সবচেয়ে বিশিষ্ট ব্যক্তি হয়ে উঠতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ [[Sigmund Freud|সিগমুন্ড ফ্রয়েডের]] কথা ধরুন।''' ** ভূমিকা * '''একজন মানুষ কোনো স্থির পাথরখণ্ড নয় যে সবসময় এক জায়গায় থাকবে, যদিও মনোবিজ্ঞানীরা তার সাথে তেমন আচরণই করেন—এবং বেশিরভাগ মানুষই তা বিশ্বাস করার মাঝে এক ধরনের উন্মাদনাপূর্ণ গর্ববোধ করে।''' একঘেয়েমি! সে বদলে যায়; আজ হ্যামলেট তো কাল [[Julius Caesar (play)|সিজার]]; এখানে, সেখানে, কোথাও না কোথাও—যদি সে তার মানসিক সুস্থতা ধরে রাখতে চায়, আর সমস্যাই বা কোথায়? <br> '''সমাজের সাথে শিল্পের সম্পর্ক অত্যন্ত জটিল। কবি কোনো অপরিবর্তনীয় ঘটনা নন, এমনকি তার কাজও নয়।''' ** ভূমিকা * একটি যন্ত্রের মধ্যে আবেগপ্রবণ কিছু নেই; এবং: একটি কবিতা হলো শব্দের তৈরি ছোট (বা বড়) একটি যন্ত্র। ** ভূমিকা * '''গদ্য জাহাজের মতো অস্পষ্ট বিষয়ের বোঝা বহন করতে পারে। কিন্তু কবিতা হলো সেই ইঞ্জিন যা একে চালায়, একে ছেঁটে একদম নিখুঁত করে তোলা হয়েছে।''' ** ভূমিকা * '''প্রতিটি ভাষার নিজস্ব চরিত্র রয়েছে। এর মাধ্যমে তৈরি কবিতা তার অন্তর্নিহিত গঠন বা সেই ভাষার নিজস্ব রূপ ধারণ করবে।''' এর ফল হলো সৌন্দর্য, যা কোনো একটি জিনিসের মধ্যে আমাদের ভালোমন্দের জটিল অনুভূতিগুলো মীমাংসা করে দেয়। ** ভূমিকা * একজন মানুষ যখন কবিতা তৈরি করেন, মনে রাখবেন 'তৈরি করেন', তিনি তার চারপাশের শব্দগুলোকে বেছে নেন এবং কোনো বিকৃতি ছাড়াই সেগুলোকে সাজান। এর ফলে তার উপলব্ধি ও আবেগের এক তীব্র বহিঃপ্রকাশ ঘটে যা তার ব্যবহৃত ভাষায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। '''শিল্প হিসেবে তিনি কী 'বলছেন' তা বড় কথা নয়, বরং তিনি কী 'তৈরি করছেন' সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। এর উপলব্ধির তীব্রতা এত বেশি যে এটি তার নিজস্ব গতির মাধ্যমে তার সত্যতা প্রমাণ করে।''' ** ভূমিকা * আঙ্গিকগত উদ্ভাবন ছাড়া কোনো কালজয়ী কবিতা সম্ভব নয়। কারণ শিল্পের এই নিবিড় রূপের মাধ্যমেই তা সঠিক অর্থ খুঁজে পায়। এদিক থেকেই এটি যন্ত্রের সাথে সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ। এটি ভাষাকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দেয় এবং যে পরিবেশে এর জন্ম সেখানে আলো ছড়ায়। '''শিল্প যে যুদ্ধ নিয়ে বেঁচে থাকে এবং নিঃশ্বাস নেয়, তা অবিরাম।''' <br> হতে পারে আমার এখানে প্রকাশ করা আগ্রহগুলো শিল্পের আগের পর্যায়ের। '''যদি তাই হয়, তবে আমি এই পথেই উন্নয়ন খুঁজছি এবং অন্য কিছুতে আমি সন্তুষ্ট হব না।''' ** ভূমিকা * '''সাপটিকে তার আগাছার নিচে <br> অপেক্ষা করতে দাও <br> আর লেখাগুলো হোক <br> শব্দের—মন্থর ও দ্রুত, তীক্ষ্ণ <br> আঘাত হানতে পটু, অপেক্ষায় শান্ত, <br> নির্ঘুম।''' <br> — রূপকের মাধ্যমে মানুষ <br> আর পাথরের মধ্যে মিলন ঘটাও। <br> রচনা করো। (জিনিসের মধ্যেই <br> ধারণা নিহিত থাকে) উদ্ভাবন করো! <br> '''[[w:Saxifraga|সাক্সিফ্রেজ]] হলো আমার সেই ফুল যা পাথর <br> চিরে বেরিয়ে আসে।''' ** "এ সর্ট অব এ সং" === ''কালেক্টেড লেটার পোয়েমস'' (১৯৫০) === [[File:Adenium boehmianum.jpg|thumb|right|ভালোবাসা নিজেই একটি ফুল <br> যার শিকড় থাকে দগ্ধ মাটিতে।]] * '''এখন নয়। ভালোবাসা নিজেই একটি ফুল <br> যার শিকড় থাকে দগ্ধ মাটিতে।''' <br> শূন্য পকেট মানে শূন্য মগজ। <br> পারলে এর চিকিৎসা করো কিন্তু <br> বিশ্বাস করো না যে আমরা আজ <br> গ্রামে থাকতে পারব, কারণ গ্রাম <br> আমাদের কোনো শান্তি <br> &nbsp; &nbsp; দেবে না। ** "র‍্যালে ওয়াজ রাইট" (১৯৪০) === ''[[w:The Desert Music and Other Poems|দ্য ডেজার্ট মিউজিক অ্যান্ড আদার পোয়েমস]]'' (১৯৫৪) === [[File:AzaraxshTaleghan.gif|thumb|right|[[René Char|রেনে চার]] <br> তুমি এমন এক কবি যে বিশ্বাস করো <br> সৌন্দর্যের শক্তিতে <br> যা সব ভুল শুধরে দিতে পারে। <br> আমিও তা বিশ্বাস করি।]] * '''আমি [[René Char|রেনে চারের]] <br> কবিতার কথা ভাবি <br> এবং তিনি যা কিছু দেখেছেন <br> ও সহ্য করেছেন তার কথা ভাবি। এই অভিজ্ঞতাই তাকে বাধ্য করেছে <br> কেবল শেওলাধরা নদী, <br> ড্যাফোডিল আর টিউলিপের কথা বলতে <br> যাদের শিকড়ে পানি জমে আছে।''' এমনকি সেই প্রবহমান নদীর কথা যা <br> সেই মিষ্টি সুগন্ধি ফুলের শিকড় ধুয়ে দেয় <br> যা ছায়াপথকে <br> সমৃদ্ধ করে। ** "টু এ ডগ ইনজার্ড ইন দ্য স্ট্রিট" * রাস্তার পাশে মরণাপন্ন এক কুকুরের আর্তনাদ <br> আমাকে যতটুকু সম্ভব ভুলিয়ে দিতে হবে। <br> '''রেনে চার, <br> তুমি এমন এক কবি যে বিশ্বাস করো <br> সৌন্দর্যের শক্তিতে <br> যা সব ভুল শুধরে দিতে পারে। <br> আমিও তা বিশ্বাস করি। <br> উদ্ভাবন আর সাহসের মাধ্যমে <br> আমরা সেই সব অসহায় নির্বাক প্রাণীদের ছাড়িয়ে যাব। <br> সব মানুষ যেন এটি বিশ্বাস করে, <br> যেমনটা তুমি আমাকে বিশ্বাস করতে <br> শিখিয়েছ।''' ** "টু এ ডগ ইনজার্ড ইন দ্য স্ট্রিট" === ''[[w:Journey to Love (William Carlos Williams)|জার্নি টু লাভ]]'' (১৯৫৫) === ==== অ্যাসফোডেল, দ্যাট গ্রিনি ফ্লাওয়ার ==== [[File:Asphodelus albus3.jpg|thumb|right|আমরা দীর্ঘ সময় একসাথে ছিলাম, <br> একটি জীবন পূর্ণ ছিল, <br> আপনি যদি চান তবে বলতে পারেন, <br> ফুলে ফুলে।]] [[File:Shelfcloud.jpg|thumb|right|এমন কিছু আছে <br> জরুরি কিছু <br> যা আমাকে কেবল তোমাকেই <br> বলতে হবে। <br> কিন্তু তাকে অপেক্ষা করতে দাও <br> ততক্ষণ আমি তোমার আগমনের <br> আনন্দ উপভোগ করি, <br> হয়তো শেষবারের মতো।]] * অ্যাসফোডেল, সেই সবুজ ফুলটি, <br> :::হলুদ বাটারকাপের মতো <br> :::::এর ডালপালার ওপর— <br> :কেবল ওটি সবুজ আর কাঠের মতো— <br> :::আমি আসছি, প্রিয়তমা, <br> :::::তোমার জন্য গান গাইতে। <br> :'''আমরা দীর্ঘ সময় একসাথে ছিলাম,''' <br> :::'''একটি জীবন পূর্ণ ছিল,''' <br> :::::'''আপনি যদি চান তবে বলতে পারেন,''' <br> :'''ফুলে ফুলে।''' তাই <br> :::আমি আনন্দিত হয়েছিলাম <br> :::::যখন প্রথম জানতে পারলাম <br> :যে নরকেও <br> :::ফুল আছে। <br> :::::আজ <br> :আমি সেই সব ফুলের ফিকে হয়ে আসা স্মৃতিতে আচ্ছন্ন <br> :::যা আমরা দুজনেই ভালোবাসতাম, <br> :::::এমনকি এই তুচ্ছ <br> :বর্ণহীন ফুলটিও— <br> :::আমি এটি দেখেছিলাম <br> :::::যখন আমি শিশু ছিলাম— <br> :জীবিতদের কাছে যার তেমন কোনো কদর নেই <br> :::কিন্তু মৃতরা দেখে, <br> :::::নিজেদের মধ্যে প্রশ্ন করে: <br> :আমার কী মনে পড়ছে <br> :::যার গঠন <br> :::::ঠিক এটার মতো? :যখন আমাদের চোখ <br> :::অশ্রুতে ভিজে যায়। :::::ভালোবাসা, চিরস্থায়ী ভালোবাসার কথা :এটি বলবে :::যদিও লাল রঙের বড়ই অভাব :::::এতে লেগে আছে :একে পুরোপুরি বিশ্বাসযোগ্য করতে। :::'''এমন কিছু আছে''' :::::'''জরুরি কিছু''' :'''যা আমাকে কেবল তোমাকেই''' :::'''বলতে হবে''' :::::'''কিন্তু তাকে অপেক্ষা করতে দাও''' :'''ততক্ষণ আমি তোমার আগমনের''' :::'''আনন্দ উপভোগ করি,''' :::::'''হয়তো শেষবারের মতো।''' :আর তাই :::হৃদয়ে ভয় নিয়ে :::::আমি কথা চালিয়ে যাচ্ছি :একনাগাড়ে বলে যাচ্ছি :::কারণ আমি থামতে সাহস পাচ্ছি না। [[File:Sliven-thracianlowlands-dinev-flickr.jpg|thumb|right|অফুরন্ত সম্পদ, <br> আমি ভেবেছিলাম, <br> আমার দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।]] * কেবল আমাকে সময় দাও, :::কথা বলার আগে :::::সব মনে করার সময় দাও। :আমাকে সময় দাও, :::সময়। :আমি যখন ছোট ছিলাম :::আমি একটি বই রাখতাম :::::যেখানে মাঝে মাঝে :আমি শুকনো ফুল রাখতাম :::যতক্ষণ না অনেকদিন পর :::::আমার কাছে একটি বড় সংগ্রহ হলো। :অ্যাসফোডেল ফুলটিও, :::পূর্বাভাস হিসেবেই, :::::তাদের মধ্যে ছিল। :আমি তোমার কাছে নিয়ে এসেছি, :::নতুন করে জাগিয়ে তোলা, :::::সেই সব ফুলের স্মৃতি। :সেগুলো অনেক মিষ্টি ছিল :::যখন আমি তাদের বইয়ে চেপে রাখতাম :::::এবং দীর্ঘ সময় ধরে :তারা তাদের সুবাস ধরে রেখেছিল। :::'''এটি এক অদ্ভুত গন্ধ,''' :::::'''এক নৈতিক গন্ধ,''' :'''যা আমাকে তোমার''' :::'''কাছে নিয়ে আসে।''' [[File:Cloud in the sunlight.jpg|thumb|right|পুরো পৃথিবী <br> আমার বাগান হয়ে উঠল! <br> কিন্তু সমুদ্র <br> যার কেউ যত্ন নেয় না <br> সেটিও একটি বাগান <br> যখন সূর্যের আলো তার ওপর পড়ে <br> আর ঢেউগুলো <br> জেগে ওঠে।]] [[File:Sunrise on the Beach.jpg|thumb|right|আমি তা দেখেছি <br> আর তুমিও দেখেছ <br> যখন এটি সব ফুলের <br> সৌন্দর্যকে মলিন করে দেয়।]] * '''অফুরন্ত সম্পদ,''' :::'''আমি ভেবেছিলাম,''' :::::'''আমার দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।''' :আপেল ফুলের মাঝে :::হাজারো গ্রীষ্মমন্ডলীয় দেশ। :::::এই উদার পৃথিবী নিজেই :আমাদের অনুমতি দিয়েছে। :::পুরো পৃথিবী :::::আমার বাগান হয়ে উঠল! :কিন্তু সমুদ্র :::যার কেউ যত্ন নেয় না :::::সেটিও একটি বাগান :যখন সূর্যের আলো তার ওপর পড়ে :::আর ঢেউগুলো :::::জেগে ওঠে। :'''আমি তা দেখেছি''' :::'''আর তুমিও দেখেছ''' :::::'''যখন এটি সব ফুলের''' :'''সৌন্দর্যকে মলিন করে দেয়।''' [[File:Lightning storm over the Caribbean.jpg|thumb|right|ঝড় দানা বাঁধছে।]] [[File:Blitze IMGP6376 wp.jpg|thumb|right|এটি এমন একটি ফুল <br> যা শীঘ্রই তার প্রস্ফুটনের <br> চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছাবে।]] * '''আমি বলতে পারি না''' :::'''যে তোমার ভালোবাসার জন্য''' :::::'''আমি নরকে গেছি''' :'''কিন্তু প্রায়ই''' :::'''তোমার পিছু ধাওয়া করতে গিয়ে''' :::::'''নিজেকে সেখানে আবিষ্কার করেছি।''' :আমি এটি পছন্দ করি না :::এবং স্বর্গে থাকতে চেয়েছিলাম। :::::আমার কথা শোনো। :মুখ ফিরিয়ে নিও না। :আমি আমার জীবনে অনেক কিছু শিখেছি :::বই থেকে :::::আর বইয়ের বাইরে থেকেও :ভালোবাসা সম্পর্কে। :::'''মৃত্যুই''' :::::'''এর শেষ নয়।''' [[File:Lightning 1.jpg|thumb|right|ঝড় আছড়ে পড়ছে <br> অথবা মিলিয়ে যাচ্ছে! এটি <br> বিশ্বের শেষ নয়।]] * '''ঝড় দানা বাঁধছে।''' :::বিদ্যুৎ :::::মেঘের কিনারা দিয়ে খেলা করছে। :উত্তরের আকাশটি :::শান্ত, :::::গোধূলির আলোয় নীল হয়ে আছে :ঝড় ঘনীভূত হওয়ার সাথে সাথে। :::এটি এমন একটি ফুল :::::যা শীঘ্রই তার প্রস্ফুটনের :চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছাবে। [[File:Ilya Repin-What freedom!.jpg|thumb|right|ভালোবাসা অন্য কিছু...]] * যখন আমি ফুলের কথা :::বলি :::::তখন আসলে মনে করার চেষ্টা করি :যে এক সময় :::আমরা তরুণ ছিলাম। :::::'''সব নারী হেলেন নয়,''' :::'''আমি জানি তা,''' :'''কিন্তু তাদের হৃদয়ে হেলেন থাকে।''' :::প্রিয়তমা, :::::তোমার হৃদয়েও তা আছে, আর সেই কারণেই :আমি তোমাকে ভালোবাসি :::আর অন্যভাবে তোমাকে ভালোবাসা আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না। [[File:The Flood, by Paul Merwart.jpg|thumb|right|এটি ছিল ভালোবাসার প্রতি ভালোবাসা, <br> সেই ভালোবাসা যা অন্য সবকিছুকে গ্রাস করে... এমন এক ভালোবাসা যা <br> নম্রতা ও উদারতা তৈরি করে <br> যা আমাকে আলোড়িত করেছিল <br> এবং যা আমি তোমার মধ্যে দেখেছি।]] [[File:Double-alaskan-rainbow.jpg|thumb|right|আমার হৃদয় জেগে ওঠে <br> তোমার কাছে এমন কিছুর খবর নিয়ে আসার কথা ভেবে <br> যা তোমার সাথে সম্পর্কিত <br> এবং অনেক মানুষের সাথে সম্পর্কিত...]] * '''ঝড় আছড়ে পড়ছে''' :::::'''অথবা মিলিয়ে যাচ্ছে! এটি''' :'''বিশ্বের শেষ নয়।''' :::ভালোবাসা অন্য কিছু, :::::অথবা আমি তেমনটিই ভেবেছিলাম, :একটি বাগান যা বিস্তৃত হয়, :::যদিও আমি তোমাকে একজন নারী হিসেবেই চিনতাম :::::এবং অন্য কিছু ভাবিনি, :যতক্ষণ না পুরো সমুদ্র :::আর তার বাগানগুলোকে :::::এর ভেতরে নিয়ে নেওয়া হয়। :'''এটি ছিল ভালোবাসার প্রতি ভালোবাসা,''' :::'''সেই ভালোবাসা যা অন্য সবকিছুকে গ্রাস করে''', :::::'''এক কৃতজ্ঞ ভালোবাসা,''' :'''প্রকৃতির প্রতি, মানুষের প্রতি,''' :::'''প্রাণীদের প্রতি,''' :::::'''এমন এক ভালোবাসা যা তৈরি করে''' :'''নম্রতা ও উদারতা''' :::'''যা আমাকে আলোড়িত করেছিল''' :::::'''এবং যা আমি তোমার মধ্যে দেখেছি।''' [[File:Harpe de lumiere.jpg|thumb|right|দেখুন <br> কোন জিনিসটি নতুন বলে চালানো হচ্ছে। <br> আপনি সেখানে তা পাবেন না, বরং পাবেন <br> অবহেলিত কবিতার মাঝে।]] * আমি আসছি, প্রিয়তমা, :::::তোমার জন্য গান গাইতে! :আমার হৃদয় জেগে ওঠে :::তোমাকে এমন কিছুর খবর দেওয়ার কথা ভেবে :::::যা তোমার সাথে সম্পর্কিত :এবং অনেক মানুষের সাথে সম্পর্কিত। '''দেখুন''' :::::'''কোন জিনিসটি নতুন বলে চালানো হচ্ছে।''' :'''আপনি সেখানে তা পাবেন না, বরং পাবেন''' :::'''অবহেলিত কবিতার মাঝে।''' * &nbsp; &nbsp; '''কবিতা থেকে খবর পাওয়া''' <br> ::'''কঠিন ঠিকই''' <br> ::::'''তবুও প্রতিদিন মানুষ শোচনীয়ভাবে মরছে''' <br> ::::::'''কবিতার মাঝে যা পাওয়া যায়''' <br> :'''তার অভাবে।'''``` ==উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস সম্পর্কিত উক্তি== * আমেরিকানদের কাছে নেটিভ আমেরিকান সাহিত্য গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত। একে কেবল আমেরিকান অতীতের কোনো প্রত্নবস্তু বা কিউরিও হিসেবে দেখা ঠিক নয় যার বর্তমান বা ভবিষ্যতের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। বরং এটি একটি প্রধান ঐতিহ্য যা [[Cotton Mather|কটন ম্যাথার]] ও [[Nathaniel Hawthorne|নাথানিয়েল হথর্ন]] থেকে শুরু করে [[Walt Whitman|ওয়াল্ট হুইটম্যান]], [[William Carlos Williams|উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] ও [[William Faulkner|উইলিয়াম ফকনার]] হয়ে [[Adrienne Rich|অ্যাড্রিয়েন রিচ]], [[Toni Cade Bambara|টনি কেড বামবারা]] এবং [[Judy Grahn|জুডি গ্রান]] পর্যন্ত সকল লেখককে পথ দেখায়। ** [[Paula Gunn Allen|পলা গান অ্যালেন]], *দ্য স্যাক্রেড হুপ: রিকভারিং দ্য ফেমিনাইন ইন আমেরিকান ইন্ডিয়ান ট্র্যাডিশনস* (১৯৮৬) * [[Writing|লেখালেখিও]] একটি সম্মানজনক পেশা। যারা আগে এই পেশায় ছিলেন, তারা একে সম্মানিত করেছেন। আপনি পছন্দ করুন বা না করুন, প্রতিবার কলম হাতে নেওয়ার সময় আপনাকে সেই একই শূন্য কাগজের মুখোমুখি হতে হয় যা [[Milton|মিল্টন]], [[Melville|মেলভিল]], [[Emily Bronte|এমিলি ব্রন্টি]], [[Dostoevsky|দস্তয়েভস্কি]], [[George Eliot|জর্জ এলিয়ট]], [[George Orwell|জর্জ অরওয়েল]], [[William Faulkner|উইলিয়াম ফকনার]], [[Virginia Woolf|ভার্জিনিয়া উলফ]], উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস এবং আধুনিক নায়ক [[Gabriel Garcia Marquez|গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের]] সামনেও ছিল। ** [[Margaret Atwood|মার্গারেট অ্যাটউড]], "অ্যান এন্ড টু অডিয়েন্স?" (১৯৮০), *সেকেন্ড ওয়ার্ডস: সিলেক্টেড ক্রিটিক্যাল প্রোজ*-এ সংকলিত * উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস তার একটি কবিতায় লিখেছেন যে "ধ্বংস এবং সৃষ্টি সমসাময়িক।" [[Picasso|পিকাসোও]] অনেকটা একই কথা বলেছিলেন। উইলিয়ামসের কাছে এটি ছিল আধুনিক ধারাকে বা অ্যাভান্ট-গার্ডকে পৌরাণিক রূপ দেওয়ার একটি পথ। আপনার সৃজন করতে হলে ধ্বংস করতে হবে। ** টনি বার্নস্টোন, *কনভারসেশনস উইথ [[Bharati Mukherjee|ভারতী মুখার্জি]]*, ব্র্যাডলি সি. এডওয়ার্ডস সম্পাদিত (২০০৯) * আমার শুরুর দিকের পরিচয় ও প্রেমের কবিতাগুলো এজরা পাউন্ড এবং উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের চিত্রকল্পবাদ বা ইমেজবাদ দ্বারা প্রভাবিত ছিল। ** [[Marilyn Chin|মেরিলিন চিন]], *এ পোর্ট্রেট অফ দ্য সেলফ অ্যাজ নেশন: নিউ অ্যান্ড সিলেক্টেড পোয়েমস*-এর ভূমিকা (২০১৮) * যখন আমি [[Virginia Woolf|ভার্জিনিয়া উলফের]] 'অরল্যান্ডো' বা উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের 'ইন দ্য আমেরিকান গ্রেইন' পড়ি, তখন আমার মনে হয় আমি যেন জীবন ও কাজের মাঝে আটকে গেছি বা মরে যাচ্ছি। এই বইগুলো পড়ার পর আমি আবারও গতি ফিরে পাই। আমি অন্যদের জন্য এই কাজটি করতে পারি বলে ভালো লাগে। ** ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত *কনভারসেশনস উইথ [[Maxine Hong Kingston|ম্যাক্সিন হং কিংস্টন]]*-এ সংকলিত ১৯৮৯ সালের সাক্ষাৎকার * যখন আমি উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের 'ইন দ্য আমেরিকান গ্রেইন' পড়ছিলাম, তখন মনে হলো আমেরিকা সম্পর্কে এভাবেই লেখা উচিত। এটিই সঠিক ও পৌরাণিক ইতিহাস। আমি নিশ্চিত ছিলাম এর দ্বিতীয় খণ্ড বের হবে। তাই লাইব্রেরিতে প্রথম খণ্ডটি ফেরত দিয়ে দ্বিতীয় খণ্ডটি খুঁজতে লাগলাম। কিন্তু এর কোনো দ্বিতীয় খণ্ড নেই! তখনই আমি ভাবলাম আমাকেই এর দ্বিতীয় খণ্ডটি লিখতে হবে। তিনি যেহেতু করেননি, তাই আমাকেই তা করতে হবে। এভাবেই 'চায়না মেন' সৃষ্টি হলো। তারা রেলপথের স্টিলের বন্ধন দিয়ে এই দেশটিকে একসাথে বেঁধে রেখেছে। প্রথম দুটি বই শেষ করার পর আমি আমার ভেতরে আরও এক ধরনের চলতি ও সমসাময়িক আমেরিকান ভাষা খুঁজে পেলাম। আরেকটি অপূর্ণতা ছিল বিটনিকদের চলে যাওয়ার সময়কার বই পড়তে পারা। তারাই আমাদের ঠিক আগের প্রজন্মের পথপ্রদর্শক। ** ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত *কনভারসেশনস উইথ [[Maxine Hong Kingston|ম্যাক্সিন হং কিংস্টন]]*-এ সংকলিত ১৯৮৯ সালের সাক্ষাৎকার * ১৯২০-এর দশকে তিনি দুই আমেরিকার উপযুক্ত একটি বইয়ের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে একটি বিশাল আমেরিকান উপন্যাসের কথা ভাবছিলেন। উইলিয়ামস চেয়েছিলেন বইটি যেন এই দুই মহাদেশের বিশাল প্রেক্ষাপট থেকে কথা বলে। ** ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত *কনভারসেশনস উইথ [[Maxine Hong Kingston|ম্যাক্সিন হং কিংস্টন]]*-এ সংকলিত ১৯৯৩ সালের সাক্ষাৎকার * লজ্জিত হওয়ার বা ঝুঁকি নেওয়ার ভয়, বোকা সাজার ভয় কিংবা অন্য কারো মতো না লিখে নিজের মতো করে লেখার ভয়—সবই মানুষের থাকে। তবে কিছু মানুষ বিশ বছর ধরে নিজের মতে অটল থাকেন। উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস তার আত্মজীবনীতে বলেছিলেন, "মনে হচ্ছে টি. এস. এলিয়ট 'দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড' দিয়ে সফল হয়েছেন এবং সাহিত্যের মোড় সেদিকেই ঘুরছে। এখন আমি জানি যে আমার কথা শোনার জন্য আমাকে আরও বিশ বছর অপেক্ষা করতে হবে।" তিনি তাই করেছিলেন। তিনি যা সঠিক মনে করতেন তাই করে গেছেন এবং আমেরিকান ভাষার নিজস্ব ধারণায় অটল থেকে একটি শক্তিশালী প্রভাব তৈরি করেছেন। কিন্তু অন্য অনেকেই ভেবেছিল ওটাই সঠিক পথ এবং তারা নিজেদের শিকড় কেটে সেদিকেই ছুটে গিয়েছিল। ** ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত *কনভারসেশনস উইথ [[Grace Paley|গ্রেস পেলি]]*-এ সংকলিত ১৯৭৯ সালের সাক্ষাৎকার * বিংশ শতাব্দীর বিপ্লবী কাব্যতত্ত্বের ঐতিহ্য সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা ছিল না। বড়দের মধ্যে উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস সমসাময়িক আমেরিকার সাধারণ শহর, সাধারণ দরিদ্র ও কর্মজীবী মানুষ এবং দৈনন্দিন ভাষার সহজ ও ছন্দময় শৈলীতে লিখেছেন। যদিও শুরুতে উইলিয়ামসের কবিতা আমাকে মোহিত করেনি, পরবর্তীতে প্রথাগত ছন্দ থেকে বেরিয়ে আসতে আমি তার বাক্যগঠন ও পঙ্ক্তি ভাঙার পদ্ধতিগুলো নিয়ে কাজ করেছি। ** [[Adrienne Rich|অ্যাড্রিয়েন রিচ]], *হোয়াট ইজ ফাউন্ড দেয়ার* (২০০৩) ==বহিঃসংযোগ== {{wikipedia}} {{commonscat}} * [http://www.poets.org/poet.php/prmPID/119 অ্যাকাডেমি অব আমেরিকান পোয়েটস-এ উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস পাতা] * [http://www.english.uiuc.edu/maps/poets/s_z/williams/williams.htm মডার্ন আমেরিকান পোয়েট্রি-তে উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস পাতা] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৮৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৩-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ জার্সির চিকিৎসক]] [[বিষয়শ্রেণী:বিট প্রজন্মের লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল বুক অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী]] o5pwit3yzqmgrrlpqls0h48dtvw1xl8 78570 78569 2026-04-19T12:22:14Z SMontaha32 3112 78570 wikitext text/x-wiki [[File:William Carlos Williams passport photograph 1921.jpg |thumb|right|একজন মানুষ কোনো স্থির পাথরখণ্ড নয় যে সবসময় এক জায়গায় থাকবে, যদিও মনোবিজ্ঞানীরা তার সাথে তেমন আচরণই করেন—এবং বেশিরভাগ মানুষই তা বিশ্বাস করার মাঝে এক ধরনের উন্মাদনাপূর্ণ গর্ববোধ করে। ... সমাজের সাথে শিল্পের সম্পর্ক অত্যন্ত জটিল। কবি কোনো অপরিবর্তনীয় ঘটনা নন, এমনকি তার কাজও নয়।]] [[File:Asphodele.jpg|thumb|right|কবিতা থেকে সংবাদ পাওয়া কঠিন, তবুও সেখানে যা পাওয়া যায় তার অভাবে মানুষ প্রতিদিন শোচনীয়ভাবে মৃত্যুবরণ করছে।]] [[File:Amistad - Friendship.jpg|thumb|right|প্রকৃত সুখী হওয়ার একমাত্র উপায় হলো অন্যকে সুখী করা। আপনি যখন এটি উপলব্ধি করবেন এবং এই সত্যের সদ্ব্যবহার করবেন, তখন সবকিছুই নিখুঁত হয়ে উঠবে।]] '''[[w:William Carlos Williams|উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]]''' ([[১৭ সেপ্টেম্বর]] [[১৮৮৩]] – [[৪ মার্চ]] [[১৯৬৩]]) ছিলেন একজন আমেরিকান কবি ও চিকিৎসক। == উদ্ধৃতি == [[File:Heart Flow.jpg|thumb|right|আমার কাছে এটি হলো প্রথমে সেই বিষয়টি উপলব্ধি করা, যাকে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।]] [[File:William Carlos Williams passport photograph.jpg|thumb|এই মুহূর্তে নিজের প্রতি আমার প্রধান অতৃপ্তি হলো—আমি যা করতে চাই, তার মধ্যে নিজেকে যেভাবে বিলীন করে দেওয়া উচিত, তা আমি পারছি না।]] [[File:Milky Way from Flickr.jpg|thumb|right|অনেক প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি। আমাদের কবিরা ভুল হতে পারেন; কিন্তু নিজের প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে দৃষ্টির প্রসার ঘটানো ছাড়া আমাদের আর কী-ই বা করার আছে? যেন বারবার ব্যর্থ হওয়ার মাধ্যমে আমরা অতীতে যা হারিয়েছি, তা আরও ভালোভাবে শিখতে পারি।]] === সাধারণ উৎস === * '''একটি বিষয়ে আমি দিন দিন আরও নিশ্চিত হচ্ছি: প্রকৃত সুখী হওয়ার একমাত্র উপায় হলো অন্যকে সুখী করা। আপনি যখন এটি উপলব্ধি করবেন এবং এই সত্যের সদ্ব্যবহার করবেন, তখন সবকিছুই নিখুঁত হয়ে উঠবে।''' ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ৫; ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া থেকে তার মাকে লেখা চিঠি (১২ ফেব্রুয়ারি ১৯০৪) * সত্যি বলতে, আমি নিজেও কখনো পুরোপুরি অনুভব করি না যে আমি কী নিয়ে কথা বলছি—যদি অনুভব করতাম বা যখন করি, তখন লিখিত বিষয়টিকে আমার কাছে তুচ্ছ মনে হয়। তবে, '''আমি যা লিখি এবং যা টিকে থাকে, তা সবসময়ই সার্থক বলে আমার মনে হয়। আমার মনে হয়, আমি যা বুঝিয়েছি কিন্তু হয়তো পুরোপুরি প্রকাশ করতে পারিনি, তার যতটা কাছাকাছি আমি পৌঁছাতে পেরেছি, অন্য কেউ তা পারেনি। আমার কাছে এটি হলো প্রথমে সেই বিষয়টি উপলব্ধি করা যাকে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।''' আমি আরও অনেক কিছু বলতে পারতাম কিন্তু তাতে লাভ নেই। এক অর্থে আমাকে নিজেকে প্রকাশ করতে হবে, আপনি ঠিকই বলেছেন, তবে যদি এর কোনো অর্থ থাকে তবে তা সবসময়ই 'সম্পূর্ণরূপে অসম্পূর্ণ'। ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২৬; [[w:Harriet Monroe|হ্যারিয়েট মনরোকে]] লেখা (১৪ অক্টোবর ১৯১৩) * '''এটি জীবনের গতির সাথে তাল মিলিয়ে চলে—বিক্ষিপ্ত কিন্তু সমগ্রের সাথে যুক্ত, ছিন্ন ভিন্ন কিন্তু একসাথে বোনা।''' ** *দ্য নিউ ইয়র্ক হেরাল্ড ট্রিবিউন*-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে তার কাজ সম্পর্কে (১৮ জানুয়ারি ১৯৩২) * '''কবির কাজ হলো কার্যকরভাবে ভাষা ব্যবহার করা—তার নিজস্ব ভাষা, যা তার কাছে একমাত্র নির্ভরযোগ্য ভাষা।''' ** [[Louis Untermeyer|লুই আনটারমেয়ার]] রচিত *মডার্ন আমেরিকান পোয়েট্রি* (১৯৫০)-তে উদ্ধৃত 'এ নোট অন পোয়েট্রি' (আনুমানিক ১৯৩৬) থেকে * গদ্যের চেয়ে কবিতার জন্য ভিন্ন উপাদানের প্রয়োজন হয়। এটি একই তথ্যের অন্য একটি দিক ব্যবহার করে... ভাষার স্বতঃস্ফূর্ত রূপ যেমনটা শোনা যায়। ** জেমস লাফলিনকে দেওয়া 'ডিটেইল অ্যান্ড প্রসোডি ফর দ্য পোয়েম প্যাটারসন' (১৯৩৯), বর্তমানে হটন লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত * '''এই অদ্ভুত পৃথিবীটি মূলত হতাশায় ঘেরা।''' <br> আমি মূলত লিখে যাই কারণ এটি আমাকে এমন এক তৃপ্তি দেয় যা অন্য কোথাও পাওয়া সম্ভব নয়। এটি সেই মুহূর্তগুলোকে পূর্ণ করে যা অন্যথায় ভয়াবহ বা বিষণ্ণ হতো। এমন নয় যে আমি ওভাবেই বাঁচি, কাজও আমাকে শান্ত রাখে। এই মুহূর্তে নিজের প্রতি আমার প্রধান অতৃপ্তি হলো—আমি যা করতে চাই, তার মধ্যে নিজেকে যেভাবে বিলীন করে দেওয়া উচিত, তা আমি পারছি না। ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২১৬; [[w:Robert McAlmon|রবার্ট ম্যাকঅ্যালমনকে]] লেখা চিঠি (৮ আগস্ট ১৯৪৩) * '''আমরা কেন বাঁচি? আমাদের মধ্যে বেশিরভাগেরই সেই জিনিসটি প্রয়োজন যা আমরা কখনো চাই না।''' আমরা বিপ্লব নিয়ে এমনভাবে কথা বলি যেন এটি তুচ্ছ কোনো বিষয়। আমাদের যা প্রয়োজন তা হলো কিছু অকপট চিন্তা এবং নিজেদের অন্তরে কয়েকটি বিপ্লব; আমি যাদের চিনি সেই সব নরধমেরা গোল্লায় যাক এবং আমিও তাদের সাথে গোল্লায় যাই যদি না আমি নিজেকে সামলে নিতে পারি এবং প্রয়োজনে ঘুরে দাঁড়াতে পারি—অথবা যদি এগিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য হয় তবে আরও সামনে এগোতে পারি। ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২১৭; [[w:Robert McAlmon|রবার্ট ম্যাকঅ্যালমনকে]] লেখা চিঠি (৪ সেপ্টেম্বর ১৯৪৩) * '''দার্শনিকরা আজ কবিদের পিছু ধাওয়া করছে, কারণ দর্শনের আজ বড়ই অভাব। অভিশাপ তাদের ওপর! আপনি হয়তো ভাবছেন কোনো দার্শনিক অনুমতি না দিলে কোনো মানুষের লেখালেখি করার বা কবি হওয়ার অধিকার নেই।''' ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২১৯; [[w:James Laughlin|জেমস লাফলিনকে]] লেখা চিঠি (১৪ জানুয়ারি ১৯৪৪) * প্রতিদিনের সাধারণ খবর, করুণ মৃত্যু বা প্রাত্যহিক জীবনের লাঞ্ছনা পড়ে কী লাভ? অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে আমরা জানি যে যে পরিস্থিতিতে এগুলো ঘটার কথা ছিল, ঠিক সেভাবেই এগুলো ঘটেছে। এর মধ্যে কোনো আলো নেই। এটি কেবল তুচ্ছ শূন্যস্থান পূরণকারী তথ্য। আমরা জানি [[airplane|বিমান]] বিধ্বস্ত হবে, [[train|ট্রেন]] লাইনচ্যুত হবে। আমরা কেন তাও জানি। কেউ পাত্তা দেয় না, কেউ দিতেও পারে না। আমরা খবর পাই এবং তা অগ্রাহ্য করি, আর এটি করাই আমাদের জন্য সঠিক। এগুলো তুচ্ছ। '''কিন্তু কোনো নিভৃত রোগীর চোখে আমি যে তাড়িত খবর পাই, তা তুচ্ছ নয়। তা গভীর''': শেখার সমস্ত একাডেমি, সমস্ত ধর্মীয় অনুশাসন এর ওপর ভিত্তি করেই প্রতিষ্ঠিত। তারা তাদের তথাকথিত হেত্বাভাস বা 'ডায়ালেকটিক' এর ওপর ভিত্তি করেই গড়ে তুলেছে—তাদের মিথ্যা ডায়ালেকটিক। ডায়ালেকটিক হলো যেকোনো একতরফা ব্যবস্থা। যেহেতু সব ব্যবস্থাই নিছক উদ্ভাবন, তাই প্রতিটি ক্ষেত্রেই এটি একটি ভুল ধারণা বা প্রেক্ষাপট। এর ওপর ভিত্তি করে একটি বদ্ধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয় যা যারা এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে তাদের বাকি বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। সব মানুষই কোনো না কোনোভাবে এক ধরনের ডায়ালেকটিকের মধ্যে আটকা পড়ে থাকে, তা সে আর্জেন্টিনা হোক বা জাপান। ফলে প্রতিটি দলই পঙ্গু হয়ে যায়। প্রত্যেকে একটি ডায়ালেকটিক মেঘের মধ্যে যোগাযোগহীন অবস্থায় বন্দি থাকে। এই কারণেই আমরা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ি এবং অত্যন্ত ভাসা ভাসা বিষয়ে গর্ববোধ করি। <br /> আমরা কি দেখতে পাচ্ছি না যে আমরা নিজেদের প্রকাশ করতে পারছি না? এটিই আমাদের পরাজিত করে। ** *দ্য অটোবায়োগ্রাফি অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫১), অধ্যায় ৫৪: "দ্য প্র্যাকটিস" * '''আমার প্রথম কবিতাটি ছিল আকস্মিক এক ঘটনা... এটি মোহভঙ্গ এবং আত্মঘাতী বিষণ্ণতার মন্ত্র ভেঙে দিয়েছিল। ... এটি আমাকে এক আত্মতৃপ্তিদায়ক আনন্দে পূর্ণ করেছিল।''' ** *দ্য অটোবায়োগ্রাফি অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫১) [ডাব্লিউ. ডাব্লিউ. নর্টন অ্যান্ড কোং, ১৯৬৭, <small>{{ISBN|978-0811202268}}</small>] * '''বাইরে অনেক বদমাশ আছে!''' ** মন্তব্য (আনুমানিক ১৯৫৭), [[Allen Ginsberg|অ্যালেন গিন্সবার্গের]] "ডেথ নিউজ" কবিতার ভূমিকায় উদ্ধৃত: *১৯৫৭ সালের দিকে ডাব্লিউ.সি.ডাব্লিউ.-এর সাথে দেখা করতে যান কবি [[Jack Kerouac|কেরুয়াক]], করসো ও [[w:Peter Orlovsky|অরলভস্কি]]। বসার ঘরের সোফায় বসে তারা কিছু বিজ্ঞ বাণী জানতে চাইলে, অসুস্থ উইলিয়ামস মেইন স্ট্রিটের জানালার পর্দার দিকে আঙুল তুলে বলেছিলেন: "বাইরে অনেক বদমাশ আছে!"* * আমি এটি পছন্দ করেছি কারণ এতে রচনার মূল অংশগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে। আমি একে ছোট করতে করতে একদম সংকুচিত করে এনেছি। একে আরও প্রাণবন্ত করতেই এভাবে চেপে ছোট করা হয়েছে। ** জন সি. থার্লওয়ালের সংগ্রহে থাকা *দ্য কালেক্টেড আর্লিয়ার পোয়েমস* (আনুমানিক ১৯৫৮) বইটিতে "চিকরি অ্যান্ড ডেইজিস" (১৯১৫) কবিতার ওপর টিকা * '''আমি মনে করতাম আমার বন্ধুরা মহামূর্খ, কারণ তারা তাদের জীবন পরিচালনা করার এর চেয়ে ভালো কোনো পথ জানত না। তবুও তারা আমার চেয়ে কোনো না কোনো আদর্শ বা কোড আরও ভালোভাবে মেনে চলত। আমি নিজেও তা মানতে চেয়েছিলাম কিন্তু পারিনি, তাই আমি আমার কবিতা লিখেছি।''' ** জন সি. থার্লওয়ালের সংগ্রহে থাকা *দ্য কালেক্টেড আর্লিয়ার পোয়েমস* (আনুমানিক ১৯৫৮) বইটিতে টিকা * আজকাল কবিতার শিল্প রূপটি কিছুটা অস্থির; কিন্তু অন্তত কবিতার গঠনটি অর্থবহ হওয়া উচিত যেন আপনি জানেন আপনি কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন। '''অনেক প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি। আমাদের কবিরা ভুল হতে পারেন; কিন্তু নিজের প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে দৃষ্টির প্রসার ঘটানো ছাড়া আমাদের আর কী-ই বা করার আছে? যেন বারবার ব্যর্থ হওয়ার মাধ্যমে আমরা অতীতে যা হারিয়েছি তা আরও ভালোভাবে শিখতে পারি।''' ** স্ট্যানলি কোহলারের সাথে সাক্ষাৎকার (এপ্রিল ১৯৬২), *দ্য প্যারিস রিভিউ: রাইটার্স অ্যাট ওয়ার্ক*, ৩য় সিরিজ, ভাইকিং পেঙ্গুইন, পৃষ্ঠা ২৯ <small> {{ISBN|0-14-00-4542-2}} </small> * একটি শিল্প মাধ্যম হওয়ায় কবিতা কোনো সীমাবদ্ধতা বা নির্দেশনামূলক নীতি ছাড়া "মুক্ত" হতে পারে না। ** *ফ্রি ভার্স। প্রিন্সটন এনসাইক্লোপিডিয়া অব পোয়েট্রি অ্যান্ড পোয়েটিক্স* ২য় সংস্করণ (১৯৭৫)-এ উদ্ধৃত ===''ম্যারেজ'' (১৯১৬) === * কতই না আলাদা, এই পুরুষ<br>আর এই নারী:<br>এক প্রান্তরের বুক চিরে<br>বয়ে চলা জলধারা। ** *পোয়েট্রি* (শিকাগো, ১৯১৬) === ''[[w:Al Que Quiere!|আল কো কিয়েরে!]]'' (১৯১৭) === [[File:Venus-pacific-levelled.jpg|thumb|right|<p>এটি এক অদ্ভুত সাহস <br> যা তুমি আমাকে দাও, হে প্রাচীন তারা:</p><p>সূর্যোদয়ের আলোয় একাকী জ্বলে ওঠো <br> যাতে তোমার কোনো অবদান নেই!</p>]] :<small>[[s:Al Que Quiere!|উইকিসোর্সে পূর্ণাঙ্গ টেক্সট]] </small> [[File:Lafosse, Charles de - Sunrise with the Chariot of Apollo - c. 1672.jpg|thumb|right|<p>স্বপ্নই আমাদের ধ্বংস করেছে। </p><p> ঘোড়া বা লাগাম ধরার মাঝে <br> এখন আর কোনো গর্ব নেই।</p>]] * '''তোমার ফুলগুলো তুলে ধরো <br> তিতকুটে ডাঁটার ডগায় <br> হে চিকরি!''' <br> দগ্ধ মাটি থেকে <br> তাদের উপরে তুলে ধরো! <br> কোনো পল্লব ধারণ করো না <br> বরং নিজেকে উজার করে দাও <br> কেবল ওটাতেই! <br> তোমাদের নিচ থেকে টান ধরুক <br> হে তিতকুটে ডাঁটা <br> যা কোনো পশু খায় না— <br> আর ধূসরতাকে তুচ্ছ করো! ** "চিকরি অ্যান্ড ডেইজিস" * '''পৃথিবী ফেটে চৌচির আর <br> কুঁচকে যায়; <br> বাতাস করুণ স্বরে বিলাপ করে; <br> তুমি যদি ব্যর্থ হও <br> তবে আকাশও নিভে যাবে।''' ** "চিকরি অ্যান্ড ডেইজিস" * <p>'''আজ আমি কেন লিখি?'''</p><p>'''আমাদের গুরুত্বহীন মানুষদের <br> সেই ভয়াবহ মুখগুলোর সৌন্দর্য <br> আমাকে লিখতে বাধ্য করে''':</p><p> কর্মজীবী কৃষ্ণাঙ্গ নারীরা— <br> বৃদ্ধ ও অভিজ্ঞ— <br> গোধূলিলগ্নে বাড়ি ফিরছে, <br> ত্যাজ্য পোশাকে ঢাকা <br> মুখগুলো যেন <br> পুরনো ফ্লোরেনটাইন ওক কাঠ।</p> ** "[[s:Apology (Williams)|অ্যাপোলজি]]" * তোমাদের মুখের সেই কৃত্রিম ভঙ্গি <br> আমাকে নাড়া দেয়— <br> হে বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দ— <br> তবে <br> একইভাবে নয়। ** "অ্যাপোলজি" * <p>'''আমি এখানে শুয়ে তোমার কথা ভাবছি:—'''</p><p>'''প্রেমের দাগ <br> সারা বিশ্বে লেগে আছে!'''</p> ** "লাভ সং" * <p>'''এটি এক অদ্ভুত সাহস <br> যা তুমি আমাকে দাও, হে প্রাচীন তারা:'''</p><p>'''সূর্যোদয়ের আলোয় একাকী জ্বলে ওঠো <br> যাতে তোমার কোনো অবদান নেই!'''</p> ** "এল হোমব্রে" * <p>ভাই! <br> — আমরা যদি ধনী হতাম <br> তবে বুক চিতিয়ে <br> মাথা উঁচু করে চলতাম! </p><p> '''স্বপ্নই আমাদের ধ্বংস করেছে।'''</p><p>'''ঘোড়া বা লাগাম ধরার মাঝে <br> এখন আর কোনো গর্ব নেই।'''</p><p> আমরা কুঁজো হয়ে বসে <br> নিজেদের ভাগ্য নিয়ে ভাবি। </p><p> '''যাই হোক— <br> সব কিছুই শেষ পর্যন্ত তিক্ত হয়ে যায় <br> আপনি ডানে যান বা <br> বামে <br> &nbsp; &nbsp; এবং— <br> স্বপ্ন দেখা খুব খারাপ কিছু নয়।'''</p> ** "লিবেরতাদ! ইগুয়ালিদাদ! ফ্রাতেরনিদাদ!" * কে বলবে যে আমি <br> আমার গৃহের এক সুখী প্রতিভা নই? ** "দানস রুস" === ''[[w:Spring and All|স্প্রিং অ্যান্ড অল]]'' (১৯২৩) === [[File:Wild Carrot seedheads, Dayton, Ohio.jpg|thumb|right|দেখতে প্রাণহীন, মন্থর <br> বিভ্রান্ত বসন্ত এগিয়ে আসে— <br> তারা নগ্ন হয়ে নতুন পৃথিবীতে প্রবেশ করে, <br> শীতল ও অনিশ্চিত সবকিছু নিয়ে <br> কেবল এইটুকু নিশ্চিত যে তারা প্রবেশ করছে। তাদের চারপাশে <br> সেই পরিচিত হিমেল হাওয়া...]] [[File:N2 Queen Anne's Lace.jpg|thumb|right|তবুও, সেই গভীর পরিবর্তন <br> তাদের ওপর এসেছে: শিকড় গেড়ে <br> তারা শক্ত হয়ে বসে এবং জাগতে শুরু করে।]] * <p>'''অনেক কিছুই নির্ভর করে <br> একটি'''</p><p>'''লাল চাকাওয়ালা <br> ঠেলার গাড়ির ওপর'''</p><p>'''যা বৃষ্টির জলে <br> চকচক করছে'''</p><p>'''সাদা মুরগিগুলোর <br> পাশে'''</p> ** "দ্য রেড হুইলব্যারো" * সংক্রামক হাসপাতালের রাস্তার ধারে <br> উত্তর-পূর্ব দিক থেকে আসা <br> নীল ছোপানো মেঘের ভিড়ের নিচে— <br> এক হিমেল হাওয়া। ** "স্প্রিং অ্যান্ড অল" * <p>'''দেখতে প্রাণহীন, মন্থর <br> বিভ্রান্ত বসন্ত এগিয়ে আসে— <br> তারা নগ্ন হয়ে নতুন পৃথিবীতে প্রবেশ করে, <br> শীতল ও অনিশ্চিত সবকিছু নিয়ে <br> কেবল এইটুকু নিশ্চিত যে তারা প্রবেশ করছে।''' তাদের চারপাশে <br> সেই পরিচিত হিমেল হাওয়া—</p><p> এখন ঘাস, কাল হবে <br> বুনো গাজর পাতার শক্ত কুঞ্চন— <br> একে একে সব বস্তু স্পষ্ট হয়ে ওঠে— <br> এটি প্রাণ পায়: স্পষ্টতা, পাতার রূপরেখা। </p><p> কিন্তু এখন প্রবেশের সেই কঠোর গাম্ভীর্য— '''তবুও সেই গভীর পরিবর্তন <br> তাদের ওপর এসেছে: শিকড় গেড়ে <br> তারা শক্ত হয়ে বসে এবং জাগতে শুরু করে।'''</p> ** "স্প্রিং অ্যান্ড অল" * আমেরিকার বিশুদ্ধ পণ্যগুলো <br> পাগল হয়ে যায়— ** "টু এলসি" === ''[[w:Sour Grapes (book)|সাওয়ার গ্রেপস]]'' (১৯২১) === * বৃষ্টি আর <br> আলোর মাঝে <br> আমি সোনালি রঙের <br> ৫ সংখ্যাটি দেখলাম <br> একটি লাল <br> দমকলের গাড়ির ওপর <br> যা ছুটছে <br> টানটান উত্তেজনায় <br> অবহেলিতভাবে <br> ঘণ্টার শব্দে <br> সাইরেনের আর্তনাদে <br> আর অন্ধকার শহরের বুক চিরে <br> চাকার ঘড়ঘড়ানিতে। ** "দ্য গ্রেট ফিগার" * বার্ধক্য হলো <br> ছোট কিচিরমিচির করা <br> পাখির এক ঝাঁক উড্ডয়ন <br> যা বরফ ঢাকা মাঠের ওপর <br> ন্যাড়া গাছগুলোকে <br> ছুঁয়ে যায়। <br> জয় আর পরাজয়ের মাঝে <br> তারা অন্ধকার বাতাসে <br> বাধা পায়— <br> কিন্তু তাতে কী? <br> রুক্ষ আগাছার ডাঁটায় <br> পাখির ঝাঁকটি বিশ্রাম নিয়েছে— <br> বরফ আজ <br> ঢাকা পড়েছে <br> ভাঙা বীজের <br> খোসায় <br> আর বাতাসের তীব্রতা কমেছে <br> প্রাচুর্যের এক সুতীক্ষ্ণ <br> বাঁশির সুরে। ** "টু অ্যাওয়েকেন অ্যান ওল্ড লেডি"; মূলত *দ্য ডায়াল*-এ প্রকাশিত (আগস্ট ১৯২০) === ''কালেক্টেড পোয়েমস ১৯২১-১৯৩১'' (১৯৩৪) === [[File:Bluebyrd plum.jpg|thumb|right|আমায় ক্ষমা করো <br> ওগুলো খুব সুস্বাদু ছিল <br> অনেক মিষ্টি <br> আর অনেক ঠাণ্ডা]] * <p>'''আমি সেই <br> আলুবোখারাগুলো <br> খেয়ে ফেলেছি <br> যা আইসবক্সে ছিল'''</p><p> এবং যা <br> সম্ভবত আপনি <br> সকালের নাস্তার জন্য <br> জমিয়ে রেখেছিলেন</p><p> '''আমায় ক্ষমা করো <br> ওগুলো খুব সুস্বাদু ছিল <br> অনেক মিষ্টি <br> আর অনেক ঠাণ্ডা'''</p> ** "দিস ইজ জাস্ট টু সে" * সে মানুষটির ভেতর থেকে বেরিয়ে এসেছে <br> আর সে মানুষটিকে <br> যেতে দিয়েছে— <br> :::সেই মিথ্যাবাদী <br> মৃত <br> ::তার চোখ জোড়া <br> :আলো থেকে উপরে উল্টে গেছে— এক উপহাস <br> :::::যাকে <br> :<p>ভালোবাসা স্পর্শ করতে পারে না— </p><p> কেবল একে মাটি চাপা দাও <br> আর লজ্জায় মুখ লুকিয়ে রাখো। </p> ** "ডেথ" * উচ্চ মানসিকতা সম্পন্ন <br> এবং নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষকরা তোমার বিষয়টি পর্যালোচনা করেছেন (অভিশাপ তাদের ওপর!)— <br> তারা হলেন একটি বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি, <br> একটি নামকরা কারিগরি স্কুলের সভাপতি এবং এক বিচারক যিনি বেঞ্চে বসার জন্য বড্ড বুড়ো। এরা এমন মানুষ যারা শিক্ষাদান এবং যথেচ্ছ আইন প্রয়োগের জন্য আগে থেকেই পুরস্কৃত। সহজ কথায়— <br> ঐতিহ্যের দালালের দল— ** "ইমপ্রম্পটু: দ্য সাকারস" * এটাই তোমার প্রাপ্য। তোমার কাছে টাকা আছে, <br> তোমার কিসের চিন্তা? তোমার <br> হারানোর কিছু নেই। তোমরা এক মহান <br> ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী। আমার দেশ ঠিক হোক বা ভুল! <br> তোমাকে যা করতে বলা হয় তুমি তাই করো। <br> তুমি টমি জেফ, বেন ফ্রাঙ্ক বা জর্জি ওয়াশিং-এর মতো <br> মুখে মুখে উত্তর দাও না। আমি তো বলবই <br> তোমরা দাও না। তোমরা সভ্য। তোমরা <br> তোমাদের ওপরওয়ালাদের কথা মেনে নাও। <br> চালিয়ে যাও— ** "ইমপ্রম্পটু: দ্য সাকারস" === ''[[w:An Early Martyr and Other Poems|অ্যান আর্লি মার্টার অ্যান্ড আদার পোয়েমস]]'' (১৯৩৫) === [[File:Johannisbrotbaum bluete.jpg|thumb|right|সবুজ শক্ত পুরনো উজ্জ্বল ভাঙা ডালপালার মাঝে আবার ফিরে এলো সাদা মিষ্টি মে মাস]] * <p>মাঝে <br> এর <br> সবুজ </p><p> শক্ত <br> পুরনো <br> উজ্জ্বল </p><p> ভাঙা <br> ডাল <br> এলো </p><p> সাদা <br> মিষ্টি <br> মে </p><p> আবারও</p> ** "দ্য লোকাস্ট ট্রি ইন ফ্লাওয়ার" === ''কমপ্লিট কালেক্টেড পোয়েমস'' (১৯৩৮) === * <p>এই সেই </p><p>নির্জন অন্ধকার সপ্তাহগুলো <br> যখন প্রকৃতির এই রিক্ততা <br> মানুষের বোকামির সমান হয়ে দাঁড়ায়।</p><p> বছরটি রাত্রির অন্ধকারে তলিয়ে যায় <br> আর হৃদয় তলিয়ে যায় <br> রাত্রির চেয়েও গভীরে</p> ** "দিস" === ''দ্য ওয়েজ'' (১৯৪৪) === [[File:Aerial view of the Japanese aircraft carrier Sōryū evading an air attack on 4 June 1942 (fsa.8e00397).jpg |thumb|right|আজকের বিশ্বে যুদ্ধই প্রথম এবং একমাত্র বিষয়।]] [[File:Missouri-flyover.jpg |thumb|right|গদ্য জাহাজের মতো অস্পষ্ট বিষয়ের বোঝা বহন করতে পারে। কিন্তু কবিতা হলো সেই ইঞ্জিন যা একে চালায়, একে ছেঁটে একদম নিখুঁত করে তোলা হয়েছে।]] [[File:Micranthes tolmiei 21979.jpg|thumb|right|সাক্সিফ্রেজ হলো আমার সেই ফুল যা পাথর চিরে বেরিয়ে আসে।]] * '''আজকের বিশ্বে যুদ্ধই প্রথম এবং একমাত্র বিষয়।''' <br> সাধারণভাবে শিল্পকলা কোনো মুখ্য বিষয় নয়, আর এই লেখালেখিও যুদ্ধ থেকে মুক্তি পাওয়ার কোনো মাধ্যম নয়। এটি যুদ্ধ বা এরই একটি অংশ, রণক্ষেত্রের ভিন্ন একটি ক্ষেত্র মাত্র। ** [http://www.poetryfoundation.org/learning/essay/237888 ভূমিকা] * কে আজ হতাশ নয় এবং নিজের কাজের মাধ্যমে তা প্রমাণ করে না—যদি আপনি বলতে চান? কিন্তু '''শিল্পের মাধ্যমে মানসিকভাবে পঙ্গু একজন মানুষও তার সময়ের সবচেয়ে বিশিষ্ট ব্যক্তি হয়ে উঠতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ [[Sigmund Freud|সিগমুন্ড ফ্রয়েডের]] কথা ধরুন।''' ** ভূমিকা * '''একজন মানুষ কোনো স্থির পাথরখণ্ড নয় যে সবসময় এক জায়গায় থাকবে, যদিও মনোবিজ্ঞানীরা তার সাথে তেমন আচরণই করেন—এবং বেশিরভাগ মানুষই তা বিশ্বাস করার মাঝে এক ধরনের উন্মাদনাপূর্ণ গর্ববোধ করে।''' একঘেয়েমি! সে বদলে যায়; আজ হ্যামলেট তো কাল [[Julius Caesar (play)|সিজার]]; এখানে, সেখানে, কোথাও না কোথাও—যদি সে তার মানসিক সুস্থতা ধরে রাখতে চায়, আর সমস্যাই বা কোথায়? <br> '''সমাজের সাথে শিল্পের সম্পর্ক অত্যন্ত জটিল। কবি কোনো অপরিবর্তনীয় ঘটনা নন, এমনকি তার কাজও নয়।''' ** ভূমিকা * একটি যন্ত্রের মধ্যে আবেগপ্রবণ কিছু নেই; এবং: একটি কবিতা হলো শব্দের তৈরি ছোট (বা বড়) একটি যন্ত্র। ** ভূমিকা * '''গদ্য জাহাজের মতো অস্পষ্ট বিষয়ের বোঝা বহন করতে পারে। কিন্তু কবিতা হলো সেই ইঞ্জিন যা একে চালায়, একে ছেঁটে একদম নিখুঁত করে তোলা হয়েছে।''' ** ভূমিকা * '''প্রতিটি ভাষার নিজস্ব চরিত্র রয়েছে। এর মাধ্যমে তৈরি কবিতা তার অন্তর্নিহিত গঠন বা সেই ভাষার নিজস্ব রূপ ধারণ করবে।''' এর ফল হলো সৌন্দর্য, যা কোনো একটি জিনিসের মধ্যে আমাদের ভালোমন্দের জটিল অনুভূতিগুলো মীমাংসা করে দেয়। ** ভূমিকা * একজন মানুষ যখন কবিতা তৈরি করেন, মনে রাখবেন 'তৈরি করেন', তিনি তার চারপাশের শব্দগুলোকে বেছে নেন এবং কোনো বিকৃতি ছাড়াই সেগুলোকে সাজান। এর ফলে তার উপলব্ধি ও আবেগের এক তীব্র বহিঃপ্রকাশ ঘটে যা তার ব্যবহৃত ভাষায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। '''শিল্প হিসেবে তিনি কী 'বলছেন' তা বড় কথা নয়, বরং তিনি কী 'তৈরি করছেন' সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। এর উপলব্ধির তীব্রতা এত বেশি যে এটি তার নিজস্ব গতির মাধ্যমে তার সত্যতা প্রমাণ করে।''' ** ভূমিকা * আঙ্গিকগত উদ্ভাবন ছাড়া কোনো কালজয়ী কবিতা সম্ভব নয়। কারণ শিল্পের এই নিবিড় রূপের মাধ্যমেই তা সঠিক অর্থ খুঁজে পায়। এদিক থেকেই এটি যন্ত্রের সাথে সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ। এটি ভাষাকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দেয় এবং যে পরিবেশে এর জন্ম সেখানে আলো ছড়ায়। '''শিল্প যে যুদ্ধ নিয়ে বেঁচে থাকে এবং নিঃশ্বাস নেয়, তা অবিরাম।''' <br> হতে পারে আমার এখানে প্রকাশ করা আগ্রহগুলো শিল্পের আগের পর্যায়ের। '''যদি তাই হয়, তবে আমি এই পথেই উন্নয়ন খুঁজছি এবং অন্য কিছুতে আমি সন্তুষ্ট হব না।''' ** ভূমিকা * '''সাপটিকে তার আগাছার নিচে <br> অপেক্ষা করতে দাও <br> আর লেখাগুলো হোক <br> শব্দের—মন্থর ও দ্রুত, তীক্ষ্ণ <br> আঘাত হানতে পটু, অপেক্ষায় শান্ত, <br> নির্ঘুম।''' <br> — রূপকের মাধ্যমে মানুষ <br> আর পাথরের মধ্যে মিলন ঘটাও। <br> রচনা করো। (জিনিসের মধ্যেই <br> ধারণা নিহিত থাকে) উদ্ভাবন করো! <br> '''[[w:Saxifraga|সাক্সিফ্রেজ]] হলো আমার সেই ফুল যা পাথর <br> চিরে বেরিয়ে আসে।''' ** "এ সর্ট অব এ সং" === ''কালেক্টেড লেটার পোয়েমস'' (১৯৫০) === [[File:Adenium boehmianum.jpg|thumb|right|ভালোবাসা নিজেই একটি ফুল <br> যার শিকড় থাকে দগ্ধ মাটিতে।]] * '''এখন নয়। ভালোবাসা নিজেই একটি ফুল <br> যার শিকড় থাকে দগ্ধ মাটিতে।''' <br> শূন্য পকেট মানে শূন্য মগজ। <br> পারলে এর চিকিৎসা করো কিন্তু <br> বিশ্বাস করো না যে আমরা আজ <br> গ্রামে থাকতে পারব, কারণ গ্রাম <br> আমাদের কোনো শান্তি <br> &nbsp; &nbsp; দেবে না। ** "র‍্যালে ওয়াজ রাইট" (১৯৪০) === ''[[w:The Desert Music and Other Poems|দ্য ডেজার্ট মিউজিক অ্যান্ড আদার পোয়েমস]]'' (১৯৫৪) === [[File:AzaraxshTaleghan.gif|thumb|right|[[René Char|রেনে চার]] <br> তুমি এমন এক কবি যে বিশ্বাস করো <br> সৌন্দর্যের শক্তিতে <br> যা সব ভুল শুধরে দিতে পারে। <br> আমিও তা বিশ্বাস করি।]] * '''আমি [[René Char|রেনে চারের]] <br> কবিতার কথা ভাবি <br> এবং তিনি যা কিছু দেখেছেন <br> ও সহ্য করেছেন তার কথা ভাবি। এই অভিজ্ঞতাই তাকে বাধ্য করেছে <br> কেবল শেওলাধরা নদী, <br> ড্যাফোডিল আর টিউলিপের কথা বলতে <br> যাদের শিকড়ে পানি জমে আছে।''' এমনকি সেই প্রবহমান নদীর কথা যা <br> সেই মিষ্টি সুগন্ধি ফুলের শিকড় ধুয়ে দেয় <br> যা ছায়াপথকে <br> সমৃদ্ধ করে। ** "টু এ ডগ ইনজার্ড ইন দ্য স্ট্রিট" * রাস্তার পাশে মরণাপন্ন এক কুকুরের আর্তনাদ <br> আমাকে যতটুকু সম্ভব ভুলিয়ে দিতে হবে। <br> '''রেনে চার, <br> তুমি এমন এক কবি যে বিশ্বাস করো <br> সৌন্দর্যের শক্তিতে <br> যা সব ভুল শুধরে দিতে পারে। <br> আমিও তা বিশ্বাস করি। <br> উদ্ভাবন আর সাহসের মাধ্যমে <br> আমরা সেই সব অসহায় নির্বাক প্রাণীদের ছাড়িয়ে যাব। <br> সব মানুষ যেন এটি বিশ্বাস করে, <br> যেমনটা তুমি আমাকে বিশ্বাস করতে <br> শিখিয়েছ।''' ** "টু এ ডগ ইনজার্ড ইন দ্য স্ট্রিট" === ''[[w:Journey to Love (William Carlos Williams)|জার্নি টু লাভ]]'' (১৯৫৫) === ==== অ্যাসফোডেল, দ্যাট গ্রিনি ফ্লাওয়ার ==== [[File:Asphodelus albus3.jpg|thumb|right|আমরা দীর্ঘ সময় একসাথে ছিলাম, <br> একটি জীবন পূর্ণ ছিল, <br> আপনি যদি চান তবে বলতে পারেন, <br> ফুলে ফুলে।]] [[File:Shelfcloud.jpg|thumb|right|এমন কিছু আছে <br> জরুরি কিছু <br> যা আমাকে কেবল তোমাকেই <br> বলতে হবে। <br> কিন্তু তাকে অপেক্ষা করতে দাও <br> ততক্ষণ আমি তোমার আগমনের <br> আনন্দ উপভোগ করি, <br> হয়তো শেষবারের মতো।]] * অ্যাসফোডেল, সেই সবুজ ফুলটি, <br> :::হলুদ বাটারকাপের মতো <br> :::::এর ডালপালার ওপর— <br> :কেবল ওটি সবুজ আর কাঠের মতো— <br> :::আমি আসছি, প্রিয়তমা, <br> :::::তোমার জন্য গান গাইতে। <br> :'''আমরা দীর্ঘ সময় একসাথে ছিলাম,''' <br> :::'''একটি জীবন পূর্ণ ছিল,''' <br> :::::'''আপনি যদি চান তবে বলতে পারেন,''' <br> :'''ফুলে ফুলে।''' তাই <br> :::আমি আনন্দিত হয়েছিলাম <br> :::::যখন প্রথম জানতে পারলাম <br> :যে নরকেও <br> :::ফুল আছে। <br> :::::আজ <br> :আমি সেই সব ফুলের ফিকে হয়ে আসা স্মৃতিতে আচ্ছন্ন <br> :::যা আমরা দুজনেই ভালোবাসতাম, <br> :::::এমনকি এই তুচ্ছ <br> :বর্ণহীন ফুলটিও— <br> :::আমি এটি দেখেছিলাম <br> :::::যখন আমি শিশু ছিলাম— <br> :জীবিতদের কাছে যার তেমন কোনো কদর নেই <br> :::কিন্তু মৃতরা দেখে, <br> :::::নিজেদের মধ্যে প্রশ্ন করে: <br> :আমার কী মনে পড়ছে <br> :::যার গঠন <br> :::::ঠিক এটার মতো? :যখন আমাদের চোখ <br> :::অশ্রুতে ভিজে যায়। :::::ভালোবাসা, চিরস্থায়ী ভালোবাসার কথা :এটি বলবে :::যদিও লাল রঙের বড়ই অভাব :::::এতে লেগে আছে :একে পুরোপুরি বিশ্বাসযোগ্য করতে। :::'''এমন কিছু আছে''' :::::'''জরুরি কিছু''' :'''যা আমাকে কেবল তোমাকেই''' :::'''বলতে হবে''' :::::'''কিন্তু তাকে অপেক্ষা করতে দাও''' :'''ততক্ষণ আমি তোমার আগমনের''' :::'''আনন্দ উপভোগ করি,''' :::::'''হয়তো শেষবারের মতো।''' :আর তাই :::হৃদয়ে ভয় নিয়ে :::::আমি কথা চালিয়ে যাচ্ছি :একনাগাড়ে বলে যাচ্ছি :::কারণ আমি থামতে সাহস পাচ্ছি না। [[File:Sliven-thracianlowlands-dinev-flickr.jpg|thumb|right|অফুরন্ত সম্পদ, <br> আমি ভেবেছিলাম, <br> আমার দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।]] * কেবল আমাকে সময় দাও, :::কথা বলার আগে :::::সব মনে করার সময় দাও। :আমাকে সময় দাও, :::সময়। :আমি যখন ছোট ছিলাম :::আমি একটি বই রাখতাম :::::যেখানে মাঝে মাঝে :আমি শুকনো ফুল রাখতাম :::যতক্ষণ না অনেকদিন পর :::::আমার কাছে একটি বড় সংগ্রহ হলো। :অ্যাসফোডেল ফুলটিও, :::পূর্বাভাস হিসেবেই, :::::তাদের মধ্যে ছিল। :আমি তোমার কাছে নিয়ে এসেছি, :::নতুন করে জাগিয়ে তোলা, :::::সেই সব ফুলের স্মৃতি। :সেগুলো অনেক মিষ্টি ছিল :::যখন আমি তাদের বইয়ে চেপে রাখতাম :::::এবং দীর্ঘ সময় ধরে :তারা তাদের সুবাস ধরে রেখেছিল। :::'''এটি এক অদ্ভুত গন্ধ,''' :::::'''এক নৈতিক গন্ধ,''' :'''যা আমাকে তোমার''' :::'''কাছে নিয়ে আসে।''' [[File:Cloud in the sunlight.jpg|thumb|right|পুরো পৃথিবী <br> আমার বাগান হয়ে উঠল! <br> কিন্তু সমুদ্র <br> যার কেউ যত্ন নেয় না <br> সেটিও একটি বাগান <br> যখন সূর্যের আলো তার ওপর পড়ে <br> আর ঢেউগুলো <br> জেগে ওঠে।]] [[File:Sunrise on the Beach.jpg|thumb|right|আমি তা দেখেছি <br> আর তুমিও দেখেছ <br> যখন এটি সব ফুলের <br> সৌন্দর্যকে মলিন করে দেয়।]] * '''অফুরন্ত সম্পদ,''' :::'''আমি ভেবেছিলাম,''' :::::'''আমার দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।''' :আপেল ফুলের মাঝে :::হাজারো গ্রীষ্মমন্ডলীয় দেশ। :::::এই উদার পৃথিবী নিজেই :আমাদের অনুমতি দিয়েছে। :::পুরো পৃথিবী :::::আমার বাগান হয়ে উঠল! :কিন্তু সমুদ্র :::যার কেউ যত্ন নেয় না :::::সেটিও একটি বাগান :যখন সূর্যের আলো তার ওপর পড়ে :::আর ঢেউগুলো :::::জেগে ওঠে। :'''আমি তা দেখেছি''' :::'''আর তুমিও দেখেছ''' :::::'''যখন এটি সব ফুলের''' :'''সৌন্দর্যকে মলিন করে দেয়।''' [[File:Lightning storm over the Caribbean.jpg|thumb|right|ঝড় দানা বাঁধছে।]] [[File:Blitze IMGP6376 wp.jpg|thumb|right|এটি এমন একটি ফুল <br> যা শীঘ্রই তার প্রস্ফুটনের <br> চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছাবে।]] * '''আমি বলতে পারি না''' :::'''যে তোমার ভালোবাসার জন্য''' :::::'''আমি নরকে গেছি''' :'''কিন্তু প্রায়ই''' :::'''তোমার পিছু ধাওয়া করতে গিয়ে''' :::::'''নিজেকে সেখানে আবিষ্কার করেছি।''' :আমি এটি পছন্দ করি না :::এবং স্বর্গে থাকতে চেয়েছিলাম। :::::আমার কথা শোনো। :মুখ ফিরিয়ে নিও না। :আমি আমার জীবনে অনেক কিছু শিখেছি :::বই থেকে :::::আর বইয়ের বাইরে থেকেও :ভালোবাসা সম্পর্কে। :::'''মৃত্যুই''' :::::'''এর শেষ নয়।''' [[File:Lightning 1.jpg|thumb|right|ঝড় আছড়ে পড়ছে <br> অথবা মিলিয়ে যাচ্ছে! এটি <br> বিশ্বের শেষ নয়।]] * '''ঝড় দানা বাঁধছে।''' :::বিদ্যুৎ :::::মেঘের কিনারা দিয়ে খেলা করছে। :উত্তরের আকাশটি :::শান্ত, :::::গোধূলির আলোয় নীল হয়ে আছে :ঝড় ঘনীভূত হওয়ার সাথে সাথে। :::এটি এমন একটি ফুল :::::যা শীঘ্রই তার প্রস্ফুটনের :চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছাবে। [[File:Ilya Repin-What freedom!.jpg|thumb|right|ভালোবাসা অন্য কিছু...]] * যখন আমি ফুলের কথা :::বলি :::::তখন আসলে মনে করার চেষ্টা করি :যে এক সময় :::আমরা তরুণ ছিলাম। :::::'''সব নারী হেলেন নয়,''' :::'''আমি জানি তা,''' :'''কিন্তু তাদের হৃদয়ে হেলেন থাকে।''' :::প্রিয়তমা, :::::তোমার হৃদয়েও তা আছে, আর সেই কারণেই :আমি তোমাকে ভালোবাসি :::আর অন্যভাবে তোমাকে ভালোবাসা আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না। [[File:The Flood, by Paul Merwart.jpg|thumb|right|এটি ছিল ভালোবাসার প্রতি ভালোবাসা, <br> সেই ভালোবাসা যা অন্য সবকিছুকে গ্রাস করে... এমন এক ভালোবাসা যা <br> নম্রতা ও উদারতা তৈরি করে <br> যা আমাকে আলোড়িত করেছিল <br> এবং যা আমি তোমার মধ্যে দেখেছি।]] [[File:Double-alaskan-rainbow.jpg|thumb|right|আমার হৃদয় জেগে ওঠে <br> তোমার কাছে এমন কিছুর খবর নিয়ে আসার কথা ভেবে <br> যা তোমার সাথে সম্পর্কিত <br> এবং অনেক মানুষের সাথে সম্পর্কিত...]] * '''ঝড় আছড়ে পড়ছে''' :::::'''অথবা মিলিয়ে যাচ্ছে! এটি''' :'''বিশ্বের শেষ নয়।''' :::ভালোবাসা অন্য কিছু, :::::অথবা আমি তেমনটিই ভেবেছিলাম, :একটি বাগান যা বিস্তৃত হয়, :::যদিও আমি তোমাকে একজন নারী হিসেবেই চিনতাম :::::এবং অন্য কিছু ভাবিনি, :যতক্ষণ না পুরো সমুদ্র :::আর তার বাগানগুলোকে :::::এর ভেতরে নিয়ে নেওয়া হয়। :'''এটি ছিল ভালোবাসার প্রতি ভালোবাসা,''' :::'''সেই ভালোবাসা যা অন্য সবকিছুকে গ্রাস করে''', :::::'''এক কৃতজ্ঞ ভালোবাসা,''' :'''প্রকৃতির প্রতি, মানুষের প্রতি,''' :::'''প্রাণীদের প্রতি,''' :::::'''এমন এক ভালোবাসা যা তৈরি করে''' :'''নম্রতা ও উদারতা''' :::'''যা আমাকে আলোড়িত করেছিল''' :::::'''এবং যা আমি তোমার মধ্যে দেখেছি।''' [[File:Harpe de lumiere.jpg|thumb|right|দেখুন <br> কোন জিনিসটি নতুন বলে চালানো হচ্ছে। <br> আপনি সেখানে তা পাবেন না, বরং পাবেন <br> অবহেলিত কবিতার মাঝে।]] * আমি আসছি, প্রিয়তমা, :::::তোমার জন্য গান গাইতে! :আমার হৃদয় জেগে ওঠে :::তোমাকে এমন কিছুর খবর দেওয়ার কথা ভেবে :::::যা তোমার সাথে সম্পর্কিত :এবং অনেক মানুষের সাথে সম্পর্কিত। '''দেখুন''' :::::'''কোন জিনিসটি নতুন বলে চালানো হচ্ছে।''' :'''আপনি সেখানে তা পাবেন না, বরং পাবেন''' :::'''অবহেলিত কবিতার মাঝে।''' * &nbsp; &nbsp; '''কবিতা থেকে খবর পাওয়া''' <br> ::'''কঠিন ঠিকই''' <br> ::::'''তবুও প্রতিদিন মানুষ শোচনীয়ভাবে মরছে''' <br> ::::::'''কবিতার মাঝে যা পাওয়া যায়''' <br> :'''তার অভাবে।'''``` ==উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস সম্পর্কিত উক্তি== * আমেরিকানদের কাছে নেটিভ আমেরিকান সাহিত্য গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত। একে কেবল আমেরিকান অতীতের কোনো প্রত্নবস্তু বা কিউরিও হিসেবে দেখা ঠিক নয় যার বর্তমান বা ভবিষ্যতের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। বরং এটি একটি প্রধান ঐতিহ্য যা [[Cotton Mather|কটন ম্যাথার]] ও [[Nathaniel Hawthorne|নাথানিয়েল হথর্ন]] থেকে শুরু করে [[Walt Whitman|ওয়াল্ট হুইটম্যান]], [[William Carlos Williams|উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] ও [[William Faulkner|উইলিয়াম ফকনার]] হয়ে [[Adrienne Rich|অ্যাড্রিয়েন রিচ]], [[Toni Cade Bambara|টনি কেড বামবারা]] এবং [[Judy Grahn|জুডি গ্রান]] পর্যন্ত সকল লেখককে পথ দেখায়। ** [[Paula Gunn Allen|পলা গান অ্যালেন]], *দ্য স্যাক্রেড হুপ: রিকভারিং দ্য ফেমিনাইন ইন আমেরিকান ইন্ডিয়ান ট্র্যাডিশনস* (১৯৮৬) * [[Writing|লেখালেখিও]] একটি সম্মানজনক পেশা। যারা আগে এই পেশায় ছিলেন, তারা একে সম্মানিত করেছেন। আপনি পছন্দ করুন বা না করুন, প্রতিবার কলম হাতে নেওয়ার সময় আপনাকে সেই একই শূন্য কাগজের মুখোমুখি হতে হয় যা [[Milton|মিল্টন]], [[Melville|মেলভিল]], [[Emily Bronte|এমিলি ব্রন্টি]], [[Dostoevsky|দস্তয়েভস্কি]], [[George Eliot|জর্জ এলিয়ট]], [[George Orwell|জর্জ অরওয়েল]], [[William Faulkner|উইলিয়াম ফকনার]], [[Virginia Woolf|ভার্জিনিয়া উলফ]], উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস এবং আধুনিক নায়ক [[Gabriel Garcia Marquez|গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের]] সামনেও ছিল। ** [[Margaret Atwood|মার্গারেট অ্যাটউড]], "অ্যান এন্ড টু অডিয়েন্স?" (১৯৮০), *সেকেন্ড ওয়ার্ডস: সিলেক্টেড ক্রিটিক্যাল প্রোজ*-এ সংকলিত * উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস তার একটি কবিতায় লিখেছেন যে "ধ্বংস এবং সৃষ্টি সমসাময়িক।" [[Picasso|পিকাসোও]] অনেকটা একই কথা বলেছিলেন। উইলিয়ামসের কাছে এটি ছিল আধুনিক ধারাকে বা অ্যাভান্ট-গার্ডকে পৌরাণিক রূপ দেওয়ার একটি পথ। আপনার সৃজন করতে হলে ধ্বংস করতে হবে। ** টনি বার্নস্টোন, *কনভারসেশনস উইথ [[Bharati Mukherjee|ভারতী মুখার্জি]]*, ব্র্যাডলি সি. এডওয়ার্ডস সম্পাদিত (২০০৯) * আমার শুরুর দিকের পরিচয় ও প্রেমের কবিতাগুলো এজরা পাউন্ড এবং উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের চিত্রকল্পবাদ বা ইমেজবাদ দ্বারা প্রভাবিত ছিল। ** [[Marilyn Chin|মেরিলিন চিন]], *এ পোর্ট্রেট অফ দ্য সেলফ অ্যাজ নেশন: নিউ অ্যান্ড সিলেক্টেড পোয়েমস*-এর ভূমিকা (২০১৮) * যখন আমি [[Virginia Woolf|ভার্জিনিয়া উলফের]] 'অরল্যান্ডো' বা উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের 'ইন দ্য আমেরিকান গ্রেইন' পড়ি, তখন আমার মনে হয় আমি যেন জীবন ও কাজের মাঝে আটকে গেছি বা মরে যাচ্ছি। এই বইগুলো পড়ার পর আমি আবারও গতি ফিরে পাই। আমি অন্যদের জন্য এই কাজটি করতে পারি বলে ভালো লাগে। ** ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত *কনভারসেশনস উইথ [[Maxine Hong Kingston|ম্যাক্সিন হং কিংস্টন]]*-এ সংকলিত ১৯৮৯ সালের সাক্ষাৎকার * যখন আমি উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের 'ইন দ্য আমেরিকান গ্রেইন' পড়ছিলাম, তখন মনে হলো আমেরিকা সম্পর্কে এভাবেই লেখা উচিত। এটিই সঠিক ও পৌরাণিক ইতিহাস। আমি নিশ্চিত ছিলাম এর দ্বিতীয় খণ্ড বের হবে। তাই লাইব্রেরিতে প্রথম খণ্ডটি ফেরত দিয়ে দ্বিতীয় খণ্ডটি খুঁজতে লাগলাম। কিন্তু এর কোনো দ্বিতীয় খণ্ড নেই! তখনই আমি ভাবলাম আমাকেই এর দ্বিতীয় খণ্ডটি লিখতে হবে। তিনি যেহেতু করেননি, তাই আমাকেই তা করতে হবে। এভাবেই 'চায়না মেন' সৃষ্টি হলো। তারা রেলপথের স্টিলের বন্ধন দিয়ে এই দেশটিকে একসাথে বেঁধে রেখেছে। প্রথম দুটি বই শেষ করার পর আমি আমার ভেতরে আরও এক ধরনের চলতি ও সমসাময়িক আমেরিকান ভাষা খুঁজে পেলাম। আরেকটি অপূর্ণতা ছিল বিটনিকদের চলে যাওয়ার সময়কার বই পড়তে পারা। তারাই আমাদের ঠিক আগের প্রজন্মের পথপ্রদর্শক। ** ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত *কনভারসেশনস উইথ [[Maxine Hong Kingston|ম্যাক্সিন হং কিংস্টন]]*-এ সংকলিত ১৯৮৯ সালের সাক্ষাৎকার * ১৯২০-এর দশকে তিনি দুই আমেরিকার উপযুক্ত একটি বইয়ের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে একটি বিশাল আমেরিকান উপন্যাসের কথা ভাবছিলেন। উইলিয়ামস চেয়েছিলেন বইটি যেন এই দুই মহাদেশের বিশাল প্রেক্ষাপট থেকে কথা বলে। ** ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত *কনভারসেশনস উইথ [[Maxine Hong Kingston|ম্যাক্সিন হং কিংস্টন]]*-এ সংকলিত ১৯৯৩ সালের সাক্ষাৎকার * লজ্জিত হওয়ার বা ঝুঁকি নেওয়ার ভয়, বোকা সাজার ভয় কিংবা অন্য কারো মতো না লিখে নিজের মতো করে লেখার ভয়—সবই মানুষের থাকে। তবে কিছু মানুষ বিশ বছর ধরে নিজের মতে অটল থাকেন। উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস তার আত্মজীবনীতে বলেছিলেন, "মনে হচ্ছে টি. এস. এলিয়ট 'দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড' দিয়ে সফল হয়েছেন এবং সাহিত্যের মোড় সেদিকেই ঘুরছে। এখন আমি জানি যে আমার কথা শোনার জন্য আমাকে আরও বিশ বছর অপেক্ষা করতে হবে।" তিনি তাই করেছিলেন। তিনি যা সঠিক মনে করতেন তাই করে গেছেন এবং আমেরিকান ভাষার নিজস্ব ধারণায় অটল থেকে একটি শক্তিশালী প্রভাব তৈরি করেছেন। কিন্তু অন্য অনেকেই ভেবেছিল ওটাই সঠিক পথ এবং তারা নিজেদের শিকড় কেটে সেদিকেই ছুটে গিয়েছিল। ** ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত *কনভারসেশনস উইথ [[Grace Paley|গ্রেস পেলি]]*-এ সংকলিত ১৯৭৯ সালের সাক্ষাৎকার * বিংশ শতাব্দীর বিপ্লবী কাব্যতত্ত্বের ঐতিহ্য সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা ছিল না। বড়দের মধ্যে উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস সমসাময়িক আমেরিকার সাধারণ শহর, সাধারণ দরিদ্র ও কর্মজীবী মানুষ এবং দৈনন্দিন ভাষার সহজ ও ছন্দময় শৈলীতে লিখেছেন। যদিও শুরুতে উইলিয়ামসের কবিতা আমাকে মোহিত করেনি, পরবর্তীতে প্রথাগত ছন্দ থেকে বেরিয়ে আসতে আমি তার বাক্যগঠন ও পঙ্ক্তি ভাঙার পদ্ধতিগুলো নিয়ে কাজ করেছি। ** [[Adrienne Rich|অ্যাড্রিয়েন রিচ]], *হোয়াট ইজ ফাউন্ড দেয়ার* (২০০৩) ==বহিঃসংযোগ== {{wikipedia}} {{commonscat}} * [http://www.poets.org/poet.php/prmPID/119 অ্যাকাডেমি অব আমেরিকান পোয়েটস-এ উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস পাতা] * [http://www.english.uiuc.edu/maps/poets/s_z/williams/williams.htm মডার্ন আমেরিকান পোয়েট্রি-তে উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস পাতা] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৮৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৩-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ জার্সির চিকিৎসক]] [[বিষয়শ্রেণী:বিট প্রজন্মের লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল বুক অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী]] gunh4d0003xdl26oicxmetnms5x0of9 78802 78570 2026-04-20T05:32:43Z SMontaha32 3112 78802 wikitext text/x-wiki [[File:William Carlos Williams passport photograph 1921.jpg |thumb|right|একজন মানুষ কোনো স্থির পাথরখণ্ড নয় যে সবসময় এক জায়গায় থাকবে। যদিও মনোবিজ্ঞানীরা তার সাথে তেমন আচরণই করেন এবং বেশিরভাগ মানুষই তা বিশ্বাস করার মাঝে এক ধরনের উন্মাদনাপূর্ণ গর্ববোধ করে। ... সমাজের সাথে শিল্পের সম্পর্ক অত্যন্ত জটিল। কবি কোনো অপরিবর্তনীয় ঘটনা নন, এমনকি তার কাজও নয়।]] [[File:Asphodele.jpg|thumb|right|কবিতা থেকে সংবাদ পাওয়া কঠিন, তবুও সেখানে যা পাওয়া যায় তার অভাবে মানুষ প্রতিদিন শোচনীয়ভাবে মৃত্যুবরণ করছে।]] [[File:Amistad - Friendship.jpg|thumb|right|প্রকৃত সুখী হওয়ার একমাত্র উপায় হলো অন্যকে সুখী করা। আপনি যখন এটি উপলব্ধি করবেন এবং এই সত্যের সদ্ব্যবহার করবেন, তখন সবকিছুই নিখুঁত হয়ে উঠবে।]] '''[[w:উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস|উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]]''' (১৭ সেপ্টেম্বর,১৮৮৩ – ৪ মার্চ,১৯৬৩) ছিলেন একজন আমেরিকান কবি ও চিকিৎসক। == উদ্ধৃতি == [[File:Heart Flow.jpg|thumb|right|আমার কাছে এটি হলো প্রথমে সেই বিষয়টি উপলব্ধি করা, যাকে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।]] [[File:William Carlos Williams passport photograph.jpg|thumb|এই মুহূর্তে নিজের প্রতি আমার প্রধান অতৃপ্তি হলো—আমি যা করতে চাই, তার মধ্যে নিজেকে যেভাবে বিলীন করে দেওয়া উচিত, তা আমি পারছি না।]] [[File:Milky Way from Flickr.jpg|thumb|right|অনেক প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি। আমাদের কবিরা ভুল হতে পারেন; কিন্তু নিজের প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে দৃষ্টির প্রসার ঘটানো ছাড়া আমাদের আর কী-ই বা করার আছে? যেন বারবার ব্যর্থ হওয়ার মাধ্যমে আমরা অতীতে যা হারিয়েছি, তা আরও ভালোভাবে শিখতে পারি।]] === সাধারণ উৎস === * '''একটি বিষয়ে আমি দিন দিন আরও নিশ্চিত হচ্ছি: প্রকৃত সুখী হওয়ার একমাত্র উপায় হলো অন্যকে সুখী করা। আপনি যখন এটি উপলব্ধি করবেন এবং এই সত্যের সদ্ব্যবহার করবেন, তখন সবকিছুই নিখুঁত হয়ে উঠবে।''' ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ৫; ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া থেকে তার মাকে লেখা চিঠি (১২ ফেব্রুয়ারি ১৯০৪) * সত্যি বলতে, আমি নিজেও কখনো পুরোপুরি অনুভব করি না যে আমি কী নিয়ে কথা বলছি—যদি অনুভব করতাম বা যখন করি, তখন লিখিত বিষয়টিকে আমার কাছে তুচ্ছ মনে হয়। তবে, '''আমি যা লিখি এবং যা টিকে থাকে, তা সবসময়ই সার্থক বলে আমার মনে হয়। আমার মনে হয়, আমি যা বুঝিয়েছি কিন্তু হয়তো পুরোপুরি প্রকাশ করতে পারিনি, তার যতটা কাছাকাছি আমি পৌঁছাতে পেরেছি, অন্য কেউ তা পারেনি। আমার কাছে এটি হলো প্রথমে সেই বিষয়টি উপলব্ধি করা যাকে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।''' আমি আরও অনেক কিছু বলতে পারতাম কিন্তু তাতে লাভ নেই। এক অর্থে আমাকে নিজেকে প্রকাশ করতে হবে, আপনি ঠিকই বলেছেন, তবে যদি এর কোনো অর্থ থাকে তবে তা সবসময়ই 'সম্পূর্ণরূপে অসম্পূর্ণ'। ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২৬; [[w:Harriet Monroe|হ্যারিয়েট মনরোকে]] লেখা (১৪ অক্টোবর ১৯১৩) * '''এটি জীবনের গতির সাথে তাল মিলিয়ে চলে—বিক্ষিপ্ত কিন্তু সমগ্রের সাথে যুক্ত, ছিন্ন ভিন্ন কিন্তু একসাথে বোনা।''' ** *দ্য নিউ ইয়র্ক হেরাল্ড ট্রিবিউন*-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে তার কাজ সম্পর্কে (১৮ জানুয়ারি ১৯৩২) * '''কবির কাজ হলো কার্যকরভাবে ভাষা ব্যবহার করা—তার নিজস্ব ভাষা, যা তার কাছে একমাত্র নির্ভরযোগ্য ভাষা।''' ** [[Louis Untermeyer|লুই আনটারমেয়ার]] রচিত *মডার্ন আমেরিকান পোয়েট্রি* (১৯৫০)-তে উদ্ধৃত 'এ নোট অন পোয়েট্রি' (আনুমানিক ১৯৩৬) থেকে * গদ্যের চেয়ে কবিতার জন্য ভিন্ন উপাদানের প্রয়োজন হয়। এটি একই তথ্যের অন্য একটি দিক ব্যবহার করে... ভাষার স্বতঃস্ফূর্ত রূপ যেমনটা শোনা যায়। ** জেমস লাফলিনকে দেওয়া 'ডিটেইল অ্যান্ড প্রসোডি ফর দ্য পোয়েম প্যাটারসন' (১৯৩৯), বর্তমানে হটন লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত * '''এই অদ্ভুত পৃথিবীটি মূলত হতাশায় ঘেরা।''' <br> আমি মূলত লিখে যাই কারণ এটি আমাকে এমন এক তৃপ্তি দেয় যা অন্য কোথাও পাওয়া সম্ভব নয়। এটি সেই মুহূর্তগুলোকে পূর্ণ করে যা অন্যথায় ভয়াবহ বা বিষণ্ণ হতো। এমন নয় যে আমি ওভাবেই বাঁচি, কাজও আমাকে শান্ত রাখে। এই মুহূর্তে নিজের প্রতি আমার প্রধান অতৃপ্তি হলো—আমি যা করতে চাই, তার মধ্যে নিজেকে যেভাবে বিলীন করে দেওয়া উচিত, তা আমি পারছি না। ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২১৬; [[w:Robert McAlmon|রবার্ট ম্যাকঅ্যালমনকে]] লেখা চিঠি (৮ আগস্ট ১৯৪৩) * '''আমরা কেন বাঁচি? আমাদের মধ্যে বেশিরভাগেরই সেই জিনিসটি প্রয়োজন যা আমরা কখনো চাই না।''' আমরা বিপ্লব নিয়ে এমনভাবে কথা বলি যেন এটি তুচ্ছ কোনো বিষয়। আমাদের যা প্রয়োজন তা হলো কিছু অকপট চিন্তা এবং নিজেদের অন্তরে কয়েকটি বিপ্লব; আমি যাদের চিনি সেই সব নরধমেরা গোল্লায় যাক এবং আমিও তাদের সাথে গোল্লায় যাই যদি না আমি নিজেকে সামলে নিতে পারি এবং প্রয়োজনে ঘুরে দাঁড়াতে পারি—অথবা যদি এগিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য হয় তবে আরও সামনে এগোতে পারি। ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২১৭; [[w:Robert McAlmon|রবার্ট ম্যাকঅ্যালমনকে]] লেখা চিঠি (৪ সেপ্টেম্বর ১৯৪৩) * '''দার্শনিকরা আজ কবিদের পিছু ধাওয়া করছে, কারণ দর্শনের আজ বড়ই অভাব। অভিশাপ তাদের ওপর! আপনি হয়তো ভাবছেন কোনো দার্শনিক অনুমতি না দিলে কোনো মানুষের লেখালেখি করার বা কবি হওয়ার অধিকার নেই।''' ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২১৯; [[w:James Laughlin|জেমস লাফলিনকে]] লেখা চিঠি (১৪ জানুয়ারি ১৯৪৪) * প্রতিদিনের সাধারণ খবর, করুণ মৃত্যু বা প্রাত্যহিক জীবনের লাঞ্ছনা পড়ে কী লাভ? অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে আমরা জানি যে যে পরিস্থিতিতে এগুলো ঘটার কথা ছিল, ঠিক সেভাবেই এগুলো ঘটেছে। এর মধ্যে কোনো আলো নেই। এটি কেবল তুচ্ছ শূন্যস্থান পূরণকারী তথ্য। আমরা জানি [[airplane|বিমান]] বিধ্বস্ত হবে, [[train|ট্রেন]] লাইনচ্যুত হবে। আমরা কেন তাও জানি। কেউ পাত্তা দেয় না, কেউ দিতেও পারে না। আমরা খবর পাই এবং তা অগ্রাহ্য করি, আর এটি করাই আমাদের জন্য সঠিক। এগুলো তুচ্ছ। '''কিন্তু কোনো নিভৃত রোগীর চোখে আমি যে তাড়িত খবর পাই, তা তুচ্ছ নয়। তা গভীর''': শেখার সমস্ত একাডেমি, সমস্ত ধর্মীয় অনুশাসন এর ওপর ভিত্তি করেই প্রতিষ্ঠিত। তারা তাদের তথাকথিত হেত্বাভাস বা 'ডায়ালেকটিক' এর ওপর ভিত্তি করেই গড়ে তুলেছে—তাদের মিথ্যা ডায়ালেকটিক। ডায়ালেকটিক হলো যেকোনো একতরফা ব্যবস্থা। যেহেতু সব ব্যবস্থাই নিছক উদ্ভাবন, তাই প্রতিটি ক্ষেত্রেই এটি একটি ভুল ধারণা বা প্রেক্ষাপট। এর ওপর ভিত্তি করে একটি বদ্ধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয় যা যারা এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে তাদের বাকি বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। সব মানুষই কোনো না কোনোভাবে এক ধরনের ডায়ালেকটিকের মধ্যে আটকা পড়ে থাকে, তা সে আর্জেন্টিনা হোক বা জাপান। ফলে প্রতিটি দলই পঙ্গু হয়ে যায়। প্রত্যেকে একটি ডায়ালেকটিক মেঘের মধ্যে যোগাযোগহীন অবস্থায় বন্দি থাকে। এই কারণেই আমরা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ি এবং অত্যন্ত ভাসা ভাসা বিষয়ে গর্ববোধ করি। <br /> আমরা কি দেখতে পাচ্ছি না যে আমরা নিজেদের প্রকাশ করতে পারছি না? এটিই আমাদের পরাজিত করে। ** *দ্য অটোবায়োগ্রাফি অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫১), অধ্যায় ৫৪: "দ্য প্র্যাকটিস" * '''আমার প্রথম কবিতাটি ছিল আকস্মিক এক ঘটনা... এটি মোহভঙ্গ এবং আত্মঘাতী বিষণ্ণতার মন্ত্র ভেঙে দিয়েছিল। ... এটি আমাকে এক আত্মতৃপ্তিদায়ক আনন্দে পূর্ণ করেছিল।''' ** *দ্য অটোবায়োগ্রাফি অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫১) [ডাব্লিউ. ডাব্লিউ. নর্টন অ্যান্ড কোং, ১৯৬৭, <small>{{ISBN|978-0811202268}}</small>] * '''বাইরে অনেক বদমাশ আছে!''' ** মন্তব্য (আনুমানিক ১৯৫৭), [[Allen Ginsberg|অ্যালেন গিন্সবার্গের]] "ডেথ নিউজ" কবিতার ভূমিকায় উদ্ধৃত: *১৯৫৭ সালের দিকে ডাব্লিউ.সি.ডাব্লিউ.-এর সাথে দেখা করতে যান কবি [[Jack Kerouac|কেরুয়াক]], করসো ও [[w:Peter Orlovsky|অরলভস্কি]]। বসার ঘরের সোফায় বসে তারা কিছু বিজ্ঞ বাণী জানতে চাইলে, অসুস্থ উইলিয়ামস মেইন স্ট্রিটের জানালার পর্দার দিকে আঙুল তুলে বলেছিলেন: "বাইরে অনেক বদমাশ আছে!"* * আমি এটি পছন্দ করেছি কারণ এতে রচনার মূল অংশগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে। আমি একে ছোট করতে করতে একদম সংকুচিত করে এনেছি। একে আরও প্রাণবন্ত করতেই এভাবে চেপে ছোট করা হয়েছে। ** জন সি. থার্লওয়ালের সংগ্রহে থাকা *দ্য কালেক্টেড আর্লিয়ার পোয়েমস* (আনুমানিক ১৯৫৮) বইটিতে "চিকরি অ্যান্ড ডেইজিস" (১৯১৫) কবিতার ওপর টিকা * '''আমি মনে করতাম আমার বন্ধুরা মহামূর্খ, কারণ তারা তাদের জীবন পরিচালনা করার এর চেয়ে ভালো কোনো পথ জানত না। তবুও তারা আমার চেয়ে কোনো না কোনো আদর্শ বা কোড আরও ভালোভাবে মেনে চলত। আমি নিজেও তা মানতে চেয়েছিলাম কিন্তু পারিনি, তাই আমি আমার কবিতা লিখেছি।''' ** জন সি. থার্লওয়ালের সংগ্রহে থাকা *দ্য কালেক্টেড আর্লিয়ার পোয়েমস* (আনুমানিক ১৯৫৮) বইটিতে টিকা * আজকাল কবিতার শিল্প রূপটি কিছুটা অস্থির; কিন্তু অন্তত কবিতার গঠনটি অর্থবহ হওয়া উচিত যেন আপনি জানেন আপনি কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন। '''অনেক প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি। আমাদের কবিরা ভুল হতে পারেন; কিন্তু নিজের প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে দৃষ্টির প্রসার ঘটানো ছাড়া আমাদের আর কী-ই বা করার আছে? যেন বারবার ব্যর্থ হওয়ার মাধ্যমে আমরা অতীতে যা হারিয়েছি তা আরও ভালোভাবে শিখতে পারি।''' ** স্ট্যানলি কোহলারের সাথে সাক্ষাৎকার (এপ্রিল ১৯৬২), *দ্য প্যারিস রিভিউ: রাইটার্স অ্যাট ওয়ার্ক*, ৩য় সিরিজ, ভাইকিং পেঙ্গুইন, পৃষ্ঠা ২৯ <small> {{ISBN|0-14-00-4542-2}} </small> * একটি শিল্প মাধ্যম হওয়ায় কবিতা কোনো সীমাবদ্ধতা বা নির্দেশনামূলক নীতি ছাড়া "মুক্ত" হতে পারে না। ** *ফ্রি ভার্স। প্রিন্সটন এনসাইক্লোপিডিয়া অব পোয়েট্রি অ্যান্ড পোয়েটিক্স* ২য় সংস্করণ (১৯৭৫)-এ উদ্ধৃত ===''ম্যারেজ'' (১৯১৬) === * কতই না আলাদা, এই পুরুষ<br>আর এই নারী:<br>এক প্রান্তরের বুক চিরে<br>বয়ে চলা জলধারা। ** *পোয়েট্রি* (শিকাগো, ১৯১৬) === ''[[w:Al Que Quiere!|আল কো কিয়েরে!]]'' (১৯১৭) === [[File:Venus-pacific-levelled.jpg|thumb|right|<p>এটি এক অদ্ভুত সাহস <br> যা তুমি আমাকে দাও, হে প্রাচীন তারা:</p><p>সূর্যোদয়ের আলোয় একাকী জ্বলে ওঠো <br> যাতে তোমার কোনো অবদান নেই!</p>]] :<small>[[s:Al Que Quiere!|উইকিসোর্সে পূর্ণাঙ্গ টেক্সট]] </small> [[File:Lafosse, Charles de - Sunrise with the Chariot of Apollo - c. 1672.jpg|thumb|right|<p>স্বপ্নই আমাদের ধ্বংস করেছে। </p><p> ঘোড়া বা লাগাম ধরার মাঝে <br> এখন আর কোনো গর্ব নেই।</p>]] * '''তোমার ফুলগুলো তুলে ধরো <br> তিতকুটে ডাঁটার ডগায় <br> হে চিকরি!''' <br> দগ্ধ মাটি থেকে <br> তাদের উপরে তুলে ধরো! <br> কোনো পল্লব ধারণ করো না <br> বরং নিজেকে উজার করে দাও <br> কেবল ওটাতেই! <br> তোমাদের নিচ থেকে টান ধরুক <br> হে তিতকুটে ডাঁটা <br> যা কোনো পশু খায় না— <br> আর ধূসরতাকে তুচ্ছ করো! ** "চিকরি অ্যান্ড ডেইজিস" * '''পৃথিবী ফেটে চৌচির আর <br> কুঁচকে যায়; <br> বাতাস করুণ স্বরে বিলাপ করে; <br> তুমি যদি ব্যর্থ হও <br> তবে আকাশও নিভে যাবে।''' ** "চিকরি অ্যান্ড ডেইজিস" * <p>'''আজ আমি কেন লিখি?'''</p><p>'''আমাদের গুরুত্বহীন মানুষদের <br> সেই ভয়াবহ মুখগুলোর সৌন্দর্য <br> আমাকে লিখতে বাধ্য করে''':</p><p> কর্মজীবী কৃষ্ণাঙ্গ নারীরা— <br> বৃদ্ধ ও অভিজ্ঞ— <br> গোধূলিলগ্নে বাড়ি ফিরছে, <br> ত্যাজ্য পোশাকে ঢাকা <br> মুখগুলো যেন <br> পুরনো ফ্লোরেনটাইন ওক কাঠ।</p> ** "[[s:Apology (Williams)|অ্যাপোলজি]]" * তোমাদের মুখের সেই কৃত্রিম ভঙ্গি <br> আমাকে নাড়া দেয়— <br> হে বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দ— <br> তবে <br> একইভাবে নয়। ** "অ্যাপোলজি" * <p>'''আমি এখানে শুয়ে তোমার কথা ভাবছি:—'''</p><p>'''প্রেমের দাগ <br> সারা বিশ্বে লেগে আছে!'''</p> ** "লাভ সং" * <p>'''এটি এক অদ্ভুত সাহস <br> যা তুমি আমাকে দাও, হে প্রাচীন তারা:'''</p><p>'''সূর্যোদয়ের আলোয় একাকী জ্বলে ওঠো <br> যাতে তোমার কোনো অবদান নেই!'''</p> ** "এল হোমব্রে" * <p>ভাই! <br> — আমরা যদি ধনী হতাম <br> তবে বুক চিতিয়ে <br> মাথা উঁচু করে চলতাম! </p><p> '''স্বপ্নই আমাদের ধ্বংস করেছে।'''</p><p>'''ঘোড়া বা লাগাম ধরার মাঝে <br> এখন আর কোনো গর্ব নেই।'''</p><p> আমরা কুঁজো হয়ে বসে <br> নিজেদের ভাগ্য নিয়ে ভাবি। </p><p> '''যাই হোক— <br> সব কিছুই শেষ পর্যন্ত তিক্ত হয়ে যায় <br> আপনি ডানে যান বা <br> বামে <br> &nbsp; &nbsp; এবং— <br> স্বপ্ন দেখা খুব খারাপ কিছু নয়।'''</p> ** "লিবেরতাদ! ইগুয়ালিদাদ! ফ্রাতেরনিদাদ!" * কে বলবে যে আমি <br> আমার গৃহের এক সুখী প্রতিভা নই? ** "দানস রুস" === ''[[w:Spring and All|স্প্রিং অ্যান্ড অল]]'' (১৯২৩) === [[File:Wild Carrot seedheads, Dayton, Ohio.jpg|thumb|right|দেখতে প্রাণহীন, মন্থর <br> বিভ্রান্ত বসন্ত এগিয়ে আসে— <br> তারা নগ্ন হয়ে নতুন পৃথিবীতে প্রবেশ করে, <br> শীতল ও অনিশ্চিত সবকিছু নিয়ে <br> কেবল এইটুকু নিশ্চিত যে তারা প্রবেশ করছে। তাদের চারপাশে <br> সেই পরিচিত হিমেল হাওয়া...]] [[File:N2 Queen Anne's Lace.jpg|thumb|right|তবুও, সেই গভীর পরিবর্তন <br> তাদের ওপর এসেছে: শিকড় গেড়ে <br> তারা শক্ত হয়ে বসে এবং জাগতে শুরু করে।]] * <p>'''অনেক কিছুই নির্ভর করে <br> একটি'''</p><p>'''লাল চাকাওয়ালা <br> ঠেলার গাড়ির ওপর'''</p><p>'''যা বৃষ্টির জলে <br> চকচক করছে'''</p><p>'''সাদা মুরগিগুলোর <br> পাশে'''</p> ** "দ্য রেড হুইলব্যারো" * সংক্রামক হাসপাতালের রাস্তার ধারে <br> উত্তর-পূর্ব দিক থেকে আসা <br> নীল ছোপানো মেঘের ভিড়ের নিচে— <br> এক হিমেল হাওয়া। ** "স্প্রিং অ্যান্ড অল" * <p>'''দেখতে প্রাণহীন, মন্থর <br> বিভ্রান্ত বসন্ত এগিয়ে আসে— <br> তারা নগ্ন হয়ে নতুন পৃথিবীতে প্রবেশ করে, <br> শীতল ও অনিশ্চিত সবকিছু নিয়ে <br> কেবল এইটুকু নিশ্চিত যে তারা প্রবেশ করছে।''' তাদের চারপাশে <br> সেই পরিচিত হিমেল হাওয়া—</p><p> এখন ঘাস, কাল হবে <br> বুনো গাজর পাতার শক্ত কুঞ্চন— <br> একে একে সব বস্তু স্পষ্ট হয়ে ওঠে— <br> এটি প্রাণ পায়: স্পষ্টতা, পাতার রূপরেখা। </p><p> কিন্তু এখন প্রবেশের সেই কঠোর গাম্ভীর্য— '''তবুও সেই গভীর পরিবর্তন <br> তাদের ওপর এসেছে: শিকড় গেড়ে <br> তারা শক্ত হয়ে বসে এবং জাগতে শুরু করে।'''</p> ** "স্প্রিং অ্যান্ড অল" * আমেরিকার বিশুদ্ধ পণ্যগুলো <br> পাগল হয়ে যায়— ** "টু এলসি" === ''[[w:Sour Grapes (book)|সাওয়ার গ্রেপস]]'' (১৯২১) === * বৃষ্টি আর <br> আলোর মাঝে <br> আমি সোনালি রঙের <br> ৫ সংখ্যাটি দেখলাম <br> একটি লাল <br> দমকলের গাড়ির ওপর <br> যা ছুটছে <br> টানটান উত্তেজনায় <br> অবহেলিতভাবে <br> ঘণ্টার শব্দে <br> সাইরেনের আর্তনাদে <br> আর অন্ধকার শহরের বুক চিরে <br> চাকার ঘড়ঘড়ানিতে। ** "দ্য গ্রেট ফিগার" * বার্ধক্য হলো <br> ছোট কিচিরমিচির করা <br> পাখির এক ঝাঁক উড্ডয়ন <br> যা বরফ ঢাকা মাঠের ওপর <br> ন্যাড়া গাছগুলোকে <br> ছুঁয়ে যায়। <br> জয় আর পরাজয়ের মাঝে <br> তারা অন্ধকার বাতাসে <br> বাধা পায়— <br> কিন্তু তাতে কী? <br> রুক্ষ আগাছার ডাঁটায় <br> পাখির ঝাঁকটি বিশ্রাম নিয়েছে— <br> বরফ আজ <br> ঢাকা পড়েছে <br> ভাঙা বীজের <br> খোসায় <br> আর বাতাসের তীব্রতা কমেছে <br> প্রাচুর্যের এক সুতীক্ষ্ণ <br> বাঁশির সুরে। ** "টু অ্যাওয়েকেন অ্যান ওল্ড লেডি"; মূলত *দ্য ডায়াল*-এ প্রকাশিত (আগস্ট ১৯২০) === ''কালেক্টেড পোয়েমস ১৯২১-১৯৩১'' (১৯৩৪) === [[File:Bluebyrd plum.jpg|thumb|right|আমায় ক্ষমা করো <br> ওগুলো খুব সুস্বাদু ছিল <br> অনেক মিষ্টি <br> আর অনেক ঠাণ্ডা]] * <p>'''আমি সেই <br> আলুবোখারাগুলো <br> খেয়ে ফেলেছি <br> যা আইসবক্সে ছিল'''</p><p> এবং যা <br> সম্ভবত আপনি <br> সকালের নাস্তার জন্য <br> জমিয়ে রেখেছিলেন</p><p> '''আমায় ক্ষমা করো <br> ওগুলো খুব সুস্বাদু ছিল <br> অনেক মিষ্টি <br> আর অনেক ঠাণ্ডা'''</p> ** "দিস ইজ জাস্ট টু সে" * সে মানুষটির ভেতর থেকে বেরিয়ে এসেছে <br> আর সে মানুষটিকে <br> যেতে দিয়েছে— <br> :::সেই মিথ্যাবাদী <br> মৃত <br> ::তার চোখ জোড়া <br> :আলো থেকে উপরে উল্টে গেছে— এক উপহাস <br> :::::যাকে <br> :<p>ভালোবাসা স্পর্শ করতে পারে না— </p><p> কেবল একে মাটি চাপা দাও <br> আর লজ্জায় মুখ লুকিয়ে রাখো। </p> ** "ডেথ" * উচ্চ মানসিকতা সম্পন্ন <br> এবং নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষকরা তোমার বিষয়টি পর্যালোচনা করেছেন (অভিশাপ তাদের ওপর!)— <br> তারা হলেন একটি বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি, <br> একটি নামকরা কারিগরি স্কুলের সভাপতি এবং এক বিচারক যিনি বেঞ্চে বসার জন্য বড্ড বুড়ো। এরা এমন মানুষ যারা শিক্ষাদান এবং যথেচ্ছ আইন প্রয়োগের জন্য আগে থেকেই পুরস্কৃত। সহজ কথায়— <br> ঐতিহ্যের দালালের দল— ** "ইমপ্রম্পটু: দ্য সাকারস" * এটাই তোমার প্রাপ্য। তোমার কাছে টাকা আছে, <br> তোমার কিসের চিন্তা? তোমার <br> হারানোর কিছু নেই। তোমরা এক মহান <br> ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী। আমার দেশ ঠিক হোক বা ভুল! <br> তোমাকে যা করতে বলা হয় তুমি তাই করো। <br> তুমি টমি জেফ, বেন ফ্রাঙ্ক বা জর্জি ওয়াশিং-এর মতো <br> মুখে মুখে উত্তর দাও না। আমি তো বলবই <br> তোমরা দাও না। তোমরা সভ্য। তোমরা <br> তোমাদের ওপরওয়ালাদের কথা মেনে নাও। <br> চালিয়ে যাও— ** "ইমপ্রম্পটু: দ্য সাকারস" === ''[[w:An Early Martyr and Other Poems|অ্যান আর্লি মার্টার অ্যান্ড আদার পোয়েমস]]'' (১৯৩৫) === [[File:Johannisbrotbaum bluete.jpg|thumb|right|সবুজ শক্ত পুরনো উজ্জ্বল ভাঙা ডালপালার মাঝে আবার ফিরে এলো সাদা মিষ্টি মে মাস]] * <p>মাঝে <br> এর <br> সবুজ </p><p> শক্ত <br> পুরনো <br> উজ্জ্বল </p><p> ভাঙা <br> ডাল <br> এলো </p><p> সাদা <br> মিষ্টি <br> মে </p><p> আবারও</p> ** "দ্য লোকাস্ট ট্রি ইন ফ্লাওয়ার" === ''কমপ্লিট কালেক্টেড পোয়েমস'' (১৯৩৮) === * <p>এই সেই </p><p>নির্জন অন্ধকার সপ্তাহগুলো <br> যখন প্রকৃতির এই রিক্ততা <br> মানুষের বোকামির সমান হয়ে দাঁড়ায়।</p><p> বছরটি রাত্রির অন্ধকারে তলিয়ে যায় <br> আর হৃদয় তলিয়ে যায় <br> রাত্রির চেয়েও গভীরে</p> ** "দিস" === ''দ্য ওয়েজ'' (১৯৪৪) === [[File:Aerial view of the Japanese aircraft carrier Sōryū evading an air attack on 4 June 1942 (fsa.8e00397).jpg |thumb|right|আজকের বিশ্বে যুদ্ধই প্রথম এবং একমাত্র বিষয়।]] [[File:Missouri-flyover.jpg |thumb|right|গদ্য জাহাজের মতো অস্পষ্ট বিষয়ের বোঝা বহন করতে পারে। কিন্তু কবিতা হলো সেই ইঞ্জিন যা একে চালায়, একে ছেঁটে একদম নিখুঁত করে তোলা হয়েছে।]] [[File:Micranthes tolmiei 21979.jpg|thumb|right|সাক্সিফ্রেজ হলো আমার সেই ফুল যা পাথর চিরে বেরিয়ে আসে।]] * '''আজকের বিশ্বে যুদ্ধই প্রথম এবং একমাত্র বিষয়।''' <br> সাধারণভাবে শিল্পকলা কোনো মুখ্য বিষয় নয়, আর এই লেখালেখিও যুদ্ধ থেকে মুক্তি পাওয়ার কোনো মাধ্যম নয়। এটি যুদ্ধ বা এরই একটি অংশ, রণক্ষেত্রের ভিন্ন একটি ক্ষেত্র মাত্র। ** [http://www.poetryfoundation.org/learning/essay/237888 ভূমিকা] * কে আজ হতাশ নয় এবং নিজের কাজের মাধ্যমে তা প্রমাণ করে না—যদি আপনি বলতে চান? কিন্তু '''শিল্পের মাধ্যমে মানসিকভাবে পঙ্গু একজন মানুষও তার সময়ের সবচেয়ে বিশিষ্ট ব্যক্তি হয়ে উঠতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ [[Sigmund Freud|সিগমুন্ড ফ্রয়েডের]] কথা ধরুন।''' ** ভূমিকা * '''একজন মানুষ কোনো স্থির পাথরখণ্ড নয় যে সবসময় এক জায়গায় থাকবে, যদিও মনোবিজ্ঞানীরা তার সাথে তেমন আচরণই করেন—এবং বেশিরভাগ মানুষই তা বিশ্বাস করার মাঝে এক ধরনের উন্মাদনাপূর্ণ গর্ববোধ করে।''' একঘেয়েমি! সে বদলে যায়; আজ হ্যামলেট তো কাল [[Julius Caesar (play)|সিজার]]; এখানে, সেখানে, কোথাও না কোথাও—যদি সে তার মানসিক সুস্থতা ধরে রাখতে চায়, আর সমস্যাই বা কোথায়? <br> '''সমাজের সাথে শিল্পের সম্পর্ক অত্যন্ত জটিল। কবি কোনো অপরিবর্তনীয় ঘটনা নন, এমনকি তার কাজও নয়।''' ** ভূমিকা * একটি যন্ত্রের মধ্যে আবেগপ্রবণ কিছু নেই; এবং: একটি কবিতা হলো শব্দের তৈরি ছোট (বা বড়) একটি যন্ত্র। ** ভূমিকা * '''গদ্য জাহাজের মতো অস্পষ্ট বিষয়ের বোঝা বহন করতে পারে। কিন্তু কবিতা হলো সেই ইঞ্জিন যা একে চালায়, একে ছেঁটে একদম নিখুঁত করে তোলা হয়েছে।''' ** ভূমিকা * '''প্রতিটি ভাষার নিজস্ব চরিত্র রয়েছে। এর মাধ্যমে তৈরি কবিতা তার অন্তর্নিহিত গঠন বা সেই ভাষার নিজস্ব রূপ ধারণ করবে।''' এর ফল হলো সৌন্দর্য, যা কোনো একটি জিনিসের মধ্যে আমাদের ভালোমন্দের জটিল অনুভূতিগুলো মীমাংসা করে দেয়। ** ভূমিকা * একজন মানুষ যখন কবিতা তৈরি করেন, মনে রাখবেন 'তৈরি করেন', তিনি তার চারপাশের শব্দগুলোকে বেছে নেন এবং কোনো বিকৃতি ছাড়াই সেগুলোকে সাজান। এর ফলে তার উপলব্ধি ও আবেগের এক তীব্র বহিঃপ্রকাশ ঘটে যা তার ব্যবহৃত ভাষায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। '''শিল্প হিসেবে তিনি কী 'বলছেন' তা বড় কথা নয়, বরং তিনি কী 'তৈরি করছেন' সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। এর উপলব্ধির তীব্রতা এত বেশি যে এটি তার নিজস্ব গতির মাধ্যমে তার সত্যতা প্রমাণ করে।''' ** ভূমিকা * আঙ্গিকগত উদ্ভাবন ছাড়া কোনো কালজয়ী কবিতা সম্ভব নয়। কারণ শিল্পের এই নিবিড় রূপের মাধ্যমেই তা সঠিক অর্থ খুঁজে পায়। এদিক থেকেই এটি যন্ত্রের সাথে সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ। এটি ভাষাকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দেয় এবং যে পরিবেশে এর জন্ম সেখানে আলো ছড়ায়। '''শিল্প যে যুদ্ধ নিয়ে বেঁচে থাকে এবং নিঃশ্বাস নেয়, তা অবিরাম।''' <br> হতে পারে আমার এখানে প্রকাশ করা আগ্রহগুলো শিল্পের আগের পর্যায়ের। '''যদি তাই হয়, তবে আমি এই পথেই উন্নয়ন খুঁজছি এবং অন্য কিছুতে আমি সন্তুষ্ট হব না।''' ** ভূমিকা * '''সাপটিকে তার আগাছার নিচে <br> অপেক্ষা করতে দাও <br> আর লেখাগুলো হোক <br> শব্দের—মন্থর ও দ্রুত, তীক্ষ্ণ <br> আঘাত হানতে পটু, অপেক্ষায় শান্ত, <br> নির্ঘুম।''' <br> — রূপকের মাধ্যমে মানুষ <br> আর পাথরের মধ্যে মিলন ঘটাও। <br> রচনা করো। (জিনিসের মধ্যেই <br> ধারণা নিহিত থাকে) উদ্ভাবন করো! <br> '''[[w:Saxifraga|সাক্সিফ্রেজ]] হলো আমার সেই ফুল যা পাথর <br> চিরে বেরিয়ে আসে।''' ** "এ সর্ট অব এ সং" === ''কালেক্টেড লেটার পোয়েমস'' (১৯৫০) === [[File:Adenium boehmianum.jpg|thumb|right|ভালোবাসা নিজেই একটি ফুল <br> যার শিকড় থাকে দগ্ধ মাটিতে।]] * '''এখন নয়। ভালোবাসা নিজেই একটি ফুল <br> যার শিকড় থাকে দগ্ধ মাটিতে।''' <br> শূন্য পকেট মানে শূন্য মগজ। <br> পারলে এর চিকিৎসা করো কিন্তু <br> বিশ্বাস করো না যে আমরা আজ <br> গ্রামে থাকতে পারব, কারণ গ্রাম <br> আমাদের কোনো শান্তি <br> &nbsp; &nbsp; দেবে না। ** "র‍্যালে ওয়াজ রাইট" (১৯৪০) === ''[[w:The Desert Music and Other Poems|দ্য ডেজার্ট মিউজিক অ্যান্ড আদার পোয়েমস]]'' (১৯৫৪) === [[File:AzaraxshTaleghan.gif|thumb|right|[[René Char|রেনে চার]] <br> তুমি এমন এক কবি যে বিশ্বাস করো <br> সৌন্দর্যের শক্তিতে <br> যা সব ভুল শুধরে দিতে পারে। <br> আমিও তা বিশ্বাস করি।]] * '''আমি [[René Char|রেনে চারের]] <br> কবিতার কথা ভাবি <br> এবং তিনি যা কিছু দেখেছেন <br> ও সহ্য করেছেন তার কথা ভাবি। এই অভিজ্ঞতাই তাকে বাধ্য করেছে <br> কেবল শেওলাধরা নদী, <br> ড্যাফোডিল আর টিউলিপের কথা বলতে <br> যাদের শিকড়ে পানি জমে আছে।''' এমনকি সেই প্রবহমান নদীর কথা যা <br> সেই মিষ্টি সুগন্ধি ফুলের শিকড় ধুয়ে দেয় <br> যা ছায়াপথকে <br> সমৃদ্ধ করে। ** "টু এ ডগ ইনজার্ড ইন দ্য স্ট্রিট" * রাস্তার পাশে মরণাপন্ন এক কুকুরের আর্তনাদ <br> আমাকে যতটুকু সম্ভব ভুলিয়ে দিতে হবে। <br> '''রেনে চার, <br> তুমি এমন এক কবি যে বিশ্বাস করো <br> সৌন্দর্যের শক্তিতে <br> যা সব ভুল শুধরে দিতে পারে। <br> আমিও তা বিশ্বাস করি। <br> উদ্ভাবন আর সাহসের মাধ্যমে <br> আমরা সেই সব অসহায় নির্বাক প্রাণীদের ছাড়িয়ে যাব। <br> সব মানুষ যেন এটি বিশ্বাস করে, <br> যেমনটা তুমি আমাকে বিশ্বাস করতে <br> শিখিয়েছ।''' ** "টু এ ডগ ইনজার্ড ইন দ্য স্ট্রিট" === ''[[w:Journey to Love (William Carlos Williams)|জার্নি টু লাভ]]'' (১৯৫৫) === ==== অ্যাসফোডেল, দ্যাট গ্রিনি ফ্লাওয়ার ==== [[File:Asphodelus albus3.jpg|thumb|right|আমরা দীর্ঘ সময় একসাথে ছিলাম, <br> একটি জীবন পূর্ণ ছিল, <br> আপনি যদি চান তবে বলতে পারেন, <br> ফুলে ফুলে।]] [[File:Shelfcloud.jpg|thumb|right|এমন কিছু আছে <br> জরুরি কিছু <br> যা আমাকে কেবল তোমাকেই <br> বলতে হবে। <br> কিন্তু তাকে অপেক্ষা করতে দাও <br> ততক্ষণ আমি তোমার আগমনের <br> আনন্দ উপভোগ করি, <br> হয়তো শেষবারের মতো।]] * অ্যাসফোডেল, সেই সবুজ ফুলটি, <br> :::হলুদ বাটারকাপের মতো <br> :::::এর ডালপালার ওপর— <br> :কেবল ওটি সবুজ আর কাঠের মতো— <br> :::আমি আসছি, প্রিয়তমা, <br> :::::তোমার জন্য গান গাইতে। <br> :'''আমরা দীর্ঘ সময় একসাথে ছিলাম,''' <br> :::'''একটি জীবন পূর্ণ ছিল,''' <br> :::::'''আপনি যদি চান তবে বলতে পারেন,''' <br> :'''ফুলে ফুলে।''' তাই <br> :::আমি আনন্দিত হয়েছিলাম <br> :::::যখন প্রথম জানতে পারলাম <br> :যে নরকেও <br> :::ফুল আছে। <br> :::::আজ <br> :আমি সেই সব ফুলের ফিকে হয়ে আসা স্মৃতিতে আচ্ছন্ন <br> :::যা আমরা দুজনেই ভালোবাসতাম, <br> :::::এমনকি এই তুচ্ছ <br> :বর্ণহীন ফুলটিও— <br> :::আমি এটি দেখেছিলাম <br> :::::যখন আমি শিশু ছিলাম— <br> :জীবিতদের কাছে যার তেমন কোনো কদর নেই <br> :::কিন্তু মৃতরা দেখে, <br> :::::নিজেদের মধ্যে প্রশ্ন করে: <br> :আমার কী মনে পড়ছে <br> :::যার গঠন <br> :::::ঠিক এটার মতো? :যখন আমাদের চোখ <br> :::অশ্রুতে ভিজে যায়। :::::ভালোবাসা, চিরস্থায়ী ভালোবাসার কথা :এটি বলবে :::যদিও লাল রঙের বড়ই অভাব :::::এতে লেগে আছে :একে পুরোপুরি বিশ্বাসযোগ্য করতে। :::'''এমন কিছু আছে''' :::::'''জরুরি কিছু''' :'''যা আমাকে কেবল তোমাকেই''' :::'''বলতে হবে''' :::::'''কিন্তু তাকে অপেক্ষা করতে দাও''' :'''ততক্ষণ আমি তোমার আগমনের''' :::'''আনন্দ উপভোগ করি,''' :::::'''হয়তো শেষবারের মতো।''' :আর তাই :::হৃদয়ে ভয় নিয়ে :::::আমি কথা চালিয়ে যাচ্ছি :একনাগাড়ে বলে যাচ্ছি :::কারণ আমি থামতে সাহস পাচ্ছি না। [[File:Sliven-thracianlowlands-dinev-flickr.jpg|thumb|right|অফুরন্ত সম্পদ, <br> আমি ভেবেছিলাম, <br> আমার দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।]] * কেবল আমাকে সময় দাও, :::কথা বলার আগে :::::সব মনে করার সময় দাও। :আমাকে সময় দাও, :::সময়। :আমি যখন ছোট ছিলাম :::আমি একটি বই রাখতাম :::::যেখানে মাঝে মাঝে :আমি শুকনো ফুল রাখতাম :::যতক্ষণ না অনেকদিন পর :::::আমার কাছে একটি বড় সংগ্রহ হলো। :অ্যাসফোডেল ফুলটিও, :::পূর্বাভাস হিসেবেই, :::::তাদের মধ্যে ছিল। :আমি তোমার কাছে নিয়ে এসেছি, :::নতুন করে জাগিয়ে তোলা, :::::সেই সব ফুলের স্মৃতি। :সেগুলো অনেক মিষ্টি ছিল :::যখন আমি তাদের বইয়ে চেপে রাখতাম :::::এবং দীর্ঘ সময় ধরে :তারা তাদের সুবাস ধরে রেখেছিল। :::'''এটি এক অদ্ভুত গন্ধ,''' :::::'''এক নৈতিক গন্ধ,''' :'''যা আমাকে তোমার''' :::'''কাছে নিয়ে আসে।''' [[File:Cloud in the sunlight.jpg|thumb|right|পুরো পৃথিবী <br> আমার বাগান হয়ে উঠল! <br> কিন্তু সমুদ্র <br> যার কেউ যত্ন নেয় না <br> সেটিও একটি বাগান <br> যখন সূর্যের আলো তার ওপর পড়ে <br> আর ঢেউগুলো <br> জেগে ওঠে।]] [[File:Sunrise on the Beach.jpg|thumb|right|আমি তা দেখেছি <br> আর তুমিও দেখেছ <br> যখন এটি সব ফুলের <br> সৌন্দর্যকে মলিন করে দেয়।]] * '''অফুরন্ত সম্পদ,''' :::'''আমি ভেবেছিলাম,''' :::::'''আমার দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।''' :আপেল ফুলের মাঝে :::হাজারো গ্রীষ্মমন্ডলীয় দেশ। :::::এই উদার পৃথিবী নিজেই :আমাদের অনুমতি দিয়েছে। :::পুরো পৃথিবী :::::আমার বাগান হয়ে উঠল! :কিন্তু সমুদ্র :::যার কেউ যত্ন নেয় না :::::সেটিও একটি বাগান :যখন সূর্যের আলো তার ওপর পড়ে :::আর ঢেউগুলো :::::জেগে ওঠে। :'''আমি তা দেখেছি''' :::'''আর তুমিও দেখেছ''' :::::'''যখন এটি সব ফুলের''' :'''সৌন্দর্যকে মলিন করে দেয়।''' [[File:Lightning storm over the Caribbean.jpg|thumb|right|ঝড় দানা বাঁধছে।]] [[File:Blitze IMGP6376 wp.jpg|thumb|right|এটি এমন একটি ফুল <br> যা শীঘ্রই তার প্রস্ফুটনের <br> চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছাবে।]] * '''আমি বলতে পারি না''' :::'''যে তোমার ভালোবাসার জন্য''' :::::'''আমি নরকে গেছি''' :'''কিন্তু প্রায়ই''' :::'''তোমার পিছু ধাওয়া করতে গিয়ে''' :::::'''নিজেকে সেখানে আবিষ্কার করেছি।''' :আমি এটি পছন্দ করি না :::এবং স্বর্গে থাকতে চেয়েছিলাম। :::::আমার কথা শোনো। :মুখ ফিরিয়ে নিও না। :আমি আমার জীবনে অনেক কিছু শিখেছি :::বই থেকে :::::আর বইয়ের বাইরে থেকেও :ভালোবাসা সম্পর্কে। :::'''মৃত্যুই''' :::::'''এর শেষ নয়।''' [[File:Lightning 1.jpg|thumb|right|ঝড় আছড়ে পড়ছে <br> অথবা মিলিয়ে যাচ্ছে! এটি <br> বিশ্বের শেষ নয়।]] * '''ঝড় দানা বাঁধছে।''' :::বিদ্যুৎ :::::মেঘের কিনারা দিয়ে খেলা করছে। :উত্তরের আকাশটি :::শান্ত, :::::গোধূলির আলোয় নীল হয়ে আছে :ঝড় ঘনীভূত হওয়ার সাথে সাথে। :::এটি এমন একটি ফুল :::::যা শীঘ্রই তার প্রস্ফুটনের :চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছাবে। [[File:Ilya Repin-What freedom!.jpg|thumb|right|ভালোবাসা অন্য কিছু...]] * যখন আমি ফুলের কথা :::বলি :::::তখন আসলে মনে করার চেষ্টা করি :যে এক সময় :::আমরা তরুণ ছিলাম। :::::'''সব নারী হেলেন নয়,''' :::'''আমি জানি তা,''' :'''কিন্তু তাদের হৃদয়ে হেলেন থাকে।''' :::প্রিয়তমা, :::::তোমার হৃদয়েও তা আছে, আর সেই কারণেই :আমি তোমাকে ভালোবাসি :::আর অন্যভাবে তোমাকে ভালোবাসা আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না। [[File:The Flood, by Paul Merwart.jpg|thumb|right|এটি ছিল ভালোবাসার প্রতি ভালোবাসা, <br> সেই ভালোবাসা যা অন্য সবকিছুকে গ্রাস করে... এমন এক ভালোবাসা যা <br> নম্রতা ও উদারতা তৈরি করে <br> যা আমাকে আলোড়িত করেছিল <br> এবং যা আমি তোমার মধ্যে দেখেছি।]] [[File:Double-alaskan-rainbow.jpg|thumb|right|আমার হৃদয় জেগে ওঠে <br> তোমার কাছে এমন কিছুর খবর নিয়ে আসার কথা ভেবে <br> যা তোমার সাথে সম্পর্কিত <br> এবং অনেক মানুষের সাথে সম্পর্কিত...]] * '''ঝড় আছড়ে পড়ছে''' :::::'''অথবা মিলিয়ে যাচ্ছে! এটি''' :'''বিশ্বের শেষ নয়।''' :::ভালোবাসা অন্য কিছু, :::::অথবা আমি তেমনটিই ভেবেছিলাম, :একটি বাগান যা বিস্তৃত হয়, :::যদিও আমি তোমাকে একজন নারী হিসেবেই চিনতাম :::::এবং অন্য কিছু ভাবিনি, :যতক্ষণ না পুরো সমুদ্র :::আর তার বাগানগুলোকে :::::এর ভেতরে নিয়ে নেওয়া হয়। :'''এটি ছিল ভালোবাসার প্রতি ভালোবাসা,''' :::'''সেই ভালোবাসা যা অন্য সবকিছুকে গ্রাস করে''', :::::'''এক কৃতজ্ঞ ভালোবাসা,''' :'''প্রকৃতির প্রতি, মানুষের প্রতি,''' :::'''প্রাণীদের প্রতি,''' :::::'''এমন এক ভালোবাসা যা তৈরি করে''' :'''নম্রতা ও উদারতা''' :::'''যা আমাকে আলোড়িত করেছিল''' :::::'''এবং যা আমি তোমার মধ্যে দেখেছি।''' [[File:Harpe de lumiere.jpg|thumb|right|দেখুন <br> কোন জিনিসটি নতুন বলে চালানো হচ্ছে। <br> আপনি সেখানে তা পাবেন না, বরং পাবেন <br> অবহেলিত কবিতার মাঝে।]] * আমি আসছি, প্রিয়তমা, :::::তোমার জন্য গান গাইতে! :আমার হৃদয় জেগে ওঠে :::তোমাকে এমন কিছুর খবর দেওয়ার কথা ভেবে :::::যা তোমার সাথে সম্পর্কিত :এবং অনেক মানুষের সাথে সম্পর্কিত। '''দেখুন''' :::::'''কোন জিনিসটি নতুন বলে চালানো হচ্ছে।''' :'''আপনি সেখানে তা পাবেন না, বরং পাবেন''' :::'''অবহেলিত কবিতার মাঝে।''' * &nbsp; &nbsp; '''কবিতা থেকে খবর পাওয়া''' <br> ::'''কঠিন ঠিকই''' <br> ::::'''তবুও প্রতিদিন মানুষ শোচনীয়ভাবে মরছে''' <br> ::::::'''কবিতার মাঝে যা পাওয়া যায়''' <br> :'''তার অভাবে।'''``` ==উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস সম্পর্কিত উক্তি== * আমেরিকানদের কাছে নেটিভ আমেরিকান সাহিত্য গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত। একে কেবল আমেরিকান অতীতের কোনো প্রত্নবস্তু বা কিউরিও হিসেবে দেখা ঠিক নয় যার বর্তমান বা ভবিষ্যতের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। বরং এটি একটি প্রধান ঐতিহ্য যা [[Cotton Mather|কটন ম্যাথার]] ও [[Nathaniel Hawthorne|নাথানিয়েল হথর্ন]] থেকে শুরু করে [[Walt Whitman|ওয়াল্ট হুইটম্যান]], [[William Carlos Williams|উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]] ও [[William Faulkner|উইলিয়াম ফকনার]] হয়ে [[Adrienne Rich|অ্যাড্রিয়েন রিচ]], [[Toni Cade Bambara|টনি কেড বামবারা]] এবং [[Judy Grahn|জুডি গ্রান]] পর্যন্ত সকল লেখককে পথ দেখায়। ** [[Paula Gunn Allen|পলা গান অ্যালেন]], *দ্য স্যাক্রেড হুপ: রিকভারিং দ্য ফেমিনাইন ইন আমেরিকান ইন্ডিয়ান ট্র্যাডিশনস* (১৯৮৬) * [[Writing|লেখালেখিও]] একটি সম্মানজনক পেশা। যারা আগে এই পেশায় ছিলেন, তারা একে সম্মানিত করেছেন। আপনি পছন্দ করুন বা না করুন, প্রতিবার কলম হাতে নেওয়ার সময় আপনাকে সেই একই শূন্য কাগজের মুখোমুখি হতে হয় যা [[Milton|মিল্টন]], [[Melville|মেলভিল]], [[Emily Bronte|এমিলি ব্রন্টি]], [[Dostoevsky|দস্তয়েভস্কি]], [[George Eliot|জর্জ এলিয়ট]], [[George Orwell|জর্জ অরওয়েল]], [[William Faulkner|উইলিয়াম ফকনার]], [[Virginia Woolf|ভার্জিনিয়া উলফ]], উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস এবং আধুনিক নায়ক [[Gabriel Garcia Marquez|গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের]] সামনেও ছিল। ** [[Margaret Atwood|মার্গারেট অ্যাটউড]], "অ্যান এন্ড টু অডিয়েন্স?" (১৯৮০), *সেকেন্ড ওয়ার্ডস: সিলেক্টেড ক্রিটিক্যাল প্রোজ*-এ সংকলিত * উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস তার একটি কবিতায় লিখেছেন যে "ধ্বংস এবং সৃষ্টি সমসাময়িক।" [[Picasso|পিকাসোও]] অনেকটা একই কথা বলেছিলেন। উইলিয়ামসের কাছে এটি ছিল আধুনিক ধারাকে বা অ্যাভান্ট-গার্ডকে পৌরাণিক রূপ দেওয়ার একটি পথ। আপনার সৃজন করতে হলে ধ্বংস করতে হবে। ** টনি বার্নস্টোন, *কনভারসেশনস উইথ [[Bharati Mukherjee|ভারতী মুখার্জি]]*, ব্র্যাডলি সি. এডওয়ার্ডস সম্পাদিত (২০০৯) * আমার শুরুর দিকের পরিচয় ও প্রেমের কবিতাগুলো এজরা পাউন্ড এবং উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের চিত্রকল্পবাদ বা ইমেজবাদ দ্বারা প্রভাবিত ছিল। ** [[Marilyn Chin|মেরিলিন চিন]], *এ পোর্ট্রেট অফ দ্য সেলফ অ্যাজ নেশন: নিউ অ্যান্ড সিলেক্টেড পোয়েমস*-এর ভূমিকা (২০১৮) * যখন আমি [[Virginia Woolf|ভার্জিনিয়া উলফের]] 'অরল্যান্ডো' বা উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের 'ইন দ্য আমেরিকান গ্রেইন' পড়ি, তখন আমার মনে হয় আমি যেন জীবন ও কাজের মাঝে আটকে গেছি বা মরে যাচ্ছি। এই বইগুলো পড়ার পর আমি আবারও গতি ফিরে পাই। আমি অন্যদের জন্য এই কাজটি করতে পারি বলে ভালো লাগে। ** ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত *কনভারসেশনস উইথ [[Maxine Hong Kingston|ম্যাক্সিন হং কিংস্টন]]*-এ সংকলিত ১৯৮৯ সালের সাক্ষাৎকার * যখন আমি উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের 'ইন দ্য আমেরিকান গ্রেইন' পড়ছিলাম, তখন মনে হলো আমেরিকা সম্পর্কে এভাবেই লেখা উচিত। এটিই সঠিক ও পৌরাণিক ইতিহাস। আমি নিশ্চিত ছিলাম এর দ্বিতীয় খণ্ড বের হবে। তাই লাইব্রেরিতে প্রথম খণ্ডটি ফেরত দিয়ে দ্বিতীয় খণ্ডটি খুঁজতে লাগলাম। কিন্তু এর কোনো দ্বিতীয় খণ্ড নেই! তখনই আমি ভাবলাম আমাকেই এর দ্বিতীয় খণ্ডটি লিখতে হবে। তিনি যেহেতু করেননি, তাই আমাকেই তা করতে হবে। এভাবেই 'চায়না মেন' সৃষ্টি হলো। তারা রেলপথের স্টিলের বন্ধন দিয়ে এই দেশটিকে একসাথে বেঁধে রেখেছে। প্রথম দুটি বই শেষ করার পর আমি আমার ভেতরে আরও এক ধরনের চলতি ও সমসাময়িক আমেরিকান ভাষা খুঁজে পেলাম। আরেকটি অপূর্ণতা ছিল বিটনিকদের চলে যাওয়ার সময়কার বই পড়তে পারা। তারাই আমাদের ঠিক আগের প্রজন্মের পথপ্রদর্শক। ** ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত *কনভারসেশনস উইথ [[Maxine Hong Kingston|ম্যাক্সিন হং কিংস্টন]]*-এ সংকলিত ১৯৮৯ সালের সাক্ষাৎকার * ১৯২০-এর দশকে তিনি দুই আমেরিকার উপযুক্ত একটি বইয়ের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে একটি বিশাল আমেরিকান উপন্যাসের কথা ভাবছিলেন। উইলিয়ামস চেয়েছিলেন বইটি যেন এই দুই মহাদেশের বিশাল প্রেক্ষাপট থেকে কথা বলে। ** ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত *কনভারসেশনস উইথ [[Maxine Hong Kingston|ম্যাক্সিন হং কিংস্টন]]*-এ সংকলিত ১৯৯৩ সালের সাক্ষাৎকার * লজ্জিত হওয়ার বা ঝুঁকি নেওয়ার ভয়, বোকা সাজার ভয় কিংবা অন্য কারো মতো না লিখে নিজের মতো করে লেখার ভয়—সবই মানুষের থাকে। তবে কিছু মানুষ বিশ বছর ধরে নিজের মতে অটল থাকেন। উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস তার আত্মজীবনীতে বলেছিলেন, "মনে হচ্ছে টি. এস. এলিয়ট 'দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড' দিয়ে সফল হয়েছেন এবং সাহিত্যের মোড় সেদিকেই ঘুরছে। এখন আমি জানি যে আমার কথা শোনার জন্য আমাকে আরও বিশ বছর অপেক্ষা করতে হবে।" তিনি তাই করেছিলেন। তিনি যা সঠিক মনে করতেন তাই করে গেছেন এবং আমেরিকান ভাষার নিজস্ব ধারণায় অটল থেকে একটি শক্তিশালী প্রভাব তৈরি করেছেন। কিন্তু অন্য অনেকেই ভেবেছিল ওটাই সঠিক পথ এবং তারা নিজেদের শিকড় কেটে সেদিকেই ছুটে গিয়েছিল। ** ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত *কনভারসেশনস উইথ [[Grace Paley|গ্রেস পেলি]]*-এ সংকলিত ১৯৭৯ সালের সাক্ষাৎকার * বিংশ শতাব্দীর বিপ্লবী কাব্যতত্ত্বের ঐতিহ্য সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা ছিল না। বড়দের মধ্যে উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস সমসাময়িক আমেরিকার সাধারণ শহর, সাধারণ দরিদ্র ও কর্মজীবী মানুষ এবং দৈনন্দিন ভাষার সহজ ও ছন্দময় শৈলীতে লিখেছেন। যদিও শুরুতে উইলিয়ামসের কবিতা আমাকে মোহিত করেনি, পরবর্তীতে প্রথাগত ছন্দ থেকে বেরিয়ে আসতে আমি তার বাক্যগঠন ও পঙ্ক্তি ভাঙার পদ্ধতিগুলো নিয়ে কাজ করেছি। ** [[Adrienne Rich|অ্যাড্রিয়েন রিচ]], *হোয়াট ইজ ফাউন্ড দেয়ার* (২০০৩) ==বহিঃসংযোগ== {{wikipedia}} {{commonscat}} * [http://www.poets.org/poet.php/prmPID/119 অ্যাকাডেমি অব আমেরিকান পোয়েটস-এ উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস পাতা] * [http://www.english.uiuc.edu/maps/poets/s_z/williams/williams.htm মডার্ন আমেরিকান পোয়েট্রি-তে উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস পাতা] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৮৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৩-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ জার্সির চিকিৎসক]] [[বিষয়শ্রেণী:বিট প্রজন্মের লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল বুক অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী]] 7f7jqnzj2mcgqy2hog6154xy1kuc112 78842 78802 2026-04-20T08:20:15Z SMontaha32 3112 /* উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস সম্পর্কিত উক্তি */ 78842 wikitext text/x-wiki [[File:William Carlos Williams passport photograph 1921.jpg |thumb|right|একজন মানুষ কোনো স্থির পাথরখণ্ড নয় যে সবসময় এক জায়গায় থাকবে। যদিও মনোবিজ্ঞানীরা তার সাথে তেমন আচরণই করেন এবং বেশিরভাগ মানুষই তা বিশ্বাস করার মাঝে এক ধরনের উন্মাদনাপূর্ণ গর্ববোধ করে। ... সমাজের সাথে শিল্পের সম্পর্ক অত্যন্ত জটিল। কবি কোনো অপরিবর্তনীয় ঘটনা নন, এমনকি তার কাজও নয়।]] [[File:Asphodele.jpg|thumb|right|কবিতা থেকে সংবাদ পাওয়া কঠিন, তবুও সেখানে যা পাওয়া যায় তার অভাবে মানুষ প্রতিদিন শোচনীয়ভাবে মৃত্যুবরণ করছে।]] [[File:Amistad - Friendship.jpg|thumb|right|প্রকৃত সুখী হওয়ার একমাত্র উপায় হলো অন্যকে সুখী করা। আপনি যখন এটি উপলব্ধি করবেন এবং এই সত্যের সদ্ব্যবহার করবেন, তখন সবকিছুই নিখুঁত হয়ে উঠবে।]] '''[[w:উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস|উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]]''' (১৭ সেপ্টেম্বর,১৮৮৩ – ৪ মার্চ,১৯৬৩) ছিলেন একজন আমেরিকান কবি ও চিকিৎসক। == উদ্ধৃতি == [[File:Heart Flow.jpg|thumb|right|আমার কাছে এটি হলো প্রথমে সেই বিষয়টি উপলব্ধি করা, যাকে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।]] [[File:William Carlos Williams passport photograph.jpg|thumb|এই মুহূর্তে নিজের প্রতি আমার প্রধান অতৃপ্তি হলো—আমি যা করতে চাই, তার মধ্যে নিজেকে যেভাবে বিলীন করে দেওয়া উচিত, তা আমি পারছি না।]] [[File:Milky Way from Flickr.jpg|thumb|right|অনেক প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি। আমাদের কবিরা ভুল হতে পারেন; কিন্তু নিজের প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে দৃষ্টির প্রসার ঘটানো ছাড়া আমাদের আর কী-ই বা করার আছে? যেন বারবার ব্যর্থ হওয়ার মাধ্যমে আমরা অতীতে যা হারিয়েছি, তা আরও ভালোভাবে শিখতে পারি।]] === সাধারণ উৎস === * '''একটি বিষয়ে আমি দিন দিন আরও নিশ্চিত হচ্ছি: প্রকৃত সুখী হওয়ার একমাত্র উপায় হলো অন্যকে সুখী করা। আপনি যখন এটি উপলব্ধি করবেন এবং এই সত্যের সদ্ব্যবহার করবেন, তখন সবকিছুই নিখুঁত হয়ে উঠবে।''' ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ৫; ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া থেকে তার মাকে লেখা চিঠি (১২ ফেব্রুয়ারি ১৯০৪) * সত্যি বলতে, আমি নিজেও কখনো পুরোপুরি অনুভব করি না যে আমি কী নিয়ে কথা বলছি—যদি অনুভব করতাম বা যখন করি, তখন লিখিত বিষয়টিকে আমার কাছে তুচ্ছ মনে হয়। তবে, '''আমি যা লিখি এবং যা টিকে থাকে, তা সবসময়ই সার্থক বলে আমার মনে হয়। আমার মনে হয়, আমি যা বুঝিয়েছি কিন্তু হয়তো পুরোপুরি প্রকাশ করতে পারিনি, তার যতটা কাছাকাছি আমি পৌঁছাতে পেরেছি, অন্য কেউ তা পারেনি। আমার কাছে এটি হলো প্রথমে সেই বিষয়টি উপলব্ধি করা যাকে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।''' আমি আরও অনেক কিছু বলতে পারতাম কিন্তু তাতে লাভ নেই। এক অর্থে আমাকে নিজেকে প্রকাশ করতে হবে, আপনি ঠিকই বলেছেন, তবে যদি এর কোনো অর্থ থাকে তবে তা সবসময়ই 'সম্পূর্ণরূপে অসম্পূর্ণ'। ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২৬; [[w:Harriet Monroe|হ্যারিয়েট মনরোকে]] লেখা (১৪ অক্টোবর ১৯১৩) * '''এটি জীবনের গতির সাথে তাল মিলিয়ে চলে—বিক্ষিপ্ত কিন্তু সমগ্রের সাথে যুক্ত, ছিন্ন ভিন্ন কিন্তু একসাথে বোনা।''' ** *দ্য নিউ ইয়র্ক হেরাল্ড ট্রিবিউন*-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে তার কাজ সম্পর্কে (১৮ জানুয়ারি ১৯৩২) * '''কবির কাজ হলো কার্যকরভাবে ভাষা ব্যবহার করা—তার নিজস্ব ভাষা, যা তার কাছে একমাত্র নির্ভরযোগ্য ভাষা।''' ** [[Louis Untermeyer|লুই আনটারমেয়ার]] রচিত *মডার্ন আমেরিকান পোয়েট্রি* (১৯৫০)-তে উদ্ধৃত 'এ নোট অন পোয়েট্রি' (আনুমানিক ১৯৩৬) থেকে * গদ্যের চেয়ে কবিতার জন্য ভিন্ন উপাদানের প্রয়োজন হয়। এটি একই তথ্যের অন্য একটি দিক ব্যবহার করে... ভাষার স্বতঃস্ফূর্ত রূপ যেমনটা শোনা যায়। ** জেমস লাফলিনকে দেওয়া 'ডিটেইল অ্যান্ড প্রসোডি ফর দ্য পোয়েম প্যাটারসন' (১৯৩৯), বর্তমানে হটন লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত * '''এই অদ্ভুত পৃথিবীটি মূলত হতাশায় ঘেরা।''' <br> আমি মূলত লিখে যাই কারণ এটি আমাকে এমন এক তৃপ্তি দেয় যা অন্য কোথাও পাওয়া সম্ভব নয়। এটি সেই মুহূর্তগুলোকে পূর্ণ করে যা অন্যথায় ভয়াবহ বা বিষণ্ণ হতো। এমন নয় যে আমি ওভাবেই বাঁচি, কাজও আমাকে শান্ত রাখে। এই মুহূর্তে নিজের প্রতি আমার প্রধান অতৃপ্তি হলো—আমি যা করতে চাই, তার মধ্যে নিজেকে যেভাবে বিলীন করে দেওয়া উচিত, তা আমি পারছি না। ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২১৬; [[w:Robert McAlmon|রবার্ট ম্যাকঅ্যালমনকে]] লেখা চিঠি (৮ আগস্ট ১৯৪৩) * '''আমরা কেন বাঁচি? আমাদের মধ্যে বেশিরভাগেরই সেই জিনিসটি প্রয়োজন যা আমরা কখনো চাই না।''' আমরা বিপ্লব নিয়ে এমনভাবে কথা বলি যেন এটি তুচ্ছ কোনো বিষয়। আমাদের যা প্রয়োজন তা হলো কিছু অকপট চিন্তা এবং নিজেদের অন্তরে কয়েকটি বিপ্লব; আমি যাদের চিনি সেই সব নরধমেরা গোল্লায় যাক এবং আমিও তাদের সাথে গোল্লায় যাই যদি না আমি নিজেকে সামলে নিতে পারি এবং প্রয়োজনে ঘুরে দাঁড়াতে পারি—অথবা যদি এগিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য হয় তবে আরও সামনে এগোতে পারি। ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২১৭; [[w:Robert McAlmon|রবার্ট ম্যাকঅ্যালমনকে]] লেখা চিঠি (৪ সেপ্টেম্বর ১৯৪৩) * '''দার্শনিকরা আজ কবিদের পিছু ধাওয়া করছে, কারণ দর্শনের আজ বড়ই অভাব। অভিশাপ তাদের ওপর! আপনি হয়তো ভাবছেন কোনো দার্শনিক অনুমতি না দিলে কোনো মানুষের লেখালেখি করার বা কবি হওয়ার অধিকার নেই।''' ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২১৯; [[w:James Laughlin|জেমস লাফলিনকে]] লেখা চিঠি (১৪ জানুয়ারি ১৯৪৪) * প্রতিদিনের সাধারণ খবর, করুণ মৃত্যু বা প্রাত্যহিক জীবনের লাঞ্ছনা পড়ে কী লাভ? অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে আমরা জানি যে যে পরিস্থিতিতে এগুলো ঘটার কথা ছিল, ঠিক সেভাবেই এগুলো ঘটেছে। এর মধ্যে কোনো আলো নেই। এটি কেবল তুচ্ছ শূন্যস্থান পূরণকারী তথ্য। আমরা জানি [[airplane|বিমান]] বিধ্বস্ত হবে, [[train|ট্রেন]] লাইনচ্যুত হবে। আমরা কেন তাও জানি। কেউ পাত্তা দেয় না, কেউ দিতেও পারে না। আমরা খবর পাই এবং তা অগ্রাহ্য করি, আর এটি করাই আমাদের জন্য সঠিক। এগুলো তুচ্ছ। '''কিন্তু কোনো নিভৃত রোগীর চোখে আমি যে তাড়িত খবর পাই, তা তুচ্ছ নয়। তা গভীর''': শেখার সমস্ত একাডেমি, সমস্ত ধর্মীয় অনুশাসন এর ওপর ভিত্তি করেই প্রতিষ্ঠিত। তারা তাদের তথাকথিত হেত্বাভাস বা 'ডায়ালেকটিক' এর ওপর ভিত্তি করেই গড়ে তুলেছে—তাদের মিথ্যা ডায়ালেকটিক। ডায়ালেকটিক হলো যেকোনো একতরফা ব্যবস্থা। যেহেতু সব ব্যবস্থাই নিছক উদ্ভাবন, তাই প্রতিটি ক্ষেত্রেই এটি একটি ভুল ধারণা বা প্রেক্ষাপট। এর ওপর ভিত্তি করে একটি বদ্ধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয় যা যারা এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে তাদের বাকি বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। সব মানুষই কোনো না কোনোভাবে এক ধরনের ডায়ালেকটিকের মধ্যে আটকা পড়ে থাকে, তা সে আর্জেন্টিনা হোক বা জাপান। ফলে প্রতিটি দলই পঙ্গু হয়ে যায়। প্রত্যেকে একটি ডায়ালেকটিক মেঘের মধ্যে যোগাযোগহীন অবস্থায় বন্দি থাকে। এই কারণেই আমরা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ি এবং অত্যন্ত ভাসা ভাসা বিষয়ে গর্ববোধ করি। <br /> আমরা কি দেখতে পাচ্ছি না যে আমরা নিজেদের প্রকাশ করতে পারছি না? এটিই আমাদের পরাজিত করে। ** *দ্য অটোবায়োগ্রাফি অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫১), অধ্যায় ৫৪: "দ্য প্র্যাকটিস" * '''আমার প্রথম কবিতাটি ছিল আকস্মিক এক ঘটনা... এটি মোহভঙ্গ এবং আত্মঘাতী বিষণ্ণতার মন্ত্র ভেঙে দিয়েছিল। ... এটি আমাকে এক আত্মতৃপ্তিদায়ক আনন্দে পূর্ণ করেছিল।''' ** *দ্য অটোবায়োগ্রাফি অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫১) [ডাব্লিউ. ডাব্লিউ. নর্টন অ্যান্ড কোং, ১৯৬৭, <small>{{ISBN|978-0811202268}}</small>] * '''বাইরে অনেক বদমাশ আছে!''' ** মন্তব্য (আনুমানিক ১৯৫৭), [[Allen Ginsberg|অ্যালেন গিন্সবার্গের]] "ডেথ নিউজ" কবিতার ভূমিকায় উদ্ধৃত: *১৯৫৭ সালের দিকে ডাব্লিউ.সি.ডাব্লিউ.-এর সাথে দেখা করতে যান কবি [[Jack Kerouac|কেরুয়াক]], করসো ও [[w:Peter Orlovsky|অরলভস্কি]]। বসার ঘরের সোফায় বসে তারা কিছু বিজ্ঞ বাণী জানতে চাইলে, অসুস্থ উইলিয়ামস মেইন স্ট্রিটের জানালার পর্দার দিকে আঙুল তুলে বলেছিলেন: "বাইরে অনেক বদমাশ আছে!"* * আমি এটি পছন্দ করেছি কারণ এতে রচনার মূল অংশগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে। আমি একে ছোট করতে করতে একদম সংকুচিত করে এনেছি। একে আরও প্রাণবন্ত করতেই এভাবে চেপে ছোট করা হয়েছে। ** জন সি. থার্লওয়ালের সংগ্রহে থাকা *দ্য কালেক্টেড আর্লিয়ার পোয়েমস* (আনুমানিক ১৯৫৮) বইটিতে "চিকরি অ্যান্ড ডেইজিস" (১৯১৫) কবিতার ওপর টিকা * '''আমি মনে করতাম আমার বন্ধুরা মহামূর্খ, কারণ তারা তাদের জীবন পরিচালনা করার এর চেয়ে ভালো কোনো পথ জানত না। তবুও তারা আমার চেয়ে কোনো না কোনো আদর্শ বা কোড আরও ভালোভাবে মেনে চলত। আমি নিজেও তা মানতে চেয়েছিলাম কিন্তু পারিনি, তাই আমি আমার কবিতা লিখেছি।''' ** জন সি. থার্লওয়ালের সংগ্রহে থাকা *দ্য কালেক্টেড আর্লিয়ার পোয়েমস* (আনুমানিক ১৯৫৮) বইটিতে টিকা * আজকাল কবিতার শিল্প রূপটি কিছুটা অস্থির; কিন্তু অন্তত কবিতার গঠনটি অর্থবহ হওয়া উচিত যেন আপনি জানেন আপনি কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন। '''অনেক প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি। আমাদের কবিরা ভুল হতে পারেন; কিন্তু নিজের প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে দৃষ্টির প্রসার ঘটানো ছাড়া আমাদের আর কী-ই বা করার আছে? যেন বারবার ব্যর্থ হওয়ার মাধ্যমে আমরা অতীতে যা হারিয়েছি তা আরও ভালোভাবে শিখতে পারি।''' ** স্ট্যানলি কোহলারের সাথে সাক্ষাৎকার (এপ্রিল ১৯৬২), *দ্য প্যারিস রিভিউ: রাইটার্স অ্যাট ওয়ার্ক*, ৩য় সিরিজ, ভাইকিং পেঙ্গুইন, পৃষ্ঠা ২৯ <small> {{ISBN|0-14-00-4542-2}} </small> * একটি শিল্প মাধ্যম হওয়ায় কবিতা কোনো সীমাবদ্ধতা বা নির্দেশনামূলক নীতি ছাড়া "মুক্ত" হতে পারে না। ** *ফ্রি ভার্স। প্রিন্সটন এনসাইক্লোপিডিয়া অব পোয়েট্রি অ্যান্ড পোয়েটিক্স* ২য় সংস্করণ (১৯৭৫)-এ উদ্ধৃত ===''ম্যারেজ'' (১৯১৬) === * কতই না আলাদা, এই পুরুষ<br>আর এই নারী:<br>এক প্রান্তরের বুক চিরে<br>বয়ে চলা জলধারা। ** *পোয়েট্রি* (শিকাগো, ১৯১৬) === ''[[w:Al Que Quiere!|আল কো কিয়েরে!]]'' (১৯১৭) === [[File:Venus-pacific-levelled.jpg|thumb|right|<p>এটি এক অদ্ভুত সাহস <br> যা তুমি আমাকে দাও, হে প্রাচীন তারা:</p><p>সূর্যোদয়ের আলোয় একাকী জ্বলে ওঠো <br> যাতে তোমার কোনো অবদান নেই!</p>]] :<small>[[s:Al Que Quiere!|উইকিসোর্সে পূর্ণাঙ্গ টেক্সট]] </small> [[File:Lafosse, Charles de - Sunrise with the Chariot of Apollo - c. 1672.jpg|thumb|right|<p>স্বপ্নই আমাদের ধ্বংস করেছে। </p><p> ঘোড়া বা লাগাম ধরার মাঝে <br> এখন আর কোনো গর্ব নেই।</p>]] * '''তোমার ফুলগুলো তুলে ধরো <br> তিতকুটে ডাঁটার ডগায় <br> হে চিকরি!''' <br> দগ্ধ মাটি থেকে <br> তাদের উপরে তুলে ধরো! <br> কোনো পল্লব ধারণ করো না <br> বরং নিজেকে উজার করে দাও <br> কেবল ওটাতেই! <br> তোমাদের নিচ থেকে টান ধরুক <br> হে তিতকুটে ডাঁটা <br> যা কোনো পশু খায় না— <br> আর ধূসরতাকে তুচ্ছ করো! ** "চিকরি অ্যান্ড ডেইজিস" * '''পৃথিবী ফেটে চৌচির আর <br> কুঁচকে যায়; <br> বাতাস করুণ স্বরে বিলাপ করে; <br> তুমি যদি ব্যর্থ হও <br> তবে আকাশও নিভে যাবে।''' ** "চিকরি অ্যান্ড ডেইজিস" * <p>'''আজ আমি কেন লিখি?'''</p><p>'''আমাদের গুরুত্বহীন মানুষদের <br> সেই ভয়াবহ মুখগুলোর সৌন্দর্য <br> আমাকে লিখতে বাধ্য করে''':</p><p> কর্মজীবী কৃষ্ণাঙ্গ নারীরা— <br> বৃদ্ধ ও অভিজ্ঞ— <br> গোধূলিলগ্নে বাড়ি ফিরছে, <br> ত্যাজ্য পোশাকে ঢাকা <br> মুখগুলো যেন <br> পুরনো ফ্লোরেনটাইন ওক কাঠ।</p> ** "[[s:Apology (Williams)|অ্যাপোলজি]]" * তোমাদের মুখের সেই কৃত্রিম ভঙ্গি <br> আমাকে নাড়া দেয়— <br> হে বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দ— <br> তবে <br> একইভাবে নয়। ** "অ্যাপোলজি" * <p>'''আমি এখানে শুয়ে তোমার কথা ভাবছি:—'''</p><p>'''প্রেমের দাগ <br> সারা বিশ্বে লেগে আছে!'''</p> ** "লাভ সং" * <p>'''এটি এক অদ্ভুত সাহস <br> যা তুমি আমাকে দাও, হে প্রাচীন তারা:'''</p><p>'''সূর্যোদয়ের আলোয় একাকী জ্বলে ওঠো <br> যাতে তোমার কোনো অবদান নেই!'''</p> ** "এল হোমব্রে" * <p>ভাই! <br> — আমরা যদি ধনী হতাম <br> তবে বুক চিতিয়ে <br> মাথা উঁচু করে চলতাম! </p><p> '''স্বপ্নই আমাদের ধ্বংস করেছে।'''</p><p>'''ঘোড়া বা লাগাম ধরার মাঝে <br> এখন আর কোনো গর্ব নেই।'''</p><p> আমরা কুঁজো হয়ে বসে <br> নিজেদের ভাগ্য নিয়ে ভাবি। </p><p> '''যাই হোক— <br> সব কিছুই শেষ পর্যন্ত তিক্ত হয়ে যায় <br> আপনি ডানে যান বা <br> বামে <br> &nbsp; &nbsp; এবং— <br> স্বপ্ন দেখা খুব খারাপ কিছু নয়।'''</p> ** "লিবেরতাদ! ইগুয়ালিদাদ! ফ্রাতেরনিদাদ!" * কে বলবে যে আমি <br> আমার গৃহের এক সুখী প্রতিভা নই? ** "দানস রুস" === ''[[w:Spring and All|স্প্রিং অ্যান্ড অল]]'' (১৯২৩) === [[File:Wild Carrot seedheads, Dayton, Ohio.jpg|thumb|right|দেখতে প্রাণহীন, মন্থর <br> বিভ্রান্ত বসন্ত এগিয়ে আসে— <br> তারা নগ্ন হয়ে নতুন পৃথিবীতে প্রবেশ করে, <br> শীতল ও অনিশ্চিত সবকিছু নিয়ে <br> কেবল এইটুকু নিশ্চিত যে তারা প্রবেশ করছে। তাদের চারপাশে <br> সেই পরিচিত হিমেল হাওয়া...]] [[File:N2 Queen Anne's Lace.jpg|thumb|right|তবুও, সেই গভীর পরিবর্তন <br> তাদের ওপর এসেছে: শিকড় গেড়ে <br> তারা শক্ত হয়ে বসে এবং জাগতে শুরু করে।]] * <p>'''অনেক কিছুই নির্ভর করে <br> একটি'''</p><p>'''লাল চাকাওয়ালা <br> ঠেলার গাড়ির ওপর'''</p><p>'''যা বৃষ্টির জলে <br> চকচক করছে'''</p><p>'''সাদা মুরগিগুলোর <br> পাশে'''</p> ** "দ্য রেড হুইলব্যারো" * সংক্রামক হাসপাতালের রাস্তার ধারে <br> উত্তর-পূর্ব দিক থেকে আসা <br> নীল ছোপানো মেঘের ভিড়ের নিচে— <br> এক হিমেল হাওয়া। ** "স্প্রিং অ্যান্ড অল" * <p>'''দেখতে প্রাণহীন, মন্থর <br> বিভ্রান্ত বসন্ত এগিয়ে আসে— <br> তারা নগ্ন হয়ে নতুন পৃথিবীতে প্রবেশ করে, <br> শীতল ও অনিশ্চিত সবকিছু নিয়ে <br> কেবল এইটুকু নিশ্চিত যে তারা প্রবেশ করছে।''' তাদের চারপাশে <br> সেই পরিচিত হিমেল হাওয়া—</p><p> এখন ঘাস, কাল হবে <br> বুনো গাজর পাতার শক্ত কুঞ্চন— <br> একে একে সব বস্তু স্পষ্ট হয়ে ওঠে— <br> এটি প্রাণ পায়: স্পষ্টতা, পাতার রূপরেখা। </p><p> কিন্তু এখন প্রবেশের সেই কঠোর গাম্ভীর্য— '''তবুও সেই গভীর পরিবর্তন <br> তাদের ওপর এসেছে: শিকড় গেড়ে <br> তারা শক্ত হয়ে বসে এবং জাগতে শুরু করে।'''</p> ** "স্প্রিং অ্যান্ড অল" * আমেরিকার বিশুদ্ধ পণ্যগুলো <br> পাগল হয়ে যায়— ** "টু এলসি" === ''[[w:Sour Grapes (book)|সাওয়ার গ্রেপস]]'' (১৯২১) === * বৃষ্টি আর <br> আলোর মাঝে <br> আমি সোনালি রঙের <br> ৫ সংখ্যাটি দেখলাম <br> একটি লাল <br> দমকলের গাড়ির ওপর <br> যা ছুটছে <br> টানটান উত্তেজনায় <br> অবহেলিতভাবে <br> ঘণ্টার শব্দে <br> সাইরেনের আর্তনাদে <br> আর অন্ধকার শহরের বুক চিরে <br> চাকার ঘড়ঘড়ানিতে। ** "দ্য গ্রেট ফিগার" * বার্ধক্য হলো <br> ছোট কিচিরমিচির করা <br> পাখির এক ঝাঁক উড্ডয়ন <br> যা বরফ ঢাকা মাঠের ওপর <br> ন্যাড়া গাছগুলোকে <br> ছুঁয়ে যায়। <br> জয় আর পরাজয়ের মাঝে <br> তারা অন্ধকার বাতাসে <br> বাধা পায়— <br> কিন্তু তাতে কী? <br> রুক্ষ আগাছার ডাঁটায় <br> পাখির ঝাঁকটি বিশ্রাম নিয়েছে— <br> বরফ আজ <br> ঢাকা পড়েছে <br> ভাঙা বীজের <br> খোসায় <br> আর বাতাসের তীব্রতা কমেছে <br> প্রাচুর্যের এক সুতীক্ষ্ণ <br> বাঁশির সুরে। ** "টু অ্যাওয়েকেন অ্যান ওল্ড লেডি"; মূলত *দ্য ডায়াল*-এ প্রকাশিত (আগস্ট ১৯২০) === ''কালেক্টেড পোয়েমস ১৯২১-১৯৩১'' (১৯৩৪) === [[File:Bluebyrd plum.jpg|thumb|right|আমায় ক্ষমা করো <br> ওগুলো খুব সুস্বাদু ছিল <br> অনেক মিষ্টি <br> আর অনেক ঠাণ্ডা]] * <p>'''আমি সেই <br> আলুবোখারাগুলো <br> খেয়ে ফেলেছি <br> যা আইসবক্সে ছিল'''</p><p> এবং যা <br> সম্ভবত আপনি <br> সকালের নাস্তার জন্য <br> জমিয়ে রেখেছিলেন</p><p> '''আমায় ক্ষমা করো <br> ওগুলো খুব সুস্বাদু ছিল <br> অনেক মিষ্টি <br> আর অনেক ঠাণ্ডা'''</p> ** "দিস ইজ জাস্ট টু সে" * সে মানুষটির ভেতর থেকে বেরিয়ে এসেছে <br> আর সে মানুষটিকে <br> যেতে দিয়েছে— <br> :::সেই মিথ্যাবাদী <br> মৃত <br> ::তার চোখ জোড়া <br> :আলো থেকে উপরে উল্টে গেছে— এক উপহাস <br> :::::যাকে <br> :<p>ভালোবাসা স্পর্শ করতে পারে না— </p><p> কেবল একে মাটি চাপা দাও <br> আর লজ্জায় মুখ লুকিয়ে রাখো। </p> ** "ডেথ" * উচ্চ মানসিকতা সম্পন্ন <br> এবং নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষকরা তোমার বিষয়টি পর্যালোচনা করেছেন (অভিশাপ তাদের ওপর!)— <br> তারা হলেন একটি বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি, <br> একটি নামকরা কারিগরি স্কুলের সভাপতি এবং এক বিচারক যিনি বেঞ্চে বসার জন্য বড্ড বুড়ো। এরা এমন মানুষ যারা শিক্ষাদান এবং যথেচ্ছ আইন প্রয়োগের জন্য আগে থেকেই পুরস্কৃত। সহজ কথায়— <br> ঐতিহ্যের দালালের দল— ** "ইমপ্রম্পটু: দ্য সাকারস" * এটাই তোমার প্রাপ্য। তোমার কাছে টাকা আছে, <br> তোমার কিসের চিন্তা? তোমার <br> হারানোর কিছু নেই। তোমরা এক মহান <br> ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী। আমার দেশ ঠিক হোক বা ভুল! <br> তোমাকে যা করতে বলা হয় তুমি তাই করো। <br> তুমি টমি জেফ, বেন ফ্রাঙ্ক বা জর্জি ওয়াশিং-এর মতো <br> মুখে মুখে উত্তর দাও না। আমি তো বলবই <br> তোমরা দাও না। তোমরা সভ্য। তোমরা <br> তোমাদের ওপরওয়ালাদের কথা মেনে নাও। <br> চালিয়ে যাও— ** "ইমপ্রম্পটু: দ্য সাকারস" === ''[[w:An Early Martyr and Other Poems|অ্যান আর্লি মার্টার অ্যান্ড আদার পোয়েমস]]'' (১৯৩৫) === [[File:Johannisbrotbaum bluete.jpg|thumb|right|সবুজ শক্ত পুরনো উজ্জ্বল ভাঙা ডালপালার মাঝে আবার ফিরে এলো সাদা মিষ্টি মে মাস]] * <p>মাঝে <br> এর <br> সবুজ </p><p> শক্ত <br> পুরনো <br> উজ্জ্বল </p><p> ভাঙা <br> ডাল <br> এলো </p><p> সাদা <br> মিষ্টি <br> মে </p><p> আবারও</p> ** "দ্য লোকাস্ট ট্রি ইন ফ্লাওয়ার" === ''কমপ্লিট কালেক্টেড পোয়েমস'' (১৯৩৮) === * <p>এই সেই </p><p>নির্জন অন্ধকার সপ্তাহগুলো <br> যখন প্রকৃতির এই রিক্ততা <br> মানুষের বোকামির সমান হয়ে দাঁড়ায়।</p><p> বছরটি রাত্রির অন্ধকারে তলিয়ে যায় <br> আর হৃদয় তলিয়ে যায় <br> রাত্রির চেয়েও গভীরে</p> ** "দিস" === ''দ্য ওয়েজ'' (১৯৪৪) === [[File:Aerial view of the Japanese aircraft carrier Sōryū evading an air attack on 4 June 1942 (fsa.8e00397).jpg |thumb|right|আজকের বিশ্বে যুদ্ধই প্রথম এবং একমাত্র বিষয়।]] [[File:Missouri-flyover.jpg |thumb|right|গদ্য জাহাজের মতো অস্পষ্ট বিষয়ের বোঝা বহন করতে পারে। কিন্তু কবিতা হলো সেই ইঞ্জিন যা একে চালায়, একে ছেঁটে একদম নিখুঁত করে তোলা হয়েছে।]] [[File:Micranthes tolmiei 21979.jpg|thumb|right|সাক্সিফ্রেজ হলো আমার সেই ফুল যা পাথর চিরে বেরিয়ে আসে।]] * '''আজকের বিশ্বে যুদ্ধই প্রথম এবং একমাত্র বিষয়।''' <br> সাধারণভাবে শিল্পকলা কোনো মুখ্য বিষয় নয়, আর এই লেখালেখিও যুদ্ধ থেকে মুক্তি পাওয়ার কোনো মাধ্যম নয়। এটি যুদ্ধ বা এরই একটি অংশ, রণক্ষেত্রের ভিন্ন একটি ক্ষেত্র মাত্র। ** [http://www.poetryfoundation.org/learning/essay/237888 ভূমিকা] * কে আজ হতাশ নয় এবং নিজের কাজের মাধ্যমে তা প্রমাণ করে না—যদি আপনি বলতে চান? কিন্তু '''শিল্পের মাধ্যমে মানসিকভাবে পঙ্গু একজন মানুষও তার সময়ের সবচেয়ে বিশিষ্ট ব্যক্তি হয়ে উঠতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ [[Sigmund Freud|সিগমুন্ড ফ্রয়েডের]] কথা ধরুন।''' ** ভূমিকা * '''একজন মানুষ কোনো স্থির পাথরখণ্ড নয় যে সবসময় এক জায়গায় থাকবে, যদিও মনোবিজ্ঞানীরা তার সাথে তেমন আচরণই করেন—এবং বেশিরভাগ মানুষই তা বিশ্বাস করার মাঝে এক ধরনের উন্মাদনাপূর্ণ গর্ববোধ করে।''' একঘেয়েমি! সে বদলে যায়; আজ হ্যামলেট তো কাল [[Julius Caesar (play)|সিজার]]; এখানে, সেখানে, কোথাও না কোথাও—যদি সে তার মানসিক সুস্থতা ধরে রাখতে চায়, আর সমস্যাই বা কোথায়? <br> '''সমাজের সাথে শিল্পের সম্পর্ক অত্যন্ত জটিল। কবি কোনো অপরিবর্তনীয় ঘটনা নন, এমনকি তার কাজও নয়।''' ** ভূমিকা * একটি যন্ত্রের মধ্যে আবেগপ্রবণ কিছু নেই; এবং: একটি কবিতা হলো শব্দের তৈরি ছোট (বা বড়) একটি যন্ত্র। ** ভূমিকা * '''গদ্য জাহাজের মতো অস্পষ্ট বিষয়ের বোঝা বহন করতে পারে। কিন্তু কবিতা হলো সেই ইঞ্জিন যা একে চালায়, একে ছেঁটে একদম নিখুঁত করে তোলা হয়েছে।''' ** ভূমিকা * '''প্রতিটি ভাষার নিজস্ব চরিত্র রয়েছে। এর মাধ্যমে তৈরি কবিতা তার অন্তর্নিহিত গঠন বা সেই ভাষার নিজস্ব রূপ ধারণ করবে।''' এর ফল হলো সৌন্দর্য, যা কোনো একটি জিনিসের মধ্যে আমাদের ভালোমন্দের জটিল অনুভূতিগুলো মীমাংসা করে দেয়। ** ভূমিকা * একজন মানুষ যখন কবিতা তৈরি করেন, মনে রাখবেন 'তৈরি করেন', তিনি তার চারপাশের শব্দগুলোকে বেছে নেন এবং কোনো বিকৃতি ছাড়াই সেগুলোকে সাজান। এর ফলে তার উপলব্ধি ও আবেগের এক তীব্র বহিঃপ্রকাশ ঘটে যা তার ব্যবহৃত ভাষায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। '''শিল্প হিসেবে তিনি কী 'বলছেন' তা বড় কথা নয়, বরং তিনি কী 'তৈরি করছেন' সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। এর উপলব্ধির তীব্রতা এত বেশি যে এটি তার নিজস্ব গতির মাধ্যমে তার সত্যতা প্রমাণ করে।''' ** ভূমিকা * আঙ্গিকগত উদ্ভাবন ছাড়া কোনো কালজয়ী কবিতা সম্ভব নয়। কারণ শিল্পের এই নিবিড় রূপের মাধ্যমেই তা সঠিক অর্থ খুঁজে পায়। এদিক থেকেই এটি যন্ত্রের সাথে সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ। এটি ভাষাকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দেয় এবং যে পরিবেশে এর জন্ম সেখানে আলো ছড়ায়। '''শিল্প যে যুদ্ধ নিয়ে বেঁচে থাকে এবং নিঃশ্বাস নেয়, তা অবিরাম।''' <br> হতে পারে আমার এখানে প্রকাশ করা আগ্রহগুলো শিল্পের আগের পর্যায়ের। '''যদি তাই হয়, তবে আমি এই পথেই উন্নয়ন খুঁজছি এবং অন্য কিছুতে আমি সন্তুষ্ট হব না।''' ** ভূমিকা * '''সাপটিকে তার আগাছার নিচে <br> অপেক্ষা করতে দাও <br> আর লেখাগুলো হোক <br> শব্দের—মন্থর ও দ্রুত, তীক্ষ্ণ <br> আঘাত হানতে পটু, অপেক্ষায় শান্ত, <br> নির্ঘুম।''' <br> — রূপকের মাধ্যমে মানুষ <br> আর পাথরের মধ্যে মিলন ঘটাও। <br> রচনা করো। (জিনিসের মধ্যেই <br> ধারণা নিহিত থাকে) উদ্ভাবন করো! <br> '''[[w:Saxifraga|সাক্সিফ্রেজ]] হলো আমার সেই ফুল যা পাথর <br> চিরে বেরিয়ে আসে।''' ** "এ সর্ট অব এ সং" === ''কালেক্টেড লেটার পোয়েমস'' (১৯৫০) === [[File:Adenium boehmianum.jpg|thumb|right|ভালোবাসা নিজেই একটি ফুল <br> যার শিকড় থাকে দগ্ধ মাটিতে।]] * '''এখন নয়। ভালোবাসা নিজেই একটি ফুল <br> যার শিকড় থাকে দগ্ধ মাটিতে।''' <br> শূন্য পকেট মানে শূন্য মগজ। <br> পারলে এর চিকিৎসা করো কিন্তু <br> বিশ্বাস করো না যে আমরা আজ <br> গ্রামে থাকতে পারব, কারণ গ্রাম <br> আমাদের কোনো শান্তি <br> &nbsp; &nbsp; দেবে না। ** "র‍্যালে ওয়াজ রাইট" (১৯৪০) === ''[[w:The Desert Music and Other Poems|দ্য ডেজার্ট মিউজিক অ্যান্ড আদার পোয়েমস]]'' (১৯৫৪) === [[File:AzaraxshTaleghan.gif|thumb|right|[[René Char|রেনে চার]] <br> তুমি এমন এক কবি যে বিশ্বাস করো <br> সৌন্দর্যের শক্তিতে <br> যা সব ভুল শুধরে দিতে পারে। <br> আমিও তা বিশ্বাস করি।]] * '''আমি [[René Char|রেনে চারের]] <br> কবিতার কথা ভাবি <br> এবং তিনি যা কিছু দেখেছেন <br> ও সহ্য করেছেন তার কথা ভাবি। এই অভিজ্ঞতাই তাকে বাধ্য করেছে <br> কেবল শেওলাধরা নদী, <br> ড্যাফোডিল আর টিউলিপের কথা বলতে <br> যাদের শিকড়ে পানি জমে আছে।''' এমনকি সেই প্রবহমান নদীর কথা যা <br> সেই মিষ্টি সুগন্ধি ফুলের শিকড় ধুয়ে দেয় <br> যা ছায়াপথকে <br> সমৃদ্ধ করে। ** "টু এ ডগ ইনজার্ড ইন দ্য স্ট্রিট" * রাস্তার পাশে মরণাপন্ন এক কুকুরের আর্তনাদ <br> আমাকে যতটুকু সম্ভব ভুলিয়ে দিতে হবে। <br> '''রেনে চার, <br> তুমি এমন এক কবি যে বিশ্বাস করো <br> সৌন্দর্যের শক্তিতে <br> যা সব ভুল শুধরে দিতে পারে। <br> আমিও তা বিশ্বাস করি। <br> উদ্ভাবন আর সাহসের মাধ্যমে <br> আমরা সেই সব অসহায় নির্বাক প্রাণীদের ছাড়িয়ে যাব। <br> সব মানুষ যেন এটি বিশ্বাস করে, <br> যেমনটা তুমি আমাকে বিশ্বাস করতে <br> শিখিয়েছ।''' ** "টু এ ডগ ইনজার্ড ইন দ্য স্ট্রিট" === ''[[w:Journey to Love (William Carlos Williams)|জার্নি টু লাভ]]'' (১৯৫৫) === ==== অ্যাসফোডেল, দ্যাট গ্রিনি ফ্লাওয়ার ==== [[File:Asphodelus albus3.jpg|thumb|right|আমরা দীর্ঘ সময় একসাথে ছিলাম, <br> একটি জীবন পূর্ণ ছিল, <br> আপনি যদি চান তবে বলতে পারেন, <br> ফুলে ফুলে।]] [[File:Shelfcloud.jpg|thumb|right|এমন কিছু আছে <br> জরুরি কিছু <br> যা আমাকে কেবল তোমাকেই <br> বলতে হবে। <br> কিন্তু তাকে অপেক্ষা করতে দাও <br> ততক্ষণ আমি তোমার আগমনের <br> আনন্দ উপভোগ করি, <br> হয়তো শেষবারের মতো।]] * অ্যাসফোডেল, সেই সবুজ ফুলটি, <br> :::হলুদ বাটারকাপের মতো <br> :::::এর ডালপালার ওপর— <br> :কেবল ওটি সবুজ আর কাঠের মতো— <br> :::আমি আসছি, প্রিয়তমা, <br> :::::তোমার জন্য গান গাইতে। <br> :'''আমরা দীর্ঘ সময় একসাথে ছিলাম,''' <br> :::'''একটি জীবন পূর্ণ ছিল,''' <br> :::::'''আপনি যদি চান তবে বলতে পারেন,''' <br> :'''ফুলে ফুলে।''' তাই <br> :::আমি আনন্দিত হয়েছিলাম <br> :::::যখন প্রথম জানতে পারলাম <br> :যে নরকেও <br> :::ফুল আছে। <br> :::::আজ <br> :আমি সেই সব ফুলের ফিকে হয়ে আসা স্মৃতিতে আচ্ছন্ন <br> :::যা আমরা দুজনেই ভালোবাসতাম, <br> :::::এমনকি এই তুচ্ছ <br> :বর্ণহীন ফুলটিও— <br> :::আমি এটি দেখেছিলাম <br> :::::যখন আমি শিশু ছিলাম— <br> :জীবিতদের কাছে যার তেমন কোনো কদর নেই <br> :::কিন্তু মৃতরা দেখে, <br> :::::নিজেদের মধ্যে প্রশ্ন করে: <br> :আমার কী মনে পড়ছে <br> :::যার গঠন <br> :::::ঠিক এটার মতো? :যখন আমাদের চোখ <br> :::অশ্রুতে ভিজে যায়। :::::ভালোবাসা, চিরস্থায়ী ভালোবাসার কথা :এটি বলবে :::যদিও লাল রঙের বড়ই অভাব :::::এতে লেগে আছে :একে পুরোপুরি বিশ্বাসযোগ্য করতে। :::'''এমন কিছু আছে''' :::::'''জরুরি কিছু''' :'''যা আমাকে কেবল তোমাকেই''' :::'''বলতে হবে''' :::::'''কিন্তু তাকে অপেক্ষা করতে দাও''' :'''ততক্ষণ আমি তোমার আগমনের''' :::'''আনন্দ উপভোগ করি,''' :::::'''হয়তো শেষবারের মতো।''' :আর তাই :::হৃদয়ে ভয় নিয়ে :::::আমি কথা চালিয়ে যাচ্ছি :একনাগাড়ে বলে যাচ্ছি :::কারণ আমি থামতে সাহস পাচ্ছি না। [[File:Sliven-thracianlowlands-dinev-flickr.jpg|thumb|right|অফুরন্ত সম্পদ, <br> আমি ভেবেছিলাম, <br> আমার দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।]] * কেবল আমাকে সময় দাও, :::কথা বলার আগে :::::সব মনে করার সময় দাও। :আমাকে সময় দাও, :::সময়। :আমি যখন ছোট ছিলাম :::আমি একটি বই রাখতাম :::::যেখানে মাঝে মাঝে :আমি শুকনো ফুল রাখতাম :::যতক্ষণ না অনেকদিন পর :::::আমার কাছে একটি বড় সংগ্রহ হলো। :অ্যাসফোডেল ফুলটিও, :::পূর্বাভাস হিসেবেই, :::::তাদের মধ্যে ছিল। :আমি তোমার কাছে নিয়ে এসেছি, :::নতুন করে জাগিয়ে তোলা, :::::সেই সব ফুলের স্মৃতি। :সেগুলো অনেক মিষ্টি ছিল :::যখন আমি তাদের বইয়ে চেপে রাখতাম :::::এবং দীর্ঘ সময় ধরে :তারা তাদের সুবাস ধরে রেখেছিল। :::'''এটি এক অদ্ভুত গন্ধ,''' :::::'''এক নৈতিক গন্ধ,''' :'''যা আমাকে তোমার''' :::'''কাছে নিয়ে আসে।''' [[File:Cloud in the sunlight.jpg|thumb|right|পুরো পৃথিবী <br> আমার বাগান হয়ে উঠল! <br> কিন্তু সমুদ্র <br> যার কেউ যত্ন নেয় না <br> সেটিও একটি বাগান <br> যখন সূর্যের আলো তার ওপর পড়ে <br> আর ঢেউগুলো <br> জেগে ওঠে।]] [[File:Sunrise on the Beach.jpg|thumb|right|আমি তা দেখেছি <br> আর তুমিও দেখেছ <br> যখন এটি সব ফুলের <br> সৌন্দর্যকে মলিন করে দেয়।]] * '''অফুরন্ত সম্পদ,''' :::'''আমি ভেবেছিলাম,''' :::::'''আমার দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।''' :আপেল ফুলের মাঝে :::হাজারো গ্রীষ্মমন্ডলীয় দেশ। :::::এই উদার পৃথিবী নিজেই :আমাদের অনুমতি দিয়েছে। :::পুরো পৃথিবী :::::আমার বাগান হয়ে উঠল! :কিন্তু সমুদ্র :::যার কেউ যত্ন নেয় না :::::সেটিও একটি বাগান :যখন সূর্যের আলো তার ওপর পড়ে :::আর ঢেউগুলো :::::জেগে ওঠে। :'''আমি তা দেখেছি''' :::'''আর তুমিও দেখেছ''' :::::'''যখন এটি সব ফুলের''' :'''সৌন্দর্যকে মলিন করে দেয়।''' [[File:Lightning storm over the Caribbean.jpg|thumb|right|ঝড় দানা বাঁধছে।]] [[File:Blitze IMGP6376 wp.jpg|thumb|right|এটি এমন একটি ফুল <br> যা শীঘ্রই তার প্রস্ফুটনের <br> চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছাবে।]] * '''আমি বলতে পারি না''' :::'''যে তোমার ভালোবাসার জন্য''' :::::'''আমি নরকে গেছি''' :'''কিন্তু প্রায়ই''' :::'''তোমার পিছু ধাওয়া করতে গিয়ে''' :::::'''নিজেকে সেখানে আবিষ্কার করেছি।''' :আমি এটি পছন্দ করি না :::এবং স্বর্গে থাকতে চেয়েছিলাম। :::::আমার কথা শোনো। :মুখ ফিরিয়ে নিও না। :আমি আমার জীবনে অনেক কিছু শিখেছি :::বই থেকে :::::আর বইয়ের বাইরে থেকেও :ভালোবাসা সম্পর্কে। :::'''মৃত্যুই''' :::::'''এর শেষ নয়।''' [[File:Lightning 1.jpg|thumb|right|ঝড় আছড়ে পড়ছে <br> অথবা মিলিয়ে যাচ্ছে! এটি <br> বিশ্বের শেষ নয়।]] * '''ঝড় দানা বাঁধছে।''' :::বিদ্যুৎ :::::মেঘের কিনারা দিয়ে খেলা করছে। :উত্তরের আকাশটি :::শান্ত, :::::গোধূলির আলোয় নীল হয়ে আছে :ঝড় ঘনীভূত হওয়ার সাথে সাথে। :::এটি এমন একটি ফুল :::::যা শীঘ্রই তার প্রস্ফুটনের :চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছাবে। [[File:Ilya Repin-What freedom!.jpg|thumb|right|ভালোবাসা অন্য কিছু...]] * যখন আমি ফুলের কথা :::বলি :::::তখন আসলে মনে করার চেষ্টা করি :যে এক সময় :::আমরা তরুণ ছিলাম। :::::'''সব নারী হেলেন নয়,''' :::'''আমি জানি তা,''' :'''কিন্তু তাদের হৃদয়ে হেলেন থাকে।''' :::প্রিয়তমা, :::::তোমার হৃদয়েও তা আছে, আর সেই কারণেই :আমি তোমাকে ভালোবাসি :::আর অন্যভাবে তোমাকে ভালোবাসা আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না। [[File:The Flood, by Paul Merwart.jpg|thumb|right|এটি ছিল ভালোবাসার প্রতি ভালোবাসা, <br> সেই ভালোবাসা যা অন্য সবকিছুকে গ্রাস করে... এমন এক ভালোবাসা যা <br> নম্রতা ও উদারতা তৈরি করে <br> যা আমাকে আলোড়িত করেছিল <br> এবং যা আমি তোমার মধ্যে দেখেছি।]] [[File:Double-alaskan-rainbow.jpg|thumb|right|আমার হৃদয় জেগে ওঠে <br> তোমার কাছে এমন কিছুর খবর নিয়ে আসার কথা ভেবে <br> যা তোমার সাথে সম্পর্কিত <br> এবং অনেক মানুষের সাথে সম্পর্কিত...]] * '''ঝড় আছড়ে পড়ছে''' :::::'''অথবা মিলিয়ে যাচ্ছে! এটি''' :'''বিশ্বের শেষ নয়।''' :::ভালোবাসা অন্য কিছু, :::::অথবা আমি তেমনটিই ভেবেছিলাম, :একটি বাগান যা বিস্তৃত হয়, :::যদিও আমি তোমাকে একজন নারী হিসেবেই চিনতাম :::::এবং অন্য কিছু ভাবিনি, :যতক্ষণ না পুরো সমুদ্র :::আর তার বাগানগুলোকে :::::এর ভেতরে নিয়ে নেওয়া হয়। :'''এটি ছিল ভালোবাসার প্রতি ভালোবাসা,''' :::'''সেই ভালোবাসা যা অন্য সবকিছুকে গ্রাস করে''', :::::'''এক কৃতজ্ঞ ভালোবাসা,''' :'''প্রকৃতির প্রতি, মানুষের প্রতি,''' :::'''প্রাণীদের প্রতি,''' :::::'''এমন এক ভালোবাসা যা তৈরি করে''' :'''নম্রতা ও উদারতা''' :::'''যা আমাকে আলোড়িত করেছিল''' :::::'''এবং যা আমি তোমার মধ্যে দেখেছি।''' [[File:Harpe de lumiere.jpg|thumb|right|দেখুন <br> কোন জিনিসটি নতুন বলে চালানো হচ্ছে। <br> আপনি সেখানে তা পাবেন না, বরং পাবেন <br> অবহেলিত কবিতার মাঝে।]] * আমি আসছি, প্রিয়তমা, :::::তোমার জন্য গান গাইতে! :আমার হৃদয় জেগে ওঠে :::তোমাকে এমন কিছুর খবর দেওয়ার কথা ভেবে :::::যা তোমার সাথে সম্পর্কিত :এবং অনেক মানুষের সাথে সম্পর্কিত। '''দেখুন''' :::::'''কোন জিনিসটি নতুন বলে চালানো হচ্ছে।''' :'''আপনি সেখানে তা পাবেন না, বরং পাবেন''' :::'''অবহেলিত কবিতার মাঝে।''' * &nbsp; &nbsp; '''কবিতা থেকে খবর পাওয়া''' <br> ::'''কঠিন ঠিকই''' <br> ::::'''তবুও প্রতিদিন মানুষ শোচনীয়ভাবে মরছে''' <br> ::::::'''কবিতার মাঝে যা পাওয়া যায়''' <br> :'''তার অভাবে।'''``` ==উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস সম্পর্কিত উক্তি== * আমেরিকানদের কাছে নেটিভ আমেরিকান সাহিত্য গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত। একে কেবল আমেরিকান অতীতের কোনো প্রত্নবস্তু বা কিউরিও হিসেবে দেখা ঠিক নয় যার বর্তমান বা ভবিষ্যতের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। বরং এটি একটি প্রধান ঐতিহ্য যা কটন ম্যাথার ও নাথানিয়েল হথর্ন থেকে শুরু করে ওয়াল্ট হুইটম্যান, উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস ও উইলিয়াম ফকনার হয়ে অ্যাড্রিয়েন রিচ, টনি কেড বামবারা এবং জুডি গ্রান পর্যন্ত সকল লেখককে পথ দেখায়। ** পলা গান অ্যালেন, *দ্য স্যাক্রেড হুপ: রিকভারিং দ্য ফেমিনাইন ইন আমেরিকান ইন্ডিয়ান ট্র্যাডিশনস* (১৯৮৬) * লেখালেখিও একটি সম্মানজনক পেশা। যারা আগে এই পেশায় ছিলেন, তারা একে সম্মানিত করেছেন। আপনি পছন্দ করুন বা না করুন, প্রতিবার কলম হাতে নেওয়ার সময় আপনাকে সেই একই শূন্য কাগজের মুখোমুখি হতে হয় যা মিল্টন,মেলভিল, এমিলি ব্রন্টি,দস্তয়েভস্কি,জর্জ এলিয়ট,জর্জ অরওয়েল,উইলিয়াম ফকনার,ভার্জিনিয়া উলফ, উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস এবং আধুনিক নায়ক গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের সামনেও ছিল। ** মার্গারেট অ্যাটউড, "অ্যান এন্ড টু অডিয়েন্স?" (১৯৮০), *সেকেন্ড ওয়ার্ডস: সিলেক্টেড ক্রিটিক্যাল প্রোজে * সংকলিত * উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস তার একটি কবিতায় লিখেছেন যে "ধ্বংস এবং সৃষ্টি সমসাময়িক।" [[পিকাসো|পিকাসোও]] অনেকটা একই কথা বলেছিলেন। উইলিয়ামসের কাছে এটি ছিল আধুনিক ধারাকে বা অ্যাভান্ট-গার্ডকে পৌরাণিক রূপ দেওয়ার একটি পথ। আপনার সৃজন করতে হলে ধ্বংস করতে হবে। ** টনি বার্নস্টোন, *কনভারসেশনস উইথ ভারতী মুখার্জি*, ব্র্যাডলি সি. এডওয়ার্ডস সম্পাদিত (২০০৯) * আমার শুরুর দিকের পরিচয় ও প্রেমের কবিতাগুলো এজরা পাউন্ড এবং উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের চিত্রকল্পবাদ বা ইমেজবাদ দ্বারা প্রভাবিত ছিল। ** মেরিলিন চিন, *এ পোর্ট্রেট অফ দ্য সেলফ অ্যাজ নেশন: নিউ অ্যান্ড সিলেক্টেড পোয়েমস*-এর ভূমিকা (২০১৮) * যখন আমি ভার্জিনিয়া উলফের 'অরল্যান্ডো' বা উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের 'ইন দ্য আমেরিকান গ্রেইন' পড়ি, তখন আমার মনে হয় আমি যেন জীবন ও কাজের মাঝে আটকে গেছি বা মরে যাচ্ছি। এই বইগুলো পড়ার পর আমি আবারও গতি ফিরে পাই। আমি অন্যদের জন্য এই কাজটি করতে পারি বলে ভালো লাগে। ** ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত *কনভারসেশনস উইথ ম্যাক্সিন হং কিংস্টনে* সংকলিত ১৯৮৯ সালের সাক্ষাৎকার * যখন আমি উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের 'ইন দ্য আমেরিকান গ্রেইন' পড়ছিলাম, তখন মনে হলো আমেরিকা সম্পর্কে এভাবেই লেখা উচিত। এটিই সঠিক ও পৌরাণিক ইতিহাস। আমি নিশ্চিত ছিলাম এর দ্বিতীয় খণ্ড বের হবে। তাই লাইব্রেরিতে প্রথম খণ্ডটি ফেরত দিয়ে দ্বিতীয় খণ্ডটি খুঁজতে লাগলাম। কিন্তু এর কোনো দ্বিতীয় খণ্ড নেই! তখনই আমি ভাবলাম আমাকেই এর দ্বিতীয় খণ্ডটি লিখতে হবে। তিনি যেহেতু করেননি, তাই আমাকেই তা করতে হবে। এভাবেই 'চায়না মেন' সৃষ্টি হলো। তারা রেলপথের স্টিলের বন্ধন দিয়ে এই দেশটিকে একসাথে বেঁধে রেখেছে। প্রথম দুটি বই শেষ করার পর আমি আমার ভেতরে আরও এক ধরনের চলতি ও সমসাময়িক আমেরিকান ভাষা খুঁজে পেলাম। আরেকটি অপূর্ণতা ছিল বিটনিকদের চলে যাওয়ার সময়কার বই পড়তে পারা। তারাই আমাদের ঠিক আগের প্রজন্মের পথপ্রদর্শক। ** ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত *কনভারসেশনস উইথ ম্যাক্সিন হং কিংস্টনে* সংকলিত ১৯৮৯ সালের সাক্ষাৎকার * ১৯২০ দশকে তিনি দুই আমেরিকার উপযুক্ত একটি বইয়ের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে একটি বিশাল আমেরিকান উপন্যাসের কথা ভাবছিলেন। উইলিয়ামস চেয়েছিলেন বইটি যেন এই দুই মহাদেশের বিশাল প্রেক্ষাপট থেকে কথা বলে। ** ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত *কনভারসেশনস উইথ ম্যাক্সিন হং কিংস্টনে* সংকলিত ১৯৯৩ সালের সাক্ষাৎকার * লজ্জিত হওয়ার বা ঝুঁকি নেওয়ার ভয়, বোকা সাজার ভয় কিংবা অন্য কারো মতো না লিখে নিজের মতো করে লেখার ভয় সবই মানুষের থাকে। তবে কিছু মানুষ বিশ বছর ধরে নিজের মতে অটল থাকেন। উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস তার আত্মজীবনীতে বলেছিলেন, "মনে হচ্ছে টি. এস. এলিয়ট 'দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড' দিয়ে সফল হয়েছেন এবং সাহিত্যের মোড় সেদিকেই ঘুরছে। এখন আমি জানি যে আমার কথা শোনার জন্য আমাকে আরও বিশ বছর অপেক্ষা করতে হবে।" তিনি তাই করেছিলেন। তিনি যা সঠিক মনে করতেন তাই করে গেছেন এবং আমেরিকান ভাষার নিজস্ব ধারণায় অটল থেকে একটি শক্তিশালী প্রভাব তৈরি করেছেন। কিন্তু অন্য অনেকেই ভেবেছিল ওটাই সঠিক পথ এবং তারা নিজেদের শিকড় কেটে সেদিকেই ছুটে গিয়েছিল। ** ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত *কনভারসেশনস উইথ গ্রেস পেলিয়ে * সংকলিত ১৯৭৯ সালের সাক্ষাৎকার * বিংশ শতাব্দীর বিপ্লবী কাব্যতত্ত্বের ঐতিহ্য সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা ছিল না। বড়দের মধ্যে উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস সমসাময়িক আমেরিকার সাধারণ শহর, সাধারণ দরিদ্র ও কর্মজীবী মানুষ এবং দৈনন্দিন ভাষার সহজ ও ছন্দময় শৈলীতে লিখেছেন। যদিও শুরুতে উইলিয়ামসের কবিতা আমাকে মোহিত করেনি, পরবর্তীতে প্রথাগত ছন্দ থেকে বেরিয়ে আসতে আমি তার বাক্যগঠন ও পঙ্ক্তি ভাঙার পদ্ধতিগুলো নিয়ে কাজ করেছি। ** অ্যাড্রিয়েন রিচ, *হোয়াট ইজ ফাউন্ড দেয়ার* (২০০৩) ==বহিঃসংযোগ== {{wikipedia}} {{commonscat}} * [http://www.poets.org/poet.php/prmPID/119 অ্যাকাডেমি অব আমেরিকান পোয়েটস-এ উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস পাতা] * [http://www.english.uiuc.edu/maps/poets/s_z/williams/williams.htm মডার্ন আমেরিকান পোয়েট্রি-তে উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস পাতা] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৮৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৩-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ জার্সির চিকিৎসক]] [[বিষয়শ্রেণী:বিট প্রজন্মের লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল বুক অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী]] 28hvy67uxancoppkdw5rutcbdinuioo 78845 78842 2026-04-20T08:32:02Z SMontaha32 3112 /* উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস সম্পর্কিত উক্তি */ 78845 wikitext text/x-wiki [[File:William Carlos Williams passport photograph 1921.jpg |thumb|right|একজন মানুষ কোনো স্থির পাথরখণ্ড নয় যে সবসময় এক জায়গায় থাকবে। যদিও মনোবিজ্ঞানীরা তার সাথে তেমন আচরণই করেন এবং বেশিরভাগ মানুষই তা বিশ্বাস করার মাঝে এক ধরনের উন্মাদনাপূর্ণ গর্ববোধ করে। ... সমাজের সাথে শিল্পের সম্পর্ক অত্যন্ত জটিল। কবি কোনো অপরিবর্তনীয় ঘটনা নন, এমনকি তার কাজও নয়।]] [[File:Asphodele.jpg|thumb|right|কবিতা থেকে সংবাদ পাওয়া কঠিন, তবুও সেখানে যা পাওয়া যায় তার অভাবে মানুষ প্রতিদিন শোচনীয়ভাবে মৃত্যুবরণ করছে।]] [[File:Amistad - Friendship.jpg|thumb|right|প্রকৃত সুখী হওয়ার একমাত্র উপায় হলো অন্যকে সুখী করা। আপনি যখন এটি উপলব্ধি করবেন এবং এই সত্যের সদ্ব্যবহার করবেন, তখন সবকিছুই নিখুঁত হয়ে উঠবে।]] '''[[w:উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস|উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]]''' (১৭ সেপ্টেম্বর,১৮৮৩ – ৪ মার্চ,১৯৬৩) ছিলেন একজন আমেরিকান কবি ও চিকিৎসক। == উদ্ধৃতি == [[File:Heart Flow.jpg|thumb|right|আমার কাছে এটি হলো প্রথমে সেই বিষয়টি উপলব্ধি করা, যাকে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।]] [[File:William Carlos Williams passport photograph.jpg|thumb|এই মুহূর্তে নিজের প্রতি আমার প্রধান অতৃপ্তি হলো—আমি যা করতে চাই, তার মধ্যে নিজেকে যেভাবে বিলীন করে দেওয়া উচিত, তা আমি পারছি না।]] [[File:Milky Way from Flickr.jpg|thumb|right|অনেক প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি। আমাদের কবিরা ভুল হতে পারেন; কিন্তু নিজের প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে দৃষ্টির প্রসার ঘটানো ছাড়া আমাদের আর কী-ই বা করার আছে? যেন বারবার ব্যর্থ হওয়ার মাধ্যমে আমরা অতীতে যা হারিয়েছি, তা আরও ভালোভাবে শিখতে পারি।]] === সাধারণ উৎস === * '''একটি বিষয়ে আমি দিন দিন আরও নিশ্চিত হচ্ছি: প্রকৃত সুখী হওয়ার একমাত্র উপায় হলো অন্যকে সুখী করা। আপনি যখন এটি উপলব্ধি করবেন এবং এই সত্যের সদ্ব্যবহার করবেন, তখন সবকিছুই নিখুঁত হয়ে উঠবে।''' ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ৫; ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া থেকে তার মাকে লেখা চিঠি (১২ ফেব্রুয়ারি ১৯০৪) * সত্যি বলতে, আমি নিজেও কখনো পুরোপুরি অনুভব করি না যে আমি কী নিয়ে কথা বলছি—যদি অনুভব করতাম বা যখন করি, তখন লিখিত বিষয়টিকে আমার কাছে তুচ্ছ মনে হয়। তবে, '''আমি যা লিখি এবং যা টিকে থাকে, তা সবসময়ই সার্থক বলে আমার মনে হয়। আমার মনে হয়, আমি যা বুঝিয়েছি কিন্তু হয়তো পুরোপুরি প্রকাশ করতে পারিনি, তার যতটা কাছাকাছি আমি পৌঁছাতে পেরেছি, অন্য কেউ তা পারেনি। আমার কাছে এটি হলো প্রথমে সেই বিষয়টি উপলব্ধি করা যাকে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।''' আমি আরও অনেক কিছু বলতে পারতাম কিন্তু তাতে লাভ নেই। এক অর্থে আমাকে নিজেকে প্রকাশ করতে হবে, আপনি ঠিকই বলেছেন, তবে যদি এর কোনো অর্থ থাকে তবে তা সবসময়ই 'সম্পূর্ণরূপে অসম্পূর্ণ'। ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২৬; [[w:Harriet Monroe|হ্যারিয়েট মনরোকে]] লেখা (১৪ অক্টোবর ১৯১৩) * '''এটি জীবনের গতির সাথে তাল মিলিয়ে চলে—বিক্ষিপ্ত কিন্তু সমগ্রের সাথে যুক্ত, ছিন্ন ভিন্ন কিন্তু একসাথে বোনা।''' ** *দ্য নিউ ইয়র্ক হেরাল্ড ট্রিবিউন*-এ দেওয়া সাক্ষাৎকারে তার কাজ সম্পর্কে (১৮ জানুয়ারি ১৯৩২) * '''কবির কাজ হলো কার্যকরভাবে ভাষা ব্যবহার করা—তার নিজস্ব ভাষা, যা তার কাছে একমাত্র নির্ভরযোগ্য ভাষা।''' ** [[Louis Untermeyer|লুই আনটারমেয়ার]] রচিত *মডার্ন আমেরিকান পোয়েট্রি* (১৯৫০)-তে উদ্ধৃত 'এ নোট অন পোয়েট্রি' (আনুমানিক ১৯৩৬) থেকে * গদ্যের চেয়ে কবিতার জন্য ভিন্ন উপাদানের প্রয়োজন হয়। এটি একই তথ্যের অন্য একটি দিক ব্যবহার করে... ভাষার স্বতঃস্ফূর্ত রূপ যেমনটা শোনা যায়। ** জেমস লাফলিনকে দেওয়া 'ডিটেইল অ্যান্ড প্রসোডি ফর দ্য পোয়েম প্যাটারসন' (১৯৩৯), বর্তমানে হটন লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত * '''এই অদ্ভুত পৃথিবীটি মূলত হতাশায় ঘেরা।''' <br> আমি মূলত লিখে যাই কারণ এটি আমাকে এমন এক তৃপ্তি দেয় যা অন্য কোথাও পাওয়া সম্ভব নয়। এটি সেই মুহূর্তগুলোকে পূর্ণ করে যা অন্যথায় ভয়াবহ বা বিষণ্ণ হতো। এমন নয় যে আমি ওভাবেই বাঁচি, কাজও আমাকে শান্ত রাখে। এই মুহূর্তে নিজের প্রতি আমার প্রধান অতৃপ্তি হলো—আমি যা করতে চাই, তার মধ্যে নিজেকে যেভাবে বিলীন করে দেওয়া উচিত, তা আমি পারছি না। ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২১৬; [[w:Robert McAlmon|রবার্ট ম্যাকঅ্যালমনকে]] লেখা চিঠি (৮ আগস্ট ১৯৪৩) * '''আমরা কেন বাঁচি? আমাদের মধ্যে বেশিরভাগেরই সেই জিনিসটি প্রয়োজন যা আমরা কখনো চাই না।''' আমরা বিপ্লব নিয়ে এমনভাবে কথা বলি যেন এটি তুচ্ছ কোনো বিষয়। আমাদের যা প্রয়োজন তা হলো কিছু অকপট চিন্তা এবং নিজেদের অন্তরে কয়েকটি বিপ্লব; আমি যাদের চিনি সেই সব নরধমেরা গোল্লায় যাক এবং আমিও তাদের সাথে গোল্লায় যাই যদি না আমি নিজেকে সামলে নিতে পারি এবং প্রয়োজনে ঘুরে দাঁড়াতে পারি—অথবা যদি এগিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য হয় তবে আরও সামনে এগোতে পারি। ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২১৭; [[w:Robert McAlmon|রবার্ট ম্যাকঅ্যালমনকে]] লেখা চিঠি (৪ সেপ্টেম্বর ১৯৪৩) * '''দার্শনিকরা আজ কবিদের পিছু ধাওয়া করছে, কারণ দর্শনের আজ বড়ই অভাব। অভিশাপ তাদের ওপর! আপনি হয়তো ভাবছেন কোনো দার্শনিক অনুমতি না দিলে কোনো মানুষের লেখালেখি করার বা কবি হওয়ার অধিকার নেই।''' ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২১৯; [[w:James Laughlin|জেমস লাফলিনকে]] লেখা চিঠি (১৪ জানুয়ারি ১৯৪৪) * প্রতিদিনের সাধারণ খবর, করুণ মৃত্যু বা প্রাত্যহিক জীবনের লাঞ্ছনা পড়ে কী লাভ? অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে আমরা জানি যে যে পরিস্থিতিতে এগুলো ঘটার কথা ছিল, ঠিক সেভাবেই এগুলো ঘটেছে। এর মধ্যে কোনো আলো নেই। এটি কেবল তুচ্ছ শূন্যস্থান পূরণকারী তথ্য। আমরা জানি [[airplane|বিমান]] বিধ্বস্ত হবে, [[train|ট্রেন]] লাইনচ্যুত হবে। আমরা কেন তাও জানি। কেউ পাত্তা দেয় না, কেউ দিতেও পারে না। আমরা খবর পাই এবং তা অগ্রাহ্য করি, আর এটি করাই আমাদের জন্য সঠিক। এগুলো তুচ্ছ। '''কিন্তু কোনো নিভৃত রোগীর চোখে আমি যে তাড়িত খবর পাই, তা তুচ্ছ নয়। তা গভীর''': শেখার সমস্ত একাডেমি, সমস্ত ধর্মীয় অনুশাসন এর ওপর ভিত্তি করেই প্রতিষ্ঠিত। তারা তাদের তথাকথিত হেত্বাভাস বা 'ডায়ালেকটিক' এর ওপর ভিত্তি করেই গড়ে তুলেছে—তাদের মিথ্যা ডায়ালেকটিক। ডায়ালেকটিক হলো যেকোনো একতরফা ব্যবস্থা। যেহেতু সব ব্যবস্থাই নিছক উদ্ভাবন, তাই প্রতিটি ক্ষেত্রেই এটি একটি ভুল ধারণা বা প্রেক্ষাপট। এর ওপর ভিত্তি করে একটি বদ্ধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয় যা যারা এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে তাদের বাকি বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। সব মানুষই কোনো না কোনোভাবে এক ধরনের ডায়ালেকটিকের মধ্যে আটকা পড়ে থাকে, তা সে আর্জেন্টিনা হোক বা জাপান। ফলে প্রতিটি দলই পঙ্গু হয়ে যায়। প্রত্যেকে একটি ডায়ালেকটিক মেঘের মধ্যে যোগাযোগহীন অবস্থায় বন্দি থাকে। এই কারণেই আমরা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ি এবং অত্যন্ত ভাসা ভাসা বিষয়ে গর্ববোধ করি। <br /> আমরা কি দেখতে পাচ্ছি না যে আমরা নিজেদের প্রকাশ করতে পারছি না? এটিই আমাদের পরাজিত করে। ** *দ্য অটোবায়োগ্রাফি অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫১), অধ্যায় ৫৪: "দ্য প্র্যাকটিস" * '''আমার প্রথম কবিতাটি ছিল আকস্মিক এক ঘটনা... এটি মোহভঙ্গ এবং আত্মঘাতী বিষণ্ণতার মন্ত্র ভেঙে দিয়েছিল। ... এটি আমাকে এক আত্মতৃপ্তিদায়ক আনন্দে পূর্ণ করেছিল।''' ** *দ্য অটোবায়োগ্রাফি অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫১) [ডাব্লিউ. ডাব্লিউ. নর্টন অ্যান্ড কোং, ১৯৬৭, <small>{{ISBN|978-0811202268}}</small>] * '''বাইরে অনেক বদমাশ আছে!''' ** মন্তব্য (আনুমানিক ১৯৫৭), [[Allen Ginsberg|অ্যালেন গিন্সবার্গের]] "ডেথ নিউজ" কবিতার ভূমিকায় উদ্ধৃত: *১৯৫৭ সালের দিকে ডাব্লিউ.সি.ডাব্লিউ.-এর সাথে দেখা করতে যান কবি [[Jack Kerouac|কেরুয়াক]], করসো ও [[w:Peter Orlovsky|অরলভস্কি]]। বসার ঘরের সোফায় বসে তারা কিছু বিজ্ঞ বাণী জানতে চাইলে, অসুস্থ উইলিয়ামস মেইন স্ট্রিটের জানালার পর্দার দিকে আঙুল তুলে বলেছিলেন: "বাইরে অনেক বদমাশ আছে!"* * আমি এটি পছন্দ করেছি কারণ এতে রচনার মূল অংশগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে। আমি একে ছোট করতে করতে একদম সংকুচিত করে এনেছি। একে আরও প্রাণবন্ত করতেই এভাবে চেপে ছোট করা হয়েছে। ** জন সি. থার্লওয়ালের সংগ্রহে থাকা *দ্য কালেক্টেড আর্লিয়ার পোয়েমস* (আনুমানিক ১৯৫৮) বইটিতে "চিকরি অ্যান্ড ডেইজিস" (১৯১৫) কবিতার ওপর টিকা * '''আমি মনে করতাম আমার বন্ধুরা মহামূর্খ, কারণ তারা তাদের জীবন পরিচালনা করার এর চেয়ে ভালো কোনো পথ জানত না। তবুও তারা আমার চেয়ে কোনো না কোনো আদর্শ বা কোড আরও ভালোভাবে মেনে চলত। আমি নিজেও তা মানতে চেয়েছিলাম কিন্তু পারিনি, তাই আমি আমার কবিতা লিখেছি।''' ** জন সি. থার্লওয়ালের সংগ্রহে থাকা *দ্য কালেক্টেড আর্লিয়ার পোয়েমস* (আনুমানিক ১৯৫৮) বইটিতে টিকা * আজকাল কবিতার শিল্প রূপটি কিছুটা অস্থির; কিন্তু অন্তত কবিতার গঠনটি অর্থবহ হওয়া উচিত যেন আপনি জানেন আপনি কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন। '''অনেক প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি। আমাদের কবিরা ভুল হতে পারেন; কিন্তু নিজের প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে দৃষ্টির প্রসার ঘটানো ছাড়া আমাদের আর কী-ই বা করার আছে? যেন বারবার ব্যর্থ হওয়ার মাধ্যমে আমরা অতীতে যা হারিয়েছি তা আরও ভালোভাবে শিখতে পারি।''' ** স্ট্যানলি কোহলারের সাথে সাক্ষাৎকার (এপ্রিল ১৯৬২), *দ্য প্যারিস রিভিউ: রাইটার্স অ্যাট ওয়ার্ক*, ৩য় সিরিজ, ভাইকিং পেঙ্গুইন, পৃষ্ঠা ২৯ <small> {{ISBN|0-14-00-4542-2}} </small> * একটি শিল্প মাধ্যম হওয়ায় কবিতা কোনো সীমাবদ্ধতা বা নির্দেশনামূলক নীতি ছাড়া "মুক্ত" হতে পারে না। ** *ফ্রি ভার্স। প্রিন্সটন এনসাইক্লোপিডিয়া অব পোয়েট্রি অ্যান্ড পোয়েটিক্স* ২য় সংস্করণ (১৯৭৫)-এ উদ্ধৃত ===''ম্যারেজ'' (১৯১৬) === * কতই না আলাদা, এই পুরুষ<br>আর এই নারী:<br>এক প্রান্তরের বুক চিরে<br>বয়ে চলা জলধারা। ** *পোয়েট্রি* (শিকাগো, ১৯১৬) === ''[[w:Al Que Quiere!|আল কো কিয়েরে!]]'' (১৯১৭) === [[File:Venus-pacific-levelled.jpg|thumb|right|<p>এটি এক অদ্ভুত সাহস <br> যা তুমি আমাকে দাও, হে প্রাচীন তারা:</p><p>সূর্যোদয়ের আলোয় একাকী জ্বলে ওঠো <br> যাতে তোমার কোনো অবদান নেই!</p>]] :<small>[[s:Al Que Quiere!|উইকিসোর্সে পূর্ণাঙ্গ টেক্সট]] </small> [[File:Lafosse, Charles de - Sunrise with the Chariot of Apollo - c. 1672.jpg|thumb|right|<p>স্বপ্নই আমাদের ধ্বংস করেছে। </p><p> ঘোড়া বা লাগাম ধরার মাঝে <br> এখন আর কোনো গর্ব নেই।</p>]] * '''তোমার ফুলগুলো তুলে ধরো <br> তিতকুটে ডাঁটার ডগায় <br> হে চিকরি!''' <br> দগ্ধ মাটি থেকে <br> তাদের উপরে তুলে ধরো! <br> কোনো পল্লব ধারণ করো না <br> বরং নিজেকে উজার করে দাও <br> কেবল ওটাতেই! <br> তোমাদের নিচ থেকে টান ধরুক <br> হে তিতকুটে ডাঁটা <br> যা কোনো পশু খায় না— <br> আর ধূসরতাকে তুচ্ছ করো! ** "চিকরি অ্যান্ড ডেইজিস" * '''পৃথিবী ফেটে চৌচির আর <br> কুঁচকে যায়; <br> বাতাস করুণ স্বরে বিলাপ করে; <br> তুমি যদি ব্যর্থ হও <br> তবে আকাশও নিভে যাবে।''' ** "চিকরি অ্যান্ড ডেইজিস" * <p>'''আজ আমি কেন লিখি?'''</p><p>'''আমাদের গুরুত্বহীন মানুষদের <br> সেই ভয়াবহ মুখগুলোর সৌন্দর্য <br> আমাকে লিখতে বাধ্য করে''':</p><p> কর্মজীবী কৃষ্ণাঙ্গ নারীরা— <br> বৃদ্ধ ও অভিজ্ঞ— <br> গোধূলিলগ্নে বাড়ি ফিরছে, <br> ত্যাজ্য পোশাকে ঢাকা <br> মুখগুলো যেন <br> পুরনো ফ্লোরেনটাইন ওক কাঠ।</p> ** "[[s:Apology (Williams)|অ্যাপোলজি]]" * তোমাদের মুখের সেই কৃত্রিম ভঙ্গি <br> আমাকে নাড়া দেয়— <br> হে বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দ— <br> তবে <br> একইভাবে নয়। ** "অ্যাপোলজি" * <p>'''আমি এখানে শুয়ে তোমার কথা ভাবছি:—'''</p><p>'''প্রেমের দাগ <br> সারা বিশ্বে লেগে আছে!'''</p> ** "লাভ সং" * <p>'''এটি এক অদ্ভুত সাহস <br> যা তুমি আমাকে দাও, হে প্রাচীন তারা:'''</p><p>'''সূর্যোদয়ের আলোয় একাকী জ্বলে ওঠো <br> যাতে তোমার কোনো অবদান নেই!'''</p> ** "এল হোমব্রে" * <p>ভাই! <br> — আমরা যদি ধনী হতাম <br> তবে বুক চিতিয়ে <br> মাথা উঁচু করে চলতাম! </p><p> '''স্বপ্নই আমাদের ধ্বংস করেছে।'''</p><p>'''ঘোড়া বা লাগাম ধরার মাঝে <br> এখন আর কোনো গর্ব নেই।'''</p><p> আমরা কুঁজো হয়ে বসে <br> নিজেদের ভাগ্য নিয়ে ভাবি। </p><p> '''যাই হোক— <br> সব কিছুই শেষ পর্যন্ত তিক্ত হয়ে যায় <br> আপনি ডানে যান বা <br> বামে <br> &nbsp; &nbsp; এবং— <br> স্বপ্ন দেখা খুব খারাপ কিছু নয়।'''</p> ** "লিবেরতাদ! ইগুয়ালিদাদ! ফ্রাতেরনিদাদ!" * কে বলবে যে আমি <br> আমার গৃহের এক সুখী প্রতিভা নই? ** "দানস রুস" === ''[[w:Spring and All|স্প্রিং অ্যান্ড অল]]'' (১৯২৩) === [[File:Wild Carrot seedheads, Dayton, Ohio.jpg|thumb|right|দেখতে প্রাণহীন, মন্থর <br> বিভ্রান্ত বসন্ত এগিয়ে আসে— <br> তারা নগ্ন হয়ে নতুন পৃথিবীতে প্রবেশ করে, <br> শীতল ও অনিশ্চিত সবকিছু নিয়ে <br> কেবল এইটুকু নিশ্চিত যে তারা প্রবেশ করছে। তাদের চারপাশে <br> সেই পরিচিত হিমেল হাওয়া...]] [[File:N2 Queen Anne's Lace.jpg|thumb|right|তবুও, সেই গভীর পরিবর্তন <br> তাদের ওপর এসেছে: শিকড় গেড়ে <br> তারা শক্ত হয়ে বসে এবং জাগতে শুরু করে।]] * <p>'''অনেক কিছুই নির্ভর করে <br> একটি'''</p><p>'''লাল চাকাওয়ালা <br> ঠেলার গাড়ির ওপর'''</p><p>'''যা বৃষ্টির জলে <br> চকচক করছে'''</p><p>'''সাদা মুরগিগুলোর <br> পাশে'''</p> ** "দ্য রেড হুইলব্যারো" * সংক্রামক হাসপাতালের রাস্তার ধারে <br> উত্তর-পূর্ব দিক থেকে আসা <br> নীল ছোপানো মেঘের ভিড়ের নিচে— <br> এক হিমেল হাওয়া। ** "স্প্রিং অ্যান্ড অল" * <p>'''দেখতে প্রাণহীন, মন্থর <br> বিভ্রান্ত বসন্ত এগিয়ে আসে— <br> তারা নগ্ন হয়ে নতুন পৃথিবীতে প্রবেশ করে, <br> শীতল ও অনিশ্চিত সবকিছু নিয়ে <br> কেবল এইটুকু নিশ্চিত যে তারা প্রবেশ করছে।''' তাদের চারপাশে <br> সেই পরিচিত হিমেল হাওয়া—</p><p> এখন ঘাস, কাল হবে <br> বুনো গাজর পাতার শক্ত কুঞ্চন— <br> একে একে সব বস্তু স্পষ্ট হয়ে ওঠে— <br> এটি প্রাণ পায়: স্পষ্টতা, পাতার রূপরেখা। </p><p> কিন্তু এখন প্রবেশের সেই কঠোর গাম্ভীর্য— '''তবুও সেই গভীর পরিবর্তন <br> তাদের ওপর এসেছে: শিকড় গেড়ে <br> তারা শক্ত হয়ে বসে এবং জাগতে শুরু করে।'''</p> ** "স্প্রিং অ্যান্ড অল" * আমেরিকার বিশুদ্ধ পণ্যগুলো <br> পাগল হয়ে যায়— ** "টু এলসি" === ''[[w:Sour Grapes (book)|সাওয়ার গ্রেপস]]'' (১৯২১) === * বৃষ্টি আর <br> আলোর মাঝে <br> আমি সোনালি রঙের <br> ৫ সংখ্যাটি দেখলাম <br> একটি লাল <br> দমকলের গাড়ির ওপর <br> যা ছুটছে <br> টানটান উত্তেজনায় <br> অবহেলিতভাবে <br> ঘণ্টার শব্দে <br> সাইরেনের আর্তনাদে <br> আর অন্ধকার শহরের বুক চিরে <br> চাকার ঘড়ঘড়ানিতে। ** "দ্য গ্রেট ফিগার" * বার্ধক্য হলো <br> ছোট কিচিরমিচির করা <br> পাখির এক ঝাঁক উড্ডয়ন <br> যা বরফ ঢাকা মাঠের ওপর <br> ন্যাড়া গাছগুলোকে <br> ছুঁয়ে যায়। <br> জয় আর পরাজয়ের মাঝে <br> তারা অন্ধকার বাতাসে <br> বাধা পায়— <br> কিন্তু তাতে কী? <br> রুক্ষ আগাছার ডাঁটায় <br> পাখির ঝাঁকটি বিশ্রাম নিয়েছে— <br> বরফ আজ <br> ঢাকা পড়েছে <br> ভাঙা বীজের <br> খোসায় <br> আর বাতাসের তীব্রতা কমেছে <br> প্রাচুর্যের এক সুতীক্ষ্ণ <br> বাঁশির সুরে। ** "টু অ্যাওয়েকেন অ্যান ওল্ড লেডি"; মূলত *দ্য ডায়াল*-এ প্রকাশিত (আগস্ট ১৯২০) === ''কালেক্টেড পোয়েমস ১৯২১-১৯৩১'' (১৯৩৪) === [[File:Bluebyrd plum.jpg|thumb|right|আমায় ক্ষমা করো <br> ওগুলো খুব সুস্বাদু ছিল <br> অনেক মিষ্টি <br> আর অনেক ঠাণ্ডা]] * <p>'''আমি সেই <br> আলুবোখারাগুলো <br> খেয়ে ফেলেছি <br> যা আইসবক্সে ছিল'''</p><p> এবং যা <br> সম্ভবত আপনি <br> সকালের নাস্তার জন্য <br> জমিয়ে রেখেছিলেন</p><p> '''আমায় ক্ষমা করো <br> ওগুলো খুব সুস্বাদু ছিল <br> অনেক মিষ্টি <br> আর অনেক ঠাণ্ডা'''</p> ** "দিস ইজ জাস্ট টু সে" * সে মানুষটির ভেতর থেকে বেরিয়ে এসেছে <br> আর সে মানুষটিকে <br> যেতে দিয়েছে— <br> :::সেই মিথ্যাবাদী <br> মৃত <br> ::তার চোখ জোড়া <br> :আলো থেকে উপরে উল্টে গেছে— এক উপহাস <br> :::::যাকে <br> :<p>ভালোবাসা স্পর্শ করতে পারে না— </p><p> কেবল একে মাটি চাপা দাও <br> আর লজ্জায় মুখ লুকিয়ে রাখো। </p> ** "ডেথ" * উচ্চ মানসিকতা সম্পন্ন <br> এবং নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষকরা তোমার বিষয়টি পর্যালোচনা করেছেন (অভিশাপ তাদের ওপর!)— <br> তারা হলেন একটি বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি, <br> একটি নামকরা কারিগরি স্কুলের সভাপতি এবং এক বিচারক যিনি বেঞ্চে বসার জন্য বড্ড বুড়ো। এরা এমন মানুষ যারা শিক্ষাদান এবং যথেচ্ছ আইন প্রয়োগের জন্য আগে থেকেই পুরস্কৃত। সহজ কথায়— <br> ঐতিহ্যের দালালের দল— ** "ইমপ্রম্পটু: দ্য সাকারস" * এটাই তোমার প্রাপ্য। তোমার কাছে টাকা আছে, <br> তোমার কিসের চিন্তা? তোমার <br> হারানোর কিছু নেই। তোমরা এক মহান <br> ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী। আমার দেশ ঠিক হোক বা ভুল! <br> তোমাকে যা করতে বলা হয় তুমি তাই করো। <br> তুমি টমি জেফ, বেন ফ্রাঙ্ক বা জর্জি ওয়াশিং-এর মতো <br> মুখে মুখে উত্তর দাও না। আমি তো বলবই <br> তোমরা দাও না। তোমরা সভ্য। তোমরা <br> তোমাদের ওপরওয়ালাদের কথা মেনে নাও। <br> চালিয়ে যাও— ** "ইমপ্রম্পটু: দ্য সাকারস" === ''[[w:An Early Martyr and Other Poems|অ্যান আর্লি মার্টার অ্যান্ড আদার পোয়েমস]]'' (১৯৩৫) === [[File:Johannisbrotbaum bluete.jpg|thumb|right|সবুজ শক্ত পুরনো উজ্জ্বল ভাঙা ডালপালার মাঝে আবার ফিরে এলো সাদা মিষ্টি মে মাস]] * <p>মাঝে <br> এর <br> সবুজ </p><p> শক্ত <br> পুরনো <br> উজ্জ্বল </p><p> ভাঙা <br> ডাল <br> এলো </p><p> সাদা <br> মিষ্টি <br> মে </p><p> আবারও</p> ** "দ্য লোকাস্ট ট্রি ইন ফ্লাওয়ার" === ''কমপ্লিট কালেক্টেড পোয়েমস'' (১৯৩৮) === * <p>এই সেই </p><p>নির্জন অন্ধকার সপ্তাহগুলো <br> যখন প্রকৃতির এই রিক্ততা <br> মানুষের বোকামির সমান হয়ে দাঁড়ায়।</p><p> বছরটি রাত্রির অন্ধকারে তলিয়ে যায় <br> আর হৃদয় তলিয়ে যায় <br> রাত্রির চেয়েও গভীরে</p> ** "দিস" === ''দ্য ওয়েজ'' (১৯৪৪) === [[File:Aerial view of the Japanese aircraft carrier Sōryū evading an air attack on 4 June 1942 (fsa.8e00397).jpg |thumb|right|আজকের বিশ্বে যুদ্ধই প্রথম এবং একমাত্র বিষয়।]] [[File:Missouri-flyover.jpg |thumb|right|গদ্য জাহাজের মতো অস্পষ্ট বিষয়ের বোঝা বহন করতে পারে। কিন্তু কবিতা হলো সেই ইঞ্জিন যা একে চালায়, একে ছেঁটে একদম নিখুঁত করে তোলা হয়েছে।]] [[File:Micranthes tolmiei 21979.jpg|thumb|right|সাক্সিফ্রেজ হলো আমার সেই ফুল যা পাথর চিরে বেরিয়ে আসে।]] * '''আজকের বিশ্বে যুদ্ধই প্রথম এবং একমাত্র বিষয়।''' <br> সাধারণভাবে শিল্পকলা কোনো মুখ্য বিষয় নয়, আর এই লেখালেখিও যুদ্ধ থেকে মুক্তি পাওয়ার কোনো মাধ্যম নয়। এটি যুদ্ধ বা এরই একটি অংশ, রণক্ষেত্রের ভিন্ন একটি ক্ষেত্র মাত্র। ** [http://www.poetryfoundation.org/learning/essay/237888 ভূমিকা] * কে আজ হতাশ নয় এবং নিজের কাজের মাধ্যমে তা প্রমাণ করে না—যদি আপনি বলতে চান? কিন্তু '''শিল্পের মাধ্যমে মানসিকভাবে পঙ্গু একজন মানুষও তার সময়ের সবচেয়ে বিশিষ্ট ব্যক্তি হয়ে উঠতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ [[Sigmund Freud|সিগমুন্ড ফ্রয়েডের]] কথা ধরুন।''' ** ভূমিকা * '''একজন মানুষ কোনো স্থির পাথরখণ্ড নয় যে সবসময় এক জায়গায় থাকবে, যদিও মনোবিজ্ঞানীরা তার সাথে তেমন আচরণই করেন—এবং বেশিরভাগ মানুষই তা বিশ্বাস করার মাঝে এক ধরনের উন্মাদনাপূর্ণ গর্ববোধ করে।''' একঘেয়েমি! সে বদলে যায়; আজ হ্যামলেট তো কাল [[Julius Caesar (play)|সিজার]]; এখানে, সেখানে, কোথাও না কোথাও—যদি সে তার মানসিক সুস্থতা ধরে রাখতে চায়, আর সমস্যাই বা কোথায়? <br> '''সমাজের সাথে শিল্পের সম্পর্ক অত্যন্ত জটিল। কবি কোনো অপরিবর্তনীয় ঘটনা নন, এমনকি তার কাজও নয়।''' ** ভূমিকা * একটি যন্ত্রের মধ্যে আবেগপ্রবণ কিছু নেই; এবং: একটি কবিতা হলো শব্দের তৈরি ছোট (বা বড়) একটি যন্ত্র। ** ভূমিকা * '''গদ্য জাহাজের মতো অস্পষ্ট বিষয়ের বোঝা বহন করতে পারে। কিন্তু কবিতা হলো সেই ইঞ্জিন যা একে চালায়, একে ছেঁটে একদম নিখুঁত করে তোলা হয়েছে।''' ** ভূমিকা * '''প্রতিটি ভাষার নিজস্ব চরিত্র রয়েছে। এর মাধ্যমে তৈরি কবিতা তার অন্তর্নিহিত গঠন বা সেই ভাষার নিজস্ব রূপ ধারণ করবে।''' এর ফল হলো সৌন্দর্য, যা কোনো একটি জিনিসের মধ্যে আমাদের ভালোমন্দের জটিল অনুভূতিগুলো মীমাংসা করে দেয়। ** ভূমিকা * একজন মানুষ যখন কবিতা তৈরি করেন, মনে রাখবেন 'তৈরি করেন', তিনি তার চারপাশের শব্দগুলোকে বেছে নেন এবং কোনো বিকৃতি ছাড়াই সেগুলোকে সাজান। এর ফলে তার উপলব্ধি ও আবেগের এক তীব্র বহিঃপ্রকাশ ঘটে যা তার ব্যবহৃত ভাষায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। '''শিল্প হিসেবে তিনি কী 'বলছেন' তা বড় কথা নয়, বরং তিনি কী 'তৈরি করছেন' সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। এর উপলব্ধির তীব্রতা এত বেশি যে এটি তার নিজস্ব গতির মাধ্যমে তার সত্যতা প্রমাণ করে।''' ** ভূমিকা * আঙ্গিকগত উদ্ভাবন ছাড়া কোনো কালজয়ী কবিতা সম্ভব নয়। কারণ শিল্পের এই নিবিড় রূপের মাধ্যমেই তা সঠিক অর্থ খুঁজে পায়। এদিক থেকেই এটি যন্ত্রের সাথে সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ। এটি ভাষাকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দেয় এবং যে পরিবেশে এর জন্ম সেখানে আলো ছড়ায়। '''শিল্প যে যুদ্ধ নিয়ে বেঁচে থাকে এবং নিঃশ্বাস নেয়, তা অবিরাম।''' <br> হতে পারে আমার এখানে প্রকাশ করা আগ্রহগুলো শিল্পের আগের পর্যায়ের। '''যদি তাই হয়, তবে আমি এই পথেই উন্নয়ন খুঁজছি এবং অন্য কিছুতে আমি সন্তুষ্ট হব না।''' ** ভূমিকা * '''সাপটিকে তার আগাছার নিচে <br> অপেক্ষা করতে দাও <br> আর লেখাগুলো হোক <br> শব্দের—মন্থর ও দ্রুত, তীক্ষ্ণ <br> আঘাত হানতে পটু, অপেক্ষায় শান্ত, <br> নির্ঘুম।''' <br> — রূপকের মাধ্যমে মানুষ <br> আর পাথরের মধ্যে মিলন ঘটাও। <br> রচনা করো। (জিনিসের মধ্যেই <br> ধারণা নিহিত থাকে) উদ্ভাবন করো! <br> '''[[w:Saxifraga|সাক্সিফ্রেজ]] হলো আমার সেই ফুল যা পাথর <br> চিরে বেরিয়ে আসে।''' ** "এ সর্ট অব এ সং" === ''কালেক্টেড লেটার পোয়েমস'' (১৯৫০) === [[File:Adenium boehmianum.jpg|thumb|right|ভালোবাসা নিজেই একটি ফুল <br> যার শিকড় থাকে দগ্ধ মাটিতে।]] * '''এখন নয়। ভালোবাসা নিজেই একটি ফুল <br> যার শিকড় থাকে দগ্ধ মাটিতে।''' <br> শূন্য পকেট মানে শূন্য মগজ। <br> পারলে এর চিকিৎসা করো কিন্তু <br> বিশ্বাস করো না যে আমরা আজ <br> গ্রামে থাকতে পারব, কারণ গ্রাম <br> আমাদের কোনো শান্তি <br> &nbsp; &nbsp; দেবে না। ** "র‍্যালে ওয়াজ রাইট" (১৯৪০) === ''[[w:The Desert Music and Other Poems|দ্য ডেজার্ট মিউজিক অ্যান্ড আদার পোয়েমস]]'' (১৯৫৪) === [[File:AzaraxshTaleghan.gif|thumb|right|[[René Char|রেনে চার]] <br> তুমি এমন এক কবি যে বিশ্বাস করো <br> সৌন্দর্যের শক্তিতে <br> যা সব ভুল শুধরে দিতে পারে। <br> আমিও তা বিশ্বাস করি।]] * '''আমি [[René Char|রেনে চারের]] <br> কবিতার কথা ভাবি <br> এবং তিনি যা কিছু দেখেছেন <br> ও সহ্য করেছেন তার কথা ভাবি। এই অভিজ্ঞতাই তাকে বাধ্য করেছে <br> কেবল শেওলাধরা নদী, <br> ড্যাফোডিল আর টিউলিপের কথা বলতে <br> যাদের শিকড়ে পানি জমে আছে।''' এমনকি সেই প্রবহমান নদীর কথা যা <br> সেই মিষ্টি সুগন্ধি ফুলের শিকড় ধুয়ে দেয় <br> যা ছায়াপথকে <br> সমৃদ্ধ করে। ** "টু এ ডগ ইনজার্ড ইন দ্য স্ট্রিট" * রাস্তার পাশে মরণাপন্ন এক কুকুরের আর্তনাদ <br> আমাকে যতটুকু সম্ভব ভুলিয়ে দিতে হবে। <br> '''রেনে চার, <br> তুমি এমন এক কবি যে বিশ্বাস করো <br> সৌন্দর্যের শক্তিতে <br> যা সব ভুল শুধরে দিতে পারে। <br> আমিও তা বিশ্বাস করি। <br> উদ্ভাবন আর সাহসের মাধ্যমে <br> আমরা সেই সব অসহায় নির্বাক প্রাণীদের ছাড়িয়ে যাব। <br> সব মানুষ যেন এটি বিশ্বাস করে, <br> যেমনটা তুমি আমাকে বিশ্বাস করতে <br> শিখিয়েছ।''' ** "টু এ ডগ ইনজার্ড ইন দ্য স্ট্রিট" === ''[[w:Journey to Love (William Carlos Williams)|জার্নি টু লাভ]]'' (১৯৫৫) === ==== অ্যাসফোডেল, দ্যাট গ্রিনি ফ্লাওয়ার ==== [[File:Asphodelus albus3.jpg|thumb|right|আমরা দীর্ঘ সময় একসাথে ছিলাম, <br> একটি জীবন পূর্ণ ছিল, <br> আপনি যদি চান তবে বলতে পারেন, <br> ফুলে ফুলে।]] [[File:Shelfcloud.jpg|thumb|right|এমন কিছু আছে <br> জরুরি কিছু <br> যা আমাকে কেবল তোমাকেই <br> বলতে হবে। <br> কিন্তু তাকে অপেক্ষা করতে দাও <br> ততক্ষণ আমি তোমার আগমনের <br> আনন্দ উপভোগ করি, <br> হয়তো শেষবারের মতো।]] * অ্যাসফোডেল, সেই সবুজ ফুলটি, <br> :::হলুদ বাটারকাপের মতো <br> :::::এর ডালপালার ওপর— <br> :কেবল ওটি সবুজ আর কাঠের মতো— <br> :::আমি আসছি, প্রিয়তমা, <br> :::::তোমার জন্য গান গাইতে। <br> :'''আমরা দীর্ঘ সময় একসাথে ছিলাম,''' <br> :::'''একটি জীবন পূর্ণ ছিল,''' <br> :::::'''আপনি যদি চান তবে বলতে পারেন,''' <br> :'''ফুলে ফুলে।''' তাই <br> :::আমি আনন্দিত হয়েছিলাম <br> :::::যখন প্রথম জানতে পারলাম <br> :যে নরকেও <br> :::ফুল আছে। <br> :::::আজ <br> :আমি সেই সব ফুলের ফিকে হয়ে আসা স্মৃতিতে আচ্ছন্ন <br> :::যা আমরা দুজনেই ভালোবাসতাম, <br> :::::এমনকি এই তুচ্ছ <br> :বর্ণহীন ফুলটিও— <br> :::আমি এটি দেখেছিলাম <br> :::::যখন আমি শিশু ছিলাম— <br> :জীবিতদের কাছে যার তেমন কোনো কদর নেই <br> :::কিন্তু মৃতরা দেখে, <br> :::::নিজেদের মধ্যে প্রশ্ন করে: <br> :আমার কী মনে পড়ছে <br> :::যার গঠন <br> :::::ঠিক এটার মতো? :যখন আমাদের চোখ <br> :::অশ্রুতে ভিজে যায়। :::::ভালোবাসা, চিরস্থায়ী ভালোবাসার কথা :এটি বলবে :::যদিও লাল রঙের বড়ই অভাব :::::এতে লেগে আছে :একে পুরোপুরি বিশ্বাসযোগ্য করতে। :::'''এমন কিছু আছে''' :::::'''জরুরি কিছু''' :'''যা আমাকে কেবল তোমাকেই''' :::'''বলতে হবে''' :::::'''কিন্তু তাকে অপেক্ষা করতে দাও''' :'''ততক্ষণ আমি তোমার আগমনের''' :::'''আনন্দ উপভোগ করি,''' :::::'''হয়তো শেষবারের মতো।''' :আর তাই :::হৃদয়ে ভয় নিয়ে :::::আমি কথা চালিয়ে যাচ্ছি :একনাগাড়ে বলে যাচ্ছি :::কারণ আমি থামতে সাহস পাচ্ছি না। [[File:Sliven-thracianlowlands-dinev-flickr.jpg|thumb|right|অফুরন্ত সম্পদ, <br> আমি ভেবেছিলাম, <br> আমার দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।]] * কেবল আমাকে সময় দাও, :::কথা বলার আগে :::::সব মনে করার সময় দাও। :আমাকে সময় দাও, :::সময়। :আমি যখন ছোট ছিলাম :::আমি একটি বই রাখতাম :::::যেখানে মাঝে মাঝে :আমি শুকনো ফুল রাখতাম :::যতক্ষণ না অনেকদিন পর :::::আমার কাছে একটি বড় সংগ্রহ হলো। :অ্যাসফোডেল ফুলটিও, :::পূর্বাভাস হিসেবেই, :::::তাদের মধ্যে ছিল। :আমি তোমার কাছে নিয়ে এসেছি, :::নতুন করে জাগিয়ে তোলা, :::::সেই সব ফুলের স্মৃতি। :সেগুলো অনেক মিষ্টি ছিল :::যখন আমি তাদের বইয়ে চেপে রাখতাম :::::এবং দীর্ঘ সময় ধরে :তারা তাদের সুবাস ধরে রেখেছিল। :::'''এটি এক অদ্ভুত গন্ধ,''' :::::'''এক নৈতিক গন্ধ,''' :'''যা আমাকে তোমার''' :::'''কাছে নিয়ে আসে।''' [[File:Cloud in the sunlight.jpg|thumb|right|পুরো পৃথিবী <br> আমার বাগান হয়ে উঠল! <br> কিন্তু সমুদ্র <br> যার কেউ যত্ন নেয় না <br> সেটিও একটি বাগান <br> যখন সূর্যের আলো তার ওপর পড়ে <br> আর ঢেউগুলো <br> জেগে ওঠে।]] [[File:Sunrise on the Beach.jpg|thumb|right|আমি তা দেখেছি <br> আর তুমিও দেখেছ <br> যখন এটি সব ফুলের <br> সৌন্দর্যকে মলিন করে দেয়।]] * '''অফুরন্ত সম্পদ,''' :::'''আমি ভেবেছিলাম,''' :::::'''আমার দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।''' :আপেল ফুলের মাঝে :::হাজারো গ্রীষ্মমন্ডলীয় দেশ। :::::এই উদার পৃথিবী নিজেই :আমাদের অনুমতি দিয়েছে। :::পুরো পৃথিবী :::::আমার বাগান হয়ে উঠল! :কিন্তু সমুদ্র :::যার কেউ যত্ন নেয় না :::::সেটিও একটি বাগান :যখন সূর্যের আলো তার ওপর পড়ে :::আর ঢেউগুলো :::::জেগে ওঠে। :'''আমি তা দেখেছি''' :::'''আর তুমিও দেখেছ''' :::::'''যখন এটি সব ফুলের''' :'''সৌন্দর্যকে মলিন করে দেয়।''' [[File:Lightning storm over the Caribbean.jpg|thumb|right|ঝড় দানা বাঁধছে।]] [[File:Blitze IMGP6376 wp.jpg|thumb|right|এটি এমন একটি ফুল <br> যা শীঘ্রই তার প্রস্ফুটনের <br> চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছাবে।]] * '''আমি বলতে পারি না''' :::'''যে তোমার ভালোবাসার জন্য''' :::::'''আমি নরকে গেছি''' :'''কিন্তু প্রায়ই''' :::'''তোমার পিছু ধাওয়া করতে গিয়ে''' :::::'''নিজেকে সেখানে আবিষ্কার করেছি।''' :আমি এটি পছন্দ করি না :::এবং স্বর্গে থাকতে চেয়েছিলাম। :::::আমার কথা শোনো। :মুখ ফিরিয়ে নিও না। :আমি আমার জীবনে অনেক কিছু শিখেছি :::বই থেকে :::::আর বইয়ের বাইরে থেকেও :ভালোবাসা সম্পর্কে। :::'''মৃত্যুই''' :::::'''এর শেষ নয়।''' [[File:Lightning 1.jpg|thumb|right|ঝড় আছড়ে পড়ছে <br> অথবা মিলিয়ে যাচ্ছে! এটি <br> বিশ্বের শেষ নয়।]] * '''ঝড় দানা বাঁধছে।''' :::বিদ্যুৎ :::::মেঘের কিনারা দিয়ে খেলা করছে। :উত্তরের আকাশটি :::শান্ত, :::::গোধূলির আলোয় নীল হয়ে আছে :ঝড় ঘনীভূত হওয়ার সাথে সাথে। :::এটি এমন একটি ফুল :::::যা শীঘ্রই তার প্রস্ফুটনের :চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছাবে। [[File:Ilya Repin-What freedom!.jpg|thumb|right|ভালোবাসা অন্য কিছু...]] * যখন আমি ফুলের কথা :::বলি :::::তখন আসলে মনে করার চেষ্টা করি :যে এক সময় :::আমরা তরুণ ছিলাম। :::::'''সব নারী হেলেন নয়,''' :::'''আমি জানি তা,''' :'''কিন্তু তাদের হৃদয়ে হেলেন থাকে।''' :::প্রিয়তমা, :::::তোমার হৃদয়েও তা আছে, আর সেই কারণেই :আমি তোমাকে ভালোবাসি :::আর অন্যভাবে তোমাকে ভালোবাসা আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না। [[File:The Flood, by Paul Merwart.jpg|thumb|right|এটি ছিল ভালোবাসার প্রতি ভালোবাসা, <br> সেই ভালোবাসা যা অন্য সবকিছুকে গ্রাস করে... এমন এক ভালোবাসা যা <br> নম্রতা ও উদারতা তৈরি করে <br> যা আমাকে আলোড়িত করেছিল <br> এবং যা আমি তোমার মধ্যে দেখেছি।]] [[File:Double-alaskan-rainbow.jpg|thumb|right|আমার হৃদয় জেগে ওঠে <br> তোমার কাছে এমন কিছুর খবর নিয়ে আসার কথা ভেবে <br> যা তোমার সাথে সম্পর্কিত <br> এবং অনেক মানুষের সাথে সম্পর্কিত...]] * '''ঝড় আছড়ে পড়ছে''' :::::'''অথবা মিলিয়ে যাচ্ছে! এটি''' :'''বিশ্বের শেষ নয়।''' :::ভালোবাসা অন্য কিছু, :::::অথবা আমি তেমনটিই ভেবেছিলাম, :একটি বাগান যা বিস্তৃত হয়, :::যদিও আমি তোমাকে একজন নারী হিসেবেই চিনতাম :::::এবং অন্য কিছু ভাবিনি, :যতক্ষণ না পুরো সমুদ্র :::আর তার বাগানগুলোকে :::::এর ভেতরে নিয়ে নেওয়া হয়। :'''এটি ছিল ভালোবাসার প্রতি ভালোবাসা,''' :::'''সেই ভালোবাসা যা অন্য সবকিছুকে গ্রাস করে''', :::::'''এক কৃতজ্ঞ ভালোবাসা,''' :'''প্রকৃতির প্রতি, মানুষের প্রতি,''' :::'''প্রাণীদের প্রতি,''' :::::'''এমন এক ভালোবাসা যা তৈরি করে''' :'''নম্রতা ও উদারতা''' :::'''যা আমাকে আলোড়িত করেছিল''' :::::'''এবং যা আমি তোমার মধ্যে দেখেছি।''' [[File:Harpe de lumiere.jpg|thumb|right|দেখুন <br> কোন জিনিসটি নতুন বলে চালানো হচ্ছে। <br> আপনি সেখানে তা পাবেন না, বরং পাবেন <br> অবহেলিত কবিতার মাঝে।]] * আমি আসছি, প্রিয়তমা, :::::তোমার জন্য গান গাইতে! :আমার হৃদয় জেগে ওঠে :::তোমাকে এমন কিছুর খবর দেওয়ার কথা ভেবে :::::যা তোমার সাথে সম্পর্কিত :এবং অনেক মানুষের সাথে সম্পর্কিত। '''দেখুন''' :::::'''কোন জিনিসটি নতুন বলে চালানো হচ্ছে।''' :'''আপনি সেখানে তা পাবেন না, বরং পাবেন''' :::'''অবহেলিত কবিতার মাঝে।''' * &nbsp; &nbsp; '''কবিতা থেকে খবর পাওয়া''' <br> ::'''কঠিন ঠিকই''' <br> ::::'''তবুও প্রতিদিন মানুষ শোচনীয়ভাবে মরছে''' <br> ::::::'''কবিতার মাঝে যা পাওয়া যায়''' <br> :'''তার অভাবে।'''``` ==উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস সম্পর্কিত উক্তি== * আমেরিকানদের কাছে নেটিভ আমেরিকান সাহিত্য গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত। একে কেবল আমেরিকান অতীতের কোনো প্রত্নবস্তু বা কিউরিও হিসেবে দেখা ঠিক নয় যার বর্তমান বা ভবিষ্যতের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। বরং এটি একটি প্রধান ঐতিহ্য যা কটন ম্যাথার ও নাথানিয়েল হথর্ন থেকে শুরু করে ওয়াল্ট হুইটম্যান, উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস ও উইলিয়াম ফকনার হয়ে অ্যাড্রিয়েন রিচ, টনি কেড বামবারা এবং জুডি গ্রান পর্যন্ত সকল লেখককে পথ দেখায়। ** পলা গান অ্যালেন, দ্য স্যাক্রেড হুপ: রিকভারিং দ্য ফেমিনাইন ইন আমেরিকান ইন্ডিয়ান ট্র্যাডিশনস (১৯৮৬) * লেখালেখিও একটি সম্মানজনক পেশা। যারা আগে এই পেশায় ছিলেন, তারা একে সম্মানিত করেছেন। আপনি পছন্দ করুন বা না করুন, প্রতিবার কলম হাতে নেওয়ার সময় আপনাকে সেই একই শূন্য কাগজের মুখোমুখি হতে হয়। যা মিল্টন,মেলভিল, এমিলি ব্রন্টি,দস্তয়েভস্কি,জর্জ এলিয়ট,জর্জ অরওয়েল,উইলিয়াম ফকনার,ভার্জিনিয়া উলফ, উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস এবং আধুনিক নায়ক গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের সামনেও ছিল। ** মার্গারেট অ্যাটউড, "অ্যান এন্ড টু অডিয়েন্স?" (১৯৮০), সেকেন্ড ওয়ার্ডস: সিলেক্টেড ক্রিটিক্যাল প্রোজে,সংকলিত। * উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস তার একটি কবিতায় লিখেছেন যে "ধ্বংস এবং সৃষ্টি সমসাময়িক।" [[পিকাসো|পিকাসোও]] অনেকটা একই কথা বলেছিলেন। উইলিয়ামসের কাছে এটি ছিল আধুনিক ধারাকে বা অ্যাভান্ট-গার্ডকে পৌরাণিক রূপ দেওয়ার একটি পথ। আপনার সৃজন করতে হলে ধ্বংস করতে হবে। ** টনি বার্নস্টোন, কনভারসেশনস উইথ ভারতী মুখার্জি, ব্র্যাডলি সি. এডওয়ার্ডস সম্পাদিত (২০০৯) * আমার শুরুর দিকের পরিচয় ও প্রেমের কবিতাগুলো এজরা পাউন্ড এবং উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের চিত্রকল্পবাদ বা ইমেজবাদ দ্বারা প্রভাবিত ছিল। ** মেরিলিন চিন, এ পোর্ট্রেট অফ দ্য সেলফ অ্যাজ নেশন: নিউ অ্যান্ড সিলেক্টেড পোয়েমসের ভূমিকা (২০১৮) * যখন আমি ভার্জিনিয়া উলফের 'অরল্যান্ডো' বা উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের 'ইন দ্য আমেরিকান গ্রেইন' পড়ি, তখন আমার মনে হয় আমি যেন জীবন ও কাজের মাঝে আটকে গেছি বা মরে যাচ্ছি। এই বইগুলো পড়ার পর আমি আবারও গতি ফিরে পাই। আমি অন্যদের জন্য এই কাজটি করতে পারি বলে ভালো লাগে। ** ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত কনভারসেশনস উইথ ম্যাক্সিন হং কিংস্টনে সংকলিত ১৯৮৯ সালের সাক্ষাৎকার * যখন আমি উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের 'ইন দ্য আমেরিকান গ্রেইন' পড়ছিলাম, তখন মনে হলো আমেরিকা সম্পর্কে এভাবেই লেখা উচিত। এটিই সঠিক ও পৌরাণিক ইতিহাস। আমি নিশ্চিত ছিলাম এর দ্বিতীয় খণ্ড বের হবে। তাই লাইব্রেরিতে প্রথম খণ্ডটি ফেরত দিয়ে দ্বিতীয় খণ্ডটি খুঁজতে লাগলাম। কিন্তু এর কোনো দ্বিতীয় খণ্ড নেই! তখনই আমি ভাবলাম আমাকেই এর দ্বিতীয় খণ্ডটি লিখতে হবে। তিনি যেহেতু করেননি, তাই আমাকেই তা করতে হবে। এভাবেই 'চায়না মেন' সৃষ্টি হলো। তারা রেলপথের স্টিলের বন্ধন দিয়ে এই দেশটিকে একসাথে বেঁধে রেখেছে। প্রথম দুটি বই শেষ করার পর আমি আমার ভেতরে আরও এক ধরনের চলতি ও সমসাময়িক আমেরিকান ভাষা খুঁজে পেলাম। আরেকটি অপূর্ণতা ছিল বিটনিকদের চলে যাওয়ার সময়কার বই পড়তে পারা। তারাই আমাদের ঠিক আগের প্রজন্মের পথপ্রদর্শক। ** ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত কনভারসেশনস উইথ ম্যাক্সিন হং কিংস্টনে সংকলিত ১৯৮৯ সালের সাক্ষাৎকার * ১৯২০ দশকে তিনি দুই আমেরিকার উপযুক্ত একটি বইয়ের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে একটি বিশাল আমেরিকান উপন্যাসের কথা ভাবছিলেন। উইলিয়ামস চেয়েছিলেন বইটি যেন এই দুই মহাদেশের বিশাল প্রেক্ষাপট থেকে কথা বলে। ** ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত কনভারসেশনস উইথ ম্যাক্সিন হং কিংস্টনে সংকলিত ১৯৯৩ সালের সাক্ষাৎকার * লজ্জিত হওয়ার বা ঝুঁকি নেওয়ার ভয়, বোকা সাজার ভয় কিংবা অন্য কারো মতো না লিখে নিজের মতো করে লেখার ভয় সবই মানুষের থাকে। তবে কিছু মানুষ বিশ বছর ধরে নিজের মতে অটল থাকেন। উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস তার আত্মজীবনীতে বলেছিলেন, "মনে হচ্ছে টি. এস. এলিয়ট 'দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড' দিয়ে সফল হয়েছেন এবং সাহিত্যের মোড় সেদিকেই ঘুরছে। এখন আমি জানি যে আমার কথা শোনার জন্য আমাকে আরও বিশ বছর অপেক্ষা করতে হবে।" তিনি তাই করেছিলেন। তিনি যা সঠিক মনে করতেন তাই করে গেছেন এবং আমেরিকান ভাষার নিজস্ব ধারণায় অটল থেকে একটি শক্তিশালী প্রভাব তৈরি করেছেন। কিন্তু অন্য অনেকেই ভেবেছিল ওটাই সঠিক পথ এবং তারা নিজেদের শিকড় কেটে সেদিকেই ছুটে গিয়েছিল। ** ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত কনভারসেশনস উইথ গ্রেস পেলিয়ে সংকলিত ১৯৭৯ সালের সাক্ষাৎকার * বিংশ শতাব্দীর বিপ্লবী কাব্যতত্ত্বের ঐতিহ্য সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা ছিল না। বড়দের মধ্যে উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস সমসাময়িক আমেরিকার সাধারণ শহর, সাধারণ দরিদ্র ও কর্মজীবী মানুষ এবং দৈনন্দিন ভাষার সহজ ও ছন্দময় শৈলীতে লিখেছেন। যদিও শুরুতে উইলিয়ামসের কবিতা আমাকে মোহিত করেনি, পরবর্তীতে প্রথাগত ছন্দ থেকে বেরিয়ে আসতে আমি তার বাক্যগঠন ও পঙ্ক্তি ভাঙার পদ্ধতিগুলো নিয়ে কাজ করেছি। ** অ্যাড্রিয়েন রিচ,হোয়াট ইজ ফাউন্ড দেয়ার (২০০৩) ==বহিঃসংযোগ== {{wikipedia}} {{commonscat}} * [http://www.poets.org/poet.php/prmPID/119 অ্যাকাডেমি অব আমেরিকান পোয়েটস-এ উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস পাতা] * [http://www.english.uiuc.edu/maps/poets/s_z/williams/williams.htm মডার্ন আমেরিকান পোয়েট্রি-তে উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস পাতা] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৮৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৩-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ জার্সির চিকিৎসক]] [[বিষয়শ্রেণী:বিট প্রজন্মের লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল বুক অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী]] lad3rbglcmsgo1nvlmp8zrldshdxw5f 78850 78845 2026-04-20T08:37:08Z SMontaha32 3112 /* উদ্ধৃতি */ 78850 wikitext text/x-wiki [[File:William Carlos Williams passport photograph 1921.jpg |thumb|right|একজন মানুষ কোনো স্থির পাথরখণ্ড নয় যে সবসময় এক জায়গায় থাকবে। যদিও মনোবিজ্ঞানীরা তার সাথে তেমন আচরণই করেন এবং বেশিরভাগ মানুষই তা বিশ্বাস করার মাঝে এক ধরনের উন্মাদনাপূর্ণ গর্ববোধ করে। ... সমাজের সাথে শিল্পের সম্পর্ক অত্যন্ত জটিল। কবি কোনো অপরিবর্তনীয় ঘটনা নন, এমনকি তার কাজও নয়।]] [[File:Asphodele.jpg|thumb|right|কবিতা থেকে সংবাদ পাওয়া কঠিন, তবুও সেখানে যা পাওয়া যায় তার অভাবে মানুষ প্রতিদিন শোচনীয়ভাবে মৃত্যুবরণ করছে।]] [[File:Amistad - Friendship.jpg|thumb|right|প্রকৃত সুখী হওয়ার একমাত্র উপায় হলো অন্যকে সুখী করা। আপনি যখন এটি উপলব্ধি করবেন এবং এই সত্যের সদ্ব্যবহার করবেন, তখন সবকিছুই নিখুঁত হয়ে উঠবে।]] '''[[w:উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস|উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস]]''' (১৭ সেপ্টেম্বর,১৮৮৩ – ৪ মার্চ,১৯৬৩) ছিলেন একজন আমেরিকান কবি ও চিকিৎসক। == উদ্ধৃতি == [[File:Heart Flow.jpg|thumb|right|আমার কাছে এটি হলো প্রথমে সেই বিষয়টি উপলব্ধি করা, যাকে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।]] [[File:William Carlos Williams passport photograph.jpg|thumb|এই মুহূর্তে নিজের প্রতি আমার প্রধান অতৃপ্তি হলো আমি যা করতে চাই, তার মধ্যে নিজেকে যেভাবে বিলীন করে দেওয়া উচিত, তা আমি পারছি না।]] [[File:Milky Way from Flickr.jpg|thumb|right|অনেক প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি। আমাদের কবিরা ভুল হতে পারেন; কিন্তু নিজের প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে দৃষ্টির প্রসার ঘটানো ছাড়া আমাদের আর কী-ই বা করার আছে? যেন বারবার ব্যর্থ হওয়ার মাধ্যমে আমরা অতীতে যা হারিয়েছি, তা আরও ভালোভাবে শিখতে পারি।]] === সাধারণ উৎস === * '''একটি বিষয়ে আমি দিন দিন আরও নিশ্চিত হচ্ছি: প্রকৃত সুখী হওয়ার একমাত্র উপায় হলো অন্যকে সুখী করা। আপনি যখন এটি উপলব্ধি করবেন এবং এই সত্যের সদ্ব্যবহার করবেন, তখন সবকিছুই নিখুঁত হয়ে উঠবে।''' ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ৫। ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া থেকে তার মাকে লেখা চিঠি (১২ ফেব্রুয়ারি ১৯০৪) * সত্যি বলতে, আমি নিজেও কখনো পুরোপুরি অনুভব করি না যে আমি কী নিয়ে কথা বলছি। যদি অনুভব করতাম বা যখন করি, তখন লিখিত বিষয়টিকে আমার কাছে তুচ্ছ মনে হয়। তবে, '''আমি যা লিখি এবং যা টিকে থাকে, তা সবসময়ই সার্থক বলে আমার মনে হয়। আমার মনে হয়, আমি যা বুঝিয়েছি কিন্তু হয়তো পুরোপুরি প্রকাশ করতে পারিনি, তার যতটা কাছাকাছি আমি পৌঁছাতে পেরেছি, অন্য কেউ তা পারেনি। আমার কাছে এটি হলো প্রথমে সেই বিষয়টি উপলব্ধি করা যাকে ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।''' আমি আরও অনেক কিছু বলতে পারতাম কিন্তু তাতে লাভ নেই। এক অর্থে আমাকে নিজেকে প্রকাশ করতে হবে, আপনি ঠিকই বলেছেন, তবে যদি এর কোনো অর্থ থাকে তবে তা সবসময়ই 'সম্পূর্ণরূপে অসম্পূর্ণ'। ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২৬। [[w:হ্যারিয়েট মনরোক|হ্যারিয়েট মনরোকে]] লেখা (১৪ অক্টোবর ১৯১৩) * '''এটি জীবনের গতির সাথে তাল মিলিয়ে চলে—বিক্ষিপ্ত কিন্তু সমগ্রের সাথে যুক্ত, ছিন্ন ভিন্ন কিন্তু একসাথে বোনা।''' ** *দ্য নিউ ইয়র্ক হেরাল্ড ট্রিবিউনে* দেওয়া সাক্ষাৎকারে তার কাজ সম্পর্কে (১৮ জানুয়ারি ১৯৩২) * '''কবির কাজ হলো কার্যকরভাবে ভাষা ব্যবহার করা তার নিজস্ব ভাষা, যা তার কাছে একমাত্র নির্ভরযোগ্য ভাষা।''' ** [[লুই আনটারমেয়ার|লুই আনটারমেয়ার]] রচিত *মডার্ন আমেরিকান পোয়েট্রি* (১৯৫০)-তে উদ্ধৃত 'এ নোট অন পোয়েট্রি' (আনুমানিক ১৯৩৬) থেকে * গদ্যের চেয়ে কবিতার জন্য ভিন্ন উপাদানের প্রয়োজন হয়। এটি একই তথ্যের অন্য একটি দিক ব্যবহার করে... ভাষার স্বতঃস্ফূর্ত রূপ যেমনটা শোনা যায়। ** জেমস লাফলিনকে দেওয়া 'ডিটেইল অ্যান্ড প্রসোডি ফর দ্য পোয়েম প্যাটারসন' (১৯৩৯), বর্তমানে হটন লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত * '''এই অদ্ভুত পৃথিবীটি মূলত হতাশায় ঘেরা।''' <br> আমি মূলত লিখে যাই কারণ এটি আমাকে এমন এক তৃপ্তি দেয় যা অন্য কোথাও পাওয়া সম্ভব নয়। এটি সেই মুহূর্তগুলোকে পূর্ণ করে যা অন্যথায় ভয়াবহ বা বিষণ্ণ হতো। এমন নয় যে আমি ওভাবেই বাঁচি, কাজও আমাকে শান্ত রাখে। এই মুহূর্তে নিজের প্রতি আমার প্রধান অতৃপ্তি হলো আমি যা করতে চাই, তার মধ্যে নিজেকে যেভাবে বিলীন করে দেওয়া উচিত, তা আমি পারছি না। ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২১৬। রবার্ট ম্যাকঅ্যালমনকে লেখা চিঠি (৮ আগস্ট ১৯৪৩) * '''আমরা কেন বাঁচি? আমাদের মধ্যে বেশিরভাগেরই সেই জিনিসটি প্রয়োজন যা আমরা কখনো চাই না।''' আমরা বিপ্লব নিয়ে এমনভাবে কথা বলি যেন এটি তুচ্ছ কোনো বিষয়। আমাদের যা প্রয়োজন তা হলো কিছু অকপট চিন্তা এবং নিজেদের অন্তরে কয়েকটি বিপ্লব। আমি যাদের চিনি সেই সব নরধমেরা গোল্লায় যাক এবং আমিও তাদের সাথে গোল্লায় যাই যদি না আমি নিজেকে সামলে নিতে পারি এবং প্রয়োজনে ঘুরে দাঁড়াতে পারি অথবা যদি এগিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য হয় তবে আরও সামনে এগোতে পারি। ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২১৭। রবার্ট ম্যাকঅ্যালমনকে লেখা চিঠি (৪ সেপ্টেম্বর ১৯৪৩) * '''দার্শনিকরা আজ কবিদের পিছু ধাওয়া করছে, কারণ দর্শনের আজ বড়ই অভাব। অভিশাপ তাদের ওপর! আপনি হয়তো ভাবছেন কোনো দার্শনিক অনুমতি না দিলে কোনো মানুষের লেখালেখি করার বা কবি হওয়ার অধিকার নেই।''' ** জন সি. থার্লওয়াল সম্পাদিত *দ্য সিলেক্টেড লেটার্স অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫৭), পৃষ্ঠা ২১৯। জেমস লাফলিনকে লেখা চিঠি (১৪ জানুয়ারি ১৯৪৪) * প্রতিদিনের সাধারণ খবর, করুণ মৃত্যু বা প্রাত্যহিক জীবনের লাঞ্ছনা পড়ে কী লাভ? অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে আমরা জানি যে যে পরিস্থিতিতে এগুলো ঘটার কথা ছিল, ঠিক সেভাবেই এগুলো ঘটেছে। এর মধ্যে কোনো আলো নেই। এটি কেবল তুচ্ছ শূন্যস্থান পূরণকারী তথ্য। আমরা জানি বিমান বিধ্বস্ত হবে, ট্রেন লাইনচ্যুত হবে। আমরা কেন তাও জানি। কেউ পাত্তা দেয় না, কেউ দিতেও পারে না। আমরা খবর পাই এবং তা অগ্রাহ্য করি, আর এটি করাই আমাদের জন্য সঠিক। এগুলো তুচ্ছ। '''কিন্তু কোনো নিভৃত রোগীর চোখে আমি যে তাড়িত খবর পাই, তা তুচ্ছ নয়। তা গভীর''' শেখার সমস্ত একাডেমি, সমস্ত ধর্মীয় অনুশাসন এর ওপর ভিত্তি করেই প্রতিষ্ঠিত। তারা তাদের তথাকথিত হেত্বাভাস বা 'ডায়ালেকটিক' এর ওপর ভিত্তি করেই গড়ে তুলেছে। তাদের মিথ্যা ডায়ালেকটিক। ডায়ালেকটিক হলো যেকোনো একতরফা ব্যবস্থা। যেহেতু সব ব্যবস্থাই নিছক উদ্ভাবন, তাই প্রতিটি ক্ষেত্রেই এটি একটি ভুল ধারণা বা প্রেক্ষাপট। এর ওপর ভিত্তি করে একটি বদ্ধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয় যা যারা এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে তাদের বাকি বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। সব মানুষই কোনো না কোনোভাবে এক ধরনের ডায়ালেকটিকের মধ্যে আটকা পড়ে থাকে, তা সে আর্জেন্টিনা হোক বা জাপান। ফলে প্রতিটি দলই পঙ্গু হয়ে যায়। প্রত্যেকে একটি ডায়ালেকটিক মেঘের মধ্যে যোগাযোগহীন অবস্থায় বন্দি থাকে। এই কারণেই আমরা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ি এবং অত্যন্ত ভাসা ভাসা বিষয়ে গর্ববোধ করি। <br /> আমরা কি দেখতে পাচ্ছি না যে আমরা নিজেদের প্রকাশ করতে পারছি না? এটিই আমাদের পরাজিত করে। ** *দ্য অটোবায়োগ্রাফি অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫১), অধ্যায় ৫৪: "দ্য প্র্যাকটিস" * '''আমার প্রথম কবিতাটি ছিল আকস্মিক এক ঘটনা... এটি মোহভঙ্গ এবং আত্মঘাতী বিষণ্ণতার মন্ত্র ভেঙে দিয়েছিল। ... এটি আমাকে এক আত্মতৃপ্তিদায়ক আনন্দে পূর্ণ করেছিল।''' ** *দ্য অটোবায়োগ্রাফি অব উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস* (১৯৫১) [ডাব্লিউ. ডাব্লিউ. নর্টন অ্যান্ড কোং, ১৯৬৭, <small>{{ISBN|978-0811202268}}</small>] * '''বাইরে অনেক বদমাশ আছে!''' ** মন্তব্য (আনুমানিক ১৯৫৭), [[অ্যালেন গিন্সবার্গ|অ্যালেন গিন্সবার্গের]] "ডেথ নিউজ" কবিতার ভূমিকায় উদ্ধৃত: *১৯৫৭ সালের দিকে ডাব্লিউ.সি.ডাব্লিউের. সাথে দেখা করতে যান কবি কেরুয়াক, করসো ও [[w:পিটার অরলভস্কি|অরলভস্কি]]। বসার ঘরের সোফায় বসে তারা কিছু বিজ্ঞ বাণী জানতে চাইলে, অসুস্থ উইলিয়ামস মেইন স্ট্রিটের জানালার পর্দার দিকে আঙুল তুলে বলেছিলেন: "বাইরে অনেক বদমাশ আছে!"* * আমি এটি পছন্দ করেছি কারণ এতে রচনার মূল অংশগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে। আমি একে ছোট করতে করতে একদম সংকুচিত করে এনেছি। একে আরও প্রাণবন্ত করতেই এভাবে চেপে ছোট করা হয়েছে। ** জন সি. থার্লওয়ালের সংগ্রহে থাকা *দ্য কালেক্টেড আর্লিয়ার পোয়েমস* (আনুমানিক ১৯৫৮) বইটিতে "চিকরি অ্যান্ড ডেইজিস" (১৯১৫) কবিতার ওপর টিকা * '''আমি মনে করতাম আমার বন্ধুরা মহামূর্খ, কারণ তারা তাদের জীবন পরিচালনা করার এর চেয়ে ভালো কোনো পথ জানত না। তবুও তারা আমার চেয়ে কোনো না কোনো আদর্শ বা কোড আরও ভালোভাবে মেনে চলত। আমি নিজেও তা মানতে চেয়েছিলাম কিন্তু পারিনি, তাই আমি আমার কবিতা লিখেছি।''' ** জন সি. থার্লওয়ালের সংগ্রহে থাকা *দ্য কালেক্টেড আর্লিয়ার পোয়েমস* (আনুমানিক ১৯৫৮) বইটিতে টিকা * আজকাল কবিতার শিল্প রূপটি কিছুটা অস্থির; কিন্তু অন্তত কবিতার গঠনটি অর্থবহ হওয়া উচিত যেন আপনি জানেন আপনি কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন। '''অনেক প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি। আমাদের কবিরা ভুল হতে পারেন। কিন্তু নিজের প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে দৃষ্টির প্রসার ঘটানো ছাড়া আমাদের আর কী-ই বা করার আছে? যেন বারবার ব্যর্থ হওয়ার মাধ্যমে আমরা অতীতে যা হারিয়েছি তা আরও ভালোভাবে শিখতে পারি।''' ** স্ট্যানলি কোহলারের সাথে সাক্ষাৎকার (এপ্রিল ১৯৬২), *দ্য প্যারিস রিভিউ: রাইটার্স অ্যাট ওয়ার্ক*, ৩য় সিরিজ, ভাইকিং পেঙ্গুইন, পৃষ্ঠা ২৯ <small> {{ISBN|0-14-00-4542-2}} </small> * একটি শিল্প মাধ্যম হওয়ায় কবিতা কোনো সীমাবদ্ধতা বা নির্দেশনামূলক নীতি ছাড়া "মুক্ত" হতে পারে না। ** *ফ্রি ভার্স। প্রিন্সটন এনসাইক্লোপিডিয়া অব পোয়েট্রি অ্যান্ড পোয়েটিক্স* ২য় সংস্করণ (১৯৭৫)-এ উদ্ধৃত ===''ম্যারেজ'' (১৯১৬) === * কতই না আলাদা, এই পুরুষ<br>আর এই নারী:<br>এক প্রান্তরের বুক চিরে<br>বয়ে চলা জলধারা। ** *পোয়েট্রি* (শিকাগো, ১৯১৬) === ''[[w:Al Que Quiere!|আল কো কিয়েরে!]]'' (১৯১৭) === [[File:Venus-pacific-levelled.jpg|thumb|right|<p>এটি এক অদ্ভুত সাহস <br> যা তুমি আমাকে দাও, হে প্রাচীন তারা:</p><p>সূর্যোদয়ের আলোয় একাকী জ্বলে ওঠো <br> যাতে তোমার কোনো অবদান নেই!</p>]] :<small>[[s:Al Que Quiere!|উইকিসোর্সে পূর্ণাঙ্গ টেক্সট]] </small> [[File:Lafosse, Charles de - Sunrise with the Chariot of Apollo - c. 1672.jpg|thumb|right|<p>স্বপ্নই আমাদের ধ্বংস করেছে। </p><p> ঘোড়া বা লাগাম ধরার মাঝে <br> এখন আর কোনো গর্ব নেই।</p>]] * '''তোমার ফুলগুলো তুলে ধরো <br> তিতকুটে ডাঁটার ডগায় <br> হে চিকরি!''' <br> দগ্ধ মাটি থেকে <br> তাদের উপরে তুলে ধরো! <br> কোনো পল্লব ধারণ করো না <br> বরং নিজেকে উজার করে দাও <br> কেবল ওটাতেই! <br> তোমাদের নিচ থেকে টান ধরুক <br> হে তিতকুটে ডাঁটা <br> যা কোনো পশু খায় না— <br> আর ধূসরতাকে তুচ্ছ করো! ** "চিকরি অ্যান্ড ডেইজিস" * '''পৃথিবী ফেটে চৌচির আর <br> কুঁচকে যায়; <br> বাতাস করুণ স্বরে বিলাপ করে; <br> তুমি যদি ব্যর্থ হও <br> তবে আকাশও নিভে যাবে।''' ** "চিকরি অ্যান্ড ডেইজিস" * <p>'''আজ আমি কেন লিখি?'''</p><p>'''আমাদের গুরুত্বহীন মানুষদের <br> সেই ভয়াবহ মুখগুলোর সৌন্দর্য <br> আমাকে লিখতে বাধ্য করে''':</p><p> কর্মজীবী কৃষ্ণাঙ্গ নারীরা— <br> বৃদ্ধ ও অভিজ্ঞ— <br> গোধূলিলগ্নে বাড়ি ফিরছে, <br> ত্যাজ্য পোশাকে ঢাকা <br> মুখগুলো যেন <br> পুরনো ফ্লোরেনটাইন ওক কাঠ।</p> ** "[[s:Apology (Williams)|অ্যাপোলজি]]" * তোমাদের মুখের সেই কৃত্রিম ভঙ্গি <br> আমাকে নাড়া দেয়— <br> হে বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দ— <br> তবে <br> একইভাবে নয়। ** "অ্যাপোলজি" * <p>'''আমি এখানে শুয়ে তোমার কথা ভাবছি:—'''</p><p>'''প্রেমের দাগ <br> সারা বিশ্বে লেগে আছে!'''</p> ** "লাভ সং" * <p>'''এটি এক অদ্ভুত সাহস <br> যা তুমি আমাকে দাও, হে প্রাচীন তারা:'''</p><p>'''সূর্যোদয়ের আলোয় একাকী জ্বলে ওঠো <br> যাতে তোমার কোনো অবদান নেই!'''</p> ** "এল হোমব্রে" * <p>ভাই! <br> — আমরা যদি ধনী হতাম <br> তবে বুক চিতিয়ে <br> মাথা উঁচু করে চলতাম! </p><p> '''স্বপ্নই আমাদের ধ্বংস করেছে।'''</p><p>'''ঘোড়া বা লাগাম ধরার মাঝে <br> এখন আর কোনো গর্ব নেই।'''</p><p> আমরা কুঁজো হয়ে বসে <br> নিজেদের ভাগ্য নিয়ে ভাবি। </p><p> '''যাই হোক— <br> সব কিছুই শেষ পর্যন্ত তিক্ত হয়ে যায় <br> আপনি ডানে যান বা <br> বামে <br> &nbsp; &nbsp; এবং— <br> স্বপ্ন দেখা খুব খারাপ কিছু নয়।'''</p> ** "লিবেরতাদ! ইগুয়ালিদাদ! ফ্রাতেরনিদাদ!" * কে বলবে যে আমি <br> আমার গৃহের এক সুখী প্রতিভা নই? ** "দানস রুস" === ''[[w:Spring and All|স্প্রিং অ্যান্ড অল]]'' (১৯২৩) === [[File:Wild Carrot seedheads, Dayton, Ohio.jpg|thumb|right|দেখতে প্রাণহীন, মন্থর <br> বিভ্রান্ত বসন্ত এগিয়ে আসে— <br> তারা নগ্ন হয়ে নতুন পৃথিবীতে প্রবেশ করে, <br> শীতল ও অনিশ্চিত সবকিছু নিয়ে <br> কেবল এইটুকু নিশ্চিত যে তারা প্রবেশ করছে। তাদের চারপাশে <br> সেই পরিচিত হিমেল হাওয়া...]] [[File:N2 Queen Anne's Lace.jpg|thumb|right|তবুও, সেই গভীর পরিবর্তন <br> তাদের ওপর এসেছে: শিকড় গেড়ে <br> তারা শক্ত হয়ে বসে এবং জাগতে শুরু করে।]] * <p>'''অনেক কিছুই নির্ভর করে <br> একটি'''</p><p>'''লাল চাকাওয়ালা <br> ঠেলার গাড়ির ওপর'''</p><p>'''যা বৃষ্টির জলে <br> চকচক করছে'''</p><p>'''সাদা মুরগিগুলোর <br> পাশে'''</p> ** "দ্য রেড হুইলব্যারো" * সংক্রামক হাসপাতালের রাস্তার ধারে <br> উত্তর-পূর্ব দিক থেকে আসা <br> নীল ছোপানো মেঘের ভিড়ের নিচে— <br> এক হিমেল হাওয়া। ** "স্প্রিং অ্যান্ড অল" * <p>'''দেখতে প্রাণহীন, মন্থর <br> বিভ্রান্ত বসন্ত এগিয়ে আসে— <br> তারা নগ্ন হয়ে নতুন পৃথিবীতে প্রবেশ করে, <br> শীতল ও অনিশ্চিত সবকিছু নিয়ে <br> কেবল এইটুকু নিশ্চিত যে তারা প্রবেশ করছে।''' তাদের চারপাশে <br> সেই পরিচিত হিমেল হাওয়া—</p><p> এখন ঘাস, কাল হবে <br> বুনো গাজর পাতার শক্ত কুঞ্চন— <br> একে একে সব বস্তু স্পষ্ট হয়ে ওঠে— <br> এটি প্রাণ পায়: স্পষ্টতা, পাতার রূপরেখা। </p><p> কিন্তু এখন প্রবেশের সেই কঠোর গাম্ভীর্য— '''তবুও সেই গভীর পরিবর্তন <br> তাদের ওপর এসেছে: শিকড় গেড়ে <br> তারা শক্ত হয়ে বসে এবং জাগতে শুরু করে।'''</p> ** "স্প্রিং অ্যান্ড অল" * আমেরিকার বিশুদ্ধ পণ্যগুলো <br> পাগল হয়ে যায়— ** "টু এলসি" === ''[[w:Sour Grapes (book)|সাওয়ার গ্রেপস]]'' (১৯২১) === * বৃষ্টি আর <br> আলোর মাঝে <br> আমি সোনালি রঙের <br> ৫ সংখ্যাটি দেখলাম <br> একটি লাল <br> দমকলের গাড়ির ওপর <br> যা ছুটছে <br> টানটান উত্তেজনায় <br> অবহেলিতভাবে <br> ঘণ্টার শব্দে <br> সাইরেনের আর্তনাদে <br> আর অন্ধকার শহরের বুক চিরে <br> চাকার ঘড়ঘড়ানিতে। ** "দ্য গ্রেট ফিগার" * বার্ধক্য হলো <br> ছোট কিচিরমিচির করা <br> পাখির এক ঝাঁক উড্ডয়ন <br> যা বরফ ঢাকা মাঠের ওপর <br> ন্যাড়া গাছগুলোকে <br> ছুঁয়ে যায়। <br> জয় আর পরাজয়ের মাঝে <br> তারা অন্ধকার বাতাসে <br> বাধা পায়— <br> কিন্তু তাতে কী? <br> রুক্ষ আগাছার ডাঁটায় <br> পাখির ঝাঁকটি বিশ্রাম নিয়েছে— <br> বরফ আজ <br> ঢাকা পড়েছে <br> ভাঙা বীজের <br> খোসায় <br> আর বাতাসের তীব্রতা কমেছে <br> প্রাচুর্যের এক সুতীক্ষ্ণ <br> বাঁশির সুরে। ** "টু অ্যাওয়েকেন অ্যান ওল্ড লেডি"; মূলত *দ্য ডায়াল*-এ প্রকাশিত (আগস্ট ১৯২০) === ''কালেক্টেড পোয়েমস ১৯২১-১৯৩১'' (১৯৩৪) === [[File:Bluebyrd plum.jpg|thumb|right|আমায় ক্ষমা করো <br> ওগুলো খুব সুস্বাদু ছিল <br> অনেক মিষ্টি <br> আর অনেক ঠাণ্ডা]] * <p>'''আমি সেই <br> আলুবোখারাগুলো <br> খেয়ে ফেলেছি <br> যা আইসবক্সে ছিল'''</p><p> এবং যা <br> সম্ভবত আপনি <br> সকালের নাস্তার জন্য <br> জমিয়ে রেখেছিলেন</p><p> '''আমায় ক্ষমা করো <br> ওগুলো খুব সুস্বাদু ছিল <br> অনেক মিষ্টি <br> আর অনেক ঠাণ্ডা'''</p> ** "দিস ইজ জাস্ট টু সে" * সে মানুষটির ভেতর থেকে বেরিয়ে এসেছে <br> আর সে মানুষটিকে <br> যেতে দিয়েছে— <br> :::সেই মিথ্যাবাদী <br> মৃত <br> ::তার চোখ জোড়া <br> :আলো থেকে উপরে উল্টে গেছে— এক উপহাস <br> :::::যাকে <br> :<p>ভালোবাসা স্পর্শ করতে পারে না— </p><p> কেবল একে মাটি চাপা দাও <br> আর লজ্জায় মুখ লুকিয়ে রাখো। </p> ** "ডেথ" * উচ্চ মানসিকতা সম্পন্ন <br> এবং নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষকরা তোমার বিষয়টি পর্যালোচনা করেছেন (অভিশাপ তাদের ওপর!)— <br> তারা হলেন একটি বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি, <br> একটি নামকরা কারিগরি স্কুলের সভাপতি এবং এক বিচারক যিনি বেঞ্চে বসার জন্য বড্ড বুড়ো। এরা এমন মানুষ যারা শিক্ষাদান এবং যথেচ্ছ আইন প্রয়োগের জন্য আগে থেকেই পুরস্কৃত। সহজ কথায়— <br> ঐতিহ্যের দালালের দল— ** "ইমপ্রম্পটু: দ্য সাকারস" * এটাই তোমার প্রাপ্য। তোমার কাছে টাকা আছে, <br> তোমার কিসের চিন্তা? তোমার <br> হারানোর কিছু নেই। তোমরা এক মহান <br> ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী। আমার দেশ ঠিক হোক বা ভুল! <br> তোমাকে যা করতে বলা হয় তুমি তাই করো। <br> তুমি টমি জেফ, বেন ফ্রাঙ্ক বা জর্জি ওয়াশিং-এর মতো <br> মুখে মুখে উত্তর দাও না। আমি তো বলবই <br> তোমরা দাও না। তোমরা সভ্য। তোমরা <br> তোমাদের ওপরওয়ালাদের কথা মেনে নাও। <br> চালিয়ে যাও— ** "ইমপ্রম্পটু: দ্য সাকারস" === ''[[w:An Early Martyr and Other Poems|অ্যান আর্লি মার্টার অ্যান্ড আদার পোয়েমস]]'' (১৯৩৫) === [[File:Johannisbrotbaum bluete.jpg|thumb|right|সবুজ শক্ত পুরনো উজ্জ্বল ভাঙা ডালপালার মাঝে আবার ফিরে এলো সাদা মিষ্টি মে মাস]] * <p>মাঝে <br> এর <br> সবুজ </p><p> শক্ত <br> পুরনো <br> উজ্জ্বল </p><p> ভাঙা <br> ডাল <br> এলো </p><p> সাদা <br> মিষ্টি <br> মে </p><p> আবারও</p> ** "দ্য লোকাস্ট ট্রি ইন ফ্লাওয়ার" === ''কমপ্লিট কালেক্টেড পোয়েমস'' (১৯৩৮) === * <p>এই সেই </p><p>নির্জন অন্ধকার সপ্তাহগুলো <br> যখন প্রকৃতির এই রিক্ততা <br> মানুষের বোকামির সমান হয়ে দাঁড়ায়।</p><p> বছরটি রাত্রির অন্ধকারে তলিয়ে যায় <br> আর হৃদয় তলিয়ে যায় <br> রাত্রির চেয়েও গভীরে</p> ** "দিস" === ''দ্য ওয়েজ'' (১৯৪৪) === [[File:Aerial view of the Japanese aircraft carrier Sōryū evading an air attack on 4 June 1942 (fsa.8e00397).jpg |thumb|right|আজকের বিশ্বে যুদ্ধই প্রথম এবং একমাত্র বিষয়।]] [[File:Missouri-flyover.jpg |thumb|right|গদ্য জাহাজের মতো অস্পষ্ট বিষয়ের বোঝা বহন করতে পারে। কিন্তু কবিতা হলো সেই ইঞ্জিন যা একে চালায়, একে ছেঁটে একদম নিখুঁত করে তোলা হয়েছে।]] [[File:Micranthes tolmiei 21979.jpg|thumb|right|সাক্সিফ্রেজ হলো আমার সেই ফুল যা পাথর চিরে বেরিয়ে আসে।]] * '''আজকের বিশ্বে যুদ্ধই প্রথম এবং একমাত্র বিষয়।''' <br> সাধারণভাবে শিল্পকলা কোনো মুখ্য বিষয় নয়, আর এই লেখালেখিও যুদ্ধ থেকে মুক্তি পাওয়ার কোনো মাধ্যম নয়। এটি যুদ্ধ বা এরই একটি অংশ, রণক্ষেত্রের ভিন্ন একটি ক্ষেত্র মাত্র। ** [http://www.poetryfoundation.org/learning/essay/237888 ভূমিকা] * কে আজ হতাশ নয় এবং নিজের কাজের মাধ্যমে তা প্রমাণ করে না—যদি আপনি বলতে চান? কিন্তু '''শিল্পের মাধ্যমে মানসিকভাবে পঙ্গু একজন মানুষও তার সময়ের সবচেয়ে বিশিষ্ট ব্যক্তি হয়ে উঠতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ [[Sigmund Freud|সিগমুন্ড ফ্রয়েডের]] কথা ধরুন।''' ** ভূমিকা * '''একজন মানুষ কোনো স্থির পাথরখণ্ড নয় যে সবসময় এক জায়গায় থাকবে, যদিও মনোবিজ্ঞানীরা তার সাথে তেমন আচরণই করেন—এবং বেশিরভাগ মানুষই তা বিশ্বাস করার মাঝে এক ধরনের উন্মাদনাপূর্ণ গর্ববোধ করে।''' একঘেয়েমি! সে বদলে যায়; আজ হ্যামলেট তো কাল [[Julius Caesar (play)|সিজার]]; এখানে, সেখানে, কোথাও না কোথাও—যদি সে তার মানসিক সুস্থতা ধরে রাখতে চায়, আর সমস্যাই বা কোথায়? <br> '''সমাজের সাথে শিল্পের সম্পর্ক অত্যন্ত জটিল। কবি কোনো অপরিবর্তনীয় ঘটনা নন, এমনকি তার কাজও নয়।''' ** ভূমিকা * একটি যন্ত্রের মধ্যে আবেগপ্রবণ কিছু নেই; এবং: একটি কবিতা হলো শব্দের তৈরি ছোট (বা বড়) একটি যন্ত্র। ** ভূমিকা * '''গদ্য জাহাজের মতো অস্পষ্ট বিষয়ের বোঝা বহন করতে পারে। কিন্তু কবিতা হলো সেই ইঞ্জিন যা একে চালায়, একে ছেঁটে একদম নিখুঁত করে তোলা হয়েছে।''' ** ভূমিকা * '''প্রতিটি ভাষার নিজস্ব চরিত্র রয়েছে। এর মাধ্যমে তৈরি কবিতা তার অন্তর্নিহিত গঠন বা সেই ভাষার নিজস্ব রূপ ধারণ করবে।''' এর ফল হলো সৌন্দর্য, যা কোনো একটি জিনিসের মধ্যে আমাদের ভালোমন্দের জটিল অনুভূতিগুলো মীমাংসা করে দেয়। ** ভূমিকা * একজন মানুষ যখন কবিতা তৈরি করেন, মনে রাখবেন 'তৈরি করেন', তিনি তার চারপাশের শব্দগুলোকে বেছে নেন এবং কোনো বিকৃতি ছাড়াই সেগুলোকে সাজান। এর ফলে তার উপলব্ধি ও আবেগের এক তীব্র বহিঃপ্রকাশ ঘটে যা তার ব্যবহৃত ভাষায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। '''শিল্প হিসেবে তিনি কী 'বলছেন' তা বড় কথা নয়, বরং তিনি কী 'তৈরি করছেন' সেটিই গুরুত্বপূর্ণ। এর উপলব্ধির তীব্রতা এত বেশি যে এটি তার নিজস্ব গতির মাধ্যমে তার সত্যতা প্রমাণ করে।''' ** ভূমিকা * আঙ্গিকগত উদ্ভাবন ছাড়া কোনো কালজয়ী কবিতা সম্ভব নয়। কারণ শিল্পের এই নিবিড় রূপের মাধ্যমেই তা সঠিক অর্থ খুঁজে পায়। এদিক থেকেই এটি যন্ত্রের সাথে সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ। এটি ভাষাকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দেয় এবং যে পরিবেশে এর জন্ম সেখানে আলো ছড়ায়। '''শিল্প যে যুদ্ধ নিয়ে বেঁচে থাকে এবং নিঃশ্বাস নেয়, তা অবিরাম।''' <br> হতে পারে আমার এখানে প্রকাশ করা আগ্রহগুলো শিল্পের আগের পর্যায়ের। '''যদি তাই হয়, তবে আমি এই পথেই উন্নয়ন খুঁজছি এবং অন্য কিছুতে আমি সন্তুষ্ট হব না।''' ** ভূমিকা * '''সাপটিকে তার আগাছার নিচে <br> অপেক্ষা করতে দাও <br> আর লেখাগুলো হোক <br> শব্দের—মন্থর ও দ্রুত, তীক্ষ্ণ <br> আঘাত হানতে পটু, অপেক্ষায় শান্ত, <br> নির্ঘুম।''' <br> — রূপকের মাধ্যমে মানুষ <br> আর পাথরের মধ্যে মিলন ঘটাও। <br> রচনা করো। (জিনিসের মধ্যেই <br> ধারণা নিহিত থাকে) উদ্ভাবন করো! <br> '''[[w:Saxifraga|সাক্সিফ্রেজ]] হলো আমার সেই ফুল যা পাথর <br> চিরে বেরিয়ে আসে।''' ** "এ সর্ট অব এ সং" === ''কালেক্টেড লেটার পোয়েমস'' (১৯৫০) === [[File:Adenium boehmianum.jpg|thumb|right|ভালোবাসা নিজেই একটি ফুল <br> যার শিকড় থাকে দগ্ধ মাটিতে।]] * '''এখন নয়। ভালোবাসা নিজেই একটি ফুল <br> যার শিকড় থাকে দগ্ধ মাটিতে।''' <br> শূন্য পকেট মানে শূন্য মগজ। <br> পারলে এর চিকিৎসা করো কিন্তু <br> বিশ্বাস করো না যে আমরা আজ <br> গ্রামে থাকতে পারব, কারণ গ্রাম <br> আমাদের কোনো শান্তি <br> &nbsp; &nbsp; দেবে না। ** "র‍্যালে ওয়াজ রাইট" (১৯৪০) === ''[[w:The Desert Music and Other Poems|দ্য ডেজার্ট মিউজিক অ্যান্ড আদার পোয়েমস]]'' (১৯৫৪) === [[File:AzaraxshTaleghan.gif|thumb|right|[[René Char|রেনে চার]] <br> তুমি এমন এক কবি যে বিশ্বাস করো <br> সৌন্দর্যের শক্তিতে <br> যা সব ভুল শুধরে দিতে পারে। <br> আমিও তা বিশ্বাস করি।]] * '''আমি [[René Char|রেনে চারের]] <br> কবিতার কথা ভাবি <br> এবং তিনি যা কিছু দেখেছেন <br> ও সহ্য করেছেন তার কথা ভাবি। এই অভিজ্ঞতাই তাকে বাধ্য করেছে <br> কেবল শেওলাধরা নদী, <br> ড্যাফোডিল আর টিউলিপের কথা বলতে <br> যাদের শিকড়ে পানি জমে আছে।''' এমনকি সেই প্রবহমান নদীর কথা যা <br> সেই মিষ্টি সুগন্ধি ফুলের শিকড় ধুয়ে দেয় <br> যা ছায়াপথকে <br> সমৃদ্ধ করে। ** "টু এ ডগ ইনজার্ড ইন দ্য স্ট্রিট" * রাস্তার পাশে মরণাপন্ন এক কুকুরের আর্তনাদ <br> আমাকে যতটুকু সম্ভব ভুলিয়ে দিতে হবে। <br> '''রেনে চার, <br> তুমি এমন এক কবি যে বিশ্বাস করো <br> সৌন্দর্যের শক্তিতে <br> যা সব ভুল শুধরে দিতে পারে। <br> আমিও তা বিশ্বাস করি। <br> উদ্ভাবন আর সাহসের মাধ্যমে <br> আমরা সেই সব অসহায় নির্বাক প্রাণীদের ছাড়িয়ে যাব। <br> সব মানুষ যেন এটি বিশ্বাস করে, <br> যেমনটা তুমি আমাকে বিশ্বাস করতে <br> শিখিয়েছ।''' ** "টু এ ডগ ইনজার্ড ইন দ্য স্ট্রিট" === ''[[w:Journey to Love (William Carlos Williams)|জার্নি টু লাভ]]'' (১৯৫৫) === ==== অ্যাসফোডেল, দ্যাট গ্রিনি ফ্লাওয়ার ==== [[File:Asphodelus albus3.jpg|thumb|right|আমরা দীর্ঘ সময় একসাথে ছিলাম, <br> একটি জীবন পূর্ণ ছিল, <br> আপনি যদি চান তবে বলতে পারেন, <br> ফুলে ফুলে।]] [[File:Shelfcloud.jpg|thumb|right|এমন কিছু আছে <br> জরুরি কিছু <br> যা আমাকে কেবল তোমাকেই <br> বলতে হবে। <br> কিন্তু তাকে অপেক্ষা করতে দাও <br> ততক্ষণ আমি তোমার আগমনের <br> আনন্দ উপভোগ করি, <br> হয়তো শেষবারের মতো।]] * অ্যাসফোডেল, সেই সবুজ ফুলটি, <br> :::হলুদ বাটারকাপের মতো <br> :::::এর ডালপালার ওপর— <br> :কেবল ওটি সবুজ আর কাঠের মতো— <br> :::আমি আসছি, প্রিয়তমা, <br> :::::তোমার জন্য গান গাইতে। <br> :'''আমরা দীর্ঘ সময় একসাথে ছিলাম,''' <br> :::'''একটি জীবন পূর্ণ ছিল,''' <br> :::::'''আপনি যদি চান তবে বলতে পারেন,''' <br> :'''ফুলে ফুলে।''' তাই <br> :::আমি আনন্দিত হয়েছিলাম <br> :::::যখন প্রথম জানতে পারলাম <br> :যে নরকেও <br> :::ফুল আছে। <br> :::::আজ <br> :আমি সেই সব ফুলের ফিকে হয়ে আসা স্মৃতিতে আচ্ছন্ন <br> :::যা আমরা দুজনেই ভালোবাসতাম, <br> :::::এমনকি এই তুচ্ছ <br> :বর্ণহীন ফুলটিও— <br> :::আমি এটি দেখেছিলাম <br> :::::যখন আমি শিশু ছিলাম— <br> :জীবিতদের কাছে যার তেমন কোনো কদর নেই <br> :::কিন্তু মৃতরা দেখে, <br> :::::নিজেদের মধ্যে প্রশ্ন করে: <br> :আমার কী মনে পড়ছে <br> :::যার গঠন <br> :::::ঠিক এটার মতো? :যখন আমাদের চোখ <br> :::অশ্রুতে ভিজে যায়। :::::ভালোবাসা, চিরস্থায়ী ভালোবাসার কথা :এটি বলবে :::যদিও লাল রঙের বড়ই অভাব :::::এতে লেগে আছে :একে পুরোপুরি বিশ্বাসযোগ্য করতে। :::'''এমন কিছু আছে''' :::::'''জরুরি কিছু''' :'''যা আমাকে কেবল তোমাকেই''' :::'''বলতে হবে''' :::::'''কিন্তু তাকে অপেক্ষা করতে দাও''' :'''ততক্ষণ আমি তোমার আগমনের''' :::'''আনন্দ উপভোগ করি,''' :::::'''হয়তো শেষবারের মতো।''' :আর তাই :::হৃদয়ে ভয় নিয়ে :::::আমি কথা চালিয়ে যাচ্ছি :একনাগাড়ে বলে যাচ্ছি :::কারণ আমি থামতে সাহস পাচ্ছি না। [[File:Sliven-thracianlowlands-dinev-flickr.jpg|thumb|right|অফুরন্ত সম্পদ, <br> আমি ভেবেছিলাম, <br> আমার দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।]] * কেবল আমাকে সময় দাও, :::কথা বলার আগে :::::সব মনে করার সময় দাও। :আমাকে সময় দাও, :::সময়। :আমি যখন ছোট ছিলাম :::আমি একটি বই রাখতাম :::::যেখানে মাঝে মাঝে :আমি শুকনো ফুল রাখতাম :::যতক্ষণ না অনেকদিন পর :::::আমার কাছে একটি বড় সংগ্রহ হলো। :অ্যাসফোডেল ফুলটিও, :::পূর্বাভাস হিসেবেই, :::::তাদের মধ্যে ছিল। :আমি তোমার কাছে নিয়ে এসেছি, :::নতুন করে জাগিয়ে তোলা, :::::সেই সব ফুলের স্মৃতি। :সেগুলো অনেক মিষ্টি ছিল :::যখন আমি তাদের বইয়ে চেপে রাখতাম :::::এবং দীর্ঘ সময় ধরে :তারা তাদের সুবাস ধরে রেখেছিল। :::'''এটি এক অদ্ভুত গন্ধ,''' :::::'''এক নৈতিক গন্ধ,''' :'''যা আমাকে তোমার''' :::'''কাছে নিয়ে আসে।''' [[File:Cloud in the sunlight.jpg|thumb|right|পুরো পৃথিবী <br> আমার বাগান হয়ে উঠল! <br> কিন্তু সমুদ্র <br> যার কেউ যত্ন নেয় না <br> সেটিও একটি বাগান <br> যখন সূর্যের আলো তার ওপর পড়ে <br> আর ঢেউগুলো <br> জেগে ওঠে।]] [[File:Sunrise on the Beach.jpg|thumb|right|আমি তা দেখেছি <br> আর তুমিও দেখেছ <br> যখন এটি সব ফুলের <br> সৌন্দর্যকে মলিন করে দেয়।]] * '''অফুরন্ত সম্পদ,''' :::'''আমি ভেবেছিলাম,''' :::::'''আমার দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে।''' :আপেল ফুলের মাঝে :::হাজারো গ্রীষ্মমন্ডলীয় দেশ। :::::এই উদার পৃথিবী নিজেই :আমাদের অনুমতি দিয়েছে। :::পুরো পৃথিবী :::::আমার বাগান হয়ে উঠল! :কিন্তু সমুদ্র :::যার কেউ যত্ন নেয় না :::::সেটিও একটি বাগান :যখন সূর্যের আলো তার ওপর পড়ে :::আর ঢেউগুলো :::::জেগে ওঠে। :'''আমি তা দেখেছি''' :::'''আর তুমিও দেখেছ''' :::::'''যখন এটি সব ফুলের''' :'''সৌন্দর্যকে মলিন করে দেয়।''' [[File:Lightning storm over the Caribbean.jpg|thumb|right|ঝড় দানা বাঁধছে।]] [[File:Blitze IMGP6376 wp.jpg|thumb|right|এটি এমন একটি ফুল <br> যা শীঘ্রই তার প্রস্ফুটনের <br> চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছাবে।]] * '''আমি বলতে পারি না''' :::'''যে তোমার ভালোবাসার জন্য''' :::::'''আমি নরকে গেছি''' :'''কিন্তু প্রায়ই''' :::'''তোমার পিছু ধাওয়া করতে গিয়ে''' :::::'''নিজেকে সেখানে আবিষ্কার করেছি।''' :আমি এটি পছন্দ করি না :::এবং স্বর্গে থাকতে চেয়েছিলাম। :::::আমার কথা শোনো। :মুখ ফিরিয়ে নিও না। :আমি আমার জীবনে অনেক কিছু শিখেছি :::বই থেকে :::::আর বইয়ের বাইরে থেকেও :ভালোবাসা সম্পর্কে। :::'''মৃত্যুই''' :::::'''এর শেষ নয়।''' [[File:Lightning 1.jpg|thumb|right|ঝড় আছড়ে পড়ছে <br> অথবা মিলিয়ে যাচ্ছে! এটি <br> বিশ্বের শেষ নয়।]] * '''ঝড় দানা বাঁধছে।''' :::বিদ্যুৎ :::::মেঘের কিনারা দিয়ে খেলা করছে। :উত্তরের আকাশটি :::শান্ত, :::::গোধূলির আলোয় নীল হয়ে আছে :ঝড় ঘনীভূত হওয়ার সাথে সাথে। :::এটি এমন একটি ফুল :::::যা শীঘ্রই তার প্রস্ফুটনের :চূড়ান্ত সীমায় পৌঁছাবে। [[File:Ilya Repin-What freedom!.jpg|thumb|right|ভালোবাসা অন্য কিছু...]] * যখন আমি ফুলের কথা :::বলি :::::তখন আসলে মনে করার চেষ্টা করি :যে এক সময় :::আমরা তরুণ ছিলাম। :::::'''সব নারী হেলেন নয়,''' :::'''আমি জানি তা,''' :'''কিন্তু তাদের হৃদয়ে হেলেন থাকে।''' :::প্রিয়তমা, :::::তোমার হৃদয়েও তা আছে, আর সেই কারণেই :আমি তোমাকে ভালোবাসি :::আর অন্যভাবে তোমাকে ভালোবাসা আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না। [[File:The Flood, by Paul Merwart.jpg|thumb|right|এটি ছিল ভালোবাসার প্রতি ভালোবাসা, <br> সেই ভালোবাসা যা অন্য সবকিছুকে গ্রাস করে... এমন এক ভালোবাসা যা <br> নম্রতা ও উদারতা তৈরি করে <br> যা আমাকে আলোড়িত করেছিল <br> এবং যা আমি তোমার মধ্যে দেখেছি।]] [[File:Double-alaskan-rainbow.jpg|thumb|right|আমার হৃদয় জেগে ওঠে <br> তোমার কাছে এমন কিছুর খবর নিয়ে আসার কথা ভেবে <br> যা তোমার সাথে সম্পর্কিত <br> এবং অনেক মানুষের সাথে সম্পর্কিত...]] * '''ঝড় আছড়ে পড়ছে''' :::::'''অথবা মিলিয়ে যাচ্ছে! এটি''' :'''বিশ্বের শেষ নয়।''' :::ভালোবাসা অন্য কিছু, :::::অথবা আমি তেমনটিই ভেবেছিলাম, :একটি বাগান যা বিস্তৃত হয়, :::যদিও আমি তোমাকে একজন নারী হিসেবেই চিনতাম :::::এবং অন্য কিছু ভাবিনি, :যতক্ষণ না পুরো সমুদ্র :::আর তার বাগানগুলোকে :::::এর ভেতরে নিয়ে নেওয়া হয়। :'''এটি ছিল ভালোবাসার প্রতি ভালোবাসা,''' :::'''সেই ভালোবাসা যা অন্য সবকিছুকে গ্রাস করে''', :::::'''এক কৃতজ্ঞ ভালোবাসা,''' :'''প্রকৃতির প্রতি, মানুষের প্রতি,''' :::'''প্রাণীদের প্রতি,''' :::::'''এমন এক ভালোবাসা যা তৈরি করে''' :'''নম্রতা ও উদারতা''' :::'''যা আমাকে আলোড়িত করেছিল''' :::::'''এবং যা আমি তোমার মধ্যে দেখেছি।''' [[File:Harpe de lumiere.jpg|thumb|right|দেখুন <br> কোন জিনিসটি নতুন বলে চালানো হচ্ছে। <br> আপনি সেখানে তা পাবেন না, বরং পাবেন <br> অবহেলিত কবিতার মাঝে।]] * আমি আসছি, প্রিয়তমা, :::::তোমার জন্য গান গাইতে! :আমার হৃদয় জেগে ওঠে :::তোমাকে এমন কিছুর খবর দেওয়ার কথা ভেবে :::::যা তোমার সাথে সম্পর্কিত :এবং অনেক মানুষের সাথে সম্পর্কিত। '''দেখুন''' :::::'''কোন জিনিসটি নতুন বলে চালানো হচ্ছে।''' :'''আপনি সেখানে তা পাবেন না, বরং পাবেন''' :::'''অবহেলিত কবিতার মাঝে।''' * &nbsp; &nbsp; '''কবিতা থেকে খবর পাওয়া''' <br> ::'''কঠিন ঠিকই''' <br> ::::'''তবুও প্রতিদিন মানুষ শোচনীয়ভাবে মরছে''' <br> ::::::'''কবিতার মাঝে যা পাওয়া যায়''' <br> :'''তার অভাবে।'''``` ==উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস সম্পর্কিত উক্তি== * আমেরিকানদের কাছে নেটিভ আমেরিকান সাহিত্য গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত। একে কেবল আমেরিকান অতীতের কোনো প্রত্নবস্তু বা কিউরিও হিসেবে দেখা ঠিক নয় যার বর্তমান বা ভবিষ্যতের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। বরং এটি একটি প্রধান ঐতিহ্য যা কটন ম্যাথার ও নাথানিয়েল হথর্ন থেকে শুরু করে ওয়াল্ট হুইটম্যান, উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস ও উইলিয়াম ফকনার হয়ে অ্যাড্রিয়েন রিচ, টনি কেড বামবারা এবং জুডি গ্রান পর্যন্ত সকল লেখককে পথ দেখায়। ** পলা গান অ্যালেন, দ্য স্যাক্রেড হুপ: রিকভারিং দ্য ফেমিনাইন ইন আমেরিকান ইন্ডিয়ান ট্র্যাডিশনস (১৯৮৬) * লেখালেখিও একটি সম্মানজনক পেশা। যারা আগে এই পেশায় ছিলেন, তারা একে সম্মানিত করেছেন। আপনি পছন্দ করুন বা না করুন, প্রতিবার কলম হাতে নেওয়ার সময় আপনাকে সেই একই শূন্য কাগজের মুখোমুখি হতে হয়। যা মিল্টন,মেলভিল, এমিলি ব্রন্টি,দস্তয়েভস্কি,জর্জ এলিয়ট,জর্জ অরওয়েল,উইলিয়াম ফকনার,ভার্জিনিয়া উলফ, উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস এবং আধুনিক নায়ক গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের সামনেও ছিল। ** মার্গারেট অ্যাটউড, "অ্যান এন্ড টু অডিয়েন্স?" (১৯৮০), সেকেন্ড ওয়ার্ডস: সিলেক্টেড ক্রিটিক্যাল প্রোজে,সংকলিত। * উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস তার একটি কবিতায় লিখেছেন যে "ধ্বংস এবং সৃষ্টি সমসাময়িক।" [[পিকাসো|পিকাসোও]] অনেকটা একই কথা বলেছিলেন। উইলিয়ামসের কাছে এটি ছিল আধুনিক ধারাকে বা অ্যাভান্ট-গার্ডকে পৌরাণিক রূপ দেওয়ার একটি পথ। আপনার সৃজন করতে হলে ধ্বংস করতে হবে। ** টনি বার্নস্টোন, কনভারসেশনস উইথ ভারতী মুখার্জি, ব্র্যাডলি সি. এডওয়ার্ডস সম্পাদিত (২০০৯) * আমার শুরুর দিকের পরিচয় ও প্রেমের কবিতাগুলো এজরা পাউন্ড এবং উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের চিত্রকল্পবাদ বা ইমেজবাদ দ্বারা প্রভাবিত ছিল। ** মেরিলিন চিন, এ পোর্ট্রেট অফ দ্য সেলফ অ্যাজ নেশন: নিউ অ্যান্ড সিলেক্টেড পোয়েমসের ভূমিকা (২০১৮) * যখন আমি ভার্জিনিয়া উলফের 'অরল্যান্ডো' বা উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের 'ইন দ্য আমেরিকান গ্রেইন' পড়ি, তখন আমার মনে হয় আমি যেন জীবন ও কাজের মাঝে আটকে গেছি বা মরে যাচ্ছি। এই বইগুলো পড়ার পর আমি আবারও গতি ফিরে পাই। আমি অন্যদের জন্য এই কাজটি করতে পারি বলে ভালো লাগে। ** ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত কনভারসেশনস উইথ ম্যাক্সিন হং কিংস্টনে সংকলিত ১৯৮৯ সালের সাক্ষাৎকার * যখন আমি উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামসের 'ইন দ্য আমেরিকান গ্রেইন' পড়ছিলাম, তখন মনে হলো আমেরিকা সম্পর্কে এভাবেই লেখা উচিত। এটিই সঠিক ও পৌরাণিক ইতিহাস। আমি নিশ্চিত ছিলাম এর দ্বিতীয় খণ্ড বের হবে। তাই লাইব্রেরিতে প্রথম খণ্ডটি ফেরত দিয়ে দ্বিতীয় খণ্ডটি খুঁজতে লাগলাম। কিন্তু এর কোনো দ্বিতীয় খণ্ড নেই! তখনই আমি ভাবলাম আমাকেই এর দ্বিতীয় খণ্ডটি লিখতে হবে। তিনি যেহেতু করেননি, তাই আমাকেই তা করতে হবে। এভাবেই 'চায়না মেন' সৃষ্টি হলো। তারা রেলপথের স্টিলের বন্ধন দিয়ে এই দেশটিকে একসাথে বেঁধে রেখেছে। প্রথম দুটি বই শেষ করার পর আমি আমার ভেতরে আরও এক ধরনের চলতি ও সমসাময়িক আমেরিকান ভাষা খুঁজে পেলাম। আরেকটি অপূর্ণতা ছিল বিটনিকদের চলে যাওয়ার সময়কার বই পড়তে পারা। তারাই আমাদের ঠিক আগের প্রজন্মের পথপ্রদর্শক। ** ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত কনভারসেশনস উইথ ম্যাক্সিন হং কিংস্টনে সংকলিত ১৯৮৯ সালের সাক্ষাৎকার * ১৯২০ দশকে তিনি দুই আমেরিকার উপযুক্ত একটি বইয়ের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে একটি বিশাল আমেরিকান উপন্যাসের কথা ভাবছিলেন। উইলিয়ামস চেয়েছিলেন বইটি যেন এই দুই মহাদেশের বিশাল প্রেক্ষাপট থেকে কথা বলে। ** ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত কনভারসেশনস উইথ ম্যাক্সিন হং কিংস্টনে সংকলিত ১৯৯৩ সালের সাক্ষাৎকার * লজ্জিত হওয়ার বা ঝুঁকি নেওয়ার ভয়, বোকা সাজার ভয় কিংবা অন্য কারো মতো না লিখে নিজের মতো করে লেখার ভয় সবই মানুষের থাকে। তবে কিছু মানুষ বিশ বছর ধরে নিজের মতে অটল থাকেন। উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস তার আত্মজীবনীতে বলেছিলেন, "মনে হচ্ছে টি. এস. এলিয়ট 'দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড' দিয়ে সফল হয়েছেন এবং সাহিত্যের মোড় সেদিকেই ঘুরছে। এখন আমি জানি যে আমার কথা শোনার জন্য আমাকে আরও বিশ বছর অপেক্ষা করতে হবে।" তিনি তাই করেছিলেন। তিনি যা সঠিক মনে করতেন তাই করে গেছেন এবং আমেরিকান ভাষার নিজস্ব ধারণায় অটল থেকে একটি শক্তিশালী প্রভাব তৈরি করেছেন। কিন্তু অন্য অনেকেই ভেবেছিল ওটাই সঠিক পথ এবং তারা নিজেদের শিকড় কেটে সেদিকেই ছুটে গিয়েছিল। ** ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত কনভারসেশনস উইথ গ্রেস পেলিয়ে সংকলিত ১৯৭৯ সালের সাক্ষাৎকার * বিংশ শতাব্দীর বিপ্লবী কাব্যতত্ত্বের ঐতিহ্য সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা ছিল না। বড়দের মধ্যে উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস সমসাময়িক আমেরিকার সাধারণ শহর, সাধারণ দরিদ্র ও কর্মজীবী মানুষ এবং দৈনন্দিন ভাষার সহজ ও ছন্দময় শৈলীতে লিখেছেন। যদিও শুরুতে উইলিয়ামসের কবিতা আমাকে মোহিত করেনি, পরবর্তীতে প্রথাগত ছন্দ থেকে বেরিয়ে আসতে আমি তার বাক্যগঠন ও পঙ্ক্তি ভাঙার পদ্ধতিগুলো নিয়ে কাজ করেছি। ** অ্যাড্রিয়েন রিচ,হোয়াট ইজ ফাউন্ড দেয়ার (২০০৩) ==বহিঃসংযোগ== {{wikipedia}} {{commonscat}} * [http://www.poets.org/poet.php/prmPID/119 অ্যাকাডেমি অব আমেরিকান পোয়েটস-এ উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস পাতা] * [http://www.english.uiuc.edu/maps/poets/s_z/williams/williams.htm মডার্ন আমেরিকান পোয়েট্রি-তে উইলিয়াম কার্লোস উইলিয়ামস পাতা] [[বিষয়শ্রেণী:১৮৮৩-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৩-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ জার্সির চিকিৎসক]] [[বিষয়শ্রেণী:বিট প্রজন্মের লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রী]] [[বিষয়শ্রেণী:পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল বুক অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী]] hrfz93vd44augpeyoi3q07mv2dkqbsz এরিক হবসবাউম 0 12884 78573 2026-04-19T12:29:02Z SMontaha32 3112 "[[File:Eric Hobsbawm.jpg|thumb|right|২০১১ সালে এরিক হবসবম]] '''[[w:Eric Hobsbawm|এরিক জন আর্নেস্ট হবসবম]]''', [[w:Companion of Honour|সিএইচ]], [[w:Fellow of the Royal Society of Literature|এফআরএসএল]], [[w:Fellow of the British Academy|এফবিএ]] ([[৯ জুন]] [[১৯১৭]] – [[১ অক্টোবর]] [[২০১২]]) ছিলে..." দিয়ে পাতা তৈরি 78573 wikitext text/x-wiki [[File:Eric Hobsbawm.jpg|thumb|right|২০১১ সালে এরিক হবসবম]] '''[[w:Eric Hobsbawm|এরিক জন আর্নেস্ট হবসবম]]''', [[w:Companion of Honour|সিএইচ]], [[w:Fellow of the Royal Society of Literature|এফআরএসএল]], [[w:Fellow of the British Academy|এফবিএ]] ([[৯ জুন]] [[১৯১৭]] – [[১ অক্টোবর]] [[২০১২]]) ছিলেন একজন ব্রিটিশ মার্ক্সবাদী ইতিহাসবিদ ও লেখক। তিনি [[w:Communist Party of Great Britain|কমিউনিস্ট পার্টি অব গ্রেট ব্রিটেনের]] (১৯২০–১৯৯১) একজন প্রধান তাত্ত্বিক এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত [[w:Birkbeck College|বার্কবেক কলেজের]] সাবেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন। t98oh9080rswdjf9tc4r0n23xbv6ll8 78575 78573 2026-04-19T12:34:46Z SMontaha32 3112 78575 wikitext text/x-wiki [[File:Eric Hobsbawm.jpg|thumb|right|২০১১ সালে এরিক হবসবম]] '''[[w:Eric Hobsbawm|এরিক জন আর্নেস্ট হবসবম]]''', [[w:Companion of Honour|সিএইচ]], [[w:Fellow of the Royal Society of Literature|এফআরএসএল]], [[w:Fellow of the British Academy|এফবিএ]] ([[৯ জুন]] [[১৯১৭]] – [[১ অক্টোবর]] [[২০১২]]) ছিলেন একজন ব্রিটিশ মার্ক্সবাদী ইতিহাসবিদ ও লেখক। তিনি [[w:Communist Party of Great Britain|কমিউনিস্ট পার্টি অব গ্রেট ব্রিটেনের]] (১৯২০–১৯৯১) একজন প্রধান তাত্ত্বিক এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত [[w:Birkbeck College|বার্কবেক কলেজের]] সাবেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন। == হবসবম সম্পর্কে উদ্ধৃতি == * 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-এর পরিপূরক হিসেবে উপস্থাপিত এই ব্যক্তিগত প্রতিকৃতিটি (ইন্টারেস্টিং টাইমস) হবসবমের বিংশ শতাব্দীর দৃষ্টিভঙ্গি এবং আধুনিকতার সামগ্রিক বর্ণনায় নতুন কী আলোকপাত করে? সামগ্রিক বিচারে, 'দ্য এজ অফ রেভোলিউশন', 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল', 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' এবং 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-কে একটি একক উদ্যোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে—এমন এক চতুষ্টয় (tetralogy) যার সমসাময়িক বিশ্ব গঠনের সুশৃঙ্খল বিবরণ হিসেবে অন্য কোনো তুলনা নেই। এই সবকটি গ্রন্থেই কিছু বিরল গুণের সংমিশ্রণ ঘটেছে: সংক্ষেপণের পরিমিতিবোধ; খুঁটিনাটি বর্ণনার সজীবতা; বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট সত্ত্বেও আঞ্চলিক পার্থক্যের তীব্র চেতনা; ফসল, শেয়ার বাজার, জাতি-শ্রেণি, রাষ্ট্রনায়ক-কৃষক এবং বিজ্ঞান-কলা—সব বিষয়েই অগাধ পাণ্ডিত্য ও সাবলীলতা; বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর প্রতি গভীর সহানুভূতি; বিশ্লেষণাত্মক বর্ণনার শক্তি; এবং সর্বোপরি অত্যন্ত স্বচ্ছ ও তেজোদীপ্ত একটি লিখনশৈলী। ** [[পেরি অ্যান্ডারসন]], "দ্য ভ্যানকুইশড লেফট: এরিক হবসবম", 'স্পেকট্রাম: ফ্রম রাইট টু লেফট ইন দ্য ওয়ার্ল্ড অফ আইডিয়াস' (২০০৫)-এ প্রকাশিত। * ইউরোপীয় তুলনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিতে, জাতীয় পতাকা বহনকারী এই শ্রমিকদের অদ্ভুত মনে হয় এবং তাদের গুরুত্ব খুব কমই বোঝা যায়। এমনকি মধ্য ইউরোপের প্রখ্যাত লেখক—যেমন [[আর্নেস্ট গেলনার|আর্নেস্ট গেলনার]] বা এরিক হবসবম—এই অঞ্চলের জাতীয়তাবাদের স্বাতন্ত্র্যকে একটি বৈশ্বিক সংজ্ঞায় খাপ খাওয়াতে গিয়ে এর আসল বৈশিষ্ট্যগুলোই ছেঁটে ফেলেছেন। হবসবমের ধারণা ছিল যে এটি পৃথিবীর প্রতিটি কোণেই প্রযোজ্য হবে, কিন্তু আমরা এই বইয়ে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের কাছে এই শব্দের অর্থ কী ছিল তা বোঝার চেষ্টা করেছি। সেই অঞ্চলে গেলনারের 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম' বইয়ের বৈশ্বিক মাপকাঠিগুলো হয় অপ্রাসঙ্গিক নয়তো গৌণ: যেমন [[জন স্টুয়ার্ট মিল|জন স্টুয়ার্ট মিলের]] ধারণা যে একটি জাতীয় রাষ্ট্রকে "সাশ্রয়ী" হতে হবে, বা জাতীয়তাবাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট আয়তন প্রয়োজন। চেক বা স্লোভেনীয়রা এই সব মাপকাঠি সম্পর্কে কিছুই জানত না এবং তারা এগুলো ছাড়াই তাদের ইতিহাস তৈরি করেছে। হবসবমের এই ধারণা যে ভাষা এবং ইতিহাস কোনো নির্ণায়ক মানদণ্ড নয়, তা পূর্ব-মধ্য ইউরোপের যে কারোর কাছে অর্থহীন মনে হতো—যদিও এটি মহাকাশ থেকে কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা জাতীয়তাবাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। ** জন কনেলি, 'ফ্রম পিপলস টু নেশনস: আ হিস্ট্রি অফ ইস্টার্ন ইউরোপ' (২০২০), পৃষ্ঠা ৭৯৬-৭৯৭। * এরিক হবসবম হয়তো অভিযোগ করতে পারেন যে আমি অন্যায় করছি এবং আমি আসলে অন্যরকম একটি বই আশা করেছিলাম। তিনি বলতে পারেন যে আমি এমন একটি বই চাই যা চিরস্থায়ী হবে এবং ভবিষ্যৎ শতাব্দীর ইতিহাসবিদদের আগ্রহের খোরাক হবে। আর তিনি ঠিকই বলেছেন, আমি আসলেই তা চাই। বিপরীতে, তিনি বলতে পারেন যে তাঁর বইটি "বিংশ শতাব্দীর একজন লেখকের দ্বারা বিংশ শতাব্দীর শেষের পাঠকদের জন্য লেখা", যাদের কাছে 'পুঁজিবাদ' এবং 'সমাজতন্ত্রের' সংঘাত, সামাজিক বিপ্লব, [[স্নায়ুযুদ্ধ]], এবং 'প্রকৃত সমাজতন্ত্রের' সীমাবদ্ধতা ও পতন নিয়ে আলোচনা করা সার্থক। তিনি মূলত সেই পাঠকদের জন্য লিখছেন যারা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের মূল থিম হিসেবে বিশ্ব কমিউনিজমের ট্র্যাজিক ও বীরত্বগাথাকে বিবেচনা করেন। কিন্তু বিশ্ব কমিউনিজমের এই যাত্রা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একমাত্র বা মূল থিম নয়। হবসবম আসলে কাদের জন্য তাঁর বইটি লিখছেন? বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের কোন অংশটুকু পাঠকদের জানা প্রয়োজন, তার জন্য কি আমরা 'এজ অফ এক্সট্রিমস' বইটির সুপারিশ করতে পারি? ** [[জে. ব্র্যাডফোর্ড ডিলং]], "লো মার্ক্স: আ রিভিউ অফ এরিক হবসবমস 'এজ অফ এক্সট্রিমস'" (১৯৯৫)। * [[১৯৬৮]] সালে আমি সেই মনোযোগী ও শ্রদ্ধাশীল ছাত্র শ্রোতাদের একজন ছিলাম, যাদের সামনে এরিক হবসবম ছাত্র র‍্যাডিক্যালিজমের সীমাবদ্ধতা নিয়ে কথা বলছিলেন। তাঁর উপসংহারটি আমার খুব মনে আছে, কারণ এটি তৎকালীন মেজাজের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। তিনি আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে, মাঝেমধ্যে পৃথিবী পরিবর্তন করা নয় বরং এটিকে ব্যাখ্যা করাই মুখ্য উদ্দেশ্য। কিন্তু বিশ্বকে ব্যাখ্যা করার জন্য এটি কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে সে সম্পর্কেও একটি সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন। তাঁর শেষ বইটি আমাদের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া এই বিশ্বের একটি চমত্কার, মেধাবী এবং সর্বদা বুদ্ধিদীপ্ত বিবরণ। এটি যদি তাঁর সেরা কাজগুলোর সমপর্যায়ের না-ও হয়, তবুও মনে রাখা উচিত যে তিনি নিজেই মেধার মানদণ্ড অনেক উঁচুতে সেট করেছেন। তবে বিশ্বে এক বা দুটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে—যেমন কমিউনিজমের মৃত্যু বা ইতিহাসের ওপর আস্থা হারানো—যা লেখককে খুব একটা খুশি করতে পারেনি। এটি দুঃখজনক, কারণ তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গি বইটির বিবরণকে এমনভাবে প্রভাবিত করেছে যা হয়তো নতুন পাঠকদের শিখতে নিরুৎসাহিত করবে। আমি বিংশ শতাব্দীর বর্ণনায় তাঁর সেই তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণ মিস করেছি যা তাঁকে উনবিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একজন অপরিহার্য পথপ্রদর্শক করে তুলেছিল। হবসবম আমাদের মনে করিয়ে দেন যে ইতিহাসবিদরা হলেন "সেই পেশাদার স্মৃতিকার যারা সাধারণ মানুষ যা ভুলে যেতে চায় তা মনে করিয়ে দেন।" এটি একটি অত্যন্ত কঠিন ও আপসহীন দায়িত্ব। ** [[টনি জাট]], "ডাউনহিল অল দ্য ওয়ে", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২৫ মে, ১৯৯৫)। * হবসবম তাঁর স্মৃতিকথা একটি উদ্দীপনামূলক বার্তার মাধ্যমে শেষ করেছেন: “এই সন্তোষজনক নয় এমন সময়েও আমাদের নিরস্ত্র হওয়া চলবে না। সামাজিক অবিচারের বিরুদ্ধে সবসময় প্রতিবাদ ও লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। পৃথিবী নিজে নিজে ভালো হবে না।” তিনি সব দিক থেকেই ঠিক। কিন্তু নতুন শতাব্দীতে ভালো কিছু করতে হলে আমাদের পুরনো শতাব্দীর সত্যগুলো বলতে হবে। হবসবম শয়তান বা অশুভ শক্তির মুখোমুখি হতে এবং একে তার আসল নামে ডাকতে অস্বীকার করেছেন; তিনি কখনও স্তালিন এবং তাঁর কর্মকাণ্ডের রাজনৈতিক ও নৈতিক উত্তরাধিকারকে গভীরভাবে বিচার করেননি। তিনি যদি গুরুত্বের সাথে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে কোনো আমূল পরিবর্তনের মশাল হস্তান্তর করতে চান, তবে এটি সঠিক পথ নয়। ** [[টনি জাট]], "দ্য লাস্ট রোমান্টিক", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২০ নভেম্বর, ২০০৩)। * হবসবম যেমনটি তাঁর 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' বইতে বলেছিলেন, তিনি মূলত একটি ‘যুক্তির উন্মোচন’ লিখছিলেন। সেই যুক্তির মূল কথা হলো—ঐতিহাসিক গুরুত্বের ক্ষেত্রে সংস্কৃতির চেয়ে অর্থনীতি, নারীর চেয়ে পুরুষ এবং বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে পশ্চিমের গুরুত্ব বেশি। তাঁর বর্ণনায় অনেক কিছু বাদ পড়াটা কোনো ভুল ছিল না বরং এটি ছিল তাঁর চিন্তাধারারই অংশ। অন্যভাবে বলতে গেলে, হবসবমকে নতুনভাবে মূল্যায়ন করতে হলে তাঁর এই মূল ধারণাগুলোকে চ্যালেঞ্জ করতে হবে। ** [[w:Susan Pedersen|সুসান পেডারসেন]], "আই ওয়ান্ট টু লাভ ইট", 'লন্ডন রিভিউ অফ বুকস' (১৮ এপ্রিল, ২০১৯)। * হবসবমকে একবার জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি হ্যাম্পস্টেড ম্যানশনের মতো অত্যন্ত দামি বাড়িতে বাস করাকে কীভাবে সমর্থন করেন। উত্তরে তিনি রসিকতা করে বলেছিলেন, যদি কেউ [[w:Titanic|টাইটানিক]] জাহাজে ভ্রমণ করে, তবে তার প্রথম শ্রেণীতে চড়েই ডুবে যাওয়া ভালো। রসিকতা হিসেবে এটি চমত্কার। কিন্তু যদি ১৯৮৯ সালে সমস্ত বরফ গলে যায় (কমিউনিজমের পতন হয়), তবে কী হবে? ** [[w:John Sutherland (author)|জন সাদারল্যান্ড]], 'দ্য টাইমস' (২৩ জানুয়ারি, ২০১৬)। * ১৯৯৫ সালে যখন তিনি '[[w:Desert Island Discs|ডেজার্ট আইল্যান্ড ডিস্কস]]'-এ উপস্থিত হয়েছিলেন, তখন তিনি বিলি হলিডের একটি গান বেছে নেওয়ার পাশাপাশি ইতিহাস নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছিলেন। উপস্থাপক সু ললি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, যদি লক্ষ লক্ষ জীবনের বিনিময়ে বিশ্ববিপ্লব আনা সম্ভব হতো, তবে কি তা সার্থক হতো? তিনি দ্বিধাহীনভাবে উত্তর দিয়েছিলেন—হ্যাঁ। মাইকেল ইগনাটিয়েফ কর্তৃক টেলিভিশনে গৃহীত এক সাক্ষাৎকারে হবসবমকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, ১৯৩৪ সালে স্তালিন কর্তৃক লক্ষ লক্ষ মানুষকে জোরপূর্বক অভুক্ত রাখার কথা জানলে কি তাঁর কমিউনিস্ট হওয়ার ইচ্ছা বদলে যেত? তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, "সম্ভবত না"। তিনি শান্তভাবে আরও যোগ করেন যে, যদি সোভিয়েত ইউনিয়ন বিশ্ববিপ্লবের সূচনা করতে পারত, তবে ১৫-২০ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু যুক্তিযুক্ত হতে পারত। ** [[এ. এন. উইলসন]], 'অন দ্য রং সাইড অফ হিস্ট্রি', 'দ্য টাইমস স্যাটারডে রিভিউ' (২৬ জানুয়ারি, ২০১৯)। * হবসবমের ইতিহাসের প্রধান সমস্যা ছিল যে তাঁর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল [[কার্ল মার্ক্স|কার্ল মার্ক্সের]] তত্ত্বগুলোকে সত্য প্রমাণ করা। শোকসংবাদ লেখকরা দাবি করেছিলেন যে তিনি কখনও [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদী]] মতাদর্শের দাস ছিলেন না বা তাঁর কাজ ছিল "সর্বদা সূক্ষ্ম ও মার্জিত", কিন্তু বাস্তবতা ছিল এর বিপরীত। ** কিথ উইন্ডশাটল, "দ্য নট-সো-গ্রেট এরিক হবসবম", 'কোয়াড্র্যান্ট' (১ নভেম্বর ২০১২)। lr7pbuxrdymop939gqcmxyddk5j9hkv 78576 78575 2026-04-19T12:35:48Z SMontaha32 3112 78576 wikitext text/x-wiki [[File:Eric Hobsbawm.jpg|thumb|right|২০১১ সালে এরিক হবসবম]] '''[[w:Eric Hobsbawm|এরিক জন আর্নেস্ট হবসবম]]''', [[w:Companion of Honour|সিএইচ]], [[w:Fellow of the Royal Society of Literature|এফআরএসএল]], [[w:Fellow of the British Academy|এফবিএ]] ([[৯ জুন]] [[১৯১৭]] – [[১ অক্টোবর]] [[২০১২]]) ছিলেন একজন ব্রিটিশ মার্ক্সবাদী ইতিহাসবিদ ও লেখক। তিনি [[w:Communist Party of Great Britain|কমিউনিস্ট পার্টি অব গ্রেট ব্রিটেনের]] (১৯২০–১৯৯১) একজন প্রধান তাত্ত্বিক এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত [[w:Birkbeck College|বার্কবেক কলেজের]] সাবেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন। == হবসবম সম্পর্কে উদ্ধৃতি == * 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-এর পরিপূরক হিসেবে উপস্থাপিত এই ব্যক্তিগত প্রতিকৃতিটি (ইন্টারেস্টিং টাইমস) হবসবমের বিংশ শতাব্দীর দৃষ্টিভঙ্গি এবং আধুনিকতার সামগ্রিক বর্ণনায় নতুন কী আলোকপাত করে? সামগ্রিক বিচারে, 'দ্য এজ অফ রেভোলিউশন', 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল', 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' এবং 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-কে একটি একক উদ্যোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে—এমন এক চতুষ্টয় (tetralogy) যার সমসাময়িক বিশ্ব গঠনের সুশৃঙ্খল বিবরণ হিসেবে অন্য কোনো তুলনা নেই। এই সবকটি গ্রন্থেই কিছু বিরল গুণের সংমিশ্রণ ঘটেছে: সংক্ষেপণের পরিমিতিবোধ; খুঁটিনাটি বর্ণনার সজীবতা; বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট সত্ত্বেও আঞ্চলিক পার্থক্যের তীব্র চেতনা; ফসল, শেয়ার বাজার, জাতি-শ্রেণি, রাষ্ট্রনায়ক-কৃষক এবং বিজ্ঞান-কলা—সব বিষয়েই অগাধ পাণ্ডিত্য ও সাবলীলতা; বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর প্রতি গভীর সহানুভূতি; বিশ্লেষণাত্মক বর্ণনার শক্তি; এবং সর্বোপরি অত্যন্ত স্বচ্ছ ও তেজোদীপ্ত একটি লিখনশৈলী। ** [[পেরি অ্যান্ডারসন]], "দ্য ভ্যানকুইশড লেফট: এরিক হবসবম", 'স্পেকট্রাম: ফ্রম রাইট টু লেফট ইন দ্য ওয়ার্ল্ড অফ আইডিয়াস' (২০০৫)-এ প্রকাশিত। * ইউরোপীয় তুলনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিতে, জাতীয় পতাকা বহনকারী এই শ্রমিকদের অদ্ভুত মনে হয় এবং তাদের গুরুত্ব খুব কমই বোঝা যায়। এমনকি মধ্য ইউরোপের প্রখ্যাত লেখক—যেমন [[আর্নেস্ট গেলনার|আর্নেস্ট গেলনার]] বা এরিক হবসবম—এই অঞ্চলের জাতীয়তাবাদের স্বাতন্ত্র্যকে একটি বৈশ্বিক সংজ্ঞায় খাপ খাওয়াতে গিয়ে এর আসল বৈশিষ্ট্যগুলোই ছেঁটে ফেলেছেন। হবসবমের ধারণা ছিল যে এটি পৃথিবীর প্রতিটি কোণেই প্রযোজ্য হবে, কিন্তু আমরা এই বইয়ে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের কাছে এই শব্দের অর্থ কী ছিল তা বোঝার চেষ্টা করেছি। সেই অঞ্চলে গেলনারের 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম' বইয়ের বৈশ্বিক মাপকাঠিগুলো হয় অপ্রাসঙ্গিক নয়তো গৌণ: যেমন [[জন স্টুয়ার্ট মিল|জন স্টুয়ার্ট মিলের]] ধারণা যে একটি জাতীয় রাষ্ট্রকে "সাশ্রয়ী" হতে হবে, বা জাতীয়তাবাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট আয়তন প্রয়োজন। চেক বা স্লোভেনীয়রা এই সব মাপকাঠি সম্পর্কে কিছুই জানত না এবং তারা এগুলো ছাড়াই তাদের ইতিহাস তৈরি করেছে। হবসবমের এই ধারণা যে ভাষা এবং ইতিহাস কোনো নির্ণায়ক মানদণ্ড নয়, তা পূর্ব-মধ্য ইউরোপের যে কারোর কাছে অর্থহীন মনে হতো—যদিও এটি মহাকাশ থেকে কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা জাতীয়তাবাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। ** জন কনেলি, 'ফ্রম পিপলস টু নেশনস: আ হিস্ট্রি অফ ইস্টার্ন ইউরোপ' (২০২০), পৃষ্ঠা ৭৯৬-৭৯৭। * এরিক হবসবম হয়তো অভিযোগ করতে পারেন যে আমি অন্যায় করছি এবং আমি আসলে অন্যরকম একটি বই আশা করেছিলাম। তিনি বলতে পারেন যে আমি এমন একটি বই চাই যা চিরস্থায়ী হবে এবং ভবিষ্যৎ শতাব্দীর ইতিহাসবিদদের আগ্রহের খোরাক হবে। আর তিনি ঠিকই বলেছেন, আমি আসলেই তা চাই। বিপরীতে, তিনি বলতে পারেন যে তাঁর বইটি "বিংশ শতাব্দীর একজন লেখকের দ্বারা বিংশ শতাব্দীর শেষের পাঠকদের জন্য লেখা", যাদের কাছে 'পুঁজিবাদ' এবং 'সমাজতন্ত্রের' সংঘাত, সামাজিক বিপ্লব, [[স্নায়ুযুদ্ধ]], এবং 'প্রকৃত সমাজতন্ত্রের' সীমাবদ্ধতা ও পতন নিয়ে আলোচনা করা সার্থক। তিনি মূলত সেই পাঠকদের জন্য লিখছেন যারা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের মূল থিম হিসেবে বিশ্ব কমিউনিজমের ট্র্যাজিক ও বীরত্বগাথাকে বিবেচনা করেন। কিন্তু বিশ্ব কমিউনিজমের এই যাত্রা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একমাত্র বা মূল থিম নয়। হবসবম আসলে কাদের জন্য তাঁর বইটি লিখছেন? বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের কোন অংশটুকু পাঠকদের জানা প্রয়োজন, তার জন্য কি আমরা 'এজ অফ এক্সট্রিমস' বইটির সুপারিশ করতে পারি? ** [[জে. ব্র্যাডফোর্ড ডিলং]], "লো মার্ক্স: আ রিভিউ অফ এরিক হবসবমস 'এজ অফ এক্সট্রিমস'" (১৯৯৫)। * [[১৯৬৮]] সালে আমি সেই মনোযোগী ও শ্রদ্ধাশীল ছাত্র শ্রোতাদের একজন ছিলাম, যাদের সামনে এরিক হবসবম ছাত্র র‍্যাডিক্যালিজমের সীমাবদ্ধতা নিয়ে কথা বলছিলেন। তাঁর উপসংহারটি আমার খুব মনে আছে, কারণ এটি তৎকালীন মেজাজের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। তিনি আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে, মাঝেমধ্যে পৃথিবী পরিবর্তন করা নয় বরং এটিকে ব্যাখ্যা করাই মুখ্য উদ্দেশ্য। কিন্তু বিশ্বকে ব্যাখ্যা করার জন্য এটি কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে সে সম্পর্কেও একটি সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন। তাঁর শেষ বইটি আমাদের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া এই বিশ্বের একটি চমত্কার, মেধাবী এবং সর্বদা বুদ্ধিদীপ্ত বিবরণ। এটি যদি তাঁর সেরা কাজগুলোর সমপর্যায়ের না-ও হয়, তবুও মনে রাখা উচিত যে তিনি নিজেই মেধার মানদণ্ড অনেক উঁচুতে সেট করেছেন। তবে বিশ্বে এক বা দুটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে—যেমন কমিউনিজমের মৃত্যু বা ইতিহাসের ওপর আস্থা হারানো—যা লেখককে খুব একটা খুশি করতে পারেনি। এটি দুঃখজনক, কারণ তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গি বইটির বিবরণকে এমনভাবে প্রভাবিত করেছে যা হয়তো নতুন পাঠকদের শিখতে নিরুৎসাহিত করবে। আমি বিংশ শতাব্দীর বর্ণনায় তাঁর সেই তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণ মিস করেছি যা তাঁকে উনবিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একজন অপরিহার্য পথপ্রদর্শক করে তুলেছিল। হবসবম আমাদের মনে করিয়ে দেন যে ইতিহাসবিদরা হলেন "সেই পেশাদার স্মৃতিকার যারা সাধারণ মানুষ যা ভুলে যেতে চায় তা মনে করিয়ে দেন।" এটি একটি অত্যন্ত কঠিন ও আপসহীন দায়িত্ব। ** [[টনি জাট]], "ডাউনহিল অল দ্য ওয়ে", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২৫ মে, ১৯৯৫)। * হবসবম তাঁর স্মৃতিকথা একটি উদ্দীপনামূলক বার্তার মাধ্যমে শেষ করেছেন: “এই সন্তোষজনক নয় এমন সময়েও আমাদের নিরস্ত্র হওয়া চলবে না। সামাজিক অবিচারের বিরুদ্ধে সবসময় প্রতিবাদ ও লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। পৃথিবী নিজে নিজে ভালো হবে না।” তিনি সব দিক থেকেই ঠিক। কিন্তু নতুন শতাব্দীতে ভালো কিছু করতে হলে আমাদের পুরনো শতাব্দীর সত্যগুলো বলতে হবে। হবসবম শয়তান বা অশুভ শক্তির মুখোমুখি হতে এবং একে তার আসল নামে ডাকতে অস্বীকার করেছেন; তিনি কখনও স্তালিন এবং তাঁর কর্মকাণ্ডের রাজনৈতিক ও নৈতিক উত্তরাধিকারকে গভীরভাবে বিচার করেননি। তিনি যদি গুরুত্বের সাথে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে কোনো আমূল পরিবর্তনের মশাল হস্তান্তর করতে চান, তবে এটি সঠিক পথ নয়। ** [[টনি জাট]], "দ্য লাস্ট রোমান্টিক", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২০ নভেম্বর, ২০০৩)। * হবসবম যেমনটি তাঁর 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' বইতে বলেছিলেন, তিনি মূলত একটি ‘যুক্তির উন্মোচন’ লিখছিলেন। সেই যুক্তির মূল কথা হলো—ঐতিহাসিক গুরুত্বের ক্ষেত্রে সংস্কৃতির চেয়ে অর্থনীতি, নারীর চেয়ে পুরুষ এবং বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে পশ্চিমের গুরুত্ব বেশি। তাঁর বর্ণনায় অনেক কিছু বাদ পড়াটা কোনো ভুল ছিল না বরং এটি ছিল তাঁর চিন্তাধারারই অংশ। অন্যভাবে বলতে গেলে, হবসবমকে নতুনভাবে মূল্যায়ন করতে হলে তাঁর এই মূল ধারণাগুলোকে চ্যালেঞ্জ করতে হবে। ** [[w:Susan Pedersen|সুসান পেডারসেন]], "আই ওয়ান্ট টু লাভ ইট", 'লন্ডন রিভিউ অফ বুকস' (১৮ এপ্রিল, ২০১৯)। * হবসবমকে একবার জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি হ্যাম্পস্টেড ম্যানশনের মতো অত্যন্ত দামি বাড়িতে বাস করাকে কীভাবে সমর্থন করেন। উত্তরে তিনি রসিকতা করে বলেছিলেন, যদি কেউ [[w:Titanic|টাইটানিক]] জাহাজে ভ্রমণ করে, তবে তার প্রথম শ্রেণীতে চড়েই ডুবে যাওয়া ভালো। রসিকতা হিসেবে এটি চমত্কার। কিন্তু যদি ১৯৮৯ সালে সমস্ত বরফ গলে যায় (কমিউনিজমের পতন হয়), তবে কী হবে? ** [[w:John Sutherland (author)|জন সাদারল্যান্ড]], 'দ্য টাইমস' (২৩ জানুয়ারি, ২০১৬)। * ১৯৯৫ সালে যখন তিনি '[[w:Desert Island Discs|ডেজার্ট আইল্যান্ড ডিস্কস]]'-এ উপস্থিত হয়েছিলেন, তখন তিনি বিলি হলিডের একটি গান বেছে নেওয়ার পাশাপাশি ইতিহাস নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছিলেন। উপস্থাপক সু ললি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, যদি লক্ষ লক্ষ জীবনের বিনিময়ে বিশ্ববিপ্লব আনা সম্ভব হতো, তবে কি তা সার্থক হতো? তিনি দ্বিধাহীনভাবে উত্তর দিয়েছিলেন—হ্যাঁ। মাইকেল ইগনাটিয়েফ কর্তৃক টেলিভিশনে গৃহীত এক সাক্ষাৎকারে হবসবমকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, ১৯৩৪ সালে স্তালিন কর্তৃক লক্ষ লক্ষ মানুষকে জোরপূর্বক অভুক্ত রাখার কথা জানলে কি তাঁর কমিউনিস্ট হওয়ার ইচ্ছা বদলে যেত? তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, "সম্ভবত না"। তিনি শান্তভাবে আরও যোগ করেন যে, যদি সোভিয়েত ইউনিয়ন বিশ্ববিপ্লবের সূচনা করতে পারত, তবে ১৫-২০ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু যুক্তিযুক্ত হতে পারত। ** [[এ. এন. উইলসন]], 'অন দ্য রং সাইড অফ হিস্ট্রি', 'দ্য টাইমস স্যাটারডে রিভিউ' (২৬ জানুয়ারি, ২০১৯)। * হবসবমের ইতিহাসের প্রধান সমস্যা ছিল যে তাঁর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল [[কার্ল মার্ক্স|কার্ল মার্ক্সের]] তত্ত্বগুলোকে সত্য প্রমাণ করা। শোকসংবাদ লেখকরা দাবি করেছিলেন যে তিনি কখনও [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদী]] মতাদর্শের দাস ছিলেন না বা তাঁর কাজ ছিল "সর্বদা সূক্ষ্ম ও মার্জিত", কিন্তু বাস্তবতা ছিল এর বিপরীত। ** কিথ উইন্ডশাটল, "দ্য নট-সো-গ্রেট এরিক হবসবম", 'কোয়াড্র্যান্ট' (১ নভেম্বর ২০১২)। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইতিহাসবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:কমিউনিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্ক্সবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্যাসিবাদ বিরোধী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১২-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:আলেকজান্দ্রিয়ার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রিটিশ একাডেমির ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:রয়্যাল সোসাইটি অফ লিটারেচারের ফেলো]] m4nu6dco4ifzeqabve3g2waig1iqeon 78578 78576 2026-04-19T12:37:26Z SMontaha32 3112 78578 wikitext text/x-wiki [[File:Eric Hobsbawm.jpg|thumb|right|২০১১ সালে এরিক হবসবম]] '''[[w:Eric Hobsbawm|এরিক জন আর্নেস্ট হবসবম]]''', [[w:Companion of Honour|সিএইচ]], [[w:Fellow of the Royal Society of Literature|এফআরএসএল]], [[w:Fellow of the British Academy|এফবিএ]] ([[৯ জুন]] [[১৯১৭]] – [[১ অক্টোবর]] [[২০১২]]) ছিলেন একজন ব্রিটিশ মার্ক্সবাদী ইতিহাসবিদ ও লেখক। তিনি [[w:Communist Party of Great Britain|কমিউনিস্ট পার্টি অব গ্রেট ব্রিটেনের]] (১৯২০–১৯৯১) একজন প্রধান তাত্ত্বিক এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত [[w:Birkbeck College|বার্কবেক কলেজের]] সাবেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন। == উদ্ধৃতি == * আমাদের যুগের বুদ্ধিজীবী এবং [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদের]] মধ্যে যে প্রেমের সম্পর্ক দেখা যায়, তা পশ্চিম ইউরোপে তুলনামূলকভাবে দেরিতে শুরু হয়েছিল। যদিও রাশিয়ায় এটি [[কার্ল মার্ক্স|মার্ক্সের]] জীবদ্দশাতেই শুরু হয়। ** "বুদ্ধিজীবী এবং কমিউনিজম" (১৯৬৪), 'রেভোলিউশনারিস: কনটেম্পোরারি এসেস' (১৯৭৩)-এ প্রকাশিত। * প্রথমত, সম্ভবত কোনো বড় ধরনের [[বিপ্লব]] সফল করার জন্য যে অতিমানবীয় প্রচেষ্টার প্রয়োজন হয়, তা তৈরির জন্য [[কল্পরাজ্য|ইউটোপিয়াবাদ]] একটি প্রয়োজনীয় সামাজিক কৌশল। ** 'প্রিমিটিভ রেবেলস: স্টাডিজ ইন আর্কাইক ফর্মস অফ সোশ্যাল মুভমেন্ট ইন দ্য নাইনটিনথ অ্যান্ড টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরিস' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ৬০। * ইতিহাসবিদরা [[জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদের]] কাছে ঠিক তেমনই, যেমন [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] পোস্ত চাষীরা [[আসক্তি|হেরোইন আসক্তদের]] কাছে: আমরা বাজারের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সরবরাহ করি। '''অতীতহীন জাতি একটি স্ববিরোধী ধারণা।''' অতীতই একটি জাতি গঠন করে এবং অন্য জাতির বিরুদ্ধে নিজের অস্তিত্বের ন্যায্যতা দেয়। ইতিহাসবিদরাই সেই অতীত তৈরি করেন। তাই আমার পেশাটি রাজনীতির সাথে মিশে গিয়ে জাতীয়তাবাদের একটি অপরিহার্য উপাদানে পরিণত হয়েছে। ** "এথনিসিটি অ্যান্ড ন্যাশনালিজম ইন ইউরোপ টুডে" (ফেব্রুয়ারি ১৯৯২), 'অ্যানথ্রোপোলজি টুডে'। * [[উদারতাবাদ]] ব্যর্থ হচ্ছিল। আমি যদি [[ইহুদি]] না হয়ে [[জার্মান]] হতাম, তবে সম্ভবত আমি একজন [[নাৎসিবাদ|নাৎসি]] বা [[w:German_nationalist|জার্মান জাতীয়তাবাদী]] হতাম। আমি বুঝতে পারতাম তারা জাতি রক্ষার বিষয়ে কতটা আবেগপ্রবণ ছিল। সেটি এমন এক সময় ছিল যখন বিশ্বকে আমূল পরিবর্তন না করলে কোনো ভবিষ্যৎ আছে বলে কেউ বিশ্বাস করত না। ** এরিক হবসবমের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, মায়া জাগি কর্তৃক 'দ্য গার্ডিয়ান'-এ প্রকাশিত “আ কোয়েশ্চেন অফ ফেইথ” (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০২)। * মনে হচ্ছে [[বিদেশাতঙ্ক|জেনোফোবিয়া]] বা বিদেশাতঙ্ক বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের একটি গণ-আদর্শে পরিণত হতে যাচ্ছে। ** 'ডিভাইডেড ইউরোপীয়ানস: আন্ডারস্ট্যান্ডিং এথনিসিটিস ইন কনফ্লিক্ট' (১৯৯৯), পৃষ্ঠা ৪১। * [[লন্ডন|লন্ডনের]] দিকে তাকান। আমাদের সবার কাছেই লন্ডনের অর্থনীতির সমৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু রাজধানীর নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় উৎপন্ন বিশাল সম্পদের পরীক্ষা এই নয় যে এটি ব্রিটেনের মোট জিডিপিতে ২০-৩০% অবদান রাখছে। বরং পরীক্ষাটি হলো এটি সেখানে বসবাসকারী লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে কী প্রভাব ফেলছে। তারা সেখানে থাকার সামর্থ্য রাখে কি না? যদি না রাখে, তবে লন্ডন অতি-ধনীদের স্বর্গরাজ্য হওয়া তাদের জন্য কোনো সান্ত্বনা নয়। তারা কি উপযুক্ত বেতনের চাকরি পায়? যদি না পায়, তবে মিশেলিন-স্টার রেস্তোরাঁ বা নামী শেফদের নিয়ে বড়াই করবেন না। কিংবা শিশুদের শিক্ষার কথা ধরুন; লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এক দল নোবেল বিজয়ী থাকলেই অপর্যাপ্ত স্কুলগুলোর অভাব পূরণ হয় না। ** 'দ্য গার্ডিয়ান' (২০০৯)। * বিশ্বজুড়ে যেভাবে [[ভারত|ভারতীয়]] ও [[চীন|চীনা]] রেস্তোরাঁর বিস্তার ঘটছে, তা থেকে বোঝা যায় যে [[বিদেশাতঙ্ক|জেনোফোবিয়া]] বিদেশি মানুষের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়, বিদেশি সাংস্কৃতিক আমদানির বিরুদ্ধে নয়। ** 'ম্যাপিং দ্য নেশন' (১৩ নভেম্বর ২০১২), পৃষ্ঠা ২৬৩। === 'দ্য এজ অফ রেভোলিউশন' (১৯৬২) === * ইতিহাসের জালকে ছিঁড়ে আলাদা সুতোয় ভাগ করা সম্ভব নয়, কারণ এতে ইতিহাস ধ্বংস হয়ে যায়। তবে ব্যবহারিক প্রয়োজনে বিষয়টিকে কিছু উপবিভাগে ভাগ করা অপরিহার্য। ** প্রস্তাবনা * '''শব্দ হলো এমন সাক্ষী যা নথিপত্রের চেয়েও জোরালোভাবে কথা বলে।''' ইংরেজি ভাষার এমন কিছু শব্দের কথা ভাবুন যা এই ষাট বছরের সময়কালে আবিষ্কৃত হয়েছে বা আধুনিক অর্থ পেয়েছে। যেমন '[[শিল্প]]', '[[শিল্পপতি]]', '[[কারখানা]]', '[[w:Middle_class|মধ্যবিত্ত]]', '[[শ্রমজীবী শ্রেণি]]' এবং '[[সমাজতন্ত্র]]'। এর মধ্যে আরও আছে '[[অভিজাততন্ত্র]]', '[[রেলপথ]]', '[[উদারনীতি|উদারপন্থী]]', '[[রক্ষণশীলতা|রক্ষণশীল]]', '[[জাতীয়তা]]', '[[বিজ্ঞানী]]', '[[প্রকৌশল|প্রকৌশলী]]', '[[সর্বহারা]]' এবং অর্থনৈতিক 'সংকট'। ** ভূমিকা * 'আলোকায়ন' বা এনলাইটেনমেন্টকে কঠোরভাবে মধ্যবিত্তের আদর্শ বলা সঠিক হবে না। যদিও অনেক আলোকায়িত ব্যক্তি মনে করতেন যে মুক্ত সমাজ মানেই একটি [[পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদী]] সমাজ হবে। তাত্ত্বিকভাবে এর লক্ষ্য ছিল সকল মানুষকে মুক্ত করা। সব [[প্রগতিশীলতা|প্রগতিশীল]], [[যুক্তিদাল|যুক্তিবাদী]] ও [[মানবতাবাদ|মানবতাবাদী]] আদর্শ এর মধ্যেই নিহিত ছিল। তবে বাস্তবে এই মুক্তির আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল সমাজের মধ্যবিত্ত স্তর। জন্মগত পরিচয়ের চেয়ে মেধা ও যুক্তিবাদী মানুষের মাধ্যমেই একটি '[[বুর্জোয়া]]' ও পুঁজিবাদী সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল। ** অধ্যায় ১: ১৭৮০-এর দশকের বিশ্ব * শিল্প বিপ্লবের প্রথম দুই প্রজন্মে ব্রিটেনের মৌলিক সত্যটি ছিল এই যে, সম্পদশালী ও ধনী শ্রেণি এত দ্রুত এবং এত বিশাল পরিমাণ আয় পুঞ্জীভূত করেছিল যা তাদের ব্যয় বা বিনিয়োগের সামর্থ্যকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ** অধ্যায় ২: শিল্প বিপ্লব * [[ফ্রান্স]] বিশ্বের অধিকাংশ দেশকে আইনের ধারা ([[w:Napoleonic_code|নেপোলিয়নিক কোড]]), বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সংগঠনের মডেল এবং পরিমাপের [[w:Metric_system|মেট্রিক পদ্ধতি]] উপহার দিয়েছে। আধুনিক বিশ্বের আদর্শগুলো প্রথম ফ্রান্সের প্রভাবেই প্রাচীন সভ্যতাগুলোতে প্রবেশ করেছিল। এটি ছিল [[ফরাসি বিপ্লব|ফরাসি বিপ্লবের]] কাজ। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * নেপোলিয়ন সংক্রান্ত মিথ বা কিংবদন্তি তাঁর ব্যক্তিগত গুণের চেয়ে তাঁর অনন্য ক্যারিয়ারের ওপর বেশি প্রতিষ্ঠিত। অতীতের বিখ্যাত বিশ্বজয়ীরা রাজা বা অভিজাত পরিবারে জন্মাতেন, কিন্তু [[নেপোলিয়ন বোনাপার্ট|নেপোলিয়ন]] ছিলেন একজন সাধারণ সৈনিক যিনি কেবল প্রতিভার জোরে একটি মহাদেশ শাসন করেছিলেন। এটি পুরোপুরি সত্য না হলেও তাঁর উত্থান ছিল রূপকথার মতো। এর ফলে প্রতিটি তরুণ বুদ্ধিজীবী এবং ব্যবসায়ী তাঁর মাঝে নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষা খুঁজে পেয়েছিল। তিনি বিপ্লবের মানুষ ছিলেন আবার স্থিতিশীলতারও কারিগর ছিলেন। তিনি ফ্রান্সের শাসনব্যবস্থা ও আইনকানুনকে আধুনিক রূপ দিয়েছিলেন। তাঁর পতনের পর 'বোনাপার্টবাদ' একটি আদর্শ হিসেবে টিকে ছিল কারণ তিনি সাধারণ মানুষের মনে বড় হওয়ার স্বপ্ন জাগিয়েছিলেন। তিনি কেবল একটি জিনিস ধ্বংস করেছিলেন: জেকোবিন বিপ্লব—সেই সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার স্বপ্ন। কিন্তু তাঁর পতনের পর তাঁর স্মৃতির চেয়ে সেই আদর্শই উনবিংশ শতাব্দীর বিপ্লবগুলোকে বেশি অনুপ্রাণিত করেছিল। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * রাজনৈতিক ভূগোলের দিক থেকে ফরাসি বিপ্লব ইউরোপীয় মধ্যযুগের অবসান ঘটিয়েছিল। ** অধ্যায় ৪: যুদ্ধ * যুদ্ধের সবচেয়ে ভয়ংকর ঝুঁকি ছিল অবহেলা, নোংরা পরিবেশ, দুর্বল সংগঠন, ত্রুটিপূর্ণ চিকিৎসা পরিষেবা এবং স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে অজ্ঞতা। এই পরিস্থিতি প্রায় প্রতিটি সৈন্যকেই ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। ** অধ্যায় ৪: যুদ্ধ * আন্তর্জাতিক শান্তি চুক্তির একটি বিশেষ দিক ছিল [[w:Slave_Trade_Act_1807|আন্তর্জাতিক দাস ব্যবসা বিলোপ]]। এর পেছনে মানবিক ও অর্থনৈতিক—উভয় কারণই ছিল। [[দাসত্ব]] ছিল ভয়ংকর এবং অত্যন্ত অদক্ষ একটি ব্যবস্থা। ব্রিটেনের মতো শক্তিশালী দেশগুলোর কাছে ১৮১৫-৪৮ সালের অর্থনীতি আর মানুষের বিক্রির ওপর নির্ভরশীল ছিল না বরং তা সুতির কাপড়ের ওপর নির্ভর করতে শুরু করেছিল। তবে দাসপ্রথার প্রকৃত বিলোপ খুব ধীরগতিতে হয়েছিল। ** অধ্যায় ৫: শান্তি * ১৮১৫ পরবর্তী প্রজন্মে ইতিহাসকে আটকে রাখার ক্ষেত্রে সরকারগুলোর অক্ষমতা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ফরাসি বিপ্লবের পুনরাবৃত্তি ঠেকানোই ছিল তৎকালীন শক্তিগুলোর প্রধান লক্ষ্য। তা সত্ত্বেও ইউরোপীয় ইতিহাসে বিপ্লববাদ এত দ্রুত এবং ব্যাপকভাবে আর কখনও ছড়িয়ে পড়েনি। ** অধ্যায় ৬: বিপ্লবসমূহ * অন্য কোথাও জাতীয়তাবাদের মতো কিছু খুঁজে পাওয়া অসম্ভব ছিল, কারণ সেখানে এর সামাজিক পরিবেশ ছিল না। আসলে শুরুতে যে শক্তিগুলো জাতীয়তাবাদ তৈরি করার কথা ছিল, তারাই ঐতিহ্য, ধর্ম ও গণদারিদ্র্যের সাথে মিলে পশ্চিমা বিজেতাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। ** অধ্যায় ৭: জাতীয়তাবাদ * ফরাসি বিপ্লবের প্রভাব, আমলাদের যুক্তিবাদী অর্থনৈতিক যুক্তি এবং [[অভিজাততন্ত্র|অভিজাতদের]] লোভ—এই তিনটি কারণ ১৮০৭ থেকে ১৮১৬ সালের মধ্যে প্রুশিয়ার কৃষকদের মুক্তির পথ নির্ধারণ করেছিল। ** অধ্যায় ৮: ভূমি * দ্বৈত বিপ্লবের সমস্ত অর্থনৈতিক পরিণতির মধ্যে '[[উন্নত দেশ|উন্নত]]' এবং '[[উন্নয়নশীল দেশ|অনুন্নত]]' দেশগুলোর মধ্যে বিভাজনটিই ছিল সবচেয়ে গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী। ** অধ্যায় ৯: শিল্প বিশ্বের দিকে * বংশমর্যাদার অভাব বা বৈষম্যের কারণে যারা এতদিন অবহেলিত ছিল, সেই [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী|সংখ্যালঘুরাই]] মেধার ভিত্তিতে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগকে সবচেয়ে বেশি স্বাগত জানিয়েছিল। ** অধ্যায় ১০: মেধার ভিত্তিতে ক্যারিয়ার * শ্রমিকদের জন্য পালানো বা হার মেনে নেওয়ার বিকল্প ছিল বিদ্রোহ। শ্রমজীবী দরিদ্রদের অবস্থা এমন ছিল যে বিদ্রোহ করা তাদের জন্য কেবল সম্ভবই ছিল না বরং বাধ্যতামূলক হয়ে পড়েছিল। উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে শ্রমিক ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের উত্থান ছিল অনিবার্য। ** অধ্যায় ১১: শ্রমজীবী দরিদ্র * ইতিহাসের অধিকাংশ সময় এবং বিশ্বের বেশিরভাগ জায়গায় (চীন সম্ভবত এর ব্যতিক্রম) মানুষ প্রথাগত ধর্মের মাধ্যমেই বিশ্বকে চিন্তা করত। এমনকি কিছু দেশে '[[খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টান]]' শব্দটি কেবল '[[কৃষক]]' বা '[[মানুষ]]' শব্দের সমার্থক ছিল। ** অধ্যায় ১২: আদর্শ: ধর্ম * ধর্ম একসময় আকাশের মতো ছিল যা থেকে কেউ পালাতে পারত না। কিন্তু আধুনিক যুগে এটি মেঘের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে—যা বিশাল কিন্তু সীমিত এবং পরিবর্তনশীল। আদর্শিক পরিবর্তনের মধ্যে এটিই সবচেয়ে গভীর। ** অধ্যায় ১২: আদর্শ: ধর্ম * বুর্জোয়াদের বিজয় ফরাসি বিপ্লবকে এনলাইটেনমেন্টের ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শে রঞ্জিত করেছিল। যেহেতু এই বিপ্লবের ভাষা পরবর্তী সকল বিপ্লবের সাধারণ ভাষা হয়ে উঠেছিল, তাই এটি [[ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ|ধর্মনিরপেক্ষতাকেও]] ছড়িয়ে দিয়েছিল। ** অধ্যায় ১২: আদর্শ: ধর্ম * ক্লাসিক্যাল উদারতাবাদের ‘মানুষ’ (যার প্রতীক ছিলেন [[রবিনসন ক্রুসো]]) ছিল এমন এক সামাজিক প্রাণী যে কেবল অনেকের সাথে সহাবস্থান করত। সামাজিক লক্ষ্যগুলো ছিল ব্যক্তিগত লক্ষ্যগুলোর গাণিতিক যোগফল। সুখ ছিল প্রতিটি ব্যক্তির সর্বোচ্চ উদ্দেশ্য এবং সমাজের লক্ষ্য ছিল সর্বাধিক মানুষের সর্বাধিক সুখ নিশ্চিত করা। ** অধ্যায় ১৩: আদর্শ: ধর্মনিরপেক্ষতা * এমনকি ক্ষুদ্র সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর শিল্পকলাও সমগ্র মানবতাকে কাঁপিয়ে দেওয়া ভূমিকম্পের প্রতিধ্বনি করতে পারে। আমাদের সময়ের সাহিত্য ও [[শিল্পকলা|শিল্পকলায়]] তা দেখা গেছে এবং এর ফলাফল ছিল '[[রোমান্টিকতাবাদ]]'। রোমান্টিকদের নিজেদের বর্ণনা অনেক সময় যুক্তিহীন মনে হলেও তাদের লক্ষ্য ছিল দৃঢ়। ** অধ্যায় ১৪: শিল্পকলা * বিজ্ঞান ও শিল্পকলার মধ্যে সমান্তরাল রেখা টানা সবসময়ই বিপজ্জনক। তবুও বিজ্ঞানও দ্বৈত বিপ্লবের প্রতিফলন ঘটিয়েছে। কারণ এই বিপ্লব বিজ্ঞানের কাছে নতুন দাবি পেশ করেছিল এবং নতুন চিন্তার দুয়ার খুলে দিয়েছিল। ** অধ্যায় ১৫: বিজ্ঞান * বিজ্ঞানের অগ্রগতি কেবল একটি সরলরেখায় চলে না। প্রতিটি পর্যায় আগের সমস্যার সমাধান করে এবং নতুন সমস্যার জন্ম দেয়। ** অধ্যায় ১৫: বিজ্ঞান * '''১৮৩১ সালে [[ভিক্টর হুগো]] লিখেছিলেন যে তিনি বিপ্লবের শব্দ শুনতে পাচ্ছেন, যা মাটির গভীর থেকে প্যারিস হয়ে পুরো ইউরোপের রাজতন্ত্রের নিচে সুরঙ্গ তৈরি করছে। ১৮৪৭ সালে সেই শব্দ তীব্র হয়ে ওঠে এবং ১৮৪৮ সালে বিস্ফোরণ ঘটে।''' ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার: ১৮৪৮-এর দিকে === 'ব্যান্ডিটস' (১৯৬৯; ১৯৭২; ১৯৮১) === * '''মানুষ ডাকাতদের সাথে দেখা করতে পছন্দ না করলেও অন্ধকার রাতে তাদের সম্পর্কে পড়তে সবাই পছন্দ করে।''' ** প্রস্তাবনা * সামাজিক ডাকাতরা হলো সেইসব কৃষক বহিষ্কৃত যাদের প্রভু এবং রাষ্ট্র অপরাধী মনে করে, কিন্তু যারা কৃষক সমাজের অংশ হিসেবেই থাকে। তাদের সমাজ তাদের বীর, রক্ষক বা ন্যায়বিচারের যোদ্ধা হিসেবে গণ্য করে। সাধারণ কৃষক এবং এই বিদ্রোহীদের মধ্যকার সম্পর্কই সামাজিক ডাকাতিকে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে। ** অধ্যায় ১: সামাজিক ডাকাতি কী? * ডাকাত হওয়া মানেই স্বাধীনতা। কিন্তু কৃষক সমাজে খুব কম মানুষই মুক্ত হতে পারে। অধিকাংশ মানুষই সামন্ত প্রভু এবং শ্রমের শিকলে বন্দী থাকে। কৃষকদের অর্থনৈতিক দুর্বলতার চেয়েও তাদের গতিহীনতা তাদের ওপর কর্তৃপক্ষের আধিপত্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। ** অধ্যায় ২: কারা ডাকাত হয়? === 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল' (১৯৭৫) === * ১৭৮৯ থেকে ১৮৪৮ সালের বিপ্লবের দ্বৈততা সেই সময়কালকে একটি ঐক্য ও ভারসাম্য দান করেছে। এর কালানুক্রমিক সীমা সুনির্দিষ্ট হওয়ায় এটি সম্পর্কে লেখা বা পড়া তুলনামূলক সহজ। ** ভূমিকা * সামাজিক-অর্থনৈতিক কাঠামো এবং রাজনীতি বিপ্লবী অঞ্চলকে দুটি ভাগে বিভক্ত করেছিল। বড় শহরগুলোর তুলনায় মফস্বল বা গ্রামাঞ্চলই প্রধান ছিল, যদিও রাজনীতিতে শহরের গুরুত্ব অনেক বেশি ছিল। ** অধ্যায় ১: 'জনগণের বসন্তকাল' * সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষাকারীদের জনগণের রাজনীতি সম্পর্কে শিখতে হয়েছিল। এটি ছিল ১৮৪৮-এর বিপ্লবের প্রধান উদ্ভাবন। এমনকি ঘোর প্রতিক্রিয়াশীলরাও বুঝতে পেরেছিল যে জনমতকে প্রভাবিত করার জন্য তাদের নিজস্ব সংবাদপত্রের প্রয়োজন। ** অধ্যায় ১: 'জনগণের বসন্তকাল' * যখন আমরা আগের সময়ের 'বিশ্ব ইতিহাস' লিখি, তখন আমরা আসলে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশের ইতিহাস যোগ করি যাদের নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ছিল খুব সামান্য। ** অধ্যায় ৩: ঐক্যবদ্ধ বিশ্ব * আজ আমরা বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে যেভাবে বিশ্বকে প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিকভাবে একে অপরের সাথে যুক্ত হতে দেখি, উনবিংশ শতাব্দীতে পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল। আধুনিক বিশ্ব অনেক বেশি মানসম্মত বা স্ট্যান্ডার্ডাইজড হয়ে গেছে কারণ এখন মেশিনের সংখ্যা অনেক বেশি। ** অধ্যায় ৩: ঐক্যবদ্ধ বিশ্ব * যদি জাতীয়তাবাদ একটি ঐতিহাসিক শক্তি হয়ে থাকে, তবে '[[গণতন্ত্র]]' বা রাষ্ট্রীয় কাজে সাধারণ মানুষের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা ছিল অন্য একটি শক্তি। যেখানে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনগুলো গণআন্দোলনে পরিণত হয়েছিল, সেখানে এই দুটি শক্তি একই সাথে কাজ করেছে। ** অধ্যায় ৬: গণতন্ত্রের শক্তি * উদারতাবাদের বিজয়ের যুগ শুরু হয়েছিল একটি [[w:revolutions_of_1848|পরাজিত বিপ্লবের]] মাধ্যমে এবং শেষ হয়েছিল একটি দীর্ঘায়িত মন্দার মধ্য দিয়ে। ইতিহাস সবসময় ঐতিহাসিকদের সুবিধার কথা চিন্তা করে না। ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার === 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' (১৯৮৭) === * যখন ইতিহাসবিদরা এমন একটি সময় নিয়ে কাজ করেন যেখানে প্রত্যক্ষদর্শীরা জীবিত আছেন, তখন ইতিহাসের দুটি ভিন্ন ধারণা একে অপরের মুখোমুখি হয়: পাণ্ডিত্যপূর্ণ ইতিহাস এবং ব্যক্তিগত স্মৃতি। প্রত্যেকের স্মৃতিই ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলেও তা সবসময় নির্ভরযোগ্য নয়। ** ওভ্যাচার (Overture) * ১৮৭০-এর দশকের পর্যবেক্ষকদের কাছে ইতিহাস মানেই ছিল উন্নতি বা প্রগতি। পরিমাপযোগ্য সবকিছুর ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফ দিয়েই এই প্রগতি মাপা হতো। মানুষের জ্ঞান ও প্রকৃতি পরিবর্তনের ক্ষমতাকে তখন অগ্রগতির চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে দেখা হতো। ** অধ্যায় ১: শতবর্ষী বিপ্লব * পুঁজিবাদী ব্যবস্থার প্রসার এমন এক বিশ্ব তৈরি করেছিল যেখানে 'উন্নত' দেশগুলো 'অনুন্নত' দেশগুলোর ওপর আধিপত্য বিস্তার করেছিল। এটিই ছিল সাম্রাজ্যের যুগ। ১৮৭৫ থেকে ১৯১৪ সালের মধ্যে ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শাসক নিজেদের '[[সম্রাট]]' উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। ** অধ্যায় ৩: সাম্রাজ্যের যুগ === 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম সিন্স ১৭৮০' (১৯৯২) === * [উ] কোনো সিরিয়াস ইতিহাসবিদ একজন একনিষ্ঠ রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদী হতে পারেন না... জাতীয়তাবাদ এমন অনেক কিছু বিশ্বাস করতে বাধ্য করে যা আসলে সত্য নয়। ** পৃষ্ঠা ১২। * ব্যাপক বহিষ্কার এমনকি গণহত্যা বিংশ শতাব্দীর শুরুতে ইউরোপের দক্ষিণ প্রান্তে দেখা দিতে শুরু করেছিল। ১৯১৫ সালে তুর্কিরা [[আর্মেনীয় গণহত্যা|আর্মেনীয়দের ব্যাপক নিধন]] শুরু করে এবং গ্রিক-তুর্কি যুদ্ধের পর লক্ষ লক্ষ গ্রিককে তাদের আদি নিবাস থেকে বিতাড়িত করা হয়। পরবর্তীতে অ্যাডলফ হিটলারও একই যুক্তি ব্যবহার করে ইহুদিদের নির্মূল এবং জার্মানদের স্থানান্তরের ব্যবস্থা করেছিলেন। ** পৃষ্ঠা ১৩৩। === 'দ্য এজ অফ এক্সট্রিমস' (১৯৯২) === * '''আমার লক্ষ্য হলো কেন পরিস্থিতি এমন হলো এবং কীভাবে সব কিছু একে অপরের সাথে যুক্ত তা বোঝা এবং ব্যাখ্যা করা।''' আমার বয়সী যারা এই ছোট বিংশ শতাব্দী দেখেছে, তাদের জন্য এটি একটি আত্মজীবনীমূলক প্রচেষ্টাও বটে। আমরা আমাদের নিজেদের স্মৃতিকেই আরও বিস্তৃত এবং সংশোধন করছি। ** ভূমিকা * অতীতের ধ্বংস বা সামাজিক প্রক্রিয়ার সাথে বর্তমান অভিজ্ঞতার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের অন্যতম অদ্ভুত ঘটনা। ** ভূমিকা: আ বার্ডস আই ভিউ * '''১৯৮০-র দশকের শেষে যে বিশ্বটি ভেঙে পড়েছিল, সেটি ১৯১৭ সালের [[রুশ বিপ্লব|রুশ বিপ্লবের]] প্রভাবে গঠিত হয়েছিল।''' * '''সহজ কথায় বললে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণ কে বা কী ছিল—তার উত্তর মাত্র দুটি শব্দে দেওয়া যায়: [[অ্যাডলফ হিটলার]]।''' ** পৃষ্ঠা ৩৬। * পুঁজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থার জন্য মানুষ খুব একটা দক্ষতার সাথে তৈরি হয়নি। ** পৃষ্ঠা ৪১৪। * ক্ষমতায় থাকা কমিউনিজমের কৌতুক বা প্যারাডক্স ছিল এই যে এটি ছিল রক্ষণশীল। ** পৃষ্ঠা ৪২২। * কেন প্রতিভাবান ফ্যাশন ডিজাইনাররা পেশাদার ভবিষ্যৎবক্তাদের চেয়েও ভালোভাবে আগাম পরিস্থিতি বুঝতে পারেন, তা ইতিহাসের এক রহস্যময় প্রশ্ন। ** অধ্যায় ৬: শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের সাংস্কৃতিক বিপ্লবকে সমাজের ওপর ব্যক্তির জয় হিসেবে দেখা যেতে পারে। মানুষের মধ্যকার সামাজিক বন্ধনগুলো ভেঙে যাওয়ার ফলে এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। পুরনো নৈতিক ভাষা—অধিকার, কর্তব্য, ত্যাগ ও পুণ্য—এখন নতুন ভাষায় অনুবাদ করা সম্ভব নয়। '''অনিশ্চয়তা এবং অনির্দেশ্যতা ঘনিয়ে এল। কম্পাসের কাঁটার উত্তর দিক হারিয়ে গেল, মানচিত্র হয়ে পড়ল অকেজো।''' ** অধ্যায় ১১: সাংস্কৃতিক বিপ্লব * '''অক্টোবর বিপ্লবের ট্র্যাজেডি ছিল এই যে এটি কেবল এক ধরনের নির্মম, নিষ্ঠুর এবং আদেশনির্ভর সমাজতন্ত্রই তৈরি করতে পেরেছিল।''' ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের অবসান * যখনই মহিলারা কোনো পেশায় ভিড় করেছেন, যেমন [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়নে]] চিকিৎসা পেশায়, তখনই সেই পেশার মর্যাদা এবং আয় কমে গেছে। পশ্চিমা নারীবাদীদের বিপরীতে, বেশিরভাগ বিবাহিত সোভিয়েত নারী ঘরে থেকে কেবল একটি কাজ করার স্বপ্ন দেখতেন। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের অবসান === 'অন হিস্ট্রি' (১৯৯৭) === * ইতিহাসকে মিথ বা কল্পনা দিয়ে প্রতিস্থাপন করার চেষ্টা কেবল বুদ্ধিবৃত্তিক কৌতুক নয়। জাপানি কর্তৃপক্ষ যেভাবে তাদের পাঠ্যবই থেকে যুদ্ধের ন্যাক্কারজনক অধ্যায় সরিয়ে দিয়েছিল, তা এর প্রমাণ। পরিচয় ভিত্তিক রাজনীতিতে নিজেদের শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করতে মিথ ও আবিষ্কার এখন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। ** অধ্যায় ১: ইতিহাসের বাইরে ও ভেতরে * আমরা মাছের মতো অতীতের মধ্যেই সাঁতার কাটি এবং এটি থেকে বের হতে পারি না। অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ একটি নিরবচ্ছিন্ন ধারার অংশ। আমরা এটি থেকে শিক্ষা নিতে পারি, যদিও অনেক সময় আমরা ভুল শিক্ষা নিই। ** অধ্যায় ২ ও ৩ * ইতিহাসবিদরা হলেন সেই মানুষ যারা সমাজ কীভাবে কাজ করে তা খুঁজে বের করেন। তৃণমূল পর্যায়ের ইতিহাসবিদদের সুবিধা হলো তারা জানেন যে তারা অনেক কিছু জানেন না। তারা সাধারণ মানুষের চাওয়া-পাওয়াকে গুরুত্ব দেন, যা অনেক সময় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ধারণার চেয়ে ভিন্ন হয়। সমাজ ব্যবস্থাপকদের উচিত ইতিহাসবিদদের কথা শোনা। ** অধ্যায় ১৬: নিচ থেকে ইতিহাস == হবসবম সম্পর্কে উদ্ধৃতি == * 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-এর পরিপূরক হিসেবে উপস্থাপিত এই ব্যক্তিগত প্রতিকৃতিটি (ইন্টারেস্টিং টাইমস) হবসবমের বিংশ শতাব্দীর দৃষ্টিভঙ্গি এবং আধুনিকতার সামগ্রিক বর্ণনায় নতুন কী আলোকপাত করে? সামগ্রিক বিচারে, 'দ্য এজ অফ রেভোলিউশন', 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল', 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' এবং 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-কে একটি একক উদ্যোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে—এমন এক চতুষ্টয় (tetralogy) যার সমসাময়িক বিশ্ব গঠনের সুশৃঙ্খল বিবরণ হিসেবে অন্য কোনো তুলনা নেই। এই সবকটি গ্রন্থেই কিছু বিরল গুণের সংমিশ্রণ ঘটেছে: সংক্ষেপণের পরিমিতিবোধ; খুঁটিনাটি বর্ণনার সজীবতা; বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট সত্ত্বেও আঞ্চলিক পার্থক্যের তীব্র চেতনা; ফসল, শেয়ার বাজার, জাতি-শ্রেণি, রাষ্ট্রনায়ক-কৃষক এবং বিজ্ঞান-কলা—সব বিষয়েই অগাধ পাণ্ডিত্য ও সাবলীলতা; বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর প্রতি গভীর সহানুভূতি; বিশ্লেষণাত্মক বর্ণনার শক্তি; এবং সর্বোপরি অত্যন্ত স্বচ্ছ ও তেজোদীপ্ত একটি লিখনশৈলী। ** [[পেরি অ্যান্ডারসন]], "দ্য ভ্যানকুইশড লেফট: এরিক হবসবম", 'স্পেকট্রাম: ফ্রম রাইট টু লেফট ইন দ্য ওয়ার্ল্ড অফ আইডিয়াস' (২০০৫)-এ প্রকাশিত। * ইউরোপীয় তুলনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিতে, জাতীয় পতাকা বহনকারী এই শ্রমিকদের অদ্ভুত মনে হয় এবং তাদের গুরুত্ব খুব কমই বোঝা যায়। এমনকি মধ্য ইউরোপের প্রখ্যাত লেখক—যেমন [[আর্নেস্ট গেলনার|আর্নেস্ট গেলনার]] বা এরিক হবসবম—এই অঞ্চলের জাতীয়তাবাদের স্বাতন্ত্র্যকে একটি বৈশ্বিক সংজ্ঞায় খাপ খাওয়াতে গিয়ে এর আসল বৈশিষ্ট্যগুলোই ছেঁটে ফেলেছেন। হবসবমের ধারণা ছিল যে এটি পৃথিবীর প্রতিটি কোণেই প্রযোজ্য হবে, কিন্তু আমরা এই বইয়ে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের কাছে এই শব্দের অর্থ কী ছিল তা বোঝার চেষ্টা করেছি। সেই অঞ্চলে গেলনারের 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম' বইয়ের বৈশ্বিক মাপকাঠিগুলো হয় অপ্রাসঙ্গিক নয়তো গৌণ: যেমন [[জন স্টুয়ার্ট মিল|জন স্টুয়ার্ট মিলের]] ধারণা যে একটি জাতীয় রাষ্ট্রকে "সাশ্রয়ী" হতে হবে, বা জাতীয়তাবাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট আয়তন প্রয়োজন। চেক বা স্লোভেনীয়রা এই সব মাপকাঠি সম্পর্কে কিছুই জানত না এবং তারা এগুলো ছাড়াই তাদের ইতিহাস তৈরি করেছে। হবসবমের এই ধারণা যে ভাষা এবং ইতিহাস কোনো নির্ণায়ক মানদণ্ড নয়, তা পূর্ব-মধ্য ইউরোপের যে কারোর কাছে অর্থহীন মনে হতো—যদিও এটি মহাকাশ থেকে কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা জাতীয়তাবাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। ** জন কনেলি, 'ফ্রম পিপলস টু নেশনস: আ হিস্ট্রি অফ ইস্টার্ন ইউরোপ' (২০২০), পৃষ্ঠা ৭৯৬-৭৯৭। * এরিক হবসবম হয়তো অভিযোগ করতে পারেন যে আমি অন্যায় করছি এবং আমি আসলে অন্যরকম একটি বই আশা করেছিলাম। তিনি বলতে পারেন যে আমি এমন একটি বই চাই যা চিরস্থায়ী হবে এবং ভবিষ্যৎ শতাব্দীর ইতিহাসবিদদের আগ্রহের খোরাক হবে। আর তিনি ঠিকই বলেছেন, আমি আসলেই তা চাই। বিপরীতে, তিনি বলতে পারেন যে তাঁর বইটি "বিংশ শতাব্দীর একজন লেখকের দ্বারা বিংশ শতাব্দীর শেষের পাঠকদের জন্য লেখা", যাদের কাছে 'পুঁজিবাদ' এবং 'সমাজতন্ত্রের' সংঘাত, সামাজিক বিপ্লব, [[স্নায়ুযুদ্ধ]], এবং 'প্রকৃত সমাজতন্ত্রের' সীমাবদ্ধতা ও পতন নিয়ে আলোচনা করা সার্থক। তিনি মূলত সেই পাঠকদের জন্য লিখছেন যারা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের মূল থিম হিসেবে বিশ্ব কমিউনিজমের ট্র্যাজিক ও বীরত্বগাথাকে বিবেচনা করেন। কিন্তু বিশ্ব কমিউনিজমের এই যাত্রা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একমাত্র বা মূল থিম নয়। হবসবম আসলে কাদের জন্য তাঁর বইটি লিখছেন? বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের কোন অংশটুকু পাঠকদের জানা প্রয়োজন, তার জন্য কি আমরা 'এজ অফ এক্সট্রিমস' বইটির সুপারিশ করতে পারি? ** [[জে. ব্র্যাডফোর্ড ডিলং]], "লো মার্ক্স: আ রিভিউ অফ এরিক হবসবমস 'এজ অফ এক্সট্রিমস'" (১৯৯৫)। * [[১৯৬৮]] সালে আমি সেই মনোযোগী ও শ্রদ্ধাশীল ছাত্র শ্রোতাদের একজন ছিলাম, যাদের সামনে এরিক হবসবম ছাত্র র‍্যাডিক্যালিজমের সীমাবদ্ধতা নিয়ে কথা বলছিলেন। তাঁর উপসংহারটি আমার খুব মনে আছে, কারণ এটি তৎকালীন মেজাজের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। তিনি আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে, মাঝেমধ্যে পৃথিবী পরিবর্তন করা নয় বরং এটিকে ব্যাখ্যা করাই মুখ্য উদ্দেশ্য। কিন্তু বিশ্বকে ব্যাখ্যা করার জন্য এটি কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে সে সম্পর্কেও একটি সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন। তাঁর শেষ বইটি আমাদের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া এই বিশ্বের একটি চমত্কার, মেধাবী এবং সর্বদা বুদ্ধিদীপ্ত বিবরণ। এটি যদি তাঁর সেরা কাজগুলোর সমপর্যায়ের না-ও হয়, তবুও মনে রাখা উচিত যে তিনি নিজেই মেধার মানদণ্ড অনেক উঁচুতে সেট করেছেন। তবে বিশ্বে এক বা দুটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে—যেমন কমিউনিজমের মৃত্যু বা ইতিহাসের ওপর আস্থা হারানো—যা লেখককে খুব একটা খুশি করতে পারেনি। এটি দুঃখজনক, কারণ তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গি বইটির বিবরণকে এমনভাবে প্রভাবিত করেছে যা হয়তো নতুন পাঠকদের শিখতে নিরুৎসাহিত করবে। আমি বিংশ শতাব্দীর বর্ণনায় তাঁর সেই তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণ মিস করেছি যা তাঁকে উনবিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একজন অপরিহার্য পথপ্রদর্শক করে তুলেছিল। হবসবম আমাদের মনে করিয়ে দেন যে ইতিহাসবিদরা হলেন "সেই পেশাদার স্মৃতিকার যারা সাধারণ মানুষ যা ভুলে যেতে চায় তা মনে করিয়ে দেন।" এটি একটি অত্যন্ত কঠিন ও আপসহীন দায়িত্ব। ** [[টনি জাট]], "ডাউনহিল অল দ্য ওয়ে", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২৫ মে, ১৯৯৫)। * হবসবম তাঁর স্মৃতিকথা একটি উদ্দীপনামূলক বার্তার মাধ্যমে শেষ করেছেন: “এই সন্তোষজনক নয় এমন সময়েও আমাদের নিরস্ত্র হওয়া চলবে না। সামাজিক অবিচারের বিরুদ্ধে সবসময় প্রতিবাদ ও লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। পৃথিবী নিজে নিজে ভালো হবে না।” তিনি সব দিক থেকেই ঠিক। কিন্তু নতুন শতাব্দীতে ভালো কিছু করতে হলে আমাদের পুরনো শতাব্দীর সত্যগুলো বলতে হবে। হবসবম শয়তান বা অশুভ শক্তির মুখোমুখি হতে এবং একে তার আসল নামে ডাকতে অস্বীকার করেছেন; তিনি কখনও স্তালিন এবং তাঁর কর্মকাণ্ডের রাজনৈতিক ও নৈতিক উত্তরাধিকারকে গভীরভাবে বিচার করেননি। তিনি যদি গুরুত্বের সাথে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে কোনো আমূল পরিবর্তনের মশাল হস্তান্তর করতে চান, তবে এটি সঠিক পথ নয়। ** [[টনি জাট]], "দ্য লাস্ট রোমান্টিক", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২০ নভেম্বর, ২০০৩)। * হবসবম যেমনটি তাঁর 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' বইতে বলেছিলেন, তিনি মূলত একটি ‘যুক্তির উন্মোচন’ লিখছিলেন। সেই যুক্তির মূল কথা হলো—ঐতিহাসিক গুরুত্বের ক্ষেত্রে সংস্কৃতির চেয়ে অর্থনীতি, নারীর চেয়ে পুরুষ এবং বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে পশ্চিমের গুরুত্ব বেশি। তাঁর বর্ণনায় অনেক কিছু বাদ পড়াটা কোনো ভুল ছিল না বরং এটি ছিল তাঁর চিন্তাধারারই অংশ। অন্যভাবে বলতে গেলে, হবসবমকে নতুনভাবে মূল্যায়ন করতে হলে তাঁর এই মূল ধারণাগুলোকে চ্যালেঞ্জ করতে হবে। ** [[w:Susan Pedersen|সুসান পেডারসেন]], "আই ওয়ান্ট টু লাভ ইট", 'লন্ডন রিভিউ অফ বুকস' (১৮ এপ্রিল, ২০১৯)। * হবসবমকে একবার জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি হ্যাম্পস্টেড ম্যানশনের মতো অত্যন্ত দামি বাড়িতে বাস করাকে কীভাবে সমর্থন করেন। উত্তরে তিনি রসিকতা করে বলেছিলেন, যদি কেউ [[w:Titanic|টাইটানিক]] জাহাজে ভ্রমণ করে, তবে তার প্রথম শ্রেণীতে চড়েই ডুবে যাওয়া ভালো। রসিকতা হিসেবে এটি চমত্কার। কিন্তু যদি ১৯৮৯ সালে সমস্ত বরফ গলে যায় (কমিউনিজমের পতন হয়), তবে কী হবে? ** [[w:John Sutherland (author)|জন সাদারল্যান্ড]], 'দ্য টাইমস' (২৩ জানুয়ারি, ২০১৬)। * ১৯৯৫ সালে যখন তিনি '[[w:Desert Island Discs|ডেজার্ট আইল্যান্ড ডিস্কস]]'-এ উপস্থিত হয়েছিলেন, তখন তিনি বিলি হলিডের একটি গান বেছে নেওয়ার পাশাপাশি ইতিহাস নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছিলেন। উপস্থাপক সু ললি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, যদি লক্ষ লক্ষ জীবনের বিনিময়ে বিশ্ববিপ্লব আনা সম্ভব হতো, তবে কি তা সার্থক হতো? তিনি দ্বিধাহীনভাবে উত্তর দিয়েছিলেন—হ্যাঁ। মাইকেল ইগনাটিয়েফ কর্তৃক টেলিভিশনে গৃহীত এক সাক্ষাৎকারে হবসবমকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, ১৯৩৪ সালে স্তালিন কর্তৃক লক্ষ লক্ষ মানুষকে জোরপূর্বক অভুক্ত রাখার কথা জানলে কি তাঁর কমিউনিস্ট হওয়ার ইচ্ছা বদলে যেত? তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, "সম্ভবত না"। তিনি শান্তভাবে আরও যোগ করেন যে, যদি সোভিয়েত ইউনিয়ন বিশ্ববিপ্লবের সূচনা করতে পারত, তবে ১৫-২০ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু যুক্তিযুক্ত হতে পারত। ** [[এ. এন. উইলসন]], 'অন দ্য রং সাইড অফ হিস্ট্রি', 'দ্য টাইমস স্যাটারডে রিভিউ' (২৬ জানুয়ারি, ২০১৯)। * হবসবমের ইতিহাসের প্রধান সমস্যা ছিল যে তাঁর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল [[কার্ল মার্ক্স|কার্ল মার্ক্সের]] তত্ত্বগুলোকে সত্য প্রমাণ করা। শোকসংবাদ লেখকরা দাবি করেছিলেন যে তিনি কখনও [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদী]] মতাদর্শের দাস ছিলেন না বা তাঁর কাজ ছিল "সর্বদা সূক্ষ্ম ও মার্জিত", কিন্তু বাস্তবতা ছিল এর বিপরীত। ** কিথ উইন্ডশাটল, "দ্য নট-সো-গ্রেট এরিক হবসবম", 'কোয়াড্র্যান্ট' (১ নভেম্বর ২০১২)। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইতিহাসবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:কমিউনিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্ক্সবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্যাসিবাদ বিরোধী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১২-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:আলেকজান্দ্রিয়ার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রিটিশ একাডেমির ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:রয়্যাল সোসাইটি অফ লিটারেচারের ফেলো]] orolj3e5vrxdbja5se0rxjxz3i4sw2d 78580 78578 2026-04-19T12:39:05Z SMontaha32 3112 78580 wikitext text/x-wiki [[File:Eric Hobsbawm.jpg|thumb|right|২০১১ সালে এরিক হবসবম]] '''[[w:Eric Hobsbawm|এরিক জন আর্নেস্ট হবসবম]]''', [[w:Companion of Honour|সিএইচ]], [[w:Fellow of the Royal Society of Literature|এফআরএসএল]], [[w:Fellow of the British Academy|এফবিএ]] ([[৯ জুন]] [[১৯১৭]] – [[১ অক্টোবর]] [[২০১২]]) ছিলেন একজন ব্রিটিশ মার্ক্সবাদী ইতিহাসবিদ ও লেখক। তিনি [[w:Communist Party of Great Britain|কমিউনিস্ট পার্টি অব গ্রেট ব্রিটেনের]] (১৯২০–১৯৯১) একজন প্রধান তাত্ত্বিক এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত [[w:Birkbeck College|বার্কবেক কলেজের]] সাবেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন। == উদ্ধৃতি == * আমাদের যুগের বুদ্ধিজীবী এবং [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদের]] মধ্যে যে প্রেমের সম্পর্ক দেখা যায়, তা পশ্চিম ইউরোপে তুলনামূলকভাবে দেরিতে শুরু হয়েছিল। যদিও রাশিয়ায় এটি [[কার্ল মার্ক্স|মার্ক্সের]] জীবদ্দশাতেই শুরু হয়। ** "বুদ্ধিজীবী এবং কমিউনিজম" (১৯৬৪), 'রেভোলিউশনারিস: কনটেম্পোরারি এসেস' (১৯৭৩)-এ প্রকাশিত। * প্রথমত, সম্ভবত কোনো বড় ধরনের [[বিপ্লব]] সফল করার জন্য যে অতিমানবীয় প্রচেষ্টার প্রয়োজন হয়, তা তৈরির জন্য [[কল্পরাজ্য|ইউটোপিয়াবাদ]] একটি প্রয়োজনীয় সামাজিক কৌশল। ** 'প্রিমিটিভ রেবেলস: স্টাডিজ ইন আর্কাইক ফর্মস অফ সোশ্যাল মুভমেন্ট ইন দ্য নাইনটিনথ অ্যান্ড টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরিস' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ৬০। * ইতিহাসবিদরা [[জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদের]] কাছে ঠিক তেমনই, যেমন [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] পোস্ত চাষীরা [[আসক্তি|হেরোইন আসক্তদের]] কাছে: আমরা বাজারের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সরবরাহ করি। '''অতীতহীন জাতি একটি স্ববিরোধী ধারণা।''' অতীতই একটি জাতি গঠন করে এবং অন্য জাতির বিরুদ্ধে নিজের অস্তিত্বের ন্যায্যতা দেয়। ইতিহাসবিদরাই সেই অতীত তৈরি করেন। তাই আমার পেশাটি রাজনীতির সাথে মিশে গিয়ে জাতীয়তাবাদের একটি অপরিহার্য উপাদানে পরিণত হয়েছে। ** "এথনিসিটি অ্যান্ড ন্যাশনালিজম ইন ইউরোপ টুডে" (ফেব্রুয়ারি ১৯৯২), 'অ্যানথ্রোপোলজি টুডে'। * [[উদারতাবাদ]] ব্যর্থ হচ্ছিল। আমি যদি [[ইহুদি]] না হয়ে [[জার্মান]] হতাম, তবে সম্ভবত আমি একজন [[নাৎসিবাদ|নাৎসি]] বা [[w:German_nationalist|জার্মান জাতীয়তাবাদী]] হতাম। আমি বুঝতে পারতাম তারা জাতি রক্ষার বিষয়ে কতটা আবেগপ্রবণ ছিল। সেটি এমন এক সময় ছিল যখন বিশ্বকে আমূল পরিবর্তন না করলে কোনো ভবিষ্যৎ আছে বলে কেউ বিশ্বাস করত না। ** এরিক হবসবমের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, মায়া জাগি কর্তৃক 'দ্য গার্ডিয়ান'-এ প্রকাশিত “আ কোয়েশ্চেন অফ ফেইথ” (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০২)। * মনে হচ্ছে [[বিদেশাতঙ্ক|জেনোফোবিয়া]] বা বিদেশাতঙ্ক বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের একটি গণ-আদর্শে পরিণত হতে যাচ্ছে। ** 'ডিভাইডেড ইউরোপীয়ানস: আন্ডারস্ট্যান্ডিং এথনিসিটিস ইন কনফ্লিক্ট' (১৯৯৯), পৃষ্ঠা ৪১। * [[লন্ডন|লন্ডনের]] দিকে তাকান। আমাদের সবার কাছেই লন্ডনের অর্থনীতির সমৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু রাজধানীর নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় উৎপন্ন বিশাল সম্পদের পরীক্ষা এই নয় যে এটি ব্রিটেনের মোট জিডিপিতে ২০-৩০% অবদান রাখছে। বরং পরীক্ষাটি হলো এটি সেখানে বসবাসকারী লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে কী প্রভাব ফেলছে। তারা সেখানে থাকার সামর্থ্য রাখে কি না? যদি না রাখে, তবে লন্ডন অতি-ধনীদের স্বর্গরাজ্য হওয়া তাদের জন্য কোনো সান্ত্বনা নয়। তারা কি উপযুক্ত বেতনের চাকরি পায়? যদি না পায়, তবে মিশেলিন-স্টার রেস্তোরাঁ বা নামী শেফদের নিয়ে বড়াই করবেন না। কিংবা শিশুদের শিক্ষার কথা ধরুন; লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এক দল নোবেল বিজয়ী থাকলেই অপর্যাপ্ত স্কুলগুলোর অভাব পূরণ হয় না। ** 'দ্য গার্ডিয়ান' (২০০৯)। * বিশ্বজুড়ে যেভাবে [[ভারত|ভারতীয়]] ও [[চীন|চীনা]] রেস্তোরাঁর বিস্তার ঘটছে, তা থেকে বোঝা যায় যে [[বিদেশাতঙ্ক|জেনোফোবিয়া]] বিদেশি মানুষের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়, বিদেশি সাংস্কৃতিক আমদানির বিরুদ্ধে নয়। ** 'ম্যাপিং দ্য নেশন' (১৩ নভেম্বর ২০১২), পৃষ্ঠা ২৬৩। === 'দ্য এজ অফ রেভোলিউশন' (১৯৬২) === * ইতিহাসের জালকে ছিঁড়ে আলাদা সুতোয় ভাগ করা সম্ভব নয়, কারণ এতে ইতিহাস ধ্বংস হয়ে যায়। তবে ব্যবহারিক প্রয়োজনে বিষয়টিকে কিছু উপবিভাগে ভাগ করা অপরিহার্য। ** প্রস্তাবনা * '''শব্দ হলো এমন সাক্ষী যা নথিপত্রের চেয়েও জোরালোভাবে কথা বলে।''' ইংরেজি ভাষার এমন কিছু শব্দের কথা ভাবুন যা এই ষাট বছরের সময়কালে আবিষ্কৃত হয়েছে বা আধুনিক অর্থ পেয়েছে। যেমন '[[শিল্প]]', '[[শিল্পপতি]]', '[[কারখানা]]', '[[w:Middle_class|মধ্যবিত্ত]]', '[[শ্রমজীবী শ্রেণি]]' এবং '[[সমাজতন্ত্র]]'। এর মধ্যে আরও আছে '[[অভিজাততন্ত্র]]', '[[রেলপথ]]', '[[উদারনীতি|উদারপন্থী]]', '[[রক্ষণশীলতা|রক্ষণশীল]]', '[[জাতীয়তা]]', '[[বিজ্ঞানী]]', '[[প্রকৌশল|প্রকৌশলী]]', '[[সর্বহারা]]' এবং অর্থনৈতিক 'সংকট'। ** ভূমিকা * 'আলোকায়ন' বা এনলাইটেনমেন্টকে কঠোরভাবে মধ্যবিত্তের আদর্শ বলা সঠিক হবে না। যদিও অনেক আলোকায়িত ব্যক্তি মনে করতেন যে মুক্ত সমাজ মানেই একটি [[পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদী]] সমাজ হবে। তাত্ত্বিকভাবে এর লক্ষ্য ছিল সকল মানুষকে মুক্ত করা। সব [[প্রগতিশীলতা|প্রগতিশীল]], [[যুক্তিদাল|যুক্তিবাদী]] ও [[মানবতাবাদ|মানবতাবাদী]] আদর্শ এর মধ্যেই নিহিত ছিল। তবে বাস্তবে এই মুক্তির আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল সমাজের মধ্যবিত্ত স্তর। জন্মগত পরিচয়ের চেয়ে মেধা ও যুক্তিবাদী মানুষের মাধ্যমেই একটি '[[বুর্জোয়া]]' ও পুঁজিবাদী সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল। ** অধ্যায় ১: ১৭৮০-এর দশকের বিশ্ব * শিল্প বিপ্লবের প্রথম দুই প্রজন্মে ব্রিটেনের মৌলিক সত্যটি ছিল এই যে, সম্পদশালী ও ধনী শ্রেণি এত দ্রুত এবং এত বিশাল পরিমাণ আয় পুঞ্জীভূত করেছিল যা তাদের ব্যয় বা বিনিয়োগের সামর্থ্যকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ** অধ্যায় ২: শিল্প বিপ্লব * [[ফ্রান্স]] বিশ্বের অধিকাংশ দেশকে আইনের ধারা ([[w:Napoleonic_code|নেপোলিয়নিক কোড]]), বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সংগঠনের মডেল এবং পরিমাপের [[w:Metric_system|মেট্রিক পদ্ধতি]] উপহার দিয়েছে। আধুনিক বিশ্বের আদর্শগুলো প্রথম ফ্রান্সের প্রভাবেই প্রাচীন সভ্যতাগুলোতে প্রবেশ করেছিল। এটি ছিল [[ফরাসি বিপ্লব|ফরাসি বিপ্লবের]] কাজ। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * নেপোলিয়ন সংক্রান্ত মিথ বা কিংবদন্তি তাঁর ব্যক্তিগত গুণের চেয়ে তাঁর অনন্য ক্যারিয়ারের ওপর বেশি প্রতিষ্ঠিত। অতীতের বিখ্যাত বিশ্বজয়ীরা রাজা বা অভিজাত পরিবারে জন্মাতেন, কিন্তু [[নেপোলিয়ন বোনাপার্ট|নেপোলিয়ন]] ছিলেন একজন সাধারণ সৈনিক যিনি কেবল প্রতিভার জোরে একটি মহাদেশ শাসন করেছিলেন। এটি পুরোপুরি সত্য না হলেও তাঁর উত্থান ছিল রূপকথার মতো। এর ফলে প্রতিটি তরুণ বুদ্ধিজীবী এবং ব্যবসায়ী তাঁর মাঝে নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষা খুঁজে পেয়েছিল। তিনি বিপ্লবের মানুষ ছিলেন আবার স্থিতিশীলতারও কারিগর ছিলেন। তিনি ফ্রান্সের শাসনব্যবস্থা ও আইনকানুনকে আধুনিক রূপ দিয়েছিলেন। তাঁর পতনের পর 'বোনাপার্টবাদ' একটি আদর্শ হিসেবে টিকে ছিল কারণ তিনি সাধারণ মানুষের মনে বড় হওয়ার স্বপ্ন জাগিয়েছিলেন। তিনি কেবল একটি জিনিস ধ্বংস করেছিলেন: জেকোবিন বিপ্লব—সেই সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার স্বপ্ন। কিন্তু তাঁর পতনের পর তাঁর স্মৃতির চেয়ে সেই আদর্শই উনবিংশ শতাব্দীর বিপ্লবগুলোকে বেশি অনুপ্রাণিত করেছিল। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * রাজনৈতিক ভূগোলের দিক থেকে ফরাসি বিপ্লব ইউরোপীয় মধ্যযুগের অবসান ঘটিয়েছিল। ** অধ্যায় ৪: যুদ্ধ * যুদ্ধের সবচেয়ে ভয়ংকর ঝুঁকি ছিল অবহেলা, নোংরা পরিবেশ, দুর্বল সংগঠন, ত্রুটিপূর্ণ চিকিৎসা পরিষেবা এবং স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে অজ্ঞতা। এই পরিস্থিতি প্রায় প্রতিটি সৈন্যকেই ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। ** অধ্যায় ৪: যুদ্ধ * আন্তর্জাতিক শান্তি চুক্তির একটি বিশেষ দিক ছিল [[w:Slave_Trade_Act_1807|আন্তর্জাতিক দাস ব্যবসা বিলোপ]]। এর পেছনে মানবিক ও অর্থনৈতিক—উভয় কারণই ছিল। [[দাসত্ব]] ছিল ভয়ংকর এবং অত্যন্ত অদক্ষ একটি ব্যবস্থা। ব্রিটেনের মতো শক্তিশালী দেশগুলোর কাছে ১৮১৫-৪৮ সালের অর্থনীতি আর মানুষের বিক্রির ওপর নির্ভরশীল ছিল না বরং তা সুতির কাপড়ের ওপর নির্ভর করতে শুরু করেছিল। তবে দাসপ্রথার প্রকৃত বিলোপ খুব ধীরগতিতে হয়েছিল। ** অধ্যায় ৫: শান্তি * ১৮১৫ পরবর্তী প্রজন্মে ইতিহাসকে আটকে রাখার ক্ষেত্রে সরকারগুলোর অক্ষমতা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ফরাসি বিপ্লবের পুনরাবৃত্তি ঠেকানোই ছিল তৎকালীন শক্তিগুলোর প্রধান লক্ষ্য। তা সত্ত্বেও ইউরোপীয় ইতিহাসে বিপ্লববাদ এত দ্রুত এবং ব্যাপকভাবে আর কখনও ছড়িয়ে পড়েনি। ** অধ্যায় ৬: বিপ্লবসমূহ * অন্য কোথাও জাতীয়তাবাদের মতো কিছু খুঁজে পাওয়া অসম্ভব ছিল, কারণ সেখানে এর সামাজিক পরিবেশ ছিল না। আসলে শুরুতে যে শক্তিগুলো জাতীয়তাবাদ তৈরি করার কথা ছিল, তারাই ঐতিহ্য, ধর্ম ও গণদারিদ্র্যের সাথে মিলে পশ্চিমা বিজেতাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। ** অধ্যায় ৭: জাতীয়তাবাদ * ফরাসি বিপ্লবের প্রভাব, আমলাদের যুক্তিবাদী অর্থনৈতিক যুক্তি এবং [[অভিজাততন্ত্র|অভিজাতদের]] লোভ—এই তিনটি কারণ ১৮০৭ থেকে ১৮১৬ সালের মধ্যে প্রুশিয়ার কৃষকদের মুক্তির পথ নির্ধারণ করেছিল। ** অধ্যায় ৮: ভূমি * দ্বৈত বিপ্লবের সমস্ত অর্থনৈতিক পরিণতির মধ্যে '[[উন্নত দেশ|উন্নত]]' এবং '[[উন্নয়নশীল দেশ|অনুন্নত]]' দেশগুলোর মধ্যে বিভাজনটিই ছিল সবচেয়ে গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী। ** অধ্যায় ৯: শিল্প বিশ্বের দিকে * বংশমর্যাদার অভাব বা বৈষম্যের কারণে যারা এতদিন অবহেলিত ছিল, সেই [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী|সংখ্যালঘুরাই]] মেধার ভিত্তিতে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগকে সবচেয়ে বেশি স্বাগত জানিয়েছিল। ** অধ্যায় ১০: মেধার ভিত্তিতে ক্যারিয়ার * শ্রমিকদের জন্য পালানো বা হার মেনে নেওয়ার বিকল্প ছিল বিদ্রোহ। শ্রমজীবী দরিদ্রদের অবস্থা এমন ছিল যে বিদ্রোহ করা তাদের জন্য কেবল সম্ভবই ছিল না বরং বাধ্যতামূলক হয়ে পড়েছিল। উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে শ্রমিক ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের উত্থান ছিল অনিবার্য। ** অধ্যায় ১১: শ্রমজীবী দরিদ্র * ইতিহাসের অধিকাংশ সময় এবং বিশ্বের বেশিরভাগ জায়গায় (চীন সম্ভবত এর ব্যতিক্রম) মানুষ প্রথাগত ধর্মের মাধ্যমেই বিশ্বকে চিন্তা করত। এমনকি কিছু দেশে '[[খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টান]]' শব্দটি কেবল '[[কৃষক]]' বা '[[মানুষ]]' শব্দের সমার্থক ছিল। ** অধ্যায় ১২: আদর্শ: ধর্ম * ধর্ম একসময় আকাশের মতো ছিল যা থেকে কেউ পালাতে পারত না। কিন্তু আধুনিক যুগে এটি মেঘের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে—যা বিশাল কিন্তু সীমিত এবং পরিবর্তনশীল। আদর্শিক পরিবর্তনের মধ্যে এটিই সবচেয়ে গভীর। ** অধ্যায় ১২: আদর্শ: ধর্ম * বুর্জোয়াদের বিজয় ফরাসি বিপ্লবকে এনলাইটেনমেন্টের ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শে রঞ্জিত করেছিল। যেহেতু এই বিপ্লবের ভাষা পরবর্তী সকল বিপ্লবের সাধারণ ভাষা হয়ে উঠেছিল, তাই এটি [[ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ|ধর্মনিরপেক্ষতাকেও]] ছড়িয়ে দিয়েছিল। ** অধ্যায় ১২: আদর্শ: ধর্ম * ক্লাসিক্যাল উদারতাবাদের ‘মানুষ’ (যার প্রতীক ছিলেন [[রবিনসন ক্রুসো]]) ছিল এমন এক সামাজিক প্রাণী যে কেবল অনেকের সাথে সহাবস্থান করত। সামাজিক লক্ষ্যগুলো ছিল ব্যক্তিগত লক্ষ্যগুলোর গাণিতিক যোগফল। সুখ ছিল প্রতিটি ব্যক্তির সর্বোচ্চ উদ্দেশ্য এবং সমাজের লক্ষ্য ছিল সর্বাধিক মানুষের সর্বাধিক সুখ নিশ্চিত করা। ** অধ্যায় ১৩: আদর্শ: ধর্মনিরপেক্ষতা * এমনকি ক্ষুদ্র সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর শিল্পকলাও সমগ্র মানবতাকে কাঁপিয়ে দেওয়া ভূমিকম্পের প্রতিধ্বনি করতে পারে। আমাদের সময়ের সাহিত্য ও [[শিল্পকলা|শিল্পকলায়]] তা দেখা গেছে এবং এর ফলাফল ছিল '[[রোমান্টিকতাবাদ]]'। রোমান্টিকদের নিজেদের বর্ণনা অনেক সময় যুক্তিহীন মনে হলেও তাদের লক্ষ্য ছিল দৃঢ়। ** অধ্যায় ১৪: শিল্পকলা * বিজ্ঞান ও শিল্পকলার মধ্যে সমান্তরাল রেখা টানা সবসময়ই বিপজ্জনক। তবুও বিজ্ঞানও দ্বৈত বিপ্লবের প্রতিফলন ঘটিয়েছে। কারণ এই বিপ্লব বিজ্ঞানের কাছে নতুন দাবি পেশ করেছিল এবং নতুন চিন্তার দুয়ার খুলে দিয়েছিল। ** অধ্যায় ১৫: বিজ্ঞান * বিজ্ঞানের অগ্রগতি কেবল একটি সরলরেখায় চলে না। প্রতিটি পর্যায় আগের সমস্যার সমাধান করে এবং নতুন সমস্যার জন্ম দেয়। ** অধ্যায় ১৫: বিজ্ঞান * '''১৮৩১ সালে [[ভিক্টর হুগো]] লিখেছিলেন যে তিনি বিপ্লবের শব্দ শুনতে পাচ্ছেন, যা মাটির গভীর থেকে প্যারিস হয়ে পুরো ইউরোপের রাজতন্ত্রের নিচে সুরঙ্গ তৈরি করছে। ১৮৪৭ সালে সেই শব্দ তীব্র হয়ে ওঠে এবং ১৮৪৮ সালে বিস্ফোরণ ঘটে।''' ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার: ১৮৪৮-এর দিকে === 'ব্যান্ডিটস' (১৯৬৯; ১৯৭২; ১৯৮১) === * '''মানুষ ডাকাতদের সাথে দেখা করতে পছন্দ না করলেও অন্ধকার রাতে তাদের সম্পর্কে পড়তে সবাই পছন্দ করে।''' ** প্রস্তাবনা * সামাজিক ডাকাতরা হলো সেইসব কৃষক বহিষ্কৃত যাদের প্রভু এবং রাষ্ট্র অপরাধী মনে করে, কিন্তু যারা কৃষক সমাজের অংশ হিসেবেই থাকে। তাদের সমাজ তাদের বীর, রক্ষক বা ন্যায়বিচারের যোদ্ধা হিসেবে গণ্য করে। সাধারণ কৃষক এবং এই বিদ্রোহীদের মধ্যকার সম্পর্কই সামাজিক ডাকাতিকে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে। ** অধ্যায় ১: সামাজিক ডাকাতি কী? * ডাকাত হওয়া মানেই স্বাধীনতা। কিন্তু কৃষক সমাজে খুব কম মানুষই মুক্ত হতে পারে। অধিকাংশ মানুষই সামন্ত প্রভু এবং শ্রমের শিকলে বন্দী থাকে। কৃষকদের অর্থনৈতিক দুর্বলতার চেয়েও তাদের গতিহীনতা তাদের ওপর কর্তৃপক্ষের আধিপত্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। ** অধ্যায় ২: কারা ডাকাত হয়? === 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল' (১৯৭৫) === * ১৭৮৯ থেকে ১৮৪৮ সালের বিপ্লবের দ্বৈততা সেই সময়কালকে একটি ঐক্য ও ভারসাম্য দান করেছে। এর কালানুক্রমিক সীমা সুনির্দিষ্ট হওয়ায় এটি সম্পর্কে লেখা বা পড়া তুলনামূলক সহজ। ** ভূমিকা * সামাজিক-অর্থনৈতিক কাঠামো এবং রাজনীতি বিপ্লবী অঞ্চলকে দুটি ভাগে বিভক্ত করেছিল। বড় শহরগুলোর তুলনায় মফস্বল বা গ্রামাঞ্চলই প্রধান ছিল, যদিও রাজনীতিতে শহরের গুরুত্ব অনেক বেশি ছিল। ** অধ্যায় ১: 'জনগণের বসন্তকাল' * সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষাকারীদের জনগণের রাজনীতি সম্পর্কে শিখতে হয়েছিল। এটি ছিল ১৮৪৮-এর বিপ্লবের প্রধান উদ্ভাবন। এমনকি ঘোর প্রতিক্রিয়াশীলরাও বুঝতে পেরেছিল যে জনমতকে প্রভাবিত করার জন্য তাদের নিজস্ব সংবাদপত্রের প্রয়োজন। ** অধ্যায় ১: 'জনগণের বসন্তকাল' * যখন আমরা আগের সময়ের 'বিশ্ব ইতিহাস' লিখি, তখন আমরা আসলে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশের ইতিহাস যোগ করি যাদের নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ছিল খুব সামান্য। ** অধ্যায় ৩: ঐক্যবদ্ধ বিশ্ব * আজ আমরা বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে যেভাবে বিশ্বকে প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিকভাবে একে অপরের সাথে যুক্ত হতে দেখি, উনবিংশ শতাব্দীতে পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল। আধুনিক বিশ্ব অনেক বেশি মানসম্মত বা স্ট্যান্ডার্ডাইজড হয়ে গেছে কারণ এখন মেশিনের সংখ্যা অনেক বেশি। ** অধ্যায় ৩: ঐক্যবদ্ধ বিশ্ব * যদি জাতীয়তাবাদ একটি ঐতিহাসিক শক্তি হয়ে থাকে, তবে '[[গণতন্ত্র]]' বা রাষ্ট্রীয় কাজে সাধারণ মানুষের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা ছিল অন্য একটি শক্তি। যেখানে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনগুলো গণআন্দোলনে পরিণত হয়েছিল, সেখানে এই দুটি শক্তি একই সাথে কাজ করেছে। ** অধ্যায় ৬: গণতন্ত্রের শক্তি * উদারতাবাদের বিজয়ের যুগ শুরু হয়েছিল একটি [[w:revolutions_of_1848|পরাজিত বিপ্লবের]] মাধ্যমে এবং শেষ হয়েছিল একটি দীর্ঘায়িত মন্দার মধ্য দিয়ে। ইতিহাস সবসময় ঐতিহাসিকদের সুবিধার কথা চিন্তা করে না। ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার === 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' (১৯৮৭) === * যখন ইতিহাসবিদরা এমন একটি সময় নিয়ে কাজ করেন যেখানে প্রত্যক্ষদর্শীরা জীবিত আছেন, তখন ইতিহাসের দুটি ভিন্ন ধারণা একে অপরের মুখোমুখি হয়: পাণ্ডিত্যপূর্ণ ইতিহাস এবং ব্যক্তিগত স্মৃতি। প্রত্যেকের স্মৃতিই ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলেও তা সবসময় নির্ভরযোগ্য নয়। ** ওভ্যাচার (Overture) * ১৮৭০-এর দশকের পর্যবেক্ষকদের কাছে ইতিহাস মানেই ছিল উন্নতি বা প্রগতি। পরিমাপযোগ্য সবকিছুর ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফ দিয়েই এই প্রগতি মাপা হতো। মানুষের জ্ঞান ও প্রকৃতি পরিবর্তনের ক্ষমতাকে তখন অগ্রগতির চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে দেখা হতো। ** অধ্যায় ১: শতবর্ষী বিপ্লব * পুঁজিবাদী ব্যবস্থার প্রসার এমন এক বিশ্ব তৈরি করেছিল যেখানে 'উন্নত' দেশগুলো 'অনুন্নত' দেশগুলোর ওপর আধিপত্য বিস্তার করেছিল। এটিই ছিল সাম্রাজ্যের যুগ। ১৮৭৫ থেকে ১৯১৪ সালের মধ্যে ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শাসক নিজেদের '[[সম্রাট]]' উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। ** অধ্যায় ৩: সাম্রাজ্যের যুগ === 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম সিন্স ১৭৮০' (১৯৯২) === * [উ] কোনো সিরিয়াস ইতিহাসবিদ একজন একনিষ্ঠ রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদী হতে পারেন না... জাতীয়তাবাদ এমন অনেক কিছু বিশ্বাস করতে বাধ্য করে যা আসলে সত্য নয়। ** পৃষ্ঠা ১২। * ব্যাপক বহিষ্কার এমনকি গণহত্যা বিংশ শতাব্দীর শুরুতে ইউরোপের দক্ষিণ প্রান্তে দেখা দিতে শুরু করেছিল। ১৯১৫ সালে তুর্কিরা [[আর্মেনীয় গণহত্যা|আর্মেনীয়দের ব্যাপক নিধন]] শুরু করে এবং গ্রিক-তুর্কি যুদ্ধের পর লক্ষ লক্ষ গ্রিককে তাদের আদি নিবাস থেকে বিতাড়িত করা হয়। পরবর্তীতে অ্যাডলফ হিটলারও একই যুক্তি ব্যবহার করে ইহুদিদের নির্মূল এবং জার্মানদের স্থানান্তরের ব্যবস্থা করেছিলেন। ** পৃষ্ঠা ১৩৩। === 'দ্য এজ অফ এক্সট্রিমস' (১৯৯২) === * '''আমার লক্ষ্য হলো কেন পরিস্থিতি এমন হলো এবং কীভাবে সব কিছু একে অপরের সাথে যুক্ত তা বোঝা এবং ব্যাখ্যা করা।''' আমার বয়সী যারা এই ছোট বিংশ শতাব্দী দেখেছে, তাদের জন্য এটি একটি আত্মজীবনীমূলক প্রচেষ্টাও বটে। আমরা আমাদের নিজেদের স্মৃতিকেই আরও বিস্তৃত এবং সংশোধন করছি। ** ভূমিকা * অতীতের ধ্বংস বা সামাজিক প্রক্রিয়ার সাথে বর্তমান অভিজ্ঞতার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের অন্যতম অদ্ভুত ঘটনা। ** ভূমিকা: আ বার্ডস আই ভিউ * '''১৯৮০-র দশকের শেষে যে বিশ্বটি ভেঙে পড়েছিল, সেটি ১৯১৭ সালের [[রুশ বিপ্লব|রুশ বিপ্লবের]] প্রভাবে গঠিত হয়েছিল।''' * '''সহজ কথায় বললে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণ কে বা কী ছিল—তার উত্তর মাত্র দুটি শব্দে দেওয়া যায়: [[অ্যাডলফ হিটলার]]।''' ** পৃষ্ঠা ৩৬। * পুঁজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থার জন্য মানুষ খুব একটা দক্ষতার সাথে তৈরি হয়নি। ** পৃষ্ঠা ৪১৪। * ক্ষমতায় থাকা কমিউনিজমের কৌতুক বা প্যারাডক্স ছিল এই যে এটি ছিল রক্ষণশীল। ** পৃষ্ঠা ৪২২। * কেন প্রতিভাবান ফ্যাশন ডিজাইনাররা পেশাদার ভবিষ্যৎবক্তাদের চেয়েও ভালোভাবে আগাম পরিস্থিতি বুঝতে পারেন, তা ইতিহাসের এক রহস্যময় প্রশ্ন। ** অধ্যায় ৬: শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের সাংস্কৃতিক বিপ্লবকে সমাজের ওপর ব্যক্তির জয় হিসেবে দেখা যেতে পারে। মানুষের মধ্যকার সামাজিক বন্ধনগুলো ভেঙে যাওয়ার ফলে এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। পুরনো নৈতিক ভাষা—অধিকার, কর্তব্য, ত্যাগ ও পুণ্য—এখন নতুন ভাষায় অনুবাদ করা সম্ভব নয়। '''অনিশ্চয়তা এবং অনির্দেশ্যতা ঘনিয়ে এল। কম্পাসের কাঁটার উত্তর দিক হারিয়ে গেল, মানচিত্র হয়ে পড়ল অকেজো।''' ** অধ্যায় ১১: সাংস্কৃতিক বিপ্লব * '''অক্টোবর বিপ্লবের ট্র্যাজেডি ছিল এই যে এটি কেবল এক ধরনের নির্মম, নিষ্ঠুর এবং আদেশনির্ভর সমাজতন্ত্রই তৈরি করতে পেরেছিল।''' ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের অবসান * যখনই মহিলারা কোনো পেশায় ভিড় করেছেন, যেমন [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়নে]] চিকিৎসা পেশায়, তখনই সেই পেশার মর্যাদা এবং আয় কমে গেছে। পশ্চিমা নারীবাদীদের বিপরীতে, বেশিরভাগ বিবাহিত সোভিয়েত নারী ঘরে থেকে কেবল একটি কাজ করার স্বপ্ন দেখতেন। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের অবসান === 'হাউ টু চেঞ্জ দ্য ওয়ার্ল্ড: রিফ্লেকশনস অন মার্ক্স অ্যান্ড মার্ক্সিজম' (২০১১) === * 'মাউন্ট অফ সারমন'-এ বর্ণিত যিশু খ্রিস্টকে ‘প্রথম সমাজতান্ত্রিক’ বা কমিউনিস্ট হিসেবে দেখা খুবই সহজ। যদিও প্রথমদিকের সমাজতান্ত্রিক তাত্ত্বিকদের অধিকাংশ খ্রিস্টান ছিলেন না, তবুও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের পরবর্তীকালের অনেক সদস্য এই ভাবনাটিকে বেশ কার্যকর মনে করেছেন। * 'কমিউনিস্ট' শব্দটি সবসময় একটি নির্দিষ্ট কর্মসূচিকে নির্দেশ করলেও, 'সমাজতান্ত্রিক' শব্দটি ছিল মূলত বিশ্লেষণাত্মক এবং সমালোচনামূলক। * মার্ক্সের ধারণাগুলো ইউরোপের বেশিরভাগ শ্রমিক ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের অনুপ্রেরণাদায়ী তত্ত্বে পরিণত হয়েছিল। মূলত লেনিন এবং রুশ বিপ্লবের মাধ্যমে এই আদর্শ বিংশ শতাব্দীর সামাজিক বিপ্লবের একটি বিশ্বজনীন তত্ত্বে রূপ নেয়, যা চীন থেকে শুরু করে [[পেরু|পেরু]] পর্যন্ত সর্বত্র সমাদৃত হয়। এই তত্ত্বগুলোতে বিশ্বাসী দলগুলোর জয়ের মাধ্যমে এর বিভিন্ন সংস্করণ এমন সব রাষ্ট্রের দাপ্তরিক আদর্শে পরিণত হয়, যেখানে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ বসবাস করত। এছাড়া বিশ্বের বাকি অংশেও বিভিন্ন আকারের রাজনৈতিক আন্দোলনের ওপর এর ব্যাপক প্রভাব ছিল। অতীতের মহান ধর্মগুলোর প্রবর্তক ছাড়া আর কোনো একক চিন্তাবিদ এমন মর্যাদা পাননি। সম্ভবত [[মুহাম্মদ|মুহাম্মদ]] (সা.) ছাড়া অন্য কেউ এত দ্রুত এবং এত বড় পরিসরে সাফল্য অর্জন করতে পারেননি। এই বিচারে কোনো ইহজাগতিক চিন্তাবিদের নাম তাঁর (মার্ক্স) পাশে রাখা সম্ভব নয়। ** অধ্যায় ১৪, 'ইনফ্লুয়েন্স অফ মার্ক্সিজম ১৯৪৫-৮৩' == হবসবম সম্পর্কে উদ্ধৃতি == * 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-এর পরিপূরক হিসেবে উপস্থাপিত এই ব্যক্তিগত প্রতিকৃতিটি (ইন্টারেস্টিং টাইমস) হবসবমের বিংশ শতাব্দীর দৃষ্টিভঙ্গি এবং আধুনিকতার সামগ্রিক বর্ণনায় নতুন কী আলোকপাত করে? সামগ্রিক বিচারে, 'দ্য এজ অফ রেভোলিউশন', 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল', 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' এবং 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-কে একটি একক উদ্যোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে—এমন এক চতুষ্টয় (tetralogy) যার সমসাময়িক বিশ্ব গঠনের সুশৃঙ্খল বিবরণ হিসেবে অন্য কোনো তুলনা নেই। এই সবকটি গ্রন্থেই কিছু বিরল গুণের সংমিশ্রণ ঘটেছে: সংক্ষেপণের পরিমিতিবোধ; খুঁটিনাটি বর্ণনার সজীবতা; বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট সত্ত্বেও আঞ্চলিক পার্থক্যের তীব্র চেতনা; ফসল, শেয়ার বাজার, জাতি-শ্রেণি, রাষ্ট্রনায়ক-কৃষক এবং বিজ্ঞান-কলা—সব বিষয়েই অগাধ পাণ্ডিত্য ও সাবলীলতা; বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর প্রতি গভীর সহানুভূতি; বিশ্লেষণাত্মক বর্ণনার শক্তি; এবং সর্বোপরি অত্যন্ত স্বচ্ছ ও তেজোদীপ্ত একটি লিখনশৈলী। ** [[পেরি অ্যান্ডারসন]], "দ্য ভ্যানকুইশড লেফট: এরিক হবসবম", 'স্পেকট্রাম: ফ্রম রাইট টু লেফট ইন দ্য ওয়ার্ল্ড অফ আইডিয়াস' (২০০৫)-এ প্রকাশিত। * ইউরোপীয় তুলনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিতে, জাতীয় পতাকা বহনকারী এই শ্রমিকদের অদ্ভুত মনে হয় এবং তাদের গুরুত্ব খুব কমই বোঝা যায়। এমনকি মধ্য ইউরোপের প্রখ্যাত লেখক—যেমন [[আর্নেস্ট গেলনার|আর্নেস্ট গেলনার]] বা এরিক হবসবম—এই অঞ্চলের জাতীয়তাবাদের স্বাতন্ত্র্যকে একটি বৈশ্বিক সংজ্ঞায় খাপ খাওয়াতে গিয়ে এর আসল বৈশিষ্ট্যগুলোই ছেঁটে ফেলেছেন। হবসবমের ধারণা ছিল যে এটি পৃথিবীর প্রতিটি কোণেই প্রযোজ্য হবে, কিন্তু আমরা এই বইয়ে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের কাছে এই শব্দের অর্থ কী ছিল তা বোঝার চেষ্টা করেছি। সেই অঞ্চলে গেলনারের 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম' বইয়ের বৈশ্বিক মাপকাঠিগুলো হয় অপ্রাসঙ্গিক নয়তো গৌণ: যেমন [[জন স্টুয়ার্ট মিল|জন স্টুয়ার্ট মিলের]] ধারণা যে একটি জাতীয় রাষ্ট্রকে "সাশ্রয়ী" হতে হবে, বা জাতীয়তাবাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট আয়তন প্রয়োজন। চেক বা স্লোভেনীয়রা এই সব মাপকাঠি সম্পর্কে কিছুই জানত না এবং তারা এগুলো ছাড়াই তাদের ইতিহাস তৈরি করেছে। হবসবমের এই ধারণা যে ভাষা এবং ইতিহাস কোনো নির্ণায়ক মানদণ্ড নয়, তা পূর্ব-মধ্য ইউরোপের যে কারোর কাছে অর্থহীন মনে হতো—যদিও এটি মহাকাশ থেকে কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা জাতীয়তাবাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। ** জন কনেলি, 'ফ্রম পিপলস টু নেশনস: আ হিস্ট্রি অফ ইস্টার্ন ইউরোপ' (২০২০), পৃষ্ঠা ৭৯৬-৭৯৭। * এরিক হবসবম হয়তো অভিযোগ করতে পারেন যে আমি অন্যায় করছি এবং আমি আসলে অন্যরকম একটি বই আশা করেছিলাম। তিনি বলতে পারেন যে আমি এমন একটি বই চাই যা চিরস্থায়ী হবে এবং ভবিষ্যৎ শতাব্দীর ইতিহাসবিদদের আগ্রহের খোরাক হবে। আর তিনি ঠিকই বলেছেন, আমি আসলেই তা চাই। বিপরীতে, তিনি বলতে পারেন যে তাঁর বইটি "বিংশ শতাব্দীর একজন লেখকের দ্বারা বিংশ শতাব্দীর শেষের পাঠকদের জন্য লেখা", যাদের কাছে 'পুঁজিবাদ' এবং 'সমাজতন্ত্রের' সংঘাত, সামাজিক বিপ্লব, [[স্নায়ুযুদ্ধ]], এবং 'প্রকৃত সমাজতন্ত্রের' সীমাবদ্ধতা ও পতন নিয়ে আলোচনা করা সার্থক। তিনি মূলত সেই পাঠকদের জন্য লিখছেন যারা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের মূল থিম হিসেবে বিশ্ব কমিউনিজমের ট্র্যাজিক ও বীরত্বগাথাকে বিবেচনা করেন। কিন্তু বিশ্ব কমিউনিজমের এই যাত্রা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একমাত্র বা মূল থিম নয়। হবসবম আসলে কাদের জন্য তাঁর বইটি লিখছেন? বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের কোন অংশটুকু পাঠকদের জানা প্রয়োজন, তার জন্য কি আমরা 'এজ অফ এক্সট্রিমস' বইটির সুপারিশ করতে পারি? ** [[জে. ব্র্যাডফোর্ড ডিলং]], "লো মার্ক্স: আ রিভিউ অফ এরিক হবসবমস 'এজ অফ এক্সট্রিমস'" (১৯৯৫)। * [[১৯৬৮]] সালে আমি সেই মনোযোগী ও শ্রদ্ধাশীল ছাত্র শ্রোতাদের একজন ছিলাম, যাদের সামনে এরিক হবসবম ছাত্র র‍্যাডিক্যালিজমের সীমাবদ্ধতা নিয়ে কথা বলছিলেন। তাঁর উপসংহারটি আমার খুব মনে আছে, কারণ এটি তৎকালীন মেজাজের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। তিনি আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে, মাঝেমধ্যে পৃথিবী পরিবর্তন করা নয় বরং এটিকে ব্যাখ্যা করাই মুখ্য উদ্দেশ্য। কিন্তু বিশ্বকে ব্যাখ্যা করার জন্য এটি কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে সে সম্পর্কেও একটি সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন। তাঁর শেষ বইটি আমাদের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া এই বিশ্বের একটি চমত্কার, মেধাবী এবং সর্বদা বুদ্ধিদীপ্ত বিবরণ। এটি যদি তাঁর সেরা কাজগুলোর সমপর্যায়ের না-ও হয়, তবুও মনে রাখা উচিত যে তিনি নিজেই মেধার মানদণ্ড অনেক উঁচুতে সেট করেছেন। তবে বিশ্বে এক বা দুটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে—যেমন কমিউনিজমের মৃত্যু বা ইতিহাসের ওপর আস্থা হারানো—যা লেখককে খুব একটা খুশি করতে পারেনি। এটি দুঃখজনক, কারণ তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গি বইটির বিবরণকে এমনভাবে প্রভাবিত করেছে যা হয়তো নতুন পাঠকদের শিখতে নিরুৎসাহিত করবে। আমি বিংশ শতাব্দীর বর্ণনায় তাঁর সেই তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণ মিস করেছি যা তাঁকে উনবিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একজন অপরিহার্য পথপ্রদর্শক করে তুলেছিল। হবসবম আমাদের মনে করিয়ে দেন যে ইতিহাসবিদরা হলেন "সেই পেশাদার স্মৃতিকার যারা সাধারণ মানুষ যা ভুলে যেতে চায় তা মনে করিয়ে দেন।" এটি একটি অত্যন্ত কঠিন ও আপসহীন দায়িত্ব। ** [[টনি জাট]], "ডাউনহিল অল দ্য ওয়ে", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২৫ মে, ১৯৯৫)। * হবসবম তাঁর স্মৃতিকথা একটি উদ্দীপনামূলক বার্তার মাধ্যমে শেষ করেছেন: “এই সন্তোষজনক নয় এমন সময়েও আমাদের নিরস্ত্র হওয়া চলবে না। সামাজিক অবিচারের বিরুদ্ধে সবসময় প্রতিবাদ ও লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। পৃথিবী নিজে নিজে ভালো হবে না।” তিনি সব দিক থেকেই ঠিক। কিন্তু নতুন শতাব্দীতে ভালো কিছু করতে হলে আমাদের পুরনো শতাব্দীর সত্যগুলো বলতে হবে। হবসবম শয়তান বা অশুভ শক্তির মুখোমুখি হতে এবং একে তার আসল নামে ডাকতে অস্বীকার করেছেন; তিনি কখনও স্তালিন এবং তাঁর কর্মকাণ্ডের রাজনৈতিক ও নৈতিক উত্তরাধিকারকে গভীরভাবে বিচার করেননি। তিনি যদি গুরুত্বের সাথে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে কোনো আমূল পরিবর্তনের মশাল হস্তান্তর করতে চান, তবে এটি সঠিক পথ নয়। ** [[টনি জাট]], "দ্য লাস্ট রোমান্টিক", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২০ নভেম্বর, ২০০৩)। * হবসবম যেমনটি তাঁর 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' বইতে বলেছিলেন, তিনি মূলত একটি ‘যুক্তির উন্মোচন’ লিখছিলেন। সেই যুক্তির মূল কথা হলো—ঐতিহাসিক গুরুত্বের ক্ষেত্রে সংস্কৃতির চেয়ে অর্থনীতি, নারীর চেয়ে পুরুষ এবং বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে পশ্চিমের গুরুত্ব বেশি। তাঁর বর্ণনায় অনেক কিছু বাদ পড়াটা কোনো ভুল ছিল না বরং এটি ছিল তাঁর চিন্তাধারারই অংশ। অন্যভাবে বলতে গেলে, হবসবমকে নতুনভাবে মূল্যায়ন করতে হলে তাঁর এই মূল ধারণাগুলোকে চ্যালেঞ্জ করতে হবে। ** [[w:Susan Pedersen|সুসান পেডারসেন]], "আই ওয়ান্ট টু লাভ ইট", 'লন্ডন রিভিউ অফ বুকস' (১৮ এপ্রিল, ২০১৯)। * হবসবমকে একবার জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি হ্যাম্পস্টেড ম্যানশনের মতো অত্যন্ত দামি বাড়িতে বাস করাকে কীভাবে সমর্থন করেন। উত্তরে তিনি রসিকতা করে বলেছিলেন, যদি কেউ [[w:Titanic|টাইটানিক]] জাহাজে ভ্রমণ করে, তবে তার প্রথম শ্রেণীতে চড়েই ডুবে যাওয়া ভালো। রসিকতা হিসেবে এটি চমত্কার। কিন্তু যদি ১৯৮৯ সালে সমস্ত বরফ গলে যায় (কমিউনিজমের পতন হয়), তবে কী হবে? ** [[w:John Sutherland (author)|জন সাদারল্যান্ড]], 'দ্য টাইমস' (২৩ জানুয়ারি, ২০১৬)। * ১৯৯৫ সালে যখন তিনি '[[w:Desert Island Discs|ডেজার্ট আইল্যান্ড ডিস্কস]]'-এ উপস্থিত হয়েছিলেন, তখন তিনি বিলি হলিডের একটি গান বেছে নেওয়ার পাশাপাশি ইতিহাস নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছিলেন। উপস্থাপক সু ললি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, যদি লক্ষ লক্ষ জীবনের বিনিময়ে বিশ্ববিপ্লব আনা সম্ভব হতো, তবে কি তা সার্থক হতো? তিনি দ্বিধাহীনভাবে উত্তর দিয়েছিলেন—হ্যাঁ। মাইকেল ইগনাটিয়েফ কর্তৃক টেলিভিশনে গৃহীত এক সাক্ষাৎকারে হবসবমকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, ১৯৩৪ সালে স্তালিন কর্তৃক লক্ষ লক্ষ মানুষকে জোরপূর্বক অভুক্ত রাখার কথা জানলে কি তাঁর কমিউনিস্ট হওয়ার ইচ্ছা বদলে যেত? তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, "সম্ভবত না"। তিনি শান্তভাবে আরও যোগ করেন যে, যদি সোভিয়েত ইউনিয়ন বিশ্ববিপ্লবের সূচনা করতে পারত, তবে ১৫-২০ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু যুক্তিযুক্ত হতে পারত। ** [[এ. এন. উইলসন]], 'অন দ্য রং সাইড অফ হিস্ট্রি', 'দ্য টাইমস স্যাটারডে রিভিউ' (২৬ জানুয়ারি, ২০১৯)। * হবসবমের ইতিহাসের প্রধান সমস্যা ছিল যে তাঁর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল [[কার্ল মার্ক্স|কার্ল মার্ক্সের]] তত্ত্বগুলোকে সত্য প্রমাণ করা। শোকসংবাদ লেখকরা দাবি করেছিলেন যে তিনি কখনও [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদী]] মতাদর্শের দাস ছিলেন না বা তাঁর কাজ ছিল "সর্বদা সূক্ষ্ম ও মার্জিত", কিন্তু বাস্তবতা ছিল এর বিপরীত। ** কিথ উইন্ডশাটল, "দ্য নট-সো-গ্রেট এরিক হবসবম", 'কোয়াড্র্যান্ট' (১ নভেম্বর ২০১২)। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইতিহাসবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:কমিউনিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্ক্সবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্যাসিবাদ বিরোধী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১২-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:আলেকজান্দ্রিয়ার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রিটিশ একাডেমির ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:রয়্যাল সোসাইটি অফ লিটারেচারের ফেলো]] h6ozllanse63jsyr5k06yw4jt4dql76 78582 78580 2026-04-19T12:40:35Z SMontaha32 3112 78582 wikitext text/x-wiki [[File:Eric Hobsbawm.jpg|thumb|right|২০১১ সালে এরিক হবসবম]] '''[[w:Eric Hobsbawm|এরিক জন আর্নেস্ট হবসবম]]''', [[w:Companion of Honour|সিএইচ]], [[w:Fellow of the Royal Society of Literature|এফআরএসএল]], [[w:Fellow of the British Academy|এফবিএ]] ([[৯ জুন]] [[১৯১৭]] – [[১ অক্টোবর]] [[২০১২]]) ছিলেন একজন ব্রিটিশ মার্ক্সবাদী ইতিহাসবিদ ও লেখক। তিনি [[w:Communist Party of Great Britain|কমিউনিস্ট পার্টি অব গ্রেট ব্রিটেনের]] (১৯২০–১৯৯১) একজন প্রধান তাত্ত্বিক এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত [[w:Birkbeck College|বার্কবেক কলেজের]] সাবেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন। == উদ্ধৃতি == * আমাদের যুগের বুদ্ধিজীবী এবং [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদের]] মধ্যে যে প্রেমের সম্পর্ক দেখা যায়, তা পশ্চিম ইউরোপে তুলনামূলকভাবে দেরিতে শুরু হয়েছিল। যদিও রাশিয়ায় এটি [[কার্ল মার্ক্স|মার্ক্সের]] জীবদ্দশাতেই শুরু হয়। ** "বুদ্ধিজীবী এবং কমিউনিজম" (১৯৬৪), 'রেভোলিউশনারিস: কনটেম্পোরারি এসেস' (১৯৭৩)-এ প্রকাশিত। * প্রথমত, সম্ভবত কোনো বড় ধরনের [[বিপ্লব]] সফল করার জন্য যে অতিমানবীয় প্রচেষ্টার প্রয়োজন হয়, তা তৈরির জন্য [[কল্পরাজ্য|ইউটোপিয়াবাদ]] একটি প্রয়োজনীয় সামাজিক কৌশল। ** 'প্রিমিটিভ রেবেলস: স্টাডিজ ইন আর্কাইক ফর্মস অফ সোশ্যাল মুভমেন্ট ইন দ্য নাইনটিনথ অ্যান্ড টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরিস' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ৬০। * ইতিহাসবিদরা [[জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদের]] কাছে ঠিক তেমনই, যেমন [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] পোস্ত চাষীরা [[আসক্তি|হেরোইন আসক্তদের]] কাছে: আমরা বাজারের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সরবরাহ করি। '''অতীতহীন জাতি একটি স্ববিরোধী ধারণা।''' অতীতই একটি জাতি গঠন করে এবং অন্য জাতির বিরুদ্ধে নিজের অস্তিত্বের ন্যায্যতা দেয়। ইতিহাসবিদরাই সেই অতীত তৈরি করেন। তাই আমার পেশাটি রাজনীতির সাথে মিশে গিয়ে জাতীয়তাবাদের একটি অপরিহার্য উপাদানে পরিণত হয়েছে। ** "এথনিসিটি অ্যান্ড ন্যাশনালিজম ইন ইউরোপ টুডে" (ফেব্রুয়ারি ১৯৯২), 'অ্যানথ্রোপোলজি টুডে'। * [[উদারতাবাদ]] ব্যর্থ হচ্ছিল। আমি যদি [[ইহুদি]] না হয়ে [[জার্মান]] হতাম, তবে সম্ভবত আমি একজন [[নাৎসিবাদ|নাৎসি]] বা [[w:German_nationalist|জার্মান জাতীয়তাবাদী]] হতাম। আমি বুঝতে পারতাম তারা জাতি রক্ষার বিষয়ে কতটা আবেগপ্রবণ ছিল। সেটি এমন এক সময় ছিল যখন বিশ্বকে আমূল পরিবর্তন না করলে কোনো ভবিষ্যৎ আছে বলে কেউ বিশ্বাস করত না। ** এরিক হবসবমের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, মায়া জাগি কর্তৃক 'দ্য গার্ডিয়ান'-এ প্রকাশিত “আ কোয়েশ্চেন অফ ফেইথ” (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০২)। * মনে হচ্ছে [[বিদেশাতঙ্ক|জেনোফোবিয়া]] বা বিদেশাতঙ্ক বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের একটি গণ-আদর্শে পরিণত হতে যাচ্ছে। ** 'ডিভাইডেড ইউরোপীয়ানস: আন্ডারস্ট্যান্ডিং এথনিসিটিস ইন কনফ্লিক্ট' (১৯৯৯), পৃষ্ঠা ৪১। * [[লন্ডন|লন্ডনের]] দিকে তাকান। আমাদের সবার কাছেই লন্ডনের অর্থনীতির সমৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু রাজধানীর নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় উৎপন্ন বিশাল সম্পদের পরীক্ষা এই নয় যে এটি ব্রিটেনের মোট জিডিপিতে ২০-৩০% অবদান রাখছে। বরং পরীক্ষাটি হলো এটি সেখানে বসবাসকারী লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে কী প্রভাব ফেলছে। তারা সেখানে থাকার সামর্থ্য রাখে কি না? যদি না রাখে, তবে লন্ডন অতি-ধনীদের স্বর্গরাজ্য হওয়া তাদের জন্য কোনো সান্ত্বনা নয়। তারা কি উপযুক্ত বেতনের চাকরি পায়? যদি না পায়, তবে মিশেলিন-স্টার রেস্তোরাঁ বা নামী শেফদের নিয়ে বড়াই করবেন না। কিংবা শিশুদের শিক্ষার কথা ধরুন; লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এক দল নোবেল বিজয়ী থাকলেই অপর্যাপ্ত স্কুলগুলোর অভাব পূরণ হয় না। ** 'দ্য গার্ডিয়ান' (২০০৯)। * বিশ্বজুড়ে যেভাবে [[ভারত|ভারতীয়]] ও [[চীন|চীনা]] রেস্তোরাঁর বিস্তার ঘটছে, তা থেকে বোঝা যায় যে [[বিদেশাতঙ্ক|জেনোফোবিয়া]] বিদেশি মানুষের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়, বিদেশি সাংস্কৃতিক আমদানির বিরুদ্ধে নয়। ** 'ম্যাপিং দ্য নেশন' (১৩ নভেম্বর ২০১২), পৃষ্ঠা ২৬৩। === 'দ্য এজ অফ রেভোলিউশন' (১৯৬২) === * ইতিহাসের জালকে ছিঁড়ে আলাদা সুতোয় ভাগ করা সম্ভব নয়, কারণ এতে ইতিহাস ধ্বংস হয়ে যায়। তবে ব্যবহারিক প্রয়োজনে বিষয়টিকে কিছু উপবিভাগে ভাগ করা অপরিহার্য। ** প্রস্তাবনা * '''শব্দ হলো এমন সাক্ষী যা নথিপত্রের চেয়েও জোরালোভাবে কথা বলে।''' ইংরেজি ভাষার এমন কিছু শব্দের কথা ভাবুন যা এই ষাট বছরের সময়কালে আবিষ্কৃত হয়েছে বা আধুনিক অর্থ পেয়েছে। যেমন '[[শিল্প]]', '[[শিল্পপতি]]', '[[কারখানা]]', '[[w:Middle_class|মধ্যবিত্ত]]', '[[শ্রমজীবী শ্রেণি]]' এবং '[[সমাজতন্ত্র]]'। এর মধ্যে আরও আছে '[[অভিজাততন্ত্র]]', '[[রেলপথ]]', '[[উদারনীতি|উদারপন্থী]]', '[[রক্ষণশীলতা|রক্ষণশীল]]', '[[জাতীয়তা]]', '[[বিজ্ঞানী]]', '[[প্রকৌশল|প্রকৌশলী]]', '[[সর্বহারা]]' এবং অর্থনৈতিক 'সংকট'। ** ভূমিকা * 'আলোকায়ন' বা এনলাইটেনমেন্টকে কঠোরভাবে মধ্যবিত্তের আদর্শ বলা সঠিক হবে না। যদিও অনেক আলোকায়িত ব্যক্তি মনে করতেন যে মুক্ত সমাজ মানেই একটি [[পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদী]] সমাজ হবে। তাত্ত্বিকভাবে এর লক্ষ্য ছিল সকল মানুষকে মুক্ত করা। সব [[প্রগতিশীলতা|প্রগতিশীল]], [[যুক্তিদাল|যুক্তিবাদী]] ও [[মানবতাবাদ|মানবতাবাদী]] আদর্শ এর মধ্যেই নিহিত ছিল। তবে বাস্তবে এই মুক্তির আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল সমাজের মধ্যবিত্ত স্তর। জন্মগত পরিচয়ের চেয়ে মেধা ও যুক্তিবাদী মানুষের মাধ্যমেই একটি '[[বুর্জোয়া]]' ও পুঁজিবাদী সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল। ** অধ্যায় ১: ১৭৮০-এর দশকের বিশ্ব * শিল্প বিপ্লবের প্রথম দুই প্রজন্মে ব্রিটেনের মৌলিক সত্যটি ছিল এই যে, সম্পদশালী ও ধনী শ্রেণি এত দ্রুত এবং এত বিশাল পরিমাণ আয় পুঞ্জীভূত করেছিল যা তাদের ব্যয় বা বিনিয়োগের সামর্থ্যকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ** অধ্যায় ২: শিল্প বিপ্লব * [[ফ্রান্স]] বিশ্বের অধিকাংশ দেশকে আইনের ধারা ([[w:Napoleonic_code|নেপোলিয়নিক কোড]]), বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সংগঠনের মডেল এবং পরিমাপের [[w:Metric_system|মেট্রিক পদ্ধতি]] উপহার দিয়েছে। আধুনিক বিশ্বের আদর্শগুলো প্রথম ফ্রান্সের প্রভাবেই প্রাচীন সভ্যতাগুলোতে প্রবেশ করেছিল। এটি ছিল [[ফরাসি বিপ্লব|ফরাসি বিপ্লবের]] কাজ। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * নেপোলিয়ন সংক্রান্ত মিথ বা কিংবদন্তি তাঁর ব্যক্তিগত গুণের চেয়ে তাঁর অনন্য ক্যারিয়ারের ওপর বেশি প্রতিষ্ঠিত। অতীতের বিখ্যাত বিশ্বজয়ীরা রাজা বা অভিজাত পরিবারে জন্মাতেন, কিন্তু [[নেপোলিয়ন বোনাপার্ট|নেপোলিয়ন]] ছিলেন একজন সাধারণ সৈনিক যিনি কেবল প্রতিভার জোরে একটি মহাদেশ শাসন করেছিলেন। এটি পুরোপুরি সত্য না হলেও তাঁর উত্থান ছিল রূপকথার মতো। এর ফলে প্রতিটি তরুণ বুদ্ধিজীবী এবং ব্যবসায়ী তাঁর মাঝে নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষা খুঁজে পেয়েছিল। তিনি বিপ্লবের মানুষ ছিলেন আবার স্থিতিশীলতারও কারিগর ছিলেন। তিনি ফ্রান্সের শাসনব্যবস্থা ও আইনকানুনকে আধুনিক রূপ দিয়েছিলেন। তাঁর পতনের পর 'বোনাপার্টবাদ' একটি আদর্শ হিসেবে টিকে ছিল কারণ তিনি সাধারণ মানুষের মনে বড় হওয়ার স্বপ্ন জাগিয়েছিলেন। তিনি কেবল একটি জিনিস ধ্বংস করেছিলেন: জেকোবিন বিপ্লব—সেই সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার স্বপ্ন। কিন্তু তাঁর পতনের পর তাঁর স্মৃতির চেয়ে সেই আদর্শই উনবিংশ শতাব্দীর বিপ্লবগুলোকে বেশি অনুপ্রাণিত করেছিল। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * রাজনৈতিক ভূগোলের দিক থেকে ফরাসি বিপ্লব ইউরোপীয় মধ্যযুগের অবসান ঘটিয়েছিল। ** অধ্যায় ৪: যুদ্ধ * যুদ্ধের সবচেয়ে ভয়ংকর ঝুঁকি ছিল অবহেলা, নোংরা পরিবেশ, দুর্বল সংগঠন, ত্রুটিপূর্ণ চিকিৎসা পরিষেবা এবং স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে অজ্ঞতা। এই পরিস্থিতি প্রায় প্রতিটি সৈন্যকেই ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। ** অধ্যায় ৪: যুদ্ধ * আন্তর্জাতিক শান্তি চুক্তির একটি বিশেষ দিক ছিল [[w:Slave_Trade_Act_1807|আন্তর্জাতিক দাস ব্যবসা বিলোপ]]। এর পেছনে মানবিক ও অর্থনৈতিক—উভয় কারণই ছিল। [[দাসত্ব]] ছিল ভয়ংকর এবং অত্যন্ত অদক্ষ একটি ব্যবস্থা। ব্রিটেনের মতো শক্তিশালী দেশগুলোর কাছে ১৮১৫-৪৮ সালের অর্থনীতি আর মানুষের বিক্রির ওপর নির্ভরশীল ছিল না বরং তা সুতির কাপড়ের ওপর নির্ভর করতে শুরু করেছিল। তবে দাসপ্রথার প্রকৃত বিলোপ খুব ধীরগতিতে হয়েছিল। ** অধ্যায় ৫: শান্তি * ১৮১৫ পরবর্তী প্রজন্মে ইতিহাসকে আটকে রাখার ক্ষেত্রে সরকারগুলোর অক্ষমতা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ফরাসি বিপ্লবের পুনরাবৃত্তি ঠেকানোই ছিল তৎকালীন শক্তিগুলোর প্রধান লক্ষ্য। তা সত্ত্বেও ইউরোপীয় ইতিহাসে বিপ্লববাদ এত দ্রুত এবং ব্যাপকভাবে আর কখনও ছড়িয়ে পড়েনি। ** অধ্যায় ৬: বিপ্লবসমূহ * অন্য কোথাও জাতীয়তাবাদের মতো কিছু খুঁজে পাওয়া অসম্ভব ছিল, কারণ সেখানে এর সামাজিক পরিবেশ ছিল না। আসলে শুরুতে যে শক্তিগুলো জাতীয়তাবাদ তৈরি করার কথা ছিল, তারাই ঐতিহ্য, ধর্ম ও গণদারিদ্র্যের সাথে মিলে পশ্চিমা বিজেতাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। ** অধ্যায় ৭: জাতীয়তাবাদ * ফরাসি বিপ্লবের প্রভাব, আমলাদের যুক্তিবাদী অর্থনৈতিক যুক্তি এবং [[অভিজাততন্ত্র|অভিজাতদের]] লোভ—এই তিনটি কারণ ১৮০৭ থেকে ১৮১৬ সালের মধ্যে প্রুশিয়ার কৃষকদের মুক্তির পথ নির্ধারণ করেছিল। ** অধ্যায় ৮: ভূমি * দ্বৈত বিপ্লবের সমস্ত অর্থনৈতিক পরিণতির মধ্যে '[[উন্নত দেশ|উন্নত]]' এবং '[[উন্নয়নশীল দেশ|অনুন্নত]]' দেশগুলোর মধ্যে বিভাজনটিই ছিল সবচেয়ে গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী। ** অধ্যায় ৯: শিল্প বিশ্বের দিকে * বংশমর্যাদার অভাব বা বৈষম্যের কারণে যারা এতদিন অবহেলিত ছিল, সেই [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী|সংখ্যালঘুরাই]] মেধার ভিত্তিতে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগকে সবচেয়ে বেশি স্বাগত জানিয়েছিল। ** অধ্যায় ১০: মেধার ভিত্তিতে ক্যারিয়ার * শ্রমিকদের জন্য পালানো বা হার মেনে নেওয়ার বিকল্প ছিল বিদ্রোহ। শ্রমজীবী দরিদ্রদের অবস্থা এমন ছিল যে বিদ্রোহ করা তাদের জন্য কেবল সম্ভবই ছিল না বরং বাধ্যতামূলক হয়ে পড়েছিল। উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে শ্রমিক ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের উত্থান ছিল অনিবার্য। ** অধ্যায় ১১: শ্রমজীবী দরিদ্র * ইতিহাসের অধিকাংশ সময় এবং বিশ্বের বেশিরভাগ জায়গায় (চীন সম্ভবত এর ব্যতিক্রম) মানুষ প্রথাগত ধর্মের মাধ্যমেই বিশ্বকে চিন্তা করত। এমনকি কিছু দেশে '[[খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টান]]' শব্দটি কেবল '[[কৃষক]]' বা '[[মানুষ]]' শব্দের সমার্থক ছিল। ** অধ্যায় ১২: আদর্শ: ধর্ম * ধর্ম একসময় আকাশের মতো ছিল যা থেকে কেউ পালাতে পারত না। কিন্তু আধুনিক যুগে এটি মেঘের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে—যা বিশাল কিন্তু সীমিত এবং পরিবর্তনশীল। আদর্শিক পরিবর্তনের মধ্যে এটিই সবচেয়ে গভীর। ** অধ্যায় ১২: আদর্শ: ধর্ম * বুর্জোয়াদের বিজয় ফরাসি বিপ্লবকে এনলাইটেনমেন্টের ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শে রঞ্জিত করেছিল। যেহেতু এই বিপ্লবের ভাষা পরবর্তী সকল বিপ্লবের সাধারণ ভাষা হয়ে উঠেছিল, তাই এটি [[ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ|ধর্মনিরপেক্ষতাকেও]] ছড়িয়ে দিয়েছিল। ** অধ্যায় ১২: আদর্শ: ধর্ম * ক্লাসিক্যাল উদারতাবাদের ‘মানুষ’ (যার প্রতীক ছিলেন [[রবিনসন ক্রুসো]]) ছিল এমন এক সামাজিক প্রাণী যে কেবল অনেকের সাথে সহাবস্থান করত। সামাজিক লক্ষ্যগুলো ছিল ব্যক্তিগত লক্ষ্যগুলোর গাণিতিক যোগফল। সুখ ছিল প্রতিটি ব্যক্তির সর্বোচ্চ উদ্দেশ্য এবং সমাজের লক্ষ্য ছিল সর্বাধিক মানুষের সর্বাধিক সুখ নিশ্চিত করা। ** অধ্যায় ১৩: আদর্শ: ধর্মনিরপেক্ষতা * এমনকি ক্ষুদ্র সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর শিল্পকলাও সমগ্র মানবতাকে কাঁপিয়ে দেওয়া ভূমিকম্পের প্রতিধ্বনি করতে পারে। আমাদের সময়ের সাহিত্য ও [[শিল্পকলা|শিল্পকলায়]] তা দেখা গেছে এবং এর ফলাফল ছিল '[[রোমান্টিকতাবাদ]]'। রোমান্টিকদের নিজেদের বর্ণনা অনেক সময় যুক্তিহীন মনে হলেও তাদের লক্ষ্য ছিল দৃঢ়। ** অধ্যায় ১৪: শিল্পকলা * বিজ্ঞান ও শিল্পকলার মধ্যে সমান্তরাল রেখা টানা সবসময়ই বিপজ্জনক। তবুও বিজ্ঞানও দ্বৈত বিপ্লবের প্রতিফলন ঘটিয়েছে। কারণ এই বিপ্লব বিজ্ঞানের কাছে নতুন দাবি পেশ করেছিল এবং নতুন চিন্তার দুয়ার খুলে দিয়েছিল। ** অধ্যায় ১৫: বিজ্ঞান * বিজ্ঞানের অগ্রগতি কেবল একটি সরলরেখায় চলে না। প্রতিটি পর্যায় আগের সমস্যার সমাধান করে এবং নতুন সমস্যার জন্ম দেয়। ** অধ্যায় ১৫: বিজ্ঞান * '''১৮৩১ সালে [[ভিক্টর হুগো]] লিখেছিলেন যে তিনি বিপ্লবের শব্দ শুনতে পাচ্ছেন, যা মাটির গভীর থেকে প্যারিস হয়ে পুরো ইউরোপের রাজতন্ত্রের নিচে সুরঙ্গ তৈরি করছে। ১৮৪৭ সালে সেই শব্দ তীব্র হয়ে ওঠে এবং ১৮৪৮ সালে বিস্ফোরণ ঘটে।''' ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার: ১৮৪৮-এর দিকে === 'ব্যান্ডিটস' (১৯৬৯; ১৯৭২; ১৯৮১) === * '''মানুষ ডাকাতদের সাথে দেখা করতে পছন্দ না করলেও অন্ধকার রাতে তাদের সম্পর্কে পড়তে সবাই পছন্দ করে।''' ** প্রস্তাবনা * সামাজিক ডাকাতরা হলো সেইসব কৃষক বহিষ্কৃত যাদের প্রভু এবং রাষ্ট্র অপরাধী মনে করে, কিন্তু যারা কৃষক সমাজের অংশ হিসেবেই থাকে। তাদের সমাজ তাদের বীর, রক্ষক বা ন্যায়বিচারের যোদ্ধা হিসেবে গণ্য করে। সাধারণ কৃষক এবং এই বিদ্রোহীদের মধ্যকার সম্পর্কই সামাজিক ডাকাতিকে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে। ** অধ্যায় ১: সামাজিক ডাকাতি কী? * ডাকাত হওয়া মানেই স্বাধীনতা। কিন্তু কৃষক সমাজে খুব কম মানুষই মুক্ত হতে পারে। অধিকাংশ মানুষই সামন্ত প্রভু এবং শ্রমের শিকলে বন্দী থাকে। কৃষকদের অর্থনৈতিক দুর্বলতার চেয়েও তাদের গতিহীনতা তাদের ওপর কর্তৃপক্ষের আধিপত্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। ** অধ্যায় ২: কারা ডাকাত হয়? === 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল' (১৯৭৫) === * ১৭৮৯ থেকে ১৮৪৮ সালের বিপ্লবের দ্বৈততা সেই সময়কালকে একটি ঐক্য ও ভারসাম্য দান করেছে। এর কালানুক্রমিক সীমা সুনির্দিষ্ট হওয়ায় এটি সম্পর্কে লেখা বা পড়া তুলনামূলক সহজ। ** ভূমিকা * সামাজিক-অর্থনৈতিক কাঠামো এবং রাজনীতি বিপ্লবী অঞ্চলকে দুটি ভাগে বিভক্ত করেছিল। বড় শহরগুলোর তুলনায় মফস্বল বা গ্রামাঞ্চলই প্রধান ছিল, যদিও রাজনীতিতে শহরের গুরুত্ব অনেক বেশি ছিল। ** অধ্যায় ১: 'জনগণের বসন্তকাল' * সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষাকারীদের জনগণের রাজনীতি সম্পর্কে শিখতে হয়েছিল। এটি ছিল ১৮৪৮-এর বিপ্লবের প্রধান উদ্ভাবন। এমনকি ঘোর প্রতিক্রিয়াশীলরাও বুঝতে পেরেছিল যে জনমতকে প্রভাবিত করার জন্য তাদের নিজস্ব সংবাদপত্রের প্রয়োজন। ** অধ্যায় ১: 'জনগণের বসন্তকাল' * যখন আমরা আগের সময়ের 'বিশ্ব ইতিহাস' লিখি, তখন আমরা আসলে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশের ইতিহাস যোগ করি যাদের নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ছিল খুব সামান্য। ** অধ্যায় ৩: ঐক্যবদ্ধ বিশ্ব * আজ আমরা বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে যেভাবে বিশ্বকে প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিকভাবে একে অপরের সাথে যুক্ত হতে দেখি, উনবিংশ শতাব্দীতে পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল। আধুনিক বিশ্ব অনেক বেশি মানসম্মত বা স্ট্যান্ডার্ডাইজড হয়ে গেছে কারণ এখন মেশিনের সংখ্যা অনেক বেশি। ** অধ্যায় ৩: ঐক্যবদ্ধ বিশ্ব * যদি জাতীয়তাবাদ একটি ঐতিহাসিক শক্তি হয়ে থাকে, তবে '[[গণতন্ত্র]]' বা রাষ্ট্রীয় কাজে সাধারণ মানুষের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা ছিল অন্য একটি শক্তি। যেখানে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনগুলো গণআন্দোলনে পরিণত হয়েছিল, সেখানে এই দুটি শক্তি একই সাথে কাজ করেছে। ** অধ্যায় ৬: গণতন্ত্রের শক্তি * উদারতাবাদের বিজয়ের যুগ শুরু হয়েছিল একটি [[w:revolutions_of_1848|পরাজিত বিপ্লবের]] মাধ্যমে এবং শেষ হয়েছিল একটি দীর্ঘায়িত মন্দার মধ্য দিয়ে। ইতিহাস সবসময় ঐতিহাসিকদের সুবিধার কথা চিন্তা করে না। ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার === 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' (১৯৮৭) === * যখন ইতিহাসবিদরা এমন একটি সময় নিয়ে কাজ করেন যেখানে প্রত্যক্ষদর্শীরা জীবিত আছেন, তখন ইতিহাসের দুটি ভিন্ন ধারণা একে অপরের মুখোমুখি হয়: পাণ্ডিত্যপূর্ণ ইতিহাস এবং ব্যক্তিগত স্মৃতি। প্রত্যেকের স্মৃতিই ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলেও তা সবসময় নির্ভরযোগ্য নয়। ** ওভ্যাচার (Overture) * ১৮৭০-এর দশকের পর্যবেক্ষকদের কাছে ইতিহাস মানেই ছিল উন্নতি বা প্রগতি। পরিমাপযোগ্য সবকিছুর ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফ দিয়েই এই প্রগতি মাপা হতো। মানুষের জ্ঞান ও প্রকৃতি পরিবর্তনের ক্ষমতাকে তখন অগ্রগতির চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে দেখা হতো। ** অধ্যায় ১: শতবর্ষী বিপ্লব * পুঁজিবাদী ব্যবস্থার প্রসার এমন এক বিশ্ব তৈরি করেছিল যেখানে 'উন্নত' দেশগুলো 'অনুন্নত' দেশগুলোর ওপর আধিপত্য বিস্তার করেছিল। এটিই ছিল সাম্রাজ্যের যুগ। ১৮৭৫ থেকে ১৯১৪ সালের মধ্যে ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শাসক নিজেদের '[[সম্রাট]]' উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। ** অধ্যায় ৩: সাম্রাজ্যের যুগ === 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম সিন্স ১৭৮০' (১৯৯২) === * [উ] কোনো সিরিয়াস ইতিহাসবিদ একজন একনিষ্ঠ রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদী হতে পারেন না... জাতীয়তাবাদ এমন অনেক কিছু বিশ্বাস করতে বাধ্য করে যা আসলে সত্য নয়। ** পৃষ্ঠা ১২। * ব্যাপক বহিষ্কার এমনকি গণহত্যা বিংশ শতাব্দীর শুরুতে ইউরোপের দক্ষিণ প্রান্তে দেখা দিতে শুরু করেছিল। ১৯১৫ সালে তুর্কিরা [[আর্মেনীয় গণহত্যা|আর্মেনীয়দের ব্যাপক নিধন]] শুরু করে এবং গ্রিক-তুর্কি যুদ্ধের পর লক্ষ লক্ষ গ্রিককে তাদের আদি নিবাস থেকে বিতাড়িত করা হয়। পরবর্তীতে অ্যাডলফ হিটলারও একই যুক্তি ব্যবহার করে ইহুদিদের নির্মূল এবং জার্মানদের স্থানান্তরের ব্যবস্থা করেছিলেন। ** পৃষ্ঠা ১৩৩। === 'দ্য এজ অফ এক্সট্রিমস' (১৯৯২) === * '''আমার লক্ষ্য হলো কেন পরিস্থিতি এমন হলো এবং কীভাবে সব কিছু একে অপরের সাথে যুক্ত তা বোঝা এবং ব্যাখ্যা করা।''' আমার বয়সী যারা এই ছোট বিংশ শতাব্দী দেখেছে, তাদের জন্য এটি একটি আত্মজীবনীমূলক প্রচেষ্টাও বটে। আমরা আমাদের নিজেদের স্মৃতিকেই আরও বিস্তৃত এবং সংশোধন করছি। ** ভূমিকা * অতীতের ধ্বংস বা সামাজিক প্রক্রিয়ার সাথে বর্তমান অভিজ্ঞতার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের অন্যতম অদ্ভুত ঘটনা। ** ভূমিকা: আ বার্ডস আই ভিউ * '''১৯৮০-র দশকের শেষে যে বিশ্বটি ভেঙে পড়েছিল, সেটি ১৯১৭ সালের [[রুশ বিপ্লব|রুশ বিপ্লবের]] প্রভাবে গঠিত হয়েছিল।''' * '''সহজ কথায় বললে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণ কে বা কী ছিল—তার উত্তর মাত্র দুটি শব্দে দেওয়া যায়: [[অ্যাডলফ হিটলার]]।''' ** পৃষ্ঠা ৩৬। * পুঁজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থার জন্য মানুষ খুব একটা দক্ষতার সাথে তৈরি হয়নি। ** পৃষ্ঠা ৪১৪। * ক্ষমতায় থাকা কমিউনিজমের কৌতুক বা প্যারাডক্স ছিল এই যে এটি ছিল রক্ষণশীল। ** পৃষ্ঠা ৪২২। * কেন প্রতিভাবান ফ্যাশন ডিজাইনাররা পেশাদার ভবিষ্যৎবক্তাদের চেয়েও ভালোভাবে আগাম পরিস্থিতি বুঝতে পারেন, তা ইতিহাসের এক রহস্যময় প্রশ্ন। ** অধ্যায় ৬: শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের সাংস্কৃতিক বিপ্লবকে সমাজের ওপর ব্যক্তির জয় হিসেবে দেখা যেতে পারে। মানুষের মধ্যকার সামাজিক বন্ধনগুলো ভেঙে যাওয়ার ফলে এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। পুরনো নৈতিক ভাষা—অধিকার, কর্তব্য, ত্যাগ ও পুণ্য—এখন নতুন ভাষায় অনুবাদ করা সম্ভব নয়। '''অনিশ্চয়তা এবং অনির্দেশ্যতা ঘনিয়ে এল। কম্পাসের কাঁটার উত্তর দিক হারিয়ে গেল, মানচিত্র হয়ে পড়ল অকেজো।''' ** অধ্যায় ১১: সাংস্কৃতিক বিপ্লব * '''অক্টোবর বিপ্লবের ট্র্যাজেডি ছিল এই যে এটি কেবল এক ধরনের নির্মম, নিষ্ঠুর এবং আদেশনির্ভর সমাজতন্ত্রই তৈরি করতে পেরেছিল।''' ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের অবসান * যখনই মহিলারা কোনো পেশায় ভিড় করেছেন, যেমন [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত ইউনিয়নে]] চিকিৎসা পেশায়, তখনই সেই পেশার মর্যাদা এবং আয় কমে গেছে। পশ্চিমা নারীবাদীদের বিপরীতে, বেশিরভাগ বিবাহিত সোভিয়েত নারী ঘরে থেকে কেবল একটি কাজ করার স্বপ্ন দেখতেন। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের অবসান === 'অন হিস্ট্রি' (১৯৯৭) === * ইতিহাসকে মিথ বা অলীক কল্পনা দিয়ে প্রতিস্থাপন করার চেষ্টাগুলো কেবল বুদ্ধিবৃত্তিক কৌতুক নয়। এগুলো এমনকি স্কুলের পাঠ্যবই কেমন হবে তাও নির্ধারণ করে দেয়। জাপানি কর্তৃপক্ষ যেমনটি করেছিল; তারা জাপানি ক্লাসরুমের জন্য [[w:Second_SIno-Japanese_War|চীনে জাপানি যুদ্ধের]] একটি পরিমার্জিত বা সেন্সরড সংস্করণ ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছিল। পরিচয় ভিত্তিক রাজনীতির জন্য মিথ এবং উদ্ভাবন অপরিহার্য। বর্তমানের অনিশ্চিত বিশ্বে বিভিন্ন গোষ্ঠী ধর্ম, জাতি বা সীমানা দিয়ে নিজেদের সংজ্ঞায়িত করে এবং 'আমরা অন্যদের চেয়ে আলাদা এবং শ্রেষ্ঠ'—এটি বলার মাধ্যমে এক ধরনের নিশ্চয়তা খোঁজার চেষ্টা করে। ** অধ্যায় ১: ইতিহাসের বাইরে ও ভেতরে * অতীত হলো মানুষের [[চেতনা|চেতনার]] একটি স্থায়ী মাত্রা এবং সামাজিক [[প্রতিষ্ঠান]], [[মূল্যবোধ|মূল্যবোধ]] ও অন্যান্য কাঠামোর এক অনিবার্য উপাদান। ইতিহাসবিদদের কাজ হলো সমাজে এই 'অতীত সচেতনতার' প্রকৃতি বিশ্লেষণ করা এবং এর পরিবর্তন ও রূপান্তরগুলো চিহ্নিত করা। ** অধ্যায় ২: অতীতের ধারণা * উত্তরের চেয়ে প্রশ্ন তৈরি করা অনেক সহজ। তবুও যেসব অভিজ্ঞতাকে আমরা খুব সাধারণ বলে ধরে নিই, সেগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলা একেবারেই মূল্যহীন কাজ নয়। আমরা মাছের মতো অতীতের মধ্যেই সাঁতার কাটি এবং এটি থেকে বের হতে পারি না। কিন্তু এই মাধ্যমে আমাদের বেঁচে থাকা এবং চলাচলের ধরণগুলো বিশ্লেষণ ও আলোচনা করা প্রয়োজন। আমার লক্ষ্য ছিল এই উভয় বিষয়কেই উদ্দীপিত করা। ** অধ্যায় ২: অতীতের ধারণা * অতীতের সাপেক্ষে আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি এবং অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের মধ্যকার সম্পর্ক কেমন—তা কেবল আগ্রহের বিষয় নয়, বরং অপরিহার্য। আমরা নিজেদের জীবন, পরিবার বা গোষ্ঠীর ধারাবাহিকতার বাইরে নিজেদের কল্পনা করতে পারি না। আমরা অতীত ও বর্তমানের তুলনা না করে পারি না; পারিবারিক ফটোর অ্যালবাম বা ভিডিওগুলো তো এজন্যই থাকে। অভিজ্ঞতা মানেই হলো অতীত থেকে শেখা। আমরা হয়তো ভুল কিছু শিখতে পারি এবং প্রায়ই তা করি; কিন্তু আমরা যদি প্রাসঙ্গিক অতীত থেকে শিখতে না পারি বা শিখতে অস্বীকার করি, তবে চরম ক্ষেত্রে আমরা মানসিকভাবে অস্বাভাবিক হিসেবে গণ্য হবো। ** অধ্যায় ৩: সমকালীন সমাজ সম্পর্কে ইতিহাস আমাদের কী বলতে পারে? * অনুপ্রেরণা বা আদর্শ হিসেবে ইতিহাসের মাঝে নিজেকে সঠিক প্রমাণ করার জন্য ‘মিথ’ তৈরির একটি সহজাত প্রবণতা থাকে। আধুনিক জাতি ও জাতীয়তাবাদের ইতিহাস যেমনটি দেখিয়েছে, এর চেয়ে ভয়ংকর অন্ধত্ব আর কিছুই হতে পারে না। ** অধ্যায় ৩: সমকালীন সমাজ সম্পর্কে ইতিহাস আমাদের কী বলতে পারে? * আমি বিষয়টি একটি কূটাভাস বা প্যারাডক্সের মাধ্যমে বলি। পুঁজিবাদ এবং বুর্জোয়া সমাজ যে একটি অস্থায়ী ঐতিহাসিক ঘটনা—মার্ক্সের এই প্রমাণটি পছন্দ করি না বলে তাকে প্রত্যাখ্যান করা যেমন ঠিক নয়, তেমনই আমরা সমাজতন্ত্র চাই বলেই তাকে অন্ধভাবে গ্রহণ করাও অনুচিত। আমি বিশ্বাস করি মার্ক্স গভীর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে কিছু মৌলিক প্রবণতা বুঝতে পেরেছিলেন; কিন্তু সেগুলো আসলে কী বয়ে আনবে তা আমরা জানি না। ভবিষ্যৎ অনেক সময় অচেনা হয়ে দেখা দেয়; তা ভবিষ্যৎবাণী ভুল হওয়ার জন্য নয়, বরং আমরা হয়তো আগন্তুককে ভুল পোশাকে কল্পনা করেছিলাম বলে। ** অধ্যায় ৪: সামনের দিকে তাকানো: ইতিহাস এবং ভবিষ্যৎ * উপসংহারে বলা যায়, এই শতাব্দীতে ইতিহাস তার পথে হোঁচট খেতে খেতে হলেও প্রকৃত উন্নতি করেছে। এটি এমন একটি বিষয় যা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে যাচাইযোগ্য এবং এর মাধ্যমে মানব সমাজের জটিল ও বিবর্তনশীল বিকাশকে আরও ভালোভাবে বোঝা সম্ভব। আমি জানি অনেকে এটি অস্বীকার করেন। ** অধ্যায় ৫: ইতিহাস কি উন্নতি করেছে? * ইতিহাসের বিষয়বস্তু অতীত হওয়ায় এটি কোনো ‘ফলিত বিদ্যা’ বা অ্যাপ্লাইড ডিসিপ্লিন হওয়ার অবস্থানে নেই। কারণ যা ঘটে গেছে তা পরিবর্তন করার কোনো উপায় এখনও আবিষ্কৃত হয়নি। বড়জোর আমরা কাল্পনিক বিকল্প পরিস্থিতির কথা ভাবতে পারি। অবশ্যই অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ একই অবিচ্ছিন্ন ধারার অংশ। তাই ইতিহাসবিদদের বক্তব্য ভবিষ্যতের জন্য পূর্বাভাস বা সুপারিশ হিসেবে কাজ করতে পারে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * আমার যুক্তি হলো, ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন হলে [[অর্থনীতি]] একটি হালবিহীন জাহাজের মতো হয়ে পড়ে এবং অর্থনীতিবিদরা বুঝতে পারেন না তারা কোন দিকে যাচ্ছেন। আমি বলছি না যে কেবল কিছু চার্ট বা বাস্তব অভিজ্ঞতার দিকে তাকালেই সব সমস্যার সমাধান হবে। সমস্যা হলো, মূলধারার অর্থনীতিবিদদের তত্ত্ব এবং পদ্ধতি তাদের এটা বুঝতে সাহায্য করে না যে আসলে কোন দিকে তাকাতে হবে এবং কী খুঁজতে হবে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * অর্থনীতিকে যদি ইতিহাসের শিকার হয়ে থাকতে না হয়, তবে তাকে অবশ্যই ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করতে হবে। গতকালের ঘটনাগুলো আজ দৃশ্যমান হওয়ার পর তা নিয়ে কাজ করার পুরনো অভ্যেস ত্যাগ করতে হবে। এটি কেবল আগামীকালের সমস্যা নিয়ে ভাবতেই সাহায্য করবে না, বরং আগামীকালের অর্থনৈতিক তত্ত্ব গঠন করতেও ভূমিকা রাখবে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * কৃষি পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক বিষয়ের সাথে অ-অর্থনৈতিক বিষয়গুলোকে (যেমন সামাজিক ও রাজনৈতিক কারণ) আলাদা করা সম্ভব নয়—অন্তত স্বল্প মেয়াদে তো নয়ই। এগুলোকে আলাদা করা মানে অর্থনীতির গতিশীল বিশ্লেষণকে বিসর্জন দেওয়া। ** অধ্যায় ৮: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ২ * সংক্ষিপ্তভাবে, বৈজ্ঞানিক আলোচনার ক্ষেত্রে প্রতিটি বক্তব্য অবশ্যই এমন পদ্ধতি ও মানদণ্ড দ্বারা যাচাইযোগ্য হতে হবে যা কোনো দলীয় বা আদর্শগত পক্ষপাত দ্বারা প্রভাবিত নয়। যেসব বক্তব্য এভাবে যাচাই করা যায় না, সেগুলো গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে কিন্তু তা অন্য কোনো আলোচনার বিষয়। ** অধ্যায় ৯: পক্ষপাতিত্ব * ইতিহাসের মৌলিক প্রশ্নটি হলো বিভিন্ন মানব গোষ্ঠীর মধ্যকার পার্থক্য এবং এক সমাজ থেকে অন্য সমাজে রূপান্তরের প্রক্রিয়াটি খুঁজে বের করা। প্রকৃতির ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ অর্জনের মতো কিছু বিষয়ে এটি অবশ্যই একটি একমুখী অগ্রগতি বা প্রগতিকে নির্দেশ করে। যতক্ষণ আমরা সামাজিক বিকাশকে জৈবিক বিবর্তনের সাথে গুলিয়ে না ফেলছি, ততক্ষণ একে 'বিবর্তন' বা এভোলিউশন বলতে কোনো বাধা নেই। ** অধ্যায় ১০: ইতিহাসবিদরা কার্ল মার্ক্সের কাছে কী ঋণী? * উৎপাদন পদ্ধতির বিশ্লেষণ অবশ্যই প্রযুক্তির সংগঠন এবং অর্থনীতির ওপর ভিত্তি করে হতে হবে। মার্ক্স বলেছিলেন যে [[রাজনৈতিক অর্থনীতি]] হলো [[সুশীল সমাজ|নাগরিক সমাজের]] ব্যবচ্ছেদ বা এনাটমি। একটি উৎপাদন পদ্ধতি থেকে অন্য পদ্ধতিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াটিকে অনেক সময় সরলরৈখিকভাবে দেখা হয়, যা অনেক সময় জটিলতা এবং বিতর্কের সৃষ্টি করে। ** অধ্যায় ১১: মার্ক্স এবং ইতিহাস * আমি মনে করি না যে ইতিহাসবিদদের ফ্রয়েডের কাছ থেকে খুব বেশি কিছু শেখার আছে। ফ্রয়েড যখনই ইতিহাস নিয়ে কিছু লিখেছেন, তিনি একজন খারাপ ইতিহাসবিদের পরিচয় দিয়েছেন। মানসিকতার (Mentalities) সমস্যা কেবল মানুষ কতটা আলাদা তা খুঁজে বের করা নয়, বরং তাদের আচরণ, চিন্তা এবং অনুভূতির মধ্যে একটি যৌক্তিক সংযোগ খুঁজে বের করা। আমাদের দেখতে হবে কেন মানুষ বিখ্যাত ডাকাতদের অদৃশ্য বা অপরাজেয় মনে করে, যদিও বাস্তবে তা সত্য নয়। এই বিশ্বাসগুলোকে কেবল আবেগ হিসেবে না দেখে সমাজ সম্পর্কে তাদের একটি সুসংগত বিশ্বাস হিসেবে দেখা উচিত। ** অধ্যায় ১৩: ব্রিটিশ ইতিহাস এবং 'অ্যানালস': একটি টীকা * তৃণমূল পর্যায়ের বা 'নিচ থেকে ইতিহাস' (Grassroots history) চর্চাকারীরা সাধারণ মানুষকে নিয়ে কাজ করেন। তারা জানেন যে তাদের অনেক কিছু জানা নেই এবং এই বিনয়ই তাদের বড় শক্তি। তারা জানেন যে সাধারণ মানুষ যা চেয়েছিল বা তাদের যা প্রয়োজন ছিল, তা সবসময় প্রভাবশালী বা শিক্ষিত সমাজ যা ভেবেছিল তার সাথে মেলে না। যারা এখন সমাজ পরিচালনা করছেন বা যারা সমাজ বদলাতে চান, তাদের সবারই উচিত ইতিহাসবিদদের কথা শোনা। ** অধ্যায় ১৬: নিচ থেকে ইতিহাস * এক সহস্রাব্দ ধরে 'ইউরোপ' ছিল রক্ষণাত্মক। পরবর্তী অর্ধ সহস্রাব্দে এটি বিশ্ব জয় করেছে। এই উভয় পর্যবেক্ষণই বিশ্ব ইতিহাস থেকে ইউরোপের ইতিহাসকে আলাদা করা অসম্ভব করে তুলেছে। বৈচিত্র্য এবং উপাদানগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়াই ইউরোপের অস্তিত্বের মূলে। ** অধ্যায় ১৭: ইউরোপের অদ্ভুত ইতিহাস * আমার জীবনের বেশিরভাগ সময় এমন একটি আশার পেছনে ব্যয় হয়েছে যা শেষ পর্যন্ত হতাশ করেছে এবং এমন একটি আদর্শের পেছনে যা ব্যর্থ হয়েছে: তা হলো অক্টোবর বিপ্লব থেকে শুরু হওয়া কমিউনিজম। কিন্তু পরাজয়ের মতো ইতিহাসবিদের মনকে আর কিছুই তীক্ষ্ণ করতে পারে না। ** অধ্যায় ১৮: ইতিহাস হিসেবে বর্তমান * [[রুশ বিপ্লব|রুশ বিপ্লবের]] দুটি একে অপরের সাথে জড়িয়ে থাকা ইতিহাস আছে: রাশিয়ার ওপর এর প্রভাব এবং বিশ্বের ওপর এর প্রভাব। দ্বিতীয়টি না থাকলে খুব কম মানুষই এটি নিয়ে আগ্রহী হতো। যেমন আমেরিকার বাইরে [[আমেরিকান গৃহযুদ্ধ|আমেরিকার গৃহযুদ্ধ]] নিয়ে খুব কম মানুষই জানে। রুশ বিপ্লব রাশিয়াকে তার আন্তর্জাতিক শক্তি ও সম্মানের শীর্ষে নিয়ে গিয়েছিল—যা জারদের আমলেও সম্ভব হয়নি। [[জোসেফ স্টালিন|স্টালিন]] রুশ ইতিহাসে পিটার দ্য গ্রেটের মতোই স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। এটি একটি অনগ্রসর দেশকে আধুনিক করেছে, কিন্তু এর মানবিক মূল্য ছিল অনেক বেশি। এর অর্থনীতি ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনায় অনেক রুশ নাগরিকের কাছে পুরনো [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত]] আমল এখনও অনেক ভালো মনে হয়। এর ঐতিহাসিক ফলাফল এখনই চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা সম্ভব নয়। ** অধ্যায় ১৯: আমরা কি রুশ বিপ্লবের ইতিহাস লিখতে পারি? * আমরা অমানবিকতায় অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আমরা অসহনীয় বিষয়কেও সহ্য করতে শিখেছি। বিশ্বযুদ্ধ এবং শীতল যুদ্ধ আমাদের বর্বরতাকে মেনে নিতে বাধ্য করেছে। এমনকি আমরা বর্বরতাকে অর্থ উপার্জনের মতো বিষয়গুলোর চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ মনে করতে শুরু করেছি। ** অধ্যায় ২০: বর্বরতা: একটি ব্যবহারকারী নির্দেশিকা * পরিচয় ভিত্তিক ইতিহাস বা আইডেন্টিটি হিস্ট্রিই যথেষ্ট নয়। আবেগ বা ব্যক্তিগত স্বার্থ আমাদের ভুল পথে চালিত করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, প্রতিটি ইহুদি প্রাকৃতিকভাবেই নিজেকে জিজ্ঞেস করে—'এটি কি ইহুদিদের জন্য ভালো নাকি খারাপ?' নিপীড়নের সময়ে এটি ব্যক্তিগত আচরণের জন্য সহায়ক হতে পারে। কিন্তু একজন ইহুদি ইতিহাসবিদকে এটি পথ দেখাতে পারে না। ইতিহাসবিদকে অবশ্যই [[সার্বজনীনতাবাদ|সার্বজনীন হতে হবে]]। কেবল ইহুদিদের জন্য (বা [[আফ্রিকান আমেরিকান|আফ্রিকান-আমেরিকান]], [[গ্রিক]], [[নারী]] বা [[সমকামিতা|সমকামী]]) লেখা ইতিহাস কখনও ভালো ইতিহাস হতে পারে না, যদিও তা সংশ্লিষ্টদের কাছে স্বস্তিদায়ক হতে পারে। ** অধ্যায় ২১: আইডেন্টিটি হিস্ট্রিই যথেষ্ট নয় === 'হাউ টু চেঞ্জ দ্য ওয়ার্ল্ড: রিফ্লেকশনস অন মার্ক্স অ্যান্ড মার্ক্সিজম' (২০১১) === * 'মাউন্ট অফ সারমন'-এ বর্ণিত যিশু খ্রিস্টকে ‘প্রথম সমাজতান্ত্রিক’ বা কমিউনিস্ট হিসেবে দেখা খুবই সহজ। যদিও প্রথমদিকের সমাজতান্ত্রিক তাত্ত্বিকদের অধিকাংশ খ্রিস্টান ছিলেন না, তবুও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের পরবর্তীকালের অনেক সদস্য এই ভাবনাটিকে বেশ কার্যকর মনে করেছেন। * 'কমিউনিস্ট' শব্দটি সবসময় একটি নির্দিষ্ট কর্মসূচিকে নির্দেশ করলেও, 'সমাজতান্ত্রিক' শব্দটি ছিল মূলত বিশ্লেষণাত্মক এবং সমালোচনামূলক। * মার্ক্সের ধারণাগুলো ইউরোপের বেশিরভাগ শ্রমিক ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের অনুপ্রেরণাদায়ী তত্ত্বে পরিণত হয়েছিল। মূলত লেনিন এবং রুশ বিপ্লবের মাধ্যমে এই আদর্শ বিংশ শতাব্দীর সামাজিক বিপ্লবের একটি বিশ্বজনীন তত্ত্বে রূপ নেয়, যা চীন থেকে শুরু করে [[পেরু|পেরু]] পর্যন্ত সর্বত্র সমাদৃত হয়। এই তত্ত্বগুলোতে বিশ্বাসী দলগুলোর জয়ের মাধ্যমে এর বিভিন্ন সংস্করণ এমন সব রাষ্ট্রের দাপ্তরিক আদর্শে পরিণত হয়, যেখানে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ বসবাস করত। এছাড়া বিশ্বের বাকি অংশেও বিভিন্ন আকারের রাজনৈতিক আন্দোলনের ওপর এর ব্যাপক প্রভাব ছিল। অতীতের মহান ধর্মগুলোর প্রবর্তক ছাড়া আর কোনো একক চিন্তাবিদ এমন মর্যাদা পাননি। সম্ভবত [[মুহাম্মদ|মুহাম্মদ]] (সা.) ছাড়া অন্য কেউ এত দ্রুত এবং এত বড় পরিসরে সাফল্য অর্জন করতে পারেননি। এই বিচারে কোনো ইহজাগতিক চিন্তাবিদের নাম তাঁর (মার্ক্স) পাশে রাখা সম্ভব নয়। ** অধ্যায় ১৪, 'ইনফ্লুয়েন্স অফ মার্ক্সিজম ১৯৪৫-৮৩' == হবসবম সম্পর্কে উদ্ধৃতি == * 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-এর পরিপূরক হিসেবে উপস্থাপিত এই ব্যক্তিগত প্রতিকৃতিটি (ইন্টারেস্টিং টাইমস) হবসবমের বিংশ শতাব্দীর দৃষ্টিভঙ্গি এবং আধুনিকতার সামগ্রিক বর্ণনায় নতুন কী আলোকপাত করে? সামগ্রিক বিচারে, 'দ্য এজ অফ রেভোলিউশন', 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল', 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' এবং 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-কে একটি একক উদ্যোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে—এমন এক চতুষ্টয় (tetralogy) যার সমসাময়িক বিশ্ব গঠনের সুশৃঙ্খল বিবরণ হিসেবে অন্য কোনো তুলনা নেই। এই সবকটি গ্রন্থেই কিছু বিরল গুণের সংমিশ্রণ ঘটেছে: সংক্ষেপণের পরিমিতিবোধ; খুঁটিনাটি বর্ণনার সজীবতা; বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট সত্ত্বেও আঞ্চলিক পার্থক্যের তীব্র চেতনা; ফসল, শেয়ার বাজার, জাতি-শ্রেণি, রাষ্ট্রনায়ক-কৃষক এবং বিজ্ঞান-কলা—সব বিষয়েই অগাধ পাণ্ডিত্য ও সাবলীলতা; বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর প্রতি গভীর সহানুভূতি; বিশ্লেষণাত্মক বর্ণনার শক্তি; এবং সর্বোপরি অত্যন্ত স্বচ্ছ ও তেজোদীপ্ত একটি লিখনশৈলী। ** [[পেরি অ্যান্ডারসন]], "দ্য ভ্যানকুইশড লেফট: এরিক হবসবম", 'স্পেকট্রাম: ফ্রম রাইট টু লেফট ইন দ্য ওয়ার্ল্ড অফ আইডিয়াস' (২০০৫)-এ প্রকাশিত। * ইউরোপীয় তুলনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিতে, জাতীয় পতাকা বহনকারী এই শ্রমিকদের অদ্ভুত মনে হয় এবং তাদের গুরুত্ব খুব কমই বোঝা যায়। এমনকি মধ্য ইউরোপের প্রখ্যাত লেখক—যেমন [[আর্নেস্ট গেলনার|আর্নেস্ট গেলনার]] বা এরিক হবসবম—এই অঞ্চলের জাতীয়তাবাদের স্বাতন্ত্র্যকে একটি বৈশ্বিক সংজ্ঞায় খাপ খাওয়াতে গিয়ে এর আসল বৈশিষ্ট্যগুলোই ছেঁটে ফেলেছেন। হবসবমের ধারণা ছিল যে এটি পৃথিবীর প্রতিটি কোণেই প্রযোজ্য হবে, কিন্তু আমরা এই বইয়ে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের কাছে এই শব্দের অর্থ কী ছিল তা বোঝার চেষ্টা করেছি। সেই অঞ্চলে গেলনারের 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম' বইয়ের বৈশ্বিক মাপকাঠিগুলো হয় অপ্রাসঙ্গিক নয়তো গৌণ: যেমন [[জন স্টুয়ার্ট মিল|জন স্টুয়ার্ট মিলের]] ধারণা যে একটি জাতীয় রাষ্ট্রকে "সাশ্রয়ী" হতে হবে, বা জাতীয়তাবাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট আয়তন প্রয়োজন। চেক বা স্লোভেনীয়রা এই সব মাপকাঠি সম্পর্কে কিছুই জানত না এবং তারা এগুলো ছাড়াই তাদের ইতিহাস তৈরি করেছে। হবসবমের এই ধারণা যে ভাষা এবং ইতিহাস কোনো নির্ণায়ক মানদণ্ড নয়, তা পূর্ব-মধ্য ইউরোপের যে কারোর কাছে অর্থহীন মনে হতো—যদিও এটি মহাকাশ থেকে কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা জাতীয়তাবাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। ** জন কনেলি, 'ফ্রম পিপলস টু নেশনস: আ হিস্ট্রি অফ ইস্টার্ন ইউরোপ' (২০২০), পৃষ্ঠা ৭৯৬-৭৯৭। * এরিক হবসবম হয়তো অভিযোগ করতে পারেন যে আমি অন্যায় করছি এবং আমি আসলে অন্যরকম একটি বই আশা করেছিলাম। তিনি বলতে পারেন যে আমি এমন একটি বই চাই যা চিরস্থায়ী হবে এবং ভবিষ্যৎ শতাব্দীর ইতিহাসবিদদের আগ্রহের খোরাক হবে। আর তিনি ঠিকই বলেছেন, আমি আসলেই তা চাই। বিপরীতে, তিনি বলতে পারেন যে তাঁর বইটি "বিংশ শতাব্দীর একজন লেখকের দ্বারা বিংশ শতাব্দীর শেষের পাঠকদের জন্য লেখা", যাদের কাছে 'পুঁজিবাদ' এবং 'সমাজতন্ত্রের' সংঘাত, সামাজিক বিপ্লব, [[স্নায়ুযুদ্ধ]], এবং 'প্রকৃত সমাজতন্ত্রের' সীমাবদ্ধতা ও পতন নিয়ে আলোচনা করা সার্থক। তিনি মূলত সেই পাঠকদের জন্য লিখছেন যারা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের মূল থিম হিসেবে বিশ্ব কমিউনিজমের ট্র্যাজিক ও বীরত্বগাথাকে বিবেচনা করেন। কিন্তু বিশ্ব কমিউনিজমের এই যাত্রা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একমাত্র বা মূল থিম নয়। হবসবম আসলে কাদের জন্য তাঁর বইটি লিখছেন? বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের কোন অংশটুকু পাঠকদের জানা প্রয়োজন, তার জন্য কি আমরা 'এজ অফ এক্সট্রিমস' বইটির সুপারিশ করতে পারি? ** [[জে. ব্র্যাডফোর্ড ডিলং]], "লো মার্ক্স: আ রিভিউ অফ এরিক হবসবমস 'এজ অফ এক্সট্রিমস'" (১৯৯৫)। * [[১৯৬৮]] সালে আমি সেই মনোযোগী ও শ্রদ্ধাশীল ছাত্র শ্রোতাদের একজন ছিলাম, যাদের সামনে এরিক হবসবম ছাত্র র‍্যাডিক্যালিজমের সীমাবদ্ধতা নিয়ে কথা বলছিলেন। তাঁর উপসংহারটি আমার খুব মনে আছে, কারণ এটি তৎকালীন মেজাজের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। তিনি আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে, মাঝেমধ্যে পৃথিবী পরিবর্তন করা নয় বরং এটিকে ব্যাখ্যা করাই মুখ্য উদ্দেশ্য। কিন্তু বিশ্বকে ব্যাখ্যা করার জন্য এটি কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে সে সম্পর্কেও একটি সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন। তাঁর শেষ বইটি আমাদের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া এই বিশ্বের একটি চমত্কার, মেধাবী এবং সর্বদা বুদ্ধিদীপ্ত বিবরণ। এটি যদি তাঁর সেরা কাজগুলোর সমপর্যায়ের না-ও হয়, তবুও মনে রাখা উচিত যে তিনি নিজেই মেধার মানদণ্ড অনেক উঁচুতে সেট করেছেন। তবে বিশ্বে এক বা দুটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে—যেমন কমিউনিজমের মৃত্যু বা ইতিহাসের ওপর আস্থা হারানো—যা লেখককে খুব একটা খুশি করতে পারেনি। এটি দুঃখজনক, কারণ তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গি বইটির বিবরণকে এমনভাবে প্রভাবিত করেছে যা হয়তো নতুন পাঠকদের শিখতে নিরুৎসাহিত করবে। আমি বিংশ শতাব্দীর বর্ণনায় তাঁর সেই তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণ মিস করেছি যা তাঁকে উনবিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একজন অপরিহার্য পথপ্রদর্শক করে তুলেছিল। হবসবম আমাদের মনে করিয়ে দেন যে ইতিহাসবিদরা হলেন "সেই পেশাদার স্মৃতিকার যারা সাধারণ মানুষ যা ভুলে যেতে চায় তা মনে করিয়ে দেন।" এটি একটি অত্যন্ত কঠিন ও আপসহীন দায়িত্ব। ** [[টনি জাট]], "ডাউনহিল অল দ্য ওয়ে", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২৫ মে, ১৯৯৫)। * হবসবম তাঁর স্মৃতিকথা একটি উদ্দীপনামূলক বার্তার মাধ্যমে শেষ করেছেন: “এই সন্তোষজনক নয় এমন সময়েও আমাদের নিরস্ত্র হওয়া চলবে না। সামাজিক অবিচারের বিরুদ্ধে সবসময় প্রতিবাদ ও লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। পৃথিবী নিজে নিজে ভালো হবে না।” তিনি সব দিক থেকেই ঠিক। কিন্তু নতুন শতাব্দীতে ভালো কিছু করতে হলে আমাদের পুরনো শতাব্দীর সত্যগুলো বলতে হবে। হবসবম শয়তান বা অশুভ শক্তির মুখোমুখি হতে এবং একে তার আসল নামে ডাকতে অস্বীকার করেছেন; তিনি কখনও স্তালিন এবং তাঁর কর্মকাণ্ডের রাজনৈতিক ও নৈতিক উত্তরাধিকারকে গভীরভাবে বিচার করেননি। তিনি যদি গুরুত্বের সাথে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে কোনো আমূল পরিবর্তনের মশাল হস্তান্তর করতে চান, তবে এটি সঠিক পথ নয়। ** [[টনি জাট]], "দ্য লাস্ট রোমান্টিক", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২০ নভেম্বর, ২০০৩)। * হবসবম যেমনটি তাঁর 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' বইতে বলেছিলেন, তিনি মূলত একটি ‘যুক্তির উন্মোচন’ লিখছিলেন। সেই যুক্তির মূল কথা হলো—ঐতিহাসিক গুরুত্বের ক্ষেত্রে সংস্কৃতির চেয়ে অর্থনীতি, নারীর চেয়ে পুরুষ এবং বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে পশ্চিমের গুরুত্ব বেশি। তাঁর বর্ণনায় অনেক কিছু বাদ পড়াটা কোনো ভুল ছিল না বরং এটি ছিল তাঁর চিন্তাধারারই অংশ। অন্যভাবে বলতে গেলে, হবসবমকে নতুনভাবে মূল্যায়ন করতে হলে তাঁর এই মূল ধারণাগুলোকে চ্যালেঞ্জ করতে হবে। ** [[w:Susan Pedersen|সুসান পেডারসেন]], "আই ওয়ান্ট টু লাভ ইট", 'লন্ডন রিভিউ অফ বুকস' (১৮ এপ্রিল, ২০১৯)। * হবসবমকে একবার জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি হ্যাম্পস্টেড ম্যানশনের মতো অত্যন্ত দামি বাড়িতে বাস করাকে কীভাবে সমর্থন করেন। উত্তরে তিনি রসিকতা করে বলেছিলেন, যদি কেউ [[w:Titanic|টাইটানিক]] জাহাজে ভ্রমণ করে, তবে তার প্রথম শ্রেণীতে চড়েই ডুবে যাওয়া ভালো। রসিকতা হিসেবে এটি চমত্কার। কিন্তু যদি ১৯৮৯ সালে সমস্ত বরফ গলে যায় (কমিউনিজমের পতন হয়), তবে কী হবে? ** [[w:John Sutherland (author)|জন সাদারল্যান্ড]], 'দ্য টাইমস' (২৩ জানুয়ারি, ২০১৬)। * ১৯৯৫ সালে যখন তিনি '[[w:Desert Island Discs|ডেজার্ট আইল্যান্ড ডিস্কস]]'-এ উপস্থিত হয়েছিলেন, তখন তিনি বিলি হলিডের একটি গান বেছে নেওয়ার পাশাপাশি ইতিহাস নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছিলেন। উপস্থাপক সু ললি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, যদি লক্ষ লক্ষ জীবনের বিনিময়ে বিশ্ববিপ্লব আনা সম্ভব হতো, তবে কি তা সার্থক হতো? তিনি দ্বিধাহীনভাবে উত্তর দিয়েছিলেন—হ্যাঁ। মাইকেল ইগনাটিয়েফ কর্তৃক টেলিভিশনে গৃহীত এক সাক্ষাৎকারে হবসবমকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, ১৯৩৪ সালে স্তালিন কর্তৃক লক্ষ লক্ষ মানুষকে জোরপূর্বক অভুক্ত রাখার কথা জানলে কি তাঁর কমিউনিস্ট হওয়ার ইচ্ছা বদলে যেত? তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, "সম্ভবত না"। তিনি শান্তভাবে আরও যোগ করেন যে, যদি সোভিয়েত ইউনিয়ন বিশ্ববিপ্লবের সূচনা করতে পারত, তবে ১৫-২০ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু যুক্তিযুক্ত হতে পারত। ** [[এ. এন. উইলসন]], 'অন দ্য রং সাইড অফ হিস্ট্রি', 'দ্য টাইমস স্যাটারডে রিভিউ' (২৬ জানুয়ারি, ২০১৯)। * হবসবমের ইতিহাসের প্রধান সমস্যা ছিল যে তাঁর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল [[কার্ল মার্ক্স|কার্ল মার্ক্সের]] তত্ত্বগুলোকে সত্য প্রমাণ করা। শোকসংবাদ লেখকরা দাবি করেছিলেন যে তিনি কখনও [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদী]] মতাদর্শের দাস ছিলেন না বা তাঁর কাজ ছিল "সর্বদা সূক্ষ্ম ও মার্জিত", কিন্তু বাস্তবতা ছিল এর বিপরীত। ** কিথ উইন্ডশাটল, "দ্য নট-সো-গ্রেট এরিক হবসবম", 'কোয়াড্র্যান্ট' (১ নভেম্বর ২০১২)। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইতিহাসবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:কমিউনিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্ক্সবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্যাসিবাদ বিরোধী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১২-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:আলেকজান্দ্রিয়ার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রিটিশ একাডেমির ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:রয়্যাল সোসাইটি অফ লিটারেচারের ফেলো]] grgq5zgn0lt7bohprw62zw7e9705guz 78583 78582 2026-04-19T12:42:42Z SMontaha32 3112 78583 wikitext text/x-wiki [[File:Eric Hobsbawm.jpg|thumb|right|২০১১ সালে এরিক হবসবম]] '''[[w:Eric Hobsbawm|এরিক জন আর্নেস্ট হবসবম]]''', [[w:Companion of Honour|সিএইচ]], [[w:Fellow of the Royal Society of Literature|এফআরএসএল]], [[w:Fellow of the British Academy|এফবিএ]] ([[৯ জুন]] [[১৯১৭]] – [[১ অক্টোবর]] [[২০১২]]) ছিলেন একজন ব্রিটিশ মার্ক্সবাদী ইতিহাসবিদ ও লেখক। তিনি [[w:Communist Party of Great Britain|কমিউনিস্ট পার্টি অব গ্রেট ব্রিটেনের]] (১৯২০–১৯৯১) একজন প্রধান তাত্ত্বিক এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত [[w:Birkbeck College|বার্কবেক কলেজের]] সাবেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন। == উদ্ধৃতি == * আমাদের যুগের বুদ্ধিজীবী এবং [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদের]] মধ্যে যে প্রেমের সম্পর্ক দেখা যায়, তা পশ্চিম ইউরোপে তুলনামূলকভাবে দেরিতে শুরু হয়েছিল। যদিও রাশিয়ায় এটি [[কার্ল মার্ক্স|মার্ক্সের]] জীবদ্দশাতেই শুরু হয়। ** "বুদ্ধিজীবী এবং কমিউনিজম" (১৯৬৪), 'রেভোলিউশনারিস: কনটেম্পোরারি এসেস' (১৯৭৩)-এ প্রকাশিত। * প্রথমত, সম্ভবত কোনো বড় ধরনের [[বিপ্লব]] সফল করার জন্য যে অতিমানবীয় প্রচেষ্টার প্রয়োজন হয়, তা তৈরির জন্য [[কল্পরাজ্য|ইউটোপিয়াবাদ]] একটি প্রয়োজনীয় সামাজিক কৌশল। ** 'প্রিমিটিভ রেবেলস: স্টাডিজ ইন আর্কাইক ফর্মস অফ সোশ্যাল মুভমেন্ট ইন দ্য নাইনটিনথ অ্যান্ড টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরিস' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ৬০। * ইতিহাসবিদরা [[জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদের]] কাছে ঠিক তেমনই, যেমন [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] পোস্ত চাষীরা [[আসক্তি|হেরোইন আসক্তদের]] কাছে: আমরা বাজারের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সরবরাহ করি। '''অতীতহীন জাতি একটি স্ববিরোধী ধারণা।''' অতীতই একটি জাতি গঠন করে এবং অন্য জাতির বিরুদ্ধে নিজের অস্তিত্বের ন্যায্যতা দেয়। ইতিহাসবিদরাই সেই অতীত তৈরি করেন। তাই আমার পেশাটি রাজনীতির সাথে মিশে গিয়ে জাতীয়তাবাদের একটি অপরিহার্য উপাদানে পরিণত হয়েছে। ** "এথনিসিটি অ্যান্ড ন্যাশনালিজম ইন ইউরোপ টুডে" (ফেব্রুয়ারি ১৯৯২), 'অ্যানথ্রোপোলজি টুডে'। * [[উদারতাবাদ]] ব্যর্থ হচ্ছিল। আমি যদি [[ইহুদি]] না হয়ে [[জার্মান]] হতাম, তবে সম্ভবত আমি একজন [[নাৎসিবাদ|নাৎসি]] বা [[w:German_nationalist|জার্মান জাতীয়তাবাদী]] হতাম। আমি বুঝতে পারতাম তারা জাতি রক্ষার বিষয়ে কতটা আবেগপ্রবণ ছিল। সেটি এমন এক সময় ছিল যখন বিশ্বকে আমূল পরিবর্তন না করলে কোনো ভবিষ্যৎ আছে বলে কেউ বিশ্বাস করত না। ** এরিক হবসবমের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, মায়া জাগি কর্তৃক 'দ্য গার্ডিয়ান'-এ প্রকাশিত “আ কোয়েশ্চেন অফ ফেইথ” (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০২)। * মনে হচ্ছে [[বিদেশাতঙ্ক|জেনোফোবিয়া]] বা বিদেশাতঙ্ক বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের একটি গণ-আদর্শে পরিণত হতে যাচ্ছে। ** 'ডিভাইডেড ইউরোপীয়ানস: আন্ডারস্ট্যান্ডিং এথনিসিটিস ইন কনফ্লিক্ট' (১৯৯৯), পৃষ্ঠা ৪১। * [[লন্ডন|লন্ডনের]] দিকে তাকান। আমাদের সবার কাছেই লন্ডনের অর্থনীতির সমৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু রাজধানীর নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় উৎপন্ন বিশাল সম্পদের পরীক্ষা এই নয় যে এটি ব্রিটেনের মোট জিডিপিতে ২০-৩০% অবদান রাখছে। বরং পরীক্ষাটি হলো এটি সেখানে বসবাসকারী লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে কী প্রভাব ফেলছে। তারা সেখানে থাকার সামর্থ্য রাখে কি না? যদি না রাখে, তবে লন্ডন অতি-ধনীদের স্বর্গরাজ্য হওয়া তাদের জন্য কোনো সান্ত্বনা নয়। তারা কি উপযুক্ত বেতনের চাকরি পায়? যদি না পায়, তবে মিশেলিন-স্টার রেস্তোরাঁ বা নামী শেফদের নিয়ে বড়াই করবেন না। কিংবা শিশুদের শিক্ষার কথা ধরুন; লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এক দল নোবেল বিজয়ী থাকলেই অপর্যাপ্ত স্কুলগুলোর অভাব পূরণ হয় না। ** 'দ্য গার্ডিয়ান' (২০০৯)। * বিশ্বজুড়ে যেভাবে [[ভারত|ভারতীয়]] ও [[চীন|চীনা]] রেস্তোরাঁর বিস্তার ঘটছে, তা থেকে বোঝা যায় যে [[বিদেশাতঙ্ক|জেনোফোবিয়া]] বিদেশি মানুষের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়, বিদেশি সাংস্কৃতিক আমদানির বিরুদ্ধে নয়। ** 'ম্যাপিং দ্য নেশন' (১৩ নভেম্বর ২০১২), পৃষ্ঠা ২৬৩। === 'দ্য এজ অফ রেভোলিউশন' (১৯৬২) === * ইতিহাসের জালকে ছিঁড়ে আলাদা সুতোয় ভাগ করা সম্ভব নয়, কারণ এতে ইতিহাস ধ্বংস হয়ে যায়। তবে ব্যবহারিক প্রয়োজনে বিষয়টিকে কিছু উপবিভাগে ভাগ করা অপরিহার্য। ** প্রস্তাবনা * '''শব্দ হলো এমন সাক্ষী যা নথিপত্রের চেয়েও জোরালোভাবে কথা বলে।''' ইংরেজি ভাষার এমন কিছু শব্দের কথা ভাবুন যা এই ষাট বছরের সময়কালে আবিষ্কৃত হয়েছে বা আধুনিক অর্থ পেয়েছে। যেমন '[[শিল্প]]', '[[শিল্পপতি]]', '[[কারখানা]]', '[[w:Middle_class|মধ্যবিত্ত]]', '[[শ্রমজীবী শ্রেণি]]' এবং '[[সমাজতন্ত্র]]'। এর মধ্যে আরও আছে '[[অভিজাততন্ত্র]]', '[[রেলপথ]]', '[[উদারনীতি|উদারপন্থী]]', '[[রক্ষণশীলতা|রক্ষণশীল]]', '[[জাতীয়তা]]', '[[বিজ্ঞানী]]', '[[প্রকৌশল|প্রকৌশলী]]', '[[সর্বহারা]]' এবং অর্থনৈতিক 'সংকট'। ** ভূমিকা * 'আলোকায়ন' বা এনলাইটেনমেন্টকে কঠোরভাবে মধ্যবিত্তের আদর্শ বলা সঠিক হবে না। যদিও অনেক আলোকায়িত ব্যক্তি মনে করতেন যে মুক্ত সমাজ মানেই একটি [[পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদী]] সমাজ হবে। তাত্ত্বিকভাবে এর লক্ষ্য ছিল সকল মানুষকে মুক্ত করা। সব [[প্রগতিশীলতা|প্রগতিশীল]], [[যুক্তিদাল|যুক্তিবাদী]] ও [[মানবতাবাদ|মানবতাবাদী]] আদর্শ এর মধ্যেই নিহিত ছিল। তবে বাস্তবে এই মুক্তির আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল সমাজের মধ্যবিত্ত স্তর। জন্মগত পরিচয়ের চেয়ে মেধা ও যুক্তিবাদী মানুষের মাধ্যমেই একটি '[[বুর্জোয়া]]' ও পুঁজিবাদী সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল। ** অধ্যায় ১: ১৭৮০-এর দশকের বিশ্ব * শিল্প বিপ্লবের প্রথম দুই প্রজন্মে ব্রিটেনের মৌলিক সত্যটি ছিল এই যে, সম্পদশালী ও ধনী শ্রেণি এত দ্রুত এবং এত বিশাল পরিমাণ আয় পুঞ্জীভূত করেছিল যা তাদের ব্যয় বা বিনিয়োগের সামর্থ্যকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ** অধ্যায় ২: শিল্প বিপ্লব * [[ফ্রান্স]] বিশ্বের অধিকাংশ দেশকে আইনের ধারা ([[w:Napoleonic_code|নেপোলিয়নিক কোড]]), বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সংগঠনের মডেল এবং পরিমাপের [[w:Metric_system|মেট্রিক পদ্ধতি]] উপহার দিয়েছে। আধুনিক বিশ্বের আদর্শগুলো প্রথম ফ্রান্সের প্রভাবেই প্রাচীন সভ্যতাগুলোতে প্রবেশ করেছিল। এটি ছিল [[ফরাসি বিপ্লব|ফরাসি বিপ্লবের]] কাজ। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * নেপোলিয়ন সংক্রান্ত মিথ বা কিংবদন্তি তাঁর ব্যক্তিগত গুণের চেয়ে তাঁর অনন্য ক্যারিয়ারের ওপর বেশি প্রতিষ্ঠিত। অতীতের বিখ্যাত বিশ্বজয়ীরা রাজা বা অভিজাত পরিবারে জন্মাতেন, কিন্তু [[নেপোলিয়ন বোনাপার্ট|নেপোলিয়ন]] ছিলেন একজন সাধারণ সৈনিক যিনি কেবল প্রতিভার জোরে একটি মহাদেশ শাসন করেছিলেন। এটি পুরোপুরি সত্য না হলেও তাঁর উত্থান ছিল রূপকথার মতো। এর ফলে প্রতিটি তরুণ বুদ্ধিজীবী এবং ব্যবসায়ী তাঁর মাঝে নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষা খুঁজে পেয়েছিল। তিনি বিপ্লবের মানুষ ছিলেন আবার স্থিতিশীলতারও কারিগর ছিলেন। তিনি ফ্রান্সের শাসনব্যবস্থা ও আইনকানুনকে আধুনিক রূপ দিয়েছিলেন। তাঁর পতনের পর 'বোনাপার্টবাদ' একটি আদর্শ হিসেবে টিকে ছিল কারণ তিনি সাধারণ মানুষের মনে বড় হওয়ার স্বপ্ন জাগিয়েছিলেন। তিনি কেবল একটি জিনিস ধ্বংস করেছিলেন: জেকোবিন বিপ্লব—সেই সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার স্বপ্ন। কিন্তু তাঁর পতনের পর তাঁর স্মৃতির চেয়ে সেই আদর্শই উনবিংশ শতাব্দীর বিপ্লবগুলোকে বেশি অনুপ্রাণিত করেছিল। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * রাজনৈতিক ভূগোলের দিক থেকে ফরাসি বিপ্লব ইউরোপীয় মধ্যযুগের অবসান ঘটিয়েছিল। ** অধ্যায় ৪: যুদ্ধ * যুদ্ধের সবচেয়ে ভয়ংকর ঝুঁকি ছিল অবহেলা, নোংরা পরিবেশ, দুর্বল সংগঠন, ত্রুটিপূর্ণ চিকিৎসা পরিষেবা এবং স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে অজ্ঞতা। এই পরিস্থিতি প্রায় প্রতিটি সৈন্যকেই ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। ** অধ্যায় ৪: যুদ্ধ * আন্তর্জাতিক শান্তি চুক্তির একটি বিশেষ দিক ছিল [[w:Slave_Trade_Act_1807|আন্তর্জাতিক দাস ব্যবসা বিলোপ]]। এর পেছনে মানবিক ও অর্থনৈতিক—উভয় কারণই ছিল। [[দাসত্ব]] ছিল ভয়ংকর এবং অত্যন্ত অদক্ষ একটি ব্যবস্থা। ব্রিটেনের মতো শক্তিশালী দেশগুলোর কাছে ১৮১৫-৪৮ সালের অর্থনীতি আর মানুষের বিক্রির ওপর নির্ভরশীল ছিল না বরং তা সুতির কাপড়ের ওপর নির্ভর করতে শুরু করেছিল। তবে দাসপ্রথার প্রকৃত বিলোপ খুব ধীরগতিতে হয়েছিল। ** অধ্যায় ৫: শান্তি * ১৮১৫ পরবর্তী প্রজন্মে ইতিহাসকে আটকে রাখার ক্ষেত্রে সরকারগুলোর অক্ষমতা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ফরাসি বিপ্লবের পুনরাবৃত্তি ঠেকানোই ছিল তৎকালীন শক্তিগুলোর প্রধান লক্ষ্য। তা সত্ত্বেও ইউরোপীয় ইতিহাসে বিপ্লববাদ এত দ্রুত এবং ব্যাপকভাবে আর কখনও ছড়িয়ে পড়েনি। ** অধ্যায় ৬: বিপ্লবসমূহ * অন্য কোথাও জাতীয়তাবাদের মতো কিছু খুঁজে পাওয়া অসম্ভব ছিল, কারণ সেখানে এর সামাজিক পরিবেশ ছিল না। আসলে শুরুতে যে শক্তিগুলো জাতীয়তাবাদ তৈরি করার কথা ছিল, তারাই ঐতিহ্য, ধর্ম ও গণদারিদ্র্যের সাথে মিলে পশ্চিমা বিজেতাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। ** অধ্যায় ৭: জাতীয়তাবাদ * ফরাসি বিপ্লবের প্রভাব, আমলাদের যুক্তিবাদী অর্থনৈতিক যুক্তি এবং [[অভিজাততন্ত্র|অভিজাতদের]] লোভ—এই তিনটি কারণ ১৮০৭ থেকে ১৮১৬ সালের মধ্যে প্রুশিয়ার কৃষকদের মুক্তির পথ নির্ধারণ করেছিল। ** অধ্যায় ৮: ভূমি * দ্বৈত বিপ্লবের সমস্ত অর্থনৈতিক পরিণতির মধ্যে '[[উন্নত দেশ|উন্নত]]' এবং '[[উন্নয়নশীল দেশ|অনুন্নত]]' দেশগুলোর মধ্যে বিভাজনটিই ছিল সবচেয়ে গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী। ** অধ্যায় ৯: শিল্প বিশ্বের দিকে * বংশমর্যাদার অভাব বা বৈষম্যের কারণে যারা এতদিন অবহেলিত ছিল, সেই [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী|সংখ্যালঘুরাই]] মেধার ভিত্তিতে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগকে সবচেয়ে বেশি স্বাগত জানিয়েছিল। ** অধ্যায় ১০: মেধার ভিত্তিতে ক্যারিয়ার * শ্রমিকদের জন্য পালানো বা হার মেনে নেওয়ার বিকল্প ছিল বিদ্রোহ। শ্রমজীবী দরিদ্রদের অবস্থা এমন ছিল যে বিদ্রোহ করা তাদের জন্য কেবল সম্ভবই ছিল না বরং বাধ্যতামূলক হয়ে পড়েছিল। উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে শ্রমিক ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের উত্থান ছিল অনিবার্য। ** অধ্যায় ১১: শ্রমজীবী দরিদ্র * ইতিহাসের অধিকাংশ সময় এবং বিশ্বের বেশিরভাগ জায়গায় (চীন সম্ভবত এর ব্যতিক্রম) মানুষ প্রথাগত ধর্মের মাধ্যমেই বিশ্বকে চিন্তা করত। এমনকি কিছু দেশে '[[খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টান]]' শব্দটি কেবল '[[কৃষক]]' বা '[[মানুষ]]' শব্দের সমার্থক ছিল। ** অধ্যায় ১২: আদর্শ: ধর্ম * ধর্ম একসময় আকাশের মতো ছিল যা থেকে কেউ পালাতে পারত না। কিন্তু আধুনিক যুগে এটি মেঘের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে—যা বিশাল কিন্তু সীমিত এবং পরিবর্তনশীল। আদর্শিক পরিবর্তনের মধ্যে এটিই সবচেয়ে গভীর। ** অধ্যায় ১২: আদর্শ: ধর্ম * বুর্জোয়াদের বিজয় ফরাসি বিপ্লবকে এনলাইটেনমেন্টের ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শে রঞ্জিত করেছিল। যেহেতু এই বিপ্লবের ভাষা পরবর্তী সকল বিপ্লবের সাধারণ ভাষা হয়ে উঠেছিল, তাই এটি [[ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ|ধর্মনিরপেক্ষতাকেও]] ছড়িয়ে দিয়েছিল। ** অধ্যায় ১২: আদর্শ: ধর্ম * ক্লাসিক্যাল উদারতাবাদের ‘মানুষ’ (যার প্রতীক ছিলেন [[রবিনসন ক্রুসো]]) ছিল এমন এক সামাজিক প্রাণী যে কেবল অনেকের সাথে সহাবস্থান করত। সামাজিক লক্ষ্যগুলো ছিল ব্যক্তিগত লক্ষ্যগুলোর গাণিতিক যোগফল। সুখ ছিল প্রতিটি ব্যক্তির সর্বোচ্চ উদ্দেশ্য এবং সমাজের লক্ষ্য ছিল সর্বাধিক মানুষের সর্বাধিক সুখ নিশ্চিত করা। ** অধ্যায় ১৩: আদর্শ: ধর্মনিরপেক্ষতা * এমনকি ক্ষুদ্র সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর শিল্পকলাও সমগ্র মানবতাকে কাঁপিয়ে দেওয়া ভূমিকম্পের প্রতিধ্বনি করতে পারে। আমাদের সময়ের সাহিত্য ও [[শিল্পকলা|শিল্পকলায়]] তা দেখা গেছে এবং এর ফলাফল ছিল '[[রোমান্টিকতাবাদ]]'। রোমান্টিকদের নিজেদের বর্ণনা অনেক সময় যুক্তিহীন মনে হলেও তাদের লক্ষ্য ছিল দৃঢ়। ** অধ্যায় ১৪: শিল্পকলা * বিজ্ঞান ও শিল্পকলার মধ্যে সমান্তরাল রেখা টানা সবসময়ই বিপজ্জনক। তবুও বিজ্ঞানও দ্বৈত বিপ্লবের প্রতিফলন ঘটিয়েছে। কারণ এই বিপ্লব বিজ্ঞানের কাছে নতুন দাবি পেশ করেছিল এবং নতুন চিন্তার দুয়ার খুলে দিয়েছিল। ** অধ্যায় ১৫: বিজ্ঞান * বিজ্ঞানের অগ্রগতি কেবল একটি সরলরেখায় চলে না। প্রতিটি পর্যায় আগের সমস্যার সমাধান করে এবং নতুন সমস্যার জন্ম দেয়। ** অধ্যায় ১৫: বিজ্ঞান * '''১৮৩১ সালে [[ভিক্টর হুগো]] লিখেছিলেন যে তিনি বিপ্লবের শব্দ শুনতে পাচ্ছেন, যা মাটির গভীর থেকে প্যারিস হয়ে পুরো ইউরোপের রাজতন্ত্রের নিচে সুরঙ্গ তৈরি করছে। ১৮৪৭ সালে সেই শব্দ তীব্র হয়ে ওঠে এবং ১৮৪৮ সালে বিস্ফোরণ ঘটে।''' ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার: ১৮৪৮-এর দিকে === 'ব্যান্ডিটস' (১৯৬৯; ১৯৭২; ১৯৮১) === * '''মানুষ ডাকাতদের সাথে দেখা করতে পছন্দ না করলেও অন্ধকার রাতে তাদের সম্পর্কে পড়তে সবাই পছন্দ করে।''' ** প্রস্তাবনা * সামাজিক ডাকাতরা হলো সেইসব কৃষক বহিষ্কৃত যাদের প্রভু এবং রাষ্ট্র অপরাধী মনে করে, কিন্তু যারা কৃষক সমাজের অংশ হিসেবেই থাকে। তাদের সমাজ তাদের বীর, রক্ষক বা ন্যায়বিচারের যোদ্ধা হিসেবে গণ্য করে। সাধারণ কৃষক এবং এই বিদ্রোহীদের মধ্যকার সম্পর্কই সামাজিক ডাকাতিকে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে। ** অধ্যায় ১: সামাজিক ডাকাতি কী? * ডাকাত হওয়া মানেই স্বাধীনতা। কিন্তু কৃষক সমাজে খুব কম মানুষই মুক্ত হতে পারে। অধিকাংশ মানুষই সামন্ত প্রভু এবং শ্রমের শিকলে বন্দী থাকে। কৃষকদের অর্থনৈতিক দুর্বলতার চেয়েও তাদের গতিহীনতা তাদের ওপর কর্তৃপক্ষের আধিপত্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। ** অধ্যায় ২: কারা ডাকাত হয়? === 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল' (১৯৭৫) === * ১৭৮৯ থেকে ১৮৪৮ সালের বিপ্লবের দ্বৈততা সেই সময়কালকে একটি ঐক্য ও ভারসাম্য দান করেছে। এর কালানুক্রমিক সীমা সুনির্দিষ্ট হওয়ায় এটি সম্পর্কে লেখা বা পড়া তুলনামূলক সহজ। ** ভূমিকা * সামাজিক-অর্থনৈতিক কাঠামো এবং রাজনীতি বিপ্লবী অঞ্চলকে দুটি ভাগে বিভক্ত করেছিল। বড় শহরগুলোর তুলনায় মফস্বল বা গ্রামাঞ্চলই প্রধান ছিল, যদিও রাজনীতিতে শহরের গুরুত্ব অনেক বেশি ছিল। ** অধ্যায় ১: 'জনগণের বসন্তকাল' * সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষাকারীদের জনগণের রাজনীতি সম্পর্কে শিখতে হয়েছিল। এটি ছিল ১৮৪৮-এর বিপ্লবের প্রধান উদ্ভাবন। এমনকি ঘোর প্রতিক্রিয়াশীলরাও বুঝতে পেরেছিল যে জনমতকে প্রভাবিত করার জন্য তাদের নিজস্ব সংবাদপত্রের প্রয়োজন। ** অধ্যায় ১: 'জনগণের বসন্তকাল' * যখন আমরা আগের সময়ের 'বিশ্ব ইতিহাস' লিখি, তখন আমরা আসলে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশের ইতিহাস যোগ করি যাদের নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ছিল খুব সামান্য। ** অধ্যায় ৩: ঐক্যবদ্ধ বিশ্ব * আজ আমরা বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে যেভাবে বিশ্বকে প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিকভাবে একে অপরের সাথে যুক্ত হতে দেখি, উনবিংশ শতাব্দীতে পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল। আধুনিক বিশ্ব অনেক বেশি মানসম্মত বা স্ট্যান্ডার্ডাইজড হয়ে গেছে কারণ এখন মেশিনের সংখ্যা অনেক বেশি। ** অধ্যায় ৩: ঐক্যবদ্ধ বিশ্ব * যদি জাতীয়তাবাদ একটি ঐতিহাসিক শক্তি হয়ে থাকে, তবে '[[গণতন্ত্র]]' বা রাষ্ট্রীয় কাজে সাধারণ মানুষের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা ছিল অন্য একটি শক্তি। যেখানে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনগুলো গণআন্দোলনে পরিণত হয়েছিল, সেখানে এই দুটি শক্তি একই সাথে কাজ করেছে। ** অধ্যায় ৬: গণতন্ত্রের শক্তি * উদারতাবাদের বিজয়ের যুগ শুরু হয়েছিল একটি [[w:revolutions_of_1848|পরাজিত বিপ্লবের]] মাধ্যমে এবং শেষ হয়েছিল একটি দীর্ঘায়িত মন্দার মধ্য দিয়ে। ইতিহাস সবসময় ঐতিহাসিকদের সুবিধার কথা চিন্তা করে না। ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার === 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' (১৯৮৭) === * যখন ইতিহাসবিদরা এমন একটি সময় নিয়ে কাজ করেন যেখানে প্রত্যক্ষদর্শীরা জীবিত আছেন, তখন ইতিহাসের দুটি ভিন্ন ধারণা একে অপরের মুখোমুখি হয়: পাণ্ডিত্যপূর্ণ ইতিহাস এবং ব্যক্তিগত স্মৃতি। প্রত্যেকের স্মৃতিই ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলেও তা সবসময় নির্ভরযোগ্য নয়। ** ওভ্যাচার (Overture) * ১৮৭০-এর দশকের পর্যবেক্ষকদের কাছে ইতিহাস মানেই ছিল উন্নতি বা প্রগতি। পরিমাপযোগ্য সবকিছুর ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফ দিয়েই এই প্রগতি মাপা হতো। মানুষের জ্ঞান ও প্রকৃতি পরিবর্তনের ক্ষমতাকে তখন অগ্রগতির চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে দেখা হতো। ** অধ্যায় ১: শতবর্ষী বিপ্লব * পুঁজিবাদী ব্যবস্থার প্রসার এমন এক বিশ্ব তৈরি করেছিল যেখানে 'উন্নত' দেশগুলো 'অনুন্নত' দেশগুলোর ওপর আধিপত্য বিস্তার করেছিল। এটিই ছিল সাম্রাজ্যের যুগ। ১৮৭৫ থেকে ১৯১৪ সালের মধ্যে ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শাসক নিজেদের '[[সম্রাট]]' উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। ** অধ্যায় ৩: সাম্রাজ্যের যুগ === 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম সিন্স ১৭৮০' (১৯৯২) === * [উ] কোনো সিরিয়াস ইতিহাসবিদ একজন একনিষ্ঠ রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদী হতে পারেন না... জাতীয়তাবাদ এমন অনেক কিছু বিশ্বাস করতে বাধ্য করে যা আসলে সত্য নয়। ** পৃষ্ঠা ১২। * ব্যাপক বহিষ্কার এমনকি গণহত্যা বিংশ শতাব্দীর শুরুতে ইউরোপের দক্ষিণ প্রান্তে দেখা দিতে শুরু করেছিল। ১৯১৫ সালে তুর্কিরা [[আর্মেনীয় গণহত্যা|আর্মেনীয়দের ব্যাপক নিধন]] শুরু করে এবং গ্রিক-তুর্কি যুদ্ধের পর লক্ষ লক্ষ গ্রিককে তাদের আদি নিবাস থেকে বিতাড়িত করা হয়। পরবর্তীতে অ্যাডলফ হিটলারও একই যুক্তি ব্যবহার করে ইহুদিদের নির্মূল এবং জার্মানদের স্থানান্তরের ব্যবস্থা করেছিলেন। ** পৃষ্ঠা ১৩৩। === 'দ্য এজ অফ এক্সট্রিমস' (১৯৯২) === * আমার লক্ষ্য হলো এটি বোঝা এবং ব্যাখ্যা করা যে কেন ঘটনাগুলো এভাবে ঘটল এবং তারা একে অপরের সাথে কীভাবে যুক্ত। আমার সমবয়সী যারা এই ‘সংক্ষিপ্ত বিংশ শতাব্দী’র প্রায় পুরোটা সময় বেঁচে ছিলেন, তাদের জন্য এটি অনিবার্যভাবে একটি আত্মজীবনীমূলক প্রচেষ্টাও বটে। আমরা এখানে নিজেদের স্মৃতিগুলোকেই আরও জোরালো করছি এবং প্রয়োজনে সংশোধন করছি। ** ভূমিকা * বর্তমান অভিজ্ঞতার সাথে পূর্ববর্তী প্রজন্মের যে সামাজিক বন্ধন বা যোগসূত্র, তা ধ্বংস হয়ে যাওয়া বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকের অন্যতম অদ্ভুত এবং ভীতিজনক ঘটনা। ** ভূমিকা, 'দ্য সেঞ্চুরি: আ বার্ডস আই ভিউ' * ১৯৮০-এর দশকের শেষে যে বিশ্বটি ভেঙে পড়েছিল, সেটি ছিল মূলত ১৯১৭ সালের [[রুশ বিপ্লব|রুশ বিপ্লবের]] প্রভাবে গড়ে ওঠা একটি বিশ্ব। * অত্যন্ত সহজভাবে বললে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কে বা কিসের কারণে হয়েছিল—এই প্রশ্নের উত্তর দুটি শব্দে দেওয়া সম্ভব: [[অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * পুঁজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থার জন্য মানুষ খুব একটা দক্ষভাবে তৈরি হয়নি। ** পৃষ্ঠা ৪১৪ * ক্ষমতায় থাকা কমিউনিজমের কূটাভাস বা প্যারাডক্স ছিল এই যে, এটি ছিল রক্ষণশীল। ** পৃষ্ঠা ৪২২ * কেন প্রতিভাবান ফ্যাশন ডিজাইনাররা (যারা বিশ্লেষণাত্মক হিসেবে পরিচিত নন) মাঝেমধ্যে পেশাদার ভবিষ্যদ্বাণীকারীদের চেয়েও আগাম পরিস্থিতি ভালোভাবে আঁচ করতে পারেন—তা ইতিহাসের অন্যতম রহস্যময় প্রশ্ন এবং সংস্কৃতি বিশ্লেষকদের জন্য একটি কেন্দ্রীয় বিষয়। ** অধ্যায় ৬: শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকের সাংস্কৃতিক বিপ্লবকে সমাজ বা সমষ্টির ওপর ব্যক্তির জয় হিসেবে দেখা যেতে পারে। অন্যভাবে বললে, এটি হলো সেই সামাজিক বন্ধনগুলো ছিঁড়ে ফেলা যা অতীতে মানুষকে একসূত্রে গেঁথে রাখত। অতীতে অধিকার, কর্তব্য, পাপ-পুণ্য এবং বিবেকের যে নৈতিক ভাষা ছিল, তা এখন কেবল ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষার ভাষায় রূপান্তরিত হয়েছে। মনে হচ্ছে যেন কম্পাসের কাঁটা তার উত্তর দিক হারিয়েছে এবং মানচিত্রগুলো অকেজো হয়ে পড়েছে। ** অধ্যায় ১১: সাংস্কৃতিক বিপ্লব, পৃষ্ঠা ৩২০-৩৩৯ * অক্টোবর বিপ্লবের ট্র্যাজেডি ছিল এটাই যে, এটি কেবল নির্মম, নিষ্ঠুর এবং আদেশভিত্তিক সমাজতন্ত্রই তৈরি করতে পেরেছিল। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আমি যখন পেছনের কথা ভাবি, তখন বারবার নিজেকে জিজ্ঞেস করি: পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সেই নির্বিচার এবং নির্মমভাবে এগিয়ে যাওয়ার কি কোনো বিকল্প ছিল? আমি যদি বলতে পারতাম যে বিকল্প ছিল, তবে খুশি হতাম; কিন্তু আমি তা পারছি না। আমি এর কোনো উত্তর খুঁজে পাই না। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আদর্শ হিসেবে কমিউনিজম নারীর মুক্তি ও সমঅধিকারের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ ছিল। যদিও [[ভ্লাদিমির লেনিন|লেনিন]] নিজে অবাধ যৌনতাকে অপছন্দ করতেন। এমনকি লেনিন ও ক্রুপস্কায়া সেই বিরল বিপ্লবীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা ঘরের কাজে নারী-পুরুষের অংশীদারিত্বের পক্ষে ছিলেন। তা সত্ত্বেও, নতুন কমিউনিস্ট শাসিত রাষ্ট্রগুলোতে উচ্চ রাজনৈতিক পদে নারীদের উপস্থিতি ছিল খুবই নগণ্য। সোভিয়েত ইউনিয়নে যখন চিকিৎসার মতো কোনো পেশা নারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হলো, তখন সেই পেশার মর্যাদা এবং আয় দুই-ই কমে গেল। পশ্চিমা নারীবাদীদের তুলনায় অধিকাংশ বিবাহিত সোভিয়েত নারী ঘরে থাকাকেই বিলাসিতা মনে করতেন। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আমাদের শতাব্দীর সবচেয়ে বড় নিষ্ঠুরতাগুলো ছিল দূর থেকে নেওয়া সিদ্ধান্তের নির্মমতা, যা 'পদ্ধতি' বা 'রুটিন'-এর নামে চলত; বিশেষ করে যখন সেগুলোকে 'কৌশলগত প্রয়োজন' বলে চালিয়ে দেওয়া হতো। * সুররিয়ালিজম বা [[পরাবাস্তববাদ|পরাবাস্তববাদ]] ছিল আধুনিক শিল্পকলার জগতে এক প্রকৃত সংযোজন। এর অভিনবত্ব ছিল মানুষকে ধাক্কা দেওয়ার বা হতবাক করার ক্ষমতার মধ্যে। এমনকি পুরনো শিল্পীদের মাঝেও এটি বিভ্রান্তি বা অস্বস্তিকর হাসির জন্ম দিত। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * রেডিওর মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছিল [[সংগীত|সংগীত]], কারণ এটি শব্দের যান্ত্রিক বা কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করে দিয়েছিল। ১৯১৪ সালের আগেই গ্রামোফোনের মাধ্যমে সংগীত যান্ত্রিক উৎপাদনের যুগে প্রবেশ করেছিল, যদিও তখন এটি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ছিল। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * এটি আধুনিকতাবাদী শিল্পীদের জন্য একটি ট্র্যাজেডি ছিল যে, তাদের নিজেদের রাজনৈতিক দল বা নেতারা তাদের প্রত্যাখ্যান করেছিল। ডানপন্থী হোক বা বামপন্থী—নতুন স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠী স্থাপত্যের ক্ষেত্রে বিশাল স্মৃতিস্তম্ভ, পেইন্টিং ও ভাস্কর্যের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণাদায়ী উপস্থাপনা এবং নাটকের ক্ষেত্রে ধ্রুপদী প্রদর্শনীকেই বেশি পছন্দ করত। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ === 'অন হিস্ট্রি' (১৯৯৭) === * ইতিহাসকে মিথ বা অলীক কল্পনা দিয়ে প্রতিস্থাপন করার চেষ্টাগুলো কেবল বুদ্ধিবৃত্তিক কৌতুক নয়। এগুলো এমনকি স্কুলের পাঠ্যবই কেমন হবে তাও নির্ধারণ করে দেয়। জাপানি কর্তৃপক্ষ যেমনটি করেছিল; তারা জাপানি ক্লাসরুমের জন্য [[w:Second_SIno-Japanese_War|চীনে জাপানি যুদ্ধের]] একটি পরিমার্জিত বা সেন্সরড সংস্করণ ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছিল। পরিচয় ভিত্তিক রাজনীতির জন্য মিথ এবং উদ্ভাবন অপরিহার্য। বর্তমানের অনিশ্চিত বিশ্বে বিভিন্ন গোষ্ঠী ধর্ম, জাতি বা সীমানা দিয়ে নিজেদের সংজ্ঞায়িত করে এবং 'আমরা অন্যদের চেয়ে আলাদা এবং শ্রেষ্ঠ'—এটি বলার মাধ্যমে এক ধরনের নিশ্চয়তা খোঁজার চেষ্টা করে। ** অধ্যায় ১: ইতিহাসের বাইরে ও ভেতরে * অতীত হলো মানুষের [[চেতনা|চেতনার]] একটি স্থায়ী মাত্রা এবং সামাজিক [[প্রতিষ্ঠান]], [[মূল্যবোধ|মূল্যবোধ]] ও অন্যান্য কাঠামোর এক অনিবার্য উপাদান। ইতিহাসবিদদের কাজ হলো সমাজে এই 'অতীত সচেতনতার' প্রকৃতি বিশ্লেষণ করা এবং এর পরিবর্তন ও রূপান্তরগুলো চিহ্নিত করা। ** অধ্যায় ২: অতীতের ধারণা * উত্তরের চেয়ে প্রশ্ন তৈরি করা অনেক সহজ। তবুও যেসব অভিজ্ঞতাকে আমরা খুব সাধারণ বলে ধরে নিই, সেগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলা একেবারেই মূল্যহীন কাজ নয়। আমরা মাছের মতো অতীতের মধ্যেই সাঁতার কাটি এবং এটি থেকে বের হতে পারি না। কিন্তু এই মাধ্যমে আমাদের বেঁচে থাকা এবং চলাচলের ধরণগুলো বিশ্লেষণ ও আলোচনা করা প্রয়োজন। আমার লক্ষ্য ছিল এই উভয় বিষয়কেই উদ্দীপিত করা। ** অধ্যায় ২: অতীতের ধারণা * অতীতের সাপেক্ষে আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি এবং অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের মধ্যকার সম্পর্ক কেমন—তা কেবল আগ্রহের বিষয় নয়, বরং অপরিহার্য। আমরা নিজেদের জীবন, পরিবার বা গোষ্ঠীর ধারাবাহিকতার বাইরে নিজেদের কল্পনা করতে পারি না। আমরা অতীত ও বর্তমানের তুলনা না করে পারি না; পারিবারিক ফটোর অ্যালবাম বা ভিডিওগুলো তো এজন্যই থাকে। অভিজ্ঞতা মানেই হলো অতীত থেকে শেখা। আমরা হয়তো ভুল কিছু শিখতে পারি এবং প্রায়ই তা করি; কিন্তু আমরা যদি প্রাসঙ্গিক অতীত থেকে শিখতে না পারি বা শিখতে অস্বীকার করি, তবে চরম ক্ষেত্রে আমরা মানসিকভাবে অস্বাভাবিক হিসেবে গণ্য হবো। ** অধ্যায় ৩: সমকালীন সমাজ সম্পর্কে ইতিহাস আমাদের কী বলতে পারে? * অনুপ্রেরণা বা আদর্শ হিসেবে ইতিহাসের মাঝে নিজেকে সঠিক প্রমাণ করার জন্য ‘মিথ’ তৈরির একটি সহজাত প্রবণতা থাকে। আধুনিক জাতি ও জাতীয়তাবাদের ইতিহাস যেমনটি দেখিয়েছে, এর চেয়ে ভয়ংকর অন্ধত্ব আর কিছুই হতে পারে না। ** অধ্যায় ৩: সমকালীন সমাজ সম্পর্কে ইতিহাস আমাদের কী বলতে পারে? * আমি বিষয়টি একটি কূটাভাস বা প্যারাডক্সের মাধ্যমে বলি। পুঁজিবাদ এবং বুর্জোয়া সমাজ যে একটি অস্থায়ী ঐতিহাসিক ঘটনা—মার্ক্সের এই প্রমাণটি পছন্দ করি না বলে তাকে প্রত্যাখ্যান করা যেমন ঠিক নয়, তেমনই আমরা সমাজতন্ত্র চাই বলেই তাকে অন্ধভাবে গ্রহণ করাও অনুচিত। আমি বিশ্বাস করি মার্ক্স গভীর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে কিছু মৌলিক প্রবণতা বুঝতে পেরেছিলেন; কিন্তু সেগুলো আসলে কী বয়ে আনবে তা আমরা জানি না। ভবিষ্যৎ অনেক সময় অচেনা হয়ে দেখা দেয়; তা ভবিষ্যৎবাণী ভুল হওয়ার জন্য নয়, বরং আমরা হয়তো আগন্তুককে ভুল পোশাকে কল্পনা করেছিলাম বলে। ** অধ্যায় ৪: সামনের দিকে তাকানো: ইতিহাস এবং ভবিষ্যৎ * উপসংহারে বলা যায়, এই শতাব্দীতে ইতিহাস তার পথে হোঁচট খেতে খেতে হলেও প্রকৃত উন্নতি করেছে। এটি এমন একটি বিষয় যা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে যাচাইযোগ্য এবং এর মাধ্যমে মানব সমাজের জটিল ও বিবর্তনশীল বিকাশকে আরও ভালোভাবে বোঝা সম্ভব। আমি জানি অনেকে এটি অস্বীকার করেন। ** অধ্যায় ৫: ইতিহাস কি উন্নতি করেছে? * ইতিহাসের বিষয়বস্তু অতীত হওয়ায় এটি কোনো ‘ফলিত বিদ্যা’ বা অ্যাপ্লাইড ডিসিপ্লিন হওয়ার অবস্থানে নেই। কারণ যা ঘটে গেছে তা পরিবর্তন করার কোনো উপায় এখনও আবিষ্কৃত হয়নি। বড়জোর আমরা কাল্পনিক বিকল্প পরিস্থিতির কথা ভাবতে পারি। অবশ্যই অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ একই অবিচ্ছিন্ন ধারার অংশ। তাই ইতিহাসবিদদের বক্তব্য ভবিষ্যতের জন্য পূর্বাভাস বা সুপারিশ হিসেবে কাজ করতে পারে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * আমার যুক্তি হলো, ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন হলে [[অর্থনীতি]] একটি হালবিহীন জাহাজের মতো হয়ে পড়ে এবং অর্থনীতিবিদরা বুঝতে পারেন না তারা কোন দিকে যাচ্ছেন। আমি বলছি না যে কেবল কিছু চার্ট বা বাস্তব অভিজ্ঞতার দিকে তাকালেই সব সমস্যার সমাধান হবে। সমস্যা হলো, মূলধারার অর্থনীতিবিদদের তত্ত্ব এবং পদ্ধতি তাদের এটা বুঝতে সাহায্য করে না যে আসলে কোন দিকে তাকাতে হবে এবং কী খুঁজতে হবে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * অর্থনীতিকে যদি ইতিহাসের শিকার হয়ে থাকতে না হয়, তবে তাকে অবশ্যই ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করতে হবে। গতকালের ঘটনাগুলো আজ দৃশ্যমান হওয়ার পর তা নিয়ে কাজ করার পুরনো অভ্যেস ত্যাগ করতে হবে। এটি কেবল আগামীকালের সমস্যা নিয়ে ভাবতেই সাহায্য করবে না, বরং আগামীকালের অর্থনৈতিক তত্ত্ব গঠন করতেও ভূমিকা রাখবে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * কৃষি পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক বিষয়ের সাথে অ-অর্থনৈতিক বিষয়গুলোকে (যেমন সামাজিক ও রাজনৈতিক কারণ) আলাদা করা সম্ভব নয়—অন্তত স্বল্প মেয়াদে তো নয়ই। এগুলোকে আলাদা করা মানে অর্থনীতির গতিশীল বিশ্লেষণকে বিসর্জন দেওয়া। ** অধ্যায় ৮: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ২ * সংক্ষিপ্তভাবে, বৈজ্ঞানিক আলোচনার ক্ষেত্রে প্রতিটি বক্তব্য অবশ্যই এমন পদ্ধতি ও মানদণ্ড দ্বারা যাচাইযোগ্য হতে হবে যা কোনো দলীয় বা আদর্শগত পক্ষপাত দ্বারা প্রভাবিত নয়। যেসব বক্তব্য এভাবে যাচাই করা যায় না, সেগুলো গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে কিন্তু তা অন্য কোনো আলোচনার বিষয়। ** অধ্যায় ৯: পক্ষপাতিত্ব * ইতিহাসের মৌলিক প্রশ্নটি হলো বিভিন্ন মানব গোষ্ঠীর মধ্যকার পার্থক্য এবং এক সমাজ থেকে অন্য সমাজে রূপান্তরের প্রক্রিয়াটি খুঁজে বের করা। প্রকৃতির ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ অর্জনের মতো কিছু বিষয়ে এটি অবশ্যই একটি একমুখী অগ্রগতি বা প্রগতিকে নির্দেশ করে। যতক্ষণ আমরা সামাজিক বিকাশকে জৈবিক বিবর্তনের সাথে গুলিয়ে না ফেলছি, ততক্ষণ একে 'বিবর্তন' বা এভোলিউশন বলতে কোনো বাধা নেই। ** অধ্যায় ১০: ইতিহাসবিদরা কার্ল মার্ক্সের কাছে কী ঋণী? * উৎপাদন পদ্ধতির বিশ্লেষণ অবশ্যই প্রযুক্তির সংগঠন এবং অর্থনীতির ওপর ভিত্তি করে হতে হবে। মার্ক্স বলেছিলেন যে [[রাজনৈতিক অর্থনীতি]] হলো [[সুশীল সমাজ|নাগরিক সমাজের]] ব্যবচ্ছেদ বা এনাটমি। একটি উৎপাদন পদ্ধতি থেকে অন্য পদ্ধতিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াটিকে অনেক সময় সরলরৈখিকভাবে দেখা হয়, যা অনেক সময় জটিলতা এবং বিতর্কের সৃষ্টি করে। ** অধ্যায় ১১: মার্ক্স এবং ইতিহাস * আমি মনে করি না যে ইতিহাসবিদদের ফ্রয়েডের কাছ থেকে খুব বেশি কিছু শেখার আছে। ফ্রয়েড যখনই ইতিহাস নিয়ে কিছু লিখেছেন, তিনি একজন খারাপ ইতিহাসবিদের পরিচয় দিয়েছেন। মানসিকতার (Mentalities) সমস্যা কেবল মানুষ কতটা আলাদা তা খুঁজে বের করা নয়, বরং তাদের আচরণ, চিন্তা এবং অনুভূতির মধ্যে একটি যৌক্তিক সংযোগ খুঁজে বের করা। আমাদের দেখতে হবে কেন মানুষ বিখ্যাত ডাকাতদের অদৃশ্য বা অপরাজেয় মনে করে, যদিও বাস্তবে তা সত্য নয়। এই বিশ্বাসগুলোকে কেবল আবেগ হিসেবে না দেখে সমাজ সম্পর্কে তাদের একটি সুসংগত বিশ্বাস হিসেবে দেখা উচিত। ** অধ্যায় ১৩: ব্রিটিশ ইতিহাস এবং 'অ্যানালস': একটি টীকা * তৃণমূল পর্যায়ের বা 'নিচ থেকে ইতিহাস' (Grassroots history) চর্চাকারীরা সাধারণ মানুষকে নিয়ে কাজ করেন। তারা জানেন যে তাদের অনেক কিছু জানা নেই এবং এই বিনয়ই তাদের বড় শক্তি। তারা জানেন যে সাধারণ মানুষ যা চেয়েছিল বা তাদের যা প্রয়োজন ছিল, তা সবসময় প্রভাবশালী বা শিক্ষিত সমাজ যা ভেবেছিল তার সাথে মেলে না। যারা এখন সমাজ পরিচালনা করছেন বা যারা সমাজ বদলাতে চান, তাদের সবারই উচিত ইতিহাসবিদদের কথা শোনা। ** অধ্যায় ১৬: নিচ থেকে ইতিহাস * এক সহস্রাব্দ ধরে 'ইউরোপ' ছিল রক্ষণাত্মক। পরবর্তী অর্ধ সহস্রাব্দে এটি বিশ্ব জয় করেছে। এই উভয় পর্যবেক্ষণই বিশ্ব ইতিহাস থেকে ইউরোপের ইতিহাসকে আলাদা করা অসম্ভব করে তুলেছে। বৈচিত্র্য এবং উপাদানগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়াই ইউরোপের অস্তিত্বের মূলে। ** অধ্যায় ১৭: ইউরোপের অদ্ভুত ইতিহাস * আমার জীবনের বেশিরভাগ সময় এমন একটি আশার পেছনে ব্যয় হয়েছে যা শেষ পর্যন্ত হতাশ করেছে এবং এমন একটি আদর্শের পেছনে যা ব্যর্থ হয়েছে: তা হলো অক্টোবর বিপ্লব থেকে শুরু হওয়া কমিউনিজম। কিন্তু পরাজয়ের মতো ইতিহাসবিদের মনকে আর কিছুই তীক্ষ্ণ করতে পারে না। ** অধ্যায় ১৮: ইতিহাস হিসেবে বর্তমান * [[রুশ বিপ্লব|রুশ বিপ্লবের]] দুটি একে অপরের সাথে জড়িয়ে থাকা ইতিহাস আছে: রাশিয়ার ওপর এর প্রভাব এবং বিশ্বের ওপর এর প্রভাব। দ্বিতীয়টি না থাকলে খুব কম মানুষই এটি নিয়ে আগ্রহী হতো। যেমন আমেরিকার বাইরে [[আমেরিকান গৃহযুদ্ধ|আমেরিকার গৃহযুদ্ধ]] নিয়ে খুব কম মানুষই জানে। রুশ বিপ্লব রাশিয়াকে তার আন্তর্জাতিক শক্তি ও সম্মানের শীর্ষে নিয়ে গিয়েছিল—যা জারদের আমলেও সম্ভব হয়নি। [[জোসেফ স্টালিন|স্টালিন]] রুশ ইতিহাসে পিটার দ্য গ্রেটের মতোই স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। এটি একটি অনগ্রসর দেশকে আধুনিক করেছে, কিন্তু এর মানবিক মূল্য ছিল অনেক বেশি। এর অর্থনীতি ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনায় অনেক রুশ নাগরিকের কাছে পুরনো [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত]] আমল এখনও অনেক ভালো মনে হয়। এর ঐতিহাসিক ফলাফল এখনই চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা সম্ভব নয়। ** অধ্যায় ১৯: আমরা কি রুশ বিপ্লবের ইতিহাস লিখতে পারি? * আমরা অমানবিকতায় অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আমরা অসহনীয় বিষয়কেও সহ্য করতে শিখেছি। বিশ্বযুদ্ধ এবং শীতল যুদ্ধ আমাদের বর্বরতাকে মেনে নিতে বাধ্য করেছে। এমনকি আমরা বর্বরতাকে অর্থ উপার্জনের মতো বিষয়গুলোর চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ মনে করতে শুরু করেছি। ** অধ্যায় ২০: বর্বরতা: একটি ব্যবহারকারী নির্দেশিকা * পরিচয় ভিত্তিক ইতিহাস বা আইডেন্টিটি হিস্ট্রিই যথেষ্ট নয়। আবেগ বা ব্যক্তিগত স্বার্থ আমাদের ভুল পথে চালিত করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, প্রতিটি ইহুদি প্রাকৃতিকভাবেই নিজেকে জিজ্ঞেস করে—'এটি কি ইহুদিদের জন্য ভালো নাকি খারাপ?' নিপীড়নের সময়ে এটি ব্যক্তিগত আচরণের জন্য সহায়ক হতে পারে। কিন্তু একজন ইহুদি ইতিহাসবিদকে এটি পথ দেখাতে পারে না। ইতিহাসবিদকে অবশ্যই [[সার্বজনীনতাবাদ|সার্বজনীন হতে হবে]]। কেবল ইহুদিদের জন্য (বা [[আফ্রিকান আমেরিকান|আফ্রিকান-আমেরিকান]], [[গ্রিক]], [[নারী]] বা [[সমকামিতা|সমকামী]]) লেখা ইতিহাস কখনও ভালো ইতিহাস হতে পারে না, যদিও তা সংশ্লিষ্টদের কাছে স্বস্তিদায়ক হতে পারে। ** অধ্যায় ২১: আইডেন্টিটি হিস্ট্রিই যথেষ্ট নয় === 'হাউ টু চেঞ্জ দ্য ওয়ার্ল্ড: রিফ্লেকশনস অন মার্ক্স অ্যান্ড মার্ক্সিজম' (২০১১) === * 'মাউন্ট অফ সারমন'-এ বর্ণিত যিশু খ্রিস্টকে ‘প্রথম সমাজতান্ত্রিক’ বা কমিউনিস্ট হিসেবে দেখা খুবই সহজ। যদিও প্রথমদিকের সমাজতান্ত্রিক তাত্ত্বিকদের অধিকাংশ খ্রিস্টান ছিলেন না, তবুও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের পরবর্তীকালের অনেক সদস্য এই ভাবনাটিকে বেশ কার্যকর মনে করেছেন। * 'কমিউনিস্ট' শব্দটি সবসময় একটি নির্দিষ্ট কর্মসূচিকে নির্দেশ করলেও, 'সমাজতান্ত্রিক' শব্দটি ছিল মূলত বিশ্লেষণাত্মক এবং সমালোচনামূলক। * মার্ক্সের ধারণাগুলো ইউরোপের বেশিরভাগ শ্রমিক ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের অনুপ্রেরণাদায়ী তত্ত্বে পরিণত হয়েছিল। মূলত লেনিন এবং রুশ বিপ্লবের মাধ্যমে এই আদর্শ বিংশ শতাব্দীর সামাজিক বিপ্লবের একটি বিশ্বজনীন তত্ত্বে রূপ নেয়, যা চীন থেকে শুরু করে [[পেরু|পেরু]] পর্যন্ত সর্বত্র সমাদৃত হয়। এই তত্ত্বগুলোতে বিশ্বাসী দলগুলোর জয়ের মাধ্যমে এর বিভিন্ন সংস্করণ এমন সব রাষ্ট্রের দাপ্তরিক আদর্শে পরিণত হয়, যেখানে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ বসবাস করত। এছাড়া বিশ্বের বাকি অংশেও বিভিন্ন আকারের রাজনৈতিক আন্দোলনের ওপর এর ব্যাপক প্রভাব ছিল। অতীতের মহান ধর্মগুলোর প্রবর্তক ছাড়া আর কোনো একক চিন্তাবিদ এমন মর্যাদা পাননি। সম্ভবত [[মুহাম্মদ|মুহাম্মদ]] (সা.) ছাড়া অন্য কেউ এত দ্রুত এবং এত বড় পরিসরে সাফল্য অর্জন করতে পারেননি। এই বিচারে কোনো ইহজাগতিক চিন্তাবিদের নাম তাঁর (মার্ক্স) পাশে রাখা সম্ভব নয়। ** অধ্যায় ১৪, 'ইনফ্লুয়েন্স অফ মার্ক্সিজম ১৯৪৫-৮৩' == হবসবম সম্পর্কে উদ্ধৃতি == * 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-এর পরিপূরক হিসেবে উপস্থাপিত এই ব্যক্তিগত প্রতিকৃতিটি (ইন্টারেস্টিং টাইমস) হবসবমের বিংশ শতাব্দীর দৃষ্টিভঙ্গি এবং আধুনিকতার সামগ্রিক বর্ণনায় নতুন কী আলোকপাত করে? সামগ্রিক বিচারে, 'দ্য এজ অফ রেভোলিউশন', 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল', 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' এবং 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-কে একটি একক উদ্যোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে—এমন এক চতুষ্টয় (tetralogy) যার সমসাময়িক বিশ্ব গঠনের সুশৃঙ্খল বিবরণ হিসেবে অন্য কোনো তুলনা নেই। এই সবকটি গ্রন্থেই কিছু বিরল গুণের সংমিশ্রণ ঘটেছে: সংক্ষেপণের পরিমিতিবোধ; খুঁটিনাটি বর্ণনার সজীবতা; বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট সত্ত্বেও আঞ্চলিক পার্থক্যের তীব্র চেতনা; ফসল, শেয়ার বাজার, জাতি-শ্রেণি, রাষ্ট্রনায়ক-কৃষক এবং বিজ্ঞান-কলা—সব বিষয়েই অগাধ পাণ্ডিত্য ও সাবলীলতা; বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর প্রতি গভীর সহানুভূতি; বিশ্লেষণাত্মক বর্ণনার শক্তি; এবং সর্বোপরি অত্যন্ত স্বচ্ছ ও তেজোদীপ্ত একটি লিখনশৈলী। ** [[পেরি অ্যান্ডারসন]], "দ্য ভ্যানকুইশড লেফট: এরিক হবসবম", 'স্পেকট্রাম: ফ্রম রাইট টু লেফট ইন দ্য ওয়ার্ল্ড অফ আইডিয়াস' (২০০৫)-এ প্রকাশিত। * ইউরোপীয় তুলনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিতে, জাতীয় পতাকা বহনকারী এই শ্রমিকদের অদ্ভুত মনে হয় এবং তাদের গুরুত্ব খুব কমই বোঝা যায়। এমনকি মধ্য ইউরোপের প্রখ্যাত লেখক—যেমন [[আর্নেস্ট গেলনার|আর্নেস্ট গেলনার]] বা এরিক হবসবম—এই অঞ্চলের জাতীয়তাবাদের স্বাতন্ত্র্যকে একটি বৈশ্বিক সংজ্ঞায় খাপ খাওয়াতে গিয়ে এর আসল বৈশিষ্ট্যগুলোই ছেঁটে ফেলেছেন। হবসবমের ধারণা ছিল যে এটি পৃথিবীর প্রতিটি কোণেই প্রযোজ্য হবে, কিন্তু আমরা এই বইয়ে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের কাছে এই শব্দের অর্থ কী ছিল তা বোঝার চেষ্টা করেছি। সেই অঞ্চলে গেলনারের 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম' বইয়ের বৈশ্বিক মাপকাঠিগুলো হয় অপ্রাসঙ্গিক নয়তো গৌণ: যেমন [[জন স্টুয়ার্ট মিল|জন স্টুয়ার্ট মিলের]] ধারণা যে একটি জাতীয় রাষ্ট্রকে "সাশ্রয়ী" হতে হবে, বা জাতীয়তাবাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট আয়তন প্রয়োজন। চেক বা স্লোভেনীয়রা এই সব মাপকাঠি সম্পর্কে কিছুই জানত না এবং তারা এগুলো ছাড়াই তাদের ইতিহাস তৈরি করেছে। হবসবমের এই ধারণা যে ভাষা এবং ইতিহাস কোনো নির্ণায়ক মানদণ্ড নয়, তা পূর্ব-মধ্য ইউরোপের যে কারোর কাছে অর্থহীন মনে হতো—যদিও এটি মহাকাশ থেকে কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা জাতীয়তাবাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। ** জন কনেলি, 'ফ্রম পিপলস টু নেশনস: আ হিস্ট্রি অফ ইস্টার্ন ইউরোপ' (২০২০), পৃষ্ঠা ৭৯৬-৭৯৭। * এরিক হবসবম হয়তো অভিযোগ করতে পারেন যে আমি অন্যায় করছি এবং আমি আসলে অন্যরকম একটি বই আশা করেছিলাম। তিনি বলতে পারেন যে আমি এমন একটি বই চাই যা চিরস্থায়ী হবে এবং ভবিষ্যৎ শতাব্দীর ইতিহাসবিদদের আগ্রহের খোরাক হবে। আর তিনি ঠিকই বলেছেন, আমি আসলেই তা চাই। বিপরীতে, তিনি বলতে পারেন যে তাঁর বইটি "বিংশ শতাব্দীর একজন লেখকের দ্বারা বিংশ শতাব্দীর শেষের পাঠকদের জন্য লেখা", যাদের কাছে 'পুঁজিবাদ' এবং 'সমাজতন্ত্রের' সংঘাত, সামাজিক বিপ্লব, [[স্নায়ুযুদ্ধ]], এবং 'প্রকৃত সমাজতন্ত্রের' সীমাবদ্ধতা ও পতন নিয়ে আলোচনা করা সার্থক। তিনি মূলত সেই পাঠকদের জন্য লিখছেন যারা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের মূল থিম হিসেবে বিশ্ব কমিউনিজমের ট্র্যাজিক ও বীরত্বগাথাকে বিবেচনা করেন। কিন্তু বিশ্ব কমিউনিজমের এই যাত্রা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একমাত্র বা মূল থিম নয়। হবসবম আসলে কাদের জন্য তাঁর বইটি লিখছেন? বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের কোন অংশটুকু পাঠকদের জানা প্রয়োজন, তার জন্য কি আমরা 'এজ অফ এক্সট্রিমস' বইটির সুপারিশ করতে পারি? ** [[জে. ব্র্যাডফোর্ড ডিলং]], "লো মার্ক্স: আ রিভিউ অফ এরিক হবসবমস 'এজ অফ এক্সট্রিমস'" (১৯৯৫)। * [[১৯৬৮]] সালে আমি সেই মনোযোগী ও শ্রদ্ধাশীল ছাত্র শ্রোতাদের একজন ছিলাম, যাদের সামনে এরিক হবসবম ছাত্র র‍্যাডিক্যালিজমের সীমাবদ্ধতা নিয়ে কথা বলছিলেন। তাঁর উপসংহারটি আমার খুব মনে আছে, কারণ এটি তৎকালীন মেজাজের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। তিনি আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে, মাঝেমধ্যে পৃথিবী পরিবর্তন করা নয় বরং এটিকে ব্যাখ্যা করাই মুখ্য উদ্দেশ্য। কিন্তু বিশ্বকে ব্যাখ্যা করার জন্য এটি কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে সে সম্পর্কেও একটি সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন। তাঁর শেষ বইটি আমাদের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া এই বিশ্বের একটি চমত্কার, মেধাবী এবং সর্বদা বুদ্ধিদীপ্ত বিবরণ। এটি যদি তাঁর সেরা কাজগুলোর সমপর্যায়ের না-ও হয়, তবুও মনে রাখা উচিত যে তিনি নিজেই মেধার মানদণ্ড অনেক উঁচুতে সেট করেছেন। তবে বিশ্বে এক বা দুটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে—যেমন কমিউনিজমের মৃত্যু বা ইতিহাসের ওপর আস্থা হারানো—যা লেখককে খুব একটা খুশি করতে পারেনি। এটি দুঃখজনক, কারণ তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গি বইটির বিবরণকে এমনভাবে প্রভাবিত করেছে যা হয়তো নতুন পাঠকদের শিখতে নিরুৎসাহিত করবে। আমি বিংশ শতাব্দীর বর্ণনায় তাঁর সেই তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণ মিস করেছি যা তাঁকে উনবিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একজন অপরিহার্য পথপ্রদর্শক করে তুলেছিল। হবসবম আমাদের মনে করিয়ে দেন যে ইতিহাসবিদরা হলেন "সেই পেশাদার স্মৃতিকার যারা সাধারণ মানুষ যা ভুলে যেতে চায় তা মনে করিয়ে দেন।" এটি একটি অত্যন্ত কঠিন ও আপসহীন দায়িত্ব। ** [[টনি জাট]], "ডাউনহিল অল দ্য ওয়ে", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২৫ মে, ১৯৯৫)। * হবসবম তাঁর স্মৃতিকথা একটি উদ্দীপনামূলক বার্তার মাধ্যমে শেষ করেছেন: “এই সন্তোষজনক নয় এমন সময়েও আমাদের নিরস্ত্র হওয়া চলবে না। সামাজিক অবিচারের বিরুদ্ধে সবসময় প্রতিবাদ ও লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। পৃথিবী নিজে নিজে ভালো হবে না।” তিনি সব দিক থেকেই ঠিক। কিন্তু নতুন শতাব্দীতে ভালো কিছু করতে হলে আমাদের পুরনো শতাব্দীর সত্যগুলো বলতে হবে। হবসবম শয়তান বা অশুভ শক্তির মুখোমুখি হতে এবং একে তার আসল নামে ডাকতে অস্বীকার করেছেন; তিনি কখনও স্তালিন এবং তাঁর কর্মকাণ্ডের রাজনৈতিক ও নৈতিক উত্তরাধিকারকে গভীরভাবে বিচার করেননি। তিনি যদি গুরুত্বের সাথে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে কোনো আমূল পরিবর্তনের মশাল হস্তান্তর করতে চান, তবে এটি সঠিক পথ নয়। ** [[টনি জাট]], "দ্য লাস্ট রোমান্টিক", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২০ নভেম্বর, ২০০৩)। * হবসবম যেমনটি তাঁর 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' বইতে বলেছিলেন, তিনি মূলত একটি ‘যুক্তির উন্মোচন’ লিখছিলেন। সেই যুক্তির মূল কথা হলো—ঐতিহাসিক গুরুত্বের ক্ষেত্রে সংস্কৃতির চেয়ে অর্থনীতি, নারীর চেয়ে পুরুষ এবং বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে পশ্চিমের গুরুত্ব বেশি। তাঁর বর্ণনায় অনেক কিছু বাদ পড়াটা কোনো ভুল ছিল না বরং এটি ছিল তাঁর চিন্তাধারারই অংশ। অন্যভাবে বলতে গেলে, হবসবমকে নতুনভাবে মূল্যায়ন করতে হলে তাঁর এই মূল ধারণাগুলোকে চ্যালেঞ্জ করতে হবে। ** [[w:Susan Pedersen|সুসান পেডারসেন]], "আই ওয়ান্ট টু লাভ ইট", 'লন্ডন রিভিউ অফ বুকস' (১৮ এপ্রিল, ২০১৯)। * হবসবমকে একবার জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি হ্যাম্পস্টেড ম্যানশনের মতো অত্যন্ত দামি বাড়িতে বাস করাকে কীভাবে সমর্থন করেন। উত্তরে তিনি রসিকতা করে বলেছিলেন, যদি কেউ [[w:Titanic|টাইটানিক]] জাহাজে ভ্রমণ করে, তবে তার প্রথম শ্রেণীতে চড়েই ডুবে যাওয়া ভালো। রসিকতা হিসেবে এটি চমত্কার। কিন্তু যদি ১৯৮৯ সালে সমস্ত বরফ গলে যায় (কমিউনিজমের পতন হয়), তবে কী হবে? ** [[w:John Sutherland (author)|জন সাদারল্যান্ড]], 'দ্য টাইমস' (২৩ জানুয়ারি, ২০১৬)। * ১৯৯৫ সালে যখন তিনি '[[w:Desert Island Discs|ডেজার্ট আইল্যান্ড ডিস্কস]]'-এ উপস্থিত হয়েছিলেন, তখন তিনি বিলি হলিডের একটি গান বেছে নেওয়ার পাশাপাশি ইতিহাস নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছিলেন। উপস্থাপক সু ললি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, যদি লক্ষ লক্ষ জীবনের বিনিময়ে বিশ্ববিপ্লব আনা সম্ভব হতো, তবে কি তা সার্থক হতো? তিনি দ্বিধাহীনভাবে উত্তর দিয়েছিলেন—হ্যাঁ। মাইকেল ইগনাটিয়েফ কর্তৃক টেলিভিশনে গৃহীত এক সাক্ষাৎকারে হবসবমকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, ১৯৩৪ সালে স্তালিন কর্তৃক লক্ষ লক্ষ মানুষকে জোরপূর্বক অভুক্ত রাখার কথা জানলে কি তাঁর কমিউনিস্ট হওয়ার ইচ্ছা বদলে যেত? তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, "সম্ভবত না"। তিনি শান্তভাবে আরও যোগ করেন যে, যদি সোভিয়েত ইউনিয়ন বিশ্ববিপ্লবের সূচনা করতে পারত, তবে ১৫-২০ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু যুক্তিযুক্ত হতে পারত। ** [[এ. এন. উইলসন]], 'অন দ্য রং সাইড অফ হিস্ট্রি', 'দ্য টাইমস স্যাটারডে রিভিউ' (২৬ জানুয়ারি, ২০১৯)। * হবসবমের ইতিহাসের প্রধান সমস্যা ছিল যে তাঁর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল [[কার্ল মার্ক্স|কার্ল মার্ক্সের]] তত্ত্বগুলোকে সত্য প্রমাণ করা। শোকসংবাদ লেখকরা দাবি করেছিলেন যে তিনি কখনও [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদী]] মতাদর্শের দাস ছিলেন না বা তাঁর কাজ ছিল "সর্বদা সূক্ষ্ম ও মার্জিত", কিন্তু বাস্তবতা ছিল এর বিপরীত। ** কিথ উইন্ডশাটল, "দ্য নট-সো-গ্রেট এরিক হবসবম", 'কোয়াড্র্যান্ট' (১ নভেম্বর ২০১২)। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইতিহাসবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:কমিউনিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্ক্সবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্যাসিবাদ বিরোধী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১২-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:আলেকজান্দ্রিয়ার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রিটিশ একাডেমির ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:রয়্যাল সোসাইটি অফ লিটারেচারের ফেলো]] om49wsutxcua84p5qh659j78uhazxo9 78584 78583 2026-04-19T12:43:49Z SMontaha32 3112 78584 wikitext text/x-wiki [[File:Eric Hobsbawm.jpg|thumb|right|২০১১ সালে এরিক হবসবম]] '''[[w:Eric Hobsbawm|এরিক জন আর্নেস্ট হবসবম]]''', [[w:Companion of Honour|সিএইচ]], [[w:Fellow of the Royal Society of Literature|এফআরএসএল]], [[w:Fellow of the British Academy|এফবিএ]] ([[৯ জুন]] [[১৯১৭]] – [[১ অক্টোবর]] [[২০১২]]) ছিলেন একজন ব্রিটিশ মার্ক্সবাদী ইতিহাসবিদ ও লেখক। তিনি [[w:Communist Party of Great Britain|কমিউনিস্ট পার্টি অব গ্রেট ব্রিটেনের]] (১৯২০–১৯৯১) একজন প্রধান তাত্ত্বিক এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত [[w:Birkbeck College|বার্কবেক কলেজের]] সাবেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন। == উদ্ধৃতি == * আমাদের যুগের বুদ্ধিজীবী এবং [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদের]] মধ্যে যে প্রেমের সম্পর্ক দেখা যায়, তা পশ্চিম ইউরোপে তুলনামূলকভাবে দেরিতে শুরু হয়েছিল। যদিও রাশিয়ায় এটি [[কার্ল মার্ক্স|মার্ক্সের]] জীবদ্দশাতেই শুরু হয়। ** "বুদ্ধিজীবী এবং কমিউনিজম" (১৯৬৪), 'রেভোলিউশনারিস: কনটেম্পোরারি এসেস' (১৯৭৩)-এ প্রকাশিত। * প্রথমত, সম্ভবত কোনো বড় ধরনের [[বিপ্লব]] সফল করার জন্য যে অতিমানবীয় প্রচেষ্টার প্রয়োজন হয়, তা তৈরির জন্য [[কল্পরাজ্য|ইউটোপিয়াবাদ]] একটি প্রয়োজনীয় সামাজিক কৌশল। ** 'প্রিমিটিভ রেবেলস: স্টাডিজ ইন আর্কাইক ফর্মস অফ সোশ্যাল মুভমেন্ট ইন দ্য নাইনটিনথ অ্যান্ড টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরিস' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ৬০। * ইতিহাসবিদরা [[জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদের]] কাছে ঠিক তেমনই, যেমন [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] পোস্ত চাষীরা [[আসক্তি|হেরোইন আসক্তদের]] কাছে: আমরা বাজারের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সরবরাহ করি। '''অতীতহীন জাতি একটি স্ববিরোধী ধারণা।''' অতীতই একটি জাতি গঠন করে এবং অন্য জাতির বিরুদ্ধে নিজের অস্তিত্বের ন্যায্যতা দেয়। ইতিহাসবিদরাই সেই অতীত তৈরি করেন। তাই আমার পেশাটি রাজনীতির সাথে মিশে গিয়ে জাতীয়তাবাদের একটি অপরিহার্য উপাদানে পরিণত হয়েছে। ** "এথনিসিটি অ্যান্ড ন্যাশনালিজম ইন ইউরোপ টুডে" (ফেব্রুয়ারি ১৯৯২), 'অ্যানথ্রোপোলজি টুডে'। * [[উদারতাবাদ]] ব্যর্থ হচ্ছিল। আমি যদি [[ইহুদি]] না হয়ে [[জার্মান]] হতাম, তবে সম্ভবত আমি একজন [[নাৎসিবাদ|নাৎসি]] বা [[w:German_nationalist|জার্মান জাতীয়তাবাদী]] হতাম। আমি বুঝতে পারতাম তারা জাতি রক্ষার বিষয়ে কতটা আবেগপ্রবণ ছিল। সেটি এমন এক সময় ছিল যখন বিশ্বকে আমূল পরিবর্তন না করলে কোনো ভবিষ্যৎ আছে বলে কেউ বিশ্বাস করত না। ** এরিক হবসবমের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, মায়া জাগি কর্তৃক 'দ্য গার্ডিয়ান'-এ প্রকাশিত “আ কোয়েশ্চেন অফ ফেইথ” (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০২)। * মনে হচ্ছে [[বিদেশাতঙ্ক|জেনোফোবিয়া]] বা বিদেশাতঙ্ক বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের একটি গণ-আদর্শে পরিণত হতে যাচ্ছে। ** 'ডিভাইডেড ইউরোপীয়ানস: আন্ডারস্ট্যান্ডিং এথনিসিটিস ইন কনফ্লিক্ট' (১৯৯৯), পৃষ্ঠা ৪১। * [[লন্ডন|লন্ডনের]] দিকে তাকান। আমাদের সবার কাছেই লন্ডনের অর্থনীতির সমৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু রাজধানীর নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় উৎপন্ন বিশাল সম্পদের পরীক্ষা এই নয় যে এটি ব্রিটেনের মোট জিডিপিতে ২০-৩০% অবদান রাখছে। বরং পরীক্ষাটি হলো এটি সেখানে বসবাসকারী লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে কী প্রভাব ফেলছে। তারা সেখানে থাকার সামর্থ্য রাখে কি না? যদি না রাখে, তবে লন্ডন অতি-ধনীদের স্বর্গরাজ্য হওয়া তাদের জন্য কোনো সান্ত্বনা নয়। তারা কি উপযুক্ত বেতনের চাকরি পায়? যদি না পায়, তবে মিশেলিন-স্টার রেস্তোরাঁ বা নামী শেফদের নিয়ে বড়াই করবেন না। কিংবা শিশুদের শিক্ষার কথা ধরুন; লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এক দল নোবেল বিজয়ী থাকলেই অপর্যাপ্ত স্কুলগুলোর অভাব পূরণ হয় না। ** 'দ্য গার্ডিয়ান' (২০০৯)। * বিশ্বজুড়ে যেভাবে [[ভারত|ভারতীয়]] ও [[চীন|চীনা]] রেস্তোরাঁর বিস্তার ঘটছে, তা থেকে বোঝা যায় যে [[বিদেশাতঙ্ক|জেনোফোবিয়া]] বিদেশি মানুষের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়, বিদেশি সাংস্কৃতিক আমদানির বিরুদ্ধে নয়। ** 'ম্যাপিং দ্য নেশন' (১৩ নভেম্বর ২০১২), পৃষ্ঠা ২৬৩। === 'দ্য এজ অফ রেভোলিউশন' (১৯৬২) === * ইতিহাসের জালকে ছিঁড়ে আলাদা সুতোয় ভাগ করা সম্ভব নয়, কারণ এতে ইতিহাস ধ্বংস হয়ে যায়। তবে ব্যবহারিক প্রয়োজনে বিষয়টিকে কিছু উপবিভাগে ভাগ করা অপরিহার্য। ** প্রস্তাবনা * '''শব্দ হলো এমন সাক্ষী যা নথিপত্রের চেয়েও জোরালোভাবে কথা বলে।''' ইংরেজি ভাষার এমন কিছু শব্দের কথা ভাবুন যা এই ষাট বছরের সময়কালে আবিষ্কৃত হয়েছে বা আধুনিক অর্থ পেয়েছে। যেমন '[[শিল্প]]', '[[শিল্পপতি]]', '[[কারখানা]]', '[[w:Middle_class|মধ্যবিত্ত]]', '[[শ্রমজীবী শ্রেণি]]' এবং '[[সমাজতন্ত্র]]'। এর মধ্যে আরও আছে '[[অভিজাততন্ত্র]]', '[[রেলপথ]]', '[[উদারনীতি|উদারপন্থী]]', '[[রক্ষণশীলতা|রক্ষণশীল]]', '[[জাতীয়তা]]', '[[বিজ্ঞানী]]', '[[প্রকৌশল|প্রকৌশলী]]', '[[সর্বহারা]]' এবং অর্থনৈতিক 'সংকট'। ** ভূমিকা * 'আলোকায়ন' বা এনলাইটেনমেন্টকে কঠোরভাবে মধ্যবিত্তের আদর্শ বলা সঠিক হবে না। যদিও অনেক আলোকায়িত ব্যক্তি মনে করতেন যে মুক্ত সমাজ মানেই একটি [[পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদী]] সমাজ হবে। তাত্ত্বিকভাবে এর লক্ষ্য ছিল সকল মানুষকে মুক্ত করা। সব [[প্রগতিশীলতা|প্রগতিশীল]], [[যুক্তিদাল|যুক্তিবাদী]] ও [[মানবতাবাদ|মানবতাবাদী]] আদর্শ এর মধ্যেই নিহিত ছিল। তবে বাস্তবে এই মুক্তির আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল সমাজের মধ্যবিত্ত স্তর। জন্মগত পরিচয়ের চেয়ে মেধা ও যুক্তিবাদী মানুষের মাধ্যমেই একটি '[[বুর্জোয়া]]' ও পুঁজিবাদী সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল। ** অধ্যায় ১: ১৭৮০-এর দশকের বিশ্ব * শিল্প বিপ্লবের প্রথম দুই প্রজন্মে ব্রিটেনের মৌলিক সত্যটি ছিল এই যে, সম্পদশালী ও ধনী শ্রেণি এত দ্রুত এবং এত বিশাল পরিমাণ আয় পুঞ্জীভূত করেছিল যা তাদের ব্যয় বা বিনিয়োগের সামর্থ্যকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ** অধ্যায় ২: শিল্প বিপ্লব * [[ফ্রান্স]] বিশ্বের অধিকাংশ দেশকে আইনের ধারা ([[w:Napoleonic_code|নেপোলিয়নিক কোড]]), বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সংগঠনের মডেল এবং পরিমাপের [[w:Metric_system|মেট্রিক পদ্ধতি]] উপহার দিয়েছে। আধুনিক বিশ্বের আদর্শগুলো প্রথম ফ্রান্সের প্রভাবেই প্রাচীন সভ্যতাগুলোতে প্রবেশ করেছিল। এটি ছিল [[ফরাসি বিপ্লব|ফরাসি বিপ্লবের]] কাজ। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * নেপোলিয়ন সংক্রান্ত মিথ বা কিংবদন্তি তাঁর ব্যক্তিগত গুণের চেয়ে তাঁর অনন্য ক্যারিয়ারের ওপর বেশি প্রতিষ্ঠিত। অতীতের বিখ্যাত বিশ্বজয়ীরা রাজা বা অভিজাত পরিবারে জন্মাতেন, কিন্তু [[নেপোলিয়ন বোনাপার্ট|নেপোলিয়ন]] ছিলেন একজন সাধারণ সৈনিক যিনি কেবল প্রতিভার জোরে একটি মহাদেশ শাসন করেছিলেন। এটি পুরোপুরি সত্য না হলেও তাঁর উত্থান ছিল রূপকথার মতো। এর ফলে প্রতিটি তরুণ বুদ্ধিজীবী এবং ব্যবসায়ী তাঁর মাঝে নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষা খুঁজে পেয়েছিল। তিনি বিপ্লবের মানুষ ছিলেন আবার স্থিতিশীলতারও কারিগর ছিলেন। তিনি ফ্রান্সের শাসনব্যবস্থা ও আইনকানুনকে আধুনিক রূপ দিয়েছিলেন। তাঁর পতনের পর 'বোনাপার্টবাদ' একটি আদর্শ হিসেবে টিকে ছিল কারণ তিনি সাধারণ মানুষের মনে বড় হওয়ার স্বপ্ন জাগিয়েছিলেন। তিনি কেবল একটি জিনিস ধ্বংস করেছিলেন: জেকোবিন বিপ্লব—সেই সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার স্বপ্ন। কিন্তু তাঁর পতনের পর তাঁর স্মৃতির চেয়ে সেই আদর্শই উনবিংশ শতাব্দীর বিপ্লবগুলোকে বেশি অনুপ্রাণিত করেছিল। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * রাজনৈতিক ভূগোলের দিক থেকে ফরাসি বিপ্লব ইউরোপীয় মধ্যযুগের অবসান ঘটিয়েছিল। ** অধ্যায় ৪: যুদ্ধ * যুদ্ধের সবচেয়ে ভয়ংকর ঝুঁকি ছিল অবহেলা, নোংরা পরিবেশ, দুর্বল সংগঠন, ত্রুটিপূর্ণ চিকিৎসা পরিষেবা এবং স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে অজ্ঞতা। এই পরিস্থিতি প্রায় প্রতিটি সৈন্যকেই ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। ** অধ্যায় ৪: যুদ্ধ * আন্তর্জাতিক শান্তি চুক্তির একটি বিশেষ দিক ছিল [[w:Slave_Trade_Act_1807|আন্তর্জাতিক দাস ব্যবসা বিলোপ]]। এর পেছনে মানবিক ও অর্থনৈতিক—উভয় কারণই ছিল। [[দাসত্ব]] ছিল ভয়ংকর এবং অত্যন্ত অদক্ষ একটি ব্যবস্থা। ব্রিটেনের মতো শক্তিশালী দেশগুলোর কাছে ১৮১৫-৪৮ সালের অর্থনীতি আর মানুষের বিক্রির ওপর নির্ভরশীল ছিল না বরং তা সুতির কাপড়ের ওপর নির্ভর করতে শুরু করেছিল। তবে দাসপ্রথার প্রকৃত বিলোপ খুব ধীরগতিতে হয়েছিল। ** অধ্যায় ৫: শান্তি * ১৮১৫ পরবর্তী প্রজন্মে ইতিহাসকে আটকে রাখার ক্ষেত্রে সরকারগুলোর অক্ষমতা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ফরাসি বিপ্লবের পুনরাবৃত্তি ঠেকানোই ছিল তৎকালীন শক্তিগুলোর প্রধান লক্ষ্য। তা সত্ত্বেও ইউরোপীয় ইতিহাসে বিপ্লববাদ এত দ্রুত এবং ব্যাপকভাবে আর কখনও ছড়িয়ে পড়েনি। ** অধ্যায় ৬: বিপ্লবসমূহ * অন্য কোথাও জাতীয়তাবাদের মতো কিছু খুঁজে পাওয়া অসম্ভব ছিল, কারণ সেখানে এর সামাজিক পরিবেশ ছিল না। আসলে শুরুতে যে শক্তিগুলো জাতীয়তাবাদ তৈরি করার কথা ছিল, তারাই ঐতিহ্য, ধর্ম ও গণদারিদ্র্যের সাথে মিলে পশ্চিমা বিজেতাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। ** অধ্যায় ৭: জাতীয়তাবাদ * ফরাসি বিপ্লবের প্রভাব, আমলাদের যুক্তিবাদী অর্থনৈতিক যুক্তি এবং [[অভিজাততন্ত্র|অভিজাতদের]] লোভ—এই তিনটি কারণ ১৮০৭ থেকে ১৮১৬ সালের মধ্যে প্রুশিয়ার কৃষকদের মুক্তির পথ নির্ধারণ করেছিল। ** অধ্যায় ৮: ভূমি * দ্বৈত বিপ্লবের সমস্ত অর্থনৈতিক পরিণতির মধ্যে '[[উন্নত দেশ|উন্নত]]' এবং '[[উন্নয়নশীল দেশ|অনুন্নত]]' দেশগুলোর মধ্যে বিভাজনটিই ছিল সবচেয়ে গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী। ** অধ্যায় ৯: শিল্প বিশ্বের দিকে * বংশমর্যাদার অভাব বা বৈষম্যের কারণে যারা এতদিন অবহেলিত ছিল, সেই [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী|সংখ্যালঘুরাই]] মেধার ভিত্তিতে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগকে সবচেয়ে বেশি স্বাগত জানিয়েছিল। ** অধ্যায় ১০: মেধার ভিত্তিতে ক্যারিয়ার * শ্রমিকদের জন্য পালানো বা হার মেনে নেওয়ার বিকল্প ছিল বিদ্রোহ। শ্রমজীবী দরিদ্রদের অবস্থা এমন ছিল যে বিদ্রোহ করা তাদের জন্য কেবল সম্ভবই ছিল না বরং বাধ্যতামূলক হয়ে পড়েছিল। উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে শ্রমিক ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের উত্থান ছিল অনিবার্য। ** অধ্যায় ১১: শ্রমজীবী দরিদ্র * ইতিহাসের অধিকাংশ সময় এবং বিশ্বের বেশিরভাগ জায়গায় (চীন সম্ভবত এর ব্যতিক্রম) মানুষ প্রথাগত ধর্মের মাধ্যমেই বিশ্বকে চিন্তা করত। এমনকি কিছু দেশে '[[খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টান]]' শব্দটি কেবল '[[কৃষক]]' বা '[[মানুষ]]' শব্দের সমার্থক ছিল। ** অধ্যায় ১২: আদর্শ: ধর্ম * ধর্ম একসময় আকাশের মতো ছিল যা থেকে কেউ পালাতে পারত না। কিন্তু আধুনিক যুগে এটি মেঘের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে—যা বিশাল কিন্তু সীমিত এবং পরিবর্তনশীল। আদর্শিক পরিবর্তনের মধ্যে এটিই সবচেয়ে গভীর। ** অধ্যায় ১২: আদর্শ: ধর্ম * বুর্জোয়াদের বিজয় ফরাসি বিপ্লবকে এনলাইটেনমেন্টের ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শে রঞ্জিত করেছিল। যেহেতু এই বিপ্লবের ভাষা পরবর্তী সকল বিপ্লবের সাধারণ ভাষা হয়ে উঠেছিল, তাই এটি [[ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ|ধর্মনিরপেক্ষতাকেও]] ছড়িয়ে দিয়েছিল। ** অধ্যায় ১২: আদর্শ: ধর্ম * ক্লাসিক্যাল উদারতাবাদের ‘মানুষ’ (যার প্রতীক ছিলেন [[রবিনসন ক্রুসো]]) ছিল এমন এক সামাজিক প্রাণী যে কেবল অনেকের সাথে সহাবস্থান করত। সামাজিক লক্ষ্যগুলো ছিল ব্যক্তিগত লক্ষ্যগুলোর গাণিতিক যোগফল। সুখ ছিল প্রতিটি ব্যক্তির সর্বোচ্চ উদ্দেশ্য এবং সমাজের লক্ষ্য ছিল সর্বাধিক মানুষের সর্বাধিক সুখ নিশ্চিত করা। ** অধ্যায় ১৩: আদর্শ: ধর্মনিরপেক্ষতা * এমনকি ক্ষুদ্র সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর শিল্পকলাও সমগ্র মানবতাকে কাঁপিয়ে দেওয়া ভূমিকম্পের প্রতিধ্বনি করতে পারে। আমাদের সময়ের সাহিত্য ও [[শিল্পকলা|শিল্পকলায়]] তা দেখা গেছে এবং এর ফলাফল ছিল '[[রোমান্টিকতাবাদ]]'। রোমান্টিকদের নিজেদের বর্ণনা অনেক সময় যুক্তিহীন মনে হলেও তাদের লক্ষ্য ছিল দৃঢ়। ** অধ্যায় ১৪: শিল্পকলা * বিজ্ঞান ও শিল্পকলার মধ্যে সমান্তরাল রেখা টানা সবসময়ই বিপজ্জনক। তবুও বিজ্ঞানও দ্বৈত বিপ্লবের প্রতিফলন ঘটিয়েছে। কারণ এই বিপ্লব বিজ্ঞানের কাছে নতুন দাবি পেশ করেছিল এবং নতুন চিন্তার দুয়ার খুলে দিয়েছিল। ** অধ্যায় ১৫: বিজ্ঞান * বিজ্ঞানের অগ্রগতি কেবল একটি সরলরেখায় চলে না। প্রতিটি পর্যায় আগের সমস্যার সমাধান করে এবং নতুন সমস্যার জন্ম দেয়। ** অধ্যায় ১৫: বিজ্ঞান * '''১৮৩১ সালে [[ভিক্টর হুগো]] লিখেছিলেন যে তিনি বিপ্লবের শব্দ শুনতে পাচ্ছেন, যা মাটির গভীর থেকে প্যারিস হয়ে পুরো ইউরোপের রাজতন্ত্রের নিচে সুরঙ্গ তৈরি করছে। ১৮৪৭ সালে সেই শব্দ তীব্র হয়ে ওঠে এবং ১৮৪৮ সালে বিস্ফোরণ ঘটে।''' ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার: ১৮৪৮-এর দিকে === 'ব্যান্ডিটস' (১৯৬৯; ১৯৭২; ১৯৮১) === * '''মানুষ ডাকাতদের সাথে দেখা করতে পছন্দ না করলেও অন্ধকার রাতে তাদের সম্পর্কে পড়তে সবাই পছন্দ করে।''' ** প্রস্তাবনা * সামাজিক ডাকাতরা হলো সেইসব কৃষক বহিষ্কৃত যাদের প্রভু এবং রাষ্ট্র অপরাধী মনে করে, কিন্তু যারা কৃষক সমাজের অংশ হিসেবেই থাকে। তাদের সমাজ তাদের বীর, রক্ষক বা ন্যায়বিচারের যোদ্ধা হিসেবে গণ্য করে। সাধারণ কৃষক এবং এই বিদ্রোহীদের মধ্যকার সম্পর্কই সামাজিক ডাকাতিকে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে। ** অধ্যায় ১: সামাজিক ডাকাতি কী? * ডাকাত হওয়া মানেই স্বাধীনতা। কিন্তু কৃষক সমাজে খুব কম মানুষই মুক্ত হতে পারে। অধিকাংশ মানুষই সামন্ত প্রভু এবং শ্রমের শিকলে বন্দী থাকে। কৃষকদের অর্থনৈতিক দুর্বলতার চেয়েও তাদের গতিহীনতা তাদের ওপর কর্তৃপক্ষের আধিপত্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। ** অধ্যায় ২: কারা ডাকাত হয়? === 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল' (১৯৭৫) === * ১৭৮৯ থেকে ১৮৪৮ সালের বিপ্লবের দ্বৈততা সেই সময়কালকে একটি ঐক্য ও ভারসাম্য দান করেছে। এর কালানুক্রমিক সীমা সুনির্দিষ্ট হওয়ায় এটি সম্পর্কে লেখা বা পড়া তুলনামূলক সহজ। ** ভূমিকা * সামাজিক-অর্থনৈতিক কাঠামো এবং রাজনীতি বিপ্লবী অঞ্চলকে দুটি ভাগে বিভক্ত করেছিল। বড় শহরগুলোর তুলনায় মফস্বল বা গ্রামাঞ্চলই প্রধান ছিল, যদিও রাজনীতিতে শহরের গুরুত্ব অনেক বেশি ছিল। ** অধ্যায় ১: 'জনগণের বসন্তকাল' * সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষাকারীদের জনগণের রাজনীতি সম্পর্কে শিখতে হয়েছিল। এটি ছিল ১৮৪৮-এর বিপ্লবের প্রধান উদ্ভাবন। এমনকি ঘোর প্রতিক্রিয়াশীলরাও বুঝতে পেরেছিল যে জনমতকে প্রভাবিত করার জন্য তাদের নিজস্ব সংবাদপত্রের প্রয়োজন। ** অধ্যায় ১: 'জনগণের বসন্তকাল' * যখন আমরা আগের সময়ের 'বিশ্ব ইতিহাস' লিখি, তখন আমরা আসলে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশের ইতিহাস যোগ করি যাদের নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ছিল খুব সামান্য। ** অধ্যায় ৩: ঐক্যবদ্ধ বিশ্ব * আজ আমরা বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে যেভাবে বিশ্বকে প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিকভাবে একে অপরের সাথে যুক্ত হতে দেখি, উনবিংশ শতাব্দীতে পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল। আধুনিক বিশ্ব অনেক বেশি মানসম্মত বা স্ট্যান্ডার্ডাইজড হয়ে গেছে কারণ এখন মেশিনের সংখ্যা অনেক বেশি। ** অধ্যায় ৩: ঐক্যবদ্ধ বিশ্ব * যদি জাতীয়তাবাদ একটি ঐতিহাসিক শক্তি হয়ে থাকে, তবে '[[গণতন্ত্র]]' বা রাষ্ট্রীয় কাজে সাধারণ মানুষের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা ছিল অন্য একটি শক্তি। যেখানে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনগুলো গণআন্দোলনে পরিণত হয়েছিল, সেখানে এই দুটি শক্তি একই সাথে কাজ করেছে। ** অধ্যায় ৬: গণতন্ত্রের শক্তি * উদারতাবাদের বিজয়ের যুগ শুরু হয়েছিল একটি [[w:revolutions_of_1848|পরাজিত বিপ্লবের]] মাধ্যমে এবং শেষ হয়েছিল একটি দীর্ঘায়িত মন্দার মধ্য দিয়ে। ইতিহাস সবসময় ঐতিহাসিকদের সুবিধার কথা চিন্তা করে না। ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার === 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' (১৯৮৭) === * যখন ইতিহাসবিদরা এমন একটি সময় নিয়ে কাজ করেন যেখানে প্রত্যক্ষদর্শীরা জীবিত আছেন, তখন ইতিহাসের দুটি ভিন্ন ধারণা একে অপরের মুখোমুখি হয়: পাণ্ডিত্যপূর্ণ ইতিহাস এবং ব্যক্তিগত স্মৃতি। প্রত্যেকের স্মৃতিই ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলেও তা সবসময় নির্ভরযোগ্য নয়। ** ওভ্যাচার (Overture) * ১৮৭০-এর দশকের পর্যবেক্ষকদের কাছে ইতিহাস মানেই ছিল উন্নতি বা প্রগতি। পরিমাপযোগ্য সবকিছুর ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফ দিয়েই এই প্রগতি মাপা হতো। মানুষের জ্ঞান ও প্রকৃতি পরিবর্তনের ক্ষমতাকে তখন অগ্রগতির চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে দেখা হতো। ** অধ্যায় ১: শতবর্ষী বিপ্লব * পুঁজিবাদী ব্যবস্থার প্রসার এমন এক বিশ্ব তৈরি করেছিল যেখানে 'উন্নত' দেশগুলো 'অনুন্নত' দেশগুলোর ওপর আধিপত্য বিস্তার করেছিল। এটিই ছিল সাম্রাজ্যের যুগ। ১৮৭৫ থেকে ১৯১৪ সালের মধ্যে ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শাসক নিজেদের '[[সম্রাট]]' উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। ** অধ্যায় ৩: সাম্রাজ্যের যুগ === 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম সিন্স ১৭৮০: প্রোগ্রাম, মিথ, রিয়ালিটি' (১৯৯২) === * জাতি এবং জাতীয়তাবাদের কোনো গম্ভীর ইতিহাসবিদই কট্টর রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদী হতে পারেন না। কারণ জাতীয়তাবাদ এমন অনেক কিছুর ওপর বিশ্বাস দাবি করে যা স্পষ্টতই সত্য নয়। ** 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম সিন্স ১৭৮০' (ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২য় সংস্করণ ২০১২), পৃষ্ঠা ১২। * তা সত্ত্বেও এটি স্পষ্ট—যেমনটি গ্রিক উদাহরণ থেকে দেখা যায়—যেখানে 'প্রাক-জাতীয়তাবাদ' (proto-nationalism) বিদ্যমান ছিল, সেটি জাতীয়তাবাদের কাজকে সহজ করে দিয়েছিল। প্রাক-জাতীয়তাবাদী সম্প্রদায়ের বিদ্যমান প্রতীক এবং আবেগগুলোকে একটি আধুনিক লক্ষ্য বা আধুনিক রাষ্ট্রের পেছনে একত্রিত করা সম্ভব হয়েছিল। তবে এর মানে এই নয় যে এই দুটি বিষয় একই, কিংবা একটি থাকলেই যৌক্তিকভাবে অন্যটি আসবে। কারণ এটি স্পষ্ট যে জাতীয়তা, জাতি বা রাষ্ট্র গঠনের জন্য কেবল প্রাক-জাতীয়তাবাদই যথেষ্ট নয়। ** পৃষ্ঠা ৭৬–৭৭। * তবে গণ-বহিষ্কার এবং এমনকি গণহত্যার মতো ঘটনাগুলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় এবং পরে ইউরোপের দক্ষিণ প্রান্তে দেখা দিতে শুরু করে। ১৯১৫ সালে [[অটোমান সাম্রাজ্য|তুর্কিরা]] যখন [[আর্মেনীয় গণহত্যা|আর্মেনীয়দের ব্যাপক নির্মূল]] শুরু করে এবং ১৯১১ সালের গ্রিক-তুর্কি যুদ্ধের পর এশিয়া মাইনর (যেখানে তারা [[হোমার|হোমারের]] আমল থেকে বসবাস করছিল) থেকে ১৩ থেকে ১৫ লক্ষ [[গ্রিক]] মানুষকে বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে অ্যাডলফ হিটলার, যিনি এই দিক থেকে একজন যৌক্তিক উইলসোনীয় জাতীয়তাবাদী ছিলেন, তিনি পিতৃভূমির বাইরে বসবাসকারী জার্মানদের (যেমন ইতালীয় দক্ষিণ টাইরোলের বাসিন্দা) জার্মানিতে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করেন এবং পাশাপাশি ইহুদিদের স্থায়ীভাবে নির্মূল করার পরিকল্পনা করেন। ** পৃষ্ঠা ১৩৩। === 'দ্য এজ অফ এক্সট্রিমস' (১৯৯২) === * আমার লক্ষ্য হলো এটি বোঝা এবং ব্যাখ্যা করা যে কেন ঘটনাগুলো এভাবে ঘটল এবং তারা একে অপরের সাথে কীভাবে যুক্ত। আমার সমবয়সী যারা এই ‘সংক্ষিপ্ত বিংশ শতাব্দী’র প্রায় পুরোটা সময় বেঁচে ছিলেন, তাদের জন্য এটি অনিবার্যভাবে একটি আত্মজীবনীমূলক প্রচেষ্টাও বটে। আমরা এখানে নিজেদের স্মৃতিগুলোকেই আরও জোরালো করছি এবং প্রয়োজনে সংশোধন করছি। ** ভূমিকা * বর্তমান অভিজ্ঞতার সাথে পূর্ববর্তী প্রজন্মের যে সামাজিক বন্ধন বা যোগসূত্র, তা ধ্বংস হয়ে যাওয়া বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকের অন্যতম অদ্ভুত এবং ভীতিজনক ঘটনা। ** ভূমিকা, 'দ্য সেঞ্চুরি: আ বার্ডস আই ভিউ' * ১৯৮০-এর দশকের শেষে যে বিশ্বটি ভেঙে পড়েছিল, সেটি ছিল মূলত ১৯১৭ সালের [[রুশ বিপ্লব|রুশ বিপ্লবের]] প্রভাবে গড়ে ওঠা একটি বিশ্ব। * অত্যন্ত সহজভাবে বললে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কে বা কিসের কারণে হয়েছিল—এই প্রশ্নের উত্তর দুটি শব্দে দেওয়া সম্ভব: [[অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * পুঁজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থার জন্য মানুষ খুব একটা দক্ষভাবে তৈরি হয়নি। ** পৃষ্ঠা ৪১৪ * ক্ষমতায় থাকা কমিউনিজমের কূটাভাস বা প্যারাডক্স ছিল এই যে, এটি ছিল রক্ষণশীল। ** পৃষ্ঠা ৪২২ * কেন প্রতিভাবান ফ্যাশন ডিজাইনাররা (যারা বিশ্লেষণাত্মক হিসেবে পরিচিত নন) মাঝেমধ্যে পেশাদার ভবিষ্যদ্বাণীকারীদের চেয়েও আগাম পরিস্থিতি ভালোভাবে আঁচ করতে পারেন—তা ইতিহাসের অন্যতম রহস্যময় প্রশ্ন এবং সংস্কৃতি বিশ্লেষকদের জন্য একটি কেন্দ্রীয় বিষয়। ** অধ্যায় ৬: শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকের সাংস্কৃতিক বিপ্লবকে সমাজ বা সমষ্টির ওপর ব্যক্তির জয় হিসেবে দেখা যেতে পারে। অন্যভাবে বললে, এটি হলো সেই সামাজিক বন্ধনগুলো ছিঁড়ে ফেলা যা অতীতে মানুষকে একসূত্রে গেঁথে রাখত। অতীতে অধিকার, কর্তব্য, পাপ-পুণ্য এবং বিবেকের যে নৈতিক ভাষা ছিল, তা এখন কেবল ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষার ভাষায় রূপান্তরিত হয়েছে। মনে হচ্ছে যেন কম্পাসের কাঁটা তার উত্তর দিক হারিয়েছে এবং মানচিত্রগুলো অকেজো হয়ে পড়েছে। ** অধ্যায় ১১: সাংস্কৃতিক বিপ্লব, পৃষ্ঠা ৩২০-৩৩৯ * অক্টোবর বিপ্লবের ট্র্যাজেডি ছিল এটাই যে, এটি কেবল নির্মম, নিষ্ঠুর এবং আদেশভিত্তিক সমাজতন্ত্রই তৈরি করতে পেরেছিল। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আমি যখন পেছনের কথা ভাবি, তখন বারবার নিজেকে জিজ্ঞেস করি: পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সেই নির্বিচার এবং নির্মমভাবে এগিয়ে যাওয়ার কি কোনো বিকল্প ছিল? আমি যদি বলতে পারতাম যে বিকল্প ছিল, তবে খুশি হতাম; কিন্তু আমি তা পারছি না। আমি এর কোনো উত্তর খুঁজে পাই না। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আদর্শ হিসেবে কমিউনিজম নারীর মুক্তি ও সমঅধিকারের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ ছিল। যদিও [[ভ্লাদিমির লেনিন|লেনিন]] নিজে অবাধ যৌনতাকে অপছন্দ করতেন। এমনকি লেনিন ও ক্রুপস্কায়া সেই বিরল বিপ্লবীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা ঘরের কাজে নারী-পুরুষের অংশীদারিত্বের পক্ষে ছিলেন। তা সত্ত্বেও, নতুন কমিউনিস্ট শাসিত রাষ্ট্রগুলোতে উচ্চ রাজনৈতিক পদে নারীদের উপস্থিতি ছিল খুবই নগণ্য। সোভিয়েত ইউনিয়নে যখন চিকিৎসার মতো কোনো পেশা নারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হলো, তখন সেই পেশার মর্যাদা এবং আয় দুই-ই কমে গেল। পশ্চিমা নারীবাদীদের তুলনায় অধিকাংশ বিবাহিত সোভিয়েত নারী ঘরে থাকাকেই বিলাসিতা মনে করতেন। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আমাদের শতাব্দীর সবচেয়ে বড় নিষ্ঠুরতাগুলো ছিল দূর থেকে নেওয়া সিদ্ধান্তের নির্মমতা, যা 'পদ্ধতি' বা 'রুটিন'-এর নামে চলত; বিশেষ করে যখন সেগুলোকে 'কৌশলগত প্রয়োজন' বলে চালিয়ে দেওয়া হতো। * সুররিয়ালিজম বা [[পরাবাস্তববাদ|পরাবাস্তববাদ]] ছিল আধুনিক শিল্পকলার জগতে এক প্রকৃত সংযোজন। এর অভিনবত্ব ছিল মানুষকে ধাক্কা দেওয়ার বা হতবাক করার ক্ষমতার মধ্যে। এমনকি পুরনো শিল্পীদের মাঝেও এটি বিভ্রান্তি বা অস্বস্তিকর হাসির জন্ম দিত। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * রেডিওর মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছিল [[সংগীত|সংগীত]], কারণ এটি শব্দের যান্ত্রিক বা কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করে দিয়েছিল। ১৯১৪ সালের আগেই গ্রামোফোনের মাধ্যমে সংগীত যান্ত্রিক উৎপাদনের যুগে প্রবেশ করেছিল, যদিও তখন এটি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ছিল। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * এটি আধুনিকতাবাদী শিল্পীদের জন্য একটি ট্র্যাজেডি ছিল যে, তাদের নিজেদের রাজনৈতিক দল বা নেতারা তাদের প্রত্যাখ্যান করেছিল। ডানপন্থী হোক বা বামপন্থী—নতুন স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠী স্থাপত্যের ক্ষেত্রে বিশাল স্মৃতিস্তম্ভ, পেইন্টিং ও ভাস্কর্যের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণাদায়ী উপস্থাপনা এবং নাটকের ক্ষেত্রে ধ্রুপদী প্রদর্শনীকেই বেশি পছন্দ করত। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ === 'অন হিস্ট্রি' (১৯৯৭) === * ইতিহাসকে মিথ বা অলীক কল্পনা দিয়ে প্রতিস্থাপন করার চেষ্টাগুলো কেবল বুদ্ধিবৃত্তিক কৌতুক নয়। এগুলো এমনকি স্কুলের পাঠ্যবই কেমন হবে তাও নির্ধারণ করে দেয়। জাপানি কর্তৃপক্ষ যেমনটি করেছিল; তারা জাপানি ক্লাসরুমের জন্য [[w:Second_SIno-Japanese_War|চীনে জাপানি যুদ্ধের]] একটি পরিমার্জিত বা সেন্সরড সংস্করণ ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছিল। পরিচয় ভিত্তিক রাজনীতির জন্য মিথ এবং উদ্ভাবন অপরিহার্য। বর্তমানের অনিশ্চিত বিশ্বে বিভিন্ন গোষ্ঠী ধর্ম, জাতি বা সীমানা দিয়ে নিজেদের সংজ্ঞায়িত করে এবং 'আমরা অন্যদের চেয়ে আলাদা এবং শ্রেষ্ঠ'—এটি বলার মাধ্যমে এক ধরনের নিশ্চয়তা খোঁজার চেষ্টা করে। ** অধ্যায় ১: ইতিহাসের বাইরে ও ভেতরে * অতীত হলো মানুষের [[চেতনা|চেতনার]] একটি স্থায়ী মাত্রা এবং সামাজিক [[প্রতিষ্ঠান]], [[মূল্যবোধ|মূল্যবোধ]] ও অন্যান্য কাঠামোর এক অনিবার্য উপাদান। ইতিহাসবিদদের কাজ হলো সমাজে এই 'অতীত সচেতনতার' প্রকৃতি বিশ্লেষণ করা এবং এর পরিবর্তন ও রূপান্তরগুলো চিহ্নিত করা। ** অধ্যায় ২: অতীতের ধারণা * উত্তরের চেয়ে প্রশ্ন তৈরি করা অনেক সহজ। তবুও যেসব অভিজ্ঞতাকে আমরা খুব সাধারণ বলে ধরে নিই, সেগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলা একেবারেই মূল্যহীন কাজ নয়। আমরা মাছের মতো অতীতের মধ্যেই সাঁতার কাটি এবং এটি থেকে বের হতে পারি না। কিন্তু এই মাধ্যমে আমাদের বেঁচে থাকা এবং চলাচলের ধরণগুলো বিশ্লেষণ ও আলোচনা করা প্রয়োজন। আমার লক্ষ্য ছিল এই উভয় বিষয়কেই উদ্দীপিত করা। ** অধ্যায় ২: অতীতের ধারণা * অতীতের সাপেক্ষে আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি এবং অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের মধ্যকার সম্পর্ক কেমন—তা কেবল আগ্রহের বিষয় নয়, বরং অপরিহার্য। আমরা নিজেদের জীবন, পরিবার বা গোষ্ঠীর ধারাবাহিকতার বাইরে নিজেদের কল্পনা করতে পারি না। আমরা অতীত ও বর্তমানের তুলনা না করে পারি না; পারিবারিক ফটোর অ্যালবাম বা ভিডিওগুলো তো এজন্যই থাকে। অভিজ্ঞতা মানেই হলো অতীত থেকে শেখা। আমরা হয়তো ভুল কিছু শিখতে পারি এবং প্রায়ই তা করি; কিন্তু আমরা যদি প্রাসঙ্গিক অতীত থেকে শিখতে না পারি বা শিখতে অস্বীকার করি, তবে চরম ক্ষেত্রে আমরা মানসিকভাবে অস্বাভাবিক হিসেবে গণ্য হবো। ** অধ্যায় ৩: সমকালীন সমাজ সম্পর্কে ইতিহাস আমাদের কী বলতে পারে? * অনুপ্রেরণা বা আদর্শ হিসেবে ইতিহাসের মাঝে নিজেকে সঠিক প্রমাণ করার জন্য ‘মিথ’ তৈরির একটি সহজাত প্রবণতা থাকে। আধুনিক জাতি ও জাতীয়তাবাদের ইতিহাস যেমনটি দেখিয়েছে, এর চেয়ে ভয়ংকর অন্ধত্ব আর কিছুই হতে পারে না। ** অধ্যায় ৩: সমকালীন সমাজ সম্পর্কে ইতিহাস আমাদের কী বলতে পারে? * আমি বিষয়টি একটি কূটাভাস বা প্যারাডক্সের মাধ্যমে বলি। পুঁজিবাদ এবং বুর্জোয়া সমাজ যে একটি অস্থায়ী ঐতিহাসিক ঘটনা—মার্ক্সের এই প্রমাণটি পছন্দ করি না বলে তাকে প্রত্যাখ্যান করা যেমন ঠিক নয়, তেমনই আমরা সমাজতন্ত্র চাই বলেই তাকে অন্ধভাবে গ্রহণ করাও অনুচিত। আমি বিশ্বাস করি মার্ক্স গভীর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে কিছু মৌলিক প্রবণতা বুঝতে পেরেছিলেন; কিন্তু সেগুলো আসলে কী বয়ে আনবে তা আমরা জানি না। ভবিষ্যৎ অনেক সময় অচেনা হয়ে দেখা দেয়; তা ভবিষ্যৎবাণী ভুল হওয়ার জন্য নয়, বরং আমরা হয়তো আগন্তুককে ভুল পোশাকে কল্পনা করেছিলাম বলে। ** অধ্যায় ৪: সামনের দিকে তাকানো: ইতিহাস এবং ভবিষ্যৎ * উপসংহারে বলা যায়, এই শতাব্দীতে ইতিহাস তার পথে হোঁচট খেতে খেতে হলেও প্রকৃত উন্নতি করেছে। এটি এমন একটি বিষয় যা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে যাচাইযোগ্য এবং এর মাধ্যমে মানব সমাজের জটিল ও বিবর্তনশীল বিকাশকে আরও ভালোভাবে বোঝা সম্ভব। আমি জানি অনেকে এটি অস্বীকার করেন। ** অধ্যায় ৫: ইতিহাস কি উন্নতি করেছে? * ইতিহাসের বিষয়বস্তু অতীত হওয়ায় এটি কোনো ‘ফলিত বিদ্যা’ বা অ্যাপ্লাইড ডিসিপ্লিন হওয়ার অবস্থানে নেই। কারণ যা ঘটে গেছে তা পরিবর্তন করার কোনো উপায় এখনও আবিষ্কৃত হয়নি। বড়জোর আমরা কাল্পনিক বিকল্প পরিস্থিতির কথা ভাবতে পারি। অবশ্যই অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ একই অবিচ্ছিন্ন ধারার অংশ। তাই ইতিহাসবিদদের বক্তব্য ভবিষ্যতের জন্য পূর্বাভাস বা সুপারিশ হিসেবে কাজ করতে পারে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * আমার যুক্তি হলো, ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন হলে [[অর্থনীতি]] একটি হালবিহীন জাহাজের মতো হয়ে পড়ে এবং অর্থনীতিবিদরা বুঝতে পারেন না তারা কোন দিকে যাচ্ছেন। আমি বলছি না যে কেবল কিছু চার্ট বা বাস্তব অভিজ্ঞতার দিকে তাকালেই সব সমস্যার সমাধান হবে। সমস্যা হলো, মূলধারার অর্থনীতিবিদদের তত্ত্ব এবং পদ্ধতি তাদের এটা বুঝতে সাহায্য করে না যে আসলে কোন দিকে তাকাতে হবে এবং কী খুঁজতে হবে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * অর্থনীতিকে যদি ইতিহাসের শিকার হয়ে থাকতে না হয়, তবে তাকে অবশ্যই ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করতে হবে। গতকালের ঘটনাগুলো আজ দৃশ্যমান হওয়ার পর তা নিয়ে কাজ করার পুরনো অভ্যেস ত্যাগ করতে হবে। এটি কেবল আগামীকালের সমস্যা নিয়ে ভাবতেই সাহায্য করবে না, বরং আগামীকালের অর্থনৈতিক তত্ত্ব গঠন করতেও ভূমিকা রাখবে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * কৃষি পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক বিষয়ের সাথে অ-অর্থনৈতিক বিষয়গুলোকে (যেমন সামাজিক ও রাজনৈতিক কারণ) আলাদা করা সম্ভব নয়—অন্তত স্বল্প মেয়াদে তো নয়ই। এগুলোকে আলাদা করা মানে অর্থনীতির গতিশীল বিশ্লেষণকে বিসর্জন দেওয়া। ** অধ্যায় ৮: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ২ * সংক্ষিপ্তভাবে, বৈজ্ঞানিক আলোচনার ক্ষেত্রে প্রতিটি বক্তব্য অবশ্যই এমন পদ্ধতি ও মানদণ্ড দ্বারা যাচাইযোগ্য হতে হবে যা কোনো দলীয় বা আদর্শগত পক্ষপাত দ্বারা প্রভাবিত নয়। যেসব বক্তব্য এভাবে যাচাই করা যায় না, সেগুলো গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে কিন্তু তা অন্য কোনো আলোচনার বিষয়। ** অধ্যায় ৯: পক্ষপাতিত্ব * ইতিহাসের মৌলিক প্রশ্নটি হলো বিভিন্ন মানব গোষ্ঠীর মধ্যকার পার্থক্য এবং এক সমাজ থেকে অন্য সমাজে রূপান্তরের প্রক্রিয়াটি খুঁজে বের করা। প্রকৃতির ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ অর্জনের মতো কিছু বিষয়ে এটি অবশ্যই একটি একমুখী অগ্রগতি বা প্রগতিকে নির্দেশ করে। যতক্ষণ আমরা সামাজিক বিকাশকে জৈবিক বিবর্তনের সাথে গুলিয়ে না ফেলছি, ততক্ষণ একে 'বিবর্তন' বা এভোলিউশন বলতে কোনো বাধা নেই। ** অধ্যায় ১০: ইতিহাসবিদরা কার্ল মার্ক্সের কাছে কী ঋণী? * উৎপাদন পদ্ধতির বিশ্লেষণ অবশ্যই প্রযুক্তির সংগঠন এবং অর্থনীতির ওপর ভিত্তি করে হতে হবে। মার্ক্স বলেছিলেন যে [[রাজনৈতিক অর্থনীতি]] হলো [[সুশীল সমাজ|নাগরিক সমাজের]] ব্যবচ্ছেদ বা এনাটমি। একটি উৎপাদন পদ্ধতি থেকে অন্য পদ্ধতিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াটিকে অনেক সময় সরলরৈখিকভাবে দেখা হয়, যা অনেক সময় জটিলতা এবং বিতর্কের সৃষ্টি করে। ** অধ্যায় ১১: মার্ক্স এবং ইতিহাস * আমি মনে করি না যে ইতিহাসবিদদের ফ্রয়েডের কাছ থেকে খুব বেশি কিছু শেখার আছে। ফ্রয়েড যখনই ইতিহাস নিয়ে কিছু লিখেছেন, তিনি একজন খারাপ ইতিহাসবিদের পরিচয় দিয়েছেন। মানসিকতার (Mentalities) সমস্যা কেবল মানুষ কতটা আলাদা তা খুঁজে বের করা নয়, বরং তাদের আচরণ, চিন্তা এবং অনুভূতির মধ্যে একটি যৌক্তিক সংযোগ খুঁজে বের করা। আমাদের দেখতে হবে কেন মানুষ বিখ্যাত ডাকাতদের অদৃশ্য বা অপরাজেয় মনে করে, যদিও বাস্তবে তা সত্য নয়। এই বিশ্বাসগুলোকে কেবল আবেগ হিসেবে না দেখে সমাজ সম্পর্কে তাদের একটি সুসংগত বিশ্বাস হিসেবে দেখা উচিত। ** অধ্যায় ১৩: ব্রিটিশ ইতিহাস এবং 'অ্যানালস': একটি টীকা * তৃণমূল পর্যায়ের বা 'নিচ থেকে ইতিহাস' (Grassroots history) চর্চাকারীরা সাধারণ মানুষকে নিয়ে কাজ করেন। তারা জানেন যে তাদের অনেক কিছু জানা নেই এবং এই বিনয়ই তাদের বড় শক্তি। তারা জানেন যে সাধারণ মানুষ যা চেয়েছিল বা তাদের যা প্রয়োজন ছিল, তা সবসময় প্রভাবশালী বা শিক্ষিত সমাজ যা ভেবেছিল তার সাথে মেলে না। যারা এখন সমাজ পরিচালনা করছেন বা যারা সমাজ বদলাতে চান, তাদের সবারই উচিত ইতিহাসবিদদের কথা শোনা। ** অধ্যায় ১৬: নিচ থেকে ইতিহাস * এক সহস্রাব্দ ধরে 'ইউরোপ' ছিল রক্ষণাত্মক। পরবর্তী অর্ধ সহস্রাব্দে এটি বিশ্ব জয় করেছে। এই উভয় পর্যবেক্ষণই বিশ্ব ইতিহাস থেকে ইউরোপের ইতিহাসকে আলাদা করা অসম্ভব করে তুলেছে। বৈচিত্র্য এবং উপাদানগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়াই ইউরোপের অস্তিত্বের মূলে। ** অধ্যায় ১৭: ইউরোপের অদ্ভুত ইতিহাস * আমার জীবনের বেশিরভাগ সময় এমন একটি আশার পেছনে ব্যয় হয়েছে যা শেষ পর্যন্ত হতাশ করেছে এবং এমন একটি আদর্শের পেছনে যা ব্যর্থ হয়েছে: তা হলো অক্টোবর বিপ্লব থেকে শুরু হওয়া কমিউনিজম। কিন্তু পরাজয়ের মতো ইতিহাসবিদের মনকে আর কিছুই তীক্ষ্ণ করতে পারে না। ** অধ্যায় ১৮: ইতিহাস হিসেবে বর্তমান * [[রুশ বিপ্লব|রুশ বিপ্লবের]] দুটি একে অপরের সাথে জড়িয়ে থাকা ইতিহাস আছে: রাশিয়ার ওপর এর প্রভাব এবং বিশ্বের ওপর এর প্রভাব। দ্বিতীয়টি না থাকলে খুব কম মানুষই এটি নিয়ে আগ্রহী হতো। যেমন আমেরিকার বাইরে [[আমেরিকান গৃহযুদ্ধ|আমেরিকার গৃহযুদ্ধ]] নিয়ে খুব কম মানুষই জানে। রুশ বিপ্লব রাশিয়াকে তার আন্তর্জাতিক শক্তি ও সম্মানের শীর্ষে নিয়ে গিয়েছিল—যা জারদের আমলেও সম্ভব হয়নি। [[জোসেফ স্টালিন|স্টালিন]] রুশ ইতিহাসে পিটার দ্য গ্রেটের মতোই স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। এটি একটি অনগ্রসর দেশকে আধুনিক করেছে, কিন্তু এর মানবিক মূল্য ছিল অনেক বেশি। এর অর্থনীতি ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনায় অনেক রুশ নাগরিকের কাছে পুরনো [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত]] আমল এখনও অনেক ভালো মনে হয়। এর ঐতিহাসিক ফলাফল এখনই চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা সম্ভব নয়। ** অধ্যায় ১৯: আমরা কি রুশ বিপ্লবের ইতিহাস লিখতে পারি? * আমরা অমানবিকতায় অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আমরা অসহনীয় বিষয়কেও সহ্য করতে শিখেছি। বিশ্বযুদ্ধ এবং শীতল যুদ্ধ আমাদের বর্বরতাকে মেনে নিতে বাধ্য করেছে। এমনকি আমরা বর্বরতাকে অর্থ উপার্জনের মতো বিষয়গুলোর চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ মনে করতে শুরু করেছি। ** অধ্যায় ২০: বর্বরতা: একটি ব্যবহারকারী নির্দেশিকা * পরিচয় ভিত্তিক ইতিহাস বা আইডেন্টিটি হিস্ট্রিই যথেষ্ট নয়। আবেগ বা ব্যক্তিগত স্বার্থ আমাদের ভুল পথে চালিত করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, প্রতিটি ইহুদি প্রাকৃতিকভাবেই নিজেকে জিজ্ঞেস করে—'এটি কি ইহুদিদের জন্য ভালো নাকি খারাপ?' নিপীড়নের সময়ে এটি ব্যক্তিগত আচরণের জন্য সহায়ক হতে পারে। কিন্তু একজন ইহুদি ইতিহাসবিদকে এটি পথ দেখাতে পারে না। ইতিহাসবিদকে অবশ্যই [[সার্বজনীনতাবাদ|সার্বজনীন হতে হবে]]। কেবল ইহুদিদের জন্য (বা [[আফ্রিকান আমেরিকান|আফ্রিকান-আমেরিকান]], [[গ্রিক]], [[নারী]] বা [[সমকামিতা|সমকামী]]) লেখা ইতিহাস কখনও ভালো ইতিহাস হতে পারে না, যদিও তা সংশ্লিষ্টদের কাছে স্বস্তিদায়ক হতে পারে। ** অধ্যায় ২১: আইডেন্টিটি হিস্ট্রিই যথেষ্ট নয় === 'হাউ টু চেঞ্জ দ্য ওয়ার্ল্ড: রিফ্লেকশনস অন মার্ক্স অ্যান্ড মার্ক্সিজম' (২০১১) === * 'মাউন্ট অফ সারমন'-এ বর্ণিত যিশু খ্রিস্টকে ‘প্রথম সমাজতান্ত্রিক’ বা কমিউনিস্ট হিসেবে দেখা খুবই সহজ। যদিও প্রথমদিকের সমাজতান্ত্রিক তাত্ত্বিকদের অধিকাংশ খ্রিস্টান ছিলেন না, তবুও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের পরবর্তীকালের অনেক সদস্য এই ভাবনাটিকে বেশ কার্যকর মনে করেছেন। * 'কমিউনিস্ট' শব্দটি সবসময় একটি নির্দিষ্ট কর্মসূচিকে নির্দেশ করলেও, 'সমাজতান্ত্রিক' শব্দটি ছিল মূলত বিশ্লেষণাত্মক এবং সমালোচনামূলক। * মার্ক্সের ধারণাগুলো ইউরোপের বেশিরভাগ শ্রমিক ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের অনুপ্রেরণাদায়ী তত্ত্বে পরিণত হয়েছিল। মূলত লেনিন এবং রুশ বিপ্লবের মাধ্যমে এই আদর্শ বিংশ শতাব্দীর সামাজিক বিপ্লবের একটি বিশ্বজনীন তত্ত্বে রূপ নেয়, যা চীন থেকে শুরু করে [[পেরু|পেরু]] পর্যন্ত সর্বত্র সমাদৃত হয়। এই তত্ত্বগুলোতে বিশ্বাসী দলগুলোর জয়ের মাধ্যমে এর বিভিন্ন সংস্করণ এমন সব রাষ্ট্রের দাপ্তরিক আদর্শে পরিণত হয়, যেখানে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ বসবাস করত। এছাড়া বিশ্বের বাকি অংশেও বিভিন্ন আকারের রাজনৈতিক আন্দোলনের ওপর এর ব্যাপক প্রভাব ছিল। অতীতের মহান ধর্মগুলোর প্রবর্তক ছাড়া আর কোনো একক চিন্তাবিদ এমন মর্যাদা পাননি। সম্ভবত [[মুহাম্মদ|মুহাম্মদ]] (সা.) ছাড়া অন্য কেউ এত দ্রুত এবং এত বড় পরিসরে সাফল্য অর্জন করতে পারেননি। এই বিচারে কোনো ইহজাগতিক চিন্তাবিদের নাম তাঁর (মার্ক্স) পাশে রাখা সম্ভব নয়। ** অধ্যায় ১৪, 'ইনফ্লুয়েন্স অফ মার্ক্সিজম ১৯৪৫-৮৩' == হবসবম সম্পর্কে উদ্ধৃতি == * 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-এর পরিপূরক হিসেবে উপস্থাপিত এই ব্যক্তিগত প্রতিকৃতিটি (ইন্টারেস্টিং টাইমস) হবসবমের বিংশ শতাব্দীর দৃষ্টিভঙ্গি এবং আধুনিকতার সামগ্রিক বর্ণনায় নতুন কী আলোকপাত করে? সামগ্রিক বিচারে, 'দ্য এজ অফ রেভোলিউশন', 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল', 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' এবং 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-কে একটি একক উদ্যোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে—এমন এক চতুষ্টয় (tetralogy) যার সমসাময়িক বিশ্ব গঠনের সুশৃঙ্খল বিবরণ হিসেবে অন্য কোনো তুলনা নেই। এই সবকটি গ্রন্থেই কিছু বিরল গুণের সংমিশ্রণ ঘটেছে: সংক্ষেপণের পরিমিতিবোধ; খুঁটিনাটি বর্ণনার সজীবতা; বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট সত্ত্বেও আঞ্চলিক পার্থক্যের তীব্র চেতনা; ফসল, শেয়ার বাজার, জাতি-শ্রেণি, রাষ্ট্রনায়ক-কৃষক এবং বিজ্ঞান-কলা—সব বিষয়েই অগাধ পাণ্ডিত্য ও সাবলীলতা; বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর প্রতি গভীর সহানুভূতি; বিশ্লেষণাত্মক বর্ণনার শক্তি; এবং সর্বোপরি অত্যন্ত স্বচ্ছ ও তেজোদীপ্ত একটি লিখনশৈলী। ** [[পেরি অ্যান্ডারসন]], "দ্য ভ্যানকুইশড লেফট: এরিক হবসবম", 'স্পেকট্রাম: ফ্রম রাইট টু লেফট ইন দ্য ওয়ার্ল্ড অফ আইডিয়াস' (২০০৫)-এ প্রকাশিত। * ইউরোপীয় তুলনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিতে, জাতীয় পতাকা বহনকারী এই শ্রমিকদের অদ্ভুত মনে হয় এবং তাদের গুরুত্ব খুব কমই বোঝা যায়। এমনকি মধ্য ইউরোপের প্রখ্যাত লেখক—যেমন [[আর্নেস্ট গেলনার|আর্নেস্ট গেলনার]] বা এরিক হবসবম—এই অঞ্চলের জাতীয়তাবাদের স্বাতন্ত্র্যকে একটি বৈশ্বিক সংজ্ঞায় খাপ খাওয়াতে গিয়ে এর আসল বৈশিষ্ট্যগুলোই ছেঁটে ফেলেছেন। হবসবমের ধারণা ছিল যে এটি পৃথিবীর প্রতিটি কোণেই প্রযোজ্য হবে, কিন্তু আমরা এই বইয়ে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের কাছে এই শব্দের অর্থ কী ছিল তা বোঝার চেষ্টা করেছি। সেই অঞ্চলে গেলনারের 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম' বইয়ের বৈশ্বিক মাপকাঠিগুলো হয় অপ্রাসঙ্গিক নয়তো গৌণ: যেমন [[জন স্টুয়ার্ট মিল|জন স্টুয়ার্ট মিলের]] ধারণা যে একটি জাতীয় রাষ্ট্রকে "সাশ্রয়ী" হতে হবে, বা জাতীয়তাবাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট আয়তন প্রয়োজন। চেক বা স্লোভেনীয়রা এই সব মাপকাঠি সম্পর্কে কিছুই জানত না এবং তারা এগুলো ছাড়াই তাদের ইতিহাস তৈরি করেছে। হবসবমের এই ধারণা যে ভাষা এবং ইতিহাস কোনো নির্ণায়ক মানদণ্ড নয়, তা পূর্ব-মধ্য ইউরোপের যে কারোর কাছে অর্থহীন মনে হতো—যদিও এটি মহাকাশ থেকে কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা জাতীয়তাবাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। ** জন কনেলি, 'ফ্রম পিপলস টু নেশনস: আ হিস্ট্রি অফ ইস্টার্ন ইউরোপ' (২০২০), পৃষ্ঠা ৭৯৬-৭৯৭। * এরিক হবসবম হয়তো অভিযোগ করতে পারেন যে আমি অন্যায় করছি এবং আমি আসলে অন্যরকম একটি বই আশা করেছিলাম। তিনি বলতে পারেন যে আমি এমন একটি বই চাই যা চিরস্থায়ী হবে এবং ভবিষ্যৎ শতাব্দীর ইতিহাসবিদদের আগ্রহের খোরাক হবে। আর তিনি ঠিকই বলেছেন, আমি আসলেই তা চাই। বিপরীতে, তিনি বলতে পারেন যে তাঁর বইটি "বিংশ শতাব্দীর একজন লেখকের দ্বারা বিংশ শতাব্দীর শেষের পাঠকদের জন্য লেখা", যাদের কাছে 'পুঁজিবাদ' এবং 'সমাজতন্ত্রের' সংঘাত, সামাজিক বিপ্লব, [[স্নায়ুযুদ্ধ]], এবং 'প্রকৃত সমাজতন্ত্রের' সীমাবদ্ধতা ও পতন নিয়ে আলোচনা করা সার্থক। তিনি মূলত সেই পাঠকদের জন্য লিখছেন যারা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের মূল থিম হিসেবে বিশ্ব কমিউনিজমের ট্র্যাজিক ও বীরত্বগাথাকে বিবেচনা করেন। কিন্তু বিশ্ব কমিউনিজমের এই যাত্রা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একমাত্র বা মূল থিম নয়। হবসবম আসলে কাদের জন্য তাঁর বইটি লিখছেন? বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের কোন অংশটুকু পাঠকদের জানা প্রয়োজন, তার জন্য কি আমরা 'এজ অফ এক্সট্রিমস' বইটির সুপারিশ করতে পারি? ** [[জে. ব্র্যাডফোর্ড ডিলং]], "লো মার্ক্স: আ রিভিউ অফ এরিক হবসবমস 'এজ অফ এক্সট্রিমস'" (১৯৯৫)। * [[১৯৬৮]] সালে আমি সেই মনোযোগী ও শ্রদ্ধাশীল ছাত্র শ্রোতাদের একজন ছিলাম, যাদের সামনে এরিক হবসবম ছাত্র র‍্যাডিক্যালিজমের সীমাবদ্ধতা নিয়ে কথা বলছিলেন। তাঁর উপসংহারটি আমার খুব মনে আছে, কারণ এটি তৎকালীন মেজাজের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। তিনি আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে, মাঝেমধ্যে পৃথিবী পরিবর্তন করা নয় বরং এটিকে ব্যাখ্যা করাই মুখ্য উদ্দেশ্য। কিন্তু বিশ্বকে ব্যাখ্যা করার জন্য এটি কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে সে সম্পর্কেও একটি সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন। তাঁর শেষ বইটি আমাদের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া এই বিশ্বের একটি চমত্কার, মেধাবী এবং সর্বদা বুদ্ধিদীপ্ত বিবরণ। এটি যদি তাঁর সেরা কাজগুলোর সমপর্যায়ের না-ও হয়, তবুও মনে রাখা উচিত যে তিনি নিজেই মেধার মানদণ্ড অনেক উঁচুতে সেট করেছেন। তবে বিশ্বে এক বা দুটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে—যেমন কমিউনিজমের মৃত্যু বা ইতিহাসের ওপর আস্থা হারানো—যা লেখককে খুব একটা খুশি করতে পারেনি। এটি দুঃখজনক, কারণ তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গি বইটির বিবরণকে এমনভাবে প্রভাবিত করেছে যা হয়তো নতুন পাঠকদের শিখতে নিরুৎসাহিত করবে। আমি বিংশ শতাব্দীর বর্ণনায় তাঁর সেই তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণ মিস করেছি যা তাঁকে উনবিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একজন অপরিহার্য পথপ্রদর্শক করে তুলেছিল। হবসবম আমাদের মনে করিয়ে দেন যে ইতিহাসবিদরা হলেন "সেই পেশাদার স্মৃতিকার যারা সাধারণ মানুষ যা ভুলে যেতে চায় তা মনে করিয়ে দেন।" এটি একটি অত্যন্ত কঠিন ও আপসহীন দায়িত্ব। ** [[টনি জাট]], "ডাউনহিল অল দ্য ওয়ে", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২৫ মে, ১৯৯৫)। * হবসবম তাঁর স্মৃতিকথা একটি উদ্দীপনামূলক বার্তার মাধ্যমে শেষ করেছেন: “এই সন্তোষজনক নয় এমন সময়েও আমাদের নিরস্ত্র হওয়া চলবে না। সামাজিক অবিচারের বিরুদ্ধে সবসময় প্রতিবাদ ও লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। পৃথিবী নিজে নিজে ভালো হবে না।” তিনি সব দিক থেকেই ঠিক। কিন্তু নতুন শতাব্দীতে ভালো কিছু করতে হলে আমাদের পুরনো শতাব্দীর সত্যগুলো বলতে হবে। হবসবম শয়তান বা অশুভ শক্তির মুখোমুখি হতে এবং একে তার আসল নামে ডাকতে অস্বীকার করেছেন; তিনি কখনও স্তালিন এবং তাঁর কর্মকাণ্ডের রাজনৈতিক ও নৈতিক উত্তরাধিকারকে গভীরভাবে বিচার করেননি। তিনি যদি গুরুত্বের সাথে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে কোনো আমূল পরিবর্তনের মশাল হস্তান্তর করতে চান, তবে এটি সঠিক পথ নয়। ** [[টনি জাট]], "দ্য লাস্ট রোমান্টিক", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২০ নভেম্বর, ২০০৩)। * হবসবম যেমনটি তাঁর 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' বইতে বলেছিলেন, তিনি মূলত একটি ‘যুক্তির উন্মোচন’ লিখছিলেন। সেই যুক্তির মূল কথা হলো—ঐতিহাসিক গুরুত্বের ক্ষেত্রে সংস্কৃতির চেয়ে অর্থনীতি, নারীর চেয়ে পুরুষ এবং বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে পশ্চিমের গুরুত্ব বেশি। তাঁর বর্ণনায় অনেক কিছু বাদ পড়াটা কোনো ভুল ছিল না বরং এটি ছিল তাঁর চিন্তাধারারই অংশ। অন্যভাবে বলতে গেলে, হবসবমকে নতুনভাবে মূল্যায়ন করতে হলে তাঁর এই মূল ধারণাগুলোকে চ্যালেঞ্জ করতে হবে। ** [[w:Susan Pedersen|সুসান পেডারসেন]], "আই ওয়ান্ট টু লাভ ইট", 'লন্ডন রিভিউ অফ বুকস' (১৮ এপ্রিল, ২০১৯)। * হবসবমকে একবার জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি হ্যাম্পস্টেড ম্যানশনের মতো অত্যন্ত দামি বাড়িতে বাস করাকে কীভাবে সমর্থন করেন। উত্তরে তিনি রসিকতা করে বলেছিলেন, যদি কেউ [[w:Titanic|টাইটানিক]] জাহাজে ভ্রমণ করে, তবে তার প্রথম শ্রেণীতে চড়েই ডুবে যাওয়া ভালো। রসিকতা হিসেবে এটি চমত্কার। কিন্তু যদি ১৯৮৯ সালে সমস্ত বরফ গলে যায় (কমিউনিজমের পতন হয়), তবে কী হবে? ** [[w:John Sutherland (author)|জন সাদারল্যান্ড]], 'দ্য টাইমস' (২৩ জানুয়ারি, ২০১৬)। * ১৯৯৫ সালে যখন তিনি '[[w:Desert Island Discs|ডেজার্ট আইল্যান্ড ডিস্কস]]'-এ উপস্থিত হয়েছিলেন, তখন তিনি বিলি হলিডের একটি গান বেছে নেওয়ার পাশাপাশি ইতিহাস নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছিলেন। উপস্থাপক সু ললি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, যদি লক্ষ লক্ষ জীবনের বিনিময়ে বিশ্ববিপ্লব আনা সম্ভব হতো, তবে কি তা সার্থক হতো? তিনি দ্বিধাহীনভাবে উত্তর দিয়েছিলেন—হ্যাঁ। মাইকেল ইগনাটিয়েফ কর্তৃক টেলিভিশনে গৃহীত এক সাক্ষাৎকারে হবসবমকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, ১৯৩৪ সালে স্তালিন কর্তৃক লক্ষ লক্ষ মানুষকে জোরপূর্বক অভুক্ত রাখার কথা জানলে কি তাঁর কমিউনিস্ট হওয়ার ইচ্ছা বদলে যেত? তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, "সম্ভবত না"। তিনি শান্তভাবে আরও যোগ করেন যে, যদি সোভিয়েত ইউনিয়ন বিশ্ববিপ্লবের সূচনা করতে পারত, তবে ১৫-২০ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু যুক্তিযুক্ত হতে পারত। ** [[এ. এন. উইলসন]], 'অন দ্য রং সাইড অফ হিস্ট্রি', 'দ্য টাইমস স্যাটারডে রিভিউ' (২৬ জানুয়ারি, ২০১৯)। * হবসবমের ইতিহাসের প্রধান সমস্যা ছিল যে তাঁর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল [[কার্ল মার্ক্স|কার্ল মার্ক্সের]] তত্ত্বগুলোকে সত্য প্রমাণ করা। শোকসংবাদ লেখকরা দাবি করেছিলেন যে তিনি কখনও [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদী]] মতাদর্শের দাস ছিলেন না বা তাঁর কাজ ছিল "সর্বদা সূক্ষ্ম ও মার্জিত", কিন্তু বাস্তবতা ছিল এর বিপরীত। ** কিথ উইন্ডশাটল, "দ্য নট-সো-গ্রেট এরিক হবসবম", 'কোয়াড্র্যান্ট' (১ নভেম্বর ২০১২)। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইতিহাসবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:কমিউনিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্ক্সবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্যাসিবাদ বিরোধী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১২-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:আলেকজান্দ্রিয়ার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রিটিশ একাডেমির ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:রয়্যাল সোসাইটি অফ লিটারেচারের ফেলো]] 5r10jag7dog78ft7h3y0rt5fj8rpmh6 78585 78584 2026-04-19T12:44:56Z SMontaha32 3112 78585 wikitext text/x-wiki [[File:Eric Hobsbawm.jpg|thumb|right|২০১১ সালে এরিক হবসবম]] '''[[w:Eric Hobsbawm|এরিক জন আর্নেস্ট হবসবম]]''', [[w:Companion of Honour|সিএইচ]], [[w:Fellow of the Royal Society of Literature|এফআরএসএল]], [[w:Fellow of the British Academy|এফবিএ]] ([[৯ জুন]] [[১৯১৭]] – [[১ অক্টোবর]] [[২০১২]]) ছিলেন একজন ব্রিটিশ মার্ক্সবাদী ইতিহাসবিদ ও লেখক। তিনি [[w:Communist Party of Great Britain|কমিউনিস্ট পার্টি অব গ্রেট ব্রিটেনের]] (১৯২০–১৯৯১) একজন প্রধান তাত্ত্বিক এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত [[w:Birkbeck College|বার্কবেক কলেজের]] সাবেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন। == উদ্ধৃতি == * আমাদের যুগের বুদ্ধিজীবী এবং [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদের]] মধ্যে যে প্রেমের সম্পর্ক দেখা যায়, তা পশ্চিম ইউরোপে তুলনামূলকভাবে দেরিতে শুরু হয়েছিল। যদিও রাশিয়ায় এটি [[কার্ল মার্ক্স|মার্ক্সের]] জীবদ্দশাতেই শুরু হয়। ** "বুদ্ধিজীবী এবং কমিউনিজম" (১৯৬৪), 'রেভোলিউশনারিস: কনটেম্পোরারি এসেস' (১৯৭৩)-এ প্রকাশিত। * প্রথমত, সম্ভবত কোনো বড় ধরনের [[বিপ্লব]] সফল করার জন্য যে অতিমানবীয় প্রচেষ্টার প্রয়োজন হয়, তা তৈরির জন্য [[কল্পরাজ্য|ইউটোপিয়াবাদ]] একটি প্রয়োজনীয় সামাজিক কৌশল। ** 'প্রিমিটিভ রেবেলস: স্টাডিজ ইন আর্কাইক ফর্মস অফ সোশ্যাল মুভমেন্ট ইন দ্য নাইনটিনথ অ্যান্ড টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরিস' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ৬০। * ইতিহাসবিদরা [[জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদের]] কাছে ঠিক তেমনই, যেমন [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] পোস্ত চাষীরা [[আসক্তি|হেরোইন আসক্তদের]] কাছে: আমরা বাজারের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সরবরাহ করি। '''অতীতহীন জাতি একটি স্ববিরোধী ধারণা।''' অতীতই একটি জাতি গঠন করে এবং অন্য জাতির বিরুদ্ধে নিজের অস্তিত্বের ন্যায্যতা দেয়। ইতিহাসবিদরাই সেই অতীত তৈরি করেন। তাই আমার পেশাটি রাজনীতির সাথে মিশে গিয়ে জাতীয়তাবাদের একটি অপরিহার্য উপাদানে পরিণত হয়েছে। ** "এথনিসিটি অ্যান্ড ন্যাশনালিজম ইন ইউরোপ টুডে" (ফেব্রুয়ারি ১৯৯২), 'অ্যানথ্রোপোলজি টুডে'। * [[উদারতাবাদ]] ব্যর্থ হচ্ছিল। আমি যদি [[ইহুদি]] না হয়ে [[জার্মান]] হতাম, তবে সম্ভবত আমি একজন [[নাৎসিবাদ|নাৎসি]] বা [[w:German_nationalist|জার্মান জাতীয়তাবাদী]] হতাম। আমি বুঝতে পারতাম তারা জাতি রক্ষার বিষয়ে কতটা আবেগপ্রবণ ছিল। সেটি এমন এক সময় ছিল যখন বিশ্বকে আমূল পরিবর্তন না করলে কোনো ভবিষ্যৎ আছে বলে কেউ বিশ্বাস করত না। ** এরিক হবসবমের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, মায়া জাগি কর্তৃক 'দ্য গার্ডিয়ান'-এ প্রকাশিত “আ কোয়েশ্চেন অফ ফেইথ” (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০২)। * মনে হচ্ছে [[বিদেশাতঙ্ক|জেনোফোবিয়া]] বা বিদেশাতঙ্ক বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের একটি গণ-আদর্শে পরিণত হতে যাচ্ছে। ** 'ডিভাইডেড ইউরোপীয়ানস: আন্ডারস্ট্যান্ডিং এথনিসিটিস ইন কনফ্লিক্ট' (১৯৯৯), পৃষ্ঠা ৪১। * [[লন্ডন|লন্ডনের]] দিকে তাকান। আমাদের সবার কাছেই লন্ডনের অর্থনীতির সমৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু রাজধানীর নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় উৎপন্ন বিশাল সম্পদের পরীক্ষা এই নয় যে এটি ব্রিটেনের মোট জিডিপিতে ২০-৩০% অবদান রাখছে। বরং পরীক্ষাটি হলো এটি সেখানে বসবাসকারী লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে কী প্রভাব ফেলছে। তারা সেখানে থাকার সামর্থ্য রাখে কি না? যদি না রাখে, তবে লন্ডন অতি-ধনীদের স্বর্গরাজ্য হওয়া তাদের জন্য কোনো সান্ত্বনা নয়। তারা কি উপযুক্ত বেতনের চাকরি পায়? যদি না পায়, তবে মিশেলিন-স্টার রেস্তোরাঁ বা নামী শেফদের নিয়ে বড়াই করবেন না। কিংবা শিশুদের শিক্ষার কথা ধরুন; লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এক দল নোবেল বিজয়ী থাকলেই অপর্যাপ্ত স্কুলগুলোর অভাব পূরণ হয় না। ** 'দ্য গার্ডিয়ান' (২০০৯)। * বিশ্বজুড়ে যেভাবে [[ভারত|ভারতীয়]] ও [[চীন|চীনা]] রেস্তোরাঁর বিস্তার ঘটছে, তা থেকে বোঝা যায় যে [[বিদেশাতঙ্ক|জেনোফোবিয়া]] বিদেশি মানুষের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়, বিদেশি সাংস্কৃতিক আমদানির বিরুদ্ধে নয়। ** 'ম্যাপিং দ্য নেশন' (১৩ নভেম্বর ২০১২), পৃষ্ঠা ২৬৩। === 'দ্য এজ অফ রেভোলিউশন' (১৯৬২) === * ইতিহাসের জালকে ছিঁড়ে আলাদা সুতোয় ভাগ করা সম্ভব নয়, কারণ এতে ইতিহাস ধ্বংস হয়ে যায়। তবে ব্যবহারিক প্রয়োজনে বিষয়টিকে কিছু উপবিভাগে ভাগ করা অপরিহার্য। ** প্রস্তাবনা * '''শব্দ হলো এমন সাক্ষী যা নথিপত্রের চেয়েও জোরালোভাবে কথা বলে।''' ইংরেজি ভাষার এমন কিছু শব্দের কথা ভাবুন যা এই ষাট বছরের সময়কালে আবিষ্কৃত হয়েছে বা আধুনিক অর্থ পেয়েছে। যেমন '[[শিল্প]]', '[[শিল্পপতি]]', '[[কারখানা]]', '[[w:Middle_class|মধ্যবিত্ত]]', '[[শ্রমজীবী শ্রেণি]]' এবং '[[সমাজতন্ত্র]]'। এর মধ্যে আরও আছে '[[অভিজাততন্ত্র]]', '[[রেলপথ]]', '[[উদারনীতি|উদারপন্থী]]', '[[রক্ষণশীলতা|রক্ষণশীল]]', '[[জাতীয়তা]]', '[[বিজ্ঞানী]]', '[[প্রকৌশল|প্রকৌশলী]]', '[[সর্বহারা]]' এবং অর্থনৈতিক 'সংকট'। ** ভূমিকা * 'আলোকায়ন' বা এনলাইটেনমেন্টকে কঠোরভাবে মধ্যবিত্তের আদর্শ বলা সঠিক হবে না। যদিও অনেক আলোকায়িত ব্যক্তি মনে করতেন যে মুক্ত সমাজ মানেই একটি [[পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদী]] সমাজ হবে। তাত্ত্বিকভাবে এর লক্ষ্য ছিল সকল মানুষকে মুক্ত করা। সব [[প্রগতিশীলতা|প্রগতিশীল]], [[যুক্তিদাল|যুক্তিবাদী]] ও [[মানবতাবাদ|মানবতাবাদী]] আদর্শ এর মধ্যেই নিহিত ছিল। তবে বাস্তবে এই মুক্তির আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল সমাজের মধ্যবিত্ত স্তর। জন্মগত পরিচয়ের চেয়ে মেধা ও যুক্তিবাদী মানুষের মাধ্যমেই একটি '[[বুর্জোয়া]]' ও পুঁজিবাদী সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল। ** অধ্যায় ১: ১৭৮০-এর দশকের বিশ্ব * শিল্প বিপ্লবের প্রথম দুই প্রজন্মে ব্রিটেনের মৌলিক সত্যটি ছিল এই যে, সম্পদশালী ও ধনী শ্রেণি এত দ্রুত এবং এত বিশাল পরিমাণ আয় পুঞ্জীভূত করেছিল যা তাদের ব্যয় বা বিনিয়োগের সামর্থ্যকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ** অধ্যায় ২: শিল্প বিপ্লব * [[ফ্রান্স]] বিশ্বের অধিকাংশ দেশকে আইনের ধারা ([[w:Napoleonic_code|নেপোলিয়নিক কোড]]), বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সংগঠনের মডেল এবং পরিমাপের [[w:Metric_system|মেট্রিক পদ্ধতি]] উপহার দিয়েছে। আধুনিক বিশ্বের আদর্শগুলো প্রথম ফ্রান্সের প্রভাবেই প্রাচীন সভ্যতাগুলোতে প্রবেশ করেছিল। এটি ছিল [[ফরাসি বিপ্লব|ফরাসি বিপ্লবের]] কাজ। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * নেপোলিয়ন সংক্রান্ত মিথ বা কিংবদন্তি তাঁর ব্যক্তিগত গুণের চেয়ে তাঁর অনন্য ক্যারিয়ারের ওপর বেশি প্রতিষ্ঠিত। অতীতের বিখ্যাত বিশ্বজয়ীরা রাজা বা অভিজাত পরিবারে জন্মাতেন, কিন্তু [[নেপোলিয়ন বোনাপার্ট|নেপোলিয়ন]] ছিলেন একজন সাধারণ সৈনিক যিনি কেবল প্রতিভার জোরে একটি মহাদেশ শাসন করেছিলেন। এটি পুরোপুরি সত্য না হলেও তাঁর উত্থান ছিল রূপকথার মতো। এর ফলে প্রতিটি তরুণ বুদ্ধিজীবী এবং ব্যবসায়ী তাঁর মাঝে নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষা খুঁজে পেয়েছিল। তিনি বিপ্লবের মানুষ ছিলেন আবার স্থিতিশীলতারও কারিগর ছিলেন। তিনি ফ্রান্সের শাসনব্যবস্থা ও আইনকানুনকে আধুনিক রূপ দিয়েছিলেন। তাঁর পতনের পর 'বোনাপার্টবাদ' একটি আদর্শ হিসেবে টিকে ছিল কারণ তিনি সাধারণ মানুষের মনে বড় হওয়ার স্বপ্ন জাগিয়েছিলেন। তিনি কেবল একটি জিনিস ধ্বংস করেছিলেন: জেকোবিন বিপ্লব—সেই সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার স্বপ্ন। কিন্তু তাঁর পতনের পর তাঁর স্মৃতির চেয়ে সেই আদর্শই উনবিংশ শতাব্দীর বিপ্লবগুলোকে বেশি অনুপ্রাণিত করেছিল। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * রাজনৈতিক ভূগোলের দিক থেকে ফরাসি বিপ্লব ইউরোপীয় মধ্যযুগের অবসান ঘটিয়েছিল। ** অধ্যায় ৪: যুদ্ধ * যুদ্ধের সবচেয়ে ভয়ংকর ঝুঁকি ছিল অবহেলা, নোংরা পরিবেশ, দুর্বল সংগঠন, ত্রুটিপূর্ণ চিকিৎসা পরিষেবা এবং স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে অজ্ঞতা। এই পরিস্থিতি প্রায় প্রতিটি সৈন্যকেই ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। ** অধ্যায় ৪: যুদ্ধ * আন্তর্জাতিক শান্তি চুক্তির একটি বিশেষ দিক ছিল [[w:Slave_Trade_Act_1807|আন্তর্জাতিক দাস ব্যবসা বিলোপ]]। এর পেছনে মানবিক ও অর্থনৈতিক—উভয় কারণই ছিল। [[দাসত্ব]] ছিল ভয়ংকর এবং অত্যন্ত অদক্ষ একটি ব্যবস্থা। ব্রিটেনের মতো শক্তিশালী দেশগুলোর কাছে ১৮১৫-৪৮ সালের অর্থনীতি আর মানুষের বিক্রির ওপর নির্ভরশীল ছিল না বরং তা সুতির কাপড়ের ওপর নির্ভর করতে শুরু করেছিল। তবে দাসপ্রথার প্রকৃত বিলোপ খুব ধীরগতিতে হয়েছিল। ** অধ্যায় ৫: শান্তি * ১৮১৫ পরবর্তী প্রজন্মে ইতিহাসকে আটকে রাখার ক্ষেত্রে সরকারগুলোর অক্ষমতা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ফরাসি বিপ্লবের পুনরাবৃত্তি ঠেকানোই ছিল তৎকালীন শক্তিগুলোর প্রধান লক্ষ্য। তা সত্ত্বেও ইউরোপীয় ইতিহাসে বিপ্লববাদ এত দ্রুত এবং ব্যাপকভাবে আর কখনও ছড়িয়ে পড়েনি। ** অধ্যায় ৬: বিপ্লবসমূহ * অন্য কোথাও জাতীয়তাবাদের মতো কিছু খুঁজে পাওয়া অসম্ভব ছিল, কারণ সেখানে এর সামাজিক পরিবেশ ছিল না। আসলে শুরুতে যে শক্তিগুলো জাতীয়তাবাদ তৈরি করার কথা ছিল, তারাই ঐতিহ্য, ধর্ম ও গণদারিদ্র্যের সাথে মিলে পশ্চিমা বিজেতাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। ** অধ্যায় ৭: জাতীয়তাবাদ * ফরাসি বিপ্লবের প্রভাব, আমলাদের যুক্তিবাদী অর্থনৈতিক যুক্তি এবং [[অভিজাততন্ত্র|অভিজাতদের]] লোভ—এই তিনটি কারণ ১৮০৭ থেকে ১৮১৬ সালের মধ্যে প্রুশিয়ার কৃষকদের মুক্তির পথ নির্ধারণ করেছিল। ** অধ্যায় ৮: ভূমি * দ্বৈত বিপ্লবের সমস্ত অর্থনৈতিক পরিণতির মধ্যে '[[উন্নত দেশ|উন্নত]]' এবং '[[উন্নয়নশীল দেশ|অনুন্নত]]' দেশগুলোর মধ্যে বিভাজনটিই ছিল সবচেয়ে গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী। ** অধ্যায় ৯: শিল্প বিশ্বের দিকে * বংশমর্যাদার অভাব বা বৈষম্যের কারণে যারা এতদিন অবহেলিত ছিল, সেই [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী|সংখ্যালঘুরাই]] মেধার ভিত্তিতে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগকে সবচেয়ে বেশি স্বাগত জানিয়েছিল। ** অধ্যায় ১০: মেধার ভিত্তিতে ক্যারিয়ার * শ্রমিকদের জন্য পালানো বা হার মেনে নেওয়ার বিকল্প ছিল বিদ্রোহ। শ্রমজীবী দরিদ্রদের অবস্থা এমন ছিল যে বিদ্রোহ করা তাদের জন্য কেবল সম্ভবই ছিল না বরং বাধ্যতামূলক হয়ে পড়েছিল। উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে শ্রমিক ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের উত্থান ছিল অনিবার্য। ** অধ্যায় ১১: শ্রমজীবী দরিদ্র * ইতিহাসের অধিকাংশ সময় এবং বিশ্বের বেশিরভাগ জায়গায় (চীন সম্ভবত এর ব্যতিক্রম) মানুষ প্রথাগত ধর্মের মাধ্যমেই বিশ্বকে চিন্তা করত। এমনকি কিছু দেশে '[[খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টান]]' শব্দটি কেবল '[[কৃষক]]' বা '[[মানুষ]]' শব্দের সমার্থক ছিল। ** অধ্যায় ১২: আদর্শ: ধর্ম * ধর্ম একসময় আকাশের মতো ছিল যা থেকে কেউ পালাতে পারত না। কিন্তু আধুনিক যুগে এটি মেঘের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে—যা বিশাল কিন্তু সীমিত এবং পরিবর্তনশীল। আদর্শিক পরিবর্তনের মধ্যে এটিই সবচেয়ে গভীর। ** অধ্যায় ১২: আদর্শ: ধর্ম * বুর্জোয়াদের বিজয় ফরাসি বিপ্লবকে এনলাইটেনমেন্টের ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শে রঞ্জিত করেছিল। যেহেতু এই বিপ্লবের ভাষা পরবর্তী সকল বিপ্লবের সাধারণ ভাষা হয়ে উঠেছিল, তাই এটি [[ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ|ধর্মনিরপেক্ষতাকেও]] ছড়িয়ে দিয়েছিল। ** অধ্যায় ১২: আদর্শ: ধর্ম * ক্লাসিক্যাল উদারতাবাদের ‘মানুষ’ (যার প্রতীক ছিলেন [[রবিনসন ক্রুসো]]) ছিল এমন এক সামাজিক প্রাণী যে কেবল অনেকের সাথে সহাবস্থান করত। সামাজিক লক্ষ্যগুলো ছিল ব্যক্তিগত লক্ষ্যগুলোর গাণিতিক যোগফল। সুখ ছিল প্রতিটি ব্যক্তির সর্বোচ্চ উদ্দেশ্য এবং সমাজের লক্ষ্য ছিল সর্বাধিক মানুষের সর্বাধিক সুখ নিশ্চিত করা। ** অধ্যায় ১৩: আদর্শ: ধর্মনিরপেক্ষতা * এমনকি ক্ষুদ্র সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর শিল্পকলাও সমগ্র মানবতাকে কাঁপিয়ে দেওয়া ভূমিকম্পের প্রতিধ্বনি করতে পারে। আমাদের সময়ের সাহিত্য ও [[শিল্পকলা|শিল্পকলায়]] তা দেখা গেছে এবং এর ফলাফল ছিল '[[রোমান্টিকতাবাদ]]'। রোমান্টিকদের নিজেদের বর্ণনা অনেক সময় যুক্তিহীন মনে হলেও তাদের লক্ষ্য ছিল দৃঢ়। ** অধ্যায় ১৪: শিল্পকলা * বিজ্ঞান ও শিল্পকলার মধ্যে সমান্তরাল রেখা টানা সবসময়ই বিপজ্জনক। তবুও বিজ্ঞানও দ্বৈত বিপ্লবের প্রতিফলন ঘটিয়েছে। কারণ এই বিপ্লব বিজ্ঞানের কাছে নতুন দাবি পেশ করেছিল এবং নতুন চিন্তার দুয়ার খুলে দিয়েছিল। ** অধ্যায় ১৫: বিজ্ঞান * বিজ্ঞানের অগ্রগতি কেবল একটি সরলরেখায় চলে না। প্রতিটি পর্যায় আগের সমস্যার সমাধান করে এবং নতুন সমস্যার জন্ম দেয়। ** অধ্যায় ১৫: বিজ্ঞান * '''১৮৩১ সালে [[ভিক্টর হুগো]] লিখেছিলেন যে তিনি বিপ্লবের শব্দ শুনতে পাচ্ছেন, যা মাটির গভীর থেকে প্যারিস হয়ে পুরো ইউরোপের রাজতন্ত্রের নিচে সুরঙ্গ তৈরি করছে। ১৮৪৭ সালে সেই শব্দ তীব্র হয়ে ওঠে এবং ১৮৪৮ সালে বিস্ফোরণ ঘটে।''' ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার: ১৮৪৮-এর দিকে === 'ব্যান্ডিটস' (১৯৬৯; ১৯৭২; ১৯৮১) === * '''মানুষ ডাকাতদের সাথে দেখা করতে পছন্দ না করলেও অন্ধকার রাতে তাদের সম্পর্কে পড়তে সবাই পছন্দ করে।''' ** প্রস্তাবনা * সামাজিক ডাকাতরা হলো সেইসব কৃষক বহিষ্কৃত যাদের প্রভু এবং রাষ্ট্র অপরাধী মনে করে, কিন্তু যারা কৃষক সমাজের অংশ হিসেবেই থাকে। তাদের সমাজ তাদের বীর, রক্ষক বা ন্যায়বিচারের যোদ্ধা হিসেবে গণ্য করে। সাধারণ কৃষক এবং এই বিদ্রোহীদের মধ্যকার সম্পর্কই সামাজিক ডাকাতিকে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে। ** অধ্যায় ১: সামাজিক ডাকাতি কী? * ডাকাত হওয়া মানেই স্বাধীনতা। কিন্তু কৃষক সমাজে খুব কম মানুষই মুক্ত হতে পারে। অধিকাংশ মানুষই সামন্ত প্রভু এবং শ্রমের শিকলে বন্দী থাকে। কৃষকদের অর্থনৈতিক দুর্বলতার চেয়েও তাদের গতিহীনতা তাদের ওপর কর্তৃপক্ষের আধিপত্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। ** অধ্যায় ২: কারা ডাকাত হয়? === 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল' (১৯৭৫) === * ১৭৮৯ থেকে ১৮৪৮ সালের বিপ্লবের দ্বৈততা সেই সময়কালকে একটি ঐক্য ও ভারসাম্য দান করেছে। এর কালানুক্রমিক সীমা সুনির্দিষ্ট হওয়ায় এটি সম্পর্কে লেখা বা পড়া তুলনামূলক সহজ। ** ভূমিকা * সামাজিক-অর্থনৈতিক কাঠামো এবং রাজনীতি বিপ্লবী অঞ্চলকে দুটি ভাগে বিভক্ত করেছিল। বড় শহরগুলোর তুলনায় মফস্বল বা গ্রামাঞ্চলই প্রধান ছিল, যদিও রাজনীতিতে শহরের গুরুত্ব অনেক বেশি ছিল। ** অধ্যায় ১: 'জনগণের বসন্তকাল' * সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষাকারীদের জনগণের রাজনীতি সম্পর্কে শিখতে হয়েছিল। এটি ছিল ১৮৪৮-এর বিপ্লবের প্রধান উদ্ভাবন। এমনকি ঘোর প্রতিক্রিয়াশীলরাও বুঝতে পেরেছিল যে জনমতকে প্রভাবিত করার জন্য তাদের নিজস্ব সংবাদপত্রের প্রয়োজন। ** অধ্যায় ১: 'জনগণের বসন্তকাল' * যখন আমরা আগের সময়ের 'বিশ্ব ইতিহাস' লিখি, তখন আমরা আসলে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশের ইতিহাস যোগ করি যাদের নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ছিল খুব সামান্য। ** অধ্যায় ৩: ঐক্যবদ্ধ বিশ্ব * আজ আমরা বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে যেভাবে বিশ্বকে প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিকভাবে একে অপরের সাথে যুক্ত হতে দেখি, উনবিংশ শতাব্দীতে পরিস্থিতি ভিন্ন ছিল। আধুনিক বিশ্ব অনেক বেশি মানসম্মত বা স্ট্যান্ডার্ডাইজড হয়ে গেছে কারণ এখন মেশিনের সংখ্যা অনেক বেশি। ** অধ্যায় ৩: ঐক্যবদ্ধ বিশ্ব * যদি জাতীয়তাবাদ একটি ঐতিহাসিক শক্তি হয়ে থাকে, তবে '[[গণতন্ত্র]]' বা রাষ্ট্রীয় কাজে সাধারণ মানুষের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা ছিল অন্য একটি শক্তি। যেখানে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনগুলো গণআন্দোলনে পরিণত হয়েছিল, সেখানে এই দুটি শক্তি একই সাথে কাজ করেছে। ** অধ্যায় ৬: গণতন্ত্রের শক্তি * উদারতাবাদের বিজয়ের যুগ শুরু হয়েছিল একটি [[w:revolutions_of_1848|পরাজিত বিপ্লবের]] মাধ্যমে এবং শেষ হয়েছিল একটি দীর্ঘায়িত মন্দার মধ্য দিয়ে। ইতিহাস সবসময় ঐতিহাসিকদের সুবিধার কথা চিন্তা করে না। ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার === 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' (১৯৮৭) === * যখন ইতিহাসবিদরা এমন একটি সময়কাল বোঝার চেষ্টা করেন যার প্রত্যক্ষদর্শীরা এখনও জীবিত, তখন [[ইতিহাস|ইতিহাসের]] দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারণা একে অপরের মুখোমুখি হয়, অথবা সেরা ক্ষেত্রে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে: তা হলো পাণ্ডিত্যপূর্ণ এবং অস্তিত্বগত ধারণা, অর্থাৎ আর্কাইভ বনাম ব্যক্তিগত স্মৃতি। প্রতিটি মানুষই তার সচেতনভাবে বেঁচে থাকা সময়ের একজন [[ইতিহাসবিদ|ইতিহাসবিদ]], কারণ সে মনে মনে সেই সময়ের সাথে একটি বোঝাপড়া তৈরি করে। '[[w:Oral_history|মৌখিক ইতিহাস]]' বা ওরাল হিস্ট্রি নিয়ে যারা কাজ করেছেন তারা জানেন যে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটি একজন অনির্ভরযোগ্য ইতিহাসবিদের কাজ, তবুও এর অবদান অপরিহার্য। একজন পণ্ডিত যিনি কোনো প্রবীণ সৈনিক বা রাজনীতিবিদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন, তিনি হয়তো ছাপানো কাগজ বা নথিপত্র থেকে সেই ব্যক্তির স্মৃতির চেয়েও অনেক বেশি এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য ইতোমধ্যে সংগ্রহ করে ফেলেছেন, কিন্তু তবুও তিনি বিষয়টি ভুল বুঝতে পারেন। ক্রুসেডের ইতিহাসবিদের মতো না হলেও, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাসবিদকে সেই প্রত্যক্ষদর্শীরা সংশোধন করে দিতে পারেন যারা মাথা নেড়ে বলবেন: ‘আসলে বিষয়টি একদম এমন ছিল না।’ তবুও ইতিহাসের এই দুটি সংস্করণই অতীতের এক একটি সুসংগত নির্মাণ। ** ভূমিকা (Overture) * ১৮৭০-এর দশকের অধিকাংশ পর্যবেক্ষক ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় অনেক বেশি মুগ্ধ ছিলেন। জ্ঞান এবং প্রকৃতিকে বদলে দেওয়ার ক্ষমতার বিচারে পরিবর্তন মানেই যে উন্নতি বা অগ্রগতি, তা এতটাই স্পষ্ট ছিল যে ইতিহাস মানেই প্রগতি বলে মনে হতো। এই প্রগতি পরিমাপ করা হতো যা কিছু পরিমাপযোগ্য তার ক্রমবর্ধমান রেখাচিত্র বা কার্ভ দিয়ে। ক্রমাগত উন্নতি যে ঘটবেই, তা ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা দিয়ে নিশ্চিত বলে মনে করা হতো। এটি বিশ্বাস করাই কঠিন ছিল যে, মাত্র তিন শতাব্দী আগেও বুদ্ধিমান ইউরোপীয়রা প্রাচীন [[রোমান সাম্রাজ্য|রোমানদের]] কৃষি, সামরিক কৌশল এবং এমনকি চিকিৎসাবিদ্যাকে নিজেদের মডেল হিসেবে গণ্য করত। মাত্র দুই শতাব্দী আগেও আধুনিকরা প্রাচীনদের ছাড়িয়ে যেতে পারবে কি না তা নিয়ে গম্ভীর বিতর্ক ছিল এবং আঠারো শতকের শেষেও বিশেষজ্ঞরা ব্রিটেনের জনসংখ্যা বাড়ছে কি না তা নিয়ে সন্দেহ পোষণ করতেন। ** অধ্যায় ১: দ্য সেন্টেনারিয়ান রেভল্যুশন * একটি বিশ্ব অর্থনীতি যার গতি নির্ধারিত হতো উন্নত বা উন্নয়নশীল পুঁজিবাদী কেন্দ্র দ্বারা, সেখানে ‘উন্নত’ দেশগুলো ‘অনগ্রসর’ দেশগুলোর ওপর আধিপত্য বিস্তার করবে—এটাই ছিল স্বাভাবিক; সংক্ষেপে যা সাম্রাজ্যের বিশ্বে পরিণত হয়। তবে কৌতূহলোদ্দীপকভাবে, ১৮৭৫ থেকে ১৯১৪ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কেবল নতুন ধরণের সাম্রাজ্যবাদের বিকাশের জন্যই 'সাম্রাজ্যের যুগ' বলা হয় না, বরং আরও একটি পুরনো কারণেও তা বলা হয়। আধুনিক বিশ্ব ইতিহাসে সম্ভবত এটিই ছিল সেই সময় যখন ‘[[সম্রাট|সম্রাট]]’ উপাধিধারী বা পশ্চিমা কূটনীতিকদের দৃষ্টিতে সম্রাট হওয়ার যোগ্য শাসকের সংখ্যা ছিল সর্বাধিক। ** অধ্যায় ৩: দ্য এজ অফ এম্পায়ার === 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম সিন্স ১৭৮০: প্রোগ্রাম, মিথ, রিয়ালিটি' (১৯৯২) === * জাতি এবং জাতীয়তাবাদের কোনো গম্ভীর ইতিহাসবিদই কট্টর রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদী হতে পারেন না। কারণ জাতীয়তাবাদ এমন অনেক কিছুর ওপর বিশ্বাস দাবি করে যা স্পষ্টতই সত্য নয়। ** 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম সিন্স ১৭৮০' (ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২য় সংস্করণ ২০১২), পৃষ্ঠা ১২। * তা সত্ত্বেও এটি স্পষ্ট—যেমনটি গ্রিক উদাহরণ থেকে দেখা যায়—যেখানে 'প্রাক-জাতীয়তাবাদ' (proto-nationalism) বিদ্যমান ছিল, সেটি জাতীয়তাবাদের কাজকে সহজ করে দিয়েছিল। প্রাক-জাতীয়তাবাদী সম্প্রদায়ের বিদ্যমান প্রতীক এবং আবেগগুলোকে একটি আধুনিক লক্ষ্য বা আধুনিক রাষ্ট্রের পেছনে একত্রিত করা সম্ভব হয়েছিল। তবে এর মানে এই নয় যে এই দুটি বিষয় একই, কিংবা একটি থাকলেই যৌক্তিকভাবে অন্যটি আসবে। কারণ এটি স্পষ্ট যে জাতীয়তা, জাতি বা রাষ্ট্র গঠনের জন্য কেবল প্রাক-জাতীয়তাবাদই যথেষ্ট নয়। ** পৃষ্ঠা ৭৬–৭৭। * তবে গণ-বহিষ্কার এবং এমনকি গণহত্যার মতো ঘটনাগুলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় এবং পরে ইউরোপের দক্ষিণ প্রান্তে দেখা দিতে শুরু করে। ১৯১৫ সালে [[অটোমান সাম্রাজ্য|তুর্কিরা]] যখন [[আর্মেনীয় গণহত্যা|আর্মেনীয়দের ব্যাপক নির্মূল]] শুরু করে এবং ১৯১১ সালের গ্রিক-তুর্কি যুদ্ধের পর এশিয়া মাইনর (যেখানে তারা [[হোমার|হোমারের]] আমল থেকে বসবাস করছিল) থেকে ১৩ থেকে ১৫ লক্ষ [[গ্রিক]] মানুষকে বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে অ্যাডলফ হিটলার, যিনি এই দিক থেকে একজন যৌক্তিক উইলসোনীয় জাতীয়তাবাদী ছিলেন, তিনি পিতৃভূমির বাইরে বসবাসকারী জার্মানদের (যেমন ইতালীয় দক্ষিণ টাইরোলের বাসিন্দা) জার্মানিতে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করেন এবং পাশাপাশি ইহুদিদের স্থায়ীভাবে নির্মূল করার পরিকল্পনা করেন। ** পৃষ্ঠা ১৩৩। === 'দ্য এজ অফ এক্সট্রিমস' (১৯৯২) === * আমার লক্ষ্য হলো এটি বোঝা এবং ব্যাখ্যা করা যে কেন ঘটনাগুলো এভাবে ঘটল এবং তারা একে অপরের সাথে কীভাবে যুক্ত। আমার সমবয়সী যারা এই ‘সংক্ষিপ্ত বিংশ শতাব্দী’র প্রায় পুরোটা সময় বেঁচে ছিলেন, তাদের জন্য এটি অনিবার্যভাবে একটি আত্মজীবনীমূলক প্রচেষ্টাও বটে। আমরা এখানে নিজেদের স্মৃতিগুলোকেই আরও জোরালো করছি এবং প্রয়োজনে সংশোধন করছি। ** ভূমিকা * বর্তমান অভিজ্ঞতার সাথে পূর্ববর্তী প্রজন্মের যে সামাজিক বন্ধন বা যোগসূত্র, তা ধ্বংস হয়ে যাওয়া বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকের অন্যতম অদ্ভুত এবং ভীতিজনক ঘটনা। ** ভূমিকা, 'দ্য সেঞ্চুরি: আ বার্ডস আই ভিউ' * ১৯৮০-এর দশকের শেষে যে বিশ্বটি ভেঙে পড়েছিল, সেটি ছিল মূলত ১৯১৭ সালের [[রুশ বিপ্লব|রুশ বিপ্লবের]] প্রভাবে গড়ে ওঠা একটি বিশ্ব। * অত্যন্ত সহজভাবে বললে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কে বা কিসের কারণে হয়েছিল—এই প্রশ্নের উত্তর দুটি শব্দে দেওয়া সম্ভব: [[অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * পুঁজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থার জন্য মানুষ খুব একটা দক্ষভাবে তৈরি হয়নি। ** পৃষ্ঠা ৪১৪ * ক্ষমতায় থাকা কমিউনিজমের কূটাভাস বা প্যারাডক্স ছিল এই যে, এটি ছিল রক্ষণশীল। ** পৃষ্ঠা ৪২২ * কেন প্রতিভাবান ফ্যাশন ডিজাইনাররা (যারা বিশ্লেষণাত্মক হিসেবে পরিচিত নন) মাঝেমধ্যে পেশাদার ভবিষ্যদ্বাণীকারীদের চেয়েও আগাম পরিস্থিতি ভালোভাবে আঁচ করতে পারেন—তা ইতিহাসের অন্যতম রহস্যময় প্রশ্ন এবং সংস্কৃতি বিশ্লেষকদের জন্য একটি কেন্দ্রীয় বিষয়। ** অধ্যায় ৬: শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকের সাংস্কৃতিক বিপ্লবকে সমাজ বা সমষ্টির ওপর ব্যক্তির জয় হিসেবে দেখা যেতে পারে। অন্যভাবে বললে, এটি হলো সেই সামাজিক বন্ধনগুলো ছিঁড়ে ফেলা যা অতীতে মানুষকে একসূত্রে গেঁথে রাখত। অতীতে অধিকার, কর্তব্য, পাপ-পুণ্য এবং বিবেকের যে নৈতিক ভাষা ছিল, তা এখন কেবল ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষার ভাষায় রূপান্তরিত হয়েছে। মনে হচ্ছে যেন কম্পাসের কাঁটা তার উত্তর দিক হারিয়েছে এবং মানচিত্রগুলো অকেজো হয়ে পড়েছে। ** অধ্যায় ১১: সাংস্কৃতিক বিপ্লব, পৃষ্ঠা ৩২০-৩৩৯ * অক্টোবর বিপ্লবের ট্র্যাজেডি ছিল এটাই যে, এটি কেবল নির্মম, নিষ্ঠুর এবং আদেশভিত্তিক সমাজতন্ত্রই তৈরি করতে পেরেছিল। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আমি যখন পেছনের কথা ভাবি, তখন বারবার নিজেকে জিজ্ঞেস করি: পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সেই নির্বিচার এবং নির্মমভাবে এগিয়ে যাওয়ার কি কোনো বিকল্প ছিল? আমি যদি বলতে পারতাম যে বিকল্প ছিল, তবে খুশি হতাম; কিন্তু আমি তা পারছি না। আমি এর কোনো উত্তর খুঁজে পাই না। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আদর্শ হিসেবে কমিউনিজম নারীর মুক্তি ও সমঅধিকারের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ ছিল। যদিও [[ভ্লাদিমির লেনিন|লেনিন]] নিজে অবাধ যৌনতাকে অপছন্দ করতেন। এমনকি লেনিন ও ক্রুপস্কায়া সেই বিরল বিপ্লবীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা ঘরের কাজে নারী-পুরুষের অংশীদারিত্বের পক্ষে ছিলেন। তা সত্ত্বেও, নতুন কমিউনিস্ট শাসিত রাষ্ট্রগুলোতে উচ্চ রাজনৈতিক পদে নারীদের উপস্থিতি ছিল খুবই নগণ্য। সোভিয়েত ইউনিয়নে যখন চিকিৎসার মতো কোনো পেশা নারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হলো, তখন সেই পেশার মর্যাদা এবং আয় দুই-ই কমে গেল। পশ্চিমা নারীবাদীদের তুলনায় অধিকাংশ বিবাহিত সোভিয়েত নারী ঘরে থাকাকেই বিলাসিতা মনে করতেন। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আমাদের শতাব্দীর সবচেয়ে বড় নিষ্ঠুরতাগুলো ছিল দূর থেকে নেওয়া সিদ্ধান্তের নির্মমতা, যা 'পদ্ধতি' বা 'রুটিন'-এর নামে চলত; বিশেষ করে যখন সেগুলোকে 'কৌশলগত প্রয়োজন' বলে চালিয়ে দেওয়া হতো। * সুররিয়ালিজম বা [[পরাবাস্তববাদ|পরাবাস্তববাদ]] ছিল আধুনিক শিল্পকলার জগতে এক প্রকৃত সংযোজন। এর অভিনবত্ব ছিল মানুষকে ধাক্কা দেওয়ার বা হতবাক করার ক্ষমতার মধ্যে। এমনকি পুরনো শিল্পীদের মাঝেও এটি বিভ্রান্তি বা অস্বস্তিকর হাসির জন্ম দিত। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * রেডিওর মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছিল [[সংগীত|সংগীত]], কারণ এটি শব্দের যান্ত্রিক বা কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করে দিয়েছিল। ১৯১৪ সালের আগেই গ্রামোফোনের মাধ্যমে সংগীত যান্ত্রিক উৎপাদনের যুগে প্রবেশ করেছিল, যদিও তখন এটি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ছিল। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * এটি আধুনিকতাবাদী শিল্পীদের জন্য একটি ট্র্যাজেডি ছিল যে, তাদের নিজেদের রাজনৈতিক দল বা নেতারা তাদের প্রত্যাখ্যান করেছিল। ডানপন্থী হোক বা বামপন্থী—নতুন স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠী স্থাপত্যের ক্ষেত্রে বিশাল স্মৃতিস্তম্ভ, পেইন্টিং ও ভাস্কর্যের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণাদায়ী উপস্থাপনা এবং নাটকের ক্ষেত্রে ধ্রুপদী প্রদর্শনীকেই বেশি পছন্দ করত। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ === 'অন হিস্ট্রি' (১৯৯৭) === * ইতিহাসকে মিথ বা অলীক কল্পনা দিয়ে প্রতিস্থাপন করার চেষ্টাগুলো কেবল বুদ্ধিবৃত্তিক কৌতুক নয়। এগুলো এমনকি স্কুলের পাঠ্যবই কেমন হবে তাও নির্ধারণ করে দেয়। জাপানি কর্তৃপক্ষ যেমনটি করেছিল; তারা জাপানি ক্লাসরুমের জন্য [[w:Second_SIno-Japanese_War|চীনে জাপানি যুদ্ধের]] একটি পরিমার্জিত বা সেন্সরড সংস্করণ ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছিল। পরিচয় ভিত্তিক রাজনীতির জন্য মিথ এবং উদ্ভাবন অপরিহার্য। বর্তমানের অনিশ্চিত বিশ্বে বিভিন্ন গোষ্ঠী ধর্ম, জাতি বা সীমানা দিয়ে নিজেদের সংজ্ঞায়িত করে এবং 'আমরা অন্যদের চেয়ে আলাদা এবং শ্রেষ্ঠ'—এটি বলার মাধ্যমে এক ধরনের নিশ্চয়তা খোঁজার চেষ্টা করে। ** অধ্যায় ১: ইতিহাসের বাইরে ও ভেতরে * অতীত হলো মানুষের [[চেতনা|চেতনার]] একটি স্থায়ী মাত্রা এবং সামাজিক [[প্রতিষ্ঠান]], [[মূল্যবোধ|মূল্যবোধ]] ও অন্যান্য কাঠামোর এক অনিবার্য উপাদান। ইতিহাসবিদদের কাজ হলো সমাজে এই 'অতীত সচেতনতার' প্রকৃতি বিশ্লেষণ করা এবং এর পরিবর্তন ও রূপান্তরগুলো চিহ্নিত করা। ** অধ্যায় ২: অতীতের ধারণা * উত্তরের চেয়ে প্রশ্ন তৈরি করা অনেক সহজ। তবুও যেসব অভিজ্ঞতাকে আমরা খুব সাধারণ বলে ধরে নিই, সেগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলা একেবারেই মূল্যহীন কাজ নয়। আমরা মাছের মতো অতীতের মধ্যেই সাঁতার কাটি এবং এটি থেকে বের হতে পারি না। কিন্তু এই মাধ্যমে আমাদের বেঁচে থাকা এবং চলাচলের ধরণগুলো বিশ্লেষণ ও আলোচনা করা প্রয়োজন। আমার লক্ষ্য ছিল এই উভয় বিষয়কেই উদ্দীপিত করা। ** অধ্যায় ২: অতীতের ধারণা * অতীতের সাপেক্ষে আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি এবং অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের মধ্যকার সম্পর্ক কেমন—তা কেবল আগ্রহের বিষয় নয়, বরং অপরিহার্য। আমরা নিজেদের জীবন, পরিবার বা গোষ্ঠীর ধারাবাহিকতার বাইরে নিজেদের কল্পনা করতে পারি না। আমরা অতীত ও বর্তমানের তুলনা না করে পারি না; পারিবারিক ফটোর অ্যালবাম বা ভিডিওগুলো তো এজন্যই থাকে। অভিজ্ঞতা মানেই হলো অতীত থেকে শেখা। আমরা হয়তো ভুল কিছু শিখতে পারি এবং প্রায়ই তা করি; কিন্তু আমরা যদি প্রাসঙ্গিক অতীত থেকে শিখতে না পারি বা শিখতে অস্বীকার করি, তবে চরম ক্ষেত্রে আমরা মানসিকভাবে অস্বাভাবিক হিসেবে গণ্য হবো। ** অধ্যায় ৩: সমকালীন সমাজ সম্পর্কে ইতিহাস আমাদের কী বলতে পারে? * অনুপ্রেরণা বা আদর্শ হিসেবে ইতিহাসের মাঝে নিজেকে সঠিক প্রমাণ করার জন্য ‘মিথ’ তৈরির একটি সহজাত প্রবণতা থাকে। আধুনিক জাতি ও জাতীয়তাবাদের ইতিহাস যেমনটি দেখিয়েছে, এর চেয়ে ভয়ংকর অন্ধত্ব আর কিছুই হতে পারে না। ** অধ্যায় ৩: সমকালীন সমাজ সম্পর্কে ইতিহাস আমাদের কী বলতে পারে? * আমি বিষয়টি একটি কূটাভাস বা প্যারাডক্সের মাধ্যমে বলি। পুঁজিবাদ এবং বুর্জোয়া সমাজ যে একটি অস্থায়ী ঐতিহাসিক ঘটনা—মার্ক্সের এই প্রমাণটি পছন্দ করি না বলে তাকে প্রত্যাখ্যান করা যেমন ঠিক নয়, তেমনই আমরা সমাজতন্ত্র চাই বলেই তাকে অন্ধভাবে গ্রহণ করাও অনুচিত। আমি বিশ্বাস করি মার্ক্স গভীর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে কিছু মৌলিক প্রবণতা বুঝতে পেরেছিলেন; কিন্তু সেগুলো আসলে কী বয়ে আনবে তা আমরা জানি না। ভবিষ্যৎ অনেক সময় অচেনা হয়ে দেখা দেয়; তা ভবিষ্যৎবাণী ভুল হওয়ার জন্য নয়, বরং আমরা হয়তো আগন্তুককে ভুল পোশাকে কল্পনা করেছিলাম বলে। ** অধ্যায় ৪: সামনের দিকে তাকানো: ইতিহাস এবং ভবিষ্যৎ * উপসংহারে বলা যায়, এই শতাব্দীতে ইতিহাস তার পথে হোঁচট খেতে খেতে হলেও প্রকৃত উন্নতি করেছে। এটি এমন একটি বিষয় যা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে যাচাইযোগ্য এবং এর মাধ্যমে মানব সমাজের জটিল ও বিবর্তনশীল বিকাশকে আরও ভালোভাবে বোঝা সম্ভব। আমি জানি অনেকে এটি অস্বীকার করেন। ** অধ্যায় ৫: ইতিহাস কি উন্নতি করেছে? * ইতিহাসের বিষয়বস্তু অতীত হওয়ায় এটি কোনো ‘ফলিত বিদ্যা’ বা অ্যাপ্লাইড ডিসিপ্লিন হওয়ার অবস্থানে নেই। কারণ যা ঘটে গেছে তা পরিবর্তন করার কোনো উপায় এখনও আবিষ্কৃত হয়নি। বড়জোর আমরা কাল্পনিক বিকল্প পরিস্থিতির কথা ভাবতে পারি। অবশ্যই অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ একই অবিচ্ছিন্ন ধারার অংশ। তাই ইতিহাসবিদদের বক্তব্য ভবিষ্যতের জন্য পূর্বাভাস বা সুপারিশ হিসেবে কাজ করতে পারে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * আমার যুক্তি হলো, ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন হলে [[অর্থনীতি]] একটি হালবিহীন জাহাজের মতো হয়ে পড়ে এবং অর্থনীতিবিদরা বুঝতে পারেন না তারা কোন দিকে যাচ্ছেন। আমি বলছি না যে কেবল কিছু চার্ট বা বাস্তব অভিজ্ঞতার দিকে তাকালেই সব সমস্যার সমাধান হবে। সমস্যা হলো, মূলধারার অর্থনীতিবিদদের তত্ত্ব এবং পদ্ধতি তাদের এটা বুঝতে সাহায্য করে না যে আসলে কোন দিকে তাকাতে হবে এবং কী খুঁজতে হবে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * অর্থনীতিকে যদি ইতিহাসের শিকার হয়ে থাকতে না হয়, তবে তাকে অবশ্যই ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করতে হবে। গতকালের ঘটনাগুলো আজ দৃশ্যমান হওয়ার পর তা নিয়ে কাজ করার পুরনো অভ্যেস ত্যাগ করতে হবে। এটি কেবল আগামীকালের সমস্যা নিয়ে ভাবতেই সাহায্য করবে না, বরং আগামীকালের অর্থনৈতিক তত্ত্ব গঠন করতেও ভূমিকা রাখবে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * কৃষি পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক বিষয়ের সাথে অ-অর্থনৈতিক বিষয়গুলোকে (যেমন সামাজিক ও রাজনৈতিক কারণ) আলাদা করা সম্ভব নয়—অন্তত স্বল্প মেয়াদে তো নয়ই। এগুলোকে আলাদা করা মানে অর্থনীতির গতিশীল বিশ্লেষণকে বিসর্জন দেওয়া। ** অধ্যায় ৮: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ২ * সংক্ষিপ্তভাবে, বৈজ্ঞানিক আলোচনার ক্ষেত্রে প্রতিটি বক্তব্য অবশ্যই এমন পদ্ধতি ও মানদণ্ড দ্বারা যাচাইযোগ্য হতে হবে যা কোনো দলীয় বা আদর্শগত পক্ষপাত দ্বারা প্রভাবিত নয়। যেসব বক্তব্য এভাবে যাচাই করা যায় না, সেগুলো গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে কিন্তু তা অন্য কোনো আলোচনার বিষয়। ** অধ্যায় ৯: পক্ষপাতিত্ব * ইতিহাসের মৌলিক প্রশ্নটি হলো বিভিন্ন মানব গোষ্ঠীর মধ্যকার পার্থক্য এবং এক সমাজ থেকে অন্য সমাজে রূপান্তরের প্রক্রিয়াটি খুঁজে বের করা। প্রকৃতির ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ অর্জনের মতো কিছু বিষয়ে এটি অবশ্যই একটি একমুখী অগ্রগতি বা প্রগতিকে নির্দেশ করে। যতক্ষণ আমরা সামাজিক বিকাশকে জৈবিক বিবর্তনের সাথে গুলিয়ে না ফেলছি, ততক্ষণ একে 'বিবর্তন' বা এভোলিউশন বলতে কোনো বাধা নেই। ** অধ্যায় ১০: ইতিহাসবিদরা কার্ল মার্ক্সের কাছে কী ঋণী? * উৎপাদন পদ্ধতির বিশ্লেষণ অবশ্যই প্রযুক্তির সংগঠন এবং অর্থনীতির ওপর ভিত্তি করে হতে হবে। মার্ক্স বলেছিলেন যে [[রাজনৈতিক অর্থনীতি]] হলো [[সুশীল সমাজ|নাগরিক সমাজের]] ব্যবচ্ছেদ বা এনাটমি। একটি উৎপাদন পদ্ধতি থেকে অন্য পদ্ধতিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াটিকে অনেক সময় সরলরৈখিকভাবে দেখা হয়, যা অনেক সময় জটিলতা এবং বিতর্কের সৃষ্টি করে। ** অধ্যায় ১১: মার্ক্স এবং ইতিহাস * আমি মনে করি না যে ইতিহাসবিদদের ফ্রয়েডের কাছ থেকে খুব বেশি কিছু শেখার আছে। ফ্রয়েড যখনই ইতিহাস নিয়ে কিছু লিখেছেন, তিনি একজন খারাপ ইতিহাসবিদের পরিচয় দিয়েছেন। মানসিকতার (Mentalities) সমস্যা কেবল মানুষ কতটা আলাদা তা খুঁজে বের করা নয়, বরং তাদের আচরণ, চিন্তা এবং অনুভূতির মধ্যে একটি যৌক্তিক সংযোগ খুঁজে বের করা। আমাদের দেখতে হবে কেন মানুষ বিখ্যাত ডাকাতদের অদৃশ্য বা অপরাজেয় মনে করে, যদিও বাস্তবে তা সত্য নয়। এই বিশ্বাসগুলোকে কেবল আবেগ হিসেবে না দেখে সমাজ সম্পর্কে তাদের একটি সুসংগত বিশ্বাস হিসেবে দেখা উচিত। ** অধ্যায় ১৩: ব্রিটিশ ইতিহাস এবং 'অ্যানালস': একটি টীকা * তৃণমূল পর্যায়ের বা 'নিচ থেকে ইতিহাস' (Grassroots history) চর্চাকারীরা সাধারণ মানুষকে নিয়ে কাজ করেন। তারা জানেন যে তাদের অনেক কিছু জানা নেই এবং এই বিনয়ই তাদের বড় শক্তি। তারা জানেন যে সাধারণ মানুষ যা চেয়েছিল বা তাদের যা প্রয়োজন ছিল, তা সবসময় প্রভাবশালী বা শিক্ষিত সমাজ যা ভেবেছিল তার সাথে মেলে না। যারা এখন সমাজ পরিচালনা করছেন বা যারা সমাজ বদলাতে চান, তাদের সবারই উচিত ইতিহাসবিদদের কথা শোনা। ** অধ্যায় ১৬: নিচ থেকে ইতিহাস * এক সহস্রাব্দ ধরে 'ইউরোপ' ছিল রক্ষণাত্মক। পরবর্তী অর্ধ সহস্রাব্দে এটি বিশ্ব জয় করেছে। এই উভয় পর্যবেক্ষণই বিশ্ব ইতিহাস থেকে ইউরোপের ইতিহাসকে আলাদা করা অসম্ভব করে তুলেছে। বৈচিত্র্য এবং উপাদানগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়াই ইউরোপের অস্তিত্বের মূলে। ** অধ্যায় ১৭: ইউরোপের অদ্ভুত ইতিহাস * আমার জীবনের বেশিরভাগ সময় এমন একটি আশার পেছনে ব্যয় হয়েছে যা শেষ পর্যন্ত হতাশ করেছে এবং এমন একটি আদর্শের পেছনে যা ব্যর্থ হয়েছে: তা হলো অক্টোবর বিপ্লব থেকে শুরু হওয়া কমিউনিজম। কিন্তু পরাজয়ের মতো ইতিহাসবিদের মনকে আর কিছুই তীক্ষ্ণ করতে পারে না। ** অধ্যায় ১৮: ইতিহাস হিসেবে বর্তমান * [[রুশ বিপ্লব|রুশ বিপ্লবের]] দুটি একে অপরের সাথে জড়িয়ে থাকা ইতিহাস আছে: রাশিয়ার ওপর এর প্রভাব এবং বিশ্বের ওপর এর প্রভাব। দ্বিতীয়টি না থাকলে খুব কম মানুষই এটি নিয়ে আগ্রহী হতো। যেমন আমেরিকার বাইরে [[আমেরিকান গৃহযুদ্ধ|আমেরিকার গৃহযুদ্ধ]] নিয়ে খুব কম মানুষই জানে। রুশ বিপ্লব রাশিয়াকে তার আন্তর্জাতিক শক্তি ও সম্মানের শীর্ষে নিয়ে গিয়েছিল—যা জারদের আমলেও সম্ভব হয়নি। [[জোসেফ স্টালিন|স্টালিন]] রুশ ইতিহাসে পিটার দ্য গ্রেটের মতোই স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। এটি একটি অনগ্রসর দেশকে আধুনিক করেছে, কিন্তু এর মানবিক মূল্য ছিল অনেক বেশি। এর অর্থনীতি ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনায় অনেক রুশ নাগরিকের কাছে পুরনো [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত]] আমল এখনও অনেক ভালো মনে হয়। এর ঐতিহাসিক ফলাফল এখনই চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা সম্ভব নয়। ** অধ্যায় ১৯: আমরা কি রুশ বিপ্লবের ইতিহাস লিখতে পারি? * আমরা অমানবিকতায় অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আমরা অসহনীয় বিষয়কেও সহ্য করতে শিখেছি। বিশ্বযুদ্ধ এবং শীতল যুদ্ধ আমাদের বর্বরতাকে মেনে নিতে বাধ্য করেছে। এমনকি আমরা বর্বরতাকে অর্থ উপার্জনের মতো বিষয়গুলোর চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ মনে করতে শুরু করেছি। ** অধ্যায় ২০: বর্বরতা: একটি ব্যবহারকারী নির্দেশিকা * পরিচয় ভিত্তিক ইতিহাস বা আইডেন্টিটি হিস্ট্রিই যথেষ্ট নয়। আবেগ বা ব্যক্তিগত স্বার্থ আমাদের ভুল পথে চালিত করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, প্রতিটি ইহুদি প্রাকৃতিকভাবেই নিজেকে জিজ্ঞেস করে—'এটি কি ইহুদিদের জন্য ভালো নাকি খারাপ?' নিপীড়নের সময়ে এটি ব্যক্তিগত আচরণের জন্য সহায়ক হতে পারে। কিন্তু একজন ইহুদি ইতিহাসবিদকে এটি পথ দেখাতে পারে না। ইতিহাসবিদকে অবশ্যই [[সার্বজনীনতাবাদ|সার্বজনীন হতে হবে]]। কেবল ইহুদিদের জন্য (বা [[আফ্রিকান আমেরিকান|আফ্রিকান-আমেরিকান]], [[গ্রিক]], [[নারী]] বা [[সমকামিতা|সমকামী]]) লেখা ইতিহাস কখনও ভালো ইতিহাস হতে পারে না, যদিও তা সংশ্লিষ্টদের কাছে স্বস্তিদায়ক হতে পারে। ** অধ্যায় ২১: আইডেন্টিটি হিস্ট্রিই যথেষ্ট নয় === 'হাউ টু চেঞ্জ দ্য ওয়ার্ল্ড: রিফ্লেকশনস অন মার্ক্স অ্যান্ড মার্ক্সিজম' (২০১১) === * 'মাউন্ট অফ সারমন'-এ বর্ণিত যিশু খ্রিস্টকে ‘প্রথম সমাজতান্ত্রিক’ বা কমিউনিস্ট হিসেবে দেখা খুবই সহজ। যদিও প্রথমদিকের সমাজতান্ত্রিক তাত্ত্বিকদের অধিকাংশ খ্রিস্টান ছিলেন না, তবুও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের পরবর্তীকালের অনেক সদস্য এই ভাবনাটিকে বেশ কার্যকর মনে করেছেন। * 'কমিউনিস্ট' শব্দটি সবসময় একটি নির্দিষ্ট কর্মসূচিকে নির্দেশ করলেও, 'সমাজতান্ত্রিক' শব্দটি ছিল মূলত বিশ্লেষণাত্মক এবং সমালোচনামূলক। * মার্ক্সের ধারণাগুলো ইউরোপের বেশিরভাগ শ্রমিক ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের অনুপ্রেরণাদায়ী তত্ত্বে পরিণত হয়েছিল। মূলত লেনিন এবং রুশ বিপ্লবের মাধ্যমে এই আদর্শ বিংশ শতাব্দীর সামাজিক বিপ্লবের একটি বিশ্বজনীন তত্ত্বে রূপ নেয়, যা চীন থেকে শুরু করে [[পেরু|পেরু]] পর্যন্ত সর্বত্র সমাদৃত হয়। এই তত্ত্বগুলোতে বিশ্বাসী দলগুলোর জয়ের মাধ্যমে এর বিভিন্ন সংস্করণ এমন সব রাষ্ট্রের দাপ্তরিক আদর্শে পরিণত হয়, যেখানে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ বসবাস করত। এছাড়া বিশ্বের বাকি অংশেও বিভিন্ন আকারের রাজনৈতিক আন্দোলনের ওপর এর ব্যাপক প্রভাব ছিল। অতীতের মহান ধর্মগুলোর প্রবর্তক ছাড়া আর কোনো একক চিন্তাবিদ এমন মর্যাদা পাননি। সম্ভবত [[মুহাম্মদ|মুহাম্মদ]] (সা.) ছাড়া অন্য কেউ এত দ্রুত এবং এত বড় পরিসরে সাফল্য অর্জন করতে পারেননি। এই বিচারে কোনো ইহজাগতিক চিন্তাবিদের নাম তাঁর (মার্ক্স) পাশে রাখা সম্ভব নয়। ** অধ্যায় ১৪, 'ইনফ্লুয়েন্স অফ মার্ক্সিজম ১৯৪৫-৮৩' == হবসবম সম্পর্কে উদ্ধৃতি == * 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-এর পরিপূরক হিসেবে উপস্থাপিত এই ব্যক্তিগত প্রতিকৃতিটি (ইন্টারেস্টিং টাইমস) হবসবমের বিংশ শতাব্দীর দৃষ্টিভঙ্গি এবং আধুনিকতার সামগ্রিক বর্ণনায় নতুন কী আলোকপাত করে? সামগ্রিক বিচারে, 'দ্য এজ অফ রেভোলিউশন', 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল', 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' এবং 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-কে একটি একক উদ্যোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে—এমন এক চতুষ্টয় (tetralogy) যার সমসাময়িক বিশ্ব গঠনের সুশৃঙ্খল বিবরণ হিসেবে অন্য কোনো তুলনা নেই। এই সবকটি গ্রন্থেই কিছু বিরল গুণের সংমিশ্রণ ঘটেছে: সংক্ষেপণের পরিমিতিবোধ; খুঁটিনাটি বর্ণনার সজীবতা; বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট সত্ত্বেও আঞ্চলিক পার্থক্যের তীব্র চেতনা; ফসল, শেয়ার বাজার, জাতি-শ্রেণি, রাষ্ট্রনায়ক-কৃষক এবং বিজ্ঞান-কলা—সব বিষয়েই অগাধ পাণ্ডিত্য ও সাবলীলতা; বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর প্রতি গভীর সহানুভূতি; বিশ্লেষণাত্মক বর্ণনার শক্তি; এবং সর্বোপরি অত্যন্ত স্বচ্ছ ও তেজোদীপ্ত একটি লিখনশৈলী। ** [[পেরি অ্যান্ডারসন]], "দ্য ভ্যানকুইশড লেফট: এরিক হবসবম", 'স্পেকট্রাম: ফ্রম রাইট টু লেফট ইন দ্য ওয়ার্ল্ড অফ আইডিয়াস' (২০০৫)-এ প্রকাশিত। * ইউরোপীয় তুলনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিতে, জাতীয় পতাকা বহনকারী এই শ্রমিকদের অদ্ভুত মনে হয় এবং তাদের গুরুত্ব খুব কমই বোঝা যায়। এমনকি মধ্য ইউরোপের প্রখ্যাত লেখক—যেমন [[আর্নেস্ট গেলনার|আর্নেস্ট গেলনার]] বা এরিক হবসবম—এই অঞ্চলের জাতীয়তাবাদের স্বাতন্ত্র্যকে একটি বৈশ্বিক সংজ্ঞায় খাপ খাওয়াতে গিয়ে এর আসল বৈশিষ্ট্যগুলোই ছেঁটে ফেলেছেন। হবসবমের ধারণা ছিল যে এটি পৃথিবীর প্রতিটি কোণেই প্রযোজ্য হবে, কিন্তু আমরা এই বইয়ে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের কাছে এই শব্দের অর্থ কী ছিল তা বোঝার চেষ্টা করেছি। সেই অঞ্চলে গেলনারের 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম' বইয়ের বৈশ্বিক মাপকাঠিগুলো হয় অপ্রাসঙ্গিক নয়তো গৌণ: যেমন [[জন স্টুয়ার্ট মিল|জন স্টুয়ার্ট মিলের]] ধারণা যে একটি জাতীয় রাষ্ট্রকে "সাশ্রয়ী" হতে হবে, বা জাতীয়তাবাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট আয়তন প্রয়োজন। চেক বা স্লোভেনীয়রা এই সব মাপকাঠি সম্পর্কে কিছুই জানত না এবং তারা এগুলো ছাড়াই তাদের ইতিহাস তৈরি করেছে। হবসবমের এই ধারণা যে ভাষা এবং ইতিহাস কোনো নির্ণায়ক মানদণ্ড নয়, তা পূর্ব-মধ্য ইউরোপের যে কারোর কাছে অর্থহীন মনে হতো—যদিও এটি মহাকাশ থেকে কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা জাতীয়তাবাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। ** জন কনেলি, 'ফ্রম পিপলস টু নেশনস: আ হিস্ট্রি অফ ইস্টার্ন ইউরোপ' (২০২০), পৃষ্ঠা ৭৯৬-৭৯৭। * এরিক হবসবম হয়তো অভিযোগ করতে পারেন যে আমি অন্যায় করছি এবং আমি আসলে অন্যরকম একটি বই আশা করেছিলাম। তিনি বলতে পারেন যে আমি এমন একটি বই চাই যা চিরস্থায়ী হবে এবং ভবিষ্যৎ শতাব্দীর ইতিহাসবিদদের আগ্রহের খোরাক হবে। আর তিনি ঠিকই বলেছেন, আমি আসলেই তা চাই। বিপরীতে, তিনি বলতে পারেন যে তাঁর বইটি "বিংশ শতাব্দীর একজন লেখকের দ্বারা বিংশ শতাব্দীর শেষের পাঠকদের জন্য লেখা", যাদের কাছে 'পুঁজিবাদ' এবং 'সমাজতন্ত্রের' সংঘাত, সামাজিক বিপ্লব, [[স্নায়ুযুদ্ধ]], এবং 'প্রকৃত সমাজতন্ত্রের' সীমাবদ্ধতা ও পতন নিয়ে আলোচনা করা সার্থক। তিনি মূলত সেই পাঠকদের জন্য লিখছেন যারা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের মূল থিম হিসেবে বিশ্ব কমিউনিজমের ট্র্যাজিক ও বীরত্বগাথাকে বিবেচনা করেন। কিন্তু বিশ্ব কমিউনিজমের এই যাত্রা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একমাত্র বা মূল থিম নয়। হবসবম আসলে কাদের জন্য তাঁর বইটি লিখছেন? বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের কোন অংশটুকু পাঠকদের জানা প্রয়োজন, তার জন্য কি আমরা 'এজ অফ এক্সট্রিমস' বইটির সুপারিশ করতে পারি? ** [[জে. ব্র্যাডফোর্ড ডিলং]], "লো মার্ক্স: আ রিভিউ অফ এরিক হবসবমস 'এজ অফ এক্সট্রিমস'" (১৯৯৫)। * [[১৯৬৮]] সালে আমি সেই মনোযোগী ও শ্রদ্ধাশীল ছাত্র শ্রোতাদের একজন ছিলাম, যাদের সামনে এরিক হবসবম ছাত্র র‍্যাডিক্যালিজমের সীমাবদ্ধতা নিয়ে কথা বলছিলেন। তাঁর উপসংহারটি আমার খুব মনে আছে, কারণ এটি তৎকালীন মেজাজের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। তিনি আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে, মাঝেমধ্যে পৃথিবী পরিবর্তন করা নয় বরং এটিকে ব্যাখ্যা করাই মুখ্য উদ্দেশ্য। কিন্তু বিশ্বকে ব্যাখ্যা করার জন্য এটি কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে সে সম্পর্কেও একটি সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন। তাঁর শেষ বইটি আমাদের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া এই বিশ্বের একটি চমত্কার, মেধাবী এবং সর্বদা বুদ্ধিদীপ্ত বিবরণ। এটি যদি তাঁর সেরা কাজগুলোর সমপর্যায়ের না-ও হয়, তবুও মনে রাখা উচিত যে তিনি নিজেই মেধার মানদণ্ড অনেক উঁচুতে সেট করেছেন। তবে বিশ্বে এক বা দুটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে—যেমন কমিউনিজমের মৃত্যু বা ইতিহাসের ওপর আস্থা হারানো—যা লেখককে খুব একটা খুশি করতে পারেনি। এটি দুঃখজনক, কারণ তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গি বইটির বিবরণকে এমনভাবে প্রভাবিত করেছে যা হয়তো নতুন পাঠকদের শিখতে নিরুৎসাহিত করবে। আমি বিংশ শতাব্দীর বর্ণনায় তাঁর সেই তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণ মিস করেছি যা তাঁকে উনবিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একজন অপরিহার্য পথপ্রদর্শক করে তুলেছিল। হবসবম আমাদের মনে করিয়ে দেন যে ইতিহাসবিদরা হলেন "সেই পেশাদার স্মৃতিকার যারা সাধারণ মানুষ যা ভুলে যেতে চায় তা মনে করিয়ে দেন।" এটি একটি অত্যন্ত কঠিন ও আপসহীন দায়িত্ব। ** [[টনি জাট]], "ডাউনহিল অল দ্য ওয়ে", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২৫ মে, ১৯৯৫)। * হবসবম তাঁর স্মৃতিকথা একটি উদ্দীপনামূলক বার্তার মাধ্যমে শেষ করেছেন: “এই সন্তোষজনক নয় এমন সময়েও আমাদের নিরস্ত্র হওয়া চলবে না। সামাজিক অবিচারের বিরুদ্ধে সবসময় প্রতিবাদ ও লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। পৃথিবী নিজে নিজে ভালো হবে না।” তিনি সব দিক থেকেই ঠিক। কিন্তু নতুন শতাব্দীতে ভালো কিছু করতে হলে আমাদের পুরনো শতাব্দীর সত্যগুলো বলতে হবে। হবসবম শয়তান বা অশুভ শক্তির মুখোমুখি হতে এবং একে তার আসল নামে ডাকতে অস্বীকার করেছেন; তিনি কখনও স্তালিন এবং তাঁর কর্মকাণ্ডের রাজনৈতিক ও নৈতিক উত্তরাধিকারকে গভীরভাবে বিচার করেননি। তিনি যদি গুরুত্বের সাথে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে কোনো আমূল পরিবর্তনের মশাল হস্তান্তর করতে চান, তবে এটি সঠিক পথ নয়। ** [[টনি জাট]], "দ্য লাস্ট রোমান্টিক", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২০ নভেম্বর, ২০০৩)। * হবসবম যেমনটি তাঁর 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' বইতে বলেছিলেন, তিনি মূলত একটি ‘যুক্তির উন্মোচন’ লিখছিলেন। সেই যুক্তির মূল কথা হলো—ঐতিহাসিক গুরুত্বের ক্ষেত্রে সংস্কৃতির চেয়ে অর্থনীতি, নারীর চেয়ে পুরুষ এবং বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে পশ্চিমের গুরুত্ব বেশি। তাঁর বর্ণনায় অনেক কিছু বাদ পড়াটা কোনো ভুল ছিল না বরং এটি ছিল তাঁর চিন্তাধারারই অংশ। অন্যভাবে বলতে গেলে, হবসবমকে নতুনভাবে মূল্যায়ন করতে হলে তাঁর এই মূল ধারণাগুলোকে চ্যালেঞ্জ করতে হবে। ** [[w:Susan Pedersen|সুসান পেডারসেন]], "আই ওয়ান্ট টু লাভ ইট", 'লন্ডন রিভিউ অফ বুকস' (১৮ এপ্রিল, ২০১৯)। * হবসবমকে একবার জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি হ্যাম্পস্টেড ম্যানশনের মতো অত্যন্ত দামি বাড়িতে বাস করাকে কীভাবে সমর্থন করেন। উত্তরে তিনি রসিকতা করে বলেছিলেন, যদি কেউ [[w:Titanic|টাইটানিক]] জাহাজে ভ্রমণ করে, তবে তার প্রথম শ্রেণীতে চড়েই ডুবে যাওয়া ভালো। রসিকতা হিসেবে এটি চমত্কার। কিন্তু যদি ১৯৮৯ সালে সমস্ত বরফ গলে যায় (কমিউনিজমের পতন হয়), তবে কী হবে? ** [[w:John Sutherland (author)|জন সাদারল্যান্ড]], 'দ্য টাইমস' (২৩ জানুয়ারি, ২০১৬)। * ১৯৯৫ সালে যখন তিনি '[[w:Desert Island Discs|ডেজার্ট আইল্যান্ড ডিস্কস]]'-এ উপস্থিত হয়েছিলেন, তখন তিনি বিলি হলিডের একটি গান বেছে নেওয়ার পাশাপাশি ইতিহাস নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছিলেন। উপস্থাপক সু ললি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, যদি লক্ষ লক্ষ জীবনের বিনিময়ে বিশ্ববিপ্লব আনা সম্ভব হতো, তবে কি তা সার্থক হতো? তিনি দ্বিধাহীনভাবে উত্তর দিয়েছিলেন—হ্যাঁ। মাইকেল ইগনাটিয়েফ কর্তৃক টেলিভিশনে গৃহীত এক সাক্ষাৎকারে হবসবমকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, ১৯৩৪ সালে স্তালিন কর্তৃক লক্ষ লক্ষ মানুষকে জোরপূর্বক অভুক্ত রাখার কথা জানলে কি তাঁর কমিউনিস্ট হওয়ার ইচ্ছা বদলে যেত? তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, "সম্ভবত না"। তিনি শান্তভাবে আরও যোগ করেন যে, যদি সোভিয়েত ইউনিয়ন বিশ্ববিপ্লবের সূচনা করতে পারত, তবে ১৫-২০ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু যুক্তিযুক্ত হতে পারত। ** [[এ. এন. উইলসন]], 'অন দ্য রং সাইড অফ হিস্ট্রি', 'দ্য টাইমস স্যাটারডে রিভিউ' (২৬ জানুয়ারি, ২০১৯)। * হবসবমের ইতিহাসের প্রধান সমস্যা ছিল যে তাঁর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল [[কার্ল মার্ক্স|কার্ল মার্ক্সের]] তত্ত্বগুলোকে সত্য প্রমাণ করা। শোকসংবাদ লেখকরা দাবি করেছিলেন যে তিনি কখনও [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদী]] মতাদর্শের দাস ছিলেন না বা তাঁর কাজ ছিল "সর্বদা সূক্ষ্ম ও মার্জিত", কিন্তু বাস্তবতা ছিল এর বিপরীত। ** কিথ উইন্ডশাটল, "দ্য নট-সো-গ্রেট এরিক হবসবম", 'কোয়াড্র্যান্ট' (১ নভেম্বর ২০১২)। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইতিহাসবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:কমিউনিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্ক্সবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্যাসিবাদ বিরোধী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১২-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:আলেকজান্দ্রিয়ার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রিটিশ একাডেমির ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:রয়্যাল সোসাইটি অফ লিটারেচারের ফেলো]] hnncao8c2fuy3jjt41unyj9b30g55yo 78586 78585 2026-04-19T12:47:55Z SMontaha32 3112 78586 wikitext text/x-wiki [[File:Eric Hobsbawm.jpg|thumb|right|২০১১ সালে এরিক হবসবম]] '''[[w:Eric Hobsbawm|এরিক জন আর্নেস্ট হবসবম]]''', [[w:Companion of Honour|সিএইচ]], [[w:Fellow of the Royal Society of Literature|এফআরএসএল]], [[w:Fellow of the British Academy|এফবিএ]] ([[৯ জুন]] [[১৯১৭]] – [[১ অক্টোবর]] [[২০১২]]) ছিলেন একজন ব্রিটিশ মার্ক্সবাদী ইতিহাসবিদ ও লেখক। তিনি [[w:Communist Party of Great Britain|কমিউনিস্ট পার্টি অব গ্রেট ব্রিটেনের]] (১৯২০–১৯৯১) একজন প্রধান তাত্ত্বিক এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত [[w:Birkbeck College|বার্কবেক কলেজের]] সাবেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন। == উদ্ধৃতি == * আমাদের যুগের বুদ্ধিজীবী এবং [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদের]] মধ্যে যে প্রেমের সম্পর্ক দেখা যায়, তা পশ্চিম ইউরোপে তুলনামূলকভাবে দেরিতে শুরু হয়েছিল। যদিও রাশিয়ায় এটি [[কার্ল মার্ক্স|মার্ক্সের]] জীবদ্দশাতেই শুরু হয়। ** "বুদ্ধিজীবী এবং কমিউনিজম" (১৯৬৪), 'রেভোলিউশনারিস: কনটেম্পোরারি এসেস' (১৯৭৩)-এ প্রকাশিত। * প্রথমত, সম্ভবত কোনো বড় ধরনের [[বিপ্লব]] সফল করার জন্য যে অতিমানবীয় প্রচেষ্টার প্রয়োজন হয়, তা তৈরির জন্য [[কল্পরাজ্য|ইউটোপিয়াবাদ]] একটি প্রয়োজনীয় সামাজিক কৌশল। ** 'প্রিমিটিভ রেবেলস: স্টাডিজ ইন আর্কাইক ফর্মস অফ সোশ্যাল মুভমেন্ট ইন দ্য নাইনটিনথ অ্যান্ড টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরিস' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ৬০। * ইতিহাসবিদরা [[জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদের]] কাছে ঠিক তেমনই, যেমন [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] পোস্ত চাষীরা [[আসক্তি|হেরোইন আসক্তদের]] কাছে: আমরা বাজারের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সরবরাহ করি। '''অতীতহীন জাতি একটি স্ববিরোধী ধারণা।''' অতীতই একটি জাতি গঠন করে এবং অন্য জাতির বিরুদ্ধে নিজের অস্তিত্বের ন্যায্যতা দেয়। ইতিহাসবিদরাই সেই অতীত তৈরি করেন। তাই আমার পেশাটি রাজনীতির সাথে মিশে গিয়ে জাতীয়তাবাদের একটি অপরিহার্য উপাদানে পরিণত হয়েছে। ** "এথনিসিটি অ্যান্ড ন্যাশনালিজম ইন ইউরোপ টুডে" (ফেব্রুয়ারি ১৯৯২), 'অ্যানথ্রোপোলজি টুডে'। * [[উদারতাবাদ]] ব্যর্থ হচ্ছিল। আমি যদি [[ইহুদি]] না হয়ে [[জার্মান]] হতাম, তবে সম্ভবত আমি একজন [[নাৎসিবাদ|নাৎসি]] বা [[w:German_nationalist|জার্মান জাতীয়তাবাদী]] হতাম। আমি বুঝতে পারতাম তারা জাতি রক্ষার বিষয়ে কতটা আবেগপ্রবণ ছিল। সেটি এমন এক সময় ছিল যখন বিশ্বকে আমূল পরিবর্তন না করলে কোনো ভবিষ্যৎ আছে বলে কেউ বিশ্বাস করত না। ** এরিক হবসবমের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, মায়া জাগি কর্তৃক 'দ্য গার্ডিয়ান'-এ প্রকাশিত “আ কোয়েশ্চেন অফ ফেইথ” (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০২)। * মনে হচ্ছে [[বিদেশাতঙ্ক|জেনোফোবিয়া]] বা বিদেশাতঙ্ক বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের একটি গণ-আদর্শে পরিণত হতে যাচ্ছে। ** 'ডিভাইডেড ইউরোপীয়ানস: আন্ডারস্ট্যান্ডিং এথনিসিটিস ইন কনফ্লিক্ট' (১৯৯৯), পৃষ্ঠা ৪১। * [[লন্ডন|লন্ডনের]] দিকে তাকান। আমাদের সবার কাছেই লন্ডনের অর্থনীতির সমৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু রাজধানীর নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় উৎপন্ন বিশাল সম্পদের পরীক্ষা এই নয় যে এটি ব্রিটেনের মোট জিডিপিতে ২০-৩০% অবদান রাখছে। বরং পরীক্ষাটি হলো এটি সেখানে বসবাসকারী লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে কী প্রভাব ফেলছে। তারা সেখানে থাকার সামর্থ্য রাখে কি না? যদি না রাখে, তবে লন্ডন অতি-ধনীদের স্বর্গরাজ্য হওয়া তাদের জন্য কোনো সান্ত্বনা নয়। তারা কি উপযুক্ত বেতনের চাকরি পায়? যদি না পায়, তবে মিশেলিন-স্টার রেস্তোরাঁ বা নামী শেফদের নিয়ে বড়াই করবেন না। কিংবা শিশুদের শিক্ষার কথা ধরুন; লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এক দল নোবেল বিজয়ী থাকলেই অপর্যাপ্ত স্কুলগুলোর অভাব পূরণ হয় না। ** 'দ্য গার্ডিয়ান' (২০০৯)। * বিশ্বজুড়ে যেভাবে [[ভারত|ভারতীয়]] ও [[চীন|চীনা]] রেস্তোরাঁর বিস্তার ঘটছে, তা থেকে বোঝা যায় যে [[বিদেশাতঙ্ক|জেনোফোবিয়া]] বিদেশি মানুষের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়, বিদেশি সাংস্কৃতিক আমদানির বিরুদ্ধে নয়। ** 'ম্যাপিং দ্য নেশন' (১৩ নভেম্বর ২০১২), পৃষ্ঠা ২৬৩। === 'দ্য এজ অফ রেভোলিউশন' (১৯৬২) === * ইতিহাসের জালকে ছিঁড়ে আলাদা সুতোয় ভাগ করা সম্ভব নয়, কারণ এতে ইতিহাস ধ্বংস হয়ে যায়। তবে ব্যবহারিক প্রয়োজনে বিষয়টিকে কিছু উপবিভাগে ভাগ করা অপরিহার্য। ** প্রস্তাবনা * '''শব্দ হলো এমন সাক্ষী যা নথিপত্রের চেয়েও জোরালোভাবে কথা বলে।''' ইংরেজি ভাষার এমন কিছু শব্দের কথা ভাবুন যা এই ষাট বছরের সময়কালে আবিষ্কৃত হয়েছে বা আধুনিক অর্থ পেয়েছে। যেমন '[[শিল্প]]', '[[শিল্পপতি]]', '[[কারখানা]]', '[[w:Middle_class|মধ্যবিত্ত]]', '[[শ্রমজীবী শ্রেণি]]' এবং '[[সমাজতন্ত্র]]'। এর মধ্যে আরও আছে '[[অভিজাততন্ত্র]]', '[[রেলপথ]]', '[[উদারনীতি|উদারপন্থী]]', '[[রক্ষণশীলতা|রক্ষণশীল]]', '[[জাতীয়তা]]', '[[বিজ্ঞানী]]', '[[প্রকৌশল|প্রকৌশলী]]', '[[সর্বহারা]]' এবং অর্থনৈতিক 'সংকট'। ** ভূমিকা * 'আলোকায়ন' বা এনলাইটেনমেন্টকে কঠোরভাবে মধ্যবিত্তের আদর্শ বলা সঠিক হবে না। যদিও অনেক আলোকায়িত ব্যক্তি মনে করতেন যে মুক্ত সমাজ মানেই একটি [[পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদী]] সমাজ হবে। তাত্ত্বিকভাবে এর লক্ষ্য ছিল সকল মানুষকে মুক্ত করা। সব [[প্রগতিশীলতা|প্রগতিশীল]], [[যুক্তিদাল|যুক্তিবাদী]] ও [[মানবতাবাদ|মানবতাবাদী]] আদর্শ এর মধ্যেই নিহিত ছিল। তবে বাস্তবে এই মুক্তির আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল সমাজের মধ্যবিত্ত স্তর। জন্মগত পরিচয়ের চেয়ে মেধা ও যুক্তিবাদী মানুষের মাধ্যমেই একটি '[[বুর্জোয়া]]' ও পুঁজিবাদী সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল। ** অধ্যায় ১: ১৭৮০-এর দশকের বিশ্ব * শিল্প বিপ্লবের প্রথম দুই প্রজন্মে ব্রিটেনের মৌলিক সত্যটি ছিল এই যে, সম্পদশালী ও ধনী শ্রেণি এত দ্রুত এবং এত বিশাল পরিমাণ আয় পুঞ্জীভূত করেছিল যা তাদের ব্যয় বা বিনিয়োগের সামর্থ্যকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ** অধ্যায় ২: শিল্প বিপ্লব * [[ফ্রান্স]] বিশ্বের অধিকাংশ দেশকে আইনের ধারা ([[w:Napoleonic_code|নেপোলিয়নিক কোড]]), বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সংগঠনের মডেল এবং পরিমাপের [[w:Metric_system|মেট্রিক পদ্ধতি]] উপহার দিয়েছে। আধুনিক বিশ্বের আদর্শগুলো প্রথম ফ্রান্সের প্রভাবেই প্রাচীন সভ্যতাগুলোতে প্রবেশ করেছিল। এটি ছিল [[ফরাসি বিপ্লব|ফরাসি বিপ্লবের]] কাজ। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * নেপোলিয়ন সংক্রান্ত মিথ বা কিংবদন্তি তাঁর ব্যক্তিগত গুণের চেয়ে তাঁর অনন্য ক্যারিয়ারের ওপর বেশি প্রতিষ্ঠিত। অতীতের বিখ্যাত বিশ্বজয়ীরা রাজা বা অভিজাত পরিবারে জন্মাতেন, কিন্তু [[নেপোলিয়ন বোনাপার্ট|নেপোলিয়ন]] ছিলেন একজন সাধারণ সৈনিক যিনি কেবল প্রতিভার জোরে একটি মহাদেশ শাসন করেছিলেন। এটি পুরোপুরি সত্য না হলেও তাঁর উত্থান ছিল রূপকথার মতো। এর ফলে প্রতিটি তরুণ বুদ্ধিজীবী এবং ব্যবসায়ী তাঁর মাঝে নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষা খুঁজে পেয়েছিল। তিনি বিপ্লবের মানুষ ছিলেন আবার স্থিতিশীলতারও কারিগর ছিলেন। তিনি ফ্রান্সের শাসনব্যবস্থা ও আইনকানুনকে আধুনিক রূপ দিয়েছিলেন। তাঁর পতনের পর 'বোনাপার্টবাদ' একটি আদর্শ হিসেবে টিকে ছিল কারণ তিনি সাধারণ মানুষের মনে বড় হওয়ার স্বপ্ন জাগিয়েছিলেন। তিনি কেবল একটি জিনিস ধ্বংস করেছিলেন: জেকোবিন বিপ্লব—সেই সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার স্বপ্ন। কিন্তু তাঁর পতনের পর তাঁর স্মৃতির চেয়ে সেই আদর্শই উনবিংশ শতাব্দীর বিপ্লবগুলোকে বেশি অনুপ্রাণিত করেছিল। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * রাজনৈতিক ভূগোলের দিক থেকে ফরাসি বিপ্লব ইউরোপীয় মধ্যযুগের অবসান ঘটিয়েছিল। ** অধ্যায় ৪: যুদ্ধ * যুদ্ধের সবচেয়ে ভয়ংকর ঝুঁকি ছিল অবহেলা, নোংরা পরিবেশ, দুর্বল সংগঠন, ত্রুটিপূর্ণ চিকিৎসা পরিষেবা এবং স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে অজ্ঞতা। এই পরিস্থিতি প্রায় প্রতিটি সৈন্যকেই ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। ** অধ্যায় ৪: যুদ্ধ * আন্তর্জাতিক শান্তি চুক্তির একটি বিশেষ দিক ছিল [[w:Slave_Trade_Act_1807|আন্তর্জাতিক দাস ব্যবসা বিলোপ]]। এর পেছনে মানবিক ও অর্থনৈতিক—উভয় কারণই ছিল। [[দাসত্ব]] ছিল ভয়ংকর এবং অত্যন্ত অদক্ষ একটি ব্যবস্থা। ব্রিটেনের মতো শক্তিশালী দেশগুলোর কাছে ১৮১৫-৪৮ সালের অর্থনীতি আর মানুষের বিক্রির ওপর নির্ভরশীল ছিল না বরং তা সুতির কাপড়ের ওপর নির্ভর করতে শুরু করেছিল। তবে দাসপ্রথার প্রকৃত বিলোপ খুব ধীরগতিতে হয়েছিল। ** অধ্যায় ৫: শান্তি * ১৮১৫ পরবর্তী প্রজন্মে ইতিহাসকে আটকে রাখার ক্ষেত্রে সরকারগুলোর অক্ষমতা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ফরাসি বিপ্লবের পুনরাবৃত্তি ঠেকানোই ছিল তৎকালীন শক্তিগুলোর প্রধান লক্ষ্য। তা সত্ত্বেও ইউরোপীয় ইতিহাসে বিপ্লববাদ এত দ্রুত এবং ব্যাপকভাবে আর কখনও ছড়িয়ে পড়েনি। ** অধ্যায় ৬: বিপ্লবসমূহ * অন্য কোথাও জাতীয়তাবাদের মতো কিছু খুঁজে পাওয়া অসম্ভব ছিল, কারণ সেখানে এর সামাজিক পরিবেশ ছিল না। আসলে শুরুতে যে শক্তিগুলো জাতীয়তাবাদ তৈরি করার কথা ছিল, তারাই ঐতিহ্য, ধর্ম ও গণদারিদ্র্যের সাথে মিলে পশ্চিমা বিজেতাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। ** অধ্যায় ৭: জাতীয়তাবাদ * ফরাসি বিপ্লবের প্রভাব, আমলাদের যুক্তিবাদী অর্থনৈতিক যুক্তি এবং [[অভিজাততন্ত্র|অভিজাতদের]] লোভ—এই তিনটি কারণ ১৮০৭ থেকে ১৮১৬ সালের মধ্যে প্রুশিয়ার কৃষকদের মুক্তির পথ নির্ধারণ করেছিল। ** অধ্যায় ৮: ভূমি * দ্বৈত বিপ্লবের সমস্ত অর্থনৈতিক পরিণতির মধ্যে '[[উন্নত দেশ|উন্নত]]' এবং '[[উন্নয়নশীল দেশ|অনুন্নত]]' দেশগুলোর মধ্যে বিভাজনটিই ছিল সবচেয়ে গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী। ** অধ্যায় ৯: শিল্প বিশ্বের দিকে * বংশমর্যাদার অভাব বা বৈষম্যের কারণে যারা এতদিন অবহেলিত ছিল, সেই [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী|সংখ্যালঘুরাই]] মেধার ভিত্তিতে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগকে সবচেয়ে বেশি স্বাগত জানিয়েছিল। ** অধ্যায় ১০: মেধার ভিত্তিতে ক্যারিয়ার * শ্রমিকদের জন্য পালানো বা হার মেনে নেওয়ার বিকল্প ছিল বিদ্রোহ। শ্রমজীবী দরিদ্রদের অবস্থা এমন ছিল যে বিদ্রোহ করা তাদের জন্য কেবল সম্ভবই ছিল না বরং বাধ্যতামূলক হয়ে পড়েছিল। উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে শ্রমিক ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের উত্থান ছিল অনিবার্য। ** অধ্যায় ১১: শ্রমজীবী দরিদ্র * ইতিহাসের অধিকাংশ সময় এবং বিশ্বের বেশিরভাগ জায়গায় (চীন সম্ভবত এর ব্যতিক্রম) মানুষ প্রথাগত ধর্মের মাধ্যমেই বিশ্বকে চিন্তা করত। এমনকি কিছু দেশে '[[খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টান]]' শব্দটি কেবল '[[কৃষক]]' বা '[[মানুষ]]' শব্দের সমার্থক ছিল। ** অধ্যায় ১২: আদর্শ: ধর্ম * ধর্ম একসময় আকাশের মতো ছিল যা থেকে কেউ পালাতে পারত না। কিন্তু আধুনিক যুগে এটি মেঘের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে—যা বিশাল কিন্তু সীমিত এবং পরিবর্তনশীল। আদর্শিক পরিবর্তনের মধ্যে এটিই সবচেয়ে গভীর। ** অধ্যায় ১২: আদর্শ: ধর্ম * বুর্জোয়াদের বিজয় ফরাসি বিপ্লবকে এনলাইটেনমেন্টের ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শে রঞ্জিত করেছিল। যেহেতু এই বিপ্লবের ভাষা পরবর্তী সকল বিপ্লবের সাধারণ ভাষা হয়ে উঠেছিল, তাই এটি [[ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ|ধর্মনিরপেক্ষতাকেও]] ছড়িয়ে দিয়েছিল। ** অধ্যায় ১২: আদর্শ: ধর্ম * ক্লাসিক্যাল উদারতাবাদের ‘মানুষ’ (যার প্রতীক ছিলেন [[রবিনসন ক্রুসো]]) ছিল এমন এক সামাজিক প্রাণী যে কেবল অনেকের সাথে সহাবস্থান করত। সামাজিক লক্ষ্যগুলো ছিল ব্যক্তিগত লক্ষ্যগুলোর গাণিতিক যোগফল। সুখ ছিল প্রতিটি ব্যক্তির সর্বোচ্চ উদ্দেশ্য এবং সমাজের লক্ষ্য ছিল সর্বাধিক মানুষের সর্বাধিক সুখ নিশ্চিত করা। ** অধ্যায় ১৩: আদর্শ: ধর্মনিরপেক্ষতা * এমনকি ক্ষুদ্র সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর শিল্পকলাও সমগ্র মানবতাকে কাঁপিয়ে দেওয়া ভূমিকম্পের প্রতিধ্বনি করতে পারে। আমাদের সময়ের সাহিত্য ও [[শিল্পকলা|শিল্পকলায়]] তা দেখা গেছে এবং এর ফলাফল ছিল '[[রোমান্টিকতাবাদ]]'। রোমান্টিকদের নিজেদের বর্ণনা অনেক সময় যুক্তিহীন মনে হলেও তাদের লক্ষ্য ছিল দৃঢ়। ** অধ্যায় ১৪: শিল্পকলা * বিজ্ঞান ও শিল্পকলার মধ্যে সমান্তরাল রেখা টানা সবসময়ই বিপজ্জনক। তবুও বিজ্ঞানও দ্বৈত বিপ্লবের প্রতিফলন ঘটিয়েছে। কারণ এই বিপ্লব বিজ্ঞানের কাছে নতুন দাবি পেশ করেছিল এবং নতুন চিন্তার দুয়ার খুলে দিয়েছিল। ** অধ্যায় ১৫: বিজ্ঞান * বিজ্ঞানের অগ্রগতি কেবল একটি সরলরেখায় চলে না। প্রতিটি পর্যায় আগের সমস্যার সমাধান করে এবং নতুন সমস্যার জন্ম দেয়। ** অধ্যায় ১৫: বিজ্ঞান * '''১৮৩১ সালে [[ভিক্টর হুগো]] লিখেছিলেন যে তিনি বিপ্লবের শব্দ শুনতে পাচ্ছেন, যা মাটির গভীর থেকে প্যারিস হয়ে পুরো ইউরোপের রাজতন্ত্রের নিচে সুরঙ্গ তৈরি করছে। ১৮৪৭ সালে সেই শব্দ তীব্র হয়ে ওঠে এবং ১৮৪৮ সালে বিস্ফোরণ ঘটে।''' ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার: ১৮৪৮-এর দিকে === 'ব্যান্ডিটস' (১৯৬৯; ১৯৭২; ১৯৮১) === * '''মানুষ ডাকাতদের সাথে দেখা করতে পছন্দ না করলেও অন্ধকার রাতে তাদের সম্পর্কে পড়তে সবাই পছন্দ করে।''' ** প্রস্তাবনা * সামাজিক ডাকাতরা হলো সেইসব কৃষক বহিষ্কৃত যাদের প্রভু এবং রাষ্ট্র অপরাধী মনে করে, কিন্তু যারা কৃষক সমাজের অংশ হিসেবেই থাকে। তাদের সমাজ তাদের বীর, রক্ষক বা ন্যায়বিচারের যোদ্ধা হিসেবে গণ্য করে। সাধারণ কৃষক এবং এই বিদ্রোহীদের মধ্যকার সম্পর্কই সামাজিক ডাকাতিকে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে। ** অধ্যায় ১: সামাজিক ডাকাতি কী? * ডাকাত হওয়া মানেই স্বাধীনতা। কিন্তু কৃষক সমাজে খুব কম মানুষই মুক্ত হতে পারে। অধিকাংশ মানুষই সামন্ত প্রভু এবং শ্রমের শিকলে বন্দী থাকে। কৃষকদের অর্থনৈতিক দুর্বলতার চেয়েও তাদের গতিহীনতা তাদের ওপর কর্তৃপক্ষের আধিপত্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। ** অধ্যায় ২: কারা ডাকাত হয়? === 'দ্য এজ অফ রেভল্যুশন' (১৯৬২) === * ইতিহাসের জালকে ছিঁড়ে না ফেলে একে আলাদা আলাদা সুতোয় ভাগ করা সম্ভব নয়। তবে বাস্তব কাজের সুবিধার্থে বিষয়টিকে উপবিভাগে ভাগ করা অপরিহার্য। ** প্রস্তাবনা * নথিপত্রের চেয়ে শব্দ অনেক সময় বেশি জোরালোভাবে কথা বলে। ১৮৪৮ সাল পর্যন্ত যে ষাট বছর নিয়ে এই বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে, সেই সময়ে উদ্ভাবিত বা আধুনিক অর্থ লাভ করা কিছু ইংরেজি শব্দের কথা ভাবুন। যেমন—'ইন্ডাস্ট্রি' (শিল্প), 'ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট' (শিল্পপতি), 'ফ্যাক্টরি' (কারখানা), 'মিডল ক্লাস' (মধ্যবিত্ত), 'ওয়ার্কিং ক্লাস' (শ্রমজীবী শ্রেণি) এবং 'সোশ্যালিজম' (সমাজতন্ত্র)। এছাড়া রয়েছে 'অ্যারিস্টোক্রাসি' (অভিজাততন্ত্র), 'রেলওয়ে' (রেলপথ), 'লিবারেল' (উদারপন্থী) ও 'কনজারভেটিভ' (রক্ষণশীল), 'ন্যাশনালিটি' (জাতীয়তা), 'সায়েন্টিস্ট' (বিজ্ঞানী) এবং 'ইঞ্জিনিয়ার' (প্রকৌশলী), 'প্রলেতারিয়েত' (সর্বহারা) এবং অর্থনৈতিক 'ক্রাইসিস' (সংকট)। ** ভূমিকা * 'আলোকায়ন' বা এনলাইটেনমেন্টকে কঠোরভাবে মধ্যবিত্তের মতাদর্শ বলা সঠিক নয়, যদিও অনেক আলোকায়নবাদী—যারা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ছিলেন—এটি ধরে নিয়েছিলেন যে, একটি মুক্ত সমাজ মানেই হবে একটি পুঁজিবাদী সমাজ। তাত্ত্বিকভাবে এর লক্ষ্য ছিল সকল মানুষকে মুক্ত করা। সমস্ত প্রগতিশীল, যুক্তিবাদী এবং মানবতাবাদী মতাদর্শ এর মধ্যেই নিহিত ছিল। তবে বাস্তবে এই মুক্তির আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিল সমাজের মধ্যস্তর—জন্মগত পরিচয়ের চেয়ে মেধা ও যোগ্যতাসম্পন্ন যুক্তিবাদী মানুষ। ফলে তাদের হাত ধরে যে সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল তা ছিল মূলত 'বুর্জোয়া' এবং পুঁজিবাদী। ** অধ্যায় ১: ১৭৮০-এর দশকের বিশ্ব * শিল্প বিপ্লবের প্রথম দুই প্রজন্মে ব্রিটেনের মৌলিক সত্যটি ছিল এই যে, অভিজাত এবং ধনী শ্রেণি এত দ্রুত এবং এত বিশাল পরিমাণ অর্থ সঞ্চয় করেছিল যা ব্যয় বা বিনিয়োগ করার সব সুযোগকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ** অধ্যায় ২: শিল্প বিপ্লব * [[ফ্রান্স|ফ্রান্স]] অধিকাংশ দেশের জন্য আইনের কোড বা বিধিমালা, বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সংগঠনের মডেল এবং পরিমাপের [[w:Metric_system|মেট্রিক পদ্ধতি]] উপহার দিয়েছিল। ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমেই আধুনিক বিশ্বের মতাদর্শগুলো প্রথম প্রাচীন সভ্যতাগুলোতে প্রবেশ করতে শুরু করে। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ছিলেন সেই 'লিটল কর্পোরাল' (ছোট কর্পোরাল) যিনি নিছক ব্যক্তিগত প্রতিভার জোরে একটি মহাদেশ শাসন করেছিলেন। নেপোলিয়ন উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে একটি ব্যক্তিগত নাম দিয়েছিলেন ঠিক সেই মুহূর্তে যখন 'দ্বৈত বিপ্লব' (শিল্প ও ফরাসি বিপ্লব) উচ্চাকাঙ্ক্ষী মানুষের জন্য পৃথিবী উন্মুক্ত করে দিয়েছিল। তিনি ছিলেন আঠারো শতকের যুক্তিবাদী ও আলোকিত মানুষ, আবার রুশোর শিষ্য হিসেবে ১৯ শতকের রোমান্টিক মানুষও বটে। ফরাসিদের জন্য তিনি ছিলেন তাদের দীর্ঘ ইতিহাসের সফলতম শাসক। তিনি কেবল একটি জিনিস ধ্বংস করেছিলেন: তা হলো জ্যাকোবিন বিপ্লব, অর্থাৎ সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার সেই স্বপ্ন। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * রাজনৈতিক ভূগোলের বিচারে ফরাসি বিপ্লব ইউরোপের মধ্যযুগের অবসান ঘটিয়েছিল। ** অধ্যায় ৪: যুদ্ধ * ১৮০৭ থেকে ১৮১৬ সালের মধ্যে প্রুশিয়ার কৃষকদের মুক্তির ক্ষেত্রে তিনটি কারণ কাজ করেছিল—ফরাসি বিপ্লবের প্রভাব, আমলাদের যৌক্তিক অর্থনৈতিক যুক্তি এবং অভিজাতদের লোভ। ** অধ্যায় ৮: ভূমি * দ্বৈত বিপ্লবের ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক প্রভাবগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গভীর ও স্থায়ী প্রভাবটি হলো ‘উন্নত’ এবং ‘অনুন্নত’ দেশের মধ্যে বিভাজন। ** অধ্যায় ৯: একটি শিল্পোন্নত বিশ্বের দিকে *Escaping (পালানো) বা পরাজয়ের বিকল্প ছিল বিদ্রোহ। শ্রমজীবী দরিদ্র এবং বিশেষ করে শিল্প প্রলেতারিয়েত বা সর্বহারা শ্রেণির অবস্থা এমন ছিল যে, বিদ্রোহ করা তাদের জন্য কেবল সম্ভবই ছিল না, বরং অনেকটা বাধ্যতামূলক ছিল। উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে শ্রম ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের উত্থান ছিল অনিবার্য। ** অধ্যায় ১১: শ্রমজীবী দরিদ্র * ১৮৩১ সালে [[ভিক্টর হুগো|ভিক্টর হুগো]] লিখেছিলেন যে, তিনি মাটির গভীর থেকে বিপ্লবের পূর্ণ শব্দ শুনতে পাচ্ছেন, যা ইউরোপের রাজতন্ত্রের নিচ দিয়ে প্যারিসের কেন্দ্রীয় খনি থেকে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে এগিয়ে চলেছে। ১৮৪৭ সালে সেই শব্দ অনেক কাছে এবং জোরালো হয়ে আসে। ১৮৪৮ সালে সেই বিস্ফোরণটি ঘটে। ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার: ১৮৪৮-এর দিকে === 'ব্যান্ডিটস' (১৯৬৯; ১৯৭২; ১৯৮১) === * মানুষ হয়তো দস্যুদের সাথে দেখা করতে পছন্দ করবে না, বিশেষ করে কোনো অন্ধকার রাতে, তবে তাদের সম্পর্কে পড়ার আগ্রহ বিশ্বজনীন। ** প্যানথিয়ন সংস্করণের প্রস্তাবনা * 'সামাজিক দস্যু' বা সোশ্যাল ব্যান্ডিট হলো এমন কৃষক যারা আইনের চোখে অপরাধী, কিন্তু কৃষক সমাজে তারা বীর, মুক্তিদাতা বা ন্যায়ের জন্য লড়াকু যোদ্ধা হিসেবে গণ্য। সাধারণ কৃষক এবং এই বিদ্রোহীদের মধ্যকার সম্পর্কই সামাজিক দস্যুবৃত্তিকে তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। ** অধ্যায় ১: সামাজিক দস্যুবৃত্তি কী? * দস্যুবৃত্তি হলো মুক্তি, কিন্তু কৃষক সমাজে খুব কম মানুষই মুক্ত হতে পারে। অধিকাংশ মানুষই প্রভুত্ব এবং শ্রমের শিকলে বন্দি। ** অধ্যায় ২: কে দস্যু হয়? === 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল' (১৮৪৮-১৮৭৫) === * সমাজ ব্যবস্থা রক্ষাকারীদের সাধারণ মানুষের রাজনীতি শিখতে হয়েছিল। এটি ছিল ১৮৪৮ সালের বিপ্লবগুলোর মাধ্যমে আসা সবচেয়ে বড় উদ্ভাবন। এমনকি ঘোর প্রতিক্রিয়াশীল প্রুশীয় জুনকাররাও (জমিদার) বুঝতে পেরেছিলেন যে, 'জনমত' প্রভাবিত করার জন্য তাদের একটি সংবাদপত্র প্রয়োজন—যা আসলে একটি উদারপন্থী ধারণা। ** অধ্যায় ১: জনগণের বসন্তকাল (The Springtime of Peoples) * উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে বিশ্ব যেভাবে একে অপরের কাছাকাছি আসছিল, বিংশ শতাব্দীর শেষে এসে আমরা সেই প্রক্রিয়ার সাথে আরও বেশি পরিচিত। তবে বর্তমান সময়ের বিশ্ব অনেক বেশি মাত্রায় প্রমিত বা স্ট্যান্ডার্ডাইজড। ** অধ্যায় ৩: বিশ্ব যখন একীভূত * ১৮৪৮ থেকে ১৮৭৫ সাল পর্যন্ত উদারপন্থার জয়ের এই যুগটি শুরু হয়েছিল একটি ব্যর্থ বিপ্লব দিয়ে এবং শেষ হয়েছিল একটি দীর্ঘস্থায়ী মন্দার মাধ্যমে। ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার === 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' (১৯৮৭) === * যখন ইতিহাসবিদরা এমন একটি সময়কাল বোঝার চেষ্টা করেন যার প্রত্যক্ষদর্শীরা এখনও জীবিত, তখন [[ইতিহাস|ইতিহাসের]] দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারণা একে অপরের মুখোমুখি হয়, অথবা সেরা ক্ষেত্রে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে: তা হলো পাণ্ডিত্যপূর্ণ এবং অস্তিত্বগত ধারণা, অর্থাৎ আর্কাইভ বনাম ব্যক্তিগত স্মৃতি। প্রতিটি মানুষই তার সচেতনভাবে বেঁচে থাকা সময়ের একজন [[ইতিহাসবিদ|ইতিহাসবিদ]], কারণ সে মনে মনে সেই সময়ের সাথে একটি বোঝাপড়া তৈরি করে। '[[w:Oral_history|মৌখিক ইতিহাস]]' বা ওরাল হিস্ট্রি নিয়ে যারা কাজ করেছেন তারা জানেন যে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটি একজন অনির্ভরযোগ্য ইতিহাসবিদের কাজ, তবুও এর অবদান অপরিহার্য। একজন পণ্ডিত যিনি কোনো প্রবীণ সৈনিক বা রাজনীতিবিদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন, তিনি হয়তো ছাপানো কাগজ বা নথিপত্র থেকে সেই ব্যক্তির স্মৃতির চেয়েও অনেক বেশি এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য ইতোমধ্যে সংগ্রহ করে ফেলেছেন, কিন্তু তবুও তিনি বিষয়টি ভুল বুঝতে পারেন। ক্রুসেডের ইতিহাসবিদের মতো না হলেও, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাসবিদকে সেই প্রত্যক্ষদর্শীরা সংশোধন করে দিতে পারেন যারা মাথা নেড়ে বলবেন: ‘আসলে বিষয়টি একদম এমন ছিল না।’ তবুও ইতিহাসের এই দুটি সংস্করণই অতীতের এক একটি সুসংগত নির্মাণ। ** ভূমিকা (Overture) * ১৮৭০-এর দশকের অধিকাংশ পর্যবেক্ষক ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় অনেক বেশি মুগ্ধ ছিলেন। জ্ঞান এবং প্রকৃতিকে বদলে দেওয়ার ক্ষমতার বিচারে পরিবর্তন মানেই যে উন্নতি বা অগ্রগতি, তা এতটাই স্পষ্ট ছিল যে ইতিহাস মানেই প্রগতি বলে মনে হতো। এই প্রগতি পরিমাপ করা হতো যা কিছু পরিমাপযোগ্য তার ক্রমবর্ধমান রেখাচিত্র বা কার্ভ দিয়ে। ক্রমাগত উন্নতি যে ঘটবেই, তা ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা দিয়ে নিশ্চিত বলে মনে করা হতো। এটি বিশ্বাস করাই কঠিন ছিল যে, মাত্র তিন শতাব্দী আগেও বুদ্ধিমান ইউরোপীয়রা প্রাচীন [[রোমান সাম্রাজ্য|রোমানদের]] কৃষি, সামরিক কৌশল এবং এমনকি চিকিৎসাবিদ্যাকে নিজেদের মডেল হিসেবে গণ্য করত। মাত্র দুই শতাব্দী আগেও আধুনিকরা প্রাচীনদের ছাড়িয়ে যেতে পারবে কি না তা নিয়ে গম্ভীর বিতর্ক ছিল এবং আঠারো শতকের শেষেও বিশেষজ্ঞরা ব্রিটেনের জনসংখ্যা বাড়ছে কি না তা নিয়ে সন্দেহ পোষণ করতেন। ** অধ্যায় ১: দ্য সেন্টেনারিয়ান রেভল্যুশন * একটি বিশ্ব অর্থনীতি যার গতি নির্ধারিত হতো উন্নত বা উন্নয়নশীল পুঁজিবাদী কেন্দ্র দ্বারা, সেখানে ‘উন্নত’ দেশগুলো ‘অনগ্রসর’ দেশগুলোর ওপর আধিপত্য বিস্তার করবে—এটাই ছিল স্বাভাবিক; সংক্ষেপে যা সাম্রাজ্যের বিশ্বে পরিণত হয়। তবে কৌতূহলোদ্দীপকভাবে, ১৮৭৫ থেকে ১৯১৪ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কেবল নতুন ধরণের সাম্রাজ্যবাদের বিকাশের জন্যই 'সাম্রাজ্যের যুগ' বলা হয় না, বরং আরও একটি পুরনো কারণেও তা বলা হয়। আধুনিক বিশ্ব ইতিহাসে সম্ভবত এটিই ছিল সেই সময় যখন ‘[[সম্রাট|সম্রাট]]’ উপাধিধারী বা পশ্চিমা কূটনীতিকদের দৃষ্টিতে সম্রাট হওয়ার যোগ্য শাসকের সংখ্যা ছিল সর্বাধিক। ** অধ্যায় ৩: দ্য এজ অফ এম্পায়ার === 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম সিন্স ১৭৮০: প্রোগ্রাম, মিথ, রিয়ালিটি' (১৯৯২) === * জাতি এবং জাতীয়তাবাদের কোনো গম্ভীর ইতিহাসবিদই কট্টর রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদী হতে পারেন না। কারণ জাতীয়তাবাদ এমন অনেক কিছুর ওপর বিশ্বাস দাবি করে যা স্পষ্টতই সত্য নয়। ** 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম সিন্স ১৭৮০' (ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২য় সংস্করণ ২০১২), পৃষ্ঠা ১২। * তা সত্ত্বেও এটি স্পষ্ট—যেমনটি গ্রিক উদাহরণ থেকে দেখা যায়—যেখানে 'প্রাক-জাতীয়তাবাদ' (proto-nationalism) বিদ্যমান ছিল, সেটি জাতীয়তাবাদের কাজকে সহজ করে দিয়েছিল। প্রাক-জাতীয়তাবাদী সম্প্রদায়ের বিদ্যমান প্রতীক এবং আবেগগুলোকে একটি আধুনিক লক্ষ্য বা আধুনিক রাষ্ট্রের পেছনে একত্রিত করা সম্ভব হয়েছিল। তবে এর মানে এই নয় যে এই দুটি বিষয় একই, কিংবা একটি থাকলেই যৌক্তিকভাবে অন্যটি আসবে। কারণ এটি স্পষ্ট যে জাতীয়তা, জাতি বা রাষ্ট্র গঠনের জন্য কেবল প্রাক-জাতীয়তাবাদই যথেষ্ট নয়। ** পৃষ্ঠা ৭৬–৭৭। * তবে গণ-বহিষ্কার এবং এমনকি গণহত্যার মতো ঘটনাগুলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় এবং পরে ইউরোপের দক্ষিণ প্রান্তে দেখা দিতে শুরু করে। ১৯১৫ সালে [[অটোমান সাম্রাজ্য|তুর্কিরা]] যখন [[আর্মেনীয় গণহত্যা|আর্মেনীয়দের ব্যাপক নির্মূল]] শুরু করে এবং ১৯১১ সালের গ্রিক-তুর্কি যুদ্ধের পর এশিয়া মাইনর (যেখানে তারা [[হোমার|হোমারের]] আমল থেকে বসবাস করছিল) থেকে ১৩ থেকে ১৫ লক্ষ [[গ্রিক]] মানুষকে বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে অ্যাডলফ হিটলার, যিনি এই দিক থেকে একজন যৌক্তিক উইলসোনীয় জাতীয়তাবাদী ছিলেন, তিনি পিতৃভূমির বাইরে বসবাসকারী জার্মানদের (যেমন ইতালীয় দক্ষিণ টাইরোলের বাসিন্দা) জার্মানিতে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করেন এবং পাশাপাশি ইহুদিদের স্থায়ীভাবে নির্মূল করার পরিকল্পনা করেন। ** পৃষ্ঠা ১৩৩। === 'দ্য এজ অফ এক্সট্রিমস' (১৯৯২) === * আমার লক্ষ্য হলো এটি বোঝা এবং ব্যাখ্যা করা যে কেন ঘটনাগুলো এভাবে ঘটল এবং তারা একে অপরের সাথে কীভাবে যুক্ত। আমার সমবয়সী যারা এই ‘সংক্ষিপ্ত বিংশ শতাব্দী’র প্রায় পুরোটা সময় বেঁচে ছিলেন, তাদের জন্য এটি অনিবার্যভাবে একটি আত্মজীবনীমূলক প্রচেষ্টাও বটে। আমরা এখানে নিজেদের স্মৃতিগুলোকেই আরও জোরালো করছি এবং প্রয়োজনে সংশোধন করছি। ** ভূমিকা * বর্তমান অভিজ্ঞতার সাথে পূর্ববর্তী প্রজন্মের যে সামাজিক বন্ধন বা যোগসূত্র, তা ধ্বংস হয়ে যাওয়া বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকের অন্যতম অদ্ভুত এবং ভীতিজনক ঘটনা। ** ভূমিকা, 'দ্য সেঞ্চুরি: আ বার্ডস আই ভিউ' * ১৯৮০-এর দশকের শেষে যে বিশ্বটি ভেঙে পড়েছিল, সেটি ছিল মূলত ১৯১৭ সালের [[রুশ বিপ্লব|রুশ বিপ্লবের]] প্রভাবে গড়ে ওঠা একটি বিশ্ব। * অত্যন্ত সহজভাবে বললে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কে বা কিসের কারণে হয়েছিল—এই প্রশ্নের উত্তর দুটি শব্দে দেওয়া সম্ভব: [[অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * পুঁজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থার জন্য মানুষ খুব একটা দক্ষভাবে তৈরি হয়নি। ** পৃষ্ঠা ৪১৪ * ক্ষমতায় থাকা কমিউনিজমের কূটাভাস বা প্যারাডক্স ছিল এই যে, এটি ছিল রক্ষণশীল। ** পৃষ্ঠা ৪২২ * কেন প্রতিভাবান ফ্যাশন ডিজাইনাররা (যারা বিশ্লেষণাত্মক হিসেবে পরিচিত নন) মাঝেমধ্যে পেশাদার ভবিষ্যদ্বাণীকারীদের চেয়েও আগাম পরিস্থিতি ভালোভাবে আঁচ করতে পারেন—তা ইতিহাসের অন্যতম রহস্যময় প্রশ্ন এবং সংস্কৃতি বিশ্লেষকদের জন্য একটি কেন্দ্রীয় বিষয়। ** অধ্যায় ৬: শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকের সাংস্কৃতিক বিপ্লবকে সমাজ বা সমষ্টির ওপর ব্যক্তির জয় হিসেবে দেখা যেতে পারে। অন্যভাবে বললে, এটি হলো সেই সামাজিক বন্ধনগুলো ছিঁড়ে ফেলা যা অতীতে মানুষকে একসূত্রে গেঁথে রাখত। অতীতে অধিকার, কর্তব্য, পাপ-পুণ্য এবং বিবেকের যে নৈতিক ভাষা ছিল, তা এখন কেবল ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষার ভাষায় রূপান্তরিত হয়েছে। মনে হচ্ছে যেন কম্পাসের কাঁটা তার উত্তর দিক হারিয়েছে এবং মানচিত্রগুলো অকেজো হয়ে পড়েছে। ** অধ্যায় ১১: সাংস্কৃতিক বিপ্লব, পৃষ্ঠা ৩২০-৩৩৯ * অক্টোবর বিপ্লবের ট্র্যাজেডি ছিল এটাই যে, এটি কেবল নির্মম, নিষ্ঠুর এবং আদেশভিত্তিক সমাজতন্ত্রই তৈরি করতে পেরেছিল। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আমি যখন পেছনের কথা ভাবি, তখন বারবার নিজেকে জিজ্ঞেস করি: পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সেই নির্বিচার এবং নির্মমভাবে এগিয়ে যাওয়ার কি কোনো বিকল্প ছিল? আমি যদি বলতে পারতাম যে বিকল্প ছিল, তবে খুশি হতাম; কিন্তু আমি তা পারছি না। আমি এর কোনো উত্তর খুঁজে পাই না। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আদর্শ হিসেবে কমিউনিজম নারীর মুক্তি ও সমঅধিকারের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ ছিল। যদিও [[ভ্লাদিমির লেনিন|লেনিন]] নিজে অবাধ যৌনতাকে অপছন্দ করতেন। এমনকি লেনিন ও ক্রুপস্কায়া সেই বিরল বিপ্লবীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা ঘরের কাজে নারী-পুরুষের অংশীদারিত্বের পক্ষে ছিলেন। তা সত্ত্বেও, নতুন কমিউনিস্ট শাসিত রাষ্ট্রগুলোতে উচ্চ রাজনৈতিক পদে নারীদের উপস্থিতি ছিল খুবই নগণ্য। সোভিয়েত ইউনিয়নে যখন চিকিৎসার মতো কোনো পেশা নারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হলো, তখন সেই পেশার মর্যাদা এবং আয় দুই-ই কমে গেল। পশ্চিমা নারীবাদীদের তুলনায় অধিকাংশ বিবাহিত সোভিয়েত নারী ঘরে থাকাকেই বিলাসিতা মনে করতেন। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আমাদের শতাব্দীর সবচেয়ে বড় নিষ্ঠুরতাগুলো ছিল দূর থেকে নেওয়া সিদ্ধান্তের নির্মমতা, যা 'পদ্ধতি' বা 'রুটিন'-এর নামে চলত; বিশেষ করে যখন সেগুলোকে 'কৌশলগত প্রয়োজন' বলে চালিয়ে দেওয়া হতো। * সুররিয়ালিজম বা [[পরাবাস্তববাদ|পরাবাস্তববাদ]] ছিল আধুনিক শিল্পকলার জগতে এক প্রকৃত সংযোজন। এর অভিনবত্ব ছিল মানুষকে ধাক্কা দেওয়ার বা হতবাক করার ক্ষমতার মধ্যে। এমনকি পুরনো শিল্পীদের মাঝেও এটি বিভ্রান্তি বা অস্বস্তিকর হাসির জন্ম দিত। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * রেডিওর মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছিল [[সংগীত|সংগীত]], কারণ এটি শব্দের যান্ত্রিক বা কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করে দিয়েছিল। ১৯১৪ সালের আগেই গ্রামোফোনের মাধ্যমে সংগীত যান্ত্রিক উৎপাদনের যুগে প্রবেশ করেছিল, যদিও তখন এটি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ছিল। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * এটি আধুনিকতাবাদী শিল্পীদের জন্য একটি ট্র্যাজেডি ছিল যে, তাদের নিজেদের রাজনৈতিক দল বা নেতারা তাদের প্রত্যাখ্যান করেছিল। ডানপন্থী হোক বা বামপন্থী—নতুন স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠী স্থাপত্যের ক্ষেত্রে বিশাল স্মৃতিস্তম্ভ, পেইন্টিং ও ভাস্কর্যের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণাদায়ী উপস্থাপনা এবং নাটকের ক্ষেত্রে ধ্রুপদী প্রদর্শনীকেই বেশি পছন্দ করত। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ === 'অন হিস্ট্রি' (১৯৯৭) === * ইতিহাসকে মিথ বা অলীক কল্পনা দিয়ে প্রতিস্থাপন করার চেষ্টাগুলো কেবল বুদ্ধিবৃত্তিক কৌতুক নয়। এগুলো এমনকি স্কুলের পাঠ্যবই কেমন হবে তাও নির্ধারণ করে দেয়। জাপানি কর্তৃপক্ষ যেমনটি করেছিল; তারা জাপানি ক্লাসরুমের জন্য [[w:Second_SIno-Japanese_War|চীনে জাপানি যুদ্ধের]] একটি পরিমার্জিত বা সেন্সরড সংস্করণ ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছিল। পরিচয় ভিত্তিক রাজনীতির জন্য মিথ এবং উদ্ভাবন অপরিহার্য। বর্তমানের অনিশ্চিত বিশ্বে বিভিন্ন গোষ্ঠী ধর্ম, জাতি বা সীমানা দিয়ে নিজেদের সংজ্ঞায়িত করে এবং 'আমরা অন্যদের চেয়ে আলাদা এবং শ্রেষ্ঠ'—এটি বলার মাধ্যমে এক ধরনের নিশ্চয়তা খোঁজার চেষ্টা করে। ** অধ্যায় ১: ইতিহাসের বাইরে ও ভেতরে * অতীত হলো মানুষের [[চেতনা|চেতনার]] একটি স্থায়ী মাত্রা এবং সামাজিক [[প্রতিষ্ঠান]], [[মূল্যবোধ|মূল্যবোধ]] ও অন্যান্য কাঠামোর এক অনিবার্য উপাদান। ইতিহাসবিদদের কাজ হলো সমাজে এই 'অতীত সচেতনতার' প্রকৃতি বিশ্লেষণ করা এবং এর পরিবর্তন ও রূপান্তরগুলো চিহ্নিত করা। ** অধ্যায় ২: অতীতের ধারণা * উত্তরের চেয়ে প্রশ্ন তৈরি করা অনেক সহজ। তবুও যেসব অভিজ্ঞতাকে আমরা খুব সাধারণ বলে ধরে নিই, সেগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলা একেবারেই মূল্যহীন কাজ নয়। আমরা মাছের মতো অতীতের মধ্যেই সাঁতার কাটি এবং এটি থেকে বের হতে পারি না। কিন্তু এই মাধ্যমে আমাদের বেঁচে থাকা এবং চলাচলের ধরণগুলো বিশ্লেষণ ও আলোচনা করা প্রয়োজন। আমার লক্ষ্য ছিল এই উভয় বিষয়কেই উদ্দীপিত করা। ** অধ্যায় ২: অতীতের ধারণা * অতীতের সাপেক্ষে আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি এবং অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের মধ্যকার সম্পর্ক কেমন—তা কেবল আগ্রহের বিষয় নয়, বরং অপরিহার্য। আমরা নিজেদের জীবন, পরিবার বা গোষ্ঠীর ধারাবাহিকতার বাইরে নিজেদের কল্পনা করতে পারি না। আমরা অতীত ও বর্তমানের তুলনা না করে পারি না; পারিবারিক ফটোর অ্যালবাম বা ভিডিওগুলো তো এজন্যই থাকে। অভিজ্ঞতা মানেই হলো অতীত থেকে শেখা। আমরা হয়তো ভুল কিছু শিখতে পারি এবং প্রায়ই তা করি; কিন্তু আমরা যদি প্রাসঙ্গিক অতীত থেকে শিখতে না পারি বা শিখতে অস্বীকার করি, তবে চরম ক্ষেত্রে আমরা মানসিকভাবে অস্বাভাবিক হিসেবে গণ্য হবো। ** অধ্যায় ৩: সমকালীন সমাজ সম্পর্কে ইতিহাস আমাদের কী বলতে পারে? * অনুপ্রেরণা বা আদর্শ হিসেবে ইতিহাসের মাঝে নিজেকে সঠিক প্রমাণ করার জন্য ‘মিথ’ তৈরির একটি সহজাত প্রবণতা থাকে। আধুনিক জাতি ও জাতীয়তাবাদের ইতিহাস যেমনটি দেখিয়েছে, এর চেয়ে ভয়ংকর অন্ধত্ব আর কিছুই হতে পারে না। ** অধ্যায় ৩: সমকালীন সমাজ সম্পর্কে ইতিহাস আমাদের কী বলতে পারে? * আমি বিষয়টি একটি কূটাভাস বা প্যারাডক্সের মাধ্যমে বলি। পুঁজিবাদ এবং বুর্জোয়া সমাজ যে একটি অস্থায়ী ঐতিহাসিক ঘটনা—মার্ক্সের এই প্রমাণটি পছন্দ করি না বলে তাকে প্রত্যাখ্যান করা যেমন ঠিক নয়, তেমনই আমরা সমাজতন্ত্র চাই বলেই তাকে অন্ধভাবে গ্রহণ করাও অনুচিত। আমি বিশ্বাস করি মার্ক্স গভীর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে কিছু মৌলিক প্রবণতা বুঝতে পেরেছিলেন; কিন্তু সেগুলো আসলে কী বয়ে আনবে তা আমরা জানি না। ভবিষ্যৎ অনেক সময় অচেনা হয়ে দেখা দেয়; তা ভবিষ্যৎবাণী ভুল হওয়ার জন্য নয়, বরং আমরা হয়তো আগন্তুককে ভুল পোশাকে কল্পনা করেছিলাম বলে। ** অধ্যায় ৪: সামনের দিকে তাকানো: ইতিহাস এবং ভবিষ্যৎ * উপসংহারে বলা যায়, এই শতাব্দীতে ইতিহাস তার পথে হোঁচট খেতে খেতে হলেও প্রকৃত উন্নতি করেছে। এটি এমন একটি বিষয় যা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে যাচাইযোগ্য এবং এর মাধ্যমে মানব সমাজের জটিল ও বিবর্তনশীল বিকাশকে আরও ভালোভাবে বোঝা সম্ভব। আমি জানি অনেকে এটি অস্বীকার করেন। ** অধ্যায় ৫: ইতিহাস কি উন্নতি করেছে? * ইতিহাসের বিষয়বস্তু অতীত হওয়ায় এটি কোনো ‘ফলিত বিদ্যা’ বা অ্যাপ্লাইড ডিসিপ্লিন হওয়ার অবস্থানে নেই। কারণ যা ঘটে গেছে তা পরিবর্তন করার কোনো উপায় এখনও আবিষ্কৃত হয়নি। বড়জোর আমরা কাল্পনিক বিকল্প পরিস্থিতির কথা ভাবতে পারি। অবশ্যই অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ একই অবিচ্ছিন্ন ধারার অংশ। তাই ইতিহাসবিদদের বক্তব্য ভবিষ্যতের জন্য পূর্বাভাস বা সুপারিশ হিসেবে কাজ করতে পারে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * আমার যুক্তি হলো, ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন হলে [[অর্থনীতি]] একটি হালবিহীন জাহাজের মতো হয়ে পড়ে এবং অর্থনীতিবিদরা বুঝতে পারেন না তারা কোন দিকে যাচ্ছেন। আমি বলছি না যে কেবল কিছু চার্ট বা বাস্তব অভিজ্ঞতার দিকে তাকালেই সব সমস্যার সমাধান হবে। সমস্যা হলো, মূলধারার অর্থনীতিবিদদের তত্ত্ব এবং পদ্ধতি তাদের এটা বুঝতে সাহায্য করে না যে আসলে কোন দিকে তাকাতে হবে এবং কী খুঁজতে হবে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * অর্থনীতিকে যদি ইতিহাসের শিকার হয়ে থাকতে না হয়, তবে তাকে অবশ্যই ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করতে হবে। গতকালের ঘটনাগুলো আজ দৃশ্যমান হওয়ার পর তা নিয়ে কাজ করার পুরনো অভ্যেস ত্যাগ করতে হবে। এটি কেবল আগামীকালের সমস্যা নিয়ে ভাবতেই সাহায্য করবে না, বরং আগামীকালের অর্থনৈতিক তত্ত্ব গঠন করতেও ভূমিকা রাখবে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * কৃষি পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক বিষয়ের সাথে অ-অর্থনৈতিক বিষয়গুলোকে (যেমন সামাজিক ও রাজনৈতিক কারণ) আলাদা করা সম্ভব নয়—অন্তত স্বল্প মেয়াদে তো নয়ই। এগুলোকে আলাদা করা মানে অর্থনীতির গতিশীল বিশ্লেষণকে বিসর্জন দেওয়া। ** অধ্যায় ৮: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ২ * সংক্ষিপ্তভাবে, বৈজ্ঞানিক আলোচনার ক্ষেত্রে প্রতিটি বক্তব্য অবশ্যই এমন পদ্ধতি ও মানদণ্ড দ্বারা যাচাইযোগ্য হতে হবে যা কোনো দলীয় বা আদর্শগত পক্ষপাত দ্বারা প্রভাবিত নয়। যেসব বক্তব্য এভাবে যাচাই করা যায় না, সেগুলো গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে কিন্তু তা অন্য কোনো আলোচনার বিষয়। ** অধ্যায় ৯: পক্ষপাতিত্ব * ইতিহাসের মৌলিক প্রশ্নটি হলো বিভিন্ন মানব গোষ্ঠীর মধ্যকার পার্থক্য এবং এক সমাজ থেকে অন্য সমাজে রূপান্তরের প্রক্রিয়াটি খুঁজে বের করা। প্রকৃতির ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ অর্জনের মতো কিছু বিষয়ে এটি অবশ্যই একটি একমুখী অগ্রগতি বা প্রগতিকে নির্দেশ করে। যতক্ষণ আমরা সামাজিক বিকাশকে জৈবিক বিবর্তনের সাথে গুলিয়ে না ফেলছি, ততক্ষণ একে 'বিবর্তন' বা এভোলিউশন বলতে কোনো বাধা নেই। ** অধ্যায় ১০: ইতিহাসবিদরা কার্ল মার্ক্সের কাছে কী ঋণী? * উৎপাদন পদ্ধতির বিশ্লেষণ অবশ্যই প্রযুক্তির সংগঠন এবং অর্থনীতির ওপর ভিত্তি করে হতে হবে। মার্ক্স বলেছিলেন যে [[রাজনৈতিক অর্থনীতি]] হলো [[সুশীল সমাজ|নাগরিক সমাজের]] ব্যবচ্ছেদ বা এনাটমি। একটি উৎপাদন পদ্ধতি থেকে অন্য পদ্ধতিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াটিকে অনেক সময় সরলরৈখিকভাবে দেখা হয়, যা অনেক সময় জটিলতা এবং বিতর্কের সৃষ্টি করে। ** অধ্যায় ১১: মার্ক্স এবং ইতিহাস * আমি মনে করি না যে ইতিহাসবিদদের ফ্রয়েডের কাছ থেকে খুব বেশি কিছু শেখার আছে। ফ্রয়েড যখনই ইতিহাস নিয়ে কিছু লিখেছেন, তিনি একজন খারাপ ইতিহাসবিদের পরিচয় দিয়েছেন। মানসিকতার (Mentalities) সমস্যা কেবল মানুষ কতটা আলাদা তা খুঁজে বের করা নয়, বরং তাদের আচরণ, চিন্তা এবং অনুভূতির মধ্যে একটি যৌক্তিক সংযোগ খুঁজে বের করা। আমাদের দেখতে হবে কেন মানুষ বিখ্যাত ডাকাতদের অদৃশ্য বা অপরাজেয় মনে করে, যদিও বাস্তবে তা সত্য নয়। এই বিশ্বাসগুলোকে কেবল আবেগ হিসেবে না দেখে সমাজ সম্পর্কে তাদের একটি সুসংগত বিশ্বাস হিসেবে দেখা উচিত। ** অধ্যায় ১৩: ব্রিটিশ ইতিহাস এবং 'অ্যানালস': একটি টীকা * তৃণমূল পর্যায়ের বা 'নিচ থেকে ইতিহাস' (Grassroots history) চর্চাকারীরা সাধারণ মানুষকে নিয়ে কাজ করেন। তারা জানেন যে তাদের অনেক কিছু জানা নেই এবং এই বিনয়ই তাদের বড় শক্তি। তারা জানেন যে সাধারণ মানুষ যা চেয়েছিল বা তাদের যা প্রয়োজন ছিল, তা সবসময় প্রভাবশালী বা শিক্ষিত সমাজ যা ভেবেছিল তার সাথে মেলে না। যারা এখন সমাজ পরিচালনা করছেন বা যারা সমাজ বদলাতে চান, তাদের সবারই উচিত ইতিহাসবিদদের কথা শোনা। ** অধ্যায় ১৬: নিচ থেকে ইতিহাস * এক সহস্রাব্দ ধরে 'ইউরোপ' ছিল রক্ষণাত্মক। পরবর্তী অর্ধ সহস্রাব্দে এটি বিশ্ব জয় করেছে। এই উভয় পর্যবেক্ষণই বিশ্ব ইতিহাস থেকে ইউরোপের ইতিহাসকে আলাদা করা অসম্ভব করে তুলেছে। বৈচিত্র্য এবং উপাদানগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়াই ইউরোপের অস্তিত্বের মূলে। ** অধ্যায় ১৭: ইউরোপের অদ্ভুত ইতিহাস * আমার জীবনের বেশিরভাগ সময় এমন একটি আশার পেছনে ব্যয় হয়েছে যা শেষ পর্যন্ত হতাশ করেছে এবং এমন একটি আদর্শের পেছনে যা ব্যর্থ হয়েছে: তা হলো অক্টোবর বিপ্লব থেকে শুরু হওয়া কমিউনিজম। কিন্তু পরাজয়ের মতো ইতিহাসবিদের মনকে আর কিছুই তীক্ষ্ণ করতে পারে না। ** অধ্যায় ১৮: ইতিহাস হিসেবে বর্তমান * [[রুশ বিপ্লব|রুশ বিপ্লবের]] দুটি একে অপরের সাথে জড়িয়ে থাকা ইতিহাস আছে: রাশিয়ার ওপর এর প্রভাব এবং বিশ্বের ওপর এর প্রভাব। দ্বিতীয়টি না থাকলে খুব কম মানুষই এটি নিয়ে আগ্রহী হতো। যেমন আমেরিকার বাইরে [[আমেরিকান গৃহযুদ্ধ|আমেরিকার গৃহযুদ্ধ]] নিয়ে খুব কম মানুষই জানে। রুশ বিপ্লব রাশিয়াকে তার আন্তর্জাতিক শক্তি ও সম্মানের শীর্ষে নিয়ে গিয়েছিল—যা জারদের আমলেও সম্ভব হয়নি। [[জোসেফ স্টালিন|স্টালিন]] রুশ ইতিহাসে পিটার দ্য গ্রেটের মতোই স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। এটি একটি অনগ্রসর দেশকে আধুনিক করেছে, কিন্তু এর মানবিক মূল্য ছিল অনেক বেশি। এর অর্থনীতি ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনায় অনেক রুশ নাগরিকের কাছে পুরনো [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত]] আমল এখনও অনেক ভালো মনে হয়। এর ঐতিহাসিক ফলাফল এখনই চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা সম্ভব নয়। ** অধ্যায় ১৯: আমরা কি রুশ বিপ্লবের ইতিহাস লিখতে পারি? * আমরা অমানবিকতায় অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আমরা অসহনীয় বিষয়কেও সহ্য করতে শিখেছি। বিশ্বযুদ্ধ এবং শীতল যুদ্ধ আমাদের বর্বরতাকে মেনে নিতে বাধ্য করেছে। এমনকি আমরা বর্বরতাকে অর্থ উপার্জনের মতো বিষয়গুলোর চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ মনে করতে শুরু করেছি। ** অধ্যায় ২০: বর্বরতা: একটি ব্যবহারকারী নির্দেশিকা * পরিচয় ভিত্তিক ইতিহাস বা আইডেন্টিটি হিস্ট্রিই যথেষ্ট নয়। আবেগ বা ব্যক্তিগত স্বার্থ আমাদের ভুল পথে চালিত করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, প্রতিটি ইহুদি প্রাকৃতিকভাবেই নিজেকে জিজ্ঞেস করে—'এটি কি ইহুদিদের জন্য ভালো নাকি খারাপ?' নিপীড়নের সময়ে এটি ব্যক্তিগত আচরণের জন্য সহায়ক হতে পারে। কিন্তু একজন ইহুদি ইতিহাসবিদকে এটি পথ দেখাতে পারে না। ইতিহাসবিদকে অবশ্যই [[সার্বজনীনতাবাদ|সার্বজনীন হতে হবে]]। কেবল ইহুদিদের জন্য (বা [[আফ্রিকান আমেরিকান|আফ্রিকান-আমেরিকান]], [[গ্রিক]], [[নারী]] বা [[সমকামিতা|সমকামী]]) লেখা ইতিহাস কখনও ভালো ইতিহাস হতে পারে না, যদিও তা সংশ্লিষ্টদের কাছে স্বস্তিদায়ক হতে পারে। ** অধ্যায় ২১: আইডেন্টিটি হিস্ট্রিই যথেষ্ট নয় === 'হাউ টু চেঞ্জ দ্য ওয়ার্ল্ড: রিফ্লেকশনস অন মার্ক্স অ্যান্ড মার্ক্সিজম' (২০১১) === * 'মাউন্ট অফ সারমন'-এ বর্ণিত যিশু খ্রিস্টকে ‘প্রথম সমাজতান্ত্রিক’ বা কমিউনিস্ট হিসেবে দেখা খুবই সহজ। যদিও প্রথমদিকের সমাজতান্ত্রিক তাত্ত্বিকদের অধিকাংশ খ্রিস্টান ছিলেন না, তবুও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের পরবর্তীকালের অনেক সদস্য এই ভাবনাটিকে বেশ কার্যকর মনে করেছেন। * 'কমিউনিস্ট' শব্দটি সবসময় একটি নির্দিষ্ট কর্মসূচিকে নির্দেশ করলেও, 'সমাজতান্ত্রিক' শব্দটি ছিল মূলত বিশ্লেষণাত্মক এবং সমালোচনামূলক। * মার্ক্সের ধারণাগুলো ইউরোপের বেশিরভাগ শ্রমিক ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের অনুপ্রেরণাদায়ী তত্ত্বে পরিণত হয়েছিল। মূলত লেনিন এবং রুশ বিপ্লবের মাধ্যমে এই আদর্শ বিংশ শতাব্দীর সামাজিক বিপ্লবের একটি বিশ্বজনীন তত্ত্বে রূপ নেয়, যা চীন থেকে শুরু করে [[পেরু|পেরু]] পর্যন্ত সর্বত্র সমাদৃত হয়। এই তত্ত্বগুলোতে বিশ্বাসী দলগুলোর জয়ের মাধ্যমে এর বিভিন্ন সংস্করণ এমন সব রাষ্ট্রের দাপ্তরিক আদর্শে পরিণত হয়, যেখানে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ বসবাস করত। এছাড়া বিশ্বের বাকি অংশেও বিভিন্ন আকারের রাজনৈতিক আন্দোলনের ওপর এর ব্যাপক প্রভাব ছিল। অতীতের মহান ধর্মগুলোর প্রবর্তক ছাড়া আর কোনো একক চিন্তাবিদ এমন মর্যাদা পাননি। সম্ভবত [[মুহাম্মদ|মুহাম্মদ]] (সা.) ছাড়া অন্য কেউ এত দ্রুত এবং এত বড় পরিসরে সাফল্য অর্জন করতে পারেননি। এই বিচারে কোনো ইহজাগতিক চিন্তাবিদের নাম তাঁর (মার্ক্স) পাশে রাখা সম্ভব নয়। ** অধ্যায় ১৪, 'ইনফ্লুয়েন্স অফ মার্ক্সিজম ১৯৪৫-৮৩' == হবসবম সম্পর্কে উদ্ধৃতি == * 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-এর পরিপূরক হিসেবে উপস্থাপিত এই ব্যক্তিগত প্রতিকৃতিটি (ইন্টারেস্টিং টাইমস) হবসবমের বিংশ শতাব্দীর দৃষ্টিভঙ্গি এবং আধুনিকতার সামগ্রিক বর্ণনায় নতুন কী আলোকপাত করে? সামগ্রিক বিচারে, 'দ্য এজ অফ রেভোলিউশন', 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল', 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' এবং 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-কে একটি একক উদ্যোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে—এমন এক চতুষ্টয় (tetralogy) যার সমসাময়িক বিশ্ব গঠনের সুশৃঙ্খল বিবরণ হিসেবে অন্য কোনো তুলনা নেই। এই সবকটি গ্রন্থেই কিছু বিরল গুণের সংমিশ্রণ ঘটেছে: সংক্ষেপণের পরিমিতিবোধ; খুঁটিনাটি বর্ণনার সজীবতা; বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট সত্ত্বেও আঞ্চলিক পার্থক্যের তীব্র চেতনা; ফসল, শেয়ার বাজার, জাতি-শ্রেণি, রাষ্ট্রনায়ক-কৃষক এবং বিজ্ঞান-কলা—সব বিষয়েই অগাধ পাণ্ডিত্য ও সাবলীলতা; বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর প্রতি গভীর সহানুভূতি; বিশ্লেষণাত্মক বর্ণনার শক্তি; এবং সর্বোপরি অত্যন্ত স্বচ্ছ ও তেজোদীপ্ত একটি লিখনশৈলী। ** [[পেরি অ্যান্ডারসন]], "দ্য ভ্যানকুইশড লেফট: এরিক হবসবম", 'স্পেকট্রাম: ফ্রম রাইট টু লেফট ইন দ্য ওয়ার্ল্ড অফ আইডিয়াস' (২০০৫)-এ প্রকাশিত। * ইউরোপীয় তুলনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিতে, জাতীয় পতাকা বহনকারী এই শ্রমিকদের অদ্ভুত মনে হয় এবং তাদের গুরুত্ব খুব কমই বোঝা যায়। এমনকি মধ্য ইউরোপের প্রখ্যাত লেখক—যেমন [[আর্নেস্ট গেলনার|আর্নেস্ট গেলনার]] বা এরিক হবসবম—এই অঞ্চলের জাতীয়তাবাদের স্বাতন্ত্র্যকে একটি বৈশ্বিক সংজ্ঞায় খাপ খাওয়াতে গিয়ে এর আসল বৈশিষ্ট্যগুলোই ছেঁটে ফেলেছেন। হবসবমের ধারণা ছিল যে এটি পৃথিবীর প্রতিটি কোণেই প্রযোজ্য হবে, কিন্তু আমরা এই বইয়ে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের কাছে এই শব্দের অর্থ কী ছিল তা বোঝার চেষ্টা করেছি। সেই অঞ্চলে গেলনারের 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম' বইয়ের বৈশ্বিক মাপকাঠিগুলো হয় অপ্রাসঙ্গিক নয়তো গৌণ: যেমন [[জন স্টুয়ার্ট মিল|জন স্টুয়ার্ট মিলের]] ধারণা যে একটি জাতীয় রাষ্ট্রকে "সাশ্রয়ী" হতে হবে, বা জাতীয়তাবাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট আয়তন প্রয়োজন। চেক বা স্লোভেনীয়রা এই সব মাপকাঠি সম্পর্কে কিছুই জানত না এবং তারা এগুলো ছাড়াই তাদের ইতিহাস তৈরি করেছে। হবসবমের এই ধারণা যে ভাষা এবং ইতিহাস কোনো নির্ণায়ক মানদণ্ড নয়, তা পূর্ব-মধ্য ইউরোপের যে কারোর কাছে অর্থহীন মনে হতো—যদিও এটি মহাকাশ থেকে কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা জাতীয়তাবাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। ** জন কনেলি, 'ফ্রম পিপলস টু নেশনস: আ হিস্ট্রি অফ ইস্টার্ন ইউরোপ' (২০২০), পৃষ্ঠা ৭৯৬-৭৯৭। * এরিক হবসবম হয়তো অভিযোগ করতে পারেন যে আমি অন্যায় করছি এবং আমি আসলে অন্যরকম একটি বই আশা করেছিলাম। তিনি বলতে পারেন যে আমি এমন একটি বই চাই যা চিরস্থায়ী হবে এবং ভবিষ্যৎ শতাব্দীর ইতিহাসবিদদের আগ্রহের খোরাক হবে। আর তিনি ঠিকই বলেছেন, আমি আসলেই তা চাই। বিপরীতে, তিনি বলতে পারেন যে তাঁর বইটি "বিংশ শতাব্দীর একজন লেখকের দ্বারা বিংশ শতাব্দীর শেষের পাঠকদের জন্য লেখা", যাদের কাছে 'পুঁজিবাদ' এবং 'সমাজতন্ত্রের' সংঘাত, সামাজিক বিপ্লব, [[স্নায়ুযুদ্ধ]], এবং 'প্রকৃত সমাজতন্ত্রের' সীমাবদ্ধতা ও পতন নিয়ে আলোচনা করা সার্থক। তিনি মূলত সেই পাঠকদের জন্য লিখছেন যারা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের মূল থিম হিসেবে বিশ্ব কমিউনিজমের ট্র্যাজিক ও বীরত্বগাথাকে বিবেচনা করেন। কিন্তু বিশ্ব কমিউনিজমের এই যাত্রা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একমাত্র বা মূল থিম নয়। হবসবম আসলে কাদের জন্য তাঁর বইটি লিখছেন? বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের কোন অংশটুকু পাঠকদের জানা প্রয়োজন, তার জন্য কি আমরা 'এজ অফ এক্সট্রিমস' বইটির সুপারিশ করতে পারি? ** [[জে. ব্র্যাডফোর্ড ডিলং]], "লো মার্ক্স: আ রিভিউ অফ এরিক হবসবমস 'এজ অফ এক্সট্রিমস'" (১৯৯৫)। * [[১৯৬৮]] সালে আমি সেই মনোযোগী ও শ্রদ্ধাশীল ছাত্র শ্রোতাদের একজন ছিলাম, যাদের সামনে এরিক হবসবম ছাত্র র‍্যাডিক্যালিজমের সীমাবদ্ধতা নিয়ে কথা বলছিলেন। তাঁর উপসংহারটি আমার খুব মনে আছে, কারণ এটি তৎকালীন মেজাজের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। তিনি আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে, মাঝেমধ্যে পৃথিবী পরিবর্তন করা নয় বরং এটিকে ব্যাখ্যা করাই মুখ্য উদ্দেশ্য। কিন্তু বিশ্বকে ব্যাখ্যা করার জন্য এটি কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে সে সম্পর্কেও একটি সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন। তাঁর শেষ বইটি আমাদের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া এই বিশ্বের একটি চমত্কার, মেধাবী এবং সর্বদা বুদ্ধিদীপ্ত বিবরণ। এটি যদি তাঁর সেরা কাজগুলোর সমপর্যায়ের না-ও হয়, তবুও মনে রাখা উচিত যে তিনি নিজেই মেধার মানদণ্ড অনেক উঁচুতে সেট করেছেন। তবে বিশ্বে এক বা দুটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে—যেমন কমিউনিজমের মৃত্যু বা ইতিহাসের ওপর আস্থা হারানো—যা লেখককে খুব একটা খুশি করতে পারেনি। এটি দুঃখজনক, কারণ তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গি বইটির বিবরণকে এমনভাবে প্রভাবিত করেছে যা হয়তো নতুন পাঠকদের শিখতে নিরুৎসাহিত করবে। আমি বিংশ শতাব্দীর বর্ণনায় তাঁর সেই তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণ মিস করেছি যা তাঁকে উনবিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একজন অপরিহার্য পথপ্রদর্শক করে তুলেছিল। হবসবম আমাদের মনে করিয়ে দেন যে ইতিহাসবিদরা হলেন "সেই পেশাদার স্মৃতিকার যারা সাধারণ মানুষ যা ভুলে যেতে চায় তা মনে করিয়ে দেন।" এটি একটি অত্যন্ত কঠিন ও আপসহীন দায়িত্ব। ** [[টনি জাট]], "ডাউনহিল অল দ্য ওয়ে", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২৫ মে, ১৯৯৫)। * হবসবম তাঁর স্মৃতিকথা একটি উদ্দীপনামূলক বার্তার মাধ্যমে শেষ করেছেন: “এই সন্তোষজনক নয় এমন সময়েও আমাদের নিরস্ত্র হওয়া চলবে না। সামাজিক অবিচারের বিরুদ্ধে সবসময় প্রতিবাদ ও লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। পৃথিবী নিজে নিজে ভালো হবে না।” তিনি সব দিক থেকেই ঠিক। কিন্তু নতুন শতাব্দীতে ভালো কিছু করতে হলে আমাদের পুরনো শতাব্দীর সত্যগুলো বলতে হবে। হবসবম শয়তান বা অশুভ শক্তির মুখোমুখি হতে এবং একে তার আসল নামে ডাকতে অস্বীকার করেছেন; তিনি কখনও স্তালিন এবং তাঁর কর্মকাণ্ডের রাজনৈতিক ও নৈতিক উত্তরাধিকারকে গভীরভাবে বিচার করেননি। তিনি যদি গুরুত্বের সাথে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে কোনো আমূল পরিবর্তনের মশাল হস্তান্তর করতে চান, তবে এটি সঠিক পথ নয়। ** [[টনি জাট]], "দ্য লাস্ট রোমান্টিক", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২০ নভেম্বর, ২০০৩)। * হবসবম যেমনটি তাঁর 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' বইতে বলেছিলেন, তিনি মূলত একটি ‘যুক্তির উন্মোচন’ লিখছিলেন। সেই যুক্তির মূল কথা হলো—ঐতিহাসিক গুরুত্বের ক্ষেত্রে সংস্কৃতির চেয়ে অর্থনীতি, নারীর চেয়ে পুরুষ এবং বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে পশ্চিমের গুরুত্ব বেশি। তাঁর বর্ণনায় অনেক কিছু বাদ পড়াটা কোনো ভুল ছিল না বরং এটি ছিল তাঁর চিন্তাধারারই অংশ। অন্যভাবে বলতে গেলে, হবসবমকে নতুনভাবে মূল্যায়ন করতে হলে তাঁর এই মূল ধারণাগুলোকে চ্যালেঞ্জ করতে হবে। ** [[w:Susan Pedersen|সুসান পেডারসেন]], "আই ওয়ান্ট টু লাভ ইট", 'লন্ডন রিভিউ অফ বুকস' (১৮ এপ্রিল, ২০১৯)। * হবসবমকে একবার জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি হ্যাম্পস্টেড ম্যানশনের মতো অত্যন্ত দামি বাড়িতে বাস করাকে কীভাবে সমর্থন করেন। উত্তরে তিনি রসিকতা করে বলেছিলেন, যদি কেউ [[w:Titanic|টাইটানিক]] জাহাজে ভ্রমণ করে, তবে তার প্রথম শ্রেণীতে চড়েই ডুবে যাওয়া ভালো। রসিকতা হিসেবে এটি চমত্কার। কিন্তু যদি ১৯৮৯ সালে সমস্ত বরফ গলে যায় (কমিউনিজমের পতন হয়), তবে কী হবে? ** [[w:John Sutherland (author)|জন সাদারল্যান্ড]], 'দ্য টাইমস' (২৩ জানুয়ারি, ২০১৬)। * ১৯৯৫ সালে যখন তিনি '[[w:Desert Island Discs|ডেজার্ট আইল্যান্ড ডিস্কস]]'-এ উপস্থিত হয়েছিলেন, তখন তিনি বিলি হলিডের একটি গান বেছে নেওয়ার পাশাপাশি ইতিহাস নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছিলেন। উপস্থাপক সু ললি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, যদি লক্ষ লক্ষ জীবনের বিনিময়ে বিশ্ববিপ্লব আনা সম্ভব হতো, তবে কি তা সার্থক হতো? তিনি দ্বিধাহীনভাবে উত্তর দিয়েছিলেন—হ্যাঁ। মাইকেল ইগনাটিয়েফ কর্তৃক টেলিভিশনে গৃহীত এক সাক্ষাৎকারে হবসবমকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, ১৯৩৪ সালে স্তালিন কর্তৃক লক্ষ লক্ষ মানুষকে জোরপূর্বক অভুক্ত রাখার কথা জানলে কি তাঁর কমিউনিস্ট হওয়ার ইচ্ছা বদলে যেত? তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, "সম্ভবত না"। তিনি শান্তভাবে আরও যোগ করেন যে, যদি সোভিয়েত ইউনিয়ন বিশ্ববিপ্লবের সূচনা করতে পারত, তবে ১৫-২০ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু যুক্তিযুক্ত হতে পারত। ** [[এ. এন. উইলসন]], 'অন দ্য রং সাইড অফ হিস্ট্রি', 'দ্য টাইমস স্যাটারডে রিভিউ' (২৬ জানুয়ারি, ২০১৯)। * হবসবমের ইতিহাসের প্রধান সমস্যা ছিল যে তাঁর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল [[কার্ল মার্ক্স|কার্ল মার্ক্সের]] তত্ত্বগুলোকে সত্য প্রমাণ করা। শোকসংবাদ লেখকরা দাবি করেছিলেন যে তিনি কখনও [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদী]] মতাদর্শের দাস ছিলেন না বা তাঁর কাজ ছিল "সর্বদা সূক্ষ্ম ও মার্জিত", কিন্তু বাস্তবতা ছিল এর বিপরীত। ** কিথ উইন্ডশাটল, "দ্য নট-সো-গ্রেট এরিক হবসবম", 'কোয়াড্র্যান্ট' (১ নভেম্বর ২০১২)। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইতিহাসবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:কমিউনিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্ক্সবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্যাসিবাদ বিরোধী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১২-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:আলেকজান্দ্রিয়ার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রিটিশ একাডেমির ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:রয়্যাল সোসাইটি অফ লিটারেচারের ফেলো]] q9pn6ey3ihvbpr48m6skx4x5vae95s0 78587 78586 2026-04-19T12:48:13Z SMontaha32 3112 78587 wikitext text/x-wiki [[File:Eric Hobsbawm.jpg|thumb|right|২০১১ সালে এরিক হবসবম]] '''[[w:Eric Hobsbawm|এরিক জন আর্নেস্ট হবসবম]]''', [[w:Companion of Honour|সিএইচ]], [[w:Fellow of the Royal Society of Literature|এফআরএসএল]], [[w:Fellow of the British Academy|এফবিএ]] ([[৯ জুন]] [[১৯১৭]] – [[১ অক্টোবর]] [[২০১২]]) ছিলেন একজন ব্রিটিশ মার্ক্সবাদী ইতিহাসবিদ ও লেখক। তিনি [[w:Communist Party of Great Britain|কমিউনিস্ট পার্টি অব গ্রেট ব্রিটেনের]] (১৯২০–১৯৯১) একজন প্রধান তাত্ত্বিক এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত [[w:Birkbeck College|বার্কবেক কলেজের]] সাবেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন। == উদ্ধৃতি == * আমাদের যুগের বুদ্ধিজীবী এবং [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদের]] মধ্যে যে প্রেমের সম্পর্ক দেখা যায়, তা পশ্চিম ইউরোপে তুলনামূলকভাবে দেরিতে শুরু হয়েছিল। যদিও রাশিয়ায় এটি [[কার্ল মার্ক্স|মার্ক্সের]] জীবদ্দশাতেই শুরু হয়। ** "বুদ্ধিজীবী এবং কমিউনিজম" (১৯৬৪), 'রেভোলিউশনারিস: কনটেম্পোরারি এসেস' (১৯৭৩)-এ প্রকাশিত। * প্রথমত, সম্ভবত কোনো বড় ধরনের [[বিপ্লব]] সফল করার জন্য যে অতিমানবীয় প্রচেষ্টার প্রয়োজন হয়, তা তৈরির জন্য [[কল্পরাজ্য|ইউটোপিয়াবাদ]] একটি প্রয়োজনীয় সামাজিক কৌশল। ** 'প্রিমিটিভ রেবেলস: স্টাডিজ ইন আর্কাইক ফর্মস অফ সোশ্যাল মুভমেন্ট ইন দ্য নাইনটিনথ অ্যান্ড টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরিস' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ৬০। * ইতিহাসবিদরা [[জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদের]] কাছে ঠিক তেমনই, যেমন [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] পোস্ত চাষীরা [[আসক্তি|হেরোইন আসক্তদের]] কাছে: আমরা বাজারের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সরবরাহ করি। '''অতীতহীন জাতি একটি স্ববিরোধী ধারণা।''' অতীতই একটি জাতি গঠন করে এবং অন্য জাতির বিরুদ্ধে নিজের অস্তিত্বের ন্যায্যতা দেয়। ইতিহাসবিদরাই সেই অতীত তৈরি করেন। তাই আমার পেশাটি রাজনীতির সাথে মিশে গিয়ে জাতীয়তাবাদের একটি অপরিহার্য উপাদানে পরিণত হয়েছে। ** "এথনিসিটি অ্যান্ড ন্যাশনালিজম ইন ইউরোপ টুডে" (ফেব্রুয়ারি ১৯৯২), 'অ্যানথ্রোপোলজি টুডে'। * [[উদারতাবাদ]] ব্যর্থ হচ্ছিল। আমি যদি [[ইহুদি]] না হয়ে [[জার্মান]] হতাম, তবে সম্ভবত আমি একজন [[নাৎসিবাদ|নাৎসি]] বা [[w:German_nationalist|জার্মান জাতীয়তাবাদী]] হতাম। আমি বুঝতে পারতাম তারা জাতি রক্ষার বিষয়ে কতটা আবেগপ্রবণ ছিল। সেটি এমন এক সময় ছিল যখন বিশ্বকে আমূল পরিবর্তন না করলে কোনো ভবিষ্যৎ আছে বলে কেউ বিশ্বাস করত না। ** এরিক হবসবমের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, মায়া জাগি কর্তৃক 'দ্য গার্ডিয়ান'-এ প্রকাশিত “আ কোয়েশ্চেন অফ ফেইথ” (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০২)। * মনে হচ্ছে [[বিদেশাতঙ্ক|জেনোফোবিয়া]] বা বিদেশাতঙ্ক বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের একটি গণ-আদর্শে পরিণত হতে যাচ্ছে। ** 'ডিভাইডেড ইউরোপীয়ানস: আন্ডারস্ট্যান্ডিং এথনিসিটিস ইন কনফ্লিক্ট' (১৯৯৯), পৃষ্ঠা ৪১। * [[লন্ডন|লন্ডনের]] দিকে তাকান। আমাদের সবার কাছেই লন্ডনের অর্থনীতির সমৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু রাজধানীর নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় উৎপন্ন বিশাল সম্পদের পরীক্ষা এই নয় যে এটি ব্রিটেনের মোট জিডিপিতে ২০-৩০% অবদান রাখছে। বরং পরীক্ষাটি হলো এটি সেখানে বসবাসকারী লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে কী প্রভাব ফেলছে। তারা সেখানে থাকার সামর্থ্য রাখে কি না? যদি না রাখে, তবে লন্ডন অতি-ধনীদের স্বর্গরাজ্য হওয়া তাদের জন্য কোনো সান্ত্বনা নয়। তারা কি উপযুক্ত বেতনের চাকরি পায়? যদি না পায়, তবে মিশেলিন-স্টার রেস্তোরাঁ বা নামী শেফদের নিয়ে বড়াই করবেন না। কিংবা শিশুদের শিক্ষার কথা ধরুন; লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এক দল নোবেল বিজয়ী থাকলেই অপর্যাপ্ত স্কুলগুলোর অভাব পূরণ হয় না। ** 'দ্য গার্ডিয়ান' (২০০৯)। * বিশ্বজুড়ে যেভাবে [[ভারত|ভারতীয়]] ও [[চীন|চীনা]] রেস্তোরাঁর বিস্তার ঘটছে, তা থেকে বোঝা যায় যে [[বিদেশাতঙ্ক|জেনোফোবিয়া]] বিদেশি মানুষের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়, বিদেশি সাংস্কৃতিক আমদানির বিরুদ্ধে নয়। ** 'ম্যাপিং দ্য নেশন' (১৩ নভেম্বর ২০১২), পৃষ্ঠা ২৬৩। === 'দ্য এজ অফ রেভোলিউশন' (১৯৬২) === * ইতিহাসের জালকে ছিঁড়ে আলাদা সুতোয় ভাগ করা সম্ভব নয়, কারণ এতে ইতিহাস ধ্বংস হয়ে যায়। তবে ব্যবহারিক প্রয়োজনে বিষয়টিকে কিছু উপবিভাগে ভাগ করা অপরিহার্য। ** প্রস্তাবনা * '''শব্দ হলো এমন সাক্ষী যা নথিপত্রের চেয়েও জোরালোভাবে কথা বলে।''' ইংরেজি ভাষার এমন কিছু শব্দের কথা ভাবুন যা এই ষাট বছরের সময়কালে আবিষ্কৃত হয়েছে বা আধুনিক অর্থ পেয়েছে। যেমন '[[শিল্প]]', '[[শিল্পপতি]]', '[[কারখানা]]', '[[w:Middle_class|মধ্যবিত্ত]]', '[[শ্রমজীবী শ্রেণি]]' এবং '[[সমাজতন্ত্র]]'। এর মধ্যে আরও আছে '[[অভিজাততন্ত্র]]', '[[রেলপথ]]', '[[উদারনীতি|উদারপন্থী]]', '[[রক্ষণশীলতা|রক্ষণশীল]]', '[[জাতীয়তা]]', '[[বিজ্ঞানী]]', '[[প্রকৌশল|প্রকৌশলী]]', '[[সর্বহারা]]' এবং অর্থনৈতিক 'সংকট'। ** ভূমিকা * 'আলোকায়ন' বা এনলাইটেনমেন্টকে কঠোরভাবে মধ্যবিত্তের আদর্শ বলা সঠিক হবে না। যদিও অনেক আলোকায়িত ব্যক্তি মনে করতেন যে মুক্ত সমাজ মানেই একটি [[পুঁজিবাদ|পুঁজিবাদী]] সমাজ হবে। তাত্ত্বিকভাবে এর লক্ষ্য ছিল সকল মানুষকে মুক্ত করা। সব [[প্রগতিশীলতা|প্রগতিশীল]], [[যুক্তিদাল|যুক্তিবাদী]] ও [[মানবতাবাদ|মানবতাবাদী]] আদর্শ এর মধ্যেই নিহিত ছিল। তবে বাস্তবে এই মুক্তির আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল সমাজের মধ্যবিত্ত স্তর। জন্মগত পরিচয়ের চেয়ে মেধা ও যুক্তিবাদী মানুষের মাধ্যমেই একটি '[[বুর্জোয়া]]' ও পুঁজিবাদী সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল। ** অধ্যায় ১: ১৭৮০-এর দশকের বিশ্ব * শিল্প বিপ্লবের প্রথম দুই প্রজন্মে ব্রিটেনের মৌলিক সত্যটি ছিল এই যে, সম্পদশালী ও ধনী শ্রেণি এত দ্রুত এবং এত বিশাল পরিমাণ আয় পুঞ্জীভূত করেছিল যা তাদের ব্যয় বা বিনিয়োগের সামর্থ্যকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ** অধ্যায় ২: শিল্প বিপ্লব * [[ফ্রান্স]] বিশ্বের অধিকাংশ দেশকে আইনের ধারা ([[w:Napoleonic_code|নেপোলিয়নিক কোড]]), বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সংগঠনের মডেল এবং পরিমাপের [[w:Metric_system|মেট্রিক পদ্ধতি]] উপহার দিয়েছে। আধুনিক বিশ্বের আদর্শগুলো প্রথম ফ্রান্সের প্রভাবেই প্রাচীন সভ্যতাগুলোতে প্রবেশ করেছিল। এটি ছিল [[ফরাসি বিপ্লব|ফরাসি বিপ্লবের]] কাজ। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * নেপোলিয়ন সংক্রান্ত মিথ বা কিংবদন্তি তাঁর ব্যক্তিগত গুণের চেয়ে তাঁর অনন্য ক্যারিয়ারের ওপর বেশি প্রতিষ্ঠিত। অতীতের বিখ্যাত বিশ্বজয়ীরা রাজা বা অভিজাত পরিবারে জন্মাতেন, কিন্তু [[নেপোলিয়ন বোনাপার্ট|নেপোলিয়ন]] ছিলেন একজন সাধারণ সৈনিক যিনি কেবল প্রতিভার জোরে একটি মহাদেশ শাসন করেছিলেন। এটি পুরোপুরি সত্য না হলেও তাঁর উত্থান ছিল রূপকথার মতো। এর ফলে প্রতিটি তরুণ বুদ্ধিজীবী এবং ব্যবসায়ী তাঁর মাঝে নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষা খুঁজে পেয়েছিল। তিনি বিপ্লবের মানুষ ছিলেন আবার স্থিতিশীলতারও কারিগর ছিলেন। তিনি ফ্রান্সের শাসনব্যবস্থা ও আইনকানুনকে আধুনিক রূপ দিয়েছিলেন। তাঁর পতনের পর 'বোনাপার্টবাদ' একটি আদর্শ হিসেবে টিকে ছিল কারণ তিনি সাধারণ মানুষের মনে বড় হওয়ার স্বপ্ন জাগিয়েছিলেন। তিনি কেবল একটি জিনিস ধ্বংস করেছিলেন: জেকোবিন বিপ্লব—সেই সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার স্বপ্ন। কিন্তু তাঁর পতনের পর তাঁর স্মৃতির চেয়ে সেই আদর্শই উনবিংশ শতাব্দীর বিপ্লবগুলোকে বেশি অনুপ্রাণিত করেছিল। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * রাজনৈতিক ভূগোলের দিক থেকে ফরাসি বিপ্লব ইউরোপীয় মধ্যযুগের অবসান ঘটিয়েছিল। ** অধ্যায় ৪: যুদ্ধ * যুদ্ধের সবচেয়ে ভয়ংকর ঝুঁকি ছিল অবহেলা, নোংরা পরিবেশ, দুর্বল সংগঠন, ত্রুটিপূর্ণ চিকিৎসা পরিষেবা এবং স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে অজ্ঞতা। এই পরিস্থিতি প্রায় প্রতিটি সৈন্যকেই ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। ** অধ্যায় ৪: যুদ্ধ * আন্তর্জাতিক শান্তি চুক্তির একটি বিশেষ দিক ছিল [[w:Slave_Trade_Act_1807|আন্তর্জাতিক দাস ব্যবসা বিলোপ]]। এর পেছনে মানবিক ও অর্থনৈতিক—উভয় কারণই ছিল। [[দাসত্ব]] ছিল ভয়ংকর এবং অত্যন্ত অদক্ষ একটি ব্যবস্থা। ব্রিটেনের মতো শক্তিশালী দেশগুলোর কাছে ১৮১৫-৪৮ সালের অর্থনীতি আর মানুষের বিক্রির ওপর নির্ভরশীল ছিল না বরং তা সুতির কাপড়ের ওপর নির্ভর করতে শুরু করেছিল। তবে দাসপ্রথার প্রকৃত বিলোপ খুব ধীরগতিতে হয়েছিল। ** অধ্যায় ৫: শান্তি * ১৮১৫ পরবর্তী প্রজন্মে ইতিহাসকে আটকে রাখার ক্ষেত্রে সরকারগুলোর অক্ষমতা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ফরাসি বিপ্লবের পুনরাবৃত্তি ঠেকানোই ছিল তৎকালীন শক্তিগুলোর প্রধান লক্ষ্য। তা সত্ত্বেও ইউরোপীয় ইতিহাসে বিপ্লববাদ এত দ্রুত এবং ব্যাপকভাবে আর কখনও ছড়িয়ে পড়েনি। ** অধ্যায় ৬: বিপ্লবসমূহ * অন্য কোথাও জাতীয়তাবাদের মতো কিছু খুঁজে পাওয়া অসম্ভব ছিল, কারণ সেখানে এর সামাজিক পরিবেশ ছিল না। আসলে শুরুতে যে শক্তিগুলো জাতীয়তাবাদ তৈরি করার কথা ছিল, তারাই ঐতিহ্য, ধর্ম ও গণদারিদ্র্যের সাথে মিলে পশ্চিমা বিজেতাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। ** অধ্যায় ৭: জাতীয়তাবাদ * ফরাসি বিপ্লবের প্রভাব, আমলাদের যুক্তিবাদী অর্থনৈতিক যুক্তি এবং [[অভিজাততন্ত্র|অভিজাতদের]] লোভ—এই তিনটি কারণ ১৮০৭ থেকে ১৮১৬ সালের মধ্যে প্রুশিয়ার কৃষকদের মুক্তির পথ নির্ধারণ করেছিল। ** অধ্যায় ৮: ভূমি * দ্বৈত বিপ্লবের সমস্ত অর্থনৈতিক পরিণতির মধ্যে '[[উন্নত দেশ|উন্নত]]' এবং '[[উন্নয়নশীল দেশ|অনুন্নত]]' দেশগুলোর মধ্যে বিভাজনটিই ছিল সবচেয়ে গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী। ** অধ্যায় ৯: শিল্প বিশ্বের দিকে * বংশমর্যাদার অভাব বা বৈষম্যের কারণে যারা এতদিন অবহেলিত ছিল, সেই [[সংখ্যালঘু গোষ্ঠী|সংখ্যালঘুরাই]] মেধার ভিত্তিতে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগকে সবচেয়ে বেশি স্বাগত জানিয়েছিল। ** অধ্যায় ১০: মেধার ভিত্তিতে ক্যারিয়ার * শ্রমিকদের জন্য পালানো বা হার মেনে নেওয়ার বিকল্প ছিল বিদ্রোহ। শ্রমজীবী দরিদ্রদের অবস্থা এমন ছিল যে বিদ্রোহ করা তাদের জন্য কেবল সম্ভবই ছিল না বরং বাধ্যতামূলক হয়ে পড়েছিল। উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে শ্রমিক ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের উত্থান ছিল অনিবার্য। ** অধ্যায় ১১: শ্রমজীবী দরিদ্র * ইতিহাসের অধিকাংশ সময় এবং বিশ্বের বেশিরভাগ জায়গায় (চীন সম্ভবত এর ব্যতিক্রম) মানুষ প্রথাগত ধর্মের মাধ্যমেই বিশ্বকে চিন্তা করত। এমনকি কিছু দেশে '[[খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টান]]' শব্দটি কেবল '[[কৃষক]]' বা '[[মানুষ]]' শব্দের সমার্থক ছিল। ** অধ্যায় ১২: আদর্শ: ধর্ম * ধর্ম একসময় আকাশের মতো ছিল যা থেকে কেউ পালাতে পারত না। কিন্তু আধুনিক যুগে এটি মেঘের মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে—যা বিশাল কিন্তু সীমিত এবং পরিবর্তনশীল। আদর্শিক পরিবর্তনের মধ্যে এটিই সবচেয়ে গভীর। ** অধ্যায় ১২: আদর্শ: ধর্ম * বুর্জোয়াদের বিজয় ফরাসি বিপ্লবকে এনলাইটেনমেন্টের ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শে রঞ্জিত করেছিল। যেহেতু এই বিপ্লবের ভাষা পরবর্তী সকল বিপ্লবের সাধারণ ভাষা হয়ে উঠেছিল, তাই এটি [[ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ|ধর্মনিরপেক্ষতাকেও]] ছড়িয়ে দিয়েছিল। ** অধ্যায় ১২: আদর্শ: ধর্ম * ক্লাসিক্যাল উদারতাবাদের ‘মানুষ’ (যার প্রতীক ছিলেন [[রবিনসন ক্রুসো]]) ছিল এমন এক সামাজিক প্রাণী যে কেবল অনেকের সাথে সহাবস্থান করত। সামাজিক লক্ষ্যগুলো ছিল ব্যক্তিগত লক্ষ্যগুলোর গাণিতিক যোগফল। সুখ ছিল প্রতিটি ব্যক্তির সর্বোচ্চ উদ্দেশ্য এবং সমাজের লক্ষ্য ছিল সর্বাধিক মানুষের সর্বাধিক সুখ নিশ্চিত করা। ** অধ্যায় ১৩: আদর্শ: ধর্মনিরপেক্ষতা * এমনকি ক্ষুদ্র সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর শিল্পকলাও সমগ্র মানবতাকে কাঁপিয়ে দেওয়া ভূমিকম্পের প্রতিধ্বনি করতে পারে। আমাদের সময়ের সাহিত্য ও [[শিল্পকলা|শিল্পকলায়]] তা দেখা গেছে এবং এর ফলাফল ছিল '[[রোমান্টিকতাবাদ]]'। রোমান্টিকদের নিজেদের বর্ণনা অনেক সময় যুক্তিহীন মনে হলেও তাদের লক্ষ্য ছিল দৃঢ়। ** অধ্যায় ১৪: শিল্পকলা * বিজ্ঞান ও শিল্পকলার মধ্যে সমান্তরাল রেখা টানা সবসময়ই বিপজ্জনক। তবুও বিজ্ঞানও দ্বৈত বিপ্লবের প্রতিফলন ঘটিয়েছে। কারণ এই বিপ্লব বিজ্ঞানের কাছে নতুন দাবি পেশ করেছিল এবং নতুন চিন্তার দুয়ার খুলে দিয়েছিল। ** অধ্যায় ১৫: বিজ্ঞান * বিজ্ঞানের অগ্রগতি কেবল একটি সরলরেখায় চলে না। প্রতিটি পর্যায় আগের সমস্যার সমাধান করে এবং নতুন সমস্যার জন্ম দেয়। ** অধ্যায় ১৫: বিজ্ঞান * '''১৮৩১ সালে [[ভিক্টর হুগো]] লিখেছিলেন যে তিনি বিপ্লবের শব্দ শুনতে পাচ্ছেন, যা মাটির গভীর থেকে প্যারিস হয়ে পুরো ইউরোপের রাজতন্ত্রের নিচে সুরঙ্গ তৈরি করছে। ১৮৪৭ সালে সেই শব্দ তীব্র হয়ে ওঠে এবং ১৮৪৮ সালে বিস্ফোরণ ঘটে।''' ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার: ১৮৪৮-এর দিকে === 'দ্য এজ অফ রেভল্যুশন' (১৯৬২) === * ইতিহাসের জালকে ছিঁড়ে না ফেলে একে আলাদা আলাদা সুতোয় ভাগ করা সম্ভব নয়। তবে বাস্তব কাজের সুবিধার্থে বিষয়টিকে উপবিভাগে ভাগ করা অপরিহার্য। ** প্রস্তাবনা * নথিপত্রের চেয়ে শব্দ অনেক সময় বেশি জোরালোভাবে কথা বলে। ১৮৪৮ সাল পর্যন্ত যে ষাট বছর নিয়ে এই বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে, সেই সময়ে উদ্ভাবিত বা আধুনিক অর্থ লাভ করা কিছু ইংরেজি শব্দের কথা ভাবুন। যেমন—'ইন্ডাস্ট্রি' (শিল্প), 'ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট' (শিল্পপতি), 'ফ্যাক্টরি' (কারখানা), 'মিডল ক্লাস' (মধ্যবিত্ত), 'ওয়ার্কিং ক্লাস' (শ্রমজীবী শ্রেণি) এবং 'সোশ্যালিজম' (সমাজতন্ত্র)। এছাড়া রয়েছে 'অ্যারিস্টোক্রাসি' (অভিজাততন্ত্র), 'রেলওয়ে' (রেলপথ), 'লিবারেল' (উদারপন্থী) ও 'কনজারভেটিভ' (রক্ষণশীল), 'ন্যাশনালিটি' (জাতীয়তা), 'সায়েন্টিস্ট' (বিজ্ঞানী) এবং 'ইঞ্জিনিয়ার' (প্রকৌশলী), 'প্রলেতারিয়েত' (সর্বহারা) এবং অর্থনৈতিক 'ক্রাইসিস' (সংকট)। ** ভূমিকা * 'আলোকায়ন' বা এনলাইটেনমেন্টকে কঠোরভাবে মধ্যবিত্তের মতাদর্শ বলা সঠিক নয়, যদিও অনেক আলোকায়নবাদী—যারা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ছিলেন—এটি ধরে নিয়েছিলেন যে, একটি মুক্ত সমাজ মানেই হবে একটি পুঁজিবাদী সমাজ। তাত্ত্বিকভাবে এর লক্ষ্য ছিল সকল মানুষকে মুক্ত করা। সমস্ত প্রগতিশীল, যুক্তিবাদী এবং মানবতাবাদী মতাদর্শ এর মধ্যেই নিহিত ছিল। তবে বাস্তবে এই মুক্তির আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিল সমাজের মধ্যস্তর—জন্মগত পরিচয়ের চেয়ে মেধা ও যোগ্যতাসম্পন্ন যুক্তিবাদী মানুষ। ফলে তাদের হাত ধরে যে সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল তা ছিল মূলত 'বুর্জোয়া' এবং পুঁজিবাদী। ** অধ্যায় ১: ১৭৮০-এর দশকের বিশ্ব * শিল্প বিপ্লবের প্রথম দুই প্রজন্মে ব্রিটেনের মৌলিক সত্যটি ছিল এই যে, অভিজাত এবং ধনী শ্রেণি এত দ্রুত এবং এত বিশাল পরিমাণ অর্থ সঞ্চয় করেছিল যা ব্যয় বা বিনিয়োগ করার সব সুযোগকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ** অধ্যায় ২: শিল্প বিপ্লব * [[ফ্রান্স|ফ্রান্স]] অধিকাংশ দেশের জন্য আইনের কোড বা বিধিমালা, বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সংগঠনের মডেল এবং পরিমাপের [[w:Metric_system|মেট্রিক পদ্ধতি]] উপহার দিয়েছিল। ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমেই আধুনিক বিশ্বের মতাদর্শগুলো প্রথম প্রাচীন সভ্যতাগুলোতে প্রবেশ করতে শুরু করে। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ছিলেন সেই 'লিটল কর্পোরাল' (ছোট কর্পোরাল) যিনি নিছক ব্যক্তিগত প্রতিভার জোরে একটি মহাদেশ শাসন করেছিলেন। নেপোলিয়ন উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে একটি ব্যক্তিগত নাম দিয়েছিলেন ঠিক সেই মুহূর্তে যখন 'দ্বৈত বিপ্লব' (শিল্প ও ফরাসি বিপ্লব) উচ্চাকাঙ্ক্ষী মানুষের জন্য পৃথিবী উন্মুক্ত করে দিয়েছিল। তিনি ছিলেন আঠারো শতকের যুক্তিবাদী ও আলোকিত মানুষ, আবার রুশোর শিষ্য হিসেবে ১৯ শতকের রোমান্টিক মানুষও বটে। ফরাসিদের জন্য তিনি ছিলেন তাদের দীর্ঘ ইতিহাসের সফলতম শাসক। তিনি কেবল একটি জিনিস ধ্বংস করেছিলেন: তা হলো জ্যাকোবিন বিপ্লব, অর্থাৎ সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার সেই স্বপ্ন। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * রাজনৈতিক ভূগোলের বিচারে ফরাসি বিপ্লব ইউরোপের মধ্যযুগের অবসান ঘটিয়েছিল। ** অধ্যায় ৪: যুদ্ধ * ১৮০৭ থেকে ১৮১৬ সালের মধ্যে প্রুশিয়ার কৃষকদের মুক্তির ক্ষেত্রে তিনটি কারণ কাজ করেছিল—ফরাসি বিপ্লবের প্রভাব, আমলাদের যৌক্তিক অর্থনৈতিক যুক্তি এবং অভিজাতদের লোভ। ** অধ্যায় ৮: ভূমি * দ্বৈত বিপ্লবের ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক প্রভাবগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গভীর ও স্থায়ী প্রভাবটি হলো ‘উন্নত’ এবং ‘অনুন্নত’ দেশের মধ্যে বিভাজন। ** অধ্যায় ৯: একটি শিল্পোন্নত বিশ্বের দিকে *Escaping (পালানো) বা পরাজয়ের বিকল্প ছিল বিদ্রোহ। শ্রমজীবী দরিদ্র এবং বিশেষ করে শিল্প প্রলেতারিয়েত বা সর্বহারা শ্রেণির অবস্থা এমন ছিল যে, বিদ্রোহ করা তাদের জন্য কেবল সম্ভবই ছিল না, বরং অনেকটা বাধ্যতামূলক ছিল। উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে শ্রম ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের উত্থান ছিল অনিবার্য। ** অধ্যায় ১১: শ্রমজীবী দরিদ্র * ১৮৩১ সালে [[ভিক্টর হুগো|ভিক্টর হুগো]] লিখেছিলেন যে, তিনি মাটির গভীর থেকে বিপ্লবের পূর্ণ শব্দ শুনতে পাচ্ছেন, যা ইউরোপের রাজতন্ত্রের নিচ দিয়ে প্যারিসের কেন্দ্রীয় খনি থেকে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে এগিয়ে চলেছে। ১৮৪৭ সালে সেই শব্দ অনেক কাছে এবং জোরালো হয়ে আসে। ১৮৪৮ সালে সেই বিস্ফোরণটি ঘটে। ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার: ১৮৪৮-এর দিকে === 'ব্যান্ডিটস' (১৯৬৯; ১৯৭২; ১৯৮১) === * মানুষ হয়তো দস্যুদের সাথে দেখা করতে পছন্দ করবে না, বিশেষ করে কোনো অন্ধকার রাতে, তবে তাদের সম্পর্কে পড়ার আগ্রহ বিশ্বজনীন। ** প্যানথিয়ন সংস্করণের প্রস্তাবনা * 'সামাজিক দস্যু' বা সোশ্যাল ব্যান্ডিট হলো এমন কৃষক যারা আইনের চোখে অপরাধী, কিন্তু কৃষক সমাজে তারা বীর, মুক্তিদাতা বা ন্যায়ের জন্য লড়াকু যোদ্ধা হিসেবে গণ্য। সাধারণ কৃষক এবং এই বিদ্রোহীদের মধ্যকার সম্পর্কই সামাজিক দস্যুবৃত্তিকে তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। ** অধ্যায় ১: সামাজিক দস্যুবৃত্তি কী? * দস্যুবৃত্তি হলো মুক্তি, কিন্তু কৃষক সমাজে খুব কম মানুষই মুক্ত হতে পারে। অধিকাংশ মানুষই প্রভুত্ব এবং শ্রমের শিকলে বন্দি। ** অধ্যায় ২: কে দস্যু হয়? === 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল' (১৮৪৮-১৮৭৫) === * সমাজ ব্যবস্থা রক্ষাকারীদের সাধারণ মানুষের রাজনীতি শিখতে হয়েছিল। এটি ছিল ১৮৪৮ সালের বিপ্লবগুলোর মাধ্যমে আসা সবচেয়ে বড় উদ্ভাবন। এমনকি ঘোর প্রতিক্রিয়াশীল প্রুশীয় জুনকাররাও (জমিদার) বুঝতে পেরেছিলেন যে, 'জনমত' প্রভাবিত করার জন্য তাদের একটি সংবাদপত্র প্রয়োজন—যা আসলে একটি উদারপন্থী ধারণা। ** অধ্যায় ১: জনগণের বসন্তকাল (The Springtime of Peoples) * উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে বিশ্ব যেভাবে একে অপরের কাছাকাছি আসছিল, বিংশ শতাব্দীর শেষে এসে আমরা সেই প্রক্রিয়ার সাথে আরও বেশি পরিচিত। তবে বর্তমান সময়ের বিশ্ব অনেক বেশি মাত্রায় প্রমিত বা স্ট্যান্ডার্ডাইজড। ** অধ্যায় ৩: বিশ্ব যখন একীভূত * ১৮৪৮ থেকে ১৮৭৫ সাল পর্যন্ত উদারপন্থার জয়ের এই যুগটি শুরু হয়েছিল একটি ব্যর্থ বিপ্লব দিয়ে এবং শেষ হয়েছিল একটি দীর্ঘস্থায়ী মন্দার মাধ্যমে। ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার === 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' (১৯৮৭) === * যখন ইতিহাসবিদরা এমন একটি সময়কাল বোঝার চেষ্টা করেন যার প্রত্যক্ষদর্শীরা এখনও জীবিত, তখন [[ইতিহাস|ইতিহাসের]] দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারণা একে অপরের মুখোমুখি হয়, অথবা সেরা ক্ষেত্রে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে: তা হলো পাণ্ডিত্যপূর্ণ এবং অস্তিত্বগত ধারণা, অর্থাৎ আর্কাইভ বনাম ব্যক্তিগত স্মৃতি। প্রতিটি মানুষই তার সচেতনভাবে বেঁচে থাকা সময়ের একজন [[ইতিহাসবিদ|ইতিহাসবিদ]], কারণ সে মনে মনে সেই সময়ের সাথে একটি বোঝাপড়া তৈরি করে। '[[w:Oral_history|মৌখিক ইতিহাস]]' বা ওরাল হিস্ট্রি নিয়ে যারা কাজ করেছেন তারা জানেন যে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটি একজন অনির্ভরযোগ্য ইতিহাসবিদের কাজ, তবুও এর অবদান অপরিহার্য। একজন পণ্ডিত যিনি কোনো প্রবীণ সৈনিক বা রাজনীতিবিদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন, তিনি হয়তো ছাপানো কাগজ বা নথিপত্র থেকে সেই ব্যক্তির স্মৃতির চেয়েও অনেক বেশি এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য ইতোমধ্যে সংগ্রহ করে ফেলেছেন, কিন্তু তবুও তিনি বিষয়টি ভুল বুঝতে পারেন। ক্রুসেডের ইতিহাসবিদের মতো না হলেও, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাসবিদকে সেই প্রত্যক্ষদর্শীরা সংশোধন করে দিতে পারেন যারা মাথা নেড়ে বলবেন: ‘আসলে বিষয়টি একদম এমন ছিল না।’ তবুও ইতিহাসের এই দুটি সংস্করণই অতীতের এক একটি সুসংগত নির্মাণ। ** ভূমিকা (Overture) * ১৮৭০-এর দশকের অধিকাংশ পর্যবেক্ষক ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় অনেক বেশি মুগ্ধ ছিলেন। জ্ঞান এবং প্রকৃতিকে বদলে দেওয়ার ক্ষমতার বিচারে পরিবর্তন মানেই যে উন্নতি বা অগ্রগতি, তা এতটাই স্পষ্ট ছিল যে ইতিহাস মানেই প্রগতি বলে মনে হতো। এই প্রগতি পরিমাপ করা হতো যা কিছু পরিমাপযোগ্য তার ক্রমবর্ধমান রেখাচিত্র বা কার্ভ দিয়ে। ক্রমাগত উন্নতি যে ঘটবেই, তা ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা দিয়ে নিশ্চিত বলে মনে করা হতো। এটি বিশ্বাস করাই কঠিন ছিল যে, মাত্র তিন শতাব্দী আগেও বুদ্ধিমান ইউরোপীয়রা প্রাচীন [[রোমান সাম্রাজ্য|রোমানদের]] কৃষি, সামরিক কৌশল এবং এমনকি চিকিৎসাবিদ্যাকে নিজেদের মডেল হিসেবে গণ্য করত। মাত্র দুই শতাব্দী আগেও আধুনিকরা প্রাচীনদের ছাড়িয়ে যেতে পারবে কি না তা নিয়ে গম্ভীর বিতর্ক ছিল এবং আঠারো শতকের শেষেও বিশেষজ্ঞরা ব্রিটেনের জনসংখ্যা বাড়ছে কি না তা নিয়ে সন্দেহ পোষণ করতেন। ** অধ্যায় ১: দ্য সেন্টেনারিয়ান রেভল্যুশন * একটি বিশ্ব অর্থনীতি যার গতি নির্ধারিত হতো উন্নত বা উন্নয়নশীল পুঁজিবাদী কেন্দ্র দ্বারা, সেখানে ‘উন্নত’ দেশগুলো ‘অনগ্রসর’ দেশগুলোর ওপর আধিপত্য বিস্তার করবে—এটাই ছিল স্বাভাবিক; সংক্ষেপে যা সাম্রাজ্যের বিশ্বে পরিণত হয়। তবে কৌতূহলোদ্দীপকভাবে, ১৮৭৫ থেকে ১৯১৪ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কেবল নতুন ধরণের সাম্রাজ্যবাদের বিকাশের জন্যই 'সাম্রাজ্যের যুগ' বলা হয় না, বরং আরও একটি পুরনো কারণেও তা বলা হয়। আধুনিক বিশ্ব ইতিহাসে সম্ভবত এটিই ছিল সেই সময় যখন ‘[[সম্রাট|সম্রাট]]’ উপাধিধারী বা পশ্চিমা কূটনীতিকদের দৃষ্টিতে সম্রাট হওয়ার যোগ্য শাসকের সংখ্যা ছিল সর্বাধিক। ** অধ্যায় ৩: দ্য এজ অফ এম্পায়ার === 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম সিন্স ১৭৮০: প্রোগ্রাম, মিথ, রিয়ালিটি' (১৯৯২) === * জাতি এবং জাতীয়তাবাদের কোনো গম্ভীর ইতিহাসবিদই কট্টর রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদী হতে পারেন না। কারণ জাতীয়তাবাদ এমন অনেক কিছুর ওপর বিশ্বাস দাবি করে যা স্পষ্টতই সত্য নয়। ** 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম সিন্স ১৭৮০' (ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২য় সংস্করণ ২০১২), পৃষ্ঠা ১২। * তা সত্ত্বেও এটি স্পষ্ট—যেমনটি গ্রিক উদাহরণ থেকে দেখা যায়—যেখানে 'প্রাক-জাতীয়তাবাদ' (proto-nationalism) বিদ্যমান ছিল, সেটি জাতীয়তাবাদের কাজকে সহজ করে দিয়েছিল। প্রাক-জাতীয়তাবাদী সম্প্রদায়ের বিদ্যমান প্রতীক এবং আবেগগুলোকে একটি আধুনিক লক্ষ্য বা আধুনিক রাষ্ট্রের পেছনে একত্রিত করা সম্ভব হয়েছিল। তবে এর মানে এই নয় যে এই দুটি বিষয় একই, কিংবা একটি থাকলেই যৌক্তিকভাবে অন্যটি আসবে। কারণ এটি স্পষ্ট যে জাতীয়তা, জাতি বা রাষ্ট্র গঠনের জন্য কেবল প্রাক-জাতীয়তাবাদই যথেষ্ট নয়। ** পৃষ্ঠা ৭৬–৭৭। * তবে গণ-বহিষ্কার এবং এমনকি গণহত্যার মতো ঘটনাগুলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় এবং পরে ইউরোপের দক্ষিণ প্রান্তে দেখা দিতে শুরু করে। ১৯১৫ সালে [[অটোমান সাম্রাজ্য|তুর্কিরা]] যখন [[আর্মেনীয় গণহত্যা|আর্মেনীয়দের ব্যাপক নির্মূল]] শুরু করে এবং ১৯১১ সালের গ্রিক-তুর্কি যুদ্ধের পর এশিয়া মাইনর (যেখানে তারা [[হোমার|হোমারের]] আমল থেকে বসবাস করছিল) থেকে ১৩ থেকে ১৫ লক্ষ [[গ্রিক]] মানুষকে বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে অ্যাডলফ হিটলার, যিনি এই দিক থেকে একজন যৌক্তিক উইলসোনীয় জাতীয়তাবাদী ছিলেন, তিনি পিতৃভূমির বাইরে বসবাসকারী জার্মানদের (যেমন ইতালীয় দক্ষিণ টাইরোলের বাসিন্দা) জার্মানিতে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করেন এবং পাশাপাশি ইহুদিদের স্থায়ীভাবে নির্মূল করার পরিকল্পনা করেন। ** পৃষ্ঠা ১৩৩। === 'দ্য এজ অফ এক্সট্রিমস' (১৯৯২) === * আমার লক্ষ্য হলো এটি বোঝা এবং ব্যাখ্যা করা যে কেন ঘটনাগুলো এভাবে ঘটল এবং তারা একে অপরের সাথে কীভাবে যুক্ত। আমার সমবয়সী যারা এই ‘সংক্ষিপ্ত বিংশ শতাব্দী’র প্রায় পুরোটা সময় বেঁচে ছিলেন, তাদের জন্য এটি অনিবার্যভাবে একটি আত্মজীবনীমূলক প্রচেষ্টাও বটে। আমরা এখানে নিজেদের স্মৃতিগুলোকেই আরও জোরালো করছি এবং প্রয়োজনে সংশোধন করছি। ** ভূমিকা * বর্তমান অভিজ্ঞতার সাথে পূর্ববর্তী প্রজন্মের যে সামাজিক বন্ধন বা যোগসূত্র, তা ধ্বংস হয়ে যাওয়া বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকের অন্যতম অদ্ভুত এবং ভীতিজনক ঘটনা। ** ভূমিকা, 'দ্য সেঞ্চুরি: আ বার্ডস আই ভিউ' * ১৯৮০-এর দশকের শেষে যে বিশ্বটি ভেঙে পড়েছিল, সেটি ছিল মূলত ১৯১৭ সালের [[রুশ বিপ্লব|রুশ বিপ্লবের]] প্রভাবে গড়ে ওঠা একটি বিশ্ব। * অত্যন্ত সহজভাবে বললে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কে বা কিসের কারণে হয়েছিল—এই প্রশ্নের উত্তর দুটি শব্দে দেওয়া সম্ভব: [[অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * পুঁজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থার জন্য মানুষ খুব একটা দক্ষভাবে তৈরি হয়নি। ** পৃষ্ঠা ৪১৪ * ক্ষমতায় থাকা কমিউনিজমের কূটাভাস বা প্যারাডক্স ছিল এই যে, এটি ছিল রক্ষণশীল। ** পৃষ্ঠা ৪২২ * কেন প্রতিভাবান ফ্যাশন ডিজাইনাররা (যারা বিশ্লেষণাত্মক হিসেবে পরিচিত নন) মাঝেমধ্যে পেশাদার ভবিষ্যদ্বাণীকারীদের চেয়েও আগাম পরিস্থিতি ভালোভাবে আঁচ করতে পারেন—তা ইতিহাসের অন্যতম রহস্যময় প্রশ্ন এবং সংস্কৃতি বিশ্লেষকদের জন্য একটি কেন্দ্রীয় বিষয়। ** অধ্যায় ৬: শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকের সাংস্কৃতিক বিপ্লবকে সমাজ বা সমষ্টির ওপর ব্যক্তির জয় হিসেবে দেখা যেতে পারে। অন্যভাবে বললে, এটি হলো সেই সামাজিক বন্ধনগুলো ছিঁড়ে ফেলা যা অতীতে মানুষকে একসূত্রে গেঁথে রাখত। অতীতে অধিকার, কর্তব্য, পাপ-পুণ্য এবং বিবেকের যে নৈতিক ভাষা ছিল, তা এখন কেবল ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষার ভাষায় রূপান্তরিত হয়েছে। মনে হচ্ছে যেন কম্পাসের কাঁটা তার উত্তর দিক হারিয়েছে এবং মানচিত্রগুলো অকেজো হয়ে পড়েছে। ** অধ্যায় ১১: সাংস্কৃতিক বিপ্লব, পৃষ্ঠা ৩২০-৩৩৯ * অক্টোবর বিপ্লবের ট্র্যাজেডি ছিল এটাই যে, এটি কেবল নির্মম, নিষ্ঠুর এবং আদেশভিত্তিক সমাজতন্ত্রই তৈরি করতে পেরেছিল। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আমি যখন পেছনের কথা ভাবি, তখন বারবার নিজেকে জিজ্ঞেস করি: পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সেই নির্বিচার এবং নির্মমভাবে এগিয়ে যাওয়ার কি কোনো বিকল্প ছিল? আমি যদি বলতে পারতাম যে বিকল্প ছিল, তবে খুশি হতাম; কিন্তু আমি তা পারছি না। আমি এর কোনো উত্তর খুঁজে পাই না। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আদর্শ হিসেবে কমিউনিজম নারীর মুক্তি ও সমঅধিকারের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ ছিল। যদিও [[ভ্লাদিমির লেনিন|লেনিন]] নিজে অবাধ যৌনতাকে অপছন্দ করতেন। এমনকি লেনিন ও ক্রুপস্কায়া সেই বিরল বিপ্লবীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা ঘরের কাজে নারী-পুরুষের অংশীদারিত্বের পক্ষে ছিলেন। তা সত্ত্বেও, নতুন কমিউনিস্ট শাসিত রাষ্ট্রগুলোতে উচ্চ রাজনৈতিক পদে নারীদের উপস্থিতি ছিল খুবই নগণ্য। সোভিয়েত ইউনিয়নে যখন চিকিৎসার মতো কোনো পেশা নারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হলো, তখন সেই পেশার মর্যাদা এবং আয় দুই-ই কমে গেল। পশ্চিমা নারীবাদীদের তুলনায় অধিকাংশ বিবাহিত সোভিয়েত নারী ঘরে থাকাকেই বিলাসিতা মনে করতেন। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আমাদের শতাব্দীর সবচেয়ে বড় নিষ্ঠুরতাগুলো ছিল দূর থেকে নেওয়া সিদ্ধান্তের নির্মমতা, যা 'পদ্ধতি' বা 'রুটিন'-এর নামে চলত; বিশেষ করে যখন সেগুলোকে 'কৌশলগত প্রয়োজন' বলে চালিয়ে দেওয়া হতো। * সুররিয়ালিজম বা [[পরাবাস্তববাদ|পরাবাস্তববাদ]] ছিল আধুনিক শিল্পকলার জগতে এক প্রকৃত সংযোজন। এর অভিনবত্ব ছিল মানুষকে ধাক্কা দেওয়ার বা হতবাক করার ক্ষমতার মধ্যে। এমনকি পুরনো শিল্পীদের মাঝেও এটি বিভ্রান্তি বা অস্বস্তিকর হাসির জন্ম দিত। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * রেডিওর মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছিল [[সংগীত|সংগীত]], কারণ এটি শব্দের যান্ত্রিক বা কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করে দিয়েছিল। ১৯১৪ সালের আগেই গ্রামোফোনের মাধ্যমে সংগীত যান্ত্রিক উৎপাদনের যুগে প্রবেশ করেছিল, যদিও তখন এটি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ছিল। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * এটি আধুনিকতাবাদী শিল্পীদের জন্য একটি ট্র্যাজেডি ছিল যে, তাদের নিজেদের রাজনৈতিক দল বা নেতারা তাদের প্রত্যাখ্যান করেছিল। ডানপন্থী হোক বা বামপন্থী—নতুন স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠী স্থাপত্যের ক্ষেত্রে বিশাল স্মৃতিস্তম্ভ, পেইন্টিং ও ভাস্কর্যের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণাদায়ী উপস্থাপনা এবং নাটকের ক্ষেত্রে ধ্রুপদী প্রদর্শনীকেই বেশি পছন্দ করত। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ === 'অন হিস্ট্রি' (১৯৯৭) === * ইতিহাসকে মিথ বা অলীক কল্পনা দিয়ে প্রতিস্থাপন করার চেষ্টাগুলো কেবল বুদ্ধিবৃত্তিক কৌতুক নয়। এগুলো এমনকি স্কুলের পাঠ্যবই কেমন হবে তাও নির্ধারণ করে দেয়। জাপানি কর্তৃপক্ষ যেমনটি করেছিল; তারা জাপানি ক্লাসরুমের জন্য [[w:Second_SIno-Japanese_War|চীনে জাপানি যুদ্ধের]] একটি পরিমার্জিত বা সেন্সরড সংস্করণ ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছিল। পরিচয় ভিত্তিক রাজনীতির জন্য মিথ এবং উদ্ভাবন অপরিহার্য। বর্তমানের অনিশ্চিত বিশ্বে বিভিন্ন গোষ্ঠী ধর্ম, জাতি বা সীমানা দিয়ে নিজেদের সংজ্ঞায়িত করে এবং 'আমরা অন্যদের চেয়ে আলাদা এবং শ্রেষ্ঠ'—এটি বলার মাধ্যমে এক ধরনের নিশ্চয়তা খোঁজার চেষ্টা করে। ** অধ্যায় ১: ইতিহাসের বাইরে ও ভেতরে * অতীত হলো মানুষের [[চেতনা|চেতনার]] একটি স্থায়ী মাত্রা এবং সামাজিক [[প্রতিষ্ঠান]], [[মূল্যবোধ|মূল্যবোধ]] ও অন্যান্য কাঠামোর এক অনিবার্য উপাদান। ইতিহাসবিদদের কাজ হলো সমাজে এই 'অতীত সচেতনতার' প্রকৃতি বিশ্লেষণ করা এবং এর পরিবর্তন ও রূপান্তরগুলো চিহ্নিত করা। ** অধ্যায় ২: অতীতের ধারণা * উত্তরের চেয়ে প্রশ্ন তৈরি করা অনেক সহজ। তবুও যেসব অভিজ্ঞতাকে আমরা খুব সাধারণ বলে ধরে নিই, সেগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলা একেবারেই মূল্যহীন কাজ নয়। আমরা মাছের মতো অতীতের মধ্যেই সাঁতার কাটি এবং এটি থেকে বের হতে পারি না। কিন্তু এই মাধ্যমে আমাদের বেঁচে থাকা এবং চলাচলের ধরণগুলো বিশ্লেষণ ও আলোচনা করা প্রয়োজন। আমার লক্ষ্য ছিল এই উভয় বিষয়কেই উদ্দীপিত করা। ** অধ্যায় ২: অতীতের ধারণা * অতীতের সাপেক্ষে আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি এবং অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের মধ্যকার সম্পর্ক কেমন—তা কেবল আগ্রহের বিষয় নয়, বরং অপরিহার্য। আমরা নিজেদের জীবন, পরিবার বা গোষ্ঠীর ধারাবাহিকতার বাইরে নিজেদের কল্পনা করতে পারি না। আমরা অতীত ও বর্তমানের তুলনা না করে পারি না; পারিবারিক ফটোর অ্যালবাম বা ভিডিওগুলো তো এজন্যই থাকে। অভিজ্ঞতা মানেই হলো অতীত থেকে শেখা। আমরা হয়তো ভুল কিছু শিখতে পারি এবং প্রায়ই তা করি; কিন্তু আমরা যদি প্রাসঙ্গিক অতীত থেকে শিখতে না পারি বা শিখতে অস্বীকার করি, তবে চরম ক্ষেত্রে আমরা মানসিকভাবে অস্বাভাবিক হিসেবে গণ্য হবো। ** অধ্যায় ৩: সমকালীন সমাজ সম্পর্কে ইতিহাস আমাদের কী বলতে পারে? * অনুপ্রেরণা বা আদর্শ হিসেবে ইতিহাসের মাঝে নিজেকে সঠিক প্রমাণ করার জন্য ‘মিথ’ তৈরির একটি সহজাত প্রবণতা থাকে। আধুনিক জাতি ও জাতীয়তাবাদের ইতিহাস যেমনটি দেখিয়েছে, এর চেয়ে ভয়ংকর অন্ধত্ব আর কিছুই হতে পারে না। ** অধ্যায় ৩: সমকালীন সমাজ সম্পর্কে ইতিহাস আমাদের কী বলতে পারে? * আমি বিষয়টি একটি কূটাভাস বা প্যারাডক্সের মাধ্যমে বলি। পুঁজিবাদ এবং বুর্জোয়া সমাজ যে একটি অস্থায়ী ঐতিহাসিক ঘটনা—মার্ক্সের এই প্রমাণটি পছন্দ করি না বলে তাকে প্রত্যাখ্যান করা যেমন ঠিক নয়, তেমনই আমরা সমাজতন্ত্র চাই বলেই তাকে অন্ধভাবে গ্রহণ করাও অনুচিত। আমি বিশ্বাস করি মার্ক্স গভীর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে কিছু মৌলিক প্রবণতা বুঝতে পেরেছিলেন; কিন্তু সেগুলো আসলে কী বয়ে আনবে তা আমরা জানি না। ভবিষ্যৎ অনেক সময় অচেনা হয়ে দেখা দেয়; তা ভবিষ্যৎবাণী ভুল হওয়ার জন্য নয়, বরং আমরা হয়তো আগন্তুককে ভুল পোশাকে কল্পনা করেছিলাম বলে। ** অধ্যায় ৪: সামনের দিকে তাকানো: ইতিহাস এবং ভবিষ্যৎ * উপসংহারে বলা যায়, এই শতাব্দীতে ইতিহাস তার পথে হোঁচট খেতে খেতে হলেও প্রকৃত উন্নতি করেছে। এটি এমন একটি বিষয় যা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে যাচাইযোগ্য এবং এর মাধ্যমে মানব সমাজের জটিল ও বিবর্তনশীল বিকাশকে আরও ভালোভাবে বোঝা সম্ভব। আমি জানি অনেকে এটি অস্বীকার করেন। ** অধ্যায় ৫: ইতিহাস কি উন্নতি করেছে? * ইতিহাসের বিষয়বস্তু অতীত হওয়ায় এটি কোনো ‘ফলিত বিদ্যা’ বা অ্যাপ্লাইড ডিসিপ্লিন হওয়ার অবস্থানে নেই। কারণ যা ঘটে গেছে তা পরিবর্তন করার কোনো উপায় এখনও আবিষ্কৃত হয়নি। বড়জোর আমরা কাল্পনিক বিকল্প পরিস্থিতির কথা ভাবতে পারি। অবশ্যই অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ একই অবিচ্ছিন্ন ধারার অংশ। তাই ইতিহাসবিদদের বক্তব্য ভবিষ্যতের জন্য পূর্বাভাস বা সুপারিশ হিসেবে কাজ করতে পারে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * আমার যুক্তি হলো, ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন হলে [[অর্থনীতি]] একটি হালবিহীন জাহাজের মতো হয়ে পড়ে এবং অর্থনীতিবিদরা বুঝতে পারেন না তারা কোন দিকে যাচ্ছেন। আমি বলছি না যে কেবল কিছু চার্ট বা বাস্তব অভিজ্ঞতার দিকে তাকালেই সব সমস্যার সমাধান হবে। সমস্যা হলো, মূলধারার অর্থনীতিবিদদের তত্ত্ব এবং পদ্ধতি তাদের এটা বুঝতে সাহায্য করে না যে আসলে কোন দিকে তাকাতে হবে এবং কী খুঁজতে হবে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * অর্থনীতিকে যদি ইতিহাসের শিকার হয়ে থাকতে না হয়, তবে তাকে অবশ্যই ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করতে হবে। গতকালের ঘটনাগুলো আজ দৃশ্যমান হওয়ার পর তা নিয়ে কাজ করার পুরনো অভ্যেস ত্যাগ করতে হবে। এটি কেবল আগামীকালের সমস্যা নিয়ে ভাবতেই সাহায্য করবে না, বরং আগামীকালের অর্থনৈতিক তত্ত্ব গঠন করতেও ভূমিকা রাখবে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * কৃষি পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক বিষয়ের সাথে অ-অর্থনৈতিক বিষয়গুলোকে (যেমন সামাজিক ও রাজনৈতিক কারণ) আলাদা করা সম্ভব নয়—অন্তত স্বল্প মেয়াদে তো নয়ই। এগুলোকে আলাদা করা মানে অর্থনীতির গতিশীল বিশ্লেষণকে বিসর্জন দেওয়া। ** অধ্যায় ৮: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ২ * সংক্ষিপ্তভাবে, বৈজ্ঞানিক আলোচনার ক্ষেত্রে প্রতিটি বক্তব্য অবশ্যই এমন পদ্ধতি ও মানদণ্ড দ্বারা যাচাইযোগ্য হতে হবে যা কোনো দলীয় বা আদর্শগত পক্ষপাত দ্বারা প্রভাবিত নয়। যেসব বক্তব্য এভাবে যাচাই করা যায় না, সেগুলো গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে কিন্তু তা অন্য কোনো আলোচনার বিষয়। ** অধ্যায় ৯: পক্ষপাতিত্ব * ইতিহাসের মৌলিক প্রশ্নটি হলো বিভিন্ন মানব গোষ্ঠীর মধ্যকার পার্থক্য এবং এক সমাজ থেকে অন্য সমাজে রূপান্তরের প্রক্রিয়াটি খুঁজে বের করা। প্রকৃতির ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ অর্জনের মতো কিছু বিষয়ে এটি অবশ্যই একটি একমুখী অগ্রগতি বা প্রগতিকে নির্দেশ করে। যতক্ষণ আমরা সামাজিক বিকাশকে জৈবিক বিবর্তনের সাথে গুলিয়ে না ফেলছি, ততক্ষণ একে 'বিবর্তন' বা এভোলিউশন বলতে কোনো বাধা নেই। ** অধ্যায় ১০: ইতিহাসবিদরা কার্ল মার্ক্সের কাছে কী ঋণী? * উৎপাদন পদ্ধতির বিশ্লেষণ অবশ্যই প্রযুক্তির সংগঠন এবং অর্থনীতির ওপর ভিত্তি করে হতে হবে। মার্ক্স বলেছিলেন যে [[রাজনৈতিক অর্থনীতি]] হলো [[সুশীল সমাজ|নাগরিক সমাজের]] ব্যবচ্ছেদ বা এনাটমি। একটি উৎপাদন পদ্ধতি থেকে অন্য পদ্ধতিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াটিকে অনেক সময় সরলরৈখিকভাবে দেখা হয়, যা অনেক সময় জটিলতা এবং বিতর্কের সৃষ্টি করে। ** অধ্যায় ১১: মার্ক্স এবং ইতিহাস * আমি মনে করি না যে ইতিহাসবিদদের ফ্রয়েডের কাছ থেকে খুব বেশি কিছু শেখার আছে। ফ্রয়েড যখনই ইতিহাস নিয়ে কিছু লিখেছেন, তিনি একজন খারাপ ইতিহাসবিদের পরিচয় দিয়েছেন। মানসিকতার (Mentalities) সমস্যা কেবল মানুষ কতটা আলাদা তা খুঁজে বের করা নয়, বরং তাদের আচরণ, চিন্তা এবং অনুভূতির মধ্যে একটি যৌক্তিক সংযোগ খুঁজে বের করা। আমাদের দেখতে হবে কেন মানুষ বিখ্যাত ডাকাতদের অদৃশ্য বা অপরাজেয় মনে করে, যদিও বাস্তবে তা সত্য নয়। এই বিশ্বাসগুলোকে কেবল আবেগ হিসেবে না দেখে সমাজ সম্পর্কে তাদের একটি সুসংগত বিশ্বাস হিসেবে দেখা উচিত। ** অধ্যায় ১৩: ব্রিটিশ ইতিহাস এবং 'অ্যানালস': একটি টীকা * তৃণমূল পর্যায়ের বা 'নিচ থেকে ইতিহাস' (Grassroots history) চর্চাকারীরা সাধারণ মানুষকে নিয়ে কাজ করেন। তারা জানেন যে তাদের অনেক কিছু জানা নেই এবং এই বিনয়ই তাদের বড় শক্তি। তারা জানেন যে সাধারণ মানুষ যা চেয়েছিল বা তাদের যা প্রয়োজন ছিল, তা সবসময় প্রভাবশালী বা শিক্ষিত সমাজ যা ভেবেছিল তার সাথে মেলে না। যারা এখন সমাজ পরিচালনা করছেন বা যারা সমাজ বদলাতে চান, তাদের সবারই উচিত ইতিহাসবিদদের কথা শোনা। ** অধ্যায় ১৬: নিচ থেকে ইতিহাস * এক সহস্রাব্দ ধরে 'ইউরোপ' ছিল রক্ষণাত্মক। পরবর্তী অর্ধ সহস্রাব্দে এটি বিশ্ব জয় করেছে। এই উভয় পর্যবেক্ষণই বিশ্ব ইতিহাস থেকে ইউরোপের ইতিহাসকে আলাদা করা অসম্ভব করে তুলেছে। বৈচিত্র্য এবং উপাদানগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়াই ইউরোপের অস্তিত্বের মূলে। ** অধ্যায় ১৭: ইউরোপের অদ্ভুত ইতিহাস * আমার জীবনের বেশিরভাগ সময় এমন একটি আশার পেছনে ব্যয় হয়েছে যা শেষ পর্যন্ত হতাশ করেছে এবং এমন একটি আদর্শের পেছনে যা ব্যর্থ হয়েছে: তা হলো অক্টোবর বিপ্লব থেকে শুরু হওয়া কমিউনিজম। কিন্তু পরাজয়ের মতো ইতিহাসবিদের মনকে আর কিছুই তীক্ষ্ণ করতে পারে না। ** অধ্যায় ১৮: ইতিহাস হিসেবে বর্তমান * [[রুশ বিপ্লব|রুশ বিপ্লবের]] দুটি একে অপরের সাথে জড়িয়ে থাকা ইতিহাস আছে: রাশিয়ার ওপর এর প্রভাব এবং বিশ্বের ওপর এর প্রভাব। দ্বিতীয়টি না থাকলে খুব কম মানুষই এটি নিয়ে আগ্রহী হতো। যেমন আমেরিকার বাইরে [[আমেরিকান গৃহযুদ্ধ|আমেরিকার গৃহযুদ্ধ]] নিয়ে খুব কম মানুষই জানে। রুশ বিপ্লব রাশিয়াকে তার আন্তর্জাতিক শক্তি ও সম্মানের শীর্ষে নিয়ে গিয়েছিল—যা জারদের আমলেও সম্ভব হয়নি। [[জোসেফ স্টালিন|স্টালিন]] রুশ ইতিহাসে পিটার দ্য গ্রেটের মতোই স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। এটি একটি অনগ্রসর দেশকে আধুনিক করেছে, কিন্তু এর মানবিক মূল্য ছিল অনেক বেশি। এর অর্থনীতি ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনায় অনেক রুশ নাগরিকের কাছে পুরনো [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত]] আমল এখনও অনেক ভালো মনে হয়। এর ঐতিহাসিক ফলাফল এখনই চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা সম্ভব নয়। ** অধ্যায় ১৯: আমরা কি রুশ বিপ্লবের ইতিহাস লিখতে পারি? * আমরা অমানবিকতায় অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আমরা অসহনীয় বিষয়কেও সহ্য করতে শিখেছি। বিশ্বযুদ্ধ এবং শীতল যুদ্ধ আমাদের বর্বরতাকে মেনে নিতে বাধ্য করেছে। এমনকি আমরা বর্বরতাকে অর্থ উপার্জনের মতো বিষয়গুলোর চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ মনে করতে শুরু করেছি। ** অধ্যায় ২০: বর্বরতা: একটি ব্যবহারকারী নির্দেশিকা * পরিচয় ভিত্তিক ইতিহাস বা আইডেন্টিটি হিস্ট্রিই যথেষ্ট নয়। আবেগ বা ব্যক্তিগত স্বার্থ আমাদের ভুল পথে চালিত করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, প্রতিটি ইহুদি প্রাকৃতিকভাবেই নিজেকে জিজ্ঞেস করে—'এটি কি ইহুদিদের জন্য ভালো নাকি খারাপ?' নিপীড়নের সময়ে এটি ব্যক্তিগত আচরণের জন্য সহায়ক হতে পারে। কিন্তু একজন ইহুদি ইতিহাসবিদকে এটি পথ দেখাতে পারে না। ইতিহাসবিদকে অবশ্যই [[সার্বজনীনতাবাদ|সার্বজনীন হতে হবে]]। কেবল ইহুদিদের জন্য (বা [[আফ্রিকান আমেরিকান|আফ্রিকান-আমেরিকান]], [[গ্রিক]], [[নারী]] বা [[সমকামিতা|সমকামী]]) লেখা ইতিহাস কখনও ভালো ইতিহাস হতে পারে না, যদিও তা সংশ্লিষ্টদের কাছে স্বস্তিদায়ক হতে পারে। ** অধ্যায় ২১: আইডেন্টিটি হিস্ট্রিই যথেষ্ট নয় === 'হাউ টু চেঞ্জ দ্য ওয়ার্ল্ড: রিফ্লেকশনস অন মার্ক্স অ্যান্ড মার্ক্সিজম' (২০১১) === * 'মাউন্ট অফ সারমন'-এ বর্ণিত যিশু খ্রিস্টকে ‘প্রথম সমাজতান্ত্রিক’ বা কমিউনিস্ট হিসেবে দেখা খুবই সহজ। যদিও প্রথমদিকের সমাজতান্ত্রিক তাত্ত্বিকদের অধিকাংশ খ্রিস্টান ছিলেন না, তবুও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের পরবর্তীকালের অনেক সদস্য এই ভাবনাটিকে বেশ কার্যকর মনে করেছেন। * 'কমিউনিস্ট' শব্দটি সবসময় একটি নির্দিষ্ট কর্মসূচিকে নির্দেশ করলেও, 'সমাজতান্ত্রিক' শব্দটি ছিল মূলত বিশ্লেষণাত্মক এবং সমালোচনামূলক। * মার্ক্সের ধারণাগুলো ইউরোপের বেশিরভাগ শ্রমিক ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের অনুপ্রেরণাদায়ী তত্ত্বে পরিণত হয়েছিল। মূলত লেনিন এবং রুশ বিপ্লবের মাধ্যমে এই আদর্শ বিংশ শতাব্দীর সামাজিক বিপ্লবের একটি বিশ্বজনীন তত্ত্বে রূপ নেয়, যা চীন থেকে শুরু করে [[পেরু|পেরু]] পর্যন্ত সর্বত্র সমাদৃত হয়। এই তত্ত্বগুলোতে বিশ্বাসী দলগুলোর জয়ের মাধ্যমে এর বিভিন্ন সংস্করণ এমন সব রাষ্ট্রের দাপ্তরিক আদর্শে পরিণত হয়, যেখানে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ বসবাস করত। এছাড়া বিশ্বের বাকি অংশেও বিভিন্ন আকারের রাজনৈতিক আন্দোলনের ওপর এর ব্যাপক প্রভাব ছিল। অতীতের মহান ধর্মগুলোর প্রবর্তক ছাড়া আর কোনো একক চিন্তাবিদ এমন মর্যাদা পাননি। সম্ভবত [[মুহাম্মদ|মুহাম্মদ]] (সা.) ছাড়া অন্য কেউ এত দ্রুত এবং এত বড় পরিসরে সাফল্য অর্জন করতে পারেননি। এই বিচারে কোনো ইহজাগতিক চিন্তাবিদের নাম তাঁর (মার্ক্স) পাশে রাখা সম্ভব নয়। ** অধ্যায় ১৪, 'ইনফ্লুয়েন্স অফ মার্ক্সিজম ১৯৪৫-৮৩' == হবসবম সম্পর্কে উদ্ধৃতি == * 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-এর পরিপূরক হিসেবে উপস্থাপিত এই ব্যক্তিগত প্রতিকৃতিটি (ইন্টারেস্টিং টাইমস) হবসবমের বিংশ শতাব্দীর দৃষ্টিভঙ্গি এবং আধুনিকতার সামগ্রিক বর্ণনায় নতুন কী আলোকপাত করে? সামগ্রিক বিচারে, 'দ্য এজ অফ রেভোলিউশন', 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল', 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' এবং 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-কে একটি একক উদ্যোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে—এমন এক চতুষ্টয় (tetralogy) যার সমসাময়িক বিশ্ব গঠনের সুশৃঙ্খল বিবরণ হিসেবে অন্য কোনো তুলনা নেই। এই সবকটি গ্রন্থেই কিছু বিরল গুণের সংমিশ্রণ ঘটেছে: সংক্ষেপণের পরিমিতিবোধ; খুঁটিনাটি বর্ণনার সজীবতা; বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট সত্ত্বেও আঞ্চলিক পার্থক্যের তীব্র চেতনা; ফসল, শেয়ার বাজার, জাতি-শ্রেণি, রাষ্ট্রনায়ক-কৃষক এবং বিজ্ঞান-কলা—সব বিষয়েই অগাধ পাণ্ডিত্য ও সাবলীলতা; বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর প্রতি গভীর সহানুভূতি; বিশ্লেষণাত্মক বর্ণনার শক্তি; এবং সর্বোপরি অত্যন্ত স্বচ্ছ ও তেজোদীপ্ত একটি লিখনশৈলী। ** [[পেরি অ্যান্ডারসন]], "দ্য ভ্যানকুইশড লেফট: এরিক হবসবম", 'স্পেকট্রাম: ফ্রম রাইট টু লেফট ইন দ্য ওয়ার্ল্ড অফ আইডিয়াস' (২০০৫)-এ প্রকাশিত। * ইউরোপীয় তুলনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিতে, জাতীয় পতাকা বহনকারী এই শ্রমিকদের অদ্ভুত মনে হয় এবং তাদের গুরুত্ব খুব কমই বোঝা যায়। এমনকি মধ্য ইউরোপের প্রখ্যাত লেখক—যেমন [[আর্নেস্ট গেলনার|আর্নেস্ট গেলনার]] বা এরিক হবসবম—এই অঞ্চলের জাতীয়তাবাদের স্বাতন্ত্র্যকে একটি বৈশ্বিক সংজ্ঞায় খাপ খাওয়াতে গিয়ে এর আসল বৈশিষ্ট্যগুলোই ছেঁটে ফেলেছেন। হবসবমের ধারণা ছিল যে এটি পৃথিবীর প্রতিটি কোণেই প্রযোজ্য হবে, কিন্তু আমরা এই বইয়ে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের কাছে এই শব্দের অর্থ কী ছিল তা বোঝার চেষ্টা করেছি। সেই অঞ্চলে গেলনারের 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম' বইয়ের বৈশ্বিক মাপকাঠিগুলো হয় অপ্রাসঙ্গিক নয়তো গৌণ: যেমন [[জন স্টুয়ার্ট মিল|জন স্টুয়ার্ট মিলের]] ধারণা যে একটি জাতীয় রাষ্ট্রকে "সাশ্রয়ী" হতে হবে, বা জাতীয়তাবাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট আয়তন প্রয়োজন। চেক বা স্লোভেনীয়রা এই সব মাপকাঠি সম্পর্কে কিছুই জানত না এবং তারা এগুলো ছাড়াই তাদের ইতিহাস তৈরি করেছে। হবসবমের এই ধারণা যে ভাষা এবং ইতিহাস কোনো নির্ণায়ক মানদণ্ড নয়, তা পূর্ব-মধ্য ইউরোপের যে কারোর কাছে অর্থহীন মনে হতো—যদিও এটি মহাকাশ থেকে কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা জাতীয়তাবাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। ** জন কনেলি, 'ফ্রম পিপলস টু নেশনস: আ হিস্ট্রি অফ ইস্টার্ন ইউরোপ' (২০২০), পৃষ্ঠা ৭৯৬-৭৯৭। * এরিক হবসবম হয়তো অভিযোগ করতে পারেন যে আমি অন্যায় করছি এবং আমি আসলে অন্যরকম একটি বই আশা করেছিলাম। তিনি বলতে পারেন যে আমি এমন একটি বই চাই যা চিরস্থায়ী হবে এবং ভবিষ্যৎ শতাব্দীর ইতিহাসবিদদের আগ্রহের খোরাক হবে। আর তিনি ঠিকই বলেছেন, আমি আসলেই তা চাই। বিপরীতে, তিনি বলতে পারেন যে তাঁর বইটি "বিংশ শতাব্দীর একজন লেখকের দ্বারা বিংশ শতাব্দীর শেষের পাঠকদের জন্য লেখা", যাদের কাছে 'পুঁজিবাদ' এবং 'সমাজতন্ত্রের' সংঘাত, সামাজিক বিপ্লব, [[স্নায়ুযুদ্ধ]], এবং 'প্রকৃত সমাজতন্ত্রের' সীমাবদ্ধতা ও পতন নিয়ে আলোচনা করা সার্থক। তিনি মূলত সেই পাঠকদের জন্য লিখছেন যারা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের মূল থিম হিসেবে বিশ্ব কমিউনিজমের ট্র্যাজিক ও বীরত্বগাথাকে বিবেচনা করেন। কিন্তু বিশ্ব কমিউনিজমের এই যাত্রা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একমাত্র বা মূল থিম নয়। হবসবম আসলে কাদের জন্য তাঁর বইটি লিখছেন? বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের কোন অংশটুকু পাঠকদের জানা প্রয়োজন, তার জন্য কি আমরা 'এজ অফ এক্সট্রিমস' বইটির সুপারিশ করতে পারি? ** [[জে. ব্র্যাডফোর্ড ডিলং]], "লো মার্ক্স: আ রিভিউ অফ এরিক হবসবমস 'এজ অফ এক্সট্রিমস'" (১৯৯৫)। * [[১৯৬৮]] সালে আমি সেই মনোযোগী ও শ্রদ্ধাশীল ছাত্র শ্রোতাদের একজন ছিলাম, যাদের সামনে এরিক হবসবম ছাত্র র‍্যাডিক্যালিজমের সীমাবদ্ধতা নিয়ে কথা বলছিলেন। তাঁর উপসংহারটি আমার খুব মনে আছে, কারণ এটি তৎকালীন মেজাজের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। তিনি আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে, মাঝেমধ্যে পৃথিবী পরিবর্তন করা নয় বরং এটিকে ব্যাখ্যা করাই মুখ্য উদ্দেশ্য। কিন্তু বিশ্বকে ব্যাখ্যা করার জন্য এটি কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে সে সম্পর্কেও একটি সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন। তাঁর শেষ বইটি আমাদের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া এই বিশ্বের একটি চমত্কার, মেধাবী এবং সর্বদা বুদ্ধিদীপ্ত বিবরণ। এটি যদি তাঁর সেরা কাজগুলোর সমপর্যায়ের না-ও হয়, তবুও মনে রাখা উচিত যে তিনি নিজেই মেধার মানদণ্ড অনেক উঁচুতে সেট করেছেন। তবে বিশ্বে এক বা দুটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে—যেমন কমিউনিজমের মৃত্যু বা ইতিহাসের ওপর আস্থা হারানো—যা লেখককে খুব একটা খুশি করতে পারেনি। এটি দুঃখজনক, কারণ তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গি বইটির বিবরণকে এমনভাবে প্রভাবিত করেছে যা হয়তো নতুন পাঠকদের শিখতে নিরুৎসাহিত করবে। আমি বিংশ শতাব্দীর বর্ণনায় তাঁর সেই তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণ মিস করেছি যা তাঁকে উনবিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একজন অপরিহার্য পথপ্রদর্শক করে তুলেছিল। হবসবম আমাদের মনে করিয়ে দেন যে ইতিহাসবিদরা হলেন "সেই পেশাদার স্মৃতিকার যারা সাধারণ মানুষ যা ভুলে যেতে চায় তা মনে করিয়ে দেন।" এটি একটি অত্যন্ত কঠিন ও আপসহীন দায়িত্ব। ** [[টনি জাট]], "ডাউনহিল অল দ্য ওয়ে", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২৫ মে, ১৯৯৫)। * হবসবম তাঁর স্মৃতিকথা একটি উদ্দীপনামূলক বার্তার মাধ্যমে শেষ করেছেন: “এই সন্তোষজনক নয় এমন সময়েও আমাদের নিরস্ত্র হওয়া চলবে না। সামাজিক অবিচারের বিরুদ্ধে সবসময় প্রতিবাদ ও লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। পৃথিবী নিজে নিজে ভালো হবে না।” তিনি সব দিক থেকেই ঠিক। কিন্তু নতুন শতাব্দীতে ভালো কিছু করতে হলে আমাদের পুরনো শতাব্দীর সত্যগুলো বলতে হবে। হবসবম শয়তান বা অশুভ শক্তির মুখোমুখি হতে এবং একে তার আসল নামে ডাকতে অস্বীকার করেছেন; তিনি কখনও স্তালিন এবং তাঁর কর্মকাণ্ডের রাজনৈতিক ও নৈতিক উত্তরাধিকারকে গভীরভাবে বিচার করেননি। তিনি যদি গুরুত্বের সাথে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে কোনো আমূল পরিবর্তনের মশাল হস্তান্তর করতে চান, তবে এটি সঠিক পথ নয়। ** [[টনি জাট]], "দ্য লাস্ট রোমান্টিক", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২০ নভেম্বর, ২০০৩)। * হবসবম যেমনটি তাঁর 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' বইতে বলেছিলেন, তিনি মূলত একটি ‘যুক্তির উন্মোচন’ লিখছিলেন। সেই যুক্তির মূল কথা হলো—ঐতিহাসিক গুরুত্বের ক্ষেত্রে সংস্কৃতির চেয়ে অর্থনীতি, নারীর চেয়ে পুরুষ এবং বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে পশ্চিমের গুরুত্ব বেশি। তাঁর বর্ণনায় অনেক কিছু বাদ পড়াটা কোনো ভুল ছিল না বরং এটি ছিল তাঁর চিন্তাধারারই অংশ। অন্যভাবে বলতে গেলে, হবসবমকে নতুনভাবে মূল্যায়ন করতে হলে তাঁর এই মূল ধারণাগুলোকে চ্যালেঞ্জ করতে হবে। ** [[w:Susan Pedersen|সুসান পেডারসেন]], "আই ওয়ান্ট টু লাভ ইট", 'লন্ডন রিভিউ অফ বুকস' (১৮ এপ্রিল, ২০১৯)। * হবসবমকে একবার জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি হ্যাম্পস্টেড ম্যানশনের মতো অত্যন্ত দামি বাড়িতে বাস করাকে কীভাবে সমর্থন করেন। উত্তরে তিনি রসিকতা করে বলেছিলেন, যদি কেউ [[w:Titanic|টাইটানিক]] জাহাজে ভ্রমণ করে, তবে তার প্রথম শ্রেণীতে চড়েই ডুবে যাওয়া ভালো। রসিকতা হিসেবে এটি চমত্কার। কিন্তু যদি ১৯৮৯ সালে সমস্ত বরফ গলে যায় (কমিউনিজমের পতন হয়), তবে কী হবে? ** [[w:John Sutherland (author)|জন সাদারল্যান্ড]], 'দ্য টাইমস' (২৩ জানুয়ারি, ২০১৬)। * ১৯৯৫ সালে যখন তিনি '[[w:Desert Island Discs|ডেজার্ট আইল্যান্ড ডিস্কস]]'-এ উপস্থিত হয়েছিলেন, তখন তিনি বিলি হলিডের একটি গান বেছে নেওয়ার পাশাপাশি ইতিহাস নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছিলেন। উপস্থাপক সু ললি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, যদি লক্ষ লক্ষ জীবনের বিনিময়ে বিশ্ববিপ্লব আনা সম্ভব হতো, তবে কি তা সার্থক হতো? তিনি দ্বিধাহীনভাবে উত্তর দিয়েছিলেন—হ্যাঁ। মাইকেল ইগনাটিয়েফ কর্তৃক টেলিভিশনে গৃহীত এক সাক্ষাৎকারে হবসবমকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, ১৯৩৪ সালে স্তালিন কর্তৃক লক্ষ লক্ষ মানুষকে জোরপূর্বক অভুক্ত রাখার কথা জানলে কি তাঁর কমিউনিস্ট হওয়ার ইচ্ছা বদলে যেত? তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, "সম্ভবত না"। তিনি শান্তভাবে আরও যোগ করেন যে, যদি সোভিয়েত ইউনিয়ন বিশ্ববিপ্লবের সূচনা করতে পারত, তবে ১৫-২০ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু যুক্তিযুক্ত হতে পারত। ** [[এ. এন. উইলসন]], 'অন দ্য রং সাইড অফ হিস্ট্রি', 'দ্য টাইমস স্যাটারডে রিভিউ' (২৬ জানুয়ারি, ২০১৯)। * হবসবমের ইতিহাসের প্রধান সমস্যা ছিল যে তাঁর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল [[কার্ল মার্ক্স|কার্ল মার্ক্সের]] তত্ত্বগুলোকে সত্য প্রমাণ করা। শোকসংবাদ লেখকরা দাবি করেছিলেন যে তিনি কখনও [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদী]] মতাদর্শের দাস ছিলেন না বা তাঁর কাজ ছিল "সর্বদা সূক্ষ্ম ও মার্জিত", কিন্তু বাস্তবতা ছিল এর বিপরীত। ** কিথ উইন্ডশাটল, "দ্য নট-সো-গ্রেট এরিক হবসবম", 'কোয়াড্র্যান্ট' (১ নভেম্বর ২০১২)। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইতিহাসবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:কমিউনিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্ক্সবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্যাসিবাদ বিরোধী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১২-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:আলেকজান্দ্রিয়ার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রিটিশ একাডেমির ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:রয়্যাল সোসাইটি অফ লিটারেচারের ফেলো]] 451ur905pxgtkap83r4fhfwpol1iw2r 78588 78587 2026-04-19T12:48:35Z SMontaha32 3112 78588 wikitext text/x-wiki [[File:Eric Hobsbawm.jpg|thumb|right|২০১১ সালে এরিক হবসবম]] '''[[w:Eric Hobsbawm|এরিক জন আর্নেস্ট হবসবম]]''', [[w:Companion of Honour|সিএইচ]], [[w:Fellow of the Royal Society of Literature|এফআরএসএল]], [[w:Fellow of the British Academy|এফবিএ]] ([[৯ জুন]] [[১৯১৭]] – [[১ অক্টোবর]] [[২০১২]]) ছিলেন একজন ব্রিটিশ মার্ক্সবাদী ইতিহাসবিদ ও লেখক। তিনি [[w:Communist Party of Great Britain|কমিউনিস্ট পার্টি অব গ্রেট ব্রিটেনের]] (১৯২০–১৯৯১) একজন প্রধান তাত্ত্বিক এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত [[w:Birkbeck College|বার্কবেক কলেজের]] সাবেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন। == উদ্ধৃতি == * আমাদের যুগের বুদ্ধিজীবী এবং [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদের]] মধ্যে যে প্রেমের সম্পর্ক দেখা যায়, তা পশ্চিম ইউরোপে তুলনামূলকভাবে দেরিতে শুরু হয়েছিল। যদিও রাশিয়ায় এটি [[কার্ল মার্ক্স|মার্ক্সের]] জীবদ্দশাতেই শুরু হয়। ** "বুদ্ধিজীবী এবং কমিউনিজম" (১৯৬৪), 'রেভোলিউশনারিস: কনটেম্পোরারি এসেস' (১৯৭৩)-এ প্রকাশিত। * প্রথমত, সম্ভবত কোনো বড় ধরনের [[বিপ্লব]] সফল করার জন্য যে অতিমানবীয় প্রচেষ্টার প্রয়োজন হয়, তা তৈরির জন্য [[কল্পরাজ্য|ইউটোপিয়াবাদ]] একটি প্রয়োজনীয় সামাজিক কৌশল। ** 'প্রিমিটিভ রেবেলস: স্টাডিজ ইন আর্কাইক ফর্মস অফ সোশ্যাল মুভমেন্ট ইন দ্য নাইনটিনথ অ্যান্ড টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরিস' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ৬০। * ইতিহাসবিদরা [[জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদের]] কাছে ঠিক তেমনই, যেমন [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] পোস্ত চাষীরা [[আসক্তি|হেরোইন আসক্তদের]] কাছে: আমরা বাজারের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সরবরাহ করি। '''অতীতহীন জাতি একটি স্ববিরোধী ধারণা।''' অতীতই একটি জাতি গঠন করে এবং অন্য জাতির বিরুদ্ধে নিজের অস্তিত্বের ন্যায্যতা দেয়। ইতিহাসবিদরাই সেই অতীত তৈরি করেন। তাই আমার পেশাটি রাজনীতির সাথে মিশে গিয়ে জাতীয়তাবাদের একটি অপরিহার্য উপাদানে পরিণত হয়েছে। ** "এথনিসিটি অ্যান্ড ন্যাশনালিজম ইন ইউরোপ টুডে" (ফেব্রুয়ারি ১৯৯২), 'অ্যানথ্রোপোলজি টুডে'। * [[উদারতাবাদ]] ব্যর্থ হচ্ছিল। আমি যদি [[ইহুদি]] না হয়ে [[জার্মান]] হতাম, তবে সম্ভবত আমি একজন [[নাৎসিবাদ|নাৎসি]] বা [[w:German_nationalist|জার্মান জাতীয়তাবাদী]] হতাম। আমি বুঝতে পারতাম তারা জাতি রক্ষার বিষয়ে কতটা আবেগপ্রবণ ছিল। সেটি এমন এক সময় ছিল যখন বিশ্বকে আমূল পরিবর্তন না করলে কোনো ভবিষ্যৎ আছে বলে কেউ বিশ্বাস করত না। ** এরিক হবসবমের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, মায়া জাগি কর্তৃক 'দ্য গার্ডিয়ান'-এ প্রকাশিত “আ কোয়েশ্চেন অফ ফেইথ” (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০২)। * মনে হচ্ছে [[বিদেশাতঙ্ক|জেনোফোবিয়া]] বা বিদেশাতঙ্ক বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের একটি গণ-আদর্শে পরিণত হতে যাচ্ছে। ** 'ডিভাইডেড ইউরোপীয়ানস: আন্ডারস্ট্যান্ডিং এথনিসিটিস ইন কনফ্লিক্ট' (১৯৯৯), পৃষ্ঠা ৪১। * [[লন্ডন|লন্ডনের]] দিকে তাকান। আমাদের সবার কাছেই লন্ডনের অর্থনীতির সমৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু রাজধানীর নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় উৎপন্ন বিশাল সম্পদের পরীক্ষা এই নয় যে এটি ব্রিটেনের মোট জিডিপিতে ২০-৩০% অবদান রাখছে। বরং পরীক্ষাটি হলো এটি সেখানে বসবাসকারী লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে কী প্রভাব ফেলছে। তারা সেখানে থাকার সামর্থ্য রাখে কি না? যদি না রাখে, তবে লন্ডন অতি-ধনীদের স্বর্গরাজ্য হওয়া তাদের জন্য কোনো সান্ত্বনা নয়। তারা কি উপযুক্ত বেতনের চাকরি পায়? যদি না পায়, তবে মিশেলিন-স্টার রেস্তোরাঁ বা নামী শেফদের নিয়ে বড়াই করবেন না। কিংবা শিশুদের শিক্ষার কথা ধরুন; লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এক দল নোবেল বিজয়ী থাকলেই অপর্যাপ্ত স্কুলগুলোর অভাব পূরণ হয় না। ** 'দ্য গার্ডিয়ান' (২০০৯)। * বিশ্বজুড়ে যেভাবে [[ভারত|ভারতীয়]] ও [[চীন|চীনা]] রেস্তোরাঁর বিস্তার ঘটছে, তা থেকে বোঝা যায় যে [[বিদেশাতঙ্ক|জেনোফোবিয়া]] বিদেশি মানুষের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়, বিদেশি সাংস্কৃতিক আমদানির বিরুদ্ধে নয়। ** 'ম্যাপিং দ্য নেশন' (১৩ নভেম্বর ২০১২), পৃষ্ঠা ২৬৩। === 'দ্য এজ অফ রেভল্যুশন' (১৯৬২) === * ইতিহাসের জালকে ছিঁড়ে না ফেলে একে আলাদা আলাদা সুতোয় ভাগ করা সম্ভব নয়। তবে বাস্তব কাজের সুবিধার্থে বিষয়টিকে উপবিভাগে ভাগ করা অপরিহার্য। ** প্রস্তাবনা * নথিপত্রের চেয়ে শব্দ অনেক সময় বেশি জোরালোভাবে কথা বলে। ১৮৪৮ সাল পর্যন্ত যে ষাট বছর নিয়ে এই বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে, সেই সময়ে উদ্ভাবিত বা আধুনিক অর্থ লাভ করা কিছু ইংরেজি শব্দের কথা ভাবুন। যেমন—'ইন্ডাস্ট্রি' (শিল্প), 'ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট' (শিল্পপতি), 'ফ্যাক্টরি' (কারখানা), 'মিডল ক্লাস' (মধ্যবিত্ত), 'ওয়ার্কিং ক্লাস' (শ্রমজীবী শ্রেণি) এবং 'সোশ্যালিজম' (সমাজতন্ত্র)। এছাড়া রয়েছে 'অ্যারিস্টোক্রাসি' (অভিজাততন্ত্র), 'রেলওয়ে' (রেলপথ), 'লিবারেল' (উদারপন্থী) ও 'কনজারভেটিভ' (রক্ষণশীল), 'ন্যাশনালিটি' (জাতীয়তা), 'সায়েন্টিস্ট' (বিজ্ঞানী) এবং 'ইঞ্জিনিয়ার' (প্রকৌশলী), 'প্রলেতারিয়েত' (সর্বহারা) এবং অর্থনৈতিক 'ক্রাইসিস' (সংকট)। ** ভূমিকা * 'আলোকায়ন' বা এনলাইটেনমেন্টকে কঠোরভাবে মধ্যবিত্তের মতাদর্শ বলা সঠিক নয়, যদিও অনেক আলোকায়নবাদী—যারা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ছিলেন—এটি ধরে নিয়েছিলেন যে, একটি মুক্ত সমাজ মানেই হবে একটি পুঁজিবাদী সমাজ। তাত্ত্বিকভাবে এর লক্ষ্য ছিল সকল মানুষকে মুক্ত করা। সমস্ত প্রগতিশীল, যুক্তিবাদী এবং মানবতাবাদী মতাদর্শ এর মধ্যেই নিহিত ছিল। তবে বাস্তবে এই মুক্তির আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিল সমাজের মধ্যস্তর—জন্মগত পরিচয়ের চেয়ে মেধা ও যোগ্যতাসম্পন্ন যুক্তিবাদী মানুষ। ফলে তাদের হাত ধরে যে সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল তা ছিল মূলত 'বুর্জোয়া' এবং পুঁজিবাদী। ** অধ্যায় ১: ১৭৮০-এর দশকের বিশ্ব * শিল্প বিপ্লবের প্রথম দুই প্রজন্মে ব্রিটেনের মৌলিক সত্যটি ছিল এই যে, অভিজাত এবং ধনী শ্রেণি এত দ্রুত এবং এত বিশাল পরিমাণ অর্থ সঞ্চয় করেছিল যা ব্যয় বা বিনিয়োগ করার সব সুযোগকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ** অধ্যায় ২: শিল্প বিপ্লব * [[ফ্রান্স|ফ্রান্স]] অধিকাংশ দেশের জন্য আইনের কোড বা বিধিমালা, বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সংগঠনের মডেল এবং পরিমাপের [[w:Metric_system|মেট্রিক পদ্ধতি]] উপহার দিয়েছিল। ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমেই আধুনিক বিশ্বের মতাদর্শগুলো প্রথম প্রাচীন সভ্যতাগুলোতে প্রবেশ করতে শুরু করে। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ছিলেন সেই 'লিটল কর্পোরাল' (ছোট কর্পোরাল) যিনি নিছক ব্যক্তিগত প্রতিভার জোরে একটি মহাদেশ শাসন করেছিলেন। নেপোলিয়ন উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে একটি ব্যক্তিগত নাম দিয়েছিলেন ঠিক সেই মুহূর্তে যখন 'দ্বৈত বিপ্লব' (শিল্প ও ফরাসি বিপ্লব) উচ্চাকাঙ্ক্ষী মানুষের জন্য পৃথিবী উন্মুক্ত করে দিয়েছিল। তিনি ছিলেন আঠারো শতকের যুক্তিবাদী ও আলোকিত মানুষ, আবার রুশোর শিষ্য হিসেবে ১৯ শতকের রোমান্টিক মানুষও বটে। ফরাসিদের জন্য তিনি ছিলেন তাদের দীর্ঘ ইতিহাসের সফলতম শাসক। তিনি কেবল একটি জিনিস ধ্বংস করেছিলেন: তা হলো জ্যাকোবিন বিপ্লব, অর্থাৎ সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার সেই স্বপ্ন। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * রাজনৈতিক ভূগোলের বিচারে ফরাসি বিপ্লব ইউরোপের মধ্যযুগের অবসান ঘটিয়েছিল। ** অধ্যায় ৪: যুদ্ধ * ১৮০৭ থেকে ১৮১৬ সালের মধ্যে প্রুশিয়ার কৃষকদের মুক্তির ক্ষেত্রে তিনটি কারণ কাজ করেছিল—ফরাসি বিপ্লবের প্রভাব, আমলাদের যৌক্তিক অর্থনৈতিক যুক্তি এবং অভিজাতদের লোভ। ** অধ্যায় ৮: ভূমি * দ্বৈত বিপ্লবের ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক প্রভাবগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গভীর ও স্থায়ী প্রভাবটি হলো ‘উন্নত’ এবং ‘অনুন্নত’ দেশের মধ্যে বিভাজন। ** অধ্যায় ৯: একটি শিল্পোন্নত বিশ্বের দিকে *Escaping (পালানো) বা পরাজয়ের বিকল্প ছিল বিদ্রোহ। শ্রমজীবী দরিদ্র এবং বিশেষ করে শিল্প প্রলেতারিয়েত বা সর্বহারা শ্রেণির অবস্থা এমন ছিল যে, বিদ্রোহ করা তাদের জন্য কেবল সম্ভবই ছিল না, বরং অনেকটা বাধ্যতামূলক ছিল। উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে শ্রম ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের উত্থান ছিল অনিবার্য। ** অধ্যায় ১১: শ্রমজীবী দরিদ্র * ১৮৩১ সালে [[ভিক্টর হুগো|ভিক্টর হুগো]] লিখেছিলেন যে, তিনি মাটির গভীর থেকে বিপ্লবের পূর্ণ শব্দ শুনতে পাচ্ছেন, যা ইউরোপের রাজতন্ত্রের নিচ দিয়ে প্যারিসের কেন্দ্রীয় খনি থেকে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে এগিয়ে চলেছে। ১৮৪৭ সালে সেই শব্দ অনেক কাছে এবং জোরালো হয়ে আসে। ১৮৪৮ সালে সেই বিস্ফোরণটি ঘটে। ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার: ১৮৪৮-এর দিকে === 'ব্যান্ডিটস' (১৯৬৯; ১৯৭২; ১৯৮১) === * মানুষ হয়তো দস্যুদের সাথে দেখা করতে পছন্দ করবে না, বিশেষ করে কোনো অন্ধকার রাতে, তবে তাদের সম্পর্কে পড়ার আগ্রহ বিশ্বজনীন। ** প্যানথিয়ন সংস্করণের প্রস্তাবনা * 'সামাজিক দস্যু' বা সোশ্যাল ব্যান্ডিট হলো এমন কৃষক যারা আইনের চোখে অপরাধী, কিন্তু কৃষক সমাজে তারা বীর, মুক্তিদাতা বা ন্যায়ের জন্য লড়াকু যোদ্ধা হিসেবে গণ্য। সাধারণ কৃষক এবং এই বিদ্রোহীদের মধ্যকার সম্পর্কই সামাজিক দস্যুবৃত্তিকে তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। ** অধ্যায় ১: সামাজিক দস্যুবৃত্তি কী? * দস্যুবৃত্তি হলো মুক্তি, কিন্তু কৃষক সমাজে খুব কম মানুষই মুক্ত হতে পারে। অধিকাংশ মানুষই প্রভুত্ব এবং শ্রমের শিকলে বন্দি। ** অধ্যায় ২: কে দস্যু হয়? === 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল' (১৮৪৮-১৮৭৫) === * সমাজ ব্যবস্থা রক্ষাকারীদের সাধারণ মানুষের রাজনীতি শিখতে হয়েছিল। এটি ছিল ১৮৪৮ সালের বিপ্লবগুলোর মাধ্যমে আসা সবচেয়ে বড় উদ্ভাবন। এমনকি ঘোর প্রতিক্রিয়াশীল প্রুশীয় জুনকাররাও (জমিদার) বুঝতে পেরেছিলেন যে, 'জনমত' প্রভাবিত করার জন্য তাদের একটি সংবাদপত্র প্রয়োজন—যা আসলে একটি উদারপন্থী ধারণা। ** অধ্যায় ১: জনগণের বসন্তকাল (The Springtime of Peoples) * উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে বিশ্ব যেভাবে একে অপরের কাছাকাছি আসছিল, বিংশ শতাব্দীর শেষে এসে আমরা সেই প্রক্রিয়ার সাথে আরও বেশি পরিচিত। তবে বর্তমান সময়ের বিশ্ব অনেক বেশি মাত্রায় প্রমিত বা স্ট্যান্ডার্ডাইজড। ** অধ্যায় ৩: বিশ্ব যখন একীভূত * ১৮৪৮ থেকে ১৮৭৫ সাল পর্যন্ত উদারপন্থার জয়ের এই যুগটি শুরু হয়েছিল একটি ব্যর্থ বিপ্লব দিয়ে এবং শেষ হয়েছিল একটি দীর্ঘস্থায়ী মন্দার মাধ্যমে। ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার === 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' (১৯৮৭) === * যখন ইতিহাসবিদরা এমন একটি সময়কাল বোঝার চেষ্টা করেন যার প্রত্যক্ষদর্শীরা এখনও জীবিত, তখন [[ইতিহাস|ইতিহাসের]] দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারণা একে অপরের মুখোমুখি হয়, অথবা সেরা ক্ষেত্রে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে: তা হলো পাণ্ডিত্যপূর্ণ এবং অস্তিত্বগত ধারণা, অর্থাৎ আর্কাইভ বনাম ব্যক্তিগত স্মৃতি। প্রতিটি মানুষই তার সচেতনভাবে বেঁচে থাকা সময়ের একজন [[ইতিহাসবিদ|ইতিহাসবিদ]], কারণ সে মনে মনে সেই সময়ের সাথে একটি বোঝাপড়া তৈরি করে। '[[w:Oral_history|মৌখিক ইতিহাস]]' বা ওরাল হিস্ট্রি নিয়ে যারা কাজ করেছেন তারা জানেন যে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটি একজন অনির্ভরযোগ্য ইতিহাসবিদের কাজ, তবুও এর অবদান অপরিহার্য। একজন পণ্ডিত যিনি কোনো প্রবীণ সৈনিক বা রাজনীতিবিদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন, তিনি হয়তো ছাপানো কাগজ বা নথিপত্র থেকে সেই ব্যক্তির স্মৃতির চেয়েও অনেক বেশি এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য ইতোমধ্যে সংগ্রহ করে ফেলেছেন, কিন্তু তবুও তিনি বিষয়টি ভুল বুঝতে পারেন। ক্রুসেডের ইতিহাসবিদের মতো না হলেও, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাসবিদকে সেই প্রত্যক্ষদর্শীরা সংশোধন করে দিতে পারেন যারা মাথা নেড়ে বলবেন: ‘আসলে বিষয়টি একদম এমন ছিল না।’ তবুও ইতিহাসের এই দুটি সংস্করণই অতীতের এক একটি সুসংগত নির্মাণ। ** ভূমিকা (Overture) * ১৮৭০-এর দশকের অধিকাংশ পর্যবেক্ষক ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় অনেক বেশি মুগ্ধ ছিলেন। জ্ঞান এবং প্রকৃতিকে বদলে দেওয়ার ক্ষমতার বিচারে পরিবর্তন মানেই যে উন্নতি বা অগ্রগতি, তা এতটাই স্পষ্ট ছিল যে ইতিহাস মানেই প্রগতি বলে মনে হতো। এই প্রগতি পরিমাপ করা হতো যা কিছু পরিমাপযোগ্য তার ক্রমবর্ধমান রেখাচিত্র বা কার্ভ দিয়ে। ক্রমাগত উন্নতি যে ঘটবেই, তা ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা দিয়ে নিশ্চিত বলে মনে করা হতো। এটি বিশ্বাস করাই কঠিন ছিল যে, মাত্র তিন শতাব্দী আগেও বুদ্ধিমান ইউরোপীয়রা প্রাচীন [[রোমান সাম্রাজ্য|রোমানদের]] কৃষি, সামরিক কৌশল এবং এমনকি চিকিৎসাবিদ্যাকে নিজেদের মডেল হিসেবে গণ্য করত। মাত্র দুই শতাব্দী আগেও আধুনিকরা প্রাচীনদের ছাড়িয়ে যেতে পারবে কি না তা নিয়ে গম্ভীর বিতর্ক ছিল এবং আঠারো শতকের শেষেও বিশেষজ্ঞরা ব্রিটেনের জনসংখ্যা বাড়ছে কি না তা নিয়ে সন্দেহ পোষণ করতেন। ** অধ্যায় ১: দ্য সেন্টেনারিয়ান রেভল্যুশন * একটি বিশ্ব অর্থনীতি যার গতি নির্ধারিত হতো উন্নত বা উন্নয়নশীল পুঁজিবাদী কেন্দ্র দ্বারা, সেখানে ‘উন্নত’ দেশগুলো ‘অনগ্রসর’ দেশগুলোর ওপর আধিপত্য বিস্তার করবে—এটাই ছিল স্বাভাবিক; সংক্ষেপে যা সাম্রাজ্যের বিশ্বে পরিণত হয়। তবে কৌতূহলোদ্দীপকভাবে, ১৮৭৫ থেকে ১৯১৪ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কেবল নতুন ধরণের সাম্রাজ্যবাদের বিকাশের জন্যই 'সাম্রাজ্যের যুগ' বলা হয় না, বরং আরও একটি পুরনো কারণেও তা বলা হয়। আধুনিক বিশ্ব ইতিহাসে সম্ভবত এটিই ছিল সেই সময় যখন ‘[[সম্রাট|সম্রাট]]’ উপাধিধারী বা পশ্চিমা কূটনীতিকদের দৃষ্টিতে সম্রাট হওয়ার যোগ্য শাসকের সংখ্যা ছিল সর্বাধিক। ** অধ্যায় ৩: দ্য এজ অফ এম্পায়ার === 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম সিন্স ১৭৮০: প্রোগ্রাম, মিথ, রিয়ালিটি' (১৯৯২) === * জাতি এবং জাতীয়তাবাদের কোনো গম্ভীর ইতিহাসবিদই কট্টর রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদী হতে পারেন না। কারণ জাতীয়তাবাদ এমন অনেক কিছুর ওপর বিশ্বাস দাবি করে যা স্পষ্টতই সত্য নয়। ** 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম সিন্স ১৭৮০' (ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২য় সংস্করণ ২০১২), পৃষ্ঠা ১২। * তা সত্ত্বেও এটি স্পষ্ট—যেমনটি গ্রিক উদাহরণ থেকে দেখা যায়—যেখানে 'প্রাক-জাতীয়তাবাদ' (proto-nationalism) বিদ্যমান ছিল, সেটি জাতীয়তাবাদের কাজকে সহজ করে দিয়েছিল। প্রাক-জাতীয়তাবাদী সম্প্রদায়ের বিদ্যমান প্রতীক এবং আবেগগুলোকে একটি আধুনিক লক্ষ্য বা আধুনিক রাষ্ট্রের পেছনে একত্রিত করা সম্ভব হয়েছিল। তবে এর মানে এই নয় যে এই দুটি বিষয় একই, কিংবা একটি থাকলেই যৌক্তিকভাবে অন্যটি আসবে। কারণ এটি স্পষ্ট যে জাতীয়তা, জাতি বা রাষ্ট্র গঠনের জন্য কেবল প্রাক-জাতীয়তাবাদই যথেষ্ট নয়। ** পৃষ্ঠা ৭৬–৭৭। * তবে গণ-বহিষ্কার এবং এমনকি গণহত্যার মতো ঘটনাগুলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় এবং পরে ইউরোপের দক্ষিণ প্রান্তে দেখা দিতে শুরু করে। ১৯১৫ সালে [[অটোমান সাম্রাজ্য|তুর্কিরা]] যখন [[আর্মেনীয় গণহত্যা|আর্মেনীয়দের ব্যাপক নির্মূল]] শুরু করে এবং ১৯১১ সালের গ্রিক-তুর্কি যুদ্ধের পর এশিয়া মাইনর (যেখানে তারা [[হোমার|হোমারের]] আমল থেকে বসবাস করছিল) থেকে ১৩ থেকে ১৫ লক্ষ [[গ্রিক]] মানুষকে বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে অ্যাডলফ হিটলার, যিনি এই দিক থেকে একজন যৌক্তিক উইলসোনীয় জাতীয়তাবাদী ছিলেন, তিনি পিতৃভূমির বাইরে বসবাসকারী জার্মানদের (যেমন ইতালীয় দক্ষিণ টাইরোলের বাসিন্দা) জার্মানিতে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করেন এবং পাশাপাশি ইহুদিদের স্থায়ীভাবে নির্মূল করার পরিকল্পনা করেন। ** পৃষ্ঠা ১৩৩। === 'দ্য এজ অফ এক্সট্রিমস' (১৯৯২) === * আমার লক্ষ্য হলো এটি বোঝা এবং ব্যাখ্যা করা যে কেন ঘটনাগুলো এভাবে ঘটল এবং তারা একে অপরের সাথে কীভাবে যুক্ত। আমার সমবয়সী যারা এই ‘সংক্ষিপ্ত বিংশ শতাব্দী’র প্রায় পুরোটা সময় বেঁচে ছিলেন, তাদের জন্য এটি অনিবার্যভাবে একটি আত্মজীবনীমূলক প্রচেষ্টাও বটে। আমরা এখানে নিজেদের স্মৃতিগুলোকেই আরও জোরালো করছি এবং প্রয়োজনে সংশোধন করছি। ** ভূমিকা * বর্তমান অভিজ্ঞতার সাথে পূর্ববর্তী প্রজন্মের যে সামাজিক বন্ধন বা যোগসূত্র, তা ধ্বংস হয়ে যাওয়া বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকের অন্যতম অদ্ভুত এবং ভীতিজনক ঘটনা। ** ভূমিকা, 'দ্য সেঞ্চুরি: আ বার্ডস আই ভিউ' * ১৯৮০-এর দশকের শেষে যে বিশ্বটি ভেঙে পড়েছিল, সেটি ছিল মূলত ১৯১৭ সালের [[রুশ বিপ্লব|রুশ বিপ্লবের]] প্রভাবে গড়ে ওঠা একটি বিশ্ব। * অত্যন্ত সহজভাবে বললে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কে বা কিসের কারণে হয়েছিল—এই প্রশ্নের উত্তর দুটি শব্দে দেওয়া সম্ভব: [[অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * পুঁজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থার জন্য মানুষ খুব একটা দক্ষভাবে তৈরি হয়নি। ** পৃষ্ঠা ৪১৪ * ক্ষমতায় থাকা কমিউনিজমের কূটাভাস বা প্যারাডক্স ছিল এই যে, এটি ছিল রক্ষণশীল। ** পৃষ্ঠা ৪২২ * কেন প্রতিভাবান ফ্যাশন ডিজাইনাররা (যারা বিশ্লেষণাত্মক হিসেবে পরিচিত নন) মাঝেমধ্যে পেশাদার ভবিষ্যদ্বাণীকারীদের চেয়েও আগাম পরিস্থিতি ভালোভাবে আঁচ করতে পারেন—তা ইতিহাসের অন্যতম রহস্যময় প্রশ্ন এবং সংস্কৃতি বিশ্লেষকদের জন্য একটি কেন্দ্রীয় বিষয়। ** অধ্যায় ৬: শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকের সাংস্কৃতিক বিপ্লবকে সমাজ বা সমষ্টির ওপর ব্যক্তির জয় হিসেবে দেখা যেতে পারে। অন্যভাবে বললে, এটি হলো সেই সামাজিক বন্ধনগুলো ছিঁড়ে ফেলা যা অতীতে মানুষকে একসূত্রে গেঁথে রাখত। অতীতে অধিকার, কর্তব্য, পাপ-পুণ্য এবং বিবেকের যে নৈতিক ভাষা ছিল, তা এখন কেবল ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষার ভাষায় রূপান্তরিত হয়েছে। মনে হচ্ছে যেন কম্পাসের কাঁটা তার উত্তর দিক হারিয়েছে এবং মানচিত্রগুলো অকেজো হয়ে পড়েছে। ** অধ্যায় ১১: সাংস্কৃতিক বিপ্লব, পৃষ্ঠা ৩২০-৩৩৯ * অক্টোবর বিপ্লবের ট্র্যাজেডি ছিল এটাই যে, এটি কেবল নির্মম, নিষ্ঠুর এবং আদেশভিত্তিক সমাজতন্ত্রই তৈরি করতে পেরেছিল। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আমি যখন পেছনের কথা ভাবি, তখন বারবার নিজেকে জিজ্ঞেস করি: পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সেই নির্বিচার এবং নির্মমভাবে এগিয়ে যাওয়ার কি কোনো বিকল্প ছিল? আমি যদি বলতে পারতাম যে বিকল্প ছিল, তবে খুশি হতাম; কিন্তু আমি তা পারছি না। আমি এর কোনো উত্তর খুঁজে পাই না। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আদর্শ হিসেবে কমিউনিজম নারীর মুক্তি ও সমঅধিকারের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ ছিল। যদিও [[ভ্লাদিমির লেনিন|লেনিন]] নিজে অবাধ যৌনতাকে অপছন্দ করতেন। এমনকি লেনিন ও ক্রুপস্কায়া সেই বিরল বিপ্লবীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা ঘরের কাজে নারী-পুরুষের অংশীদারিত্বের পক্ষে ছিলেন। তা সত্ত্বেও, নতুন কমিউনিস্ট শাসিত রাষ্ট্রগুলোতে উচ্চ রাজনৈতিক পদে নারীদের উপস্থিতি ছিল খুবই নগণ্য। সোভিয়েত ইউনিয়নে যখন চিকিৎসার মতো কোনো পেশা নারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হলো, তখন সেই পেশার মর্যাদা এবং আয় দুই-ই কমে গেল। পশ্চিমা নারীবাদীদের তুলনায় অধিকাংশ বিবাহিত সোভিয়েত নারী ঘরে থাকাকেই বিলাসিতা মনে করতেন। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আমাদের শতাব্দীর সবচেয়ে বড় নিষ্ঠুরতাগুলো ছিল দূর থেকে নেওয়া সিদ্ধান্তের নির্মমতা, যা 'পদ্ধতি' বা 'রুটিন'-এর নামে চলত; বিশেষ করে যখন সেগুলোকে 'কৌশলগত প্রয়োজন' বলে চালিয়ে দেওয়া হতো। * সুররিয়ালিজম বা [[পরাবাস্তববাদ|পরাবাস্তববাদ]] ছিল আধুনিক শিল্পকলার জগতে এক প্রকৃত সংযোজন। এর অভিনবত্ব ছিল মানুষকে ধাক্কা দেওয়ার বা হতবাক করার ক্ষমতার মধ্যে। এমনকি পুরনো শিল্পীদের মাঝেও এটি বিভ্রান্তি বা অস্বস্তিকর হাসির জন্ম দিত। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * রেডিওর মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছিল [[সংগীত|সংগীত]], কারণ এটি শব্দের যান্ত্রিক বা কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করে দিয়েছিল। ১৯১৪ সালের আগেই গ্রামোফোনের মাধ্যমে সংগীত যান্ত্রিক উৎপাদনের যুগে প্রবেশ করেছিল, যদিও তখন এটি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ছিল। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * এটি আধুনিকতাবাদী শিল্পীদের জন্য একটি ট্র্যাজেডি ছিল যে, তাদের নিজেদের রাজনৈতিক দল বা নেতারা তাদের প্রত্যাখ্যান করেছিল। ডানপন্থী হোক বা বামপন্থী—নতুন স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠী স্থাপত্যের ক্ষেত্রে বিশাল স্মৃতিস্তম্ভ, পেইন্টিং ও ভাস্কর্যের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণাদায়ী উপস্থাপনা এবং নাটকের ক্ষেত্রে ধ্রুপদী প্রদর্শনীকেই বেশি পছন্দ করত। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ === 'অন হিস্ট্রি' (১৯৯৭) === * ইতিহাসকে মিথ বা অলীক কল্পনা দিয়ে প্রতিস্থাপন করার চেষ্টাগুলো কেবল বুদ্ধিবৃত্তিক কৌতুক নয়। এগুলো এমনকি স্কুলের পাঠ্যবই কেমন হবে তাও নির্ধারণ করে দেয়। জাপানি কর্তৃপক্ষ যেমনটি করেছিল; তারা জাপানি ক্লাসরুমের জন্য [[w:Second_SIno-Japanese_War|চীনে জাপানি যুদ্ধের]] একটি পরিমার্জিত বা সেন্সরড সংস্করণ ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছিল। পরিচয় ভিত্তিক রাজনীতির জন্য মিথ এবং উদ্ভাবন অপরিহার্য। বর্তমানের অনিশ্চিত বিশ্বে বিভিন্ন গোষ্ঠী ধর্ম, জাতি বা সীমানা দিয়ে নিজেদের সংজ্ঞায়িত করে এবং 'আমরা অন্যদের চেয়ে আলাদা এবং শ্রেষ্ঠ'—এটি বলার মাধ্যমে এক ধরনের নিশ্চয়তা খোঁজার চেষ্টা করে। ** অধ্যায় ১: ইতিহাসের বাইরে ও ভেতরে * অতীত হলো মানুষের [[চেতনা|চেতনার]] একটি স্থায়ী মাত্রা এবং সামাজিক [[প্রতিষ্ঠান]], [[মূল্যবোধ|মূল্যবোধ]] ও অন্যান্য কাঠামোর এক অনিবার্য উপাদান। ইতিহাসবিদদের কাজ হলো সমাজে এই 'অতীত সচেতনতার' প্রকৃতি বিশ্লেষণ করা এবং এর পরিবর্তন ও রূপান্তরগুলো চিহ্নিত করা। ** অধ্যায় ২: অতীতের ধারণা * উত্তরের চেয়ে প্রশ্ন তৈরি করা অনেক সহজ। তবুও যেসব অভিজ্ঞতাকে আমরা খুব সাধারণ বলে ধরে নিই, সেগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলা একেবারেই মূল্যহীন কাজ নয়। আমরা মাছের মতো অতীতের মধ্যেই সাঁতার কাটি এবং এটি থেকে বের হতে পারি না। কিন্তু এই মাধ্যমে আমাদের বেঁচে থাকা এবং চলাচলের ধরণগুলো বিশ্লেষণ ও আলোচনা করা প্রয়োজন। আমার লক্ষ্য ছিল এই উভয় বিষয়কেই উদ্দীপিত করা। ** অধ্যায় ২: অতীতের ধারণা * অতীতের সাপেক্ষে আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি এবং অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের মধ্যকার সম্পর্ক কেমন—তা কেবল আগ্রহের বিষয় নয়, বরং অপরিহার্য। আমরা নিজেদের জীবন, পরিবার বা গোষ্ঠীর ধারাবাহিকতার বাইরে নিজেদের কল্পনা করতে পারি না। আমরা অতীত ও বর্তমানের তুলনা না করে পারি না; পারিবারিক ফটোর অ্যালবাম বা ভিডিওগুলো তো এজন্যই থাকে। অভিজ্ঞতা মানেই হলো অতীত থেকে শেখা। আমরা হয়তো ভুল কিছু শিখতে পারি এবং প্রায়ই তা করি; কিন্তু আমরা যদি প্রাসঙ্গিক অতীত থেকে শিখতে না পারি বা শিখতে অস্বীকার করি, তবে চরম ক্ষেত্রে আমরা মানসিকভাবে অস্বাভাবিক হিসেবে গণ্য হবো। ** অধ্যায় ৩: সমকালীন সমাজ সম্পর্কে ইতিহাস আমাদের কী বলতে পারে? * অনুপ্রেরণা বা আদর্শ হিসেবে ইতিহাসের মাঝে নিজেকে সঠিক প্রমাণ করার জন্য ‘মিথ’ তৈরির একটি সহজাত প্রবণতা থাকে। আধুনিক জাতি ও জাতীয়তাবাদের ইতিহাস যেমনটি দেখিয়েছে, এর চেয়ে ভয়ংকর অন্ধত্ব আর কিছুই হতে পারে না। ** অধ্যায় ৩: সমকালীন সমাজ সম্পর্কে ইতিহাস আমাদের কী বলতে পারে? * আমি বিষয়টি একটি কূটাভাস বা প্যারাডক্সের মাধ্যমে বলি। পুঁজিবাদ এবং বুর্জোয়া সমাজ যে একটি অস্থায়ী ঐতিহাসিক ঘটনা—মার্ক্সের এই প্রমাণটি পছন্দ করি না বলে তাকে প্রত্যাখ্যান করা যেমন ঠিক নয়, তেমনই আমরা সমাজতন্ত্র চাই বলেই তাকে অন্ধভাবে গ্রহণ করাও অনুচিত। আমি বিশ্বাস করি মার্ক্স গভীর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে কিছু মৌলিক প্রবণতা বুঝতে পেরেছিলেন; কিন্তু সেগুলো আসলে কী বয়ে আনবে তা আমরা জানি না। ভবিষ্যৎ অনেক সময় অচেনা হয়ে দেখা দেয়; তা ভবিষ্যৎবাণী ভুল হওয়ার জন্য নয়, বরং আমরা হয়তো আগন্তুককে ভুল পোশাকে কল্পনা করেছিলাম বলে। ** অধ্যায় ৪: সামনের দিকে তাকানো: ইতিহাস এবং ভবিষ্যৎ * উপসংহারে বলা যায়, এই শতাব্দীতে ইতিহাস তার পথে হোঁচট খেতে খেতে হলেও প্রকৃত উন্নতি করেছে। এটি এমন একটি বিষয় যা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে যাচাইযোগ্য এবং এর মাধ্যমে মানব সমাজের জটিল ও বিবর্তনশীল বিকাশকে আরও ভালোভাবে বোঝা সম্ভব। আমি জানি অনেকে এটি অস্বীকার করেন। ** অধ্যায় ৫: ইতিহাস কি উন্নতি করেছে? * ইতিহাসের বিষয়বস্তু অতীত হওয়ায় এটি কোনো ‘ফলিত বিদ্যা’ বা অ্যাপ্লাইড ডিসিপ্লিন হওয়ার অবস্থানে নেই। কারণ যা ঘটে গেছে তা পরিবর্তন করার কোনো উপায় এখনও আবিষ্কৃত হয়নি। বড়জোর আমরা কাল্পনিক বিকল্প পরিস্থিতির কথা ভাবতে পারি। অবশ্যই অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ একই অবিচ্ছিন্ন ধারার অংশ। তাই ইতিহাসবিদদের বক্তব্য ভবিষ্যতের জন্য পূর্বাভাস বা সুপারিশ হিসেবে কাজ করতে পারে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * আমার যুক্তি হলো, ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন হলে [[অর্থনীতি]] একটি হালবিহীন জাহাজের মতো হয়ে পড়ে এবং অর্থনীতিবিদরা বুঝতে পারেন না তারা কোন দিকে যাচ্ছেন। আমি বলছি না যে কেবল কিছু চার্ট বা বাস্তব অভিজ্ঞতার দিকে তাকালেই সব সমস্যার সমাধান হবে। সমস্যা হলো, মূলধারার অর্থনীতিবিদদের তত্ত্ব এবং পদ্ধতি তাদের এটা বুঝতে সাহায্য করে না যে আসলে কোন দিকে তাকাতে হবে এবং কী খুঁজতে হবে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * অর্থনীতিকে যদি ইতিহাসের শিকার হয়ে থাকতে না হয়, তবে তাকে অবশ্যই ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করতে হবে। গতকালের ঘটনাগুলো আজ দৃশ্যমান হওয়ার পর তা নিয়ে কাজ করার পুরনো অভ্যেস ত্যাগ করতে হবে। এটি কেবল আগামীকালের সমস্যা নিয়ে ভাবতেই সাহায্য করবে না, বরং আগামীকালের অর্থনৈতিক তত্ত্ব গঠন করতেও ভূমিকা রাখবে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * কৃষি পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক বিষয়ের সাথে অ-অর্থনৈতিক বিষয়গুলোকে (যেমন সামাজিক ও রাজনৈতিক কারণ) আলাদা করা সম্ভব নয়—অন্তত স্বল্প মেয়াদে তো নয়ই। এগুলোকে আলাদা করা মানে অর্থনীতির গতিশীল বিশ্লেষণকে বিসর্জন দেওয়া। ** অধ্যায় ৮: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ২ * সংক্ষিপ্তভাবে, বৈজ্ঞানিক আলোচনার ক্ষেত্রে প্রতিটি বক্তব্য অবশ্যই এমন পদ্ধতি ও মানদণ্ড দ্বারা যাচাইযোগ্য হতে হবে যা কোনো দলীয় বা আদর্শগত পক্ষপাত দ্বারা প্রভাবিত নয়। যেসব বক্তব্য এভাবে যাচাই করা যায় না, সেগুলো গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে কিন্তু তা অন্য কোনো আলোচনার বিষয়। ** অধ্যায় ৯: পক্ষপাতিত্ব * ইতিহাসের মৌলিক প্রশ্নটি হলো বিভিন্ন মানব গোষ্ঠীর মধ্যকার পার্থক্য এবং এক সমাজ থেকে অন্য সমাজে রূপান্তরের প্রক্রিয়াটি খুঁজে বের করা। প্রকৃতির ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ অর্জনের মতো কিছু বিষয়ে এটি অবশ্যই একটি একমুখী অগ্রগতি বা প্রগতিকে নির্দেশ করে। যতক্ষণ আমরা সামাজিক বিকাশকে জৈবিক বিবর্তনের সাথে গুলিয়ে না ফেলছি, ততক্ষণ একে 'বিবর্তন' বা এভোলিউশন বলতে কোনো বাধা নেই। ** অধ্যায় ১০: ইতিহাসবিদরা কার্ল মার্ক্সের কাছে কী ঋণী? * উৎপাদন পদ্ধতির বিশ্লেষণ অবশ্যই প্রযুক্তির সংগঠন এবং অর্থনীতির ওপর ভিত্তি করে হতে হবে। মার্ক্স বলেছিলেন যে [[রাজনৈতিক অর্থনীতি]] হলো [[সুশীল সমাজ|নাগরিক সমাজের]] ব্যবচ্ছেদ বা এনাটমি। একটি উৎপাদন পদ্ধতি থেকে অন্য পদ্ধতিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াটিকে অনেক সময় সরলরৈখিকভাবে দেখা হয়, যা অনেক সময় জটিলতা এবং বিতর্কের সৃষ্টি করে। ** অধ্যায় ১১: মার্ক্স এবং ইতিহাস * আমি মনে করি না যে ইতিহাসবিদদের ফ্রয়েডের কাছ থেকে খুব বেশি কিছু শেখার আছে। ফ্রয়েড যখনই ইতিহাস নিয়ে কিছু লিখেছেন, তিনি একজন খারাপ ইতিহাসবিদের পরিচয় দিয়েছেন। মানসিকতার (Mentalities) সমস্যা কেবল মানুষ কতটা আলাদা তা খুঁজে বের করা নয়, বরং তাদের আচরণ, চিন্তা এবং অনুভূতির মধ্যে একটি যৌক্তিক সংযোগ খুঁজে বের করা। আমাদের দেখতে হবে কেন মানুষ বিখ্যাত ডাকাতদের অদৃশ্য বা অপরাজেয় মনে করে, যদিও বাস্তবে তা সত্য নয়। এই বিশ্বাসগুলোকে কেবল আবেগ হিসেবে না দেখে সমাজ সম্পর্কে তাদের একটি সুসংগত বিশ্বাস হিসেবে দেখা উচিত। ** অধ্যায় ১৩: ব্রিটিশ ইতিহাস এবং 'অ্যানালস': একটি টীকা * তৃণমূল পর্যায়ের বা 'নিচ থেকে ইতিহাস' (Grassroots history) চর্চাকারীরা সাধারণ মানুষকে নিয়ে কাজ করেন। তারা জানেন যে তাদের অনেক কিছু জানা নেই এবং এই বিনয়ই তাদের বড় শক্তি। তারা জানেন যে সাধারণ মানুষ যা চেয়েছিল বা তাদের যা প্রয়োজন ছিল, তা সবসময় প্রভাবশালী বা শিক্ষিত সমাজ যা ভেবেছিল তার সাথে মেলে না। যারা এখন সমাজ পরিচালনা করছেন বা যারা সমাজ বদলাতে চান, তাদের সবারই উচিত ইতিহাসবিদদের কথা শোনা। ** অধ্যায় ১৬: নিচ থেকে ইতিহাস * এক সহস্রাব্দ ধরে 'ইউরোপ' ছিল রক্ষণাত্মক। পরবর্তী অর্ধ সহস্রাব্দে এটি বিশ্ব জয় করেছে। এই উভয় পর্যবেক্ষণই বিশ্ব ইতিহাস থেকে ইউরোপের ইতিহাসকে আলাদা করা অসম্ভব করে তুলেছে। বৈচিত্র্য এবং উপাদানগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়াই ইউরোপের অস্তিত্বের মূলে। ** অধ্যায় ১৭: ইউরোপের অদ্ভুত ইতিহাস * আমার জীবনের বেশিরভাগ সময় এমন একটি আশার পেছনে ব্যয় হয়েছে যা শেষ পর্যন্ত হতাশ করেছে এবং এমন একটি আদর্শের পেছনে যা ব্যর্থ হয়েছে: তা হলো অক্টোবর বিপ্লব থেকে শুরু হওয়া কমিউনিজম। কিন্তু পরাজয়ের মতো ইতিহাসবিদের মনকে আর কিছুই তীক্ষ্ণ করতে পারে না। ** অধ্যায় ১৮: ইতিহাস হিসেবে বর্তমান * [[রুশ বিপ্লব|রুশ বিপ্লবের]] দুটি একে অপরের সাথে জড়িয়ে থাকা ইতিহাস আছে: রাশিয়ার ওপর এর প্রভাব এবং বিশ্বের ওপর এর প্রভাব। দ্বিতীয়টি না থাকলে খুব কম মানুষই এটি নিয়ে আগ্রহী হতো। যেমন আমেরিকার বাইরে [[আমেরিকান গৃহযুদ্ধ|আমেরিকার গৃহযুদ্ধ]] নিয়ে খুব কম মানুষই জানে। রুশ বিপ্লব রাশিয়াকে তার আন্তর্জাতিক শক্তি ও সম্মানের শীর্ষে নিয়ে গিয়েছিল—যা জারদের আমলেও সম্ভব হয়নি। [[জোসেফ স্টালিন|স্টালিন]] রুশ ইতিহাসে পিটার দ্য গ্রেটের মতোই স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। এটি একটি অনগ্রসর দেশকে আধুনিক করেছে, কিন্তু এর মানবিক মূল্য ছিল অনেক বেশি। এর অর্থনীতি ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনায় অনেক রুশ নাগরিকের কাছে পুরনো [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত]] আমল এখনও অনেক ভালো মনে হয়। এর ঐতিহাসিক ফলাফল এখনই চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা সম্ভব নয়। ** অধ্যায় ১৯: আমরা কি রুশ বিপ্লবের ইতিহাস লিখতে পারি? * আমরা অমানবিকতায় অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আমরা অসহনীয় বিষয়কেও সহ্য করতে শিখেছি। বিশ্বযুদ্ধ এবং শীতল যুদ্ধ আমাদের বর্বরতাকে মেনে নিতে বাধ্য করেছে। এমনকি আমরা বর্বরতাকে অর্থ উপার্জনের মতো বিষয়গুলোর চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ মনে করতে শুরু করেছি। ** অধ্যায় ২০: বর্বরতা: একটি ব্যবহারকারী নির্দেশিকা * পরিচয় ভিত্তিক ইতিহাস বা আইডেন্টিটি হিস্ট্রিই যথেষ্ট নয়। আবেগ বা ব্যক্তিগত স্বার্থ আমাদের ভুল পথে চালিত করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, প্রতিটি ইহুদি প্রাকৃতিকভাবেই নিজেকে জিজ্ঞেস করে—'এটি কি ইহুদিদের জন্য ভালো নাকি খারাপ?' নিপীড়নের সময়ে এটি ব্যক্তিগত আচরণের জন্য সহায়ক হতে পারে। কিন্তু একজন ইহুদি ইতিহাসবিদকে এটি পথ দেখাতে পারে না। ইতিহাসবিদকে অবশ্যই [[সার্বজনীনতাবাদ|সার্বজনীন হতে হবে]]। কেবল ইহুদিদের জন্য (বা [[আফ্রিকান আমেরিকান|আফ্রিকান-আমেরিকান]], [[গ্রিক]], [[নারী]] বা [[সমকামিতা|সমকামী]]) লেখা ইতিহাস কখনও ভালো ইতিহাস হতে পারে না, যদিও তা সংশ্লিষ্টদের কাছে স্বস্তিদায়ক হতে পারে। ** অধ্যায় ২১: আইডেন্টিটি হিস্ট্রিই যথেষ্ট নয় === 'হাউ টু চেঞ্জ দ্য ওয়ার্ল্ড: রিফ্লেকশনস অন মার্ক্স অ্যান্ড মার্ক্সিজম' (২০১১) === * 'মাউন্ট অফ সারমন'-এ বর্ণিত যিশু খ্রিস্টকে ‘প্রথম সমাজতান্ত্রিক’ বা কমিউনিস্ট হিসেবে দেখা খুবই সহজ। যদিও প্রথমদিকের সমাজতান্ত্রিক তাত্ত্বিকদের অধিকাংশ খ্রিস্টান ছিলেন না, তবুও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের পরবর্তীকালের অনেক সদস্য এই ভাবনাটিকে বেশ কার্যকর মনে করেছেন। * 'কমিউনিস্ট' শব্দটি সবসময় একটি নির্দিষ্ট কর্মসূচিকে নির্দেশ করলেও, 'সমাজতান্ত্রিক' শব্দটি ছিল মূলত বিশ্লেষণাত্মক এবং সমালোচনামূলক। * মার্ক্সের ধারণাগুলো ইউরোপের বেশিরভাগ শ্রমিক ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের অনুপ্রেরণাদায়ী তত্ত্বে পরিণত হয়েছিল। মূলত লেনিন এবং রুশ বিপ্লবের মাধ্যমে এই আদর্শ বিংশ শতাব্দীর সামাজিক বিপ্লবের একটি বিশ্বজনীন তত্ত্বে রূপ নেয়, যা চীন থেকে শুরু করে [[পেরু|পেরু]] পর্যন্ত সর্বত্র সমাদৃত হয়। এই তত্ত্বগুলোতে বিশ্বাসী দলগুলোর জয়ের মাধ্যমে এর বিভিন্ন সংস্করণ এমন সব রাষ্ট্রের দাপ্তরিক আদর্শে পরিণত হয়, যেখানে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ বসবাস করত। এছাড়া বিশ্বের বাকি অংশেও বিভিন্ন আকারের রাজনৈতিক আন্দোলনের ওপর এর ব্যাপক প্রভাব ছিল। অতীতের মহান ধর্মগুলোর প্রবর্তক ছাড়া আর কোনো একক চিন্তাবিদ এমন মর্যাদা পাননি। সম্ভবত [[মুহাম্মদ|মুহাম্মদ]] (সা.) ছাড়া অন্য কেউ এত দ্রুত এবং এত বড় পরিসরে সাফল্য অর্জন করতে পারেননি। এই বিচারে কোনো ইহজাগতিক চিন্তাবিদের নাম তাঁর (মার্ক্স) পাশে রাখা সম্ভব নয়। ** অধ্যায় ১৪, 'ইনফ্লুয়েন্স অফ মার্ক্সিজম ১৯৪৫-৮৩' == হবসবম সম্পর্কে উদ্ধৃতি == * 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-এর পরিপূরক হিসেবে উপস্থাপিত এই ব্যক্তিগত প্রতিকৃতিটি (ইন্টারেস্টিং টাইমস) হবসবমের বিংশ শতাব্দীর দৃষ্টিভঙ্গি এবং আধুনিকতার সামগ্রিক বর্ণনায় নতুন কী আলোকপাত করে? সামগ্রিক বিচারে, 'দ্য এজ অফ রেভোলিউশন', 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল', 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' এবং 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-কে একটি একক উদ্যোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে—এমন এক চতুষ্টয় (tetralogy) যার সমসাময়িক বিশ্ব গঠনের সুশৃঙ্খল বিবরণ হিসেবে অন্য কোনো তুলনা নেই। এই সবকটি গ্রন্থেই কিছু বিরল গুণের সংমিশ্রণ ঘটেছে: সংক্ষেপণের পরিমিতিবোধ; খুঁটিনাটি বর্ণনার সজীবতা; বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট সত্ত্বেও আঞ্চলিক পার্থক্যের তীব্র চেতনা; ফসল, শেয়ার বাজার, জাতি-শ্রেণি, রাষ্ট্রনায়ক-কৃষক এবং বিজ্ঞান-কলা—সব বিষয়েই অগাধ পাণ্ডিত্য ও সাবলীলতা; বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর প্রতি গভীর সহানুভূতি; বিশ্লেষণাত্মক বর্ণনার শক্তি; এবং সর্বোপরি অত্যন্ত স্বচ্ছ ও তেজোদীপ্ত একটি লিখনশৈলী। ** [[পেরি অ্যান্ডারসন]], "দ্য ভ্যানকুইশড লেফট: এরিক হবসবম", 'স্পেকট্রাম: ফ্রম রাইট টু লেফট ইন দ্য ওয়ার্ল্ড অফ আইডিয়াস' (২০০৫)-এ প্রকাশিত। * ইউরোপীয় তুলনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিতে, জাতীয় পতাকা বহনকারী এই শ্রমিকদের অদ্ভুত মনে হয় এবং তাদের গুরুত্ব খুব কমই বোঝা যায়। এমনকি মধ্য ইউরোপের প্রখ্যাত লেখক—যেমন [[আর্নেস্ট গেলনার|আর্নেস্ট গেলনার]] বা এরিক হবসবম—এই অঞ্চলের জাতীয়তাবাদের স্বাতন্ত্র্যকে একটি বৈশ্বিক সংজ্ঞায় খাপ খাওয়াতে গিয়ে এর আসল বৈশিষ্ট্যগুলোই ছেঁটে ফেলেছেন। হবসবমের ধারণা ছিল যে এটি পৃথিবীর প্রতিটি কোণেই প্রযোজ্য হবে, কিন্তু আমরা এই বইয়ে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের কাছে এই শব্দের অর্থ কী ছিল তা বোঝার চেষ্টা করেছি। সেই অঞ্চলে গেলনারের 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম' বইয়ের বৈশ্বিক মাপকাঠিগুলো হয় অপ্রাসঙ্গিক নয়তো গৌণ: যেমন [[জন স্টুয়ার্ট মিল|জন স্টুয়ার্ট মিলের]] ধারণা যে একটি জাতীয় রাষ্ট্রকে "সাশ্রয়ী" হতে হবে, বা জাতীয়তাবাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট আয়তন প্রয়োজন। চেক বা স্লোভেনীয়রা এই সব মাপকাঠি সম্পর্কে কিছুই জানত না এবং তারা এগুলো ছাড়াই তাদের ইতিহাস তৈরি করেছে। হবসবমের এই ধারণা যে ভাষা এবং ইতিহাস কোনো নির্ণায়ক মানদণ্ড নয়, তা পূর্ব-মধ্য ইউরোপের যে কারোর কাছে অর্থহীন মনে হতো—যদিও এটি মহাকাশ থেকে কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা জাতীয়তাবাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। ** জন কনেলি, 'ফ্রম পিপলস টু নেশনস: আ হিস্ট্রি অফ ইস্টার্ন ইউরোপ' (২০২০), পৃষ্ঠা ৭৯৬-৭৯৭। * এরিক হবসবম হয়তো অভিযোগ করতে পারেন যে আমি অন্যায় করছি এবং আমি আসলে অন্যরকম একটি বই আশা করেছিলাম। তিনি বলতে পারেন যে আমি এমন একটি বই চাই যা চিরস্থায়ী হবে এবং ভবিষ্যৎ শতাব্দীর ইতিহাসবিদদের আগ্রহের খোরাক হবে। আর তিনি ঠিকই বলেছেন, আমি আসলেই তা চাই। বিপরীতে, তিনি বলতে পারেন যে তাঁর বইটি "বিংশ শতাব্দীর একজন লেখকের দ্বারা বিংশ শতাব্দীর শেষের পাঠকদের জন্য লেখা", যাদের কাছে 'পুঁজিবাদ' এবং 'সমাজতন্ত্রের' সংঘাত, সামাজিক বিপ্লব, [[স্নায়ুযুদ্ধ]], এবং 'প্রকৃত সমাজতন্ত্রের' সীমাবদ্ধতা ও পতন নিয়ে আলোচনা করা সার্থক। তিনি মূলত সেই পাঠকদের জন্য লিখছেন যারা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের মূল থিম হিসেবে বিশ্ব কমিউনিজমের ট্র্যাজিক ও বীরত্বগাথাকে বিবেচনা করেন। কিন্তু বিশ্ব কমিউনিজমের এই যাত্রা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একমাত্র বা মূল থিম নয়। হবসবম আসলে কাদের জন্য তাঁর বইটি লিখছেন? বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের কোন অংশটুকু পাঠকদের জানা প্রয়োজন, তার জন্য কি আমরা 'এজ অফ এক্সট্রিমস' বইটির সুপারিশ করতে পারি? ** [[জে. ব্র্যাডফোর্ড ডিলং]], "লো মার্ক্স: আ রিভিউ অফ এরিক হবসবমস 'এজ অফ এক্সট্রিমস'" (১৯৯৫)। * [[১৯৬৮]] সালে আমি সেই মনোযোগী ও শ্রদ্ধাশীল ছাত্র শ্রোতাদের একজন ছিলাম, যাদের সামনে এরিক হবসবম ছাত্র র‍্যাডিক্যালিজমের সীমাবদ্ধতা নিয়ে কথা বলছিলেন। তাঁর উপসংহারটি আমার খুব মনে আছে, কারণ এটি তৎকালীন মেজাজের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। তিনি আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে, মাঝেমধ্যে পৃথিবী পরিবর্তন করা নয় বরং এটিকে ব্যাখ্যা করাই মুখ্য উদ্দেশ্য। কিন্তু বিশ্বকে ব্যাখ্যা করার জন্য এটি কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে সে সম্পর্কেও একটি সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন। তাঁর শেষ বইটি আমাদের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া এই বিশ্বের একটি চমত্কার, মেধাবী এবং সর্বদা বুদ্ধিদীপ্ত বিবরণ। এটি যদি তাঁর সেরা কাজগুলোর সমপর্যায়ের না-ও হয়, তবুও মনে রাখা উচিত যে তিনি নিজেই মেধার মানদণ্ড অনেক উঁচুতে সেট করেছেন। তবে বিশ্বে এক বা দুটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে—যেমন কমিউনিজমের মৃত্যু বা ইতিহাসের ওপর আস্থা হারানো—যা লেখককে খুব একটা খুশি করতে পারেনি। এটি দুঃখজনক, কারণ তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গি বইটির বিবরণকে এমনভাবে প্রভাবিত করেছে যা হয়তো নতুন পাঠকদের শিখতে নিরুৎসাহিত করবে। আমি বিংশ শতাব্দীর বর্ণনায় তাঁর সেই তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণ মিস করেছি যা তাঁকে উনবিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একজন অপরিহার্য পথপ্রদর্শক করে তুলেছিল। হবসবম আমাদের মনে করিয়ে দেন যে ইতিহাসবিদরা হলেন "সেই পেশাদার স্মৃতিকার যারা সাধারণ মানুষ যা ভুলে যেতে চায় তা মনে করিয়ে দেন।" এটি একটি অত্যন্ত কঠিন ও আপসহীন দায়িত্ব। ** [[টনি জাট]], "ডাউনহিল অল দ্য ওয়ে", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২৫ মে, ১৯৯৫)। * হবসবম তাঁর স্মৃতিকথা একটি উদ্দীপনামূলক বার্তার মাধ্যমে শেষ করেছেন: “এই সন্তোষজনক নয় এমন সময়েও আমাদের নিরস্ত্র হওয়া চলবে না। সামাজিক অবিচারের বিরুদ্ধে সবসময় প্রতিবাদ ও লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। পৃথিবী নিজে নিজে ভালো হবে না।” তিনি সব দিক থেকেই ঠিক। কিন্তু নতুন শতাব্দীতে ভালো কিছু করতে হলে আমাদের পুরনো শতাব্দীর সত্যগুলো বলতে হবে। হবসবম শয়তান বা অশুভ শক্তির মুখোমুখি হতে এবং একে তার আসল নামে ডাকতে অস্বীকার করেছেন; তিনি কখনও স্তালিন এবং তাঁর কর্মকাণ্ডের রাজনৈতিক ও নৈতিক উত্তরাধিকারকে গভীরভাবে বিচার করেননি। তিনি যদি গুরুত্বের সাথে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে কোনো আমূল পরিবর্তনের মশাল হস্তান্তর করতে চান, তবে এটি সঠিক পথ নয়। ** [[টনি জাট]], "দ্য লাস্ট রোমান্টিক", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২০ নভেম্বর, ২০০৩)। * হবসবম যেমনটি তাঁর 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' বইতে বলেছিলেন, তিনি মূলত একটি ‘যুক্তির উন্মোচন’ লিখছিলেন। সেই যুক্তির মূল কথা হলো—ঐতিহাসিক গুরুত্বের ক্ষেত্রে সংস্কৃতির চেয়ে অর্থনীতি, নারীর চেয়ে পুরুষ এবং বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে পশ্চিমের গুরুত্ব বেশি। তাঁর বর্ণনায় অনেক কিছু বাদ পড়াটা কোনো ভুল ছিল না বরং এটি ছিল তাঁর চিন্তাধারারই অংশ। অন্যভাবে বলতে গেলে, হবসবমকে নতুনভাবে মূল্যায়ন করতে হলে তাঁর এই মূল ধারণাগুলোকে চ্যালেঞ্জ করতে হবে। ** [[w:Susan Pedersen|সুসান পেডারসেন]], "আই ওয়ান্ট টু লাভ ইট", 'লন্ডন রিভিউ অফ বুকস' (১৮ এপ্রিল, ২০১৯)। * হবসবমকে একবার জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি হ্যাম্পস্টেড ম্যানশনের মতো অত্যন্ত দামি বাড়িতে বাস করাকে কীভাবে সমর্থন করেন। উত্তরে তিনি রসিকতা করে বলেছিলেন, যদি কেউ [[w:Titanic|টাইটানিক]] জাহাজে ভ্রমণ করে, তবে তার প্রথম শ্রেণীতে চড়েই ডুবে যাওয়া ভালো। রসিকতা হিসেবে এটি চমত্কার। কিন্তু যদি ১৯৮৯ সালে সমস্ত বরফ গলে যায় (কমিউনিজমের পতন হয়), তবে কী হবে? ** [[w:John Sutherland (author)|জন সাদারল্যান্ড]], 'দ্য টাইমস' (২৩ জানুয়ারি, ২০১৬)। * ১৯৯৫ সালে যখন তিনি '[[w:Desert Island Discs|ডেজার্ট আইল্যান্ড ডিস্কস]]'-এ উপস্থিত হয়েছিলেন, তখন তিনি বিলি হলিডের একটি গান বেছে নেওয়ার পাশাপাশি ইতিহাস নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছিলেন। উপস্থাপক সু ললি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, যদি লক্ষ লক্ষ জীবনের বিনিময়ে বিশ্ববিপ্লব আনা সম্ভব হতো, তবে কি তা সার্থক হতো? তিনি দ্বিধাহীনভাবে উত্তর দিয়েছিলেন—হ্যাঁ। মাইকেল ইগনাটিয়েফ কর্তৃক টেলিভিশনে গৃহীত এক সাক্ষাৎকারে হবসবমকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, ১৯৩৪ সালে স্তালিন কর্তৃক লক্ষ লক্ষ মানুষকে জোরপূর্বক অভুক্ত রাখার কথা জানলে কি তাঁর কমিউনিস্ট হওয়ার ইচ্ছা বদলে যেত? তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, "সম্ভবত না"। তিনি শান্তভাবে আরও যোগ করেন যে, যদি সোভিয়েত ইউনিয়ন বিশ্ববিপ্লবের সূচনা করতে পারত, তবে ১৫-২০ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু যুক্তিযুক্ত হতে পারত। ** [[এ. এন. উইলসন]], 'অন দ্য রং সাইড অফ হিস্ট্রি', 'দ্য টাইমস স্যাটারডে রিভিউ' (২৬ জানুয়ারি, ২০১৯)। * হবসবমের ইতিহাসের প্রধান সমস্যা ছিল যে তাঁর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল [[কার্ল মার্ক্স|কার্ল মার্ক্সের]] তত্ত্বগুলোকে সত্য প্রমাণ করা। শোকসংবাদ লেখকরা দাবি করেছিলেন যে তিনি কখনও [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদী]] মতাদর্শের দাস ছিলেন না বা তাঁর কাজ ছিল "সর্বদা সূক্ষ্ম ও মার্জিত", কিন্তু বাস্তবতা ছিল এর বিপরীত। ** কিথ উইন্ডশাটল, "দ্য নট-সো-গ্রেট এরিক হবসবম", 'কোয়াড্র্যান্ট' (১ নভেম্বর ২০১২)। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইতিহাসবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:কমিউনিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্ক্সবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্যাসিবাদ বিরোধী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১২-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:আলেকজান্দ্রিয়ার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রিটিশ একাডেমির ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:রয়্যাল সোসাইটি অফ লিটারেচারের ফেলো]] 5pfptlukzut99g4f1k4vpuc0d3tqam3 78591 78588 2026-04-19T12:50:37Z SMontaha32 3112 78591 wikitext text/x-wiki [[File:Eric Hobsbawm.jpg|thumb|right|২০১১ সালে এরিক হবসবম]] '''[[w:Eric Hobsbawm|এরিক জন আর্নেস্ট হবসবম]]''', [[w:Companion of Honour|সিএইচ]], [[w:Fellow of the Royal Society of Literature|এফআরএসএল]], [[w:Fellow of the British Academy|এফবিএ]] ([[৯ জুন]] [[১৯১৭]] – [[১ অক্টোবর]] [[২০১২]]) ছিলেন একজন ব্রিটিশ মার্ক্সবাদী ইতিহাসবিদ ও লেখক। তিনি [[w:Communist Party of Great Britain|কমিউনিস্ট পার্টি অব গ্রেট ব্রিটেনের]] (১৯২০–১৯৯১) একজন প্রধান তাত্ত্বিক এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত [[w:Birkbeck College|বার্কবেক কলেজের]] সাবেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন। == উদ্ধৃতি == * আমাদের যুগের বুদ্ধিজীবী এবং [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদের]] মধ্যে যে প্রেমের সম্পর্ক দেখা যায়, তা পশ্চিম ইউরোপে তুলনামূলকভাবে দেরিতে শুরু হয়েছিল। যদিও রাশিয়ায় এটি [[কার্ল মার্ক্স|মার্ক্সের]] জীবদ্দশাতেই শুরু হয়। ** "বুদ্ধিজীবী এবং কমিউনিজম" (১৯৬৪), 'রেভোলিউশনারিস: কনটেম্পোরারি এসেস' (১৯৭৩)-এ প্রকাশিত। * প্রথমত, সম্ভবত কোনো বড় ধরনের [[বিপ্লব]] সফল করার জন্য যে অতিমানবীয় প্রচেষ্টার প্রয়োজন হয়, তা তৈরির জন্য [[কল্পরাজ্য|ইউটোপিয়াবাদ]] একটি প্রয়োজনীয় সামাজিক কৌশল। ** 'প্রিমিটিভ রেবেলস: স্টাডিজ ইন আর্কাইক ফর্মস অফ সোশ্যাল মুভমেন্ট ইন দ্য নাইনটিনথ অ্যান্ড টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরিস' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ৬০। * ইতিহাসবিদরা [[জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদের]] কাছে ঠিক তেমনই, যেমন [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] পোস্ত চাষীরা [[আসক্তি|হেরোইন আসক্তদের]] কাছে: আমরা বাজারের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সরবরাহ করি। '''অতীতহীন জাতি একটি স্ববিরোধী ধারণা।''' অতীতই একটি জাতি গঠন করে এবং অন্য জাতির বিরুদ্ধে নিজের অস্তিত্বের ন্যায্যতা দেয়। ইতিহাসবিদরাই সেই অতীত তৈরি করেন। তাই আমার পেশাটি রাজনীতির সাথে মিশে গিয়ে জাতীয়তাবাদের একটি অপরিহার্য উপাদানে পরিণত হয়েছে। ** "এথনিসিটি অ্যান্ড ন্যাশনালিজম ইন ইউরোপ টুডে" (ফেব্রুয়ারি ১৯৯২), 'অ্যানথ্রোপোলজি টুডে'। * [[উদারতাবাদ]] ব্যর্থ হচ্ছিল। আমি যদি [[ইহুদি]] না হয়ে [[জার্মান]] হতাম, তবে সম্ভবত আমি একজন [[নাৎসিবাদ|নাৎসি]] বা [[w:German_nationalist|জার্মান জাতীয়তাবাদী]] হতাম। আমি বুঝতে পারতাম তারা জাতি রক্ষার বিষয়ে কতটা আবেগপ্রবণ ছিল। সেটি এমন এক সময় ছিল যখন বিশ্বকে আমূল পরিবর্তন না করলে কোনো ভবিষ্যৎ আছে বলে কেউ বিশ্বাস করত না। ** এরিক হবসবমের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, মায়া জাগি কর্তৃক 'দ্য গার্ডিয়ান'-এ প্রকাশিত “আ কোয়েশ্চেন অফ ফেইথ” (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০২)। * মনে হচ্ছে [[বিদেশাতঙ্ক|জেনোফোবিয়া]] বা বিদেশাতঙ্ক বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের একটি গণ-আদর্শে পরিণত হতে যাচ্ছে। ** 'ডিভাইডেড ইউরোপীয়ানস: আন্ডারস্ট্যান্ডিং এথনিসিটিস ইন কনফ্লিক্ট' (১৯৯৯), পৃষ্ঠা ৪১। * [[লন্ডন|লন্ডনের]] দিকে তাকান। আমাদের সবার কাছেই লন্ডনের অর্থনীতির সমৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু রাজধানীর নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় উৎপন্ন বিশাল সম্পদের পরীক্ষা এই নয় যে এটি ব্রিটেনের মোট জিডিপিতে ২০-৩০% অবদান রাখছে। বরং পরীক্ষাটি হলো এটি সেখানে বসবাসকারী লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে কী প্রভাব ফেলছে। তারা সেখানে থাকার সামর্থ্য রাখে কি না? যদি না রাখে, তবে লন্ডন অতি-ধনীদের স্বর্গরাজ্য হওয়া তাদের জন্য কোনো সান্ত্বনা নয়। তারা কি উপযুক্ত বেতনের চাকরি পায়? যদি না পায়, তবে মিশেলিন-স্টার রেস্তোরাঁ বা নামী শেফদের নিয়ে বড়াই করবেন না। কিংবা শিশুদের শিক্ষার কথা ধরুন; লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এক দল নোবেল বিজয়ী থাকলেই অপর্যাপ্ত স্কুলগুলোর অভাব পূরণ হয় না। ** 'দ্য গার্ডিয়ান' (২০০৯)। * বিশ্বজুড়ে যেভাবে [[ভারত|ভারতীয়]] ও [[চীন|চীনা]] রেস্তোরাঁর বিস্তার ঘটছে, তা থেকে বোঝা যায় যে [[বিদেশাতঙ্ক|জেনোফোবিয়া]] বিদেশি মানুষের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়, বিদেশি সাংস্কৃতিক আমদানির বিরুদ্ধে নয়। ** 'ম্যাপিং দ্য নেশন' (১৩ নভেম্বর ২০১২), পৃষ্ঠা ২৬৩। === 'দ্য এজ অফ রেভল্যুশন' (১৯৬২) === * ইতিহাসের জালকে ছিঁড়ে না ফেলে একে আলাদা আলাদা সুতোয় ভাগ করা সম্ভব নয়। তবে বাস্তব কাজের সুবিধার্থে বিষয়টিকে নির্দিষ্ট উপবিভাগে ভাগ করা অপরিহার্য। ** প্রস্তাবনা * নথিপত্রের চেয়ে শব্দ অনেক সময় বেশি জোরালোভাবে কথা বলে। ১৮৪৮ সাল পর্যন্ত যে ষাট বছর নিয়ে এই বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে, সেই সময়ে উদ্ভাবিত বা আধুনিক অর্থ লাভ করা কিছু ইংরেজি শব্দের কথা ভাবুন। যেমন—'ইন্ডাস্ট্রি' (শিল্প), 'ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট' (শিল্পপতি), 'ফ্যাক্টরি' (কারখানা), 'মিডল ক্লাস' (মধ্যবিত্ত), 'ওয়ার্কিং ক্লাস' (শ্রমজীবী শ্রেণি) এবং 'সোশ্যালিজম' (সমাজতন্ত্র)। এছাড়া রয়েছে 'অ্যারিস্টোক্রাসি' (অভিজাততন্ত্র), 'রেলওয়ে' (রেলপথ), 'লিবারেল' (উদারপন্থী) ও 'কনজারভেটিভ' (রক্ষণশীল) রাজনৈতিক শব্দাবলি, 'ন্যাশনালিটি' (জাতীয়তা), 'সায়েন্টিস্ট' (বিজ্ঞানী) এবং 'ইঞ্জিনিয়ার' (প্রকৌশলী), 'প্রলেতারিয়েত' (সর্বহারা) এবং অর্থনৈতিক 'ক্রাইসিস' (সংকট)। ** ভূমিকা * 'আলোকায়ন' বা এনলাইটেনমেন্টকে কঠোরভাবে মধ্যবিত্তের মতাদর্শ বলা সঠিক নয়, যদিও অনেক আলোকায়নবাদী—যারা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ছিলেন—এটি ধরে নিয়েছিলেন যে, একটি মুক্ত সমাজ মানেই হবে একটি পুঁজিবাদী সমাজ। তাত্ত্বিকভাবে এর লক্ষ্য ছিল সকল মানুষকে মুক্ত করা। সমস্ত প্রগতিশীল, যুক্তিবাদী এবং মানবতাবাদী মতাদর্শ এর মধ্যেই নিহিত ছিল। তবে বাস্তবে এই মুক্তির আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিল সমাজের মধ্যস্তর—জন্মগত পরিচয়ের চেয়ে মেধা ও যোগ্যতাসম্পন্ন যুক্তিবাদী মানুষ। ফলে তাদের হাত ধরে যে সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল তা ছিল মূলত 'বুর্জোয়া' এবং পুঁজিবাদী। ** অধ্যায় ১: ১৭৮০-এর দশকের বিশ্ব * শিল্প বিপ্লবের প্রথম দুই প্রজন্মে ব্রিটেনের মৌলিক সত্যটি ছিল এই যে, অভিজাত এবং ধনী শ্রেণি এত দ্রুত এবং এত বিশাল পরিমাণ অর্থ সঞ্চয় করেছিল যা ব্যয় বা বিনিয়োগ করার সব সুযোগকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ** অধ্যায় ২: শিল্প বিপ্লব * [[ফ্রান্স|ফ্রান্স]] অধিকাংশ দেশের জন্য আইনের কোড বা বিধিমালা, বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সংগঠনের মডেল এবং পরিমাপের [[w:Metric_system|মেট্রিক পদ্ধতি]] উপহার দিয়েছিল। ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমেই আধুনিক বিশ্বের মতাদর্শগুলো প্রথম প্রাচীন সভ্যতাগুলোতে প্রবেশ করতে শুরু করে। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ছিলেন সেই 'লিটল কর্পোরাল' (ছোট কর্পোরাল) যিনি নিছক ব্যক্তিগত প্রতিভার জোরে একটি মহাদেশ শাসন করেছিলেন। নেপোলিয়ন উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে একটি ব্যক্তিগত নাম দিয়েছিলেন ঠিক সেই মুহূর্তে যখন 'দ্বৈত বিপ্লব' (শিল্প ও ফরাসি বিপ্লব) উচ্চাকাঙ্ক্ষী মানুষের জন্য পৃথিবী উন্মুক্ত করে দিয়েছিল। তিনি ছিলেন আঠারো শতকের যুক্তিবাদী ও আলোকিত মানুষ, আবার রুশোর শিষ্য হিসেবে ১৯ শতকের রোমান্টিক মানুষও বটে। ফরাসিদের জন্য তিনি ছিলেন তাদের দীর্ঘ ইতিহাসের সফলতম শাসক। তিনি কেবল একটি জিনিস ধ্বংস করেছিলেন: তা হলো জ্যাকোবিন বিপ্লব, অর্থাৎ সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার সেই স্বপ্ন। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * রাজনৈতিক ভূগোলের বিচারে ফরাসি বিপ্লব ইউরোপের মধ্যযুগের অবসান ঘটিয়েছিল। ** অধ্যায় ৪: যুদ্ধ * যুদ্ধের সত্যিকারের ভীতিজনক ঝুঁকি ছিল অবহেলা, নোংরা পরিবেশ, দুর্বল সংগঠন, ত্রুটিপূর্ণ চিকিৎসা সেবা এবং স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে অজ্ঞতা—যা সেনাদের প্রায় সবাইকেই আক্রান্ত করত। ** অধ্যায় ৪: যুদ্ধ * আন্তর্জাতিক শান্তি চুক্তির একটি বিধান আলাদাভাবে উল্লেখ করা প্রয়োজন: তা হলো আন্তর্জাতিক দাস-ব্যবসা বিলুপ্তি। এর পেছনে মানবিক ও অর্থনৈতিক—উভয় কারণই ছিল: দাসপ্রথা যেমন ছিল ভয়ংকর, তেমনই ছিল অত্যন্ত অদক্ষ। তাছাড়া ১৮১৫-৪৮ সালের অর্থনীতি আর আগের মতো মানুষ বা চিনি বিক্রির ওপর নির্ভরশীল ছিল না, বরং তা সুতি বস্ত্রের ওপর নির্ভরশীল ছিল। ** অধ্যায় ৫: শান্তি * ১৮১৫ পরবর্তী প্রজন্মে ইতিহাসের গতিপথ আটকে রাখার ক্ষেত্রে সরকারগুলোর অক্ষমতা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছিল। দ্বিতীয় কোনো ফরাসি বিপ্লব ঠেকানোই ছিল তৎকালীন শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর প্রধান লক্ষ্য। তবুও ইউরোপের ইতিহাসে আর কখনও বৈপ্লবিক চেতনা এত বেশি সংক্রামক হয়ে ওঠেনি। ** অধ্যায় ৬: বিপ্লবসমূহ * অন্য কোথাও জাতীয়তাবাদের মতো কিছু খুঁজে পাওয়া সম্ভব ছিল না, কারণ এর জন্য প্রয়োজনীয় সামাজিক শর্তগুলো তখন বিদ্যমান ছিল না। ** অধ্যায় ৭: জাতীয়তাবাদ * ১৮০৭ থেকে ১৮১৬ সালের মধ্যে প্রুশিয়ার কৃষকদের মুক্তির ক্ষেত্রে তিনটি কারণ কাজ করেছিল—ফরাসি বিপ্লবের প্রভাব, আমলাদের যৌক্তিক অর্থনৈতিক যুক্তি এবং অভিজাতদের লোভ। ** অধ্যায় ৮: ভূমি * দ্বৈত বিপ্লবের ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক প্রভাবগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গভীর ও স্থায়ী প্রভাবটি হলো ‘উন্নত’ এবং ‘অনুন্নত’ দেশের মধ্যে বিভাজন। ** অধ্যায় ৯: একটি শিল্পোন্নত বিশ্বের দিকে * যাদের বংশপরিচয় বা জাতিগত কারণে এতদিন বৈষম্যের শিকার হতে হয়েছে, সেই সংখ্যালঘু গোষ্ঠীগুলোই 'যোগ্যতার ভিত্তিতে ক্যারিয়ার' গড়ার সুযোগকে সবচেয়ে বেশি স্বাগত জানিয়েছিল। ** অধ্যায় ১০: মেধার মূল্যায়ন (Career Open to Talent) * পালানো বা পরাজয়ের বিকল্প ছিল বিদ্রোহ। শ্রমজীবী দরিদ্র এবং বিশেষ করে শিল্প প্রলেতারিয়েত বা সর্বহারা শ্রেণির অবস্থা এমন ছিল যে, বিদ্রোহ করা তাদের জন্য কেবল সম্ভবই ছিল না, বরং অনেকটা বাধ্যতামূলক ছিল। উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে শ্রম ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের উত্থান ছিল অনিবার্য। ** অধ্যায় ১১: শ্রমজীবী দরিদ্র * ইতিহাসের বেশিরভাগ সময় এবং বিশ্বের বেশিরভাগ অঞ্চলে (চীন সম্ভবত এর প্রধান ব্যতিক্রম) শিক্ষিত গুটিকয়েক মানুষ ছাড়া বাকি সবাই জগতকে ঐতিহ্যবাহী ধর্মের আলোকে দেখত। পরিস্থিতি এমন ছিল যে, অনেক দেশে 'খ্রিস্টান' শব্দটি ছিল 'কৃষক' বা এমনকি 'মানুষ' শব্দের সমার্থক। ** অধ্যায় ১২: মতাদর্শ: ধর্ম * ধর্ম, যা একসময় আকাশের মতো ছিল যা থেকে কেউ পালাতে পারত না, তা ধীরে ধীরে মেঘের স্তূপের মতো হয়ে উঠল—যা মানবমন্ডলের একটি বিশাল কিন্তু সীমিত ও পরিবর্তনশীল বৈশিষ্ট্য। ** অধ্যায় ১২: মতাদর্শ: ধর্ম * বুর্জোয়াদের বিজয় ফরাসি বিপ্লবকে এনলাইটেনমেন্টের ধর্মনিরপেক্ষ নৈতিক মতাদর্শে দীক্ষিত করেছিল এবং যেহেতু এই বিপ্লবের ভাষা পরবর্তী সকল বৈপ্লবিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠেছিল, তাই এটি ধর্মনিরপেক্ষতাকে ছড়িয়ে দিয়েছিল। ** অধ্যায় ১২: মতাদর্শ: ধর্ম * ক্লাসিক্যাল লিবারেলিজম বা উদারতাবাদের কাছে 'মানুষ' ছিল মূলত একটি সামাজিক প্রাণী যে কেবল বৃহৎ সংখ্যার মাঝে সহাবস্থান করে। তাই সামাজিক লক্ষ্যগুলো ছিল প্রতিটি ব্যক্তির ব্যক্তিগত লক্ষ্যের গাণিতিক সমষ্টি। ‘সর্বাধিক মানুষের সর্বাধিক সুখ’ ছিল সমাজের প্রধান লক্ষ্য। ** অধ্যায় ১৩: মতাদর্শ: ধর্মনিরপেক্ষতা * সমাজের সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর শিল্পকর্মও অনেক সময় পুরো মানবজাতিকে কাঁপিয়ে দেওয়া ভূকম্পনের প্রতিধ্বনি তুলতে পারে। আমাদের সময়কালের সাহিত্য ও শিল্পকলা তা-ই করেছিল এবং এর ফলাফল ছিল ‘রোমান্টিসিজম’ বা রোমান্টিকতাবাদ। ** অধ্যায় ১৪: শিল্পকলা * বিজ্ঞান ও শিল্পকলার মধ্যে সাদৃশ্য টানা সবসময়ই বিপজ্জনক। তবুও বিজ্ঞানও দ্বৈত বিপ্লবের প্রতিফলন ঘটিয়েছিল, কারণ এটি বিজ্ঞানের কাছে নতুন দাবি তুলেছিল এবং চিন্তার নতুন ধরণ তৈরি করেছিল। ** অধ্যায় ১৫: বিজ্ঞান * বিজ্ঞানের উন্নতি কোনো সাধারণ সরলরৈখিক অগ্রগতি নয়। ** অধ্যায় ১৫: বিজ্ঞান * ১৮৩১ সালে [[ভিক্টর হুগো|ভিক্টর হুগো]] লিখেছিলেন যে, তিনি মাটির গভীর থেকে বিপ্লবের পূর্ণ শব্দ শুনতে পাচ্ছেন, যা ইউরোপের রাজতন্ত্রের নিচ দিয়ে প্যারিসের কেন্দ্রীয় খনি থেকে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে এগিয়ে চলেছে। ১৮৪৭ সালে সেই শব্দ অনেক কাছে এবং জোরালো হয়ে আসে। ১৮৪৮ সালে সেই বিস্ফোরণটি ঘটে। ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার: ১৮৪৮-এর দিকে === 'ব্যান্ডিটস' (১৯৬৯; ১৯৭২; ১৯৮১) === * মানুষ হয়তো দস্যুদের সাথে দেখা করতে পছন্দ করবে না, বিশেষ করে কোনো অন্ধকার রাতে, তবে তাদের সম্পর্কে পড়ার আগ্রহ বিশ্বজনীন। ** প্যানথিয়ন সংস্করণের প্রস্তাবনা * 'সামাজিক দস্যু' বা সোশ্যাল ব্যান্ডিট হলো এমন কৃষক যারা আইনের চোখে অপরাধী, কিন্তু কৃষক সমাজে তারা বীর, মুক্তিদাতা বা ন্যায়ের জন্য লড়াকু যোদ্ধা হিসেবে গণ্য। সাধারণ কৃষক এবং এই বিদ্রোহীদের মধ্যকার সম্পর্কই সামাজিক দস্যুবৃত্তিকে তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। ** অধ্যায় ১: সামাজিক দস্যুবৃত্তি কী? * দস্যুবৃত্তি হলো মুক্তি, কিন্তু কৃষক সমাজে খুব কম মানুষই মুক্ত হতে পারে। অধিকাংশ মানুষই প্রভুত্ব এবং শ্রমের শিকলে বন্দি। ** অধ্যায় ২: কে দস্যু হয়? === 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল' (১৮৪৮-১৮৭৫) === * সমাজ ব্যবস্থা রক্ষাকারীদের সাধারণ মানুষের রাজনীতি শিখতে হয়েছিল। এটি ছিল ১৮৪৮ সালের বিপ্লবগুলোর মাধ্যমে আসা সবচেয়ে বড় উদ্ভাবন। এমনকি ঘোর প্রতিক্রিয়াশীল প্রুশীয় জুনকাররাও (জমিদার) বুঝতে পেরেছিলেন যে, 'জনমত' প্রভাবিত করার জন্য তাদের একটি সংবাদপত্র প্রয়োজন—যা আসলে একটি উদারপন্থী ধারণা। ** অধ্যায় ১: জনগণের বসন্তকাল (The Springtime of Peoples) * উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে বিশ্ব যেভাবে একে অপরের কাছাকাছি আসছিল, বিংশ শতাব্দীর শেষে এসে আমরা সেই প্রক্রিয়ার সাথে আরও বেশি পরিচিত। তবে বর্তমান সময়ের বিশ্ব অনেক বেশি মাত্রায় প্রমিত বা স্ট্যান্ডার্ডাইজড। ** অধ্যায় ৩: বিশ্ব যখন একীভূত * ১৮৪৮ থেকে ১৮৭৫ সাল পর্যন্ত উদারপন্থার জয়ের এই যুগটি শুরু হয়েছিল একটি ব্যর্থ বিপ্লব দিয়ে এবং শেষ হয়েছিল একটি দীর্ঘস্থায়ী মন্দার মাধ্যমে। ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার === 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' (১৯৮৭) === * যখন ইতিহাসবিদরা এমন একটি সময়কাল বোঝার চেষ্টা করেন যার প্রত্যক্ষদর্শীরা এখনও জীবিত, তখন [[ইতিহাস|ইতিহাসের]] দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারণা একে অপরের মুখোমুখি হয়, অথবা সেরা ক্ষেত্রে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে: তা হলো পাণ্ডিত্যপূর্ণ এবং অস্তিত্বগত ধারণা, অর্থাৎ আর্কাইভ বনাম ব্যক্তিগত স্মৃতি। প্রতিটি মানুষই তার সচেতনভাবে বেঁচে থাকা সময়ের একজন [[ইতিহাসবিদ|ইতিহাসবিদ]], কারণ সে মনে মনে সেই সময়ের সাথে একটি বোঝাপড়া তৈরি করে। '[[w:Oral_history|মৌখিক ইতিহাস]]' বা ওরাল হিস্ট্রি নিয়ে যারা কাজ করেছেন তারা জানেন যে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটি একজন অনির্ভরযোগ্য ইতিহাসবিদের কাজ, তবুও এর অবদান অপরিহার্য। একজন পণ্ডিত যিনি কোনো প্রবীণ সৈনিক বা রাজনীতিবিদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন, তিনি হয়তো ছাপানো কাগজ বা নথিপত্র থেকে সেই ব্যক্তির স্মৃতির চেয়েও অনেক বেশি এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য ইতোমধ্যে সংগ্রহ করে ফেলেছেন, কিন্তু তবুও তিনি বিষয়টি ভুল বুঝতে পারেন। ক্রুসেডের ইতিহাসবিদের মতো না হলেও, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাসবিদকে সেই প্রত্যক্ষদর্শীরা সংশোধন করে দিতে পারেন যারা মাথা নেড়ে বলবেন: ‘আসলে বিষয়টি একদম এমন ছিল না।’ তবুও ইতিহাসের এই দুটি সংস্করণই অতীতের এক একটি সুসংগত নির্মাণ। ** ভূমিকা (Overture) * ১৮৭০-এর দশকের অধিকাংশ পর্যবেক্ষক ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় অনেক বেশি মুগ্ধ ছিলেন। জ্ঞান এবং প্রকৃতিকে বদলে দেওয়ার ক্ষমতার বিচারে পরিবর্তন মানেই যে উন্নতি বা অগ্রগতি, তা এতটাই স্পষ্ট ছিল যে ইতিহাস মানেই প্রগতি বলে মনে হতো। এই প্রগতি পরিমাপ করা হতো যা কিছু পরিমাপযোগ্য তার ক্রমবর্ধমান রেখাচিত্র বা কার্ভ দিয়ে। ক্রমাগত উন্নতি যে ঘটবেই, তা ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা দিয়ে নিশ্চিত বলে মনে করা হতো। এটি বিশ্বাস করাই কঠিন ছিল যে, মাত্র তিন শতাব্দী আগেও বুদ্ধিমান ইউরোপীয়রা প্রাচীন [[রোমান সাম্রাজ্য|রোমানদের]] কৃষি, সামরিক কৌশল এবং এমনকি চিকিৎসাবিদ্যাকে নিজেদের মডেল হিসেবে গণ্য করত। মাত্র দুই শতাব্দী আগেও আধুনিকরা প্রাচীনদের ছাড়িয়ে যেতে পারবে কি না তা নিয়ে গম্ভীর বিতর্ক ছিল এবং আঠারো শতকের শেষেও বিশেষজ্ঞরা ব্রিটেনের জনসংখ্যা বাড়ছে কি না তা নিয়ে সন্দেহ পোষণ করতেন। ** অধ্যায় ১: দ্য সেন্টেনারিয়ান রেভল্যুশন * একটি বিশ্ব অর্থনীতি যার গতি নির্ধারিত হতো উন্নত বা উন্নয়নশীল পুঁজিবাদী কেন্দ্র দ্বারা, সেখানে ‘উন্নত’ দেশগুলো ‘অনগ্রসর’ দেশগুলোর ওপর আধিপত্য বিস্তার করবে—এটাই ছিল স্বাভাবিক; সংক্ষেপে যা সাম্রাজ্যের বিশ্বে পরিণত হয়। তবে কৌতূহলোদ্দীপকভাবে, ১৮৭৫ থেকে ১৯১৪ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কেবল নতুন ধরণের সাম্রাজ্যবাদের বিকাশের জন্যই 'সাম্রাজ্যের যুগ' বলা হয় না, বরং আরও একটি পুরনো কারণেও তা বলা হয়। আধুনিক বিশ্ব ইতিহাসে সম্ভবত এটিই ছিল সেই সময় যখন ‘[[সম্রাট|সম্রাট]]’ উপাধিধারী বা পশ্চিমা কূটনীতিকদের দৃষ্টিতে সম্রাট হওয়ার যোগ্য শাসকের সংখ্যা ছিল সর্বাধিক। ** অধ্যায় ৩: দ্য এজ অফ এম্পায়ার === 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম সিন্স ১৭৮০: প্রোগ্রাম, মিথ, রিয়ালিটি' (১৯৯২) === * জাতি এবং জাতীয়তাবাদের কোনো গম্ভীর ইতিহাসবিদই কট্টর রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদী হতে পারেন না। কারণ জাতীয়তাবাদ এমন অনেক কিছুর ওপর বিশ্বাস দাবি করে যা স্পষ্টতই সত্য নয়। ** 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম সিন্স ১৭৮০' (ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২য় সংস্করণ ২০১২), পৃষ্ঠা ১২। * তা সত্ত্বেও এটি স্পষ্ট—যেমনটি গ্রিক উদাহরণ থেকে দেখা যায়—যেখানে 'প্রাক-জাতীয়তাবাদ' (proto-nationalism) বিদ্যমান ছিল, সেটি জাতীয়তাবাদের কাজকে সহজ করে দিয়েছিল। প্রাক-জাতীয়তাবাদী সম্প্রদায়ের বিদ্যমান প্রতীক এবং আবেগগুলোকে একটি আধুনিক লক্ষ্য বা আধুনিক রাষ্ট্রের পেছনে একত্রিত করা সম্ভব হয়েছিল। তবে এর মানে এই নয় যে এই দুটি বিষয় একই, কিংবা একটি থাকলেই যৌক্তিকভাবে অন্যটি আসবে। কারণ এটি স্পষ্ট যে জাতীয়তা, জাতি বা রাষ্ট্র গঠনের জন্য কেবল প্রাক-জাতীয়তাবাদই যথেষ্ট নয়। ** পৃষ্ঠা ৭৬–৭৭। * তবে গণ-বহিষ্কার এবং এমনকি গণহত্যার মতো ঘটনাগুলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় এবং পরে ইউরোপের দক্ষিণ প্রান্তে দেখা দিতে শুরু করে। ১৯১৫ সালে [[অটোমান সাম্রাজ্য|তুর্কিরা]] যখন [[আর্মেনীয় গণহত্যা|আর্মেনীয়দের ব্যাপক নির্মূল]] শুরু করে এবং ১৯১১ সালের গ্রিক-তুর্কি যুদ্ধের পর এশিয়া মাইনর (যেখানে তারা [[হোমার|হোমারের]] আমল থেকে বসবাস করছিল) থেকে ১৩ থেকে ১৫ লক্ষ [[গ্রিক]] মানুষকে বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে অ্যাডলফ হিটলার, যিনি এই দিক থেকে একজন যৌক্তিক উইলসোনীয় জাতীয়তাবাদী ছিলেন, তিনি পিতৃভূমির বাইরে বসবাসকারী জার্মানদের (যেমন ইতালীয় দক্ষিণ টাইরোলের বাসিন্দা) জার্মানিতে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করেন এবং পাশাপাশি ইহুদিদের স্থায়ীভাবে নির্মূল করার পরিকল্পনা করেন। ** পৃষ্ঠা ১৩৩। === 'দ্য এজ অফ এক্সট্রিমস' (১৯৯২) === * আমার লক্ষ্য হলো এটি বোঝা এবং ব্যাখ্যা করা যে কেন ঘটনাগুলো এভাবে ঘটল এবং তারা একে অপরের সাথে কীভাবে যুক্ত। আমার সমবয়সী যারা এই ‘সংক্ষিপ্ত বিংশ শতাব্দী’র প্রায় পুরোটা সময় বেঁচে ছিলেন, তাদের জন্য এটি অনিবার্যভাবে একটি আত্মজীবনীমূলক প্রচেষ্টাও বটে। আমরা এখানে নিজেদের স্মৃতিগুলোকেই আরও জোরালো করছি এবং প্রয়োজনে সংশোধন করছি। ** ভূমিকা * বর্তমান অভিজ্ঞতার সাথে পূর্ববর্তী প্রজন্মের যে সামাজিক বন্ধন বা যোগসূত্র, তা ধ্বংস হয়ে যাওয়া বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকের অন্যতম অদ্ভুত এবং ভীতিজনক ঘটনা। ** ভূমিকা, 'দ্য সেঞ্চুরি: আ বার্ডস আই ভিউ' * ১৯৮০-এর দশকের শেষে যে বিশ্বটি ভেঙে পড়েছিল, সেটি ছিল মূলত ১৯১৭ সালের [[রুশ বিপ্লব|রুশ বিপ্লবের]] প্রভাবে গড়ে ওঠা একটি বিশ্ব। * অত্যন্ত সহজভাবে বললে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কে বা কিসের কারণে হয়েছিল—এই প্রশ্নের উত্তর দুটি শব্দে দেওয়া সম্ভব: [[অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * পুঁজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থার জন্য মানুষ খুব একটা দক্ষভাবে তৈরি হয়নি। ** পৃষ্ঠা ৪১৪ * ক্ষমতায় থাকা কমিউনিজমের কূটাভাস বা প্যারাডক্স ছিল এই যে, এটি ছিল রক্ষণশীল। ** পৃষ্ঠা ৪২২ * কেন প্রতিভাবান ফ্যাশন ডিজাইনাররা (যারা বিশ্লেষণাত্মক হিসেবে পরিচিত নন) মাঝেমধ্যে পেশাদার ভবিষ্যদ্বাণীকারীদের চেয়েও আগাম পরিস্থিতি ভালোভাবে আঁচ করতে পারেন—তা ইতিহাসের অন্যতম রহস্যময় প্রশ্ন এবং সংস্কৃতি বিশ্লেষকদের জন্য একটি কেন্দ্রীয় বিষয়। ** অধ্যায় ৬: শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকের সাংস্কৃতিক বিপ্লবকে সমাজ বা সমষ্টির ওপর ব্যক্তির জয় হিসেবে দেখা যেতে পারে। অন্যভাবে বললে, এটি হলো সেই সামাজিক বন্ধনগুলো ছিঁড়ে ফেলা যা অতীতে মানুষকে একসূত্রে গেঁথে রাখত। অতীতে অধিকার, কর্তব্য, পাপ-পুণ্য এবং বিবেকের যে নৈতিক ভাষা ছিল, তা এখন কেবল ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষার ভাষায় রূপান্তরিত হয়েছে। মনে হচ্ছে যেন কম্পাসের কাঁটা তার উত্তর দিক হারিয়েছে এবং মানচিত্রগুলো অকেজো হয়ে পড়েছে। ** অধ্যায় ১১: সাংস্কৃতিক বিপ্লব, পৃষ্ঠা ৩২০-৩৩৯ * অক্টোবর বিপ্লবের ট্র্যাজেডি ছিল এটাই যে, এটি কেবল নির্মম, নিষ্ঠুর এবং আদেশভিত্তিক সমাজতন্ত্রই তৈরি করতে পেরেছিল। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আমি যখন পেছনের কথা ভাবি, তখন বারবার নিজেকে জিজ্ঞেস করি: পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সেই নির্বিচার এবং নির্মমভাবে এগিয়ে যাওয়ার কি কোনো বিকল্প ছিল? আমি যদি বলতে পারতাম যে বিকল্প ছিল, তবে খুশি হতাম; কিন্তু আমি তা পারছি না। আমি এর কোনো উত্তর খুঁজে পাই না। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আদর্শ হিসেবে কমিউনিজম নারীর মুক্তি ও সমঅধিকারের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ ছিল। যদিও [[ভ্লাদিমির লেনিন|লেনিন]] নিজে অবাধ যৌনতাকে অপছন্দ করতেন। এমনকি লেনিন ও ক্রুপস্কায়া সেই বিরল বিপ্লবীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা ঘরের কাজে নারী-পুরুষের অংশীদারিত্বের পক্ষে ছিলেন। তা সত্ত্বেও, নতুন কমিউনিস্ট শাসিত রাষ্ট্রগুলোতে উচ্চ রাজনৈতিক পদে নারীদের উপস্থিতি ছিল খুবই নগণ্য। সোভিয়েত ইউনিয়নে যখন চিকিৎসার মতো কোনো পেশা নারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হলো, তখন সেই পেশার মর্যাদা এবং আয় দুই-ই কমে গেল। পশ্চিমা নারীবাদীদের তুলনায় অধিকাংশ বিবাহিত সোভিয়েত নারী ঘরে থাকাকেই বিলাসিতা মনে করতেন। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আমাদের শতাব্দীর সবচেয়ে বড় নিষ্ঠুরতাগুলো ছিল দূর থেকে নেওয়া সিদ্ধান্তের নির্মমতা, যা 'পদ্ধতি' বা 'রুটিন'-এর নামে চলত; বিশেষ করে যখন সেগুলোকে 'কৌশলগত প্রয়োজন' বলে চালিয়ে দেওয়া হতো। * সুররিয়ালিজম বা [[পরাবাস্তববাদ|পরাবাস্তববাদ]] ছিল আধুনিক শিল্পকলার জগতে এক প্রকৃত সংযোজন। এর অভিনবত্ব ছিল মানুষকে ধাক্কা দেওয়ার বা হতবাক করার ক্ষমতার মধ্যে। এমনকি পুরনো শিল্পীদের মাঝেও এটি বিভ্রান্তি বা অস্বস্তিকর হাসির জন্ম দিত। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * রেডিওর মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছিল [[সংগীত|সংগীত]], কারণ এটি শব্দের যান্ত্রিক বা কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করে দিয়েছিল। ১৯১৪ সালের আগেই গ্রামোফোনের মাধ্যমে সংগীত যান্ত্রিক উৎপাদনের যুগে প্রবেশ করেছিল, যদিও তখন এটি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ছিল। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * এটি আধুনিকতাবাদী শিল্পীদের জন্য একটি ট্র্যাজেডি ছিল যে, তাদের নিজেদের রাজনৈতিক দল বা নেতারা তাদের প্রত্যাখ্যান করেছিল। ডানপন্থী হোক বা বামপন্থী—নতুন স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠী স্থাপত্যের ক্ষেত্রে বিশাল স্মৃতিস্তম্ভ, পেইন্টিং ও ভাস্কর্যের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণাদায়ী উপস্থাপনা এবং নাটকের ক্ষেত্রে ধ্রুপদী প্রদর্শনীকেই বেশি পছন্দ করত। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ === 'অন হিস্ট্রি' (১৯৯৭) === * ইতিহাসকে মিথ বা অলীক কল্পনা দিয়ে প্রতিস্থাপন করার চেষ্টাগুলো কেবল বুদ্ধিবৃত্তিক কৌতুক নয়। এগুলো এমনকি স্কুলের পাঠ্যবই কেমন হবে তাও নির্ধারণ করে দেয়। জাপানি কর্তৃপক্ষ যেমনটি করেছিল; তারা জাপানি ক্লাসরুমের জন্য [[w:Second_SIno-Japanese_War|চীনে জাপানি যুদ্ধের]] একটি পরিমার্জিত বা সেন্সরড সংস্করণ ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছিল। পরিচয় ভিত্তিক রাজনীতির জন্য মিথ এবং উদ্ভাবন অপরিহার্য। বর্তমানের অনিশ্চিত বিশ্বে বিভিন্ন গোষ্ঠী ধর্ম, জাতি বা সীমানা দিয়ে নিজেদের সংজ্ঞায়িত করে এবং 'আমরা অন্যদের চেয়ে আলাদা এবং শ্রেষ্ঠ'—এটি বলার মাধ্যমে এক ধরনের নিশ্চয়তা খোঁজার চেষ্টা করে। ** অধ্যায় ১: ইতিহাসের বাইরে ও ভেতরে * অতীত হলো মানুষের [[চেতনা|চেতনার]] একটি স্থায়ী মাত্রা এবং সামাজিক [[প্রতিষ্ঠান]], [[মূল্যবোধ|মূল্যবোধ]] ও অন্যান্য কাঠামোর এক অনিবার্য উপাদান। ইতিহাসবিদদের কাজ হলো সমাজে এই 'অতীত সচেতনতার' প্রকৃতি বিশ্লেষণ করা এবং এর পরিবর্তন ও রূপান্তরগুলো চিহ্নিত করা। ** অধ্যায় ২: অতীতের ধারণা * উত্তরের চেয়ে প্রশ্ন তৈরি করা অনেক সহজ। তবুও যেসব অভিজ্ঞতাকে আমরা খুব সাধারণ বলে ধরে নিই, সেগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলা একেবারেই মূল্যহীন কাজ নয়। আমরা মাছের মতো অতীতের মধ্যেই সাঁতার কাটি এবং এটি থেকে বের হতে পারি না। কিন্তু এই মাধ্যমে আমাদের বেঁচে থাকা এবং চলাচলের ধরণগুলো বিশ্লেষণ ও আলোচনা করা প্রয়োজন। আমার লক্ষ্য ছিল এই উভয় বিষয়কেই উদ্দীপিত করা। ** অধ্যায় ২: অতীতের ধারণা * অতীতের সাপেক্ষে আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি এবং অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের মধ্যকার সম্পর্ক কেমন—তা কেবল আগ্রহের বিষয় নয়, বরং অপরিহার্য। আমরা নিজেদের জীবন, পরিবার বা গোষ্ঠীর ধারাবাহিকতার বাইরে নিজেদের কল্পনা করতে পারি না। আমরা অতীত ও বর্তমানের তুলনা না করে পারি না; পারিবারিক ফটোর অ্যালবাম বা ভিডিওগুলো তো এজন্যই থাকে। অভিজ্ঞতা মানেই হলো অতীত থেকে শেখা। আমরা হয়তো ভুল কিছু শিখতে পারি এবং প্রায়ই তা করি; কিন্তু আমরা যদি প্রাসঙ্গিক অতীত থেকে শিখতে না পারি বা শিখতে অস্বীকার করি, তবে চরম ক্ষেত্রে আমরা মানসিকভাবে অস্বাভাবিক হিসেবে গণ্য হবো। ** অধ্যায় ৩: সমকালীন সমাজ সম্পর্কে ইতিহাস আমাদের কী বলতে পারে? * অনুপ্রেরণা বা আদর্শ হিসেবে ইতিহাসের মাঝে নিজেকে সঠিক প্রমাণ করার জন্য ‘মিথ’ তৈরির একটি সহজাত প্রবণতা থাকে। আধুনিক জাতি ও জাতীয়তাবাদের ইতিহাস যেমনটি দেখিয়েছে, এর চেয়ে ভয়ংকর অন্ধত্ব আর কিছুই হতে পারে না। ** অধ্যায় ৩: সমকালীন সমাজ সম্পর্কে ইতিহাস আমাদের কী বলতে পারে? * আমি বিষয়টি একটি কূটাভাস বা প্যারাডক্সের মাধ্যমে বলি। পুঁজিবাদ এবং বুর্জোয়া সমাজ যে একটি অস্থায়ী ঐতিহাসিক ঘটনা—মার্ক্সের এই প্রমাণটি পছন্দ করি না বলে তাকে প্রত্যাখ্যান করা যেমন ঠিক নয়, তেমনই আমরা সমাজতন্ত্র চাই বলেই তাকে অন্ধভাবে গ্রহণ করাও অনুচিত। আমি বিশ্বাস করি মার্ক্স গভীর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে কিছু মৌলিক প্রবণতা বুঝতে পেরেছিলেন; কিন্তু সেগুলো আসলে কী বয়ে আনবে তা আমরা জানি না। ভবিষ্যৎ অনেক সময় অচেনা হয়ে দেখা দেয়; তা ভবিষ্যৎবাণী ভুল হওয়ার জন্য নয়, বরং আমরা হয়তো আগন্তুককে ভুল পোশাকে কল্পনা করেছিলাম বলে। ** অধ্যায় ৪: সামনের দিকে তাকানো: ইতিহাস এবং ভবিষ্যৎ * উপসংহারে বলা যায়, এই শতাব্দীতে ইতিহাস তার পথে হোঁচট খেতে খেতে হলেও প্রকৃত উন্নতি করেছে। এটি এমন একটি বিষয় যা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে যাচাইযোগ্য এবং এর মাধ্যমে মানব সমাজের জটিল ও বিবর্তনশীল বিকাশকে আরও ভালোভাবে বোঝা সম্ভব। আমি জানি অনেকে এটি অস্বীকার করেন। ** অধ্যায় ৫: ইতিহাস কি উন্নতি করেছে? * ইতিহাসের বিষয়বস্তু অতীত হওয়ায় এটি কোনো ‘ফলিত বিদ্যা’ বা অ্যাপ্লাইড ডিসিপ্লিন হওয়ার অবস্থানে নেই। কারণ যা ঘটে গেছে তা পরিবর্তন করার কোনো উপায় এখনও আবিষ্কৃত হয়নি। বড়জোর আমরা কাল্পনিক বিকল্প পরিস্থিতির কথা ভাবতে পারি। অবশ্যই অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ একই অবিচ্ছিন্ন ধারার অংশ। তাই ইতিহাসবিদদের বক্তব্য ভবিষ্যতের জন্য পূর্বাভাস বা সুপারিশ হিসেবে কাজ করতে পারে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * আমার যুক্তি হলো, ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন হলে [[অর্থনীতি]] একটি হালবিহীন জাহাজের মতো হয়ে পড়ে এবং অর্থনীতিবিদরা বুঝতে পারেন না তারা কোন দিকে যাচ্ছেন। আমি বলছি না যে কেবল কিছু চার্ট বা বাস্তব অভিজ্ঞতার দিকে তাকালেই সব সমস্যার সমাধান হবে। সমস্যা হলো, মূলধারার অর্থনীতিবিদদের তত্ত্ব এবং পদ্ধতি তাদের এটা বুঝতে সাহায্য করে না যে আসলে কোন দিকে তাকাতে হবে এবং কী খুঁজতে হবে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * অর্থনীতিকে যদি ইতিহাসের শিকার হয়ে থাকতে না হয়, তবে তাকে অবশ্যই ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করতে হবে। গতকালের ঘটনাগুলো আজ দৃশ্যমান হওয়ার পর তা নিয়ে কাজ করার পুরনো অভ্যেস ত্যাগ করতে হবে। এটি কেবল আগামীকালের সমস্যা নিয়ে ভাবতেই সাহায্য করবে না, বরং আগামীকালের অর্থনৈতিক তত্ত্ব গঠন করতেও ভূমিকা রাখবে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * কৃষি পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক বিষয়ের সাথে অ-অর্থনৈতিক বিষয়গুলোকে (যেমন সামাজিক ও রাজনৈতিক কারণ) আলাদা করা সম্ভব নয়—অন্তত স্বল্প মেয়াদে তো নয়ই। এগুলোকে আলাদা করা মানে অর্থনীতির গতিশীল বিশ্লেষণকে বিসর্জন দেওয়া। ** অধ্যায় ৮: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ২ * সংক্ষিপ্তভাবে, বৈজ্ঞানিক আলোচনার ক্ষেত্রে প্রতিটি বক্তব্য অবশ্যই এমন পদ্ধতি ও মানদণ্ড দ্বারা যাচাইযোগ্য হতে হবে যা কোনো দলীয় বা আদর্শগত পক্ষপাত দ্বারা প্রভাবিত নয়। যেসব বক্তব্য এভাবে যাচাই করা যায় না, সেগুলো গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে কিন্তু তা অন্য কোনো আলোচনার বিষয়। ** অধ্যায় ৯: পক্ষপাতিত্ব * ইতিহাসের মৌলিক প্রশ্নটি হলো বিভিন্ন মানব গোষ্ঠীর মধ্যকার পার্থক্য এবং এক সমাজ থেকে অন্য সমাজে রূপান্তরের প্রক্রিয়াটি খুঁজে বের করা। প্রকৃতির ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ অর্জনের মতো কিছু বিষয়ে এটি অবশ্যই একটি একমুখী অগ্রগতি বা প্রগতিকে নির্দেশ করে। যতক্ষণ আমরা সামাজিক বিকাশকে জৈবিক বিবর্তনের সাথে গুলিয়ে না ফেলছি, ততক্ষণ একে 'বিবর্তন' বা এভোলিউশন বলতে কোনো বাধা নেই। ** অধ্যায় ১০: ইতিহাসবিদরা কার্ল মার্ক্সের কাছে কী ঋণী? * উৎপাদন পদ্ধতির বিশ্লেষণ অবশ্যই প্রযুক্তির সংগঠন এবং অর্থনীতির ওপর ভিত্তি করে হতে হবে। মার্ক্স বলেছিলেন যে [[রাজনৈতিক অর্থনীতি]] হলো [[সুশীল সমাজ|নাগরিক সমাজের]] ব্যবচ্ছেদ বা এনাটমি। একটি উৎপাদন পদ্ধতি থেকে অন্য পদ্ধতিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াটিকে অনেক সময় সরলরৈখিকভাবে দেখা হয়, যা অনেক সময় জটিলতা এবং বিতর্কের সৃষ্টি করে। ** অধ্যায় ১১: মার্ক্স এবং ইতিহাস * আমি মনে করি না যে ইতিহাসবিদদের ফ্রয়েডের কাছ থেকে খুব বেশি কিছু শেখার আছে। ফ্রয়েড যখনই ইতিহাস নিয়ে কিছু লিখেছেন, তিনি একজন খারাপ ইতিহাসবিদের পরিচয় দিয়েছেন। মানসিকতার (Mentalities) সমস্যা কেবল মানুষ কতটা আলাদা তা খুঁজে বের করা নয়, বরং তাদের আচরণ, চিন্তা এবং অনুভূতির মধ্যে একটি যৌক্তিক সংযোগ খুঁজে বের করা। আমাদের দেখতে হবে কেন মানুষ বিখ্যাত ডাকাতদের অদৃশ্য বা অপরাজেয় মনে করে, যদিও বাস্তবে তা সত্য নয়। এই বিশ্বাসগুলোকে কেবল আবেগ হিসেবে না দেখে সমাজ সম্পর্কে তাদের একটি সুসংগত বিশ্বাস হিসেবে দেখা উচিত। ** অধ্যায় ১৩: ব্রিটিশ ইতিহাস এবং 'অ্যানালস': একটি টীকা * তৃণমূল পর্যায়ের বা 'নিচ থেকে ইতিহাস' (Grassroots history) চর্চাকারীরা সাধারণ মানুষকে নিয়ে কাজ করেন। তারা জানেন যে তাদের অনেক কিছু জানা নেই এবং এই বিনয়ই তাদের বড় শক্তি। তারা জানেন যে সাধারণ মানুষ যা চেয়েছিল বা তাদের যা প্রয়োজন ছিল, তা সবসময় প্রভাবশালী বা শিক্ষিত সমাজ যা ভেবেছিল তার সাথে মেলে না। যারা এখন সমাজ পরিচালনা করছেন বা যারা সমাজ বদলাতে চান, তাদের সবারই উচিত ইতিহাসবিদদের কথা শোনা। ** অধ্যায় ১৬: নিচ থেকে ইতিহাস * এক সহস্রাব্দ ধরে 'ইউরোপ' ছিল রক্ষণাত্মক। পরবর্তী অর্ধ সহস্রাব্দে এটি বিশ্ব জয় করেছে। এই উভয় পর্যবেক্ষণই বিশ্ব ইতিহাস থেকে ইউরোপের ইতিহাসকে আলাদা করা অসম্ভব করে তুলেছে। বৈচিত্র্য এবং উপাদানগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়াই ইউরোপের অস্তিত্বের মূলে। ** অধ্যায় ১৭: ইউরোপের অদ্ভুত ইতিহাস * আমার জীবনের বেশিরভাগ সময় এমন একটি আশার পেছনে ব্যয় হয়েছে যা শেষ পর্যন্ত হতাশ করেছে এবং এমন একটি আদর্শের পেছনে যা ব্যর্থ হয়েছে: তা হলো অক্টোবর বিপ্লব থেকে শুরু হওয়া কমিউনিজম। কিন্তু পরাজয়ের মতো ইতিহাসবিদের মনকে আর কিছুই তীক্ষ্ণ করতে পারে না। ** অধ্যায় ১৮: ইতিহাস হিসেবে বর্তমান * [[রুশ বিপ্লব|রুশ বিপ্লবের]] দুটি একে অপরের সাথে জড়িয়ে থাকা ইতিহাস আছে: রাশিয়ার ওপর এর প্রভাব এবং বিশ্বের ওপর এর প্রভাব। দ্বিতীয়টি না থাকলে খুব কম মানুষই এটি নিয়ে আগ্রহী হতো। যেমন আমেরিকার বাইরে [[আমেরিকান গৃহযুদ্ধ|আমেরিকার গৃহযুদ্ধ]] নিয়ে খুব কম মানুষই জানে। রুশ বিপ্লব রাশিয়াকে তার আন্তর্জাতিক শক্তি ও সম্মানের শীর্ষে নিয়ে গিয়েছিল—যা জারদের আমলেও সম্ভব হয়নি। [[জোসেফ স্টালিন|স্টালিন]] রুশ ইতিহাসে পিটার দ্য গ্রেটের মতোই স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। এটি একটি অনগ্রসর দেশকে আধুনিক করেছে, কিন্তু এর মানবিক মূল্য ছিল অনেক বেশি। এর অর্থনীতি ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনায় অনেক রুশ নাগরিকের কাছে পুরনো [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত]] আমল এখনও অনেক ভালো মনে হয়। এর ঐতিহাসিক ফলাফল এখনই চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা সম্ভব নয়। ** অধ্যায় ১৯: আমরা কি রুশ বিপ্লবের ইতিহাস লিখতে পারি? * আমরা অমানবিকতায় অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আমরা অসহনীয় বিষয়কেও সহ্য করতে শিখেছি। বিশ্বযুদ্ধ এবং শীতল যুদ্ধ আমাদের বর্বরতাকে মেনে নিতে বাধ্য করেছে। এমনকি আমরা বর্বরতাকে অর্থ উপার্জনের মতো বিষয়গুলোর চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ মনে করতে শুরু করেছি। ** অধ্যায় ২০: বর্বরতা: একটি ব্যবহারকারী নির্দেশিকা * পরিচয় ভিত্তিক ইতিহাস বা আইডেন্টিটি হিস্ট্রিই যথেষ্ট নয়। আবেগ বা ব্যক্তিগত স্বার্থ আমাদের ভুল পথে চালিত করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, প্রতিটি ইহুদি প্রাকৃতিকভাবেই নিজেকে জিজ্ঞেস করে—'এটি কি ইহুদিদের জন্য ভালো নাকি খারাপ?' নিপীড়নের সময়ে এটি ব্যক্তিগত আচরণের জন্য সহায়ক হতে পারে। কিন্তু একজন ইহুদি ইতিহাসবিদকে এটি পথ দেখাতে পারে না। ইতিহাসবিদকে অবশ্যই [[সার্বজনীনতাবাদ|সার্বজনীন হতে হবে]]। কেবল ইহুদিদের জন্য (বা [[আফ্রিকান আমেরিকান|আফ্রিকান-আমেরিকান]], [[গ্রিক]], [[নারী]] বা [[সমকামিতা|সমকামী]]) লেখা ইতিহাস কখনও ভালো ইতিহাস হতে পারে না, যদিও তা সংশ্লিষ্টদের কাছে স্বস্তিদায়ক হতে পারে। ** অধ্যায় ২১: আইডেন্টিটি হিস্ট্রিই যথেষ্ট নয় === 'হাউ টু চেঞ্জ দ্য ওয়ার্ল্ড: রিফ্লেকশনস অন মার্ক্স অ্যান্ড মার্ক্সিজম' (২০১১) === * 'মাউন্ট অফ সারমন'-এ বর্ণিত যিশু খ্রিস্টকে ‘প্রথম সমাজতান্ত্রিক’ বা কমিউনিস্ট হিসেবে দেখা খুবই সহজ। যদিও প্রথমদিকের সমাজতান্ত্রিক তাত্ত্বিকদের অধিকাংশ খ্রিস্টান ছিলেন না, তবুও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের পরবর্তীকালের অনেক সদস্য এই ভাবনাটিকে বেশ কার্যকর মনে করেছেন। * 'কমিউনিস্ট' শব্দটি সবসময় একটি নির্দিষ্ট কর্মসূচিকে নির্দেশ করলেও, 'সমাজতান্ত্রিক' শব্দটি ছিল মূলত বিশ্লেষণাত্মক এবং সমালোচনামূলক। * মার্ক্সের ধারণাগুলো ইউরোপের বেশিরভাগ শ্রমিক ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের অনুপ্রেরণাদায়ী তত্ত্বে পরিণত হয়েছিল। মূলত লেনিন এবং রুশ বিপ্লবের মাধ্যমে এই আদর্শ বিংশ শতাব্দীর সামাজিক বিপ্লবের একটি বিশ্বজনীন তত্ত্বে রূপ নেয়, যা চীন থেকে শুরু করে [[পেরু|পেরু]] পর্যন্ত সর্বত্র সমাদৃত হয়। এই তত্ত্বগুলোতে বিশ্বাসী দলগুলোর জয়ের মাধ্যমে এর বিভিন্ন সংস্করণ এমন সব রাষ্ট্রের দাপ্তরিক আদর্শে পরিণত হয়, যেখানে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ বসবাস করত। এছাড়া বিশ্বের বাকি অংশেও বিভিন্ন আকারের রাজনৈতিক আন্দোলনের ওপর এর ব্যাপক প্রভাব ছিল। অতীতের মহান ধর্মগুলোর প্রবর্তক ছাড়া আর কোনো একক চিন্তাবিদ এমন মর্যাদা পাননি। সম্ভবত [[মুহাম্মদ|মুহাম্মদ]] (সা.) ছাড়া অন্য কেউ এত দ্রুত এবং এত বড় পরিসরে সাফল্য অর্জন করতে পারেননি। এই বিচারে কোনো ইহজাগতিক চিন্তাবিদের নাম তাঁর (মার্ক্স) পাশে রাখা সম্ভব নয়। ** অধ্যায় ১৪, 'ইনফ্লুয়েন্স অফ মার্ক্সিজম ১৯৪৫-৮৩' == হবসবম সম্পর্কে উদ্ধৃতি == * 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-এর পরিপূরক হিসেবে উপস্থাপিত এই ব্যক্তিগত প্রতিকৃতিটি (ইন্টারেস্টিং টাইমস) হবসবমের বিংশ শতাব্দীর দৃষ্টিভঙ্গি এবং আধুনিকতার সামগ্রিক বর্ণনায় নতুন কী আলোকপাত করে? সামগ্রিক বিচারে, 'দ্য এজ অফ রেভোলিউশন', 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল', 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' এবং 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-কে একটি একক উদ্যোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে—এমন এক চতুষ্টয় (tetralogy) যার সমসাময়িক বিশ্ব গঠনের সুশৃঙ্খল বিবরণ হিসেবে অন্য কোনো তুলনা নেই। এই সবকটি গ্রন্থেই কিছু বিরল গুণের সংমিশ্রণ ঘটেছে: সংক্ষেপণের পরিমিতিবোধ; খুঁটিনাটি বর্ণনার সজীবতা; বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট সত্ত্বেও আঞ্চলিক পার্থক্যের তীব্র চেতনা; ফসল, শেয়ার বাজার, জাতি-শ্রেণি, রাষ্ট্রনায়ক-কৃষক এবং বিজ্ঞান-কলা—সব বিষয়েই অগাধ পাণ্ডিত্য ও সাবলীলতা; বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর প্রতি গভীর সহানুভূতি; বিশ্লেষণাত্মক বর্ণনার শক্তি; এবং সর্বোপরি অত্যন্ত স্বচ্ছ ও তেজোদীপ্ত একটি লিখনশৈলী। ** [[পেরি অ্যান্ডারসন]], "দ্য ভ্যানকুইশড লেফট: এরিক হবসবম", 'স্পেকট্রাম: ফ্রম রাইট টু লেফট ইন দ্য ওয়ার্ল্ড অফ আইডিয়াস' (২০০৫)-এ প্রকাশিত। * ইউরোপীয় তুলনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিতে, জাতীয় পতাকা বহনকারী এই শ্রমিকদের অদ্ভুত মনে হয় এবং তাদের গুরুত্ব খুব কমই বোঝা যায়। এমনকি মধ্য ইউরোপের প্রখ্যাত লেখক—যেমন [[আর্নেস্ট গেলনার|আর্নেস্ট গেলনার]] বা এরিক হবসবম—এই অঞ্চলের জাতীয়তাবাদের স্বাতন্ত্র্যকে একটি বৈশ্বিক সংজ্ঞায় খাপ খাওয়াতে গিয়ে এর আসল বৈশিষ্ট্যগুলোই ছেঁটে ফেলেছেন। হবসবমের ধারণা ছিল যে এটি পৃথিবীর প্রতিটি কোণেই প্রযোজ্য হবে, কিন্তু আমরা এই বইয়ে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের কাছে এই শব্দের অর্থ কী ছিল তা বোঝার চেষ্টা করেছি। সেই অঞ্চলে গেলনারের 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম' বইয়ের বৈশ্বিক মাপকাঠিগুলো হয় অপ্রাসঙ্গিক নয়তো গৌণ: যেমন [[জন স্টুয়ার্ট মিল|জন স্টুয়ার্ট মিলের]] ধারণা যে একটি জাতীয় রাষ্ট্রকে "সাশ্রয়ী" হতে হবে, বা জাতীয়তাবাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট আয়তন প্রয়োজন। চেক বা স্লোভেনীয়রা এই সব মাপকাঠি সম্পর্কে কিছুই জানত না এবং তারা এগুলো ছাড়াই তাদের ইতিহাস তৈরি করেছে। হবসবমের এই ধারণা যে ভাষা এবং ইতিহাস কোনো নির্ণায়ক মানদণ্ড নয়, তা পূর্ব-মধ্য ইউরোপের যে কারোর কাছে অর্থহীন মনে হতো—যদিও এটি মহাকাশ থেকে কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা জাতীয়তাবাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। ** জন কনেলি, 'ফ্রম পিপলস টু নেশনস: আ হিস্ট্রি অফ ইস্টার্ন ইউরোপ' (২০২০), পৃষ্ঠা ৭৯৬-৭৯৭। * এরিক হবসবম হয়তো অভিযোগ করতে পারেন যে আমি অন্যায় করছি এবং আমি আসলে অন্যরকম একটি বই আশা করেছিলাম। তিনি বলতে পারেন যে আমি এমন একটি বই চাই যা চিরস্থায়ী হবে এবং ভবিষ্যৎ শতাব্দীর ইতিহাসবিদদের আগ্রহের খোরাক হবে। আর তিনি ঠিকই বলেছেন, আমি আসলেই তা চাই। বিপরীতে, তিনি বলতে পারেন যে তাঁর বইটি "বিংশ শতাব্দীর একজন লেখকের দ্বারা বিংশ শতাব্দীর শেষের পাঠকদের জন্য লেখা", যাদের কাছে 'পুঁজিবাদ' এবং 'সমাজতন্ত্রের' সংঘাত, সামাজিক বিপ্লব, [[স্নায়ুযুদ্ধ]], এবং 'প্রকৃত সমাজতন্ত্রের' সীমাবদ্ধতা ও পতন নিয়ে আলোচনা করা সার্থক। তিনি মূলত সেই পাঠকদের জন্য লিখছেন যারা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের মূল থিম হিসেবে বিশ্ব কমিউনিজমের ট্র্যাজিক ও বীরত্বগাথাকে বিবেচনা করেন। কিন্তু বিশ্ব কমিউনিজমের এই যাত্রা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একমাত্র বা মূল থিম নয়। হবসবম আসলে কাদের জন্য তাঁর বইটি লিখছেন? বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের কোন অংশটুকু পাঠকদের জানা প্রয়োজন, তার জন্য কি আমরা 'এজ অফ এক্সট্রিমস' বইটির সুপারিশ করতে পারি? ** [[জে. ব্র্যাডফোর্ড ডিলং]], "লো মার্ক্স: আ রিভিউ অফ এরিক হবসবমস 'এজ অফ এক্সট্রিমস'" (১৯৯৫)। * [[১৯৬৮]] সালে আমি সেই মনোযোগী ও শ্রদ্ধাশীল ছাত্র শ্রোতাদের একজন ছিলাম, যাদের সামনে এরিক হবসবম ছাত্র র‍্যাডিক্যালিজমের সীমাবদ্ধতা নিয়ে কথা বলছিলেন। তাঁর উপসংহারটি আমার খুব মনে আছে, কারণ এটি তৎকালীন মেজাজের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। তিনি আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে, মাঝেমধ্যে পৃথিবী পরিবর্তন করা নয় বরং এটিকে ব্যাখ্যা করাই মুখ্য উদ্দেশ্য। কিন্তু বিশ্বকে ব্যাখ্যা করার জন্য এটি কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে সে সম্পর্কেও একটি সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন। তাঁর শেষ বইটি আমাদের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া এই বিশ্বের একটি চমত্কার, মেধাবী এবং সর্বদা বুদ্ধিদীপ্ত বিবরণ। এটি যদি তাঁর সেরা কাজগুলোর সমপর্যায়ের না-ও হয়, তবুও মনে রাখা উচিত যে তিনি নিজেই মেধার মানদণ্ড অনেক উঁচুতে সেট করেছেন। তবে বিশ্বে এক বা দুটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে—যেমন কমিউনিজমের মৃত্যু বা ইতিহাসের ওপর আস্থা হারানো—যা লেখককে খুব একটা খুশি করতে পারেনি। এটি দুঃখজনক, কারণ তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গি বইটির বিবরণকে এমনভাবে প্রভাবিত করেছে যা হয়তো নতুন পাঠকদের শিখতে নিরুৎসাহিত করবে। আমি বিংশ শতাব্দীর বর্ণনায় তাঁর সেই তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণ মিস করেছি যা তাঁকে উনবিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একজন অপরিহার্য পথপ্রদর্শক করে তুলেছিল। হবসবম আমাদের মনে করিয়ে দেন যে ইতিহাসবিদরা হলেন "সেই পেশাদার স্মৃতিকার যারা সাধারণ মানুষ যা ভুলে যেতে চায় তা মনে করিয়ে দেন।" এটি একটি অত্যন্ত কঠিন ও আপসহীন দায়িত্ব। ** [[টনি জাট]], "ডাউনহিল অল দ্য ওয়ে", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২৫ মে, ১৯৯৫)। * হবসবম তাঁর স্মৃতিকথা একটি উদ্দীপনামূলক বার্তার মাধ্যমে শেষ করেছেন: “এই সন্তোষজনক নয় এমন সময়েও আমাদের নিরস্ত্র হওয়া চলবে না। সামাজিক অবিচারের বিরুদ্ধে সবসময় প্রতিবাদ ও লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। পৃথিবী নিজে নিজে ভালো হবে না।” তিনি সব দিক থেকেই ঠিক। কিন্তু নতুন শতাব্দীতে ভালো কিছু করতে হলে আমাদের পুরনো শতাব্দীর সত্যগুলো বলতে হবে। হবসবম শয়তান বা অশুভ শক্তির মুখোমুখি হতে এবং একে তার আসল নামে ডাকতে অস্বীকার করেছেন; তিনি কখনও স্তালিন এবং তাঁর কর্মকাণ্ডের রাজনৈতিক ও নৈতিক উত্তরাধিকারকে গভীরভাবে বিচার করেননি। তিনি যদি গুরুত্বের সাথে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে কোনো আমূল পরিবর্তনের মশাল হস্তান্তর করতে চান, তবে এটি সঠিক পথ নয়। ** [[টনি জাট]], "দ্য লাস্ট রোমান্টিক", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২০ নভেম্বর, ২০০৩)। * হবসবম যেমনটি তাঁর 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' বইতে বলেছিলেন, তিনি মূলত একটি ‘যুক্তির উন্মোচন’ লিখছিলেন। সেই যুক্তির মূল কথা হলো—ঐতিহাসিক গুরুত্বের ক্ষেত্রে সংস্কৃতির চেয়ে অর্থনীতি, নারীর চেয়ে পুরুষ এবং বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে পশ্চিমের গুরুত্ব বেশি। তাঁর বর্ণনায় অনেক কিছু বাদ পড়াটা কোনো ভুল ছিল না বরং এটি ছিল তাঁর চিন্তাধারারই অংশ। অন্যভাবে বলতে গেলে, হবসবমকে নতুনভাবে মূল্যায়ন করতে হলে তাঁর এই মূল ধারণাগুলোকে চ্যালেঞ্জ করতে হবে। ** [[w:Susan Pedersen|সুসান পেডারসেন]], "আই ওয়ান্ট টু লাভ ইট", 'লন্ডন রিভিউ অফ বুকস' (১৮ এপ্রিল, ২০১৯)। * হবসবমকে একবার জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি হ্যাম্পস্টেড ম্যানশনের মতো অত্যন্ত দামি বাড়িতে বাস করাকে কীভাবে সমর্থন করেন। উত্তরে তিনি রসিকতা করে বলেছিলেন, যদি কেউ [[w:Titanic|টাইটানিক]] জাহাজে ভ্রমণ করে, তবে তার প্রথম শ্রেণীতে চড়েই ডুবে যাওয়া ভালো। রসিকতা হিসেবে এটি চমত্কার। কিন্তু যদি ১৯৮৯ সালে সমস্ত বরফ গলে যায় (কমিউনিজমের পতন হয়), তবে কী হবে? ** [[w:John Sutherland (author)|জন সাদারল্যান্ড]], 'দ্য টাইমস' (২৩ জানুয়ারি, ২০১৬)। * ১৯৯৫ সালে যখন তিনি '[[w:Desert Island Discs|ডেজার্ট আইল্যান্ড ডিস্কস]]'-এ উপস্থিত হয়েছিলেন, তখন তিনি বিলি হলিডের একটি গান বেছে নেওয়ার পাশাপাশি ইতিহাস নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছিলেন। উপস্থাপক সু ললি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, যদি লক্ষ লক্ষ জীবনের বিনিময়ে বিশ্ববিপ্লব আনা সম্ভব হতো, তবে কি তা সার্থক হতো? তিনি দ্বিধাহীনভাবে উত্তর দিয়েছিলেন—হ্যাঁ। মাইকেল ইগনাটিয়েফ কর্তৃক টেলিভিশনে গৃহীত এক সাক্ষাৎকারে হবসবমকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, ১৯৩৪ সালে স্তালিন কর্তৃক লক্ষ লক্ষ মানুষকে জোরপূর্বক অভুক্ত রাখার কথা জানলে কি তাঁর কমিউনিস্ট হওয়ার ইচ্ছা বদলে যেত? তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, "সম্ভবত না"। তিনি শান্তভাবে আরও যোগ করেন যে, যদি সোভিয়েত ইউনিয়ন বিশ্ববিপ্লবের সূচনা করতে পারত, তবে ১৫-২০ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু যুক্তিযুক্ত হতে পারত। ** [[এ. এন. উইলসন]], 'অন দ্য রং সাইড অফ হিস্ট্রি', 'দ্য টাইমস স্যাটারডে রিভিউ' (২৬ জানুয়ারি, ২০১৯)। * হবসবমের ইতিহাসের প্রধান সমস্যা ছিল যে তাঁর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল [[কার্ল মার্ক্স|কার্ল মার্ক্সের]] তত্ত্বগুলোকে সত্য প্রমাণ করা। শোকসংবাদ লেখকরা দাবি করেছিলেন যে তিনি কখনও [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদী]] মতাদর্শের দাস ছিলেন না বা তাঁর কাজ ছিল "সর্বদা সূক্ষ্ম ও মার্জিত", কিন্তু বাস্তবতা ছিল এর বিপরীত। ** কিথ উইন্ডশাটল, "দ্য নট-সো-গ্রেট এরিক হবসবম", 'কোয়াড্র্যান্ট' (১ নভেম্বর ২০১২)। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইতিহাসবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:কমিউনিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্ক্সবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্যাসিবাদ বিরোধী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১২-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:আলেকজান্দ্রিয়ার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রিটিশ একাডেমির ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:রয়্যাল সোসাইটি অফ লিটারেচারের ফেলো]] a5l6116fisfw5r5b46658t0i3xy83lv 78592 78591 2026-04-19T12:52:02Z SMontaha32 3112 78592 wikitext text/x-wiki [[File:Eric Hobsbawm.jpg|thumb|right|২০১১ সালে এরিক হবসবম]] '''[[w:Eric Hobsbawm|এরিক জন আর্নেস্ট হবসবম]]''', [[w:Companion of Honour|সিএইচ]], [[w:Fellow of the Royal Society of Literature|এফআরএসএল]], [[w:Fellow of the British Academy|এফবিএ]] ([[৯ জুন]] [[১৯১৭]] – [[১ অক্টোবর]] [[২০১২]]) ছিলেন একজন ব্রিটিশ মার্ক্সবাদী ইতিহাসবিদ ও লেখক। তিনি [[w:Communist Party of Great Britain|কমিউনিস্ট পার্টি অব গ্রেট ব্রিটেনের]] (১৯২০–১৯৯১) একজন প্রধান তাত্ত্বিক এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত [[w:Birkbeck College|বার্কবেক কলেজের]] সাবেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন। == উদ্ধৃতি == * আমাদের যুগের বুদ্ধিজীবী এবং [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদের]] মধ্যে যে প্রেমের সম্পর্ক দেখা যায়, তা পশ্চিম ইউরোপে তুলনামূলকভাবে দেরিতে শুরু হয়েছিল। যদিও রাশিয়ায় এটি [[কার্ল মার্ক্স|মার্ক্সের]] জীবদ্দশাতেই শুরু হয়। ** "বুদ্ধিজীবী এবং কমিউনিজম" (১৯৬৪), 'রেভোলিউশনারিস: কনটেম্পোরারি এসেস' (১৯৭৩)-এ প্রকাশিত। * প্রথমত, সম্ভবত কোনো বড় ধরনের [[বিপ্লব]] সফল করার জন্য যে অতিমানবীয় প্রচেষ্টার প্রয়োজন হয়, তা তৈরির জন্য [[কল্পরাজ্য|ইউটোপিয়াবাদ]] একটি প্রয়োজনীয় সামাজিক কৌশল। ** 'প্রিমিটিভ রেবেলস: স্টাডিজ ইন আর্কাইক ফর্মস অফ সোশ্যাল মুভমেন্ট ইন দ্য নাইনটিনথ অ্যান্ড টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরিস' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ৬০। * ইতিহাসবিদরা [[জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদের]] কাছে ঠিক তেমনই, যেমন [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] পোস্ত চাষীরা [[আসক্তি|হেরোইন আসক্তদের]] কাছে: আমরা বাজারের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সরবরাহ করি। '''অতীতহীন জাতি একটি স্ববিরোধী ধারণা।''' অতীতই একটি জাতি গঠন করে এবং অন্য জাতির বিরুদ্ধে নিজের অস্তিত্বের ন্যায্যতা দেয়। ইতিহাসবিদরাই সেই অতীত তৈরি করেন। তাই আমার পেশাটি রাজনীতির সাথে মিশে গিয়ে জাতীয়তাবাদের একটি অপরিহার্য উপাদানে পরিণত হয়েছে। ** "এথনিসিটি অ্যান্ড ন্যাশনালিজম ইন ইউরোপ টুডে" (ফেব্রুয়ারি ১৯৯২), 'অ্যানথ্রোপোলজি টুডে'। * [[উদারতাবাদ]] ব্যর্থ হচ্ছিল। আমি যদি [[ইহুদি]] না হয়ে [[জার্মান]] হতাম, তবে সম্ভবত আমি একজন [[নাৎসিবাদ|নাৎসি]] বা [[w:German_nationalist|জার্মান জাতীয়তাবাদী]] হতাম। আমি বুঝতে পারতাম তারা জাতি রক্ষার বিষয়ে কতটা আবেগপ্রবণ ছিল। সেটি এমন এক সময় ছিল যখন বিশ্বকে আমূল পরিবর্তন না করলে কোনো ভবিষ্যৎ আছে বলে কেউ বিশ্বাস করত না। ** এরিক হবসবমের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, মায়া জাগি কর্তৃক 'দ্য গার্ডিয়ান'-এ প্রকাশিত “আ কোয়েশ্চেন অফ ফেইথ” (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০২)। * মনে হচ্ছে [[বিদেশাতঙ্ক|জেনোফোবিয়া]] বা বিদেশাতঙ্ক বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের একটি গণ-আদর্শে পরিণত হতে যাচ্ছে। ** 'ডিভাইডেড ইউরোপীয়ানস: আন্ডারস্ট্যান্ডিং এথনিসিটিস ইন কনফ্লিক্ট' (১৯৯৯), পৃষ্ঠা ৪১। * [[লন্ডন|লন্ডনের]] দিকে তাকান। আমাদের সবার কাছেই লন্ডনের অর্থনীতির সমৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু রাজধানীর নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় উৎপন্ন বিশাল সম্পদের পরীক্ষা এই নয় যে এটি ব্রিটেনের মোট জিডিপিতে ২০-৩০% অবদান রাখছে। বরং পরীক্ষাটি হলো এটি সেখানে বসবাসকারী লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে কী প্রভাব ফেলছে। তারা সেখানে থাকার সামর্থ্য রাখে কি না? যদি না রাখে, তবে লন্ডন অতি-ধনীদের স্বর্গরাজ্য হওয়া তাদের জন্য কোনো সান্ত্বনা নয়। তারা কি উপযুক্ত বেতনের চাকরি পায়? যদি না পায়, তবে মিশেলিন-স্টার রেস্তোরাঁ বা নামী শেফদের নিয়ে বড়াই করবেন না। কিংবা শিশুদের শিক্ষার কথা ধরুন; লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এক দল নোবেল বিজয়ী থাকলেই অপর্যাপ্ত স্কুলগুলোর অভাব পূরণ হয় না। ** 'দ্য গার্ডিয়ান' (২০০৯)। * বিশ্বজুড়ে যেভাবে [[ভারত|ভারতীয়]] ও [[চীন|চীনা]] রেস্তোরাঁর বিস্তার ঘটছে, তা থেকে বোঝা যায় যে [[বিদেশাতঙ্ক|জেনোফোবিয়া]] বিদেশি মানুষের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়, বিদেশি সাংস্কৃতিক আমদানির বিরুদ্ধে নয়। ** 'ম্যাপিং দ্য নেশন' (১৩ নভেম্বর ২০১২), পৃষ্ঠা ২৬৩। === 'দ্য এজ অফ রেভল্যুশন' (১৯৬২) === * ইতিহাসের জালকে ছিঁড়ে না ফেলে একে আলাদা আলাদা সুতোয় ভাগ করা সম্ভব নয়। তবে বাস্তব কাজের সুবিধার্থে বিষয়টিকে নির্দিষ্ট উপবিভাগে ভাগ করা অপরিহার্য। ** প্রস্তাবনা * নথিপত্রের চেয়ে শব্দ অনেক সময় বেশি জোরালোভাবে কথা বলে। ১৮৪৮ সাল পর্যন্ত যে ষাট বছর নিয়ে এই বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে, সেই সময়ে উদ্ভাবিত বা আধুনিক অর্থ লাভ করা কিছু ইংরেজি শব্দের কথা ভাবুন। যেমন—'ইন্ডাস্ট্রি' (শিল্প), 'ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট' (শিল্পপতি), 'ফ্যাক্টরি' (কারখানা), 'মিডল ক্লাস' (মধ্যবিত্ত), 'ওয়ার্কিং ক্লাস' (শ্রমজীবী শ্রেণি) এবং 'সোশ্যালিজম' (সমাজতন্ত্র)। এছাড়া রয়েছে 'অ্যারিস্টোক্রাসি' (অভিজাততন্ত্র), 'রেলওয়ে' (রেলপথ), 'লিবারেল' (উদারপন্থী) ও 'কনজারভেটিভ' (রক্ষণশীল) রাজনৈতিক শব্দাবলি, 'ন্যাশনালিটি' (জাতীয়তা), 'সায়েন্টিস্ট' (বিজ্ঞানী) এবং 'ইঞ্জিনিয়ার' (প্রকৌশলী), 'প্রলেতারিয়েত' (সর্বহারা) এবং অর্থনৈতিক 'ক্রাইসিস' (সংকট)। ** ভূমিকা * 'আলোকায়ন' বা এনলাইটেনমেন্টকে কঠোরভাবে মধ্যবিত্তের মতাদর্শ বলা সঠিক নয়, যদিও অনেক আলোকায়নবাদী—যারা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ছিলেন—এটি ধরে নিয়েছিলেন যে, একটি মুক্ত সমাজ মানেই হবে একটি পুঁজিবাদী সমাজ। তাত্ত্বিকভাবে এর লক্ষ্য ছিল সকল মানুষকে মুক্ত করা। সমস্ত প্রগতিশীল, যুক্তিবাদী এবং মানবতাবাদী মতাদর্শ এর মধ্যেই নিহিত ছিল। তবে বাস্তবে এই মুক্তির আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিল সমাজের মধ্যস্তর—জন্মগত পরিচয়ের চেয়ে মেধা ও যোগ্যতাসম্পন্ন যুক্তিবাদী মানুষ। ফলে তাদের হাত ধরে যে সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল তা ছিল মূলত 'বুর্জোয়া' এবং পুঁজিবাদী। ** অধ্যায় ১: ১৭৮০-এর দশকের বিশ্ব * শিল্প বিপ্লবের প্রথম দুই প্রজন্মে ব্রিটেনের মৌলিক সত্যটি ছিল এই যে, অভিজাত এবং ধনী শ্রেণি এত দ্রুত এবং এত বিশাল পরিমাণ অর্থ সঞ্চয় করেছিল যা ব্যয় বা বিনিয়োগ করার সব সুযোগকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ** অধ্যায় ২: শিল্প বিপ্লব * [[ফ্রান্স|ফ্রান্স]] অধিকাংশ দেশের জন্য আইনের কোড বা বিধিমালা, বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সংগঠনের মডেল এবং পরিমাপের [[w:Metric_system|মেট্রিক পদ্ধতি]] উপহার দিয়েছিল। ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমেই আধুনিক বিশ্বের মতাদর্শগুলো প্রথম প্রাচীন সভ্যতাগুলোতে প্রবেশ করতে শুরু করে। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ছিলেন সেই 'লিটল কর্পোরাল' (ছোট কর্পোরাল) যিনি নিছক ব্যক্তিগত প্রতিভার জোরে একটি মহাদেশ শাসন করেছিলেন। নেপোলিয়ন উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে একটি ব্যক্তিগত নাম দিয়েছিলেন ঠিক সেই মুহূর্তে যখন 'দ্বৈত বিপ্লব' (শিল্প ও ফরাসি বিপ্লব) উচ্চাকাঙ্ক্ষী মানুষের জন্য পৃথিবী উন্মুক্ত করে দিয়েছিল। তিনি ছিলেন আঠারো শতকের যুক্তিবাদী ও আলোকিত মানুষ, আবার রুশোর শিষ্য হিসেবে ১৯ শতকের রোমান্টিক মানুষও বটে। ফরাসিদের জন্য তিনি ছিলেন তাদের দীর্ঘ ইতিহাসের সফলতম শাসক। তিনি কেবল একটি জিনিস ধ্বংস করেছিলেন: তা হলো জ্যাকোবিন বিপ্লব, অর্থাৎ সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার সেই স্বপ্ন। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * রাজনৈতিক ভূগোলের বিচারে ফরাসি বিপ্লব ইউরোপের মধ্যযুগের অবসান ঘটিয়েছিল। ** অধ্যায় ৪: যুদ্ধ * যুদ্ধের সত্যিকারের ভীতিজনক ঝুঁকি ছিল অবহেলা, নোংরা পরিবেশ, দুর্বল সংগঠন, ত্রুটিপূর্ণ চিকিৎসা সেবা এবং স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে অজ্ঞতা—যা সেনাদের প্রায় সবাইকেই আক্রান্ত করত। ** অধ্যায় ৪: যুদ্ধ * আন্তর্জাতিক শান্তি চুক্তির একটি বিধান আলাদাভাবে উল্লেখ করা প্রয়োজন: তা হলো আন্তর্জাতিক দাস-ব্যবসা বিলুপ্তি। এর পেছনে মানবিক ও অর্থনৈতিক—উভয় কারণই ছিল: দাসপ্রথা যেমন ছিল ভয়ংকর, তেমনই ছিল অত্যন্ত অদক্ষ। তাছাড়া ১৮১৫-৪৮ সালের অর্থনীতি আর আগের মতো মানুষ বা চিনি বিক্রির ওপর নির্ভরশীল ছিল না, বরং তা সুতি বস্ত্রের ওপর নির্ভরশীল ছিল। ** অধ্যায় ৫: শান্তি * ১৮১৫ পরবর্তী প্রজন্মে ইতিহাসের গতিপথ আটকে রাখার ক্ষেত্রে সরকারগুলোর অক্ষমতা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছিল। দ্বিতীয় কোনো ফরাসি বিপ্লব ঠেকানোই ছিল তৎকালীন শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর প্রধান লক্ষ্য। তবুও ইউরোপের ইতিহাসে আর কখনও বৈপ্লবিক চেতনা এত বেশি সংক্রামক হয়ে ওঠেনি। ** অধ্যায় ৬: বিপ্লবসমূহ * অন্য কোথাও জাতীয়তাবাদের মতো কিছু খুঁজে পাওয়া সম্ভব ছিল না, কারণ এর জন্য প্রয়োজনীয় সামাজিক শর্তগুলো তখন বিদ্যমান ছিল না। ** অধ্যায় ৭: জাতীয়তাবাদ * ১৮০৭ থেকে ১৮১৬ সালের মধ্যে প্রুশিয়ার কৃষকদের মুক্তির ক্ষেত্রে তিনটি কারণ কাজ করেছিল—ফরাসি বিপ্লবের প্রভাব, আমলাদের যৌক্তিক অর্থনৈতিক যুক্তি এবং অভিজাতদের লোভ। ** অধ্যায় ৮: ভূমি * দ্বৈত বিপ্লবের ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক প্রভাবগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গভীর ও স্থায়ী প্রভাবটি হলো ‘উন্নত’ এবং ‘অনুন্নত’ দেশের মধ্যে বিভাজন। ** অধ্যায় ৯: একটি শিল্পোন্নত বিশ্বের দিকে * যাদের বংশপরিচয় বা জাতিগত কারণে এতদিন বৈষম্যের শিকার হতে হয়েছে, সেই সংখ্যালঘু গোষ্ঠীগুলোই 'যোগ্যতার ভিত্তিতে ক্যারিয়ার' গড়ার সুযোগকে সবচেয়ে বেশি স্বাগত জানিয়েছিল। ** অধ্যায় ১০: মেধার মূল্যায়ন (Career Open to Talent) * পালানো বা পরাজয়ের বিকল্প ছিল বিদ্রোহ। শ্রমজীবী দরিদ্র এবং বিশেষ করে শিল্প প্রলেতারিয়েত বা সর্বহারা শ্রেণির অবস্থা এমন ছিল যে, বিদ্রোহ করা তাদের জন্য কেবল সম্ভবই ছিল না, বরং অনেকটা বাধ্যতামূলক ছিল। উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে শ্রম ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের উত্থান ছিল অনিবার্য। ** অধ্যায় ১১: শ্রমজীবী দরিদ্র * ইতিহাসের বেশিরভাগ সময় এবং বিশ্বের বেশিরভাগ অঞ্চলে (চীন সম্ভবত এর প্রধান ব্যতিক্রম) শিক্ষিত গুটিকয়েক মানুষ ছাড়া বাকি সবাই জগতকে ঐতিহ্যবাহী ধর্মের আলোকে দেখত। পরিস্থিতি এমন ছিল যে, অনেক দেশে 'খ্রিস্টান' শব্দটি ছিল 'কৃষক' বা এমনকি 'মানুষ' শব্দের সমার্থক। ** অধ্যায় ১২: মতাদর্শ: ধর্ম * ধর্ম, যা একসময় আকাশের মতো ছিল যা থেকে কেউ পালাতে পারত না, তা ধীরে ধীরে মেঘের স্তূপের মতো হয়ে উঠল—যা মানবমন্ডলের একটি বিশাল কিন্তু সীমিত ও পরিবর্তনশীল বৈশিষ্ট্য। ** অধ্যায় ১২: মতাদর্শ: ধর্ম * বুর্জোয়াদের বিজয় ফরাসি বিপ্লবকে এনলাইটেনমেন্টের ধর্মনিরপেক্ষ নৈতিক মতাদর্শে দীক্ষিত করেছিল এবং যেহেতু এই বিপ্লবের ভাষা পরবর্তী সকল বৈপ্লবিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠেছিল, তাই এটি ধর্মনিরপেক্ষতাকে ছড়িয়ে দিয়েছিল। ** অধ্যায় ১২: মতাদর্শ: ধর্ম * ক্লাসিক্যাল লিবারেলিজম বা উদারতাবাদের কাছে 'মানুষ' ছিল মূলত একটি সামাজিক প্রাণী যে কেবল বৃহৎ সংখ্যার মাঝে সহাবস্থান করে। তাই সামাজিক লক্ষ্যগুলো ছিল প্রতিটি ব্যক্তির ব্যক্তিগত লক্ষ্যের গাণিতিক সমষ্টি। ‘সর্বাধিক মানুষের সর্বাধিক সুখ’ ছিল সমাজের প্রধান লক্ষ্য। ** অধ্যায় ১৩: মতাদর্শ: ধর্মনিরপেক্ষতা * সমাজের সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর শিল্পকর্মও অনেক সময় পুরো মানবজাতিকে কাঁপিয়ে দেওয়া ভূকম্পনের প্রতিধ্বনি তুলতে পারে। আমাদের সময়কালের সাহিত্য ও শিল্পকলা তা-ই করেছিল এবং এর ফলাফল ছিল ‘রোমান্টিসিজম’ বা রোমান্টিকতাবাদ। ** অধ্যায় ১৪: শিল্পকলা * বিজ্ঞান ও শিল্পকলার মধ্যে সাদৃশ্য টানা সবসময়ই বিপজ্জনক। তবুও বিজ্ঞানও দ্বৈত বিপ্লবের প্রতিফলন ঘটিয়েছিল, কারণ এটি বিজ্ঞানের কাছে নতুন দাবি তুলেছিল এবং চিন্তার নতুন ধরণ তৈরি করেছিল। ** অধ্যায় ১৫: বিজ্ঞান * বিজ্ঞানের উন্নতি কোনো সাধারণ সরলরৈখিক অগ্রগতি নয়। ** অধ্যায় ১৫: বিজ্ঞান * ১৮৩১ সালে [[ভিক্টর হুগো|ভিক্টর হুগো]] লিখেছিলেন যে, তিনি মাটির গভীর থেকে বিপ্লবের পূর্ণ শব্দ শুনতে পাচ্ছেন, যা ইউরোপের রাজতন্ত্রের নিচ দিয়ে প্যারিসের কেন্দ্রীয় খনি থেকে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে এগিয়ে চলেছে। ১৮৪৭ সালে সেই শব্দ অনেক কাছে এবং জোরালো হয়ে আসে। ১৮৪৮ সালে সেই বিস্ফোরণটি ঘটে। ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার: ১৮৪৮-এর দিকে === 'ব্যান্ডিটস' (১৯৬৯; ১৯৭২; ১৯৮১) === * মানুষ হয়তো দস্যুদের সাথে দেখা করতে পছন্দ করবে না, বিশেষ করে কোনো অন্ধকার রাতে, তবে তাদের সম্পর্কে পড়ার আগ্রহ যেন বিশ্বজনীন। ** প্যানথিয়ন সংস্করণের প্রস্তাবনা * 'সামাজিক দস্যু' বা সোশ্যাল ব্যান্ডিটদের মূল বৈশিষ্ট্য হলো তারা এমন একদল কৃষক বহির্ভূত মানুষ যাদেরকে জমিদার এবং রাষ্ট্র অপরাধী হিসেবে গণ্য করে, কিন্তু তারা কৃষক সমাজের ভেতরেই অবস্থান করে। তাদের আপনজন বা সাধারণ মানুষ তাদের নায়ক, রক্ষক, প্রতিশোধ গ্রহণকারী, ন্যায়ের জন্য লড়াকু যোদ্ধা, এমনকি হয়তো মুক্তির নেতা হিসেবে বিবেচনা করে। যেকোনো পরিস্থিতিতেই তারা এমন মানুষ যাদেরকে শ্রদ্ধা করা হয়, সাহায্য করা হয় এবং সমর্থন দেওয়া হয়। সাধারণ কৃষক এবং এই বিদ্রোহী বা ডাকাতদের মধ্যকার এই নিবিড় সম্পর্কই সামাজিক দস্যুবৃত্তিকে আকর্ষণীয় এবং তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। ** অধ্যায় ১: সামাজিক দস্যুবৃত্তি কী? * 'কারমিন ক্রোকো' (কারমিন ডোনাটেলি), যিনি ছিলেন একজন কৃষি শ্রমিক ও রাখাল। তিনি বোর্বন সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন, কিন্তু এক ঝগড়ার সময় সহকর্মীকে হত্যা করে পালিয়ে যান এবং দশ বছর ফেরারি হিসেবে জীবন কাটান। অতীতে করা অপরাধের ক্ষমা পাওয়ার আশায় তিনি ১৮৬০ সালে উদারপন্থী বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দেন এবং পরবর্তীতে বোর্বন পক্ষের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ গেরিলা প্রধান ও জননেতায় পরিণত হন। ** অধ্যায় ১: সামাজিক দস্যুবৃত্তি কী? * দস্যুবৃত্তি হলো এক ধরণের মুক্তি, কিন্তু কৃষক সমাজে খুব কম মানুষই মুক্ত হতে পারে। অধিকাংশ মানুষই প্রভুত্ব এবং শ্রমের দ্বৈত শিকলে বন্দি, যেখানে একটি অন্যটিকে আরও শক্তিশালী করে। কৃষকদের কর্তৃপক্ষের শিকারে পরিণত করার পেছনে তাদের অর্থনৈতিক দুর্বলতা যতটা না দায়ী—কারণ তারা প্রায়ই আত্মনির্ভরশীল হয়—তার চেয়ে বেশি দায়ী তাদের চলনশক্তির সীমাবদ্ধতা বা স্থবিরতা। ** অধ্যায় ২: কে দস্যু হয়? === 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল' (১৮৪৮-১৮৭৫) === * সমাজ ব্যবস্থা রক্ষাকারীদের সাধারণ মানুষের রাজনীতি শিখতে হয়েছিল। এটি ছিল ১৮৪৮ সালের বিপ্লবগুলোর মাধ্যমে আসা সবচেয়ে বড় উদ্ভাবন। এমনকি ঘোর প্রতিক্রিয়াশীল প্রুশীয় জুনকাররাও (জমিদার) বুঝতে পেরেছিলেন যে, 'জনমত' প্রভাবিত করার জন্য তাদের একটি সংবাদপত্র প্রয়োজন—যা আসলে একটি উদারপন্থী ধারণা। ** অধ্যায় ১: জনগণের বসন্তকাল (The Springtime of Peoples) * উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে বিশ্ব যেভাবে একে অপরের কাছাকাছি আসছিল, বিংশ শতাব্দীর শেষে এসে আমরা সেই প্রক্রিয়ার সাথে আরও বেশি পরিচিত। তবে বর্তমান সময়ের বিশ্ব অনেক বেশি মাত্রায় প্রমিত বা স্ট্যান্ডার্ডাইজড। ** অধ্যায় ৩: বিশ্ব যখন একীভূত * ১৮৪৮ থেকে ১৮৭৫ সাল পর্যন্ত উদারপন্থার জয়ের এই যুগটি শুরু হয়েছিল একটি ব্যর্থ বিপ্লব দিয়ে এবং শেষ হয়েছিল একটি দীর্ঘস্থায়ী মন্দার মাধ্যমে। ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার === 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' (১৯৮৭) === * যখন ইতিহাসবিদরা এমন একটি সময়কাল বোঝার চেষ্টা করেন যার প্রত্যক্ষদর্শীরা এখনও জীবিত, তখন [[ইতিহাস|ইতিহাসের]] দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারণা একে অপরের মুখোমুখি হয়, অথবা সেরা ক্ষেত্রে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে: তা হলো পাণ্ডিত্যপূর্ণ এবং অস্তিত্বগত ধারণা, অর্থাৎ আর্কাইভ বনাম ব্যক্তিগত স্মৃতি। প্রতিটি মানুষই তার সচেতনভাবে বেঁচে থাকা সময়ের একজন [[ইতিহাসবিদ|ইতিহাসবিদ]], কারণ সে মনে মনে সেই সময়ের সাথে একটি বোঝাপড়া তৈরি করে। '[[w:Oral_history|মৌখিক ইতিহাস]]' বা ওরাল হিস্ট্রি নিয়ে যারা কাজ করেছেন তারা জানেন যে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটি একজন অনির্ভরযোগ্য ইতিহাসবিদের কাজ, তবুও এর অবদান অপরিহার্য। একজন পণ্ডিত যিনি কোনো প্রবীণ সৈনিক বা রাজনীতিবিদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন, তিনি হয়তো ছাপানো কাগজ বা নথিপত্র থেকে সেই ব্যক্তির স্মৃতির চেয়েও অনেক বেশি এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য ইতোমধ্যে সংগ্রহ করে ফেলেছেন, কিন্তু তবুও তিনি বিষয়টি ভুল বুঝতে পারেন। ক্রুসেডের ইতিহাসবিদের মতো না হলেও, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাসবিদকে সেই প্রত্যক্ষদর্শীরা সংশোধন করে দিতে পারেন যারা মাথা নেড়ে বলবেন: ‘আসলে বিষয়টি একদম এমন ছিল না।’ তবুও ইতিহাসের এই দুটি সংস্করণই অতীতের এক একটি সুসংগত নির্মাণ। ** ভূমিকা (Overture) * ১৮৭০-এর দশকের অধিকাংশ পর্যবেক্ষক ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় অনেক বেশি মুগ্ধ ছিলেন। জ্ঞান এবং প্রকৃতিকে বদলে দেওয়ার ক্ষমতার বিচারে পরিবর্তন মানেই যে উন্নতি বা অগ্রগতি, তা এতটাই স্পষ্ট ছিল যে ইতিহাস মানেই প্রগতি বলে মনে হতো। এই প্রগতি পরিমাপ করা হতো যা কিছু পরিমাপযোগ্য তার ক্রমবর্ধমান রেখাচিত্র বা কার্ভ দিয়ে। ক্রমাগত উন্নতি যে ঘটবেই, তা ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা দিয়ে নিশ্চিত বলে মনে করা হতো। এটি বিশ্বাস করাই কঠিন ছিল যে, মাত্র তিন শতাব্দী আগেও বুদ্ধিমান ইউরোপীয়রা প্রাচীন [[রোমান সাম্রাজ্য|রোমানদের]] কৃষি, সামরিক কৌশল এবং এমনকি চিকিৎসাবিদ্যাকে নিজেদের মডেল হিসেবে গণ্য করত। মাত্র দুই শতাব্দী আগেও আধুনিকরা প্রাচীনদের ছাড়িয়ে যেতে পারবে কি না তা নিয়ে গম্ভীর বিতর্ক ছিল এবং আঠারো শতকের শেষেও বিশেষজ্ঞরা ব্রিটেনের জনসংখ্যা বাড়ছে কি না তা নিয়ে সন্দেহ পোষণ করতেন। ** অধ্যায় ১: দ্য সেন্টেনারিয়ান রেভল্যুশন * একটি বিশ্ব অর্থনীতি যার গতি নির্ধারিত হতো উন্নত বা উন্নয়নশীল পুঁজিবাদী কেন্দ্র দ্বারা, সেখানে ‘উন্নত’ দেশগুলো ‘অনগ্রসর’ দেশগুলোর ওপর আধিপত্য বিস্তার করবে—এটাই ছিল স্বাভাবিক; সংক্ষেপে যা সাম্রাজ্যের বিশ্বে পরিণত হয়। তবে কৌতূহলোদ্দীপকভাবে, ১৮৭৫ থেকে ১৯১৪ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কেবল নতুন ধরণের সাম্রাজ্যবাদের বিকাশের জন্যই 'সাম্রাজ্যের যুগ' বলা হয় না, বরং আরও একটি পুরনো কারণেও তা বলা হয়। আধুনিক বিশ্ব ইতিহাসে সম্ভবত এটিই ছিল সেই সময় যখন ‘[[সম্রাট|সম্রাট]]’ উপাধিধারী বা পশ্চিমা কূটনীতিকদের দৃষ্টিতে সম্রাট হওয়ার যোগ্য শাসকের সংখ্যা ছিল সর্বাধিক। ** অধ্যায় ৩: দ্য এজ অফ এম্পায়ার === 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম সিন্স ১৭৮০: প্রোগ্রাম, মিথ, রিয়ালিটি' (১৯৯২) === * জাতি এবং জাতীয়তাবাদের কোনো গম্ভীর ইতিহাসবিদই কট্টর রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদী হতে পারেন না। কারণ জাতীয়তাবাদ এমন অনেক কিছুর ওপর বিশ্বাস দাবি করে যা স্পষ্টতই সত্য নয়। ** 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম সিন্স ১৭৮০' (ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২য় সংস্করণ ২০১২), পৃষ্ঠা ১২। * তা সত্ত্বেও এটি স্পষ্ট—যেমনটি গ্রিক উদাহরণ থেকে দেখা যায়—যেখানে 'প্রাক-জাতীয়তাবাদ' (proto-nationalism) বিদ্যমান ছিল, সেটি জাতীয়তাবাদের কাজকে সহজ করে দিয়েছিল। প্রাক-জাতীয়তাবাদী সম্প্রদায়ের বিদ্যমান প্রতীক এবং আবেগগুলোকে একটি আধুনিক লক্ষ্য বা আধুনিক রাষ্ট্রের পেছনে একত্রিত করা সম্ভব হয়েছিল। তবে এর মানে এই নয় যে এই দুটি বিষয় একই, কিংবা একটি থাকলেই যৌক্তিকভাবে অন্যটি আসবে। কারণ এটি স্পষ্ট যে জাতীয়তা, জাতি বা রাষ্ট্র গঠনের জন্য কেবল প্রাক-জাতীয়তাবাদই যথেষ্ট নয়। ** পৃষ্ঠা ৭৬–৭৭। * তবে গণ-বহিষ্কার এবং এমনকি গণহত্যার মতো ঘটনাগুলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় এবং পরে ইউরোপের দক্ষিণ প্রান্তে দেখা দিতে শুরু করে। ১৯১৫ সালে [[অটোমান সাম্রাজ্য|তুর্কিরা]] যখন [[আর্মেনীয় গণহত্যা|আর্মেনীয়দের ব্যাপক নির্মূল]] শুরু করে এবং ১৯১১ সালের গ্রিক-তুর্কি যুদ্ধের পর এশিয়া মাইনর (যেখানে তারা [[হোমার|হোমারের]] আমল থেকে বসবাস করছিল) থেকে ১৩ থেকে ১৫ লক্ষ [[গ্রিক]] মানুষকে বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে অ্যাডলফ হিটলার, যিনি এই দিক থেকে একজন যৌক্তিক উইলসোনীয় জাতীয়তাবাদী ছিলেন, তিনি পিতৃভূমির বাইরে বসবাসকারী জার্মানদের (যেমন ইতালীয় দক্ষিণ টাইরোলের বাসিন্দা) জার্মানিতে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করেন এবং পাশাপাশি ইহুদিদের স্থায়ীভাবে নির্মূল করার পরিকল্পনা করেন। ** পৃষ্ঠা ১৩৩। === 'দ্য এজ অফ এক্সট্রিমস' (১৯৯২) === * আমার লক্ষ্য হলো এটি বোঝা এবং ব্যাখ্যা করা যে কেন ঘটনাগুলো এভাবে ঘটল এবং তারা একে অপরের সাথে কীভাবে যুক্ত। আমার সমবয়সী যারা এই ‘সংক্ষিপ্ত বিংশ শতাব্দী’র প্রায় পুরোটা সময় বেঁচে ছিলেন, তাদের জন্য এটি অনিবার্যভাবে একটি আত্মজীবনীমূলক প্রচেষ্টাও বটে। আমরা এখানে নিজেদের স্মৃতিগুলোকেই আরও জোরালো করছি এবং প্রয়োজনে সংশোধন করছি। ** ভূমিকা * বর্তমান অভিজ্ঞতার সাথে পূর্ববর্তী প্রজন্মের যে সামাজিক বন্ধন বা যোগসূত্র, তা ধ্বংস হয়ে যাওয়া বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকের অন্যতম অদ্ভুত এবং ভীতিজনক ঘটনা। ** ভূমিকা, 'দ্য সেঞ্চুরি: আ বার্ডস আই ভিউ' * ১৯৮০-এর দশকের শেষে যে বিশ্বটি ভেঙে পড়েছিল, সেটি ছিল মূলত ১৯১৭ সালের [[রুশ বিপ্লব|রুশ বিপ্লবের]] প্রভাবে গড়ে ওঠা একটি বিশ্ব। * অত্যন্ত সহজভাবে বললে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কে বা কিসের কারণে হয়েছিল—এই প্রশ্নের উত্তর দুটি শব্দে দেওয়া সম্ভব: [[অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * পুঁজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থার জন্য মানুষ খুব একটা দক্ষভাবে তৈরি হয়নি। ** পৃষ্ঠা ৪১৪ * ক্ষমতায় থাকা কমিউনিজমের কূটাভাস বা প্যারাডক্স ছিল এই যে, এটি ছিল রক্ষণশীল। ** পৃষ্ঠা ৪২২ * কেন প্রতিভাবান ফ্যাশন ডিজাইনাররা (যারা বিশ্লেষণাত্মক হিসেবে পরিচিত নন) মাঝেমধ্যে পেশাদার ভবিষ্যদ্বাণীকারীদের চেয়েও আগাম পরিস্থিতি ভালোভাবে আঁচ করতে পারেন—তা ইতিহাসের অন্যতম রহস্যময় প্রশ্ন এবং সংস্কৃতি বিশ্লেষকদের জন্য একটি কেন্দ্রীয় বিষয়। ** অধ্যায় ৬: শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকের সাংস্কৃতিক বিপ্লবকে সমাজ বা সমষ্টির ওপর ব্যক্তির জয় হিসেবে দেখা যেতে পারে। অন্যভাবে বললে, এটি হলো সেই সামাজিক বন্ধনগুলো ছিঁড়ে ফেলা যা অতীতে মানুষকে একসূত্রে গেঁথে রাখত। অতীতে অধিকার, কর্তব্য, পাপ-পুণ্য এবং বিবেকের যে নৈতিক ভাষা ছিল, তা এখন কেবল ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষার ভাষায় রূপান্তরিত হয়েছে। মনে হচ্ছে যেন কম্পাসের কাঁটা তার উত্তর দিক হারিয়েছে এবং মানচিত্রগুলো অকেজো হয়ে পড়েছে। ** অধ্যায় ১১: সাংস্কৃতিক বিপ্লব, পৃষ্ঠা ৩২০-৩৩৯ * অক্টোবর বিপ্লবের ট্র্যাজেডি ছিল এটাই যে, এটি কেবল নির্মম, নিষ্ঠুর এবং আদেশভিত্তিক সমাজতন্ত্রই তৈরি করতে পেরেছিল। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আমি যখন পেছনের কথা ভাবি, তখন বারবার নিজেকে জিজ্ঞেস করি: পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সেই নির্বিচার এবং নির্মমভাবে এগিয়ে যাওয়ার কি কোনো বিকল্প ছিল? আমি যদি বলতে পারতাম যে বিকল্প ছিল, তবে খুশি হতাম; কিন্তু আমি তা পারছি না। আমি এর কোনো উত্তর খুঁজে পাই না। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আদর্শ হিসেবে কমিউনিজম নারীর মুক্তি ও সমঅধিকারের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ ছিল। যদিও [[ভ্লাদিমির লেনিন|লেনিন]] নিজে অবাধ যৌনতাকে অপছন্দ করতেন। এমনকি লেনিন ও ক্রুপস্কায়া সেই বিরল বিপ্লবীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা ঘরের কাজে নারী-পুরুষের অংশীদারিত্বের পক্ষে ছিলেন। তা সত্ত্বেও, নতুন কমিউনিস্ট শাসিত রাষ্ট্রগুলোতে উচ্চ রাজনৈতিক পদে নারীদের উপস্থিতি ছিল খুবই নগণ্য। সোভিয়েত ইউনিয়নে যখন চিকিৎসার মতো কোনো পেশা নারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হলো, তখন সেই পেশার মর্যাদা এবং আয় দুই-ই কমে গেল। পশ্চিমা নারীবাদীদের তুলনায় অধিকাংশ বিবাহিত সোভিয়েত নারী ঘরে থাকাকেই বিলাসিতা মনে করতেন। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আমাদের শতাব্দীর সবচেয়ে বড় নিষ্ঠুরতাগুলো ছিল দূর থেকে নেওয়া সিদ্ধান্তের নির্মমতা, যা 'পদ্ধতি' বা 'রুটিন'-এর নামে চলত; বিশেষ করে যখন সেগুলোকে 'কৌশলগত প্রয়োজন' বলে চালিয়ে দেওয়া হতো। * সুররিয়ালিজম বা [[পরাবাস্তববাদ|পরাবাস্তববাদ]] ছিল আধুনিক শিল্পকলার জগতে এক প্রকৃত সংযোজন। এর অভিনবত্ব ছিল মানুষকে ধাক্কা দেওয়ার বা হতবাক করার ক্ষমতার মধ্যে। এমনকি পুরনো শিল্পীদের মাঝেও এটি বিভ্রান্তি বা অস্বস্তিকর হাসির জন্ম দিত। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * রেডিওর মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছিল [[সংগীত|সংগীত]], কারণ এটি শব্দের যান্ত্রিক বা কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করে দিয়েছিল। ১৯১৪ সালের আগেই গ্রামোফোনের মাধ্যমে সংগীত যান্ত্রিক উৎপাদনের যুগে প্রবেশ করেছিল, যদিও তখন এটি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ছিল। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * এটি আধুনিকতাবাদী শিল্পীদের জন্য একটি ট্র্যাজেডি ছিল যে, তাদের নিজেদের রাজনৈতিক দল বা নেতারা তাদের প্রত্যাখ্যান করেছিল। ডানপন্থী হোক বা বামপন্থী—নতুন স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠী স্থাপত্যের ক্ষেত্রে বিশাল স্মৃতিস্তম্ভ, পেইন্টিং ও ভাস্কর্যের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণাদায়ী উপস্থাপনা এবং নাটকের ক্ষেত্রে ধ্রুপদী প্রদর্শনীকেই বেশি পছন্দ করত। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ === 'অন হিস্ট্রি' (১৯৯৭) === * ইতিহাসকে মিথ বা অলীক কল্পনা দিয়ে প্রতিস্থাপন করার চেষ্টাগুলো কেবল বুদ্ধিবৃত্তিক কৌতুক নয়। এগুলো এমনকি স্কুলের পাঠ্যবই কেমন হবে তাও নির্ধারণ করে দেয়। জাপানি কর্তৃপক্ষ যেমনটি করেছিল; তারা জাপানি ক্লাসরুমের জন্য [[w:Second_SIno-Japanese_War|চীনে জাপানি যুদ্ধের]] একটি পরিমার্জিত বা সেন্সরড সংস্করণ ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছিল। পরিচয় ভিত্তিক রাজনীতির জন্য মিথ এবং উদ্ভাবন অপরিহার্য। বর্তমানের অনিশ্চিত বিশ্বে বিভিন্ন গোষ্ঠী ধর্ম, জাতি বা সীমানা দিয়ে নিজেদের সংজ্ঞায়িত করে এবং 'আমরা অন্যদের চেয়ে আলাদা এবং শ্রেষ্ঠ'—এটি বলার মাধ্যমে এক ধরনের নিশ্চয়তা খোঁজার চেষ্টা করে। ** অধ্যায় ১: ইতিহাসের বাইরে ও ভেতরে * অতীত হলো মানুষের [[চেতনা|চেতনার]] একটি স্থায়ী মাত্রা এবং সামাজিক [[প্রতিষ্ঠান]], [[মূল্যবোধ|মূল্যবোধ]] ও অন্যান্য কাঠামোর এক অনিবার্য উপাদান। ইতিহাসবিদদের কাজ হলো সমাজে এই 'অতীত সচেতনতার' প্রকৃতি বিশ্লেষণ করা এবং এর পরিবর্তন ও রূপান্তরগুলো চিহ্নিত করা। ** অধ্যায় ২: অতীতের ধারণা * উত্তরের চেয়ে প্রশ্ন তৈরি করা অনেক সহজ। তবুও যেসব অভিজ্ঞতাকে আমরা খুব সাধারণ বলে ধরে নিই, সেগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলা একেবারেই মূল্যহীন কাজ নয়। আমরা মাছের মতো অতীতের মধ্যেই সাঁতার কাটি এবং এটি থেকে বের হতে পারি না। কিন্তু এই মাধ্যমে আমাদের বেঁচে থাকা এবং চলাচলের ধরণগুলো বিশ্লেষণ ও আলোচনা করা প্রয়োজন। আমার লক্ষ্য ছিল এই উভয় বিষয়কেই উদ্দীপিত করা। ** অধ্যায় ২: অতীতের ধারণা * অতীতের সাপেক্ষে আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি এবং অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের মধ্যকার সম্পর্ক কেমন—তা কেবল আগ্রহের বিষয় নয়, বরং অপরিহার্য। আমরা নিজেদের জীবন, পরিবার বা গোষ্ঠীর ধারাবাহিকতার বাইরে নিজেদের কল্পনা করতে পারি না। আমরা অতীত ও বর্তমানের তুলনা না করে পারি না; পারিবারিক ফটোর অ্যালবাম বা ভিডিওগুলো তো এজন্যই থাকে। অভিজ্ঞতা মানেই হলো অতীত থেকে শেখা। আমরা হয়তো ভুল কিছু শিখতে পারি এবং প্রায়ই তা করি; কিন্তু আমরা যদি প্রাসঙ্গিক অতীত থেকে শিখতে না পারি বা শিখতে অস্বীকার করি, তবে চরম ক্ষেত্রে আমরা মানসিকভাবে অস্বাভাবিক হিসেবে গণ্য হবো। ** অধ্যায় ৩: সমকালীন সমাজ সম্পর্কে ইতিহাস আমাদের কী বলতে পারে? * অনুপ্রেরণা বা আদর্শ হিসেবে ইতিহাসের মাঝে নিজেকে সঠিক প্রমাণ করার জন্য ‘মিথ’ তৈরির একটি সহজাত প্রবণতা থাকে। আধুনিক জাতি ও জাতীয়তাবাদের ইতিহাস যেমনটি দেখিয়েছে, এর চেয়ে ভয়ংকর অন্ধত্ব আর কিছুই হতে পারে না। ** অধ্যায় ৩: সমকালীন সমাজ সম্পর্কে ইতিহাস আমাদের কী বলতে পারে? * আমি বিষয়টি একটি কূটাভাস বা প্যারাডক্সের মাধ্যমে বলি। পুঁজিবাদ এবং বুর্জোয়া সমাজ যে একটি অস্থায়ী ঐতিহাসিক ঘটনা—মার্ক্সের এই প্রমাণটি পছন্দ করি না বলে তাকে প্রত্যাখ্যান করা যেমন ঠিক নয়, তেমনই আমরা সমাজতন্ত্র চাই বলেই তাকে অন্ধভাবে গ্রহণ করাও অনুচিত। আমি বিশ্বাস করি মার্ক্স গভীর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে কিছু মৌলিক প্রবণতা বুঝতে পেরেছিলেন; কিন্তু সেগুলো আসলে কী বয়ে আনবে তা আমরা জানি না। ভবিষ্যৎ অনেক সময় অচেনা হয়ে দেখা দেয়; তা ভবিষ্যৎবাণী ভুল হওয়ার জন্য নয়, বরং আমরা হয়তো আগন্তুককে ভুল পোশাকে কল্পনা করেছিলাম বলে। ** অধ্যায় ৪: সামনের দিকে তাকানো: ইতিহাস এবং ভবিষ্যৎ * উপসংহারে বলা যায়, এই শতাব্দীতে ইতিহাস তার পথে হোঁচট খেতে খেতে হলেও প্রকৃত উন্নতি করেছে। এটি এমন একটি বিষয় যা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে যাচাইযোগ্য এবং এর মাধ্যমে মানব সমাজের জটিল ও বিবর্তনশীল বিকাশকে আরও ভালোভাবে বোঝা সম্ভব। আমি জানি অনেকে এটি অস্বীকার করেন। ** অধ্যায় ৫: ইতিহাস কি উন্নতি করেছে? * ইতিহাসের বিষয়বস্তু অতীত হওয়ায় এটি কোনো ‘ফলিত বিদ্যা’ বা অ্যাপ্লাইড ডিসিপ্লিন হওয়ার অবস্থানে নেই। কারণ যা ঘটে গেছে তা পরিবর্তন করার কোনো উপায় এখনও আবিষ্কৃত হয়নি। বড়জোর আমরা কাল্পনিক বিকল্প পরিস্থিতির কথা ভাবতে পারি। অবশ্যই অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ একই অবিচ্ছিন্ন ধারার অংশ। তাই ইতিহাসবিদদের বক্তব্য ভবিষ্যতের জন্য পূর্বাভাস বা সুপারিশ হিসেবে কাজ করতে পারে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * আমার যুক্তি হলো, ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন হলে [[অর্থনীতি]] একটি হালবিহীন জাহাজের মতো হয়ে পড়ে এবং অর্থনীতিবিদরা বুঝতে পারেন না তারা কোন দিকে যাচ্ছেন। আমি বলছি না যে কেবল কিছু চার্ট বা বাস্তব অভিজ্ঞতার দিকে তাকালেই সব সমস্যার সমাধান হবে। সমস্যা হলো, মূলধারার অর্থনীতিবিদদের তত্ত্ব এবং পদ্ধতি তাদের এটা বুঝতে সাহায্য করে না যে আসলে কোন দিকে তাকাতে হবে এবং কী খুঁজতে হবে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * অর্থনীতিকে যদি ইতিহাসের শিকার হয়ে থাকতে না হয়, তবে তাকে অবশ্যই ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করতে হবে। গতকালের ঘটনাগুলো আজ দৃশ্যমান হওয়ার পর তা নিয়ে কাজ করার পুরনো অভ্যেস ত্যাগ করতে হবে। এটি কেবল আগামীকালের সমস্যা নিয়ে ভাবতেই সাহায্য করবে না, বরং আগামীকালের অর্থনৈতিক তত্ত্ব গঠন করতেও ভূমিকা রাখবে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * কৃষি পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক বিষয়ের সাথে অ-অর্থনৈতিক বিষয়গুলোকে (যেমন সামাজিক ও রাজনৈতিক কারণ) আলাদা করা সম্ভব নয়—অন্তত স্বল্প মেয়াদে তো নয়ই। এগুলোকে আলাদা করা মানে অর্থনীতির গতিশীল বিশ্লেষণকে বিসর্জন দেওয়া। ** অধ্যায় ৮: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ২ * সংক্ষিপ্তভাবে, বৈজ্ঞানিক আলোচনার ক্ষেত্রে প্রতিটি বক্তব্য অবশ্যই এমন পদ্ধতি ও মানদণ্ড দ্বারা যাচাইযোগ্য হতে হবে যা কোনো দলীয় বা আদর্শগত পক্ষপাত দ্বারা প্রভাবিত নয়। যেসব বক্তব্য এভাবে যাচাই করা যায় না, সেগুলো গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে কিন্তু তা অন্য কোনো আলোচনার বিষয়। ** অধ্যায় ৯: পক্ষপাতিত্ব * ইতিহাসের মৌলিক প্রশ্নটি হলো বিভিন্ন মানব গোষ্ঠীর মধ্যকার পার্থক্য এবং এক সমাজ থেকে অন্য সমাজে রূপান্তরের প্রক্রিয়াটি খুঁজে বের করা। প্রকৃতির ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ অর্জনের মতো কিছু বিষয়ে এটি অবশ্যই একটি একমুখী অগ্রগতি বা প্রগতিকে নির্দেশ করে। যতক্ষণ আমরা সামাজিক বিকাশকে জৈবিক বিবর্তনের সাথে গুলিয়ে না ফেলছি, ততক্ষণ একে 'বিবর্তন' বা এভোলিউশন বলতে কোনো বাধা নেই। ** অধ্যায় ১০: ইতিহাসবিদরা কার্ল মার্ক্সের কাছে কী ঋণী? * উৎপাদন পদ্ধতির বিশ্লেষণ অবশ্যই প্রযুক্তির সংগঠন এবং অর্থনীতির ওপর ভিত্তি করে হতে হবে। মার্ক্স বলেছিলেন যে [[রাজনৈতিক অর্থনীতি]] হলো [[সুশীল সমাজ|নাগরিক সমাজের]] ব্যবচ্ছেদ বা এনাটমি। একটি উৎপাদন পদ্ধতি থেকে অন্য পদ্ধতিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াটিকে অনেক সময় সরলরৈখিকভাবে দেখা হয়, যা অনেক সময় জটিলতা এবং বিতর্কের সৃষ্টি করে। ** অধ্যায় ১১: মার্ক্স এবং ইতিহাস * আমি মনে করি না যে ইতিহাসবিদদের ফ্রয়েডের কাছ থেকে খুব বেশি কিছু শেখার আছে। ফ্রয়েড যখনই ইতিহাস নিয়ে কিছু লিখেছেন, তিনি একজন খারাপ ইতিহাসবিদের পরিচয় দিয়েছেন। মানসিকতার (Mentalities) সমস্যা কেবল মানুষ কতটা আলাদা তা খুঁজে বের করা নয়, বরং তাদের আচরণ, চিন্তা এবং অনুভূতির মধ্যে একটি যৌক্তিক সংযোগ খুঁজে বের করা। আমাদের দেখতে হবে কেন মানুষ বিখ্যাত ডাকাতদের অদৃশ্য বা অপরাজেয় মনে করে, যদিও বাস্তবে তা সত্য নয়। এই বিশ্বাসগুলোকে কেবল আবেগ হিসেবে না দেখে সমাজ সম্পর্কে তাদের একটি সুসংগত বিশ্বাস হিসেবে দেখা উচিত। ** অধ্যায় ১৩: ব্রিটিশ ইতিহাস এবং 'অ্যানালস': একটি টীকা * তৃণমূল পর্যায়ের বা 'নিচ থেকে ইতিহাস' (Grassroots history) চর্চাকারীরা সাধারণ মানুষকে নিয়ে কাজ করেন। তারা জানেন যে তাদের অনেক কিছু জানা নেই এবং এই বিনয়ই তাদের বড় শক্তি। তারা জানেন যে সাধারণ মানুষ যা চেয়েছিল বা তাদের যা প্রয়োজন ছিল, তা সবসময় প্রভাবশালী বা শিক্ষিত সমাজ যা ভেবেছিল তার সাথে মেলে না। যারা এখন সমাজ পরিচালনা করছেন বা যারা সমাজ বদলাতে চান, তাদের সবারই উচিত ইতিহাসবিদদের কথা শোনা। ** অধ্যায় ১৬: নিচ থেকে ইতিহাস * এক সহস্রাব্দ ধরে 'ইউরোপ' ছিল রক্ষণাত্মক। পরবর্তী অর্ধ সহস্রাব্দে এটি বিশ্ব জয় করেছে। এই উভয় পর্যবেক্ষণই বিশ্ব ইতিহাস থেকে ইউরোপের ইতিহাসকে আলাদা করা অসম্ভব করে তুলেছে। বৈচিত্র্য এবং উপাদানগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়াই ইউরোপের অস্তিত্বের মূলে। ** অধ্যায় ১৭: ইউরোপের অদ্ভুত ইতিহাস * আমার জীবনের বেশিরভাগ সময় এমন একটি আশার পেছনে ব্যয় হয়েছে যা শেষ পর্যন্ত হতাশ করেছে এবং এমন একটি আদর্শের পেছনে যা ব্যর্থ হয়েছে: তা হলো অক্টোবর বিপ্লব থেকে শুরু হওয়া কমিউনিজম। কিন্তু পরাজয়ের মতো ইতিহাসবিদের মনকে আর কিছুই তীক্ষ্ণ করতে পারে না। ** অধ্যায় ১৮: ইতিহাস হিসেবে বর্তমান * [[রুশ বিপ্লব|রুশ বিপ্লবের]] দুটি একে অপরের সাথে জড়িয়ে থাকা ইতিহাস আছে: রাশিয়ার ওপর এর প্রভাব এবং বিশ্বের ওপর এর প্রভাব। দ্বিতীয়টি না থাকলে খুব কম মানুষই এটি নিয়ে আগ্রহী হতো। যেমন আমেরিকার বাইরে [[আমেরিকান গৃহযুদ্ধ|আমেরিকার গৃহযুদ্ধ]] নিয়ে খুব কম মানুষই জানে। রুশ বিপ্লব রাশিয়াকে তার আন্তর্জাতিক শক্তি ও সম্মানের শীর্ষে নিয়ে গিয়েছিল—যা জারদের আমলেও সম্ভব হয়নি। [[জোসেফ স্টালিন|স্টালিন]] রুশ ইতিহাসে পিটার দ্য গ্রেটের মতোই স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। এটি একটি অনগ্রসর দেশকে আধুনিক করেছে, কিন্তু এর মানবিক মূল্য ছিল অনেক বেশি। এর অর্থনীতি ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনায় অনেক রুশ নাগরিকের কাছে পুরনো [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত]] আমল এখনও অনেক ভালো মনে হয়। এর ঐতিহাসিক ফলাফল এখনই চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা সম্ভব নয়। ** অধ্যায় ১৯: আমরা কি রুশ বিপ্লবের ইতিহাস লিখতে পারি? * আমরা অমানবিকতায় অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আমরা অসহনীয় বিষয়কেও সহ্য করতে শিখেছি। বিশ্বযুদ্ধ এবং শীতল যুদ্ধ আমাদের বর্বরতাকে মেনে নিতে বাধ্য করেছে। এমনকি আমরা বর্বরতাকে অর্থ উপার্জনের মতো বিষয়গুলোর চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ মনে করতে শুরু করেছি। ** অধ্যায় ২০: বর্বরতা: একটি ব্যবহারকারী নির্দেশিকা * পরিচয় ভিত্তিক ইতিহাস বা আইডেন্টিটি হিস্ট্রিই যথেষ্ট নয়। আবেগ বা ব্যক্তিগত স্বার্থ আমাদের ভুল পথে চালিত করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, প্রতিটি ইহুদি প্রাকৃতিকভাবেই নিজেকে জিজ্ঞেস করে—'এটি কি ইহুদিদের জন্য ভালো নাকি খারাপ?' নিপীড়নের সময়ে এটি ব্যক্তিগত আচরণের জন্য সহায়ক হতে পারে। কিন্তু একজন ইহুদি ইতিহাসবিদকে এটি পথ দেখাতে পারে না। ইতিহাসবিদকে অবশ্যই [[সার্বজনীনতাবাদ|সার্বজনীন হতে হবে]]। কেবল ইহুদিদের জন্য (বা [[আফ্রিকান আমেরিকান|আফ্রিকান-আমেরিকান]], [[গ্রিক]], [[নারী]] বা [[সমকামিতা|সমকামী]]) লেখা ইতিহাস কখনও ভালো ইতিহাস হতে পারে না, যদিও তা সংশ্লিষ্টদের কাছে স্বস্তিদায়ক হতে পারে। ** অধ্যায় ২১: আইডেন্টিটি হিস্ট্রিই যথেষ্ট নয় === 'হাউ টু চেঞ্জ দ্য ওয়ার্ল্ড: রিফ্লেকশনস অন মার্ক্স অ্যান্ড মার্ক্সিজম' (২০১১) === * 'মাউন্ট অফ সারমন'-এ বর্ণিত যিশু খ্রিস্টকে ‘প্রথম সমাজতান্ত্রিক’ বা কমিউনিস্ট হিসেবে দেখা খুবই সহজ। যদিও প্রথমদিকের সমাজতান্ত্রিক তাত্ত্বিকদের অধিকাংশ খ্রিস্টান ছিলেন না, তবুও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের পরবর্তীকালের অনেক সদস্য এই ভাবনাটিকে বেশ কার্যকর মনে করেছেন। * 'কমিউনিস্ট' শব্দটি সবসময় একটি নির্দিষ্ট কর্মসূচিকে নির্দেশ করলেও, 'সমাজতান্ত্রিক' শব্দটি ছিল মূলত বিশ্লেষণাত্মক এবং সমালোচনামূলক। * মার্ক্সের ধারণাগুলো ইউরোপের বেশিরভাগ শ্রমিক ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের অনুপ্রেরণাদায়ী তত্ত্বে পরিণত হয়েছিল। মূলত লেনিন এবং রুশ বিপ্লবের মাধ্যমে এই আদর্শ বিংশ শতাব্দীর সামাজিক বিপ্লবের একটি বিশ্বজনীন তত্ত্বে রূপ নেয়, যা চীন থেকে শুরু করে [[পেরু|পেরু]] পর্যন্ত সর্বত্র সমাদৃত হয়। এই তত্ত্বগুলোতে বিশ্বাসী দলগুলোর জয়ের মাধ্যমে এর বিভিন্ন সংস্করণ এমন সব রাষ্ট্রের দাপ্তরিক আদর্শে পরিণত হয়, যেখানে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ বসবাস করত। এছাড়া বিশ্বের বাকি অংশেও বিভিন্ন আকারের রাজনৈতিক আন্দোলনের ওপর এর ব্যাপক প্রভাব ছিল। অতীতের মহান ধর্মগুলোর প্রবর্তক ছাড়া আর কোনো একক চিন্তাবিদ এমন মর্যাদা পাননি। সম্ভবত [[মুহাম্মদ|মুহাম্মদ]] (সা.) ছাড়া অন্য কেউ এত দ্রুত এবং এত বড় পরিসরে সাফল্য অর্জন করতে পারেননি। এই বিচারে কোনো ইহজাগতিক চিন্তাবিদের নাম তাঁর (মার্ক্স) পাশে রাখা সম্ভব নয়। ** অধ্যায় ১৪, 'ইনফ্লুয়েন্স অফ মার্ক্সিজম ১৯৪৫-৮৩' == হবসবম সম্পর্কে উদ্ধৃতি == * 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-এর পরিপূরক হিসেবে উপস্থাপিত এই ব্যক্তিগত প্রতিকৃতিটি (ইন্টারেস্টিং টাইমস) হবসবমের বিংশ শতাব্দীর দৃষ্টিভঙ্গি এবং আধুনিকতার সামগ্রিক বর্ণনায় নতুন কী আলোকপাত করে? সামগ্রিক বিচারে, 'দ্য এজ অফ রেভোলিউশন', 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল', 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' এবং 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-কে একটি একক উদ্যোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে—এমন এক চতুষ্টয় (tetralogy) যার সমসাময়িক বিশ্ব গঠনের সুশৃঙ্খল বিবরণ হিসেবে অন্য কোনো তুলনা নেই। এই সবকটি গ্রন্থেই কিছু বিরল গুণের সংমিশ্রণ ঘটেছে: সংক্ষেপণের পরিমিতিবোধ; খুঁটিনাটি বর্ণনার সজীবতা; বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট সত্ত্বেও আঞ্চলিক পার্থক্যের তীব্র চেতনা; ফসল, শেয়ার বাজার, জাতি-শ্রেণি, রাষ্ট্রনায়ক-কৃষক এবং বিজ্ঞান-কলা—সব বিষয়েই অগাধ পাণ্ডিত্য ও সাবলীলতা; বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর প্রতি গভীর সহানুভূতি; বিশ্লেষণাত্মক বর্ণনার শক্তি; এবং সর্বোপরি অত্যন্ত স্বচ্ছ ও তেজোদীপ্ত একটি লিখনশৈলী। ** [[পেরি অ্যান্ডারসন]], "দ্য ভ্যানকুইশড লেফট: এরিক হবসবম", 'স্পেকট্রাম: ফ্রম রাইট টু লেফট ইন দ্য ওয়ার্ল্ড অফ আইডিয়াস' (২০০৫)-এ প্রকাশিত। * ইউরোপীয় তুলনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিতে, জাতীয় পতাকা বহনকারী এই শ্রমিকদের অদ্ভুত মনে হয় এবং তাদের গুরুত্ব খুব কমই বোঝা যায়। এমনকি মধ্য ইউরোপের প্রখ্যাত লেখক—যেমন [[আর্নেস্ট গেলনার|আর্নেস্ট গেলনার]] বা এরিক হবসবম—এই অঞ্চলের জাতীয়তাবাদের স্বাতন্ত্র্যকে একটি বৈশ্বিক সংজ্ঞায় খাপ খাওয়াতে গিয়ে এর আসল বৈশিষ্ট্যগুলোই ছেঁটে ফেলেছেন। হবসবমের ধারণা ছিল যে এটি পৃথিবীর প্রতিটি কোণেই প্রযোজ্য হবে, কিন্তু আমরা এই বইয়ে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের কাছে এই শব্দের অর্থ কী ছিল তা বোঝার চেষ্টা করেছি। সেই অঞ্চলে গেলনারের 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম' বইয়ের বৈশ্বিক মাপকাঠিগুলো হয় অপ্রাসঙ্গিক নয়তো গৌণ: যেমন [[জন স্টুয়ার্ট মিল|জন স্টুয়ার্ট মিলের]] ধারণা যে একটি জাতীয় রাষ্ট্রকে "সাশ্রয়ী" হতে হবে, বা জাতীয়তাবাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট আয়তন প্রয়োজন। চেক বা স্লোভেনীয়রা এই সব মাপকাঠি সম্পর্কে কিছুই জানত না এবং তারা এগুলো ছাড়াই তাদের ইতিহাস তৈরি করেছে। হবসবমের এই ধারণা যে ভাষা এবং ইতিহাস কোনো নির্ণায়ক মানদণ্ড নয়, তা পূর্ব-মধ্য ইউরোপের যে কারোর কাছে অর্থহীন মনে হতো—যদিও এটি মহাকাশ থেকে কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা জাতীয়তাবাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। ** জন কনেলি, 'ফ্রম পিপলস টু নেশনস: আ হিস্ট্রি অফ ইস্টার্ন ইউরোপ' (২০২০), পৃষ্ঠা ৭৯৬-৭৯৭। * এরিক হবসবম হয়তো অভিযোগ করতে পারেন যে আমি অন্যায় করছি এবং আমি আসলে অন্যরকম একটি বই আশা করেছিলাম। তিনি বলতে পারেন যে আমি এমন একটি বই চাই যা চিরস্থায়ী হবে এবং ভবিষ্যৎ শতাব্দীর ইতিহাসবিদদের আগ্রহের খোরাক হবে। আর তিনি ঠিকই বলেছেন, আমি আসলেই তা চাই। বিপরীতে, তিনি বলতে পারেন যে তাঁর বইটি "বিংশ শতাব্দীর একজন লেখকের দ্বারা বিংশ শতাব্দীর শেষের পাঠকদের জন্য লেখা", যাদের কাছে 'পুঁজিবাদ' এবং 'সমাজতন্ত্রের' সংঘাত, সামাজিক বিপ্লব, [[স্নায়ুযুদ্ধ]], এবং 'প্রকৃত সমাজতন্ত্রের' সীমাবদ্ধতা ও পতন নিয়ে আলোচনা করা সার্থক। তিনি মূলত সেই পাঠকদের জন্য লিখছেন যারা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের মূল থিম হিসেবে বিশ্ব কমিউনিজমের ট্র্যাজিক ও বীরত্বগাথাকে বিবেচনা করেন। কিন্তু বিশ্ব কমিউনিজমের এই যাত্রা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একমাত্র বা মূল থিম নয়। হবসবম আসলে কাদের জন্য তাঁর বইটি লিখছেন? বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের কোন অংশটুকু পাঠকদের জানা প্রয়োজন, তার জন্য কি আমরা 'এজ অফ এক্সট্রিমস' বইটির সুপারিশ করতে পারি? ** [[জে. ব্র্যাডফোর্ড ডিলং]], "লো মার্ক্স: আ রিভিউ অফ এরিক হবসবমস 'এজ অফ এক্সট্রিমস'" (১৯৯৫)। * [[১৯৬৮]] সালে আমি সেই মনোযোগী ও শ্রদ্ধাশীল ছাত্র শ্রোতাদের একজন ছিলাম, যাদের সামনে এরিক হবসবম ছাত্র র‍্যাডিক্যালিজমের সীমাবদ্ধতা নিয়ে কথা বলছিলেন। তাঁর উপসংহারটি আমার খুব মনে আছে, কারণ এটি তৎকালীন মেজাজের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। তিনি আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে, মাঝেমধ্যে পৃথিবী পরিবর্তন করা নয় বরং এটিকে ব্যাখ্যা করাই মুখ্য উদ্দেশ্য। কিন্তু বিশ্বকে ব্যাখ্যা করার জন্য এটি কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে সে সম্পর্কেও একটি সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন। তাঁর শেষ বইটি আমাদের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া এই বিশ্বের একটি চমত্কার, মেধাবী এবং সর্বদা বুদ্ধিদীপ্ত বিবরণ। এটি যদি তাঁর সেরা কাজগুলোর সমপর্যায়ের না-ও হয়, তবুও মনে রাখা উচিত যে তিনি নিজেই মেধার মানদণ্ড অনেক উঁচুতে সেট করেছেন। তবে বিশ্বে এক বা দুটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে—যেমন কমিউনিজমের মৃত্যু বা ইতিহাসের ওপর আস্থা হারানো—যা লেখককে খুব একটা খুশি করতে পারেনি। এটি দুঃখজনক, কারণ তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গি বইটির বিবরণকে এমনভাবে প্রভাবিত করেছে যা হয়তো নতুন পাঠকদের শিখতে নিরুৎসাহিত করবে। আমি বিংশ শতাব্দীর বর্ণনায় তাঁর সেই তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণ মিস করেছি যা তাঁকে উনবিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একজন অপরিহার্য পথপ্রদর্শক করে তুলেছিল। হবসবম আমাদের মনে করিয়ে দেন যে ইতিহাসবিদরা হলেন "সেই পেশাদার স্মৃতিকার যারা সাধারণ মানুষ যা ভুলে যেতে চায় তা মনে করিয়ে দেন।" এটি একটি অত্যন্ত কঠিন ও আপসহীন দায়িত্ব। ** [[টনি জাট]], "ডাউনহিল অল দ্য ওয়ে", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২৫ মে, ১৯৯৫)। * হবসবম তাঁর স্মৃতিকথা একটি উদ্দীপনামূলক বার্তার মাধ্যমে শেষ করেছেন: “এই সন্তোষজনক নয় এমন সময়েও আমাদের নিরস্ত্র হওয়া চলবে না। সামাজিক অবিচারের বিরুদ্ধে সবসময় প্রতিবাদ ও লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। পৃথিবী নিজে নিজে ভালো হবে না।” তিনি সব দিক থেকেই ঠিক। কিন্তু নতুন শতাব্দীতে ভালো কিছু করতে হলে আমাদের পুরনো শতাব্দীর সত্যগুলো বলতে হবে। হবসবম শয়তান বা অশুভ শক্তির মুখোমুখি হতে এবং একে তার আসল নামে ডাকতে অস্বীকার করেছেন; তিনি কখনও স্তালিন এবং তাঁর কর্মকাণ্ডের রাজনৈতিক ও নৈতিক উত্তরাধিকারকে গভীরভাবে বিচার করেননি। তিনি যদি গুরুত্বের সাথে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে কোনো আমূল পরিবর্তনের মশাল হস্তান্তর করতে চান, তবে এটি সঠিক পথ নয়। ** [[টনি জাট]], "দ্য লাস্ট রোমান্টিক", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২০ নভেম্বর, ২০০৩)। * হবসবম যেমনটি তাঁর 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' বইতে বলেছিলেন, তিনি মূলত একটি ‘যুক্তির উন্মোচন’ লিখছিলেন। সেই যুক্তির মূল কথা হলো—ঐতিহাসিক গুরুত্বের ক্ষেত্রে সংস্কৃতির চেয়ে অর্থনীতি, নারীর চেয়ে পুরুষ এবং বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে পশ্চিমের গুরুত্ব বেশি। তাঁর বর্ণনায় অনেক কিছু বাদ পড়াটা কোনো ভুল ছিল না বরং এটি ছিল তাঁর চিন্তাধারারই অংশ। অন্যভাবে বলতে গেলে, হবসবমকে নতুনভাবে মূল্যায়ন করতে হলে তাঁর এই মূল ধারণাগুলোকে চ্যালেঞ্জ করতে হবে। ** [[w:Susan Pedersen|সুসান পেডারসেন]], "আই ওয়ান্ট টু লাভ ইট", 'লন্ডন রিভিউ অফ বুকস' (১৮ এপ্রিল, ২০১৯)। * হবসবমকে একবার জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি হ্যাম্পস্টেড ম্যানশনের মতো অত্যন্ত দামি বাড়িতে বাস করাকে কীভাবে সমর্থন করেন। উত্তরে তিনি রসিকতা করে বলেছিলেন, যদি কেউ [[w:Titanic|টাইটানিক]] জাহাজে ভ্রমণ করে, তবে তার প্রথম শ্রেণীতে চড়েই ডুবে যাওয়া ভালো। রসিকতা হিসেবে এটি চমত্কার। কিন্তু যদি ১৯৮৯ সালে সমস্ত বরফ গলে যায় (কমিউনিজমের পতন হয়), তবে কী হবে? ** [[w:John Sutherland (author)|জন সাদারল্যান্ড]], 'দ্য টাইমস' (২৩ জানুয়ারি, ২০১৬)। * ১৯৯৫ সালে যখন তিনি '[[w:Desert Island Discs|ডেজার্ট আইল্যান্ড ডিস্কস]]'-এ উপস্থিত হয়েছিলেন, তখন তিনি বিলি হলিডের একটি গান বেছে নেওয়ার পাশাপাশি ইতিহাস নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছিলেন। উপস্থাপক সু ললি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, যদি লক্ষ লক্ষ জীবনের বিনিময়ে বিশ্ববিপ্লব আনা সম্ভব হতো, তবে কি তা সার্থক হতো? তিনি দ্বিধাহীনভাবে উত্তর দিয়েছিলেন—হ্যাঁ। মাইকেল ইগনাটিয়েফ কর্তৃক টেলিভিশনে গৃহীত এক সাক্ষাৎকারে হবসবমকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, ১৯৩৪ সালে স্তালিন কর্তৃক লক্ষ লক্ষ মানুষকে জোরপূর্বক অভুক্ত রাখার কথা জানলে কি তাঁর কমিউনিস্ট হওয়ার ইচ্ছা বদলে যেত? তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, "সম্ভবত না"। তিনি শান্তভাবে আরও যোগ করেন যে, যদি সোভিয়েত ইউনিয়ন বিশ্ববিপ্লবের সূচনা করতে পারত, তবে ১৫-২০ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু যুক্তিযুক্ত হতে পারত। ** [[এ. এন. উইলসন]], 'অন দ্য রং সাইড অফ হিস্ট্রি', 'দ্য টাইমস স্যাটারডে রিভিউ' (২৬ জানুয়ারি, ২০১৯)। * হবসবমের ইতিহাসের প্রধান সমস্যা ছিল যে তাঁর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল [[কার্ল মার্ক্স|কার্ল মার্ক্সের]] তত্ত্বগুলোকে সত্য প্রমাণ করা। শোকসংবাদ লেখকরা দাবি করেছিলেন যে তিনি কখনও [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদী]] মতাদর্শের দাস ছিলেন না বা তাঁর কাজ ছিল "সর্বদা সূক্ষ্ম ও মার্জিত", কিন্তু বাস্তবতা ছিল এর বিপরীত। ** কিথ উইন্ডশাটল, "দ্য নট-সো-গ্রেট এরিক হবসবম", 'কোয়াড্র্যান্ট' (১ নভেম্বর ২০১২)। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইতিহাসবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:কমিউনিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্ক্সবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্যাসিবাদ বিরোধী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১২-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:আলেকজান্দ্রিয়ার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রিটিশ একাডেমির ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:রয়্যাল সোসাইটি অফ লিটারেচারের ফেলো]] te4sth0cau4utmi5pe9d1awjndrt0d8 78593 78592 2026-04-19T12:53:40Z SMontaha32 3112 78593 wikitext text/x-wiki [[File:Eric Hobsbawm.jpg|thumb|right|২০১১ সালে এরিক হবসবম]] '''[[w:Eric Hobsbawm|এরিক জন আর্নেস্ট হবসবম]]''', [[w:Companion of Honour|সিএইচ]], [[w:Fellow of the Royal Society of Literature|এফআরএসএল]], [[w:Fellow of the British Academy|এফবিএ]] ([[৯ জুন]] [[১৯১৭]] – [[১ অক্টোবর]] [[২০১২]]) ছিলেন একজন ব্রিটিশ মার্ক্সবাদী ইতিহাসবিদ ও লেখক। তিনি [[w:Communist Party of Great Britain|কমিউনিস্ট পার্টি অব গ্রেট ব্রিটেনের]] (১৯২০–১৯৯১) একজন প্রধান তাত্ত্বিক এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত [[w:Birkbeck College|বার্কবেক কলেজের]] সাবেক প্রেসিডেন্ট ছিলেন। == উদ্ধৃতি == * আমাদের যুগের বুদ্ধিজীবী এবং [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদের]] মধ্যে যে প্রেমের সম্পর্ক দেখা যায়, তা পশ্চিম ইউরোপে তুলনামূলকভাবে দেরিতে শুরু হয়েছিল। যদিও রাশিয়ায় এটি [[কার্ল মার্ক্স|মার্ক্সের]] জীবদ্দশাতেই শুরু হয়। ** "বুদ্ধিজীবী এবং কমিউনিজম" (১৯৬৪), 'রেভোলিউশনারিস: কনটেম্পোরারি এসেস' (১৯৭৩)-এ প্রকাশিত। * প্রথমত, সম্ভবত কোনো বড় ধরনের [[বিপ্লব]] সফল করার জন্য যে অতিমানবীয় প্রচেষ্টার প্রয়োজন হয়, তা তৈরির জন্য [[কল্পরাজ্য|ইউটোপিয়াবাদ]] একটি প্রয়োজনীয় সামাজিক কৌশল। ** 'প্রিমিটিভ রেবেলস: স্টাডিজ ইন আর্কাইক ফর্মস অফ সোশ্যাল মুভমেন্ট ইন দ্য নাইনটিনথ অ্যান্ড টুয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরিস' (১৯৭১), পৃষ্ঠা ৬০। * ইতিহাসবিদরা [[জাতীয়তাবাদ|জাতীয়তাবাদের]] কাছে ঠিক তেমনই, যেমন [[পাকিস্তান|পাকিস্তানের]] পোস্ত চাষীরা [[আসক্তি|হেরোইন আসক্তদের]] কাছে: আমরা বাজারের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল সরবরাহ করি। '''অতীতহীন জাতি একটি স্ববিরোধী ধারণা।''' অতীতই একটি জাতি গঠন করে এবং অন্য জাতির বিরুদ্ধে নিজের অস্তিত্বের ন্যায্যতা দেয়। ইতিহাসবিদরাই সেই অতীত তৈরি করেন। তাই আমার পেশাটি রাজনীতির সাথে মিশে গিয়ে জাতীয়তাবাদের একটি অপরিহার্য উপাদানে পরিণত হয়েছে। ** "এথনিসিটি অ্যান্ড ন্যাশনালিজম ইন ইউরোপ টুডে" (ফেব্রুয়ারি ১৯৯২), 'অ্যানথ্রোপোলজি টুডে'। * [[উদারতাবাদ]] ব্যর্থ হচ্ছিল। আমি যদি [[ইহুদি]] না হয়ে [[জার্মান]] হতাম, তবে সম্ভবত আমি একজন [[নাৎসিবাদ|নাৎসি]] বা [[w:German_nationalist|জার্মান জাতীয়তাবাদী]] হতাম। আমি বুঝতে পারতাম তারা জাতি রক্ষার বিষয়ে কতটা আবেগপ্রবণ ছিল। সেটি এমন এক সময় ছিল যখন বিশ্বকে আমূল পরিবর্তন না করলে কোনো ভবিষ্যৎ আছে বলে কেউ বিশ্বাস করত না। ** এরিক হবসবমের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, মায়া জাগি কর্তৃক 'দ্য গার্ডিয়ান'-এ প্রকাশিত “আ কোয়েশ্চেন অফ ফেইথ” (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০২)। * মনে হচ্ছে [[বিদেশাতঙ্ক|জেনোফোবিয়া]] বা বিদেশাতঙ্ক বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের একটি গণ-আদর্শে পরিণত হতে যাচ্ছে। ** 'ডিভাইডেড ইউরোপীয়ানস: আন্ডারস্ট্যান্ডিং এথনিসিটিস ইন কনফ্লিক্ট' (১৯৯৯), পৃষ্ঠা ৪১। * [[লন্ডন|লন্ডনের]] দিকে তাকান। আমাদের সবার কাছেই লন্ডনের অর্থনীতির সমৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু রাজধানীর নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় উৎপন্ন বিশাল সম্পদের পরীক্ষা এই নয় যে এটি ব্রিটেনের মোট জিডিপিতে ২০-৩০% অবদান রাখছে। বরং পরীক্ষাটি হলো এটি সেখানে বসবাসকারী লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে কী প্রভাব ফেলছে। তারা সেখানে থাকার সামর্থ্য রাখে কি না? যদি না রাখে, তবে লন্ডন অতি-ধনীদের স্বর্গরাজ্য হওয়া তাদের জন্য কোনো সান্ত্বনা নয়। তারা কি উপযুক্ত বেতনের চাকরি পায়? যদি না পায়, তবে মিশেলিন-স্টার রেস্তোরাঁ বা নামী শেফদের নিয়ে বড়াই করবেন না। কিংবা শিশুদের শিক্ষার কথা ধরুন; লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এক দল নোবেল বিজয়ী থাকলেই অপর্যাপ্ত স্কুলগুলোর অভাব পূরণ হয় না। ** 'দ্য গার্ডিয়ান' (২০০৯)। * বিশ্বজুড়ে যেভাবে [[ভারত|ভারতীয়]] ও [[চীন|চীনা]] রেস্তোরাঁর বিস্তার ঘটছে, তা থেকে বোঝা যায় যে [[বিদেশাতঙ্ক|জেনোফোবিয়া]] বিদেশি মানুষের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়, বিদেশি সাংস্কৃতিক আমদানির বিরুদ্ধে নয়। ** 'ম্যাপিং দ্য নেশন' (১৩ নভেম্বর ২০১২), পৃষ্ঠা ২৬৩। === 'দ্য এজ অফ রেভল্যুশন' (১৯৬২) === * ইতিহাসের জালকে ছিঁড়ে না ফেলে একে আলাদা আলাদা সুতোয় ভাগ করা সম্ভব নয়। তবে বাস্তব কাজের সুবিধার্থে বিষয়টিকে নির্দিষ্ট উপবিভাগে ভাগ করা অপরিহার্য। ** প্রস্তাবনা * নথিপত্রের চেয়ে শব্দ অনেক সময় বেশি জোরালোভাবে কথা বলে। ১৮৪৮ সাল পর্যন্ত যে ষাট বছর নিয়ে এই বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে, সেই সময়ে উদ্ভাবিত বা আধুনিক অর্থ লাভ করা কিছু ইংরেজি শব্দের কথা ভাবুন। যেমন—'ইন্ডাস্ট্রি' (শিল্প), 'ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট' (শিল্পপতি), 'ফ্যাক্টরি' (কারখানা), 'মিডল ক্লাস' (মধ্যবিত্ত), 'ওয়ার্কিং ক্লাস' (শ্রমজীবী শ্রেণি) এবং 'সোশ্যালিজম' (সমাজতন্ত্র)। এছাড়া রয়েছে 'অ্যারিস্টোক্রাসি' (অভিজাততন্ত্র), 'রেলওয়ে' (রেলপথ), 'লিবারেল' (উদারপন্থী) ও 'কনজারভেটিভ' (রক্ষণশীল) রাজনৈতিক শব্দাবলি, 'ন্যাশনালিটি' (জাতীয়তা), 'সায়েন্টিস্ট' (বিজ্ঞানী) এবং 'ইঞ্জিনিয়ার' (প্রকৌশলী), 'প্রলেতারিয়েত' (সর্বহারা) এবং অর্থনৈতিক 'ক্রাইসিস' (সংকট)। ** ভূমিকা * 'আলোকায়ন' বা এনলাইটেনমেন্টকে কঠোরভাবে মধ্যবিত্তের মতাদর্শ বলা সঠিক নয়, যদিও অনেক আলোকায়নবাদী—যারা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ছিলেন—এটি ধরে নিয়েছিলেন যে, একটি মুক্ত সমাজ মানেই হবে একটি পুঁজিবাদী সমাজ। তাত্ত্বিকভাবে এর লক্ষ্য ছিল সকল মানুষকে মুক্ত করা। সমস্ত প্রগতিশীল, যুক্তিবাদী এবং মানবতাবাদী মতাদর্শ এর মধ্যেই নিহিত ছিল। তবে বাস্তবে এই মুক্তির আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিল সমাজের মধ্যস্তর—জন্মগত পরিচয়ের চেয়ে মেধা ও যোগ্যতাসম্পন্ন যুক্তিবাদী মানুষ। ফলে তাদের হাত ধরে যে সামাজিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল তা ছিল মূলত 'বুর্জোয়া' এবং পুঁজিবাদী। ** অধ্যায় ১: ১৭৮০-এর দশকের বিশ্ব * শিল্প বিপ্লবের প্রথম দুই প্রজন্মে ব্রিটেনের মৌলিক সত্যটি ছিল এই যে, অভিজাত এবং ধনী শ্রেণি এত দ্রুত এবং এত বিশাল পরিমাণ অর্থ সঞ্চয় করেছিল যা ব্যয় বা বিনিয়োগ করার সব সুযোগকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ** অধ্যায় ২: শিল্প বিপ্লব * [[ফ্রান্স|ফ্রান্স]] অধিকাংশ দেশের জন্য আইনের কোড বা বিধিমালা, বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সংগঠনের মডেল এবং পরিমাপের [[w:Metric_system|মেট্রিক পদ্ধতি]] উপহার দিয়েছিল। ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমেই আধুনিক বিশ্বের মতাদর্শগুলো প্রথম প্রাচীন সভ্যতাগুলোতে প্রবেশ করতে শুরু করে। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ছিলেন সেই 'লিটল কর্পোরাল' (ছোট কর্পোরাল) যিনি নিছক ব্যক্তিগত প্রতিভার জোরে একটি মহাদেশ শাসন করেছিলেন। নেপোলিয়ন উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে একটি ব্যক্তিগত নাম দিয়েছিলেন ঠিক সেই মুহূর্তে যখন 'দ্বৈত বিপ্লব' (শিল্প ও ফরাসি বিপ্লব) উচ্চাকাঙ্ক্ষী মানুষের জন্য পৃথিবী উন্মুক্ত করে দিয়েছিল। তিনি ছিলেন আঠারো শতকের যুক্তিবাদী ও আলোকিত মানুষ, আবার রুশোর শিষ্য হিসেবে ১৯ শতকের রোমান্টিক মানুষও বটে। ফরাসিদের জন্য তিনি ছিলেন তাদের দীর্ঘ ইতিহাসের সফলতম শাসক। তিনি কেবল একটি জিনিস ধ্বংস করেছিলেন: তা হলো জ্যাকোবিন বিপ্লব, অর্থাৎ সাম্য, মৈত্রী ও স্বাধীনতার সেই স্বপ্ন। ** অধ্যায় ৩: ফরাসি বিপ্লব * রাজনৈতিক ভূগোলের বিচারে ফরাসি বিপ্লব ইউরোপের মধ্যযুগের অবসান ঘটিয়েছিল। ** অধ্যায় ৪: যুদ্ধ * যুদ্ধের সত্যিকারের ভীতিজনক ঝুঁকি ছিল অবহেলা, নোংরা পরিবেশ, দুর্বল সংগঠন, ত্রুটিপূর্ণ চিকিৎসা সেবা এবং স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে অজ্ঞতা—যা সেনাদের প্রায় সবাইকেই আক্রান্ত করত। ** অধ্যায় ৪: যুদ্ধ * আন্তর্জাতিক শান্তি চুক্তির একটি বিধান আলাদাভাবে উল্লেখ করা প্রয়োজন: তা হলো আন্তর্জাতিক দাস-ব্যবসা বিলুপ্তি। এর পেছনে মানবিক ও অর্থনৈতিক—উভয় কারণই ছিল: দাসপ্রথা যেমন ছিল ভয়ংকর, তেমনই ছিল অত্যন্ত অদক্ষ। তাছাড়া ১৮১৫-৪৮ সালের অর্থনীতি আর আগের মতো মানুষ বা চিনি বিক্রির ওপর নির্ভরশীল ছিল না, বরং তা সুতি বস্ত্রের ওপর নির্ভরশীল ছিল। ** অধ্যায় ৫: শান্তি * ১৮১৫ পরবর্তী প্রজন্মে ইতিহাসের গতিপথ আটকে রাখার ক্ষেত্রে সরকারগুলোর অক্ষমতা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছিল। দ্বিতীয় কোনো ফরাসি বিপ্লব ঠেকানোই ছিল তৎকালীন শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর প্রধান লক্ষ্য। তবুও ইউরোপের ইতিহাসে আর কখনও বৈপ্লবিক চেতনা এত বেশি সংক্রামক হয়ে ওঠেনি। ** অধ্যায় ৬: বিপ্লবসমূহ * অন্য কোথাও জাতীয়তাবাদের মতো কিছু খুঁজে পাওয়া সম্ভব ছিল না, কারণ এর জন্য প্রয়োজনীয় সামাজিক শর্তগুলো তখন বিদ্যমান ছিল না। ** অধ্যায় ৭: জাতীয়তাবাদ * ১৮০৭ থেকে ১৮১৬ সালের মধ্যে প্রুশিয়ার কৃষকদের মুক্তির ক্ষেত্রে তিনটি কারণ কাজ করেছিল—ফরাসি বিপ্লবের প্রভাব, আমলাদের যৌক্তিক অর্থনৈতিক যুক্তি এবং অভিজাতদের লোভ। ** অধ্যায় ৮: ভূমি * দ্বৈত বিপ্লবের ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক প্রভাবগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গভীর ও স্থায়ী প্রভাবটি হলো ‘উন্নত’ এবং ‘অনুন্নত’ দেশের মধ্যে বিভাজন। ** অধ্যায় ৯: একটি শিল্পোন্নত বিশ্বের দিকে * যাদের বংশপরিচয় বা জাতিগত কারণে এতদিন বৈষম্যের শিকার হতে হয়েছে, সেই সংখ্যালঘু গোষ্ঠীগুলোই 'যোগ্যতার ভিত্তিতে ক্যারিয়ার' গড়ার সুযোগকে সবচেয়ে বেশি স্বাগত জানিয়েছিল। ** অধ্যায় ১০: মেধার মূল্যায়ন (Career Open to Talent) * পালানো বা পরাজয়ের বিকল্প ছিল বিদ্রোহ। শ্রমজীবী দরিদ্র এবং বিশেষ করে শিল্প প্রলেতারিয়েত বা সর্বহারা শ্রেণির অবস্থা এমন ছিল যে, বিদ্রোহ করা তাদের জন্য কেবল সম্ভবই ছিল না, বরং অনেকটা বাধ্যতামূলক ছিল। উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে শ্রম ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের উত্থান ছিল অনিবার্য। ** অধ্যায় ১১: শ্রমজীবী দরিদ্র * ইতিহাসের বেশিরভাগ সময় এবং বিশ্বের বেশিরভাগ অঞ্চলে (চীন সম্ভবত এর প্রধান ব্যতিক্রম) শিক্ষিত গুটিকয়েক মানুষ ছাড়া বাকি সবাই জগতকে ঐতিহ্যবাহী ধর্মের আলোকে দেখত। পরিস্থিতি এমন ছিল যে, অনেক দেশে 'খ্রিস্টান' শব্দটি ছিল 'কৃষক' বা এমনকি 'মানুষ' শব্দের সমার্থক। ** অধ্যায় ১২: মতাদর্শ: ধর্ম * ধর্ম, যা একসময় আকাশের মতো ছিল যা থেকে কেউ পালাতে পারত না, তা ধীরে ধীরে মেঘের স্তূপের মতো হয়ে উঠল—যা মানবমন্ডলের একটি বিশাল কিন্তু সীমিত ও পরিবর্তনশীল বৈশিষ্ট্য। ** অধ্যায় ১২: মতাদর্শ: ধর্ম * বুর্জোয়াদের বিজয় ফরাসি বিপ্লবকে এনলাইটেনমেন্টের ধর্মনিরপেক্ষ নৈতিক মতাদর্শে দীক্ষিত করেছিল এবং যেহেতু এই বিপ্লবের ভাষা পরবর্তী সকল বৈপ্লবিক আন্দোলনের ভাষা হয়ে উঠেছিল, তাই এটি ধর্মনিরপেক্ষতাকে ছড়িয়ে দিয়েছিল। ** অধ্যায় ১২: মতাদর্শ: ধর্ম * ক্লাসিক্যাল লিবারেলিজম বা উদারতাবাদের কাছে 'মানুষ' ছিল মূলত একটি সামাজিক প্রাণী যে কেবল বৃহৎ সংখ্যার মাঝে সহাবস্থান করে। তাই সামাজিক লক্ষ্যগুলো ছিল প্রতিটি ব্যক্তির ব্যক্তিগত লক্ষ্যের গাণিতিক সমষ্টি। ‘সর্বাধিক মানুষের সর্বাধিক সুখ’ ছিল সমাজের প্রধান লক্ষ্য। ** অধ্যায় ১৩: মতাদর্শ: ধর্মনিরপেক্ষতা * সমাজের সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর শিল্পকর্মও অনেক সময় পুরো মানবজাতিকে কাঁপিয়ে দেওয়া ভূকম্পনের প্রতিধ্বনি তুলতে পারে। আমাদের সময়কালের সাহিত্য ও শিল্পকলা তা-ই করেছিল এবং এর ফলাফল ছিল ‘রোমান্টিসিজম’ বা রোমান্টিকতাবাদ। ** অধ্যায় ১৪: শিল্পকলা * বিজ্ঞান ও শিল্পকলার মধ্যে সাদৃশ্য টানা সবসময়ই বিপজ্জনক। তবুও বিজ্ঞানও দ্বৈত বিপ্লবের প্রতিফলন ঘটিয়েছিল, কারণ এটি বিজ্ঞানের কাছে নতুন দাবি তুলেছিল এবং চিন্তার নতুন ধরণ তৈরি করেছিল। ** অধ্যায় ১৫: বিজ্ঞান * বিজ্ঞানের উন্নতি কোনো সাধারণ সরলরৈখিক অগ্রগতি নয়। ** অধ্যায় ১৫: বিজ্ঞান * ১৮৩১ সালে [[ভিক্টর হুগো|ভিক্টর হুগো]] লিখেছিলেন যে, তিনি মাটির গভীর থেকে বিপ্লবের পূর্ণ শব্দ শুনতে পাচ্ছেন, যা ইউরোপের রাজতন্ত্রের নিচ দিয়ে প্যারিসের কেন্দ্রীয় খনি থেকে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে এগিয়ে চলেছে। ১৮৪৭ সালে সেই শব্দ অনেক কাছে এবং জোরালো হয়ে আসে। ১৮৪৮ সালে সেই বিস্ফোরণটি ঘটে। ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার: ১৮৪৮-এর দিকে === 'ব্যান্ডিটস' (১৯৬৯; ১৯৭২; ১৯৮১) === * মানুষ হয়তো দস্যুদের সাথে দেখা করতে পছন্দ করবে না, বিশেষ করে কোনো অন্ধকার রাতে, তবে তাদের সম্পর্কে পড়ার আগ্রহ যেন বিশ্বজনীন। ** প্যানথিয়ন সংস্করণের প্রস্তাবনা * 'সামাজিক দস্যু' বা সোশ্যাল ব্যান্ডিটদের মূল বৈশিষ্ট্য হলো তারা এমন একদল কৃষক বহির্ভূত মানুষ যাদেরকে জমিদার এবং রাষ্ট্র অপরাধী হিসেবে গণ্য করে, কিন্তু তারা কৃষক সমাজের ভেতরেই অবস্থান করে। তাদের আপনজন বা সাধারণ মানুষ তাদের নায়ক, রক্ষক, প্রতিশোধ গ্রহণকারী, ন্যায়ের জন্য লড়াকু যোদ্ধা, এমনকি হয়তো মুক্তির নেতা হিসেবে বিবেচনা করে। যেকোনো পরিস্থিতিতেই তারা এমন মানুষ যাদেরকে শ্রদ্ধা করা হয়, সাহায্য করা হয় এবং সমর্থন দেওয়া হয়। সাধারণ কৃষক এবং এই বিদ্রোহী বা ডাকাতদের মধ্যকার এই নিবিড় সম্পর্কই সামাজিক দস্যুবৃত্তিকে আকর্ষণীয় এবং তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। ** অধ্যায় ১: সামাজিক দস্যুবৃত্তি কী? * 'কারমিন ক্রোকো' (কারমিন ডোনাটেলি), যিনি ছিলেন একজন কৃষি শ্রমিক ও রাখাল। তিনি বোর্বন সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন, কিন্তু এক ঝগড়ার সময় সহকর্মীকে হত্যা করে পালিয়ে যান এবং দশ বছর ফেরারি হিসেবে জীবন কাটান। অতীতে করা অপরাধের ক্ষমা পাওয়ার আশায় তিনি ১৮৬০ সালে উদারপন্থী বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দেন এবং পরবর্তীতে বোর্বন পক্ষের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ গেরিলা প্রধান ও জননেতায় পরিণত হন। ** অধ্যায় ১: সামাজিক দস্যুবৃত্তি কী? * দস্যুবৃত্তি হলো এক ধরণের মুক্তি, কিন্তু কৃষক সমাজে খুব কম মানুষই মুক্ত হতে পারে। অধিকাংশ মানুষই প্রভুত্ব এবং শ্রমের দ্বৈত শিকলে বন্দি, যেখানে একটি অন্যটিকে আরও শক্তিশালী করে। কৃষকদের কর্তৃপক্ষের শিকারে পরিণত করার পেছনে তাদের অর্থনৈতিক দুর্বলতা যতটা না দায়ী—কারণ তারা প্রায়ই আত্মনির্ভরশীল হয়—তার চেয়ে বেশি দায়ী তাদের চলনশক্তির সীমাবদ্ধতা বা স্থবিরতা। ** অধ্যায় ২: কে দস্যু হয়? === 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল' (১৯৭৫) === * ১৭৮৯ থেকে ১৮৪৮ সালের বিপ্লবের দ্বৈতবাদ সেই সময়ের ইতিহাসকে একটি ঐক্য এবং সামঞ্জস্য দান করেছে। এক অর্থে এটি সম্পর্কে লেখা এবং পড়া বেশ সহজ, কারণ এর একটি স্পষ্ট থিম এবং কাঠামো রয়েছে; এবং এর কালানুক্রমিক সীমাও মানুষের অন্যান্য বিষয়ের তুলনায় বেশ স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত। ** ভূমিকা * সামাজিক ও অর্থনৈতিক কাঠামো এবং রাজনীতি বিপ্লবী অঞ্চলকে দুটি অংশে বিভক্ত করেছিল, যাদের চরমপন্থার মধ্যে খুব সামান্যই মিল ছিল। তাদের সামাজিক কাঠামো মৌলিকভাবে ভিন্ন ছিল, তবে গ্রামীন মানুষের সংখ্যা যে শহরের তুলনায় বেশি ছিল—তা সবখানেই প্রযোজ্য ছিল। এই বিষয়টি প্রায়ই এড়িয়ে যাওয়া হয় কারণ শহরের জনসংখ্যা এবং বিশেষ করে বড় শহরগুলো [[রাজনীতি|রাজনীতিতে]] অসমভাবে প্রভাবশালী ছিল। ** অধ্যায় ১: 'জনগণের বসন্তকাল' (The Springtime of Peoples) * সামাজিক ব্যবস্থার রক্ষকদের সাধারণ মানুষের রাজনীতি শিখতে হয়েছিল। এটি ছিল ১৮৪৮ সালের বিপ্লবগুলোর মাধ্যমে আসা প্রধান উদ্ভাবন। এমনকি অতি-রক্ষণশীল প্রুশীয় জুনকাররাও (জমিদার শ্রেণি) সেই বছর আবিষ্কার করেছিলেন যে, 'জনমত' প্রভাবিত করার জন্য তাদের একটি সংবাদপত্র প্রয়োজন—যা আসলে একটি উদারপন্থী ধারণা এবং ঐতিহ্যগত উচ্চ-নীচ কাঠামোর সাথে সংঘাতপূর্ণ। ** অধ্যায় ১: 'জনগণের বসন্তকাল' * আমরা যখন পূর্ববর্তী সময়ের 'বিশ্ব ইতিহাস' লিখি, তখন আমরা আসলে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশের ইতিহাসের একটি সমষ্টি তৈরি করি। কিন্তু সেই সময়ের অঞ্চলগুলোর একে অপরের সম্পর্কে খুব সামান্য এবং ভাসাভাসা ধারণা ছিল, যতক্ষণ না কোনো অঞ্চলের অধিবাসীরা অন্য কোনো অঞ্চল জয় বা দখল করত (যেমনটি পশ্চিম ইউরোপীয়রা [[আমেরিকা|আমেরিকা]] মহাদেশে করেছিল)। ** অধ্যায় ৩: বিশ্ব যখন একীভূত (The World Unified) * উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ের মানুষের তুলনায় আমরা এখন বিশ্বের একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ার সাথে অনেক বেশি পরিচিত। তবে বর্তমান সময়ের (২০ শতকের শেষের দিক) বিশ্বায়ন এবং সেই সময়ের প্রক্রিয়ার মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। বর্তমানে যা সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে তা হলো একটি আন্তর্জাতিক প্রমিতকরণ (standardization), যা নিছক অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সীমানা ছাড়িয়ে গেছে। এই দিক থেকে আমাদের বর্তমান বিশ্ব ফিলিয়াস ফগের বিশ্বের চেয়ে অনেক বেশি যান্ত্রিকভাবে প্রমিত। ** অধ্যায় ৩: বিশ্ব যখন একীভূত * ধীরে ধীরে আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক কাঠামোটি বাস্তব কাঠামো থেকে আলাদা হতে শুরু করে। [[আন্তর্জাতিক সম্পর্ক|আন্তর্জাতিক রাজনীতি]] বৈশ্বিক রাজনীতিতে পরিণত হয়, যেখানে অন্তত দুটি অ-ইউরোপীয় শক্তি কার্যকরভাবে হস্তক্ষেপ করতে শুরু করে (যদিও ২০ শতকের আগে এটি স্পষ্ট হয়নি)। তদুপরি, এটি পুঁজিবাদী-শিল্পোন্নত শক্তিগুলোর একটি গোষ্ঠীগত আধিপত্যে (oligopoly) পরিণত হয়, যারা যৌথভাবে বিশ্বের ওপর একচেটিয়া প্রভাব খাটাত কিন্তু নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত থাকত। ** অধ্যায় ৪: দ্বন্দ্ব ও যুদ্ধ * সরকারগুলো যদি জাতীয়তাবাদকে একটি ঐতিহাসিক শক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে থাকে, তবে ‘[[গণতন্ত্র]]’ বা রাষ্ট্রীয় কাজে সাধারণ মানুষের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা ছিল অন্য একটি শক্তি। এই দুটি শক্তি একই ছিল, কারণ এই সময়ে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনগুলো গণআন্দোলনে পরিণত হয়েছিল। তবে বাস্তবে কৃষকদের মতো বড় একটি অংশ তখনও জাতীয়তাবাদ দ্বারা প্রভাবিত হয়নি, আবার নতুন শ্রমিক শ্রেণিকে এমন আন্দোলনের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল যা জাতীয় পরিচয়ের চেয়ে আন্তর্জাতিক শ্রেণি স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দিত। ** অধ্যায় ৬: গণতন্ত্রের শক্তিসমূহ * পুঁজিবাদ এবং বুর্জোয়া সমাজের বিজয়ের সাথে সাথে এর বিকল্প ব্যবস্থার সম্ভাবনাগুলো ক্ষীণ হয়ে আসছিল। ১৮৭২-৭৩ সালের দিকে পরিস্থিতি এমন ছিল যে পুঁজিবাদের কোনো বিকল্প আছে বলে মনেই হচ্ছিল না। অথচ মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই এই বিজয়ী সমাজের ভবিষ্যৎ আবারও অনিশ্চিত ও অস্পষ্ট হয়ে ওঠে এবং একে প্রতিস্থাপন বা উৎখাত করার আন্দোলনগুলোকে আবারও গুরুত্বের সাথে নিতে হয়। ** অধ্যায় ৯: পরিবর্তনশীল সমাজ * উদারপন্থার জয়ের এই যুগটি শুরু হয়েছিল একটি [[w:revolutions_of_1848|ব্যর্থ বিপ্লব]] দিয়ে এবং শেষ হয়েছিল একটি দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক [[মন্দা (অর্থনীতি)|মন্দার]] মাধ্যমে। একটি ঐতিহাসিক সময়কালের শুরু বা শেষ চিহ্নিত করার জন্য প্রথমটি (বিপ্লব) যতটা সুবিধাজনক, দ্বিতীয়টি (মন্দা) ততটা নয়; কিন্তু ইতিহাস সবসময় ইতিহাসবিদদের সুবিধা অনুযায়ী চলে না। ** অধ্যায় ১৬: উপসংহার === 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' (১৯৮৭) === * যখন ইতিহাসবিদরা এমন একটি সময়কাল বোঝার চেষ্টা করেন যার প্রত্যক্ষদর্শীরা এখনও জীবিত, তখন [[ইতিহাস|ইতিহাসের]] দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারণা একে অপরের মুখোমুখি হয়, অথবা সেরা ক্ষেত্রে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে: তা হলো পাণ্ডিত্যপূর্ণ এবং অস্তিত্বগত ধারণা, অর্থাৎ আর্কাইভ বনাম ব্যক্তিগত স্মৃতি। প্রতিটি মানুষই তার সচেতনভাবে বেঁচে থাকা সময়ের একজন [[ইতিহাসবিদ|ইতিহাসবিদ]], কারণ সে মনে মনে সেই সময়ের সাথে একটি বোঝাপড়া তৈরি করে। '[[w:Oral_history|মৌখিক ইতিহাস]]' বা ওরাল হিস্ট্রি নিয়ে যারা কাজ করেছেন তারা জানেন যে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটি একজন অনির্ভরযোগ্য ইতিহাসবিদের কাজ, তবুও এর অবদান অপরিহার্য। একজন পণ্ডিত যিনি কোনো প্রবীণ সৈনিক বা রাজনীতিবিদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন, তিনি হয়তো ছাপানো কাগজ বা নথিপত্র থেকে সেই ব্যক্তির স্মৃতির চেয়েও অনেক বেশি এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য ইতোমধ্যে সংগ্রহ করে ফেলেছেন, কিন্তু তবুও তিনি বিষয়টি ভুল বুঝতে পারেন। ক্রুসেডের ইতিহাসবিদের মতো না হলেও, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাসবিদকে সেই প্রত্যক্ষদর্শীরা সংশোধন করে দিতে পারেন যারা মাথা নেড়ে বলবেন: ‘আসলে বিষয়টি একদম এমন ছিল না।’ তবুও ইতিহাসের এই দুটি সংস্করণই অতীতের এক একটি সুসংগত নির্মাণ। ** ভূমিকা (Overture) * ১৮৭০-এর দশকের অধিকাংশ পর্যবেক্ষক ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় অনেক বেশি মুগ্ধ ছিলেন। জ্ঞান এবং প্রকৃতিকে বদলে দেওয়ার ক্ষমতার বিচারে পরিবর্তন মানেই যে উন্নতি বা অগ্রগতি, তা এতটাই স্পষ্ট ছিল যে ইতিহাস মানেই প্রগতি বলে মনে হতো। এই প্রগতি পরিমাপ করা হতো যা কিছু পরিমাপযোগ্য তার ক্রমবর্ধমান রেখাচিত্র বা কার্ভ দিয়ে। ক্রমাগত উন্নতি যে ঘটবেই, তা ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতা দিয়ে নিশ্চিত বলে মনে করা হতো। এটি বিশ্বাস করাই কঠিন ছিল যে, মাত্র তিন শতাব্দী আগেও বুদ্ধিমান ইউরোপীয়রা প্রাচীন [[রোমান সাম্রাজ্য|রোমানদের]] কৃষি, সামরিক কৌশল এবং এমনকি চিকিৎসাবিদ্যাকে নিজেদের মডেল হিসেবে গণ্য করত। মাত্র দুই শতাব্দী আগেও আধুনিকরা প্রাচীনদের ছাড়িয়ে যেতে পারবে কি না তা নিয়ে গম্ভীর বিতর্ক ছিল এবং আঠারো শতকের শেষেও বিশেষজ্ঞরা ব্রিটেনের জনসংখ্যা বাড়ছে কি না তা নিয়ে সন্দেহ পোষণ করতেন। ** অধ্যায় ১: দ্য সেন্টেনারিয়ান রেভল্যুশন * একটি বিশ্ব অর্থনীতি যার গতি নির্ধারিত হতো উন্নত বা উন্নয়নশীল পুঁজিবাদী কেন্দ্র দ্বারা, সেখানে ‘উন্নত’ দেশগুলো ‘অনগ্রসর’ দেশগুলোর ওপর আধিপত্য বিস্তার করবে—এটাই ছিল স্বাভাবিক; সংক্ষেপে যা সাম্রাজ্যের বিশ্বে পরিণত হয়। তবে কৌতূহলোদ্দীপকভাবে, ১৮৭৫ থেকে ১৯১৪ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কেবল নতুন ধরণের সাম্রাজ্যবাদের বিকাশের জন্যই 'সাম্রাজ্যের যুগ' বলা হয় না, বরং আরও একটি পুরনো কারণেও তা বলা হয়। আধুনিক বিশ্ব ইতিহাসে সম্ভবত এটিই ছিল সেই সময় যখন ‘[[সম্রাট|সম্রাট]]’ উপাধিধারী বা পশ্চিমা কূটনীতিকদের দৃষ্টিতে সম্রাট হওয়ার যোগ্য শাসকের সংখ্যা ছিল সর্বাধিক। ** অধ্যায় ৩: দ্য এজ অফ এম্পায়ার === 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম সিন্স ১৭৮০: প্রোগ্রাম, মিথ, রিয়ালিটি' (১৯৯২) === * জাতি এবং জাতীয়তাবাদের কোনো গম্ভীর ইতিহাসবিদই কট্টর রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদী হতে পারেন না। কারণ জাতীয়তাবাদ এমন অনেক কিছুর ওপর বিশ্বাস দাবি করে যা স্পষ্টতই সত্য নয়। ** 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম সিন্স ১৭৮০' (ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস, ২য় সংস্করণ ২০১২), পৃষ্ঠা ১২। * তা সত্ত্বেও এটি স্পষ্ট—যেমনটি গ্রিক উদাহরণ থেকে দেখা যায়—যেখানে 'প্রাক-জাতীয়তাবাদ' (proto-nationalism) বিদ্যমান ছিল, সেটি জাতীয়তাবাদের কাজকে সহজ করে দিয়েছিল। প্রাক-জাতীয়তাবাদী সম্প্রদায়ের বিদ্যমান প্রতীক এবং আবেগগুলোকে একটি আধুনিক লক্ষ্য বা আধুনিক রাষ্ট্রের পেছনে একত্রিত করা সম্ভব হয়েছিল। তবে এর মানে এই নয় যে এই দুটি বিষয় একই, কিংবা একটি থাকলেই যৌক্তিকভাবে অন্যটি আসবে। কারণ এটি স্পষ্ট যে জাতীয়তা, জাতি বা রাষ্ট্র গঠনের জন্য কেবল প্রাক-জাতীয়তাবাদই যথেষ্ট নয়। ** পৃষ্ঠা ৭৬–৭৭। * তবে গণ-বহিষ্কার এবং এমনকি গণহত্যার মতো ঘটনাগুলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় এবং পরে ইউরোপের দক্ষিণ প্রান্তে দেখা দিতে শুরু করে। ১৯১৫ সালে [[অটোমান সাম্রাজ্য|তুর্কিরা]] যখন [[আর্মেনীয় গণহত্যা|আর্মেনীয়দের ব্যাপক নির্মূল]] শুরু করে এবং ১৯১১ সালের গ্রিক-তুর্কি যুদ্ধের পর এশিয়া মাইনর (যেখানে তারা [[হোমার|হোমারের]] আমল থেকে বসবাস করছিল) থেকে ১৩ থেকে ১৫ লক্ষ [[গ্রিক]] মানুষকে বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে অ্যাডলফ হিটলার, যিনি এই দিক থেকে একজন যৌক্তিক উইলসোনীয় জাতীয়তাবাদী ছিলেন, তিনি পিতৃভূমির বাইরে বসবাসকারী জার্মানদের (যেমন ইতালীয় দক্ষিণ টাইরোলের বাসিন্দা) জার্মানিতে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করেন এবং পাশাপাশি ইহুদিদের স্থায়ীভাবে নির্মূল করার পরিকল্পনা করেন। ** পৃষ্ঠা ১৩৩। === 'দ্য এজ অফ এক্সট্রিমস' (১৯৯২) === * আমার লক্ষ্য হলো এটি বোঝা এবং ব্যাখ্যা করা যে কেন ঘটনাগুলো এভাবে ঘটল এবং তারা একে অপরের সাথে কীভাবে যুক্ত। আমার সমবয়সী যারা এই ‘সংক্ষিপ্ত বিংশ শতাব্দী’র প্রায় পুরোটা সময় বেঁচে ছিলেন, তাদের জন্য এটি অনিবার্যভাবে একটি আত্মজীবনীমূলক প্রচেষ্টাও বটে। আমরা এখানে নিজেদের স্মৃতিগুলোকেই আরও জোরালো করছি এবং প্রয়োজনে সংশোধন করছি। ** ভূমিকা * বর্তমান অভিজ্ঞতার সাথে পূর্ববর্তী প্রজন্মের যে সামাজিক বন্ধন বা যোগসূত্র, তা ধ্বংস হয়ে যাওয়া বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকের অন্যতম অদ্ভুত এবং ভীতিজনক ঘটনা। ** ভূমিকা, 'দ্য সেঞ্চুরি: আ বার্ডস আই ভিউ' * ১৯৮০-এর দশকের শেষে যে বিশ্বটি ভেঙে পড়েছিল, সেটি ছিল মূলত ১৯১৭ সালের [[রুশ বিপ্লব|রুশ বিপ্লবের]] প্রভাবে গড়ে ওঠা একটি বিশ্ব। * অত্যন্ত সহজভাবে বললে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কে বা কিসের কারণে হয়েছিল—এই প্রশ্নের উত্তর দুটি শব্দে দেওয়া সম্ভব: [[অ্যাডলফ হিটলার|অ্যাডলফ হিটলার]]। ** পৃষ্ঠা ৩৬ * পুঁজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থার জন্য মানুষ খুব একটা দক্ষভাবে তৈরি হয়নি। ** পৃষ্ঠা ৪১৪ * ক্ষমতায় থাকা কমিউনিজমের কূটাভাস বা প্যারাডক্স ছিল এই যে, এটি ছিল রক্ষণশীল। ** পৃষ্ঠা ৪২২ * কেন প্রতিভাবান ফ্যাশন ডিজাইনাররা (যারা বিশ্লেষণাত্মক হিসেবে পরিচিত নন) মাঝেমধ্যে পেশাদার ভবিষ্যদ্বাণীকারীদের চেয়েও আগাম পরিস্থিতি ভালোভাবে আঁচ করতে পারেন—তা ইতিহাসের অন্যতম রহস্যময় প্রশ্ন এবং সংস্কৃতি বিশ্লেষকদের জন্য একটি কেন্দ্রীয় বিষয়। ** অধ্যায় ৬: শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকের সাংস্কৃতিক বিপ্লবকে সমাজ বা সমষ্টির ওপর ব্যক্তির জয় হিসেবে দেখা যেতে পারে। অন্যভাবে বললে, এটি হলো সেই সামাজিক বন্ধনগুলো ছিঁড়ে ফেলা যা অতীতে মানুষকে একসূত্রে গেঁথে রাখত। অতীতে অধিকার, কর্তব্য, পাপ-পুণ্য এবং বিবেকের যে নৈতিক ভাষা ছিল, তা এখন কেবল ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষার ভাষায় রূপান্তরিত হয়েছে। মনে হচ্ছে যেন কম্পাসের কাঁটা তার উত্তর দিক হারিয়েছে এবং মানচিত্রগুলো অকেজো হয়ে পড়েছে। ** অধ্যায় ১১: সাংস্কৃতিক বিপ্লব, পৃষ্ঠা ৩২০-৩৩৯ * অক্টোবর বিপ্লবের ট্র্যাজেডি ছিল এটাই যে, এটি কেবল নির্মম, নিষ্ঠুর এবং আদেশভিত্তিক সমাজতন্ত্রই তৈরি করতে পেরেছিল। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আমি যখন পেছনের কথা ভাবি, তখন বারবার নিজেকে জিজ্ঞেস করি: পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সেই নির্বিচার এবং নির্মমভাবে এগিয়ে যাওয়ার কি কোনো বিকল্প ছিল? আমি যদি বলতে পারতাম যে বিকল্প ছিল, তবে খুশি হতাম; কিন্তু আমি তা পারছি না। আমি এর কোনো উত্তর খুঁজে পাই না। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আদর্শ হিসেবে কমিউনিজম নারীর মুক্তি ও সমঅধিকারের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ ছিল। যদিও [[ভ্লাদিমির লেনিন|লেনিন]] নিজে অবাধ যৌনতাকে অপছন্দ করতেন। এমনকি লেনিন ও ক্রুপস্কায়া সেই বিরল বিপ্লবীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যারা ঘরের কাজে নারী-পুরুষের অংশীদারিত্বের পক্ষে ছিলেন। তা সত্ত্বেও, নতুন কমিউনিস্ট শাসিত রাষ্ট্রগুলোতে উচ্চ রাজনৈতিক পদে নারীদের উপস্থিতি ছিল খুবই নগণ্য। সোভিয়েত ইউনিয়নে যখন চিকিৎসার মতো কোনো পেশা নারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হলো, তখন সেই পেশার মর্যাদা এবং আয় দুই-ই কমে গেল। পশ্চিমা নারীবাদীদের তুলনায় অধিকাংশ বিবাহিত সোভিয়েত নারী ঘরে থাকাকেই বিলাসিতা মনে করতেন। ** অধ্যায় ১৬: সমাজতন্ত্রের সমাপ্তি * আমাদের শতাব্দীর সবচেয়ে বড় নিষ্ঠুরতাগুলো ছিল দূর থেকে নেওয়া সিদ্ধান্তের নির্মমতা, যা 'পদ্ধতি' বা 'রুটিন'-এর নামে চলত; বিশেষ করে যখন সেগুলোকে 'কৌশলগত প্রয়োজন' বলে চালিয়ে দেওয়া হতো। * সুররিয়ালিজম বা [[পরাবাস্তববাদ|পরাবাস্তববাদ]] ছিল আধুনিক শিল্পকলার জগতে এক প্রকৃত সংযোজন। এর অভিনবত্ব ছিল মানুষকে ধাক্কা দেওয়ার বা হতবাক করার ক্ষমতার মধ্যে। এমনকি পুরনো শিল্পীদের মাঝেও এটি বিভ্রান্তি বা অস্বস্তিকর হাসির জন্ম দিত। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * রেডিওর মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছিল [[সংগীত|সংগীত]], কারণ এটি শব্দের যান্ত্রিক বা কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করে দিয়েছিল। ১৯১৪ সালের আগেই গ্রামোফোনের মাধ্যমে সংগীত যান্ত্রিক উৎপাদনের যুগে প্রবেশ করেছিল, যদিও তখন এটি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ছিল। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ * এটি আধুনিকতাবাদী শিল্পীদের জন্য একটি ট্র্যাজেডি ছিল যে, তাদের নিজেদের রাজনৈতিক দল বা নেতারা তাদের প্রত্যাখ্যান করেছিল। ডানপন্থী হোক বা বামপন্থী—নতুন স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠী স্থাপত্যের ক্ষেত্রে বিশাল স্মৃতিস্তম্ভ, পেইন্টিং ও ভাস্কর্যের ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণাদায়ী উপস্থাপনা এবং নাটকের ক্ষেত্রে ধ্রুপদী প্রদর্শনীকেই বেশি পছন্দ করত। ** শিল্পকলা ১৯১৪-১৯৪৫ === 'অন হিস্ট্রি' (১৯৯৭) === * ইতিহাসকে মিথ বা অলীক কল্পনা দিয়ে প্রতিস্থাপন করার চেষ্টাগুলো কেবল বুদ্ধিবৃত্তিক কৌতুক নয়। এগুলো এমনকি স্কুলের পাঠ্যবই কেমন হবে তাও নির্ধারণ করে দেয়। জাপানি কর্তৃপক্ষ যেমনটি করেছিল; তারা জাপানি ক্লাসরুমের জন্য [[w:Second_SIno-Japanese_War|চীনে জাপানি যুদ্ধের]] একটি পরিমার্জিত বা সেন্সরড সংস্করণ ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছিল। পরিচয় ভিত্তিক রাজনীতির জন্য মিথ এবং উদ্ভাবন অপরিহার্য। বর্তমানের অনিশ্চিত বিশ্বে বিভিন্ন গোষ্ঠী ধর্ম, জাতি বা সীমানা দিয়ে নিজেদের সংজ্ঞায়িত করে এবং 'আমরা অন্যদের চেয়ে আলাদা এবং শ্রেষ্ঠ'—এটি বলার মাধ্যমে এক ধরনের নিশ্চয়তা খোঁজার চেষ্টা করে। ** অধ্যায় ১: ইতিহাসের বাইরে ও ভেতরে * অতীত হলো মানুষের [[চেতনা|চেতনার]] একটি স্থায়ী মাত্রা এবং সামাজিক [[প্রতিষ্ঠান]], [[মূল্যবোধ|মূল্যবোধ]] ও অন্যান্য কাঠামোর এক অনিবার্য উপাদান। ইতিহাসবিদদের কাজ হলো সমাজে এই 'অতীত সচেতনতার' প্রকৃতি বিশ্লেষণ করা এবং এর পরিবর্তন ও রূপান্তরগুলো চিহ্নিত করা। ** অধ্যায় ২: অতীতের ধারণা * উত্তরের চেয়ে প্রশ্ন তৈরি করা অনেক সহজ। তবুও যেসব অভিজ্ঞতাকে আমরা খুব সাধারণ বলে ধরে নিই, সেগুলো নিয়ে প্রশ্ন তোলা একেবারেই মূল্যহীন কাজ নয়। আমরা মাছের মতো অতীতের মধ্যেই সাঁতার কাটি এবং এটি থেকে বের হতে পারি না। কিন্তু এই মাধ্যমে আমাদের বেঁচে থাকা এবং চলাচলের ধরণগুলো বিশ্লেষণ ও আলোচনা করা প্রয়োজন। আমার লক্ষ্য ছিল এই উভয় বিষয়কেই উদ্দীপিত করা। ** অধ্যায় ২: অতীতের ধারণা * অতীতের সাপেক্ষে আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি এবং অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের মধ্যকার সম্পর্ক কেমন—তা কেবল আগ্রহের বিষয় নয়, বরং অপরিহার্য। আমরা নিজেদের জীবন, পরিবার বা গোষ্ঠীর ধারাবাহিকতার বাইরে নিজেদের কল্পনা করতে পারি না। আমরা অতীত ও বর্তমানের তুলনা না করে পারি না; পারিবারিক ফটোর অ্যালবাম বা ভিডিওগুলো তো এজন্যই থাকে। অভিজ্ঞতা মানেই হলো অতীত থেকে শেখা। আমরা হয়তো ভুল কিছু শিখতে পারি এবং প্রায়ই তা করি; কিন্তু আমরা যদি প্রাসঙ্গিক অতীত থেকে শিখতে না পারি বা শিখতে অস্বীকার করি, তবে চরম ক্ষেত্রে আমরা মানসিকভাবে অস্বাভাবিক হিসেবে গণ্য হবো। ** অধ্যায় ৩: সমকালীন সমাজ সম্পর্কে ইতিহাস আমাদের কী বলতে পারে? * অনুপ্রেরণা বা আদর্শ হিসেবে ইতিহাসের মাঝে নিজেকে সঠিক প্রমাণ করার জন্য ‘মিথ’ তৈরির একটি সহজাত প্রবণতা থাকে। আধুনিক জাতি ও জাতীয়তাবাদের ইতিহাস যেমনটি দেখিয়েছে, এর চেয়ে ভয়ংকর অন্ধত্ব আর কিছুই হতে পারে না। ** অধ্যায় ৩: সমকালীন সমাজ সম্পর্কে ইতিহাস আমাদের কী বলতে পারে? * আমি বিষয়টি একটি কূটাভাস বা প্যারাডক্সের মাধ্যমে বলি। পুঁজিবাদ এবং বুর্জোয়া সমাজ যে একটি অস্থায়ী ঐতিহাসিক ঘটনা—মার্ক্সের এই প্রমাণটি পছন্দ করি না বলে তাকে প্রত্যাখ্যান করা যেমন ঠিক নয়, তেমনই আমরা সমাজতন্ত্র চাই বলেই তাকে অন্ধভাবে গ্রহণ করাও অনুচিত। আমি বিশ্বাস করি মার্ক্স গভীর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে কিছু মৌলিক প্রবণতা বুঝতে পেরেছিলেন; কিন্তু সেগুলো আসলে কী বয়ে আনবে তা আমরা জানি না। ভবিষ্যৎ অনেক সময় অচেনা হয়ে দেখা দেয়; তা ভবিষ্যৎবাণী ভুল হওয়ার জন্য নয়, বরং আমরা হয়তো আগন্তুককে ভুল পোশাকে কল্পনা করেছিলাম বলে। ** অধ্যায় ৪: সামনের দিকে তাকানো: ইতিহাস এবং ভবিষ্যৎ * উপসংহারে বলা যায়, এই শতাব্দীতে ইতিহাস তার পথে হোঁচট খেতে খেতে হলেও প্রকৃত উন্নতি করেছে। এটি এমন একটি বিষয় যা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে যাচাইযোগ্য এবং এর মাধ্যমে মানব সমাজের জটিল ও বিবর্তনশীল বিকাশকে আরও ভালোভাবে বোঝা সম্ভব। আমি জানি অনেকে এটি অস্বীকার করেন। ** অধ্যায় ৫: ইতিহাস কি উন্নতি করেছে? * ইতিহাসের বিষয়বস্তু অতীত হওয়ায় এটি কোনো ‘ফলিত বিদ্যা’ বা অ্যাপ্লাইড ডিসিপ্লিন হওয়ার অবস্থানে নেই। কারণ যা ঘটে গেছে তা পরিবর্তন করার কোনো উপায় এখনও আবিষ্কৃত হয়নি। বড়জোর আমরা কাল্পনিক বিকল্প পরিস্থিতির কথা ভাবতে পারি। অবশ্যই অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ একই অবিচ্ছিন্ন ধারার অংশ। তাই ইতিহাসবিদদের বক্তব্য ভবিষ্যতের জন্য পূর্বাভাস বা সুপারিশ হিসেবে কাজ করতে পারে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * আমার যুক্তি হলো, ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন হলে [[অর্থনীতি]] একটি হালবিহীন জাহাজের মতো হয়ে পড়ে এবং অর্থনীতিবিদরা বুঝতে পারেন না তারা কোন দিকে যাচ্ছেন। আমি বলছি না যে কেবল কিছু চার্ট বা বাস্তব অভিজ্ঞতার দিকে তাকালেই সব সমস্যার সমাধান হবে। সমস্যা হলো, মূলধারার অর্থনীতিবিদদের তত্ত্ব এবং পদ্ধতি তাদের এটা বুঝতে সাহায্য করে না যে আসলে কোন দিকে তাকাতে হবে এবং কী খুঁজতে হবে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * অর্থনীতিকে যদি ইতিহাসের শিকার হয়ে থাকতে না হয়, তবে তাকে অবশ্যই ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করতে হবে। গতকালের ঘটনাগুলো আজ দৃশ্যমান হওয়ার পর তা নিয়ে কাজ করার পুরনো অভ্যেস ত্যাগ করতে হবে। এটি কেবল আগামীকালের সমস্যা নিয়ে ভাবতেই সাহায্য করবে না, বরং আগামীকালের অর্থনৈতিক তত্ত্ব গঠন করতেও ভূমিকা রাখবে। ** অধ্যায় ৭: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ১ * কৃষি পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক বিষয়ের সাথে অ-অর্থনৈতিক বিষয়গুলোকে (যেমন সামাজিক ও রাজনৈতিক কারণ) আলাদা করা সম্ভব নয়—অন্তত স্বল্প মেয়াদে তো নয়ই। এগুলোকে আলাদা করা মানে অর্থনীতির গতিশীল বিশ্লেষণকে বিসর্জন দেওয়া। ** অধ্যায় ৮: ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ: ২ * সংক্ষিপ্তভাবে, বৈজ্ঞানিক আলোচনার ক্ষেত্রে প্রতিটি বক্তব্য অবশ্যই এমন পদ্ধতি ও মানদণ্ড দ্বারা যাচাইযোগ্য হতে হবে যা কোনো দলীয় বা আদর্শগত পক্ষপাত দ্বারা প্রভাবিত নয়। যেসব বক্তব্য এভাবে যাচাই করা যায় না, সেগুলো গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে কিন্তু তা অন্য কোনো আলোচনার বিষয়। ** অধ্যায় ৯: পক্ষপাতিত্ব * ইতিহাসের মৌলিক প্রশ্নটি হলো বিভিন্ন মানব গোষ্ঠীর মধ্যকার পার্থক্য এবং এক সমাজ থেকে অন্য সমাজে রূপান্তরের প্রক্রিয়াটি খুঁজে বের করা। প্রকৃতির ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ অর্জনের মতো কিছু বিষয়ে এটি অবশ্যই একটি একমুখী অগ্রগতি বা প্রগতিকে নির্দেশ করে। যতক্ষণ আমরা সামাজিক বিকাশকে জৈবিক বিবর্তনের সাথে গুলিয়ে না ফেলছি, ততক্ষণ একে 'বিবর্তন' বা এভোলিউশন বলতে কোনো বাধা নেই। ** অধ্যায় ১০: ইতিহাসবিদরা কার্ল মার্ক্সের কাছে কী ঋণী? * উৎপাদন পদ্ধতির বিশ্লেষণ অবশ্যই প্রযুক্তির সংগঠন এবং অর্থনীতির ওপর ভিত্তি করে হতে হবে। মার্ক্স বলেছিলেন যে [[রাজনৈতিক অর্থনীতি]] হলো [[সুশীল সমাজ|নাগরিক সমাজের]] ব্যবচ্ছেদ বা এনাটমি। একটি উৎপাদন পদ্ধতি থেকে অন্য পদ্ধতিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াটিকে অনেক সময় সরলরৈখিকভাবে দেখা হয়, যা অনেক সময় জটিলতা এবং বিতর্কের সৃষ্টি করে। ** অধ্যায় ১১: মার্ক্স এবং ইতিহাস * আমি মনে করি না যে ইতিহাসবিদদের ফ্রয়েডের কাছ থেকে খুব বেশি কিছু শেখার আছে। ফ্রয়েড যখনই ইতিহাস নিয়ে কিছু লিখেছেন, তিনি একজন খারাপ ইতিহাসবিদের পরিচয় দিয়েছেন। মানসিকতার (Mentalities) সমস্যা কেবল মানুষ কতটা আলাদা তা খুঁজে বের করা নয়, বরং তাদের আচরণ, চিন্তা এবং অনুভূতির মধ্যে একটি যৌক্তিক সংযোগ খুঁজে বের করা। আমাদের দেখতে হবে কেন মানুষ বিখ্যাত ডাকাতদের অদৃশ্য বা অপরাজেয় মনে করে, যদিও বাস্তবে তা সত্য নয়। এই বিশ্বাসগুলোকে কেবল আবেগ হিসেবে না দেখে সমাজ সম্পর্কে তাদের একটি সুসংগত বিশ্বাস হিসেবে দেখা উচিত। ** অধ্যায় ১৩: ব্রিটিশ ইতিহাস এবং 'অ্যানালস': একটি টীকা * তৃণমূল পর্যায়ের বা 'নিচ থেকে ইতিহাস' (Grassroots history) চর্চাকারীরা সাধারণ মানুষকে নিয়ে কাজ করেন। তারা জানেন যে তাদের অনেক কিছু জানা নেই এবং এই বিনয়ই তাদের বড় শক্তি। তারা জানেন যে সাধারণ মানুষ যা চেয়েছিল বা তাদের যা প্রয়োজন ছিল, তা সবসময় প্রভাবশালী বা শিক্ষিত সমাজ যা ভেবেছিল তার সাথে মেলে না। যারা এখন সমাজ পরিচালনা করছেন বা যারা সমাজ বদলাতে চান, তাদের সবারই উচিত ইতিহাসবিদদের কথা শোনা। ** অধ্যায় ১৬: নিচ থেকে ইতিহাস * এক সহস্রাব্দ ধরে 'ইউরোপ' ছিল রক্ষণাত্মক। পরবর্তী অর্ধ সহস্রাব্দে এটি বিশ্ব জয় করেছে। এই উভয় পর্যবেক্ষণই বিশ্ব ইতিহাস থেকে ইউরোপের ইতিহাসকে আলাদা করা অসম্ভব করে তুলেছে। বৈচিত্র্য এবং উপাদানগুলোর মধ্যকার পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়াই ইউরোপের অস্তিত্বের মূলে। ** অধ্যায় ১৭: ইউরোপের অদ্ভুত ইতিহাস * আমার জীবনের বেশিরভাগ সময় এমন একটি আশার পেছনে ব্যয় হয়েছে যা শেষ পর্যন্ত হতাশ করেছে এবং এমন একটি আদর্শের পেছনে যা ব্যর্থ হয়েছে: তা হলো অক্টোবর বিপ্লব থেকে শুরু হওয়া কমিউনিজম। কিন্তু পরাজয়ের মতো ইতিহাসবিদের মনকে আর কিছুই তীক্ষ্ণ করতে পারে না। ** অধ্যায় ১৮: ইতিহাস হিসেবে বর্তমান * [[রুশ বিপ্লব|রুশ বিপ্লবের]] দুটি একে অপরের সাথে জড়িয়ে থাকা ইতিহাস আছে: রাশিয়ার ওপর এর প্রভাব এবং বিশ্বের ওপর এর প্রভাব। দ্বিতীয়টি না থাকলে খুব কম মানুষই এটি নিয়ে আগ্রহী হতো। যেমন আমেরিকার বাইরে [[আমেরিকান গৃহযুদ্ধ|আমেরিকার গৃহযুদ্ধ]] নিয়ে খুব কম মানুষই জানে। রুশ বিপ্লব রাশিয়াকে তার আন্তর্জাতিক শক্তি ও সম্মানের শীর্ষে নিয়ে গিয়েছিল—যা জারদের আমলেও সম্ভব হয়নি। [[জোসেফ স্টালিন|স্টালিন]] রুশ ইতিহাসে পিটার দ্য গ্রেটের মতোই স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। এটি একটি অনগ্রসর দেশকে আধুনিক করেছে, কিন্তু এর মানবিক মূল্য ছিল অনেক বেশি। এর অর্থনীতি ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনায় অনেক রুশ নাগরিকের কাছে পুরনো [[সোভিয়েত ইউনিয়ন|সোভিয়েত]] আমল এখনও অনেক ভালো মনে হয়। এর ঐতিহাসিক ফলাফল এখনই চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা সম্ভব নয়। ** অধ্যায় ১৯: আমরা কি রুশ বিপ্লবের ইতিহাস লিখতে পারি? * আমরা অমানবিকতায় অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আমরা অসহনীয় বিষয়কেও সহ্য করতে শিখেছি। বিশ্বযুদ্ধ এবং শীতল যুদ্ধ আমাদের বর্বরতাকে মেনে নিতে বাধ্য করেছে। এমনকি আমরা বর্বরতাকে অর্থ উপার্জনের মতো বিষয়গুলোর চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ মনে করতে শুরু করেছি। ** অধ্যায় ২০: বর্বরতা: একটি ব্যবহারকারী নির্দেশিকা * পরিচয় ভিত্তিক ইতিহাস বা আইডেন্টিটি হিস্ট্রিই যথেষ্ট নয়। আবেগ বা ব্যক্তিগত স্বার্থ আমাদের ভুল পথে চালিত করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, প্রতিটি ইহুদি প্রাকৃতিকভাবেই নিজেকে জিজ্ঞেস করে—'এটি কি ইহুদিদের জন্য ভালো নাকি খারাপ?' নিপীড়নের সময়ে এটি ব্যক্তিগত আচরণের জন্য সহায়ক হতে পারে। কিন্তু একজন ইহুদি ইতিহাসবিদকে এটি পথ দেখাতে পারে না। ইতিহাসবিদকে অবশ্যই [[সার্বজনীনতাবাদ|সার্বজনীন হতে হবে]]। কেবল ইহুদিদের জন্য (বা [[আফ্রিকান আমেরিকান|আফ্রিকান-আমেরিকান]], [[গ্রিক]], [[নারী]] বা [[সমকামিতা|সমকামী]]) লেখা ইতিহাস কখনও ভালো ইতিহাস হতে পারে না, যদিও তা সংশ্লিষ্টদের কাছে স্বস্তিদায়ক হতে পারে। ** অধ্যায় ২১: আইডেন্টিটি হিস্ট্রিই যথেষ্ট নয় === 'হাউ টু চেঞ্জ দ্য ওয়ার্ল্ড: রিফ্লেকশনস অন মার্ক্স অ্যান্ড মার্ক্সিজম' (২০১১) === * 'মাউন্ট অফ সারমন'-এ বর্ণিত যিশু খ্রিস্টকে ‘প্রথম সমাজতান্ত্রিক’ বা কমিউনিস্ট হিসেবে দেখা খুবই সহজ। যদিও প্রথমদিকের সমাজতান্ত্রিক তাত্ত্বিকদের অধিকাংশ খ্রিস্টান ছিলেন না, তবুও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের পরবর্তীকালের অনেক সদস্য এই ভাবনাটিকে বেশ কার্যকর মনে করেছেন। * 'কমিউনিস্ট' শব্দটি সবসময় একটি নির্দিষ্ট কর্মসূচিকে নির্দেশ করলেও, 'সমাজতান্ত্রিক' শব্দটি ছিল মূলত বিশ্লেষণাত্মক এবং সমালোচনামূলক। * মার্ক্সের ধারণাগুলো ইউরোপের বেশিরভাগ শ্রমিক ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের অনুপ্রেরণাদায়ী তত্ত্বে পরিণত হয়েছিল। মূলত লেনিন এবং রুশ বিপ্লবের মাধ্যমে এই আদর্শ বিংশ শতাব্দীর সামাজিক বিপ্লবের একটি বিশ্বজনীন তত্ত্বে রূপ নেয়, যা চীন থেকে শুরু করে [[পেরু|পেরু]] পর্যন্ত সর্বত্র সমাদৃত হয়। এই তত্ত্বগুলোতে বিশ্বাসী দলগুলোর জয়ের মাধ্যমে এর বিভিন্ন সংস্করণ এমন সব রাষ্ট্রের দাপ্তরিক আদর্শে পরিণত হয়, যেখানে বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ বসবাস করত। এছাড়া বিশ্বের বাকি অংশেও বিভিন্ন আকারের রাজনৈতিক আন্দোলনের ওপর এর ব্যাপক প্রভাব ছিল। অতীতের মহান ধর্মগুলোর প্রবর্তক ছাড়া আর কোনো একক চিন্তাবিদ এমন মর্যাদা পাননি। সম্ভবত [[মুহাম্মদ|মুহাম্মদ]] (সা.) ছাড়া অন্য কেউ এত দ্রুত এবং এত বড় পরিসরে সাফল্য অর্জন করতে পারেননি। এই বিচারে কোনো ইহজাগতিক চিন্তাবিদের নাম তাঁর (মার্ক্স) পাশে রাখা সম্ভব নয়। ** অধ্যায় ১৪, 'ইনফ্লুয়েন্স অফ মার্ক্সিজম ১৯৪৫-৮৩' == হবসবম সম্পর্কে উদ্ধৃতি == * 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-এর পরিপূরক হিসেবে উপস্থাপিত এই ব্যক্তিগত প্রতিকৃতিটি (ইন্টারেস্টিং টাইমস) হবসবমের বিংশ শতাব্দীর দৃষ্টিভঙ্গি এবং আধুনিকতার সামগ্রিক বর্ণনায় নতুন কী আলোকপাত করে? সামগ্রিক বিচারে, 'দ্য এজ অফ রেভোলিউশন', 'দ্য এজ অফ ক্যাপিটাল', 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' এবং 'এজ অফ এক্সট্রিমস'-কে একটি একক উদ্যোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে—এমন এক চতুষ্টয় (tetralogy) যার সমসাময়িক বিশ্ব গঠনের সুশৃঙ্খল বিবরণ হিসেবে অন্য কোনো তুলনা নেই। এই সবকটি গ্রন্থেই কিছু বিরল গুণের সংমিশ্রণ ঘটেছে: সংক্ষেপণের পরিমিতিবোধ; খুঁটিনাটি বর্ণনার সজীবতা; বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট সত্ত্বেও আঞ্চলিক পার্থক্যের তীব্র চেতনা; ফসল, শেয়ার বাজার, জাতি-শ্রেণি, রাষ্ট্রনায়ক-কৃষক এবং বিজ্ঞান-কলা—সব বিষয়েই অগাধ পাণ্ডিত্য ও সাবলীলতা; বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর প্রতি গভীর সহানুভূতি; বিশ্লেষণাত্মক বর্ণনার শক্তি; এবং সর্বোপরি অত্যন্ত স্বচ্ছ ও তেজোদীপ্ত একটি লিখনশৈলী। ** [[পেরি অ্যান্ডারসন]], "দ্য ভ্যানকুইশড লেফট: এরিক হবসবম", 'স্পেকট্রাম: ফ্রম রাইট টু লেফট ইন দ্য ওয়ার্ল্ড অফ আইডিয়াস' (২০০৫)-এ প্রকাশিত। * ইউরোপীয় তুলনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিতে, জাতীয় পতাকা বহনকারী এই শ্রমিকদের অদ্ভুত মনে হয় এবং তাদের গুরুত্ব খুব কমই বোঝা যায়। এমনকি মধ্য ইউরোপের প্রখ্যাত লেখক—যেমন [[আর্নেস্ট গেলনার|আর্নেস্ট গেলনার]] বা এরিক হবসবম—এই অঞ্চলের জাতীয়তাবাদের স্বাতন্ত্র্যকে একটি বৈশ্বিক সংজ্ঞায় খাপ খাওয়াতে গিয়ে এর আসল বৈশিষ্ট্যগুলোই ছেঁটে ফেলেছেন। হবসবমের ধারণা ছিল যে এটি পৃথিবীর প্রতিটি কোণেই প্রযোজ্য হবে, কিন্তু আমরা এই বইয়ে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের কাছে এই শব্দের অর্থ কী ছিল তা বোঝার চেষ্টা করেছি। সেই অঞ্চলে গেলনারের 'নেশনস অ্যান্ড ন্যাশনালিজম' বইয়ের বৈশ্বিক মাপকাঠিগুলো হয় অপ্রাসঙ্গিক নয়তো গৌণ: যেমন [[জন স্টুয়ার্ট মিল|জন স্টুয়ার্ট মিলের]] ধারণা যে একটি জাতীয় রাষ্ট্রকে "সাশ্রয়ী" হতে হবে, বা জাতীয়তাবাদের জন্য একটি নির্দিষ্ট আয়তন প্রয়োজন। চেক বা স্লোভেনীয়রা এই সব মাপকাঠি সম্পর্কে কিছুই জানত না এবং তারা এগুলো ছাড়াই তাদের ইতিহাস তৈরি করেছে। হবসবমের এই ধারণা যে ভাষা এবং ইতিহাস কোনো নির্ণায়ক মানদণ্ড নয়, তা পূর্ব-মধ্য ইউরোপের যে কারোর কাছে অর্থহীন মনে হতো—যদিও এটি মহাকাশ থেকে কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা জাতীয়তাবাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। ** জন কনেলি, 'ফ্রম পিপলস টু নেশনস: আ হিস্ট্রি অফ ইস্টার্ন ইউরোপ' (২০২০), পৃষ্ঠা ৭৯৬-৭৯৭। * এরিক হবসবম হয়তো অভিযোগ করতে পারেন যে আমি অন্যায় করছি এবং আমি আসলে অন্যরকম একটি বই আশা করেছিলাম। তিনি বলতে পারেন যে আমি এমন একটি বই চাই যা চিরস্থায়ী হবে এবং ভবিষ্যৎ শতাব্দীর ইতিহাসবিদদের আগ্রহের খোরাক হবে। আর তিনি ঠিকই বলেছেন, আমি আসলেই তা চাই। বিপরীতে, তিনি বলতে পারেন যে তাঁর বইটি "বিংশ শতাব্দীর একজন লেখকের দ্বারা বিংশ শতাব্দীর শেষের পাঠকদের জন্য লেখা", যাদের কাছে 'পুঁজিবাদ' এবং 'সমাজতন্ত্রের' সংঘাত, সামাজিক বিপ্লব, [[স্নায়ুযুদ্ধ]], এবং 'প্রকৃত সমাজতন্ত্রের' সীমাবদ্ধতা ও পতন নিয়ে আলোচনা করা সার্থক। তিনি মূলত সেই পাঠকদের জন্য লিখছেন যারা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের মূল থিম হিসেবে বিশ্ব কমিউনিজমের ট্র্যাজিক ও বীরত্বগাথাকে বিবেচনা করেন। কিন্তু বিশ্ব কমিউনিজমের এই যাত্রা বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একমাত্র বা মূল থিম নয়। হবসবম আসলে কাদের জন্য তাঁর বইটি লিখছেন? বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের কোন অংশটুকু পাঠকদের জানা প্রয়োজন, তার জন্য কি আমরা 'এজ অফ এক্সট্রিমস' বইটির সুপারিশ করতে পারি? ** [[জে. ব্র্যাডফোর্ড ডিলং]], "লো মার্ক্স: আ রিভিউ অফ এরিক হবসবমস 'এজ অফ এক্সট্রিমস'" (১৯৯৫)। * [[১৯৬৮]] সালে আমি সেই মনোযোগী ও শ্রদ্ধাশীল ছাত্র শ্রোতাদের একজন ছিলাম, যাদের সামনে এরিক হবসবম ছাত্র র‍্যাডিক্যালিজমের সীমাবদ্ধতা নিয়ে কথা বলছিলেন। তাঁর উপসংহারটি আমার খুব মনে আছে, কারণ এটি তৎকালীন মেজাজের সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। তিনি আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছিলেন যে, মাঝেমধ্যে পৃথিবী পরিবর্তন করা নয় বরং এটিকে ব্যাখ্যা করাই মুখ্য উদ্দেশ্য। কিন্তু বিশ্বকে ব্যাখ্যা করার জন্য এটি কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে সে সম্পর্কেও একটি সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন। তাঁর শেষ বইটি আমাদের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া এই বিশ্বের একটি চমত্কার, মেধাবী এবং সর্বদা বুদ্ধিদীপ্ত বিবরণ। এটি যদি তাঁর সেরা কাজগুলোর সমপর্যায়ের না-ও হয়, তবুও মনে রাখা উচিত যে তিনি নিজেই মেধার মানদণ্ড অনেক উঁচুতে সেট করেছেন। তবে বিশ্বে এক বা দুটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে—যেমন কমিউনিজমের মৃত্যু বা ইতিহাসের ওপর আস্থা হারানো—যা লেখককে খুব একটা খুশি করতে পারেনি। এটি দুঃখজনক, কারণ তাঁর এই দৃষ্টিভঙ্গি বইটির বিবরণকে এমনভাবে প্রভাবিত করেছে যা হয়তো নতুন পাঠকদের শিখতে নিরুৎসাহিত করবে। আমি বিংশ শতাব্দীর বর্ণনায় তাঁর সেই তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণ মিস করেছি যা তাঁকে উনবিংশ শতাব্দীর ইতিহাসের একজন অপরিহার্য পথপ্রদর্শক করে তুলেছিল। হবসবম আমাদের মনে করিয়ে দেন যে ইতিহাসবিদরা হলেন "সেই পেশাদার স্মৃতিকার যারা সাধারণ মানুষ যা ভুলে যেতে চায় তা মনে করিয়ে দেন।" এটি একটি অত্যন্ত কঠিন ও আপসহীন দায়িত্ব। ** [[টনি জাট]], "ডাউনহিল অল দ্য ওয়ে", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২৫ মে, ১৯৯৫)। * হবসবম তাঁর স্মৃতিকথা একটি উদ্দীপনামূলক বার্তার মাধ্যমে শেষ করেছেন: “এই সন্তোষজনক নয় এমন সময়েও আমাদের নিরস্ত্র হওয়া চলবে না। সামাজিক অবিচারের বিরুদ্ধে সবসময় প্রতিবাদ ও লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। পৃথিবী নিজে নিজে ভালো হবে না।” তিনি সব দিক থেকেই ঠিক। কিন্তু নতুন শতাব্দীতে ভালো কিছু করতে হলে আমাদের পুরনো শতাব্দীর সত্যগুলো বলতে হবে। হবসবম শয়তান বা অশুভ শক্তির মুখোমুখি হতে এবং একে তার আসল নামে ডাকতে অস্বীকার করেছেন; তিনি কখনও স্তালিন এবং তাঁর কর্মকাণ্ডের রাজনৈতিক ও নৈতিক উত্তরাধিকারকে গভীরভাবে বিচার করেননি। তিনি যদি গুরুত্বের সাথে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে কোনো আমূল পরিবর্তনের মশাল হস্তান্তর করতে চান, তবে এটি সঠিক পথ নয়। ** [[টনি জাট]], "দ্য লাস্ট রোমান্টিক", 'দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ অফ বুকস' (২০ নভেম্বর, ২০০৩)। * হবসবম যেমনটি তাঁর 'দ্য এজ অফ এম্পায়ার' বইতে বলেছিলেন, তিনি মূলত একটি ‘যুক্তির উন্মোচন’ লিখছিলেন। সেই যুক্তির মূল কথা হলো—ঐতিহাসিক গুরুত্বের ক্ষেত্রে সংস্কৃতির চেয়ে অর্থনীতি, নারীর চেয়ে পুরুষ এবং বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে পশ্চিমের গুরুত্ব বেশি। তাঁর বর্ণনায় অনেক কিছু বাদ পড়াটা কোনো ভুল ছিল না বরং এটি ছিল তাঁর চিন্তাধারারই অংশ। অন্যভাবে বলতে গেলে, হবসবমকে নতুনভাবে মূল্যায়ন করতে হলে তাঁর এই মূল ধারণাগুলোকে চ্যালেঞ্জ করতে হবে। ** [[w:Susan Pedersen|সুসান পেডারসেন]], "আই ওয়ান্ট টু লাভ ইট", 'লন্ডন রিভিউ অফ বুকস' (১৮ এপ্রিল, ২০১৯)। * হবসবমকে একবার জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি হ্যাম্পস্টেড ম্যানশনের মতো অত্যন্ত দামি বাড়িতে বাস করাকে কীভাবে সমর্থন করেন। উত্তরে তিনি রসিকতা করে বলেছিলেন, যদি কেউ [[w:Titanic|টাইটানিক]] জাহাজে ভ্রমণ করে, তবে তার প্রথম শ্রেণীতে চড়েই ডুবে যাওয়া ভালো। রসিকতা হিসেবে এটি চমত্কার। কিন্তু যদি ১৯৮৯ সালে সমস্ত বরফ গলে যায় (কমিউনিজমের পতন হয়), তবে কী হবে? ** [[w:John Sutherland (author)|জন সাদারল্যান্ড]], 'দ্য টাইমস' (২৩ জানুয়ারি, ২০১৬)। * ১৯৯৫ সালে যখন তিনি '[[w:Desert Island Discs|ডেজার্ট আইল্যান্ড ডিস্কস]]'-এ উপস্থিত হয়েছিলেন, তখন তিনি বিলি হলিডের একটি গান বেছে নেওয়ার পাশাপাশি ইতিহাস নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছিলেন। উপস্থাপক সু ললি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, যদি লক্ষ লক্ষ জীবনের বিনিময়ে বিশ্ববিপ্লব আনা সম্ভব হতো, তবে কি তা সার্থক হতো? তিনি দ্বিধাহীনভাবে উত্তর দিয়েছিলেন—হ্যাঁ। মাইকেল ইগনাটিয়েফ কর্তৃক টেলিভিশনে গৃহীত এক সাক্ষাৎকারে হবসবমকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, ১৯৩৪ সালে স্তালিন কর্তৃক লক্ষ লক্ষ মানুষকে জোরপূর্বক অভুক্ত রাখার কথা জানলে কি তাঁর কমিউনিস্ট হওয়ার ইচ্ছা বদলে যেত? তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, "সম্ভবত না"। তিনি শান্তভাবে আরও যোগ করেন যে, যদি সোভিয়েত ইউনিয়ন বিশ্ববিপ্লবের সূচনা করতে পারত, তবে ১৫-২০ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু যুক্তিযুক্ত হতে পারত। ** [[এ. এন. উইলসন]], 'অন দ্য রং সাইড অফ হিস্ট্রি', 'দ্য টাইমস স্যাটারডে রিভিউ' (২৬ জানুয়ারি, ২০১৯)। * হবসবমের ইতিহাসের প্রধান সমস্যা ছিল যে তাঁর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল [[কার্ল মার্ক্স|কার্ল মার্ক্সের]] তত্ত্বগুলোকে সত্য প্রমাণ করা। শোকসংবাদ লেখকরা দাবি করেছিলেন যে তিনি কখনও [[মার্ক্সবাদ|মার্ক্সবাদী]] মতাদর্শের দাস ছিলেন না বা তাঁর কাজ ছিল "সর্বদা সূক্ষ্ম ও মার্জিত", কিন্তু বাস্তবতা ছিল এর বিপরীত। ** কিথ উইন্ডশাটল, "দ্য নট-সো-গ্রেট এরিক হবসবম", 'কোয়াড্র্যান্ট' (১ নভেম্বর ২০১২)। == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের অকল্পিত সাহিত্য লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইতিহাসবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:কমিউনিস্ট]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্ক্সবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:ফ্যাসিবাদ বিরোধী]] [[বিষয়শ্রেণী:যুক্তরাজ্যের ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০১২-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:আলেকজান্দ্রিয়ার ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রিটিশ একাডেমির ফেলো]] [[বিষয়শ্রেণী:রয়্যাল সোসাইটি অফ লিটারেচারের ফেলো]] 6izthw6ygks9pn7x8roaxp7qeu2ojx8 ২০২০ দিল্লি দাঙ্গা 0 12885 78595 2026-04-19T13:17:39Z Tuhin 172 + 78595 wikitext text/x-wiki '''[[w:২০২০ দিল্লি দাঙ্গা|২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]]''', বা '''উত্তর-পূর্ব দিল্লি দাঙ্গা''', ছিল রক্তপাত, সম্পত্তি ধ্বংস এবং দাঙ্গার একাধিক ঢেউ, যা ২৩ ফেব্রুয়ারি [[w:উত্তর-পূর্ব দিল্লি|উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে]] শুরু হয়েছিল এবং প্রধানত [[মুসলিম]] ও [[হিন্দু|হিন্দুদের]] মধ্যে সংঘর্ষের ফলে ঘটেছিল। == উক্তি == * "২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশের জাতীয় রাজধানীকে কাঁপিয়ে দেওয়া দাঙ্গাগুলো স্পষ্টতই মুহূর্তের উত্তেজনায় ঘটেনি। প্রসিকিউশন রেকর্ডে যে ভিডিও ফুটেজ রেখেছে, সেখানে উপস্থিত বিক্ষোভকারীদের আচরণ দৃশ্যত প্রমাণ করে যে এটি সরকারের কার্যক্রম ব্যাহত করার এবং শহরের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিঘ্নিত করার একটি সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা ছিল," গত বছর দিল্লি পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্ত ইব্রাহিমের জামিন প্রত্যাখ্যান করার আদেশে বিচারপতি সুব্রামোনিয়াম প্রসাদ এই মন্তব্য করেন। ইব্রাহিমকে সিএএ বিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, যেখানে হেড কনস্টেবল রতন লাল মারাত্মকভাবে আহত হন। "সিসিটিভি ক্যামেরাগুলোর সুশৃঙ্খল সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ এবং ধ্বংস নিশ্চিত করে যে শহরের আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার জন্য এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত ও সুচিন্তিত ষড়যন্ত্র ছিল। এটি এই সত্য থেকেও স্পষ্ট যে অগণিত দাঙ্গাকারী লাঠি, ডান্ডা, ব্যাট ইত্যাদি নিয়ে অত্যন্ত নৃশংসভাবে একদল সংখ্যালঘু পুলিশ কর্মকর্তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল," বিচারপতি প্রসাদ বলেন। ** দিল্লি হাইকোর্ট, [https://web.archive.org/web/https://www.opindia.com/2021/09/delhi-high-court-calls-anti-hindu-delhi-riots-2020-pre-planned-pre-meditated-conspiracy/ সেপ্টেম্বর ২০২১]। * "এটি উল্লেখযোগ্য যে উত্তর-পূর্ব দিল্লির এলাকাগুলোতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ার সময় আবেদনকারী (তাহির হুসেন) একটি শক্তিশালী অবস্থানে ছিলেন। প্রাথমিকভাবে এটি স্পষ্ট যে তিনি তার পেশীশক্তি এবং রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার আগুন জ্বালানো, প্ররোচনা দেওয়া এবং পরিকল্পনার মূল হোতা হিসেবে কাজ করেছেন," আদালতের পর্যবেক্ষণ। ** অতিরিক্ত দায়রা জজ বিনোদ যাদব; [https://www.ndtv.com/delhi-news/delhi-court-rejects-tahir-hussain-bail-plea-says-he-used-clout-to-fan-riots-2314055] ২২ অক্টোবর ২০২০। * এখানকার তথ্যগুলো খুব স্পষ্ট, তবে নিশ্চিত থাকুন যে এগুলো নিয়ে বিতর্ক হবে। অধিকাংশ হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার মতো, এই দাঙ্গাটিও হিন্দুদের ওপর মুসলিমদের একটি তাণ্ডব হিসেবে শুরু হয়েছিল, যেখানে কিছু হিন্দু পুলিশ কর্মকর্তাকে নাটকীয়ভাবে হত্যা করা হয়। তবে পরে হিন্দুরা পাল্টা আঘাত করতে শুরু করে এবং শেষ পর্যন্ত মুসলিম নিহতের সংখ্যা হিন্দু নিহতের সংখ্যাকে ছাড়িয়ে যায়। এটি ২০০২ সালের গুজরাতের মতো, যা অযোধ্যা থেকে ফিরে আসা ট্রেনের নারী বগিতে ৫৯ জন হিন্দু নারী ও শিশুকে মুসলিমদের দ্বারা পুড়িয়ে হত্যার মাধ্যমে শুরু হয়েছিল। এরপর হিন্দুরা প্রতিশোধ নেয় এবং শেষ পর্যন্ত ৩০০ হিন্দু ও ৮০০ মুসলিম নিহত হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদগুলোতে এই ব্যাখ্যামূলক শুরুর ঘটনাটি সতর্কতার সাথে বাদ দেওয়া হয়। এটি যেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে ১৯৪৪ সালের ৬ জুন ইউরোপে মিত্রবাহিনীর "আগ্রাসন" দিয়ে শুরু করা এবং অ্যাংলো আমেরিকান পক্ষের তুলনায় জার্মানদের উচ্চতর মৃত্যুহারকে হাইলাইট করার মতো। বড় মিডিয়াগুলো ভুয়া খবর তৈরির সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে। যেমন, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল পুলিশ কর্মকর্তা অঙ্কিত শর্মার ভাইয়ের একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছিল, যেখানে তিনি বর্ণনা করেছিলেন যে কীভাবে একজন (মুসলিম) জনতা তার ভাইকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে। প্রকাশিত সংস্করণে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ঢুকিয়ে দেয় যে, ওই জনতাটি একটি হিন্দু রণধ্বনি দিচ্ছিল, যাতে হিন্দুদের ওপর দোষ চাপিয়ে তাদের নিজেদের তৈরি গল্পটি (হিন্দুরা তাণ্ডব চালাচ্ছে) রক্ষা করা যায়। ভাগ্যক্রমে, ওই ভাই এবং অন্য প্রত্যক্ষদর্শীরা প্রকাশ্যে এটি অস্বীকার করেন এবং ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের কারসাজি ধরিয়ে দেন। স্ক্রল.ইন এবং অন্যান্য পত্রিকা একটি আক্রমণাত্মক মুসলিম জনতার ছবি প্রকাশ করেছিল, যাদের পোশাক দেখে সহজে চেনা যাচ্ছিল এবং ক্যাপশনে লিখেছিল যে এটি একটি “হিন্দু জনতা"। যখন এটি ফাঁস হয়ে যায়, স্ক্রল ছবিটি সরিয়ে ফেলে অর্থাৎ প্রমাণ মুছে দেয়, তবে তাদের মিথ্যা বর্ণনা বজায় রাখে। একই কারসাজি উইকিপিডিয়াতেও হয়েছে, যা সংশোধনগুলো চেপে রেখেছিল। এভাবেই স্পষ্টভাবে ভুয়া খবরগুলো দ্রুত প্রতিষ্ঠিত সত্যে পরিণত করা হয়। ** ডক্টর কে. এলস্ট; [https://web.archive.org/web/https://koenraadelst.blogspot.com/2020/03/quora-censorship-on-delhi-riots.html সেন্সরশিপ অন দ্য দিল্লি রায়টস, ৮ মার্চ ২০২০]। * মানুষের দ্বারা সংঘটিত জঘন্য [[অপরাধ|অপরাধসমূহ]] ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ‘মিথ্যা সমতুল্যতা’ বা ভুল তুলনার ভ্রান্তিতে লিপ্ত হওয়ার চেয়ে কুৎসিত পদ্ধতি আর হতে পারে না, এমনকি যেখানে কোনো [[সহিংসতা]] জড়িত নেই সেখানেও। এই [[ভ্রান্তি|ভ্রান্তিতে]] দুটি অতুলনীয় জিনিসের তুলনা করা হয় এবং সেগুলোকে সমান ঘোষণা করা হয় কারণ গল্পের সব সময় দুটি দিক থাকে। ১৯৮৪ সালের পর [[দিল্লি|দিল্লিতে]] ঘটা সবচেয়ে ভয়াবহ [[w:সাম্প্রদায়িক সহিংসতা|সাম্প্রদায়িক সহিংসতার]] প্রেক্ষাপটে যা ঘটছে, যেখানে ৩৪ জন মুসলিম এবং ১৫ জন হিন্দু মারা গেছেন, তা ঠিক এই ভ্রান্তিই। এখানে সমস্ত প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও একে একটি [[গণহত্যা]] বা [[w:মুসলমানদের বিরুদ্ধে সহিংসতা|মুসলমানদের ওপর রাষ্ট্র সমর্থিত সহিংসতা]] বলতে অস্বীকৃতি জানানো হচ্ছে এবং দাবি করা হচ্ছে যে [[w:হিন্দু-ইসলামি সম্পর্ক|হিন্দু ও মুসলিম]] উভয় পক্ষই এই [[ভারতে ধর্মীয় সহিংসতা|সহিংসতার]] জন্য দায়ী। [[w:নৈতিক সমতুল্যতা]] একটি সমস্যার মূল কারণগুলোকে পুরোপুরি আড়াল করে দেয়। এটি সমস্যার গোড়ায় না গিয়ে তাৎক্ষণিক ও ভাসাভাসা বিষয়ের ওপর নজর দেয় এবং আত্মরক্ষার খাতিরে সুকৌশলী পর্যবেক্ষক ও [[w: হিন্দুত্ববাদ|হিন্দুত্ববাদী]] সমর্থকরা এটি ব্যবহার করে। ফলে মুসলমানদের বিরুদ্ধে ছয় বছরের নিরলস [[ইসলামোফোবিয়া|বিদ্বেষ প্রচারকে]] এই জ্বলন্ত সামাজিক পরিবেশ তৈরির পেছনে কোনো গুরুত্বই দেওয়া হয় না। ** [[নিসিম মান্নাথুক্কারেন]], [https://thewire.in/communalism/delhi-riots-communalism-false-equivalence দ্য বারবারিটি অফ ফলস ইকুইভ্যালেন্স], ৮ মার্চ ২০২০, ''দ্য ওয়ায়ার''। * সহিংসতার দায়ভার [[w:ভারতে সাক্ষরতা|অশিক্ষিত]], [[ভারতে দারিদ্র্য|দরিদ্র]] এবং [[ভারতে বেকারত্ব|বেকার]] জনতার ওপর চাপিয়ে দেওয়ার অর্থ হলো আমাদের মধ্যকার, অর্থাৎ [[w:সামাজিক সুবিধা|সুবিধাভোগী]] এবং [[ক্ষমতাশালী|ক্ষমতাশালীদের]] ভেতরের সেই প্যাথলজি বা রোগগুলোকে এড়িয়ে যাওয়া, যা সহিংসতার সবচেয়ে বড় সহায়ক। ** [[নিসিম মান্নাথুক্কারেন]], [https://thewire.in/communalism/delhi-riots-communalism-false-equivalence দ্য বারবারিটি অফ ফলস ইকুইভ্যালেন্স], ৮ মার্চ ২০২০, ''দ্য ওয়ায়ার''। * পুলিশের এক পক্ষের পক্ষে কাজ করার অপ্রতিরোধ্য প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও দিল্লির সহিংসতার ক্ষেত্রে নৈতিক সমতুল্যতার বর্ণনা বজায় রাখা হচ্ছে। এক বিশাল সংখ্যক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা মত দিয়েছেন যে, ভারতের রাজধানীর মতো জায়গায় যেখানে ৮০,০০০ শক্তিশালী ও সুসজ্জিত পুলিশ বাহিনী রয়েছে, সেখানে পুলিশের সম্মতি ও অনুমোদন ছাড়া দাঙ্গা কয়েক ঘণ্টার বেশি চলা অসম্ভব। ** [[নিসিম মান্নাথুক্কারেন]], [https://thewire.in/communalism/delhi-riots-communalism-false-equivalence দ্য বারবারিটি অফ ফলস ইকুইভ্যালেন্স], ৮ মার্চ ২০২০, ''দ্য ওয়ায়ার''। * এটিই সেই সময় যখন মিথ্যা সমতুল্যতা কেবল রাষ্ট্র সমর্থিত লাগামহীন [[w:সংখ্যাগরিষ্ঠতাবাদ|সংখ্যাগরিষ্ঠতাবাদকেই]] চিনতে ব্যর্থ হয় না, বরং এর প্রহসনমূলক প্রকৃতিকেও অস্বীকার করে। মিথ্যা সমতুল্যতা মোকাবিলা করতে এবং দিল্লিতে যা ঘটেছে তা একটি মুসলিম বিরোধী গণহত্যা ছিল বলে দাবি করতে আমাদের এই নৈতিকভাবে বিতর্কিত অবস্থান নেওয়ার প্রয়োজন নেই যে [[w:হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন|হিন্দুদের]] মধ্যেও নিরপরাধ প্রাণের কোনো ক্ষতি হয়নি (সর্বোপরি ১৫ বছরের একটি ছেলে নীতিন কুমারের মৃত্যু, যে খাবার কিনতে বেরিয়ে নিহত হয়েছিল, তার চেয়ে হৃদয়বিদারক আর কী হতে পারে), অথবা ক্ষতিগ্রস্তরা নিষ্ঠুরতায় সক্ষম নয়। কিন্তু শোকের পরিসংখ্যানগত বণ্টন বা নৈতিক সমতুল্যতার স্তরে থাকা মানে হলো সেই দানবীয় প্রকৃতিকে ভুলভাবে পড়া, যা ভারতের প্রতিটি গুরুতর সমস্যাকে হিন্দু-মুসলিম যুদ্ধের আখ্যান দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে সফল হয়েছে এবং যা এমনকি নিপীড়কদের মধ্যেও কষ্টের জন্ম দিয়েছে। ** [[নিসিম মান্নাথুক্কারেন]], [https://thewire.in/communalism/delhi-riots-communalism-false-equivalence দ্য বারবারিটি অফ ফলস ইকুইভ্যালেন্স], ৮ মার্চ ২০২০, ''দ্য ওয়ায়ার''। * কোনো জাতির ইতিহাসে এমন কিছু ঘটনা থাকে যা স্মৃতিতে অমলিন হয়ে খোদাই হয়ে যায়। দিল্লি দাঙ্গা এবং তার সাথে জড়িত ভুয়া খবরের চক্র, নির্লজ্জ মিথ্যাচার, ভুল উপস্থাপন, ভীতি প্রদর্শন এবং হিন্দুদের বিরুদ্ধে চালানো হত্যাকাণ্ড তেমনই একটি ঘটনা। সিএএ ছিল ভারতের প্রজাতন্ত্রের একটি মৌলিক প্রতিশ্রুতি পূরণ। আমাদের নিকটবর্তী প্রতিবেশী ইসলামি দেশগুলোতে নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের আশ্রয় দেওয়া ছিল একটি পবিত্র শপথ, যা আমাদের প্রজাতন্ত্রের প্রথম সারির নেতারা দেশভাগের অব্যবহিত পরেই নিয়েছিলেন। এই প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে আমাদের কয়েক দশক লেগেছে, তবে কখনও না হওয়ার চেয়ে দেরিতে হওয়া ভালো। সাধারণ পরিস্থিতিতে এটি উদযাপনের কারণ হওয়া উচিত ছিল, সমগ্র জাতির জন্য একটি আনন্দের মুহূর্ত হওয়া উচিত ছিল। তবে আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি যেখানে শরণার্থীদের মুখে হাসির কান্না দেখা গেলেও কট্টর ইসলামি শক্তির উত্থানের কারণে জাতি তাদের আনন্দের মুহূর্ত ভাগ করে নিতে ঐক্যবদ্ধ হতে পারেনি। তারপরও এটি সত্যিই একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত ছিল এবং এর গুরুত্ব কখনও বাড়িয়ে বলা সম্ভব নয়। ডিসেম্বর থেকে ইসলামপন্থী, বামপন্থী এবং ভারতের বুদ্ধিজীবী ও গণমাধ্যমের ঐতিহ্যবাহী গোষ্ঠীগুলো কেবল হিন্দুদেরই কলঙ্কিত করেনি, বরং যারা নিরপরাধ হিন্দুদের ওপর সহিংসতা চালাচ্ছিল তাদের রক্ষাও করেছে। গণহত্যার এই চক্র শুরু হয়েছিল যখন ভারত সরকার প্রতিবেশী ইসলামি দেশগুলোর নির্যাতিত ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ** নুপুর জে. শর্মা, ''দিল্লি অ্যান্টি-হিন্দু রায়টস ২০২০'' (২০২০)। * সিএএ, এনআরসি এবং এনপিআর বিরোধী বিক্ষোভগুলো শেষ পর্যন্ত দেশের অন্যান্য ধর্মের বিরুদ্ধে, পুলিশ বিরোধী, সরকার বিরোধী এবং ভারত বিরোধী বিক্ষোভে পরিণত হয়েছিল। ** মনিকা অরোরা, সোনালী চিতলকর এবং প্রেরণা মালহোত্রা রচিত ''দিল্লি রায়টস ২০২০: দ্য আনটোল্ড স্টোরি'' (২০২০)। == আরও দেখুন == * [[১৯৮৪ শিখবিরোধী দাঙ্গা]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|North East Delhi riots}} [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে দাঙ্গা]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দুদের দ্বারা নিপীড়ন]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২০-এ ভারত]] [[বিষয়শ্রেণী:দিল্লিতে ২১শ শতাব্দী]] avhvpsx49sn523krcmjcvpcsemmgub5 78596 78595 2026-04-19T13:21:04Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:দিল্লিতে ২১শ শতাব্দী]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:২১শ শতাব্দীতে দিল্লি]] যোগ 78596 wikitext text/x-wiki '''[[w:২০২০ দিল্লি দাঙ্গা|২০২০ দিল্লি দাঙ্গা]]''', বা '''উত্তর-পূর্ব দিল্লি দাঙ্গা''', ছিল রক্তপাত, সম্পত্তি ধ্বংস এবং দাঙ্গার একাধিক ঢেউ, যা ২৩ ফেব্রুয়ারি [[w:উত্তর-পূর্ব দিল্লি|উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে]] শুরু হয়েছিল এবং প্রধানত [[মুসলিম]] ও [[হিন্দু|হিন্দুদের]] মধ্যে সংঘর্ষের ফলে ঘটেছিল। == উক্তি == * "২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশের জাতীয় রাজধানীকে কাঁপিয়ে দেওয়া দাঙ্গাগুলো স্পষ্টতই মুহূর্তের উত্তেজনায় ঘটেনি। প্রসিকিউশন রেকর্ডে যে ভিডিও ফুটেজ রেখেছে, সেখানে উপস্থিত বিক্ষোভকারীদের আচরণ দৃশ্যত প্রমাণ করে যে এটি সরকারের কার্যক্রম ব্যাহত করার এবং শহরের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিঘ্নিত করার একটি সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টা ছিল," গত বছর দিল্লি পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্ত ইব্রাহিমের জামিন প্রত্যাখ্যান করার আদেশে বিচারপতি সুব্রামোনিয়াম প্রসাদ এই মন্তব্য করেন। ইব্রাহিমকে সিএএ বিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, যেখানে হেড কনস্টেবল রতন লাল মারাত্মকভাবে আহত হন। "সিসিটিভি ক্যামেরাগুলোর সুশৃঙ্খল সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ এবং ধ্বংস নিশ্চিত করে যে শহরের আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার জন্য এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত ও সুচিন্তিত ষড়যন্ত্র ছিল। এটি এই সত্য থেকেও স্পষ্ট যে অগণিত দাঙ্গাকারী লাঠি, ডান্ডা, ব্যাট ইত্যাদি নিয়ে অত্যন্ত নৃশংসভাবে একদল সংখ্যালঘু পুলিশ কর্মকর্তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল," বিচারপতি প্রসাদ বলেন। ** দিল্লি হাইকোর্ট, [https://web.archive.org/web/https://www.opindia.com/2021/09/delhi-high-court-calls-anti-hindu-delhi-riots-2020-pre-planned-pre-meditated-conspiracy/ সেপ্টেম্বর ২০২১]। * "এটি উল্লেখযোগ্য যে উত্তর-পূর্ব দিল্লির এলাকাগুলোতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ার সময় আবেদনকারী (তাহির হুসেন) একটি শক্তিশালী অবস্থানে ছিলেন। প্রাথমিকভাবে এটি স্পষ্ট যে তিনি তার পেশীশক্তি এবং রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার আগুন জ্বালানো, প্ররোচনা দেওয়া এবং পরিকল্পনার মূল হোতা হিসেবে কাজ করেছেন," আদালতের পর্যবেক্ষণ। ** অতিরিক্ত দায়রা জজ বিনোদ যাদব; [https://www.ndtv.com/delhi-news/delhi-court-rejects-tahir-hussain-bail-plea-says-he-used-clout-to-fan-riots-2314055] ২২ অক্টোবর ২০২০। * এখানকার তথ্যগুলো খুব স্পষ্ট, তবে নিশ্চিত থাকুন যে এগুলো নিয়ে বিতর্ক হবে। অধিকাংশ হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার মতো, এই দাঙ্গাটিও হিন্দুদের ওপর মুসলিমদের একটি তাণ্ডব হিসেবে শুরু হয়েছিল, যেখানে কিছু হিন্দু পুলিশ কর্মকর্তাকে নাটকীয়ভাবে হত্যা করা হয়। তবে পরে হিন্দুরা পাল্টা আঘাত করতে শুরু করে এবং শেষ পর্যন্ত মুসলিম নিহতের সংখ্যা হিন্দু নিহতের সংখ্যাকে ছাড়িয়ে যায়। এটি ২০০২ সালের গুজরাতের মতো, যা অযোধ্যা থেকে ফিরে আসা ট্রেনের নারী বগিতে ৫৯ জন হিন্দু নারী ও শিশুকে মুসলিমদের দ্বারা পুড়িয়ে হত্যার মাধ্যমে শুরু হয়েছিল। এরপর হিন্দুরা প্রতিশোধ নেয় এবং শেষ পর্যন্ত ৩০০ হিন্দু ও ৮০০ মুসলিম নিহত হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদগুলোতে এই ব্যাখ্যামূলক শুরুর ঘটনাটি সতর্কতার সাথে বাদ দেওয়া হয়। এটি যেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে ১৯৪৪ সালের ৬ জুন ইউরোপে মিত্রবাহিনীর "আগ্রাসন" দিয়ে শুরু করা এবং অ্যাংলো আমেরিকান পক্ষের তুলনায় জার্মানদের উচ্চতর মৃত্যুহারকে হাইলাইট করার মতো। বড় মিডিয়াগুলো ভুয়া খবর তৈরির সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে। যেমন, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল পুলিশ কর্মকর্তা অঙ্কিত শর্মার ভাইয়ের একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ করেছিল, যেখানে তিনি বর্ণনা করেছিলেন যে কীভাবে একজন (মুসলিম) জনতা তার ভাইকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে। প্রকাশিত সংস্করণে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ঢুকিয়ে দেয় যে, ওই জনতাটি একটি হিন্দু রণধ্বনি দিচ্ছিল, যাতে হিন্দুদের ওপর দোষ চাপিয়ে তাদের নিজেদের তৈরি গল্পটি (হিন্দুরা তাণ্ডব চালাচ্ছে) রক্ষা করা যায়। ভাগ্যক্রমে, ওই ভাই এবং অন্য প্রত্যক্ষদর্শীরা প্রকাশ্যে এটি অস্বীকার করেন এবং ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের কারসাজি ধরিয়ে দেন। স্ক্রল.ইন এবং অন্যান্য পত্রিকা একটি আক্রমণাত্মক মুসলিম জনতার ছবি প্রকাশ করেছিল, যাদের পোশাক দেখে সহজে চেনা যাচ্ছিল এবং ক্যাপশনে লিখেছিল যে এটি একটি “হিন্দু জনতা"। যখন এটি ফাঁস হয়ে যায়, স্ক্রল ছবিটি সরিয়ে ফেলে অর্থাৎ প্রমাণ মুছে দেয়, তবে তাদের মিথ্যা বর্ণনা বজায় রাখে। একই কারসাজি উইকিপিডিয়াতেও হয়েছে, যা সংশোধনগুলো চেপে রেখেছিল। এভাবেই স্পষ্টভাবে ভুয়া খবরগুলো দ্রুত প্রতিষ্ঠিত সত্যে পরিণত করা হয়। ** ডক্টর কে. এলস্ট; [https://web.archive.org/web/https://koenraadelst.blogspot.com/2020/03/quora-censorship-on-delhi-riots.html সেন্সরশিপ অন দ্য দিল্লি রায়টস, ৮ মার্চ ২০২০]। * মানুষের দ্বারা সংঘটিত জঘন্য [[অপরাধ|অপরাধসমূহ]] ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ‘মিথ্যা সমতুল্যতা’ বা ভুল তুলনার ভ্রান্তিতে লিপ্ত হওয়ার চেয়ে কুৎসিত পদ্ধতি আর হতে পারে না, এমনকি যেখানে কোনো [[সহিংসতা]] জড়িত নেই সেখানেও। এই [[ভ্রান্তি|ভ্রান্তিতে]] দুটি অতুলনীয় জিনিসের তুলনা করা হয় এবং সেগুলোকে সমান ঘোষণা করা হয় কারণ গল্পের সব সময় দুটি দিক থাকে। ১৯৮৪ সালের পর [[দিল্লি|দিল্লিতে]] ঘটা সবচেয়ে ভয়াবহ [[w:সাম্প্রদায়িক সহিংসতা|সাম্প্রদায়িক সহিংসতার]] প্রেক্ষাপটে যা ঘটছে, যেখানে ৩৪ জন মুসলিম এবং ১৫ জন হিন্দু মারা গেছেন, তা ঠিক এই ভ্রান্তিই। এখানে সমস্ত প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও একে একটি [[গণহত্যা]] বা [[w:মুসলমানদের বিরুদ্ধে সহিংসতা|মুসলমানদের ওপর রাষ্ট্র সমর্থিত সহিংসতা]] বলতে অস্বীকৃতি জানানো হচ্ছে এবং দাবি করা হচ্ছে যে [[w:হিন্দু-ইসলামি সম্পর্ক|হিন্দু ও মুসলিম]] উভয় পক্ষই এই [[ভারতে ধর্মীয় সহিংসতা|সহিংসতার]] জন্য দায়ী। [[w:নৈতিক সমতুল্যতা]] একটি সমস্যার মূল কারণগুলোকে পুরোপুরি আড়াল করে দেয়। এটি সমস্যার গোড়ায় না গিয়ে তাৎক্ষণিক ও ভাসাভাসা বিষয়ের ওপর নজর দেয় এবং আত্মরক্ষার খাতিরে সুকৌশলী পর্যবেক্ষক ও [[w: হিন্দুত্ববাদ|হিন্দুত্ববাদী]] সমর্থকরা এটি ব্যবহার করে। ফলে মুসলমানদের বিরুদ্ধে ছয় বছরের নিরলস [[ইসলামোফোবিয়া|বিদ্বেষ প্রচারকে]] এই জ্বলন্ত সামাজিক পরিবেশ তৈরির পেছনে কোনো গুরুত্বই দেওয়া হয় না। ** [[নিসিম মান্নাথুক্কারেন]], [https://thewire.in/communalism/delhi-riots-communalism-false-equivalence দ্য বারবারিটি অফ ফলস ইকুইভ্যালেন্স], ৮ মার্চ ২০২০, ''দ্য ওয়ায়ার''। * সহিংসতার দায়ভার [[w:ভারতে সাক্ষরতা|অশিক্ষিত]], [[ভারতে দারিদ্র্য|দরিদ্র]] এবং [[ভারতে বেকারত্ব|বেকার]] জনতার ওপর চাপিয়ে দেওয়ার অর্থ হলো আমাদের মধ্যকার, অর্থাৎ [[w:সামাজিক সুবিধা|সুবিধাভোগী]] এবং [[ক্ষমতাশালী|ক্ষমতাশালীদের]] ভেতরের সেই প্যাথলজি বা রোগগুলোকে এড়িয়ে যাওয়া, যা সহিংসতার সবচেয়ে বড় সহায়ক। ** [[নিসিম মান্নাথুক্কারেন]], [https://thewire.in/communalism/delhi-riots-communalism-false-equivalence দ্য বারবারিটি অফ ফলস ইকুইভ্যালেন্স], ৮ মার্চ ২০২০, ''দ্য ওয়ায়ার''। * পুলিশের এক পক্ষের পক্ষে কাজ করার অপ্রতিরোধ্য প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও দিল্লির সহিংসতার ক্ষেত্রে নৈতিক সমতুল্যতার বর্ণনা বজায় রাখা হচ্ছে। এক বিশাল সংখ্যক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা মত দিয়েছেন যে, ভারতের রাজধানীর মতো জায়গায় যেখানে ৮০,০০০ শক্তিশালী ও সুসজ্জিত পুলিশ বাহিনী রয়েছে, সেখানে পুলিশের সম্মতি ও অনুমোদন ছাড়া দাঙ্গা কয়েক ঘণ্টার বেশি চলা অসম্ভব। ** [[নিসিম মান্নাথুক্কারেন]], [https://thewire.in/communalism/delhi-riots-communalism-false-equivalence দ্য বারবারিটি অফ ফলস ইকুইভ্যালেন্স], ৮ মার্চ ২০২০, ''দ্য ওয়ায়ার''। * এটিই সেই সময় যখন মিথ্যা সমতুল্যতা কেবল রাষ্ট্র সমর্থিত লাগামহীন [[w:সংখ্যাগরিষ্ঠতাবাদ|সংখ্যাগরিষ্ঠতাবাদকেই]] চিনতে ব্যর্থ হয় না, বরং এর প্রহসনমূলক প্রকৃতিকেও অস্বীকার করে। মিথ্যা সমতুল্যতা মোকাবিলা করতে এবং দিল্লিতে যা ঘটেছে তা একটি মুসলিম বিরোধী গণহত্যা ছিল বলে দাবি করতে আমাদের এই নৈতিকভাবে বিতর্কিত অবস্থান নেওয়ার প্রয়োজন নেই যে [[w:হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন|হিন্দুদের]] মধ্যেও নিরপরাধ প্রাণের কোনো ক্ষতি হয়নি (সর্বোপরি ১৫ বছরের একটি ছেলে নীতিন কুমারের মৃত্যু, যে খাবার কিনতে বেরিয়ে নিহত হয়েছিল, তার চেয়ে হৃদয়বিদারক আর কী হতে পারে), অথবা ক্ষতিগ্রস্তরা নিষ্ঠুরতায় সক্ষম নয়। কিন্তু শোকের পরিসংখ্যানগত বণ্টন বা নৈতিক সমতুল্যতার স্তরে থাকা মানে হলো সেই দানবীয় প্রকৃতিকে ভুলভাবে পড়া, যা ভারতের প্রতিটি গুরুতর সমস্যাকে হিন্দু-মুসলিম যুদ্ধের আখ্যান দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে সফল হয়েছে এবং যা এমনকি নিপীড়কদের মধ্যেও কষ্টের জন্ম দিয়েছে। ** [[নিসিম মান্নাথুক্কারেন]], [https://thewire.in/communalism/delhi-riots-communalism-false-equivalence দ্য বারবারিটি অফ ফলস ইকুইভ্যালেন্স], ৮ মার্চ ২০২০, ''দ্য ওয়ায়ার''। * কোনো জাতির ইতিহাসে এমন কিছু ঘটনা থাকে যা স্মৃতিতে অমলিন হয়ে খোদাই হয়ে যায়। দিল্লি দাঙ্গা এবং তার সাথে জড়িত ভুয়া খবরের চক্র, নির্লজ্জ মিথ্যাচার, ভুল উপস্থাপন, ভীতি প্রদর্শন এবং হিন্দুদের বিরুদ্ধে চালানো হত্যাকাণ্ড তেমনই একটি ঘটনা। সিএএ ছিল ভারতের প্রজাতন্ত্রের একটি মৌলিক প্রতিশ্রুতি পূরণ। আমাদের নিকটবর্তী প্রতিবেশী ইসলামি দেশগুলোতে নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের আশ্রয় দেওয়া ছিল একটি পবিত্র শপথ, যা আমাদের প্রজাতন্ত্রের প্রথম সারির নেতারা দেশভাগের অব্যবহিত পরেই নিয়েছিলেন। এই প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে আমাদের কয়েক দশক লেগেছে, তবে কখনও না হওয়ার চেয়ে দেরিতে হওয়া ভালো। সাধারণ পরিস্থিতিতে এটি উদযাপনের কারণ হওয়া উচিত ছিল, সমগ্র জাতির জন্য একটি আনন্দের মুহূর্ত হওয়া উচিত ছিল। তবে আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি যেখানে শরণার্থীদের মুখে হাসির কান্না দেখা গেলেও কট্টর ইসলামি শক্তির উত্থানের কারণে জাতি তাদের আনন্দের মুহূর্ত ভাগ করে নিতে ঐক্যবদ্ধ হতে পারেনি। তারপরও এটি সত্যিই একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত ছিল এবং এর গুরুত্ব কখনও বাড়িয়ে বলা সম্ভব নয়। ডিসেম্বর থেকে ইসলামপন্থী, বামপন্থী এবং ভারতের বুদ্ধিজীবী ও গণমাধ্যমের ঐতিহ্যবাহী গোষ্ঠীগুলো কেবল হিন্দুদেরই কলঙ্কিত করেনি, বরং যারা নিরপরাধ হিন্দুদের ওপর সহিংসতা চালাচ্ছিল তাদের রক্ষাও করেছে। গণহত্যার এই চক্র শুরু হয়েছিল যখন ভারত সরকার প্রতিবেশী ইসলামি দেশগুলোর নির্যাতিত ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ** নুপুর জে. শর্মা, ''দিল্লি অ্যান্টি-হিন্দু রায়টস ২০২০'' (২০২০)। * সিএএ, এনআরসি এবং এনপিআর বিরোধী বিক্ষোভগুলো শেষ পর্যন্ত দেশের অন্যান্য ধর্মের বিরুদ্ধে, পুলিশ বিরোধী, সরকার বিরোধী এবং ভারত বিরোধী বিক্ষোভে পরিণত হয়েছিল। ** মনিকা অরোরা, সোনালী চিতলকর এবং প্রেরণা মালহোত্রা রচিত ''দিল্লি রায়টস ২০২০: দ্য আনটোল্ড স্টোরি'' (২০২০)। == আরও দেখুন == * [[১৯৮৪ শিখবিরোধী দাঙ্গা]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী|North East Delhi riots}} [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দু জাতীয়তাবাদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে দাঙ্গা]] [[বিষয়শ্রেণী:হিন্দুদের দ্বারা নিপীড়ন]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২০-এ ভারত]] [[বিষয়শ্রেণী:২১শ শতাব্দীতে দিল্লি]] 766rsp99931iz590afcta1y7gong5nh আলাপ:২০২০ দিল্লি দাঙ্গা 1 12886 78597 2026-04-19T13:21:10Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78597 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm আগ্রা 0 12887 78599 2026-04-19T13:31:09Z Tuhin 172 + 78599 wikitext text/x-wiki [[File:One of the drawings of Mughal monuments at Agra and Fatehpur Sikri.jpg|thumb|right|300px|আগ্রার লাল কেল্লা, আনুমানিক ১৮২০]] '''[[w:আগ্রা|আগ্রা]]''' হলো ভারতের উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত একটি শহর। এটি রাজ্যের রাজধানী লখনউ থেকে ৩৭৮ কিলোমিটার (২৩৫ মাইল) পশ্চিমে, জাতীয় রাজধানী নতুন দিল্লি থেকে ২০৬ কিলোমিটার (১২৮ মাইল) দক্ষিণে, মথুরা থেকে ৫৮ কিলোমিটার (৩১ মাইল) দক্ষিণে এবং গোয়ালিয়র থেকে ১২৫ কিলোমিটার (৭৮ মাইল) উত্তরে অবস্থিত। আগ্রা উত্তরপ্রদেশের অন্যতম জনবহুল শহর এবং ভারতের ২৪তম জনবহুল শহর। == উক্তি == * যখন আমরা আগ্রায় এলাম তখন গ্রীষ্মকাল ছিল। সমস্ত বাসিন্দা (খালাতক) আতঙ্কে পালিয়ে গিয়েছিল। আমাদের নিজেদের জন্য শস্য বা আমাদের ঘোড়াদের জন্য ঘাস, কিছুই পাওয়া যাচ্ছিল না। গ্রামগুলো আমাদের প্রতি শত্রুতা ও ঘৃণা বশত চুরি এবং মহাসড়কে ডাকাতি শুরু করেছিল। রাস্তায় চলাচল করা অসম্ভব ছিল। ** বাবর, বাবরনামা, ২য় খণ্ড। [https://archive.org/stream/baburnamainengli02babuuoft/baburnamainengli02babuuoft_djvu.txt] এছাড়া কে. এস. লাল রচিত গ্রোথ অফ শিডিউলড ট্রাইবস অ্যান্ড কাস্টস ইন মিডিয়েভাল ইন্ডিয়া (১৯৯৫) এ। * "তারা একে আগ্রা বলে ডাকে। মা, এবং যারা সেই সব অঞ্চল থেকে আসে তারা বলে পৃথিবীতে এর চেয়ে সুন্দর কোনো শহর নেই।" ** রমেশচন্দ্র দত্ত রচিত দ্য স্লেভ গার্ল অফ আগ্রা (১৯০৯)। * দিল্লি এবং আগ্রায় মহান মোগলদের দরবারের জাঁকজমক প্রাচ্যের অন্যতম চমৎকার ঐতিহ্য। ** পি. ভি. এন. মায়ার্স রচিত এ জেনারেল হিস্ট্রি ফর কলেজেস অ্যান্ড হাই স্কুলস (১৮৯০)। * "আগ্রা শহরটি একটি বিশাল জায়গা, যা সব ধরনের ধর্মান্ধ এবং ভয়ঙ্কর শয়তান উপাসকদের দ্বারা পরিপূর্ণ। আমাদের মুষ্টিমেয় কয়েকজন মানুষ সেই সরু ও আঁকাবাঁকা গলিগুলোর মধ্যে হারিয়ে গিয়েছিল। তাই আমাদের নেতা নদী পার হয়ে আগ্রার পুরনো কেল্লায় অবস্থান নেন। আমি জানি না আপনাদের মধ্যে কোনো ভদ্রলোক কখনো সেই পুরনো কেল্লা সম্পর্কে পড়েছেন বা শুনেছেন কি না। এটি একটি খুব অদ্ভুত জায়গা – আমার দেখা সবচেয়ে অদ্ভুত জায়গাগুলোর মধ্যে একটি। প্রথমত, এটি আকারে বিশাল। আমার মনে হয় এর এলাকাটি কয়েক একর জুড়ে হবে। এর একটি আধুনিক অংশ আছে, যেখানে আমাদের সমস্ত সৈন্যদল, মহিলা, শিশু, রসদ এবং বাকি সবকিছু রাখা হয়েছিল এবং তবুও অনেক জায়গা খালি ছিল। তবে আধুনিক অংশটি পুরনো অংশের তুলনায় কিছুই নয়, যেখানে কেউ যায় না এবং যা বিচ্ছু ও তেঁতুলের দখলে থাকে। এটি বড় বড় জনশূন্য হলঘর, আঁকাবাঁকা পথ এবং দীর্ঘ অলিন্দে পরিপূর্ণ যা এদিক ওদিক ঘুরে গেছে, ফলে মানুষের পক্ষে এখানে হারিয়ে যাওয়া খুব সহজ। এই কারণে সেখানে খুব কমই কেউ যেত, যদিও মাঝে মাঝে মশাল নিয়ে একটি দল অন্বেষণে যেতে পারত।" ** [[আর্থার কোনান ডয়েল]] রচিত দ্য সাইন অফ দ্য ফোর। * ইসলাম ধর্মের মহান ঈশ্বরের প্রশংসা হোক যে, কুফর ও বিশৃঙ্খলা ধ্বংসকারী এই শাসকের [আওরঙ্গজেব] শুভ রাজত্বকালে এমন একটি চমৎকার এবং আপাত অসম্ভব কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সম্রাটের বিশ্বাসের শক্তি এবং ঈশ্বরের প্রতি তার আত্মনিয়োগের মহিমা দেখে অহংকারী রাজারা স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন এবং বিস্ময়ে তারা দেয়ালের মতো দাঁড়িয়ে ছিলেন। মন্দিরে স্থাপিত দামী মণি-মুক্তা খচিত বড় ও ছোট মূর্তিগুলোকে আগ্রায় নিয়ে আসা হয় এবং বেগম সাহেবের মসজিদের সিঁড়ির নিচে পুঁতে রাখা হয়, যাতে সেগুলো নিরন্তর পদদলিত হয়। মথুরার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ইসলামাবাদ। ** সাকি মুস্তাদ খান, মাসির-ই-আলমগিরি; যদুনাথ সরকার কর্তৃক অনূদিত ও টীকাযুক্ত, রয়্যাল এশিয়াটিক সোসাইটি অফ বেঙ্গল, কলকাতা, ১৯৪৭। [[অরুণ শৌরি|অরুণ শৌরি]] রচিত এমিনেন্ট হিস্টোরিয়ানস: দেয়ার টেকনোলজি, দেয়ার লাইন, দেয়ার ফ্রড (২০১৪) এ উদ্ধৃত। * আগ্রা শহরে একটি বিশাল মন্দির ছিল, যেখানে দামী রত্ন ও মূল্যবান মুক্তো দিয়ে সজ্জিত অসংখ্য মূর্তি ছিল। এটি প্রথা ছিল যে কাফেররা প্রতি বছর বেশ কয়েকবার দূর-দূরান্ত থেকে এই মন্দিরে আসত মূর্তিপূজা করার জন্য এবং প্রতিটি মানুষের জন্য সরকারের কাছে একটি নির্দিষ্ট ফি নির্ধারিত ছিল, যার বিনিময়ে সে প্রবেশাধিকার পেত। যেহেতু সেখানে তীর্থযাত্রীদের বড় সমাবেশ হতো, তাই তাদের কাছ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ সংগৃহীত হতো এবং রাজকোষে জমা দেওয়া হতো। সম্রাট শাহজাহানের রাজত্বকাল পর্যন্ত এবং আওরঙ্গজেবের শাসনের শুরুতেও এই প্রথা পালন করা হয়েছিল। তবে যখন পরবর্তীকালে এটি সম্পর্কে জানানো হয়, তখন তিনি অত্যন্ত রাগান্বিত হন এবং এই প্রথা বাতিল করেন। তার দরবারের প্রধান অভিজাতরা তার কাছে তুলে ধরেন যে, এর মাধ্যমে একটি বড় অংক আদায় করা হয় এবং সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয় এবং এটি বাতিল করলে রাষ্ট্রের আয়ের একটি বড় অংশ হ্রাস পাবে। সম্রাট পর্যবেক্ষণ করলেন, 'আপনারা যা বলছেন তা সঠিক, তবে আমি বিষয়টি ভালো করে বিবেচনা করেছি এবং গভীরভাবে চিন্তা করেছি। তবে আপনারা যদি রাজস্ব বৃদ্ধি করতে চান, তবে জিজিয়া আদায়ের মাধ্যমে সেই লক্ষ্য অর্জনের একটি উন্নত পরিকল্পনা আছে। এর মাধ্যমে মূর্তিপূজা দমন করা হবে, মুহাম্মদী ধর্ম এবং সত্য বিশ্বাস সম্মানিত হবে, আমাদের যথাযথ দায়িত্ব পালন করা হবে, রাষ্ট্রের অর্থ বাড়বে এবং কাফেররা অপমানিত হবে।' এটি সকল অভিজাতদের দ্বারা উচ্চ প্রশংসিত হয়েছিল এবং সম্রাট সমস্ত সোনা ও রূপার মূর্তি ভেঙে ফেলার এবং মন্দির ধ্বংস করার আদেশ দেন। ** কানজুল মাহফুজ (কানজু-ল মাহফুজ); এলিয়ট এবং ডওসন, খণ্ড ৮, পৃ. ৩৮ ৩৯। == আরও দেখুন == * [[তাজমহল]] * [[উইলিয়াম ফিঞ্চ (বণিক)]] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:উত্তরপ্রদেশের শহর]] cd22tncgoetwzndfe9blhawqi35yl7e আলাপ:আগ্রা 1 12888 78600 2026-04-19T13:35:07Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78600 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় 0 12889 78604 2026-04-19T14:07:50Z Tuhin 172 + 78604 wikitext text/x-wiki '''[[w:কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়|বারাণসী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]]''' বা '''কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়''' হলো ভারতের [[উত্তরপ্রদেশ|উত্তরপ্রদেশের]] [[w:বারাণসী|বারাণসীতে]] অবস্থিত একটি কলেজিয়েট, কেন্দ্রীয় এবং গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়। এটি ১৯১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। == উক্তি == * "আমি এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করছি যা প্রাচীন প্রজ্ঞার সাথে ভৌত বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির জ্ঞানের সমন্বয় ঘটাবে।" প্রাচীনকাল থেকে আমাদের ঋষিদের আশ্রম, বন বিশ্ববিদ্যালয়, গুরুকুল এবং তক্ষশীলা ও নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তরাধিকার ছিল। সপ্তম শতাব্দীতে চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং নালন্দায় অধ্যয়ন করেছিলেন। পণ্ডিত মালব্য প্রাচীন ভারতীয় ঐতিহ্যের সাথে পশ্চিমের আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মিশ্রণে একটি বিশ্ববিদ্যালয় কল্পনা করেছিলেন, যেখানে কলা, বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির কোর্স থাকবে। তিনি এই সব কিছু একটি আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্জন করতে চেয়েছিলেন যার প্রেক্ষিতে লর্ড হার্ডিঞ্জ পর্যবেক্ষণ করেছিলেন, “আবাসিক শিক্ষাদানকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারণাটি নতুন বা পুরনো যাই হোক না কেন, এতে কোনো সন্দেহ নেই যে এটি বিদ্যমান মডেল থেকে একটি বিচ্যুতি, এবং এই উদ্যোগের বৈশিষ্ট্য কেবল এই একটি বিচ্যুতিই নয়।” ** – [[w:মদনমোহন মালব্য|মদনমোহন মালব্য]], বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে। {{Cite web |date=2016-02-03 |title=হাউ বিএইচইউ চেঞ্জড মাই লাইফ|url=https://openthemagazine.com/voices/how-bhu-changed-my-life/ |access-date=2024-04-28 |website=ওপেন দ্য ম্যাগাজিন |language=en-GB}} * মাই লর্ড, এটি কোনো সাধারণ উপলক্ষ নয়। আমরা আজ ভারতে একটি নতুন এবং অনেকের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি উন্নত ধরনের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্ম প্রত্যক্ষ করছি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো যা একে বিদ্যমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে আলাদা করবে, সেগুলো হলো: প্রথমত, এটি একটি শিক্ষাদানকারী এবং আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হবে। দ্বিতীয়ত, এটি সকল জাতি ও ধর্মের জন্য উন্মুক্ত থাকলেও হিন্দুদের জন্য ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর দেবে। এবং তৃতীয়ত, এটি হিন্দু সম্প্রদায় দ্বারা এবং প্রায় সম্পূর্ণভাবে বেসরকারি কর্মকর্তাদের দ্বারা পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। ** – [[w:হারকোর্ট বাটলার|হারকোর্ট বাটলার]], ১১ মার্চ ১৯১৫, [[w:ইম্পেরিয়াল লেজিসলেটিভ কাউন্সিল|ইম্পেরিয়াল লেজিসলেটিভ কাউন্সিল]], নয়াদিল্লি, ভারত। {{cite book|last1=দার|first1=এস. এল.|url=https://archive.org/details/history-of-bhu|title=হিস্ট্রি অফ দ্য বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি|last2=সোমাস্কন্দন|first2=এস.|publisher=বারাণসী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস|year=1966|isbn=৮১৮৫৩০৫২২৬|location=|page=২৭৩|language=ইংরেজি|author-link=}} * বারাণসী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় (বিএইচইউ) সেই সময়ের শাসনকর্তা রাজার সাহায্য ছাড়া প্রতিষ্ঠিত হতে পারত না। বরোদার মহারাজা গায়কোয়াড় বাবা সাহেব আম্বেদকরকে বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে সহায়তা করেছিলেন। [[রাহুল গান্ধী|কংগ্রেসের শাহজাদা]] এ সম্পর্কে কিছুই জানেন না এবং তিনি এমন প্রকাশ্য বিবৃতি দিচ্ছেন যার লক্ষ্য দলের ভোটব্যাংক রাজনীতিকে এগিয়ে নেওয়া। ** নরেন্দ্র মোদি, বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে রাহুল গান্ধীর বিবৃতির ওপর মন্তব্য করতে গিয়ে, এপ্রিল ২০২৪। [https://www.deccanchronicle.com/news/shehzada-didnt-speak-a-word-about-atrocities-committed-by-pm-modi-rips-into-rahul-over-raja-maharaja-remark-891498] [https://economictimes.indiatimes.com/news/elections/lok-sabha/india/shehzada-didnt-speak-a-word-about-atrocities-committed-by-pm-modi-rips-into-rahul-over-raja-maharaja-remark/articleshow/109663584.cms] [https://timesofindia.indiatimes.com/india/shehzada-didnt-utter-a-single-word-about-pm-modi-targets-rahul-over-raja-maharaja-remark/articleshow/109663273.cms] [https://www.msn.com/en-in/news/India/pm-modi-s-another-shehzada-jibe-at-rahul-says-insulted-shivaji-rani-chennamma-but-no-words-on-nawabs-atrocities/ar-AA1nNERN] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৬-এ ভারতে প্রতিষ্ঠিত]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ]] [[বিষয়শ্রেণী:উত্তরপ্রদেশ]] 0ueoouuj4y80hwr8rjf6ec629ywwdbn 78605 78604 2026-04-19T14:08:15Z Tuhin 172 78605 wikitext text/x-wiki '''[[w:কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়|বারাণসী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়]]''' বা '''কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়''' হলো ভারতের [[উত্তরপ্রদেশ|উত্তরপ্রদেশের]] [[w:বারাণসী|বারাণসীতে]] অবস্থিত একটি কলেজিয়েট, কেন্দ্রীয় এবং গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়। এটি ১৯১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। == উক্তি == * "আমি এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করছি যা প্রাচীন প্রজ্ঞার সাথে ভৌত বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির জ্ঞানের সমন্বয় ঘটাবে।" প্রাচীনকাল থেকে আমাদের ঋষিদের আশ্রম, বন বিশ্ববিদ্যালয়, গুরুকুল এবং তক্ষশীলা ও নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তরাধিকার ছিল। সপ্তম শতাব্দীতে চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং নালন্দায় অধ্যয়ন করেছিলেন। পণ্ডিত মালব্য প্রাচীন ভারতীয় ঐতিহ্যের সাথে পশ্চিমের আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মিশ্রণে একটি বিশ্ববিদ্যালয় কল্পনা করেছিলেন, যেখানে কলা, বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির কোর্স থাকবে। তিনি এই সব কিছু একটি আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্জন করতে চেয়েছিলেন যার প্রেক্ষিতে লর্ড হার্ডিঞ্জ পর্যবেক্ষণ করেছিলেন, “আবাসিক শিক্ষাদানকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারণাটি নতুন বা পুরনো যাই হোক না কেন, এতে কোনো সন্দেহ নেই যে এটি বিদ্যমান মডেল থেকে একটি বিচ্যুতি, এবং এই উদ্যোগের বৈশিষ্ট্য কেবল এই একটি বিচ্যুতিই নয়।” ** – [[w:মদনমোহন মালব্য|মদনমোহন মালব্য]], বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে। {{Cite web |date=2016-02-03 |title=হাউ বিএইচইউ চেঞ্জড মাই লাইফ|url=https://openthemagazine.com/voices/how-bhu-changed-my-life/ |access-date=2024-04-28 |website=ওপেন দ্য ম্যাগাজিন |language=en-GB}} * মাই লর্ড, এটি কোনো সাধারণ উপলক্ষ নয়। আমরা আজ ভারতে একটি নতুন এবং অনেকের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি উন্নত ধরনের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্ম প্রত্যক্ষ করছি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো যা একে বিদ্যমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে আলাদা করবে, সেগুলো হলো: প্রথমত, এটি একটি শিক্ষাদানকারী এবং আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হবে। দ্বিতীয়ত, এটি সকল জাতি ও ধর্মের জন্য উন্মুক্ত থাকলেও হিন্দুদের জন্য ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর দেবে। এবং তৃতীয়ত, এটি হিন্দু সম্প্রদায় দ্বারা এবং প্রায় সম্পূর্ণভাবে বেসরকারি কর্মকর্তাদের দ্বারা পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। ** – [[w:হারকোর্ট বাটলার|হারকোর্ট বাটলার]], ১১ মার্চ ১৯১৫, [[w:ইম্পেরিয়াল লেজিসলেটিভ কাউন্সিল|ইম্পেরিয়াল লেজিসলেটিভ কাউন্সিল]], নয়াদিল্লি, ভারত। {{cite book|last1=দার|first1=এস. এল.|url=https://archive.org/details/history-of-bhu|title=হিস্ট্রি অফ দ্য বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি|last2=সোমাস্কন্দন|first2=এস.|publisher=বারাণসী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস|year=1966|isbn=8185305226|location=|page=২৭৩|language=ইংরেজি|author-link=}} * বারাণসী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় (বিএইচইউ) সেই সময়ের শাসনকর্তা রাজার সাহায্য ছাড়া প্রতিষ্ঠিত হতে পারত না। বরোদার মহারাজা গায়কোয়াড় বাবা সাহেব আম্বেদকরকে বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে সহায়তা করেছিলেন। [[রাহুল গান্ধী|কংগ্রেসের শাহজাদা]] এ সম্পর্কে কিছুই জানেন না এবং তিনি এমন প্রকাশ্য বিবৃতি দিচ্ছেন যার লক্ষ্য দলের ভোটব্যাংক রাজনীতিকে এগিয়ে নেওয়া। ** নরেন্দ্র মোদি, বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে রাহুল গান্ধীর বিবৃতির ওপর মন্তব্য করতে গিয়ে, এপ্রিল ২০২৪। [https://www.deccanchronicle.com/news/shehzada-didnt-speak-a-word-about-atrocities-committed-by-pm-modi-rips-into-rahul-over-raja-maharaja-remark-891498] [https://economictimes.indiatimes.com/news/elections/lok-sabha/india/shehzada-didnt-speak-a-word-about-atrocities-committed-by-pm-modi-rips-into-rahul-over-raja-maharaja-remark/articleshow/109663584.cms] [https://timesofindia.indiatimes.com/india/shehzada-didnt-utter-a-single-word-about-pm-modi-targets-rahul-over-raja-maharaja-remark/articleshow/109663273.cms] [https://www.msn.com/en-in/news/India/pm-modi-s-another-shehzada-jibe-at-rahul-says-insulted-shivaji-rani-chennamma-but-no-words-on-nawabs-atrocities/ar-AA1nNERN] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯১৬-এ ভারতে প্রতিষ্ঠিত]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ]] [[বিষয়শ্রেণী:উত্তরপ্রদেশ]] sqr28yhlmnwux7daajv6lakjo1gwmqz আলাপ:কাশী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় 1 12890 78606 2026-04-19T14:09:58Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78606 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm দ্য দুন স্কুল 0 12891 78607 2026-04-19T14:29:54Z Tuhin 172 + 78607 wikitext text/x-wiki [[File:The Doon School Main Building - Karam Puri.jpg|thumb|১৮৫পিক্সেল|ডান|দ্য দুন স্কুলের প্রধান ভবন]] '''[[w:দ্য দুন স্কুল|দ্য দুন স্কুল]]''' হলো ভারতের [[w:দেরাদুন|দেরাদুনে]] অবস্থিত একটি স্বতন্ত্র ছেলেদের [[w:বোর্ডিং স্কুল|বোর্ডিং স্কুল]], যা ১৯৩৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। দুন স্কুলের প্রাক্তন ছাত্রদের সাধারণত "ডোসকোস" বলা হয়। তাদের মধ্যে ভারতের বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়িক নেতা এবং একজন প্রধানমন্ত্রী অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। == তথ্যসূত্র == [[File:Pratibha Patil, ex-President of India, speaking at The Doon School.jpg|thumb|"দুন স্কুলে সহ-শিক্ষা চালু করুন"<br> — [[w:প্রতিভা পাতিল|প্রতিভা পাতিল]], ভারতের রাষ্ট্রপতি, অক্টোবর ২০১০-এ দুন স্কুলের প্ল্যাটিনাম জুবিলিতে বক্তব্য রাখছেন।]] * দুন যে আত্মবিশ্বাস জোগায় তা হলো নিজের পথে চলার সাহস, প্রয়োজনে একাকী... ** [[w:রাজীব গান্ধী|রাজীব গান্ধী]] (১৯৮৫), ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, ''দুন: দ্য স্টোরি অফ এ স্কুল'' বইয়ে। ** {{cite web|author= |url=http://articles.timesofindia.indiatimes.com/2004-07-04/special-report/27167119_1_doon-headmaster-kanti-bajpai-rajiv-gandhi |title=টাফ গাইজ, নট লিটল বাবালোগ - টাইমস অফ ইন্ডিয়া |publisher=Articles.timesofindia.indiatimes.com |date= |accessdate=2012-05-12}} * এই জায়গার সাথে আমার কোনো সম্পর্ক থাকলে আমি এটি বন্ধ করে দিতাম। ** [[w:মোরারজি দেশাই|মোরারজি দেশাই]], ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, সরকারের মধ্যে দুন-শিক্ষিত আমলাদের আধিক্য দেখে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। *** {{cite web|author= |url=https://www.washingtonpost.com/archive/opinions/1985/11/24/where-indias-elite-were-boys-together/0579f3d9-1835-4441-b1b1-a55e3111bdc3/ |title=হোয়ার ইন্ডিয়াস এলিট ওয়ার বয়েজ টুগেদার |publisher=washingtonpost.com |date= |accessdate=2020-04-06}} * ছেলেদের দুন থেকে এক অভিজাততন্ত্রের সদস্য হিসেবে বের হওয়া উচিত, তবে এটি অবশ্যই সেবার অভিজাততন্ত্র হতে হবে যা নিঃস্বার্থ ভাবনায় অনুপ্রাণিত, সুযোগ-সুবিধা, সম্পদ বা পদের অভিজাততন্ত্র নয়। ** [[w:আর্থার ফুট|আর্থার ফুট]] (১৯৩৫) {{cite web|url=http://www.dnaindia.com/academy/interview_doon-school-is-popular-for-building-an-aristocracy-of-service_1392063 |title=দুন স্কুল ইজ পপুলার ফর বিল্ডিং অ্যান 'অ্যারিস্টোক্রেসি অফ সার্ভিস' - একাডেমি - ডিএনএ |publisher=Dnaindia.com |date=2010-06-05 |accessdate=2012-05-12}} * ১৪ বছর বয়সের মধ্যে তাকে সামাজিক আচরণের সমস্ত সাধারণ নীতিগুলো শিখে নিতে হবে। তাকে জানতে হবে কীভাবে দাঁড়াতে হয় এবং বিভিন্ন ধরনের মানুষের সাথে কথা বলতে হয় – নিজের মায়ের সাথে, অন্যের মায়ের সাথে, বাবার সাথে, স্কুলের শিক্ষকদের সাথে, ভৃত্যদের সাথে, মহাত্মা গান্ধী বা ভাইসরয়ের সাথে এবং এটি করতে হবে কোনো জড়তা ছাড়াই... চৌদ্দ বছর বয়সে একটি ছেলের ভাষা, গাণিতিক ক্ষমতা এবং সামাজিক আচরণের ক্ষেত্রে দক্ষতার একটি কাঠামো তৈরি করে ফেলা উচিত। সেই বয়সের পরে সে যেন কেবল কাঠামোর নকশাটি পূর্ণ করছে। সংক্ষেপে সে রুচি চর্চা করতে শিখছে... ১৬ বছর বয়সে সে রুচি অর্জন করে, সুন্দর এবং কুৎসিত, শক্তিশালী এবং দুর্বল, ভালো এবং মন্দের বোধ অর্জন করে... ১৭ বছর বয়সে আরেকটি গুণ আসতে হবে যা কম সহজাত এবং একটি পরিপক্ক মনের প্রয়োজন: তাকে বিচার করার ক্ষমতা অর্জন করতে হবে। ** আর্থার ফুট, দুন স্কুলের একজন শিক্ষার্থীর মধ্যে যে মূল্যবোধগুলো গেঁথে দেওয়া উচিত সে সম্পর্কে বলছেন। ** দুন স্কুল ওল্ড বয়েজ সোসাইটি দ্বারা প্রকাশিত ''দ্য দুন স্কুল সিক্সটি ইয়ারস অন''-এর একটি প্রবন্ধে উদ্ধৃত, অক্টোবর ১৯৯৬। * স্কুল ছাড়ার পর অনেক বছর ধরে আমি দুনকে এক ধরনের জঙ্গল মনে করতাম এবং শিউরে উঠে সেই সময়ের কথা ভাবতাম। পড়াশোনা ও পড়ার প্রতি আগ্রহের কারণে, খেলার প্রতি অনীহার কারণে, দল বা গ্রুপে যোগ দিতে না চাওয়ার কারণে, আমার উচ্চতার কারণে এবং সবচেয়ে বড় কথা – যখন আমাকে উত্ত্যক্ত করা হতো তখন আমি খুব রেগে যেতাম বলে সহপাঠী ও বড় ভাইদের কাছে আমি লাঞ্ছিত ও বুলিংয়ের শিকার হতাম। নিঃসন্দেহে, কিশোর বয়সে আমি যদি বিষয়গুলো নিয়ে আরও সহজ হতাম অথবা আমার যদি রসবোধ বেশি থাকত, তবে পরিস্থিতি এতটা খারাপ হতো না। তবে আমি তেমন ছিলাম না, আর তাই পরিস্থিতি খারাপই ছিল। আমাকে এখানে পাঠাতে আমার বাবা-মা অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন। তাদের হাতে খুব বেশি টাকা ছিল না। আমাকে দুনে পাঠানো সম্ভবত তাদের করা সেরা বিনিয়োগ ছিল। ** [[বিক্রম শেঠ]] (১৯৯৩), {{cite web|url=http://www.nytimes.com/1993/05/02/magazine/vikram-seth-s-big-book.html?pagewanted=all&src=pm |title=বিক্রম শেঠস বিগ বুক |publisher=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |date=1993-05-02 |accessdate=2012-07-05}} * দুন হলো ভিক্টোরীয় যুগের একলিঙ্গীয় একটি ধ্বংসাবশেষ। একে সহ-শিক্ষা (কো-এডুকেশনাল) করুন! ** [[w:মণি শঙ্কর আইয়ার|মণি শঙ্কর আইয়ার]], [http://articles.timesofindia.indiatimes.com/2007-10-07/india/27971669_1_doon-school-union-minister-day-address মেক দুন স্কুল কো-এডুকেশনাল: আইয়ার - টাইমস অফ ইন্ডিয়া] * দুন স্কুলে পড়াশোনা করা থেকে মেয়েদের বঞ্চিত করা উচিত নয়। ** [[w:প্রতিভা পাতিল|প্রতিভা পাতিল]], ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, [http://www.business-standard.com/india/news/president-rekindles-doon-co-ed-debate/412516/ প্রেসিডেন্ট রিকিন্ডলস দুন কো-এড ডিবেট] * এটি বলা ভুল হবে না যে ভারতীয় পর্বতারোহণের ভিত্তি দুন স্কুলের শিক্ষক এবং ছাত্রদের দ্বারাই স্থাপিত হয়েছিল। ** [[w:বি জি ভার্গিস|বি জি ভার্গিস]], ''ফর হিলস টু ক্লাইম্ব'' বইয়ে দুন স্কুলের শিক্ষক যেমন [[w:আর.এল. হোল্ডসওয়ার্থ|আর.এল. হোল্ডসওয়ার্থ]], [[w:গুরদিয়াল সিং (পর্বতারোহী)|গুরদিয়াল সিং]], [[w:জ্যাক গিবসন (শিক্ষক)|জ্যাক গিবসন]] এবং [[w:জে.এ.কে. মারিন|জে.এ.কে. মারিনের]] পর্বতারোহণের সাফল্যের কথা উল্লেখ করার সময়। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসংকলন|Category:The Doon School}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী}} * [http://www.doonschool.com অফিসিয়াল ওয়েবসাইট] * [http://maps.google.co.in/maps?um=1&ie=UTF-8&q=doon+school&fb=1&gl=in&hq=doon+school&cid=0,0,12693993261399149332&ei=jwQKT6qOHdHJmAX2vb2kAg&sa=X&oi=local_result&ct=image&ved=0CAkQ_BI গুগল ম্যাপে দ্য দুন স্কুল] * [http://www.dsmun.com/ দ্য দুন স্কুল মডেল ইউনাইটেড নেশনস ওয়েবসাইট] * [http://www.doonschool.com/doon_gallery/gallery.html দ্য দুন স্কুল ভার্চুয়াল ট্যুর] [[বিষয়শ্রেণী:এশিয়ার বিদ্যালয়]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে শিক্ষা]] 388qxvt3auzvwvlvs7mkfzpjmpyhsnc 78609 78607 2026-04-19T14:33:45Z Tuhin 172 /* তথ্যসূত্র */ 78609 wikitext text/x-wiki [[File:The Doon School Main Building - Karam Puri.jpg|thumb|১৮৫পিক্সেল|ডান|দ্য দুন স্কুলের প্রধান ভবন]] '''[[w:দ্য দুন স্কুল|দ্য দুন স্কুল]]''' হলো ভারতের [[w:দেরাদুন|দেরাদুনে]] অবস্থিত একটি স্বতন্ত্র ছেলেদের [[w:বোর্ডিং স্কুল|বোর্ডিং স্কুল]], যা ১৯৩৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। দুন স্কুলের প্রাক্তন ছাত্রদের সাধারণত "ডোসকোস" বলা হয়। তাদের মধ্যে ভারতের বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়িক নেতা এবং একজন প্রধানমন্ত্রী অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। == তথ্যসূত্র == [[File:Pratibha Patil, ex-President of India, speaking at The Doon School.jpg|thumb|"দুন স্কুলে সহ-শিক্ষা চালু করুন"<br> — [[w:প্রতিভা পাতিল|প্রতিভা পাতিল]], ভারতের রাষ্ট্রপতি, অক্টোবর ২০১০-এ দুন স্কুলের প্ল্যাটিনাম জুবিলিতে বক্তব্য রাখছেন।]] * দুন যে আত্মবিশ্বাস জোগায় তা হলো নিজের পথে চলার সাহস, প্রয়োজনে একাকী... ** [[w:রাজীব গান্ধী|রাজীব গান্ধী]] (১৯৮৫), ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, ''দুন: দ্য স্টোরি অফ এ স্কুল'' বইয়ে। ** {{cite web|author= |url=http://articles.timesofindia.indiatimes.com/2004-07-04/special-report/27167119_1_doon-headmaster-kanti-bajpai-rajiv-gandhi |title=টাফ গাইজ, নট লিটল বাবালোগ - টাইমস অফ ইন্ডিয়া |publisher=টাইমস অফ ইন্ডিয়া|date= |accessdate=2012-05-12}} * এই জায়গার সাথে আমার কোনো সম্পর্ক থাকলে আমি এটি বন্ধ করে দিতাম। ** [[w:মোরারজি দেশাই|মোরারজি দেশাই]], ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, সরকারের মধ্যে দুন-শিক্ষিত আমলাদের আধিক্য দেখে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। *** {{cite web|author= |url=https://www.washingtonpost.com/archive/opinions/1985/11/24/where-indias-elite-were-boys-together/0579f3d9-1835-4441-b1b1-a55e3111bdc3/ |title=হোয়ার ইন্ডিয়াস এলিট ওয়ার বয়েজ টুগেদার |publisher=ওয়াশিংটন পোস্ট|date= |accessdate=2020-04-06}} * ছেলেদের দুন থেকে এক অভিজাততন্ত্রের সদস্য হিসেবে বের হওয়া উচিত, তবে এটি অবশ্যই সেবার অভিজাততন্ত্র হতে হবে যা নিঃস্বার্থ ভাবনায় অনুপ্রাণিত, সুযোগ-সুবিধা, সম্পদ বা পদের অভিজাততন্ত্র নয়। ** [[w:আর্থার ফুট|আর্থার ফুট]] (১৯৩৫) {{cite web|url=http://www.dnaindia.com/academy/interview_doon-school-is-popular-for-building-an-aristocracy-of-service_1392063 |title=দুন স্কুল ইজ পপুলার ফর বিল্ডিং অ্যান 'অ্যারিস্টোক্রেসি অফ সার্ভিস' - একাডেমি - ডিএনএ |publisher=ডিএনএ ইন্ডিয়া |date=2010-06-05 |accessdate=2012-05-12}} * ১৪ বছর বয়সের মধ্যে তাকে সামাজিক আচরণের সমস্ত সাধারণ নীতিগুলো শিখে নিতে হবে। তাকে জানতে হবে কীভাবে দাঁড়াতে হয় এবং বিভিন্ন ধরনের মানুষের সাথে কথা বলতে হয় – নিজের মায়ের সাথে, অন্যের মায়ের সাথে, বাবার সাথে, স্কুলের শিক্ষকদের সাথে, ভৃত্যদের সাথে, মহাত্মা গান্ধী বা ভাইসরয়ের সাথে এবং এটি করতে হবে কোনো জড়তা ছাড়াই... চৌদ্দ বছর বয়সে একটি ছেলের ভাষা, গাণিতিক ক্ষমতা এবং সামাজিক আচরণের ক্ষেত্রে দক্ষতার একটি কাঠামো তৈরি করে ফেলা উচিত। সেই বয়সের পরে সে যেন কেবল কাঠামোর নকশাটি পূর্ণ করছে। সংক্ষেপে সে রুচি চর্চা করতে শিখছে... ১৬ বছর বয়সে সে রুচি অর্জন করে, সুন্দর এবং কুৎসিত, শক্তিশালী এবং দুর্বল, ভালো এবং মন্দের বোধ অর্জন করে... ১৭ বছর বয়সে আরেকটি গুণ আসতে হবে যা কম সহজাত এবং একটি পরিপক্ক মনের প্রয়োজন: তাকে বিচার করার ক্ষমতা অর্জন করতে হবে। ** আর্থার ফুট, দুন স্কুলের একজন শিক্ষার্থীর মধ্যে যে মূল্যবোধগুলো গেঁথে দেওয়া উচিত সে সম্পর্কে বলছেন। ** দুন স্কুল ওল্ড বয়েজ সোসাইটি দ্বারা প্রকাশিত ''দ্য দুন স্কুল সিক্সটি ইয়ারস অন''-এর একটি প্রবন্ধে উদ্ধৃত, অক্টোবর ১৯৯৬। * স্কুল ছাড়ার পর অনেক বছর ধরে আমি দুনকে এক ধরনের জঙ্গল মনে করতাম এবং শিউরে উঠে সেই সময়ের কথা ভাবতাম। পড়াশোনা ও পড়ার প্রতি আগ্রহের কারণে, খেলার প্রতি অনীহার কারণে, দল বা গ্রুপে যোগ দিতে না চাওয়ার কারণে, আমার উচ্চতার কারণে এবং সবচেয়ে বড় কথা – যখন আমাকে উত্ত্যক্ত করা হতো তখন আমি খুব রেগে যেতাম বলে সহপাঠী ও বড় ভাইদের কাছে আমি লাঞ্ছিত ও বুলিংয়ের শিকার হতাম। নিঃসন্দেহে, কিশোর বয়সে আমি যদি বিষয়গুলো নিয়ে আরও সহজ হতাম অথবা আমার যদি রসবোধ বেশি থাকত, তবে পরিস্থিতি এতটা খারাপ হতো না। তবে আমি তেমন ছিলাম না, আর তাই পরিস্থিতি খারাপই ছিল। আমাকে এখানে পাঠাতে আমার বাবা-মা অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন। তাদের হাতে খুব বেশি টাকা ছিল না। আমাকে দুনে পাঠানো সম্ভবত তাদের করা সেরা বিনিয়োগ ছিল। ** [[বিক্রম শেঠ]] (১৯৯৩), {{cite web|url=http://www.nytimes.com/1993/05/02/magazine/vikram-seth-s-big-book.html?pagewanted=all&src=pm |title=বিক্রম শেঠস বিগ বুক |publisher=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস |date=1993-05-02 |accessdate=2012-07-05}} * দুন হলো ভিক্টোরীয় যুগের একলিঙ্গীয় একটি ধ্বংসাবশেষ। একে সহ-শিক্ষা (কো-এডুকেশনাল) করুন! ** [[w:মণি শঙ্কর আইয়ার|মণি শঙ্কর আইয়ার]], [http://articles.timesofindia.indiatimes.com/2007-10-07/india/27971669_1_doon-school-union-minister-day-address মেক দুন স্কুল কো-এডুকেশনাল: আইয়ার - টাইমস অফ ইন্ডিয়া] * দুন স্কুলে পড়াশোনা করা থেকে মেয়েদের বঞ্চিত করা উচিত নয়। ** [[w:প্রতিভা পাতিল|প্রতিভা পাতিল]], ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, [http://www.business-standard.com/india/news/president-rekindles-doon-co-ed-debate/412516/ প্রেসিডেন্ট রিকিন্ডলস দুন কো-এড ডিবেট] * এটি বলা ভুল হবে না যে ভারতীয় পর্বতারোহণের ভিত্তি দুন স্কুলের শিক্ষক এবং ছাত্রদের দ্বারাই স্থাপিত হয়েছিল। ** [[w:বি জি ভার্গিস|বি জি ভার্গিস]], ''ফর হিলস টু ক্লাইম্ব'' বইয়ে দুন স্কুলের শিক্ষক যেমন [[w:আর.এল. হোল্ডসওয়ার্থ|আর.এল. হোল্ডসওয়ার্থ]], [[w:গুরদিয়াল সিং (পর্বতারোহী)|গুরদিয়াল সিং]], [[w:জ্যাক গিবসন (শিক্ষক)|জ্যাক গিবসন]] এবং [[w:জে.এ.কে. মারিন|জে.এ.কে. মারিনের]] পর্বতারোহণের সাফল্যের কথা উল্লেখ করার সময়। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসংকলন|Category:The Doon School}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী}} * [http://www.doonschool.com অফিসিয়াল ওয়েবসাইট] * [http://maps.google.co.in/maps?um=1&ie=UTF-8&q=doon+school&fb=1&gl=in&hq=doon+school&cid=0,0,12693993261399149332&ei=jwQKT6qOHdHJmAX2vb2kAg&sa=X&oi=local_result&ct=image&ved=0CAkQ_BI গুগল ম্যাপে দ্য দুন স্কুল] * [http://www.dsmun.com/ দ্য দুন স্কুল মডেল ইউনাইটেড নেশনস ওয়েবসাইট] * [http://www.doonschool.com/doon_gallery/gallery.html দ্য দুন স্কুল ভার্চুয়াল ট্যুর] [[বিষয়শ্রেণী:এশিয়ার বিদ্যালয়]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে শিক্ষা]] 3b2zw36rqfc4fzkcc1jubus5jzc6q2u আলাপ:দ্য দুন স্কুল 1 12892 78608 2026-04-19T14:31:33Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78608 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm ভারতের দুর্গ 0 12893 78611 2026-04-19T14:42:54Z Tuhin 172 + 78611 wikitext text/x-wiki [[File:Gwalior fort panorama.jpg|alt=|thumb|গোয়ালিয়র কেল্লা]] '''[[w:ভারতের দুর্গ|ভারতে দুর্গের]]''' অস্তিত্বের প্রমাণ দলিলাদি এবং খননকার্যের মাধ্যমে পাওয়া গেছে। মধ্যযুগে দুর্গের স্থাপত্যে হিন্দু এবং মুসলিম উভয় প্রভাবই বিদ্যমান ছিল। ব্রিটিশদের তৈরি দুর্গগুলো শুরুতে সাধারণ নকশার ছিল। বর্তমানে টিকে থাকা দুর্গগুলো ক্রমাগত সংস্কার করা হচ্ছে এবং এগুলোর অনেকগুলোই এখন ব্যক্তিগত মালিকানাধীন। == উক্তি == * '''দুর্গ হলো স্বরাজ্যের ভিত্তি।''' ** রামচন্দ্রপান্ত অমাত্য; [https://archive.is/xD3gv হাউ ছত্রপতি শিবাজি স্কেলড দ্য গ্রেট মারাঠা হাইটস ইউজিং হিল ফোর্টস] নিবন্ধে উদ্ধৃত। * এটি সত্য যে ঋগ্বেদ আমাদের এই দুর্গগুলোর অভ্যন্তরীণ বিন্যাসের বিস্তারিত বিবরণ দেয় না, তবে এই গ্রন্থটি নিশ্চিতভাবেই স্থাপত্যবিদ্যার (বাস্তুশাস্ত্র) ওপর কোনো গবেষণাপত্র হওয়ার জন্য রচিত হয়নি। এটি মনে রাখা প্রয়োজন যে, এটি মূলত দেবতাদের কাছে প্রার্থনার একটি সংকলন এবং একে সেই হিসেবেই দেখা উচিত। তৎকালীন মানুষের বস্তুগত সংস্কৃতি সম্পর্কে এটি যে প্রমাণ দেয় তা কেবল প্রাসঙ্গিকভাবেই এসেছে। ** ঋগ্বেদে বর্ণিত দুর্গ সম্পর্কে। ** বি.বি. লাল, ''আরিয়ান ইনভেসন অফ ইন্ডিয়া, পারপেচুয়েশন অফ এ মিথ''। ব্রায়ান, ই. এফ., এবং প্যাটন, এল. এল. (২০০৫) রচিত দ্য ইন্দো-আরিয়ান কন্ট্রোভার্সি: এভিডেন্স অ্যান্ড ইনফারেন্স ইন ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি, রাউটলেজ ৬৭-এ উদ্ধৃত। === ঋগ্বেদ === * কাঁচা ইটের দুর্গে অনেক দূরে ** ঋগ্বেদ ২.৩৫.৬ * দিবোদাসের জন্য, যিনি নৈবেদ্য এনেছিলেন, ইন্দ্র পাথরের একশটি দুর্গ ধ্বংস করেছিলেন। ** ঋগ্বেদ ৪.৩০.২০ (গ্রিফিথ ১৯৭৩, পুনর্মুদ্রণ: ২২১); ব্রায়ান, ই. এফ., এবং প্যাটন, এল. এল. (২০০৫) রচিত দ্য ইন্দো-আরিয়ান কন্ট্রোভার্সি: এভিডেন্স অ্যান্ড ইনফারেন্স ইন ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি, রাউটলেজ ৬৬-এ। * এবং, হে অপরাজেয়, তুমি আমাদের জন্য মানুষের প্রতিরক্ষার জন্য একশ দেয়াল বিশিষ্ট এক বিশাল লোহার দুর্গ হও। ** ঋগ্বেদ ৭.১৫.১৪ (গ্রিফিথ ১৯৭৩, পুনর্মুদ্রণ: ৩৪০); ব্রায়ান, ই. এফ., এবং প্যাটন, এল. এল. (২০০৫) রচিত দ্য ইন্দো-আরিয়ান কন্ট্রোভার্সি: এভিডেন্স অ্যান্ড ইনফারেন্স ইন ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি, রাউটলেজ ৬৬-এ। * . . . বুনন করো তোমরা [হে দেবতারা] বর্মের আবরণ, যা প্রশস্ত এবং অনেক; তৈরি করো লোহার দুর্গ, যা সকল আক্রমণকারী থেকে নিরাপদ। ** ঋগ্বেদ ১০.১০১.৮ (গ্রিফিথ ১৯৭৩, পুনর্মুদ্রণ: ৬১৫); ব্রায়ান, ই. এফ., এবং প্যাটন, এল. এল. (২০০৫) রচিত দ্য ইন্দো-আরিয়ান কন্ট্রোভার্সি: এভিডেন্স অ্যান্ড ইনফারেন্স ইন ইন্ডিয়ান হিস্ট্রি, রাউটলেজ ৬৬-এ। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের ভবন ও স্থাপনা]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের দুর্গ| ]] 7zsnnj6fhnzqtu8b8s4to8zog2bub9j স্ট্যাচু অব ইউনিটি 0 12894 78614 2026-04-19T14:59:51Z Tuhin 172 + 78614 wikitext text/x-wiki [[File:Statue of Unity, as dedicated on October 31, 2018 (cropped).jpg|thumb|স্ট্যাচু অব ইউনিটি, ৩১ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে উৎসর্গ করা হয়েছে]] '''[[w:স্ট্যাচু অব ইউনিটি|স্ট্যাচু অব ইউনিটি]]''' হলো ভারতীয় রাষ্ট্রনায়ক এবং স্বাধীনতা সংগ্রামী [[সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল]] (১৮৭৫–১৯৫০)-এর একটি বিশাল ভাস্কর্য। তিনি স্বাধীন [[ভারত|ভারতের]] প্রথম উপপ্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন এবং অহিংস ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় [[মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা গান্ধীর]] প্রধান অনুসারী ছিলেন। == উক্তি == * "স্ট্যাচু অব ইউনিটি হলো তাদের সবার জন্য একটি উত্তর, যারা ভারতের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে। এই ভাস্কর্যের উচ্চতা যুবসমাজকে মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য যে, দেশের ভবিষ্যতও এই ভাস্কর্যের মতোই বিশাল হবে। এটি আমাদের প্রকৌশল এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতারও প্রতীক।" ** স্ট্যাচু অব ইউনিটি উদ্বোধনের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। [https://starofmysore.com/pm-narendra-modi-unveils-statue-of-unity/ পিএম নরেন্দ্র মোদি আনভেইলস স্ট্যাচু অব ইউনিটি।] * "স্ট্যাচু অব ইউনিটি প্রবেশযোগ্যতার প্রায় সব প্রয়োজনীয়তা পূরণ করে। কনভেয়ার বেল্ট, ব্রেইল বাটনসহ লিফট, প্রশস্ত করিডোর, দিকনির্দেশক চিহ্ন, হুইলচেয়ার সুবিধা এবং সহজলভ্য পানীয় জল ও টয়লেটের মতো বৈশিষ্ট্যগুলো স্ট্যাচু অব ইউনিটিতে রয়েছে, যা সর্বজনীনভাবে অনুসরণ করা প্রয়োজন।" ** প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ক্ষমতায়ন বিভাগের সচিব শকুন্তলা ডি গামলিন। [https://www.dailypioneer.com/2020/india/statue-of-unity-to-get-divyang-friendly.html স্ট্যাচু অব ইউনিটি টু গেট দিব্যাঙ্গ ফ্রেন্ডলি] * "স্ট্যাচু অফ ইউনিটি কেভাদিয়াকে বিশ্ব মানচিত্রে স্থান করে দিয়েছে, যা একে ভবিষ্যতের সবচেয়ে আলোচিত গন্তব্যে পরিণত করেছে। এই স্মৃতিস্তম্ভটি বিশ্ব মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, যা আন্তর্জাতিকভাবে এর পরিচিতি ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করেছে। যেহেতু স্ট্যাচু অফ ইউনিটি একটি বৈশ্বিক আইকনিক স্মারক হয়ে উঠেছে, তাই এর জনপ্রিয়তা বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের আকর্ষণ করবে। আমরা ভ্রমণকারীদের জন্য আকর্ষণীয় প্যাকেজ নিয়েও প্রস্তুত আছি, যা আমাদের টেন্ট সিটি নর্মদায় এক অনন্য অভিজ্ঞতা প্রদান করবে; যা বিলাসিতা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা।" ** শ্রী কমলেশ প্যাটেল, চেয়ারম্যান, টিসিজিএল। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মারক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভাস্কর্য|ইউনিটি]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্ব রেকর্ডধারী]] [[বিষয়শ্রেণী:গুজরাট]] 3ksbbukn0rko7fawtjgchdhfcgx8wnh 78617 78614 2026-04-19T15:02:32Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:গুজরাট]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:গুজরাত]] যোগ 78617 wikitext text/x-wiki [[File:Statue of Unity, as dedicated on October 31, 2018 (cropped).jpg|thumb|স্ট্যাচু অব ইউনিটি, ৩১ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে উৎসর্গ করা হয়েছে]] '''[[w:স্ট্যাচু অব ইউনিটি|স্ট্যাচু অব ইউনিটি]]''' হলো ভারতীয় রাষ্ট্রনায়ক এবং স্বাধীনতা সংগ্রামী [[সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল]] (১৮৭৫–১৯৫০)-এর একটি বিশাল ভাস্কর্য। তিনি স্বাধীন [[ভারত|ভারতের]] প্রথম উপপ্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন এবং অহিংস ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় [[মহাত্মা গান্ধী|মহাত্মা গান্ধীর]] প্রধান অনুসারী ছিলেন। == উক্তি == * "স্ট্যাচু অব ইউনিটি হলো তাদের সবার জন্য একটি উত্তর, যারা ভারতের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে। এই ভাস্কর্যের উচ্চতা যুবসমাজকে মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য যে, দেশের ভবিষ্যতও এই ভাস্কর্যের মতোই বিশাল হবে। এটি আমাদের প্রকৌশল এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতারও প্রতীক।" ** স্ট্যাচু অব ইউনিটি উদ্বোধনের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। [https://starofmysore.com/pm-narendra-modi-unveils-statue-of-unity/ পিএম নরেন্দ্র মোদি আনভেইলস স্ট্যাচু অব ইউনিটি।] * "স্ট্যাচু অব ইউনিটি প্রবেশযোগ্যতার প্রায় সব প্রয়োজনীয়তা পূরণ করে। কনভেয়ার বেল্ট, ব্রেইল বাটনসহ লিফট, প্রশস্ত করিডোর, দিকনির্দেশক চিহ্ন, হুইলচেয়ার সুবিধা এবং সহজলভ্য পানীয় জল ও টয়লেটের মতো বৈশিষ্ট্যগুলো স্ট্যাচু অব ইউনিটিতে রয়েছে, যা সর্বজনীনভাবে অনুসরণ করা প্রয়োজন।" ** প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ক্ষমতায়ন বিভাগের সচিব শকুন্তলা ডি গামলিন। [https://www.dailypioneer.com/2020/india/statue-of-unity-to-get-divyang-friendly.html স্ট্যাচু অব ইউনিটি টু গেট দিব্যাঙ্গ ফ্রেন্ডলি] * "স্ট্যাচু অফ ইউনিটি কেভাদিয়াকে বিশ্ব মানচিত্রে স্থান করে দিয়েছে, যা একে ভবিষ্যতের সবচেয়ে আলোচিত গন্তব্যে পরিণত করেছে। এই স্মৃতিস্তম্ভটি বিশ্ব মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে, যা আন্তর্জাতিকভাবে এর পরিচিতি ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করেছে। যেহেতু স্ট্যাচু অফ ইউনিটি একটি বৈশ্বিক আইকনিক স্মারক হয়ে উঠেছে, তাই এর জনপ্রিয়তা বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের আকর্ষণ করবে। আমরা ভ্রমণকারীদের জন্য আকর্ষণীয় প্যাকেজ নিয়েও প্রস্তুত আছি, যা আমাদের টেন্ট সিটি নর্মদায় এক অনন্য অভিজ্ঞতা প্রদান করবে; যা বিলাসিতা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা।" ** শ্রী কমলেশ প্যাটেল, চেয়ারম্যান, টিসিজিএল। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের স্মৃতিস্তম্ভ ও স্মারক]] [[বিষয়শ্রেণী:ভাস্কর্য|ইউনিটি]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্ব রেকর্ডধারী]] [[বিষয়শ্রেণী:গুজরাত]] 4sk12fzntwne87ukschve89vq6hpyld সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল 0 12895 78616 2026-04-19T15:01:05Z Tuhin 172 [[বল্লভভাই পটেল]]-এ পুনর্নির্দেশ করা হল 78616 wikitext text/x-wiki #পুননির্দেশ [[বল্লভভাই পটেল]] 0c8k49mq73x041ei1dp8k1wbnlup5b4 আলাপ:ভারতের দুর্গ 1 12896 78618 2026-04-19T15:02:55Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78618 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm আলাপ:স্ট্যাচু অব ইউনিটি 1 12897 78619 2026-04-19T15:03:04Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78619 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm আলাপ:ছাতা 1 12898 78625 2026-04-19T15:19:37Z Salil Kumar Mukherjee 39 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78625 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm আলিগড় 0 12899 78626 2026-04-19T15:26:41Z Tuhin 172 + 78626 wikitext text/x-wiki '''[[w:আলিগড়|আলিগড়]]''' (আগে যার নাম ছিল অলিগড় এবং '''কোল''') হলো ভারতের উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের একটি শহর, যা তার তালা শিল্পের জন্য বিখ্যাত। এটি আলিগড় জেলার প্রশাসনিক সদর দপ্তর। এটি কানপুর থেকে ৩০৭ কিলোমিটার (১৯১ মাইল) উত্তর-পশ্চিমে এবং রাজধানী নতুন দিল্লি থেকে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার (৯০ মাইল) দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত। আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই শহরটি উত্তরপ্রদেশের ৮ম এবং ভারতের ৫৫তম বৃহত্তম শহর। == উক্তি == * 'কোলের আশেপাশে একটি নির্দিষ্ট উপজাতি ছিল যারা অনেক ঝামেলার সৃষ্টি করেছিল'। 'তাদের মাথা দিয়ে স্বর্গের মতো উঁচু তিনটি বুরুজ তৈরি করা হয়েছিল এবং তাদের মৃতদেহ শিকারি পশুদের খাদ্যে পরিণত হয়েছিল। সেই এলাকাটি [[প্রতিমা]] এবং প্রতিমাপূজা থেকে মুক্ত করা হয়েছিল এবং কুফরের ভিত্তি ধ্বংস করা হয়েছিল'। ** আলিগড় (উত্তরপ্রদেশ)। হাসান নিজামী: তাজুল মাসির; এলিয়ট এবং ডওসন, খণ্ড ২: এলিয়ট এবং ডওসন, [[হিস্ট্রি অফ ইন্ডিয়া এজ টোল্ড বাই ইটস ওউন হিস্টোরিয়ানস]], ৮ খণ্ড, এলাহাবাদ পুনর্মুদ্রণ, ১৯৬৪, পৃ. ২২৪। * সমাজের উচ্চস্তরের একজন ভদ্র রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার বেড়ে ওঠা তাকে খুব কমই রাগ বা [[কুসংস্কার]] দ্বারা প্রভাবিত হতে দিত। তিনি একজন একনিষ্ঠ কংগ্রেস সদস্য ছিলেন এবং [[ধর্মনিরপেক্ষতা]]র প্রতি তার গভীর অঙ্গীকার ছিল... জীবনের পরবর্তী সময়ে তাকে "সাম্প্রদায়িক" আখ্যা পেতে হয়েছিল কারণ তিনি [[w:আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়|আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে]] শিক্ষিত তরুণ [[মুসলমান|মুসলমানদের]] কংগ্রেসের দিকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেছিলেন – যে ক্যাম্পাসটি তখন [[w:মুসলিম লীগ|মুসলিম লীগের]] সাম্প্রদায়িক আদর্শ দ্বারা প্রভাবিত বলে মনে করা হতো। ** ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ সম্পর্কে। শারদা দুবে: [http://books.google.co.in/books?id=ToBFJZiRsxMC&pg=PA47 ফার্স্ট অ্যামাং ইকুয়ালস প্রেসিডেন্ট অফ ইন্ডিয়া], ওয়েস্টল্যান্ড, ২০০৯। * "কুতুবউদ্দিন, যার মন্দির ধ্বংস করার খ্যাতি মুহাম্মদ ঘুরির প্রায় সমান ছিল, তিনি দ্বাদশ শতাব্দীর শেষার্ধে এবং ত্রয়োদশ শতাব্দীর শুরুর দিকে ধর্মান্তরিত করার জন্য বারবার বলপ্রয়োগ করেছিলেন। একটি উদাহরণের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে: যখন তিনি ১১৯৪ খ্রিস্টাব্দে কোল (আলিগড়) আক্রমণ করেন, তখন 'দুর্গের রক্ষীদের মধ্যে যারা বুদ্ধিমান এবং বিচক্ষণ ছিল তারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিল, তবে অন্যরা তলোয়ারের আঘাতে নিহত হয়েছিল'।" ** ডক্টর মারে টাইটাস; [[বি আর আম্বেদকর|বি.আর. আম্বেদকর]] রচিত পাকিস্তান অর দ্য পার্টিশন অফ ইন্ডিয়া (১৯৪৬) থেকে উদ্ধৃত। (বিকল্প অনুবাদ: “দুর্গের রক্ষীদের মধ্যে যারা বুদ্ধিমান এবং বিচক্ষণ ছিল তারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিল, তবে যারা তাদের প্রাচীন বিশ্বাসের ওপর অটল ছিল তারা তলোয়ারের আঘাতে নিহত হয়েছিল”। লাল, কে. এস. (১৯৯০), ইন্ডিয়ান মুসলিমস: হু আর দে। মূল উক্তিটি হাসান নিজামীর তাজ-উল-মাসির থেকে নেওয়া হয়েছে, ই. ডি. [https://archive.org/stream/cu31924073036729#page/n237/mode/2up/])। * এটিও উল্লেখযোগ্য যে, স্যার সৈয়দ আহমেদ খান যখন ১৮৭৫ সালে আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন, তখন এটি নিম্নবর্ণের মুসলমানদের ভর্তি নিষিদ্ধ করেছিল। ** [[রাজীব মালহোত্রা|মালহোত্রা, আর.]] এবং বিশ্বনাথন ভি. (২০২২)। ''স্নেকস ইন দ্য গঙ্গা: ব্রেকিং ইন্ডিয়া ২.০''; কাপুর, কমলেশ ২০১০: পোর্ট্রেটস অফ এ নেশন: হিস্ট্রি অফ অ্যানসিয়েন্ট ইন্ডিয়া, নিউ দিল্লি: স্টার্লিং পাবলিশার্স থেকে উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:উত্তরপ্রদেশের শহর]] 7htvqdgsimup5ywh1wlcq5cs0a8j2up আলাপ:আলিগড় 1 12900 78627 2026-04-19T15:28:53Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78627 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm ব্যবহারকারী:Jemynokrek/খেলাঘর 2 12901 78629 2026-04-19T15:41:14Z Jemynokrek 5308 "[[File:Buy Acrylic paintings @rahultarafder.jpg|thumb|right|250px|চির-উন্নত শির: নজরুলের অমর বাণী]] =কাজী নজরুল ইসলাম= বাংলা– '''১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ , ইংরেজি ২৪ শে মে ১৮৯৯''' বাঙালির হৃদয়ে চিরমুখর বিদ্রোহী কবি '''কাজী নজরুল..." দিয়ে পাতা তৈরি 78629 wikitext text/x-wiki [[File:Buy Acrylic paintings @rahultarafder.jpg|thumb|right|250px|চির-উন্নত শির: নজরুলের অমর বাণী]] =কাজী নজরুল ইসলাম= বাংলা– '''১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ , ইংরেজি ২৪ শে মে ১৮৯৯''' বাঙালির হৃদয়ে চিরমুখর বিদ্রোহী কবি '''কাজী নজরুল ইসলাম''' জন্মগ্রহন করেন বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামের এক দরিদ্র পরিবারে । বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন একাধারে কবি ,''' ঔপন্যাসিক, নাটককার , সংগীতজ্ঞ এবং প্রগতিশীল চিন্তার অধিকারী '''। দুই বাংলাতেই তিনি সমানভাবে জনপ্রিয় । তাঁর লেখার মধ্যে একদিকে যেমন আছে বিদ্রোহী উন্মাদনা তেমনি অন্যদিকে আছে প্রেমের স্নিগ্ধতা । একদিকে তীব্র প্রতিবাদ অন্যদিকে মানবতার জয়গান । কবি নিজেই তাঁর বিদ্রোহী কবিতায় বলেছিলেন '''” মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী / আর হাতে রণতূর্য । ” '''— এখানেই তিনি নিজেকে স্পষ্ট করে দেন যে – তিনি গভীর মানব প্রেমিক , কিন্তু কোনোরকম অন্যায় , অবিচার , শোষণ , ভণ্ডামিকে মেনে নেবেন না । সেটা আমৃত্যু বজায় রেখেছিলেন । পরাধীন দেশে তাঁর তীক্ষ্ণ তরবারির চেয়েও ধারালো কলম ব্রিটিশ শাসকের ঘুম কেড়ে নিয়েছিল । অকুতোভয় এই বীর কবি শাসকের চোখ রাঙানিতে কখনো আপোস করেননি । সমাজে যে কোনো ধরনের অত্যাচারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল তার লেখনী । তিনি কবি হিসেবে অমরত্ব চান নি , তিনি আগে মানুষ তারপর কবি । তাই তো মানুষের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে সকল অনাচার , শোষণের সমাপ্তি চেয়েছিলেন । একইসঙ্গে গভীরভাবে আঁকড়ে ধরেছিলেন প্রেম , ভালোবাসা ও তীব্র প্রতিবাদ । '''মানুষ ও তার সমাজ , নারী , প্রেম , ধর্ম , রাজনীতি , বিদ্রোহ , উৎসাহ উদ্দীপনায় ভরা কাজী নজরুল ইসলামের অমর বাণীগুলি কবিতায় , গানে , নাটকে বিধৃত হয়ে আছে ।''' সেই বাণীগুলি আপামর বাঙালিকে প্রতিটি মুহূর্তে প্রাণিত করতে পারে । তাই কাজী নজরুল ইসলামের মূল্যবান কিছু উক্তি এখানে একত্র পরিবেশিত হল । == উক্তি ও কবিতার পঙ্‌ক্তি == === সাম্য ও বিদ্রোহ বিষয়ে কাজী নজরুল ইসলামের উক্তি সমূহ:=== # "গাহি সাম্যের গান— / যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধান, / যেখানে মিশেছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুসলিম-ক্রিস্টান।" ** উৎস: ''সাম্যবাদী'' (কবিতা), কাব্যগ্রন্থ: 'সাম্যবাদী'। ২."মহা-বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত / আমি সেই দিন হব শান্ত, / যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, / অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না—" ** উৎস: ''বিদ্রোহী'' (কবিতা), কাব্যগ্রন্থ: 'অগ্নি-বীণা'। ৩."মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণতূর্য।" ** উৎস: ''বিদ্রোহী'' (কবিতা), কাব্যগ্রন্থ: 'অগ্নি-বীণা। ৪."বিদ্রোহী মানে কাউকে মানা নয়, বিদ্রোহ মানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো। সত্যকে চেনা এবং মিথ্যাকে চূর্ণ করাই বিদ্রোহের মূল ধর্ম।" ** উৎস: ''নজরুল রচনাবলী'', প্রবন্ধ: 'যুগবাণী'। ৫."বিশ্ব যখন এগিয়ে চলেছে, আমরা তখনও বসে- বিবি তালাকের ফতোয়া খুঁজেছি, ফিকাহ ও হাদিস চষে।" ৬.”মরিছে হিন্দু, মরে মুসলিম এ উহার ঘায়ে আজ, বেঁচে আছে যারা মরিতেছে তারা, এ-মরণে নাহি লাজ! জেগেছে শক্তি তাই হানাহানি, অস্ত্রে অস্ত্রে নব জানাজানি! আজি পরীক্ষা-কাহার দস্ত হয়েছে, কত দরাজ! কে মরিবে কাল সম্মুখ-রণে, মরিতে কা’রা নারাজ!” (উৎস-‘হিন্দু- মুসলিম যুদ্ধ’ কবিতা) ৭.“বাহিরের স্বাধীনতা গিয়াছে বলিয়া অন্তরের স্বাধীনতাকেও আমরা যেন বিসর্জন না দিই।”-কাজী নজরুল ইসলাম ৮."বল বীর-বল উন্নত মম শির! শির নেহারি আমারি নতশির ওই শিখর হিমাদ্রির। বল বীর— বল মহাবিশ্বের মহাকাশ ফাড়ি’, চন্দ্র সূর্য গ্রহ তারা ছাড়ি’, ভূলোক দ্যুলোক গোলক ভেদিয়া, খোদার আসন ‘আরশ’ ছেদিয়া, উঠিয়াছি চির-বিস্ময় আমি বিশ্ববিধাত্রীর!" - কাজী নজরুল ইসলাম ( উৎস- ‘বিদ্রোহী’ কবিতা) ৯."মহা-বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত, আমি সেই দিন হব শান্ত, যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে-বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না— বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত, আমি সেই দিন হব শান্ত!" **উৎস: কবিতা: 'বিদ্রোহী' (কাব্যগ্রন্থ: অগ্নিবীণা) ১০."কারার ঐ লৌহ-কবাট, ভেঙে ফেল কর রে লোপাট, রক্ত-জমাট শিকল-পূজার পাষাণ-বেদী! ওরে ও তরুণ ঈশান! বাজা তোর প্রলয়-বিষাণ! ধ্বংস-নিশান উড়ুক প্রাচীর প্রাচীর ভেদি’।" **উৎস: কবিতা: 'কারার ঐ লৌহ-কবাট' (কাব্যগ্রন্থ: ভাঙ্গার গান) ১১."আমরা শক্তি আমরা বল, আমরা ছাত্রদল। মোদের পায়ের তলায় মূর্ছে তুফান, ঊর্ধ্বে বিমান গোল। আমরা ছাত্রদল! মোদের আঁধার রাতে বাধার পথে অমনি ধ্রুবতারা, আমরা তিমির-রাত্রি নাশি’ আনব নতুন ধারা!" **উৎস: কবিতা: 'ছাত্রদলের গান' ১২."আমি ধ্বংস, আমি পিনাক-পাণির শূল, আমি ধর্মরাজ-দণ্ড, আমি কাল-বৈশাখীর ঝড়, আমি বিদ্রোহী, আমি বিদ্রোহী-সূত বিশ্ব-বিধাত্রীর!" **উৎস: কবিতা: 'বিদ্রোহী' (কাব্যগ্রন্থ: অগ্নিবীণা) ১৩."ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা জীবনের জয়গান আসি’ অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে তারা, দিবে কোন বলিদান?” **( উৎস – ‘সর্বহারা’ কাব্যের ‘কান্ডারী হুঁশিয়ার’) ১৪."আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দিই পদ-চিহ্ন।” **( উৎস ‘ বিদ্রোহী’ কবিতা) ১৫."আমি বেদুইন, আমি চেঙ্গিস, আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কূর্ণিশ।”- **(উৎস ‘বিদ্রোহী’ কবিতা) ১৬."সহি না মরণ-ভীতি, সহি না শাসন-নীতি, আমরা স্বাধীন চঞ্চল যৌবন-উন্মাদ রীতি। আমরা জীবন-মরণ-খেলার খেলোয়াড়, আমরা ভাঙি নিখিল কারার দ্বার! আমরা মৃত্যু-জয়ী প্রাণের দল, আমরা অমর প্রাণের বল!" **উৎস: কবিতা: ‘তরুণ-তপন’ ১৭."দুর্গম গিরি, কান্তার-মরু, দুস্তর পারাবার হে, লঙ্ঘিতে হবে রাত্রি-নিশীথে, যাত্রীরা হুঁশিয়ার! দুলিছে তরী, ফুলিছে জল, ভুলিতেছে মাঝি পথ, ছিঁড়িয়াছে পাল, কে ধরিবে হাল, আছে কার হিম্মৎ? কে আছ জোয়ান হও আগুয়ান হাঁকিছে ভবিষ্যৎ!" **উৎস: কবিতা: ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ (কাব্যগ্রন্থ: সর্বহারা) ১৮."তোরা সব জয়ধ্বনি কর! তোরা সব জয়ধ্বনি কর! ঐ নূতনের কেতন ওড়ে কালবোশেখীর ঝড়। তোরা সব জয়ধ্বনি কর! আসছে এবার অনাগত প্রলয়-নেশার নৃত্য-পাগল, সিন্ধু-পারের সিংহ-দ্বারে ধমক হেনে ভাঙল আগল!" **উৎস: কবিতা: ‘প্রলয়োল্লাস’ (কাব্যগ্রন্থ: অগ্নিবীণা) ১৯."আমি বেদুঈন, আমি চেঙ্গিস, আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্ণিশ! আমি বজ্র, আমি ঈশান-বিষাণে ওঙ্কার, আমি ইস্রাফিলের শিঙ্গার মহা-হুঙ্কার! আমি পিনাক-পাণির ডমরু-ত্রিশূল, ধর্মরাজের দণ্ড, আমি চক্র ও মহাশঙ্খ, আমি প্রণব-নাদ প্রচণ্ড!" **উৎস: কবিতা: ‘বিদ্রোহী’ (কাব্যগ্রন্থ: অগ্নিবীণা) ===নারী নিয়ে কাজী নজরুল ইসলামের উক্তি সমূহ:=== # "মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান।" ** উৎস: ''মানুষ'' (কবিতা), কাব্যগ্রন্থ: 'সাম্যবাদী'। ২."বিশ্বে যা-কিছু মহান্‌ সৃষ্টি চির-কল্যাণকর, / অর্ধেক করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর। বিশ্বে যা-কিছু এল পাপ-তাপ বেদনা অশ্রুবারি অর্ধেক তার আনিয়াছে নর, অর্ধেক তার নারী।" ** উৎস: ''নারী'' (কবিতা), কাব্যগ্রন্থ: 'সাম্যবাদী'। ৩.“আপনারে আজ প্রকাশের তব নাই সেই ব্যাকুলতা আজ তুমি ভীরু আড়ালে থাকিয়া নেপথ্যে কও কথা! চোখে চোখে আজ চাহিতে পার না; হাতে রুলি, পায়ে মল, মাথায় ঘোমটা, ছিঁড়ে ফেল নারী, ভেঙে ফেল ও শিকল! যে-ঘোমটা তোমায় করিয়াছে ভীরু ওড়াও সে আবরণ! দূর করে দাও দাসীর চিহ্ন ঐ যতো আবরণ।” **উৎস: ‘নারী’ কবিতা ৪."সর্বসহা কন্যা মোর! সর্বহারা মাতা! শূন্য নাহি রহে কভূ মাতা ও বিধাতা!“ ** উৎস- ‘সর্বহারা’ কাব্যগ্রন্থের ‘মা’ কবিতা ৫."অসহায় জাতি মরিছে ডুবিয়া, জানে না সন্তরণ, / কান্ডারী! আজ দেখিব তোমার মাতৃমুক্তিপণ।" ** উৎস: ''কান্ডারী হুঁশিয়ার'' (কবিতা), কাব্যগ্রন্থ: 'সর্বহারা'। ৬."তোমার মমতা-মানিক আলোকে চিনিনু … মাতা তুমি লাঞ্ছিতা বিশ্ব-জননী। তোমার আঁচল পাতা নিখিল দুঃখী-নিপীড়িত তবে, বিষ শুধু তোমা দহে যথা তব মাগো পীড়িত নিখিল ধরণীর ভার বহে।"- কাজী নজরুল ইসলাম ৭."ভগবান! তুমি চাহিতে পার কি ঐ দুটি নারীর পানে? জানি না, তোমায় বাঁচাবে কে যদি ওরা অভিশাপ হানে!"- কাজী নজরুল ইসলাম ৮.“খেলে চঞ্চলা বরষা-বালিকান মেঘের এলোকেশে ওড়ে পুবালি বায় দোলে গলায় বলাকার মালিকা। ” ৯."কান্না হাসির খেলার মোহে অনেক আমার কাটল বেলা কখন তুমি ডাক দেবে মা, কখন আমি ভাঙব খেলা ?" উৎস- “উপেক্ষিত” কবিতা ===ধর্ম, মানবতা ও সমাজ নিয়ে কাজী নজরুল ইসলামের উক্তি :=== # "নামাজ পড়, রোজা রাখ, কলমা পড় ভাই,তোর আখেরের কাজ করে নে সময় যে আর নাই।" ২."মৌ-লোভী যত মৌলবি আর মোল-লা’রা কন হাত নেড়ে দেব-দেবী নাম মুখে আনে সবে দাও পাজিটার জাত মেরে ফতোয়া দিলাম কাফের কাজী ও যদিও শহীদ হইতে রাজি ও আমপারা পড়া হামবড়া মোরা এখনও বেড়াই ভাত মেরে হিন্দুরা ভাবে পার্শী শব্দে কবিতা লেখে ও পা’ত নেড়ে।" ৩."পুঁথির বিধান যাক পুড়ে তোর বিধির বিধান সত্য হোক।" ** ( উৎস-” সত্য-মন্ত্র” কবিতা) ৪."যুগের ধর্ম এই- পীড়ন করিলে সে পীড়ন এসে পীড়া দেবে তোমাকেই!" ৫."অসুন্দর পৃথিবীকে সুন্দর করতে; সর্বনির্যাতন থেকে মুক্ত করতেই মানুষের জন্ম।” ৬."হিন্দু না ওরা মুসলিম এই জিজ্ঞাসে কোন জন হে, কাণ্ডারি বল ডুবিছে মানুষ সন্তান মোর মা’র ।" “(উৎস-“কান্ডারী হুঁশিয়ার” কবিতা) ৭."জানিস নাকি ধর্ম সে যে বর্মসম সহনশীল তাই কি ভাই ভাঙতে পারে ছোঁওয়া ছুঁয়ির ছোট্ট ঢিল ? যে জাত-ধর্ম ঠুনকো এত আজ না হয় কাল ভাঙবে সে ত। যাক না সে জাত জাহান্নামে রইবে মানুষ নাই পরোয়া।” ৮."মসজিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই যেন গোরে থেকেও মোয়াজ্জিনের আজান শুনতে পাই। ” ৯.“খেলিছ এ বিশ্ব লয়ে বিরাট শিশু আনমনে। প্রলয় সৃষ্টি তব পুতুল খেলা নিরজনে প্রভু নিরজনে।। ” ১০.“দূর আজানের মধুর ধ্বনি, বাজে, বাজে মসজিদের-ই মিনারে। মনেতে জাগে, হাজার বছর আগে, হজরত বেলালের অনুরাগে। তার খাস এলাহান, মাতাইতো প্রাণ। ভাঙ্গাইতো পাষান, জাগাইতো মহিমারে। দূর আজানের মধুর ধ্বনি, বাজে, বাজে মসজিদের-ই মিনারে।“ ১১.“বিশ্ব যখন এগিয়ে চলেছে, আমরা তখনও বসে- বিবি তালাকের ফতোয়া খুঁজেছি, ফিকাহ ও হাদিস চষে।“ ১২."মরিছে হিন্দু, মরে মুসলিম এ উহার ঘায়ে আজ, বেঁচে আছে যারা মরিতেছে তারা, এ-মরণে নাহি লাজ! জেগেছে শক্তি তাই হানাহানি, অস্ত্রে অস্ত্রে নব জানাজানি! আজি পরীক্ষা-কাহার দস্ত হয়েছে, কত দরাজ! কে মরিবে কাল সম্মুখ-রণে, মরিতে কা’রা নারাজ!” (উৎস-‘হিন্দু- মুসলিম যুদ্ধ’ কবিতা) ১৩.“বাহিরের স্বাধীনতা গিয়াছে বলিয়া অন্তরের স্বাধীনতাকেও আমরা যেন বিসর্জন না দিই।”-কাজী নজরুল ইসলাম ১৪.“হেথা সবে সম পাপী, আপন পাপের বাটখারা দিয়ে অন্যের পাপ মাপি!” ১৫.“ও কারা কোরাণ বেদ বাইবেল চুম্বিছে মরি মরি ও মুখ হইতে কেতাব গ্রন্থ নাও জোর করে কেড়ে যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই মানুষেরে মেরে পুজিছে গ্রন্থ ভন্ডের দল! – মুর্খরা সব শোন মানুষ এনেছে গ্রন্থ; গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোনও। ”- কাজী নজরুল ইসলাম(উৎস-‘মানুষ’ কবিতা) ১৬.“আমি এই দেশে, এই সমাজে জন্মেছি বলেই শুধু এই দেশের, এই সমাজেরই নই, আমি সকল দেশের সকল মানুষের।” === জীবন দর্শন ও প্রেম বিষয়ে কাজী নজরুল ইসলামের উক্তি সমূহ:=== # "বিশ্বাস করুন, আমি কবি হতে আসিনি, আমি নেতা হতে আসিনি—আমিমসজিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই যেন গোরে থেকেও মোয়াজ্জিনের আজান শুনতে পাই। ” ২."আমরা সবাই পাপী—আপন পাপের বাটখারা দিয়ে অন্যের পাপ মাপি।" ** উৎস: ''আমার কৈফিয়ৎ'' (কবিতা)। ৩."আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্ণিশ!" **উৎস: কবিতা: 'বিদ্রোহী' (কাব্যগ্রন্থ: অগ্নিবীণা) ৪."ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়েই তবে সত্যকে পাওয়া যায়।" **উৎস: প্রবন্ধ: 'আমার পথ' ৫."বার্ধক্য তাহাই যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে, মৃত্যুকে আঁকড়াইয়া পড়িয়া থাকে।" **উৎস: ভাষণ: 'যৌবনের গান' ৬."মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান।" **উৎস: কবিতা: 'মানুষ' (কাব্যগ্রন্থ: সাম্যবাদী) ৭."যুগের ধর্ম এই— পীড়ন করিলে সে পীড়ন এসে পীড়া দেবে তোমাকেই।" **উৎস: কবিতা: 'কুলি-মজুর' (কাব্যগ্রন্থ: সাম্যবাদী) ৮."তোমারে যে চাহিয়াছে ভুলে একদিন, সে জানে তোমারে ভোলা কি কঠিন।" **উৎস: কবিতা: 'অভিশাপ' (কাব্যগ্রন্থ: দোলন-চাঁপা) ৯."কামনা আর প্রেম দুটি হচ্ছে সম্পূর্ণ আলাদা। কামনা একটা প্রবল সাময়িক উত্তেজনা মাত্র আর প্রেম হচ্ছে ধীর প্রশান্ত ও চিরন্তন।" **উৎস: উপন্যাস: 'কুহেলিকা' ১০."মোর প্রিয়া হবে এসো রাণী, দেব খোঁপায় তারার ফুল।" **উৎস: গান: 'মোর প্রিয়া হবে এসো রাণী' ১১."তুমি আমার সেই সুন্দর যাকে কোনোদিন পাওয়া যাবে না।" **উৎস: উপন্যাস: 'বাঁধন হারা' ১২."অভাগা যেদিকে চায়, সাগর শুকাইয়া যায়।" **উৎস: উপন্যাস: 'মৃত্যুক্ষুধা' ===বসন্ত নিয়ে কাজী নজরুল ইসলামের বাণী:=== # “ বসন্ত মুখর আজি দক্ষিণ সমীরণে মর্মর গুঞ্জনেবনে বনে বিহ্বল বাণী ওঠে বাজি।“ ২.“ বসন্ত এলো এলো এলোরে পঞ্চম স্বরে কোকিল কুহুরে মুহু মুহু কুহু কুহু তানে মাধবী নিকুঞ্জে পুঞ্জে পুঞ্জে ভ্রমর গুঞ্জে গুঞ্জে গুনগুন গানে। ” ৩.“ আসে বসন্ত ফুল বনে সাজে বনভূমি সুন্দরী; চরণে পায়েলা রুমুঝুমু মধুপ উঠিছে গুঞ্জরি।“ ===দুঃখ ও বিরহ নিয়ে কাজী নজরুল ইসলামের বাণী:-=== # "যেদিন আমি হারিয়ে যাব, বুঝবে সেদিন বুঝবে অস্তপারের সন্ধ্যাতারায় আমার খবর পুঁছবে বুঝবে সেদিন বুঝবে। ”- কাজী নজরুল ইসলাম (উৎস- ‘অভিশাপ’ কবিতা) ২.“ আসবে আবার আশিন-হাওয়া, শিশির-ছেঁচা রাত্রি, থাকবে সবাই – থাকবে না এই মরণ-পথের যাত্রী! আসবে শিশির-রাত্রি! থাকবে পাশে বন্ধু স্বজন, থাকবে রাতে বাহুর বাঁধন, বঁধুর বুকের পরশনে আমার পরশ আনবে মনে- বিষিয়ে ও-বুক উঠবে- বুঝবে সেদিন বুঝবে! ”- কাজী নজরুল ইসলাম( উৎস- ‘অভিশাপ’ কবিতা) ৩.“ স্বপন ভেঙ্গে নিশুত রাতে, জাগবে হঠাৎ চমকে কাহার যেন চেনা ছোয়ায় উঠবে ও-বুক ছমকে- জাগবে হঠাৎ ছমকে, ভাববে বুঝি আমিই এসে বসনু বুকের কোলটি ঘেষে ধরতে গিয়ে দেখবে যখন শূন্য শয্যা মিথ্যা স্বপন বেদনাতে চোখ বুজবে- বুঝবে সেদিন বুঝবে ।”- কাজী নজরুল ইসলাম(উৎস- ‘অভিশাপ’ কবিতা) ৪.”কপালে সুখ লেখা না থাকলে সে কপাল পাথরে ঠুকেও লাভ নেই। এতে কপাল যথেষ্টই ফোলে, কিন্তু ভাগ্য একটুও ফোলে না ।” ৫." এই নীরব নিশীথ রাতে শুধু জল আসে আঁখিপাতে!“- কাজী নজরুল ইসলাম( উৎস- ‘ব্যথা নিশীথ’ কবিতা)Romance ৬."হে দারিদ্র্য, তুমি মোরে ক’রেছ মহান! তুমি মরে দানিয়াছ খ্রিষ্টের সম্মান।“- কাজী নজরুল ইসলাম( উৎস- ‘ দারিদ্র্য’ কবিতা) ৭.”আমাদের শত ব্যথিত হৃদয়ে জাগিয়া রহিবে তুমি ব্যথা হ’য়ে, হ’লে পরিজন চির-পরিচয়ে- পুনঃ পাব তব দরশন, এ নহে পথের আলাপন।“-কাজী নজরুল ইসলাম( উৎস- ‘বিদায়- স্মরণে’ কবিতা) ৮.“নুড়ি হাজার বছর ঝরণায় ডুবে থেকেও রস পায় না।” ৯.“হাসি দিয়ে যদি লুকালে তোমার সারা জীবনের বেদনা আজো তবে শুধু হেসে যাও, আজ বিদায়ের দিনে কেঁদোনা।“ ১০.“মৃত্যুর যন্ত্রণার চেয়ে বিরহের যন্ত্রণা যে কতো কঠিন, কতো ভয়ানক তা একমাত্র ভুক্তভুগিই অনুভব করতে পারে।“ ১১.“আমার যাবার সময় হল দাও বিদায় মোছ আঁখি দুয়ার খোল দাও বিদায়। ” ১২.“আমি নিজেই নিজের ব্যথা করি সৃজন শেষে সেই আমারে কাঁদায়, যারে করি আপনারি জন।” ১৩.“গাইতে গিয়ে কন্ঠ ছিড়ে আসবে যখন কান্না বলবে সবাই- সেই যে পথিক তার শোনানো গান না?- আসবে ভেঙ্গে কান্না, পড়বে মন আমার সোহাগ কন্ঠে তোমার কাদবে বেহাগ পড়বে মনে আমার ফাকি অশ্রুহারা কঠিন আখি ঘন ঘন মুছবে, বুঝবে সেদিন বুঝবে। ” ১৪.“ স্বপনে কি যে কয়েছি তাই গিয়াছে চলে জাগিয়া কেঁদে ডাকি দেবতায় প্রিয়তম প্রিয়তম প্রিয়তম।।” ১৫.“ফোটে যে ফুল আঁধার রাতে ঝরে ধুলায় ভোর বেলাতে আমায় তারা ডাকে সাথী আয়রে আয় সজল করুণ নয়ন তোলো দাও বিদায়। ” ===কাজী নজরুল ইসলামের প্রেরণামূলক বাণী:-=== # “ব্যর্থ না হওয়ার সব চাইতে নিশ্চিন্ত পথ হলো সাফল্য অর্জনে দৃঢ় সঙ্কল্প হওয়া।” ২.“বহু যুবককে দেখিয়াছি যাহাদের যৌবনের উর্দির নিচে বার্ধকের কঙ্গাল মূর্তি।” ৩.“ আসবে ঝড়, নাচবে তুফান, টুটবে সকল বন্ধন, কাঁপবে কুটীর সেদিন ত্রাসে, জাগবে বুকে ক্রন্দন- টুটবে যবে বন্ধন! পড়বে মনে, নেই সে সাথে বাঁধবে বুকে দুঃখ-রাতে- আপনি গালে যাচবে চুমা, চাইবে আদর, মাগবে ছোঁওয়া, আপনি যেচে চুমবে- বুঝবে সেদিন বুঝবে। ” ৪.”আমরা রচি ভালোবাসার আশার ভবিষ্যৎ মোদের স্বর্গ-পথের আভাস দেখায় আকাশ-ছায়াপথ! মোদের চোখে বিশ্ববাসীর স্বপ্ন দেখা হোক সফল। আমরা ছাত্রদল।“- কাজী নজরুল ইসলাম( উৎস- ‘ছাত্রদল’ কবিতা) ৫.“সত্য যদি লক্ষ্য হয়, সুন্দর ও মঙ্গলের সৃষ্টি সাধনা ব্রত হয়, তবে তাহার লেখা সম্মান লাভ করিবেই করিবে।”- কাজী নজরুল ইসলাম ৬.“রক্ত ঝরাতে পারি না তো একা, তাই লিখে যাই এ রক্ত লেখা।”- কাজী নজরুল ইসলাম ৭."আজি হ’তে শত বর্ষে আগে, কে কবি, স্মরণ তুমি করেছিলে আমাদের শত অনুরাগে।“- কাজী নজরুল ইসলাম ==কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে উক্তি== '''কবি নজরুল যে-স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেটা শুধু তার নিজের স্বপ্ন নয় —সমগ্র বাঙালী জাতির স্বপ্ন। * '''সুভাষচন্দ্র বসু, নজরুল স্মৃতি- বিশ্বনাথ দে সম্পাদিত, প্রকাশক- সাহিত্যম্, কলিকাতা, পৃষ্ঠা ২ * '''কবিরা সাধারণত কোমল ও ভীরু, কিন্তু নজরুল তা নন। কারাগারে শৃঙ্খল পরে বুকের রক্ত দিয়ে তিনি যা লিখেছেন, তা বাঙালীর প্রাণে এক নৃতন স্পন্দন জাগিয়ে তুলেছে। * '''প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, নজরুল স্মৃতি- বিশ্বনাথ দে সম্পাদিত, প্রকাশক- সাহিত্যম্, কলিকাতা, পৃষ্ঠা ৪ * '''ভুল হয়ে গেছে বিলকুল * '''আর সব কিছু ভাগ হয়ে গেছে * '''ভাগ হয়নিকো নজরুল। * '''অন্নদাশঙ্কর রায় * '''জীবনানন্দ দাশ বলতেন নজরুল ইসলামের আত্মপ্রত্যয় ছিল। পরিকীর্তিত সৎ প্রেরণাই মানুষের ও শেষ বিশ্লেষণে মানুষ সমাজের মর্মকথা এই ঘোষণায় তার অপূর্ব বিশ্বাস ছিল। মনুষ্যজীবনের পরিবর্তিত অমূল্য জিনিসগুলোর উত্তরোত্তর মূল্যনাশের ব্যথা তাঁকে সন্তপ্ত করেছিল। .. তাঁর জনপ্রেম, দেশপ্রেম পূর্বোক্ত শতাব্দীর বৃহৎ ধারার সঙ্গে সত্যিই একাত্ম। পরবর্তী কবিরা এ সৌভাগ্য থেকে অনেকটা বঞ্চিত বলে আজ পর্যন্ত নজরুলকেই সত্যিকারের দেশ ও দেশীয়দের বন্ধু কবি বলে জনসাধারণ চিনে নিবে। ” “জন ও জনতার বন্ধু ও দেশপ্রেমিক কবি নজরুল।" == উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম == '''কাব্যগ্রন্থ:''' ১. অগ্নিবীণা — ১৯২২ (এটি তাঁর প্রথম এবং সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যাতে 'বিদ্রোহী' কবিতাটি রয়েছে)। ২. দোলন-চাঁপা — ১৯২৩ (রোমান্টিক ও বিরহী কবিতার সংকলন)। ৩. বিষের বাঁশি — ১৯২৪ (ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবী কবিতার জন্য এটি তখন বাজেয়াপ্ত হয়েছিল)। ৪. ভাঙ্গার গান — ১৯২৪ (বিপ্লবী দেশাত্মবোধক গানের সংকলন)। ৫. সাম্যবাদী — ১৯২৫ (মানুষের সমতা ও অসাম্প্রদায়িকতার ওপর ভিত্তি করে লেখা)। ৬. সর্বহারা — ১৯২৬। ৭. ফণি-মনসা — ১৯২৭। ৮. জিঞ্জীর — ১৯২৮। ৯. সন্ধ্যা — ১৯২৯। ১০. প্রলয় শিখা — ১৯৩০। '''উপন্যাস ''': ১. বাঁধন হারা — ১৯২৭ (এটি একটি পত্রোপন্যাস)। ২. মৃত্যুক্ষুধা — ১৯৩০ (নজরুলের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস)। ৩. কুহেলিকা — ১৯৩১। '''গল্পগ্রন্থ ''': ১. ব্যথার দান — ১৯২২ (নজরুলের প্রথম প্রকাশিত বই)। ২. রিক্তের বেদন — ১৯২৪। ৩. শিউলিমালা — ১৯৩১। '''প্রবন্ধ গ্রন্থ ''': ১. যুগবাণী — ১৯২২ (রাজনৈতিক প্রবন্ধের সংকলন)। ২. রাজবন্দীর জবানবন্দী — ১৯২৩ (আদালতে দেওয়া তাঁর ঐতিহাসিক জবানবন্দী)। ৩. দুর্দিনের যাত্রী — ১৯২৬। ৪. রুদ্র-মঙ্গল — ১৯২৭। [[শ্রেণি:কাজী নজরুল ইসলাম]] [[শ্রেণি:বাঙালি কবি]] 2emf51z67mfum11z5yc5ju3vfyqyxiw ব্যবহারকারী:Mohammad Shakowat/খেলাঘর 2 12902 78632 2026-04-19T15:56:12Z Mohammad Shakowat 5136 "[[File:Flag_of_Europe.svg|thumb|ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনানুষ্ঠানিক মূলমন্ত্র: ''In varietate concordia'' (বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য)]] ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) হলো '''২৭টি''' সদস্য রাষ্ট্রের একটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ই..." দিয়ে পাতা তৈরি 78632 wikitext text/x-wiki [[File:Flag_of_Europe.svg|thumb|ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনানুষ্ঠানিক মূলমন্ত্র: ''In varietate concordia'' (বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য)]] ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) হলো '''২৭টি''' সদস্য রাষ্ট্রের একটি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ইউনিয়ন বা কনফেডারেশন যা প্রধানত ইউরোপে অবস্থিত। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাউন্সিল, নির্বাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইউরোপীয় কমিশন ও ইউরোপীয় কাউন্সিল, এবং বিচারিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিচার আদালত রয়েছে। এটি ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা এর সাধারণ মুদ্রা ইউরো ইস্যু করে, এবং ইউরোপীয় অডিট আদালতকেও নিয়ন্ত্রণ করে। ইউরোপীয় কাউন্সিলের বর্তমান সভাপতি আন্তোনিও কস্তা, ইউরোপীয় কমিশনের বর্তমান সভাপতি উরসুলা ফন ডার লায়েন, এবং ইউরোপীয় পার্লামেন্টের বর্তমান সভাপতি রোবের্তা মেটসোলা। এটি ১৯৯৩ সালে মাস্ট্রিখ্ট চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে গঠিত একাধিক আঞ্চলিক সংস্থাকে একত্রিত করে। এটি একটি একক বাজার বজায় রাখে, যেখানে শুল্কমুক্তভাবে পণ্য, সেবা, শ্রম এবং পুঁজির অবাধ চলাচল নিশ্চিত করা হয়; এবং এটি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পর বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি। এটি বাণিজ্য, কৃষি, মৎস্য, পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতি, এবং আঞ্চলিক উন্নয়ন সম্পর্কেও অভিন্ন নীতি বজায় রাখে। আরও দশটি দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যোগদানের বিষয় বিবেচনা করছে, অন্যদিকে একটি দেশ, যুক্তরাজ্য, ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে গেছে। == উক্তি == === বিংশ শতাব্দী === ====১৯৫০-এর দশক==== * রবার্ট শুম্যান, লন্ডনের ট্রেন ধরার জন্য তাড়াহুড়ো করছিলেন, এই পরিকল্পনার ভবিষ্যৎ নিয়ে সাংবাদিকদের করা বিস্তারিত প্রশ্নগুলো তিনি এত চমৎকারভাবে এড়িয়ে যাচ্ছিলেন যে, তাদের মধ্যে একজন চিৎকার করে বলে উঠলেন: <br> 'অন্য কথায় বলতে গেলে, এটি কি অন্ধকারে এক অনিশ্চিত যাত্রা' <br> শুম্যান ধীরস্থিরভাবে জবাব দিলেন: 'ঠিক তাই, অন্ধকারে এক অনিশ্চিত যাত্রা'।" ** রবার্ট শুমান (মে ১৯৫০) শুমান পরিকল্পনা প্রণয়ন সম্পর্কে, যা পরবর্তীতে শুমান ঘোষণা হয়ে ওঠে। সূত্র: জাঁ মোনে, স্মৃতিচারণ, পৃ. ৩০৫। * আমরা এই আশঙ্কা করি না যে সময়ের গতিপথ কখনোই একটি ঐক্যবদ্ধ ইউরোপ গঠন করবে না, যার কেন্দ্রে পুনরায় ঐক্যবদ্ধ জার্মানি থাকবে। আমরা জানি না এটি কীভাবে ঘটবে, কীভাবে এই অস্বাভাবিকভাবে বিভক্ত জার্মানি আবার একত্রিত হবে। এটি আমাদের কাছে অনিশ্চিত, এবং আমাদের এই বিশ্বাসে আশ্রয় নিতে হয় যে ইতিহাস নিজেই এমন উপায় ও পথ খুঁজে নেবে, যার মাধ্যমে কৃত্রিম বিভাজন অতিক্রম করা যাবে এবং স্বাভাবিক অবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে: একটি জার্মানি, যা আত্মসচেতন একটি ঐক্যবদ্ধ ইউরোপের সচেতন সেবক হিসেবে কাজ করবে—তার প্রভু বা আধিপত্যকারী হিসেবে নয়... <br> আমরা যেন নিজেদেরকে এই সত্য থেকে বিভ্রান্ত না করি যে ইউরোপের ঐক্য বিলম্বিত করার বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে একটি হলো জার্মান উদ্দেশ্যের বিশুদ্ধতা নিয়ে অবিশ্বাস, এবং অন্যান্য জনগণের মধ্যে জার্মানির প্রতি ভয় তথা তার সম্ভাব্য প্রাণশক্তি দ্বারা সৃষ্ট আধিপত্যবাদী পরিকল্পনার আশঙ্কা, যা তাদের মতে জার্মানি খুব ভালোভাবে গোপন করে না.... এই অবিশ্বাস ও ভয় দূর করার দায়িত্ব উঠতি জার্মান প্রজন্মের, বিশেষত জার্মান তরুণদের উপর, যাতে তারা সেই সব ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করে, যা অনেক আগেই প্রত্যাখ্যাত হওয়া উচিত ছিল, এবং স্পষ্ট ও ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের আকাঙ্ক্ষা ঘোষণা করে: একটি ‘জার্মান ইউরোপ’ এর জন্য নয়, বরং একটি ‘ইউরোপীয় জার্মানি’ এর জন্য।" **[[থমাস মান]], হামবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রদত্ত একটি বক্তৃতা (১৯৫৩)। *The future treaty which you are discussing has no chance of being agreed; if it was agreed, it would have no chance of being ratified; and if it were ratified, it would have no chance of being applied. And if it was applied, it would be totally unacceptable to [[United Kingdom|Britain]]. **[[:w:Russell Bretherton|Russell Bretherton]], British Foreign Office representative at [http://www.lse.ac.uk/assets/richmedia/channels/publicLecturesAndEvents/slides/20150930_1830_theFutureOfBritainAndEurope_sl.pdf a meeting of Spaak Committee, November 1955] eh3lkotjtllqposl4rvtkc5xxjn7fot এলাহাবাদ 0 12903 78637 2026-04-19T16:12:38Z Tuhin 172 + 78637 wikitext text/x-wiki '''[[w:এলাহাবাদ|প্রয়াগরাজ]]''' (যা '''এলাহাবাদ''', '''ইলাহাবাদ''' এবং '''প্রয়াগ''' নামেও পরিচিত) হলো ভারতের [[উত্তরপ্রদেশ|উত্তরপ্রদেশ]] রাজ্যের একটি মহানগর। এটি এলাহাবাদ জেলার প্রশাসনিক সদর দপ্তর এবং এলাহাবাদ বিভাগেরও কেন্দ্রস্থল। এলাহাবাদ রাজ্যের সবচেয়ে জনবহুল এবং ভারতের ১৩তম জনবহুল জেলা। শহরটি উত্তরপ্রদেশের বিচার বিভাগীয় রাজধানী, যেখানে রাজ্যের সর্বোচ্চ বিচার বিভাগীয় সংস্থা [[w:এলাহাবাদ উচ্চ আদালত|এলাহাবাদ উচ্চ আদালত]] অবস্থিত। == উক্তি == * আকবরের অন্তত পাঁচ হাজার বছর আগে, এই অঞ্চলটি মনুর কন্যা এবং জ্যেষ্ঠ সন্তান ইলার আবাসস্থল ছিল। ... ইলা প্রতিষ্ঠানপুরে চলে যান, যা আকবরের সেই ঐশ্বরিক শহর নির্মাণের জায়গার ঠিক পাশেই ছিল। এখানেই তার ছেলে পুরুরবা চন্দ্রবংশের প্রতিষ্ঠা করেন। ... বৈদিক ঋষিরা তাদের পূর্বজ ইলাকে যথাযথভাবে মহিমান্বিত করেছিলেন, যিনি একজন দেবী এবং একটি বিশেষ দেবী ত্রয়ীর (ইলা, ভারতী এবং সরস্বতী) সদস্য হয়েছিলেন। ... এই নতুন ধর্মের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আকবর তার প্রতিষ্ঠিত শহরের নাম রেখেছিলেন 'ইলাহাবাদ', যার অর্থ "ঈশ্বরের শহর"। এটি হিন্দুধর্মের অন্যতম পবিত্র স্থান গঙ্গা ও যমুনার সঙ্গমে অবস্থিত ছিল। ব্রিটিশরা এই নামের ভুল ব্যাখ্যা করে একে 'আল্লাহাবাদ' বানিয়ে দেয়। ইতিমধ্যে অনেক শহরের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে এবং আমিও ইলাহাবাদ নামটি পুনরায় প্রস্তাব করব। এটি তার নাম ধরে রাখতে পারে, যা আমাদের মানচিত্র, রাস্তার চিহ্ন এবং লেটারহেড পরিবর্তনের ঝামেলা থেকে বাঁচাবে। শুধু এর একটি নতুন ব্যাখ্যা প্রয়োজন: "ইলার শহর"। তাই তার নামানুসারে এই শহরের নামটিকে পুনরায় বিশ্লেষণ করা উচিত 'ইলা-হ-আবাদ' বা "ইলার শহর" হিসেবে। ** কোয়েনরাড এলস্ট; হিন্দু ধর্ম অ্যান্ড দ্য কালচার ওয়ারস (২০১৯)। চ্যাপ্টার: প্লুরালিজম ইন ইলাস সিটি। * “সুলতান কাফেরদের ধ্বংস করার লক্ষ্যে ইসলামের বাহিনী নিয়ে প্রয়াগ এবং আরালের দিকে অগ্রসর হন এবং তিনি সেই উভয় স্থানকেই ধ্বংস করে দেন। মিথ্যা দেবতাদের উপাসনার জন্য প্রয়াগে যে বিশাল জনসমাগম হয়েছিল তাদের বন্দি করা হয়। রাজার এই সাহায্যের কারণে কারার অধিবাসীরা বিদ্রোহীদের অনিষ্ট থেকে মুক্তি পায় এবং এই কারণে ইসলামের এই রাজার নাম বিখ্যাত হয়েছিল।” ** প্রয়াগ এবং কারা (উত্তরপ্রদেশ); তারিখ-ই-মুহাম্মদী। এস.এ.এ. রিজভী রচিত তুঘলক কালীন ভারত, আলিগড়, ১৯৫৭, খণ্ড ২, পৃ. ২৭। * মারাঠা দলিলগুলো দেখায় যে তাদের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য ছিল অযোধ্যা, বারাণসী এবং প্রয়াগের মতো পবিত্র শহরগুলোর মুক্তি। ১৭৫১ সালে মলহার রাও হোলকারের নেতৃত্বে মারাঠা বাহিনী দোয়াব অঞ্চলে পাঠান বাহিনীকে পরাজিত করে এবং বিজয়ের পরপরই সফদরজংয়ের কাছে অযোধ্যা, কাশী এবং প্রয়াগ পেশওয়ার হাতে তুলে দেওয়ার অনুরোধ জানায়। ** এ.এল. শ্রীবাস্তব (১৮৯৯-১৯৭৩) রচিত "ফার্স্ট টু নবাবস অফ অযোধ্যা" (১৯৫৪)। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:উত্তরপ্রদেশের শহর]] 7yldfxihnfb5fy9zi429ecztwgyqm0e আলাপ:এলাহাবাদ 1 12904 78638 2026-04-19T16:15:43Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78638 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm আনিসুল হক 0 12905 78641 2026-04-19T17:05:28Z Rasel Mehedi 5177 "{{subst:ছাঁটা|1= <!-- নিচে ব্যক্তি বা বস্তু সম্পর্কে একটি বিবরণ বা ভূমিকা লিখুন। প্রয়োজনে উইকিপিডিয়ার সহায়তা নিন।--> '''আনিসুল হক''' (জন্ম: মার্চ ৪, ১৯৬৫) একজন বাংলাদেশী কবি, লেখক, নাট..." দিয়ে পাতা তৈরি 78641 wikitext text/x-wiki '''আনিসুল হক''' (জন্ম: মার্চ ৪, ১৯৬৫) একজন বাংলাদেশী কবি, লেখক, নাট্যকার ও সাংবাদিক। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের দৈনিক প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক এবং কিশোর আলোর সম্পাদক পদে কর্মরত আছেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের সত্য ঘটনা নিয়ে তার লেখা মা বইটি বেশ জনপ্রিয়। বাংলা ভাষার পাশাপাশি বইটি দিল্লী থেকে ইংরেজি ভাষায় এবং ভুবনেশ্বর থেকে ওড়িয়া ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে। == উক্তি == * “পান্তা পয়লা বৈশাখের খাবার নয়। পান্তা বাংলাদেশের কৃষিভিত্তিক সমাজের চিরকালের খাবার।” ** ০৯ এপ্রিল ২০২৬, প্রথম আলোতে প্রকাশিত একটি নিবন্ধে, [https://www.prothomalo.com/lifestyle/recipe/r6ujnchzs0 দৈনিক প্রথম আলো] * “পান্তা সেই আদিকাল থেকে বাংলার মানুষ খেয়ে থাকেন। দক্ষিণ এশিয়ার অনেক জায়গাতেই পান্তার প্রচলন আছে। ভাত যাদের প্রধান খাদ্য।” ** ০৯ এপ্রিল ২০২৬, প্রথম আলোতে প্রকাশিত একটি নিবন্ধে, [https://www.prothomalo.com/lifestyle/recipe/r6ujnchzs0 দৈনিক প্রথম আলো] * “ইউটিউব একটি স্বাধীন জায়গা, এইখানে অশ্লীলতাকে পুঁজি করে ‘বেশি ভিউয়ের’ নামে একটি প্রজন্মের চিন্তাভাবনা, রুচিকে ধ্বংস করে ফেলা হচ্ছে। এর পেছনে কোনো পরিকল্পনা আছে কি না, আমি জানি না। তবে এগুলো চলতে থাকলে সামনে ভয়ংকর দিন আসছে নিশ্চিত।” ** ৩০ আগস্ট ২০১৯, প্রথম আলোয় ‘সংস্কৃতি অঙ্গনে রক্ত শূন্যতা কেন?’ শিরোনামে একটি প্রবন্ধয় লিখেছেন। [https://www.prothomalo.com/opinion/column/সংস্কৃতি-অঙ্গনে-রক্তশূন্যতা-কেন দৈনিক প্রথম আলো] * “যাঁরা একদা ছায়ানট গড়েছিলেন, উদীচী করতেন, জীবন থেকে নেয়া ছবি বানাতেন, তাঁদের ছেলেমেয়েরা ইংরেজি মাধ্যমে পড়ে; এবং বিদেশে চলে যায়।” ** ৩০ আগস্ট ২০১৯, প্রথম আলোয় ‘সংস্কৃতি অঙ্গনে রক্ত শূন্যতা কেন?’ শিরোনামে একটি প্রবন্ধয় লিখেছেন। [https://www.prothomalo.com/opinion/column/সংস্কৃতি-অঙ্গনে-রক্তশূন্যতা-কেন দৈনিক প্রথম আলো] == আনিসুল হক সম্পর্কে উক্তি == * “তিনি বাংলাদেশের ইতিহাস নানান অধ্যায় তুলে ধরেছেন নতুন রূপে। গল্পের ছলে ইতিহাস বলার ক্ষমতা সবার থাকে না। কিন্তু তার আছে।” ** ০২ অক্টোবর ২০১৮, বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কাজী সাইফুল ইসলামের একটি নিবন্ধে, [https://www.banglatribune.com/literature/review-literature/370575/আনিসুল-হকের-‘লেখা-নিয়ে-লেখা’ বাংলা ট্রিবিউন] == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|আনিসুল হক}} cybxk4eruguiu6n9cqeo1xvoerhuad0 আলাপ:আনিসুল হক 1 12906 78642 2026-04-19T17:06:16Z Rasel Mehedi 5177 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78642 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm আলাপ:উইলিয়াম শকলি 1 12907 78652 2026-04-19T17:53:23Z Anaf Ibn Shahibul 4193 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78652 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm সম্ভল 0 12908 78658 2026-04-19T18:20:26Z Tuhin 172 + 78658 wikitext text/x-wiki '''[[w:সম্ভল|সম্ভল]]''' হলো ভারতের [[উত্তরপ্রদেশ|উত্তরপ্রদেশ]] রাজ্যের সম্ভল জেলায় অবস্থিত একটি শহর। == উক্তি == * সম্ভল শহরে হরি মন্ডল (বিষ্ণুর মন্দির) নামে একজন ব্রাহ্মণের একটি মন্দির রয়েছে, যার বংশধরদের মধ্য থেকেই এই স্থানে দশম অবতারের আবির্ভাব ঘটবে। ** আইন-ই-আকবরি, ২য় খণ্ড: ২৮৫। মীনাক্ষী জৈন রচিত দ্য ব্যাটল অফ রামা: কেস অফ দ্য টেম্পল অ্যাট অযোধ্যা (২০১৭), অধ্যায় ২-এ উদ্ধৃত। * আগেও এটি একটি উপাসনালয় ছিল এবং এখনও এটি একটি উপাসনালয়। ... এরপর অশ্রুর বদলে হৃদয় বেরিয়ে আসে। ** হরি মন্দির থেকে সম্ভলের জামে মসজিদে রূপান্তরের বিষয়ে আনন্দ রাম মুখলিসের মন্তব্য। মীনাক্ষী জৈন রচিত দ্য ব্যাটল অফ রামা: কেস অফ দ্য টেম্পল অ্যাট অযোধ্যা (২০১৭), অধ্যায় ২-এ উদ্ধৃত (সূত্র: সুব্রহ্মণ্যম ২০০৪: ৯৪-৯৬, এক্সপ্লোরেশনস ইন কানেক্টেড হিস্ট্রি)। * সম্ভলের মসজিদটি ১৫২৬ সালে বাবরের সেনাপতি মীর হিন্দু বেগ নির্মাণ করেছিলেন। ১৩৯৮ সালে তৈমুরের দিল্লি লুটের পর থেকে দিল্লি অঞ্চলে নির্মিত এটিই ছিল বৃহত্তম মসজিদ... সম্ভলকে বেছে নেওয়া ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। হিন্দু ঐতিহ্য অনুযায়ী... এই যুগের শেষে বিষ্ণুর শেষ অবতার সম্ভলে আবির্ভূত হবেন... কল্কি অবতারের এই ঐতিহ্যের কথা লিপিবদ্ধ করার সময় আবুল ফজল সতর্ক ছিলেন যেন এটি ফাঁস না হয় যে, হরি মন্দিরটি ধ্বংস করা হয়েছিল এবং সেই ধ্বংসাবশেষ দিয়েই ওই স্থানে একটি মসজিদ তৈরি করা হয়েছিল... সম্ভল মসজিদে মন্দিরের উপকরণের ব্যবহার ভবনের অভ্যন্তরীণ স্থাপত্যে স্পষ্ট (যেমন: পূর্ব গেট থেকে চত্বরে যাওয়ার পথে পাথরের স্ল্যাবের ওপর দুটি গোলাপ আকৃতির খোদাই, মন্দিরের ঘণ্টা ঝোলানোর শিকল এবং উপাসকদের পরিক্রমা করার জন্য পেছনের একটি পথ এখনও দৃশ্যমান)। ** জৈন, এম. (২০১৭)। দ্য ব্যাটল অফ রামা: কেস অফ দ্য টেম্পল অ্যাট অযোধ্যা। অধ্যায় ২। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:উত্তরপ্রদেশের শহর]] 1ng8d1vvv1dw9dthp5jt8cc52nysozg 78897 78658 2026-04-20T11:45:08Z ARI 356 /* উক্তি */ ; পরিষ্কার 78897 wikitext text/x-wiki '''[[w:সম্ভল|সম্ভল]]''' হলো ভারতের [[উত্তরপ্রদেশ|উত্তরপ্রদেশ]] রাজ্যের সম্ভল জেলায় অবস্থিত একটি শহর। == উক্তি == * সম্ভল শহরে হরি মন্ডল (বিষ্ণুর মন্দির) নামে একজন ব্রাহ্মণের একটি মন্দির রয়েছে, যার বংশধরদের মধ্য থেকেই এই স্থানে দশম অবতারের আবির্ভাব ঘটবে। ** আইন-ই-আকবরি, ২য় খণ্ড: ২৮৫। মীনাক্ষী জৈন রচিত দ্য ব্যাটল অফ রামা: কেস অফ দ্য টেম্পল অ্যাট অযোধ্যা (২০১৭), অধ্যায় ২। * আগেও এটি একটি উপাসনালয় ছিল এবং এখনও এটি একটি উপাসনালয়। ... এরপর অশ্রুর বদলে হৃদয় বেরিয়ে আসে। ** হরি মন্দির থেকে সম্ভলের জামে মসজিদে রূপান্তরের বিষয়ে আনন্দ রাম মুখলিসের মন্তব্য। মীনাক্ষী জৈন রচিত দ্য ব্যাটল অফ রামা: কেস অফ দ্য টেম্পল অ্যাট অযোধ্যা (২০১৭), অধ্যায় ২ (সূত্র: সুব্রহ্মণ্যম ২০০৪: ৯৪-৯৬, এক্সপ্লোরেশনস ইন কানেক্টেড হিস্ট্রি)। * সম্ভলের মসজিদটি ১৫২৬ সালে বাবরের সেনাপতি মীর হিন্দু বেগ নির্মাণ করেছিলেন। ১৩৯৮ সালে তৈমুরের দিল্লি লুটের পর থেকে দিল্লি অঞ্চলে নির্মিত এটিই ছিল বৃহত্তম মসজিদ... সম্ভলকে বেছে নেওয়া ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। হিন্দু ঐতিহ্য অনুযায়ী... এই যুগের শেষে বিষ্ণুর শেষ অবতার সম্ভলে আবির্ভূত হবেন... কল্কি অবতারের এই ঐতিহ্যের কথা লিপিবদ্ধ করার সময় আবুল ফজল সতর্ক ছিলেন যেন এটি ফাঁস না হয় যে, হরি মন্দিরটি ধ্বংস করা হয়েছিল এবং সেই ধ্বংসাবশেষ দিয়েই ওই স্থানে একটি মসজিদ তৈরি করা হয়েছিল... সম্ভল মসজিদে মন্দিরের উপকরণের ব্যবহার ভবনের অভ্যন্তরীণ স্থাপত্যে স্পষ্ট (যেমন: পূর্ব গেট থেকে চত্বরে যাওয়ার পথে পাথরের স্ল্যাবের ওপর দুটি গোলাপ আকৃতির খোদাই, মন্দিরের ঘণ্টা ঝোলানোর শিকল এবং উপাসকদের পরিক্রমা করার জন্য পেছনের একটি পথ এখনও দৃশ্যমান)। ** জৈন, এম. (২০১৭)। দ্য ব্যাটল অফ রামা: কেস অফ দ্য টেম্পল অ্যাট অযোধ্যা। অধ্যায় ২। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:উত্তরপ্রদেশের শহর]] 448f5o7v3nrf917o4ti9hppemyai3m3 আলাপ:সম্ভল 1 12909 78659 2026-04-19T18:21:36Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78659 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm বৃন্দাবন 0 12910 78660 2026-04-19T18:28:34Z Tuhin 172 + 78660 wikitext text/x-wiki '''[[w:বৃন্দাবন|বৃন্দাবন]]''' হলো ভারতের [[উত্তরপ্রদেশ]] রাজ্যের [[w:মথুরা জেলা|মথুরা জেলার]] একটি ঐতিহাসিক শহর। এটি [[w:বৈষ্ণবধর্ম|বৈষ্ণবধর্মের]] অন্যতম পবিত্রতম স্থান। এটি [[w:ব্রজ|ব্রজভূমি]] অঞ্চলে অবস্থিত এবং [[হিন্দুধর্ম]] অনুসারে এখানেই [[কৃষ্ণ|শ্রীকৃষ্ণ]] তার শৈশবের বেশিরভাগ সময় অতিবাহিত করেছিলেন। == উক্তি == * আমার অতীতের মধ্যে কৃষ্ণ আছেন। আমার স্বপ্নে আমি বাঁশিবাদকদের একটি বিশাল মহাবিদ্যালয় পুনর্নির্মাণের স্বপ্ন দেখি, এক সত্যিকারের বৃন্দাবন যেখানে শিক্ষার্থীরা বাঁশিতে ভরা ব্যাগ নিয়ে শিখতে এবং অধ্যয়ন করতে আসবে, মাটির কুঁড়েঘরে বাস করবে এবং সাধারণ লঙ্গরে খাবার খাবে। একটি আধুনিক বৃন্দাবন যেখান থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার বাঁশির সুর ধ্বনিত হবে। কারণ এছাড়া আর কী আছে? যখন আমার শ্বাস ফুরিয়ে যাবে এবং আমি আর বাঁশি বাজাতে পারব না, তখন আমি পেছনে কী রেখে যাব? কিছু নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষার্থী! আপনি যখন পেছনে কিছু রেখে যান না, তখন মৃত্যুর সময় আপনি কাঁদেন। তবে আমি এখনও স্বপ্ন দেখি, আমি স্বপ্ন দেখার সাহস করি যে আমার শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে আমার বাঁশি কৃষ্ণের স্মৃতি হিসেবে বেঁচে থাকবে। ** [[হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়া]]; ''[http://www.hariprasadchaurasia.com/discography-3/ ডিস্কোগ্রাফি]'' অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৩। * তিন জগতের সমস্ত তীর্থ ভ্রমণের ফল কেবল বৃন্দাবনের পবিত্র ভূমি স্পর্শ করলেই অর্জিত হয়। ** শ্রীিল রূপ গোস্বামী রচিত ভক্তি-রসামৃত-সিন্ধু। * যে ব্যক্তি বৃন্দাবন দেখেনি কিন্তু তার বৃন্দাবন দেখার তীব্র আকাঙ্ক্ষা রয়েছে, সে যেখানেই মারা যাক না কেন, বৃন্দাবনেই পুনর্জন্ম গ্রহণ করবে। ** শ্রীল রূপ গোস্বামী রচিত মথুরা মাহাত্ম্য। * হে বন্ধু, দেবকী নন্দন কৃষ্ণের পাদপদ্মের অমূল্য সম্পদ লাভ করে বৃন্দাবন এই পৃথিবীর মহিমা ছড়িয়ে দিচ্ছে। গোবিন্দের বাঁশির সুর শুনে ময়ূরগুলো মত্ত হয়ে নৃত্য করে এবং পাহাড়ের ওপর থেকে অন্যান্য প্রাণীরা যখন তাদের দেখে, তখন তারা সবাই স্তব্ধ হয়ে যায়। ** শ্রীমদভাগবত (১০.২১.১০)। * হিন্দুদের বেথলেহেম (মথুরা) তখন আক্রমণকারীদের সামনে সম্পূর্ণ ধরাশায়ী। ১লা মার্চ ভোরে আফগান অশ্বারোহী বাহিনী অরক্ষিত মথুরা শহরে অতর্কিত হামলা চালায়... চার ঘণ্টা ধরে নিরস্ত্র হিন্দু জনগণের ওপর নির্বিচারে হত্যাকাণ্ড ও ধর্ষণ চালানো হয়... ইসলামী নায়কদের দ্বারা দেবমূর্তিগুলো ভেঙে পোলো-বলের মতো লাথি মারা হয়েছিল... মথুরার ধ্বংসস্তূপ থেকে বের হয়ে জাহান খান চারপাশের গ্রামগুলোতে লুটপাট চালায়। মথুরা থেকে সাত মাইল উত্তরে অবস্থিত বৃন্দাবনও রক্ষা পায়নি, কারণ এর অসংখ্য মন্দির এর ধনসম্পদের ইঙ্গিত দিচ্ছিল। এখানে বিষ্ণু উপাসকদের অত্যন্ত শান্তিবাদী সন্ন্যাসীদের ওপর আরেকটি সাধারণ গণহত্যা চালানো হয় (আনুমানিক ৬ই মার্চ)। বৃন্দাবন পরিদর্শনের পর একজন মুহাম্মদান ডায়েরি লেখক যেমনটি নথিবদ্ধ করেছেন: 'যেদিকেই তাকাবেন শুধু নিহতদের স্তূপ দেখবেন। পড়ে থাকা অসংখ্য দেহ এবং ছড়িয়ে থাকা রক্তের কারণে পথ চলাই দায় হয়ে পড়েছিল। এক জায়গায় পৌঁছে আমরা প্রায় দুইশ মৃত শিশুর স্তূপ দেখতে পাই। প্রতিটি মৃতদেহই ছিল মাথাবিহীন। বাতাসের দুর্গন্ধ এমন ছিল যে মুখ খোলা বা শ্বাস নেওয়াও কষ্টকর হয়ে পড়েছিল।' ** বৃন্দাবনে আহমদ শাহ দুররানি সম্পর্কে: যদুনাথ সরকার, ফল অফ দ্য মোগল এম্পায়ার, ২য় খণ্ড, চতুর্থ সংস্করণ, নয়াদিল্লি, ১৯৯১, পৃ. ৭০-৭১। * অধ্যাপক আর. নাথ ১৬৬৯ সালের এপ্রিল মাসে আওরঙ্গজেবের ফরমান উদ্ধৃত করে গোবিন্দ দেব মন্দিরের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। এতে বলা হয়েছিল, ... ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে আগ্রহী হয়ে (আওরঙ্গজেব) সমস্ত প্রদেশের গভর্নরদের নির্দেশ দিয়েছিলেন যেন তারা কাফেরদের স্কুল ও মন্দিরগুলো ধ্বংস করে এবং অত্যন্ত জরুরি ভিত্তিতে এই অবিশ্বাসীদের ধর্মশিক্ষা ও প্রকাশ্য ধর্মীয় চর্চা বন্ধ করে দেয়। এই ফরমান জারির এক বছরের মধ্যেই গোবিন্দ দেবের বিশাল মন্দিরটি মূর্তিপূজা বিরোধী ধ্বংসলীলার শিকারে পরিণত হয়। এর গর্ভগৃহ এবং উপরিভাগ প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছিল। প্রধান হলঘরটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দ্বারশাখার খোদাই করা মূর্তিগুলো আক্ষরিক অর্থেই বিকৃত করা হয়েছিল। ** বৃন্দাবনের গোবিন্দ দেব মন্দির সম্পর্কে। নাথ, আর., হিস্ট্রি অফ মোগল আর্কিটেকচার; গোরাড়িয়া, পি. (২০০২), হিন্দু মসজিদ থেকে উদ্ধৃত। * মন্দিরের আরও একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে। গ্রাউস কর্তৃক উদ্ধৃত ক্যালকাটা রিভিউ-এর একটি নিবন্ধ অনুসারে: আওরঙ্গজেব প্রায়ই দক্ষিণ-পূর্ব দিগন্তে অনেক দূরে একটি উজ্জ্বল আলো জ্বলতে দেখতেন এবং এই বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন যে, এটি বৃন্দাবনের এক বিশাল এবং জাঁকজমকপূর্ণ মন্দিরে জ্বলতে থাকা একটি আলো। এর প্রেক্ষিতে তিনি এটি নিভিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন এবং শীঘ্রই সেখানে সৈন্য পাঠান যারা মন্দিরটি যতটা সম্ভব লুটপাট ও ধ্বংস করে এবং ধ্বংসাবশেষের ওপর একটি মসজিদের দেয়াল তৈরি করে যেখানে অপবিত্রতা পূর্ণ করতে সম্রাট স্বয়ং প্রার্থনা করেছিলেন বলে বলা হয়। ** বৃন্দাবনের গোবিন্দ দেব মন্দির সম্পর্কে। গ্রাউস, এফ. এস., ক্যালকাটা রিভিউ; গোরাড়িয়া, পি. (২০০২), হিন্দু মসজিদ থেকে উদ্ধৃত। * হেনরি হার্ডি কোল লিখেছেন: আমি নিশ্চিত নই যে ওপরের দেয়ালের সংস্কার সঠিক কি না এবং আমি মনে করি এই উপরিভাগটি যেমন ছিল তেমনই রেখে দেওয়া ভালো ছিল যেমনটা আমি প্রথমবার দেখেছিলাম, আওরঙ্গজেবের ধ্বংসাত্মক হাতের সমস্ত প্রমাণসহ। ** বৃন্দাবনের গোবিন্দ দেব মন্দির সম্পর্কে। কোল, হেনরি হার্ডি, ইলাস্ট্রিয়াস বিল্ডিংস নিয়ার মথুরা অ্যান্ড আগ্রা; গোরাড়িয়া, পি. (২০০২), হিন্দু মসজিদ থেকে উদ্ধৃত। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:উত্তরপ্রদেশের শহর]] 16urpy97mx4j4zlnxoullz5yptfqx5s আলাপ:ঢেউ 1 12911 78662 2026-04-19T18:31:17Z Salil Kumar Mukherjee 39 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78662 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm আলাপ:বৃন্দাবন 1 12912 78663 2026-04-19T18:31:56Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78663 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm লাক্ষাদ্বীপ 0 12913 78664 2026-04-19T18:36:28Z Tuhin 172 + 78664 wikitext text/x-wiki '''[[w:লাক্ষাদ্বীপ|লাক্ষাদ্বীপ]]''' হলো ভারতের একটি [[w:কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল|কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল]]। এটি ৩৬টি [[w:দ্বীপ|দ্বীপের]] একটি [[w:দ্বীপপুঞ্জ|দ্বীপপুঞ্জ]] যা তিনটি দ্বীপ উপগোষ্ঠীতে বিভক্ত: মাঝখানে [[w:লাক্কাদিভ দ্বীপপুঞ্জ|লাক্কাদিভ দ্বীপপুঞ্জ]], উত্তরে [[w:আমিনিদিভি দ্বীপপুঞ্জ|আমিনিদিভি দ্বীপপুঞ্জ]] যা মোটামুটিভাবে [[w:১১তম উত্তর সমান্তরাল রেখা|১১তম উত্তর সমান্তরাল রেখা]] দ্বারা পৃথক এবং দক্ষিণে [[w:মিনিকয়|মিনিকয়]] অ্যাটল যা [[w:নাইন ডিগ্রি চ্যানেল|নাইন ডিগ্রি চ্যানেল]] বরাবর [[w:৯ম উত্তর সমান্তরাল রেখা|৯ম উত্তর সমান্তরাল রেখা]] দ্বারা পৃথক। দ্বীপগুলো পশ্চিমে [[w:আরব সাগর|আরব সাগর]] এবং পূর্বে [[w:লাক্ষাদ্বীপ সাগর|লাক্ষাদ্বীপ সাগরের]] মধ্যে অবস্থিত, যা ভারতের মূল ভূখণ্ডের [[w:মালাবার উপকূল|মালাবার উপকূল]] থেকে প্রায় ২২০-৪৪০ কিমি (১৪০-২৭০ মাইল) দূরে অবস্থিত। == জে == ===দ্য মুসলিম ট্রাইবস অফ লাক্ষাদ্বীপ আইল্যান্ডস=== :ঝা, মাখন, [https://archive.org/details/muslimtribesofla0000jham/mode/2up দ্য মুসলিম ট্রাইবস অফ লাক্ষাদ্বীপ আইল্যান্ডস : অ্যান অ্যানথ্রোপলজিক্যাল অ্যাপ্রাইজাল অফ আইল্যান্ড ইকোলজি অ্যান্ড কালচারাল পারসেপশনস] * দ্বীপের প্রায় সবকটি মসজিদই সাধারণ হিন্দু স্থাপত্য রীতিতে নির্মিত। এছাড়াও, দ্বীপের মসজিদগুলোর কাছে পুকুর এবং জলাশয়ের অস্তিত্ব কেরলের হিন্দু মন্দিরগুলোর কাছে পাওয়া জলাশয়গুলোর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। লাক্ষাদ্বীপের বিভিন্ন দ্বীপ থেকে ইতিমধ্যে হিন্দু মূর্তির অনেক অংশ খনন করে বের করা হয়েছে। আমিনি দ্বীপের প্রায় কেন্দ্রে একটি অশ্বত্থ গাছ (পিপল ট্রি) রয়েছে, যা হিন্দুদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র। সেখানে ঐতিহ্যবাহী লোকসংগীত ছিল যাতে ভগবান রামের প্রশংসা এবং নাগ (সাপ) পূজার শ্লোক ছিল। তবে, দ্বীপগুলোর ইসলামীকরণের পর বিশেষ করে এই গানগুলোর স্থলাভিষিক্ত হয়েছে "মাপ্পিলা পাট্টু" বা মুসলিম লোকসংগীত। ** ঝা, মাখন, [https://archive.org/details/muslimtribesofla0000jham/mode/2up দ্য মুসলিম ট্রাইবস অফ লাক্ষাদ্বীপ আইল্যান্ডস : অ্যান অ্যানথ্রোপলজিক্যাল অ্যাপ্রাইজাল অফ আইল্যান্ড ইকোলজি অ্যান্ড কালচারাল পারসেপশনস] * দ্বীপবাসীদের হিন্দু বংশোদ্ভূত হওয়ার বিষয়টি প্রমাণ করার জন্য আরও অনুসন্ধান এবং গভীর তদন্তের প্রয়োজন এমন বেশ কিছু প্রমাণ রয়েছে। সবকটি দ্বীপেই হিন্দু পারিবারিক নাম পাওয়া যায়। অনেক বাড়িতে তাদের নামের সাথে "ইল্লম" শব্দটি যুক্ত আছে। কেরলে একচেটিয়াভাবে শুধুমাত্র নাম্পুথিরিদের বাড়িগুলোকে "ইল্লম" বলা হতো এবং সেই কারণেই কিছু স্থানীয় ইতিহাসবিদ মনে করেন যে আদি বসতি স্থাপনকারীরা ছিলেন নাম্পুথিরি। মালাবার উপকূল থেকে অভিবাসিত মালাবার জনগণের জাতি যা-ই হোক না কেন, একটি বিষয় খুব নিশ্চিত যে তারা হিন্দু ছিলেন, যার জন্য অবশ্যই গভীর তদন্ত প্রয়োজন। ** [https://archive.org/details/muslimtribesofla0000jham/page/30/mode/2up] * জনাব শামসুদ্দিন (বয়স ৫৫), পরিচালক, কৃষি বিভাগ, লাক্ষাদ্বীপ – বর্ণনা করেছেন যে ৩০/৪০ বছর আগে তার মা চাল পিষতে পিষতে বীরত্বগাঁথা গাইতেন যে, কীভাবে পশ্চিম দিক থেকে আসা লোকেরা দ্বীপের মেয়েদের ধর্ষণ করেছিল, যারা পরে সমুদ্রে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছিল। ** [https://archive.org/details/muslimtribesofla0000jham/page/54/mode/2up] [https://x.com/TrueIndology/status/1812439091427881361][https://x.com/TrueIndology/status/1812437715993993551] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল]] [[বিষয়শ্রেণী:এশিয়ার দ্বীপ]] joyb1j4k8uziapyc0gxdtcjht0ad7vo 78665 78664 2026-04-19T18:37:33Z Tuhin 172 78665 wikitext text/x-wiki '''[[w:লাক্ষাদ্বীপ|লাক্ষাদ্বীপ]]''' হলো ভারতের একটি [[w:কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল|কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল]]। এটি ৩৬টি [[w:দ্বীপ|দ্বীপের]] একটি [[w:দ্বীপপুঞ্জ|দ্বীপপুঞ্জ]] যা তিনটি দ্বীপ উপগোষ্ঠীতে বিভক্ত: মাঝখানে [[w:লাক্কাদিভ দ্বীপপুঞ্জ|লাক্কাদিভ দ্বীপপুঞ্জ]], উত্তরে [[w:আমিনিদিভি দ্বীপপুঞ্জ|আমিনিদিভি দ্বীপপুঞ্জ]] যা মোটামুটিভাবে [[w:১১তম উত্তর সমান্তরাল রেখা|১১তম উত্তর সমান্তরাল রেখা]] দ্বারা পৃথক এবং দক্ষিণে [[w:মিনিকয়|মিনিকয়]] অ্যাটল যা [[w:নাইন ডিগ্রি চ্যানেল|নাইন ডিগ্রি চ্যানেল]] বরাবর [[w:৯ম উত্তর সমান্তরাল রেখা|৯ম উত্তর সমান্তরাল রেখা]] দ্বারা পৃথক। দ্বীপগুলো পশ্চিমে [[w:আরব সাগর|আরব সাগর]] এবং পূর্বে [[w:লাক্ষাদ্বীপ সাগর|লাক্ষাদ্বীপ সাগরের]] মধ্যে অবস্থিত, যা ভারতের মূল ভূখণ্ডের [[w:মালাবার উপকূল|মালাবার উপকূল]] থেকে প্রায় ২২০-৪৪০ কিমি (১৪০-২৭০ মাইল) দূরে অবস্থিত। == জে == ===দ্য মুসলিম ট্রাইবস অফ লাক্ষাদ্বীপ আইল্যান্ডস=== :ঝা, মাখন, [https://archive.org/details/muslimtribesofla0000jham/mode/2up দ্য মুসলিম ট্রাইবস অফ লাক্ষাদ্বীপ আইল্যান্ডস : অ্যান অ্যানথ্রোপলজিক্যাল অ্যাপ্রাইজাল অফ আইল্যান্ড ইকোলজি অ্যান্ড কালচারাল পারসেপশনস] * দ্বীপের প্রায় সবকটি মসজিদই সাধারণ হিন্দু স্থাপত্য রীতিতে নির্মিত। এছাড়াও, দ্বীপের মসজিদগুলোর কাছে পুকুর এবং জলাশয়ের অস্তিত্ব কেরলের হিন্দু মন্দিরগুলোর কাছে পাওয়া জলাশয়গুলোর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। লাক্ষাদ্বীপের বিভিন্ন দ্বীপ থেকে ইতিমধ্যে হিন্দু মূর্তির অনেক অংশ খনন করে বের করা হয়েছে। আমিনি দ্বীপের প্রায় কেন্দ্রে একটি অশ্বত্থ গাছ (পিপল ট্রি) রয়েছে, যা হিন্দুদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র। সেখানে ঐতিহ্যবাহী লোকসংগীত ছিল যাতে ভগবান রামের প্রশংসা এবং নাগ (সাপ) পূজার শ্লোক ছিল। তবে, দ্বীপগুলোর ইসলামীকরণের পর বিশেষ করে এই গানগুলোর স্থলাভিষিক্ত হয়েছে "মাপ্পিলা পাট্টু" বা মুসলিম লোকসংগীত। ** ঝা, মাখন, [https://archive.org/details/muslimtribesofla0000jham/mode/2up দ্য মুসলিম ট্রাইবস অফ লাক্ষাদ্বীপ আইল্যান্ডস : অ্যান অ্যানথ্রোপলজিক্যাল অ্যাপ্রাইজাল অফ আইল্যান্ড ইকোলজি অ্যান্ড কালচারাল পারসেপশনস] * দ্বীপবাসীদের হিন্দু বংশোদ্ভূত হওয়ার বিষয়টি প্রমাণ করার জন্য আরও অনুসন্ধান এবং গভীর তদন্তের প্রয়োজন এমন বেশ কিছু প্রমাণ রয়েছে। সবকটি দ্বীপেই হিন্দু পারিবারিক নাম পাওয়া যায়। অনেক বাড়িতে তাদের নামের সাথে "ইল্লম" শব্দটি যুক্ত আছে। কেরলে একচেটিয়াভাবে শুধুমাত্র নাম্পুথিরিদের বাড়িগুলোকে "ইল্লম" বলা হতো এবং সেই কারণেই কিছু স্থানীয় ইতিহাসবিদ মনে করেন যে আদি বসতি স্থাপনকারীরা ছিলেন নাম্পুথিরি। মালাবার উপকূল থেকে অভিবাসিত মালাবার জনগণের জাতি যা-ই হোক না কেন, একটি বিষয় খুব নিশ্চিত যে তারা হিন্দু ছিলেন, যার জন্য অবশ্যই গভীর তদন্ত প্রয়োজন। ** [https://archive.org/details/muslimtribesofla0000jham/page/30/mode/2up] * জনাব শামসুদ্দিন (বয়স ৫৫), পরিচালক, কৃষি বিভাগ, লাক্ষাদ্বীপ – বর্ণনা করেছেন যে ৩০/৪০ বছর আগে তার মা চাল পিষতে পিষতে বীরত্বগাঁথা গাইতেন যে, কীভাবে পশ্চিম দিক থেকে আসা লোকেরা দ্বীপের মেয়েদের ধর্ষণ করেছিল, যারা পরে সমুদ্রে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছিল। ** [https://archive.org/details/muslimtribesofla0000jham/page/54/mode/2up] [https://x.com/TrueIndology/status/1812439091427881361][https://x.com/TrueIndology/status/1812437715993993551] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল]] [[বিষয়শ্রেণী:এশিয়ার দ্বীপ]] iiqlsba3wxv80e1b8ev4km2gwzog3yn 78899 78665 2026-04-20T11:49:33Z ARI 356 /* জে */ 78899 wikitext text/x-wiki '''[[w:লাক্ষাদ্বীপ|লাক্ষাদ্বীপ]]''' হলো ভারতের একটি [[w:কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল|কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল]]। এটি ৩৬টি [[w:দ্বীপ|দ্বীপের]] একটি [[w:দ্বীপপুঞ্জ|দ্বীপপুঞ্জ]] যা তিনটি দ্বীপ উপগোষ্ঠীতে বিভক্ত: মাঝখানে [[w:লাক্কাদিভ দ্বীপপুঞ্জ|লাক্কাদিভ দ্বীপপুঞ্জ]], উত্তরে [[w:আমিনিদিভি দ্বীপপুঞ্জ|আমিনিদিভি দ্বীপপুঞ্জ]] যা মোটামুটিভাবে [[w:১১তম উত্তর সমান্তরাল রেখা|১১তম উত্তর সমান্তরাল রেখা]] দ্বারা পৃথক এবং দক্ষিণে [[w:মিনিকয়|মিনিকয়]] অ্যাটল যা [[w:নাইন ডিগ্রি চ্যানেল|নাইন ডিগ্রি চ্যানেল]] বরাবর [[w:৯ম উত্তর সমান্তরাল রেখা|৯ম উত্তর সমান্তরাল রেখা]] দ্বারা পৃথক। দ্বীপগুলো পশ্চিমে [[w:আরব সাগর|আরব সাগর]] এবং পূর্বে [[w:লাক্ষাদ্বীপ সাগর|লাক্ষাদ্বীপ সাগরের]] মধ্যে অবস্থিত, যা ভারতের মূল ভূখণ্ডের [[w:মালাবার উপকূল|মালাবার উপকূল]] থেকে প্রায় ২২০-৪৪০ কিমি (১৪০-২৭০ মাইল) দূরে অবস্থিত। == উক্তি == ===দ্য মুসলিম ট্রাইবস অফ লাক্ষাদ্বীপ আইল্যান্ডস=== :ঝা, মাখন, [https://archive.org/details/muslimtribesofla0000jham/mode/2up দ্য মুসলিম ট্রাইবস অফ লাক্ষাদ্বীপ আইল্যান্ডস : অ্যান অ্যানথ্রোপলজিক্যাল অ্যাপ্রাইজাল অফ আইল্যান্ড ইকোলজি অ্যান্ড কালচারাল পারসেপশনস] * দ্বীপের প্রায় সবকটি মসজিদই সাধারণ হিন্দু স্থাপত্য রীতিতে নির্মিত। এছাড়াও, দ্বীপের মসজিদগুলোর কাছে পুকুর এবং জলাশয়ের অস্তিত্ব কেরলের হিন্দু মন্দিরগুলোর কাছে পাওয়া জলাশয়গুলোর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। লাক্ষাদ্বীপের বিভিন্ন দ্বীপ থেকে ইতিমধ্যে হিন্দু মূর্তির অনেক অংশ খনন করে বের করা হয়েছে। আমিনি দ্বীপের প্রায় কেন্দ্রে একটি অশ্বত্থ গাছ (পিপল ট্রি) রয়েছে, যা হিন্দুদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র। সেখানে ঐতিহ্যবাহী লোকসংগীত ছিল যাতে ভগবান রামের প্রশংসা এবং নাগ (সাপ) পূজার শ্লোক ছিল। তবে, দ্বীপগুলোর ইসলামীকরণের পর বিশেষ করে এই গানগুলোর স্থলাভিষিক্ত হয়েছে "মাপ্পিলা পাট্টু" বা মুসলিম লোকসংগীত। ** ঝা, মাখন, [https://archive.org/details/muslimtribesofla0000jham/mode/2up দ্য মুসলিম ট্রাইবস অফ লাক্ষাদ্বীপ আইল্যান্ডস : অ্যান অ্যানথ্রোপলজিক্যাল অ্যাপ্রাইজাল অফ আইল্যান্ড ইকোলজি অ্যান্ড কালচারাল পারসেপশনস] * দ্বীপবাসীদের হিন্দু বংশোদ্ভূত হওয়ার বিষয়টি প্রমাণ করার জন্য আরও অনুসন্ধান এবং গভীর তদন্তের প্রয়োজন এমন বেশ কিছু প্রমাণ রয়েছে। সবকটি দ্বীপেই হিন্দু পারিবারিক নাম পাওয়া যায়। অনেক বাড়িতে তাদের নামের সাথে "ইল্লম" শব্দটি যুক্ত আছে। কেরলে একচেটিয়াভাবে শুধুমাত্র নাম্পুথিরিদের বাড়িগুলোকে "ইল্লম" বলা হতো এবং সেই কারণেই কিছু স্থানীয় ইতিহাসবিদ মনে করেন যে আদি বসতি স্থাপনকারীরা ছিলেন নাম্পুথিরি। মালাবার উপকূল থেকে অভিবাসিত মালাবার জনগণের জাতি যা-ই হোক না কেন, একটি বিষয় খুব নিশ্চিত যে তারা হিন্দু ছিলেন, যার জন্য অবশ্যই গভীর তদন্ত প্রয়োজন। ** [https://archive.org/details/muslimtribesofla0000jham/page/30/mode/2up] * জনাব শামসুদ্দিন (বয়স ৫৫), পরিচালক, কৃষি বিভাগ, লাক্ষাদ্বীপ – বর্ণনা করেছেন যে ৩০/৪০ বছর আগে তার মা চাল পিষতে পিষতে বীরত্বগাঁথা গাইতেন যে, কীভাবে পশ্চিম দিক থেকে আসা লোকেরা দ্বীপের মেয়েদের ধর্ষণ করেছিল, যারা পরে সমুদ্রে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছিল। ** [https://archive.org/details/muslimtribesofla0000jham/page/54/mode/2up] [https://x.com/TrueIndology/status/1812439091427881361][https://x.com/TrueIndology/status/1812437715993993551] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল]] [[বিষয়শ্রেণী:এশিয়ার দ্বীপ]] r8lsyuqlcia4zjea0ybl1mrdhxzz3l4 আলাপ:লাক্ষাদ্বীপ 1 12914 78666 2026-04-19T18:38:02Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78666 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm মণিপুর 0 12915 78667 2026-04-19T18:43:17Z Tuhin 172 + 78667 wikitext text/x-wiki [[File:Manipur in India.svg|thumb|মণিপুর]] '''[[w:মণিপুর|মণিপুর]]''' হলো উত্তর-পূর্ব [[w:ভারতের অঙ্গরাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল|ভারতের]] একটি রাজ্য, যার রাজধানী হলো [[w:ইম্ফল|ইম্ফল]]। এর উত্তরে নাগাল্যান্ড, দক্ষিণে মিজোরাম এবং পশ্চিমে আসাম অবস্থিত এবং এর পূর্ব দিকে রয়েছে [[w:মায়ানমার|মিয়ানমার]]। [[মৈতৈ জাতি|মৈতৈরা]] মণিপুর রাজ্যের প্রধান জাতিগোষ্ঠী, যাদের ভিত্তি হিসেবে [[মৈতৈ সভ্যতা|মৈতৈ সভ্যতাকে]] কৃতিত্ব দেওয়া হয়। এই সভ্যতার শিল্পকলা, সাহিত্য, দর্শন এবং ক্রীড়াসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের মাধ্যম হলো [[মৈতৈ ভাষা]]। == উক্তি == * পোলোর উৎস হিসেবে মণিপুর রাজ্যকে চিহ্নিত করা যায় (আনুমানিক ৩১০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ), যখন এটি 'সগোল কাংজৈ' হিসেবে খেলা হতো। অন্যান্য দাবি অনুযায়ী এটি পারস্য বংশোদ্ভূত, যা আনুমানিক ৫২৫ খ্রিস্টপূর্বাব্দে 'পুলু' নামে খেলা হতো। ** দ্য গিনেস বুক অফ রেকর্ডস ১৯৯১। (১৯৯০)। যুক্তরাজ্য: গিনেস পাবলিশিং। পৃ. ২৮৮ * এটি নথিবদ্ধ করা হয়েছে যে, মণিপুর একটি সার্বভৌম দেশ ছিল যা এর রাজতন্ত্র দ্বারা শাসিত হতো। সুবিকশিত সাহিত্যিক ভাষা, সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, কাস্টমস ও ঐতিহ্য এবং আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এর নিজস্ব দুই সহস্রাব্দের পুরনো সাংস্কৃতিক কাঠামো ছিল, যা মণিপুরি সভ্যতার জন্ম ও উত্থানের এক জীবন্ত সাক্ষ্য প্রদান করে। ** [https://books.google.co.in/books?id=kqJVDwAAQBAJ&pg=PT4&dq=meitei+people+civilization&hl=en&newbks=1&newbks_redir=0&source=gb_mobile_search&sa=X&ved=2ahUKEwjr4MeczIaBAxUG1jgGHbIoCJM4HhDoAXoECAUQAw#v=onepage&q&f=false নুংলেকপাম প্রেমি দেবী, এ গ্লিম্পস অফ মণিপুরি লিটারারি ওয়ার্কস। (২০১৮)। এফএসপি মিডিয়া পাবলিকেশনস। পৃ. ৪] * মণিপুর ছিল একটি প্রাচীন রাজ্য, যা মানব সভ্যতা ও সৃজনশীলতার এক সূতিকাগার। এটি বিভিন্ন সময়ে আসা নানা জাতিগোষ্ঠীর সংস্কৃতির প্রভাবে এসেছে, যারা মণিপুরের সভ্যতার বিকাশে অবদান রেখেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভারতের প্রবেশদ্বার হওয়ায়, মণিপুরের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক বিকাশে এর ভৌগোলিক অবস্থান এবং বাস্তুসংস্থান দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে। ** সালাম আইরিন, [https://books.google.co.in/books?id=RHmkHBTT_T0C&pg=PA12&dq=meitei+people+civilization&hl=en&newbks=1&newbks_redir=0&source=gb_mobile_search&sa=X&ved=2ahUKEwiCnquhy4aBAxU79zgGHURRASc4ChDoAXoECAoQAw#v=onepage&q&f=false দ্য মুসলিমস অফ মণিপুর। (২০১০)। ভারত: কল্পজ পাবলিকেশনস। পৃ. ১২] * এর মহিমান্বিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে মণিপুর 'ভারতের সুইজারল্যান্ড'-এর মতো উপাধি অর্জন করেছে। এই রাজ্যটি মৈতৈপাক, কাঙলৈপাক বা মৈতৈলৈপাক ছাড়াও আরও ২০টি নামে পরিচিত। এটি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাতটি রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর। চমৎকার দৃশ্যপট, চারদিকের উপত্যকা, নীল জলের হ্রদ, ঘন বন এবং উপত্যকার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মেঘমালা – এই সবকিছু মিলে পুরো অঞ্চলটিকে পৃথিবীর স্বর্গ বলে মনে হয়। ** {{cite book|author=অনিতা গৌর|title=দ্য লাইফ অ্যান্ড টাইমস অফ এম.সি. মেরি কম|url=https://books.google.com/books?id=2LOaDAAAQBAJ&pg=PA12|isbn=978-93-5186-599-5|page=১২}} == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল]] 5epr664jei4gtetrunjl34u7o2gwgpk আলাপ:মণিপুর 1 12916 78668 2026-04-19T18:45:29Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78668 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm মার্টিনুস ভেল্টম্যান 0 12917 78670 2026-04-19T22:26:26Z Md. Muqtadir Fuad 2944 "[[File:Martinus Veltman.jpg|thumb|মার্টিনাস জে. জি. ভেল্টম্যান]] '''[[w:Martinus Justinus Godefriedus Veltman|মার্টিনাস জাস্টিনাস গডফ্রিডাস "টিনি" ভেল্টম্যান]]''' (জন্ম ২৭ জুন, ১৯৩১ – ৪ জানুয়ারি, ২০২১, ওয়ালউইকে) হলেন একজন ডাচ..." দিয়ে পাতা তৈরি 78670 wikitext text/x-wiki [[File:Martinus Veltman.jpg|thumb|মার্টিনাস জে. জি. ভেল্টম্যান]] '''[[w:Martinus Justinus Godefriedus Veltman|মার্টিনাস জাস্টিনাস গডফ্রিডাস "টিনি" ভেল্টম্যান]]''' (জন্ম ২৭ জুন, ১৯৩১ – ৪ জানুয়ারি, ২০২১, ওয়ালউইকে) হলেন একজন ডাচ [[w:theoretical physicist|তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী]]। তিনি [[w:particle theory|কণা তত্ত্বের]] ওপর তাঁদের কাজের জন্য তাঁর প্রাক্তন পিএইচডি ছাত্র জেরারডাস 'টি হুফটের সাথে যৌথভাবে ১৯৯৯ সালে [[w:Nobel Prize in Physics|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন। == উক্তি == * ''আমরা কণা এবং তাদের মিথস্ক্রিয়া সম্পর্কে অনেক কিছুই বুঝতে পারি কিন্তু এই রহস্য এবং এর পাশাপাশি অন্যান্য রহস্যগুলো খুব পরিষ্কার করে দেয় যে আমরা পূর্ণাঙ্গ উপলব্ধির ধারের কাছেও নেই।'' ** {{cite book | author=মার্টিনুস ভেল্টম্যান | title=ফ্যাক্টস অ্যান্ড মিস্ট্রিজ ইন এলিমেন্টারি পার্টিকেল ফিজিক্স | publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক | year=2003 |url= | isbn=981238149X | page=3 | url=https://books.google.com/books?id=CNCHDIobj0IC&pg=PA3}} * '''মহান পদার্থবিজ্ঞান মানেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে জটিল গণিত নয়!''' ** {{cite book | author=মার্টিনুস ভেল্টম্যান | title=ফ্যাক্টস অ্যান্ড মিস্ট্রিজ ইন এলিমেন্টারি পার্টিকেল ফিজিক্স | publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক | year=2003 |url= | isbn=981238149X | page=15 | url=https://books.google.com/books?id=CNCHDIobj0IC&pg=PA15}} * পাঠক প্রশ্ন করতে পারেন যে কেন এই বইটিতে [[w:স্ট্রিং থিওরি|স্ট্রিং থিওরি]] এবং [[w:সুপারসিমেট্রি|সুপারসিমেট্রি]] নিয়ে আলোচনা করা হয়নি। ... আসল কথা হলো এই বইটি পদার্থবিজ্ঞান সম্পর্কে এবং এর মানে দাঁড়ায় আলোচিত তাত্ত্বিক ধারণাগুলো অবশ্যই পরীক্ষামূলক তথ্য দ্বারা সমর্থিত হতে হবে। সুপারসিমেট্রি এবং স্ট্রিং থিওরি কোনোটিই এই মানদণ্ড পূরণ করে না। এগুলো কেবল তাত্ত্বিক চিন্তাভাবনার কল্পনাপ্রসূত সৃষ্টি। ** {{cite book | author=মার্টিনুস ভেল্টম্যান | title=ফ্যাক্টস অ্যান্ড মিস্ট্রিজ ইন এলিমেন্টারি পার্টিকেল ফিজিক্স | publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক | year=2003 |url= | isbn=981238149X | page=308 | url=https://books.google.com/books?id=CNCHDIobj0IC&pg=PA308}} == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:Veltman, Martinus}} [[Category:নেদারল্যান্ডসের পদার্থবিজ্ঞানী]] [[Category:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] [[Category:১৯৩১-এ জন্ম]] [[Category:২০২১-এ মৃত্যু]] [[Category:নেদারল্যান্ডসের নোবেল বিজয়ী]] r8zlxpffl1jzs9p3ecj1tgv6e5supw5 78671 78670 2026-04-19T22:33:07Z Md. Muqtadir Fuad 2944 সংশোধন 78671 wikitext text/x-wiki [[File:Martinus Veltman.jpg|thumb|মার্টিনুস জে. জি. ভেল্টম্যান]] '''[[w:Martinus Justinus Godefriedus Veltman|মার্টিনুস জাস্টিনাস গডফ্রিডাস "টিনি" ভেল্টম্যান]]''' (জন্ম ২৭ জুন, ১৯৩১ – ৪ জানুয়ারি, ২০২১, ওয়ালউইকে) হলেন একজন ডাচ [[w:theoretical physicist|তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী]]। তিনি [[w:particle theory|কণা তত্ত্বের]] ওপর তাঁদের কাজের জন্য তাঁর প্রাক্তন পিএইচডি ছাত্র জেরারডাস 'টি হুফটের সাথে যৌথভাবে ১৯৯৯ সালে [[Nobel Prize in Physics|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন। == উক্তি == * ''আমরা কণা এবং তাদের মিথস্ক্রিয়া সম্পর্কে অনেক কিছুই বুঝতে পারি কিন্তু এই রহস্য এবং এর পাশাপাশি অন্যান্য রহস্যগুলো খুব পরিষ্কার করে দেয় যে আমরা পূর্ণাঙ্গ উপলব্ধির ধারের কাছেও নেই।'' ** {{cite book | author=মার্টিনুস ভেল্টম্যান | title=ফ্যাক্টস অ্যান্ড মিস্ট্রিজ ইন এলিমেন্টারি পার্টিকেল ফিজিক্স | publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক | year=2003 |isbn=981238149X | page=3 | url=https://books.google.com/books?id=CNCHDIobj0IC&pg=PA3}} * '''মহান পদার্থবিজ্ঞান মানেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে জটিল গণিত নয়!''' ** {{cite book | author=মার্টিনুস ভেল্টম্যান | title=ফ্যাক্টস অ্যান্ড মিস্ট্রিজ ইন এলিমেন্টারি পার্টিকেল ফিজিক্স | publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক | year=2003 |url= | isbn=981238149X | page=15 | url=https://books.google.com/books?id=CNCHDIobj0IC&pg=PA15}} * পাঠক প্রশ্ন করতে পারেন যে কেন এই বইটিতে [[w:স্ট্রিং থিওরি|স্ট্রিং থিওরি]] এবং [[w:সুপারসিমেট্রি|সুপারসিমেট্রি]] নিয়ে আলোচনা করা হয়নি। ... আসল কথা হলো এই বইটি পদার্থবিজ্ঞান সম্পর্কে এবং এর মানে দাঁড়ায় আলোচিত তাত্ত্বিক ধারণাগুলো অবশ্যই পরীক্ষামূলক তথ্য দ্বারা সমর্থিত হতে হবে। সুপারসিমেট্রি এবং স্ট্রিং থিওরি কোনোটিই এই মানদণ্ড পূরণ করে না। এগুলো কেবল তাত্ত্বিক চিন্তাভাবনার কল্পনাপ্রসূত সৃষ্টি। ** {{cite book | author=মার্টিনুস ভেল্টম্যান | title=ফ্যাক্টস অ্যান্ড মিস্ট্রিজ ইন এলিমেন্টারি পার্টিকেল ফিজিক্স | publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক | year=2003| isbn=981238149X | page=308 | url=https://books.google.com/books?id=CNCHDIobj0IC&pg=PA308}} == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[Category:পদার্থবিজ্ঞানী]] [[Category:১৯৩১-এ জন্ম]] [[Category:২০২১-এ মৃত্যু]] [[Category:নোবেল বিজয়ী]] 1rt4nle3hwf3ggn2hohb08ithobosed 78672 78671 2026-04-19T22:33:39Z Md. Muqtadir Fuad 2944 সংশোধন 78672 wikitext text/x-wiki [[File:Martinus Veltman.jpg|thumb|মার্টিনুস জে. জি. ভেল্টম্যান]] '''[[w:Martinus Justinus Godefriedus Veltman|মার্টিনুস জাস্টিনাস গডফ্রিডাস "টিনি" ভেল্টম্যান]]''' (জন্ম ২৭ জুন, ১৯৩১ – ৪ জানুয়ারি, ২০২১, ওয়ালউইকে) হলেন একজন ডাচ [[w:theoretical physicist|তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী]]। তিনি [[w:particle theory|কণা তত্ত্বের]] ওপর তাঁদের কাজের জন্য তাঁর প্রাক্তন পিএইচডি ছাত্র জেরারডাস 'টি হুফটের সাথে যৌথভাবে ১৯৯৯ সালে [[w:Nobel Prize in Physics|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন। == উক্তি == * ''আমরা কণা এবং তাদের মিথস্ক্রিয়া সম্পর্কে অনেক কিছুই বুঝতে পারি কিন্তু এই রহস্য এবং এর পাশাপাশি অন্যান্য রহস্যগুলো খুব পরিষ্কার করে দেয় যে আমরা পূর্ণাঙ্গ উপলব্ধির ধারের কাছেও নেই।'' ** {{cite book | author=মার্টিনুস ভেল্টম্যান | title=ফ্যাক্টস অ্যান্ড মিস্ট্রিজ ইন এলিমেন্টারি পার্টিকেল ফিজিক্স | publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক | year=2003 |isbn=981238149X | page=3 | url=https://books.google.com/books?id=CNCHDIobj0IC&pg=PA3}} * '''মহান পদার্থবিজ্ঞান মানেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে জটিল গণিত নয়!''' ** {{cite book | author=মার্টিনুস ভেল্টম্যান | title=ফ্যাক্টস অ্যান্ড মিস্ট্রিজ ইন এলিমেন্টারি পার্টিকেল ফিজিক্স | publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক | year=2003 |url= | isbn=981238149X | page=15 | url=https://books.google.com/books?id=CNCHDIobj0IC&pg=PA15}} * পাঠক প্রশ্ন করতে পারেন যে কেন এই বইটিতে [[w:স্ট্রিং থিওরি|স্ট্রিং থিওরি]] এবং [[w:সুপারসিমেট্রি|সুপারসিমেট্রি]] নিয়ে আলোচনা করা হয়নি। ... আসল কথা হলো এই বইটি পদার্থবিজ্ঞান সম্পর্কে এবং এর মানে দাঁড়ায় আলোচিত তাত্ত্বিক ধারণাগুলো অবশ্যই পরীক্ষামূলক তথ্য দ্বারা সমর্থিত হতে হবে। সুপারসিমেট্রি এবং স্ট্রিং থিওরি কোনোটিই এই মানদণ্ড পূরণ করে না। এগুলো কেবল তাত্ত্বিক চিন্তাভাবনার কল্পনাপ্রসূত সৃষ্টি। ** {{cite book | author=মার্টিনুস ভেল্টম্যান | title=ফ্যাক্টস অ্যান্ড মিস্ট্রিজ ইন এলিমেন্টারি পার্টিকেল ফিজিক্স | publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক | year=2003| isbn=981238149X | page=308 | url=https://books.google.com/books?id=CNCHDIobj0IC&pg=PA308}} == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[Category:পদার্থবিজ্ঞানী]] [[Category:১৯৩১-এ জন্ম]] [[Category:২০২১-এ মৃত্যু]] [[Category:নোবেল বিজয়ী]] iidhww6sqnh4yvnjmmvsnz71icusq1d 78673 78672 2026-04-19T22:35:38Z Md. Muqtadir Fuad 2944 সংশোধন 78673 wikitext text/x-wiki [[File:Martinus Veltman.jpg|thumb|মার্টিনুস জে. জি. ভেল্টম্যান]] '''মার্টিনুস জাস্টিনাস গডফ্রিডাস "টিনি" ভেল্টম্যান''' (জন্ম ২৭ জুন, ১৯৩১ – ৪ জানুয়ারি, ২০২১, ওয়ালউইকে) হলেন একজন ডাচ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি কণা তত্ত্বের ওপর তাঁদের কাজের জন্য তাঁর প্রাক্তন পিএইচডি ছাত্র জেরারডাস 'টি হুফটের সাথে যৌথভাবে ১৯৯৯ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। == উক্তি == * ''আমরা কণা এবং তাদের মিথস্ক্রিয়া সম্পর্কে অনেক কিছুই বুঝতে পারি কিন্তু এই রহস্য এবং এর পাশাপাশি অন্যান্য রহস্যগুলো খুব পরিষ্কার করে দেয় যে আমরা পূর্ণাঙ্গ উপলব্ধির ধারের কাছেও নেই।'' ** {{cite book | author=মার্টিনুস ভেল্টম্যান | title=ফ্যাক্টস অ্যান্ড মিস্ট্রিজ ইন এলিমেন্টারি পার্টিকেল ফিজিক্স | publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক | year=2003 |isbn=981238149X | page=3 | url=https://books.google.com/books?id=CNCHDIobj0IC&pg=PA3}} * '''মহান পদার্থবিজ্ঞান মানেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে জটিল গণিত নয়!''' ** {{cite book | author=মার্টিনুস ভেল্টম্যান | title=ফ্যাক্টস অ্যান্ড মিস্ট্রিজ ইন এলিমেন্টারি পার্টিকেল ফিজিক্স | publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক | year=2003 |url= | isbn=981238149X | page=15 | url=https://books.google.com/books?id=CNCHDIobj0IC&pg=PA15}} * পাঠক প্রশ্ন করতে পারেন যে কেন এই বইটিতে [[w:স্ট্রিং থিওরি|স্ট্রিং থিওরি]] এবং সুপারসিমেট্রি নিয়ে আলোচনা করা হয়নি। ... আসল কথা হলো এই বইটি পদার্থবিজ্ঞান সম্পর্কে এবং এর মানে দাঁড়ায় আলোচিত তাত্ত্বিক ধারণাগুলো অবশ্যই পরীক্ষামূলক তথ্য দ্বারা সমর্থিত হতে হবে। সুপারসিমেট্রি এবং স্ট্রিং থিওরি কোনোটিই এই মানদণ্ড পূরণ করে না। এগুলো কেবল তাত্ত্বিক চিন্তাভাবনার কল্পনাপ্রসূত সৃষ্টি। ** {{cite book | author=মার্টিনুস ভেল্টম্যান | title=ফ্যাক্টস অ্যান্ড মিস্ট্রিজ ইন এলিমেন্টারি পার্টিকেল ফিজিক্স | publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক | year=2003| isbn=981238149X | page=308 | url=https://books.google.com/books?id=CNCHDIobj0IC&pg=PA308}} == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} [[Category:পদার্থবিজ্ঞানী]] [[Category:১৯৩১-এ জন্ম]] [[Category:২০২১-এ মৃত্যু]] [[Category:নোবেল বিজয়ী]] 64vuds8om96kknpb5rhws6w3i611wgt 78674 78673 2026-04-19T22:36:31Z Md. Muqtadir Fuad 2944 /* বহিঃসংযোগ */ পরিষ্কারকরণ 78674 wikitext text/x-wiki [[File:Martinus Veltman.jpg|thumb|মার্টিনুস জে. জি. ভেল্টম্যান]] '''মার্টিনুস জাস্টিনাস গডফ্রিডাস "টিনি" ভেল্টম্যান''' (জন্ম ২৭ জুন, ১৯৩১ – ৪ জানুয়ারি, ২০২১, ওয়ালউইকে) হলেন একজন ডাচ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি কণা তত্ত্বের ওপর তাঁদের কাজের জন্য তাঁর প্রাক্তন পিএইচডি ছাত্র জেরারডাস 'টি হুফটের সাথে যৌথভাবে ১৯৯৯ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। == উক্তি == * ''আমরা কণা এবং তাদের মিথস্ক্রিয়া সম্পর্কে অনেক কিছুই বুঝতে পারি কিন্তু এই রহস্য এবং এর পাশাপাশি অন্যান্য রহস্যগুলো খুব পরিষ্কার করে দেয় যে আমরা পূর্ণাঙ্গ উপলব্ধির ধারের কাছেও নেই।'' ** {{cite book | author=মার্টিনুস ভেল্টম্যান | title=ফ্যাক্টস অ্যান্ড মিস্ট্রিজ ইন এলিমেন্টারি পার্টিকেল ফিজিক্স | publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক | year=2003 |isbn=981238149X | page=3 | url=https://books.google.com/books?id=CNCHDIobj0IC&pg=PA3}} * '''মহান পদার্থবিজ্ঞান মানেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে জটিল গণিত নয়!''' ** {{cite book | author=মার্টিনুস ভেল্টম্যান | title=ফ্যাক্টস অ্যান্ড মিস্ট্রিজ ইন এলিমেন্টারি পার্টিকেল ফিজিক্স | publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক | year=2003 |url= | isbn=981238149X | page=15 | url=https://books.google.com/books?id=CNCHDIobj0IC&pg=PA15}} * পাঠক প্রশ্ন করতে পারেন যে কেন এই বইটিতে [[w:স্ট্রিং থিওরি|স্ট্রিং থিওরি]] এবং সুপারসিমেট্রি নিয়ে আলোচনা করা হয়নি। ... আসল কথা হলো এই বইটি পদার্থবিজ্ঞান সম্পর্কে এবং এর মানে দাঁড়ায় আলোচিত তাত্ত্বিক ধারণাগুলো অবশ্যই পরীক্ষামূলক তথ্য দ্বারা সমর্থিত হতে হবে। সুপারসিমেট্রি এবং স্ট্রিং থিওরি কোনোটিই এই মানদণ্ড পূরণ করে না। এগুলো কেবল তাত্ত্বিক চিন্তাভাবনার কল্পনাপ্রসূত সৃষ্টি। ** {{cite book | author=মার্টিনুস ভেল্টম্যান | title=ফ্যাক্টস অ্যান্ড মিস্ট্রিজ ইন এলিমেন্টারি পার্টিকেল ফিজিক্স | publisher=ওয়ার্ল্ড সায়েন্টিফিক | year=2003| isbn=981238149X | page=308 | url=https://books.google.com/books?id=CNCHDIobj0IC&pg=PA308}} [[Category:পদার্থবিজ্ঞানী]] [[Category:১৯৩১-এ জন্ম]] [[Category:২০২১-এ মৃত্যু]] [[Category:নোবেল বিজয়ী]] 4jbn30kfppy59jetd03eflhafi8mqrx আলাপ:মার্টিনুস ভেল্টম্যান 1 12918 78676 2026-04-19T22:37:32Z Md. Muqtadir Fuad 2944 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78676 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm ব্যবহারকারী আলাপ:Riponsathi 3 12919 78684 2026-04-20T00:13:04Z অভ্যর্থনা কমিটি বট 1112 উইকিউক্তিতে স্বাগত! 78684 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Riponsathi,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ০০:১৩, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 6nipiqoedmx4k93jdess8z20s7ontsv কমলকুমার মজুমদার 0 12920 78685 2026-04-20T00:15:07Z Nil Nandy 2294 উইকিপিডিয়া থেকে 78685 wikitext text/x-wiki {{bw|কমলকুমার মজুমদার}} (জন্ম :১৬ নভেম্বর ১৯১৪ - মৃত্যু : ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯) ছিলেন সাহিত্যিক ও শিল্পী। বিংশ শতাব্দীর একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক যিনি আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসাবে পরিগণিত। তাকে বলা হয় 'লেখকদের লেখক'। তার উপন্যাস অন্তর্জলী যাত্রা এর অনন্যপূর্ব আখ্যানভাগ ও ভাষাশৈলীর জন্য প্রসিদ্ধ। বাংলা কথাসাহিত্য বিশেষ করে উপন্যাস ইয়োরোপীয় উপন্যাসের আদলে গড়ে উঠেছে, কমলকুমার মজুমদার সেই অনুসরণতা পরিহার করেছিলেন। তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের দুরূহতম লেখকদের একজন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিখ্যাত ছিলেন; যেমন সুহাসিনীর পমেটম উপন্যাসে ২৫০ পৃষ্ঠায় যতি-চিহ্ন বিহীন মাত্র একটি বাক্য লক্ষ্য করা যায়। তিনি বাংলা সাহিত্যের দুর্বোধ্যতম লেখক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। দীক্ষিত পাঠকের কাছে কমলকুমার অবশ্যপাঠ্য লেখক হিসেবেই সমাদৃত হলেও অদ্যাবধি তিনি সাধারণ্যে পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেন নি। ==উক্তি== ==তার সম্পর্কে উক্তি== ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} 2xbbddtv7axuqqtuo6uebkis8zbdrm9 78697 78685 2026-04-20T01:00:51Z Nil Nandy 2294 /* তার সম্পর্কে উক্তি */ 78697 wikitext text/x-wiki {{bw|কমলকুমার মজুমদার}} (জন্ম :১৬ নভেম্বর ১৯১৪ - মৃত্যু : ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯) ছিলেন সাহিত্যিক ও শিল্পী। বিংশ শতাব্দীর একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক যিনি আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসাবে পরিগণিত। তাকে বলা হয় 'লেখকদের লেখক'। তার উপন্যাস অন্তর্জলী যাত্রা এর অনন্যপূর্ব আখ্যানভাগ ও ভাষাশৈলীর জন্য প্রসিদ্ধ। বাংলা কথাসাহিত্য বিশেষ করে উপন্যাস ইয়োরোপীয় উপন্যাসের আদলে গড়ে উঠেছে, কমলকুমার মজুমদার সেই অনুসরণতা পরিহার করেছিলেন। তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের দুরূহতম লেখকদের একজন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিখ্যাত ছিলেন; যেমন সুহাসিনীর পমেটম উপন্যাসে ২৫০ পৃষ্ঠায় যতি-চিহ্ন বিহীন মাত্র একটি বাক্য লক্ষ্য করা যায়। তিনি বাংলা সাহিত্যের দুর্বোধ্যতম লেখক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। দীক্ষিত পাঠকের কাছে কমলকুমার অবশ্যপাঠ্য লেখক হিসেবেই সমাদৃত হলেও অদ্যাবধি তিনি সাধারণ্যে পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেন নি। ==উক্তি== ==তার সম্পর্কে উক্তি== *কমলকুমার অল্প সংখ্যক পাঠক পেয়েই সন্তুষ্ট ছিলেন, সেই জন্যই তিনি একটার পর একটা উপন্যাস লিখে গেছেন ছোট পত্রিকায়। হয়তো তিনি সচেতন ছিলেন, তাঁর রচনারীতি বৃহত্তর পাঠক সমাজের জন্য নয়। রচনাগুলি গ্রন্থাকারে প্রকাশের ব্যাপারেও তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল না, যতদূর জানি, তাঁর একটি মাত্র উপন্যাস ‘অন্তর্জলী যাত্রা’ এবং একটি গল্প সংকলন ‘নিম অন্নপূর্ণা’ প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর জীবিতৎকালে। আর একটি উপন্যাস ‘পিঞ্জরে বসিয়া শুক’ প্রকাশের প্রস্তুতি চলছিল, মুদ্রণ সম্পূর্ণ হবার আগেই তাঁর অকালমৃত্যু ঘটে। **[[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]],ভূমিকা,অন্তর্জলী যাত্রা। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/অন্তর্জলী-যাত্রা-কমলকু/] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} svlnr9dzmjdi137fdcusf1mxtyngr3g 78702 78697 2026-04-20T01:06:53Z Nil Nandy 2294 /* তার সম্পর্কে উক্তি */ 78702 wikitext text/x-wiki {{bw|কমলকুমার মজুমদার}} (জন্ম :১৬ নভেম্বর ১৯১৪ - মৃত্যু : ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯) ছিলেন সাহিত্যিক ও শিল্পী। বিংশ শতাব্দীর একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক যিনি আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসাবে পরিগণিত। তাকে বলা হয় 'লেখকদের লেখক'। তার উপন্যাস অন্তর্জলী যাত্রা এর অনন্যপূর্ব আখ্যানভাগ ও ভাষাশৈলীর জন্য প্রসিদ্ধ। বাংলা কথাসাহিত্য বিশেষ করে উপন্যাস ইয়োরোপীয় উপন্যাসের আদলে গড়ে উঠেছে, কমলকুমার মজুমদার সেই অনুসরণতা পরিহার করেছিলেন। তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের দুরূহতম লেখকদের একজন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিখ্যাত ছিলেন; যেমন সুহাসিনীর পমেটম উপন্যাসে ২৫০ পৃষ্ঠায় যতি-চিহ্ন বিহীন মাত্র একটি বাক্য লক্ষ্য করা যায়। তিনি বাংলা সাহিত্যের দুর্বোধ্যতম লেখক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। দীক্ষিত পাঠকের কাছে কমলকুমার অবশ্যপাঠ্য লেখক হিসেবেই সমাদৃত হলেও অদ্যাবধি তিনি সাধারণ্যে পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেন নি। ==উক্তি== ==তার সম্পর্কে উক্তি== *কমলকুমার অল্প সংখ্যক পাঠক পেয়েই সন্তুষ্ট ছিলেন, সেই জন্যই তিনি একটার পর একটা উপন্যাস লিখে গেছেন ছোট পত্রিকায়। হয়তো তিনি সচেতন ছিলেন, তাঁর রচনারীতি বৃহত্তর পাঠক সমাজের জন্য নয়। রচনাগুলি গ্রন্থাকারে প্রকাশের ব্যাপারেও তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল না, যতদূর জানি, তাঁর একটি মাত্র উপন্যাস ‘অন্তর্জলী যাত্রা’ এবং একটি গল্প সংকলন ‘নিম অন্নপূর্ণা’ প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর জীবিতৎকালে। আর একটি উপন্যাস ‘পিঞ্জরে বসিয়া শুক’ প্রকাশের প্রস্তুতি চলছিল, মুদ্রণ সম্পূর্ণ হবার আগেই তাঁর অকালমৃত্যু ঘটে। **[[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]],ভূমিকা,অন্তর্জলী যাত্রা। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/অন্তর্জলী-যাত্রা-কমলকু/] *কমলকুমারের ভাষা একেবারেই অন্য রকম। কেন এরকম ভাষায় তিনি লেখেন, সে প্রশ্ন অনেকবার করেছি। এক এক সময় এক এক রকম উত্তর দিয়েছেন তিনি। যেমন, বাংলা গদ্যের বাক্য বিন্যাস তৈরি হয়েছে ইংরেজির অনুকরণে । কমলকুমারের মতে, যদি বিদেশী রীতি নিতেই হয়, তবে ফরাসী বাক-ভঙ্গী অনেক বেশী কাম্য। তিনি ইংরেজি-প্রভাব অস্বীকার করে ফরাসী-রীতিতে বাংলা গদ্য লেখেন। আবার কখনো বলেছেন, হাটে-বাজারে, বাড়ির লোকজনদের সঙ্গে যে-ভাষায় আমরা কথা বলি, সে ভাষায় সাহিত্য রচনা উচিত নয়। সাহিত্য হচ্ছে সরস্বতীর সঙ্গে কথা বলা, তার জন্য সম্পূর্ণ নতুন ভাষা তৈরি করে নিতে হয়।<br>তবে, এগুলোও বোধহয় সঠিক যুক্তি নয়। আধুনিক বাংলা গদ্য অনেকখানিই [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্র-অনুসারী]]। গদ্যে এই রবীন্দ্র-প্রভাব তার তেমন মনঃপূত ছিল না, তিনি পছন্দ করতেন [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়|বঙ্কিমের]] গদ্যের দৃঢ়তা এবং মনে করতেন, বাংলা গদ্য বঙ্কিম-দৃষ্টান্তেই চলা উচিত ছিল। তবুও, সাধু ক্রিয়াপদ আঁকড়ে ধরে থাকলেও, কমলকুমারের গদ্য ঠিক বঙ্কিমী গদ্য নয়, এ তাঁর নিজস্ব তৈরি করা ভাষা। নিজের লেখার জন্য একজন লেখক আলাদা ভাষা তৈরি করে লিখেছেন, এমন দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে বেশী নেই। **সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়,গোলাপ সুন্দরীর পটভূমিকা,গোলাপ সুন্দরী। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/গোলাপ-সুন্দরী-কমলকুমার/] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} 3n07wa0305ryaq6k8rh4j9gkgw73nbc 78708 78702 2026-04-20T01:19:40Z Nil Nandy 2294 /* তার সম্পর্কে উক্তি */ 78708 wikitext text/x-wiki {{bw|কমলকুমার মজুমদার}} (জন্ম :১৬ নভেম্বর ১৯১৪ - মৃত্যু : ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯) ছিলেন সাহিত্যিক ও শিল্পী। বিংশ শতাব্দীর একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক যিনি আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসাবে পরিগণিত। তাকে বলা হয় 'লেখকদের লেখক'। তার উপন্যাস অন্তর্জলী যাত্রা এর অনন্যপূর্ব আখ্যানভাগ ও ভাষাশৈলীর জন্য প্রসিদ্ধ। বাংলা কথাসাহিত্য বিশেষ করে উপন্যাস ইয়োরোপীয় উপন্যাসের আদলে গড়ে উঠেছে, কমলকুমার মজুমদার সেই অনুসরণতা পরিহার করেছিলেন। তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের দুরূহতম লেখকদের একজন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিখ্যাত ছিলেন; যেমন সুহাসিনীর পমেটম উপন্যাসে ২৫০ পৃষ্ঠায় যতি-চিহ্ন বিহীন মাত্র একটি বাক্য লক্ষ্য করা যায়। তিনি বাংলা সাহিত্যের দুর্বোধ্যতম লেখক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। দীক্ষিত পাঠকের কাছে কমলকুমার অবশ্যপাঠ্য লেখক হিসেবেই সমাদৃত হলেও অদ্যাবধি তিনি সাধারণ্যে পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেন নি। ==উক্তি== ==তার সম্পর্কে উক্তি== *কমলকুমার অল্প সংখ্যক পাঠক পেয়েই সন্তুষ্ট ছিলেন, সেই জন্যই তিনি একটার পর একটা উপন্যাস লিখে গেছেন ছোট পত্রিকায়। হয়তো তিনি সচেতন ছিলেন, তাঁর রচনারীতি বৃহত্তর পাঠক সমাজের জন্য নয়। রচনাগুলি গ্রন্থাকারে প্রকাশের ব্যাপারেও তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল না, যতদূর জানি, তাঁর একটি মাত্র উপন্যাস ‘অন্তর্জলী যাত্রা’ এবং একটি গল্প সংকলন ‘নিম অন্নপূর্ণা’ প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর জীবিতৎকালে। আর একটি উপন্যাস ‘পিঞ্জরে বসিয়া শুক’ প্রকাশের প্রস্তুতি চলছিল, মুদ্রণ সম্পূর্ণ হবার আগেই তাঁর অকালমৃত্যু ঘটে। **[[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]],ভূমিকা,অন্তর্জলী যাত্রা। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/অন্তর্জলী-যাত্রা-কমলকু/] *কমলকুমারের ভাষা একেবারেই অন্য রকম। কেন এরকম ভাষায় তিনি লেখেন, সে প্রশ্ন অনেকবার করেছি। এক এক সময় এক এক রকম উত্তর দিয়েছেন তিনি। যেমন, বাংলা গদ্যের বাক্য বিন্যাস তৈরি হয়েছে ইংরেজির অনুকরণে । কমলকুমারের মতে, যদি বিদেশী রীতি নিতেই হয়, তবে ফরাসী বাক-ভঙ্গী অনেক বেশী কাম্য। তিনি ইংরেজি-প্রভাব অস্বীকার করে ফরাসী-রীতিতে বাংলা গদ্য লেখেন। আবার কখনো বলেছেন, হাটে-বাজারে, বাড়ির লোকজনদের সঙ্গে যে-ভাষায় আমরা কথা বলি, সে ভাষায় সাহিত্য রচনা উচিত নয়। সাহিত্য হচ্ছে সরস্বতীর সঙ্গে কথা বলা, তার জন্য সম্পূর্ণ নতুন ভাষা তৈরি করে নিতে হয়।<br>তবে, এগুলোও বোধহয় সঠিক যুক্তি নয়। আধুনিক বাংলা গদ্য অনেকখানিই [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্র-অনুসারী]]। গদ্যে এই রবীন্দ্র-প্রভাব তার তেমন মনঃপূত ছিল না, তিনি পছন্দ করতেন [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়|বঙ্কিমের]] গদ্যের দৃঢ়তা এবং মনে করতেন, বাংলা গদ্য বঙ্কিম-দৃষ্টান্তেই চলা উচিত ছিল। তবুও, সাধু ক্রিয়াপদ আঁকড়ে ধরে থাকলেও, কমলকুমারের গদ্য ঠিক বঙ্কিমী গদ্য নয়, এ তাঁর নিজস্ব তৈরি করা ভাষা। নিজের লেখার জন্য একজন লেখক আলাদা ভাষা তৈরি করে লিখেছেন, এমন দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে বেশী নেই। **সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়,গোলাপ সুন্দরীর পটভূমিকা,গোলাপ সুন্দরী। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/গোলাপ-সুন্দরী-কমলকুমার/] *কমলকুমার মজুমদার সেই সময় কমল মজুমদার নামেই লিখতেন। প্রথম দিকের সব লেখাই ‘কুমার’ বর্জিত। আর এই কমল মজুমদার সাধু ভাষায় লেখেননি। লিখেছেন কথ্য ভাষায়। অথচ কমলকুমার মজুমদারের লিখনশৈলীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য সাধু ভাষায় লেখা। এই বঙ্কিমী-ধাঁচে সাধু ভাষা তাঁর অনবদ্য লেখাগুলো অবশ্যই বাংলা সাহিত্যের সম্পদ। সূচনাপর্বেই কথ্য ভাষায় লেখা যে তাঁর জন্য সুপ্রযুক্ত নয়, তা হয়তো তিনি বুঝেছিলেন। **[https://eisamay.com/editorial/post-editorial/ushnish-kamal-kumar-majumdar-published-first-magazines/66793704.cms সাহিত্য, শিল্প, আড্ডা,খালাসিটোলা] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} f03oeuefrfcp84t49ogn6s9ee7gz3kp 78717 78708 2026-04-20T01:26:00Z Nil Nandy 2294 /* উক্তি */ 78717 wikitext text/x-wiki {{bw|কমলকুমার মজুমদার}} (জন্ম :১৬ নভেম্বর ১৯১৪ - মৃত্যু : ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯) ছিলেন সাহিত্যিক ও শিল্পী। বিংশ শতাব্দীর একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক যিনি আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসাবে পরিগণিত। তাকে বলা হয় 'লেখকদের লেখক'। তার উপন্যাস অন্তর্জলী যাত্রা এর অনন্যপূর্ব আখ্যানভাগ ও ভাষাশৈলীর জন্য প্রসিদ্ধ। বাংলা কথাসাহিত্য বিশেষ করে উপন্যাস ইয়োরোপীয় উপন্যাসের আদলে গড়ে উঠেছে, কমলকুমার মজুমদার সেই অনুসরণতা পরিহার করেছিলেন। তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের দুরূহতম লেখকদের একজন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিখ্যাত ছিলেন; যেমন সুহাসিনীর পমেটম উপন্যাসে ২৫০ পৃষ্ঠায় যতি-চিহ্ন বিহীন মাত্র একটি বাক্য লক্ষ্য করা যায়। তিনি বাংলা সাহিত্যের দুর্বোধ্যতম লেখক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। দীক্ষিত পাঠকের কাছে কমলকুমার অবশ্যপাঠ্য লেখক হিসেবেই সমাদৃত হলেও অদ্যাবধি তিনি সাধারণ্যে পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেন নি। ==উক্তি== *[[সত্যজিৎ রায়|সত্যজিতের]] সমালোচনা করার তুমি কে হে? করলে আমি করব, তুমি কে? **কমলকুমারের এক ভক্ত সত্যজিতের কাজ নিয়ে বিরূপ কিছু বলাতে তার উত্তর। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%95-%E0%A6%AE-%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A3-1.80078] ==তার সম্পর্কে উক্তি== *কমলকুমার অল্প সংখ্যক পাঠক পেয়েই সন্তুষ্ট ছিলেন, সেই জন্যই তিনি একটার পর একটা উপন্যাস লিখে গেছেন ছোট পত্রিকায়। হয়তো তিনি সচেতন ছিলেন, তাঁর রচনারীতি বৃহত্তর পাঠক সমাজের জন্য নয়। রচনাগুলি গ্রন্থাকারে প্রকাশের ব্যাপারেও তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল না, যতদূর জানি, তাঁর একটি মাত্র উপন্যাস ‘অন্তর্জলী যাত্রা’ এবং একটি গল্প সংকলন ‘নিম অন্নপূর্ণা’ প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর জীবিতৎকালে। আর একটি উপন্যাস ‘পিঞ্জরে বসিয়া শুক’ প্রকাশের প্রস্তুতি চলছিল, মুদ্রণ সম্পূর্ণ হবার আগেই তাঁর অকালমৃত্যু ঘটে। **[[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]],ভূমিকা,অন্তর্জলী যাত্রা। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/অন্তর্জলী-যাত্রা-কমলকু/] *কমলকুমারের ভাষা একেবারেই অন্য রকম। কেন এরকম ভাষায় তিনি লেখেন, সে প্রশ্ন অনেকবার করেছি। এক এক সময় এক এক রকম উত্তর দিয়েছেন তিনি। যেমন, বাংলা গদ্যের বাক্য বিন্যাস তৈরি হয়েছে ইংরেজির অনুকরণে । কমলকুমারের মতে, যদি বিদেশী রীতি নিতেই হয়, তবে ফরাসী বাক-ভঙ্গী অনেক বেশী কাম্য। তিনি ইংরেজি-প্রভাব অস্বীকার করে ফরাসী-রীতিতে বাংলা গদ্য লেখেন। আবার কখনো বলেছেন, হাটে-বাজারে, বাড়ির লোকজনদের সঙ্গে যে-ভাষায় আমরা কথা বলি, সে ভাষায় সাহিত্য রচনা উচিত নয়। সাহিত্য হচ্ছে সরস্বতীর সঙ্গে কথা বলা, তার জন্য সম্পূর্ণ নতুন ভাষা তৈরি করে নিতে হয়।<br>তবে, এগুলোও বোধহয় সঠিক যুক্তি নয়। আধুনিক বাংলা গদ্য অনেকখানিই [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্র-অনুসারী]]। গদ্যে এই রবীন্দ্র-প্রভাব তার তেমন মনঃপূত ছিল না, তিনি পছন্দ করতেন [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়|বঙ্কিমের]] গদ্যের দৃঢ়তা এবং মনে করতেন, বাংলা গদ্য বঙ্কিম-দৃষ্টান্তেই চলা উচিত ছিল। তবুও, সাধু ক্রিয়াপদ আঁকড়ে ধরে থাকলেও, কমলকুমারের গদ্য ঠিক বঙ্কিমী গদ্য নয়, এ তাঁর নিজস্ব তৈরি করা ভাষা। নিজের লেখার জন্য একজন লেখক আলাদা ভাষা তৈরি করে লিখেছেন, এমন দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে বেশী নেই। **সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়,গোলাপ সুন্দরীর পটভূমিকা,গোলাপ সুন্দরী। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/গোলাপ-সুন্দরী-কমলকুমার/] *কমলকুমার মজুমদার সেই সময় কমল মজুমদার নামেই লিখতেন। প্রথম দিকের সব লেখাই ‘কুমার’ বর্জিত। আর এই কমল মজুমদার সাধু ভাষায় লেখেননি। লিখেছেন কথ্য ভাষায়। অথচ কমলকুমার মজুমদারের লিখনশৈলীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য সাধু ভাষায় লেখা। এই বঙ্কিমী-ধাঁচে সাধু ভাষা তাঁর অনবদ্য লেখাগুলো অবশ্যই বাংলা সাহিত্যের সম্পদ। সূচনাপর্বেই কথ্য ভাষায় লেখা যে তাঁর জন্য সুপ্রযুক্ত নয়, তা হয়তো তিনি বুঝেছিলেন। **[https://eisamay.com/editorial/post-editorial/ushnish-kamal-kumar-majumdar-published-first-magazines/66793704.cms সাহিত্য, শিল্প, আড্ডা,খালাসিটোলা] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} juxpl04l9fymrhpdyw5elkkf12g8iz2 78731 78717 2026-04-20T02:28:05Z Nil Nandy 2294 /* উক্তি */ 78731 wikitext text/x-wiki {{bw|কমলকুমার মজুমদার}} (জন্ম :১৬ নভেম্বর ১৯১৪ - মৃত্যু : ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯) ছিলেন সাহিত্যিক ও শিল্পী। বিংশ শতাব্দীর একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক যিনি আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসাবে পরিগণিত। তাকে বলা হয় 'লেখকদের লেখক'। তার উপন্যাস অন্তর্জলী যাত্রা এর অনন্যপূর্ব আখ্যানভাগ ও ভাষাশৈলীর জন্য প্রসিদ্ধ। বাংলা কথাসাহিত্য বিশেষ করে উপন্যাস ইয়োরোপীয় উপন্যাসের আদলে গড়ে উঠেছে, কমলকুমার মজুমদার সেই অনুসরণতা পরিহার করেছিলেন। তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের দুরূহতম লেখকদের একজন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিখ্যাত ছিলেন; যেমন সুহাসিনীর পমেটম উপন্যাসে ২৫০ পৃষ্ঠায় যতি-চিহ্ন বিহীন মাত্র একটি বাক্য লক্ষ্য করা যায়। তিনি বাংলা সাহিত্যের দুর্বোধ্যতম লেখক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। দীক্ষিত পাঠকের কাছে কমলকুমার অবশ্যপাঠ্য লেখক হিসেবেই সমাদৃত হলেও অদ্যাবধি তিনি সাধারণ্যে পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেন নি। ==উক্তি== *[[সত্যজিৎ রায়|সত্যজিতের]] সমালোচনা করার তুমি কে হে? করলে আমি করব, তুমি কে? **কমলকুমারের এক ভক্ত সত্যজিতের কাজ নিয়ে বিরূপ কিছু বলাতে তার উত্তর। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%95-%E0%A6%AE-%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A3-1.80078] ===কিচির মিচির=== <small>[https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.456048 কিচির মিচির], সুপ্রকাশনী, ১৯৬৫</small> ==তার সম্পর্কে উক্তি== *কমলকুমার অল্প সংখ্যক পাঠক পেয়েই সন্তুষ্ট ছিলেন, সেই জন্যই তিনি একটার পর একটা উপন্যাস লিখে গেছেন ছোট পত্রিকায়। হয়তো তিনি সচেতন ছিলেন, তাঁর রচনারীতি বৃহত্তর পাঠক সমাজের জন্য নয়। রচনাগুলি গ্রন্থাকারে প্রকাশের ব্যাপারেও তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল না, যতদূর জানি, তাঁর একটি মাত্র উপন্যাস ‘অন্তর্জলী যাত্রা’ এবং একটি গল্প সংকলন ‘নিম অন্নপূর্ণা’ প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর জীবিতৎকালে। আর একটি উপন্যাস ‘পিঞ্জরে বসিয়া শুক’ প্রকাশের প্রস্তুতি চলছিল, মুদ্রণ সম্পূর্ণ হবার আগেই তাঁর অকালমৃত্যু ঘটে। **[[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]],ভূমিকা,অন্তর্জলী যাত্রা। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/অন্তর্জলী-যাত্রা-কমলকু/] *কমলকুমারের ভাষা একেবারেই অন্য রকম। কেন এরকম ভাষায় তিনি লেখেন, সে প্রশ্ন অনেকবার করেছি। এক এক সময় এক এক রকম উত্তর দিয়েছেন তিনি। যেমন, বাংলা গদ্যের বাক্য বিন্যাস তৈরি হয়েছে ইংরেজির অনুকরণে । কমলকুমারের মতে, যদি বিদেশী রীতি নিতেই হয়, তবে ফরাসী বাক-ভঙ্গী অনেক বেশী কাম্য। তিনি ইংরেজি-প্রভাব অস্বীকার করে ফরাসী-রীতিতে বাংলা গদ্য লেখেন। আবার কখনো বলেছেন, হাটে-বাজারে, বাড়ির লোকজনদের সঙ্গে যে-ভাষায় আমরা কথা বলি, সে ভাষায় সাহিত্য রচনা উচিত নয়। সাহিত্য হচ্ছে সরস্বতীর সঙ্গে কথা বলা, তার জন্য সম্পূর্ণ নতুন ভাষা তৈরি করে নিতে হয়।<br>তবে, এগুলোও বোধহয় সঠিক যুক্তি নয়। আধুনিক বাংলা গদ্য অনেকখানিই [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্র-অনুসারী]]। গদ্যে এই রবীন্দ্র-প্রভাব তার তেমন মনঃপূত ছিল না, তিনি পছন্দ করতেন [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়|বঙ্কিমের]] গদ্যের দৃঢ়তা এবং মনে করতেন, বাংলা গদ্য বঙ্কিম-দৃষ্টান্তেই চলা উচিত ছিল। তবুও, সাধু ক্রিয়াপদ আঁকড়ে ধরে থাকলেও, কমলকুমারের গদ্য ঠিক বঙ্কিমী গদ্য নয়, এ তাঁর নিজস্ব তৈরি করা ভাষা। নিজের লেখার জন্য একজন লেখক আলাদা ভাষা তৈরি করে লিখেছেন, এমন দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে বেশী নেই। **সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়,গোলাপ সুন্দরীর পটভূমিকা,গোলাপ সুন্দরী। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/গোলাপ-সুন্দরী-কমলকুমার/] *কমলকুমার মজুমদার সেই সময় কমল মজুমদার নামেই লিখতেন। প্রথম দিকের সব লেখাই ‘কুমার’ বর্জিত। আর এই কমল মজুমদার সাধু ভাষায় লেখেননি। লিখেছেন কথ্য ভাষায়। অথচ কমলকুমার মজুমদারের লিখনশৈলীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য সাধু ভাষায় লেখা। এই বঙ্কিমী-ধাঁচে সাধু ভাষা তাঁর অনবদ্য লেখাগুলো অবশ্যই বাংলা সাহিত্যের সম্পদ। সূচনাপর্বেই কথ্য ভাষায় লেখা যে তাঁর জন্য সুপ্রযুক্ত নয়, তা হয়তো তিনি বুঝেছিলেন। **[https://eisamay.com/editorial/post-editorial/ushnish-kamal-kumar-majumdar-published-first-magazines/66793704.cms সাহিত্য, শিল্প, আড্ডা,খালাসিটোলা] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} buks4p69t4i3q5lyfu575jozqw9aae3 78732 78731 2026-04-20T02:29:27Z Nil Nandy 2294 /* কিচির মিচির */ 78732 wikitext text/x-wiki {{bw|কমলকুমার মজুমদার}} (জন্ম :১৬ নভেম্বর ১৯১৪ - মৃত্যু : ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯) ছিলেন সাহিত্যিক ও শিল্পী। বিংশ শতাব্দীর একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক যিনি আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসাবে পরিগণিত। তাকে বলা হয় 'লেখকদের লেখক'। তার উপন্যাস অন্তর্জলী যাত্রা এর অনন্যপূর্ব আখ্যানভাগ ও ভাষাশৈলীর জন্য প্রসিদ্ধ। বাংলা কথাসাহিত্য বিশেষ করে উপন্যাস ইয়োরোপীয় উপন্যাসের আদলে গড়ে উঠেছে, কমলকুমার মজুমদার সেই অনুসরণতা পরিহার করেছিলেন। তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের দুরূহতম লেখকদের একজন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিখ্যাত ছিলেন; যেমন সুহাসিনীর পমেটম উপন্যাসে ২৫০ পৃষ্ঠায় যতি-চিহ্ন বিহীন মাত্র একটি বাক্য লক্ষ্য করা যায়। তিনি বাংলা সাহিত্যের দুর্বোধ্যতম লেখক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। দীক্ষিত পাঠকের কাছে কমলকুমার অবশ্যপাঠ্য লেখক হিসেবেই সমাদৃত হলেও অদ্যাবধি তিনি সাধারণ্যে পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেন নি। ==উক্তি== *[[সত্যজিৎ রায়|সত্যজিতের]] সমালোচনা করার তুমি কে হে? করলে আমি করব, তুমি কে? **কমলকুমারের এক ভক্ত সত্যজিতের কাজ নিয়ে বিরূপ কিছু বলাতে তার উত্তর। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%95-%E0%A6%AE-%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A3-1.80078] ===কিচির মিচির=== <small>[https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.456048 কিচির মিচির], সুপ্রকাশনী, ১৯৬৫</small> *বড় ম্যানেজ করা গেল না বলে, কেটে ছেঁটে মাপে নিয়ে আসা হল। থিঙ্ক বিগ, বইয়ের উপদেশে মজুত থাক, যেমন আছে, যেমন থাকবে চিরকাল। মানবের বৃহৎভাবনা সমূহ। বাস্তবের কথা হল, থিঙ্ক ম্যানেজেবল স্মল। ছোট করে নাও। ভেতরে অন্তত বাইরে ডোবা সেই ডোবায় কোলা ব্যাঙ, গ্যাঙোর গ্যাং। **ফালি ফালি তালি তালি, পৃষ্ঠা ৯ ==তার সম্পর্কে উক্তি== *কমলকুমার অল্প সংখ্যক পাঠক পেয়েই সন্তুষ্ট ছিলেন, সেই জন্যই তিনি একটার পর একটা উপন্যাস লিখে গেছেন ছোট পত্রিকায়। হয়তো তিনি সচেতন ছিলেন, তাঁর রচনারীতি বৃহত্তর পাঠক সমাজের জন্য নয়। রচনাগুলি গ্রন্থাকারে প্রকাশের ব্যাপারেও তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল না, যতদূর জানি, তাঁর একটি মাত্র উপন্যাস ‘অন্তর্জলী যাত্রা’ এবং একটি গল্প সংকলন ‘নিম অন্নপূর্ণা’ প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর জীবিতৎকালে। আর একটি উপন্যাস ‘পিঞ্জরে বসিয়া শুক’ প্রকাশের প্রস্তুতি চলছিল, মুদ্রণ সম্পূর্ণ হবার আগেই তাঁর অকালমৃত্যু ঘটে। **[[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]],ভূমিকা,অন্তর্জলী যাত্রা। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/অন্তর্জলী-যাত্রা-কমলকু/] *কমলকুমারের ভাষা একেবারেই অন্য রকম। কেন এরকম ভাষায় তিনি লেখেন, সে প্রশ্ন অনেকবার করেছি। এক এক সময় এক এক রকম উত্তর দিয়েছেন তিনি। যেমন, বাংলা গদ্যের বাক্য বিন্যাস তৈরি হয়েছে ইংরেজির অনুকরণে । কমলকুমারের মতে, যদি বিদেশী রীতি নিতেই হয়, তবে ফরাসী বাক-ভঙ্গী অনেক বেশী কাম্য। তিনি ইংরেজি-প্রভাব অস্বীকার করে ফরাসী-রীতিতে বাংলা গদ্য লেখেন। আবার কখনো বলেছেন, হাটে-বাজারে, বাড়ির লোকজনদের সঙ্গে যে-ভাষায় আমরা কথা বলি, সে ভাষায় সাহিত্য রচনা উচিত নয়। সাহিত্য হচ্ছে সরস্বতীর সঙ্গে কথা বলা, তার জন্য সম্পূর্ণ নতুন ভাষা তৈরি করে নিতে হয়।<br>তবে, এগুলোও বোধহয় সঠিক যুক্তি নয়। আধুনিক বাংলা গদ্য অনেকখানিই [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্র-অনুসারী]]। গদ্যে এই রবীন্দ্র-প্রভাব তার তেমন মনঃপূত ছিল না, তিনি পছন্দ করতেন [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়|বঙ্কিমের]] গদ্যের দৃঢ়তা এবং মনে করতেন, বাংলা গদ্য বঙ্কিম-দৃষ্টান্তেই চলা উচিত ছিল। তবুও, সাধু ক্রিয়াপদ আঁকড়ে ধরে থাকলেও, কমলকুমারের গদ্য ঠিক বঙ্কিমী গদ্য নয়, এ তাঁর নিজস্ব তৈরি করা ভাষা। নিজের লেখার জন্য একজন লেখক আলাদা ভাষা তৈরি করে লিখেছেন, এমন দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে বেশী নেই। **সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়,গোলাপ সুন্দরীর পটভূমিকা,গোলাপ সুন্দরী। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/গোলাপ-সুন্দরী-কমলকুমার/] *কমলকুমার মজুমদার সেই সময় কমল মজুমদার নামেই লিখতেন। প্রথম দিকের সব লেখাই ‘কুমার’ বর্জিত। আর এই কমল মজুমদার সাধু ভাষায় লেখেননি। লিখেছেন কথ্য ভাষায়। অথচ কমলকুমার মজুমদারের লিখনশৈলীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য সাধু ভাষায় লেখা। এই বঙ্কিমী-ধাঁচে সাধু ভাষা তাঁর অনবদ্য লেখাগুলো অবশ্যই বাংলা সাহিত্যের সম্পদ। সূচনাপর্বেই কথ্য ভাষায় লেখা যে তাঁর জন্য সুপ্রযুক্ত নয়, তা হয়তো তিনি বুঝেছিলেন। **[https://eisamay.com/editorial/post-editorial/ushnish-kamal-kumar-majumdar-published-first-magazines/66793704.cms সাহিত্য, শিল্প, আড্ডা,খালাসিটোলা] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} eb35tv9hqy04dk5ffcuskcmt81ttgcp 78733 78732 2026-04-20T02:37:04Z Nil Nandy 2294 78733 wikitext text/x-wiki {{bw|কমলকুমার মজুমদার}} (জন্ম :১৬ নভেম্বর ১৯১৪ - মৃত্যু : ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯) ছিলেন সাহিত্যিক ও শিল্পী। বিংশ শতাব্দীর একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক যিনি আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসাবে পরিগণিত। তাকে বলা হয় 'লেখকদের লেখক'। তার উপন্যাস অন্তর্জলী যাত্রা এর অনন্যপূর্ব আখ্যানভাগ ও ভাষাশৈলীর জন্য প্রসিদ্ধ। বাংলা কথাসাহিত্য বিশেষ করে উপন্যাস ইয়োরোপীয় উপন্যাসের আদলে গড়ে উঠেছে, কমলকুমার মজুমদার সেই অনুসরণতা পরিহার করেছিলেন। তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের দুরূহতম লেখকদের একজন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিখ্যাত ছিলেন; যেমন সুহাসিনীর পমেটম উপন্যাসে ২৫০ পৃষ্ঠায় যতি-চিহ্ন বিহীন মাত্র একটি বাক্য লক্ষ্য করা যায়। তিনি বাংলা সাহিত্যের দুর্বোধ্যতম লেখক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। দীক্ষিত পাঠকের কাছে কমলকুমার অবশ্যপাঠ্য লেখক হিসেবেই সমাদৃত হলেও অদ্যাবধি তিনি সাধারণ্যে পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেন নি। ==উক্তি== *[[সত্যজিৎ রায়|সত্যজিতের]] সমালোচনা করার তুমি কে হে? করলে আমি করব, তুমি কে? **কমলকুমারের এক ভক্ত সত্যজিতের কাজ নিয়ে বিরূপ কিছু বলাতে তার উত্তর। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%95-%E0%A6%AE-%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A3-1.80078] ===কিচির মিচির=== <small>[https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.456048 কিচির মিচির], সুপ্রকাশনী, ১৯৬৫</small> *বড় ম্যানেজ করা গেল না বলে, কেটে ছেঁটে মাপে নিয়ে আসা হল। থিঙ্ক বিগ, বইয়ের উপদেশে মজুত থাক, যেমন আছে, যেমন থাকবে চিরকাল। মানবের বৃহৎভাবনা সমূহ। বাস্তবের কথা হল, থিঙ্ক ম্যানেজেবল স্মল। ছোট করে নাও। ভেতরে অন্তত বাইরে ডোবা সেই ডোবায় কোলা ব্যাঙ, গ্যাঙোর গ্যাং। **ফালি ফালি তালি তালি, পৃষ্ঠা ৯ ==তার সম্পর্কে উক্তি== *কমলকুমার অল্প সংখ্যক পাঠক পেয়েই সন্তুষ্ট ছিলেন, সেই জন্যই তিনি একটার পর একটা উপন্যাস লিখে গেছেন ছোট পত্রিকায়। হয়তো তিনি সচেতন ছিলেন, তাঁর রচনারীতি বৃহত্তর পাঠক সমাজের জন্য নয়। রচনাগুলি গ্রন্থাকারে প্রকাশের ব্যাপারেও তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল না, যতদূর জানি, তাঁর একটি মাত্র উপন্যাস ‘অন্তর্জলী যাত্রা’ এবং একটি গল্প সংকলন ‘নিম অন্নপূর্ণা’ প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর জীবিতৎকালে। আর একটি উপন্যাস ‘পিঞ্জরে বসিয়া শুক’ প্রকাশের প্রস্তুতি চলছিল, মুদ্রণ সম্পূর্ণ হবার আগেই তাঁর অকালমৃত্যু ঘটে। **[[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]],ভূমিকা,অন্তর্জলী যাত্রা। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/অন্তর্জলী-যাত্রা-কমলকু/] *কমলকুমারের ভাষা একেবারেই অন্য রকম। কেন এরকম ভাষায় তিনি লেখেন, সে প্রশ্ন অনেকবার করেছি। এক এক সময় এক এক রকম উত্তর দিয়েছেন তিনি। যেমন, বাংলা গদ্যের বাক্য বিন্যাস তৈরি হয়েছে ইংরেজির অনুকরণে । কমলকুমারের মতে, যদি বিদেশী রীতি নিতেই হয়, তবে ফরাসী বাক-ভঙ্গী অনেক বেশী কাম্য। তিনি ইংরেজি-প্রভাব অস্বীকার করে ফরাসী-রীতিতে বাংলা গদ্য লেখেন। আবার কখনো বলেছেন, হাটে-বাজারে, বাড়ির লোকজনদের সঙ্গে যে-ভাষায় আমরা কথা বলি, সে ভাষায় সাহিত্য রচনা উচিত নয়। সাহিত্য হচ্ছে সরস্বতীর সঙ্গে কথা বলা, তার জন্য সম্পূর্ণ নতুন ভাষা তৈরি করে নিতে হয়।<br>তবে, এগুলোও বোধহয় সঠিক যুক্তি নয়। আধুনিক বাংলা গদ্য অনেকখানিই [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্র-অনুসারী]]। গদ্যে এই রবীন্দ্র-প্রভাব তার তেমন মনঃপূত ছিল না, তিনি পছন্দ করতেন [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়|বঙ্কিমের]] গদ্যের দৃঢ়তা এবং মনে করতেন, বাংলা গদ্য বঙ্কিম-দৃষ্টান্তেই চলা উচিত ছিল। তবুও, সাধু ক্রিয়াপদ আঁকড়ে ধরে থাকলেও, কমলকুমারের গদ্য ঠিক বঙ্কিমী গদ্য নয়, এ তাঁর নিজস্ব তৈরি করা ভাষা। নিজের লেখার জন্য একজন লেখক আলাদা ভাষা তৈরি করে লিখেছেন, এমন দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে বেশী নেই। **সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়,গোলাপ সুন্দরীর পটভূমিকা,গোলাপ সুন্দরী। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/গোলাপ-সুন্দরী-কমলকুমার/] *কমলকুমার মজুমদার সেই সময় কমল মজুমদার নামেই লিখতেন। প্রথম দিকের সব লেখাই ‘কুমার’ বর্জিত। আর এই কমল মজুমদার সাধু ভাষায় লেখেননি। লিখেছেন কথ্য ভাষায়। অথচ কমলকুমার মজুমদারের লিখনশৈলীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য সাধু ভাষায় লেখা। এই বঙ্কিমী-ধাঁচে সাধু ভাষা তাঁর অনবদ্য লেখাগুলো অবশ্যই বাংলা সাহিত্যের সম্পদ। সূচনাপর্বেই কথ্য ভাষায় লেখা যে তাঁর জন্য সুপ্রযুক্ত নয়, তা হয়তো তিনি বুঝেছিলেন। **[https://eisamay.com/editorial/post-editorial/ushnish-kamal-kumar-majumdar-published-first-magazines/66793704.cms সাহিত্য, শিল্প, আড্ডা,খালাসিটোলা] *কমলকুমার মজুমদারের রচনা পাঠ করতে করতে সারাক্ষণ মনে হয় ওঁর জীবৎকালে আমরা বাঙালিরা ওঁর মূল্য দিতে পারিনি। যে কারণে অত বড় একজন সাহিত্যকার শেষ দিন অবধি থেকে গেলেন লিটল ম্যাগাজিনের লেখক। ‘খেলার প্রতিভা’ ‘জার্নাল সত্তর’ পত্রে বেরোবার পর তার এক কপি উপহার করে আমায় পাঠিয়ে তাতে লিখেছিলেন, “বুঝিবা আপনাকে কারে ফেলিলাম।” **শঙ্করলাল ভট্টাচার্য, [কমলকুমার সরণি https://www.anandabazar.com/patrika/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%95-%E0%A6%AE-%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A3-1.80078] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} htynccozbtayuy2px1g77at1g78ndwp 78734 78733 2026-04-20T02:38:59Z Nil Nandy 2294 /* তার সম্পর্কে উক্তি */ 78734 wikitext text/x-wiki {{bw|কমলকুমার মজুমদার}} (জন্ম :১৬ নভেম্বর ১৯১৪ - মৃত্যু : ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯) ছিলেন সাহিত্যিক ও শিল্পী। বিংশ শতাব্দীর একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক যিনি আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসাবে পরিগণিত। তাকে বলা হয় 'লেখকদের লেখক'। তার উপন্যাস অন্তর্জলী যাত্রা এর অনন্যপূর্ব আখ্যানভাগ ও ভাষাশৈলীর জন্য প্রসিদ্ধ। বাংলা কথাসাহিত্য বিশেষ করে উপন্যাস ইয়োরোপীয় উপন্যাসের আদলে গড়ে উঠেছে, কমলকুমার মজুমদার সেই অনুসরণতা পরিহার করেছিলেন। তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের দুরূহতম লেখকদের একজন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিখ্যাত ছিলেন; যেমন সুহাসিনীর পমেটম উপন্যাসে ২৫০ পৃষ্ঠায় যতি-চিহ্ন বিহীন মাত্র একটি বাক্য লক্ষ্য করা যায়। তিনি বাংলা সাহিত্যের দুর্বোধ্যতম লেখক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। দীক্ষিত পাঠকের কাছে কমলকুমার অবশ্যপাঠ্য লেখক হিসেবেই সমাদৃত হলেও অদ্যাবধি তিনি সাধারণ্যে পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেন নি। ==উক্তি== *[[সত্যজিৎ রায়|সত্যজিতের]] সমালোচনা করার তুমি কে হে? করলে আমি করব, তুমি কে? **কমলকুমারের এক ভক্ত সত্যজিতের কাজ নিয়ে বিরূপ কিছু বলাতে তার উত্তর। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%95-%E0%A6%AE-%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A3-1.80078] ===কিচির মিচির=== <small>[https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.456048 কিচির মিচির], সুপ্রকাশনী, ১৯৬৫</small> *বড় ম্যানেজ করা গেল না বলে, কেটে ছেঁটে মাপে নিয়ে আসা হল। থিঙ্ক বিগ, বইয়ের উপদেশে মজুত থাক, যেমন আছে, যেমন থাকবে চিরকাল। মানবের বৃহৎভাবনা সমূহ। বাস্তবের কথা হল, থিঙ্ক ম্যানেজেবল স্মল। ছোট করে নাও। ভেতরে অন্তত বাইরে ডোবা সেই ডোবায় কোলা ব্যাঙ, গ্যাঙোর গ্যাং। **ফালি ফালি তালি তালি, পৃষ্ঠা ৯ ==তার সম্পর্কে উক্তি== *কমলকুমার অল্প সংখ্যক পাঠক পেয়েই সন্তুষ্ট ছিলেন, সেই জন্যই তিনি একটার পর একটা উপন্যাস লিখে গেছেন ছোট পত্রিকায়। হয়তো তিনি সচেতন ছিলেন, তাঁর রচনারীতি বৃহত্তর পাঠক সমাজের জন্য নয়। রচনাগুলি গ্রন্থাকারে প্রকাশের ব্যাপারেও তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল না, যতদূর জানি, তাঁর একটি মাত্র উপন্যাস ‘অন্তর্জলী যাত্রা’ এবং একটি গল্প সংকলন ‘নিম অন্নপূর্ণা’ প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর জীবিতৎকালে। আর একটি উপন্যাস ‘পিঞ্জরে বসিয়া শুক’ প্রকাশের প্রস্তুতি চলছিল, মুদ্রণ সম্পূর্ণ হবার আগেই তাঁর অকালমৃত্যু ঘটে। **[[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]],ভূমিকা,অন্তর্জলী যাত্রা। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/অন্তর্জলী-যাত্রা-কমলকু/] *কমলকুমারের ভাষা একেবারেই অন্য রকম। কেন এরকম ভাষায় তিনি লেখেন, সে প্রশ্ন অনেকবার করেছি। এক এক সময় এক এক রকম উত্তর দিয়েছেন তিনি। যেমন, বাংলা গদ্যের বাক্য বিন্যাস তৈরি হয়েছে ইংরেজির অনুকরণে । কমলকুমারের মতে, যদি বিদেশী রীতি নিতেই হয়, তবে ফরাসী বাক-ভঙ্গী অনেক বেশী কাম্য। তিনি ইংরেজি-প্রভাব অস্বীকার করে ফরাসী-রীতিতে বাংলা গদ্য লেখেন। আবার কখনো বলেছেন, হাটে-বাজারে, বাড়ির লোকজনদের সঙ্গে যে-ভাষায় আমরা কথা বলি, সে ভাষায় সাহিত্য রচনা উচিত নয়। সাহিত্য হচ্ছে সরস্বতীর সঙ্গে কথা বলা, তার জন্য সম্পূর্ণ নতুন ভাষা তৈরি করে নিতে হয়।<br>তবে, এগুলোও বোধহয় সঠিক যুক্তি নয়। আধুনিক বাংলা গদ্য অনেকখানিই [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্র-অনুসারী]]। গদ্যে এই রবীন্দ্র-প্রভাব তার তেমন মনঃপূত ছিল না, তিনি পছন্দ করতেন [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়|বঙ্কিমের]] গদ্যের দৃঢ়তা এবং মনে করতেন, বাংলা গদ্য বঙ্কিম-দৃষ্টান্তেই চলা উচিত ছিল। তবুও, সাধু ক্রিয়াপদ আঁকড়ে ধরে থাকলেও, কমলকুমারের গদ্য ঠিক বঙ্কিমী গদ্য নয়, এ তাঁর নিজস্ব তৈরি করা ভাষা। নিজের লেখার জন্য একজন লেখক আলাদা ভাষা তৈরি করে লিখেছেন, এমন দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে বেশী নেই। **সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়,গোলাপ সুন্দরীর পটভূমিকা,গোলাপ সুন্দরী। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/গোলাপ-সুন্দরী-কমলকুমার/] *কমলকুমার মজুমদার সেই সময় কমল মজুমদার নামেই লিখতেন। প্রথম দিকের সব লেখাই ‘কুমার’ বর্জিত। আর এই কমল মজুমদার সাধু ভাষায় লেখেননি। লিখেছেন কথ্য ভাষায়। অথচ কমলকুমার মজুমদারের লিখনশৈলীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য সাধু ভাষায় লেখা। এই বঙ্কিমী-ধাঁচে সাধু ভাষা তাঁর অনবদ্য লেখাগুলো অবশ্যই বাংলা সাহিত্যের সম্পদ। সূচনাপর্বেই কথ্য ভাষায় লেখা যে তাঁর জন্য সুপ্রযুক্ত নয়, তা হয়তো তিনি বুঝেছিলেন। **[https://eisamay.com/editorial/post-editorial/ushnish-kamal-kumar-majumdar-published-first-magazines/66793704.cms সাহিত্য, শিল্প, আড্ডা,খালাসিটোলা] *কমলকুমার মজুমদারের রচনা পাঠ করতে করতে সারাক্ষণ মনে হয় ওঁর জীবৎকালে আমরা বাঙালিরা ওঁর মূল্য দিতে পারিনি। যে কারণে অত বড় একজন সাহিত্যকার শেষ দিন অবধি থেকে গেলেন লিটল ম্যাগাজিনের লেখক। ‘খেলার প্রতিভা’ ‘জার্নাল সত্তর’ পত্রে বেরোবার পর তার এক কপি উপহার করে আমায় পাঠিয়ে তাতে লিখেছিলেন, “বুঝিবা আপনাকে কারে ফেলিলাম।” **শঙ্করলাল ভট্টাচার্য, [https://www.anandabazar.com/patrika/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%95-%E0%A6%AE-%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A3-1.80078 কমলকুমার সরণি] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} de51modf826yayb3033nsgmv1njs4tk 78735 78734 2026-04-20T02:44:06Z Nil Nandy 2294 78735 wikitext text/x-wiki {{bw|কমলকুমার মজুমদার}} (জন্ম :১৬ নভেম্বর ১৯১৪ - মৃত্যু : ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯) ছিলেন সাহিত্যিক ও শিল্পী। বিংশ শতাব্দীর একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক যিনি আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসাবে পরিগণিত। তাকে বলা হয় 'লেখকদের লেখক'। তার উপন্যাস অন্তর্জলী যাত্রা এর অনন্যপূর্ব আখ্যানভাগ ও ভাষাশৈলীর জন্য প্রসিদ্ধ। বাংলা কথাসাহিত্য বিশেষ করে উপন্যাস ইয়োরোপীয় উপন্যাসের আদলে গড়ে উঠেছে, কমলকুমার মজুমদার সেই অনুসরণতা পরিহার করেছিলেন। তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের দুরূহতম লেখকদের একজন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিখ্যাত ছিলেন; যেমন সুহাসিনীর পমেটম উপন্যাসে ২৫০ পৃষ্ঠায় যতি-চিহ্ন বিহীন মাত্র একটি বাক্য লক্ষ্য করা যায়। তিনি বাংলা সাহিত্যের দুর্বোধ্যতম লেখক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। দীক্ষিত পাঠকের কাছে কমলকুমার অবশ্যপাঠ্য লেখক হিসেবেই সমাদৃত হলেও অদ্যাবধি তিনি সাধারণ্যে পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেন নি। ==উক্তি== *[[সত্যজিৎ রায়|সত্যজিতের]] সমালোচনা করার তুমি কে হে? করলে আমি করব, তুমি কে? **কমলকুমারের এক ভক্ত সত্যজিতের কাজ নিয়ে বিরূপ কিছু বলাতে তার উত্তর। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%95-%E0%A6%AE-%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A3-1.80078] ===কিচির মিচির=== <small>[https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.456048 কিচির মিচির], সুপ্রকাশনী, ১৯৬৫</small> *বড় ম্যানেজ করা গেল না বলে, কেটে ছেঁটে মাপে নিয়ে আসা হল। থিঙ্ক বিগ, বইয়ের উপদেশে মজুত থাক, যেমন আছে, যেমন থাকবে চিরকাল। মানবের বৃহৎভাবনা সমূহ। বাস্তবের কথা হল, থিঙ্ক ম্যানেজেবল স্মল। ছোট করে নাও। ভেতরে অন্তত বাইরে ডোবা সেই ডোবায় কোলা ব্যাঙ, গ্যাঙোর গ্যাং। **ফালি ফালি তালি তালি, পৃষ্ঠা ৯ *এই টিভিতে রেপ ছিল না, খুন ছিল না, অঙ্গ দেখিয়ে নাচ ছিল না, স্যাডিজম ছিল না, পেডোফাইল ছিল না। ঘরভাঙা, সংসার ভাঙা, সমাজ ভাঙার নিয়ত দৃশ্য ছিল না। মানুষ মানুষের দিকে যে হাত বাড়াত সে হাত বন্ধুর হাত, খুনীর হাত নয়। প্রেমে ছিল পূর্ণতা, একালের বঞ্চনা নয়। চরিত্ররা সব আদর্শের পতাকা তুলে ঘুরে বেড়াত, একালের সুবিধেবাদীর ঝাণ্ডা নয়। ছোটরা বড় হবে। বড় হয়ে ছোটদের বড় করার জন্যে আদশ সংসার রচনা করবে। সানাই বাজিয়ে বিয়ে করে, আদালতে গিয়ে তাল ঠুকবে না। বাতাবির নিটোল পরিবার, ফাটা বেল নয়। ভাঙা পরিবারের মশলায় তৈরি হবে না। হিট মেগা কমার্শিয়াল। *ফালি ফালি তালি তালি, পৃষ্ঠা ১২ ==তার সম্পর্কে উক্তি== *কমলকুমার অল্প সংখ্যক পাঠক পেয়েই সন্তুষ্ট ছিলেন, সেই জন্যই তিনি একটার পর একটা উপন্যাস লিখে গেছেন ছোট পত্রিকায়। হয়তো তিনি সচেতন ছিলেন, তাঁর রচনারীতি বৃহত্তর পাঠক সমাজের জন্য নয়। রচনাগুলি গ্রন্থাকারে প্রকাশের ব্যাপারেও তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল না, যতদূর জানি, তাঁর একটি মাত্র উপন্যাস ‘অন্তর্জলী যাত্রা’ এবং একটি গল্প সংকলন ‘নিম অন্নপূর্ণা’ প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর জীবিতৎকালে। আর একটি উপন্যাস ‘পিঞ্জরে বসিয়া শুক’ প্রকাশের প্রস্তুতি চলছিল, মুদ্রণ সম্পূর্ণ হবার আগেই তাঁর অকালমৃত্যু ঘটে। **[[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]],ভূমিকা,অন্তর্জলী যাত্রা। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/অন্তর্জলী-যাত্রা-কমলকু/] *কমলকুমারের ভাষা একেবারেই অন্য রকম। কেন এরকম ভাষায় তিনি লেখেন, সে প্রশ্ন অনেকবার করেছি। এক এক সময় এক এক রকম উত্তর দিয়েছেন তিনি। যেমন, বাংলা গদ্যের বাক্য বিন্যাস তৈরি হয়েছে ইংরেজির অনুকরণে । কমলকুমারের মতে, যদি বিদেশী রীতি নিতেই হয়, তবে ফরাসী বাক-ভঙ্গী অনেক বেশী কাম্য। তিনি ইংরেজি-প্রভাব অস্বীকার করে ফরাসী-রীতিতে বাংলা গদ্য লেখেন। আবার কখনো বলেছেন, হাটে-বাজারে, বাড়ির লোকজনদের সঙ্গে যে-ভাষায় আমরা কথা বলি, সে ভাষায় সাহিত্য রচনা উচিত নয়। সাহিত্য হচ্ছে সরস্বতীর সঙ্গে কথা বলা, তার জন্য সম্পূর্ণ নতুন ভাষা তৈরি করে নিতে হয়।<br>তবে, এগুলোও বোধহয় সঠিক যুক্তি নয়। আধুনিক বাংলা গদ্য অনেকখানিই [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্র-অনুসারী]]। গদ্যে এই রবীন্দ্র-প্রভাব তার তেমন মনঃপূত ছিল না, তিনি পছন্দ করতেন [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়|বঙ্কিমের]] গদ্যের দৃঢ়তা এবং মনে করতেন, বাংলা গদ্য বঙ্কিম-দৃষ্টান্তেই চলা উচিত ছিল। তবুও, সাধু ক্রিয়াপদ আঁকড়ে ধরে থাকলেও, কমলকুমারের গদ্য ঠিক বঙ্কিমী গদ্য নয়, এ তাঁর নিজস্ব তৈরি করা ভাষা। নিজের লেখার জন্য একজন লেখক আলাদা ভাষা তৈরি করে লিখেছেন, এমন দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে বেশী নেই। **সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়,গোলাপ সুন্দরীর পটভূমিকা,গোলাপ সুন্দরী। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/গোলাপ-সুন্দরী-কমলকুমার/] *কমলকুমার মজুমদার সেই সময় কমল মজুমদার নামেই লিখতেন। প্রথম দিকের সব লেখাই ‘কুমার’ বর্জিত। আর এই কমল মজুমদার সাধু ভাষায় লেখেননি। লিখেছেন কথ্য ভাষায়। অথচ কমলকুমার মজুমদারের লিখনশৈলীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য সাধু ভাষায় লেখা। এই বঙ্কিমী-ধাঁচে সাধু ভাষা তাঁর অনবদ্য লেখাগুলো অবশ্যই বাংলা সাহিত্যের সম্পদ। সূচনাপর্বেই কথ্য ভাষায় লেখা যে তাঁর জন্য সুপ্রযুক্ত নয়, তা হয়তো তিনি বুঝেছিলেন। **[https://eisamay.com/editorial/post-editorial/ushnish-kamal-kumar-majumdar-published-first-magazines/66793704.cms সাহিত্য, শিল্প, আড্ডা,খালাসিটোলা] *কমলকুমার মজুমদারের রচনা পাঠ করতে করতে সারাক্ষণ মনে হয় ওঁর জীবৎকালে আমরা বাঙালিরা ওঁর মূল্য দিতে পারিনি। যে কারণে অত বড় একজন সাহিত্যকার শেষ দিন অবধি থেকে গেলেন লিটল ম্যাগাজিনের লেখক। ‘খেলার প্রতিভা’ ‘জার্নাল সত্তর’ পত্রে বেরোবার পর তার এক কপি উপহার করে আমায় পাঠিয়ে তাতে লিখেছিলেন, “বুঝিবা আপনাকে কারে ফেলিলাম।” **শঙ্করলাল ভট্টাচার্য, [https://www.anandabazar.com/patrika/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%95-%E0%A6%AE-%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A3-1.80078 কমলকুমার সরণি] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} q30jstwcx0f5l3phg8dukzk2q9bgv5e 78736 78735 2026-04-20T02:46:43Z Nil Nandy 2294 উক্তি যোগ 78736 wikitext text/x-wiki {{bw|কমলকুমার মজুমদার}} (জন্ম :১৬ নভেম্বর ১৯১৪ - মৃত্যু : ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯) ছিলেন সাহিত্যিক ও শিল্পী। বিংশ শতাব্দীর একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক যিনি আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসাবে পরিগণিত। তাকে বলা হয় 'লেখকদের লেখক'। তার উপন্যাস অন্তর্জলী যাত্রা এর অনন্যপূর্ব আখ্যানভাগ ও ভাষাশৈলীর জন্য প্রসিদ্ধ। বাংলা কথাসাহিত্য বিশেষ করে উপন্যাস ইয়োরোপীয় উপন্যাসের আদলে গড়ে উঠেছে, কমলকুমার মজুমদার সেই অনুসরণতা পরিহার করেছিলেন। তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের দুরূহতম লেখকদের একজন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিখ্যাত ছিলেন; যেমন সুহাসিনীর পমেটম উপন্যাসে ২৫০ পৃষ্ঠায় যতি-চিহ্ন বিহীন মাত্র একটি বাক্য লক্ষ্য করা যায়। তিনি বাংলা সাহিত্যের দুর্বোধ্যতম লেখক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। দীক্ষিত পাঠকের কাছে কমলকুমার অবশ্যপাঠ্য লেখক হিসেবেই সমাদৃত হলেও অদ্যাবধি তিনি সাধারণ্যে পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেন নি। ==উক্তি== *[[সত্যজিৎ রায়|সত্যজিতের]] সমালোচনা করার তুমি কে হে? করলে আমি করব, তুমি কে? **কমলকুমারের এক ভক্ত সত্যজিতের কাজ নিয়ে বিরূপ কিছু বলাতে তার উত্তর। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%95-%E0%A6%AE-%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A3-1.80078] ===কিচির মিচির=== <small>[https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.456048 কিচির মিচির], সুপ্রকাশনী, ১৯৬৫</small> *বড় ম্যানেজ করা গেল না বলে, কেটে ছেঁটে মাপে নিয়ে আসা হল। থিঙ্ক বিগ, বইয়ের উপদেশে মজুত থাক, যেমন আছে, যেমন থাকবে চিরকাল। মানবের বৃহৎভাবনা সমূহ। বাস্তবের কথা হল, থিঙ্ক ম্যানেজেবল স্মল। ছোট করে নাও। ভেতরে অন্তত বাইরে ডোবা সেই ডোবায় কোলা ব্যাঙ, গ্যাঙোর গ্যাং। **ফালি ফালি তালি তালি, পৃষ্ঠা ৯ *এই টিভিতে রেপ ছিল না, খুন ছিল না, অঙ্গ দেখিয়ে নাচ ছিল না, স্যাডিজম ছিল না, পেডোফাইল ছিল না। ঘরভাঙা, সংসার ভাঙা, সমাজ ভাঙার নিয়ত দৃশ্য ছিল না। মানুষ মানুষের দিকে যে হাত বাড়াত সে হাত বন্ধুর হাত, খুনীর হাত নয়। প্রেমে ছিল পূর্ণতা, একালের বঞ্চনা নয়। চরিত্ররা সব আদর্শের পতাকা তুলে ঘুরে বেড়াত, একালের সুবিধেবাদীর ঝাণ্ডা নয়। ছোটরা বড় হবে। বড় হয়ে ছোটদের বড় করার জন্যে আদশ সংসার রচনা করবে। সানাই বাজিয়ে বিয়ে করে, আদালতে গিয়ে তাল ঠুকবে না। বাতাবির নিটোল পরিবার, ফাটা বেল নয়। ভাঙা পরিবারের মশলায় তৈরি হবে না হিট মেগা কমার্শিয়াল। **ফালি ফালি তালি তালি, পৃষ্ঠা ১২ ==তার সম্পর্কে উক্তি== *কমলকুমার অল্প সংখ্যক পাঠক পেয়েই সন্তুষ্ট ছিলেন, সেই জন্যই তিনি একটার পর একটা উপন্যাস লিখে গেছেন ছোট পত্রিকায়। হয়তো তিনি সচেতন ছিলেন, তাঁর রচনারীতি বৃহত্তর পাঠক সমাজের জন্য নয়। রচনাগুলি গ্রন্থাকারে প্রকাশের ব্যাপারেও তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল না, যতদূর জানি, তাঁর একটি মাত্র উপন্যাস ‘অন্তর্জলী যাত্রা’ এবং একটি গল্প সংকলন ‘নিম অন্নপূর্ণা’ প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর জীবিতৎকালে। আর একটি উপন্যাস ‘পিঞ্জরে বসিয়া শুক’ প্রকাশের প্রস্তুতি চলছিল, মুদ্রণ সম্পূর্ণ হবার আগেই তাঁর অকালমৃত্যু ঘটে। **[[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]],ভূমিকা,অন্তর্জলী যাত্রা। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/অন্তর্জলী-যাত্রা-কমলকু/] *কমলকুমারের ভাষা একেবারেই অন্য রকম। কেন এরকম ভাষায় তিনি লেখেন, সে প্রশ্ন অনেকবার করেছি। এক এক সময় এক এক রকম উত্তর দিয়েছেন তিনি। যেমন, বাংলা গদ্যের বাক্য বিন্যাস তৈরি হয়েছে ইংরেজির অনুকরণে । কমলকুমারের মতে, যদি বিদেশী রীতি নিতেই হয়, তবে ফরাসী বাক-ভঙ্গী অনেক বেশী কাম্য। তিনি ইংরেজি-প্রভাব অস্বীকার করে ফরাসী-রীতিতে বাংলা গদ্য লেখেন। আবার কখনো বলেছেন, হাটে-বাজারে, বাড়ির লোকজনদের সঙ্গে যে-ভাষায় আমরা কথা বলি, সে ভাষায় সাহিত্য রচনা উচিত নয়। সাহিত্য হচ্ছে সরস্বতীর সঙ্গে কথা বলা, তার জন্য সম্পূর্ণ নতুন ভাষা তৈরি করে নিতে হয়।<br>তবে, এগুলোও বোধহয় সঠিক যুক্তি নয়। আধুনিক বাংলা গদ্য অনেকখানিই [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্র-অনুসারী]]। গদ্যে এই রবীন্দ্র-প্রভাব তার তেমন মনঃপূত ছিল না, তিনি পছন্দ করতেন [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়|বঙ্কিমের]] গদ্যের দৃঢ়তা এবং মনে করতেন, বাংলা গদ্য বঙ্কিম-দৃষ্টান্তেই চলা উচিত ছিল। তবুও, সাধু ক্রিয়াপদ আঁকড়ে ধরে থাকলেও, কমলকুমারের গদ্য ঠিক বঙ্কিমী গদ্য নয়, এ তাঁর নিজস্ব তৈরি করা ভাষা। নিজের লেখার জন্য একজন লেখক আলাদা ভাষা তৈরি করে লিখেছেন, এমন দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে বেশী নেই। **সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়,গোলাপ সুন্দরীর পটভূমিকা,গোলাপ সুন্দরী। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/গোলাপ-সুন্দরী-কমলকুমার/] *কমলকুমার মজুমদার সেই সময় কমল মজুমদার নামেই লিখতেন। প্রথম দিকের সব লেখাই ‘কুমার’ বর্জিত। আর এই কমল মজুমদার সাধু ভাষায় লেখেননি। লিখেছেন কথ্য ভাষায়। অথচ কমলকুমার মজুমদারের লিখনশৈলীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য সাধু ভাষায় লেখা। এই বঙ্কিমী-ধাঁচে সাধু ভাষা তাঁর অনবদ্য লেখাগুলো অবশ্যই বাংলা সাহিত্যের সম্পদ। সূচনাপর্বেই কথ্য ভাষায় লেখা যে তাঁর জন্য সুপ্রযুক্ত নয়, তা হয়তো তিনি বুঝেছিলেন। **[https://eisamay.com/editorial/post-editorial/ushnish-kamal-kumar-majumdar-published-first-magazines/66793704.cms সাহিত্য, শিল্প, আড্ডা,খালাসিটোলা] *কমলকুমার মজুমদারের রচনা পাঠ করতে করতে সারাক্ষণ মনে হয় ওঁর জীবৎকালে আমরা বাঙালিরা ওঁর মূল্য দিতে পারিনি। যে কারণে অত বড় একজন সাহিত্যকার শেষ দিন অবধি থেকে গেলেন লিটল ম্যাগাজিনের লেখক। ‘খেলার প্রতিভা’ ‘জার্নাল সত্তর’ পত্রে বেরোবার পর তার এক কপি উপহার করে আমায় পাঠিয়ে তাতে লিখেছিলেন, “বুঝিবা আপনাকে কারে ফেলিলাম।” **শঙ্করলাল ভট্টাচার্য, [https://www.anandabazar.com/patrika/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%95-%E0%A6%AE-%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A3-1.80078 কমলকুমার সরণি] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} p0jokeaiyw31m5qrnx8xh7ovgfffdqv 78737 78736 2026-04-20T02:48:17Z Nil Nandy 2294 [[উইকিউক্তি:ত্বরিতোক্তি|ত্বরিতোক্তি]] ব্যবহার করে 1টি উক্তি যোগ করা হয়েছে 78737 wikitext text/x-wiki {{bw|কমলকুমার মজুমদার}} (জন্ম :১৬ নভেম্বর ১৯১৪ - মৃত্যু : ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯) ছিলেন সাহিত্যিক ও শিল্পী। বিংশ শতাব্দীর একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক যিনি আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসাবে পরিগণিত। তাকে বলা হয় 'লেখকদের লেখক'। তার উপন্যাস অন্তর্জলী যাত্রা এর অনন্যপূর্ব আখ্যানভাগ ও ভাষাশৈলীর জন্য প্রসিদ্ধ। বাংলা কথাসাহিত্য বিশেষ করে উপন্যাস ইয়োরোপীয় উপন্যাসের আদলে গড়ে উঠেছে, কমলকুমার মজুমদার সেই অনুসরণতা পরিহার করেছিলেন। তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের দুরূহতম লেখকদের একজন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিখ্যাত ছিলেন; যেমন সুহাসিনীর পমেটম উপন্যাসে ২৫০ পৃষ্ঠায় যতি-চিহ্ন বিহীন মাত্র একটি বাক্য লক্ষ্য করা যায়। তিনি বাংলা সাহিত্যের দুর্বোধ্যতম লেখক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। দীক্ষিত পাঠকের কাছে কমলকুমার অবশ্যপাঠ্য লেখক হিসেবেই সমাদৃত হলেও অদ্যাবধি তিনি সাধারণ্যে পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেন নি। ==উক্তি== *[[সত্যজিৎ রায়|সত্যজিতের]] সমালোচনা করার তুমি কে হে? করলে আমি করব, তুমি কে? **কমলকুমারের এক ভক্ত সত্যজিতের কাজ নিয়ে বিরূপ কিছু বলাতে তার উত্তর। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%95-%E0%A6%AE-%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A3-1.80078] ===কিচির মিচির=== <small>[https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.456048 কিচির মিচির], সুপ্রকাশনী, ১৯৬৫</small> *বড় ম্যানেজ করা গেল না বলে, কেটে ছেঁটে মাপে নিয়ে আসা হল। থিঙ্ক বিগ, বইয়ের উপদেশে মজুত থাক, যেমন আছে, যেমন থাকবে চিরকাল। মানবের বৃহৎভাবনা সমূহ। বাস্তবের কথা হল, থিঙ্ক ম্যানেজেবল স্মল। ছোট করে নাও। ভেতরে অন্তত বাইরে ডোবা সেই ডোবায় কোলা ব্যাঙ, গ্যাঙোর গ্যাং। **ফালি ফালি তালি তালি, পৃষ্ঠা ৯ *এই টিভিতে রেপ ছিল না, খুন ছিল না, অঙ্গ দেখিয়ে নাচ ছিল না, স্যাডিজম ছিল না, পেডোফাইল ছিল না। ঘরভাঙা, সংসার ভাঙা, সমাজ ভাঙার নিয়ত দৃশ্য ছিল না। মানুষ মানুষের দিকে যে হাত বাড়াত সে হাত বন্ধুর হাত, খুনীর হাত নয়। প্রেমে ছিল পূর্ণতা, একালের বঞ্চনা নয়। চরিত্ররা সব আদর্শের পতাকা তুলে ঘুরে বেড়াত, একালের সুবিধেবাদীর ঝাণ্ডা নয়। ছোটরা বড় হবে। বড় হয়ে ছোটদের বড় করার জন্যে আদশ সংসার রচনা করবে। সানাই বাজিয়ে বিয়ে করে, আদালতে গিয়ে তাল ঠুকবে না। বাতাবির নিটোল পরিবার, ফাটা বেল নয়। ভাঙা পরিবারের মশলায় তৈরি হবে না হিট মেগা কমার্শিয়াল। **ফালি ফালি তালি তালি, পৃষ্ঠা ১২ * বিশ্বাসযোগ্য মানুষ, বিশ্বাসযোগ্য পিতা মাতার বড়ই অভাব। একালে সবাই কমরেড। কণ্ঠে কণ্ঠে লড়াইয়ের রণদামামা। ** ফালি ফালি তালি তালি, পৃষ্ঠা ১২ ==তার সম্পর্কে উক্তি== *কমলকুমার অল্প সংখ্যক পাঠক পেয়েই সন্তুষ্ট ছিলেন, সেই জন্যই তিনি একটার পর একটা উপন্যাস লিখে গেছেন ছোট পত্রিকায়। হয়তো তিনি সচেতন ছিলেন, তাঁর রচনারীতি বৃহত্তর পাঠক সমাজের জন্য নয়। রচনাগুলি গ্রন্থাকারে প্রকাশের ব্যাপারেও তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল না, যতদূর জানি, তাঁর একটি মাত্র উপন্যাস ‘অন্তর্জলী যাত্রা’ এবং একটি গল্প সংকলন ‘নিম অন্নপূর্ণা’ প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর জীবিতৎকালে। আর একটি উপন্যাস ‘পিঞ্জরে বসিয়া শুক’ প্রকাশের প্রস্তুতি চলছিল, মুদ্রণ সম্পূর্ণ হবার আগেই তাঁর অকালমৃত্যু ঘটে। **[[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]],ভূমিকা,অন্তর্জলী যাত্রা। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/অন্তর্জলী-যাত্রা-কমলকু/] *কমলকুমারের ভাষা একেবারেই অন্য রকম। কেন এরকম ভাষায় তিনি লেখেন, সে প্রশ্ন অনেকবার করেছি। এক এক সময় এক এক রকম উত্তর দিয়েছেন তিনি। যেমন, বাংলা গদ্যের বাক্য বিন্যাস তৈরি হয়েছে ইংরেজির অনুকরণে । কমলকুমারের মতে, যদি বিদেশী রীতি নিতেই হয়, তবে ফরাসী বাক-ভঙ্গী অনেক বেশী কাম্য। তিনি ইংরেজি-প্রভাব অস্বীকার করে ফরাসী-রীতিতে বাংলা গদ্য লেখেন। আবার কখনো বলেছেন, হাটে-বাজারে, বাড়ির লোকজনদের সঙ্গে যে-ভাষায় আমরা কথা বলি, সে ভাষায় সাহিত্য রচনা উচিত নয়। সাহিত্য হচ্ছে সরস্বতীর সঙ্গে কথা বলা, তার জন্য সম্পূর্ণ নতুন ভাষা তৈরি করে নিতে হয়।<br>তবে, এগুলোও বোধহয় সঠিক যুক্তি নয়। আধুনিক বাংলা গদ্য অনেকখানিই [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্র-অনুসারী]]। গদ্যে এই রবীন্দ্র-প্রভাব তার তেমন মনঃপূত ছিল না, তিনি পছন্দ করতেন [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়|বঙ্কিমের]] গদ্যের দৃঢ়তা এবং মনে করতেন, বাংলা গদ্য বঙ্কিম-দৃষ্টান্তেই চলা উচিত ছিল। তবুও, সাধু ক্রিয়াপদ আঁকড়ে ধরে থাকলেও, কমলকুমারের গদ্য ঠিক বঙ্কিমী গদ্য নয়, এ তাঁর নিজস্ব তৈরি করা ভাষা। নিজের লেখার জন্য একজন লেখক আলাদা ভাষা তৈরি করে লিখেছেন, এমন দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে বেশী নেই। **সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়,গোলাপ সুন্দরীর পটভূমিকা,গোলাপ সুন্দরী। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/গোলাপ-সুন্দরী-কমলকুমার/] *কমলকুমার মজুমদার সেই সময় কমল মজুমদার নামেই লিখতেন। প্রথম দিকের সব লেখাই ‘কুমার’ বর্জিত। আর এই কমল মজুমদার সাধু ভাষায় লেখেননি। লিখেছেন কথ্য ভাষায়। অথচ কমলকুমার মজুমদারের লিখনশৈলীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য সাধু ভাষায় লেখা। এই বঙ্কিমী-ধাঁচে সাধু ভাষা তাঁর অনবদ্য লেখাগুলো অবশ্যই বাংলা সাহিত্যের সম্পদ। সূচনাপর্বেই কথ্য ভাষায় লেখা যে তাঁর জন্য সুপ্রযুক্ত নয়, তা হয়তো তিনি বুঝেছিলেন। **[https://eisamay.com/editorial/post-editorial/ushnish-kamal-kumar-majumdar-published-first-magazines/66793704.cms সাহিত্য, শিল্প, আড্ডা,খালাসিটোলা] *কমলকুমার মজুমদারের রচনা পাঠ করতে করতে সারাক্ষণ মনে হয় ওঁর জীবৎকালে আমরা বাঙালিরা ওঁর মূল্য দিতে পারিনি। যে কারণে অত বড় একজন সাহিত্যকার শেষ দিন অবধি থেকে গেলেন লিটল ম্যাগাজিনের লেখক। ‘খেলার প্রতিভা’ ‘জার্নাল সত্তর’ পত্রে বেরোবার পর তার এক কপি উপহার করে আমায় পাঠিয়ে তাতে লিখেছিলেন, “বুঝিবা আপনাকে কারে ফেলিলাম।” **শঙ্করলাল ভট্টাচার্য, [https://www.anandabazar.com/patrika/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%95-%E0%A6%AE-%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A3-1.80078 কমলকুমার সরণি] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} b79kezt90gmr3lzb6phm6d8xdvqyzcy 78738 78737 2026-04-20T02:51:32Z Nil Nandy 2294 [[উইকিউক্তি:ত্বরিতোক্তি|ত্বরিতোক্তি]] ব্যবহার করে 1টি উক্তি যোগ করা হয়েছে 78738 wikitext text/x-wiki {{bw|কমলকুমার মজুমদার}} (জন্ম :১৬ নভেম্বর ১৯১৪ - মৃত্যু : ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯) ছিলেন সাহিত্যিক ও শিল্পী। বিংশ শতাব্দীর একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক যিনি আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসাবে পরিগণিত। তাকে বলা হয় 'লেখকদের লেখক'। তার উপন্যাস অন্তর্জলী যাত্রা এর অনন্যপূর্ব আখ্যানভাগ ও ভাষাশৈলীর জন্য প্রসিদ্ধ। বাংলা কথাসাহিত্য বিশেষ করে উপন্যাস ইয়োরোপীয় উপন্যাসের আদলে গড়ে উঠেছে, কমলকুমার মজুমদার সেই অনুসরণতা পরিহার করেছিলেন। তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের দুরূহতম লেখকদের একজন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিখ্যাত ছিলেন; যেমন সুহাসিনীর পমেটম উপন্যাসে ২৫০ পৃষ্ঠায় যতি-চিহ্ন বিহীন মাত্র একটি বাক্য লক্ষ্য করা যায়। তিনি বাংলা সাহিত্যের দুর্বোধ্যতম লেখক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। দীক্ষিত পাঠকের কাছে কমলকুমার অবশ্যপাঠ্য লেখক হিসেবেই সমাদৃত হলেও অদ্যাবধি তিনি সাধারণ্যে পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেন নি। ==উক্তি== *[[সত্যজিৎ রায়|সত্যজিতের]] সমালোচনা করার তুমি কে হে? করলে আমি করব, তুমি কে? **কমলকুমারের এক ভক্ত সত্যজিতের কাজ নিয়ে বিরূপ কিছু বলাতে তার উত্তর। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%95-%E0%A6%AE-%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A3-1.80078] ===কিচির মিচির=== <small>[https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.456048 কিচির মিচির], সুপ্রকাশনী, ১৯৬৫</small> *বড় ম্যানেজ করা গেল না বলে, কেটে ছেঁটে মাপে নিয়ে আসা হল। থিঙ্ক বিগ, বইয়ের উপদেশে মজুত থাক, যেমন আছে, যেমন থাকবে চিরকাল। মানবের বৃহৎভাবনা সমূহ। বাস্তবের কথা হল, থিঙ্ক ম্যানেজেবল স্মল। ছোট করে নাও। ভেতরে অন্তত বাইরে ডোবা সেই ডোবায় কোলা ব্যাঙ, গ্যাঙোর গ্যাং। **ফালি ফালি তালি তালি, পৃষ্ঠা ৯ *এই টিভিতে রেপ ছিল না, খুন ছিল না, অঙ্গ দেখিয়ে নাচ ছিল না, স্যাডিজম ছিল না, পেডোফাইল ছিল না। ঘরভাঙা, সংসার ভাঙা, সমাজ ভাঙার নিয়ত দৃশ্য ছিল না। মানুষ মানুষের দিকে যে হাত বাড়াত সে হাত বন্ধুর হাত, খুনীর হাত নয়। প্রেমে ছিল পূর্ণতা, একালের বঞ্চনা নয়। চরিত্ররা সব আদর্শের পতাকা তুলে ঘুরে বেড়াত, একালের সুবিধেবাদীর ঝাণ্ডা নয়। ছোটরা বড় হবে। বড় হয়ে ছোটদের বড় করার জন্যে আদশ সংসার রচনা করবে। সানাই বাজিয়ে বিয়ে করে, আদালতে গিয়ে তাল ঠুকবে না। বাতাবির নিটোল পরিবার, ফাটা বেল নয়। ভাঙা পরিবারের মশলায় তৈরি হবে না হিট মেগা কমার্শিয়াল। **ফালি ফালি তালি তালি, পৃষ্ঠা ১২ * বিশ্বাসযোগ্য মানুষ, বিশ্বাসযোগ্য পিতা মাতার বড়ই অভাব। একালে সবাই কমরেড। কণ্ঠে কণ্ঠে লড়াইয়ের রণদামামা। ** ফালি ফালি তালি তালি, পৃষ্ঠা ১২ * টাকা হল সালঙ্কারা, সুন্দরী রমণীর মতো। কার হাত ধরে গলায় মালা পরাবে কেউ বলতে পারবে না। ** কি জ্বালা, পৃষ্ঠা ১৬ ==তার সম্পর্কে উক্তি== *কমলকুমার অল্প সংখ্যক পাঠক পেয়েই সন্তুষ্ট ছিলেন, সেই জন্যই তিনি একটার পর একটা উপন্যাস লিখে গেছেন ছোট পত্রিকায়। হয়তো তিনি সচেতন ছিলেন, তাঁর রচনারীতি বৃহত্তর পাঠক সমাজের জন্য নয়। রচনাগুলি গ্রন্থাকারে প্রকাশের ব্যাপারেও তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল না, যতদূর জানি, তাঁর একটি মাত্র উপন্যাস ‘অন্তর্জলী যাত্রা’ এবং একটি গল্প সংকলন ‘নিম অন্নপূর্ণা’ প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর জীবিতৎকালে। আর একটি উপন্যাস ‘পিঞ্জরে বসিয়া শুক’ প্রকাশের প্রস্তুতি চলছিল, মুদ্রণ সম্পূর্ণ হবার আগেই তাঁর অকালমৃত্যু ঘটে। **[[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]],ভূমিকা,অন্তর্জলী যাত্রা। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/অন্তর্জলী-যাত্রা-কমলকু/] *কমলকুমারের ভাষা একেবারেই অন্য রকম। কেন এরকম ভাষায় তিনি লেখেন, সে প্রশ্ন অনেকবার করেছি। এক এক সময় এক এক রকম উত্তর দিয়েছেন তিনি। যেমন, বাংলা গদ্যের বাক্য বিন্যাস তৈরি হয়েছে ইংরেজির অনুকরণে । কমলকুমারের মতে, যদি বিদেশী রীতি নিতেই হয়, তবে ফরাসী বাক-ভঙ্গী অনেক বেশী কাম্য। তিনি ইংরেজি-প্রভাব অস্বীকার করে ফরাসী-রীতিতে বাংলা গদ্য লেখেন। আবার কখনো বলেছেন, হাটে-বাজারে, বাড়ির লোকজনদের সঙ্গে যে-ভাষায় আমরা কথা বলি, সে ভাষায় সাহিত্য রচনা উচিত নয়। সাহিত্য হচ্ছে সরস্বতীর সঙ্গে কথা বলা, তার জন্য সম্পূর্ণ নতুন ভাষা তৈরি করে নিতে হয়।<br>তবে, এগুলোও বোধহয় সঠিক যুক্তি নয়। আধুনিক বাংলা গদ্য অনেকখানিই [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্র-অনুসারী]]। গদ্যে এই রবীন্দ্র-প্রভাব তার তেমন মনঃপূত ছিল না, তিনি পছন্দ করতেন [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়|বঙ্কিমের]] গদ্যের দৃঢ়তা এবং মনে করতেন, বাংলা গদ্য বঙ্কিম-দৃষ্টান্তেই চলা উচিত ছিল। তবুও, সাধু ক্রিয়াপদ আঁকড়ে ধরে থাকলেও, কমলকুমারের গদ্য ঠিক বঙ্কিমী গদ্য নয়, এ তাঁর নিজস্ব তৈরি করা ভাষা। নিজের লেখার জন্য একজন লেখক আলাদা ভাষা তৈরি করে লিখেছেন, এমন দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে বেশী নেই। **সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়,গোলাপ সুন্দরীর পটভূমিকা,গোলাপ সুন্দরী। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/গোলাপ-সুন্দরী-কমলকুমার/] *কমলকুমার মজুমদার সেই সময় কমল মজুমদার নামেই লিখতেন। প্রথম দিকের সব লেখাই ‘কুমার’ বর্জিত। আর এই কমল মজুমদার সাধু ভাষায় লেখেননি। লিখেছেন কথ্য ভাষায়। অথচ কমলকুমার মজুমদারের লিখনশৈলীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য সাধু ভাষায় লেখা। এই বঙ্কিমী-ধাঁচে সাধু ভাষা তাঁর অনবদ্য লেখাগুলো অবশ্যই বাংলা সাহিত্যের সম্পদ। সূচনাপর্বেই কথ্য ভাষায় লেখা যে তাঁর জন্য সুপ্রযুক্ত নয়, তা হয়তো তিনি বুঝেছিলেন। **[https://eisamay.com/editorial/post-editorial/ushnish-kamal-kumar-majumdar-published-first-magazines/66793704.cms সাহিত্য, শিল্প, আড্ডা,খালাসিটোলা] *কমলকুমার মজুমদারের রচনা পাঠ করতে করতে সারাক্ষণ মনে হয় ওঁর জীবৎকালে আমরা বাঙালিরা ওঁর মূল্য দিতে পারিনি। যে কারণে অত বড় একজন সাহিত্যকার শেষ দিন অবধি থেকে গেলেন লিটল ম্যাগাজিনের লেখক। ‘খেলার প্রতিভা’ ‘জার্নাল সত্তর’ পত্রে বেরোবার পর তার এক কপি উপহার করে আমায় পাঠিয়ে তাতে লিখেছিলেন, “বুঝিবা আপনাকে কারে ফেলিলাম।” **শঙ্করলাল ভট্টাচার্য, [https://www.anandabazar.com/patrika/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%95-%E0%A6%AE-%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A3-1.80078 কমলকুমার সরণি] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} jvvjbr7z9aw7uhcaowwoszvuqfhdj3f 78885 78738 2026-04-20T10:45:40Z Nil Nandy 2294 /* কিচির মিচির */ 78885 wikitext text/x-wiki {{bw|কমলকুমার মজুমদার}} (জন্ম :১৬ নভেম্বর ১৯১৪ - মৃত্যু : ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯) ছিলেন সাহিত্যিক ও শিল্পী। বিংশ শতাব্দীর একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক যিনি আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসাবে পরিগণিত। তাকে বলা হয় 'লেখকদের লেখক'। তার উপন্যাস অন্তর্জলী যাত্রা এর অনন্যপূর্ব আখ্যানভাগ ও ভাষাশৈলীর জন্য প্রসিদ্ধ। বাংলা কথাসাহিত্য বিশেষ করে উপন্যাস ইয়োরোপীয় উপন্যাসের আদলে গড়ে উঠেছে, কমলকুমার মজুমদার সেই অনুসরণতা পরিহার করেছিলেন। তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের দুরূহতম লেখকদের একজন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিখ্যাত ছিলেন; যেমন সুহাসিনীর পমেটম উপন্যাসে ২৫০ পৃষ্ঠায় যতি-চিহ্ন বিহীন মাত্র একটি বাক্য লক্ষ্য করা যায়। তিনি বাংলা সাহিত্যের দুর্বোধ্যতম লেখক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। দীক্ষিত পাঠকের কাছে কমলকুমার অবশ্যপাঠ্য লেখক হিসেবেই সমাদৃত হলেও অদ্যাবধি তিনি সাধারণ্যে পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেন নি। ==উক্তি== *[[সত্যজিৎ রায়|সত্যজিতের]] সমালোচনা করার তুমি কে হে? করলে আমি করব, তুমি কে? **কমলকুমারের এক ভক্ত সত্যজিতের কাজ নিয়ে বিরূপ কিছু বলাতে তার উত্তর। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%95-%E0%A6%AE-%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A3-1.80078] ===কিচির মিচির=== <small>[https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.456048 কিচির মিচির], সুপ্রকাশনী, ১৯৬৫</small> *বড় ম্যানেজ করা গেল না বলে, কেটে ছেঁটে মাপে নিয়ে আসা হল। থিঙ্ক বিগ, বইয়ের উপদেশে মজুত থাক, যেমন আছে, যেমন থাকবে চিরকাল। মানবের বৃহৎভাবনা সমূহ। বাস্তবের কথা হল, থিঙ্ক ম্যানেজেবল স্মল। ছোট করে নাও। ভেতরে অন্তত বাইরে ডোবা সেই ডোবায় কোলা ব্যাঙ, গ্যাঙোর গ্যাং। **ফালি ফালি তালি তালি, পৃষ্ঠা ৯ *এই টিভিতে রেপ ছিল না, খুন ছিল না, অঙ্গ দেখিয়ে নাচ ছিল না, স্যাডিজম ছিল না, পেডোফাইল ছিল না। ঘরভাঙা, সংসার ভাঙা, সমাজ ভাঙার নিয়ত দৃশ্য ছিল না। মানুষ মানুষের দিকে যে হাত বাড়াত সে হাত বন্ধুর হাত, খুনীর হাত নয়। প্রেমে ছিল পূর্ণতা, একালের বঞ্চনা নয়। চরিত্ররা সব আদর্শের পতাকা তুলে ঘুরে বেড়াত, একালের সুবিধেবাদীর ঝাণ্ডা নয়। ছোটরা বড় হবে। বড় হয়ে ছোটদের বড় করার জন্যে আদশ সংসার রচনা করবে। সানাই বাজিয়ে বিয়ে করে, আদালতে গিয়ে তাল ঠুকবে না। বাতাবির নিটোল পরিবার, ফাটা বেল নয়। ভাঙা পরিবারের মশলায় তৈরি হবে না হিট মেগা কমার্শিয়াল। **ফালি ফালি তালি তালি, পৃষ্ঠা ১২ * বিশ্বাসযোগ্য মানুষ, বিশ্বাসযোগ্য পিতা মাতার বড়ই অভাব। একালে সবাই কমরেড। কণ্ঠে কণ্ঠে লড়াইয়ের রণদামামা। ** ফালি ফালি তালি তালি, পৃষ্ঠা ১২ * টাকা হল সালঙ্কারা, সুন্দরী রমণীর মতো। কার হাত ধরে গলায় মালা পরাবে কেউ বলতে পারবে না। ** কি জ্বালা, পৃষ্ঠা ১৬ *শিক্ষাটা হল। জুতো যেন জীবন। যখন যাবার তখন যাবেই। কারো বাপের ক্ষমতা নেই ধরে রাখে। **কি জ্বালা, পৃষ্ঠা ১৭ ==তার সম্পর্কে উক্তি== *কমলকুমার অল্প সংখ্যক পাঠক পেয়েই সন্তুষ্ট ছিলেন, সেই জন্যই তিনি একটার পর একটা উপন্যাস লিখে গেছেন ছোট পত্রিকায়। হয়তো তিনি সচেতন ছিলেন, তাঁর রচনারীতি বৃহত্তর পাঠক সমাজের জন্য নয়। রচনাগুলি গ্রন্থাকারে প্রকাশের ব্যাপারেও তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল না, যতদূর জানি, তাঁর একটি মাত্র উপন্যাস ‘অন্তর্জলী যাত্রা’ এবং একটি গল্প সংকলন ‘নিম অন্নপূর্ণা’ প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর জীবিতৎকালে। আর একটি উপন্যাস ‘পিঞ্জরে বসিয়া শুক’ প্রকাশের প্রস্তুতি চলছিল, মুদ্রণ সম্পূর্ণ হবার আগেই তাঁর অকালমৃত্যু ঘটে। **[[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]],ভূমিকা,অন্তর্জলী যাত্রা। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/অন্তর্জলী-যাত্রা-কমলকু/] *কমলকুমারের ভাষা একেবারেই অন্য রকম। কেন এরকম ভাষায় তিনি লেখেন, সে প্রশ্ন অনেকবার করেছি। এক এক সময় এক এক রকম উত্তর দিয়েছেন তিনি। যেমন, বাংলা গদ্যের বাক্য বিন্যাস তৈরি হয়েছে ইংরেজির অনুকরণে । কমলকুমারের মতে, যদি বিদেশী রীতি নিতেই হয়, তবে ফরাসী বাক-ভঙ্গী অনেক বেশী কাম্য। তিনি ইংরেজি-প্রভাব অস্বীকার করে ফরাসী-রীতিতে বাংলা গদ্য লেখেন। আবার কখনো বলেছেন, হাটে-বাজারে, বাড়ির লোকজনদের সঙ্গে যে-ভাষায় আমরা কথা বলি, সে ভাষায় সাহিত্য রচনা উচিত নয়। সাহিত্য হচ্ছে সরস্বতীর সঙ্গে কথা বলা, তার জন্য সম্পূর্ণ নতুন ভাষা তৈরি করে নিতে হয়।<br>তবে, এগুলোও বোধহয় সঠিক যুক্তি নয়। আধুনিক বাংলা গদ্য অনেকখানিই [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্র-অনুসারী]]। গদ্যে এই রবীন্দ্র-প্রভাব তার তেমন মনঃপূত ছিল না, তিনি পছন্দ করতেন [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়|বঙ্কিমের]] গদ্যের দৃঢ়তা এবং মনে করতেন, বাংলা গদ্য বঙ্কিম-দৃষ্টান্তেই চলা উচিত ছিল। তবুও, সাধু ক্রিয়াপদ আঁকড়ে ধরে থাকলেও, কমলকুমারের গদ্য ঠিক বঙ্কিমী গদ্য নয়, এ তাঁর নিজস্ব তৈরি করা ভাষা। নিজের লেখার জন্য একজন লেখক আলাদা ভাষা তৈরি করে লিখেছেন, এমন দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে বেশী নেই। **সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়,গোলাপ সুন্দরীর পটভূমিকা,গোলাপ সুন্দরী। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/গোলাপ-সুন্দরী-কমলকুমার/] *কমলকুমার মজুমদার সেই সময় কমল মজুমদার নামেই লিখতেন। প্রথম দিকের সব লেখাই ‘কুমার’ বর্জিত। আর এই কমল মজুমদার সাধু ভাষায় লেখেননি। লিখেছেন কথ্য ভাষায়। অথচ কমলকুমার মজুমদারের লিখনশৈলীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য সাধু ভাষায় লেখা। এই বঙ্কিমী-ধাঁচে সাধু ভাষা তাঁর অনবদ্য লেখাগুলো অবশ্যই বাংলা সাহিত্যের সম্পদ। সূচনাপর্বেই কথ্য ভাষায় লেখা যে তাঁর জন্য সুপ্রযুক্ত নয়, তা হয়তো তিনি বুঝেছিলেন। **[https://eisamay.com/editorial/post-editorial/ushnish-kamal-kumar-majumdar-published-first-magazines/66793704.cms সাহিত্য, শিল্প, আড্ডা,খালাসিটোলা] *কমলকুমার মজুমদারের রচনা পাঠ করতে করতে সারাক্ষণ মনে হয় ওঁর জীবৎকালে আমরা বাঙালিরা ওঁর মূল্য দিতে পারিনি। যে কারণে অত বড় একজন সাহিত্যকার শেষ দিন অবধি থেকে গেলেন লিটল ম্যাগাজিনের লেখক। ‘খেলার প্রতিভা’ ‘জার্নাল সত্তর’ পত্রে বেরোবার পর তার এক কপি উপহার করে আমায় পাঠিয়ে তাতে লিখেছিলেন, “বুঝিবা আপনাকে কারে ফেলিলাম।” **শঙ্করলাল ভট্টাচার্য, [https://www.anandabazar.com/patrika/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%95-%E0%A6%AE-%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A3-1.80078 কমলকুমার সরণি] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} 6nh7jns1wrv7a6kr07fh34k85xsh2n3 78901 78885 2026-04-20T11:56:06Z Nil Nandy 2294 /* কিচির মিচির */ 78901 wikitext text/x-wiki {{bw|কমলকুমার মজুমদার}} (জন্ম :১৬ নভেম্বর ১৯১৪ - মৃত্যু : ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯) ছিলেন সাহিত্যিক ও শিল্পী। বিংশ শতাব্দীর একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক যিনি আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসাবে পরিগণিত। তাকে বলা হয় 'লেখকদের লেখক'। তার উপন্যাস অন্তর্জলী যাত্রা এর অনন্যপূর্ব আখ্যানভাগ ও ভাষাশৈলীর জন্য প্রসিদ্ধ। বাংলা কথাসাহিত্য বিশেষ করে উপন্যাস ইয়োরোপীয় উপন্যাসের আদলে গড়ে উঠেছে, কমলকুমার মজুমদার সেই অনুসরণতা পরিহার করেছিলেন। তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের দুরূহতম লেখকদের একজন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিখ্যাত ছিলেন; যেমন সুহাসিনীর পমেটম উপন্যাসে ২৫০ পৃষ্ঠায় যতি-চিহ্ন বিহীন মাত্র একটি বাক্য লক্ষ্য করা যায়। তিনি বাংলা সাহিত্যের দুর্বোধ্যতম লেখক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। দীক্ষিত পাঠকের কাছে কমলকুমার অবশ্যপাঠ্য লেখক হিসেবেই সমাদৃত হলেও অদ্যাবধি তিনি সাধারণ্যে পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেন নি। ==উক্তি== *[[সত্যজিৎ রায়|সত্যজিতের]] সমালোচনা করার তুমি কে হে? করলে আমি করব, তুমি কে? **কমলকুমারের এক ভক্ত সত্যজিতের কাজ নিয়ে বিরূপ কিছু বলাতে তার উত্তর। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%95-%E0%A6%AE-%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A3-1.80078] ===কিচির মিচির=== <small>[https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.456048 কিচির মিচির], সুপ্রকাশনী, ১৯৬৫</small> *বড় ম্যানেজ করা গেল না বলে, কেটে ছেঁটে মাপে নিয়ে আসা হল। থিঙ্ক বিগ, বইয়ের উপদেশে মজুত থাক, যেমন আছে, যেমন থাকবে চিরকাল। মানবের বৃহৎভাবনা সমূহ। বাস্তবের কথা হল, থিঙ্ক ম্যানেজেবল স্মল। ছোট করে নাও। ভেতরে অন্তত বাইরে ডোবা সেই ডোবায় কোলা ব্যাঙ, গ্যাঙোর গ্যাং। **ফালি ফালি তালি তালি, পৃষ্ঠা ৯ *এই টিভিতে রেপ ছিল না, খুন ছিল না, অঙ্গ দেখিয়ে নাচ ছিল না, স্যাডিজম ছিল না, পেডোফাইল ছিল না। ঘরভাঙা, সংসার ভাঙা, সমাজ ভাঙার নিয়ত দৃশ্য ছিল না। মানুষ মানুষের দিকে যে হাত বাড়াত সে হাত বন্ধুর হাত, খুনীর হাত নয়। প্রেমে ছিল পূর্ণতা, একালের বঞ্চনা নয়। চরিত্ররা সব আদর্শের পতাকা তুলে ঘুরে বেড়াত, একালের সুবিধেবাদীর ঝাণ্ডা নয়। ছোটরা বড় হবে। বড় হয়ে ছোটদের বড় করার জন্যে আদশ সংসার রচনা করবে। সানাই বাজিয়ে বিয়ে করে, আদালতে গিয়ে তাল ঠুকবে না। বাতাবির নিটোল পরিবার, ফাটা বেল নয়। ভাঙা পরিবারের মশলায় তৈরি হবে না হিট মেগা কমার্শিয়াল। **ফালি ফালি তালি তালি, পৃষ্ঠা ১২ * বিশ্বাসযোগ্য মানুষ, বিশ্বাসযোগ্য পিতা মাতার বড়ই অভাব। একালে সবাই কমরেড। কণ্ঠে কণ্ঠে লড়াইয়ের রণদামামা। ** ফালি ফালি তালি তালি, পৃষ্ঠা ১২ * টাকা হল সালঙ্কারা, সুন্দরী রমণীর মতো। কার হাত ধরে গলায় মালা পরাবে কেউ বলতে পারবে না। ** কি জ্বালা, পৃষ্ঠা ১৬ *শিক্ষাটা হল। জুতো যেন জীবন। যখন যাবার তখন যাবেই। কারো বাপের ক্ষমতা নেই ধরে রাখে। **কি জ্বালা, পৃষ্ঠা ১৭ *শিক্ষিত বাঙালি স্ত্রীকে ঘখন 'ওয়াইফ' বলে, বুঝতে হবে সরকারি চাকুরে৷ যখন 'গিন্নি' বলে বুঝতে হবে বেসরকারি অফিসের উচ্চপদে শাঁসে জল আছে, পরিবার পরিজন পরিত্যাগ করে পৃথক বসবাস, শ্বশুরবাড়ির ন্যাওটা৷ শালীপ্রেমে বিভার মাতোয়ারা। 'বেটার হাফ' বললে বুঝতে হবে মাস্টারি করে। 'বউ' বললে বুঝতে হবে গ্রামে বিষয়সম্পত্তি আছে, হাল চাষ করে। ডেফিনিটলি কাঁঠাল খায়। পুঁই-কুমড়োর লাবড়া প্রিয় খাদ্য-মালসা ভোগ, পুলিপিঠে, তালের বড়ার জগাতে ঘোরাফেরা আছে। **যোগসূত্র পটাং, পৃষ্ঠা ৩০ ==তার সম্পর্কে উক্তি== *কমলকুমার অল্প সংখ্যক পাঠক পেয়েই সন্তুষ্ট ছিলেন, সেই জন্যই তিনি একটার পর একটা উপন্যাস লিখে গেছেন ছোট পত্রিকায়। হয়তো তিনি সচেতন ছিলেন, তাঁর রচনারীতি বৃহত্তর পাঠক সমাজের জন্য নয়। রচনাগুলি গ্রন্থাকারে প্রকাশের ব্যাপারেও তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল না, যতদূর জানি, তাঁর একটি মাত্র উপন্যাস ‘অন্তর্জলী যাত্রা’ এবং একটি গল্প সংকলন ‘নিম অন্নপূর্ণা’ প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর জীবিতৎকালে। আর একটি উপন্যাস ‘পিঞ্জরে বসিয়া শুক’ প্রকাশের প্রস্তুতি চলছিল, মুদ্রণ সম্পূর্ণ হবার আগেই তাঁর অকালমৃত্যু ঘটে। **[[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]],ভূমিকা,অন্তর্জলী যাত্রা। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/অন্তর্জলী-যাত্রা-কমলকু/] *কমলকুমারের ভাষা একেবারেই অন্য রকম। কেন এরকম ভাষায় তিনি লেখেন, সে প্রশ্ন অনেকবার করেছি। এক এক সময় এক এক রকম উত্তর দিয়েছেন তিনি। যেমন, বাংলা গদ্যের বাক্য বিন্যাস তৈরি হয়েছে ইংরেজির অনুকরণে । কমলকুমারের মতে, যদি বিদেশী রীতি নিতেই হয়, তবে ফরাসী বাক-ভঙ্গী অনেক বেশী কাম্য। তিনি ইংরেজি-প্রভাব অস্বীকার করে ফরাসী-রীতিতে বাংলা গদ্য লেখেন। আবার কখনো বলেছেন, হাটে-বাজারে, বাড়ির লোকজনদের সঙ্গে যে-ভাষায় আমরা কথা বলি, সে ভাষায় সাহিত্য রচনা উচিত নয়। সাহিত্য হচ্ছে সরস্বতীর সঙ্গে কথা বলা, তার জন্য সম্পূর্ণ নতুন ভাষা তৈরি করে নিতে হয়।<br>তবে, এগুলোও বোধহয় সঠিক যুক্তি নয়। আধুনিক বাংলা গদ্য অনেকখানিই [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্র-অনুসারী]]। গদ্যে এই রবীন্দ্র-প্রভাব তার তেমন মনঃপূত ছিল না, তিনি পছন্দ করতেন [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়|বঙ্কিমের]] গদ্যের দৃঢ়তা এবং মনে করতেন, বাংলা গদ্য বঙ্কিম-দৃষ্টান্তেই চলা উচিত ছিল। তবুও, সাধু ক্রিয়াপদ আঁকড়ে ধরে থাকলেও, কমলকুমারের গদ্য ঠিক বঙ্কিমী গদ্য নয়, এ তাঁর নিজস্ব তৈরি করা ভাষা। নিজের লেখার জন্য একজন লেখক আলাদা ভাষা তৈরি করে লিখেছেন, এমন দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে বেশী নেই। **সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়,গোলাপ সুন্দরীর পটভূমিকা,গোলাপ সুন্দরী। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/গোলাপ-সুন্দরী-কমলকুমার/] *কমলকুমার মজুমদার সেই সময় কমল মজুমদার নামেই লিখতেন। প্রথম দিকের সব লেখাই ‘কুমার’ বর্জিত। আর এই কমল মজুমদার সাধু ভাষায় লেখেননি। লিখেছেন কথ্য ভাষায়। অথচ কমলকুমার মজুমদারের লিখনশৈলীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য সাধু ভাষায় লেখা। এই বঙ্কিমী-ধাঁচে সাধু ভাষা তাঁর অনবদ্য লেখাগুলো অবশ্যই বাংলা সাহিত্যের সম্পদ। সূচনাপর্বেই কথ্য ভাষায় লেখা যে তাঁর জন্য সুপ্রযুক্ত নয়, তা হয়তো তিনি বুঝেছিলেন। **[https://eisamay.com/editorial/post-editorial/ushnish-kamal-kumar-majumdar-published-first-magazines/66793704.cms সাহিত্য, শিল্প, আড্ডা,খালাসিটোলা] *কমলকুমার মজুমদারের রচনা পাঠ করতে করতে সারাক্ষণ মনে হয় ওঁর জীবৎকালে আমরা বাঙালিরা ওঁর মূল্য দিতে পারিনি। যে কারণে অত বড় একজন সাহিত্যকার শেষ দিন অবধি থেকে গেলেন লিটল ম্যাগাজিনের লেখক। ‘খেলার প্রতিভা’ ‘জার্নাল সত্তর’ পত্রে বেরোবার পর তার এক কপি উপহার করে আমায় পাঠিয়ে তাতে লিখেছিলেন, “বুঝিবা আপনাকে কারে ফেলিলাম।” **শঙ্করলাল ভট্টাচার্য, [https://www.anandabazar.com/patrika/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%95-%E0%A6%AE-%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A3-1.80078 কমলকুমার সরণি] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} 99poc8aarq75wzqwalumt9isfyt7jy8 78903 78901 2026-04-20T11:58:23Z Nil Nandy 2294 /* কিচির মিচির */ 78903 wikitext text/x-wiki {{bw|কমলকুমার মজুমদার}} (জন্ম :১৬ নভেম্বর ১৯১৪ - মৃত্যু : ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯) ছিলেন সাহিত্যিক ও শিল্পী। বিংশ শতাব্দীর একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক যিনি আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসাবে পরিগণিত। তাকে বলা হয় 'লেখকদের লেখক'। তার উপন্যাস অন্তর্জলী যাত্রা এর অনন্যপূর্ব আখ্যানভাগ ও ভাষাশৈলীর জন্য প্রসিদ্ধ। বাংলা কথাসাহিত্য বিশেষ করে উপন্যাস ইয়োরোপীয় উপন্যাসের আদলে গড়ে উঠেছে, কমলকুমার মজুমদার সেই অনুসরণতা পরিহার করেছিলেন। তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের দুরূহতম লেখকদের একজন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিখ্যাত ছিলেন; যেমন সুহাসিনীর পমেটম উপন্যাসে ২৫০ পৃষ্ঠায় যতি-চিহ্ন বিহীন মাত্র একটি বাক্য লক্ষ্য করা যায়। তিনি বাংলা সাহিত্যের দুর্বোধ্যতম লেখক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। দীক্ষিত পাঠকের কাছে কমলকুমার অবশ্যপাঠ্য লেখক হিসেবেই সমাদৃত হলেও অদ্যাবধি তিনি সাধারণ্যে পাঠকপ্রিয়তা লাভ করেন নি। ==উক্তি== *[[সত্যজিৎ রায়|সত্যজিতের]] সমালোচনা করার তুমি কে হে? করলে আমি করব, তুমি কে? **কমলকুমারের এক ভক্ত সত্যজিতের কাজ নিয়ে বিরূপ কিছু বলাতে তার উত্তর। উৎস: [https://www.anandabazar.com/patrika/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%95-%E0%A6%AE-%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A3-1.80078] ===কিচির মিচির=== <small>[https://archive.org/embed/in.ernet.dli.2015.456048 কিচির মিচির], সুপ্রকাশনী, ১৯৬৫</small> *বড় ম্যানেজ করা গেল না বলে, কেটে ছেঁটে মাপে নিয়ে আসা হল। থিঙ্ক বিগ, বইয়ের উপদেশে মজুত থাক, যেমন আছে, যেমন থাকবে চিরকাল। মানবের বৃহৎভাবনা সমূহ। বাস্তবের কথা হল, থিঙ্ক ম্যানেজেবল স্মল। ছোট করে নাও। ভেতরে অন্তত বাইরে ডোবা সেই ডোবায় কোলা ব্যাঙ, গ্যাঙোর গ্যাং। **ফালি ফালি তালি তালি, পৃষ্ঠা ৯ *এই টিভিতে রেপ ছিল না, খুন ছিল না, অঙ্গ দেখিয়ে নাচ ছিল না, স্যাডিজম ছিল না, পেডোফাইল ছিল না। ঘরভাঙা, সংসার ভাঙা, সমাজ ভাঙার নিয়ত দৃশ্য ছিল না। মানুষ মানুষের দিকে যে হাত বাড়াত সে হাত বন্ধুর হাত, খুনীর হাত নয়। প্রেমে ছিল পূর্ণতা, একালের বঞ্চনা নয়। চরিত্ররা সব আদর্শের পতাকা তুলে ঘুরে বেড়াত, একালের সুবিধেবাদীর ঝাণ্ডা নয়। ছোটরা বড় হবে। বড় হয়ে ছোটদের বড় করার জন্যে আদশ সংসার রচনা করবে। সানাই বাজিয়ে বিয়ে করে, আদালতে গিয়ে তাল ঠুকবে না। বাতাবির নিটোল পরিবার, ফাটা বেল নয়। ভাঙা পরিবারের মশলায় তৈরি হবে না হিট মেগা কমার্শিয়াল। **ফালি ফালি তালি তালি, পৃষ্ঠা ১২ * বিশ্বাসযোগ্য মানুষ, বিশ্বাসযোগ্য পিতা মাতার বড়ই অভাব। একালে সবাই কমরেড। কণ্ঠে কণ্ঠে লড়াইয়ের রণদামামা। ** ফালি ফালি তালি তালি, পৃষ্ঠা ১২ * টাকা হল সালঙ্কারা, সুন্দরী রমণীর মতো। কার হাত ধরে গলায় মালা পরাবে কেউ বলতে পারবে না। ** কি জ্বালা, পৃষ্ঠা ১৬ *শিক্ষাটা হল। জুতো যেন জীবন। যখন যাবার তখন যাবেই। কারো বাপের ক্ষমতা নেই ধরে রাখে। **কি জ্বালা, পৃষ্ঠা ১৭ *শিক্ষিত বাঙালি স্ত্রীকে ঘখন 'ওয়াইফ' বলে, বুঝতে হবে সরকারি চাকুরে৷ যখন 'গিন্নি' বলে বুঝতে হবে বেসরকারি অফিসের উচ্চপদে শাঁসে জল আছে, পরিবার পরিজন পরিত্যাগ করে পৃথক বসবাস, শ্বশুরবাড়ির ন্যাওটা৷ শালীপ্রেমে বিভার মাতোয়ারা। 'বেটার হাফ' বললে বুঝতে হবে মাস্টারি করে। 'বউ' বললে বুঝতে হবে গ্রামে বিষয়সম্পত্তি আছে, হাল চাষ করে। ডেফিনিটলি কাঁঠাল খায়। পুঁই-কুমড়োর লাবড়া প্রিয় খাদ্য-মালসা ভোগ, পুলিপিঠে, তালের বড়ার জগাতে ঘোরাফেরা আছে। **যোগসূত্র পটাং, পৃষ্ঠা ৩০ *বইটাই হল রাজনীতির আধ্যাত্মিকতা। স্পিরিট অফ লিবার্টি। সেইটাকে হরণ করে নাও। মানুষ যত ছ্যাচড়া, অসৎ, করাপ্ট, সেল্ফ সিকিং, অনৈতিক, অধার্মিক হবে, যতই মেরুদণ্ডহীন হবে শাসকদের ততই পোয়াবারো। গণতন্ত্রের জনগণ যেন মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে। চোরে চোরে মাস্তুতো ভাই। ** বিন্দু থেকে চন্দ্রবিন্দু, পৃষ্ঠা ৩৬ ==তার সম্পর্কে উক্তি== *কমলকুমার অল্প সংখ্যক পাঠক পেয়েই সন্তুষ্ট ছিলেন, সেই জন্যই তিনি একটার পর একটা উপন্যাস লিখে গেছেন ছোট পত্রিকায়। হয়তো তিনি সচেতন ছিলেন, তাঁর রচনারীতি বৃহত্তর পাঠক সমাজের জন্য নয়। রচনাগুলি গ্রন্থাকারে প্রকাশের ব্যাপারেও তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল না, যতদূর জানি, তাঁর একটি মাত্র উপন্যাস ‘অন্তর্জলী যাত্রা’ এবং একটি গল্প সংকলন ‘নিম অন্নপূর্ণা’ প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর জীবিতৎকালে। আর একটি উপন্যাস ‘পিঞ্জরে বসিয়া শুক’ প্রকাশের প্রস্তুতি চলছিল, মুদ্রণ সম্পূর্ণ হবার আগেই তাঁর অকালমৃত্যু ঘটে। **[[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়]],ভূমিকা,অন্তর্জলী যাত্রা। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/অন্তর্জলী-যাত্রা-কমলকু/] *কমলকুমারের ভাষা একেবারেই অন্য রকম। কেন এরকম ভাষায় তিনি লেখেন, সে প্রশ্ন অনেকবার করেছি। এক এক সময় এক এক রকম উত্তর দিয়েছেন তিনি। যেমন, বাংলা গদ্যের বাক্য বিন্যাস তৈরি হয়েছে ইংরেজির অনুকরণে । কমলকুমারের মতে, যদি বিদেশী রীতি নিতেই হয়, তবে ফরাসী বাক-ভঙ্গী অনেক বেশী কাম্য। তিনি ইংরেজি-প্রভাব অস্বীকার করে ফরাসী-রীতিতে বাংলা গদ্য লেখেন। আবার কখনো বলেছেন, হাটে-বাজারে, বাড়ির লোকজনদের সঙ্গে যে-ভাষায় আমরা কথা বলি, সে ভাষায় সাহিত্য রচনা উচিত নয়। সাহিত্য হচ্ছে সরস্বতীর সঙ্গে কথা বলা, তার জন্য সম্পূর্ণ নতুন ভাষা তৈরি করে নিতে হয়।<br>তবে, এগুলোও বোধহয় সঠিক যুক্তি নয়। আধুনিক বাংলা গদ্য অনেকখানিই [[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর|রবীন্দ্র-অনুসারী]]। গদ্যে এই রবীন্দ্র-প্রভাব তার তেমন মনঃপূত ছিল না, তিনি পছন্দ করতেন [[বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়|বঙ্কিমের]] গদ্যের দৃঢ়তা এবং মনে করতেন, বাংলা গদ্য বঙ্কিম-দৃষ্টান্তেই চলা উচিত ছিল। তবুও, সাধু ক্রিয়াপদ আঁকড়ে ধরে থাকলেও, কমলকুমারের গদ্য ঠিক বঙ্কিমী গদ্য নয়, এ তাঁর নিজস্ব তৈরি করা ভাষা। নিজের লেখার জন্য একজন লেখক আলাদা ভাষা তৈরি করে লিখেছেন, এমন দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে বেশী নেই। **সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়,গোলাপ সুন্দরীর পটভূমিকা,গোলাপ সুন্দরী। উৎস: [https://www.ebanglalibrary.com/books/গোলাপ-সুন্দরী-কমলকুমার/] *কমলকুমার মজুমদার সেই সময় কমল মজুমদার নামেই লিখতেন। প্রথম দিকের সব লেখাই ‘কুমার’ বর্জিত। আর এই কমল মজুমদার সাধু ভাষায় লেখেননি। লিখেছেন কথ্য ভাষায়। অথচ কমলকুমার মজুমদারের লিখনশৈলীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য সাধু ভাষায় লেখা। এই বঙ্কিমী-ধাঁচে সাধু ভাষা তাঁর অনবদ্য লেখাগুলো অবশ্যই বাংলা সাহিত্যের সম্পদ। সূচনাপর্বেই কথ্য ভাষায় লেখা যে তাঁর জন্য সুপ্রযুক্ত নয়, তা হয়তো তিনি বুঝেছিলেন। **[https://eisamay.com/editorial/post-editorial/ushnish-kamal-kumar-majumdar-published-first-magazines/66793704.cms সাহিত্য, শিল্প, আড্ডা,খালাসিটোলা] *কমলকুমার মজুমদারের রচনা পাঠ করতে করতে সারাক্ষণ মনে হয় ওঁর জীবৎকালে আমরা বাঙালিরা ওঁর মূল্য দিতে পারিনি। যে কারণে অত বড় একজন সাহিত্যকার শেষ দিন অবধি থেকে গেলেন লিটল ম্যাগাজিনের লেখক। ‘খেলার প্রতিভা’ ‘জার্নাল সত্তর’ পত্রে বেরোবার পর তার এক কপি উপহার করে আমায় পাঠিয়ে তাতে লিখেছিলেন, “বুঝিবা আপনাকে কারে ফেলিলাম।” **শঙ্করলাল ভট্টাচার্য, [https://www.anandabazar.com/patrika/%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A6%95-%E0%A6%AE-%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A3-1.80078 কমলকুমার সরণি] ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} 1bt37js0j59fhgmc0p770ksvhvhptdg ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ 0 12921 78686 2026-04-20T00:29:58Z Oindrojalik Watch 4169 "<div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|358px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%..." দিয়ে পাতা তৈরি 78686 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|358px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> <div style="clear: both; text-align: center; margin: 20px auto;"> [[File:2026 FIFA World Cup emblem (horizontal, with wordmark).svg|none|600px|২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল লোগো (অণুভূমিক সংস্করণ)]] <div style="font-size: 90%; color: #555; margin-top: 5px;"></div> </div> [[File:Trionda (cropped).jpg|thumb|বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ম্যাচ বল: '''অ্যাডিডাস ট্রিওন্ডা''']] '''[[w:২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ|২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]]''' হতে যাচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর বা [[:w:ফিফা বিশ্বকাপ|ফিফা বিশ্বকাপের]] ২৩তম সৃজনশীল সংস্করণ। ২০২৬ সালের ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত আধুনিক ইতিহাসের এই বিশাল ক্রীড়া মহাযজ্ঞটি উত্তর আমেরিকার সুবিশাল প্রান্তর জুড়ে অনুষ্ঠিত হবে। ইতিহাসের কালানুক্রমিক ধারায় এটিই প্রথম টুর্নামেন্ট, যা তিনটি রাষ্ট্র—[[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]], [[:w:মেক্সিকো|মেক্সিকো]] এবং [[:w:কানাডা|কানাডা]] যৌথভাবে আয়োজন করার ঐতিহাসিক দায়িত্ব লাভ করেছে। সর্বমোট ১৬টি বৈচিত্র্যময় শহর এই আসরের সাক্ষী হতে যাচ্ছে, যার মধ্যে ১১টি শহর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, ৩টি মেক্সিকোতে এবং ২টি কানাডায় অবস্থিত। ফিফা আয়োজক কমিটির মতে, এটি কেবল একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট নয়, বরং উত্তর আমেরিকা মহাদেশের তিনটি ভিন্ন সংস্কৃতির মিলনমেলা হিসেবে ফুটবল ইতিহাসের পাতায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। == উক্তি == [[File:2025 FIFA Club World Cup - Seattle Sounders FC vs. Botafogo - 03.jpg|thumb|যুক্তরাষ্ট্রের [[:w:ওয়াশিংটন (অঙ্গরাজ্য)|ওয়াশিংটন]] অঙ্গরাজ্যের সিয়াটলে অবস্থিত [[:w:লুমেন ফিল্ড|লুমেন ফিল্ড স্টেডিয়ামে]] ২০২৫ ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে সিয়াটল সাউন্ডার্স এফসি এবং বোটফাগোর মধ্যকার একটি দৃশ্য।]] === ২০২৫ === * আমি কি এটি নিজের কাছে রেখে দিতে পারি? ** '''''[[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]''''', যখন ফিফা প্রধানের পক্ষ থেকে ট্রফিটি উপহার দেওয়া হয়েছিল; [https://www.financialexpress.com/trending/trump-jokes-can-i-keep-it-as-fifa-chief-presents-2026-world-cup-trophy-at-white-house/3955119/ ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেস – "ট্রাম্প জোকস 'ক্যান আই কিপ ইট?' অ্যাজ ফিফা চিফ প্রেজেন্টস ২০২৬ ওয়ার্ল্ড কাপ ট্রফি অ্যাট হোয়াইট হাউস"] (২৩ আগস্ট ২০২৫)। === ২০২৬ (টুর্নামেন্ট-পূর্ব) === *<p>মাত্র এক মাসের সামান্য বেশি সময়ে ৫০ কোটি টিকিটের আবেদন কেবল চাহিদাই নয়—এটি একটি বৈশ্বিক ঘোষণা। ফিফার পক্ষ থেকে আমি বিশ্বের সকল ফুটবল ভক্তকে এই অভূতপূর্ব সাড়া দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাতে চাই। এই টুর্নামেন্টটি বিশ্বজুড়ে মানুষের কাছে কতটা অর্থবহ তা উপলব্ধি করে আমাদের একমাত্র আক্ষেপ হলো এই যে, '''"আমরা প্রতিটি ভক্তকে স্টেডিয়ামের ভেতরে স্বাগত জানাতে পারছি না।'''</p><p>এই কারণেই আমরা ভক্তদের জন্য বিশ্বকাপের অংশ হওয়ার একাধিক উপায় তৈরির প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি—স্টেডিয়ামের বাইরে সরাসরি এবং অনলাইন অভিজ্ঞতার এক বিশাল পরিসর গড়ে তোলার মাধ্যমে—যাতে সম্ভাব্য সর্বাধিক সংখ্যক মানুষ এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ এই ক্রীড়া আসরের আনন্দ ভাগ করে নিতে পারে।" ** [https://www.thesun.co.uk/sport/37919415/fifa-2026-world-cup-ticket-requests-prices/ ‘উই ক্যাননট ওয়েলকাম এভরি ফ্যান’ – ফিফা রিলিজ স্টেটমেন্ট আফটার হাফ আ বিলিয়ন ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬ টিকিট রিকোয়েস্টস]—''দ্য সান'' (১৫ জানুয়ারি ২০২৬)-এ [[:w:ফিফা|ফিফা]] সভাপতি '''''[[:w:জিয়ান্নি ইনফান্তিনো|জিয়ান্নি ইনফান্তিনো]]'''''। [[File:2026 FIFA WC countdown clock Paseo de la Reforma.jpg|thumb|[[:w:মেক্সিকো সিটি|মেক্সিকো সিটির]] 'পাসেও দে লা রিফর্মা'-তে স্থাপিত [[:w:২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ|২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের]] কাউন্টডাউন ঘড়ি।]] * যারা ভেন্যুগুলো পরিদর্শনে আসবেন, তাদের প্রত্যেকের জন্য একটি নিরাপদ এবং সুরক্ষিত আয়োজন নিশ্চিত করতে আইসিই সম্পূর্ণভাবে দায়বদ্ধ। ** মার্কিন প্রতিনিধি [[:w:নেলি পু|নেলি পু]], উদ্ধৃত: [https://www.bbc.co.uk/sport/football/articles/c62g4322ywno "আইসিই উইল বি 'কী পার্ট অফ সিকিউরিটি' অ্যাট ওয়ার্ল্ড কাপ ইন ইউএস"]—''বিবিসি'' (১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)। * সত্যি বলতে আমি মোটেও পরোয়া করি না। আমি মনে করি ইরান একটি অত্যন্ত শোচনীয়ভাবে আমার কাছে বিজিত একটি দেশ। এখন তাদের শেষ সম্বলটুকু দিয়ে টিকে থাকার চেষ্টা করছে মাত্র। ** ২০২৬ সালের ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ সংক্রান্ত প্রশ্নে [[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]; উদ্ধৃত: [https://www.theguardian.com/football/2026/mar/04/donald-trump-really-does-not-care-if-iran-play-at-football-world-cup-2026 "ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘রিয়েলি ডাজ নট কেয়ার’ ইফ ইরান প্লে অ্যাট ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬"]—''দ্য গার্ডিয়ান'' (৪ মার্চ ২০২৬)। * ফিফা বর্তমানে বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ ভক্তদের জন্য ফুটবলে ন্যায্য প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। একটি অলাভজনক সংস্থা হিসেবে, বিশ্বকাপ থেকে ফিফা যে রাজস্ব আয় করে তা বিশ্বজুড়ে ফিফার ২১১টি সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে পুরুষ, নারী এবং যুব ফুটবলের বিকাশে পুনরায় বিনিয়োগ করা হয়। ** [[:w:ফিফা|ফিফা]], উদ্ধৃত: [https://www.bbc.co.uk/sport/football/articles/clyx27vv7rno "কমপ্লেইন্ট ফাইলড ওভার ওয়ার্ল্ড কাপ টিকিট প্রাইসেস"]—''বিবিসি নিউজ'' (২৪ মার্চ ২০২৬)। [[File:2022 FIFA World Cup England 6–2 Iran - (7).jpg|thumb|[[:w:ইরান জাতীয় ফুটবল দল|ইরান জাতীয় ফুটবল দল]] ([[:w:২০২২ ফিফা বিশ্বকাপ|২০২২ ফিফা বিশ্বকাপে]] [[:w:ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ডের]] বিরুদ্ধে [[:w:ইরান|ইরানের]] স্কোয়াড)।]] * এই মুহূর্তে আমরা আশা করছি যে ইরানের জাতীয় ফুটবল দল বিশ্বকাপে আসবে। আমি মনে করি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসী ইরানিদের জন্য এটি তাদের নিজ দেশকে উদযাপন করার একটি দুর্দান্ত সুযোগ। ** [[:w:হোয়াইট হাউস|হোয়াইট হাউস]] টাস্ক ফোর্সের নির্বাহী পরিচালক [[:w:অ্যান্ড্রু জিউলিয়ানি|অ্যান্ড্রু জিউলিয়ানি]], উদ্ধৃত: [https://www.nbcnews.com/world/iran/live-blog/live-updates-iran-war-trump-talks-israel-attacks-oil-hormuz-kharg-rcna265243]—''এনবিসি'' (২৬ মার্চ ২০২৬)। * [[:w:ইতালি|ইতালীয়]] ফুটবলের সেই সোনালী দিনগুলো এখন অতীত। সেগুলো সত্যিই চিরতরে হারিয়ে গেছে। ** ২০২৬ বিশ্বকাপে ইতালির কোয়ালিফাই করতে না পারার প্রেক্ষিতে জনৈক সমর্থকের প্রতিক্রিয়া; [https://www.bbc.co.uk/news/articles/cj943rmkkm4o "ডেভাস্টেটেড ইতালিয়ানস রেকন উইথ 'থার্ড অ্যাপোক্যালিপস' অফ ওয়ার্ল্ড কাপ ফেইল্যুর"]—''বিবিসি স্পোর্ট'' (১ এপ্রিল ২০২৬)। * মানুষের জীবনে কখনো কখনো বিশ্বকাপে যাওয়ার সুযোগ মাত্র একবারই আসে। অনেকের জন্য এটিই ছিল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, কিন্তু টিকিটের চড়া দামের কারণে তারা সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য হারাবে। ** [[:w:২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল|বিশ্বকাপ ফাইনালের]] টিকিটের দাম নিয়ে সমর্থকদের প্রতিক্রিয়া; [https://www.bbc.co.uk/sport/football/articles/ce8lzj0rprpo "দ্য $১১কে ওয়ার্ল্ড কাপ ফাইনাল টিকিট - হোয়াট উই লার্নড ফ্রম ফার্স্ট ওপেন সেল"]—''বিবিসি স্পোর্ট'' (২ এপ্রিল ২০২৬)। == বহিঃসংযোগ == {{Sister project links |wikt=no |commons=Category:2026 FIFA World Cup|s=no |author=no |b=no |v=no |d=Q5020214}} * [https://www.fifa.com/ ফিফা-র অফিসিয়াল ওয়েবসাইট] * [https://www.bbc.co.uk/sport/football/world-cup বিবিসি ওয়ার্ল্ড কাপ কভারেজ] [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] k27znascg2jgy1vuxhb0qhgrp2huyww 78696 78686 2026-04-20T00:55:23Z Oindrojalik Watch 4169 78696 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|358px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> <div style="clear: both; text-align: center; margin: 20px auto;"> [[File:2026 FIFA World Cup emblem (horizontal, with wordmark).svg|none|600px|২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল লোগো (অণুভূমিক সংস্করণ)]] <div style="font-size: 90%; color: #555; margin-top: 5px;"></div> </div> [[File:Trionda (cropped).jpg|thumb|বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ম্যাচ বল: '''অ্যাডিডাস ট্রিওন্ডা''']] '''[[w:২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ|২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]]''' হতে যাচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর বা [[:w:ফিফা বিশ্বকাপ|ফিফা বিশ্বকাপের]] ২৩তম সৃজনশীল সংস্করণ। ২০২৬ সালের ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত আধুনিক ইতিহাসের এই বিশাল ক্রীড়া মহাযজ্ঞটি উত্তর আমেরিকার সুবিশাল প্রান্তর জুড়ে অনুষ্ঠিত হবে। ইতিহাসের কালানুক্রমিক ধারায় এটিই প্রথম টুর্নামেন্ট, যা তিনটি রাষ্ট্র—[[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]], [[:w:মেক্সিকো|মেক্সিকো]] এবং [[:w:কানাডা|কানাডা]] যৌথভাবে আয়োজন করার ঐতিহাসিক দায়িত্ব লাভ করেছে। সর্বমোট ১৬টি বৈচিত্র্যময় শহর এই আসরের সাক্ষী হতে যাচ্ছে, যার মধ্যে ১১টি শহর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, ৩টি মেক্সিকোতে এবং ২টি কানাডায় অবস্থিত। ফিফা আয়োজক কমিটির মতে, এটি কেবল একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট নয়, বরং উত্তর আমেরিকা মহাদেশের তিনটি ভিন্ন সংস্কৃতির মিলনমেলা হিসেবে ফুটবল ইতিহাসের পাতায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। == উক্তি == [[File:2025 FIFA Club World Cup - Seattle Sounders FC vs. Botafogo - 03.jpg|thumb|যুক্তরাষ্ট্রের [[:w:ওয়াশিংটন (অঙ্গরাজ্য)|ওয়াশিংটন]] অঙ্গরাজ্যের সিয়াটলে অবস্থিত [[:w:লুমেন ফিল্ড|লুমেন ফিল্ড স্টেডিয়ামে]] ২০২৫ ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে সিয়াটল সাউন্ডার্স এফসি এবং বোটফাগোর মধ্যকার একটি দৃশ্য।]] === ২০২৫ === * আমি কি এটি নিজের কাছে রেখে দিতে পারি? ** '''''[[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]''''', যখন ফিফা প্রধানের পক্ষ থেকে ট্রফিটি উপহার দেওয়া হয়েছিল; [https://www.financialexpress.com/trending/trump-jokes-can-i-keep-it-as-fifa-chief-presents-2026-world-cup-trophy-at-white-house/3955119/ ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেস – "ট্রাম্প জোকস 'ক্যান আই কিপ ইট?' অ্যাজ ফিফা চিফ প্রেজেন্টস ২০২৬ ওয়ার্ল্ড কাপ ট্রফি অ্যাট হোয়াইট হাউস"] (২৩ আগস্ট ২০২৫)। === ২০২৬ (টুর্নামেন্ট-পূর্ব) === *<p>মাত্র এক মাসের সামান্য বেশি সময়ে ৫০ কোটি টিকিটের আবেদন কেবল চাহিদাই নয়। বরং এটি একটি বৈশ্বিক ঘোষণা। [[:w:ফিফা|ফিফার]] পক্ষ থেকে আমি বিশ্বের সকল ফুটবল ভক্ত ও অনুরাগীকে এই অভূতপূর্ব সাড়া দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাতে চাই। এই টুর্নামেন্টটি বিশ্বজুড়ে মানুষের কাছে কতটা অর্থবহ তা উপলব্ধি করে আমাদের একমাত্র আক্ষেপ হলো এই যে, '''"আমরা প্রতিটি ভক্তকে স্টেডিয়ামের ভেতরে স্বাগত জানাতে পারছি না।'''</p><p>এই কারণেই আমরা ভক্তদের জন্য বিশ্বকাপের অংশ হওয়ার একাধিক উপায় তৈরির প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। স্টেডিয়ামের বাইরে সরাসরি এবং অনলাইন অভিজ্ঞতার এক বিশাল পরিসর গড়ে তোলার মাধ্যমে। যাতে সম্ভাব্য সর্বাধিক সংখ্যক মানুষ এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ এই ক্রীড়া আসরের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে পারে।" ** [https://www.thesun.co.uk/sport/37919415/fifa-2026-world-cup-ticket-requests-prices/ ‘উই ক্যাননট ওয়েলকাম এভরি ফ্যান’ – ফিফা রিলিজ স্টেটমেন্ট আফটার হাফ আ বিলিয়ন ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬ টিকিট রিকোয়েস্টস]—''দ্য সান'' (১৫ জানুয়ারি ২০২৬)-এ [[:w:ফিফা|ফিফা]] সভাপতি '''''[[:w:জিয়ান্নি ইনফান্তিনো|জিয়ান্নি ইনফান্তিনো]]'''''। [[File:2026 FIFA WC countdown clock Paseo de la Reforma.jpg|thumb|[[:w:মেক্সিকো সিটি|মেক্সিকো সিটির]] 'পাসেও দে লা রিফর্মা'-তে স্থাপিত [[:w:২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ|২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের]] কাউন্টডাউন ঘড়ি।]] * যারা ভেন্যুগুলো পরিদর্শনে আসবেন, তাদের প্রত্যেকের জন্য একটি নিরাপদ এবং সুরক্ষিত আয়োজন নিশ্চিত করতে আইসিই ([[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন|ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট]] বা ICE) সম্পূর্ণভাবে দায়বদ্ধ। ** মার্কিন প্রতিনিধি [[:w:নেলি পু|নেলি পু]], উদ্ধৃত: [https://www.bbc.co.uk/sport/football/articles/c62g4322ywno "আইসিই উইল বি 'কী পার্ট অফ সিকিউরিটি' অ্যাট ওয়ার্ল্ড কাপ ইন ইউএস"]—''বিবিসি'' (১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)। * সত্যি বলতে আমি মোটেও পরোয়া করি না। আমি মনে করি ইরান একটি অত্যন্ত শোচনীয়ভাবে আমার কাছে বিজিত একটি দেশ। এখন তাদের শেষ সম্বলটুকু দিয়ে টিকে থাকার চেষ্টা করছে মাত্র। ** ২০২৬ সালের ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ সংক্রান্ত প্রশ্নে [[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]; উদ্ধৃত: [https://www.theguardian.com/football/2026/mar/04/donald-trump-really-does-not-care-if-iran-play-at-football-world-cup-2026 "ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘রিয়েলি ডাজ নট কেয়ার’ ইফ ইরান প্লে অ্যাট ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬"]—''দ্য গার্ডিয়ান'' (৪ মার্চ ২০২৬)। * ফিফা বর্তমানে বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ ভক্তদের জন্য ফুটবলে ন্যায্য প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। একটি অলাভজনক সংস্থা হিসেবে, বিশ্বকাপ থেকে ফিফা যে রাজস্ব আয় করে তা বিশ্বজুড়ে ফিফার ২১১টি সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে পুরুষ, নারী এবং যুব ফুটবলের বিকাশে পুনরায় বিনিয়োগ করা হয়। ** [[:w:ফিফা|ফিফা]], উদ্ধৃত: [https://www.bbc.co.uk/sport/football/articles/clyx27vv7rno "কমপ্লেইন্ট ফাইলড ওভার ওয়ার্ল্ড কাপ টিকিট প্রাইসেস"]—''বিবিসি নিউজ'' (২৪ মার্চ ২০২৬)। [[File:2022 FIFA World Cup England 6–2 Iran - (7).jpg|thumb|[[:w:ইরান জাতীয় ফুটবল দল|ইরান জাতীয় ফুটবল দল]] ([[:w:২০২২ ফিফা বিশ্বকাপ|২০২২ ফিফা বিশ্বকাপে]] [[:w:ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ডের]] বিরুদ্ধে [[:w:ইরান|ইরানের]] স্কোয়াড)।]] * এই মুহূর্তে আমরা আশা করছি যে ইরানের জাতীয় ফুটবল দল বিশ্বকাপে আসবে। আমি মনে করি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসী ইরানিদের জন্য এটি তাদের নিজ দেশকে উদযাপন করার একটি দুর্দান্ত সুযোগ। ** [[:w:হোয়াইট হাউস|হোয়াইট হাউস]] টাস্ক ফোর্সের নির্বাহী পরিচালক [[:w:অ্যান্ড্রু জিউলিয়ানি|অ্যান্ড্রু জিউলিয়ানি]], উদ্ধৃত: [https://www.nbcnews.com/world/iran/live-blog/live-updates-iran-war-trump-talks-israel-attacks-oil-hormuz-kharg-rcna265243]—''এনবিসি'' (২৬ মার্চ ২০২৬)। * [[:w:ইতালি|ইতালীয়]] ফুটবলের সেই সোনালী দিনগুলো এখন অতীত। সেগুলো সত্যিই চিরতরে হারিয়ে গেছে। ** ২০২৬ বিশ্বকাপে ইতালির কোয়ালিফাই করতে না পারার প্রেক্ষিতে জনৈক সমর্থকের প্রতিক্রিয়া; [https://www.bbc.co.uk/news/articles/cj943rmkkm4o "ডেভাস্টেটেড ইতালিয়ানস রেকন উইথ 'থার্ড অ্যাপোক্যালিপস' অফ ওয়ার্ল্ড কাপ ফেইল্যুর"]—''বিবিসি স্পোর্ট'' (১ এপ্রিল ২০২৬)। * মানুষের জীবনে কখনো কখনো বিশ্বকাপে যাওয়ার সুযোগ মাত্র একবারই আসে। অনেকের জন্য এটিই ছিল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, কিন্তু টিকিটের চড়া দামের কারণে তারা সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য হারাবে। ** [[:w:২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল|বিশ্বকাপ ফাইনালের]] টিকিটের দাম নিয়ে সমর্থকদের প্রতিক্রিয়া; [https://www.bbc.co.uk/sport/football/articles/ce8lzj0rprpo "দ্য $১১কে ওয়ার্ল্ড কাপ ফাইনাল টিকিট - হোয়াট উই লার্নড ফ্রম ফার্স্ট ওপেন সেল"]—''বিবিসি স্পোর্ট'' (২ এপ্রিল ২০২৬)। == বহিঃসংযোগ == {{Sister project links |wikt=no |commons=Category:2026 FIFA World Cup|s=no |author=no |b=no |v=no |d=Q5020214}} * [https://www.fifa.com/ ফিফা-র অফিসিয়াল ওয়েবসাইট] * [https://www.bbc.co.uk/sport/football/world-cup বিবিসি ওয়ার্ল্ড কাপ কভারেজ] [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] 3obud37m2z9vy9v4m5h3l8d6ixg4h7e 78819 78696 2026-04-20T06:37:53Z Oindrojalik Watch 4169 78819 wikitext text/x-wiki <div style="clear: both; text-align: center; margin: 20px auto;"> [[File:2026 FIFA World Cup emblem (horizontal, with wordmark).svg|none|600px|২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল লোগো (অণুভূমিক সংস্করণ)]] <div style="font-size: 90%; color: #555; margin-top: 5px;"></div> </div> [[File:Trionda (cropped).jpg|thumb|বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ম্যাচ বল: '''অ্যাডিডাস ট্রিওন্ডা''']] '''[[w:২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ|২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]]''' হতে যাচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর বা [[:w:ফিফা বিশ্বকাপ|ফিফা বিশ্বকাপের]] ২৩তম সৃজনশীল সংস্করণ। ২০২৬ সালের ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত আধুনিক ইতিহাসের এই বিশাল ক্রীড়া মহাযজ্ঞটি উত্তর আমেরিকার সুবিশাল প্রান্তর জুড়ে অনুষ্ঠিত হবে। ইতিহাসের কালানুক্রমিক ধারায় এটিই প্রথম টুর্নামেন্ট, যা তিনটি রাষ্ট্র—[[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]], [[:w:মেক্সিকো|মেক্সিকো]] এবং [[:w:কানাডা|কানাডা]] যৌথভাবে আয়োজন করার ঐতিহাসিক দায়িত্ব লাভ করেছে। সর্বমোট ১৬টি বৈচিত্র্যময় শহর এই আসরের সাক্ষী হতে যাচ্ছে, যার মধ্যে ১১টি শহর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, ৩টি মেক্সিকোতে এবং ২টি কানাডায় অবস্থিত। ফিফা আয়োজক কমিটির মতে, এটি কেবল একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট নয়, বরং উত্তর আমেরিকা মহাদেশের তিনটি ভিন্ন সংস্কৃতির মিলনমেলা হিসেবে ফুটবল ইতিহাসের পাতায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। == উক্তি == [[File:2025 FIFA Club World Cup - Seattle Sounders FC vs. Botafogo - 03.jpg|thumb|যুক্তরাষ্ট্রের [[:w:ওয়াশিংটন (অঙ্গরাজ্য)|ওয়াশিংটন]] অঙ্গরাজ্যের সিয়াটলে অবস্থিত [[:w:লুমেন ফিল্ড|লুমেন ফিল্ড স্টেডিয়ামে]] ২০২৫ ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে সিয়াটল সাউন্ডার্স এফসি এবং বোটফাগোর মধ্যকার একটি দৃশ্য।]] === ২০২৫ === * আমি কি এটি নিজের কাছে রেখে দিতে পারি? ** '''''[[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]''''', যখন ফিফা প্রধানের পক্ষ থেকে ট্রফিটি উপহার দেওয়া হয়েছিল; [https://www.financialexpress.com/trending/trump-jokes-can-i-keep-it-as-fifa-chief-presents-2026-world-cup-trophy-at-white-house/3955119/ ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেস – "ট্রাম্প জোকস 'ক্যান আই কিপ ইট?' অ্যাজ ফিফা চিফ প্রেজেন্টস ২০২৬ ওয়ার্ল্ড কাপ ট্রফি অ্যাট হোয়াইট হাউস"] (২৩ আগস্ট ২০২৫)। === ২০২৬ (টুর্নামেন্ট-পূর্ব) === *<p>মাত্র এক মাসের সামান্য বেশি সময়ে ৫০ কোটি টিকিটের আবেদন কেবল চাহিদাই নয়। বরং এটি একটি বৈশ্বিক ঘোষণা। [[:w:ফিফা|ফিফার]] পক্ষ থেকে আমি বিশ্বের সকল ফুটবল ভক্ত ও অনুরাগীকে এই অভূতপূর্ব সাড়া দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাতে চাই। এই টুর্নামেন্টটি বিশ্বজুড়ে মানুষের কাছে কতটা অর্থবহ তা উপলব্ধি করে আমাদের একমাত্র আক্ষেপ হলো এই যে, '''"আমরা প্রতিটি ভক্তকে স্টেডিয়ামের ভেতরে স্বাগত জানাতে পারছি না।'''</p><p>এই কারণেই আমরা ভক্তদের জন্য বিশ্বকাপের অংশ হওয়ার একাধিক উপায় তৈরির প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। স্টেডিয়ামের বাইরে সরাসরি এবং অনলাইন অভিজ্ঞতার এক বিশাল পরিসর গড়ে তোলার মাধ্যমে। যাতে সম্ভাব্য সর্বাধিক সংখ্যক মানুষ এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ এই ক্রীড়া আসরের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে পারে।" ** [https://www.thesun.co.uk/sport/37919415/fifa-2026-world-cup-ticket-requests-prices/ ‘উই ক্যাননট ওয়েলকাম এভরি ফ্যান’ – ফিফা রিলিজ স্টেটমেন্ট আফটার হাফ আ বিলিয়ন ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬ টিকিট রিকোয়েস্টস]—''দ্য সান'' (১৫ জানুয়ারি ২০২৬)-এ [[:w:ফিফা|ফিফা]] সভাপতি '''''[[:w:জিয়ান্নি ইনফান্তিনো|জিয়ান্নি ইনফান্তিনো]]'''''। [[File:2026 FIFA WC countdown clock Paseo de la Reforma.jpg|thumb|[[:w:মেক্সিকো সিটি|মেক্সিকো সিটির]] 'পাসেও দে লা রিফর্মা'-তে স্থাপিত [[:w:২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ|২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের]] কাউন্টডাউন ঘড়ি।]] * যারা ভেন্যুগুলো পরিদর্শনে আসবেন, তাদের প্রত্যেকের জন্য একটি নিরাপদ এবং সুরক্ষিত আয়োজন নিশ্চিত করতে আইসিই ([[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন|ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট]] বা ICE) সম্পূর্ণভাবে দায়বদ্ধ। ** মার্কিন প্রতিনিধি [[:w:নেলি পু|নেলি পু]], উদ্ধৃত: [https://www.bbc.co.uk/sport/football/articles/c62g4322ywno "আইসিই উইল বি 'কী পার্ট অফ সিকিউরিটি' অ্যাট ওয়ার্ল্ড কাপ ইন ইউএস"]—''বিবিসি'' (১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)। * সত্যি বলতে আমি মোটেও পরোয়া করি না। আমি মনে করি, আমার কাছে ইরান একটি অত্যন্ত শোচনীয়ভাবে বিজিত দেশ। এখন শুধু তাদের শেষ সম্বলটুকু দিয়ে টিকে থাকার চেষ্টা করছে মাত্র। ** ২০২৬ সালের ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ সংক্রান্ত প্রশ্নে [[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]; উদ্ধৃত: [https://www.theguardian.com/football/2026/mar/04/donald-trump-really-does-not-care-if-iran-play-at-football-world-cup-2026 "ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘রিয়েলি ডাজ নট কেয়ার’ ইফ ইরান প্লে অ্যাট ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬"]—''দ্য গার্ডিয়ান'' (৪ মার্চ ২০২৬)। * [[:w:ফিফা|ফিফা]] বর্তমানে বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ ভক্তদের জন্য ফুটবলে ন্যায্য প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। একটি [[:w:অলাভজনক সংগঠন|অলাভজনক সংস্থা]] হিসেবে, বিশ্বকাপ থেকে ফিফা যে রাজস্ব আয় করে তা বিশ্বজুড়ে ফিফার ২১১টি সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে পুরুষ, নারী এবং যুব ফুটবলের বিকাশে পুনরায় বিনিয়োগ করা হয়। ** [[:w:ফিফা|ফিফা]], উদ্ধৃত: [https://www.bbc.co.uk/sport/football/articles/clyx27vv7rno "কমপ্লেইন্ট ফাইলড ওভার ওয়ার্ল্ড কাপ টিকিট প্রাইসেস"]—''বিবিসি নিউজ'' (২৪ মার্চ ২০২৬)। [[File:2022 FIFA World Cup England 6–2 Iran - (7).jpg|thumb|[[:w:ইরান জাতীয় ফুটবল দল|ইরান জাতীয় ফুটবল দল]] ([[:w:২০২২ ফিফা বিশ্বকাপ|২০২২ ফিফা বিশ্বকাপে]] [[:w:ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ডের]] বিরুদ্ধে [[:w:ইরান|ইরানের]] স্কোয়াড)।]] * এই মুহূর্তে আমরা আশা করছি যে [[:w:ইরান জাতীয় ফুটবল দল|ইরানের জাতীয় ফুটবল দল]] বিশ্বকাপে আসবে। আমি মনে করি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসী ইরানিদের জন্য এটি তাদের নিজ দেশকে উদযাপন করার একটি দুর্দান্ত সুযোগ। ** [[:w:হোয়াইট হাউস|হোয়াইট হাউস]] টাস্ক ফোর্সের নির্বাহী পরিচালক [[:w:অ্যান্ড্রু জিউলিয়ানি|অ্যান্ড্রু জিউলিয়ানি]], উদ্ধৃত: [https://www.nbcnews.com/world/iran/live-blog/live-updates-iran-war-trump-talks-israel-attacks-oil-hormuz-kharg-rcna265243]—''এনবিসি'' (২৬ মার্চ ২০২৬)। * [[:w:ইতালি|ইতালীয়]] ফুটবলের সেই সোনালী দিনগুলো এখন অতীত। সেগুলো সত্যিই চিরতরে হারিয়ে গেছে। ** ২০২৬ বিশ্বকাপে ইতালির কোয়ালিফাই করতে না পারার প্রেক্ষিতে জনৈক সমর্থকের প্রতিক্রিয়া; [https://www.bbc.co.uk/news/articles/cj943rmkkm4o "ডেভাস্টেটেড ইতালিয়ানস রেকন উইথ 'থার্ড অ্যাপোক্যালিপস' অফ ওয়ার্ল্ড কাপ ফেইল্যুর"]—''বিবিসি স্পোর্ট'' (১ এপ্রিল ২০২৬)। * মানুষের জীবনে কখনো কখনো বিশ্বকাপে যাওয়ার সুযোগ মাত্র একবারই আসে। অনেকের জন্য এটিই ছিল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, কিন্তু টিকিটের চড়া দামের কারণে তারা সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য হারাবে। ** [[:w:২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল|বিশ্বকাপ ফাইনালের]] টিকিটের দাম নিয়ে সমর্থকদের প্রতিক্রিয়া; [https://www.bbc.co.uk/sport/football/articles/ce8lzj0rprpo "দ্য $১১কে ওয়ার্ল্ড কাপ ফাইনাল টিকিট - হোয়াট উই লার্নড ফ্রম ফার্স্ট ওপেন সেল"]—''বিবিসি স্পোর্ট'' (২ এপ্রিল ২০২৬)। == বহিঃসংযোগ == {{Sister project links |wikt=no |commons=Category:2026 FIFA World Cup|s=no |author=no |b=no |v=no |d=Q5020214}} * [https://www.fifa.com/ ফিফা-র অফিসিয়াল ওয়েবসাইট] * [https://www.bbc.co.uk/sport/football/world-cup বিবিসি ওয়ার্ল্ড কাপ কভারেজ] [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] btav72fx65argkid1nhoy57qb37fy7z 78820 78819 2026-04-20T06:39:43Z Oindrojalik Watch 4169 b [https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]''' 78820 wikitext text/x-wiki <div style="clear: both; text-align: center; margin: 20px auto;"> [[File:2026 FIFA World Cup emblem (horizontal, with wordmark).svg|none|600px|২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল লোগো (অণুভূমিক সংস্করণ)]] <div style="font-size: 90%; color: #555; margin-top: 5px;"></div> </div> [[File:Trionda (cropped).jpg|thumb|বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ম্যাচ বল: '''অ্যাডিডাস ট্রিওন্ডা''']] '''[[w:২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ|২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]]''' হতে যাচ্ছে বিশ্ব [[:w:ফুটবল|ফুটবলের]] সর্বোচ্চ আসর বা [[:w:ফিফা বিশ্বকাপ|ফিফা বিশ্বকাপের]] ২৩তম সৃজনশীল সংস্করণ। ২০২৬ সালের ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত আধুনিক ইতিহাসের এই বিশাল ক্রীড়া মহাযজ্ঞটি উত্তর আমেরিকার সুবিশাল প্রান্তর জুড়ে অনুষ্ঠিত হবে। ইতিহাসের কালানুক্রমিক ধারায় এটিই প্রথম টুর্নামেন্ট, যা তিনটি রাষ্ট্র—[[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র]], [[:w:মেক্সিকো|মেক্সিকো]] এবং [[:w:কানাডা|কানাডা]] যৌথভাবে আয়োজন করার ঐতিহাসিক দায়িত্ব লাভ করেছে। সর্বমোট ১৬টি বৈচিত্র্যময় শহর এই আসরের সাক্ষী হতে যাচ্ছে, যার মধ্যে ১১টি শহর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, ৩টি মেক্সিকোতে এবং ২টি কানাডায় অবস্থিত। ফিফা আয়োজক কমিটির মতে, এটি কেবল একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট নয়, বরং উত্তর আমেরিকা মহাদেশের তিনটি ভিন্ন সংস্কৃতির মিলনমেলা হিসেবে ফুটবল ইতিহাসের পাতায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। == উক্তি == [[File:2025 FIFA Club World Cup - Seattle Sounders FC vs. Botafogo - 03.jpg|thumb|যুক্তরাষ্ট্রের [[:w:ওয়াশিংটন (অঙ্গরাজ্য)|ওয়াশিংটন]] অঙ্গরাজ্যের সিয়াটলে অবস্থিত [[:w:লুমেন ফিল্ড|লুমেন ফিল্ড স্টেডিয়ামে]] ২০২৫ ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে সিয়াটল সাউন্ডার্স এফসি এবং বোটফাগোর মধ্যকার একটি দৃশ্য।]] === ২০২৫ === * আমি কি এটি নিজের কাছে রেখে দিতে পারি? ** '''''[[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]''''', যখন ফিফা প্রধানের পক্ষ থেকে ট্রফিটি উপহার দেওয়া হয়েছিল; [https://www.financialexpress.com/trending/trump-jokes-can-i-keep-it-as-fifa-chief-presents-2026-world-cup-trophy-at-white-house/3955119/ ফাইনান্সিয়াল এক্সপ্রেস – "ট্রাম্প জোকস 'ক্যান আই কিপ ইট?' অ্যাজ ফিফা চিফ প্রেজেন্টস ২০২৬ ওয়ার্ল্ড কাপ ট্রফি অ্যাট হোয়াইট হাউস"] (২৩ আগস্ট ২০২৫)। === ২০২৬ (টুর্নামেন্ট-পূর্ব) === *<p>মাত্র এক মাসের সামান্য বেশি সময়ে ৫০ কোটি টিকিটের আবেদন কেবল চাহিদাই নয়। বরং এটি একটি বৈশ্বিক ঘোষণা। [[:w:ফিফা|ফিফার]] পক্ষ থেকে আমি বিশ্বের সকল ফুটবল ভক্ত ও অনুরাগীকে এই অভূতপূর্ব সাড়া দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাতে চাই। এই টুর্নামেন্টটি বিশ্বজুড়ে মানুষের কাছে কতটা অর্থবহ তা উপলব্ধি করে আমাদের একমাত্র আক্ষেপ হলো এই যে, '''"আমরা প্রতিটি ভক্তকে স্টেডিয়ামের ভেতরে স্বাগত জানাতে পারছি না।'''</p><p>এই কারণেই আমরা ভক্তদের জন্য বিশ্বকাপের অংশ হওয়ার একাধিক উপায় তৈরির প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। স্টেডিয়ামের বাইরে সরাসরি এবং অনলাইন অভিজ্ঞতার এক বিশাল পরিসর গড়ে তোলার মাধ্যমে। যাতে সম্ভাব্য সর্বাধিক সংখ্যক মানুষ এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ এই ক্রীড়া আসরের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে পারে।" ** [https://www.thesun.co.uk/sport/37919415/fifa-2026-world-cup-ticket-requests-prices/ ‘উই ক্যাননট ওয়েলকাম এভরি ফ্যান’ – ফিফা রিলিজ স্টেটমেন্ট আফটার হাফ আ বিলিয়ন ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬ টিকিট রিকোয়েস্টস]—''দ্য সান'' (১৫ জানুয়ারি ২০২৬)-এ [[:w:ফিফা|ফিফা]] সভাপতি '''''[[:w:জিয়ান্নি ইনফান্তিনো|জিয়ান্নি ইনফান্তিনো]]'''''। [[File:2026 FIFA WC countdown clock Paseo de la Reforma.jpg|thumb|[[:w:মেক্সিকো সিটি|মেক্সিকো সিটির]] 'পাসেও দে লা রিফর্মা'-তে স্থাপিত [[:w:২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ|২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের]] কাউন্টডাউন ঘড়ি।]] * যারা ভেন্যুগুলো পরিদর্শনে আসবেন, তাদের প্রত্যেকের জন্য একটি নিরাপদ এবং সুরক্ষিত আয়োজন নিশ্চিত করতে আইসিই ([[:w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন|ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট]] বা ICE) সম্পূর্ণভাবে দায়বদ্ধ। ** মার্কিন প্রতিনিধি [[:w:নেলি পু|নেলি পু]], উদ্ধৃত: [https://www.bbc.co.uk/sport/football/articles/c62g4322ywno "আইসিই উইল বি 'কী পার্ট অফ সিকিউরিটি' অ্যাট ওয়ার্ল্ড কাপ ইন ইউএস"]—''বিবিসি'' (১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬)। * সত্যি বলতে আমি মোটেও পরোয়া করি না। আমি মনে করি, আমার কাছে ইরান একটি অত্যন্ত শোচনীয়ভাবে বিজিত দেশ। এখন শুধু তাদের শেষ সম্বলটুকু দিয়ে টিকে থাকার চেষ্টা করছে মাত্র। ** ২০২৬ সালের ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ সংক্রান্ত প্রশ্নে [[:w:ডোনাল্ড ট্রাম্প|ডোনাল্ড ট্রাম্প]]; উদ্ধৃত: [https://www.theguardian.com/football/2026/mar/04/donald-trump-really-does-not-care-if-iran-play-at-football-world-cup-2026 "ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘রিয়েলি ডাজ নট কেয়ার’ ইফ ইরান প্লে অ্যাট ওয়ার্ল্ড কাপ ২০২৬"]—''দ্য গার্ডিয়ান'' (৪ মার্চ ২০২৬)। * [[:w:ফিফা|ফিফা]] বর্তমানে বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ ভক্তদের জন্য ফুটবলে ন্যায্য প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। একটি [[:w:অলাভজনক সংগঠন|অলাভজনক সংস্থা]] হিসেবে, বিশ্বকাপ থেকে ফিফা যে রাজস্ব আয় করে তা বিশ্বজুড়ে ফিফার ২১১টি সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে পুরুষ, নারী এবং যুব ফুটবলের বিকাশে পুনরায় বিনিয়োগ করা হয়। ** [[:w:ফিফা|ফিফা]], উদ্ধৃত: [https://www.bbc.co.uk/sport/football/articles/clyx27vv7rno "কমপ্লেইন্ট ফাইলড ওভার ওয়ার্ল্ড কাপ টিকিট প্রাইসেস"]—''বিবিসি নিউজ'' (২৪ মার্চ ২০২৬)। [[File:2022 FIFA World Cup England 6–2 Iran - (7).jpg|thumb|[[:w:ইরান জাতীয় ফুটবল দল|ইরান জাতীয় ফুটবল দল]] ([[:w:২০২২ ফিফা বিশ্বকাপ|২০২২ ফিফা বিশ্বকাপে]] [[:w:ইংল্যান্ড|ইংল্যান্ডের]] বিরুদ্ধে [[:w:ইরান|ইরানের]] স্কোয়াড)।]] * এই মুহূর্তে আমরা আশা করছি যে [[:w:ইরান জাতীয় ফুটবল দল|ইরানের জাতীয় ফুটবল দল]] বিশ্বকাপে আসবে। আমি মনে করি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসী ইরানিদের জন্য এটি তাদের নিজ দেশকে উদযাপন করার একটি দুর্দান্ত সুযোগ। ** [[:w:হোয়াইট হাউস|হোয়াইট হাউস]] টাস্ক ফোর্সের নির্বাহী পরিচালক [[:w:অ্যান্ড্রু জিউলিয়ানি|অ্যান্ড্রু জিউলিয়ানি]], উদ্ধৃত: [https://www.nbcnews.com/world/iran/live-blog/live-updates-iran-war-trump-talks-israel-attacks-oil-hormuz-kharg-rcna265243]—''এনবিসি'' (২৬ মার্চ ২০২৬)। * [[:w:ইতালি|ইতালীয়]] ফুটবলের সেই সোনালী দিনগুলো এখন অতীত। সেগুলো সত্যিই চিরতরে হারিয়ে গেছে। ** ২০২৬ বিশ্বকাপে ইতালির কোয়ালিফাই করতে না পারার প্রেক্ষিতে জনৈক সমর্থকের প্রতিক্রিয়া; [https://www.bbc.co.uk/news/articles/cj943rmkkm4o "ডেভাস্টেটেড ইতালিয়ানস রেকন উইথ 'থার্ড অ্যাপোক্যালিপস' অফ ওয়ার্ল্ড কাপ ফেইল্যুর"]—''বিবিসি স্পোর্ট'' (১ এপ্রিল ২০২৬)। * মানুষের জীবনে কখনো কখনো বিশ্বকাপে যাওয়ার সুযোগ মাত্র একবারই আসে। অনেকের জন্য এটিই ছিল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, কিন্তু টিকিটের চড়া দামের কারণে তারা সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য হারাবে। ** [[:w:২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল|বিশ্বকাপ ফাইনালের]] টিকিটের দাম নিয়ে সমর্থকদের প্রতিক্রিয়া; [https://www.bbc.co.uk/sport/football/articles/ce8lzj0rprpo "দ্য $১১কে ওয়ার্ল্ড কাপ ফাইনাল টিকিট - হোয়াট উই লার্নড ফ্রম ফার্স্ট ওপেন সেল"]—''বিবিসি স্পোর্ট'' (২ এপ্রিল ২০২৬)। == বহিঃসংযোগ == {{Sister project links |wikt=no |commons=Category:2026 FIFA World Cup|s=no |author=no |b=no |v=no |d=Q5020214}} * [https://www.fifa.com/ ফিফা-র অফিসিয়াল ওয়েবসাইট] * [https://www.bbc.co.uk/sport/football/world-cup বিবিসি ওয়ার্ল্ড কাপ কভারেজ] [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল]] [[বিষয়শ্রেণী:বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:ফিফা বিশ্বকাপ]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ]] a0m8fyjowz5tzz4r94njd2brmzr9yzb বিষয়শ্রেণী:ফুটবল 14 12922 78687 2026-04-20T00:32:35Z Oindrojalik Watch 4169 "* বিশ্বকাপ" দিয়ে পাতা তৈরি 78687 wikitext text/x-wiki * বিশ্বকাপ n5lbfznqm103t5qm4ep37u665bcjsmw বিষয়শ্রেণী:২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ 14 12923 78688 2026-04-20T00:33:16Z Oindrojalik Watch 4169 "* ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ" দিয়ে পাতা তৈরি 78688 wikitext text/x-wiki * ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ d2mpjuav9c8wcsq26bwet7u63bdw9qs বিষয়শ্রেণী:ফিফা বিশ্বকাপ 14 12924 78689 2026-04-20T00:33:49Z Oindrojalik Watch 4169 "* ফিফা বিশ্বকাপ" দিয়ে পাতা তৈরি 78689 wikitext text/x-wiki * ফিফা বিশ্বকাপ 7bfpbe60egv0uphy4yikmmeqh5lxhw4 78690 78689 2026-04-20T00:34:08Z Oindrojalik Watch 4169 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল]] যোগ 78690 wikitext text/x-wiki * ফিফা বিশ্বকাপ [[বিষয়শ্রেণী:ফুটবল]] h2r77f0nyshpklykgbvblka33400chk আলাপ:কাজী হায়াৎ 1 12925 78700 2026-04-20T01:06:33Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78700 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm পূর্ণিমা (অভিনেত্রী) 0 12926 78715 2026-04-20T01:25:14Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 নতুন নিবন্ধ 78715 wikitext text/x-wiki [[w:পূর্ণিমা (অভিনেত্রী)|দিলারা হানিফ রিতা]] (জন্ম: ১১ জুলাই ১৯৮১) একজন [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশী]] অভিনেত্রী, তিনি চলচ্চিত্র জগতে '''পূর্ণিমা''' নামে অধিক পরিচিত । [[জাকির হোসেন রাজু]] পরিচালিত ''এ জীবন তোমার আমার'' (১৯৯৮) চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ঢাকাই চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়। [[কাজী হায়াৎ]] পরিচালিত ''ওরা আমাকে ভাল হতে দিল না'' (২০১০) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে তিনি তার প্রথম [[জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (বাংলাদেশ)|জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার]] লাভ করেন। ==উক্তি== * যাদের আপন ভেবে দরজা খুলে দিই, তারা আসলে বিষধর সাপ। প্রয়োজনে বন্ধুর মুখোশ পরে পাশে ঘোরে, আর সুযোগ পেলেই বিষ ঢেলে দেয় আমাদের স্বপ্নে, আমাদের জীবনে।’ ** ব্যক্তিগত [https://samakal.com/entertainment/article/321209/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8-%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AA:-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE ফেসবুক] বলেছেন। ১৯ অক্টোবর ২০২৫ * মিথ্যা সম্পর্কের ভিড়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলার চেয়ে নিঃসঙ্গতা অনেক বেশি শান্ত, নিরাপদ এবং মর্যাদাপূর্ণ।’ ** ব্যক্তিগত [https://samakal.com/entertainment/article/321209/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8-%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AA:-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE ফেসবুক] বলেছেন। ১৯ অক্টোবর ২০২৫ * যখন মানুষ জীবনের সাফল্যের শিখরে পৌঁছায়, তখন কিছু মানুষ মৌমাছির মতো চারপাশে গুনগুন করে ঘুরতে থাকে। প্রশংসার ফুলঝুরি ঝরিয়ে তারা সান্নিধ্যের ভান করে। কিন্তু সময় খারাপ হলে, ঠিক মৌমাছির মতোই উড়ে যায় অন্য ফুলের দিকে।’ ** ব্যক্তিগত [https://samakal.com/entertainment/article/321209/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8-%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AA:-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE ফেসবুক] বলেছেন। ১৯ অক্টোবর ২০২৫ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} czhctvmmzuj7hqgt4cispeh400fwm1h 78718 78715 2026-04-20T01:26:20Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 78718 wikitext text/x-wiki [[w:পূর্ণিমা (অভিনেত্রী)|দিলারা হানিফ রিতা]] (জন্ম: ১১ জুলাই ১৯৮১) একজন [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশী]] অভিনেত্রী, তিনি চলচ্চিত্র জগতে '''পূর্ণিমা''' নামে অধিক পরিচিত । [[জাকির হোসেন রাজু]] পরিচালিত ''এ জীবন তোমার আমার'' (১৯৯৮) চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ঢাকাই চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়। [[কাজী হায়াৎ]] পরিচালিত ''ওরা আমাকে ভাল হতে দিল না'' (২০১০) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে তিনি তার প্রথম [[জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (বাংলাদেশ)|জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার]] লাভ করেন। ==উক্তি== * যাদের আপন ভেবে দরজা খুলে দিই, তারা আসলে বিষধর সাপ। প্রয়োজনে বন্ধুর মুখোশ পরে পাশে ঘোরে, আর সুযোগ পেলেই বিষ ঢেলে দেয় আমাদের স্বপ্নে, আমাদের জীবনে।’ ** ব্যক্তিগত [https://samakal.com/entertainment/article/321209/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8-%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AA:-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE ফেসবুক] বলেছেন। ১৯ অক্টোবর ২০২৫ * মিথ্যা সম্পর্কের ভিড়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলার চেয়ে নিঃসঙ্গতা অনেক বেশি শান্ত, নিরাপদ এবং মর্যাদাপূর্ণ।’ ** ব্যক্তিগত [https://samakal.com/entertainment/article/321209/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8-%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AA:-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE ফেসবুক] বলেছেন। ১৯ অক্টোবর ২০২৫ * যখন মানুষ জীবনের সাফল্যের শিখরে পৌঁছায়, তখন কিছু মানুষ মৌমাছির মতো চারপাশে গুনগুন করে ঘুরতে থাকে। প্রশংসার ফুলঝুরি ঝরিয়ে তারা সান্নিধ্যের ভান করে। কিন্তু সময় খারাপ হলে, ঠিক মৌমাছির মতোই উড়ে যায় অন্য ফুলের দিকে।’ ** ব্যক্তিগত [https://samakal.com/entertainment/article/321209/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8-%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AA:-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE ফেসবুক] বলেছেন। ১৯ অক্টোবর ২০২৫ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৮১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] mvqbsjzzlau7wnc1pr01qidgh2bx8ej 78834 78718 2026-04-20T07:34:04Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 ছবি 78834 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Purnima CJFB Award Ceremony at Bangabandhu International Convention Centre 2023-02-17 (PID-0017921) (cropped) (cropped).jpg|thumb|]] [[w:পূর্ণিমা (অভিনেত্রী)|দিলারা হানিফ রিতা]] (জন্ম: ১১ জুলাই ১৯৮১) একজন [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশী]] অভিনেত্রী, তিনি চলচ্চিত্র জগতে '''পূর্ণিমা''' নামে অধিক পরিচিত । [[জাকির হোসেন রাজু]] পরিচালিত ''এ জীবন তোমার আমার'' (১৯৯৮) চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ঢাকাই চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়। [[কাজী হায়াৎ]] পরিচালিত ''ওরা আমাকে ভাল হতে দিল না'' (২০১০) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে তিনি তার প্রথম [[জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (বাংলাদেশ)|জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার]] লাভ করেন। ==উক্তি== * যাদের আপন ভেবে দরজা খুলে দিই, তারা আসলে বিষধর সাপ। প্রয়োজনে বন্ধুর মুখোশ পরে পাশে ঘোরে, আর সুযোগ পেলেই বিষ ঢেলে দেয় আমাদের স্বপ্নে, আমাদের জীবনে।’ ** ব্যক্তিগত [https://samakal.com/entertainment/article/321209/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8-%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AA:-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE ফেসবুক] বলেছেন। ১৯ অক্টোবর ২০২৫ * মিথ্যা সম্পর্কের ভিড়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলার চেয়ে নিঃসঙ্গতা অনেক বেশি শান্ত, নিরাপদ এবং মর্যাদাপূর্ণ।’ ** ব্যক্তিগত [https://samakal.com/entertainment/article/321209/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8-%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AA:-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE ফেসবুক] বলেছেন। ১৯ অক্টোবর ২০২৫ * যখন মানুষ জীবনের সাফল্যের শিখরে পৌঁছায়, তখন কিছু মানুষ মৌমাছির মতো চারপাশে গুনগুন করে ঘুরতে থাকে। প্রশংসার ফুলঝুরি ঝরিয়ে তারা সান্নিধ্যের ভান করে। কিন্তু সময় খারাপ হলে, ঠিক মৌমাছির মতোই উড়ে যায় অন্য ফুলের দিকে।’ ** ব্যক্তিগত [https://samakal.com/entertainment/article/321209/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8-%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AA:-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE ফেসবুক] বলেছেন। ১৯ অক্টোবর ২০২৫ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৮১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] 17p96pfynp66pncch1nb6evyzsjeu9p 78847 78834 2026-04-20T08:32:59Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 [[উইকিউক্তি:ত্বরিতোক্তি|ত্বরিতোক্তি]] ব্যবহার করে 1টি উক্তি যোগ করা হয়েছে 78847 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Purnima CJFB Award Ceremony at Bangabandhu International Convention Centre 2023-02-17 (PID-0017921) (cropped) (cropped).jpg|thumb|]] [[w:পূর্ণিমা (অভিনেত্রী)|দিলারা হানিফ রিতা]] (জন্ম: ১১ জুলাই ১৯৮১) একজন [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশী]] অভিনেত্রী, তিনি চলচ্চিত্র জগতে '''পূর্ণিমা''' নামে অধিক পরিচিত । [[জাকির হোসেন রাজু]] পরিচালিত ''এ জীবন তোমার আমার'' (১৯৯৮) চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ঢাকাই চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়। [[কাজী হায়াৎ]] পরিচালিত ''ওরা আমাকে ভাল হতে দিল না'' (২০১০) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে তিনি তার প্রথম [[জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (বাংলাদেশ)|জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার]] লাভ করেন। ==উক্তি== * যাদের আপন ভেবে দরজা খুলে দিই, তারা আসলে বিষধর সাপ। প্রয়োজনে বন্ধুর মুখোশ পরে পাশে ঘোরে, আর সুযোগ পেলেই বিষ ঢেলে দেয় আমাদের স্বপ্নে, আমাদের জীবনে।’ ** ব্যক্তিগত [https://samakal.com/entertainment/article/321209/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8-%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AA:-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE ফেসবুক] বলেছেন। ১৯ অক্টোবর ২০২৫ * মিথ্যা সম্পর্কের ভিড়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলার চেয়ে নিঃসঙ্গতা অনেক বেশি শান্ত, নিরাপদ এবং মর্যাদাপূর্ণ।’ ** ব্যক্তিগত [https://samakal.com/entertainment/article/321209/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8-%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AA:-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE ফেসবুক] বলেছেন। ১৯ অক্টোবর ২০২৫ * যখন মানুষ জীবনের সাফল্যের শিখরে পৌঁছায়, তখন কিছু মানুষ মৌমাছির মতো চারপাশে গুনগুন করে ঘুরতে থাকে। প্রশংসার ফুলঝুরি ঝরিয়ে তারা সান্নিধ্যের ভান করে। কিন্তু সময় খারাপ হলে, ঠিক মৌমাছির মতোই উড়ে যায় অন্য ফুলের দিকে।’ ** ব্যক্তিগত [https://samakal.com/entertainment/article/321209/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8-%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AA:-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE ফেসবুক] বলেছেন। ১৯ অক্টোবর ২০২৫ * আমার চেয়ে আরও অনেক সুন্দরী আছেন, পরীর মতো দেখতে আরও অনেকেই আছেন। তাই আমি একমাত্র সুন্দরী না, এটা আমি বিলিভ করি এবং সবাই তাই বিলিভ করে। ** সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের এক[https://www.amadershomoy.com/entertainment/article/183715/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%87 সাক্ষাৎকারে] বলেছেন,১৯ এপ্রিল ২০২৬ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৮১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] ks0e2ch4ne3p3p4exawxog4izftryuz 78848 78847 2026-04-20T08:33:22Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 78848 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Purnima CJFB Award Ceremony at Bangabandhu International Convention Centre 2023-02-17 (PID-0017921) (cropped) (cropped).jpg|thumb|]] [[w:পূর্ণিমা (অভিনেত্রী)|দিলারা হানিফ রিতা]] (জন্ম: ১১ জুলাই ১৯৮১) একজন [[বাংলাদেশ|বাংলাদেশী]] অভিনেত্রী, তিনি চলচ্চিত্র জগতে '''পূর্ণিমা''' নামে অধিক পরিচিত । [[জাকির হোসেন রাজু]] পরিচালিত ''এ জীবন তোমার আমার'' (১৯৯৮) চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ঢাকাই চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়। [[কাজী হায়াৎ]] পরিচালিত ''ওরা আমাকে ভাল হতে দিল না'' (২০১০) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে তিনি তার প্রথম [[জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (বাংলাদেশ)|জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার]] লাভ করেন। ==উক্তি== * যাদের আপন ভেবে দরজা খুলে দিই, তারা আসলে বিষধর সাপ। প্রয়োজনে বন্ধুর মুখোশ পরে পাশে ঘোরে, আর সুযোগ পেলেই বিষ ঢেলে দেয় আমাদের স্বপ্নে, আমাদের জীবনে।’ ** ব্যক্তিগত [https://samakal.com/entertainment/article/321209/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8-%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AA:-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE ফেসবুক] বলেছেন। ১৯ অক্টোবর ২০২৫ * মিথ্যা সম্পর্কের ভিড়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলার চেয়ে নিঃসঙ্গতা অনেক বেশি শান্ত, নিরাপদ এবং মর্যাদাপূর্ণ।’ ** ব্যক্তিগত [https://samakal.com/entertainment/article/321209/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8-%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AA:-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE ফেসবুক] বলেছেন। ১৯ অক্টোবর ২০২৫ * যখন মানুষ জীবনের সাফল্যের শিখরে পৌঁছায়, তখন কিছু মানুষ মৌমাছির মতো চারপাশে গুনগুন করে ঘুরতে থাকে। প্রশংসার ফুলঝুরি ঝরিয়ে তারা সান্নিধ্যের ভান করে। কিন্তু সময় খারাপ হলে, ঠিক মৌমাছির মতোই উড়ে যায় অন্য ফুলের দিকে।’ ** ব্যক্তিগত [https://samakal.com/entertainment/article/321209/%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8-%E0%A6%AD%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%87-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A6%A7%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AA:-%E0%A6%AA%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE ফেসবুক] বলেছেন। ১৯ অক্টোবর ২০২৫ * আমার চেয়ে আরও অনেক সুন্দরী আছেন, পরীর মতো দেখতে আরও অনেকেই আছেন। তাই আমি একমাত্র সুন্দরী না, এটা আমি বিলিভ করি এবং সবাই তাই বিলিভ করে। ** সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের এক [https://www.amadershomoy.com/entertainment/article/183715/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%93-%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%87 সাক্ষাৎকারে] বলেছেন,১৯ এপ্রিল ২০২৬ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৮১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] 6pvk3bt2rf9vxe1i3fd6eyy9620ccwr ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড 0 12927 78719 2026-04-20T01:34:17Z Sumanta3023 4175 "[[File:Donna Strickland speaking at OSA's Leadership meeting in 2013.jpg|thumb]] '''[[w:ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড|ডোনা থিও স্ট্রিকল্যান্ড]]''' (জন্ম ২৭ মে ১৯৫৯) একজন কানাডীয় [[w:আলোক পদার্থবিজ্ঞান|আলোক পদার্থবিজ্ঞানী]] এবং w:নোবেল বিজ..." দিয়ে পাতা তৈরি 78719 wikitext text/x-wiki [[File:Donna Strickland speaking at OSA's Leadership meeting in 2013.jpg|thumb]] '''[[w:ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড|ডোনা থিও স্ট্রিকল্যান্ড]]''' (জন্ম ২৭ মে ১৯৫৯) একজন কানাডীয় [[w:আলোক পদার্থবিজ্ঞান|আলোক পদার্থবিজ্ঞানী]] এবং [[w:নোবেল বিজয়ী|নোবেল বিজয়ী]]। [[w:পালসড লেজার|পালসড লেজারের]] ক্ষেত্রে একজন অগ্রগামী হিসেবে তাঁকে ২০১৮ সালে [[w:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার]] প্রদান করা হয়। == উক্তি == * আমরা ভাবছিলাম এটি কোনো কৌতুক কি না। কিন্তু পরক্ষণেই আমি জানলাম যে এটিই (পুরস্কার ঘোষণার) সঠিক দিন ছিল, আর এটি কোনো কৌতুক হলে তা হতো অত্যন্ত নিষ্ঠুর। ** নোবেল কমিটির পক্ষ থেকে পুরস্কার পাওয়ার সংবাদ জানিয়ে আসা ফোন কলের প্রতিক্রিয়ায় দেওয়া মন্তব্য; {{cite news |last1=Koren |first1=Marina |title=One Wikipedia Page Is a Metaphor for the Nobel Prize’s Record With Women |url=https://www.theatlantic.com/science/archive/2018/10/nobel-prize-physics-donna-strickland-gerard-mourou-arthur-ashkin/571909/ |accessdate=৫ অক্টোবর ২০১৮ |publisher=The Atlantic |date=২ অক্টোবর ২০১৮}} * সত্যি কি এটুকুই? আমি ভেবেছিলাম সংখ্যাটা হয়তো আরও বেশি হবে। আমাদের নারী পদার্থবিজ্ঞানীদের উদযাপন করা প্রয়োজন, কারণ আমরা এই কর্মক্ষেত্রে আছি। আশা করি, সময়ের সাথে সাথে এটি আরও দ্রুতগতিতে এগিয়ে যেতে শুরু করবে। আমি এই নারীদের একজন হতে পেরে সম্মানিত। ** পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল জয়ী মাত্র তৃতীয় নারী হওয়ার প্রেক্ষাপটে একটি সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া মন্তব্য; {{cite news |last1=Koren |first1=Marina |title=One Wikipedia Page Is a Metaphor for the Nobel Prize’s Record With Women |url=https://www.theatlantic.com/science/archive/2018/10/nobel-prize-physics-donna-strickland-gerard-mourou-arthur-ashkin/571909/ |accessdate=৫ অক্টোবর ২০১৮ |publisher=The Atlantic |date=২ অক্টোবর ২০১৮}} এবং {{cite news |last1=Sample |first1=Ian |last2=Davis |first2=Nicola |title=Physics Nobel prize won by Arthur Ashkin, Gérard Mourou and Donna Strickland |url=https://www.theguardian.com/science/2018/oct/02/arthur-ashkin-gerard-mourou-and-donna-strickland-win-nobel-physics-prize |accessdate=৫ অক্টোবর ২০১৮ |publisher=The Guardian |date=২ অক্টোবর ২০১৮}} * হাই স্কুলে আমি গণিত এবং পদার্থবিজ্ঞানে খুব ভালো ছিলাম। এ ছাড়া অন্য আর কোনো কিছুতেই আমি তেমন ভালো ছিলাম না। কেউ কেউ অনেক বিষয়ে পারদর্শী হয়। তারা কীভাবে বেছে নেয় যে তারা কী করবে তা আমি জানি না। আমি অ্যাথলেটিকস পারতাম না, আমি শিল্পীসুলভ ছিলাম না, আমার কোনো মিউজিক্যাল কান নেই, আর আমি লেখালিখিতেও ভালো ছিলাম না। তাই আমি যা করতে পারতাম তা ছিল খুব সীমিত। আমি এমন ভাবিনি যে, "আমি কি বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করতে পারব?" বরং আমি ভেবেছিলাম, "আমি কেবল এটাই করতে পারি, তাই চলো এটাই করি।" ** সূত্র: {{cite news |last1=Chow |first1=Denise |title=Donna Strickland's long journey from laser jock to third woman ever to win physics Nobel |url=https://www.nbcnews.com/mach/science/donna-strickland-s-long-journey-laser-jock-third-woman-ever-ncna916451 |accessdate=৫ অক্টোবর ২০১৮ |publisher=NBC News |date=৪ অক্টোবর ২০১৮}} * আমি কখনোই আবেদন করিনি। ** বিবিসির সাথে একটি সাক্ষাৎকারে যখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে কেন তিনি নোবেল পুরস্কার পেলেও তখন পর্যন্ত পূর্ণ অধ্যাপক হননি; সূত্র: {{cite news |last1=Leaf |first1=Clifton |title=She Just Won the Nobel Prize in Physics. Why Is She Still a Junior Professor? |url=http://fortune.com/2018/10/02/donna-strickland-nobel-prize-professor/ |accessdate=৫ অক্টোবর ২০১৮ |publisher=Fortune}} * অন্য কেউ যদি এমন কিছু মনে করে যা আপনি বিশ্বাস করেন না, তবে শুধু ভাবুন যে তারা ভুল এবং আপনিই সঠিক, আর এগিয়ে যান। আমি সবসময় এভাবেই চিন্তা করি। ** সূত্র: {{cite news |last1=Casey |first1=Liam |title='We are marching forward': Canadian scientist becomes third woman to win Nobel Prize in physics |url=https://toronto.ctvnews.ca/we-are-marching-forward-canadian-scientist-becomes-third-woman-to-win-nobel-prize-in-physics-1.4117566 |accessdate=৫ অক্টোবর ২০১৮ |publisher=CTV News Toronto |date=২ অক্টোবর ২০১৮}} == বহিঃসংযোগ == {{Wikipedia}} {{Commons cat|Donna Strickland}} * {{Official website|https://uwaterloo.ca/physics-astronomy/people-profiles/donna-strickland|অফিসিয়াল ওয়েবসাইট}} {{DEFAULTSORT:স্ট্রিকল্যান্ড, ডোনা}} [[Category:১৯৫৯-এ জন্ম]] [[Category:জীবিত ব্যক্তি]] [[Category:কানাডার নোবেল বিজয়ী]] [[Category:অন্টারিওর বিজ্ঞানী]] [[Category:কানাডার পদার্থবিজ্ঞানী]] [[Category:কানাডার নারী বিজ্ঞানী]] [[Category:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] ometwe2g4rr14yu5dqil8vaywoks2qr 78724 78719 2026-04-20T02:00:11Z Sumanta3023 4175 /* বহিঃসংযোগ */ 78724 wikitext text/x-wiki [[File:Donna Strickland speaking at OSA's Leadership meeting in 2013.jpg|thumb]] '''[[w:ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড|ডোনা থিও স্ট্রিকল্যান্ড]]''' (জন্ম ২৭ মে ১৯৫৯) একজন কানাডীয় [[w:আলোক পদার্থবিজ্ঞান|আলোক পদার্থবিজ্ঞানী]] এবং [[w:নোবেল বিজয়ী|নোবেল বিজয়ী]]। [[w:পালসড লেজার|পালসড লেজারের]] ক্ষেত্রে একজন অগ্রগামী হিসেবে তাঁকে ২০১৮ সালে [[w:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার|পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার]] প্রদান করা হয়। == উক্তি == * আমরা ভাবছিলাম এটি কোনো কৌতুক কি না। কিন্তু পরক্ষণেই আমি জানলাম যে এটিই (পুরস্কার ঘোষণার) সঠিক দিন ছিল, আর এটি কোনো কৌতুক হলে তা হতো অত্যন্ত নিষ্ঠুর। ** নোবেল কমিটির পক্ষ থেকে পুরস্কার পাওয়ার সংবাদ জানিয়ে আসা ফোন কলের প্রতিক্রিয়ায় দেওয়া মন্তব্য; {{cite news |last1=Koren |first1=Marina |title=One Wikipedia Page Is a Metaphor for the Nobel Prize’s Record With Women |url=https://www.theatlantic.com/science/archive/2018/10/nobel-prize-physics-donna-strickland-gerard-mourou-arthur-ashkin/571909/ |accessdate=৫ অক্টোবর ২০১৮ |publisher=The Atlantic |date=২ অক্টোবর ২০১৮}} * সত্যি কি এটুকুই? আমি ভেবেছিলাম সংখ্যাটা হয়তো আরও বেশি হবে। আমাদের নারী পদার্থবিজ্ঞানীদের উদযাপন করা প্রয়োজন, কারণ আমরা এই কর্মক্ষেত্রে আছি। আশা করি, সময়ের সাথে সাথে এটি আরও দ্রুতগতিতে এগিয়ে যেতে শুরু করবে। আমি এই নারীদের একজন হতে পেরে সম্মানিত। ** পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল জয়ী মাত্র তৃতীয় নারী হওয়ার প্রেক্ষাপটে একটি সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া মন্তব্য; {{cite news |last1=Koren |first1=Marina |title=One Wikipedia Page Is a Metaphor for the Nobel Prize’s Record With Women |url=https://www.theatlantic.com/science/archive/2018/10/nobel-prize-physics-donna-strickland-gerard-mourou-arthur-ashkin/571909/ |accessdate=৫ অক্টোবর ২০১৮ |publisher=The Atlantic |date=২ অক্টোবর ২০১৮}} এবং {{cite news |last1=Sample |first1=Ian |last2=Davis |first2=Nicola |title=Physics Nobel prize won by Arthur Ashkin, Gérard Mourou and Donna Strickland |url=https://www.theguardian.com/science/2018/oct/02/arthur-ashkin-gerard-mourou-and-donna-strickland-win-nobel-physics-prize |accessdate=৫ অক্টোবর ২০১৮ |publisher=The Guardian |date=২ অক্টোবর ২০১৮}} * হাই স্কুলে আমি গণিত এবং পদার্থবিজ্ঞানে খুব ভালো ছিলাম। এ ছাড়া অন্য আর কোনো কিছুতেই আমি তেমন ভালো ছিলাম না। কেউ কেউ অনেক বিষয়ে পারদর্শী হয়। তারা কীভাবে বেছে নেয় যে তারা কী করবে তা আমি জানি না। আমি অ্যাথলেটিকস পারতাম না, আমি শিল্পীসুলভ ছিলাম না, আমার কোনো মিউজিক্যাল কান নেই, আর আমি লেখালিখিতেও ভালো ছিলাম না। তাই আমি যা করতে পারতাম তা ছিল খুব সীমিত। আমি এমন ভাবিনি যে, "আমি কি বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করতে পারব?" বরং আমি ভেবেছিলাম, "আমি কেবল এটাই করতে পারি, তাই চলো এটাই করি।" ** সূত্র: {{cite news |last1=Chow |first1=Denise |title=Donna Strickland's long journey from laser jock to third woman ever to win physics Nobel |url=https://www.nbcnews.com/mach/science/donna-strickland-s-long-journey-laser-jock-third-woman-ever-ncna916451 |accessdate=৫ অক্টোবর ২০১৮ |publisher=NBC News |date=৪ অক্টোবর ২০১৮}} * আমি কখনোই আবেদন করিনি। ** বিবিসির সাথে একটি সাক্ষাৎকারে যখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে কেন তিনি নোবেল পুরস্কার পেলেও তখন পর্যন্ত পূর্ণ অধ্যাপক হননি; সূত্র: {{cite news |last1=Leaf |first1=Clifton |title=She Just Won the Nobel Prize in Physics. Why Is She Still a Junior Professor? |url=http://fortune.com/2018/10/02/donna-strickland-nobel-prize-professor/ |accessdate=৫ অক্টোবর ২০১৮ |publisher=Fortune}} * অন্য কেউ যদি এমন কিছু মনে করে যা আপনি বিশ্বাস করেন না, তবে শুধু ভাবুন যে তারা ভুল এবং আপনিই সঠিক, আর এগিয়ে যান। আমি সবসময় এভাবেই চিন্তা করি। ** সূত্র: {{cite news |last1=Casey |first1=Liam |title='We are marching forward': Canadian scientist becomes third woman to win Nobel Prize in physics |url=https://toronto.ctvnews.ca/we-are-marching-forward-canadian-scientist-becomes-third-woman-to-win-nobel-prize-in-physics-1.4117566 |accessdate=৫ অক্টোবর ২০১৮ |publisher=CTV News Toronto |date=২ অক্টোবর ২০১৮}} == বহিঃসংযোগ == {{Wikipedia}} {{Commons cat|Donna Strickland}} * {{Official website|https://uwaterloo.ca/physics-astronomy/people-profiles/donna-strickland|অফিসিয়াল ওয়েবসাইট}} {{DEFAULTSORT:স্ট্রিকল্যান্ড, ডোনা}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৯-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:কানাডার নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:অন্টারিওর বিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:কানাডার পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:কানাডার নারী বিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] lomss5svlv55zdw5t10x6qeg0kt4ivo 78902 78724 2026-04-20T11:58:11Z ARI 356 78902 wikitext text/x-wiki [[File:Donna Strickland speaking at OSA's Leadership meeting in 2013.jpg|thumb]] '''[[w:ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড|ডোনা থিও স্ট্রিকল্যান্ড]]''' (জন্ম ২৭ মে ১৯৫৯) একজন কানাডীয় আলোক পদার্থবিজ্ঞানী এবং নোবেল বিজয়ী। পালসড লেজারের ক্ষেত্রে একজন অগ্রগামী হিসেবে তাঁকে ২০১৮ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়। == উক্তি == * আমরা ভাবছিলাম এটি কোনো কৌতুক কি না। কিন্তু পরক্ষণেই আমি জানলাম যে এটিই (পুরস্কার ঘোষণার) সঠিক দিন ছিল, আর এটি কোনো কৌতুক হলে তা হতো অত্যন্ত নিষ্ঠুর। ** নোবেল কমিটির পক্ষ থেকে পুরস্কার পাওয়ার সংবাদ জানিয়ে আসা ফোন কলের প্রতিক্রিয়ায় দেওয়া মন্তব্য; {{cite news |last1=Koren |first1=Marina |title=One Wikipedia Page Is a Metaphor for the Nobel Prize’s Record With Women |url=https://www.theatlantic.com/science/archive/2018/10/nobel-prize-physics-donna-strickland-gerard-mourou-arthur-ashkin/571909/ |accessdate=৫ অক্টোবর ২০১৮ |publisher=The Atlantic |date=২ অক্টোবর ২০১৮}} * সত্যি কি এটুকুই? আমি ভেবেছিলাম সংখ্যাটা হয়তো আরও বেশি হবে। আমাদের নারী পদার্থবিজ্ঞানীদের উদযাপন করা প্রয়োজন, কারণ আমরা এই কর্মক্ষেত্রে আছি। আশা করি, সময়ের সাথে সাথে এটি আরও দ্রুতগতিতে এগিয়ে যেতে শুরু করবে। আমি এই নারীদের একজন হতে পেরে সম্মানিত। ** পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল জয়ী মাত্র তৃতীয় নারী হওয়ার প্রেক্ষাপটে একটি সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া মন্তব্য; {{cite news |last1=Koren |first1=Marina |title=One Wikipedia Page Is a Metaphor for the Nobel Prize’s Record With Women |url=https://www.theatlantic.com/science/archive/2018/10/nobel-prize-physics-donna-strickland-gerard-mourou-arthur-ashkin/571909/ |accessdate=৫ অক্টোবর ২০১৮ |publisher=The Atlantic |date=২ অক্টোবর ২০১৮}} এবং {{cite news |last1=Sample |first1=Ian |last2=Davis |first2=Nicola |title=Physics Nobel prize won by Arthur Ashkin, Gérard Mourou and Donna Strickland |url=https://www.theguardian.com/science/2018/oct/02/arthur-ashkin-gerard-mourou-and-donna-strickland-win-nobel-physics-prize |accessdate=৫ অক্টোবর ২০১৮ |publisher=The Guardian |date=২ অক্টোবর ২০১৮}} * হাই স্কুলে আমি গণিত এবং পদার্থবিজ্ঞানে খুব ভালো ছিলাম। এ ছাড়া অন্য আর কোনো কিছুতেই আমি তেমন ভালো ছিলাম না। কেউ কেউ অনেক বিষয়ে পারদর্শী হয়। তারা কীভাবে বেছে নেয় যে তারা কী করবে তা আমি জানি না। আমি অ্যাথলেটিকস পারতাম না, আমি শিল্পীসুলভ ছিলাম না, আমার কোনো মিউজিক্যাল কান নেই, আর আমি লেখালিখিতেও ভালো ছিলাম না। তাই আমি যা করতে পারতাম তা ছিল খুব সীমিত। আমি এমন ভাবিনি যে, "আমি কি বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করতে পারব?" বরং আমি ভেবেছিলাম, "আমি কেবল এটাই করতে পারি, তাই চলো এটাই করি।" ** সূত্র: {{cite news |last1=Chow |first1=Denise |title=Donna Strickland's long journey from laser jock to third woman ever to win physics Nobel |url=https://www.nbcnews.com/mach/science/donna-strickland-s-long-journey-laser-jock-third-woman-ever-ncna916451 |accessdate=৫ অক্টোবর ২০১৮ |publisher=NBC News |date=৪ অক্টোবর ২০১৮}} * আমি কখনোই আবেদন করিনি। ** বিবিসির সাথে একটি সাক্ষাৎকারে যখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে কেন তিনি নোবেল পুরস্কার পেলেও তখন পর্যন্ত পূর্ণ অধ্যাপক হননি; সূত্র: {{cite news |last1=Leaf |first1=Clifton |title=She Just Won the Nobel Prize in Physics. Why Is She Still a Junior Professor? |url=http://fortune.com/2018/10/02/donna-strickland-nobel-prize-professor/ |accessdate=৫ অক্টোবর ২০১৮ |publisher=Fortune}} * অন্য কেউ যদি এমন কিছু মনে করে যা আপনি বিশ্বাস করেন না, তবে শুধু ভাবুন যে তারা ভুল এবং আপনিই সঠিক, আর এগিয়ে যান। আমি সবসময় এভাবেই চিন্তা করি। ** সূত্র: {{cite news |last1=Casey |first1=Liam |title='We are marching forward': Canadian scientist becomes third woman to win Nobel Prize in physics |url=https://toronto.ctvnews.ca/we-are-marching-forward-canadian-scientist-becomes-third-woman-to-win-nobel-prize-in-physics-1.4117566 |accessdate=৫ অক্টোবর ২০১৮ |publisher=CTV News Toronto |date=২ অক্টোবর ২০১৮}} == বহিঃসংযোগ == {{Wikipedia}} {{DEFAULTSORT:স্ট্রিকল্যান্ড, ডোনা}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৯-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:কানাডার নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:অন্টারিওর বিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:কানাডার পদার্থবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:কানাডার নারী বিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী]] jzyhaaq24vxj3ohhqi0szzjs43me6dc আলাপ:ডোনা স্ট্রিকল্যান্ড 1 12928 78720 2026-04-20T01:37:02Z Sumanta3023 4175 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78720 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm গারট্রুড বি. এলিয়ন 0 12929 78721 2026-04-20T01:42:29Z Sumanta3023 4175 "[[File:Gertrude Elion.jpg|thumbnail|১৯৮৩ সালে এলিয়ন]] '''[[w:গার্ট্রুড বি. এলিয়ন|গার্ট্রুড বেল এলিয়ন]]''' (২৩ জানুয়ারি ১৯১৮ – ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৯) একজন [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকান]] w:প্রাণরসায..." দিয়ে পাতা তৈরি 78721 wikitext text/x-wiki [[File:Gertrude Elion.jpg|thumbnail|১৯৮৩ সালে এলিয়ন]] '''[[w:গার্ট্রুড বি. এলিয়ন|গার্ট্রুড বেল এলিয়ন]]''' (২৩ জানুয়ারি ১৯১৮ – ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৯) একজন [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকান]] [[w:প্রাণরসায়ন|প্রাণরসায়নবিদ]] এবং [[w:ভেষজবিজ্ঞান|ভেষজবিজ্ঞানী]] ছিলেন, যিনি [[w:জর্জ এইচ. হিচিংস|জর্জ এইচ. হিচিংস]] এবং [[w:স্যার জেমস ব্ল্যাক|স্যার জেমস ব্ল্যাকের]] সাথে যৌথভাবে ১৯৮৮ সালে [[w:ফিজিওলজি বা মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার|ফিজিওলজি বা মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন। এলিয়ন একা এবং হিচিংস ও ব্ল্যাকের সাথে মিলে উদ্ভাবনী গবেষণা পদ্ধতি ব্যবহার করে বহু নতুন [[w:ওষুধ|ওষুধ]] তৈরি করেছিলেন, যা পরবর্তীতে [[এইডস|এইডসের]] ওষুধ [[w:জিডোভুডিন|এজেডটি]] তৈরিতে পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করে। তিনি প্রথম [[w:ইমিউনোসাপ্রেসিভ ড্রাগ|রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দমনকারী ওষুধ]] [[w:অ্যাজাথিওপ্রিন|অ্যাজাথিওপ্রিন]] তৈরি করেছিলেন, যা [[w:অঙ্গ প্রতিস্থাপন|অঙ্গ প্রতিস্থাপনের]] কাজে ব্যবহৃত হয়। == উক্তি == * কঠোর পরিশ্রম করতে ভয় পেয়ো না। মূল্যবান কোনো কিছুই সহজে ধরা দেয় না। অন্যরা তোমাকে নিরুৎসাহিত করতে চাইলে কিংবা তুমি পারবে না বললে তাতে কান দিও না। আমার সময়ে আমাকে বলা হয়েছিল যে মেয়েরা [[রসায়ন|রসায়নে]] যায় না। আমি এমন কোনো কারণ খুঁজে পাইনি যার জন্য আমরা তা পারব না। ** [https://www.famousscientists.org/gertrude-b-elion/ গার্ট্রুড এলিয়ন] * [[মানুষ|মানুষ]] প্রায়ই আমাকে জিজ্ঞেস করে নোবেল পুরস্কারই কি আপনার সারা জীবনের লক্ষ্য ছিল? আমি বলি, তেমনটা ভাবা হবে পাগলামি। কেউ নোবেল পুরস্কারকে লক্ষ্য বানাতে পারে না; কারণ আপনি যদি তা না পান, তবে আপনার পুরো জীবনটাই বৃথা মনে হবে। আমাদের লক্ষ্য ছিল মানুষকে সুস্থ করে তোলা, আর সেই তৃপ্তি যেকোনো পুরস্কার পাওয়ার চেয়ে অনেক বেশি। ** [https://www.famousscientists.org/gertrude-b-elion/ গার্ট্রুড এলিয়ন] * বিজ্ঞানের প্রতি আমার বিশেষ কোনো ঝোঁক ছিল না, যতক্ষণ না আমার দাদা পাকস্থলীর [[ক্যান্সার|ক্যান্সারে]] মারা যান। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে কাউকেই যেন এতটা কষ্ট পেতে না হয়। ** [https://www.goodreads.com/author/quotes/7793243.Gertrude_B_Elion গুডরিডসে গার্ট্রুড বি. এলিয়ন-এর উক্তি] {{fix cite}} == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:এলিয়ন, গার্ট্রুড}} [[ বিষয়শ্রেণী:১৯১৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৯-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রাণরসায়নবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক সিটির বিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল মেডেল অফ সায়েন্স বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারী বিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১০-এর দশকে জন্ম নেওয়া নারী]] [[বিষয়শ্রেণী:ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] spuk56pkh16th7dlmle41uo9p7rg2qx 78722 78721 2026-04-20T01:43:34Z Sumanta3023 4175 78722 wikitext text/x-wiki [[File:Gertrude Elion.jpg|thumbnail|১৯৮৩ সালে এলিয়ন]] '''[[w:গারট্রুড বি. এলিয়ন|গারট্রুড বেল এলিয়ন]]''' (২৩ জানুয়ারি ১৯১৮ – ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৯) একজন [[w:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র|আমেরিকান]] [[w:প্রাণরসায়ন|প্রাণরসায়নবিদ]] এবং [[w:ভেষজবিজ্ঞান|ভেষজবিজ্ঞানী]] ছিলেন, যিনি [[w:জর্জ এইচ. হিচিংস|জর্জ এইচ. হিচিংস]] এবং [[w:স্যার জেমস ব্ল্যাক|স্যার জেমস ব্ল্যাকের]] সাথে যৌথভাবে ১৯৮৮ সালে [[w:ফিজিওলজি বা মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার|ফিজিওলজি বা মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার]] লাভ করেন। এলিয়ন একা এবং হিচিংস ও ব্ল্যাকের সাথে মিলে উদ্ভাবনী গবেষণা পদ্ধতি ব্যবহার করে বহু নতুন [[w:ওষুধ|ওষুধ]] তৈরি করেছিলেন, যা পরবর্তীতে [[এইডস|এইডসের]] ওষুধ [[w:জিডোভুডিন|এজেডটি]] তৈরিতে পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করে। তিনি প্রথম [[w:ইমিউনোসাপ্রেসিভ ড্রাগ|রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দমনকারী ওষুধ]] [[w:অ্যাজাথিওপ্রিন|অ্যাজাথিওপ্রিন]] তৈরি করেছিলেন, যা [[w:অঙ্গ প্রতিস্থাপন|অঙ্গ প্রতিস্থাপনের]] কাজে ব্যবহৃত হয়। == উক্তি == * কঠোর পরিশ্রম করতে ভয় পেয়ো না। মূল্যবান কোনো কিছুই সহজে ধরা দেয় না। অন্যরা তোমাকে নিরুৎসাহিত করতে চাইলে কিংবা তুমি পারবে না বললে তাতে কান দিও না। আমার সময়ে আমাকে বলা হয়েছিল যে মেয়েরা [[রসায়ন|রসায়নে]] যায় না। আমি এমন কোনো কারণ খুঁজে পাইনি যার জন্য আমরা তা পারব না। ** [https://www.famousscientists.org/gertrude-b-elion/ গারট্রুড এলিয়ন] * [[মানুষ|মানুষ]] প্রায়ই আমাকে জিজ্ঞেস করে নোবেল পুরস্কারই কি আপনার সারা জীবনের লক্ষ্য ছিল? আমি বলি, তেমনটা ভাবা হবে পাগলামি। কেউ নোবেল পুরস্কারকে লক্ষ্য বানাতে পারে না; কারণ আপনি যদি তা না পান, তবে আপনার পুরো জীবনটাই বৃথা মনে হবে। আমাদের লক্ষ্য ছিল মানুষকে সুস্থ করে তোলা, আর সেই তৃপ্তি যেকোনো পুরস্কার পাওয়ার চেয়ে অনেক বেশি। ** [https://www.famousscientists.org/gertrude-b-elion/ গারট্রুড এলিয়ন] * বিজ্ঞানের প্রতি আমার বিশেষ কোনো ঝোঁক ছিল না, যতক্ষণ না আমার দাদা পাকস্থলীর [[ক্যান্সার|ক্যান্সারে]] মারা যান। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে কাউকেই যেন এতটা কষ্ট পেতে না হয়। ** [https://www.goodreads.com/author/quotes/7793243.Gertrude_B_Elion গুডরিডসে গারট্রুড বি. এলিয়নের উক্তি] {{fix cite}} == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:এলিয়ন, গারট্রুড}} [[ বিষয়শ্রেণী:১৯১৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯৯-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রাণরসায়নবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক সিটির বিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল মেডেল অফ সায়েন্স বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারী বিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯১০-এর দশকে জন্ম নেওয়া নারী]] [[বিষয়শ্রেণী:ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] r0bowopn84p6fkjyqa9yachr5hq21lp আলাপ:গারট্রুড বি. এলিয়ন 1 12930 78723 2026-04-20T01:44:15Z Sumanta3023 4175 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78723 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm শরিফুল রাজ 0 12931 78726 2026-04-20T02:14:48Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 নতুন নিবন্ধ 78726 wikitext text/x-wiki [[w:শরিফুল রাজ|শরিফুল রাজ]] একজন [[বাংলাদেশি|বাংলাদেশী]] অভিনেতা ও মডেল যিনি [[পরাণ (চলচ্চিত্র)|পরাণ]] এবং [[হাওয়া (চলচ্চিত্র)|হাওয়া]] চলচ্চিত্র দুটিতে অভিনয়ের জন্য পরিচিত। ==উক্তি== * আমি বিশ্বাস করি, আমাদের এই বাংলাদেশি গল্প বলার দায়িত্ব আমাদেরই নিতে হবে। যখন কেউ আমাকে দক্ষিণী অভিনেতা ভেবে ফেলে, তখন মনে হয় আমি নিজেকে পুরোপুরি তুলে ধরতে পারিনি। তাই আমি সবসময় বলি, আমি বাংলাদেশের সন্তান, এই দেশের মাটির গন্ধ আমার অভিনয়ে থাকতে হবে। আমি বাংলাদেশের অভিনেতা। ** [https://www.ittefaq.com.bd/amp/736705/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%A3%E0%A7%80-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C এই সাক্ষাৎকারে] বলেছেন। ইত্তেফাক,১৭ জুন ২০২৫ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} h2mdenypbbt3nm8ldsjl6jmeyvxqw6j 78728 78726 2026-04-20T02:17:32Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 78728 wikitext text/x-wiki [[w:শরিফুল রাজ|শরিফুল রাজ]] একজন [[বাংলাদেশি|বাংলাদেশী]] অভিনেতা ও মডেল যিনি [[পরাণ (চলচ্চিত্র)|পরাণ]] এবং [[হাওয়া (চলচ্চিত্র)|হাওয়া]] চলচ্চিত্র দুটিতে অভিনয়ের জন্য পরিচিত। ==উক্তি== * আমি বিশ্বাস করি, আমাদের এই বাংলাদেশি গল্প বলার দায়িত্ব আমাদেরই নিতে হবে। যখন কেউ আমাকে দক্ষিণী অভিনেতা ভেবে ফেলে, তখন মনে হয় আমি নিজেকে পুরোপুরি তুলে ধরতে পারিনি। তাই আমি সবসময় বলি, আমি বাংলাদেশের সন্তান, এই দেশের মাটির গন্ধ আমার অভিনয়ে থাকতে হবে। আমি বাংলাদেশের অভিনেতা। ** [https://www.ittefaq.com.bd/amp/736705/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%A3%E0%A7%80-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C এই সাক্ষাৎকারে] বলেছেন। ইত্তেফাক,১৭ জুন ২০২৫ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অভিনয়শিল্পী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী পুরুষ মডেল]] hwy30ytq6z5irb0eqkrbrzdwiy1wgb1 78729 78728 2026-04-20T02:18:46Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 78729 wikitext text/x-wiki [[w:শরিফুল রাজ|শরিফুল রাজ]] একজন [[বাংলাদেশি|বাংলাদেশী]] অভিনেতা ও মডেল যিনি [[পরাণ (চলচ্চিত্র)|পরাণ]] এবং [[হাওয়া (চলচ্চিত্র)|হাওয়া]] চলচ্চিত্র দুটিতে অভিনয়ের জন্য পরিচিত। ==উক্তি== * আমি বিশ্বাস করি, আমাদের এই বাংলাদেশি গল্প বলার দায়িত্ব আমাদেরই নিতে হবে। যখন কেউ আমাকে দক্ষিণী অভিনেতা ভেবে ফেলে, তখন মনে হয় আমি নিজেকে পুরোপুরি তুলে ধরতে পারিনি। তাই আমি সবসময় বলি, আমি বাংলাদেশের সন্তান, এই দেশের মাটির গন্ধ আমার অভিনয়ে থাকতে হবে। আমি বাংলাদেশের অভিনেতা। ** সম্প্রতি এক [https://www.ittefaq.com.bd/amp/736705/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%A3%E0%A7%80-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C এই সাক্ষাৎকারে] বলেছেন। ইত্তেফাক,১৭ জুন ২০২৫ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অভিনয়শিল্পী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী পুরুষ মডেল]] q1tiy875lbejt7vgsafc4cr1jl0v7kf 78833 78729 2026-04-20T07:32:34Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 ছবি 78833 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Sariful Razz.png|thumb|]] [[w:শরিফুল রাজ|শরিফুল রাজ]] একজন [[বাংলাদেশি|বাংলাদেশী]] অভিনেতা ও মডেল যিনি [[পরাণ (চলচ্চিত্র)|পরাণ]] এবং [[হাওয়া (চলচ্চিত্র)|হাওয়া]] চলচ্চিত্র দুটিতে অভিনয়ের জন্য পরিচিত। ==উক্তি== * আমি বিশ্বাস করি, আমাদের এই বাংলাদেশি গল্প বলার দায়িত্ব আমাদেরই নিতে হবে। যখন কেউ আমাকে দক্ষিণী অভিনেতা ভেবে ফেলে, তখন মনে হয় আমি নিজেকে পুরোপুরি তুলে ধরতে পারিনি। তাই আমি সবসময় বলি, আমি বাংলাদেশের সন্তান, এই দেশের মাটির গন্ধ আমার অভিনয়ে থাকতে হবে। আমি বাংলাদেশের অভিনেতা। ** সম্প্রতি এক [https://www.ittefaq.com.bd/amp/736705/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%A3%E0%A7%80-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C এই সাক্ষাৎকারে] বলেছেন। ইত্তেফাক,১৭ জুন ২০২৫ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অভিনয়শিল্পী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী পুরুষ মডেল]] 07shedxpcqqv2nc3otrwwk6vd730o1p 78838 78833 2026-04-20T07:59:20Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 /* উক্তি */উক্তি 78838 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Sariful Razz.png|thumb|]] [[w:শরিফুল রাজ|শরিফুল রাজ]] একজন [[বাংলাদেশি|বাংলাদেশী]] অভিনেতা ও মডেল যিনি [[পরাণ (চলচ্চিত্র)|পরাণ]] এবং [[হাওয়া (চলচ্চিত্র)|হাওয়া]] চলচ্চিত্র দুটিতে অভিনয়ের জন্য পরিচিত। ==উক্তি== * নিজেকে নিয়ে ভালো থাকা উচিত। সংসার নিয়ে ভাবছেন না। ** "...." এই প্রশ্নের উত্তরে [https://www.jugantor.com/entertainment/682728 এই সাক্ষাৎকারে] বলেছেন। * আমি বিশ্বাস করি, আমাদের এই বাংলাদেশি গল্প বলার দায়িত্ব আমাদেরই নিতে হবে। যখন কেউ আমাকে দক্ষিণী অভিনেতা ভেবে ফেলে, তখন মনে হয় আমি নিজেকে পুরোপুরি তুলে ধরতে পারিনি। তাই আমি সবসময় বলি, আমি বাংলাদেশের সন্তান, এই দেশের মাটির গন্ধ আমার অভিনয়ে থাকতে হবে। আমি বাংলাদেশের অভিনেতা। ** সম্প্রতি এক [https://www.ittefaq.com.bd/amp/736705/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%A3%E0%A7%80-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C এই সাক্ষাৎকারে] বলেছেন। ইত্তেফাক,১৭ জুন ২০২৫ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অভিনয়শিল্পী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী পুরুষ মডেল]] sjl77bu8g92gzmis0mhr2rwmkgtrp5u 78839 78838 2026-04-20T08:03:03Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 /* উক্তি */উক্তি 78839 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Sariful Razz.png|thumb|]] [[w:শরিফুল রাজ|শরিফুল রাজ]] একজন [[বাংলাদেশি|বাংলাদেশী]] অভিনেতা ও মডেল যিনি [[পরাণ (চলচ্চিত্র)|পরাণ]] এবং [[হাওয়া (চলচ্চিত্র)|হাওয়া]] চলচ্চিত্র দুটিতে অভিনয়ের জন্য পরিচিত। ==উক্তি== * আমি আসলে তার (পরীমনি) সঙ্গে থাকতে সক্ষম না। আমি বিয়ের পর নিজেকে বদলে ফেলেছি। মানুষ হিসেবে তার খেয়াল রাখার চেষ্টা করেছি। আমাদের সন্তান হওয়ার পর কিছু মানুষ আমার সংসারে যুক্ত হয়েছেন, তারা ভালো মানুষ নন। আমি কিন্তু ওর সব কথা শুনি, আমরা বিশ্বাস করি একে অপরকে খারাপ কাজের দিকে এগিয়ে দেব না। সেও আমার কাজ নিয়ে চিন্তিত, কিন্তু আমাদের কোনো প্রবলেম হলে সেই কথা আমি ২০ কোটি মানুষকে জানাতে চাই না। ** ৪ জুন একটি সংবাদমাধ্যমের লাইভ অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে দাম্পত্য জীবন ও বিচ্ছেদ নিয়ে [https://www.jugantor.com/entertainment/682728 এই সাক্ষাৎকারে] বলেছেন। ০৫ জুন ২০২৩ * আমি বিশ্বাস করি, আমাদের এই বাংলাদেশি গল্প বলার দায়িত্ব আমাদেরই নিতে হবে। যখন কেউ আমাকে দক্ষিণী অভিনেতা ভেবে ফেলে, তখন মনে হয় আমি নিজেকে পুরোপুরি তুলে ধরতে পারিনি। তাই আমি সবসময় বলি, আমি বাংলাদেশের সন্তান, এই দেশের মাটির গন্ধ আমার অভিনয়ে থাকতে হবে। আমি বাংলাদেশের অভিনেতা। ** সম্প্রতি এক [https://www.ittefaq.com.bd/amp/736705/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%A3%E0%A7%80-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C এই সাক্ষাৎকারে] বলেছেন। ইত্তেফাক,১৭ জুন ২০২৫ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অভিনয়শিল্পী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী পুরুষ মডেল]] 4f4hs1i2t9tj9zwb3ekksk2tru7q3u8 78843 78839 2026-04-20T08:21:33Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 [[উইকিউক্তি:ত্বরিতোক্তি|ত্বরিতোক্তি]] ব্যবহার করে 1টি উক্তি যোগ করা হয়েছে 78843 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Sariful Razz.png|thumb|]] [[w:শরিফুল রাজ|শরিফুল রাজ]] একজন [[বাংলাদেশি|বাংলাদেশী]] অভিনেতা ও মডেল যিনি [[পরাণ (চলচ্চিত্র)|পরাণ]] এবং [[হাওয়া (চলচ্চিত্র)|হাওয়া]] চলচ্চিত্র দুটিতে অভিনয়ের জন্য পরিচিত। ==উক্তি== * আমি আসলে তার (পরীমনি) সঙ্গে থাকতে সক্ষম না। আমি বিয়ের পর নিজেকে বদলে ফেলেছি। মানুষ হিসেবে তার খেয়াল রাখার চেষ্টা করেছি। আমাদের সন্তান হওয়ার পর কিছু মানুষ আমার সংসারে যুক্ত হয়েছেন, তারা ভালো মানুষ নন। আমি কিন্তু ওর সব কথা শুনি, আমরা বিশ্বাস করি একে অপরকে খারাপ কাজের দিকে এগিয়ে দেব না। সেও আমার কাজ নিয়ে চিন্তিত, কিন্তু আমাদের কোনো প্রবলেম হলে সেই কথা আমি ২০ কোটি মানুষকে জানাতে চাই না। ** ৪ জুন একটি সংবাদমাধ্যমের লাইভ অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে দাম্পত্য জীবন ও বিচ্ছেদ নিয়ে [https://www.jugantor.com/entertainment/682728 এই সাক্ষাৎকারে] বলেছেন। ০৫ জুন ২০২৩ * আমি বিশ্বাস করি, আমাদের এই বাংলাদেশি গল্প বলার দায়িত্ব আমাদেরই নিতে হবে। যখন কেউ আমাকে দক্ষিণী অভিনেতা ভেবে ফেলে, তখন মনে হয় আমি নিজেকে পুরোপুরি তুলে ধরতে পারিনি। তাই আমি সবসময় বলি, আমি বাংলাদেশের সন্তান, এই দেশের মাটির গন্ধ আমার অভিনয়ে থাকতে হবে। আমি বাংলাদেশের অভিনেতা। ** সম্প্রতি এক [https://www.ittefaq.com.bd/amp/736705/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%A3%E0%A7%80-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%B2-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C এই সাক্ষাৎকারে] বলেছেন। ইত্তেফাক,১৭ জুন ২০২৫ * জীবনে অনেক প্রেম করেছি। একটাও টেকসই হয়নি। ** সম্প্রতি এক [https://www.ittefaq.com.bd/688225/%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%95-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%AE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A6%BF-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%93-%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%BF এই সাক্ষাৎকারে] বলেছেন। ২২ মে ২০২৪,ইত্তেফাক == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯১-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা]] [[বিষয়শ্রেণী:ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অভিনয়শিল্পী]] [[বিষয়শ্রেণী:বাংলাদেশী পুরুষ মডেল]] 1wm29h6514h8rhrxqifoymi95epmv8f লেমাহ গবোউই 0 12932 78742 2026-04-20T02:59:04Z Sumanta3023 4175 "[[File:Leymah-gbowee-at-emu-press-conference.jpg|thumb|২০১১ সালে লেমাহ গবোউই]] '''[[w:লেমাহ গবোউই|লেমাহ রবার্টা গবোউই]]''' (জন্ম ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২) একজন লাইবেরীয় [[w:শান্তি কর্মী|শান্তি কর্মী]]। তিনি একটি w:উইমেন অফ..." দিয়ে পাতা তৈরি 78742 wikitext text/x-wiki [[File:Leymah-gbowee-at-emu-press-conference.jpg|thumb|২০১১ সালে লেমাহ গবোউই]] '''[[w:লেমাহ গবোউই|লেমাহ রবার্টা গবোউই]]''' (জন্ম ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২) একজন লাইবেরীয় [[w:শান্তি কর্মী|শান্তি কর্মী]]। তিনি একটি [[w:উইমেন অফ লাইবেরিয়া মাস অ্যাকশন ফর পিস|নারী শান্তি আন্দোলনের]] নেতৃত্ব দিয়েছিলেন যা ২০০৩ সালে [[w:দ্বিতীয় লাইবেরীয় গৃহযুদ্ধ|দ্বিতীয় লাইবেরীয় গৃহযুদ্ধের]] অবসান ঘটাতে সাহায্য করেছিল। এই আন্দোলনের ফলেই লাইবেরিয়ায় [[w:এলেন জনসন সারলিফ|এলেন জনসন সারলিফ]] নির্বাচিত হন, যিনি আফ্রিকার কোনো দেশের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট। ২০১১ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হওয়া তিনজন নারীর মধ্যে একজন ছিলেন। 63feymhpnaew88yh7qpznmvdr0jlkiw 78757 78742 2026-04-20T03:09:29Z Sumanta3023 4175 78757 wikitext text/x-wiki [[File:Leymah-gbowee-at-emu-press-conference.jpg|thumb|২০১১ সালে লেমাহ গবোউই]] '''[[w:লেমাহ গবোউই|লেমাহ রবার্টা গবোউই]]''' (জন্ম ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২) একজন লাইবেরীয় [[w:শান্তি কর্মী|শান্তি কর্মী]]। তিনি একটি [[w:উইমেন অফ লাইবেরিয়া মাস অ্যাকশন ফর পিস|নারী শান্তি আন্দোলনের]] নেতৃত্ব দিয়েছিলেন যা ২০০৩ সালে [[w:দ্বিতীয় লাইবেরীয় গৃহযুদ্ধ|দ্বিতীয় লাইবেরীয় গৃহযুদ্ধের]] অবসান ঘটাতে সাহায্য করেছিল। এই আন্দোলনের ফলেই লাইবেরিয়ায় [[w:এলেন জনসন সারলিফ|এলেন জনসন সারলিফ]] নির্বাচিত হন, যিনি আফ্রিকার কোনো দেশের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট। ২০১১ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হওয়া তিনজন নারীর মধ্যে একজন ছিলেন। == উক্তি == * নারীরাই সবচেয়ে বড় বোঝা বহন করেন। আবার আমরাই সেই মানুষ যারা সমাজকে লালন-পালন করি। ** ''উইমেনস ই নিউজ, ২১ লিডারস ফর দ্য ২১স্ট সেঞ্চুরি''-এর জন্য সাক্ষাৎকার (২০০৮) * আপনি কার কাছে প্রার্থনা করেন সেটি বড় কথা নয়; যুদ্ধের সময় একটি সম্প্রদায় হিসেবে এবং মা হিসেবে আমাদের সবার অভিজ্ঞতা একই রকম। ** ''গ্রুবার ফাউন্ডেশন, উইমেনস রাইটস প্রাইজ'' (২০০৯) * সমাজে যদি কোনো পরিবর্তন আনতে হয়, তবে তা মায়েদের মাধ্যমেই করতে হবে। ** ''গ্রুবার ফাউন্ডেশন, উইমেনস রাইটস প্রাইজ'' (২০০৯) * আমরা সবাই দায়ী। আমরা সবাই অপরাধের অংশীদার। সাদা টি-শার্ট আলো ধরে রাখে। আসল বিষয় হলো, সেই আলো নিয়ে আমরা পরবর্তীতে কী করি। (শান্তি কর্মীরা তাদের প্রতিবাদের সময় সাদা টি-শার্ট পরতেন।) ** ''দ্য ডেইলি বিস্টের'' জন্য সাক্ষাৎকার (৫ এপ্রিল ২০১০) * আমাদের একটি প্রবাদ আছে: "ঝাড়ুর একটি কাঠি সহজেই ভেঙে ফেলা যায়, কিন্তু অনেকগুলো কাঠি একসাথে সহজে ভাঙা যায় না।" তাই আফ্রিকান নারীরা তাদের বোন এবং কন্যাদের সমর্থন করার জন্য এই তিনটি কাজ করতে পারেন: *:১. আপনার নিজের সম্প্রদায় সংঘাত বা সহিংসতায় জর্জরিত না থাকলেও সমর্থন নেটওয়ার্কে যোগ দিন। বেশিরভাগ নারী কেবল তখনই পদক্ষেপ নেন যখন তাদের নিজস্ব সম্প্রদায় হুমকির মুখে পড়ে। আমাদের আফ্রিকান সমাজকে গ্রাস করা ব্যাধিগুলো মোকাবিলা করতে হলে এটি অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। আমাদের "উবুন্টু" চেতনাকে জাগিয়ে তুলতে হবে যার অর্থ "আমি যা, তা আমরা সবাই যা তার কারণেই।" *:২. একটি শক্তিশালী এবং ধারাবাহিক নেতৃত্ব তৈরি করুন। বেশিরভাগ আফ্রিকান নারী উদ্যোগের নেতৃত্ব সংকটের সময় খুব ভালো কাজ করে, কিন্তু বড় কোনো সাফল্যের পর তা ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা দেখায়। আন্দোলনের নেতারা, এমনকি আমি নিজেও, নিজেদের উন্নতির জন্য আলাদা পরিকল্পনা করেছি। এখন সময় এসেছে আফ্রিকান নারী উদ্যোগের নেতৃত্বের জন্য উত্তরসূরি পরিকল্পনা করার। *:৩. যাদের কাছে আমাদের বার্তা পৌঁছায়নি তাদের কাছে পৌঁছান। আমার শেষ পয়েন্টটি এসেছে আমার ১২ বছর বয়সী মেয়ের কাছ থেকে। তার মতে, নারীবাদের বার্তাটি সম্ভাব্য ভুক্তভোগী, অপরাধী এবং সরকার প্রধানদের কাছে খুব একটা পৌঁছাচ্ছে না। সে বিশ্বাস করে এবং আমি তার সাথে একমত যে আমরা নারী সম্মেলন এবং ইতিমধ্যে আমাদের মতাদর্শে বিশ্বাসী লোকেদের ভিড়ে সবচেয়ে উচ্চকণ্ঠে কথা বলি। কিন্তু আমাদের আফ্রিকান নারীদের সংগ্রাম সম্পর্কে সবার সাথে, সব জায়গায় কথা বলতে হবে। * "সারা আফ্রিকা জুড়ে, এমনকি গভীরতম এবং অন্ধকারতম গৃহযুদ্ধের মধ্যেও, নারীরা এখনও প্রমাণ করে চলেছেন যে আমরা একটি সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ রাখতে পারি।" **[https://www.thedp.com/article/2024/10/penn-distinguished-lecture-african-studies-nobel-laureate-women-peace? নোবেল বিজয়ী আফ্রিকান স্টাডিজের বিশিষ্ট বক্তৃতায় নারীদের শান্তি বিনির্মাণে ভূমিকার কথা বলেছেন] দ্য ডায়েরি পেন্সি (২৪ অক্টোবর ২০২৪) * সেই প্রথম সভার উত্তেজনা কীভাবে বর্ণনা করব...? সেখানে সিয়েরা লিওন, গিনি, নাইজেরিয়া, সেনেগাল, বুর্কিনা ফাসো, টোগো পশ্চিম আফ্রিকার প্রায় ১৬টি দেশের নারীরা উপস্থিত ছিলেন। থেলমা তার শান্ত অথচ চমৎকার কায়দায় হাতে লিখে একটি সংগঠক প্রশিক্ষণ নির্দেশিকা তৈরি করেছিলেন। সেখানে এমন কিছু অনুশীলন ছিল যা নারীদের জড়তা কাটিয়ে মুখ খুলতে সাহায্য করবে, তাদের সম্পৃক্ত করবে, সংঘাত ও সংঘাত নিরসন সম্পর্কে শেখাবে, এমনকি কেন তাদের এই বিষয়গুলো সমাধানে যুক্ত হওয়া উচিত তা বুঝতেও সাহায্য করবে। ** গবোউই, লেমাহ; মিদার্স, ক্যারল (২০১১)। মাইটি বি আওয়ার পাওয়ারস: হাউ সিস্টারহুড, প্রেয়ার অ্যান্ড সেক্স চেঞ্জড এ নেশন অ্যাট ওয়ার: এ মেমোয়ার। নিউ ইয়র্ক: বিস্ট বুকস। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৯৮৪২৯৫১-৫-৯। ওসিএলসি ৭৫১৭৪৭২৫৮ * আমরা যুদ্ধে ক্লান্ত। আমরা পালিয়ে বেড়াতে ক্লান্ত। আমরা একটু গম বা ত্রাণের খাবারের জন্য ভিক্ষা করতে করতে ক্লান্ত। আমাদের সন্তানদের ধর্ষিত হতে দেখে আমরা ক্লান্ত। আমরা এখন এই অবস্থান নিচ্ছি আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ রক্ষা করার জন্য। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, সমাজের অভিভাবক হিসেবে আগামীকাল আমাদের সন্তানরা আমাদের জিজ্ঞেস করবে, "মা, সংকটের সময়ে তোমার ভূমিকা কী ছিল?" ** গবোউই, লেমাহ; মিদার্স, ক্যারল (২০১১)। মাইটি বি আওয়ার পাওয়ারস: হাউ সিস্টারহুড, প্রেয়ার অ্যান্ড সেক্স চেঞ্জড এ নেশন অ্যাট ওয়ার: এ মেমোয়ার। নিউ ইয়র্ক: বিস্ট বুকস। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৯৮৪২৯৫১-৫-৯। ওসিএলসি ৭৫১৭৪৭২৫৮ * চৌদ্দ বছরের যুদ্ধ চাইলেই শুধু মিটে যায় না। আমরা যখন চারপাশ দেখার মতো যথেষ্ট শান্ত হলাম, তখন আমাদের লাইবেরিয়ায় যা ঘটেছিল তার ভয়াবহতার মুখোমুখি হতে হলো। আড়াই লাখ মানুষ মারা গিয়েছিল, যাদের এক-চতুর্থাংশই ছিল শিশু। প্রতি তিনজনের মধ্যে একজন বাস্তুচ্যুত হয়েছিল, যার মধ্যে সাড়ে তিন লাখ মানুষ অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত শিবিরে বাস করছিল আর বাকিরা যেখানে পেরেছিল আশ্রয় খুঁজে নিয়েছিল। কূপের পানি দূষিত হওয়ার কারণে দশ লাখ মানুষ, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু, অপুষ্টি, ডায়রিয়া, হাম এবং কলেরার ঝুঁকিতে ছিল। দেশের ভৌত অবকাঠামোর ৭৫ শতাংশেরও বেশি আমাদের রাস্তাঘাট, হাসপাতাল এবং স্কুল ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। * এক প্রজন্মের তরুণদের হাতে বন্দুক না থাকলে তারা নিজেদের অস্তিত্বই কল্পনা করতে পারত না। কয়েক প্রজন্মের নারীরা বিধবা হয়েছিলেন, ধর্ষিত হয়েছিলেন, নিজেদের কন্যা ও মায়েদের ধর্ষিত হতে দেখেছিলেন এবং সন্তানদের কাউকে হত্যা করতে বা নিজেরা খুন হতে দেখেছিলেন। প্রতিবেশীরা প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল; তরুণরা আশা হারিয়েছিল আর বৃদ্ধরা হারিয়েছিলেন তাদের সারাজীবনের তিল তিল করে জমানো সবটুকু অর্জন। প্রতিটি মানুষ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। ** গবোউই, লেমাহ; মিদার্স, ক্যারল (২০১১)। মাইটি বি আওয়ার পাওয়ারস: হাউ সিস্টারহুড, প্রেয়ার অ্যান্ড সেক্স চেঞ্জড এ নেশন অ্যাট ওয়ার: এ মেমোয়ার। নিউ ইয়র্ক: বিস্ট বুকস। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৯৮৪২৯৫১-৫-৯। ওসিএলসি ৭৫১৭৪৭২৫৮ * লাইবেরীয় নারী শান্তি আন্দোলন বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে যে, শান্তি বজায় রাখার জন্য তৃণমূল পর্যায়ের আন্দোলনগুলো অপরিহার্য; নেতৃত্বে থাকা নারীরা শান্তির কার্যকর দূত হিসেবে কাজ করতে পারেন; এবং সাংস্কৃতিক দিক থেকে সামঞ্জস্যপূর্ণ সামাজিক ন্যায়বিচার আন্দোলনের গুরুত্ব কতটা অপরিসীম। লাইবেরিয়ার অভিজ্ঞতা বিশ্বের কাছে এক উজ্জ্বল উদাহরণ যে নারীরা বিশেষ করে আফ্রিকান নারীরা শান্তি প্রতিষ্ঠার মূল চালিকাশক্তি হতে পারেন। ** [https://globaleducationmagazine.com/international-womens-day-interview-leymah-gbowee/| আন্তর্জাতিক নারী দিবসের জন্য দেওয়া সাক্ষাৎকার] * তিনি যিশু হতে পারেন, মোহাম্মদ হতে পারেন কিংবা বুদ্ধও হতে পারেন; কিন্তু এমন কেউ যাকে আপনি "দিব্য সহায়তাকারী" বা "ঈশ্বর" হিসেবে প্রতিদিন ডাকতে পারেন এবং যাঁর ওপর নির্ভর করতে পারেন, তেমন কেউ না থাকলে মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। ঈশ্বর বিশ্বাসী, আপনি তাঁকে যে নামেই চিনে থাকুন না কেন... বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে একটি পদক্ষেপ নিন, বাকিটা ঈশ্বর দেখে নেবেন। **[https://emu.edu/now/podcast/2009/10/23/the-faith-of-a-peacebuilder-leymah-gbowee/| লাইবেরীয় নারী আন্দোলনের আন্তঃধর্মীয় বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করে গবোউই জানান যে, অন্যরা তাদের নিজস্ব ভিন্ন ভিন্ন ধর্মীয় বিশ্বাস থেকেও একই ধরনের শক্তি ও সমর্থন পেতে পারেন] * গ্র্যাজুয়েট স্কুলে পড়ার সময় আমি অনুভব করতে পারছিলাম যে আমার চিন্তার জগৎ প্রসারিত হচ্ছে, বোধশক্তি আরও গভীর হচ্ছে। আমি বুঝতে পারলাম যে, লাইবেরিয়াতে আমি যা কিছু সহজাত প্রবৃত্তির বশে করেছিলাম, তার একটি আনুষ্ঠানিক নাম দেওয়া যায় আর তা হলো "কৌশলগত শান্তি বিনির্মাণ (স্ট্র্যাটেজিক পিসবিল্ডিং)"। ইএমইউতে আমার সহপাঠীদের অনেকেই যুদ্ধের বিভীষিকার মধ্য দিয়ে এসেছেন, তাই তাদের মাঝে থাকতে পেরে আমি স্বস্তি পাচ্ছিলাম। শেনান্দোহ উপত্যকার ছোট আর পুরোনো শহর হ্যারিসনবার্গ যা লাইবেরিয়া এবং এর সব দুঃখ-কষ্ট থেকে অনেক দূরে, আর যেখানে আমার কাছে প্রত্যাশা করার মতো পরিচিত কেউ ছিল না সেখানে আমাকে সবসময় শক্ত হয়ে থাকতে হতো না। মাঝে মাঝেই উদাহরণস্বরূপ, যখন আমি কোনো মাকে তার সন্তানদের সাথে দেখতাম আমি কান্নায় ভেঙে পড়তাম। ইএমইউতে কেউ এটিকে অদ্ভুত মনে করত না। সেখানেই আমার এমন এক বৃদ্ধের সাথে দেখা হয়েছিল যিনি রুয়ান্ডার গণহত্যায় তাঁর পুরো পরিবারকে হারিয়েছিলেন। ** গবোউই, লেমাহ; মিদার্স, ক্যারল (২০১১)। মাইটি বি আওয়ার পাওয়ারস: হাউ সিস্টারহুড, প্রেয়ার অ্যান্ড সেক্স চেঞ্জড এ নেশন অ্যাট ওয়ার: এ মেমোয়ার। নিউ ইয়র্ক: বিস্ট বুকস। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৯৮৪২৯৫১-৫-৯। ওসিএলসি ৭৫১৭৪৭২৫৮ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} {{কমন্স বিষয়শ্রেণী}} {{DEFAULTSORT:গবোউই, লেমাহ}} [[বিষয়শ্রেণী:লাইবেরিয়ার নারী কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৭২-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:যুদ্ধবিরোধী কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:মানবাধিকার কর্মী]] [[বিষয়শ্রেণী:শান্তিবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:নারীবাদী]] [[বিষয়শ্রেণী:নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী]] e2wilwh7sruxr8xltb3r6hubqsficm9 বিষয়শ্রেণী:জাতীয় নাগরিক পার্টির রাজনীতিবিদ 14 12933 78753 2026-04-20T03:04:32Z Tuhin 172 "[[জাতীয় নাগরিক পার্টি]]র রাজনীতিবিদ।" দিয়ে পাতা তৈরি 78753 wikitext text/x-wiki [[জাতীয় নাগরিক পার্টি]]র রাজনীতিবিদ। fsmrx17nmpghd2hzz6deyqykyg9to1r 78754 78753 2026-04-20T03:04:49Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:দল অনুযায়ী বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ]] যোগ 78754 wikitext text/x-wiki [[জাতীয় নাগরিক পার্টি]]র রাজনীতিবিদ। [[বিষয়শ্রেণী:দল অনুযায়ী বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ]] jw8p93dqh81z5qdk8devvds2w5unnln আলাপ:লেমাহ গবোউই 1 12934 78758 2026-04-20T03:10:38Z Sumanta3023 4175 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78758 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm ডোনাল্ড কানুথ 0 12935 78759 2026-04-20T03:16:02Z Sumanta3023 4175 "[[File:KnuthAtOpenContentAlliance.jpg|thumb|200px|আমাদের ক্রমাগত প্রতিটি শিল্পকে বিজ্ঞানে রূপান্তর করার চেষ্টা করা উচিত: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আমরা সেই শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাই।]] '''w:ডোনাল্ড কানুথ|ড..." দিয়ে পাতা তৈরি 78759 wikitext text/x-wiki [[File:KnuthAtOpenContentAlliance.jpg|thumb|200px|আমাদের ক্রমাগত প্রতিটি শিল্পকে বিজ্ঞানে রূপান্তর করার চেষ্টা করা উচিত: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আমরা সেই শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাই।]] '''[[w:ডোনাল্ড কানুথ|ডোনাল্ড আরভিন কানুথ]]''' (জন্ম ১০ জানুয়ারি ১৯৩৮) একজন মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী, স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস অধ্যাপক এবং ১৯৭৪ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বিজয়ী। 4d91w2dweiaw0kukz4fhfdcwiy6gt3v 78763 78759 2026-04-20T03:22:16Z Sumanta3023 4175 78763 wikitext text/x-wiki [[File:KnuthAtOpenContentAlliance.jpg|thumb|200px|আমাদের ক্রমাগত প্রতিটি শিল্পকে বিজ্ঞানে রূপান্তর করার চেষ্টা করা উচিত: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আমরা সেই শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাই।]] '''[[w:ডোনাল্ড কানুথ|ডোনাল্ড আরভিন কানুথ]]''' (জন্ম ১০ জানুয়ারি ১৯৩৮) একজন মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী, স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস অধ্যাপক এবং ১৯৭৪ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বিজয়ী। == উক্তি == * ওপরের কোডটিতে থাকা ত্রুটি (বাগ) সম্পর্কে সতর্ক থাকবেন; আমি কেবল এটি যে সঠিক তা প্রমাণ করেছি, নিজে চালিয়ে দেখিনি। ** ডোনাল্ড কানুথের [https://www-cs-faculty.stanford.edu/~knuth/faq.html ওয়েবসাইট] অনুসারে, এই বাক্যটি তার একটি মেমোর শেষে ব্যবহার করা হয়েছিল, যার শিরোনাম ছিল— *Notes on the van Emde Boas construction of priority deques: An instructive use of recursion* (১৯৭৭)। * জীববিজ্ঞানের ব্যাপারে আমি যতটা আত্মবিশ্বাসী, [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানের]] ব্যাপারে ততটা হতে পারছি না। জীববিজ্ঞানে কাজ করার মতো অন্তত ৫০০ বছরের রোমাঞ্চকর সমস্যা রয়েছে। এটি সেই পর্যায়ের। ** [http://karthikr.wordpress.com/2006/04/06/donald-knuth-%e2%80%94-computer-literacy-bookshops-interview-1993/ কম্পিউটার লিটারেসি বুকশপস সাক্ষাৎকার] (১৯৯৩) *** বায়োইনফরমেটিক্স কেন খুব রোমাঞ্চকর, সে বিষয়ে কথা বলার সময়। * একজন [প্রোগ্রামারের] মনস্তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যের প্রধান দিক হলো বিমূর্তায়নের (অ্যাবস্ট্রাকশন) স্তরগুলো পরিবর্তন করার ক্ষমতা—নিম্নস্তর থেকে উচ্চস্তরে অনায়াসে যাতায়াত করা। কোনো বিষয়কে ক্ষুদ্র পরিসরে এবং বৃহৎ পরিসরে সমানভাবে দেখতে পারা। ** জ্যাক ওয়ার। [http://www.drdobbs.com/an-interview-with-donald-knuth/184409858 ডোনাল্ড কানুথের সাথে একটি সাক্ষাৎকার]। *ডক্টর ডবস জার্নাল*, পৃষ্ঠা ১৬–২২ (এপ্রিল ১৯৯৬) * একবার যখন আপনার থাকার জন্য একটি সুন্দর বাড়ি আর খাওয়ার মতো যথেষ্ট খাবার হয়ে যাবে, তখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপনি অন্যের জন্য কী করতে পারছেন, সামগ্রিক উদ্যোগে আপনার অবদান কতটা। ** জ্যাক ওয়ার। [http://www.drdobbs.com/an-interview-with-donald-knuth/184409858 ডোনাল্ড কানুথের সাথে একটি সাক্ষাৎকার]। *ডক্টর ডবস জার্নাল*, পৃষ্ঠা ১৬–২২ (এপ্রিল ১৯৯৬) * একজন গণিতবিদের জীবনকে সার্থক করে তোলে এই বিষয়টিই যে, তিনি তার তিন-চারজন সহকর্মীর কাছ থেকে কিছুটা অনিচ্ছাসত্ত্বেও প্রশংসা পান। ** জ্যাক ওয়ার। [http://www.drdobbs.com/an-interview-with-donald-knuth/184409858 ডোনাল্ড কানুথের সাথে একটি সাক্ষাৎকার]। *ডক্টর ডবস জার্নাল*, পৃষ্ঠা ১৬–২২ (এপ্রিল ১৯৯৬) * বিজ্ঞান হলো তা-ই যা আমরা একটি কম্পিউটারকে বুঝিয়ে বলার মতো যথেষ্ট ভালোভাবে বুঝি। এর বাইরে আমরা যা কিছু করি, সবই হলো শিল্প। ** ''[https://www.math.upenn.edu/~wilf/AeqB.html A=B]'' বইয়ের ভূমিকা (১৯৯৬) * কোনো গাণিতিক সূত্র কখনোই কারো "মালিকানাধীন" হওয়া উচিত নয়! [[গণিত]] হলো [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] সম্পদ। ** ''ডিজিটাল টাইপোগ্রাফি'', অধ্যায় ১, পৃষ্ঠা ৮ (১৯৯৯) * আমি [[ইউনিক্স|ইউনিক্সকে]] এভাবে সংজ্ঞায়িত করি— *একই ছাদের নিচে বসবাসকারী রেগুলার এক্সপ্রেশনের ৩০টি সংজ্ঞা*। ** ''ডিজিটাল টাইপোগ্রাফি'', অধ্যায় ৩৩, পৃষ্ঠা ৬৪৯ (১৯৯৯) * আমি কোনো রেস্তোরাঁয় গিয়ে খাবার অর্ডার করতে পারি না, কারণ আমি মেনু কার্ডের ফন্টগুলোর দিকেই তাকিয়ে থাকি। ** {{cite journal | last = কানুথ | first = ডোনাল্ড | year = ২০০২ | title = অল কোয়েশ্চেনস অ্যানসারড | journal = নোটিসেস অফ দ্য এএমএস | volume = ৪৯ | issue = ৩ | pages = ৩২১ | url=http://www.ams.org/notices/200203/fea-knuth.pdf |format=PDF}} * ১৯৯০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আমি একজন সুখী মানুষ, কারণ তখন থেকে আমার কোনো ইমেল ঠিকানা নেই। আমি ১৯৭৫ সাল থেকে ইমেল ব্যবহার করে আসছি, আর আমার মনে হয় এক জীবনে ১৫ বছরের ইমেল ব্যবহারই যথেষ্ট। ** ''[http://www-cs-faculty.stanford.edu/~knuth/email.html ইমেল (চলুন হাইফেনটা বাদ দিই)]'' ডোনাল্ড কানুথের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ওয়েব পেজ। * ইমেল সেই সব মানুষের জন্য চমৎকার জিনিস যাদের জীবনের লক্ষ্য হলো সবকিছুর ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা। কিন্তু আমার জন্য নয়; আমার কাজ হলো সবকিছুর মূলে পৌঁছানো। আমি যা করি তার জন্য দীর্ঘ সময়ের পড়াশোনা এবং নিরবচ্ছিন্ন মনোযোগ প্রয়োজন। ** ''[http://www-cs-faculty.stanford.edu/~knuth/email.html ইমেল (চলুন হাইফেনটা বাদ দিই)]'' ডোনাল্ড কানুথের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ওয়েব পেজ। * আপনি কীভাবে [...] সংখ্যার মালিক হতে পারেন? সংখ্যা পুরো পৃথিবীর সম্পদ। ** টেক্স (TeX) তৈরির বিষয়ে তাঁর [http://www.webofstories.com/people/donald.knuth/52?o=SH ভিডিও বক্তব্যে] তিনি মন্তব্য করেন যে, জেরক্স (Xerox) তাঁকে তাদের সরঞ্জাম ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু শর্ত ছিল তাঁর তৈরি ফন্টগুলোর মালিকানা তাদের হবে। * আসলে, আমার জীবনের দশটি বছর টেক্স (TeX) প্রজেক্টে ব্যয় করার পর আমার প্রধান উপলব্ধি হলো যে, সফটওয়্যার তৈরি করা কঠিন। আমি এ পর্যন্ত যা কিছু করেছি তার মধ্যে এটিই সবচেয়ে কঠিন কাজ। ** {{cite journal | last = কানুথ | first = ডোনাল্ড | year = ২০০২ | title = অল কোয়েশ্চেনস অ্যানসারড | journal = নোটিসেস অফ দ্য এএমএস | volume = ৪৯ | issue = ৩ | pages = ৩২০ | url=http://www.ams.org/notices/200203/fea-knuth.pdf |format=PDF}} * আপনি যদি দেখেন যে আপনি আপনার সময়ের প্রায় পুরোটাই তত্ত্বে ব্যয় করছেন, তবে ব্যবহারিক বিষয়গুলোর দিকে কিছুটা নজর দিতে শুরু করুন; এটি আপনার তত্ত্বগুলোকে আরও উন্নত করবে। আপনি যদি দেখেন যে আপনি আপনার সময়ের প্রায় পুরোটাই অনুশীলনে বা ব্যবহারিক কাজে ব্যয় করছেন, তবে তাত্ত্বিক বিষয়গুলোর দিকে কিছুটা নজর দিন; এটি আপনার কাজকে আরও উন্নত করবে। ** ডোনাল্ড কানুথ; উদ্ধৃত: আরতুরো গঞ্জালেজ-গুটিয়েরেজ (২০০৭) *মিনিমাম-লেন্থ করিডোরস: কমপ্লেক্সিটি অ্যান্ড অ্যাপ্রক্সিমেশনস*। পৃষ্ঠা ৯৯ * একভাবে বলতে গেলে, আমার জীবন হলো ইংরেজি ভাষা এবং গণিতের একটি উত্তল সমন্বয় (কনভেক্স কম্বিনেশন)। ... আর শুধু তাই নয়, আমি চাই আমার সন্তানরাও তেমন হোক: একই সাথে মস্তিষ্কের বাম দিক এবং ডান দিক ব্যবহার করা—এতে অনেক বেশি কাজ সম্পন্ন করা যায়। এটিই ছিল সমঝোতার অংশ। ** {{cite web|url=https://www.youtube.com/watch?v=2BdBfsXbST8 |work=এআই পডকাস্ট |date=৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ |title= অ্যালগরিদম, কমপ্লেক্সিটি, লাইফ, অ্যান্ড দ্য আর্ট অফ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং}} * একজন ভালো টেকনিক্যাল রাইটার সরাসরি তা প্রকাশ না করে প্রতিটি কথা দুবার বলেন: একবার আনুষ্ঠানিকভাবে এবং একবার অনানুষ্ঠানিকভাবে। অথবা হয়তো তিনবার। ** {{cite web|url=https://www.youtube.com/watch?v=2BdBfsXbST8 |work=এআই পডকাস্ট |date=৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ |title= অ্যালগরিদম, কমপ্লেক্সিটি, লাইফ, অ্যান্ড দ্য আর্ট অফ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং}} * আমি ধরে নিচ্ছি যে [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] অস্তিত্ব আছে এবং আমি আনন্দিত যে এটি প্রমাণ করার কোনো উপায় নেই। [কারণ] আমি যদি একবার প্রমাণটি পেয়ে যেতাম, তবে আমি তা ভুলে যেতাম এবং আধ্যাত্মিক বিষয় বা রহস্য নিয়ে আর কখনোই ভাবতাম না। আর আমি মনে করি, তখন আমার জীবনটি খুব অপূর্ণ থেকে যেত। ** {{cite web|url=https://www.youtube.com/watch?v=2BdBfsXbST8 |work=এআই পডকাস্ট |date=৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ |title= অ্যালগরিদম, কমপ্লেক্সিটি, লাইফ, অ্যান্ড দ্য আর্ট অফ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং}} * অবশেষে আমি দর্শনের একটি সারকথা পেয়েছি আর তা হলো "০.৮ ই যথেষ্ট"। ... আমার কাছে যদি সুখ পরিমাপের কোনো উপায় থাকত, তবে আমি মনে করি এমন একটি প্রাণসত্তা তৈরি করা ভালো ডিজাইন হবে যে সময়ের ৮০% ভাগ সুখী থাকে। যদি তা ১০০% হতো, তবে মনে হতো সবাই মাদকে আচ্ছন্ন এবং সবকিছু ধসে পড়ত, কারণ সবাই মাত্রাতিরিক্ত সুখী হয়ে যেত। ... এমন সময় আসে যখন আমি বিষণ্ণ বোধ করি এবং আমি জানি যে আসলে আমাকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিষণ্ণ থাকার প্রোগ্রামিং দিয়েই তৈরি করা হয়েছে। ** {{cite web|url=https://www.youtube.com/watch?v=2BdBfsXbST8 |work=এআই পডকাস্ট |date=৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ |title= অ্যালগরিদম, কমপ্লেক্সিটি, লাইফ, অ্যান্ড দ্য আর্ট অফ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং}} * আসুন সত্যটা স্বীকার করি, পৃথিবীতে যদি আমার মতো ১০ জন মানুষ থাকত, তবে আমাদের একে অপরের বই পড়ার সময়টুকুও থাকত না। ** {{cite web |url=https://www.youtube.com/watch?v=xLBvCB2kr4Q |title="All Questions Answered" by Donald Knuth |work=GoogleTechTalks |publisher=YouTube |date=২৯ মে ২০১১ }} * বেশিরভাগ মানুষ পাই (pi)-এর মান কেবল দশমিক পদ্ধতিতেই জানে। ** {{cite web |url=https://www.youtube.com/watch?v=3DKo219ZHMw&t=22m5s |title="Stanford Lecture: Don Knuth - "Pi and The Art of Computer Programming"" by Donald Knuth |work=Stanford |publisher=YouTube |date=২১ ডিসেম্বর ২০১৯ }} === ''[[w:The Art of Computer Programming|দ্য আর্ট অফ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং]]'' (১৯৬৮–২০১১) === * মেশিন-ওরিয়েন্টেড ভাষা বোঝার মাধ্যমে একজন প্রোগ্রামার অনেক বেশি দক্ষ পদ্ধতি ব্যবহারের দিকে ঝুঁকে পড়েন; এটি বাস্তবতার অনেক বেশি কাছাকাছি। ** প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণের ভূমিকা (অক্টোবর ১৯৬৭)। (পৃষ্ঠা x ১৯৭৩, পৃষ্ঠা ix ১৯৯৭) * একটি অ্যালগরিদম বিশ্বাস করার জন্য সেটিকে অবশ্যই চোখের সামনে দেখা প্রয়োজন। ** প্রথম খণ্ড, ''ফান্ডামেন্টাল অ্যালগরিদম'', বিভাগ ১.১ (১৯৬৮) * যারা কম্পিউটারের প্রতি সাধারণ আগ্রহের চেয়ে একটু বেশি আগ্রহী, তাদের অন্তত হার্ডওয়্যারের গঠন সম্পর্কে কিছুটা ধারণা থাকা উচিত। তা না হলে তাদের লেখা প্রোগ্রামগুলো বেশ অদ্ভুত হবে। ** প্রথম খণ্ড, ফ্যাসিকল ১, "MMIX, এ আরআইএসসি কম্পিউটার ফর দ্য নিউ মিলেনিয়াম" * যথেচ্ছ বা র্যান্ডম সংখ্যা তৈরির জন্য কোনো পদ্ধতি যথেচ্ছভাবে নির্বাচন করা উচিত নয়। ** দ্বিতীয় খণ্ড, ''সেমিনিউমেরিক্যাল অ্যালগরিদম'' * দীর্ঘ মেয়াদে সূর্য যতবার ওঠে, ঠিক ততবারই অস্ত যায়; কিন্তু এই বিষয়টি তার গতিকে যথেচ্ছ বা র্যান্ডম করে তোলে না। ** দ্বিতীয় খণ্ড, ''সেমিনিউমেরিক্যাল অ্যালগরিদম'', বিভাগ ৩.৩.২ অংশ B, প্রথম অনুচ্ছেদ (১৯৬৯) * এর কারণ "বিট চেজিং"-কে মহিমান্বিত করা নয়; বরং এখানে আরও মৌলিক একটি বিষয় জড়িত: ''গাণিতিক সাবরুটিনগুলো থেকে যখনই সম্ভব এমন ফলাফল পাওয়া উচিত যা সহজ এবং কার্যকর গাণিতিক নিয়মগুলোকে সিদ্ধ করে''। [...] কোনো মৌলিক সামঞ্জস্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ছাড়া চমৎকার ফলাফল প্রমাণ করার কাজটি অত্যন্ত বিরক্তিকর হয়ে ওঠে। ''নিজের ব্যবহৃত সরঞ্জামগুলো উপভোগ করা সফল কাজের একটি অপরিহার্য উপাদান''। ** দ্বিতীয় খণ্ড, ''সেমিনিউমেরিক্যাল অ্যালগরিদম'', বিভাগ ৪.২.২ অংশ A, শেষ অনুচ্ছেদ। * এই সূচিতে কোনো ভুলভ্রান্তি থাকলে তা এই তথ্যের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে যে, এটি একটি কম্পিউটারের সাহায্যে সাজানো হয়েছে। ** তৃতীয় খণ্ড, ''সর্টিং অ্যান্ড সার্চিং'', সূচির শেষে (১৯৭৩)। * [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানের]] প্রায় সবখানেই গাছের মতো শাখা-প্রশাখা (ট্রি) গজিয়ে ওঠে... ** খণ্ড ৪-A, ''কম্বিনেটোরিয়াল অ্যালগরিদম'', বিভাগ ৪.২.১.৬ (২০১১)। === আর্ট হিসেবে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং (১৯৭৪) === ১৯৭৪ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] [http://amturing.acm.org/award_winners/knuth_1013846.cfm বক্তৃতা], ''[[w:কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম|কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম]]'' **১৭** (১২), (ডিসেম্বর ১৯৭৪), পৃষ্ঠা ৬৬৭–৬৭৩। * বিজ্ঞান হলো সেই জ্ঞান যা আমরা এত ভালোভাবে বুঝি যে আমরা এটি একটি কম্পিউটারকে শেখাতে পারি; আর যদি আমরা কোনো কিছু পুরোপুরি বুঝতে না পারি, তবে সেটি নিয়ে কাজ করাটাই হলো শিল্প। ** পৃষ্ঠা ৬৬৮। * এই অর্থে, আমাদের ক্রমাগত ''প্রতিটি'' শিল্পকে বিজ্ঞানে রূপান্তর করার চেষ্টা করা উচিত: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আমরা সেই শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাই। ** পৃষ্ঠা ৬৬৯। * আসল সমস্যা হলো প্রোগ্রামাররা ভুল জায়গায় এবং ভুল সময়ে দক্ষতা বা এফিসিয়েন্সি নিয়ে ভেবে অনেক বেশি সময় নষ্ট করেছেন; '''অপরিণত অপ্টিমাইজেশন (premature optimization) হলো প্রোগ্রামিংয়ের সব অনিষ্টের (অথবা অন্তত অধিকাংশের) মূল'''। ** পৃষ্ঠা ৬৭১। ** প্রোগ্রামাররা তাদের প্রোগ্রামের গুরুত্বহীন অংশগুলোর গতি বাড়ানো নিয়ে ভেবে প্রচুর সময় নষ্ট করেন। কার্যকারিতা বাড়ানোর এই প্রচেষ্টাগুলো আসলে ত্রুটি সংশোধন (ডিবাগিং) এবং রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আমাদের উচিত ছোটখাটো দক্ষতার কথা ভুলে যাওয়া, ধরা যাক প্রায় ৯৭% সময়ের জন্য: অপরিণত অপ্টিমাইজেশন হলো সব অনিষ্টের মূল। তবুও আমাদের সেই গুরুত্বপূর্ণ ৩% সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়। *** কানুথের "স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং উইথ গোটো স্টেটমেন্টস" নিবন্ধের ভিন্নরূপ। ''কম্পিউটিং সার্ভে'' **৬**:৪ (ডিসেম্বর ১৯৭৪), পৃষ্ঠা ২৬১–৩০১। {{doi|10.1145/356635.356640}} ** কানুথ ১৫ বছর পর "দ্য এররস অফ টেক্স" (১৯৮৯) নিবন্ধে একে "হোরের নীতি" (Hoare's Dictum) হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে এই উক্তিটি [[সি. এ. আর. হোর|সি. এ. আর. হোর]]-এর কি না তা নিয়ে সন্দেহ আছে। * সংক্ষেপে: আমরা দেখেছি যে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং একটি শিল্প, কারণ এটি অর্জিত জ্ঞানকে পৃথিবীতে প্রয়োগ করে, কারণ এতে দক্ষতা ও চতুরতার প্রয়োজন হয় এবং বিশেষ করে কারণ এটি সুন্দর জিনিস তৈরি করে। একজন প্রোগ্রামার যিনি অবচেতনভাবে নিজেকে একজন শিল্পী হিসেবে দেখেন, তিনি নিজের কাজ উপভোগ করবেন এবং তা আরও ভালোভাবে করবেন। তাই আমরা খুশি হতে পারি যে কম্পিউটার কনফারেন্সের বক্তারা একে "শিল্পের অবস্থা" (state of the Art) হিসেবে অভিহিত করেন। ** পৃষ্ঠা ৬৭৩। === লিটারেট প্রোগ্রামিং (১৯৮৪) === * আসুন আমরা প্রোগ্রাম তৈরির চিরাচরিত দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করি: আমাদের প্রধান কাজ একটি ''কম্পিউটারকে'' কী করতে হবে তা নির্দেশ দেওয়া—এমনটা ভাবার বদলে বরং আমরা মানুষকে এটি বুঝিয়ে বলার দিকে মনোযোগ দিই যে আমরা একটি কম্পিউটারকে দিয়ে কী করাতে চাই। ** "লিটারেট প্রোগ্রামিং", ''দ্য কম্পিউটার জার্নাল'' **২৭** (১৯৮৪), পৃষ্ঠা ৯৭। (পুনর্মুদ্রিত: ''লিটারেট প্রোগ্রামিং'', ১৯৯২, পৃষ্ঠা ৯৯)। == {{PAGENAME}} সম্পর্কে উক্তি == * অ্যালগরিদম বিশ্লেষণ এবং প্রোগ্রামিং ভাষার নকশায় তাঁর বিশেষ অবদানের জন্য, এবং বিশেষ করে তাঁর এই শিরোনামে ধারাবাহিক ও সুপরিচিত বইগুলোর মাধ্যমে "কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের শিল্পে" অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ। ** ১৯৭৪ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] সম্মাননা। [http://awards.acm.org/citation.cfm?id=7143252&srt=all&aw=140&ao=AMTURING] == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:কানুথ, ডোনাল্ড}} [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মিলওয়াকির ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রোগ্রামার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গণিতবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:নকশাকার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুরকার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্গানবাদক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লুথারান]] [[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল মেডেল অফ সায়েন্স বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] qjzfur6zg6idyt556e50e1k0kydxl1c 78777 78763 2026-04-20T03:33:38Z Sumanta3023 4175 78777 wikitext text/x-wiki [[File:KnuthAtOpenContentAlliance.jpg|thumb|200px|আমাদের ক্রমাগত প্রতিটি শিল্পকে বিজ্ঞানে রূপান্তর করার চেষ্টা করা উচিত: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আমরা সেই শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাই।]] '''[[w:ডোনাল্ড কানুথ|ডোনাল্ড আরভিন কানুথ]]''' (জন্ম ১০ জানুয়ারি ১৯৩৮) একজন মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী, স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস অধ্যাপক এবং ১৯৭৪ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বিজয়ী। == উক্তি == * ওপরের কোডটিতে থাকা ত্রুটি (বাগ) সম্পর্কে সতর্ক থাকবেন; আমি কেবল এটি যে সঠিক তা প্রমাণ করেছি, নিজে চালিয়ে দেখিনি। ** ডোনাল্ড কানুথের [https://www-cs-faculty.stanford.edu/~knuth/faq.html ওয়েবসাইট] অনুসারে, এই বাক্যটি তার একটি মেমোর শেষে ব্যবহার করা হয়েছিল, যার শিরোনাম ছিল— *Notes on the van Emde Boas construction of priority deques: An instructive use of recursion* (১৯৭৭)। * জীববিজ্ঞানের ব্যাপারে আমি যতটা আত্মবিশ্বাসী, [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানের]] ব্যাপারে ততটা হতে পারছি না। জীববিজ্ঞানে কাজ করার মতো অন্তত ৫০০ বছরের রোমাঞ্চকর সমস্যা রয়েছে। এটি সেই পর্যায়ের। ** [http://karthikr.wordpress.com/2006/04/06/donald-knuth-%e2%80%94-computer-literacy-bookshops-interview-1993/ কম্পিউটার লিটারেসি বুকশপস সাক্ষাৎকার] (১৯৯৩) *** বায়োইনফরমেটিক্স কেন খুব রোমাঞ্চকর, সে বিষয়ে কথা বলার সময়। * একজন [প্রোগ্রামারের] মনস্তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যের প্রধান দিক হলো বিমূর্তায়নের (অ্যাবস্ট্রাকশন) স্তরগুলো পরিবর্তন করার ক্ষমতা—নিম্নস্তর থেকে উচ্চস্তরে অনায়াসে যাতায়াত করা। কোনো বিষয়কে ক্ষুদ্র পরিসরে এবং বৃহৎ পরিসরে সমানভাবে দেখতে পারা। ** জ্যাক ওয়ার। [http://www.drdobbs.com/an-interview-with-donald-knuth/184409858 ডোনাল্ড কানুথের সাথে একটি সাক্ষাৎকার]। ''ডক্টর ডবস জার্নাল'', পৃষ্ঠা ১৬–২২ (এপ্রিল ১৯৯৬) * একবার যখন আপনার থাকার জন্য একটি সুন্দর বাড়ি আর খাওয়ার মতো যথেষ্ট খাবার হয়ে যাবে, তখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপনি অন্যের জন্য কী করতে পারছেন, সামগ্রিক উদ্যোগে আপনার অবদান কতটা। ** জ্যাক ওয়ার। [http://www.drdobbs.com/an-interview-with-donald-knuth/184409858 ডোনাল্ড কানুথের সাথে একটি সাক্ষাৎকার]। ডক্টর ডবস জার্নাল, পৃষ্ঠা ১৬–২২ (এপ্রিল ১৯৯৬) * একজন গণিতবিদের জীবনকে সার্থক করে তোলে এই বিষয়টিই যে, তিনি তার তিন-চারজন সহকর্মীর কাছ থেকে কিছুটা অনিচ্ছাসত্ত্বেও প্রশংসা পান। ** জ্যাক ওয়ার। [http://www.drdobbs.com/an-interview-with-donald-knuth/184409858 ডোনাল্ড কানুথের সাথে একটি সাক্ষাৎকার]। ডক্টর ডবস জার্নাল, পৃষ্ঠা ১৬–২২ (এপ্রিল ১৯৯৬) * বিজ্ঞান হলো তা-ই যা আমরা একটি কম্পিউটারকে বুঝিয়ে বলার মতো যথেষ্ট ভালোভাবে বুঝি। এর বাইরে আমরা যা কিছু করি, সবই হলো শিল্প। ** ''[https://www.math.upenn.edu/~wilf/AeqB.html A=B]'' বইয়ের ভূমিকা (১৯৯৬) * কোনো গাণিতিক সূত্র কখনোই কারো "মালিকানাধীন" হওয়া উচিত নয়! [[গণিত]] হলো [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] সম্পদ। ** ''ডিজিটাল টাইপোগ্রাফি'', অধ্যায় ১, পৃষ্ঠা ৮ (১৯৯৯) * আমি [[ইউনিক্স|ইউনিক্সকে]] এভাবে সংজ্ঞায়িত করি— ''একই ছাদের নিচে বসবাসকারী রেগুলার এক্সপ্রেশনের ৩০টি সংজ্ঞা''। ** ''ডিজিটাল টাইপোগ্রাফি'', অধ্যায় ৩৩, পৃষ্ঠা ৬৪৯ (১৯৯৯) * আমি কোনো রেস্তোরাঁয় গিয়ে খাবার অর্ডার করতে পারি না, কারণ আমি মেনু কার্ডের ফন্টগুলোর দিকেই তাকিয়ে থাকি। ** {{cite journal | last = কানুথ | first = ডোনাল্ড | year = ২০০২ | title = অল কোয়েশ্চেনস অ্যানসারড | journal = নোটিসেস অফ দ্য এএমএস | volume = ৪৯ | issue = ৩ | pages = ৩২১ | url=http://www.ams.org/notices/200203/fea-knuth.pdf |format=PDF}} * ১৯৯০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আমি একজন সুখী মানুষ, কারণ তখন থেকে আমার কোনো ইমেল ঠিকানা নেই। আমি ১৯৭৫ সাল থেকে ইমেল ব্যবহার করে আসছি, আর আমার মনে হয় এক জীবনে ১৫ বছরের ইমেল ব্যবহারই যথেষ্ট। ** ''[http://www-cs-faculty.stanford.edu/~knuth/email.html ইমেল (চলুন হাইফেনটা বাদ দিই)]'' ডোনাল্ড কানুথের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ওয়েব পেজ। * ইমেল সেই সব মানুষের জন্য চমৎকার জিনিস যাদের জীবনের লক্ষ্য হলো সবকিছুর ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা। কিন্তু আমার জন্য নয়; আমার কাজ হলো সবকিছুর মূলে পৌঁছানো। আমি যা করি তার জন্য দীর্ঘ সময়ের পড়াশোনা এবং নিরবচ্ছিন্ন মনোযোগ প্রয়োজন। ** ''[http://www-cs-faculty.stanford.edu/~knuth/email.html ইমেল (চলুন হাইফেনটা বাদ দিই)]'' ডোনাল্ড কানুথের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ওয়েব পেজ। * আপনি কীভাবে [...] সংখ্যার মালিক হতে পারেন? সংখ্যা পুরো পৃথিবীর সম্পদ। ** টেক্স (TeX) তৈরির বিষয়ে তাঁর [http://www.webofstories.com/people/donald.knuth/52?o=SH ভিডিও বক্তব্যে] তিনি মন্তব্য করেন যে, জেরক্স (Xerox) তাঁকে তাদের সরঞ্জাম ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু শর্ত ছিল তাঁর তৈরি ফন্টগুলোর মালিকানা তাদের হবে। * আসলে, আমার জীবনের দশটি বছর টেক্স (TeX) প্রজেক্টে ব্যয় করার পর আমার প্রধান উপলব্ধি হলো যে, সফটওয়্যার তৈরি করা কঠিন। আমি এ পর্যন্ত যা কিছু করেছি তার মধ্যে এটিই সবচেয়ে কঠিন কাজ। ** {{cite journal | last = কানুথ | first = ডোনাল্ড | year = ২০০২ | title = অল কোয়েশ্চেনস অ্যানসারড | journal = নোটিসেস অফ দ্য এএমএস | volume = ৪৯ | issue = ৩ | pages = ৩২০ | url=http://www.ams.org/notices/200203/fea-knuth.pdf |format=PDF}} * আপনি যদি দেখেন যে আপনি আপনার সময়ের প্রায় পুরোটাই তত্ত্বে ব্যয় করছেন, তবে ব্যবহারিক বিষয়গুলোর দিকে কিছুটা নজর দিতে শুরু করুন; এটি আপনার তত্ত্বগুলোকে আরও উন্নত করবে। আপনি যদি দেখেন যে আপনি আপনার সময়ের প্রায় পুরোটাই অনুশীলনে বা ব্যবহারিক কাজে ব্যয় করছেন, তবে তাত্ত্বিক বিষয়গুলোর দিকে কিছুটা নজর দিন; এটি আপনার কাজকে আরও উন্নত করবে। ** ডোনাল্ড কানুথ; উদ্ধৃত: আরতুরো গঞ্জালেজ-গুটিয়েরেজ (২০০৭) ''মিনিমাম-লেন্থ করিডোরস: কমপ্লেক্সিটি অ্যান্ড অ্যাপ্রক্সিমেশনস''। পৃষ্ঠা ৯৯ * একভাবে বলতে গেলে, আমার জীবন হলো ইংরেজি ভাষা এবং গণিতের একটি উত্তল সমন্বয় (কনভেক্স কম্বিনেশন)। ... আর শুধু তাই নয়, আমি চাই আমার সন্তানরাও তেমন হোক: একই সাথে মস্তিষ্কের বাম দিক এবং ডান দিক ব্যবহার করা—এতে অনেক বেশি কাজ সম্পন্ন করা যায়। এটিই ছিল সমঝোতার অংশ। ** {{cite web|url=https://www.youtube.com/watch?v=2BdBfsXbST8 |work=এআই পডকাস্ট |date=৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ |title= অ্যালগরিদম, কমপ্লেক্সিটি, লাইফ, অ্যান্ড দ্য আর্ট অফ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং}} * একজন ভালো টেকনিক্যাল রাইটার সরাসরি তা প্রকাশ না করে প্রতিটি কথা দুবার বলেন: একবার আনুষ্ঠানিকভাবে এবং একবার অনানুষ্ঠানিকভাবে। অথবা হয়তো তিনবার। ** {{cite web|url=https://www.youtube.com/watch?v=2BdBfsXbST8 |work=এআই পডকাস্ট |date=৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ |title= অ্যালগরিদম, কমপ্লেক্সিটি, লাইফ, অ্যান্ড দ্য আর্ট অফ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং}} * আমি ধরে নিচ্ছি যে [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] অস্তিত্ব আছে এবং আমি আনন্দিত যে এটি প্রমাণ করার কোনো উপায় নেই। [কারণ] আমি যদি একবার প্রমাণটি পেয়ে যেতাম, তবে আমি তা ভুলে যেতাম এবং আধ্যাত্মিক বিষয় বা রহস্য নিয়ে আর কখনোই ভাবতাম না। আর আমি মনে করি, তখন আমার জীবনটি খুব অপূর্ণ থেকে যেত। ** {{cite web|url=https://www.youtube.com/watch?v=2BdBfsXbST8 |work=এআই পডকাস্ট |date=৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ |title= অ্যালগরিদম, কমপ্লেক্সিটি, লাইফ, অ্যান্ড দ্য আর্ট অফ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং}} * অবশেষে আমি দর্শনের একটি সারকথা পেয়েছি আর তা হলো "০.৮ ই যথেষ্ট"। ... আমার কাছে যদি সুখ পরিমাপের কোনো উপায় থাকত, তবে আমি মনে করি এমন একটি প্রাণসত্তা তৈরি করা ভালো ডিজাইন হবে যে সময়ের ৮০% ভাগ সুখী থাকে। যদি তা ১০০% হতো, তবে মনে হতো সবাই মাদকে আচ্ছন্ন এবং সবকিছু ধসে পড়ত, কারণ সবাই মাত্রাতিরিক্ত সুখী হয়ে যেত। ... এমন সময় আসে যখন আমি বিষণ্ণ বোধ করি এবং আমি জানি যে আসলে আমাকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিষণ্ণ থাকার প্রোগ্রামিং দিয়েই তৈরি করা হয়েছে। ** {{cite web|url=https://www.youtube.com/watch?v=2BdBfsXbST8 |work=এআই পডকাস্ট |date=৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ |title= অ্যালগরিদম, কমপ্লেক্সিটি, লাইফ, অ্যান্ড দ্য আর্ট অফ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং}} * আসুন সত্যটা স্বীকার করি, পৃথিবীতে যদি আমার মতো ১০ জন মানুষ থাকত, তবে আমাদের একে অপরের বই পড়ার সময়টুকুও থাকত না। ** {{cite web |url=https://www.youtube.com/watch?v=xLBvCB2kr4Q |title="All Questions Answered" by Donald Knuth |work=GoogleTechTalks |publisher=YouTube |date=২৯ মে ২০১১ }} * বেশিরভাগ মানুষ পাই -এর মান কেবল দশমিক পদ্ধতিতেই জানে। ** {{cite web |url=https://www.youtube.com/watch?v=3DKo219ZHMw&t=22m5s |title="Stanford Lecture: Don Knuth - "Pi and The Art of Computer Programming"" by Donald Knuth |work=Stanford |publisher=YouTube |date=২১ ডিসেম্বর ২০১৯ }} === ''[[w:দ্য আর্ট অফ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং]]'' (১৯৬৮–২০১১) === * মেশিন-ওরিয়েন্টেড ভাষা বোঝার মাধ্যমে একজন প্রোগ্রামার অনেক বেশি দক্ষ পদ্ধতি ব্যবহারের দিকে ঝুঁকে পড়েন; এটি বাস্তবতার অনেক বেশি কাছাকাছি। ** প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণের ভূমিকা (অক্টোবর ১৯৬৭)। (পৃষ্ঠা ১০ ১৯৭৩, পৃষ্ঠা ৯ ১৯৯৭) * একটি অ্যালগরিদম বিশ্বাস করার জন্য সেটিকে অবশ্যই চোখের সামনে দেখা প্রয়োজন। ** প্রথম খণ্ড, ''ফান্ডামেন্টাল অ্যালগরিদম'', বিভাগ ১.১ (১৯৬৮) * যারা কম্পিউটারের প্রতি সাধারণ আগ্রহের চেয়ে একটু বেশি আগ্রহী, তাদের অন্তত হার্ডওয়্যারের গঠন সম্পর্কে কিছুটা ধারণা থাকা উচিত। তা না হলে তাদের লেখা প্রোগ্রামগুলো বেশ অদ্ভুত হবে। ** প্রথম খণ্ড, ফ্যাসিকল ১, "এম এম আই এক্স , এ আরআইএসসি কম্পিউটার ফর দ্য নিউ মিলেনিয়াম" * যথেচ্ছ বা র্যান্ডম সংখ্যা তৈরির জন্য কোনো পদ্ধতি যথেচ্ছভাবে নির্বাচন করা উচিত নয়। ** দ্বিতীয় খণ্ড, ''সেমিনিউমেরিক্যাল অ্যালগরিদম'' * দীর্ঘ মেয়াদে সূর্য যতবার ওঠে, ঠিক ততবারই অস্ত যায়; কিন্তু এই বিষয়টি তার গতিকে যথেচ্ছ বা র্যান্ডম করে তোলে না। ** দ্বিতীয় খণ্ড, ''সেমিনিউমেরিক্যাল অ্যালগরিদম'', বিভাগ ৩.৩.২ অংশ B, প্রথম অনুচ্ছেদ (১৯৬৯) * এর কারণ "বিট চেজিং" মহিমান্বিত করা নয়; বরং এখানে আরও মৌলিক একটি বিষয় জড়িত: ''গাণিতিক সাবরুটিনগুলো থেকে যখনই সম্ভব এমন ফলাফল পাওয়া উচিত যা সহজ এবং কার্যকর গাণিতিক নিয়মগুলোকে সিদ্ধ করে''। [...] কোনো মৌলিক সামঞ্জস্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ছাড়া চমৎকার ফলাফল প্রমাণ করার কাজটি অত্যন্ত বিরক্তিকর হয়ে ওঠে। ''নিজের ব্যবহৃত সরঞ্জামগুলো উপভোগ করা সফল কাজের একটি অপরিহার্য উপাদান''। ** দ্বিতীয় খণ্ড, ''সেমিনিউমেরিক্যাল অ্যালগরিদম'', বিভাগ ৪.২.২ অংশ "এ", শেষ অনুচ্ছেদ। * এই সূচিতে কোনো ভুলভ্রান্তি থাকলে তা এই তথ্যের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে যে, এটি একটি কম্পিউটারের সাহায্যে সাজানো হয়েছে। ** তৃতীয় খণ্ড, ''সর্টিং অ্যান্ড সার্চিং'', সূচির শেষে (১৯৭৩)। * [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানের]] প্রায় সবখানেই গাছের মতো শাখা-প্রশাখা (ট্রি) গজিয়ে ওঠে... ** খণ্ড ৪-A, ''কম্বিনেটোরিয়াল অ্যালগরিদম'', বিভাগ ৪.২.১.৬ (২০১১)। === আর্ট হিসেবে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং (১৯৭৪) === ১৯৭৪ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] [http://amturing.acm.org/award_winners/knuth_1013846.cfm বক্তৃতা], ''[[w:কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম|কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম]]'' '''১৭''' (১২), (ডিসেম্বর ১৯৭৪), পৃষ্ঠা ৬৬৭–৬৭৩। * বিজ্ঞান হলো সেই জ্ঞান যা আমরা এত ভালোভাবে বুঝি যে আমরা এটি একটি কম্পিউটারকে শেখাতে পারি; আর যদি আমরা কোনো কিছু পুরোপুরি বুঝতে না পারি, তবে সেটি নিয়ে কাজ করাটাই হলো শিল্প। ** পৃষ্ঠা ৬৬৮। * এই অর্থে, আমাদের ক্রমাগত ''প্রতিটি'' শিল্পকে বিজ্ঞানে রূপান্তর করার চেষ্টা করা উচিত: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আমরা সেই শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাই। ** পৃষ্ঠা ৬৬৯। * আসল সমস্যা হলো প্রোগ্রামাররা ভুল জায়গায় এবং ভুল সময়ে দক্ষতা বা এফিসিয়েন্সি নিয়ে ভেবে অনেক বেশি সময় নষ্ট করেছেন; '''অপরিণত অপ্টিমাইজেশন হলো প্রোগ্রামিংয়ের সব অনিষ্টের (অথবা অন্তত অধিকাংশের) মূল'''। ** পৃষ্ঠা ৬৭১। ** প্রোগ্রামাররা তাদের প্রোগ্রামের গুরুত্বহীন অংশগুলোর গতি বাড়ানো নিয়ে ভেবে প্রচুর সময় নষ্ট করেন। কার্যকারিতা বাড়ানোর এই প্রচেষ্টাগুলো আসলে ত্রুটি সংশোধন (ডিবাগিং) এবং রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আমাদের উচিত ছোটখাটো দক্ষতার কথা ভুলে যাওয়া, ধরা যাক প্রায় ৯৭% সময়ের জন্য: অপরিণত অপ্টিমাইজেশন হলো সব অনিষ্টের মূল। তবুও আমাদের সেই গুরুত্বপূর্ণ ৩% সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়। *** কানুথের "স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং উইথ গোটো স্টেটমেন্টস" নিবন্ধের ভিন্নরূপ। ''কম্পিউটিং সার্ভে'' '''৬''':৪ (ডিসেম্বর ১৯৭৪), পৃষ্ঠা ২৬১–৩০১। {{doi|10.1145/356635.356640}} ** কানুথ ১৫ বছর পর "দ্য এররস অফ টেক্স" (১৯৮৯) নিবন্ধে একে "হোরের নীতি" হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে এই উক্তিটি [[সি. এ. আর. হোর|সি. এ. আর. হোরের]] কি না তা নিয়ে সন্দেহ আছে। * সংক্ষেপে: আমরা দেখেছি যে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং একটি শিল্প, কারণ এটি অর্জিত জ্ঞানকে পৃথিবীতে প্রয়োগ করে, কারণ এতে দক্ষতা ও চতুরতার প্রয়োজন হয় এবং বিশেষ করে কারণ এটি সুন্দর জিনিস তৈরি করে। একজন প্রোগ্রামার যিনি অবচেতনভাবে নিজেকে একজন শিল্পী হিসেবে দেখেন, তিনি নিজের কাজ উপভোগ করবেন এবং তা আরও ভালোভাবে করবেন। তাই আমরা খুশি হতে পারি যে কম্পিউটার কনফারেন্সের বক্তারা একে "শিল্পের অবস্থা" হিসেবে অভিহিত করেন। ** পৃষ্ঠা ৬৭৩। === লিটারেট প্রোগ্রামিং (১৯৮৪) === * আসুন আমরা প্রোগ্রাম তৈরির চিরাচরিত দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করি: আমাদের প্রধান কাজ একটি ''কম্পিউটারকে'' কী করতে হবে তা নির্দেশ দেওয়া—এমনটা ভাবার বদলে বরং আমরা মানুষকে এটি বুঝিয়ে বলার দিকে মনোযোগ দিই যে আমরা একটি কম্পিউটারকে দিয়ে কী করাতে চাই। ** "লিটারেট প্রোগ্রামিং", ''দ্য কম্পিউটার জার্নাল'' '''২৭''' (১৯৮৪), পৃষ্ঠা ৯৭। (পুনর্মুদ্রিত: ''লিটারেট প্রোগ্রামিং'', ১৯৯২, পৃষ্ঠা ৯৯)। == {{PAGENAME}} সম্পর্কে উক্তি == * অ্যালগরিদম বিশ্লেষণ এবং প্রোগ্রামিং ভাষার নকশায় তাঁর বিশেষ অবদানের জন্য, এবং বিশেষ করে তাঁর এই শিরোনামে ধারাবাহিক ও সুপরিচিত বইগুলোর মাধ্যমে "কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের শিল্পে" অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ। ** ১৯৭৪ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] সম্মাননা। [http://awards.acm.org/citation.cfm?id=7143252&srt=all&aw=140&ao=AMTURING] == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:কানুথ, ডোনাল্ড}} [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মিলওয়াকির ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রোগ্রামার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গণিতবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:নকশাকার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুরকার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্গানবাদক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লুথারান]] [[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল মেডেল অফ সায়েন্স বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] b0mpnoibbp067h42fp4f187t1ctogrf 78778 78777 2026-04-20T03:34:57Z Sumanta3023 4175 /* উক্তি */ 78778 wikitext text/x-wiki [[File:KnuthAtOpenContentAlliance.jpg|thumb|200px|আমাদের ক্রমাগত প্রতিটি শিল্পকে বিজ্ঞানে রূপান্তর করার চেষ্টা করা উচিত: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আমরা সেই শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাই।]] '''[[w:ডোনাল্ড কানুথ|ডোনাল্ড আরভিন কানুথ]]''' (জন্ম ১০ জানুয়ারি ১৯৩৮) একজন মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী, স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস অধ্যাপক এবং ১৯৭৪ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বিজয়ী। == উক্তি == * ওপরের কোডটিতে থাকা ত্রুটি (বাগ) সম্পর্কে সতর্ক থাকবেন; আমি কেবল এটি যে সঠিক তা প্রমাণ করেছি, নিজে চালিয়ে দেখিনি। ** ডোনাল্ড কানুথের [https://www-cs-faculty.stanford.edu/~knuth/faq.html ওয়েবসাইট] অনুসারে, এই বাক্যটি তার একটি মেমোর শেষে ব্যবহার করা হয়েছিল, যার শিরোনাম ছিল— ''প্রায়োরিটি ডেকের ভ্যান এমডে বোয়াস গঠন বিষয়ক টীকা: রিকারশনের একটি শিক্ষণীয় প্রয়োগ'' (১৯৭৭)। * জীববিজ্ঞানের ব্যাপারে আমি যতটা আত্মবিশ্বাসী, [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানের]] ব্যাপারে ততটা হতে পারছি না। জীববিজ্ঞানে কাজ করার মতো অন্তত ৫০০ বছরের রোমাঞ্চকর সমস্যা রয়েছে। এটি সেই পর্যায়ের। ** [http://karthikr.wordpress.com/2006/04/06/donald-knuth-%e2%80%94-computer-literacy-bookshops-interview-1993/ কম্পিউটার লিটারেসি বুকশপস সাক্ষাৎকার] (১৯৯৩) *** বায়োইনফরমেটিক্স কেন খুব রোমাঞ্চকর, সে বিষয়ে কথা বলার সময়। * একজন [প্রোগ্রামারের] মনস্তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যের প্রধান দিক হলো বিমূর্তায়নের (অ্যাবস্ট্রাকশন) স্তরগুলো পরিবর্তন করার ক্ষমতা—নিম্নস্তর থেকে উচ্চস্তরে অনায়াসে যাতায়াত করা। কোনো বিষয়কে ক্ষুদ্র পরিসরে এবং বৃহৎ পরিসরে সমানভাবে দেখতে পারা। ** জ্যাক ওয়ার। [http://www.drdobbs.com/an-interview-with-donald-knuth/184409858 ডোনাল্ড কানুথের সাথে একটি সাক্ষাৎকার]। ''ডক্টর ডবস জার্নাল'', পৃষ্ঠা ১৬–২২ (এপ্রিল ১৯৯৬) * একবার যখন আপনার থাকার জন্য একটি সুন্দর বাড়ি আর খাওয়ার মতো যথেষ্ট খাবার হয়ে যাবে, তখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপনি অন্যের জন্য কী করতে পারছেন, সামগ্রিক উদ্যোগে আপনার অবদান কতটা। ** জ্যাক ওয়ার। [http://www.drdobbs.com/an-interview-with-donald-knuth/184409858 ডোনাল্ড কানুথের সাথে একটি সাক্ষাৎকার]। ডক্টর ডবস জার্নাল, পৃষ্ঠা ১৬–২২ (এপ্রিল ১৯৯৬) * একজন গণিতবিদের জীবনকে সার্থক করে তোলে এই বিষয়টিই যে, তিনি তার তিন-চারজন সহকর্মীর কাছ থেকে কিছুটা অনিচ্ছাসত্ত্বেও প্রশংসা পান। ** জ্যাক ওয়ার। [http://www.drdobbs.com/an-interview-with-donald-knuth/184409858 ডোনাল্ড কানুথের সাথে একটি সাক্ষাৎকার]। ডক্টর ডবস জার্নাল, পৃষ্ঠা ১৬–২২ (এপ্রিল ১৯৯৬) * বিজ্ঞান হলো তা-ই যা আমরা একটি কম্পিউটারকে বুঝিয়ে বলার মতো যথেষ্ট ভালোভাবে বুঝি। এর বাইরে আমরা যা কিছু করি, সবই হলো শিল্প। ** ''[https://www.math.upenn.edu/~wilf/AeqB.html A=B]'' বইয়ের ভূমিকা (১৯৯৬) * কোনো গাণিতিক সূত্র কখনোই কারো "মালিকানাধীন" হওয়া উচিত নয়! [[গণিত]] হলো [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] সম্পদ। ** ''ডিজিটাল টাইপোগ্রাফি'', অধ্যায় ১, পৃষ্ঠা ৮ (১৯৯৯) * আমি [[ইউনিক্স|ইউনিক্সকে]] এভাবে সংজ্ঞায়িত করি— ''একই ছাদের নিচে বসবাসকারী রেগুলার এক্সপ্রেশনের ৩০টি সংজ্ঞা''। ** ''ডিজিটাল টাইপোগ্রাফি'', অধ্যায় ৩৩, পৃষ্ঠা ৬৪৯ (১৯৯৯) * আমি কোনো রেস্তোরাঁয় গিয়ে খাবার অর্ডার করতে পারি না, কারণ আমি মেনু কার্ডের ফন্টগুলোর দিকেই তাকিয়ে থাকি। ** {{cite journal | last = কানুথ | first = ডোনাল্ড | year = ২০০২ | title = অল কোয়েশ্চেনস অ্যানসারড | journal = নোটিসেস অফ দ্য এএমএস | volume = ৪৯ | issue = ৩ | pages = ৩২১ | url=http://www.ams.org/notices/200203/fea-knuth.pdf |format=PDF}} * ১৯৯০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আমি একজন সুখী মানুষ, কারণ তখন থেকে আমার কোনো ইমেল ঠিকানা নেই। আমি ১৯৭৫ সাল থেকে ইমেল ব্যবহার করে আসছি, আর আমার মনে হয় এক জীবনে ১৫ বছরের ইমেল ব্যবহারই যথেষ্ট। ** ''[http://www-cs-faculty.stanford.edu/~knuth/email.html ইমেল (চলুন হাইফেনটা বাদ দিই)]'' ডোনাল্ড কানুথের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ওয়েব পেজ। * ইমেল সেই সব মানুষের জন্য চমৎকার জিনিস যাদের জীবনের লক্ষ্য হলো সবকিছুর ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা। কিন্তু আমার জন্য নয়; আমার কাজ হলো সবকিছুর মূলে পৌঁছানো। আমি যা করি তার জন্য দীর্ঘ সময়ের পড়াশোনা এবং নিরবচ্ছিন্ন মনোযোগ প্রয়োজন। ** ''[http://www-cs-faculty.stanford.edu/~knuth/email.html ইমেল (চলুন হাইফেনটা বাদ দিই)]'' ডোনাল্ড কানুথের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ওয়েব পেজ। * আপনি কীভাবে [...] সংখ্যার মালিক হতে পারেন? সংখ্যা পুরো পৃথিবীর সম্পদ। ** টেক্স (TeX) তৈরির বিষয়ে তাঁর [http://www.webofstories.com/people/donald.knuth/52?o=SH ভিডিও বক্তব্যে] তিনি মন্তব্য করেন যে, জেরক্স (Xerox) তাঁকে তাদের সরঞ্জাম ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু শর্ত ছিল তাঁর তৈরি ফন্টগুলোর মালিকানা তাদের হবে। * আসলে, আমার জীবনের দশটি বছর টেক্স (TeX) প্রজেক্টে ব্যয় করার পর আমার প্রধান উপলব্ধি হলো যে, সফটওয়্যার তৈরি করা কঠিন। আমি এ পর্যন্ত যা কিছু করেছি তার মধ্যে এটিই সবচেয়ে কঠিন কাজ। ** {{cite journal | last = কানুথ | first = ডোনাল্ড | year = ২০০২ | title = অল কোয়েশ্চেনস অ্যানসারড | journal = নোটিসেস অফ দ্য এএমএস | volume = ৪৯ | issue = ৩ | pages = ৩২০ | url=http://www.ams.org/notices/200203/fea-knuth.pdf |format=PDF}} * আপনি যদি দেখেন যে আপনি আপনার সময়ের প্রায় পুরোটাই তত্ত্বে ব্যয় করছেন, তবে ব্যবহারিক বিষয়গুলোর দিকে কিছুটা নজর দিতে শুরু করুন; এটি আপনার তত্ত্বগুলোকে আরও উন্নত করবে। আপনি যদি দেখেন যে আপনি আপনার সময়ের প্রায় পুরোটাই অনুশীলনে বা ব্যবহারিক কাজে ব্যয় করছেন, তবে তাত্ত্বিক বিষয়গুলোর দিকে কিছুটা নজর দিন; এটি আপনার কাজকে আরও উন্নত করবে। ** ডোনাল্ড কানুথ; উদ্ধৃত: আরতুরো গঞ্জালেজ-গুটিয়েরেজ (২০০৭) ''মিনিমাম-লেন্থ করিডোরস: কমপ্লেক্সিটি অ্যান্ড অ্যাপ্রক্সিমেশনস''। পৃষ্ঠা ৯৯ * একভাবে বলতে গেলে, আমার জীবন হলো ইংরেজি ভাষা এবং গণিতের একটি উত্তল সমন্বয় (কনভেক্স কম্বিনেশন)। ... আর শুধু তাই নয়, আমি চাই আমার সন্তানরাও তেমন হোক: একই সাথে মস্তিষ্কের বাম দিক এবং ডান দিক ব্যবহার করা—এতে অনেক বেশি কাজ সম্পন্ন করা যায়। এটিই ছিল সমঝোতার অংশ। ** {{cite web|url=https://www.youtube.com/watch?v=2BdBfsXbST8 |work=এআই পডকাস্ট |date=৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ |title= অ্যালগরিদম, কমপ্লেক্সিটি, লাইফ, অ্যান্ড দ্য আর্ট অফ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং}} * একজন ভালো টেকনিক্যাল রাইটার সরাসরি তা প্রকাশ না করে প্রতিটি কথা দুবার বলেন: একবার আনুষ্ঠানিকভাবে এবং একবার অনানুষ্ঠানিকভাবে। অথবা হয়তো তিনবার। ** {{cite web|url=https://www.youtube.com/watch?v=2BdBfsXbST8 |work=এআই পডকাস্ট |date=৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ |title= অ্যালগরিদম, কমপ্লেক্সিটি, লাইফ, অ্যান্ড দ্য আর্ট অফ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং}} * আমি ধরে নিচ্ছি যে [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] অস্তিত্ব আছে এবং আমি আনন্দিত যে এটি প্রমাণ করার কোনো উপায় নেই। [কারণ] আমি যদি একবার প্রমাণটি পেয়ে যেতাম, তবে আমি তা ভুলে যেতাম এবং আধ্যাত্মিক বিষয় বা রহস্য নিয়ে আর কখনোই ভাবতাম না। আর আমি মনে করি, তখন আমার জীবনটি খুব অপূর্ণ থেকে যেত। ** {{cite web|url=https://www.youtube.com/watch?v=2BdBfsXbST8 |work=এআই পডকাস্ট |date=৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ |title= অ্যালগরিদম, কমপ্লেক্সিটি, লাইফ, অ্যান্ড দ্য আর্ট অফ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং}} * অবশেষে আমি দর্শনের একটি সারকথা পেয়েছি আর তা হলো "০.৮ ই যথেষ্ট"। ... আমার কাছে যদি সুখ পরিমাপের কোনো উপায় থাকত, তবে আমি মনে করি এমন একটি প্রাণসত্তা তৈরি করা ভালো ডিজাইন হবে যে সময়ের ৮০% ভাগ সুখী থাকে। যদি তা ১০০% হতো, তবে মনে হতো সবাই মাদকে আচ্ছন্ন এবং সবকিছু ধসে পড়ত, কারণ সবাই মাত্রাতিরিক্ত সুখী হয়ে যেত। ... এমন সময় আসে যখন আমি বিষণ্ণ বোধ করি এবং আমি জানি যে আসলে আমাকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিষণ্ণ থাকার প্রোগ্রামিং দিয়েই তৈরি করা হয়েছে। ** {{cite web|url=https://www.youtube.com/watch?v=2BdBfsXbST8 |work=এআই পডকাস্ট |date=৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ |title= অ্যালগরিদম, কমপ্লেক্সিটি, লাইফ, অ্যান্ড দ্য আর্ট অফ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং}} * আসুন সত্যটা স্বীকার করি, পৃথিবীতে যদি আমার মতো ১০ জন মানুষ থাকত, তবে আমাদের একে অপরের বই পড়ার সময়টুকুও থাকত না। ** {{cite web |url=https://www.youtube.com/watch?v=xLBvCB2kr4Q |title="All Questions Answered" by Donald Knuth |work=GoogleTechTalks |publisher=YouTube |date=২৯ মে ২০১১ }} * বেশিরভাগ মানুষ পাই -এর মান কেবল দশমিক পদ্ধতিতেই জানে। ** {{cite web |url=https://www.youtube.com/watch?v=3DKo219ZHMw&t=22m5s |title="Stanford Lecture: Don Knuth - "Pi and The Art of Computer Programming"" by Donald Knuth |work=Stanford |publisher=YouTube |date=২১ ডিসেম্বর ২০১৯ }} === ''[[w:দ্য আর্ট অফ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং]]'' (১৯৬৮–২০১১) === * মেশিন-ওরিয়েন্টেড ভাষা বোঝার মাধ্যমে একজন প্রোগ্রামার অনেক বেশি দক্ষ পদ্ধতি ব্যবহারের দিকে ঝুঁকে পড়েন; এটি বাস্তবতার অনেক বেশি কাছাকাছি। ** প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণের ভূমিকা (অক্টোবর ১৯৬৭)। (পৃষ্ঠা ১০ ১৯৭৩, পৃষ্ঠা ৯ ১৯৯৭) * একটি অ্যালগরিদম বিশ্বাস করার জন্য সেটিকে অবশ্যই চোখের সামনে দেখা প্রয়োজন। ** প্রথম খণ্ড, ''ফান্ডামেন্টাল অ্যালগরিদম'', বিভাগ ১.১ (১৯৬৮) * যারা কম্পিউটারের প্রতি সাধারণ আগ্রহের চেয়ে একটু বেশি আগ্রহী, তাদের অন্তত হার্ডওয়্যারের গঠন সম্পর্কে কিছুটা ধারণা থাকা উচিত। তা না হলে তাদের লেখা প্রোগ্রামগুলো বেশ অদ্ভুত হবে। ** প্রথম খণ্ড, ফ্যাসিকল ১, "এম এম আই এক্স , এ আরআইএসসি কম্পিউটার ফর দ্য নিউ মিলেনিয়াম" * যথেচ্ছ বা র্যান্ডম সংখ্যা তৈরির জন্য কোনো পদ্ধতি যথেচ্ছভাবে নির্বাচন করা উচিত নয়। ** দ্বিতীয় খণ্ড, ''সেমিনিউমেরিক্যাল অ্যালগরিদম'' * দীর্ঘ মেয়াদে সূর্য যতবার ওঠে, ঠিক ততবারই অস্ত যায়; কিন্তু এই বিষয়টি তার গতিকে যথেচ্ছ বা র্যান্ডম করে তোলে না। ** দ্বিতীয় খণ্ড, ''সেমিনিউমেরিক্যাল অ্যালগরিদম'', বিভাগ ৩.৩.২ অংশ B, প্রথম অনুচ্ছেদ (১৯৬৯) * এর কারণ "বিট চেজিং" মহিমান্বিত করা নয়; বরং এখানে আরও মৌলিক একটি বিষয় জড়িত: ''গাণিতিক সাবরুটিনগুলো থেকে যখনই সম্ভব এমন ফলাফল পাওয়া উচিত যা সহজ এবং কার্যকর গাণিতিক নিয়মগুলোকে সিদ্ধ করে''। [...] কোনো মৌলিক সামঞ্জস্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ছাড়া চমৎকার ফলাফল প্রমাণ করার কাজটি অত্যন্ত বিরক্তিকর হয়ে ওঠে। ''নিজের ব্যবহৃত সরঞ্জামগুলো উপভোগ করা সফল কাজের একটি অপরিহার্য উপাদান''। ** দ্বিতীয় খণ্ড, ''সেমিনিউমেরিক্যাল অ্যালগরিদম'', বিভাগ ৪.২.২ অংশ "এ", শেষ অনুচ্ছেদ। * এই সূচিতে কোনো ভুলভ্রান্তি থাকলে তা এই তথ্যের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে যে, এটি একটি কম্পিউটারের সাহায্যে সাজানো হয়েছে। ** তৃতীয় খণ্ড, ''সর্টিং অ্যান্ড সার্চিং'', সূচির শেষে (১৯৭৩)। * [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানের]] প্রায় সবখানেই গাছের মতো শাখা-প্রশাখা (ট্রি) গজিয়ে ওঠে... ** খণ্ড ৪-A, ''কম্বিনেটোরিয়াল অ্যালগরিদম'', বিভাগ ৪.২.১.৬ (২০১১)। === আর্ট হিসেবে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং (১৯৭৪) === ১৯৭৪ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] [http://amturing.acm.org/award_winners/knuth_1013846.cfm বক্তৃতা], ''[[w:কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম|কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম]]'' '''১৭''' (১২), (ডিসেম্বর ১৯৭৪), পৃষ্ঠা ৬৬৭–৬৭৩। * বিজ্ঞান হলো সেই জ্ঞান যা আমরা এত ভালোভাবে বুঝি যে আমরা এটি একটি কম্পিউটারকে শেখাতে পারি; আর যদি আমরা কোনো কিছু পুরোপুরি বুঝতে না পারি, তবে সেটি নিয়ে কাজ করাটাই হলো শিল্প। ** পৃষ্ঠা ৬৬৮। * এই অর্থে, আমাদের ক্রমাগত ''প্রতিটি'' শিল্পকে বিজ্ঞানে রূপান্তর করার চেষ্টা করা উচিত: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আমরা সেই শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাই। ** পৃষ্ঠা ৬৬৯। * আসল সমস্যা হলো প্রোগ্রামাররা ভুল জায়গায় এবং ভুল সময়ে দক্ষতা বা এফিসিয়েন্সি নিয়ে ভেবে অনেক বেশি সময় নষ্ট করেছেন; '''অপরিণত অপ্টিমাইজেশন হলো প্রোগ্রামিংয়ের সব অনিষ্টের (অথবা অন্তত অধিকাংশের) মূল'''। ** পৃষ্ঠা ৬৭১। ** প্রোগ্রামাররা তাদের প্রোগ্রামের গুরুত্বহীন অংশগুলোর গতি বাড়ানো নিয়ে ভেবে প্রচুর সময় নষ্ট করেন। কার্যকারিতা বাড়ানোর এই প্রচেষ্টাগুলো আসলে ত্রুটি সংশোধন (ডিবাগিং) এবং রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আমাদের উচিত ছোটখাটো দক্ষতার কথা ভুলে যাওয়া, ধরা যাক প্রায় ৯৭% সময়ের জন্য: অপরিণত অপ্টিমাইজেশন হলো সব অনিষ্টের মূল। তবুও আমাদের সেই গুরুত্বপূর্ণ ৩% সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়। *** কানুথের "স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং উইথ গোটো স্টেটমেন্টস" নিবন্ধের ভিন্নরূপ। ''কম্পিউটিং সার্ভে'' '''৬''':৪ (ডিসেম্বর ১৯৭৪), পৃষ্ঠা ২৬১–৩০১। {{doi|10.1145/356635.356640}} ** কানুথ ১৫ বছর পর "দ্য এররস অফ টেক্স" (১৯৮৯) নিবন্ধে একে "হোরের নীতি" হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে এই উক্তিটি [[সি. এ. আর. হোর|সি. এ. আর. হোরের]] কি না তা নিয়ে সন্দেহ আছে। * সংক্ষেপে: আমরা দেখেছি যে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং একটি শিল্প, কারণ এটি অর্জিত জ্ঞানকে পৃথিবীতে প্রয়োগ করে, কারণ এতে দক্ষতা ও চতুরতার প্রয়োজন হয় এবং বিশেষ করে কারণ এটি সুন্দর জিনিস তৈরি করে। একজন প্রোগ্রামার যিনি অবচেতনভাবে নিজেকে একজন শিল্পী হিসেবে দেখেন, তিনি নিজের কাজ উপভোগ করবেন এবং তা আরও ভালোভাবে করবেন। তাই আমরা খুশি হতে পারি যে কম্পিউটার কনফারেন্সের বক্তারা একে "শিল্পের অবস্থা" হিসেবে অভিহিত করেন। ** পৃষ্ঠা ৬৭৩। === লিটারেট প্রোগ্রামিং (১৯৮৪) === * আসুন আমরা প্রোগ্রাম তৈরির চিরাচরিত দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করি: আমাদের প্রধান কাজ একটি ''কম্পিউটারকে'' কী করতে হবে তা নির্দেশ দেওয়া—এমনটা ভাবার বদলে বরং আমরা মানুষকে এটি বুঝিয়ে বলার দিকে মনোযোগ দিই যে আমরা একটি কম্পিউটারকে দিয়ে কী করাতে চাই। ** "লিটারেট প্রোগ্রামিং", ''দ্য কম্পিউটার জার্নাল'' '''২৭''' (১৯৮৪), পৃষ্ঠা ৯৭। (পুনর্মুদ্রিত: ''লিটারেট প্রোগ্রামিং'', ১৯৯২, পৃষ্ঠা ৯৯)। == {{PAGENAME}} সম্পর্কে উক্তি == * অ্যালগরিদম বিশ্লেষণ এবং প্রোগ্রামিং ভাষার নকশায় তাঁর বিশেষ অবদানের জন্য, এবং বিশেষ করে তাঁর এই শিরোনামে ধারাবাহিক ও সুপরিচিত বইগুলোর মাধ্যমে "কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের শিল্পে" অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ। ** ১৯৭৪ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] সম্মাননা। [http://awards.acm.org/citation.cfm?id=7143252&srt=all&aw=140&ao=AMTURING] == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:কানুথ, ডোনাল্ড}} [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মিলওয়াকির ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রোগ্রামার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গণিতবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:নকশাকার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুরকার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্গানবাদক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লুথারান]] [[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল মেডেল অফ সায়েন্স বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] 45prd78p7cjf4gnbrysezm19e2ranof 78779 78778 2026-04-20T03:35:37Z Sumanta3023 4175 78779 wikitext text/x-wiki [[File:KnuthAtOpenContentAlliance.jpg|thumb|200px|আমাদের ক্রমাগত প্রতিটি শিল্পকে বিজ্ঞানে রূপান্তর করার চেষ্টা করা উচিত: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আমরা সেই শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাই।]] '''[[w:ডোনাল্ড কানুথ|ডোনাল্ড আরভিন কানুথ]]''' (জন্ম ১০ জানুয়ারি ১৯৩৮) একজন মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী, স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস অধ্যাপক এবং ১৯৭৪ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বিজয়ী। == উক্তি == * ওপরের কোডটিতে থাকা ত্রুটি (বাগ) সম্পর্কে সতর্ক থাকবেন; আমি কেবল এটি যে সঠিক তা প্রমাণ করেছি, নিজে চালিয়ে দেখিনি। ** ডোনাল্ড কানুথের [https://www-cs-faculty.stanford.edu/~knuth/faq.html ওয়েবসাইট] অনুসারে, এই বাক্যটি তার একটি মেমোর শেষে ব্যবহার করা হয়েছিল, যার শিরোনাম ছিল— ''প্রায়োরিটি ডেকের ভ্যান এমডে বোয়াস গঠন বিষয়ক টীকা: রিকারশনের একটি শিক্ষণীয় প্রয়োগ'' (১৯৭৭)। * জীববিজ্ঞানের ব্যাপারে আমি যতটা আত্মবিশ্বাসী, [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানের]] ব্যাপারে ততটা হতে পারছি না। জীববিজ্ঞানে কাজ করার মতো অন্তত ৫০০ বছরের রোমাঞ্চকর সমস্যা রয়েছে। এটি সেই পর্যায়ের। ** [http://karthikr.wordpress.com/2006/04/06/donald-knuth-%e2%80%94-computer-literacy-bookshops-interview-1993/ কম্পিউটার লিটারেসি বুকশপস সাক্ষাৎকার] (১৯৯৩) *** বায়োইনফরমেটিক্স কেন খুব রোমাঞ্চকর, সে বিষয়ে কথা বলার সময়। * একজন [প্রোগ্রামারের] মনস্তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যের প্রধান দিক হলো বিমূর্তায়নের (অ্যাবস্ট্রাকশন) স্তরগুলো পরিবর্তন করার ক্ষমতা নিম্নস্তর থেকে উচ্চস্তরে অনায়াসে যাতায়াত করা। কোনো বিষয়কে ক্ষুদ্র পরিসরে এবং বৃহৎ পরিসরে সমানভাবে দেখতে পারা। ** জ্যাক ওয়ার। [http://www.drdobbs.com/an-interview-with-donald-knuth/184409858 ডোনাল্ড কানুথের সাথে একটি সাক্ষাৎকার]। ''ডক্টর ডবস জার্নাল'', পৃষ্ঠা ১৬–২২ (এপ্রিল ১৯৯৬) * একবার যখন আপনার থাকার জন্য একটি সুন্দর বাড়ি আর খাওয়ার মতো যথেষ্ট খাবার হয়ে যাবে, তখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপনি অন্যের জন্য কী করতে পারছেন, সামগ্রিক উদ্যোগে আপনার অবদান কতটা। ** জ্যাক ওয়ার। [http://www.drdobbs.com/an-interview-with-donald-knuth/184409858 ডোনাল্ড কানুথের সাথে একটি সাক্ষাৎকার]। ডক্টর ডবস জার্নাল, পৃষ্ঠা ১৬–২২ (এপ্রিল ১৯৯৬) * একজন গণিতবিদের জীবনকে সার্থক করে তোলে এই বিষয়টিই যে, তিনি তার তিন-চারজন সহকর্মীর কাছ থেকে কিছুটা অনিচ্ছাসত্ত্বেও প্রশংসা পান। ** জ্যাক ওয়ার। [http://www.drdobbs.com/an-interview-with-donald-knuth/184409858 ডোনাল্ড কানুথের সাথে একটি সাক্ষাৎকার]। ডক্টর ডবস জার্নাল, পৃষ্ঠা ১৬–২২ (এপ্রিল ১৯৯৬) * বিজ্ঞান হলো তা-ই যা আমরা একটি কম্পিউটারকে বুঝিয়ে বলার মতো যথেষ্ট ভালোভাবে বুঝি। এর বাইরে আমরা যা কিছু করি, সবই হলো শিল্প। ** ''[https://www.math.upenn.edu/~wilf/AeqB.html A=B]'' বইয়ের ভূমিকা (১৯৯৬) * কোনো গাণিতিক সূত্র কখনোই কারো "মালিকানাধীন" হওয়া উচিত নয়! [[গণিত]] হলো [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] সম্পদ। ** ''ডিজিটাল টাইপোগ্রাফি'', অধ্যায় ১, পৃষ্ঠা ৮ (১৯৯৯) * আমি [[ইউনিক্স|ইউনিক্সকে]] এভাবে সংজ্ঞায়িত করি ''একই ছাদের নিচে বসবাসকারী রেগুলার এক্সপ্রেশনের ৩০টি সংজ্ঞা''। ** ''ডিজিটাল টাইপোগ্রাফি'', অধ্যায় ৩৩, পৃষ্ঠা ৬৪৯ (১৯৯৯) * আমি কোনো রেস্তোরাঁয় গিয়ে খাবার অর্ডার করতে পারি না, কারণ আমি মেনু কার্ডের ফন্টগুলোর দিকেই তাকিয়ে থাকি। ** {{cite journal | last = কানুথ | first = ডোনাল্ড | year = ২০০২ | title = অল কোয়েশ্চেনস অ্যানসারড | journal = নোটিসেস অফ দ্য এএমএস | volume = ৪৯ | issue = ৩ | pages = ৩২১ | url=http://www.ams.org/notices/200203/fea-knuth.pdf |format=PDF}} * ১৯৯০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আমি একজন সুখী মানুষ, কারণ তখন থেকে আমার কোনো ইমেল ঠিকানা নেই। আমি ১৯৭৫ সাল থেকে ইমেল ব্যবহার করে আসছি, আর আমার মনে হয় এক জীবনে ১৫ বছরের ইমেল ব্যবহারই যথেষ্ট। ** ''[http://www-cs-faculty.stanford.edu/~knuth/email.html ইমেল (চলুন হাইফেনটা বাদ দিই)]'' ডোনাল্ড কানুথের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ওয়েব পেজ। * ইমেল সেই সব মানুষের জন্য চমৎকার জিনিস যাদের জীবনের লক্ষ্য হলো সবকিছুর ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা। কিন্তু আমার জন্য নয়; আমার কাজ হলো সবকিছুর মূলে পৌঁছানো। আমি যা করি তার জন্য দীর্ঘ সময়ের পড়াশোনা এবং নিরবচ্ছিন্ন মনোযোগ প্রয়োজন। ** ''[http://www-cs-faculty.stanford.edu/~knuth/email.html ইমেল (চলুন হাইফেনটা বাদ দিই)]'' ডোনাল্ড কানুথের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ওয়েব পেজ। * আপনি কীভাবে [...] সংখ্যার মালিক হতে পারেন? সংখ্যা পুরো পৃথিবীর সম্পদ। ** টেক্স (TeX) তৈরির বিষয়ে তাঁর [http://www.webofstories.com/people/donald.knuth/52?o=SH ভিডিও বক্তব্যে] তিনি মন্তব্য করেন যে, জেরক্স (Xerox) তাঁকে তাদের সরঞ্জাম ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু শর্ত ছিল তাঁর তৈরি ফন্টগুলোর মালিকানা তাদের হবে। * আসলে, আমার জীবনের দশটি বছর টেক্স (TeX) প্রজেক্টে ব্যয় করার পর আমার প্রধান উপলব্ধি হলো যে, সফটওয়্যার তৈরি করা কঠিন। আমি এ পর্যন্ত যা কিছু করেছি তার মধ্যে এটিই সবচেয়ে কঠিন কাজ। ** {{cite journal | last = কানুথ | first = ডোনাল্ড | year = ২০০২ | title = অল কোয়েশ্চেনস অ্যানসারড | journal = নোটিসেস অফ দ্য এএমএস | volume = ৪৯ | issue = ৩ | pages = ৩২০ | url=http://www.ams.org/notices/200203/fea-knuth.pdf |format=PDF}} * আপনি যদি দেখেন যে আপনি আপনার সময়ের প্রায় পুরোটাই তত্ত্বে ব্যয় করছেন, তবে ব্যবহারিক বিষয়গুলোর দিকে কিছুটা নজর দিতে শুরু করুন; এটি আপনার তত্ত্বগুলোকে আরও উন্নত করবে। আপনি যদি দেখেন যে আপনি আপনার সময়ের প্রায় পুরোটাই অনুশীলনে বা ব্যবহারিক কাজে ব্যয় করছেন, তবে তাত্ত্বিক বিষয়গুলোর দিকে কিছুটা নজর দিন; এটি আপনার কাজকে আরও উন্নত করবে। ** ডোনাল্ড কানুথ; উদ্ধৃত: আরতুরো গঞ্জালেজ-গুটিয়েরেজ (২০০৭) ''মিনিমাম-লেন্থ করিডোরস: কমপ্লেক্সিটি অ্যান্ড অ্যাপ্রক্সিমেশনস''। পৃষ্ঠা ৯৯ * একভাবে বলতে গেলে, আমার জীবন হলো ইংরেজি ভাষা এবং গণিতের একটি উত্তল সমন্বয় (কনভেক্স কম্বিনেশন)। ... আর শুধু তাই নয়, আমি চাই আমার সন্তানরাও তেমন হোক: একই সাথে মস্তিষ্কের বাম দিক এবং ডান দিক ব্যবহার করা এতে অনেক বেশি কাজ সম্পন্ন করা যায়। এটিই ছিল সমঝোতার অংশ। ** {{cite web|url=https://www.youtube.com/watch?v=2BdBfsXbST8 |work=এআই পডকাস্ট |date=৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ |title= অ্যালগরিদম, কমপ্লেক্সিটি, লাইফ, অ্যান্ড দ্য আর্ট অফ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং}} * একজন ভালো টেকনিক্যাল রাইটার সরাসরি তা প্রকাশ না করে প্রতিটি কথা দুবার বলেন: একবার আনুষ্ঠানিকভাবে এবং একবার অনানুষ্ঠানিকভাবে। অথবা হয়তো তিনবার। ** {{cite web|url=https://www.youtube.com/watch?v=2BdBfsXbST8 |work=এআই পডকাস্ট |date=৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ |title= অ্যালগরিদম, কমপ্লেক্সিটি, লাইফ, অ্যান্ড দ্য আর্ট অফ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং}} * আমি ধরে নিচ্ছি যে [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] অস্তিত্ব আছে এবং আমি আনন্দিত যে এটি প্রমাণ করার কোনো উপায় নেই। [কারণ] আমি যদি একবার প্রমাণটি পেয়ে যেতাম, তবে আমি তা ভুলে যেতাম এবং আধ্যাত্মিক বিষয় বা রহস্য নিয়ে আর কখনোই ভাবতাম না। আর আমি মনে করি, তখন আমার জীবনটি খুব অপূর্ণ থেকে যেত। ** {{cite web|url=https://www.youtube.com/watch?v=2BdBfsXbST8 |work=এআই পডকাস্ট |date=৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ |title= অ্যালগরিদম, কমপ্লেক্সিটি, লাইফ, অ্যান্ড দ্য আর্ট অফ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং}} * অবশেষে আমি দর্শনের একটি সারকথা পেয়েছি আর তা হলো "০.৮ ই যথেষ্ট"। ... আমার কাছে যদি সুখ পরিমাপের কোনো উপায় থাকত, তবে আমি মনে করি এমন একটি প্রাণসত্তা তৈরি করা ভালো ডিজাইন হবে যে সময়ের ৮০% ভাগ সুখী থাকে। যদি তা ১০০% হতো, তবে মনে হতো সবাই মাদকে আচ্ছন্ন এবং সবকিছু ধসে পড়ত, কারণ সবাই মাত্রাতিরিক্ত সুখী হয়ে যেত। ... এমন সময় আসে যখন আমি বিষণ্ণ বোধ করি এবং আমি জানি যে আসলে আমাকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিষণ্ণ থাকার প্রোগ্রামিং দিয়েই তৈরি করা হয়েছে। ** {{cite web|url=https://www.youtube.com/watch?v=2BdBfsXbST8 |work=এআই পডকাস্ট |date=৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ |title= অ্যালগরিদম, কমপ্লেক্সিটি, লাইফ, অ্যান্ড দ্য আর্ট অফ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং}} * আসুন সত্যটা স্বীকার করি, পৃথিবীতে যদি আমার মতো ১০ জন মানুষ থাকত, তবে আমাদের একে অপরের বই পড়ার সময়টুকুও থাকত না। ** {{cite web |url=https://www.youtube.com/watch?v=xLBvCB2kr4Q |title="All Questions Answered" by Donald Knuth |work=GoogleTechTalks |publisher=YouTube |date=২৯ মে ২০১১ }} * বেশিরভাগ মানুষ পাই -এর মান কেবল দশমিক পদ্ধতিতেই জানে। ** {{cite web |url=https://www.youtube.com/watch?v=3DKo219ZHMw&t=22m5s |title="Stanford Lecture: Don Knuth - "Pi and The Art of Computer Programming"" by Donald Knuth |work=Stanford |publisher=YouTube |date=২১ ডিসেম্বর ২০১৯ }} === ''[[w:দ্য আর্ট অফ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং]]'' (১৯৬৮–২০১১) === * মেশিন-ওরিয়েন্টেড ভাষা বোঝার মাধ্যমে একজন প্রোগ্রামার অনেক বেশি দক্ষ পদ্ধতি ব্যবহারের দিকে ঝুঁকে পড়েন; এটি বাস্তবতার অনেক বেশি কাছাকাছি। ** প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণের ভূমিকা (অক্টোবর ১৯৬৭)। (পৃষ্ঠা ১০ ১৯৭৩, পৃষ্ঠা ৯ ১৯৯৭) * একটি অ্যালগরিদম বিশ্বাস করার জন্য সেটিকে অবশ্যই চোখের সামনে দেখা প্রয়োজন। ** প্রথম খণ্ড, ''ফান্ডামেন্টাল অ্যালগরিদম'', বিভাগ ১.১ (১৯৬৮) * যারা কম্পিউটারের প্রতি সাধারণ আগ্রহের চেয়ে একটু বেশি আগ্রহী, তাদের অন্তত হার্ডওয়্যারের গঠন সম্পর্কে কিছুটা ধারণা থাকা উচিত। তা না হলে তাদের লেখা প্রোগ্রামগুলো বেশ অদ্ভুত হবে। ** প্রথম খণ্ড, ফ্যাসিকল ১, "এম এম আই এক্স , এ আরআইএসসি কম্পিউটার ফর দ্য নিউ মিলেনিয়াম" * যথেচ্ছ বা র্যান্ডম সংখ্যা তৈরির জন্য কোনো পদ্ধতি যথেচ্ছভাবে নির্বাচন করা উচিত নয়। ** দ্বিতীয় খণ্ড, ''সেমিনিউমেরিক্যাল অ্যালগরিদম'' * দীর্ঘ মেয়াদে সূর্য যতবার ওঠে, ঠিক ততবারই অস্ত যায়; কিন্তু এই বিষয়টি তার গতিকে যথেচ্ছ বা র্যান্ডম করে তোলে না। ** দ্বিতীয় খণ্ড, ''সেমিনিউমেরিক্যাল অ্যালগরিদম'', বিভাগ ৩.৩.২ অংশ B, প্রথম অনুচ্ছেদ (১৯৬৯) * এর কারণ "বিট চেজিং" মহিমান্বিত করা নয়; বরং এখানে আরও মৌলিক একটি বিষয় জড়িত: ''গাণিতিক সাবরুটিনগুলো থেকে যখনই সম্ভব এমন ফলাফল পাওয়া উচিত যা সহজ এবং কার্যকর গাণিতিক নিয়মগুলোকে সিদ্ধ করে''। [...] কোনো মৌলিক সামঞ্জস্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ছাড়া চমৎকার ফলাফল প্রমাণ করার কাজটি অত্যন্ত বিরক্তিকর হয়ে ওঠে। ''নিজের ব্যবহৃত সরঞ্জামগুলো উপভোগ করা সফল কাজের একটি অপরিহার্য উপাদান''। ** দ্বিতীয় খণ্ড, ''সেমিনিউমেরিক্যাল অ্যালগরিদম'', বিভাগ ৪.২.২ অংশ "এ", শেষ অনুচ্ছেদ। * এই সূচিতে কোনো ভুলভ্রান্তি থাকলে তা এই তথ্যের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে যে, এটি একটি কম্পিউটারের সাহায্যে সাজানো হয়েছে। ** তৃতীয় খণ্ড, ''সর্টিং অ্যান্ড সার্চিং'', সূচির শেষে (১৯৭৩)। * [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানের]] প্রায় সবখানেই গাছের মতো শাখা-প্রশাখা (ট্রি) গজিয়ে ওঠে... ** খণ্ড ৪-A, ''কম্বিনেটোরিয়াল অ্যালগরিদম'', বিভাগ ৪.২.১.৬ (২০১১)। === আর্ট হিসেবে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং (১৯৭৪) === ১৯৭৪ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] [http://amturing.acm.org/award_winners/knuth_1013846.cfm বক্তৃতা], ''[[w:কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম|কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম]]'' '''১৭''' (১২), (ডিসেম্বর ১৯৭৪), পৃষ্ঠা ৬৬৭–৬৭৩। * বিজ্ঞান হলো সেই জ্ঞান যা আমরা এত ভালোভাবে বুঝি যে আমরা এটি একটি কম্পিউটারকে শেখাতে পারি; আর যদি আমরা কোনো কিছু পুরোপুরি বুঝতে না পারি, তবে সেটি নিয়ে কাজ করাটাই হলো শিল্প। ** পৃষ্ঠা ৬৬৮। * এই অর্থে, আমাদের ক্রমাগত ''প্রতিটি'' শিল্পকে বিজ্ঞানে রূপান্তর করার চেষ্টা করা উচিত: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আমরা সেই শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাই। ** পৃষ্ঠা ৬৬৯। * আসল সমস্যা হলো প্রোগ্রামাররা ভুল জায়গায় এবং ভুল সময়ে দক্ষতা বা এফিসিয়েন্সি নিয়ে ভেবে অনেক বেশি সময় নষ্ট করেছেন; '''অপরিণত অপ্টিমাইজেশন হলো প্রোগ্রামিংয়ের সব অনিষ্টের (অথবা অন্তত অধিকাংশের) মূল'''। ** পৃষ্ঠা ৬৭১। ** প্রোগ্রামাররা তাদের প্রোগ্রামের গুরুত্বহীন অংশগুলোর গতি বাড়ানো নিয়ে ভেবে প্রচুর সময় নষ্ট করেন। কার্যকারিতা বাড়ানোর এই প্রচেষ্টাগুলো আসলে ত্রুটি সংশোধন (ডিবাগিং) এবং রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আমাদের উচিত ছোটখাটো দক্ষতার কথা ভুলে যাওয়া, ধরা যাক প্রায় ৯৭% সময়ের জন্য: অপরিণত অপ্টিমাইজেশন হলো সব অনিষ্টের মূল। তবুও আমাদের সেই গুরুত্বপূর্ণ ৩% সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়। *** কানুথের "স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং উইথ গোটো স্টেটমেন্টস" নিবন্ধের ভিন্নরূপ। ''কম্পিউটিং সার্ভে'' '''৬''':৪ (ডিসেম্বর ১৯৭৪), পৃষ্ঠা ২৬১–৩০১। {{doi|10.1145/356635.356640}} ** কানুথ ১৫ বছর পর "দ্য এররস অফ টেক্স" (১৯৮৯) নিবন্ধে একে "হোরের নীতি" হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে এই উক্তিটি [[সি. এ. আর. হোর|সি. এ. আর. হোরের]] কি না তা নিয়ে সন্দেহ আছে। * সংক্ষেপে: আমরা দেখেছি যে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং একটি শিল্প, কারণ এটি অর্জিত জ্ঞানকে পৃথিবীতে প্রয়োগ করে, কারণ এতে দক্ষতা ও চতুরতার প্রয়োজন হয় এবং বিশেষ করে কারণ এটি সুন্দর জিনিস তৈরি করে। একজন প্রোগ্রামার যিনি অবচেতনভাবে নিজেকে একজন শিল্পী হিসেবে দেখেন, তিনি নিজের কাজ উপভোগ করবেন এবং তা আরও ভালোভাবে করবেন। তাই আমরা খুশি হতে পারি যে কম্পিউটার কনফারেন্সের বক্তারা একে "শিল্পের অবস্থা" হিসেবে অভিহিত করেন। ** পৃষ্ঠা ৬৭৩। === লিটারেট প্রোগ্রামিং (১৯৮৪) === * আসুন আমরা প্রোগ্রাম তৈরির চিরাচরিত দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করি: আমাদের প্রধান কাজ একটি ''কম্পিউটারকে'' কী করতে হবে তা নির্দেশ দেওয়া এমনটা ভাবার বদলে বরং আমরা মানুষকে এটি বুঝিয়ে বলার দিকে মনোযোগ দিই যে আমরা একটি কম্পিউটারকে দিয়ে কী করাতে চাই। ** "লিটারেট প্রোগ্রামিং", ''দ্য কম্পিউটার জার্নাল'' '''২৭''' (১৯৮৪), পৃষ্ঠা ৯৭। (পুনর্মুদ্রিত: ''লিটারেট প্রোগ্রামিং'', ১৯৯২, পৃষ্ঠা ৯৯)। == {{PAGENAME}} সম্পর্কে উক্তি == * অ্যালগরিদম বিশ্লেষণ এবং প্রোগ্রামিং ভাষার নকশায় তাঁর বিশেষ অবদানের জন্য, এবং বিশেষ করে তাঁর এই শিরোনামে ধারাবাহিক ও সুপরিচিত বইগুলোর মাধ্যমে "কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের শিল্পে" অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ। ** ১৯৭৪ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] সম্মাননা। [http://awards.acm.org/citation.cfm?id=7143252&srt=all&aw=140&ao=AMTURING] == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:কানুথ, ডোনাল্ড}} [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মিলওয়াকির ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রোগ্রামার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গণিতবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:নকশাকার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুরকার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্গানবাদক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লুথারান]] [[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল মেডেল অফ সায়েন্স বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] a6bd676g74k2ti039szgi67b5kwlu9p 78780 78779 2026-04-20T03:38:06Z Sumanta3023 4175 /* উক্তি */ 78780 wikitext text/x-wiki [[File:KnuthAtOpenContentAlliance.jpg|thumb|200px|আমাদের ক্রমাগত প্রতিটি শিল্পকে বিজ্ঞানে রূপান্তর করার চেষ্টা করা উচিত: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আমরা সেই শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাই।]] '''[[w:ডোনাল্ড কানুথ|ডোনাল্ড আরভিন কানুথ]]''' (জন্ম ১০ জানুয়ারি ১৯৩৮) একজন মার্কিন কম্পিউটার বিজ্ঞানী, স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস অধ্যাপক এবং ১৯৭৪ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] বিজয়ী। == উক্তি == * ওপরের কোডটিতে থাকা ত্রুটি (বাগ) সম্পর্কে সতর্ক থাকবেন; আমি কেবল এটি যে সঠিক তা প্রমাণ করেছি, নিজে চালিয়ে দেখিনি। ** ডোনাল্ড কানুথের [https://www-cs-faculty.stanford.edu/~knuth/faq.html ওয়েবসাইট] অনুসারে, এই বাক্যটি তার একটি মেমোর শেষে ব্যবহার করা হয়েছিল, যার শিরোনাম ছিল ''প্রায়োরিটি ডেকের ভ্যান এমডে বোয়াস গঠন বিষয়ক টীকা: রিকারশনের একটি শিক্ষণীয় প্রয়োগ'' (১৯৭৭)। * জীববিজ্ঞানের ব্যাপারে আমি যতটা আত্মবিশ্বাসী, কম্পিউটার বিজ্ঞানের ব্যাপারে ততটা হতে পারছি না। জীববিজ্ঞানে কাজ করার মতো অন্তত ৫০০ বছরের রোমাঞ্চকর সমস্যা রয়েছে। এটি সেই পর্যায়ের। ** [http://karthikr.wordpress.com/2006/04/06/donald-knuth-%e2%80%94-computer-literacy-bookshops-interview-1993/ কম্পিউটার লিটারেসি বুকশপস সাক্ষাৎকার] (১৯৯৩) *** বায়োইনফরমেটিক্স কেন খুব রোমাঞ্চকর, সে বিষয়ে কথা বলার সময়। * একজন [প্রোগ্রামারের] মনস্তাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যের প্রধান দিক হলো বিমূর্তায়নের (অ্যাবস্ট্রাকশন) স্তরগুলো পরিবর্তন করার ক্ষমতা নিম্নস্তর থেকে উচ্চস্তরে অনায়াসে যাতায়াত করা। কোনো বিষয়কে ক্ষুদ্র পরিসরে এবং বৃহৎ পরিসরে সমানভাবে দেখতে পারা। ** জ্যাক ওয়ার। [http://www.drdobbs.com/an-interview-with-donald-knuth/184409858 ডোনাল্ড কানুথের সাথে একটি সাক্ষাৎকার]। ''ডক্টর ডবস জার্নাল'', পৃষ্ঠা ১৬–২২ (এপ্রিল ১৯৯৬) * একবার যখন আপনার থাকার জন্য একটি সুন্দর বাড়ি আর খাওয়ার মতো যথেষ্ট খাবার হয়ে যাবে, তখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আপনি অন্যের জন্য কী করতে পারছেন, সামগ্রিক উদ্যোগে আপনার অবদান কতটা। ** জ্যাক ওয়ার। [http://www.drdobbs.com/an-interview-with-donald-knuth/184409858 ডোনাল্ড কানুথের সাথে একটি সাক্ষাৎকার]। ডক্টর ডবস জার্নাল, পৃষ্ঠা ১৬–২২ (এপ্রিল ১৯৯৬) * একজন গণিতবিদের জীবনকে সার্থক করে তোলে এই বিষয়টিই যে, তিনি তার তিন-চারজন সহকর্মীর কাছ থেকে কিছুটা অনিচ্ছাসত্ত্বেও প্রশংসা পান। ** জ্যাক ওয়ার। [http://www.drdobbs.com/an-interview-with-donald-knuth/184409858 ডোনাল্ড কানুথের সাথে একটি সাক্ষাৎকার]। ডক্টর ডবস জার্নাল, পৃষ্ঠা ১৬–২২ (এপ্রিল ১৯৯৬) * বিজ্ঞান হলো তাই যা আমরা একটি কম্পিউটারকে বুঝিয়ে বলার মতো যথেষ্ট ভালোভাবে বুঝি। এর বাইরে আমরা যা কিছু করি, সবই হলো শিল্প। ** ''[https://www.math.upenn.edu/~wilf/AeqB.html এ=বি]'' বইয়ের ভূমিকা (১৯৯৬) * কোনো গাণিতিক সূত্র কখনোই কারো "মালিকানাধীন" হওয়া উচিত নয়! [[গণিত]] হলো [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] সম্পদ। ** ''ডিজিটাল টাইপোগ্রাফি'', অধ্যায় ১, পৃষ্ঠা ৮ (১৯৯৯) * আমি [[ইউনিক্স|ইউনিক্সকে]] এভাবে সংজ্ঞায়িত করি ''একই ছাদের নিচে বসবাসকারী রেগুলার এক্সপ্রেশনের ৩০টি সংজ্ঞা''। ** ''ডিজিটাল টাইপোগ্রাফি'', অধ্যায় ৩৩, পৃষ্ঠা ৬৪৯ (১৯৯৯) * আমি কোনো রেস্তোরাঁয় গিয়ে খাবার অর্ডার করতে পারি না, কারণ আমি মেনু কার্ডের ফন্টগুলোর দিকেই তাকিয়ে থাকি। ** {{cite journal | last = কানুথ | first = ডোনাল্ড | year = ২০০২ | title = অল কোয়েশ্চেনস অ্যানসারড | journal = নোটিসেস অফ দ্য এএমএস | volume = ৪৯ | issue = ৩ | pages = ৩২১ | url=http://www.ams.org/notices/200203/fea-knuth.pdf |format=PDF}} * ১৯৯০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আমি একজন সুখী মানুষ, কারণ তখন থেকে আমার কোনো ইমেল ঠিকানা নেই। আমি ১৯৭৫ সাল থেকে ইমেল ব্যবহার করে আসছি, আর আমার মনে হয় এক জীবনে ১৫ বছরের ইমেল ব্যবহারই যথেষ্ট। ** ''[http://www-cs-faculty.stanford.edu/~knuth/email.html ইমেল (চলুন হাইফেনটা বাদ দিই)]'' ডোনাল্ড কানুথের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ওয়েব পেজ। * ইমেল সেই সব মানুষের জন্য চমৎকার জিনিস যাদের জীবনের লক্ষ্য হলো সবকিছুর ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা। কিন্তু আমার জন্য নয়; আমার কাজ হলো সবকিছুর মূলে পৌঁছানো। আমি যা করি তার জন্য দীর্ঘ সময়ের পড়াশোনা এবং নিরবচ্ছিন্ন মনোযোগ প্রয়োজন। ** ''[http://www-cs-faculty.stanford.edu/~knuth/email.html ইমেল (চলুন হাইফেনটা বাদ দিই)]'' ডোনাল্ড কানুথের স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ওয়েব পেজ। * আপনি কীভাবে [...] সংখ্যার মালিক হতে পারেন? সংখ্যা পুরো পৃথিবীর সম্পদ। ** টেক্স তৈরির বিষয়ে তাঁর [http://www.webofstories.com/people/donald.knuth/52?o=SH ভিডিও বক্তব্যে] তিনি মন্তব্য করেন যে, জেরক্স তাঁকে তাদের সরঞ্জাম ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু শর্ত ছিল তাঁর তৈরি ফন্টগুলোর মালিকানা তাদের হবে। * আসলে, আমার জীবনের দশটি বছর টেক্স প্রজেক্টে ব্যয় করার পর আমার প্রধান উপলব্ধি হলো যে, সফটওয়্যার তৈরি করা কঠিন। আমি এ পর্যন্ত যা কিছু করেছি তার মধ্যে এটিই সবচেয়ে কঠিন কাজ। ** {{cite journal | last = কানুথ | first = ডোনাল্ড | year = ২০০২ | title = অল কোয়েশ্চেনস অ্যানসারড | journal = নোটিসেস অফ দ্য এএমএস | volume = ৪৯ | issue = ৩ | pages = ৩২০ | url=http://www.ams.org/notices/200203/fea-knuth.pdf |format=PDF}} * আপনি যদি দেখেন যে আপনি আপনার সময়ের প্রায় পুরোটাই তত্ত্বে ব্যয় করছেন, তবে ব্যবহারিক বিষয়গুলোর দিকে কিছুটা নজর দিতে শুরু করুন; এটি আপনার তত্ত্বগুলোকে আরও উন্নত করবে। আপনি যদি দেখেন যে আপনি আপনার সময়ের প্রায় পুরোটাই অনুশীলনে বা ব্যবহারিক কাজে ব্যয় করছেন, তবে তাত্ত্বিক বিষয়গুলোর দিকে কিছুটা নজর দিন; এটি আপনার কাজকে আরও উন্নত করবে। ** ডোনাল্ড কানুথ; উদ্ধৃত: আরতুরো গঞ্জালেজ-গুটিয়েরেজ (২০০৭) ''মিনিমাম-লেন্থ করিডোরস: কমপ্লেক্সিটি অ্যান্ড অ্যাপ্রক্সিমেশনস''। পৃষ্ঠা ৯৯ * একভাবে বলতে গেলে, আমার জীবন হলো ইংরেজি ভাষা এবং গণিতের একটি উত্তল সমন্বয় (কনভেক্স কম্বিনেশন)। ... আর শুধু তাই নয়, আমি চাই আমার সন্তানরাও তেমন হোক: একই সাথে মস্তিষ্কের বাম দিক এবং ডান দিক ব্যবহার করা এতে অনেক বেশি কাজ সম্পন্ন করা যায়। এটিই ছিল সমঝোতার অংশ। ** {{cite web|url=https://www.youtube.com/watch?v=2BdBfsXbST8 |work=এআই পডকাস্ট |date=৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ |title= অ্যালগরিদম, কমপ্লেক্সিটি, লাইফ, অ্যান্ড দ্য আর্ট অফ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং}} * একজন ভালো টেকনিক্যাল রাইটার সরাসরি তা প্রকাশ না করে প্রতিটি কথা দুবার বলেন: একবার আনুষ্ঠানিকভাবে এবং একবার অনানুষ্ঠানিকভাবে। অথবা হয়তো তিনবার। ** {{cite web|url=https://www.youtube.com/watch?v=2BdBfsXbST8 |work=এআই পডকাস্ট |date=৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ |title= অ্যালগরিদম, কমপ্লেক্সিটি, লাইফ, অ্যান্ড দ্য আর্ট অফ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং}} * আমি ধরে নিচ্ছি যে [[ঈশ্বর|ঈশ্বরের]] অস্তিত্ব আছে এবং আমি আনন্দিত যে এটি প্রমাণ করার কোনো উপায় নেই। [কারণ] আমি যদি একবার প্রমাণটি পেয়ে যেতাম, তবে আমি তা ভুলে যেতাম এবং আধ্যাত্মিক বিষয় বা রহস্য নিয়ে আর কখনোই ভাবতাম না। আর আমি মনে করি, তখন আমার জীবনটি খুব অপূর্ণ থেকে যেত। ** {{cite web|url=https://www.youtube.com/watch?v=2BdBfsXbST8 |work=এআই পডকাস্ট |date=৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ |title= অ্যালগরিদম, কমপ্লেক্সিটি, লাইফ, অ্যান্ড দ্য আর্ট অফ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং}} * অবশেষে আমি দর্শনের একটি সারকথা পেয়েছি আর তা হলো "০.৮ ই যথেষ্ট"। ... আমার কাছে যদি সুখ পরিমাপের কোনো উপায় থাকত, তবে আমি মনে করি এমন একটি প্রাণসত্তা তৈরি করা ভালো ডিজাইন হবে যে সময়ের ৮০% ভাগ সুখী থাকে। যদি তা ১০০% হতো, তবে মনে হতো সবাই মাদকে আচ্ছন্ন এবং সবকিছু ধসে পড়ত, কারণ সবাই মাত্রাতিরিক্ত সুখী হয়ে যেত। ... এমন সময় আসে যখন আমি বিষণ্ণ বোধ করি এবং আমি জানি যে আসলে আমাকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিষণ্ণ থাকার প্রোগ্রামিং দিয়েই তৈরি করা হয়েছে। ** {{cite web|url=https://www.youtube.com/watch?v=2BdBfsXbST8 |work=এআই পডকাস্ট |date=৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ |title= অ্যালগরিদম, কমপ্লেক্সিটি, লাইফ, অ্যান্ড দ্য আর্ট অফ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং}} * আসুন সত্যটা স্বীকার করি, পৃথিবীতে যদি আমার মতো ১০ জন মানুষ থাকত, তবে আমাদের একে অপরের বই পড়ার সময়টুকুও থাকত না। ** {{cite web |url=https://www.youtube.com/watch?v=xLBvCB2kr4Q |title="All Questions Answered" by Donald Knuth |work=GoogleTechTalks |publisher=YouTube |date=২৯ মে ২০১১ }} * বেশিরভাগ মানুষ পাই -এর মান কেবল দশমিক পদ্ধতিতেই জানে। ** {{cite web |url=https://www.youtube.com/watch?v=3DKo219ZHMw&t=22m5s |title="Stanford Lecture: Don Knuth - "Pi and The Art of Computer Programming"" by Donald Knuth |work=Stanford |publisher=YouTube |date=২১ ডিসেম্বর ২০১৯ }} === ''[[w:দ্য আর্ট অফ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং]]'' (১৯৬৮–২০১১) === * মেশিন-ওরিয়েন্টেড ভাষা বোঝার মাধ্যমে একজন প্রোগ্রামার অনেক বেশি দক্ষ পদ্ধতি ব্যবহারের দিকে ঝুঁকে পড়েন; এটি বাস্তবতার অনেক বেশি কাছাকাছি। ** প্রথম খণ্ড, প্রথম সংস্করণের ভূমিকা (অক্টোবর ১৯৬৭)। (পৃষ্ঠা ১০ ১৯৭৩, পৃষ্ঠা ৯ ১৯৯৭) * একটি অ্যালগরিদম বিশ্বাস করার জন্য সেটিকে অবশ্যই চোখের সামনে দেখা প্রয়োজন। ** প্রথম খণ্ড, ''ফান্ডামেন্টাল অ্যালগরিদম'', বিভাগ ১.১ (১৯৬৮) * যারা কম্পিউটারের প্রতি সাধারণ আগ্রহের চেয়ে একটু বেশি আগ্রহী, তাদের অন্তত হার্ডওয়্যারের গঠন সম্পর্কে কিছুটা ধারণা থাকা উচিত। তা না হলে তাদের লেখা প্রোগ্রামগুলো বেশ অদ্ভুত হবে। ** প্রথম খণ্ড, ফ্যাসিকল ১, "এম এম আই এক্স , এ আরআইএসসি কম্পিউটার ফর দ্য নিউ মিলেনিয়াম" * যথেচ্ছ বা র্যান্ডম সংখ্যা তৈরির জন্য কোনো পদ্ধতি যথেচ্ছভাবে নির্বাচন করা উচিত নয়। ** দ্বিতীয় খণ্ড, ''সেমিনিউমেরিক্যাল অ্যালগরিদম'' * দীর্ঘ মেয়াদে সূর্য যতবার ওঠে, ঠিক ততবারই অস্ত যায়; কিন্তু এই বিষয়টি তার গতিকে যথেচ্ছ বা র্যান্ডম করে তোলে না। ** দ্বিতীয় খণ্ড, ''সেমিনিউমেরিক্যাল অ্যালগরিদম'', বিভাগ ৩.৩.২ অংশ বি, প্রথম অনুচ্ছেদ (১৯৬৯) * এর কারণ "বিট চেজিং" মহিমান্বিত করা নয়; বরং এখানে আরও মৌলিক একটি বিষয় জড়িত: ''গাণিতিক সাবরুটিনগুলো থেকে যখনই সম্ভব এমন ফলাফল পাওয়া উচিত যা সহজ এবং কার্যকর গাণিতিক নিয়মগুলোকে সিদ্ধ করে''। [...] কোনো মৌলিক সামঞ্জস্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ছাড়া চমৎকার ফলাফল প্রমাণ করার কাজটি অত্যন্ত বিরক্তিকর হয়ে ওঠে। ''নিজের ব্যবহৃত সরঞ্জামগুলো উপভোগ করা সফল কাজের একটি অপরিহার্য উপাদান''। ** দ্বিতীয় খণ্ড, ''সেমিনিউমেরিক্যাল অ্যালগরিদম'', বিভাগ ৪.২.২ অংশ "এ", শেষ অনুচ্ছেদ। * এই সূচিতে কোনো ভুলভ্রান্তি থাকলে তা এই তথ্যের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে যে, এটি একটি কম্পিউটারের সাহায্যে সাজানো হয়েছে। ** তৃতীয় খণ্ড, ''সর্টিং অ্যান্ড সার্চিং'', সূচির শেষে (১৯৭৩)। * [[কম্পিউটার বিজ্ঞান|কম্পিউটার বিজ্ঞানের]] প্রায় সবখানেই গাছের মতো শাখা-প্রশাখা (ট্রি) গজিয়ে ওঠে... ** খণ্ড ৪-A, ''কম্বিনেটোরিয়াল অ্যালগরিদম'', বিভাগ ৪.২.১.৬ (২০১১)। === আর্ট হিসেবে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং (১৯৭৪) === ১৯৭৪ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] [http://amturing.acm.org/award_winners/knuth_1013846.cfm বক্তৃতা], ''[[w:কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম|কমিউনিকেশনস অফ দ্য এসিএম]]'' '''১৭''' (১২), (ডিসেম্বর ১৯৭৪), পৃষ্ঠা ৬৬৭–৬৭৩। * বিজ্ঞান হলো সেই জ্ঞান যা আমরা এত ভালোভাবে বুঝি যে আমরা এটি একটি কম্পিউটারকে শেখাতে পারি; আর যদি আমরা কোনো কিছু পুরোপুরি বুঝতে না পারি, তবে সেটি নিয়ে কাজ করাটাই হলো শিল্প। ** পৃষ্ঠা ৬৬৮। * এই অর্থে, আমাদের ক্রমাগত ''প্রতিটি'' শিল্পকে বিজ্ঞানে রূপান্তর করার চেষ্টা করা উচিত: এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আমরা সেই শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাই। ** পৃষ্ঠা ৬৬৯। * আসল সমস্যা হলো প্রোগ্রামাররা ভুল জায়গায় এবং ভুল সময়ে দক্ষতা বা এফিসিয়েন্সি নিয়ে ভেবে অনেক বেশি সময় নষ্ট করেছেন; '''অপরিণত অপ্টিমাইজেশন হলো প্রোগ্রামিংয়ের সব অনিষ্টের (অথবা অন্তত অধিকাংশের) মূল'''। ** পৃষ্ঠা ৬৭১। ** প্রোগ্রামাররা তাদের প্রোগ্রামের গুরুত্বহীন অংশগুলোর গতি বাড়ানো নিয়ে ভেবে প্রচুর সময় নষ্ট করেন। কার্যকারিতা বাড়ানোর এই প্রচেষ্টাগুলো আসলে ত্রুটি সংশোধন (ডিবাগিং) এবং রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আমাদের উচিত ছোটখাটো দক্ষতার কথা ভুলে যাওয়া, ধরা যাক প্রায় ৯৭% সময়ের জন্য: অপরিণত অপ্টিমাইজেশন হলো সব অনিষ্টের মূল। তবুও আমাদের সেই গুরুত্বপূর্ণ ৩% সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়। *** কানুথের "স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং উইথ গোটো স্টেটমেন্টস" নিবন্ধের ভিন্নরূপ। ''কম্পিউটিং সার্ভে'' '''৬''':৪ (ডিসেম্বর ১৯৭৪), পৃষ্ঠা ২৬১–৩০১। {{doi|10.1145/356635.356640}} ** কানুথ ১৫ বছর পর "দ্য এররস অফ টেক্স" (১৯৮৯) নিবন্ধে একে "হোরের নীতি" হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে এই উক্তিটি [[সি. এ. আর. হোর|সি. এ. আর. হোরের]] কি না তা নিয়ে সন্দেহ আছে। * সংক্ষেপে: আমরা দেখেছি যে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং একটি শিল্প, কারণ এটি অর্জিত জ্ঞানকে পৃথিবীতে প্রয়োগ করে, কারণ এতে দক্ষতা ও চতুরতার প্রয়োজন হয় এবং বিশেষ করে কারণ এটি সুন্দর জিনিস তৈরি করে। একজন প্রোগ্রামার যিনি অবচেতনভাবে নিজেকে একজন শিল্পী হিসেবে দেখেন, তিনি নিজের কাজ উপভোগ করবেন এবং তা আরও ভালোভাবে করবেন। তাই আমরা খুশি হতে পারি যে কম্পিউটার কনফারেন্সের বক্তারা একে "শিল্পের অবস্থা" হিসেবে অভিহিত করেন। ** পৃষ্ঠা ৬৭৩। === লিটারেট প্রোগ্রামিং (১৯৮৪) === * আসুন আমরা প্রোগ্রাম তৈরির চিরাচরিত দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করি: আমাদের প্রধান কাজ একটি ''কম্পিউটারকে'' কী করতে হবে তা নির্দেশ দেওয়া এমনটা ভাবার বদলে বরং আমরা মানুষকে এটি বুঝিয়ে বলার দিকে মনোযোগ দিই যে আমরা একটি কম্পিউটারকে দিয়ে কী করাতে চাই। ** "লিটারেট প্রোগ্রামিং", ''দ্য কম্পিউটার জার্নাল'' '''২৭''' (১৯৮৪), পৃষ্ঠা ৯৭। (পুনর্মুদ্রিত: ''লিটারেট প্রোগ্রামিং'', ১৯৯২, পৃষ্ঠা ৯৯)। == {{PAGENAME}} সম্পর্কে উক্তি == * অ্যালগরিদম বিশ্লেষণ এবং প্রোগ্রামিং ভাষার নকশায় তাঁর বিশেষ অবদানের জন্য, এবং বিশেষ করে তাঁর এই শিরোনামে ধারাবাহিক ও সুপরিচিত বইগুলোর মাধ্যমে "কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের শিল্পে" অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ। ** ১৯৭৪ সালের [[w:টুরিং পুরস্কার|টুরিং পুরস্কার]] সম্মাননা। [http://awards.acm.org/citation.cfm?id=7143252&srt=all&aw=140&ao=AMTURING] == বহিঃসংযোগ == {{wikipedia}} {{DEFAULTSORT:কানুথ, ডোনাল্ড}} [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি লেখক]] [[বিষয়শ্রেণী:মিলওয়াকির ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রোগ্রামার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গণিতবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:নকশাকার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুরকার]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্গানবাদক]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৮-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লুথারান]] [[বিষয়শ্রেণী:টুরিং পুরস্কার বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ন্যাশনাল মেডেল অফ সায়েন্স বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] c8d4w3wvfjhkmysiy5tt1b2p4wg8tq1 আলাপ:ডোনাল্ড কানুথ 1 12936 78781 2026-04-20T03:38:50Z Sumanta3023 4175 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78781 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায় 0 12937 78782 2026-04-20T03:57:55Z Salil Kumar Mukherjee 39 নতুন পাতা 78782 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়|করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]]''' (১৯ নভেম্বর ১৮৭৭ – ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৫) ছিলেন বাঙালী রোমান্টিক রবীন্দ্রানুসারী জাতীয়তাবাদী কবি। ছাত্র জীবন থেকে কবিতা লিখতেন। তার প্রথম লেখা দেশাত্মবোধক কাব্য বঙ্গমঙ্গল প্রকাশিত হয় ১৯০১ সালে। এটি রাজরোষে পড়ার আশঙ্কায় বিনা নামে বের হয়। করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায় সাহিত্যচর্চা শুরু করেন ছাত্রাবস্থা থেকেই। অন্যান্য কাবগ্রন্থের মধ্যে প্রসাদী (১৩১১), ঝরাফুল (১৩১৮), শান্তিজল (১৩২০), ধানদুর্বা (১৩২৮), শতনারী (১৩৩৭), রবীন্দ্র-আরতি (১৩৪৪), গীতায়ন (১৩৫৬) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।। সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৫১ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জগত্তারিণী’ পদকে ভূষিত হন। তার দ্বারা পরবর্তীতে মোহিতলাল মজুমদার প্রমুখ অনেক কবি প্রভাবিত হন। == উক্তি == ==করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে উক্তি== * করুণানিধানের কাব্যে যে নিসর্গ-শোভা ফুটে ওঠে, তার মধ্যে পাওয়া যায় কবির স্বাভাবিক রক্তের টান ও নাড়ীর স্পন্দন। তাঁকেই বলি সত্যিকার স্বভাবকবি। এবং ছোটখাটো খুঁটিনাটির ভিতর দিয়ে বৃহত্তর প্রকৃতির শব্দস্পর্শ গন্ধ ও রূপরসছন্দ প্রকাশ করবার জন্যে তিনি ভাবুকের মত বেছে বেছে যে সব শব্দ উদ্ভাবন করেন, তার মধ্যেও থাকে খাঁটি কলাবিদের হাতের ছাপ। বাংলার কাব্যজগতে তাঁর মত নিসর্গ-চিত্রকর সুলভ নয়। ** [[হেমেন্দ্রকুমার রায়]], করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়, যাঁদের দেখেছি - হেমেন্দ্রকুমার রায়, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক— নিউ এজ পাবলিশার্স লিমিটেড, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসংকলন লেখক}} [[বিষয়শ্রেণী:১৮৭৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৫-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীর বাঙালি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের লেখক]] nnpe9h3u75qze7zgyqc48v5iyr7fzo9 78791 78782 2026-04-20T05:03:43Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 78791 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়|করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]]''' (১৯ নভেম্বর ১৮৭৭ – ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৫) ছিলেন বাঙালী রোমান্টিক রবীন্দ্রানুসারী জাতীয়তাবাদী কবি। ছাত্র জীবন থেকে কবিতা লিখতেন। তার প্রথম লেখা দেশাত্মবোধক কাব্য বঙ্গমঙ্গল প্রকাশিত হয় ১৯০১ সালে। এটি রাজরোষে পড়ার আশঙ্কায় বিনা নামে বের হয়। করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায় সাহিত্যচর্চা শুরু করেন ছাত্রাবস্থা থেকেই। অন্যান্য কাবগ্রন্থের মধ্যে প্রসাদী (১৩১১), ঝরাফুল (১৩১৮), শান্তিজল (১৩২০), ধানদুর্বা (১৩২৮), শতনারী (১৩৩৭), রবীন্দ্র-আরতি (১৩৪৪), গীতায়ন (১৩৫৬) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।। সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৫১ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জগত্তারিণী’ পদকে ভূষিত হন। তার দ্বারা পরবর্তীতে মোহিতলাল মজুমদার প্রমুখ অনেক কবি প্রভাবিত হন। == উক্তি == ==করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে উক্তি== * করুণানিধানের কাব্যে যে নিসর্গ-শোভা ফুটে ওঠে, তার মধ্যে পাওয়া যায় কবির স্বাভাবিক রক্তের টান ও নাড়ীর স্পন্দন। তাঁকেই বলি সত্যিকার স্বভাবকবি। এবং ছোটখাটো খুঁটিনাটির ভিতর দিয়ে বৃহত্তর প্রকৃতির শব্দস্পর্শ গন্ধ ও রূপরসছন্দ প্রকাশ করবার জন্যে তিনি ভাবুকের মত বেছে বেছে যে সব শব্দ উদ্ভাবন করেন, তার মধ্যেও থাকে খাঁটি কলাবিদের হাতের ছাপ। বাংলার কাব্যজগতে তাঁর মত নিসর্গ-চিত্রকর সুলভ নয়। ** [[হেমেন্দ্রকুমার রায়]], করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়, যাঁদের দেখেছি - হেমেন্দ্রকুমার রায়, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক— নিউ এজ পাবলিশার্স লিমিটেড, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ * করুণানিধানের কাব্যে ভাষা ও ছন্দের সেই অমোঘ সৌষ্ঠব সর্ব্বাগ্রে পাঠকের হৃদয়গোচর হয়। কবি যেন মূর্ত্তিমতী বাগ‍্দেবতার আরাধনায় তন্ময় হইয়া, প্রকৃতির রূপভাণ্ডার হইতে বর্ণালোক আহরণ করিয়া, অতি ধীরে সংযত হস্তে সুনিপুণ তুলিকাক্ষেপে বাগ‍্দেবতার বেদী-পট্ট অলঙ্কৃত করিতেছেন। বাক্য ও ছন্দের এই সৌন্দর্য্য স্পৃহা তাঁহার কবিহৃদয়ের বিশিষ্ট সৌন্দর্য্যানুভূতির পক্ষে যতখানি সার্থক হইয়াছে, তাহাই তাঁহার কাব্যের রস-প্রমাণ।.... তাঁহার কবিতায়, ভাষার এই নির্মাণকৌশলে যেন তিনটি ভঙ্গি ফুটিয়া উঠিয়াছে—ফুলের ন্যায় কোমল নির্ম্মল, পরিপক্ক ফলের ন্যায় নিটোল ও রসোচ্ছল, এবং মণিগণের মত দৃঢ়সংহত দীপ্তিমান্। ** [[মোহিতলাল মজুমদার]], কবি করুণানিধানের কবিতা, সাহিত্য-বিতান - মোহিতলাল মজুমদার, প্রকাশস্থান- গণেশপুর, কলকাতা প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৭ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসংকলন লেখক}} [[বিষয়শ্রেণী:১৮৭৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৫-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীর বাঙালি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের লেখক]] irkbmm3wynjkok71twvfoastsktwb9x 78800 78791 2026-04-20T05:24:14Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 78800 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়|করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]]''' (১৯ নভেম্বর ১৮৭৭ – ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৫) ছিলেন বাঙালী রোমান্টিক রবীন্দ্রানুসারী জাতীয়তাবাদী কবি। ছাত্র জীবন থেকে কবিতা লিখতেন। তার প্রথম লেখা দেশাত্মবোধক কাব্য বঙ্গমঙ্গল প্রকাশিত হয় ১৯০১ সালে। এটি রাজরোষে পড়ার আশঙ্কায় বিনা নামে বের হয়। করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায় সাহিত্যচর্চা শুরু করেন ছাত্রাবস্থা থেকেই। অন্যান্য কাবগ্রন্থের মধ্যে প্রসাদী (১৩১১), ঝরাফুল (১৩১৮), শান্তিজল (১৩২০), ধানদুর্বা (১৩২৮), শতনারী (১৩৩৭), রবীন্দ্র-আরতি (১৩৪৪), গীতায়ন (১৩৫৬) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।। সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৫১ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জগত্তারিণী’ পদকে ভূষিত হন। তার দ্বারা পরবর্তীতে মোহিতলাল মজুমদার প্রমুখ অনেক কবি প্রভাবিত হন। == উক্তি == * বিশাল পুরীর{{ফাঁক}}দ্বারে দ্বারে ঘুরে,<br>কেহ নাহি দেয় ভিক্ষা;<br>নিবেদিল শেষে{{ফাঁক}}গুরুপদে এসে,—<br>“শিখাইলে শেষ শিক্ষা,<br>জীয়াতে চাহি না তনয়ে আমার,<br>ভবনে ভবনে ওঠে হাহাকার—<br>হর’ জগতের বিরহ-আঁধার<br>দাও গো অমৃত-দীক্ষা।” ** জীবন-ভিক্ষা (বুদ্ধদেবের প্রতি কিসা গোতমী), শতনরী - করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বাগচী এণ্ড সন্স, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৪ ==করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে উক্তি== * করুণানিধানের কাব্যে যে নিসর্গ-শোভা ফুটে ওঠে, তার মধ্যে পাওয়া যায় কবির স্বাভাবিক রক্তের টান ও নাড়ীর স্পন্দন। তাঁকেই বলি সত্যিকার স্বভাবকবি। এবং ছোটখাটো খুঁটিনাটির ভিতর দিয়ে বৃহত্তর প্রকৃতির শব্দস্পর্শ গন্ধ ও রূপরসছন্দ প্রকাশ করবার জন্যে তিনি ভাবুকের মত বেছে বেছে যে সব শব্দ উদ্ভাবন করেন, তার মধ্যেও থাকে খাঁটি কলাবিদের হাতের ছাপ। বাংলার কাব্যজগতে তাঁর মত নিসর্গ-চিত্রকর সুলভ নয়। ** [[হেমেন্দ্রকুমার রায়]], করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়, যাঁদের দেখেছি - হেমেন্দ্রকুমার রায়, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক— নিউ এজ পাবলিশার্স লিমিটেড, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ * করুণানিধানের কাব্যে ভাষা ও ছন্দের সেই অমোঘ সৌষ্ঠব সর্ব্বাগ্রে পাঠকের হৃদয়গোচর হয়। কবি যেন মূর্ত্তিমতী বাগ‍্দেবতার আরাধনায় তন্ময় হইয়া, প্রকৃতির রূপভাণ্ডার হইতে বর্ণালোক আহরণ করিয়া, অতি ধীরে সংযত হস্তে সুনিপুণ তুলিকাক্ষেপে বাগ‍্দেবতার বেদী-পট্ট অলঙ্কৃত করিতেছেন। বাক্য ও ছন্দের এই সৌন্দর্য্য স্পৃহা তাঁহার কবিহৃদয়ের বিশিষ্ট সৌন্দর্য্যানুভূতির পক্ষে যতখানি সার্থক হইয়াছে, তাহাই তাঁহার কাব্যের রস-প্রমাণ।.... তাঁহার কবিতায়, ভাষার এই নির্মাণকৌশলে যেন তিনটি ভঙ্গি ফুটিয়া উঠিয়াছে—ফুলের ন্যায় কোমল নির্ম্মল, পরিপক্ক ফলের ন্যায় নিটোল ও রসোচ্ছল, এবং মণিগণের মত দৃঢ়সংহত দীপ্তিমান্। ** [[মোহিতলাল মজুমদার]], কবি করুণানিধানের কবিতা, সাহিত্য-বিতান - মোহিতলাল মজুমদার, প্রকাশস্থান- গণেশপুর, কলকাতা প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৭ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসংকলন লেখক}} [[বিষয়শ্রেণী:১৮৭৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৫-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীর বাঙালি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের লেখক]] t3f85nanxq9v7ruzk58epgrnzflwv1k 78806 78800 2026-04-20T05:43:53Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 78806 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়|করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]]''' (১৯ নভেম্বর ১৮৭৭ – ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৫) ছিলেন বাঙালী রোমান্টিক রবীন্দ্রানুসারী জাতীয়তাবাদী কবি। ছাত্র জীবন থেকে কবিতা লিখতেন। তার প্রথম লেখা দেশাত্মবোধক কাব্য বঙ্গমঙ্গল প্রকাশিত হয় ১৯০১ সালে। এটি রাজরোষে পড়ার আশঙ্কায় বিনা নামে বের হয়। করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায় সাহিত্যচর্চা শুরু করেন ছাত্রাবস্থা থেকেই। অন্যান্য কাবগ্রন্থের মধ্যে প্রসাদী (১৩১১), ঝরাফুল (১৩১৮), শান্তিজল (১৩২০), ধানদুর্বা (১৩২৮), শতনারী (১৩৩৭), রবীন্দ্র-আরতি (১৩৪৪), গীতায়ন (১৩৫৬) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।। সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৫১ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জগত্তারিণী’ পদকে ভূষিত হন। তার দ্বারা পরবর্তীতে মোহিতলাল মজুমদার প্রমুখ অনেক কবি প্রভাবিত হন। == উক্তি == * বিশাল পুরীর{{ফাঁক}}দ্বারে দ্বারে ঘুরে,<br>কেহ নাহি দেয় ভিক্ষা;<br>নিবেদিল শেষে{{ফাঁক}}গুরুপদে এসে,—<br>“শিখাইলে শেষ শিক্ষা,<br>জীয়াতে চাহি না তনয়ে আমার,<br>ভবনে ভবনে ওঠে হাহাকার—<br>হর’ জগতের বিরহ-আঁধার<br>দাও গো অমৃত-দীক্ষা।” ** জীবন-ভিক্ষা (বুদ্ধদেবের প্রতি কিসা গোতমী), শতনরী - করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বাগচী এণ্ড সন্স, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৪ * এই খানে সে কখন এসে<br>স্মৃতির লিপি গেছে ফেলে’—<br>অন্ধকারের আল‍্পনাতে<br>জ্বলজ্বলে তার নয়ন মেলে।<br>শেষ-মিনতি শেষ-তৃষাতে<br>পাইনি নাগাল আকুল হাতে;—<br>রূপ হারালো রূপের লীলা<br>বন-পলাশে আলোক ঢেলে। ** বনের কোণে, শতনরী - করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বাগচী এণ্ড সন্স, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৮ ==করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে উক্তি== * করুণানিধানের কাব্যে যে নিসর্গ-শোভা ফুটে ওঠে, তার মধ্যে পাওয়া যায় কবির স্বাভাবিক রক্তের টান ও নাড়ীর স্পন্দন। তাঁকেই বলি সত্যিকার স্বভাবকবি। এবং ছোটখাটো খুঁটিনাটির ভিতর দিয়ে বৃহত্তর প্রকৃতির শব্দস্পর্শ গন্ধ ও রূপরসছন্দ প্রকাশ করবার জন্যে তিনি ভাবুকের মত বেছে বেছে যে সব শব্দ উদ্ভাবন করেন, তার মধ্যেও থাকে খাঁটি কলাবিদের হাতের ছাপ। বাংলার কাব্যজগতে তাঁর মত নিসর্গ-চিত্রকর সুলভ নয়। ** [[হেমেন্দ্রকুমার রায়]], করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়, যাঁদের দেখেছি - হেমেন্দ্রকুমার রায়, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক— নিউ এজ পাবলিশার্স লিমিটেড, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ * করুণানিধানের কাব্যে ভাষা ও ছন্দের সেই অমোঘ সৌষ্ঠব সর্ব্বাগ্রে পাঠকের হৃদয়গোচর হয়। কবি যেন মূর্ত্তিমতী বাগ‍্দেবতার আরাধনায় তন্ময় হইয়া, প্রকৃতির রূপভাণ্ডার হইতে বর্ণালোক আহরণ করিয়া, অতি ধীরে সংযত হস্তে সুনিপুণ তুলিকাক্ষেপে বাগ‍্দেবতার বেদী-পট্ট অলঙ্কৃত করিতেছেন। বাক্য ও ছন্দের এই সৌন্দর্য্য স্পৃহা তাঁহার কবিহৃদয়ের বিশিষ্ট সৌন্দর্য্যানুভূতির পক্ষে যতখানি সার্থক হইয়াছে, তাহাই তাঁহার কাব্যের রস-প্রমাণ।.... তাঁহার কবিতায়, ভাষার এই নির্মাণকৌশলে যেন তিনটি ভঙ্গি ফুটিয়া উঠিয়াছে—ফুলের ন্যায় কোমল নির্ম্মল, পরিপক্ক ফলের ন্যায় নিটোল ও রসোচ্ছল, এবং মণিগণের মত দৃঢ়সংহত দীপ্তিমান্। ** [[মোহিতলাল মজুমদার]], কবি করুণানিধানের কবিতা, সাহিত্য-বিতান - মোহিতলাল মজুমদার, প্রকাশস্থান- গণেশপুর, কলকাতা প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৭ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসংকলন লেখক}} [[বিষয়শ্রেণী:১৮৭৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৫-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীর বাঙালি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের লেখক]] goxy3bv059ii9kahqw3efi58yc84d15 78807 78806 2026-04-20T05:53:21Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 78807 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়|করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]]''' (১৯ নভেম্বর ১৮৭৭ – ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৫) ছিলেন বাঙালী রোমান্টিক রবীন্দ্রানুসারী জাতীয়তাবাদী কবি। ছাত্র জীবন থেকে কবিতা লিখতেন। তার প্রথম লেখা দেশাত্মবোধক কাব্য বঙ্গমঙ্গল প্রকাশিত হয় ১৯০১ সালে। এটি রাজরোষে পড়ার আশঙ্কায় বিনা নামে বের হয়। করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায় সাহিত্যচর্চা শুরু করেন ছাত্রাবস্থা থেকেই। অন্যান্য কাবগ্রন্থের মধ্যে প্রসাদী (১৩১১), ঝরাফুল (১৩১৮), শান্তিজল (১৩২০), ধানদুর্বা (১৩২৮), শতনারী (১৩৩৭), রবীন্দ্র-আরতি (১৩৪৪), গীতায়ন (১৩৫৬) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।। সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৫১ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জগত্তারিণী’ পদকে ভূষিত হন। তার দ্বারা পরবর্তীতে মোহিতলাল মজুমদার প্রমুখ অনেক কবি প্রভাবিত হন। == উক্তি == * বিশাল পুরীর{{ফাঁক}}দ্বারে দ্বারে ঘুরে,<br>কেহ নাহি দেয় ভিক্ষা;<br>নিবেদিল শেষে{{ফাঁক}}গুরুপদে এসে,—<br>“শিখাইলে শেষ শিক্ষা,<br>জীয়াতে চাহি না তনয়ে আমার,<br>ভবনে ভবনে ওঠে হাহাকার—<br>হর’ জগতের বিরহ-আঁধার<br>দাও গো অমৃত-দীক্ষা।” ** জীবন-ভিক্ষা (বুদ্ধদেবের প্রতি কিসা গোতমী), শতনরী - করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বাগচী এণ্ড সন্স, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৪ * মাটীর প্রদীপ জ্বলছে নীরব নায়ের ’পরে<br>কইছে কথা ঢেউ-এর ফেনা কলস্বরে;<br>চপল হাওয়ায় কালো ছায়ায় কূলে কূলে<br>চলেছি হায় কোন্ মোহানায় মনের ভুলে!<br>ভাসিয়ে নে যায় এক‍্টানাতে তারার দেশে—<br>শেষ দরিয়ার জোয়ার-ভাঁটার স্বপন-শেষে ** ভুল, শতনরী - করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বাগচী এণ্ড সন্স, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৯ * এই খানে সে কখন এসে<br>স্মৃতির লিপি গেছে ফেলে’—<br>অন্ধকারের আল‍্পনাতে<br>জ্বলজ্বলে তার নয়ন মেলে।<br>শেষ-মিনতি শেষ-তৃষাতে<br>পাইনি নাগাল আকুল হাতে;—<br>রূপ হারালো রূপের লীলা<br>বন-পলাশে আলোক ঢেলে। ** বনের কোণে, শতনরী - করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বাগচী এণ্ড সন্স, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৮ ==করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে উক্তি== * করুণানিধানের কাব্যে যে নিসর্গ-শোভা ফুটে ওঠে, তার মধ্যে পাওয়া যায় কবির স্বাভাবিক রক্তের টান ও নাড়ীর স্পন্দন। তাঁকেই বলি সত্যিকার স্বভাবকবি। এবং ছোটখাটো খুঁটিনাটির ভিতর দিয়ে বৃহত্তর প্রকৃতির শব্দস্পর্শ গন্ধ ও রূপরসছন্দ প্রকাশ করবার জন্যে তিনি ভাবুকের মত বেছে বেছে যে সব শব্দ উদ্ভাবন করেন, তার মধ্যেও থাকে খাঁটি কলাবিদের হাতের ছাপ। বাংলার কাব্যজগতে তাঁর মত নিসর্গ-চিত্রকর সুলভ নয়। ** [[হেমেন্দ্রকুমার রায়]], করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়, যাঁদের দেখেছি - হেমেন্দ্রকুমার রায়, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক— নিউ এজ পাবলিশার্স লিমিটেড, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ * করুণানিধানের কাব্যে ভাষা ও ছন্দের সেই অমোঘ সৌষ্ঠব সর্ব্বাগ্রে পাঠকের হৃদয়গোচর হয়। কবি যেন মূর্ত্তিমতী বাগ‍্দেবতার আরাধনায় তন্ময় হইয়া, প্রকৃতির রূপভাণ্ডার হইতে বর্ণালোক আহরণ করিয়া, অতি ধীরে সংযত হস্তে সুনিপুণ তুলিকাক্ষেপে বাগ‍্দেবতার বেদী-পট্ট অলঙ্কৃত করিতেছেন। বাক্য ও ছন্দের এই সৌন্দর্য্য স্পৃহা তাঁহার কবিহৃদয়ের বিশিষ্ট সৌন্দর্য্যানুভূতির পক্ষে যতখানি সার্থক হইয়াছে, তাহাই তাঁহার কাব্যের রস-প্রমাণ।.... তাঁহার কবিতায়, ভাষার এই নির্মাণকৌশলে যেন তিনটি ভঙ্গি ফুটিয়া উঠিয়াছে—ফুলের ন্যায় কোমল নির্ম্মল, পরিপক্ক ফলের ন্যায় নিটোল ও রসোচ্ছল, এবং মণিগণের মত দৃঢ়সংহত দীপ্তিমান্। ** [[মোহিতলাল মজুমদার]], কবি করুণানিধানের কবিতা, সাহিত্য-বিতান - মোহিতলাল মজুমদার, প্রকাশস্থান- গণেশপুর, কলকাতা প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৭ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসংকলন লেখক}} [[বিষয়শ্রেণী:১৮৭৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৫-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীর বাঙালি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের লেখক]] hje3j2s7p28hxnvzrdo8o4kekx09iev 78815 78807 2026-04-20T06:27:43Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 78815 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়|করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]]''' (১৯ নভেম্বর ১৮৭৭ – ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৫) ছিলেন বাঙালী রোমান্টিক রবীন্দ্রানুসারী জাতীয়তাবাদী কবি। ছাত্র জীবন থেকে কবিতা লিখতেন। তার প্রথম লেখা দেশাত্মবোধক কাব্য বঙ্গমঙ্গল প্রকাশিত হয় ১৯০১ সালে। এটি রাজরোষে পড়ার আশঙ্কায় বিনা নামে বের হয়। করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায় সাহিত্যচর্চা শুরু করেন ছাত্রাবস্থা থেকেই। অন্যান্য কাবগ্রন্থের মধ্যে প্রসাদী (১৩১১), ঝরাফুল (১৩১৮), শান্তিজল (১৩২০), ধানদুর্বা (১৩২৮), শতনারী (১৩৩৭), রবীন্দ্র-আরতি (১৩৪৪), গীতায়ন (১৩৫৬) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।। সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৫১ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জগত্তারিণী’ পদকে ভূষিত হন। তার দ্বারা পরবর্তীতে মোহিতলাল মজুমদার প্রমুখ অনেক কবি প্রভাবিত হন। == উক্তি == * বিশাল পুরীর{{ফাঁক}}দ্বারে দ্বারে ঘুরে,<br>কেহ নাহি দেয় ভিক্ষা;<br>নিবেদিল শেষে{{ফাঁক}}গুরুপদে এসে,—<br>“শিখাইলে শেষ শিক্ষা,<br>জীয়াতে চাহি না তনয়ে আমার,<br>ভবনে ভবনে ওঠে হাহাকার—<br>হর’ জগতের বিরহ-আঁধার<br>দাও গো অমৃত-দীক্ষা।” ** জীবন-ভিক্ষা (বুদ্ধদেবের প্রতি কিসা গোতমী), শতনরী - করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বাগচী এণ্ড সন্স, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৪ * নাচিছে দামিনী, মেঘে পাখোয়াজ বাজে,<br>সরমে কেতকী ফুটে আঙ‍্রাখা মাঝে;<br>কাজলের কোলে আলোকের লেখা ভাসে<br>ওগো ধারা-ঝর-ঝর এমন আষাঢ় মাসে,<br>আমি নাই শুধু আমার প্রিয়ার পাশে। ** আষাঢ়ে, ঝরা ফুল - করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- শ্রীঅমূল্যচরণ ঘোষ বিদ্যাভূষণ, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১১ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * মাটীর প্রদীপ জ্বলছে নীরব নায়ের ’পরে<br>কইছে কথা ঢেউ-এর ফেনা কলস্বরে;<br>চপল হাওয়ায় কালো ছায়ায় কূলে কূলে<br>চলেছি হায় কোন্ মোহানায় মনের ভুলে!<br>ভাসিয়ে নে যায় এক‍্টানাতে তারার দেশে—<br>শেষ দরিয়ার জোয়ার-ভাঁটার স্বপন-শেষে ** ভুল, শতনরী - করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বাগচী এণ্ড সন্স, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৯ * এই খানে সে কখন এসে<br>স্মৃতির লিপি গেছে ফেলে’—<br>অন্ধকারের আল‍্পনাতে<br>জ্বলজ্বলে তার নয়ন মেলে।<br>শেষ-মিনতি শেষ-তৃষাতে<br>পাইনি নাগাল আকুল হাতে;—<br>রূপ হারালো রূপের লীলা<br>বন-পলাশে আলোক ঢেলে। ** বনের কোণে, শতনরী - করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বাগচী এণ্ড সন্স, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৮ ==করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে উক্তি== * করুণানিধানের কাব্যে যে নিসর্গ-শোভা ফুটে ওঠে, তার মধ্যে পাওয়া যায় কবির স্বাভাবিক রক্তের টান ও নাড়ীর স্পন্দন। তাঁকেই বলি সত্যিকার স্বভাবকবি। এবং ছোটখাটো খুঁটিনাটির ভিতর দিয়ে বৃহত্তর প্রকৃতির শব্দস্পর্শ গন্ধ ও রূপরসছন্দ প্রকাশ করবার জন্যে তিনি ভাবুকের মত বেছে বেছে যে সব শব্দ উদ্ভাবন করেন, তার মধ্যেও থাকে খাঁটি কলাবিদের হাতের ছাপ। বাংলার কাব্যজগতে তাঁর মত নিসর্গ-চিত্রকর সুলভ নয়। ** [[হেমেন্দ্রকুমার রায়]], করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়, যাঁদের দেখেছি - হেমেন্দ্রকুমার রায়, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক— নিউ এজ পাবলিশার্স লিমিটেড, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ * করুণানিধানের কাব্যে ভাষা ও ছন্দের সেই অমোঘ সৌষ্ঠব সর্ব্বাগ্রে পাঠকের হৃদয়গোচর হয়। কবি যেন মূর্ত্তিমতী বাগ‍্দেবতার আরাধনায় তন্ময় হইয়া, প্রকৃতির রূপভাণ্ডার হইতে বর্ণালোক আহরণ করিয়া, অতি ধীরে সংযত হস্তে সুনিপুণ তুলিকাক্ষেপে বাগ‍্দেবতার বেদী-পট্ট অলঙ্কৃত করিতেছেন। বাক্য ও ছন্দের এই সৌন্দর্য্য স্পৃহা তাঁহার কবিহৃদয়ের বিশিষ্ট সৌন্দর্য্যানুভূতির পক্ষে যতখানি সার্থক হইয়াছে, তাহাই তাঁহার কাব্যের রস-প্রমাণ।.... তাঁহার কবিতায়, ভাষার এই নির্মাণকৌশলে যেন তিনটি ভঙ্গি ফুটিয়া উঠিয়াছে—ফুলের ন্যায় কোমল নির্ম্মল, পরিপক্ক ফলের ন্যায় নিটোল ও রসোচ্ছল, এবং মণিগণের মত দৃঢ়সংহত দীপ্তিমান্। ** [[মোহিতলাল মজুমদার]], কবি করুণানিধানের কবিতা, সাহিত্য-বিতান - মোহিতলাল মজুমদার, প্রকাশস্থান- গণেশপুর, কলকাতা প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৭ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসংকলন লেখক}} [[বিষয়শ্রেণী:১৮৭৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৫-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীর বাঙালি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের লেখক]] am71apg2qq7d9n60pqohezej9solh5w 78898 78815 2026-04-20T11:47:05Z Salil Kumar Mukherjee 39 উক্তি যোগ 78898 wikitext text/x-wiki {{কাজ চলছে}} '''[[:w:করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়|করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়]]''' (১৯ নভেম্বর ১৮৭৭ – ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৫) ছিলেন বাঙালী রোমান্টিক রবীন্দ্রানুসারী জাতীয়তাবাদী কবি। ছাত্র জীবন থেকে কবিতা লিখতেন। তার প্রথম লেখা দেশাত্মবোধক কাব্য বঙ্গমঙ্গল প্রকাশিত হয় ১৯০১ সালে। এটি রাজরোষে পড়ার আশঙ্কায় বিনা নামে বের হয়। করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায় সাহিত্যচর্চা শুরু করেন ছাত্রাবস্থা থেকেই। অন্যান্য কাবগ্রন্থের মধ্যে প্রসাদী (১৩১১), ঝরাফুল (১৩১৮), শান্তিজল (১৩২০), ধানদুর্বা (১৩২৮), শতনারী (১৩৩৭), রবীন্দ্র-আরতি (১৩৪৪), গীতায়ন (১৩৫৬) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।। সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৫১ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জগত্তারিণী’ পদকে ভূষিত হন। তার দ্বারা পরবর্তীতে মোহিতলাল মজুমদার প্রমুখ অনেক কবি প্রভাবিত হন। == উক্তি == * বিশাল পুরীর{{ফাঁক}}দ্বারে দ্বারে ঘুরে,<br>কেহ নাহি দেয় ভিক্ষা;<br>নিবেদিল শেষে{{ফাঁক}}গুরুপদে এসে,—<br>“শিখাইলে শেষ শিক্ষা,<br>জীয়াতে চাহি না তনয়ে আমার,<br>ভবনে ভবনে ওঠে হাহাকার—<br>হর’ জগতের বিরহ-আঁধার<br>দাও গো অমৃত-দীক্ষা।” ** জীবন-ভিক্ষা (বুদ্ধদেবের প্রতি কিসা গোতমী), শতনরী - করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বাগচী এণ্ড সন্স, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৮৪ * নাচিছে দামিনী, মেঘে পাখোয়াজ বাজে,<br>সরমে কেতকী ফুটে আঙ‍্রাখা মাঝে;<br>কাজলের কোলে আলোকের লেখা ভাসে<br>ওগো ধারা-ঝর-ঝর এমন আষাঢ় মাসে,<br>আমি নাই শুধু আমার প্রিয়ার পাশে। ** আষাঢ়ে, ঝরা ফুল - করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- শ্রীঅমূল্যচরণ ঘোষ বিদ্যাভূষণ, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯১১ খ্রিস্টাব্দ (১৩১৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৪ * মাটীর প্রদীপ জ্বলছে নীরব নায়ের ’পরে<br>কইছে কথা ঢেউ-এর ফেনা কলস্বরে;<br>চপল হাওয়ায় কালো ছায়ায় কূলে কূলে<br>চলেছি হায় কোন্ মোহানায় মনের ভুলে!<br>ভাসিয়ে নে যায় এক‍্টানাতে তারার দেশে—<br>শেষ দরিয়ার জোয়ার-ভাঁটার স্বপন-শেষে ** ভুল, শতনরী - করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বাগচী এণ্ড সন্স, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ২১৯ * এই খানে সে কখন এসে<br>স্মৃতির লিপি গেছে ফেলে’—<br>অন্ধকারের আল‍্পনাতে<br>জ্বলজ্বলে তার নয়ন মেলে।<br>শেষ-মিনতি শেষ-তৃষাতে<br>পাইনি নাগাল আকুল হাতে;—<br>রূপ হারালো রূপের লীলা<br>বন-পলাশে আলোক ঢেলে। ** বনের কোণে, শতনরী - করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রকাশক- বাগচী এণ্ড সন্স, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৩৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৫৮ ==করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে উক্তি== * করুণানিধানের কাব্যে ভাষা ও ছন্দের সেই অমোঘ সৌষ্ঠব সর্ব্বাগ্রে পাঠকের হৃদয়গোচর হয়। কবি যেন মূর্ত্তিমতী বাগ‍্দেবতার আরাধনায় তন্ময় হইয়া, প্রকৃতির রূপভাণ্ডার হইতে বর্ণালোক আহরণ করিয়া, অতি ধীরে সংযত হস্তে সুনিপুণ তুলিকাক্ষেপে বাগ‍্দেবতার বেদী-পট্ট অলঙ্কৃত করিতেছেন। বাক্য ও ছন্দের এই সৌন্দর্য্য স্পৃহা তাঁহার কবিহৃদয়ের বিশিষ্ট সৌন্দর্য্যানুভূতির পক্ষে যতখানি সার্থক হইয়াছে, তাহাই তাঁহার কাব্যের রস-প্রমাণ।.... তাঁহার কবিতায়, ভাষার এই নির্মাণকৌশলে যেন তিনটি ভঙ্গি ফুটিয়া উঠিয়াছে—ফুলের ন্যায় কোমল নির্ম্মল, পরিপক্ক ফলের ন্যায় নিটোল ও রসোচ্ছল, এবং মণিগণের মত দৃঢ়সংহত দীপ্তিমান্। ** [[মোহিতলাল মজুমদার]], কবি করুণানিধানের কবিতা, সাহিত্য-বিতান - মোহিতলাল মজুমদার, প্রকাশস্থান- গণেশপুর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৫৯ * করুণানিধানের কাব্যে যে নিসর্গ-শোভা ফুটে ওঠে, তার মধ্যে পাওয়া যায় কবির স্বাভাবিক রক্তের টান ও নাড়ীর স্পন্দন। তাঁকেই বলি সত্যিকার স্বভাবকবি। এবং ছোটখাটো খুঁটিনাটির ভিতর দিয়ে বৃহত্তর প্রকৃতির শব্দস্পর্শ গন্ধ ও রূপরসছন্দ প্রকাশ করবার জন্যে তিনি ভাবুকের মত বেছে বেছে যে সব শব্দ উদ্ভাবন করেন, তার মধ্যেও থাকে খাঁটি কলাবিদের হাতের ছাপ। বাংলার কাব্যজগতে তাঁর মত নিসর্গ-চিত্রকর সুলভ নয়। ** [[হেমেন্দ্রকুমার রায়]], করুণানিধান বন্দ্যোপাধ্যায়, যাঁদের দেখেছি - হেমেন্দ্রকুমার রায়, প্রথম সংস্করণ, প্রকাশক— নিউ এজ পাবলিশার্স লিমিটেড, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৫৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৩৮ * করুণানিধানের কাব্যে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের রূপ-রেখা শব্দ-বর্ণে চিত্রিত হইয়া উঠে, এবং সে চিত্র কবি-চিত্তের মাধুরীতে আলিম্পিত হয়। এই রূপ-মোহ একরূপ ইন্দ্রিয়োল্লাসের আনন্দে কবিকে বিভোর করিয়া তোলে; সেই তড়িৎস্পর্শব‍ৎ রূপরেখাবলী কবি আবিষ্টের মত শব্দপটের উপরে মেলিয়া ধরিয়া ঐকান্তিক তৃপ্তি লাভ করেন; এ জন্য কবির অনুভূতি চিন্তা-গভীর হইতে পায় না। তাঁহার অনুভূতিক্ষেত্রে রুদ্র কঠিন বীভৎস বস্তুর স্থান নাই; তার কারণ, তাঁহার প্রাণ প্রকৃতির নিকটে মাধুরী-ভিক্ষাই করে,—তাহাকে কল্পনা-বলে জয় করিয়া আত্মচেতনার প্রসার কামনা করে না। ** [[মোহিতলাল মজুমদার]], কবি করুণানিধানের কবিতা, সাহিত্য-বিতান - মোহিতলাল মজুমদার, প্রকাশস্থান- গণেশপুর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ (১৩৪৯ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ১৪৭ ==বহিঃসংযোগ== {{উইকিপিডিয়া}} {{উইকিসংকলন লেখক}} [[বিষয়শ্রেণী:১৮৭৭-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৫৫-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি কবি]] [[বিষয়শ্রেণী:বাঙালি হিন্দু]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯শ শতাব্দীর বাঙালি]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের লেখক]] fqqcp3govc5cdllujuuneowjichlagb মৈতৈ সভ্যতা 0 12938 78783 2026-04-20T04:33:29Z Tuhin 172 + 78783 wikitext text/x-wiki '''[[w:মৈতৈ সভ্যতা|মৈতৈ সভ্যতা]]''' (বা '''মণিপুরি সভ্যতা''', '''মীতি সভ্যতা''', '''কাঙলৈ সভ্যতা''') ছিল এমন একটি সভ্যতা যা বর্তমান ভারতের [[মণিপুর]] রাজ্যের [[:en:wikipedia:Imphal Valley|ইম্ফল উপত্যকায়]] বিকশিত হয়েছিল। এটি [[মৈতৈ জাতি|মৈতৈ জাতির]] (মণিপুরি) কাছে গর্বের প্রতীক। [[মৈতৈ ভাষা|মৈতৈ ভাষার]] (বা মণিপুরি ভাষা) মাধ্যমেই শিল্পকলা, সাহিত্য, দর্শন এবং ক্রীড়ার মতো ক্ষেত্রগুলো সমৃদ্ধ হয়েছিল এবং আধুনিক মণিপুরের ভিত্তি রূপ লাভ করেছিল। == উক্তি == * মণিপুরি ভাষার মাহাত্ম্য মূলত এর ভাষাভাষীদের সভ্যতার উচ্চতারই এক প্রতিফলন। ... একটি অগ্রসর জাতির ভাষা হিসেবে মণিপুরি ভাষা ইতিমধ্যে ভারতীয় সংস্কৃতি ও সাহিত্যে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। ** গ্লিম্পসেস অফ মণিপুরি ল্যাঙ্গুয়েজ, লিটারেচার, অ্যান্ড কালচার। (১৯৭০)। ভারত: মণিপুরি সাহিত্য পরিষদ। * মৈতৈদের সাথে মৈরাংয়ের একটি বিচিত্র সম্পর্ক ছিল, যেখানে মৈরাংয়ের গর্ব, স্বাধীনতা এবং লোককাহিনীর সমৃদ্ধিকে মৈতৈ সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজন ছিল। ** আনন্দ লাল, থিয়েটার্স অফ ইন্ডিয়া: এ কনসাইজ কম্প্যানিয়ন। (২০০৯)। ভারত: অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস। পৃ. ২৯৩ * পোইরেইতনকে মৈতৈ সভ্যতা এবং বিবর্তনের অগ্রদূত হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি যে আগুন নিয়ে এসেছিলেন, তা এখনও মৈতৈ আদিবাসীদের গ্রাম আন্দ্রোতে জ্বলছে। ** ফোক-লোর। (১৯৯১)। ভারত: ইন্ডিয়ান পাবলিকেশনস। পৃ. ১৭৯ * লাই হারাওবা সর্বোত্তম অবস্থানে রয়েছে, যা মৈতৈ সভ্যতা এবং বিশ্বদর্শনের সারমর্ম সফলভাবে সংরক্ষণ করেছে। ** প্যারাট, এস. এন., প্যারাট, জে. (১৯৯৭)। দ্য প্লিজিং অফ দ্য গডস: মৈতৈ লাই হারাওবা। ভারত: বিকাশ পাবলিশিং হাউস। পৃ. ১৪, ১৮৬ * হাকচাং সাবা শিশুর জন্ম ও বৃদ্ধি এবং পরবর্তীতে কৃষি ও গৃহ নির্মাণের প্রক্রিয়ার বর্ণনা দেয়, যা দেবতাদের (লাই) প্রতি মৈতৈ সভ্যতা ও সংস্কৃতি উৎসর্গের প্রতীক। ** প্যারাট, এস. এন., প্যারাট, জে. (১৯৯৭)। দ্য প্লিজিং অফ দ্য গডস: মৈতৈ লাই হারাওবা। ভারত: বিকাশ পাবলিশিং হাউস। পৃ. ১৪, ১৮৬ * মৈতৈ নারীরা ঐতিহ্যবাহী মৈতৈ সংস্কৃতি ও সভ্যতার শক্তিশালী দুর্গ হিসেবে কাজ করেছেন। ** গাঙ্গুলী, জে. বি. (২০০৬)। অ্যান ইকোনমিক হিস্ট্রি অফ নর্থ ইস্ট ইন্ডিয়া, ১৮২৬-১৯৪৭। ভারত: আকাঙ্ক্ষা পাবলিশিং হাউস। পৃ. ৬৯ * লাইহারাওবা হলো সেই ভিত্তি যার ওপর সমগ্র মৈতৈ সভ্যতা দাঁড়িয়ে আছে। ** বেজবরুয়া, এম. পি., গোপাল, কে. (২০০৩)। ফেয়ারস অ্যান্ড ফেস্টিভালস অফ ইন্ডিয়া। পৃ. ৩৩৬ * দক্ষিণ জেলিয়াংরং অঞ্চল শনাক্ত করার জন্য মণিপুরের প্রাচীন মৈতৈ সভ্যতাকে কৃতিত্ব দেওয়া উচিত। এটি সম্প্রদায়ের দক্ষিণ অংশকে রাজনৈতিকভাবে বশীভূত করা এবং পশ্চিমে মণিপুর ও কাছাড়ের মধ্যে ব্রিটিশদের দ্বারা রাস্তা নির্মাণের মাধ্যমে সম্ভব হয়েছিল। ** কাবুই, জি. (২০০৪)। দ্য হিস্ট্রি অফ দ্য জেলিয়াংরং নাগাস: ফ্রম মাখেল টু রানী গাদিনলিউ। ভারত: স্পেকট্রাম পাবলিকেশনস। পৃ. ১ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:নৃতত্ত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের ইতিহাস]] [[বিষয়শ্রেণী:সভ্যতা]] qg9pezetgvmnkcs2octd6pu0gdqztes 78784 78783 2026-04-20T04:34:43Z Tuhin 172 78784 wikitext text/x-wiki '''[[w:মৈতৈ সভ্যতা|মৈতৈ সভ্যতা]]''' (বা '''মণিপুরি সভ্যতা''', '''মীতি সভ্যতা''', '''কাঙলৈ সভ্যতা''') ছিল এমন একটি সভ্যতা যা বর্তমান ভারতের [[মণিপুর]] রাজ্যের [[w:ইম্ফল উপত্যকা|ইম্ফল উপত্যকায়]] বিকশিত হয়েছিল। এটি [[মৈতৈ জাতি|মৈতৈ জাতির]] (মণিপুরি) কাছে গর্বের প্রতীক। [[মৈতৈ ভাষা|মৈতৈ ভাষার]] (বা মণিপুরি ভাষা) মাধ্যমেই শিল্পকলা, সাহিত্য, দর্শন এবং ক্রীড়ার মতো ক্ষেত্রগুলো সমৃদ্ধ হয়েছিল এবং আধুনিক মণিপুরের ভিত্তি রূপ লাভ করেছিল। == উক্তি == * মণিপুরি ভাষার মাহাত্ম্য মূলত এর ভাষাভাষীদের সভ্যতার উচ্চতারই এক প্রতিফলন। ... একটি অগ্রসর জাতির ভাষা হিসেবে মণিপুরি ভাষা ইতিমধ্যে ভারতীয় সংস্কৃতি ও সাহিত্যে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। ** গ্লিম্পসেস অফ মণিপুরি ল্যাঙ্গুয়েজ, লিটারেচার, অ্যান্ড কালচার। (১৯৭০)। ভারত: মণিপুরি সাহিত্য পরিষদ। * মৈতৈদের সাথে মৈরাংয়ের একটি বিচিত্র সম্পর্ক ছিল, যেখানে মৈরাংয়ের গর্ব, স্বাধীনতা এবং লোককাহিনীর সমৃদ্ধিকে মৈতৈ সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজন ছিল। ** আনন্দ লাল, থিয়েটার্স অফ ইন্ডিয়া: এ কনসাইজ কম্প্যানিয়ন। (২০০৯)। ভারত: অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস। পৃ. ২৯৩ * পোইরেইতনকে মৈতৈ সভ্যতা এবং বিবর্তনের অগ্রদূত হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি যে আগুন নিয়ে এসেছিলেন, তা এখনও মৈতৈ আদিবাসীদের গ্রাম আন্দ্রোতে জ্বলছে। ** ফোক-লোর। (১৯৯১)। ভারত: ইন্ডিয়ান পাবলিকেশনস। পৃ. ১৭৯ * লাই হারাওবা সর্বোত্তম অবস্থানে রয়েছে, যা মৈতৈ সভ্যতা এবং বিশ্বদর্শনের সারমর্ম সফলভাবে সংরক্ষণ করেছে। ** প্যারাট, এস. এন., প্যারাট, জে. (১৯৯৭)। দ্য প্লিজিং অফ দ্য গডস: মৈতৈ লাই হারাওবা। ভারত: বিকাশ পাবলিশিং হাউস। পৃ. ১৪, ১৮৬ * হাকচাং সাবা শিশুর জন্ম ও বৃদ্ধি এবং পরবর্তীতে কৃষি ও গৃহ নির্মাণের প্রক্রিয়ার বর্ণনা দেয়, যা দেবতাদের (লাই) প্রতি মৈতৈ সভ্যতা ও সংস্কৃতি উৎসর্গের প্রতীক। ** প্যারাট, এস. এন., প্যারাট, জে. (১৯৯৭)। দ্য প্লিজিং অফ দ্য গডস: মৈতৈ লাই হারাওবা। ভারত: বিকাশ পাবলিশিং হাউস। পৃ. ১৪, ১৮৬ * মৈতৈ নারীরা ঐতিহ্যবাহী মৈতৈ সংস্কৃতি ও সভ্যতার শক্তিশালী দুর্গ হিসেবে কাজ করেছেন। ** গাঙ্গুলী, জে. বি. (২০০৬)। অ্যান ইকোনমিক হিস্ট্রি অফ নর্থ ইস্ট ইন্ডিয়া, ১৮২৬-১৯৪৭। ভারত: আকাঙ্ক্ষা পাবলিশিং হাউস। পৃ. ৬৯ * লাইহারাওবা হলো সেই ভিত্তি যার ওপর সমগ্র মৈতৈ সভ্যতা দাঁড়িয়ে আছে। ** বেজবরুয়া, এম. পি., গোপাল, কে. (২০০৩)। ফেয়ারস অ্যান্ড ফেস্টিভালস অফ ইন্ডিয়া। পৃ. ৩৩৬ * দক্ষিণ জেলিয়াংরং অঞ্চল শনাক্ত করার জন্য মণিপুরের প্রাচীন মৈতৈ সভ্যতাকে কৃতিত্ব দেওয়া উচিত। এটি সম্প্রদায়ের দক্ষিণ অংশকে রাজনৈতিকভাবে বশীভূত করা এবং পশ্চিমে মণিপুর ও কাছাড়ের মধ্যে ব্রিটিশদের দ্বারা রাস্তা নির্মাণের মাধ্যমে সম্ভব হয়েছিল। ** কাবুই, জি. (২০০৪)। দ্য হিস্ট্রি অফ দ্য জেলিয়াংরং নাগাস: ফ্রম মাখেল টু রানী গাদিনলিউ। ভারত: স্পেকট্রাম পাবলিকেশনস। পৃ. ১ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:নৃতত্ত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের ইতিহাস]] [[বিষয়শ্রেণী:সভ্যতা]] 1hs9ajm1zes28lt31mdhcnfvfl2m16c মৈতৈ জাতি 0 12939 78785 2026-04-20T04:42:20Z Tuhin 172 + 78785 wikitext text/x-wiki '''[[w:মৈতৈ জাতি|মৈতৈ জাতি]]''' (মীতি জাতি বা মণিপুরি জাতি) হলো [[মণিপুর|মণিপুরের]] একটি আদিবাসী জাতিগোষ্ঠী। তাদের মাতৃভাষা হলো [[মৈতৈ ভাষা]] এবং তারা তাদের উন্নত [[মৈতৈ সভ্যতা|মৈতৈ সভ্যতার]] জন্য সুপরিচিত। == উক্তি == * মৈতৈরা, যারা আসামের মণিপুরে প্রভাবশালী জাতি হিসেবে পরিচিত, তারা মূলত তিব্বতি-বর্মি ভাষায় কথা বলা একটি মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠী। রক্ত এবং ভাষার দিক থেকে তারা চারপাশের পাহাড়ি উপজাতিদের সাথে সম্পর্কিত হলেও, তারা সামাজিক সংস্কৃতির উচ্চতর স্তরে উন্নীত হয়েছে। এর ফলে তারা বর্বরতার অরণ্যের মাঝে তুলনামূলক সভ্যতা এবং সুসংগঠিত সমাজের একটি অনন্য মরুদ্যান গঠন করেছে। ** [https://archive.org/details/cu31924029281801/page/448/mode/1up ফ্রেজার, জে. জি. (১৯১৮)। ফোক-লোর ইন দ্য ওল্ড টেস্টামেন্ট: স্টাডিজ ইন কমপ্যারেটিভ রিলিজিয়ন, লিজেন্ড অ্যান্ড ল। যুক্তরাজ্য: ম্যাকমিলান। পৃ. ৪৪৮] * মণিপুর হলো মৈতৈ জাতির আবাসস্থল, যারা মূলত উর্বর ইম্ফল উপত্যকায় কেন্দ্রীভূত, যার মধ্য দিয়ে মণিপুর নদী প্রবাহিত হয়। মৈতৈরা সাংস্কৃতিকভাবে অত্যন্ত সমৃদ্ধ এবং এই অঞ্চলের অন্যান্য গোষ্ঠী যেমন নাগা এবং কুকিদের থেকে একটি স্বতন্ত্র জাতিগোষ্ঠী। ** [https://books.google.co.in/books?id=DcKGAwAAQBAJ&pg=PA306 চাড্ডা, ভি. (২০০৫)। লো ইনটেনসিটি কনফ্লিক্টস ইন ইন্ডিয়া: এন অ্যানালাইসিস। ভারত: সেজ পাবলিকেশনস। পৃ. ৩০৬] * অবশ্যই এই ব্যবস্থায় কিছু ব্যতিক্রম ছিল। যেমন, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকদের দৃষ্টিতে মণিপুরিরা, বিশেষ করে মৈতৈরা, "বর্বর জনগোষ্ঠীর ভিড়ের" মধ্যে "তুলনামূলক সভ্যতার এক অনন্য মরুদ্যান" হিসেবে দাঁড়িয়ে ছিল। এটি এমন এক ব্যতিক্রম যা এশীয় জনগণের সম্পর্কে প্রাচ্যবাদীদের দৃষ্টিভঙ্গিকে বৈধতা দিয়েছিল। ** [https://books.google.co.in/books?id=BapCbbhL8EAC&pg=PA120 বিশ্বাস, পি. এবং থমাস, সি. জে. (২০০৬)। পিস ইন ইন্ডিয়াস নর্থ-ইস্ট: মিনিং, মেটাফর, অ্যান্ড মেথড। ভারত: রিজেন্সি পাবলিকেশনস। পৃ. ১২০] * মৈতৈরা ফর্সা রঙের এবং আকর্ষণীয় মানুষ। মৈতৈ নারীদের সৌন্দর্য সুপরিচিত। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে তারা অহোম এবং ত্রিপুরার রাজাদের প্রিয় রানি ছিলেন। পুরুষরাও একইভাবে সুদর্শন এবং বলিষ্ঠ। ** [https://books.google.co.in/books?id=wxkC9S2jYCkC&pg=PA1549 প্রকাশ, সি. ভি. (২০০৭)। এনসাইক্লোপিডিয়া অফ নর্থ-ইস্ট ইন্ডিয়া। ভারত: আটলান্টিক পাবলিশার্স। পৃ. ১৫৪৯] * মণিপুরের নথিবদ্ধ ইতিহাসে নাগা উপজাতিদের সাথে সম্পর্কের এবং নাগা উপজাতি প্রধানদের কর প্রদানের অসংখ্য উল্লেখ রয়েছে। মণিপুরি রাজাদের সেনাবাহিনীতে নিয়মিত নাগাদের নিয়োগ করা হতো। অনেক নাগা উপজাতি মৈতৈ ভাষায় কথা বলত। অনেক নাগা গ্রামের নিজস্ব নামের পাশাপাশি মণিপুরি নামও ছিল। যখনই কোনো মণিপুরি নাগা গ্রামে যেতেন, তাকে সম্মানিত অতিথি হিসেবে গণ্য করা হতো। অনেক নাগা গ্রাম মণিপুরি রাজাদের বার্ষিক কর প্রদান করত। ** [https://books.google.co.in/books?id=6fSpCQAAQBAJ&pg=PA96 রামমোহন, ই. এন. (২০১১)। কাউন্টারিং ইনসারজেন্সি ইন ইন্ডিয়া: এন ইনসাইডারস ভিউ। ভারত: ভিজ বুকস ইন্ডিয়া। পৃ. ৯৬] * মৈতৈরা মণিপুরি জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ। তারা তুলনামূলকভাবে সমৃদ্ধ ছিল, যেহেতু তাদের দখলে উর্বর উপত্যকা ছিল। ফলে, তাদের মধ্যে কেউ কেউ নিজেদের চারপাশের পাহাড়ের উপজাতি প্রতিবেশীদের তুলনায় শ্রেষ্ঠ এবং সভ্য মনে করবে এটাই স্বাভাবিক। মৈতৈরা বাইরের পৃথিবী এবং এর প্রগতিশীল ধারণার সাথে পরিচিত ছিল, তাই পাহাড়ি উপজাতিদের তুলনায় তারা উন্নত অবস্থায় রয়েছে। ** [https://books.google.co.in/books?id=wxkC9S2jYCkC&pg=PA1549 প্রকাশ, সি. ভি. (২০০৭)। এনসাইক্লোপিডিয়া অফ নর্থ-ইস্ট ইন্ডিয়া। ভারত: আটলান্টিক পাবলিশার্স। পৃ. ১৫৪৯] * "পঁয়ত্রিশ বছর বয়সী 'আবেয়মা' লাইচারাম ইচান দেবীর কান্না মৈরাংয়ের খোয়োল কৈতৈল ত্রাণ শিবিরের বিশাল খোলা হলগুলোকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে, যেখানে প্রতিবেশী সীমান্ত গ্রামগুলো থেকে আসা প্রায় ৪০০ মৈতৈ পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। তিনি বলেন যে, প্রতিবার যখনই তিনি চোখ বন্ধ করে ঘুমানোর চেষ্টা করেন, তখনই তিনি আগুনের দুঃস্বপ্ন দেখেন – সেই আগুনের, যা কেবল তার ঘরই নয়, পুরো গ্রামকে গ্রাস করেছিল। তিনি মনে করেন কীভাবে চুরাচাঁদপুর এবং বিষ্ণুপুরের সীমান্তে অবস্থিত তোরবাংয়ে উন্মত্ত জনতা নেমে এসেছিল এবং ঘরবাড়ি লুটপাট ও পোড়ানো শুরু করেছিল..." ** [https://www.outlookindia.com/national/the-burden-of-riots-magazine-287805 আউটলুক ইন্ডিয়া: দ্য বারডেন অফ রায়টস] * প্রাথমিক সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছিল মৈতৈদের "তফসিলি উপজাতি" মর্যাদা দেওয়ার দাবির মাধ্যমে, যা তাদের জমি মালিকানার অধিকারের পাশাপাশি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ প্রদান করবে – যে সুবিধাগুলো কুকি সম্প্রদায় ইতিমধ্যে ভোগ করছে। ** [https://www.dw.com/en/india-is-manipur-reaching-a-breaking-point/a-67042906 ইন্ডিয়া: ইজ মণিপুর রিচিং এ ব্রেকিং পয়েন্ট?] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:ভারতের ব্যক্তি]] h133hcub67r2vwn88c9hnuuaaytph66 ২০২২ বীরভূম সহিংসতা 0 12940 78786 2026-04-20T04:53:13Z Tuhin 172 + 78786 wikitext text/x-wiki '''[[w:২০২২ বীরভূম সহিংসতা|২০২২ বীরভূম সহিংসতা]]''' (যা বীরভূম হত্যাকাণ্ড নামেও পরিচিত) ২০২২ সালের ২১ মার্চ ভারতের [[w:বীরভূম|বীরভূম]] জেলার [[w:রামপুরহাট|রামপুরহাট]] মহকুমার বকটাই (বগতুই, বগটুই) গ্রামে ঘটেছিল। তৃণমূলের উপ-প্রধান ভাদু শেখের মৃত্যুর পর এই ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত চারটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং ১০ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। == উক্তি == * তিনি তার বক্তৃতায় বীরভূমের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার ওপর মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমে ঘটে যাওয়া সহিংস ঘটনার জন্য আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। আমি আশা করি যে রাজ্য সরকার বাংলার পবিত্র মাটিতে এমন জঘন্য পাপ যারা করেছে তাদের অবশ্যই শাস্তি দেবে।” তিনি আরও বলেন, “আমি বাংলার মানুষকেও অনুরোধ করব তারা যেন এই ধরনের ঘটনার অপরাধীদের এবং যারা এই ধরনের অপরাধীদের উৎসাহিত করে তাদের কখনো ক্ষমা না করেন।” তিনি আশ্বাস দেন যে কেন্দ্রীয় সরকার অপরাধীদের দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে। “কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে আমি রাজ্যকে আশ্বাস দিচ্ছি যে, অপরাধীদের দ্রুততম সময়ে শাস্তি দেওয়ার জন্য তারা যে ধরনের সাহায্য চাইবে তা প্রদান করা হবে,” তিনি বলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত রাজ্যের একজন সিনিয়র মন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বলেন, “আইনের শাসন যেন বজায় থাকে তা নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকার দায়বদ্ধ। অপরাধীদের খুঁজে বের করে শাস্তি দেওয়া হবে।” ** নরেন্দ্র মোদি; [https://web.archive.org/web/https://www.opindia.com/2022/03/pm-modi-condemns-birbhum-violence-asks-wb-govt-to-punish-the-culprits/ পিএম মোদি কনডেমস বীরভূম ভায়োলেন্স আসকস ডব্লিউবি গভট টু পানিশ দ্য কালপ্রিটস] * “আমরা পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জানাচ্ছি। সেখানে গণহত্যাকাণ্ড ঘটছে, মানুষ এলাকা ছেড়ে পালাচ্ছে... রাজ্যটি আর বসবাসের যোগ্য নেই,” অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া রূপা গাঙ্গুলি পশ্চিমবঙ্গের অবনতিশীল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন। “পশ্চিমবঙ্গে মানুষ কথা বলতে পারে না। সরকার খুনিদের রক্ষা করছে। এমন আর কোনো রাজ্য নেই যেখানে নির্বাচনের পর সরকার মানুষ হত্যা করে। আমরা মানুষ। আমরা পাথরের হৃদয়ের রাজনীতি করি না,” রূপা গাঙ্গুলি আরও বলেন। ** রূপা গাঙ্গুলি; [https://web.archive.org/web/https://www.opindia.com/2022/03/west-bengal-bjp-mp-roopa-ganguly-breaks-down-rajya-sabha-birbhum-massacre/ ওয়েস্ট বেঙ্গল বিজেপি এমপি রূপা গাঙ্গুলি ব্রেকস ডাউন রাজ্য সভা বীরভূম ম্যাসাকার] * সহিংসতার বিষয়টি আমলে নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় টুইটারে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় বলেন যে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত। তিনি লেখেন, “বীরভূমের ঘটনা নির্দেশ করে যে রাজ্যটি সহিংস সংস্কৃতি এবং অরাজকতার কবলে রয়েছে।” ** জে. ধনখড়; [https://web.archive.org/web/https://www.opindia.com/2022/03/tmc-demands-removal-of-west-bengal-governor-jagdeep-dhankhar/ টিএমসি ডিমান্ডস রিমুভাল অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল গভর্নর জগদীপ ধনখড়] * এটি সত্য। এই সহিংসতা ছিল অপ্রত্যাশিত। কেউ এটি আশা করেনি। নির্বাচনে জয় এবং পরাজয় থাকে, তবে ভোট গণনা কেন্দ্র থেকেই যেভাবে সহিংসতা শুরু হয়েছিল তা আগে কখনো দেখা যায়নি। আজ পর্যন্ত ভারতে কোথাও এমনটা দেখা যায়নি। এই স্তরের সহিংসতার জন্য বিজেপি কর্মী বা এমনকি সংগঠনও প্রস্তুত ছিল না, এই অভিযোগটি একেবারেই সত্য। আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে। প্রায় ৫০,০০০ কর্মীকে ঘরছাড়া হতে হয়েছে। প্রায় ২০ জন খুন হয়েছেন। এই পুরো সময়ে আমাদের সংগঠন তার কর্মীদের সামান্যতম সাহায্যও করতে পারেনি। * ২০২১ সালের ২ মে বিকেল থেকে যে সহিংসতা শুরু হয়েছিল তার একটাই উদ্দেশ্য ছিল – বিজেপি সংগঠনের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া। বিজেপি ৩৮% ভোট পেয়েছিল, অধিকাংশ হিন্দু ভোট বিজেপির পক্ষে ছিল, যার মানে বিশাল শতাংশ ভোটারের সমর্থন আমাদের সাথে ছিল। তাই সহিংসতার মাধ্যমে এমন পরিবেশ তৈরি করার লক্ষ্য ছিল যাতে ভবিষ্যতে বিজেপির প্রতি সমর্থন দূর হয়ে যায় এবং সংগঠনের মেরুদণ্ড ভেঙে যায়। ভীতি এমন হওয়া উচিত ছিল যাতে বিজেপির সমর্থকরা ঘর থেকে বের না হয় এবং ঠিক সেটাই ঘটেছে। ** স্বপন দাশগুপ্ত; ইন্টারভিউ ২০২২: [https://web.archive.org/web/https://www.opindia.com/2022/05/muslims-hold-a-political-veto-in-bengal-they-decide-who-will-rule-and-who-will-not-swapan-dasgupta/ মুসলিমস হোল্ড এ পলিটিক্যাল ভেটো ইন বেঙ্গল দে ডিসাইড হু উইল রুল অ্যান্ড হু উইল নট স্বপন দাশগুপ্ত] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:২০২০-এর দশকে পশ্চিমবঙ্গ]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২২|বীরভূম সহিংসতা]] [[বিষয়শ্রেণী:গণহত্যা]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে সহিংসতা]] lus5zuwexppw8xjlj8okl1nd55gzap1 78787 78786 2026-04-20T04:54:10Z Tuhin 172 হটক্যাটের মাধ্যমে [[বিষয়শ্রেণী:গণহত্যা]] অপসারণ; [[বিষয়শ্রেণী:হত্যাকাণ্ড]] যোগ 78787 wikitext text/x-wiki '''[[w:২০২২ বীরভূম সহিংসতা|২০২২ বীরভূম সহিংসতা]]''' (যা বীরভূম হত্যাকাণ্ড নামেও পরিচিত) ২০২২ সালের ২১ মার্চ ভারতের [[w:বীরভূম|বীরভূম]] জেলার [[w:রামপুরহাট|রামপুরহাট]] মহকুমার বকটাই (বগতুই, বগটুই) গ্রামে ঘটেছিল। তৃণমূলের উপ-প্রধান ভাদু শেখের মৃত্যুর পর এই ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত চারটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং ১০ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। == উক্তি == * তিনি তার বক্তৃতায় বীরভূমের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার ওপর মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমে ঘটে যাওয়া সহিংস ঘটনার জন্য আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। আমি আশা করি যে রাজ্য সরকার বাংলার পবিত্র মাটিতে এমন জঘন্য পাপ যারা করেছে তাদের অবশ্যই শাস্তি দেবে।” তিনি আরও বলেন, “আমি বাংলার মানুষকেও অনুরোধ করব তারা যেন এই ধরনের ঘটনার অপরাধীদের এবং যারা এই ধরনের অপরাধীদের উৎসাহিত করে তাদের কখনো ক্ষমা না করেন।” তিনি আশ্বাস দেন যে কেন্দ্রীয় সরকার অপরাধীদের দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে। “কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে আমি রাজ্যকে আশ্বাস দিচ্ছি যে, অপরাধীদের দ্রুততম সময়ে শাস্তি দেওয়ার জন্য তারা যে ধরনের সাহায্য চাইবে তা প্রদান করা হবে,” তিনি বলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত রাজ্যের একজন সিনিয়র মন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বলেন, “আইনের শাসন যেন বজায় থাকে তা নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকার দায়বদ্ধ। অপরাধীদের খুঁজে বের করে শাস্তি দেওয়া হবে।” ** নরেন্দ্র মোদি; [https://web.archive.org/web/https://www.opindia.com/2022/03/pm-modi-condemns-birbhum-violence-asks-wb-govt-to-punish-the-culprits/ পিএম মোদি কনডেমস বীরভূম ভায়োলেন্স আসকস ডব্লিউবি গভট টু পানিশ দ্য কালপ্রিটস] * “আমরা পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জানাচ্ছি। সেখানে গণহত্যাকাণ্ড ঘটছে, মানুষ এলাকা ছেড়ে পালাচ্ছে... রাজ্যটি আর বসবাসের যোগ্য নেই,” অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া রূপা গাঙ্গুলি পশ্চিমবঙ্গের অবনতিশীল আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন। “পশ্চিমবঙ্গে মানুষ কথা বলতে পারে না। সরকার খুনিদের রক্ষা করছে। এমন আর কোনো রাজ্য নেই যেখানে নির্বাচনের পর সরকার মানুষ হত্যা করে। আমরা মানুষ। আমরা পাথরের হৃদয়ের রাজনীতি করি না,” রূপা গাঙ্গুলি আরও বলেন। ** রূপা গাঙ্গুলি; [https://web.archive.org/web/https://www.opindia.com/2022/03/west-bengal-bjp-mp-roopa-ganguly-breaks-down-rajya-sabha-birbhum-massacre/ ওয়েস্ট বেঙ্গল বিজেপি এমপি রূপা গাঙ্গুলি ব্রেকস ডাউন রাজ্য সভা বীরভূম ম্যাসাকার] * সহিংসতার বিষয়টি আমলে নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় টুইটারে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় বলেন যে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত। তিনি লেখেন, “বীরভূমের ঘটনা নির্দেশ করে যে রাজ্যটি সহিংস সংস্কৃতি এবং অরাজকতার কবলে রয়েছে।” ** জে. ধনখড়; [https://web.archive.org/web/https://www.opindia.com/2022/03/tmc-demands-removal-of-west-bengal-governor-jagdeep-dhankhar/ টিএমসি ডিমান্ডস রিমুভাল অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল গভর্নর জগদীপ ধনখড়] * এটি সত্য। এই সহিংসতা ছিল অপ্রত্যাশিত। কেউ এটি আশা করেনি। নির্বাচনে জয় এবং পরাজয় থাকে, তবে ভোট গণনা কেন্দ্র থেকেই যেভাবে সহিংসতা শুরু হয়েছিল তা আগে কখনো দেখা যায়নি। আজ পর্যন্ত ভারতে কোথাও এমনটা দেখা যায়নি। এই স্তরের সহিংসতার জন্য বিজেপি কর্মী বা এমনকি সংগঠনও প্রস্তুত ছিল না, এই অভিযোগটি একেবারেই সত্য। আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে। প্রায় ৫০,০০০ কর্মীকে ঘরছাড়া হতে হয়েছে। প্রায় ২০ জন খুন হয়েছেন। এই পুরো সময়ে আমাদের সংগঠন তার কর্মীদের সামান্যতম সাহায্যও করতে পারেনি। * ২০২১ সালের ২ মে বিকেল থেকে যে সহিংসতা শুরু হয়েছিল তার একটাই উদ্দেশ্য ছিল – বিজেপি সংগঠনের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া। বিজেপি ৩৮% ভোট পেয়েছিল, অধিকাংশ হিন্দু ভোট বিজেপির পক্ষে ছিল, যার মানে বিশাল শতাংশ ভোটারের সমর্থন আমাদের সাথে ছিল। তাই সহিংসতার মাধ্যমে এমন পরিবেশ তৈরি করার লক্ষ্য ছিল যাতে ভবিষ্যতে বিজেপির প্রতি সমর্থন দূর হয়ে যায় এবং সংগঠনের মেরুদণ্ড ভেঙে যায়। ভীতি এমন হওয়া উচিত ছিল যাতে বিজেপির সমর্থকরা ঘর থেকে বের না হয় এবং ঠিক সেটাই ঘটেছে। ** স্বপন দাশগুপ্ত; ইন্টারভিউ ২০২২: [https://web.archive.org/web/https://www.opindia.com/2022/05/muslims-hold-a-political-veto-in-bengal-they-decide-who-will-rule-and-who-will-not-swapan-dasgupta/ মুসলিমস হোল্ড এ পলিটিক্যাল ভেটো ইন বেঙ্গল দে ডিসাইড হু উইল রুল অ্যান্ড হু উইল নট স্বপন দাশগুপ্ত] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:২০২০-এর দশকে পশ্চিমবঙ্গ]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২২|বীরভূম সহিংসতা]] [[বিষয়শ্রেণী:হত্যাকাণ্ড]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে সহিংসতা]] h1muu5it869ikblzo6mp3uyj61unqi4 আলাপ:মৈতৈ সভ্যতা 1 12941 78788 2026-04-20T04:55:37Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78788 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm আলাপ:মৈতৈ জাতি 1 12942 78789 2026-04-20T04:55:47Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78789 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm আলাপ:২০২২ বীরভূম সহিংসতা 1 12943 78790 2026-04-20T04:55:54Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78790 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ 0 12944 78792 2026-04-20T05:07:33Z Oindrojalik Watch 4169 "২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ ছিল ফিফা কর্তৃক আয়োজিত পুরুষদের জাতীয় ফুটবল দলগুলোর জন্য চার বছর অন্তর অনুষ্ঠিত বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ, ২০তম বিশ্বকাপ। ২০০৭ সালে আয়োজক হওয়ার স্বত্..." দিয়ে পাতা তৈরি 78792 wikitext text/x-wiki ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ ছিল ফিফা কর্তৃক আয়োজিত পুরুষদের জাতীয় ফুটবল দলগুলোর জন্য চার বছর অন্তর অনুষ্ঠিত বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ, ২০তম বিশ্বকাপ। ২০০৭ সালে আয়োজক হওয়ার স্বত্ব পাওয়ার পর, এটি ২০১৪ সালের ১২ জুন থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এটি ছিল দ্বিতীয়বার যখন ব্রাজিল এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে; প্রথমবার হয়েছিল ১৯৫০ সালে, এবং দক্ষিণ আমেরিকায় এটি ছিল পঞ্চমবারের মতো আয়োজিত। অনেক ভক্ত এবং বিশেষজ্ঞ এই বিশ্বকাপ আসরটিকে সর্বকালের অন্যতম সেরা আসর হিসেবে বিবেচনা করেন। qi2z0c2aq8dxdm58kdsx6sq0k5au9ee 78793 78792 2026-04-20T05:08:35Z Oindrojalik Watch 4169 78793 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ ছিল ফিফা কর্তৃক আয়োজিত পুরুষদের জাতীয় ফুটবল দলগুলোর জন্য চার বছর অন্তর অনুষ্ঠিত বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ, ২০তম বিশ্বকাপ। ২০০৭ সালে আয়োজক হওয়ার স্বত্ব পাওয়ার পর, এটি ২০১৪ সালের ১২ জুন থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এটি ছিল দ্বিতীয়বার যখন ব্রাজিল এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে; প্রথমবার হয়েছিল ১৯৫০ সালে, এবং দক্ষিণ আমেরিকায় এটি ছিল পঞ্চমবারের মতো আয়োজিত। অনেক ভক্ত এবং বিশেষজ্ঞ এই বিশ্বকাপ আসরটিকে সর্বকালের অন্যতম সেরা আসর হিসেবে বিবেচনা করেন। 6dx1nj66qntd9s4butf8smocxzk6cpz ফিফা 0 12945 78794 2026-04-20T05:09:53Z Oindrojalik Watch 4169 "<div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%..." দিয়ে পাতা তৈরি 78794 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশন ( ফিফা ) একটি অলাভজনক সংস্থা, যা নিজেকে অ্যাসোসিয়েশন ফুটবল , ফুটসাল, বিচ সকার এবং ই-ফুটবলের আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে পরিচয় দেয়। এটি অ্যাসোসিয়েশন ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। rib7tn4p3wgocnk6s02010wmomi3cuv ২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ 0 12946 78796 2026-04-20T05:11:48Z Oindrojalik Watch 4169 "<div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%..." দিয়ে পাতা তৈরি 78796 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:Seoul Plaza 2002 FIFA World Cup.jpg|thumb|বিশ্বকাপ চলাকালীন, যখন প্রত্যেক কোরিয়ান কোরিয়া দলের ‘রেড ডেভিল’ সমর্থক হয়ে উঠেছিল, তখন তারা এমন এক অসাধারণ ছাপ ফেলেছিল যে, বিদেশী ভক্তরাও তাদের সেই কর্মকাণ্ডের অংশ হতে ব্যাকুল হয়ে উঠেছিল।~মাইকেল]] ব্রিন ২০০২ ফিফা বিশ্বকাপ ছিল ফিফা কর্তৃক আয়োজিত পুরুষদের জাতীয় ফুটবল দলগুলোর চতুবার্ষিক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ, ১৭তম বিশ্বকাপ। এটি ২০০২ সালের ৩১ মে থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং এর ফাইনাল ম্যাচটি জাপানের ইয়োকোহামার আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে আয়োজিত হয়। এই বিশ্বকাপের জন্য ৩২টি দল যোগ্যতা অর্জন করেছিল, যা ছিল এশিয়ায় অনুষ্ঠিত প্রথম বিশ্বকাপ, আমেরিকা বা ইউরোপের বাইরে অনুষ্ঠিত প্রথম বিশ্বকাপ এবং একাধিক দেশ দ্বারা যৌথভাবে আয়োজিত প্রথম বিশ্বকাপ। চীন, ইকুয়েডর, সেনেগাল এবং স্লোভেনিয়া বিশ্বকাপে তাদের অভিষেক ঘটায়। অনেক বছর ধরেই বিশ্বকাপ প্রতি পাঁচ বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয় এবং বেশিরভাগ দেশই তা দেখার সম্ভাবনা রাখে। আমাদের পরবর্তী ফিফা বিশ্বকাপের জন্য আমেরিকানরা সহায়ক হতে পারে। mq0lflll1zvk5rr78i3xuxj9bhhaopv ২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ 0 12947 78797 2026-04-20T05:13:52Z Oindrojalik Watch 4169 "<div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%..." দিয়ে পাতা তৈরি 78797 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:Watching South Africa & Mexico match at World Cup 2010-06-11 in Soweto 7.jpg|thumb|তুমি সম্মুখ সারিতে আছো। সবাই দেখছে। তুমি জানো পরিস্থিতি গুরুতর, আমরা আরও কাছে চলে আসছি, এটা এখনো শেষ হয়নি।~শাকিরা]] ২০১০ ফিফা বিশ্বকাপ ছিল পুরুষদের জাতীয় ফুটবল দলগুলোর বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ, ১৯তম ফিফা বিশ্বকাপ । এটি ২০১০ সালের ১১ জুন থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল। টুর্নামেন্টের ফাইনাল আয়োজনের জন্য বিডিং প্রক্রিয়াটি শুধুমাত্র আফ্রিকান দেশগুলোর জন্য উন্মুক্ত ছিল। ২০০৪ সালে, আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশন, ফিফা , মিশর ও মরক্কোকে পেছনে ফেলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ফাইনাল আয়োজনকারী প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে নির্বাচিত করে। ফাইনালে, ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন স্পেন , তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে পরাজিত নেদারল্যান্ডসকে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে হারিয়ে তাদের প্রথম বিশ্ব শিরোপা জয় করে। স্পেন এই টুর্নামেন্ট জয়ী অষ্টম দেশ এবং নিজ মহাদেশের বাইরে আয়োজিত বিশ্বকাপ জেতা প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে ইতিহাস গড়ে; এর আগে ইউরোপের বাইরে অনুষ্ঠিত সমস্ত বিশ্বকাপেই দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলো বিজয়ী হয়েছিল। czms2fmll70olg5wernsgv63u99xag4 ২০১১ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ 0 12948 78798 2026-04-20T05:16:12Z Oindrojalik Watch 4169 "<div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%..." দিয়ে পাতা তৈরি 78798 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:FIFA Women's World Cup 2011 Olympiastadion Berlin.jpg|thumb|মহাকাব্যিক, ক্লাসিক। থ্রিলার, ব্লকবাস্টার। আমার মনে হয়, সব গতানুগতিক ধারণাগুলোই সত্যি হয়ে উঠেছে। মানে? তুমি আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে বলছিলে যে এই গেমটা নিয়ে তোমার নার্ভাস লাগছে। এখন আমি কারণটা জানি।~ইয়ান ডার্ক]] ২০১১ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ ছিল ষষ্ঠ ফিফা মহিলা বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতা, যা মহিলাদের জাতীয় ফুটবল দলগুলোর বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ । এটি ২০১১ সালের ২৬ জুন থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত জার্মানিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যে দেশটি ২০০৭ সালের অক্টোবরে এই আয়োজনের স্বত্ব লাভ করে। অতিরিক্ত সময়ের পর ২-২ গোলে ড্র হলে, জাপান পেনাল্টি শুট-আউটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ফাইনালে জয়লাভ করে এবং সিনিয়র ফিফা বিশ্বকাপ জয়ী প্রথম এশীয় দল হিসেবে ইতিহাস গড়ে, যা বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অঘটন হিসেবে বিবেচিত হয়। r8nwqykyi0fyddsrh4b4pr9mecw4h1w স্নায়ুযুদ্ধ 0 12949 78801 2026-04-20T05:25:39Z Oindrojalik Watch 4169 "<div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%..." দিয়ে পাতা তৈরি 78801 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:Cold War Map 1980.svg|thumb|শীতল যুদ্ধ চলাকালীন ১৯৮০ সালের জোটসহ বিশ্বের মানচিত্র।]] [[File:Sesel map of socialist states.PNG|thumb|১৯৮৫ সালের সমাজতান্ত্রিক ও কমিউনিস্ট দেশগুলোর বিশ্ব মানচিত্র]] [[File:Bernard Baruch cph.3b33468.jpg|thumb|আমরা যেন প্রতারিত না হই — আমরা আজ এক শীতল যুদ্ধের মাঝে আছি। আমাদের শত্রুদের বিদেশে এবং দেশেই খুঁজে পাওয়া যাবে। আমরা যেন এটা কখনো ভুলে না যাই: আমাদের অস্থিরতাই তাদের সাফল্যের মূল কারণ। বিশ্বশান্তিই আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থার আশা ও লক্ষ্য; আর যারা আমাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়, তাদের হতাশা ও পরাজয়। আমরা কেবল নিজেদের উপরই নির্ভর করতে পারি। ~ বার্নার্ড বারুচ]] ঠান্ডা যুদ্ধ (১৯৪৭-১৯৯১) ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের নিজ নিজ মিত্র, পূর্ব ব্লক ও পশ্চিম ব্লকের মধ্যে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার একটি সময়কাল । ঐতিহাসিকরা এর সময়কাল নিয়ে পুরোপুরি একমত নন, তবে এই সময়কালকে সাধারণত ১৯৪৭ সালের ট্রুম্যান মতবাদ থেকে ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তি পর্যন্ত বিস্তৃত বলে মনে করা হয়। " ঠান্ডা " শব্দটি ব্যবহৃত হয় কারণ এই দুই পরাশক্তির মধ্যে সরাসরি কোনো বড় আকারের যুদ্ধ হয়নি , বরং তারা প্রত্যেকেই প্রক্সি যুদ্ধ নামে পরিচিত প্রধান আঞ্চলিক সংঘাতগুলোকে সমর্থন করেছিল। ১৯৪৫ সালে নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে তাদের অস্থায়ী জোট এবং বিজয়ের পর, এই দুই শক্তির বৈশ্বিক প্রভাব বিস্তারের জন্য আদর্শগত ও ভূ-রাজনৈতিক সংগ্রামকে কেন্দ্র করে এই সংঘাতটি গড়ে উঠেছিল। পারস্পরিক নিশ্চিত ধ্বংসের (ম্যাড) মতবাদ কোনো পক্ষকেই আগাম আক্রমণে নিরুৎসাহিত করেছিল। পারমাণবিক অস্ত্রাগার উন্নয়ন এবং প্রচলিত সামরিক মোতায়েন ছাড়াও , আধিপত্যের সংগ্রাম মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ , প্রচারণা অভিযান, গুপ্তচরবৃত্তি , সুদূরপ্রসারী নিষেধাজ্ঞা , ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং মহাকাশ প্রতিযোগিতার মতো প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতার মতো পরোক্ষ উপায়ে প্রকাশ পেয়েছিল । alclvp01yw5oul7s8y4aghhsz9mz8uj রংধনু 0 12950 78803 2026-04-20T05:34:44Z Oindrojalik Watch 4169 "File:Double-alaskan-rainbow.jpg|244px|thumb|right|সবচেয়ে কঠিন সময়েও আশা দেখার সম্ভাবনা থাকে ... আমরা বলতে পারি, "আমি এমন কারো জন্য মেঘের মধ্যে রামধনু হতে পারি, যে এখনো জন্মায়নি।" হয়তো এটাই আমাদের জীবনে..." দিয়ে পাতা তৈরি 78803 wikitext text/x-wiki [[File:Double-alaskan-rainbow.jpg|244px|thumb|right|সবচেয়ে কঠিন সময়েও আশা দেখার সম্ভাবনা থাকে ... আমরা বলতে পারি, "আমি এমন কারো জন্য মেঘের মধ্যে রামধনু হতে পারি, যে এখনো জন্মায়নি।" হয়তো এটাই আমাদের জীবনের ব্রত। ~ মায়া অ্যাঞ্জেলো]] রামধনু হলোআলোর এক বিশেষ ঘটনা ; যাভৌত ইন্দ্রিয় এবং ধারণাগত মনের দ্বারা উপলব্ধির ফলে রঙেরএকটি বর্ণালী তৈরি করে । এই বর্ণালী প্রায়শই আকাশের অনেক উঁচুতে দেখা যায় , আবার কখনও কখনও দর্শকের খুব কাছাকাছিও চলে আসে। এই সৃষ্ট রঙের বর্ণালীকেও রামধনু বলা হয় এবং এটি বলয় , আভা ও বর্ণচ্ছটার মতো অন্যান্য আলোকীয় ঘটনার সাথে সম্পর্কিত । বিভিন্ন জাতিগত, ধর্মীয় এবং অন্যান্য সামাজিক গোষ্ঠী এটিকে ব্যাপকভাবে প্রতীকীভাবে ব্যবহার করে। এটি বৈচিত্র্যের মাঝেউদ্দেশ্যের সুরেলা ঐক্য বোঝায় এবং বিভিন্ন সংস্কৃতিতে এটি একটি ঐশ্বরিক চুক্তি, সত্তা, বা নশ্বর ও অমর জগতের মধ্যে একটি রহস্যময় বা জাদুকরী সেতুর চিহ্ন হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। gf4z7xjm60x8300p5qixpv76ljrglzg 78810 78803 2026-04-20T05:55:17Z Oindrojalik Watch 4169 78810 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:Double-alaskan-rainbow.jpg|244px|thumb|right|সবচেয়ে কঠিন সময়েও আশা দেখার সম্ভাবনা থাকে ... আমরা বলতে পারি, "আমি এমন কারো জন্য মেঘের মধ্যে রামধনু হতে পারি, যে এখনো জন্মায়নি।" হয়তো এটাই আমাদের জীবনের ব্রত। ~ মায়া অ্যাঞ্জেলো]] রামধনু হলোআলোর এক বিশেষ ঘটনা ; যাভৌত ইন্দ্রিয় এবং ধারণাগত মনের দ্বারা উপলব্ধির ফলে রঙেরএকটি বর্ণালী তৈরি করে । এই বর্ণালী প্রায়শই আকাশের অনেক উঁচুতে দেখা যায় , আবার কখনও কখনও দর্শকের খুব কাছাকাছিও চলে আসে। এই সৃষ্ট রঙের বর্ণালীকেও রামধনু বলা হয় এবং এটি বলয় , আভা ও বর্ণচ্ছটার মতো অন্যান্য আলোকীয় ঘটনার সাথে সম্পর্কিত । বিভিন্ন জাতিগত, ধর্মীয় এবং অন্যান্য সামাজিক গোষ্ঠী এটিকে ব্যাপকভাবে প্রতীকীভাবে ব্যবহার করে। এটি বৈচিত্র্যের মাঝেউদ্দেশ্যের সুরেলা ঐক্য বোঝায় এবং বিভিন্ন সংস্কৃতিতে এটি একটি ঐশ্বরিক চুক্তি, সত্তা, বা নশ্বর ও অমর জগতের মধ্যে একটি রহস্যময় বা জাদুকরী সেতুর চিহ্ন হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। p4gjyyo05k1i50cd1oswimgpivozg73 ষষ্ঠ মুহাম্মদ (মরক্কো) 0 12951 78804 2026-04-20T05:42:34Z Tanbiruzzaman 806 "'''{{W|ষষ্ঠ মুহাম্মদ (মরক্কো)|৬ষ্ঠ মুহাম্মদ}}''' (জন্ম ২১ আগস্ট ১৯৬৩) মরক্কোর বর্তমান রাজা। তিনি ২৩ জুলাই ১৯৯৯ সালে তাঁর পিতা {{w|রাজা দ্বিতীয় হাসান}}ের মৃত্যুর পর সিংহাসনে আরোহণ কর..." দিয়ে পাতা তৈরি 78804 wikitext text/x-wiki '''{{W|ষষ্ঠ মুহাম্মদ (মরক্কো)|৬ষ্ঠ মুহাম্মদ}}''' (জন্ম ২১ আগস্ট ১৯৬৩) মরক্কোর বর্তমান রাজা। তিনি ২৩ জুলাই ১৯৯৯ সালে তাঁর পিতা {{w|রাজা দ্বিতীয় হাসান}}ের মৃত্যুর পর সিংহাসনে আরোহণ করেন। == উক্তি == * প্রিয় জনগণ, এই দুটি গৌরবময় বার্ষিকী উদযাপনের মুহূর্তে, আমরা আপনাদেরকে আমাদের অত্যন্ত প্রিয় প্রাচ্য প্রদেশগুলোর তালসিন্ত অঞ্চলে উত্তম মানের ও প্রচুর পরিমাণে তেল ও গ্যাস আবিষ্কারের সুসংবাদ জানাতে পেরে আনন্দিত। ** মূল ফরাসি: ''Nous nous réjouissons, au moment où nous célébrons ces deux glorieux anniversaires, de t’annoncer, cher peuple, la bonne nouvelle de la découverte du pétrole et du gaz, de bonne qualité et en quantités abondantes, dans la région de Talsint dans les provinces de l’Oriental qui nous sont si chères.'' ** [http://www.maroc.ma/fr/discours-royaux/discours-de-sm-le-roi-mohammed-vi-%C3%A0-l%E2%80%99occasion-du-47%C3%A8me-anniversaire-de-la টেলিভিশনে প্রচারিত ভাষণ, ২০শে আগস্ট, ২০০০] * গণতন্ত্রে নির্বাচন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। মরক্কো একটি গণতান্ত্রিক দেশ। পরবর্তী নির্বাচন স্বচ্ছ হবে। এটি মরক্কোর নাগরিকদের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাবে। জনগণ জানে মরক্কো কোন দিকে যাচ্ছে এবং আমি কোন দিকে যেতে চাই। ** মূল ফরাসি: ''Dans une démocratie, les élections représentent un processus tout à fait normal. Or, le Maroc est une démocratie. Le prochain scrutin sera transparent. Il reflétera la volonté des citoyens marocains. Les gens savent pertinemment où va le Maroc et où je veux aller.'' ** [http://www.maroc.ma/fr/discours-royaux/interview-accord%C3%A9e-par-sa-majest%C3%A9-le-roi-mohammed-vi-au-quotidien-fran%C3%A7ais-%C2%AB-le লে ফিগারো-র সাথে সাক্ষাৎকার–সেপ্টেম্বর ২০০১] * মরক্কোতে আমি সর্বজনবিদিত। মরক্কোর মানুষ আমার চরিত্র ও চিন্তাভাবনা সম্পর্কে জানে, তারা আমার সম্বন্ধে সবকিছুই জানে। এই রহস্যময়তার ধারণাটি এক বিশেষ সংবাদমাধ্যম টিকিয়ে রাখে: কোনো কিছু বিক্রি করতে হলে, তার ওপর একটা তকমা লাগাতে হয়। তাই তারা আমার ওপরও রহস্যের তকমা লাগিয়েছে, কারণ আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে, কথা বলার আগে আমি আরও জানার জন্য অপেক্ষা করব। ** মূল ফরাসি: ''Au Maroc, on me connaît parfaitement. Les Marocains connaissent mon caractère et mes idées, ils savent absolument tout de moi. Cette notion de mystère est entretenue par une certaine presse : pour vendre, il faut mettre une étiquette. On m’a donc collé une étiquette, celle du mystère, simplement parce que j’ai décidé que, avant de parler, j’attendrais de mieux savoir.'' ** [http://www.maroc.ma/fr/discours-royaux/interview-accord%C3%A9e-par-sa-majest%C3%A9-le-roi-mohammed-vi-au-quotidien-fran%C3%A7ais-%C2%AB-le লে ফিগারো-র সাথে সাক্ষাৎকার–সেপ্টেম্বর ২০০১]] 3szyfhp3wnduf1xtuqztwr66z53h2lw 78805 78804 2026-04-20T05:43:47Z Tanbiruzzaman 806 78805 wikitext text/x-wiki [[File:Mohammed VI.jpg|thumb|250px|কিন্তু স্বাধীনতা কী? আমার কাছে, তা হলো অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধা। স্বাধীনতা নৈরাজ্য নয়।]] '''{{W|ষষ্ঠ মুহাম্মদ (মরক্কো)|৬ষ্ঠ মুহাম্মদ}}''' (জন্ম ২১ আগস্ট ১৯৬৩) মরক্কোর বর্তমান রাজা। তিনি ২৩ জুলাই ১৯৯৯ সালে তাঁর পিতা {{w|রাজা দ্বিতীয় হাসান}}ের মৃত্যুর পর সিংহাসনে আরোহণ করেন। == উক্তি == * প্রিয় জনগণ, এই দুটি গৌরবময় বার্ষিকী উদযাপনের মুহূর্তে, আমরা আপনাদেরকে আমাদের অত্যন্ত প্রিয় প্রাচ্য প্রদেশগুলোর তালসিন্ত অঞ্চলে উত্তম মানের ও প্রচুর পরিমাণে তেল ও গ্যাস আবিষ্কারের সুসংবাদ জানাতে পেরে আনন্দিত। ** মূল ফরাসি: ''Nous nous réjouissons, au moment où nous célébrons ces deux glorieux anniversaires, de t’annoncer, cher peuple, la bonne nouvelle de la découverte du pétrole et du gaz, de bonne qualité et en quantités abondantes, dans la région de Talsint dans les provinces de l’Oriental qui nous sont si chères.'' ** [http://www.maroc.ma/fr/discours-royaux/discours-de-sm-le-roi-mohammed-vi-%C3%A0-l%E2%80%99occasion-du-47%C3%A8me-anniversaire-de-la টেলিভিশনে প্রচারিত ভাষণ, ২০শে আগস্ট, ২০০০] * গণতন্ত্রে নির্বাচন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। মরক্কো একটি গণতান্ত্রিক দেশ। পরবর্তী নির্বাচন স্বচ্ছ হবে। এটি মরক্কোর নাগরিকদের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাবে। জনগণ জানে মরক্কো কোন দিকে যাচ্ছে এবং আমি কোন দিকে যেতে চাই। ** মূল ফরাসি: ''Dans une démocratie, les élections représentent un processus tout à fait normal. Or, le Maroc est une démocratie. Le prochain scrutin sera transparent. Il reflétera la volonté des citoyens marocains. Les gens savent pertinemment où va le Maroc et où je veux aller.'' ** [http://www.maroc.ma/fr/discours-royaux/interview-accord%C3%A9e-par-sa-majest%C3%A9-le-roi-mohammed-vi-au-quotidien-fran%C3%A7ais-%C2%AB-le লে ফিগারো-র সাথে সাক্ষাৎকার–সেপ্টেম্বর ২০০১] * মরক্কোতে আমি সর্বজনবিদিত। মরক্কোর মানুষ আমার চরিত্র ও চিন্তাভাবনা সম্পর্কে জানে, তারা আমার সম্বন্ধে সবকিছুই জানে। এই রহস্যময়তার ধারণাটি এক বিশেষ সংবাদমাধ্যম টিকিয়ে রাখে: কোনো কিছু বিক্রি করতে হলে, তার ওপর একটা তকমা লাগাতে হয়। তাই তারা আমার ওপরও রহস্যের তকমা লাগিয়েছে, কারণ আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে, কথা বলার আগে আমি আরও জানার জন্য অপেক্ষা করব। ** মূল ফরাসি: ''Au Maroc, on me connaît parfaitement. Les Marocains connaissent mon caractère et mes idées, ils savent absolument tout de moi. Cette notion de mystère est entretenue par une certaine presse : pour vendre, il faut mettre une étiquette. On m’a donc collé une étiquette, celle du mystère, simplement parce que j’ai décidé que, avant de parler, j’attendrais de mieux savoir.'' ** [http://www.maroc.ma/fr/discours-royaux/interview-accord%C3%A9e-par-sa-majest%C3%A9-le-roi-mohammed-vi-au-quotidien-fran%C3%A7ais-%C2%AB-le লে ফিগারো-র সাথে সাক্ষাৎকার–সেপ্টেম্বর ২০০১]] 2472k5bl7p9mwvu47m4tq24ffgallgc ভ্রান্ত উদ্ধৃতি 0 12952 78808 2026-04-20T05:53:50Z Oindrojalik Watch 4169 " এই পাতায় এমন সব উক্তি রয়েছে যেগুলোকে অনেকে সঠিক বলে মনে করেন, কিন্তু আসলে সেগুলো ভুল। এর মধ্যে সেইসব উক্তি অন্তর্ভুক্ত নয় যেগুলো বক্তার পক্ষ থেকে প্রকৃতই কোনো ভুল ছিল (..." দিয়ে পাতা তৈরি 78808 wikitext text/x-wiki এই পাতায় এমন সব উক্তি রয়েছে যেগুলোকে অনেকে সঠিক বলে মনে করেন, কিন্তু আসলে সেগুলো ভুল। এর মধ্যে সেইসব উক্তি অন্তর্ভুক্ত নয় যেগুলো বক্তার পক্ষ থেকে প্রকৃতই কোনো ভুল ছিল (বিস্তারিত দেখুন: [[:w:রাজনৈতিক ভুল|রাজনৈতিক ভুল বা গফ]])। :''আরও দেখুন: [[উক্তি|উক্তি বিষয়ক উক্তি]]।'' __TOC__ {{misattributed begin}} == ভুল উদ্ধৃতি বা ভুল আরোপ == * '''"সত্য যখন নিজের জুতো পরছে, একটি মিথ্যা তখন অর্ধেক পৃথিবী ঘুরে আসে।"''' (A lie can travel halfway around the world while the truth is putting on its shoes.) ** মার্ক টোয়েন, উইনস্টন চার্চিল, থমাস জেফারসন কিংবা অ্যান ল্যান্ডার্স—তারা কেউই এই কথাটি বলেননি। এই বাক্যটি মূলত [[জোনাথন সুইফট]]-এর একটি উক্তির পরিবর্তিত রূপ; তিনি বলেছিলেন: '''"মিথ্যা উড়ে চলে, আর সত্য তার পেছনে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে আসে।"''' (Falsehood flies, and truth comes limping after it)। (বিস্তারিত দেখুন [https://quoteinvestigator.com/2014/07/13/truth/ কোট ইনভেস্টিগেটর]-এ)। * '''"নরক কেবল একটি মানসিক অবস্থা মাত্র"''' (Hell is just a frame of mind): ইন্টারনেটে ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয় যে এটি ক্রিস্টোফার মার্লোর 'ডক্টর ফাউস্টাস' (Doctor Faustus) নাটকের একটি উক্তি। তবে 'ডক্টর ফাউস্টাস'-এর মেফিস্টোফেলিস নামক দানবটি প্রায় একই ধরণের একটি ধারণার ইঙ্গিত দিয়েছিল; সে বলেছিল যে স্বর্গে নিজের স্থান হারানো তাকে এমন এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করে যে, তুলনামূলকভাবে সে যেখানেই থাকুক না কেন, নরক যন্ত্রণা অনুভব করে: <poem> 98ajkfxlnxtlu6kxqbb5yaios6jfnsj 78809 78808 2026-04-20T05:54:44Z Oindrojalik Watch 4169 78809 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> এই পাতায় এমন সব উক্তি রয়েছে যেগুলোকে অনেকে সঠিক বলে মনে করেন, কিন্তু আসলে সেগুলো ভুল। এর মধ্যে সেইসব উক্তি অন্তর্ভুক্ত নয় যেগুলো বক্তার পক্ষ থেকে প্রকৃতই কোনো ভুল ছিল (বিস্তারিত দেখুন: [[:w:রাজনৈতিক ভুল|রাজনৈতিক ভুল বা গফ]])। :''আরও দেখুন: [[উক্তি|উক্তি বিষয়ক উক্তি]]।'' __TOC__ {{misattributed begin}} == ভুল উদ্ধৃতি বা ভুল আরোপ == * '''"সত্য যখন নিজের জুতো পরছে, একটি মিথ্যা তখন অর্ধেক পৃথিবী ঘুরে আসে।"''' (A lie can travel halfway around the world while the truth is putting on its shoes.) ** মার্ক টোয়েন, উইনস্টন চার্চিল, থমাস জেফারসন কিংবা অ্যান ল্যান্ডার্স—তারা কেউই এই কথাটি বলেননি। এই বাক্যটি মূলত [[জোনাথন সুইফট]]-এর একটি উক্তির পরিবর্তিত রূপ; তিনি বলেছিলেন: '''"মিথ্যা উড়ে চলে, আর সত্য তার পেছনে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে আসে।"''' (Falsehood flies, and truth comes limping after it)। (বিস্তারিত দেখুন [https://quoteinvestigator.com/2014/07/13/truth/ কোট ইনভেস্টিগেটর]-এ)। * '''"নরক কেবল একটি মানসিক অবস্থা মাত্র"''' (Hell is just a frame of mind): ইন্টারনেটে ব্যাপকভাবে প্রচার করা হয় যে এটি ক্রিস্টোফার মার্লোর 'ডক্টর ফাউস্টাস' (Doctor Faustus) নাটকের একটি উক্তি। তবে 'ডক্টর ফাউস্টাস'-এর মেফিস্টোফেলিস নামক দানবটি প্রায় একই ধরণের একটি ধারণার ইঙ্গিত দিয়েছিল; সে বলেছিল যে স্বর্গে নিজের স্থান হারানো তাকে এমন এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করে যে, তুলনামূলকভাবে সে যেখানেই থাকুক না কেন, নরক যন্ত্রণা অনুভব করে: <poem> 3vbkdce6jtwh28q7kk9bagh2id2qgt0 ২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা 0 12953 78811 2026-04-20T06:05:25Z Tuhin 172 + 78811 wikitext text/x-wiki ২০২৪ সালের ৫ জানুয়ারি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের [[w:সন্দেশখালি|সন্দেশখালি গ্রামে]] [[w:এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট|এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের]] (ইডি) কর্মকর্তাদের একটি দল [[w:তৃণমূল কংগ্রেস|তৃণমূল কংগ্রেস]] নেতা শেখ শাহজাহানকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে যান। এটি ছিল রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্তের অংশ, যে মামলায় ২০২৩ সালের অক্টোবরে ইডি কর্তৃক সিনিয়র মন্ত্রী [[w:জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক|জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক]] গ্রেফতার হয়েছিলেন। তবে শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতারের পরিবর্তে ইডি কর্মকর্তারা তার সমর্থকদের দ্বারা হুমকির সম্মুখীন হন এবং আহত হন। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারির শুরুতে মূলধারার সংবাদমাধ্যমে সন্দেশখালির একাধিক নারীর ওপর [https://en.wikipedia.org/w/index.php?title=Allegations_of_systemic_sexual_assault_in_Sandeshkhali&oldid=1209628826 পদ্ধতিগত যৌন নির্যাতনের অভিযোগ] প্রকাশ্যে আসে। স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের বিরুদ্ধে কিছু গ্রামবাসী এই দাবিগুলো করেন। শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতারে ব্যর্থ প্রচেষ্টার পর ঘটা একাধিক সহিংস ঘটনার প্রেক্ষিতে এই অভিযোগগুলো সামনে আসে। == উক্তি == * সন্দেশখালিতে যা ঘটেছে এবং আমাদের কর্মীরা এই নিপীড়ন ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে যে সাহসিকতার সাথে লড়াই করছেন, তার জন্য আমি অভিনন্দন জানাতে চাই। আমি এই ধরনের ঘটনাকে সভ্য সমাজের ওপর একটি কলঙ্ক বলে মনে করি। এর তীব্র নিন্দা করা উচিত... ** কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং; শনিবার নয়া দিল্লিতে বিজেপির জাতীয় অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্য। [https://www.news18.com/india/sandeshkhali-unrest-main-accused-shibu-hazra-tmc-arrested-west-bengal-latest-news-8783214.html]; ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ * দুই দিন আগে (পশ্চিমবঙ্গ) বিধানসভা চলাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শেখ শাহজাহানের প্রতি তার সমর্থন প্রকাশ করেছিলেন। এটি লজ্জাজনক যে একজন মুখ্যমন্ত্রী, বিশেষ করে একজন নারী হয়ে তিনি তার মতো একজন অপরাধীর পক্ষ নিচ্ছেন। ** বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল দাবি করেন যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শেখ শাহজাহানের পক্ষ নিচ্ছেন। [https://www.hindustantimes.com/india-news/sandeshkhali-police-add-gangrape-sections-say-got-no-complaint-against-shahjahan-sheikh-101708186529561.html ফেব্রুয়ারি, ২০২৪] * শেখ শাহজাহান এবং তার বাহিনী এক 'ত্রাসের রাজত্ব' কায়েম করেছিল যেখানে এসসি এবং এসটি সম্প্রদায়ের নারীদের মর্যাদা বারবার ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। তারা জোরপূর্বক জনজাতীয় এবং আদিবাসীদের বিপুল পরিমাণ জমি দখল করেছে। ** শুভেন্দু অধিকারী, পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা এবং নন্দীগ্রামের বিধায়ক এক্স-এ লিখেছেন। [https://www.indiatoday.in/india/story/sandeshkhali-west-bengal-tmc-trinamool-shahjahan-sheikh-mamta-banerjee-kolkata-cv-anand-bose-suvendu-adhikari-bjp-2500774-2024-02-12]; ১১ ফেব্রুয়ারি * দলের (তৃণমূল) লোকেরা প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে নজরদারি চালাত এবং যদি কোনো সুন্দরী নারী, বিশেষ করে কোনো যুবতী স্ত্রী বা মেয়ে থাকত, তবে তারা তাকে দলের কার্যালয়ে নিয়ে যেত। তারা সেই নারীকে সেখানে রাতভর আটকে রাখত যতক্ষণ না তারা সন্তুষ্ট হচ্ছে। ** স্থানীয় নারীদের একজন, শাহজাহান ও তার সহযোগীদের আক্রমণের ভয়ে মুখ ঢেকে পরিচয় গোপন রেখে সাংবাদিকদের বলেন। [https://www.deccanherald.com/india/west-bengal/explained-what-is-happening-in-sandeshkhali-2896061] * তৃণমূল কর্মীরা গ্রামে আসত এবং 'সুন্দরী নারীদের' বেছে নিত। এই পুরুষরা যুবতীদের খুঁজত এবং তাদের পরিবারের কাছে আদেশ পাঠাত ভুক্তভোগীদের তাদের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য... আপনি স্বামী হতে পারেন তবে আপনি আপনার অধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন না। তারা আপনার স্ত্রীকে দিনের পর দিন ধরে নিয়ে যেত। যতক্ষণ না তারা 'পুরোপুরি সন্তুষ্ট' হচ্ছে ততক্ষণ তারা নারীদের মুক্তি দিত না। তাদের সাথে ২০-৩০ জন গুণ্ডা থাকত। তারা বাইকে চড়ে আসত এবং গ্রামে নিজেদের হুকুম চালাত। ** সন্দেশখালির এক বাসিন্দা, ১০ ফেব্রুয়ারি রিপাবলিক বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে। [https://archive.is/JUwE8]; ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ * "আপনি কি কল্পনা করতে পারেন যে যেসব নারী বছরের পর বছর মমতা জিকে সমর্থন করেছেন, এখন তাদেরই ঘর থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হচ্ছে," নিউজ ৯ গ্লোবাল সামিটে স্মৃতি ইরানি বলেন। "সেখানে যা ঘটেছে তা কোনো ভারতীয়র ধারণার বাইরে। লড়াইয়ের জন্য এই রাজনৈতিক মূল্য আমরা বহন করি। সন্দেশখালিতে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তারা কেবল বিজেপির নন বরং তাদের নিজেদের লোক। তারা প্রথমে আমাদের ওপর এসেছিল, এখন তারা নিজেদের লোকেদের ওপর আসছে," তিনি যোগ করেন। ** স্মৃতি ইরানি; [https://economictimes.indiatimes.com/news/politics-and-nation/what-happened-in-sandeshkhali-is-beyond-any-indians-comprehension-smriti-irani/articleshow/108014896.cms] *"মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হিন্দুদের গণহত্যার জন্য পরিচিত। তিনি এখন তার লোকেদের তরুণ বিবাহিত হিন্দু নারীদের তুলে নিয়ে গিয়ে তৃণমূল কার্যালয়ে ধর্ষণ করার অনুমতি দেবেন... এই ব্যক্তিটি কে যাকে সন্দেশখালির নারীরা বাঙালি হিন্দু নারীদের গণধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত করেছেন? এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উত্তর দিতে হবে - শেখ শাহজাহান কোথায়?", সংবাদ সংস্থা এএনআই তাকে উদ্ধৃত করে এই কথা জানিয়েছে... "তৃণমূলের গুণ্ডারা" প্রতি রাতে নারীদের অপহরণ করত এবং তাদের ধর্ষণ করত। "সন্দেশখালিতে কিছু নারী সংবাদমাধ্যমের কাছে তাদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেছেন... তারা বলেছেন তৃণমূলের গুণ্ডারা ঘরে ঘরে গিয়ে প্রতিটি বাড়ির সবচেয়ে সুন্দরী নারীকে চিহ্নিত করত। যারা কমবয়সী। চিহ্নিত নারীদের স্বামীদের বলা হত যে আপনি স্বামী হতে পারেন, তবে এখন আপনার স্ত্রীর ওপর আপনার কোনো অধিকার নেই। তারা প্রতি রাতে নারীদের অপহরণ করত। যতক্ষণ না তারা সন্তুষ্ট হচ্ছে ততক্ষণ তারা আমাদের ছাড়ত না... এই অভিযোগগুলো ওই অঞ্চলের দলিত, এসটি, জেলে এবং কৃষক সম্প্রদায়ের নারীরা করেছেন," তিনি যোগ করেন। "প্রশ্ন হল, নাগরিক হিসেবে আমরা কি নীরব দর্শক হয়ে থাকতে পারি? এই ব্যক্তিটি কে যাকে সন্দেশখালির নারীরা বাঙালি হিন্দু নারীদের গণধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত করেছেন? আমি এটি বলছি কারণ সন্দেশখালির নারীরা যখন স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের সাথে কথা বলেছিলেন, তারা বলেছিলেন যে তাদের বিশেষভাবে বিবাহিত এবং হিন্দু হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। এখন পর্যন্ত সবাই অবাক হয়ে ভাবছে এই শেখ শাহজাহান কে?", তিনি আরও বলেন। **স্মৃতি ইরানি, [https://www.hindustantimes.com/india-news/mamata-banerjee-known-for-hindu-genocide-she-will-now-allow-rapes-smriti-irani-101707741849367.html] *পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেছেন: "আমি যা দেখেছি তা ছিল ভয়াবহভাবে জঘন্য, যা আমার অনুভূতিকে বিধ্বস্ত করে দিয়েছে। আমি এমন কিছু দেখেছি যা আমার কখনোই দেখা উচিত ছিল না। আমি এমন অনেক কিছু শুনেছি যা আমার কখনোই শোনা উচিত ছিল না। আপনার চোখে যদি জল থাকে, তবে সেই জল ফেলার এখনই সময়... মানুষের জীবন কতটা ভয়াবহ হতে পারে, যেখানে আইন তার নিজের গতিতে চলতে পারে না... যখন আমি সেখানকার মা ও বোনদের কথা শুনলাম... কল্পনা করুন একটি সুখী পরিবার, স্বামী ও স্ত্রী, কন্যাসন্তানসহ প্রাপ্তবয়স্ক ছেলেমেয়ে। ঘর থেকে কিছু গুণ্ডা এসে কন্যাসন্তানকে ধরে ফেলছে, স্বামীর সামনে স্ত্রীকে লাঞ্ছিত করছে এবং স্বামীকে মারধর করছে... এটি কোনো গল্প নয়। গত কয়েক দিনে এই গ্রামে যা ঘটেছে বলে আমাকে জানানো হয়েছে, এটি তাই। তারা জানে কারা এটি করেছে... এটি কখনোই হতে পারে না। আমাদের সংবিধানের অধীনে এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। আমি সংবিধানের অধীনে লড়াই করব। আমি দেশের আইনের মধ্যে থেকে লড়াই করব। আমি রাজ্যের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের সাথে থেকে লড়াই করব। নিশ্চিতভাবেই, অপরাধীরা যাতে শাস্তি পায় তা নিশ্চিত করতে আমরা কোনো প্রচেষ্টাই বাকি রাখব না।" **পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, [https://www.hindustantimes.com/india-news/mamata-banerjee-known-for-hindu-genocide-she-will-now-allow-rapes-smriti-irani-101707741849367.html] * সন্দেশখালির গ্রামবাসীরা "আক্রমণ, হুমকি, যৌন শোষণ, জমি দখল এবং জোরপূর্বক বিনা পারিশ্রমিকে শ্রমের সম্মুখীন হয়েছেন"। ** [https://www.businesstoday.in/india/story/climate-of-terror-nhrc-report-on-sandeshkhali-violence-flags-human-rights-violations-425437-2024-04-14 বিজনেসটুডে] * "প্রতিশোধের ব্যাপক ভয় এবং ক্ষমতার দাপট এই ব্যক্তিদের অভিযোগ জানাতে বাধা দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি বড় দেয়াল হিসেবে কাজ করেছে। এই ত্রাসের রাজত্ব কেবল নিপীড়নের চক্রকেই স্থায়ী করে না বরং ভুক্তভোগীদের নীরবতার শৃঙ্খল ভেঙে বের হওয়ার জন্য একটি নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ তৈরির জরুরি প্রয়োজনীয়তাকে ফুটিয়ে তোলে," জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (এনএইচআরসি) বলেছে। ** [https://www.deccanherald.com/india/west-bengal/nhrc-flags-human-rights-violations-in-bengals-troubled-sandeshkhali-2976681 ডেকান হেরাল্ড] * "সন্দেশখালিতে আমাদের দলিত বোনেরা অত্যাচারের শিকার হয়েছেন কিন্তু তৃণমূল অভিযুক্তকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছে। এটা কি এজন্য যে তার নাম শাহজাহান শেখ?” ** নরেন্দ্র মোদি; [https://indianexpress.com/article/cities/kolkata/daro-mat-bhaago-mat-pm-modi-a-jibe-rahul-gandhi-for-contesting-from-raebareli-9305265/ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস] * "তৃণমূলের শাসনে নারীরা অত্যাচারের সম্মুখীন হচ্ছেন। সন্দেশখালির ঘটনা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। মানুষের ভোট দেওয়ার অধিকার আছে এবং তারা এই প্রক্রিয়ায় তাদের ক্ষোভ উগরে দেবে।" ** নরেন্দ্র মোদি; [https://www.narendramodi.in/prime-minister-narendra-modis-exclusive-interview-to-news18-network-30th-april-twenty-twenty-four-581922 সাক্ষাৎকার ২০২৪] * "আজ আমি সন্দেশখালি পরিদর্শন করেছি যেখানে তৃণমূলের গুণ্ডারা শেখ শাহজাহানকে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য মানুষকে হুমকি দিচ্ছে। অন্বেষা মন্ডল নামে একজন নারী আমাকে দিলীপ মল্লিকের অত্যাচারের কথা বলেছেন, যিনি কয়েক দিন আগে এক নারীকে অপহরণ করেছিলেন। এই অভিযোগের পর আজ সন্ধ্যায় তৃণমূলের গুণ্ডারা তাকে অপহরণ করে হাত-পা বেঁধে একটি পুকুরের পাশে ফেলে দিয়ে আসে যেন তিনি মারা যান। আমরা তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাই।" ** প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল; ১৫ মে ২০২৪ [https://twitter.com/impriyankabjp/status/1790788779973771728 ]; এছাড়াও এখানে [https://archive.fo/vaW5S ] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ ভারত]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২০-এর দশকে পশ্চিমবঙ্গ]] [[বিষয়শ্রেণী:সংঘাত]] qt00duqmr89q1xgi3uzilfs8khc1w2f আলাপ:২০২৪ সন্দেশখালী সহিংসতা 1 12954 78812 2026-04-20T06:05:57Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78812 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm দ্য সিম্পসন্‌স (৭ম সিজন) 0 12955 78813 2026-04-20T06:19:52Z Oindrojalik Watch 4169 "<div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%..." দিয়ে পাতা তৈরি 78813 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> '''[[:w:দ্য সিম্পসনস|দ্য সিম্পসনস]]''' (১৯৮৯–বর্তমান) হলো ম্যাট গ্রোয়েনিংনির্মিত একটি আমেরিকান প্রাপ্তবয়স্ক অ্যানিমেটেড সিটকম, যা ফক্স ব্রডকাস্টিং কোম্পানি দ্বারা সম্প্রচারিত হয়। এই ধারাবাহিকটি আমেরিকান জীবনের একটি ব্যঙ্গাত্মক চিত্রায়ন, যার মূর্ত প্রতীক হলো সিম্পসন পরিবার। === ''মিঃ বার্নসকে কে গুলি করেছিল? (দ্বিতীয় পর্ব)'' === ''[স্মিদার্স একটি স্বীকারোক্তি কক্ষে বসে আছেন।]'' '''স্মিদার্স''' : ফাদার, আমি ক্যাথলিক নই, কিন্তু... আমি সেন্ট প্যাট্রিক'স ডে প্যারেডে অংশ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম... যাইহোক, আমার একটা বেশ বড় পাপ স্বীকার করার আছে। আমিই সেই ব্যক্তি যে... [''কান্নায় ভেঙে পড়ে''] যে মিস্টার বার্নসকে গুলি করেছিল! qlg0mjr8mgdg0choycw0gbvmk1l4mfg 78817 78813 2026-04-20T06:30:36Z Oindrojalik Watch 4169 [[দ্য সিম্পসন্‌স (সিজন ৭)]]-এ পুনর্নির্দেশ করা হল 78817 wikitext text/x-wiki #পুনঃনির্দেশ [[দ্য সিম্পসন্‌স (সিজন ৭)]] siu760xiqkhd19kvf84fh310fp2abhu দ্য সিম্পসন্‌স 0 12956 78814 2026-04-20T06:25:09Z Oindrojalik Watch 4169 "<div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%..." দিয়ে পাতা তৈরি 78814 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:The Simpsons yellow logo.svg|thumb|শিরোনাম/লোগো]] '''[[:w:দ্য সিম্পসন্‌স|দ্য সিম্পসন্‌স]]''' (১৯৮৯–বর্তমান) হলো ফক্স ব্রডকাস্টিং কোম্পানি কর্তৃক সম্প্রচারিত এবং ম্যাট গ্রোয়েনিং। এই সিরিজটি আমেরিকান জীবনের একটি ব্যঙ্গাত্মক চিত্রায়ন, যার মূর্ত প্রতীক হলো নাম ভূমিকায় থাকা সিম্পসন পরিবার। == সিজনসমূহ == {{col-begin}} {{col-2}} :সিজন ১-২০ ::[[The Simpsons/Season 1|সিজন ১]] ::[[The Simpsons/Season 2|সিজন ২]] ::[[The Simpsons/Season 3|সিজন ৩]] ::[[The Simpsons/Season 4|সিজন ৪]] ::[[The Simpsons/Season 5|সিজন ৫]] ::[[The Simpsons/Season 6|সিজন ৬]] ::[[The Simpsons/Season 7|সিজন ৭]] ::[[The Simpsons/Season 8|সিজন ৮]] ::[[The Simpsons/Season 9|সিজন ৯]] ::[[The Simpsons/Season 10|সিজন ১০]] ::[[The Simpsons/Season 11|সিজন ১১]] ::[[The Simpsons/Season 12|সিজন ১২]] ::[[The Simpsons/Season 13|সিজন ১৩]] ::[[The Simpsons/Season 14|সিজন ১৪]] ::[[The Simpsons/Season 15|সিজন ১৫]] ::[[The Simpsons/Season 16|সিজন ১৬]] ::[[The Simpsons/Season 17|সিজন ১৭]] ::[[The Simpsons/Season 18|সিজন ১৮]] ::[[The Simpsons/Season 19|সিজন ১৯]] ::[[The Simpsons/Season 20|সিজন ২০]] {{col-2}} :সিজন ২১-বর্তমান ::[[The Simpsons/Season 21|সিজন ২১]] ::[[The Simpsons/Season 22|সিজন ২২]] ::[[The Simpsons/Season 23|সিজন ২৩]] ::[[The Simpsons/Season 24|সিজন ২৪]] ::[[The Simpsons/Season 25|সিজন ২৫]] ::[[The Simpsons/Season 26|সিজন ২৬]] ::[[The Simpsons/Season 27|সিজন ২৭]] ::[[The Simpsons/Season 28|সিজন ২৮]] ::[[The Simpsons/Season 29|সিজন ২৯]] ::[[The Simpsons/Season 30|সিজন ৩০]] ::[[The Simpsons/Season 31|সিজন ৩১]] ::[[The Simpsons/Season 32|সিজন ৩২]] ::[[The Simpsons/Season 33|সিজন ৩৩]] ::[[The Simpsons/Season 34|সিজন ৩৪]] ::[[The Simpsons/Season 35|সিজন ৩৫]] ::[[The Simpsons/Season 36|সিজন ৩৬]] ::[[The Simpsons/Season 37|সিজন ৩৭]] {{col-end}} fci28c6zxds65jz81zo9taauubvvcki 78818 78814 2026-04-20T06:32:03Z Oindrojalik Watch 4169 78818 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> [[File:The Simpsons yellow logo.svg|thumb|শিরোনাম/লোগো]] '''[[:w:দ্য সিম্পসন্‌স|দ্য সিম্পসন্‌স]]''' (১৯৮৯–বর্তমান) হলো ফক্স ব্রডকাস্টিং কোম্পানি কর্তৃক সম্প্রচারিত এবং ম্যাট গ্রোয়েনিং। এই সিরিজটি আমেরিকান জীবনের একটি ব্যঙ্গাত্মক চিত্রায়ন, যার মূর্ত প্রতীক হলো নাম ভূমিকায় থাকা সিম্পসন পরিবার। == সিজনসমূহ == {{col-begin}} {{col-2}} :সিজন ১-২০ ::[[The Simpsons/Season 1|সিজন ১]] ::[[The Simpsons/Season 2|সিজন ২]] ::[[The Simpsons/Season 3|সিজন ৩]] ::[[The Simpsons/Season 4|সিজন ৪]] ::[[The Simpsons/Season 5|সিজন ৫]] ::[[The Simpsons/Season 6|সিজন ৬]] ::[[দ্য সিম্পসন্‌স (সিজন ৭)|সিজন ৭]] ::[[The Simpsons/Season 8|সিজন ৮]] ::[[The Simpsons/Season 9|সিজন ৯]] ::[[The Simpsons/Season 10|সিজন ১০]] ::[[The Simpsons/Season 11|সিজন ১১]] ::[[The Simpsons/Season 12|সিজন ১২]] ::[[The Simpsons/Season 13|সিজন ১৩]] ::[[The Simpsons/Season 14|সিজন ১৪]] ::[[The Simpsons/Season 15|সিজন ১৫]] ::[[The Simpsons/Season 16|সিজন ১৬]] ::[[The Simpsons/Season 17|সিজন ১৭]] ::[[The Simpsons/Season 18|সিজন ১৮]] ::[[The Simpsons/Season 19|সিজন ১৯]] ::[[The Simpsons/Season 20|সিজন ২০]] {{col-2}} :সিজন ২১-বর্তমান ::[[The Simpsons/Season 21|সিজন ২১]] ::[[The Simpsons/Season 22|সিজন ২২]] ::[[The Simpsons/Season 23|সিজন ২৩]] ::[[The Simpsons/Season 24|সিজন ২৪]] ::[[The Simpsons/Season 25|সিজন ২৫]] ::[[The Simpsons/Season 26|সিজন ২৬]] ::[[The Simpsons/Season 27|সিজন ২৭]] ::[[The Simpsons/Season 28|সিজন ২৮]] ::[[The Simpsons/Season 29|সিজন ২৯]] ::[[The Simpsons/Season 30|সিজন ৩০]] ::[[The Simpsons/Season 31|সিজন ৩১]] ::[[The Simpsons/Season 32|সিজন ৩২]] ::[[The Simpsons/Season 33|সিজন ৩৩]] ::[[The Simpsons/Season 34|সিজন ৩৪]] ::[[The Simpsons/Season 35|সিজন ৩৫]] ::[[The Simpsons/Season 36|সিজন ৩৬]] ::[[The Simpsons/Season 37|সিজন ৩৭]] {{col-end}} 3dn90j735s09ygi2ssli78w87ic8ab0 দ্য সিম্পসন্‌স (সিজন ৭) 0 12957 78816 2026-04-20T06:30:16Z Oindrojalik Watch 4169 "<div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%..." দিয়ে পাতা তৈরি 78816 wikitext text/x-wiki <div style="text-align: center; border: 2px dashed #f0ad4e; padding: 15px; background-color: #fcf8e3; margin-bottom: 20px;"> [[File:Under-Construction-Bulldozer.gif|355px]] <div style="font-weight: bold; font-size: 18px; color: #8a6d3b; margin-top: 10px;">UNDER CONSTRUCTION</div> <div style="font-size: 16px; color: #8a6d3b;">This page is currently being built by '''[https://bn.wikiquote.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80:Oindrojalik_Watch Oindrojalik Watch]'''.</div> </div> '''[[:w:দ্য সিম্পসনস|দ্য সিম্পসনস]]''' (১৯৮৯–বর্তমান) হলো ম্যাট গ্রোয়েনিংনির্মিত একটি আমেরিকান প্রাপ্তবয়স্ক অ্যানিমেটেড সিটকম, যা ফক্স ব্রডকাস্টিং কোম্পানি দ্বারা সম্প্রচারিত হয়। এই ধারাবাহিকটি আমেরিকান জীবনের একটি ব্যঙ্গাত্মক চিত্রায়ন, যার মূর্ত প্রতীক হলো সিম্পসন পরিবার। === ''মিঃ বার্নসকে কে গুলি করেছিল? (দ্বিতীয় পর্ব)'' === ''[স্মিদার্স একটি স্বীকারোক্তি কক্ষে বসে আছেন।]'' '''স্মিদার্স''' : ফাদার, আমি ক্যাথলিক নই, কিন্তু... আমি সেন্ট প্যাট্রিক'স ডে প্যারেডে অংশ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম... যাইহোক, আমার একটা বেশ বড় পাপ স্বীকার করার আছে। আমিই সেই ব্যক্তি যে... [''কান্নায় ভেঙে পড়ে''] যে মিস্টার বার্নসকে গুলি করেছিল! qlg0mjr8mgdg0choycw0gbvmk1l4mfg আলাপ:২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ 1 12958 78821 2026-04-20T06:41:32Z Oindrojalik Watch 4169 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78821 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm মুর্শিদাবাদ সহিংসতা 0 12959 78822 2026-04-20T06:47:51Z Tuhin 172 + 78822 wikitext text/x-wiki '''[[w:মুর্শিদাবাদ সহিংসতা|মুর্শিদাবাদ সহিংসতা]]''' বলতে ২০২৫ সালের এপ্রিলে ভারতের [[w:পশ্চিমবঙ্গ|পশ্চিমবঙ্গের]] [[w:মুর্শিদাবাদ জেলা|মুর্শিদাবাদ জেলায়]] [[w:ওয়াকফ (সংশোধনী) আইন, ২০২৫|ওয়াকফ (সংশোধনী) আইন, ২০২৫]]-এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদের জেরে ছড়িয়ে পড়া ধারাবাহিক সহিংস ঘটনাগুলোকে বোঝায়। == উক্তি == *বাংলায় ধর্মীয় নিপীড়ন বাস্তব। তৃণমূলের তোষণ রাজনীতি মৌলবাদী উপাদানগুলোকে আরও সাহসী করে তুলেছে। হিন্দুদের শিকার করা হচ্ছে, আমাদের মানুষ নিজেদের ভূমিতেই প্রাণের ভয়ে পালাচ্ছে! **শুভেন্দু অধিকারী; উদ্ধৃত: [https://www.newindianexpress.com/nation/2025/Apr/13/murshidabad-violence-3-dead-150-arrested-suvendu-slams-bengal-govt-claims-400-hindus-forced-to-flee মুর্শিদাবাদ ভায়োলেন্স: ৩ ডেড, ১৫০ অ্যারেস্টেড; শুভেন্দু স্ল্যামস বেঙ্গল গভমেন্ট, ক্লেইমস ৪০০ হিন্দুস ফোর্সড টু ফ্লি] ১৩ এপ্রিল ২০২৫ *আজ আমি মালদায় পৌঁছে বেশ কিছু বাস্তুচ্যুত, নির্যাতিত এবং আতঙ্কিত হিন্দু পরিবারের সাথে দেখা করেছি যারা মৌলবাদী দুষ্কৃতীদের বর্বর নির্যাতনের কারণে মুর্শিদাবাদ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। তারা যে গল্পগুলো শেয়ার করেছে তা ছিল ভয়াবহ এবং হৃদয়বিদারক – লক্ষ্যভেদী সহিংসতার স্পষ্ট প্রমাণ… **কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিজেপি পশ্চিমবঙ্গ সভাপতি ডক্টর সুকান্ত মজুমদার — ডক্টর সুকান্ত মজুমদার (@DrSukantaBJP) ১৪ এপ্রিল, ২০২৫ এক্স-এ, আরও দেখুন [https://archive.li/AMLUR] *তারা আমাকে বলেছিল যে তারা আমাকে জোর করে মুসলমান বানাবে। তারা আমাকে ধর্ষণ করার এবং আমার সিঁদুর মুছে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল... তারা (মুসলমানরা) আমাকে বলেছিল যে আমরা ভারতের অস্তিত্ব মিটিয়ে দেব এবং এই জায়গাটিকে বাংলাদেশ বানিয়ে দেব… তারা পরিষ্কার করে দিয়েছিল যে তারা এখানে হিন্দুদের চায় না। **মমতা ঘোষ, পাঞ্চজন্য-এ রিপোর্ট করা হয়েছে; উদ্ধৃত: [https://archive.vn/uoxno দ্য হরর অফ মুর্শিদাবাদ: ১০ হিন্দুস, হু লস্ট এভরিথিং ইন ভায়োলেন্স বাই মুসলিম মবস, ন্যারেট হোয়াট হ্যাপেন্ড টু দেম] *মুসলমানদের পাশাপাশি হিন্দুদের নিরাপত্তার দায়িত্বও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মুর্শিদাবাদ সহিংসতা দেখায় যে হিন্দুরা পশ্চিমবঙ্গ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে… এটা দুর্ভাগ্যজনক যে রাজ্য সরকারের সামনেই এসব ঘটছে। **গিরিরাজ সিং, এপ্রিল ২০২৫; [https://web.archive.org/web/20250412111340/https://organiser.org/2025/04/12/287090/bharat/hindus-are-forced-to-flee-west-bengal-union-minister-giriraj-singh-on-murshidabad-violence/ “হিন্দুস আর ফোর্সড টু ফ্লি ওয়েস্ট বেঙ্গল…”: ইউনিয়ন মিনিস্টার গিরিরাজ সিং অন মুর্শিদাবাদ ভায়োলেন্স] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:পশ্চিমবঙ্গ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে দাঙ্গা]] 1vpd7b9e7zsg6ftr3hjn8mkiqo8poka আলাপ:মুর্শিদাবাদ সহিংসতা 1 12960 78823 2026-04-20T06:48:59Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78823 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm নুহাশ হুমায়ূন 0 12961 78826 2026-04-20T07:01:45Z Rasel Mehedi 5177 "{{subst:ছাঁটা|1= <!-- নিচে ব্যক্তি বা বস্তু সম্পর্কে একটি বিবরণ বা ভূমিকা লিখুন। প্রয়োজনে উইকিপিডিয়ার সহায়তা নিন।--> '''নুহাশ হুমায়ুন''' একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্র..." দিয়ে পাতা তৈরি 78826 wikitext text/x-wiki '''নুহাশ হুমায়ুন''' একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার। তার উল্লেখযোগ্য কীর্তি হল '''ইতি তোমারই ঢাকা''', '''পেটকাটা ষ''' ও '''মশারী'''। ২০১৮ সালে '''ইতি তোমারই ঢাকা''' নাটকটির মাধ্যমে বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে তার আত্নপ্রকাশ ঘটে। == উক্তি == * “সত্যিকারের ঘটনা অবলম্বনে ছবি বানানো খুবই চ্যালেঞ্জিং। নিজের তৈরি গল্পে অনেক স্বাধীনতা থাকলেও এটাতে সত্যিকারে ঘটনায় তা সম্ভব হয় না।” ** ০২ জানুয়ারি ২০২১, প্রথম আলোর সাথে সাক্ষাৎকারের সময়, [https://www.prothomalo.com/entertainment/entertainment-interview/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%8F%E0%A6%87-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B6-%E0%A6%B9%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%82%E0%A6%A8 দৈনিক প্রথম আলো] * “আমি যেসব কাজ করেছি, যতটুকু করেছি এবং যেখান থেকে আমি এসেছি— সব কিছু নিয়ে আমি খুব বিনয়ের সঙ্গেই গর্বিত।” ** ২৮ এপ্রিল ২০২২, ঢাকা পোস্টে নুহাশ হুমায়ূন কে নিয়ে একটি প্রতিবেদনে, [https://www.dhakapost.com/entertainment/113197 ঢাকা পোস্ট] * “বাবার ভূমিকার পাশাপাশি যেন তার মায়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন করা হয়।” ** ২৮ এপ্রিল ২০২২, ঢাকা পোস্টে নুহাশ হুমায়ূন কে নিয়ে একটি প্রতিবেদনে, [https://www.dhakapost.com/entertainment/113197 ঢাকা পোস্ট] * “সত্যি বলতে, যদি আমরা বাংলাদেশ বা বিশেষ করে ঢাকার কথা বলি, তাহলে ঢাকায় বিখ্যাত হওয়া খুবই সহজ। বাংলাদেশে কেউ যদি সেলিব্রিটি বা ইনফ্লুয়েন্সার হতে চায়, সেটা তুলনামূলকভাবে সহজ, কারণ আমাদের শহরটা খুব ছোট, আর দেশটাও তেমন বড় নয়। কিন্তু চলচ্চিত্র তৈরি করে আন্তর্জাতিকভাবে নিজের জায়গা তৈরি করা কঠিন। সেই বিষয়টাই আমাকে তখন আকর্ষণ করেছিল। আমি শুধু আমার চলচ্চিত্রগুলো আন্তর্জাতিক দর্শকদের সাথে ভাগ করে নিতে চেয়েছিলাম।” ** ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, দ্য ডেইলি স্টারে প্রকাশিত প্রতিবেদনে, [https://www.thedailystar.net/entertainment/tv-film/news/i-want-my-films-have-international-value-nuhash-humayun-3977451 দ্য ডেইলি স্টার] == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|নুহাশ হুমায়ূন}} rxarfqbebdytykmpitumvzxfhn1jw3s 78831 78826 2026-04-20T07:29:52Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 78831 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Nuhash Meril Prothom Alo Awards 2025 (cropped).jpg|thumb|]] [[W:নুহাশ হুমায়ূন|নুহাশ হুমায়ুন]] একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার। তার উল্লেখযোগ্য কীর্তি হল '''ইতি তোমারই ঢাকা''', '''পেটকাটা ষ''' ও '''মশারী'''। ২০১৮ সালে '''ইতি তোমারই ঢাকা''' নাটকটির মাধ্যমে বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে তার আত্নপ্রকাশ ঘটে। == উক্তি == * “সত্যিকারের ঘটনা অবলম্বনে ছবি বানানো খুবই চ্যালেঞ্জিং। নিজের তৈরি গল্পে অনেক স্বাধীনতা থাকলেও এটাতে সত্যিকারে ঘটনায় তা সম্ভব হয় না।” ** ০২ জানুয়ারি ২০২১, প্রথম আলোর সাথে সাক্ষাৎকারের সময়, [https://www.prothomalo.com/entertainment/entertainment-interview/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%8F%E0%A6%87-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B6-%E0%A6%B9%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%82%E0%A6%A8 দৈনিক প্রথম আলো] * “আমি যেসব কাজ করেছি, যতটুকু করেছি এবং যেখান থেকে আমি এসেছি— সব কিছু নিয়ে আমি খুব বিনয়ের সঙ্গেই গর্বিত।” ** ২৮ এপ্রিল ২০২২, ঢাকা পোস্টে নুহাশ হুমায়ূন কে নিয়ে একটি প্রতিবেদনে, [https://www.dhakapost.com/entertainment/113197 ঢাকা পোস্ট] * “বাবার ভূমিকার পাশাপাশি যেন তার মায়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন করা হয়।” ** ২৮ এপ্রিল ২০২২, ঢাকা পোস্টে নুহাশ হুমায়ূন কে নিয়ে একটি প্রতিবেদনে, [https://www.dhakapost.com/entertainment/113197 ঢাকা পোস্ট] * “সত্যি বলতে, যদি আমরা বাংলাদেশ বা বিশেষ করে ঢাকার কথা বলি, তাহলে ঢাকায় বিখ্যাত হওয়া খুবই সহজ। বাংলাদেশে কেউ যদি সেলিব্রিটি বা ইনফ্লুয়েন্সার হতে চায়, সেটা তুলনামূলকভাবে সহজ, কারণ আমাদের শহরটা খুব ছোট, আর দেশটাও তেমন বড় নয়। কিন্তু চলচ্চিত্র তৈরি করে আন্তর্জাতিকভাবে নিজের জায়গা তৈরি করা কঠিন। সেই বিষয়টাই আমাকে তখন আকর্ষণ করেছিল। আমি শুধু আমার চলচ্চিত্রগুলো আন্তর্জাতিক দর্শকদের সাথে ভাগ করে নিতে চেয়েছিলাম।” ** ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, দ্য ডেইলি স্টারে প্রকাশিত প্রতিবেদনে, [https://www.thedailystar.net/entertainment/tv-film/news/i-want-my-films-have-international-value-nuhash-humayun-3977451 দ্য ডেইলি স্টার] == আরও দেখুন == == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|নুহাশ হুমায়ূন}} ry9y4alpb9t5q9fukz8s9kpgba5g2lu 78832 78831 2026-04-20T07:31:41Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 78832 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Nuhash Meril Prothom Alo Awards 2025 (cropped).jpg|thumb|]] [[W:নুহাশ হুমায়ূন|নুহাশ হুমায়ুন]] একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার। তার উল্লেখযোগ্য কীর্তি হল '''ইতি তোমারই ঢাকা''', '''পেটকাটা ষ''' ও '''মশারী'''। ২০১৮ সালে '''ইতি তোমারই ঢাকা''' নাটকটির মাধ্যমে বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে তার আত্নপ্রকাশ ঘটে। == উক্তি == * “সত্যিকারের ঘটনা অবলম্বনে ছবি বানানো খুবই চ্যালেঞ্জিং। নিজের তৈরি গল্পে অনেক স্বাধীনতা থাকলেও এটাতে সত্যিকারে ঘটনায় তা সম্ভব হয় না।” ** ০২ জানুয়ারি ২০২১, প্রথম আলোর সাথে সাক্ষাৎকারের সময়, [https://www.prothomalo.com/entertainment/entertainment-interview/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%AE%E0%A6%BE-%E0%A6%8F%E0%A6%87-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B6-%E0%A6%B9%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%82%E0%A6%A8 দৈনিক প্রথম আলো] * “আমি যেসব কাজ করেছি, যতটুকু করেছি এবং যেখান থেকে আমি এসেছি— সব কিছু নিয়ে আমি খুব বিনয়ের সঙ্গেই গর্বিত।” ** ২৮ এপ্রিল ২০২২, ঢাকা পোস্টে নুহাশ হুমায়ূন কে নিয়ে একটি প্রতিবেদনে, [https://www.dhakapost.com/entertainment/113197 ঢাকা পোস্ট] * “বাবার ভূমিকার পাশাপাশি যেন তার মায়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন করা হয়।” ** ২৮ এপ্রিল ২০২২, ঢাকা পোস্টে নুহাশ হুমায়ূন কে নিয়ে একটি প্রতিবেদনে, [https://www.dhakapost.com/entertainment/113197 ঢাকা পোস্ট] * “সত্যি বলতে, যদি আমরা বাংলাদেশ বা বিশেষ করে ঢাকার কথা বলি, তাহলে ঢাকায় বিখ্যাত হওয়া খুবই সহজ। বাংলাদেশে কেউ যদি সেলিব্রিটি বা ইনফ্লুয়েন্সার হতে চায়, সেটা তুলনামূলকভাবে সহজ, কারণ আমাদের শহরটা খুব ছোট, আর দেশটাও তেমন বড় নয়। কিন্তু চলচ্চিত্র তৈরি করে আন্তর্জাতিকভাবে নিজের জায়গা তৈরি করা কঠিন। সেই বিষয়টাই আমাকে তখন আকর্ষণ করেছিল। আমি শুধু আমার চলচ্চিত্রগুলো আন্তর্জাতিক দর্শকদের সাথে ভাগ করে নিতে চেয়েছিলাম।” ** ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, দ্য ডেইলি স্টারে প্রকাশিত প্রতিবেদনে, [https://www.thedailystar.net/entertainment/tv-film/news/i-want-my-films-have-international-value-nuhash-humayun-3977451 দ্য ডেইলি স্টার] == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া|নুহাশ হুমায়ূন}} [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] [[বিষয়শ্রেণী:১৯৯২-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:ঢাকার ব্যক্তি]] t00fx6h4yngiyj6aztp70bpjfd3zmbk আলাপ:নুহাশ হুমায়ূন 1 12962 78827 2026-04-20T07:02:32Z Rasel Mehedi 5177 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78827 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম 0 12963 78828 2026-04-20T07:22:50Z Tuhin 172 + 78828 wikitext text/x-wiki '''[[w:পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম|পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]]''' বিবিধ বিশ্বাস ও আচার-আচরণের সমন্বয়ে গঠিত। ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, এই রাজ্যে বসবাসকারী আদি [[w:বাঙালি|বাঙালিদের]] মধ্যে [[w:হিন্দুধর্ম|হিন্দুধর্ম]] এবং [[w:ইসলাম|ইসলাম]] হল দুটি প্রধান ধর্ম। এছাড়া স্বল্পসংখ্যক মানুষ [[w:খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্ম]], [[w:বৌদ্ধধর্ম|বৌদ্ধধর্ম]], [[w:জৈনধর্ম|জৈনধর্ম]], [[w:শিখধর্ম|শিখধর্ম]], [[w:প্রকৃতিবাদ|প্রকৃতিবাদ]], [[w:জরথুষ্ট্রবাদ|জরথুষ্ট্রবাদ]] এবং [[w:ইহুদিধর্ম|ইহুদিধর্ম]] অনুসরণ করেন। == উক্তি == * বাংলায় মুসলিম বিজয় আশীর্বাদহীন ছিল না। অন্য জায়গার মতো এখানেও হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে একটি বোঝাপড়া গড়ে উঠেছিল। হিন্দুরা মুসলিম মাজারগুলোতে মিষ্টি নিবেদন করত, কোরআন পরামর্শ হিসেবে গ্রহণ করত এবং তার কপি সংগ্রহে রাখত। মুসলমানরাও অনুরূপ কাজের মাধ্যমে সাড়া দিত। ** কে.এস. লাল, টোয়াইলাইট অফ দ্য সালতানেট (১৯৬৩) * দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি মৌলিক এবং প্রাথমিক পার্থক্য এমনকি একজন সাধারণ পর্যবেক্ষকের কাছেও স্পষ্ট ছিল। সেই দিনগুলোতে মানুষের জীবনে ধর্মীয় ও সামাজিক ধারণা এবং প্রতিষ্ঠানগুলো অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আর এই দুটি ক্ষেত্রে তারা ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত মুখী [. . . .] এটি একটি অদ্ভুত ঘটনা যে, যদিও মুসলিম এবং হিন্দুরা প্রায় ছয়শ বছর ধরে বাংলায় একত্রে বসবাস করেছিল, তবুও প্রতিটি সম্প্রদায়ের সাধারণ মানুষ অন্য সম্প্রদায়ের ঐতিহ্য সম্পর্কে খুব সামান্যই জানত। ** আর.সি. মজুমদার, গ্লিম্পসেস অফ বেঙ্গল ইন দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি, (কলকাতা: ১৯৬০), পৃষ্ঠা ৫-৬। * [বাংলা বিজিত হয়েছিল...] মুসলিম লড়াকু সাধুদের দ্বারা, সেইসব পির যারা বাংলার সমতলে ইসলামের বীজ বপনের পর আবির্ভূত হয়েছিলেন। ** কে.আর. কানুনগো; কে.এস. লাল, গ্রোথ অফ মুসলিম পপুলেশন ইন মেডিয়েভাল ইন্ডিয়া (১৯৭৩) এ উদ্ধৃত। * চতুর্দশ শতাব্দী ছিল বাংলায় এবং সংলগ্ন অঞ্চলগুলোতে মুসলিম কর্তৃত্ব বিস্তারের সময়। এই প্রক্রিয়ায় যোদ্ধা সাধুরা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন যারা যেকোনো নির্যাতিত সম্প্রদায়ের পক্ষ নিতে আগ্রহী ছিলেন। এর ফলে প্রায়ই স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সাথে সংঘর্ষ বাধত এবং এর পর অনিবার্যভাবে রাজ্য দখল করা হত...” এটি আরও দেখায় যে সুফিরা কত নমনীয় পদ্ধতি গ্রহণ করেছিলেন। তারা মূলত শান্তিপূর্ণ মিশনারি হিসেবে কাজ করতেন, তবে তারা যদি দেখতেন যে কোনো ন্যায়সঙ্গত কারণের জন্য সামরিক পদক্ষেপ প্রয়োজন, তবে তারা যুদ্ধ করতে দ্বিধাবোধ করতেন না। [বাংলার] সুফিরা... পর্যায়ক্রমিক ধর্মান্তরের ইসমাইলি কৌশল গ্রহণ করেননি... তারা এমন সব জায়গায় তাদের খানকাহ এবং মাজার স্থাপন করেছিলেন যেগুলোর ইসলামের আগে থেকেই পবিত্রতার খ্যাতি ছিল। এইভাবে কিছু ঐতিহ্যবাহী সমাবেশ নতুন উৎসবে রূপান্তরিত হয়েছিল। এইসব প্রচেষ্টার ফলে, সময়ের ব্যবধানে বাংলা একটি মুসলিম ভূমিতে পরিণত হয়েছিল... ** ডক্টর কুরাইশি আই.এইচ. (১৯৬২) দ্য মুসলিম কমিউনিটি অফ দ্য ইন্দো-পাকিস্তান সাবকন্টিনেন্ট (৬১০-১৯৪৭), মন্টন অ্যান্ড কোং, এস-গ্রেভেনহেজ, ১৯৬২, পৃষ্ঠা ৭০-৭১, ৭৪-৭৫। উদ্ধৃত: লাল, কে.এস. (১৯৯০), ইন্ডিয়ান মুসলিমস: হু আর দে। এছাড়াও উদ্ধৃত: খান, এম.এ. (২০১১), ইসলামিক জিহাদ: এ লেগাসি অফ ফোর্সড কনভার্সন, ইম্পেরিয়ালিজম অ্যান্ড স্লেভারি। চতুর্থ অধ্যায়, উদ্ধৃত: কে.এস. লাল, গ্রোথ অফ মুসলিম পপুলেশন ইন মেডিয়েভাল ইন্ডিয়া (১৯৭৩) ১৭৫ এবং পরবর্তী। * বারবোসা এই তথ্য দেখে অবাক হয়েছিলেন যে, বাংলায় “রাজা ও গভর্নরদের অনুগ্রহ লাভের জন্য প্রতিদিন অমুসলিমরা মুরে (মুসলমান) রূপান্তরিত হয়”। ** বারবোসা; উদ্ধৃত: কে.এস. লাল, গ্রোথ অফ মুসলিম পপুলেশন ইন মেডিয়েভাল ইন্ডিয়া (১৯৭৩) ১৭৫ এবং পরবর্তী। * তবে বাংলা, বিশেষ করে পূর্ব বাংলা বিশেষ অধ্যয়নের দাবি রাখে, কারণ বাংলা মুসলিম আক্রমণকারীদের পথে ছিল না। পাঞ্জাব এবং সিন্ধুর মতো এটি ভারতে আরও বিজয়ের জন্য অপারেশনের ঘাঁটি হিসেবেও কাজ করেনি। তবে বাংলা ছিল এমন একটি অঞ্চল যেখানে মুসলিম জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং সম্ভবত মধ্যযুগেই বিশেষ করে পূর্ব বাংলায় সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনসংখ্যা তৈরি হতে শুরু করেছিল। এই ঘটনার ব্যাখ্যা পণ্ডিত এবং জনসংখ্যাবিদদের সামনে একটি সমস্যা তৈরি করেছে। ** কে.এস. লাল, গ্রোথ অফ মুসলিম পপুলেশন ইন মেডিয়েভাল ইন্ডিয়া (১৯৭৩) ১৭৪ * কলকাতার মুসলমানরা বিভিন্ন হিন্দু প্রথা গ্রহণ করলেও তারা কখনোই হিন্দুদের সাথে মিশে যায়নি। তারা তাদের প্রতি তৈমুরের সেই দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করত বলে মনে হয় যিনি বলেছিলেন – ' হিন্দুদের মধ্যে মানবতা বলতে কেবল আকৃতিই আছে।' গত শতাব্দীতে এখানকার মুসলমানদের মধ্যে উচ্চাকাঙ্ক্ষা যেমন প্রবল ছিল, অমুসলিমদের মধ্যে লোভও তেমনি ছিল। তবে সেই দিনগুলো চিরতরে চলে গেছে যখন হুগলীর ফৌজদারের মতো একজন মুসলমানের মাসিক বেতন ছিল ৬০০০ টাকা এবং যখন মফস্বল আদালতের প্রতিটি জায়গায় কোড়া বা চাবুক ঝুলিয়ে রাখা হত যাতে মুসলিম কর্মকর্তারা হিন্দুদের বেত্রাঘাত করতে পারে। ** দ্য মুসলিমস অফ ক্যালকাটা, রেভ. জেমস লং। উদ্ধৃত: নায়ার পি. থাঙ্কপ্পন সম্পাদিত, ব্রিটিশ সোশ্যাল লাইফ ইন অ্যানশিয়েন্ট ক্যালকাটা ১৭৫০ টু ১৮৫০, সংস্কৃত পুস্তক ভাণ্ডার, ১৯৮৩। পৃষ্ঠা ১০৫। আরও উদ্ধৃত: দ্য ইন্ডিয়া দে স, সম্পাদিত: জৈন মীনাক্ষী, পৃষ্ঠা ৪০৪। * বাংলার সামরিক ও রাজনৈতিক বিজয়ের প্রায় এক শতাব্দী পরে, চারদিকে গড়ে ওঠা মুসলিম ধর্মীয় ভ্রাতৃত্বের প্রচেষ্টায় এই ভূমির নৈতিক ও আধ্যাত্মিক বিজয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। আগের সময়ের মুসলিম যোদ্ধারা মন্দির ও মঠ ধ্বংস করে কেবল তাদের সোনা ও রূপা আত্মসাৎ করেছিল। তবে তলোয়ার ইতিহাসকে নীরব করতে পারেনি, বা তাদের সেই অক্ষয় আধ্যাত্মিক সম্পদ কেড়ে নিতে পারেনি যেখানে হিন্দু মূর্তিপূজা এবং হিন্দু জাতীয়তাবাদের শিকড় নিহিত ছিল। ইসলামের ‘সাধুরা’ হিন্দু ও বৌদ্ধ উপাসনালয়ের এই ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থানগুলোর ওপর উদ্দেশ্যমূলকভাবে দরগাহ ও খানকাহ স্থাপন করে নৈতিক ও আধ্যাত্মিক বিজয়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছিলেন। এটি এই অপবিত্র স্থানগুলোর পুনরুজ্জীবন রোধ করা এবং পরবর্তীতে জনপ্রিয় কল্পনার মাধ্যমে উদ্ভাবিত ধর্মপ্রাণ প্রতারণার গল্পের সাহায্যে নিজেদের অভিভাবক দেবতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার দ্বৈত উদ্দেশ্য পূরণ করেছিল। হিন্দুরা যারা শতাব্দী ধরে এই স্থানগুলোকে শ্রদ্ধা করতে অভ্যস্ত ছিল, তারা ধীরে ধীরে তাদের অতীত ইতিহাস ভুলে গিয়েছিল এবং সহজেই পির ও গাজীদের প্রতি তাদের আনুগত্য স্থানান্তর করেছিল। বিশ্বাসের ক্ষেত্রে এই মেলবন্ধনের ফলে শেষ পর্যন্ত একটি অধিকতর সহনশীল পরিবেশ তৈরি হয়েছিল যা হিন্দুদের তাদের রাজনৈতিক নিয়তির প্রতি উদাসীন করে তুলেছিল। এটি হিন্দু সমাজের গভীরে ইসলামের আরও প্রবেশের পথ প্রশস্ত করেছিল, বিশেষ করে নিম্নবিত্তদের মধ্যে যারা এই সাধু ও গাজীদের অলৌকিক ঘটনা সম্পর্কিত নিরলস ও অবিরাম প্রচারের মাধ্যমে ধীরে ধীরে জয়ী হয়েছিল, যা অনেক ক্ষেত্রে পুরনো হিন্দু ও বৌদ্ধ কিংবদন্তি থেকে সম্পূর্ণভাবে নেওয়া হয়েছিল। মুসলিম সাধুদের দ্বারা হিন্দু উপাসনালয় দখলের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হল রাজগিরে শৃঙ্গী-ঋষি-কুণ্ডকে মখদুম-কুণ্ডে রূপান্তর এবং দেবদত্ত কিংবদন্তির অলৌকিক ক্ষমতা সম্পন্ন বুদ্ধকে একজন মুসলিম সাধু মখদুম সাহিবে অনুবাদ করা। ** যদুনাথ সরকার, তার 'হিস্ট্রি অফ বেঙ্গল ভলিউম ২' বইয়ে, [https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.24396/mode/2up] পৃষ্ঠা ৬৯ এবং পরবর্তী। * (সুফিরা) বৌদ্ধ মঠের স্থানগুলোতে তাদের খানকাহ স্থাপন করেছিলেন এবং (এটি) বাংলার ধর্মীয় পরিস্থিতির সাথে বেশ মানিয়ে গিয়েছিল। ** লেভটজিয়ন এন (১৯৭৯), কনভার্সন টু ইসলাম-এ, পৃষ্ঠা ১৮ (ইরানে, এন. লেভটজিয়ন সম্পাদিত, কনভার্সন টু ইসলাম, হোমস অ্যান্ড মেয়ার পাবলিশার্স ইনকর্পোরেটেড, নিউইয়র্ক,) খান, এম.এ. (২০১১), ইসলামিক জিহাদ: এ লেগাসি অফ ফোর্সড কনভার্সন, ইম্পেরিয়ালিজম অ্যান্ড স্লেভারি। চতুর্থ অধ্যায়। * প্রশাসন চরমভাবে অদক্ষ ও অসৎ এবং যেহেতু পরিস্থিতির কোনো উন্নতির আশা করা যায় না, তাই এখানকার (কলকাতা বা বাংলা) হিন্দুদের ভবিষ্যৎ অবর্ণনীয়ভাবে অন্ধকার। ** স্যার যদুনাথ সরকার, ১৯৪৬ সালে পদ্মভূষণ ডক্টর জি এস সরদেশাইকে লেখা চিঠি [https://archive.org/stream/in.ernet.dli.2015.98914/2015.98914.Life-And-Letters-Of-Sir-Jadunath-Sarkar-Section-1---2_djvu.txt] [https://www.dharmadispatch.in/history/jadunath-sarkar-as-a-seer-a-few-glimpses] * পরের বছর মালিক মুহাম্মদ বখতিয়ার বিহার থেকে যাত্রা করেন এবং একটি ছোট বাহিনী নিয়ে দ্রুত যাত্রার মাধ্যমে নদীয়ার শহরে পৌঁছান। লক্ষ্মণিয়া অত্যন্ত কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে নৌকায় আরোহণ করে পালিয়ে যান। তার সমস্ত ধনসম্পদ এবং রাষ্ট্রীয় সরঞ্জাম, যা হিসাব ও গণনার বাইরে ছিল, মুহাম্মদ বখতিয়ারের হাতে পড়ে। পরবর্তীকালে তিনি নদীয়া শহরটি ধ্বংস করেন এবং এর পরিবর্তে আরেকটি শহর প্রতিষ্ঠা করেন যা লখনৌতি নামে পরিচিত হয়। এটিকে তার রাজধানী করেন এবং আজ সেই শহরটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং গৌড় নামে পরিচিত। সংক্ষেপে, মুহাম্মদ বখতিয়ার রাজকীয় ক্ষমতা গ্রহণ করেন এবং খুতবা পাঠ করান ও নিজের নামে মুদ্রা তৈরি করেন। তিনি পৌত্তলিকদের মন্দিরের স্থানে মসজিদ, খানকাহ এবং কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন এবং অর্জিত লুটের মাল থেকে সুলতান কুতুবুদ্দিন আইবেকের স্বীকৃতির জন্য অনেক মূল্যবান সামগ্রী পাঠান। ** তবাকাত-ই-আকবরী [https://archive.org/stream/in.ernet.dli.2015.2531/2015.2531.The-Tabaqat-i-akbari-Vol-i_djvu.txt] * “...এই ব্যবস্থার দ্বিতীয় বছরে মুহাম্মদ বখতিয়ার বিহার থেকে লখনৌতির দিকে একটি সেনাবাহিনী নিয়ে আসেন এবং একটি ছোট বাহিনী নিয়ে নদীয়া শহরে পৌঁছান। নদীয়া এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত। সেই শহরের শাসক রায় লক্ষ্মণিয়া... সেখান থেকে কামরানে পালিয়ে যান এবং অগণিত সম্পদ ও লুটের মাল মুসলমানদের হাতে পড়ে। মুহাম্মদ বখতিয়ার কাফেরদের উপাসনালয় ও মূর্তিপূজার মন্দিরগুলো ধ্বংস করে মসজিদ, মঠ ও বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন এবং নিজের নামে একটি মহানগর গড়ে তোলেন যা এখন গৌড় নামে পরিচিত।<br/> যেখানে আগে শোনা যেত<br/> পৌত্তলিকদের হট্টগোল ও চিৎকার,<br/> এখন সেখানে প্রতিধ্বনিত হতে শোনা যায়<br/> ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি।” ** ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি সম্পর্কে (১২০২-১২০৬ খ্রিস্টাব্দ) নবদ্বীপ (বঙ্গ), মুনতাখাবুত-তাওয়ারিখ, জর্জ এস.এ. র‍্যাঙ্কিং কর্তৃক [[w:ইংরেজি ভাষা|ইংরেজি ভাষায়]] অনূদিত, পাটনা পুনর্মুদ্রণ ১৯৭৩, প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৮২-৮৩। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:পশ্চিমবঙ্গ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ধর্ম]] atas5fkfa0cqrzp5pnib0vafraed59j 78829 78828 2026-04-20T07:23:52Z Tuhin 172 78829 wikitext text/x-wiki '''[[w:পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম|পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম]]''' বিবিধ বিশ্বাস ও আচার-আচরণের সমন্বয়ে গঠিত। ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, এই রাজ্যে বসবাসকারী স্থানীয় [[w:বাঙালি|বাঙালিদের]] মধ্যে [[w:হিন্দুধর্ম|হিন্দুধর্ম]] এবং [[w:ইসলাম|ইসলাম]] হল দুটি প্রধান ধর্ম। এছাড়া স্বল্পসংখ্যক মানুষ [[w:খ্রিস্টধর্ম|খ্রিস্টধর্ম]], [[w:বৌদ্ধধর্ম|বৌদ্ধধর্ম]], [[w:জৈনধর্ম|জৈনধর্ম]], [[w:শিখধর্ম|শিখধর্ম]], [[w:প্রকৃতিবাদ|প্রকৃতিবাদ]], [[w:জরথুষ্ট্রবাদ|জরথুষ্ট্রবাদ]] এবং [[w:ইহুদিধর্ম|ইহুদিধর্ম]] অনুসরণ করেন। == উক্তি == * বাংলায় মুসলিম বিজয় আশীর্বাদহীন ছিল না। অন্য জায়গার মতো এখানেও হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে একটি বোঝাপড়া গড়ে উঠেছিল। হিন্দুরা মুসলিম মাজারগুলোতে মিষ্টি নিবেদন করত, কোরআন পরামর্শ হিসেবে গ্রহণ করত এবং তার কপি সংগ্রহে রাখত। মুসলমানরাও অনুরূপ কাজের মাধ্যমে সাড়া দিত। ** কে.এস. লাল, টোয়াইলাইট অফ দ্য সালতানেট (১৯৬৩) * দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি মৌলিক এবং প্রাথমিক পার্থক্য এমনকি একজন সাধারণ পর্যবেক্ষকের কাছেও স্পষ্ট ছিল। সেই দিনগুলোতে মানুষের জীবনে ধর্মীয় ও সামাজিক ধারণা এবং প্রতিষ্ঠানগুলো অন্য যেকোনো কিছুর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আর এই দুটি ক্ষেত্রে তারা ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত মুখী [. . . .] এটি একটি অদ্ভুত ঘটনা যে, যদিও মুসলিম এবং হিন্দুরা প্রায় ছয়শ বছর ধরে বাংলায় একত্রে বসবাস করেছিল, তবুও প্রতিটি সম্প্রদায়ের সাধারণ মানুষ অন্য সম্প্রদায়ের ঐতিহ্য সম্পর্কে খুব সামান্যই জানত। ** আর.সি. মজুমদার, গ্লিম্পসেস অফ বেঙ্গল ইন দ্য নাইনটিন্থ সেঞ্চুরি, (কলকাতা: ১৯৬০), পৃষ্ঠা ৫-৬। * [বাংলা বিজিত হয়েছিল...] মুসলিম লড়াকু সাধুদের দ্বারা, সেইসব পির যারা বাংলার সমতলে ইসলামের বীজ বপনের পর আবির্ভূত হয়েছিলেন। ** কে.আর. কানুনগো; কে.এস. লাল, গ্রোথ অফ মুসলিম পপুলেশন ইন মেডিয়েভাল ইন্ডিয়া (১৯৭৩) এ উদ্ধৃত। * চতুর্দশ শতাব্দী ছিল বাংলায় এবং সংলগ্ন অঞ্চলগুলোতে মুসলিম কর্তৃত্ব বিস্তারের সময়। এই প্রক্রিয়ায় যোদ্ধা সাধুরা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন যারা যেকোনো নির্যাতিত সম্প্রদায়ের পক্ষ নিতে আগ্রহী ছিলেন। এর ফলে প্রায়ই স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সাথে সংঘর্ষ বাধত এবং এর পর অনিবার্যভাবে রাজ্য দখল করা হত...” এটি আরও দেখায় যে সুফিরা কত নমনীয় পদ্ধতি গ্রহণ করেছিলেন। তারা মূলত শান্তিপূর্ণ মিশনারি হিসেবে কাজ করতেন, তবে তারা যদি দেখতেন যে কোনো ন্যায়সঙ্গত কারণের জন্য সামরিক পদক্ষেপ প্রয়োজন, তবে তারা যুদ্ধ করতে দ্বিধাবোধ করতেন না। [বাংলার] সুফিরা... পর্যায়ক্রমিক ধর্মান্তরের ইসমাইলি কৌশল গ্রহণ করেননি... তারা এমন সব জায়গায় তাদের খানকাহ এবং মাজার স্থাপন করেছিলেন যেগুলোর ইসলামের আগে থেকেই পবিত্রতার খ্যাতি ছিল। এইভাবে কিছু ঐতিহ্যবাহী সমাবেশ নতুন উৎসবে রূপান্তরিত হয়েছিল। এইসব প্রচেষ্টার ফলে, সময়ের ব্যবধানে বাংলা একটি মুসলিম ভূমিতে পরিণত হয়েছিল... ** ডক্টর কুরাইশি আই.এইচ. (১৯৬২) দ্য মুসলিম কমিউনিটি অফ দ্য ইন্দো-পাকিস্তান সাবকন্টিনেন্ট (৬১০-১৯৪৭), মন্টন অ্যান্ড কোং, এস-গ্রেভেনহেজ, ১৯৬২, পৃষ্ঠা ৭০-৭১, ৭৪-৭৫। উদ্ধৃত: লাল, কে.এস. (১৯৯০), ইন্ডিয়ান মুসলিমস: হু আর দে। এছাড়াও উদ্ধৃত: খান, এম.এ. (২০১১), ইসলামিক জিহাদ: এ লেগাসি অফ ফোর্সড কনভার্সন, ইম্পেরিয়ালিজম অ্যান্ড স্লেভারি। চতুর্থ অধ্যায়, উদ্ধৃত: কে.এস. লাল, গ্রোথ অফ মুসলিম পপুলেশন ইন মেডিয়েভাল ইন্ডিয়া (১৯৭৩) ১৭৫ এবং পরবর্তী। * বারবোসা এই তথ্য দেখে অবাক হয়েছিলেন যে, বাংলায় “রাজা ও গভর্নরদের অনুগ্রহ লাভের জন্য প্রতিদিন অমুসলিমরা মুরে (মুসলমান) রূপান্তরিত হয়”। ** বারবোসা; উদ্ধৃত: কে.এস. লাল, গ্রোথ অফ মুসলিম পপুলেশন ইন মেডিয়েভাল ইন্ডিয়া (১৯৭৩) ১৭৫ এবং পরবর্তী। * তবে বাংলা, বিশেষ করে পূর্ব বাংলা বিশেষ অধ্যয়নের দাবি রাখে, কারণ বাংলা মুসলিম আক্রমণকারীদের পথে ছিল না। পাঞ্জাব এবং সিন্ধুর মতো এটি ভারতে আরও বিজয়ের জন্য অপারেশনের ঘাঁটি হিসেবেও কাজ করেনি। তবে বাংলা ছিল এমন একটি অঞ্চল যেখানে মুসলিম জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং সম্ভবত মধ্যযুগেই বিশেষ করে পূর্ব বাংলায় সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনসংখ্যা তৈরি হতে শুরু করেছিল। এই ঘটনার ব্যাখ্যা পণ্ডিত এবং জনসংখ্যাবিদদের সামনে একটি সমস্যা তৈরি করেছে। ** কে.এস. লাল, গ্রোথ অফ মুসলিম পপুলেশন ইন মেডিয়েভাল ইন্ডিয়া (১৯৭৩) ১৭৪ * কলকাতার মুসলমানরা বিভিন্ন হিন্দু প্রথা গ্রহণ করলেও তারা কখনোই হিন্দুদের সাথে মিশে যায়নি। তারা তাদের প্রতি তৈমুরের সেই দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করত বলে মনে হয় যিনি বলেছিলেন – ' হিন্দুদের মধ্যে মানবতা বলতে কেবল আকৃতিই আছে।' গত শতাব্দীতে এখানকার মুসলমানদের মধ্যে উচ্চাকাঙ্ক্ষা যেমন প্রবল ছিল, অমুসলিমদের মধ্যে লোভও তেমনি ছিল। তবে সেই দিনগুলো চিরতরে চলে গেছে যখন হুগলীর ফৌজদারের মতো একজন মুসলমানের মাসিক বেতন ছিল ৬০০০ টাকা এবং যখন মফস্বল আদালতের প্রতিটি জায়গায় কোড়া বা চাবুক ঝুলিয়ে রাখা হত যাতে মুসলিম কর্মকর্তারা হিন্দুদের বেত্রাঘাত করতে পারে। ** দ্য মুসলিমস অফ ক্যালকাটা, রেভ. জেমস লং। উদ্ধৃত: নায়ার পি. থাঙ্কপ্পন সম্পাদিত, ব্রিটিশ সোশ্যাল লাইফ ইন অ্যানশিয়েন্ট ক্যালকাটা ১৭৫০ টু ১৮৫০, সংস্কৃত পুস্তক ভাণ্ডার, ১৯৮৩। পৃষ্ঠা ১০৫। আরও উদ্ধৃত: দ্য ইন্ডিয়া দে স, সম্পাদিত: জৈন মীনাক্ষী, পৃষ্ঠা ৪০৪। * বাংলার সামরিক ও রাজনৈতিক বিজয়ের প্রায় এক শতাব্দী পরে, চারদিকে গড়ে ওঠা মুসলিম ধর্মীয় ভ্রাতৃত্বের প্রচেষ্টায় এই ভূমির নৈতিক ও আধ্যাত্মিক বিজয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। আগের সময়ের মুসলিম যোদ্ধারা মন্দির ও মঠ ধ্বংস করে কেবল তাদের সোনা ও রূপা আত্মসাৎ করেছিল। তবে তলোয়ার ইতিহাসকে নীরব করতে পারেনি, বা তাদের সেই অক্ষয় আধ্যাত্মিক সম্পদ কেড়ে নিতে পারেনি যেখানে হিন্দু মূর্তিপূজা এবং হিন্দু জাতীয়তাবাদের শিকড় নিহিত ছিল। ইসলামের ‘সাধুরা’ হিন্দু ও বৌদ্ধ উপাসনালয়ের এই ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থানগুলোর ওপর উদ্দেশ্যমূলকভাবে দরগাহ ও খানকাহ স্থাপন করে নৈতিক ও আধ্যাত্মিক বিজয়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছিলেন। এটি এই অপবিত্র স্থানগুলোর পুনরুজ্জীবন রোধ করা এবং পরবর্তীতে জনপ্রিয় কল্পনার মাধ্যমে উদ্ভাবিত ধর্মপ্রাণ প্রতারণার গল্পের সাহায্যে নিজেদের অভিভাবক দেবতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার দ্বৈত উদ্দেশ্য পূরণ করেছিল। হিন্দুরা যারা শতাব্দী ধরে এই স্থানগুলোকে শ্রদ্ধা করতে অভ্যস্ত ছিল, তারা ধীরে ধীরে তাদের অতীত ইতিহাস ভুলে গিয়েছিল এবং সহজেই পির ও গাজীদের প্রতি তাদের আনুগত্য স্থানান্তর করেছিল। বিশ্বাসের ক্ষেত্রে এই মেলবন্ধনের ফলে শেষ পর্যন্ত একটি অধিকতর সহনশীল পরিবেশ তৈরি হয়েছিল যা হিন্দুদের তাদের রাজনৈতিক নিয়তির প্রতি উদাসীন করে তুলেছিল। এটি হিন্দু সমাজের গভীরে ইসলামের আরও প্রবেশের পথ প্রশস্ত করেছিল, বিশেষ করে নিম্নবিত্তদের মধ্যে যারা এই সাধু ও গাজীদের অলৌকিক ঘটনা সম্পর্কিত নিরলস ও অবিরাম প্রচারের মাধ্যমে ধীরে ধীরে জয়ী হয়েছিল, যা অনেক ক্ষেত্রে পুরনো হিন্দু ও বৌদ্ধ কিংবদন্তি থেকে সম্পূর্ণভাবে নেওয়া হয়েছিল। মুসলিম সাধুদের দ্বারা হিন্দু উপাসনালয় দখলের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হল রাজগিরে শৃঙ্গী-ঋষি-কুণ্ডকে মখদুম-কুণ্ডে রূপান্তর এবং দেবদত্ত কিংবদন্তির অলৌকিক ক্ষমতা সম্পন্ন বুদ্ধকে একজন মুসলিম সাধু মখদুম সাহিবে অনুবাদ করা। ** যদুনাথ সরকার, তার 'হিস্ট্রি অফ বেঙ্গল ভলিউম ২' বইয়ে, [https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.24396/mode/2up] পৃষ্ঠা ৬৯ এবং পরবর্তী। * (সুফিরা) বৌদ্ধ মঠের স্থানগুলোতে তাদের খানকাহ স্থাপন করেছিলেন এবং (এটি) বাংলার ধর্মীয় পরিস্থিতির সাথে বেশ মানিয়ে গিয়েছিল। ** লেভটজিয়ন এন (১৯৭৯), কনভার্সন টু ইসলাম-এ, পৃষ্ঠা ১৮ (ইরানে, এন. লেভটজিয়ন সম্পাদিত, কনভার্সন টু ইসলাম, হোমস অ্যান্ড মেয়ার পাবলিশার্স ইনকর্পোরেটেড, নিউইয়র্ক,) খান, এম.এ. (২০১১), ইসলামিক জিহাদ: এ লেগাসি অফ ফোর্সড কনভার্সন, ইম্পেরিয়ালিজম অ্যান্ড স্লেভারি। চতুর্থ অধ্যায়। * প্রশাসন চরমভাবে অদক্ষ ও অসৎ এবং যেহেতু পরিস্থিতির কোনো উন্নতির আশা করা যায় না, তাই এখানকার (কলকাতা বা বাংলা) হিন্দুদের ভবিষ্যৎ অবর্ণনীয়ভাবে অন্ধকার। ** স্যার যদুনাথ সরকার, ১৯৪৬ সালে পদ্মভূষণ ডক্টর জি এস সরদেশাইকে লেখা চিঠি [https://archive.org/stream/in.ernet.dli.2015.98914/2015.98914.Life-And-Letters-Of-Sir-Jadunath-Sarkar-Section-1---2_djvu.txt] [https://www.dharmadispatch.in/history/jadunath-sarkar-as-a-seer-a-few-glimpses] * পরের বছর মালিক মুহাম্মদ বখতিয়ার বিহার থেকে যাত্রা করেন এবং একটি ছোট বাহিনী নিয়ে দ্রুত যাত্রার মাধ্যমে নদীয়ার শহরে পৌঁছান। লক্ষ্মণিয়া অত্যন্ত কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে নৌকায় আরোহণ করে পালিয়ে যান। তার সমস্ত ধনসম্পদ এবং রাষ্ট্রীয় সরঞ্জাম, যা হিসাব ও গণনার বাইরে ছিল, মুহাম্মদ বখতিয়ারের হাতে পড়ে। পরবর্তীকালে তিনি নদীয়া শহরটি ধ্বংস করেন এবং এর পরিবর্তে আরেকটি শহর প্রতিষ্ঠা করেন যা লখনৌতি নামে পরিচিত হয়। এটিকে তার রাজধানী করেন এবং আজ সেই শহরটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং গৌড় নামে পরিচিত। সংক্ষেপে, মুহাম্মদ বখতিয়ার রাজকীয় ক্ষমতা গ্রহণ করেন এবং খুতবা পাঠ করান ও নিজের নামে মুদ্রা তৈরি করেন। তিনি পৌত্তলিকদের মন্দিরের স্থানে মসজিদ, খানকাহ এবং কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন এবং অর্জিত লুটের মাল থেকে সুলতান কুতুবুদ্দিন আইবেকের স্বীকৃতির জন্য অনেক মূল্যবান সামগ্রী পাঠান। ** তবাকাত-ই-আকবরী [https://archive.org/stream/in.ernet.dli.2015.2531/2015.2531.The-Tabaqat-i-akbari-Vol-i_djvu.txt] * “...এই ব্যবস্থার দ্বিতীয় বছরে মুহাম্মদ বখতিয়ার বিহার থেকে লখনৌতির দিকে একটি সেনাবাহিনী নিয়ে আসেন এবং একটি ছোট বাহিনী নিয়ে নদীয়া শহরে পৌঁছান। নদীয়া এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত। সেই শহরের শাসক রায় লক্ষ্মণিয়া... সেখান থেকে কামরানে পালিয়ে যান এবং অগণিত সম্পদ ও লুটের মাল মুসলমানদের হাতে পড়ে। মুহাম্মদ বখতিয়ার কাফেরদের উপাসনালয় ও মূর্তিপূজার মন্দিরগুলো ধ্বংস করে মসজিদ, মঠ ও বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন এবং নিজের নামে একটি মহানগর গড়ে তোলেন যা এখন গৌড় নামে পরিচিত।<br/> যেখানে আগে শোনা যেত<br/> পৌত্তলিকদের হট্টগোল ও চিৎকার,<br/> এখন সেখানে প্রতিধ্বনিত হতে শোনা যায়<br/> ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি।” ** ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি সম্পর্কে (১২০২-১২০৬ খ্রিস্টাব্দ) নবদ্বীপ (বঙ্গ), মুনতাখাবুত-তাওয়ারিখ, জর্জ এস.এ. র‍্যাঙ্কিং কর্তৃক [[w:ইংরেজি ভাষা|ইংরেজি ভাষায়]] অনূদিত, পাটনা পুনর্মুদ্রণ ১৯৭৩, প্রথম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৮২-৮৩। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:পশ্চিমবঙ্গ]] [[বিষয়শ্রেণী:ভারতে ধর্ম]] 6srv0ogsr48vc7ogy4728onb880vklh আলাপ:পশ্চিমবঙ্গে ধর্ম 1 12964 78830 2026-04-20T07:24:01Z Tuhin 172 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78830 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm জাকির হোসেন রাজু 0 12965 78836 2026-04-20T07:43:58Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 নতুন নিবন্ধ 78836 wikitext text/x-wiki [[w:জাকির হোসেন রাজু|জাকির হোসেন রাজু]] (জন্ম: ১৫ জানুয়ারি, ১৯৬৪) একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক। চলচ্চিত্র পরিচালনার পাশাপাশি তিনি চলচ্চিত্রের কাহিনী, চিত্রনাট্য ও সংলাপ রচনা করে থাকেন। তিনি প্রথম পরিচালক [[w:তোজাম্মেল হক বকুল|তোজাম্মেল হক বকুলের]] সহকারী হিসেবে চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন। ''জীবন সংসার'' তার পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র। তিনি মূলত নাট্য-রোমান্টিকধর্মী চলচ্চিত্র পরিচালনা করে থাকেন। ২০১২ সালে ভালোবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না চলচ্চিত্রের জন্য দুইটি বিভাগে [[w:জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (বাংলাদেশ)|জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার]] অর্জন করেন। ==উক্তি== * চলচ্চিত্রের মূল সংকট গল্প। ভালো কোনো গল্পের সিনেমা হচ্ছে না। দর্শক সিনেমায় গল্প দেখতে চায়, নায়ক-নায়িকা নয়। আমাদের সিনেমায় গল্পের সংকট রয়েছে। অথচ আমাদের গল্প সংকট নেই। গল্পটা খুঁজে নেওয়ার মানসিকতার অভাব রয়েছে। ** [https://m.dailyinqilab.com/article/187472/%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%9F-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%81%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC-%E0%A6%B0%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A7%8B%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%81 এই সাক্ষাৎকারে] বলেছেন। == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] 3zq25is16kbdwm2d8hvpk9efftb8wja 78837 78836 2026-04-20T07:50:21Z মোহাম্মদ জনি হোসেন 104 78837 wikitext text/x-wiki [[w:জাকির হোসেন রাজু|জাকির হোসেন রাজু]] (জন্ম: ১৫ জানুয়ারি, ১৯৬৪) একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক। চলচ্চিত্র পরিচালনার পাশাপাশি তিনি চলচ্চিত্রের কাহিনী, চিত্রনাট্য ও সংলাপ রচনা করে থাকেন। তিনি প্রথম পরিচালক [[w:তোজাম্মেল হক বকুল|তোজাম্মেল হক বকুলের]] সহকারী হিসেবে চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন। ''জীবন সংসার'' তার পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র। তিনি মূলত নাট্য-রোমান্টিকধর্মী চলচ্চিত্র পরিচালনা করে থাকেন। ২০১২ সালে ভালোবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না চলচ্চিত্রের জন্য দুইটি বিভাগে [[w:জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (বাংলাদেশ)|জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার]] অর্জন করেন। ==উক্তি== * চলচ্চিত্রের মূল সংকট গল্প। ভালো কোনো গল্পের সিনেমা হচ্ছে না। দর্শক সিনেমায় গল্প দেখতে চায়, নায়ক-নায়িকা নয়। আমাদের সিনেমায় গল্পের সংকট রয়েছে। অথচ আমাদের গল্প সংকট নেই। গল্পটা খুঁজে নেওয়ার মানসিকতার অভাব রয়েছে। ** [https://m.dailyinqilab.com/article/187472/%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%9F-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA-%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%81%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC-%E0%A6%B0%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A7%8B%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%81 এই গল্পের সঙ্কট নেই, গল্প খুঁজে নেয়ার মানসিকতার অভাব রয়েছে : জাকির হোসেন রাজু] বলেছেন। ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ == বহিঃসংযোগ == {{উইকিপিডিয়া}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৬৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:জীবিত ব্যক্তি]] 1b0hxixybjseqytzgel5ckz4focu7r8 ব্যবহারকারী আলাপ:Ak mahmudul sharif 3 12966 78840 2026-04-20T08:13:03Z অভ্যর্থনা কমিটি বট 1112 উইকিউক্তিতে স্বাগত! 78840 wikitext text/x-wiki == উইকিউক্তিতে স্বাগত == <div style="box-shadow:gray 1px 1px 4px; margin-bottom:1em; padding:1em; border-radius:.5em;"> সুপ্রিয় Ak mahmudul sharif,<br>[[উইকিউক্তি:বৃত্তান্ত|উইকিউক্তিতে]] আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি। {{হাসি}} </br> উইকিউক্তি হলো আপনার মত ব্যবহারকারীদের দ্বারা যৌথভাবে তৈরি বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উক্তিসমূহের মুক্ত অনলাইন সংকলন! * উইকিউক্তি কী তা একনজরে জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি]] পড়ুন। ** এছাড়াও উইকিউক্তি যেসব সাধারণ বিষয় সমর্থন করে না তা জানার জন্য [[উইকিউক্তি:উইকিউক্তি কী নয়|উইকিউক্তি কী নয়]] পড়ুন। * উইকিউক্তিতে পরিভ্রমণ করতে আমাদের [[উইকিউক্তি:পরিভ্রমণ|পরিভ্রমণ পাতাটি]] দেখুন। * পাতা তৈরির পূর্বে অনুগ্রহ করে [[উইকিউক্তি:বিন্যাস নির্দেশিকা|আমাদের নির্দেশিকা]] দেখে নিন। সরাসরি পাতা তৈরির পূর্বে [[বিশেষ:আমার পাতা/খেলাঘর|আপনার খেলাঘরে]] অনুশীলন করে নিতে পারেন। * পাতা সম্পাদনা করার সময় অনুগ্রহ করে [[:w:সাহায্য:সম্পাদনা সারাংশ|সম্পাদনা সারাংশ]] ব্যবহার করুন। * [[উইকিউক্তি:সাহসী হোন|সাহসী হোন]] এবং [[উইকিউক্তি:কীভাবে অবদান রাখব?|অবদান রাখতে]] শুরু করুন! কোনও পরামর্শ বা সহায়তার জন্য নির্দ্বিধায় [[উইকিউক্তি:আলোচনাসভা|আলোচনাসভায়]] যান অথবা আমার আলাপ পাতায় জিজ্ঞাসা করুন। আপনার সম্পাদনা শুভ হোক ও আবারও স্বাগতম! &mdash; [[উইকিউক্তি:অভ্যর্থনা কমিটি|উইকিউক্তি অভ্যর্থনা কমিটি]] </div> ০৮:১৩, ২০ এপ্রিল ২০২৬ (ইউটিসি) 8oe5j41qa0twtaa8smp4f3fud4im8iz ড্যানিয়েল কানেমান 0 12967 78841 2026-04-20T08:20:07Z Sumanta3023 4175 "[[চিত্র:Daniel KAHNEMAN.jpg|thumb|ড্যানিয়েল কানেম্যান, ২০০৯]] '''[[w:ড্যানিয়েল কানেম্যান|ড্যানিয়েল কানেম্যান]]''' (৫ মার্চ ১৯৩৪ – ২৭ মার্চ ২০২৪) একজন ইসরায়েলি-মার্কিন [[মনোবিজ্ঞানী]] ছিলেন। তি..." দিয়ে পাতা তৈরি 78841 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Daniel KAHNEMAN.jpg|thumb|ড্যানিয়েল কানেম্যান, ২০০৯]] '''[[w:ড্যানিয়েল কানেম্যান|ড্যানিয়েল কানেম্যান]]''' (৫ মার্চ ১৯৩৪ – ২৭ মার্চ ২০২৪) একজন ইসরায়েলি-মার্কিন [[মনোবিজ্ঞানী]] ছিলেন। তিনি ২০০২ সালে [[ভার্নন এল স্মিথ|ভার্নন এল. স্মিথ]]-এর সাথে যৌথভাবে [[w:অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার|অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার]] লাভ করেন। কানেম্যান তাঁর [[বিচারবুদ্ধি]] ও [[সিদ্ধান্ত গ্রহণ|সিদ্ধান্ত গ্রহণের]] মনোবিজ্ঞান, [[w:আচরণগত অর্থনীতি|আচরণগত অর্থনীতি]] এবং [[w:সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞান|সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞানের]] ওপর কাজের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। পরবর্তী জীবনে তিনি প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির উড্রো উইলসন স্কুলের মনোবিজ্ঞান এবং জনবিষয়ক বিভাগের এমেরিটাস অধ্যাপক ছিলেন। nipeysmwnom7ytecdtynvj5ajmknjes 78844 78841 2026-04-20T08:26:19Z Sumanta3023 4175 78844 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Daniel KAHNEMAN.jpg|thumb|ড্যানিয়েল কানেম্যান, ২০০৯]] '''[[w:ড্যানিয়েল কানেম্যান|ড্যানিয়েল কানেম্যান]]''' (৫ মার্চ ১৯৩৪ – ২৭ মার্চ ২০২৪) একজন ইসরায়েলি-মার্কিন [[মনোবিজ্ঞানী]] ছিলেন। তিনি ২০০২ সালে [[ভার্নন এল স্মিথ|ভার্নন এল. স্মিথ]]-এর সাথে যৌথভাবে [[w:অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার|অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার]] লাভ করেন। কানেম্যান তাঁর [[বিচারবুদ্ধি]] ও [[সিদ্ধান্ত গ্রহণ|সিদ্ধান্ত গ্রহণের]] মনোবিজ্ঞান, [[w:আচরণগত অর্থনীতি|আচরণগত অর্থনীতি]] এবং [[w:সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞান|সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞানের]] ওপর কাজের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। পরবর্তী জীবনে তিনি প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির উড্রো উইলসন স্কুলের মনোবিজ্ঞান এবং জনবিষয়ক বিভাগের এমেরিটাস অধ্যাপক ছিলেন। == উক্তি == * আমার একটি অভিজ্ঞতার কথা স্পষ্টভাবে মনে আছে যেখানে অনুভূতির নানা রঙের মিশেল ছিল। সময়টা ১৯৪১ সালের শেষের দিকে বা ১৯৪২ সালের শুরুর দিক হবে। ইহুদিদের জন্য তখন পোশাকে 'স্টার অফ ডেভিড' পরা এবং সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ঘরে ফেরার কারফিউ মেনে চলা বাধ্যতামূলক ছিল। আমি এক খ্রিস্টান বন্ধুর সাথে খেলতে গিয়েছিলাম এবং ফিরতে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। বাড়ি ফেরার জন্য কয়েক ব্লকের পথ হাঁটার সময় আমি আমার বাদামী সোয়েটারটি উল্টো করে পরে নিয়েছিলাম (যাতে তারাটি ঢাকা পড়ে)। জনশূন্য রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় আমি একজন জার্মান সৈন্যকে এগিয়ে আসতে দেখলাম। তিনি সেই কালো ইউনিফর্মটি পরে ছিলেন যা অন্য সব ইউনিফর্মের চেয়ে বেশি ভয় পেতে আমাকে শেখানো হয়েছিল — এটি বিশেষভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত এসএস (SS) সৈন্যদের পোশাক। আমি দ্রুত হাঁটার চেষ্টা করছিলাম, তাঁর কাছাকাছি আসতেই লক্ষ্য করলাম তিনি আমার দিকে তীক্ষ্ণভাবে তাকিয়ে আছেন। এরপর তিনি আমাকে কাছে ডাকলেন, কোলে তুলে নিলেন এবং জড়িয়ে ধরলেন। আমি প্রচণ্ড আতঙ্কে ছিলাম যে তিনি আমার সোয়েটারের ভেতরে থাকা তারাটি দেখে ফেলবেন। তিনি জার্মান ভাষায় খুব আবেগ দিয়ে আমার সাথে কথা বলছিলেন। আমাকে নিচে নামিয়ে দেওয়ার পর তিনি তাঁর মানিব্যাগ খুললেন, একটি ছেলের ছবি দেখালেন এবং আমাকে কিছু টাকা দিলেন। আমি যখন বাড়ি ফিরলাম, তখন নিজের মনের ভেতর আগের চেয়েও বেশি নিশ্চিত হলাম যে আমার মা ঠিকই বলতেন: মানুষ সীমাহীন জটিল এবং কৌতুহলোদ্দীপক। ** [http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economic-sciences/laureates/2002/kahneman-bio.html নোবেল পুরস্কারের আত্মজীবনীমূলক তথ্য] (২০০২)। * '''যাঁরা পরিবর্তন নিয়ে আসেন তাঁরা একা মারা যান না। যাঁরা তাঁদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকের ভেতর থেকেই কিছু একটা হারিয়ে যায়।''' আমোস অনেক পরিবর্তন এনেছিলেন, এবং যখন তিনি মারা গেলেন, আমাদের অনেকের জন্যই জীবন কিছুটা ম্লান ও সংকুচিত হয়ে গেল। পৃথিবীতে বুদ্ধিমত্তার পরিমাণ কমে গেল। কমে গেল রসবোধ। এমন অনেক প্রশ্ন আছে যেগুলোর উত্তর আর কখনোই গভীরতা ও স্পষ্টতার সেই অপ্রতিম সংমিশ্রণে পাওয়া যাবে না। এমন অনেক মানদণ্ড আছে যেগুলোকে আর কখনোই নীতি ও কাণ্ডজ্ঞান দিয়ে একইভাবে রক্ষা করা হবে না। জীবন আরও দরিদ্র হয়ে পড়েছে। মোজাইকের মাঝে আমোসের আকৃতির এক বিশাল শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে, যা আর কখনও পূরণ হবে না। এটি পূরণ করা সম্ভব নয় কারণ আমোস এই পৃথিবীতে নিজের জায়গা নিজেই তৈরি করেছিলেন, তিনি নিজের জীবন এমনকি নিজের মৃত্যুকেও রূপ দিয়েছিলেন। আর নিজের জীবন ও জগতকে রূপ দেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি তাঁর চারপাশের অনেক মানুষের জীবন ও জগতকেও বদলে দিয়েছিলেন। ** ৫ জুন ১৯৯৬ তারিখে তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মী [[w:আমোস টিভারস্কি|আমোস টিভারস্কি]]-এর মৃত্যু সম্পর্কে। [http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economic-sciences/laureates/2002/kahneman-bio.html নোবেল পুরস্কারের আত্মজীবনীমূলক তথ্য] (২০০২)। * কোনো চিকিৎসকের "মুখভঙ্গি" দেখে একটি রোগ শনাক্ত করা এবং একটি ছোট শিশুর কোনো কিছুর দিকে আঙুল উঁচিয়ে "কুকুর" বলার মধ্যে আক্ষরিক অর্থে কোনো পার্থক্য নেই। ** টকস অ্যাট গুগল - ১০ নভেম্বর ২০১১ * সংখ্যার কারণে কেউ কখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। মানুষের একটি গল্পের প্রয়োজন হয়। ** মাইকেল লুইস। "দ্য আনডুইং প্রজেক্ট: আ ফ্রেন্ডশিপ দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড"। পেঙ্গুইন, ২০১৬ (ISBN 9780141983035)। * আমি স্বল্প-শক্তির (underpowered) গবেষণার ওপর বড্ড বেশি আস্থা রেখেছিলাম। ব্লগে এবং এর আগে অ্যান্ড্রু গেলম্যান যেমনটি উল্লেখ করেছেন, আমার এই ভুলের মধ্যে একটি বিশেষ পরিহাস রয়েছে; কারণ আমোস টিভারস্কি এবং আমি যে প্রথম গবেষণাপত্রটি প্রকাশ করেছিলাম, সেটি ছিল "ক্ষুদ্র সংখ্যার নীতি" (law of small numbers)-এর ওপর বিশ্বাসের বিষয়ে, যা গবেষকদের অযৌক্তিক ক্ষুদ্র নমুনাসহ স্বল্প-শক্তির গবেষণার ফলাফলের ওপর আস্থা রাখতে প্ররোচিত করে। আমরা ওভারঅল (১৯৬৯)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে দেখিয়েছিলাম যে "পরিসংখ্যানগত শক্তিতে ঘাটতি থাকা গবেষণার ব্যাপকতা কেবল অপচয়ই নয় বরং আসলে ক্ষতিকর: এর ফলে প্রকাশিত ফলাফলগুলোর মধ্যে একটি বড় অংশেই নাল হাইপোথিসিস বা শূন্য প্রকল্পের ভুল প্রত্যাখ্যান ঘটে।" আমাদের নিবন্ধটি ১৯৬৯ সালে লেখা এবং ১৯৭১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু আমি এর বার্তাটি নিজের মাঝে ধারণ করতে ব্যর্থ হয়েছি।<br />যখন আমি "থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো" লিখেছিলাম, তখন আমার অবস্থান ছিল এমন যে—যদি নামী জার্নালগুলোতে প্রকাশিত প্রমাণের একটি বড় অংশ প্রাথমিকভাবে অবিশ্বাস্য মনে হওয়া কোনো সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে, তবে বৈজ্ঞানিক নিয়ম অনুযায়ী আমাদের সেই সিদ্ধান্তকে বিশ্বাস করা উচিত। অবিশ্বাস্য হওয়াটাই অবিশ্বাসকে ন্যায়সঙ্গত করার জন্য যথেষ্ট নয়, এবং সুপ্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্তগুলো বিশ্বাস করা ঐচ্ছিক কোনো বিষয় নয়। এই অবস্থানটি এখনও আমার কাছে যুক্তিসঙ্গত মনে হয় – আর এই কারণেই আমি মনে করি মানুষের জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বাস করা উচিত। কিন্তু এই যুক্তি তখনই খাটে যখন সমস্ত প্রাসঙ্গিক ফলাফল প্রকাশিত হয়।<br />আমি অবশ্যই জানতাম যে প্রাইমিং স্টাডিজের ফলাফলগুলো ছোট নমুনার ওপর ভিত্তি করে ছিল, প্রভাবের মাত্রাগুলো হয়তো অবিশ্বাস্য রকমের বড় ছিল এবং কোনো একক গবেষণাই নিজে থেকে চূড়ান্ত ছিল না। যা আমাকে মুগ্ধ করেছিল তা হলো অনেক গবেষণাগার থেকে পাওয়া রিপোর্টের ফলাফলের একমত হওয়া এবং সেগুলোর সুসংগতি। আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলাম যে দক্ষ পরীক্ষকদের পক্ষে প্রাইমিং ইফেক্ট তৈরি করা সহজ এবং এগুলো বেশ শক্তিশালী। তবে, আমি এখন বুঝতে পারছি যে আমার যুক্তি ত্রুটিপূর্ণ ছিল এবং আমার আরও সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। স্বল্প-শক্তির গবেষণাগুলোর মধ্যে এই সর্বসম্মত ঐক্য আসলে একটি গুরুতর 'ফাইল-ড্রয়ার সমস্যা' (এবং/অথবা পি-হ্যাকিং)-এর অস্তিত্বের অকাট্য প্রমাণ দেয়। যুক্তিটি অনস্বীকার্য: যেসব গবেষণা সম্ভাব্য প্রভাব শনাক্ত করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী নয়, সেগুলোতে গবেষণার হাইপোথিসিস সত্য হওয়া সত্ত্বেও মাঝে মাঝে তাৎপর্যহীন (non-significant) ফলাফল আসতে বাধ্য – এই ধরনের ফলাফলের অনুপস্থিতিই প্রমাণ করে যে প্রকাশিত নথিপত্রে কোথাও কোনো গরমিল আছে... ** [https://replicationindex.com/2017/02/02/reconstruction-of-a-train-wreck-how-priming-research-went-of-the-rails/comment-page-1/#comment-1454 ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭], [https://retractionwatch.com/2017/02/20/placed-much-faith-underpowered-studies-nobel-prize-winner-admits-mistakes/ রিট্রাকশনওয়াচ]-এ উদ্ধৃত। * এবং আরও একটি বিষয় আছে যা আমার মতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেটি হলো, '''প্রায় সব মনস্তাত্ত্বিক হাইপোথিসিসই সত্য''', অর্থাৎ এই অর্থে যে, আপনি যদি ধারণা করেন 'ক' আসলে 'খ'-এর কারণ হয়, তবে এটি সত্য নয় যে 'ক' আসলে 'খ'-এর বিপরীত কিছু ঘটায়। হয়তো 'ক'-এর প্রভাব খুব সামান্য, কিন্তু হাইপোথিসিসগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সত্য হয়; তবে সেগুলো আপনি যতটা ভাবেন তার চেয়ে অনেক বেশি দুর্বল... ** লেক্স ফ্রিডম্যান পডকাস্ট, ১:০৪:১০। ১৪ জানুয়ারি ২০২০। * আপনার উচিত নিজের সহজাত প্রবৃত্তিকে (gut feeling) তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ করা এবং তারপর সেটিকে বিশ্বাস করা। ** হার্ভার্ডে আলোচনা - ৩ ডিসেম্বর ২০২১<ref>https://news.harvard.edu/gazette/story/2021/12/daniel-kahneman-on-how-to-influence-others/</ref> * প্রথম পরামর্শ হলো গতি ধীর করা, এবং আপনার প্রথম ঝোঁক বা আবেগকে অনুসরণ না করা। ** হার্ভার্ডে আলোচনা - ৩ ডিসেম্বর ২০২১<ref>https://news.harvard.edu/gazette/story/2021/12/daniel-kahneman-on-how-to-influence-others/</ref> === থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো (২০১১) === :<small>'''দ্রষ্টব্য''': অন্য কোনো উল্লেখ না থাকলে পৃষ্ঠা নম্বরগুলো (ISBN 9780141033570) থেকে নেওয়া।</small> * এই বইয়ের একটি পুনরাবৃত্ত মূলভাব হলো যে, '''[[ভাগ্য|সাফল্যের]] প্রতিটি গল্পে [[সাফল্য|ভাগ্যের]] একটি বিশাল ভূমিকা থাকে'''; গল্পের মধ্যে খুব সামান্য একটি পরিবর্তন শনাক্ত করা প্রায় সব সময়ই সহজ, যা একটি অসাধারণ অর্জনকে একটি সাধারণ ফলাফলে পরিণত করতে পারত। ** ভূমিকা, পৃষ্ঠা ৯। * '''[[বুদ্ধিমত্তা]] কেবল [[যুক্তি|যুক্তি প্রদানের]] ক্ষমতা নয়; এটি [[স্মৃতি|স্মৃতি]] থেকে [[প্রাসঙ্গিকতা|প্রাসঙ্গিক]] তথ্য খুঁজে বের করার এবং প্রয়োজনবোধে [[মনোযোগ]] দেওয়ার ক্ষমতাও বটে।''' ** অধ্যায় ৩, "দ্য লেজি কন্ট্রোলার" পৃষ্ঠা ৪৬। * অবিশ্বাস করার কোনো সুযোগ নেই। ফলাফলগুলো মনগড়া নয়, কিংবা এগুলো কোনো পরিসংখ্যানগত আকস্মিক ঘটনাও নয়। এই গবেষণাগুলোর প্রধান সিদ্ধান্তগুলো যে সত্য, তা মেনে নেওয়া ছাড়া আপনার কোনো উপায় নেই। ** প্রাইমিং গবেষণার ওপর। কানেমান পরবর্তীতে প্রাইমিং গবেষণার প্রতি তাঁর সমর্থনের বিষয়ে একটি শর্তসাপেক্ষ প্রত্যাহার (retraction) জারি করেছিলেন। অধ্যায় ৪, "দ্য অ্যাসোসিয়েটিভ মেশিন"। * '''মানুষকে কোনো [[মিথ্যা|মিথ্যাবাদে]] বিশ্বাস করানোর একটি নির্ভরযোগ্য উপায় হলো সেটির ঘনঘন [[পুনরাবৃত্তি]], কারণ [[পরিচিতি|পরিচিতি]] এবং [[সত্য|সত্যের]] মধ্যে পার্থক্য করা সহজ নয়।''' ** অধ্যায় ৫, "কগনিটিভ ইজ" পৃষ্ঠা ৬২। * '''একটি ভালো [[গল্পের]] জন্য [[তথ্য|তথ্যের]] {{w|সামঞ্জস্যতা}} গুরুত্বপূর্ণ, তার পূর্ণতা নয়।''' প্রকৃতপক্ষে, আপনি প্রায়ই লক্ষ্য করবেন যে, '''খুব সামান্য জানলে আপনার জানা সবকিছুকে একটি সুসংগত [[ধরণ|কাঠামোতে]] বিন্যস্ত করা সহজ হয়ে যায়।''' ** অধ্যায় ৭, "এ মেশিন ফর জাম্পিং টু কনক্লুশনস" পৃষ্ঠা ৮৭। * শিক্ষাটি পরিষ্কার: [[মৃত্যু|মৃত্যুর]] কারণগুলো সম্পর্কে আমাদের অনুমানগুলো [[গণমাধ্যম|মিডিয়া]] কভারেজ দ্বারা প্রভাবিত হয়। [...] আমাদের মাথার ভেতরের জগতটি বাস্তবতার নিখুঁত প্রতিরূপ নয়; '''কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তির হার সম্পর্কে আমাদের প্রত্যাশাগুলো সেই বার্তার ব্যাপকতা এবং আবেগীয় তীব্রতা দ্বারা বিকৃত হয়''', যা আমাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। ** অধ্যায় ১৩, "অ্যাভেইলিবিলিটি, ইমোশন, অ্যান্ড রিস্ক" পৃষ্ঠা ১৩৮। * আমাদের [[পরিসংখ্যান]] সংক্রান্ত চিন্তা এবং স্বতন্ত্র ঘটনা সংক্রান্ত চিন্তার মধ্যে একটি গভীর ব্যবধান রয়েছে। ** অধ্যায় ১৫, "কজেস ট্রাম্প স্ট্যাটিস্টিকস" পৃষ্ঠা ১৭৪। * {{w|সহসম্বন্ধ}} (correlation) এবং [[w:রিগ্রেশন বিশ্লেষণ|রিগ্রেশন]] যে দুটি ভিন্ন ধারণা নয়—বরং একই ধারণার দুটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি, তা বুঝতে [[ফ্রান্সিস গাল্টন|ফ্রান্সিস গাল্টনের]] কয়েক বছর সময় লেগেছিল। সাধারণ নিয়মটি সহজবোধ্য কিন্তু এর ফলাফলগুলো বিস্ময়কর: যখনই দুটি স্কোরের মধ্যে সহসম্বন্ধ অপূর্ণ থাকে, তখনই সেখানে গড়ের দিকে প্রত্যাগমন (regression to the mean) ঘটবে। ** অধ্যায় ১৭, "রিগ্রেশন টু দ্য মিন" পৃষ্ঠা ১৮১। * '''পৃথিবীটা অর্থবহ—আমাদের এই স্বস্তিদায়ক বিশ্বাসটি একটি নিরাপদ ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে: আর তা হলো আমাদের [[অজ্ঞতা|অজ্ঞতাকে]] উপেক্ষা করার প্রায় সীমাহীন ক্ষমতা।''' ** অধ্যায় ১৯, "দ্য ইলিউশন অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং" পৃষ্ঠা ২০১। * একটি বিচারের ক্ষেত্রে [[w:বিষয়ীভাব এবং বস্তুনিষ্ঠতা (দর্শন)|বিষয়ীগত]] [[আত্মবিশ্বাস]] কোনো যুক্তিনির্ভর মূল্যায়ন নয় যে সেই বিচারটি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু। '''আত্মবিশ্বাস হলো একটি অনুভূতি, যা তথ্যের সুসংগতি এবং তা প্রক্রিয়াকরণের মানসিক সহজবোধ্যতাকে প্রতিফলিত করে।''' [[অনিশ্চয়তা|অনিশ্চয়তার]] স্বীকারোক্তিকে গুরুত্বের সাথে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ, কিন্তু '''উচ্চ আত্মবিশ্বাসের ঘোষণা মূলত আপনাকে এটাই জানায় যে একজন ব্যক্তি তার মনে একটি সুসংগত [[গল্প]] তৈরি করেছেন, তার মানে এই নয় যে সেই গল্পটি [[সত্য|সত্য]]।''' ** অধ্যায় ২০, "দ্য ইলিউশন অফ ভ্যালিডিটি" পৃষ্ঠা ২১২। * সে একটি অভ্যন্তরীণ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করছে। তার উচিত নিজের ক্ষেত্রটির কথা ভুলে যাওয়া এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে কী ঘটেছিল তা দেখা। ** অধ্যায় ২৩, "দ্য আউটসাইড ভিউ" পৃষ্ঠা ২৫৪। * এমন কোনো প্রমাণ নেই যে [[অর্থনীতি|অর্থনৈতিক]] ক্ষেত্রে [[ঝুঁকি]] গ্রহণকারীদের উচ্চ বাজি ধরার প্রতি অস্বাভাবিক কোনো আকাঙ্ক্ষা থাকে; তারা কেবল সাধারণ ভীরু মানুষের তুলনায় ঝুঁকি সম্পর্কে কম সচেতন। ** অধ্যায় ২৪, "দ্য ইঞ্জিন অফ ক্যাপিটালিজম" পৃষ্ঠা ২৬৩। * '''সে [[লাভ|লাভের]] তুলনায় [[ক্ষতি|ক্ষতিকে]] প্রায় দ্বিগুণ গুরুত্ব দেয়, যা অত্যন্ত [[স্বাভাবিকতা|স্বাভাবিক]]।''' ** অধ্যায় ২৬, "প্রসপেক্ট থিওরি" পৃষ্ঠা ২৮৮। * মানুষের অনেক দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি এমনভাবে উন্মোচিত হয় [...] যেখানে খুব খারাপ বিকল্পের সম্মুখীন হওয়া মানুষগুলো বেপরোয়া জুয়া খেলে; তারা একটি বড় ক্ষতি এড়ানোর সামান্য আশার বিনিময়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার উচ্চ সম্ভাবনাকে মেনে নেয়। এই ধরণের ঝুঁকি গ্রহণ প্রায়শই সামাল দেওয়ার মতো [[ব্যর্থতা|ব্যর্থতাকে]] [[বিপর্যয়|বিপর্যয়ে]] পরিণত করে। ** অধ্যায় ২৯, "দ্য ফোরফোল্ড প্যাটার্ন" পৃষ্ঠা ৩১৮-৩১৯। b30qo5v7usu6hgcqw2k3qt5eco8f5br 78846 78844 2026-04-20T08:32:12Z Sumanta3023 4175 78846 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Daniel KAHNEMAN.jpg|thumb|ড্যানিয়েল কানেম্যান, ২০০৯]] '''[[w:ড্যানিয়েল কানেম্যান|ড্যানিয়েল কানেম্যান]]''' (৫ মার্চ ১৯৩৪ – ২৭ মার্চ ২০২৪) একজন ইসরায়েলি-মার্কিন [[মনোবিজ্ঞানী]] ছিলেন। তিনি ২০০২ সালে [[ভার্নন এল স্মিথ|ভার্নন এল. স্মিথ]]-এর সাথে যৌথভাবে [[w:অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার|অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার]] লাভ করেন। কানেম্যান তাঁর [[বিচারবুদ্ধি]] ও [[সিদ্ধান্ত গ্রহণ|সিদ্ধান্ত গ্রহণের]] মনোবিজ্ঞান, [[w:আচরণগত অর্থনীতি|আচরণগত অর্থনীতি]] এবং [[w:সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞান|সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞানের]] ওপর কাজের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। পরবর্তী জীবনে তিনি প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির উড্রো উইলসন স্কুলের মনোবিজ্ঞান এবং জনবিষয়ক বিভাগের এমেরিটাস অধ্যাপক ছিলেন। == উক্তি == * আমার একটি অভিজ্ঞতার কথা স্পষ্টভাবে মনে আছে যেখানে অনুভূতির নানা রঙের মিশেল ছিল। সময়টা ১৯৪১ সালের শেষের দিকে বা ১৯৪২ সালের শুরুর দিক হবে। ইহুদিদের জন্য তখন পোশাকে 'স্টার অফ ডেভিড' পরা এবং সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ঘরে ফেরার কারফিউ মেনে চলা বাধ্যতামূলক ছিল। আমি এক খ্রিস্টান বন্ধুর সাথে খেলতে গিয়েছিলাম এবং ফিরতে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। বাড়ি ফেরার জন্য কয়েক ব্লকের পথ হাঁটার সময় আমি আমার বাদামী সোয়েটারটি উল্টো করে পরে নিয়েছিলাম (যাতে তারাটি ঢাকা পড়ে)। জনশূন্য রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় আমি একজন জার্মান সৈন্যকে এগিয়ে আসতে দেখলাম। তিনি সেই কালো ইউনিফর্মটি পরে ছিলেন যা অন্য সব ইউনিফর্মের চেয়ে বেশি ভয় পেতে আমাকে শেখানো হয়েছিল — এটি বিশেষভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত এসএস (SS) সৈন্যদের পোশাক। আমি দ্রুত হাঁটার চেষ্টা করছিলাম, তাঁর কাছাকাছি আসতেই লক্ষ্য করলাম তিনি আমার দিকে তীক্ষ্ণভাবে তাকিয়ে আছেন। এরপর তিনি আমাকে কাছে ডাকলেন, কোলে তুলে নিলেন এবং জড়িয়ে ধরলেন। আমি প্রচণ্ড আতঙ্কে ছিলাম যে তিনি আমার সোয়েটারের ভেতরে থাকা তারাটি দেখে ফেলবেন। তিনি জার্মান ভাষায় খুব আবেগ দিয়ে আমার সাথে কথা বলছিলেন। আমাকে নিচে নামিয়ে দেওয়ার পর তিনি তাঁর মানিব্যাগ খুললেন, একটি ছেলের ছবি দেখালেন এবং আমাকে কিছু টাকা দিলেন। আমি যখন বাড়ি ফিরলাম, তখন নিজের মনের ভেতর আগের চেয়েও বেশি নিশ্চিত হলাম যে আমার মা ঠিকই বলতেন: মানুষ সীমাহীন জটিল এবং কৌতুহলোদ্দীপক। ** [http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economic-sciences/laureates/2002/kahneman-bio.html নোবেল পুরস্কারের আত্মজীবনীমূলক তথ্য] (২০০২)। * '''যাঁরা পরিবর্তন নিয়ে আসেন তাঁরা একা মারা যান না। যাঁরা তাঁদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকের ভেতর থেকেই কিছু একটা হারিয়ে যায়।''' আমোস অনেক পরিবর্তন এনেছিলেন, এবং যখন তিনি মারা গেলেন, আমাদের অনেকের জন্যই জীবন কিছুটা ম্লান ও সংকুচিত হয়ে গেল। পৃথিবীতে বুদ্ধিমত্তার পরিমাণ কমে গেল। কমে গেল রসবোধ। এমন অনেক প্রশ্ন আছে যেগুলোর উত্তর আর কখনোই গভীরতা ও স্পষ্টতার সেই অপ্রতিম সংমিশ্রণে পাওয়া যাবে না। এমন অনেক মানদণ্ড আছে যেগুলোকে আর কখনোই নীতি ও কাণ্ডজ্ঞান দিয়ে একইভাবে রক্ষা করা হবে না। জীবন আরও দরিদ্র হয়ে পড়েছে। মোজাইকের মাঝে আমোসের আকৃতির এক বিশাল শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে, যা আর কখনও পূরণ হবে না। এটি পূরণ করা সম্ভব নয় কারণ আমোস এই পৃথিবীতে নিজের জায়গা নিজেই তৈরি করেছিলেন, তিনি নিজের জীবন এমনকি নিজের মৃত্যুকেও রূপ দিয়েছিলেন। আর নিজের জীবন ও জগতকে রূপ দেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি তাঁর চারপাশের অনেক মানুষের জীবন ও জগতকেও বদলে দিয়েছিলেন। ** ৫ জুন ১৯৯৬ তারিখে তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মী [[w:আমোস টিভারস্কি|আমোস টিভারস্কি]]-এর মৃত্যু সম্পর্কে। [http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economic-sciences/laureates/2002/kahneman-bio.html নোবেল পুরস্কারের আত্মজীবনীমূলক তথ্য] (২০০২)। * কোনো চিকিৎসকের "মুখভঙ্গি" দেখে একটি রোগ শনাক্ত করা এবং একটি ছোট শিশুর কোনো কিছুর দিকে আঙুল উঁচিয়ে "কুকুর" বলার মধ্যে আক্ষরিক অর্থে কোনো পার্থক্য নেই। ** টকস অ্যাট গুগল - ১০ নভেম্বর ২০১১ * সংখ্যার কারণে কেউ কখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। মানুষের একটি গল্পের প্রয়োজন হয়। ** মাইকেল লুইস। "দ্য আনডুইং প্রজেক্ট: আ ফ্রেন্ডশিপ দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড"। পেঙ্গুইন, ২০১৬ (ISBN 9780141983035)। * আমি স্বল্প-শক্তির (underpowered) গবেষণার ওপর বড্ড বেশি আস্থা রেখেছিলাম। ব্লগে এবং এর আগে অ্যান্ড্রু গেলম্যান যেমনটি উল্লেখ করেছেন, আমার এই ভুলের মধ্যে একটি বিশেষ পরিহাস রয়েছে; কারণ আমোস টিভারস্কি এবং আমি যে প্রথম গবেষণাপত্রটি প্রকাশ করেছিলাম, সেটি ছিল "ক্ষুদ্র সংখ্যার নীতি" (law of small numbers)-এর ওপর বিশ্বাসের বিষয়ে, যা গবেষকদের অযৌক্তিক ক্ষুদ্র নমুনাসহ স্বল্প-শক্তির গবেষণার ফলাফলের ওপর আস্থা রাখতে প্ররোচিত করে। আমরা ওভারঅল (১৯৬৯)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে দেখিয়েছিলাম যে "পরিসংখ্যানগত শক্তিতে ঘাটতি থাকা গবেষণার ব্যাপকতা কেবল অপচয়ই নয় বরং আসলে ক্ষতিকর: এর ফলে প্রকাশিত ফলাফলগুলোর মধ্যে একটি বড় অংশেই নাল হাইপোথিসিস বা শূন্য প্রকল্পের ভুল প্রত্যাখ্যান ঘটে।" আমাদের নিবন্ধটি ১৯৬৯ সালে লেখা এবং ১৯৭১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু আমি এর বার্তাটি নিজের মাঝে ধারণ করতে ব্যর্থ হয়েছি।<br />যখন আমি "থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো" লিখেছিলাম, তখন আমার অবস্থান ছিল এমন যে—যদি নামী জার্নালগুলোতে প্রকাশিত প্রমাণের একটি বড় অংশ প্রাথমিকভাবে অবিশ্বাস্য মনে হওয়া কোনো সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে, তবে বৈজ্ঞানিক নিয়ম অনুযায়ী আমাদের সেই সিদ্ধান্তকে বিশ্বাস করা উচিত। অবিশ্বাস্য হওয়াটাই অবিশ্বাসকে ন্যায়সঙ্গত করার জন্য যথেষ্ট নয়, এবং সুপ্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্তগুলো বিশ্বাস করা ঐচ্ছিক কোনো বিষয় নয়। এই অবস্থানটি এখনও আমার কাছে যুক্তিসঙ্গত মনে হয় – আর এই কারণেই আমি মনে করি মানুষের জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বাস করা উচিত। কিন্তু এই যুক্তি তখনই খাটে যখন সমস্ত প্রাসঙ্গিক ফলাফল প্রকাশিত হয়।<br />আমি অবশ্যই জানতাম যে প্রাইমিং স্টাডিজের ফলাফলগুলো ছোট নমুনার ওপর ভিত্তি করে ছিল, প্রভাবের মাত্রাগুলো হয়তো অবিশ্বাস্য রকমের বড় ছিল এবং কোনো একক গবেষণাই নিজে থেকে চূড়ান্ত ছিল না। যা আমাকে মুগ্ধ করেছিল তা হলো অনেক গবেষণাগার থেকে পাওয়া রিপোর্টের ফলাফলের একমত হওয়া এবং সেগুলোর সুসংগতি। আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলাম যে দক্ষ পরীক্ষকদের পক্ষে প্রাইমিং ইফেক্ট তৈরি করা সহজ এবং এগুলো বেশ শক্তিশালী। তবে, আমি এখন বুঝতে পারছি যে আমার যুক্তি ত্রুটিপূর্ণ ছিল এবং আমার আরও সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। স্বল্প-শক্তির গবেষণাগুলোর মধ্যে এই সর্বসম্মত ঐক্য আসলে একটি গুরুতর 'ফাইল-ড্রয়ার সমস্যা' (এবং/অথবা পি-হ্যাকিং)-এর অস্তিত্বের অকাট্য প্রমাণ দেয়। যুক্তিটি অনস্বীকার্য: যেসব গবেষণা সম্ভাব্য প্রভাব শনাক্ত করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী নয়, সেগুলোতে গবেষণার হাইপোথিসিস সত্য হওয়া সত্ত্বেও মাঝে মাঝে তাৎপর্যহীন (non-significant) ফলাফল আসতে বাধ্য – এই ধরনের ফলাফলের অনুপস্থিতিই প্রমাণ করে যে প্রকাশিত নথিপত্রে কোথাও কোনো গরমিল আছে... ** [https://replicationindex.com/2017/02/02/reconstruction-of-a-train-wreck-how-priming-research-went-of-the-rails/comment-page-1/#comment-1454 ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭], [https://retractionwatch.com/2017/02/20/placed-much-faith-underpowered-studies-nobel-prize-winner-admits-mistakes/ রিট্রাকশনওয়াচ]-এ উদ্ধৃত। * এবং আরও একটি বিষয় আছে যা আমার মতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেটি হলো, '''প্রায় সব মনস্তাত্ত্বিক হাইপোথিসিসই সত্য''', অর্থাৎ এই অর্থে যে, আপনি যদি ধারণা করেন 'ক' আসলে 'খ'-এর কারণ হয়, তবে এটি সত্য নয় যে 'ক' আসলে 'খ'-এর বিপরীত কিছু ঘটায়। হয়তো 'ক'-এর প্রভাব খুব সামান্য, কিন্তু হাইপোথিসিসগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সত্য হয়; তবে সেগুলো আপনি যতটা ভাবেন তার চেয়ে অনেক বেশি দুর্বল... ** লেক্স ফ্রিডম্যান পডকাস্ট, ১:০৪:১০। ১৪ জানুয়ারি ২০২০। * আপনার উচিত নিজের সহজাত প্রবৃত্তিকে (gut feeling) তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ করা এবং তারপর সেটিকে বিশ্বাস করা। ** হার্ভার্ডে আলোচনা - ৩ ডিসেম্বর ২০২১<ref>https://news.harvard.edu/gazette/story/2021/12/daniel-kahneman-on-how-to-influence-others/</ref> * প্রথম পরামর্শ হলো গতি ধীর করা, এবং আপনার প্রথম ঝোঁক বা আবেগকে অনুসরণ না করা। ** হার্ভার্ডে আলোচনা - ৩ ডিসেম্বর ২০২১<ref>https://news.harvard.edu/gazette/story/2021/12/daniel-kahneman-on-how-to-influence-others/</ref> === থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো (২০১১) === :<small>'''দ্রষ্টব্য''': অন্য কোনো উল্লেখ না থাকলে পৃষ্ঠা নম্বরগুলো (ISBN 9780141033570) থেকে নেওয়া।</small> * এই বইয়ের একটি পুনরাবৃত্ত মূলভাব হলো যে, '''[[ভাগ্য|সাফল্যের]] প্রতিটি গল্পে [[সাফল্য|ভাগ্যের]] একটি বিশাল ভূমিকা থাকে'''; গল্পের মধ্যে খুব সামান্য একটি পরিবর্তন শনাক্ত করা প্রায় সব সময়ই সহজ, যা একটি অসাধারণ অর্জনকে একটি সাধারণ ফলাফলে পরিণত করতে পারত। ** ভূমিকা, পৃষ্ঠা ৯। * '''[[বুদ্ধিমত্তা]] কেবল [[যুক্তি|যুক্তি প্রদানের]] ক্ষমতা নয়; এটি [[স্মৃতি|স্মৃতি]] থেকে [[প্রাসঙ্গিকতা|প্রাসঙ্গিক]] তথ্য খুঁজে বের করার এবং প্রয়োজনবোধে [[মনোযোগ]] দেওয়ার ক্ষমতাও বটে।''' ** অধ্যায় ৩, "দ্য লেজি কন্ট্রোলার" পৃষ্ঠা ৪৬। * অবিশ্বাস করার কোনো সুযোগ নেই। ফলাফলগুলো মনগড়া নয়, কিংবা এগুলো কোনো পরিসংখ্যানগত আকস্মিক ঘটনাও নয়। এই গবেষণাগুলোর প্রধান সিদ্ধান্তগুলো যে সত্য, তা মেনে নেওয়া ছাড়া আপনার কোনো উপায় নেই। ** প্রাইমিং গবেষণার ওপর। কানেমান পরবর্তীতে প্রাইমিং গবেষণার প্রতি তাঁর সমর্থনের বিষয়ে একটি শর্তসাপেক্ষ প্রত্যাহার (retraction) জারি করেছিলেন। অধ্যায় ৪, "দ্য অ্যাসোসিয়েটিভ মেশিন"। * '''মানুষকে কোনো [[মিথ্যা|মিথ্যাবাদে]] বিশ্বাস করানোর একটি নির্ভরযোগ্য উপায় হলো সেটির ঘনঘন [[পুনরাবৃত্তি]], কারণ [[পরিচিতি|পরিচিতি]] এবং [[সত্য|সত্যের]] মধ্যে পার্থক্য করা সহজ নয়।''' ** অধ্যায় ৫, "কগনিটিভ ইজ" পৃষ্ঠা ৬২। * '''একটি ভালো [[গল্পের]] জন্য [[তথ্য|তথ্যের]] {{w|সামঞ্জস্যতা}} গুরুত্বপূর্ণ, তার পূর্ণতা নয়।''' প্রকৃতপক্ষে, আপনি প্রায়ই লক্ষ্য করবেন যে, '''খুব সামান্য জানলে আপনার জানা সবকিছুকে একটি সুসংগত [[ধরণ|কাঠামোতে]] বিন্যস্ত করা সহজ হয়ে যায়।''' ** অধ্যায় ৭, "এ মেশিন ফর জাম্পিং টু কনক্লুশনস" পৃষ্ঠা ৮৭। * শিক্ষাটি পরিষ্কার: [[মৃত্যু|মৃত্যুর]] কারণগুলো সম্পর্কে আমাদের অনুমানগুলো [[গণমাধ্যম|মিডিয়া]] কভারেজ দ্বারা প্রভাবিত হয়। [...] আমাদের মাথার ভেতরের জগতটি বাস্তবতার নিখুঁত প্রতিরূপ নয়; '''কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তির হার সম্পর্কে আমাদের প্রত্যাশাগুলো সেই বার্তার ব্যাপকতা এবং আবেগীয় তীব্রতা দ্বারা বিকৃত হয়''', যা আমাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। ** অধ্যায় ১৩, "অ্যাভেইলিবিলিটি, ইমোশন, অ্যান্ড রিস্ক" পৃষ্ঠা ১৩৮। * আমাদের [[পরিসংখ্যান]] সংক্রান্ত চিন্তা এবং স্বতন্ত্র ঘটনা সংক্রান্ত চিন্তার মধ্যে একটি গভীর ব্যবধান রয়েছে। ** অধ্যায় ১৫, "কজেস ট্রাম্প স্ট্যাটিস্টিকস" পৃষ্ঠা ১৭৪। * {{w|সহসম্বন্ধ}} (correlation) এবং [[w:রিগ্রেশন বিশ্লেষণ|রিগ্রেশন]] যে দুটি ভিন্ন ধারণা নয়—বরং একই ধারণার দুটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি, তা বুঝতে [[ফ্রান্সিস গাল্টন|ফ্রান্সিস গাল্টনের]] কয়েক বছর সময় লেগেছিল। সাধারণ নিয়মটি সহজবোধ্য কিন্তু এর ফলাফলগুলো বিস্ময়কর: যখনই দুটি স্কোরের মধ্যে সহসম্বন্ধ অপূর্ণ থাকে, তখনই সেখানে গড়ের দিকে প্রত্যাগমন (regression to the mean) ঘটবে। ** অধ্যায় ১৭, "রিগ্রেশন টু দ্য মিন" পৃষ্ঠা ১৮১। * '''পৃথিবীটা অর্থবহ—আমাদের এই স্বস্তিদায়ক বিশ্বাসটি একটি নিরাপদ ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে: আর তা হলো আমাদের [[অজ্ঞতা|অজ্ঞতাকে]] উপেক্ষা করার প্রায় সীমাহীন ক্ষমতা।''' ** অধ্যায় ১৯, "দ্য ইলিউশন অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং" পৃষ্ঠা ২০১। * একটি বিচারের ক্ষেত্রে [[w:বিষয়ীভাব এবং বস্তুনিষ্ঠতা (দর্শন)|বিষয়ীগত]] [[আত্মবিশ্বাস]] কোনো যুক্তিনির্ভর মূল্যায়ন নয় যে সেই বিচারটি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু। '''আত্মবিশ্বাস হলো একটি অনুভূতি, যা তথ্যের সুসংগতি এবং তা প্রক্রিয়াকরণের মানসিক সহজবোধ্যতাকে প্রতিফলিত করে।''' [[অনিশ্চয়তা|অনিশ্চয়তার]] স্বীকারোক্তিকে গুরুত্বের সাথে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ, কিন্তু '''উচ্চ আত্মবিশ্বাসের ঘোষণা মূলত আপনাকে এটাই জানায় যে একজন ব্যক্তি তার মনে একটি সুসংগত [[গল্প]] তৈরি করেছেন, তার মানে এই নয় যে সেই গল্পটি [[সত্য|সত্য]]।''' ** অধ্যায় ২০, "দ্য ইলিউশন অফ ভ্যালিডিটি" পৃষ্ঠা ২১২। * সে একটি অভ্যন্তরীণ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করছে। তার উচিত নিজের ক্ষেত্রটির কথা ভুলে যাওয়া এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে কী ঘটেছিল তা দেখা। ** অধ্যায় ২৩, "দ্য আউটসাইড ভিউ" পৃষ্ঠা ২৫৪। * এমন কোনো প্রমাণ নেই যে [[অর্থনীতি|অর্থনৈতিক]] ক্ষেত্রে [[ঝুঁকি]] গ্রহণকারীদের উচ্চ বাজি ধরার প্রতি অস্বাভাবিক কোনো আকাঙ্ক্ষা থাকে; তারা কেবল সাধারণ ভীরু মানুষের তুলনায় ঝুঁকি সম্পর্কে কম সচেতন। ** অধ্যায় ২৪, "দ্য ইঞ্জিন অফ ক্যাপিটালিজম" পৃষ্ঠা ২৬৩। * '''সে [[লাভ|লাভের]] তুলনায় [[ক্ষতি|ক্ষতিকে]] প্রায় দ্বিগুণ গুরুত্ব দেয়, যা অত্যন্ত [[স্বাভাবিকতা|স্বাভাবিক]]।''' ** অধ্যায় ২৬, "প্রসপেক্ট থিওরি" পৃষ্ঠা ২৮৮। * মানুষের অনেক দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি এমনভাবে উন্মোচিত হয় [...] যেখানে খুব খারাপ বিকল্পের সম্মুখীন হওয়া মানুষগুলো বেপরোয়া জুয়া খেলে; তারা একটি বড় ক্ষতি এড়ানোর সামান্য আশার বিনিময়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার উচ্চ সম্ভাবনাকে মেনে নেয়। এই ধরণের ঝুঁকি গ্রহণ প্রায়শই সামাল দেওয়ার মতো [[ব্যর্থতা|ব্যর্থতাকে]] [[বিপর্যয়|বিপর্যয়ে]] পরিণত করে। ** অধ্যায় ২৯, "দ্য ফোরফোল্ড প্যাটার্ন" পৃষ্ঠা ৩১৮-৩১৯। * একটি বিরল ঘটনাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হবে যদি এটি বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করে। [...] আর যেখানে কোনো অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয় না, সেখানে অবহেলা দেখা দেয়। ** অধ্যায় ৩০, "রেয়ার ইভেন্টস", পৃষ্ঠা ৩৩৩। * অন্য কোনো স্পষ্ট কারণ না থাকলে, '''আমাদের অধিকাংশ মানুষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সমস্যাগুলোকে যেভাবে [[w:ফ্রেমিং (সামাজিক বিজ্ঞান)|উপস্থাপন (frame)]] করা হয় সেভাবেই নিষ্ক্রিয়ভাবে গ্রহণ করি; এবং তাই আমাদের পছন্দগুলো ''বাস্তবতা-নির্ভর'' হওয়ার চেয়ে কতটা বেশি ''উপস্থাপন-নির্ভর'' তা আবিষ্কার করার সুযোগ খুব কমই পাই।''' ** অধ্যায় ৩৪, "ফ্রেমস অ্যান্ড রিয়ালিটি", পৃষ্ঠা ৩৬৭। * একটি গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা হলো যে, '''উচ্চতর আয়ের সাথে জীবনের ছোট ছোট আনন্দগুলো উপভোগ করার ক্ষমতা কমে যাওয়ার একটি সম্পর্ক রয়েছে।''' [...] অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকা (experienced well-being) এবং জীবন নিয়ে সন্তুষ্টির (life satisfaction) ওপর আয়ের প্রভাবের মধ্যে একটি স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। উচ্চতর আয় অধিকতর সন্তুষ্টি নিয়ে আসে, এমনকি সেই সীমা পার হওয়ার পরেও যখন অভিজ্ঞতার ওপর এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব থাকে না। [...] জীবন নিয়ে সন্তুষ্টি তাদের অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকার কোনো ত্রুটিপূর্ণ পরিমাপ নয়, যা আমি কয়েক বছর আগে ভেবেছিলাম। এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু। ** অধ্যায় ৩৭, "এক্সপেরিয়েন্সড ওয়েল-বিয়িং", পৃষ্ঠা ৩৯৭। * অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকা গড়ে [[বিয়ে|বিয়ের]] মাধ্যমে প্রভাবিত হয় না; এর কারণ এটি নয় যে বিয়ে [[সুখ|সুখের]] ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আনে না, বরং এর কারণ হলো এটি জীবনের কিছু দিককে ভালোর দিকে এবং অন্য কিছু দিককে মন্দের দিকে বদলে দেয়। ** অধ্যায় ৩৮, "থিংকিং অ্যাবাউট লাইফ", পৃষ্ঠা ৪০০-৪০১। * আপনি যখন কোনো বিষয় নিয়ে ভাবছেন, তখন জীবনের কোনো কিছুই ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয় যতটা আপনি তখন মনে করছেন। ** অধ্যায় ৩৮, "থিংকিং অ্যাবাউট লাইফ", পৃষ্ঠা ৪০২। * মানুষ [[অযৌক্তিকতা|অযৌক্তিক]] না হলেও, আরও নির্ভুল বিচার এবং আরও ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য প্রায়শই তাদের সাহায্যের প্রয়োজন হয়। [...] যারা ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের দুর্বলতাগুলোর সুযোগ নেয়, তাদের থেকেও [মানুষের] সুরক্ষা প্রয়োজন [...]। ** উপসংহার, পৃষ্ঠা ৪১১-৪১৩। === "পলক ফেলবেন না! আত্মবিশ্বাসের বিপদ" (২০১১) === * কোনো বিচার করার সময় আমরা যে আত্মবিশ্বাস অনুভব করি, তা সেই বিচারটি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনার কোনো যুক্তিনির্ভর মূল্যায়ন নয়। আত্মবিশ্বাস হলো একটি অনুভূতি, যা মূলত গল্পের সুসংগতি এবং এটি কত সহজে মাথায় আসছে তার দ্বারা নির্ধারিত হয়; এমনকি যখন গল্পের স্বপক্ষে প্রমাণ থাকে সামান্য এবং অনির্ভরযোগ্য। সুসংগতির প্রতি এই পক্ষপাত অতি-আত্মবিশ্বাসকে উৎসাহিত করে। একজন ব্যক্তি যিনি উচ্চ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন, তাঁর কাছে সম্ভবত একটি ভালো গল্প আছে, যা সত্য হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। ** {{cite news|url=http://www.nytimes.com/2011/10/23/magazine/dont-blink-the-hazards-of-confidence.html?pagewanted=all&_r=0 |title=Don’t Blink! The Hazards of Confidence |work=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|date=১৯ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আমরা প্রায়শই এমন পেশাদারদের সাথে কাজ করি যারা স্পষ্ট আত্মবিশ্বাসের সাথে তাদের বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করেন, কখনও কখনও তাঁরা তাঁদের সহজাত প্রবৃত্তির (intuition) ক্ষমতা নিয়ে গর্বও করেন। বৈধতা এবং দক্ষতার বিভ্রমপূর্ণ এই পৃথিবীতে আমরা কি তাঁদের বিশ্বাস করতে পারি? বিশেষজ্ঞদের ন্যায্য আত্মবিশ্বাস এবং নিজেদের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে অজান্তেই থাকা পেশাদারদের আন্তরিক অতি-আত্মবিশ্বাসের মধ্যে আমরা কীভাবে পার্থক্য করব? আমরা সেই বিশেষজ্ঞকে বিশ্বাস করতে পারি যিনি অনিশ্চয়তা স্বীকার করেন, কিন্তু উচ্চ আত্মবিশ্বাসের অভিব্যক্তিকে সরাসরি ধ্রুব সত্য বলে ধরে নেওয়া যায় না। আমি প্রথম যখন সেই বাধা অতিক্রমের ময়দানে (obstacle field) শিখেছিলাম—মানুষ সামান্য বা কিছু না জেনেও সুসংগত গল্প তৈরি করতে এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারে। অতি-আত্মবিশ্বাস তৈরি হয় কারণ মানুষ প্রায়ই নিজের অন্ধত্ব সম্পর্কে অন্ধ থাকে। ** {{cite news|url=http://www.nytimes.com/2011/10/23/magazine/dont-blink-the-hazards-of-confidence.html?pagewanted=all&_r=0 |title=Don’t Blink! The Hazards of Confidence |work=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|date=১৯ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} === "পক্ষপাত, অন্ধত্ব এবং আমরা আসলে কীভাবে চিন্তা করি" (২০১১) === * আমাদের অধিকাংশ মানুষই জগতকে তার প্রকৃত অবস্থার চেয়ে বেশি কল্যাণকর হিসেবে দেখি, আমাদের নিজেদের গুণাবলিকে তার প্রকৃত রূপের চেয়ে বেশি ইতিবাচক মনে করি এবং আমাদের গ্রহণ করা লক্ষ্যগুলোকে সেগুলোর সফল হওয়ার সম্ভাবনার চেয়ে বেশি অর্জনযোগ্য বলে ধরে নিই। আমরা ভবিষ্যতের পূর্বাভাস দেওয়ার ক্ষমতার বিষয়েও বাড়িয়ে বলার প্রবণতা দেখাই, যা অতি-আত্মবিশ্বাসকে লালন করে। সিদ্ধান্তের ওপর প্রভাবের দিক থেকে বিচার করলে, এই আশাবাদী পক্ষপাত (optimistic bias) সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কগনিটিভ বায়াস বা জ্ঞানীয় পক্ষপাত হতে পারে। যেহেতু আশাবাদী পক্ষপাত একই সাথে একটি আশীর্বাদ এবং একটি ঝুঁকি, তাই আপনি যদি স্বভাবগতভাবে আশাবাদী হন তবে আপনার একই সাথে সুখী এবং সতর্ক হওয়া উচিত। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-24/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-1-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 1): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আশাবাদ একটি স্বাভাবিক বিষয়, তবে কিছু ভাগ্যবান মানুষ আমাদের বাকিদের চেয়ে বেশি আশাবাদী হন। আপনি যদি জন্মগতভাবে আশাবাদী পক্ষপাতের অধিকারী হন, তবে আপনি যে একজন ভাগ্যবান ব্যক্তি তা আপনাকে বলার প্রয়োজন পড়ে না — আপনি নিজেই নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন। আশাবাদী মানুষরা আমাদের জীবনকে রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে অসম অনুপাতে বড় ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের সিদ্ধান্তগুলো পরিবর্তন নিয়ে আসে; তাঁরা সাধারণ মানুষ নন, বরং উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা, রাজনৈতিক এবং সামরিক নেতা। তাঁরা চ্যালেঞ্জ অন্বেষণ এবং ঝুঁকি গ্রহণের মাধ্যমেই আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। তাঁরা মেধাবী এবং তাঁরা ভাগ্যবান ছিলেন, এবং প্রায় নিশ্চিতভাবেই তাঁরা যতটা স্বীকার করেন তার চেয়েও বেশি ভাগ্যবান ছিলেন। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-24/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-1-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 1): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * রহস্যটি হলো কীভাবে এমন একটি ধারণা, যা এত সুস্পষ্ট পাল্টা উদাহরণের মুখেও অরক্ষিত, তা এতদিন টিকে ছিল। এটি আমি কেবল পাণ্ডিত্যের একটি দুর্বলতা দিয়ে ব্যাখ্যা করতে পারি যা আমি প্রায়শই নিজের মধ্যেও লক্ষ্য করেছি। আমি একে 'তত্ত্ব-প্ররোচিত অন্ধত্ব' (theory-induced blindness) বলি: একবার আপনি একটি তত্ত্ব গ্রহণ করে ফেললে, এর ত্রুটিগুলো লক্ষ্য করা অসাধারণভাবে কঠিন হয়ে পড়ে। মনোবিজ্ঞানী ড্যানিয়েল গিলবার্ট যেমন লক্ষ্য করেছেন, অবিশ্বাস করা একটি কঠিন কাজ। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-25/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-2-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 2): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * মানুষের যত্ন নেওয়ার বিষয়টি প্রায়শই তাদের গল্পের গুণমানের প্রতি উদ্বেগের রূপ নেয়, তাদের অনুভূতির প্রতি নয়। প্রকৃতপক্ষে, আমরা এমনকি এমন সব ঘটনা দিয়েও গভীরভাবে বিচলিত হতে পারি যা মৃত ব্যক্তিদের গল্পকেও বদলে দেয়। আমরা এমন একজন ব্যক্তির জন্য করুণা বোধ করি যিনি তাঁর স্ত্রীর ভালোবাসায় বিশ্বাস রেখে মারা গেছেন, অথচ পরে আমরা জানতে পারি যে তাঁর স্ত্রীর বহু বছরের প্রেমিক ছিল এবং তিনি কেবল টাকার জন্য স্বামীর সাথে ছিলেন। স্বামীটি একটি সুখী জীবন যাপন করা সত্ত্বেও আমরা তাঁর জন্য করুণা বোধ করি। আমরা এমন একজন বিজ্ঞানীর অপমান অনুভব করি যাঁর আবিষ্কার তাঁর মৃত্যুর পর মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে, যদিও তিনি নিজে সেই অপমান অনুভব করেননি। সবচেয়ে বড় কথা, আমরা সবাই আমাদের নিজেদের জীবনের আখ্যান বা বর্ণনার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন এবং আমরা আন্তরিকভাবে চাই যে এটি একটি ভালো গল্প হোক, যার নায়ক হবে একজন মার্জিত ব্যক্তি। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-27/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-4-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 4): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} 15yx013lxdvruuub82yzpgor3n8tlrh 78849 78846 2026-04-20T08:36:36Z Sumanta3023 4175 /* উক্তি */ 78849 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Daniel KAHNEMAN.jpg|thumb|ড্যানিয়েল কানেম্যান, ২০০৯]] '''[[w:ড্যানিয়েল কানেম্যান|ড্যানিয়েল কানেম্যান]]''' (৫ মার্চ ১৯৩৪ – ২৭ মার্চ ২০২৪) একজন ইসরায়েলি-মার্কিন [[মনোবিজ্ঞানী]] ছিলেন। তিনি ২০০২ সালে [[ভার্নন এল স্মিথ|ভার্নন এল. স্মিথ]]-এর সাথে যৌথভাবে [[w:অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার|অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার]] লাভ করেন। কানেম্যান তাঁর [[বিচারবুদ্ধি]] ও [[সিদ্ধান্ত গ্রহণ|সিদ্ধান্ত গ্রহণের]] মনোবিজ্ঞান, [[w:আচরণগত অর্থনীতি|আচরণগত অর্থনীতি]] এবং [[w:সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞান|সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞানের]] ওপর কাজের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। পরবর্তী জীবনে তিনি প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির উড্রো উইলসন স্কুলের মনোবিজ্ঞান এবং জনবিষয়ক বিভাগের এমেরিটাস অধ্যাপক ছিলেন। == উক্তি == * আমার একটি অভিজ্ঞতার কথা স্পষ্টভাবে মনে আছে যেখানে অনুভূতির নানা রঙের মিশেল ছিল। সময়টা ১৯৪১ সালের শেষের দিকে বা ১৯৪২ সালের শুরুর দিক হবে। ইহুদিদের জন্য তখন পোশাকে 'স্টার অফ ডেভিড' পরা এবং সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ঘরে ফেরার কারফিউ মেনে চলা বাধ্যতামূলক ছিল। আমি এক খ্রিস্টান বন্ধুর সাথে খেলতে গিয়েছিলাম এবং ফিরতে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। বাড়ি ফেরার জন্য কয়েক ব্লকের পথ হাঁটার সময় আমি আমার বাদামী সোয়েটারটি উল্টো করে পরে নিয়েছিলাম (যাতে তারাটি ঢাকা পড়ে)। জনশূন্য রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় আমি একজন জার্মান সৈন্যকে এগিয়ে আসতে দেখলাম। তিনি সেই কালো ইউনিফর্মটি পরে ছিলেন যা অন্য সব ইউনিফর্মের চেয়ে বেশি ভয় পেতে আমাকে শেখানো হয়েছিল — এটি বিশেষভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত এসএস (SS) সৈন্যদের পোশাক। আমি দ্রুত হাঁটার চেষ্টা করছিলাম, তাঁর কাছাকাছি আসতেই লক্ষ্য করলাম তিনি আমার দিকে তীক্ষ্ণভাবে তাকিয়ে আছেন। এরপর তিনি আমাকে কাছে ডাকলেন, কোলে তুলে নিলেন এবং জড়িয়ে ধরলেন। আমি প্রচণ্ড আতঙ্কে ছিলাম যে তিনি আমার সোয়েটারের ভেতরে থাকা তারাটি দেখে ফেলবেন। তিনি জার্মান ভাষায় খুব আবেগ দিয়ে আমার সাথে কথা বলছিলেন। আমাকে নিচে নামিয়ে দেওয়ার পর তিনি তাঁর মানিব্যাগ খুললেন, একটি ছেলের ছবি দেখালেন এবং আমাকে কিছু টাকা দিলেন। আমি যখন বাড়ি ফিরলাম, তখন নিজের মনের ভেতর আগের চেয়েও বেশি নিশ্চিত হলাম যে আমার মা ঠিকই বলতেন: মানুষ সীমাহীন জটিল এবং কৌতুহলোদ্দীপক। ** [http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economic-sciences/laureates/2002/kahneman-bio.html নোবেল পুরস্কারের আত্মজীবনীমূলক তথ্য] (২০০২)। * '''যাঁরা পরিবর্তন নিয়ে আসেন তাঁরা একা মারা যান না। যাঁরা তাঁদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকের ভেতর থেকেই কিছু একটা হারিয়ে যায়।''' আমোস অনেক পরিবর্তন এনেছিলেন, এবং যখন তিনি মারা গেলেন, আমাদের অনেকের জন্যই জীবন কিছুটা ম্লান ও সংকুচিত হয়ে গেল। পৃথিবীতে বুদ্ধিমত্তার পরিমাণ কমে গেল। কমে গেল রসবোধ। এমন অনেক প্রশ্ন আছে যেগুলোর উত্তর আর কখনোই গভীরতা ও স্পষ্টতার সেই অপ্রতিম সংমিশ্রণে পাওয়া যাবে না। এমন অনেক মানদণ্ড আছে যেগুলোকে আর কখনোই নীতি ও কাণ্ডজ্ঞান দিয়ে একইভাবে রক্ষা করা হবে না। জীবন আরও দরিদ্র হয়ে পড়েছে। মোজাইকের মাঝে আমোসের আকৃতির এক বিশাল শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে, যা আর কখনও পূরণ হবে না। এটি পূরণ করা সম্ভব নয় কারণ আমোস এই পৃথিবীতে নিজের জায়গা নিজেই তৈরি করেছিলেন, তিনি নিজের জীবন এমনকি নিজের মৃত্যুকেও রূপ দিয়েছিলেন। আর নিজের জীবন ও জগতকে রূপ দেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি তাঁর চারপাশের অনেক মানুষের জীবন ও জগতকেও বদলে দিয়েছিলেন। ** ৫ জুন ১৯৯৬ তারিখে তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মী [[w:আমোস টিভারস্কি|আমোস টিভারস্কি]]-এর মৃত্যু সম্পর্কে। [http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economic-sciences/laureates/2002/kahneman-bio.html নোবেল পুরস্কারের আত্মজীবনীমূলক তথ্য] (২০০২)। * কোনো চিকিৎসকের "মুখভঙ্গি" দেখে একটি রোগ শনাক্ত করা এবং একটি ছোট শিশুর কোনো কিছুর দিকে আঙুল উঁচিয়ে "কুকুর" বলার মধ্যে আক্ষরিক অর্থে কোনো পার্থক্য নেই। ** টকস অ্যাট গুগল - ১০ নভেম্বর ২০১১ * সংখ্যার কারণে কেউ কখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। মানুষের একটি গল্পের প্রয়োজন হয়। ** মাইকেল লুইস। "দ্য আনডুইং প্রজেক্ট: আ ফ্রেন্ডশিপ দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড"। পেঙ্গুইন, ২০১৬ (ISBN 9780141983035)। * আমি স্বল্প-শক্তির (underpowered) গবেষণার ওপর বড্ড বেশি আস্থা রেখেছিলাম। ব্লগে এবং এর আগে অ্যান্ড্রু গেলম্যান যেমনটি উল্লেখ করেছেন, আমার এই ভুলের মধ্যে একটি বিশেষ পরিহাস রয়েছে; কারণ আমোস টিভারস্কি এবং আমি যে প্রথম গবেষণাপত্রটি প্রকাশ করেছিলাম, সেটি ছিল "ক্ষুদ্র সংখ্যার নীতি" (law of small numbers)-এর ওপর বিশ্বাসের বিষয়ে, যা গবেষকদের অযৌক্তিক ক্ষুদ্র নমুনাসহ স্বল্প-শক্তির গবেষণার ফলাফলের ওপর আস্থা রাখতে প্ররোচিত করে। আমরা ওভারঅল (১৯৬৯)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে দেখিয়েছিলাম যে "পরিসংখ্যানগত শক্তিতে ঘাটতি থাকা গবেষণার ব্যাপকতা কেবল অপচয়ই নয় বরং আসলে ক্ষতিকর: এর ফলে প্রকাশিত ফলাফলগুলোর মধ্যে একটি বড় অংশেই নাল হাইপোথিসিস বা শূন্য প্রকল্পের ভুল প্রত্যাখ্যান ঘটে।" আমাদের নিবন্ধটি ১৯৬৯ সালে লেখা এবং ১৯৭১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু আমি এর বার্তাটি নিজের মাঝে ধারণ করতে ব্যর্থ হয়েছি।<br />যখন আমি "থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো" লিখেছিলাম, তখন আমার অবস্থান ছিল এমন যে—যদি নামী জার্নালগুলোতে প্রকাশিত প্রমাণের একটি বড় অংশ প্রাথমিকভাবে অবিশ্বাস্য মনে হওয়া কোনো সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে, তবে বৈজ্ঞানিক নিয়ম অনুযায়ী আমাদের সেই সিদ্ধান্তকে বিশ্বাস করা উচিত। অবিশ্বাস্য হওয়াটাই অবিশ্বাসকে ন্যায়সঙ্গত করার জন্য যথেষ্ট নয়, এবং সুপ্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্তগুলো বিশ্বাস করা ঐচ্ছিক কোনো বিষয় নয়। এই অবস্থানটি এখনও আমার কাছে যুক্তিসঙ্গত মনে হয় – আর এই কারণেই আমি মনে করি মানুষের জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বাস করা উচিত। কিন্তু এই যুক্তি তখনই খাটে যখন সমস্ত প্রাসঙ্গিক ফলাফল প্রকাশিত হয়।<br />আমি অবশ্যই জানতাম যে প্রাইমিং স্টাডিজের ফলাফলগুলো ছোট নমুনার ওপর ভিত্তি করে ছিল, প্রভাবের মাত্রাগুলো হয়তো অবিশ্বাস্য রকমের বড় ছিল এবং কোনো একক গবেষণাই নিজে থেকে চূড়ান্ত ছিল না। যা আমাকে মুগ্ধ করেছিল তা হলো অনেক গবেষণাগার থেকে পাওয়া রিপোর্টের ফলাফলের একমত হওয়া এবং সেগুলোর সুসংগতি। আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলাম যে দক্ষ পরীক্ষকদের পক্ষে প্রাইমিং ইফেক্ট তৈরি করা সহজ এবং এগুলো বেশ শক্তিশালী। তবে, আমি এখন বুঝতে পারছি যে আমার যুক্তি ত্রুটিপূর্ণ ছিল এবং আমার আরও সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। স্বল্প-শক্তির গবেষণাগুলোর মধ্যে এই সর্বসম্মত ঐক্য আসলে একটি গুরুতর 'ফাইল-ড্রয়ার সমস্যা' (এবং/অথবা পি-হ্যাকিং)-এর অস্তিত্বের অকাট্য প্রমাণ দেয়। যুক্তিটি অনস্বীকার্য: যেসব গবেষণা সম্ভাব্য প্রভাব শনাক্ত করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী নয়, সেগুলোতে গবেষণার হাইপোথিসিস সত্য হওয়া সত্ত্বেও মাঝে মাঝে তাৎপর্যহীন (non-significant) ফলাফল আসতে বাধ্য – এই ধরনের ফলাফলের অনুপস্থিতিই প্রমাণ করে যে প্রকাশিত নথিপত্রে কোথাও কোনো গরমিল আছে... ** [https://replicationindex.com/2017/02/02/reconstruction-of-a-train-wreck-how-priming-research-went-of-the-rails/comment-page-1/#comment-1454 ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭], [https://retractionwatch.com/2017/02/20/placed-much-faith-underpowered-studies-nobel-prize-winner-admits-mistakes/ রিট্রাকশনওয়াচ]-এ উদ্ধৃত। * এবং আরও একটি বিষয় আছে যা আমার মতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেটি হলো, '''প্রায় সব মনস্তাত্ত্বিক হাইপোথিসিসই সত্য''', অর্থাৎ এই অর্থে যে, আপনি যদি ধারণা করেন 'ক' আসলে 'খ'-এর কারণ হয়, তবে এটি সত্য নয় যে 'ক' আসলে 'খ'-এর বিপরীত কিছু ঘটায়। হয়তো 'ক'-এর প্রভাব খুব সামান্য, কিন্তু হাইপোথিসিসগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সত্য হয়; তবে সেগুলো আপনি যতটা ভাবেন তার চেয়ে অনেক বেশি দুর্বল... ** লেক্স ফ্রিডম্যান পডকাস্ট, ১:০৪:১০। ১৪ জানুয়ারি ২০২০। * আপনার উচিত নিজের সহজাত প্রবৃত্তিকে (gut feeling) তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ করা এবং তারপর সেটিকে বিশ্বাস করা। ** হার্ভার্ডে আলোচনা - ৩ ডিসেম্বর ২০২১<ref>https://news.harvard.edu/gazette/story/2021/12/daniel-kahneman-on-how-to-influence-others/</ref> * প্রথম পরামর্শ হলো গতি ধীর করা, এবং আপনার প্রথম ঝোঁক বা আবেগকে অনুসরণ না করা। ** হার্ভার্ডে আলোচনা - ৩ ডিসেম্বর ২০২১<ref>https://news.harvard.edu/gazette/story/2021/12/daniel-kahneman-on-how-to-influence-others/</ref> === থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো (২০১১) === :<small>'''দ্রষ্টব্য''': অন্য কোনো উল্লেখ না থাকলে পৃষ্ঠা নম্বরগুলো (ISBN 9780141033570) থেকে নেওয়া।</small> * এই বইয়ের একটি পুনরাবৃত্ত মূলভাব হলো যে, '''[[ভাগ্য|সাফল্যের]] প্রতিটি গল্পে [[সাফল্য|ভাগ্যের]] একটি বিশাল ভূমিকা থাকে'''; গল্পের মধ্যে খুব সামান্য একটি পরিবর্তন শনাক্ত করা প্রায় সব সময়ই সহজ, যা একটি অসাধারণ অর্জনকে একটি সাধারণ ফলাফলে পরিণত করতে পারত। ** ভূমিকা, পৃষ্ঠা ৯। * '''[[বুদ্ধিমত্তা]] কেবল [[যুক্তি|যুক্তি প্রদানের]] ক্ষমতা নয়; এটি [[স্মৃতি|স্মৃতি]] থেকে [[প্রাসঙ্গিকতা|প্রাসঙ্গিক]] তথ্য খুঁজে বের করার এবং প্রয়োজনবোধে [[মনোযোগ]] দেওয়ার ক্ষমতাও বটে।''' ** অধ্যায় ৩, "দ্য লেজি কন্ট্রোলার" পৃষ্ঠা ৪৬। * অবিশ্বাস করার কোনো সুযোগ নেই। ফলাফলগুলো মনগড়া নয়, কিংবা এগুলো কোনো পরিসংখ্যানগত আকস্মিক ঘটনাও নয়। এই গবেষণাগুলোর প্রধান সিদ্ধান্তগুলো যে সত্য, তা মেনে নেওয়া ছাড়া আপনার কোনো উপায় নেই। ** প্রাইমিং গবেষণার ওপর। কানেমান পরবর্তীতে প্রাইমিং গবেষণার প্রতি তাঁর সমর্থনের বিষয়ে একটি শর্তসাপেক্ষ প্রত্যাহার (retraction) জারি করেছিলেন। অধ্যায় ৪, "দ্য অ্যাসোসিয়েটিভ মেশিন"। * '''মানুষকে কোনো [[মিথ্যা|মিথ্যাবাদে]] বিশ্বাস করানোর একটি নির্ভরযোগ্য উপায় হলো সেটির ঘনঘন [[পুনরাবৃত্তি]], কারণ [[পরিচিতি|পরিচিতি]] এবং [[সত্য|সত্যের]] মধ্যে পার্থক্য করা সহজ নয়।''' ** অধ্যায় ৫, "কগনিটিভ ইজ" পৃষ্ঠা ৬২। * '''একটি ভালো [[গল্পের]] জন্য [[তথ্য|তথ্যের]] {{w|সামঞ্জস্যতা}} গুরুত্বপূর্ণ, তার পূর্ণতা নয়।''' প্রকৃতপক্ষে, আপনি প্রায়ই লক্ষ্য করবেন যে, '''খুব সামান্য জানলে আপনার জানা সবকিছুকে একটি সুসংগত [[ধরণ|কাঠামোতে]] বিন্যস্ত করা সহজ হয়ে যায়।''' ** অধ্যায় ৭, "এ মেশিন ফর জাম্পিং টু কনক্লুশনস" পৃষ্ঠা ৮৭। * শিক্ষাটি পরিষ্কার: [[মৃত্যু|মৃত্যুর]] কারণগুলো সম্পর্কে আমাদের অনুমানগুলো [[গণমাধ্যম|মিডিয়া]] কভারেজ দ্বারা প্রভাবিত হয়। [...] আমাদের মাথার ভেতরের জগতটি বাস্তবতার নিখুঁত প্রতিরূপ নয়; '''কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তির হার সম্পর্কে আমাদের প্রত্যাশাগুলো সেই বার্তার ব্যাপকতা এবং আবেগীয় তীব্রতা দ্বারা বিকৃত হয়''', যা আমাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। ** অধ্যায় ১৩, "অ্যাভেইলিবিলিটি, ইমোশন, অ্যান্ড রিস্ক" পৃষ্ঠা ১৩৮। * আমাদের [[পরিসংখ্যান]] সংক্রান্ত চিন্তা এবং স্বতন্ত্র ঘটনা সংক্রান্ত চিন্তার মধ্যে একটি গভীর ব্যবধান রয়েছে। ** অধ্যায় ১৫, "কজেস ট্রাম্প স্ট্যাটিস্টিকস" পৃষ্ঠা ১৭৪। * {{w|সহসম্বন্ধ}} (correlation) এবং [[w:রিগ্রেশন বিশ্লেষণ|রিগ্রেশন]] যে দুটি ভিন্ন ধারণা নয়—বরং একই ধারণার দুটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি, তা বুঝতে [[ফ্রান্সিস গাল্টন|ফ্রান্সিস গাল্টনের]] কয়েক বছর সময় লেগেছিল। সাধারণ নিয়মটি সহজবোধ্য কিন্তু এর ফলাফলগুলো বিস্ময়কর: যখনই দুটি স্কোরের মধ্যে সহসম্বন্ধ অপূর্ণ থাকে, তখনই সেখানে গড়ের দিকে প্রত্যাগমন (regression to the mean) ঘটবে। ** অধ্যায় ১৭, "রিগ্রেশন টু দ্য মিন" পৃষ্ঠা ১৮১। * '''পৃথিবীটা অর্থবহ—আমাদের এই স্বস্তিদায়ক বিশ্বাসটি একটি নিরাপদ ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে: আর তা হলো আমাদের [[অজ্ঞতা|অজ্ঞতাকে]] উপেক্ষা করার প্রায় সীমাহীন ক্ষমতা।''' ** অধ্যায় ১৯, "দ্য ইলিউশন অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং" পৃষ্ঠা ২০১। * একটি বিচারের ক্ষেত্রে [[w:বিষয়ীভাব এবং বস্তুনিষ্ঠতা (দর্শন)|বিষয়ীগত]] [[আত্মবিশ্বাস]] কোনো যুক্তিনির্ভর মূল্যায়ন নয় যে সেই বিচারটি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু। '''আত্মবিশ্বাস হলো একটি অনুভূতি, যা তথ্যের সুসংগতি এবং তা প্রক্রিয়াকরণের মানসিক সহজবোধ্যতাকে প্রতিফলিত করে।''' [[অনিশ্চয়তা|অনিশ্চয়তার]] স্বীকারোক্তিকে গুরুত্বের সাথে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ, কিন্তু '''উচ্চ আত্মবিশ্বাসের ঘোষণা মূলত আপনাকে এটাই জানায় যে একজন ব্যক্তি তার মনে একটি সুসংগত [[গল্প]] তৈরি করেছেন, তার মানে এই নয় যে সেই গল্পটি [[সত্য|সত্য]]।''' ** অধ্যায় ২০, "দ্য ইলিউশন অফ ভ্যালিডিটি" পৃষ্ঠা ২১২। * সে একটি অভ্যন্তরীণ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করছে। তার উচিত নিজের ক্ষেত্রটির কথা ভুলে যাওয়া এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে কী ঘটেছিল তা দেখা। ** অধ্যায় ২৩, "দ্য আউটসাইড ভিউ" পৃষ্ঠা ২৫৪। * এমন কোনো প্রমাণ নেই যে [[অর্থনীতি|অর্থনৈতিক]] ক্ষেত্রে [[ঝুঁকি]] গ্রহণকারীদের উচ্চ বাজি ধরার প্রতি অস্বাভাবিক কোনো আকাঙ্ক্ষা থাকে; তারা কেবল সাধারণ ভীরু মানুষের তুলনায় ঝুঁকি সম্পর্কে কম সচেতন। ** অধ্যায় ২৪, "দ্য ইঞ্জিন অফ ক্যাপিটালিজম" পৃষ্ঠা ২৬৩। * '''সে [[লাভ|লাভের]] তুলনায় [[ক্ষতি|ক্ষতিকে]] প্রায় দ্বিগুণ গুরুত্ব দেয়, যা অত্যন্ত [[স্বাভাবিকতা|স্বাভাবিক]]।''' ** অধ্যায় ২৬, "প্রসপেক্ট থিওরি" পৃষ্ঠা ২৮৮। * মানুষের অনেক দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি এমনভাবে উন্মোচিত হয় [...] যেখানে খুব খারাপ বিকল্পের সম্মুখীন হওয়া মানুষগুলো বেপরোয়া জুয়া খেলে; তারা একটি বড় ক্ষতি এড়ানোর সামান্য আশার বিনিময়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার উচ্চ সম্ভাবনাকে মেনে নেয়। এই ধরণের ঝুঁকি গ্রহণ প্রায়শই সামাল দেওয়ার মতো [[ব্যর্থতা|ব্যর্থতাকে]] [[বিপর্যয়|বিপর্যয়ে]] পরিণত করে। ** অধ্যায় ২৯, "দ্য ফোরফোল্ড প্যাটার্ন" পৃষ্ঠা ৩১৮-৩১৯। * একটি বিরল ঘটনাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হবে যদি এটি বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করে। [...] আর যেখানে কোনো অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয় না, সেখানে অবহেলা দেখা দেয়। ** অধ্যায় ৩০, "রেয়ার ইভেন্টস", পৃষ্ঠা ৩৩৩। * অন্য কোনো স্পষ্ট কারণ না থাকলে, '''আমাদের অধিকাংশ মানুষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সমস্যাগুলোকে যেভাবে [[w:ফ্রেমিং (সামাজিক বিজ্ঞান)|উপস্থাপন (frame)]] করা হয় সেভাবেই নিষ্ক্রিয়ভাবে গ্রহণ করি; এবং তাই আমাদের পছন্দগুলো ''বাস্তবতা-নির্ভর'' হওয়ার চেয়ে কতটা বেশি ''উপস্থাপন-নির্ভর'' তা আবিষ্কার করার সুযোগ খুব কমই পাই।''' ** অধ্যায় ৩৪, "ফ্রেমস অ্যান্ড রিয়ালিটি", পৃষ্ঠা ৩৬৭। * একটি গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা হলো যে, '''উচ্চতর আয়ের সাথে জীবনের ছোট ছোট আনন্দগুলো উপভোগ করার ক্ষমতা কমে যাওয়ার একটি সম্পর্ক রয়েছে।''' [...] অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকা (experienced well-being) এবং জীবন নিয়ে সন্তুষ্টির (life satisfaction) ওপর আয়ের প্রভাবের মধ্যে একটি স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। উচ্চতর আয় অধিকতর সন্তুষ্টি নিয়ে আসে, এমনকি সেই সীমা পার হওয়ার পরেও যখন অভিজ্ঞতার ওপর এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব থাকে না। [...] জীবন নিয়ে সন্তুষ্টি তাদের অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকার কোনো ত্রুটিপূর্ণ পরিমাপ নয়, যা আমি কয়েক বছর আগে ভেবেছিলাম। এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু। ** অধ্যায় ৩৭, "এক্সপেরিয়েন্সড ওয়েল-বিয়িং", পৃষ্ঠা ৩৯৭। * অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকা গড়ে [[বিয়ে|বিয়ের]] মাধ্যমে প্রভাবিত হয় না; এর কারণ এটি নয় যে বিয়ে [[সুখ|সুখের]] ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আনে না, বরং এর কারণ হলো এটি জীবনের কিছু দিককে ভালোর দিকে এবং অন্য কিছু দিককে মন্দের দিকে বদলে দেয়। ** অধ্যায় ৩৮, "থিংকিং অ্যাবাউট লাইফ", পৃষ্ঠা ৪০০-৪০১। * আপনি যখন কোনো বিষয় নিয়ে ভাবছেন, তখন জীবনের কোনো কিছুই ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয় যতটা আপনি তখন মনে করছেন। ** অধ্যায় ৩৮, "থিংকিং অ্যাবাউট লাইফ", পৃষ্ঠা ৪০২। * মানুষ [[অযৌক্তিকতা|অযৌক্তিক]] না হলেও, আরও নির্ভুল বিচার এবং আরও ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য প্রায়শই তাদের সাহায্যের প্রয়োজন হয়। [...] যারা ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের দুর্বলতাগুলোর সুযোগ নেয়, তাদের থেকেও [মানুষের] সুরক্ষা প্রয়োজন [...]। ** উপসংহার, পৃষ্ঠা ৪১১-৪১৩। === "পলক ফেলবেন না! আত্মবিশ্বাসের বিপদ" (২০১১) === * কোনো বিচার করার সময় আমরা যে আত্মবিশ্বাস অনুভব করি, তা সেই বিচারটি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনার কোনো যুক্তিনির্ভর মূল্যায়ন নয়। আত্মবিশ্বাস হলো একটি অনুভূতি, যা মূলত গল্পের সুসংগতি এবং এটি কত সহজে মাথায় আসছে তার দ্বারা নির্ধারিত হয়; এমনকি যখন গল্পের স্বপক্ষে প্রমাণ থাকে সামান্য এবং অনির্ভরযোগ্য। সুসংগতির প্রতি এই পক্ষপাত অতি-আত্মবিশ্বাসকে উৎসাহিত করে। একজন ব্যক্তি যিনি উচ্চ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন, তাঁর কাছে সম্ভবত একটি ভালো গল্প আছে, যা সত্য হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। ** {{cite news|url=http://www.nytimes.com/2011/10/23/magazine/dont-blink-the-hazards-of-confidence.html?pagewanted=all&_r=0 |title=Don’t Blink! The Hazards of Confidence |work=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|date=১৯ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আমরা প্রায়শই এমন পেশাদারদের সাথে কাজ করি যারা স্পষ্ট আত্মবিশ্বাসের সাথে তাদের বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করেন, কখনও কখনও তাঁরা তাঁদের সহজাত প্রবৃত্তির (intuition) ক্ষমতা নিয়ে গর্বও করেন। বৈধতা এবং দক্ষতার বিভ্রমপূর্ণ এই পৃথিবীতে আমরা কি তাঁদের বিশ্বাস করতে পারি? বিশেষজ্ঞদের ন্যায্য আত্মবিশ্বাস এবং নিজেদের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে অজান্তেই থাকা পেশাদারদের আন্তরিক অতি-আত্মবিশ্বাসের মধ্যে আমরা কীভাবে পার্থক্য করব? আমরা সেই বিশেষজ্ঞকে বিশ্বাস করতে পারি যিনি অনিশ্চয়তা স্বীকার করেন, কিন্তু উচ্চ আত্মবিশ্বাসের অভিব্যক্তিকে সরাসরি ধ্রুব সত্য বলে ধরে নেওয়া যায় না। আমি প্রথম যখন সেই বাধা অতিক্রমের ময়দানে (obstacle field) শিখেছিলাম—মানুষ সামান্য বা কিছু না জেনেও সুসংগত গল্প তৈরি করতে এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারে। অতি-আত্মবিশ্বাস তৈরি হয় কারণ মানুষ প্রায়ই নিজের অন্ধত্ব সম্পর্কে অন্ধ থাকে। ** {{cite news|url=http://www.nytimes.com/2011/10/23/magazine/dont-blink-the-hazards-of-confidence.html?pagewanted=all&_r=0 |title=Don’t Blink! The Hazards of Confidence |work=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|date=১৯ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} === "পক্ষপাত, অন্ধত্ব এবং আমরা আসলে কীভাবে চিন্তা করি" (২০১১) === * আমাদের অধিকাংশ মানুষই জগতকে তার প্রকৃত অবস্থার চেয়ে বেশি কল্যাণকর হিসেবে দেখি, আমাদের নিজেদের গুণাবলিকে তার প্রকৃত রূপের চেয়ে বেশি ইতিবাচক মনে করি এবং আমাদের গ্রহণ করা লক্ষ্যগুলোকে সেগুলোর সফল হওয়ার সম্ভাবনার চেয়ে বেশি অর্জনযোগ্য বলে ধরে নিই। আমরা ভবিষ্যতের পূর্বাভাস দেওয়ার ক্ষমতার বিষয়েও বাড়িয়ে বলার প্রবণতা দেখাই, যা অতি-আত্মবিশ্বাসকে লালন করে। সিদ্ধান্তের ওপর প্রভাবের দিক থেকে বিচার করলে, এই আশাবাদী পক্ষপাত (optimistic bias) সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কগনিটিভ বায়াস বা জ্ঞানীয় পক্ষপাত হতে পারে। যেহেতু আশাবাদী পক্ষপাত একই সাথে একটি আশীর্বাদ এবং একটি ঝুঁকি, তাই আপনি যদি স্বভাবগতভাবে আশাবাদী হন তবে আপনার একই সাথে সুখী এবং সতর্ক হওয়া উচিত। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-24/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-1-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 1): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আশাবাদ একটি স্বাভাবিক বিষয়, তবে কিছু ভাগ্যবান মানুষ আমাদের বাকিদের চেয়ে বেশি আশাবাদী হন। আপনি যদি জন্মগতভাবে আশাবাদী পক্ষপাতের অধিকারী হন, তবে আপনি যে একজন ভাগ্যবান ব্যক্তি তা আপনাকে বলার প্রয়োজন পড়ে না — আপনি নিজেই নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন। আশাবাদী মানুষরা আমাদের জীবনকে রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে অসম অনুপাতে বড় ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের সিদ্ধান্তগুলো পরিবর্তন নিয়ে আসে; তাঁরা সাধারণ মানুষ নন, বরং উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা, রাজনৈতিক এবং সামরিক নেতা। তাঁরা চ্যালেঞ্জ অন্বেষণ এবং ঝুঁকি গ্রহণের মাধ্যমেই আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। তাঁরা মেধাবী এবং তাঁরা ভাগ্যবান ছিলেন, এবং প্রায় নিশ্চিতভাবেই তাঁরা যতটা স্বীকার করেন তার চেয়েও বেশি ভাগ্যবান ছিলেন। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-24/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-1-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 1): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * রহস্যটি হলো কীভাবে এমন একটি ধারণা, যা এত সুস্পষ্ট পাল্টা উদাহরণের মুখেও অরক্ষিত, তা এতদিন টিকে ছিল। এটি আমি কেবল পাণ্ডিত্যের একটি দুর্বলতা দিয়ে ব্যাখ্যা করতে পারি যা আমি প্রায়শই নিজের মধ্যেও লক্ষ্য করেছি। আমি একে 'তত্ত্ব-প্ররোচিত অন্ধত্ব' (theory-induced blindness) বলি: একবার আপনি একটি তত্ত্ব গ্রহণ করে ফেললে, এর ত্রুটিগুলো লক্ষ্য করা অসাধারণভাবে কঠিন হয়ে পড়ে। মনোবিজ্ঞানী ড্যানিয়েল গিলবার্ট যেমন লক্ষ্য করেছেন, অবিশ্বাস করা একটি কঠিন কাজ। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-25/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-2-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 2): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * মানুষের যত্ন নেওয়ার বিষয়টি প্রায়শই তাদের গল্পের গুণমানের প্রতি উদ্বেগের রূপ নেয়, তাদের অনুভূতির প্রতি নয়। প্রকৃতপক্ষে, আমরা এমনকি এমন সব ঘটনা দিয়েও গভীরভাবে বিচলিত হতে পারি যা মৃত ব্যক্তিদের গল্পকেও বদলে দেয়। আমরা এমন একজন ব্যক্তির জন্য করুণা বোধ করি যিনি তাঁর স্ত্রীর ভালোবাসায় বিশ্বাস রেখে মারা গেছেন, অথচ পরে আমরা জানতে পারি যে তাঁর স্ত্রীর বহু বছরের প্রেমিক ছিল এবং তিনি কেবল টাকার জন্য স্বামীর সাথে ছিলেন। স্বামীটি একটি সুখী জীবন যাপন করা সত্ত্বেও আমরা তাঁর জন্য করুণা বোধ করি। আমরা এমন একজন বিজ্ঞানীর অপমান অনুভব করি যাঁর আবিষ্কার তাঁর মৃত্যুর পর মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে, যদিও তিনি নিজে সেই অপমান অনুভব করেননি। সবচেয়ে বড় কথা, আমরা সবাই আমাদের নিজেদের জীবনের আখ্যান বা বর্ণনার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন এবং আমরা আন্তরিকভাবে চাই যে এটি একটি ভালো গল্প হোক, যার নায়ক হবে একজন মার্জিত ব্যক্তি। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-27/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-4-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 4): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আপনার পরবর্তী ছুটি নিয়ে একটি পরীক্ষা আপনাকে আপনার 'অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তার' (experiencing self) প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি পর্যবেক্ষণ করতে সাহায্য করবে: ছুটির শেষে সমস্ত ছবি এবং ভিডিও ধ্বংস করে দেওয়া হবে। এছাড়া, আপনি এমন একটি পানীয় পান করবেন যা ওই ছুটির সমস্ত স্মৃতি আপনার মন থেকে মুছে ফেলবে। এটি আপনার ছুটির পরিকল্পনাকে কীভাবে প্রভাবিত করবে? একটি স্বাভাবিক স্মৃতিময় ছুটির তুলনায় এই ছুটির জন্য আপনি কতটুকু খরচ করতে রাজি হবেন? আমার ধারণা হলো যে, স্মৃতির বিলুপ্তি অভিজ্ঞতার মূল্যকে অনেকাংশেই কমিয়ে দেয়। একটি যন্ত্রণাদায়ক অপারেশনের কথা কল্পনা করুন যেখানে আপনি ব্যথায় চিৎকার করবেন এবং সার্জনকে থামার জন্য মিনতি করবেন। তবে আপনাকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে যে এমন একটি অ্যামনেসিয়া-প্ররোচিত ওষুধ দেওয়া হবে যা ওই ঘটনার সমস্ত স্মৃতি মুছে ফেলবে। এখানেও আমার পর্যবেক্ষণ হলো যে, অধিকাংশ মানুষই তাদের অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তার ব্যথার বিষয়ে আশ্চর্যজনকভাবে উদাসীন থাকে। কেউ কেউ বলেন যে তারা মোটেও পরোয়া করেন না। অন্যরা আমার অনুভূতির সাথে একমত হন, যা হলো—আমি আমার যন্ত্রণাকাতর সত্তার জন্য করুণা বোধ করি ঠিকই, কিন্তু তা ব্যথায় থাকা একজন অপরিচিত ব্যক্তির প্রতি অনুভবের চেয়ে বেশি কিছু নয়। '''আমি হলাম আমার 'স্মৃতি ধারণকারী সত্তা' (remembering self), আর আমার যে 'অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তা' আমার জীবনটা যাপন করে, সে আমার কাছে একজন অপরিচিত মানুষের মতো।''' ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-27/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-4-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 4): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} == ড্যানিয়েল কানেমান সম্পর্কে উক্তি == * ড্যানির কাজের একটি বিশাল অংশ হলো আমরা কীভাবে চিন্তা করি এবং আমরা কতটা গভীরভাবে অযৌক্তিক হতে পারি তা নিয়ে। সেটিও ব্যবসাক্ষেত্রকে বদলে দিচ্ছে, যদিও তা খুব ধীরগতিতে; আর এটিই তাঁর নতুন বইটির দশ লক্ষ কপি বিক্রির কারণ ব্যাখ্যা করে। তবে, ইতিহাসের বিশাল প্রেক্ষাপটে আমার ধারণা তিনি সেই ব্যক্তি হিসেবেই সবচেয়ে বেশি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন, যিনি সুখকে (happiness) একটি সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে গিয়েছেন। ** [[w:রিচার্ড লেয়ার্ড, ব্যারন লেয়ার্ড|রিচার্ড লেয়ার্ড]], {{cite news|url=http://www.theguardian.com/science/2014/feb/16/daniel-kahneman-thinking-fast-and-slow-tributes |title=Daniel Kahneman changed the way we think about thinking. But what do other thinkers think of him? |work=দ্য গার্ডিয়ান|date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আমি ড্যানিয়েল কানেমানকে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী জীবিত মনোবিজ্ঞানী বলে অভিহিত করেছি এবং আমি বিশ্বাস করি এটি সত্য। তিনি প্রায় একাই আচরণগত অর্থনীতির ক্ষেত্রটি তৈরি করেছেন এবং [[জ্ঞানীয় মনোবিজ্ঞান]] ও সামাজিক মনোবিজ্ঞানের বড় একটি অংশে বিপ্লব ঘটিয়েছেন। তাঁর মূল বার্তাটি এর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারত না—তা হলো, মানুষের বিচারবুদ্ধিকে যদি তার নিজের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয় তবে তা অনেক ধরণের ভ্রান্তি এবং পদ্ধতিগত ত্রুটির জালে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা দেখায়; তাই আমরা যদি আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে এবং সমাজ হিসেবে আরও ভালো সিদ্ধান্ত নিতে চাই, তবে আমাদের এই পক্ষপাতগুলো (biases) সম্পর্কে সচেতন হতে হবে এবং বিকল্প পথ খুঁজতে হবে। এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার। ** [[স্টিভেন পিঙ্কার]]। "ড্যানিয়েল কানেমান চেঞ্জড দ্য ওয়ে উই থিংক অ্যাবাউট থিংকিং। বাট হোয়াট ডু আদার থিংকার্স থিংক অফ হিম?," ''দ্য অবজারভার,'' ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। == বহিঃসংযোগ == {{Wikipedia|ড্যানিয়েল কানেমান|ড্যানিয়েল কানেমান}} * {{Official website|http://www.princeton.edu/~kahneman}} (প্রিন্সটনে) * [[w:টেড (সম্মেলন)|টেড]]-এ ["অভিজ্ঞতা বনাম স্মৃতির ধাঁধা" (The riddle of experience vs. memory) বিষয়ের ওপর বক্তৃতা], ফেব্রুয়ারি ২০১০ {{DEFAULTSORT:কানেমান, ড্যানিয়েল}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মনোবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসরায়েলি ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাস্তিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী]] [[বিষয়শ্রেণী:তেল আবিবের ব্যক্তিত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসরায়েলের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] lj0cx8130ny5od4asbpi5i4uqlxhaxc 78853 78849 2026-04-20T08:41:07Z Sumanta3023 4175 78853 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Daniel KAHNEMAN.jpg|thumb|ড্যানিয়েল কানেম্যান, ২০০৯]] '''[[w:ড্যানিয়েল কানেম্যান|ড্যানিয়েল কানেম্যান]]''' (৫ মার্চ ১৯৩৪ – ২৭ মার্চ ২০২৪) একজন ইসরায়েলি-মার্কিন [[মনোবিজ্ঞানী]] ছিলেন। তিনি ২০০২ সালে [[ভার্নন এল স্মিথ|ভার্নন এল. স্মিথ]]-এর সাথে যৌথভাবে [[w:অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার|অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার]] লাভ করেন। কানেম্যান তাঁর [[বিচারবুদ্ধি]] ও [[সিদ্ধান্ত গ্রহণ|সিদ্ধান্ত গ্রহণের]] মনোবিজ্ঞান, [[w:আচরণগত অর্থনীতি|আচরণগত অর্থনীতি]] এবং [[w:সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞান|সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞানের]] ওপর কাজের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। পরবর্তী জীবনে তিনি প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির উড্রো উইলসন স্কুলের মনোবিজ্ঞান এবং জনবিষয়ক বিভাগের এমেরিটাস অধ্যাপক ছিলেন। == উক্তি == * আমার একটি অভিজ্ঞতার কথা স্পষ্টভাবে মনে আছে যেখানে অনুভূতির নানা রঙের মিশেল ছিল। সময়টা ১৯৪১ সালের শেষের দিকে বা ১৯৪২ সালের শুরুর দিক হবে। ইহুদিদের জন্য তখন পোশাকে 'স্টার অফ ডেভিড' পরা এবং সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ঘরে ফেরার কারফিউ মেনে চলা বাধ্যতামূলক ছিল। আমি এক খ্রিস্টান বন্ধুর সাথে খেলতে গিয়েছিলাম এবং ফিরতে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। বাড়ি ফেরার জন্য কয়েক ব্লকের পথ হাঁটার সময় আমি আমার বাদামী সোয়েটারটি উল্টো করে পরে নিয়েছিলাম (যাতে তারাটি ঢাকা পড়ে)। জনশূন্য রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় আমি একজন জার্মান সৈন্যকে এগিয়ে আসতে দেখলাম। তিনি সেই কালো ইউনিফর্মটি পরে ছিলেন যা অন্য সব ইউনিফর্মের চেয়ে বেশি ভয় পেতে আমাকে শেখানো হয়েছিল — এটি বিশেষভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত এসএস (SS) সৈন্যদের পোশাক। আমি দ্রুত হাঁটার চেষ্টা করছিলাম, তাঁর কাছাকাছি আসতেই লক্ষ্য করলাম তিনি আমার দিকে তীক্ষ্ণভাবে তাকিয়ে আছেন। এরপর তিনি আমাকে কাছে ডাকলেন, কোলে তুলে নিলেন এবং জড়িয়ে ধরলেন। আমি প্রচণ্ড আতঙ্কে ছিলাম যে তিনি আমার সোয়েটারের ভেতরে থাকা তারাটি দেখে ফেলবেন। তিনি জার্মান ভাষায় খুব আবেগ দিয়ে আমার সাথে কথা বলছিলেন। আমাকে নিচে নামিয়ে দেওয়ার পর তিনি তাঁর মানিব্যাগ খুললেন, একটি ছেলের ছবি দেখালেন এবং আমাকে কিছু টাকা দিলেন। আমি যখন বাড়ি ফিরলাম, তখন নিজের মনের ভেতর আগের চেয়েও বেশি নিশ্চিত হলাম যে আমার মা ঠিকই বলতেন: মানুষ সীমাহীন জটিল এবং কৌতুহলোদ্দীপক। ** [http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economic-sciences/laureates/2002/kahneman-bio.html নোবেল পুরস্কারের আত্মজীবনীমূলক তথ্য] (২০০২)। * '''যাঁরা পরিবর্তন নিয়ে আসেন তাঁরা একা মারা যান না। যাঁরা তাঁদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকের ভেতর থেকেই কিছু একটা হারিয়ে যায়।''' আমোস অনেক পরিবর্তন এনেছিলেন, এবং যখন তিনি মারা গেলেন, আমাদের অনেকের জন্যই জীবন কিছুটা ম্লান ও সংকুচিত হয়ে গেল। পৃথিবীতে বুদ্ধিমত্তার পরিমাণ কমে গেল। কমে গেল রসবোধ। এমন অনেক প্রশ্ন আছে যেগুলোর উত্তর আর কখনোই গভীরতা ও স্পষ্টতার সেই অপ্রতিম সংমিশ্রণে পাওয়া যাবে না। এমন অনেক মানদণ্ড আছে যেগুলোকে আর কখনোই নীতি ও কাণ্ডজ্ঞান দিয়ে একইভাবে রক্ষা করা হবে না। জীবন আরও দরিদ্র হয়ে পড়েছে। মোজাইকের মাঝে আমোসের আকৃতির এক বিশাল শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে, যা আর কখনও পূরণ হবে না। এটি পূরণ করা সম্ভব নয় কারণ আমোস এই পৃথিবীতে নিজের জায়গা নিজেই তৈরি করেছিলেন, তিনি নিজের জীবন এমনকি নিজের মৃত্যুকেও রূপ দিয়েছিলেন। আর নিজের জীবন ও জগতকে রূপ দেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি তাঁর চারপাশের অনেক মানুষের জীবন ও জগতকেও বদলে দিয়েছিলেন। ** ৫ জুন ১৯৯৬ তারিখে তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মী [[w:আমোস টিভারস্কি|আমোস টিভারস্কি]]-এর মৃত্যু সম্পর্কে। [http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economic-sciences/laureates/2002/kahneman-bio.html নোবেল পুরস্কারের আত্মজীবনীমূলক তথ্য] (২০০২)। * কোনো চিকিৎসকের "মুখভঙ্গি" দেখে একটি রোগ শনাক্ত করা এবং একটি ছোট শিশুর কোনো কিছুর দিকে আঙুল উঁচিয়ে "কুকুর" বলার মধ্যে আক্ষরিক অর্থে কোনো পার্থক্য নেই। ** টকস অ্যাট গুগল - ১০ নভেম্বর ২০১১ * সংখ্যার কারণে কেউ কখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। মানুষের একটি গল্পের প্রয়োজন হয়। ** মাইকেল লুইস। "দ্য আনডুইং প্রজেক্ট: আ ফ্রেন্ডশিপ দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড"। পেঙ্গুইন, ২০১৬ (ISBN 9780141983035)। * আমি স্বল্প-শক্তির (underpowered) গবেষণার ওপর বড্ড বেশি আস্থা রেখেছিলাম। ব্লগে এবং এর আগে অ্যান্ড্রু গেলম্যান যেমনটি উল্লেখ করেছেন, আমার এই ভুলের মধ্যে একটি বিশেষ পরিহাস রয়েছে; কারণ আমোস টিভারস্কি এবং আমি যে প্রথম গবেষণাপত্রটি প্রকাশ করেছিলাম, সেটি ছিল "ক্ষুদ্র সংখ্যার নীতি" (law of small numbers)-এর ওপর বিশ্বাসের বিষয়ে, যা গবেষকদের অযৌক্তিক ক্ষুদ্র নমুনাসহ স্বল্প-শক্তির গবেষণার ফলাফলের ওপর আস্থা রাখতে প্ররোচিত করে। আমরা ওভারঅল (১৯৬৯)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে দেখিয়েছিলাম যে "পরিসংখ্যানগত শক্তিতে ঘাটতি থাকা গবেষণার ব্যাপকতা কেবল অপচয়ই নয় বরং আসলে ক্ষতিকর: এর ফলে প্রকাশিত ফলাফলগুলোর মধ্যে একটি বড় অংশেই নাল হাইপোথিসিস বা শূন্য প্রকল্পের ভুল প্রত্যাখ্যান ঘটে।" আমাদের নিবন্ধটি ১৯৬৯ সালে লেখা এবং ১৯৭১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু আমি এর বার্তাটি নিজের মাঝে ধারণ করতে ব্যর্থ হয়েছি।<br />যখন আমি "থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো" লিখেছিলাম, তখন আমার অবস্থান ছিল এমন যে—যদি নামী জার্নালগুলোতে প্রকাশিত প্রমাণের একটি বড় অংশ প্রাথমিকভাবে অবিশ্বাস্য মনে হওয়া কোনো সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে, তবে বৈজ্ঞানিক নিয়ম অনুযায়ী আমাদের সেই সিদ্ধান্তকে বিশ্বাস করা উচিত। অবিশ্বাস্য হওয়াটাই অবিশ্বাসকে ন্যায়সঙ্গত করার জন্য যথেষ্ট নয়, এবং সুপ্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্তগুলো বিশ্বাস করা ঐচ্ছিক কোনো বিষয় নয়। এই অবস্থানটি এখনও আমার কাছে যুক্তিসঙ্গত মনে হয় – আর এই কারণেই আমি মনে করি মানুষের জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বাস করা উচিত। কিন্তু এই যুক্তি তখনই খাটে যখন সমস্ত প্রাসঙ্গিক ফলাফল প্রকাশিত হয়।<br />আমি অবশ্যই জানতাম যে প্রাইমিং স্টাডিজের ফলাফলগুলো ছোট নমুনার ওপর ভিত্তি করে ছিল, প্রভাবের মাত্রাগুলো হয়তো অবিশ্বাস্য রকমের বড় ছিল এবং কোনো একক গবেষণাই নিজে থেকে চূড়ান্ত ছিল না। যা আমাকে মুগ্ধ করেছিল তা হলো অনেক গবেষণাগার থেকে পাওয়া রিপোর্টের ফলাফলের একমত হওয়া এবং সেগুলোর সুসংগতি। আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলাম যে দক্ষ পরীক্ষকদের পক্ষে প্রাইমিং ইফেক্ট তৈরি করা সহজ এবং এগুলো বেশ শক্তিশালী। তবে, আমি এখন বুঝতে পারছি যে আমার যুক্তি ত্রুটিপূর্ণ ছিল এবং আমার আরও সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। স্বল্প-শক্তির গবেষণাগুলোর মধ্যে এই সর্বসম্মত ঐক্য আসলে একটি গুরুতর 'ফাইল-ড্রয়ার সমস্যা' (এবং/অথবা পি-হ্যাকিং)-এর অস্তিত্বের অকাট্য প্রমাণ দেয়। যুক্তিটি অনস্বীকার্য: যেসব গবেষণা সম্ভাব্য প্রভাব শনাক্ত করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী নয়, সেগুলোতে গবেষণার হাইপোথিসিস সত্য হওয়া সত্ত্বেও মাঝে মাঝে তাৎপর্যহীন (non-significant) ফলাফল আসতে বাধ্য – এই ধরনের ফলাফলের অনুপস্থিতিই প্রমাণ করে যে প্রকাশিত নথিপত্রে কোথাও কোনো গরমিল আছে... ** [https://replicationindex.com/2017/02/02/reconstruction-of-a-train-wreck-how-priming-research-went-of-the-rails/comment-page-1/#comment-1454 ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭], [https://retractionwatch.com/2017/02/20/placed-much-faith-underpowered-studies-nobel-prize-winner-admits-mistakes/ রিট্রাকশনওয়াচ]-এ উদ্ধৃত। * এবং আরও একটি বিষয় আছে যা আমার মতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেটি হলো, '''প্রায় সব মনস্তাত্ত্বিক হাইপোথিসিসই সত্য''', অর্থাৎ এই অর্থে যে, আপনি যদি ধারণা করেন 'ক' আসলে 'খ'-এর কারণ হয়, তবে এটি সত্য নয় যে 'ক' আসলে 'খ'-এর বিপরীত কিছু ঘটায়। হয়তো 'ক'-এর প্রভাব খুব সামান্য, কিন্তু হাইপোথিসিসগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সত্য হয়; তবে সেগুলো আপনি যতটা ভাবেন তার চেয়ে অনেক বেশি দুর্বল... ** লেক্স ফ্রিডম্যান পডকাস্ট, ১:০৪:১০। ১৪ জানুয়ারি ২০২০। * আপনার উচিত নিজের সহজাত প্রবৃত্তিকে (gut feeling) তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ করা এবং তারপর সেটিকে বিশ্বাস করা। ** হার্ভার্ডে আলোচনা - ৩ ডিসেম্বর ২০২১<ref>https://news.harvard.edu/gazette/story/2021/12/daniel-kahneman-on-how-to-influence-others/</ref> * প্রথম পরামর্শ হলো গতি ধীর করা, এবং আপনার প্রথম ঝোঁক বা আবেগকে অনুসরণ না করা। ** হার্ভার্ডে আলোচনা - ৩ ডিসেম্বর ২০২১<ref>https://news.harvard.edu/gazette/story/2021/12/daniel-kahneman-on-how-to-influence-others/</ref> === থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো (২০১১) === :<small>'''দ্রষ্টব্য''': অন্য কোনো উল্লেখ না থাকলে পৃষ্ঠা নম্বরগুলো (ISBN 9780141033570) থেকে নেওয়া।</small> * এই বইয়ের একটি পুনরাবৃত্ত মূলভাব হলো যে, '''[[ভাগ্য|সাফল্যের]] প্রতিটি গল্পে [[সাফল্য|ভাগ্যের]] একটি বিশাল ভূমিকা থাকে'''; গল্পের মধ্যে খুব সামান্য একটি পরিবর্তন শনাক্ত করা প্রায় সব সময়ই সহজ, যা একটি অসাধারণ অর্জনকে একটি সাধারণ ফলাফলে পরিণত করতে পারত। ** ভূমিকা, পৃষ্ঠা ৯। * '''[[বুদ্ধিমত্তা]] কেবল [[যুক্তি|যুক্তি প্রদানের]] ক্ষমতা নয়; এটি [[স্মৃতি|স্মৃতি]] থেকে [[প্রাসঙ্গিকতা|প্রাসঙ্গিক]] তথ্য খুঁজে বের করার এবং প্রয়োজনবোধে [[মনোযোগ]] দেওয়ার ক্ষমতাও বটে।''' ** অধ্যায় ৩, "দ্য লেজি কন্ট্রোলার" পৃষ্ঠা ৪৬। * অবিশ্বাস করার কোনো সুযোগ নেই। ফলাফলগুলো মনগড়া নয়, কিংবা এগুলো কোনো পরিসংখ্যানগত আকস্মিক ঘটনাও নয়। এই গবেষণাগুলোর প্রধান সিদ্ধান্তগুলো যে সত্য, তা মেনে নেওয়া ছাড়া আপনার কোনো উপায় নেই। ** প্রাইমিং গবেষণার ওপর। কানেমান পরবর্তীতে প্রাইমিং গবেষণার প্রতি তাঁর সমর্থনের বিষয়ে একটি শর্তসাপেক্ষ প্রত্যাহার (retraction) জারি করেছিলেন। অধ্যায় ৪, "দ্য অ্যাসোসিয়েটিভ মেশিন"। * '''মানুষকে কোনো [[মিথ্যা|মিথ্যাবাদে]] বিশ্বাস করানোর একটি নির্ভরযোগ্য উপায় হলো সেটির ঘনঘন [[পুনরাবৃত্তি]], কারণ [[পরিচিতি|পরিচিতি]] এবং [[সত্য|সত্যের]] মধ্যে পার্থক্য করা সহজ নয়।''' ** অধ্যায় ৫, "কগনিটিভ ইজ" পৃষ্ঠা ৬২। * '''একটি ভালো [[গল্পের]] জন্য [[তথ্য|তথ্যের]] {{w|সামঞ্জস্যতা}} গুরুত্বপূর্ণ, তার পূর্ণতা নয়।''' প্রকৃতপক্ষে, আপনি প্রায়ই লক্ষ্য করবেন যে, '''খুব সামান্য জানলে আপনার জানা সবকিছুকে একটি সুসংগত [[ধরণ|কাঠামোতে]] বিন্যস্ত করা সহজ হয়ে যায়।''' ** অধ্যায় ৭, "এ মেশিন ফর জাম্পিং টু কনক্লুশনস" পৃষ্ঠা ৮৭। * শিক্ষাটি পরিষ্কার: [[মৃত্যু|মৃত্যুর]] কারণগুলো সম্পর্কে আমাদের অনুমানগুলো [[গণমাধ্যম|মিডিয়া]] কভারেজ দ্বারা প্রভাবিত হয়। [...] আমাদের মাথার ভেতরের জগতটি বাস্তবতার নিখুঁত প্রতিরূপ নয়; '''কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তির হার সম্পর্কে আমাদের প্রত্যাশাগুলো সেই বার্তার ব্যাপকতা এবং আবেগীয় তীব্রতা দ্বারা বিকৃত হয়''', যা আমাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। ** অধ্যায় ১৩, "অ্যাভেইলিবিলিটি, ইমোশন, অ্যান্ড রিস্ক" পৃষ্ঠা ১৩৮। * আমাদের [[পরিসংখ্যান]] সংক্রান্ত চিন্তা এবং স্বতন্ত্র ঘটনা সংক্রান্ত চিন্তার মধ্যে একটি গভীর ব্যবধান রয়েছে। ** অধ্যায় ১৫, "কজেস ট্রাম্প স্ট্যাটিস্টিকস" পৃষ্ঠা ১৭৪। * {{w|সহসম্বন্ধ}} (correlation) এবং [[w:রিগ্রেশন বিশ্লেষণ|রিগ্রেশন]] যে দুটি ভিন্ন ধারণা নয়—বরং একই ধারণার দুটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি, তা বুঝতে [[ফ্রান্সিস গাল্টন|ফ্রান্সিস গাল্টনের]] কয়েক বছর সময় লেগেছিল। সাধারণ নিয়মটি সহজবোধ্য কিন্তু এর ফলাফলগুলো বিস্ময়কর: যখনই দুটি স্কোরের মধ্যে সহসম্বন্ধ অপূর্ণ থাকে, তখনই সেখানে গড়ের দিকে প্রত্যাগমন (regression to the mean) ঘটবে। ** অধ্যায় ১৭, "রিগ্রেশন টু দ্য মিন" পৃষ্ঠা ১৮১। * '''পৃথিবীটা অর্থবহ—আমাদের এই স্বস্তিদায়ক বিশ্বাসটি একটি নিরাপদ ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে: আর তা হলো আমাদের [[অজ্ঞতা|অজ্ঞতাকে]] উপেক্ষা করার প্রায় সীমাহীন ক্ষমতা।''' ** অধ্যায় ১৯, "দ্য ইলিউশন অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং" পৃষ্ঠা ২০১। * একটি বিচারের ক্ষেত্রে [[w:বিষয়ীভাব এবং বস্তুনিষ্ঠতা (দর্শন)|বিষয়ীগত]] [[আত্মবিশ্বাস]] কোনো যুক্তিনির্ভর মূল্যায়ন নয় যে সেই বিচারটি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু। '''আত্মবিশ্বাস হলো একটি অনুভূতি, যা তথ্যের সুসংগতি এবং তা প্রক্রিয়াকরণের মানসিক সহজবোধ্যতাকে প্রতিফলিত করে।''' [[অনিশ্চয়তা|অনিশ্চয়তার]] স্বীকারোক্তিকে গুরুত্বের সাথে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ, কিন্তু '''উচ্চ আত্মবিশ্বাসের ঘোষণা মূলত আপনাকে এটাই জানায় যে একজন ব্যক্তি তার মনে একটি সুসংগত [[গল্প]] তৈরি করেছেন, তার মানে এই নয় যে সেই গল্পটি [[সত্য|সত্য]]।''' ** অধ্যায় ২০, "দ্য ইলিউশন অফ ভ্যালিডিটি" পৃষ্ঠা ২১২। * সে একটি অভ্যন্তরীণ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করছে। তার উচিত নিজের ক্ষেত্রটির কথা ভুলে যাওয়া এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে কী ঘটেছিল তা দেখা। ** অধ্যায় ২৩, "দ্য আউটসাইড ভিউ" পৃষ্ঠা ২৫৪। * এমন কোনো প্রমাণ নেই যে [[অর্থনীতি|অর্থনৈতিক]] ক্ষেত্রে [[ঝুঁকি]] গ্রহণকারীদের উচ্চ বাজি ধরার প্রতি অস্বাভাবিক কোনো আকাঙ্ক্ষা থাকে; তারা কেবল সাধারণ ভীরু মানুষের তুলনায় ঝুঁকি সম্পর্কে কম সচেতন। ** অধ্যায় ২৪, "দ্য ইঞ্জিন অফ ক্যাপিটালিজম" পৃষ্ঠা ২৬৩। * '''সে [[লাভ|লাভের]] তুলনায় [[ক্ষতি|ক্ষতিকে]] প্রায় দ্বিগুণ গুরুত্ব দেয়, যা অত্যন্ত [[স্বাভাবিকতা|স্বাভাবিক]]।''' ** অধ্যায় ২৬, "প্রসপেক্ট থিওরি" পৃষ্ঠা ২৮৮। * মানুষের অনেক দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি এমনভাবে উন্মোচিত হয় [...] যেখানে খুব খারাপ বিকল্পের সম্মুখীন হওয়া মানুষগুলো বেপরোয়া জুয়া খেলে; তারা একটি বড় ক্ষতি এড়ানোর সামান্য আশার বিনিময়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার উচ্চ সম্ভাবনাকে মেনে নেয়। এই ধরণের ঝুঁকি গ্রহণ প্রায়শই সামাল দেওয়ার মতো [[ব্যর্থতা|ব্যর্থতাকে]] [[বিপর্যয়|বিপর্যয়ে]] পরিণত করে। ** অধ্যায় ২৯, "দ্য ফোরফোল্ড প্যাটার্ন" পৃষ্ঠা ৩১৮-৩১৯। * একটি বিরল ঘটনাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হবে যদি এটি বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করে। [...] আর যেখানে কোনো অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয় না, সেখানে অবহেলা দেখা দেয়। ** অধ্যায় ৩০, "রেয়ার ইভেন্টস", পৃষ্ঠা ৩৩৩। * অন্য কোনো স্পষ্ট কারণ না থাকলে, '''আমাদের অধিকাংশ মানুষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সমস্যাগুলোকে যেভাবে [[w:ফ্রেমিং (সামাজিক বিজ্ঞান)|উপস্থাপন (frame)]] করা হয় সেভাবেই নিষ্ক্রিয়ভাবে গ্রহণ করি; এবং তাই আমাদের পছন্দগুলো ''বাস্তবতা-নির্ভর'' হওয়ার চেয়ে কতটা বেশি ''উপস্থাপন-নির্ভর'' তা আবিষ্কার করার সুযোগ খুব কমই পাই।''' ** অধ্যায় ৩৪, "ফ্রেমস অ্যান্ড রিয়ালিটি", পৃষ্ঠা ৩৬৭। * একটি গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা হলো যে, '''উচ্চতর আয়ের সাথে জীবনের ছোট ছোট আনন্দগুলো উপভোগ করার ক্ষমতা কমে যাওয়ার একটি সম্পর্ক রয়েছে।''' [...] অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকা (experienced well-being) এবং জীবন নিয়ে সন্তুষ্টির (life satisfaction) ওপর আয়ের প্রভাবের মধ্যে একটি স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। উচ্চতর আয় অধিকতর সন্তুষ্টি নিয়ে আসে, এমনকি সেই সীমা পার হওয়ার পরেও যখন অভিজ্ঞতার ওপর এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব থাকে না। [...] জীবন নিয়ে সন্তুষ্টি তাদের অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকার কোনো ত্রুটিপূর্ণ পরিমাপ নয়, যা আমি কয়েক বছর আগে ভেবেছিলাম। এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু। ** অধ্যায় ৩৭, "এক্সপেরিয়েন্সড ওয়েল-বিয়িং", পৃষ্ঠা ৩৯৭। * অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকা গড়ে [[বিয়ে|বিয়ের]] মাধ্যমে প্রভাবিত হয় না; এর কারণ এটি নয় যে বিয়ে [[সুখ|সুখের]] ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আনে না, বরং এর কারণ হলো এটি জীবনের কিছু দিককে ভালোর দিকে এবং অন্য কিছু দিককে মন্দের দিকে বদলে দেয়। ** অধ্যায় ৩৮, "থিংকিং অ্যাবাউট লাইফ", পৃষ্ঠা ৪০০-৪০১। * আপনি যখন কোনো বিষয় নিয়ে ভাবছেন, তখন জীবনের কোনো কিছুই ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয় যতটা আপনি তখন মনে করছেন। ** অধ্যায় ৩৮, "থিংকিং অ্যাবাউট লাইফ", পৃষ্ঠা ৪০২। * মানুষ [[অযৌক্তিকতা|অযৌক্তিক]] না হলেও, আরও নির্ভুল বিচার এবং আরও ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য প্রায়শই তাদের সাহায্যের প্রয়োজন হয়। [...] যারা ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের দুর্বলতাগুলোর সুযোগ নেয়, তাদের থেকেও [মানুষের] সুরক্ষা প্রয়োজন [...]। ** উপসংহার, পৃষ্ঠা ৪১১-৪১৩। === "পলক ফেলবেন না! আত্মবিশ্বাসের বিপদ" (২০১১) === * কোনো বিচার করার সময় আমরা যে আত্মবিশ্বাস অনুভব করি, তা সেই বিচারটি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনার কোনো যুক্তিনির্ভর মূল্যায়ন নয়। আত্মবিশ্বাস হলো একটি অনুভূতি, যা মূলত গল্পের সুসংগতি এবং এটি কত সহজে মাথায় আসছে তার দ্বারা নির্ধারিত হয়; এমনকি যখন গল্পের স্বপক্ষে প্রমাণ থাকে সামান্য এবং অনির্ভরযোগ্য। সুসংগতির প্রতি এই পক্ষপাত অতি-আত্মবিশ্বাসকে উৎসাহিত করে। একজন ব্যক্তি যিনি উচ্চ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন, তাঁর কাছে সম্ভবত একটি ভালো গল্প আছে, যা সত্য হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। ** {{cite news|url=http://www.nytimes.com/2011/10/23/magazine/dont-blink-the-hazards-of-confidence.html?pagewanted=all&_r=0 |title=Don’t Blink! The Hazards of Confidence |work=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|date=১৯ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আমরা প্রায়শই এমন পেশাদারদের সাথে কাজ করি যারা স্পষ্ট আত্মবিশ্বাসের সাথে তাদের বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করেন, কখনও কখনও তাঁরা তাঁদের সহজাত প্রবৃত্তির (intuition) ক্ষমতা নিয়ে গর্বও করেন। বৈধতা এবং দক্ষতার বিভ্রমপূর্ণ এই পৃথিবীতে আমরা কি তাঁদের বিশ্বাস করতে পারি? বিশেষজ্ঞদের ন্যায্য আত্মবিশ্বাস এবং নিজেদের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে অজান্তেই থাকা পেশাদারদের আন্তরিক অতি-আত্মবিশ্বাসের মধ্যে আমরা কীভাবে পার্থক্য করব? আমরা সেই বিশেষজ্ঞকে বিশ্বাস করতে পারি যিনি অনিশ্চয়তা স্বীকার করেন, কিন্তু উচ্চ আত্মবিশ্বাসের অভিব্যক্তিকে সরাসরি ধ্রুব সত্য বলে ধরে নেওয়া যায় না। আমি প্রথম যখন সেই বাধা অতিক্রমের ময়দানে (obstacle field) শিখেছিলাম—মানুষ সামান্য বা কিছু না জেনেও সুসংগত গল্প তৈরি করতে এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারে। অতি-আত্মবিশ্বাস তৈরি হয় কারণ মানুষ প্রায়ই নিজের অন্ধত্ব সম্পর্কে অন্ধ থাকে। ** {{cite news|url=http://www.nytimes.com/2011/10/23/magazine/dont-blink-the-hazards-of-confidence.html?pagewanted=all&_r=0 |title=Don’t Blink! The Hazards of Confidence |work=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|date=১৯ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} === "পক্ষপাত, অন্ধত্ব এবং আমরা আসলে কীভাবে চিন্তা করি" (২০১১) === * আমাদের অধিকাংশ মানুষই জগতকে তার প্রকৃত অবস্থার চেয়ে বেশি কল্যাণকর হিসেবে দেখি, আমাদের নিজেদের গুণাবলিকে তার প্রকৃত রূপের চেয়ে বেশি ইতিবাচক মনে করি এবং আমাদের গ্রহণ করা লক্ষ্যগুলোকে সেগুলোর সফল হওয়ার সম্ভাবনার চেয়ে বেশি অর্জনযোগ্য বলে ধরে নিই। আমরা ভবিষ্যতের পূর্বাভাস দেওয়ার ক্ষমতার বিষয়েও বাড়িয়ে বলার প্রবণতা দেখাই, যা অতি-আত্মবিশ্বাসকে লালন করে। সিদ্ধান্তের ওপর প্রভাবের দিক থেকে বিচার করলে, এই আশাবাদী পক্ষপাত (optimistic bias) সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কগনিটিভ বায়াস বা জ্ঞানীয় পক্ষপাত হতে পারে। যেহেতু আশাবাদী পক্ষপাত একই সাথে একটি আশীর্বাদ এবং একটি ঝুঁকি, তাই আপনি যদি স্বভাবগতভাবে আশাবাদী হন তবে আপনার একই সাথে সুখী এবং সতর্ক হওয়া উচিত। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-24/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-1-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 1): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আশাবাদ একটি স্বাভাবিক বিষয়, তবে কিছু ভাগ্যবান মানুষ আমাদের বাকিদের চেয়ে বেশি আশাবাদী হন। আপনি যদি জন্মগতভাবে আশাবাদী পক্ষপাতের অধিকারী হন, তবে আপনি যে একজন ভাগ্যবান ব্যক্তি তা আপনাকে বলার প্রয়োজন পড়ে না — আপনি নিজেই নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন। আশাবাদী মানুষরা আমাদের জীবনকে রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে অসম অনুপাতে বড় ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের সিদ্ধান্তগুলো পরিবর্তন নিয়ে আসে; তাঁরা সাধারণ মানুষ নন, বরং উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা, রাজনৈতিক এবং সামরিক নেতা। তাঁরা চ্যালেঞ্জ অন্বেষণ এবং ঝুঁকি গ্রহণের মাধ্যমেই আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। তাঁরা মেধাবী এবং তাঁরা ভাগ্যবান ছিলেন, এবং প্রায় নিশ্চিতভাবেই তাঁরা যতটা স্বীকার করেন তার চেয়েও বেশি ভাগ্যবান ছিলেন। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-24/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-1-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 1): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * রহস্যটি হলো কীভাবে এমন একটি ধারণা, যা এত সুস্পষ্ট পাল্টা উদাহরণের মুখেও অরক্ষিত, তা এতদিন টিকে ছিল। এটি আমি কেবল পাণ্ডিত্যের একটি দুর্বলতা দিয়ে ব্যাখ্যা করতে পারি যা আমি প্রায়শই নিজের মধ্যেও লক্ষ্য করেছি। আমি একে 'তত্ত্ব-প্ররোচিত অন্ধত্ব' (theory-induced blindness) বলি: একবার আপনি একটি তত্ত্ব গ্রহণ করে ফেললে, এর ত্রুটিগুলো লক্ষ্য করা অসাধারণভাবে কঠিন হয়ে পড়ে। মনোবিজ্ঞানী ড্যানিয়েল গিলবার্ট যেমন লক্ষ্য করেছেন, অবিশ্বাস করা একটি কঠিন কাজ। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-25/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-2-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 2): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * মানুষের যত্ন নেওয়ার বিষয়টি প্রায়শই তাদের গল্পের গুণমানের প্রতি উদ্বেগের রূপ নেয়, তাদের অনুভূতির প্রতি নয়। প্রকৃতপক্ষে, আমরা এমনকি এমন সব ঘটনা দিয়েও গভীরভাবে বিচলিত হতে পারি যা মৃত ব্যক্তিদের গল্পকেও বদলে দেয়। আমরা এমন একজন ব্যক্তির জন্য করুণা বোধ করি যিনি তাঁর স্ত্রীর ভালোবাসায় বিশ্বাস রেখে মারা গেছেন, অথচ পরে আমরা জানতে পারি যে তাঁর স্ত্রীর বহু বছরের প্রেমিক ছিল এবং তিনি কেবল টাকার জন্য স্বামীর সাথে ছিলেন। স্বামীটি একটি সুখী জীবন যাপন করা সত্ত্বেও আমরা তাঁর জন্য করুণা বোধ করি। আমরা এমন একজন বিজ্ঞানীর অপমান অনুভব করি যাঁর আবিষ্কার তাঁর মৃত্যুর পর মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে, যদিও তিনি নিজে সেই অপমান অনুভব করেননি। সবচেয়ে বড় কথা, আমরা সবাই আমাদের নিজেদের জীবনের আখ্যান বা বর্ণনার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন এবং আমরা আন্তরিকভাবে চাই যে এটি একটি ভালো গল্প হোক, যার নায়ক হবে একজন মার্জিত ব্যক্তি। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-27/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-4-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 4): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আপনার পরবর্তী ছুটি নিয়ে একটি পরীক্ষা আপনাকে আপনার 'অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তার' (experiencing self) প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি পর্যবেক্ষণ করতে সাহায্য করবে: ছুটির শেষে সমস্ত ছবি এবং ভিডিও ধ্বংস করে দেওয়া হবে। এছাড়া, আপনি এমন একটি পানীয় পান করবেন যা ওই ছুটির সমস্ত স্মৃতি আপনার মন থেকে মুছে ফেলবে। এটি আপনার ছুটির পরিকল্পনাকে কীভাবে প্রভাবিত করবে? একটি স্বাভাবিক স্মৃতিময় ছুটির তুলনায় এই ছুটির জন্য আপনি কতটুকু খরচ করতে রাজি হবেন? আমার ধারণা হলো যে, স্মৃতির বিলুপ্তি অভিজ্ঞতার মূল্যকে অনেকাংশেই কমিয়ে দেয়। একটি যন্ত্রণাদায়ক অপারেশনের কথা কল্পনা করুন যেখানে আপনি ব্যথায় চিৎকার করবেন এবং সার্জনকে থামার জন্য মিনতি করবেন। তবে আপনাকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে যে এমন একটি অ্যামনেসিয়া-প্ররোচিত ওষুধ দেওয়া হবে যা ওই ঘটনার সমস্ত স্মৃতি মুছে ফেলবে। এখানেও আমার পর্যবেক্ষণ হলো যে, অধিকাংশ মানুষই তাদের অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তার ব্যথার বিষয়ে আশ্চর্যজনকভাবে উদাসীন থাকে। কেউ কেউ বলেন যে তারা মোটেও পরোয়া করেন না। অন্যরা আমার অনুভূতির সাথে একমত হন, যা হলো—আমি আমার যন্ত্রণাকাতর সত্তার জন্য করুণা বোধ করি ঠিকই, কিন্তু তা ব্যথায় থাকা একজন অপরিচিত ব্যক্তির প্রতি অনুভবের চেয়ে বেশি কিছু নয়। '''আমি হলাম আমার 'স্মৃতি ধারণকারী সত্তা' (remembering self), আর আমার যে 'অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তা' আমার জীবনটা যাপন করে, সে আমার কাছে একজন অপরিচিত মানুষের মতো।''' ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-27/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-4-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 4): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} == ড্যানিয়েল কানেমান সম্পর্কে উক্তি == * ড্যানির কাজের একটি বিশাল অংশ হলো আমরা কীভাবে চিন্তা করি এবং আমরা কতটা গভীরভাবে অযৌক্তিক হতে পারি তা নিয়ে। সেটিও ব্যবসাক্ষেত্রকে বদলে দিচ্ছে, যদিও তা খুব ধীরগতিতে; আর এটিই তাঁর নতুন বইটির দশ লক্ষ কপি বিক্রির কারণ ব্যাখ্যা করে। তবে, ইতিহাসের বিশাল প্রেক্ষাপটে আমার ধারণা তিনি সেই ব্যক্তি হিসেবেই সবচেয়ে বেশি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন, যিনি সুখকে (happiness) একটি সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে গিয়েছেন। ** [[w:রিচার্ড লেয়ার্ড, ব্যারন লেয়ার্ড|রিচার্ড লেয়ার্ড]], {{cite news|url=http://www.theguardian.com/science/2014/feb/16/daniel-kahneman-thinking-fast-and-slow-tributes |title=Daniel Kahneman changed the way we think about thinking. But what do other thinkers think of him? |work=দ্য গার্ডিয়ান|date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আমি ড্যানিয়েল কানেমানকে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী জীবিত মনোবিজ্ঞানী বলে অভিহিত করেছি এবং আমি বিশ্বাস করি এটি সত্য। তিনি প্রায় একাই আচরণগত অর্থনীতির ক্ষেত্রটি তৈরি করেছেন এবং [[জ্ঞানীয় মনোবিজ্ঞান]] ও সামাজিক মনোবিজ্ঞানের বড় একটি অংশে বিপ্লব ঘটিয়েছেন। তাঁর মূল বার্তাটি এর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারত না—তা হলো, মানুষের বিচারবুদ্ধিকে যদি তার নিজের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয় তবে তা অনেক ধরণের ভ্রান্তি এবং পদ্ধতিগত ত্রুটির জালে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা দেখায়; তাই আমরা যদি আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে এবং সমাজ হিসেবে আরও ভালো সিদ্ধান্ত নিতে চাই, তবে আমাদের এই পক্ষপাতগুলো (biases) সম্পর্কে সচেতন হতে হবে এবং বিকল্প পথ খুঁজতে হবে। এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার। ** [[স্টিভেন পিঙ্কার]]। "ড্যানিয়েল কানেমান চেঞ্জড দ্য ওয়ে উই থিংক অ্যাবাউট থিংকিং। বাট হোয়াট ডু আদার থিংকার্স থিংক অফ হিম?," ''দ্য অবজারভার,'' ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। == বহিঃসংযোগ == {{Wikipedia|ড্যানিয়েল কানেমান|ড্যানিয়েল কানেমান}} * {{Official website|http://www.princeton.edu/~kahneman}} (প্রিন্সটনে) * [[w:টেড (সম্মেলন)|টেড]]-এ ["অভিজ্ঞতা বনাম স্মৃতির ধাঁধা" (The riddle of experience vs. memory) বিষয়ের ওপর বক্তৃতা], ফেব্রুয়ারি ২০১০ {{DEFAULTSORT:কানেমান, ড্যানিয়েল}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মনোবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসরায়েলি ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাস্তিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী]] [[বিষয়শ্রেণী:তেল আবিবের ব্যক্তিত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসরায়েলের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] 0x9nbhkmea3saidwdgj2ej9buy0d587 78854 78853 2026-04-20T08:46:56Z Sumanta3023 4175 78854 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Daniel KAHNEMAN.jpg|thumb|ড্যানিয়েল কানেম্যান, ২০০৯]] '''[[w:ড্যানিয়েল কানেম্যান|ড্যানিয়েল কানেম্যান]]''' (৫ মার্চ ১৯৩৪ – ২৭ মার্চ ২০২৪) একজন ইসরায়েলি-মার্কিন [[মনোবিজ্ঞানী]] ছিলেন। তিনি ২০০২ সালে [[ভার্নন এল স্মিথ|ভার্নন এল. স্মিথ]]-এর সাথে যৌথভাবে [[w:অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার|অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার]] লাভ করেন। কানেম্যান তাঁর [[বিচারবুদ্ধি]] ও [[সিদ্ধান্ত গ্রহণ|সিদ্ধান্ত গ্রহণের]] মনোবিজ্ঞান, [[w:আচরণগত অর্থনীতি|আচরণগত অর্থনীতি]] এবং [[w:সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞান|সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞানের]] ওপর কাজের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। পরবর্তী জীবনে তিনি প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির উড্রো উইলসন স্কুলের মনোবিজ্ঞান এবং জনবিষয়ক বিভাগের এমেরিটাস অধ্যাপক ছিলেন। == উক্তি == * আমার একটি অভিজ্ঞতার কথা স্পষ্টভাবে মনে আছে যেখানে অনুভূতির নানা রঙের মিশেল ছিল। সময়টা ১৯৪১ সালের শেষের দিকে বা ১৯৪২ সালের শুরুর দিক হবে। ইহুদিদের জন্য তখন পোশাকে 'স্টার অফ ডেভিড' পরা এবং সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ঘরে ফেরার কারফিউ মেনে চলা বাধ্যতামূলক ছিল। আমি এক খ্রিস্টান বন্ধুর সাথে খেলতে গিয়েছিলাম এবং ফিরতে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। বাড়ি ফেরার জন্য কয়েক ব্লকের পথ হাঁটার সময় আমি আমার বাদামী সোয়েটারটি উল্টো করে পরে নিয়েছিলাম (যাতে তারাটি ঢাকা পড়ে)। জনশূন্য রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় আমি একজন জার্মান সৈন্যকে এগিয়ে আসতে দেখলাম। তিনি সেই কালো ইউনিফর্মটি পরে ছিলেন যা অন্য সব ইউনিফর্মের চেয়ে বেশি ভয় পেতে আমাকে শেখানো হয়েছিল — এটি বিশেষভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত এসএস (SS) সৈন্যদের পোশাক। আমি দ্রুত হাঁটার চেষ্টা করছিলাম, তাঁর কাছাকাছি আসতেই লক্ষ্য করলাম তিনি আমার দিকে তীক্ষ্ণভাবে তাকিয়ে আছেন। এরপর তিনি আমাকে কাছে ডাকলেন, কোলে তুলে নিলেন এবং জড়িয়ে ধরলেন। আমি প্রচণ্ড আতঙ্কে ছিলাম যে তিনি আমার সোয়েটারের ভেতরে থাকা তারাটি দেখে ফেলবেন। তিনি জার্মান ভাষায় খুব আবেগ দিয়ে আমার সাথে কথা বলছিলেন। আমাকে নিচে নামিয়ে দেওয়ার পর তিনি তাঁর মানিব্যাগ খুললেন, একটি ছেলের ছবি দেখালেন এবং আমাকে কিছু টাকা দিলেন। আমি যখন বাড়ি ফিরলাম, তখন নিজের মনের ভেতর আগের চেয়েও বেশি নিশ্চিত হলাম যে আমার মা ঠিকই বলতেন: মানুষ সীমাহীন জটিল এবং কৌতুহলোদ্দীপক। ** [http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economic-sciences/laureates/2002/kahneman-bio.html নোবেল পুরস্কারের আত্মজীবনীমূলক তথ্য] (২০০২)। * '''যাঁরা পরিবর্তন নিয়ে আসেন তাঁরা একা মারা যান না। যাঁরা তাঁদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকের ভেতর থেকেই কিছু একটা হারিয়ে যায়।''' আমোস অনেক পরিবর্তন এনেছিলেন, এবং যখন তিনি মারা গেলেন, আমাদের অনেকের জন্যই জীবন কিছুটা ম্লান ও সংকুচিত হয়ে গেল। পৃথিবীতে বুদ্ধিমত্তার পরিমাণ কমে গেল। কমে গেল রসবোধ। এমন অনেক প্রশ্ন আছে যেগুলোর উত্তর আর কখনোই গভীরতা ও স্পষ্টতার সেই অপ্রতিম সংমিশ্রণে পাওয়া যাবে না। এমন অনেক মানদণ্ড আছে যেগুলোকে আর কখনোই নীতি ও কাণ্ডজ্ঞান দিয়ে একইভাবে রক্ষা করা হবে না। জীবন আরও দরিদ্র হয়ে পড়েছে। মোজাইকের মাঝে আমোসের আকৃতির এক বিশাল শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে, যা আর কখনও পূরণ হবে না। এটি পূরণ করা সম্ভব নয় কারণ আমোস এই পৃথিবীতে নিজের জায়গা নিজেই তৈরি করেছিলেন, তিনি নিজের জীবন এমনকি নিজের মৃত্যুকেও রূপ দিয়েছিলেন। আর নিজের জীবন ও জগতকে রূপ দেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি তাঁর চারপাশের অনেক মানুষের জীবন ও জগতকেও বদলে দিয়েছিলেন। ** ৫ জুন ১৯৯৬ তারিখে তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মী [[w:আমোস টিভারস্কি|আমোস টিভারস্কি]]-এর মৃত্যু সম্পর্কে। [http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economic-sciences/laureates/2002/kahneman-bio.html নোবেল পুরস্কারের আত্মজীবনীমূলক তথ্য] (২০০২)। * কোনো চিকিৎসকের "মুখভঙ্গি" দেখে একটি রোগ শনাক্ত করা এবং একটি ছোট শিশুর কোনো কিছুর দিকে আঙুল উঁচিয়ে "কুকুর" বলার মধ্যে আক্ষরিক অর্থে কোনো পার্থক্য নেই। ** টকস অ্যাট গুগল - ১০ নভেম্বর ২০১১ * সংখ্যার কারণে কেউ কখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। মানুষের একটি গল্পের প্রয়োজন হয়। ** মাইকেল লুইস। "দ্য আনডুইং প্রজেক্ট: আ ফ্রেন্ডশিপ দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড"। পেঙ্গুইন, ২০১৬ (ISBN 9780141983035)। * আমি স্বল্প-শক্তির গবেষণার ওপর বড্ড বেশি আস্থা রেখেছিলাম। ব্লগে এবং এর আগে অ্যান্ড্রু গেলম্যান যেমনটি উল্লেখ করেছেন, আমার এই ভুলের মধ্যে একটি বিশেষ পরিহাস রয়েছে; কারণ আমোস টিভারস্কি এবং আমি যে প্রথম গবেষণাপত্রটি প্রকাশ করেছিলাম, সেটি ছিল "ক্ষুদ্র সংখ্যার নীতির" ওপর বিশ্বাসের বিষয়ে, যা গবেষকদের অযৌক্তিক ক্ষুদ্র নমুনাসহ স্বল্প-শক্তির গবেষণার ফলাফলের ওপর আস্থা রাখতে প্ররোচিত করে। আমরা ওভারঅল (১৯৬৯)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে দেখিয়েছিলাম যে "পরিসংখ্যানগত শক্তিতে ঘাটতি থাকা গবেষণার ব্যাপকতা কেবল অপচয়ই নয় বরং আসলে ক্ষতিকর: এর ফলে প্রকাশিত ফলাফলগুলোর মধ্যে একটি বড় অংশেই নাল হাইপোথিসিস বা শূন্য প্রকল্পের ভুল প্রত্যাখ্যান ঘটে।" আমাদের নিবন্ধটি ১৯৬৯ সালে লেখা এবং ১৯৭১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু আমি এর বার্তাটি নিজের মাঝে ধারণ করতে ব্যর্থ হয়েছি।<br />যখন আমি "থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো" লিখেছিলাম, তখন আমার অবস্থান ছিল এমন যে—যদি নামী জার্নালগুলোতে প্রকাশিত প্রমাণের একটি বড় অংশ প্রাথমিকভাবে অবিশ্বাস্য মনে হওয়া কোনো সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে, তবে বৈজ্ঞানিক নিয়ম অনুযায়ী আমাদের সেই সিদ্ধান্তকে বিশ্বাস করা উচিত। অবিশ্বাস্য হওয়াটাই অবিশ্বাসকে ন্যায়সঙ্গত করার জন্য যথেষ্ট নয়, এবং সুপ্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্তগুলো বিশ্বাস করা ঐচ্ছিক কোনো বিষয় নয়। এই অবস্থানটি এখনও আমার কাছে যুক্তিসঙ্গত মনে হয় – আর এই কারণেই আমি মনে করি মানুষের জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বাস করা উচিত। কিন্তু এই যুক্তি তখনই খাটে যখন সমস্ত প্রাসঙ্গিক ফলাফল প্রকাশিত হয়।<br />আমি অবশ্যই জানতাম যে প্রাইমিং স্টাডিজের ফলাফলগুলো ছোট নমুনার ওপর ভিত্তি করে ছিল, প্রভাবের মাত্রাগুলো হয়তো অবিশ্বাস্য রকমের বড় ছিল এবং কোনো একক গবেষণাই নিজে থেকে চূড়ান্ত ছিল না। যা আমাকে মুগ্ধ করেছিল তা হলো অনেক গবেষণাগার থেকে পাওয়া রিপোর্টের ফলাফলের একমত হওয়া এবং সেগুলোর সুসংগতি। আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলাম যে দক্ষ পরীক্ষকদের পক্ষে প্রাইমিং ইফেক্ট তৈরি করা সহজ এবং এগুলো বেশ শক্তিশালী। তবে, আমি এখন বুঝতে পারছি যে আমার যুক্তি ত্রুটিপূর্ণ ছিল এবং আমার আরও সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। স্বল্প-শক্তির গবেষণাগুলোর মধ্যে এই সর্বসম্মত ঐক্য আসলে একটি গুরুতর 'ফাইল-ড্রয়ার সমস্যা' (এবং/অথবা পি-হ্যাকিং)-এর অস্তিত্বের অকাট্য প্রমাণ দেয়। যুক্তিটি অনস্বীকার্য: যেসব গবেষণা সম্ভাব্য প্রভাব শনাক্ত করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী নয়, সেগুলোতে গবেষণার হাইপোথিসিস সত্য হওয়া সত্ত্বেও মাঝে মাঝে তাৎপর্যহীন ফলাফল আসতে বাধ্য – এই ধরনের ফলাফলের অনুপস্থিতিই প্রমাণ করে যে প্রকাশিত নথিপত্রে কোথাও কোনো গরমিল আছে... ** [https://replicationindex.com/2017/02/02/reconstruction-of-a-train-wreck-how-priming-research-went-of-the-rails/comment-page-1/#comment-1454 ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭], [https://retractionwatch.com/2017/02/20/placed-much-faith-underpowered-studies-nobel-prize-winner-admits-mistakes/ রিট্রাকশনওয়াচ]-এ উদ্ধৃত। * এবং আরও একটি বিষয় আছে যা আমার মতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেটি হলো, '''প্রায় সব মনস্তাত্ত্বিক হাইপোথিসিসই সত্য''', অর্থাৎ এই অর্থে যে, আপনি যদি ধারণা করেন 'ক' আসলে 'খ'-এর কারণ হয়, তবে এটি সত্য নয় যে 'ক' আসলে 'খ'-এর বিপরীত কিছু ঘটায়। হয়তো 'ক'-এর প্রভাব খুব সামান্য, কিন্তু হাইপোথিসিসগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সত্য হয়; তবে সেগুলো আপনি যতটা ভাবেন তার চেয়ে অনেক বেশি দুর্বল... ** লেক্স ফ্রিডম্যান পডকাস্ট, ১:০৪:১০। ১৪ জানুয়ারি ২০২০। * আপনার উচিত নিজের সহজাত প্রবৃত্তিকে (gut feeling) তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ করা এবং তারপর সেটিকে বিশ্বাস করা। ** হার্ভার্ডে আলোচনা - ৩ ডিসেম্বর ২০২১<ref>https://news.harvard.edu/gazette/story/2021/12/daniel-kahneman-on-how-to-influence-others/</ref> * প্রথম পরামর্শ হলো গতি ধীর করা, এবং আপনার প্রথম ঝোঁক বা আবেগকে অনুসরণ না করা। ** হার্ভার্ডে আলোচনা - ৩ ডিসেম্বর ২০২১<ref>https://news.harvard.edu/gazette/story/2021/12/daniel-kahneman-on-how-to-influence-others/</ref> === থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো (২০১১) === :<small>'''দ্রষ্টব্য''': অন্য কোনো উল্লেখ না থাকলে পৃষ্ঠা নম্বরগুলো (ISBN 9780141033570) থেকে নেওয়া।</small> * এই বইয়ের একটি পুনরাবৃত্ত মূলভাব হলো যে, '''[[ভাগ্য|সাফল্যের]] প্রতিটি গল্পে [[সাফল্য|ভাগ্যের]] একটি বিশাল ভূমিকা থাকে'''; গল্পের মধ্যে খুব সামান্য একটি পরিবর্তন শনাক্ত করা প্রায় সব সময়ই সহজ, যা একটি অসাধারণ অর্জনকে একটি সাধারণ ফলাফলে পরিণত করতে পারত। ** ভূমিকা, পৃষ্ঠা ৯। * '''[[বুদ্ধিমত্তা]] কেবল [[যুক্তি|যুক্তি প্রদানের]] ক্ষমতা নয়; এটি [[স্মৃতি|স্মৃতি]] থেকে [[প্রাসঙ্গিকতা|প্রাসঙ্গিক]] তথ্য খুঁজে বের করার এবং প্রয়োজনবোধে [[মনোযোগ]] দেওয়ার ক্ষমতাও বটে।''' ** অধ্যায় ৩, "দ্য লেজি কন্ট্রোলার" পৃষ্ঠা ৪৬। * অবিশ্বাস করার কোনো সুযোগ নেই। ফলাফলগুলো মনগড়া নয়, কিংবা এগুলো কোনো পরিসংখ্যানগত আকস্মিক ঘটনাও নয়। এই গবেষণাগুলোর প্রধান সিদ্ধান্তগুলো যে সত্য, তা মেনে নেওয়া ছাড়া আপনার কোনো উপায় নেই। ** প্রাইমিং গবেষণার ওপর। কানেমান পরবর্তীতে প্রাইমিং গবেষণার প্রতি তাঁর সমর্থনের বিষয়ে একটি শর্তসাপেক্ষ প্রত্যাহার (retraction) জারি করেছিলেন। অধ্যায় ৪, "দ্য অ্যাসোসিয়েটিভ মেশিন"। * '''মানুষকে কোনো [[মিথ্যা|মিথ্যাবাদে]] বিশ্বাস করানোর একটি নির্ভরযোগ্য উপায় হলো সেটির ঘনঘন [[পুনরাবৃত্তি]], কারণ [[পরিচিতি|পরিচিতি]] এবং [[সত্য|সত্যের]] মধ্যে পার্থক্য করা সহজ নয়।''' ** অধ্যায় ৫, "কগনিটিভ ইজ" পৃষ্ঠা ৬২। * '''একটি ভালো [[গল্পের]] জন্য [[তথ্য|তথ্যের]] {{w|সামঞ্জস্যতা}} গুরুত্বপূর্ণ, তার পূর্ণতা নয়।''' প্রকৃতপক্ষে, আপনি প্রায়ই লক্ষ্য করবেন যে, '''খুব সামান্য জানলে আপনার জানা সবকিছুকে একটি সুসংগত [[ধরণ|কাঠামোতে]] বিন্যস্ত করা সহজ হয়ে যায়।''' ** অধ্যায় ৭, "এ মেশিন ফর জাম্পিং টু কনক্লুশনস" পৃষ্ঠা ৮৭। * শিক্ষাটি পরিষ্কার: [[মৃত্যু|মৃত্যুর]] কারণগুলো সম্পর্কে আমাদের অনুমানগুলো [[গণমাধ্যম|মিডিয়া]] কভারেজ দ্বারা প্রভাবিত হয়। [...] আমাদের মাথার ভেতরের জগতটি বাস্তবতার নিখুঁত প্রতিরূপ নয়; '''কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তির হার সম্পর্কে আমাদের প্রত্যাশাগুলো সেই বার্তার ব্যাপকতা এবং আবেগীয় তীব্রতা দ্বারা বিকৃত হয়''', যা আমাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। ** অধ্যায় ১৩, "অ্যাভেইলিবিলিটি, ইমোশন, অ্যান্ড রিস্ক" পৃষ্ঠা ১৩৮। * আমাদের [[পরিসংখ্যান]] সংক্রান্ত চিন্তা এবং স্বতন্ত্র ঘটনা সংক্রান্ত চিন্তার মধ্যে একটি গভীর ব্যবধান রয়েছে। ** অধ্যায় ১৫, "কজেস ট্রাম্প স্ট্যাটিস্টিকস" পৃষ্ঠা ১৭৪। * {{w|সহসম্বন্ধ}} (correlation) এবং [[w:রিগ্রেশন বিশ্লেষণ|রিগ্রেশন]] যে দুটি ভিন্ন ধারণা নয়—বরং একই ধারণার দুটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি, তা বুঝতে [[ফ্রান্সিস গাল্টন|ফ্রান্সিস গাল্টনের]] কয়েক বছর সময় লেগেছিল। সাধারণ নিয়মটি সহজবোধ্য কিন্তু এর ফলাফলগুলো বিস্ময়কর: যখনই দুটি স্কোরের মধ্যে সহসম্বন্ধ অপূর্ণ থাকে, তখনই সেখানে গড়ের দিকে প্রত্যাগমন (regression to the mean) ঘটবে। ** অধ্যায় ১৭, "রিগ্রেশন টু দ্য মিন" পৃষ্ঠা ১৮১। * '''পৃথিবীটা অর্থবহ—আমাদের এই স্বস্তিদায়ক বিশ্বাসটি একটি নিরাপদ ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে: আর তা হলো আমাদের [[অজ্ঞতা|অজ্ঞতাকে]] উপেক্ষা করার প্রায় সীমাহীন ক্ষমতা।''' ** অধ্যায় ১৯, "দ্য ইলিউশন অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং" পৃষ্ঠা ২০১। * একটি বিচারের ক্ষেত্রে [[w:বিষয়ীভাব এবং বস্তুনিষ্ঠতা (দর্শন)|বিষয়ীগত]] [[আত্মবিশ্বাস]] কোনো যুক্তিনির্ভর মূল্যায়ন নয় যে সেই বিচারটি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু। '''আত্মবিশ্বাস হলো একটি অনুভূতি, যা তথ্যের সুসংগতি এবং তা প্রক্রিয়াকরণের মানসিক সহজবোধ্যতাকে প্রতিফলিত করে।''' [[অনিশ্চয়তা|অনিশ্চয়তার]] স্বীকারোক্তিকে গুরুত্বের সাথে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ, কিন্তু '''উচ্চ আত্মবিশ্বাসের ঘোষণা মূলত আপনাকে এটাই জানায় যে একজন ব্যক্তি তার মনে একটি সুসংগত [[গল্প]] তৈরি করেছেন, তার মানে এই নয় যে সেই গল্পটি [[সত্য|সত্য]]।''' ** অধ্যায় ২০, "দ্য ইলিউশন অফ ভ্যালিডিটি" পৃষ্ঠা ২১২। * সে একটি অভ্যন্তরীণ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করছে। তার উচিত নিজের ক্ষেত্রটির কথা ভুলে যাওয়া এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে কী ঘটেছিল তা দেখা। ** অধ্যায় ২৩, "দ্য আউটসাইড ভিউ" পৃষ্ঠা ২৫৪। * এমন কোনো প্রমাণ নেই যে [[অর্থনীতি|অর্থনৈতিক]] ক্ষেত্রে [[ঝুঁকি]] গ্রহণকারীদের উচ্চ বাজি ধরার প্রতি অস্বাভাবিক কোনো আকাঙ্ক্ষা থাকে; তারা কেবল সাধারণ ভীরু মানুষের তুলনায় ঝুঁকি সম্পর্কে কম সচেতন। ** অধ্যায় ২৪, "দ্য ইঞ্জিন অফ ক্যাপিটালিজম" পৃষ্ঠা ২৬৩। * '''সে [[লাভ|লাভের]] তুলনায় [[ক্ষতি|ক্ষতিকে]] প্রায় দ্বিগুণ গুরুত্ব দেয়, যা অত্যন্ত [[স্বাভাবিকতা|স্বাভাবিক]]।''' ** অধ্যায় ২৬, "প্রসপেক্ট থিওরি" পৃষ্ঠা ২৮৮। * মানুষের অনেক দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি এমনভাবে উন্মোচিত হয় [...] যেখানে খুব খারাপ বিকল্পের সম্মুখীন হওয়া মানুষগুলো বেপরোয়া জুয়া খেলে; তারা একটি বড় ক্ষতি এড়ানোর সামান্য আশার বিনিময়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার উচ্চ সম্ভাবনাকে মেনে নেয়। এই ধরণের ঝুঁকি গ্রহণ প্রায়শই সামাল দেওয়ার মতো [[ব্যর্থতা|ব্যর্থতাকে]] [[বিপর্যয়|বিপর্যয়ে]] পরিণত করে। ** অধ্যায় ২৯, "দ্য ফোরফোল্ড প্যাটার্ন" পৃষ্ঠা ৩১৮-৩১৯। * একটি বিরল ঘটনাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হবে যদি এটি বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করে। [...] আর যেখানে কোনো অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয় না, সেখানে অবহেলা দেখা দেয়। ** অধ্যায় ৩০, "রেয়ার ইভেন্টস", পৃষ্ঠা ৩৩৩। * অন্য কোনো স্পষ্ট কারণ না থাকলে, '''আমাদের অধিকাংশ মানুষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সমস্যাগুলোকে যেভাবে [[w:ফ্রেমিং (সামাজিক বিজ্ঞান)|উপস্থাপন]] করা হয় সেভাবেই নিষ্ক্রিয়ভাবে গ্রহণ করি; এবং তাই আমাদের পছন্দগুলো ''বাস্তবতা-নির্ভর'' হওয়ার চেয়ে কতটা বেশি ''উপস্থাপন-নির্ভর'' তা আবিষ্কার করার সুযোগ খুব কমই পাই।''' ** অধ্যায় ৩৪, "ফ্রেমস অ্যান্ড রিয়ালিটি", পৃষ্ঠা ৩৬৭। * একটি গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা হলো যে, '''উচ্চতর আয়ের সাথে জীবনের ছোট ছোট আনন্দগুলো উপভোগ করার ক্ষমতা কমে যাওয়ার একটি সম্পর্ক রয়েছে।''' [...] অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকা এবং জীবন নিয়ে সন্তুষ্টির ওপর আয়ের প্রভাবের মধ্যে একটি স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। উচ্চতর আয় অধিকতর সন্তুষ্টি নিয়ে আসে, এমনকি সেই সীমা পার হওয়ার পরেও যখন অভিজ্ঞতার ওপর এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব থাকে না। [...] জীবন নিয়ে সন্তুষ্টি তাদের অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকার কোনো ত্রুটিপূর্ণ পরিমাপ নয়, যা আমি কয়েক বছর আগে ভেবেছিলাম। এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু। ** অধ্যায় ৩৭, "এক্সপেরিয়েন্সড ওয়েল-বিয়িং", পৃষ্ঠা ৩৯৭। * অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকা গড়ে [[বিয়ে|বিয়ের]] মাধ্যমে প্রভাবিত হয় না; এর কারণ এটি নয় যে বিয়ে [[সুখ|সুখের]] ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আনে না, বরং এর কারণ হলো এটি জীবনের কিছু দিককে ভালোর দিকে এবং অন্য কিছু দিককে মন্দের দিকে বদলে দেয়। ** অধ্যায় ৩৮, "থিংকিং অ্যাবাউট লাইফ", পৃষ্ঠা ৪০০-৪০১। * আপনি যখন কোনো বিষয় নিয়ে ভাবছেন, তখন জীবনের কোনো কিছুই ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয় যতটা আপনি তখন মনে করছেন। ** অধ্যায় ৩৮, "থিংকিং অ্যাবাউট লাইফ", পৃষ্ঠা ৪০২। * মানুষ [[অযৌক্তিকতা|অযৌক্তিক]] না হলেও, আরও নির্ভুল বিচার এবং আরও ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য প্রায়শই তাদের সাহায্যের প্রয়োজন হয়। [...] যারা ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের দুর্বলতাগুলোর সুযোগ নেয়, তাদের থেকেও [মানুষের] সুরক্ষা প্রয়োজন [...]। ** উপসংহার, পৃষ্ঠা ৪১১-৪১৩। === "পলক ফেলবেন না! আত্মবিশ্বাসের বিপদ" (২০১১) === * কোনো বিচার করার সময় আমরা যে আত্মবিশ্বাস অনুভব করি, তা সেই বিচারটি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনার কোনো যুক্তিনির্ভর মূল্যায়ন নয়। আত্মবিশ্বাস হলো একটি অনুভূতি, যা মূলত গল্পের সুসংগতি এবং এটি কত সহজে মাথায় আসছে তার দ্বারা নির্ধারিত হয়; এমনকি যখন গল্পের স্বপক্ষে প্রমাণ থাকে সামান্য এবং অনির্ভরযোগ্য। সুসংগতির প্রতি এই পক্ষপাত অতি-আত্মবিশ্বাসকে উৎসাহিত করে। একজন ব্যক্তি যিনি উচ্চ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন, তাঁর কাছে সম্ভবত একটি ভালো গল্প আছে, যা সত্য হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। ** {{cite news|url=http://www.nytimes.com/2011/10/23/magazine/dont-blink-the-hazards-of-confidence.html?pagewanted=all&_r=0 |title=Don’t Blink! The Hazards of Confidence |work=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|date=১৯ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আমরা প্রায়শই এমন পেশাদারদের সাথে কাজ করি যারা স্পষ্ট আত্মবিশ্বাসের সাথে তাদের বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করেন, কখনও কখনও তাঁরা তাঁদের সহজাত প্রবৃত্তির ক্ষমতা নিয়ে গর্বও করেন। বৈধতা এবং দক্ষতার বিভ্রমপূর্ণ এই পৃথিবীতে আমরা কি তাঁদের বিশ্বাস করতে পারি? বিশেষজ্ঞদের ন্যায্য আত্মবিশ্বাস এবং নিজেদের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে অজান্তেই থাকা পেশাদারদের আন্তরিক অতি-আত্মবিশ্বাসের মধ্যে আমরা কীভাবে পার্থক্য করব? আমরা সেই বিশেষজ্ঞকে বিশ্বাস করতে পারি যিনি অনিশ্চয়তা স্বীকার করেন, কিন্তু উচ্চ আত্মবিশ্বাসের অভিব্যক্তিকে সরাসরি ধ্রুব সত্য বলে ধরে নেওয়া যায় না। আমি প্রথম যখন সেই বাধা অতিক্রমের ময়দানে শিখেছিলাম—মানুষ সামান্য বা কিছু না জেনেও সুসংগত গল্প তৈরি করতে এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারে। অতি-আত্মবিশ্বাস তৈরি হয় কারণ মানুষ প্রায়ই নিজের অন্ধত্ব সম্পর্কে অন্ধ থাকে। ** {{cite news|url=http://www.nytimes.com/2011/10/23/magazine/dont-blink-the-hazards-of-confidence.html?pagewanted=all&_r=0 |title=Don’t Blink! The Hazards of Confidence |work=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|date=১৯ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} === "পক্ষপাত, অন্ধত্ব এবং আমরা আসলে কীভাবে চিন্তা করি" (২০১১) === * আমাদের অধিকাংশ মানুষই জগতকে তার প্রকৃত অবস্থার চেয়ে বেশি কল্যাণকর হিসেবে দেখি, আমাদের নিজেদের গুণাবলিকে তার প্রকৃত রূপের চেয়ে বেশি ইতিবাচক মনে করি এবং আমাদের গ্রহণ করা লক্ষ্যগুলোকে সেগুলোর সফল হওয়ার সম্ভাবনার চেয়ে বেশি অর্জনযোগ্য বলে ধরে নিই। আমরা ভবিষ্যতের পূর্বাভাস দেওয়ার ক্ষমতার বিষয়েও বাড়িয়ে বলার প্রবণতা দেখাই, যা অতি-আত্মবিশ্বাসকে লালন করে। সিদ্ধান্তের ওপর প্রভাবের দিক থেকে বিচার করলে, এই আশাবাদী পক্ষপাত সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কগনিটিভ বায়াস বা জ্ঞানীয় পক্ষপাত হতে পারে। যেহেতু আশাবাদী পক্ষপাত একই সাথে একটি আশীর্বাদ এবং একটি ঝুঁকি, তাই আপনি যদি স্বভাবগতভাবে আশাবাদী হন তবে আপনার একই সাথে সুখী এবং সতর্ক হওয়া উচিত। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-24/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-1-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 1): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আশাবাদ একটি স্বাভাবিক বিষয়, তবে কিছু ভাগ্যবান মানুষ আমাদের বাকিদের চেয়ে বেশি আশাবাদী হন। আপনি যদি জন্মগতভাবে আশাবাদী পক্ষপাতের অধিকারী হন, তবে আপনি যে একজন ভাগ্যবান ব্যক্তি তা আপনাকে বলার প্রয়োজন পড়ে না — আপনি নিজেই নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন। আশাবাদী মানুষরা আমাদের জীবনকে রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে অসম অনুপাতে বড় ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের সিদ্ধান্তগুলো পরিবর্তন নিয়ে আসে; তাঁরা সাধারণ মানুষ নন, বরং উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা, রাজনৈতিক এবং সামরিক নেতা। তাঁরা চ্যালেঞ্জ অন্বেষণ এবং ঝুঁকি গ্রহণের মাধ্যমেই আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। তাঁরা মেধাবী এবং তাঁরা ভাগ্যবান ছিলেন, এবং প্রায় নিশ্চিতভাবেই তাঁরা যতটা স্বীকার করেন তার চেয়েও বেশি ভাগ্যবান ছিলেন। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-24/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-1-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 1): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * রহস্যটি হলো কীভাবে এমন একটি ধারণা, যা এত সুস্পষ্ট পাল্টা উদাহরণের মুখেও অরক্ষিত, তা এতদিন টিকে ছিল। এটি আমি কেবল পাণ্ডিত্যের একটি দুর্বলতা দিয়ে ব্যাখ্যা করতে পারি যা আমি প্রায়শই নিজের মধ্যেও লক্ষ্য করেছি। আমি একে 'তত্ত্ব-প্ররোচিত অন্ধত্ব' বলি: একবার আপনি একটি তত্ত্ব গ্রহণ করে ফেললে, এর ত্রুটিগুলো লক্ষ্য করা অসাধারণভাবে কঠিন হয়ে পড়ে। মনোবিজ্ঞানী ড্যানিয়েল গিলবার্ট যেমন লক্ষ্য করেছেন, অবিশ্বাস করা একটি কঠিন কাজ। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-25/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-2-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 2): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * মানুষের যত্ন নেওয়ার বিষয়টি প্রায়শই তাদের গল্পের গুণমানের প্রতি উদ্বেগের রূপ নেয়, তাদের অনুভূতির প্রতি নয়। প্রকৃতপক্ষে, আমরা এমনকি এমন সব ঘটনা দিয়েও গভীরভাবে বিচলিত হতে পারি যা মৃত ব্যক্তিদের গল্পকেও বদলে দেয়। আমরা এমন একজন ব্যক্তির জন্য করুণা বোধ করি যিনি তাঁর স্ত্রীর ভালোবাসায় বিশ্বাস রেখে মারা গেছেন, অথচ পরে আমরা জানতে পারি যে তাঁর স্ত্রীর বহু বছরের প্রেমিক ছিল এবং তিনি কেবল টাকার জন্য স্বামীর সাথে ছিলেন। স্বামীটি একটি সুখী জীবন যাপন করা সত্ত্বেও আমরা তাঁর জন্য করুণা বোধ করি। আমরা এমন একজন বিজ্ঞানীর অপমান অনুভব করি যাঁর আবিষ্কার তাঁর মৃত্যুর পর মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে, যদিও তিনি নিজে সেই অপমান অনুভব করেননি। সবচেয়ে বড় কথা, আমরা সবাই আমাদের নিজেদের জীবনের আখ্যান বা বর্ণনার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন এবং আমরা আন্তরিকভাবে চাই যে এটি একটি ভালো গল্প হোক, যার নায়ক হবে একজন মার্জিত ব্যক্তি। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-27/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-4-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 4): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আপনার পরবর্তী ছুটি নিয়ে একটি পরীক্ষা আপনাকে আপনার 'অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তার' প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি পর্যবেক্ষণ করতে সাহায্য করবে: ছুটির শেষে সমস্ত ছবি এবং ভিডিও ধ্বংস করে দেওয়া হবে। এছাড়া, আপনি এমন একটি পানীয় পান করবেন যা ওই ছুটির সমস্ত স্মৃতি আপনার মন থেকে মুছে ফেলবে। এটি আপনার ছুটির পরিকল্পনাকে কীভাবে প্রভাবিত করবে? একটি স্বাভাবিক স্মৃতিময় ছুটির তুলনায় এই ছুটির জন্য আপনি কতটুকু খরচ করতে রাজি হবেন? আমার ধারণা হলো যে, স্মৃতির বিলুপ্তি অভিজ্ঞতার মূল্যকে অনেকাংশেই কমিয়ে দেয়। একটি যন্ত্রণাদায়ক অপারেশনের কথা কল্পনা করুন যেখানে আপনি ব্যথায় চিৎকার করবেন এবং সার্জনকে থামার জন্য মিনতি করবেন। তবে আপনাকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে যে এমন একটি অ্যামনেসিয়া-প্ররোচিত ওষুধ দেওয়া হবে যা ওই ঘটনার সমস্ত স্মৃতি মুছে ফেলবে। এখানেও আমার পর্যবেক্ষণ হলো যে, অধিকাংশ মানুষই তাদের অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তার ব্যথার বিষয়ে আশ্চর্যজনকভাবে উদাসীন থাকে। কেউ কেউ বলেন যে তারা মোটেও পরোয়া করেন না। অন্যরা আমার অনুভূতির সাথে একমত হন, যা হলো—আমি আমার যন্ত্রণাকাতর সত্তার জন্য করুণা বোধ করি ঠিকই, কিন্তু তা ব্যথায় থাকা একজন অপরিচিত ব্যক্তির প্রতি অনুভবের চেয়ে বেশি কিছু নয়। '''আমি হলাম আমার 'স্মৃতি ধারণকারী সত্তা', আর আমার যে 'অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তা' আমার জীবনটা যাপন করে, সে আমার কাছে একজন অপরিচিত মানুষের মতো।''' ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-27/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-4-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 4): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} == ড্যানিয়েল কানেমান সম্পর্কে উক্তি == * ড্যানির কাজের একটি বিশাল অংশ হলো আমরা কীভাবে চিন্তা করি এবং আমরা কতটা গভীরভাবে অযৌক্তিক হতে পারি তা নিয়ে। সেটিও ব্যবসাক্ষেত্রকে বদলে দিচ্ছে, যদিও তা খুব ধীরগতিতে; আর এটিই তাঁর নতুন বইটির দশ লক্ষ কপি বিক্রির কারণ ব্যাখ্যা করে। তবে, ইতিহাসের বিশাল প্রেক্ষাপটে আমার ধারণা তিনি সেই ব্যক্তি হিসেবেই সবচেয়ে বেশি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন, যিনি সুখকে একটি সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে গিয়েছেন। ** [[w:রিচার্ড লেয়ার্ড, ব্যারন লেয়ার্ড|রিচার্ড লেয়ার্ড]], {{cite news|url=http://www.theguardian.com/science/2014/feb/16/daniel-kahneman-thinking-fast-and-slow-tributes |title=Daniel Kahneman changed the way we think about thinking. But what do other thinkers think of him? |work=দ্য গার্ডিয়ান|date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আমি ড্যানিয়েল কানেমানকে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী জীবিত মনোবিজ্ঞানী বলে অভিহিত করেছি এবং আমি বিশ্বাস করি এটি সত্য। তিনি প্রায় একাই আচরণগত অর্থনীতির ক্ষেত্রটি তৈরি করেছেন এবং [[জ্ঞানীয় মনোবিজ্ঞান]] ও সামাজিক মনোবিজ্ঞানের বড় একটি অংশে বিপ্লব ঘটিয়েছেন। তাঁর মূল বার্তাটি এর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারত না—তা হলো, মানুষের বিচারবুদ্ধিকে যদি তার নিজের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয় তবে তা অনেক ধরণের ভ্রান্তি এবং পদ্ধতিগত ত্রুটির জালে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা দেখায়; তাই আমরা যদি আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে এবং সমাজ হিসেবে আরও ভালো সিদ্ধান্ত নিতে চাই, তবে আমাদের এই পক্ষপাতগুলো সম্পর্কে সচেতন হতে হবে এবং বিকল্প পথ খুঁজতে হবে। এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার। ** [[স্টিভেন পিঙ্কার]]। "ড্যানিয়েল কানেমান চেঞ্জড দ্য ওয়ে উই থিংক অ্যাবাউট থিংকিং। বাট হোয়াট ডু আদার থিংকার্স থিংক অফ হিম?," ''দ্য অবজারভার,'' ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। == বহিঃসংযোগ == {{Wikipedia|ড্যানিয়েল কানেমান|ড্যানিয়েল কানেমান}} * [[w:টেড (সম্মেলন)|টেড]]-এ ["অভিজ্ঞতা বনাম স্মৃতির ধাঁধা" বিষয়ের ওপর বক্তৃতা], ফেব্রুয়ারি ২০১০ {{DEFAULTSORT:কানেমান, ড্যানিয়েল}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মনোবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসরায়েলি ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাস্তিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী]] [[বিষয়শ্রেণী:তেল আবিবের ব্যক্তিত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসরায়েলের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] 4n844a0n3dc8xzziuwcxscgzh5o5a2t 78855 78854 2026-04-20T08:47:23Z Sumanta3023 4175 /* উক্তি */ 78855 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Daniel KAHNEMAN.jpg|thumb|ড্যানিয়েল কানেম্যান, ২০০৯]] '''[[w:ড্যানিয়েল কানেম্যান|ড্যানিয়েল কানেম্যান]]''' (৫ মার্চ ১৯৩৪ – ২৭ মার্চ ২০২৪) একজন ইসরায়েলি-মার্কিন [[মনোবিজ্ঞানী]] ছিলেন। তিনি ২০০২ সালে [[ভার্নন এল স্মিথ|ভার্নন এল. স্মিথ]]-এর সাথে যৌথভাবে [[w:অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার|অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার]] লাভ করেন। কানেম্যান তাঁর [[বিচারবুদ্ধি]] ও [[সিদ্ধান্ত গ্রহণ|সিদ্ধান্ত গ্রহণের]] মনোবিজ্ঞান, [[w:আচরণগত অর্থনীতি|আচরণগত অর্থনীতি]] এবং [[w:সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞান|সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞানের]] ওপর কাজের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। পরবর্তী জীবনে তিনি প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির উড্রো উইলসন স্কুলের মনোবিজ্ঞান এবং জনবিষয়ক বিভাগের এমেরিটাস অধ্যাপক ছিলেন। == উক্তি == * আমার একটি অভিজ্ঞতার কথা স্পষ্টভাবে মনে আছে যেখানে অনুভূতির নানা রঙের মিশেল ছিল। সময়টা ১৯৪১ সালের শেষের দিকে বা ১৯৪২ সালের শুরুর দিক হবে। ইহুদিদের জন্য তখন পোশাকে 'স্টার অফ ডেভিড' পরা এবং সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ঘরে ফেরার কারফিউ মেনে চলা বাধ্যতামূলক ছিল। আমি এক খ্রিস্টান বন্ধুর সাথে খেলতে গিয়েছিলাম এবং ফিরতে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। বাড়ি ফেরার জন্য কয়েক ব্লকের পথ হাঁটার সময় আমি আমার বাদামী সোয়েটারটি উল্টো করে পরে নিয়েছিলাম (যাতে তারাটি ঢাকা পড়ে)। জনশূন্য রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় আমি একজন জার্মান সৈন্যকে এগিয়ে আসতে দেখলাম। তিনি সেই কালো ইউনিফর্মটি পরে ছিলেন যা অন্য সব ইউনিফর্মের চেয়ে বেশি ভয় পেতে আমাকে শেখানো হয়েছিল — এটি বিশেষভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত এসএস (SS) সৈন্যদের পোশাক। আমি দ্রুত হাঁটার চেষ্টা করছিলাম, তাঁর কাছাকাছি আসতেই লক্ষ্য করলাম তিনি আমার দিকে তীক্ষ্ণভাবে তাকিয়ে আছেন। এরপর তিনি আমাকে কাছে ডাকলেন, কোলে তুলে নিলেন এবং জড়িয়ে ধরলেন। আমি প্রচণ্ড আতঙ্কে ছিলাম যে তিনি আমার সোয়েটারের ভেতরে থাকা তারাটি দেখে ফেলবেন। তিনি জার্মান ভাষায় খুব আবেগ দিয়ে আমার সাথে কথা বলছিলেন। আমাকে নিচে নামিয়ে দেওয়ার পর তিনি তাঁর মানিব্যাগ খুললেন, একটি ছেলের ছবি দেখালেন এবং আমাকে কিছু টাকা দিলেন। আমি যখন বাড়ি ফিরলাম, তখন নিজের মনের ভেতর আগের চেয়েও বেশি নিশ্চিত হলাম যে আমার মা ঠিকই বলতেন: মানুষ সীমাহীন জটিল এবং কৌতুহলোদ্দীপক। ** [http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economic-sciences/laureates/2002/kahneman-bio.html নোবেল পুরস্কারের আত্মজীবনীমূলক তথ্য] (২০০২)। * '''যাঁরা পরিবর্তন নিয়ে আসেন তাঁরা একা মারা যান না। যাঁরা তাঁদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকের ভেতর থেকেই কিছু একটা হারিয়ে যায়।''' আমোস অনেক পরিবর্তন এনেছিলেন, এবং যখন তিনি মারা গেলেন, আমাদের অনেকের জন্যই জীবন কিছুটা ম্লান ও সংকুচিত হয়ে গেল। পৃথিবীতে বুদ্ধিমত্তার পরিমাণ কমে গেল। কমে গেল রসবোধ। এমন অনেক প্রশ্ন আছে যেগুলোর উত্তর আর কখনোই গভীরতা ও স্পষ্টতার সেই অপ্রতিম সংমিশ্রণে পাওয়া যাবে না। এমন অনেক মানদণ্ড আছে যেগুলোকে আর কখনোই নীতি ও কাণ্ডজ্ঞান দিয়ে একইভাবে রক্ষা করা হবে না। জীবন আরও দরিদ্র হয়ে পড়েছে। মোজাইকের মাঝে আমোসের আকৃতির এক বিশাল শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে, যা আর কখনও পূরণ হবে না। এটি পূরণ করা সম্ভব নয় কারণ আমোস এই পৃথিবীতে নিজের জায়গা নিজেই তৈরি করেছিলেন, তিনি নিজের জীবন এমনকি নিজের মৃত্যুকেও রূপ দিয়েছিলেন। আর নিজের জীবন ও জগতকে রূপ দেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি তাঁর চারপাশের অনেক মানুষের জীবন ও জগতকেও বদলে দিয়েছিলেন। ** ৫ জুন ১৯৯৬ তারিখে তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মী [[w:আমোস টিভারস্কি|আমোস টিভারস্কি]]-এর মৃত্যু সম্পর্কে। [http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economic-sciences/laureates/2002/kahneman-bio.html নোবেল পুরস্কারের আত্মজীবনীমূলক তথ্য] (২০০২)। * কোনো চিকিৎসকের "মুখভঙ্গি" দেখে একটি রোগ শনাক্ত করা এবং একটি ছোট শিশুর কোনো কিছুর দিকে আঙুল উঁচিয়ে "কুকুর" বলার মধ্যে আক্ষরিক অর্থে কোনো পার্থক্য নেই। ** টকস অ্যাট গুগল - ১০ নভেম্বর ২০১১ * সংখ্যার কারণে কেউ কখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। মানুষের একটি গল্পের প্রয়োজন হয়। ** মাইকেল লুইস। "দ্য আনডুইং প্রজেক্ট: আ ফ্রেন্ডশিপ দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড"। পেঙ্গুইন, ২০১৬ (ISBN 9780141983035)। * আমি স্বল্প-শক্তির গবেষণার ওপর বড্ড বেশি আস্থা রেখেছিলাম। ব্লগে এবং এর আগে অ্যান্ড্রু গেলম্যান যেমনটি উল্লেখ করেছেন, আমার এই ভুলের মধ্যে একটি বিশেষ পরিহাস রয়েছে; কারণ আমোস টিভারস্কি এবং আমি যে প্রথম গবেষণাপত্রটি প্রকাশ করেছিলাম, সেটি ছিল "ক্ষুদ্র সংখ্যার নীতির" ওপর বিশ্বাসের বিষয়ে, যা গবেষকদের অযৌক্তিক ক্ষুদ্র নমুনাসহ স্বল্প-শক্তির গবেষণার ফলাফলের ওপর আস্থা রাখতে প্ররোচিত করে। আমরা ওভারঅল (১৯৬৯)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে দেখিয়েছিলাম যে "পরিসংখ্যানগত শক্তিতে ঘাটতি থাকা গবেষণার ব্যাপকতা কেবল অপচয়ই নয় বরং আসলে ক্ষতিকর: এর ফলে প্রকাশিত ফলাফলগুলোর মধ্যে একটি বড় অংশেই নাল হাইপোথিসিস বা শূন্য প্রকল্পের ভুল প্রত্যাখ্যান ঘটে।" আমাদের নিবন্ধটি ১৯৬৯ সালে লেখা এবং ১৯৭১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু আমি এর বার্তাটি নিজের মাঝে ধারণ করতে ব্যর্থ হয়েছি।<br />যখন আমি "থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো" লিখেছিলাম, তখন আমার অবস্থান ছিল এমন যে—যদি নামী জার্নালগুলোতে প্রকাশিত প্রমাণের একটি বড় অংশ প্রাথমিকভাবে অবিশ্বাস্য মনে হওয়া কোনো সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে, তবে বৈজ্ঞানিক নিয়ম অনুযায়ী আমাদের সেই সিদ্ধান্তকে বিশ্বাস করা উচিত। অবিশ্বাস্য হওয়াটাই অবিশ্বাসকে ন্যায়সঙ্গত করার জন্য যথেষ্ট নয়, এবং সুপ্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্তগুলো বিশ্বাস করা ঐচ্ছিক কোনো বিষয় নয়। এই অবস্থানটি এখনও আমার কাছে যুক্তিসঙ্গত মনে হয় – আর এই কারণেই আমি মনে করি মানুষের জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বাস করা উচিত। কিন্তু এই যুক্তি তখনই খাটে যখন সমস্ত প্রাসঙ্গিক ফলাফল প্রকাশিত হয়।<br />আমি অবশ্যই জানতাম যে প্রাইমিং স্টাডিজের ফলাফলগুলো ছোট নমুনার ওপর ভিত্তি করে ছিল, প্রভাবের মাত্রাগুলো হয়তো অবিশ্বাস্য রকমের বড় ছিল এবং কোনো একক গবেষণাই নিজে থেকে চূড়ান্ত ছিল না। যা আমাকে মুগ্ধ করেছিল তা হলো অনেক গবেষণাগার থেকে পাওয়া রিপোর্টের ফলাফলের একমত হওয়া এবং সেগুলোর সুসংগতি। আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলাম যে দক্ষ পরীক্ষকদের পক্ষে প্রাইমিং ইফেক্ট তৈরি করা সহজ এবং এগুলো বেশ শক্তিশালী। তবে, আমি এখন বুঝতে পারছি যে আমার যুক্তি ত্রুটিপূর্ণ ছিল এবং আমার আরও সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। স্বল্প-শক্তির গবেষণাগুলোর মধ্যে এই সর্বসম্মত ঐক্য আসলে একটি গুরুতর 'ফাইল-ড্রয়ার সমস্যা' (এবং/অথবা পি-হ্যাকিং)-এর অস্তিত্বের অকাট্য প্রমাণ দেয়। যুক্তিটি অনস্বীকার্য: যেসব গবেষণা সম্ভাব্য প্রভাব শনাক্ত করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী নয়, সেগুলোতে গবেষণার হাইপোথিসিস সত্য হওয়া সত্ত্বেও মাঝে মাঝে তাৎপর্যহীন ফলাফল আসতে বাধ্য – এই ধরনের ফলাফলের অনুপস্থিতিই প্রমাণ করে যে প্রকাশিত নথিপত্রে কোথাও কোনো গরমিল আছে... ** [https://replicationindex.com/2017/02/02/reconstruction-of-a-train-wreck-how-priming-research-went-of-the-rails/comment-page-1/#comment-1454 ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭], [https://retractionwatch.com/2017/02/20/placed-much-faith-underpowered-studies-nobel-prize-winner-admits-mistakes/ রিট্রাকশনওয়াচ]-এ উদ্ধৃত। * এবং আরও একটি বিষয় আছে যা আমার মতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেটি হলো, '''প্রায় সব মনস্তাত্ত্বিক হাইপোথিসিসই সত্য''', অর্থাৎ এই অর্থে যে, আপনি যদি ধারণা করেন 'ক' আসলে 'খ'-এর কারণ হয়, তবে এটি সত্য নয় যে 'ক' আসলে 'খ'-এর বিপরীত কিছু ঘটায়। হয়তো 'ক'-এর প্রভাব খুব সামান্য, কিন্তু হাইপোথিসিসগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সত্য হয়; তবে সেগুলো আপনি যতটা ভাবেন তার চেয়ে অনেক বেশি দুর্বল... ** লেক্স ফ্রিডম্যান পডকাস্ট, ১:০৪:১০। ১৪ জানুয়ারি ২০২০। * আপনার উচিত নিজের সহজাত প্রবৃত্তিকে (gut feeling) তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ করা এবং তারপর সেটিকে বিশ্বাস করা। ** হার্ভার্ডে আলোচনা - ৩ ডিসেম্বর ২০২১<ref>https://news.harvard.edu/gazette/story/2021/12/daniel-kahneman-on-how-to-influence-others/</ref> * প্রথম পরামর্শ হলো গতি ধীর করা, এবং আপনার প্রথম ঝোঁক বা আবেগকে অনুসরণ না করা। ** হার্ভার্ডে আলোচনা - ৩ ডিসেম্বর ২০২১<ref>https://news.harvard.edu/gazette/story/2021/12/daniel-kahneman-on-how-to-influence-others/</ref> === থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো (২০১১) === :<small>'''দ্রষ্টব্য''': অন্য কোনো উল্লেখ না থাকলে পৃষ্ঠা নম্বরগুলো (ISBN 9780141033570) থেকে নেওয়া।</small> * এই বইয়ের একটি পুনরাবৃত্ত মূলভাব হলো যে, '''[[ভাগ্য|সাফল্যের]] প্রতিটি গল্পে [[সাফল্য|ভাগ্যের]] একটি বিশাল ভূমিকা থাকে'''; গল্পের মধ্যে খুব সামান্য একটি পরিবর্তন শনাক্ত করা প্রায় সব সময়ই সহজ, যা একটি অসাধারণ অর্জনকে একটি সাধারণ ফলাফলে পরিণত করতে পারত। ** ভূমিকা, পৃষ্ঠা ৯। * '''[[বুদ্ধিমত্তা]] কেবল [[যুক্তি|যুক্তি প্রদানের]] ক্ষমতা নয়; এটি [[স্মৃতি|স্মৃতি]] থেকে [[প্রাসঙ্গিকতা|প্রাসঙ্গিক]] তথ্য খুঁজে বের করার এবং প্রয়োজনবোধে [[মনোযোগ]] দেওয়ার ক্ষমতাও বটে।''' ** অধ্যায় ৩, "দ্য লেজি কন্ট্রোলার" পৃষ্ঠা ৪৬। * অবিশ্বাস করার কোনো সুযোগ নেই। ফলাফলগুলো মনগড়া নয়, কিংবা এগুলো কোনো পরিসংখ্যানগত আকস্মিক ঘটনাও নয়। এই গবেষণাগুলোর প্রধান সিদ্ধান্তগুলো যে সত্য, তা মেনে নেওয়া ছাড়া আপনার কোনো উপায় নেই। ** প্রাইমিং গবেষণার ওপর। কানেমান পরবর্তীতে প্রাইমিং গবেষণার প্রতি তাঁর সমর্থনের বিষয়ে একটি শর্তসাপেক্ষ প্রত্যাহার (retraction) জারি করেছিলেন। অধ্যায় ৪, "দ্য অ্যাসোসিয়েটিভ মেশিন"। * '''মানুষকে কোনো [[মিথ্যা|মিথ্যাবাদে]] বিশ্বাস করানোর একটি নির্ভরযোগ্য উপায় হলো সেটির ঘনঘন [[পুনরাবৃত্তি]], কারণ [[পরিচিতি|পরিচিতি]] এবং [[সত্য|সত্যের]] মধ্যে পার্থক্য করা সহজ নয়।''' ** অধ্যায় ৫, "কগনিটিভ ইজ" পৃষ্ঠা ৬২। * '''একটি ভালো [[গল্পের]] জন্য [[তথ্য|তথ্যের]] {{w|সামঞ্জস্যতা}} গুরুত্বপূর্ণ, তার পূর্ণতা নয়।''' প্রকৃতপক্ষে, আপনি প্রায়ই লক্ষ্য করবেন যে, '''খুব সামান্য জানলে আপনার জানা সবকিছুকে একটি সুসংগত [[ধরণ|কাঠামোতে]] বিন্যস্ত করা সহজ হয়ে যায়।''' ** অধ্যায় ৭, "এ মেশিন ফর জাম্পিং টু কনক্লুশনস" পৃষ্ঠা ৮৭। * শিক্ষাটি পরিষ্কার: [[মৃত্যু|মৃত্যুর]] কারণগুলো সম্পর্কে আমাদের অনুমানগুলো [[গণমাধ্যম|মিডিয়া]] কভারেজ দ্বারা প্রভাবিত হয়। [...] আমাদের মাথার ভেতরের জগতটি বাস্তবতার নিখুঁত প্রতিরূপ নয়; '''কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তির হার সম্পর্কে আমাদের প্রত্যাশাগুলো সেই বার্তার ব্যাপকতা এবং আবেগীয় তীব্রতা দ্বারা বিকৃত হয়''', যা আমাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। ** অধ্যায় ১৩, "অ্যাভেইলিবিলিটি, ইমোশন, অ্যান্ড রিস্ক" পৃষ্ঠা ১৩৮। * আমাদের [[পরিসংখ্যান]] সংক্রান্ত চিন্তা এবং স্বতন্ত্র ঘটনা সংক্রান্ত চিন্তার মধ্যে একটি গভীর ব্যবধান রয়েছে। ** অধ্যায় ১৫, "কজেস ট্রাম্প স্ট্যাটিস্টিকস" পৃষ্ঠা ১৭৪। * {{w|সহসম্বন্ধ}} (correlation) এবং [[w:রিগ্রেশন বিশ্লেষণ|রিগ্রেশন]] যে দুটি ভিন্ন ধারণা নয়—বরং একই ধারণার দুটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি, তা বুঝতে [[ফ্রান্সিস গাল্টন|ফ্রান্সিস গাল্টনের]] কয়েক বছর সময় লেগেছিল। সাধারণ নিয়মটি সহজবোধ্য কিন্তু এর ফলাফলগুলো বিস্ময়কর: যখনই দুটি স্কোরের মধ্যে সহসম্বন্ধ অপূর্ণ থাকে, তখনই সেখানে গড়ের দিকে প্রত্যাগমন (regression to the mean) ঘটবে। ** অধ্যায় ১৭, "রিগ্রেশন টু দ্য মিন" পৃষ্ঠা ১৮১। * '''পৃথিবীটা অর্থবহ—আমাদের এই স্বস্তিদায়ক বিশ্বাসটি একটি নিরাপদ ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে: আর তা হলো আমাদের [[অজ্ঞতা|অজ্ঞতাকে]] উপেক্ষা করার প্রায় সীমাহীন ক্ষমতা।''' ** অধ্যায় ১৯, "দ্য ইলিউশন অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং" পৃষ্ঠা ২০১। * একটি বিচারের ক্ষেত্রে [[w:বিষয়ীভাব এবং বস্তুনিষ্ঠতা (দর্শন)|বিষয়ীগত]] [[আত্মবিশ্বাস]] কোনো যুক্তিনির্ভর মূল্যায়ন নয় যে সেই বিচারটি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু। '''আত্মবিশ্বাস হলো একটি অনুভূতি, যা তথ্যের সুসংগতি এবং তা প্রক্রিয়াকরণের মানসিক সহজবোধ্যতাকে প্রতিফলিত করে।''' [[অনিশ্চয়তা|অনিশ্চয়তার]] স্বীকারোক্তিকে গুরুত্বের সাথে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ, কিন্তু '''উচ্চ আত্মবিশ্বাসের ঘোষণা মূলত আপনাকে এটাই জানায় যে একজন ব্যক্তি তার মনে একটি সুসংগত [[গল্প]] তৈরি করেছেন, তার মানে এই নয় যে সেই গল্পটি [[সত্য|সত্য]]।''' ** অধ্যায় ২০, "দ্য ইলিউশন অফ ভ্যালিডিটি" পৃষ্ঠা ২১২। * সে একটি অভ্যন্তরীণ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করছে। তার উচিত নিজের ক্ষেত্রটির কথা ভুলে যাওয়া এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে কী ঘটেছিল তা দেখা। ** অধ্যায় ২৩, "দ্য আউটসাইড ভিউ" পৃষ্ঠা ২৫৪। * এমন কোনো প্রমাণ নেই যে [[অর্থনীতি|অর্থনৈতিক]] ক্ষেত্রে [[ঝুঁকি]] গ্রহণকারীদের উচ্চ বাজি ধরার প্রতি অস্বাভাবিক কোনো আকাঙ্ক্ষা থাকে; তারা কেবল সাধারণ ভীরু মানুষের তুলনায় ঝুঁকি সম্পর্কে কম সচেতন। ** অধ্যায় ২৪, "দ্য ইঞ্জিন অফ ক্যাপিটালিজম" পৃষ্ঠা ২৬৩। * '''সে [[লাভ|লাভের]] তুলনায় [[ক্ষতি|ক্ষতিকে]] প্রায় দ্বিগুণ গুরুত্ব দেয়, যা অত্যন্ত [[স্বাভাবিকতা|স্বাভাবিক]]।''' ** অধ্যায় ২৬, "প্রসপেক্ট থিওরি" পৃষ্ঠা ২৮৮। * মানুষের অনেক দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি এমনভাবে উন্মোচিত হয় [...] যেখানে খুব খারাপ বিকল্পের সম্মুখীন হওয়া মানুষগুলো বেপরোয়া জুয়া খেলে; তারা একটি বড় ক্ষতি এড়ানোর সামান্য আশার বিনিময়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার উচ্চ সম্ভাবনাকে মেনে নেয়। এই ধরণের ঝুঁকি গ্রহণ প্রায়শই সামাল দেওয়ার মতো [[ব্যর্থতা|ব্যর্থতাকে]] [[বিপর্যয়|বিপর্যয়ে]] পরিণত করে। ** অধ্যায় ২৯, "দ্য ফোরফোল্ড প্যাটার্ন" পৃষ্ঠা ৩১৮-৩১৯। * একটি বিরল ঘটনাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হবে যদি এটি বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করে। [...] আর যেখানে কোনো অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয় না, সেখানে অবহেলা দেখা দেয়। ** অধ্যায় ৩০, "রেয়ার ইভেন্টস", পৃষ্ঠা ৩৩৩। * অন্য কোনো স্পষ্ট কারণ না থাকলে, '''আমাদের অধিকাংশ মানুষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সমস্যাগুলোকে যেভাবে [[w:ফ্রেমিং (সামাজিক বিজ্ঞান)|উপস্থাপন]] করা হয় সেভাবেই নিষ্ক্রিয়ভাবে গ্রহণ করি; এবং তাই আমাদের পছন্দগুলো ''বাস্তবতা-নির্ভর'' হওয়ার চেয়ে কতটা বেশি ''উপস্থাপন-নির্ভর'' তা আবিষ্কার করার সুযোগ খুব কমই পাই।''' ** অধ্যায় ৩৪, "ফ্রেমস অ্যান্ড রিয়ালিটি", পৃষ্ঠা ৩৬৭। * একটি গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা হলো যে, '''উচ্চতর আয়ের সাথে জীবনের ছোট ছোট আনন্দগুলো উপভোগ করার ক্ষমতা কমে যাওয়ার একটি সম্পর্ক রয়েছে।''' [...] অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকা এবং জীবন নিয়ে সন্তুষ্টির ওপর আয়ের প্রভাবের মধ্যে একটি স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। উচ্চতর আয় অধিকতর সন্তুষ্টি নিয়ে আসে, এমনকি সেই সীমা পার হওয়ার পরেও যখন অভিজ্ঞতার ওপর এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব থাকে না। [...] জীবন নিয়ে সন্তুষ্টি তাদের অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকার কোনো ত্রুটিপূর্ণ পরিমাপ নয়, যা আমি কয়েক বছর আগে ভেবেছিলাম। এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু। ** অধ্যায় ৩৭, "এক্সপেরিয়েন্সড ওয়েল-বিয়িং", পৃষ্ঠা ৩৯৭। * অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকা গড়ে [[বিয়ে|বিয়ের]] মাধ্যমে প্রভাবিত হয় না; এর কারণ এটি নয় যে বিয়ে [[সুখ|সুখের]] ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আনে না, বরং এর কারণ হলো এটি জীবনের কিছু দিককে ভালোর দিকে এবং অন্য কিছু দিককে মন্দের দিকে বদলে দেয়। ** অধ্যায় ৩৮, "থিংকিং অ্যাবাউট লাইফ", পৃষ্ঠা ৪০০-৪০১। * আপনি যখন কোনো বিষয় নিয়ে ভাবছেন, তখন জীবনের কোনো কিছুই ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয় যতটা আপনি তখন মনে করছেন। ** অধ্যায় ৩৮, "থিংকিং অ্যাবাউট লাইফ", পৃষ্ঠা ৪০২। * মানুষ [[অযৌক্তিকতা|অযৌক্তিক]] না হলেও, আরও নির্ভুল বিচার এবং আরও ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য প্রায়শই তাদের সাহায্যের প্রয়োজন হয়। [...] যারা ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের দুর্বলতাগুলোর সুযোগ নেয়, তাদের থেকেও [মানুষের] সুরক্ষা প্রয়োজন [...]। ** উপসংহার, পৃষ্ঠা ৪১১-৪১৩। === "পলক ফেলবেন না! আত্মবিশ্বাসের বিপদ" (২০১১) === * কোনো বিচার করার সময় আমরা যে আত্মবিশ্বাস অনুভব করি, তা সেই বিচারটি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনার কোনো যুক্তিনির্ভর মূল্যায়ন নয়। আত্মবিশ্বাস হলো একটি অনুভূতি, যা মূলত গল্পের সুসংগতি এবং এটি কত সহজে মাথায় আসছে তার দ্বারা নির্ধারিত হয়; এমনকি যখন গল্পের স্বপক্ষে প্রমাণ থাকে সামান্য এবং অনির্ভরযোগ্য। সুসংগতির প্রতি এই পক্ষপাত অতি-আত্মবিশ্বাসকে উৎসাহিত করে। একজন ব্যক্তি যিনি উচ্চ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন, তাঁর কাছে সম্ভবত একটি ভালো গল্প আছে, যা সত্য হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। ** {{cite news|url=http://www.nytimes.com/2011/10/23/magazine/dont-blink-the-hazards-of-confidence.html?pagewanted=all&_r=0 |title=Don’t Blink! The Hazards of Confidence |work=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|date=১৯ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আমরা প্রায়শই এমন পেশাদারদের সাথে কাজ করি যারা স্পষ্ট আত্মবিশ্বাসের সাথে তাদের বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করেন, কখনও কখনও তাঁরা তাঁদের সহজাত প্রবৃত্তির ক্ষমতা নিয়ে গর্বও করেন। বৈধতা এবং দক্ষতার বিভ্রমপূর্ণ এই পৃথিবীতে আমরা কি তাঁদের বিশ্বাস করতে পারি? বিশেষজ্ঞদের ন্যায্য আত্মবিশ্বাস এবং নিজেদের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে অজান্তেই থাকা পেশাদারদের আন্তরিক অতি-আত্মবিশ্বাসের মধ্যে আমরা কীভাবে পার্থক্য করব? আমরা সেই বিশেষজ্ঞকে বিশ্বাস করতে পারি যিনি অনিশ্চয়তা স্বীকার করেন, কিন্তু উচ্চ আত্মবিশ্বাসের অভিব্যক্তিকে সরাসরি ধ্রুব সত্য বলে ধরে নেওয়া যায় না। আমি প্রথম যখন সেই বাধা অতিক্রমের ময়দানে শিখেছিলাম—মানুষ সামান্য বা কিছু না জেনেও সুসংগত গল্প তৈরি করতে এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারে। অতি-আত্মবিশ্বাস তৈরি হয় কারণ মানুষ প্রায়ই নিজের অন্ধত্ব সম্পর্কে অন্ধ থাকে। ** {{cite news|url=http://www.nytimes.com/2011/10/23/magazine/dont-blink-the-hazards-of-confidence.html?pagewanted=all&_r=0 |title=Don’t Blink! The Hazards of Confidence |work=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|date=১৯ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} === "পক্ষপাত, অন্ধত্ব এবং আমরা আসলে কীভাবে চিন্তা করি" (২০১১) === * আমাদের অধিকাংশ মানুষই জগতকে তার প্রকৃত অবস্থার চেয়ে বেশি কল্যাণকর হিসেবে দেখি, আমাদের নিজেদের গুণাবলিকে তার প্রকৃত রূপের চেয়ে বেশি ইতিবাচক মনে করি এবং আমাদের গ্রহণ করা লক্ষ্যগুলোকে সেগুলোর সফল হওয়ার সম্ভাবনার চেয়ে বেশি অর্জনযোগ্য বলে ধরে নিই। আমরা ভবিষ্যতের পূর্বাভাস দেওয়ার ক্ষমতার বিষয়েও বাড়িয়ে বলার প্রবণতা দেখাই, যা অতি-আত্মবিশ্বাসকে লালন করে। সিদ্ধান্তের ওপর প্রভাবের দিক থেকে বিচার করলে, এই আশাবাদী পক্ষপাত সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কগনিটিভ বায়াস বা জ্ঞানীয় পক্ষপাত হতে পারে। যেহেতু আশাবাদী পক্ষপাত একই সাথে একটি আশীর্বাদ এবং একটি ঝুঁকি, তাই আপনি যদি স্বভাবগতভাবে আশাবাদী হন তবে আপনার একই সাথে সুখী এবং সতর্ক হওয়া উচিত। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-24/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-1-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 1): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আশাবাদ একটি স্বাভাবিক বিষয়, তবে কিছু ভাগ্যবান মানুষ আমাদের বাকিদের চেয়ে বেশি আশাবাদী হন। আপনি যদি জন্মগতভাবে আশাবাদী পক্ষপাতের অধিকারী হন, তবে আপনি যে একজন ভাগ্যবান ব্যক্তি তা আপনাকে বলার প্রয়োজন পড়ে না — আপনি নিজেই নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন। আশাবাদী মানুষরা আমাদের জীবনকে রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে অসম অনুপাতে বড় ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের সিদ্ধান্তগুলো পরিবর্তন নিয়ে আসে; তাঁরা সাধারণ মানুষ নন, বরং উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা, রাজনৈতিক এবং সামরিক নেতা। তাঁরা চ্যালেঞ্জ অন্বেষণ এবং ঝুঁকি গ্রহণের মাধ্যমেই আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। তাঁরা মেধাবী এবং তাঁরা ভাগ্যবান ছিলেন, এবং প্রায় নিশ্চিতভাবেই তাঁরা যতটা স্বীকার করেন তার চেয়েও বেশি ভাগ্যবান ছিলেন। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-24/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-1-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 1): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * রহস্যটি হলো কীভাবে এমন একটি ধারণা, যা এত সুস্পষ্ট পাল্টা উদাহরণের মুখেও অরক্ষিত, তা এতদিন টিকে ছিল। এটি আমি কেবল পাণ্ডিত্যের একটি দুর্বলতা দিয়ে ব্যাখ্যা করতে পারি যা আমি প্রায়শই নিজের মধ্যেও লক্ষ্য করেছি। আমি একে 'তত্ত্ব-প্ররোচিত অন্ধত্ব' বলি: একবার আপনি একটি তত্ত্ব গ্রহণ করে ফেললে, এর ত্রুটিগুলো লক্ষ্য করা অসাধারণভাবে কঠিন হয়ে পড়ে। মনোবিজ্ঞানী ড্যানিয়েল গিলবার্ট যেমন লক্ষ্য করেছেন, অবিশ্বাস করা একটি কঠিন কাজ। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-25/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-2-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 2): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * মানুষের যত্ন নেওয়ার বিষয়টি প্রায়শই তাদের গল্পের গুণমানের প্রতি উদ্বেগের রূপ নেয়, তাদের অনুভূতির প্রতি নয়। প্রকৃতপক্ষে, আমরা এমনকি এমন সব ঘটনা দিয়েও গভীরভাবে বিচলিত হতে পারি যা মৃত ব্যক্তিদের গল্পকেও বদলে দেয়। আমরা এমন একজন ব্যক্তির জন্য করুণা বোধ করি যিনি তাঁর স্ত্রীর ভালোবাসায় বিশ্বাস রেখে মারা গেছেন, অথচ পরে আমরা জানতে পারি যে তাঁর স্ত্রীর বহু বছরের প্রেমিক ছিল এবং তিনি কেবল টাকার জন্য স্বামীর সাথে ছিলেন। স্বামীটি একটি সুখী জীবন যাপন করা সত্ত্বেও আমরা তাঁর জন্য করুণা বোধ করি। আমরা এমন একজন বিজ্ঞানীর অপমান অনুভব করি যাঁর আবিষ্কার তাঁর মৃত্যুর পর মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে, যদিও তিনি নিজে সেই অপমান অনুভব করেননি। সবচেয়ে বড় কথা, আমরা সবাই আমাদের নিজেদের জীবনের আখ্যান বা বর্ণনার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন এবং আমরা আন্তরিকভাবে চাই যে এটি একটি ভালো গল্প হোক, যার নায়ক হবে একজন মার্জিত ব্যক্তি। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-27/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-4-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 4): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আপনার পরবর্তী ছুটি নিয়ে একটি পরীক্ষা আপনাকে আপনার 'অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তার' প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি পর্যবেক্ষণ করতে সাহায্য করবে: ছুটির শেষে সমস্ত ছবি এবং ভিডিও ধ্বংস করে দেওয়া হবে। এছাড়া, আপনি এমন একটি পানীয় পান করবেন যা ওই ছুটির সমস্ত স্মৃতি আপনার মন থেকে মুছে ফেলবে। এটি আপনার ছুটির পরিকল্পনাকে কীভাবে প্রভাবিত করবে? একটি স্বাভাবিক স্মৃতিময় ছুটির তুলনায় এই ছুটির জন্য আপনি কতটুকু খরচ করতে রাজি হবেন? আমার ধারণা হলো যে, স্মৃতির বিলুপ্তি অভিজ্ঞতার মূল্যকে অনেকাংশেই কমিয়ে দেয়। একটি যন্ত্রণাদায়ক অপারেশনের কথা কল্পনা করুন যেখানে আপনি ব্যথায় চিৎকার করবেন এবং সার্জনকে থামার জন্য মিনতি করবেন। তবে আপনাকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে যে এমন একটি অ্যামনেসিয়া-প্ররোচিত ওষুধ দেওয়া হবে যা ওই ঘটনার সমস্ত স্মৃতি মুছে ফেলবে। এখানেও আমার পর্যবেক্ষণ হলো যে, অধিকাংশ মানুষই তাদের অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তার ব্যথার বিষয়ে আশ্চর্যজনকভাবে উদাসীন থাকে। কেউ কেউ বলেন যে তারা মোটেও পরোয়া করেন না। অন্যরা আমার অনুভূতির সাথে একমত হন, যা হলো—আমি আমার যন্ত্রণাকাতর সত্তার জন্য করুণা বোধ করি ঠিকই, কিন্তু তা ব্যথায় থাকা একজন অপরিচিত ব্যক্তির প্রতি অনুভবের চেয়ে বেশি কিছু নয়। '''আমি হলাম আমার 'স্মৃতি ধারণকারী সত্তা', আর আমার যে 'অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তা' আমার জীবনটা যাপন করে, সে আমার কাছে একজন অপরিচিত মানুষের মতো।''' ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-27/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-4-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 4): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} == ড্যানিয়েল কানেমান সম্পর্কে উক্তি == * ড্যানির কাজের একটি বিশাল অংশ হলো আমরা কীভাবে চিন্তা করি এবং আমরা কতটা গভীরভাবে অযৌক্তিক হতে পারি তা নিয়ে। সেটিও ব্যবসাক্ষেত্রকে বদলে দিচ্ছে, যদিও তা খুব ধীরগতিতে; আর এটিই তাঁর নতুন বইটির দশ লক্ষ কপি বিক্রির কারণ ব্যাখ্যা করে। তবে, ইতিহাসের বিশাল প্রেক্ষাপটে আমার ধারণা তিনি সেই ব্যক্তি হিসেবেই সবচেয়ে বেশি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন, যিনি সুখকে একটি সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে গিয়েছেন। ** [[w:রিচার্ড লেয়ার্ড, ব্যারন লেয়ার্ড|রিচার্ড লেয়ার্ড]], {{cite news|url=http://www.theguardian.com/science/2014/feb/16/daniel-kahneman-thinking-fast-and-slow-tributes |title=Daniel Kahneman changed the way we think about thinking. But what do other thinkers think of him? |work=দ্য গার্ডিয়ান|date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আমি ড্যানিয়েল কানেমানকে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী জীবিত মনোবিজ্ঞানী বলে অভিহিত করেছি এবং আমি বিশ্বাস করি এটি সত্য। তিনি প্রায় একাই আচরণগত অর্থনীতির ক্ষেত্রটি তৈরি করেছেন এবং [[জ্ঞানীয় মনোবিজ্ঞান]] ও সামাজিক মনোবিজ্ঞানের বড় একটি অংশে বিপ্লব ঘটিয়েছেন। তাঁর মূল বার্তাটি এর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারত না—তা হলো, মানুষের বিচারবুদ্ধিকে যদি তার নিজের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয় তবে তা অনেক ধরণের ভ্রান্তি এবং পদ্ধতিগত ত্রুটির জালে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা দেখায়; তাই আমরা যদি আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে এবং সমাজ হিসেবে আরও ভালো সিদ্ধান্ত নিতে চাই, তবে আমাদের এই পক্ষপাতগুলো সম্পর্কে সচেতন হতে হবে এবং বিকল্প পথ খুঁজতে হবে। এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার। ** [[স্টিভেন পিঙ্কার]]। "ড্যানিয়েল কানেমান চেঞ্জড দ্য ওয়ে উই থিংক অ্যাবাউট থিংকিং। বাট হোয়াট ডু আদার থিংকার্স থিংক অফ হিম?," ''দ্য অবজারভার,'' ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। == বহিঃসংযোগ == {{Wikipedia|ড্যানিয়েল কানেমান|ড্যানিয়েল কানেমান}} * [[w:টেড (সম্মেলন)|টেড]]-এ ["অভিজ্ঞতা বনাম স্মৃতির ধাঁধা" বিষয়ের ওপর বক্তৃতা], ফেব্রুয়ারি ২০১০ {{DEFAULTSORT:কানেমান, ড্যানিয়েল}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মনোবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসরায়েলি ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাস্তিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী]] [[বিষয়শ্রেণী:তেল আবিবের ব্যক্তিত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসরায়েলের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] auptc066agwe976falbk0s5i2mhxo0z 78856 78855 2026-04-20T08:48:50Z Sumanta3023 4175 /* থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো (২০১১) */ 78856 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Daniel KAHNEMAN.jpg|thumb|ড্যানিয়েল কানেম্যান, ২০০৯]] '''[[w:ড্যানিয়েল কানেম্যান|ড্যানিয়েল কানেম্যান]]''' (৫ মার্চ ১৯৩৪ – ২৭ মার্চ ২০২৪) একজন ইসরায়েলি-মার্কিন [[মনোবিজ্ঞানী]] ছিলেন। তিনি ২০০২ সালে [[ভার্নন এল স্মিথ|ভার্নন এল. স্মিথ]]-এর সাথে যৌথভাবে [[w:অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার|অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার]] লাভ করেন। কানেম্যান তাঁর [[বিচারবুদ্ধি]] ও [[সিদ্ধান্ত গ্রহণ|সিদ্ধান্ত গ্রহণের]] মনোবিজ্ঞান, [[w:আচরণগত অর্থনীতি|আচরণগত অর্থনীতি]] এবং [[w:সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞান|সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞানের]] ওপর কাজের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। পরবর্তী জীবনে তিনি প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির উড্রো উইলসন স্কুলের মনোবিজ্ঞান এবং জনবিষয়ক বিভাগের এমেরিটাস অধ্যাপক ছিলেন। == উক্তি == * আমার একটি অভিজ্ঞতার কথা স্পষ্টভাবে মনে আছে যেখানে অনুভূতির নানা রঙের মিশেল ছিল। সময়টা ১৯৪১ সালের শেষের দিকে বা ১৯৪২ সালের শুরুর দিক হবে। ইহুদিদের জন্য তখন পোশাকে 'স্টার অফ ডেভিড' পরা এবং সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ঘরে ফেরার কারফিউ মেনে চলা বাধ্যতামূলক ছিল। আমি এক খ্রিস্টান বন্ধুর সাথে খেলতে গিয়েছিলাম এবং ফিরতে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। বাড়ি ফেরার জন্য কয়েক ব্লকের পথ হাঁটার সময় আমি আমার বাদামী সোয়েটারটি উল্টো করে পরে নিয়েছিলাম (যাতে তারাটি ঢাকা পড়ে)। জনশূন্য রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় আমি একজন জার্মান সৈন্যকে এগিয়ে আসতে দেখলাম। তিনি সেই কালো ইউনিফর্মটি পরে ছিলেন যা অন্য সব ইউনিফর্মের চেয়ে বেশি ভয় পেতে আমাকে শেখানো হয়েছিল — এটি বিশেষভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত এসএস (SS) সৈন্যদের পোশাক। আমি দ্রুত হাঁটার চেষ্টা করছিলাম, তাঁর কাছাকাছি আসতেই লক্ষ্য করলাম তিনি আমার দিকে তীক্ষ্ণভাবে তাকিয়ে আছেন। এরপর তিনি আমাকে কাছে ডাকলেন, কোলে তুলে নিলেন এবং জড়িয়ে ধরলেন। আমি প্রচণ্ড আতঙ্কে ছিলাম যে তিনি আমার সোয়েটারের ভেতরে থাকা তারাটি দেখে ফেলবেন। তিনি জার্মান ভাষায় খুব আবেগ দিয়ে আমার সাথে কথা বলছিলেন। আমাকে নিচে নামিয়ে দেওয়ার পর তিনি তাঁর মানিব্যাগ খুললেন, একটি ছেলের ছবি দেখালেন এবং আমাকে কিছু টাকা দিলেন। আমি যখন বাড়ি ফিরলাম, তখন নিজের মনের ভেতর আগের চেয়েও বেশি নিশ্চিত হলাম যে আমার মা ঠিকই বলতেন: মানুষ সীমাহীন জটিল এবং কৌতুহলোদ্দীপক। ** [http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economic-sciences/laureates/2002/kahneman-bio.html নোবেল পুরস্কারের আত্মজীবনীমূলক তথ্য] (২০০২)। * '''যাঁরা পরিবর্তন নিয়ে আসেন তাঁরা একা মারা যান না। যাঁরা তাঁদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকের ভেতর থেকেই কিছু একটা হারিয়ে যায়।''' আমোস অনেক পরিবর্তন এনেছিলেন, এবং যখন তিনি মারা গেলেন, আমাদের অনেকের জন্যই জীবন কিছুটা ম্লান ও সংকুচিত হয়ে গেল। পৃথিবীতে বুদ্ধিমত্তার পরিমাণ কমে গেল। কমে গেল রসবোধ। এমন অনেক প্রশ্ন আছে যেগুলোর উত্তর আর কখনোই গভীরতা ও স্পষ্টতার সেই অপ্রতিম সংমিশ্রণে পাওয়া যাবে না। এমন অনেক মানদণ্ড আছে যেগুলোকে আর কখনোই নীতি ও কাণ্ডজ্ঞান দিয়ে একইভাবে রক্ষা করা হবে না। জীবন আরও দরিদ্র হয়ে পড়েছে। মোজাইকের মাঝে আমোসের আকৃতির এক বিশাল শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে, যা আর কখনও পূরণ হবে না। এটি পূরণ করা সম্ভব নয় কারণ আমোস এই পৃথিবীতে নিজের জায়গা নিজেই তৈরি করেছিলেন, তিনি নিজের জীবন এমনকি নিজের মৃত্যুকেও রূপ দিয়েছিলেন। আর নিজের জীবন ও জগতকে রূপ দেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি তাঁর চারপাশের অনেক মানুষের জীবন ও জগতকেও বদলে দিয়েছিলেন। ** ৫ জুন ১৯৯৬ তারিখে তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মী [[w:আমোস টিভারস্কি|আমোস টিভারস্কি]]-এর মৃত্যু সম্পর্কে। [http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economic-sciences/laureates/2002/kahneman-bio.html নোবেল পুরস্কারের আত্মজীবনীমূলক তথ্য] (২০০২)। * কোনো চিকিৎসকের "মুখভঙ্গি" দেখে একটি রোগ শনাক্ত করা এবং একটি ছোট শিশুর কোনো কিছুর দিকে আঙুল উঁচিয়ে "কুকুর" বলার মধ্যে আক্ষরিক অর্থে কোনো পার্থক্য নেই। ** টকস অ্যাট গুগল - ১০ নভেম্বর ২০১১ * সংখ্যার কারণে কেউ কখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। মানুষের একটি গল্পের প্রয়োজন হয়। ** মাইকেল লুইস। "দ্য আনডুইং প্রজেক্ট: আ ফ্রেন্ডশিপ দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড"। পেঙ্গুইন, ২০১৬ (ISBN 9780141983035)। * আমি স্বল্প-শক্তির গবেষণার ওপর বড্ড বেশি আস্থা রেখেছিলাম। ব্লগে এবং এর আগে অ্যান্ড্রু গেলম্যান যেমনটি উল্লেখ করেছেন, আমার এই ভুলের মধ্যে একটি বিশেষ পরিহাস রয়েছে; কারণ আমোস টিভারস্কি এবং আমি যে প্রথম গবেষণাপত্রটি প্রকাশ করেছিলাম, সেটি ছিল "ক্ষুদ্র সংখ্যার নীতির" ওপর বিশ্বাসের বিষয়ে, যা গবেষকদের অযৌক্তিক ক্ষুদ্র নমুনাসহ স্বল্প-শক্তির গবেষণার ফলাফলের ওপর আস্থা রাখতে প্ররোচিত করে। আমরা ওভারঅল (১৯৬৯)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে দেখিয়েছিলাম যে "পরিসংখ্যানগত শক্তিতে ঘাটতি থাকা গবেষণার ব্যাপকতা কেবল অপচয়ই নয় বরং আসলে ক্ষতিকর: এর ফলে প্রকাশিত ফলাফলগুলোর মধ্যে একটি বড় অংশেই নাল হাইপোথিসিস বা শূন্য প্রকল্পের ভুল প্রত্যাখ্যান ঘটে।" আমাদের নিবন্ধটি ১৯৬৯ সালে লেখা এবং ১৯৭১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু আমি এর বার্তাটি নিজের মাঝে ধারণ করতে ব্যর্থ হয়েছি।<br />যখন আমি "থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো" লিখেছিলাম, তখন আমার অবস্থান ছিল এমন যে—যদি নামী জার্নালগুলোতে প্রকাশিত প্রমাণের একটি বড় অংশ প্রাথমিকভাবে অবিশ্বাস্য মনে হওয়া কোনো সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে, তবে বৈজ্ঞানিক নিয়ম অনুযায়ী আমাদের সেই সিদ্ধান্তকে বিশ্বাস করা উচিত। অবিশ্বাস্য হওয়াটাই অবিশ্বাসকে ন্যায়সঙ্গত করার জন্য যথেষ্ট নয়, এবং সুপ্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্তগুলো বিশ্বাস করা ঐচ্ছিক কোনো বিষয় নয়। এই অবস্থানটি এখনও আমার কাছে যুক্তিসঙ্গত মনে হয় – আর এই কারণেই আমি মনে করি মানুষের জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বাস করা উচিত। কিন্তু এই যুক্তি তখনই খাটে যখন সমস্ত প্রাসঙ্গিক ফলাফল প্রকাশিত হয়।<br />আমি অবশ্যই জানতাম যে প্রাইমিং স্টাডিজের ফলাফলগুলো ছোট নমুনার ওপর ভিত্তি করে ছিল, প্রভাবের মাত্রাগুলো হয়তো অবিশ্বাস্য রকমের বড় ছিল এবং কোনো একক গবেষণাই নিজে থেকে চূড়ান্ত ছিল না। যা আমাকে মুগ্ধ করেছিল তা হলো অনেক গবেষণাগার থেকে পাওয়া রিপোর্টের ফলাফলের একমত হওয়া এবং সেগুলোর সুসংগতি। আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলাম যে দক্ষ পরীক্ষকদের পক্ষে প্রাইমিং ইফেক্ট তৈরি করা সহজ এবং এগুলো বেশ শক্তিশালী। তবে, আমি এখন বুঝতে পারছি যে আমার যুক্তি ত্রুটিপূর্ণ ছিল এবং আমার আরও সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। স্বল্প-শক্তির গবেষণাগুলোর মধ্যে এই সর্বসম্মত ঐক্য আসলে একটি গুরুতর 'ফাইল-ড্রয়ার সমস্যা' (এবং/অথবা পি-হ্যাকিং)-এর অস্তিত্বের অকাট্য প্রমাণ দেয়। যুক্তিটি অনস্বীকার্য: যেসব গবেষণা সম্ভাব্য প্রভাব শনাক্ত করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী নয়, সেগুলোতে গবেষণার হাইপোথিসিস সত্য হওয়া সত্ত্বেও মাঝে মাঝে তাৎপর্যহীন ফলাফল আসতে বাধ্য – এই ধরনের ফলাফলের অনুপস্থিতিই প্রমাণ করে যে প্রকাশিত নথিপত্রে কোথাও কোনো গরমিল আছে... ** [https://replicationindex.com/2017/02/02/reconstruction-of-a-train-wreck-how-priming-research-went-of-the-rails/comment-page-1/#comment-1454 ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭], [https://retractionwatch.com/2017/02/20/placed-much-faith-underpowered-studies-nobel-prize-winner-admits-mistakes/ রিট্রাকশনওয়াচ]-এ উদ্ধৃত। * এবং আরও একটি বিষয় আছে যা আমার মতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেটি হলো, '''প্রায় সব মনস্তাত্ত্বিক হাইপোথিসিসই সত্য''', অর্থাৎ এই অর্থে যে, আপনি যদি ধারণা করেন 'ক' আসলে 'খ'-এর কারণ হয়, তবে এটি সত্য নয় যে 'ক' আসলে 'খ'-এর বিপরীত কিছু ঘটায়। হয়তো 'ক'-এর প্রভাব খুব সামান্য, কিন্তু হাইপোথিসিসগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সত্য হয়; তবে সেগুলো আপনি যতটা ভাবেন তার চেয়ে অনেক বেশি দুর্বল... ** লেক্স ফ্রিডম্যান পডকাস্ট, ১:০৪:১০। ১৪ জানুয়ারি ২০২০। * আপনার উচিত নিজের সহজাত প্রবৃত্তিকে (gut feeling) তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ করা এবং তারপর সেটিকে বিশ্বাস করা। ** হার্ভার্ডে আলোচনা - ৩ ডিসেম্বর ২০২১<ref>https://news.harvard.edu/gazette/story/2021/12/daniel-kahneman-on-how-to-influence-others/</ref> * প্রথম পরামর্শ হলো গতি ধীর করা, এবং আপনার প্রথম ঝোঁক বা আবেগকে অনুসরণ না করা। ** হার্ভার্ডে আলোচনা - ৩ ডিসেম্বর ২০২১<ref>https://news.harvard.edu/gazette/story/2021/12/daniel-kahneman-on-how-to-influence-others/</ref> === থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো (২০১১) === :<small>'''দ্রষ্টব্য''': অন্য কোনো উল্লেখ না থাকলে পৃষ্ঠা নম্বরগুলো (ISBN 9780141033570) থেকে নেওয়া।</small> * এই বইয়ের একটি পুনরাবৃত্ত মূলভাব হলো যে, '''[[ভাগ্য|সাফল্যের]] প্রতিটি গল্পে [[সাফল্য|ভাগ্যের]] একটি বিশাল ভূমিকা থাকে'''; গল্পের মধ্যে খুব সামান্য একটি পরিবর্তন শনাক্ত করা প্রায় সব সময়ই সহজ, যা একটি অসাধারণ অর্জনকে একটি সাধারণ ফলাফলে পরিণত করতে পারত। ** ভূমিকা, পৃষ্ঠা ৯। * '''[[বুদ্ধিমত্তা]] কেবল [[যুক্তি|যুক্তি প্রদানের]] ক্ষমতা নয়; এটি [[স্মৃতি|স্মৃতি]] থেকে [[প্রাসঙ্গিকতা|প্রাসঙ্গিক]] তথ্য খুঁজে বের করার এবং প্রয়োজনবোধে [[মনোযোগ]] দেওয়ার ক্ষমতাও বটে।''' ** অধ্যায় ৩, "দ্য লেজি কন্ট্রোলার" পৃষ্ঠা ৪৬। * অবিশ্বাস করার কোনো সুযোগ নেই। ফলাফলগুলো মনগড়া নয়, কিংবা এগুলো কোনো পরিসংখ্যানগত আকস্মিক ঘটনাও নয়। এই গবেষণাগুলোর প্রধান সিদ্ধান্তগুলো যে সত্য, তা মেনে নেওয়া ছাড়া আপনার কোনো উপায় নেই। ** প্রাইমিং গবেষণার ওপর। কানেমান পরবর্তীতে প্রাইমিং গবেষণার প্রতি তাঁর সমর্থনের বিষয়ে একটি শর্তসাপেক্ষ প্রত্যাহার জারি করেছিলেন। অধ্যায় ৪, "দ্য অ্যাসোসিয়েটিভ মেশিন"। * '''মানুষকে কোনো [[মিথ্যা|মিথ্যাবাদে]] বিশ্বাস করানোর একটি নির্ভরযোগ্য উপায় হলো সেটির ঘনঘন [[পুনরাবৃত্তি]], কারণ [[পরিচিতি|পরিচিতি]] এবং [[সত্য|সত্যের]] মধ্যে পার্থক্য করা সহজ নয়।''' ** অধ্যায় ৫, "কগনিটিভ ইজ" পৃষ্ঠা ৬২। * '''একটি ভালো [[গল্পের]] জন্য [[তথ্য|তথ্যের]] {{w|সামঞ্জস্যতা}} গুরুত্বপূর্ণ, তার পূর্ণতা নয়।''' প্রকৃতপক্ষে, আপনি প্রায়ই লক্ষ্য করবেন যে, '''খুব সামান্য জানলে আপনার জানা সবকিছুকে একটি সুসংগত [[ধরণ|কাঠামোতে]] বিন্যস্ত করা সহজ হয়ে যায়।''' ** অধ্যায় ৭, "এ মেশিন ফর জাম্পিং টু কনক্লুশনস" পৃষ্ঠা ৮৭। * শিক্ষাটি পরিষ্কার: [[মৃত্যু|মৃত্যুর]] কারণগুলো সম্পর্কে আমাদের অনুমানগুলো [[গণমাধ্যম|মিডিয়া]] কভারেজ দ্বারা প্রভাবিত হয়। [...] আমাদের মাথার ভেতরের জগতটি বাস্তবতার নিখুঁত প্রতিরূপ নয়; '''কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তির হার সম্পর্কে আমাদের প্রত্যাশাগুলো সেই বার্তার ব্যাপকতা এবং আবেগীয় তীব্রতা দ্বারা বিকৃত হয়''', যা আমাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। ** অধ্যায় ১৩, "অ্যাভেইলিবিলিটি, ইমোশন, অ্যান্ড রিস্ক" পৃষ্ঠা ১৩৮। * আমাদের [[পরিসংখ্যান]] সংক্রান্ত চিন্তা এবং স্বতন্ত্র ঘটনা সংক্রান্ত চিন্তার মধ্যে একটি গভীর ব্যবধান রয়েছে। ** অধ্যায় ১৫, "কজেস ট্রাম্প স্ট্যাটিস্টিকস" পৃষ্ঠা ১৭৪। * {{w|সহসম্বন্ধ}} এবং [[w:রিগ্রেশন বিশ্লেষণ|রিগ্রেশন]] যে দুটি ভিন্ন ধারণা নয়—বরং একই ধারণার দুটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি, তা বুঝতে [[ফ্রান্সিস গাল্টন|ফ্রান্সিস গাল্টনের]] কয়েক বছর সময় লেগেছিল। সাধারণ নিয়মটি সহজবোধ্য কিন্তু এর ফলাফলগুলো বিস্ময়কর: যখনই দুটি স্কোরের মধ্যে সহসম্বন্ধ অপূর্ণ থাকে, তখনই সেখানে গড়ের দিকে প্রত্যাগমন ঘটবে। ** অধ্যায় ১৭, "রিগ্রেশন টু দ্য মিন" পৃষ্ঠা ১৮১। * '''পৃথিবীটা অর্থবহ—আমাদের এই স্বস্তিদায়ক বিশ্বাসটি একটি নিরাপদ ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে: আর তা হলো আমাদের [[অজ্ঞতা|অজ্ঞতাকে]] উপেক্ষা করার প্রায় সীমাহীন ক্ষমতা।''' ** অধ্যায় ১৯, "দ্য ইলিউশন অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং" পৃষ্ঠা ২০১। * একটি বিচারের ক্ষেত্রে [[w:বিষয়ীভাব এবং বস্তুনিষ্ঠতা (দর্শন)|বিষয়ীগত]] [[আত্মবিশ্বাস]] কোনো যুক্তিনির্ভর মূল্যায়ন নয় যে সেই বিচারটি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু। '''আত্মবিশ্বাস হলো একটি অনুভূতি, যা তথ্যের সুসংগতি এবং তা প্রক্রিয়াকরণের মানসিক সহজবোধ্যতাকে প্রতিফলিত করে।''' [[অনিশ্চয়তা|অনিশ্চয়তার]] স্বীকারোক্তিকে গুরুত্বের সাথে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ, কিন্তু '''উচ্চ আত্মবিশ্বাসের ঘোষণা মূলত আপনাকে এটাই জানায় যে একজন ব্যক্তি তার মনে একটি সুসংগত [[গল্প]] তৈরি করেছেন, তার মানে এই নয় যে সেই গল্পটি [[সত্য|সত্য]]।''' ** অধ্যায় ২০, "দ্য ইলিউশন অফ ভ্যালিডিটি" পৃষ্ঠা ২১২। * সে একটি অভ্যন্তরীণ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করছে। তার উচিত নিজের ক্ষেত্রটির কথা ভুলে যাওয়া এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে কী ঘটেছিল তা দেখা। ** অধ্যায় ২৩, "দ্য আউটসাইড ভিউ" পৃষ্ঠা ২৫৪। * এমন কোনো প্রমাণ নেই যে [[অর্থনীতি|অর্থনৈতিক]] ক্ষেত্রে [[ঝুঁকি]] গ্রহণকারীদের উচ্চ বাজি ধরার প্রতি অস্বাভাবিক কোনো আকাঙ্ক্ষা থাকে; তারা কেবল সাধারণ ভীরু মানুষের তুলনায় ঝুঁকি সম্পর্কে কম সচেতন। ** অধ্যায় ২৪, "দ্য ইঞ্জিন অফ ক্যাপিটালিজম" পৃষ্ঠা ২৬৩। * '''সে [[লাভ|লাভের]] তুলনায় [[ক্ষতি|ক্ষতিকে]] প্রায় দ্বিগুণ গুরুত্ব দেয়, যা অত্যন্ত [[স্বাভাবিকতা|স্বাভাবিক]]।''' ** অধ্যায় ২৬, "প্রসপেক্ট থিওরি" পৃষ্ঠা ২৮৮। * মানুষের অনেক দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি এমনভাবে উন্মোচিত হয় [...] যেখানে খুব খারাপ বিকল্পের সম্মুখীন হওয়া মানুষগুলো বেপরোয়া জুয়া খেলে; তারা একটি বড় ক্ষতি এড়ানোর সামান্য আশার বিনিময়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার উচ্চ সম্ভাবনাকে মেনে নেয়। এই ধরণের ঝুঁকি গ্রহণ প্রায়শই সামাল দেওয়ার মতো [[ব্যর্থতা|ব্যর্থতাকে]] [[বিপর্যয়|বিপর্যয়ে]] পরিণত করে। ** অধ্যায় ২৯, "দ্য ফোরফোল্ড প্যাটার্ন" পৃষ্ঠা ৩১৮-৩১৯। * একটি বিরল ঘটনাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হবে যদি এটি বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করে। [...] আর যেখানে কোনো অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয় না, সেখানে অবহেলা দেখা দেয়। ** অধ্যায় ৩০, "রেয়ার ইভেন্টস", পৃষ্ঠা ৩৩৩। * অন্য কোনো স্পষ্ট কারণ না থাকলে, '''আমাদের অধিকাংশ মানুষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সমস্যাগুলোকে যেভাবে [[w:ফ্রেমিং (সামাজিক বিজ্ঞান)|উপস্থাপন]] করা হয় সেভাবেই নিষ্ক্রিয়ভাবে গ্রহণ করি; এবং তাই আমাদের পছন্দগুলো ''বাস্তবতা-নির্ভর'' হওয়ার চেয়ে কতটা বেশি ''উপস্থাপন-নির্ভর'' তা আবিষ্কার করার সুযোগ খুব কমই পাই।''' ** অধ্যায় ৩৪, "ফ্রেমস অ্যান্ড রিয়ালিটি", পৃষ্ঠা ৩৬৭। * একটি গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা হলো যে, '''উচ্চতর আয়ের সাথে জীবনের ছোট ছোট আনন্দগুলো উপভোগ করার ক্ষমতা কমে যাওয়ার একটি সম্পর্ক রয়েছে।''' [...] অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকা এবং জীবন নিয়ে সন্তুষ্টির ওপর আয়ের প্রভাবের মধ্যে একটি স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। উচ্চতর আয় অধিকতর সন্তুষ্টি নিয়ে আসে, এমনকি সেই সীমা পার হওয়ার পরেও যখন অভিজ্ঞতার ওপর এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব থাকে না। [...] জীবন নিয়ে সন্তুষ্টি তাদের অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকার কোনো ত্রুটিপূর্ণ পরিমাপ নয়, যা আমি কয়েক বছর আগে ভেবেছিলাম। এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু। ** অধ্যায় ৩৭, "এক্সপেরিয়েন্সড ওয়েল-বিয়িং", পৃষ্ঠা ৩৯৭। * অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকা গড়ে [[বিয়ে|বিয়ের]] মাধ্যমে প্রভাবিত হয় না; এর কারণ এটি নয় যে বিয়ে [[সুখ|সুখের]] ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আনে না, বরং এর কারণ হলো এটি জীবনের কিছু দিককে ভালোর দিকে এবং অন্য কিছু দিককে মন্দের দিকে বদলে দেয়। ** অধ্যায় ৩৮, "থিংকিং অ্যাবাউট লাইফ", পৃষ্ঠা ৪০০-৪০১। * আপনি যখন কোনো বিষয় নিয়ে ভাবছেন, তখন জীবনের কোনো কিছুই ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয় যতটা আপনি তখন মনে করছেন। ** অধ্যায় ৩৮, "থিংকিং অ্যাবাউট লাইফ", পৃষ্ঠা ৪০২। * মানুষ [[অযৌক্তিকতা|অযৌক্তিক]] না হলেও, আরও নির্ভুল বিচার এবং আরও ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য প্রায়শই তাদের সাহায্যের প্রয়োজন হয়। [...] যারা ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের দুর্বলতাগুলোর সুযোগ নেয়, তাদের থেকেও [মানুষের] সুরক্ষা প্রয়োজন [...]। ** উপসংহার, পৃষ্ঠা ৪১১-৪১৩। === "পলক ফেলবেন না! আত্মবিশ্বাসের বিপদ" (২০১১) === * কোনো বিচার করার সময় আমরা যে আত্মবিশ্বাস অনুভব করি, তা সেই বিচারটি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনার কোনো যুক্তিনির্ভর মূল্যায়ন নয়। আত্মবিশ্বাস হলো একটি অনুভূতি, যা মূলত গল্পের সুসংগতি এবং এটি কত সহজে মাথায় আসছে তার দ্বারা নির্ধারিত হয়; এমনকি যখন গল্পের স্বপক্ষে প্রমাণ থাকে সামান্য এবং অনির্ভরযোগ্য। সুসংগতির প্রতি এই পক্ষপাত অতি-আত্মবিশ্বাসকে উৎসাহিত করে। একজন ব্যক্তি যিনি উচ্চ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন, তাঁর কাছে সম্ভবত একটি ভালো গল্প আছে, যা সত্য হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। ** {{cite news|url=http://www.nytimes.com/2011/10/23/magazine/dont-blink-the-hazards-of-confidence.html?pagewanted=all&_r=0 |title=Don’t Blink! The Hazards of Confidence |work=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|date=১৯ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আমরা প্রায়শই এমন পেশাদারদের সাথে কাজ করি যারা স্পষ্ট আত্মবিশ্বাসের সাথে তাদের বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করেন, কখনও কখনও তাঁরা তাঁদের সহজাত প্রবৃত্তির ক্ষমতা নিয়ে গর্বও করেন। বৈধতা এবং দক্ষতার বিভ্রমপূর্ণ এই পৃথিবীতে আমরা কি তাঁদের বিশ্বাস করতে পারি? বিশেষজ্ঞদের ন্যায্য আত্মবিশ্বাস এবং নিজেদের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে অজান্তেই থাকা পেশাদারদের আন্তরিক অতি-আত্মবিশ্বাসের মধ্যে আমরা কীভাবে পার্থক্য করব? আমরা সেই বিশেষজ্ঞকে বিশ্বাস করতে পারি যিনি অনিশ্চয়তা স্বীকার করেন, কিন্তু উচ্চ আত্মবিশ্বাসের অভিব্যক্তিকে সরাসরি ধ্রুব সত্য বলে ধরে নেওয়া যায় না। আমি প্রথম যখন সেই বাধা অতিক্রমের ময়দানে শিখেছিলাম—মানুষ সামান্য বা কিছু না জেনেও সুসংগত গল্প তৈরি করতে এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারে। অতি-আত্মবিশ্বাস তৈরি হয় কারণ মানুষ প্রায়ই নিজের অন্ধত্ব সম্পর্কে অন্ধ থাকে। ** {{cite news|url=http://www.nytimes.com/2011/10/23/magazine/dont-blink-the-hazards-of-confidence.html?pagewanted=all&_r=0 |title=Don’t Blink! The Hazards of Confidence |work=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|date=১৯ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} === "পক্ষপাত, অন্ধত্ব এবং আমরা আসলে কীভাবে চিন্তা করি" (২০১১) === * আমাদের অধিকাংশ মানুষই জগতকে তার প্রকৃত অবস্থার চেয়ে বেশি কল্যাণকর হিসেবে দেখি, আমাদের নিজেদের গুণাবলিকে তার প্রকৃত রূপের চেয়ে বেশি ইতিবাচক মনে করি এবং আমাদের গ্রহণ করা লক্ষ্যগুলোকে সেগুলোর সফল হওয়ার সম্ভাবনার চেয়ে বেশি অর্জনযোগ্য বলে ধরে নিই। আমরা ভবিষ্যতের পূর্বাভাস দেওয়ার ক্ষমতার বিষয়েও বাড়িয়ে বলার প্রবণতা দেখাই, যা অতি-আত্মবিশ্বাসকে লালন করে। সিদ্ধান্তের ওপর প্রভাবের দিক থেকে বিচার করলে, এই আশাবাদী পক্ষপাত সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কগনিটিভ বায়াস বা জ্ঞানীয় পক্ষপাত হতে পারে। যেহেতু আশাবাদী পক্ষপাত একই সাথে একটি আশীর্বাদ এবং একটি ঝুঁকি, তাই আপনি যদি স্বভাবগতভাবে আশাবাদী হন তবে আপনার একই সাথে সুখী এবং সতর্ক হওয়া উচিত। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-24/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-1-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 1): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আশাবাদ একটি স্বাভাবিক বিষয়, তবে কিছু ভাগ্যবান মানুষ আমাদের বাকিদের চেয়ে বেশি আশাবাদী হন। আপনি যদি জন্মগতভাবে আশাবাদী পক্ষপাতের অধিকারী হন, তবে আপনি যে একজন ভাগ্যবান ব্যক্তি তা আপনাকে বলার প্রয়োজন পড়ে না — আপনি নিজেই নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন। আশাবাদী মানুষরা আমাদের জীবনকে রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে অসম অনুপাতে বড় ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের সিদ্ধান্তগুলো পরিবর্তন নিয়ে আসে; তাঁরা সাধারণ মানুষ নন, বরং উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা, রাজনৈতিক এবং সামরিক নেতা। তাঁরা চ্যালেঞ্জ অন্বেষণ এবং ঝুঁকি গ্রহণের মাধ্যমেই আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। তাঁরা মেধাবী এবং তাঁরা ভাগ্যবান ছিলেন, এবং প্রায় নিশ্চিতভাবেই তাঁরা যতটা স্বীকার করেন তার চেয়েও বেশি ভাগ্যবান ছিলেন। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-24/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-1-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 1): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * রহস্যটি হলো কীভাবে এমন একটি ধারণা, যা এত সুস্পষ্ট পাল্টা উদাহরণের মুখেও অরক্ষিত, তা এতদিন টিকে ছিল। এটি আমি কেবল পাণ্ডিত্যের একটি দুর্বলতা দিয়ে ব্যাখ্যা করতে পারি যা আমি প্রায়শই নিজের মধ্যেও লক্ষ্য করেছি। আমি একে 'তত্ত্ব-প্ররোচিত অন্ধত্ব' বলি: একবার আপনি একটি তত্ত্ব গ্রহণ করে ফেললে, এর ত্রুটিগুলো লক্ষ্য করা অসাধারণভাবে কঠিন হয়ে পড়ে। মনোবিজ্ঞানী ড্যানিয়েল গিলবার্ট যেমন লক্ষ্য করেছেন, অবিশ্বাস করা একটি কঠিন কাজ। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-25/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-2-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 2): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * মানুষের যত্ন নেওয়ার বিষয়টি প্রায়শই তাদের গল্পের গুণমানের প্রতি উদ্বেগের রূপ নেয়, তাদের অনুভূতির প্রতি নয়। প্রকৃতপক্ষে, আমরা এমনকি এমন সব ঘটনা দিয়েও গভীরভাবে বিচলিত হতে পারি যা মৃত ব্যক্তিদের গল্পকেও বদলে দেয়। আমরা এমন একজন ব্যক্তির জন্য করুণা বোধ করি যিনি তাঁর স্ত্রীর ভালোবাসায় বিশ্বাস রেখে মারা গেছেন, অথচ পরে আমরা জানতে পারি যে তাঁর স্ত্রীর বহু বছরের প্রেমিক ছিল এবং তিনি কেবল টাকার জন্য স্বামীর সাথে ছিলেন। স্বামীটি একটি সুখী জীবন যাপন করা সত্ত্বেও আমরা তাঁর জন্য করুণা বোধ করি। আমরা এমন একজন বিজ্ঞানীর অপমান অনুভব করি যাঁর আবিষ্কার তাঁর মৃত্যুর পর মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে, যদিও তিনি নিজে সেই অপমান অনুভব করেননি। সবচেয়ে বড় কথা, আমরা সবাই আমাদের নিজেদের জীবনের আখ্যান বা বর্ণনার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন এবং আমরা আন্তরিকভাবে চাই যে এটি একটি ভালো গল্প হোক, যার নায়ক হবে একজন মার্জিত ব্যক্তি। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-27/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-4-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 4): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আপনার পরবর্তী ছুটি নিয়ে একটি পরীক্ষা আপনাকে আপনার 'অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তার' প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি পর্যবেক্ষণ করতে সাহায্য করবে: ছুটির শেষে সমস্ত ছবি এবং ভিডিও ধ্বংস করে দেওয়া হবে। এছাড়া, আপনি এমন একটি পানীয় পান করবেন যা ওই ছুটির সমস্ত স্মৃতি আপনার মন থেকে মুছে ফেলবে। এটি আপনার ছুটির পরিকল্পনাকে কীভাবে প্রভাবিত করবে? একটি স্বাভাবিক স্মৃতিময় ছুটির তুলনায় এই ছুটির জন্য আপনি কতটুকু খরচ করতে রাজি হবেন? আমার ধারণা হলো যে, স্মৃতির বিলুপ্তি অভিজ্ঞতার মূল্যকে অনেকাংশেই কমিয়ে দেয়। একটি যন্ত্রণাদায়ক অপারেশনের কথা কল্পনা করুন যেখানে আপনি ব্যথায় চিৎকার করবেন এবং সার্জনকে থামার জন্য মিনতি করবেন। তবে আপনাকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে যে এমন একটি অ্যামনেসিয়া-প্ররোচিত ওষুধ দেওয়া হবে যা ওই ঘটনার সমস্ত স্মৃতি মুছে ফেলবে। এখানেও আমার পর্যবেক্ষণ হলো যে, অধিকাংশ মানুষই তাদের অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তার ব্যথার বিষয়ে আশ্চর্যজনকভাবে উদাসীন থাকে। কেউ কেউ বলেন যে তারা মোটেও পরোয়া করেন না। অন্যরা আমার অনুভূতির সাথে একমত হন, যা হলো—আমি আমার যন্ত্রণাকাতর সত্তার জন্য করুণা বোধ করি ঠিকই, কিন্তু তা ব্যথায় থাকা একজন অপরিচিত ব্যক্তির প্রতি অনুভবের চেয়ে বেশি কিছু নয়। '''আমি হলাম আমার 'স্মৃতি ধারণকারী সত্তা', আর আমার যে 'অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তা' আমার জীবনটা যাপন করে, সে আমার কাছে একজন অপরিচিত মানুষের মতো।''' ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-27/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-4-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 4): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} == ড্যানিয়েল কানেমান সম্পর্কে উক্তি == * ড্যানির কাজের একটি বিশাল অংশ হলো আমরা কীভাবে চিন্তা করি এবং আমরা কতটা গভীরভাবে অযৌক্তিক হতে পারি তা নিয়ে। সেটিও ব্যবসাক্ষেত্রকে বদলে দিচ্ছে, যদিও তা খুব ধীরগতিতে; আর এটিই তাঁর নতুন বইটির দশ লক্ষ কপি বিক্রির কারণ ব্যাখ্যা করে। তবে, ইতিহাসের বিশাল প্রেক্ষাপটে আমার ধারণা তিনি সেই ব্যক্তি হিসেবেই সবচেয়ে বেশি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন, যিনি সুখকে একটি সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে গিয়েছেন। ** [[w:রিচার্ড লেয়ার্ড, ব্যারন লেয়ার্ড|রিচার্ড লেয়ার্ড]], {{cite news|url=http://www.theguardian.com/science/2014/feb/16/daniel-kahneman-thinking-fast-and-slow-tributes |title=Daniel Kahneman changed the way we think about thinking. But what do other thinkers think of him? |work=দ্য গার্ডিয়ান|date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আমি ড্যানিয়েল কানেমানকে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী জীবিত মনোবিজ্ঞানী বলে অভিহিত করেছি এবং আমি বিশ্বাস করি এটি সত্য। তিনি প্রায় একাই আচরণগত অর্থনীতির ক্ষেত্রটি তৈরি করেছেন এবং [[জ্ঞানীয় মনোবিজ্ঞান]] ও সামাজিক মনোবিজ্ঞানের বড় একটি অংশে বিপ্লব ঘটিয়েছেন। তাঁর মূল বার্তাটি এর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারত না—তা হলো, মানুষের বিচারবুদ্ধিকে যদি তার নিজের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয় তবে তা অনেক ধরণের ভ্রান্তি এবং পদ্ধতিগত ত্রুটির জালে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা দেখায়; তাই আমরা যদি আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে এবং সমাজ হিসেবে আরও ভালো সিদ্ধান্ত নিতে চাই, তবে আমাদের এই পক্ষপাতগুলো সম্পর্কে সচেতন হতে হবে এবং বিকল্প পথ খুঁজতে হবে। এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার। ** [[স্টিভেন পিঙ্কার]]। "ড্যানিয়েল কানেমান চেঞ্জড দ্য ওয়ে উই থিংক অ্যাবাউট থিংকিং। বাট হোয়াট ডু আদার থিংকার্স থিংক অফ হিম?," ''দ্য অবজারভার,'' ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। == বহিঃসংযোগ == {{Wikipedia|ড্যানিয়েল কানেমান|ড্যানিয়েল কানেমান}} * [[w:টেড (সম্মেলন)|টেড]]-এ ["অভিজ্ঞতা বনাম স্মৃতির ধাঁধা" বিষয়ের ওপর বক্তৃতা], ফেব্রুয়ারি ২০১০ {{DEFAULTSORT:কানেমান, ড্যানিয়েল}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মনোবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসরায়েলি ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাস্তিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী]] [[বিষয়শ্রেণী:তেল আবিবের ব্যক্তিত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসরায়েলের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] d23p8d65tsgpthmkx7l4m8rxtv94zeb 78857 78856 2026-04-20T08:52:00Z Sumanta3023 4175 /* "পক্ষপাত, অন্ধত্ব এবং আমরা আসলে কীভাবে চিন্তা করি" (২০১১) */ 78857 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Daniel KAHNEMAN.jpg|thumb|ড্যানিয়েল কানেম্যান, ২০০৯]] '''[[w:ড্যানিয়েল কানেম্যান|ড্যানিয়েল কানেম্যান]]''' (৫ মার্চ ১৯৩৪ – ২৭ মার্চ ২০২৪) একজন ইসরায়েলি-মার্কিন [[মনোবিজ্ঞানী]] ছিলেন। তিনি ২০০২ সালে [[ভার্নন এল স্মিথ|ভার্নন এল. স্মিথ]]-এর সাথে যৌথভাবে [[w:অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার|অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার]] লাভ করেন। কানেম্যান তাঁর [[বিচারবুদ্ধি]] ও [[সিদ্ধান্ত গ্রহণ|সিদ্ধান্ত গ্রহণের]] মনোবিজ্ঞান, [[w:আচরণগত অর্থনীতি|আচরণগত অর্থনীতি]] এবং [[w:সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞান|সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞানের]] ওপর কাজের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। পরবর্তী জীবনে তিনি প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির উড্রো উইলসন স্কুলের মনোবিজ্ঞান এবং জনবিষয়ক বিভাগের এমেরিটাস অধ্যাপক ছিলেন। == উক্তি == * আমার একটি অভিজ্ঞতার কথা স্পষ্টভাবে মনে আছে যেখানে অনুভূতির নানা রঙের মিশেল ছিল। সময়টা ১৯৪১ সালের শেষের দিকে বা ১৯৪২ সালের শুরুর দিক হবে। ইহুদিদের জন্য তখন পোশাকে 'স্টার অফ ডেভিড' পরা এবং সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ঘরে ফেরার কারফিউ মেনে চলা বাধ্যতামূলক ছিল। আমি এক খ্রিস্টান বন্ধুর সাথে খেলতে গিয়েছিলাম এবং ফিরতে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। বাড়ি ফেরার জন্য কয়েক ব্লকের পথ হাঁটার সময় আমি আমার বাদামী সোয়েটারটি উল্টো করে পরে নিয়েছিলাম (যাতে তারাটি ঢাকা পড়ে)। জনশূন্য রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় আমি একজন জার্মান সৈন্যকে এগিয়ে আসতে দেখলাম। তিনি সেই কালো ইউনিফর্মটি পরে ছিলেন যা অন্য সব ইউনিফর্মের চেয়ে বেশি ভয় পেতে আমাকে শেখানো হয়েছিল — এটি বিশেষভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত এসএস (SS) সৈন্যদের পোশাক। আমি দ্রুত হাঁটার চেষ্টা করছিলাম, তাঁর কাছাকাছি আসতেই লক্ষ্য করলাম তিনি আমার দিকে তীক্ষ্ণভাবে তাকিয়ে আছেন। এরপর তিনি আমাকে কাছে ডাকলেন, কোলে তুলে নিলেন এবং জড়িয়ে ধরলেন। আমি প্রচণ্ড আতঙ্কে ছিলাম যে তিনি আমার সোয়েটারের ভেতরে থাকা তারাটি দেখে ফেলবেন। তিনি জার্মান ভাষায় খুব আবেগ দিয়ে আমার সাথে কথা বলছিলেন। আমাকে নিচে নামিয়ে দেওয়ার পর তিনি তাঁর মানিব্যাগ খুললেন, একটি ছেলের ছবি দেখালেন এবং আমাকে কিছু টাকা দিলেন। আমি যখন বাড়ি ফিরলাম, তখন নিজের মনের ভেতর আগের চেয়েও বেশি নিশ্চিত হলাম যে আমার মা ঠিকই বলতেন: মানুষ সীমাহীন জটিল এবং কৌতুহলোদ্দীপক। ** [http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economic-sciences/laureates/2002/kahneman-bio.html নোবেল পুরস্কারের আত্মজীবনীমূলক তথ্য] (২০০২)। * '''যাঁরা পরিবর্তন নিয়ে আসেন তাঁরা একা মারা যান না। যাঁরা তাঁদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকের ভেতর থেকেই কিছু একটা হারিয়ে যায়।''' আমোস অনেক পরিবর্তন এনেছিলেন, এবং যখন তিনি মারা গেলেন, আমাদের অনেকের জন্যই জীবন কিছুটা ম্লান ও সংকুচিত হয়ে গেল। পৃথিবীতে বুদ্ধিমত্তার পরিমাণ কমে গেল। কমে গেল রসবোধ। এমন অনেক প্রশ্ন আছে যেগুলোর উত্তর আর কখনোই গভীরতা ও স্পষ্টতার সেই অপ্রতিম সংমিশ্রণে পাওয়া যাবে না। এমন অনেক মানদণ্ড আছে যেগুলোকে আর কখনোই নীতি ও কাণ্ডজ্ঞান দিয়ে একইভাবে রক্ষা করা হবে না। জীবন আরও দরিদ্র হয়ে পড়েছে। মোজাইকের মাঝে আমোসের আকৃতির এক বিশাল শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে, যা আর কখনও পূরণ হবে না। এটি পূরণ করা সম্ভব নয় কারণ আমোস এই পৃথিবীতে নিজের জায়গা নিজেই তৈরি করেছিলেন, তিনি নিজের জীবন এমনকি নিজের মৃত্যুকেও রূপ দিয়েছিলেন। আর নিজের জীবন ও জগতকে রূপ দেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি তাঁর চারপাশের অনেক মানুষের জীবন ও জগতকেও বদলে দিয়েছিলেন। ** ৫ জুন ১৯৯৬ তারিখে তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মী [[w:আমোস টিভারস্কি|আমোস টিভারস্কি]]-এর মৃত্যু সম্পর্কে। [http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economic-sciences/laureates/2002/kahneman-bio.html নোবেল পুরস্কারের আত্মজীবনীমূলক তথ্য] (২০০২)। * কোনো চিকিৎসকের "মুখভঙ্গি" দেখে একটি রোগ শনাক্ত করা এবং একটি ছোট শিশুর কোনো কিছুর দিকে আঙুল উঁচিয়ে "কুকুর" বলার মধ্যে আক্ষরিক অর্থে কোনো পার্থক্য নেই। ** টকস অ্যাট গুগল - ১০ নভেম্বর ২০১১ * সংখ্যার কারণে কেউ কখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। মানুষের একটি গল্পের প্রয়োজন হয়। ** মাইকেল লুইস। "দ্য আনডুইং প্রজেক্ট: আ ফ্রেন্ডশিপ দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড"। পেঙ্গুইন, ২০১৬ (ISBN 9780141983035)। * আমি স্বল্প-শক্তির গবেষণার ওপর বড্ড বেশি আস্থা রেখেছিলাম। ব্লগে এবং এর আগে অ্যান্ড্রু গেলম্যান যেমনটি উল্লেখ করেছেন, আমার এই ভুলের মধ্যে একটি বিশেষ পরিহাস রয়েছে; কারণ আমোস টিভারস্কি এবং আমি যে প্রথম গবেষণাপত্রটি প্রকাশ করেছিলাম, সেটি ছিল "ক্ষুদ্র সংখ্যার নীতির" ওপর বিশ্বাসের বিষয়ে, যা গবেষকদের অযৌক্তিক ক্ষুদ্র নমুনাসহ স্বল্প-শক্তির গবেষণার ফলাফলের ওপর আস্থা রাখতে প্ররোচিত করে। আমরা ওভারঅল (১৯৬৯)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে দেখিয়েছিলাম যে "পরিসংখ্যানগত শক্তিতে ঘাটতি থাকা গবেষণার ব্যাপকতা কেবল অপচয়ই নয় বরং আসলে ক্ষতিকর: এর ফলে প্রকাশিত ফলাফলগুলোর মধ্যে একটি বড় অংশেই নাল হাইপোথিসিস বা শূন্য প্রকল্পের ভুল প্রত্যাখ্যান ঘটে।" আমাদের নিবন্ধটি ১৯৬৯ সালে লেখা এবং ১৯৭১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু আমি এর বার্তাটি নিজের মাঝে ধারণ করতে ব্যর্থ হয়েছি।<br />যখন আমি "থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো" লিখেছিলাম, তখন আমার অবস্থান ছিল এমন যে—যদি নামী জার্নালগুলোতে প্রকাশিত প্রমাণের একটি বড় অংশ প্রাথমিকভাবে অবিশ্বাস্য মনে হওয়া কোনো সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে, তবে বৈজ্ঞানিক নিয়ম অনুযায়ী আমাদের সেই সিদ্ধান্তকে বিশ্বাস করা উচিত। অবিশ্বাস্য হওয়াটাই অবিশ্বাসকে ন্যায়সঙ্গত করার জন্য যথেষ্ট নয়, এবং সুপ্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্তগুলো বিশ্বাস করা ঐচ্ছিক কোনো বিষয় নয়। এই অবস্থানটি এখনও আমার কাছে যুক্তিসঙ্গত মনে হয় – আর এই কারণেই আমি মনে করি মানুষের জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বাস করা উচিত। কিন্তু এই যুক্তি তখনই খাটে যখন সমস্ত প্রাসঙ্গিক ফলাফল প্রকাশিত হয়।<br />আমি অবশ্যই জানতাম যে প্রাইমিং স্টাডিজের ফলাফলগুলো ছোট নমুনার ওপর ভিত্তি করে ছিল, প্রভাবের মাত্রাগুলো হয়তো অবিশ্বাস্য রকমের বড় ছিল এবং কোনো একক গবেষণাই নিজে থেকে চূড়ান্ত ছিল না। যা আমাকে মুগ্ধ করেছিল তা হলো অনেক গবেষণাগার থেকে পাওয়া রিপোর্টের ফলাফলের একমত হওয়া এবং সেগুলোর সুসংগতি। আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলাম যে দক্ষ পরীক্ষকদের পক্ষে প্রাইমিং ইফেক্ট তৈরি করা সহজ এবং এগুলো বেশ শক্তিশালী। তবে, আমি এখন বুঝতে পারছি যে আমার যুক্তি ত্রুটিপূর্ণ ছিল এবং আমার আরও সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। স্বল্প-শক্তির গবেষণাগুলোর মধ্যে এই সর্বসম্মত ঐক্য আসলে একটি গুরুতর 'ফাইল-ড্রয়ার সমস্যা' (এবং/অথবা পি-হ্যাকিং)-এর অস্তিত্বের অকাট্য প্রমাণ দেয়। যুক্তিটি অনস্বীকার্য: যেসব গবেষণা সম্ভাব্য প্রভাব শনাক্ত করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী নয়, সেগুলোতে গবেষণার হাইপোথিসিস সত্য হওয়া সত্ত্বেও মাঝে মাঝে তাৎপর্যহীন ফলাফল আসতে বাধ্য – এই ধরনের ফলাফলের অনুপস্থিতিই প্রমাণ করে যে প্রকাশিত নথিপত্রে কোথাও কোনো গরমিল আছে... ** [https://replicationindex.com/2017/02/02/reconstruction-of-a-train-wreck-how-priming-research-went-of-the-rails/comment-page-1/#comment-1454 ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭], [https://retractionwatch.com/2017/02/20/placed-much-faith-underpowered-studies-nobel-prize-winner-admits-mistakes/ রিট্রাকশনওয়াচ]-এ উদ্ধৃত। * এবং আরও একটি বিষয় আছে যা আমার মতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেটি হলো, '''প্রায় সব মনস্তাত্ত্বিক হাইপোথিসিসই সত্য''', অর্থাৎ এই অর্থে যে, আপনি যদি ধারণা করেন 'ক' আসলে 'খ'-এর কারণ হয়, তবে এটি সত্য নয় যে 'ক' আসলে 'খ'-এর বিপরীত কিছু ঘটায়। হয়তো 'ক'-এর প্রভাব খুব সামান্য, কিন্তু হাইপোথিসিসগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সত্য হয়; তবে সেগুলো আপনি যতটা ভাবেন তার চেয়ে অনেক বেশি দুর্বল... ** লেক্স ফ্রিডম্যান পডকাস্ট, ১:০৪:১০। ১৪ জানুয়ারি ২০২০। * আপনার উচিত নিজের সহজাত প্রবৃত্তিকে (gut feeling) তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ করা এবং তারপর সেটিকে বিশ্বাস করা। ** হার্ভার্ডে আলোচনা - ৩ ডিসেম্বর ২০২১<ref>https://news.harvard.edu/gazette/story/2021/12/daniel-kahneman-on-how-to-influence-others/</ref> * প্রথম পরামর্শ হলো গতি ধীর করা, এবং আপনার প্রথম ঝোঁক বা আবেগকে অনুসরণ না করা। ** হার্ভার্ডে আলোচনা - ৩ ডিসেম্বর ২০২১<ref>https://news.harvard.edu/gazette/story/2021/12/daniel-kahneman-on-how-to-influence-others/</ref> === থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো (২০১১) === :<small>'''দ্রষ্টব্য''': অন্য কোনো উল্লেখ না থাকলে পৃষ্ঠা নম্বরগুলো (ISBN 9780141033570) থেকে নেওয়া।</small> * এই বইয়ের একটি পুনরাবৃত্ত মূলভাব হলো যে, '''[[ভাগ্য|সাফল্যের]] প্রতিটি গল্পে [[সাফল্য|ভাগ্যের]] একটি বিশাল ভূমিকা থাকে'''; গল্পের মধ্যে খুব সামান্য একটি পরিবর্তন শনাক্ত করা প্রায় সব সময়ই সহজ, যা একটি অসাধারণ অর্জনকে একটি সাধারণ ফলাফলে পরিণত করতে পারত। ** ভূমিকা, পৃষ্ঠা ৯। * '''[[বুদ্ধিমত্তা]] কেবল [[যুক্তি|যুক্তি প্রদানের]] ক্ষমতা নয়; এটি [[স্মৃতি|স্মৃতি]] থেকে [[প্রাসঙ্গিকতা|প্রাসঙ্গিক]] তথ্য খুঁজে বের করার এবং প্রয়োজনবোধে [[মনোযোগ]] দেওয়ার ক্ষমতাও বটে।''' ** অধ্যায় ৩, "দ্য লেজি কন্ট্রোলার" পৃষ্ঠা ৪৬। * অবিশ্বাস করার কোনো সুযোগ নেই। ফলাফলগুলো মনগড়া নয়, কিংবা এগুলো কোনো পরিসংখ্যানগত আকস্মিক ঘটনাও নয়। এই গবেষণাগুলোর প্রধান সিদ্ধান্তগুলো যে সত্য, তা মেনে নেওয়া ছাড়া আপনার কোনো উপায় নেই। ** প্রাইমিং গবেষণার ওপর। কানেমান পরবর্তীতে প্রাইমিং গবেষণার প্রতি তাঁর সমর্থনের বিষয়ে একটি শর্তসাপেক্ষ প্রত্যাহার জারি করেছিলেন। অধ্যায় ৪, "দ্য অ্যাসোসিয়েটিভ মেশিন"। * '''মানুষকে কোনো [[মিথ্যা|মিথ্যাবাদে]] বিশ্বাস করানোর একটি নির্ভরযোগ্য উপায় হলো সেটির ঘনঘন [[পুনরাবৃত্তি]], কারণ [[পরিচিতি|পরিচিতি]] এবং [[সত্য|সত্যের]] মধ্যে পার্থক্য করা সহজ নয়।''' ** অধ্যায় ৫, "কগনিটিভ ইজ" পৃষ্ঠা ৬২। * '''একটি ভালো [[গল্পের]] জন্য [[তথ্য|তথ্যের]] {{w|সামঞ্জস্যতা}} গুরুত্বপূর্ণ, তার পূর্ণতা নয়।''' প্রকৃতপক্ষে, আপনি প্রায়ই লক্ষ্য করবেন যে, '''খুব সামান্য জানলে আপনার জানা সবকিছুকে একটি সুসংগত [[ধরণ|কাঠামোতে]] বিন্যস্ত করা সহজ হয়ে যায়।''' ** অধ্যায় ৭, "এ মেশিন ফর জাম্পিং টু কনক্লুশনস" পৃষ্ঠা ৮৭। * শিক্ষাটি পরিষ্কার: [[মৃত্যু|মৃত্যুর]] কারণগুলো সম্পর্কে আমাদের অনুমানগুলো [[গণমাধ্যম|মিডিয়া]] কভারেজ দ্বারা প্রভাবিত হয়। [...] আমাদের মাথার ভেতরের জগতটি বাস্তবতার নিখুঁত প্রতিরূপ নয়; '''কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তির হার সম্পর্কে আমাদের প্রত্যাশাগুলো সেই বার্তার ব্যাপকতা এবং আবেগীয় তীব্রতা দ্বারা বিকৃত হয়''', যা আমাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। ** অধ্যায় ১৩, "অ্যাভেইলিবিলিটি, ইমোশন, অ্যান্ড রিস্ক" পৃষ্ঠা ১৩৮। * আমাদের [[পরিসংখ্যান]] সংক্রান্ত চিন্তা এবং স্বতন্ত্র ঘটনা সংক্রান্ত চিন্তার মধ্যে একটি গভীর ব্যবধান রয়েছে। ** অধ্যায় ১৫, "কজেস ট্রাম্প স্ট্যাটিস্টিকস" পৃষ্ঠা ১৭৪। * {{w|সহসম্বন্ধ}} এবং [[w:রিগ্রেশন বিশ্লেষণ|রিগ্রেশন]] যে দুটি ভিন্ন ধারণা নয়—বরং একই ধারণার দুটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি, তা বুঝতে [[ফ্রান্সিস গাল্টন|ফ্রান্সিস গাল্টনের]] কয়েক বছর সময় লেগেছিল। সাধারণ নিয়মটি সহজবোধ্য কিন্তু এর ফলাফলগুলো বিস্ময়কর: যখনই দুটি স্কোরের মধ্যে সহসম্বন্ধ অপূর্ণ থাকে, তখনই সেখানে গড়ের দিকে প্রত্যাগমন ঘটবে। ** অধ্যায় ১৭, "রিগ্রেশন টু দ্য মিন" পৃষ্ঠা ১৮১। * '''পৃথিবীটা অর্থবহ—আমাদের এই স্বস্তিদায়ক বিশ্বাসটি একটি নিরাপদ ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে: আর তা হলো আমাদের [[অজ্ঞতা|অজ্ঞতাকে]] উপেক্ষা করার প্রায় সীমাহীন ক্ষমতা।''' ** অধ্যায় ১৯, "দ্য ইলিউশন অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং" পৃষ্ঠা ২০১। * একটি বিচারের ক্ষেত্রে [[w:বিষয়ীভাব এবং বস্তুনিষ্ঠতা (দর্শন)|বিষয়ীগত]] [[আত্মবিশ্বাস]] কোনো যুক্তিনির্ভর মূল্যায়ন নয় যে সেই বিচারটি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু। '''আত্মবিশ্বাস হলো একটি অনুভূতি, যা তথ্যের সুসংগতি এবং তা প্রক্রিয়াকরণের মানসিক সহজবোধ্যতাকে প্রতিফলিত করে।''' [[অনিশ্চয়তা|অনিশ্চয়তার]] স্বীকারোক্তিকে গুরুত্বের সাথে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ, কিন্তু '''উচ্চ আত্মবিশ্বাসের ঘোষণা মূলত আপনাকে এটাই জানায় যে একজন ব্যক্তি তার মনে একটি সুসংগত [[গল্প]] তৈরি করেছেন, তার মানে এই নয় যে সেই গল্পটি [[সত্য|সত্য]]।''' ** অধ্যায় ২০, "দ্য ইলিউশন অফ ভ্যালিডিটি" পৃষ্ঠা ২১২। * সে একটি অভ্যন্তরীণ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করছে। তার উচিত নিজের ক্ষেত্রটির কথা ভুলে যাওয়া এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে কী ঘটেছিল তা দেখা। ** অধ্যায় ২৩, "দ্য আউটসাইড ভিউ" পৃষ্ঠা ২৫৪। * এমন কোনো প্রমাণ নেই যে [[অর্থনীতি|অর্থনৈতিক]] ক্ষেত্রে [[ঝুঁকি]] গ্রহণকারীদের উচ্চ বাজি ধরার প্রতি অস্বাভাবিক কোনো আকাঙ্ক্ষা থাকে; তারা কেবল সাধারণ ভীরু মানুষের তুলনায় ঝুঁকি সম্পর্কে কম সচেতন। ** অধ্যায় ২৪, "দ্য ইঞ্জিন অফ ক্যাপিটালিজম" পৃষ্ঠা ২৬৩। * '''সে [[লাভ|লাভের]] তুলনায় [[ক্ষতি|ক্ষতিকে]] প্রায় দ্বিগুণ গুরুত্ব দেয়, যা অত্যন্ত [[স্বাভাবিকতা|স্বাভাবিক]]।''' ** অধ্যায় ২৬, "প্রসপেক্ট থিওরি" পৃষ্ঠা ২৮৮। * মানুষের অনেক দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি এমনভাবে উন্মোচিত হয় [...] যেখানে খুব খারাপ বিকল্পের সম্মুখীন হওয়া মানুষগুলো বেপরোয়া জুয়া খেলে; তারা একটি বড় ক্ষতি এড়ানোর সামান্য আশার বিনিময়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার উচ্চ সম্ভাবনাকে মেনে নেয়। এই ধরণের ঝুঁকি গ্রহণ প্রায়শই সামাল দেওয়ার মতো [[ব্যর্থতা|ব্যর্থতাকে]] [[বিপর্যয়|বিপর্যয়ে]] পরিণত করে। ** অধ্যায় ২৯, "দ্য ফোরফোল্ড প্যাটার্ন" পৃষ্ঠা ৩১৮-৩১৯। * একটি বিরল ঘটনাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হবে যদি এটি বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করে। [...] আর যেখানে কোনো অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয় না, সেখানে অবহেলা দেখা দেয়। ** অধ্যায় ৩০, "রেয়ার ইভেন্টস", পৃষ্ঠা ৩৩৩। * অন্য কোনো স্পষ্ট কারণ না থাকলে, '''আমাদের অধিকাংশ মানুষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সমস্যাগুলোকে যেভাবে [[w:ফ্রেমিং (সামাজিক বিজ্ঞান)|উপস্থাপন]] করা হয় সেভাবেই নিষ্ক্রিয়ভাবে গ্রহণ করি; এবং তাই আমাদের পছন্দগুলো ''বাস্তবতা-নির্ভর'' হওয়ার চেয়ে কতটা বেশি ''উপস্থাপন-নির্ভর'' তা আবিষ্কার করার সুযোগ খুব কমই পাই।''' ** অধ্যায় ৩৪, "ফ্রেমস অ্যান্ড রিয়ালিটি", পৃষ্ঠা ৩৬৭। * একটি গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা হলো যে, '''উচ্চতর আয়ের সাথে জীবনের ছোট ছোট আনন্দগুলো উপভোগ করার ক্ষমতা কমে যাওয়ার একটি সম্পর্ক রয়েছে।''' [...] অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকা এবং জীবন নিয়ে সন্তুষ্টির ওপর আয়ের প্রভাবের মধ্যে একটি স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। উচ্চতর আয় অধিকতর সন্তুষ্টি নিয়ে আসে, এমনকি সেই সীমা পার হওয়ার পরেও যখন অভিজ্ঞতার ওপর এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব থাকে না। [...] জীবন নিয়ে সন্তুষ্টি তাদের অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকার কোনো ত্রুটিপূর্ণ পরিমাপ নয়, যা আমি কয়েক বছর আগে ভেবেছিলাম। এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু। ** অধ্যায় ৩৭, "এক্সপেরিয়েন্সড ওয়েল-বিয়িং", পৃষ্ঠা ৩৯৭। * অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকা গড়ে [[বিয়ে|বিয়ের]] মাধ্যমে প্রভাবিত হয় না; এর কারণ এটি নয় যে বিয়ে [[সুখ|সুখের]] ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আনে না, বরং এর কারণ হলো এটি জীবনের কিছু দিককে ভালোর দিকে এবং অন্য কিছু দিককে মন্দের দিকে বদলে দেয়। ** অধ্যায় ৩৮, "থিংকিং অ্যাবাউট লাইফ", পৃষ্ঠা ৪০০-৪০১। * আপনি যখন কোনো বিষয় নিয়ে ভাবছেন, তখন জীবনের কোনো কিছুই ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয় যতটা আপনি তখন মনে করছেন। ** অধ্যায় ৩৮, "থিংকিং অ্যাবাউট লাইফ", পৃষ্ঠা ৪০২। * মানুষ [[অযৌক্তিকতা|অযৌক্তিক]] না হলেও, আরও নির্ভুল বিচার এবং আরও ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য প্রায়শই তাদের সাহায্যের প্রয়োজন হয়। [...] যারা ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের দুর্বলতাগুলোর সুযোগ নেয়, তাদের থেকেও [মানুষের] সুরক্ষা প্রয়োজন [...]। ** উপসংহার, পৃষ্ঠা ৪১১-৪১৩। === "পলক ফেলবেন না! আত্মবিশ্বাসের বিপদ" (২০১১) === * কোনো বিচার করার সময় আমরা যে আত্মবিশ্বাস অনুভব করি, তা সেই বিচারটি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনার কোনো যুক্তিনির্ভর মূল্যায়ন নয়। আত্মবিশ্বাস হলো একটি অনুভূতি, যা মূলত গল্পের সুসংগতি এবং এটি কত সহজে মাথায় আসছে তার দ্বারা নির্ধারিত হয়; এমনকি যখন গল্পের স্বপক্ষে প্রমাণ থাকে সামান্য এবং অনির্ভরযোগ্য। সুসংগতির প্রতি এই পক্ষপাত অতি-আত্মবিশ্বাসকে উৎসাহিত করে। একজন ব্যক্তি যিনি উচ্চ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন, তাঁর কাছে সম্ভবত একটি ভালো গল্প আছে, যা সত্য হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। ** {{cite news|url=http://www.nytimes.com/2011/10/23/magazine/dont-blink-the-hazards-of-confidence.html?pagewanted=all&_r=0 |title=Don’t Blink! The Hazards of Confidence |work=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|date=১৯ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আমরা প্রায়শই এমন পেশাদারদের সাথে কাজ করি যারা স্পষ্ট আত্মবিশ্বাসের সাথে তাদের বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করেন, কখনও কখনও তাঁরা তাঁদের সহজাত প্রবৃত্তির ক্ষমতা নিয়ে গর্বও করেন। বৈধতা এবং দক্ষতার বিভ্রমপূর্ণ এই পৃথিবীতে আমরা কি তাঁদের বিশ্বাস করতে পারি? বিশেষজ্ঞদের ন্যায্য আত্মবিশ্বাস এবং নিজেদের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে অজান্তেই থাকা পেশাদারদের আন্তরিক অতি-আত্মবিশ্বাসের মধ্যে আমরা কীভাবে পার্থক্য করব? আমরা সেই বিশেষজ্ঞকে বিশ্বাস করতে পারি যিনি অনিশ্চয়তা স্বীকার করেন, কিন্তু উচ্চ আত্মবিশ্বাসের অভিব্যক্তিকে সরাসরি ধ্রুব সত্য বলে ধরে নেওয়া যায় না। আমি প্রথম যখন সেই বাধা অতিক্রমের ময়দানে শিখেছিলাম—মানুষ সামান্য বা কিছু না জেনেও সুসংগত গল্প তৈরি করতে এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারে। অতি-আত্মবিশ্বাস তৈরি হয় কারণ মানুষ প্রায়ই নিজের অন্ধত্ব সম্পর্কে অন্ধ থাকে। ** {{cite news|url=http://www.nytimes.com/2011/10/23/magazine/dont-blink-the-hazards-of-confidence.html?pagewanted=all&_r=0 |title=Don’t Blink! The Hazards of Confidence |work=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|date=১৯ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} === "পক্ষপাত, অন্ধত্ব এবং আমরা আসলে কীভাবে চিন্তা করি" (২০১১) === * আমাদের অধিকাংশ মানুষই জগতকে তার প্রকৃত অবস্থার চেয়ে বেশি কল্যাণকর হিসেবে দেখি, আমাদের নিজেদের গুণাবলিকে তার প্রকৃত রূপের চেয়ে বেশি ইতিবাচক মনে করি এবং আমাদের গ্রহণ করা লক্ষ্যগুলোকে সেগুলোর সফল হওয়ার সম্ভাবনার চেয়ে বেশি অর্জনযোগ্য বলে ধরে নিই। আমরা ভবিষ্যতের পূর্বাভাস দেওয়ার ক্ষমতার বিষয়েও বাড়িয়ে বলার প্রবণতা দেখাই, যা অতি-আত্মবিশ্বাসকে লালন করে। সিদ্ধান্তের ওপর প্রভাবের দিক থেকে বিচার করলে, এই আশাবাদী পক্ষপাত সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কগনিটিভ বায়াস বা জ্ঞানীয় পক্ষপাত হতে পারে। যেহেতু আশাবাদী পক্ষপাত একই সাথে একটি আশীর্বাদ এবং একটি ঝুঁকি, তাই আপনি যদি স্বভাবগতভাবে আশাবাদী হন তবে আপনার একই সাথে সুখী এবং সতর্ক হওয়া উচিত। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-24/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-1-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 1): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আশাবাদ একটি স্বাভাবিক বিষয়, তবে কিছু ভাগ্যবান মানুষ আমাদের বাকিদের চেয়ে বেশি আশাবাদী হন। আপনি যদি জন্মগতভাবে আশাবাদী পক্ষপাতের অধিকারী হন, তবে আপনি যে একজন ভাগ্যবান ব্যক্তি তা আপনাকে বলার প্রয়োজন পড়ে না — আপনি নিজেই নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন। আশাবাদী মানুষরা আমাদের জীবনকে রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে অসম অনুপাতে বড় ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের সিদ্ধান্তগুলো পরিবর্তন নিয়ে আসে; তাঁরা সাধারণ মানুষ নন, বরং উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা, রাজনৈতিক এবং সামরিক নেতা। তাঁরা চ্যালেঞ্জ অন্বেষণ এবং ঝুঁকি গ্রহণের মাধ্যমেই আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। তাঁরা মেধাবী এবং তাঁরা ভাগ্যবান ছিলেন, এবং প্রায় নিশ্চিতভাবেই তাঁরা যতটা স্বীকার করেন তার চেয়েও বেশি ভাগ্যবান ছিলেন। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-24/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-1-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 1): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * রহস্যটি হলো কীভাবে এমন একটি ধারণা, যা এত সুস্পষ্ট পাল্টা উদাহরণের মুখেও অরক্ষিত, তা এতদিন টিকে ছিল। এটি আমি কেবল পাণ্ডিত্যের একটি দুর্বলতা দিয়ে ব্যাখ্যা করতে পারি যা আমি প্রায়শই নিজের মধ্যেও লক্ষ্য করেছি। আমি একে 'তত্ত্ব-প্ররোচিত অন্ধত্ব' বলি: একবার আপনি একটি তত্ত্ব গ্রহণ করে ফেললে, এর ত্রুটিগুলো লক্ষ্য করা অসাধারণভাবে কঠিন হয়ে পড়ে। মনোবিজ্ঞানী ড্যানিয়েল গিলবার্ট যেমন লক্ষ্য করেছেন, অবিশ্বাস করা একটি কঠিন কাজ। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-25/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-2-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 2): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * মানুষের যত্ন নেওয়ার বিষয়টি প্রায়শই তাদের গল্পের গুণমানের প্রতি উদ্বেগের রূপ নেয়, তাদের অনুভূতির প্রতি নয়। প্রকৃতপক্ষে, আমরা এমনকি এমন সব ঘটনা দিয়েও গভীরভাবে বিচলিত হতে পারি যা মৃত ব্যক্তিদের গল্পকেও বদলে দেয়। আমরা এমন একজন ব্যক্তির জন্য করুণা বোধ করি যিনি তাঁর স্ত্রীর ভালোবাসায় বিশ্বাস রেখে মারা গেছেন, অথচ পরে আমরা জানতে পারি যে তাঁর স্ত্রীর বহু বছরের প্রেমিক ছিল এবং তিনি কেবল টাকার জন্য স্বামীর সাথে ছিলেন। স্বামীটি একটি সুখী জীবন যাপন করা সত্ত্বেও আমরা তাঁর জন্য করুণা বোধ করি। আমরা এমন একজন বিজ্ঞানীর অপমান অনুভব করি যাঁর আবিষ্কার তাঁর মৃত্যুর পর মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে, যদিও তিনি নিজে সেই অপমান অনুভব করেননি। সবচেয়ে বড় কথা, আমরা সবাই আমাদের নিজেদের জীবনের আখ্যান বা বর্ণনার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন এবং আমরা আন্তরিকভাবে চাই যে এটি একটি ভালো গল্প হোক, যার নায়ক হবে একজন মার্জিত ব্যক্তি। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-27/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-4-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 4): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * <p>আপনার পরবর্তী ছুটি নিয়ে একটি পরীক্ষা আপনাকে আপনার 'অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তার' প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি পর্যবেক্ষণ করতে সাহায্য করবে: ছুটির শেষে সমস্ত ছবি এবং ভিডিও ধ্বংস করে দেওয়া হবে। এছাড়া, আপনি এমন একটি পানীয় পান করবেন যা ওই ছুটির সমস্ত স্মৃতি আপনার মন থেকে মুছে ফেলবে। এটি আপনার ছুটির পরিকল্পনাকে কীভাবে প্রভাবিত করবে? একটি স্বাভাবিক স্মৃতিময় ছুটির তুলনায় এই ছুটির জন্য আপনি কতটুকু খরচ করতে রাজি হবেন? আমার ধারণা হলো যে, স্মৃতির বিলুপ্তি অভিজ্ঞতার মূল্যকে অনেকাংশেই কমিয়ে দেয়। </p><p>একটি যন্ত্রণাদায়ক অপারেশনের কথা কল্পনা করুন যেখানে আপনি ব্যথায় চিৎকার করবেন এবং সার্জনকে থামার জন্য মিনতি করবেন। তবে আপনাকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে যে এমন একটি অ্যামনেসিয়া-প্ররোচিত ওষুধ দেওয়া হবে যা ওই ঘটনার সমস্ত স্মৃতি মুছে ফেলবে। এখানেও আমার পর্যবেক্ষণ হলো যে, অধিকাংশ মানুষই তাদের অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তার ব্যথার বিষয়ে আশ্চর্যজনকভাবে উদাসীন থাকে। কেউ কেউ বলেন যে তারা মোটেও পরোয়া করেন না। অন্যরা আমার অনুভূতির সাথে একমত হন, যা হলো—আমি আমার যন্ত্রণাকাতর সত্তার জন্য করুণা বোধ করি ঠিকই, কিন্তু তা ব্যথায় থাকা একজন অপরিচিত ব্যক্তির প্রতি অনুভবের চেয়ে বেশি কিছু নয়। </p><p>'''আমি হলাম আমার 'স্মৃতি ধারণকারী সত্তা', আর আমার যে 'অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তা' আমার জীবনটা যাপন করে, সে আমার কাছে একজন অপরিচিত মানুষের মতো।'''</p> ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-27/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-4-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 4): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} == ড্যানিয়েল কানেমান সম্পর্কে উক্তি == * ড্যানির কাজের একটি বিশাল অংশ হলো আমরা কীভাবে চিন্তা করি এবং আমরা কতটা গভীরভাবে অযৌক্তিক হতে পারি তা নিয়ে। সেটিও ব্যবসাক্ষেত্রকে বদলে দিচ্ছে, যদিও তা খুব ধীরগতিতে; আর এটিই তাঁর নতুন বইটির দশ লক্ষ কপি বিক্রির কারণ ব্যাখ্যা করে। তবে, ইতিহাসের বিশাল প্রেক্ষাপটে আমার ধারণা তিনি সেই ব্যক্তি হিসেবেই সবচেয়ে বেশি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন, যিনি সুখকে একটি সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে গিয়েছেন। ** [[w:রিচার্ড লেয়ার্ড, ব্যারন লেয়ার্ড|রিচার্ড লেয়ার্ড]], {{cite news|url=http://www.theguardian.com/science/2014/feb/16/daniel-kahneman-thinking-fast-and-slow-tributes |title=Daniel Kahneman changed the way we think about thinking. But what do other thinkers think of him? |work=দ্য গার্ডিয়ান|date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আমি ড্যানিয়েল কানেমানকে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী জীবিত মনোবিজ্ঞানী বলে অভিহিত করেছি এবং আমি বিশ্বাস করি এটি সত্য। তিনি প্রায় একাই আচরণগত অর্থনীতির ক্ষেত্রটি তৈরি করেছেন এবং [[জ্ঞানীয় মনোবিজ্ঞান]] ও সামাজিক মনোবিজ্ঞানের বড় একটি অংশে বিপ্লব ঘটিয়েছেন। তাঁর মূল বার্তাটি এর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারত না—তা হলো, মানুষের বিচারবুদ্ধিকে যদি তার নিজের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয় তবে তা অনেক ধরণের ভ্রান্তি এবং পদ্ধতিগত ত্রুটির জালে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা দেখায়; তাই আমরা যদি আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে এবং সমাজ হিসেবে আরও ভালো সিদ্ধান্ত নিতে চাই, তবে আমাদের এই পক্ষপাতগুলো সম্পর্কে সচেতন হতে হবে এবং বিকল্প পথ খুঁজতে হবে। এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার। ** [[স্টিভেন পিঙ্কার]]। "ড্যানিয়েল কানেমান চেঞ্জড দ্য ওয়ে উই থিংক অ্যাবাউট থিংকিং। বাট হোয়াট ডু আদার থিংকার্স থিংক অফ হিম?," ''দ্য অবজারভার,'' ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। == বহিঃসংযোগ == {{Wikipedia|ড্যানিয়েল কানেমান|ড্যানিয়েল কানেমান}} * [[w:টেড (সম্মেলন)|টেড]]-এ ["অভিজ্ঞতা বনাম স্মৃতির ধাঁধা" বিষয়ের ওপর বক্তৃতা], ফেব্রুয়ারি ২০১০ {{DEFAULTSORT:কানেমান, ড্যানিয়েল}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মনোবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসরায়েলি ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাস্তিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী]] [[বিষয়শ্রেণী:তেল আবিবের ব্যক্তিত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসরায়েলের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] bc4ot6czym7pg27mj33qhr4pin1axsi 78858 78857 2026-04-20T08:55:47Z Sumanta3023 4175 78858 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Daniel KAHNEMAN.jpg|thumb|ড্যানিয়েল কানেম্যান, ২০০৯]] '''[[w:ড্যানিয়েল কানেম্যান|ড্যানিয়েল কানেম্যান]]''' (৫ মার্চ ১৯৩৪ – ২৭ মার্চ ২০২৪) একজন ইসরায়েলি-মার্কিন [[মনোবিজ্ঞানী]] ছিলেন। তিনি ২০০২ সালে [[ভার্নন এল স্মিথ|ভার্নন এল. স্মিথের]] সাথে যৌথভাবে [[w:অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার|অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার]] লাভ করেন। কানেম্যান তাঁর [[বিচারবুদ্ধি]] ও [[সিদ্ধান্ত গ্রহণ|সিদ্ধান্ত গ্রহণের]] মনোবিজ্ঞান, [[w:আচরণগত অর্থনীতি|আচরণগত অর্থনীতি]] এবং [[w:সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞান|সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞানের]] ওপর কাজের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। পরবর্তী জীবনে তিনি প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির উড্রো উইলসন স্কুলের মনোবিজ্ঞান এবং জনবিষয়ক বিভাগের এমেরিটাস অধ্যাপক ছিলেন। == উক্তি == * আমার একটি অভিজ্ঞতার কথা স্পষ্টভাবে মনে আছে যেখানে অনুভূতির নানা রঙের মিশেল ছিল। সময়টা ১৯৪১ সালের শেষের দিকে বা ১৯৪২ সালের শুরুর দিক হবে। ইহুদিদের জন্য তখন পোশাকে 'স্টার অফ ডেভিড' পরা এবং সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ঘরে ফেরার কারফিউ মেনে চলা বাধ্যতামূলক ছিল। আমি এক খ্রিস্টান বন্ধুর সাথে খেলতে গিয়েছিলাম এবং ফিরতে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। বাড়ি ফেরার জন্য কয়েক ব্লকের পথ হাঁটার সময় আমি আমার বাদামী সোয়েটারটি উল্টো করে পরে নিয়েছিলাম (যাতে তারাটি ঢাকা পড়ে)। জনশূন্য রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় আমি একজন জার্মান সৈন্যকে এগিয়ে আসতে দেখলাম। তিনি সেই কালো ইউনিফর্মটি পরে ছিলেন যা অন্য সব ইউনিফর্মের চেয়ে বেশি ভয় পেতে আমাকে শেখানো হয়েছিল এটি বিশেষভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত এসএস সৈন্যদের পোশাক। আমি দ্রুত হাঁটার চেষ্টা করছিলাম, তাঁর কাছাকাছি আসতেই লক্ষ্য করলাম তিনি আমার দিকে তীক্ষ্ণভাবে তাকিয়ে আছেন। এরপর তিনি আমাকে কাছে ডাকলেন, কোলে তুলে নিলেন এবং জড়িয়ে ধরলেন। আমি প্রচণ্ড আতঙ্কে ছিলাম যে তিনি আমার সোয়েটারের ভেতরে থাকা তারাটি দেখে ফেলবেন। তিনি জার্মান ভাষায় খুব আবেগ দিয়ে আমার সাথে কথা বলছিলেন। আমাকে নিচে নামিয়ে দেওয়ার পর তিনি তাঁর মানিব্যাগ খুললেন, একটি ছেলের ছবি দেখালেন এবং আমাকে কিছু টাকা দিলেন। আমি যখন বাড়ি ফিরলাম, তখন নিজের মনের ভেতর আগের চেয়েও বেশি নিশ্চিত হলাম যে আমার মা ঠিকই বলতেন: মানুষ সীমাহীন জটিল এবং কৌতুহলোদ্দীপক। ** [http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economic-sciences/laureates/2002/kahneman-bio.html নোবেল পুরস্কারের আত্মজীবনীমূলক তথ্য] (২০০২)। * '''যাঁরা পরিবর্তন নিয়ে আসেন তাঁরা একা মারা যান না। যাঁরা তাঁদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকের ভেতর থেকেই কিছু একটা হারিয়ে যায়।''' আমোস অনেক পরিবর্তন এনেছিলেন, এবং যখন তিনি মারা গেলেন, আমাদের অনেকের জন্যই জীবন কিছুটা ম্লান ও সংকুচিত হয়ে গেল। পৃথিবীতে বুদ্ধিমত্তার পরিমাণ কমে গেল। কমে গেল রসবোধ। এমন অনেক প্রশ্ন আছে যেগুলোর উত্তর আর কখনোই গভীরতা ও স্পষ্টতার সেই অপ্রতিম সংমিশ্রণে পাওয়া যাবে না। এমন অনেক মানদণ্ড আছে যেগুলোকে আর কখনোই নীতি ও কাণ্ডজ্ঞান দিয়ে একইভাবে রক্ষা করা হবে না। জীবন আরও দরিদ্র হয়ে পড়েছে। মোজাইকের মাঝে আমোসের আকৃতির এক বিশাল শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে, যা আর কখনও পূরণ হবে না। এটি পূরণ করা সম্ভব নয় কারণ আমোস এই পৃথিবীতে নিজের জায়গা নিজেই তৈরি করেছিলেন, তিনি নিজের জীবন এমনকি নিজের মৃত্যুকেও রূপ দিয়েছিলেন। আর নিজের জীবন ও জগতকে রূপ দেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি তাঁর চারপাশের অনেক মানুষের জীবন ও জগতকেও বদলে দিয়েছিলেন। ** ৫ জুন ১৯৯৬ তারিখে তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মী [[w:আমোস টিভারস্কি|আমোস টিভারস্কির]] মৃত্যু সম্পর্কে। [http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economic-sciences/laureates/2002/kahneman-bio.html নোবেল পুরস্কারের আত্মজীবনীমূলক তথ্য] (২০০২)। * কোনো চিকিৎসকের "মুখভঙ্গি" দেখে একটি রোগ শনাক্ত করা এবং একটি ছোট শিশুর কোনো কিছুর দিকে আঙুল উঁচিয়ে "কুকুর" বলার মধ্যে আক্ষরিক অর্থে কোনো পার্থক্য নেই। ** টকস অ্যাট গুগল - ১০ নভেম্বর ২০১১ * সংখ্যার কারণে কেউ কখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। মানুষের একটি গল্পের প্রয়োজন হয়। ** মাইকেল লুইস। "দ্য আনডুইং প্রজেক্ট: আ ফ্রেন্ডশিপ দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড"। পেঙ্গুইন, ২০১৬ (ISBN 9780141983035)। * আমি স্বল্প-শক্তির গবেষণার ওপর বড্ড বেশি আস্থা রেখেছিলাম। ব্লগে এবং এর আগে অ্যান্ড্রু গেলম্যান যেমনটি উল্লেখ করেছেন, আমার এই ভুলের মধ্যে একটি বিশেষ পরিহাস রয়েছে; কারণ আমোস টিভারস্কি এবং আমি যে প্রথম গবেষণাপত্রটি প্রকাশ করেছিলাম, সেটি ছিল "ক্ষুদ্র সংখ্যার নীতির" ওপর বিশ্বাসের বিষয়ে, যা গবেষকদের অযৌক্তিক ক্ষুদ্র নমুনাসহ স্বল্প-শক্তির গবেষণার ফলাফলের ওপর আস্থা রাখতে প্ররোচিত করে। আমরা ওভারঅল (১৯৬৯)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে দেখিয়েছিলাম যে "পরিসংখ্যানগত শক্তিতে ঘাটতি থাকা গবেষণার ব্যাপকতা কেবল অপচয়ই নয় বরং আসলে ক্ষতিকর: এর ফলে প্রকাশিত ফলাফলগুলোর মধ্যে একটি বড় অংশেই নাল হাইপোথিসিস বা শূন্য প্রকল্পের ভুল প্রত্যাখ্যান ঘটে।" আমাদের নিবন্ধটি ১৯৬৯ সালে লেখা এবং ১৯৭১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু আমি এর বার্তাটি নিজের মাঝে ধারণ করতে ব্যর্থ হয়েছি।<br />যখন আমি "থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো" লিখেছিলাম, তখন আমার অবস্থান ছিল এমন যে যদি নামী জার্নালগুলোতে প্রকাশিত প্রমাণের একটি বড় অংশ প্রাথমিকভাবে অবিশ্বাস্য মনে হওয়া কোনো সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে, তবে বৈজ্ঞানিক নিয়ম অনুযায়ী আমাদের সেই সিদ্ধান্তকে বিশ্বাস করা উচিত। অবিশ্বাস্য হওয়াটাই অবিশ্বাসকে ন্যায়সঙ্গত করার জন্য যথেষ্ট নয়, এবং সুপ্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্তগুলো বিশ্বাস করা ঐচ্ছিক কোনো বিষয় নয়। এই অবস্থানটি এখনও আমার কাছে যুক্তিসঙ্গত মনে হয় – আর এই কারণেই আমি মনে করি মানুষের জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বাস করা উচিত। কিন্তু এই যুক্তি তখনই খাটে যখন সমস্ত প্রাসঙ্গিক ফলাফল প্রকাশিত হয়।<br />আমি অবশ্যই জানতাম যে প্রাইমিং স্টাডিজের ফলাফলগুলো ছোট নমুনার ওপর ভিত্তি করে ছিল, প্রভাবের মাত্রাগুলো হয়তো অবিশ্বাস্য রকমের বড় ছিল এবং কোনো একক গবেষণাই নিজে থেকে চূড়ান্ত ছিল না। যা আমাকে মুগ্ধ করেছিল তা হলো অনেক গবেষণাগার থেকে পাওয়া রিপোর্টের ফলাফলের একমত হওয়া এবং সেগুলোর সুসংগতি। আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলাম যে দক্ষ পরীক্ষকদের পক্ষে প্রাইমিং ইফেক্ট তৈরি করা সহজ এবং এগুলো বেশ শক্তিশালী। তবে, আমি এখন বুঝতে পারছি যে আমার যুক্তি ত্রুটিপূর্ণ ছিল এবং আমার আরও সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। স্বল্প-শক্তির গবেষণাগুলোর মধ্যে এই সর্বসম্মত ঐক্য আসলে একটি গুরুতর 'ফাইল-ড্রয়ার সমস্যা' (এবং/অথবা পি-হ্যাকিং)-এর অস্তিত্বের অকাট্য প্রমাণ দেয়। যুক্তিটি অনস্বীকার্য: যেসব গবেষণা সম্ভাব্য প্রভাব শনাক্ত করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী নয়, সেগুলোতে গবেষণার হাইপোথিসিস সত্য হওয়া সত্ত্বেও মাঝে মাঝে তাৎপর্যহীন ফলাফল আসতে বাধ্য – এই ধরনের ফলাফলের অনুপস্থিতিই প্রমাণ করে যে প্রকাশিত নথিপত্রে কোথাও কোনো গরমিল আছে... ** [https://replicationindex.com/2017/02/02/reconstruction-of-a-train-wreck-how-priming-research-went-of-the-rails/comment-page-1/#comment-1454 ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭], [https://retractionwatch.com/2017/02/20/placed-much-faith-underpowered-studies-nobel-prize-winner-admits-mistakes/ রিট্রাকশনওয়াচে] উদ্ধৃত। * এবং আরও একটি বিষয় আছে যা আমার মতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেটি হলো, '''প্রায় সব মনস্তাত্ত্বিক হাইপোথিসিসই সত্য''', অর্থাৎ এই অর্থে যে, আপনি যদি ধারণা করেন 'ক' আসলে 'খ'-এর কারণ হয়, তবে এটি সত্য নয় যে 'ক' আসলে 'খ'-এর বিপরীত কিছু ঘটায়। হয়তো 'ক'-এর প্রভাব খুব সামান্য, কিন্তু হাইপোথিসিসগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সত্য হয়; তবে সেগুলো আপনি যতটা ভাবেন তার চেয়ে অনেক বেশি দুর্বল... ** লেক্স ফ্রিডম্যান পডকাস্ট, ১:০৪:১০। ১৪ জানুয়ারি ২০২০। * আপনার উচিত নিজের সহজাত প্রবৃত্তিকে তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ করা এবং তারপর সেটিকে বিশ্বাস করা। ** হার্ভার্ডে আলোচনা - ৩ ডিসেম্বর ২০২১<ref>https://news.harvard.edu/gazette/story/2021/12/daniel-kahneman-on-how-to-influence-others/</ref> * প্রথম পরামর্শ হলো গতি ধীর করা, এবং আপনার প্রথম ঝোঁক বা আবেগকে অনুসরণ না করা। ** হার্ভার্ডে আলোচনা - ৩ ডিসেম্বর ২০২১<ref>https://news.harvard.edu/gazette/story/2021/12/daniel-kahneman-on-how-to-influence-others/</ref> === থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো (২০১১) === :<small>'''দ্রষ্টব্য''': অন্য কোনো উল্লেখ না থাকলে পৃষ্ঠা নম্বরগুলো (ISBN 9780141033570) থেকে নেওয়া।</small> * এই বইয়ের একটি পুনরাবৃত্ত মূলভাব হলো যে, '''[[ভাগ্য|সাফল্যের]] প্রতিটি গল্পে [[সাফল্য|ভাগ্যের]] একটি বিশাল ভূমিকা থাকে'''; গল্পের মধ্যে খুব সামান্য একটি পরিবর্তন শনাক্ত করা প্রায় সব সময়ই সহজ, যা একটি অসাধারণ অর্জনকে একটি সাধারণ ফলাফলে পরিণত করতে পারত। ** ভূমিকা, পৃষ্ঠা ৯। * '''[[বুদ্ধিমত্তা]] কেবল [[যুক্তি|যুক্তি প্রদানের]] ক্ষমতা নয়; এটি [[স্মৃতি|স্মৃতি]] থেকে [[প্রাসঙ্গিকতা|প্রাসঙ্গিক]] তথ্য খুঁজে বের করার এবং প্রয়োজনবোধে [[মনোযোগ]] দেওয়ার ক্ষমতাও বটে।''' ** অধ্যায় ৩, "দ্য লেজি কন্ট্রোলার" পৃষ্ঠা ৪৬। * অবিশ্বাস করার কোনো সুযোগ নেই। ফলাফলগুলো মনগড়া নয়, কিংবা এগুলো কোনো পরিসংখ্যানগত আকস্মিক ঘটনাও নয়। এই গবেষণাগুলোর প্রধান সিদ্ধান্তগুলো যে সত্য, তা মেনে নেওয়া ছাড়া আপনার কোনো উপায় নেই। ** প্রাইমিং গবেষণার ওপর। কানেমান পরবর্তীতে প্রাইমিং গবেষণার প্রতি তাঁর সমর্থনের বিষয়ে একটি শর্তসাপেক্ষ প্রত্যাহার জারি করেছিলেন। অধ্যায় ৪, "দ্য অ্যাসোসিয়েটিভ মেশিন"। * '''মানুষকে কোনো [[মিথ্যা|মিথ্যাবাদে]] বিশ্বাস করানোর একটি নির্ভরযোগ্য উপায় হলো সেটির ঘনঘন [[পুনরাবৃত্তি]], কারণ [[পরিচিতি|পরিচিতি]] এবং [[সত্য|সত্যের]] মধ্যে পার্থক্য করা সহজ নয়।''' ** অধ্যায় ৫, "কগনিটিভ ইজ" পৃষ্ঠা ৬২। * '''একটি ভালো [[গল্পের]] জন্য [[তথ্য|তথ্যের]] {{w|সামঞ্জস্যতা}} গুরুত্বপূর্ণ, তার পূর্ণতা নয়।''' প্রকৃতপক্ষে, আপনি প্রায়ই লক্ষ্য করবেন যে, '''খুব সামান্য জানলে আপনার জানা সবকিছুকে একটি সুসংগত [[ধরণ|কাঠামোতে]] বিন্যস্ত করা সহজ হয়ে যায়।''' ** অধ্যায় ৭, "এ মেশিন ফর জাম্পিং টু কনক্লুশনস" পৃষ্ঠা ৮৭। * শিক্ষাটি পরিষ্কার: [[মৃত্যু|মৃত্যুর]] কারণগুলো সম্পর্কে আমাদের অনুমানগুলো [[গণমাধ্যম|মিডিয়া]] কভারেজ দ্বারা প্রভাবিত হয়। [...] আমাদের মাথার ভেতরের জগতটি বাস্তবতার নিখুঁত প্রতিরূপ নয়; '''কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তির হার সম্পর্কে আমাদের প্রত্যাশাগুলো সেই বার্তার ব্যাপকতা এবং আবেগীয় তীব্রতা দ্বারা বিকৃত হয়''', যা আমাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। ** অধ্যায় ১৩, "অ্যাভেইলিবিলিটি, ইমোশন, অ্যান্ড রিস্ক" পৃষ্ঠা ১৩৮। * আমাদের [[পরিসংখ্যান]] সংক্রান্ত চিন্তা এবং স্বতন্ত্র ঘটনা সংক্রান্ত চিন্তার মধ্যে একটি গভীর ব্যবধান রয়েছে। ** অধ্যায় ১৫, "কজেস ট্রাম্প স্ট্যাটিস্টিকস" পৃষ্ঠা ১৭৪। * {{w|সহসম্বন্ধ}} এবং [[w:রিগ্রেশন বিশ্লেষণ|রিগ্রেশন]] যে দুটি ভিন্ন ধারণা নয় বরং একই ধারণার দুটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি, তা বুঝতে [[ফ্রান্সিস গাল্টন|ফ্রান্সিস গাল্টনের]] কয়েক বছর সময় লেগেছিল। সাধারণ নিয়মটি সহজবোধ্য কিন্তু এর ফলাফলগুলো বিস্ময়কর: যখনই দুটি স্কোরের মধ্যে সহসম্বন্ধ অপূর্ণ থাকে, তখনই সেখানে গড়ের দিকে প্রত্যাগমন ঘটবে। ** অধ্যায় ১৭, "রিগ্রেশন টু দ্য মিন" পৃষ্ঠা ১৮১। * '''পৃথিবীটা অর্থবহ আমাদের এই স্বস্তিদায়ক বিশ্বাসটি একটি নিরাপদ ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে: আর তা হলো আমাদের [[অজ্ঞতা|অজ্ঞতাকে]] উপেক্ষা করার প্রায় সীমাহীন ক্ষমতা।''' ** অধ্যায় ১৯, "দ্য ইলিউশন অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং" পৃষ্ঠা ২০১। * একটি বিচারের ক্ষেত্রে [[w:বিষয়ীভাব এবং বস্তুনিষ্ঠতা (দর্শন)|বিষয়ীগত]] [[আত্মবিশ্বাস]] কোনো যুক্তিনির্ভর মূল্যায়ন নয় যে সেই বিচারটি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু। '''আত্মবিশ্বাস হলো একটি অনুভূতি, যা তথ্যের সুসংগতি এবং তা প্রক্রিয়াকরণের মানসিক সহজবোধ্যতাকে প্রতিফলিত করে।''' [[অনিশ্চয়তা|অনিশ্চয়তার]] স্বীকারোক্তিকে গুরুত্বের সাথে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ, কিন্তু '''উচ্চ আত্মবিশ্বাসের ঘোষণা মূলত আপনাকে এটাই জানায় যে একজন ব্যক্তি তার মনে একটি সুসংগত [[গল্প]] তৈরি করেছেন, তার মানে এই নয় যে সেই গল্পটি [[সত্য|সত্য]]।''' ** অধ্যায় ২০, "দ্য ইলিউশন অফ ভ্যালিডিটি" পৃষ্ঠা ২১২। * সে একটি অভ্যন্তরীণ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করছে। তার উচিত নিজের ক্ষেত্রটির কথা ভুলে যাওয়া এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে কী ঘটেছিল তা দেখা। ** অধ্যায় ২৩, "দ্য আউটসাইড ভিউ" পৃষ্ঠা ২৫৪। * এমন কোনো প্রমাণ নেই যে [[অর্থনীতি|অর্থনৈতিক]] ক্ষেত্রে [[ঝুঁকি]] গ্রহণকারীদের উচ্চ বাজি ধরার প্রতি অস্বাভাবিক কোনো আকাঙ্ক্ষা থাকে; তারা কেবল সাধারণ ভীরু মানুষের তুলনায় ঝুঁকি সম্পর্কে কম সচেতন। ** অধ্যায় ২৪, "দ্য ইঞ্জিন অফ ক্যাপিটালিজম" পৃষ্ঠা ২৬৩। * '''সে [[লাভ|লাভের]] তুলনায় [[ক্ষতি|ক্ষতিকে]] প্রায় দ্বিগুণ গুরুত্ব দেয়, যা অত্যন্ত [[স্বাভাবিকতা|স্বাভাবিক]]।''' ** অধ্যায় ২৬, "প্রসপেক্ট থিওরি" পৃষ্ঠা ২৮৮। * মানুষের অনেক দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি এমনভাবে উন্মোচিত হয় [...] যেখানে খুব খারাপ বিকল্পের সম্মুখীন হওয়া মানুষগুলো বেপরোয়া জুয়া খেলে; তারা একটি বড় ক্ষতি এড়ানোর সামান্য আশার বিনিময়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার উচ্চ সম্ভাবনাকে মেনে নেয়। এই ধরণের ঝুঁকি গ্রহণ প্রায়শই সামাল দেওয়ার মতো [[ব্যর্থতা|ব্যর্থতাকে]] [[বিপর্যয়|বিপর্যয়ে]] পরিণত করে। ** অধ্যায় ২৯, "দ্য ফোরফোল্ড প্যাটার্ন" পৃষ্ঠা ৩১৮-৩১৯। * একটি বিরল ঘটনাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হবে যদি এটি বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করে। [...] আর যেখানে কোনো অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয় না, সেখানে অবহেলা দেখা দেয়। ** অধ্যায় ৩০, "রেয়ার ইভেন্টস", পৃষ্ঠা ৩৩৩। * অন্য কোনো স্পষ্ট কারণ না থাকলে, '''আমাদের অধিকাংশ মানুষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সমস্যাগুলোকে যেভাবে [[w:ফ্রেমিং (সামাজিক বিজ্ঞান)|উপস্থাপন]] করা হয় সেভাবেই নিষ্ক্রিয়ভাবে গ্রহণ করি; এবং তাই আমাদের পছন্দগুলো ''বাস্তবতা-নির্ভর'' হওয়ার চেয়ে কতটা বেশি ''উপস্থাপন-নির্ভর'' তা আবিষ্কার করার সুযোগ খুব কমই পাই।''' ** অধ্যায় ৩৪, "ফ্রেমস অ্যান্ড রিয়ালিটি", পৃষ্ঠা ৩৬৭। * একটি গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা হলো যে, '''উচ্চতর আয়ের সাথে জীবনের ছোট ছোট আনন্দগুলো উপভোগ করার ক্ষমতা কমে যাওয়ার একটি সম্পর্ক রয়েছে।''' [...] অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকা এবং জীবন নিয়ে সন্তুষ্টির ওপর আয়ের প্রভাবের মধ্যে একটি স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। উচ্চতর আয় অধিকতর সন্তুষ্টি নিয়ে আসে, এমনকি সেই সীমা পার হওয়ার পরেও যখন অভিজ্ঞতার ওপর এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব থাকে না। [...] জীবন নিয়ে সন্তুষ্টি তাদের অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকার কোনো ত্রুটিপূর্ণ পরিমাপ নয়, যা আমি কয়েক বছর আগে ভেবেছিলাম। এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু। ** অধ্যায় ৩৭, "এক্সপেরিয়েন্সড ওয়েল-বিয়িং", পৃষ্ঠা ৩৯৭। * অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকা গড়ে [[বিয়ে|বিয়ের]] মাধ্যমে প্রভাবিত হয় না; এর কারণ এটি নয় যে বিয়ে [[সুখ|সুখের]] ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আনে না, বরং এর কারণ হলো এটি জীবনের কিছু দিককে ভালোর দিকে এবং অন্য কিছু দিককে মন্দের দিকে বদলে দেয়। ** অধ্যায় ৩৮, "থিংকিং অ্যাবাউট লাইফ", পৃষ্ঠা ৪০০-৪০১। * আপনি যখন কোনো বিষয় নিয়ে ভাবছেন, তখন জীবনের কোনো কিছুই ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয় যতটা আপনি তখন মনে করছেন। ** অধ্যায় ৩৮, "থিংকিং অ্যাবাউট লাইফ", পৃষ্ঠা ৪০২। * মানুষ [[অযৌক্তিকতা|অযৌক্তিক]] না হলেও, আরও নির্ভুল বিচার এবং আরও ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য প্রায়শই তাদের সাহায্যের প্রয়োজন হয়। [...] যারা ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের দুর্বলতাগুলোর সুযোগ নেয়, তাদের থেকেও [মানুষের] সুরক্ষা প্রয়োজন [...]। ** উপসংহার, পৃষ্ঠা ৪১১-৪১৩। === "পলক ফেলবেন না! আত্মবিশ্বাসের বিপদ" (২০১১) === * কোনো বিচার করার সময় আমরা যে আত্মবিশ্বাস অনুভব করি, তা সেই বিচারটি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনার কোনো যুক্তিনির্ভর মূল্যায়ন নয়। আত্মবিশ্বাস হলো একটি অনুভূতি, যা মূলত গল্পের সুসংগতি এবং এটি কত সহজে মাথায় আসছে তার দ্বারা নির্ধারিত হয়; এমনকি যখন গল্পের স্বপক্ষে প্রমাণ থাকে সামান্য এবং অনির্ভরযোগ্য। সুসংগতির প্রতি এই পক্ষপাত অতি-আত্মবিশ্বাসকে উৎসাহিত করে। একজন ব্যক্তি যিনি উচ্চ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন, তাঁর কাছে সম্ভবত একটি ভালো গল্প আছে, যা সত্য হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। ** {{cite news|url=http://www.nytimes.com/2011/10/23/magazine/dont-blink-the-hazards-of-confidence.html?pagewanted=all&_r=0 |title=Don’t Blink! The Hazards of Confidence |work=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|date=১৯ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আমরা প্রায়শই এমন পেশাদারদের সাথে কাজ করি যারা স্পষ্ট আত্মবিশ্বাসের সাথে তাদের বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করেন, কখনও কখনও তাঁরা তাঁদের সহজাত প্রবৃত্তির ক্ষমতা নিয়ে গর্বও করেন। বৈধতা এবং দক্ষতার বিভ্রমপূর্ণ এই পৃথিবীতে আমরা কি তাঁদের বিশ্বাস করতে পারি? বিশেষজ্ঞদের ন্যায্য আত্মবিশ্বাস এবং নিজেদের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে অজান্তেই থাকা পেশাদারদের আন্তরিক অতি-আত্মবিশ্বাসের মধ্যে আমরা কীভাবে পার্থক্য করব? আমরা সেই বিশেষজ্ঞকে বিশ্বাস করতে পারি যিনি অনিশ্চয়তা স্বীকার করেন, কিন্তু উচ্চ আত্মবিশ্বাসের অভিব্যক্তিকে সরাসরি ধ্রুব সত্য বলে ধরে নেওয়া যায় না। আমি প্রথম যখন সেই বাধা অতিক্রমের ময়দানে শিখেছিলাম মানুষ সামান্য বা কিছু না জেনেও সুসংগত গল্প তৈরি করতে এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারে। অতি-আত্মবিশ্বাস তৈরি হয় কারণ মানুষ প্রায়ই নিজের অন্ধত্ব সম্পর্কে অন্ধ থাকে। ** {{cite news|url=http://www.nytimes.com/2011/10/23/magazine/dont-blink-the-hazards-of-confidence.html?pagewanted=all&_r=0 |title=Don’t Blink! The Hazards of Confidence |work=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|date=১৯ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} === "পক্ষপাত, অন্ধত্ব এবং আমরা আসলে কীভাবে চিন্তা করি" (২০১১) === * আমাদের অধিকাংশ মানুষই জগতকে তার প্রকৃত অবস্থার চেয়ে বেশি কল্যাণকর হিসেবে দেখি, আমাদের নিজেদের গুণাবলিকে তার প্রকৃত রূপের চেয়ে বেশি ইতিবাচক মনে করি এবং আমাদের গ্রহণ করা লক্ষ্যগুলোকে সেগুলোর সফল হওয়ার সম্ভাবনার চেয়ে বেশি অর্জনযোগ্য বলে ধরে নিই। আমরা ভবিষ্যতের পূর্বাভাস দেওয়ার ক্ষমতার বিষয়েও বাড়িয়ে বলার প্রবণতা দেখাই, যা অতি-আত্মবিশ্বাসকে লালন করে। সিদ্ধান্তের ওপর প্রভাবের দিক থেকে বিচার করলে, এই আশাবাদী পক্ষপাত সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কগনিটিভ বায়াস বা জ্ঞানীয় পক্ষপাত হতে পারে। যেহেতু আশাবাদী পক্ষপাত একই সাথে একটি আশীর্বাদ এবং একটি ঝুঁকি, তাই আপনি যদি স্বভাবগতভাবে আশাবাদী হন তবে আপনার একই সাথে সুখী এবং সতর্ক হওয়া উচিত। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-24/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-1-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 1): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আশাবাদ একটি স্বাভাবিক বিষয়, তবে কিছু ভাগ্যবান মানুষ আমাদের বাকিদের চেয়ে বেশি আশাবাদী হন। আপনি যদি জন্মগতভাবে আশাবাদী পক্ষপাতের অধিকারী হন, তবে আপনি যে একজন ভাগ্যবান ব্যক্তি তা আপনাকে বলার প্রয়োজন পড়ে না আপনি নিজেই নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন। আশাবাদী মানুষরা আমাদের জীবনকে রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে অসম অনুপাতে বড় ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের সিদ্ধান্তগুলো পরিবর্তন নিয়ে আসে; তাঁরা সাধারণ মানুষ নন, বরং উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা, রাজনৈতিক এবং সামরিক নেতা। তাঁরা চ্যালেঞ্জ অন্বেষণ এবং ঝুঁকি গ্রহণের মাধ্যমেই আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। তাঁরা মেধাবী এবং তাঁরা ভাগ্যবান ছিলেন, এবং প্রায় নিশ্চিতভাবেই তাঁরা যতটা স্বীকার করেন তার চেয়েও বেশি ভাগ্যবান ছিলেন। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-24/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-1-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 1): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * রহস্যটি হলো কীভাবে এমন একটি ধারণা, যা এত সুস্পষ্ট পাল্টা উদাহরণের মুখেও অরক্ষিত, তা এতদিন টিকে ছিল। এটি আমি কেবল পাণ্ডিত্যের একটি দুর্বলতা দিয়ে ব্যাখ্যা করতে পারি যা আমি প্রায়শই নিজের মধ্যেও লক্ষ্য করেছি। আমি একে 'তত্ত্ব-প্ররোচিত অন্ধত্ব' বলি: একবার আপনি একটি তত্ত্ব গ্রহণ করে ফেললে, এর ত্রুটিগুলো লক্ষ্য করা অসাধারণভাবে কঠিন হয়ে পড়ে। মনোবিজ্ঞানী ড্যানিয়েল গিলবার্ট যেমন লক্ষ্য করেছেন, অবিশ্বাস করা একটি কঠিন কাজ। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-25/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-2-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 2): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * মানুষের যত্ন নেওয়ার বিষয়টি প্রায়শই তাদের গল্পের গুণমানের প্রতি উদ্বেগের রূপ নেয়, তাদের অনুভূতির প্রতি নয়। প্রকৃতপক্ষে, আমরা এমনকি এমন সব ঘটনা দিয়েও গভীরভাবে বিচলিত হতে পারি যা মৃত ব্যক্তিদের গল্পকেও বদলে দেয়। আমরা এমন একজন ব্যক্তির জন্য করুণা বোধ করি যিনি তাঁর স্ত্রীর ভালোবাসায় বিশ্বাস রেখে মারা গেছেন, অথচ পরে আমরা জানতে পারি যে তাঁর স্ত্রীর বহু বছরের প্রেমিক ছিল এবং তিনি কেবল টাকার জন্য স্বামীর সাথে ছিলেন। স্বামীটি একটি সুখী জীবন যাপন করা সত্ত্বেও আমরা তাঁর জন্য করুণা বোধ করি। আমরা এমন একজন বিজ্ঞানীর অপমান অনুভব করি যাঁর আবিষ্কার তাঁর মৃত্যুর পর মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে, যদিও তিনি নিজে সেই অপমান অনুভব করেননি। সবচেয়ে বড় কথা, আমরা সবাই আমাদের নিজেদের জীবনের আখ্যান বা বর্ণনার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন এবং আমরা আন্তরিকভাবে চাই যে এটি একটি ভালো গল্প হোক, যার নায়ক হবে একজন মার্জিত ব্যক্তি। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-27/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-4-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 4): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * <p>আপনার পরবর্তী ছুটি নিয়ে একটি পরীক্ষা আপনাকে আপনার 'অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তার' প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি পর্যবেক্ষণ করতে সাহায্য করবে: ছুটির শেষে সমস্ত ছবি এবং ভিডিও ধ্বংস করে দেওয়া হবে। এছাড়া, আপনি এমন একটি পানীয় পান করবেন যা ওই ছুটির সমস্ত স্মৃতি আপনার মন থেকে মুছে ফেলবে। এটি আপনার ছুটির পরিকল্পনাকে কীভাবে প্রভাবিত করবে? একটি স্বাভাবিক স্মৃতিময় ছুটির তুলনায় এই ছুটির জন্য আপনি কতটুকু খরচ করতে রাজি হবেন? আমার ধারণা হলো যে, স্মৃতির বিলুপ্তি অভিজ্ঞতার মূল্যকে অনেকাংশেই কমিয়ে দেয়। </p><p>একটি যন্ত্রণাদায়ক অপারেশনের কথা কল্পনা করুন যেখানে আপনি ব্যথায় চিৎকার করবেন এবং সার্জনকে থামার জন্য মিনতি করবেন। তবে আপনাকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে যে এমন একটি অ্যামনেসিয়া-প্ররোচিত ওষুধ দেওয়া হবে যা ওই ঘটনার সমস্ত স্মৃতি মুছে ফেলবে। এখানেও আমার পর্যবেক্ষণ হলো যে, অধিকাংশ মানুষই তাদের অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তার ব্যথার বিষয়ে আশ্চর্যজনকভাবে উদাসীন থাকে। কেউ কেউ বলেন যে তারা মোটেও পরোয়া করেন না। অন্যরা আমার অনুভূতির সাথে একমত হন, যা হলো আমি আমার যন্ত্রণাকাতর সত্তার জন্য করুণা বোধ করি ঠিকই, কিন্তু তা ব্যথায় থাকা একজন অপরিচিত ব্যক্তির প্রতি অনুভবের চেয়ে বেশি কিছু নয়। </p><p>'''আমি হলাম আমার 'স্মৃতি ধারণকারী সত্তা', আর আমার যে 'অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তা' আমার জীবনটা যাপন করে, সে আমার কাছে একজন অপরিচিত মানুষের মতো।'''</p> ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-27/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-4-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 4): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} == ড্যানিয়েল কানেমান সম্পর্কে উক্তি == * ড্যানির কাজের একটি বিশাল অংশ হলো আমরা কীভাবে চিন্তা করি এবং আমরা কতটা গভীরভাবে অযৌক্তিক হতে পারি তা নিয়ে। সেটিও ব্যবসাক্ষেত্রকে বদলে দিচ্ছে, যদিও তা খুব ধীরগতিতে; আর এটিই তাঁর নতুন বইটির দশ লক্ষ কপি বিক্রির কারণ ব্যাখ্যা করে। তবে, ইতিহাসের বিশাল প্রেক্ষাপটে আমার ধারণা তিনি সেই ব্যক্তি হিসেবেই সবচেয়ে বেশি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন, যিনি সুখকে একটি সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে গিয়েছেন। ** [[w:রিচার্ড লেয়ার্ড, ব্যারন লেয়ার্ড|রিচার্ড লেয়ার্ড]], {{cite news|url=http://www.theguardian.com/science/2014/feb/16/daniel-kahneman-thinking-fast-and-slow-tributes |title=Daniel Kahneman changed the way we think about thinking. But what do other thinkers think of him? |work=দ্য গার্ডিয়ান|date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আমি ড্যানিয়েল কানেমানকে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী জীবিত মনোবিজ্ঞানী বলে অভিহিত করেছি এবং আমি বিশ্বাস করি এটি সত্য। তিনি প্রায় একাই আচরণগত অর্থনীতির ক্ষেত্রটি তৈরি করেছেন এবং [[জ্ঞানীয় মনোবিজ্ঞান]] ও সামাজিক মনোবিজ্ঞানের বড় একটি অংশে বিপ্লব ঘটিয়েছেন। তাঁর মূল বার্তাটি এর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারত না তা হলো, মানুষের বিচারবুদ্ধিকে যদি তার নিজের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয় তবে তা অনেক ধরণের ভ্রান্তি এবং পদ্ধতিগত ত্রুটির জালে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা দেখায়; তাই আমরা যদি আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে এবং সমাজ হিসেবে আরও ভালো সিদ্ধান্ত নিতে চাই, তবে আমাদের এই পক্ষপাতগুলো সম্পর্কে সচেতন হতে হবে এবং বিকল্প পথ খুঁজতে হবে। এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার। ** [[স্টিভেন পিঙ্কার]]। "ড্যানিয়েল কানেমান চেঞ্জড দ্য ওয়ে উই থিংক অ্যাবাউট থিংকিং। বাট হোয়াট ডু আদার থিংকার্স থিংক অফ হিম?," ''দ্য অবজারভার,'' ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। == বহিঃসংযোগ == {{Wikipedia|ড্যানিয়েল কানেমান|ড্যানিয়েল কানেমান}} * [[w:টেড (সম্মেলন)|টেডে]] ["অভিজ্ঞতা বনাম স্মৃতির ধাঁধা" বিষয়ের ওপর বক্তৃতা], ফেব্রুয়ারি ২০১০ {{DEFAULTSORT:কানেমান, ড্যানিয়েল}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মনোবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসরায়েলি ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাস্তিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী]] [[বিষয়শ্রেণী:তেল আবিবের ব্যক্তিত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসরায়েলের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] cp8ofl74dtrp6iyocg7150eul2jodqd 78859 78858 2026-04-20T08:57:02Z Sumanta3023 4175 78859 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Daniel KAHNEMAN.jpg|thumb|ড্যানিয়েল কানেম্যান, ২০০৯]] '''[[w:ড্যানিয়েল কানেম্যান|ড্যানিয়েল কানেম্যান]]''' (৫ মার্চ ১৯৩৪ – ২৭ মার্চ ২০২৪) একজন ইসরায়েলি-মার্কিন মনোবিজ্ঞানী ছিলেন। তিনি ২০০২ সালে ভার্নন এল. স্মিথের সাথে যৌথভাবে [[w:অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার|অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার]] লাভ করেন। কানেম্যান তাঁর বিচারবুদ্ধি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের মনোবিজ্ঞান, [[w:আচরণগত অর্থনীতি|আচরণগত অর্থনীতি]] এবং [[w:সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞান|সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞানের]] ওপর কাজের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। পরবর্তী জীবনে তিনি প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির উড্রো উইলসন স্কুলের মনোবিজ্ঞান এবং জনবিষয়ক বিভাগের এমেরিটাস অধ্যাপক ছিলেন। == উক্তি == * আমার একটি অভিজ্ঞতার কথা স্পষ্টভাবে মনে আছে যেখানে অনুভূতির নানা রঙের মিশেল ছিল। সময়টা ১৯৪১ সালের শেষের দিকে বা ১৯৪২ সালের শুরুর দিক হবে। ইহুদিদের জন্য তখন পোশাকে 'স্টার অফ ডেভিড' পরা এবং সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ঘরে ফেরার কারফিউ মেনে চলা বাধ্যতামূলক ছিল। আমি এক খ্রিস্টান বন্ধুর সাথে খেলতে গিয়েছিলাম এবং ফিরতে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। বাড়ি ফেরার জন্য কয়েক ব্লকের পথ হাঁটার সময় আমি আমার বাদামী সোয়েটারটি উল্টো করে পরে নিয়েছিলাম (যাতে তারাটি ঢাকা পড়ে)। জনশূন্য রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় আমি একজন জার্মান সৈন্যকে এগিয়ে আসতে দেখলাম। তিনি সেই কালো ইউনিফর্মটি পরে ছিলেন যা অন্য সব ইউনিফর্মের চেয়ে বেশি ভয় পেতে আমাকে শেখানো হয়েছিল এটি বিশেষভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত এসএস সৈন্যদের পোশাক। আমি দ্রুত হাঁটার চেষ্টা করছিলাম, তাঁর কাছাকাছি আসতেই লক্ষ্য করলাম তিনি আমার দিকে তীক্ষ্ণভাবে তাকিয়ে আছেন। এরপর তিনি আমাকে কাছে ডাকলেন, কোলে তুলে নিলেন এবং জড়িয়ে ধরলেন। আমি প্রচণ্ড আতঙ্কে ছিলাম যে তিনি আমার সোয়েটারের ভেতরে থাকা তারাটি দেখে ফেলবেন। তিনি জার্মান ভাষায় খুব আবেগ দিয়ে আমার সাথে কথা বলছিলেন। আমাকে নিচে নামিয়ে দেওয়ার পর তিনি তাঁর মানিব্যাগ খুললেন, একটি ছেলের ছবি দেখালেন এবং আমাকে কিছু টাকা দিলেন। আমি যখন বাড়ি ফিরলাম, তখন নিজের মনের ভেতর আগের চেয়েও বেশি নিশ্চিত হলাম যে আমার মা ঠিকই বলতেন: মানুষ সীমাহীন জটিল এবং কৌতুহলোদ্দীপক। ** [http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economic-sciences/laureates/2002/kahneman-bio.html নোবেল পুরস্কারের আত্মজীবনীমূলক তথ্য] (২০০২)। * '''যাঁরা পরিবর্তন নিয়ে আসেন তাঁরা একা মারা যান না। যাঁরা তাঁদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকের ভেতর থেকেই কিছু একটা হারিয়ে যায়।''' আমোস অনেক পরিবর্তন এনেছিলেন, এবং যখন তিনি মারা গেলেন, আমাদের অনেকের জন্যই জীবন কিছুটা ম্লান ও সংকুচিত হয়ে গেল। পৃথিবীতে বুদ্ধিমত্তার পরিমাণ কমে গেল। কমে গেল রসবোধ। এমন অনেক প্রশ্ন আছে যেগুলোর উত্তর আর কখনোই গভীরতা ও স্পষ্টতার সেই অপ্রতিম সংমিশ্রণে পাওয়া যাবে না। এমন অনেক মানদণ্ড আছে যেগুলোকে আর কখনোই নীতি ও কাণ্ডজ্ঞান দিয়ে একইভাবে রক্ষা করা হবে না। জীবন আরও দরিদ্র হয়ে পড়েছে। মোজাইকের মাঝে আমোসের আকৃতির এক বিশাল শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে, যা আর কখনও পূরণ হবে না। এটি পূরণ করা সম্ভব নয় কারণ আমোস এই পৃথিবীতে নিজের জায়গা নিজেই তৈরি করেছিলেন, তিনি নিজের জীবন এমনকি নিজের মৃত্যুকেও রূপ দিয়েছিলেন। আর নিজের জীবন ও জগতকে রূপ দেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি তাঁর চারপাশের অনেক মানুষের জীবন ও জগতকেও বদলে দিয়েছিলেন। ** ৫ জুন ১৯৯৬ তারিখে তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মী [[w:আমোস টিভারস্কি|আমোস টিভারস্কির]] মৃত্যু সম্পর্কে। [http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economic-sciences/laureates/2002/kahneman-bio.html নোবেল পুরস্কারের আত্মজীবনীমূলক তথ্য] (২০০২)। * কোনো চিকিৎসকের "মুখভঙ্গি" দেখে একটি রোগ শনাক্ত করা এবং একটি ছোট শিশুর কোনো কিছুর দিকে আঙুল উঁচিয়ে "কুকুর" বলার মধ্যে আক্ষরিক অর্থে কোনো পার্থক্য নেই। ** টকস অ্যাট গুগল - ১০ নভেম্বর ২০১১ * সংখ্যার কারণে কেউ কখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। মানুষের একটি গল্পের প্রয়োজন হয়। ** মাইকেল লুইস। "দ্য আনডুইং প্রজেক্ট: আ ফ্রেন্ডশিপ দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড"। পেঙ্গুইন, ২০১৬ (ISBN 9780141983035)। * আমি স্বল্প-শক্তির গবেষণার ওপর বড্ড বেশি আস্থা রেখেছিলাম। ব্লগে এবং এর আগে অ্যান্ড্রু গেলম্যান যেমনটি উল্লেখ করেছেন, আমার এই ভুলের মধ্যে একটি বিশেষ পরিহাস রয়েছে; কারণ আমোস টিভারস্কি এবং আমি যে প্রথম গবেষণাপত্রটি প্রকাশ করেছিলাম, সেটি ছিল "ক্ষুদ্র সংখ্যার নীতির" ওপর বিশ্বাসের বিষয়ে, যা গবেষকদের অযৌক্তিক ক্ষুদ্র নমুনাসহ স্বল্প-শক্তির গবেষণার ফলাফলের ওপর আস্থা রাখতে প্ররোচিত করে। আমরা ওভারঅল (১৯৬৯)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে দেখিয়েছিলাম যে "পরিসংখ্যানগত শক্তিতে ঘাটতি থাকা গবেষণার ব্যাপকতা কেবল অপচয়ই নয় বরং আসলে ক্ষতিকর: এর ফলে প্রকাশিত ফলাফলগুলোর মধ্যে একটি বড় অংশেই নাল হাইপোথিসিস বা শূন্য প্রকল্পের ভুল প্রত্যাখ্যান ঘটে।" আমাদের নিবন্ধটি ১৯৬৯ সালে লেখা এবং ১৯৭১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু আমি এর বার্তাটি নিজের মাঝে ধারণ করতে ব্যর্থ হয়েছি।<br />যখন আমি "থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো" লিখেছিলাম, তখন আমার অবস্থান ছিল এমন যে যদি নামী জার্নালগুলোতে প্রকাশিত প্রমাণের একটি বড় অংশ প্রাথমিকভাবে অবিশ্বাস্য মনে হওয়া কোনো সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে, তবে বৈজ্ঞানিক নিয়ম অনুযায়ী আমাদের সেই সিদ্ধান্তকে বিশ্বাস করা উচিত। অবিশ্বাস্য হওয়াটাই অবিশ্বাসকে ন্যায়সঙ্গত করার জন্য যথেষ্ট নয়, এবং সুপ্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্তগুলো বিশ্বাস করা ঐচ্ছিক কোনো বিষয় নয়। এই অবস্থানটি এখনও আমার কাছে যুক্তিসঙ্গত মনে হয় – আর এই কারণেই আমি মনে করি মানুষের জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বাস করা উচিত। কিন্তু এই যুক্তি তখনই খাটে যখন সমস্ত প্রাসঙ্গিক ফলাফল প্রকাশিত হয়।<br />আমি অবশ্যই জানতাম যে প্রাইমিং স্টাডিজের ফলাফলগুলো ছোট নমুনার ওপর ভিত্তি করে ছিল, প্রভাবের মাত্রাগুলো হয়তো অবিশ্বাস্য রকমের বড় ছিল এবং কোনো একক গবেষণাই নিজে থেকে চূড়ান্ত ছিল না। যা আমাকে মুগ্ধ করেছিল তা হলো অনেক গবেষণাগার থেকে পাওয়া রিপোর্টের ফলাফলের একমত হওয়া এবং সেগুলোর সুসংগতি। আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলাম যে দক্ষ পরীক্ষকদের পক্ষে প্রাইমিং ইফেক্ট তৈরি করা সহজ এবং এগুলো বেশ শক্তিশালী। তবে, আমি এখন বুঝতে পারছি যে আমার যুক্তি ত্রুটিপূর্ণ ছিল এবং আমার আরও সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। স্বল্প-শক্তির গবেষণাগুলোর মধ্যে এই সর্বসম্মত ঐক্য আসলে একটি গুরুতর 'ফাইল-ড্রয়ার সমস্যা' (এবং/অথবা পি-হ্যাকিং)-এর অস্তিত্বের অকাট্য প্রমাণ দেয়। যুক্তিটি অনস্বীকার্য: যেসব গবেষণা সম্ভাব্য প্রভাব শনাক্ত করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী নয়, সেগুলোতে গবেষণার হাইপোথিসিস সত্য হওয়া সত্ত্বেও মাঝে মাঝে তাৎপর্যহীন ফলাফল আসতে বাধ্য – এই ধরনের ফলাফলের অনুপস্থিতিই প্রমাণ করে যে প্রকাশিত নথিপত্রে কোথাও কোনো গরমিল আছে... ** [https://replicationindex.com/2017/02/02/reconstruction-of-a-train-wreck-how-priming-research-went-of-the-rails/comment-page-1/#comment-1454 ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭], [https://retractionwatch.com/2017/02/20/placed-much-faith-underpowered-studies-nobel-prize-winner-admits-mistakes/ রিট্রাকশনওয়াচে] উদ্ধৃত। * এবং আরও একটি বিষয় আছে যা আমার মতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেটি হলো, '''প্রায় সব মনস্তাত্ত্বিক হাইপোথিসিসই সত্য''', অর্থাৎ এই অর্থে যে, আপনি যদি ধারণা করেন 'ক' আসলে 'খ'-এর কারণ হয়, তবে এটি সত্য নয় যে 'ক' আসলে 'খ'-এর বিপরীত কিছু ঘটায়। হয়তো 'ক'-এর প্রভাব খুব সামান্য, কিন্তু হাইপোথিসিসগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সত্য হয়; তবে সেগুলো আপনি যতটা ভাবেন তার চেয়ে অনেক বেশি দুর্বল... ** লেক্স ফ্রিডম্যান পডকাস্ট, ১:০৪:১০। ১৪ জানুয়ারি ২০২০। * আপনার উচিত নিজের সহজাত প্রবৃত্তিকে তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ করা এবং তারপর সেটিকে বিশ্বাস করা। ** হার্ভার্ডে আলোচনা - ৩ ডিসেম্বর ২০২১<ref>https://news.harvard.edu/gazette/story/2021/12/daniel-kahneman-on-how-to-influence-others/</ref> * প্রথম পরামর্শ হলো গতি ধীর করা, এবং আপনার প্রথম ঝোঁক বা আবেগকে অনুসরণ না করা। ** হার্ভার্ডে আলোচনা - ৩ ডিসেম্বর ২০২১<ref>https://news.harvard.edu/gazette/story/2021/12/daniel-kahneman-on-how-to-influence-others/</ref> === থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো (২০১১) === :<small>'''দ্রষ্টব্য''': অন্য কোনো উল্লেখ না থাকলে পৃষ্ঠা নম্বরগুলো (ISBN 9780141033570) থেকে নেওয়া।</small> * এই বইয়ের একটি পুনরাবৃত্ত মূলভাব হলো যে, '''[[ভাগ্য|সাফল্যের]] প্রতিটি গল্পে [[সাফল্য|ভাগ্যের]] একটি বিশাল ভূমিকা থাকে'''; গল্পের মধ্যে খুব সামান্য একটি পরিবর্তন শনাক্ত করা প্রায় সব সময়ই সহজ, যা একটি অসাধারণ অর্জনকে একটি সাধারণ ফলাফলে পরিণত করতে পারত। ** ভূমিকা, পৃষ্ঠা ৯। * '''[[বুদ্ধিমত্তা]] কেবল [[যুক্তি|যুক্তি প্রদানের]] ক্ষমতা নয়; এটি [[স্মৃতি|স্মৃতি]] থেকে [[প্রাসঙ্গিকতা|প্রাসঙ্গিক]] তথ্য খুঁজে বের করার এবং প্রয়োজনবোধে [[মনোযোগ]] দেওয়ার ক্ষমতাও বটে।''' ** অধ্যায় ৩, "দ্য লেজি কন্ট্রোলার" পৃষ্ঠা ৪৬। * অবিশ্বাস করার কোনো সুযোগ নেই। ফলাফলগুলো মনগড়া নয়, কিংবা এগুলো কোনো পরিসংখ্যানগত আকস্মিক ঘটনাও নয়। এই গবেষণাগুলোর প্রধান সিদ্ধান্তগুলো যে সত্য, তা মেনে নেওয়া ছাড়া আপনার কোনো উপায় নেই। ** প্রাইমিং গবেষণার ওপর। কানেমান পরবর্তীতে প্রাইমিং গবেষণার প্রতি তাঁর সমর্থনের বিষয়ে একটি শর্তসাপেক্ষ প্রত্যাহার জারি করেছিলেন। অধ্যায় ৪, "দ্য অ্যাসোসিয়েটিভ মেশিন"। * '''মানুষকে কোনো [[মিথ্যা|মিথ্যাবাদে]] বিশ্বাস করানোর একটি নির্ভরযোগ্য উপায় হলো সেটির ঘনঘন [[পুনরাবৃত্তি]], কারণ [[পরিচিতি|পরিচিতি]] এবং [[সত্য|সত্যের]] মধ্যে পার্থক্য করা সহজ নয়।''' ** অধ্যায় ৫, "কগনিটিভ ইজ" পৃষ্ঠা ৬২। * '''একটি ভালো [[গল্পের]] জন্য [[তথ্য|তথ্যের]] {{w|সামঞ্জস্যতা}} গুরুত্বপূর্ণ, তার পূর্ণতা নয়।''' প্রকৃতপক্ষে, আপনি প্রায়ই লক্ষ্য করবেন যে, '''খুব সামান্য জানলে আপনার জানা সবকিছুকে একটি সুসংগত [[ধরণ|কাঠামোতে]] বিন্যস্ত করা সহজ হয়ে যায়।''' ** অধ্যায় ৭, "এ মেশিন ফর জাম্পিং টু কনক্লুশনস" পৃষ্ঠা ৮৭। * শিক্ষাটি পরিষ্কার: [[মৃত্যু|মৃত্যুর]] কারণগুলো সম্পর্কে আমাদের অনুমানগুলো [[গণমাধ্যম|মিডিয়া]] কভারেজ দ্বারা প্রভাবিত হয়। [...] আমাদের মাথার ভেতরের জগতটি বাস্তবতার নিখুঁত প্রতিরূপ নয়; '''কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তির হার সম্পর্কে আমাদের প্রত্যাশাগুলো সেই বার্তার ব্যাপকতা এবং আবেগীয় তীব্রতা দ্বারা বিকৃত হয়''', যা আমাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। ** অধ্যায় ১৩, "অ্যাভেইলিবিলিটি, ইমোশন, অ্যান্ড রিস্ক" পৃষ্ঠা ১৩৮। * আমাদের [[পরিসংখ্যান]] সংক্রান্ত চিন্তা এবং স্বতন্ত্র ঘটনা সংক্রান্ত চিন্তার মধ্যে একটি গভীর ব্যবধান রয়েছে। ** অধ্যায় ১৫, "কজেস ট্রাম্প স্ট্যাটিস্টিকস" পৃষ্ঠা ১৭৪। * {{w|সহসম্বন্ধ}} এবং [[w:রিগ্রেশন বিশ্লেষণ|রিগ্রেশন]] যে দুটি ভিন্ন ধারণা নয় বরং একই ধারণার দুটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি, তা বুঝতে [[ফ্রান্সিস গাল্টন|ফ্রান্সিস গাল্টনের]] কয়েক বছর সময় লেগেছিল। সাধারণ নিয়মটি সহজবোধ্য কিন্তু এর ফলাফলগুলো বিস্ময়কর: যখনই দুটি স্কোরের মধ্যে সহসম্বন্ধ অপূর্ণ থাকে, তখনই সেখানে গড়ের দিকে প্রত্যাগমন ঘটবে। ** অধ্যায় ১৭, "রিগ্রেশন টু দ্য মিন" পৃষ্ঠা ১৮১। * '''পৃথিবীটা অর্থবহ আমাদের এই স্বস্তিদায়ক বিশ্বাসটি একটি নিরাপদ ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে: আর তা হলো আমাদের [[অজ্ঞতা|অজ্ঞতাকে]] উপেক্ষা করার প্রায় সীমাহীন ক্ষমতা।''' ** অধ্যায় ১৯, "দ্য ইলিউশন অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং" পৃষ্ঠা ২০১। * একটি বিচারের ক্ষেত্রে [[w:বিষয়ীভাব এবং বস্তুনিষ্ঠতা (দর্শন)|বিষয়ীগত]] [[আত্মবিশ্বাস]] কোনো যুক্তিনির্ভর মূল্যায়ন নয় যে সেই বিচারটি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু। '''আত্মবিশ্বাস হলো একটি অনুভূতি, যা তথ্যের সুসংগতি এবং তা প্রক্রিয়াকরণের মানসিক সহজবোধ্যতাকে প্রতিফলিত করে।''' [[অনিশ্চয়তা|অনিশ্চয়তার]] স্বীকারোক্তিকে গুরুত্বের সাথে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ, কিন্তু '''উচ্চ আত্মবিশ্বাসের ঘোষণা মূলত আপনাকে এটাই জানায় যে একজন ব্যক্তি তার মনে একটি সুসংগত [[গল্প]] তৈরি করেছেন, তার মানে এই নয় যে সেই গল্পটি [[সত্য|সত্য]]।''' ** অধ্যায় ২০, "দ্য ইলিউশন অফ ভ্যালিডিটি" পৃষ্ঠা ২১২। * সে একটি অভ্যন্তরীণ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করছে। তার উচিত নিজের ক্ষেত্রটির কথা ভুলে যাওয়া এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে কী ঘটেছিল তা দেখা। ** অধ্যায় ২৩, "দ্য আউটসাইড ভিউ" পৃষ্ঠা ২৫৪। * এমন কোনো প্রমাণ নেই যে [[অর্থনীতি|অর্থনৈতিক]] ক্ষেত্রে [[ঝুঁকি]] গ্রহণকারীদের উচ্চ বাজি ধরার প্রতি অস্বাভাবিক কোনো আকাঙ্ক্ষা থাকে; তারা কেবল সাধারণ ভীরু মানুষের তুলনায় ঝুঁকি সম্পর্কে কম সচেতন। ** অধ্যায় ২৪, "দ্য ইঞ্জিন অফ ক্যাপিটালিজম" পৃষ্ঠা ২৬৩। * '''সে [[লাভ|লাভের]] তুলনায় [[ক্ষতি|ক্ষতিকে]] প্রায় দ্বিগুণ গুরুত্ব দেয়, যা অত্যন্ত [[স্বাভাবিকতা|স্বাভাবিক]]।''' ** অধ্যায় ২৬, "প্রসপেক্ট থিওরি" পৃষ্ঠা ২৮৮। * মানুষের অনেক দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি এমনভাবে উন্মোচিত হয় [...] যেখানে খুব খারাপ বিকল্পের সম্মুখীন হওয়া মানুষগুলো বেপরোয়া জুয়া খেলে; তারা একটি বড় ক্ষতি এড়ানোর সামান্য আশার বিনিময়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার উচ্চ সম্ভাবনাকে মেনে নেয়। এই ধরণের ঝুঁকি গ্রহণ প্রায়শই সামাল দেওয়ার মতো [[ব্যর্থতা|ব্যর্থতাকে]] [[বিপর্যয়|বিপর্যয়ে]] পরিণত করে। ** অধ্যায় ২৯, "দ্য ফোরফোল্ড প্যাটার্ন" পৃষ্ঠা ৩১৮-৩১৯। * একটি বিরল ঘটনাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হবে যদি এটি বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করে। [...] আর যেখানে কোনো অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয় না, সেখানে অবহেলা দেখা দেয়। ** অধ্যায় ৩০, "রেয়ার ইভেন্টস", পৃষ্ঠা ৩৩৩। * অন্য কোনো স্পষ্ট কারণ না থাকলে, '''আমাদের অধিকাংশ মানুষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সমস্যাগুলোকে যেভাবে [[w:ফ্রেমিং (সামাজিক বিজ্ঞান)|উপস্থাপন]] করা হয় সেভাবেই নিষ্ক্রিয়ভাবে গ্রহণ করি; এবং তাই আমাদের পছন্দগুলো ''বাস্তবতা-নির্ভর'' হওয়ার চেয়ে কতটা বেশি ''উপস্থাপন-নির্ভর'' তা আবিষ্কার করার সুযোগ খুব কমই পাই।''' ** অধ্যায় ৩৪, "ফ্রেমস অ্যান্ড রিয়ালিটি", পৃষ্ঠা ৩৬৭। * একটি গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা হলো যে, '''উচ্চতর আয়ের সাথে জীবনের ছোট ছোট আনন্দগুলো উপভোগ করার ক্ষমতা কমে যাওয়ার একটি সম্পর্ক রয়েছে।''' [...] অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকা এবং জীবন নিয়ে সন্তুষ্টির ওপর আয়ের প্রভাবের মধ্যে একটি স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। উচ্চতর আয় অধিকতর সন্তুষ্টি নিয়ে আসে, এমনকি সেই সীমা পার হওয়ার পরেও যখন অভিজ্ঞতার ওপর এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব থাকে না। [...] জীবন নিয়ে সন্তুষ্টি তাদের অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকার কোনো ত্রুটিপূর্ণ পরিমাপ নয়, যা আমি কয়েক বছর আগে ভেবেছিলাম। এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু। ** অধ্যায় ৩৭, "এক্সপেরিয়েন্সড ওয়েল-বিয়িং", পৃষ্ঠা ৩৯৭। * অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকা গড়ে [[বিয়ে|বিয়ের]] মাধ্যমে প্রভাবিত হয় না; এর কারণ এটি নয় যে বিয়ে [[সুখ|সুখের]] ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আনে না, বরং এর কারণ হলো এটি জীবনের কিছু দিককে ভালোর দিকে এবং অন্য কিছু দিককে মন্দের দিকে বদলে দেয়। ** অধ্যায় ৩৮, "থিংকিং অ্যাবাউট লাইফ", পৃষ্ঠা ৪০০-৪০১। * আপনি যখন কোনো বিষয় নিয়ে ভাবছেন, তখন জীবনের কোনো কিছুই ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয় যতটা আপনি তখন মনে করছেন। ** অধ্যায় ৩৮, "থিংকিং অ্যাবাউট লাইফ", পৃষ্ঠা ৪০২। * মানুষ [[অযৌক্তিকতা|অযৌক্তিক]] না হলেও, আরও নির্ভুল বিচার এবং আরও ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য প্রায়শই তাদের সাহায্যের প্রয়োজন হয়। [...] যারা ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের দুর্বলতাগুলোর সুযোগ নেয়, তাদের থেকেও [মানুষের] সুরক্ষা প্রয়োজন [...]। ** উপসংহার, পৃষ্ঠা ৪১১-৪১৩। === "পলক ফেলবেন না! আত্মবিশ্বাসের বিপদ" (২০১১) === * কোনো বিচার করার সময় আমরা যে আত্মবিশ্বাস অনুভব করি, তা সেই বিচারটি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনার কোনো যুক্তিনির্ভর মূল্যায়ন নয়। আত্মবিশ্বাস হলো একটি অনুভূতি, যা মূলত গল্পের সুসংগতি এবং এটি কত সহজে মাথায় আসছে তার দ্বারা নির্ধারিত হয়; এমনকি যখন গল্পের স্বপক্ষে প্রমাণ থাকে সামান্য এবং অনির্ভরযোগ্য। সুসংগতির প্রতি এই পক্ষপাত অতি-আত্মবিশ্বাসকে উৎসাহিত করে। একজন ব্যক্তি যিনি উচ্চ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন, তাঁর কাছে সম্ভবত একটি ভালো গল্প আছে, যা সত্য হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। ** {{cite news|url=http://www.nytimes.com/2011/10/23/magazine/dont-blink-the-hazards-of-confidence.html?pagewanted=all&_r=0 |title=Don’t Blink! The Hazards of Confidence |work=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|date=১৯ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আমরা প্রায়শই এমন পেশাদারদের সাথে কাজ করি যারা স্পষ্ট আত্মবিশ্বাসের সাথে তাদের বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করেন, কখনও কখনও তাঁরা তাঁদের সহজাত প্রবৃত্তির ক্ষমতা নিয়ে গর্বও করেন। বৈধতা এবং দক্ষতার বিভ্রমপূর্ণ এই পৃথিবীতে আমরা কি তাঁদের বিশ্বাস করতে পারি? বিশেষজ্ঞদের ন্যায্য আত্মবিশ্বাস এবং নিজেদের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে অজান্তেই থাকা পেশাদারদের আন্তরিক অতি-আত্মবিশ্বাসের মধ্যে আমরা কীভাবে পার্থক্য করব? আমরা সেই বিশেষজ্ঞকে বিশ্বাস করতে পারি যিনি অনিশ্চয়তা স্বীকার করেন, কিন্তু উচ্চ আত্মবিশ্বাসের অভিব্যক্তিকে সরাসরি ধ্রুব সত্য বলে ধরে নেওয়া যায় না। আমি প্রথম যখন সেই বাধা অতিক্রমের ময়দানে শিখেছিলাম মানুষ সামান্য বা কিছু না জেনেও সুসংগত গল্প তৈরি করতে এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারে। অতি-আত্মবিশ্বাস তৈরি হয় কারণ মানুষ প্রায়ই নিজের অন্ধত্ব সম্পর্কে অন্ধ থাকে। ** {{cite news|url=http://www.nytimes.com/2011/10/23/magazine/dont-blink-the-hazards-of-confidence.html?pagewanted=all&_r=0 |title=Don’t Blink! The Hazards of Confidence |work=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|date=১৯ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} === "পক্ষপাত, অন্ধত্ব এবং আমরা আসলে কীভাবে চিন্তা করি" (২০১১) === * আমাদের অধিকাংশ মানুষই জগতকে তার প্রকৃত অবস্থার চেয়ে বেশি কল্যাণকর হিসেবে দেখি, আমাদের নিজেদের গুণাবলিকে তার প্রকৃত রূপের চেয়ে বেশি ইতিবাচক মনে করি এবং আমাদের গ্রহণ করা লক্ষ্যগুলোকে সেগুলোর সফল হওয়ার সম্ভাবনার চেয়ে বেশি অর্জনযোগ্য বলে ধরে নিই। আমরা ভবিষ্যতের পূর্বাভাস দেওয়ার ক্ষমতার বিষয়েও বাড়িয়ে বলার প্রবণতা দেখাই, যা অতি-আত্মবিশ্বাসকে লালন করে। সিদ্ধান্তের ওপর প্রভাবের দিক থেকে বিচার করলে, এই আশাবাদী পক্ষপাত সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কগনিটিভ বায়াস বা জ্ঞানীয় পক্ষপাত হতে পারে। যেহেতু আশাবাদী পক্ষপাত একই সাথে একটি আশীর্বাদ এবং একটি ঝুঁকি, তাই আপনি যদি স্বভাবগতভাবে আশাবাদী হন তবে আপনার একই সাথে সুখী এবং সতর্ক হওয়া উচিত। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-24/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-1-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 1): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আশাবাদ একটি স্বাভাবিক বিষয়, তবে কিছু ভাগ্যবান মানুষ আমাদের বাকিদের চেয়ে বেশি আশাবাদী হন। আপনি যদি জন্মগতভাবে আশাবাদী পক্ষপাতের অধিকারী হন, তবে আপনি যে একজন ভাগ্যবান ব্যক্তি তা আপনাকে বলার প্রয়োজন পড়ে না আপনি নিজেই নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন। আশাবাদী মানুষরা আমাদের জীবনকে রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে অসম অনুপাতে বড় ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের সিদ্ধান্তগুলো পরিবর্তন নিয়ে আসে; তাঁরা সাধারণ মানুষ নন, বরং উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা, রাজনৈতিক এবং সামরিক নেতা। তাঁরা চ্যালেঞ্জ অন্বেষণ এবং ঝুঁকি গ্রহণের মাধ্যমেই আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। তাঁরা মেধাবী এবং তাঁরা ভাগ্যবান ছিলেন, এবং প্রায় নিশ্চিতভাবেই তাঁরা যতটা স্বীকার করেন তার চেয়েও বেশি ভাগ্যবান ছিলেন। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-24/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-1-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 1): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * রহস্যটি হলো কীভাবে এমন একটি ধারণা, যা এত সুস্পষ্ট পাল্টা উদাহরণের মুখেও অরক্ষিত, তা এতদিন টিকে ছিল। এটি আমি কেবল পাণ্ডিত্যের একটি দুর্বলতা দিয়ে ব্যাখ্যা করতে পারি যা আমি প্রায়শই নিজের মধ্যেও লক্ষ্য করেছি। আমি একে 'তত্ত্ব-প্ররোচিত অন্ধত্ব' বলি: একবার আপনি একটি তত্ত্ব গ্রহণ করে ফেললে, এর ত্রুটিগুলো লক্ষ্য করা অসাধারণভাবে কঠিন হয়ে পড়ে। মনোবিজ্ঞানী ড্যানিয়েল গিলবার্ট যেমন লক্ষ্য করেছেন, অবিশ্বাস করা একটি কঠিন কাজ। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-25/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-2-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 2): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * মানুষের যত্ন নেওয়ার বিষয়টি প্রায়শই তাদের গল্পের গুণমানের প্রতি উদ্বেগের রূপ নেয়, তাদের অনুভূতির প্রতি নয়। প্রকৃতপক্ষে, আমরা এমনকি এমন সব ঘটনা দিয়েও গভীরভাবে বিচলিত হতে পারি যা মৃত ব্যক্তিদের গল্পকেও বদলে দেয়। আমরা এমন একজন ব্যক্তির জন্য করুণা বোধ করি যিনি তাঁর স্ত্রীর ভালোবাসায় বিশ্বাস রেখে মারা গেছেন, অথচ পরে আমরা জানতে পারি যে তাঁর স্ত্রীর বহু বছরের প্রেমিক ছিল এবং তিনি কেবল টাকার জন্য স্বামীর সাথে ছিলেন। স্বামীটি একটি সুখী জীবন যাপন করা সত্ত্বেও আমরা তাঁর জন্য করুণা বোধ করি। আমরা এমন একজন বিজ্ঞানীর অপমান অনুভব করি যাঁর আবিষ্কার তাঁর মৃত্যুর পর মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে, যদিও তিনি নিজে সেই অপমান অনুভব করেননি। সবচেয়ে বড় কথা, আমরা সবাই আমাদের নিজেদের জীবনের আখ্যান বা বর্ণনার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন এবং আমরা আন্তরিকভাবে চাই যে এটি একটি ভালো গল্প হোক, যার নায়ক হবে একজন মার্জিত ব্যক্তি। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-27/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-4-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 4): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * <p>আপনার পরবর্তী ছুটি নিয়ে একটি পরীক্ষা আপনাকে আপনার 'অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তার' প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি পর্যবেক্ষণ করতে সাহায্য করবে: ছুটির শেষে সমস্ত ছবি এবং ভিডিও ধ্বংস করে দেওয়া হবে। এছাড়া, আপনি এমন একটি পানীয় পান করবেন যা ওই ছুটির সমস্ত স্মৃতি আপনার মন থেকে মুছে ফেলবে। এটি আপনার ছুটির পরিকল্পনাকে কীভাবে প্রভাবিত করবে? একটি স্বাভাবিক স্মৃতিময় ছুটির তুলনায় এই ছুটির জন্য আপনি কতটুকু খরচ করতে রাজি হবেন? আমার ধারণা হলো যে, স্মৃতির বিলুপ্তি অভিজ্ঞতার মূল্যকে অনেকাংশেই কমিয়ে দেয়। </p><p>একটি যন্ত্রণাদায়ক অপারেশনের কথা কল্পনা করুন যেখানে আপনি ব্যথায় চিৎকার করবেন এবং সার্জনকে থামার জন্য মিনতি করবেন। তবে আপনাকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে যে এমন একটি অ্যামনেসিয়া-প্ররোচিত ওষুধ দেওয়া হবে যা ওই ঘটনার সমস্ত স্মৃতি মুছে ফেলবে। এখানেও আমার পর্যবেক্ষণ হলো যে, অধিকাংশ মানুষই তাদের অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তার ব্যথার বিষয়ে আশ্চর্যজনকভাবে উদাসীন থাকে। কেউ কেউ বলেন যে তারা মোটেও পরোয়া করেন না। অন্যরা আমার অনুভূতির সাথে একমত হন, যা হলো আমি আমার যন্ত্রণাকাতর সত্তার জন্য করুণা বোধ করি ঠিকই, কিন্তু তা ব্যথায় থাকা একজন অপরিচিত ব্যক্তির প্রতি অনুভবের চেয়ে বেশি কিছু নয়। </p><p>'''আমি হলাম আমার 'স্মৃতি ধারণকারী সত্তা', আর আমার যে 'অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তা' আমার জীবনটা যাপন করে, সে আমার কাছে একজন অপরিচিত মানুষের মতো।'''</p> ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-27/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-4-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 4): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} == ড্যানিয়েল কানেমান সম্পর্কে উক্তি == * ড্যানির কাজের একটি বিশাল অংশ হলো আমরা কীভাবে চিন্তা করি এবং আমরা কতটা গভীরভাবে অযৌক্তিক হতে পারি তা নিয়ে। সেটিও ব্যবসাক্ষেত্রকে বদলে দিচ্ছে, যদিও তা খুব ধীরগতিতে; আর এটিই তাঁর নতুন বইটির দশ লক্ষ কপি বিক্রির কারণ ব্যাখ্যা করে। তবে, ইতিহাসের বিশাল প্রেক্ষাপটে আমার ধারণা তিনি সেই ব্যক্তি হিসেবেই সবচেয়ে বেশি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন, যিনি সুখকে একটি সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে গিয়েছেন। ** [[w:রিচার্ড লেয়ার্ড, ব্যারন লেয়ার্ড|রিচার্ড লেয়ার্ড]], {{cite news|url=http://www.theguardian.com/science/2014/feb/16/daniel-kahneman-thinking-fast-and-slow-tributes |title=Daniel Kahneman changed the way we think about thinking. But what do other thinkers think of him? |work=দ্য গার্ডিয়ান|date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আমি ড্যানিয়েল কানেমানকে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী জীবিত মনোবিজ্ঞানী বলে অভিহিত করেছি এবং আমি বিশ্বাস করি এটি সত্য। তিনি প্রায় একাই আচরণগত অর্থনীতির ক্ষেত্রটি তৈরি করেছেন এবং [[জ্ঞানীয় মনোবিজ্ঞান]] ও সামাজিক মনোবিজ্ঞানের বড় একটি অংশে বিপ্লব ঘটিয়েছেন। তাঁর মূল বার্তাটি এর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারত না তা হলো, মানুষের বিচারবুদ্ধিকে যদি তার নিজের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয় তবে তা অনেক ধরণের ভ্রান্তি এবং পদ্ধতিগত ত্রুটির জালে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা দেখায়; তাই আমরা যদি আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে এবং সমাজ হিসেবে আরও ভালো সিদ্ধান্ত নিতে চাই, তবে আমাদের এই পক্ষপাতগুলো সম্পর্কে সচেতন হতে হবে এবং বিকল্প পথ খুঁজতে হবে। এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার। ** [[স্টিভেন পিঙ্কার]]। "ড্যানিয়েল কানেমান চেঞ্জড দ্য ওয়ে উই থিংক অ্যাবাউট থিংকিং। বাট হোয়াট ডু আদার থিংকার্স থিংক অফ হিম?," ''দ্য অবজারভার,'' ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। == বহিঃসংযোগ == {{Wikipedia|ড্যানিয়েল কানেমান|ড্যানিয়েল কানেমান}} * [[w:টেড (সম্মেলন)|টেডে]] ["অভিজ্ঞতা বনাম স্মৃতির ধাঁধা" বিষয়ের ওপর বক্তৃতা], ফেব্রুয়ারি ২০১০ {{DEFAULTSORT:কানেমান, ড্যানিয়েল}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মনোবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসরায়েলি ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাস্তিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী]] [[বিষয়শ্রেণী:তেল আবিবের ব্যক্তিত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসরায়েলের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] 8qt2nshysdqudehd0yujnustdm8vhh1 78860 78859 2026-04-20T09:03:25Z Sumanta3023 4175 /* থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো (২০১১) */ 78860 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Daniel KAHNEMAN.jpg|thumb|ড্যানিয়েল কানেম্যান, ২০০৯]] '''[[w:ড্যানিয়েল কানেম্যান|ড্যানিয়েল কানেম্যান]]''' (৫ মার্চ ১৯৩৪ – ২৭ মার্চ ২০২৪) একজন ইসরায়েলি-মার্কিন মনোবিজ্ঞানী ছিলেন। তিনি ২০০২ সালে ভার্নন এল. স্মিথের সাথে যৌথভাবে [[w:অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার|অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার]] লাভ করেন। কানেম্যান তাঁর বিচারবুদ্ধি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের মনোবিজ্ঞান, [[w:আচরণগত অর্থনীতি|আচরণগত অর্থনীতি]] এবং [[w:সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞান|সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞানের]] ওপর কাজের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। পরবর্তী জীবনে তিনি প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির উড্রো উইলসন স্কুলের মনোবিজ্ঞান এবং জনবিষয়ক বিভাগের এমেরিটাস অধ্যাপক ছিলেন। == উক্তি == * আমার একটি অভিজ্ঞতার কথা স্পষ্টভাবে মনে আছে যেখানে অনুভূতির নানা রঙের মিশেল ছিল। সময়টা ১৯৪১ সালের শেষের দিকে বা ১৯৪২ সালের শুরুর দিক হবে। ইহুদিদের জন্য তখন পোশাকে 'স্টার অফ ডেভিড' পরা এবং সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ঘরে ফেরার কারফিউ মেনে চলা বাধ্যতামূলক ছিল। আমি এক খ্রিস্টান বন্ধুর সাথে খেলতে গিয়েছিলাম এবং ফিরতে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। বাড়ি ফেরার জন্য কয়েক ব্লকের পথ হাঁটার সময় আমি আমার বাদামী সোয়েটারটি উল্টো করে পরে নিয়েছিলাম (যাতে তারাটি ঢাকা পড়ে)। জনশূন্য রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় আমি একজন জার্মান সৈন্যকে এগিয়ে আসতে দেখলাম। তিনি সেই কালো ইউনিফর্মটি পরে ছিলেন যা অন্য সব ইউনিফর্মের চেয়ে বেশি ভয় পেতে আমাকে শেখানো হয়েছিল এটি বিশেষভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত এসএস সৈন্যদের পোশাক। আমি দ্রুত হাঁটার চেষ্টা করছিলাম, তাঁর কাছাকাছি আসতেই লক্ষ্য করলাম তিনি আমার দিকে তীক্ষ্ণভাবে তাকিয়ে আছেন। এরপর তিনি আমাকে কাছে ডাকলেন, কোলে তুলে নিলেন এবং জড়িয়ে ধরলেন। আমি প্রচণ্ড আতঙ্কে ছিলাম যে তিনি আমার সোয়েটারের ভেতরে থাকা তারাটি দেখে ফেলবেন। তিনি জার্মান ভাষায় খুব আবেগ দিয়ে আমার সাথে কথা বলছিলেন। আমাকে নিচে নামিয়ে দেওয়ার পর তিনি তাঁর মানিব্যাগ খুললেন, একটি ছেলের ছবি দেখালেন এবং আমাকে কিছু টাকা দিলেন। আমি যখন বাড়ি ফিরলাম, তখন নিজের মনের ভেতর আগের চেয়েও বেশি নিশ্চিত হলাম যে আমার মা ঠিকই বলতেন: মানুষ সীমাহীন জটিল এবং কৌতুহলোদ্দীপক। ** [http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economic-sciences/laureates/2002/kahneman-bio.html নোবেল পুরস্কারের আত্মজীবনীমূলক তথ্য] (২০০২)। * '''যাঁরা পরিবর্তন নিয়ে আসেন তাঁরা একা মারা যান না। যাঁরা তাঁদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকের ভেতর থেকেই কিছু একটা হারিয়ে যায়।''' আমোস অনেক পরিবর্তন এনেছিলেন, এবং যখন তিনি মারা গেলেন, আমাদের অনেকের জন্যই জীবন কিছুটা ম্লান ও সংকুচিত হয়ে গেল। পৃথিবীতে বুদ্ধিমত্তার পরিমাণ কমে গেল। কমে গেল রসবোধ। এমন অনেক প্রশ্ন আছে যেগুলোর উত্তর আর কখনোই গভীরতা ও স্পষ্টতার সেই অপ্রতিম সংমিশ্রণে পাওয়া যাবে না। এমন অনেক মানদণ্ড আছে যেগুলোকে আর কখনোই নীতি ও কাণ্ডজ্ঞান দিয়ে একইভাবে রক্ষা করা হবে না। জীবন আরও দরিদ্র হয়ে পড়েছে। মোজাইকের মাঝে আমোসের আকৃতির এক বিশাল শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে, যা আর কখনও পূরণ হবে না। এটি পূরণ করা সম্ভব নয় কারণ আমোস এই পৃথিবীতে নিজের জায়গা নিজেই তৈরি করেছিলেন, তিনি নিজের জীবন এমনকি নিজের মৃত্যুকেও রূপ দিয়েছিলেন। আর নিজের জীবন ও জগতকে রূপ দেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি তাঁর চারপাশের অনেক মানুষের জীবন ও জগতকেও বদলে দিয়েছিলেন। ** ৫ জুন ১৯৯৬ তারিখে তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মী [[w:আমোস টিভারস্কি|আমোস টিভারস্কির]] মৃত্যু সম্পর্কে। [http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economic-sciences/laureates/2002/kahneman-bio.html নোবেল পুরস্কারের আত্মজীবনীমূলক তথ্য] (২০০২)। * কোনো চিকিৎসকের "মুখভঙ্গি" দেখে একটি রোগ শনাক্ত করা এবং একটি ছোট শিশুর কোনো কিছুর দিকে আঙুল উঁচিয়ে "কুকুর" বলার মধ্যে আক্ষরিক অর্থে কোনো পার্থক্য নেই। ** টকস অ্যাট গুগল - ১০ নভেম্বর ২০১১ * সংখ্যার কারণে কেউ কখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। মানুষের একটি গল্পের প্রয়োজন হয়। ** মাইকেল লুইস। "দ্য আনডুইং প্রজেক্ট: আ ফ্রেন্ডশিপ দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড"। পেঙ্গুইন, ২০১৬ (ISBN 9780141983035)। * আমি স্বল্প-শক্তির গবেষণার ওপর বড্ড বেশি আস্থা রেখেছিলাম। ব্লগে এবং এর আগে অ্যান্ড্রু গেলম্যান যেমনটি উল্লেখ করেছেন, আমার এই ভুলের মধ্যে একটি বিশেষ পরিহাস রয়েছে; কারণ আমোস টিভারস্কি এবং আমি যে প্রথম গবেষণাপত্রটি প্রকাশ করেছিলাম, সেটি ছিল "ক্ষুদ্র সংখ্যার নীতির" ওপর বিশ্বাসের বিষয়ে, যা গবেষকদের অযৌক্তিক ক্ষুদ্র নমুনাসহ স্বল্প-শক্তির গবেষণার ফলাফলের ওপর আস্থা রাখতে প্ররোচিত করে। আমরা ওভারঅল (১৯৬৯)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে দেখিয়েছিলাম যে "পরিসংখ্যানগত শক্তিতে ঘাটতি থাকা গবেষণার ব্যাপকতা কেবল অপচয়ই নয় বরং আসলে ক্ষতিকর: এর ফলে প্রকাশিত ফলাফলগুলোর মধ্যে একটি বড় অংশেই নাল হাইপোথিসিস বা শূন্য প্রকল্পের ভুল প্রত্যাখ্যান ঘটে।" আমাদের নিবন্ধটি ১৯৬৯ সালে লেখা এবং ১৯৭১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু আমি এর বার্তাটি নিজের মাঝে ধারণ করতে ব্যর্থ হয়েছি।<br />যখন আমি "থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো" লিখেছিলাম, তখন আমার অবস্থান ছিল এমন যে যদি নামী জার্নালগুলোতে প্রকাশিত প্রমাণের একটি বড় অংশ প্রাথমিকভাবে অবিশ্বাস্য মনে হওয়া কোনো সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে, তবে বৈজ্ঞানিক নিয়ম অনুযায়ী আমাদের সেই সিদ্ধান্তকে বিশ্বাস করা উচিত। অবিশ্বাস্য হওয়াটাই অবিশ্বাসকে ন্যায়সঙ্গত করার জন্য যথেষ্ট নয়, এবং সুপ্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্তগুলো বিশ্বাস করা ঐচ্ছিক কোনো বিষয় নয়। এই অবস্থানটি এখনও আমার কাছে যুক্তিসঙ্গত মনে হয় – আর এই কারণেই আমি মনে করি মানুষের জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বাস করা উচিত। কিন্তু এই যুক্তি তখনই খাটে যখন সমস্ত প্রাসঙ্গিক ফলাফল প্রকাশিত হয়।<br />আমি অবশ্যই জানতাম যে প্রাইমিং স্টাডিজের ফলাফলগুলো ছোট নমুনার ওপর ভিত্তি করে ছিল, প্রভাবের মাত্রাগুলো হয়তো অবিশ্বাস্য রকমের বড় ছিল এবং কোনো একক গবেষণাই নিজে থেকে চূড়ান্ত ছিল না। যা আমাকে মুগ্ধ করেছিল তা হলো অনেক গবেষণাগার থেকে পাওয়া রিপোর্টের ফলাফলের একমত হওয়া এবং সেগুলোর সুসংগতি। আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলাম যে দক্ষ পরীক্ষকদের পক্ষে প্রাইমিং ইফেক্ট তৈরি করা সহজ এবং এগুলো বেশ শক্তিশালী। তবে, আমি এখন বুঝতে পারছি যে আমার যুক্তি ত্রুটিপূর্ণ ছিল এবং আমার আরও সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। স্বল্প-শক্তির গবেষণাগুলোর মধ্যে এই সর্বসম্মত ঐক্য আসলে একটি গুরুতর 'ফাইল-ড্রয়ার সমস্যা' (এবং/অথবা পি-হ্যাকিং)-এর অস্তিত্বের অকাট্য প্রমাণ দেয়। যুক্তিটি অনস্বীকার্য: যেসব গবেষণা সম্ভাব্য প্রভাব শনাক্ত করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী নয়, সেগুলোতে গবেষণার হাইপোথিসিস সত্য হওয়া সত্ত্বেও মাঝে মাঝে তাৎপর্যহীন ফলাফল আসতে বাধ্য – এই ধরনের ফলাফলের অনুপস্থিতিই প্রমাণ করে যে প্রকাশিত নথিপত্রে কোথাও কোনো গরমিল আছে... ** [https://replicationindex.com/2017/02/02/reconstruction-of-a-train-wreck-how-priming-research-went-of-the-rails/comment-page-1/#comment-1454 ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭], [https://retractionwatch.com/2017/02/20/placed-much-faith-underpowered-studies-nobel-prize-winner-admits-mistakes/ রিট্রাকশনওয়াচে] উদ্ধৃত। * এবং আরও একটি বিষয় আছে যা আমার মতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেটি হলো, '''প্রায় সব মনস্তাত্ত্বিক হাইপোথিসিসই সত্য''', অর্থাৎ এই অর্থে যে, আপনি যদি ধারণা করেন 'ক' আসলে 'খ'-এর কারণ হয়, তবে এটি সত্য নয় যে 'ক' আসলে 'খ'-এর বিপরীত কিছু ঘটায়। হয়তো 'ক'-এর প্রভাব খুব সামান্য, কিন্তু হাইপোথিসিসগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সত্য হয়; তবে সেগুলো আপনি যতটা ভাবেন তার চেয়ে অনেক বেশি দুর্বল... ** লেক্স ফ্রিডম্যান পডকাস্ট, ১:০৪:১০। ১৪ জানুয়ারি ২০২০। * আপনার উচিত নিজের সহজাত প্রবৃত্তিকে তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ করা এবং তারপর সেটিকে বিশ্বাস করা। ** হার্ভার্ডে আলোচনা - ৩ ডিসেম্বর ২০২১<ref>https://news.harvard.edu/gazette/story/2021/12/daniel-kahneman-on-how-to-influence-others/</ref> * প্রথম পরামর্শ হলো গতি ধীর করা, এবং আপনার প্রথম ঝোঁক বা আবেগকে অনুসরণ না করা। ** হার্ভার্ডে আলোচনা - ৩ ডিসেম্বর ২০২১<ref>https://news.harvard.edu/gazette/story/2021/12/daniel-kahneman-on-how-to-influence-others/</ref> === থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো (২০১১) === :<small>'''দ্রষ্টব্য''': অন্য কোনো উল্লেখ না থাকলে পৃষ্ঠা নম্বরগুলো (ISBN 9780141033570) থেকে নেওয়া।</small> * এই বইয়ের একটি পুনরাবৃত্ত মূলভাব হলো যে, '''[[ভাগ্য|সাফল্যের]] প্রতিটি গল্পে [[ভাগ্য|ভাগ্যের]] একটি বিশাল ভূমিকা থাকে'''; গল্পের মধ্যে খুব সামান্য একটি পরিবর্তন শনাক্ত করা প্রায় সব সময়ই সহজ, যা একটি অসাধারণ অর্জনকে একটি সাধারণ ফলাফলে পরিণত করতে পারত। ** ভূমিকা, পৃষ্ঠা ৯। * '''বুদ্ধিমত্তা কেবল যুক্তি প্রদানের ক্ষমতা নয়; এটি [[স্মৃতি|স্মৃতি]] থেকে প্রাসঙ্গিক তথ্য খুঁজে বের করার এবং প্রয়োজনবোধে মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতাও বটে।''' ** অধ্যায় ৩, "দ্য লেজি কন্ট্রোলার" পৃষ্ঠা ৪৬। * অবিশ্বাস করার কোনো সুযোগ নেই। ফলাফলগুলো মনগড়া নয়, কিংবা এগুলো কোনো পরিসংখ্যানগত আকস্মিক ঘটনাও নয়। এই গবেষণাগুলোর প্রধান সিদ্ধান্তগুলো যে সত্য, তা মেনে নেওয়া ছাড়া আপনার কোনো উপায় নেই। ** প্রাইমিং গবেষণার ওপর। কানেমান পরবর্তীতে প্রাইমিং গবেষণার প্রতি তাঁর সমর্থনের বিষয়ে একটি শর্তসাপেক্ষ প্রত্যাহার জারি করেছিলেন। অধ্যায় ৪, "দ্য অ্যাসোসিয়েটিভ মেশিন"। * '''মানুষকে কোনো [[মিথ্যা|মিথ্যাবাদে]] বিশ্বাস করানোর একটি নির্ভরযোগ্য উপায় হলো সেটির ঘনঘন পুনরাবৃত্তি, কারণ পরিচিতি এবং [[সত্য|সত্যের]] মধ্যে পার্থক্য করা সহজ নয়।''' ** অধ্যায় ৫, "কগনিটিভ ইজ" পৃষ্ঠা ৬২। * '''একটি ভালো গল্পের জন্য তথ্যের {{w|সামঞ্জস্যতা}} গুরুত্বপূর্ণ, তার পূর্ণতা নয়।''' প্রকৃতপক্ষে, আপনি প্রায়ই লক্ষ্য করবেন যে, '''খুব সামান্য জানলে আপনার জানা সবকিছুকে একটি সুসংগত কাঠামোতে বিন্যস্ত করা সহজ হয়ে যায়।''' ** অধ্যায় ৭, "এ মেশিন ফর জাম্পিং টু কনক্লুশনস" পৃষ্ঠা ৮৭। * শিক্ষাটি পরিষ্কার: [[মৃত্যু|মৃত্যুর]] কারণগুলো সম্পর্কে আমাদের অনুমানগুলো মিডিয়া কভারেজ দ্বারা প্রভাবিত হয়। [...] আমাদের মাথার ভেতরের জগতটি বাস্তবতার নিখুঁত প্রতিরূপ নয়; '''কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তির হার সম্পর্কে আমাদের প্রত্যাশাগুলো সেই বার্তার ব্যাপকতা এবং আবেগীয় তীব্রতা দ্বারা বিকৃত হয়''', যা আমাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। ** অধ্যায় ১৩, "অ্যাভেইলিবিলিটি, ইমোশন, অ্যান্ড রিস্ক" পৃষ্ঠা ১৩৮। * আমাদের পরিসংখ্যান সংক্রান্ত চিন্তা এবং স্বতন্ত্র ঘটনা সংক্রান্ত চিন্তার মধ্যে একটি গভীর ব্যবধান রয়েছে। ** অধ্যায় ১৫, "কজেস ট্রাম্প স্ট্যাটিস্টিকস" পৃষ্ঠা ১৭৪। * {{w|সহসম্বন্ধ}} এবং [[w:রিগ্রেশন বিশ্লেষণ|রিগ্রেশন]] যে দুটি ভিন্ন ধারণা নয় বরং একই ধারণার দুটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি, তা বুঝতে ফ্রান্সিস গাল্টনের কয়েক বছর সময় লেগেছিল। সাধারণ নিয়মটি সহজবোধ্য কিন্তু এর ফলাফলগুলো বিস্ময়কর: যখনই দুটি স্কোরের মধ্যে সহসম্বন্ধ অপূর্ণ থাকে, তখনই সেখানে গড়ের দিকে প্রত্যাগমন ঘটবে। ** অধ্যায় ১৭, "রিগ্রেশন টু দ্য মিন" পৃষ্ঠা ১৮১। * '''পৃথিবীটা অর্থবহ আমাদের এই স্বস্তিদায়ক বিশ্বাসটি একটি নিরাপদ ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে: আর তা হলো আমাদের অজ্ঞতাকে উপেক্ষা করার প্রায় সীমাহীন ক্ষমতা।''' ** অধ্যায় ১৯, "দ্য ইলিউশন অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং" পৃষ্ঠা ২০১। * একটি বিচারের ক্ষেত্রে [[w:বিষয়ীভাব এবং বস্তুনিষ্ঠতা (দর্শন)|বিষয়ীগত]] আত্মবিশ্বাস কোনো যুক্তিনির্ভর মূল্যায়ন নয় যে সেই বিচারটি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু। '''আত্মবিশ্বাস হলো একটি অনুভূতি, যা তথ্যের সুসংগতি এবং তা প্রক্রিয়াকরণের মানসিক সহজবোধ্যতাকে প্রতিফলিত করে।''' অনিশ্চয়তার স্বীকারোক্তিকে গুরুত্বের সাথে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ, কিন্তু '''উচ্চ আত্মবিশ্বাসের ঘোষণা মূলত আপনাকে এটাই জানায় যে একজন ব্যক্তি তার মনে একটি সুসংগত গল্প তৈরি করেছেন, তার মানে এই নয় যে সেই গল্পটি [[সত্য|সত্য]]।''' ** অধ্যায় ২০, "দ্য ইলিউশন অফ ভ্যালিডিটি" পৃষ্ঠা ২১২। * সে একটি অভ্যন্তরীণ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করছে। তার উচিত নিজের ক্ষেত্রটির কথা ভুলে যাওয়া এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে কী ঘটেছিল তা দেখা। ** অধ্যায় ২৩, "দ্য আউটসাইড ভিউ" পৃষ্ঠা ২৫৪। * এমন কোনো প্রমাণ নেই যে [[অর্থনীতি|অর্থনৈতিক]] ক্ষেত্রে ঝুঁকি গ্রহণকারীদের উচ্চ বাজি ধরার প্রতি অস্বাভাবিক কোনো আকাঙ্ক্ষা থাকে; তারা কেবল সাধারণ ভীরু মানুষের তুলনায় ঝুঁকি সম্পর্কে কম সচেতন। ** অধ্যায় ২৪, "দ্য ইঞ্জিন অফ ক্যাপিটালিজম" পৃষ্ঠা ২৬৩। * '''সে লাভের তুলনায় ক্ষতিকে প্রায় দ্বিগুণ গুরুত্ব দেয়, যা অত্যন্ত স্বাভাবিক।''' ** অধ্যায় ২৬, "প্রসপেক্ট থিওরি" পৃষ্ঠা ২৮৮। * মানুষের অনেক দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি এমনভাবে উন্মোচিত হয় [...] যেখানে খুব খারাপ বিকল্পের সম্মুখীন হওয়া মানুষগুলো বেপরোয়া জুয়া খেলে; তারা একটি বড় ক্ষতি এড়ানোর সামান্য আশার বিনিময়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার উচ্চ সম্ভাবনাকে মেনে নেয়। এই ধরণের ঝুঁকি গ্রহণ প্রায়শই সামাল দেওয়ার মতো [[ব্যর্থতা|ব্যর্থতাকে]] বিপর্যয়ে পরিণত করে। ** অধ্যায় ২৯, "দ্য ফোরফোল্ড প্যাটার্ন" পৃষ্ঠা ৩১৮-৩১৯। * একটি বিরল ঘটনাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হবে যদি এটি বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করে। [...] আর যেখানে কোনো অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয় না, সেখানে অবহেলা দেখা দেয়। ** অধ্যায় ৩০, "রেয়ার ইভেন্টস", পৃষ্ঠা ৩৩৩। * অন্য কোনো স্পষ্ট কারণ না থাকলে, '''আমাদের অধিকাংশ মানুষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সমস্যাগুলোকে যেভাবে [[w:ফ্রেমিং (সামাজিক বিজ্ঞান)|উপস্থাপন]] করা হয় সেভাবেই নিষ্ক্রিয়ভাবে গ্রহণ করি; এবং তাই আমাদের পছন্দগুলো ''বাস্তবতা-নির্ভর'' হওয়ার চেয়ে কতটা বেশি ''উপস্থাপন-নির্ভর'' তা আবিষ্কার করার সুযোগ খুব কমই পাই।''' ** অধ্যায় ৩৪, "ফ্রেমস অ্যান্ড রিয়ালিটি", পৃষ্ঠা ৩৬৭। * একটি গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা হলো যে, '''উচ্চতর আয়ের সাথে জীবনের ছোট ছোট আনন্দগুলো উপভোগ করার ক্ষমতা কমে যাওয়ার একটি সম্পর্ক রয়েছে।''' [...] অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকা এবং জীবন নিয়ে সন্তুষ্টির ওপর আয়ের প্রভাবের মধ্যে একটি স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। উচ্চতর আয় অধিকতর সন্তুষ্টি নিয়ে আসে, এমনকি সেই সীমা পার হওয়ার পরেও যখন অভিজ্ঞতার ওপর এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব থাকে না। [...] জীবন নিয়ে সন্তুষ্টি তাদের অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকার কোনো ত্রুটিপূর্ণ পরিমাপ নয়, যা আমি কয়েক বছর আগে ভেবেছিলাম। এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু। ** অধ্যায় ৩৭, "এক্সপেরিয়েন্সড ওয়েল-বিয়িং", পৃষ্ঠা ৩৯৭। * অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকা গড়ে [[বিয়ে|বিয়ের]] মাধ্যমে প্রভাবিত হয় না; এর কারণ এটি নয় যে বিয়ে [[সুখ|সুখের]] ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আনে না, বরং এর কারণ হলো এটি জীবনের কিছু দিককে ভালোর দিকে এবং অন্য কিছু দিককে মন্দের দিকে বদলে দেয়। ** অধ্যায় ৩৮, "থিংকিং অ্যাবাউট লাইফ", পৃষ্ঠা ৪০০-৪০১। * আপনি যখন কোনো বিষয় নিয়ে ভাবছেন, তখন জীবনের কোনো কিছুই ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয় যতটা আপনি তখন মনে করছেন। ** অধ্যায় ৩৮, "থিংকিং অ্যাবাউট লাইফ", পৃষ্ঠা ৪০২। * মানুষ অযৌক্তিক না হলেও, আরও নির্ভুল বিচার এবং আরও ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য প্রায়শই তাদের সাহায্যের প্রয়োজন হয়। [...] যারা ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের দুর্বলতাগুলোর সুযোগ নেয়, তাদের থেকেও [মানুষের] সুরক্ষা প্রয়োজন [...]। ** উপসংহার, পৃষ্ঠা ৪১১-৪১৩। === "পলক ফেলবেন না! আত্মবিশ্বাসের বিপদ" (২০১১) === * কোনো বিচার করার সময় আমরা যে আত্মবিশ্বাস অনুভব করি, তা সেই বিচারটি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনার কোনো যুক্তিনির্ভর মূল্যায়ন নয়। আত্মবিশ্বাস হলো একটি অনুভূতি, যা মূলত গল্পের সুসংগতি এবং এটি কত সহজে মাথায় আসছে তার দ্বারা নির্ধারিত হয়; এমনকি যখন গল্পের স্বপক্ষে প্রমাণ থাকে সামান্য এবং অনির্ভরযোগ্য। সুসংগতির প্রতি এই পক্ষপাত অতি-আত্মবিশ্বাসকে উৎসাহিত করে। একজন ব্যক্তি যিনি উচ্চ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন, তাঁর কাছে সম্ভবত একটি ভালো গল্প আছে, যা সত্য হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। ** {{cite news|url=http://www.nytimes.com/2011/10/23/magazine/dont-blink-the-hazards-of-confidence.html?pagewanted=all&_r=0 |title=Don’t Blink! The Hazards of Confidence |work=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|date=১৯ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আমরা প্রায়শই এমন পেশাদারদের সাথে কাজ করি যারা স্পষ্ট আত্মবিশ্বাসের সাথে তাদের বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করেন, কখনও কখনও তাঁরা তাঁদের সহজাত প্রবৃত্তির ক্ষমতা নিয়ে গর্বও করেন। বৈধতা এবং দক্ষতার বিভ্রমপূর্ণ এই পৃথিবীতে আমরা কি তাঁদের বিশ্বাস করতে পারি? বিশেষজ্ঞদের ন্যায্য আত্মবিশ্বাস এবং নিজেদের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে অজান্তেই থাকা পেশাদারদের আন্তরিক অতি-আত্মবিশ্বাসের মধ্যে আমরা কীভাবে পার্থক্য করব? আমরা সেই বিশেষজ্ঞকে বিশ্বাস করতে পারি যিনি অনিশ্চয়তা স্বীকার করেন, কিন্তু উচ্চ আত্মবিশ্বাসের অভিব্যক্তিকে সরাসরি ধ্রুব সত্য বলে ধরে নেওয়া যায় না। আমি প্রথম যখন সেই বাধা অতিক্রমের ময়দানে শিখেছিলাম মানুষ সামান্য বা কিছু না জেনেও সুসংগত গল্প তৈরি করতে এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারে। অতি-আত্মবিশ্বাস তৈরি হয় কারণ মানুষ প্রায়ই নিজের অন্ধত্ব সম্পর্কে অন্ধ থাকে। ** {{cite news|url=http://www.nytimes.com/2011/10/23/magazine/dont-blink-the-hazards-of-confidence.html?pagewanted=all&_r=0 |title=Don’t Blink! The Hazards of Confidence |work=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|date=১৯ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} === "পক্ষপাত, অন্ধত্ব এবং আমরা আসলে কীভাবে চিন্তা করি" (২০১১) === * আমাদের অধিকাংশ মানুষই জগতকে তার প্রকৃত অবস্থার চেয়ে বেশি কল্যাণকর হিসেবে দেখি, আমাদের নিজেদের গুণাবলিকে তার প্রকৃত রূপের চেয়ে বেশি ইতিবাচক মনে করি এবং আমাদের গ্রহণ করা লক্ষ্যগুলোকে সেগুলোর সফল হওয়ার সম্ভাবনার চেয়ে বেশি অর্জনযোগ্য বলে ধরে নিই। আমরা ভবিষ্যতের পূর্বাভাস দেওয়ার ক্ষমতার বিষয়েও বাড়িয়ে বলার প্রবণতা দেখাই, যা অতি-আত্মবিশ্বাসকে লালন করে। সিদ্ধান্তের ওপর প্রভাবের দিক থেকে বিচার করলে, এই আশাবাদী পক্ষপাত সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কগনিটিভ বায়াস বা জ্ঞানীয় পক্ষপাত হতে পারে। যেহেতু আশাবাদী পক্ষপাত একই সাথে একটি আশীর্বাদ এবং একটি ঝুঁকি, তাই আপনি যদি স্বভাবগতভাবে আশাবাদী হন তবে আপনার একই সাথে সুখী এবং সতর্ক হওয়া উচিত। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-24/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-1-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 1): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আশাবাদ একটি স্বাভাবিক বিষয়, তবে কিছু ভাগ্যবান মানুষ আমাদের বাকিদের চেয়ে বেশি আশাবাদী হন। আপনি যদি জন্মগতভাবে আশাবাদী পক্ষপাতের অধিকারী হন, তবে আপনি যে একজন ভাগ্যবান ব্যক্তি তা আপনাকে বলার প্রয়োজন পড়ে না আপনি নিজেই নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন। আশাবাদী মানুষরা আমাদের জীবনকে রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে অসম অনুপাতে বড় ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের সিদ্ধান্তগুলো পরিবর্তন নিয়ে আসে; তাঁরা সাধারণ মানুষ নন, বরং উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা, রাজনৈতিক এবং সামরিক নেতা। তাঁরা চ্যালেঞ্জ অন্বেষণ এবং ঝুঁকি গ্রহণের মাধ্যমেই আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। তাঁরা মেধাবী এবং তাঁরা ভাগ্যবান ছিলেন, এবং প্রায় নিশ্চিতভাবেই তাঁরা যতটা স্বীকার করেন তার চেয়েও বেশি ভাগ্যবান ছিলেন। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-24/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-1-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 1): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * রহস্যটি হলো কীভাবে এমন একটি ধারণা, যা এত সুস্পষ্ট পাল্টা উদাহরণের মুখেও অরক্ষিত, তা এতদিন টিকে ছিল। এটি আমি কেবল পাণ্ডিত্যের একটি দুর্বলতা দিয়ে ব্যাখ্যা করতে পারি যা আমি প্রায়শই নিজের মধ্যেও লক্ষ্য করেছি। আমি একে 'তত্ত্ব-প্ররোচিত অন্ধত্ব' বলি: একবার আপনি একটি তত্ত্ব গ্রহণ করে ফেললে, এর ত্রুটিগুলো লক্ষ্য করা অসাধারণভাবে কঠিন হয়ে পড়ে। মনোবিজ্ঞানী ড্যানিয়েল গিলবার্ট যেমন লক্ষ্য করেছেন, অবিশ্বাস করা একটি কঠিন কাজ। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-25/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-2-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 2): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * মানুষের যত্ন নেওয়ার বিষয়টি প্রায়শই তাদের গল্পের গুণমানের প্রতি উদ্বেগের রূপ নেয়, তাদের অনুভূতির প্রতি নয়। প্রকৃতপক্ষে, আমরা এমনকি এমন সব ঘটনা দিয়েও গভীরভাবে বিচলিত হতে পারি যা মৃত ব্যক্তিদের গল্পকেও বদলে দেয়। আমরা এমন একজন ব্যক্তির জন্য করুণা বোধ করি যিনি তাঁর স্ত্রীর ভালোবাসায় বিশ্বাস রেখে মারা গেছেন, অথচ পরে আমরা জানতে পারি যে তাঁর স্ত্রীর বহু বছরের প্রেমিক ছিল এবং তিনি কেবল টাকার জন্য স্বামীর সাথে ছিলেন। স্বামীটি একটি সুখী জীবন যাপন করা সত্ত্বেও আমরা তাঁর জন্য করুণা বোধ করি। আমরা এমন একজন বিজ্ঞানীর অপমান অনুভব করি যাঁর আবিষ্কার তাঁর মৃত্যুর পর মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে, যদিও তিনি নিজে সেই অপমান অনুভব করেননি। সবচেয়ে বড় কথা, আমরা সবাই আমাদের নিজেদের জীবনের আখ্যান বা বর্ণনার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন এবং আমরা আন্তরিকভাবে চাই যে এটি একটি ভালো গল্প হোক, যার নায়ক হবে একজন মার্জিত ব্যক্তি। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-27/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-4-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 4): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * <p>আপনার পরবর্তী ছুটি নিয়ে একটি পরীক্ষা আপনাকে আপনার 'অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তার' প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি পর্যবেক্ষণ করতে সাহায্য করবে: ছুটির শেষে সমস্ত ছবি এবং ভিডিও ধ্বংস করে দেওয়া হবে। এছাড়া, আপনি এমন একটি পানীয় পান করবেন যা ওই ছুটির সমস্ত স্মৃতি আপনার মন থেকে মুছে ফেলবে। এটি আপনার ছুটির পরিকল্পনাকে কীভাবে প্রভাবিত করবে? একটি স্বাভাবিক স্মৃতিময় ছুটির তুলনায় এই ছুটির জন্য আপনি কতটুকু খরচ করতে রাজি হবেন? আমার ধারণা হলো যে, স্মৃতির বিলুপ্তি অভিজ্ঞতার মূল্যকে অনেকাংশেই কমিয়ে দেয়। </p><p>একটি যন্ত্রণাদায়ক অপারেশনের কথা কল্পনা করুন যেখানে আপনি ব্যথায় চিৎকার করবেন এবং সার্জনকে থামার জন্য মিনতি করবেন। তবে আপনাকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে যে এমন একটি অ্যামনেসিয়া-প্ররোচিত ওষুধ দেওয়া হবে যা ওই ঘটনার সমস্ত স্মৃতি মুছে ফেলবে। এখানেও আমার পর্যবেক্ষণ হলো যে, অধিকাংশ মানুষই তাদের অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তার ব্যথার বিষয়ে আশ্চর্যজনকভাবে উদাসীন থাকে। কেউ কেউ বলেন যে তারা মোটেও পরোয়া করেন না। অন্যরা আমার অনুভূতির সাথে একমত হন, যা হলো আমি আমার যন্ত্রণাকাতর সত্তার জন্য করুণা বোধ করি ঠিকই, কিন্তু তা ব্যথায় থাকা একজন অপরিচিত ব্যক্তির প্রতি অনুভবের চেয়ে বেশি কিছু নয়। </p><p>'''আমি হলাম আমার 'স্মৃতি ধারণকারী সত্তা', আর আমার যে 'অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তা' আমার জীবনটা যাপন করে, সে আমার কাছে একজন অপরিচিত মানুষের মতো।'''</p> ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-27/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-4-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 4): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} == ড্যানিয়েল কানেমান সম্পর্কে উক্তি == * ড্যানির কাজের একটি বিশাল অংশ হলো আমরা কীভাবে চিন্তা করি এবং আমরা কতটা গভীরভাবে অযৌক্তিক হতে পারি তা নিয়ে। সেটিও ব্যবসাক্ষেত্রকে বদলে দিচ্ছে, যদিও তা খুব ধীরগতিতে; আর এটিই তাঁর নতুন বইটির দশ লক্ষ কপি বিক্রির কারণ ব্যাখ্যা করে। তবে, ইতিহাসের বিশাল প্রেক্ষাপটে আমার ধারণা তিনি সেই ব্যক্তি হিসেবেই সবচেয়ে বেশি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন, যিনি সুখকে একটি সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে গিয়েছেন। ** [[w:রিচার্ড লেয়ার্ড, ব্যারন লেয়ার্ড|রিচার্ড লেয়ার্ড]], {{cite news|url=http://www.theguardian.com/science/2014/feb/16/daniel-kahneman-thinking-fast-and-slow-tributes |title=Daniel Kahneman changed the way we think about thinking. But what do other thinkers think of him? |work=দ্য গার্ডিয়ান|date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আমি ড্যানিয়েল কানেমানকে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী জীবিত মনোবিজ্ঞানী বলে অভিহিত করেছি এবং আমি বিশ্বাস করি এটি সত্য। তিনি প্রায় একাই আচরণগত অর্থনীতির ক্ষেত্রটি তৈরি করেছেন এবং [[জ্ঞানীয় মনোবিজ্ঞান]] ও সামাজিক মনোবিজ্ঞানের বড় একটি অংশে বিপ্লব ঘটিয়েছেন। তাঁর মূল বার্তাটি এর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারত না তা হলো, মানুষের বিচারবুদ্ধিকে যদি তার নিজের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয় তবে তা অনেক ধরণের ভ্রান্তি এবং পদ্ধতিগত ত্রুটির জালে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা দেখায়; তাই আমরা যদি আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে এবং সমাজ হিসেবে আরও ভালো সিদ্ধান্ত নিতে চাই, তবে আমাদের এই পক্ষপাতগুলো সম্পর্কে সচেতন হতে হবে এবং বিকল্প পথ খুঁজতে হবে। এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার। ** [[স্টিভেন পিঙ্কার]]। "ড্যানিয়েল কানেমান চেঞ্জড দ্য ওয়ে উই থিংক অ্যাবাউট থিংকিং। বাট হোয়াট ডু আদার থিংকার্স থিংক অফ হিম?," ''দ্য অবজারভার,'' ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। == বহিঃসংযোগ == {{Wikipedia|ড্যানিয়েল কানেমান|ড্যানিয়েল কানেমান}} * [[w:টেড (সম্মেলন)|টেডে]] ["অভিজ্ঞতা বনাম স্মৃতির ধাঁধা" বিষয়ের ওপর বক্তৃতা], ফেব্রুয়ারি ২০১০ {{DEFAULTSORT:কানেমান, ড্যানিয়েল}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মনোবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসরায়েলি ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাস্তিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী]] [[বিষয়শ্রেণী:তেল আবিবের ব্যক্তিত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসরায়েলের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] g9fat6lq6zltz66c21vgjd9ubfci1fd 78861 78860 2026-04-20T09:04:35Z Sumanta3023 4175 /* ড্যানিয়েল কানেমান সম্পর্কে উক্তি */ 78861 wikitext text/x-wiki [[চিত্র:Daniel KAHNEMAN.jpg|thumb|ড্যানিয়েল কানেম্যান, ২০০৯]] '''[[w:ড্যানিয়েল কানেম্যান|ড্যানিয়েল কানেম্যান]]''' (৫ মার্চ ১৯৩৪ – ২৭ মার্চ ২০২৪) একজন ইসরায়েলি-মার্কিন মনোবিজ্ঞানী ছিলেন। তিনি ২০০২ সালে ভার্নন এল. স্মিথের সাথে যৌথভাবে [[w:অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার|অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার]] লাভ করেন। কানেম্যান তাঁর বিচারবুদ্ধি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের মনোবিজ্ঞান, [[w:আচরণগত অর্থনীতি|আচরণগত অর্থনীতি]] এবং [[w:সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞান|সুখবাদ সংক্রান্ত মনোবিজ্ঞানের]] ওপর কাজের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। পরবর্তী জীবনে তিনি প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির উড্রো উইলসন স্কুলের মনোবিজ্ঞান এবং জনবিষয়ক বিভাগের এমেরিটাস অধ্যাপক ছিলেন। == উক্তি == * আমার একটি অভিজ্ঞতার কথা স্পষ্টভাবে মনে আছে যেখানে অনুভূতির নানা রঙের মিশেল ছিল। সময়টা ১৯৪১ সালের শেষের দিকে বা ১৯৪২ সালের শুরুর দিক হবে। ইহুদিদের জন্য তখন পোশাকে 'স্টার অফ ডেভিড' পরা এবং সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ঘরে ফেরার কারফিউ মেনে চলা বাধ্যতামূলক ছিল। আমি এক খ্রিস্টান বন্ধুর সাথে খেলতে গিয়েছিলাম এবং ফিরতে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। বাড়ি ফেরার জন্য কয়েক ব্লকের পথ হাঁটার সময় আমি আমার বাদামী সোয়েটারটি উল্টো করে পরে নিয়েছিলাম (যাতে তারাটি ঢাকা পড়ে)। জনশূন্য রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় আমি একজন জার্মান সৈন্যকে এগিয়ে আসতে দেখলাম। তিনি সেই কালো ইউনিফর্মটি পরে ছিলেন যা অন্য সব ইউনিফর্মের চেয়ে বেশি ভয় পেতে আমাকে শেখানো হয়েছিল এটি বিশেষভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত এসএস সৈন্যদের পোশাক। আমি দ্রুত হাঁটার চেষ্টা করছিলাম, তাঁর কাছাকাছি আসতেই লক্ষ্য করলাম তিনি আমার দিকে তীক্ষ্ণভাবে তাকিয়ে আছেন। এরপর তিনি আমাকে কাছে ডাকলেন, কোলে তুলে নিলেন এবং জড়িয়ে ধরলেন। আমি প্রচণ্ড আতঙ্কে ছিলাম যে তিনি আমার সোয়েটারের ভেতরে থাকা তারাটি দেখে ফেলবেন। তিনি জার্মান ভাষায় খুব আবেগ দিয়ে আমার সাথে কথা বলছিলেন। আমাকে নিচে নামিয়ে দেওয়ার পর তিনি তাঁর মানিব্যাগ খুললেন, একটি ছেলের ছবি দেখালেন এবং আমাকে কিছু টাকা দিলেন। আমি যখন বাড়ি ফিরলাম, তখন নিজের মনের ভেতর আগের চেয়েও বেশি নিশ্চিত হলাম যে আমার মা ঠিকই বলতেন: মানুষ সীমাহীন জটিল এবং কৌতুহলোদ্দীপক। ** [http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economic-sciences/laureates/2002/kahneman-bio.html নোবেল পুরস্কারের আত্মজীবনীমূলক তথ্য] (২০০২)। * '''যাঁরা পরিবর্তন নিয়ে আসেন তাঁরা একা মারা যান না। যাঁরা তাঁদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন, তাঁদের প্রত্যেকের ভেতর থেকেই কিছু একটা হারিয়ে যায়।''' আমোস অনেক পরিবর্তন এনেছিলেন, এবং যখন তিনি মারা গেলেন, আমাদের অনেকের জন্যই জীবন কিছুটা ম্লান ও সংকুচিত হয়ে গেল। পৃথিবীতে বুদ্ধিমত্তার পরিমাণ কমে গেল। কমে গেল রসবোধ। এমন অনেক প্রশ্ন আছে যেগুলোর উত্তর আর কখনোই গভীরতা ও স্পষ্টতার সেই অপ্রতিম সংমিশ্রণে পাওয়া যাবে না। এমন অনেক মানদণ্ড আছে যেগুলোকে আর কখনোই নীতি ও কাণ্ডজ্ঞান দিয়ে একইভাবে রক্ষা করা হবে না। জীবন আরও দরিদ্র হয়ে পড়েছে। মোজাইকের মাঝে আমোসের আকৃতির এক বিশাল শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে, যা আর কখনও পূরণ হবে না। এটি পূরণ করা সম্ভব নয় কারণ আমোস এই পৃথিবীতে নিজের জায়গা নিজেই তৈরি করেছিলেন, তিনি নিজের জীবন এমনকি নিজের মৃত্যুকেও রূপ দিয়েছিলেন। আর নিজের জীবন ও জগতকে রূপ দেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি তাঁর চারপাশের অনেক মানুষের জীবন ও জগতকেও বদলে দিয়েছিলেন। ** ৫ জুন ১৯৯৬ তারিখে তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মী [[w:আমোস টিভারস্কি|আমোস টিভারস্কির]] মৃত্যু সম্পর্কে। [http://www.nobelprize.org/nobel_prizes/economic-sciences/laureates/2002/kahneman-bio.html নোবেল পুরস্কারের আত্মজীবনীমূলক তথ্য] (২০০২)। * কোনো চিকিৎসকের "মুখভঙ্গি" দেখে একটি রোগ শনাক্ত করা এবং একটি ছোট শিশুর কোনো কিছুর দিকে আঙুল উঁচিয়ে "কুকুর" বলার মধ্যে আক্ষরিক অর্থে কোনো পার্থক্য নেই। ** টকস অ্যাট গুগল - ১০ নভেম্বর ২০১১ * সংখ্যার কারণে কেউ কখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। মানুষের একটি গল্পের প্রয়োজন হয়। ** মাইকেল লুইস। "দ্য আনডুইং প্রজেক্ট: আ ফ্রেন্ডশিপ দ্যাট চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড"। পেঙ্গুইন, ২০১৬ (ISBN 9780141983035)। * আমি স্বল্প-শক্তির গবেষণার ওপর বড্ড বেশি আস্থা রেখেছিলাম। ব্লগে এবং এর আগে অ্যান্ড্রু গেলম্যান যেমনটি উল্লেখ করেছেন, আমার এই ভুলের মধ্যে একটি বিশেষ পরিহাস রয়েছে; কারণ আমোস টিভারস্কি এবং আমি যে প্রথম গবেষণাপত্রটি প্রকাশ করেছিলাম, সেটি ছিল "ক্ষুদ্র সংখ্যার নীতির" ওপর বিশ্বাসের বিষয়ে, যা গবেষকদের অযৌক্তিক ক্ষুদ্র নমুনাসহ স্বল্প-শক্তির গবেষণার ফলাফলের ওপর আস্থা রাখতে প্ররোচিত করে। আমরা ওভারঅল (১৯৬৯)-এর উদ্ধৃতি দিয়ে দেখিয়েছিলাম যে "পরিসংখ্যানগত শক্তিতে ঘাটতি থাকা গবেষণার ব্যাপকতা কেবল অপচয়ই নয় বরং আসলে ক্ষতিকর: এর ফলে প্রকাশিত ফলাফলগুলোর মধ্যে একটি বড় অংশেই নাল হাইপোথিসিস বা শূন্য প্রকল্পের ভুল প্রত্যাখ্যান ঘটে।" আমাদের নিবন্ধটি ১৯৬৯ সালে লেখা এবং ১৯৭১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল, কিন্তু আমি এর বার্তাটি নিজের মাঝে ধারণ করতে ব্যর্থ হয়েছি।<br />যখন আমি "থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো" লিখেছিলাম, তখন আমার অবস্থান ছিল এমন যে যদি নামী জার্নালগুলোতে প্রকাশিত প্রমাণের একটি বড় অংশ প্রাথমিকভাবে অবিশ্বাস্য মনে হওয়া কোনো সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে, তবে বৈজ্ঞানিক নিয়ম অনুযায়ী আমাদের সেই সিদ্ধান্তকে বিশ্বাস করা উচিত। অবিশ্বাস্য হওয়াটাই অবিশ্বাসকে ন্যায়সঙ্গত করার জন্য যথেষ্ট নয়, এবং সুপ্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্তগুলো বিশ্বাস করা ঐচ্ছিক কোনো বিষয় নয়। এই অবস্থানটি এখনও আমার কাছে যুক্তিসঙ্গত মনে হয় – আর এই কারণেই আমি মনে করি মানুষের জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বাস করা উচিত। কিন্তু এই যুক্তি তখনই খাটে যখন সমস্ত প্রাসঙ্গিক ফলাফল প্রকাশিত হয়।<br />আমি অবশ্যই জানতাম যে প্রাইমিং স্টাডিজের ফলাফলগুলো ছোট নমুনার ওপর ভিত্তি করে ছিল, প্রভাবের মাত্রাগুলো হয়তো অবিশ্বাস্য রকমের বড় ছিল এবং কোনো একক গবেষণাই নিজে থেকে চূড়ান্ত ছিল না। যা আমাকে মুগ্ধ করেছিল তা হলো অনেক গবেষণাগার থেকে পাওয়া রিপোর্টের ফলাফলের একমত হওয়া এবং সেগুলোর সুসংগতি। আমি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলাম যে দক্ষ পরীক্ষকদের পক্ষে প্রাইমিং ইফেক্ট তৈরি করা সহজ এবং এগুলো বেশ শক্তিশালী। তবে, আমি এখন বুঝতে পারছি যে আমার যুক্তি ত্রুটিপূর্ণ ছিল এবং আমার আরও সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। স্বল্প-শক্তির গবেষণাগুলোর মধ্যে এই সর্বসম্মত ঐক্য আসলে একটি গুরুতর 'ফাইল-ড্রয়ার সমস্যা' (এবং/অথবা পি-হ্যাকিং)-এর অস্তিত্বের অকাট্য প্রমাণ দেয়। যুক্তিটি অনস্বীকার্য: যেসব গবেষণা সম্ভাব্য প্রভাব শনাক্ত করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী নয়, সেগুলোতে গবেষণার হাইপোথিসিস সত্য হওয়া সত্ত্বেও মাঝে মাঝে তাৎপর্যহীন ফলাফল আসতে বাধ্য – এই ধরনের ফলাফলের অনুপস্থিতিই প্রমাণ করে যে প্রকাশিত নথিপত্রে কোথাও কোনো গরমিল আছে... ** [https://replicationindex.com/2017/02/02/reconstruction-of-a-train-wreck-how-priming-research-went-of-the-rails/comment-page-1/#comment-1454 ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭], [https://retractionwatch.com/2017/02/20/placed-much-faith-underpowered-studies-nobel-prize-winner-admits-mistakes/ রিট্রাকশনওয়াচে] উদ্ধৃত। * এবং আরও একটি বিষয় আছে যা আমার মতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেটি হলো, '''প্রায় সব মনস্তাত্ত্বিক হাইপোথিসিসই সত্য''', অর্থাৎ এই অর্থে যে, আপনি যদি ধারণা করেন 'ক' আসলে 'খ'-এর কারণ হয়, তবে এটি সত্য নয় যে 'ক' আসলে 'খ'-এর বিপরীত কিছু ঘটায়। হয়তো 'ক'-এর প্রভাব খুব সামান্য, কিন্তু হাইপোথিসিসগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সত্য হয়; তবে সেগুলো আপনি যতটা ভাবেন তার চেয়ে অনেক বেশি দুর্বল... ** লেক্স ফ্রিডম্যান পডকাস্ট, ১:০৪:১০। ১৪ জানুয়ারি ২০২০। * আপনার উচিত নিজের সহজাত প্রবৃত্তিকে তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ করা এবং তারপর সেটিকে বিশ্বাস করা। ** হার্ভার্ডে আলোচনা - ৩ ডিসেম্বর ২০২১<ref>https://news.harvard.edu/gazette/story/2021/12/daniel-kahneman-on-how-to-influence-others/</ref> * প্রথম পরামর্শ হলো গতি ধীর করা, এবং আপনার প্রথম ঝোঁক বা আবেগকে অনুসরণ না করা। ** হার্ভার্ডে আলোচনা - ৩ ডিসেম্বর ২০২১<ref>https://news.harvard.edu/gazette/story/2021/12/daniel-kahneman-on-how-to-influence-others/</ref> === থিংকিং, ফাস্ট অ্যান্ড স্লো (২০১১) === :<small>'''দ্রষ্টব্য''': অন্য কোনো উল্লেখ না থাকলে পৃষ্ঠা নম্বরগুলো (ISBN 9780141033570) থেকে নেওয়া।</small> * এই বইয়ের একটি পুনরাবৃত্ত মূলভাব হলো যে, '''[[ভাগ্য|সাফল্যের]] প্রতিটি গল্পে [[ভাগ্য|ভাগ্যের]] একটি বিশাল ভূমিকা থাকে'''; গল্পের মধ্যে খুব সামান্য একটি পরিবর্তন শনাক্ত করা প্রায় সব সময়ই সহজ, যা একটি অসাধারণ অর্জনকে একটি সাধারণ ফলাফলে পরিণত করতে পারত। ** ভূমিকা, পৃষ্ঠা ৯। * '''বুদ্ধিমত্তা কেবল যুক্তি প্রদানের ক্ষমতা নয়; এটি [[স্মৃতি|স্মৃতি]] থেকে প্রাসঙ্গিক তথ্য খুঁজে বের করার এবং প্রয়োজনবোধে মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতাও বটে।''' ** অধ্যায় ৩, "দ্য লেজি কন্ট্রোলার" পৃষ্ঠা ৪৬। * অবিশ্বাস করার কোনো সুযোগ নেই। ফলাফলগুলো মনগড়া নয়, কিংবা এগুলো কোনো পরিসংখ্যানগত আকস্মিক ঘটনাও নয়। এই গবেষণাগুলোর প্রধান সিদ্ধান্তগুলো যে সত্য, তা মেনে নেওয়া ছাড়া আপনার কোনো উপায় নেই। ** প্রাইমিং গবেষণার ওপর। কানেমান পরবর্তীতে প্রাইমিং গবেষণার প্রতি তাঁর সমর্থনের বিষয়ে একটি শর্তসাপেক্ষ প্রত্যাহার জারি করেছিলেন। অধ্যায় ৪, "দ্য অ্যাসোসিয়েটিভ মেশিন"। * '''মানুষকে কোনো [[মিথ্যা|মিথ্যাবাদে]] বিশ্বাস করানোর একটি নির্ভরযোগ্য উপায় হলো সেটির ঘনঘন পুনরাবৃত্তি, কারণ পরিচিতি এবং [[সত্য|সত্যের]] মধ্যে পার্থক্য করা সহজ নয়।''' ** অধ্যায় ৫, "কগনিটিভ ইজ" পৃষ্ঠা ৬২। * '''একটি ভালো গল্পের জন্য তথ্যের {{w|সামঞ্জস্যতা}} গুরুত্বপূর্ণ, তার পূর্ণতা নয়।''' প্রকৃতপক্ষে, আপনি প্রায়ই লক্ষ্য করবেন যে, '''খুব সামান্য জানলে আপনার জানা সবকিছুকে একটি সুসংগত কাঠামোতে বিন্যস্ত করা সহজ হয়ে যায়।''' ** অধ্যায় ৭, "এ মেশিন ফর জাম্পিং টু কনক্লুশনস" পৃষ্ঠা ৮৭। * শিক্ষাটি পরিষ্কার: [[মৃত্যু|মৃত্যুর]] কারণগুলো সম্পর্কে আমাদের অনুমানগুলো মিডিয়া কভারেজ দ্বারা প্রভাবিত হয়। [...] আমাদের মাথার ভেতরের জগতটি বাস্তবতার নিখুঁত প্রতিরূপ নয়; '''কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তির হার সম্পর্কে আমাদের প্রত্যাশাগুলো সেই বার্তার ব্যাপকতা এবং আবেগীয় তীব্রতা দ্বারা বিকৃত হয়''', যা আমাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। ** অধ্যায় ১৩, "অ্যাভেইলিবিলিটি, ইমোশন, অ্যান্ড রিস্ক" পৃষ্ঠা ১৩৮। * আমাদের পরিসংখ্যান সংক্রান্ত চিন্তা এবং স্বতন্ত্র ঘটনা সংক্রান্ত চিন্তার মধ্যে একটি গভীর ব্যবধান রয়েছে। ** অধ্যায় ১৫, "কজেস ট্রাম্প স্ট্যাটিস্টিকস" পৃষ্ঠা ১৭৪। * {{w|সহসম্বন্ধ}} এবং [[w:রিগ্রেশন বিশ্লেষণ|রিগ্রেশন]] যে দুটি ভিন্ন ধারণা নয় বরং একই ধারণার দুটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি, তা বুঝতে ফ্রান্সিস গাল্টনের কয়েক বছর সময় লেগেছিল। সাধারণ নিয়মটি সহজবোধ্য কিন্তু এর ফলাফলগুলো বিস্ময়কর: যখনই দুটি স্কোরের মধ্যে সহসম্বন্ধ অপূর্ণ থাকে, তখনই সেখানে গড়ের দিকে প্রত্যাগমন ঘটবে। ** অধ্যায় ১৭, "রিগ্রেশন টু দ্য মিন" পৃষ্ঠা ১৮১। * '''পৃথিবীটা অর্থবহ আমাদের এই স্বস্তিদায়ক বিশ্বাসটি একটি নিরাপদ ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে: আর তা হলো আমাদের অজ্ঞতাকে উপেক্ষা করার প্রায় সীমাহীন ক্ষমতা।''' ** অধ্যায় ১৯, "দ্য ইলিউশন অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং" পৃষ্ঠা ২০১। * একটি বিচারের ক্ষেত্রে [[w:বিষয়ীভাব এবং বস্তুনিষ্ঠতা (দর্শন)|বিষয়ীগত]] আত্মবিশ্বাস কোনো যুক্তিনির্ভর মূল্যায়ন নয় যে সেই বিচারটি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু। '''আত্মবিশ্বাস হলো একটি অনুভূতি, যা তথ্যের সুসংগতি এবং তা প্রক্রিয়াকরণের মানসিক সহজবোধ্যতাকে প্রতিফলিত করে।''' অনিশ্চয়তার স্বীকারোক্তিকে গুরুত্বের সাথে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ, কিন্তু '''উচ্চ আত্মবিশ্বাসের ঘোষণা মূলত আপনাকে এটাই জানায় যে একজন ব্যক্তি তার মনে একটি সুসংগত গল্প তৈরি করেছেন, তার মানে এই নয় যে সেই গল্পটি [[সত্য|সত্য]]।''' ** অধ্যায় ২০, "দ্য ইলিউশন অফ ভ্যালিডিটি" পৃষ্ঠা ২১২। * সে একটি অভ্যন্তরীণ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করছে। তার উচিত নিজের ক্ষেত্রটির কথা ভুলে যাওয়া এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে কী ঘটেছিল তা দেখা। ** অধ্যায় ২৩, "দ্য আউটসাইড ভিউ" পৃষ্ঠা ২৫৪। * এমন কোনো প্রমাণ নেই যে [[অর্থনীতি|অর্থনৈতিক]] ক্ষেত্রে ঝুঁকি গ্রহণকারীদের উচ্চ বাজি ধরার প্রতি অস্বাভাবিক কোনো আকাঙ্ক্ষা থাকে; তারা কেবল সাধারণ ভীরু মানুষের তুলনায় ঝুঁকি সম্পর্কে কম সচেতন। ** অধ্যায় ২৪, "দ্য ইঞ্জিন অফ ক্যাপিটালিজম" পৃষ্ঠা ২৬৩। * '''সে লাভের তুলনায় ক্ষতিকে প্রায় দ্বিগুণ গুরুত্ব দেয়, যা অত্যন্ত স্বাভাবিক।''' ** অধ্যায় ২৬, "প্রসপেক্ট থিওরি" পৃষ্ঠা ২৮৮। * মানুষের অনেক দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি এমনভাবে উন্মোচিত হয় [...] যেখানে খুব খারাপ বিকল্পের সম্মুখীন হওয়া মানুষগুলো বেপরোয়া জুয়া খেলে; তারা একটি বড় ক্ষতি এড়ানোর সামান্য আশার বিনিময়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার উচ্চ সম্ভাবনাকে মেনে নেয়। এই ধরণের ঝুঁকি গ্রহণ প্রায়শই সামাল দেওয়ার মতো [[ব্যর্থতা|ব্যর্থতাকে]] বিপর্যয়ে পরিণত করে। ** অধ্যায় ২৯, "দ্য ফোরফোল্ড প্যাটার্ন" পৃষ্ঠা ৩১৮-৩১৯। * একটি বিরল ঘটনাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হবে যদি এটি বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করে। [...] আর যেখানে কোনো অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয় না, সেখানে অবহেলা দেখা দেয়। ** অধ্যায় ৩০, "রেয়ার ইভেন্টস", পৃষ্ঠা ৩৩৩। * অন্য কোনো স্পষ্ট কারণ না থাকলে, '''আমাদের অধিকাংশ মানুষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সমস্যাগুলোকে যেভাবে [[w:ফ্রেমিং (সামাজিক বিজ্ঞান)|উপস্থাপন]] করা হয় সেভাবেই নিষ্ক্রিয়ভাবে গ্রহণ করি; এবং তাই আমাদের পছন্দগুলো ''বাস্তবতা-নির্ভর'' হওয়ার চেয়ে কতটা বেশি ''উপস্থাপন-নির্ভর'' তা আবিষ্কার করার সুযোগ খুব কমই পাই।''' ** অধ্যায় ৩৪, "ফ্রেমস অ্যান্ড রিয়ালিটি", পৃষ্ঠা ৩৬৭। * একটি গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা হলো যে, '''উচ্চতর আয়ের সাথে জীবনের ছোট ছোট আনন্দগুলো উপভোগ করার ক্ষমতা কমে যাওয়ার একটি সম্পর্ক রয়েছে।''' [...] অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকা এবং জীবন নিয়ে সন্তুষ্টির ওপর আয়ের প্রভাবের মধ্যে একটি স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। উচ্চতর আয় অধিকতর সন্তুষ্টি নিয়ে আসে, এমনকি সেই সীমা পার হওয়ার পরেও যখন অভিজ্ঞতার ওপর এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব থাকে না। [...] জীবন নিয়ে সন্তুষ্টি তাদের অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকার কোনো ত্রুটিপূর্ণ পরিমাপ নয়, যা আমি কয়েক বছর আগে ভেবেছিলাম। এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু। ** অধ্যায় ৩৭, "এক্সপেরিয়েন্সড ওয়েল-বিয়িং", পৃষ্ঠা ৩৯৭। * অভিজ্ঞতালব্ধ ভালো থাকা গড়ে [[বিয়ে|বিয়ের]] মাধ্যমে প্রভাবিত হয় না; এর কারণ এটি নয় যে বিয়ে [[সুখ|সুখের]] ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আনে না, বরং এর কারণ হলো এটি জীবনের কিছু দিককে ভালোর দিকে এবং অন্য কিছু দিককে মন্দের দিকে বদলে দেয়। ** অধ্যায় ৩৮, "থিংকিং অ্যাবাউট লাইফ", পৃষ্ঠা ৪০০-৪০১। * আপনি যখন কোনো বিষয় নিয়ে ভাবছেন, তখন জীবনের কোনো কিছুই ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয় যতটা আপনি তখন মনে করছেন। ** অধ্যায় ৩৮, "থিংকিং অ্যাবাউট লাইফ", পৃষ্ঠা ৪০২। * মানুষ অযৌক্তিক না হলেও, আরও নির্ভুল বিচার এবং আরও ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য প্রায়শই তাদের সাহায্যের প্রয়োজন হয়। [...] যারা ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের দুর্বলতাগুলোর সুযোগ নেয়, তাদের থেকেও [মানুষের] সুরক্ষা প্রয়োজন [...]। ** উপসংহার, পৃষ্ঠা ৪১১-৪১৩। === "পলক ফেলবেন না! আত্মবিশ্বাসের বিপদ" (২০১১) === * কোনো বিচার করার সময় আমরা যে আত্মবিশ্বাস অনুভব করি, তা সেই বিচারটি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনার কোনো যুক্তিনির্ভর মূল্যায়ন নয়। আত্মবিশ্বাস হলো একটি অনুভূতি, যা মূলত গল্পের সুসংগতি এবং এটি কত সহজে মাথায় আসছে তার দ্বারা নির্ধারিত হয়; এমনকি যখন গল্পের স্বপক্ষে প্রমাণ থাকে সামান্য এবং অনির্ভরযোগ্য। সুসংগতির প্রতি এই পক্ষপাত অতি-আত্মবিশ্বাসকে উৎসাহিত করে। একজন ব্যক্তি যিনি উচ্চ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন, তাঁর কাছে সম্ভবত একটি ভালো গল্প আছে, যা সত্য হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। ** {{cite news|url=http://www.nytimes.com/2011/10/23/magazine/dont-blink-the-hazards-of-confidence.html?pagewanted=all&_r=0 |title=Don’t Blink! The Hazards of Confidence |work=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|date=১৯ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আমরা প্রায়শই এমন পেশাদারদের সাথে কাজ করি যারা স্পষ্ট আত্মবিশ্বাসের সাথে তাদের বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করেন, কখনও কখনও তাঁরা তাঁদের সহজাত প্রবৃত্তির ক্ষমতা নিয়ে গর্বও করেন। বৈধতা এবং দক্ষতার বিভ্রমপূর্ণ এই পৃথিবীতে আমরা কি তাঁদের বিশ্বাস করতে পারি? বিশেষজ্ঞদের ন্যায্য আত্মবিশ্বাস এবং নিজেদের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে অজান্তেই থাকা পেশাদারদের আন্তরিক অতি-আত্মবিশ্বাসের মধ্যে আমরা কীভাবে পার্থক্য করব? আমরা সেই বিশেষজ্ঞকে বিশ্বাস করতে পারি যিনি অনিশ্চয়তা স্বীকার করেন, কিন্তু উচ্চ আত্মবিশ্বাসের অভিব্যক্তিকে সরাসরি ধ্রুব সত্য বলে ধরে নেওয়া যায় না। আমি প্রথম যখন সেই বাধা অতিক্রমের ময়দানে শিখেছিলাম মানুষ সামান্য বা কিছু না জেনেও সুসংগত গল্প তৈরি করতে এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারে। অতি-আত্মবিশ্বাস তৈরি হয় কারণ মানুষ প্রায়ই নিজের অন্ধত্ব সম্পর্কে অন্ধ থাকে। ** {{cite news|url=http://www.nytimes.com/2011/10/23/magazine/dont-blink-the-hazards-of-confidence.html?pagewanted=all&_r=0 |title=Don’t Blink! The Hazards of Confidence |work=দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস|date=১৯ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} === "পক্ষপাত, অন্ধত্ব এবং আমরা আসলে কীভাবে চিন্তা করি" (২০১১) === * আমাদের অধিকাংশ মানুষই জগতকে তার প্রকৃত অবস্থার চেয়ে বেশি কল্যাণকর হিসেবে দেখি, আমাদের নিজেদের গুণাবলিকে তার প্রকৃত রূপের চেয়ে বেশি ইতিবাচক মনে করি এবং আমাদের গ্রহণ করা লক্ষ্যগুলোকে সেগুলোর সফল হওয়ার সম্ভাবনার চেয়ে বেশি অর্জনযোগ্য বলে ধরে নিই। আমরা ভবিষ্যতের পূর্বাভাস দেওয়ার ক্ষমতার বিষয়েও বাড়িয়ে বলার প্রবণতা দেখাই, যা অতি-আত্মবিশ্বাসকে লালন করে। সিদ্ধান্তের ওপর প্রভাবের দিক থেকে বিচার করলে, এই আশাবাদী পক্ষপাত সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কগনিটিভ বায়াস বা জ্ঞানীয় পক্ষপাত হতে পারে। যেহেতু আশাবাদী পক্ষপাত একই সাথে একটি আশীর্বাদ এবং একটি ঝুঁকি, তাই আপনি যদি স্বভাবগতভাবে আশাবাদী হন তবে আপনার একই সাথে সুখী এবং সতর্ক হওয়া উচিত। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-24/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-1-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 1): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আশাবাদ একটি স্বাভাবিক বিষয়, তবে কিছু ভাগ্যবান মানুষ আমাদের বাকিদের চেয়ে বেশি আশাবাদী হন। আপনি যদি জন্মগতভাবে আশাবাদী পক্ষপাতের অধিকারী হন, তবে আপনি যে একজন ভাগ্যবান ব্যক্তি তা আপনাকে বলার প্রয়োজন পড়ে না আপনি নিজেই নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করেন। আশাবাদী মানুষরা আমাদের জীবনকে রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে অসম অনুপাতে বড় ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের সিদ্ধান্তগুলো পরিবর্তন নিয়ে আসে; তাঁরা সাধারণ মানুষ নন, বরং উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা, রাজনৈতিক এবং সামরিক নেতা। তাঁরা চ্যালেঞ্জ অন্বেষণ এবং ঝুঁকি গ্রহণের মাধ্যমেই আজকের অবস্থানে পৌঁছেছেন। তাঁরা মেধাবী এবং তাঁরা ভাগ্যবান ছিলেন, এবং প্রায় নিশ্চিতভাবেই তাঁরা যতটা স্বীকার করেন তার চেয়েও বেশি ভাগ্যবান ছিলেন। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-24/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-1-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 1): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * রহস্যটি হলো কীভাবে এমন একটি ধারণা, যা এত সুস্পষ্ট পাল্টা উদাহরণের মুখেও অরক্ষিত, তা এতদিন টিকে ছিল। এটি আমি কেবল পাণ্ডিত্যের একটি দুর্বলতা দিয়ে ব্যাখ্যা করতে পারি যা আমি প্রায়শই নিজের মধ্যেও লক্ষ্য করেছি। আমি একে 'তত্ত্ব-প্ররোচিত অন্ধত্ব' বলি: একবার আপনি একটি তত্ত্ব গ্রহণ করে ফেললে, এর ত্রুটিগুলো লক্ষ্য করা অসাধারণভাবে কঠিন হয়ে পড়ে। মনোবিজ্ঞানী ড্যানিয়েল গিলবার্ট যেমন লক্ষ্য করেছেন, অবিশ্বাস করা একটি কঠিন কাজ। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-25/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-2-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 2): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * মানুষের যত্ন নেওয়ার বিষয়টি প্রায়শই তাদের গল্পের গুণমানের প্রতি উদ্বেগের রূপ নেয়, তাদের অনুভূতির প্রতি নয়। প্রকৃতপক্ষে, আমরা এমনকি এমন সব ঘটনা দিয়েও গভীরভাবে বিচলিত হতে পারি যা মৃত ব্যক্তিদের গল্পকেও বদলে দেয়। আমরা এমন একজন ব্যক্তির জন্য করুণা বোধ করি যিনি তাঁর স্ত্রীর ভালোবাসায় বিশ্বাস রেখে মারা গেছেন, অথচ পরে আমরা জানতে পারি যে তাঁর স্ত্রীর বহু বছরের প্রেমিক ছিল এবং তিনি কেবল টাকার জন্য স্বামীর সাথে ছিলেন। স্বামীটি একটি সুখী জীবন যাপন করা সত্ত্বেও আমরা তাঁর জন্য করুণা বোধ করি। আমরা এমন একজন বিজ্ঞানীর অপমান অনুভব করি যাঁর আবিষ্কার তাঁর মৃত্যুর পর মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে, যদিও তিনি নিজে সেই অপমান অনুভব করেননি। সবচেয়ে বড় কথা, আমরা সবাই আমাদের নিজেদের জীবনের আখ্যান বা বর্ণনার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন এবং আমরা আন্তরিকভাবে চাই যে এটি একটি ভালো গল্প হোক, যার নায়ক হবে একজন মার্জিত ব্যক্তি। ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-27/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-4-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 4): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * <p>আপনার পরবর্তী ছুটি নিয়ে একটি পরীক্ষা আপনাকে আপনার 'অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তার' প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি পর্যবেক্ষণ করতে সাহায্য করবে: ছুটির শেষে সমস্ত ছবি এবং ভিডিও ধ্বংস করে দেওয়া হবে। এছাড়া, আপনি এমন একটি পানীয় পান করবেন যা ওই ছুটির সমস্ত স্মৃতি আপনার মন থেকে মুছে ফেলবে। এটি আপনার ছুটির পরিকল্পনাকে কীভাবে প্রভাবিত করবে? একটি স্বাভাবিক স্মৃতিময় ছুটির তুলনায় এই ছুটির জন্য আপনি কতটুকু খরচ করতে রাজি হবেন? আমার ধারণা হলো যে, স্মৃতির বিলুপ্তি অভিজ্ঞতার মূল্যকে অনেকাংশেই কমিয়ে দেয়। </p><p>একটি যন্ত্রণাদায়ক অপারেশনের কথা কল্পনা করুন যেখানে আপনি ব্যথায় চিৎকার করবেন এবং সার্জনকে থামার জন্য মিনতি করবেন। তবে আপনাকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে যে এমন একটি অ্যামনেসিয়া-প্ররোচিত ওষুধ দেওয়া হবে যা ওই ঘটনার সমস্ত স্মৃতি মুছে ফেলবে। এখানেও আমার পর্যবেক্ষণ হলো যে, অধিকাংশ মানুষই তাদের অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তার ব্যথার বিষয়ে আশ্চর্যজনকভাবে উদাসীন থাকে। কেউ কেউ বলেন যে তারা মোটেও পরোয়া করেন না। অন্যরা আমার অনুভূতির সাথে একমত হন, যা হলো আমি আমার যন্ত্রণাকাতর সত্তার জন্য করুণা বোধ করি ঠিকই, কিন্তু তা ব্যথায় থাকা একজন অপরিচিত ব্যক্তির প্রতি অনুভবের চেয়ে বেশি কিছু নয়। </p><p>'''আমি হলাম আমার 'স্মৃতি ধারণকারী সত্তা', আর আমার যে 'অভিজ্ঞতা গ্রহণকারী সত্তা' আমার জীবনটা যাপন করে, সে আমার কাছে একজন অপরিচিত মানুষের মতো।'''</p> ** {{cite news|url=http://www.bloomberg.com/news/2011-10-27/bias-blindness-and-how-we-truly-think-part-4-daniel-kahneman.html |title=Bias, Blindness and How We Truly Think (Part 4): Daniel Kahneman |work=bloomberg.com|date=২৪ অক্টোবর ২০১১ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} == ড্যানিয়েল কানেমান সম্পর্কে উক্তি == * ড্যানির কাজের একটি বিশাল অংশ হলো আমরা কীভাবে চিন্তা করি এবং আমরা কতটা গভীরভাবে অযৌক্তিক হতে পারি তা নিয়ে। সেটিও ব্যবসাক্ষেত্রকে বদলে দিচ্ছে, যদিও তা খুব ধীরগতিতে; আর এটিই তাঁর নতুন বইটির দশ লক্ষ কপি বিক্রির কারণ ব্যাখ্যা করে। তবে, ইতিহাসের বিশাল প্রেক্ষাপটে আমার ধারণা তিনি সেই ব্যক্তি হিসেবেই সবচেয়ে বেশি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন, যিনি সুখকে একটি সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে গিয়েছেন। ** [[w:রিচার্ড লেয়ার্ড, ব্যারন লেয়ার্ড|রিচার্ড লেয়ার্ড]], {{cite news|url=http://www.theguardian.com/science/2014/feb/16/daniel-kahneman-thinking-fast-and-slow-tributes |title=Daniel Kahneman changed the way we think about thinking. But what do other thinkers think of him? |work=দ্য গার্ডিয়ান|date=১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ |accessdate=১৫ মে ২০১৪}} * আমি ড্যানিয়েল কানেমানকে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী জীবিত মনোবিজ্ঞানী বলে অভিহিত করেছি এবং আমি বিশ্বাস করি এটি সত্য। তিনি প্রায় একাই আচরণগত অর্থনীতির ক্ষেত্রটি তৈরি করেছেন এবং জ্ঞানীয় মনোবিজ্ঞান ও সামাজিক মনোবিজ্ঞানের বড় একটি অংশে বিপ্লব ঘটিয়েছেন। তাঁর মূল বার্তাটি এর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারত না তা হলো, মানুষের বিচারবুদ্ধিকে যদি তার নিজের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয় তবে তা অনেক ধরণের ভ্রান্তি এবং পদ্ধতিগত ত্রুটির জালে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা দেখায়; তাই আমরা যদি আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে এবং সমাজ হিসেবে আরও ভালো সিদ্ধান্ত নিতে চাই, তবে আমাদের এই পক্ষপাতগুলো সম্পর্কে সচেতন হতে হবে এবং বিকল্প পথ খুঁজতে হবে। এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার। ** স্টিভেন পিঙ্কার "ড্যানিয়েল কানেমান চেঞ্জড দ্য ওয়ে উই থিংক অ্যাবাউট থিংকিং। বাট হোয়াট ডু আদার থিংকার্স থিংক অফ হিম?," ''দ্য অবজারভার,'' ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। == বহিঃসংযোগ == {{Wikipedia|ড্যানিয়েল কানেমান|ড্যানিয়েল কানেমান}} * [[w:টেড (সম্মেলন)|টেডে]] ["অভিজ্ঞতা বনাম স্মৃতির ধাঁধা" বিষয়ের ওপর বক্তৃতা], ফেব্রুয়ারি ২০১০ {{DEFAULTSORT:কানেমান, ড্যানিয়েল}} [[বিষয়শ্রেণী:১৯৩৪-এ জন্ম]] [[বিষয়শ্রেণী:২০২৪-এ মৃত্যু]] [[বিষয়শ্রেণী:অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিবিদ]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মনোবিজ্ঞানী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসরায়েলি ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন ইহুদি]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাস্তিক]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী]] [[বিষয়শ্রেণী:তেল আবিবের ব্যক্তিত্ব]] [[বিষয়শ্রেণী:মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ইসরায়েলের নোবেল বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম বিজয়ী]] [[বিষয়শ্রেণী:ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী]] [[বিষয়শ্রেণী:প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ]] a26zvktkgp9nuipt67zuywivptf5uyk আলাপ:ড্যানিয়েল কানেমান 1 12968 78862 2026-04-20T09:05:04Z Sumanta3023 4175 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78862 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm বিষয়শ্রেণী:গণবিধ্বংসী অস্ত্র 14 12969 78870 2026-04-20T09:50:11Z Oindrojalik Watch 4169 "* গণবিধ্বংসী অস্ত্র" দিয়ে পাতা তৈরি 78870 wikitext text/x-wiki * গণবিধ্বংসী অস্ত্র p0x2b7ejet54vdmw2bdid0ogzn4cqhi বিষয়শ্রেণী:সামরিক ইতিহাস 14 12970 78872 2026-04-20T09:51:20Z Oindrojalik Watch 4169 "* সাম্রিক ইতিহাস" দিয়ে পাতা তৈরি 78872 wikitext text/x-wiki * সাম্রিক ইতিহাস kon25l2dtwc2g3gg2rwd80v0k57ocwk 78873 78872 2026-04-20T09:51:46Z Oindrojalik Watch 4169 78873 wikitext text/x-wiki * সামরিক ইতিহাস cvtlcj026p2sgguaootq8thu250x70c ব্যবহারকারী:Ridoy Khan Rid/খেলাঘর 2 12971 78878 2026-04-20T10:19:56Z Ridoy Khan Rid 4565 "<nowiki> [[Senior News Video Editor | Ridoy Khan Rid | Journalists|থাম্ব|alt=File:Ridoy Khan Rid|10px|বুড়ো আঙুল|alt=journalist, Ridoy Khan Rid, senior news video editor|senior news video editor|senior news video editor]] </nowiki>" দিয়ে পাতা তৈরি 78878 wikitext text/x-wiki <nowiki> [[Senior News Video Editor | Ridoy Khan Rid | Journalists|থাম্ব|alt=File:Ridoy Khan Rid|10px|বুড়ো আঙুল|alt=journalist, Ridoy Khan Rid, senior news video editor|senior news video editor|senior news video editor]] </nowiki> smfwvbva4afihu7p3icoxwfyq0juhr1 আলাপ:অরুণ শৌরি 1 12972 78895 2026-04-20T11:41:03Z ARI 356 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78895 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm আলাপ:পারমাণবিক অস্ত্র 1 12973 78896 2026-04-20T11:42:50Z Oindrojalik Watch 4169 https://fountain.toolforge.org/editathons/wqc2026 78896 wikitext text/x-wiki {{ব্যবহারকারী:MS Sakib/আলাপ পাতা}} s00lejnpdlmgehij1azh4gp8akjfjgm